অধ্যায় ও পরিচ্ছেদ তালিকা সর্বমোট হাদিস | হাদিসের ব্যাপ্তি
১. মুকাদ্দিমাহ (المقدمة) ৩২ টি | ১-৩২ পর্যন্ত
  • ১. আল্লাহ তা’য়ালার হামদ্ (প্রশংসা) দ্বারা শুরু করার বিষয়ে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে
  • ২. সুন্নাহকে আঁকড়ে ধরা এবং এ সংশ্লিষ্ট বর্ণনা ও আদেশ-নিষেধ
  • ৩য় ভাগ
  • ৪র্থ ভাগ
  • ২. কিতাবুল ওহী (كتاب الوحي) ১২ টি | ৩৩-৪৪ পর্যন্ত ৩. কিতাবুল ইসরা [ও মে’রাজ] (الإسراء) ১৬ টি | ৪৫-৬০ পর্যন্ত ৪. কিতাবুল ঈলম (كتاب العلم) ৬৭ টি | ৬১-১২৭ পর্যন্ত
  • ১. সুন্নাহ তথা হাদীস মুখস্ত করা ছেড়ে দিয়ে শুধু লিখার উপর নির্ভর করে বসে থাকার আশঙ্কায় সুন্নাহ বা হাদীস লিখার নিষেধাজ্ঞা:
  • কোন লোকের প্রশ্নের জবাব ইশারা-ইঙ্গিতে দেওয়া জায়েয, যদিও সেটি সেই অবস্থায় লোকটির প্রশংসাজ্ঞাপক না হয়
  • আলিমের জন্য আবশ্যক হলো, তার ইলমের অহঙ্কার পরিত্যাগ করা এবং সকল অবস্থায় আল্লাহর তা’আলার প্রতি মুখাপেক্ষীতা অবলম্বন করা- এ সংক্রান্ত বর্ণনা
  • প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাব দান কালে আলিম কর্তৃক সাদৃশ্যতা ও কিয়াস তথা তুলনা বা যুক্তির মাধ্যমে জবাব দান করার বৈধতার দলীল সংক্রান্ত বর্ণনা
  • প্রশ্নকারীর প্রশ্নের জবাব তৎক্ষণাৎ না দিয়ে জবাবদান পিছিয়ে দেওয়ার জন্য জিজ্ঞাসিত ব্যক্তিকে অব্যহতি দান মুবাহ (জায়িয) হওয়ার দলীল সংক্রান্ত বর্ণনা
  • কোন বিষয়ে আলিমকে প্রশ্ন করা হলে তার উত্তর প্রদান কিছু সময়ের জন্য স্থগিত রাখা এবং পরবর্তীতে শুরুতেই তার উত্তর প্রদান আলিমের জন্য জায়িয হওয়ার বর্ণনা
  • আলিম কর্তৃক শিক্ষার্থীদের কে প্রশ্ন ছুঁড়ে দেওয়া, যার উদ্দেশ্য হলো তাদেরকে শুরুতে সেটা শিক্ষা এবং অনুরূপ বিষয়ে উৎসাহিত করা- এ বিষয়টির বৈধতার দলীল সংক্রান্ত বর্ণনা
  • রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একেক সময় একেক অবস্থা প্রকাশ পেত, যাতে তিনি সেই অবস্থার হুকুম (শরয়ী বিধান) উম্মাতকে জানাতে পারেন, যদিও সেটি পরবর্তীতে তাঁর উপর ওহী করা হতো- এ সংক্রান্ত বর্ণনা
  • শিক্ষার্থীর জন্য তার শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকের উপর আপত্তি করা জায়িয হওয়ার দলীল সংক্রান্ত বর্ণনা
  • কোন জিনিস সম্পর্কে জানা থাকা সত্বেও প্রশ্ন করা জায়েয, তবে এর দ্বারা উপহাস করা যাবে না
  • দ্বীন ইসলামে যে বিষয়গুলো প্রকাশ করা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, সেসবের পিছে না পড়া আবশ্যক হওয়া প্রসঙ্গে
  • বিশুদ্ধ নিয়তে কোন ব্যক্তি তার উত্তম ইলম অন্যের কাছে প্রকাশ করতে পারে- এই ব্যাপারে হাদীস
  • যে ব্যক্তি মানুষকে হেদায়েত কিংবা গোমরাহীর দিকে আহবান করে, অতঃপর মানুষ তার আহবানে সাড়া দেয়, সেই ব্যক্তির বিধান
  • আলিম ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো মানুষকে আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না করা
  • আলিম ব্যক্তির জন্য আল্লাহর কিতাব লিপিবদ্ধ করা বৈধ
  • কুরআন শিক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান, যদিও সে ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে শিক্ষা করতে না পারে
  • কুরআন শিক্ষা করা ও তদনুযায়ী আমল করা ওয়াজিব, বিশেষত ফিতনার সময়ে
  • যে কুরআন নিজে শিক্ষা করে এবং অন্যকে শিক্ষা দেয়, সে শ্রেষ্ঠ মানুষদের অন্তর্ভূক্ত
  • কুরআন শিক্ষা দেওয়ার পাশাপাশি তা ধরে রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়ার নির্দেশ
  • সুন্দর আওয়াজে কুরআন না পড়ার ব্যাপারে ধমকি
  • যাকে ঈমান ও কুরআন উভয়টি প্রদান করা হয়েছে অথবা যে কোন একটি প্রদান করা হয়েছে, তার বিবরণ
  • কুরআন ধারণকারী পথভ্রষ্ট হবে না
  • যে ব্যক্তি কুরআন অনুসরণ করবে সে হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে আর যে ব্যক্তি কুরআন পরিত্যাগ করবে সে পথভ্রষ্ট হবে
  • যে ব্যক্তি আমলের মাধ্যমে কুরআন অনুসরণীয় বানাবে, কুরআন তাকে জান্নাতের দিকে পরিচালিত করবে আর যে ব্যক্তি আমল না করে কুরআনকে পেছনে রেখে দিবে, তবে কুরআন তাকে জাহান্নামের দিকে পরিচালিত করবে
  • যাকে কুরআন দেওয়া হয়েছে অতঃপর সে ব্যক্তি তা দিয়ে দিবারাত্রি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তার ব্যাপারে ঈর্ষা করা বৈধ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য: “অতঃপর সে ব্যক্তি দিবারাত্রি তা খরচ করে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সে ব্যক্তি সাদাকা করে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে খোলাফা রাশিদীন এবং প্রবীণ সাহাবীদের নিকট ওযূ ও সালাত সংক্রান্ত কোন বিধান গোপন থাকতে পারে না - তার এই কথা অপনোদনে হাদীস
  • ৫. কিতাবুল ঈমান (كِتَابُ الْإِيمَانِ) ১৪৩ টি | ১২৮-২৭০ পর্যন্ত
  • স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য
  • আমরা যে তিনটি বিষয় উল্লেখ করেছি, সেগুলোর মাঝে পারস্পরিক সম্পর্ক
  • যারা বলেন যে, হাদীসটি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের কথা অপনোদনে হাদীস
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বক্তব্য “তারা (বেঁচে থাকলে) কী আমল করতো, তা আল্লাহ সম্যক অবগত”, “প্রতিটি শিশু ইসলামের সহজাত চেতনা-বৈশিষ্ট্যের উপর জন্ম গ্রহন করে” তাঁর এই বক্তব্যের পরে ছিল- এই মর্মে সুষ্পষ্ট হাদীস
  • “মুশরিকদের সন্তানরা কি তোমাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ নয়?” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বক্তব্যের কারণ
  • ইলমে হাদীস বিষয়ে যিনি ভালভাবে জ্ঞান অর্জন করেননি এমন ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
  • ইলমে হাদীস বিষয়ে যিনি মজবুত জ্ঞান অর্জন করেননি এমন ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “ওরা তাদেরই অন্তর্ভূক্ত। ”পরবর্তীতে তিনি মুশরিকদের শিশুদের হত্যা করতে নিষেধ করেন মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
  • ইলমে হাদীস বিষয়ে যিনি চোখ বন্ধ রাখে এবং অন্য ইলমে নিজেকে নিয়োজিত রাখে এমন ব্যক্তিকে নিম্নোক্ত হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
  • শরীয়তের দায়-দায়িত্ব - মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সাধ্যাতিত কাজের দায়িত্ব দেন না, এই মর্মে বর্ণিত হাদীসসমূহ
  • “দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই” (সূরা আল বাকারা: ২৫৬) আয়াতটি যে অবস্থায় নাযিল হয়, তার বর্ণনা
  • যে ফরযকে আল্লাহ তা‘আলা নফল হিসেবে নির্ধারণ করেন, হতে পারে সেটাকে তিনি দ্বিতীয় বার ফরয করে দিবেন, ফলে যে কাজটি প্রথমে ফরয ছিল, সেটা শেষাবধি আবার ফরয হিসেবে গণ্য হবে
  • ঐ কারণের বিবরণ, যে কারণ না থাকলে গোনাহ লিখার কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়
  • দ্বিতীয় হাদীস যা আমাদের উল্লেখিত বিষয়কে সুস্পষ্টভাবে প্রমাণ করে
  • আমরা পূর্বের দুটো হাদীস ব্যাখ্যা করেছি যে, যাদের থেকে কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে বস্তুত তাদের পাপ লিখনের কলম উঠিয়ে নেওয়া হয়েছে; সাওয়াব লিখনের কলম নয়- এর প্রমাণে হাদীস
  • যে ব্যক্তি মনে এমন কিছু উদিত হয় যা মুখে উচ্চারণ করা জায়েয নেই- এমন ব্যক্তির থেকে আল্লাহ পাপ উঠিয়ে নিয়েছেন মর্মে হাদীস
  • সহীহ হাদীস বিষয়ে যার পান্ডিত্ব নেই এবং হাদীসের মর্ম যিনি গভীরভাবে অনুধাবন করে না তাকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমরা মনে যা উদিত হওয়ার কথা বললাম, খোদ সেটার উপস্থিতিই হলো নির্ভেজাল ঈমান
  • মানুষের জন্য এটা বৈধ যে তার অন্তরে শয়তানের ওয়াসওয়াসা আসলে তা অন্তর দিয়ে বিশ্বাস না করে তা প্রত্যাখ্যান করবে
  • যে ব্যক্তি পূর্বে উল্লেখিত বিষয় অন্তরে অনুভব করে এবং যিনি মনে মনে তা চিন্তা করে উভয় ব্যক্তির হুকুম একই
  • আমাদের উল্লেখিত বিষয়ের বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • শয়তানের ওয়াসওয়াসার সময় আল্লাহর একাত্ববাদ ও তাঁর মনোনিত বান্দা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালাতের স্বীকারক্তি দেওয়ার নির্দেশ
  • ঈমানের ফযিলত - যে ব্যক্তি ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলবে সে জান্নাতে যাবে তার বিবরণ
  • শ্রেষ্ঠ আমল আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা
  • আবু যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত ‘ওয়াও’ (এবং) সংযুক্তির ওয়াও নয় বরং এটি সুম্মা (তারপর) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
  • ঈমানের ফরয
  • ঈমান ও ইসলাম একই জিনিসের দুই নাম এই মর্মে বর্ণনা
  • ঐ হাদীসের আলোচনা যে হাদীস প্রমাণ করে যে, ঈমান ও ইসলাম একই অর্থবোধক, এবং এই অর্থ যুগপৎভাবে বাচনিক ও কর্মগত আমলকে অন্তর্ভূক্ত করে
  • ঈমান ও ইসলাম একই অর্থবোধক দুটি নাম মর্মে হাদীস
  • ঐ হাদীসের বর্ণনা, যে হাদীস প্রমাণ করে যে, উল্লেখিত হাদীসের শব্দ আম তথা ব্যাপক কিন্তু উদ্দেশ্য খাস তথা নির্দিষ্ট; হাদীস দ্বারা উদ্দেশ্য কিছু লোক, সব লোক নয়
  • ঐ হাদীসের আলোচনা যেই হাদীস কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ঈমান ও ইসলামের মাঝে পার্থক্য রয়েছে
  • যে ব্যক্তি ইলমে হাদীস তার মূল উৎস থেকে গ্রহণ করেনি, তাকে যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয়, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত দু‘টি হাদীসের বিপরীত, সেই হাদীসের বিবরণ
  • যুগপৎভাবে দুই শাহাদাহ স্বীকৃতি দানকারী ব্যক্তির জন্য ঈমান সাব্যস্ত করা
  • ঈমানের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বিভিন্ন অংশ ও শাখা-প্রশাখা আছে
  • যারা ধারণা করে যে, হাদীসটি সুহাইল বিন আবী সালিহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের ধারণা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
  • ব্যাপক অর্থবোধক কিছু শাখা-প্রশাখাসহ ঈমানের বিবরণ
  • দ্বিতীয় হাদীস যা, ইলমে হাদীসে জ্ঞান মজবুত নয়, এমন ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, পুরো ঈমান হলো মুখে শাহাদাহ এর স্বীকৃতি দেওয়া; অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে আমল ঈমানের সাথে যুক্ত নয়
  • আমাদের যেসব ইমাম বলেন যে উক্ত হাদীস ইসলামের প্রথম যুগের মক্কার, যে সময় ইসলামের বিধি-বিধানগুলো অবতীর্ণ হয়নি- তাদের কথা অপনোদনকারী হাদীসের আলোচনা
  • যে হাদীস আলিম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ঈমান হলো এক আল্লাহকে স্বীকার করা; সৎকর্মগুলো ঈমানের শাখার অন্তর্ভূক্ত নয়
  • ‘যে ব্যক্তি আল্লাহকে এক বলে জানবে, তাঁকে ছাড়া যা কিছুর উপাসনা করা হয়, সেসবকে অস্বীকার করবে’- রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা
  • আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস ও আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম থেকে বর্ণিত হাদীসে ঈমানের যে শাখা-প্রশাখা ও অংশ বর্ণিত হয়েছে এছাড়াও ঈমানের আরোপ শাখা-প্রশাখা রয়েছে, যা পরম বিশ্বস্ত জিবরীল ও মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফায়সালায় এসেছে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনিত সব কিছুর উপর বিশ্বাস করা ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনিত সব কিছুর উপর বিশ্বাস করা এবং তদনুযায়ী আমল করা ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
  • যে ব্যক্তি ঈমানের কোন অংশ বাস্তবায়ন করে, তার ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
  • যে ব্যক্তি ঈমানের কোন অংশের অংশ বাস্তবায়ন করে, তার ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
  • যে ব্যক্তি স্বীকৃতি দানের শাখা-প্রশাখার কোন একটি অংশের উপর আমল করবে, তার ক্ষেত্রে ‘ঈমান’ নাম ব্যবহার বিষয়ে আলোচনা
  • ঈমানের ‘জানা’ শাখার কোন একটি অংশের উপর আমলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে ‘ঈমান’ নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
  • এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করা, যাকে মানুষ তাদের জান-মালের ব্যাপারে নিরাপদ মনে করে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ঈমান একক বিষয়; এটি বাড়েও না, কমেও না- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বিবরণ
  • যে ব্যক্তি বলেন যে, সমস্ত মুসলিমের ঈমান একই; এতে কোন কম-বেশি নেই- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য: ‘যার অন্তরে সরিষার দানা পরিমান ঈমান আছে, তাকে তোমরা জাহান্নাম থেকে বের করো।’-এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যাদের অন্তরে কীরাত পরিমাণ ঈমান আছে, তাদেরকে জাহান্নাম থেকে বের করার পর, এদের জাহান্নাম থেকে বের করা হবে
  • যে হাদীস কোন আলিমকে সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত দুই হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • যে হাদীস ইলমে হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু বর্ণিত হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • জাহান্নামবাসীরা কয়লায় পরিণত হওয়ার পর শুভ্র হয়ে যাবে, জান্নাতবাসীরা তাদের উপর পানি ছিটা দিবেন- এই মর্মে বর্ণনা
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ঈমান সর্বদা একই অবস্থায় থাকে; তাতে কমতি বা কামালিয়াত প্রবেশ করে না- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
  • এমন শব্দ ব্যবহার করা যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পরিপূর্ণ নয় বরং অপরিপূর্ণ এমন জিনিসের সেই জিনিসের নাম ব্যবহারকে নাকচ করা; বাহ্যিকভাবে তার ভিত্তিতে হুকুম দেওয়া উদ্দেশ্য নয়- এই ব্যাপারে স্পষ্ট দ্বিতীয় হাদীস
  • পূর্বে উল্লেখিত অর্থকে সুস্পষ্টকারী তৃতীয় হাদীসের বিবরণ
  • আরবরা তাদের ভাষায় কোন জিনিসের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে তার নাম এর সাথে সম্পৃক্ত করে দেয় আবার কোন জিনিসের কামালিয়াত থেকে কমতি থাকার কারণে তার ক্ষেত্রে ঐ নাম ব্যবহার করাকে নাকচ করে- এই ব্যাপারে বিবরণ
  • আরেকটি হাদীস যা আমাদের উল্লেখিত কথার বিশুদ্ধতাকে স্পষ্ট করে দেয় যে, আরবরা কোন কোন সময় কোন জিনিসের অংশ বিশেষকে খোদ ঐ জিনিসের নামে অভিহিত করে থাকে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য ’কারণ সে মু‘মিনা।’ –এটি ঐ পর্যায়ের শব্দ, যেমনটা আমরা বলেছি যে, আরবরা যখন কোন জিনিসের অনেক শাখা-প্রশাখা ও অংশ থাকে, তখন কোন কোন অংশ ও শাখা-প্রশাখার ক্ষেত্রে ঐ পুরো জিনিসের নাম ব্যবহার করে থাকে, যদিও এই শাখা-প্রশাখা ও অংশ ঐ পুরো জিনিস নয়
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য: ‘ঈমানের সত্তরেরও বেশি দরজা রয়েছে।’ এর দ্বরা উদ্দেশ্য হলো ‘ঈমানের সত্তরেরও বেশি শাখা-প্রশাখা’
  • যে ব্যক্তি এমন কিছু কাজ সম্পন্ন করে, যা করার কারণে তার ঈমান হ্রাস পায়- এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার না করার বিষয়ে আলোচনা
  • উল্লেখিত হাদীসের আমরা যে ব্যাখ্যা করেছি, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • উল্লেখিত হাদীসগুলো দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কোন জিনিস পরিপূর্ণ না হওয়ার কারনে তার থেকে ঐ জিনিসের নাম ব্যবহার না করা- এর প্রমাণে হাদীস
  • উল্লেখিত হাদীসগুলোর অর্থ যা আমরা বলেছি যে, আরবরা কামেল না হলে সে ক্ষেত্রে তারা সেই নাম ব্যবহার করেন না আবার কামালিয়্যাতের কাছাকাছি হলে তার নাম ব্যবহার করেন- আমাদের উল্লেখিত বিষয়ের বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • যার হাত ও জবান থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকেন, তার জন্য ইসলাম সাব্যস্ত করা
  • যার হাত ও জবান থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকেন, তিনি উত্তম মুসলিম
  • যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করেন এমন অবস্থায় যে, সে আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করেনি এবং সে ঋণ ও অন্যায়ভাবে অন্যের সম্পদ আত্নসাৎ করা থেকে মুক্ত থাকে, তবে সে অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবেই
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দেয় সে ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম
  • যে ব্যক্তি অন্তর থেকে ইয়াকীনের সাথে আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে, কাজেই একনিষ্ঠভাবে স্বীকৃতি না দিয়ে শুধুমাত্র শাহাদাহ এর স্বীকৃতি দিলে তা জান্নাত অবধারিত করবে না- এই মর্মে বর্ণনা
  • জান্নাত ওয়াজিব হবে ঐ ব্যক্তির জন্য যা আমরা বলেছি যে, যে ব্যক্তি শাহাদাহ অন্তর থেকে ইয়াকীনের সাথে বলবে তারপর তার উপর মৃত্যুবরণ করবে
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্যের সাথে সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালাতের সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে
  • যে ব্যক্তি অন্তর থেকে ইয়াকীনের সাথে আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দিবে এবং রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালাতের সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে
  • নিশ্চয়ই জান্নাত ওয়াজিব হবে ঐ ব্যক্তির জন্য যেমনটা আমরা বর্ণনা করেছি যে, যে ব্যক্তি ইয়াকীনের সাথে সাক্ষ্য দিবে অতঃপর তার উপরই মৃত্যুবরণ করবে
  • আমরা যার বিবরণ দিলাম, যে ব্যক্তি তা মৃত্যুর সময় বলবে, তার আমলনামায় মহান আল্লাহ নূর দিবেন
  • আমরা পূর্বে যা বর্ণনা করলাম, যে বক্তি তা পালন করবে, মহান তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে দৃঢ় রাখবেন
  • আমরা পূর্বে যা বর্ণনা করলাম, যে বক্তি তা পালন করবে এবং সাথে সাথে জান্নাত ও জাহান্নামের স্বীকৃতি দান করবে ও ‘ঈসা আলাইহিস সালামের প্রতি ঈমান আনোয়ন করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে
  • যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়, তার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দু‘আ এবং যে ব্যক্তি তাঁর রিসালাতের সাক্ষ্য দেয় না, তার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বদ-দু‘আ
  • আল্লাহর একত্ববাদ সাক্ষ্য দেওয়ার সময় যে ব্যক্তি নাবী-রাসূলদের সত্যায়ন করে, জান্নাতে তাঁর অবস্থানের বিবরণ
  • নিশ্চয়ই জান্নাত ওয়াজিব হবে ঐ ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি আমাদের বর্ণিত ঈমানের শাখা অনুযায়ী সাক্ষ্য দিবে এবং সাথে সাথে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে অন্যান্য আমল করবে; এমন নয় যে, যে ব্যক্তি আমল না করে শুধু মৌখিক স্বীকারোক্তি দিবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হবে
  • যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এমন অবস্থায় যে সে আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করেনি, তার জন্য সুপারিশ অবধারিত
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করে অতঃপর তার উপর অটল-অবিচল থাকে, মহান আল্লাহ তার জন্য জান্নাত লিপিবদ্ধ ও অবধারিত করে দিবেন
  • জান্নাত ওয়াজিব ঐ ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এমন অবস্থায় যে, সে আল্লাহর সাথে কোন সমকক্ষ নির্ধারণ করেনি
  • মহান আল্লাহ কোন কোন ক্ষেত্রে মুসলিম ব্যক্তি ও তার হত্যাকারী কাফির ব্যক্তিকে জান্নাতে একত্রিত করবেন, যখন সেই ব্যক্তি পরবর্তীতে ইসলাম গ্রহণ করেন এবং সঠিক পথে অটল থাকেন
  • মহান আল্লাহ কর্তৃক তাঁর মনোনিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে মানুষের সাথে যুদ্ধ করার নির্দেশ যতক্ষণ না তারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনোয়ন করে
  • কোন কোন সময় কোন অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলিমের কাছেও কোন ইলম গোপন থাকতে পারে, যা তাঁর চেয়ে বড় আলিমের জানা থাকে- এই মর্মে বর্ণনা
  • একজন ব্যক্তি আল্লাহকে স্বীকার করার মাধ্যমে তার জান-মাল রক্ষা করতে পারে, যখন সে ব্যক্তি তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালাতের সাক্ষ্য দেয়
  • একজন ব্যক্তি উল্লেখিত দুই শাহাদাহ স্বীকার করে তার জান-মাল নিরাপদ করতে পারে, যখন সে অন্যান্য ফরযসমূহ প্রতিষ্ঠা করার মাধ্যমে দুই শাহাদাহকে প্রতিষ্ঠিত করবে
  • একজন ব্যক্তি তার জান-মাল নিরাপদ করতে পারবে, যখন সে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনিত সমস্ত বিধানের প্রতি ঈমান আনবে এবং তদনুযায়ী আমল করবে শুধু শুধু উল্লেখিত শাহাদাহর উপর নির্ভর করে থাকবে না
  • যেই হাদীস শ্রোতাকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, যে ব্যক্তি শাহাদাহ নিয়ে আল্লাহর সাথে সাক্ষাত করবে, সর্বাবস্থায় তার জন্য জাহান্নামে প্রবেশ করা হারাম হবে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য: “এই সাক্ষ্যদ্বয় তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করবে”- এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যদি সে এমন কিছু না করে যার কারণে তার জাহান্নামে প্রবেশ করা অবধারিত হয় এবং মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করার মাধ্যমে অনুগ্রহ করে না থাকে
  • যে ব্যক্তি কোন এক অবস্থায় একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন
  • যার অন্তরে ঈমানের নূন্যতম একটি শাখা থাকবে, তাকে মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে চিরস্থায়ী জাহান্নামী করবেন না
  • মহান আল্লাহ তা‘আলা তাঁর ও তাঁর রাসূলের সাক্ষ্য দেওয়ার কারণে কোন কোন সময় নিজ অনুগ্রহে তাঁর বান্দাদের মধ্যে যাকে ভালবাসেন, তার পাপরাশি ক্ষমা করে দিবেন, যদিও তার এমন অতিরিক্ত নেকি থাকে না, যা তার পাপসমূহ মোচন করতে পারে
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করবে না, মহান আল্লাহ তাকে নিজ অনুগ্রহে তার সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন, যে গোনাহগুলো তার ও তার রবের মাঝে ছিল
  • আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানদের মাঝে যারা ইসলাম গ্রহণ করবে, তাদেরকে মহান আল্লাহ দ্বিগুণ সাওয়াব দান করবেন
  • যে ব্যক্তি তার ইসলাম সুন্দর করবে, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তার নেকীসমূহ বহুগুণে বাড়িয়ে দিবেন
  • মু‘মিনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
  • মুসলিমদের পরস্পরে সহযোগিতা করা এমন উপকরণের অন্তর্ভূক্ত যা তাদেরকে স্রষ্টার নিকটবর্তী করে দেয়
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মু‘মিনদের প্রাসাদের সাথে সাদৃশ্য দিয়েছেন, যার একাংশ অপরাংশকে আঁকড়ে ধরে
  • মুসলিমদের পারস্পরিক আবশ্যিক দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দৃষ্টান্ত পেশ
  • যে ব্যক্তি নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্য তা পছন্দ করে না- তার ঈমানকে নাকচ করা
  • যে ব্যক্তি নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্য তা পছন্দ করে না- তার ঈমানকে নাকচ করার উদ্দেশ্য হলো প্রকৃত ঈমানকে নাকচ করা; খোদ ঈমানকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নয় আর ‘তার ভাইয়ের জন্য ভালবাসবে’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার জন্য কল্যাণকর বিষয়কে পছন্দ করবে; অকল্যাণকর বিষয় পছন্দ করবে না
  • যারা আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসে না, তাদের থেকে ঈমানকে নাকচ করা
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোন কওমকে ভালবাসে, তার জন্য ঈমানের মিষ্টতার উপস্থিতি সাব্যস্তকরণ সম্পর্কে আলোচনা
  • এক মুসলিম ব্যক্তির উপর তার অপর মুসলিম ভাইয়ের যেসব হক আদায় করা ওয়াজিব
  • উল্লেখিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য নয়
  • আবু মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য নয়
  • সা‘ঈদ বিন মুসায়্যিব রহিমাহুল্লাহর হাদীসে বর্ণিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য নয়
  • যে হাদীসে মুসলিমদেরকে বৃক্ষের সাথে সাদৃশ্য দেওয়া হয়েছে, সে হাদীসের বিবরণ
  • যে গাছের সাথে মুসলিমদের সাদৃশ্য দেওয়া হয়েছে, সেই গাছের বিবরণ
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • পবিত্র জিনিস ভক্ষণ করা ও পবিত্র জিনিস বের করার ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মু‘মিন ব্যক্তিকে মৌমাছির সাথে দৃষ্টান্ত পেশ করা
  • যে ব্যক্তি মানুষকে কাফির বলবে, সে অবশ্যই কাফির হয়ে যাবে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্ক্তব্য ’তবে সেই কুফরির বিষয়টি তাদের যে কোন একজনের উপর বর্তাবে’ এর বিবরণ
  • শিরক ও নিফাক সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে - যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য সমকক্ষ সাব্যস্ত করবে, সে নিশ্চিতভাবেই জাহান্নামে যাবে
  • ইসলাম শিরকের বিপরীত এই মর্মে হাদীস
  • আল্লাহর সাথে শিরকের ক্ষেত্রে ‘যুলম’ নাম ব্যবহার
  • যে ব্যক্তি নিফাকের কোন একটি অংশ বাস্তবায়ন করবে, তার ক্ষেত্রে নিফাক নাম ব্যবহার
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন মুর্রাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটির বক্তব্য অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি তিন জুমু‘আর সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকে, তার ক্ষেত্রে অনির্দিষ্টভাবে নিফাক শব্দ ব্যবহার
  • সূর্য যখন শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝে অবস্থান করে, যে ব্যক্তি আসরের সালাত সেই সময় বিলম্বিত করে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিফাক নাম ব্যবহার
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি ‘আলা বিন আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার বক্তব্য অপনোদনে হাদীস
  • সূর্যের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত যে ব্যক্তি আসরের সালাত বিলম্ব করে, তার ক্ষেত্রে মুনাফিক নাম ব্যবহার
  • সূর্যের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত আসরের সালাত বিলম্ব করে আদায় করা মুনাফিকের সালাত
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • মুসলিমদের সাথে মুনাফিকদের আচরণের বিবরণ
  • আল্লাহর সিফাত বা বিশেষণ সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে - আল্লাহর সিফাত তাঁর মর্যাদার সাথে যেমন সামঞ্জস্যশীল, তেমনই; তাঁর সিফাত মাখলূকাতের সিফাতের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ নয়
  • যে সব সিফাত মাখলূকাতের দিকে সম্পর্কিত করা হলে, মাখলূকাতের জন্য ত্রুটি হিসেবে গণ্য হয়, সেসব সিফাতকে মহান সৃষ্টিকর্তার দিকে সম্পর্কিত করা জায়েয নয়
  • যেই হাদীসের মাধ্যমে বিদ‘আতীরা আমাদের ইমামদের দোষারোপ করেন অথচ তাদেরকে সেই হাদীসের অর্থ অনুধাবনের তাওফীক দেওয়া হয়নি
  • এই জাতীয় শব্দগুলো মানুষ যা চিনে-জানে তার ভিত্তিতে উদাহরণ হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে; এর বাহ্যিক অর্থ উদ্দেশ্য নয়-এই মর্মে হাদীস
  • ৬. সদাচারণ ও ন্যায়নিষ্ঠতা সংশ্লিষ্ট কিতাব (كِتَابُ الْبِرِّ وَالْإِحْسَانِ) ৩৩৮ টি | ২৭১-৬০৫ পর্যন্ত
  • সততা, সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ সংক্রান্ত অধ্যায়
  • কোন মানুষ সদাসর্বদা সত্য কথা বললে, মহান আল্লাহ তাকে সিদ্দীকীনদের মধ্যে লিপিবদ্ধ করেন
  • যারা সব সময় সত্য কথা বলেন, তাদের জান্নাতে প্রবেশ করার আশা
  • সত্য বলায় অভ্যস্থ হওয়া ও মিথ্যার উপকরণ থেকে দূরে থাকা ওয়াজিব
  • মানুষ অপছন্দ করলেও হক কথা বলা ওয়াজিব
  • যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে আল্লাহকে সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, তার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টি
  • সৃষ্টিজীব নারায হলেও আল্লাহকে সন্তুষ্ট করা মানুষের জন্য ওয়াজিব এই মর্মে হাদীস
  • যখন কোন ব্যক্তি কোন অন্যায় কাজ দেখবে বা অন্যায় বুঝতে পারবে, নিজেকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দেওয়ার মত পরিস্থিতি না হলে হক কথা না বলে চুপ থাকার ব্যাপারে ধমকি
  • দুনিয়াতে শাসকদের নিকটে হক কথার কারণে কিয়ামতের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে হাওযে কাওসারে অবতরণ করবে
  • দুনিয়াতে শাসকদের নিকট হক কথা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার আশা সম্পর্কে আলোচনা
  • আমরা যা বললাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • যে ব্যক্তি শাসকদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে, সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন হাওযে কাওসারে অবতরণ করতে পারবে না
  • যে ব্যক্তি শাসকদেরকে তাদের যুলমের কাজে সহযোগিতা করবে অথবা তাদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে, সে ব্যক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর হাওযে কাওসারে অবতরণ করতে পারবে না
  • শাসকদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করা, তাদের যুলমের কাজে সাহায্য করার ব্যাপারে ধমকী কারণ যে ব্যক্তি এমন করবে সে ব্যক্তি হাওযে কাওসারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে আসতে পারবে না। মহান আল্লাহর কাছে পানাহ চাই।
  • শাসকদের মিথ্যা সত্যায়ন করা অথবা তাদের যুলমের কাজে সহযোগিতা করার ব্যাপারে ধমকী
  • যে ব্যক্তি শাসকদের মিথ্যা সত্যায়ন করা ও তাদের যুলমের কাজে সহযোগিতা করার জন্য শাসকদের কাছে গমন করে তার ব্যাপারে কঠোর বাণী
  • যে ব্যক্তি শাসকদের নিকট গমন করে এমন কথা বলে, যার অনুমোদন আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দেননি, সে ব্যক্তির প্রতি আল্লাহর অসন্তুষ্টি অবধারিত
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো তার উর্দ্ধতন, সমপর্যায় ও নিম্ন পর্যায়ের ব্যক্তিদের সৎ কাজের আদেশ দেওয়া, যখন এর দ্বারা উদ্দেশ্য হবে কল্যাণকামিতা; কাউকে নিন্দা করা নয়
  • সৎকাজের আদেশকারীকে মহান আল্লাহ তদনুযায়ী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন, এতে আমলকারীর সাওয়াবের কোন কমতি হয় না
  • ইসলামী রাষ্ট্রে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করার মাধ্যমে আল্লাহর শত্রু কাফিরদের উপর আল্লাহর সাহায্য নিজের উপর হালাল করে নেওয়া আবশ্যক
  • নিষিদ্ধ কাজ সংঘটিত হওয়ার সময় গাইরাত বা আত্নমর্যাদাবোধ আকড়ে ধরা আবশ্যক
  • আদম সন্তানের চেয়ে আল্লাহর আত্নমর্যাদাবোধ অধিক প্রকট
  • যে কারণে মহান আল্লাহর গাইরাত হয়
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • যে গাইরাত আল্লাহ পছন্দ করেন আর যে গাইরাত অপছন্দ করেন
  • যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর জন্য রেগে না যায়, সে ব্যক্তির জন্য আল্লাহর ক্রোধ থেকে নিরাপদ থাকার আশা করা যায়
  • আল্লাহর সীমা পালনকারী ও তা লঙ্ঘনকারীর বিবরণ
  • আল্লাহর সীমা পালনকারী ও তা লঙ্ঘনকারী ব্যক্তিদেরকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গভীর সমুদ্রে সফরকারী ব্যক্তিদের সাথে উপমা দিয়েছেন
  • যখন কোন ব্যক্তি ত্রুটিমুক্তভাবে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করে, তখন মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকা লিখে দেন
  • যারা সক্ষমতা থাকা সত্তেও সৎ কাজের আদেশ করে না, অসৎ কাজে নিষেধ করে না, তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে ব্যাপক শাস্তির উপযুক্ত হবে
  • সাধারণ মানুষকে সৎ কাজের আদেশ দেওয়া অসৎ কাজে নিষেধ করা মুস্তাহাব, তবে শাসকদের এমন করতে গেলে যদি জীবনের উপর ঝুঁকি আসে, তাহলে তা করা মুস্তাহাব নয়
  • যে ব্যক্তি পাপ কাজ প্রতিহত করার ক্ষমতা থাকা সত্তেও তা প্রতিহত করে না, তার উপর আল্লাহর শাস্তির সম্ভাবনা
  • জবান দিয়ে অন্যায় প্রতিহত না করে কঠোরভাবে হাত দিয়ে প্রতিহত করা জায়েয, যখন এর মাধ্যমে সীমালঙ্ঘন করা না হবে
  • যখন মন্দ ও যুলম আত্নপ্রকাশ করে, তখন জানা ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো তা প্রতিহত করা যাতে এর কারণে তাদের উপর ব্যাপকভাবে শাস্তি নেমে না আসে
  • মর্যাদাবান ও আলিম ব্যক্তিও কোন কোন সময় কুরআতের আয়াত ব্যাখ্যায় ভুল করতে পারেন
  • কোন মন্দ কাজ দেখলে বা জানলে তা নিষেধ করার বিবরণ
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি তারিক বিন শিহাব এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • অধ্যায়: সৎ কাজ ও তার সাওয়াব - প্রতিটি সৎ আমলকারীকে ঐ আমলের দরজা থেকে জান্নাতে ডাকা হবে
  • সৎকাজের ক্ষেত্রে কুনূত শব্দ ব্যবহার করা সংক্রান্ত হাদীস
  • প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো উপকরণের ক্ষেত্রে সৎকাজে নিজেকে অভ্যস্থ করে তোলা
  • আল্লাহর শুকরিয়া আদায় করার ক্ষেত্রে উত্তম হলো শুধু মৌখিক যিকরে সীমাবদ্ধ না থেকে শুকরিয়া স্বরুপ অন্যান্য অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমেও সৎকাজ করা
  • যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষের উপস্থিতিতে সৎকাজ ছেড়ে দিয়েছেন
  • যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সৎকাজ ছেড়ে দিয়েছেন
  • অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাহায্যে আল্লাহর নি‘আমতের শুকরিয়া করা ওয়াজিব, বিশেষত নি‘আমত যদি কোন বিপদাপদের পর আসে
  • সিয়াম না রাখা ব্যক্তি যখন তার প্রতিপালকের শুকরিয়া আদায় করে, তখন তাকে মহান আল্লাহ ধৈর্যশীল সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো ফরযসমূহ পালন করা, সাথে সাথে নফল ইবাদত করা এবং নিজের ও পরিবারের হক আদায় করা
  • আমরা যে সুন্নাহর কথা উল্লেখ করলাম, তার ব্যতিক্রম করার ব্যাপারে কঠিন হুশিয়ারী
  • যে সব নফল ইবাদত জিহাদের সমতুল্য
  • কোন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ যে সৎকাজ করার তাওফিক দিয়েছেন, মানুষ যাতে তা অনুসরণ করতে পারে এজন্য তা প্রকাশ করা জায়েয তবে এর মাধ্যমে প্রশংসা কুড়িয়ে নিজের খাহেশাত পূরণ করা জায়েয নেই
  • একজন মানুষের উপর আবশ্যক হলো নফল ইবাদত পালন করার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের হক আদায় করা
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো সৎকাজে সদাসর্বদা লেগে থাকা
  • আল্লাহর কাছে প্রিয় আমল হলো যা মানুষ নিয়মিত পালন করে, যদিও তা পরিমাণে কম হয়
  • যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন বিভিন্ন প্রকার ইবাদতে সচেষ্ট থাকা মুস্তাহাব
  • যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন ও রমযান মাসের মর্যাদা সমান
  • সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের মহান আল্লাহ সৎকাজে নিয়োজিত করেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ কাজে সচেষ্ট না হয়ে সমকালীন সৎ ব্যক্তিদের উপর ভরসা করার অভ্যাস পরিত্যাগ করা
  • যে ব্যক্তি ভাল কাজের মাধ্যমে আল্লাহর দিকে এক বিঘত বা এক হাত এগিয়ে যায়, তবে আল্লাহর ক্ষমা ও উপায়-উপকরণ সেই ব্যক্তির দুই হাত নিকটবর্তী হয়ে যায়
  • কোন মুসলিম ব্যক্তির চুল পেঁকে গেলে তার বদৌলতে মহান আল্লাহ সাওয়াব লিখে দেন, গোনাহ মিটিয়ে দেন এবং দুনিয়ায় তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন
  • অমুসলিম ব্যক্তিরাও কোন ভাল কাজ করলে, সেক্ষেত্রে কল্যাণ শব্দ ব্যবহার করা প্রসঙ্গে
  • কোন অমুসলিম ব্যক্তি যদি ভালো আমলও করে, তবুও সেটি পরকালে তার কোন উপকারে আসবে না
  • কাফির ব্যক্তির দুনিয়াতে ভালো কাজ অনেক বেশি হলেও, পরকালে তার কোন উপকারে আসবে না
  • জাহেলী যুগের লোকেরা তাদের বংশীয় লোকদের মাঝে যে উদ্দেশ্যে ভাল ব্যবহার করতো
  • ভালো কাজে অভিমূখী হওয়া একজন ব্যক্তির জন্য জরুরী, যদিও ইতিপূর্বে তার দ্বারা এমন নিষিদ্ধ কাজ সংঘটিত হয়েছে, যা মহান আল্লাহ অপছন্দ করেন
  • যেসব কাজ মানুষকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দিবে, সেসব কাজে প্রয়াসী না হয়ে আল্লাহর ফায়সালার উপর ভরসা করা নিষিদ্ধ
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসটি সুলাইমান আল আ‘মাশ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • মানুষের উপর আবশ্যক হলো নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত না থেকে এবং আদিষ্ট বিষয় পালন না করে আল্লাহর চূড়ান্ত ফায়সালার উপর ভরসা করে বসে না থাকা
  • বিভিন্ন ভাল কাজ সম্পাদন ও অনেক আদিষ্ট বিষয় প্রতিপালন দ্বারা কম ধোঁকা খাওয়া ওয়াজিব
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “প্রত্যেককেই সহজ করে দেওয়া হবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মহান আল্লাহর পূর্ব জ্ঞান অনুসারে যা তার জন্য নির্ধারণ করে রেখেছেন, তা তার জন্য সহজ করে দেওয়া হবে
  • শেষ আমল ভালো হওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিনয়-প্রার্থনা না করে নিজের কৃত ভালো আমলের উপর ভরসা করে বসে না থাকা আবশ্যক
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো শেষ দিকের কর্মের উপর নির্ভর করা; প্রথম দিকের কর্মের উপর নয়
  • যাকে শেষ জীবনে ভালো আমলের তাওফীক দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাপারেই মূলত কল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে-এই মর্মে হাদীস
  • শেষ জীবনে কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য মহান আল্লাহ কর্তৃক ভালো কাজের দরজা খুলে দেওয়া, ঐ ব্যক্তির জন্য মহান আল্লাহর কল্যান চাওয়ার আলামত
  • মৃত্যুর আগে কোন ব্যক্তির জন্য ভালো কাজ উন্মুক্ত হওয়া এমন উপকরণের অন্তর্ভূক্ত যার কারণে মহান আল্লাহ তার পরিবার-পরিজন ও প্রতিবেশীর অন্তরে তার জন্য ভালবাসা ঢেলে দেন
  • কোন সময় ইবাদতে অবসাদ অবস্থা আসলে, খুব বেশি নিরাশ না হওয়া আবশ্যক
  • মুসলিম ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ না হওয়া অনুরুপভাবে তাদের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর প্রশস্ত রহমতের উপর ভরসা করে বসে না থাকা যদিও তার আমল অনেক বেশি হয়
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আশা রাখা এবং নিরাশ না হওয়া সাথে সাথে আশা পরিহার করে নিরাশ থাকবে
  • আল্লাহর আদেশ পালন এবং নিষেধ থেকে বিরত থাকার সময় মহান আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখা জরুরী
  • সমস্ত বিষয়াদীতে কঠিন সতর্কতা অবলম্বন করা এবং নিজের ভালো আমলের উপর ভরসা না করা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মধ্যমপন্থা অবলম্বন করা এবং মধ্যমপন্থার কাছাকাছি থাকা আর ইবাদতে এমন গভীরে না যাওয়া যে তার দিকে অঙ্গুলি নির্দেশ করা হবে
  • ভালো কাজের ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থার কাছাকাছি থাকার নির্দেশ। কেননা পরকালে সফলতা আসবে আল্লাহর রহমতের মাধ্যমে; অধিক আমলের মাধ্যমে নয়
  • কাছাকাছি থাকার ক্ষেত্রে সকালে, বিকেলে ও রাতে ভালো আমল করার নির্দেশ
  • একজন ব্যক্তি নম্রতার সাথে আমল করবে এবং আমলের ক্ষেত্রে নিজের শরীরের অংশকে পরিহার করবে না
  • যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে এমন নির্দেশ দেন
  • যে সব (নফল) ইবাদতের চাপ নিজের উপর বহন করতে পারবে না, সেসব ইবাদত ছেড়ে দেওয়া মুস্তাহাব
  • মানুষের উপর যা বহন করা কঠিন তা বহন না করে মহান আল্লাহ এক্ষেত্রে যে অবকাশ দিয়েছেন তা গ্রহণ করা কর্তব্য
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ভালো আমলের ক্ষেত্রে নমনীয়তা অবলম্বন করা এবং নিজের উপর এমন কিছু চাপিয়ে না নেওয়া যা সে বহন করতে পারবে না
  • ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার নির্দেশ, এবং নিজের উপর এমন কিছু চাপিয়ে নিবে যা সে পালন করতে পারবে না
  • মানুষের উপর আবশ্যক হলো মধ্যমপন্থার উপকরণ আঁকড়ে ধরা এবং যতটুকু আমল সম্পন্ন করতে তাতে শুভ সংবাদ গ্রহণ করা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আমলের ক্ষেত্রে সহজতা অবলম্বন করা এবং নিজের উপর সাধ্যাতিত বিষয় চাপিয়ে না নেওয়া
  • মানুষের জন্য বিভিন্ন সৎ আমলের যেসব ফযীলত বর্ণিত হয়েছে, সেসব দ্বারা ধোঁকা না খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো প্রতিটি ভালো হতে কিছু আমল করা যাতে এর কোন একটি দিয়ে পরকালে নাজাত পেতে পারে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গোপনে-প্রকাশ্যে সবসময় ইবাদতে লেগে থাকা যাতে তার মাধ্যমে সে পরকালে নাজাত পেতে পারে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার অবস্থার সংশোধন করা যাতে এটি তাকে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভকে প্রিয় করে তুলে
  • জ্ঞানবান ও দ্বীনদার ব্যক্তিদের মাঝে যখন খাস ব্যক্তিবর্গ কোন ব্যক্তিকে ভালোবাসে, সম্মান করে, তবে সেই ব্যক্তির উপর আল্লাহর ভালোবাসা থাকার প্রমাণ
  • যাকে আল্লাহ ভালোবাসেন, তাকে আসমান ও জমিনবাসীও ভালোবাসেন এই মর্মে হাদীস
  • ভালো আমলের জন্য কোন মানুষের প্রতি অন্যান্য মানুষের মানুষের ভালোবাসা যা আমরা পূর্বে বর্ণনা করলাম, এটি সে ব্যক্তির জন্য দুনিয়াতে ত্বড়িৎ অগ্রীম শুভ সংবাদ
  • কোন ব্যক্তির প্রতি মানুষের প্রশংসা, গুণকীর্তন করা- এটি ঐ ব্যক্তির জন্য দুনিয়াবী শুভ সংবাদ
  • মুসলিমদের মাঝে যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভালোবাসবে, মহান আল্লাহ তার ভালো বা মন্দ কর্মের তুলনায় বহুগুণ ভাল বা মন্দ গুণকীর্তন করেন
  • তৃতীয় পরিচ্ছেদ - মহান আল্লাহ তাঁর অনুগত বান্দাদের জন্য এমন কিছু প্রস্তুত করে রেখেছেন যা কোন মানব ইন্দ্রীয় বর্ণনা দিতে পারবে না
  • মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মু‘মিন ব্যক্তিদেরকে দুনিয়াতে তাঁদের কৃতকর্মের জন্য পরকালে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে অত্র হাদীসটি কাতাদা বিন আনাস এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • যে বৈশিষ্ট্যগুলো পালন করলে একজন ব্যক্তি আল্লাহর যামিনে চলে যায়
  • যেসব বৈশিষ্টসমূহ একজন ব্যক্তির জন্য আল্লাহ জান্নাত আবশ্যক করে দেয়
  • কিছু বৈশিষ্ট্য যার সবগুলো অথবা কিছু বৈশিষ্ট্য কোন ব্যক্তি আমল করলে, তিনি জান্নাতবাসী হবেন
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য গোপনে ও প্রকাশ্যে কোন আমল করে, তার জন্য প্রকাশ্য ও অপ্রকাশ্যভাবে সাওয়াব লিখেন অতঃপর কারণ ছাড়াই তা অন্যের অবগতিতে চলে আসে
  • মানুষ সৎ আমলের মাধ্যমে স্রষ্টার যতোটা নিকটবর্তী হয়, আল্লাহর ক্ষমা অনুগত বান্দার প্রতি তারচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয়
  • কোন কোন মু‘মিন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ দুনিয়াতে তার ভাল কর্মের প্রতিদান দেন যেভাবে তিনি দুনিয়াতে মন্দ কর্মের প্রতিদান দিয়ে থাকেন
  • কোন কোন সময় একজন ব্যক্তির একটি ভাল কাজের মাধ্যমে অতীতের অনেক গুনাহ মাফের আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
  • ভাল আমলকারীর জন্য মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে দশগুণ সাওয়াব আর মন্দ আমল কারীর জন্য একটি গোনাহ লিখেন
  • কোন ব্যক্তি পাপ কাজ করতে উদ্যত হওয়ার পর তা ছেড়ে দিলে মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাকে পাপ ছেড়ে দেওয়ার কারণে তাকে একটি সাওয়াব লিখে দিবেন
  • যে ব্যক্তি মন্দ করার চিন্তা করার পর যদি তা না করে, তবে মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখে দেন, আর যখন সেটি বাস্তবায়ন করে, তখন তার জন্য একটি গোনাহ লিখেন, আর তাওবা করলে তা মুছে দেন
  • যখন কোন ব্যক্তি কোন মন্দ কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছেড়ে দেয়, তখন তার জন্য এর বদৌলতে একটি সাওয়াব লিখে দেওয়া হয়
  • যে ব্যক্তি কোন ভাল কাজ করার ইচ্ছা করে, সে ব্যক্তি সে কাজ বাস্তবায়ন না করলেও মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তার জন্য একটি সাওয়াব লিখে দেন আর তা বাস্তবায়ন করলে দশগুণ সাওয়াব লিখে দেন
  • যখন আল্লাহ চান তখন কোন ব্যক্তির একটি ভালো কাজের সাওয়াব দশ গুণেরও সাওয়াব লিখে দেন
  • শেষ যামানায় আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের আনুগত্য অনুসারে আমলকারী ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ তার মত ৫০ জন আমলকারীর সাওয়াব দান করবেন
  • সামান্য নফল ইবাদতেও কখনও কখনও অনেক বড় বড় গোনাহ ক্ষমা করা হয়
  • আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কিছু নিষিদ্ধ কাজ করার ক্ষমতা থাকা সত্তেও যে ব্যক্তি পরিত্যাগ করবে, তার ক্ষেত্রে আশা করা যায় এর মাধ্যমে তার অতীত গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হবে- এই মর্মে হাদীস
  • ইখলাস ও গোপন আমল
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো অন্তর হেফাযত করা এবং গোপন কাজের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া কেননা গোপন কাজ আল্লাহর নিকটে গোপন নয়
  • যে ব্যক্তি ধারণা এই আবু দ্বুহা থেকে কেবল আ‘মাশ হাদীসটি শ্রবণ করেছেন, ঐ ব্যক্তির কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেয় এমন প্রতিটি আমল বিশেষত শেষ পর্যায়ের আমলের ক্ষেত্রে একনিষ্ঠতা অবলম্বন করা এবং নিয়ত পরিশুদ্ধ করা আবশ্যক
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো স্বীয় প্রভুর ইবাদতে নিজেকে নিয়োজিত করা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো জান-মালের ব্যাপারে যত্নবান না হয়ে নিজের হৃদয় ও আমলের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া
  • যে ব্যক্তি দুনিয়াতে ইবাদতকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ না করবে, পরকালে তার কোন সাওয়াব দেওয়া হবে না
  • ইখলাস মুসলিম ব্যক্তিকে উপকার দিবে এমনকি ইসলামপূর্ব সময়ে যা মন্দ কাজ করেছিল তা মিটিয়ে দিবে, আর নিফাক থাকলে তার কোন সৎ আমল উপকারে আসবে না
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার গোপন বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং নগন্য গণ্য করা হয় এমন ভাল কাজে অবজ্ঞা না করা
  • একজন ব্যক্তি আত্নিক পরিশুদ্ধি ও নিজের গোপন দিক ভালো করার মাধ্যমে কোন কোন সময় এমন কিছু পায়, যা অনেক কষ্টসাধ্য আমল করেও পাওয়া যায় না
  • কিছু বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে একজন মানুষ আমাদের বর্ণনাকৃত উচ্চ মাকামে পৌঁছতে পারে, যাতে অনেক নফল ইবাদত ও ভাল কাজের চেষ্টা-প্রচেষ্টার মাধ্যমে পৌঁছতে পারে না
  • আমরা যা বর্ণনা করলাম, যে ব্যক্তি তা পালন করবে, সে ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ মুসলিমদের অন্তর্ভূক্ত হবে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গোপন আমল চর্চার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গোপন সময়ে নিজের অবস্থার হেফাযত করা
  • যেসব কাজ মহান আল্লাহ অপছন্দ করেন, যা মানুষ জনসম্মুখে করে না, এমন কাজ নির্জনে সংঘটিত করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • যে ব্যক্তি তার কোন আমলে শিরক করবে, পরকালে সে ব্যক্তি তার আমলের কোন সাওয়াব পাবে না
  • আমলে আল্লাহর সাথে শিরক করার বিবরণ
  • যে ব্যক্তি দুনিয়াতে খ্যাতি লাভের জন্য এবং লোক দেখানো ইবাদত করবে, সে ব্যক্তি পরকালে তার আমলের কোন সাওয়াব পাবে না
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি লোক দেখানো আমল করবে, কিয়ামতের দিন সে প্রথম জাহান্নামে যাবে। আল্লাহর কাছে এমনটা হওয়া থেকে পানাহ চাই!
  • ইলমে হাদীসে যার পরিপক্বতা হয়নি, তাকে যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ছেলের সম্পদ বাবার জন্য
  • ঐ উপায় সম্পর্কে সতর্কীকরণ, যে উপায়ে একজন ব্যক্তি তার বাবা-মাকে গালি দেয়
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসে মিস‘আর বিন কিদাম ভুল করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • পিতৃপুরুষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া সম্পর্কে হুশিয়ারী, কেননা এই ধরণের কাজ এক ধরণের কুফরী
  • পিতৃপুরুষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী! কেননা কোন ব্যক্তির তার বাবা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া এক প্রকার কুফরী
  • যে ব্যক্তি নিজের বাবা ব্যতিত অন্য কাউকে বাবা হিসেবে পরিচয় দিবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না
  • আমরা পূর্বে যে দুটি বিষয় উল্লেখ করলাম, যে ব্যক্তি এই দুটি কাজ করবে, তার উপর আল্লাহ ও ফেরেস্তাদের লা‘নত
  • যে ব্যক্তির জীবদ্দশাতেই বাবা-মা মারা গিয়েছেন, তিনি বাবা-মার সাথে সদাচারণ কীভাবে করবেন, তার বিবরণ
  • বাবা-মার অন্তরে হাসি ফুটানো নফল জিহাদের সমপর্যায়ভূক্ত
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর রাস্তায় নফল জিহাদের উপর বাবা-মার সাথে সদাচারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া
  • বাবা-মার সদাচারণে প্রাণান্তকর চেষ্টা করাই হলো চূড়ান্ত পর্যায়ের সদাচারণ
  • নফল জিহাদের চেয়ে বাবা-মার সদাচারণ করা উত্তম
  • একজন মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো নফল জিহাদের উপর বাবা-মার সাথে সদাচারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেওয়া
  • একজন মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার পিতা-মাতার সাথে সদাচারণে অত্যধিক যত্নবান হওয়া যাতে তিনি এর মাধ্যমে সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের অন্তর্ভূক্ত হতে পারেন
  • অধিক পরিমাণে পিতা-মাতার সাথে সদাচারণের মাধ্যমে জান্নাতে প্রবেশের আশা করা যায়
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো বাবা নির্দেশ দিলে স্ত্রীকে তালাক দেওয়া, যদি এতে তার দ্বীনের ক্ষতি না হয় বা রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা না হয়
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহুমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবার কথা মেনে স্ত্রীকে তালাক দিতে
  • বাবা মুশরিক হলেও তার সাথে সদাচারণ করা মুস্তাহাব যদি তাতে আল্লাহর নাফরমানী না হয়
  • বাবাকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার আশা
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো বাবার মৃত্যুর পর চূড়ান্ত সদাচারণের আশায় তাঁর ভাইদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসটি ওয়ালিদ বিন আবুল ওয়ালিদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন
  • বাবার মৃত্যুর পর তাঁর ভাইদের সাথে সদাচারণ করা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখা কবরস্থ বাবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার শামিল
  • সদাচারণের ক্ষেত্রে বাবার উপর মাকে অগ্রাধিকার দেওয়া সম্পর্কে হাদীস
  • যদি গোনাহ অবধারিত করে এমন কিছু না থাকে, তবে সদাচারণের ক্ষেত্রে বাবার উপর মাকে অধিক অগ্রাধিকার দিবে
  • যখন বাবা-মা না থাকে তখন একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো তার খালার সাথে সদাচারণ করা
  • পরিবারের লোকদের সাথে উত্তম আচরণের ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করা কারণ তিনি তাঁর পরিবারের কাছে সবচেয়ে উত্তম ব্যক্তি ছিলেন
  • যে অসুস্থতায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মারা গিয়েছেন, সে অসুস্থতায় তিনি উম্মতকে রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য উৎসাহিত করেছেন
  • যখন কোন ব্যক্তি অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে
  • যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে তিনি রিযিকে বরকত ও নিরাপদ-সুখময় জীবন লাভ করবেন
  • যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে তিনি রিযিকে বরকত ও নিরাপদ-সুখময় জীবন লাভ করবেন, যখন এসবের সাথে তাকওয়া যুক্ত হবে
  • উল্লেখিত আনাস বিন মালিকের হাদীস যা আমরা ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • মহান আল্লাহ যখন গর্ভাশয় বা রক্তসম্পর্ক সৃষ্টি করেন, তখন সেটি আল্লাহর কাছে রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারী থেকে আশ্রয় চায়, মহান আল্লাহ তখন তাকে জানায় যে, যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে, তিনি সেই ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক বজায় রাখবেন আর যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করবে, আল্লাহও তার সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করবেন
  • যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সাথে মন্দ আচরণ করে, তার ব্যাপারে রক্ত সম্পর্ক আল্লাহর কাছে অভিযোগ করা প্রসঙ্গে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “الرَّحِمُ شِجْنَةٌ مِنَ الرَّحْمَنِ “এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো, ‘الرَّحِمُ’ (রক্ত সম্পর্ক বা জরায়ূ) শব্দটি ‘الرَّحْمَن’ (সর্বদয়ালূ) নাম থেকে নির্গত।
  • আমরা যে الرَّحِمُ (রক্ত সম্পর্ক বা জরায়ূ) এর অভিযেোগের কথা আলোচনা করলাম সেটি কিয়ামতের দিন হবে; দুনিয়াতে নয়
  • যার উপর রক্ত সম্পর্ক বজায়কারী নাম প্রযোজ্য হবে, তার বিবরণ
  • যে ব্যক্তি বোনদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে এবং তাদের সাথে উত্তম আচরণ করে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে
  • (বোন বা কন্যাদের সাথে) কতদিন সদাচারণ করলে এই সাওয়াব পাওয়া যাবে
  • সন্তানের সাথে সদাচারণের মাধ্যমে কোন কোন সময় জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ ও জান্নাতে প্রবেশের আশা করা যায়
  • কেউ রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেও তার সাথে সম্পর্ক বজায় জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ
  • রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা সত্তেও যে ব্যক্তি সম্পর্ক বজায় রাখে, মহান আল্লাহ তাকে সাহায্য করবেন
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি দারাওয়ারদী এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • একজন নারীর জন্য বৈধ হলো রক্তসম্পর্কীয় মুশরিক কোন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, যখন তার ইসলাম গ্রহণের আশা থাকে
  • মানুষের জন্য বৈধ হলো তার নিকটাত্মীয় মুশরিক ব্যক্তির সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, যখন তাদের ইসলাম গ্রহণের আশা থাকে
  • রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না
  • রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারীর জন্য দুনিয়াতেই শাস্তির আশংকা
  • রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারীকে মহান আল্লাহ দুনিয়াতেই দ্রুত শাস্তি দেন
  • একজন ব্যক্তি মুসলিমদের সন্তানদের প্রতি দয়া করবেন এই আশায় যে, মহান আল্লাহ তার প্রতি রহম করবেন
  • মুসলিম বড় ব্যক্তিদের সম্মান আর ছোটদের প্রতি দয়া না করার ব্যাপারে ধমকী
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আদম সন্তানের উপর কোমল আচরণ করা
  • ঐ ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবেই, যে ব্যক্তি ইয়াতিমদের দায়িত্বভার গ্রহণ করে তাদের মাঝে ইনসাফ করে এবং যুলম করা থেকে দূরে থাকে
  • নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাদের মাঝে দয়াশীলদের প্রতিই দয়া করেন
  • ভাগ্যবান ব্যক্তিদের মাঝেই কেবল দয়া থাকে- এই মর্মে হাদীস
  • দুনিয়াতে যে ব্যক্তি মানুষের উপর দয়া করে না, আল্লাহও তার উপর দয়া করেন না
  • কেবল হতভাগ্যদের থেকেই দয়া উঠিয়ে নেওয়া হয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • দুনিয়াতে যে ব্যক্তি মানুষের উপর দয়া করে না, আল্লাহও তার উপর পরকালে দয়া করবেন না
  • মানুষের সাথে প্রশস্ত চেহারার পাশাপাশি কথা-বার্তায় নম্রতা অবলম্বন করার নির্দেশনা
  • যখন কোন ব্যক্তি নরম-কোমল প্রকৃতির, মানুষের নিকটবর্তী থাকে এবং সহজ-সরল হয়, এর মাধ্যমে তার জন্য জাহান্নাম থেকে নিষ্কৃতির আশা করা যায়
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে হাদীসটি ‘আবদাহ বিন সুলাইমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর অপছন্দনীয় কাজে লিপ্ত না হয়ে সমকালীন ব্যক্তিদের সাথে কোমল আচরণ করে, মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকাহ লিখে দেন
  • যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সাথে উত্তম কথা বলে, মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকাহ লিখে দেন
  • কোন মুসলিম ব্যক্তির নিকট সম্পদ না থাকলে ভাল কথা বলা সম্পদ ব্যয় করার স্থলাভিষিক্ত হবে
  • কোন মুসলিম ভাইয়ের সাথে মুচকি হেঁসে কথা বলা মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকাহ লিখে দেন
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক উত্তম কথাকে খেজুরের সাথে আর মন্দ কথাকে তিক্ত শশার সাথে উপমা প্রদান
  • যে সব আমল মানুষকে অধিক পরিমাণে জান্নাতে নিয়ে যাবে, তার মধ্যে অন্যতম হলো তাকওয়া ও সচ্চরিত্র
  • মানুষের মাঝে সর্বাধিক উত্তম ব্যক্তি হলো যিনি উত্তম চরিত্রের অধিকারী
  • একজন মানুষকে যা কিছু প্রদান করা হয়, তার মধ্যে সর্বোৎকৃষ্ট হলো সচ্চরিত্র
  • ঈমানের দিক দিয়ে পরিপূর্ণ ঐ ব্যক্তি যিনি চরিত্রের দিকে দিয়ে সর্বোত্তম
  • একজন ব্যক্তি সচ্চরিত্রের মাধ্যমে সারারাত কিয়াম ও সারাদিন সিয়াম পালনের মর্যাদা প্রাপ্তির আশা করতে পারে
  • কিয়ামতের দিন একজন ব্যক্তি তার সচ্চরিত্রকে মীযানের পাল্লায় সবচেয়ে বেশি ভারী আমলসমূহের মাঝে অন্যতম পাবে
  • চরিত্রের দিক দিয়ে সর্বোত্তম ব্যক্তি কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহর সবচেয়ে প্রিয় ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সবচেয়ে নিকটবর্তী হবেন
  • একজন ব্যক্তি উভয় জগতে তার সচ্চরিত্র দ্বারা এতটা উপকৃত হবেন যা তার বংশ দ্বারা সম্ভব নয়
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো দীর্ঘায়ূ হলে চরিত্র সুন্দর করা
  • যার চরিত্র সুন্দর হবে, কিয়ামতের দিন তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বসার জায়গা হবে
  • দুনিয়াতে যার চরিত্র সুন্দর হবে, পরকালে সে আল্লাহর কাছে সবচেয়ে বেশি প্রিয়পাত্র হবে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো অন্যকে ক্ষমা করা; মন্দ এর প্রতিদানে মন্দ না করা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো কেউ সম্মানহানী করলে বা কষ্ট দিলে নিজের জন্য তার প্রতিশোধ না নেওয়া
  • যে ব্যক্তি সুন্দর কথা বলে এবং সালাম প্রদান করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়
  • মুসলিমদের মাঝে সালামের বিস্তার ঘটানোর মাঝে নিরাপত্তা রয়েছে
  • সালামের সময় মুসলিমদের সাথে মুসাফাহ করা বৈধ
  • যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইকে পরিপূর্ণভাবে সালাম দেয়, তার জন্য সাওয়াব লিপিবদ্ধকরণ
  • যে ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসে এসে বসবে, সে ব্যক্তি সালাম দিবে অনুরূপভাবে সালাম দিবে যখন সে মজলিস থেকে উঠে যাবে
  • যখন কোন ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসের কাছে পৌঁছবে, তখন সালাম দিবে অনুরূপভাবে যখন সেখান থেকে ফিরে আসবে তখনও সালাম দিবে
  • যে ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসে আসবে, সে ব্যক্তি সালাম দিবে অনুরূপভাবে সালাম দিবে যখন সে সেখান থেকে উঠে যাবে
  • অল্প সংখ্যক লোক বেশি সংখ্যক লোককে, পদব্রজ ব্যক্তি বসা ব্যক্তিকে এবং আরোহী ব্যক্তি পদব্রজ ব্যক্তিকে সালাম দিবে
  • দুই পদব্রজ ব্যক্তির একজন যখন তার সঙ্গীকে প্রথমে সালাম দিবে, সে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট উত্তম ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে
  • যে ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশ করার সময় তার পরিবারের লোকদের সালাম দেয় সে ব্যক্তি মারা গেলে মহান আল্লাহ তাকে জান্নাতে প্রবেশের জামিন হন আর বেঁচে থাকলে তার ও তার রিযিকের জন্য যথেষ্ট হয়ে যান
  • ইয়াহুদি ও খ্রীষ্টানদের আগে সালাম দেওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • মুসলিম ব্যক্তির জন্য জায়েয আছে আহলে যিম্মাহ (মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম) প্রদত্ত সালামের জবাব দেওয়া
  • ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানরা সালাম দিলে কীভাবে তার জবাব দিতে হবে, তার বিবরণ
  • সুন্দর কথা বলা ও অন্যকে খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়
  • যে ব্যক্তি মানুষকে খাদ্য খাওয়ায়, সালামের প্রচলন ঘটায় সাথে সাথে দয়াময় আল্লাহর ইবাদত করে, সে ব্যক্তির জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার প্রত্যাশা
  • নিশ্চয়ই মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো এবং সালামের প্রচলন ঘটানো ইসলামের অন্তর্ভূক্ত
  • নিশ্চয়ই মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো ঈমানের অন্তর্ভূক্ত মর্মে হাদীস
  • যে ব্যক্তি সালামের প্রচলন ঘটায়, মানুষকে খাদ্য খাওয়ায় সাথে অন্যান্য ইবাদত করে, সে ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে
  • যে ব্যক্তি মানুষকে খাদ্য খাওয়ায়, নিয়মিত রাতের সালাত আদায় করে এবং সালামের প্রচলন ঘটায়, তার জন্য মহান আল্লাহ যে প্রাসাদ প্রস্তুত করে রেখেছেন তার বিবরণ
  • প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়া থেকে বিরত থাকা ঈমানের অন্তর্ভূক্ত - এই মর্মে হাদীস
  • মহান আল্লাহ প্রতিবেশীর হককে যে অনেক গুরুত্ব দিয়েছেন এই মর্মে হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো প্রতিবেশীর সাথে সদাচারণ করা এই আশায় যে এর বদৌলতে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে
  • তরকারীর ঝোলে পানি বেশি দেওয়া অতঃপর প্রতিবেশীকে সেখান থেকে কিছু তরকারী দেওয়ার নির্দেশ
  • কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে কিছু তরকারী দিবে; খুব কার্পণ্য করে দিবে না আবার সীমালঙ্ঘন করে অনেক বেশিও দিবে না
  • প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে কাঠ পুঁততে নিষেধ করার ব্যাপারে ধমকী
  • প্রতিবেশীকে কষ্ট দেওয়ার ব্যাপারে ধমকী কেননা প্রতিবেশীকে কষ্ট না দেওয়া মু‘মিনদের কাজ
  • যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ভাইয়ের দোষ গোপন করবে, মহান আল্লাহ তাকে জীবন্ত প্রোথিত শিশুকে বাঁচানোর সাওয়াব দান করবেন
  • দুনিয়াতে যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম, সে ব্যক্তি আল্লাহর কাছেও উত্তম প্রতিবেশী হিসেবে গণ্য হবে
  • উত্তম সঙ্গী ও উত্তম প্রতিবেশী সম্পর্কে হাদীস
  • প্রতিবেশী কষ্ট দিলে ধৈর্য ধারণ করা আবশ্যক
  • কোন মুসলিমের সাথে হাসিমুখে কথা বলা সৎ আমলের অন্তর্ভূক্ত
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মন্দ কাজ করার পর সাধ্যমত ভাল কাজ করা
  • একজন বক্তির সৎকর্মপরায়ন হওয়ার আলামত
  • একজন ব্যক্তির ভাল ও মন্দ হওয়ার প্রমাণ
  • মানুষের মাঝে শ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি যার থেকে ভাল কিছু আশা করা হয় এবং তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকা যায়
  • মানুষের মাঝে যে ব্যক্তি নিজের ও অন্যের জন্য উত্তম ও মন্দ হিসেবে বিবেচিত
  • পথহারা ও অন্ধ ব্যক্তিকে পথ দেখিয়ে দেওয়া সাদাকার অন্তর্ভূক্ত
  • যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইকে তার কষ্ট দূর করার জন্য শাসকের কাছে পৌঁছার মাধ্যম হয়, মহান আল্লাহ তাকে পুলসিরাত পার করাবেন
  • মানুষের প্রয়োজন পূরণ করার জন্য শাসকদের কাছে সুপারিশ করার ব্যাপারে নির্দেশ
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো মুসলিমদের প্রয়োজন পূরণে সচেষ্ট হওয়া
  • যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মানুষের প্রয়োজন পূরণ করে, মহান আল্লাহ তার প্রয়োজন করবেন
  • যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুসলিম ব্যক্তির বিপদ দূর করবে, মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার বিপদ দূর করবেন
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো দুর্বলদের প্রতি মনোনিবেশ করা এবং তাদের কার্যসম্পাদন করে দেওয়া, যদিও তিনি অন্যের কোন কাজে নিয়োজিত থাকেন
  • যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলে তার জন্য ক্ষমার আশা
  • যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলে তার জন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রাপ্তির আশা
  • যে ব্যক্তি রাস্তা থেকে কাঁটার ডাল সরিয়ে ছিলেন, তিনি এছাড়া আর কোন আমল ইতিপূর্বে করেননি
  • ঐ ব্যক্তিকে তার সেই কাজের জন্য তার পূর্বের ও পরের সব গোনাহ ক্ষমা করে দেওয়া হয়
  • যে ব্যক্তি গাছ বা দেওয়াল থেকে কষ্টদায়ক বস্তু, যার মাধ্যমে মুসলিমরা কষ্ট পান, তা অপসারণ করে, তার জন্য ক্ষমার আশা
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা কেননা এটি ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
  • যে ব্যক্তি কোন প্রাণীকে পানি পান করায়, মহান আল্লাহ তাকে প্রতিদান দিবেন
  • যে ব্যক্তি কোন তৃষ্ণার্ত চতুষ্পদ প্রাণীকে পানি পান করাবে, তার জান্নাতে প্রবেশ করার আশা প্রসঙ্গে আলোচনা
  • চতুষ্পদ প্রাণীর প্রতি দয়া করা কোন কোন সময় এর বদৌলতে পরকালে পাপ মোচনের আশা করা যায়
  • চতুষ্পদ প্রাণীর প্রতি সদাচারণ না করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • পরকালে নাজাতের আশায় চতুষ্পদ প্রাণীর উপর সদাচারণ করা মুস্তাহাব
  • সমস্ত বিষয়ে কোমলতা প্রদর্শন করা মুস্তাহাব কেননা মহান আল্লাহ তা পছন্দ করেন
  • যে ব্যক্তি কাজে-কর্মে কোমলতা থেকে বঞ্চিত, সে ব্যক্তি কল্যাণ থেকে বঞ্চিত
  • নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কোমলতার উপর সাহায্য করেন এভাবে যে, তিনি কোমলতার জন্য যা দেন, কঠোরতার জন্য তা দেন না
  • নিশ্চয়ই কোমলতা বস্তুকে সুশোভিত করে তুলে আর কঠোরতা তাকে ত্রুটিযুক্ত করে তুলে
  • সমস্ত বিষয়ে অবধারিতভাবে কোমলতা অবলম্বন করার নির্দেশ, কেননা সবসময় কোমলতা অবলম্বন করা এটি দুনিয়া ও আখিরাতে তার শোভাবর্ধন করবে
  • সকল কাজে-কর্মে কোমলতা অবলম্বন করা ব্যক্তির জন্য আবশ্যক
  • যে ব্যক্তি মুসলিমদের সাথে আচার-আচরণে কোমলতা অবলম্বন করে, তার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামে এর দু‘আ আর যে তাদের সাথে কঠোরতা অবলম্বন করে, তাদের জন্য তাঁর বদ-দু‘আ
  • একজন ব্যক্তি যেন সৎকর্মশীল ব্যক্তি ছাড়া কাউকে সঙ্গী না বানায় এবং তাদের ছাড়া অন্য কারো জন্য খরচ না করে
  • মু‘মিন ছাড়া অন্য কাউকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করা এবং মুত্তাকী ছাড়া অন্য কাউকে খাদ্য খাওয়ানোর ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • কোন ব্যক্তি কর্তৃক সৎ ব্যক্তিদের ভালবাসা ঐ ব্যক্তিকে তাদের সাথে জান্নাতে পৌঁছে দিবে, যদিও সে ব্যক্তি আমলে তাদের সমপর্যায়ভূক্ত নয়
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটি সেই ব্যক্তির সাথেই নির্দিষ্ট; সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • সৎ ব্যক্তি ও তাদের মত ব্যক্তিদের মাধ্যমে বারাকাহ নেওয়া মুস্তাহাব
  • দ্বীনদার জ্ঞানী মাশাইখদের সাথে থেকে তাঁদের থেকে বারাকাহ নেওয়া মুস্তাহাব
  • একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো তার খাবার ও সাহচর্যতার ক্ষেত্রে তিনি মুত্তাকী ও মর্যাদাবান ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিবেন
  • সেসব ব্যক্তিদের সাথে উঠা-বসা করার নির্দেশ যারা দ্বীনদার, সৎ; সেসব মুসলিমদের সাথে নয়, যারা এর বিপরীত চরিত্রের অধিকারী
  • কোন ব্যক্তি দুনিয়াতে যাকে ভালবাসে, তার সাথে জান্নাতে যাওয়ার আশা প্রসঙ্গে
  • প্রশ্নকারী সাহাবী বস্তুত আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালবাসা সম্পর্কে বলেছেন
  • কোন মুসলিম ব্যক্তি কর্তৃক কোন কওমকে ভালবাসার ক্ষেত্রে ভাল নিয়ত থাকলে মহান আল্লাহ তাকে ভাল প্রতিদান দেন আর মন্দ নিয়ত থাকলে মন্দ প্রতিদান দেন
  • বাতিলপন্থীরা যে হাদীসের সঠিক মর্মার্থ বুঝতে না পেরে মুহাদ্দিসগণের নিন্দা করে থাকে
  • যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছে প্রিয় হবে, সে ব্যক্তি উত্তম ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হবে
  • কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার মুসলিম ভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা বা তাকে বিভিন্ন উপায়-উপকরণে ধোঁকা দেওয়ার ব্যাপারে সতর্তীকরণ
  • কোন মুসলিম ব্যক্তির স্ত্রী বা গোলামকে খারাপ বানানোর ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • কোন মুসলিম ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালবাসলে তাকে ভালবাসার কথা জানিয়ে দেওয়া মুস্তাহাব
  • কোন ব্যক্তি তার ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালবাসলে, তাকে ভালবাসার কথা জানিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ
  • যে ব্যক্তি মনে করে যে, উক্ত হাদীসের আদৌ কোন ভিত্তি নেই, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসা ব্যক্তিদের জন্য আল্লাহর ভালবাসা
  • কিয়ামতের দিন; যেদিন মানুষ চিন্তিত ও ভীত থাকবে, সেদিন আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসা পোষনকারীদের অবস্থার বিবরণ
  • কিয়ামতের দিন মহান আল্লাহ সেসব ব্যক্তিদের তাঁর ছায়া প্রদান করবেন, যারা তাঁর জন্য পরস্পরকে ভালবাসে, মহান আল্লাহ স্বীয় দয়া ও অনুগ্রহে আমাদেরকে তাঁদের অন্তর্ভূক্ত করুন!
  • যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একে অন্যের সাথে বসে, একে অন্যকে দেখতে যায়, তাদের জন্য আল্লাহর ভালবাসা অবধারিত হওয়ার বর্ণনা
  • যে ব্যক্তি তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তার জন্য আল্লাহর ভালবাসা অবধারিত হওয়া প্রসঙ্গে
  • আল্লাহর ভালবাসা সেসব ব্যক্তিদের জন্য অবধারিত যারা আল্লাহর জন্য পরস্পরের শুভাকাঙ্খী হয় একে অন্যের জন্য খরচ করে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার মুসলিম ভাইয়ের মন জয় করা, যদি তাতে কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী কিছু না থাকে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সৎ সঙ্গীকে আতর বিক্রেতার সাথে উপমা প্রদান, যার কাছে মানুষ উঠাবসা করলে আতরের ঘ্রাণ পায়, যদিও সে আতর ক্রয় না করে
  • তৃতীয় ব্যক্তির উপস্থিতিতে দুইজন মুসলিম ব্যক্তির সংগোপনে কথা বলার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • দুইজন মুসলিম ব্যক্তির সংগোপনে কথা বলার ব্যাপারে হুশিয়ারী, যখন তাদের কাছে তৃতীয় কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকে
  • দুইজনের উপস্থিতিতে মুসলিমদের পারস্পরিক গোপন সংলাপে লিপ্ত হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে হাদীস
  • আমরা পূর্বে যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে সুস্পষ্ট হাদীস
  • যে কারণে এই ধরণের কাজ করতে বারণ করা হয়েছে
  • মুসলিমদের মজলিসগুলোর বিবরণ
  • মজলিস যখন সংকীর্ণ হয় যাবে, তখন তাদের জন্য আবশ্যক একজনকে না উঠিয়ে দিয়ে বরং অন্যকে বসার সুযোগ করে দিবে এবং বসার জায়গা প্রশস্ত করবে
  • কাউকে তার জায়গা থেকে উঠিয়ে দিয়ে, তার সেখানে নিজে বসার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • কোন ব্যক্তি তার জায়গা থেকে উঠার পর পুনরায় ফিরে আসলে সেই জায়গার ক্ষেত্রে সে অন্যের চেয়ে বেশি হকদার হবে
  • বসার সময় বাম পার্শ্বে হেলান দেওয়া বৈধতা প্রসঙ্গে
  • কোন মজলিস থেকে আল্লাহর যিকর ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পাঠ না করে উঠে গেলে কিয়ামতের দিন তা অনুতাপের কারণ হবে
  • আমরা যে অনুতাপের কথা উল্লেখ করলাম, তা সেসব ব্যক্তিদের জন্য হবে যাদের কথা আমরা উল্লেখ করলাম, যদিও তারা জান্নাতে প্রবেশ করে
  • আল্লাহর যিকর না করে মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • এমন একটি জিনিসের আলোচনা যা কোন ব্যক্তি যদি মজলিস থেকে উঠার সময় বললে আর যদি মজলিসটি ভাল মজলিস হয়, তবে তা দিয়ে মহরাঙ্কিত করা হবে আর কোন অসার কথা-বার্তার মজলিস হলে তা তার জন্য কাফফারা হিসেবে গণ্য হবে
  • কোন মজলিসে যে অসার কথা-বার্তা হয়, উপরিউক্ত বাক্যগুলি যে ব্যক্তি বলবেন, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তায় বসবে, তাকে যেসব বৈশিষ্টগুলো পালন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • হাঁচিদানকারী হাঁচি দেওয়ার সময় ‘আলহামদু লিল্লাহ’ বললে তার জবাব কী বলা হবে
  • আমরা যেভাবে বিবরণ দিলাম, যে ব্যক্তি সেভাবে হাঁচিদানকারীর জবাব দেয়, হাঁচিদানকারী ব্যক্তি তখন যা বলে জবাব দিবেন
  • হাঁচিদানকারী ব্যক্তি ‘আলহামদু লিল্লাহ’ না বললে তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন) না বলার বৈধতা প্রসঙ্গে
  • হাঁচিদানকারী ব্যক্তি যদি আল্লাহর প্রশংসা না করে, তবে তার হাঁচির জবাব না দেওয়া আবশ্যক
  • যে দুইজন ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে হাঁচি দিয়েছিলেন, তাদের বিবরণ
  • সর্দি লাগা ব্যক্তির হাঁচি দিলে প্রথম হাঁচির সময় হাঁচির জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার প্রতি রহম করুন) বলা ওয়াজিব, এর পরের হাঁচির সময় দু‘আ না বলা ক্ষমার যোগ্য বিবেচিত হবে
  • মানুষদের থেকে আলাদা থাকা আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের পর শ্রেষ্ঠ আমল
  • নির্জনে ইবাদত করা ফযিলতগতভাবে আল্লাহর রাস্তায় জিহাদের পরেই মর্যাদা রাখে
  • যে ব্যক্তি তার ছাগ পাল নিয়ে একাকী আলাদা হয়ে যায়, সাথে সাথে সে আল্লাহর ইবাদত করেন, সে ব্যক্তি উল্লেখিত সাওয়াব পাবে, যদি সে ব্যক্তি তার হাত ও জবান দ্বারা মানুষকে কষ্ট না দিয়ে থাকে
  • ৭. মন গলানো সুমিষ্ট উপদেশমালা (كِتَابُ الرَّقَائِقِ) ৪৩১ টি | ৬০৬-১০৩৩ পর্যন্ত
  • লজ্জা
  • শয়তান মানুষের কাছে নিষিদ্ধ কাজ যখন সুশোভিত করে তুলে, তখন মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো লজ্জাকে আঁকড়ে ধরা
  • দ্বিতীয় আরেকটি হাদীস যা আমাদের উল্লেখিত বিষয়ের বিশুদ্ধতা স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে
  • লজ্জা ঈমানের অংশসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি অংশ। কেননা ঈমান বেশ কিছু অংশ সংবলিত শাখাসমূহের সমষ্টি, যে সম্পর্কে আলোচনা গত হয়ে গেছে
  • তাওবা (অনুশোচনা হলো তাওবা এই মর্মে হাদীস)
  • আবু সা‘ঈদ আল খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর যে হাদীস মানুষের সামনে পেশ করা হয়, যা আমরা বর্ণনা উল্লেখ করলাম, তা তার সানাদ বিশুদ্ধ এই মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে স্পষ্ট দ্বিতীয় হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার থেকে যে ত্রুটি সংঘটিত হয়ে যায়, সেজন্য সবসময় আফসোস ও অনুশোচনা করা যাতে মহান আল্লাহ তার গোনাহ ক্ষমা করে দেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো কোন ভুল হলে অথবা ভুলে গেলে সব সময় তাওবা করা ও আল্লাহ অভিমুখী হওয়া
  • একজন মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সদা সময় এবং সকল উপায়-উপকরণে তাওবার সাথে লেগে থাকা
  • উক্ত ঘটনায় যে হারানো উটের দ্বারা উপমা দেওয়া হয়েছে, সেই উটের বিবরণ সম্বলিত হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার সকল উপায়-উপকরণে তাওবার সাথে লেগে থাকা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে নির্জনে থাকবে, তখন সে তার কৃত পাপের জন্য অব্যাহতভাবে কান্না করতে থাকবে, যদিও সে পাপ থেকে দূরে থাকে এবং তার বিপরীত কাজে সচেষ্ট থাকে
  • বান্দা নিজের কৃত পাপ থেকে তাওবা করলে, তার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হওয়া প্রসঙ্গে হাদীস
  • কোন ব্যক্তি প্রত্যেকবার পাপ সংঘটিত করার পর যদি তাওবা করে, তবে সে ব্যক্তি ‘পাপের উপর অনড় থাকার’ সীমা থেকে বেরিয়ে যায়
  • যে ব্যক্তি পাপ কাজ করার পর তাওবা করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে তারপর সালাত আদায় করে, মহান আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন
  • পাপ করে তাওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, যদিও ক্ষমা প্রার্থনা করার আগে সালাত আদায় না করে
  • কোন ব্যক্তি দ্বিতীয়বার পাপ করে তাওবা করলে আল্লাহ তার প্রতি ক্ষমার মাধ্যমে অনুগ্রহ করেন; যখনই সে তাওবা করে, পাপ থেকে ফিরে আসে, তখনই তিনি ক্ষমা করে দেন
  • মহান আল্লাহ তা‘আলা তাওবাকারীর গোনাহ ক্ষমা করে দেন, যখনই সে আল্লাহ অভিমূখে ফিরে আসে, যতক্ষণ না শিরকের মাধ্যমে তার মাঝে ও আল্লাহর মাঝে পর্দার সৃষ্টি না হয় (আল্লাহর কাছে আমরা এমন হওয়া থেকে পানাহ চাই)
  • মাকহুল রহিমাহুল্লাহ এই হাদীসটি উমার বিন নু‘আইম থেকে শুনেছেন, তিনি হাদীসটি ‍উসামা থেকে বর্ণনা করেছেন অনুরুপভাবে মাকহুল হাদীসটি সরাসরি উসামা থেকেও শ্রবণ করেছেন- এই মর্মে বর্ণনা
  • তাওবাকারীর উপর আল্লাহর অনুগ্রহ; যখনই সে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তখনই আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন যতক্ষণ না মৃত্যুকালীন গড়গড় শব্দ না করে
  • তাওবাকারীর তাওবা কবুল হবে যখন তাওবা করা হয় সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার আগে; পরে নয়
  • যখন কোন মুসলিম ব্যক্তি তাওবা করে দুনিয়া থেকে চলে যায়, তখন আল্লাহ তা‘আলা জাহান্নামে তার স্থানে কোন ইয়াহুদী অথবা খ্রীষ্টানকে প্রবেশ করিয়ে ‍উক্ত তাওবাকারী মুসলিম ব্যক্তির উপর অনুগ্রহ করবেন
  • (আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা পোষণ করা) - আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা মুসলিম ব্যক্তির জন্য উৎকৃষ্ট ইবাদতের অন্তর্ভু্ক্ত
  • মা‘বূদের ব্যাপারে সুধারণা পরকালে উপকার দিবে ঐ ব্যক্তির জন্য যার জন্য আল্লাহ কল্যাণ ইচ্ছা করবেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সর্বাবস্থায় সুধারণা পোষণ করে আল্লাহর প্রতি আস্থা রাখা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষন করা ছেড়ে দেওয়া যদিও দুনিয়াতে মন্দ জীবন-যাপন অনেক বেড়ে যায়
  • মহান আল্লাহ মুসলিম বান্দাকে তা-ই দেন, যা সে আল্লাহর কাছে আশা ও কামনা করে
  • মুসলিম ব্যক্তির প্রতি নির্দেশ হলো সে তার মা‘বুদের প্রতি সুধারণা পোষণ করবে এবং সাথে সাথে ভাল আমলেও ত্রুটি কম করবে
  • আল্লাহর প্রতি সুধারনা পোষন করার জন্য মুসলিম ব্যক্তির প্রতি উৎসাহ প্রদান
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে তাদের মা‘বূদের ব্যাপারে সুধারণা পোষন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন
  • আল্লাহ তা‘আলাকে ধারণাকারীকে তার ধারণা অনুসারেই দিয়ে থাকেন, ভাল ধারণা করলে ভাল, মন্দ ধারণা করলে মন্দই দেন
  • আমরা যে সুধারণার কথা বললাম, তার সাথে অবশ্যই আল্লাহর ভয়ও থাকতে হবে
  • যে ব্যক্তি তার মা‘বূদের ব্যাপারে ভাল ধারণা পোষণ করবে, তিনি তার সাথে তার ধারণা অনুযায়ী আচরণ করবেন, আর যে ব্যক্তি তার ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ করবে, তিনি তার সাথে অনুরুপ আচরণ করবেন
  • আল্লাহ তা‘আলার অপার অনুগ্রহ তাদের উপর যাদের উপর বিভিন্ন রকমের শাস্তি অবধারিত হওয়া সত্ত্বেও, তিনি তাদেরকে বিভিন্ন রকমের নায-নি‘আমত দান করেন
  • তাক্বওয়া ও আল্লাহভীতি
  • নবীদের দিকে নিজেকে সম্পৃক্তকরণ পরকালে কোন উপকার আসবে না, তাঁদের সম্পৃক্তকারীর কেবল তাক্বওয়া ও আমলে সালেহ-এর মাধ্যমেই উপকার হবে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ফাতেমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার সন্তানেরা দুনিয়াতে পাপ কাজ করলেও কোন ক্ষতি নেই- উক্ত কথার অপনোদনে হাদীস (মহান আল্লাহ ফাতেমা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা, তাঁর স্বামী ও সন্তানের প্রতি রাজি-খুশি হোন। অবশ্য তিনি তাঁদের প্রতি রাজি-খুশি হয়েছেন।)
  • নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকটবর্তী মুত্তাকীগণ; তাঁর নিকটাত্বীয়গণ নয়, যখন তারা পাপিষ্ঠ হয়
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর হারামকৃত জিনিসের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করবে, তিনিই প্রকৃত সম্মানিত; সম্ভ্রান্ত বংশের ঐ ব্যক্তি সম্মানিত নয়, যিনি হারাম কাজে লিপ্ত হয়
  • যে ব্যক্তির আল্লাহকে ভয় করার অবস্থা আশাবাদী হওয়ার অবস্থার উপর প্রবল হয়, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন
  • কোন মানুষের উপর আল্লাহর ভয় প্রবল থাকলে, কিয়ামতের দিন তার নাজাত আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
  • উল্লেখিত ব্যক্তি দুনিয়াতে কবর খনন করতো (মৃত ব্যক্তিদের কাফনের কাপড় চুরি করার জন্য)
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গাফিলতি থেকে দূরে থাকা এবং কিয়ামতের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক থাকা
  • কিছু বৈশিষ্ট্য যার কোন একটি সম্পাদন করলে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সেসব পরিত্যাগ করা মানুষের জন্য জরুরী- এই মর্মে হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি কাতাদাহ বিন দি‘আমাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো এমন কাজ থেকে দূরে থাকা, যা সম্পাদন করলে পরকালে শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে
  • মুসলিমের জন্য আবশ্যক হলো সে তার নিজের জন্য দুটো পথ নির্ধারণ করবে; একটি আশার আরেকটি ভয়ের
  • নিজের সৎ আমলের উপর নির্ভর করবে না, যদিও কোন ব্যক্তি সৎকাজ সম্পাদনে সচেষ্ট থাকে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর আযাব থেকে নিজেকে কম নিরাপদ মনে করা (আমরা এর থেকে আল্লাহর কাছে পানাহ চাই), যদিও সে সৎ আমল সম্পাদনের ক্ষেত্রে প্রাণান্তকর চেষ্টা করে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ আমলে ত্রুটির জন্য নিজেকে দোষারোপ করা, যদিও তাতে তার অনেক প্রচেষ্টা থাকে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো নিজের আমলের উপর নির্ভর না করা এবং বিভিন্ন অবস্থায় ‘বাধ্যগত অবস্থার’ প্রতি আশ্রয় নিবে না
  • শয়তান যখন মানুষের কাছে পাপ কাজ সুশোভিত করে তোলে আর সেসময় যখন মানুষ পাপ কাজে লিপ্ত হয়, তখন মানুষের জন্য কী করা আবশ্যক- এই মর্মে হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ আমল ও গোনাহের কাজ অল্প হলেও তা অবজ্ঞা করবে না- এই মর্মে হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রতিটি কাজে পরিণামের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া; তার আয়ুষ্কালের উপর ভরসা করে বসে থাকা উচিৎ নয়
  • বৃষ্টির আগে প্রচন্ড বায়ু প্রবাহের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারায় (উদ্বিগ্নতার) যে ছাপ প্রকাশ পেত
  • যখন কোন ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করে, নির্জনে সৎ আমল করে, সে ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো ভয়ের অবস্থা প্রবল হওয়া যাতে তার মাঝে এসব ইবাদতের মাধ্যমে আত্ন-অহমিকা তৈরি না হয়, যদিও সে ব্যক্তি ভাল মানুষ, দ্বীনদারিতার ক্ষেত্রে মুত্তাক্বী মানুষ
  • কোন মানুষ যদি ওয়াজ করার সময় আবেগপ্রবণ হয়ে যান, সেটা করা ঠিক আছে
  • দারিদ্রতা, দুনিয়ার ব্যাপারে অনাগ্রহী হওয়া ও অল্পে তুষ্টি প্রসঙ্গে হাদীস
  • যখন মহান আল্লাহ তাঁর কোন বান্দাকে ভালবাসেন, তখন তিনি তাকে দুনিয়া থেকে রক্ষা করেন
  • নশ্বর এই পৃথিবীতে সফল ব্যক্তিদের সম্পর্কে বর্ণনা
  • মহান আল্লাহ যাকে পবিত্র জীবন-জীবিকা দান করেন- তার সম্পর্কে বর্ণনা
  • যে সব প্রয়োজনাতিরিক্ত জিনিস মানুষকে দুনিয়ার কথা স্মরণ করিয়ে দেয় এবং মানুষকে দুনিয়ার ব্যাপারে আগ্রহী করে তোলে, সেসব জিনিস বর্জন করার নির্দেশ
  • মুসলিম ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো নশ্বর দুনিয়ার অতিরিক্ত জিনিস থেকে দুরে থাকা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো পরকালে নাজাতের আশায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য ছেড়ে দেওয়া যাতে হারাম ভক্ষণকারীদের শাস্তি দেওয়া হবে
  • এই উম্মাতের গরীব ব্যক্তিগণ, যারা আল্লাহ প্রদত্ত সম্পদের উপর ধৈর্যধারণ করেন, তাদেরকে ধনীদের (পরকালের) অর্ধ দিবস তথা (দুনিয়ার) পাঁচশত বছর আগে জান্নাতে প্রবেশ করানোর মাধ্যমে অনুগ্রহ করবেন
  • এই দুনিয়াতে যারা সম্পদশালী কিয়ামতের দিন তাদের জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত আটকে রাখা হবে
  • দরিদ্র মুহাজিরদের প্রতি আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ হলো মহান আল্লাহ তাঁদেরকে ধনীদের নির্দিষ্ট সময়কাল আগে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন
  • অত্র হাদীসে বর্ণিত সংখ্যা দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নেননি
  • নশ্বর এই দুনিয়ার প্রচুর সহায়-সম্পদ প্রাপ্ত ব্যক্তিকেও কোন কোন সময় ফকীর বলা যায় আবার যাকে এই দুনিয়ার সহায়-সম্পদ দেওয়া হয়নি তাকেও অনেক সময় ধনী বলা যায়- এই মর্মে হাদীস
  • আমরা যে ঐশ্বর্যের কথা বর্ণনা করলাম, তার বিবরণ
  • কোন কোন অবস্থায় কিছু দরিদ্র ব্যক্তি ধনী ব্যক্তির চেয়ে উত্তম হয়
  • আসহাবে সুফ্ফার (মসজিদে নববীর পিছনের দিকে সামিয়ানার নিচে অবস্থানকারী) সাহাবীদের বিবরণ সম্পর্কে হাদীস
  • ইসলাম প্রকাশের প্রথম দিকে প্রধানত মুসলিমের খাবার কী ছিল তার বিবরণ
  • আমরা যে সাহাবীদের খাবারের বিবরণ পেশ করলাম, সেটার কারণ বর্ণনা
  • যে মুসলিম ব্যক্তিকে নশ্বর পৃথিবীর সহায়-সম্পদ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে এবং তাকে যে দরিদ্রতা দেওয়া হয়েছে, তাতে সে ধৈর্য ধারণ করে, মহান আল্লাহ তার জন্য কল্যাণ লিপিবদ্ধ করেন
  • ধনীদের উপর গরীবদের মর্যাদার অন্যতম কারণ
  • যারা আল্লাহর আনুগত্য করেন, মহান তাদের জন্য দুনিয়াকে জেলখানা স্বরুপ করেন আর যারা তার অবাধ্য হয়, তিনি তাদের জন্য দুনিয়াকে জান্নাত স্বরুপ করে দেন
  • দুনিয়া মু‘মিনের জন্য জেলখানা স্বরুপ বানানো হয়েছে, যাতে মুসলিমরা দুনিয়ার প্রবৃত্তির চাহিদামূলক বস্তু পরিত্যাগ করে জান্নাতে পরিপূর্ণ নি‘আমত লাভ করতে পারেন
  • নশ্বর এই পৃথিবীর উপায়-উপকরণ বিভিন্ন অবস্থায় পরিবর্তনশীল মর্মে হাদীস
  • এই দুনিয়ার যা কিছু অবশিষ্ট থেকে যায়, তা অধিকাংশ সময় বিপদ-আপদ ও পরীক্ষার বস্তু হিসেবে থেকে যায়
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যাকে এই নশ্বর দুনিয়ার উপায়-উপকরণ দেওয়া হয়েছে, তার মাধ্যমে ধোঁকা কম খাওয়া
  • এই দুনিয়াতে যাকে নারী ও অন্যান্য নি‘আমত দেওয়া হয়েছে, এসবের মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো হারামে লিপ্ত হওয়ার ভয়ে এমন বৈধ কাজ করা থেকে বিরত থাকা যা মানুষকে নশ্বর ও প্রবঞ্চক দুনিয়ার দিকে ঢেলে দেয়
  • মু‘মিন ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো এমন জিনিস থেকে নিজেকে হেফাযত করা যা তাকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয় না এবং নিজেকে নশ্বর এই দুনিয়ার সাজ-সজ্জা, উপায়-উপকরণ থেকে নির্লিপ্ত রাখবে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো নশ্বর ও প্রবঞ্চক এই দুনিয়ার যা কিছু মানুষ মালিক হয়, তা অন্যের জন্য ব্যয় করে নিজেকে দুনিয়া থেকে নির্লিপ্ত রাখা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যেসব কাজের মন্দ পরিণাম আশংকা করা হয়, সেসব কাজ থেকে পরিবারকে বিরত রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া
  • নশ্বর দুনিয়ায় একজন মানুষের সেসব গুনাবলী থাকা জরুরী
  • নশ্বর এই দুনিয়ার সাথে সম্পর্কিত লোকের কাছে মর্যাদার মাপকাঠি
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “দুনিয়ার মানুষদের কাছে মর্যাদা হলো সম্পদ।”এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সেসব লোক দুনিয়ার কাছে গমন করে
  • যেসব দুনিয়াদার লোকদের কাছে সম্মানের মাপকাঠি হলো সম্পদ, তাদের সম্পদের পরিণতি সম্পর্কে হাদীস
  • নিশ্চয়ই আল্লাহ আদম সন্তানের খাদ্যের পরিণতিকে দুনিয়ার উপমা হিসেবে স্থাপন করেছেন।
  • দুনিয়ার যেসব জিনিস সমুন্নত হয়, অবশ্যই সেগুলো এক সময় অবনমিত হবে, কেননা দুনিয়ার এসব জিনিস হলো পঙ্কিল, যা নিঃশেষ হওয়ার জন্য সৃষ্টি করা হয়েছে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো কল্যাণ ও কল্যাণপ্রাপ্ত ব্যক্তিদের শুভ পরিণামের কথা মনকে স্মরণ করে দিয়ে নশ্বর দুনিয়ার প্রয়োজনাতিরিক্ত সহায়-সম্পদ না পাওয়ার ব্যাপারে নিজের মনকে সন্তুষ্ট রাখা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তাকে দুনিয়ার যা কিছু দেওয়া হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট থাকবে সাথে সাথে ইসলাম ও সুন্নাহ মাফিক চলবে
  • মানুষ দুনিয়া থেকে মুক্ত থাকবে এবং দুনিয়ার সেই পরিমাণ সম্পদ গ্রহণ করবে, যা একজন মুসাফির পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করে থাকে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রত্যুষে কাঙ্খিত লক্ষ্য পূরণ না হলে আক্ষেপ না করা
  • দুনিয়ায় গভীরভাবে লিপ্ত হওয়া পরকালকে ক্ষতিগ্রস্থ করে যেমনভাবে আখেরাত গভীরভাবে অন্বেষন করা দুনিয়ার প্রয়োজনাতিরিক্ত জিনিসের ক্ষেত্রে ক্ষতিসাধন করে
  • দুনিয়াবী সহায়-সম্পত্তিতে অত্যধিক লিপ্ত হওয়ার ব্যাপারে সতর্কবার্তা কেননা এটি মানুষকে দুনিয়ার ব্যাপারে আসক্ত করে তোলে, তবে যাকে আল্লাহ রক্ষা করেন, সে ব্যতীত
  • দুনিয়ার উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে যারা নিম্ন পর্যায়ের তাদের প্রতি লক্ষ্য করার নির্দেশ
  • মানুষকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে সম্পদ ও দৈহিক গঠনের ক্ষেত্রে তার চেয়ে নিম্ন পর্যায়ের মানুষের দিকে তাকাতে; তার চেয়ে উচ্চ পর্যায়ের মানুষের দিকে নয়
  • দুনিয়ার উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের দিকে তাকানোর ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • আবু সালিহের হাদীসে যে ঊর্ধ্বতন ব্যক্তির কথা আমরা বর্ণনা করলাম, তার গুণাবলী
  • মানুষের জন্য উত্তম হলো সে নশ্বর এই দুনিয়া থেকে রিক্তহস্ত হয়ে চলে যাবে, তার উপর সহায়-সম্পদের বোঝা থাকার চেয়ে, যার জন্য তাকে হিসাবের মুখোমুখি করা হবে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মনের খাহেশাতের জন্য মনকে তিরস্কার করা এবং মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য কষ্ট স্বীকার করা
  • প্রকৃত শক্তিশালী ঐ ব্যক্তি যিনি প্রবৃত্তির চাহিদা ও ওয়াসওয়াসার সময় নিজের মনের উপর বিজয়ী হয়; ঐ ব্যক্তি নয় প্রকৃত শক্তিশালী নয়, যে নিজের জবানের মাধ্যমে মানুষকে পরাভূত করে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য দুনিয়াতে প্রবৃত্তির চাহিদামূলক কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে- এই মর্মে হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • (আল্লাহভীরুতা ও তাওয়াক্কুল) - মানুষের জন্য আবশ্যক হলো উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে পরহেযগারিতা অবলম্বন করা; এমন নয় যে সে ঐ কাজে লিপ্ত হয়ে তার পক্ষে ব্যাখ্যা দাঁড় করাবে, যদিও তার সে ব্যাখ্যা দাঁড় করানোর সুযোগ আছে
  • দুনিয়াতে সন্দেহমূলক জিনিসের ব্যাপারে আল্লাহভীরু ব্যক্তিদের অবস্থার বিবরণ সম্পর্কিত হাদীস
  • নশ্বর এই দুনিয়ার যেসব উপকরণ মানুষকে সন্দেহে নিপতিত করে দেয়, সে ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো কোন অবস্থাতেই আখিরাতের কোন উপকরণের বিনিময়েই নশ্বর এই দুনিয়ার কোন জিনিস গ্রহণ করবে না
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন তার কোন জিনিস হাতছাড়া হয়ে যায়, তখন সে এজন্য হা-হুতাশ করবে না বরং সে তার জন্য যে প্রতিদান জমা করা হয়েছে, তার প্রতি লক্ষ্য করবে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো দুনিয়ার উপকরণের ক্ষেত্রে মহান আল্লাহ তাকে যে অনুগ্রহ দান করেছেন তার উপর ভরসা করা, যা পাননি তার জন্য হা-হুতাশ না করা- এই মর্মে হাদীস
  • যে ব্যক্তি সমস্ত উপায়-উপকরণে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার উপর জান্নাত অবধারিত হওয়া মর্মে হাদীস
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সমস্ত জিনিসকে আল্লাহর উপর ন্যস্ত করা
  • মু‘মিন ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর ফায়সালার উপর প্রশান্ত থাকা এবং তার উদ্দেশ্য পরিপন্থী কোন কিছু জীবনে আসলে কম অস্থির হয়ে যাওয়ার ব্যাপারে হাদীস
  • কোন মানুষ যদি প্রকৃতপক্ষেই সৎকর্মপরায়ন হন, তবে সংকীর্ণ ও অপ্রাপ্তির অবস্থাতেও তার হৃদয় স্বচ্ছল ও পাপ্তির অবস্থার মতই থাকবে
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সর্বাবস্থায়, সমস্ত উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে মাখলুখাতের সাথে অন্তরের সমস্ত সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো অন্তর দ্বারা আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুল করার সাথে সাথে অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে সতর্কতা অবলম্বন করা, এটি তার কথার পরিপন্থী যিনি সতর্কতা অবলম্বন করাকে অপছন্দ করেন
  • কুর‘আন পাঠ করা
  • উচ্চ আওয়াজ ও চুপিসারে এতদুভয়ের মাঝামাঝি আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে বেশি প্রিয় ছিল
  • অনুচ্চ আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করা আওয়াজ করে পাঠ করার চেয়ে উত্তম
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কোন এক উম্মতকে আদেশ করেন, যেন তাঁকে কুর‘আন পাঠ করে শুনানো হয়
  • দুইজন মুহাজির ও দুইজন আনসার সাহাবী থেকে কুর‘আন সাক্ষী করার নির্দেশ
  • এই উম্মাতের জন্য সাত রীতিতে কুর‘আন পাঠ করার অনুমতি প্রসঙ্গে হাদীস
  • যে ব্যক্তি সাত রীতির যে কোন এক রীতিতে কুর‘আন পাঠ করবেন, তিনি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হবেন- এই মর্মে হাদীস
  • যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রতিপালকের কাছে তাঁর সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন
  • কুর‘আন পাঠের ক্ষেত্রে উম্মাতের জন্য সহজতা চেয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা কিছু প্রার্থনা করেছেন, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাঁর প্রিয় রাসূলের সব দু‘আ কবুল করে তাঁর উপর অনুগ্রহ করেছেন
  • নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ নির্দিষ্ট সংখ্যক পঠন-রীতিতে কুর‘আন অবতীর্ণ করেছেন- এই মর্মে হাদীস
  • আমরা উল্লেখিত হাদীসে যা উল্লেখ করেছি, তার দ্বারা উদ্দেশ্য সম্পর্কে হাদীস
  • যেই হাদীসের অর্থ বাতিলপন্থীরা বুঝতে না পেরে মুহাদ্দিসগণের উপর আপত্তি করে থাকে
  • আমরা পূর্বের হাদীসে যা বর্ণনা করলাম তার কিছু বর্ণনা বিষয়ে হাদীস
  • কোন ব্যক্তি সাত রীতির যে কোন রীতিতে কুরআন পাঠ করতে পারবেন, কোন সমস্যা নেই
  • যে ব্যক্তি সাত রীতির কোন এক রীতিতে কুর‘আন পাঠ করবে, তাকে তিরস্কার করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • নিয়ত বিশুদ্ধ রেখে সুন্দর আওয়াজে অনুরণিত করে কুরআন পাঠ করা বৈধ আছে
  • সুন্দর আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করার বৈধতা
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, বারা বিন আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে আব্দুর রহমান বিন আওসাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন
  • কুর‘আন পাঠের ক্ষেত্রে আওয়াজ সুন্দর করা বৈধ কেননা সুন্দর আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করলে মহান আল্লাহ তা শ্রবণ করেন
  • যুগপৎভাবে মনস্তাপ ও প্রত্যাশা সহ কুর‘আন পাঠ করলে মহান আল্লাহ তা মন দিয়ে শ্রবণ করেন
  • আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুর উল্লেখিত হাদীস দু‘টির আমরা যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • গায়িকার মালিক গায়িকার গান যেমন মনযোগের সাথে শ্রবণ করেন, পূর্বে উল্লেখিত ব্যক্তির কুর‘আন মহান আল্লাহ তার চেয়েও বেশি মনযোগের সাথে শ্রবণ করেন
  • এই উম্মাতের কোন শ্রেণির মানুষ দ্বারা কুর‘আন পাঠ করা হবে
  • সাত দিনে কুর‘আন খতম করার মধ্যে ক্ষ্যান্ত থাকার ব্যাপারে হাদীস
  • কুর‘আনের পাঠককে সাত দিনে কুর‘আন অনুন্য সাত দিনে কুর‘আন খতম করার নির্দেশ
  • তিন দিনের কমে কুর‘আন খতম করার ব্যাপারে ধমকী, কেননা এই নিয়ম কুর‘আন বুঝা ও অনুধাবনের বেশি নিকটবর্তী
  • মানুষকে এই নির্দেশ প্রদান যে, সে তার কুর‘আন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকাল প্রত্যাশা করবে; দুনিয়াতে এর প্রতিদান তড়িৎ চাইবে না
  • কোন ব্যক্তির এরকম বলার ব্যাপারে ধমকী যে, সে বলবে "আমি ওমুক ওমুক আয়াত ভুলে গেছি"
  • কুর‘আন ভুলে যাওয়ার ভয়ে নিয়মিত কুর‘আন অধ্যয়ন করার নির্দেশ
  • নিয়মিত কুর‘আন অধ্যয়ন করার নির্দেশ
  • নিয়মিত কুর‘আন পাঠকারীকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাঁধা উটের সাথে উপমা দিয়েছেন
  • নিয়মিত কুর‘আন পাঠকারী ও কুর‘আন পাঠে অবহেলাকারী ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাঁধা উটের সাথে উপমা দিয়েছেন
  • কুর‘আন পাঠকারী ব্যক্তি দুনিয়াতে সর্বশেষ যে আয়াত পাঠ করেছে, আখেরাতে তার শেষ মানযিল সেখানে হবে
  • যিনি কুরআন পাঠে অভিজ্ঞ তাঁর প্রতি মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করবেন এভাবে যে, তিনি আমলনামা লিপিকার ফেরেস্তাদের সাথে থাকবেন আর যার উপর কুর‘আন পাঠ কষ্টকর তাকে তিনি দ্বিগুণ সাওয়াব দান করে অনুগ্রহ করবেন
  • যারা আল্লাহর কিতাব নিজেদের মাঝে পঠন-পাঠন করে, ফেরেস্তাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন এবং সে সময় রহমত ঘিরে রাখে
  • কুর‘আন পাঠের সময় মানুষের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়
  • কুর‘আন পাঠের দিকদিয়ে মু‘মিন ও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির উদাহরণ
  • কুর‘আন পাঠকারী মু‘মিন ও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির বিবরণ সম্পর্কে হাদীস
  • কুর‘আন পাঠের নিয়ত অনুসারে একদল ব্যক্তির মর্যাদা সমুন্নত হয়, আরেক শ্রেণির মানুষের মর্যাদা অবনমিত হয়
  • আব্দুল্লাহ বিন আমর ছাড়া অন্য ব্যক্তিকে প্রথমে কুর‘আন পাঠের ব্যাপারে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • সূরা ফাতিহা কুর‘আনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সূরা
  • সূরা ফাতিহার পাঠক ও পাঠকের প্রতিপালকের মাঝে বিভক্ত
  • সূরা ফাতিহা বান্দা ও তার প্রতিপালকের মাঝে বিভক্ত হওয়ার পদ্ধতি
  • সূরা ফাতিহা কুর‘আনের সবচেয়ে মহানতম সূরা, এটি السَّبْعُ الْمَثَانِي (বারবার পঠিত সাত আয়াতবিশিষ্ট্য সূরা), যা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রদান করা হয়েছে
  • সূরা ফাতিহা ও সূরা বাকারার শেষাংশ পাঠে যা চাওয়া হবে, তা প্রদান করা হবে
  • সূরা বাকারাহ পাঠকালে ফেরেস্তাগণ অবতীর্ণ হয়
  • সূরা বাকারাহকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উটের কুঁজের সাথে তুলনা করেছেন
  • যে ব্যক্তি সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত পাঠ করবে, সেটি তার জন্য যথেষ্ট হবে
  • কোন বাড়িতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তিন রাত পাঠ করা হলে, তার অধিবাসীগণ বাড়িতে প্রবেশ করার ব্যাপারে নিরাপদ থাকবে
  • যে বাড়িতে সূরা বাকারাহ পাঠ করা হয়, সে বাড়ি থেকে শয়তান পলায়ন করে
  • আয়াতুল কুরসী পাঠের মাধ্যমে শয়তান থেকে বেঁচে থাকা (আমরা আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পানাহ চাই।)
  • সূরা কাহফের দশ আয়াত পাঠ করার মাধ্যমে দাজ্জাল থেকে রক্ষা পাওয়া (আমরা আল্লাহর কাছে তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।)
  • যেই আয়াতগুলো পাঠ করার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করতে পারে, সেই আয়াতগুলো হলো সূরা কাহফের শেষ দিকের আয়াত
  • সূরা মুলক বেশি বেশি পাঠ করার নির্দেশ
  • যে ব্যক্তি সূরা মুলক পাঠ করবে, তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনার প্রতিদান রয়েছে
  • যে ব্যক্তি শয্যা গ্রহণ করতে চাইবে তাকে সূরা কাফিরূন পড়ার নির্দেশ
  • যে কারণে এই আমলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • সূরা ইখলাস পাঠকারীকে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে এক-তৃতীয়াংশ কুর‘আন পাঠ করার সাওয়াব দান করবেন
  • আরবরা যেমনভাবে ক্রিয়াকে কর্তার দিকে সম্পর্কিত করে অনুরুপভাবে তারা ক্রিয়াকে অন্য ক্রিয়ার দিকেও সম্পর্কিত করে থাকে, উভয় ব্যাপারটিই তাদের কাছে সমান
  • যিনি সূরা ফাতিহাকে ভালবাসে, মহান আল্লাহও তাকে ভালবাসেন
  • কোন ব্যক্তির সূরা ইখলাস সবসময় পড়তে ভালবাসা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবে
  • আল্লাহর নিকট সূরা ফালাকের চেয়ে উত্তম আর কিছু মানুষ পাঠ করতে পারে না
  • পাঠক সূরা নাস ও ফালাকের সদৃশ কোন সূরা পাঠ করতে পারে না
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার সকল উপায়-উপকরণে সূরা নাস-ফালাক পাঠ করবে
  • স্ত্রীর হায়েয অবস্থায় তার কোলে মাথা রেখে কুর‘আন পড়া বৈধ
  • কোন বক্তি যদি নাপাক না হন, তবে ওযূ ছাড়াই কুর‘আন পড়া বৈধ
  • যে ব্যক্তির ইলমে হাদীস বিষয়ে জ্ঞান নেই, তিনি কোন কোন সময় সংশয়ে পড়ে যান যে, নিচের হাদীসটি হয়তো আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলার হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • যে ব্যক্তির ইলমে হাদীস বিষয়ে গভীর জ্ঞান নেই, তিনি কোন কোন সময় সংশয়ে পড়ে যান যে, নিচের হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত আলী রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলার হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • যারা ইলমে হাদীসের বিষয়ের যারা ছাত্র নয়, কোন কোন সময় নিম্নোক্ত হাদীস তাকে সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বোক্ত দুটি হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • যিকর-আযকার
  • যেই হাদীস কোন কোন আলিম ব্যক্তিকেও এই সংশয়ে নিপতিত করে যে, ওযূ বিহীন অবস্থায় আল্লাহর যিকর করা জায়েয নেই
  • যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরকম করেছেন, যা আমরা বর্ণনা করলাম
  • মহান আল্লাহর যেসব নাম মুখস্তকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে
  • আল্লাহর সেসব নামসমূহের বিস্তারিত বিবরণ, যার মুখস্থকারী (অর্থ অনুধাবনকারী এবং এসব নামের দাবি অনুসারে আমলকারী) কে তিনি জান্নাতে প্রবেশ করাবেন
  • প্রকাশ্যে যিকর করার চেয়ে মনে মনে যিকর করা উত্তম
  • প্রকাশ্যে যিকর করার চেয়ে মনে মনে যিকর করা উত্তম মর্মে হাদীস
  • মহান আল্লাহ তা‘আলা তাঁর বান্দাদের মধ্যে যারা তাঁকে সংগোপনে স্মরণ করেন, তিনিও তাদের কথা মনে মনে স্মরণ করেন আর যারা তাঁকে মানুষের মাঝে স্মরণ করেন, তিনিও তাদেরকে তাঁর নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেস্তাদের মাঝে স্বরণ করেন
  • যে ব্যক্তি তার প্রতিপালককে মনে মনে স্মরণ করে, মহান আল্লাহ তাঁর রাজত্বে তাকে ক্ষমার মাধ্যমে স্মরণ করেন
  • যখন বান্দা আল্লাহর যিকর করার সাথে সাথে চিন্তা-ফিকির করে, তখন আল্লাহ তাদের নিয়ে ফেরেস্তাদের নিকট গর্ব করেন
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সকল উপায়-উপকরণে ও সদা সর্বদা আল্লাহর যিকর করা
  • আল্লাহর যিকরকারীর জন্য দ্রুত ক্ষমা প্রাপ্তির আশা করা যায়, যদি তার দুই ঠোট আল্লাহর যিকরে আন্দোলিত থাকে
  • দুনিয়াতে যারা আল্লাহর যিকর করবে, পরকালে মহান আল্লাহ তাদের যা দিয়ে সম্মানিত করবেন
  • প্রতিপালকের যিকরে আত্নভোলা হয়ে যাওয়া মুস্তাহাব
  • সব সময় আল্লাহর যিকর করা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল
  • যে ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশের সময় এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর যিকর করবে, সেই বাড়িতে শয়তানের রাত্রি যাপন ও খাদ্য গ্রহণের সুযোগ থাকে না
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বেশি বেশি পড়া, কেননা এটি জান্নাতের অন্যতম এক ধন ভান্ডার
  • যখন কোন ব্যক্তি বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলবে, জান্নাতে তার জন্য বেশি বেশি গাছ লাগানো হবে
  • বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় যে যিকর করলে, তার প্রবক্তাকে হেদায়েত দেওয়া হয়, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় এবং তাকে রক্ষা করা হয়
  • যিনি শিংগায় ফুঁৎকার দেওয়ার অপেক্ষা করছে, তাকে ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল’ বলার নির্দেশ
  • প্রাণহীন বর্ধনশীল উদ্ভিদ যতক্ষন পর্যন্ত সতেজ থাকে, ততক্ষন পর্যন্ত সেগুলো আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে
  • আল্লাহর তাসবীহ প্রকাশকারী ব্যক্তির গোনাহ মোচন করে এবং তার জন্য সাওয়াব লিপিবদ্ধ করে তার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ করা প্রসঙ্গে
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর মহিমা প্রকাশার্থে সুবহানাল্লাহ বলবে, তাকে আরো বেশি সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে জান্নাতে বেশি বেশি বৃক্ষ রোপন করার নির্দেশ দানের মাধ্যমে তার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ প্রসঙ্গে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উক্ত হাদীসটি হাজ্জাজ আস সাওওয়াফ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
  • আল্লাহর সৃষ্টির সংখ্যা, তাঁর সন্তুষ্টি, তাঁর আরশের ওযন ও তাঁর কালেমার কালি পরিমাণ আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করার নির্দেশ
  • একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় সুবহানাল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ বললে, মহান আল্লাহ তার বদৌলতে তার পূর্বের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন
  • যে তাসবীহ পাঠ করলে দিন সহ রাত এবং রাত সহ পুরো দিন তাসবীহ করার চেয়ে উত্তম হবে
  • যেই তাসবীহ মহান আল্লাহ ভালবাসেন, এবং কিয়ামতের দিন মীযানের পাল্লা ভারি হবে
  • যেই যিকরের বদৌলতে মহান আল্লাহ মানুষকে আসমান সমূহের ওযন সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো কিয়ামতের দিন মীযানের পাল্লা ভারী হওয়ার আশায় বেশি বেশি সুবহাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ এবং বেশি বেশি তাঁর মহিমা প্রশংসা করা
  • আমরা যেসব যিকর-আযকারের কথা বললাম, তা বলা একজন মানুষের জন্য ‘সূর্য যা কিছুর উপর উদয় হয়’ সেসব কিছুর অধিকারী হওয়ার চেয়ে উত্তম
  • যিকিরের উল্লেখিত বাক্যগুলো আল্লাহর কাছে সর্বাধিক প্রিয় বাক্যের অন্তর্ভূক্ত
  • উল্লেখিত বাক্যগুলি শ্রেষ্ঠ বাক্যের অন্তর্ভূক্ত, বাক্যগুলির মধ্য হতে যে কোন বাক্য আগে বলা হোক না কেন তাতে কোন ক্ষতি নেই
  • মহান আল্লাহ যত সংখ্যক কিছু করেছেন এবং যত সংখ্যক তিনি সৃষ্টি করেছেন, ততসংখ্যক সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ, আল্লাহু আকবার বলা
  • বান্দার প্রতিটি সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলার কারণে মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকার সাওয়াব লিখে দেন
  • আমরা যা বর্ণনা করলাম যে, সুবহানাল্লাহ, আলহামদু লিল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহু আকবার বলা সর্বোত্তম বাক্য, এর যে কোন বাক্য দ্বারা শুরু করাতে কোন দোষ নেই
  • আমরা যেসব যিকর-আযকার উল্লেখ করলাম, সেসবের সাথে লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলা এমন সৎ কর্মের অন্তর্ভূক্ত যা পরকালে ও বহাল থাকবে
  • আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষনার সাথে সাথে তাঁর বড়ত্ব ঘোষনা করলে মীযানের পাল্লা ভারী হয়
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আঙ্গুল গুনে গুনে সুবহানাল্লাহ, লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ ও আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষনা করা, কেননা কিয়ামতের দিন আঙ্গুলগুলোকে জিজ্ঞেস করা হবে এবং সেগুলো কথা বলবে
  • আমরা যে আমল বর্ণনা করলাম, এই ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা আমল করতেন
  • আল্লাহর প্রশংসাকারীকে মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন মীযান ভর্তি সাওয়াব দান করবেন
  • যেভাবে আল্লাহর প্রশংসা করলে, প্রশংসাকারীর জন্য ঠিক সেভাবেই লেখা হয়, যেভাবে সে প্রশংসা করে, যেন সে এই মাত্র কাজটি সম্পাদন করেছে
  • আলহামদু লিল্লাহ শ্রেষ্ঠ দু‘আ আর লা ইলাহা শ্রেষ্ঠ যিকর
  • মহান আল্লাহ মুসলিম ব্যক্তিকে যে ইসলামের জন্য হেদায়েত দান করেছেন, সেজন্য তাকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে যেন সে আল্লাহর প্রশংসা করে, যখন সে অমুসলিমদের অথবা তাদের কবর দেখবে
  • মহান আল্লাহ যাদেরকে আল্লাহবিমুখ ব্যক্তিদের পথ থেকে হেফাযত করেছেন, তাদের জন্য আবশ্যক হলো এজন্য মহান আল্লাহর প্রশংসা করা
  • যে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ দশবার বললে একটি দাস মুক্তির সাওয়াব দেওয়া হয়, তার বিবরণ
  • আমরা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ এর যে বিবরণ দিলাম, যে ব্যক্তি এর সাথে জীবন ও মৃত্যুর বিষয় আল্লাহর সাথে যুক্ত করবে, তাকে একটি দাস মুক্ত করার সাওয়াব দেওয়া হয়
  • কিছু বাক্য যা কোন ব্যক্তি বললে, মহান আল্লাহ তা সত্যায়ন করেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর ফায়সালার উপর ভরসা করে না থেকে সকল উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে যিকিরের মাধ্যমে সতর্কতা গ্রহণ করা জরুরী
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির করা, যাতে কিছু জায়গায় যিকির না করার কারণে কিয়ামতের দিন আক্ষেপের কারণ না হয়
  • যে জায়গায় আল্লাহর যিকির করা হয় এবং যে জায়গায় আল্লাহর যিকির করা হয় না, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক তার উপমা
  • আল্লাহর যিকির করার জন্য যারা একত্রিত হয়, ফেরেস্তাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখে সাথে সাথে তাদের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়
  • যারা আল্লাহকে স্মরণ করে, তাঁর কাছে জান্নাত চায়, জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চায় (আমরা আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই), মহান আল্লাহ তাদের ক্ষমা করে দেন
  • যে ব্যক্তি যিকিরকারীদের সাথে বসে, মহান আল্লাহ তাকে তাদের সাথে বসার কারণে সৌভাগ্যবান করেন
  • কিয়ামতের দিন অন্যান্য সৎ আমলকারীদের চেয়ে আল্লাহর যিকিরকারী নর ও নারীগণ অগ্রগামী হবেন
  • যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধায় ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ নির্দিষ্ট সংখ্যায় বলবে, তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন
  • একটি যিকির যা কোন ব্যক্তি সকাল বেলায় বললে কিয়ামতের দিন কোন ব্যক্তি তার সমপরিমাণ নেকি অর্জন করতে পারবে না
  • সকাল বেলায় যে যিকর করলে, তা ঐ দিনের শুকরিয়া আদায় হয়ে যাবে
  • যে যিকির কোন ব্যক্তি সকালে পাঠ করলে সন্ধা পর্যন্ত আর সন্ধায় পাঠ সকাল পর্যন্ত নিজেকে হেফাযত করতে পারে
  • যে ব্যক্তি আল্লাহকে প্রতিপালক হিসেবে, ইসলামকে দ্বীন হিসেবে এবং মুহা্ম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে রাসূল হিসেবে পেয়ে সন্তুষ্ট, তার জন্য জান্নাত অবধারিত
  • বিপদ-আপদের সময় যে যিকির করলে, বিপদাপদ দূর হওয়ার আশা করা যায়
  • দুঃখ-কষ্ট ও কঠিন মুহূর্তে আল্লাহর প্রশংসার সাথে সাথে তাঁর পবিত্রতা ঘোষনা ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার নির্দেশ
  • বিভিন্ন দু‘আ
  • ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আর ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থা বর্ণনা এবং এক্ষেত্রে তার কী উদ্দেশ্য হওয়া জরুরী, তার বর্ণনা
  • ব্যাপক অর্থবোধক বাক্যের মাধ্যমে মহান প্রতিপালকের কাছে কল্যান কামনা ও অকল্যান থেকে পরিত্রান চাওয়ার নির্দেশ
  • আল্লাহর কাছে বান্দার দু‘আ সবচেয়ে সম্মানজনক জিনিস
  • যে ব্যক্তি সব সময় দু‘আ করতে থাকে, তার বিপদাপদ মুক্তির আশা প্রসঙ্গে আলোচনা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো নিয়মিত দু‘আ ও সৎ করা অব্যাহত রাখা
  • যখন কোন ব্যক্তি একনিষ্ঠ আমল ও বিশুদ্ধ নিয়তসহ আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে, তার দু‘আ কবূল করা হবে, যদিও তার কাঙ্খিত জিনিসটি অলৌকিক কিছু হয়
  • মাযলূমের দু‘আ অবশ্যই কবূল হয়, যদিও তা কিছুটা বিলম্বে হয়
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দু‘আ করার সময় দুই হাত উঠানো
  • মহান আল্লাহর কাছে দু‘আ করার সময় দুই হাত উঠানো বৈধ
  • দুই হাত উঠিয়ে দু‘আ করার ক্ষেত্রে আবশ্যক হলো দুই হাত উঠানোর ক্ষেত্রে মাথা অতিক্রম করবে না
  • দু‘আ করার সময় ওয়াজিব হলো দু‘আকারী তার দুই হাতের তালূ তার মুখ বরাবর রাখবেন
  • যে ব্যক্তি দুই হাত উঠিয়ে তার প্রতিপালকের নিকট দু‘আ করে, তার দু‘আ কবুল করা হয়
  • যে ব্যক্তি দুই হাত উঠিয়ে দু‘আ করে, নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ তা কবূল করেন, যদি না সে কোন পাপের দু‘আ করে অথবা দু‘আ কবূলের ব্যাপারে তাড়াহুড়া করে দু‘আ করা ছেড়ে দেয়
  • আল্লাহর কাছে দু‘আ করার সময় আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করার বিবরণ
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে দু‘আ করার সময় ইশারা করার ইচ্ছা করবে, তখন ডান হাতের শাহাদাহ অঙ্গুলি কিছুটা হেলিয়ে তা দিয়ে ইশারা করবে
  • দু‘আর সময় দুই আঙ্গুলের মাধ্যমে ইশারা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • যখন কোন ব্যক্তি কোন কাজ করার ইচ্ছা করবে, তখন তা শুরু করার আগে ইস্তিখারা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে আলোচনা
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • যে ব্যক্তি কোন কাজ করার ইচ্ছা করবে, তাকে যে ইস্তিখারার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা ফরয ব্যতীত দুই রাকা‘আত নফল সালাত আদায় করার পর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • নতুন চাঁদ প্রথম দেখলে একজন ব্যক্তি কী বলবে, তার বর্ণনা
  • আল্লাহর কাছে চাওয়ার ক্ষেত্রে অল্প না চেয়ে বেশি বেশি চাওয়া মুস্তাহাব
  • সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে দু‘আ করা ইবাদতের অন্তর্ভূক্ত, যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়
  • যেই জিনিসের মাধ্যমে প্রতিপালকের কাছে দু‘আ করলে, তিনি কবূল করেন
  • আমরা যে দু‘আর কথা বর্ণনা করলাম সেটা হলো ইসমে আ‘যম এর মাধ্যমে দু‘আ, যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি দু‘আ করে ব্যর্থ মনোরথ হয় না
  • আল্লাহর মহান নাম যার মাধ্যমে কোন মানুষ কিছু চাইলে, আল্লাহ তা প্রদান করেন
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সমস্ত বিষয়াদি তার স্রষ্টার প্রতি ন্যস্ত করা, সাথে সাথে তার সকল উপায়-উপকরণের মধ্যে ছোট-বড় সব কিছু আল্লাহর কাছেই চাওয়া
  • যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • কোন ব্যক্তি যখন তার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আমলের উসীলায় দু‘আ করে, তখন তার দু‘আ কবূল হওয়ার আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
  • প্রতিপালকের কাছে বান্দার প্রার্থনা করা যেন তিনি বান্দাকে ইসলাম দান করা এবং প্রতিপালকের উপর তাওয়াক্কুল করার পর যেন পথভ্রষ্ট না করেন
  • আল্লাহর পক্ষ থেকে হিদায়াত প্রাপ্তির আগে এবং পরে যে দু‘আ করা মানুষের জন্য আবশ্যক
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো বেশি বেশি হেদায়েত ও তাকওয়ার জন্য প্রতিপালকের কাছে আবেদন করা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে ভাল কাজের হেদায়েত চাওয়া
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো অন্তর আল্লাহর আনুগত্যের উপর পরিবর্তন হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে কামনা করা
  • প্রতিপালকের কাছে দু‘আকারী ব্যক্তি যদি সাদাকা করার সামর্থ না রাখে, তবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর গুণাবলী মাফিক দরুদ মাফিক পাঠ করলে সেটাই তার জন্য সাদাকাহ হিসেবে গণ্য হবে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠকারীর দরুদ পাঠ করার কারণে গোনাহ মোচন করা হয়
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় বান্দা মুহাম্মাদ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর একবার দরুদ পাঠ করবে, মহান আল্লাহ তার জন্য নেকী লিখে দিবেন
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় বান্দা মুহাম্মাদ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর একবার দরুদ পাঠ করবে, মহান আল্লাহ এর বদৌলতে তাকে দশবার ক্ষমা করবেন
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর নাম শোনার পর দরুদ পাঠ করলে তার জান্নাতে প্রবেশের আশা করা যায় আর যে ব্যক্তি তাঁর নাম শুনে তাঁর উপর দরুদ পাঠ করবে না, তার জাহান্নামে প্রবেশের আশংকা
  • দ্বিতীয় হাদীস যা আমাদের বর্ণিত বিষয়কে স্পষ্ট করে
  • যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠ করে সে কৃপণ নয়
  • যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠ করবে, সেই দরুদ কবরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে পেশ করা হয়
  • কিয়ামতের দিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সবচেয়ে নিকটে থাকবে ঐ ব্যক্তি যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সবচেয়ে বেশি দরুদ পাঠ করবে
  • আল্লাহর বাণী (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا) এর ব্যাখ্যাদানকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় ব্যক্তিত্ব মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠ করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ নেকী লিপিবদ্ধ করে দিবেন
  • মুসলিম ব্যক্তির সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে তাঁর কবরে পৌঁছানো হয়
  • যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর সালাম পেশ করবে, মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাকে দশবার জাহান্নাম থেকে রক্ষা করবেন (আমরা আল্লাহর কাছে জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাই)
  • মুসলিম ব্যক্তির উপর সালাত পেশ করার বৈধতা, এটা তাদের কথার বিপরীত যারা নবীগণ ব্যতীত অন্য কারো উপর সালাত পেশ করা অপছন্দনীয় মনে করেন
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে সালাত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ব্যতীত আর কারো উপর সালাত পেশ করা জায়েয নেই, তার কথার অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে সালাত শব্দ দ্বারা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর পরিবার-পরিজন ব্যতীত অন্য কারো উপর সালাত পেশ করা জায়েয নেই, তার কথার অপনোদনকারী হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো রাতের শেষ এক তৃতীয়াংশে দু‘আ ইস্তিগফার করা
  • যে সময়ে আমরা দু‘আ কবূল হওয়ার আশার কথা বলছি, সেটা মহান আল্লাহর নিয়মে প্রতি রাতেই হয়ে থাকে
  • যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের বিপরীত
  • কোন ব্যক্তি তার প্রভুর নিকটে তিনটি জিনিস চাইলে তার একটি তাকে দেওয়া হবে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইস্তিগফার করতেন, তখন তিনবার ইস্তিগফার করতেন
  • পূর্বে উল্লেখিত ইস্তিগফারের সংখ্যাটি এমন নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে বেশি ইস্তিগফার করতেন না
  • আমরা যে সংখ্যা উল্লেখ করলাম, সংখ্যাটি এমন নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে বেশি ইস্তিগফার করতেন না
  • আমরা যে সংখ্যা উল্লেখ করলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সংখ্যার উপর ক্ষ্যান্ত থাকতেন না যে, এর চেয়ে বেশি ইস্তিগফার করতেন না
  • আমরা যে সংখ্যা উল্লেখ করলাম সে সংখ্যায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে ইস্তিগফার করতেন
  • আমরা ইস্তিগফারের যেসব বাক্য বর্ণনা করলাম, তার চেয়ে সংক্ষপ করেও ইস্তিগফার করা জায়েয
  • মানুষ যে কাজ করে, সেজন্য আল্লাহর কাছে তাওবা করার নির্দেশ
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রতিটি পাপ কাজ করার পর ইস্তিগফার করা, যদিও সে অন্যান্য ভাল কাজে সচেষ্ট থাকে
  • যারা ইলমে মজবূতী অর্জন করেনি, তারা অত্র হাদীসের যেই শব্দটির অর্থ বুঝতে পারে না
  • সায়্যিদুল ইস্তিগফার, পাপের জন্য যার মাধ্যমে মানুষ তার প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে
  • সায়্যিদুল ইস্তিগফার, যা কোন ব্যক্তি পূর্ণ ইয়াকীনের সাথে বললে জান্নাতে প্রবেশ করবে
  • মহান আল্লাহ সর্বাবস্থায় যেন ইসলামের মাধ্যমে ব্যক্তিকে হেফাযত করেন এজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার নির্দেশ
  • মানুষ যখন স্বর্ণ রৌপ্য জমা করবে, তখন আল্লাহর কাছে দ্বীনের উপর অটল থাকা ও সঠিকতার উপর দৃঢ় থাকার প্রার্থনা করার নির্দেশ
  • প্রতিপালকের কাছে দুনিয়া ও আখিরাতে কল্যাণ প্রার্থনা করার ব্যাপারে নির্দেশ
  • মহান স্রষ্টার কাছে উভয় জগতে কল্যাণ চেয়ে দু‘আ করা মুস্তাহাব
  • আমরা যে দু‘আর বর্ণনা দিলাম তা দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বাবস্থায় বেশি বেশি দু‘আ করতেন
  • যে ব্যক্তি মনে করে যে, ইমাম শু‘বা ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ থেকে জাফরান সংক্রান্ত হাদীস ছাড়া আর কোন হাদীস শুনেন নাই
  • আমরা যে দু‘আর কথা বর্ণনা করলাম, তাতে আল্লাহর রুবুবিয়্যাতের স্বীকারোক্তি দিয়ে দু‘আ করা মুস্তাহাব
  • আমরা যে দু‘আর বিবরণ দিলাম, এর বিপরীত দু‘আ করা মাকরুহ হওয়া প্রসঙ্গে হাদীস
  • যেসব আমল আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দেয়, সেসব আমলের উপর অটল-অবিচল থাকার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা জরুরী যেন তিনি এর বদৌলতে মেহেরবানী করে এসব আমলের উপর অটল-অবিচল রাখেন
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা করা, যেন তিনি তার অন্তরকে তাঁর পছন্দনীয় আমলের উপর অটল রাখেন
  • এই জাতীয় শব্দগুলো মানুষ নিজেদের মাঝে যেভাবে বুঝে সেভাবে স্রেফ উপমা ও উদাহরণ স্বরুপ ব্যবহার করা হয়েছে; বাহ্যিক অর্থ এখানে উদ্দেশ্য নয়
  • প্রতিপালকের কাছে হেদায়েত, নিরাপত্তা, তাঁর বেলায়েত (নৈকট্য, বন্ধুত্ব) কামনা করার নির্দেশ
  • প্রভুর নিকটে ক্ষমা, দয়া, হেদায়েত ও রিযিক প্রার্থনা করার জন্য নির্দেশ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো মহান প্রতিপালকের কাছে তাঁর সাহায্য-সহযোগিতা ও হেদায়েত চাওয়া
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আমর বিন মুর্রা আব্দুল্লাহ বিন হারিস থেকে শুনেননি- তাদের বক্তব্য অপনোদনে হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে সমস্ত বিষয়ে নিরাপত্তা চাওয়া
  • আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা কামনা করা, কেননা একজন মানুষকে যা কিছু দেওয়া হয় তন্মধ্যে তাওহীদের পর নিরাপত্তার চেয়ে উত্তম আর কিছু দেওয়া হয় না
  • যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাইবে, তাকে নিরাপত্তার সাথে ক্ষমাও যুক্ত করে চাওয়ার নির্দেশ
  • নিরপত্তার পর ইয়াক্বীন চেয়ে আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার ব্যাপারে নির্দেশ
  • মানুষ যা আমল করে.. (আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ বলেন, “মুল পান্ডুলিপিতে ৭টি শব্দ পরিমাণ লেখা মুছানো রয়েছে। এখানে ঠিক কী শব্দ ছিল, তা আমার কাছে স্পষ্ট হয়নি।”)
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে এই কামনা করা যেন তিনি তার বিভিন্ন রকমের গোনাহ ক্ষমা করার মাধ্যমে তার প্রতি মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করেন
  • মানুষের জন্য বৈধ হলো উপমার শব্দে মহান প্রতিপালকের ক্ষমা চাওয়া
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো এই দু‘আ করার আগে আল্লাহর প্রশংসা করা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো গোনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, যদিও প্রার্থনা চুড়ান্ত পর্যায়ের শব্দ দিয়ে করা হয়
  • দু‘আয় সর্বোচ্চ জান্নাত ফেরদাউস চাওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো মহান আল্লাহ যেমনভাবে মেহেরবানী করে তার চেহারাকে সুন্দর করেছেন, অনুরুপভাবে যেন তিনি তার চরিত্রকেও সুন্দর করে দেন, এজন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করা যেন তিনি তাকে মন্দ চরিত্র ও খারাপ প্রবৃত্তি থেকে দুরে রাখেন
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সকাল বিকেলে আল্লাহর কাছে ক্ষমা ও নিরাপত্তা চাওয়া
  • সকাল ও সন্ধ্যায় একজন ব্যক্তি কী বলবে সকাল
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সকালে আল্লাহর কাছে ঐ দিনের কল্যাণ কামনা করবে
  • সকাল বেলা একজন ব্যক্তি কোন দু‘আর মাধ্যমে দু‘আ করবে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি হাম্মাদ বিন সালামা এককভাবে বর্ণনা করেছেন -তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • প্রতিপালকের নিকট ঋণ পরিশোধ করা এবং দরিদ্রতা থেকে স্বাবলম্বী করার জন্য জন্য দু‘আ করা
  • যে কারণে মহান আল্লাহ এই আয়াত অবতীর্ণ করেন “অতঃপর তারা তাদের উদ্দেশ্য তারা বিনীত হয়নি এবং তারা ক্রন্দনও করেনি”
  • জীবনে দুঃখ-কষ্ট নেমে আসলে কী দু‘আ করতে হবে
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তা সুস্পষ্টকরণে দ্বিতীয় হাদীস
  • বিপদগ্রস্থ ব্যক্তির দু‘আর বিবরণ
  • যে সব আমলের মাধ্যমে দুনিয়ায় বিপদমুক্তির আশা করা যায়
  • কাউকে কোন দুঃখ-কষ্ট পেয়ে বসলে, তা দূর করে তা খুশিতে পরিণত করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করার জন্য নির্দেশ
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার শত্রুর জন্য এমন দু‘আ করা যাতে তার অংশ বর্জন করা হয়
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন তার উপর কোন বিষয় কঠিন হবে, তখন আল্লাহর কাছে তার সহজতা প্রার্থনা করা
  • দু‘আ করার পর দু‘আ কবূল হওয়ার ব্যাপারে তাড়াতাড়ি করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • দু‘আ-কারীর দু‘আ কবূল করা হয়, যদি দু‘আ-কারী তাতে তাড়াহুড়া না করেন-এটি তখনই হয়, যখন সে আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজে দু‘আ করে
  • কোন ব্যক্তির এই রকম দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী যে সে বলবে “হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, যদি আপনি চান
  • দু‘আ করার ক্ষেত্রে অধিক মাত্রায় ছন্দময় শব্দ ব্যবহার করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে হেদায়েতের জন্য দু‘আ করা
  • যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি আ‘রাজ থেকে আবুয যিনাদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন-তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো নিজের মুশরিক আত্নীয়দের জন্য আদৌ দু‘আ করবেন না
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মহান আল্লাহ তাকে যে মেহেরবানী করে হেদায়েত দান করেছেন, সেজন্য আল্লাহর প্রশংসা করার উপর ক্ষ্যান্ত থাকবে আর যাকে হেদায়েত ও সঠিক পথ থেকে বঞ্চিত করা হয়েছে, তার জন্য হেদায়েত চাওয়ার ক্ষেত্রে অতিমাত্রায় প্রার্থনা করা বর্জন করবে
  • স্ত্রী সহবাসের সময় যে দু‘আ পড়লে শয়তান সেই সন্তানের কোন ক্ষতি করতে পারবে না
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে কোন কওমের কাছে বেড়াতে যাবে, তাদের কাছ থেকে ফিরে আসার সময় মেজবানের জন্য দু‘আ করা
  • কোন ব্যক্তি নিজের জন্য দু‘আ করে, তারপর তা অন্যের জন্য না হওয়ার দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • কোন ব্যক্তির দু‘আয় অন্যকে শরীক না করে শুধু নিজের জন্য কল্যাণের দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • প্রভুর নিকটে অন্যের উপর রহম না করার জন্য প্রার্থনা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে তার অন্য কোন ভাইয়ের জন্য দু‘আ করবে, তখন সে প্রথমে নিজেকে দিয়ে শুরু করবে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো অন্য ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে দু‘আ করা, যাতে উভয়ের জন্যই দু্‘আ কবূল করা হয়
  • কোন মুসলিম ভাইয়ের সম্পদ ও সন্তান বৃদ্ধির জন্য দু‘আ করা বৈধ
  • মুসলিমের মাঝে অনাবৃষ্টি শুরু হলে কোন দু‘আ করবে, সেই প্রসঙ্গে
  • অব্যাহত ভারী বর্ষনের সময় কোন দু‘আ পড়বে
  • যখন মহান আল্লাহ মানুষের উপর বৃষ্টি বর্ষন করে অনুগ্রহ করবেন আর মানুষ তা দেখতে পাবে, তখন কী বলবে? মুসলিমের মাঝে অনাবৃষ্টি শুরু হলে কোন দু‘আ করবে, সেই প্রসঙ্গে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য هَنِيًّا (তৃপ্তিদায়ক) দ্বারা উদ্দেশ্য ‘উপকারী বৃষ্টি’
  • মানুষের জন্য আবশ্যক হলো নিজের ফসলাদির ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে বারকাহর জন্য দু‘আ করবে; শুধু শুধু বৃষ্টির উপর নির্ভর করবে না
  • মুসলিমদের মাঝে পারস্পরিক ভালবাসা ও সম্পর্ক ঠিক করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার নির্দেশ
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কোন ব্যক্তি যদি কোন একটা অবস্থায় থাকে, তাহলে আল্লাহর কাছে আবার ঐ অবস্থা কামনা করা যায় না, কেননা এটা অসম্ভব কথা- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • অধ্যায়: আশ্রয় প্রার্থনা - চারটি বিষয় থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ
  • প্রকাশ্য ও প্রকাশ্য সব ধরণের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাওয়া
  • আশ্রয় প্রার্থনার ক্ষেত্রে আমরা যে বিষয়গুলো উল্লেখ করলাম, তার সাথে আরো যেই বিষয়গুলো যোগ করা মুস্তাহাব
  • আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ ঐ দরিদ্রতা থেকে যা মানুষকে অবাধ্য করে তুলে এবং ঐ লাঞ্চনা থেকে যা মানুষের দ্বীনকে ধ্বংস করে দেয়
  • আল্লাহর কাছে ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
  • পিতা-মাতার হক
  • সালামের প্রচলন ঘটানো এবং মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো
  • ভাল ও পুণ্যের কাজ
  • রাস্তায় বসা প্রসঙ্গে
  • গাধার আওয়াজের সময় আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
  • যখন বায়ু প্রবাহিত হয়, তখন তার অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
  • যখন বায়ু প্রবাহিত হয়, তখন তার অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
  • প্রবল বায়ূ প্রবাহিত হলে কী বলবে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ভালো কাজে অলসতা করা থেকে এবং এবং বার্ধক্য থেকে যা মানুষকে ভালো কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখে
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা সুস্পষ্টতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • বার্ধক্যের বিবরণ যে বার্ধক্য থেকে পানাহ চাওয়া মু্স্তাহাব
  • নিজের সন্তান, সন্তানের সন্তানের ব্যাপারে কোন কিছু আশংকা করলে কীসের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করবে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি ইবনু আবী উনাইসা মিনহাল বিন আমর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দিনে রাতে সব সময় মহান প্রভুর নিকট জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
  • মানুষের জন্য মু্স্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এমন সালাত থেকে যা কোন উপকার দেয় না এবং এমন নফস থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না
  • কোন দু‘আর মাধ্যমে মানুষ মন্দ ভাগ্য ও বিপদে শত্রুর খুশি হওয়া থেকে আশ্রয় চাইবে
  • শারীরিক অসুস্থতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুস্তাহাব
  • মানুষের জন্য মু্স্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া জীবন ও মৃত্যুর অনিষ্টতা থেকে
  • জীবনের যে অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়া আবশ্যক তার অন্তর্ভূক্ত হলো ফিতনা, মৃত্যুর অনিষ্টতাও অনুরুপ
  • বিষাক্ত প্রাণীর দংশন থেকে বেঁচে থাকার জন্য যে দু‘আর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করা হবে
  • বিকেলে যা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সাপের দংশন থেকে বেঁচে থাকতে পারে
  • বিকেলে যা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সাপের দংশন থেকে বেঁচে থাকতে পারে, যখন সে ব্যক্তি তা তিনবার বলবে, একবার নয়
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া দ্বীনে নিফাক ও ভালো কাজে লৌকিকতা প্রদর্শন করা থেকে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো মন্দ বয়সের কারণে দ্বীন ও দুনিয়া বিনষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো এমন ঋণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া, যে ঋণ পরিশোধ করার মত কিছু থাকে না
  • কোন কোন সময় এক জিনিস আরেক জিনিসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, যখন সেটি কোন একটি অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, যদিও প্রকৃতপক্ষে জিনিস দুটি বিপরীতধর্মী হয়
  • আমরা ঋণের যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া বান্দাদের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ক্ষুধা ও খেয়ানত করা থেকে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া অন্যের উপর যুলুম করা বা অন্য কর্তৃক যুলুমের শিকার হওয়া
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া পরকালে পাপের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিসাবের মুখোমুখী হওয়া এবং দুনিয়াতে এমন পাপ করা থেকে
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি মানসূর বিন মু‘তামির ছাড়া আর কেউ অবিচ্ছিন্ন সানাদে বর্ণনা করেনি
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া পরিণামে মন্দ প্রতিবেশী থেকে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দিনে-রাতে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া
  • যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চায়, জাহান্নাম তার প্রতিপালকের কাছে আবেদন করে যেন তিনি ঐ ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন
  • যে দু‘আ করলে একজন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে, তা দিনে রাতে যেকেন সময়েই হোক না কেন
  • হাদীস বিষয়ে যে ব্যক্তি গভীর জ্ঞান অর্জন করেনি, তাকে যে হাদীসটি এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, দু‘আ পূর্বনির্ধারিত ভাগ্যকে প্রতিহত করতে পারে
  • ৮. পবিত্রতা অর্জন (كِتَابُ الطَّهَارَةِ)
  • যে ব্যক্তি ওযূর ব্যাপারে যত্নবান, তার জন্য ঈমান সাব্যস্ত করা
  • ওযূর ফযিলত (কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার কারণে মর‌্যাদা সমুন্নত হয় এবং পাপ মোচন হয়)
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন
  • ওযূর কারণে পাপসমূহ মুছে যাওয়া এবং ওযূকারী ব্যক্তি ওযূ শেষ করার পর গোনাহসমূহ থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়
  • ওযূ করে সালাত আদায়কারী ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ের জন্য ক্ষমা করে দেন
  • ওযূকারী ব্যক্তিকে ওযূ শেষ করার পর মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, যখন সে ঠিক ওযূ করে যেভাবে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে এবং সেভাবে সালাত আদায় করে, যেভাবে আদায় সালাত আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “তার পূর্বের গোনাহ ক্ষমা করা হবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এক সালাত থেকে আরেক সালাত পর্যন্ত
  • ওযূকারীর যে গোনাহ মাফের কথা আমরা উল্লেখ করলাম, এটা তখনই হবে সে ব্যক্তি কাবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে; যে ব্যক্তি কাবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে না, তার জন্য এটি প্রযোজ্য নয়
  • দুনিয়ায় ওযূর পানি যে পর্যন্ত পৌঁছবে, জান্নাতবাসীদের অলঙ্কার সেই পৌঁছবে (আমরা আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করি, যেন আমাদের জান্নাতে অলঙ্কারগুলো সেই পর্যন্ত পৌঁছে)
  • মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মাতকে কিয়ামতের দিন চেনা যাবে, দুনিয়াতে ওযূর কারণে হাত-পায়ের উজ্জ্বলতার মাধ্যমে
  • দুনিয়ায় ওযূর প্রভাবের কারণে কিয়ামতে এই উম্মাহর বিবরণ
  • অন্যান্য উম্মাতের লোকেরা সালাতের জন্য ওযূ করলেও হাত-পা-চেহারার উজ্জ্বলতা শুধুমাত্র এই উম্মাতের জন্যই হবে
  • কিয়ামতের দিন ওযূকারী ব্যক্তির হাত-পা-চেহারার উজ্জ্বলতা হবে দুনিয়াতে যে পর্যন্ত ওযূর পানি পৌঁছবে
  • যে ব্যক্তি ওযূর পর আল্লাহর একত্ববাদ ও তাঁর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালতের সাক্ষ্য দেয়, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়
  • যে ব্যক্তি ওযূ করে রাত্রি যাপন করবে, তার ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সময় ফেরেস্তা তার জন্য ইস্তিগফার করেন
  • শয়তান ঘুমানোর সময় যেমন মাথার পশ্চাৎভাগে গিরা দিয়ে থাকে, অনুরুপভাবে ওযূ অঙ্গসমূহেও গিরা দিয়ে থাকে
  • ওযূর ফরয - যে ব্যক্তি ওযূর ফরয আদায় করতে চায়, তাকে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার নির্দেশ
  • পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার নিয়ত করার সাথে সাথে হাতের আঙ্গুলসমূহের মাঝে খেলাল করার নির্দেশ
  • যে কারণে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার নির্দেশ দিয়েছেন
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ওযূকারীর জন্য ফরয হলো দুই পা মাসেহ করা; ধৌত করা নয়-তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যেই কারণে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ওযূর সময় দুই পা মাসেহ করতেন
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কা‘ব হলো পায়ের পাতার উপরিভাগে উদ্গত হাড্ডি; পায়ের দুই পাশে উদ্গত হাড্ডি নয়- তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • ওযূর সময় পায়ের গোড়ালীর উপর মোটা রগ ও পায়ের তালু ধৌত করার ব্যাপারে ভালভাবে খেয়াল না করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • ওযূর সুন্নাত সমূহ - ওযূ করা শুরুর সময় ওযূকারী ব্যক্তির পাত্রে হাত ঢুকানোর বিবরণ
  • যখন কোন ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন দু্ই হাত ধৌত করার আগে ওযূর শুরুতে পাত্রে হাত ঢুকানোর ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া ব্যক্তিকে পাত্রে হাত ঢুকানোর আগে তিনবার হাত ধৌত করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
  • ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া ব্যক্তিকে ওযূ শুরু করার আগে দুই হাত ধৌত করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
  • ঘুম থেকে জাগ্রত ব্যক্তি হাত কয়বার ধৌত করবে
  • হাত ধৌত করার নির্দেশ হাতে নাপাকী লাগার আশংকায়, কেননা ঘুমন্ত অবস্থায় সেটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে স্পর্শ করে
  • নিয়মিত মেসওয়াক করার নির্দেশ, কেননা এটি স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভূক্ত
  • মেসওয়াক কারীর জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মাতকে নিয়মিত মেসওয়াক করার নির্দেশ দেওয়ার অভিলাষ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “প্রত্যেক সালাতের সময়” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেক সালাতের সময় যখন সে সালাতের জন্য ওযূ করা হয়
  • যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নির্দেশ দিয়েছেন
  • ইমামের জন্য তার অধিনস্থ লোকদের সামনে মেসওয়াক করা বৈধ, যদি তা তাদেরকে লজ্জা বা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে না দেয়
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে তাঁর পরম বন্ধুর কাছে মুনাজাত করার জন্যে উঠেন, তখন তাঁর মেসওয়াক করা প্রসঙ্গে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেসওয়াক এর বিবরণ
  • বাড়িতে প্রবেশের সময় মেসওয়াক করা মুস্তাহাব
  • মানুষের জন্য মু্স্তাহাব হলো যখন রাতে ঘুম থেকে জেগে উঠবে, তখন প্রথমে মেসওয়াক করা
  • মানুষের জন্য বৈধ হলো ওযূতে এক সাথে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া
  • ওযূকারী ব্যক্তির জন্য কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়ার বিবরণ
  • ওযূকারীর জন্য বৈধ হলো এক অঞ্জলি পানি দিয়ে একসাথে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া
  • ওযূর সময় নাকে পানি দেওয়ার বিবরণ
  • ওযূ করার সময় মুখে পানির ঝাপটা মারা মুস্তাহাব
  • ওযূকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো ওযূ করার সময় দাড়ি খেলাল করা
  • ওযূকারীর জন্য হাত ঘষে পরিস্কার করা মুস্তাহাব
  • ওযূর সময় আমরা যে দুই হাত ঘষে পরিস্কার করার কথা বললাম, এটা করা ওয়াজিব হয়ে যায়, যখন ওযূর পানি কম হয়
  • কোন ব্যক্তি ওযূ করতে চাইলে কিভাবে মাথা মাসেহ করবে তার বিবরণ
  • ওযূকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো হাতের অবশিষ্ট পানি দিয়ে মাথা মাসেহ না করে নতুন পানি নিয়ে মাসেহ করা
  • ওযূকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো ওযূর সময় কানের বাহিরের অংশ দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা আর কানের ভিতরের অংশ দুই তর্জনী অঙ্গুলি দ্বারা মাসেহ করা
  • ওযূর সময় হাতের আঙ্গুল খেলাল করার নির্দেশ
  • যে কারণে আঙ্গুলসমূহের মাঝে খেলাল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • ওযূর সময় দুই হাত ধৌত করার আগে মুখ ধৌত করার মাধ্যমে ওযূ শুরু করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুসরণে ওযূ ও পোশাক পরিধান করার ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে শুরু করার ব্যাপারে নির্দেশ
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সকল কাজে ডান থেকে শুরু করা
  • ওযূর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধোয়া মুস্তাহাব
  • ওযূকারীর ব্যক্তির বৈধ রয়েছে ওযূর কিছু অঙ্গ জোড় সংখ্যায় আবার কিছু অঙ্গকে বেজোড় সংখ্যায় ধৌত করা
  • ওযূর অঙ্গুসমূহ দুইবার দুইবার করে ধৌত করে ক্ষ্যান্ত থাকা বৈধ
  • ওযূর অঙ্গুসমূহ একবার করে ধৌত করে ক্ষ্যান্ত থাকা বৈধ, যদি সে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করে
  • ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ
  • বমি করলে ওযূ নষ্ট হয়ে যায়, চাই বমি কম হোক অথবা বেশি হোক- এই মর্মে হাদীস
  • যে হাদীসটি কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, কোন কোন অবস্থায় ঘুম ওযূকে অবধারিত করে দেয় না
  • উল্লেখিত হাদীসটি ইসলামের প্রথম যুগের- এই মর্মে হাদীস
  • তন্দ্রার কারণে ওযূ অবধারিত হয় না বরং যে ঘুমের কারণে মানুষের জ্ঞান লোপ পায়, তাতে ওযূ অবধারিত হয়
  • মযী (উত্তেজনাবশত বীর্যরস) বের হওয়ার কারণে সালাতের ন্যায় ওযূ করার নির্দেশ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “সে যেন তার লজ্জাস্থানে পানি ছিটা দেয়” এর উদ্দেশ্য হলো “সে যেন লজ্জাস্থান ধৌত করে”
  • মযী বের হওয়ার কারণে ওযূ না করে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা সালাতের জন্য যথেষ্ট নয় এবং কাপড়ে পানির ছিটা দেওয়ার পরিবর্তে ওযূ করা যথেষ্ট হবে
  • মযী বের হলে ওযূ করা এবং মনী তথা বীর্য বের হলে গোসল করা ওয়াজিব
  • যে ব্যক্তি ইলমে হাদীসে মজবুত ইলম অর্জন করেনি, তিনি কখনো এই সংশয়ে পড়েন যে, এই হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত আবূ আব্দুর রহমান আস সুলামী বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
  • তৃতীয় হাদীস যা সংশয়ে ফেলে দেয় ঐ ব্যক্তিকে যে সঠিক জায়গা থেকে ইলম অন্বেষন করেনি, সে মনে করে যে হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীস দুটির বিপরীত
  • মযী বের হলে ওযূ আর বীর্য বের হলে গোসল ওয়াজিব
  • মাহরাম নারীদের স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে দলীলের ন্যায় হাদীস
  • মাহরাম নারীদের স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে দলীল
  • মাহরাম নারীদের স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে হাদীস
  • কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে দলীলের ন্যায় হাদীস
  • উরওয়া (রহ.) এই হাদীসটি নিজে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শ্রবণ করেছেন, এই মর্মে হাদীস
  • উরওয়া (রহ.) এই হাদীসটি নিজে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শ্রবণ করেছেন, এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
  • লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটা সেই ওযূ যা ছাড়া সালাত বিশুদ্ধ হয় না- এই মর্মে হাদীস
  • লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটা হলো সালাতের ওযূ- এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস, যদিও আরবরা হাত ধুয়া অর্থেও ওযূ শব্দ ব্যবহার করে থাকে
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম তাতে নারী পুরুষ সবাই সমান
  • আমরা যে হাদীসগুলো উল্লেখ করলাম সেগুলো ব্যাখ্যাসাপেক্ষ; বস্তুত স্পর্শ করলে ওযূ তখনই ওয়াজিব হবে, যখন কোন পর্দা ও অন্তরাল ছাড়া সরাসরি লজ্জাস্থান স্পর্শ করা হবে; অন্যান্য স্পর্শ বা অন্তরাল রেখে লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে ওযূ ওয়াজিব হবে না
  • যে হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো বুসরার হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • লজ্জাস্থান স্পর্শ করার হুকুমের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা উভয়টিই সমান
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কাইস বিন তলক থেকে মুলাযিম বিন আমর ব্যতীত অন্য কোন নির্ভরযোগ্য রাবী হাদীসটি বর্ণনা করেননি
  • তলক বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে সময়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন
  • তলক বিন আলী রাদিআল্লাহু আনহু মদীনায় আগমন করার পর আবার স্বদেশে ফিরে যান মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
  • উটের গোসত খেলে ওযূ করার নির্দেশ, এটা তাদের কথার বিপরীত যারা ওযূ না করার কথা বলেন
  • যে হাদীস হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো ত্রুটিযুক্ত
  • উটের গোসত খেলে ওযূ করতে হবে, এই মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
  • উটের গোসত খাওয়ার কারণে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেটা সালাতের জন্য নির্ধারিত ওযূ; ওযূ দ্বারা শুধু দুই হাত ধোয়া উদ্দেশ্য নয়- এই ব্যাপারে হাদীস
  • যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
  • যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
  • যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
  • যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমরা যে ওযূ করার নির্দেশের কথা উল্লেখ করলাম সেটাকে রহিতকারী বা এটি সেই হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
  • যে হাদীস কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এই হাদীসটি উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব হওয়া মর্মে বর্ণিত হাদীসটিকে রহিত করে দিয়েছে
  • যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমরা যে ওযূ করার নির্দেশের কথা উল্লেখ করলাম সেটাকে রহিতকারী
  • যে হাদীস আমাদের উল্লেখিত হাদীসের সংক্ষিপ্ত শব্দের ব্যাখ্যাকে সমর্থন করে
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়েছিলেন, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ না করে সালাত আদায় করেছেন, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে তৃতীয় হাদীস
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ করেননি, সেটা মেষের কাঁধের গোসত ছিল; উটের কাঁধের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ করেননি, সেটা মেষের কাঁধের গোসত ছিল; উটের কাঁধের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত ছিল না মর্মে বর্ণনা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই কাজ যে নির্দেশকে রহিত করে দিয়েছে, যা আমরা ইতিপূর্বে আলোচনা করেছি
  • আগুনে পাকানো জিনিস খেলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ওযূ করার নির্দেশ
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য تَوَضَّأْ مِمَّا مَسَّتْهُ النَّارُ (আগুন যা স্পর্শ করেছে, তা খেয়ে ওযূ করবে) এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আগুনে পাকানো জিনিস
  • আগুনে পাকানো মেষের গোসত খেলে ওযূ না করার বৈধতা প্রসঙ্গে আলোচনা
  • আগুনে পাকানো মেষের গোসত খেলে ওযূ না করা বৈধ
  • মেষের গোসত খেয়ে ওযূ করার ব্যাপারটি আগুনে পাকানো জিনিস খেয়ে ওযূ করার নির্দেশের পর হয়েছে
  • আগুনে পাকানো ছাতু খেলে ওযূ না করার বৈধতা
  • মানুষের জন্য বৈধ হলো যখন সে আগুনে পাকানো গোসত খাবে তখন হাতে-মুখে পানি স্পর্শ না করেই সালাত আদায় করা
  • একমাত্র উটের গোসত ব্যতীত অন্য যে কোন আগুনে পাকানো জিনিস খেলে ওযূ করার নির্দেশ মানসূখ বা রহিত
  • আমাদের বর্ণনানুযায়ী একমাত্র উটের গোসত ব্যতীত অন্য যে কোন আগুনে পাকানো জিনিস খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয় মর্মে হাদীস
  • আগুনে পাকানো জিনিস খেয়ে ওযূ না করার যে বৈধতা তা থেকে উটের গোসত খেয়ে ওযূ করার নির্দেশটি ব্যতিক্রম এই মর্মে হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • সব ধরণের দুধ পান করার কারণে ওযূ না করা বৈধ
  • দুধ পান করা পানকারী ব্যক্তির উপর ওযূ করা আবশ্যক করে না
  • ফল খেয়ে ওযূ না করার বৈধতা প্রমাণে হাদীস
  • মৃত ব্যক্তিকে বহন করার কারণে ওযূ করার নির্দেশ
  • দুই হাতে মাংসের কিছু চর্বি লেগে থাকলে তা না ধুয়ে কোন কিছু দিয়ে মুছে সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া বৈধ
  • পাকানো গোসত স্পর্শ করার কারণে ওযূ আবশ্যক হয়ে যায় না
  • (গোসল) - বীর্যপাতে গোসল ওয়াজিব হয়, যদিও দুই খাতনার জায়গা একত্রিত হয়
  • উম্মু সুলাইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “নারীরা স্বপ্নে দেখে যেভাবে পুরুষরা দেখে থাকে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বপ্নদোষ হওয়া
  • নারীদের স্বপ্নদোষ হলে গোসল করা ওয়াজিব
  • মেয়েদের স্বপ্নদোষ হলে তখনই গোসল ওয়াজিব হয়, যখন বীর্যপাত হয়, যদি স্বপ্নদোষ হয় কিন্তু কাপড় ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল ওয়াজিব হবে না
  • স্বপ্নদোষ হলে যদি ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল করার বিধান বাতিল হয়ে যাবে এই মর্মে হাদীস
  • ইসলামের প্রথম যুগে স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলে, তবে স্ত্রী-দেহ যতটুকু স্পর্শ করতো, ততটুকু ধৌত করে তারপর সালাত আদায়ের জন্য ওযূ করা ফরয ছিল; গোসল করা ফরয ছিল না
  • ইসলামের প্রথম যুগে স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলে, গোসল ছাড়া যা করা জরুরী ছিল
  • উল্লেখিত উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের হুকুম বৈধ থাকার পর পরবর্তীতে তা মানসুখ বা রহিত হয়ে গেছে
  • আমরা যে কাজের (স্ত্রী মিলন) কথা উল্লেখ করলাম, যে ব্যক্তি এমন কাজ করবে, তার জন্য ওয়াজিব হলো গোসল করা, যদিও বীর্যপাত না হয়
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক এমন কাজ করা যা না করার তিনি বৈধতা দিয়েছিলেন
  • স্ত্রী মিলনের সময় যদি দুই খাতনার জায়গা পরস্পর মিলিত হয়, তবে গোসল করা ফরয হয়ে যাবে, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
  • যদি দুই খাতনার জায়গা পরস্পর মিলিত হয়, তবে গোসল করা ফরয হয়ে যাবে, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
  • স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলেও গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে
  • স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলে গোসল ওয়াজিব না হওয়া বিধানটি ইসলামের প্রথম যুগে ছিল, পরবর্তীতে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়
  • যেই সময়ে এই বিধানটি রহিত করা হয়, তার বর্ণনা
  • সহবাস করার কারণে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায় যদিও বীর্যপাত না হয়
  • দুই খাতনার জায়গা একত্রিত হলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয় এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, খোদ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সেই কাজ করা
  • স্ত্রী সহবাস করলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
  • স্বপ্নদোষ হলে যদি ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল করার বিধান বাতিল হয়ে যাবে এই মর্মে হাদীস
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে খোলা জায়াগায় গোসল করতে চাইবে, তখন সে কাউকে আদেশ করবে যেন তাকে কোন কাপড় দিয়ে পর্দা করে দেয়, যেন কোন দর্শক তাকে দেখতে না পায়
  • গোসলকারী ব্যক্তির জন্য এটা জায়েয আছে তার গোসলের সময় কোন মাহরাম নারী তার জন্য পর্দা করবেন
  • যে হাদীস অগভীর জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত আবূ মুর্রার হাদীসের বিপরীত
  • নাপাকী গোসল সম্পাদনকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করা; ডান হাত দিয়ে নয়
  • নাপাক ব্যক্তি গোসল করতে চাইলে কিভাবে গোসল করবে তার বিবরণ
  • যখন কোন ব্যক্তি ও তার স্ত্রী নাপাকী গোসল করার ইচ্ছা করবে, তখন আবশ্যক হলো স্ত্রী প্রথমে দুই হাতের উপর পানি ঢেলে (হাত ধুয়ে) নিবে তারপর দুইজন একসাথে গোসল করবে
  • নাপাক ব্যক্তির জন্য জায়েয আছে তার স্ত্রীর সাথে একই পাত্র থেকে গোসল করা
  • একই পাত্র থেকে একজন পুরুষ তার স্ত্রীর সাথে গোসল করা জায়েয হওয়ার কথা উল্লেখ
  • দুই নাপাক ব্যক্তির এক পাত্র থেকে গোসল করা বৈধ, যদিও পানি অল্প হয়
  • নাপাকী গোসল সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো গোসলের সময় চুলের গোড়ায় খেলাল করা
  • নাপাক ব্যক্তি গোসলের সময় যে তিন অঞ্জলি পানি মাথায় দেয় তার বিবরণ
  • কোন নারী যখন নাপাকীর গোসল করবে, তখন তার জন্য বৈধ হলো বেনী না খুলে গোসল করা
  • ঋতুবতী মহিলার জন্য মুস্তাহাব হলো গোসলের পানিতে বরই পাতা ব্যবহার করা এবং গোসলের পর এক টুকরো সুগন্ধিযুক্ত কাপড় ব্যবহার করা
  • ঋতুবতী নারী গোসলের পর সুগন্ধিযুক্ত কাপড় ব্যবহার করার নির্দেশ, অন্য কাপড় নয়
  • (৬) গোসলের পানির পরিমাণ - যে পরিমাণ পানি দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোসল করতেন
  • যে পরিমাণ পানি দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা গোসল করতেন
  • আমরা নাপাকী গোসলের জন্য যে পানির পরিমাণের কথা বর্ণনা করলাম, এটা এমন পরিমাণ নয় যে, তার চেয়ে কম-বেশি করা যাবে না
  • আমরা নাপাকী গোসলের জন্য যে পানির পরিমাণের কথা বর্ণনা করলাম, এটা এমন পরিমাণ নয় যে, তার চেয়ে কম-বেশি করা যাবে না
  • (৭) নাপাক ব্যক্তির বিধি-বিধান - যে ঘরে নাপাক ব্যক্তি থাকে, সে ঘরে ফেরেস্তাদের প্রবেশ না করা প্রসঙ্গে
  • মানুষের জন্য বৈধ হলো একাধিক স্ত্রীর বা দাসীদের কাছে গমন করে শেষে একবার গোসল করা
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এমন কাজ শুধু একবার করেননি এই মর্মে হাদীস
  • রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর যেসব স্ত্রীদের নিকট গমন করে শেষে একবার গোসল করতেন, সেসব স্ত্রীদের সংখ্যা প্রসঙ্গে
  • যে ব্যক্তি মজবূতভাবে ইলমে হাদীস অর্জন করে নাই, তাকে কোন কোন সময় এই হাদীস সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত দাসতুয়াইর হাদীসের বিপরীত
  • যে ব্যক্তি স্ত্রীর কাছে পুনরায় গমন করতে চায়, তাকে ওযূ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
  • যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • নাপাক ব্যক্তি গোসলের আগে ঘুমাতে চাইলে কী করবে, সেই সম্পর্কে হাদীস
  • নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে লজ্জাস্থান ধুয়ে এবং সালাতের ন্যায় ওযূ করে গোসল না করেই ঘুমানো
  • নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে গোসল না করে ওযূ করে ঘুমানো
  • নাপাক ব্যক্তি ঘুমাতে চাইলে তার জন্য ওযূ করা এমন ফরয নয় যে, ওযূ না করে ঘুমানো জায়েয নেই
  • নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে সালাতের ন্যায় ওযূ করার পর ঘুমানো
  • নাপাক ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে ঘুমাতে চাইবে, তখন সালাতের ন্যায় ওযূ করবে, তারপর ঘুমাবে
  • (৮) জুমু‘আর দিনে গোসল করা
  • জুমু‘আর উদ্দেশ্যে গোসলকারী ব্যক্তি আগামী জুমু‘আহ পর্যন্ত পাপসমূহ থেকে পবিত্র হয়ে যায়
  • জুমু‘আর দিনে গোসল করা স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভূক্ত
  • জুমু‘আয় যাওয়ার ইচ্ছা করলে, জুমু‘আর জন্য গোসল করা মুস্তাহাব
  • যে ব্যক্তি জুমু‘আয় আসবে তাকে গোসল করার নির্দেশ, আর যে জুমু‘আয় আসবে না তার থেকে গোসল করার নির্দেশ বাদ পড়ে যাবে
  • সকাল সকাল গমন করার অর্থে الرَّواح শব্দ ব্যবহার করা
  • নারীরা জুমু‘আয় আসতে চাইলে তাদের জন্য গোসল করা মু্স্তাহাব
  • যে শব্দ কোন কোন আলেম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ফরয; যা তরক করা জায়েয নেই
  • দ্বিতীয় হাদীস, যে হাদীস অনুসারে আমাদের কিছু মনে করেন যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ওয়াজিব
  • যে ব্যক্তি জুমু‘আয় আসতে ইচ্ছা করে, তিনি কিভাবে গোসল করবেন তার বিবরণ
  • পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহে যে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশ নির্দিষ্ট কারণবশত নির্দেশনা ও উত্তমতা নির্দেশক- এই ব্যাপারে হাদীস
  • যে ব্যক্তি জুমু‘আয় উপস্থিত হবে, তার জন্য গোসল করা ফরয নয়, এই ব্যাপারটি স্পষ্টকারী দ্বিতীয় হাদীস
  • তৃতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ফরয নয়
  • তৃতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ফরয নয়; বরং মুস্তাহাব
  • তৃতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ভালো ও উত্তম
  • যে কারণে লোকদেরকে জুমু‘আর দিনে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
  • লোকজন জুমু‘আর দিন তাদের কাজের পোশাক পরিধান করে আসতো, এই জন্য তাদেরকে এই দিন গোসলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল
  • আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “ফলে তাদেরকে বলা হয়, “যদি তোমরা গোসল করতে, (তবে সেটা কতইনা ভালো হতো)” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাদেরকে এই নির্দেশ করেছিলেন
  • (৯) কাফির ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা প্রসঙ্গে - কাফির ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা
  • সুমামাকে বন্দি হওয়ার সময় খুটির সাথে বেধে রাখা হয়েছিল এই মর্মে বর্ণনা
  • কাফির ব্যক্তি যখন ইসলাম গ্রহণ করবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো পানির সাথে বরই পাতা মিশিয়ে গোসল করা
  • (১০) পানির বিবরণ
  • যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি প্রবাহমান পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; আবদ্ধ পানির ক্ষেত্রে নয়- তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি সাগরের পানি দিয়ে ওযূ করা নাজায়েয বলে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি সা‘ঈদ বিন সালামাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • ঐ পানি দিয়ে গোসল করা বৈধ, যাতে কোন খাদ্যদ্রব্য মিশে যায়, যতক্ষন না সেই খাদ্যদ্রব্য আধিক্যের কারণে পানির উপর প্রাবল্যতা লাভ করে
  • যখন পানিতে অথবা পানীয়তে এমন কিছু পড়ে, যাদের প্রবাহমান রক্ত নেই, তবে সেক্ষেত্রে কী করবে
  • কোন পাত্রে মাছি পড়লে, পুরো মাছিকে পাত্রে ডুবিয়ে দিবে, কেননা মাছির এক ডানায় রোগ আরেক ডানায় আরোগ্য থাকে
  • যে বক্তি মনে করে যে, আবদ্ধ পানিতে নাপাকী গোসল করলে পানি নাপাক হয়ে যায় যদি পানি কম হয় অর্থাৎ পানির পরিমাণ দৈর্ঘ-প্রস্ত ও গভীরতায় অন্তত ১০×১০ বা ১০০ বর্গহাত না হবে- তার কথা ভুল প্রমাণে হাদীস
  • আমাদের উল্লেখিত হাদীসটিকে যেই দুটি বিশেষণে বিশেষিত হবে
  • আবদ্ধ পানি দুই কুল্লাহ বা ২০৪ লিটারের কম হলে তাতে পেশাব করার ব্যাপারে ধমকী
  • দুই কুল্লার কম পানিতে পেশাব করে, তারপর সেই পানিতে ওযূ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • নাপাক ব্যক্তির শরীরে লেগে থাকা নাপাকীর কারণে দুই কুল্লার কম পানিতে নাপাকীর গোসল করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
  • পূর্ববর্তী দুই অধ্যায়ে আমরা পানির যে ব্যাখ্যা করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
  • দুই কুল্লার কম পানিতে পেশাব করার ব্যাপারে হুশিয়ারী ঐ ব্যক্তির জন্য যার নিয়ত রয়েছে যে সে তাতে পরে গোসল করবে
  • যে গোসলখানার পানি প্রবাহিত হয়ে চলে যায় না, এমন গোসলখানায় পেশাব করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
  • দুই কুল্লার কম পানিতে পেশাব করার ব্যাপারে হুশিয়ারী ঐ ব্যক্তির জন্য যার ইচ্ছা রয়েছে যে সে পরে তাতে ওযূ করবে অথবা তা পান করবে
  • হাদীস বিষয়ে যে মজবুত ইলম অর্জন করেনি, তাকে কোন কোন সময় যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আবদ্ধ পানিতে নাপাক ব্যক্তি গোসল করলে পানি নাপাক হয়ে যায়
  • যে ব্যক্তি এই ধারণা করে যে, নাপাক ব্যক্তি পুকুরে গোসল করলে পুকুরের সব পানি নাপাক হয়ে যায়, তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
  • যে ব্যক্তি এই ধারণা করে যে, নাপাক ব্যক্তি পুকুরে গোসলের জন্য নামলে পুকুরের সব পানি নাপাক হয়ে যায়, তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
  • (১১) নারীর ওযূর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযূ করা
  • যে হাদীস এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, প্রথম যুগে নিষিদ্ধ উক্ত কাজটি পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে করেছেন
  • উক্ত নিষিদ্ধ কাজটির বৈধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • হাকাম বিন আমরের হাদীসে এটি বর্ণিত হয়েছে যে, ব্যক্তি উক্ত নিষিদ্ধ কাজটি করেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রতিবাদ করেননি
  • নাপাকীর গোসলের পর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযূ করা যে ব্যক্তি নাজায়েয বলে, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • একই পাত্র হতে নারী-পুরুষ উভয়েই ওযূ করা বৈধ
  • (১২) ব্যবহৃত পানি সম্পর্কে - যেই পানি ব্যবহার করে একবার ফরয আদায় করা হয়েছে সেই পানি ব্যবহার আরেক ফরয আদায় করা মর্মে হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বৈধতা সুস্পষ্টকরণের মাধ্যমে যে হাদীস মন থেকে সংশয়কে দূর করে দেয়
  • সৎকর্মশীল আলিমদের ওযূর অবশিষ্ট পানি দ্বারা বরকত নেওয়া বৈধ, যখন তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহর অনুসারী হবেন; বিদ‘আতী হবেন না
  • (১৩) পাত্রসমূহের বিবরণ - কাঠের তৈরি পাত্রে গোসল করা বৈধতা প্রসঙ্গে
  • রাতে পাত্র ঢেকে রাখার নির্দেশ, একটি কাষ্ঠখন্ড দিয়ে আড়াআড়ি করে হলেও
  • রাতে ঘুমানোর সময় দরজা বন্ধ করে দেওয়া, পানপাত্রের মুখ বন্ধ করা, বাতি নিভিয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য পাত্র ঢেকে দেওয়ার নির্দেশ
  • যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিসমিল্লাহ সহ এসব প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই মর্মে বর্ণনা
  • যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; দিনে নয়, এই মর্মে বর্ণনা
  • যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; দিনে নয়, এই মর্মে হাদীস
  • যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতের কিছু অংশে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; পুরো রাত নয়
  • এই সময়ে এসব নির্দেশ করার কারণ
  • (১৪) মৃত প্রাণীর চামড়া প্রসঙ্গে
  • জুহাইনাহ এলাকায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চিঠি পাঠ করার সময় আব্দুল্লাহ বিন উকাইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উপস্থিত ছিলেন
  • হাদীসের যেই শব্দ কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি মুরসাল; মুত্তাসিল নয়
  • মৃত প্রাণীর চামড়ার মাধ্যমে যে কোন উপকার লাভ করার বৈধতা
  • আমরা যে চামড়ার কথা উল্লেখ করলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর স্ত্রীকে সেই চামড়া ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন
  • মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়ার নির্দেশ, যখন তা দাবাগত বা পাকা করা হয়
  • মৃত প্রাণীর চামড়া ব্যবহার বৈধ করা হয়েছে সেসময়, যখন দাবাগত করা হয়; তার আগে নয়
  • যেসব প্রাণী জবেহের মাধ্যমে ভক্ষন করা হালাল, সেসব মৃত প্রাণীর চামড়া দাবাগত করার পর বৈধ হয়
  • মৃত প্রাণীর চামড়া ব্যবহার বৈধ করা হয়েছে সেসময়, যখন দাবাগত করা হয়; তার আগে নয়
  • মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ, যখন তা দাবাগাত করা হয়, চাই সেই প্রাণী জবেহের মাধ্যমে হালাল হোক অথবা না হোক
  • প্রত্যেক মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকার লাভ করা বৈধ, যখন তা দাবাগত করা হয় বা দাবাগত করা যায়-এই ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে ইবনু ওয়ালা ও যাইদ বিন আসলাম শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • যেসব প্রাণী জবেহের মাধ্যমে ভক্ষন করা হালাল, সেসব প্রাণীর চামড়া দাবাগত করার পর তা ব্যবহার করা বৈধ, এমন মৃত প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করাও বৈধ
  • দাবাগত করার মৃত প্রাণীর চামড়া মাধ্যমে উপকার লাভ করা বৈধ
  • (১৫) বিভিন্ন ধরণের উচ্ছিষ্ট প্রসঙ্গে - যে কুয়া থেকে পানি পান করা হয়, তাতে কুলি করা বৈধ
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ঋতুবতী নারীর মুখের উচ্ছিষ্ট নাপাক, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • পাত্রে কুকুর মুখ দিলে নির্দিষ্ট সংখ্যায় তা ধৌত করার নির্দেশ
  • কুকুর কোন পাত্রে মুখ দিলে তা নাপাক হয়ে যায়, এই মর্মে হাদীস
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কোন পাত্রে কুকুর লাগানোর পর পাত্রের খাবার পবিত্র- তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • পাত্রে কুকুর মুখ দিলে সাত ধৌত করার ক্ষেত্রে প্রথমবার মাটি দিয়ে ধৌত করা প্রসঙ্গে
  • পাত্রে মুখ দিলে তা ধৌত করার ক্ষেত্রে মুস্তাহাব হলো অষ্টমবার মাটি দিয়ে মাজা
  • সমস্ত হিংস্র প্রাণীর উচ্ছিষ্ট পাক, এই মর্মে হাদীস
  • (১৬) তায়াম্মুম করা
  • মাটি বা ধুলি ব্যাতিত, কয়লা, সীসা বা এ জাতীয় যে কোন জিনিস দিয়ে তায়াম্মুম করা বৈধ নয়
  • পানি না পাওয়া গেলে যে তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করা যায়, সেই তায়াম্মুমের বিবরণ
  • দ্বিতীয় হাদীস যা স্পষ্ট করে যে, পুরো দুই হাত মাসেহ করা ওয়াজিব নয়
  • যে ব্যক্তি মনে করে যে, পুরো দুই হাত মাসেহ করা ওয়াজিব; যা ছেড়ে দেওয়া বৈধ নয়, তার কথা অপনোদনে হাদীস
  • আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
  • তায়াম্মুমের ক্ষেত্রে দুইবার মাটিতে হাত মেরে পুরো হাত মাসেহ না করে মুখ মুন্ডল ও হাতের কব্জি মাসেহের উপর ক্ষান্ত থাকার নির্দেশ
  • তায়াম্মুমের জন্য হাত মাটিতে মারার পর দুই হাতে ফুঁক দেওয়া মুস্তাহাব
  • যেই হাদীস হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহের বিপরীত
  • নিশ্চয়ই পানি না পাওয়া ব্যক্তির জন্য পবিত্র মাটিই হলো ওযূর বিকল্প ব্যবস্থা, যদিও কয়েক বছর পর্যন্ত পানি না পায়
  • পানি পাওয়া ব্যক্তি যদি জুনুবী থাকে, তবে তার জন্য আবশ্যক হলো তখনই শরীরে পানি স্পর্শ করানো অর্থাৎ গোসল করা
  • যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি খালিদ আল হায্যা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
  • অসুস্থ ব্যক্তির জন্য পানি পাওয়া সত্তেও তায়াম্মুম করা বৈধ, যখন সে পানি ব্যবহার করার কারণে নিজের প্রাণ নাশের আশংকা করবে
  • জুনুবী ব্যক্তির জন্য গোসল না করে ওযূ বা তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করা বৈধ, যখন সে প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে নিজের প্রাণ নাশের আশংকা করবে
  • মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সালামের জবাব দেবার জন্য তায়াম্মুম করা, যদিও সে মুকীম থাকে