বুধবার (দুপুর ১২:১০)
৩০শে জিলক্বদ, ১৪৩৮ হিজরী
৮ই ভাদ্র, ১৪২৪ বঙ্গাব্দ (শরৎকাল)
২৩শে আগস্ট , ২০১৭ ইং
সালাত, সাহরী ও ইফতারের সময়সূচী

সতর্কতাঃ যেহেতু সময়টি অটোম্যাটিক ভিত্তিতে হিসাব হয়ে থাকে তাই সাহরী ও ইফতারের ক্ষেত্রে কোন কোন দিন ১-২ মিনিট + - হতে পারে

  • ৭১৮৬৩ টি সর্বমোট হাদিস আছেঃ
  • ৮০৩৩ টি প্রশ্নোত্তর ও ফিকাহঃ

 

 

 

 


বাংলা হাদিসের প্রজেক্টসমূহে সর্বদা সহযোগিতা করুন

আস-সালামু আলাইকুম। বাংলা হাদিস মূলত একটি নন-প্রফিট প্রজেক্ট যার উদ্দেশ্য শুধুমাত্র সঠিক দ্বীনের প্রচার এবং প্রসার। বাংলা হাদিসের বর্তমান কার্যক্রম চালানোর জন্য যে পরিমাণ অর্থ প্রয়োজন হয় তার একটি অন্যতম অংশ আপনাদের সকলের সহযোগিতা।

আমাদের এই কার্যক্রমকে সচল রাখতে এবং ভবিষ্যতে আরো বিস্তৃত করতে আপনাদের সহযোগিতা একান্ত কাম্য কেননা আলহামদুলিল্লাহ্‌ আমাদের কাজের পরিধি প্রতিনিয়ত বিস্তৃত হচ্ছে ইন-শা-আল্লাহ।

Donate to Bangla Hadith

আপনি কি এবার হজে যাচ্ছেন?



ফুল ভার্শন অফলাইন ডাউনলোড লিঙ্কঃ bit.ly/hadithapk502
গুগল প্লে ডাউনলোড লিঙ্কঃ bit.ly/hadithapk

বাংলা হাদিসের এন্ড্রয়েড এপ ভার্শন ৫.০ এবং পুরাতন ভার্শন ৪.২.১ এর ডাউনলোড লিঙ্ক

ডাউনলোড লিঙ্ক

ফুল অফলাইন ভার্শনঃ ডাউনলোড করুন (৫.০.২)

গুগল প্লে অনলাইন ভার্শনঃ ডাউনলোড করুন (৫.০.২)

পুরাতন ভার্শনঃ  ডাউনলোড করুন (৪.২.১)

১ মিনিটের মাদরাসা

আমাদের জীবনে আমরা হয়তো ১ মিনিটকে খুব বেশি গুরুত্ব দেই না। অথচ এই ১ মিনিটেই ঘটে যেতে পারে এমন অনেক ঘটনা যা আপনার জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দিতে পারে। প্রতিদিন শত শত মিনিট আমরা অপচয় করি। অথচ প্রতিটি মিনিটের হিসাব আমাদেরকে আল্লাহর কাছে দিতে হবে। আমার আপনার সবার। আমরা সবাই-ই কমবেশি বিভিন্ন বক্তব্য শুনে থাকি। দীর্ঘ কিংবা স্বল্প দৈর্ঘের।

শত কর্মব্যস্ততার মাঝে সময় বের করে দীর্ঘ সময় ধরে ধর্মীয় বক্তব্য শোনার সময় হয়তো অনেকেরই হয় না। আবার অনেকেই গতানুগতিক বক্তব্য শুনে তৃপ্ত হন না। তাই মাত্র ১ মিনিট সময়ে খুব সহজ কথায় আমাদের দুনিয়া ও আখিরাতের জীবনের সাথে সম্পৃক্ত বিভিন্ন বিষয়ে বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে এই প্লাটফর্মে ইনশাল্লাহ।

কুর'আন, সুন্নাহ, সালফে-সালিহীনের উক্তি ও আমাদের প্রেক্ষাপটকে সামনে রেখে এসব বক্তব্য উপস্থাপন করা হবে। চেষ্টা করা হবে সময়সীমা যেনো ১ মিনিটেই সীমাবদ্ধ থাকে। বিষয় বৈচিত্র্য হবে এই প্রোগ্রামের অন্যতম বৈশিষ্ট্য। চেষ্টা করবো আপনাদের দৈনন্দিন সমস্যাগুলোকে ফোকাস করতে। আর ইসলামের আলোকে সমাধান দিতে। আমাদের এই পথ চলায় আপনাদের মতামত, পরামর্শ, উৎসাহ, দু'আ ও সার্বিক সহযোগিতা একান্তভাবে কামনা করছি। আল্লাহ আমাদের এই উদ্যোগকে কবুল করুন।

 

 

ডাটা কপি পেস্ট বিষয়ে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিজ্ঞপ্তি

কপিরাইট সম্পর্কে জরুরী দৃষ্টি আকর্ষণ

বাংলা হাদিসের সমস্ত কন্টেন্ট যারা দাওয়াতি কাজ করে থাকেন বা সর্ব সাধারন তাদের সকলের জন্য কপি পেস্ট (সোর্স সহ বা ছাড়া, [যদিও আমরা আশা করি যে আপনারা আমাদের সোর্স উল্লেখ করবেন কেননা তাতে অন্যরাও জানতে পারবে এবং দাওয়াতি কাজে উৎসাহী হবে]) উন্মুক্ত এবং এতে কোন ধরনের বাঁধা নেই।

কিন্তু কোন ব্যাক্তি, প্রতিষ্ঠান বা গ্রুপ আমাদের কন্টেন্ট নিয়ে আলাদাভাবে পুরোপুরি বা আংশিক ব্যাবহার করে বা অংশিক পরিবর্তন করে নিজ নামে ব্লগ, ওয়েবসাইট, মোবাইল এপ বা বই ইত্যাদি তৈরি করতে চায়, সে ক্ষেত্রে আমাদের সাথে আলোচনা করে অনুমতি নেয়া আবশ্যক, নতুবা অনুমতি বিহীন ভাবে সেগুলি করা হলে সেগুলির বিষয়ে আমাদের আপত্তি থাকবে।

আমরা ইতিমধ্যে লক্ষ্য করেছি অনেকেই আমাদের কন্টেন্ট ব্যবহার করে হুবুহু বা অংশিক পরিবর্তন করে বিভিন্ন মোবাইল এপ/ওয়েব তৈরি করেছেন এবং সেগুলির অধিকাংশে বিভিন্ন ধরনের হারাম এডও সংযুক্ত করা হয়েছে অর্থ আয়ের জন্য। আমরা আহবান জানাই সকলকে এই ধরনের মোবাইল এপ বা ওয়েব সাইট ব্যাবহার না করার জন্য।

প্রতিদিনের হাদিস/মাস'আলা

Hadith Email


নিজের ইমেইল ব্যাতিত বা অনুমতি বিহীন ভাবে অন্য কারো ইমেইল ঠিকানা অনুগ্রহ করে যুক্ত করবেন না।


এই মুহূর্তের হাদিস - hadithbd.com

পাবলিশারঃ হাদিস একাডেমি/ গ্রন্থঃ মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত) / অধায়ঃ পর্ব-১৭ঃ দণ্ডবিধি (كتاب الحدود)

পরিচ্ছদঃ৩. প্রথম অনুচ্ছেদ - মদ পানের দণ্ডবিধি

ত্বীবী (রহঃ) বলেনঃ الخمر (খামর) আভিধানিক অর্থ হলো আচ্ছন্ন করা। মহিলাদের মাথা, চুল ইত্যাদি যে কাপড় দ্বারা আবৃত বা আচ্ছাদিত করা হয় তাকে الخمر ‘‘খামর’’ বলা হয় আর এজন্য খামর নাম রাখা হয়েছে যে মদ পানের মাধ্যমে জ্ঞান ও বুদ্ধি আচ্ছাদিত হয়। কারো মতে মদ হলো যে জিনিসই মাদকতা সৃষ্টি করে। মদ তৈরি করা হয় আঙ্গুর ও খেজুর থেকে। ইমাম তিরমিযী বর্ণনা করেন :

عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ: صَنَعَ لَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ عَوْفٍ طَعَامًا فَدَعَانَا وَسَقَانَا مِنَ الْخَمْرِ فَأَخَذَتِ الْخَمْرُ مِنَّا، وَحَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَقَدَّمُونِىْ فَقَرَأْتُ: قُلْ يٰاَيُّهَا الْكَافِرُوْنَ لَا أَعْبُدُ مَا تَعْبُدُوْنَ وَنَحْنُ نَعْبُدُ مَا تَعْبُدُوْنَ. قَالَ: فَأَنْزَلَ اللّٰهُ تَعَالٰى يٰاَيُّهَا الَّذِيْنَ اٰمَنُوْا لَا تَقْرَبُوا الصَّلَاةَ وَأَنْتُمْ سُكَارٰى حَتّٰى تَعْلَمُوْا مَا تَقُولُوْنَ

‘আলী ইবনু আবূ তালিব থেকে বর্ণিত। ‘আবদুর রহমান বিন ‘আওফ খানার আয়োজন করেন এবং আমাদেরকে দা‘ওয়াত দিলে আমাদেরকে মদও পান করালেন। মদের ক্রিয়া আমাদেরকে আক্রমণ করল। এমতাবস্থায় সলাতের সময়ও হলো তারা আমাকে ইমামতির দায়িত্ব দিলো আমি সূরা কাফিরূন পড়তে লাগলাম। আমি তাতে পড়লাম, অর্থাৎ- ‘‘তুমি বল, হে কাফির সম্প্রদায়! আমি ‘ইবাদাত করি না, তোমরা যার ‘ইবাদাত কর, আর আমরা তার ‘ইবাদাত করছি তোমরা যার ‘ইবাদাত করছো।’’ তখন আল্লাহ এ আয়াত নাযিল করলেন, অর্থাৎ ‘‘হে ঈমানদারগণ! তোমরা যখন নেশাগ্রস্ত থাক, তখন সলাতের ধারে-কাছেও যেও না। যতক্ষণ না বুঝতে সক্ষম হও যা কিছু তোমরা বলছ।’’ (সূরা আন্ নিসা ৪ : ৪৩)

ইবনু হুমাম বলেনঃ যদিও নেশাগ্রস্ত ব্যক্তি মুরতাদ হয় তার স্ত্রী তালাক হয় না, কেননা কুফরীর বিষয়টি বিশ্বাস ও অবজ্ঞাকরণের সাথে সংশ্লিষ্ট। এজন্য কুফরীর হুকুম লাগানো হয়েছে রসিকতাকারীকে বিশ্বাসের সাথে। সুতরাং এটা স্পষ্ট যে, ‘আলী (রাঃ)-এর সূরা আল কাফিরূন-এর আয়াতটির তিলাওয়াত ছিল ভুলবশত বা অনাকাঙ্ক্ষিত, ইচ্ছাকৃত না।

এ অধ্যায়ের সংশ্লিষ্ট মাসআলার মধ্যে অন্যতম একটি মাস্আলাহ্ হলো যদি কেউ মদ পান করে এবং গন্ধ চলে যাওয়ার পর স্বীকার করে তাহলে তার ওপর হাদ্দ প্রয়োগ করা হবে না- ইমাম আবূ হানীফাহ্ ও ইউসুফ-এর মতে। তবে মুহাম্মাদের মতে হাদ্দ প্রয়োগ হবে। অনুরূপ গন্ধ চলে যাওয়ার পর কেউ সাক্ষী দেয় তাহলেও হাদ্দ প্রয়োগ হবে না। আর মাতাল অবস্থায় হাদ্দ প্রয়োগ করা যাবে না জ্ঞান ফিরে আসার পর হাদ্দ প্রয়োগ করতে হবে। এ ব্যাপারে চার ইমামই ঐকমত্য। (মিরকাতুল মাফাতীহ)


৩৬১৪-[১] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদ পানের জন্য খেজুর গাছের ডাল ও জুতা দ্বারা প্রহার করেছেন। আর আবূ বাকর চল্লিশ চাবুক মেরেছেন। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

[1] সহীহ : বুখারী ৬৭৭৩, মুসলিম ১৭০৬, আবূ দাঊদ ৪৪৭৯, আহমাদ ১২১৩৯।