১. মুকাদ্দিমাহ (المقدمة)
৩২ টি হাদিস
৪ পরিচ্ছেদ
৪ পরিচ্ছেদ
২. কিতাবুল ওহী (كتاب الوحي)
১২ টি হাদিস
৩. কিতাবুল ইসরা [ও মে’রাজ] (الإسراء)
১৬ টি হাদিস
৪. কিতাবুল ঈলম (كتاب العلم)
৬৭ টি হাদিস
২৭ পরিচ্ছেদ
২৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬১-১২৭)
কোন লোকের প্রশ্নের জবাব ইশারা-ইঙ্গিতে দেওয়া জায়েয, যদিও সেটি সেই অবস্থায় লোকটির প্রশংসাজ্ঞাপক না হয়
১ টি | ১০১-১০১
শিক্ষার্থীর জন্য তার শিক্ষা বিষয়ে শিক্ষকের উপর আপত্তি করা জায়িয হওয়ার দলীল সংক্রান্ত বর্ণনা
১ টি | ১০৮-১০৮
কোন জিনিস সম্পর্কে জানা থাকা সত্বেও প্রশ্ন করা জায়েয, তবে এর দ্বারা উপহাস করা যাবে না
১ টি | ১০৯-১০৯
দ্বীন ইসলামে যে বিষয়গুলো প্রকাশ করা এড়িয়ে যাওয়া হয়েছে, সেসবের পিছে না পড়া আবশ্যক হওয়া প্রসঙ্গে
১ টি | ১১০-১১০
বিশুদ্ধ নিয়তে কোন ব্যক্তি তার উত্তম ইলম অন্যের কাছে প্রকাশ করতে পারে- এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১১১-১১১
যে ব্যক্তি মানুষকে হেদায়েত কিংবা গোমরাহীর দিকে আহবান করে, অতঃপর মানুষ তার আহবানে সাড়া দেয়, সেই ব্যক্তির বিধান
১ টি | ১১২-১১২
আলিম ব্যক্তির জন্য আল্লাহর কিতাব লিপিবদ্ধ করা বৈধ
১ টি | ১১৪-১১৪
কুরআন শিক্ষা দেওয়ার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান, যদিও সে ব্যক্তি পরিপূর্ণভাবে শিক্ষা করতে না পারে
২ টি | ১১৫-১১৬
সুন্দর আওয়াজে কুরআন না পড়ার ব্যাপারে ধমকি
১ টি | ১২০-১২০
যাকে ঈমান ও কুরআন উভয়টি প্রদান করা হয়েছে অথবা যে কোন একটি প্রদান করা হয়েছে, তার বিবরণ
১ টি | ১২১-১২১
কুরআন ধারণকারী পথভ্রষ্ট হবে না
১ টি | ১২২-১২২
যে ব্যক্তি কুরআন অনুসরণ করবে সে হেদায়েতপ্রাপ্ত হবে আর যে ব্যক্তি কুরআন পরিত্যাগ করবে সে পথভ্রষ্ট হবে
১ টি | ১২৩-১২৩
যাকে কুরআন দেওয়া হয়েছে অতঃপর সে ব্যক্তি তা দিয়ে দিবারাত্রি দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করেন, তার ব্যাপারে ঈর্ষা করা বৈধ
১ টি | ১২৫-১২৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য: “অতঃপর সে ব্যক্তি দিবারাত্রি তা খরচ করে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সে ব্যক্তি সাদাকা করে
১ টি | ১২৬-১২৬
৫. কিতাবুল ঈমান (كِتَابُ الْإِيمَانِ)
১৪৩ টি হাদিস
১৩১ পরিচ্ছেদ
১৩১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১২৮-২৭০)
স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য
১ টি | ১২৮-১২৮
যারা বলেন যে, হাদীসটি হুমাইদ বিন আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১৩০-১৩০
“মুশরিকদের সন্তানরা কি তোমাদের মাঝে শ্রেষ্ঠ নয়?” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই বক্তব্যের কারণ
১ টি | ১৩৪-১৩৪
শরীয়তের দায়-দায়িত্ব - মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে সাধ্যাতিত কাজের দায়িত্ব দেন না, এই মর্মে বর্ণিত হাদীসসমূহ
১ টি | ১৩৯-১৩৯
“দ্বীনের মধ্যে কোন জবরদস্তি নেই” (সূরা আল বাকারা: ২৫৬) আয়াতটি যে অবস্থায় নাযিল হয়, তার বর্ণনা
১ টি | ১৪০-১৪০
যে ব্যক্তি মনে এমন কিছু উদিত হয় যা মুখে উচ্চারণ করা জায়েয নেই- এমন ব্যক্তির থেকে আল্লাহ পাপ উঠিয়ে নিয়েছেন মর্মে হাদীস
১ টি | ১৪৫-১৪৫
মানুষের জন্য এটা বৈধ যে তার অন্তরে শয়তানের ওয়াসওয়াসা আসলে তা অন্তর দিয়ে বিশ্বাস না করে তা প্রত্যাখ্যান করবে
১ টি | ১৪৭-১৪৭
যে ব্যক্তি পূর্বে উল্লেখিত বিষয় অন্তরে অনুভব করে এবং যিনি মনে মনে তা চিন্তা করে উভয় ব্যক্তির হুকুম একই
১ টি | ১৪৮-১৪৮
আমাদের উল্লেখিত বিষয়ের বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৪৯-১৪৯
শ্রেষ্ঠ আমল আল্লাহর প্রতি ঈমান আনা
১ টি | ১৫২-১৫২
আবু যার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত ‘ওয়াও’ (এবং) সংযুক্তির ওয়াও নয় বরং এটি সুম্মা (তারপর) অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে
১ টি | ১৫৩-১৫৩
ঈমানের ফরয
৪ টি | ১৫৪-১৫৭
ঈমান ও ইসলাম একই জিনিসের দুই নাম এই মর্মে বর্ণনা
২ টি | ১৫৮-১৫৯
ঐ হাদীসের আলোচনা যে হাদীস প্রমাণ করে যে, ঈমান ও ইসলাম একই অর্থবোধক, এবং এই অর্থ যুগপৎভাবে বাচনিক ও কর্মগত আমলকে অন্তর্ভূক্ত করে
১ টি | ১৬০-১৬০
ঈমান ও ইসলাম একই অর্থবোধক দুটি নাম মর্মে হাদীস
১ টি | ১৬১-১৬১
ঐ হাদীসের আলোচনা যেই হাদীস কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ঈমান ও ইসলামের মাঝে পার্থক্য রয়েছে
১ টি | ১৬৩-১৬৩
ঈমানের সর্বোচ্চ ও সর্বনিম্ন বিভিন্ন অংশ ও শাখা-প্রশাখা আছে
১ টি | ১৬৬-১৬৬
যারা ধারণা করে যে, হাদীসটি সুহাইল বিন আবী সালিহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের ধারণা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৬৭-১৬৭
ব্যাপক অর্থবোধক কিছু শাখা-প্রশাখাসহ ঈমানের বিবরণ
১ টি | ১৬৮-১৬৮
যে হাদীস আলিম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ঈমান হলো এক আল্লাহকে স্বীকার করা; সৎকর্মগুলো ঈমানের শাখার অন্তর্ভূক্ত নয়
১ টি | ১৭১-১৭১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনিত সব কিছুর উপর বিশ্বাস করা ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ১৭৪-১৭৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আনিত সব কিছুর উপর বিশ্বাস করা এবং তদনুযায়ী আমল করা ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ১৭৫-১৭৫
যে ব্যক্তি ঈমানের কোন অংশ বাস্তবায়ন করে, তার ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
১ টি | ১৭৬-১৭৬
যে ব্যক্তি ঈমানের কোন অংশের অংশ বাস্তবায়ন করে, তার ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
১ টি | ১৭৭-১৭৭
যে ব্যক্তি স্বীকৃতি দানের শাখা-প্রশাখার কোন একটি অংশের উপর আমল করবে, তার ক্ষেত্রে ‘ঈমান’ নাম ব্যবহার বিষয়ে আলোচনা
১ টি | ১৭৮-১৭৮
ঈমানের ‘জানা’ শাখার কোন একটি অংশের উপর আমলকারী ব্যক্তির ক্ষেত্রে ‘ঈমান’ নাম ব্যবহার করার বিষয়ে আলোচনা
১ টি | ১৭৯-১৭৯
এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার করা, যাকে মানুষ তাদের জান-মালের ব্যাপারে নিরাপদ মনে করে
১ টি | ১৮০-১৮০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ঈমান একক বিষয়; এটি বাড়েও না, কমেও না- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বিবরণ
১ টি | ১৮১-১৮১
যে ব্যক্তি বলেন যে, সমস্ত মুসলিমের ঈমান একই; এতে কোন কম-বেশি নেই- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৮২-১৮২
যে হাদীস কোন আলিমকে সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত দুই হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
১ টি | ১৩১-১৩১
জাহান্নামবাসীরা কয়লায় পরিণত হওয়ার পর শুভ্র হয়ে যাবে, জান্নাতবাসীরা তাদের উপর পানি ছিটা দিবেন- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮৪-১৮৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ঈমান সর্বদা একই অবস্থায় থাকে; তাতে কমতি বা কামালিয়াত প্রবেশ করে না- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৮৫-১৮৫
পূর্বে উল্লেখিত অর্থকে সুস্পষ্টকারী তৃতীয় হাদীসের বিবরণ
১ টি | ১৮৭-১৮৭
যে ব্যক্তি এমন কিছু কাজ সম্পন্ন করে, যা করার কারণে তার ঈমান হ্রাস পায়- এমন ব্যক্তির ক্ষেত্রে ঈমান নাম ব্যবহার না করার বিষয়ে আলোচনা
১ টি | ১৯২-১৯২
উল্লেখিত হাদীসগুলো দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কোন জিনিস পরিপূর্ণ না হওয়ার কারনে তার থেকে ঐ জিনিসের নাম ব্যবহার না করা- এর প্রমাণে হাদীস
১ টি | ১৯৪-১৯৪
যার হাত ও জবান থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকেন, তিনি উত্তম মুসলিম
১ টি | ১৯৭-১৯৭
যে ব্যক্তি আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দেয় সে ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে এবং তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম
১ টি | ১৯৯-১৯৯
জান্নাত ওয়াজিব হবে ঐ ব্যক্তির জন্য যা আমরা বলেছি যে, যে ব্যক্তি শাহাদাহ অন্তর থেকে ইয়াকীনের সাথে বলবে তারপর তার উপর মৃত্যুবরণ করবে
১ টি | ২০১-২০১
আমরা যার বিবরণ দিলাম, যে ব্যক্তি তা মৃত্যুর সময় বলবে, তার আমলনামায় মহান আল্লাহ নূর দিবেন
১ টি | ২০৫-২০৫
আমরা পূর্বে যা বর্ণনা করলাম, যে বক্তি তা পালন করবে, মহান তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে দৃঢ় রাখবেন
১ টি | ২০৬-২০৬
আল্লাহর একত্ববাদ সাক্ষ্য দেওয়ার সময় যে ব্যক্তি নাবী-রাসূলদের সত্যায়ন করে, জান্নাতে তাঁর অবস্থানের বিবরণ
১ টি | ২০৯-২০৯
যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এমন অবস্থায় যে সে আল্লাহর সাথে কোন কিছুকে শরীক করেনি, তার জন্য সুপারিশ অবধারিত
১ টি | ২১১-২১১
যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রতি ঈমান আনয়ন করে অতঃপর তার উপর অটল-অবিচল থাকে, মহান আল্লাহ তার জন্য জান্নাত লিপিবদ্ধ ও অবধারিত করে দিবেন
১ টি | ২১২-২১২
জান্নাত ওয়াজিব ঐ ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে এমন অবস্থায় যে, সে আল্লাহর সাথে কোন সমকক্ষ নির্ধারণ করেনি
২ টি | ২১৩-২১৪
কোন কোন সময় কোন অন্যতম শ্রেষ্ঠ আলিমের কাছেও কোন ইলম গোপন থাকতে পারে, যা তাঁর চেয়ে বড় আলিমের জানা থাকে- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২১৭-২১৭
যে ব্যক্তি কোন এক অবস্থায় একনিষ্ঠভাবে আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দিবে, তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম হারাম করে দিবেন
১ টি | ২২৩-২২৩
যার অন্তরে ঈমানের নূন্যতম একটি শাখা থাকবে, তাকে মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে চিরস্থায়ী জাহান্নামী করবেন না
১ টি | ২২৪-২২৪
আহলে কিতাব তথা ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানদের মাঝে যারা ইসলাম গ্রহণ করবে, তাদেরকে মহান আল্লাহ দ্বিগুণ সাওয়াব দান করবেন
১ টি | ২২৭-২২৭
যে ব্যক্তি তার ইসলাম সুন্দর করবে, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তার নেকীসমূহ বহুগুণে বাড়িয়ে দিবেন
১ টি | ২২৮-২২৮
মু‘মিনের বৈশিষ্ট্যসমূহ
২ টি | ২২৯-২৩০
মুসলিমদের পরস্পরে সহযোগিতা করা এমন উপকরণের অন্তর্ভূক্ত যা তাদেরকে স্রষ্টার নিকটবর্তী করে দেয়
১ টি | ২৩১-২৩১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মু‘মিনদের প্রাসাদের সাথে সাদৃশ্য দিয়েছেন, যার একাংশ অপরাংশকে আঁকড়ে ধরে
১ টি | ২৩২-২৩২
মুসলিমদের পারস্পরিক আবশ্যিক দয়া ও সহানুভূতি প্রদর্শনের ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ২৩৩-২৩৩
যে ব্যক্তি নিজের জন্য যা পছন্দ করে, তার ভাইয়ের জন্য তা পছন্দ করে না- তার ঈমানকে নাকচ করা
১ টি | ২৩৪-২৩৪
যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য কোন কওমকে ভালবাসে, তার জন্য ঈমানের মিষ্টতার উপস্থিতি সাব্যস্তকরণ সম্পর্কে আলোচনা
২ টি | ২৩৭-২৩৮
উল্লেখিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২৪০-২৪০
আবু মাস‘ঊদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে বর্ণিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২৪১-২৪১
যে গাছের সাথে মুসলিমদের সাদৃশ্য দেওয়া হয়েছে, সেই গাছের বিবরণ
২ টি | ২৪৪-২৪৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৪৬-২৪৬
যে ব্যক্তি মানুষকে কাফির বলবে, সে অবশ্যই কাফির হয়ে যাবে
২ টি | ২৪৮-২৪৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর ব্ক্তব্য ’তবে সেই কুফরির বিষয়টি তাদের যে কোন একজনের উপর বর্তাবে’ এর বিবরণ
১ টি | ২৫০-২৫০
শিরক ও নিফাক সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে - যে ব্যক্তি আল্লাহর জন্য সমকক্ষ সাব্যস্ত করবে, সে নিশ্চিতভাবেই জাহান্নামে যাবে
১ টি | ২৫১-২৫১
ইসলাম শিরকের বিপরীত এই মর্মে হাদীস
১ টি | ২৫২-২৫২
আল্লাহর সাথে শিরকের ক্ষেত্রে ‘যুলম’ নাম ব্যবহার
১ টি | ২৫৩-২৫৩
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন মুর্রাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
২ টি | ২৫৫-২৫৬
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটির বক্তব্য অমুসলিমদের জন্য প্রযোজ্য, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৫৭-২৫৭
যে ব্যক্তি তিন জুমু‘আর সালাত আদায় করা থেকে বিরত থাকে, তার ক্ষেত্রে অনির্দিষ্টভাবে নিফাক শব্দ ব্যবহার
১ টি | ২৫৮-২৫৮
সূর্য যখন শয়তানের দুই শিংয়ের মাঝে অবস্থান করে, যে ব্যক্তি আসরের সালাত সেই সময় বিলম্বিত করে, সে ব্যক্তির ক্ষেত্রে নিফাক নাম ব্যবহার
১ টি | ২৫৯-২৫৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি ‘আলা বিন আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার বক্তব্য অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২৬০-২৬০
সূর্যের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত যে ব্যক্তি আসরের সালাত বিলম্ব করে, তার ক্ষেত্রে মুনাফিক নাম ব্যবহার
১ টি | ২৬১-২৬১
সূর্যের রং হলুদ বর্ণ ধারণ করা পর্যন্ত আসরের সালাত বিলম্ব করে আদায় করা মুনাফিকের সালাত
১ টি | ২৬২-২৬২
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬৩-২৬৩
মুসলিমদের সাথে মুনাফিকদের আচরণের বিবরণ
১ টি | ২৬৪-২৬৪
যেই হাদীসের মাধ্যমে বিদ‘আতীরা আমাদের ইমামদের দোষারোপ করেন অথচ তাদেরকে সেই হাদীসের অর্থ অনুধাবনের তাওফীক দেওয়া হয়নি
১ টি | ২৬৮-২৬৮
৬. সদাচারণ ও ন্যায়নিষ্ঠতা সংশ্লিষ্ট কিতাব (كِتَابُ الْبِرِّ وَالْإِحْسَانِ)
৩৩৯ টি হাদিস
৩৩২ পরিচ্ছেদ
৩৩২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৭১-৬০৫)
সততা, সৎ কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ সংক্রান্ত অধ্যায়
১ টি | ২৭১-২৭১
যারা সব সময় সত্য কথা বলেন, তাদের জান্নাতে প্রবেশ করার আশা
১ টি | ২৭৩-২৭৩
সত্য বলায় অভ্যস্থ হওয়া ও মিথ্যার উপকরণ থেকে দূরে থাকা ওয়াজিব
১ টি | ২৭৪-২৭৪
মানুষ অপছন্দ করলেও হক কথা বলা ওয়াজিব
১ টি | ২৭৫-২৭৫
যে ব্যক্তি মানুষকে অসন্তুষ্ট করে আল্লাহকে সন্তুষ্টি অন্বেষণ করে, তার প্রতি আল্লাহর সন্তুষ্টি
১ টি | ২৭৬-২৭৬
দুনিয়াতে শাসকদের নিকটে হক কথার কারণে কিয়ামতের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে হাওযে কাওসারে অবতরণ করবে
১ টি | ২৭৯-২৭৯
দুনিয়াতে শাসকদের নিকট হক কথা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি কিয়ামতের দিন আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার আশা সম্পর্কে আলোচনা
১ টি | ২৮০-২৮০
আমরা যা বললাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৮১-২৮১
যে ব্যক্তি শাসকদের মিথ্যাকে সত্যায়ন করবে, সে ব্যক্তি কিয়ামতের দিন হাওযে কাওসারে অবতরণ করতে পারবে না
১ টি | ২৮২-২৮২
যে ব্যক্তি শাসকদের মিথ্যা সত্যায়ন করা ও তাদের যুলমের কাজে সহযোগিতা করার জন্য শাসকদের কাছে গমন করে তার ব্যাপারে কঠোর বাণী
১ টি | ২৮৬-২৮৬
সৎকাজের আদেশকারীকে মহান আল্লাহ তদনুযায়ী আমলকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন, এতে আমলকারীর সাওয়াবের কোন কমতি হয় না
১ টি | ২৮৯-২৮৯
ইসলামী রাষ্ট্রে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করার মাধ্যমে আল্লাহর শত্রু কাফিরদের উপর আল্লাহর সাহায্য নিজের উপর হালাল করে নেওয়া আবশ্যক
১ টি | ২৯০-২৯০
আদম সন্তানের চেয়ে আল্লাহর আত্নমর্যাদাবোধ অধিক প্রকট
১ টি | ২৯২-২৯২
যে কারণে মহান আল্লাহর গাইরাত হয়
১ টি | ২৯৩-২৯৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৯৪-২৯৪
যে গাইরাত আল্লাহ পছন্দ করেন আর যে গাইরাত অপছন্দ করেন
১ টি | ২৯৫-২৯৫
যে ব্যক্তি আল্লাহ ছাড়া অন্য কিছুর জন্য রেগে না যায়, সে ব্যক্তির জন্য আল্লাহর ক্রোধ থেকে নিরাপদ থাকার আশা করা যায়
১ টি | ২৯৬-২৯৬
আল্লাহর সীমা পালনকারী ও তা লঙ্ঘনকারীর বিবরণ
১ টি | ২৯৭-২৯৭
যখন কোন ব্যক্তি ত্রুটিমুক্তভাবে সৎকাজের আদেশ ও অসৎ কাজে নিষেধ করে, তখন মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকা লিখে দেন
১ টি | ২৯৯-২৯৯
যারা সক্ষমতা থাকা সত্তেও সৎ কাজের আদেশ করে না, অসৎ কাজে নিষেধ করে না, তারা আল্লাহর পক্ষ থেকে ব্যাপক শাস্তির উপযুক্ত হবে
১ টি | ৩০০-৩০০
যে ব্যক্তি পাপ কাজ প্রতিহত করার ক্ষমতা থাকা সত্তেও তা প্রতিহত করে না, তার উপর আল্লাহর শাস্তির সম্ভাবনা
১ টি | ৩০২-৩০২
জবান দিয়ে অন্যায় প্রতিহত না করে কঠোরভাবে হাত দিয়ে প্রতিহত করা জায়েয, যখন এর মাধ্যমে সীমালঙ্ঘন করা না হবে
১ টি | ৩০৩-৩০৩
যখন মন্দ ও যুলম আত্নপ্রকাশ করে, তখন জানা ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো তা প্রতিহত করা যাতে এর কারণে তাদের উপর ব্যাপকভাবে শাস্তি নেমে না আসে
১ টি | ৩০৪-৩০৪
কোন মন্দ কাজ দেখলে বা জানলে তা নিষেধ করার বিবরণ
১ টি | ৩০৬-৩০৬
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি তারিক বিন শিহাব এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০৭-৩০৭
অধ্যায়: সৎ কাজ ও তার সাওয়াব - প্রতিটি সৎ আমলকারীকে ঐ আমলের দরজা থেকে জান্নাতে ডাকা হবে
১ টি | ৩০৮-৩০৮
সৎকাজের ক্ষেত্রে কুনূত শব্দ ব্যবহার করা সংক্রান্ত হাদীস
১ টি | ৩০৯-৩০৯
অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের সাহায্যে আল্লাহর নি‘আমতের শুকরিয়া করা ওয়াজিব, বিশেষত নি‘আমত যদি কোন বিপদাপদের পর আসে
১ টি | ৩১৪-৩১৪
সিয়াম না রাখা ব্যক্তি যখন তার প্রতিপালকের শুকরিয়া আদায় করে, তখন তাকে মহান আল্লাহ ধৈর্যশীল সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন
১ টি | ৩১৫-৩১৫
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো ফরযসমূহ পালন করা, সাথে সাথে নফল ইবাদত করা এবং নিজের ও পরিবারের হক আদায় করা
১ টি | ৩১৬-৩১৬
যে সব নফল ইবাদত জিহাদের সমতুল্য
১ টি | ৩১৮-৩১৮
একজন মানুষের উপর আবশ্যক হলো নফল ইবাদত পালন করার পাশাপাশি নিজের ও পরিবারের হক আদায় করা
১ টি | ৩২০-৩২০
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো সৎকাজে সদাসর্বদা লেগে থাকা
১ টি | ৩২২-৩২২
যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন ও রমযান মাসের মর্যাদা সমান
১ টি | ৩২৫-৩২৫
সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের মহান আল্লাহ সৎকাজে নিয়োজিত করেন
১ টি | ৩২৬-৩২৬
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ কাজে সচেষ্ট না হয়ে সমকালীন সৎ ব্যক্তিদের উপর ভরসা করার অভ্যাস পরিত্যাগ করা
১ টি | ৩২৭-৩২৭
কোন মুসলিম ব্যক্তির চুল পেঁকে গেলে তার বদৌলতে মহান আল্লাহ সাওয়াব লিখে দেন, গোনাহ মিটিয়ে দেন এবং দুনিয়ায় তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন
১ টি | ৩২৯-৩২৯
ভালো কাজে অভিমূখী হওয়া একজন ব্যক্তির জন্য জরুরী, যদিও ইতিপূর্বে তার দ্বারা এমন নিষিদ্ধ কাজ সংঘটিত হয়েছে, যা মহান আল্লাহ অপছন্দ করেন
১ টি | ৩৩৪-৩৩৪
যেসব কাজ মানুষকে আল্লাহর নৈকট্যে পৌঁছে দিবে, সেসব কাজে প্রয়াসী না হয়ে আল্লাহর ফায়সালার উপর ভরসা করা নিষিদ্ধ
১ টি | ৩৩৫-৩৩৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসটি সুলাইমান আল আ‘মাশ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৩৬-৩৩৬
মানুষের উপর আবশ্যক হলো নিষিদ্ধ কাজ থেকে বিরত না থেকে এবং আদিষ্ট বিষয় পালন না করে আল্লাহর চূড়ান্ত ফায়সালার উপর ভরসা করে বসে না থাকা
১ টি | ৩৩৭-৩৩৭
শেষ আমল ভালো হওয়ার জন্য মহান আল্লাহর কাছে বিনয়-প্রার্থনা না করে নিজের কৃত ভালো আমলের উপর ভরসা করে বসে না থাকা আবশ্যক
১ টি | ৩৪০-৩৪০
যাকে শেষ জীবনে ভালো আমলের তাওফীক দেওয়া হয়েছে, তার ব্যাপারেই মূলত কল্যাণ ইচ্ছা করা হয়েছে-এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৪২-৩৪২
শেষ জীবনে কোন মুসলিম ব্যক্তির জন্য মহান আল্লাহ কর্তৃক ভালো কাজের দরজা খুলে দেওয়া, ঐ ব্যক্তির জন্য মহান আল্লাহর কল্যান চাওয়ার আলামত
১ টি | ৩৪৩-৩৪৩
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আশা রাখা এবং নিরাশ না হওয়া সাথে সাথে আশা পরিহার করে নিরাশ থাকবে
১ টি | ৩৪৭-৩৪৭
ভালো কাজের ক্ষেত্রে মধ্যমপন্থার কাছাকাছি থাকার নির্দেশ। কেননা পরকালে সফলতা আসবে আল্লাহর রহমতের মাধ্যমে; অধিক আমলের মাধ্যমে নয়
১ টি | ৩৫১-৩৫১
একজন ব্যক্তি নম্রতার সাথে আমল করবে এবং আমলের ক্ষেত্রে নিজের শরীরের অংশকে পরিহার করবে না
১ টি | ৩৫৩-৩৫৩
মানুষের উপর যা বহন করা কঠিন তা বহন না করে মহান আল্লাহ এক্ষেত্রে যে অবকাশ দিয়েছেন তা গ্রহণ করা কর্তব্য
১ টি | ৩৫৬-৩৫৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ভালো আমলের ক্ষেত্রে নমনীয়তা অবলম্বন করা এবং নিজের উপর এমন কিছু চাপিয়ে না নেওয়া যা সে বহন করতে পারবে না
১ টি | ৩৫৭-৩৫৭
ইবাদতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার নির্দেশ, এবং নিজের উপর এমন কিছু চাপিয়ে নিবে যা সে পালন করতে পারবে না
১ টি | ৩৫৮-৩৫৮
মানুষের উপর আবশ্যক হলো মধ্যমপন্থার উপকরণ আঁকড়ে ধরা এবং যতটুকু আমল সম্পন্ন করতে তাতে শুভ সংবাদ গ্রহণ করা
১ টি | ৩৫৯-৩৫৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আমলের ক্ষেত্রে সহজতা অবলম্বন করা এবং নিজের উপর সাধ্যাতিত বিষয় চাপিয়ে না নেওয়া
১ টি | ৩৬০-৩৬০
মানুষের জন্য বিভিন্ন সৎ আমলের যেসব ফযীলত বর্ণিত হয়েছে, সেসব দ্বারা ধোঁকা না খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৩৬১-৩৬১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো প্রতিটি ভালো হতে কিছু আমল করা যাতে এর কোন একটি দিয়ে পরকালে নাজাত পেতে পারে
১ টি | ৩৬২-৩৬২
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গোপনে-প্রকাশ্যে সবসময় ইবাদতে লেগে থাকা যাতে তার মাধ্যমে সে পরকালে নাজাত পেতে পারে
১ টি | ৩৬৩-৩৬৩
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার অবস্থার সংশোধন করা যাতে এটি তাকে আল্লাহর সাক্ষাৎ লাভকে প্রিয় করে তুলে
১ টি | ৩৬৪-৩৬৪
কোন ব্যক্তির প্রতি মানুষের প্রশংসা, গুণকীর্তন করা- এটি ঐ ব্যক্তির জন্য দুনিয়াবী শুভ সংবাদ
১ টি | ৩৬৮-৩৬৮
মুসলিমদের মাঝে যে ব্যক্তি আল্লাহকে ভালোবাসবে, মহান আল্লাহ তার ভালো বা মন্দ কর্মের তুলনায় বহুগুণ ভাল বা মন্দ গুণকীর্তন করেন
১ টি | ৩৬৯-৩৬৯
তৃতীয় পরিচ্ছেদ - মহান আল্লাহ তাঁর অনুগত বান্দাদের জন্য এমন কিছু প্রস্তুত করে রেখেছেন যা কোন মানব ইন্দ্রীয় বর্ণনা দিতে পারবে না
১ টি | ৩৭০-৩৭০
মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা মু‘মিন ব্যক্তিদেরকে দুনিয়াতে তাঁদের কৃতকর্মের জন্য পরকালে যা প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন
১ টি | ৩৭১-৩৭১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে অত্র হাদীসটি কাতাদা বিন আনাস এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ৩৭২-৩৭২
কিছু বৈশিষ্ট্য যার সবগুলো অথবা কিছু বৈশিষ্ট্য কোন ব্যক্তি আমল করলে, তিনি জান্নাতবাসী হবেন
১ টি | ৩৭৫-৩৭৫
মানুষ সৎ আমলের মাধ্যমে স্রষ্টার যতোটা নিকটবর্তী হয়, আল্লাহর ক্ষমা অনুগত বান্দার প্রতি তারচেয়ে বেশি নিকটবর্তী হয়
১ টি | ৩৭৭-৩৭৭
কোন কোন মু‘মিন ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ দুনিয়াতে তার ভাল কর্মের প্রতিদান দেন যেভাবে তিনি দুনিয়াতে মন্দ কর্মের প্রতিদান দিয়ে থাকেন
১ টি | ৩৭৮-৩৭৮
কোন কোন সময় একজন ব্যক্তির একটি ভাল কাজের মাধ্যমে অতীতের অনেক গুনাহ মাফের আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৭৯-৩৭৯
ভাল আমলকারীর জন্য মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে দশগুণ সাওয়াব আর মন্দ আমল কারীর জন্য একটি গোনাহ লিখেন
১ টি | ৩৮০-৩৮০
কোন ব্যক্তি পাপ কাজ করতে উদ্যত হওয়ার পর তা ছেড়ে দিলে মহান আল্লাহ নিজ অনুগ্রহে তাকে পাপ ছেড়ে দেওয়ার কারণে তাকে একটি সাওয়াব লিখে দিবেন
১ টি | ৩৮১-৩৮১
যখন কোন ব্যক্তি কোন মন্দ কাজ আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ছেড়ে দেয়, তখন তার জন্য এর বদৌলতে একটি সাওয়াব লিখে দেওয়া হয়
১ টি | ৩৮৩-৩৮৩
শেষ যামানায় আল্লাহ ও তদীয় রাসূলের আনুগত্য অনুসারে আমলকারী ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ তার মত ৫০ জন আমলকারীর সাওয়াব দান করবেন
১ টি | ৩৮৬-৩৮৬
সামান্য নফল ইবাদতেও কখনও কখনও অনেক বড় বড় গোনাহ ক্ষমা করা হয়
১ টি | ৩৮৭-৩৮৭
ইখলাস ও গোপন আমল
২ টি | ৩৮৯-৩৯০
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো অন্তর হেফাযত করা এবং গোপন কাজের ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া কেননা গোপন কাজ আল্লাহর নিকটে গোপন নয়
১ টি | ৩৯১-৩৯১
যে ব্যক্তি ধারণা এই আবু দ্বুহা থেকে কেবল আ‘মাশ হাদীসটি শ্রবণ করেছেন, ঐ ব্যক্তির কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৯২-৩৯২
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো জান-মালের ব্যাপারে যত্নবান না হয়ে নিজের হৃদয় ও আমলের ব্যাপারে যত্নবান হওয়া
১ টি | ৩৯৫-৩৯৫
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে ইবাদতকে আল্লাহর জন্য একনিষ্ঠ না করবে, পরকালে তার কোন সাওয়াব দেওয়া হবে না
১ টি | ৩৯৬-৩৯৬
ইখলাস মুসলিম ব্যক্তিকে উপকার দিবে এমনকি ইসলামপূর্ব সময়ে যা মন্দ কাজ করেছিল তা মিটিয়ে দিবে, আর নিফাক থাকলে তার কোন সৎ আমল উপকারে আসবে না
১ টি | ৩৯৭-৩৯৭
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার গোপন বিষয়ে যত্নবান হওয়া এবং নগন্য গণ্য করা হয় এমন ভাল কাজে অবজ্ঞা না করা
১ টি | ৩৯৮-৩৯৮
একজন ব্যক্তি আত্নিক পরিশুদ্ধি ও নিজের গোপন দিক ভালো করার মাধ্যমে কোন কোন সময় এমন কিছু পায়, যা অনেক কষ্টসাধ্য আমল করেও পাওয়া যায় না
১ টি | ৩৯৮-৩৯৮
আমরা যা বর্ণনা করলাম, যে ব্যক্তি তা পালন করবে, সে ব্যক্তি শ্রেষ্ঠ মুসলিমদের অন্তর্ভূক্ত হবে
১ টি | ৪০০-৪০০
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গোপন সময়ে নিজের অবস্থার হেফাযত করা
১ টি | ৪০২-৪০২
যেসব কাজ মহান আল্লাহ অপছন্দ করেন, যা মানুষ জনসম্মুখে করে না, এমন কাজ নির্জনে সংঘটিত করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ৪০৩-৪০৩
আমলে আল্লাহর সাথে শিরক করার বিবরণ
১ টি | ৪০৫-৪০৫
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে খ্যাতি লাভের জন্য এবং লোক দেখানো ইবাদত করবে, সে ব্যক্তি পরকালে তার আমলের কোন সাওয়াব পাবে না
১ টি | ৪০৬-৪০৬
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি জুনদুব রাদ্বিয়াল্লাহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৪০৭-৪০৭
যে ব্যক্তি লোক দেখানো আমল করবে, কিয়ামতের দিন সে প্রথম জাহান্নামে যাবে। আল্লাহর কাছে এমনটা হওয়া থেকে পানাহ চাই!
১ টি | ৪০৮-৪০৮
ইলমে হাদীসে যার পরিপক্বতা হয়নি, তাকে যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ছেলের সম্পদ বাবার জন্য
১ টি | ৪১০-৪১০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, অত্র হাদীসে মিস‘আর বিন কিদাম ভুল করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৪১২-৪১২
পিতৃপুরুষ থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী! কেননা কোন ব্যক্তির তার বাবা থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া এক প্রকার কুফরী
১ টি | ৪১৪-৪১৪
যে ব্যক্তি নিজের বাবা ব্যতিত অন্য কাউকে বাবা হিসেবে পরিচয় দিবে, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে না
১ টি | ৪১৫-৪১৫
আমরা পূর্বে যে দুটি বিষয় উল্লেখ করলাম, যে ব্যক্তি এই দুটি কাজ করবে, তার উপর আল্লাহ ও ফেরেস্তাদের লা‘নত
২ টি | ৪১৬-৪১৭
যে ব্যক্তির জীবদ্দশাতেই বাবা-মা মারা গিয়েছেন, তিনি বাবা-মার সাথে সদাচারণ কীভাবে করবেন, তার বিবরণ
১ টি | ৪১৮-৪১৮
বাবা-মার অন্তরে হাসি ফুটানো নফল জিহাদের সমপর্যায়ভূক্ত
১ টি | ৪১৯-৪১৯
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর রাস্তায় নফল জিহাদের উপর বাবা-মার সাথে সদাচারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া
১ টি | ৪২০-৪২০
নফল জিহাদের চেয়ে বাবা-মার সদাচারণ করা উত্তম
১ টি | ৪২২-৪২২
একজন মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো নফল জিহাদের উপর বাবা-মার সাথে সদাচারণকে অগ্রাধিকার দেওয়া দেওয়া
১ টি | ৪২৩-৪২৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহুমাকে নির্দেশ দিয়েছিলেন বাবার কথা মেনে স্ত্রীকে তালাক দিতে
১ টি | ৪২৭-৪২৭
বাবাকে সন্তুষ্ট করার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার আশা
১ টি | ৪২৯-৪২৯
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো বাবার মৃত্যুর পর চূড়ান্ত সদাচারণের আশায় তাঁর ভাইদের সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা
১ টি | ৪৩০-৪৩০
বাবার মৃত্যুর পর তাঁর ভাইদের সাথে সদাচারণ করা ও সুসম্পর্ক বজায় রাখা কবরস্থ বাবার সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখার শামিল
১ টি | ৪৩২-৪৩২
যদি গোনাহ অবধারিত করে এমন কিছু না থাকে, তবে সদাচারণের ক্ষেত্রে বাবার উপর মাকে অধিক অগ্রাধিকার দিবে
১ টি | ৪৩৪-৪৩৪
যে অসুস্থতায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মারা গিয়েছেন, সে অসুস্থতায় তিনি উম্মতকে রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখার জন্য উৎসাহিত করেছেন
১ টি | ৪৩৭-৪৩৭
যখন কোন ব্যক্তি অন্যান্য ইবাদতের পাশাপাশি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে
১ টি | ৪৩৮-৪৩৮
যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখবে তিনি রিযিকে বরকত ও নিরাপদ-সুখময় জীবন লাভ করবেন, যখন এসবের সাথে তাকওয়া যুক্ত হবে
১ টি | ৪৪০-৪৪০
যে ব্যক্তি রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করে, তার সাথে মন্দ আচরণ করে, তার ব্যাপারে রক্ত সম্পর্ক আল্লাহর কাছে অভিযোগ করা প্রসঙ্গে
১ টি | ৪৪৩-৪৪৩
আমরা যে الرَّحِمُ (রক্ত সম্পর্ক বা জরায়ূ) এর অভিযেোগের কথা আলোচনা করলাম সেটি কিয়ামতের দিন হবে; দুনিয়াতে নয়
১ টি | ৪৪৫-৪৪৫
যার উপর রক্ত সম্পর্ক বজায়কারী নাম প্রযোজ্য হবে, তার বিবরণ
১ টি | ৪৪৬-৪৪৬
যে ব্যক্তি বোনদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় করে এবং তাদের সাথে উত্তম আচরণ করে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে
১ টি | ৪৪৭-৪৪৭
সন্তানের সাথে সদাচারণের মাধ্যমে কোন কোন সময় জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ ও জান্নাতে প্রবেশের আশা করা যায়
১ টি | ৪৪৯-৪৪৯
কেউ রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করলেও তার সাথে সম্পর্ক বজায় জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশ
১ টি | ৪৫০-৪৫০
রক্ত সম্পর্ক ছিন্ন করা সত্তেও যে ব্যক্তি সম্পর্ক বজায় রাখে, মহান আল্লাহ তাকে সাহায্য করবেন
১ টি | ৪৫১-৪৫১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি দারাওয়ারদী এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৪৫২-৪৫২
একজন নারীর জন্য বৈধ হলো রক্তসম্পর্কীয় মুশরিক কোন ব্যক্তির সাথে সম্পর্ক বজায় রাখা, যখন তার ইসলাম গ্রহণের আশা থাকে
১ টি | ৪৫৩-৪৫৩
মানুষের জন্য বৈধ হলো তার নিকটাত্মীয় মুশরিক ব্যক্তির সাথে সুসম্পর্ক বজায় রাখা, যখন তাদের ইসলাম গ্রহণের আশা থাকে
১ টি | ৪৫৪-৪৫৪
রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারী ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না
১ টি | ৪৫৫-৪৫৫
রক্ত সম্পর্ক ছিন্নকারীর জন্য দুনিয়াতেই শাস্তির আশংকা
১ টি | ৪৫৬-৪৫৬
একজন ব্যক্তি মুসলিমদের সন্তানদের প্রতি দয়া করবেন এই আশায় যে, মহান আল্লাহ তার প্রতি রহম করবেন
১ টি | ৪৫৮-৪৫৮
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আদম সন্তানের উপর কোমল আচরণ করা
১ টি | ৪৬০-৪৬০
ঐ ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবেই, যে ব্যক্তি ইয়াতিমদের দায়িত্বভার গ্রহণ করে তাদের মাঝে ইনসাফ করে এবং যুলম করা থেকে দূরে থাকে
১ টি | ৪৬১-৪৬১
ভাগ্যবান ব্যক্তিদের মাঝেই কেবল দয়া থাকে- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৪৬৩-৪৬৩
কেবল হতভাগ্যদের থেকেই দয়া উঠিয়ে নেওয়া হয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৪৬৫-৪৬৫
যখন কোন ব্যক্তি নরম-কোমল প্রকৃতির, মানুষের নিকটবর্তী থাকে এবং সহজ-সরল হয়, এর মাধ্যমে তার জন্য জাহান্নাম থেকে নিষ্কৃতির আশা করা যায়
১ টি | ৪৬৯-৪৬৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে হাদীসটি ‘আবদাহ বিন সুলাইমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৪৭০-৪৭০
যে ব্যক্তি আল্লাহর অপছন্দনীয় কাজে লিপ্ত না হয়ে সমকালীন ব্যক্তিদের সাথে কোমল আচরণ করে, মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকাহ লিখে দেন
১ টি | ৪৭১-৪৭১
যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সাথে উত্তম কথা বলে, মহান আল্লাহ তার জন্য সাদাকাহ লিখে দেন
১ টি | ৪৭২-৪৭২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক উত্তম কথাকে খেজুরের সাথে আর মন্দ কথাকে তিক্ত শশার সাথে উপমা প্রদান
১ টি | ৪৭৫-৪৭৫
যে সব আমল মানুষকে অধিক পরিমাণে জান্নাতে নিয়ে যাবে, তার মধ্যে অন্যতম হলো তাকওয়া ও সচ্চরিত্র
১ টি | ৪৭৬-৪৭৬
একজন ব্যক্তি সচ্চরিত্রের মাধ্যমে সারারাত কিয়াম ও সারাদিন সিয়াম পালনের মর্যাদা প্রাপ্তির আশা করতে পারে
১ টি | ৪৮০-৪৮০
কিয়ামতের দিন একজন ব্যক্তি তার সচ্চরিত্রকে মীযানের পাল্লায় সবচেয়ে বেশি ভারী আমলসমূহের মাঝে অন্যতম পাবে
১ টি | ৪৮১-৪৮১
একজন ব্যক্তি উভয় জগতে তার সচ্চরিত্র দ্বারা এতটা উপকৃত হবেন যা তার বংশ দ্বারা সম্ভব নয়
১ টি | ৪৮৩-৪৮৩
যার চরিত্র সুন্দর হবে, কিয়ামতের দিন তার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে বসার জায়গা হবে
১ টি | ৪৮৫-৪৮৫
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো কেউ সম্মানহানী করলে বা কষ্ট দিলে নিজের জন্য তার প্রতিশোধ না নেওয়া
১ টি | ৪৮৮-৪৮৮
মুসলিমদের মাঝে সালামের বিস্তার ঘটানোর মাঝে নিরাপত্তা রয়েছে
১ টি | ৪৯১-৪৯১
সালামের সময় মুসলিমদের সাথে মুসাফাহ করা বৈধ
১ টি | ৪৯২-৪৯২
যে ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসে এসে বসবে, সে ব্যক্তি সালাম দিবে অনুরূপভাবে সালাম দিবে যখন সে মজলিস থেকে উঠে যাবে
১ টি | ৪৯৪-৪৯৪
যখন কোন ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসের কাছে পৌঁছবে, তখন সালাম দিবে অনুরূপভাবে যখন সেখান থেকে ফিরে আসবে তখনও সালাম দিবে
১ টি | ৪৯৫-৪৯৫
যে ব্যক্তি কোন কওমের মজলিসে আসবে, সে ব্যক্তি সালাম দিবে অনুরূপভাবে সালাম দিবে যখন সে সেখান থেকে উঠে যাবে
১ টি | ৪৯৬-৪৯৬
অল্প সংখ্যক লোক বেশি সংখ্যক লোককে, পদব্রজ ব্যক্তি বসা ব্যক্তিকে এবং আরোহী ব্যক্তি পদব্রজ ব্যক্তিকে সালাম দিবে
১ টি | ৪৯৭-৪৯৭
দুই পদব্রজ ব্যক্তির একজন যখন তার সঙ্গীকে প্রথমে সালাম দিবে, সে ব্যক্তি আল্লাহর নিকট উত্তম ব্যক্তি হিসেবে গণ্য হবে
১ টি | ৪৯৮-৪৯৮
ইয়াহুদি ও খ্রীষ্টানদের আগে সালাম দেওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
২ টি | ৫০০-৫০১
মুসলিম ব্যক্তির জন্য জায়েয আছে আহলে যিম্মাহ (মুসলিম রাষ্ট্রে বসবাসকারী চুক্তিবদ্ধ অমুসলিম) প্রদত্ত সালামের জবাব দেওয়া
১ টি | ৫০২-৫০২
সুন্দর কথা বলা ও অন্যকে খাদ্য খাওয়ানোর মাধ্যমে একজন ব্যক্তির জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়
১ টি | ৫০৪-৫০৪
যে ব্যক্তি মানুষকে খাদ্য খাওয়ায়, সালামের প্রচলন ঘটায় সাথে সাথে দয়াময় আল্লাহর ইবাদত করে, সে ব্যক্তির জন্য জান্নাতে প্রবেশ করার প্রত্যাশা
১ টি | ৫০৫-৫০৫
নিশ্চয়ই মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো ঈমানের অন্তর্ভূক্ত মর্মে হাদীস
১ টি | ৫০৭-৫০৭
যে ব্যক্তি সালামের প্রচলন ঘটায়, মানুষকে খাদ্য খাওয়ায় সাথে অন্যান্য ইবাদত করে, সে ব্যক্তি অবধারিতভাবে জান্নাতে প্রবেশ করবে
১ টি | ৫০৮-৫০৮
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো প্রতিবেশীর সাথে সদাচারণ করা এই আশায় যে এর বদৌলতে সে জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে
১ টি | ৫১৩-৫১৩
কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীকে কিছু তরকারী দিবে; খুব কার্পণ্য করে দিবে না আবার সীমালঙ্ঘন করে অনেক বেশিও দিবে না
১ টি | ৫১৫-৫১৫
প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে কাঠ পুঁততে নিষেধ করার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ৫১৬-৫১৬
যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ভাইয়ের দোষ গোপন করবে, মহান আল্লাহ তাকে জীবন্ত প্রোথিত শিশুকে বাঁচানোর সাওয়াব দান করবেন
১ টি | ৫১৮-৫১৮
দুনিয়াতে যে ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর কাছে উত্তম, সে ব্যক্তি আল্লাহর কাছেও উত্তম প্রতিবেশী হিসেবে গণ্য হবে
১ টি | ৫১৯-৫১৯
উত্তম সঙ্গী ও উত্তম প্রতিবেশী সম্পর্কে হাদীস
১ টি | ৫২০-৫২০
প্রতিবেশী কষ্ট দিলে ধৈর্য ধারণ করা আবশ্যক
১ টি | ৫২১-৫২১
কোন মুসলিমের সাথে হাসিমুখে কথা বলা সৎ আমলের অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ৫২৪-৫২৪
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মন্দ কাজ করার পর সাধ্যমত ভাল কাজ করা
১ টি | ৫২৫-৫২৫
একজন বক্তির সৎকর্মপরায়ন হওয়ার আলামত
১ টি | ৫২৬-৫২৬
একজন ব্যক্তির ভাল ও মন্দ হওয়ার প্রমাণ
১ টি | ৫২৭-৫২৭
মানুষের মাঝে শ্রেষ্ঠ ঐ ব্যক্তি যার থেকে ভাল কিছু আশা করা হয় এবং তার অনিষ্ট থেকে নিরাপদ থাকা যায়
১ টি | ৫২৮-৫২৮
পথহারা ও অন্ধ ব্যক্তিকে পথ দেখিয়ে দেওয়া সাদাকার অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ৫৩০-৫৩০
যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইকে তার কষ্ট দূর করার জন্য শাসকের কাছে পৌঁছার মাধ্যম হয়, মহান আল্লাহ তাকে পুলসিরাত পার করাবেন
১ টি | ৫৩১-৫৩১
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে কোন মুসলিম ব্যক্তির বিপদ দূর করবে, মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন তার বিপদ দূর করবেন
১ টি | ৫৩৫-৫৩৫
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো দুর্বলদের প্রতি মনোনিবেশ করা এবং তাদের কার্যসম্পাদন করে দেওয়া, যদিও তিনি অন্যের কোন কাজে নিয়োজিত থাকেন
১ টি | ৫৩৬-৫৩৬
যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলে তার জন্য আল্লাহর ক্ষমা প্রাপ্তির আশা
১ টি | ৫৩৮-৫৩৮
যে ব্যক্তি রাস্তা থেকে কাঁটার ডাল সরিয়ে ছিলেন, তিনি এছাড়া আর কোন আমল ইতিপূর্বে করেননি
১ টি | ৫৩৯-৫৩৯
যে ব্যক্তি গাছ বা দেওয়াল থেকে কষ্টদায়ক বস্তু, যার মাধ্যমে মুসলিমরা কষ্ট পান, তা অপসারণ করে, তার জন্য ক্ষমার আশা
১ টি | ৫৪১-৫৪১
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো মুসলিমদের রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু সরিয়ে ফেলা কেননা এটি ঈমানের অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ৫৪২-৫৪২
যে ব্যক্তি কোন তৃষ্ণার্ত চতুষ্পদ প্রাণীকে পানি পান করাবে, তার জান্নাতে প্রবেশ করার আশা প্রসঙ্গে আলোচনা
১ টি | ৫৪৪-৫৪৪
চতুষ্পদ প্রাণীর প্রতি সদাচারণ না করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৫৪৬-৫৪৬
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ কোমলতার উপর সাহায্য করেন এভাবে যে, তিনি কোমলতার জন্য যা দেন, কঠোরতার জন্য তা দেন না
১ টি | ৫৫০-৫৫০
সমস্ত বিষয়ে অবধারিতভাবে কোমলতা অবলম্বন করার নির্দেশ, কেননা সবসময় কোমলতা অবলম্বন করা এটি দুনিয়া ও আখিরাতে তার শোভাবর্ধন করবে
১ টি | ৫৫২-৫৫২
সকল কাজে-কর্মে কোমলতা অবলম্বন করা ব্যক্তির জন্য আবশ্যক
১ টি | ৫৫৩-৫৫৩
একজন ব্যক্তি যেন সৎকর্মশীল ব্যক্তি ছাড়া কাউকে সঙ্গী না বানায় এবং তাদের ছাড়া অন্য কারো জন্য খরচ না করে
১ টি | ৫৫৫-৫৫৫
মু‘মিন ছাড়া অন্য কাউকে সঙ্গী হিসেবে গ্রহণ করা এবং মুত্তাকী ছাড়া অন্য কাউকে খাদ্য খাওয়ানোর ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ৫৫৬-৫৫৬
কোন ব্যক্তি কর্তৃক সৎ ব্যক্তিদের ভালবাসা ঐ ব্যক্তিকে তাদের সাথে জান্নাতে পৌঁছে দিবে, যদিও সে ব্যক্তি আমলে তাদের সমপর্যায়ভূক্ত নয়
১ টি | ৫৫৭-৫৫৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটি সেই ব্যক্তির সাথেই নির্দিষ্ট; সবার জন্য প্রযোজ্য নয়, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ৫৫৮-৫৫৮
একজন ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো তার খাবার ও সাহচর্যতার ক্ষেত্রে তিনি মুত্তাকী ও মর্যাদাবান ব্যক্তিদের অগ্রাধিকার দিবেন
১ টি | ৫৬১-৫৬১
সেসব ব্যক্তিদের সাথে উঠা-বসা করার নির্দেশ যারা দ্বীনদার, সৎ; সেসব মুসলিমদের সাথে নয়, যারা এর বিপরীত চরিত্রের অধিকারী
১ টি | ৫৬২-৫৬২
প্রশ্নকারী সাহাবী বস্তুত আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালবাসা সম্পর্কে বলেছেন
১ টি | ৫৬৪-৫৬৪
যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের কাছে প্রিয় হবে, সে ব্যক্তি উত্তম ব্যক্তি হিসেবে পরিগণিত হবে
১ টি | ৫৬৭-৫৬৭
কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার মুসলিম ভাইয়ের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করা বা তাকে বিভিন্ন উপায়-উপকরণে ধোঁকা দেওয়ার ব্যাপারে সতর্তীকরণ
১ টি | ৫৬৭-৫৬৭
কোন ব্যক্তি তার ভাইকে আল্লাহর জন্য ভালবাসলে, তাকে ভালবাসার কথা জানিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ৫৬৯-৫৬৯
কিয়ামতের দিন; যেদিন মানুষ চিন্তিত ও ভীত থাকবে, সেদিন আল্লাহর জন্য পরস্পরকে ভালবাসা পোষনকারীদের অবস্থার বিবরণ
১ টি | ৫৭২-৫৭২
যারা আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য একে অন্যের সাথে বসে, একে অন্যকে দেখতে যায়, তাদের জন্য আল্লাহর ভালবাসা অবধারিত হওয়ার বর্ণনা
১ টি | ৫৭৪-৫৭৪
যে ব্যক্তি তার কোন মুসলিম ভাইকে দেখতে যায়, তার জন্য আল্লাহর ভালবাসা অবধারিত হওয়া প্রসঙ্গে
১ টি | ৫৭৫-৫৭৫
আল্লাহর ভালবাসা সেসব ব্যক্তিদের জন্য অবধারিত যারা আল্লাহর জন্য পরস্পরের শুভাকাঙ্খী হয় একে অন্যের জন্য খরচ করে
১ টি | ৫৭৬-৫৭৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার মুসলিম ভাইয়ের মন জয় করা, যদি তাতে কুরআন-সুন্নাহ পরিপন্থী কিছু না থাকে
১ টি | ৫৭৭-৫৭৭
দুইজন মুসলিম ব্যক্তির সংগোপনে কথা বলার ব্যাপারে হুশিয়ারী, যখন তাদের কাছে তৃতীয় কোন ব্যক্তি উপস্থিত থাকে
১ টি | ৫৮০-৫৮০
দুইজনের উপস্থিতিতে মুসলিমদের পারস্পরিক গোপন সংলাপে লিপ্ত হওয়া জায়েয হওয়ার ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ৫৮১-৫৮১
যে কারণে এই ধরণের কাজ করতে বারণ করা হয়েছে
১ টি | ৫৮৩-৫৮৩
মুসলিমদের মজলিসগুলোর বিবরণ
১ টি | ৫৮৪-৫৮৪
মজলিস যখন সংকীর্ণ হয় যাবে, তখন তাদের জন্য আবশ্যক একজনকে না উঠিয়ে দিয়ে বরং অন্যকে বসার সুযোগ করে দিবে এবং বসার জায়গা প্রশস্ত করবে
১ টি | ৫৮৫-৫৮৫
কোন ব্যক্তি তার জায়গা থেকে উঠার পর পুনরায় ফিরে আসলে সেই জায়গার ক্ষেত্রে সে অন্যের চেয়ে বেশি হকদার হবে
১ টি | ৫৮৭-৫৮৭
বসার সময় বাম পার্শ্বে হেলান দেওয়া বৈধতা প্রসঙ্গে
১ টি | ৫৮৮-৫৮৮
কোন মজলিস থেকে আল্লাহর যিকর ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর দরুদ পাঠ না করে উঠে গেলে কিয়ামতের দিন তা অনুতাপের কারণ হবে
১ টি | ৫৮৯-৫৮৯
আমরা যে অনুতাপের কথা উল্লেখ করলাম, তা সেসব ব্যক্তিদের জন্য হবে যাদের কথা আমরা উল্লেখ করলাম, যদিও তারা জান্নাতে প্রবেশ করে
১ টি | ৫৯০-৫৯০
আল্লাহর যিকর না করে মজলিস থেকে উঠে যাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৫৯১-৫৯১
কোন মজলিসে যে অসার কথা-বার্তা হয়, উপরিউক্ত বাক্যগুলি যে ব্যক্তি বলবেন, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ৫৯৩-৫৯৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৫৯৫-৫৯৫
যে ব্যক্তি মুসলিমদের রাস্তায় বসবে, তাকে যেসব বৈশিষ্টগুলো পালন করতে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ৫৯৬-৫৯৬
আমরা যেভাবে বিবরণ দিলাম, যে ব্যক্তি সেভাবে হাঁচিদানকারীর জবাব দেয়, হাঁচিদানকারী ব্যক্তি তখন যা বলে জবাব দিবেন
১ টি | ৫৯৮-৫৯৮
হাঁচিদানকারী ব্যক্তি ‘আলহামদু লিল্লাহ’ না বললে তার জবাবে ‘ইয়ারহামুকাল্লাহ’ (আল্লাহ তোমার উপর রহম করুন) না বলার বৈধতা প্রসঙ্গে
১ টি | ৫৯৯-৫৯৯
যে দুইজন ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে হাঁচি দিয়েছিলেন, তাদের বিবরণ
১ টি | ৬০১-৬০১
পিতা-মাতার হক
১ টি | ৪০৯-৪০৯
সালামের প্রচলন ঘটানো এবং মানুষকে খাদ্য খাওয়ানো
১ টি | ৪৮৯-৪৮৯
ভাল ও পুণ্যের কাজ
১ টি | ৫২২-৫২২
রাস্তায় বসা প্রসঙ্গে
১ টি | ৫৯৪-৫৯৪
৭. মন গলানো সুমিষ্ট উপদেশমালা (كِتَابُ الرَّقَائِقِ)
৪৩১ টি হাদিস
৪১৯ পরিচ্ছেদ
৪১৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬০৬-১০৩৩)
লজ্জা
১ টি | ৬০৬-৬০৬
শয়তান মানুষের কাছে নিষিদ্ধ কাজ যখন সুশোভিত করে তুলে, তখন মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো লজ্জাকে আঁকড়ে ধরা
১ টি | ৬০৭-৬০৭
লজ্জা ঈমানের অংশসমূহের মধ্যে অন্যতম একটি অংশ। কেননা ঈমান বেশ কিছু অংশ সংবলিত শাখাসমূহের সমষ্টি, যে সম্পর্কে আলোচনা গত হয়ে গেছে
১ টি | ৬০৯-৬০৯
তাওবা (অনুশোচনা হলো তাওবা এই মর্মে হাদীস)
১ টি | ৬১০-৬১০
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার থেকে যে ত্রুটি সংঘটিত হয়ে যায়, সেজন্য সবসময় আফসোস ও অনুশোচনা করা যাতে মহান আল্লাহ তার গোনাহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ৬১৪-৬১৪
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো কোন ভুল হলে অথবা ভুলে গেলে সব সময় তাওবা করা ও আল্লাহ অভিমুখী হওয়া
১ টি | ৬১৫-৬১৫
বান্দা নিজের কৃত পাপ থেকে তাওবা করলে, তার আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জিত হওয়া প্রসঙ্গে হাদীস
১ টি | ৬২০-৬২০
কোন ব্যক্তি প্রত্যেকবার পাপ সংঘটিত করার পর যদি তাওবা করে, তবে সে ব্যক্তি ‘পাপের উপর অনড় থাকার’ সীমা থেকে বেরিয়ে যায়
১ টি | ৬২১-৬২১
যে ব্যক্তি পাপ কাজ করার পর তাওবা করে এবং ক্ষমা প্রার্থনা করে তারপর সালাত আদায় করে, মহান আল্লাহ তা‘আলা তাকে ক্ষমা করে দেন
১ টি | ৬২২-৬২২
পাপ করে তাওবা করে আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাইলে মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, যদিও ক্ষমা প্রার্থনা করার আগে সালাত আদায় না করে
১ টি | ৬২৩-৬২৩
তাওবাকারীর উপর আল্লাহর অনুগ্রহ; যখনই সে আল্লাহর দিকে ফিরে আসে, তখনই আল্লাহ তার তাওবা কবুল করেন যতক্ষণ না মৃত্যুকালীন গড়গড় শব্দ না করে
১ টি | ৬২৭-৬২৭
তাওবাকারীর তাওবা কবুল হবে যখন তাওবা করা হয় সূর্য পশ্চিম দিক থেকে উদিত হওয়ার আগে; পরে নয়
১ টি | ৬২৮-৬২৮
(আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা পোষণ করা) - আল্লাহর ব্যাপারে সুধারণা মুসলিম ব্যক্তির জন্য উৎকৃষ্ট ইবাদতের অন্তর্ভু্ক্ত
১ টি | ৬৩০-৬৩০
মা‘বূদের ব্যাপারে সুধারণা পরকালে উপকার দিবে ঐ ব্যক্তির জন্য যার জন্য আল্লাহ কল্যাণ ইচ্ছা করবেন
১ টি | ৬৩১-৬৩১
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষন করা ছেড়ে দেওয়া যদিও দুনিয়াতে মন্দ জীবন-যাপন অনেক বেড়ে যায়
১ টি | ৬৩৩-৬৩৩
মুসলিম ব্যক্তির প্রতি নির্দেশ হলো সে তার মা‘বুদের প্রতি সুধারণা পোষণ করবে এবং সাথে সাথে ভাল আমলেও ত্রুটি কম করবে
১ টি | ৬৩৫-৬৩৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মানুষকে তাদের মা‘বূদের ব্যাপারে সুধারণা পোষন করার জন্য উদ্বুদ্ধ করেছেন
১ টি | ৬৩৭-৬৩৭
আল্লাহ তা‘আলাকে ধারণাকারীকে তার ধারণা অনুসারেই দিয়ে থাকেন, ভাল ধারণা করলে ভাল, মন্দ ধারণা করলে মন্দই দেন
১ টি | ৬৩৮-৬৩৮
তাক্বওয়া ও আল্লাহভীতি
২ টি | ৬৪২-৬৪৩
নবীদের দিকে নিজেকে সম্পৃক্তকরণ পরকালে কোন উপকার আসবে না, তাঁদের সম্পৃক্তকারীর কেবল তাক্বওয়া ও আমলে সালেহ-এর মাধ্যমেই উপকার হবে
১ টি | ৬৪৪-৬৪৪
নিশ্চয়ই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকটবর্তী মুত্তাকীগণ; তাঁর নিকটাত্বীয়গণ নয়, যখন তারা পাপিষ্ঠ হয়
১ টি | ৬৪৬-৬৪৬
যে ব্যক্তির আল্লাহকে ভয় করার অবস্থা আশাবাদী হওয়ার অবস্থার উপর প্রবল হয়, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ৬৪৮-৬৪৮
কোন মানুষের উপর আল্লাহর ভয় প্রবল থাকলে, কিয়ামতের দিন তার নাজাত আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৬৪৯-৬৪৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো গাফিলতি থেকে দূরে থাকা এবং কিয়ামতের ভয়াবহতা সম্পর্কে সতর্ক থাকা
১ টি | ৬৫১-৬৫১
কিছু বৈশিষ্ট্য যার কোন একটি সম্পাদন করলে জাহান্নাম অবধারিত হয়ে যাওয়ার ভয়ে সেসব পরিত্যাগ করা মানুষের জন্য জরুরী- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৬৫২-৬৫২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি কাতাদাহ বিন দি‘আমাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ৬৫৩-৬৫৩
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো এমন কাজ থেকে দূরে থাকা, যা সম্পাদন করলে পরকালে শাস্তির সম্ভাবনা রয়েছে
১ টি | ৬৫৪-৬৫৪
মুসলিমের জন্য আবশ্যক হলো সে তার নিজের জন্য দুটো পথ নির্ধারণ করবে; একটি আশার আরেকটি ভয়ের
১ টি | ৬৫৫-৬৫৫
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ আমলে ত্রুটির জন্য নিজেকে দোষারোপ করা, যদিও তাতে তার অনেক প্রচেষ্টা থাকে
১ টি | ৬৫৮-৬৫৮
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো নিজের আমলের উপর নির্ভর না করা এবং বিভিন্ন অবস্থায় ‘বাধ্যগত অবস্থার’ প্রতি আশ্রয় নিবে না
১ টি | ৬৫৯-৬৫৯
শয়তান যখন মানুষের কাছে পাপ কাজ সুশোভিত করে তোলে আর সেসময় যখন মানুষ পাপ কাজে লিপ্ত হয়, তখন মানুষের জন্য কী করা আবশ্যক- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৬৬০-৬৬০
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সৎ আমল ও গোনাহের কাজ অল্প হলেও তা অবজ্ঞা করবে না- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৬৬১-৬৬১
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রতিটি কাজে পরিণামের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া; তার আয়ুষ্কালের উপর ভরসা করে বসে থাকা উচিৎ নয়
১ টি | ৬৬২-৬৬২
বৃষ্টির আগে প্রচন্ড বায়ু প্রবাহের সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চেহারায় (উদ্বিগ্নতার) যে ছাপ প্রকাশ পেত
১ টি | ৬৬৩-৬৬৩
নশ্বর এই পৃথিবীতে সফল ব্যক্তিদের সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৬৬৯-৬৬৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো পরকালে নাজাতের আশায় প্রয়োজনের অতিরিক্ত খাদ্য ছেড়ে দেওয়া যাতে হারাম ভক্ষণকারীদের শাস্তি দেওয়া হবে
১ টি | ৬৭৩-৬৭৩
এই দুনিয়াতে যারা সম্পদশালী কিয়ামতের দিন তাদের জান্নাতে প্রবেশ করা থেকে দীর্ঘদিন পর্যন্ত আটকে রাখা হবে
১ টি | ৬৭৫-৬৭৫
দরিদ্র মুহাজিরদের প্রতি আল্লাহ তা‘আলার অনুগ্রহ হলো মহান আল্লাহ তাঁদেরকে ধনীদের নির্দিষ্ট সময়কাল আগে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন
১ টি | ৬৭৬-৬৭৬
অত্র হাদীসে বর্ণিত সংখ্যা দ্বারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নেননি
১ টি | ৬৭৭-৬৭৭
আমরা যে ঐশ্বর্যের কথা বর্ণনা করলাম, তার বিবরণ
১ টি | ৬৭৯-৬৭৯
আসহাবে সুফ্ফার (মসজিদে নববীর পিছনের দিকে সামিয়ানার নিচে অবস্থানকারী) সাহাবীদের বিবরণ সম্পর্কে হাদীস
১ টি | ৬৮১-৬৮১
আমরা যে সাহাবীদের খাবারের বিবরণ পেশ করলাম, সেটার কারণ বর্ণনা
১ টি | ৬৮৩-৬৮৩
ধনীদের উপর গরীবদের মর্যাদার অন্যতম কারণ
১ টি | ৬৮৫-৬৮৫
এই দুনিয়ার যা কিছু অবশিষ্ট থেকে যায়, তা অধিকাংশ সময় বিপদ-আপদ ও পরীক্ষার বস্তু হিসেবে থেকে যায়
১ টি | ৬৮৯-৬৮৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যাকে এই নশ্বর দুনিয়ার উপায়-উপকরণ দেওয়া হয়েছে, তার মাধ্যমে ধোঁকা কম খাওয়া
১ টি | ৬৯০-৬৯০
এই দুনিয়াতে যাকে নারী ও অন্যান্য নি‘আমত দেওয়া হয়েছে, এসবের মাধ্যমে ধোঁকা খাওয়ার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৬৯১-৬৯১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো হারামে লিপ্ত হওয়ার ভয়ে এমন বৈধ কাজ করা থেকে বিরত থাকা যা মানুষকে নশ্বর ও প্রবঞ্চক দুনিয়ার দিকে ঢেলে দেয়
১ টি | ৬৯২-৬৯২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যেসব কাজের মন্দ পরিণাম আশংকা করা হয়, সেসব কাজ থেকে পরিবারকে বিরত রাখার ব্যাপারে যত্নশীল হওয়া
১ টি | ৬৯৫-৬৯৫
নশ্বর দুনিয়ায় একজন মানুষের সেসব গুনাবলী থাকা জরুরী
১ টি | ৬৯৬-৬৯৬
নশ্বর এই দুনিয়ার সাথে সম্পর্কিত লোকের কাছে মর্যাদার মাপকাঠি
১ টি | ৬৯৭-৬৯৭
যেসব দুনিয়াদার লোকদের কাছে সম্মানের মাপকাঠি হলো সম্পদ, তাদের সম্পদের পরিণতি সম্পর্কে হাদীস
১ টি | ৬৯৯-৬৯৯
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তাকে দুনিয়ার যা কিছু দেওয়া হয়েছে, তাতে সন্তুষ্ট থাকবে সাথে সাথে ইসলাম ও সুন্নাহ মাফিক চলবে
১ টি | ৭০৩-৭০৩
মানুষ দুনিয়া থেকে মুক্ত থাকবে এবং দুনিয়ার সেই পরিমাণ সম্পদ গ্রহণ করবে, যা একজন মুসাফির পাথেয় হিসেবে গ্রহণ করে থাকে
১ টি | ৭০৪-৭০৪
দুনিয়ার উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের দিকে তাকানোর ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৭১১-৭১১
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো মনের খাহেশাতের জন্য মনকে তিরস্কার করা এবং মহান স্রষ্টার সন্তুষ্টির জন্য কষ্ট স্বীকার করা
১ টি | ৭১৪-৭১৪
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচার জন্য দুনিয়াতে প্রবৃত্তির চাহিদামূলক কাজ থেকে দূরে থাকতে হবে- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৭১৬-৭১৬
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৭১৭-৭১৭
দুনিয়াতে সন্দেহমূলক জিনিসের ব্যাপারে আল্লাহভীরু ব্যক্তিদের অবস্থার বিবরণ সম্পর্কিত হাদীস
১ টি | ৭১৯-৭১৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো কোন অবস্থাতেই আখিরাতের কোন উপকরণের বিনিময়েই নশ্বর এই দুনিয়ার কোন জিনিস গ্রহণ করবে না
১ টি | ৭২১-৭২১
যে ব্যক্তি সমস্ত উপায়-উপকরণে আল্লাহর উপর ভরসা করে, তার উপর জান্নাত অবধারিত হওয়া মর্মে হাদীস
১ টি | ৭২৪-৭২৪
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সমস্ত জিনিসকে আল্লাহর উপর ন্যস্ত করা
১ টি | ৭২৫-৭২৫
কোন মানুষ যদি প্রকৃতপক্ষেই সৎকর্মপরায়ন হন, তবে সংকীর্ণ ও অপ্রাপ্তির অবস্থাতেও তার হৃদয় স্বচ্ছল ও পাপ্তির অবস্থার মতই থাকবে
১ টি | ৭২৭-৭২৭
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সর্বাবস্থায়, সমস্ত উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে মাখলুখাতের সাথে অন্তরের সমস্ত সম্পর্ক বিচ্ছিন্ন করা
১ টি | ৭২৮-৭২৮
কুর‘আন পাঠ করা
১ টি | ৭২৯-৭২৯
উচ্চ আওয়াজ ও চুপিসারে এতদুভয়ের মাঝামাঝি আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে বেশি প্রিয় ছিল
১ টি | ৭৩০-৭৩০
অনুচ্চ আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করা আওয়াজ করে পাঠ করার চেয়ে উত্তম
১ টি | ৭৩১-৭৩১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর কোন এক উম্মতকে আদেশ করেন, যেন তাঁকে কুর‘আন পাঠ করে শুনানো হয়
১ টি | ৭৩২-৭৩২
যে ব্যক্তি সাত রীতির যে কোন এক রীতিতে কুর‘আন পাঠ করবেন, তিনি সঠিক হিসেবে বিবেচিত হবেন- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৭৩৫-৭৩৫
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর প্রতিপালকের কাছে তাঁর সুস্থতা, নিরাপত্তা ও ক্ষমা প্রার্থনা করেছেন
১ টি | ৭৩৬-৭৩৬
নিশ্চয়ই মহান আল্লাহ নির্দিষ্ট সংখ্যক পঠন-রীতিতে কুর‘আন অবতীর্ণ করেছেন- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৭৩৯-৭৩৯
যে ব্যক্তি সাত রীতির কোন এক রীতিতে কুর‘আন পাঠ করবে, তাকে তিরস্কার করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৭৪৪-৭৪৪
সুন্দর আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করার বৈধতা
১ টি | ৭৪৬-৭৪৬
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, বারা বিন আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহু থেকে আব্দুর রহমান বিন আওসাজাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন
১ টি | ৭৪৭-৭৪৭
কুর‘আন পাঠের ক্ষেত্রে আওয়াজ সুন্দর করা বৈধ কেননা সুন্দর আওয়াজে কুর‘আন পাঠ করলে মহান আল্লাহ তা শ্রবণ করেন
১ টি | ৭৪৮-৭৪৮
আবু হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহুর উল্লেখিত হাদীস দু‘টির আমরা যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ৭৫০-৭৫০
এই উম্মাতের কোন শ্রেণির মানুষ দ্বারা কুর‘আন পাঠ করা হবে
১ টি | ৭৫২-৭৫২
তিন দিনের কমে কুর‘আন খতম করার ব্যাপারে ধমকী, কেননা এই নিয়ম কুর‘আন বুঝা ও অনুধাবনের বেশি নিকটবর্তী
২ টি | ৭৫৫-৭৫৬
মানুষকে এই নির্দেশ প্রদান যে, সে তার কুর‘আন পাঠের মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি ও পরকাল প্রত্যাশা করবে; দুনিয়াতে এর প্রতিদান তড়িৎ চাইবে না
১ টি | ৭৫৭-৭৫৭
কুর‘আন ভুলে যাওয়ার ভয়ে নিয়মিত কুর‘আন অধ্যয়ন করার নির্দেশ
১ টি | ৭৫৯-৭৫৯
নিয়মিত কুর‘আন অধ্যয়ন করার নির্দেশ
১ টি | ৭৬০-৭৬০
নিয়মিত কুর‘আন পাঠকারীকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাঁধা উটের সাথে উপমা দিয়েছেন
১ টি | ৭৬১-৭৬১
নিয়মিত কুর‘আন পাঠকারী ও কুর‘আন পাঠে অবহেলাকারী ব্যক্তিকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বাঁধা উটের সাথে উপমা দিয়েছেন
১ টি | ৭৬২-৭৬২
কুর‘আন পাঠকারী ব্যক্তি দুনিয়াতে সর্বশেষ যে আয়াত পাঠ করেছে, আখেরাতে তার শেষ মানযিল সেখানে হবে
১ টি | ৭৬৩-৭৬৩
যারা আল্লাহর কিতাব নিজেদের মাঝে পঠন-পাঠন করে, ফেরেস্তাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখেন এবং সে সময় রহমত ঘিরে রাখে
১ টি | ৭৬৫-৭৬৫
কুর‘আন পাঠের সময় মানুষের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়
১ টি | ৭৬৬-৭৬৬
কুর‘আন পাঠের দিকদিয়ে মু‘মিন ও পাপিষ্ঠ ব্যক্তির উদাহরণ
১ টি | ৭৬৭-৭৬৭
কুর‘আন পাঠের নিয়ত অনুসারে একদল ব্যক্তির মর্যাদা সমুন্নত হয়, আরেক শ্রেণির মানুষের মর্যাদা অবনমিত হয়
১ টি | ৭৬৯-৭৬৯
আব্দুল্লাহ বিন আমর ছাড়া অন্য ব্যক্তিকে প্রথমে কুর‘আন পাঠের ব্যাপারে যা নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ৭৭০-৭৭০
সূরা ফাতিহা কুর‘আনের অন্যতম শ্রেষ্ঠ সূরা
১ টি | ৭৭১-৭৭১
সূরা ফাতিহার পাঠক ও পাঠকের প্রতিপালকের মাঝে বিভক্ত
১ টি | ৭৭২-৭৭২
সূরা বাকারাহ পাঠকালে ফেরেস্তাগণ অবতীর্ণ হয়
১ টি | ৭৭৬-৭৭৬
কোন বাড়িতে সূরা বাকারার শেষ দুই আয়াত তিন রাত পাঠ করা হলে, তার অধিবাসীগণ বাড়িতে প্রবেশ করার ব্যাপারে নিরাপদ থাকবে
১ টি | ৭৭৯-৭৭৯
আয়াতুল কুরসী পাঠের মাধ্যমে শয়তান থেকে বেঁচে থাকা (আমরা আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে পানাহ চাই।)
১ টি | ৭৮১-৭৮১
সূরা কাহফের দশ আয়াত পাঠ করার মাধ্যমে দাজ্জাল থেকে রক্ষা পাওয়া (আমরা আল্লাহর কাছে তার অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।)
১ টি | ৭৮২-৭৮২
যেই আয়াতগুলো পাঠ করার মাধ্যমে মানুষ নিজেকে দাজ্জাল থেকে রক্ষা করতে পারে, সেই আয়াতগুলো হলো সূরা কাহফের শেষ দিকের আয়াত
১ টি | ৭৮৩-৭৮৩
সূরা মুলক বেশি বেশি পাঠ করার নির্দেশ
১ টি | ৭৮৪-৭৮৪
যে কারণে এই আমলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ৭৮৭-৭৮৭
সূরা ইখলাস পাঠকারীকে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে এক-তৃতীয়াংশ কুর‘আন পাঠ করার সাওয়াব দান করবেন
১ টি | ৭৮৮-৭৮৮
যিনি সূরা ফাতিহাকে ভালবাসে, মহান আল্লাহও তাকে ভালবাসেন
১ টি | ৭৯০-৭৯০
পাঠক সূরা নাস ও ফালাকের সদৃশ কোন সূরা পাঠ করতে পারে না
১ টি | ৭৯৩-৭৯৩
স্ত্রীর হায়েয অবস্থায় তার কোলে মাথা রেখে কুর‘আন পড়া বৈধ
১ টি | ৭৯৫-৭৯৫
কোন বক্তি যদি নাপাক না হন, তবে ওযূ ছাড়াই কুর‘আন পড়া বৈধ
২ টি | ৭৯৬-৭৯৭
যিকর-আযকার
১ টি | ৮০১-৮০১
যেই হাদীস কোন কোন আলিম ব্যক্তিকেও এই সংশয়ে নিপতিত করে যে, ওযূ বিহীন অবস্থায় আল্লাহর যিকর করা জায়েয নেই
১ টি | ৮০২-৮০২
মহান আল্লাহর যেসব নাম মুখস্তকারী জান্নাতে প্রবেশ করবে
১ টি | ৮০৪-৮০৪
প্রকাশ্যে যিকর করার চেয়ে মনে মনে যিকর করা উত্তম
১ টি | ৮০৬-৮০৬
প্রকাশ্যে যিকর করার চেয়ে মনে মনে যিকর করা উত্তম মর্মে হাদীস
১ টি | ৮০৭-৮০৭
যে ব্যক্তি তার প্রতিপালককে মনে মনে স্মরণ করে, মহান আল্লাহ তাঁর রাজত্বে তাকে ক্ষমার মাধ্যমে স্মরণ করেন
১ টি | ৮০৯-৮০৯
যখন বান্দা আল্লাহর যিকর করার সাথে সাথে চিন্তা-ফিকির করে, তখন আল্লাহ তাদের নিয়ে ফেরেস্তাদের নিকট গর্ব করেন
১ টি | ৮১০-৮১০
আল্লাহর যিকরকারীর জন্য দ্রুত ক্ষমা প্রাপ্তির আশা করা যায়, যদি তার দুই ঠোট আল্লাহর যিকরে আন্দোলিত থাকে
১ টি | ৮১২-৮১২
প্রতিপালকের যিকরে আত্নভোলা হয়ে যাওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৮১৪-৮১৪
সব সময় আল্লাহর যিকর করা আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় আমল
১ টি | ৮১৫-৮১৫
যে ব্যক্তি বাড়িতে প্রবেশের সময় এবং খাদ্য গ্রহণের সময় আল্লাহর যিকর করবে, সেই বাড়িতে শয়তানের রাত্রি যাপন ও খাদ্য গ্রহণের সুযোগ থাকে না
১ টি | ৮১৬-৮১৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বেশি বেশি পড়া, কেননা এটি জান্নাতের অন্যতম এক ধন ভান্ডার
১ টি | ৮১৭-৮১৭
যখন কোন ব্যক্তি বেশি বেশি ‘লা হাওলা ওয়ালা কুওওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ’ বলবে, জান্নাতে তার জন্য বেশি বেশি গাছ লাগানো হবে
১ টি | ৮১৮-৮১৮
বাড়ি থেকে বের হওয়ার সময় যে যিকর করলে, তার প্রবক্তাকে হেদায়েত দেওয়া হয়, সেটা তার জন্য যথেষ্ট হয়ে যায় এবং তাকে রক্ষা করা হয়
১ টি | ৮১৯-৮১৯
যিনি শিংগায় ফুঁৎকার দেওয়ার অপেক্ষা করছে, তাকে ‘হাসবুনাল্লাহু ওয়া নি‘মাল ওয়াকীল’ বলার নির্দেশ
১ টি | ৮২০-৮২০
প্রাণহীন বর্ধনশীল উদ্ভিদ যতক্ষন পর্যন্ত সতেজ থাকে, ততক্ষন পর্যন্ত সেগুলো আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করে
১ টি | ৮২১-৮২১
আল্লাহর তাসবীহ প্রকাশকারী ব্যক্তির গোনাহ মোচন করে এবং তার জন্য সাওয়াব লিপিবদ্ধ করে তার প্রতি আল্লাহর অনুগ্রহ করা প্রসঙ্গে
১ টি | ৮২২-৮২২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উক্ত হাদীসটি হাজ্জাজ আস সাওওয়াফ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তাদের ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৮২৪-৮২৪
আল্লাহর সৃষ্টির সংখ্যা, তাঁর সন্তুষ্টি, তাঁর আরশের ওযন ও তাঁর কালেমার কালি পরিমাণ আল্লাহর তাসবীহ পাঠ করার নির্দেশ
১ টি | ৮২৫-৮২৫
একটি নির্দিষ্ট সংখ্যায় সুবহানাল্লাহ ও আলহামদুলিল্লাহ বললে, মহান আল্লাহ তার বদৌলতে তার পূর্বের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ৮২৬-৮২৬
আমরা যেসব যিকর-আযকারের কথা বললাম, তা বলা একজন মানুষের জন্য ‘সূর্য যা কিছুর উপর উদয় হয়’ সেসব কিছুর অধিকারী হওয়ার চেয়ে উত্তম
১ টি | ৮৩১-৮৩১
উল্লেখিত বাক্যগুলি শ্রেষ্ঠ বাক্যের অন্তর্ভূক্ত, বাক্যগুলির মধ্য হতে যে কোন বাক্য আগে বলা হোক না কেন তাতে কোন ক্ষতি নেই
১ টি | ৮৩৩-৮৩৩
আমরা যে আমল বর্ণনা করলাম, এই ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যা আমল করতেন
১ টি | ৮৪০-৮৪০
যেভাবে আল্লাহর প্রশংসা করলে, প্রশংসাকারীর জন্য ঠিক সেভাবেই লেখা হয়, যেভাবে সে প্রশংসা করে, যেন সে এই মাত্র কাজটি সম্পাদন করেছে
১ টি | ৮৪২-৮৪২
আলহামদু লিল্লাহ শ্রেষ্ঠ দু‘আ আর লা ইলাহা শ্রেষ্ঠ যিকর
১ টি | ৮৪৩-৮৪৩
মহান আল্লাহ যাদেরকে আল্লাহবিমুখ ব্যক্তিদের পথ থেকে হেফাযত করেছেন, তাদের জন্য আবশ্যক হলো এজন্য মহান আল্লাহর প্রশংসা করা
১ টি | ৮৪৫-৮৪৫
কিছু বাক্য যা কোন ব্যক্তি বললে, মহান আল্লাহ তা সত্যায়ন করেন
১ টি | ৮৪৮-৮৪৮
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো আল্লাহর ফায়সালার উপর ভরসা করে না থেকে সকল উপায়-উপকরণের ক্ষেত্রে যিকিরের মাধ্যমে সতর্কতা গ্রহণ করা জরুরী
১ টি | ৮৪৯-৮৪৯
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সর্বাবস্থায় আল্লাহর যিকির করা, যাতে কিছু জায়গায় যিকির না করার কারণে কিয়ামতের দিন আক্ষেপের কারণ না হয়
১ টি | ৮৫০-৮৫০
যে জায়গায় আল্লাহর যিকির করা হয় এবং যে জায়গায় আল্লাহর যিকির করা হয় না, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক তার উপমা
১ টি | ৮৫১-৮৫১
আল্লাহর যিকির করার জন্য যারা একত্রিত হয়, ফেরেস্তাগণ তাদেরকে পরিবেষ্টন করে রাখে সাথে সাথে তাদের উপর প্রশান্তি অবতীর্ণ হয়
১ টি | ৮৫২-৮৫২
যে ব্যক্তি যিকিরকারীদের সাথে বসে, মহান আল্লাহ তাকে তাদের সাথে বসার কারণে সৌভাগ্যবান করেন
১ টি | ৮৫৪-৮৫৪
যে ব্যক্তি সকাল-সন্ধায় ‘সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহী’ নির্দিষ্ট সংখ্যায় বলবে, তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ৮৫৬-৮৫৬
একটি যিকির যা কোন ব্যক্তি সকাল বেলায় বললে কিয়ামতের দিন কোন ব্যক্তি তার সমপরিমাণ নেকি অর্জন করতে পারবে না
১ টি | ৮৫৭-৮৫৭
সকাল বেলায় যে যিকর করলে, তা ঐ দিনের শুকরিয়া আদায় হয়ে যাবে
১ টি | ৮৫৮-৮৫৮
যে যিকির কোন ব্যক্তি সকালে পাঠ করলে সন্ধা পর্যন্ত আর সন্ধায় পাঠ সকাল পর্যন্ত নিজেকে হেফাযত করতে পারে
১ টি | ৮৫৯-৮৫৯
বিপদ-আপদের সময় যে যিকির করলে, বিপদাপদ দূর হওয়ার আশা করা যায়
১ টি | ৮৬১-৮৬১
দুঃখ-কষ্ট ও কঠিন মুহূর্তে আল্লাহর প্রশংসার সাথে সাথে তাঁর পবিত্রতা ঘোষনা ও লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলার নির্দেশ
১ টি | ৮৬২-৮৬২
বিভিন্ন দু‘আ
২ টি | ৮৬৩-৮৬৪
ব্যাপক অর্থবোধক দু‘আর ক্ষেত্রে মানুষের অবস্থা বর্ণনা এবং এক্ষেত্রে তার কী উদ্দেশ্য হওয়া জরুরী, তার বর্ণনা
১ টি | ৮৬৫-৮৬৫
ব্যাপক অর্থবোধক বাক্যের মাধ্যমে মহান প্রতিপালকের কাছে কল্যান কামনা ও অকল্যান থেকে পরিত্রান চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ৮৬৬-৮৬৬
আল্লাহর কাছে বান্দার দু‘আ সবচেয়ে সম্মানজনক জিনিস
১ টি | ৮৬৭-৮৬৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো নিয়মিত দু‘আ ও সৎ করা অব্যাহত রাখা
১ টি | ৮৬৯-৮৬৯
যখন কোন ব্যক্তি একনিষ্ঠ আমল ও বিশুদ্ধ নিয়তসহ আল্লাহর কাছে দু‘আ করবে, তার দু‘আ কবূল করা হবে, যদিও তার কাঙ্খিত জিনিসটি অলৌকিক কিছু হয়
১ টি | ৮৭০-৮৭০
মাযলূমের দু‘আ অবশ্যই কবূল হয়, যদিও তা কিছুটা বিলম্বে হয়
২ টি | ৮৭১-৮৭২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দু‘আ করার সময় দুই হাত উঠানো
১ টি | ৮৭৩-৮৭৩
মহান আল্লাহর কাছে দু‘আ করার সময় দুই হাত উঠানো বৈধ
১ টি | ৮৭৪-৮৭৪
দুই হাত উঠিয়ে দু‘আ করার ক্ষেত্রে আবশ্যক হলো দুই হাত উঠানোর ক্ষেত্রে মাথা অতিক্রম করবে না
১ টি | ৮৭৫-৮৭৫
আল্লাহর কাছে দু‘আ করার সময় আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করার বিবরণ
১ টি | ৮৭৯-৮৭৯
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে দু‘আ করার সময় ইশারা করার ইচ্ছা করবে, তখন ডান হাতের শাহাদাহ অঙ্গুলি কিছুটা হেলিয়ে তা দিয়ে ইশারা করবে
১ টি | ৮৮০-৮৮০
দু‘আর সময় দুই আঙ্গুলের মাধ্যমে ইশারা করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ৮৮১-৮৮১
যখন কোন ব্যক্তি কোন কাজ করার ইচ্ছা করবে, তখন তা শুরু করার আগে ইস্তিখারা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে আলোচনা
১ টি | ৮৮২-৮৮২
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৮৮৩-৮৮৩
নতুন চাঁদ প্রথম দেখলে একজন ব্যক্তি কী বলবে, তার বর্ণনা
১ টি | ৮৮৫-৮৮৫
সর্বাবস্থায় আল্লাহর কাছে দু‘আ করা ইবাদতের অন্তর্ভূক্ত, যার মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য লাভ করা যায়
১ টি | ৮৮৭-৮৮৭
আমরা যে দু‘আর কথা বর্ণনা করলাম সেটা হলো ইসমে আ‘যম এর মাধ্যমে দু‘আ, যার মাধ্যমে কোন ব্যক্তি দু‘আ করে ব্যর্থ মনোরথ হয় না
১ টি | ৮৮৯-৮৮৯
যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ৮৯৩-৮৯৩
কোন ব্যক্তি যখন তার সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য আমলের উসীলায় দু‘আ করে, তখন তার দু‘আ কবূল হওয়ার আশা করা যায়- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ৮৯৪-৮৯৪
প্রতিপালকের কাছে বান্দার প্রার্থনা করা যেন তিনি বান্দাকে ইসলাম দান করা এবং প্রতিপালকের উপর তাওয়াক্কুল করার পর যেন পথভ্রষ্ট না করেন
১ টি | ৮৯৫-৮৯৫
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো বেশি বেশি হেদায়েত ও তাকওয়ার জন্য প্রতিপালকের কাছে আবেদন করা
১ টি | ৮৯৭-৮৯৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো অন্তর আল্লাহর আনুগত্যের উপর পরিবর্তন হওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে কামনা করা
১ টি | ৮৯৯-৮৯৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর দরুদ পাঠকারীর দরুদ পাঠ করার কারণে গোনাহ মোচন করা হয়
১ টি | ৯০১-৯০১
যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় বান্দা মুহাম্মাদ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর একবার দরুদ পাঠ করবে, মহান আল্লাহ তার জন্য নেকী লিখে দিবেন
১ টি | ৯০২-৯০২
যে ব্যক্তি আল্লাহর প্রিয় বান্দা মুহাম্মাদ আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উপর একবার দরুদ পাঠ করবে, মহান আল্লাহ এর বদৌলতে তাকে দশবার ক্ষমা করবেন
১ টি | ৯০৩-৯০৩
দ্বিতীয় হাদীস যা আমাদের বর্ণিত বিষয়কে স্পষ্ট করে
১ টি | ৯০৫-৯০৫
আল্লাহর বাণী (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا) এর ব্যাখ্যাদানকারী হাদীস
১ টি | ৯০৯-৯০৯
মুসলিম ব্যক্তির সালাম রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে তাঁর কবরে পৌঁছানো হয়
১ টি | ৯১০-৯১০
মুসলিম ব্যক্তির উপর সালাত পেশ করার বৈধতা, এটা তাদের কথার বিপরীত যারা নবীগণ ব্যতীত অন্য কারো উপর সালাত পেশ করা অপছন্দনীয় মনে করেন
১ টি | ৯১২-৯১২
যে সময়ে আমরা দু‘আ কবূল হওয়ার আশার কথা বলছি, সেটা মহান আল্লাহর নিয়মে প্রতি রাতেই হয়ে থাকে
১ টি | ৯১৬-৯১৬
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের বিপরীত
১ টি | ৯১৭-৯১৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন ইস্তিগফার করতেন, তখন তিনবার ইস্তিগফার করতেন
১ টি | ৯১৯-৯১৯
পূর্বে উল্লেখিত ইস্তিগফারের সংখ্যাটি এমন নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে বেশি ইস্তিগফার করতেন না
১ টি | ৯২০-৯২০
আমরা যে সংখ্যা উল্লেখ করলাম, সংখ্যাটি এমন নয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চেয়ে বেশি ইস্তিগফার করতেন না
১ টি | ৯২১-৯২১
আমরা যে সংখ্যা উল্লেখ করলাম সে সংখ্যায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেভাবে ইস্তিগফার করতেন
১ টি | ৯২৩-৯২৩
মানুষ যে কাজ করে, সেজন্য আল্লাহর কাছে তাওবা করার নির্দেশ
১ টি | ৯২৫-৯২৫
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রতিটি পাপ কাজ করার পর ইস্তিগফার করা, যদিও সে অন্যান্য ভাল কাজে সচেষ্ট থাকে
১ টি | ৯২৬-৯২৬
সায়্যিদুল ইস্তিগফার, পাপের জন্য যার মাধ্যমে মানুষ তার প্রতিপালকের নিকট ক্ষমা প্রার্থনা করে
১ টি | ৯২৮-৯২৮
মহান আল্লাহ সর্বাবস্থায় যেন ইসলামের মাধ্যমে ব্যক্তিকে হেফাযত করেন এজন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার নির্দেশ
১ টি | ৯৩০-৯৩০
মানুষ যখন স্বর্ণ রৌপ্য জমা করবে, তখন আল্লাহর কাছে দ্বীনের উপর অটল থাকা ও সঠিকতার উপর দৃঢ় থাকার প্রার্থনা করার নির্দেশ
১ টি | ৯৩১-৯৩১
মহান স্রষ্টার কাছে উভয় জগতে কল্যাণ চেয়ে দু‘আ করা মুস্তাহাব
১ টি | ৯৩৩-৯৩৩
আমরা যে দু‘আর বর্ণনা দিলাম তা দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সর্বাবস্থায় বেশি বেশি দু‘আ করতেন
১ টি | ৯৩৪-৯৩৪
যে ব্যক্তি মনে করে যে, ইমাম শু‘বা ইসমাঈল বিন উলাইয়্যাহ থেকে জাফরান সংক্রান্ত হাদীস ছাড়া আর কোন হাদীস শুনেন নাই
১ টি | ৯৩৫-৯৩৫
আমরা যে দু‘আর কথা বর্ণনা করলাম, তাতে আল্লাহর রুবুবিয়্যাতের স্বীকারোক্তি দিয়ে দু‘আ করা মুস্তাহাব
১ টি | ৯৩৬-৯৩৬
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো তার স্রষ্টার নিকট প্রার্থনা করা, যেন তিনি তার অন্তরকে তাঁর পছন্দনীয় আমলের উপর অটল রাখেন
১ টি | ৯৩৯-৯৩৯
এই জাতীয় শব্দগুলো মানুষ নিজেদের মাঝে যেভাবে বুঝে সেভাবে স্রেফ উপমা ও উদাহরণ স্বরুপ ব্যবহার করা হয়েছে; বাহ্যিক অর্থ এখানে উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ৯৪০-৯৪০
প্রতিপালকের কাছে হেদায়েত, নিরাপত্তা, তাঁর বেলায়েত (নৈকট্য, বন্ধুত্ব) কামনা করার নির্দেশ
১ টি | ৯৪১-৯৪১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো মহান প্রতিপালকের কাছে তাঁর সাহায্য-সহযোগিতা ও হেদায়েত চাওয়া
১ টি | ৯৪৩-৯৪৩
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আমর বিন মুর্রা আব্দুল্লাহ বিন হারিস থেকে শুনেননি- তাদের বক্তব্য অপনোদনে হাদীস
১ টি | ৯৪৪-৯৪৪
আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা কামনা করা, কেননা একজন মানুষকে যা কিছু দেওয়া হয় তন্মধ্যে তাওহীদের পর নিরাপত্তার চেয়ে উত্তম আর কিছু দেওয়া হয় না
১ টি | ৯৪৬-৯৪৬
যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে নিরাপত্তা চাইবে, তাকে নিরাপত্তার সাথে ক্ষমাও যুক্ত করে চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ৯৪৭-৯৪৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো গোনাহ মাফের জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা, যদিও প্রার্থনা চুড়ান্ত পর্যায়ের শব্দ দিয়ে করা হয়
১ টি | ৯৫৩-৯৫৩
দু‘আয় সর্বোচ্চ জান্নাত ফেরদাউস চাওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ৯৫৪-৯৫৪
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে এই প্রার্থনা করা যেন তিনি তাকে মন্দ চরিত্র ও খারাপ প্রবৃত্তি থেকে দুরে রাখেন
১ টি | ৯৫৬-৯৫৬
সকাল ও সন্ধ্যায় একজন ব্যক্তি কী বলবে সকাল
১ টি | ৯৫৮-৯৫৮
সকাল বেলা একজন ব্যক্তি কোন দু‘আর মাধ্যমে দু‘আ করবে
১ টি | ৯৬০-৯৬০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি হাম্মাদ বিন সালামা এককভাবে বর্ণনা করেছেন -তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৯৬১-৯৬১
যে কারণে মহান আল্লাহ এই আয়াত অবতীর্ণ করেন “অতঃপর তারা তাদের উদ্দেশ্য তারা বিনীত হয়নি এবং তারা ক্রন্দনও করেনি”
১ টি | ৯৬৩-৯৬৩
জীবনে দুঃখ-কষ্ট নেমে আসলে কী দু‘আ করতে হবে
১ টি | ৯৬৪-৯৬৪
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তা সুস্পষ্টকরণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৯৬৫-৯৬৫
বিপদগ্রস্থ ব্যক্তির দু‘আর বিবরণ
১ টি | ৯৬৬-৯৬৬
যে সব আমলের মাধ্যমে দুনিয়ায় বিপদমুক্তির আশা করা যায়
১ টি | ৯৬৭-৯৬৭
কাউকে কোন দুঃখ-কষ্ট পেয়ে বসলে, তা দূর করে তা খুশিতে পরিণত করে দেওয়ার জন্য আল্লাহর কাছে দুআ করার জন্য নির্দেশ
১ টি | ৯৬৮-৯৬৮
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন তার উপর কোন বিষয় কঠিন হবে, তখন আল্লাহর কাছে তার সহজতা প্রার্থনা করা
১ টি | ৯৭০-৯৭০
দু‘আ-কারীর দু‘আ কবূল করা হয়, যদি দু‘আ-কারী তাতে তাড়াহুড়া না করেন-এটি তখনই হয়, যখন সে আল্লাহর আনুগত্যমূলক কাজে দু‘আ করে
১ টি | ৯৭২-৯৭২
কোন ব্যক্তির এই রকম দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী যে সে বলবে “হে আমার প্রভু, আপনি আমাকে ক্ষমা করে দিন, যদি আপনি চান
১ টি | ৯৭৩-৯৭৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি আ‘রাজ থেকে আবুয যিনাদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন-তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৯৭৬-৯৭৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে কোন কওমের কাছে বেড়াতে যাবে, তাদের কাছ থেকে ফিরে আসার সময় মেজবানের জন্য দু‘আ করা
১ টি | ৯৮০-৯৮০
কোন ব্যক্তি নিজের জন্য দু‘আ করে, তারপর তা অন্যের জন্য না হওয়ার দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ৯৮১-৯৮১
কোন ব্যক্তির দু‘আয় অন্যকে শরীক না করে শুধু নিজের জন্য কল্যাণের দু‘আ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ৯৮২-৯৮২
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে তার অন্য কোন ভাইয়ের জন্য দু‘আ করবে, তখন সে প্রথমে নিজেকে দিয়ে শুরু করবে
১ টি | ৯৮৪-৯৮৪
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো অন্য ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে দু‘আ করা, যাতে উভয়ের জন্যই দু্‘আ কবূল করা হয়
১ টি | ৯৮৫-৯৮৫
কোন মুসলিম ভাইয়ের সম্পদ ও সন্তান বৃদ্ধির জন্য দু‘আ করা বৈধ
১ টি | ৯৮৬-৯৮৬
মুসলিমের মাঝে অনাবৃষ্টি শুরু হলে কোন দু‘আ করবে, সেই প্রসঙ্গে
১ টি | ৯৮৭-৯৮৭
অব্যাহত ভারী বর্ষনের সময় কোন দু‘আ পড়বে
১ টি | ৯৮৮-৯৮৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য هَنِيًّا (তৃপ্তিদায়ক) দ্বারা উদ্দেশ্য ‘উপকারী বৃষ্টি’
১ টি | ৯৯০-৯৯০
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো নিজের ফসলাদির ক্ষেত্রে আল্লাহর কাছে বারকাহর জন্য দু‘আ করবে; শুধু শুধু বৃষ্টির উপর নির্ভর করবে না
১ টি | ৯৯১-৯৯১
মুসলিমদের মাঝে পারস্পরিক ভালবাসা ও সম্পর্ক ঠিক করার জন্য আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করার নির্দেশ
২ টি | ৯৯২-৯৯৩
প্রকাশ্য ও প্রকাশ্য সব ধরণের ফিতনা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ৯৯৬-৯৯৬
আশ্রয় প্রার্থনার ক্ষেত্রে আমরা যে বিষয়গুলো উল্লেখ করলাম, তার সাথে আরো যেই বিষয়গুলো যোগ করা মুস্তাহাব
১ টি | ৯৯৮-৯৯৮
আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ ঐ দরিদ্রতা থেকে যা মানুষকে অবাধ্য করে তুলে এবং ঐ লাঞ্চনা থেকে যা মানুষের দ্বীনকে ধ্বংস করে দেয়
১ টি | ৯৯৯-৯৯৯
আল্লাহর কাছে ভীরুতা ও কৃপণতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১০০০-১০০০
গাধার আওয়াজের সময় আল্লাহর কাছে শয়তান থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১০০১-১০০১
যখন বায়ু প্রবাহিত হয়, তখন তার অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১০০২-১০০২
যখন বায়ু প্রবাহিত হয়, তখন তার অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১০০৩-১০০৩
প্রবল বায়ূ প্রবাহিত হলে কী বলবে
১ টি | ১০০৪-১০০৪
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া ভালো কাজে অলসতা করা থেকে এবং এবং বার্ধক্য থেকে যা মানুষকে ভালো কাজ থেকে বিচ্ছিন্ন রাখে
১ টি | ১০০৫-১০০৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা সুস্পষ্টতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১০০৬-১০০৬
বার্ধক্যের বিবরণ যে বার্ধক্য থেকে পানাহ চাওয়া মু্স্তাহাব
১ টি | ১০০৭-১০০৭
নিজের সন্তান, সন্তানের সন্তানের ব্যাপারে কোন কিছু আশংকা করলে কীসের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করবে
১ টি | ১০০৮-১০০৮
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি ইবনু আবী উনাইসা মিনহাল বিন আমর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১০০৯-১০০৯
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দিনে রাতে সব সময় মহান প্রভুর নিকট জান্নাত চাওয়া এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করা
১ টি | ১০১০-১০১০
মানুষের জন্য মু্স্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া এমন সালাত থেকে যা কোন উপকার দেয় না এবং এমন নফস থেকে যা পরিতৃপ্ত হয় না
১ টি | ১০১১-১০১১
শারীরিক অসুস্থতা থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ১০১৩-১০১৩
জীবনের যে অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাওয়া আবশ্যক তার অন্তর্ভূক্ত হলো ফিতনা, মৃত্যুর অনিষ্টতাও অনুরুপ
১ টি | ১০১৫-১০১৫
বিষাক্ত প্রাণীর দংশন থেকে বেঁচে থাকার জন্য যে দু‘আর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করা হবে
১ টি | ১০১৬-১০১৬
বিকেলে যা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সাপের দংশন থেকে বেঁচে থাকতে পারে
১ টি | ১০১৮-১০১৮
বিকেলে যা বলার মাধ্যমে একজন ব্যক্তি সাপের দংশন থেকে বেঁচে থাকতে পারে, যখন সে ব্যক্তি তা তিনবার বলবে, একবার নয়
১ টি | ১০১৭-১০১৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া দ্বীনে নিফাক ও ভালো কাজে লৌকিকতা প্রদর্শন করা থেকে
১ টি | ১০১৯-১০১৯
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো মন্দ বয়সের কারণে দ্বীন ও দুনিয়া বিনষ্ট হওয়া থেকে আশ্রয় চাওয়া
১ টি | ১০২০-১০২০
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো এমন ঋণ থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া, যে ঋণ পরিশোধ করার মত কিছু থাকে না
১ টি | ১০২১-১০২১
কোন কোন সময় এক জিনিস আরেক জিনিসের সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, যখন সেটি কোন একটি অবস্থার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়, যদিও প্রকৃতপক্ষে জিনিস দুটি বিপরীতধর্মী হয়
১ টি | ১০২২-১০২২
আমরা ঋণের যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ১০২৩-১০২৩
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া বান্দাদের প্রতি মুখাপেক্ষী হওয়া থেকে
১ টি | ১০২৪-১০২৪
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া অন্যের উপর যুলুম করা বা অন্য কর্তৃক যুলুমের শিকার হওয়া
১ টি | ১০২৬-১০২৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর কাছে আশ্রয় চাওয়া পরকালে পাপের জন্য পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে হিসাবের মুখোমুখী হওয়া এবং দুনিয়াতে এমন পাপ করা থেকে
১ টি | ১০২৭-১০২৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি মানসূর বিন মু‘তামির ছাড়া আর কেউ অবিচ্ছিন্ন সানাদে বর্ণনা করেনি
১ টি | ১০২৮-১০২৮
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দিনে-রাতে বেশি বেশি আল্লাহর কাছে জান্নাত কামনা করা এবং জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চাওয়া
১ টি | ১০৩০-১০৩০
যে ব্যক্তি জাহান্নাম থেকে আশ্রয় চায়, জাহান্নাম তার প্রতিপালকের কাছে আবেদন করে যেন তিনি ঐ ব্যক্তিকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দেন
১ টি | ১০৩১-১০৩১
যে দু‘আ করলে একজন ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে, তা দিনে রাতে যেকেন সময়েই হোক না কেন
১ টি | ১০৩২-১০৩২
৮. পবিত্রতা অর্জন (كِتَابُ الطَّهَارَةِ)
৪১১ টি হাদিস
৩৯০ পরিচ্ছেদ
৩৯০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১০৩৪-১৪৪২)
যে ব্যক্তি ওযূর ব্যাপারে যত্নবান, তার জন্য ঈমান সাব্যস্ত করা
১ টি | ১০৩৪-১০৩৪
ওযূর ফযিলত (কষ্ট হওয়া সত্ত্বেও পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার কারণে মর্যাদা সমুন্নত হয় এবং পাপ মোচন হয়)
১ টি | ১০৩৫-১০৩৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে আব্দুর রহমান এককভাবে বর্ণনা করেছেন
১ টি | ১০৩৬-১০৩৬
ওযূর কারণে পাপসমূহ মুছে যাওয়া এবং ওযূকারী ব্যক্তি ওযূ শেষ করার পর গোনাহসমূহ থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়
১ টি | ১০৩৭-১০৩৭
ওযূ করে সালাত আদায়কারী ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ দুই সালাতের মধ্যবর্তী সময়ের জন্য ক্ষমা করে দেন
১ টি | ১০৩৮-১০৩৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “তার পূর্বের গোনাহ ক্ষমা করা হবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এক সালাত থেকে আরেক সালাত পর্যন্ত
১ টি | ১০৪০-১০৪০
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর উম্মাতকে কিয়ামতের দিন চেনা যাবে, দুনিয়াতে ওযূর কারণে হাত-পায়ের উজ্জ্বলতার মাধ্যমে
১ টি | ১০৪৩-১০৪৩
দুনিয়ায় ওযূর প্রভাবের কারণে কিয়ামতে এই উম্মাহর বিবরণ
১ টি | ১০৪৪-১০৪৪
অন্যান্য উম্মাতের লোকেরা সালাতের জন্য ওযূ করলেও হাত-পা-চেহারার উজ্জ্বলতা শুধুমাত্র এই উম্মাতের জন্যই হবে
১ টি | ১০৪৫-১০৪৫
কিয়ামতের দিন ওযূকারী ব্যক্তির হাত-পা-চেহারার উজ্জ্বলতা হবে দুনিয়াতে যে পর্যন্ত ওযূর পানি পৌঁছবে
১ টি | ১০৪৬-১০৪৬
যে ব্যক্তি ওযূর পর আল্লাহর একত্ববাদ ও তাঁর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর রিসালতের সাক্ষ্য দেয়, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়
১ টি | ১০৪৭-১০৪৭
যে ব্যক্তি ওযূ করে রাত্রি যাপন করবে, তার ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার সময় ফেরেস্তা তার জন্য ইস্তিগফার করেন
১ টি | ১০৪৮-১০৪৮
শয়তান ঘুমানোর সময় যেমন মাথার পশ্চাৎভাগে গিরা দিয়ে থাকে, অনুরুপভাবে ওযূ অঙ্গসমূহেও গিরা দিয়ে থাকে
১ টি | ১০৪৯-১০৪৯
পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার নিয়ত করার সাথে সাথে হাতের আঙ্গুলসমূহের মাঝে খেলাল করার নির্দেশ
১ টি | ১০৫১-১০৫১
যে কারণে পরিপূর্ণভাবে ওযূ করার নির্দেশ দিয়েছেন
১ টি | ১০৫২-১০৫২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ওযূকারীর জন্য ফরয হলো দুই পা মাসেহ করা; ধৌত করা নয়-তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১০৫৩-১০৫৩
যেই কারণে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ওযূর সময় দুই পা মাসেহ করতেন
১ টি | ১০৫৪-১০৫৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কা‘ব হলো পায়ের পাতার উপরিভাগে উদ্গত হাড্ডি; পায়ের দুই পাশে উদ্গত হাড্ডি নয়- তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১০৫৫-১০৫৫
ওযূর সময় পায়ের গোড়ালীর উপর মোটা রগ ও পায়ের তালু ধৌত করার ব্যাপারে ভালভাবে খেয়াল না করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ১০৫৬-১০৫৬
যখন কোন ব্যক্তি ঘুম থেকে জাগ্রত হয়, তখন দু্ই হাত ধৌত করার আগে ওযূর শুরুতে পাত্রে হাত ঢুকানোর ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ১০৫৮-১০৫৮
ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া ব্যক্তিকে পাত্রে হাত ঢুকানোর আগে তিনবার হাত ধৌত করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
১ টি | ১০৫৯-১০৫৯
ঘুম থেকে জাগ্রত ব্যক্তি হাত কয়বার ধৌত করবে
১ টি | ১০৬১-১০৬১
হাত ধৌত করার নির্দেশ হাতে নাপাকী লাগার আশংকায়, কেননা ঘুমন্ত অবস্থায় সেটি শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে স্পর্শ করে
১ টি | ১০৬২-১০৬২
মেসওয়াক কারীর জন্য আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ
১ টি | ১০৬৪-১০৬৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মাতকে নিয়মিত মেসওয়াক করার নির্দেশ দেওয়ার অভিলাষ
১ টি | ১০৬৫-১০৬৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “প্রত্যেক সালাতের সময়” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রত্যেক সালাতের সময় যখন সে সালাতের জন্য ওযূ করা হয়
১ টি | ১০৬৬-১০৬৬
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নির্দেশ দিয়েছেন
১ টি | ১০৬৭-১০৬৭
ইমামের জন্য তার অধিনস্থ লোকদের সামনে মেসওয়াক করা বৈধ, যদি তা তাদেরকে লজ্জা বা বিব্রতকর অবস্থায় ফেলে না দেয়
১ টি | ১০৬৮-১০৬৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে তাঁর পরম বন্ধুর কাছে মুনাজাত করার জন্যে উঠেন, তখন তাঁর মেসওয়াক করা প্রসঙ্গে
১ টি | ১০৬৯-১০৬৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মেসওয়াক এর বিবরণ
১ টি | ১০৭০-১০৭০
বাড়িতে প্রবেশের সময় মেসওয়াক করা মুস্তাহাব
১ টি | ১০৭১-১০৭১
মানুষের জন্য বৈধ হলো ওযূতে এক সাথে কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়া
১ টি | ১০৭৩-১০৭৩
ওযূকারী ব্যক্তির জন্য কুলি করা ও নাকে পানি দেওয়ার বিবরণ
১ টি | ১০৭৪-১০৭৪
ওযূর সময় নাকে পানি দেওয়ার বিবরণ
১ টি | ১০৭৬-১০৭৬
ওযূ করার সময় মুখে পানির ঝাপটা মারা মুস্তাহাব
১ টি | ১০৭৭-১০৭৭
ওযূকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো ওযূ করার সময় দাড়ি খেলাল করা
১ টি | ১০৭৮-১০৭৮
ওযূকারীর জন্য হাত ঘষে পরিস্কার করা মুস্তাহাব
১ টি | ১০৭৯-১০৭৯
ওযূর সময় আমরা যে দুই হাত ঘষে পরিস্কার করার কথা বললাম, এটা করা ওয়াজিব হয়ে যায়, যখন ওযূর পানি কম হয়
১ টি | ১০৮০-১০৮০
কোন ব্যক্তি ওযূ করতে চাইলে কিভাবে মাথা মাসেহ করবে তার বিবরণ
১ টি | ১০৮১-১০৮১
ওযূকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো হাতের অবশিষ্ট পানি দিয়ে মাথা মাসেহ না করে নতুন পানি নিয়ে মাসেহ করা
১ টি | ১০৮২-১০৮২
ওযূকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো ওযূর সময় কানের বাহিরের অংশ দুই বৃদ্ধাঙ্গুলি দ্বারা আর কানের ভিতরের অংশ দুই তর্জনী অঙ্গুলি দ্বারা মাসেহ করা
১ টি | ১০৮৩-১০৮৩
ওযূর সময় হাতের আঙ্গুল খেলাল করার নির্দেশ
১ টি | ১০৮৪-১০৮৪
যে কারণে আঙ্গুলসমূহের মাঝে খেলাল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ১০৮৫-১০৮৫
ওযূর সময় দুই হাত ধৌত করার আগে মুখ ধৌত করার মাধ্যমে ওযূ শুরু করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ১০৮৬-১০৮৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অনুসরণে ওযূ ও পোশাক পরিধান করার ক্ষেত্রে ডান দিক থেকে শুরু করার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ১০৮৭-১০৮৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সকল কাজে ডান থেকে শুরু করা
১ টি | ১০৮৮-১০৮৮
ওযূর অঙ্গসমূহ তিনবার করে ধোয়া মুস্তাহাব
১ টি | ১০৮৯-১০৮৯
ওযূকারীর ব্যক্তির বৈধ রয়েছে ওযূর কিছু অঙ্গ জোড় সংখ্যায় আবার কিছু অঙ্গকে বেজোড় সংখ্যায় ধৌত করা
১ টি | ১০৯০-১০৯০
ওযূর অঙ্গুসমূহ দুইবার দুইবার করে ধৌত করে ক্ষ্যান্ত থাকা বৈধ
১ টি | ১০৯১-১০৯১
ওযূ ভঙ্গের কারণসমূহ
১ টি | ১০৯৩-১০৯৩
যে হাদীসটি কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, কোন কোন অবস্থায় ঘুম ওযূকে অবধারিত করে দেয় না
১ টি | ১০৯৫-১০৯৫
উল্লেখিত হাদীসটি ইসলামের প্রথম যুগের- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১০৯৬-১০৯৬
তন্দ্রার কারণে ওযূ অবধারিত হয় না বরং যে ঘুমের কারণে মানুষের জ্ঞান লোপ পায়, তাতে ওযূ অবধারিত হয়
১ টি | ১০৯৭-১০৯৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “সে যেন তার লজ্জাস্থানে পানি ছিটা দেয়” এর উদ্দেশ্য হলো “সে যেন লজ্জাস্থান ধৌত করে”
১ টি | ১০৯৯-১০৯৯
মযী বের হওয়ার কারণে ওযূ না করে পুরুষাঙ্গ ধৌত করা সালাতের জন্য যথেষ্ট নয় এবং কাপড়ে পানির ছিটা দেওয়ার পরিবর্তে ওযূ করা যথেষ্ট হবে
১ টি | ১১০০-১১০০
মযী বের হলে ওযূ করা এবং মনী তথা বীর্য বের হলে গোসল করা ওয়াজিব
১ টি | ১১০১-১১০১
তৃতীয় হাদীস যা সংশয়ে ফেলে দেয় ঐ ব্যক্তিকে যে সঠিক জায়গা থেকে ইলম অন্বেষন করেনি, সে মনে করে যে হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীস দুটির বিপরীত
১ টি | ১১০৩-১১০৩
মযী বের হলে ওযূ আর বীর্য বের হলে গোসল ওয়াজিব
১ টি | ১১০৪-১১০৪
মাহরাম নারীদের স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে দলীল
১ টি | ১১০৬-১১০৬
মাহরাম নারীদের স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে হাদীস
১ টি | ১১০৭-১১০৭
কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীকে স্পর্শ করার কারণে ওযূ ওয়াজিব হয় না মর্মে দলীলের ন্যায় হাদীস
২ টি | ১১০৮-১১০৯
উরওয়া (রহ.) এই হাদীসটি নিজে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শ্রবণ করেছেন, এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১১১০-১১১০
উরওয়া (রহ.) এই হাদীসটি নিজে বুসরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে শ্রবণ করেছেন, এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১১১১-১১১১
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটা সেই ওযূ যা ছাড়া সালাত বিশুদ্ধ হয় না- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১১১২-১১১২
লজ্জাস্থান স্পর্শ করলে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এটা হলো সালাতের ওযূ- এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস, যদিও আরবরা হাত ধুয়া অর্থেও ওযূ শব্দ ব্যবহার করে থাকে
১ টি | ১১১৩-১১১৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম তাতে নারী পুরুষ সবাই সমান
১ টি | ১১১৪-১১১৪
যে হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো বুসরার হাদীসের সাথে সাংঘর্ষিক
১ টি | ১১১৬-১১১৬
লজ্জাস্থান স্পর্শ করার হুকুমের ক্ষেত্রে ইচ্ছাকৃত ও অনিচ্ছাকৃতভাবে স্পর্শ করা উভয়টিই সমান
১ টি | ১১১৭-১১১৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কাইস বিন তলক থেকে মুলাযিম বিন আমর ব্যতীত অন্য কোন নির্ভরযোগ্য রাবী হাদীসটি বর্ণনা করেননি
১ টি | ১১১৮-১১১৮
তলক বিন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যে সময়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর কাছে প্রতিনিধি হিসেবে এসেছিলেন
১ টি | ১১১৯-১১১৯
তলক বিন আলী রাদিআল্লাহু আনহু মদীনায় আগমন করার পর আবার স্বদেশে ফিরে যান মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
১ টি | ১১২০-১১২০
যে হাদীস হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো ত্রুটিযুক্ত
১ টি | ১১২৩-১১২৩
উটের গোসত খেলে ওযূ করতে হবে, এই মর্মে সুস্পষ্ট হাদীস
১ টি | ১১২৪-১১২৪
উটের গোসত খাওয়ার কারণে যে ওযূ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেটা সালাতের জন্য নির্ধারিত ওযূ; ওযূ দ্বারা শুধু দুই হাত ধোয়া উদ্দেশ্য নয়- এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১১২৫-১১২৫
যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
১ টি | ১১২৬-১১২৬
যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
১ টি | ১১২৭-১১২৭
যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয়
১ টি | ১১২৮-১১২৮
যে হাদীস কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এই হাদীসটি উটের গোসত খেলে ওযূ করা ওয়াজিব হওয়া মর্মে বর্ণিত হাদীসটিকে রহিত করে দিয়েছে
১ টি | ১১৩০-১১৩০
যে হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমরা যে ওযূ করার নির্দেশের কথা উল্লেখ করলাম সেটাকে রহিতকারী
১ টি | ১১৩১-১১৩১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৩৪-১১৩৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়েছিলেন, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৩৫-১১৩৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে খাবার খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৩৬-১১৩৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৩৭-১১৩৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১১৩৮-১১৩৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ না করে সালাত আদায় করেছেন, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত নয়- এই মর্মে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ১১৩৯-১১৩৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ করেননি, সেটা মেষের কাঁধের গোসত ছিল; উটের কাঁধের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৪০-১১৪০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কাঁধের গোসত খেয়ে নতুন করে ওযূ করেননি, সেটা মেষের কাঁধের গোসত ছিল; উটের কাঁধের গোসত নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৪১-১১৪১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে গোসত খেয়ে ওযূ করেননি, সেটা মেষের গোসত ছিল; উটের গোসত ছিল না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১১৪২-১১৪২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর এই কাজ যে নির্দেশকে রহিত করে দিয়েছে, যা আমরা ইতিপূর্বে আলোচনা করেছি
১ টি | ১১৪৩-১১৪৩
আগুনে পাকানো জিনিস খেলে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ওযূ করার নির্দেশ
১ টি | ১১৪৪-১১৪৪
আগুনে পাকানো মেষের গোসত খেলে ওযূ না করার বৈধতা প্রসঙ্গে আলোচনা
১ টি | ১১৪৬-১১৪৬
আগুনে পাকানো মেষের গোসত খেলে ওযূ না করা বৈধ
১ টি | ১১৪৭-১১৪৭
মেষের গোসত খেয়ে ওযূ করার ব্যাপারটি আগুনে পাকানো জিনিস খেয়ে ওযূ করার নির্দেশের পর হয়েছে
১ টি | ১১৪৮-১১৪৮
আগুনে পাকানো ছাতু খেলে ওযূ না করার বৈধতা
১ টি | ১১৪৯-১১৪৯
মানুষের জন্য বৈধ হলো যখন সে আগুনে পাকানো গোসত খাবে তখন হাতে-মুখে পানি স্পর্শ না করেই সালাত আদায় করা
১ টি | ১১৫০-১১৫০
একমাত্র উটের গোসত ব্যতীত অন্য যে কোন আগুনে পাকানো জিনিস খেলে ওযূ করার নির্দেশ মানসূখ বা রহিত
১ টি | ১১৫১-১১৫১
আমাদের বর্ণনানুযায়ী একমাত্র উটের গোসত ব্যতীত অন্য যে কোন আগুনে পাকানো জিনিস খেলে ওযূ করা ওয়াজিব নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ১১৫২-১১৫২
আগুনে পাকানো জিনিস খেয়ে ওযূ না করার যে বৈধতা তা থেকে উটের গোসত খেয়ে ওযূ করার নির্দেশটি ব্যতিক্রম এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১১৫৩-১১৫৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১১৫৪-১১৫৪
সব ধরণের দুধ পান করার কারণে ওযূ না করা বৈধ
১ টি | ১১৫৫-১১৫৫
দুধ পান করা পানকারী ব্যক্তির উপর ওযূ করা আবশ্যক করে না
১ টি | ১১৫৬-১১৫৬
ফল খেয়ে ওযূ না করার বৈধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ১১৫৭-১১৫৭
মৃত ব্যক্তিকে বহন করার কারণে ওযূ করার নির্দেশ
১ টি | ১১৫৮-১১৫৮
দুই হাতে মাংসের কিছু চর্বি লেগে থাকলে তা না ধুয়ে কোন কিছু দিয়ে মুছে সালাত আদায় করার জন্য দাঁড়িয়ে যাওয়া বৈধ
১ টি | ১১৫৯-১১৫৯
পাকানো গোসত স্পর্শ করার কারণে ওযূ আবশ্যক হয়ে যায় না
১ টি | ১১৬০-১১৬০
(গোসল) - বীর্যপাতে গোসল ওয়াজিব হয়, যদিও দুই খাতনার জায়গা একত্রিত হয়
১ টি | ১১৬১-১১৬১
উম্মু সুলাইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “নারীরা স্বপ্নে দেখে যেভাবে পুরুষরা দেখে থাকে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য স্বপ্নদোষ হওয়া
১ টি | ১১৬২-১১৬২
নারীদের স্বপ্নদোষ হলে গোসল করা ওয়াজিব
১ টি | ১১৬৩-১১৬৩
মেয়েদের স্বপ্নদোষ হলে তখনই গোসল ওয়াজিব হয়, যখন বীর্যপাত হয়, যদি স্বপ্নদোষ হয় কিন্তু কাপড় ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল ওয়াজিব হবে না
১ টি | ১১৬৪-১১৬৪
স্বপ্নদোষ হলে যদি ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল করার বিধান বাতিল হয়ে যাবে এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১১৬৫-১১৬৫
উল্লেখিত উসমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের হুকুম বৈধ থাকার পর পরবর্তীতে তা মানসুখ বা রহিত হয়ে গেছে
১ টি | ১১৭০-১১৭০
আমরা যে কাজের (স্ত্রী মিলন) কথা উল্লেখ করলাম, যে ব্যক্তি এমন কাজ করবে, তার জন্য ওয়াজিব হলো গোসল করা, যদিও বীর্যপাত না হয়
১ টি | ১১৭১-১১৭১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক এমন কাজ করা যা না করার তিনি বৈধতা দিয়েছিলেন
১ টি | ১১৭২-১১৭২
স্ত্রী মিলনের সময় যদি দুই খাতনার জায়গা পরস্পর মিলিত হয়, তবে গোসল করা ফরয হয়ে যাবে, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
১ টি | ১১৭৩-১১৭৩
যদি দুই খাতনার জায়গা পরস্পর মিলিত হয়, তবে গোসল করা ফরয হয়ে যাবে, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
১ টি | ১১৭৪-১১৭৪
স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলেও গোসল করা ওয়াজিব প্রসঙ্গে
১ টি | ১১৭৫-১১৭৫
স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলে গোসল ওয়াজিব না হওয়া বিধানটি ইসলামের প্রথম যুগে ছিল, পরবর্তীতে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়
১ টি | ১১৭৬-১১৭৬
যেই সময়ে এই বিধানটি রহিত করা হয়, তার বর্ণনা
১ টি | ১১৭৭-১১৭৭
সহবাস করার কারণে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায় যদিও বীর্যপাত না হয়
১ টি | ১১৭৭-১১৭৭
দুই খাতনার জায়গা একত্রিত হলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয় এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট হাদীস
১ টি | ১১৭৮-১১৭৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১১৭৯-১১৭৯
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ১১৮০-১১৮০
স্ত্রী সহবাস করলে গোসল ওয়াজিব হয়ে যায়, যদিও তাতে বীর্যপাত না হয়
১ টি | ১১৮২-১১৮২
স্বপ্নদোষ হলে যদি ভেজা না পাওয়া যায়, তবে গোসল করার বিধান বাতিল হয়ে যাবে এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১১৮৩-১১৮৩
গোসলকারী ব্যক্তির জন্য এটা জায়েয আছে তার গোসলের সময় কোন মাহরাম নারী তার জন্য পর্দা করবেন
১ টি | ১১৮৫-১১৮৫
যে হাদীস অগভীর জ্ঞানের অধিকারী ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত আবূ মুর্রার হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১১৮৬-১১৮৬
নাপাকী গোসল সম্পাদনকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো বাম হাত দিয়ে লজ্জাস্থান ধৌত করা; ডান হাত দিয়ে নয়
১ টি | ১১৮৭-১১৮৭
নাপাক ব্যক্তি গোসল করতে চাইলে কিভাবে গোসল করবে তার বিবরণ
১ টি | ১১৮৮-১১৮৮
দুই নাপাক ব্যক্তির এক পাত্র থেকে গোসল করা বৈধ, যদিও পানি অল্প হয়
১ টি | ১১৯২-১১৯২
নাপাকী গোসল সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো গোসলের সময় চুলের গোড়ায় খেলাল করা
১ টি | ১১৯৩-১১৯৩
নাপাক ব্যক্তি গোসলের সময় যে তিন অঞ্জলি পানি মাথায় দেয় তার বিবরণ
১ টি | ১১৯৪-১১৯৪
ঋতুবতী মহিলার জন্য মুস্তাহাব হলো গোসলের পানিতে বরই পাতা ব্যবহার করা এবং গোসলের পর এক টুকরো সুগন্ধিযুক্ত কাপড় ব্যবহার করা
১ টি | ১১৯৬-১১৯৬
(৬) গোসলের পানির পরিমাণ - যে পরিমাণ পানি দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গোসল করতেন
১ টি | ১১৯৮-১১৯৮
যে পরিমাণ পানি দিয়ে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা গোসল করতেন
১ টি | ১১৯৯-১১৯৯
আমরা নাপাকী গোসলের জন্য যে পানির পরিমাণের কথা বর্ণনা করলাম, এটা এমন পরিমাণ নয় যে, তার চেয়ে কম-বেশি করা যাবে না
১ টি | ১২০০-১২০০
আমরা নাপাকী গোসলের জন্য যে পানির পরিমাণের কথা বর্ণনা করলাম, এটা এমন পরিমাণ নয় যে, তার চেয়ে কম-বেশি করা যাবে না
১ টি | ১২০১-১২০১
(৭) নাপাক ব্যক্তির বিধি-বিধান - যে ঘরে নাপাক ব্যক্তি থাকে, সে ঘরে ফেরেস্তাদের প্রবেশ না করা প্রসঙ্গে
১ টি | ১২০২-১২০২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর যেসব স্ত্রীদের নিকট গমন করে শেষে একবার গোসল করতেন, সেসব স্ত্রীদের সংখ্যা প্রসঙ্গে
১ টি | ১২০৫-১২০৫
যে ব্যক্তি মজবূতভাবে ইলমে হাদীস অর্জন করে নাই, তাকে কোন কোন সময় এই হাদীস সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত দাসতুয়াইর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১২০৬-১২০৬
যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ১২০৮-১২০৮
নাপাক ব্যক্তি গোসলের আগে ঘুমাতে চাইলে কী করবে, সেই সম্পর্কে হাদীস
২ টি | ১২০৯-১২১০
নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে লজ্জাস্থান ধুয়ে এবং সালাতের ন্যায় ওযূ করে গোসল না করেই ঘুমানো
১ টি | ১২১১-১২১১
নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে গোসল না করে ওযূ করে ঘুমানো
১ টি | ১২১২-১২১২
নাপাক ব্যক্তি ঘুমাতে চাইলে তার জন্য ওযূ করা এমন ফরয নয় যে, ওযূ না করে ঘুমানো জায়েয নেই
১ টি | ১২১৩-১২১৩
নাপাক ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে সালাতের ন্যায় ওযূ করার পর ঘুমানো
১ টি | ১২১৪-১২১৪
নাপাক ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে ঘুমাতে চাইবে, তখন সালাতের ন্যায় ওযূ করবে, তারপর ঘুমাবে
১ টি | ১২১৫-১২১৫
(৮) জুমু‘আর দিনে গোসল করা
২ টি | ১২১৬-১২১৭
জুমু‘আর উদ্দেশ্যে গোসলকারী ব্যক্তি আগামী জুমু‘আহ পর্যন্ত পাপসমূহ থেকে পবিত্র হয়ে যায়
১ টি | ১২১৮-১২১৮
জুমু‘আর দিনে গোসল করা স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের অন্তর্ভূক্ত
১ টি | ১২১৯-১২১৯
জুমু‘আয় যাওয়ার ইচ্ছা করলে, জুমু‘আর জন্য গোসল করা মুস্তাহাব
১ টি | ১২২০-১২২০
যে ব্যক্তি জুমু‘আয় আসবে তাকে গোসল করার নির্দেশ, আর যে জুমু‘আয় আসবে না তার থেকে গোসল করার নির্দেশ বাদ পড়ে যাবে
১ টি | ১২২১-১২২১
সকাল সকাল গমন করার অর্থে الرَّواح শব্দ ব্যবহার করা
১ টি | ১২২২-১২২২
নারীরা জুমু‘আয় আসতে চাইলে তাদের জন্য গোসল করা মু্স্তাহাব
১ টি | ১২২৩-১২২৩
যে শব্দ কোন কোন আলেম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ফরয; যা তরক করা জায়েয নেই
১ টি | ১২২৪-১২২৪
দ্বিতীয় হাদীস, যে হাদীস অনুসারে আমাদের কিছু মনে করেন যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ওয়াজিব
১ টি | ১২২৫-১২২৫
যে ব্যক্তি জুমু‘আয় আসতে ইচ্ছা করে, তিনি কিভাবে গোসল করবেন তার বিবরণ
১ টি | ১২২৬-১২২৬
পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহে যে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশ নির্দিষ্ট কারণবশত নির্দেশনা ও উত্তমতা নির্দেশক- এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১২২৭-১২২৭
যে ব্যক্তি জুমু‘আয় উপস্থিত হবে, তার জন্য গোসল করা ফরয নয়, এই ব্যাপারটি স্পষ্টকারী দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১২২৮-১২২৮
তৃতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা ফরয নয়
১ টি | ১২২৯-১২২৯
তৃতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, জুমু‘আর দিন গোসল করা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ভালো ও উত্তম
১ টি | ১২৩১-১২৩১
যে কারণে লোকদেরকে জুমু‘আর দিনে গোসল করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
১ টি | ১২৩২-১২৩২
লোকজন জুমু‘আর দিন তাদের কাজের পোশাক পরিধান করে আসতো, এই জন্য তাদেরকে এই দিন গোসলের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল
১ টি | ১২৩৩-১২৩৩
(৯) কাফির ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা প্রসঙ্গে - কাফির ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করলে গোসল করা
১ টি | ১২৩৫-১২৩৫
সুমামাকে বন্দি হওয়ার সময় খুটির সাথে বেধে রাখা হয়েছিল এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১২৩৬-১২৩৬
কাফির ব্যক্তি যখন ইসলাম গ্রহণ করবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো পানির সাথে বরই পাতা মিশিয়ে গোসল করা
১ টি | ১২৩৭-১২৩৭
(১০) পানির বিবরণ
১ টি | ১২৩৮-১২৩৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি প্রবাহমান পানির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; আবদ্ধ পানির ক্ষেত্রে নয়- তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১২৩৯-১২৩৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি সা‘ঈদ বিন সালামাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১২৪১-১২৪১
ঐ পানি দিয়ে গোসল করা বৈধ, যাতে কোন খাদ্যদ্রব্য মিশে যায়, যতক্ষন না সেই খাদ্যদ্রব্য আধিক্যের কারণে পানির উপর প্রাবল্যতা লাভ করে
১ টি | ১২৪২-১২৪২
যখন পানিতে অথবা পানীয়তে এমন কিছু পড়ে, যাদের প্রবাহমান রক্ত নেই, তবে সেক্ষেত্রে কী করবে
১ টি | ১২৪৩-১২৪৩
কোন পাত্রে মাছি পড়লে, পুরো মাছিকে পাত্রে ডুবিয়ে দিবে, কেননা মাছির এক ডানায় রোগ আরেক ডানায় আরোগ্য থাকে
১ টি | ১২৪৪-১২৪৪
আমাদের উল্লেখিত হাদীসটিকে যেই দুটি বিশেষণে বিশেষিত হবে
১ টি | ১২৪৬-১২৪৬
নাপাক ব্যক্তির শরীরে লেগে থাকা নাপাকীর কারণে দুই কুল্লার কম পানিতে নাপাকীর গোসল করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১২৪৯-১২৪৯
দুই কুল্লার কম পানিতে পেশাব করার ব্যাপারে হুশিয়ারী ঐ ব্যক্তির জন্য যার নিয়ত রয়েছে যে সে তাতে পরে গোসল করবে
১ টি | ১২৫১-১২৫১
যে গোসলখানার পানি প্রবাহিত হয়ে চলে যায় না, এমন গোসলখানায় পেশাব করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ১২৫২-১২৫২
দুই কুল্লার কম পানিতে পেশাব করার ব্যাপারে হুশিয়ারী ঐ ব্যক্তির জন্য যার ইচ্ছা রয়েছে যে সে পরে তাতে ওযূ করবে অথবা তা পান করবে
১ টি | ১২৫৩-১২৫৩
হাদীস বিষয়ে যে মজবুত ইলম অর্জন করেনি, তাকে কোন কোন সময় যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আবদ্ধ পানিতে নাপাক ব্যক্তি গোসল করলে পানি নাপাক হয়ে যায়
১ টি | ১২৫৪-১২৫৪
যে ব্যক্তি এই ধারণা করে যে, নাপাক ব্যক্তি পুকুরে গোসল করলে পুকুরের সব পানি নাপাক হয়ে যায়, তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১২৫৫-১২৫৫
যে ব্যক্তি এই ধারণা করে যে, নাপাক ব্যক্তি পুকুরে গোসলের জন্য নামলে পুকুরের সব পানি নাপাক হয়ে যায়, তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১২৫৬-১২৫৬
(১১) নারীর ওযূর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযূ করা
১ টি | ১২৫৭-১২৫৭
যে হাদীস এটি স্পষ্ট করে দেয় যে, প্রথম যুগে নিষিদ্ধ উক্ত কাজটি পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নিজে করেছেন
১ টি | ১২৫৮-১২৫৮
উক্ত নিষিদ্ধ কাজটির বৈধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১২৫৯-১২৫৯
হাকাম বিন আমরের হাদীসে এটি বর্ণিত হয়েছে যে, ব্যক্তি উক্ত নিষিদ্ধ কাজটি করেছে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তার প্রতিবাদ করেননি
১ টি | ১২৬০-১২৬০
নাপাকীর গোসলের পর অবশিষ্ট পানি দিয়ে ওযূ করা যে ব্যক্তি নাজায়েয বলে, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১২৬১-১২৬১
একই পাত্র হতে নারী-পুরুষ উভয়েই ওযূ করা বৈধ
১ টি | ১২৬২-১২৬২
(১২) ব্যবহৃত পানি সম্পর্কে - যেই পানি ব্যবহার করে একবার ফরয আদায় করা হয়েছে সেই পানি ব্যবহার আরেক ফরয আদায় করা মর্মে হাদীস
১ টি | ১২৬৩-১২৬৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বৈধতা সুস্পষ্টকরণের মাধ্যমে যে হাদীস মন থেকে সংশয়কে দূর করে দেয়
১ টি | ১২৬৪-১২৬৪
সৎকর্মশীল আলিমদের ওযূর অবশিষ্ট পানি দ্বারা বরকত নেওয়া বৈধ, যখন তারা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর সুন্নাহর অনুসারী হবেন; বিদ‘আতী হবেন না
১ টি | ১২৬৫-১২৬৫
(১৩) পাত্রসমূহের বিবরণ - কাঠের তৈরি পাত্রে গোসল করা বৈধতা প্রসঙ্গে
১ টি | ১২৬৬-১২৬৬
রাতে পাত্র ঢেকে রাখার নির্দেশ, একটি কাষ্ঠখন্ড দিয়ে আড়াআড়ি করে হলেও
১ টি | ১২৬৭-১২৬৭
রাতে ঘুমানোর সময় দরজা বন্ধ করে দেওয়া, পানপাত্রের মুখ বন্ধ করা, বাতি নিভিয়ে দেওয়া এবং অন্যান্য পাত্র ঢেকে দেওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১২৬৮-১২৬৮
যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, বিসমিল্লাহ সহ এসব প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১২৬৯-১২৬৯
যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; দিনে নয়, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১২৭০-১২৭০
যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; দিনে নয়, এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১২৭১-১২৭১
যে বিষয়গুলো নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, এসব রাতের কিছু অংশে প্রতিপালনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; পুরো রাত নয়
১ টি | ১২৭২-১২৭২
এই সময়ে এসব নির্দেশ করার কারণ
১ টি | ১২৭৩-১২৭৩
(১৪) মৃত প্রাণীর চামড়া প্রসঙ্গে
১ টি | ১২৭৪-১২৭৪
জুহাইনাহ এলাকায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর চিঠি পাঠ করার সময় আব্দুল্লাহ বিন উকাইম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উপস্থিত ছিলেন
১ টি | ১২৭৫-১২৭৫
মৃত প্রাণীর চামড়ার মাধ্যমে যে কোন উপকার লাভ করার বৈধতা
১ টি | ১২৭৭-১২৭৭
আমরা যে চামড়ার কথা উল্লেখ করলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর স্ত্রীকে সেই চামড়া ব্যবহার করার অনুমতি দিয়েছেন
১ টি | ১২৭৮-১২৭৮
যেসব প্রাণী জবেহের মাধ্যমে ভক্ষন করা হালাল, সেসব মৃত প্রাণীর চামড়া দাবাগত করার পর বৈধ হয়
১ টি | ১২৮১-১২৮১
মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ, যখন তা দাবাগাত করা হয়, চাই সেই প্রাণী জবেহের মাধ্যমে হালাল হোক অথবা না হোক
১ টি | ১২৮৩-১২৮৩
প্রত্যেক মৃত প্রাণীর চামড়া দ্বারা উপকার লাভ করা বৈধ, যখন তা দাবাগত করা হয় বা দাবাগত করা যায়-এই ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১২৮৪-১২৮৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে ইবনু ওয়ালা ও যাইদ বিন আসলাম শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১২৮৫-১২৮৫
যেসব প্রাণী জবেহের মাধ্যমে ভক্ষন করা হালাল, সেসব প্রাণীর চামড়া দাবাগত করার পর তা ব্যবহার করা বৈধ, এমন মৃত প্রাণীর চামড়া ব্যবহার করাও বৈধ
১ টি | ১২৮৬-১২৮৬
দাবাগত করার মৃত প্রাণীর চামড়া মাধ্যমে উপকার লাভ করা বৈধ
২ টি | ১২৮৭-১২৮৮
(১৫) বিভিন্ন ধরণের উচ্ছিষ্ট প্রসঙ্গে - যে কুয়া থেকে পানি পান করা হয়, তাতে কুলি করা বৈধ
১ টি | ১২৮৯-১২৮৯
পাত্রে কুকুর মুখ দিলে নির্দিষ্ট সংখ্যায় তা ধৌত করার নির্দেশ
১ টি | ১২৯১-১২৯১
কুকুর কোন পাত্রে মুখ দিলে তা নাপাক হয়ে যায়, এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১২৯২-১২৯২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কোন পাত্রে কুকুর লাগানোর পর পাত্রের খাবার পবিত্র- তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১২৯৩-১২৯৩
সমস্ত হিংস্র প্রাণীর উচ্ছিষ্ট পাক, এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১২৯৬-১২৯৬
(১৬) তায়াম্মুম করা
১ টি | ১২৯৭-১২৯৭
দ্বিতীয় হাদীস যা স্পষ্ট করে যে, পুরো দুই হাত মাসেহ করা ওয়াজিব নয়
১ টি | ১৩০১-১৩০১
যে ব্যক্তি মনে করে যে, পুরো দুই হাত মাসেহ করা ওয়াজিব; যা ছেড়ে দেওয়া বৈধ নয়, তার কথা অপনোদনে হাদীস
২ টি | ১৩০২-১৩০৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৩০৪-১৩০৪
তায়াম্মুমের ক্ষেত্রে দুইবার মাটিতে হাত মেরে পুরো হাত মাসেহ না করে মুখ মুন্ডল ও হাতের কব্জি মাসেহের উপর ক্ষান্ত থাকার নির্দেশ
১ টি | ১৩০৫-১৩০৫
তায়াম্মুমের জন্য হাত মাটিতে মারার পর দুই হাতে ফুঁক দেওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ১৩০৬-১৩০৬
যেই হাদীস হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহের বিপরীত
১ টি | ১৩০৭-১৩০৭
নিশ্চয়ই পানি না পাওয়া ব্যক্তির জন্য পবিত্র মাটিই হলো ওযূর বিকল্প ব্যবস্থা, যদিও কয়েক বছর পর্যন্ত পানি না পায়
১ টি | ১৩০৮-১৩০৮
পানি পাওয়া ব্যক্তি যদি জুনুবী থাকে, তবে তার জন্য আবশ্যক হলো তখনই শরীরে পানি স্পর্শ করানো অর্থাৎ গোসল করা
১ টি | ১৩০৯-১৩০৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি খালিদ আল হায্যা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩১০-১৩১০
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য পানি পাওয়া সত্তেও তায়াম্মুম করা বৈধ, যখন সে পানি ব্যবহার করার কারণে নিজের প্রাণ নাশের আশংকা করবে
১ টি | ১৩১১-১৩১১
জুনুবী ব্যক্তির জন্য গোসল না করে ওযূ বা তায়াম্মুম করে সালাত আদায় করা বৈধ, যখন সে প্রচন্ড ঠান্ডার কারণে নিজের প্রাণ নাশের আশংকা করবে
১ টি | ১৩১২-১৩১২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সালামের জবাব দেবার জন্য তায়াম্মুম করা, যদিও সে মুকীম থাকে
১ টি | ১৩১৩-১৩১৩
মুসাফির ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে দুনিয়াবী কোন জিনিসের কারণে এমন জায়গায় যাত্রা বিরতি করা জায়েয, যেখানে পানির ব্যবস্থা নেই
১ টি | ১৩১৪-১৩১৪
১৭ - চামড়ার মোজা ও অন্যান্য জিনিসের উপর মাসেহ করা
১ টি | ১৩১৫-১৩১৫
ওযূবিহীন অবস্থায় মোজার উপর মাসেহ করার বৈধতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু শরীর নাপাক হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে মাসেহ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি
১ টি | ১৩১৬-১৩১৬
মুকীম ও মুসাফিরের জন্য ওযূবিহীন অবস্থায় মোজার উপর মাসেহ করার বৈধতা দেওয়া হয়েছে কিন্তু শরীর নাপাক হয়ে গেলে সেক্ষেত্রে মাসেহ করার অনুমতি দেওয়া হয়নি
২ টি | ১৩১৭-১৩১৮
মুকীম ব্যক্তি যখন সফরে না থাকে তার জন্য মোজার উপর মাসেহ করাকে যে ব্যক্তি নাকচ করে, তার বক্তব্য অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩২০-১৩২০
মোজার উপর মাসেহ করা তখনই বৈধ, যখন সে মোজা ওযূ করার পর পরিধান করা হবে
১ টি | ১৩২২-১৩২২
মোজার উপর মাসেহ কারী ব্যক্তির জন্য তখনই সালাত আদায় বৈধ হবে, যখন সে মোজা ওযূ করার পর পরিধান করা হবে
১ টি | ১৩২৩-১৩২৩
যে ব্যক্তি মুসাফিরের জন্য মাসেহ করা ও মাসেহ করার সময়সীমাকে নাকচ করে, তার বক্তব্য অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩২৪-১৩২৪
মুকীম ও মুসাফিরের জন্য মোজার উপর মাসেহ করার সময়সীমা মুসাফিরের জন্য মোজার উপর মাসেহ করা তখনই বৈধ, যখন সে মোজা ওযূ করার পর পরিধান করবে
১ টি | ১৩২৫-১৩২৫
মুসাফির মুকীমের জন্য জন্য মোজার উপর নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মাসেহ করার বৈধতা, যে সময় অতিক্রম করা বৈধ নয়
১ টি | ১৩২৬-১৩২৬
মুকীম ব্যক্তির মোজার উপর কতদিন মাসেহ করতে পারবে, সে সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৩২৭-১৩২৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য তিনদিন এবং একদিন উদ্দেশ্য হলো রাতসহ
১ টি | ১৩২৮-১৩২৮
মুসাফিরের জন্য মোজার উপর তিনদিন ও তিনরাত মাসেহ করা বৈধ
১ টি | ১৩২৯-১৩২৯
মুসাফিরের জন্য তিনদিন মোজার উপর মাসেহ করা দ্বারা উদ্দেশ্য রাতসহ তিনদিন এবং মুকীমের জন্য একদিন মোজার উপর মাসেহ করা দ্বারা উদ্দেশ্য রাতসহ একদিন
১ টি | ১৩৩০-১৩৩০
ওযূ ভেঙ্গে যাওয়ার পর মোজার উপর মাসেহ কারী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে পছন্দমত সালাত আদায় করা, যদি মাসেহের মেয়াদ অতিক্রম না করে থাকে
১ টি | ১৩৩১-১৩৩১
সূরা আল মায়েদা অবতীর্ণ হওয়ার পরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মোজার উপর মাসেহ করেছেন এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৩৩২-১৩৩২
জারীর বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইসলামের শেষ দিকে সূরা আল মায়িদা অবতীর্ণ হওয়ার পর ইসলাম গ্রহণ করেছেন
১ টি | ১৩৩৩-১৩৩৩
মোজার উপর মাসেহ করার বৈধতা যখন তা জুতার সাথে থাকে
২ টি | ১৩৩৫-১৩৩৬
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উক্ত শব্দে হাদীসটি জারীর বিন আব্দুল হামীদ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৩৮-১৩৩৮
মানুষের জন্য বৈধ হলো ওযূর সময় একই সাথে কপাল ও পাগড়ির উপর মাসেহ করা
১ টি | ১৩৩৯-১৩৩৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উক্ত হাদীসটি আমর বিন উমাইয়্যাহ আয যমরী এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তাদের কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১৩৪১-১৩৪১
সালমান আল ফারেসী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য (وَعَلَى خِمَارِهِ) এর দ্বারা উদ্দেশ্য পাগড়ী
১ টি | ১৩৪২-১৩৪২
হাদীসের অংশ “তিনি কপালের উপর মাসেহ করেছেন” এই বাক্য সুলাইমান আত তাইমী এককভাবে বর্ণনা করেছেন, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৩৪৪-১৩৪৪
(১৮) হায়েয (ঋতুস্রাব) ও ইস্তিহাযাহ (ঋতুস্রাব বহির্ভুত রক্তনির্গমন) - কোন ধরণের রক্ত নির্গমন হলে, সেটাকে হায়েয হিসেবে ধরা হবে
১ টি | ১৩৪৫-১৩৪৫
ঋতুবতী নারী যখন পবিত্র হবে, তখন তার জন্য বৈধ আছে ঋতুস্রাব চলাকালিন সময়ের সালাত আদায় না করা
১ টি | ১৩৪৬-১৩৪৬
হায়েয শুরু হলে সালাত ছেড়ে দেওয়া আর হায়েয শেষ হলে গোসল করার নির্দেশ
১ টি | ১৩৪৭-১৩৪৭
ইস্তিহাযাগ্রস্থ নারীকে প্রত্যেক সালাতের সময় গোসল করার নির্দেশ
১ টি | ১৩৪৮-১৩৪৮
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীসটি উরওয়া বিন যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৪৯-১৩৪৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি আমর বিন হারিস ও আওযা‘ঈ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৫০-১৩৫০
ইস্তিহাযাগ্রস্থ নারীকে প্রত্যেক সালাতের সময় ওযূ করার নির্দেশ
১ টি | ১৩৫১-১৩৫১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসের উল্লেখিত শব্দ আবূ হামযা ও আবূ হানিফা এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তাদের কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৫২-১৩৫২
ঋতুবতী স্ত্রীর মাধ্যমে বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা গ্রহণ করা প্রসঙ্গে
১ টি | ১৩৫৩-১৩৫৩
সর্বাবস্থায় ঋতুবতী স্ত্রীর মাধ্যমে কাজে সহযোগিতা গ্রহণ করা যায়
১ টি | ১৩৫৪-১৩৫৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, সুফিয়ান থেকে উক্ত হাদীসটি মু‘আবিয়া বিন হিশাম এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তাদের ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৫৫-১৩৫৫
যেই সময় মেয়েদের জন্য সালাত আদায় করা বৈধ নয় (হায়েয বা এজাতীয় পরিস্থিতিতে), সে সময় ঐ নারীর জন্য তার স্বামীর মাথার চুল আচড়িয়ে দেওয়া বৈধ
১ টি | ১৩৫৬-১৩৫৬
ঋতুবতী নারীর সাথে পানাহার করা বৈধ
১ টি | ১৩৫৭-১৩৫৭
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা পান করার জন্য পানপাত্র গ্রহণ করতেন এবং খাওয়ার জন্য মাংসল হাড় নিতেন
১ টি | ১৩৫৮-১৩৫৮
ঋতুবতী নারীর সাথে পানাহার করা ও বিভিন্ন কাজে সহযোগিতা নেওয়ার ব্যাপারে নির্দেশ কেননা ইয়াহুদীরা এরকম করে না
১ টি | ১৩৫৯-১৩৫৯
হায়েয অবস্থায় স্ত্রীর সাথে শয়ন করা বৈধ
১ টি | ১৩৬০-১৩৬০
হায়েয অবস্থায় যখন কোন নারী তার স্বামীর সাথে শয়ন করবে, তখন তার জন্য আবশ্যক হলো অন্তর্বাস পরিধান করে নেওয়া
১ টি | ১৩৬১-১৩৬১
ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে হেলান দেওয়া ও লজ্জাস্থান ব্যতীত অন্য যেকোন জায়গায় আলিঙ্গন করা বৈধ
১ টি | ১৩৬৩-১৩৬৩
কোন ঋতুবতী নারীর সাথে তার স্বামী আলিঙ্গন করতে চাইলে তাকে অন্তর্বাস পরিধান করে নেওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১৩৬৪-১৩৬৪
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “তারপর তিনি তার সাথে আলিঙ্গন করতেন” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো “তারপর তিনি তার সাথে শুয়ে থাকতেন”
১ টি | ১৩৬৫-১৩৬৫
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর দিকে ধাবিত / মনযোগী হয়েছিলেন, তার বর্ণনা
১ টি | ১৩৬৭-১৩৬৭
মানুষের চুল পবিত্র, চুল পানিতে পড়লে পানি নাপাক হয়ে যায় না আর যদি চুল কাপড়ের মাঝে থাকে, তবে তাতে সালাত আদায় করাতে কোন বাধা নেই
১ টি | ১৩৬৮-১৩৬৮
ছেলে শিশু সন্তান যে মায়ের বুকের দুধ ছাড়া আর কোন খাবার খায় না, তার পেশাব কাপড়ে লাগলে তা ধৌত না করা বৈধ
১ টি | ১৩৬৯-১৩৬৯
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “فَأَتْبَعَهُ الْمَاءَ” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তিনি পানি ছিটিয়ে দিয়েছেন
১ টি | ১৩৭০-১৩৭০
যে ছেলে শিশু বুকের দুধ ছাড়া আর কোন খাবার খায় না, সেই শিশু কাপড়ে পেশাব করে দিলে, তাতে পানির ছিটা দেওয়াই যথেষ্ট
১ টি | ১৩৭১-১৩৭১
পানি ছিটা দেওয়ার হুকুম ছেলে শিশুর জন্য; মেয়ে শিশুর জন্য নয়
১ টি | ১৩৭২-১৩৭২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে মিসক সুগন্ধি নাপাক, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৭৩-১৩৭৩
তৃতীয় হাদীস যা স্পষ্টভাবে বর্ণনা করে যে, মিসক বা সুগন্ধি পবিত্র
১ টি | ১৩৭৫-১৩৭৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, বীর্য নাপাক, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৭৭-১৩৭৭
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীস দুটোর বিপরীত
১ টি | ১৩৭৮-১৩৭৮
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, সুলাইমান বিন ইয়াসার হাদীসটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে শুনেননি
১ টি | ১৩৭৯-১৩৭৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, যেসব প্রাণীর গোসত খাওয়া বৈধ, সেসব প্রাণীর পেশাব নাপাক- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৩৮১-১৩৮১
যেসব জায়গায় ‘গোসত খাওয়া হালাল’ এমন প্রাণীর পেশাব-গোবর লাগলেও সেখানে সালাত আদায় করা জায়েয
১ টি | ১৩৮২-১৩৮২
যেসব প্রাণীর গোসত খাওয়া বৈধ, সেসব প্রাণীর গোসত খাওয়া বৈধ, এই ব্যাপারে সুস্পষ্ট হাদীস
২ টি | ১৩৮৩-১৩৮৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উরানী গোত্রের লোকদেরকে চিকিৎসার জন্য উটের পেশাব পান করার অনুমতি দেননি- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১৩৮৮-১৩৮৮
কারো পাত্রে ইঁদুর পড়লে কি করবে, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৩৮৯-১৩৮৯
যে ব্যক্তি ইলম যথাযথভাবে অর্জন করেননি, তাকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ইবনু উআইনার হাদীসটি ভুল বা ত্রুটিযুক্ত
১ টি | ১৩৯০-১৩৯০
এই হাদীসের উল্লেখিত দুটো সানাদই মাহফূয (সহীহ) মর্মে হাদীস
১ টি | ১৩৯১-১৩৯১
(২০) নাজাসাত বা নাপাকি দূরীকরণ
২ টি | ১৩৯২-১৩৯৩
উক্ত নারী কাপড়ে হায়েযের রক্ত লাগলে তা পবিত্র করার বিধান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেছেন; অন্য কিছু সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেননি
১ টি | ১৩৯৪-১৩৯৪
জমিনে মানুষের পেশাব লাগলে, তা পবিত্র করার জন্য তাতে এক বালতি পানি ঢেলে দেওয়ার নির্দেশ
১ টি | ১৩৯৬-১৩৯৬
জমিনে ছড়িয়ে পড়া নাপাকের উপর যখন পবিত্র পানি এমনভাবে প্রাবল্যতা লাভ করে যে, নাজাসাতের সত্তা অপসারিত হয়ে যায়, তখন সেই জমিন পবিত্র হয়ে যায়
১ টি | ১৩৯৭-১৩৯৭
আমরা যে বেদুঈনের কথা উল্লেখ করলাম, তার সাথে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বিনম্র আচরণের পর মসজিদে পেশাব করতে নিষেধ করেছেন
১ টি | ১৩৯৯-১৩৯৯
জুতা দিয়ে নাপাকী পদদলিত করলে, তারপর মাটির মাধ্যমে তা পবিত্র হয়ে যাবে
১ টি | ১৪০০-১৪০০
যে ব্যক্তি মজবূত ইলম অর্জন করেননি, তিনি কখন এই সংশয়ে নিপতিত হয়ে যান যে, ইমাম আওযাঈ রহিমাহুল্লাহ হাদীসটি সা‘ঈদ আল মাকবূরী থেকে শ্রবণ করেননি
১ টি | ১৪০১-১৪০১
(২১) পবিত্রতা অর্জন করা [পেশাব-পায়খানা করার পর ওযূ করতে চাইলে শৌচকার্য করা প্রসঙ্গে]
১ টি | ১৪০২-১৪০২
টয়লেটে প্রবেশের সময় কী বলবে, তার বর্ণনা
১ টি | ১৪০৩-১৪০৩
টয়লেটে প্রবেশের ইচ্ছা করার সময় আশ্রয় প্রার্থনার কোন দু‘আ পড়বে
১ টি | ১৪০৪-১৪০৪
টয়লেটে প্রবেশের ইচ্ছা করার সময় আল্লাহর নিকট নিকৃষ্ট নর ও নারী জিন থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ১৪০৫-১৪০৫
বাড়িতে টয়লেট না থাকলে মেয়েদের জন্য প্রকৃতির ডাকে সাড়া দেওয়ার জন্য খোলা জায়গায় গমন করা যায়েয
১ টি | ১৪০৬-১৪০৬
আল্লাহর যিকর রয়েছে, এমন কিছু নিয়ে টয়লেটে গমন করা বৈধ নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ১৪১০-১৪১০
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম টয়লেটে গমনের সময় তাঁর আংটি খুলে রাখতেন
১ টি | ১৪১১-১৪১১
মানুষ চলাচলের রাস্তায় এবং তাদের উঠানে পেশাব করার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ১৪১২-১৪১২
আমরা হাদীসের যে ব্যাপক শব্দরুপ বর্ণনা করলাম, তা খাছকারী দুটি বিষয়ের মধ্যে একটি বিষয়ের বর্ণনা
২ টি | ১৪১৫-১৪১৬
যে ব্যক্তি মজবূতভাবে ইলমে হাদীস অর্জন করেননি, তাকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত ধমকীমূলক হাদীসকে রহিত করে দিয়েছে
১ টি | ১৪১৭-১৪১৭
হাদীসে বর্ণিত ধমকী খোলা মাঠে হাজত পূরণের সময় প্রযোজ্য; আবদ্ধ বা ঢাকা জায়গায় হাজত পূরণের সময় এটি প্রযোজ্য নয়- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১৪১৮-১৪১৮
পেশাব-পায়খানায় রত দুই ব্যক্তি একে অন্যের দিকে তাকানো ও সেই জায়গায় পরস্পরের সাথে কথা বলাবলি করার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ১৪১৯-১৪১৯
জরুরী সময় ব্যতীত দাঁড়িয়ে পেশাব করার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ১৪২০-১৪২০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তুমি দাঁড়িয়ে পেশাব করবে না” এর আমরা যে ব্যাখ্যা করেছি, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
৩ টি | ১৪২১-১৪২৩
পেশাবকারী ব্যক্তির নিকটবর্তী হওয়া জায়েয, যখন পেশাবকারী ব্যক্তি তার ব্যাপারে লজ্জাবোধ না করবে
১ টি | ১৪২৪-১৪২৪
হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিকটবর্তী হয়েছিলেন তাঁর নির্দেশক্রমে
১ টি | ১৪২৫-১৪২৫
যে ব্যক্তি ধারনা করে যে, এই হাদীসটি সুলাইমান আল আ‘মাশ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৪২৬-১৪২৬
ইলমে হাদীসে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হুযাইফা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৪২৭-১৪২৭
গোবর ও হাড্ডি দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
১ টি | ১৪২৮-১৪২৮
ডান হাত দিয়ে পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ১৪৩০-১৪৩০
পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা পেশাব করার সময় প্রযোজ্য
১ টি | ১৪৩১-১৪৩১
ডান হাত দিয়ে শৌচকার্য করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৪৩২-১৪৩২
যে ব্যক্তি ঢিলা-কুলূখ করার ইচ্ছা করবে, তাকে বেজোড় সংখ্যায় ঢিলা-কুলূখ ব্যবহার করার ব্যাপারে নির্দেশ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৪৩৩-১৪৩৩
যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
২ টি | ১৪৩৪-১৪৩৫
তিনটি পাথর দিয়ে পবিত্রতা অর্জন করার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ১৪৩৭-১৪৩৭
হাজত পূরণ হওয়ার পর পানি স্পর্শ করা আবশ্যক হওয়ার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ১৪৩৮-১৪৩৮
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীসে পানি স্পর্শ করা দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পানি দ্বারা শৌচকার্য করা
২ টি | ১৪৩৯-১৪৪০
টয়লেট থেকে বের হওয়ার পর আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৪৪১-১৪৪১
৯. কিতাবুস সালাত (كتاب الصلاة)
১৪৪৮ টি হাদিস
১৩৭১ পরিচ্ছেদ
১৩৭১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৪৪৩-২৮৮০)
কোন ব্যক্তির ফরযসমূহ প্রতিপালন করা ইসলামের অন্তর্ভুক্ত মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৪৪৩-১৪৪৩
(১) সালাতের ফরয
১ টি | ১৪৪৪-১৪৪৪
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জিবরাঈল আলাইহিস সালাম থেকে গ্রহণ করেছেন
২ টি | ১৪৪৫-১৪৪৬
মহান আল্লাহ সালাতের ওয়াক্ত সংখ্যা কুরআনে অনির্দিষ্ট রেখেছেন, অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কথা ও কাজের মাধ্যমে ওয়াক্ত সংখ্যা বর্ণনা করেছেন
১ টি | ১৪৪৮-১৪৪৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “যার সালাত ছুটে যাবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আসরের সালাত
১ টি | ১৪৫০-১৪৫০
(২) সালাত পরিত্যাগ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৪৫১-১৪৫১
হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি হাদীসের যে শব্দে এই সংশয়ে নিপতিত হন যে, কোন ব্যক্তি সালাতের ওয়াক্ত শেষ হওয়া পর্যন্ত সালাত না আদায় করলে, সে কাফির বিবেচিত হবে
১ টি | ১৪৫২-১৪৫২
কোন ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে সালাতের সময় শেষ হওয়া পর্যন্ত সালাত আদায় না করলে, এর মাধ্যমে সেই ব্যক্তি ইসলাম থেকে বের হয়ে কাফির হয়ে যাবে না
১ টি | ১৪৫৩-১৪৫৩
যে হাদীস অপরিপক্ক ইলমের অধিকারী ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে বর্ণিত হাদীসসমূহের বিপরীত
১ টি | ১৪৬১-১৪৬১
আমরা যা উল্লেখ করলাম যে, আরবরা অনেক সময় সূচনাতেই এমন নাম ব্যবহার করে, যা ভবিষ্যতে সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে- এই ব্যাপারে নবম হাদীস
১ টি | ১৪৬২-১৪৬২
আমরা যা ব্যাখ্যা করলাম যে, এসব দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সূচনাতেই এমন নাম ব্যবহার করে, যা ভবিষ্যতে সংঘটিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে- এর বিশুদ্ধতা প্রমাণে দশম হাদীস
১ টি | ১৪৬৩-১৪৬৩
ফরয সালাতসমূহের যত্নবান না হওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৪৬৫-১৪৬৫
সালাত আদায়ে নিয়মিত না হওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৪৬৬-১৪৬৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “যার সালাত ছুটে যায়” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আসরের সালাত
১ টি | ১৪৬৭-১৪৬৭
ইচ্ছাকৃতভাবে আসরের সালাত ত্যাগ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৪৬৮-১৪৬৮
(৩) সালাতের সময়সমূহ - ফরয সালাতসমূহের ওয়াক্তের বিবরণ
১ টি | ১৪৭০-১৪৭০
সালাতের প্রথম ও শেষ ওয়াক্ত সম্পর্কে হাদীস
১ টি | ১৪৭১-১৪৭১
সময়মতো সালাত আদায় করা অন্যতম শ্রেষ্ঠ আমলের অন্তর্ভুক্ত
১ টি | ১৪৭২-১৪৭২
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “সময়মতো সালাত করা” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আওয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা
১ টি | ১৪৭৩-১৪৭৩
ফরয সালাতসমূহ নির্ধারিত সময়ে আদায় করা আল্লাহর কাছে অন্যতম প্রিয় আমল
১ টি | ১৪৭৪-১৪৭৪
নির্ধারিত সময়ে সালাত আদায় করা আল্লাহর কাছে অন্যতম প্রিয় আমল
১ টি | ১৪৭৫-১৪৭৫
সময়মতো সালাত আদায় করা শ্রেষ্ঠ আমল
১ টি | ১৪৭৬-১৪৭৬
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “সময়মতো সালাত করা” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আওয়াল ওয়াক্তে সালাত আদায় করা
১ টি | ১৪৭৭-১৪৭৭
আওয়াল ওয়াক্তে সালাত করা মুস্তাহাব মর্মে হাদীস
১ টি | ১৪৭৮-১৪৭৮
যখন শাসকগণ সালাতকে নির্ধারিত সময় থেকে বিলম্বে আদায় করবে, তখন ব্যক্তির জন্য যা করা আবশ্যক
১ টি | ১৪৮০-১৪৮০
যে ব্যক্তি এক রাকাত পেয়ে যায়, সে পুরো সালাত পেয়ে গেলো
১ টি | ১৪৮১-১৪৮১
যে ব্যক্তি এক রাকাত পেয়ে যায়, তার সালাত ছুটে যায়নি
১ টি | ১৪৮২-১৪৮২
হাদীসে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি যেই হাদীসের মাধ্যমে এই সংশয়ে পড়ে যায় যে, কোন ব্যক্তি হয়তো এক রাকাত পেলে সব রাকাত পেয়ে যায়
১ টি | ১৪৮৩-১৪৮৩
কোন ব্যক্তি এক রাকাত পেলে, তার জন্য আবশ্যক হলো বাকী রাকাত পূর্ণ করা; এমন নয় যে, এক রাকাত পেলে সব রাকাত পাওয়া হয়ে যাবে
১ টি | ১৪৮৪-১৪৮৪
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, ইমাম যুহরীর হাদীসের সানাদগুলোতে যা বর্ণিত হয়েছে “যে ব্যক্তি জুমু্আর এক রাকাআত পাবে” তার সবগুলোই ত্রুটিপূর্ণ, যার কোনটাই সহীহ নেই
১ টি | ১৪৮৫-১৪৮৫
ঘুমন্ত ব্যক্তি যখন ঘুম থেকে জাগ্রত হবে, তখনই সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ১৪৮৬-১৪৮৬
হাদীসে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি হাদীসের যে শব্দে এই ধারণায় নিপতিত হন যে, ফর্সা করে ফজরের সালাত আদায় করা অন্ধকারে আদায় করার চেয়ে উত্তম
২ টি | ১৪৮৭-১৪৮৮
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই ধারণায় নিপতিত করে যে, ফর্সা করে ফজরের সালাত আদায় করা অন্ধকারে আদায় করার চেয়ে উত্তম
১ টি | ১৪৮৯-১৪৮৯
যে সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের সালাত আদায় করেছেন
১ টি | ১৪৯০-১৪৯০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমাদের সালাতের সময় যা তুমি দেখলে তার মধ্যবর্তী সময়ে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো সেই দিন ও আগের দিনের সালাত
১ টি | ১৪৯১-১৪৯১
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম একবার ফর্সা করে ফজরের সালাত আদায় করেছিলেন
১ টি | ১৪৯৩-১৪৯৩
এই উম্মাহর মাঝে যে কারণে ফজরের সালাত প্রথম ফর্সা করে আদায় করা হয়
১ টি | ১৪৯৪-১৪৯৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মাতকে সাথে নিয়ে যেভাবে ফজরের সালাত আদায় করতেন তার বিবরণ
১ টি | ১৪৯৭-১৪৯৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৪৯৮-১৪৯৮
আমরা যা ইঙ্গিত করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ১৪৯৯-১৪৯৯
যেই সময়ে প্রথম সালাত আদায় করা মু্স্তাহাব
৩ টি | ১৫০০-১৫০২
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫০৩-১৫০৩
উল্লেখ করা হয়েছে যে গরমের সময় সালাত দেরিতে পড়ার নির্দেশ কেবল তখনই দেওয়া হয়েছে যখন গরম অত্যন্ত তীব্র হয়
১ টি | ১৫০৪-১৫০৪
প্রচন্ড গরমের সময় সালাত দেরি করে আদায় করার নির্দেশ দ্বারা উদ্দেশ্য যোহরের সালাত; অন্য সালাত উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫০৬-১৫০৬
মুসলিম ব্যক্তির জন্য যে সময়ে জুমু‘আর সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫০৯-১৫০৯
আমরা জুমু‘আর সালাতের যে সময় উল্লেখ করলাম, সেটি হলো সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে যাওয়ার পর; আগে নয়
১ টি | ১৫১০-১৫১০
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫১১-১৫১১
আসরের সালাত তাড়াতাড়ি আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫১২-১৫১২
যে ব্যক্তি আসরের সালাত বিলম্বে আদায় করতে ভালবাসে এবং তাড়াতাড়ি আদায় করতে অপছন্দ করে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৫১৩-১৫১৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫১৪-১৫১৪
যেই সময়ে আসরের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫১৫-১৫১৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫১৬-১৫১৬
রাবীর বক্তব্য “তখনও সূর্য উঁচুতে থাকতো” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মদীনার পার্শবর্তী এলাকায় গমন করার পর সূর্য উঁচুতে থাকতো
১ টি | ১৫১৭-১৫১৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আসরের সালাত বিলম্ব করে আদায় করা জরূরী-তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৫১৮-১৫১৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সময় আসরের সালাত আদায় করতেন, সে সময় সূর্য কেমন উঁচু থাকতো, তার বিবরণ
১ টি | ১৫১৯-১৫১৯
যে সময়ে মাগরিবের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫২১-১৫২১
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, মাগরিবের সালাতের সময় একটি নয়
১ টি | ১৫২২-১৫২২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মাগরিবের সালাতের সময় একটি এর দুটো নির্ধারিত সময় নেই- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৫২৩-১৫২৩
শুভ্র রেখা অদৃশ্য হওয়া পর্যন্ত ইশার সালাতকে বিলম্ব করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫২৪-১৫২৪
যেই সময়ে ইশার সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৫২৫-১৫২৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ইশার সালাতকে অর্ধরাত পর্যন্ত বিলম্ব করার অভিলাষ
১ টি | ১৫২৭-১৫২৭
ইশার সালাতকে বিলম্বে আদায় করা বৈধ যখন দূর্বল ব্যক্তিদের দুর্বলতার ভয় না থাকে এবং মু্ক্তাদীদের সম্মতি থাকে
১ টি | ১৫২৮-১৫২৮
রাতের কিছু অংশ পর্যন্ত ইশার সালাত বিলম্ব করা মুস্তাহাব, যদি এটি মু্ক্তাদীদের জন্য কষ্টকর না হয়
১ টি | ১৫২৯-১৫২৯
ইশার সালাতকে আওয়াল ওয়াক্ত থেকে বিলম্ব করা বৈধ
১ টি | ১৫৩০-১৫৩০
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫৩১-১৫৩১
এই রকম আমল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে একাধিকবার হয়েছে- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১৫৩২-১৫৩২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য “পৃথিবীতে তোমরা ছাড়া আর কেউ এই সালাতের জন্য অপেক্ষা করছে না” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো অন্যান্য ধর্মের লোক
১ টি | ১৫৩৪-১৫৩৪
আমরা যেই সালাতের কথা বর্ণনা করলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন কোন সময় তারপরেও আদায় করেছেন- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১৫৩৫-১৫৩৫
যেসময় পর্যন্ত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইশার সালাত বিলম্ব করা ভালবাসতেন
১ টি | ১৫৩৬-১৫৩৬
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম চিরাচরিত সময় থেকে ইশার সালাতকে বিলম্ব করতেন না
১ টি | ১৫৩৭-১৫৩৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর বক্তব্য (شَطْرَ اللَّيْلِ) এর দ্বারা রাতের অর্ধ রাত
১ টি | ১৫৩৮-১৫৩৮
ইশার সালাতকে আতামাহ বলার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৫৩৯-১৫৩৯
(৪) নিষিদ্ধ সময় সম্পর্কে - নির্দিষ্ট কিছু সময়ে নফল সালাত শুরু না করা জরূরী হওয়া প্রসঙ্গে হাদীস
১ টি | ১৫৪০-১৫৪০
মক্কা ব্যতীত দুই সময়ে সালাত আদায় করার ব্যাপারে ধমকী
২ টি | ১৫৪১-১৫৪২
যেই কারণে এই দুই সময়ে সালাত আদায় করা নিষেধ করা হয়েছে
১ টি | ১৫৪৩-১৫৪৩
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসে উল্লেখিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫৪৪-১৫৪৪
হাদীসে যে সময়গুলোতে সালাত আদায় করা নিষেধ করা হয়েছে, তার দ্বারা পুরো সময় উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫৪৫-১৫৪৫
যে সময়ে সালাত করা নিষিদ্ধ, যা আমরা উল্লেখ করলাম, তার দ্বারা উদ্দেশ্য ঐ সময়গুলোই; সবসময় উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫৪৬-১৫৪৬
আসর ও ফজরের পর সালাত আদায় করার ব্যাপারে যে হুশিয়ারী রয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আসরের সালাত ও ফজরের সালাতের পর
১ টি | ১৫৪৭-১৫৪৭
যে কারণে এই দুই সময়ে সালাত করা নিষেধ করা হয়েছে
১ টি | ১৫৪৮-১৫৪৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি হয়তো আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
২ টি | ১৫৪৯-১৫৫২
যে হাদীস প্রমাণ করে যে, সূর্য উদয় ও সূর্য অস্ত যাওয়ার সময় সব ধরণের সালাত আদায় করার ব্যাপারে ধমক দেওয়া হয়নি
১ টি | ১৫৫৩-১৫৫৩
উল্লেখিত যেসব সময়ে সালাত আদায় করার ব্যাপারে হুশিয়ারী দেওয়া হয়েছে, এর দ্বারা উদ্দেশ্য ফরয সালাত নয়
১ টি | ১৫৫৪-১৫৫৪
আসরের সালাতের পর সালাত আদায় করার ব্যাপারে ধমকী দেওয়া হয়েছে, সেটি সব নফল সালাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়
১ টি | ১৫৫৬-১৫৫৬
আসরের সালাতের পর সালাত আদায় করার ব্যাপারে ধমকী দেওয়া হয়েছে, তা সব নফল সালাতের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়- এই ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
৩ টি | ১৫৫৭-১৫৫৯
আসরের পর সালাত আদায় করার ব্যাপারে যে হুশিয়ারী এর দ্বারা উদ্দেশ্য আসরের পর একটা নির্দিষ্ট সময়; আসরের পর পুরো সময় উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫৬০-১৫৬০
ফজরের পর সালাত আদায় করার ব্যাপারে যে হুশিয়ারী এর দ্বারা সব সময় ও সব ধরণের সালাত উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ১৫৬২-১৫৬২
যে ব্যক্তি মনে করে যে হাদীসে উল্লেখিত সালাতটি ফজরের সালাত ছিল না, তাদের কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৫৬৩-১৫৬৩
দ্বিতীয় হাদীস যা পূর্বের ব্যাখ্যাহীন হাদীসসমূহকে ব্যাখ্যা করে
১ টি | ১৫৬৫-১৫৬৫
আমরা যে মত পোষন করেছি, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস, যা দলীলের মত
১ টি | ১৫৬৬-১৫৬৬
যে কারণে এই দুই সময়ে সালাত আদায় করার ব্যাপারে হুশিয়ারী করা হয়েছে
১ টি | ১৫৬৭-১৫৬৭
যে হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
১ টি | ১৫৬৮-১৫৬৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে, আবূ ইসহাক হাদীসটি আসওয়াদ ও মাসরূক থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১৫৬৯-১৫৬৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, আবূ ইসহাক ছাড়া হাদীসটি আর কেউ বর্ণনা করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ১৫৭০-১৫৭০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমৃত্যু আসরের পর দুই রাকাত সালাত নিয়মিত আদায় করেছেন
১ টি | ১৫৭১-১৫৭১
ইসলামের প্রথম যুগে যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আসরের পর দুই রাকাত সালাত আদায় করেছিলেন
১ টি | ১৫৭২-১৫৭২
যেই ব্যস্ততার কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যোহরের পরের দুই রাকাত সালাত আদায় করতে পারেননি, অতঃপর আসরের পর তা আদায় করেন
১ টি | ১৫৭৩-১৫৭৩
তারজী‘সহ আযান দেওয়ার জন্য নির্দেশ, এই হাদীসটি তাদের মতের বিপরীত যারা তারজী‘সহ আযান দেওয়াকে অপছন্দ করেন
১ টি | ১৬৭৮-১৬৭৮
মুয়ায্যিন যখন আযানে তারজী‘ করার ইচ্ছা করবেন, তখন প্রথম দুই শাহাদাহর ক্ষেত্রে আওয়াজ ক্ষীণ রাখবে, এর পরের এবং আগের বাক্যগুলোর ক্ষেত্রে আওয়াজ উঁচু করবে
১ টি | ১৬৮০-১৬৮০
সালাতের জন্য আযান শুনতে পেলে কী বলবে, তার বর্ণনা
১ টি | ১৬৮১-১৬৮১
মুয়ায্যিন তার আযানে যা বলেন, যে ব্যক্তি মুয়ায্যিনের অনুরুপ কথা বলবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত
১ টি | ১৬৮৩-১৬৮৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “মুয়ায্যিন যা বলে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো আযানের কিছু বাক্য; সব বাক্য উদ্দেশ্য নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬৮৫-১৬৮৫
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন সে আযান শুনবে, তখন মুয়ায্যিন যা বলে, সে-ও তা-ই বলবে, তবে হাইয়্যা ‘আলাস সালাহ ও হাইয়্যা ‘আলাল ফালাহ ব্যতীত
১ টি | ১৬৮৬-১৬৮৬
আরবরা عليه কে له অর্থে ব্যবহার করে থাকে, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬৮৯-১৬৮৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, আব্দুর রহমান বিন যুবাইর এই হাদীস আব্দুল্লাহ বিন আমর থেকে শ্রবণ করেননি, তার ধারণা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৬৯০-১৬৯০
আমরা যা বর্ণনা করলাম, যে ব্যক্তি আযানের সময় তা দৃঢ়ভাবে বিশ্বাস করে বলবে, সে ব্যক্তি ঈমানের স্বাদ পায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬৯২-১৬৯২
যে ব্যক্তি মুয়ায্যিনের আযান শুনে অনুরুপ বলে, তার দু‘আ কবূলের হওয়ার আশা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৬৯৩-১৬৯৩
আযান ও ইকামতের মাঝে বেশি বেশি দু‘আ করা মুস্তাহাব, কেননা এসময়ের দু‘আ ফেরত দেওয়া হয় না
১ টি | ১৬৯৪-১৬৯৪
(৮) সালাতের শর্তসমূহ
১ টি | ১৬৯৫-১৬৯৫
সালাত আদায়ের জন্য জায়গার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীস আমরা উল্লেখ করলাম, তাকে প্রথম খাছকারী হাদীস
১ টি | ১৬৯৬-১৬৯৬
সালাত আদায়ের জন্য জায়গার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীসগুলোর দ্বিতীয় খাছকারী হাদীস
১ টি | ১৬৯৭-১৬৯৭
“পুরো জমিন সালাত আদায়ের স্থান বানিয়ে দেওয়া হয়েছে” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সাধারণ বক্তব্যকে খাছকারী তৃতীয় হাদীস
২ টি | ১৬৯৮-১৬৯৮
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, উট বাধার স্থানে সালাত আদায় করা নিষেধ করা হয়েছে কারণ উটকে শয়তান থেকে সৃষ্টি করা হয়েছে
১ টি | ১৬৯৯-১৬৯৯
উট থাকার জায়গায় সালাত আদায় করতে নিষেধ করা হয়েছে এজন্য নয় যে, শয়তান সেখানে থাকে, এই ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৭০১-১৭০১
ওযূ ভেঙ্গে গেলে পুনরায় ওযূ করা ছাড়া সালাত কবূল করা হবে না
১ টি | ১৭০২-১৭০২
যে সময়ে রাসূল (সা.) এক ওযূতে পাচ ওয়াক্ত সালাত আদায় করেছিলেন
১ টি | ১৭০৪-১৭০৪
পানি ও পবিত্র মাটি না পাওয়া গেলে সেক্ষেত্রে ওযূ ও তায়াম্মুম ছাড়াই সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ১৭০৬-১৭০৬
বালেগা নারীর মাথায় ওড়না না দিয়ে সালাত আদায় করার ব্যাপারে সতর্কীকরণ
২ টি | ১৭০৮-১৭০৯
কা‘বার দিকে মুখ করে সালাত আদায় করার নির্দেশ দেওয়ার আগে মুসলিমরা বাইতুল মাকদিসের দিকে কী পরিমাণ সময় মুখ করে সালাত আদায় করেছেন, তার বর্ণনা
১ টি | ১৭১৩-১৭১৩
ঐ সময়ে যারা বাইতুল মাকদিসের দিকে মুখ করে সালাত আদায় করেছেন, তাদের সালাতকে ইমান নামে অভিহিতকরণ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৭১৪-১৭১৪
অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, নিয়ত ছাড়াই হয়তো সালাত আদায় করা শুদ্ধ হবে
১ টি | ১৭১৫-১৭১৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “অন্যথায় তা নফল হিসেবে গণ্য হবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো দ্বিতীয় সালাত নফল হবে; প্রথম সালাত নয়
১ টি | ১৭১৬-১৭১৬
(৯) পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের ফযীলত - পাঁচ ওয়াক্ত সালাতের সময় প্রবেশের সময় আসমানের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয়
১ টি | ১৭১৭-১৭১৭
সালাত হেফাযতকারীদের জন্য ঈমান সাব্যস্তকরণ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৭১৮-১৭১৮
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, ফরয সালাত ফরয জিহাদ অপেক্ষা উত্তম
১ টি | ১৭১৯-১৭১৯
সালাত বান্দার জন্য নৈকট্যের মাধ্যম; এর মাধ্যমে মানুষ তাদের মহান স্রষ্টার নিকটবর্তী হন
১ টি | ১৭২০-১৭২০
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারীর জন্য সফলতা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৭২১-১৭২১
পাঁচ ওয়াক্ত সালাত আদায়কারীকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক প্রবাহমান নদীতে গোসলকারীর সাথে উপমা প্রদান
১ টি | ১৭২২-১৭২২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটি আ‘মাশ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭২৩-১৭২৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ১৭২৭-১৭২৭
উল্লেখিত হাদীসে ‘হক’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ওয়াজিব
১ টি | ১৭২৯-১৭২৯
রুকূ ও সাজদার মাধ্যমে সালাত আদায়কারীর গোনাহসমূহ ঝরে পড়ে
২ টি | ১৭৩১-১৭৩২
আসর ও ফজরের সময় ফেরেস্তাদের পালাক্রমে অবতরণ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৩৩-১৭৩৩
আসর ও ফজরের সময় ফেরেস্তাদের পালাক্রমে অবতরণ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৩৫-১৭৩৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক আসর ও ফজরের সালাতকে দুটি শীতল সময়ের সালাত হিসেবে অবহিতকরণ
১ টি | ১৭৩৬-১৭৩৬
ফজরের সালাত আদায়কারীর জন্য আল্লাহর দায়িত্ব গ্রহণ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৪০-১৭৪০
আহলে কিতাবের কোন ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করে আসরের সালাত আদায় করলে, তার জন্য দ্বিগুণ সাওয়াব
১ টি | ১৭৪১-১৭৪১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, সালাতুল উসতা বা মধ্যবর্তী সালাত হলো ফজরের সালাত তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭৪২-১৭৪২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, সালাতুল উসতা বা মধ্যবর্তী সালাত হলো ফজরের সালাত তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭৪৩-১৭৪৩
যে ব্যক্তি সালাত প্রতিষ্ঠা করবে এবং সিয়াম পালন করবে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়
১ টি | ১৭৪৪-১৭৪৪
মহান আল্লাহ রমযানের সিয়াম পালনকারী ও সালাত প্রতিষ্ঠাকারীকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যখন সে কাবীরা গোনাহ থেকে বেঁচে থাকবে
১ টি | ১৭৪৫-১৭৪৫
যে ব্যক্তি জনমানবহীন মরু প্রান্তরে সালাতের শর্ত-শরায়েতসহ সালাত আদায় করে, মসজিদে সালাত আদায় করার চেয়ে পঞ্চাশ গুণ বেশি সাওয়াব প্রদান করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৪৬-১৭৪৬
সালাতের জন্য প্রতীক্ষাকারীর জন্য মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে সালাত আদায় করার সাওয়াব লিপিবদ্ধ করেন
১ টি | ১৭৪৭-১৭৪৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৭৪৮-১৭৪৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্ক্তব্য “তবে সে সালাতের মধ্যেই থাকে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যতক্ষন না সে ওযূ ভঙ্গ না করে
১ টি | ১৭৪৯-১৭৪৯
(১০) সালাতের বিবরণ - মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সালাত আদায় করার জন্য অন্তরকে উন্মুক্ত করা এবং মনের ওয়াসওয়াসা দূর করা
১ টি | ১৭৫১-১৭৫১
ফরয সালাত আদায় করার জন্য দন্ডায়মান ব্যক্তিকে ধীরস্থিরতা অবলম্বন করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৫২-১৭৫২
যে ব্যক্তি সালাতে সবচেয়ে বেশি ধীরস্থির থাকে এবং আল্লাহর উদ্দেশ্যে সবচেয়ে বেশি বিনীত থাকে, সে সর্বোত্তম মানুষের অন্যতম
১ টি | ১৭৫৩-১৭৫৩
যে সব কাজ করার কারণে কিছু ব্যক্তির সালাত কবূল করা হয় না
১ টি | ১৭৫৪-১৭৫৪
শ্রেষ্ঠ সালাত হলো ঐ সালাত যাতে কিয়াম দীর্ঘ করা হয়
১ টি | ১৭৫৫-১৭৫৫
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সালাত পরিপূর্ণ করে সংক্ষিপ্ততা অবলম্বন করা
১ টি | ১৭৫৬-১৭৫৬
সালাতে দাঁড়ানোর সময় আল্লাহর প্রশংসা কারীকে মহান আল্লাহ পছন্দ করেন
১ টি | ১৭৫৮-১৭৫৮
যখন কোন মুসল্লী দেয়াল সামনে রেখে সালাত আদায় করবে, তখন তার মাঝে ও দেয়ালের মাঝে কী পরিমাণ ফাঁকা রাখবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৭৫৯-১৭৫৯
মানুষের জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি মসজিদের নির্দিষ্ট কোন জায়গায় সালাত আদায় করার ব্যাপারে প্রয়াসী হবেন এবং অধিকাংশ সালাত সেখানেই আদায় করবেন
১ টি | ১৭৬০-১৭৬০
সালাতে দাঁড়ানোর সময় দু‘আ করতে সচেষ্ট হওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ১৭৬১-১৭৬১
কোন ব্যক্তি তার সালাতে কত তাকবীর দিবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৭৬২-১৭৬২
যেই হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মানুষের জন্য আবশ্যক হলো প্রত্যেক উচু-নিচু করার সময় তাকবীর বলা
১ টি | ১৭৬৩-১৭৬৩
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো রুকূ‘ থেকে মাথা উঠানোর সময় ব্যতীত প্রত্যেকবার মাথা উঠানো-নোয়ানোর সময় তাকবীর দেওয়া
১ টি | ১৭৬৪-১৭৬৪
কোন ব্যক্তি কিসের মাধ্যমে সালাত শুরু করবে তার বিবরণ
১ টি | ১৭৬৫-১৭৬৫
সালাতে ডান হাতের উপর বাম হাত রাখা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে হাদীস
১ টি | ১৭৬৭-১৭৬৭
আমরা যে দু‘আর কথা উল্লেখ করলাম, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকীবর দেওয়ার পর বলতেন; আগে নয়
২ টি | ১৭৭০-১৭৭১
আমরা যে দু‘আ বর্ণনা করলাম এটি ছাড়াও অন্য দু‘আ দ্বারাও সালাত শুরু করার বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৭২-১৭৭২
আমরা যে দু‘আ বর্ণনা করলাম, এছাড়া অন্য দু‘আ দ্বারাও সালাত শুরু করার বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৭৩-১৭৭৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকবীর বলা ও কিরা‘আত বলার মাঝে চুপ থাকার সময় কী বলতেন তার বর্ণনা
১ টি | ১৭৭৫-১৭৭৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৭৭৭-১৭৭৭
“কুরআন থেকে যা তোমাদের জন্য সহজ হয়, তা তোমরা পাঠ করো” মহান আল্লাহর এই বাণীর ব্যাখ্যাকারী হাদীসসমূহ
১ টি | ১৭৭৮-১৭৭৮
মুক্তাদী ও একাকী সালাত আদায়কারী ব্যক্তির জন্য সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা ফরয হওয়া মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৭৮০-১৭৮০
মুক্তাদীর উপর ফরয হলো একাকী সালাত আদায়কারী ব্যক্তির ন্যায় সালাতে সূরা ফাতিহা পড়া ফরয মর্মে হাদীস
১ টি | ১৭৮২-১৭৮২
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য ফরয হলো সালাতের প্রত্যেক রাকাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা; এটা নয় যে, এক রাকাতে কিরা‘আত পাঠ করলে, বাকী সব রাকাতে পাঠ করার জন্য যথেষ্ট হবে
১ টি | ১৭৮৪-১৭৮৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রকাশ্য সুস্পষ্ট ঘোষনা যে, সূরা ফাতিহা পাঠ ব্যতীত কোন সালাত হয় না, এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১৭৮৮-১৭৮৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে এসব হাদীসগুলো একাকী সালাত আদায়কারীর জন্য প্রযোজ্য, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭৮৯-১৭৮৯
কোন ব্যক্তি ইমাম অথবা মুক্তাদী হয়ে সালাত আদায় করার সময় সূরা ফাতিহা পাঠ না করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৭৯০-১৭৯০
কোন ব্যক্তি ইমাম, মুক্তাদী অথবা একাকী সালাত আদায় করার সময় সূরা ফাতিহা পাঠ না করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৭৯১-১৭৯১
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৭৯৩-১৭৯৩
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ অনুচ্চ আওয়াজে পাঠ করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৭৯৫-১৭৯৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কাতাদা এই হাদীসটি আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭৯৬-১৭৯৬
সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠের সময় বিসমিল্লাহ অনুচ্চ আওয়াজে পাঠ করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৭৯৭-১৭৯৭
মানুষের জন্য বৈধ হলো উল্লেখিত জায়াগায় বিসমিল্লাহ জোরে পড়া, যদিও এখানে কোন রকম শর্ত ছাড়াই বিসমিল্লাহ আস্তে ও জোরে দুইভাবেই পড়া জায়েয
১ টি | ১৭৯৮-১৭৯৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সব সালাতে বিসমিল্লাহ জোরে পড়তেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৭৯৯-১৭৯৯
সালাতে কোন ব্যক্তির ‘আমীন’ বলা ফেরেস্তাদের ‘আমীন’ বলার সাথে মিলে গেলে তার পূর্ববর্তী সমস্ত গোনাহ করা হয়
১ টি | ১৮০১-১৮০১
মুসল্লী ব্যক্তি সূরা ফাতিহা পাঠ করতে না পারলে কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৮০৫-১৮০৫
যে ব্যক্তি ভালভাবে সূরা ফাতিহা পড়তে জানে না, তার জন্য সালাতে তাসবীহ, তাহমীদ, তাহলীল, তাকবীর প্রভৃতি বলার নির্দেশ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৮০৬-১৮০৬
যে ব্যক্তি সূরা ফাতিহা ভালভাবে পড়তে জানে না, তাকে ফার্সিতে কিরা‘আত পাঠ করার কথা যারা বলেন, তাদের কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৮০৭-১৮০৭
হাদীসে উল্লেখিত বাক্যগুলি আল্লাহর কাছে অন্যতম প্রিয় বাক্য
১ টি | ১৮০৮-১৮০৮
উত্তম বাক্য হলো চারটি, সেগুলোর যে কোন একটি দ্বারা শুরু করাতে কোন দোষ নেই এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮০৯-১৮০৯
একই রাকাতে দুই সূরা এক সাথে পড়া বৈধ
১ টি | ১৮১০-১৮১০
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সূরা ভেঙ্গে ভেঙ্গে পড়াই হয়তো মুস্তাহাব
১ টি | ১৮১১-১৮১১
কোন কারণ বশত মুসল্লীর জন্য বৈধ হলো এক রাকাতে কোন সূরার শুরুর দিক থেকে অংশবিশেষ পাঠ করা; শেষ দিক থেকে নয়
১ টি | ১৮১২-১৮১২
ফজরের সালাতে যে সব সূরা পাঠ করবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৮১৩-১৮১৩
ফজরের সালাতে কিসারে মুফাস্সাল থেকে কিরা‘আত পাঠের উপর সীমাবদ্ধ থাকা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮১৫-১৮১৫
ইমামের জন্য জুমু‘আর দিন ফজরের সালাতে নির্দিষ্ট দুটি সূরা পাঠের উপর সীমাবদ্ধ থাকা মুস্তাহাব
১ টি | ১৮১৭-১৮১৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৮১৮-১৮১৮
ফজরের সালাতের কিরা‘আত এমন সীমাবদ্ধ নয় যে, তার ব্যতিক্রম করা কোন ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১৮১৯-১৮১৯
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৮২০-১৮২০
যোহরের সালাতে কী পাঠ করতে হবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৮২১-১৮২১
যোহর ও আসরের সালাতে কী পরিমাণ কিরা‘আত পাঠ করবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৮২২-১৮২২
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যোহর ও আসরের সালাতের কিরা‘আত অনুমান করা হতো
১ টি | ১৮২৩-১৮২৩
যোহর ও আসরের সালাতের কিরা‘আতের বিবরণ
১ টি | ১৮২৪-১৮২৪
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার অতিরিক্ত তিলাওয়াত করাও বৈধ- মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮২৫-১৮২৫
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত আবূ সা‘ঈদ খুদরীর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৮২৬-১৮২৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যোহর ও আসরের সালাতের পুরো কিরা‘আত জোরে পড়তেন না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮২৭-১৮২৭
আমরা যোহরের সালাতের যে কিরাআতের কথা বর্ণনা করেছি, সেটা সূরা ফাতিহার পরে ছিল মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮২৮-১৮২৮
মাগরিবের সালাতের কিরা‘আত প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৮২৯-১৮২৯
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৮৩১-১৮৩১
মাগরিবের সালাতের কিরা‘আতের বিষয়ে আমরা যা বর্ণনা করলাম, মু্ক্তাদীদের সম্মতিতে তার চেয়ে বেশি কিরা‘আত পড়া যায়
১ টি | ১৮৩৩-১৮৩৩
মাগরিবের সালাতে কিসারে মুফাস্সালের সূরা পাঠের উপর সীমাবদ্ধ থাকা বৈধ
১ টি | ১৮৩৪-১৮৩৪
ইশার সালাতের কিরা‘আতের বিবরণ
১ টি | ১৮৩৫-১৮৩৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম তাছাড়াও অন্য সূরা ইশার সালাতে পাঠ করা বৈধ
১ টি | ১৮৩৬-১৮৩৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, উক্ত হাদীসটি আবুয যুবাইর এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনাকরী হাদীস
১ টি | ১৮৩৭-১৮৩৭
জুমার রাতের মাগরিব ও ইশার সালাতে যেসব সূরা পাঠ করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৮৩৮-১৮৩৮
মানুষ সালাতে যা কিছু পাঠ করে, তন্মধ্যে আল্লাহর কাছে অন্যতম প্রিয় হলো সূরা ফালাক পাঠ করা
১ টি | ১৮৩৯-১৮৩৯
ইমামের পিছনে মুক্তাদীর জোরে কিরা‘আত পড়ার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ১৮৪০-১৮৪০
এই হাদীসে যোহর বা আসরের যে সংশয় প্রকাশ করা হয়েছে, এটি হয়েছে আবূ আওয়ানার পক্ষ থেকে ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে নয় এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮৪৩-১৮৪৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি কাতাদা যুরারাহ বিন আওফা থেকে শ্রবণ করেননি তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৮৪৪-১৮৪৪
মুক্তাদীদের জন্য মাকরূহ হলো জোরে কিরা‘আত পড়া, যাতে ইমামের কিরা‘আতের সাথে প্রতিদ্বন্দিতা করা না হয়
১ টি | ১৮৪৬-১৮৪৬
অতঃপর লোকজন উপদেশ গ্রহণ করে। তারপর তারা কিরা‘আত পাঠ থেকে বিরত থাকে” এটি যুহরীর বক্তব্য; আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য নয়
১ টি | ১৮৪৮-১৮৪৮
যখন কোন ব্যক্তি ইমাম হবে, তখন তার জন্য বৈধ রয়েছে যে, যাতে লোকজন জামা‘আতে শামিল হতে পারে এজন্য সালাতের প্রথম রাকাত দীর্ঘায়িত করবেন
১ টি | ১৮৫১-১৮৫১
আমরা ইতিপূর্বে আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের যে ব্যাখ্যা করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ১৮৫২-১৮৫২
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো, আবূ সা‘ঈদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৮৫৩-১৮৫৩
যেই হাদীস কোন কোন শ্রোতাকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত আবূ কাতাদা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৮৫৫-১৮৫৫
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৮৫৬-১৮৫৬
রুকূ‘তে যাওয়া এবং রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন বা দুই হাত উত্তোলন করা মুস্তাহাব
২ টি | ১৮৫৭-১৮৫৮
যেসব জায়গায় রফ‘ঊল ইয়াদাইন করার কথা আমরা বর্ণনা করলাম, সেসব জায়গায় রফ‘ঊল ইয়াদাইন করার সময় হাতকে জামার আস্তিন থেকে বের করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৮৫৯-১৮৫৯
আমরা যেসব জায়গায় রফ‘ঊল ইয়াদাইন করার কথা বর্ণনা করলাম, সেসব জায়গায় কানের সীমা পর্যন্ত রফ‘ঊল ইয়াদাইন করা বৈধ
১ টি | ১৮৬০-১৮৬০
আমরা যেসব জায়গায় রফ‘ঊল ইয়াদাইন করার কথা বর্ণনা করলাম, সেসব জায়গায় কাঁধ পর্যন্ত রফ‘ঊল ইয়াদাইন করা মুস্তাহাব
২ টি | ১৮৬১-১৮৬২
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আবূ হুমাইদের হাদীসটি হয়তো ত্রুটিপূর্ণ
১ টি | ১৮৬৩-১৮৬৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কিছু সালাতের বর্ণনা, মহান আল্লাহ যেই নাবী ও তাঁর বিষয় অনুসরণের নির্দেশ দিয়েছেন
১ টি | ১৮৬৪-১৮৬৪
আমাদের উল্লেখিত মালিকের হাদীসটি সংক্ষিপ্ত, যার বিবরণ উবাইদুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণিত হাদীসে রয়েছে
১ টি | ১৮৬৫-১৮৬৫
যেই হাদীসের মাধ্যমে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি আমাদের উল্লেখিত জায়গায় রফ‘উল ইয়াদাইন না করার মর্মে দলীল গ্রহণ করে
১ টি | ১৮৬৬-১৮৬৬
আমরা মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হালহালার যে হাদীস বর্ণনা করলাম তা সংক্ষিপ্ত হাদীস, বিস্তারিত আব্দুল হামীদ বিন জা‘ফরের হাদীসে বর্ণিত হয়েছে
১ টি | ১৮৬৭-১৮৬৭
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য জরুরী হলো রুকূ‘ করা, রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন করা, যেমন সালাতের শুরুতে রফ‘উল ইয়াদাইন করা হয়
১ টি | ১৮৬৮-১৮৬৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর উম্মতকে রুকূ‘ করা, রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন করার নির্দেশ দিয়েছেন এই মর্মে হাদীস
১ টি | ১৮৬৯-১৮৬৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাতে যা আদেশ করেছেন, মালিক বিন হুরাইরিস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক তা প্রতিপালন করা মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৮৭০-১৮৭০
সালাতের দ্বিতীয় রাকাত থেকে উঠার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৮৭৩-১৮৭৩
দ্বিতীয় রাকাত থেকে উঠার সময় রফ‘উল ইয়াদাইন করা মুস্তাহাব
২ টি | ১৮৭৪-১৮৭৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, ইমাম আ‘মাশ রহিমাহুল্লাহ মুসাইয়্যিব বিন রাফি‘ রহিমাহুল্লাহ থেকে হাদীস শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৮৭৬-১৮৭৬
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৮৭৮-১৮৭৮
তাতবীক (দুই হাতকে মুষ্টিবদ্ধ করে দুই হাঁটুর মাঝে রাখা) প্রথম দিকে বৈধ ছিল, তারপর হাত দুই হাঁটুর উপর রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়
১ টি | ১৮৭৯-১৮৭৯
সালাতে মুসল্লী ব্যক্তির রুকূ‘ ও সাজদার ব্যাপ্তি সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৮৮১-১৮৮১
অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো বারা‘ বিন আযিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৮৮২-১৮৮২
যে হাদীস অপরিপক্ক ইলমের অধিকারী ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসদ্বয়ের বিপরীত
১ টি | ১৮৮৩-১৮৮৩
মুসল্লী ব্যক্তির কিছু রুকূ‘ ও সাজদার বিবরণ
১ টি | ১৮৮৪-১৮৮৪
কোন ব্যক্তি যখন কোন সালাতে ত্রুটি করে, তখন তার আমলনামায় কিছু সালাতের কমতি লিপিবদ্ধ করা হয়
২ টি | ১৮৮৬-১৮৮৭
রুকূ‘ ও সাজদার সময় পিঠ সোজা না করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৮৮৮-১৮৮৮
যে ব্যক্তি রুকূ‘ ও সাজদায় তার অঙ্গ-প্রত্যক সোজা না করে, তার সালাত জায়েয নয় মর্মে বর্ণনা
২ টি | ১৮৮৯-১৮৯০
যে ব্যক্তি রুকূ‘ ও সাজদায় পিঠ সোজা করে না, সে ফিতরাত তথা ইসলামের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্যের উপর থাকে না
১ টি | ১৮৯১-১৮৯১
রুকূ ও সাজদায় কুরআন পাঠ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৮৯২-১৮৯২
মুসল্লী ব্যক্তির রুকূ ও সাজদায় কুরআন পাঠ করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৮৯৩-১৮৯৩
মুসল্লী ব্যক্তি তার সালাতে কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৮৯৪-১৮৯৪
মুসল্লী ব্যক্তিকে রুকূ‘তে ও সাজদাতে আল্লাহর জন্য তাসবীহ বা পবিত্রতা পাঠ করার নির্দেশ
১ টি | ১৮৯৫-১৮৯৫
রুকূ‘তে তৃতীয় আরেকটি তাসবীহ পাঠের বৈধতা প্রসঙ্গে আলোচনা
১ টি | ১৮৯৬-১৮৯৬
রুকূ ও সাজদায় মহান আল্লাহর বড়ত্ব ঘোষনা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
১ টি | ১৮৯৭-১৮৯৭
মানুষের জন্য বৈধ আছে যে, তিনি রুকূ‘র দু‘আতে জীবনের সমস্ত বিষয়কে আল্লাহর প্রতি সোপর্দ করবে
১ টি | ১৮৯৮-১৮৯৮
রুকূ থেকে মাথা উত্তোলন করে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ধীরস্থিরভাবে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৮৯৯-১৮৯৯
মুসল্লী ব্যক্তি সালাতে রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করে আল্লাহর কী প্রশংসা করবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৯০০-১৯০০
আমরা যা বর্ণনা করলাম তা ফরয সালাতে পড়া জায়েয এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯০১-১৯০১
আমরা যে জায়গার কথা বর্ণনা করলাম, সেসব জায়গায় আল্লাহর প্রশংসা করার সময় তাঁর উপর জীবনের সবকিছু সোপর্দ করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৯০২-১৯০২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি সা‘ঈদ বিন আব্দুল আযীয এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯০৩-১৯০৩
রুকূ‘ থেকে মাথা উত্তোলন করার সময় কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৯০৪-১৯০৪
আমরা যেসব দু‘আ-যিকির উল্লেখ করলাম, সেখানে الْوَاوِ (আর বা এবং) বিলুপ্ত করাও বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯০৬-১৯০৬
মুসল্লী ব্যক্তিকে সাজদায় চেহারা মাটিতে রাখার নির্দেশ কেননা এটি আল্লাহর প্রতি বিনীত হওয়া প্রকাশ করে
১ টি | ১৯১০-১৯১০
মুসল্লী ব্যক্তিকে হাতের তালূর উপর ভর করে সাজদা করার নির্দেশ, কেননা চেহারা যেমন সাজদা করে অনুরুপভাবে অন্যান্য অঙ্গগুলোও সাজদা করে
১ টি | ১৯১১-১৯১১
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো হাতের তালূর উপর ভর করে সাজদা করা
১ টি | ১৯১২-১৯১২
সাজদা করার সময় হাতের কনুইকে জমিন থেকে উঠিয়ে রাখার নির্দেশ
১ টি | ১৯১৩-১৯১৩
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো সাজদার সময় হাতকে দুই পার্শ্ব থেকে এমন ফাঁকা রাখা, যাতে তার বগলের শুভ্রতা পরিলক্ষিত হয়
১ টি | ১৯১৬-১৯১৬
সাজদার সময় হাতের আঙ্গুলগুলিকে একত্রিত রাখা মুস্তাহাব
১ টি | ১৯১৭-১৯১৭
যখন কোন ব্যক্তি সাজদা করে, তখন তার সাথে সাতটি অঙ্গ সাজদা করে
১ টি | ১৯১৮-১৯১৮
যে কোন ব্যক্তি সাজদা করার ইচ্ছা করে, তাকে সাত অঙ্গের মাধ্যমে সাজদা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৯২০-১৯২০
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি আমর বিন দীনার ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯২১-১৯২১
যেই সাত অঙ্গের উপর সাজদা করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার বর্ণনা
১ টি | ১৯২২-১৯২২
মুসল্লী ব্যক্তিকে সোজাভাবে সাজদা করার নির্দেশ
২ টি | ১৯২৩-১৯২৪
দু‘আ ও সাজদা করার ব্যাপারে আগ্রহী হওয়া কেননা এই সময়ে বান্দা তার প্রভুর নিকটবর্তী হয়
১ টি | ১৯২৫-১৯২৫
মুসল্লী ব্যক্তি তার সালাতের সাজদায় যে তাসবীহ পাঠ করবে তার বিবরণ
১ টি | ১৯২৭-১৯২৭
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে যে সে সাজদায় তার গোনাহ মাফের জন্য মহান আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করবে
১ টি | ১৯২৮-১৯২৮
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো সাজদায় আল্লাহর সন্তুষ্টির মাধ্যমে তাঁর অসন্তুষ্টি থেকে আশ্রয় চাওয়া
১ টি | ১৯২৯-১৯২৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি হয়তো উবাইদুল্লাহ বিন উমার এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯৩০-১৯৩০
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের সাজদা থেকে মাথা উত্তোলন করার পর দাঁড়ানোর আগে বসা
১ টি | ১৯৩১-১৯৩১
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো সালাতের প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করা আর শেষ দুই রাকাত তুলনামূলক হালকা করা
১ টি | ১৯৩৪-১৯৩৪
সালাতের প্রথম তাশাহহুদে বসা ফরয নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৩৫-১৯৩৫
সালাতের প্রথম তাশাহহুদ মুসল্লীর উপর ফরয নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৩৬-১৯৩৬
সালাতের প্রথম তাশাহহুদ মুসল্লীর উপর ফরয নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ১৯৩৭-১৯৩৭
সালাতের প্রথম তাশাহহুদ মুসল্লীর উপর ফরয নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৩৮-১৯৩৮
মুসল্লী ব্যক্তির তাশাহহুদে দুই উরুর উপর হাত রাখা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৯৩৯-১৯৩৯
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো তাশাহহুদে বাম উরু ও হাঁটুর উপর বাম হাত রাখা অনুরুপভাবে ডান উরু ও হাঁটুর উপর ডান হাত রাখা
১ টি | ১৯৪০-১৯৪০
তাশাহহুদে মুসল্লী ব্যক্তি তার আঙ্গুলগুলিকে কিভাবে রাখবে তার বিবরণ
১ টি | ১৯৪১-১৯৪১
উল্লেখিত জায়গায় যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তর্জনীর মাধ্যমে ইশারা করতেন
১ টি | ১৯৪২-১৯৪২
তর্জনীর মাধ্যমে ইশারা করার সময় তর্জনীকে কিছুটা হেলানো মু্স্তাহাব
১ টি | ১৯৪৩-১৯৪৩
তর্জনীর মাধ্যমে ইশারা কিবলার দিকে হওয়া জরুরী
১ টি | ১৯৪৪-১৯৪৪
মুসল্লী ব্যক্তি সালাতে যে তাশাহহুদ পাঠ করে তার বিবরণ
১ টি | ১৯৪৫-১৯৪৫
সালাতের বৈঠকে তাশাহহুদ পাঠ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৯৪৬-১৯৪৬
মুসল্লী ব্যক্তি সালাতের কোন তাশাহহুদ পাঠ করবে তার বিবরণ
২ টি | ১৯৪৭-১৯৪৮
আমরা যে তাশাহহুদ বর্ণনা করলাম, সালাতে সেটা ছাড়া অন্য তাশাহহুদ পড়া বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৪৯-১৯৪৯
দ্বিতীয় প্রকারের তাশাহহুদ পাঠ করার নির্দেশ, কেননা উভয় প্রকার তাশাহহুদের যে শব্দগত ভিন্নতা, সেটি বৈধ
১ টি | ১৯৫০-১৯৫০
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত সা‘ঈদ বিন যুবাইরের হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৫৭৪-১৫৭৪
আমরা যে কারণ বর্ণনা করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৫৭৬-১৫৭৬
যেই হাদীস ইলমে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে নিপতিত করে যে, ছুটে যাওয়া সালাত হয়তো সূর্য উদয়ের সময় আদায় করা যাবে না যতক্ষন না সূর্য শুভ্র হয়ে প্রকাশিত না হয়
১ টি | ১৫৭৭-১৫৭৭
আমরা যেই সালাতের বর্ণনা দিলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সালাত সময় অতিক্রান্ত হওয়ার পর আযান ও ইকামাত দিয়ে আদায় করেছেন
১ টি | ১৫৭৮-১৫৭৮
যে ব্যক্তি সূর্য উদয়ের আগে এক রাকাত সালাত পায়, সে তার সাথে আরেক রাকাত পড়ে নিবে; এই অবস্থায় সে সালাতকে নষ্ট করবে না
১ টি | ১৫৭৯-১৫৭৯
সূর্য অস্ত যাওয়ার আগে কোন ব্যক্তি এক রাকাত পেলে সে ব্যক্তি আসরের সালাত পেয়েছে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৫৮১-১৫৮১
যে বক্তি সূর্য উদয়ের আগে এক রাকাত পায় এবং সূর্য উদয়ের পর এক রাকাত সালাত পায়, সে ব্যক্তি এর মাধ্যমে ফজরের সালাত পেয়ে যায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৫৮৩-১৫৮৩
যে ব্যক্তি সূর্য উদিত হওয়ার আগে ফজরের এক রাকাত পায়, তার জন্য আবশ্যক হলো সূর্য উদিত হওয়ার পর অবিচ্ছিন্নভাবে তার সালাত পূর্ণ করা; সে সালাতকে ছেড়ে দিবে না
১ টি | ১৫৮৪-১৫৮৪
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সুবহে সাদিক উদিত হবে, তখন ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত ব্যতীত আর কোন সালাত আদায় করবে না
১ টি | ১৫৮৫-১৫৮৫
মাগরিবের আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক নির্দেশ
১ টি | ১৫৮৬-১৫৮৬
সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপস্থিতিতে মাগরিবের আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করতেন, কিন্তু তিনি কোন প্রতিবাদ করেননি
১ টি | ১৫৮৭-১৫৮৭
(৫) দুই সালাত এক সাথে আদায় করা
১ টি | ১৫৮৮-১৫৮৮
মুসাফির ব্যক্তি যোহর ও আসরের সালাত এক সাথে আদায় করতে চাইলে কিভাবে আদায় করবে তার বর্ণনা
১ টি | ১৫৯০-১৫৯০
মুসাফির ব্যক্তি মাগরিব ও ইশার সালাত একসাথে আদায় করতে চাইলে কিভাবে আদায় করবে তার বিবরণ
১ টি | ১৫৯১-১৫৯১
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মুকীম অবস্থায় কোন রকম ওজর ছাড়াই দুই সালাত এক সাথে আদায় করা যায়
১ টি | ১৫৯৪-১৫৯৪
যেসব জায়গায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এরকম করতেন
১ টি | ১৫৯৫-১৫৯৫
(৬) সালাত আদায়ের জায়গাসমূহের বিবরণ
১ টি | ১৫৯৬-১৫৯৬
দুনিয়াতে সর্বোত্তম জায়গা হলো মসজিদ এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৫৯৭-১৫৯৭
আল্লাহর নিকট প্রিয় জায়গা হলো মসজিদ এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৫৯৮-১৫৯৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মদীনায় আগমনের সময় মুসলিমদের কর্তৃক মসজিদে নববী নির্মাণ করার বর্ণনা
১ টি | ১৫৯৯-১৫৯৯
মন্দির ও গির্জার জায়গায় মুসলিমদের মসজিদ নির্মাণ করা বৈধ
১ টি | ১৬০০-১৬০০
যেই মসজিদের ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, তা তাকওয়ার উপর স্থাপিত হয়েছে, সেটি হলো মদীনার মসজিদ
১ টি | ১৬০২-১৬০২
ইলমে হাদীসে যিনি মজবূত ইলম অর্জন করেননি, তিনি যেই হাদীসের মাধ্যমে এই সংশয়ে নিপতিত হন যে, রবী‘আহ বিন উসমানের হাদীসটি হয়তো ত্রুটিযুক্ত
১ টি | ১৬০৪-১৬০৪
সালাত এবং ভাল কাজের জন্য মসজিদকে অবস্থানের জায়গা বানিয়ে নেওয়া ব্যক্তির প্রতি আল্লাহর দয়ার দৃষ্টিদান প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৬০৫-১৬০৫
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মসজিদ নির্মাণ করবে, মহান আল্লাহ জান্নাতে তার জন্য একটি প্রাসাদ তৈরি করবেন
১ টি | ১৬০৬-১৬০৬
যে ব্যক্তি দুনিয়াতে মসজিদ নির্মাণ করবে চাই সেটা ছোট হোক অথবা বড় হোক, তবে মহান আল্লাহ জান্নাতে তার জন্য অনুরুপ একটি প্রাসাদ তৈরি করবেন
১ টি | ১৬০৭-১৬০৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৬০৯-১৬০৯
কোন ব্যক্তি মা‘যূর হলে তার জন্য বৈধ আছে, সে সালাত আদায় করার জন্য বাড়িতে একটি জায়গা নির্ধারণ করবে
১ টি | ১৬১০-১৬১০
মসজিদ নির্মাণ নিয়ে গর্ব করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৬১১-১৬১১
যে কারণে এমন করার ব্যাপারে ধমকী দেওয়া হয়েছে
২ টি | ১৬১২-১৬১৩
যেসব মসজিদে সফর করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৬১৪-১৬১৪
উল্লেখিত সংখ্যা ছাড়া অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উদ্দেশ্য ছিল না এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬১৫-১৬১৫
যে হাদীস কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে নিপতিত করে যে, উল্লেখিত তিন মসজিদ ব্যতীত অন্য কোন মসজিদের দিকে সফর করার জন্য বাহন প্রস্তুত করা জায়েয নেই
১ টি | ১৬১৭-১৬১৭
মসজিদে নববীতে সালাত আদায় করার চেয়ে মসজিদে হারামে সালাত আদায় করা একশ গুণ সাওয়াব বেশি
২ টি | ১৬১৮-১৬১৯
অন্যান্য মসজিদে সালাত আদায় করার চেয়ে মসজিদে নববীতে সালাত আদায় করা একশ গুণ সাওয়াব বেশি
১ টি | ১৬২২-১৬২২
পূর্বের হাদীসে উল্লেখিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নয় এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬২৩-১৬২৩
যেই মসজিদের ব্যাপারে বলা হয়েছে যে, তা তাকওয়ার উপর স্থাপিত হয়েছে, সেটি হলো মদীনার মসজিদ
১ টি | ১৬২৪-১৬২৪
মসজিদে কুবায় সালাত আদায় করলে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তাকে একটি উমরার সাওয়াব দান করেন
১ টি | ১৬২৫-১৬২৫
বিভিন্ন অবস্থায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক অধিক পরিমাণে মসজিদে কুবায় গমন প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৬২৬-১৬২৬
যে ব্যক্তি কুবা মসজিদে গমন করতে চায়, তার জন্য যেই দিনে কুবা মসজিদে গমন করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৬২৭-১৬২৭
মসজিদে কুবায় সালাত আদায় করার জন্য গমন করা মুস্তাহাব
১ টি | ১৬২৮-১৬২৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৬২৯-১৬২৯
যেই হাদীস বাহ্যিকভাবে পূর্বে উল্লেখিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ১৬৩০-১৬৩০
যে ব্যক্তি মসজিদে আকসায় সালাত আদায় করে, আশা করা যায়, তিনি মসজিদ থেকে বের হবেন ঐ দিনের মত নিষ্পাপ অবস্থায়, যেদিন তার মা তাকে জন্ম দিয়েছিল
১ টি | ১৬৩১-১৬৩১
মসজিদ পবিত্র ও পরিস্কার করার নির্দেশ
১ টি | ১৬৩২-১৬৩২
মসজিদে কফ ফেলে তা না মিটিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ধমকী
১ টি | ১৬৩৩-১৬৩৩
যে ব্যক্তি মসজিদের কিবলার দিকে থুথু ফেলে, সে মহান আল্লাহকে কষ্ট দেয়, এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬৩৪-১৬৩৪
যে ব্যক্তি মসজিদে থুথু ফেলে, এজন্য তার যে পাপ লিখা হয়, তা মোচন হওয়া সংক্রান্ত হাদীস
১ টি | ১৬৩৫-১৬৩৫
যে ব্যক্তি কিবলার দিকে থুথু ফেলবে, কিয়ামতের দিন সে এমনভাবে উপস্থিত হবে যে তার মুখে থুথু থাকবে
১ টি | ১৬৩৬-১৬৩৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “থুথু তার মুখে থাকবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো থুথু তার দুই চোখের মাঝখানে থাকবে
১ টি | ১৬৩৭-১৬৩৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছে যখন তার উম্মতের আমল পেশ করা হয়, তখন তাকে নগণ্য পাপের কাজগুলো দেখানো হয়, আবার বড় গোনাহের কাজগুলোও দেখানো হয়
১ টি | ১৬৩৯-১৬৩৯
যে ব্যক্তি মসজিদে কফ দেখে তা মাটিতে পুতে ফেলে তার মহান আল্লাহ সাদাকাহ করার সাওয়াব লিখে অনুগ্রহ করেন
১ টি | ১৬৪০-১৬৪০
যে ব্যক্তি অপ্রীতিকর গাছ (পেয়াজ-রসূন) ভক্ষন করবে, তার তিন দিন মসজিদে উপস্থিত হওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৬৪১-১৬৪১
রসূন, পেয়াজ ও পলাণ্ডু (পেয়াজ জাতীয় সবজি) ভক্ষনকারী এসবের গন্ধ দূর না হওয়া পর্যন্ত মসজিদে গমন করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
২ টি | ১৬৪২-১৬৪৩
এই বক্তব্যের ব্যাখ্যা যেখানে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন "আমাদের মজলিসে", এর দ্বারা তিনি "আমাদের মসজিদ" বোঝাতে চেয়েছেন
১ টি | ১৬৪৪-১৬৪৪
যে ব্যক্তি তীর নিয়ে মসজিদে গমন করবে, সে যেন তীরের ফলক ধরে গমন করে
১ টি | ১৬৪৫-১৬৪৫
যে কারণে এই নির্দেশ করা হয়েছে
১ টি | ১৬৪৭-১৬৪৭
মসজিদে ক্রয়-বিক্রয় করার ব্যাপারে হুশিয়ারী, কেননা ক্রয়-বিক্রয়ে প্রায় অসার কথাবার্তা হয়ে থাকে
১ টি | ১৬৪৮-১৬৪৮
যে কোন একটি মসজিদে ইলম শিক্ষা করা বা কোন কিছুর অধ্যয়ন করতে চাইলে এক সাথে সমবেত না হয়ে ভিন্ন ভিন্ন দলে বিভক্ত হওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ১৬৫২-১৬৫২
মসজিদে মহিলাদের জন্য তাবূ স্থাপন করা জায়েয
১ টি | ১৬৫৩-১৬৫৩
অবিবাহিত ব্যক্তিদের জন্য জায়েয আছে, জামা‘আত হয় এমন মসজিদে ঘুমানো
১ টি | ১৬৫৪-১৬৫৪
মসজিদে রুটি গোশত খাওয়া বৈধ
১ টি | ১৬৫৫-১৬৫৫
(৭) আযান
১ টি | ১৬৫৬-১৬৫৬
আযান দেওয়ার জন্য প্রয়োজনে লটারী করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধকরণ
১ টি | ১৬৫৭-১৬৫৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো নিয়মিত আযান দেওয়া বিশেষত যখন সে পাহাড়ের চূড়ায় অথবা উপত্যকার পাদদেশে থাকে- এই ব্যাপারে হাদীস
১ টি | ১৬৫৮-১৬৫৮
দুনিয়ার আযান দেওয়ার জন্য কিয়ামতের দিন জিন, ইনসান ও সমস্ত জিনিস মুয়ায্যিনের পক্ষে সাক্ষ্য দিবে
১ টি | ১৬৫৯-১৬৫৯
আযান ও ইকামতের সময় শয়তান দুরে সরে যায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৬৬০-১৬৬০
শয়তান যখন আযানের সময় দুরে সরে যায়, তখন সে এতো দুরে যায় যেখানে সে আর আযান শুনতে পায় না
১ টি | ১৬৬১-১৬৬১
ইকামতের সময় শয়তান কী পরিমাণ দুরে সরে যায় তার বর্ণনা
১ টি | ১৬৬২-১৬৬২
তাকবীর বলার মাধ্যমে মুয়ায্যিনের জন্য স্বভাবজাত বৈশিষ্ট সাব্যস্তকরণ এবং আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দেওয়ার জন্য জাহান্নাম থেকে বের হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৬৬৩-১৬৬৩
মুয়ায্যিন ব্যক্তির আযানের আওয়াজ যতদূর পর্যন্ত পৌঁছবে ততদূর পর্যন্ত তাকে ক্ষমা করা হয়
১ টি | ১৬৬৪-১৬৬৪
মহান আল্লাহ মুয়ায্যিনকে ক্ষমা করে দিবেন এবং তাকে জান্নাতে প্রবেশ করাবেন, যখন সে ইয়াকীন বা দৃঢ় বিশ্বাসের সাথে আযান দিবে
১ টি | ১৬৬৫-১৬৬৫
মুয়ায্যিন ব্যক্তির আযান শুনে যারা সালাত আদায় করবে, মুয়ায্যিনের জন্য তাদের সমপরিমাণ সাওয়াব হবে মর্মে হাদীস
১ টি | ১৬৬৬-১৬৬৬
দুনিয়াতে আযান দেওয়ার কারণে কিয়ামতের দিন দীর্ঘ সাওয়াবের প্রত্যাশা
১ টি | ১৬৬৭-১৬৬৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি কেবল মু‘আবিয়া বিন আবূ সুফিয়ান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৬৬৮-১৬৬৮
মুয়ায্যিনের জন্য আল্লাহর ক্ষমা সাব্যস্তকরণ
১ টি | ১৬৬৯-১৬৬৯
মুয়ায্যিনের আযান দেওয়ার জন্য ক্ষমা প্রাপ্তি সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ১৬৭০-১৬৭০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামানায় সালাতের জন্য ইকামত কেমন ছিল তার বর্ণনা
২ টি | ১৬৭২-১৬৭৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সাহাবীদেরকে তাশাহ্হুদ শিক্ষা দেওয়ার আগে তাঁরা যা পড়তেন তার বিবরণ
১ টি | ১৯৫২-১৯৫২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাত বা দরুদ পাঠ করার আগে যে সালাম পেশ করতে হয় তার বিবরণ
১ টি | ১৯৫৩-১৯৫৩
আমরা যে সালামের বর্ণনা পেশ করলাম, তারপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাত বা দরুদ পাঠ করার বিবরণ
১ টি | ১৯৫৪-১৯৫৪
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, কিভাবে তাশাহ্হুদের সময় তাঁর উপর সালাত বা দরুদ পেশ করবে
১ টি | ১৯৫৬-১৯৫৬
সালাতের তাশাহ্হুদের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাত বা দরুদ পাঠ করার জন্য লোকদের নির্দেশ প্রদান করা হয়েছে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৫৭-১৯৫৭
যে হাদীস, হাদীস শাস্ত্রে অপরিপক্ক ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, তাশাহ্হুদে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর সালাত পেশ করা হয়তো ফরয নয়
১ টি | ১৯৫৮-১৯৫৮
উল্লেখিত বাক্যটি মাহফূয বা সহীহ নয় মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৯৬০-১৯৬০
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি সালাত পেশ করার নির্দেশ ও সালাত পেশ করার পদ্ধতির বর্ণনা
১ টি | ১৯৬১-১৯৬১
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের প্রতি দ্বিতীয় প্রকারের সালাত বা দরুদ পেশ করার নির্দেশ কেননা উভয় দরুদের শব্দগত বিভিন্নতা বৈধ
১ টি | ১৯৬২-১৯৬২
যে ব্যক্তি তাশাহ্হুদ পড়া শেষ করবে, তাকে সালাম ফেরানোর আগেই চারটি জিনিস থেকে আশ্রয় চাওয়ার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৯৬৪-১৯৬৪
সালাতের যে স্থানে আল্লাহর কাছে দু‘আ করলে, দু‘আকারী যা চাইবে, তা প্রদান করা হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৬৭-১৯৬৭
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য জায়েয রয়েছে, কুর‘আন বর্হিভূত দু‘আ করা
১ টি | ১৯৬৮-১৯৬৮
সালাতে কুরআন বহির্ভুত দু‘আ করা বৈধ, যদিও তাতে মানুষের নাম থাকে
১ টি | ১৯৬৯-১৯৬৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সালাতে কোন ব্যক্তি কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ পড়লে, তার সালাত বাতিল হয়ে যাবে- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৯৭০-১৯৭০
সালাতে কোন ব্যক্তি কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ পড়া বৈধ
১ টি | ১৯৭১-১৯৭১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ করলে সালাত বিনষ্ট হয়ে যায়, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯৭২-১৯৭২
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সালাতে কোন ব্যক্তি কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ পড়লে, তার সালাত বাতিল হয়ে যাবে- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৯৭৩-১৯৭৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সালাতে কোন ব্যক্তি কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ পড়লে, তার সালাত বাতিল হয়ে যাবে- তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৯৭৪-১৯৭৪
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফরয সালাতে পাঠ করতেন
১ টি | ১৯৭৫-১৯৭৫
সালাতে কুর‘আন বহির্ভুত দু‘আ পড়া বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৭৬-১৯৭৬
(১১) কুনূত প্রসঙ্গে
১ টি | ১৯৭৭-১৯৭৭
মুসল্লী ব্যক্তি সালাতের যে জায়গায় কুনূত পড়বেন তার বর্ণনা
১ টি | ১৯৭৮-১৯৭৮
বিভিন্ন সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কুনূতের বিবরণ
১ টি | ১৯৭৯-১৯৭৯
সালাতে কুরআন বহির্ভুত দু‘আ করা বৈধ, যদিও তাতে মানুষের নাম থাকে
১ টি | ১৯৮০-১৯৮০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯৮১-১৯৮১
সালাতে আমরা যে কুনূতের কথা বর্ণনা করলাম, পরবর্তীতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তা ছেড়ে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৮২-১৯৮২
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, দুর্যোগের সময় কারো জন্যই আদৌ কুনূত পড়া জায়েয নেই
১ টি | ১৯৮৪-১৯৮৪
যে ব্যক্তি মনে করে যে এই হাদীসটি সালিম থেকে ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ১৯৮৫-১৯৮৫
বিভিন্ন সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক কুনূতে নাযেলাহ পাঠ না করা মর্মে বর্ণনা
১ টি | ১৯৮৬-১৯৮৬
মুসল্লী ব্যক্তির সালাম ফেরানোর মাধ্যমে সালাত শেষ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ১৯৮৭-১৯৮৭
মুসল্লী ব্যক্তি সালাত শেষ করতে চাইলে কিভাবে সালাম ফেরাবে, তার বর্ণনা
১ টি | ১৯৮৮-১৯৮৮
মুসল্লী ব্যক্তি যে সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করবে, তার বর্ণনা
১ টি | ১৯৮৯-১৯৮৯
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ১৯৯১-১৯৯১
সালাত শেষে মুখ ফিরানোর বিবরণ
১ টি | ১৯৯৩-১৯৯৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যুগপৎভাবে ডান-বামে দুই দিক থেকেই মুখ ঘুরে বসতেন
১ টি | ১৯৯৫-১৯৯৫
যে কারণের কারণে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর বাম দিকে ঘুরে বসতেন, সে বিষয়ে আলোচনা।
১ টি | ১৯৯৬-১৯৯৬
মুসল্লী ব্যক্তি সালাম ফিরানোর পর কী বলবে, তার বিবরণ
১ টি | ১৯৯৭-১৯৯৭
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি আসিম আল আহওয়াল এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ১৯৯৮-১৯৯৮
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আসিম আল আহওয়ালের হাদীস হয়তো ত্রুটিযুক্ত
১ টি | ১৯৯৯-১৯৯৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উল্লেখিত যিকিরগুলো সালাম ফিরিয়ে নির্দিষ্ট সংখ্যায় ইস্তিগফার পাঠ করার পর করবেন
১ টি | ২০০০-২০০০
মুসল্লী ব্যক্তি সালাত শেষে যে তাহলীল পাঠ করবে, তার বিবরণ
১ টি | ২০০২-২০০২
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমল করতেন মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২০০৩-২০০৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে হাদীসটি ওয়ার্রাদ থেকে ইমাম শা‘বী ও মুসাইয়্যিব বিন রাফে‘ ব্যতীত আর কেউ বর্ণনা করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
২ টি | ২০০৪-২০০৪
আরেক প্রকার তাহলীলের বর্ণনা যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম প্রত্যেক সালাতের পর বলতেন
১ টি | ২০০৫-২০০৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হিশাম বিন উরওয়া আবুয যুবাইর থেকে কোন হাদীস শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২০০৬-২০০৬
এই হাদীসটি আবুয যুবাইর ইবনুয যুবাইর থেকে শ্রবণ করেছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০০৭-২০০৭
সালাতের পর নির্দিষ্ট সংখ্যায় তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর পাঠ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২০০৮-২০০৮
আমরা যে তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীরের কথা বর্ণনা করলাম, তা সালাতের পর পড়বে; সালাতের মধ্যে নয়- এই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০০৯-২০০৯
যে ব্যক্তি সালাতের পর নির্দিষ্ট সংখ্যায় তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর পাঠ করবে, তার কী পরিমাণ গোনাহ ক্ষমা করা হবে, তার বিবরণ
১ টি | ২০১০-২০১০
আমরা যে তাহমীদ, তাসবীহ ও তাকবীরের কথা বর্ণনা করলাম, তার শেষে আল্লাহর একত্ববাদের সাক্ষ্য দিবে, যাতে ১০০ সংখ্যা পূর্ণ হয়
১ টি | ২০১২-২০১২
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা কোন ব্যক্তি ফরয সালাতের পর পাঠ করলে, তার পূর্বের মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০১৩-২০১৩
তাসবীহ, তাকবীর ও তাহমীদের সাথে তাহলীলও পাঠ করা, যাতে (১০০ পূর্ণ করতে) প্রত্যেকটি ২৫ বার পাঠ করা হয়- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ২০১৪-২০১৪
আমরা যেসব তাসবীহ, তাহমীদ ও তাকবীর বর্ণনা করলাম, এগুলি সালাতের পর পঠিতব্য এমন কিছু যিকির, যা পাঠকারী ব্যক্তি ব্যর্থ হয় না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০১৬-২০১৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ফরয সালাতের পর আল্লাহর কাছে তাঁর যিকির, তাঁর শুকরিয়া আদায় ও তাঁর উত্তম ইবাদত করতে পারার জন্য তাঁর সাহায্য কামনা করা
১ টি | ২০১৭-২০১৭
ফরয সালাতের পর আল্লাহর কাছে তাঁর যিকির, তাঁর শুকরিয়া আদায় ও তাঁর উত্তম ইবাদত করতে পারার জন্য তাঁর কাছে সাহায্য কামনা করার নির্দেশ
১ টি | ২০১৮-২০১৮
ফজর ও মাগরিবের সালাতের পর যা পাঠ করলে চারজন দাস মুক্তি করার সমান সাওয়াব পাওয়া যায় এবং সে ব্যক্তি শয়তান থেকে নিরাপত্তা লাভ করে মর্মে বর্ণনা
২ টি | ২০২০-২০২১
সালাতের পর একজন ব্যক্তি কোন কোন বিষয় থেকে আশ্রয় চাইবে, তার বিবরণ
১ টি | ২০২২-২০২২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সালাতের পর মহান আল্লাহ যেন অনুগ্রহ করে তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ২০২৩-২০২৩
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সালাতের পর দ্বীন ও দুনিয়ার কল্যাণ চাওয়া
১ টি | ২০২৪-২০২৪
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আল্লাহর শত্রুদের সাথে যুদ্ধের ক্ষেত্রে সালাতের পর দুআয় আল্লাহর কাছে সাহায্য চাওয়া
১ টি | ২০২৫-২০২৫
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ফজরের সালাতের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত সেই স্থানে বসে থাকা
১ টি | ২০২৬-২০২৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো ফজরের সালাতের পর সূর্য উদয় হওয়া পর্যন্ত তার সালাত আদায়ের স্থানে বসে থাকা
১ টি | ২০২৭-২০২৭
ইশার সালাতের পর আখেরাতের জন্য উপকারী নয় এমন বিষয়ে গল্প করার ব্যাপারে হুশিয়ারী সম্পর্কিত হাদীস
২ টি | ২০২৮-২০২৯
যাদের লাঠি রাতে আলো দিচ্ছিল সেখানে উসাইদ বিন হুযাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সাথে যে আনসারী সাহাবী ছিলেন তার নামের বর্ণনা
১ টি | ২০৩০-২০৩০
ইশার সালাতের পর গল্প করা করার ব্যাপারে যে ধমকী দেওয়া হয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য ইলমী বিষয়ে আলাপ-আলোচনা নয় এই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২০৩১-২০৩১
ইশার সালাতের পর মুসলিমদের জন্য উপকারী কোন বিষয়ে আলাপ আলোচনা করা বৈধ মর্মে স্পষ্ট হাদীস
১ টি | ২০৩২-২০৩২
ইশার সালাতের আগে পরকালের জন্য উপকারী বিষয়ে আলোচনা করা যায় এবং সেজন্য ইশার সালাত বিলম্ব করা যায়
১ টি | ২০৩৩-২০৩৩
সকাল সন্ধায় মসজিদে গমনকারীর জন্য মহান আল্লাহ জান্নাতে আপ্যায়ন প্রস্তুত করেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৩৫-২০৩৫
কোন ব্যক্তি ফরয সালাত আদায় করার নিয়তে বাড়ি থেকে বের হলে, মহান আল্লাহ তাকে বাড়িতে না ফেরা পর্যন্ত সালাত আদায়কারী হিসেবে লিখে দেন
১ টি | ২০৩৬-২০৩৬
যে ব্যক্তি সালাত আদায় করতে আসে, সে ব্যক্তি বাড়ি না ফেরা পর্যন্ত তার পদক্ষেপের জন্য গোনাহ মোচন করা হয় এবং মর্যাদা সমুন্নত করা হয়
১ টি | ২০৩৭-২০৩৭
মসজিদ থেকে যার বাড়ি দুরবর্তী হয়, তাকে মহান আল্লাহ এমন সাওয়াব দেন, যা মসজিদের নিকটবর্তী ব্যক্তিকে দেন না
১ টি | ২০৩৮-২০৩৮
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন “তুমি যে সাওয়াবের প্রত্যাশা করেছো, আল্লাহ তোমাকে সব কিছুর সাওয়াব দিয়েছেন”
১ টি | ২০৩৯-২০৩৯
মসজিদে গমনকারী ব্যক্তির এক পদক্ষেপের কারণে তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি পায় আরেক পদক্ষেপের কারণে তার একটি পাপ মোচন হয়
১ টি | ২০৪২-২০৪২
মসজিদে গমনকারী ব্যক্তির এক পদক্ষেপের কারণে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তার একটি মর্যাদা বৃদ্ধি করে দেন
১ টি | ২০৪৩-২০৪৩
মসজিদে প্রবেশকারীকে আল্লাহর রহমাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২০৪৬-২০৪৬
মসজিদ থেকে বের হওয়ার সময় বিতাড়িত শয়তান থেকে আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২০৪৮-২০৪৮
একাকী সালাত আদায়কারীর চেয়ে জামা‘আতে সালাত আদায়কারীর সালাতের সাওয়াব ২৫ গুণ বেশি হওয়া মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৪৯-২০৪৯
জামা‘আতে সালাত আদায়কারী ব্যক্তি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের সাওয়াবের চেয়ে বেশি সাওয়াব পায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৫০-২০৫০
একাকী সালাত কারীর উপর জামা‘আতে সালাত আদায় করার ফযীলত
১ টি | ২০৫১-২০৫১
উল্লেখিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২০৫২-২০৫২
যে ব্যক্তি ইশা ও ফজরের সালাত জামা‘আতে আদায় করবে, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তাকে পুরো রাত কিয়ামুল লাইল তথা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার সাওয়াব লিখে দিবেন
১ টি | ২০৫৫-২০৫৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি মুআম্মাল বিন ইসমাঈল এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২০৫৬-২০৫৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি সুফিয়ান সাওরী এককভাবে মারফূ‘ সূত্রে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২০৫৭-২০৫৭
ফজর ও আসরের সালাত জামা‘আতে আদায়কারীর জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৫৮-২০৫৮
(১৩) জামা‘আতে সালাত আদায় করা ফরয এবং যে সব কারণে জামা‘আত তরক করা যায়
২ টি | ২০৫৯-২০৬০
দ্বিতীয় কারণ হলো মাগরিবের সালাতের সময় খাবার উপস্থিত হলে
১ টি | ২০৬৩-২০৬৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য “রাতের খাবার খেতে তাড়াহুড়া করবে না” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যখন কোন ব্যক্তির কাছে খাবার পরিবেশন করা হয়
১ টি | ২০৬৪-২০৬৪
রাতের খাবার উপস্থিত হলে জামা‘আত তরক করা জরুরী হয়, যখন কোন ব্যক্তি সিয়ামরত অবস্থায় থাকে অথবা কারো যদি খাদ্যের প্রতি প্রচন্ড আগ্রহ থাকে, এতে সে কষ্ট পায়
১ টি | ২০৬৫-২০৬৫
জামা‘আত তরক করার তৃতীয় কারণ ‘ভুলে যাওয়া’, যেই অবস্থা কোন কোন সময় মানুষের উপর আরোপিত হয়
১ টি | ২০৬৬-২০৬৬
চতুর্থ কারণ অতিরিক্ত স্থূল হওয়া, যার কারণে কোন ব্যক্তি জামা‘আতে উপস্থিত হতে পারে না
১ টি | ২০৬৭-২০৬৭
পঞ্চম কারণ পেশাব পায়খানার চাপ অনুভব করা
১ টি | ২০৬৮-২০৬৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
২ টি | ২০৭০-২০৭১
জামা‘আত তরক করার ষষ্ঠ কারণ মসজিদে যাওয়ার পথে যদি নিজের জীবন বা সম্পদ বিনষ্ট হওয়ার আশংকা থাকে
১ টি | ২০৭২-২০৭২
সপ্তম কারণ কষ্টদায়ক প্রচন্ড ঠান্ডা থাকা
১ টি | ২০৭৩-২০৭৩
প্রচন্ড ঠান্ডার সময় বাড়িতে সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ২০৭৪-২০৭৪
অষ্টম কারণ কষ্টদায়ক বৃষ্টিপাত হওয়া
১ টি | ২০৭৫-২০৭৫
বৃষ্টিপাত হলে বাড়িতে সালাত আদায় করার নির্দেশ, যদিও তা কষ্টদায়ক না হয়
১ টি | ২০৭৬-২০৭৬
বৃষ্টি ও ঠান্ডা যদি যদিও দুটো এক সাথে না হয়; বরং এই দুটির কোন একটি হলেই, কোন ব্যক্তি জামা‘আত তরক করতে পারে
১ টি | ২০৭৭-২০৭৭
বৃষ্টিপাত হলে বাড়িতে সালাত আদায় করার নির্দেশ, যদিও তা কষ্টদায়ক না হয়
১ টি | ২০৮০-২০৮০
দশম কারণ কোন ব্যক্তির রসূন, পেয়াজ খাওয়া অতঃপর তার গন্ধ না যাওয়া পর্যন্ত মসজিদে না যাওয়া
১ টি | ২০৮২-২০৮২
আমরা যে কারণ উল্লেখ করলাম, বস্তুত এই কারণেই রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দুটি জিনিস খাওয়ার ব্যাপারে হুশিয়ারী করেছেন
১ টি | ২০৮৪-২০৮৪
আমরা যা কিছু বর্ণনা করলাম, তাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মসজিদে নববী ও অন্যান্য যে কোন মসজিদ সমান
১ টি | ২০৮৫-২০৮৫
যে কারণে এই এই দুর্গন্ধযুক্ত উদ্ভিদ খেলে জামা‘আতে আসতে নিষেধ করা হয়
১ টি | ২০৮৭-২০৮৭
যার মুখে রসূন ও পেঁয়াজের গন্ধ পাওয়া যেতো, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাকে বাকী‘ নামক স্থানের দিকে বের করে দিতেন
১ টি | ২০৮৮-২০৮৮
উল্লেখিত জিনিসগুলো রান্না করে খেয়ে জামা‘আতে উপস্থিত হওয়াতে কোন দোষ নেই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৮৯-২০৮৯
রান্না করা জিনিস আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিধানে মহান আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তা‘আলা তাঁর রাসূল ও উম্মতের মাঝে ব্যবধান করেছেন
১ টি | ২০৯০-২০৯০
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২০৯১-২০৯১
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা যদি কোন ব্যক্তি যদি অসুস্থতার চিকিৎসা হিসেবে কাঁচা খায়, তাহলে তার এই অবস্থায় জামা‘আতে উপস্থিত হওয়াতে কোন দোষ নেই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২০৯২-২০৯২
যে ব্যক্তি মনে করে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যাদের বাড়ি জ্বালিয়ে দিতে চেয়েছিলেন, সেটা ইশার সালাতে না কারণে নয়-তাদের কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২০৯৪-২০৯৪
মুনাফিকদের উপর এই দুটি সালাত সবচেয়ে কঠিন
১ টি | ২০৯৫-২০৯৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জামানায় যারা জামা‘আতে অনুপস্থিত থাকতো, তাদের ব্যাপারে যা আশংকা করা হতো, তার বর্ণনা
১ টি | ২০৯৬-২০৯৬
তিন ব্যক্তির উপর শয়তান কর্তৃত্ব লাভ করে, যারা কোন গ্রাম অথবা শহরে থাকে অথচ জামা‘আতে সালাত আদায় করে না
১ টি | ২০৯৮-২০৯৮
(১৪) ইমামের অনুসরণ করা ফরয
১ টি | ২০৯৯-২০৯৯
উল্লেখিত সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে সাহাবীগণ তাঁর অনুসরণে বসে সালাত আদায় করেছেন
১ টি | ২১০০-২১০০
সাহাবীগণ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের পিছনে তাঁর নির্দেশে বসে সালাত আদায় করেছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২১০১-২১০১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই নির্দেশ ফরয নির্দেশক; মুস্তাহাব নির্দেশক নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২১০২-২১০২
আমরা যেদিকে ইঙ্গিত করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২১০৩-২১০৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই নির্দেশ ফরয নির্দেশক; মুস্তাহাব নির্দেশক নয় মর্মে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ২১০৪-২১০৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই নির্দেশ ফরয নির্দেশক; মুস্তাহাব নির্দেশক নয় মর্মে চতুর্থ হাদীস
১ টি | ২১০৫-২১০৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই নির্দেশ ফরয নির্দেশক; মুস্তাহাব নির্দেশক নয় মর্মে চতুর্থ হাদীস
২ টি | ২১০৬-২১০৭
যে হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই নির্দেশ মুস্তাহাব নির্দেশক; ফরয নির্দেশক নয়
১ টি | ২১০৮-২১০৮
এই হাদীসের এই ব্যাখ্যাকারী যে ব্যাখ্যা করেছে, তা যে ভ্রান্ত সেই মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২১১২-২১১২
যে সালাতের ব্যাপারে হাদীসগুলো সংক্ষিপ্ত ব্যাখ্যাহীনভাবে এসেছে, যা আমরা আগে বর্ণনা করেছি, সেই সম্পর্কে আলোচনা
১ টি | ২১১৭-২১১৭
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার হাদীসে যে ব্যাখ্যাহীন শব্দ রয়েছে, সেটাকে ব্যাখ্যাকারী হাদীস
১ টি | ২১১৯-২১১৯
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২১২০-২১২০
আরেকটি হাদীস যা অনেক মানুষকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
১ টি | ২১২১-২১২১
আমরা যে দুই সালাতের বর্ণনা করলাম, তন্মধ্যে এই সালাত ছিল পরের সালাত
১ টি | ২১২২-২১২২
কোন সম্প্রদায়ের মাঝে যিনি বেশি কুরআন জানবেন, তিনি ইমামতির বেশি হকদার হবেন, যদিও সেখানে তারচেয়ে বেশি উচ্চ বংশের ও সম্মানিত ব্যক্তি থাকেন
১ টি | ২১২৩-২১২৩
কোন সম্প্রদায়ের লোকজন যখন কুরআন তিলাওয়াতের ক্ষেত্রে সমান হবে, তখন ইমামের বেশি হকদার হবেন, যিনি হাদীস সম্পর্কে বেশি অবগত
২ টি | ২১২৪-২১২৫
হাদীসের বক্তব্য “তারা দুইজনেই কাছাকাছি বয়সের ছিলেন” এটি আবূ কিলাবা রহিমাহুল্লাহর বক্তব্য, যা খালিদ আত তাহ্হান হাদীসে ঢুকিয়ে দিয়েছেন
১ টি | ২১২৬-২১২৬
ইমামতির ক্ষেত্রে দুইজন ও তিনজনের হুকুম একই হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২১২৯-২১২৯
মানুষের ইমামতি করার ক্ষেত্রে কে বেশি উপযুক্ত, তার বর্ণনা
১ টি | ২১৩০-২১৩০
অন্ধ ব্যক্তি চক্ষুষ্মান মুক্তাদীর ইমামতি করতে পারবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২১৩১-২১৩১
অন্ধ ব্যক্তির ইমামতি জায়েয, যদি তাকে দেখাশোনা করার মতো লোক থাকে
১ টি | ২১৩২-২১৩২
যিনি লোকদের ইমামতি করবেন, তাকে সালাত হালকা করে আদায় করার নির্দেশ, কেননা তার পিছনে অসুস্থ মানুষ রয়েছে
১ টি | ২১৩৩-২১৩৩
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো পরিপূর্ণভাবে আদায় করে সংক্ষিপ্ত করা
১ টি | ২১৩৫-২১৩৫
ইমামের জন্য বৈধ আছে সালাতকে হালকা করা, যখন তিনি জানবেন যে, তার পিছনে ব্যস্ত মানুষ রয়েছে, যার সেখানে ফিরে যাওয়া প্রয়োজন
১ টি | ২১৩৬-২১৩৬
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো সালাতের প্রথম দুই রাকাত দীর্ঘ করা আর শেষের দুই রাকাত হালকা করা
১ টি | ২১৩৭-২১৩৭
যখন কোন ব্যক্তি অন্যের সাথে সালাত আদায় করবে, তখন তার জন্য বৈধ রয়েছে সালাত দীর্ঘ করে আদায় করা
১ টি | ২১৩৮-২১৩৮
ইমাম যখন মুক্তাদীদেরকে সালাত শিক্ষা দিতে ইচ্ছা করবেন, তখন তার জন্য জায়েয আছে মুক্তাদীদের চেয়ে উঁচু জায়গায় সালাত আদায় করা
১ টি | ২১৩৯-২১৩৯
যেই হাদীস, হাদীসে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ইমামের জন্য মুক্তাদীদের থেকে উঁচু জায়গায় সালাত আদায় করা জায়েয নেই
১ টি | ২১৪০-২১৪০
কোন ভ্রমণকারী ব্যক্তি যার কাছে ভ্রমণ করে যাবেন, তার বাড়িতে তার অনুমতি ছাড়া ইমামতি করার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ২১৪১-২১৪১
যে ব্যক্তি মসজিদে আসবে, তার প্রতি নির্দেশ হলো ধীরস্থিরভাবে মসজিদে আসা এবং যা ছুটে যাবে পরে তা আদায় করা
১ টি | ২১৪২-২১৪২
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি সা‘ঈদ আল মাকবুরী ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি এবং তা বর্ণনা করার ক্ষেত্রে মতভেদ করা হয়েছে- তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২১৪৭-২১৪৭
ইমামের জন্য বৈধ রয়েছে, মু্ক্তাদীদের নিয়ে সামনে কোন দেয়াল ছাড়াই খোলা মাঠে সালাত আদায় করা
১ টি | ২১৪৮-২১৪৮
সালাতের প্রথম কাতার পৌঁছা, তাড়াতাড়ি (আগে আগে) মসজিদে যাওয়া এবং ফজর ও ইশার সালাতের ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করার নির্দেশ
১ টি | ২১৫০-২১৫০
সালাতের প্রথম কাতার পূরণ করা, তারপর পরের কাতার পূরণ করার নির্দেশ কেননা এরকম করলে ফেরেস্তাগণ কাজের সাথে সাদৃশ্যতা অবলম্বন করা হয়
১ টি | ২১৫১-২১৫১
প্রথম কাতার থেকে পিছিয়ে থাকার ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ২১৫৩-২১৫৩
প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারীর জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ২১৫৪-২১৫৪
প্রথম কাতারে সালাত আদায়কারীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তিনবার মাগফিরাতের জন্য দু‘আ করেছেন
১ টি | ২১৫৫-২১৫৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম হাদীসটি খালিদ বিন মা‘দান থেকে শ্রবন করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২১৫৬-২১৫৬
কাতারের ডান দিকে সালাত আদায়কারীর জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ২১৫৭-২১৫৭
কাতার সোজাকারীদের জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন, যখন সেটি প্রথম কাতার হবে
১ টি | ২১৫৮-২১৫৮
সালাতে কাতার পূর্ণ করার ব্যাপারে যা করা মুস্তাহাব তার বিবরণ
১ টি | ২১৫৯-২১৫৯
যারা কাতার পূরণ করে, তাদের জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন
১ টি | ২১৬০-২১৬০
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি উসামা বিন যাইদ ছাড়া আর কেউ বর্ণনা করেননি, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২১৬১-২১৬১
কাতারসমূহ সোজার করার নির্দেশ, যাতে তা প্রতিপালন না করার কারণে লোকদের মাঝে মতভেদ তৈরি না হয়
১ টি | ২১৬২-২১৬২
যে কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার বর্ণনা
১ টি | ২১৬৩-২১৬৩
সালাতে দাঁড়ানোর সময় কাতার সোজা করার নির্দেশ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২১৬৪-২১৬৪
সালাতে দাঁড়ানোর সময় ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো তিনি মুক্তাদীদেরকে কাতার সোজা করার নির্দেশ দিবেন
১ টি | ২১৬৫-২১৬৫
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২১৬৬-২১৬৬
সালাতে দাঁড়ানোর সময় ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো তিনি মুক্তাদীদেরকে কাতার সোজা করার নির্দেশ দিবেন
১ টি | ২১৬৭-২১৬৭
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই নির্দেশ দিয়েছিলেন
১ টি | ২১৬৮-২১৬৮
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো সালাত শুরু করার আগে মুসল্লীদের গর্দান স্পর্শ করে করে কাতার সোজা করা
১ টি | ২১৬৯-২১৬৯
সালাত শুরু করার আগে ইমাম কর্তৃক মুক্তাদীদেরকে যা আদেশ করা মুস্তাহাব
১ টি | ২১৭০-২১৭০
সালাত শুরু করার আগে ইমাম মুক্তাদীদেরকে কাতারসমূহ সোজা করার নির্দেশ দিবেন, কেননা কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার অন্তর্ভুক্ত
১ টি | ২১৭১-২১৭১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমাদের চেহারাগুলোর মাঝে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো “হৃদয়সমূহের মাঝে”
১ টি | ২১৭৩-২১৭৩
সালাতের কাতারসমূহ সোজা করা সালাতের সৌন্দরে্যর অন্তর্ভুক্ত
১ টি | ২১৭৪-২১৭৪
সালাতে মুক্তাদীর ইমাম থেকে ভিন্নতা অবলম্বনের ব্যাপারে হুশিয়ারী
১ টি | ২১৭৫-২১৭৫
সালাতে পুরুষ ও নারীর জন্য উত্তম ও মন্দ কাতারের বর্ণনা
১ টি | ২১৭৬-২১৭৬
মুক্তাদীদের মাঝে যারা জ্ঞানী তাদেরকে ইমামের পিছনে দাঁড়ানোর নির্দেশ
১ টি | ২১৭৭-২১৭৭
কোন জ্ঞানী ব্যক্তি মসজিদে উপস্থিত হলে প্রথম কাতার থেকে নবীনদের পিছিয়ে দেওয়া জায়েয হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২১৭৮-২১৭৮
কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করলে জুতা পরিধান করে সালাত আদায় করতে পারে আবার চাইলে জুতা দুই পায়ের সামনে রাখতে পারে
১ টি | ২১৮০-২১৮০
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য জুতা পরিধান সালাত আদায় করা জায়েয, যদি তাতে নোংরা কিছু না থাকে
১ টি | ২১৮১-২১৮১
যিনি মসজিদে আসবেন, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি তার জুতার প্রতি লক্ষ্য করবেন, যদি তাতে নোংরা কিছু থাকে, তাহলে তা মুছে ফেলবেন
১ টি | ২১৮২-২১৮২
জুতা, মোজা পরিধান করে সালাত আদায় করার নির্দেশ, কেননা ইয়াহুদী ও খ্রীষ্টানরা জুতা, মোজা পরিধান করে সালাত আদায় করে না
১ টি | ২১৮৩-২১৮৩
কোন ব্যক্তি ইচ্ছা করলে জুতা পরিধান করে সালাত আদায় করতে পারে আবার চাইলে জুতা দুই পায়ের সামনে রাখতে পারে
১ টি | ২১৮৪-২১৮৪
মুসল্লী ব্যক্তি তার জুতা ডানে বা বামে রাখার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২১৮৫-২১৮৫
মুয়ায্যিন ইকামত দেওয়া শুরু করার পর নতুন করে সুন্নাত-নফল আদায় শুরু করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
২ টি | ২১৮৭-২১৮৮
এই নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে ফজরের সালাত ও অন্যান্য সালাতের হুকুম একই
১ টি | ২১৯০-২১৯০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি হাসান থেকে আম্বাসা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনে হাদীস
১ টি | ২১৯২-২১৯২
ইমামের সাথে জামাআতে সালাত আদায় করার ইচ্ছা করলে মুক্তাদি কোথায় দাঁড়াবে, তার বিবরণ
২ টি | ২১৯৪-২১৯৫
নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেই ব্যক্তিকে সালাত পুনরায় আদায় করার নির্দেশ দেওয়ার পর, তিনি পুনরায় সালাত আদায় করেন
১ টি | ২১৯৬-২১৯৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি হিলাল বিন ইয়াসাফ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২১৯৮-২১৯৮
আমরা যে বিষয়টি বর্ণনা করলাম, তার গুরুত্বারোপ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২২০০-২২০০
কাতারের পিছনে নারীদের স্থান প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২২০১-২২০১
যেই হাদীস আমাদের কিছু ইমামকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এই বৃদ্ধা এই সালাতে একাকী ছিলেন না, তার সাথে আরেকজন মহিলা ছিলেন, সেই হাদীসের বর্ণনা
১ টি | ২২০৩-২২০৩
মহিলাদের মসজিদে যেতে বাধা দেওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২০৬-২২০৬
তৃতীয় শর্ত, যার কারণে তাদেরকে রাতে মসজিদে আসার অনুমতি দেওয়া হয়েছে
১ টি | ২২০৯-২২০৯
ইশার সালাতে মহিলাদের মসজিদে আসতে বারণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২১০-২২১০
মেয়েরা যখন ইশার সালাত আদায় করার জন্য মসজিদে গমন করবে, তখন তারা কিভাবে বের হবে তার বিবরণ
১ টি | ২২১১-২২১১
মেয়েরা যখন ইশার সালাত আদায় করার জন্য মসজিদে গমন করবে, তখন তাদের জন্য সুগন্ধি ব্যবহার করা নিষেধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২২১২-২২১২
মহিলাদের সালাত যত বেশি গোপনীয় জায়গায় হবে, ততবেশি তাতে সাওয়াব হবে
১ টি | ২২১৪-২২১৪
খুঁটির মাঝে জামা‘আত করে সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২১৫-২২১৫
এই সাধারণ নিষেধাজ্ঞার ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২২১৬-২২১৬
যেভাবে ইমামতি করলে ইমাম ও মুক্তাদী উভয়ের সাওয়াব হয় তার বর্ণনা
১ টি | ২২১৮-২২১৮
ইমামকে না দেখার আগেই মুক্তাদীদের সালাতে দাঁড়ানোর ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২১৯-২২১৯
উল্লেখিত ব্যাখ্যাহীন সংক্ষিপ্ত শব্দের ব্যাখ্যাকারী হাদীস
১ টি | ২২২০-২২২০
যখন ইমাম না আসতে পারবে, তখন মুক্তাদীগণের প্রতি নির্দেশ হলো ইমামতি করার জন্য তারা তাদের একজনকে সামনে এগিয়ে দিবে
১ টি | ২২২২-২২২২
মুক্তাদী যখন দাঁড়িয়ে থাকা অবস্থায় ইমামের সাজদা দেওয়ার প্রতিক্ষায় থাকে, তখন মুক্তাদীর জন্য অবশ্য করণীয় সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২২২৩-২২২৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২২২৪-২২২৪
মুক্তাদীর জন্য আবশ্যক হলো ইমামের অনুসরণ করা, যদিও তিনি সালাতে কোন হক আদায়ে ত্রুটি করে
১ টি | ২২২৫-২২২৫
ইমামের আগে রুকূ‘ ও সাজদা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২২৬-২২২৬
ইমামের আগে রুকূ‘ ও সাজদা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২২৭-২২২৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মু‘আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে ইবনু মুহাইরিয এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২২২৮-২২২৮
ইমামের সালাম ফেরানোর পর মুক্তাদীর জন্য ‘আল্লাহু আকবার’ বলা জায়েয
১ টি | ২২২৯-২২২৯
যখন ইমাম সালাম ফেরাবেন, তখন পুরুষ মুসল্লীদের জন্য আবশ্যক হলো অপেক্ষা করা, যাতে নারী মুসল্লীরা বের হয়ে যেতে পারেন, তারপর তারা তাদের প্রয়োজনে বের হবেন
১ টি | ২২৩১-২২৩১
যেই হাদীস কোন কোন আলিম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আবূ বাকরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ২২৩৩-২২৩৩
ইমাম হোক অথবা মুক্তাদী হোক, যখন কোন ব্যক্তি সালাতে বায়ূ ত্যাগ করবে, তখন সে কিভাবে সালাত থেকে চলে যাবে তার বিবরণ
১ টি | ২২৩৫-২২৩৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি হিশাম বিন উরওয়া থেকে মুকাদ্দামী ছাড়া আর কেউ মারফূ‘ সূত্রে বর্ণনা করে নাই, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২২৩৬-২২৩৬
(১৬) মুসল্লী ব্যক্তির জন্য যা মাকরূহ আর যা মাকরূহ নয়
১ টি | ২২৩৭-২২৩৭
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সেই আয়াতটি পড়েনি
১ টি | ২২৩৮-২২৩৮
আমরা যে অর্থের দিকে ইশারা করলাম তা স্পষ্টকারী হাদীস
৩ টি | ২২৩৯-২২৪১
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সালাতে কথা বলা হয়তো মদীনায় রহিত হয়েছে; মক্কায় নয়
১ টি | ২২৪২-২২৪২
আমরা আব্দুল্লাহ বিন মুবারক রহিমাহুল্লাহর যে হাদীস উল্লেখ করেছি, তাতে উল্লেখিত শব্দের জটিলতা যে হাদীসে ব্যাখ্যা করা হয়েছে
১ টি | ২২৪৩-২২৪৩
সালাতে মানুষের সাথে মানুষের কথা বলা নিষেধ কিন্তু সালাতে বান্দা কর্তৃক তাঁর প্রভুকে সম্বোধন নিষিদ্ধ নয়
১ টি | ২২৪৪-২২৪৪
সালাতে যা নিষেধ তা হলো মানুষের সাথে মানুষের কথা বলা কিন্তু সালাতে বান্দা কর্তৃক তাঁর প্রভুকে সম্বোধন নিষিদ্ধ নয়
১ টি | ২২৪৫-২২৪৫
হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি যেই হাদীসকে রহিত হিসেবে আখ্যায়িত করে এবং বলে যে, হাদীসটিকে সালাতে কথা বলা রহিতকারী হাদীস রহিত করেছে
১ টি | ২২৪৬-২২৪৬
হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি যেই হাদীস দিয়ে দলীল গ্রহণ করে এবং বলে আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এই সালাতে উপস্থিত ছিলেন না
১ টি | ২২৪৭-২২৪৭
যদি সালাতে মাঝে লোকদের (ইমামের দৃষ্টি আকর্শন করার) প্রয়োজন দেখা দেয়, তাহলে পুরুষদের জন্য ‘সুবহানাল্লাহ’ বলা আর নারীদের জন্য করতালী দেওয়ার নির্দেশ
১ টি | ২২৫৭-২২৫৭
যদি সালাতে ইমামের দৃষ্টি আকর্শন করার প্রয়োজন পড়ে, তবে মুসল্লী এমন কিছু করবে, যার দ্বারা ইমাম বিষয়টি বুঝতে পারবে
১ টি | ২২৫৯-২২৫৯
সালাতে কোন কিছুর প্রয়োজন হলে মুসল্লী ব্যক্তির জন্য যা করা বৈধ
১ টি | ২২৬০-২২৬০
সালাতে মুসল্লী ব্যক্তির কোন প্রয়োজন দেখা দিলে, ইশারা করা জায়েয
১ টি | ২২৬১-২২৬১
মুসল্লী ব্যক্তির ডানে বা সামনে থুথু ফেলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২৬৩-২২৬৩
মুসল্লী ব্যক্তির ডানে বা সামনে শ্লেষ্মা ফেলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২৬৪-২২৬৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “অথবা পায়ের নিচে ফেলবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য বাম পা
১ টি | ২২৬৫-২২৬৫
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ আছে তার জুতায় কফ বা থুথু ফেলা
১ টি | ২২৬৯-২২৬৯
সালাতে মুসল্লী ব্যক্তি কর্তৃক কঙ্কর স্পর্শ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২৭০-২২৭০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, ইমাম যুহরী এই হাদীসটি সা‘ঈদ বিন মুসাইয়্যিব রহিমাহুল্লাহ থেকে শ্রবণ করেছেন; আবুল আস থেকে শ্রবণ করেননি- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২২৭১-২২৭১
সালাতে এই নিষিদ্ধ কাজটি জরুরী প্রয়োজনে বৈধ
১ টি | ২২৭২-২২৭২
প্রচন্ড উত্তাপের সময় মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে হাতে কঙ্কর ঠান্ডা করে তার উপর সাজদা করা
২ টি | ২২৭৩-২২৭৪
মসজিদে কোন একটি স্থান নির্দিষ্ট করা নিষেধ, যখন কোন ব্যক্তি সালাত আদায় করা অথবা যিকর করা ছাড়া অন্য কোন কারণে নিজের জন্য নির্দিষ্ট করে নিবে
১ টি | ২২৭৫-২২৭৫
মাথার পশ্চাৎভাগে ঝুটি বেঁধে সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২৭৬-২২৭৬
চুল ঝুটি বাঁধা অবস্থায় সালাত আদায় করা মাকরূহ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২২৭৭-২২৭৭
আমরা যে কাজ নিষেধের কথা আলোচনা করলাম, তা নিষিদ্ধ এই ভয়ে যে, হয়তো তার মাথাকে কুকুরের মাথায় পরিবর্তন করে দেয়া হবে
৩ টি | ২২৭৮-২২৮০
কোমরে হাত রেখে সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২২৮২-২২৮২
যে কারণে কোমরে হাত রেখে সালাত আদায় করতে নিষেধ করা হয়েছে
১ টি | ২২৮৩-২২৮৩
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো সালাতে এদিক-ওদিক না তাকিয়ে সালাতকে পরিপূর্ণ করার ইচ্ছা করা
১ টি | ২২৮৪-২২৮৪
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য প্রয়োজনে ডানে-বামে তাকানো জায়েয তবে কিবলা থেকে মুখ পুরোপুরি ঘুরিয়ে নেওয়া যাবে না
২ টি | ২২৮৫-২২৮৬
সালাতে ইশতেমালুস সাম্মা করে কাপড় পরিধান করা নিষেধ
১ টি | ২২৮৭-২২৮৭
এক কাপড়ে সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২২৮৮-২২৮৮
কোন ব্যক্তি যখন এক কাপড়ে সালাত আদায় করে, তখন তিনি কাপড়ের প্রান্ত কিভাবে কাঁধের উপর রাখবেন তার বর্ণনা
১ টি | ২২৯০-২২৯০
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে এক কাপড়ে সালাত আদায় করা
১ টি | ২২৯২-২২৯২
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২২৯৩-২২৯৩
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২২৯৪-২২৯৪
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক কাপড়ে সালাত আদায় করার বৈধতা দিয়েছেন তার বর্ণনা
১ টি | ২২৯৫-২২৯৫
কোন ব্যক্তি যখন এক কাপড়ে সালাত আদায় করবে, তখন তিনি কাপড় কিভাবে জড়িয়ে নিবে তার বর্ণনা
১ টি | ২২৯৭-২২৯৭
যদি কোন ব্যক্তি অন্য কোন কাপড় না পায়, তবে এক লুঙ্গি পরিধান করে তাতে সালাত আদায় করা জায়েয
১ টি | ২২৯৮-২২৯৮
এক কাপড়ে সালাত আদায় করা জায়েয
১ টি | ২২৯৯-২২৯৯
যখন কোন ব্যক্তির কাছে একটি মাত্র অপ্রশস্ত কাপড় থাকে, তখন সে তা কিভাবে পরিধান করবে, তার বর্ণনা
১ টি | ২৩০২-২৩০২
একাধিক কাপড় না পাওয়া গেলে এক কাপড়ে সালাত আদায় করা জায়েয
১ টি | ২৩০২-২৩০২
চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৩০৩-২৩০৩
কার্পেটের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৩০৪-২৩০৪
এই সালাতগুলো খাবার গ্রহণের পর ছিল, যে খাবার রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারদের নিকট খেয়েছিলেন
১ টি | ২৩০৫-২৩০৫
ছোট চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৩০৬-২৩০৬
ছোট চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করা বৈধ - [খুমরা (ছোট জায়নামাজ)]
১ টি | ২৩০৭-২৩০৭
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৩০৮-২৩০৮
যে হাদীস কোন কোন অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সমস্ত জমিনই হয়তো পবিত্র, যাতে সালাত আদায় করা যায়
১ টি | ২৩০৯-২৩০৯
সালাত আদায়ের জন্য জায়গার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীস আমরা উল্লেখ করেছি, সেটাকে খাছকারী দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৩১২-২৩১২
“পুরো জমিন সালাত আদায়ের স্থান বানিয়ে দেওয়া হয়েছে” রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এই সাধারণ বক্তব্যকে খাছকারী তৃতীয় হাদীস
১ টি | ২৩১২-২৩১২
সালাত আদায়ের জন্য জায়গার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীস আমরা উল্লেখ করলাম, তাকে খাছকারী হাদীস
১ টি | ২৩১৩-২৩১৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, আশ‘আশ বিন মালিক থেকে হাফস বিন গিয়াস এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৩১৪-২৩১৪
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ২৩১৫-২৩১৫
সালাত আদায়ের জন্য জায়গার ক্ষেত্রে যে ব্যাপক অর্থবোধক হাদীসগুলোর দ্বিতীয় খাছকারী হাদীস
১ টি | ২৩১৬-২৩১৬
গোরস্থানে সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৩১৬-২৩১৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি আশ‘আশ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৩১৭-২৩১৭
কবরসমূহকে সালাত আদায়ের স্থান হিসেবে গ্রহণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৩১৯-২৩১৯
যে কারণে কবরে সালাত আদায় করা নিষেধ করা হয়েছে
১ টি | ২৩২০-২৩২০
যখন কবরকে খনন করে তার (হাড়-হাড্ডি ও) মাটি অন্যত্র স্থানান্তর করা হয়, তখন সেখানে সালাত আদায় করা জায়েয, যদিও আগে সেখানে কবর ছিল
১ টি | ২৩২২-২৩২২
মেয়েদের কাপড়ে সালাত আদায় করা বৈধ যদি তাতে কোন নাপাকী না থাকে
১ টি | ২৩২৩-২৩২৩
মেয়েদের চাদরে সালাত আদায় করা বৈধ যদি তাতে কোন নাপাকী না থাকে
১ টি | ২৩২৪-২৩২৪
উম্মু হাবীবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “যখন তাতে কোন নাপাকি না দেখতেন” এর দ্বারা উদ্দেশ্যে বীর্য নয়
২ টি | ২৩২৬-২৩২৭
কাতারীয় চাদরে সালাত আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৩২৯-২৩২৯
নারীদের কাপড় ও তাদের কম্বলে সালাত না আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৩৩০-২৩৩০
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য উত্তম হলো এমন কাপড় পরিধান করে সালাত আদায় করা, যা তাকে সালাতের মনোযোগ থেকে বিরত রাখে না
১ টি | ২৩৩১-২৩৩১
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখিত চাদরটি অন্যান্য মানুষদের মাঝে আবূ জাহম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছে পাঠিয়েছিলেন
১ টি | ২৩৩২-২৩৩২
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য সালাতে পবিত্র জিনিস বহন করা বৈধ
১ টি | ২৩৩৩-২৩৩৩
উক্ত সালাতটি ফরয সালাত ছিল; নফল সালাত ছিল না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৩৩৪-২৩৩৪
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ যে, তিনি সালাত আদায় করবেন আর তার ও কিবলার মাঝে কোন মাহরাম নারী আড়াআড়িভাবে অবস্থান করবে
১ টি | ২৩৩৫-২৩৩৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাতে যখন সালাত আদায় করতেন, তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা তাঁর ও তাঁর কিবলার মাঝে আড়াআড়িভাবে শুয়ে থাকতেন
২ টি | ২৩৩৮-২৩৩৯
আমরা যে সময়ের কথা উল্লেখ করলাম, সেসময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে পা দিয়ে স্পর্শ করে জাগিয়ে তুলতেন; কথা বলতেন না
১ টি | ২৩৪০-২৩৪০
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সে সময় আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জাগিয়ে তুলতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৩৪১-২৩৪১
আমরা যে সময়ের কথা বর্ণনা করলাম, সে সময় আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কিভাবে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সামনে শুয়ে থাকতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৩৪২-২৩৪২
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য সালাতে সামান্য কাজ করা বৈধ মর্মে হাদীস
১ টি | ২৩৪৩-২৩৪৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সালাতে সামান্য কাজ করলে, সালাত বাতিল হয়ে যায়, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৩৪৪-২৩৪৪
সালাতে সাপ বিচ্ছু মারা বৈধ
১ টি | ২৩৪৫-২৩৪৫
সালাতরত অবস্থায় সাপ ও বিচ্ছু মারার আদেশ সংক্রান্ত আলোচনা
১ টি | ২৩৪৬-২৩৪৬
সালাতে মুসল্লী ব্যক্তির মুখ ঢাকা নিষেধ
১ টি | ২৩৪৭-২৩৪৭
প্রচন্ড উত্তাপের সময় মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ হলো সাজদার স্থানে তার কাপড় বিছিয়ে দেওয়া
১ টি | ২৩৪৮-২৩৪৮
প্রয়োজনে মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে ডানে-বামে হাঁটা
১ টি | ২৩৪৯-২৩৪৯
মুসল্লী কর্তৃক বিবাদমান দুই ব্যক্তিকে আলাদা করে দেওয়া
১ টি | ২৩৫০-২৩৫০
মুসল্লী ব্যক্তিকে সাধ্যমত হাই তোলাকে প্রতিহত করার নির্দেশ
১ টি | ২৩৫১-২৩৫১
হাই প্রতিহত করার নির্দেশ মুসল্লী ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য; অন্য ক্ষেত্রে নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৩৫৩-২৩৫৩
যখন কোন ব্যক্তি হাই তুলবে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি মুখে হাত রাখবেন, তার ভিতর শয়তান প্রবেশ করার আশংকায়
১ টি | ২৩৫৪-২৩৫৪
মুসল্লী ব্যক্তির সালাতে সুতরার বিবরণ
১ টি | ২৩৫৫-২৩৫৫
খালি জায়গায় সুতরা ছাড়া সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৩৫৬-২৩৫৬
উক্ত সালাতে তাওয়াফকারী ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মাঝে কোন সুতরা ছিল না
১ টি | ২৩৫৮-২৩৫৮
মুসল্লী ব্যক্তির সামনে দিয়ে গমন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৩৬০-২৩৬০
মুসল্লী ব্যক্তির সামনে দিয়ে গমন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৩৬১-২৩৬১
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি তার সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীর সাথে লড়াই করবেন
১ টি | ২৩৬৪-২৩৬৪
কোন ব্যক্তি সালাতরত অবস্থায় থাকলে, যদি কোন মেষ তার সামনে দিয়ে অতিক্রম করতে চায়, তবে তার জন্য বৈধ রয়েছে মেষকে বাধা দেওয়া
১ টি | ২৩৬৫-২৩৬৫
যখন কোন ব্যক্তি সামনে সুতরা নিয়ে সালাত আদায় করবে, তখন তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি সুতরার কাছাকাছি দাঁড়াবেন
১ টি | ২৩৬৬-২৩৬৬
যখন কোন ব্যক্তি সুতরা সামনে রেখে সালাত আদায় করবে, তখন তার মাঝে ও সুতরার মাঝে কী পরিমাণ ব্যবধান রাখবে তার বিবরণ
১ টি | ২৩৬৮-২৩৬৮
মুসল্লী ব্যক্তি যখন কোন কিছুকে সুতরা বানাবে, তখন সেই সুতরা থেকে দুরে দাঁড়ানো মাকরূহ
১ টি | ২৩৬৮-২৩৬৮
লাঠি, বর্শা কোন কিছু না পেলে সেক্ষেত্রে ফাঁকা জায়গায় মুসল্লী ব্যক্তির জন্য দাগ কেটে সুতরা গ্রহণ করার জায়েয
১ টি | ২৩৬৯-২৩৬৯
মুসল্লী ব্যক্তি সামনে যে সুতরা গ্রহণ করবেন বা দাগ কাটবেন, তা লম্বালম্বি হবে; আড়াআড়ি হবে না
১ টি | ২৩৭০-২৩৭০
কোন ফাকা জায়গায় বর্শা বা কোন সুতরা না পাওয়া গেলে মুসল্লী ব্যক্তির জন্য বৈধ আছে তার বাহনকে সুতরা বানানো
১ টি | ২৩৭১-২৩৭১
সুতরা মুসল্লী ব্যক্তির সালাত বিনষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে, যদিও তার পিছন দিয়ে গাধা, কুকুর ও নারীরা গমন করে
১ টি | ২৩৭২-২৩৭২
সুতরা মুসল্লী ব্যক্তির সালাত বিনষ্ট হওয়া থেকে রক্ষা করে, যদিও তার পিছন দিয়ে গাধা, কুকুর ও নারীরা গমন করে
১ টি | ২৩৭৩-২৩৭৩
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মুসল্লী ব্যক্তির সামনে দিয়ে গাধা অতিক্রম করলে সালাত বিনষ্ট হয় না
১ টি | ২৩৭৪-২৩৭৪
নিশ্চয়ই এই হুকুম ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যার সামনে হাওদার পিছনের কাষ্ঠ বরাবর কোন কিছু (সুতরা হিসেবে) না থাকে
১ টি | ২৩৭৬-২৩৭৬
উক্ত হাদীসে নারীদের কথা ব্যাপকভাবে বলা হয়েছে, কিন্তু এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কিছু নারী; সব নারী উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২৩৮০-২৩৮০
উক্ত হাদীসে কুকুরের কথা ব্যাপকভাবে বলা হয়েছে, কিন্তু এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কিছু কুকুর; সব কুকুর উদ্দেশ্য নয়
২ টি | ২৩৮১-২৩৮২
হাদীসে অপরিপক্ক ব্যক্তিকে যে হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
১ টি | ২৩৮৩-২৩৮৩
এই তিনটি জিনিস সালাতকে বিনষ্ট করে দিবে, যখন মুসল্লী ব্যক্তির সামনে কোন সুতরা না থাকবে
১ টি | ২৩৮৫-২৩৮৫
যেই হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
১ টি | ২৩৮৬-২৩৮৬
(১৭) সালাত দ্বিতীয়বার আদায় করা
২ টি | ২৩৮৮-২৩৮৯
যে ব্যক্তি মসজিদে জামা‘আতে সালাত আদায় করেছে, তার জন্য বৈধ রয়েছে সেই মসজিদে পুনরায় জামা‘আতে সালাত আদায় করা
১ টি | ২৩৯১-২৩৯১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি উহাইব এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৩৯২-২৩৯২
ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি কোন সালাত জামা‘আতে আদায় করবেন, তার সেই সালাতে তার কওমের লোকদের ইমামতি করবে
১ টি | ২৩৯৩-২৩৯৩
যে ব্যক্তি স্বীয় ফরয সালাত জামা'আতের সাথে আদায় করেছেন, তার জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি অন্য লোকদের ঐ সালাতের ইমামতি করবেন
১ টি | ২৩৯৫-২৩৯৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, মুয়ায রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লোকদের নিয়ে ফরয সালাত আদায় করতেন; নফল সালাত নয়- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৩৯৬-২৩৯৬
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৩৯৭-২৩৯৭
(১৮) বিতর সালাত
১ টি | ২৩৯৯-২৩৯৯
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৪০০-২৪০০
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৪০১-২৪০১
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৪০২-২৪০২
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৪০৩-২৪০৩
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ২৪০৪-২৪০৪
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে চতুর্থ হাদীস
১ টি | ২৪০৫-২৪০৫
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে পঞ্চম হাদীস
১ টি | ২৪০৫-২৪০৫
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে ষষ্ঠ হাদীস
১ টি | ২৪০৬-২৪০৬
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে সপ্তম হাদীস
১ টি | ২৪০৭-২৪০৭
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে অষ্টম হাদীস
১ টি | ২৪০৮-২৪০৮
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে নবম হাদীস
১ টি | ২৪০৯-২৪০৯
বিতর সালাত ফরয নয় মর্মে দশম হাদীস
১ টি | ২৪১০-২৪১০
যে ব্যক্তি সকাল করে এমন অবস্থায় যে, সে বিতর সালাত আদায় করেনি, তবে তার জন্য বিতর নেই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪১১-২৪১১
যখন কোন ব্যক্তি বিতর সালাত আদায় করতে চাইবে, সেই বিতর সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৪১৩-২৪১৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তা আমল করা বৈধতার ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৪১৪-২৪১৪
যখন কোন ব্যক্তি রাতের সালাত আদায় করবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো এক রাকাত বিতরের উপর সীমাবদ্ধ থাকা
১ টি | ২৪১৫-২৪১৫
যে ব্যক্তি এক রাকাত বিতরকে বাতিল বলে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৪১৭-২৪১৭
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে উরওয়া এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৪১৯-২৪১৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম দ্বিতীয় ও তৃতীয় রাকাতের মাঝে সালাম ফেরানোর মাধ্যমে (তিন রাকাত বিতর সালাতকে) বিভাজন সৃষ্টি করতেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪২৩-২৪২৩
জোড় ও বেজোড়ের মাঝে বিভাজন সৃষ্টি করার ব্যাপারে সুস্পষ্ট হাদীস
১ টি | ২৪২৪-২৪২৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তিন রাকাত বিতর সালাত আদায় করতেন, তখন তিনি জোড় ও বিজোড়ের মাঝে এক সালামের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করতেন
১ টি | ২৪২৫-২৪২৫
জোড় ও বিজোড়ের মাঝে সালামের মাধ্যমে বিভাজন সৃষ্টি করার সময় আওয়াজ উঁচু করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪২৬-২৪২৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কোন কোন রাতে এক রাকাতের অধিক বিতর সালাত আদায় করতেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪২৮-২৪২৮
আমরা যেসব সংখ্যা উল্লেখ করলাম, তাছাড়াও অন্য সংখ্যায়ও বিতর সালাত আদায় করা জায়েয মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪২৯-২৪২৯
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা আমল করার ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৪৩১-২৪৩১
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য নয় রাকাত বিতর সালাত আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৩৩-২৪৩৩
কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করলে, তার জন্য বিতর সালাত কখন আদায় করা মুস্তাহাব- সে সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২৪৩৪-২৪৩৪
যখন কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করবে, তখন তিনি বিতর সালাত কখন আদায় করবেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৪৩৫-২৪৩৫
ফজর হওয়ার আগেই দ্রুত বিতর সালাত আদায় করার ব্যাপারে নির্দেশ
১ টি | ২৪৩৬-২৪৩৬
মানুষের জন্য বৈধ আছে তাহাজ্জুদ পড়ার অভ্যাসের উপর ভিত্তি করে বিতর সালাত প্রথম রাতে বা শেষ রাতে আদায় করা
১ টি | ২৪৩৮-২৪৩৮
বিতর সালাত, যার বিবরণ দিয়েছি, তাতে সূরা ইখলাস পাঠের সাথে সূরা নাস ও ফালাক যোগ করা বৈধ
১ টি | ২৪৩৯-২৪৩৯
যেসব সুন্নাত সালাত পড়ার কারণে মহান আল্লাহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির জন্য জান্নাতে প্রাসাদ নির্মাণ করবেন, সেসব সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৪৪৩-২৪৪৩
যে ব্যক্তি আসরের আগে ৪ রাকাত সালাত আদায় করে, তার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক রহমত প্রাপ্তির দু‘আ
১ টি | ২৪৪৪-২৪৪৪
যখনই কোন ব্যক্তি ফরয সালাত আদায় করার ইচ্ছা করবে, তখনই তার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৪৪৬-২৪৪৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে ফজরের আগে দুই রাকাত সালাত আদায়ে তৎপর হওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ২৪৪৭-২৪৪৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম গনীমতের মালের প্রতি অগ্রগামী হওয়ার চেয়েও ফজরের দুই রাকাত সালাতের প্রতি বেশি অগ্রগামী হতেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৪৮-২৪৪৮
ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করার ব্যাপারে উদ্বুদ্ধকরণ এবং এই দুই রাকাত সালাত দুনিয়া ও তার মধ্যস্থিত সমস্ত সহায়-সম্পদ অপেক্ষা উত্তম মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৪৯-২৪৪৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ফজরের আগে দুই রাকাত সালাতের কিরা‘আতে যা পাঠ করতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৪৫০-২৪৫০
যে ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সালাতে সূরা ইখলাস পাঠ করে, তার জন্য ঈমান সাব্যস্তকরণ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৫১-২৪৫১
ফজরের দুই রাকাতে সূরা ইখলাস পাঠ করার ব্যাপারে উৎসাহ প্রদান
১ টি | ২৪৫২-২৪৫২
সুবহে সাদিকের আলো উদ্ভাসিত হওয়ার প্রথম দিকে ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৪৫৩-২৪৫৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ফজরের আগে দুই রাকাত সালাত আদায়ে তৎপর হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৫৪-২৪৫৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ফজরের আগে দুই রাকাত সালাত হালকা করে আদায় করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৫৫-২৪৫৫
যখন কোন ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো তা হালকা করে আদায় করা
১ টি | ২৪৫৬-২৪৫৬
যখন কোন ব্যক্তি ফজরের দুই রাকাত সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো তা হালকা করে আদায় করা
১ টি | ২৪৫৭-২৪৫৭
যে ব্যক্তি ফজরের সালাত আদায় করতে চায়, তাকে ফজরের দুই রাকাত সুন্নাতের পর শয়ন করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৫৯-২৪৫৯
যে ব্যক্তি জামা‘আত পায় কিন্তু ফজরের দুই রাকআত সুন্নাত পড়তে পারেনি, তার জন্য বৈধ আছে যে তিনি ফরযের পর তা আদায় করবেন
১ টি | ২৪৬২-২৪৬২
যে ব্যক্তির ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত ছুটে যায়, তাকে সূর্য উদয়ের পর তা আদায় করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৬৩-২৪৬৩
একজন মুসল্লী ব্যক্তি যোহরের ফরযের আগে কী পড়বেন তার বিবরণ
১ টি | ২৪৬৪-২৪৬৪
যোহরের ফরযের আগে চার রাকাত সুন্নাত পড়াও বৈধ
১ টি | ২৪৬৫-২৪৬৫
আমরা যেসব সালাতের বিবরণ দিলাম, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেসব সালাত বাড়িতে আদায় করতেন; মসজিদে নয়
২ টি | ২৪৬৬-২৪৬৭
যে ব্যক্তি জুমু‘আর দিন সালাত আদায় করবে, তাকে জুমু‘আর পর চার রাকাত সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ২৪৬৯-২৪৬৯
জুমু‘আর পর যে সালাত আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশটি ঐচ্ছিকতা নির্দেশক; আবশ্যকতা নির্দেশক নয় মর্মে হাদীস
২ টি | ২৪৭০-২৪৭০
জুমু‘আর পর যে সালাত আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশটি ঐচ্ছিকতা নির্দেশক; আবশ্যকতা নির্দেশক নয় মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৪৭১-২৪৭১
জুমু‘আর পর যে সালাত আদায় করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই নির্দেশটি ঐচ্ছিকতা নির্দেশক; আবশ্যকতা নির্দেশক নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৭২-২৪৭২
জুমু‘আর পর যে চার রাকাত সালাত পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তা দুই সালামে পড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে; এক সালামে নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৪৭৩-২৪৭৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক জুমু‘আর পর দুই রাকাত সালাত ঘরে আদায় করা এমন বিষয় নয় যে, তা তিনি কেবল ঘরেই পড়েছেন
১ টি | ২৪৭৫-২৪৭৫
হাদীসের যে শব্দরুপ কোন আলিম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এই বর্ণনাটি হয়তো সহীহ-মাহফূয
১ টি | ২৪৭৬-২৪৭৬
উল্লেখিত হাদীসের শেষাংশ আবূ সালিহের বক্তব্য; যা ইবনু ইদরীস হাদীসের মাঝে ঢুকিয়ে দিয়েছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৭৭-২৪৭৭
যে ব্যক্তি কোন ফরয সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করে, তার প্রতি নির্দেশ হলো প্রত্যেক ফরয সালাতের আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করা
১ টি | ২৪৭৯-২৪৭৯
মাগরিবের আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৪৮০-২৪৮০
মুসল্লী ব্যক্তির প্রতি নির্দেশ হলো তিনি যেন বাড়িতে আদায় করার জন্য সালাতের একটা অংশ রেখে দেন
১ টি | ২৪৮১-২৪৮১
যখন ব্যক্তি প্রাণবন্ত থাকে, তখন তাকে নফল সালাত আদায় করার নির্দেশ, আর যখন তা না থাকবে, তখন নফল সালাত আদায় না করার নির্দেশ
১ টি | ২৪৮৩-২৪৮৩
যখন কোন ব্যক্তিকে ঘুম পরাভূত করবে, তখন নফল সালাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা কেননা তার ব্যাপারে এই ভয় আছে যে, সে হয়তো এমন কিছু বলে ফেলবে যা সে জানে না
১ টি | ২৪৮৪-২৪৮৪
দিনে-রাতে নফল-সুন্নাত সালাত কিভাবে আদায় করবে তার বিবরণ
১ টি | ২৪৮৫-২৪৮৫
মসজিদে প্রবেশকারী ব্যক্তির দুই রাকাত সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ২৪৮৭-২৪৮৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “সে যেন বসার আগে দুটি সাজদা করে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো দুই রাকা‘আত সালাত মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৮৯-২৪৮৯
মসজিদে প্রবেশকারী ব্যক্তিকে বসা অথবা কোন কিছু জিজ্ঞেস করার আগে দুই রাকাত সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ২৪৯০-২৪৯০
ইমাম খুতবা প্রদান কালীন সময়ে কোন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করলে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করবেন
১ টি | ২৪৯১-২৪৯১
ইমাম খুতবা প্রদান কালীন সময়ে কোন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করলে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি দুই রাকাত সালাত আদায় করবেন
১ টি | ২৪৯২-২৪৯২
ইমাম খুতবা প্রদান কালীন সময়ে কোন ব্যক্তি মসজিদে প্রবেশ করলে, তার জন্য জরুরী হলো তিনি দুই রাকাত সালাত হালকা করে আদায় করবেন
১ টি | ২৪৯৩-২৪৯৩
নফল সালাত জামা‘আতে আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৯৭-২৪৯৭
নফল সালাত বসে আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৪৯৮-২৪৯৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক বসে আদায়কৃত সালাতের সময়ের ব্যাপ্তি প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৪৯৯-২৪৯৯
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বসে সালাত আদায় করতেন
১ টি | ২৫০০-২৫০০
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রুকূ‘ করার ইচ্ছা করার সময় উঠে দাঁড়াতেন
১ টি | ২৫০১-২৫০১
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “যখন তিনি বসে সালাত আদায় করতেন” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যখন তিনি বসে সালাত শুরু করতেন, তখন তিনি বসে রুকূ‘ করতেন
১ টি | ২৫০২-২৫০২
বসে সালাত আদায়কারীর উপর দাঁড়িয়ে সালাত আদায়কারী এবং শুয়ে সালাত আদায়কারীর উপর বসে সালাত আদায়কারীর সালাতের ফযীলত
১ টি | ২৫০৪-২৫০৪
কোন ব্যক্তি বাড়ি থেকে বের হলে যা করা মুস্তাহাব তার বর্ণনা
১ টি | ২৫০৫-২৫০৫
(২০) বাহনের উপর সালাত করা প্রসঙ্গে - বাহনের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৫০৬-২৫০৬
বাহনের উপর সালাত আদায় করা বৈধ, যদিও কিবলা তার পিছন দিকে থাকে
১ টি | ২৫০৭-২৫০৭
কোন ব্যক্তির জন্য এটাতে কোন দোষ নেই যে, তিনি সফরে তার বাহনের উপর সালাত আদায় করবেন, তার বাহন যেদিকেই মুখ করুক না কেন
১ টি | ২৫০৮-২৫০৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এসব সালাত যা তিনি বাহনের উপর পড়তেন, এগুলি নফল সালাত ছিল; ফরয সালাত ছিল না
১ টি | ২৫০৯-২৫০৯
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি ইবনু ওয়াহাব আমর বিন হারিস থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৫১০-২৫১০
মুসাফির ব্যক্তির জন্য বাহনের উপর নফল সালাত আদায় করা বৈধ, যদিও কিবলা তার পিছন দিকে থাকে
২ টি | ২৫১১-২৫১২
বাহনের উপর রুকূ‘ ও সাজদা করার বিবরণ
১ টি | ২৫১৩-২৫১৩
বাহনের উপর সালাত আদায় করার বিবরণ
১ টি | ২৫১৫-২৫১৫
বাহনের উপর সালাত আদায়কারী ব্যক্তির রুকু ও সিজদার বর্ণনা উল্লেখ করা
১ টি | ২৫১৬-২৫১৬
(২১) সালাতুয যুহা বা চাশতের সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৫১৭-২৫১৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, উল্লেখিত হাদীসটি কাহমাস বিন হাসান এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৫১৮-২৫১৮
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৫১৯-২৫১৯
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কর্তৃক রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের চাশতের সালাত সাব্যস্তকরণ
১ টি | ২৫২০-২৫২০
যে হাদীস প্রমাণ করে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সবসময় চাশতের সালাত আদায় করতেন
১ টি | ২৫২১-২৫২১
চাশতের সালাত নিয়মিত আদায় করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৫২৩-২৫২৩
কোন ব্যক্তি দিবসের প্রথম ভাগে চার রাকা‘আত সালাত আদায় করলে, সেটা তার জন্য দিবসের শেষ ভাগের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে
১ টি | ২৫২৪-২৫২৪
দিবসের প্রথম ভাগে চার রাকা‘আত সালাত আদায় করা মুস্তাহাব, যাতে সেটা তার জন্য দিবসের শেষ ভাগে যথেষ্ট হয়ে যায়
১ টি | ২৫২৫-২৫২৫
চাশতের দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অসিয়ত
১ টি | ২৫২৭-২৫২৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে আট রাকা‘আত চাশতের সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৫২৮-২৫২৮
চাশতের সালাতের কিয়াম, রুকূ‘, সাজদা সমান হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৫২৯-২৫২৯
উটের বাচ্চার পা সূর্যতাপে উত্যপ্ত হওয়ার সময়ে চাশতের সালাত আদায় করা হলে, সেটি সালাতুল আওয়াবীন হিসেবে পরিগণিত হয়
১ টি | ২৫৩০-২৫৩০
চাশতের সালাত আদায় করার কারণে মহান আল্লাহ সাদাকা করা সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ২৫৩১-২৫৩১
(২২) তারাবীহ সালাত প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ২৫৩২-২৫৩৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৫৩৪-২৫৩৪
যখন কোন মুসলিম ব্যক্তি ঈমানসহ সাওয়াবের আশায় রমযান মাসে কিয়াম করবে, মহান আল্লাহ তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ২৫৩৭-২৫৩৭
যে ব্যক্তি ইমামের সাথে শেষ অবধি তারাবীহ সালাত আদায় করে, মহান আল্লাহ্ তার জন্য পুরো রাত কিয়াম করার সাওয়াব লিপিবদ্ধ করে দিয়ে তার প্রতি অনুগ্রহ করেন
১ টি | ২৫৩৮-২৫৩৮
কুরআন পাঠে অভিজ্ঞ ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি নারীদের নিয়ে তারাবীহ সালাত জামা‘আতে আদায় করবেন
১ টি | ২৫৪০-২৫৪০
পুরুষ ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি নারীদের নিয়ে তারাবীহ সালাত জামা‘আতে আদায় করবেন
১ টি | ২৫৪১-২৫৪১
(২৩) কিয়ামুল লাইল
১ টি | ২৫৪২-২৫৪২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উপর কিয়ামুল লাইল প্রথমে ফরয ছিল, তারপর তা নফলে পরিণত হয়
১ টি | ২৫৪৩-২৫৪৩
ঘুমানোর সময় শয়তান যে মানুষের মাথার পশ্চাৎভাগে গিরা দেয়, সালাতুল লাইলের জন্য জাগ্রত হওয়ার মাধ্যমে সে গিরা খুলে ফেলা মুস্তাহাব
১ টি | ২৫৪৪-২৫৪৪
আমরা যেমনটা উল্লেখ করলাম যে, শয়তান পুরুষদের মাথার পশ্চাৎভাগে গিরা দেয়, অনুরুপভাবে সে নারীদের মাথার পশ্চাৎভাগেও গিরা দেয়
১ টি | ২৫৪৫-২৫৪৫
মুসলিম ব্যক্তি ঘুমানোর সময় তার ওযূর অঙ্গ-প্রতঙ্গের উপর তার মাথার পশ্চাৎভাগে গিরা দেওয়া হয়
১ টি | ২৫৪৬-২৫৪৬
যে ব্যক্তি রাতের আধারে দাঁড়িয়ে তার প্রভুর কাছে খোশামোদ করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৫৫০-২৫৫০
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো বেশি বেশি কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করা, যাতে এর বদৌলতে নিষিদ্ধ কাজসমূহ থেকে বিরত থাকতে পারে
১ টি | ২৫৫১-২৫৫১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো বেশি বেশি কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করা, যাতে প্রতি রাতের যে সময়ে দু‘আ কবূল করা হয় তিনি সেই সময়টি পেতে পারেন
১ টি | ২৫৫২-২৫৫২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো বেশি বেশি কিয়ামুল লাইল বা তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করা এবং ঘুমের উপর ভরসা না করা
১ টি | ২৫৫৩-২৫৫৩
ফরযের পর সর্বশ্রেষ্ঠ সালাত হলো রাতে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করা
১ টি | ২৫৫৪-২৫৫৪
রাতের প্রথমভাগে নফল সালাত আদায় করার চেয়ে শেষ বা মধ্যরাতে সালাত আদায় করা উত্তম মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৫৫৫-২৫৫৫
শেষ রাতের সালাতে ফেরেস্তাগণ উপস্থিত থাকেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৫৫৬-২৫৫৬
পরিবারের লোকদের সালাতুল লাইল পড়ার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৫৫৭-২৫৫৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ব্ক্তব্য “তার পরিবারকে জাগিয়ে তুলে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার স্ত্রী
১ টি | ২৫৬০-২৫৬০
রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন তাঁর প্রিয় প্রভুর সাথে একান্ত আলাপে নিমগ্ন হতেন, তখন তিনি সুন্দর পোশাক পরিধান করতেন
১ টি | ২৫৬১-২৫৬১
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁকে এমন নির্দেশ দেন
১ টি | ২৫৬২-২৫৬২
তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর জন্য মুস্তাহাব হলো প্রত্যেক রাতে সূরা ইয়াসিন পড়া, যাতে এর বদৌলতে পূর্বের গোনাহ ক্ষমার আশা করা যায়
১ টি | ২৫৬৫-২৫৬৫
যখন কোন ব্যক্তি অন্য কোন সূরা কিরা‘আত করতে পারবে না, তখন তার জন্য সূরা বাকারার শেষ আয়াত যথেষ্ট হয়ে যাবে
১ টি | ২৫৬৬-২৫৬৬
তাহাজ্জুদ সালাতে সূরা ইখলাস পাঠ করার উপর ক্ষ্যান্ত থাকা যথেষ্ট হবে, কেননা এটি কুরআনের এক-তৃতীয়াংশের সমান যখন কোন ব্যক্তি এর চেয়ে বেশি পাঠ করতে অপারগ হবে
১ টি | ২৫৬৭-২৫৬৭
যে ব্যক্তি মুসাফির অবস্থায় আশংকা করে যে, সে তাহাজ্জুদ সালাতের জন্য উঠতে পারবে না, তার প্রতি নির্দেশ হলো বিতরের সালাতের পর দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করা
১ টি | ২৫৬৮-২৫৬৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন রাতে ঘুম থেকে জাগ্রত হতেন তখন তিনি কী পাঠ করতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৫৭০-২৫৭০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে তারতীলের সাথে কিরা‘আত করে সালাতুল লাইল আদায় করতেন
১ টি | ২৫৭১-২৫৭১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতুল লাইল আদায় করার সময় কিরা‘আত জোরে পাঠ করতেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৫৭২-২৫৭২
রাতে তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারী ব্যক্তির যদি নির্ধারিত নফল ইবাদত পালনে ঘুম পরাভূত করে, তবে তার প্রতি ঘুমানোর নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৫৭৪-২৫৭৪
সালাতে তন্দ্রাচ্ছন্ন ব্যক্তিকেও এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, যদিও তার উপর ঘুম প্রাবল্যতা লাভ না করে
১ টি | ২৫৭৫-২৫৭৫
রাতে বা দিনের কোন সালাতে তন্দ্রার কারণে যার কাছে কিরা‘আত ভারি হয়ে যাবে, তার জন্য জরুরি হলো (নফল) সালাত পড়া ছেড়ে দেওয়া
১ টি | ২৫৭৬-২৫৭৬
যেই কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, তার বিবরণ
১ টি | ২৫৭৭-২৫৭৭
একজন মানুষের জন্য রাতে ততক্ষন পর্যন্ত সালাত আদায় করা বৈধ, যতক্ষন পর্যন্ত না ঘুম তাকে পরাভূত করেছে
১ টি | ২৫৭৮-২৫৭৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে সময়ে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার জন্য উঠতেন তার বিবরণ
১ টি | ২৫৮০-২৫৮০
আল্লাহর নাবী দাঊদ আলাইহিস সালামের কিয়াম ও সিয়ামের বর্ণনা
১ টি | ২৫৮১-২৫৮১
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ঘুমানোর পর তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতেন মর্মে হাদীস
১ টি | ২৫৮২-২৫৮২
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যে কিয়ামুল লাইলের বিবরণ দিলাম, তা তিনি ঘুমানোর পর পড়তেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৫৮৩-২৫৮৩
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের যে কিয়ামুল লাইলের বিবরণ দিলাম তা তিনি ইশা ও ফজরের মাঝে রাতের প্রথম ভাগে ঘুমানোর পর পড়তেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৫৮৪-২৫৮৪
যখন কোন ব্যক্তি রাতে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার জন্য জাগ্রত হবে, তখন তিনি কী বলবেন তার বিবরণ
১ টি | ২৫৮৫-২৫৮৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, হাদীসটি ইমাম আওযাঈ রহিমাহুল্লাহ ইয়াহইয়া বিন কাসীর থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৫৮৬-২৫৮৬
ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার পর যা পাঠ করার পর সালাত আদায় করলে সেই সালাত কবূল করা হয় তার বিবরণ
১ টি | ২৫৮৭-২৫৮৭
তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করার সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আল্লাহর কী প্রশংসা করতেন এবং দু‘আ করতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৫৮৮-২৫৮৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমানে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৫৮৯-২৫৮৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাহাজ্জুদ সালাত শুরু করার সময় তাঁর প্রভুর কাছে মতভেদপূর্ণ বিষয়ে হকের দিশা দেওয়ার জন্য প্রার্থনা করতেন
১ টি | ২৫৯১-২৫৯১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাহাজ্জুদ সালাত শুরু করার সময় বারবার তাকবীর, তাহমীদ ও তাসবীহ পাঠ করতেন
১ টি | ২৫৯২-২৫৯২
সালাতুল লাইল শুরু করার সময় আমরা যে তাকবীর, তাসবীহ ও তাহমীদের বর্ণনা দিলাম, তার চেয়ে বেশি বলা বৈধ
১ টি | ২৫৯৩-২৫৯৩
তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর জন্য বৈধ হলো তার আওয়াজ উঁচু করা, যাতে তার আওয়াজ শ্রবণকারীদের শোনাতে পারে
১ টি | ২৫৯৪-২৫৯৪
যে ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে ইচ্ছা করবে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি প্রথমে হালকা দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করবেন
১ টি | ২৫৯৭-২৫৯৭
মুসল্লী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো তাহাজ্জুদ সালাতের কিয়াম দীর্ঘ করা, কেননা উত্তম সালাত হলো ঐ সালাত যাতে কিয়াম দীর্ঘ করা হয়
১ টি | ২৫৯৮-২৫৯৮
তাহাজ্জুদ সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কী পরিমাণ অবস্থান করতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৬০১-২৬০১
যে কয় রাকা‘আত তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৬০৩-২৬০৩
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তাহাজ্জুদ সালাতের যে বিবরণ পেশ করলাম, তার ব্যতিক্রম সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৬০৪-২৬০৪
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬০৫-২৬০৫
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের তাহাজ্জুদ সালাতের যে বিবরণ পেশ করলাম, তার ব্যতিক্রম সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৬০৬-২৬০৬
তাহাজ্জুদ সালাতের আমরা যে সংখ্যা বর্ণনা করেছি, তাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করেছেন
১ টি | ২৬০৭-২৬০৭
আমরা হাদীসসমূহের যে ব্যাখ্যা করেছি, সে অনুযায়ী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের রাতের সালাত বিভিন্ন রকম ছিল মর্মে হাদীস
১ টি | ২৬০৮-২৬০৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬০৯-২৬০৯
যখন কোন ব্যক্তি তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করবে, তার জন্য মুস্তাহাব হলো এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করা
১ টি | ২৬১১-২৬১১
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে বিভিন্ন রকম তাহাজ্জুদ সালাতের উল্লেখ করলাম, তার সবগুলো সহীহ, সুপ্রমাণিত; এসবের মাঝে কোন বৈপরীত্ব নেই
১ টি | ২৬১২-২৬১২
তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর প্রতি নির্দেশ হলো তিনি তার সর্বশেষ সালাত এক রাকা‘আত করবেন, যা তার বিতর সালাত হিসেবে পরিগণিত হবে
১ টি | ২৬১৩-২৬১৩
তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর প্রতি নির্দেশ হলো তার সব সালাতের শেষে এক রাকা‘আত বিতর সালাত আদায় করবে সুবহে সাদিকের আগে; পরে নয়
১ টি | ২৬১৪-২৬১৪
যে ব্যক্তি রাতে সালাত আদায় করে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি শেষ সালাত এক রাকা‘আত বিতর করবেন
১ টি | ২৬১৬-২৬১৬
রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের রাতে যে কিয়ামুল লাইলের বর্ণনা দিলাম, সেসব রাকা‘আতে কিয়াম সমান সমান করতেন
১ টি | ২৬১৮-২৬১৮
নফল সালাত রাতে জামা‘আতে আদায় করা বৈধ
১ টি | ২৬১৯-২৬১৯
কোন ব্যক্তি যখন দাঁড়িয়ে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করতে অপারগ হবে, তখন তার জন্য বৈধ রয়েছে যে, তিনি বসে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করবেন
১ টি | ২৬২১-২৬২১
রাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক বসে সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৬২২-২৬২২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন বয়োঃবৃদ্ধ হয়ে যান, তখন তিনি বসে সালাত আদায় করতেন
১ টি | ২৬২৩-২৬২৩
আমরা যা বর্ণনা করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬২৪-২৬২৪
রাত্রির তাহাজ্জুদের পরে বিতরের নামাজ আদায় করার পরেও একজন ব্যক্তি দু’রাকাত সালাত আদায় করতে পারেন — তবে তা ফজরের সুন্নাত দুই রাকাতের বাইরে।
১ টি | ২৬২৫-২৬২৫
বিতরের পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করতেন, তাতে তিনি যা পড়তেন তার বিবরণ
১ টি | ২৬২৬-২৬২৬
তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারীর জন্য বৈধ রয়েছে যে, তিনি তার নির্ধারিত নফল ইবাদত শেষ করার পর সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার আগে কাত হয়ে শয়ন করবেন
১ টি | ২৬২৭-২৬২৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কোন রাতে সুবহে সাদিক উদিত হওয়ার আগে রাতের সালাত শেষে হালকা ঘুমাতেন
১ টি | ২৬২৮-২৬২৮
আমরা যে ঘুমের বিবরণ দিলাম, যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শেষ রাতে এভাবে ঘুমাতেন তার বর্ণনা
১ টি | ২৬২৯-২৬২৯
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহের বিপরীত
১ টি | ২৬৩০-২৬৩০
দ্বিতীয় হাদীস যা অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে বাহ্যত এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের পূর্বে উল্লেখিত হাদীসসমূহের বিপরীত
১ টি | ২৬৩১-২৬৩১
রাতে কোন ব্যক্তির তাহাজ্জুদ সালাতে অভ্যস্ত হওয়ার পর তা পরিত্যাগ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৬৩২-২৬৩২
রাতের তাহাজ্জুদ ছুটে গেলে তা দিনে আদায় করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৬৩৩-২৬৩৩
যদি কোন কারণে তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারী ব্যক্তির তাহাজ্জুদ ছুঁটে যায়, তবে তার জন্য উত্তম হলো তিনি অনুরুপ সংখ্যায় সালাত দিনে আদায় করবেন
১ টি | ২৬৩৫-২৬৩৫
যদি কোন কারণে তাহাজ্জুদ সালাত আদায়কারী ব্যক্তির তাহাজ্জুদ ছুঁটে যায়, তবে তার জন্য উত্তম হলো তিনি অনুরুপ সংখ্যায় সালাত দিনে আদায় করবেন
১ টি | ২৬৩৬-২৬৩৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন রাতে অসুস্থ থাকতেন, তখন তিনি রাতের নির্ধারিত নফল ইবাদত দিনে পালন করতেন
১ টি | ২৬৩৭-২৬৩৭
(২৪) ছুটে যাওয়া সালাত কাযা করা - সালাত আদায়ে করতে ভুলে যাওয়া ব্যক্তি তা স্মরণ হওয়া মাত্র আদায় করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৬৩৮-২৬৩৮
এক জনের পক্ষ থেকে আরেকজনের সালাত আদায় করা জায়েয নেই মর্মে হাদীস
১ টি | ২৬৩৯-২৬৩৯
যেই কারণে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়ার জায়গা থেকে অন্য জায়গায় যান, ছুটে যাওয়া সালাত আদায় করার জন্য
১ টি | ২৬৪২-২৬৪২
আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য “দুইটি সাজদা করেন” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ফজরের আগে দুই রাকা‘আত সালাত
১ টি | ২৬৪৩-২৬৪৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাহু সাজদাকে ‘শয়তানের জন্য অবমাননাকারী’ হিসেবে নামকরণ
২ টি | ২৬৪৫-২৬৪৬
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমানে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬৪৭-২৬৪৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই সালাতে সাহু সাজদা সালাম ফেরানোর পর দিয়েছিলেন; আগে নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৬৪৮-২৬৪৮
সালাতে সন্দেহ হলে ধারণার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষেত্রে সাহু সিজদার নির্দেশ — এটি সালাম ফেরানোর পর আদায় করার বিষয় — সালামের আগে নয়
১ টি | ২৬৪৯-২৬৪৯
সালাতে সঠিকতা জানতে সচেষ্ট ব্যক্তি যখন ভুল করবে, তখন তার জন্য জরুরী হলো প্রথম সালামের পর দুটি সাহু সাজদা করা
১ টি | ২৬৫০-২৬৫০
যোহরের সালাত কোন ব্যক্তি যদি ভুলে চতুর্থ রাকা‘আতে না বসে ভুলে পাঁচ রাকা‘আত আদায় করে, তবে এজন্য তাকে সেই সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না
১ টি | ২৬৫১-২৬৫১
সালাতে সঠিকতা জানতে সচেষ্ট ব্যক্তি সন্দেহ পোষন করলে, তার জন্য জরুরী হলো সালামের পর দুটি সাহু সাজদা করা
১ টি | ২৬৫২-২৬৫২
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৬৫৪-২৬৫৪
কথা বলার নির্দেশ, যার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো অন্তর ব্যবহার করা; জবান দ্বারা কথা বলা উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২৬৫৫-২৬৫৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তবে সে ব্যক্তি যেন বলে, “তুমি মিথ্যা বলেছো!” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো মনে মনে নয়; জবান দ্বারা নয়
১ টি | ২৬৫৬-২৬৫৬
সালামের পর সাহু সাজদাকারী ব্যক্তির জন্য জরুরী হলো তাশাহ্হুদ পাঠ করা তারপর দ্বিতীয়বার সালাম ফেরানো
২ টি | ২৬৬০-২৬৬১
যখন কোন ব্যক্তি সালাম ফেরানোর পর সাজদায়ে সাহু করবে, যা আমরা বর্ণনা করলাম, তার জন্য জরুরী হলো তারপর তাশাহহুদ পাঠ করা অতঃপর সালাম ফেরানো
১ টি | ২৬৬২-২৬৬২
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সাজদায়ে সাহু সর্বাবস্থায় সালামের আগে হবে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৬৬৩-২৬৬৩
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত ইমরান বিন হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর হাদীসের বিপরীত
১ টি | ২৬৬৪-২৬৬৪
(২৫) যে ব্যক্তি দ্বিতীয় রাকা‘আতের বৈঠক না দিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, তিনি সালাম ফেরানোর আগে সাহু সাজদা দিবেন; পরে নয়
১ টি | ২৬৬৭-২৬৬৭
যেই সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম ফেরানোর আগে সাহু সাজদা করেছেন, সেই সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৬৬৮-২৬৬৮
যে ব্যক্তি দ্বিতীয় রাকা‘আতের বৈঠক না দিয়ে দাঁড়িয়ে যায়, তার উপর দুটি সাহু সাজদা ছাড়া আর কোন কিছু ওয়াজিব নয়
১ টি | ২৬৬৯-২৬৬৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই সুন্নাহটি আব্দুর রহমান আল আ‘রাজ এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৬৭০-২৬৭০
যখন কোন ব্যক্তি সালাতে ভুলে যায়, তারপর সে সঠিকতায় ফিরে আসে, তার উপর কী করণীয় তার বর্ণনা
১ টি | ২৬৭১-২৬৭১
এই হাদীসে যাইদ বিন উনাইস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য “صَلَّى بِهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যোহরের পাঁচ রাকা‘আত
১ টি | ২৬৭২-২৬৭২
ব্যাখ্যাহীন নির্দেশ, যা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কর্মগত আমল ব্যাখ্যা করে, যা আমরা পূর্বে উল্লেখ করেছি
২ টি | ২৬৭৩-২৬৭৪
আমরা যেই সালাতের বিবরণ দিলাম, তাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সালাম ফেরানোর পর দুটি সাজদা করার মাধ্যমে সালাত পূর্ণ করে
১ টি | ২৬৭৬-২৬৭৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উক্ত সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে উপস্থিত ছিলেন না, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৬৭৭-২৬৭৭
দ্বিতীয় হাদীস যা প্রমাণ করে যে, আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উক্ত সালাতে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে উপস্থিত ছিলেন
১ টি | ২৬৭৮-২৬৭৮
(২৬) মুসাফির সংক্রান্ত বিধি-বিধান
১ টি | ২৬৭৯-২৬৭৯
কোন ব্যক্তি সফর করার ইচ্ছা করলে, তার জন্য কী দু‘আ করবে তার বর্ণনা
১ টি | ২৬৮১-২৬৮১
সফরের জন্য বিদায়ের সময় কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের জন্য কী বলে দু‘আ করলে আল্লাহ তাকে হেফাযত করবে
১ টি | ২৬৮২-২৬৮২
যে ব্যক্তি উটের পিঠে আরোহন করতে চায়, সে যেন বিসমিল্লাহ বলে, যাতে সে এর মাধ্যমে উটের পৃষ্ঠদেশ থেকে শয়তানকে তাড়িয়ে দিতে পারে
১ টি | ২৬৮৩-২৬৮৩
সফরে বের হওয়ার সময় যখন কোন ব্যক্তি বাহনে আরোহন করতে ইচ্ছা করে, তখন কী বলবে তার বিবরণ
১ টি | ২৬৮৪-২৬৮৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আবুয যুবাইরে হাদীস যা আমরা উল্লেখ করলাম, সেটা হাম্মাদ বিন সালামাহ এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৬৮৫-২৬৮৫
উক্ত দু‘আয় আরো কিছু শব্দ বৃদ্ধি করা জায়েয
১ টি | ২৬৮৬-২৬৮৬
যখন কোন বান্দা সফরের উদ্দেশ্যে বাহনে আরোহন করবে, তখন সে কী বলে আল্লাহর প্রশংসা করবে তার বিবরণ
১ টি | ২৬৮৭-২৬৮৭
মুসাফির ব্যক্তি তার বাসস্থানে যেই দু‘আ পাঠ করলে, সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত সমস্ত অকল্যাণ থেকে নিরাপদ থাকবে
১ টি | ২৬৮৯-২৬৮৯
মুসাফির ব্যক্তি সফরে ফজরের আগে কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ২৬৯০-২৬৯০
মুসাফির ব্যক্তিকে প্রত্যেক উঁচু জায়গায় তাকবীর বলার নির্দেশ
১ টি | ২৬৯১-২৬৯১
যখন কোন ব্যক্তি অনাবৃষ্টির অঞ্চলে সফর করবে, তখন বাহনে চড়ে দ্রুত সেখান থেকে প্রস্থান করার নির্দেশ
১ টি | ২৬৯২-২৬৯২
রাতে একাকী সফর করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৬৯৩-২৬৯৩
যখন সফরে হাঁটা কষ্টকর হবে এবং সফর কষ্টসাধ্য হবে, তখন কী করা মুস্তাহাব সে সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২৬৯৫-২৬৯৫
সফর থেকে ফিরে এসে কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ২৬৯৬-২৬৯৬
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দীর্ঘ সফরের সময় দ্রুত স্বদেশে ফিরে যাওয়া
১ টি | ২৬৯৭-২৬৯৭
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সফর থেকে যখন সে তার শহরের কাছাকাছি আসবে, তখন তিনি দ্রুত চলবেন
১ টি | ২৬৯৯-২৬৯৯
মুসাফির ব্যক্তি যখন সফর থেকে আগমন করে তখন কী বলবে তার বর্ণনা
১ টি | ২৭০০-২৭০০
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমাদের বর্ণিত শু‘বার হাদীসটি হয়তো ত্রুটিযু্ক্ত
২ টি | ২৭০১-২৭০২
যেই হাদীস আমাদের পূর্বে বর্ণিত সংক্ষিপ্ত হাদীসের ব্যাখ্যা প্রদান করে, সেই হাদীসের বিবরণ
১ টি | ২৭০৩-২৭০৩
সফর থেকে আগমনকারীর প্রতি নির্দেশ হলো তিনি বাড়িতে প্রবেশ করার আগে মাসজিদে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করবে
১ টি | ২৭০৪-২৭০৪
সফর থেকে প্রত্যাবর্তন করার ব্যাপারে স্ত্রীকে সম্মত করানোর নির্দেশ
১ টি | ২৭০৬-২৭০৬
(২৭) মেয়েদের সফর করা প্রসঙ্গে
১ টি | ২৭০৭-২৭০৭
যেই মাহরাম ছাড়া নারীদের সফর করা নিষেধ, সেই মাহরামের বিবরণ
১ টি | ২৭০৮-২৭০৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৭০৯-২৭০৯
এই নিষেধাজ্ঞাটি বাধ্যতামূলক নিষেধাজ্ঞা; উত্তমতামূলক নয়
১ টি | ২৭১০-২৭১০
সাথে কোন মাহরাম ছাড়া কোন নারীর তিন রাত সফর করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ২৭১১-২৭১১
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৭১২-২৭১২
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৭১৩-২৭১৩
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ২৭১৪-২৭১৪
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে চতুর্থ হাদীস
১ টি | ২৭১৫-২৭১৫
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে পঞ্চম হাদীস
১ টি | ২৭১৬-২৭১৬
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৭১৭-২৭১৭
হাদীসে যে সংখ্যা উল্লেখ করা হয়েছে, তার চেয়ে কম দিনের সফরের বৈধতা উদ্দেশ্য নয় মর্মে ষষ্ঠ হাদীস
১ টি | ২৭১৮-২৭১৮
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, নারীদের জন্য হয়তো মাহরাম ছাড়া তিন দিনের কম সফর করা জায়েয
১ টি | ২৭১৯-২৭১৯
সফরের দুরত্ব কম হোক অথবা বেশি হোক, কোন নারীর জন্য এটা বৈধ নয় নয় মাহরাম ছাড়া সফর করা
১ টি | ২৭২০-২৭২০
সফরের দুরত্ব কম হোক অথবা বেশি হোক, কোন নারীর জন্য এটা বৈধ নয় নয় মাহরাম ছাড়া সফর করা
১ টি | ২৭২১-২৭২১
হাদীসের যে শব্দ অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এই হাদীস বর্ণনায় আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে অভিযু্ক্ত করেছেন
১ টি | ২৭২২-২৭২২
এই নিষেধাজ্ঞা পালন বাধ্যতামূলক; উত্তমতামূলক নয়
১ টি | ২৭২৩-২৭২৩
(২৮) সফরে সালাত আদায় প্রসঙ্গে
১ টি | ২৭২৪-২৭২৪
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “সালাত দুই রাকা‘আত দুই রাকা‘আত ফরয করা হয়” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো প্রথম যখন সালাত ফরয করা হয়
১ টি | ২৭২৬-২৭২৬
মুকীম অবস্থার সালাতে বৃদ্ধি করা হয় ফজর ও মাগরিবের সালাত ব্যতিত
১ টি | ২৭২৭-২৭২৭
সফরে সালাত কসর নির্দেশটি বৈধতা নির্দেশক; বাধ্যতামূলক নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ২৭২৮-২৭২৮
সফরে সালাত কসর করার বিষয়টি গ্রহণ করার নির্দেশ কেননা এটি আল্লাহর সাদাকাহ, যা তিনি তাঁর বান্দাকে দান করেছেন
১ টি | ২৭৩০-২৭৩০
যে ব্যক্তি হাশেমীয় ৪৮ মাইল সফর করার ইচ্ছা করবে, তার জন্য জায়েয আছে, প্রথম মারহালা (২৪ মাইল) থেকেই সফর করা
১ টি | ২৭৩২-২৭৩২
আমরা যে সফরের কথা উল্লেখ করলাম, সেরকম সফরের ইচ্ছাকারী ব্যক্তির জন্য জায়েয নেই সালাত কসর করা, যতক্ষন না সে তার শহরকে ত্যাগ করে
১ টি | ২৭৩৩-২৭৩৩
এরকম কাজ করা ঐ ব্যক্তির জন্য জায়েয, যে ব্যক্তি এমন সফর করার ইচ্ছা করে, যাতে কসর করা বৈধ- এই মর্মে হাদীস
১ টি | ২৭৩৫-২৭৩৫
মুসাফির ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো যখন তিনি শহরের আবাসস্থল পিছনে রেখে আসবে, তখন থেকে সালাত কসর করা
১ টি | ২৭৩৬-২৭৩৬
যেই সফরের চূড়ান্ত সীমায় কসর অবধারিত হয়, সেই সফরের চূড়ান্ত সীমায় না পৌঁছেও সালাত কসর করা যায়
১ টি | ২৭৩৭-২৭৩৭
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ২৭৩৯-২৭৩৯
যেই হাদীস বাহ্যত আমাদের উল্লেখিত পূর্বের ইকরামার হাদীসের বিপরীত
১ টি | ২৭৪০-২৭৪০
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, কোন ব্যক্তি কোন শহরে ১০ দিন অবস্থান করার নিয়ত করবে, তিনি সালাত কসর করতে পারবে
১ টি | ২৭৪৩-২৭৪৩
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মক্কায় যে কোন অবস্থায় অবস্থান করলে তিনি সালাত কসর করতে পারবেন
১ টি | ২৭৪৪-২৭৪৪
হাজীদের জন্য হজ চলাকালিন সময়ে সালাত কসর করা বৈধ
১ টি | ২৭৪৫-২৭৪৫
হজের দিনগুলিতে মিনায় অবস্থান করার সময় যে ব্যক্তি পূর্ণ সালাত আদায় করার নির্দেশ দেয়, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৭৪৬-২৭৪৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হজের দিনগুলিতে মিনায় অবস্থান করার সময় হাজীদের জন্য জরুরী হলো পূর্ণ সালাত আদায় করা, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৭৪৭-২৭৪৭
(২৯) তিলাওয়াতের সাজদা - যে ব্যক্তি কুরআন তিলাওয়াত করার সময় সাজদা করে, তার জান্নাতে প্রবেশের আশা
১ টি | ২৭৪৮-২৭৪৮
যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ শ্রবণ করবে, তার জন্য মুস্তাহাব হলো তিলাওয়াতে সাজদার সময় সাজদা করা
১ টি | ২৭৪৯-২৭৪৯
সুরা ইনশিকাক পাঠ করার সময় সাজদা করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৭৫০-২৭৫০
সূরা নাজম পাঠ করার সময় সাজদা না করা বৈধ
১ টি | ২৭৫১-২৭৫১
সূরা নাজম পাঠ করার সময় মহান আল্লাহর উদ্দেশ্যে সাজদা করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৭৫২-২৭৫২
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, উল্লেখিত হাদীস সাধারণ অর্থবোধক শব্দ দ্বারা সর্ব সাধারণ উদ্দেশ্য নয়; বরং কিছু উদ্দেশ্য
১ টি | ২৭৫৩-২৭৫৩
সূরা সোয়াদ পাঠ করার সময় সাজদা করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৭৫৪-২৭৫৪
সূরা আলাক পাঠ করার সময় সাজদা করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৭৫৬-২৭৫৬
সালাতের সাজদার আয়াত পাঠ করলে সাজদা করার সময় কী বলবে, তার বিবরণ
১ টি | ২৭৫৭-২৭৫৭
কুরআনের নির্দিষ্ট কিছু জায়াগার সাজদার আয়াত পাঠ করার সময় সাজদা করা ফরয নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৭৫৮-২৭৫৮
(৩০) জুমু‘আর সালাত প্রসঙ্গে - শেষ্ঠ দিন হলো জুমু‘আর দিন
১ টি | ২৭৫৯-২৭৫৯
জুমু‘আর দিন যেই আমলগুলো কোন ব্যক্তি করলে তিনি জান্নাতের অধিবাসী হবেন
২ টি | ২৭৬০-২৭৬১
মহান আল্লাহ জুমু‘আর দিনের সেই সময়ের দু‘আ কবূল করেন, যখন ব্যক্তি কল্যাণের দু‘আ করে; মন্দ দু‘আ নয়
১ টি | ২৭৬২-২৭৬২
জুমু‘আর দিনের উক্ত ফযীলত ঐ ব্যক্তির জন্য যিনি নাপাকীর গোসলের ন্যায় গোসল দিয়ে জুমু‘আয় উপস্থিত হয়
১ টি | ২৭৬৪-২৭৬৪
যে ব্যক্তি জুমু‘আর শর্তসমূহ পূরণ করে, জুমু‘আয় উপস্থিত হয়, তাকে পরবর্তী জুমু‘আহ পর্যন্ত ক্ষমা করে দেওয়া হয়
১ টি | ২৭৬৫-২৭৬৫
মিসওয়াক করা এবং উত্তম পোশাক পরিধান করা জুমু‘আর সেসব শর্তসমূহের অন্তর্ভুক্ত, যা দুই জুমু‘আর মধ্যবর্তী গোনাহসমূহ মোচন করে দেয়
১ টি | ২৭৬৭-২৭৬৭
উল্লেখিত ফযীলত ওযূকারী ব্যক্তির জন্যও অর্জিত হতে পারে, যদি সে গোসল না-ও করে কিন্তু উল্লেখিত শর্তসমূহ পালন করে
১ টি | ২৭৬৮-২৭৬৮
উল্লেখিত গুনাবলীসহ জুমু‘আয় আগমনকারীকে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে প্রতিটি পদক্ষেপের কারণে এক বছরের ইবাদত করার সাওয়াব দান করেন
১ টি | ২৭৭০-২৭৭০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “مَنْ غَسَّلَ وَاغْتَسَلَ” যা আমরা ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ২৭৭১-২৭৭১
যে ব্যক্তি মনে করে যে, জুমু‘আর সালাত মূলত চার রাকা‘আত; দুই রাকা‘আত নয়- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৭৭২-২৭৭২
আমাদের পূর্ববর্তীদের উপর জুমু‘আহ ফরয করা হলে, তারা মতভেদে লিপ্ত হয়
১ টি | ২৭৭৩-২৭৭৩
জুমু‘আর সালাতের ব্যাপারে যত্নবান হওয়ার নির্দেশ, যাতে তার নাম গাফেলদের মাঝে লিপিবদ্ধ করা না হয়
১ টি | ২৭৭৪-২৭৭৪
অবহেলা করে তিন জুমু‘আহ ত্যাগকারীর অন্তরে মহান আল্লাহ মোহর মেরে দেন
১ টি | ২৭৭৫-২৭৭৫
আমরা যা বর্ণনা করলাম, যে ব্যক্তি সেভাবে জুমু‘আহ ছেড়ে দেয়, তবে আল্লাহ তার অন্তরে কিভাবে মোহর মেরে দিবেন তার বর্ণনা
২ টি | ২৭৭৬-২৭৭৭
সাদাকাহ করার এই উত্তমতা নির্দেশক নির্দেশটি ঐ ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি ওজর ছাড়া জুমু‘আহ ত্যাগ করে; ওজর বশত জুমু‘আহ ত্যাগকারীর জন্য এই আদেশ প্রযোজ্য নয়
১ টি | ২৭৭৮-২৭৭৮
ঈদ ও জুমু‘আয় সালাত দীর্ঘ করা এবং খুতবাকে সংক্ষিপ্ত করার নির্দেশ
১ টি | ২৭৮০-২৭৮০
জুমু‘আর দিন ইমাম খুতবা দেওয়ার সময় কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার ভাইকে “চুপ থাকো” বলা নিষেধ প্রসঙ্গে
১ টি | ২৭৮৪-২৭৮৪
শাহাদাহ ছাড়া খুতবাহকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তিত হাতের সাথে উপমা প্রদান
১ টি | ২৭৮৫-২৭৮৫
ভাষনের সময় শাহাদাহ পাঠ না করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
২ টি | ২৭৮৬-২৭৮৭
খতীবের জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে তিনি খুতবায় সাজদার আয়াত পাঠ করার পর সাজদা না করে খুতবা চালিয়ে যাবেন
১ টি | ২৭৮৮-২৭৮৮
খতীবের জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তিনি যার সাথে কথা বলতে চাইবেন, তার সাথে প্রয়োজনে কথা বলতে পারবেন
১ টি | ২৭৮৯-২৭৮৯
কোন প্রয়োজনের সময় কিভাবে খুতবা দিবে, তার বিবরণ
১ টি | ২৭৯০-২৭৯০
খুতবা মধ্যম ও সংক্ষিপ্ত হওয়া জরুরী
১ টি | ২৭৯১-২৭৯১
ভাষনের সময় কোন ব্যক্তির আবেগাপ্লুত হওয়া প্রসঙ্গে
১ টি | ২৭৯৩-২৭৯৩
ইমাম যখন সালাত আদায় করার জন্য মিম্বার থেকে অবতরণ করবেন, তখন তার জন্য বৈধ রয়েছে কোন মুসল্লীর সাথে কোন প্রয়োজন থাকলে তাতে নিয়োজিত হওয়ার পর সালাত আদায় করবেন
১ টি | ২৭৯৪-২৭৯৪
জুমু‘আর সালাতে কিরা‘আতের বিবরণ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২৭৯৫-২৭৯৫
জুমু‘আর সালাতের দ্বিতীয় রাকা‘আতে সূরা গাশিয়া পড়া বৈধ
১ টি | ২৭৯৬-২৭৯৬
জুমু‘আর সালাতের প্রথম রাকা‘আতে সূরা আ‘লা পড়া বৈধ
১ টি | ২৭৯৭-২৭৯৭
জুমু‘আর সালাত সম্পন্ন করার পর কাইলূলাহ করা বৈধ
১ টি | ২৭৯৮-২৭৯৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৭৯৯-২৭৯৯
ঈদুল ফিতরের দিন ঈদগাহের উদ্দেশ্যে বের হওয়ার আগে খাওয়া আর কুরবানীর দিন সালাত শেষ করার পর খাওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ২৮০১-২৮০১
ঈদের দিন বিজোড় সংখ্যায় খেজুর খাওয়া মু্স্তাহাব
১ টি | ২৮০৩-২৮০৩
ঈদগাহে যাওয়া-আসার সময় রাস্তা পরিবর্তন করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৮০৪-২৮০৪
ঋতুবতী মহিলারা মুসলিমদের ঈদে উপস্থিত হলে, তাদের জন্য আবশ্যক হলো তারা মুসল্লার এক পাশে থাকবে
১ টি | ২৮০৬-২৮০৬
ঈদের সালাতের আগে ও পরে নফল সালাত ত্যাগ করা বৈধ
১ টি | ২৮০৭-২৮০৭
দুই ঈদের সালাত আযান ও ইকামত ছাড়াই পড়া ওয়াজিব
১ টি | ২৮০৮-২৮০৮
ঈদের সালাতে কী পড়বে তার বিবরণ
১ টি | ২৮০৯-২৮০৯
যদি একই দিন ঈদ ও জুমু‘আহ হয়, তাতে আমরা যে বর্ণনা করেছি তা অনুযায়ী কিরাত (কুরআন তিলাওয়াত) করা তার জন্য বৈধ।"
১ টি | ২৮১১-২৮১১
ঈদের সালাত খুতবার আগে হওয়া ওয়াজিব
১ টি | ২৮১২-২৮১২
ঈদের খুতবা সালাতের পরে হওয়া জরুরী; আগে নয়
১ টি | ২৮১৩-২৮১৩
কোন কোন অবস্থায় বাহনের উপর খুতবা দেওয়া জায়েয
১ টি | ২৮১৪-২৮১৪
দুই ঈদের সালাত খুতবার আগে আদায় করার ক্ষেত্রে বরাবর
১ টি | ২৮১৫-২৮১৫
(৩২) চন্দ্র ও সূর্য গ্রহণের সালাত
৩ টি | ২৮১৬-২৮১৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সূর্য গ্রহণের সালাত আদায় করার নির্দেশ করেছেন, সেই সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৮২০-২৮২০
সূর্য গ্রহণের এই ধরণের সালাত কিভাবে আদায় করা হবে তার বিবরণ
১ টি | ২৮২১-২৮২১
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের সময় সালাত আদায় করার নির্দেশ
১ টি | ২৮২৩-২৮২৩
হাদীসের শব্দ “তোমরা দু‘আ করো” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তোমরা সালাত আদায় করো, যেমনটা আমরা উল্লেখ করলাম
১ টি | ২৮২৪-২৮২৪
সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ প্রত্যক্ষ করার সময় সালাত আদায় করার সাথে সাথে দু‘আ-ইস্তিগফার করার নির্দেশ
১ টি | ২৮২৫-২৮২৫
যেই হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সূর্য গ্রহণের সালাত হয়তো অন্যান্য সালাতের মতো
১ টি | ২৮২৬-২৮২৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণের সময় সালাত আদায় না করে দু‘আ করাই যথেষ্ট, যখন কোন ব্যক্তি অন্যান্য সালাতের ন্যায় সালাত আদায় করবে
১ টি | ২৮২৭-২৮২৭
এই সূর্য গ্রহণের সালাত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যেভাবে আদায় করতেন, তার বিবরণ
১ টি | ২৮২৮-২৮২৮
এই ধরণের সূর্য গ্রহণের সালাত কিভাবে আদায় করবে তার বিবরণ
১ টি | ২৮২৯-২৮২৯
আমরা যে সূর্য গ্রহণের সালাতের কথা বর্ণনা করলাম, যে ব্যক্তি সেই সালাত আদায় করবে, তার জন্য জরুরী হলো তাশাহ্হুদ ও সালামের মাধ্যমে সালাত শেষ করা
১ টি | ২৮৩১-২৮৩১
সূর্য গ্রহণের দ্বিতীয় ধরণের সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৮৩২-২৮৩২
নিদর্শনের সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৮১৯-২৮১৯
সূর্য গ্রহণের এই ধরণের সালাতে ছয় রুকূ‘ ও চার সাজদার মাধ্যমে দুই রাকা‘আত সালাত আদায় করা আবশ্যক
১ টি | ২৮৩৩-২৮৩৩
সূর্য অথবা চন্দ্র গ্রহণের সময় যখন সালাত আদায় করার ইচছা করবে,তখন সাদাকাহ করার সাথে সাথে বেশি বেশি মহান আল্লাহর তাকবীর বলা মুস্তাহাব
১ টি | ২৮৩৪-২৮৩৪
সূর্য অথবা চন্দ্র গ্রহণ প্রত্যক্ষ করার সময় ইস্তিগফার করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৮৩৬-২৮৩৬
সূর্য গ্রহণের সালাতে জোরে কিরা‘আত পড়া বৈধ
১ টি | ২৮৩৮-২৮৩৮
সূর্য গ্রহণের সালাত আদায়কারী ব্যক্তির জন্য জোরে কিরা‘আত পড়া বৈধ
১ টি | ২৮৩৯-২৮৩৯
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সূর্য গ্রহণের সালাতে হয়তো কিরা‘আত জোরে পড়তে হয় না
১ টি | ২৮৪০-২৮৪০
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, চন্দ্র গ্রহণের সালাতে সামুরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পিছনের কাতারে ছিলেন, যেখান থেকে তিনি আওয়াজ শুনতে পারেননি
১ টি | ২৮৪১-২৮৪১
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সূর্য গ্রহণের সালাতে হয়তো কিরা‘আত জোরে পড়তে হয় না
১ টি | ২৮৪২-২৮৪২
মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো সূর্য ও চন্দ্র গ্রহণ প্রত্যক্ষ করার মাধ্যমে বরকত লাভ করবে; হয়তো আল্লাহর কাছে তাওবা করবে নতুবা নিজের জন্য ভালো কোন আমল করবে
১ টি | ২৮৪৩-২৮৪৩
সূর্য অথবা চন্দ্র গ্রহণের সময় দাস মুক্ত করার নির্দেশ, যে ব্যক্তি দাস মুক্ত করার সামর্থ রাখে
২ টি | ২৮৪৪-২৮৪৫
(৩৩) ইস্তিসকা বা পানি প্রার্থনার সালাত - অনাবৃষ্টির সময় মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো সৎকর্মশীল মানুষদের কাছে মুসলিমদের জন্য পানি প্রার্থনা ও দু‘আ আবেদন করা
১ টি | ২৮৪৬-২৮৪৬
অনাবৃষ্টি হলে ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো মানুষের জন্য আল্লাহর কাছে পানি প্রার্থনা করা
১ টি | ২৮৪৭-২৮৪৭
আমাদের পূর্বের বর্ণনায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যে কারণে মুঁচকি হেসেছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ২৮৪৮-২৮৪৮
মুসলিমদের মাঝে অনাবৃষ্টি হলে কী দু‘আ করবে, তার বিবরণ
১ টি | ২৮৪৯-২৮৪৯
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো যখন আল্লাহর কাছে বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত আদায় করবে, তখন দু‘আ কবূল হওয়ার আশায় সাথে সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের নিবেন
১ টি | ২৮৫০-২৮৫০
ইস্তিসকার সালাত ঈদের সালাতের মতোই পড়া জরুরী
১ টি | ২৮৫১-২৮৫১
ইস্তিসকার সালাতের সময় অধিক পরিমাণ দু‘আ করা মুস্তাহাব
১ টি | ২৮৫২-২৮৫২
ইস্তিসকার সালাতে কিরা‘আত জোরে পড়া বৈধ
১ টি | ২৮৫৩-২৮৫৩
ইস্তিসকার সালাতে কিরা‘আত জোরে পড়া জরুরী
১ টি | ২৮৫৪-২৮৫৪
ইমাম যখন ইস্তিসকার সালাত আদায় করবেন, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো খুতবার সময় চাদর উল্টানো
১ টি | ২৮৫৫-২৮৫৫
ইস্তিসকার সালাত আদায়কারীর জন্য চাদরের এক পাশ থেকে আরেক পাশ পরিবর্তন না করে সেটাকে উল্টানো জায়েয
১ টি | ২৮৫৬-২৮৫৬
(৩৪) ভীতিকালীন সালাত - মুসলিম ও আল্লাহর শত্রু কাফিরদের মুখোমুখী হওয়ার সময় ভীতির বিবরণ
১ টি | ২৮৫৭-২৮৫৭
ভীতিকালীন সময়ে জামা‘আতে এক রাকা‘আত সালাত আদায় করতে চাইলে কিভাবে আদায় করবে, তার বিবরণ
১ টি | ২৮৫৮-২৮৫৮
প্রথম কাতার তাদের ভাইদের কাতারে যাবে, আর তারা সালাত আদায় আদায় করার জন্য ইমামের কাছে আসবে, যা আমরা বর্ণনা করলাম
১ টি | ২৮৫৯-২৮৫৯
ভীতিকালীন সময়ের সালাতে অস্ত্র ধারণ করা বৈধ
১ টি | ২৮৬১-২৮৬১
ভীতিকালীন সময়ে প্রয়োজনে দ্বিতীয় প্রকার সালাতের বিবরণ
১ টি | ২৮৬২-২৮৬২
ভীতিকালীন সময়ে তৃতীয় প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৬৩-২৮৬৩
আমরা যে ভীতিকালীন সালাতের কথা বর্ণনা করলাম, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন জায়গায় পড়েছেন, তার বিবরণ
১ টি | ২৮৬৪-২৮৬৪
ভীতিকালীন সময়ে চতুর্থ প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৬৭-২৮৬৭
ভীতিকালীন সময়ে পঞ্চম প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৬৮-২৮৬৮
ভীতিকালীন সময়ে ষষ্ঠ প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৭০-২৮৭০
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, আবূ বাকরাহ থেকে হাসান হাদীসটি এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৮৭১-২৮৭১
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, সুলাইমান ইয়াশকুরী থেকে কাতাদা এককভাবে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ২৮৭২-২৮৭২
আমরা যে সালাতের বিবরণ দিলাম, সেই সালাত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যেই জায়গায় আদায় করেছেন, তার বিবরণ
১ টি | ২৮৭৩-২৮৭৩
ভীতিকালীন সময়ে সপ্তম প্রকারের সালাত
২ টি | ২৮৭৪-২৮৭৫
ভীতিকালীন সময়ে অষ্টম প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৭৬-২৮৭৬
ভীতিকালীন সময়ে নবম প্রকারের সালাত
১ টি | ২৮৭৭-২৮৭৭
১০. কিতাবুল জানাইয এবং জানাযার পুর্বাপর সংশ্লিষ্ট বিষয় (كِتَابُ الْجَنَائِزِ وَمَا يَتَعَلَّقُ بِهَا مُقَدَّمًا أَوْ مؤخراً)
৩১৮ টি হাদিস
৩০৭ পরিচ্ছেদ
৩০৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৮৮১-৩১৯৮)
(১) বিভিন্ন দুর্ঘটনা ও অসুস্থতায় ধৈর্যধারণ ও তার প্রতিদান সম্পর্কিত বর্ণনা - মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো ভাগ্যের ফায়সালার প্রতি সন্তুষ্ট থাকা
১ টি | ২৮৮১-২৮৮১
যখন কোন ব্যক্তির জীবনে উদ্দেশ্য পরিপন্থী বিষয় আসবে, তখন তার জন্য ওয়াজিব হলো তাতে অসন্তুষ্ট না হওয়া
১ টি | ২৮৮২-২৮৮২
আমরা যেদিকে ইশারা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৮৮৩-২৮৮৩
কোন ব্যক্তি দুনিয়ায় বিপদগ্রস্থ হলে তার প্রতি ধৈর্য ধারণ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৮৮৪-২৮৮৪
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৮৯০-২৮৯০
উপর্যপুরি বালা-মুসীবতের সময় দ্বীনের উপর অটল থাকা জরুরী
১ টি | ২৮৯২-২৮৯২
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ২৮৯৩-২৮৯৩
মহান আল্লাহ মুসলিম ব্যক্তির জীবনে দুঃখ-কষ্ট ও দুশ্চিন্তার কারণে অনুগ্রহ করে তার পাপসমূহ মোচন করে দেন
১ টি | ২৮৯৪-২৮৯৪
এমন হয় যে, কোন বান্দার জন্য আল্লাহর কাছে জান্নাতে অনেক মর্যাদা থাকে, কিন্তু সে দুনিয়াতে বিভিন্ন বালা-মুসিবত ও বিপদাপদ ছাড়া সেই পর্যন্ত পৌঁছতে পারে না
১ টি | ২৮৯৭-২৮৯৭
মহান আল্লাহ যাকে দুনিয়াতে মৃগী রোগ দিয়ে পরীক্ষা করেন, অতঃপর সেই ব্যক্তি তাতে ধৈর্য ধারণ করে, তবে আল্লাহ অনুগ্রহ করে পরকালে তার থেকে হিসাব উঠিয়ে নেন
১ টি | ২৮৯৮-২৮৯৮
কখনো কখনো মহান আল্লাহ তাঁর বান্দাকে দুনিয়াতে পাপের প্রতিদান দেন, যাতে এটা তার জন্য পাপ থেকে পবিত্রতার কারণ হয়ে যায়
১ টি | ২৮৯৯-২৮৯৯
মহান আল্লাহ কোন কোন সময় তার কোন বান্দাকে বিভিন্ন ধরণের বালা-মুসীবত ও দুঃখ-কষ্ট দ্বারা দুনিয়াতে শাস্তি দেন, যাতে এটি তার পূর্বের গোনাহের কাফ্ফারা হয়
১ টি | ২৯০১-২৯০১
মুমিন ব্যক্তির জীবনে একের পর এক বিপদাপদ পাপকে এমনভাবে নিঃশেষ করে দেয় যে, পরকালে হিসাব নেওয়ার মতো আর কোন পাপ অবশিষ্ট থাকে না
১ টি | ২৯০২-২৯০২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুমিন ব্যক্তিকে অতিরিক্ত অবনমিত হওয়ার ক্ষেত্রে শষ্যের সাথে উপমা প্রদান প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯০৪-২৯০৪
মুসলিম ব্যক্তির কিছু কিছু অবস্থায় অসুস্থ হওয়া ভালো মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৯০৫-২৯০৫
সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের কোন কোন সময় কঠিন দুঃখ-কষ্ট দেওয়া হয় তাদের গোনাহসমূহ মোচন করে দেওয়ার জন্য
১ টি | ২৯০৭-২৯০৭
সৎকর্মশীল ব্যক্তিদের কখনো কখনো এমন কঠিন বিপদাপদের সম্মুখিন করা হয়, যা অন্যদের মুখোমুখী করা হয় না
১ টি | ২৯০৮-২৯০৮
মুসলিম ব্যক্তির দ্বীনদারিতা যখন মজবূত হয় তখন তার উপর বিপদাপদ কঠিন হয় আর যখন তার দ্বীনদারিতা হালকা হয়, তখন তার উপর বিপদাপদও হালকা হয়
১ টি | ২৯০৯-২৯০৯
সবচেয়ে বেশি বিপদাপদের সম্মুখীন হন নাবীগণ আলাইহিমুস সালাম, তারপর যিনি উত্তম ব্যক্তি, তারপর যিনি উত্তম ব্যক্তি
১ টি | ২৯১০-২৯১০
যে ব্যক্তি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ভালবাসবে, কূয়ার বালতি ও প্রাবনের পানি তাদের লক্ষ্যে পৌঁছার চেয়েও দ্রুত গতিতে বিপদাপদ তার কাছে আসবে
১ টি | ২৯১১-২৯১১
নিশ্চয় বিপদাপদের মাধ্যমে কোন কোন পাপসমূহকে মোচন করে দেওয়া হয়
১ টি | ২৯১৩-২৯১৩
মহান আল্লাহ দুনিয়াতে মুসলিমদের অসুখ-বিসুখ ও ব্যথা-ব্যদনা দিয়ে পাপের প্রতিদান দিয়ে থাকেন, যাতে সেগুলি তাদের পাপের মোচনকারী হয়ে যায়
১ টি | ২৯১৫-২৯১৫
গাছ থেকে যেভাবে পাতা ঝরে পড়ে যায়, তদ্রুপ মহান আল্লাহ অসুস্থতার মাঝে মুসলিম ব্যক্তির পাপসমূহ মোচন করে দেন
১ টি | ২৯১৬-২৯১৬
অসুখ-বিসুখ মানুষের পাপসমূহ মোচন করে দেয়, যদিও অসুস্থততা সামান্য হয়
১ টি | ২৯১৭-২৯১৭
অসুস্থ ও মুসাফির ব্যক্তি সুস্থ ও মুকীম অবস্থায় যেসব আমল করতেন, মহান আল্লাহ তাদেরকে অসুস্থ ও মুসাফির অবস্থাতেও অনুরুপ কাজের সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ২৯১৮-২৯১৮
যার দুটি প্রিয় বস্তু তথা দুটো চোখ নষ্ট হয়ে যায়, তাকে আল্লাহ যে প্রতিদান দান করেন, তার বিবরণ
১ টি | ২৯১৯-২৯১৯
যে ব্যক্তি তার প্রিয় দুটি জিনিস (দুই চোখ) হারিয়ে আল্লাহর প্রশংসা করে, তবে তার জন্য জান্নাতে প্রবেশ করা যায়, যখন সে দুচোখকে ধরে রাখার ব্যাপারে থাকে আগ্রহী
১ টি | ২৯২০-২৯২০
এই মর্যাদা ঐ ব্যক্তির অর্জিত হবে, যে ব্যক্তি তাতে ধৈর্য ধারণ করবে এবং সাওয়াবের প্রত্যাশা করবে
১ টি | ২৯২১-২৯২১
যে ব্যক্তি পেটের রোগে মারা যায়, তার কবরের আযাব না হওয়া প্রসঙ্গে
১ টি | ২৯২২-২৯২২
যে ব্যক্তি প্রবাসে মারা যায়, তাকে তার জন্মস্থান থেকে সফরের জায়গা পর্যন্ত সমপরিমাণ জায়গা জান্নাতে প্রদান করা হয়
১ টি | ২৯২৩-২৯২৩
জ্বর ও ব্যথা-বেদনার কারণে মুমিন ব্যক্তি সেভাবে পাপ থেকে পরিচ্ছন্ন হয়ে যায়, যেভাবে লোহাকে হাপর থেকে বের করা হয়
১ টি | ২৯২৫-২৯২৫
আল্লাহর খাছ বান্দাদের জ্বরের ব্যথা দ্বিগুণ হয়, যাতে তারা এজন্য পরকালে পরিপূর্ণ প্রতিদান পান
১ টি | ২৯২৬-২৯২৬
যে ব্যক্তির ঔরশজাত তিনজন সন্তান বালেগ হওয়ার আগে মারা যায়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯২৯-২৯২৯
যার দুইজন সন্তান মারা যায় অতঃপর সে তাতে সাওয়াবের আশা করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯৩৩-২৯৩৩
যার দুইজন সন্তান মারা যায় অতঃপর সে জীবদ্দশায় তাদের সাথে সে উত্তম আচরণ করে, তবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যাবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৯৩৪-২৯৩৪
যদি কোন মুসলিম ব্যক্তির দুইজন সন্তান মারা যায়, অতঃপর সে ধৈর্য ধারণ করে, তবে তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায়
১ টি | ২৯৩৫-২৯৩৫
যে ব্যক্তির একজন সন্তান মারা যায় আর সে তাতে সাওয়াবের প্রত্যাশা করে, তার জন্য জান্নাতের প্রত্যাশা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯৩৬-২৯৩৬
যে ব্যক্তি সন্তান মৃত্যুবরণ করার সময় ইন্না লিল্লাহ... বলে ও আল্লাহর প্রশংসা করে, তার জন্য মহান আল্লাহ জান্নাতে ‘প্রশংসার প্রাসাদ’ তৈরি করেন
১ টি | ২৯৩৭-২৯৩৭
বিপদের সময় ইন্না লিল্লাহ... বলা এবং আল্লাহর কাছে প্রার্থনা করা যাতে তিনি এর বিনিময়ে উত্তম কিছু দান করেন
১ টি | ২৯৩৮-২৯৩৮
কোন ব্যক্তির সন্তান শৈশবে মারা যাওয়া, সেই ব্যক্তির জন্য কল্যাণকর হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯৩৯-২৯৩৯
কোন শহরে মহামারীর সুত্রপাত হলে, সেখানে প্রবেশ করা অথবা সেখান থেকে বের হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
২ টি | ২৯৪১-২৯৪২
(২) অসুস্থ ব্যক্তি তার সাথে সংশ্লিষ্ট বিষয় - অসুস্থ ব্যক্তিদের দেখতে যাওয়ার নির্দেশ, কেননা এটি পরকালের কথা স্মরণ করিয়ে দেয়
১ টি | ২৯৪৪-২৯৪৪
যখন কোন ব্যক্তি রোগীকে দেখতে যাওয়ার জন্য বাড়ি থেকে বের হয়, তখন রহমতে প্রবেশ করে আর যখন সে রোগীর কাছে গিয়ে বসে, তখন সে রহমতের সাগরে ডুব দেয়
১ টি | ২৯৪৫-২৯৪৫
যারা রোগী দেখতে যায়, তারা এর মাধ্যমে জান্নাতের ফলের বাগিচা লাভ করে
১ টি | ২৯৪৬-২৯৪৬
রোগীকে দেখতে আসা ব্যক্তির জন্য ফেরেস্তাগণ সকাল থেকে সন্ধ্যা এবং সন্ধ্যা থেকে সকাল পর্যন্ত ইস্তিগফার করতে থাকে
১ টি | ২৯৪৭-২৯৪৭
যখন কোন ব্যক্তি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো অসুস্থ ব্যক্তির মনকে খুশি করে, এমন কথা বলা
১ টি | ২৯৪৮-২৯৪৮
যিম্মীদের অসুস্থ্তার সময় তাদের দেখতে যাওয়া বৈধ
১ টি | ২৯৪৯-২৯৪৯
যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ব্যক্তিকে দেখতে যায় অথবা অসুস্থতার সময় খোঁজ-খবর নিতে যায়, তার জন্য মহান আল্লাহ জান্নাতে প্রাসাদ নির্মাণ করেন
১ টি | ২৯৫০-২৯৫০
নিজের অসুস্থতার সময় কীসের মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করবে তার বিবরণ
১ টি | ২৯৫২-২৯৫২
কোন ব্যক্তি শরীরে কোন ব্যথা অনুভব করলে, কোন দু‘আর মাধ্যমে আশ্রয় প্রার্থনা করবে তার বিবরণ
১ টি | ২৯৫৩-২৯৫৩
যেই দু‘আ পড়লে ব্যথাতুর ব্যক্তির ব্যথা দূর হওয়ার আশা করা যায়
১ টি | ২৯৫৪-২৯৫৪
দুঃখ-কষ্ট স্পর্শ করলে যে দু‘আ পাঠ করা ওয়াজিব
১ টি | ২৯৫৫-২৯৫৫
অসুস্থ ব্যক্তি যে ব্যথা-বেদনা অনুভব করেন, সেজন্য আল্লাহর কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করার নির্দেশ
১ টি | ২৯৫৬-২৯৫৬
কোন ব্যক্তির জ্বর হলে কী দু‘আ পাঠ করবে, তার বিবরণ
১ টি | ২৯৫৭-২৯৫৭
কোন ব্যক্তির জন্য উত্তম হলো নিজের ও নিজের পরিবারের জন্য দুআ করার চেয়ে কবরের আযাব ও জাহান্নামের আযাব থেকে আশ্রয় চাওয়া উত্তম
১ টি | ২৯৫৮-২৯৫৮
যখন কোন ব্যক্তি অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যাবে এবং তার জন্য দুআ করবে, তখন তার জন্য আবশ্যক হলো ডান হাত দিয়ে তাকে স্পর্শ করা
১ টি | ২৯৫৯-২৯৫৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে অসুস্থ ব্যক্তিকে আনা হলে তিনি অধিকাংশ সময় উল্লেখিত দু‘আ করতেন
১ টি | ২৯৬১-২৯৬১
কোন কোন সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কাছে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য আমরা যা বর্ণনা করলাম, সেটা ছাড়া অন্য দু‘আও করতেন
১ টি | ২৯৬২-২৯৬২
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার অসুস্থ মুসলিম ভাইয়ের সুস্থতার জন্য দু‘আ করা, যাতে তিনি সুস্থ হয়ে আল্লাহর ইবাদত পালন করতে পারেন
১ টি | ২৯৬৩-২৯৬৩
যখন কোন মুসলিম ব্যক্তি অসুস্থ হবে এবং তার সুস্থতার আশা করা যাবে, তখন তার জন্য কী দু‘আ করবে, সে সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২৯৬৪-২৯৬৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মুহাম্মাদ বিন হাতিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর জন্য দু‘আ করেছিলেন, তখন তার হাত ভালো হয়ে গিয়েছিল
১ টি | ২৯৬৬-২৯৬৬
অসুস্থ ব্যক্তি যেই দুআ নির্দিষ্ট সংখ্যায় পাঠ করলে রোগ থেকে আরোগ্য লাভ করবে তার বর্ণনা
১ টি | ২৯৬৭-২৯৬৭
অধিকাংশ মানুষের আয়ুষ্কাল সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ২৯৬৯-২৯৬৯
মানুষের মাঝে উত্তম হলো ঐ ব্যক্তি, যিনি দীর্ঘ আয়ুষ্কাল পেয়ে ভাল আমল করেন (মহান আল্লাহ আমাদেরকে তাদের অন্তর্ভুক্ত করুন)
১ টি | ২৯৭০-২৯৭০
যিনি দীর্ঘায়ূ পান এবং সুন্দর আমল করেন, এমন ব্যক্তি কোন কোন সময় শহীদদের থেকেও উর্ধ্বে উঠে যান
১ টি | ২৯৭১-২৯৭১
আল্লাহর রাস্তায় যে ব্যক্তির চুল পেকে যায়, মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন নূর দান করবেন
১ টি | ২৯৭২-২৯৭২
আল্লাহর রাস্তায় যে ব্যক্তির চুল পেকে যায়, মহান আল্লাহ তাকে কিয়ামতের দিন নূর দান করবেন
১ টি | ২৯৭৩-২৯৭৩
কোন মুসলিম ব্যক্তির চুল পেঁকে গেলে তার বদৌলতে মহান আল্লাহ সাওয়াব লিখ দেন, গোনাহ মিটিয়ে দেন এবং দুনিয়ায় তার মর্যাদা বাড়িয়ে দেন
১ টি | ২৯৭৪-২৯৭৪
যে হাদীসের ব্যাখ্যায় ভুলে নিপতিত হয়েছেন একদল বিদ্বান, যারা হাদীসের জ্ঞানে পরিপক্কতা অর্জন করেনি
১ টি | ২৯৭৬-২৯৭৬
যেই হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, এই উম্মতের কারো বয়স ১০০ বছরের উপর এক বছরও অতিক্রম করবে না!
১ টি | ২৯৭৭-২৯৭৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের এই বক্তব্য সেই সময়ে যারা ছিলেন, খাস করে তারা উদ্দেশ্য; ব্যাপকভাবে সবাই উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ২৯৭৮-২৯৭৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “পৃথিবীতে কোন প্রাণী” দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঐ দিন যারা ছিলেন
১ টি | ২৯৮০-২৯৮০
(৪) মৃত্যুর কথা স্মরণ করা প্রসঙ্গে - যা দুনিয়ার স্বাদ-আস্বাদনকে কমিয়ে দেয় অর্থাৎ মৃত্যুর কথা বেশি বেশি স্মরণ করার নির্দেশ
১ টি | ২৯৮১-২৯৮১
যেই কারণে মৃত্যুর কথা বেশি বেশি স্মরণ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে
২ টি | ২৯৮২-২৯৮৩
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম অধিক পরিমাণ বলতেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ২৯৮৪-২৯৮৪
(৫) আশা-আকাঙ্খা প্রসঙ্গে - নশ্বর এই দুনিয়া আবাদ করার ব্যাপারে দীর্ঘ আশা-আকাঙ্খা লালন করা নিষেধ
১ টি | ২৯৮৫-২৯৮৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “(মৃত্যুর) ব্যাপারটি এর চেয়েও দ্রুততর” এর দ্বারা এটা নয় যে, এটি তাৎক্ষনিকভাবে এখনি ঘটবে
১ টি | ২৯৮৬-২৯৮৬
(৬) মৃত্যু কামনা করা প্রসঙ্গে - জীবনে কোন কষ্ট নেমে আসার কারণে মৃত্যুর জন্য দুআ করা নিষেধ
১ টি | ২৯৮৮-২৯৮৮
যেই কারণে মৃত্যু কামনা ও মৃত্যুর জন্য দু‘আ করতে নিষেধ করা হয়েছে
১ টি | ২৯৮৯-২৯৮৯
যদি দু‘আ করতেই হবে, তবে মৃত্যু ও বেঁচে থাকার মধ্যে তার জন্য যা কল্যাণকর, সেটার জন্য প্রার্থনা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
১ টি | ২৯৯০-২৯৯০
(৭) মুমূর্ষু ব্যক্তি প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯৯১-২৯৯১
মুমূর্ষু ব্যক্তিকে কালেমা শাহাদাহর তালকীন করার নির্দেশ
১ টি | ২৯৯২-২৯৯২
যেই কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার বিবরণ
১ টি | ২৯৯৩-২৯৯৩
কোন মুমূর্ষু ব্যক্তির কাছে উপস্থিত হলে তার জন্য মাগফিরাত কামনা করার নির্দেশ প্রসঙ্গে
১ টি | ২৯৯৪-২৯৯৪
কোন ব্যক্তির মুমূর্ষু হলে, তা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অবহিত করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ২৯৯৫-২৯৯৫
কোন ব্যক্তির মাঝে যে নিদর্শন পাওয়া গেলে বুঝা যায় যে, মহান আল্লাহ তার সাথে সাক্ষাত করতে ভালবাসেন
১ টি | ২৯৯৭-২৯৯৭
মুমিন ব্যক্তির রূহ কবজ করার সময় যেই আলামত প্রকাশ পায় তার বিবরণ
১ টি | ৩০০০-৩০০০
যখন কোন মুসলিম ব্যক্তি মারা যায় তখন তিনি স্বস্তি পান আর কোন কাফির ব্যক্তি মারা, তখন তার অনিষ্ট থেকে অন্যান্যরা স্বস্তি পায়
১ টি | ৩০০১-৩০০১
মৃত্যুর পর রূহগুলো পরস্পরকে চিনতে পারবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩০০৩-৩০০৩
যেই হাদীস অপাত্র থেকে ইলম গ্রহণকারীকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, কোন ব্যক্তি মারা গেলে, সমস্ত সৎ আমল বন্ধ হয়ে যায়
১ টি | ৩০০৪-৩০০৪
হাদীসের ব্যাপক অর্থবোধক বাক্য “তার আমল ছিন্ন হয়ে যায়” এর দ্বারা ব্যাপকভাবে সব আমল উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ৩০০৫-৩০০৫
কোন বক্তি কোন মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে কোন পাপের কথা জানা থাকলে, তার জন্য মুস্তাহাব হলো তার জন্য আল্লাহর কাছে ক্ষমা প্রার্থনা করা
১ টি | ৩০০৬-৩০০৬
কোন ব্যক্তি মৃত ব্যক্তি সম্পর্কে মন্দ কিছু জানলে, তার মাধ্যমে তার নিন্দা করা নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩০০৭-৩০০৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩০০৮-৩০০৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের ব্ক্তব্য, “তখন তোমরা তাকে ছেড়ে দিবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো তার সম্পর্কে ভালো না বলে মন্দ সমালোচনা করা
১ টি | ৩০০৯-৩০০৯
কোন ব্যক্তি মারা যাওয়ার পর লোকজন তার ভালো প্রশংসা করলে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যায়
১ টি | ৩০১৩-৩০১৩
যে ব্যক্তির পক্ষে তার প্রতিবেশি লোকজন ভালো সাক্ষ্য দেন, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন, যদিও তার ব্যাপারে ভিন্ন (মন্দ) কিছু জানেন
১ টি | ৩০১৫-৩০১৫
যে ব্যক্তির ব্যাপারে লোকজন ভালো প্রশংসা করে, তার জন্য জান্নাত অবধারিত হয়ে যায় কেননা তারা হলেন জমিনে আল্লাহর সাক্ষী
১ টি | ৩০১৬-৩০১৬
কোন মৃত ব্যক্তির পক্ষে দুইজন মুসলিম ব্যক্তি কল্যাণের সাক্ষ্য দিলে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০১৭-৩০১৭
(৯) গোসল করা - যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে চুম্বন করাকে নাকচ করে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০১৮-৩০১৮
সেই সময় আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কী বলেছিলেন তার বর্ণনা
১ টি | ৩০১৯-৩০১৯
যে ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে মাটি দিতে চায়, তার প্রতি নির্দেশ হলো বেজোড় সংখ্যায় মাটি দেওয়া
২ টি | ৩০২০-৩০২১
(১০) কাফন করা প্রসঙ্গে - যে ব্যক্তি কোন মুসলিম ভাইয়ের কাফনের দায়িত্ব গ্রহণ করবে, তার প্রতি নির্দেশ হলো সুন্দর করে কাফন করা
১ টি | ৩০২৩-৩০২৩
অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মৃত ব্যক্তিকে দুই কাপড়ে কাফন করা হয়তো সুন্নাত
১ টি | ৩০২৪-৩০২৪
ফযল বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার বক্তব্যে যে সংখ্যা বলা হয়েছে, সেই সংখ্যা ছাড়া অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩০২৫-৩০২৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, মৃত ব্যক্তিকে জামা ও পাগড়ীসহ কাফন দেওয়া সুন্নাত, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০২৬-৩০২৬
(১১) মৃত ব্যক্তিকে বহন করা এবং তার কথা প্রসঙ্গে বর্ণনা
৩ টি | ৩০২৭-৩০২৯
নারীদের জন্য জানাযা অনুসরণ করা ও সেজন্য বের হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৩০-৩০৩০
নির্দিষ্ট কারণে জানাযা নিয়ে দ্রুত চলার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৩১-৩০৩১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো দ্রুত পদক্ষেপে জানাযা নিয়ে যাওয়া
১ টি | ৩০৩২-৩০৩২
যখন জানাযার সাথে চলবে, তখন জানাযার সাথে চলা বৈধ
১ টি | ৩০৩৫-৩০৩৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সুফিয়ান বিন উআইনাহ হাদীসটি ইমাম যুহরী রহিমাহুল্লাহ থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০৩৬-৩০৩৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সুফিয়ান বিন উআইনাহ হাদীসটি বর্ণনায় ভুল করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০৩৭-৩০৩৭
(১২) জানাযা দেখে দাঁড়ানো প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৩৯-৩০৩৯
মানুষকে জানাযা দেখে দাঁড়ানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে জানাযা চলে যাওয়া অথবা জানাযা রেখে দেওয়া পর্যন্ত
১ টি | ৩০৪০-৩০৪০
জানাযা দেখার পর কতক্ষন দাঁড়িয়ে থাকবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩০৪১-৩০৪১
যেই কারণে এই আদেশ করা হয়েছে, তার বিবরণ
১ টি | ৩০৪২-৩০৪২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক জানাযা দেখার পর দাঁড়ানোর পর বসা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৪৩-৩০৪৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩০৪৪-৩০৪৪
জানাযা দেখার পর দাঁড়ানোর নির্দেশের পর বসার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৪৫-৩০৪৫
(১৩) জানাযার সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে
২ টি | ৩০৪৬-৩০৪৭
আবূ কাতাদাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য “هُما إلَيَّ”এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এই দুই দীনার পরিশোধ করার দায়িত্ব আমার উপর
১ টি | ৩০৪৮-৩০৪৮
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আমাদের উল্লেখিত দুই হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩০৪৯-৩০৪৯
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করেননি
১ টি | ৩০৫০-৩০৫০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় না করার বিষয়টি ইসলামের প্রথম যুগে ছিল
১ টি | ৩০৫১-৩০৫১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ঋণগ্রস্থ ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় না করার বিষয়টি ইসলামের প্রথম যুগে বিভিন্ন দেশ বিজয় করার আগের বিষয় ছিল
১ টি | ৩০৫২-৩০৫২
আমাদের কিবলার অনুসরণকারী প্রত্যেক মুসলিম ব্যক্তির উপর জানাযার সালাত আদায় করা বৈধ, যদিও তার ঋণ থাকে
১ টি | ৩০৫৩-৩০৫৩
জামা‘আত হয় এমন মাসজিদে জানাযার সালাত আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩০৫৪-৩০৫৪
যেই কারণে আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এটি বলেছিলেন তার বর্ণনা
১ টি | ৩০৫৫-৩০৫৫
কোন ব্যক্তি জানাযার সালাত পড়তে চাইলে কিভাবে দাঁড়াবে তার বিবরণ
১ টি | ৩০৫৬-৩০৫৬
কোন ব্যক্তি জানাযার সালাত পড়তে চাইলে কিভাবে তাকবীর দিবে তার বিবরণ
১ টি | ৩০৫৭-৩০৫৭
আমরা যে তাকবীরের বিবরণ দিলাম তার চেয়ে বেশি তাকবীর দেওয়াও বৈধ
১ টি | ৩০৫৮-৩০৫৮
জানাযার সালাতে কী দু‘আ করবে তার বিবরণ
১ টি | ৩০৫৯-৩০৫৯
জানাযার সালাতে সুরা ফাতিহা পড়া মু্স্তাহাব
১ টি | ৩০৬০-৩০৬০
জানাযার সালাতে সুরা ফাতিহা পড়া মু্স্তাহাব
১ টি | ৩০৬১-৩০৬১
জানাযার সালাতে মৃত ব্যক্তির জন্য জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাওয়া মুস্তাহাব (আমরা আল্লাহর কাছে জাহান্নাম ও কবরের আযাব থেকে আশ্রয় চাই)
১ টি | ৩০৬৩-৩০৬৩
জানাযার সালাতে মৃত ব্যক্তির জন্য তার নিবাসের চেয়ে উত্তম নিবাস, তার পরিবারের চেয়ে উত্তম পরিবার চাওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩০৬৪-৩০৬৪
যে ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত আদায় করবে, তার প্রতি নির্দেশ হলো মৃত ব্যক্তির জন্য খাছ করে দু‘আ করা
১ টি | ৩০৬৫-৩০৬৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, ইবনু ইসহাক এই হাদীসটি মুহাম্মাদ বিন ইবরাহিম থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০৬৬-৩০৬৬
যে ব্যক্তি জানাযার সালাত আদায় করে দাফনের জন্য প্রতিক্ষা করে, তাকে মহান আল্লাহ দুই কীরাত পরিমাণ সাওয়াব দান করেন
১ টি | ৩০৬৭-৩০৬৭
যে ব্যক্তি জানাযার সালাত আদায় করে দাফনের জন্য প্রতিক্ষা করে, তাকে মহান আল্লাহ যে দুই পাহাড় পরিমাণ সাওয়াব দান করেন তার বিবরণ
১ টি | ৩০৬৮-৩০৬৮
উল্লেখিত ফযীলত ঐ ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে, যে আল্লাহর কাছে সাওয়াবের আশায় উক্ত আমল করবে; লোক দেখানো, খ্যাতি লাভ বা কোন অধিকার আদায়ের জন্য যাবে না
১ টি | ৩০৬৯-৩০৬৯
কোন মুসলিম ব্যক্তির জানাযার সালাতে একশ জন মুসলিম উপস্থিত হলে এবং তারা তার জন্য সুপারিশ করলে, মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ৩০৭০-৩০৭০
কোন মৃত ব্যক্তির জানাযার সালাত ৪০ জন ব্যক্তি আদায় করলে এবং তারা তার জন্য সুপারিশ করলে মহান আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন
১ টি | ৩০৭১-৩০৭১
দাফনকৃত ব্যক্তির কবরের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ৩০৭২-৩০৭২
যার জানাযার সালাত ছুটে যাবে, তার জন্য বৈধ আছে কবরস্থ করার পর কবরের উপর সালাত আদায় করা
১ টি | ৩০৭৩-৩০৭৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩০৭৪-৩০৭৪
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩০৭৭-৩০৭৭
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি সুলাইমান আশ শায়বানী এককভাবে বর্ণনা করেছেন- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩০৭৮-৩০৭৮
যেই কারণে কবরের উপর সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ৩০৭৯-৩০৭৯
কবরের উপর জানাযার সালাত আদায় করা বৈধ, যদিও গতরাতে দাফনকৃত কবর হয়
১ টি | ৩০৮০-৩০৮০
মানুষের জন্য বৈধ রয়েছে যখন তারা কবরের উপর সালাত আদায় করবে, তখন তারা ইমামের পিছনে কাতারবদ্ধ হবে
১ টি | ৩০৮১-৩০৮১
যেই হাদীস কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আত্নহত্যাকারী ব্যক্তির জানাযার সালাত পড়া জায়েয নেই
১ টি | ৩০৮২-৩০৮২
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ব্যভিচার করার কারণে যাকে প্রস্তরাঘাতে মারা হয়েছে, এমন ব্যক্তির জানাযার সালাত পড়া হবে না
১ টি | ৩০৮৩-৩০৮৩
কোন ব্যক্তি আহত হওয়ার পর আত্নহত্যা করলে, ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো তার জানাযার সালাত আদায় না করা
১ টি | ৩০৮৪-৩০৮৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশা নাজাশীর জানাযার সালাত পড়েছিলেন, যেদিন বাদশা নাজাশী মারা গিয়েছিলেন
১ টি | ৩০৮৭-৩০৮৭
কোন ব্যক্তি ভিনদেশে মারা গেলে, তার জন্য জানাযার সালাত আদায় করা বৈধ
১ টি | ৩০৮৮-৩০৮৮
যিনি নিজ দেশে মারা গিয়েছিলেন আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় তার জানাযার সালাত আদায় করেছিলেন, তার নামের বর্ণনা
১ টি | ৩০৮৯-৩০৮৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাদশা নাজাশীর জানাযার সালাত পড়েছিলেন, যেদিন বাদশা নাজাশী মারা গিয়েছিলেন
১ টি | ৩০৯০-৩০৯০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মানুষদের কাছে নাজাশীর মৃত্যুসংবাদ দিয়েছিলেন সেই দিনেই, যেদিন বাদশা নাজাশী মারা গিয়েছিলেন
২ টি | ৩০৯১-৩০৯২
(১৪) দাফন করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩০৯৩-৩০৯৩
জানাযা উপস্থিত হলে জানাযা না রাখা পর্যন্ত না বসা মুস্তাহাব
১ টি | ৩০৯৫-৩০৯৫
জানাযার বিদায়দানকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো মৃত ব্যক্তিকে বগলী কবরে না রাখা পর্যন্ত না বসা
১ টি | ৩০৯৬-৩০৯৬
আমরা যে হাদীস বর্ণনা করলাম তার শব্দ ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে
১ টি | ৩০৯৮-৩০৯৮
যখন কোন ব্যক্তি মৃত ব্যক্তিকে কবরে রাখবে, তখন কী বলবে তার বিবরণ (আমরা আল্লাহর কাছে সেই সময়ের বারাকাহ চাচ্ছি)
১ টি | ৩০৯৯-৩০৯৯
নিশ্চয়ই কবরের আযাব থেকে এই উম্মতের কেউ পরিত্রাণ পাবে না (আমরা আল্লাহর কাছে এর থেকে উত্তম নিরাপত্তা চাই)
১ টি | ৩১০২-৩১০২
যে ব্যক্তি মনে করে যে মৃত ব্যক্তিকে যখন কবরে রাখা হয়, তখন সেটি পচে-গলে না যাওয়া পর্যন্ত কোন নড়াচড়া করে না- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩১০৩-৩১০৩
মৃত ব্যক্তি চাই সে মুসলিম হোক অথবা কাফির, তাকে কবরে পরীক্ষা করা হবে
১ টি | ৩১০৪-৩১০৪
কবরে মানুষকে প্রশ্ন করা হবে এমন অবস্থায় যে, সেসময় তাদের জ্ঞান ঠিক থাকবে; এমন নয় যে, তাদের প্রশ্ন করা হবে আর তাদের জ্ঞান বিলুপ্ত থাকবে
১ টি | ৩১০৫-৩১০৫
মুসলিম ব্যক্তিকে যখন কবরে জিজ্ঞেস করা হবে, তখন সেটা দিনের মতো মনে হবে এবং সূর্য অস্ত যাওয়ার কাছাকাছি অবস্থায় থাকবে
১ টি | ৩১০৬-৩১০৬
যে দুইজন ফেরেস্তা প্রশ্ন করবেন, তাদের নামের বিবরণ (মহান আল্লাহ আমাদেরকে অনুগ্রহ করে তাদের প্রশ্নের উত্তর দেওয়ার সময় অটল রাখুন)
১ টি | ৩১০৭-৩১০৭
যে ব্যক্তি কবরের আযাবকে অস্বীকার করে তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩১০৯-৩১০৯
মুসলিম ও কাফির ব্যক্তি মুনকার ও নাকীর ফেরেস্তার প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পর কী করবে তার বিবরণ
১ টি | ৩১১০-৩১১০
দুনিয়াতে কাফেরদের জন্য যে বিলাপ করা হয় সেজন্য কবরে মৃত ব্যক্তির আযাব হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১১৩-৩১১৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কাফিরদের কবরের আযাব শুনানো হয়েছিল মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১১৪-৩১১৪
মানুষকে কবরে শাস্তি দেওয়া হলে সেটা চতুষ্পদ প্রাণী শুনতে পায়
১ টি | ৩১১৫-৩১১৫
যেই কারণে মৃত ব্যক্তির কবরের আযাব মানুষ শুনতে পায় না তার বিবরণ
১ টি | ৩১১৬-৩১১৬
কবরের আযাব কোন কোন সময় চোগলখুরি করার কারণেও হয়ে থাকে মর্মে হাদীস
১ টি | ৩১১৮-৩১১৮
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো পরকালে কবরের আযাব থেকে বাঁচার জন্য পেশাবের ছিটা থেকে বেঁচে থাকা
১ টি | ৩১১৯-৩১১৯
কবরবাসীকে দিনে দুইবার তার ঠিকানা তার সামনে পেশ করা হয়, যেখানে সে বসবাস করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১২০-৩১২০
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইচ্ছা করেছিলেন তাঁর রবের নিকট দোয়া করতে, যাতে তিনি তাঁর উম্মতকে কবরের আযাব শোনাতে পারেন
১ টি | ৩১২১-৩১২১
যেই হাদীস কোন কোন শ্রোতাকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, যার জন্য বিলাপ করা হয়, তাকে মৃত্যুর পর শাস্তি দেওয়া হয়
১ টি | ৩১২২-৩১২২
অনভিজ্ঞ ব্যক্তি উক্ত সাধারণ হাদীসের ব্যাখ্যায় ভুল করে থাকে, সেটাকে স্পষ্টকারী দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩১২৫-৩১২৫
পরিবারের লোকদের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তির শাস্তি হয় মর্মে যে বক্তব্য, এর দ্বারা কাফির ব্যক্তি উদ্দেশ্য; মুসলিম মৃত ব্যক্তি নয়
১ টি | ৩১২৬-৩১২৬
দুনিয়াতে কাফেরদের জন্য যে বিলাপ করা হয়, সেজন্য কবরে মৃত ব্যক্তির আযাব হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১২৭-৩১২৭
মেরুদন্ডের নিম্নাংশের টেলবোন ব্যতিত মানব দেহের পুরো শরীর সত্তা নিঃশেষ হয়ে যাবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১২৮-৩১২৮
যে ব্যক্তি মনে করে যে, মানুষ মরে গেলে তার পুরো শরীর সত্তা নিঃশেষ হয়ে যায়, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩১২৯-৩১২৯
আদম সন্তানের মেরুদন্ডের নিম্নাংশের যেই টেলবোন ব্যতীত পুরো শরীর সত্তা ধ্বংস হয়ে যাবে, সেই অংশটুকুর পরিমাণ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩১৩০-৩১৩০
(১৬) বিলাপ-আহাজারী এবং এই জাতীয় কার্যকলাপ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩১৩১-৩১৩১
আমরা হাদীসের যে সংখ্যা বর্ণনা করেছি, এর দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্দেশ্য নেননি মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১৩২-৩১৩২
কিয়ামতের দিন বিলাপকারিনীর শাস্তির বিবরণ
১ টি | ৩১৩৩-৩১৩৩
বিপদাপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হলে, সেসময় কোন নারী কর্তৃক অপরাপর নারীদেরকে কান্নায় সহযোগিতা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
২ টি | ৩১৩৪-৩১৩৫
ব্যাপক অর্থে এই ধরণের কাজ নিষিদ্ধ হওয়ার ব্যাপারে সুস্পষ্ট হাদীস
১ টি | ৩১৩৬-৩১৩৬
মৃতদের জন্য নারীদের বিলাপ করার বিষয়ে নিষেধাজ্ঞা
২ টি | ৩১৩৭-৩১৩৮
বিপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হলে সে সময় মেয়েদের মাথার চুল মুন্ডন করা, বা উচ্চ আওয়াজে বিলাপ করা অথবা কাপড় ছিঁড়ে ফেলা নিষেধ
২ টি | ৩১৪০-৩১৪১
উক্ত নিষিদ্ধ কাজকে ব্যাখ্যাকারী হাদীস
১ টি | ৩১৪২-৩১৪২
বিপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হলে সে সময় যে ব্যক্তি জাহেলী যুগের লোকদের ন্যায় সান্ত্বনা দিবে, তাকে মন্দ কথা স্পষ্টভাবে বলা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩১৪৩-৩১৪৩
বিপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হলে সে সময় যে ব্যক্তি বিরাগভাজন হওয়ার দিকে গমন করে, তাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক অভিসম্পাত করণ
১ টি | ৩১৪৪-৩১৪৪
বিপদাপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করার সময় নারীদের কান্না করা নিষেধ
১ টি | ৩১৪৫-৩১৪৫
বিপদাপদের সময় যেই ধরণের কান্না করা নিষেধ তার বিবরণ
১ টি | ৩১৪৬-৩১৪৬
সন্তান বা নাতি মৃত্যুবরণ করার কারণে কান্না করা জায়েয, যদি তাকদীরের ফায়সালার প্রতি বিরাগভাজন হয়ে কান্না করা না হয়
১ টি | ৩১৪৮-৩১৪৮
বিপদাপদ দ্বারা পরীক্ষা করা হলে মানুষ জবান দ্বারা যা বলে, সেজন্য পাকড়াও করা হবে; অন্তরের দুঃখ ও চোখের অশ্রুর কারণে পাকড়াও করেন না
১ টি | ৩১৪৯-৩১৪৯
যদি কোন ব্যক্তিকে বিপদাপদের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয় অতঃপর এমন কিছু বলে যাতে আল্লাহ অসন্তুষ্ট হন, তবে তাকে এই বিপদাপদের জন্য সাওয়াব দেওয়া হয় না
১ টি | ৩১৫০-৩১৫০
(১৭) বিভিন্ন কবর সম্পর্কিত বর্ণনা - কবর পাকা করা সম্পর্কে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩১৫২-৩১৫২
কবরের উপর স্থাপনা নির্মাণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩১৫৩-৩১৫৩
কবরের উপর লেখা-লেখি করা নিষেধ
১ টি | ৩১৫৪-৩১৫৪
কবরবাসীর প্রতি সম্মান প্রদর্শন বশত তার উপর বসা নিষেধ
১ টি | ৩১৫৫-৩১৫৫
জরুরী সময়ে মৃত ব্যক্তিকে দাফন করার জন্য অপেক্ষা করা ছাড়া মুসলিমদের কবরের উপর বসা নিষেধ
১ টি | ৩১৫৬-৩১৫৬
মৃত ব্যক্তিকে কষ্ট দেওয়া বিশেষত শারীরিক কোন কষ্ট না দেওয়ার ব্যাপারে যত্নবান হওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩১৫৭-৩১৫৭
(১৮) কবর যিয়ারত করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - পুরুষদের জন্য মৃত ব্যক্তির কবর যিয়ারত করা বৈধ
১ টি | ৩১৫৮-৩১৫৮
জুতা নিয়ে কবরস্থানে প্রবেশ করা নিষেধ
১ টি | ৩১৬০-৩১৬০
গোরস্থানে প্রবেশকারী ব্যক্তির প্রতি নির্দেশ হলো তিনি কবরবাসীর প্রতি সালাম প্রদান করবেন, এটা ঐ ব্যক্তির মতের বিপরীত যেই এর বিপরীত হুকুম প্রদান করে
১ টি | ৩১৬১-৩১৬১
যে ব্যক্তি মনে করে যে, গোরস্থানে প্রবেশ করলে عَلَيْكُمُ السَّلَامُ বলতে হয় السلام عليكم নয়- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩১৬২-৩১৬২
যেই হাদীস দিয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তি এই মর্মে দলীল গ্রহণ করে যে, মুসলিমদের কর্তৃক মুশরিকদের কবর যিয়ারত করা বৈধ
১ টি | ৩১৬৪-৩১৬৪
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উল্লেখিত কাজ করেছেন
১ টি | ৩১৬৫-৩১৬৫
আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত সংক্ষিপ্তভাবে বর্ণিত হয়েছে; বিস্তারিত বর্ণিত হয়নি
১ টি | ৩১৬৬-৩১৬৬
কবর যিয়ারতকারিণী মহিলা জান্নাতে প্রবেশ করবে না, যদিও তিনি উৎকৃষ্ট মর্যাদাশীল নারী হয়ে থাকেন
১ টি | ৩১৬৭-৩১৬৭
কবর যিয়ারতকারিনী মহিলাদের উপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক অভিসম্পাত করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩১৬৮-৩১৬৮
কবরের উপর বাতি ও মাসজিদ নির্মাণকারিনীদের উপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক অভিসম্পাত করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩১৬৯-৩১৬৯
কবরের উপর মাসজিদ নির্মাণ ও ছবি অঙ্কন করা নিষেধ মর্মে হাদীস
১ টি | ৩১৭১-৩১৭১
যে ব্যক্তি নাবীদের কবরসমূহকে মাসজিদ বানায়, তার প্রতি আল্লাহর লা‘নত
১ টি | ৩১৭২-৩১৭২
(১৯) শহীদ সম্পর্কে বর্ণনা - শহীদদেরকে যদি তাদের শাহাদাতবরণ করার স্থান থেকে স্থানান্তরিত করা হয়, তবে তাদেরকে সেই স্থানেই ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ
১ টি | ৩১৭৩-৩১৭৩
শহীদদেরকে শাহাদতবরণ করার জায়গায় ফিরিয়ে দেওয়ার নির্দেশ, যাতে তাদেরকে অন্যত্র দাফন করা না হয়
১ টি | ৩১৭৪-৩১৭৪
যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় আহত হয়ে তার সেই আহত অবস্থায় মারা যায়, তার জন্য শাহাদাত সাব্যস্ত করা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩১৭৫-৩১৭৫
যেই বৈশিষ্ট্যের মাধ্যমে একজন ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় শাহাদতবরণ না করেও শহীদের মর্যাদা পেতে পারে তার বিবরণ
১ টি | ৩১৭৬-৩১৭৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উক্ত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নেননি মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১৭৮-৩১৭৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য “শহীদ পাঁচ প্রকার” দ্বারা উক্ত সীমিত সংখ্যা দ্বারা অন্য সংখ্যাকে নাকচ করা উদ্দেশ্য নেননি মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১৭৯-৩১৭৯
যেসব বৈশিষ্ট্যের কারণে একজন ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় নিহত হওয়া ছাড়াও শহীদি মর্যাদা পেতে পারে তার বর্ণনা
১ টি | ৩১৮০-৩১৮০
যে ব্যক্তি অন্তর থেকে আল্লাহর কাছে শাহাদত কামনা করবে, মহান আল্লাহ তাকে অনুগ্রহ করে শাহাদাতের প্রতিদান দান করবেন, যদিও সে বিছানায় মারা যায়
১ টি | ৩১৮১-৩১৮১
যে ব্যক্তি আল্লাহর কাছে শাহাদত কামনা করবে, তাকে আল্লাহ শহীদদের মর্যাদায় পৌঁছিয়ে দিবেন, যদিও বিছানায় তার মৃত্যু হয়
১ টি | ৩১৮২-৩১৮২
সম্পদের কারণে যাকে সীমালঙ্ঘন করে হত্যা করা হয়, তার জন্য আল্লাহ অনুগ্রহ করে শাহাদত লিপিবদ্ধ করে দেন
১ টি | ৩১৮৩-৩১৮৩
যে ব্যক্তি নিজের সম্পদের জন্য নিহত হয়, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব ও সে শাহাদতের মর্যাদা লাভ করে, চাই সে সম্পদ রক্ষার্থে লড়াই করুক অথবা না করুক
১ টি | ৩১৮৪-৩১৮৪
যেই হাদীস কোন কোন আলেমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, ইবনু উয়াইনার হাদীসটির সানাদ হয়তো বিচ্ছিন্ন
১ টি | ৩১৮৫-৩১৮৫
আল্লাহর রাস্তায় যুদ্ধরত ব্যক্তি যদি স্বীয় অস্ত্রের আঘাতে মারা যান, তার জন্য শাহাদত সাব্যস্তকরণ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩১৮৬-৩১৮৬
জিহাদে যারা শহীদ হবেন, তাদের ক্ষেত্রে ওয়াজিব হলো তাদের রক্তগুলো ধুয়ে ফেলা হবে না এবং তাদের জানাযার সালাত আদায় করা হবে না
১ টি | ৩১৮৭-৩১৮৭
যেই হাদীস পুর্বে উল্লেখিত জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের সাথে বাহ্যত বিরোধপূর্ণ
১ টি | ৩১৮৮-৩১৮৮
উকবাহ বিন আমির আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসে কাজটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে সময়ে করেছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩১৮৯-৩১৮৯
কা‘বার ভেতরে যেখানে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেছেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩১৯১-৩১৯১
কাবা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আমল আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর কাছ থেকে শ্রবণ করেছিলেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩১৯২-৩১৯২
কাবা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে দুই খুঁটির মাঝে সালাত আদায় করেছেন, সেই খুঁটি দুটি সামনের দুই খুঁটি ছিল
১ টি | ৩১৯৩-৩১৯৩
কাবা ঘরে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই খুঁটির মাঝে যে সালাত আদায় করেছেন, সেখানে তাঁর দাঁড়ানোর বিবরণ
১ টি | ৩১৯৪-৩১৯৪
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত নাফে‘ রহিমাহুল্লাহ বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩১৯৫-৩১৯৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন কা‘বার ভিতরে সালাত আদায় করেছিলেন, তখন তাঁর ও দেওয়ালের মাঝে কতটুকু ব্যবধান ছিল, তার বিবরণ
১ টি | ৩১৯৬-৩১৯৬
আমরা যে কর্ম উল্লেখ করলাম সেটাকে নাকচকারী স্পষ্ট দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩১৯৮-৩১৯৮
১১. কিতাবুয যাকাত (كتاب الزكاة)
২১২ টি হাদিস
২০০ পরিচ্ছেদ
২০০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩১৯৯-৩৪০৬)
ব্যক্তির জন্য হালাল পন্থায় উপার্জিত সম্পদ জমা করা জায়েয, যখন সে সম্পদের হক আদায় করবে
১ টি | ৩২০০-৩২০০
ব্যক্তির জন্য হালাল পন্থায় উপার্জিত সম্পদ জমা করা জায়েয, যখন সে সম্পদে আল্লাহর হক আদায় করবে
১ টি | ৩২০১-৩২০১
হাদীসের জ্ঞানে অপরিপক্ক ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হালাল পন্থায় সম্পদ জমা করা জায়েয নেই
১ টি | ৩২০২-৩২০২
যেই হাদীস কোন কোন আলিম ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীস হয়তো আমাদের উল্লেখিত আবূ সালামার হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩২০৩-৩২০৩
যেসব শর্তসাপেক্ষে একজন ব্যক্তি সম্পদ গ্রহণ করলে, তাতে বারাকাহ দেওয়া হবে, সে সম্পর্কে বিবরণ
১ টি | ৩২০৫-৩২০৫
যখন কোন ব্যক্তি তার সম্পদ থেকে আল্লাহর হক আদায় করবে, তখন তার উপর আর কোন বাধ্যবাধকতা থাকে না, তবে সে যদি নফল দান করে, সেটা ভিন্ন কথা
১ টি | ৩২০৬-৩২০৬
সোনা ও রুপার গোলাম হওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩২০৮-৩২০৮
দুনিয়াতে যখন সম্পদের প্রাচুর্য প্রদান করা হবে, তখন মানুষের জন্য আবশ্যক হলো দুনিয়া ও তার বিপদ থেকে নিজেকে হেফাযত করা
১ টি | ৩২১১-৩২১১
সম্পদ কোন কোন সময় এই উম্মতের জন্য ফিতনার কারণ হয়ে যায়
১ টি | ৩২১২-৩২১২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উম্মতের ব্যাপারে সম্পদের প্রাচুর্যতা ও ইচ্ছাকৃতভাবে বিভিন্ন (মন্দ) কাজ করার আশংকা করেছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২১৩-৩২১৩
নশ্বর দুনিয়ার ব্যাপারে প্রতিযোগিতা করার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আশংকা
১ টি | ৩২১৪-৩২১৪
দুনিয়ার সৌন্দর্য ও চাকচিক্যের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আশংকা
২ টি | ৩২১৫-৩২১৬
মানুষ যে সম্পদ ন্যায় সঙ্গতভাবে গ্রহণ করে, তার বিবরণ
১ টি | ৩২১৭-৩২১৭
(২) লোভ-লালসা ও তৎসংশ্লিষ্ট আলোচনা - সম্পদ ও সম্মানের ব্যাপারে লোভ-লালসা থেকে দুরে থাকা জরুরী, কেননা এই দুটি জিনিস মানুষের দ্বীনকে নষ্ট করে দেয়
১ টি | ৩২১৮-৩২১৮
মানুষের বয়স যত বাড়ে, দুনিয়ার ব্যাপারে লোভ-লালসা তত বাড়ে তবে সেসব ব্যক্তি ছাড়া, যাদেরকে মহান আল্লাহ হেফাযত করে
১ টি | ৩২১৮-৩২১৮
বয়স্ক লোকদের মাঝে মহান আল্লাহ নশ্বর দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত লোভ-লালসা সৃষ্টি করে দেন
১ টি | ৩২১৯-৩২১৯
আদম সন্তানের মাঝে মহান আল্লাহ দুনিয়ার প্রতি অতিরিক্ত লোভ-লালসা সৃষ্টি করে দেন, যদিও এই দুনিয়া নশ্বর এবং নোংরা
১ টি | ৩২২০-৩২২০
আমরা যে সম্পদের কথা বর্ণনা করলাম, সেটার যে হুকুম, খেজুর গাছের ক্ষেত্রেও একই হুকুম প্রযোজ্য
২ টি | ৩২২১-৩২২২
আমরা যে খেজুর গাছের কথা বর্ণনা করলাম, সেটার যে হুকুম, অন্যান্য সম্পদের ক্ষেত্রেও আদম সন্তানের একই অবস্থা হয়, তবে আল্লাহ যাকে রক্ষা করে সে ছাড়া
১ টি | ৩২২৩-৩২২৩
যদি কোন ব্যক্তিকে এক উপত্যকা ভর্তি স্বর্ণ দেওয়া হয়, সেই ব্যক্তির হুকুম পূর্বে উল্লেখিত ব্যক্তির মতই
১ টি | ৩২২৪-৩২২৪
সম্পদ বেশি কামনা করার ক্ষেত্রে দুই উপত্যকা ও এক উপত্যকার হুকুম একই
১ টি | ৩২২৫-৩২২৫
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো অবৈধ পন্থায় জীবিকা উপার্জনে চেষ্টা না করা
১ টি | ৩২২৭-৩২২৭
মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো রিযিককে দুরবর্তী মনে না করা, সাথে সাথে হারাম বর্জন করে হালাল জীবিকা উপার্জনে অগ্রগামী হওয়া
১ টি | ৩২৩০-৩২৩০
রিযিক অন্বেষেনের ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতা না করা ওয়াজিব হওয়া মর্মে হাদীস
১ টি | ৩২৩১-৩২৩১
যেই হাদীস, হাদীস বিষয়ে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩২৩২-৩২৩২
মানুষ যে সম্পদ রেখে মারা যায়, সেই সম্পদ সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩২৩৩-৩২৩৩
(৩) যাকাতের ফযীলত - যে ব্যক্তি সালাত আদায় করা এবং রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখার সাথে সাথে যাকাত প্রদান করবে, তার জন্য জান্নাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩২৩৪-৩২৩৪
ইমাম শু‘বা রহিমাহুল্লাহ এই হাদীসটি উসমান বিন আব্দুল্লাহ বিন মাওহাব এবং তার বাবা উভয় থেকে শ্রবণ করেছেন
১ টি | ৩২৩৫-৩২৩৫
জান্নাত ওয়াজিব হয়ে যাবে ঐ ব্যক্তির জন্য যে ব্যক্তি যাকাত আদায় করে সাথে সাথে অন্যান্য সমস্ত ফরয পালন করে এবং কাবীরাহ গোনাহ থেকে বেঁচে থাকে
১ টি | ৩২৩৬-৩২৩৬
সাদাকাহ করার কারণে সম্পদ কমে না বরং বাড়ে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৩৭-৩২৩৭
যে ব্যক্তি তার গবাদি পশুর যাকাত আদায় করে, মহান আল্লাহ কিয়ামতের দিন প্রভুত সাওয়াব দান করবেন
১ টি | ৩২৩৮-৩২৩৮
মুসলিম ব্যক্তির হৃদয়ে ঈমান ও কৃপণতা একত্রিত না হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩২৪০-৩২৪০
যাকাত দিতে অস্বীকৃতি জ্ঞাপনকারী ও হিজরতের পর কোন বেদুঈন মুরতাদের প্রতি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের অভিসম্পাত
১ টি | ৩২৪১-৩২৪১
যে ব্যক্তি সম্পদের যাকাত আদায় করে না, কিয়ামতের দিন তার শাস্তির বিবরণ
১ টি | ৩২৪২-৩২৪২
যে ব্যক্তি সম্পদে আল্লাহর হক আদায় করে না, তাকে কিয়ামতের দিন যা শাস্তি দেওয়া হবে তার বিবরণ
১ টি | ৩২৪৩-৩২৪৩
সেসব প্রাণীরা কিয়ামতের দিন তাদের মালিককে পদদলিত করবে, মালিক যাদের আল্লাহর হক আদায় করেনি
১ টি | ৩২৪৪-৩২৪৪
পুর্বে উল্লেখিত হাদীসে যে ভাল কাজ ও হক এর কথা বলা হয়েছে, তার দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ফরয যাকাত; নফল দান উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ৩২৪৫-৩২৪৫
যাকাত আদায় না করে সম্পদ জমাকারীর জন্য জাহান্নামের আগুনে শাস্তির বিবরণ (আল্লাহর কাছে আমরা জাহান্নামের আগুন থেকে পানা চাই)
১ টি | ৩২৪৮-৩২৪৮
আবূ যার গিফারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর এই বক্তব্য তিনি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কাছ থেকে শ্রবণ করেছিলেন; এটা তিনি নিজের পক্ষ থেকে বলেননি
১ টি | ৩২৪৯-৩২৪৯
দ্বিতীয় হাদীস শ্রোতাকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, প্রতিটি ব্যক্তির জন্য আবশ্যক হলো মৃত্যু বরণ সময় পরবর্তী লোকদের জন্য কোন কিছু না রেখে যাওয়া
১ টি | ৩২৫৩-৩২৫৩
গবাদি পশুকে যাকাত আদায় করার জন্য তাদের পানি পান করার জায়গা থেকে উসূলকারীর নিকটে নিয়ে আসার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩২৫৬-৩২৫৬
আল্লাহর বাণী “আপনি তাদের সম্পদ থেকে যাকাত গ্রহণ করুন, যা তাদেরকে পবিত্র করবে এবং এর মাধ্যমে আপনি তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন” এটাকে ব্যাখ্যাকারী হাদীসসমূহ
১ টি | ৩২৫৭-৩২৫৭
যাকাতের ক্ষেত্রে যে বয়সের উট ফরয হয়, তার চেয়ে বেশি বয়সের উট গ্রহণ করা জায়েয, যদি উটের মালিক, তা খুশি মনে প্রদান করে
১ টি | ৩২৫৮-৩২৫৮
শাসকদের জন্য যাকাত আদায় করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩২৫৯-৩২৫৯
সওয়ারের জন্তু ও দাসে যাকাত ওয়াজিব নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৬০-৩২৬০
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বক্তব্য, “দাসেও কোন সাদাকাহ বা যাকাত নেই” এর দ্বারা সব ধরণের সাদাকাহ উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ৩২৬১-৩২৬১
কোন প্রজার সম্পদের যাকাতের জামিন হওয়া ইমামের জন্য বৈধ
১ টি | ৩২৬২-৩২৬২
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো যাকাত প্রদানকারীর জন্য দুআ করা
১ টি | ৩২৬৩-৩২৬৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে জমি থেকে উৎপাদিত অল্প পণ্যেও উশর দিতে হবে যেভাবে বেশি পণ্যে উশর দিতে হয়- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩২৬৫-৩২৬৫
আমরা যে পাঁচ ওয়াসাকের (এক ওয়াসাক সমান ৬০ সা‘) কথা বর্ণনা করলাম, কারো শষ্য সেই পরিমাণ পৌঁছলে, কী পরিমাণ সাদাকাহ ওয়াজিব হবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩২৬৬-৩২৬৬
অনুমানকারী খেজুরের ক্ষেত্রে যেভাবে অনুমান করে অনুরুপভাবে আঙ্গুরের ক্ষেত্রেও অনুমান করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৬৮-৩২৬৮
এক ওয়াসাকের পরিমাণ কতো, যেখানে পাঁচ ওয়াসাক শষ্য জমিন থেকে উৎপাদিত হলে, তাতে যাকাত ওয়াজিব হয়- তার বিবরণ
১ টি | ৩২৭১-৩২৭১
হাদীসে উল্লেখিত সা‘ দ্বারা উদ্দেশ্য মাদীনার সা‘; পরবর্তীতে আবিস্কৃত অন্যান্য সা এখানে উদ্দেশ্য নয়
১ টি | ৩২৭২-৩২৭২
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, এক সা‘ সমান পাঁচ রতল ও এক রতলের এক-তৃতীয়াংশ, যেমনটা হিজায ও মিসরের উলামাগণ বলেছেন
১ টি | ৩২৭৩-৩২৭৩
বৃষ্টির পানি বা এই জাতীয় পানির মাধ্যমে উৎপাদিত শষ্য ও সেচের মাধ্যমে উৎপাদিত শষ্যে উশরের হুকুম
১ টি | ৩২৭৪-৩২৭৪
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি ইউনুস ইমাম যুহরী থেকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩২৭৫-৩২৭৫
বাগানের মালিকদের প্রতি নির্দেশ হলো প্রতিটি বাগানের থেকে এক থোকা করে খেজুর গরীব-মিসকীনদের জন্য মসজিদে ঝুলিয়ে রাখবে
১ টি | ৩২৭৭-৩২৭৭
(৭) যাকাত বন্টনের খাতসমূহ
১ টি | ৩২৭৯-৩২৭৯
মানুষের সাবলম্বী থাকার কোন সময়সীমা নেই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৮০-৩২৮০
মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বংশের লোকদের জন্য ফরয যাকাতের মাল ভক্ষন করা নিষেধ
২ টি | ৩২৮১-৩২৮২
হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সাদাকার খেজুর মুখে দেওয়ার পর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর হাত হাসান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর মুখে দিয়ে তা বের করেন
২ টি | ৩২৮৪-৩২৮৫
সাদাকার মাল ভক্ষন করা হারাম হওয়ার ক্ষেত্রে মুত্তালিব ও হাশিমের সন্তানগণ সমান মর্মে হাদীস
১ টি | ৩২৮৬-৩২৮৬
মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো লোক চক্ষুর আড়ালে থাকা দরিদ্র লোকদের খুঁজে তাদেরকে সাদাকাহ প্রদান করে আর যাদেরকে জিজ্ঞেস না করলে নিজে থেকে মানুষের কাছে চায় না
১ টি | ৩২৮৭-৩২৮৭
(৮) সাদাকাতুল ফিতর প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩২৮৮-৩২৮৮
পুর্বে বর্ণিত ব্যাখ্যাহীন হাদীসকে ব্যাখ্যাকারী হাদীস, যা ব্যাখ্যা করে যে, সাদাকাতুল ফিতর কেবল মুসলিমদের উপর ফরয; কাফেরদের উপর নয়
১ টি | ৩২৯০-৩২৯০
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩২৯২-৩২৯২
আমরা যেদিকে ইঙ্গিত করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ৩২৯৩-৩২৯৩
এক সা‘ পনির সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৯৪-৩২৯৪
আবূ সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর বক্তব্য ‘এক সা‘ খাদ্য দ্রব্য’ দ্বারা উদ্দেশ্য হলো এক সা‘ গম
১ টি | ৩২৯৫-৩২৯৫
কোন ব্যক্তির জন্য এক সা‘ কিসমিস সাদাকাতুল ফিতর আদায় করা জায়েয
১ টি | ৩২৯৬-৩২৯৬
(৯) নফল সাদাকাহ
১ টি | ৩২৯৭-৩২৯৭
সাদাকাহ মহান প্রভুর ক্রোধকে প্রশমিত করে দেয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩২৯৮-৩২৯৮
অল্প পরিমাণ সাদাকাহ করার মাধ্যমে হলেও জাহান্নামের আগুন থেকে বেঁচে থাকার ব্যাপারে বর্ণনা (আল্লাহর কাছে জাহান্নামের আগুন থেকে আশ্রয় চাই)
১ টি | ৩৩০০-৩৩০০
সুস্থ্, ব্যয়কুন্ঠ ব্যক্তি, যিনি দারিদ্রের ভয় করে, দীর্ঘায়ূ প্রত্যাশী ব্যক্তির দান উত্তম সেই ব্যক্তির চেয়ে যে যার অবস্থা এরকম নয়
১ টি | ৩৩০১-৩৩০১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাদাকাহ কারীকে যুদ্ধে ঢাল পরিধানকারীর সাথে দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ৩৩০২-৩৩০২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাদাকাহ কারীকে দীর্ঘ হাতের সাথে দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ৩৩০৩-৩৩০৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাদাকাহ কারীকে দীর্ঘ হাতের সাথে দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ৩৩০৪-৩৩০৪
সাদাকাহ বৃদ্ধি পাওয়ার ক্ষেত্রে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ঘোড়ার বাচ্চা প্রতিপালন করে বড় করার সাথে দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ৩৩০৫-৩৩০৫
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আবুল হুবাব এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৩০৬-৩৩০৬
মুসলিম ব্যক্তির দানকে মহান আল্লাহ বহুগুণ বাড়িয়ে দিবেন, যাতে তিনি তাদেরকে কিয়ামতের দিন পরিপূর্ণভাবে প্রতিদান দিতে পারেন মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৩০৭-৩৩০৭
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি সাঈদ আল মাকবূরী এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৩০৮-৩৩০৮
এই হাদীসগুলো উপমা হিসেবে ব্যবহার করা হয়েছে, যার সাথে মানুষ সুপরিচিত, এর ধরণ বর্ণনা করা যাবে না বা এটাকে বাস্তবিক বিবেচনা করা যাবে না মর্মে হাদীস
২ টি | ৩৩০৯-৩৩১০
পুরুষদেরকে অধিক পরিমাণে সাদাকাহ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৩১১-৩৩১১
নারীদের অধিক পরিমাণে সাদাকাহ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৩১২-৩৩১২
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম নারীদের অধিক পরিমাণে সাদাকাহ করার নির্দেশ দিয়েছেন
১ টি | ৩৩১৩-৩৩১৩
ইমাম যখন মুসলিমদের অভাব বুঝতে পারবেন, তখন তার জন্য মুস্তাহাব হলো তিনি প্রজাদের কাছে সাদাকাহ আহবান করবেন
১ টি | ৩৩১৫-৩৩১৫
দুনিয়াতে দানকারীরা আখেরাতে উত্তম বিবেচিত হবে মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৩১৬-৩৩১৬
যে ব্যক্তি নিজের জন্য আগে যা পাঠিয়েছে এবং যা প্রদান করা থেকে বিরত থেকেছে, উভয় ক্ষেত্রে তার বিপরীত হওয়ার আশংকা করা
১ টি | ৩৩১৯-৩৩১৯
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো পরকালের প্রতি দৃষ্টি দেওয়া এবং দুনিয়ার যতটুকু সম্ভব নিজের জন্য আগে পাঠানো
১ টি | ৩৩২০-৩৩২০
মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো সে নশ্বর এই দুনিয়ার যা কিছু লাভ করবে, তা পরকালের জন্য অগ্রে পাঠানো
১ টি | ৩৩২১-৩৩২১
যে ব্যক্তি সাদাকাহ করে না, সে কৃপণ মর্মে বর্ণনা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাদাকাহ কারীকে যুদ্ধে ঢাল পরিধানকারীর সাথে দৃষ্টান্ত পেশ
১ টি | ৩৩২২-৩৩২২
দানকারীর জন্য ফেরেস্তাগণ প্রতিবদলা প্রাপ্তি আর দান না করে সম্পদ ধারণকারীর জন্য ধ্বংসের দুআ মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৩২৩-৩৩২৩
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার সম্পদ থেকে যতটুকু সম্ভব দান করা
১ টি | ৩৩২৩-৩৩২৩
মুমূর্ষু অবস্থায় দান করার চেয়ে সুস্থ অবস্থায় দান করা উত্তম
১ টি | ৩৩২৪-৩৩২৪
যে ব্যক্তি জীবদ্দশায় সাদাকাহ না করে, মুমূর্ষু অবস্থায় সাদাকাহ করে, তার বিবরণ সম্পর্কে হাদীস
১ টি | ৩৩২৫-৩৩২৫
দুরবর্তীদের সাদাকাহ করার চেয়ে নিকটাত্নীয়দের সাদাকাহ করা উত্তম
১ টি | ৩৩২৬-৩৩২৬
সাদাকাহকারীর সাধ্য অনুযায়ী অল্প পরিমাণ সাদাকাহ করাও বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩২৭-৩৩২৭
মানুষের জন্য মু্স্তাহাব হলো দানের ক্ষেত্রে বাবা-মাকে অগ্রাধিকার দেওয়া তারপর পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তী আত্নীয়কে প্রদান করা
১ টি | ৩৩২৮-৩৩২৮
মানুষের জন্য আবশ্যক হলো যখন সে সাদাকাহ করবে, তখন সে দুরের লোকদের আগে প্রথমে নিকটবর্তী লোকদের নিয়ে শুরু করবে
১ টি | ৩৩৩০-৩৩৩০
যে ব্যক্তি কোন কিছু দান বা খরচ করতে চায়, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি পর্যায়ক্রমে নিকটবর্তী লোকদের দ্বারা শুরু করবেন
২ টি | ৩৩৩১-৩৩৩১
নিকটাত্নীয়ের দান করা দাস মুক্ত করা অপেক্ষা উত্তম মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৩২-৩৩৩২
রক্ত সম্পর্কীয় ব্যক্তিদের দান করলে, রক্ত সম্পর্ক বজায় রাখা এবং সাদাকাহ করার সাওয়াবকে অন্তর্ভুক্ত করে
১ টি | ৩৩৩৩-৩৩৩৩
অঢেল সম্পদ থেকে প্রচুর দান অপেক্ষা অল্প সম্পদ থেকে সামান্য দান উত্তম
১ টি | ৩৩৩৬-৩৩৩৬
পানি পান করানো অন্যতম শ্রেষ্ঠ দান
১ টি | ৩৩৩৭-৩৩৩৭
যখন কোন ব্যক্তি আল্লাহর জন্য গোপনে দান করে অথবা গোপনে তাহাজ্জুদ সালাত আদায় করে, তাকে মহান আল্লাহ ভালবাসেন
১ টি | ৩৩৩৮-৩৩৩৮
যার অভাবী হওয়া বা না হওয়ার বিষয়টি জানা যায় না, দানের ক্ষেত্রে তাকে অগ্রাধিকার দেওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩৩৪০-৩৩৪০
যারা মানুষের কাছে সাহায্য তাদের চেয়ে, যারা মানুষের কাছে সাহায্য চায় না, দানের ক্ষেত্রে তাদের অগ্রাধিকার দেওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩৩৪১-৩৩৪১
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো তার বন্ধু ও নিকটাত্নীয়ের পক্ষ থেকে সাদাকাহ করা, যখন সে মারা যায়
১ টি | ৩৩৪২-৩৩৪২
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৩৪৩-৩৩৪৩
যে সম্পদরক্ষক সাদাকাহকারীর সাথে সাওয়াবে অংশীদার হবে তার বিবরণ
১ টি | ৩৩৪৮-৩৩৪৮
কোন কোন সময় দান প্রদানকারী দান গ্রহণকারীর চেয়ে উত্তম বিবেচিত হয়
১ টি | ৩৩৫০-৩৩৫০
নিচু হাত হলো যেই হাত মানুষের কাছে সাহায্য চায়; সেই হাত নয় যা সাহায্য চাওয়া ছাড়াই কোন দান গ্রহণ করে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৫১-৩৩৫১
দান গ্রহণকারী হাতের চেয়ে দান প্রদানকারী হাত উত্তম
১ টি | ৩৩৫২-৩৩৫২
সাদাকাহ করার সময় গুণে গুণে সাদাকাহ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৩৫৪-৩৩৫৪
আত্নসাতের মাল থেকে সাদাকাহ করলে, তা কবূল করা হয় না
১ টি | ৩৩৫৫-৩৩৫৫
যদি সম্পদ হালালভাবে উপার্জন করা না হয়, তবে তা সাদাকাহ করার কারণে কোন সাওয়াব দেওয়া হয় না
১ টি | ৩৩৫৬-৩৩৫৬
কোন ব্যক্তি কোন বৃক্ষ রোপন করলে, যদি তার ফল থেকে কোন কিছু খেয়ে নেয়, তবে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে এর বদৌলতে সাদাকার সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ৩৩৫৭-৩৩৫৭
কোন মুসলিম ব্যক্তির উৎপাদিত ফল-ফসল থেকে পাখি ও হিংস্র প্রাণী কিছু খেয়ে নিলে, তাতে তার জন্য সাওয়াব রয়েছে
১ টি | ৩৩৫৮-৩৩৫৮
পুরো সম্পদ দান না করে কিছু দান করার নির্দেশ, কেননা এটিই উত্তম
১ টি | ৩৩৫৯-৩৩৫৯
যখন কোন ব্যক্তি দানের মাধ্যমে আল্লাহর নৈকট্য অর্জন করতে চাইবে, তখন তার জন্য ওয়াজিব হলো পুরো সম্পদ দান না করে এক-তৃতীয়াংশ দান করার উপর সীমাবদ্ধ থাকা
১ টি | ৩৩৬০-৩৩৬০
সাহায্যপ্রার্থীর হাতে নিজ হাতে সাদাকাহ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৩৬২-৩৩৬২
সাহায্যপ্রার্থীকে খালি হাতে ফেরত না দিয়ে উপস্থিত যে কোন কিছু দিয়ে বিদায় করার নির্দেশ
২ টি | ৩৩৬৩-৩৩৬৪
কোন দানকে অল্প জ্ঞান করা ও এমন দানকারীর ব্যাপারে মন্দ ধারণা পোষণ না করার জন্য নির্দেশ
১ টি | ৩৩২৭-৩৩২৭
যেসব আমলের মাধ্যমে নিঃস্ব ব্যক্তি সাদাকাহ করার সাওয়াব পাওয়া যাবে
১ টি | ৩৩৬৮-৩৩৬৮
কোন মুসলিম ব্যক্তি সাদাকাহ না করলেও উত্তম গুণাবলি/সৎকর্মের কারণে মহান আল্লাহ সাদাকাহ করার সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ৩৩৬৯-৩৩৬৯
কথা ও কাজের মাধ্যমে যে কোন ভালো কাজ করার কারণে মহান আল্লাহ সাদাকাহ করার সাওয়াব লিখে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৭০-৩৩৭০
যেসব ভাল কাজের মাধ্যমে সাদাকাহ করার সাওয়াব হয় তার বিস্তারিত বিবরণ
১ টি | ৩৩৭১-৩৩৭১
যেসব কাজ করলে সাদাকাহ করার সাওয়াব লেখা হয়, তার বর্ণনা
১ টি | ৩৩৭২-৩৩৭২
(১১) দুনিয়াতে কাউকে অনুগ্রহ করে তা গণনা করে রাখা বৈধ
১ টি | ৩৩৭৩-৩৩৭৩
আল্লাহর জন্য দান করে যে ব্যক্তি খোটা দেয়, সে ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করবে না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৭৪-৩৩৭৪
ইলমে হাদীসে অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে যেই হাদীস এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে এই হাদীসটির সনদ হয়তো বিচ্ছিন্ন
১ টি | ৩৩৭৫-৩৩৭৫
(১২) সাহায্য চাওয়া, সাহায্য গ্রহণ করা এবং এতদসংশ্লিষ্ট বিষয় যেমন: প্রতিবদলা দেওয়া, প্রশংসা করা, শুকরিয়া আদায় করা প্রভৃতি সম্পর্কিত বর্ণনা
১ টি | ৩৩৭৬-৩৩৭৬
পূর্বে বর্ণিত হাদীসের শব্দে আম বা সাধারণভাবে মানুষের কাছে না চাওয়ার নির্দেশটি মুস্তাহাব নির্দেশক; অবশ্য পালনীয় নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৭৭-৩৩৭৭
মহান আল্লাহ কাউকে স্বাবলম্বী করার পরেও কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিজের জন্য ভিক্ষার দরজা খোলার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৩৭৮-৩৩৭৮
মানুষের জন্য ওয়াজিব হলো মানুষের কাছে অধিক পরিমাণে না চাওয়া
১ টি | ৩৩৭৯-৩৩৭৯
নিরুপায় হলেও নাছোড় হয়ে ভিক্ষা চাওয়া নিষেধ
১ টি | ৩৩৮০-৩৩৮০
যেই কারণে একজন সাহায্যপ্রার্থী ব্যক্তি নাছোড় ব্যক্তিতে পরিণত হয়
১ টি | ৩৩৮১-৩৩৮১
যে ব্যক্তি খাবারের অভাবে নয় বরং সম্পদ বৃদ্ধি করার জন্য মানুষের কাছে সাহায্য চায়, তার প্রতি নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৩৮২-৩৩৮২
স্বাবলম্বী ব্যক্তি কর্তৃক নশ্বর দুনিয়ার জিনিস মানুষের কাছে চাওয়ার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৩৮৩-৩৩৮৩
আমরা পূর্বের হাদীসের যে ব্যাখ্যা করেছি, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে হাদীস
১ টি | ৩৩৮৪-৩৩৮৪
যেসব সীমিত (গণনাযোগ্য) অবস্থার কারণে মানুষের জন্য ভিক্ষা/চাওয়া বৈধ করা হয়েছে তার উল্লেখ
২ টি | ৩৩৮৬-৩৩৮৭
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত কবীসাহ বিন মুখারিক বর্ণিত হাদীসের বিরোধী
১ টি | ৩৩৮৮-৩৩৮৮
এই দুনিয়ার নগণ্য কোন জিনিস সাহায্য চেয়ে কিংবা লোভাতুর হয়ে গ্রহণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৩৯২-৩৩৯২
যদি না চাইতেই কাউকে এই নশ্বর দুনিয়ার কোন কিছু প্রদান করা হয়, তবে তা গ্রহণ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৩৯৬-৩৩৯৬
নির্লোভ অবস্থায় কোন কিছু প্রদান করা হলে, তা গ্রহণকারীর প্রতি বারাকাহ সাব্যস্ত করার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৩৯৭-৩৩৯৭
কোন মানুষের প্রতি তার ভাইয়ের পক্ষ থেকে ইহসান করা হলে, তার জন্য ওয়াজিব হলো সেটার শুকরিয়া আদায় করা
১ টি | ৩৩৯৮-৩৩৯৮
যার সাথে ভালো কিছু করা হয় তার প্রতি নির্দেশ হলো, প্রতিদান দেওয়া
২ টি | ৩৩৯৯-৩৪০০
মানুষের জন্য জরুরী হলে কেউ কোন অনুগ্রহ করলে, তার শুকরিয়া আদায় করতে কুন্ঠিত না হওয়া, চাই সে অনুগ্রহ কম হোক বা বেশি হোক
১ টি | ৩৪০২-৩৪০২
কোন ব্যক্তি কারো জন্য ভালো কিছু করলে যদি তার প্রতিদান দেওয়ার সামর্থ না থাকে, তাহলে যে দুআ করলে পরিপূর্ণ প্রতিদান দেওয়া হয়ে যাবে তার বর্ণনা
১ টি | ৩৪০৪-৩৪০৪
কেউ কারো কোন অনুগ্রহ করলে, তার জন্য ওয়াজিব হলো তার শুকরিয়া আদায় করা
১ টি | ৩৪০৫-৩৪০৫
১২. কিতাবুস সিয়াম (كتاب الصوم)
২৮০ টি হাদিস
২৬৪ পরিচ্ছেদ
২৬৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩৪০৭-৩৬৮৩)
(১) সিয়ামের ফযীলত - সিয়াম পালনকারী ব্যক্তিকে মহান আল্লাহ বেশুমার প্রতিদান দান করবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪০৭-৩৪০৭
প্রত্যেক ইবাদতের জন্য জান্নাতে কিছু দরজা আছে, যার দ্বারা তার অনুসারীদের ডাকা হবে; কিন্তু সাওমের জন্য শুধুমাত্র একটি দরজা আছে
১ টি | ৩৪১০-৩৪১০
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তিগণ যখন জান্নাতে প্রবেশ করবেন, তখন তাদের সেই দরজা বন্ধ করে দেওয়া হবে, অতঃপর সেখান দিয়ে তারা ছাড়া আর কেউ প্রবেশ করতে পারবে না
১ টি | ৩৪১১-৩৪১১
রাইয়ান নামক দরজাটি সিয়াম পালনকারী সর্বশেষ ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করার পর বন্ধ করে দেওয়া হবে, যাতে সেখান দিয়ে তারা ছাড়া আর কেউ প্রবেশ করতে না পারে
১ টি | ৩৪১২-৩৪১২
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট মিসকের চেয়ে বেশি সুঘ্রাণময় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪১৩-৩৪১৩
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির মুখের ঘ্রাণ আল্লাহর নিকট কিয়ামতের দিন মিসকের চেয়ে বেশি সুঘ্রাণময় হবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪১৪-৩৪১৪
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির মুখের ঘ্রাণ দুনিয়াতেও কোন কোন সময় মিসকের চেয়ে বেশি সুঘ্রাণময় হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪১৫-৩৪১৫
সিয়ামের সমতুল্য আর কোন নফল আমল নেই মর্মে বর্ণনা
২ টি | ৩৪১৬-৩৪১৭
সিয়াম বান্দার জন্য জাহান্নাম থেকে ঢাল স্বরুপ, এর মাধ্যমে জাহান্নাম থেকে নিজেকে রক্ষা করবে
১ টি | ৩৪১৮-৩৪১৮
ইফতার করার সময় দুআ কবূল হওয়ার আশা করা যায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪১৯-৩৪১৯
সিয়াম পালনকারী কোন মুসলিম ব্যক্তিকে যে ব্যক্তি ইফতার করায়, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তাকে সিয়াম পালনকারীর সমপরিমাণ সাওয়াব দান করেন
১ টি | ৩৪২০-৩৪২০
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির নিকট যখন খাদ্য খাওয়া হয়, তখন খাবার শেষ না করা পর্যন্ত ফেরেস্তাগন তার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করতে থাকেন
১ টি | ৩৪২১-৩৪২১
(২) রমজানের ফযীলত - যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশ দিন এবং রমজান মাস ফযীলতের ক্ষেত্রে সমান মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪২২-৩৪২২
ঈমানসহ ও সাওয়াবের আশায় সিয়াম পালনকারীর জন্য আল্লাহর ক্ষমা সাব্যস্ত করার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৪২৩-৩৪২৩
যে ব্যক্তি রমযানের সীমারেখা জেনে রমযানের সিয়াম পালন করবে, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দিবেন
১ টি | ৩৪২৪-৩৪২৪
রমযানে জান্নাতের দরজাসমূহ উন্মুক্তকরণ, জাহান্নামের দরজাসমূহ বন্ধকরণ ও শয়তানকে শৃঙ্খলিত করা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৪২৫-৩৪২৫
রমযানের শেষ দশকে ভাল কাজে সচেষ্ট হওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩৪২৭-৩৪২৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে রমযানের শেষ দশকে ইবাদতে সচেষ্ট হওয়া মুস্তাহাব
১ টি | ৩৪২৮-৩৪২৮
কোন ব্যক্তির এরকম বলা নিষেধ যে, আমি পুরো রমযান সিয়াম রেখেছি, কারণ সালাতে ত্রুটি সংঘটিত হতে পারে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৩০-৩৪৩০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাত অনুসরণে রমযানে মুসলিমদের উপর অনুগ্রহ ও দান করা মুস্তাহাব
১ টি | ৩৪৩১-৩৪৩১
(৩) নতুন চাঁদ দেখা - যখন মানুষের কাছে মেঘের কারণে চাঁদ না দেখা যায়, তবে শা‘বান মাস ৩০ দিন ধরার নির্দেশ
১ টি | ৩৪৩২-৩৪৩২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমরা ধরে নিবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ৩০ দিন ধরে নিবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৩৩-৩৪৩৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তোমরা ধরে নিবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ৩০ দিন ধরে নিবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৩৪-৩৪৩৪
রমযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে যদি একজন ন্যায়নিষ্ঠ ব্যক্তি সাক্ষ্য দেয়, তবে তার সাক্ষ্য গ্রহণ করার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৩৭-৩৪৩৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি সিমাক বিন হারব এককভাবে বর্ণনা করেছেন এবং তার মারফূ বর্ণনা সঠিক নয়- তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৪৩৮-৩৪৩৮
দ্বিতীয় হাদীস যা অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, মাস হয়তো ২৯ দিনে হয়; ৩০ দিনে হয় না!
১ টি | ৩৪৪১-৩৪৪১
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য "২৯ দিন" এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কোন কোন মাস; সব মাস নয়
১ টি | ৩৪৪২-৩৪৪২
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “২৯ দিন“ এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো কোন কোন মাস; সব মাস নয়
১ টি | ৩৪৪৩-৩৪৪৩
মাস কোন কোন সময় ২৯ দিনেও হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৪৫-৩৪৪৫
কোন কোন সময় মাস পূর্ণ ৩০ দিনেও হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৪৬-৩৪৪৬
ঈদের চাঁদের ক্ষেত্রে একদল লোকের সাক্ষ্য গ্রহণ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৪৭-৩৪৪৭
মেঘের কারণে যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা যাবে, তখন লোকদের জন্য জরুরী হলো রমযান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করা
১ টি | ৩৪৪৮-৩৪৪৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তবে তোমরা ৩০ দিন সিয়াম রাখবে”এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যদি তোমরা নতুন চাঁদ দেখতে না পাও
১ টি | ৩৪৪৯-৩৪৪৯
মেঘের কারণে যখন শাওয়াল মাসের চাঁদ না দেখা যাবে, তখন লোকদের জন্য জরুরী হলো রমযান মাস ৩০ দিন পূর্ণ করা
১ টি | ৩৪৫০-৩৪৫০
(৪) সাহারী খাওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ৩৪৫১-৩৪৫২
নিশ্চয়ই আরবের গোত্রভেদে ভাষা ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে
১ টি | ৩৪৫৪-৩৪৫৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাহারীকে বরকতময় প্রাতের খাবার হিসেবে অভিহিতকরণ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৫৫-৩৪৫৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক সাহারীকে বরকতময় প্রাতের খাবার হিসেব অভিহিতকরণ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৫৬-৩৪৫৬
সাহারী ভক্ষনকারীর জন্য ফেরেস্তাগণ ক্ষমা প্রার্থনা করেন এবং মহান আল্লাহ ক্ষমা করে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৫৮-৩৪৫৮
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৪৬২-৩৪৬২
যে কারণে বিলাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু রাতে আযান দিতেন
১ টি | ৩৪৬৩-৩৪৬৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৪৬৪-৩৪৬৪
প্রথম শর্ত সাপেক্ষে যে কাজটি বৈধ করা হয়েছে, তা দ্বিতীয় শর্ত পাওয়া গেলে নিষিদ্ধ হয়ে যাবে
১ টি | ৩৪৬৫-৩৪৬৫
যে ব্যক্তি সাহারী খেতে চায়, তার প্রতি নির্দেশ হলো অন্তত পানি পান করে হলেও সাহারী খাওয়া
১ টি | ৩৪৬৭-৩৪৬৭
যেই কারণে এই নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তার বিবরণ
১ টি | ৩৪৬৮-৩৪৬৮
(৫) সিয়ামের আদবসমূহ
১ টি | ৩৪৬৯-৩৪৬৯
শুধুমাত্র পানাহার ও স্ত্রী সংগম থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে সিয়াম পরিপূর্ণ হয় না; বস্তুত নিষিদ্ধ জিনিসসমূহ থেকে বিরত থাকার মাধ্যমে সিয়াম পরিপূর্ণ হয়
১ টি | ৩৪৭১-৩৪৭১
আল্লাহর আনুগত্য নয়, এমন কথা ও কাজের মাধ্যমে সিয়ামকে ত্রুটিপূর্ণ করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৭২-৩৪৭২
যখন কোন সিয়াম পালনকারীর সাথে অজ্ঞতাপূর্ণ আচরণ করা হবে, তখন তার জন্য জরুরী হলো বলা যে, আমি সিয়াম রেখেছি
১ টি | ৩৪৭৩-৩৪৭৩
অজ্ঞতাপূর্ণ আচরণকারী ব্যক্তির উদ্দেশ্যে সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির কথা “নিশ্চয়ই আমি সিয়াম রেখেছি” এটা মনে মনে বলবে; জবান দ্বারা নয় মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৪৭৪-৩৪৭৪
আমরা যেদিকে ইঙ্গিত করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৪৭৫-৩৪৭৫
(৬) জুনুবী (নাপাকী) ব্যক্তির সিয়ামের বর্ণনা
১ টি | ৩৪৭৬-৩৪৭৬
এই হাদীসটি আবূ হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফযল বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে শ্রবণ করেছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৭৭-৩৪৭৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক এই নিষিদ্ধ কাজ সম্পাদন করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৭৯-৩৪৭৯
নিশ্চয়ই এরকম করা রমযান ও অন্যান্য মাসেও বৈধ করা হয়েছে, চাই সেটার কারণ স্ত্রী সংগম করা হোক অথবা স্বপ্নদোষ হোক
১ টি | ৩৪৮০-৩৪৮০
দ্বিতীয় হাদীস যা এই নিষিদ্ধ কাজ বৈধ হওয়ার উপর প্রমাণ করে
১ টি | ৩৪৮১-৩৪৮১
আমরা যা উল্লেখ করলাম তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে তৃতীয় হাদীস
১ টি | ৩৪৮২-৩৪৮২
নিষিদ্ধ কাজটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য খাছ ছিল না; বরং এটি তাঁর ও উম্মত; সবার জন্যই খাছ ছিল
১ টি | ৩৪৮৩-৩৪৮৩
জুনুবী অবস্থায় ভোর করলে তার সিয়ামের বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৮৪-৩৪৮৪
জুনুবী অবস্থায় ভোর করলে সেই দিন সিয়াম রাখার বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৮৫-৩৪৮৫
জুনুবী অবস্থায় ভোর হয়ে গেলে সেদিন সিয়াম রাখার বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ৩৪৮৭-৩৪৮৮
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আবূ বকর বিন আব্দুর রহমান হয়তো হাদীসটি উম্মু সালামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছ থেকে শ্রবণ করেননি
১ টি | ৩৪৮৯-৩৪৮৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি হয়তো আবূ বকর বিন আব্দুর রহমান বিন হারিস এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৪৯১-৩৪৯১
নিষিদ্ধ কাজটি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য খাছ ছিল না; বরং এটি তাঁর ও উম্মত; সবার জন্যই প্রযোজ্য
১ টি | ৩৪৯২-৩৪৯২
(৭) ইফতার করা ও দ্রুত ইফতার করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৯৩-৩৪৯৩
যে কারণে সিয়াম পালনকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো দ্রুত ইফতার করা
১ টি | ৩৪৯৪-৩৪৯৪
মাগরিবের সালাতের আগে দ্রুত ইফতার করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৯৫-৩৪৯৫
যতদিন মানুষ দ্রুত ইফতার করবে, ততদিন পর্যন্ত তাদের জন্য কল্যাণ সাব্যস্ত করার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৯৭-৩৪৯৭
আল্লাহর নিকট সবচেয়ে প্রিয় মানুষ তারাই যারা দ্রুত ইফতার করে
১ টি | ৩৪৯৮-৩৪৯৮
সিয়াম পালনকারীর জন্য দ্রুত ইফতার করা মুস্তাহাব, এটা তাদের কথার বিপরীত যারা দেরিতে ইফতার করার নির্দেশ দেয়
১ টি | ৩৪৯৯-৩৪৯৯
যে ব্যক্তি সৎ কাজ করার ক্ষেত্রে সময়ের প্রতি লক্ষ্য করার জন্য বিভিন্ন উপায় ও উপকরণ ব্যবহার করাকে বাতিল সাব্যস্ত করে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৫০১-৩৫০১
সিয়াম পালনকারীর জন্য যেই সময়ে ইফতার করা বৈধ তার বর্ণনা
১ টি | ৩৫০৩-৩৫০৩
যখন সূর্য ডুবে যাবে, তখন সিয়াম পালনকারীর জন্য ইফতার করা বৈধ
১ টি | ৩৫০৪-৩৫০৪
সিয়াম পালনকারীর জন্য যা দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব
১ টি | ৩৫০৫-৩৫০৫
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো খেজুর দিয়ে ইফতার করা, যদি খেজুর না পাওয়া যায়, তবে পানি দিয়ে ইফতার করা
১ টি | ৩৫০৬-৩৫০৬
(৮) সিয়াম কাযা করা প্রসঙ্গে - (একজন নারীর জন্য বৈধ রয়েছে, তার ফরয সিয়াম আগামী শা‘বান পর্যন্ত বিলম্বে কাযা করা)
১ টি | ৩৫০৭-৩৫০৭
যে ব্যক্তি নফল সিয়ামের নিয়ত করে অতঃপর তা ভঙ্গ করে, তাকে সেই সিয়াম কাযা করার নির্দেশ
১ টি | ৩৫০৮-৩৫০৮
ইচ্ছাকৃতভাবে বমি কারীর উপর সিয়াম কাযা করা ওয়াজিব কিন্তু কারো অনিচ্ছাকৃতভাবে বমি হলে তার উপর সিয়াম কাযা করা ওয়াজিব নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫০৯-৩৫০৯
যে ব্যক্তি রমযান মাসে ভুলবশত কোন কিছু খেয়ে নেয়, তার উপর কাযা বা কাফফারা কোন কিছু জরূরী নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫১২-৩৫১২
সিয়াম পালনকারী ব্যক্তি ভুলবশত কোন কিছু পানাহার করলে তার জন্য বৈধ রয়েছে সিয়ামকে পূর্ণ করা, এতে তার কোন দোষ নেই
১ টি | ৩৫১৩-৩৫১৩
৯ - কাফফারার বিধান
১ টি | ৩৫১৪-৩৫১৪
রমযানে স্ত্রী সহবাসকারী ব্যক্তি যখন মিসকিনকে খাদ্য দিতে চাইবে, তিনি প্রত্যেক মিসকিনকে এক মুদ (৬২৫ গ্রাম) খাবার দিবেন
১ টি | ৩৫১৭-৩৫১৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রমযানে সহবাসকারী ব্যক্তিকে ইস্তিগফার করার পাশাপাশি কাফফারা আদায় করার নির্দেশ দিয়েছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫১৮-৩৫১৮
রমযানে ইচ্ছাকৃতভাবে স্ত্রী সহবাসকারীর জন্য কাফফারা প্রদান করা ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৫২০-৩৫২০
(১০) সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির রক্তমোক্তম করা প্রসঙ্গে
১ টি | ৩৫২৩-৩৫২৩
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, আমাদের উল্লেখিত আবূ কিলাবার হাদীসটি ত্রুটিযুক্ত
১ টি | ৩৫২৫-৩৫২৫
আসিম রহিমাহুল্লাহ পূর্বে যে হাদীস বর্ণনা করেছেন, খালিদ রহিমাহুল্লাহ কর্তৃক তার বিপরীত বর্ণনা
১ টি | ৩৫২৬-৩৫২৬
কোন ব্যক্তি সিয়ামরত অবস্থায় রক্তমোক্ষম করতে চাইলে কিসের মাধ্যমে রক্তমোক্ষম করে নিবে তার বিবরণ
১ টি | ৩৫২৮-৩৫২৮
(১১) সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির চুম্বন করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৫২৯-৩৫২৯
সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৩০-৩৫৩০
সিয়ামরত অবস্থায় স্ত্রীকে চুম্বন করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৩১-৩৫৩১
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৫৩২-৩৫৩২
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি উরওয়া বিন যুবাইর এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৫৩৩-৩৫৩৩
এই ধরনের কাজ রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর অন্যান্য স্ত্রীদের বাদ দিয়ে কেবল আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার সাথেই করেননি
১ টি | ৩৫৩৪-৩৫৩৪
এই ধরণের কাজ সেই ব্যক্তির জন্য বৈধ, যে ব্যক্তি নিজের রিপুর তাড়নাকে সংবরণ করতে পারবে এবং অপ্রীতিকর পরিণাম থেকে নিরাপদ থাকতে পারবে
১ টি | ৩৫৩৫-৩৫৩৫
এই ধরণের কাজ ফরয ও নফল সিয়াম উভয় ক্ষেত্রেই জায়েয
১ টি | ৩৫৩৭-৩৫৩৭
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সিয়াম পালনকারী ব্যক্তির জন্য হয়তো তার স্ত্রীকে চুম্বন করা বৈধ নয়
১ টি | ৩৫৩৮-৩৫৩৮
(১২) মুসাফির ব্যক্তির সিয়াম প্রসঙ্গে
১ টি | ৩৫৪০-৩৫৪০
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সিয়াম ভঙ্গ করার নির্দেশ দিয়েছিলেন তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৪২-৩৫৪২
যে কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সফরে সিয়াম রাখা অপছন্দ করেছেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৪৪-৩৫৪৪
সফরে সিয়াম রাখা অপছন্দনীয় হওয়ার কারণ হলো ব্যক্তি দুর্বল হয়ে যাওয়ার আশংকা থাকা; এজন্য নয় যে, সফরে সিয়াম রাখা পূণ্যের বিপরীত কাজ
১ টি | ৩৫৪৫-৩৫৪৫
সফরে অসুস্থতার জন্য মুসাফির ব্যক্তির জন্য সিয়াম ভঙ্গ করা বৈধ
১ টি | ৩৫৪৭-৩৫৪৭
পদব্রজ বা দুর্বল মুসাফির ব্যক্তিকে সিয়াম ভঙ্গ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৫৪৮-৩৫৪৮
সফরে সিয়াম রাখা নিষেধ, যখন কোন ব্যক্তি জানবে যে, সিয়াম তাকে দুর্বল করে দিবে এবং সে তার অন্য সঙ্গীদের বোঝা হয়ে যাবে
১ টি | ৩৫৪৯-৩৫৪৯
মুসাফির ব্যক্তি নিজের মাঝে শক্তিমত্তা অনুভব করলে সিয়াম রাখা এবং দুর্বলতা অনুভব করলে সিয়াম ভঙ্গ করাতে কোন দোষ নেই
১ টি | ৩৫৫০-৩৫৫০
মুসাফির ব্যক্তি নিজের মাঝে শক্তিমত্তা অনুভব করলে সিয়াম রাখা এবং দুর্বলতা অনুভব করলে সিয়াম ভঙ্গ করাতে কোন দোষ নেই
১ টি | ৩৫৫৩-৩৫৫৩
মুসাফির ব্যক্তি নিজের মাঝে শক্তিমত্তা অনুভব করলে সিয়াম রাখা এবং দুর্বলতা অনুভব করলে সিয়াম ভঙ্গ করাতে কোন দোষ নেই
১ টি | ৩৫৫৪-৩৫৫৪
রমযান মাসে সফর করলেও সিয়াম ভঙ্গ করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৫৫-৩৫৫৫
মুসাফির ব্যক্তির জন্য ফরয সিয়াম ভঙ্গ করাও বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৫৬-৩৫৫৬
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম সেই সফরে সিয়াম ভঙ্গ করেছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৫৭-৩৫৫৭
যে হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩৫৫৮-৩৫৫৮
সফরে সিয়াম রাকার চেয়ে সিয়াম ভঙ্গ করা উত্তম মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৫৬০-৩৫৬০
(১৩) অন্যের পক্ষ থেকে সিয়াম পালন প্রসঙ্গে বর্ণনা - যে ব্যক্তি মনে করে যে, সিয়াম একজনের পক্ষ থেকে আরেকজন পালন করতে পারে না, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৫৬১-৩৫৬১
যে ব্যক্তি মনে করে যে, সিয়াম একজনের পক্ষ থেকে আরেকজন পালন করতে পারে না, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৫৬২-৩৫৬২
(১৪) নিষিদ্ধ সিয়ামের বিবরণ - কোন ব্যক্তি কর্তৃক নিজের উপর এই পরিমাণ সিয়াম চাপিয়ে নেওয়া নিষেধ, যাতে তার দুর্বল হয়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে
১ টি | ৩৫৬৩-৩৫৬৩
স্বামীর উপস্থিতিতে স্ত্রীকে যে সিয়াম রাখতে নিষেধ করা হয়েছে, সেটা রমযান মাস ছাড়া অন্য সময়ে প্রযোজ্য
১ টি | ৩৫৬৪-৩৫৬৪
স্বামীর উপস্থিতিতে স্ত্রীকে যে সিয়াম রাখতে নিষেধ করা হয়েছে, সেটা রমযান মাস ছাড়া অন্য সময়ে প্রযোজ্য
১ টি | ৩৫৬৫-৩৫৬৫
(১৫) সাওমে বিসাল (একবার সাহারী খেয়ে তারপর ইফতার ও সাহারী না খেয়ে নিরবিচ্ছিন্নভাবে কয়েকদিন সিয়াম রাখা) প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ৩৫৬৬-৩৫৬৭
যেই কারণে সাওমে বিসাল থেকে নিষেধ করা হয়েছে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৬৮-৩৫৬৮
এক সাহারী থেকে আরেক সাহারী পর্যন্ত বিসাল করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৬৯-৩৫৬৯
সাওমে বিসাল পালন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৫৭০-৩৫৭০
সাওমে বিসাল পালন করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৫৭১-৩৫৭১
(১৬) সারা বছর সিয়াম রাখা প্রসঙ্গে বর্ণনা - সারা বছর সিয়াম না রাখার বৈধতা, যদিও কোন ব্যক্তি শক্তিশালী হয়
২ টি | ৩৫৭২-৩৫৭৩
সারা বছর একাধারে সিয়াম রাখার নিষেধ প্রসঙ্গে বর্ণনা
৩ টি | ৩৫৭৫-৩৫৭৬
(১৭) সন্দেহের দিনে সিয়াম রাখা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৭৭-৩৫৭৭
এই নিষিদ্ধ কাজটি যেভাবে পালন করার বৈধতা রয়েছে তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৭৮-৩৫৭৮
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো উল্লেখিত নিষিদ্ধ কাজের বিরোধী
১ টি | ৩৫৭৯-৩৫৭৯
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “তুমি কি এই মাসের শেষের দিকে কোন সিয়াম রেখেছো?” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো শা‘বান মাসের শেষের দিকে
১ টি | ৩৫৮০-৩৫৮০
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে উল্লেখিত হাদীসগুলোর বিপরীত
১ টি | ৩৫৮১-৩৫৮১
যে কারণে অর্ধ শা‘বানে সিয়াম রাখতে বারণ করা হয়েছে তার বর্ণনা
১ টি | ৩৫৮২-৩৫৮২
অর্ধ শা‘বানের পর নতুন করে সিয়াম শুরু করা নিষেধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৮৩-৩৫৮৩
এই নিষিদ্ধ কাজটি যেভাবে পালন করার বৈধতা রয়েছে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৮৪-৩৫৮৪
সেই দিন সিয়াম রাখা নিষেধ, যে দিনের ব্যাপারে ব্যক্তি সন্দেহ পোষন করে যে, এটা কি শা‘বান মাস নাকি রমযান মাস
১ টি | ৩৫৮৫-৩৫৮৫
সন্দেহের দিনে সিয়াম রাখা নিষেধ হওয়ার ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৫৮৬-৩৫৮৬
যে দিনের ব্যাপারে ব্যক্তি সন্দেহ পোষন করে যে, এটা কি শা‘বান মাস নাকি রমযান মাস-সে দিন সিয়াম রাখা নিষেধ
১ টি | ৩৫৮৮-৩৫৮৮
যে দিনের ব্যাপারে ব্যক্তি সন্দেহ পোষন করে যে, এটা কি শা‘বান মাস নাকি রমযান মাস-সে দিন সিয়াম রাখা বৈধ, যদি আকাশ মেঘাচ্ছন্ন হয়
১ টি | ৩৫৮৯-৩৫৮৯
মুসলিমদের ঈদের দিন সিয়াম রাখা নিষেধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৫৯০-৩৫৯০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য, “ঈদের দিন কোন সিয়াম নেই” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা
১ টি | ৩৫৯১-৩৫৯১
(১৯) তাশরীকের দিনগুলোতে সিয়াম রাখা প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ৩৫৯২-৩৫৯৩
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এই দিনগুলোতে সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৫৯৪-৩৫৯৪
(২০) আরাফার দিনের সিয়াম - আরাফায় অবস্থানকারীদের জন্য আরাফার সিয়াম না রাখা মুস্তাহাব, যাতে তারা শক্তিশালী অবস্থায় দুআয় মনোনিবেশ করতে পারেন
১ টি | ৩৫৯৫-৩৫৯৫
আরাফার দিন আরাফায় অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে সিয়াম না রাখা, যাতে শক্তিশালী অবস্থায় সেদিন দুআ করতে পারে
১ টি | ৩৫৯৬-৩৫৯৬
আরাফায় অবস্থানকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো সিয়াম রাখা যাতে তিনি শক্তিশালী থেকে দুআ ও রোনাজারি করতে পারেন
১ টি | ৩৫৯৭-৩৫৯৭
যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, এই হাদীসটি আব্দুল্লাহ বিন আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার আজাদকৃত দাস উমাইর এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৫৯৮-৩৫৯৮
যুলহিজ্জাহ মাসের প্রথম ১০ দিন সিয়াম না রাখা বৈধ, যদিও কোন ব্যক্তি সিয়াম রাখার কারণে দুর্বল হওয়ার ব্যাপারে নিরাপদ থাকে
১ টি | ৩৫৯৯-৩৫৯৯
(২১) জুমুআর দিন সিয়াম রাখা প্রসঙ্গে
১ টি | ৩৬০০-৩৬০০
যে কারণে তিনি এই সিয়াম রাখতে নিষেধ করেছেন, তার বিবরণ
২ টি | ৩৬০১-৩৬০২
অন্যান্য দিন ও রাত বাদ দিয়ে শুধু জুমু‘আর দিন ও রাত ইবাদতের জন্য খাস করে নেওয়া নিষেধ হওয়া সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৬০৩-৩৬০৩
খাস করে জুমু'আর দিন ও রাতে ইবাদত করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৬০৪-৩৬০৪
যখন কোন ব্যক্তি জুমুআর দিনের সাথে বৃহস্প্রতিবার বা শনিবার সিয়াম রাখবে, তখন সেটা তার জন্য বৈধ হবে
১ টি | ৩৬০৫-৩৬০৫
(২২) শনিবার সিয়াম রাখা সম্পর্কে বর্ণনা - এককভাবে শুধু শনিবার সিয়াম রাখা নিষেধ হওয়ার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৬০৬-৩৬০৬
যেই কারণে শনিবার সিয়াম রাখা নিষেধ, সেটার বর্ণনা এবং শনিবারের সাথে আরেক দিন সিয়াম রাখলে সেটা জায়েয হবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬০৭-৩৬০৭
(২৩) নফল সিয়াম প্রসঙ্গে বর্ণনা - যে ব্যক্তি ধারণা করে যে, দিবসের কিয়দংশ সিয়াম রাখা যায় না, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৬০৮-৩৬০৮
দিনের কিছু অংশেও কোন কোন সময় সিয়াম হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬০৯-৩৬০৯
যে ব্যক্তি আশুরার দিন সিয়াম রাখতে ভুলে যায়, তাকে দিনের বাকী অংশ সিয়াম রাখার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬১০-৩৬১০
আশুরার পুরা দিন সিয়াম রাখা মুস্তাহাব, আর যে ব্যক্তি পুরো দিন সিয়াম রাখতে পারে না, তার জন্য দিবসের কিছু অংশ সিয়াম রাখা মুস্তাহাব
১ টি | ৩৬১১-৩৬১১
রমযানের সিয়াম ফরয হওয়ার পর এখন একজন ব্যক্তির জন্য আশুরার সিয়াম পালন করা বা না করার এখতিয়ার রয়েছে
২ টি | ৩৬১৩-৩৬১৪
আশুরার দিন সিয়াম রাখার নির্দেশ, কেননা ইয়াহুদিরা এটাকে ঈদ বানিয়ে নিয়েছে, ফলে তারা এই সিয়াম পালন করে না
১ টি | ৩৬১৮-৩৬১৮
একজন ব্যক্তির জন্য নফল সিয়ামের নিয়ত দিনেও করা বৈধ, যদিও সে রাতে সিয়াম রাখার কোন নিয়ত না করে থাকে
১ টি | ৩৬১৯-৩৬১৯
নফল সিয়াম রাতে নিয়ত না করেও দিনে নিয়ত করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬২০-৩৬২০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের বক্তব্য “এটি সেই বছর এবং আগের গোনাহ মোচন করে দিবে” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো পূর্বের এক বছর মাত্র
১ টি | ৩৬২৩-৩৬২৩
মানুষের জন্য মুস্তাহাব হলো আশুরার আগে একদিন সিয়াম রাখা, যাতে সে আশুরার সিয়াম পালনের ব্যাপারে মজবূত হতে পারে
১ টি | ৩৬২৪-৩৬২৪
যে ব্যক্তি আইয়ামে বীযের সিয়ামের চেয়ে বেশি সিয়াম পালনের সক্ষমতা রাখে, তার প্রতি অর্ধ যামানা অর্থাৎ একদিন পর পর সিয়াম রাখার নির্দেশ
১ টি | ৩৬২৫-৩৬২৫
যে ব্যক্তি রমযানের পর শাওয়াল মাসে ছয়টি সিয়াম পালন করবে, তার জন্য মহান আল্লাহ সারা বছর সিয়াম পালনের সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ৩৬২৬-৩৬২৬
যে ব্যক্তি মনে করে যে, উক্ত হাদীসটি আবূ আইয়ূব থেকে উমার বিন সাবিত এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৬২৭-৩৬২৭
যে ব্যক্তি আইয়ামে বীযের সিয়ামের চেয়ে বেশি সিয়াম পালনের সক্ষমতা রাখে, তার প্রতি অর্ধ যামানা অর্থাৎ একদিন পর পর সিয়াম রাখার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৩০-৩৬৩০
সোমবার সিয়াম রাখা মুস্তাহাব কেননা এই দিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম জন্ম গ্রহণ করেছিলেন এবং এই দিন তাঁর উপর সর্বপ্রথম অহী অবতীর্ণ হয়েছিল
১ টি | ৩৬৩৪-৩৬৩৪
সোমবার ও বৃহস্পতিবার সিয়াম পালনের ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের গুরুত্বারোপ করা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৩৫-৩৬৩৫
সোমবার ও বৃহস্পতিবার জান্নাতের দরজাসমূহ খুলে দেওয়া হয় এবং মহান স্রষ্টার কাছে বান্দাদের আমল পেশ করা হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৩৬-৩৬৩৬
নিয়মিত জুমু‘আর দিন সিয়াম রাখা মুস্তাহাব, যখন তার সাথে অনুরুপ সিয়াম যুক্ত করে রাখা হবে
১ টি | ৩৬৩৭-৩৬৩৭
যেই হাদীস কোন কোন আলিমকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত আয়িশা ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩৬৩৯-৩৬৩৯
আমরা যেদিকে ইশারা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৪০-৩৬৪০
প্রত্যেক মাসে তিনটি সিয়াম রাখা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৪১-৩৬৪১
মাসে তিনটি সিয়াম উজ্জ্বল রাতের দিনগুলোতে রাখা মুস্তাহাব
১ টি | ৩৬৪২-৩৬৪২
উজ্জ্বল রাতের তিনটি সিয়ামের বদৌলতে মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে সারা বছর সিয়াম রাখার সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ৩৬৪৩-৩৬৪৩
যে ব্যক্তি মাসে তিনটি সিয়াম রাখবে, মহান আল্লাহ অনুগ্রহ করে তাকে সারা বছর সিয়াম ও কিয়াম করার সাওয়াব লিখে দিবেন
১ টি | ৩৬৪৪-৩৬৪৪
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৪৫-৩৬৪৫
আইয়ামে বীযের সিয়াম রাখার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৪৭-৩৬৪৭
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৪৮-৩৬৪৮
মাসের তিনটি সিয়াম যে কোন সময় রাখার ব্যাপারে ইখতিয়ার রয়েছে
১ টি | ৩৬৪৯-৩৬৪৯
মাসের তিন দিন সিয়াম রাখার কারণে মহান আল্লাহ মাসের বাকী দিন সিয়াম রাখার সাওয়াব লিখে দেন
১ টি | ৩৬৫০-৩৬৫০
আমরা পূর্বে বর্ণিত ইমাম শু‘বাহ বর্ণিত হাদীসের যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণকারী হাদীস
১ টি | ৩৬৫১-৩৬৫১
আমরা পূর্বে বর্ণিত ইমাম শু‘বাহ বর্ণিত হাদীসের যে ব্যাখ্যা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৫২-৩৬৫২
(২৪) ই‘তেকাফ ও লাইলাতুল কদর সম্পর্কে বর্ণনা
২ টি | ৩৬৩৫-৩৬৫৩
রমযানে অব্যাহতভাবে ই‘তেকাফ করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৫৪-৩৬৫৪
যে ব্যক্তি মনে করে যে, হাদীসটি হুমাইদ আত তাবীল এককভাবে বর্ণনা করেছেন, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৬৫৫-৩৬৫৫
রমযানে অব্যাহতভাবে ই‘তেকাফ করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৫৬-৩৬৫৬
রমযানের শেষ দশকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নিয়মিত ই‘তেকাফ করা প্রসঙ্গে
১ টি | ৩৬৫৭-৩৬৫৭
জামাআতে সালাত আদায় করা হয় এমন মাসজিদে একজন স্ত্রীর জন্য তার স্বামীর সাথে ই‘তেকাফ করা জায়েয
১ টি | ৩৬৫৯-৩৬৫৯
ই‘তেকাফকারী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে, মাথা ধৌত করা এবং এ কাজে অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করা
১ টি | ৩৬৬০-৩৬৬০
ই‘তেকাফকারী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে, মাথা আচড়ানো, যদি তার চুল থাকে এবং এ কাজে অন্যের সহযোগিতা গ্রহণ করা
১ টি | ৩৬৬১-৩৬৬১
যে কারণে ই‘তেকাফকারী ব্যক্তি বাড়িতে যেতে পারে তার বিবরণ
১ টি | ৩৬৬৪-৩৬৬৪
ই‘তেকাফকারী ব্যক্তির জন্য মুস্তাহাব হলো রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল কদর তালাশ করা
১ টি | ৩৬৬৬-৩৬৬৬
যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর তালাশ করতে চায়, তাকে তা শেষ সাত রাতে তালাশ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৬৭-৩৬৬৭
শেষ সাত রাতে লাইলাতুল কদর অনুসন্ধান করার নির্দেশটি সেই ব্যক্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য, যে শেষ দশ রাত তালাশ করতে অক্ষম হয় মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৬৬৮-৩৬৬৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম লাইলাতুল কদর ঘুমে স্বপ্নে দেখেছিলেন; জাগ্রত অবস্থায় নয়
২ টি | ৩৬৬৯-৩৬৭০
লাইলাতুল কদর (নির্দিষ্ট করার ব্যাপারটি) রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ভুলে গিয়েছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৬৭১-৩৬৭১
ঈমানসহ ও সাওয়াবের আশায় যে ব্যক্তি লাইলাতুল কদর রাতে কিয়াম করবে, মহান আল্লাহ তার পূর্বের গোনাহসমূহ ক্ষমা করে দিবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৭৪-৩৬৭৪
লাইলাতুল কদর শেষ দশকে সাব্যস্ত করার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৭৬-৩৬৭৬
লাইলাতুল কদর রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে; জোড় রাতে নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৭৭-৩৬৭৭
লাইলাতুল কদর রমযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে রয়েছে; তার আগের বেজোড় রাতে নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৭৮-৩৬৭৮
লাইলাতুল কদর প্রত্যেক বছর শেষ দশকের রাতগুলোতে স্থানান্তরিত হয়; সব বছরে এটি একই রাতে হয় না মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৬৭৯-৩৬৭৯
লাইলাতুল কদর রাতের আবহাওয়া নাতিশীতোষ্ণ এবং উজ্জ্বল হবে
১ টি | ৩৬৮০-৩৬৮০
লাইলাতুল কদরের রাতের পর সকালে সূর্য উদিত হওয়ার বিবরণ
১ টি | ৩৬৮১-৩৬৮১
১৩. কিতাবুল হজ্ব (كتاب الحج)
২২৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩৪৮৯-৩৯১৯)
যেই হজ্জে স্ত্রী সংগম ও পাপাচার করা হয় না, মহান আল্লাহ সেই হজের বিনিময়ে বান্দার পূর্বের সমস্ত গোনাহ ক্ষমা করে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৮৬-৩৬৮৬
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৮৮-৩৬৮৮
বাইতুল্লাহর পাশ্বে তাওয়াফকারীর পদক্ষেপের কারণে তার মর্যাদা সমুন্নত করা, সাওয়াব লিপিবদ্ধ করা এবং পাপসমূহ মোচন করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৮৯-৩৬৮৯
হজ ও উমরাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তি কর্তৃক রুকনে ইয়ামানী (দক্ষিণ পাশ্বের দুই রুকন) স্পর্শ করার কারণে পাপ মোচন হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৯০-৩৬৯০
রমযানে উমরাহ করা হজের সমতুল্য হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৯১-৩৬৯১
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৬৯২-৩৬৯২
কোন ব্যক্তি মাসজিদে আকসা থেকে উমরাহ করলে, মহান আল্লাহ তার পূর্বের গোনাহ ক্ষমা করে দেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৯৩-৩৬৯৩
নারীদের হজ পালন পুরুষদের জিহাদ করার সমতুল্য মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৯৪-৩৬৯৪
যাকে মহান আল্লাহ অর্থনৈতিক প্রশস্ততা দান করেছেন, তারপর সে প্রতি পাঁচ বছরে একবার বাইতুল্লাহর যিয়ারত করে না, তার জন্য বঞ্চনা সাব্যস্ত করা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৬৯৫-৩৬৯৫
যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহ'য় যাওয়ার সামর্থ রাথে, তার জন্য জীবনে একবার হজ করা ফরয; প্রত্যেক বছর নয় মর্মে বর্ণনা
২ টি | ৩৬৯৭-৩৬৯৮
(৩) মক্কার ফযীলত - “মক্কা আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম ভূমি এবং তাঁর কাছে সবচেয়ে প্রিয় স্থান।”
১ টি | ৩৭০০-৩৭০০
রুকন তথা হাজরে আসওয়াদ ও মাকামে ইবরাহিম এর পাথর দুটি জান্নাতের ইয়াকূতসমূহের মাঝে দুটি ইয়াকূত
১ টি | ৩৭০২-৩৭০২
হাজরে আসওয়াদের জন্য জবান সাব্যস্ত করা, কেননা যে ব্যক্তি এটাকে সত্যনিষ্ঠভাবে স্পর্শ করবে, এটি তার জন্য সাক্ষ্য দিবে
১ টি | ৩৭০৩-৩৭০৩
হাজরে আসওয়াদের জন্য জবান কিয়ামতের দিন হবে; দুনিয়াতে নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭০৪-৩৭০৪
মহান আল্লাহ যমযম কূপ কখন প্রকাশ করেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭০৫-৩৭০৫
মহান আল্লাহর হারামের ভিতরে অস্ত্র বহন করা নিষেধ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭০৬-৩৭০৬
হারামের কাঁটা উপড়ে ফেলা যাবে না, সেখানকার হারানো জিনিস কুড়িয়ে নেওয়া যাবে না, তবে যদি সেই ব্যক্তি প্রচারক হয় (তবে তিনি কুড়িয়ে নিয়ে প্রচার করতে পারবেন)
১ টি | ৩৭০৭-৩৭০৭
ইসলাম কাউকে হত্যা করা অবধারিত না করলে হারামের সীমানায় কোন কুরাইশী ব্যক্তিকে হত্যা করার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১০-৩৭১০
হারামের সীমানায় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের জন্য দিবসের একটি নির্দিষ্ট সময়ে রক্তপাত করা বৈধ ছিল মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১১-৩৭১১
মক্কা বিজয়ের দিন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নির্দেশে ইবনু খতলকে হত্যা করা হয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১৩-৩৭১৩
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো আনাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩৭১৪-৩৭১৪
(৪) মদীনার ফযীলত প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১৫-৩৭১৫
যেই হাদীস শ্রোতাকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসের বাহ্যিক অর্থ ব্যবহার করা যাবে না; বরং বাহ্যিক বক্তব্যের মাঝে এর স্বরুপ লুকায়িত রয়েছে
১ টি | ৩৭১৭-৩৭১৭
মাদীনাকে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ‘তাবাহ’ নামকরণ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১৮-৩৭১৮
মদীনায় ঈমান একত্রিত হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭১৯-৩৭১৯
মাদীনায় বসবাস কারী ব্যক্তির জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক ঈমানের সাক্ষ্য প্রদান সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৭২১-৩৭২১
নিশ্চয়ই মাদীনাবাসী দাজ্জাল থেকে রক্ষা পাবে, সে তাদের উপর ক্ষমতা প্রয়োগ করতে পারবে না (আমরা আল্লাহর কাছে দাজ্জালের অনিষ্টতা থেকে আশ্রয় চাই)
১ টি | ৩৭২৩-৩৭২৩
যে ব্যক্তি বিরাগভাজন হয়ে মাদীনা থেকে বের হয়ে যাবে, মহান আল্লাহ তার পরিবর্তে তার চেয়ে উত্তম মানুষ সেখানে নিয়ে আসবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭২৫-৩৭২৫
নিশ্চয়ই মাদীনাবাসী মানুষদের মাঝে শ্রেষ্ঠ আর যারা বিরাগভাজন হয়ে মাদীনা থেকে বের হয়ে চলে যায়, তারা সবচেয়ে মন্দ লোক মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৭২৬-৩৭২৬
মাদীনার আলিমগণ অন্য আলিমদের অপেক্ষা উত্তম হবে মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৭২৮-৩৭২৮
যে ব্যক্তি মাদীনাবাসীর ক্ষতি করতে চাইবে, মহান আল্লাহ তাকে এমন বিপদে ফেলবে, যা তাকে নিশ্চিহ্ন করে দিবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭২৯-৩৭২৯
যে ব্যক্তি মাদীনাবাসীকে যে কোন বিপদের মাধ্যমে ভয় দেখায়, মহান আল্লাহও তাকে ভীতিকর অবস্থায় ফেলবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩০-৩৭৩০
মাদীনায় মৃত্যুবরণ কারীর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুপারিশ প্রাপ্তি প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৩-৩৭৩৩
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উম্মতের মাঝে যে ব্যক্তি মাদীনায় মারা যাবে, মাদীনা তার জন্য সুপারিশ করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৪-৩৭৩৪
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মাদীনার জন্য দ্বিগুণ বারাকাহ চাওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৫-৩৭৩৫
মদীনার জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক দ্বিগুণ বারাকাহর দু‘আ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৬-৩৭৩৬
মাদীনাবাসীর পরিমাপে বারাকাহর জন্য রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের দুআ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৭-৩৭৩৭
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন উল্লেখিত দু‘আ করেছেন, তখন তিনি ওযূ করে নিয়েছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৮-৩৭৩৮
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক মাদীনাবাসীর জন্য তাদের খেজুরে বারাকাহর দু‘আ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৩৯-৩৭৩৯
মহান আল্লাহ কর্তৃক তাঁর প্রিয়পাত্রকে বাকী‘গোরস্থানের অধিবাসীদের জন্য দু‘আ করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৪০-৩৭৪০
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের মিম্বারের কাছে তাঁর আনুগত্য করার কারণে ব্যক্তির জান্নাত প্রাপ্তির আশা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৪১-৩৭৪১
রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কর্তৃক হারামের অন্তর্ভুক্ত বৃক্ষ কাটার ব্যাপারে নিষেধাজ্ঞা
১ টি | ৩৭৪৪-৩৭৪৪
মদীনা থেকে আহলে কিতাবদের বিতাড়িত করার ব্যাপারে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের কামনা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৪৫-৩৭৪৫
(৫) হজের আগের কার্যাবলি সম্পর্কিত বর্ণনা - উটের হাওদার উপর হজ সম্পাদন করা বৈধ, যদিও ব্যক্তি অন্য কিছুর মাধ্যমে হজ করার সামর্থ রাখে
১ টি | ৩৭৪৬-৩৭৪৬
মুসা আলাইহিস সালামের অনুসরণে পায়ে হেঁটে হজ করা বৈধ, যদিও সে ব্যক্তি বাহনে চড়তে সামর্থবান হয়
১ টি | ৩৭৪৭-৩৭৪৭
যখন কোন ব্যক্তির স্ত্রী ফরয হজ পালন করার জন্য বের হবে, তখন সেই ব্যক্তির জন্য স্ত্রীর সাথে হজ করা নফল জিহাদ অপেক্ষা উত্তম মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৪৯-৩৭৪৯
আমরা যে নিষেধের কথা বর্ণনা করলাম, সেটা স্রেফ শিষ্টাচার নির্দেশক নয়; বরং হারাম নির্দেশক মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৫০-৩৭৫০
(৬) হজের মীকাতসমূহের বর্ণনা - যে ব্যক্তি হজ বা উমরাহ করার ইচ্ছা করবে, তাকে মীকাত থেকে ইহরাম বাধার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৫১-৩৭৫১
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৭৫২-৩৭৫২
হাজীদের জন্য মীকাত এবং ইহরামের সময় কী পরিধান করবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৫৩-৩৭৫৩
যদি কোন হাজীর পথ মাদীনা বা তার আশপাশ দিয়ে হয়, তাহলে তিনি কোথায় থেকে ইহরাম বাঁধবেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৫৪-৩৭৫৪
যুল কা‘দাহ মাসে উমরাহ করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
২ টি | ৩৭৫৬-৩৭৫৭
(৭) ইহরাম বাঁধা - রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণে ইহরাম বাঁধার সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৫৮-৩৭৫৮
মুহরিম ব্যক্তির জন্য ইহরাম বাঁধার পরেও (আগে ব্যবহৃত) সুগন্ধির চিহ্ন বিদ্যমান থাকা বৈধ
২ টি | ৩৭৫৯-৩৭৬০
মুহরিম ব্যক্তির জন্য ইহরাম বাঁধার পরেও (আগে ব্যবহৃত) সুগন্ধির চিহ্ন বিদ্যমান থাকা বৈধ
১ টি | ৩৭৬১-৩৭৬১
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৭৬২-৩৭৬২
ইহরাম বাঁধার সময় সুগন্ধি ব্যবহার করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৬৩-৩৭৬৩
আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার বক্তব্য “ইহরাম বাঁধার সময়” এর দ্বারা উদ্দেশ্য হলো ইহরাম বাঁধার আগে
১ টি | ৩৭৬৪-৩৭৬৪
কেউ অসুস্থ থাকলে ইহরামের ক্ষেত্রে শর্ত করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৬৫-৩৭৬৫
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহ ওয়া সাল্লাম যুবাআহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে ইহরামের ক্ষেত্রে শর্ত করার অনুমতি দিয়েছিলেন কারণ তিনি অসুস্থ ছিলেন
১ টি | ৩৭৬৬-৩৭৬৬
কেউ অসুস্থ থাকলে ইহরামের ক্ষেত্রে শর্ত করার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৬৭-৩৭৬৭
হাজীর জন্য এটা বৈধ যে, সে তার কোন ভাইয়ের ইহরামের নিয়ত অনুসারে নিয়ত করবে, এটা জানার পর যে সেটা পরে সংঘটিত হবে
১ টি | ৩৭৬৮-৩৭৬৮
যে ব্যক্তি স্বীয় জামা পরিহিত অবস্থায় ইহরাম বাঁধে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি সেটা খুলে ফেলবেন; এটা তার কথার বিপরীত, যে জামা ছিঁড়ে ফেলার নির্দেশ দেয়
১ টি | ৩৭৭০-৩৭৭০
এই প্রশ্নকারী রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে যে প্রশ্ন করেছিলেন, সেটার সময় সম্পর্কে বর্ণনা
৪ টি | ৩৭৭১-৩৭৭২
মুহরিম ব্যক্তির জন্য চামড়ার মোজা পরিধান বৈধ, যদি জুতা না পায় অথবা পায়ের টাখনুর নিচ পর্যন্ত মোজা কেটে ফেলে
২ টি | ৩৭৭৩-৩৭৭৪
মুহরিম ব্যক্তি জুতা ও লুঙ্গি না পেলে তার জন্য চামড়ার মোজা ও পাজামা পরিধান করা বৈধ রয়েছে
১ টি | ৩৭৭৫-৩৭৭৫
মুহরিম ব্যক্তি জুতা না পেলে যে রকম মোজা পরিধান করবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৭৬-৩৭৭৬
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৭৭৭-৩৭৭৭
যে ব্যক্তি হজের ইহরাম বেঁধেছে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি মক্কায় আগমনের সময় সেটাকে উমরাহয় পরিণত করবেন, অতঃপর নতুন করে হজের ইহরাম বাঁধবেন
১ টি | ৩৭৮০-৩৭৮০
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৭৮১-৩৭৮১
আমরা যে নির্দেশের কথা বর্ণনা করলাম, সেটা মুস্তাহাব ও নির্দেশনামূলক ছিল; ওয়াজিব নির্দেশ ছিল না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৮৩-৩৭৮৩
পুর্বে বর্ণিত তিনটি হাদীসে যে শুধু হজের ইহরাম বাঁধার কথা বর্ণনা করা হয়েছে, এমনটা কিছু সাহাবী করেছেন; সব সাহাবী নয় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৮৪-৩৭৮৪
একজন মানুষের জন্য বৈধ রয়েছে, এমন শিশুকে নিয়ে হজ করা, যার নফল হজ হয় না; ফরয হজ হওয়া তো আরো দূরের কথা
১ টি | ৩৭৮৬-৩৭৮৬
আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে প্রশ্ন করার যে বিবরণ পেশ করলাম, সেটা কোথায় করা হয়েছিল, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৮৭-৩৭৮৭
যখন কোন ব্যক্তি হজ বা উমরাহ করার সংকল্প করে, তখন তিনি যে তালবিয়া পাঠ করবেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৮৮-৩৭৮৮
আমরা যে তালবিয়া উল্লেখ করলাম, তার চেয়ে বেশি বলাও জায়েয মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৮৯-৩৭৮৯
যেই কারণে এই আদেশ করা হয়েছে তার বর্ণনা
১ টি | ৩৭৯২-৩৭৯২
যেই সময়ে হাজী ব্যক্তি তালবিয়া পাঠ ছেড়ে দিবেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৩-৩৭৯৩
(৮) মক্কায় প্রবেশ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - কোন কারণবশত মক্কায় ইহরাম বিহীন অবস্থায় প্রবেশ করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৭৯৪-৩৭৯৪
যে সময় রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মক্কায় ইহরাম বিহীন অবস্থায় প্রবেশ করেন তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৫-৩৭৯৫
যেই জায়গা দিয়ে মক্কায় প্রবেশ করা মুস্তাহাব, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৬-৩৭৯৬
হাজীদের জন্য মক্কা প্রবেশের সময় যা করা মুস্তাহাব তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৭-৩৭৯৭
হজ ও উমরাহ সম্পাদনকারী যখন বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করতে চাইবে, তখন কিভাবে তাওয়াফ করবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৮-৩৭৯৮
মুহরিম ব্যক্তির বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করার বিবরণ
১ টি | ৩৭৯৯-৩৭৯৯
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসের বিপরীত
২ টি | ৩৮০২-৩৮০৩
হিজর কা‘বার অন্তর্ভুক্ত মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮০৪-৩৮০৪
আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের ইচ্ছা ছিল বাইতুল্লাহকে ভেঙ্গে দিয়ে হিজরকে বাইতুল্লাহর অন্তর্ভুক্ত করতে
১ টি | ৩৮০৭-৩৮০৭
বাইতুল্লাহ তাওয়াফকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা
১ টি | ৩৮১০-৩৮১০
আমরা যা বর্ণনা করলাম, তা আমল করার ব্যাপারে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৮১১-৩৮১১
বাইতুল্লাহর পাশে তাওয়াফকারীর জন্য হাজরে আসওয়াদ একই সাথে চুম্বন করা ও না করা উভয়টি বৈধ
১ টি | ৩৮১২-৩৮১২
তাওয়াফকারী ব্যক্তির জন্য হাজরে আসওয়াদ হাত দিয়ে স্পর্শ করার পর হাতে চুম্বন করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮১৩-৩৮১৩
বাইতুল্লাহর তাওয়াফকারী ব্যক্তি যখন হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করতে না পারবে, তখন তার জন্য বৈধ রয়েছে সেদিকে ইশারা করা
১ টি | ৩৮১৪-৩৮১৪
বাইতুল্লাহ তাওয়াফকারীর জন্য মুস্তাহাব হলো দুই রুকনে ইয়ামানী স্পর্শ করার উপর সীমাবদ্ধ থাকা
১ টি | ৩৮১৬-৩৮১৬
বাহনের উপর আরোহন করা অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮১৭-৩৮১৭
বাহনের উপর আরোহন করা অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা বৈধ যখন মানুষকে কষ্ট দেওয়া থেকে নিরাপদ থাকবে
১ টি | ৩৮১৮-৩৮১৮
অসুস্থ নারীর জন্য বাহনে আরোহী অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা বৈধ
১ টি | ৩৮১৯-৩৮১৯
যে ব্যক্তি মনে করে যে, ইবনু জুরাইজ এই হাদীসটি সুলাইমান আল আহওয়াল থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৮২১-৩৮২১
অসুস্থ হাজীর জন্য বাহনে আরোহী অবস্থায় বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করা বৈধ
১ টি | ৩৮২২-৩৮২২
হজের সময় কোন নারীর ঋতুস্রাব শুরু হলে তিনি শুধু বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হাজীদের মত সমস্ত কাজ করবেন মর্মে বর্ণনা
২ টি | ৩৮২৩-৩৮২৪
যদিও বাইতুল্লাহর তাওয়াফ সালাত, তবুও এই সময় কথা বলা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮২৫-৩৮২৫
বাইতুল্লাহর পাশে তাওয়াফকারী ব্যক্তি পিপাসার্ত হলে, তাওয়াফের সময় পানি পান করা বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮২৬-৩৮২৬
রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের যে পানি পান করার কথা বর্ণনা করলাম, সেটা যমযমের পানি ছিল মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮২৭-৩৮২৭
যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, হজ ও উমরাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্য সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা ফরয; তরক করা বৈধ নয়
১ টি | ৩৮২৯-৩৮২৯
হাদীসের যেই শব্দ অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা হয়তো ফরয নয়
১ টি | ৩৮৩০-৩৮৩০
হজ ও উমরাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তি যখন সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের উপর আরোহন করবেন, তখন কী বলবেন তার বিবরণ
১ টি | ৩৮৩১-৩৮৩১
(১০) মক্কা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে বের হওয়া - তারবিয়ার দিনে হাজির জন্য মক্কায় নয় বরং মিনায় যোহর নামায পড়া মুস্তাহাব বলে উল্লেখ করা হয়েছে।
১ টি | ৩৮৩২-৩৮৩২
সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের নিকট আল্লাহর শত্রুদের উপর বদ দু‘আ করা মুস্তাহাব হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৩৩-৩৮৩৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, এই হাদীসটি ইসমাঈল বিন খালিদ ইবনু আবী আওফা থেকে শ্রবণ করেননি, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৮৩৪-৩৮৩৪
হজে আরাফায় অবস্থান ফরয হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৩৮-৩৮৩৮
যে ব্যক্তি আরাফায় যোহর-আসরের সালাত থেকে সেই রাতের ফজরের সময়ের মাঝে যে কোন সময় অবস্থান করবে, তার হজ পূর্ণ হয়ে যাবে
১ টি | ৩৮৩৯-৩৮৩৯
হাজীরা যখন আরাফায় অবস্থান করেন, তখন মহান আল্লাহ তাদের নিয়ে ফেরেস্তাদের নিকট গর্ব করেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৪১-৩৮৪১
যে ব্যক্তি আরাফার দিন আরাফায় উপস্থিত হয়, তার জন্য জাহান্নাম থেকে নিস্কৃতির আশা করা যায় মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৪২-৩৮৪২
হাজীদের আরাফাহ ও মুযদালিফায় অবস্থান করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৪৩-৩৮৪৩
আরাফা থেকে বের হয়ে মিনার উদ্দেশ্যে বের হওয়ার বিবরণ
১ টি | ৩৮৪৪-৩৮৪৪
হাজীদের জন্য আরাফার স্থলে মিনায় অবস্থান করা এবং সেখান থেকে রওয়ানা হওয়া জায়েয নেই মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৪৫-৩৮৪৫
যখন কোন ব্যক্তি হজ করবে, তখন আরাফায় অবস্থান ও সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন করা সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৪৬-৩৮৪৬
হাজী ব্যক্তি হারামের অধিবাসী না হলে, তার জন্য দুই সালাত একসাথে আদায় করার হুকুম এবং তার জন্য জরুরী হলো মুসাফিরের ন্যায় সালাত আদয় করা; মুকীমের মতো নয়
১ টি | ৩৮৪৮-৩৮৪৮
মুযদালিফা থেকে মিনায় যাওয়ার সময় সম্পর্কে বর্ণনা
১ টি | ৩৪৮৯-৩৪৮৯
মুযদালিফা থেকে রাতে নারীদের আগে পাঠিয়ে দেওয়া জায়েয হওয়া মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৫০-৩৮৫০
হাজী ব্যক্তির জন্য বৈধ রয়েছে তার পরিবারের দুর্বল ব্যক্তিদের মুযদালিফা থেকে মিনার উদ্দেশ্যে আগে পাঠানো
১ টি | ৩৮৫১-৩৮৫১
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বৈধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
২ টি | ৩৮৫২-৩৮৫৩
আমরা যে বিষয়টি বর্ণনা করলাম, তা পরিবারের দুর্বল নারী-পুরুষদের জন্য প্রযোজ্য মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৫৪-৩৮৫৪
ইমামের জন্য মুস্তাহাব হলো তার পরিবারে দুর্বল লোকদের মুযাদালিফা থেকে রাতে পাঠিয়ে দেওয়া
১ টি | ৩৮৫৬-৩৮৫৬
(১২) জামরাতুল আকাবায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা ইবরাহিম আলাইহিস সালামের সুন্নাত
১ টি | ৩৮৫৭-৩৮৫৭
সূর্য উদয়ের আগে হাজীদের কঙ্কর নিক্ষেপ করা নিষেধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৫৮-৩৮৫৮
হাজীরা যেই জায়গায় দাঁড়িয়ে জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করবে তার বিবরণ
১ টি | ৩৮৫৯-৩৮৫৯
জামরায় যে কঙ্কর নিক্ষেপ করা হয়, সেটার বিবরণ
১ টি | ৩৮৬০-৩৮৬০
জামরায় নুড়ি পাথরের ন্যায় ছোট ছোট কঙ্কর নিক্ষেপ করার নির্দেশ
১ টি | ৩৮৬১-৩৮৬১
হাজীরা জামরায় যে কঙ্কর নিক্ষেপ করবে, তার সংখ্যার বিবরণ
১ টি | ৩৮৬২-৩৮৬২
বাহনের উপর আরোহী অবস্থায় জামরায় পাথর নিক্ষেপের সময় লোকদের উদ্দেশ্যে ভাষন দেওয়া বৈধ, যখন তিনি ইমাম হবেন, তিনি লোকদের বিভিন্ন আদেশ-নিষেধ করবেন
১ টি | ৩৮৬৩-৩৮৬৩
বিভিন্ন সময়ে বাহনের উপর ভাষন দেওয়া বৈধ হওয়া প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৬৪-৩৮৬৪
একজন মুহরিম ব্যক্তির জন্য কুরবানী করার আগে মাথা মুন্ডন করা এবং কঙ্কর নিক্ষেপ করার আগে কুরবানী করা জায়েয মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৬৭-৩৮৬৭
মাথা মুন্ডনের ক্ষেত্রে ওয়াজিব হলো ডান দিক থেকে শুরু করবে, তারপর বাম দিক মুন্ডন করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৬৮-৩৮৬৮
আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম মাথার চুল ছোটকারীর চেয়ে মাথা মুন্ডনকারীর জন্য বেশি দু‘আ করেছেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৬৯-৩৮৬৯
তাওয়াফে যিয়ারাহ করার জন্য মিনা থেকে রওয়ানা দেওয়ার বিবরণ
১ টি | ৩৮৭১-৩৮৭১
যেই হাদীস অনভিজ্ঞ ব্যক্তিকে এই সংশয়ে ফেলে দেয় যে, হাদীসটি হয়তো পূর্বে বর্ণিত আব্দুল্লাহ বিন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমার হাদীসের বিপরীত
১ টি | ৩৮৭৩-৩৮৭৩
যে ব্যক্তি মিনা থেকে তাওয়াফে যিয়ারাহ করার জন্য বাইতুল্লাহর উদ্দেশ্যে রওয়ানা হবে, তার জন্য মুস্তাহাব হলো মিনায় এসে যোহরের সালাত আদায় করা
১ টি | ৩৮৭৪-৩৮৭৪
(১৫) তাশরীকের দিনগুলোতে (১১, ১২, ১৩ ই যুল হিজ্জাহ) জামরায় কঙ্কর পাথর করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - মিনার দিনগুলোতে জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৭৫-৩৮৭৫
কোন ব্যক্তি কর্তৃক জামরায় কঙ্কর নিক্ষেপ করা এবং কঙ্কর নিক্ষেপ করার সময় পর্যন্ত সেখানে দাঁড়ানোর বিবরণ
১ টি | ৩৮৭৬-৩৮৭৬
মক্কার রাখালদের জন্য এটা বৈধ রয়েছে যে, তারা দুইজনের কঙ্কর জমা করে একদিন নিক্ষেপ করবে মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৭৭-৩৮৭৭
মিনার রাতগুলোতে আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার পরিবারের লোকদেরকে হাজীদের পানি পান করার জন্য মক্কায় রাত্রি যাপন করার বৈধতা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৭৮-৩৮৭৮
আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর প্রতি নির্দেশটি অবকাশ ও মুস্তাহাবমুলক নির্দেশ ছিল; বাধ্যতামূলক নির্দেশ ছিল না মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৭৯-৩৮৭৯
আমরা যা উল্লেখ করলাম, সেটাকে সুস্পষ্টকারী দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৮৮০-৩৮৮০
মিনার দিনসমূহ এবং যে ব্যক্তি সেসব দিনসমূহের মাঝে তরা করে দুইদিনে কঙ্কর নিক্ষেপের কাজ সমাধা করবে, তার কোন ক্ষতি না থাকার ব্যাপারে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৮১-৩৮৮১
মিনায় অবস্থানকারী হাজী ব্যক্তির সালাতের বিবরণ
১ টি | ৩৮৮২-৩৮৮২
হজ ও উমরাহ পালনকারী ব্যক্তির জন্য বানিজ্য করা বৈধ মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৮৩-৩৮৮৩
হাজীদের জন্য মু্স্তাহাব হলো যখন তারা ফিরে আসার ইচ্ছা করবেন, তখন তারা সেই রাতে মুহাসসাবে রাত্রি যাপন করবেন, যাতে তাদের জন্য প্রস্থান করা সহজ হয়
১ টি | ৩৮৮৫-৩৮৮৫
(১৭) উল্লেখিত বিষয়ে পরিশিষ্ট
১ টি | ৩৮৮৬-৩৮৮৬
নিষিদ্ধ কাজটি কিছু নারীকে সম্পাদন করার অনুমতি প্রসঙ্গে বর্ণনা
২ টি | ৩৮৮৭-৩৮৮৮
ঋতুবতী নারীদের বিদায়ী তাওয়াফ না করে রওয়ানা হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, যখন সে ইতিপূর্বে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করে থাকে
১ টি | ৩৮৮৯-৩৮৮৯
উল্লেখিত কাজে ঋতুবতী মহিলাদের হুকুমের মধ্যে প্রসূতি নারীদের হুকুমও অন্তর্ভুক্ত হবে, কেননা নিফাস শব্দটি হায়েয অর্থেও ব্যবহৃত হয় এবং উভয়ের কারণ এক
১ টি | ৩৮৯০-৩৮৯০
ঋতুবতী নারীদের বিদায়ী তাওয়াফ না করে রওয়ানা হওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়, যখন সে হায়েযের রক্ত দেখার আগে বাইতুল্লাহর তাওয়াফে যিয়ারাহ করবে করে থাকে
১ টি | ৩৮৯১-৩৮৯১
কোন মহিলার যখন তাওয়াফে ইফাযাহ করার পর হায়েয হবে, তখন তাকে রওয়ানা দেওয়ার নির্দেশ প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৯২-৩৮৯২
ঋতুবতী নারীদের যখন সে ইতিপূর্বে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে, তখন তার জন্য রওয়ানা হওয়ার অনুমতি রয়েছে, যদিও সে বিদায়ী তাওয়াফ না করে থাকে
১ টি | ৩৮৯৩-৩৮৯৩
আমরা যা উল্লেখ করলাম, তার বিশুদ্ধতা প্রমাণে দ্বিতীয় হাদীস
১ টি | ৩৮৯৪-৩৮৯৪
তাওয়াফে ইফাযাহ করার পর মুহাজির ব্যক্তির অবস্থান করা প্রসঙ্গে বর্ণনা
১ টি | ৩৮৯৫-৩৮৯৫
(১৮) কিরান হজের বিবরণ - যেই হাদীসের মাধ্যমে আমাদের কিছু ইমাম তামাত্তু হজ মুস্তাহাব হওয়ার উপর দলীল গ্রহণ করেন, সেটার বর্ণনা
১ টি | ৩৮৯৯-৩৮৯৯
সুবাই বিন মা‘বাদ যে ইহরাম বেঁধেছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৯০০-৩৯০০
যে ব্যক্তি সাথে হাদী (কুরবানীর পশু) সাথে নিয়ে আসবে, তিনি তার ইহরামকে হজ ও উমরাহ উভয়টির জন্য নির্ধারণ করবেন মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৯০১-৩৯০১
হজ পালনকারী ব্যক্তি যখন হজ ও উমরাহ যৌথভাবে সম্পাদন করবে, তখন তার তাওয়াফ কেমন হবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৯০৩-৩৯০৩
যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিরান হজকারী ব্যক্তি দুই তাওয়াফ করবে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৯০৪-৩৯০৪
যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিরান হজকারী ব্যক্তি এক তাওয়াফ ও দুই সাঈ করবে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৯০৫-৩৯০৫
যে ব্যক্তি মনে করে যে, কিরান হজকারী ব্যক্তি দুই তাওয়াফ ও দুই সাঈ করবে, তার কথা অপনোদনকারী হাদীস
১ টি | ৩৯০৬-৩৯০৬
উমরাহর জন্য সাহাবীদের ইহরাম বাঁধার পর, আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পূর্বে বর্ণিত নির্দেশ কোন জায়গায় দিয়েছিলেন, তার বিবরণ
১ টি | ৩৯০৭-৩৯০৭
(১৯) তামাত্তু‘হজ প্রসঙ্গে বর্ণনা - তামাত্তু‘হজ করার নির্দেশ এবং এটি কিরান ও ইফরাদ হজ অপেক্ষা উত্তম মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৯০৯-৩৯০৯
যে বাইতুল আতীকে হজ করতে চায়, তার জন্য মুস্তাহাব হলো তামাত্তু‘ হজ করা এবং কিরান ও ইফরাদ হজের উপর তামাত্তু‘ হজকে প্রাধান্য দেওয়া মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৯১০-৩৯১০
কিরান ও ইফরাদ হজের উপর তামাত্তু‘ হজকে প্রাধান্য দিয়ে তামাত্তু‘হজ করা উত্তম মর্মে হাদীস
১ টি | ৩৯১১-৩৯১১
যেই কারণে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে হালাল না হয়ে সাহাবীদের হালাল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন
১ টি | ৩৯১৪-৩৯১৪
হালাল হয়ে যাওয়া ঐ ব্যক্তির জন্য বৈধ যে ব্যক্তি শুরুতে সাথে কুরবানীর পশু আনেনি মর্মে বর্ণনা
১ টি | ৩৯১৭-৩৯১৭
তামাত্তু হজ পালনকারী ব্যক্তি কী করবে, তার বিবরণ
১ টি | ৩৯১৮-৩৯১৮