পরিচ্ছেদঃ
১৮৯৯। দুয়া হচ্ছে আল্লাহ্ তা’আলার সৈন্যদের এক সৈন্য। তাকে এমনভাবে নিযুক্ত করা হয়েছে যে, সে ফয়সালাকে (তাকদীরকে) পরিবর্তন করে তাকে নির্ধারিত করে দেয়ার পরে।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে ইবনু আসাকির (৭/২৬৪/১, ১৭/৩২৪/২) সালাম ইবনু ইয়াহইয়া খাজরাবী হতে, তিনি নুমায়ের ইবনুল অলীদ ইবনু নুমায়ের ইবনু আউস আশ’য়ারী হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি বলেনঃ এটি মুরসাল। নুমায়ের ইবনু আউসের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে সাক্ষাৎ ঘটেনি। তিনি একজন তাবেঈ, তিনি দেমাস্কের কাযী ছিলেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি ধ্বংসপ্রাপ্ত। এ নুমায়েরকে হাফিয যাহাবী তার দু’টি হাদীস উল্লেখ করে মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী করেছেন। আর তিনি আবু সা’দ মালীনীর উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন যে, তিনি বলেনঃ নুমায়ের এ দু’টি হাদীস এককভাবে বর্ণনা করেছেন।
হাফিয যাহাবী বলেনঃ সে দু’টি বানোয়াট। আর আমি নুমায়েরকে চিনতে পারিনি। তবে তার পিতা এবং তার দাদা পরিচিত। ইঙ্গিত করা তার দু’টি হাদীস হচ্ছেঃ
(أكرموا الخبز....) আর (اللهم متعنا بالإسلام والخبز ...)
আলোচ্য হাদীসটিকে আবুশ শাইখ ও দাইলামী আবূ মুসা আশ’আরী (রাঃ)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ মানবী তাদের দু’জনের সনদের ব্যাপারে কোন কথা বলেননি। না মুরসাল আর না মওসূল কোন ব্যাপারেই নয়। তবে বাহ্যিক অবস্থা এই যে, নুমায়েরের সূত্রটিও মওসূল হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
অতঃপর আমার নিকট তখন বিষয়টি স্পষ্ট হয়েছে যখন আমি হাদীসটিকে “মুসনাদুদ দাইলামী” গ্রন্থে (২/১৪৬) দেখলাম যে, আবুশ শাইখ সূত্রে নুমায়ের ইবনুল অলীদ হতে, তিনি তার দাদা হতে আর তিনি আবূ মূসা (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন।
الدعاء جند من أجناد الله تبارك وتعالى، مجند يرد القضاء بعد أن يبرم
موضوع
-
رواه ابن عساكر (7 / 264 / 1 و17 / 324 / 2) عن سلم بن يحيى الحجراوي: أخبرنا نمير بن الوليد بن نمير بن أوس الأشعري: أخبرنا أبي عن جدي مرفوعا. وقال: " هذا مرسل، نمير بن أوس ليست له صحبة، وهو تابعي، وكان قاضيا بدمشق ". قلت: وهذا إسناد تالف، نمير هذا اتهمه الذهبي بحديثين ذكرهما له، ونقل عن أبي سعد الماليني أنه قال: " يقال: إن نميرا تفرد بهذين الحديثين ". قال الذهبي: " وهما موضوعان، ونمير ما عرفته، وأما أبو هـ وجده فمعروفان ". والحديثان المشار إليهما سبقا بلفظ: " أكرموا الخبز.... "، و" اللهم متعنا بالإسلام والخبز ... ". والحديث أورده السيوطي في "الجامع الصغير " من رواية ابن عساكر هذه المرسلة، فقال المناوي: " ظاهر صنيع المصنف أنه لم يره مسندا لأحد، وإلا لما عدل لرواية إرساله، وهو ذهو ل، فقد رواه أبو الشيخ ثم الديلمي من حديث أبي موسى الأشعري ". قلت: ولم يتكلم على إسنادهما لا المرسل ولا الموصول، والظاهر أن الموصول من طريق نمير أيضا، والله أعلم. ثم تأكدت مما استظهرته حين رأيت الحديث في " مسند الديلمي " (2 /146) من طريق أبي الشيخ عن نمير بن الوليد به عن جده عن أبي موسى
পরিচ্ছেদঃ
১৯০৫। চোগলখোরী জাদুর (ধোঁকার) নিকটবর্তী হয়েছিল। আর দরিদ্রতা কুফরীর নিকটবর্তী হয়েছিল।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে আফীফ ইবনু মুহাম্মাদ খাতীব “আলমানযুম অলমানসূর” গ্রন্থে (২/১৮৮) মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস কুরাশী হতে, তিনি মুয়াল্লা ইবনুল ফাযল আযদী হতে, তিনি সুফইয়ান ইবনু সাঈদ হতে, তিনি আমাশ হতে, তিনি ইয়াযীদ রুকাশী হতে, তিনি আনাস (রাঃ) হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে মুহাম্মাম ইবনু ইউনুস। তিনি হচ্ছেন কাদাইমী। তিনি জালকারী।
আর মুয়াল্লা ইবনুল ফাল আযদী এবং ইয়ায়ীদ রুকাশী এর উভয়েই দুর্বল।
এ সূত্রেই হাদীসটিকে ইবনু লাল আনাস (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন যেমনটি “আলফায়েয” গ্রন্থে এসেছে।
তার থেকে হাদীসটির দ্বিতীয় অংশের অন্যান্য দুর্বল সূত্র রয়েছে। যার আলোচনা (৪০৮০) আসবে।
كادت النميمة أن تكون سحرا، وكاد الفقر أن يكون كفرا
موضوع
-
رواه عفيف بن محمد الخطيب في " المنظوم والمنثور " (188 / 2) عن محمد بن يونس القرشي: حدثنا المعلى بن الفضل الأزدي حدثنا سفيان بن سعيد حدثنا الأعمش عن يزيد الرقاشي عن أنس مرفوعا. قلت: وهذا إسناد موضوع، آفته محمد بن يونس، وهو الكديمي، وهو وضاع. والمعلى بن الفضل الأزدي ويزيد الرقاشي ضعيفان. ومن هذا الوجه أخرجه ابن لال عن أنس، كما في " فيض القدير". والشطر الثاني منه له طرق أخرى واهية سيأتي تخريجها برقم (4080)
পরিচ্ছেদঃ
১৯১৩। প্রতিটি বস্তুর মূল আছে আর ঈমানের মূল হচ্ছে পরহেযগারিতা। প্রতিটি বস্তুর শাখা আছে আর ঈমানের শাখা হচ্ছে ধৈর্য্য। প্রতিটি বস্তুর চূড়া আছে আর এ উম্মাতের চূড়া হচ্ছে আমার চাচা আব্বাস। প্রতিটি বস্তুর উপজাতি আছে আর এ উম্মাতের উপজাতি হচ্ছে হাসান ও হুসাইন। প্রতিটি বস্তুর ডানা আছে আর এ উম্মাতের ডানা হচ্ছে আবু বাকর ও উমার। প্রতিটি বস্তুর ঢাল আছে আর এ উম্মাতের ঢাল হচ্ছে আলী ইবনু আবূ তালেব।
হাদীসটি বানোয়াট।
হাদীসটিকে ইবনু আসাকির (৮/৪৭১/২) আবূ বকর খাতীব তার সনদে ইবরাহীম ইবনুল হাকাম ইবনু যহীর হতে, তিনি আতা ইবনু আবী রাবাহ হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
খাতীব বলেনঃ হাকাম ইবনু যহীর যাহেবুল হাদীস।
আমি (আলবানী) বলছিঃ সালেহ জাযারাহ বলেনঃ তিনি হাদীস জালকারী। ইমাম বুখারী বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস, তাকে তারা ত্যাগ করেছেন। ইয়াহইয়া বলেনঃ তিনি বড়ই মিথ্যুক।
আমি (আলবানী) বলছি তার ছেলে তার চেয়ে ভালো নয়। এর সম্পর্কে আবু হাতিম বলেনঃ তিনি বড়ই মিথ্যুক। হাদীসটিকে সুয়ূতী "যাইলুল মওষুয়াত" গ্রন্থে (পৃঃ ৫৩) উল্লেখ করেছেন আর ইবনু ইরাক “তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/১৭৭) শুধুমাত্র দাইলামীর বর্ণনা হতে এ সূত্রে উল্লেখ করেছেন। আর তারা দু’জনই শুধুমাত্র ইবরাহীমকেই সমস্যা হিসেবে চিহ্নিত করেছেন। এ ক্ষেত্রে তারা কম করেছেন।
এরপর সুয়ূতী দ্বিধাদ্বন্দ্বে ভুগে হাদীসটিকে “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে খাতীব ও ইবনু আসাকিরের বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন।
মানবীর নিকট হাদীসটি যে এ দু’মিথ্যুকের বর্ণনায় বর্ণিত হয়েছে তা গোপন রয়ে যাওয়ায় তিনি বলেছেনঃ হাদীসটিকে দাইলামী বর্ণনা করেছেন। আর এর মধ্যে এমন ব্যক্তি রয়েছেন যাকে চেনা যায় না।
لكل شيء أس، وأس الإيمان الورع، ولكل شيء فرع، وفرع الإيمان الصبر، ولكل شيء سنام، وسنام هذه الأمة عمي العباس، ولكل شيء سبط، وسبط هذه الأمة حبيباي الحسن والحسين، ولكل شيء جناح، وجناح هذه الأمة أبو بكر وعمر، ولكل شيء مجن، ومجن هذه الأمة علي بن أبي طالب
موضوع
-
رواه ابن عساكر (8 / 471 / 2) من طريق أبي بكر الخطيب بسنده عن إبراهيم بن (الحكم بن) ظهير عن أبيه عن عطاء بن أبي رباح عن ابن عباس مرفوعا. وقال الخطيب: " الحكم بن ظهير ذاهب الحديث ". قلت: وقال صالح جزرة: " يضع الحديث ". وقال البخاري: " متروك الحديث، تركوه ". وقال يحيى: " كذاب ". قلت: وابنه إبراهيم ليس خيرا منه، فقد قال فيه أبو حاتم: " كذاب ". والحديث أورده السيوطي في " ذيل الموضوعات " (ص 53) ، ثم ابن عراق في " تنزيه الشريعة " (177 / 2) من رواية الديلمي فقط من هذه الطريق
وأعلاه بإبراهيم هذا فقط وهو قصور. ثم إن السيوطي تناقض حيث أورد الحديث في " الجامع الصغير " من رواية الخطيب وابن عساكر هذه! . وأما المناوي فخفي عليه أن الحديث من رواية هذين الكذابين، فقال: " ورواه الديلمي، وفيه من لا يعرف ". وأما في " التيسير " فقد بيض له المناوي! ثم إن إطلاق السيوطي العزو للخطيب يشعر أنه في " تاريخه " كما نص عليه في مقدمة " الجامع الصغير "، وليس فيه، ولعله استلزم من رواية ابن عساكر له من طريق الخطيب أنه في " تاريخه "، وليس ذلك بلازم كما لا يخفي
পরিচ্ছেদঃ
১৯২২। কিয়ামতের দিন বান্দার দু’পা অগ্রসর হতে পারবে না যে পর্যন্ত তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা না হবেঃ তার জীবন সম্পর্কে কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে, তার দেহ সম্পর্কে কিভাবে তাকে পুরানা করেছে, তার সম্পদ সম্পর্কে কোন ক্ষেত্রে তা খরচ করেছে আর কিভাবে তা উপার্জন করেছে এবং তাকে আহলেবাইত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে।
হাদীসটি এ ভাষায় বাতিল।
এটিকে ত্ববারানী “আলমুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১১২) হাইসাম ইবনু খালাফ দাওরী হতে, তিনি বানু হাশেমের দাস আহমাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু ইয়াযীদ ইবনু সুলাইম হতে, তিনি হুসাইন ইবনুল হাসান আশকার হতে, তিনি হুশাইম ইবনু বাশীর হতে, তিনি আবূ হাশেম হতে, তিনি মুজাহিদ হতে, তিনি আব্দুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। হুসাইন আশকার ছাড়া এর বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। তাকে জামহুর দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। আর কেউ কেউ তাকে মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী করেছেন। তিনি সীমালঙ্ঘনকারী শী’য়া। হাদীসের শেষের অংশটুকু বাড়িয়ে বর্ণনা করায়, সেই ব্যক্তির সিদ্ধান্তকে শক্তিশালী করছে যিনি তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন এবং যিনি তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দিয়েছেন তার কথাকেও ভুল প্রমাণ করছে, যেমন ইবনু হিব্বান ও ইবনু মা’ঈন।
হাদিসটির আরেকটি সমস্যা রয়েছে সেটি হচ্ছে হুশাইম ইবনু বাশীর কর্তৃক আন আন করে বর্ণনা করা। কারণ তিনি বহু তাদলীসকারী। যেমনটি হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেছেন।
কোন কোন মিথ্যুক এ হাদীসটিকে চুরি করে অন্য একটি সনদ জড়িয়ে ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর উদ্ধৃতিতে বর্ণনা করেছেন। এটিকে আব্দুল কাদের ইবনু আব্দুস সালাম আব্বাসী “আলহাশেমিয়্যাত” গ্রন্থে (৬/১০৯/১-২) মুহাম্মাদ ইবনু যাকারিয়া গিলাবী হতে, তিনি ইয়াকুব হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি তার দাদা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
এ গিলাবী প্রসিদ্ধ জালকারী।
আবার কোন এক অজ্ঞাত ব্যক্তি এর সাথে আরেকটি সনদকে জুড়ে দিয়ে মুসনাদু আবু যার (রাঃ)-এর অন্তর্ভুক্ত করে, এ থেকে জীবন সম্পৃক্ত প্রশ্নটি কমিয়ে ফেলে বর্ণনা করেছেনঃ “কিয়ামতের দিন বান্দার দু’পা অগ্রসর হতে পারবে না যে পর্যন্ত তাকে চারটি বিষয়ে জিজ্ঞাসা করা না হবেঃ তার জ্ঞান সম্পর্কে, সে তার উপর কতটুকু আমল করেছে, তার সম্পদ সম্পর্কে কিভাবে সে তা উপার্জন করেছে আর কোন ক্ষেত্রে তা খরচ করেছে, আহলেবাইত সম্পর্কে আমাদের ভালোবাসা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে। কেউ বললঃ হে আল্লাহর রসূল! তারা কারা? তিনি তার হাত দিয়ে আলী ইবনু আবী তালেব (রাঃ)-এর দিকে ইঙ্গিত করলেন।”
এটিকে ইবনু আসাকির (১২/১২৬/১) ইয়াকুব ইবনু ইসহাক কুলূসী হতে, তিনি হারেস ইবনু মুহাম্মাদ মাকফূক হতে, তিনি আবূ বকর ইবনু আইয়্যাশ হতে, তিনি মা’রূফ ইবনু খারবূয হতে, তিনি আবুত তুফায়েল হতে, তিনি আবু যার (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি দুর্বল। কারণ মা’রূফ ইবনু খারবুযের সমালোচনা করা হয়েছে। হাফিয যাহাবী বলেনঃ তিনি সত্যবাদী শীয়া। তাকে ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। ইমাম আহমাদ বলেনঃ তার হাদীস কেমন আমি জানি না। আবু হাতিম বলেনঃ তার হাদীস লিখা যাবে। আমি (যাহাবী) বলছিঃ তিনি কম হাদীস বর্ণনাকারী। হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি সত্যবাদী, কখনও কখনও সন্দেহ করতেন।
আর বর্ণনাকারী হারেস ইবনু মাকফুফের জীবনী আমি (আলবানী) পাচ্ছি না। সম্ভবত ইনিই হাদীসটির সমস্যা। কারণ হাদীসের মধ্যে আহলুল বাইত উল্লেখ করাটা মুনকার। কারণ নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী আসওয়াদ ইবনু ’আমের এ হাদীসের সনদ এবং ভাষা উভয় ক্ষেত্রে তার বিরোধিতা করে বর্ণনা করেছেন। তিনি আবু বাকর ইবনু আইয়্যাশ হতে, তিনি আমাশ হতে, তিনি সাঈদ ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু জুরায়েয হতে, তিনি আবূ বারযাহ আসলামী (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...। তিনি আহলে বাইতকে ভালোবাসা সম্পৃক্ত বাক্যটি ছাড়া উল্লেখ করেছেন। এর পরিবর্তে বলেছেনঃ "তার দেহ সম্পর্কে কিভাবে তাকে পুরানো করেছে" আর প্রথম অংশে বৃদ্ধি করে বলেছেনঃ "তার জীবন সম্পর্কে কিভাবে তা অতিবাহিত করেছে"।
আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) ও মুয়ায (রাঃ) হতে এরূপই বর্ণিত হয়েছে। তাদের হাদীসগুলোকে আমি “সিলসিলাহ সহীহাহ” গ্রন্থের মধ্যে (৯৪৬) তাখরীজ করেছি।
لا تزول قدما عبد يوم القيامة حتى يسأل عن أربع: عن عمره فيما أفناه، وعن جسده فيما أبلاه، وعن ماله فيما أنفقه ومن أين اكتسبه، وعن حبنا أهل البيت
باطل بهذا اللفظ
-
أخرجه الطبراني في " الكبير " (ج 3 ورقة 112 وجه 2) : حدثنا الهيثم بن خلف الدوري: أخبرنا أحمد بن محمد بن يزيد بن سليم مولى بني هاشم حدثني حسين بن الحسن الأشقر أخبرنا هشيم بن بشير عن أبي هاشم عن مجاهد عن ابن عباس مرفوعا به. قلت: وهذا إسناد ضعيف، ورجاله ثقات غير حسين الأشقر فضعفه الجمهور، ورماه بعضهم بالكذب، وهو شيعي غال، وروايته هذه الزيادة في آخر الحديث مما يؤكد صدق من كذبه، وخطأ من وثقه كابن حبان وابن معين! والهيثم بن خلف ثقة، وقد وثق شيخه أحمد هذا كما ذكر ذلك الخطيب في " تاريخه " (5 / 119 - 120) وترجم أيضا للهيثم وقال (14 / 63) : " إنه كان
من الأثبات ". وبقية رجال السند من رجال " التهذيب ". لكن له علة أخرى وهي عنعنة هشيم بن بشير، فإنه كان كثير التدليس كما قال الحافظ في " التقريب ". وقد سرق بعض الكذابين هذا الحديث فركب عليه إسنادا آخر إلى ابن عباس به. رواه عبد القاهر بن عبد السلام العباسي في " الهاشميات " (6 / 109 / 1 - 2) عن محمد (هو بن زكريا الغلابي) : حدثنا يعقوب حدثنا أبي عن أبيه عن جده عن ابن عباس مرفوعا. والغلابي هذا وضاع معروف. وركب له أحد المجهولين إسنادا آخر، فجعله من مسند أبي ذر، ونقص منه السؤال عن العمر، ولفظه: " لا تزول قدما ابن آدم يوم القيامة حتى يسأل عن أربع، عن علمه ما عمل به؟ وعن ماله من أين اكتسبه، وفيما أنفقه؟ وعن حبنا أهل البيت. فقيل: يل رسول الله! ومن هم؟ فأومى بيده إلى علي بن أبي طالب ". أخرجه بن عساكر (12 / 126 / 1) عن يعقوب بن إسحاق القلوسي أخبرنا الحارث بن محمد المكفوف أخبرنا أبو بكر بن عياش عن معروف (الأصل: حروف) بن خربوذ عن أبي الطفيل عن أبي ذر مرفوعا. قلت: وهذا إسناد ضعيف، معروف بن خربوذ متكلم فيه، قال الذهبي: " صدوق شيعي، ضعفه يحيى بن معين. وقال أحمد: ما أدري كيف حديثه؟ وقال أبو حاتم: يكتب حديثه. قلت: وهو مقل ". وقال في " التقريب ": " صدوق ربما وهم ". والحارث بن محمد المكفوف لم أجد له ترجمة، فلعله هو الآفة، فإن الحديث بذكر أهل البيت فيه منكر، وقد خالفه الثقة أسود بن عامر إسناد ومتنا، فقال: حدثنا أبو بكر بن عياش عن الأعمش عن سعيد بن عبد الله بن جريج عن أبي برزة الأسلمي قال: قال
رسول الله صلى الله عليه وسلم فذكره دون جملة حب البيت، وقال بدلها: " وعن جسمه فيما أبلاه ". وزاد في أوله " عن عمره فيما أفناه ". وكذلك روي عن ابن مسعود ومعاذ، وقد خرجت أحاديثهم في " الصحيحة " (946)
পরিচ্ছেদঃ
১৯২৬। মুসলিমদের ফকীররা নবীগণের চল্লিশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।
হাদীসটি এ ভাষায় বাতিল।
এটিকে ইমাম আহমাদ (৩/৩২৪) আমর ইবনু জাবের আবু যুর’য়াহ হাযরামী সূত্রে জাবের ইবনু আব্দুল্লাহ্ আনসারী (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, তিনি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেনঃ ...।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। এ আমর সম্পর্কে হাফিয যাহাবী বলেনঃ তিনি হালেক। আহমাদ বলেনঃ তিনি জাবের হতে কতিপয় মুনকার হাদীস বর্ণনা করেছেন। আর আমার নিকট পৌঁছেছে যে, তিনি মিথ্যা বলতেন। নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসের ভাষাঃ “নবীগণের”, তার সে সব মুনকারগুলোর অন্তর্ভুক্ত। কারণ প্রসিদ্ধি লাভ করেছে এ শব্দেঃ “ধনীদের”। "সুনানুন তিরমিযী" গ্রন্থে (২/৫৭) এ সূত্রেই ’ধনীদের’ এ শব্দে বর্ণিত হয়েছে। জানি না কোন কপিকারকের পক্ষ থেকে তা রদবদল করা হয়েছে কিনা। কারণ যখন দেখল যে, প্রথম শব্দটিকে মুনকার হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে তখন সে দ্বিতীয় শব্দের দিকে ফিরে গেছে। আর তিরমিযীর নিকট দ্বিতীয় শব্দটি উল্লেখ করাটা বেশী অগ্রাধিকারযোগ্য। কারণ হাদীসটিকে ইমাম তিরমিযী কর্তৃক হাসান আখ্যা দেয়া থেকে স্পষ্ট হয় যে, তার নিকট যদি প্রথম শব্দটি "নবীগণের" থাকত তাহলে তিনি হাসান আখ্যা দিতেন না। বরং তিনি সেটাকে মুনকার আখ্যা দিতেন। আল্লাহই বেশী জানেন।
হাদিসটিকে অন্য ভাষায় আবুদ দারাদার হাদীস হতে মারফূ’ হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছেঃ "আমার উম্মাতের ফাকীররা তাদের ধনীদের চল্লিশ বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে।"
এটিকে ইবনু আদী “আলকামেল” গ্রন্থে (২/৮০) ইবনুল খাওয়ার সূত্রে মুগীরাহ ইবনু যিয়াদ হতে, তিনি ইসমাঈল ইবনু ওবাইদুল্লাহ হতে, তিনি উম্মুদ দারদা হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ আমি আবুদ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণনা করতে শুনেছি, তিনি বলেনঃ আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ ...।
তিনি হাদীসটিকে ইবনুল খাওয়ারের জীবনীর মধ্যে উল্লেখ করেছেন, তার নাম হচ্ছে হুমায়েদ ইবনু হাম্মাদ। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করেন। তিনি কম হাদীস বর্ণনাকারী। কম বর্ণনাকারী হওয়া সত্ত্বেও তার কোন কোন হাদীসের মুতাবায়াত করা হয়নি।
হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল। আর মুগীরাহ ইবনু যিয়াদ সত্যবাদী তবে তার সন্দেহমূলক বর্ণনা রয়েছে।
নিরাপদ হচ্ছে এই যে, চল্লিশ বছরের নির্ধারিত সময়টা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম শুধুমাত্র মুহাজির ফাকীরগণের ক্ষেত্রে বলেছিলেন। আর অন্যান্য মুসলিম সাধারণ ফাকীররা তাদের ধনীদের পাঁচশত বছর পূর্বে জান্নাতে প্রবেশ করবে। দেখুন "মিশকাত" (৫২৪৩-৫২৫৮)।
يدخل فقراء المسلمين الجنة قبل الأنبياء بأربعين خريفا
باطل بهذا اللفظ
-
أخرجه أحمد (3 / 324) من طريق عمرو بن جابر أبي زرعة الحضرمي قال: سمعت جابر بن عبد الله الأنصاري يقول: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: فذكره. قلت: وهذا سند ضعيف جدا، عمرو هذا قال الذهبي: " هالك، قال أحمد: روى عن جابر مناكير، وبلغني أنه كان يكذب، وقال النسائي: ليس بثقة ". قلت: ومن مناكيره هذا اللفظ: " الأنبياء ". فإن
المعروف إنما هو بلفظ: " الأغنياء ". وهكذا وقع في " سنن الترمذي " (2 / 57) من هذا الوجه، فلا أدري أهو تحريف من بعض النساخ لما رآه باللفظ الأول واستنكره عدل به إلى اللفظ الآخر، أوأن الرواية وقعت للترمذي هكذا؟ ومما يرجح هذا أنه قال عقبة: " هذا حديث حسن ". فلوكان عنده باللفظ الأول، لما حسنه، بل لاستنكره. والله أعلم. وقد روي باللفظ الآخر من حديث أبي الدرداء مرفوعا بلفظ: " يدخل فقراء أمتي الجنة قبل أغنيائهم بأربعين خريفا أخرجه ابن عدي في " الكامل " (80 / 2) من طريق ابن الخوار: حدثنا مغيرة بن زياد حدثنا إسماعيل بن عبيد الله عن أم الدرداء قال: سمعتها تروي عن أبي الدرداء قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم ... ، فذكره. أورده في ترجمة ابن الخوار هذا واسمه حميد بن حماد، وقال: " يحدث عن الثقات بالمناكير، وهو قليل الحديث، وبعض أحاديثه على قلته لا يتابع عليه ". وقال الحافظ في " التقريب ": " لين الحديث ". والمغيرة بن زياد صدوق له أوهام. والمحفوظ أن هذه المدة: " أربعين خريفا " إنما قالها صلى الله عليه وسلم في فقراء
المهاجرين، وأما فقراء المسلمين - عامة - فيدخلون الجنة قبل أغنيائهم بخمسمائة سنة. انظر " المشكاة " (5243 - 5258)
পরিচ্ছেদঃ
১৯৩২। নবীগণের আলোচনা করা ইবাদাতে অন্তর্ভুক্ত। নেককারদের আলোচনা করা গুনাহের কাফফারাহ স্বরূপ। মৃত্যুকে স্মরণ করা হচ্ছে সাদাকাহ। জাহান্নামের আগুনকে স্মরণ করা হচ্ছে জিহাদ। কবরের স্মরণ তোমাদেরকে জান্নাতের নিকটবর্তী করে দিবে আর জাহান্নামের স্মরণ তোমাদেরকে জাহান্নামের আগুন হতে দূরে সরিয়ে দিবে। সর্বোত্তম ইবাদাত হচ্ছে অজ্ঞতাকে ত্যাগ করা। আলেমের সম্পদের মূলধন হচ্ছে অহংকারকে ত্যাগ করা। জান্নাতের মূল্য হচ্ছে হিংসাকে ত্যাগ করা। গুনাহের ব্যাপারে দুঃখিত হওয়া হচ্ছে সত্যিকারের তওবা।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে দাইলামী (২/৮২/১) আবু আলী ইবনুল আশয়াস সূত্রে শুরাইহ ইবনু আব্দুল কারীম হতে, তিনি জা’ফার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু জা’ফার ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু আলী হুসাইনী আবুল ফাযল হতে (কিতাবুল আরূস), তিনি অলীদ ইবনু মুসলিম হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু রাশেদ হতে, তিনি মাকহূল হতে, তিনি মুয়ায ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
ইবনুল আশয়াসকে মুহাদ্দিসগণ মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। সুয়ুতীর "যাইলুল আহাদীসিল মাওযুয়াহ" গ্রন্থে (পৃঃ ১৯৪-১৯৫) এরূপই এসেছে।
আমি (আলবানী) বলছি তা সত্ত্বেও তিনি (সুয়ুতী) “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটিকে দাইলামীর বর্ণনা হতে মুয়ায ইবনু জাবাল (রাঃ) এর উদ্ধৃতিতে উল্লেখ করেছেন।
ইবনু আসয়াসের নাম হচ্ছে মুহাম্মাদ ইবনু মুহাম্মাদ ইবনুল আসয়াস। দারাকুতনী বলেনঃ তিনি আল্লাহর আয়াতসমূহের একটি আয়াত। তিনি সে কিতাবটি অর্থাৎ “আল’ওলাবিয়্যাত” গ্রন্থটি জাল করেছেন।
ইবনু আদী তার কতিপয় বানোয়াট হাদীস উল্লেখ করেছেন। মানবী হাদীসটির আরো দুটি সমস্যা বর্ণনা করেছেন এখানে সেগুলোর কোন মূল্য নেই। অতঃপর তিনি “আততাইসীর” গ্রন্থে শুধুমাত্র বলেছেনঃ এর সনদটি দুর্বল।
ذكر الأنبياء من العبادة، وذكر الصالحين كفارة الذنوب، وذكر الموت صدقة، وذكر النار من الجهاد، وذكر القبر يقربكم من الجنة، وذكر النار يباعدكم من النار، وأفضل العبادة ترك الجهل، ورأس مال العالم ترك الكبر، وثمن الجنة ترك الحسد، والندامة من الذنوب التوبة الصادقة
موضوع
-
رواه الديلمي (2 / 82 / 1) من طريق أبي علي بن الأشعث: حدثنا شريح ابن عبد الكريم حدثنا جعفر بن محمد بن جعفر بن محمد بن علي الحسيني أبو الفضل في " كتاب العروس ": حدثنا الوليد بن مسلم حدثنا محمد بن راشد عن مكحول عن معاذ بن جبل مرفوعا. وابن الأشعث كذبوه. كذا في " ذيل الأحاديث الموضوعة " للسيوطي (ص 194 - 195) . قلت: ومع ذلك فقد أورده في " الجامع الصغير " من رواية الديلمي هذه عن معاذ! ومن غرائبه أنه أورد منه طرفه الأول الحاوي على الجمل الخمسة دون الرابعة منها، فأوهم أنه ليس عند الديلمي بهذا التمام! ثم إن ابن الأشعث اسمه محمد بن محمد بن الأشعث، قال الدارقطني: "
آية من آيات الله، وضع ذاك الكتاب - يعني العلويات - ". وساق له ابن عدي جملة موضوعات. وأعله المناوي بعلتين أخريين لا وزن لهما هنا، ثم اقتصر في "التيسير " على قوله: إسناده ضعيف
পরিচ্ছেদঃ
১৯৩৭। যে অত্যাচারীকে সহযোগিতা করবে আল্লাহ্ তা’য়ালা তাকেই তার বিপক্ষে নিয়োজিত করবেন।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে আবু হাফস কাত্তানী "জুযউন মিন হাদীসহি" গ্রন্থে (১৪১-১৪২) আবু সাঈদ (তিনি হচ্ছেন হাসান ইবনু আলী আদাবী) হতে, তিনি সাঈদ ইবনু আব্দুল জাব্বার কারাবীসী আবূ উসমান হতে, তিনি হাম্মাদ ইবনু সালামাহ হতে, তিনি আসেম হতে, তিনি যির হতে, তিনি আবদুল্লাহ (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। আদাবী ছাড়া সকল বর্ণনাকারীগণ নির্ভরযোগ্য। এ আদাবী বড়ই মিথ্যুক। তিনিই হাদীসটির সমস্যা। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি হাদীস জালকারী। তার অধিকাংশ হাদীস (সামান্য কিছু বাদে) বানোয়াট। আমরা তাকে দোষী করতাম অতঃপর একীনের সাথে জেনে যেতাম যে, তিনিই সেগুলো জাল করেছেন।
সুয়ূতী হাদীসটিকে “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করে গ্রন্থটিকে কালিমালিপ্ত করেছেন। তিনি শুধুমাত্র ইবনু আসাকিরের উদ্ধৃতি দিয়েছেন। আর মানবী আদাবীর বিষয়টি উল্লেখ করে তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ সাখাবী বলেনঃ তিনি জাল করার দোষে দোষী। তিনিই হাদীসটির সমস্যা।
হাফিয ইবনু কাসীর স্বীয় “তাফসীর” গ্রন্থে (২/১৭৬) শুধুমাত্র হাদীসটি গারীব বলে কম বলেছেন।
من أعان ظالما سلطه الله عليه
موضوع
-
رواه أبو حفص الكتاني في " جزء من حديثه " (141 - 142) : حدثنا أبو سعيد (هو الحسن بن علي العدوي) : أخبرنا سعيد بن عبد الجبار الكرابيسي أبو عثمان: أخبرنا حماد ابن سلمة عن عاصم عن زر عن عبد الله مرفوعا. قلت: وهذا إسناد موضوع، رجاله كلهم ثقات غير العدوي هذا وهو كذاب، فهو آفته، قال ابن عدي: " يضع الحديث، وعامة ما حدث به - إلا القليل - موضوعات، وكنا نتهمه بل نتيقن أنه هو الذي وضعها ". والحديث سود به السيوطي " جامعه الصغير"! وقد عزاه لابن عساكر وحده، وقد تعقبه المناوي بأن فيه العدوي المذكور،
قال: " قال السخاوي: هو متهم بالوضع فهو آفته ". وقصر الحافظ ابن كثير فأورده في " التفسير " (2 / 176) من طريق سعيد بن عبد الجبار الكرابيسي..إلخ، وكان الأولى به، بل الواجب عليه أن يقول: من طريق الحسن بن علي العدوي.. إلخ، حتى يتبين للباحث حقيقة إسناده، وأن لا يحذف منه ما يدل على وضعه، ولا يشفع له ما صنع قوله عقب الحديث: " وهذا حديث غريب ". فإنه لا يكشف به عن وضعه لدى عامة القراء، بل وبعض الخاصة أيضا، ولذلك اغتر به مختصره الصابوني فأورد كلام ابن كثير هذا في حاشية كتابه (1 / 619) ولم يزد! ولا حقق في سنده، وأنى له ذلك! وكل أحاديث مختصره هكذا: ينقل كلام ابن كثير من " تفسيره " فيجعله هو في حاشية " مختصره " موهما القراء أنه من تخريجه! فالله المستعان
পরিচ্ছেদঃ
১৯৫৫। যেই অতিতের সব কিছুর উপর এবং কিয়ামত দিবস পর্যন্ত ভবিষ্যতের সব কিছুর উপর বিশ্বাসী (মুমিন) হবে অবশ্যই তার এক প্রতিবেশী হবে যে তাকে কষ্ট দিবে।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে ইবনু শাহীন “আততারগীব” গ্রন্থে (১/২৯৮) আলী ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু মাহরুবিয়্যাহ কাযবিনী হতে, তিনি দাউদ ইবনু সুলাইমান কাযবিনী হতে, তিনি আলী ইবনু মূসা রিযা হতে, তিনি মূসা ইবনু জা’ফার হতে, তিনি তার পিতা জা’ফার ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি তার পিতা মুহাম্মাদ ইবনু আলী হতে, তিনি তার পিতা আলী ইবনুল হুসাইন হতে, তিনি তার পিতা হুসাইন ইবনু আলী হতে, তিনি তার পিতা আলী ইবনু আবী তালেব (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে দাউদ ইবনু সুলাইমান কাযবীনী, তিনি হচ্ছেন জুরজানী গায়ী। হাফিয যাহাবী তার সম্পর্কে বলেনঃ তাকে ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর আবু হাতিম তাকে চিনেননি। সর্বাবস্থায় তিনি মিথ্যুক শাইখ। রিযা হতে তার একটি বানোয়াট পাণ্ডলিপি রয়েছে। সেটাকে আলী ইবনু মুহাম্মাদ ইবনু জাহরাবিয়্যাহ কাযবীনী আসসদক তার থেকে বর্ণনা করেছেন।
অতঃপর তিনি এ সনদে তার আরো দু’টি হাদীস উল্লেখ করেছেন। মানবী আরো অগ্রসর হয়ে রিযার দ্বারা হাদিসটির সমস্যা বর্ণনা করে বলেছেনঃ এর সনদে আলী ইবনু মূসা রিযা রয়েছেন। ইবনু তাহের বলেনঃ তিনি তার পিতাদের উদ্ধতিতে আজব আজব বস্তু নিয়ে এসেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ মানবী কিছুই করেননি। কারণ সমস্যা হচ্ছে রিযা হতে বর্ণনাকারী হতে যেমনটি অবগত হয়েছেন।
হাদীসটিকে “আলজামে” গ্রন্থে শুধুমাত্র দাইলামীর বর্ণনায় উল্লেখ করেছেন! আর তিনি হাদীসটিকে (৩/২৯/১) ইবনু শাহীনের সূত্র হতে বর্ণনা করেছেন।
ما كان ولا يكون إلى يوم القيامة مؤمن، إلا وله جار يؤذيه
موضوع
-
رواه ابن شاهين في " الترغيب " (298 / 1) : حدثنا علي بن محمد بن مهرويه القزويني حدثنا داود بن سليمان القزويني حدثنا علي بن موسى الرضا حدثنا موسى بن جعفر عن أبيه جعفر بن محمد عن أبيه محمد بن علي عن أبيه علي بن الحسين عن أبيه الحسين ابن علي عن أبيه علي بن أبي طالب رفعه. قلت: وهذا إسناد موضوع، آفته داود بن سليمان القزويني، وهو الجرجاني الغازي، قال الذهبي: " كذبه يحيى بن معين، ولم يعرفه أبو حاتم، وبكل حال، فهو شيخ كذاب، له نسخة موضوعة عن الرضا، رواه علي بن محمد بن جهرويه القزويني الصدوق عنه ... " ثم ذكر له بهذا الإسناد حديثين غير هذا. ولقد أبعد المناوي النجعة، فأعله
بالرضا، فقال: " وفيه علي بن موسى الرضا. قال ابن طاهر: يأتي عن آبائه بعجائب. وقال الذهبي: الشأن في صحة الإسناد إليه "! قلت: فلم يصنع المناوي شيئا، وإنما العلة من الراوي عن الرضا كما عرفت. والحديث في " الجامع " من رواية الديلمي فقط! وهو أخرجه (3 / 29 / 1) من طريق ابن شاهين
পরিচ্ছেদঃ
১৯৫৮। চারটি বস্তু আশ্চর্যাম্বিত হওয়া ছাড়া লাভ করা যায় নাঃ চুপ থাকা আর তা হচ্ছে ইবাদাতের প্রথম, নম্রতা, কম বস্তু (যা নিজের জন্য ব্যয় করা হয়) ও আল্লাহকে স্মরণ করা।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে তাম্মাম “আলফাওয়াইদ” গ্রন্থে (২৫৫৯) আওয়াম ইবনু জুয়াইরিয়্যাহ হতে, তিনি হাসান হতে, তিনি আনাস (রাঃ) হতে, তিনি বলেনঃ ... তিনি মওকুফ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।
এটিকে আবু আব্দুর রহমান সুলামী “আদাবুস সুহবাহ” গ্রন্থে (পৃঃ ২২-২৩), হাকিম (৪/৩১১), ত্ববারানী "আলমুজামুল কাবীর" গ্রন্থে (১/৩৭/১), ইবনু আদী “আলকামেল” গ্রন্থে (১/৮১) ও ইবনু হিব্বান “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (২/১৯৬) অন্য দুটি সূত্রে আবু মুয়াবিয়্যাহ হতে বর্ণনা করেছেন।
ইবনু আদী বলেনঃ হাদীসটি আসলে আনাস (রাঃ)-এর কথা হিসেবে মওকুফ। আর হাকিম বলেছেনঃ সনদটি সহীহ। আর হাফিয যাহাবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ ইবনু হিব্বান আওয়াম সম্পর্কে বলেনঃ তিনি কতিপয় বানোয়াট হাদীস বর্ণনাকারী।
হাদীসটিকে সুয়ূতী “আলজামে” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আর মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ লেখক হাদীসটির ব্যাপারে চুপ থেকেছেন, যা সন্দেহ সৃষ্টি করতে পারে যে, এর মধ্যে কোন সমস্যা নেই। আর তা ঘটেছে হাকিম কর্তৃক সহীহ আখ্যা দানের মন্তব্যে ধোঁকায় পড়ে। তিনি হাফিয যাহাবীর “আততালখীস” গ্রন্থের সমালোচনা, মুনযেরী ও হাফিয ইরাকীর মন্তব্যের দিকে লক্ষ্য করেননি যে, এর মধ্যে আওয়াম ইবনু জুওয়াইরিয়্যাহ রয়েছেন। তার সম্পর্কে ইবনু হিব্বান প্রমুখ বলেনঃ তিনি কতিপয় বানোয়াট হাদীস বর্ণনাকারী। অতঃপর তিনি তার এ হাদীসটি উল্লেখ করেছেন।
হাফিয যাহাবী হাদীসটিকে “আলমীযান” গ্রন্থে আলআওয়ামের জীবনীতে উল্লেখ করেছেন এবং হাকিম কর্তক এটিকে তাখরীজ করার কারণে আশ্চর্যাম্বিত হয়েছেন। এ কারণেই ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে “আলমাওয়ূয়াত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।
أربع لا يصبن إلا بعجب: الصمت وهو أول العبادة والتواضع وقلة الشيء وذكر الله عز وجل
موضوع
-
رواه تمام في " الفوائد " (رقم 2559) عن العوام بن جويرية عن الحسن عن أنس قال فذكره موقوفا عليه. ورفعه يحيى بن يحيى: حدثنا أبو معاوية عن العوام بن جويرية عن الحسن عن أنس مرفوعا. أخرجه أبو عبد الرحمن السلمي في " آداب الصحبة " (ص 22 - 23) والحاكم (4 / 311) وأخرجه الطبراني في " المعجم الكبير " (1 / 37 / 1) وابن عدي في " الكامل " (81 / 1) وابن حبان في " الضعفاء " (2 / 196) من طريقتين آخرين عن أبي معاوية به وقال ابن عدي: " وهذا الحديث الأصل فيه موقوف من قول أنس ". وأما الحاكم
فقال: " صحيح الإسناد "! ورده الذهبي بقوله: " قلت: قال ابن حبان في العوام: يروي الموضوعات والحديث أورده السيوطي في " الجامع "، فتعقبه المناوي، فقال: " سكت المصنف عليه، فأوهم أنه لا علة فيه، وهو اغترار بقول الحاكم: صحيح. وغفل عن تشنيع الذهبي في " التلخيص "، والمنذري والحافظ العراقي عليه، بأن فيه العوام ابن جويرية، قال ابن حبان وغيره: يروي الموضوعات ". ثم ذكر له هذا الحديث. اهـ. وأورده الذهبي في " الميزان " في ترجمة العوام، وتعجب من إخراج الحاكم له. ومن ثم أورده ابن الجوزي في
" الموضوعات "، وتعقبه المصنف فلم يأت بطائل كعادته ". قلت: واغتر به ابن عراق أيضا، فأورده في " الفصل الثاني " من " تنزيه الشريعة " (2 / 303) ولعله سبق قلم منه، فإن هذا الفصل خاص فيما تعقب فيه ابن الجوزي كما نص في " مقدمته "، فهو بالفصل الأول الذي خصه فيما لم يخالف فيه ابن الجوزي أولى كما هو ظاهر. ثم إن المناوي أفسد التحقيق السابق بقوله في " التيسير ": " أسانيده ضعيفه "! فإنه لا سند له إلا الذي فيه العوام! والحديث رواه ابن وهب في " الجامع " (ص 71) من طريق أخرى عن الحسن أنه كان يقول: فذكره من قوله موقوفا عليه. وقد سقط إسناده من النسخة، فلم نعرف حاله ورواه ابن المبارك في "
الزهد " (629) : أخبرنا وهيب، قال: قال عيسى بن مريم، فذكره فعاد الحديث إلى أنه من الإسرائيليات. وهو بها أشبه
পরিচ্ছেদঃ
১৯৬৬। (ধারাবাহিকভাবে কিয়ামতের) আলামাতগুলো দু’শত বছরের পরে (প্রকাশ পাবে)।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে ইবনু মাজাহ (৪০৫৭), ওকাইলী “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (৩২২), কুতাই’ঈ “জুযউল আলফ দীনার” গ্রন্থে (১/৩৫) ও হাকিম (৪/৪২৮) মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস ইবনু মূসা হতে, তিনি আউন ইবনু আম্মারাহ আম্বারী হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনুল মুসান্না হতে, তিনি সুমামাহ হতে, তিনি আনাস ইবনু মালেক (রাঃ) হতে, তিনি আবু কাদাহ্ (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন। ওকাইলী বলেনঃ বুখারী বলেনঃ আউন ইবনু আম্মারাহ (তার মা’রূফ হাদীসও আছে আবার মুনকারও আছে) আর এটিকে একমাত্র তার মাধ্যমেই চেনা যায়। ইবনু সীরীন হতে তার কথা হিসেবে এটিকে বর্ণনা করা হয়েছে।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি উল্লেখ করার পর ইমাম বুখারীর সম্পূর্ণ কথা হচ্ছেঃ দু’শত অতীত হয়ে গেছে অথচ আয়াতসমূহ হতে কিছুই ছিল না। এ কারণে ইবনুল কাইউম "আলমানার" গ্রন্থে (পৃঃ ৪১) দৃঢ়তার সাথে বানোয়াট আখ্যা দিয়েছেন। আর হাকিম বলেছেনঃ এটি শাইখাইনের শর্তানুযায়ী সহীহ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি তার অশোভনীয় সন্দেহগুলোর অন্তর্ভুক্ত। কারণ আউন দুর্বল হওয়া ছাড়াও তার থেকে বুখারী ও মুসলিম কিছুই বর্ণনা করেননি। এ কারণে হাফিয যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ আমি ধারণা করছি এটি বানোয়াট। আর আউনকে তারা দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।
পরক্ষণেই মানবী বলেনঃ ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে পূর্বেই বানোয়াট হিসেবে হুকুম লাগিয়েছেন।
তিনি "আততায়সীর" গ্রন্থে বলেনঃ এটিকে হাকিম সহীহ আখ্যা দিয়েছেন। অতঃপর তারা তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ খুবই দুর্বল। বরং বলা হয়েছে এটি বানোয়াট।
الآيات بعد المائتين
موضوع
-
رواه ابن ماجه (4057) والعقيلي في " الضعفاء " (322) والقطيعي في " جزء الألف دينار " (35 / 1) والحاكم (4 / 428) عن محمد (هو ابن يونس بن موسى) قال: حدثنا عون بن عمارة العنبري قال: حدثنا عبد الله بن المثني عن ثمامة عن أنس بن مالك عن أبي قتادة مرفوعا. وقال العقيلي: " قال البخاري: عون بن عمارة " تعرف وتنكر " ولا يعرف إلا به، وقد روي عن ابن سيرين من قوله ". قلت: وتمام كلام البخاري بعد أن ساق الحديث: " فقد مضى مائتان ولم يكن من الآيات شيء ". ولهذا جزم ابن القيم في " المنار " (ص 41) بوضعه، وأما الحاكم فقال: " صحيح على شرط الشيخين "! قلت: وهذا من أوهامه الفاحشة، فإن عونا هذا مع ضعفه لم يخرج له الشيخان شيئا، وقد تعقبه الذهبي بقوله: " قلت: أحسبه موضوعا، وعون ضعفوه ". قال المناوي عقبة: " وسبقه إلى الحكم بوضعه ابن الجوزي، وتعقبه المصنف فما راح ولا جاء! ". وقال في " التيسير ": " صححه الحاكم. فأنكروا عليه وقالوا: واه جدا. بل قيل بوضعه
পরিচ্ছেদঃ
১৯৬৭। সে উসমানকে ঘৃণা করত ফলে আল্লাহ্ তা’য়ালা তাকে ঘৃণা করেন।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে তিরমিযী (২/২৯৭) ও সাহমী “তারীখু জুরজান” গ্রন্থে (৬০) মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ হতে, তিনি ইবনু আজলান হতে, তিনি আবুয যুবায়ের হতে, তিনি জাবের (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এক বক্তির জানাযার সালাত আদায় করার জন্য ডাকা হয়েছিল কিন্তু তিনি তার সালাত আদায় করলেন না। তখন তারা বললেনঃ হে আল্লাহর রসূল! এ ব্যক্তি ছাড়া অন্য কারো সালাত আদায় না করতে তো আপনাকে দেখিনি? তখন তিনি বললেনঃ ... ।
তিরমিযী বলেনঃ এ হাদীসটি গারীব। একমাত্র এ সূত্রেই আমরা এটিকে চিনি। মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ হচ্ছেন মাইমূন ইবনু মিহরানের সাথী তিনি হাদীসের ক্ষেত্রে খুবই দুর্বল।
আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি হচ্ছেন ইয়াশকুরী তহহান। হাফিয ইবনু হাজার বলেনঃ তাকে তারা (মুহাদ্দিসগণ) মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর আবুয যুবায়ের হচ্ছেন মুদাল্লিস তিনি আন আন করে বর্ণনা করেছেন।
إنه كان يبغض عثمان فأبغضه الله
موضوع
-
رواه الترمذي (2 / 297) والسهمي في " تاريخ جرجان " (60) عن محمد بن زياد عن ابن عجلان عن أبي الزبير عن جابر قال: دعي النبي صلى الله عليه وسلم إلى جنازة يصلي عليه فلم يصل عليه، قالوا: يا رسول الله! ما رأيناك تركت الصلاة على أحد إلا على هذا؟ قال: فذكره. وقال الترمذي: " حديث غريب، لا نعرفه إلا من هذا الوجه، ومحمد بن زياد صاحب ميمون بن مهران ضعيف في الحديث جدا ". قلت: وهو اليشكري الطحان قال الحافظ: " كذبوه ". وأبو الزبير مدلس وقد عنعنه
পরিচ্ছেদঃ
১৯৭১। দুধ পান করার দ্বারা শুধুমাত্র ঈমানকে বুঝানো হয়। যে ব্যক্তি তার ঘুমের মধ্যে দুধ পান করবে সে ইসলাম এবং ফিতরাতের উপর রয়েছে। আর যে তার হাত দিয়ে দুধ গ্রহণ করবে সে ইসলামী শারীয়াতের উপর আমলকারী হবে।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে দাইলামী “মুসনাদুল ফিরদাউস” গ্রন্থে আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। আর তার সনদটি হচ্ছে অন্ধকারাচ্ছন্ন। এর মধ্যে ইব্রাহীম ত্বইয়্যান রয়েছেন, তিনি হুসাইন ইবনু কাসেম হতে মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী। আর হুসাইন- ইসমাঈল ইবনু আবু যিয়াদ হতে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে তার মতই। আর ইসমাঈল হচ্ছে বড়ই মিথ্যুক হাদীস জালকারী।
"তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/৩৫৭) তার আসল সুয়ূতীর "যাইলুল লাআলীল মাসনুয়াহ ফিল আহাদীসিল মওষুয়াহ" গ্রন্থের (৮৫৪) অনুসরণ করে এরূপই এসেছে।
অতঃপর তিনি ভুলে গিয়ে দাইলামীর সূত্র হতে “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। আর মানবী হতে অদ্ভূত ব্যাপার ঘটেছে এই যে, তিনি “আলফায়েয” গ্রন্থে উক্ত তিন মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষীদের দিকে ইঙ্গিত করা সত্ত্বেও “আততাইসীর” গ্রন্থে হাদীসটিকে শুধুমাত্র দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন!! তার থেকে এরূপ বহুবার ঘটেছে।
شرب اللبن محض الإيمان، من شربه في منامه فهو على الإسلام والفطرة، ومن تناول اللبن بيده فهو يعمل بشرائع الإسلام
موضوع
-
رواه الديلمي في " مسند الفردوس " من حديث أبي هريرة وإسناده ظلمات فيه إبراهيم الطيان وهو متهم عن الحسين بن قاسم وهو مثله عن إسماعيل بن أبي زياد وهو كذاب يضع الحديث كذا في " تنزيه الشريعة " (357 / 2) تبعا لأصله " ذيل اللآلئ المصنوعة في الأحاديث الموضوعة " للسيوطي (رقم 854 - بترقيمي) . ثم ذهل فأورده في " الجامع الصغير "! من طريق الديلمي! والعجب من المناوي، فإنه مع إشارته في " الفيض " إلى أن في إسناده أولئك المتهمين الثلاثة، اقتصر في " التيسير " على تضعيفه!! ومثل هذا يتكرر منه كثيرا، وتقدمته نماذج أقربها (ص 428)
পরিচ্ছেদঃ
১৯৭৪। তোমরা ভিক্ষুকের অমর্যাদাকর অবস্থাকে একটি মাছির মাথার সমপরিমাণ বস্তু দ্বারা হলেও প্রতিহত কর।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে ওকাইলী “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (পৃঃ ৩৭) উসমান ইবনু আব্দুর রহমান হতে, তিনি ইসহাক ইবনু নাজীহ হতে, তিনি আতা হতে, তিনি আয়েশা (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
তিনি হাদীসটিকে ইসহাক ইবনু নাজীহের জীবনীতে উল্লেখ করে ইবনু মা’ঈনের উদ্ধৃতিতে বর্ণনা করেছেন যে, তিনি বলেনঃ বাগদাদে এক সম্প্রদায় ছিল যারা হাদীস জাল করতো, তারা মিথ্যুক। তাদের মধ্যে ইসহাক ইবনু নাজীহ বাহেলীও ছিলেন। ইমাম আহমাদ হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেনঃ তিনি লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় মিথ্যুক। ইমাম বুখারী হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। “আততাহযীব” গ্রন্থে এসেছেঃ ইবনুল জাওযী বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ এ মর্মে ইজমা করেছেন যে, তিনি হাদীস জালকারী ছিলেন।
হাফিয যাহাবী ধারণা করেছেন যে, হাদীসটির বর্ণনাকারী এ ইসহাক হাদীস জালকারী মালাতী নন। তিনি ওকাইলীর সূত্রে তাকে উল্লেখ করার পর বলেছেনঃ ইনি মালাতী নন, বরং অন্য কেউ। হাদীসটির সমস্যা হচ্ছে উসমান অকাসী ।
আমি (আলবানী) বলছিঃ হাফিয ইবনু হাজার “আততাহযীব” গ্রন্থে তার শাইখদের মধ্যে আতা আলখুরাসানীকে উল্লেখ করেছেন। আর এ হাদীসটি আতা হতে তার বর্ণনাকৃত হাদীস যেমনটি দেখছেন। বাহ্যিকতা প্রমাণ করছে যে, তিনি খুরাসানী। অতএব ইসহাক ইবনু নাজীহ হচ্ছেন জালকারী মালাতী এবং এটিই সঠিকের নিকটবর্তী। আল্লাহই বেশী ভালো জানেন।
যাই হোক যদি সনদটি মালাতী হতে নিরাপদও হয়, তবুও এটি উসমান ইবনু আব্দুর রহমান অকাসী হতে নিরাপদ নয় যেমনটি হাফিয যাহাবী বলেছেন। আর তিনিও একজন বড় মিথ্যুক।
আজব ব্যাপার এই যে, সুয়ূতী কিভাবে এটিকে "আলজামেউস সাগীর" গ্রন্থে ওকাইলীর এ বর্ণনা হতে উল্লেখ করলেন অথচ বর্ণনাকারী সম্পর্কে তার কথা উল্লেখ করলেন না! আরো আজব ব্যাপার এই যে, হাফিয ইরাকীও “আলমুগনী” গ্রন্থে (১/২২৬) তার অভ্যাসের বিপরীত করে তার ব্যাপারে চুপ থেকেছেন। আর মানবী বলেছেনঃ ইবনুল জাওযী বলেনঃ হাদীসটি সহীহ নয়। ইসহাক ইবনু নাজীহ এটির ব্যাপারে দোষী। ইমাম আহমাদ বলেনঃ ....। যেমনটি পূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে।
বড় মুসীবাত হচ্ছে এই যে, হাদীসটির ভাষাকে “শারহুল মানবী”তে সহীহ হিসেবে আলামাত দিয়ে উল্লেখ করা হয়েছে। আর এরূপ বহু উদাহরণ রয়েছে। এ থেকে প্রমাণিত হয় যে, “আলজামে” গ্রন্থে ব্যবহৃত আলামাতের উপর নির্ভর করা যায় না।
ردوا مذمة السائل ولوبمثل رأس الذباب
موضوع
-
رواه العقيلي في " الضعفاء " (ص 37) عن عثمان بن عبد الرحمن قال: حدثنا إسحاق بن نجيح عن عطاء عن عائشة مرفوعا. ذكره في ترجمة إسحاق بن نجيح هذا، وروى عن ابن معين أنه قال: " كان ببغداد قوم يضعون الحديث، كذابين منهم إسحاق بن نجيح الباهلي ". وعن أحمد أنه قال: " هو من أكذب الناس". وعن البخاري: " منكر الحديث ". وفي " التهذيب ": " وقال ابن الجوزي: أجمعوا على أنه كان يضع الحديث ". وقد زعم الذهبي أن إسحاق هذا راوي الحديث ليس هو الملطي الوضاع، فقال بعد أن ذكره من طريق العقيلي: " قلت: ما هذا بالملطي، ذا آخر، والآفة من عثمان الوقاصي ". قلت: قد ذكر الحافظ في " التهذيب " من شيوخه عطاء الخراساني وهذا الحديث من روايته عن عطاء كما ترى، والظاهر أنه الخراساني، وعليه فإسحاق بن نجيح هو الملطي الوضاع، وعليه جرى العقيلي كما سبق، وهو الأقرب إلى الصواب. والله أعلم. وعلى كل حال فإنه إن سلم من الملطي فلن يسلم من عثمان بن عبد الرحمن وهو الوقاصي كما قال الذهبي، وهو كذاب أيضا. فالعجب من السيوطي كيف أورد الحديث في " الجامع الصغير " من رواية العقيلي هذه! دون أن يذكر - كما هي عادته - كلام مخرجه في راويه! وأعجب منه أن الحافظ العراقي سكت عنه أيضا في " المغني " (1 / 226) على خلاف غالب عادته فيه! وقال المناوي: " قال ابن الجوزي: حديث لا يصح، والمتهم به إسحاق بن نجيح، قال أحمد: ... ". فذكر ما تقدم عنه. ومن المصائب أنه وقع متن الحديث في " شرح المناوي " مرموزا له بالصحة! وهذا من الأمثلة الكثيرة، على أن رموز الجامع لا يوثق بها، وقد ذكرت بعض الأمثلة الأخرى في مقدمة كتابي " ضعيف الجامع الصغير وزيادته
পরিচ্ছেদঃ
১৯৭৮। তিন শ্রেণীর লোক কিয়ামতের দিন শাফায়াত করবেঃ নবীগণ, আলেমগণ ও শহীদগণ।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে ইবনু মাজাহ (৪৩১৩), ওকাইলী “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (পৃঃ ৩৩১), ইবনু আব্দিল বার "জামেউ বায়ানিল ইলম" গ্রন্থে (১/৩০), নাসর মাকদেসী “জুযউম মিন হাদীস” গ্রন্থে (২৫৫/১) ও ইবনু আসাকির (৯/৩৯১/১) আম্বাসা ইবনু আব্দুর রহমান কুরাশী হতে, তিনি আল্লাক ইবনু আবু মুসলিম হতে, তিনি আবান ইবনু উসমান হতে, তিনি উসমান ইবনু আফফান (রাঃ) হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
হাদীসটিকে ওকাইলী এ আম্বাসার জীবনীতে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার মুতাবা’য়াত করা হয়নি। আর ইমাম বুখারী হতে বর্ণনা করা হয়েছে যে, তিনি বলেনঃ তাকে মুহাদ্দিসগণ ত্যাগ করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু হাতিম বলেনঃ তিনি হাদীস জাল করতেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ থেকেই বুঝা যায় যে, হাফিয ইরাকী “তাখরীজু ইয়াহইয়া” গ্রন্থে (১/৬) শুধুমাত্র দুর্বল বলে শিথিলতা প্রদর্শন করেছেন। আর সুয়ূতী তার থেকেও মন্দ করেছেন, অতঃপর মানবী। তিনি তার "ফায়েয" গ্রন্থে বলেনঃ মুসান্নিফ হাদীসটি হাসান হওয়ার চিহ্ন ব্যবহার করেছেন। অথচ ইবনু আদী ও ওকাইলী আম্বাসার দ্বারা হাদীসটির সমস্যা বর্ণনা করেছেন। আর বুখারী হতে নকল করেছেন যে, তিনি বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ তাকে ত্যাগ করেছেন। তা সত্ত্বেও মানবী তার “আততাইসীর” গ্রন্থে বলেছেনঃ এর সনদটি হাসান। আর গুমারী অভ্যাসগতভাবে তার তাকলীদ করেছেন।
يشفع يوم القيامة ثلاثة: الأنبياء ثم العلماء ثم الشهداء
موضوع
-
رواه ابن ماجه (رقم 4313) والعقيلي في " الضعفاء " (ص 331) وابن عبد البر في " جامع بيان العلم " (1 / 30) ونصر المقدسي في " جزء من حديثه " (255 / 1) وابن عساكر (9 / 391 / 1) عن عنبسة بن عبد الرحمن بن عنبسة القرشي عن علاق بن أبي مسلم عن أبان بن عثمان عن عثمان بن عفان مرفوعا. أورده العقيلي في ترجمة عنبسة هذا، وقال: " لا يتابع عليه ". وروى عن البخاري أنه قال فيه: " تركوه ". قلت: وقال أبو حاتم: " كان يضع الحديث قلت: ومنه تعلم تساهل العراقي في قوله في " تخريج الإحياء " (1 / 6) : " إسناده ضعيف "! وأسوأ منه السيوطي، ثم المناوي، فإن هذا قال في " فيضه ": " رمز المصنف لحسنه، وهو عليه رد، فقد أعله ابن عدي والعقيلي بعنبسة، ونقل عن البخاري أنهم تركوه ". ثم نكل المناوي عن هذا، فقال في " التيسير ": " إسناده حسن "! وقلده الغماري كعادته (4579)
পরিচ্ছেদঃ
১৯৮০। তিন ব্যক্তিকে খাদ্য ও পানিয়ের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করা হবে নাঃ ইফতারকারী, সাহরী গ্রহণকারী ও মেহমানের মেহমানদারকারী। আর তিন ব্যক্তিকে মন্দ চরিত্রের কারণে নিন্দ করা হবে নাঃ রোগী, সওমপালনকারী ইফতার করা পর্যন্ত ও ন্যায়পরায়ণ ইমাম।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে দাইলামী তার “মুসনাদ’ গ্রন্থে (২/৩৫/২) মুজাশি ইবনু আমর সূত্রে আওযাঈ হতে, তিনি ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাসীর হতে, তিনি আবু সালামাহ হতে, তিনি আবু হুরাইরাহ (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এটি বানোয়াট। এর সমস্যা হচ্ছে মুজাশি। ইবনু হিব্বান “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (৩/১৮) বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে হাদীস জালকারীদের একজন ছিলেন। তিনি একদল নির্ভরযোগ্য হতে বানোয়াট হাদীস বর্ণনা করেছেন। একমাত্র তার ক্রটি বর্ণনা করার উদ্দেশ্য ছাড়া তাকে গ্রন্থের মধ্যে উল্লেখ করাই বৈধ নয়।
হাদীসটিকে সুয়ূতী “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে উক্ত সূত্র হতেই উল্লেখ করে চুপ থেকেছেন। এতে আশ্চর্যাম্বিত হওয়ার কিছু নেই। কারণ তিনি “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে এরূপ চুপ থাকেনই। অথচ তিনি ভূমিকার মধ্যে অঙ্গীকার করেছেন যে, মিথ্যুক অথবা জলকারীর একক বর্ণনা হতে গ্রন্থটিকে হেফাযাত করবেন।
অনুরূপভাবে এ গ্রন্থের টীকা লেখক কমিটিও চুপ থেকেছেন (২/১১/১৩৫৭)। এটির প্রথম অংশটি আরেক জলকারী বর্ণনা করেছেন। কিন্তু তিনি তার ভাষায় তৃতীয় ব্যক্তি হিসেবে উল্লেখ করেছেনঃ আল্লাহ্র পথে পাহারাদার হিসেবে নিজেকে যুক্তকারী। সেটির তাখরীজ দ্বিতীয় খণ্ডের (৬৩১) নম্বরে করা হয়েছে।
ثلاثة لا يسألون عن نعيم المطعم والمشرب: المفطر والمتسحر وصاحب الضيف. وثلاثة لا يلامون على سوء الخلق: المريض والصائم حتى يفطر والإمام العادل
موضوع
-
أخرجه الديلمي في " مسنده " (2 / 35 / 2) من طريق مجاشع بن عمرو عن الأوزاعي عن يحيى بن أبي كثير عن أبي سلمة عن أبي هريرة مرفوعا. قلت: وهذا موضوع، آفته مجاشع هذا، قال ابن حبان في " الضعفاء " (3 / 18) : " كان ممن يضع الحديث على الثقات، ويروي الموضوعات عن أقوام ثقات، لا يحل ذكره في الكتب إلا على سبيل القدح فيه ". والحديث ذكره السيوطي في " الجامع الكبير " بهذا المصدر، وسكت عنه، ولا غرابة في ذلك، فإنه يسكت عن مثله في " الجامع الصغير "، وقد تعهد في مقدمته أن يصونه عما تفرد به كذاب أووضاع! وكذلك سكتت عنه اللجنة القائمة على التعليق عليه (2 / 11 / 1357) ! والشطر الأول منه قد رواه وضاع آخر، لكنه قال في الثالث: " والمرابط في سبيل الله ". وتقدم تخريجه والتعليق عليه في المجلد الثاني برقم (631)
পরিচ্ছেদঃ
১৯৯৬। তোমাদের মধ্যে পুলসিরাতের উপর বেশী স্থিতিশিলতা অর্জন করবে সেই ব্যক্তি যে আমার আহলেবাইত এবং আমার সাথীগণকে বেশী ভালোবাসবে।
হাদীসটি বানেয়াট।
এটিকে দাইলামী (১/১/৮৪) আবূ নুয়াইম সূত্রে হুসাইন ইবনু আলান হতে, তিনি আহমাদ ইবনু হাম্মাদ ইবনু সুফইয়ান হতে, তিনি হুসাইন ইবনু হুমরান হতে, তিনি কাসেম ইবনু বাহরাম হতে, তিনি জা’ফার ইবনু মুহাম্মাদ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আলী (রাঃ) হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি খুবই দুর্বল। কাসেম ইবনু বাহরাম সম্পর্কে হাফিয যাহাবী বলেনঃ ইবনুল মুনকাদির হতে বর্ণিত তার আজব আজব বিষয় রয়েছে। ইবনু হিব্বান প্রমুখ তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। আর হুসাইন ইবনু হুমরান এবং তার নিচের বর্ণনাকারীদেরকে আমি চিনি না। তবে মানবী "আলফায়েয” গ্রন্থে বলেনঃ এটি দুর্বল। এর কারণ এর মধ্যে হুসাইন ইবনু আলান রয়েছেন। হাফিয ইবনু হাজার "আললিসান" গ্রন্থে তার মূলের উদ্ধৃতিতে বলেন যেমন ইবনুল জাওযী; তিনি আহমাদ ইবনু হাম্মাদের উদ্ধৃতিতে একটি হাদীস জাল করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ "আললিসান" গ্রন্থে এটি আমি পাচ্ছি না। “আলমীযান” গ্রন্থেও পাচ্ছি না, ইবনুল জাওযীর "আলমাওযুয়াত" গ্রন্থেও পাচ্ছি না। আল্লাহই বেশী জানেন। অতঃপর আমি উক্ত কথা হাসান ইবনু আলানের ব্যাপারে "আললিসান" গ্রন্থে (২/২২১) পেয়েছি।
মানবীর আজব ব্যাপার হচ্ছে এই যে, তিনি ইবনু আলানকে জাল করার দোষে দোষী এ বিষয়টি নকল করার পরেও তিনি শুধুমাত্র হাদীসটিকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন যেমনটি দেখছেন। অনুরূপভাবে তিনি তার "আততায়সীর" গ্রন্থেও একই কারবার করেছেন।
হাদীসটির জাফর ইবনু মুহাম্মাদ হতে আরেকটি সূত্র রয়েছে। যার মধ্যে ইবনু আদীর নিকট অপবাদপ্রাপ্ত ব্যক্তি (৬/২৩০৩) হচ্ছেন ইবনুল আশয়াস। যার সম্পর্কে (১৭৯৫) নম্বর হাদীসের মধ্যে আলোচনা করা হয়েছে। কিন্তু মানবী এ ব্যাপারে কিছুই বলেননি।
أثبتكم على الصراط أشد حبا لأهل بيتي وأصحابي
موضوع
-
الديلمي (1 / 1 / 84) من طريق أبي نعيم عن الحسين بن علان: حدثنا أحمد بن حماد بن سفيان حدثنا الحسين بن حمران. حدثنا القاسم بن بهرام عن جعفر بن محمد عن أبيه عن علي مرفوعا قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، القاسم بن بهرام قال الذهبي: " له عجائب عن ابن المنكدر، وهاه ابن حبان وغيره ". والحسين بن حمران ومن دونه لم أعرفهم، لكن قال في " الفيض ": " وهو ضعيف، وسببه أن فيه الحسين بن علان، قال في " اللسان " عن أصله كابن الجوزي: وضع حديثا عن أحمد بن حماد ". قلت: ولم أجد هذا في " اللسان "، ولا في أصله "
الميزان "، ولا في " الموضوعات " لابن الجوزي. فالله أعلم. ثم وجدته في " (الحسن بن علان) - " اللسان " (2 / 221) . ومن عجائبه - أعني المناوي - أنه ينقل اتهام ابن علان بالوضع، ثم يقتصر على تضعيف الحديث كما رأيت، وكذا في كتابه الآخر: " التيسير "! وللحديث طريق أخرى عن جعفر بن محمد به. وفيه متهم عند ابن عدي (6 / 2303) وهو ابن الأشعت المتقدم تحت الحديث (1795) ولم يتكلم المناوي عليها بشيء
পরিচ্ছেদঃ
১৯৯৭। দু’ব্যক্তির দিকে কিয়ামতের দিন আল্লাহ্ তা’য়ালা তাকাবেন না। রেহেমের (রক্তের) সম্পর্ক ছিন্নকারী আর মন্দ প্রতিবেশী।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে দাইলামী (১/১/৮৫) আহমাদ ইবনু দাউদ হতে, তিনি মুহাম্মাদ ইবনু মাহদী বাসরী হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আবান হতে, তিনি আনাস (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি বানোয়াট। আবান হচ্ছেন ইবনু আবী আইয়্যাশ, শুবা তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়ে বলেছেনঃ ব্যক্তি কর্তৃক যেনা করা বেশী ভালো আবান হতে বর্ণনা করার চেয়ে। ইবনু হিব্বান বলেনঃ তিনি আনাস (রাঃ) হতে এক হাজার পাঁচশতটি হাদীস বর্ণনা করেছেন। যেগুলোর বড় অংশের এমন ভিত্তি নেই যার দিকে প্রত্যাবর্তন করা যায়।
আর মুহাম্মাদ ইবনু মাহদীকে আমি চিনি না। আর তার পিতা মাহদী হচ্ছেন ইবনু হিলাল বাসরী। তাকে ইয়াহইয়াহ ইবনু সাঈদ মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর ইবনু মাঈন বলেছেনঃ তিনি হাদীস জালকারী।
আর আহমাদ ইবনু দাউদ যদি ইবনু আব্দুল গাফফার হাররানী মিসরী হন অথবা আব্দুর রাযযাকের বোনের ভাই হন তাহলে তারা উভয়েই মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী। প্রথমজনকে দারাকুতনী প্রমুখ মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর হাফিয যাহাবী তার কতিপয় মিথ্যা হাদীস উল্লেখ করেছেন। আর দ্বিতীয়জন সম্পর্কে ইমাম আহমাদ বলেনঃ তিনি লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় মিথ্যুক ছিলেন।
اثنان لا ينظر الله إليهما يوم القيامة، قاطع الرحم وجار السوء
موضوع
-
الديلمي (1 / 1 / 85) عن أحمد بن داود عن محمد بن مهدي البصري عن أبيه عن أبان عن أنس مرفوعا. قلت: هذا إسناد موضوع، أبان - وهو ابن أبي عياش - كذبه شعبة، وقال: " لأن يزني الرجل خير من أن يروي عن أبان ". وقال ابن حبان: " روى عن أنس أكثر من ألف وخمسمائة حديث، ما لكبير شيء منها أصل يرجع إليه " ومحمد بن مهدي، لم أعرفه. وأبو هـ مهدي، هو ابن هلال البصري، كذبه يحيى بن سعيد، وقال ابن معين: " يضع الحديث ". وأحمد بن داود إن كان ابن عبد الغفار الحراني المصري، أوابن أخت عبد الرزاق، فكلاهما متهم بالكذب. فالأول كذبه الدارقطني وغيره، وذكر له الذهبي من أكاذيبه أحاديث. والآخر قال أحمد: كان من أكذب الناس
পরিচ্ছেদঃ
১৯৯৯। তোমরা দুটি খ্যাতিসম্পন্ন বস্তু হতে বেঁচে থাকঃ পশম আর লাল রং।
হাদীসটি বানোয়াট।
এটিকে দাইলামী (১/১/২১) মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন সুলামী হতে, তিনি হুসাইন ইবনু আহমাদ সফফার হতে, তিনি আহমাদ ইবনু ঈসা অশা হতে, তিনি রাবী’ ইবনু সুলাইমান হতে, তিনি আসাদ ইবনু মূসা হতে, তিনি সুফইয়ান হতে, তিনি মা’মার হতে, তিনি যুহরী হতে, তিনি হিশাম ইবনু উরওয়া হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি আয়েশা (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
হাফিয ইবনু হাজার সাদা জায়গা ছেড়ে দিয়েছেন। আহমাদ ইবনু ঈসা অশাকে আমি চিনি না। হতে পারে তিনি তাসতুর মিসরী হাফিয। তিনি সেরূপই যেরূপ হাফিয যাহাবী বলেছেনঃ তাকে নির্ভরযোগ্য আখ্যা দেয়া হয়েছে বুখারী ও মুসলিমের বর্ণনাকারী হওয়া সত্ত্বেও। কিন্তু তার থেকে বর্ণনাকারী হুসাইন ইবনু আহমাদ সফফার সম্পর্কে হাকিম বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, তাকে নিয়ে ব্যস্ত হওয়া যায় না।
আর মুহাম্মাদ ইবনুল হুসাইন সুলামী হচ্ছেন আবু আব্দুর রহমান সূফী। হাফিয যাহাবী তার সম্পর্কে বলেনঃ মুহাদ্দিসগণ তার সমালোচনা করেছেন। তিনি ভালো নন। অন্তরের মধ্যে কিন্তু সৃষ্টি করে যখন তিনি এককভাবে কিছু বর্ণনা করেন। খাতীব বলেনঃ আমাকে মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ কাত্তান বলেনঃ তিনি সুফীদের জন্য হাদীস জাল করতেন।
আমি (আলবানী) বলছিঃ আমি আশঙ্কা করছি যে, এটি তারই জাল করা হাদীস যদি তার শাইখ এ কর্ম হতে নিরাপদ হয়।
আমি (আলবানী) বলছিঃ এ হাদীসের সনদে এতো সব সমস্যা থাকা সত্ত্বেও সুয়ূতী হাদীসটিকে “আলজামেউস সাগীর” গ্রন্থে এবং “আলজামেউল কাবীর” গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন ... আর তিনি বলেছেন যে, দুর্বল আখ্যা দেয়া হয়েছে। আর মানবী তার প্রতিবাদ করে বলেছেনঃ এর সনদে আহমাদ ইবনুল হুসাইন সফফার রয়েছেন, তারা (মুহাদ্দিসগণ) তাকে মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। এরূপই উল্টা করে উল্লেখ করা হয়েছে। অথচ সঠিক হচ্ছে হুসাইন ইবনু আহমাদ সাফফার।
احذروا الشهرتين: الصوف والحمرة
موضوع
-
الديلمي (1 / 1 / 21) عن محمد بن الحسين السلمي: أخبرنا الحسين ابن أحمد الصفار حدثنا أحمد بن عيسى الوشا حدثنا الربيع بن سليمان حدثنا أسد بن موسى حدثنا سفيان عن معمر عن الزهري عن هشام بن عروة عن أبيه عن عائشة مرفوعا. بيض له الحافظ، وأحمد بن عيسى الوشا لم أعرفه، ويحتمل أن يكون هو التستري المصري الحافظ، وهو كما قال الذهبي: " موثق "! مع كونه من رجال الشيخين! لكن الراوي عنه الحسين بن أحمد الصفار، قال الحاكم: " كذاب لا يشتغل به ". ومحمد بن الحسين السلمي هو أبو عبد الرحمن الصوفي. قال الذهبي: " تكلموا فيه، وليس بعمدة. وفي القلب مما يتفرد به ". وقال الخطيب: " قال لي محمد بن يوسف القطان: كان يضع الأحاديث للصوفية ". قلت: فأنا أخشى أن يكون هذا من وضعه إن سلم من شيخه! قلت: مع كل هذه الآفات في إسناد هذا الحديث، فقد أورده السيوطي في " الجامع الصغير " وفي " الجامع الكبير " أيضا، وكان فيه أقرب إلى الصواب لأنه قال: " وضعف "! فرده المناوي بقوله: " وفيه أحمد بن الحسين الصفار، كذبوه ". كذا وقع فيه على القلب، ولم تتنبه له اللجنة القائمة على " الجامع الكبير "، فنقلته عنه مقلوبا، والصواب " الحسين بن أحمد الصفار كما سبق
পরিচ্ছেদঃ ৭. বিদ‘আত ও ঝগড়াঝাটি হতে বেঁচে থাকা।
৫/৪৯। হুযাইফাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ বিদআতী ব্যাক্তির সাওম (রোযা/রোজা/সিয়াম/ছিয়াম), সালাত, যাকাত বা দান-খয়রাত, হাজ্জ (হজ্জ), উমরাহ, জিহাদ, ফিদয়া, ন্যায়বিচার ইত্যাদি কিছুই কবূল করবেন না। সে ইসলাম থেকে এমনভাবে খারিজ হয়ে যায় যেভাবে আটা থেকে চুল টেনে বের করা হয়।
بَاب اجْتِنَابِ الْبِدَعِ وَالْجَدَلِ
حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْعَسْكَرِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ أَبُو هَاشِمٍ بْنُ أَبِي خِدَاشٍ الْمَوْصِلِيُّ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مِحْصَنٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ أَبِي عَبْلَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ يَقْبَلُ اللَّهُ لِصَاحِبِ بِدْعَةٍ صَوْمًا وَلاَ صَلاَةً وَلاَ صَدَقَةً وَلاَ حَجًّا وَلاَ عُمْرَةً وَلاَ جِهَادًا وَلاَ صَرْفًا وَلاَ عَدْلاً يَخْرُجُ مِنَ الإِسْلاَمِ كَمَا تَخْرُجُ الشَّعَرَةُ مِنَ الْعَجِينِ " .
It was narrated that Hudhaifah said:
"The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Allah will not accept any fasting, prayer, charity, Hajj, 'Umrah, Jihad, or any other obligatory or voluntary action from a person who follows innovation (Bid'ah). He comes out of Islam like a hair pulled out of dough."
পরিচ্ছেদঃ ৮. কিয়াস ও মনগড়া মতামত হতে বেঁচে থাকা।
৪/৫৫। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে পাঠানোর সময় বলেনঃ যে বিষয়ে তোমার জ্ঞান আছে কেবল সেই বিষয়ে তুমি সিদ্ধান্ত বা রায় প্রদান করবে। কোন বিষয় তোমার জন্য কঠিন হলে (অজ্ঞাত থাকলে) তুমি অপেক্ষা করবে, যতক্ষণ না তোমার নিকট স্পষ্ট হয় (বা তোমাকে বলে দেয়া হয়) অথবা তুমি লিখিতভাবে সে সম্পর্কে আমাকে জানাবে।
তাখরীজ আলবানী: যঈফাহ ২/২৭৫-২৭৬।
উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বিন হাসসান সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার হাদিস বানোয়াট। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেছেন মুনকারুল হাদিস। আমর ইবনু ফাল্লাস বলেন, তিনি একাধিক হাদিস বানিয়ে বর্ণনা করেছেন। ইমাম বুখারী তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইমাম নাসাঈ তাকে মিথ্যুক বলেছেন এবং তার হাদিস প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইবনু নুমাইর বলেন তিনি বানিয়ে হাদিস বর্ণনা করেন।
بَاب اجْتِنَابِ الرَّأْيِ وَالْقِيَاسِ
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ حَمَّادٍ، سَجَّادَةُ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الأَمَوِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ حَسَّانَ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ نُسَىٍّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ، حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ، قَالَ لَمَّا بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِلَى الْيَمَنِ قَالَ " لاَ تَقْضِيَنَّ وَلاَ تَفْصِلَنَّ إِلاَّ بِمَا تَعْلَمُ فَإِنْ أَشْكَلَ عَلَيْكَ أَمْرٌ فَقِفْ حَتَّى تُبَيِّنَهُ أَوْ تَكْتُبَ إِلَىَّ فِيهِ " .
Mu'adh bin Jabal said:
"When the Messenger of Allah (ﷺ) sent me to Yemen, he said: 'Do not pass any judgment or make any decision except on the basis of what you know. If you are uncertain about a matter, wait until you understand it fully, or write to me concerning it.'"