সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ)
৬৮২

পরিচ্ছেদঃ ১. রামায়ান মাসের ফযীলত

৬৮২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শাইতান ও দুষ্ট জিনদেরকে রামাযান মাসের প্রথম রাতেই শৃঙ্খলাবদ্ধ করা হয়, জাহান্নামের দরজাগুলো বন্ধ করা হয় এবং এর দরজাও তখন আর খোলা হয় না, খুলে দেওয়া হয় জান্নাতের দরজাগুলো এবং এর একটি দরজাও তখন আর বন্ধ করা হয় না। (এ মাসে) একজন ঘোষণাকারী ঘোষণা দিতে থাকেনঃ হে কল্যাণ অন্বেষণকারী! অগ্রসর হও। হে পাপাসক্ত! বিরত হও। আর বহু লোককে আল্লাহ্ তা’আলার পক্ষ হতে এ মাসে জাহান্নাম থেকে মুক্ত করে দেওয়া হয় এবং প্রত্যেক রাতেই এরূপ হতে থাকে। — সহীহ ইবনু মা-জাহ (১৬৪২)

আবদুর রাহমান ইবনু আওফ, ইবনু মাসউদ ও সালমান (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ شَهْرِ رَمَضَانَ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ بْنِ كُرَيْبٍ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا كَانَ أَوَّلُ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ صُفِّدَتِ الشَّيَاطِينُ وَمَرَدَةُ الْجِنِّ وَغُلِّقَتْ أَبْوَابُ النَّارِ فَلَمْ يُفْتَحْ مِنْهَا بَابٌ. وَفُتِّحَتْ أَبْوَابُ الْجَنَّةِ فَلَمْ يُغْلَقْ مِنْهَا بَابٌ وَيُنَادِي مُنَادٍ يَا بَاغِيَ الْخَيْرِ أَقْبِلْ وَيَا بَاغِيَ الشَّرِّ أَقْصِرْ وَلِلَّهِ عُتَقَاءُ مِنَ النَّارِ وَذَلِكَ كُلَّ لَيْلَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَابْنِ مَسْعُودٍ وَسَلْمَانَ ‏.‏

حدثنا ابو كريب، محمد بن العلاء بن كريب حدثنا ابو بكر بن عياش، عن الاعمش، عن ابي صالح، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اذا كان اول ليلة من شهر رمضان صفدت الشياطين ومردة الجن وغلقت ابواب النار فلم يفتح منها باب. وفتحت ابواب الجنة فلم يغلق منها باب وينادي مناد يا باغي الخير اقبل ويا باغي الشر اقصر ولله عتقاء من النار وذلك كل ليلة ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عبد الرحمن بن عوف وابن مسعود وسلمان ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "On the first night of the month of Ramadan, the Shayatin are shackled, the jinns are restrained, the gates of the Fires are shut such that no gate among them would be opened. The gates of Paradise are opened such that no gate among them would be closed, and a caller calls: 'O seeker of the good; come near!' and 'O seeker of evil; stop! For there are those whom Allah frees from the Fire.' And that is every night."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৩

পরিচ্ছেদঃ ১. রামায়ান মাসের ফযীলত

৬৮৩। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক রামাযান মাসের রোযা পালন করলো এবং (ইবাদাতের উদ্দেশ্যে) রাতে জেগে রইলো, তার পূর্ববর্তী গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়। আর ঈমানের সাথে এবং সাওয়াবের আশা করে যে লোক লাইলাতুল কাদূরের (ইবাদাতের জন্য) রাতে জেগে থাকে, তার পূর্ববর্তী গুনাহগুলো ক্ষমা করে দেওয়া হয়।

– সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৩২৬),বুখারী, মুসলিম

আবু ঈসা আবু বকর ইবনু আবূ য়াসের সূত্রে আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটিকে গারীব বলেছেন। আমরা আমাশ-আবু সালিহ-এর সূত্রে বর্ণিত আবু হুরাইরা (রাঃ)-এর হাদীসটিকে শুধুমাত্ৰ আবূ বকর ইবনু আইয়াসের মাধ্যমেই জেনেছি। আমি এ হাদীস প্রসঙ্গে আবুল আহওয়াস হতে, তিনি আমাশ হতে, তিনি মুজাহিদ হতে তার বক্তব্য হিসাবে বর্ণিত রামাযান মাসের প্রথম রাতে...... হাদীসের শেষ পর্যন্ত। মুহাম্মাদ বলেন, আমার নিকটে এই সনদটি আবু বাকর ইবনু আইয়াসের তুলনায় বেশি সহীহ।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ شَهْرِ رَمَضَانَ ‏‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، وَالْمُحَارِبِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ صَامَ رَمَضَانَ وَقَامَهُ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ وَمَنْ قَامَ لَيْلَةَ الْقَدْرِ إِيمَانًا وَاحْتِسَابًا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ الَّذِي رَوَاهُ أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ رِوَايَةِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي صَالِحٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرٍ ‏.‏
قَالَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ، فَقَالَ حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الرَّبِيعِ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، قَوْلَهُ ‏"‏ إِذَا كَانَ أَوَّلُ لَيْلَةٍ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ ‏"‏ ‏.‏ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ ‏.‏ قَالَ مُحَمَّدٌ وَهَذَا أَصَحُّ عِنْدِي مِنْ حَدِيثِ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَيَّاشٍ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا عبدة، والمحاربي، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من صام رمضان وقامه ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ومن قام ليلة القدر ايمانا واحتسابا غفر له ما تقدم من ذنبه ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث صحيح ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابي هريرة الذي رواه ابو بكر بن عياش حديث غريب لا نعرفه من رواية ابي بكر بن عياش عن الاعمش عن ابي صالح عن ابي هريرة الا من حديث ابي بكر ‏.‏ قال وسالت محمد بن اسماعيل عن هذا الحديث، فقال حدثنا الحسن بن الربيع، حدثنا ابو الاحوص، عن الاعمش، عن مجاهد، قوله ‏"‏ اذا كان اول ليلة من شهر رمضان ‏"‏ ‏.‏ فذكر الحديث ‏.‏ قال محمد وهذا اصح عندي من حديث ابي بكر بن عياش ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "Whoever fasts Ramadan and stands (in the night prayer) for it out of faith and seeking a reward (from Allah), he will be forgiven what preceded of his sins. Whoever stands (in the night prayer) on the Night of Al-Qadr out of faith and seeking a reward (from Allah), he will be forgiven what preceded of his sins."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৪

পরিচ্ছেদঃ ২. রামাযান মাস আসার পূর্বক্ষণে রোযা পালন করো না

৬৮৪। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রামাযান মাস আসার একদিন কিংবা দুইদিন পূর্ব থেকে তোমরা (নফল) রোযা পালন করো না। হ্যাঁ, তবে তোমাদের কারো পূর্ব অভ্যাস অনুযায়ী রোযা পালনের দিন পড়ে গেলে সে ঐ দিনের রোযা পালন করতে পারবে। তোমরা রোযা রাখ চাঁদ দেখে এবং রোযা শেষও কর চাঁদ দেখেই। (২৯ তারিখে) আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকলে ত্রিশ দিন পুরো কর চাঁদ দেখতে না পেলে), এরপর ইফতার কর (রোযা শেষ কর)। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৫০ ও ১৬৫৫), বুখারী, মুসলিম৷

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কিছু সংখ্যক সাহাবী হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী বিশেষজ্ঞ আলিমগণ আমল করেন। তাদের মতে রামাযান মাস শুরুর অব্যবহিত নির্ধারিত দিনে রোযা আদায়ের পূর্ব-অভ্যাস কারো থাকলে এবং রামাযানের আগের দিন সেই দিন হলে তবে এদিনে তার রোযা পালনে কোন সমস্যা নেই।

باب مَا جَاءَ لاَ تَقَدَّمُوا الشَّهْرَ بِصَوْمٍ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَقَدَّمُوا الشَّهْرَ بِيَوْمٍ وَلاَ بِيَوْمَيْنِ إِلاَّ أَنْ يُوَافِقَ ذَلِكَ صَوْمًا كَانَ يَصُومُهُ أَحَدُكُمْ صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ غُمَّ عَلَيْكُمْ فَعُدُّوا ثَلاَثِينَ ثُمَّ أَفْطِرُوا ‏"‏ ‏.‏ رَوَى مَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ عَنْ رِبْعِيِّ بْنِ حِرَاشٍ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِنَحْوِ هَذَا ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ بَعْضِ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ كَرِهُوا أَنْ يَتَعَجَّلَ الرَّجُلُ بِصِيَامٍ قَبْلَ دُخُولِ شَهْرِ رَمَضَانَ لِمَعْنَى رَمَضَانَ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يَصُومُ صَوْمًا فَوَافَقَ صِيَامُهُ ذَلِكَ فَلاَ بَأْسَ بِهِ عِنْدَهُمْ ‏.‏

حدثنا ابو كريب، حدثنا عبدة بن سليمان، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقدموا الشهر بيوم ولا بيومين الا ان يوافق ذلك صوما كان يصومه احدكم صوموا لرويته وافطروا لرويته فان غم عليكم فعدوا ثلاثين ثم افطروا ‏"‏ ‏.‏ روى منصور بن المعتمر عن ربعي بن حراش عن بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم بنحو هذا ‏.‏ قال وفي الباب عن بعض اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابي هريرة حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند اهل العلم كرهوا ان يتعجل الرجل بصيام قبل دخول شهر رمضان لمعنى رمضان وان كان رجل يصوم صوما فوافق صيامه ذلك فلا باس به عندهم ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Prophet said: "Do not precede the month with a day nor with two days, unless that fast falls on a day that one of you would have (normally) fasted. Fast with its sighting and break fast with its sighting, and if it is cloudy, then count for thirty days, and then break (the fast)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৫

পরিচ্ছেদঃ ২. রামাযান মাস আসার পূর্বক্ষণে রোযা পালন করো না

৬৮৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রামাযান মাস শুরুর এক দিন বা দু’দিন আগে রোযা পালন করো না। হ্যাঁ, তবে যে লোক অভ্যাসমত রোযা পালন করে সে লোক ঐ দিনে রোযা পালন করতে পারে। - সহীহ ইবনু মা-জাহ (১৬৫০), বুখারী, মুসলিম।

এ হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ لاَ تَقَدَّمُوا الشَّهْرَ بِصَوْمٍ ‏‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ الْمُبَارَكِ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَقَدَّمُوا شَهْرَ رَمَضَانَ بِصِيَامٍ قَبْلَهُ بِيَوْمٍ أَوْ يَوْمَيْنِ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ رَجُلٌ كَانَ يَصُومُ صَوْمًا فَلْيَصُمْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن علي بن المبارك، عن يحيى بن ابي كثير، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تقدموا شهر رمضان بصيام قبله بيوم او يومين الا ان يكون رجل كان يصوم صوما فليصمه ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "Do no precede the month of Ramadan by fasting a day or two before it, unless it is the case of a man who normally performs some fast, then let him fast it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৬

পরিচ্ছেদঃ ৩. সন্দেহযুক্ত দিনে রোযা পালন করা মাকরূহ

৬৮৬। সিলা ইবনু যুফার (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আম্মার ইবনু ইয়াসির (রাঃ)-এর নিকটে আমরা উপস্থিত ছিলাম। একটি ভুনা বকরী (খাবারের উদ্দেশ্যে) নিয়ে আসা হলে তিনি বললেন, তোমরা সকলেই খাও। কিন্তু কোন এক লোক দূরে সরে গিয়ে বলল, আমি রোযাদার। আম্মার (রাঃ) বললেন, সন্দেহযুক্ত দিনে যে লোক রোযা পালন করে সে লোক আবুল কাসিম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নাফারমানী করে। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৪৫)

আবু হুরাইরা ও আনাস (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা আম্মার (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। এই হাদীস অনুযায়ী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও তাবিঈদের মধ্যে বেশিরভাগই আমল করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, মালিক ইবনু আনাস, আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক (রাহঃ)-এর এরকমই অভিমত। সন্দেহের দিনে রোযা পালন করাকে তারা মাকরূহ বলেছেন। উক্ত দিনে কেউ রোযা পালন করলে আর তা রামাযান মাস হলে, তথাপিও বেশিরভাগ আলিমের মত অনুযায়ী সে লোককে এই দিনের স্থলে একটি কাযা রোযা পালন করতে হবে।

باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهِيَةِ صَوْمِ يَوْمِ الشَّكِّ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ الأَشَجُّ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ قَيْسٍ الْمُلاَئِيِّ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ صِلَةَ بْنِ زُفَرَ، قَالَ كُنَّا عِنْدَ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ فَأُتِيَ بِشَاةٍ مَصْلِيَّةٍ فَقَالَ كُلُوا ‏.‏ فَتَنَحَّى بَعْضُ الْقَوْمِ فَقَالَ إِنِّي صَائِمٌ ‏.‏ فَقَالَ عَمَّارٌ مَنْ صَامَ الْيَوْمَ الَّذِي يَشُكُّ فِيهِ النَّاسُ فَقَدْ عَصَى أَبَا الْقَاسِمِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَمَّارٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَمَنْ بَعْدَهُمْ مِنَ التَّابِعِينَ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ كَرِهُوا أَنْ يَصُومَ الرَّجُلُ الْيَوْمَ الَّذِي يُشَكُّ فِيهِ وَرَأَى أَكْثَرُهُمْ إِنْ صَامَهُ فَكَانَ مِنْ شَهْرِ رَمَضَانَ أَنْ يَقْضِيَ يَوْمًا مَكَانَهُ ‏.‏

حدثنا ابو سعيد عبد الله بن سعيد الاشج، حدثنا ابو خالد الاحمر، عن عمرو بن قيس الملاىي، عن ابي اسحاق، عن صلة بن زفر، قال كنا عند عمار بن ياسر فاتي بشاة مصلية فقال كلوا ‏.‏ فتنحى بعض القوم فقال اني صاىم ‏.‏ فقال عمار من صام اليوم الذي يشك فيه الناس فقد عصى ابا القاسم صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي هريرة وانس ‏.‏ قال ابو عيسى حديث عمار حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل على هذا عند اكثر اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم ومن بعدهم من التابعين وبه يقول سفيان الثوري ومالك بن انس وعبد الله بن المبارك والشافعي واحمد واسحاق كرهوا ان يصوم الرجل اليوم الذي يشك فيه وراى اكثرهم ان صامه فكان من شهر رمضان ان يقضي يوما مكانه ‏.‏


Silah bin Zufar said:
"We were with Ammar bin Yasir when a roasted sheep was brought and he said: 'Eat.' Someone among the people said: 'I am fasting.' So Ammar said: 'Whoever fasts on a day in which there is doubt, then he has disobeyed Abul-Qasim (pbuh)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৭

পরিচ্ছেদঃ ৪. রামাযান মাস নির্ধারণের উদ্দেশ্যে শাবানের চাঁদের গণনা

৬৮৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রামাযানের মাস নির্ধারণের জন্য শাবানের চাদেরও হিসাব রাখ। — হাসান, সহীহা (৫৬৫)

আবু ঈসা বলেন, আবু হুরাইরা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। এ হইনি। সহীহ রিওয়ায়াত হলঃ মুহাম্মাদ ইবনু আমর-আবু সালামা হতে, তিনি আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রামাযান মাসকে তোমরা এক দিন বা দুদিন এগিয়ে সামনে নিয়ে আসবে না। ইয়াহইয়া ইবনু কাসীর হতে তিনি আবু সালামা হতে, তিনি আবু হুরাইরা হতে, তিনি নবী সাল্লালাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মুহাম্মাদ ইবনু আমর আল-লাইসীর হাদীসের মতই হাদীস বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي إِحْصَاءِ هِلاَلِ شَعْبَانَ لِرَمَضَانَ ‏

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ حَجَّاجٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَحْصُوا هِلاَلَ شَعْبَانَ لِرَمَضَانَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ لاَ نَعْرِفُهُ مِثْلَ هَذَا إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ ‏.‏ وَالصَّحِيحُ مَا رُوِيَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ لاَ تَقَدَّمُوا شَهْرَ رَمَضَانَ بِيَوْمٍ وَلاَ يَوْمَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ وَهَكَذَا رُوِيَ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوُ حَدِيثِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو اللَّيْثِيِّ ‏.‏

حدثنا مسلم بن حجاج، حدثنا يحيى بن يحيى، حدثنا ابو معاوية، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احصوا هلال شعبان لرمضان ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابي هريرة لا نعرفه مثل هذا الا من حديث ابي معاوية ‏.‏ والصحيح ما روي عن محمد بن عمرو عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ لا تقدموا شهر رمضان بيوم ولا يومين ‏"‏ ‏.‏ وهكذا روي عن يحيى بن ابي كثير عن ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث محمد بن عمرو الليثي ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "Count the (the appearances of) the crescent of Sha'ban for Ramadan."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৮

পরিচ্ছেদঃ ৫. চাঁদ দেখে রোযা আরম্ভ করা এবং চাঁদ দেখে রোযা শেষ করা

৬৮৮। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রামাযানের পূর্বে রোযা রেখ না। তোমরা রামাযানের চাঁদ দেখার পর রোযা রাখা আরম্ভ কর এবং চাঁদ দেখার পর তা ভাঙ্গ। মেঘের কারণে চাঁদ দেখা না গেলে তবে ত্রিশ দিন পূর্ণকর। — সহীহ আবু দাউদ (২০১৬)

আবু হুরাইরা, আবু বাকরা ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। তার নিকট হতে এটি একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ أَنَّ الصَّوْمَ لِرُؤْيَةِ الْهِلاَلِ وَالإِفْطَارَ لَهُ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَصُومُوا قَبْلَ رَمَضَانَ صُومُوا لِرُؤْيَتِهِ وَأَفْطِرُوا لِرُؤْيَتِهِ فَإِنْ حَالَتْ دُونَهُ غَيَايَةٌ فَأَكْمِلُوا ثَلاَثِينَ يَوْمًا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي بَكْرَةَ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا ابو الاحوص، عن سماك بن حرب، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تصوموا قبل رمضان صوموا لرويته وافطروا لرويته فان حالت دونه غياية فاكملوا ثلاثين يوما ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن ابي هريرة وابي بكرة وابن عمر ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح وقد روي عنه من غير وجه ‏.‏


Ibn Abbas narrated that :
the Messenger of Allah said: "Do not fast before Ramadan. Fast with its sighting, and break fast with its sighting, and if it is obscured from you, then complete thirty days."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৮৯

পরিচ্ছেদঃ ৬. উনত্রিশ দিনেও একমাস পূর্ণ হয়

৬৮৯। ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে আমরা যতবার ত্রিশ দিন রোযা পালন করেছি, এর চেয়ে বেশী ঊনত্রিশ দিন রোযা পালন করেছি। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৫৮)

উমার, আবু হুরাইরা, আইশা, সা’দ ইবনু আবু ওয়াক্কাস, ইবনু আব্বাস, ইবনু উমার, আনাস, জা-বির, উম্মু সালামা ও আবু বাকরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উনত্রিশ দিনেও মাস পূর্ণ হয়।

باب مَا جَاءَ أَنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ ‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، أَخْبَرَنِي عِيسَى بْنُ دِينَارٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ضِرَارٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ مَا صُمْتُ مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم تِسْعًا وَعِشْرِينَ أَكْثَرُ مِمَّا صُمْنَا ثَلاَثِينَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَأَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ وَسَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنِ عُمَرَ وَأَنَسٍ وَجَابِرٍ وَأُمِّ سَلَمَةَ وَأَبِي بَكْرَةَ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الشَّهْرُ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا احمد بن منيع، حدثنا يحيى بن زكريا بن ابي زاىدة، اخبرني عيسى بن دينار، عن ابيه، عن عمرو بن الحارث بن ابي ضرار، عن ابن مسعود، قال ما صمت مع النبي صلى الله عليه وسلم تسعا وعشرين اكثر مما صمنا ثلاثين ‏.‏ قال وفي الباب عن عمر وابي هريرة وعاىشة وسعد بن ابي وقاص وابن عباس وابن عمر وانس وجابر وام سلمة وابي بكرة ان النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الشهر يكون تسعا وعشرين ‏"‏ ‏.‏


Ibn Mas'ud said:
"What I fasted with the Prophet hat was twenty-nine (days), was more than what we fasted that was thirty."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯০

পরিচ্ছেদঃ ৬. উনত্রিশ দিনেও একমাস পূর্ণ হয়

৬৯০। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার এক মাসের জন্য তার স্ত্রীদের সাথে ঈলা (শপথ) করেন। ঘরের মাচানের একটি কক্ষে তিনি ২৯ দিন থাকেন। লোকেরা বলল, হে রাসূলুল্লাহ! আপনি তো এক মাসের জন্য ঈলা (শপথ) করেছিলেন? তিনি বললেনঃ এই মাসটি উনত্রিশ দিনের। —সহীহ, বুখারী।

আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ أَنَّ الشَّهْرَ يَكُونُ تِسْعًا وَعِشْرِينَ ‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّهُ قَالَ آلَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ نِسَائِهِ شَهْرًا فَأَقَامَ فِي مَشْرُبَةٍ تِسْعًا وَعِشْرِينَ يَوْمًا قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّكَ آلَيْتَ شَهْرًا فَقَالَ ‏ "‏ الشَّهْرُ تِسْعٌ وَعِشْرُونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، عن حميد، عن انس، انه قال الى رسول الله صلى الله عليه وسلم من نساىه شهرا فاقام في مشربة تسعا وعشرين يوما قالوا يا رسول الله انك اليت شهرا فقال ‏ "‏ الشهر تسع وعشرون ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Anas narrated:
"The Messenger of Allah vowed to stay away from his wives for a month, so he stayed in a loft for twenty-nine days. They said: 'O Messenger of Allah, your vow was for a month,' so he said: 'The month is twenty-nine (days).'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯১

পরিচ্ছেদঃ ৭. সাক্ষ্যের ভিত্তিতে রোযা রাখা

৬৯১। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, কোন এক বিদুঈন ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এসে বলল, আমি (রামাযানের) নতুন চাঁদ দেখেছি। তিনি প্রশ্ন করলেনঃ তুমি কি এ কথার সাক্ষ্য দাও যে, আল্লাহ তা’আলা ব্যতীত আর কোন ইলাহ নেই? তুমি কি আরো সাক্ষ্য দাও যে, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা’আলার রাসূল? সে বলল, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ হে বিলাল! লোকদের মধ্যে ঘোষণা করে দাও তারা যেন আগামীকাল হতে রোযা রাখে।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৬৫২)

অন্য একটি সূত্রেও একই রকম হাদীস বর্ণিত হয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু আব্বাস (রাঃ) বর্ণিত হাদীসের সনদে মতের অমিল আছে।

সুফিয়ান সাওরী প্রমুখ এটিকে সিমাক ইবনু হারব, ইকরিমার সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে মুরসালরূপে বর্ণনা করেছেন। বেশিরভাগ বিশেষজ্ঞ আলিম এই হাদীস অনুযায়ী আমল করার কথা বলেছেন। তারা বলেন, রোযার ব্যাপারে এক ব্যক্তির সাক্ষ্যের ভিত্তিতে রোযা রাখা যাবে। ইবনুল মুবারাক, শাফিঈ, আহমাদ ও কূফাবাসীদের এই মত। ইসহাক বলেন, দুই ব্যক্তির সাক্ষ্য ব্যতীত রোযা রাখা যাবে না। তবে রোযা ভেঙ্গে ফেলার ব্যাপারে আলিমদের মধ্যে মতের অমিল নেই যে, এই ব্যাপারে দুই ব্যক্তির সাক্ষ্য আবশ্যিক।

باب مَا جَاءَ فِي الصَّوْمِ بِالشَّهَادَةِ ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ أَبِي ثَوْرٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي رَأَيْتُ الْهِلاَلَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَتَشْهَدُ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ أَتَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا رَسُولُ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ يَا بِلاَلُ أَذِّنْ فِي النَّاسِ أَنْ يَصُومُوا غَدًا ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سِمَاكٍ، نَحْوَهُ بِهَذَا الإِسْنَادِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ فِيهِ اخْتِلاَفٌ ‏.‏ وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، وَغَيْرُهُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً وَأَكْثَرُ أَصْحَابِ سِمَاكٍ رَوَوْا عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا تُقْبَلُ شَهَادَةُ رَجُلٍ وَاحِدٍ فِي الصِّيَامِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ ‏.‏ قَالَ إِسْحَاقُ لاَ يُصَامُ إِلاَّ بِشَهَادَةِ رَجُلَيْنِ ‏.‏ وَلَمْ يَخْتَلِفْ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي الإِفْطَارِ أَنَّهُ لاَ يُقْبَلُ فِيهِ إِلاَّ شَهَادَةُ رَجُلَيْنِ ‏.‏

حدثنا محمد بن اسماعيل، حدثنا محمد بن الصباح، حدثنا الوليد بن ابي ثور، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال جاء اعرابي الى النبي صلى الله عليه وسلم فقال اني رايت الهلال ‏.‏ قال ‏"‏ اتشهد ان لا اله الا الله اتشهد ان محمدا رسول الله ‏"‏ ‏.‏ قال نعم ‏.‏ قال ‏"‏ يا بلال اذن في الناس ان يصوموا غدا ‏"‏ ‏.‏ حدثنا ابو كريب، حدثنا حسين الجعفي، عن زاىدة، عن سماك، نحوه بهذا الاسناد ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابن عباس فيه اختلاف ‏.‏ وروى سفيان الثوري، وغيره، عن سماك، عن عكرمة، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا واكثر اصحاب سماك رووا عن سماك عن عكرمة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند اكثر اهل العلم قالوا تقبل شهادة رجل واحد في الصيام ‏.‏ وبه يقول ابن المبارك والشافعي واحمد واهل الكوفة ‏.‏ قال اسحاق لا يصام الا بشهادة رجلين ‏.‏ ولم يختلف اهل العلم في الافطار انه لا يقبل فيه الا شهادة رجلين ‏.‏


Ibn Abbas narrated:
"A Bedouin came to the Prophet and said: 'I have seen the crescent.' So he said: 'Do you testify that none has the right to be worshipped but Allah? Do you testify that Muhammad is the Messenger of Allah?' He said: 'Yes.' So he said: 'O Bilal! Announce to the people that they should fast tomorrow.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯২

পরিচ্ছেদঃ ৮. ঈদের দুই মাস কম হয় না

৬৯২। আবু বাকরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুই ঈদের মাস রামাযান ও যুলহিজ্জা (একসঙ্গে) কম হয় না। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৫৯), বুখারী, মুসলিম

আবু বাকরা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান বলেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু আবু বাকরার সূত্রে এ হাদীসটি মুরসাল হিসেবেও বর্ণিত আছে। ইমাম আহমাদ এ হাদীসের তাৎপর্য প্রসঙ্গে বলেনঃ “একসাথে দুই ঈদের মাস কম হয় না। অর্থাৎ একই বৎসর একটি মাস কম হয়ে গেলে (২৯ দিন হলে) অন্যটি পূর্ণ হবে" (৩০ দিন হবে)। ইসহাক বলেন, কম হবে না অর্থ হচ্ছে উনত্রিশ দিনে মাস হলেও পূর্ণ মাস হিসাবে এটি গণ্য হবে, তাতে কোনরকম অপূর্ণতা নেই। ইসহাক (রাহঃ)-এর মতানুসারে এই দুই মাস একই বছরে কম (২৯ দিনে) হতে পারে।

باب مَا جَاءَ شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، يَحْيَى بْنُ خَلَفٍ الْبَصْرِيُّ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ رَمَضَانُ وَذُو الْحِجَّةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي بَكْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً ‏.‏ قَالَ أَحْمَدُ مَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ ‏"‏ شَهْرَا عِيدٍ لاَ يَنْقُصَانِ ‏"‏ ‏.‏ يَقُولُ لاَ يَنْقُصَانِ مَعًا فِي سَنَةٍ وَاحِدَةٍ شَهْرُ رَمَضَانَ وَذُو الْحِجَّةِ إِنْ نَقَصَ أَحَدُهُمَا تَمَّ الآخَرُ ‏.‏ وَقَالَ إِسْحَاقُ مَعْنَاهُ ‏"‏ لاَ يَنْقُصَانِ ‏"‏ يَقُولُ وَإِنْ كَانَ تِسْعًا وَعِشْرِينَ فَهُوَ تَمَامٌ غَيْرُ نُقْصَانٍ ‏.‏ وَعَلَى مَذْهَبِ إِسْحَاقَ يَكُونُ يَنْقُصُ الشَّهْرَانِ مَعًا فِي سَنَةٍ وَاحِدَةٍ ‏.‏

حدثنا ابو سلمة، يحيى بن خلف البصري حدثنا بشر بن المفضل، عن خالد الحذاء، عن عبد الرحمن بن ابي بكرة، عن ابيه، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ شهرا عيد لا ينقصان رمضان وذو الحجة ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابي بكرة حديث حسن ‏.‏ وقد روي هذا الحديث عن عبد الرحمن بن ابي بكرة عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏ قال احمد معنى هذا الحديث ‏"‏ شهرا عيد لا ينقصان ‏"‏ ‏.‏ يقول لا ينقصان معا في سنة واحدة شهر رمضان وذو الحجة ان نقص احدهما تم الاخر ‏.‏ وقال اسحاق معناه ‏"‏ لا ينقصان ‏"‏ يقول وان كان تسعا وعشرين فهو تمام غير نقصان ‏.‏ وعلى مذهب اسحاق يكون ينقص الشهران معا في سنة واحدة ‏.‏


Abdur-Rahman bin Abi Bakrah narrated from his father that :
the Messenger of Allah said: "The two months of Eid will not both be deficient: Ramadn and Dhul-Hijjah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বাকরা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৩

পরিচ্ছেদঃ ৯. প্রত্যেক অঞ্চলের লোকদের জন্য তাদের চাঁদ দেখাই ধর্তব্য হবে

৬৯৩। কুরাইব (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুআবিয়া (রাঃ)-এর সাথে দেখা করার উদ্দেশ্যে উম্মুল ফাযল বিনতুল হারিস (রাঃ) তাকে শামে (সিরিয়ায়) প্রেরণ করেন। কুরাইব (রাহঃ) বলেন, সিরিয়ায় পৌছার পর আমি উম্মুল ফাযল (রাঃ)-এর কাজটি শেষ করলাম। আমি সিরিয়ায় থাকা অবস্থায়ই রামাযান মাসের চাঁদ দেখতে পাওয়া গেল। আমরা জুমুআর রাতে (বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায়) চাঁদ দেখতে পেলাম। রামাযানের শেষের দিকে আমি মদীনায় ফিরে আসলাম।

ইবনু আব্বাস (রাঃ) আমাকে (কুশলাদি) জিজ্ঞাসা করার পর চাঁদ দেখা প্রসঙ্গে উল্লেখ করে বললেন, কোন দিন তোমরা চাঁদ দেখতে পেয়েছিলে? আমি বললাম, জুমুআর রাতে চাঁদ দেখতে পেয়েছি। তিনি বললেন, জুমুআর রাতে তুমি কি স্বয়ং চাঁদ দেখতে পেয়েছ? আমি বললাম, লোকেরা দেখতে পেয়েছে এবং তারা রোযাও পালন করেছে, মুআবিয়া (রাঃ)-ও রোযা পালন করেছেন। ইবনু আব্বাস (রাঃ) বললেন, কিন্তু আমরা শনিবার (শুক্রবার দিবাগত) রাত্রে চাঁদ দেখেছি। অতএব ত্রিশ দিন পুরো না হওয়া পর্যন্ত অথবা চাঁদ না দেখা পর্যন্ত আমরা রোযা পালন করতে থাকব। আমি বললাম, মুআবিয়া (রাঃ)-এর চাঁদ দেখা ও তার রোযা থাকা আপনার জন্য কি যথেষ্ট নয়? তিনি বলেন, না। আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরূপ করতে নির্দেশ দিয়েছেন। — সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (১০২১), মুসলিম

ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ গারীব বলেছেন। এ হাদীস অনুযায়ী আলিমগণ আমল করার অভিমত ব্যক্ত করেছেন। তাদের মতে প্রত্যেক অঞ্চলের লোকদের জন্য তাদের চাদ দেখাই ধর্তব্য হবে।

باب مَا جَاءَ لِكُلِّ أَهْلِ بَلَدٍ رُؤْيَتُهُمْ ‏‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي حَرْمَلَةَ، أَخْبَرَنِي كُرَيْبٌ، أَنَّ أُمَّ الْفَضْلِ بِنْتَ الْحَارِثِ، بَعَثَتْهُ إِلَى مُعَاوِيَةَ بِالشَّامِ ‏.‏ قَالَ فَقَدِمْتُ الشَّامَ فَقَضَيْتُ حَاجَتَهَا وَاسْتُهِلَّ عَلَىَّ هِلاَلُ رَمَضَانَ وَأَنَا بِالشَّامِ فَرَأَيْنَا الْهِلاَلَ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ثُمَّ قَدِمْتُ الْمَدِينَةَ فِي آخِرِ الشَّهْرِ فَسَأَلَنِي ابْنُ عَبَّاسٍ ثُمَّ ذَكَرَ الْهِلاَلَ فَقَالَ مَتَى رَأَيْتُمُ الْهِلاَلَ فَقُلْتُ رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ ‏.‏ فَقَالَ أَأَنْتَ رَأَيْتَهُ لَيْلَةَ الْجُمُعَةِ فَقُلْتُ رَآهُ النَّاسُ وَصَامُوا وَصَامَ مُعَاوِيَةُ ‏.‏ قَالَ لَكِنْ رَأَيْنَاهُ لَيْلَةَ السَّبْتِ فَلاَ نَزَالُ نَصُومُ حَتَّى نُكْمِلَ ثَلاَثِينَ يَوْمًا أَوْ نَرَاهُ ‏.‏ فَقُلْتُ أَلاَ تَكْتَفِي بِرُؤْيَةِ مُعَاوِيَةَ وَصِيَامِهِ قَالَ لاَ هَكَذَا أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ لِكُلِّ أَهْلِ بَلَدٍ رُؤْيَتَهُمْ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، حدثنا اسماعيل بن جعفر، حدثنا محمد بن ابي حرملة، اخبرني كريب، ان ام الفضل بنت الحارث، بعثته الى معاوية بالشام ‏.‏ قال فقدمت الشام فقضيت حاجتها واستهل على هلال رمضان وانا بالشام فراينا الهلال ليلة الجمعة ثم قدمت المدينة في اخر الشهر فسالني ابن عباس ثم ذكر الهلال فقال متى رايتم الهلال فقلت رايناه ليلة الجمعة ‏.‏ فقال اانت رايته ليلة الجمعة فقلت راه الناس وصاموا وصام معاوية ‏.‏ قال لكن رايناه ليلة السبت فلا نزال نصوم حتى نكمل ثلاثين يوما او نراه ‏.‏ فقلت الا تكتفي بروية معاوية وصيامه قال لا هكذا امرنا رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ابو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح غريب ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند اهل العلم ان لكل اهل بلد رويتهم ‏.‏


Muhammad bin Abi Harmalah narrated:
"Kuraib informed me that Umm Al-Fadl bin Al-Harith sent him to Mu'awiyah in Ash-Sham. He said: 'So I arrived in Ash-Sham and finished her errand, and I saw the crescent of Ramadan while I was in Ash-Sham. We saw the crescent on the night of Friday. Then I arrived in Al-Madinah at the end of the month. Ibn Abbas was questioning me, then he mentioned the crescent and he said: "When did you see the crescent?" I said: "We saw it n the night of Friday." He said: "Did you see it on the night of Friday?" I said: "The people saw it, so they fasted, and Mu'awiyah fasted." He said: "But we saw it on the night of Saturday, so we will not stop fasting until we complete thirty days or we see it." So I said: "Is not the sighting and fasting of Mu'awiyah enough for you?" He said: "This is not how the Messenger of Allah ordered us."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ কুরায়ব (রহ.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৪

পরিচ্ছেদঃ ১০. যে সব খাদ্য সামগ্ৰী দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব

৬৯৪। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি (ইফতারের সময়) খেজুর পায় সে যেন তা দিয়ে ইফতার করে। আর যে ব্যক্তি তা না পায় সে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে। যেহেতু পানি পবিত্র বা পবিত্রকারী।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৬৯৯)

এই অনুচ্ছেদে সালমান ইবনু আমির (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি শুবার সূত্রে সাঈদ ইবনু আমির ছাড়া অন্য কেউ এরকম বর্ণনা করেছেন বলে আমাদের জানা নেই। এই হাদীসটি মাহফুয (নির্ভরযোগ্য) নয়। আবদুল আযীয ইবনু সুহাইব-আনাস (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে এটির কোন ভিত্তি আছে বলে আমাদের জানা নেই। শুবার শাগরিদগণ এই হাদীস শুবা হতে তিনি আসিম আল-আহওয়াল হতে তিনি হাফসা বিনতি সীরীন হতে তিনি রাবাব হতে তিনি সালমান ইবনু আমির হতে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। সাঈদ ইবনু আমিরের রিওয়াতের তুলনায় এটি বেশী সহীহ্। তারপর তারা শুবা, আসিম, হাফসা বিনতি সীরন, সালমান ইবনু আমিরের সনদেও এটি বর্ণনা করেছেন। এতে শুবা রাবাব-এর নাম উল্লেখ করেননি। সুফিয়ান সাওরী, ইবনু উআইনা প্রমুখ রাবী আসিম আল-আহওয়াল, হাফসা বিনতি সীরন, রাবাব, সালমান ইবনু আমির হতে এই বর্ণনাটিই সহীহ। রাবাব হলেন উম্মুর রায়িহ।

باب مَا جَاءَ مَا يُسْتَحَبُّ عَلَيْهِ الإِفْطَارُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَلِيٍّ الْمُقَدَّمِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ وَجَدَ تَمْرًا فَلْيُفْطِرْ عَلَيْهِ وَمَنْ لاَ فَلْيُفْطِرْ عَلَى مَاءٍ فَإِنَّ الْمَاءَ طَهُورٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ لاَ نَعْلَمُ أَحَدًا رَوَاهُ عَنْ شُعْبَةَ مِثْلَ هَذَا غَيْرَ سَعِيدِ بْنِ عَامِرٍ وَهُوَ حَدِيثٌ غَيْرُ مَحْفُوظٍ وَلاَ نَعْلَمُ لَهُ أَصْلاً مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ صُهَيْبٍ عَنْ أَنَسٍ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى أَصْحَابُ شُعْبَةَ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنِ الرَّبَابِ عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ سَعِيدِ بْنِ عَامِرٍ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَوْا عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنْ سَلْمَانَ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ شُعْبَةُ عَنِ الرَّبَابِ ‏.‏ وَالصَّحِيحُ مَا رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ عَنِ الرَّبَابِ عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ ‏.‏ وَابْنُ عَوْنٍ يَقُولُ عَنْ أُمِّ الرَّائِحِ بِنْتِ صُلَيْعٍ عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ ‏.‏ وَالرَّبَابُ هِيَ أُمُّ الرَّائِحِ ‏.‏

حدثنا محمد بن عمر بن علي المقدمي، حدثنا سعيد بن عامر، حدثنا شعبة، عن عبد العزيز بن صهيب، عن انس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من وجد تمرا فليفطر عليه ومن لا فليفطر على ماء فان الماء طهور ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن سلمان بن عامر ‏.‏ قال ابو عيسى حديث انس لا نعلم احدا رواه عن شعبة مثل هذا غير سعيد بن عامر وهو حديث غير محفوظ ولا نعلم له اصلا من حديث عبد العزيز بن صهيب عن انس ‏.‏ وقد روى اصحاب شعبة هذا الحديث عن شعبة عن عاصم الاحول عن حفصة بنت سيرين عن الرباب عن سلمان بن عامر عن النبي صلى الله عليه وسلم وهو اصح من حديث سعيد بن عامر ‏.‏ وهكذا رووا عن شعبة عن عاصم عن حفصة بنت سيرين عن سلمان ولم يذكر فيه شعبة عن الرباب ‏.‏ والصحيح ما رواه سفيان الثوري وابن عيينة وغير واحد عن عاصم الاحول عن حفصة بنت سيرين عن الرباب عن سلمان بن عامر ‏.‏ وابن عون يقول عن ام الراىح بنت صليع عن سلمان بن عامر ‏.‏ والرباب هي ام الراىح ‏.‏


Anas bin Malik narrated that :
the Messenger of Allah said: "Whoever has dried dates, then let him break the fast with that, and whoever does not, then let him break the fast with water, for indeed water is purifying."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৫

পরিচ্ছেদঃ ১০. যে সব খাদ্য সামগ্ৰী দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব

৬৯৫। সালমান ইবনু আমির (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যখন ইফতার করে তখন সে যেন খেজুর দিয়ে ইফতার করে। ইবনু উআইনার বর্ণনায় আরো আছেঃ এতে বারকাত রয়েছে। কেউ যদি তা না পায় তবে সে যেন পানি দিয়ে ইফতার করে। কেননা পানি পবিত্র বা পবিত্রকারী।

এ বর্ণনাটিও যঈফ

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

باب مَا جَاءَ مَا يُسْتَحَبُّ عَلَيْهِ الإِفْطَارُ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، ح وَحَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، ‏.‏ وَحَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، عَنْ حَفْصَةَ بِنْتِ سِيرِينَ، عَنِ الرَّبَابِ، عَنْ سَلْمَانَ بْنِ عَامِرٍ الضَّبِّيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِذَا أَفْطَرَ أَحَدُكُمْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى تَمْرٍ ‏"‏ ‏.‏ زَادَ ابْنُ عُيَيْنَةَ ‏"‏ فَإِنَّهُ بَرَكَةٌ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَلْيُفْطِرْ عَلَى مَاءٍ فَإِنَّهُ طَهُورٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا سفيان، عن عاصم الاحول، ح وحدثنا هناد، حدثنا ابو معاوية، عن عاصم الاحول، ‏.‏ وحدثنا قتيبة، قال انبانا سفيان بن عيينة، عن عاصم الاحول، عن حفصة بنت سيرين، عن الرباب، عن سلمان بن عامر الضبي، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ اذا افطر احدكم فليفطر على تمر ‏"‏ ‏.‏ زاد ابن عيينة ‏"‏ فانه بركة فمن لم يجد فليفطر على ماء فانه طهور ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Salman bin Amir Ad-Dabbi narrated that :
the Prophet said: "When one of you breaks his fast, then let him do so with dried dates. And whoever does not find dates, then water, for it is purifying."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৬

পরিচ্ছেদঃ ১০. যে সব খাদ্য সামগ্ৰী দিয়ে ইফতার করা মুস্তাহাব

৬৯৬। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (মাগরিবের) নামায আদায়ের পূর্বেই কয়েকটা তাজা খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন। তিনি তাজা খেজুর না পেলে কয়েকটা শুকনো খেজুর দ্বারা ইফতার করতেন আর শুকনো খেজুরও না পেলে তবে কয়েক ঢোক পানি পান করতেন। — সহীহ, ইরওয়া (৯২২) সহীহ আবু দাউদ (২৩৫৬)

এই হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। অপর বর্ণনায় আছেঃ শীতের সময় শুকনো খেজুর দ্বারা এবং গ্রীষ্মের সময় পানি দ্বারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইফতার করতেন।

باب مَا جَاءَ مَا يُسْتَحَبُّ عَلَيْهِ الإِفْطَارُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ ‏ "‏ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُفْطِرُ قَبْلَ أَنْ يُصَلِّيَ عَلَى رُطَبَاتٍ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ رُطَبَاتٌ فَتُمَيْرَاتٍ فَإِنْ لَمْ تَكُنْ تُمَيْرَاتٌ حَسَا حَسَوَاتٍ مِنْ مَاءٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرُوِيَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُفْطِرُ فِي الشِّتَاءِ عَلَى تَمَرَاتٍ وَفِي الصَّيْفِ عَلَى الْمَاءِ ‏.‏

حدثنا محمد بن رافع، حدثنا عبد الرزاق، اخبرنا جعفر بن سليمان، عن ثابت، عن انس بن مالك، قال ‏ "‏ كان النبي صلى الله عليه وسلم يفطر قبل ان يصلي على رطبات فان لم تكن رطبات فتميرات فان لم تكن تميرات حسا حسوات من ماء ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ قال ابو عيسى وروي ان رسول الله صلى الله عليه وسلم كان يفطر في الشتاء على تمرات وفي الصيف على الماء ‏.‏


Anas bin Malik narrated:
"The Messenger of Allah would break the fast with fresh dates before performing Salat. If there were no fresh dates then (he would break the fast) with dried dates, and if there were no dried dates then he would take a few sips of water."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৭

পরিচ্ছেদঃ ১১. ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহা সম্মিলিতভাবে পালন করা

৬৯৭। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যেদিন তোমরা সবাই রোযা পালন কর সে দিন হল রোযা। যেদিন তোমরা সবাই রোযা ভঙ্গ কর সে দিন হল ঈদুল ফিতর। আর যেদিন তোমরা সবাই কুরবানী কর সে দিন হল ঈদুল আযহা। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৬৬০)

আবু ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান গারীব বলেছেন। এই হাদীসটি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কোন কোন আলিম বলেন, এক সাথে এবং অধিক সংখ্যকের সাথে রোযা ও ঈদ পালন করতে হবে।

باب مَا جَاءَ الصَّوْمُ يَوْمَ تَصُومُونَ وَالْفِطْرُ يَوْمَ تُفْطِرُونَ وَالأَضْحَى يَوْمَ تُضَحُّونَ

أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الأَخْنَسِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الصَّوْمُ يَوْمَ تَصُومُونَ وَالْفِطْرُ يَوْمَ تُفْطِرُونَ وَالأَضْحَى يَوْمَ تُضَحُّونَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَفَسَّرَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ هَذَا الْحَدِيثَ فَقَالَ إِنَّمَا مَعْنَى هَذَا أَنَّ الصَّوْمَ وَالْفِطْرَ مَعَ الْجَمَاعَةِ وَعُظْمِ النَّاسِ ‏.‏

اخبرني محمد بن اسماعيل، حدثنا ابراهيم بن المنذر، حدثنا اسحاق بن جعفر بن محمد، حدثني عبد الله بن جعفر، عن عثمان بن محمد الاخنسي، عن سعيد المقبري، عن ابي هريرة، ان النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ الصوم يوم تصومون والفطر يوم تفطرون والاضحى يوم تضحون ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وفسر بعض اهل العلم هذا الحديث فقال انما معنى هذا ان الصوم والفطر مع الجماعة وعظم الناس ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Prophet said: "The fast is the day the people fast, the breaking of the fast is the day the people break their fast, and the sacrifice is the day the people sacrifice."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৮

পরিচ্ছেদঃ ১২. যখন রাত আসে এবং দিন চলে যায় তখন রোযাদার ইফতার করবে

৬৯৮। উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন রাত আসে, দিন চলে যায় এবং সূর্য অস্তমিত হয় তখন তুমি ইফতার কর। — সহীহ, সহীহ আবু দাউদ (২০৩৬), ইরওয়া (৯১৬),বুখারী, মুসলিম

ইবনু আবূ আওফা ও আবু সাঈদ (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ إِذَا أَقْبَلَ اللَّيْلُ وَأَدْبَرَ النَّهَارُ فَقَدْ أَفْطَرَ الصَّائِمُ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا أَقْبَلَ اللَّيْلُ وَأَدْبَرَ النَّهَارُ وَغَابَتِ الشَّمْسُ فَقَدْ أَفْطَرْتَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ أَبِي أَوْفَى وَأَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هارون بن اسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاصم بن عمر، عن عمر بن الخطاب، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اذا اقبل الليل وادبر النهار وغابت الشمس فقد افطرت ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن ابي اوفى وابي سعيد ‏.‏ قال ابو عيسى حديث عمر حديث حسن صحيح ‏.‏


Umar bin Al-Khattab narrated that:
The Messenger of Allah said: "When the night advances and the day retreats, and the sun is hidden, then the fast is to be broken."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৬৯৯

পরিচ্ছেদঃ ১৩. বিলম্ব না করে ইফতার করা

৬৯৯। সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যত দিন পর্যন্ত লোকেরা বিলম্ব না করে ইফতার করবে তত দিন পর্যন্ত তারা কল্যাণের মধ্যে থাকবে। — সহীহ, ইরওয়া (৯১৭)

আবু হুরাইরা, ইবনু আব্বাস, আইশা ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও এই অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা এই হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। সূর্যাস্তের পরপরই ইফতার করাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বিশেষজ্ঞ সাহাবীগণ ও অপরাপর আলিম মুস্তাহাব বলে মনে করেন। ইমাম শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাকের এরকমই অভিমত রয়েছে।

باب مَا جَاءَ فِي تَعْجِيلِ الإِفْطَارِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، ح قَالَ وَأَخْبَرَنَا أَبُو مُصْعَبٍ، قِرَاءَةً عَنْ مَالِكِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَزَالُ النَّاسُ بِخَيْرٍ مَا عَجَّلُوا الْفِطْرَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَعَائِشَةَ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهُوَ الَّذِي اخْتَارَهُ أَهْلُ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمُ اسْتَحَبُّوا تَعْجِيلَ الْفِطْرِ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ الشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، عن سفيان، عن ابي حازم، ح قال واخبرنا ابو مصعب، قراءة عن مالك بن انس، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يزال الناس بخير ما عجلوا الفطر ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي هريرة وابن عباس وعاىشة وانس بن مالك ‏.‏ قال ابو عيسى حديث سهل بن سعد حديث حسن صحيح ‏.‏ وهو الذي اختاره اهل العلم من اصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم استحبوا تعجيل الفطر ‏.‏ وبه يقول الشافعي واحمد واسحاق ‏.‏


Sahl bin Sa'd narrated that :
the Messenger of Allah said: "The people will remain upon goodness as long as they hasten to break the fast."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৭০০

পরিচ্ছেদঃ ১৩. বিলম্ব না করে ইফতার করা

৭০০। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ আমার বান্দাদের মাঝে যারা তাড়াতাড়ি ইফতার করে তারাই আমার বেশী প্রিয়।

যঈফ, মিশকাত (১৯৮৯), তা’লীকুর রাগীব (২/৯৫), তা’লীকুল জিয়াদ

باب مَا جَاءَ فِي تَعْجِيلِ الإِفْطَارِ

حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الأَنْصَارِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قُرَّةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ أَحَبُّ عِبَادِي إِلَىَّ أَعْجَلُهُمْ فِطْرًا ‏"‏ ‏.‏

حدثنا اسحاق بن موسى الانصاري، حدثنا الوليد بن مسلم، عن الاوزاعي، عن قرة بن عبد الرحمن، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قال الله عز وجل احب عبادي الى اعجلهم فطرا ‏"‏ ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "Allah, Mighty and Sublime is He, said: 'Those of My worshippers who are most beloved to me are the quickest to break their fast.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
৭০১

পরিচ্ছেদঃ ১৩. বিলম্ব না করে ইফতার করা

৭০১। আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রহমান ... আওযাঈ হতে উপরোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান গারীব। (য’ঈফঃ দেখুন পূর্বের হাদীস)

باب مَا جَاءَ فِي تَعْجِيلِ الإِفْطَارِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ، وَأَبُو الْمُغِيرَةِ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، اخبرنا ابو عاصم، وابو المغيرة، عن الاوزاعي، بهذا الاسناد نحوه ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


See Previous Hadith


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আওযায়ী (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৬/ রোযা (সাওম) (كتاب الصوم عن رسول الله ﷺ) 6. The Book on Fasting
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১২৭ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 7 পরের পাতা »