সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ ১. কাজী (বিচারক) প্রসঙ্গে

১৩২২। আবদুল্লাহ ইবনু মাওহাব (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে, উসমান (রাঃ) ইবনু উমার (রাঃ)-কে বলেন, যাও! লোকদের মাঝে বিচার-ফায়সালা কর। তিনি বললেন, হে মু’মিনদের নেতা! আমাকে কি মাফ করবেন? তিনি বললেন, এ পদটি তুমি কেন অপছন্দ করছ, অথচ তোমার পিতা বিচার-ফায়সালা করতেন? তিনি উত্তরে বললেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি কাযী (বিচারক) নিযুক্ত হয়ে ইনসাফের উপর বিচার-ফায়সালা করলেও সে বরাবর আমল নিয়ে প্রত্যাবর্তন করবে (না তার কোন গুনাহ আছে আর না তার কোন সাওয়াব আছে)। এরপর আমি আর কি আশা করতে পারি?

যঈফ, মিশকাত, তাহকীক ছানী (৩৭৪৩)। তা’লীকুর রাগীব (২/১৩২) তা’লীক আলা আহাদীস মুখতারাহ (৩৪৮, ৩৪৯)

এ হাদীসের সাথে একটি ঘটনা আছে। এ অনুচ্ছেদে আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু উমার (রাঃ)-এর হাদীসটি গারীব। আমার মতে এ হাদীসের সনদ পরস্পর সংযুক্ত নয়। কেননা যে আবদুল মালিক হতে মুতামির রিওয়াত করেছেন তিনি হলেন আবদুল মালিক ইবনু আবূ জামীলা।


১৩২২/২। বুরাইদা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাজীগণ তিন প্রকারের হয়ে থাকে। দুই প্রকারের কায়ী (বিচারক) হচ্ছে জাহান্নামী এবং এক প্রকার কায়ী হচ্ছে জান্নাতী। জেনেশুনে যে লোক (বিচারক) অন্যায় রায় প্রদান করে সে হচ্ছে জাহান্নামী। সত্যকে সম্পূর্ণরূপে উপলব্ধি না করেই যে লোক (বিচারক) মানুষের অধিকারসমূহ নস্যাৎ করে সে লোকও জাহান্নামী। আর যে লোক ন্যায়সঙ্গতভাবে ফায়সালা প্রদান করে (বিচারক) সে জান্নাতের অধিবাসী।

সহীহ, ইরওয়া (২৬১৪), মিশকাত (৩৭৩৫)

باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَاضِي ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ الْمَلِكِ، يُحَدِّثُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، أَنَّ عُثْمَانَ، قَالَ لاِبْنِ عُمَرَ اذْهَبْ فَاقْضِ بَيْنَ النَّاسِ ‏.‏ قَالَ أَوَتُعَافِينِي يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ ‏.‏ قَالَ وَمَا تَكْرَهُ مِنْ ذَلِكَ وَقَدْ كَانَ أَبُوكَ يَقْضِي قَالَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَنْ كَانَ قَاضِيًا فَقَضَى بِالْعَدْلِ فَبِالْحَرِيِّ أَنْ يَنْقَلِبَ مِنْهُ كَفَافًا ‏"‏ ‏.‏ فَمَا أَرْجُو بَعْدَ ذَلِكَ وَفِي الْحَدِيثِ قِصَّةٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ عِنْدِي بِمُتَّصِلٍ ‏.‏ وَعَبْدُ الْمَلِكِ الَّذِي رَوَى عَنْهُ الْمُعْتَمِرُ هَذَا هُوَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي جَمِيلَةَ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ سَعْدِ بْنِ عُبَيْدَةَ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ قَاضِيَانِ فِي النَّارِ وَقَاضٍ فِي الْجَنَّةِ رَجُلٌ قَضَى بِغَيْرِ الْحَقِّ فَعَلِمَ ذَاكَ فَذَاكَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ لاَ يَعْلَمُ فَأَهْلَكَ حُقُوقَ النَّاسِ فَهُوَ فِي النَّارِ وَقَاضٍ قَضَى بِالْحَقِّ فَذَلِكَ فِي الْجَنَّةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا محمد بن عبد الأعلى الصنعاني، حدثنا المعتمر بن سليمان، قال سمعت عبد الملك، يحدث عن عبد الله بن موهب، أن عثمان، قال لابن عمر اذهب فاقض بين الناس ‏.‏ قال أوتعافيني يا أمير المؤمنين ‏.‏ قال وما تكره من ذلك وقد كان أبوك يقضي قال إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ من كان قاضيا فقضى بالعدل فبالحري أن ينقلب منه كفافا ‏"‏ ‏.‏ فما أرجو بعد ذلك وفي الحديث قصة ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث غريب وليس إسناده عندي بمتصل ‏.‏ وعبد الملك الذي روى عنه المعتمر هذا هو عبد الملك بن أبي جميلة ‏.‏ حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثني الحسن بن بشر، حدثنا شريك، عن الأعمش، عن سعد بن عبيدة، عن ابن بريدة، عن أبيه، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ القضاة ثلاثة قاضيان في النار وقاض في الجنة رجل قضى بغير الحق فعلم ذاك فذاك في النار وقاض لا يعلم فأهلك حقوق الناس فهو في النار وقاض قضى بالحق فذلك في الجنة ‏"‏ ‏.‏


'Abdullah bin Mawhab narrated that 'Uthman said to Ibn 'Umar:
"Go and judge between the people." So he said: "Perhaps you can excuse me (from that) O Commander of the Believers!" He said: "Why do you have an aversion for that when your father judged?" He said: "I heard the Messenger of Allah saying: 'Whoever was a judge and judged with justice, it still would have been better for him to have turned away from it completely.' What do I want after that?'" (Daif).

[Ibn Buraidah narrated from his father that the Prophet (ﷺ) said:
"The judges are three: Two judges that are in the Fire, and a judge that is in Paradise. A man who judges without the truth, and he knows that. This one is in the Fire. One who judges while not knowing, ruining the rights of the people. So he is in the Fire. A judge who judges with the truth, that is the one in Paradise."]


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১. কাজী (বিচারক) প্রসঙ্গে

১৩২৩। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কাযীর পদ চেয়ে নেয় তার দায়দায়িত্ব তার উপরই চাপিয়ে দেয়া হয়। আর যাকে এই পদ গ্রহণ করতে বাধ্য করা হয় আল্লাহ তা'আলা তার নিকট একজন ফিরিশতা পাঠিয়ে দেন যিনি তাকে ইনসাফের পথে থাকতে সহযোগীতা করেন।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (২৩০৯)

باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَاضِي ‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ بِلاَلِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ سَأَلَ الْقَضَاءَ وُكِلَ إِلَى نَفْسِهِ وَمَنْ أُجْبِرَ عَلَيْهِ يُنْزِلُ اللَّهُ عَلَيْهِ مَلَكًا فَيُسَدِّدُهُ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن عبد الأعلى، عن بلال بن أبي موسى، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من سأل القضاء وكل إلى نفسه ومن أجبر عليه ينزل الله عليه ملكا فيسدده ‏"‏ ‏.‏


Anas bin Malik narrated that the Messenger of Allah (sallAllahu Alayhi wa sallam) said:
"Whoever asks for a position as a judge, then he left on his own. And whoever is forced onto it, Allah sends an angel down to him so that he can be correct." (Daif)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১. কাজী (বিচারক) প্রসঙ্গে

১৩২৪। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, যে ব্যক্তি বিচারকের পদ চায় এবং অন্যদের দিয়ে তার জন্য সুপারিশ করায়, তাকে তার নিজের উপর ছেড়ে দেয়া হয় (এবং আল্লাহ তা'আলার সাহায্য হতে বঞ্চিত করা হয়)। আর যাকে জোর করে এ পদে বসানো হয়, আল্লাহ তা'আলা তার জন্য একজন ফিরিশতা পাঠিয়ে দেন, যিনি তাকে ইনসাফের পথে অনুপ্রাণিত করেন।

যঈফ, প্রাগুক্ত

আবূ ঈসা বলেছেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। পূর্ববর্তী ইসরাঈলের হাদীসের তুলনায় এটি অনেক বেশী সহীহ।

باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَاضِي ‏

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَمَّادٍ، عَنْ أَبِي عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى الثَّعْلَبِيِّ، عَنْ بِلاَلِ بْنِ مِرْدَاسٍ الْفَزَارِيِّ، عَنْ خَيْثَمَةَ، وَهُوَ الْبَصْرِيُّ عَنْ أَنَسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنِ ابْتَغَى الْقَضَاءَ وَسَأَلَ فِيهِ شُفَعَاءَ وُكِلَ إِلَى نَفْسِهِ وَمَنْ أُكْرِهَ عَلَيْهِ أَنْزَلَ اللَّهُ عَلَيْهِ مَلَكًا يُسَدِّدُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ وَهُوَ أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ إِسْرَائِيلَ عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى ‏.‏

حدثنا عبد الله بن عبد الرحمن، أخبرنا يحيى بن حماد، عن أبي عوانة، عن عبد الأعلى الثعلبي، عن بلال بن مرداس الفزاري، عن خيثمة، وهو البصري عن أنس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من ابتغى القضاء وسأل فيه شفعاء وكل إلى نفسه ومن أكره عليه أنزل الله عليه ملكا يسدده ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب وهو أصح من حديث إسرائيل عن عبد الأعلى ‏.‏


Anas narrated that the Prophet (ﷺ) said:
"Whoever seeks to be a judge, and asks others to intercede for him with it, then he will be left on his own. And whoever is coerced into it, Allah sends an angel down to him so that he can be correct." (Daif)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১. কাজী (বিচারক) প্রসঙ্গে

১৩২৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি বিচারের দায়িত্ব গ্রহণ করল অথবা জনগণের বিচারক হিসেবে যে লোককে নিয়োগ করা হল তাকে যেন ছুরি ছাড়াই যবেহ করা হল।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩০৮)

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদসূত্রে হাসান গারীব বলেছেন। এ হাদীসটি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে আরো একটি সূত্রে বর্ণিত হয়েছে।

باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْقَاضِي ‏

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ وَلِيَ الْقَضَاءَ أَوْ جُعِلَ قَاضِيًا بَيْنَ النَّاسِ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ أَيْضًا مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا نصر بن علي الجهضمي، حدثنا الفضيل بن سليمان، عن عمرو بن أبي عمرو، عن سعيد المقبري، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من ولي القضاء أو جعل قاضيا بين الناس فقد ذبح بغير سكين ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏ وقد روي أيضا من غير هذا الوجه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Whoever takes the responsibility of judge, or is appointed as judge between the people, then he has been slaughtered without a knife."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ২. বিচারকের নির্ভুল অথবা ভুল সিদ্ধান্তে পৌছার সম্ভাবনা আছে

১৩২৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিচারক যখন ফায়সালা করে এবং ইজতিহাদ করে (চিন্তা ভাবনা করে সত্যে পৌছার চেষ্টা করে), তারপর সঠিক সিদ্ধান্তে পৌছে যায়, তার জন্য দুইটি পুরস্কার রয়েছে। আর ফায়সালা করতে গিয়ে সে যদি ভুল করে ফেলে তবুও তার জন্য একটি পুরস্কার আছে।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩১৪), নাসা-ঈ

আমর ইবনুল আস ও উকবা ইবনু আমির (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা উল্লেখিত সনদ সূত্রে হাসান গারীব বলেছেন। এ হাদীস প্রসঙ্গে আমরা আবদুর রাযযাক-মামার হতে, তিনি সুফিয়ান সাওরী হতে, এই সূত্র ছাড়া সুফিয়ান সাওরীর বরাতে ইয়াহইয়া ইবনু সাঈদের বর্ণনা হিসাবে কিছু জানি না।

باب مَا جَاءَ فِي الْقَاضِي يُصِيبُ وَيُخْطِئُ ‏‏

حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ وَاحِدٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِي وَعُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّزَّاقِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ ‏.‏

حدثنا الحسين بن مهدي البصري، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا معمر، عن سفيان الثوري، عن يحيى بن سعيد، عن أبي بكر بن محمد بن عمرو بن حزم، عن أبي سلمة، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا حكم الحاكم فاجتهد فأصاب فله أجران وإذا حكم فأخطأ فله أجر واحد ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عمرو بن العاصي وعقبة بن عامر ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏ لا نعرفه من حديث سفيان الثوري عن يحيى بن سعيد إلا من حديث عبد الرزاق عن معمر عن سفيان الثوري ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"When the judge passes a judgement in which he strived and was correct, then he receives two rewards. And when he judges and is mistaken, then he receives one reward."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৩. বিচারক কিভাবে ফায়সালা করবে

১৩২৭। মুআয (রাঃ)-এর সঙ্গীগণ হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআয (রাঃ)-কে ইয়ামানে পাঠান। তিনি প্রশ্ন করেনঃ তুমি কিভাবে বিচার করবে? তিনি বললেন, আমি আল্লাহ তা'আলার কিতাব অনুসারে বিচার করব। তিনি বললেনঃ যদি আল্লাহ তা'আলার কিতাবে পাওয়া না যায়? তিনি বললেন, তাহলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাত (হাদীস) অনুসারে বিচার করব। তিনি বললেনঃ যদি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সুন্নাতেও না পাও? তিনি বললেন, আমার জ্ঞান-বুদ্ধি দিয়ে ইজতিহাদ করব। তিনি বললেন? সকল প্রশংসা সেই আল্লাহ্ তা'আলার জন্য যিনি আল্লাহর রাসূলের প্রতিনিধিকে এইরূপ যোগ্যতা দান করেছেন।

যঈফ, যঈফা (৮৮১)

باب مَا جَاءَ فِي الْقَاضِي كَيْفَ يَقْضِي ‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ الثَّقَفِيِّ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ رِجَالٍ، مِنْ أَصْحَابِ مُعَاذٍ عَنْ مُعَاذٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ ‏"‏ كَيْفَ تَقْضِي ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَقْضِي بِمَا فِي كِتَابِ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي كِتَابِ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِسُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِي سُنَّةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَجْتَهِدُ رَأْيِي ‏.‏ قَالَ ‏"‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي وَفَّقَ رَسُولَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن شعبة، عن أبي عون الثقفي، عن الحارث بن عمرو، عن رجال، من أصحاب معاذ عن معاذ، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن فقال ‏"‏ كيف تقضي ‏"‏ ‏.‏ فقال أقضي بما في كتاب الله ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم يكن في كتاب الله ‏"‏ ‏.‏ قال فبسنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏.‏ قال ‏"‏ فإن لم يكن في سنة رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏ قال أجتهد رأيي ‏.‏ قال ‏"‏ الحمد لله الذي وفق رسول رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ‏.‏


Some men who were companions of Mu'adh narrated from Mu'adh that the Messenger of Allah (ﷺ) sent Mu'adh to Yemen, so he (ﷺ) said:
"How will you judge?" He said: "I will judge according to what is in Allah's Book." He said: "If it is not in Allah's Book ?" He said: "Then with the Sunnah of the Messenger of Allah (ﷺ)." He said: "If it is not in the Sunnah of Messenger of Allah (ﷺ)?" He said: "I will give in my view." He said: "All praise is due to Allah, the One Who made the messenger of the Messenger of Allah suitable."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৩. বিচারক কিভাবে ফায়সালা করবে

১৩২৮। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার স্বীয় সনদে মুআয (রাঃ) হতে হান্নাদের হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন।

দেখুন পূর্বের হাদীস

আবূ ঈসা বলেছেন, শুধু উল্লেখিত সূত্রেই আমরা হাদীসটি প্রসঙ্গে জেনেছি। আমার মতে এ হাদীসের সনদ পরস্পর সংযুক্ত নয়। আবূ আওন আস-সাকাফীর নাম মুহাম্মাদ, পিতা উবাইদুল্লাহ।

باب مَا جَاءَ فِي الْقَاضِي كَيْفَ يَقْضِي ‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي عَوْنٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ عَمْرٍو ابْنُ أَخٍ، لِلْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ عَنْ أُنَاسٍ، مِنْ أَهْلِ حِمْصٍ عَنْ مُعَاذٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَلَيْسَ إِسْنَادُهُ عِنْدِي بِمُتَّصِلٍ ‏.‏ وَأَبُو عَوْنٍ الثَّقَفِيُّ اسْمُهُ مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا محمد بن جعفر، وعبد الرحمن بن مهدي، قالا حدثنا شعبة، عن أبي عون، عن الحارث بن عمرو ابن أخ، للمغيرة بن شعبة عن أناس، من أهل حمص عن معاذ، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث لا نعرفه إلا من هذا الوجه وليس إسناده عندي بمتصل ‏.‏ وأبو عون الثقفي اسمه محمد بن عبيد الله ‏.‏


(Another chain of narrators) from some people from the inhabitants of Hims, from Mu'adh, from the Prophet (ﷺ), with similar.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৪. ন্যায়নিষ্ঠ ইমাম (শাসক)

১৩২৯। আবূ সাঈদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন লোকদের মাঝে ন্যায়নিষ্ঠ শাসকই আল্লাহ্ তা'আলার সবচাইতে প্রিয় ও নিকটে উপবেশনকারী হবে। তাদের মাঝে যালিম শাসকই আল্লাহ তা'আলার সবচাইতে ঘৃণিত এবং তার নিকট হতে সবচেয়ে দূরে অবস্থানকারী হবে।

যঈফ, রাওয (২/৩৫৬-৩৫৭), যঈফা (১১৫৬) মিশকাত, তাহকীক ছানী (৩৭০৪)

এ অনুচ্ছেদে ইবনু আবূ আওফা (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান গারীব। শুধু উপরোক্ত সূত্রেই হাদীসটি আমরা জেনেছি।

باب مَا جَاءَ فِي الإِمَامِ الْعَادِلِ ‏.‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ فُضَيْلِ بْنِ مَرْزُوقٍ، عَنْ عَطِيَّةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ أَحَبَّ النَّاسِ إِلَى اللَّهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَأَدْنَاهُمْ مِنْهُ مَجْلِسًا إِمَامٌ عَادِلٌ وَأَبْغَضَ النَّاسِ إِلَى اللَّهِ وَأَبْعَدَهُمْ مِنْهُ مَجْلِسًا إِمَامٌ جَائِرٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا علي بن المنذر الكوفي، حدثنا محمد بن فضيل، عن فضيل بن مرزوق، عن عطية، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن أحب الناس إلى الله يوم القيامة وأدناهم منه مجلسا إمام عادل وأبغض الناس إلى الله وأبعدهم منه مجلسا إمام جائر ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عبد الله بن أبي أوفى ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي سعيد حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه ‏.‏


Abu Sa'eed narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Indeed, the most beloved of people to Allah on the Day of Judgement, and the nearest to Him in the status is the just Imam. And the most hated of people to Allah and the furthest from Him in status is the oppressive Imam."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৪. ন্যায়নিষ্ঠ ইমাম (শাসক)

১৩৩০। ইবনু আবী আওফা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে পর্যন্ত বিচারক কোন প্রকার যুলুম না করে সে পর্যন্ত আল্লাহ্ তা'আলা তার সহায়তা করেন। সে যে মুহুর্তে কোন প্রকার যুলুম করে ফেলে তখন তিনি তাকে পরিত্যাগ করেন এবং শাইতান তাকে জড়িয়ে ধরে।

হাসান, ইবনু মা-জাহ (২৩১২)

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান গারীব বলেছেন। এটি আমরা শুধুমাত্র ইমরান আল-কাত্তানের সূত্রেই জেনেছি।

باب مَا جَاءَ فِي الإِمَامِ الْعَادِلِ ‏.‏

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْقُدُّوسِ بْنُ مُحَمَّدٍ أَبُو بَكْرٍ الْعَطَّارُ، حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عِمْرَانُ الْقَطَّانُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ فَإِذَا جَارَ تَخَلَّى عَنْهُ وَلَزِمَهُ الشَّيْطَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ ‏.‏

حدثنا عبد القدوس بن محمد أبو بكر العطار، حدثنا عمرو بن عاصم، حدثنا عمران القطان، عن أبي إسحاق الشيباني، عن عبد الله بن أبي أوفى، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله مع القاضي ما لم يجر فإذا جار تخلى عنه ولزمه الشيطان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عمران القطان ‏.‏


['Abdullah] Ibn Abi Al-Awfa narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"[Indeed] Allah is with the judge as long as he is not unjust. So when he is unjust, He leaves him and he is attended by Shaitan."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৫. বিচারক বাদী ও বিবাদীর জবানবন্দী না শুনে রায় প্রদান করবে না

১৩৩১। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমার নিকট যখন দুইজন লোক বিচারের জন্য আবেদন করে তখন দ্বিতীয় পক্ষের বক্তব্য তুমি সম্পূর্ণভাবে না শুনেই প্রথম পক্ষের কথার উপর নির্ভর করে রায় প্রদান করো না। তুমি খুব শীঘ্রই জানতে পারবে, তুমি কিভাবে ফায়সালা করছ। আলী (রাঃ) বলেন, তারপর আমি বিচারক হিসাবেই রয়ে গেছি।

হাসান, ইরওয়া (২৬০০)

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْقَاضِي لاَ يَقْضِي بَيْنَ الْخَصْمَيْنِ حَتَّى يَسْمَعَ كَلاَمَهُمَا ‏.‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْجُعْفِيُّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِذَا تَقَاضَى إِلَيْكَ رَجُلاَنِ فَلاَ تَقْضِ لِلأَوَّلِ حَتَّى تَسْمَعَ كَلاَمَ الآخَرِ فَسَوْفَ تَدْرِي كَيْفَ تَقْضِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَلِيٌّ فَمَا زِلْتُ قَاضِيًا بَعْدُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا حسين الجعفي، عن زائدة، عن سماك بن حرب، عن حنش، عن علي، قال قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إذا تقاضى إليك رجلان فلا تقض للأول حتى تسمع كلام الآخر فسوف تدري كيف تقضي ‏"‏ ‏.‏ قال علي فما زلت قاضيا بعد ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏


'Ali narrated:
"The Messenger of Allah (ﷺ) said to me: 'When two men come to you seeking judgement, do not judge for the first until you have heard the statement of the other. Soon you will know how to judge.'" 'Ali said: "I did not err since then."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৬. জনগণের নেতা

১৩৩২। মুআবিয়া (রাঃ)-কে আমর ইবনু মুররা (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ গরীব-মিসকীন ও নিজ প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্য আগমনকারী লোকের জন্য যে নেতা নিজের দরজাকে বন্ধ করে রাখে, এ ধরণের লোকের দারিদ্র্য, অভাব ও প্রয়োজনের সময় আল্লাহ তা'আলাও আকাশের দরজা বন্ধ করে রাখবেন। মুআবিয়া (রাঃ) একথা শুনার পর থেকে এক লোককে মানুষের প্রয়োজন মেটানোর উদ্দেশ্যে নিযুক্ত করেন।

সহীহ, মিশকাত তাহকীক ছানী (৩৭২৮), সহীহা (৬২৯), সহীহ আবূ দাউদ (২৬১৪)

ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আমর ইবনু মুররা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা গারীব বলেছেন। অন্য একটি সূত্রেও এ হাদীসটি বর্ণিত হয়েছে। আবূ মারইয়াম হচ্ছে আমর ইবনু মুররার উপনাম।

باب مَا جَاءَ فِي إِمَامِ الرَّعِيَّةِ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي عَلِيُّ بْنُ الْحَكَمِ، حَدَّثَنِي أَبُو الْحَسَنِ، قَالَ قَالَ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ لِمُعَاوِيَةَ إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ مَا مِنْ إِمَامٍ يُغْلِقُ بَابَهُ دُونَ ذَوِي الْحَاجَةِ وَالْخَلَّةِ وَالْمَسْكَنَةِ إِلاَّ أَغْلَقَ اللَّهُ أَبْوَابَ السَّمَاءِ دُونَ خَلَّتِهِ وَحَاجَتِهِ وَمَسْكَنَتِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَجَعَلَ مُعَاوِيَةُ رَجُلاً عَلَى حَوَائِجِ النَّاسِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَعَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجُهَنِيُّ يُكْنَى أَبَا مَرْيَمَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا إسماعيل بن إبراهيم، حدثني علي بن الحكم، حدثني أبو الحسن، قال قال عمرو بن مرة لمعاوية إني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ما من إمام يغلق بابه دون ذوي الحاجة والخلة والمسكنة إلا أغلق الله أبواب السماء دون خلته وحاجته ومسكنته ‏"‏ ‏.‏ فجعل معاوية رجلا على حوائج الناس ‏.‏ قال وفي الباب عن ابن عمر ‏.‏ قال أبو عيسى حديث عمرو بن مرة حديث غريب وقد روي هذا الحديث من غير هذا الوجه ‏.‏ وعمرو بن مرة الجهني يكنى أبا مريم ‏.‏


Abul-Hasan narrated that 'Amr bin Murrah said to Mu'awiyah:
"I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: 'No Imam closes his door on one in need, dire straits and poverty, except that Allah closes the gates of the Heavens from his dire straits, his needs, and his poverty.' So Mu'awiyah appointed a man to look after the needs of the people."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৬. জনগণের নেতা

১৩৩৩। আলী ইবনু হুজর ইয়াহইয়া ইবনু হামযা হতে, তিনি ইয়াযিদ ইবনু আবী মারইয়াম হতে, তিনি আল-কাসিম ইবনু মুখাইমিরাহ তিনি রাসুলের সাহাবী আবু মার‍ইয়াম হতে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে উপরোক্ত হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইয়াযীদ ইবনু আবূ মারইয়াম ছিলেন সিরিয়ার অধিবাসী এবং বুরাইদ ইবনু আবূ মারইয়াম ছিলেন কূফার অধিবাসী। আবূ মারইয়ামের নাম আমর ইবনু মুররা আল-জুহানী।

باب مَا جَاءَ فِي إِمَامِ الرَّعِيَّةِ ‏.‏

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، عَنْ أَبِي مَرْيَمَ، صَاحِبِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ بِمَعْنَاهُ ‏.‏ وَيَزِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ شَامِيٌّ وَبُرَيْدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ كُوفِيٌّ وَأَبُو مَرْيَمَ هُوَ عَمْرُو بْنُ مُرَّةَ الْجُهَنِيُّ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، حدثنا يحيى بن حمزة، عن يزيد بن أبي مريم، عن القاسم بن مخيمرة، عن أبي مريم، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث بمعناه ‏.‏ ويزيد بن أبي مريم شامي وبريد بن أبي مريم كوفي وأبو مريم هو عمرو بن مرة الجهني ‏.‏


(Another chain) from Abu Maryam the Companion of the Prophet (ﷺ), from the Prophet (ﷺ).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৭. বিচারক কখনো উত্তেজিত হয়ে বিচারকার্য করবেন না

১৩৩৪। আবদুর রাহমান ইবনু আবূ বাকরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, উবাইদুল্লাহ ইবনু আবূ বাকরা একজন বিচারক ছিলেন। আমার আব্বা তাকে লিখে পাঠালেন, তুমি উত্তেজিত অবস্থায় কখনো দুই পক্ষের মধ্যে বিচারকার্য সমাধা করবে না। কেননা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ বিচারক রাগের অবস্থায় যেন দুই পক্ষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা না করে।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩১৬), নাসা-ঈ

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ বাকরা (রাঃ)-এর নাম নুফাই।

باب مَا جَاءَ لاَ يَقْضِي الْقَاضِي وَهُوَ غَضْبَانُ ‏.‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ، قَالَ كَتَبَ أَبِي إِلَى عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرَةَ وَهُوَ قَاضٍ أَنْ لاَ، تَحْكُمْ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَأَنْتَ غَضْبَانُ ‏.‏ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَحْكُمُ الْحَاكِمُ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو بَكْرَةَ اسْمُهُ نُفَيْعٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الملك بن عمير، عن عبد الرحمن بن أبي بكرة، قال كتب أبي إلى عبيد الله بن أبي بكرة وهو قاض أن لا، تحكم بين اثنين وأنت غضبان ‏.‏ فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ لا يحكم الحاكم بين اثنين وهو غضبان ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو بكرة اسمه نفيع ‏.‏


'Abdur-Rahman bin Abi Bakrah narrated:
"My father wrote to 'Ubaidullah bin Abi Bakrah who was a judge: "Do not pass a judgement between two people while you are angry, for indeed I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: 'The judge should not judge between two people while he is angry.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৮. সরকারী কর্মচারীদের উপঢৌকন গ্রহন

১৩৩৫। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে পাঠান। আমি রাওনা হলে তিনি আমার পিছনে এক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে আমাকে ফিরিয়ে আনলেন। তিনি আমাকে বললেনঃ তুমি কি বুঝেছো আমি তোমাকে ডাকার জন্য কেন লোক পাঠালাম? তিনি বললেন, আমার অনুমতি ব্যতীত তুমি (লোকদের নিকট হতে উপহার হিসেবে) কিছু নিবে না। কেননা এটা আত্মসাৎ৷ যে ব্যক্তি আত্মসাৎ করবে সে কিয়ামতের দিন আত্মসাতের মালসহ হাযির হবে। আমি তোমাকে এটা জানাবার উদ্দেশ্যে ডেকেছি। এখন নিজের কাজে রাওনা হয়ে যাও।

সনদ দুর্বল

এ অনুচ্ছেদে আদী ইবনু আমীরাহ বুরাইদা, মুসতাওরিদ ইবনু শাদাদ, আবূ হুমাইদ ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, মুয়ায (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি গারীব। আবূ উসামা হতে দাউদ আল-আওদীর সূত্রেই শুধু আমরা এ হাদীস জেনেছি।

باب مَا جَاءَ فِي هَدَايَا الأُمَرَاءِ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ يَزِيدَ الأَوْدِيِّ، عَنِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُبَيْلٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْيَمَنِ فَلَمَّا سِرْتُ أَرْسَلَ فِي أَثَرِي فَرُدِدْتُ فَقَالَ ‏ "‏ أَتَدْرِي لِمَ بَعَثْتُ إِلَيْكَ لاَ تُصِيبَنَّ شَيْئًا بِغَيْرِ إِذْنِي فَإِنَّهُ غُلُولٌ وَمَنْ يَغْلُلْ يَأْتِ بِمَا غَلَّ يَوْمَ الْقِيَامَةِ لِهَذَا دَعَوْتُكَ فَامْضِ لِعَمَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَدِيِّ بْنِ عَمِيرَةَ وَبُرَيْدَةَ وَالْمُسْتَوْرِدِ بْنِ شَدَّادٍ وَأَبِي حُمَيْدٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ مُعَاذٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ مِنْ حَدِيثِ أَبِي أُسَامَةَ عَنْ دَاوُدَ الأَوْدِيِّ ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا أبو أسامة، عن داود بن يزيد الأودي، عن المغيرة بن شبيل، عن قيس بن أبي حازم، عن معاذ بن جبل، قال بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فلما سرت أرسل في أثري فرددت فقال ‏ "‏ أتدري لم بعثت إليك لا تصيبن شيئا بغير إذني فإنه غلول ومن يغلل يأت بما غل يوم القيامة لهذا دعوتك فامض لعملك ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عدي بن عميرة وبريدة والمستورد بن شداد وأبي حميد وابن عمر ‏.‏ قال أبو عيسى حديث معاذ حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من هذا الوجه من حديث أبي أسامة عن داود الأودي ‏.‏


Mu'adh bin Jabal narrated:
"The Messenger of Allah (ﷺ) dispatched me to Yemen. When I had left, he sent a message after me, so I returned and he said: 'Do you know why I sent a message to you ? Do not take anything without my permission, for that will be Ghulul, and whoever commits Ghulul, he comes with what he took on the Day of Judgement. This is why I called you, so now go and do your job.'"


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৯. বিচারকার্যে ঘুষখোর ও ঘুষদাতা

১৩৩৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, বিচারের ক্ষেত্রে ঘুষখোর ও ঘুষ প্রদানকারীকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩১৩)

আবদুল্লাহ ইবনু আমর, আইশা, ইবনু হাদীদা ও উম্মু সালামা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ হুরাইরাহ (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন। আবূ সালমার সূত্রে আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও উল্লেখিত হাদীসটি বর্ণিত আছে। আবূ সালামা-তার আব্বা আবদুর রাহমানের সূত্রেও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ হাদীসটি বর্ণিত আছে, কিন্তু তা সহীহ নয়।

আমি আবদুল্লাহ ইবনু আবদুর রাহমানকে বলতে শুনেছিঃ এই অনুচ্ছেদের আওতাভুক্ত হাদীসসমূহের মধ্যে আবূ সালামা কর্তৃক আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ)-এর সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণিত হাদীসটি সর্বোত্তম ও সর্বাধিক সহীহ।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي فِي الْحُكْمِ ‏.‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي فِي الْحُكْمِ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَعَائِشَةَ وَابْنِ حَدِيدَةَ وَأُمِّ سَلَمَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ هَذَا الْحَدِيثُ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَلاَ يَصِحُّ ‏.‏ قَالَ وَسَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ يَقُولُ حَدِيثُ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَحْسَنُ شَيْءٍ فِي هَذَا الْبَابِ وَأَصَحُّ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا أبو عوانة، عن عمر بن أبي سلمة، عن أبيه، عن أبي هريرة، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي في الحكم ‏.‏ قال وفي الباب عن عبد الله بن عمرو وعائشة وابن حديدة وأم سلمة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن ‏.‏ وقد روي هذا الحديث عن أبي سلمة بن عبد الرحمن عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وروي عن أبي سلمة عن أبيه عن النبي صلى الله عليه وسلم ولا يصح ‏.‏ قال وسمعت عبد الله بن عبد الرحمن يقول حديث أبي سلمة عن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم أحسن شيء في هذا الباب وأصح ‏.‏


Abu Hurairah narrated:
"The Messenger of Allah (ﷺ) cursed the one who bribes and the one who takes a bribe for a judgement."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ৯. বিচারকার্যে ঘুষখোর ও ঘুষদাতা

১৩৩৭। আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ঘুষ গ্রহণকারী ও ঘুষ প্রদানকারী দুজনকেই রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অভিসম্পাত করেছেন।

সহীহ, প্রাগুক্ত

এ হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي فِي الْحُكْمِ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو مُوسَى، مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا أبو موسى، محمد بن المثنى حدثنا أبو عامر العقدي، حدثنا ابن أبي ذئب، عن خاله الحارث بن عبد الرحمن، عن أبي سلمة، عن عبد الله بن عمرو، قال لعن رسول الله صلى الله عليه وسلم الراشي والمرتشي ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


'Abdullah bin 'Amr narrated:
"The Messenger of Allah (ﷺ) cursed the one who bribes and the one who takes a bribe."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১০. উপহার নেওয়া ও দাওয়াতে যোগদান করা

১৩৩৮। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বকরীর পায়ের একটি খুরও যদি আমাকে উপহার হিসেবে দেওয়া হয়, আমি সেটা অবশ্যই গ্রহণ করব। আমাকে যদি তা খাওয়ার আমন্ত্রণ জানানো হয় তবে আমি তাতে সাড়া দিব।

সহীহ, সহীহুল জা-মি’ মুখতাসার শামা-ইলুল মুহাম্মাদিয়া (২৯০), বুখারী

আলী, আইশা, মুগীরা ইবনু শুবা, সালমান, মুআবিয়া ইবনু হাইদা ও আবদুর রাহমান ইবনু আলকামা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي قَبُولِ الْهَدِيَّةِ وَإِجَابَةِ الدَّعْوَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَزِيعٍ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ أُهْدِيَ إِلَىَّ كُرَاعٌ لَقَبِلْتُ وَلَوْ دُعِيتُ عَلَيْهِ لأَجَبْتُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَائِشَةَ وَالْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَسَلْمَانَ وَمُعَاوِيَةَ بْنِ حَيْدَةَ وَعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَلْقَمَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَنَسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا أبو بكر، محمد بن عبد الله بن بزيع حدثنا بشر بن المفضل، حدثنا سعيد، عن قتادة، عن أنس بن مالك، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو أهدي إلى كراع لقبلت ولو دعيت عليه لأجبت ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن علي وعائشة والمغيرة بن شعبة وسلمان ومعاوية بن حيدة وعبد الرحمن بن علقمة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أنس حديث حسن صحيح ‏.‏


Anas bin Malik narrated that Messenger of Allah (ﷺ) said:
"If trotter (lacking meat) were given to me I would accept it, and if I was invited to (a meal of) it I would accept."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১১. কোন লোককে যদি বিচারের রায়ে (ভুলক্রমে) এমন জিনিস প্রদান করা হয় যা (প্রকৃতপক্ষে) নেওয়া তার উচিত নয়, সেই প্রসঙ্গে সতর্কবাণী

১৩৩৯। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার নিকট ঝগড়া বিবাদ সমাধানের উদ্দেশ্যে এসে থাক। আমিও একজন মানুষ। হয়ত তোমাদের কোন লোক অন্য কারো তুলনায় (নিজের যুক্তি-প্রমাণ পেশে) অত্যন্ত বাকপটু হয়ে থাকবে। সুতরাং আমি তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তির অনুকূলে তার ভাইয়ের প্রাপ্য কোন অংশ দিয়ে দিতে পারি। এরকম পরিস্থিতিতে আমি যেন তার জন্য জাহান্নামের একটি টুকরাই তাকে দিয়ে দিচ্ছি। অতএব সে যেন (আসল বিষয় জানা থাকলে) এর কোন কিছুই গ্রহন না করে।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (২৩১৭), মুসলিম

আবূ হুরাইরা ও আইশা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উম্মু সালামা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي التَّشْدِيدِ عَلَى مَنْ يُقْضَى لَهُ بِشَيْءٍ لَيْسَ لَهُ أَنْ يَأْخُذَهُ

حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ الْهَمْدَانِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَىَّ وَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَإِنْ قَضَيْتُ لأَحَدٍ مِنْكُمْ بِشَيْءٍ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ فَلاَ يَأْخُذْ مِنْهُ شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أُمِّ سَلَمَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هارون بن إسحاق الهمداني، حدثنا عبدة بن سليمان، عن هشام بن عروة، عن أبيه، عن زينب بنت أم سلمة، عن أم سلمة، قالت قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إنكم تختصمون إلى وإنما أنا بشر ولعل بعضكم أن يكون ألحن بحجته من بعض فإن قضيت لأحد منكم بشيء من حق أخيه فإنما أقطع له قطعة من النار فلا يأخذ منه شيئا ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن أبي هريرة وعائشة ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أم سلمة حديث حسن صحيح ‏.‏


Umm Salamah narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
"Indeed you come to me with your disputes, and I am only a human being, perhaps one of you is more eloquent at presenting his argument than the other. If I judge for one of you, giving him something from the rights of his brother, then it is only a piece of the Fire that I am giving him, so do not take anything from it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১২. বাদীর দায়িত্ব হচ্ছে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাযির করা এবং বিবাদীর দায়িত্ব হচ্ছে শপথ করা

১৩৪০। আলকামা ইবনু ওয়াইল (রাঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, হাযরামাওত এলাকার একজন লোক এবং কিন্‌দার একজন লোক এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হাযির হল। হাযরামী বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমার অল্পকিছু জমি জোরপূর্বক এই লোক দখল করে নিয়েছে। কিনদী বলল, সেটা আমার জমি, আমার দখলেই আছে, সেটাতে তার কোন মালিকানা নেই।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযরামীকে বললেনঃ তোমার কাছে কোন প্রকারের সাক্ষী-প্রমাণ আছে কি? সে বলল, না। তিনি বললেনঃ তাহলে তোমাকে তার শপথের উপর নির্ভর করতে হবে। সে বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এ লোকটি তো বদমাইশ, যে কোন ব্যাপারে শপথ করতে তার কোন দ্বিধা নেই, কোন কিছুতেই তার ভীতি-বিহব্বলতা নেই। তিনি বললেনঃ এটা ব্যতীত তোমার আর কোন উপায় নেই।

বর্ণনাকারী বলেন, কিনদী শপথের উদ্দেশ্যে এগিয়ে আসলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যদি অন্যায়ভাবে তার সম্পদ আত্মসাতের উদ্দেশ্যে সে মিথ্যা শপথ করে তবে সে এমনভাবে আল্লাহর সামনে উপস্থিত হবে যে, আল্লাহ্ তা'আলা তার হতে (অসন্তোষে) মুখ সরিয়ে নিবেন।

সহীহ, ইরওয়া (২৬৩২), মুসলিম

উমার, ইবনু আব্বাস, আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আশআস ইবনু কাইস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবূ ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي أَنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ وَرَجُلٌ مِنْ كِنْدَةَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ الْحَضْرَمِيُّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا غَلَبَنِي عَلَى أَرْضٍ لِي ‏.‏ فَقَالَ الْكِنْدِيُّ هِيَ أَرْضِي وَفِي يَدِي لَيْسَ لَهُ فِيهَا حَقٌّ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْحَضْرَمِيِّ ‏"‏ أَلَكَ بَيِّنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلَكَ يَمِينُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الرَّجُلَ فَاجِرٌ لاَ يُبَالِي عَلَى مَا حَلَفَ عَلَيْهِ وَلَيْسَ يَتَوَرَّعُ مِنْ شَيْءٍ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لَيْسَ لَكَ مِنْهُ إِلاَّ ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَانْطَلَقَ الرَّجُلُ لِيَحْلِفَ لَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا أَدْبَرَ ‏"‏ لَئِنْ حَلَفَ عَلَى مَالِكَ لِيَأْكُلَهُ ظُلْمًا لَيَلْقَيَنَّ اللَّهَ وَهُوَ عَنْهُ مُعْرِضٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عُمَرَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو وَالأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا أبو الأحوص، عن سماك بن حرب، عن علقمة بن وائل بن حجر، عن أبيه، قال جاء رجل من حضرموت ورجل من كندة إلى النبي صلى الله عليه وسلم فقال الحضرمي يا رسول الله إن هذا غلبني على أرض لي ‏.‏ فقال الكندي هي أرضي وفي يدي ليس له فيها حق ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم للحضرمي ‏"‏ ألك بينة ‏"‏ ‏.‏ قال لا ‏.‏ قال ‏"‏ فلك يمينه ‏"‏ ‏.‏ قال يا رسول الله إن الرجل فاجر لا يبالي على ما حلف عليه وليس يتورع من شيء ‏.‏ قال ‏"‏ ليس لك منه إلا ذلك ‏"‏ ‏.‏ قال فانطلق الرجل ليحلف له فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم لما أدبر ‏"‏ لئن حلف على مالك ليأكله ظلما ليلقين الله وهو عنه معرض ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن عمر وابن عباس وعبد الله بن عمرو والأشعث بن قيس ‏.‏ قال أبو عيسى حديث وائل بن حجر حديث حسن صحيح ‏.‏


'Alqamah bin Wa'il [bin Hujr] narrated from his father who said:
"A man from Hadramawt and a man from Kindah came to the Prophet (ﷺ). The Hadrami said: 'O Messenger of Allah! This person took some land of mine.' The Kindi said:'It is my land, It is in my possession, and he has no right to it.' So the Prophet (ﷺ) said to the Hadrami:'Do you have proof?' He said: 'No.' He said: 'Then you will have the oath.' He said: 'O Messenger of Allah! This man is a liar, it makes not difference what he takes an oath for, he is not ashamed of doing anything!' He said: 'There is nothing you deserve from him except that.' He said: So the man was left to take an oath for it, and in the meantime, the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'If he takes an oath [for your property] to wrongfully consume it, He will meet Allah while He is angry with him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah

পরিচ্ছেদঃ ১২. বাদীর দায়িত্ব হচ্ছে সাক্ষ্য-প্রমাণ হাযির করা এবং বিবাদীর দায়িত্ব হচ্ছে শপথ করা

১৩৪১। আমর ইবনু শুআইব (রাহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার এক ভাষণে বলেছেনঃ বাদীর দায়িত্ব হচ্ছে সাক্ষী-প্রমাণ হাযির করা এবং বিবাদীর দায়িত্ব হচ্ছে শপথ করা।

সহীহ, ইরওয়া (৮/২৬৫-২৬৭)

এ হাদীসের সনদকে আবূ ঈসা সমালোচিত বলেছেন। বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু উবাইদুল্লাহ আরযামীর স্মরণ-শক্তি দুর্বল। তাকে ইবনুল মুবারাক ও অন্যান্যরা দুর্বল বর্ণনাকারী বলে আখ্যায়িত করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي أَنَّ الْبَيِّنَةَ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينَ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَنْبَأَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، وَغَيْرُهُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي خُطْبَتِهِ ‏ "‏ الْبَيِّنَةُ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ فِي إِسْنَادِهِ مَقَالٌ ‏.‏ وَمُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدِ اللَّهِ الْعَرْزَمِيُّ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ مِنْ قِبَلِ حِفْظِهِ ضَعَّفَهُ ابْنُ الْمُبَارَكِ وَغَيْرُهُ ‏.‏

حدثنا علي بن حجر، أنبأنا علي بن مسهر، وغيره، عن محمد بن عبيد الله، عن عمرو بن شعيب، عن أبيه، عن جده، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال في خطبته ‏ "‏ البينة على المدعي واليمين على المدعى عليه ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث في إسناده مقال ‏.‏ ومحمد بن عبيد الله العرزمي يضعف في الحديث من قبل حفظه ضعفه ابن المبارك وغيره ‏.‏


'Amr bin Shu'aib narrated from his father, from his grandfather, that during a Khutbah, the Prophet (ﷺ) said:
"The proof is due from the claimant, and the oath is due from the one the claim is made against."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
১৩/ বিচার কার্য (كتاب الأحكام عن رسول الله ﷺ) 13. The Chapters On Judgements From The Messenger of Allah
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 পরের পাতা »