আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ৩৮৬ টি

পরিচ্ছেদঃ ১১৪: দাঁড়িয়ে পান করা

৪/৭৭৪। ‘আমর ইবনে শু‘আইব তাঁর পিতা থেকে তিনি স্বীয় দাদা থেকে বর্ণনা করেন যে, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাঁড়িয়ে ও বসে পানি পান করতে দেখেছি।’ (তিরমিযী হাসান সহীহ) [1]

(114) بَابُ بَيَانِ جَوَازِ الشُّرْبِ قَائِمًا

وَعَن عَمرِو بنِ شُعَيبٍ، عَن أَبِيهِ، عَن جَدِّهِ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَشْرَبُ قَائِماً وقَاعِداً . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(114) Chapter: Permission to Drink While Standing


'Amr bin Shu'aib on the authority of his father and grandfather reported: that they saw Messenger of Allah (ﷺ) drink standing, and sitting. [At-Tirmidhi]. The last three Ahadith point out the permissibility of eating and drinking while walking or standing or sitting, but drinking in the sitting position remains the best.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২১: মধ্যম ধরনের পোশাক পরা উত্তম। অকারণে শরয়ী উদ্দেশ্য ব্যতিত অনুত্তম, যা উপহাস্য হতে পারে এমন পোষাক পরা যাবে না

১/৮০৭। ‘আমর ইবনে ‘শুআইব স্বীয় পিতা হতে, তিনি স্বীয় দাদা হতে বর্ণনা করেছেন, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ পছন্দ করেন যে, তাঁর বান্দার উপর তাঁর প্রদত্ত নেয়ামতের প্রভাব ও চিহ্ন দেখা যাক।’’ (তিরমিযী, হাসান) [1]

(121) بَابُ اِسْتِحْبَابِ التَّوَسُّطِ فِي اللِّبَاسِوَلَا يُقْتَصَرُ عَلٰى مَا يَزْرِيْ بِهِ لِغَيْرِ حَاجَةٍ وَلَا مَقْصُوْدٍ شَرْعِيٍّ

عَن عَمرِو بنِ شُعَيبٍ، عَن أَبيهِ، عَن جَدِّهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إنَّ اللهَ يُحِبُّ أنْ يُرَى أثَرُ نِعْمَتِهِ عَلَى عَبْدِهِ ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

(121) Chapter: The Excellence of Adopting Moderation in Dress


`Amr bin Shu`aib on the authority of his father and grandfather reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Allah loves to see the sign of His Bounties on his slave." [At-Tirmidhi]. Commentary: A simple dress is commendable if one wears it as a gesture of humility wining Allah's Pleasure. Yet, to zealously pursue the goal of goodness, to extend a helping hand to the indigent and the needy, to behave favourably towards one's relatives and to wear a fine dress as a manifestation of Allah's Favours are equally good acts of high merit. A fine dress is not impeachable in itself but it becomes so, if worn with an air of arrogance and self-importance. On the other hand, an expression of Divine bounty makes it praiseworthy. In other words, it is the intention which makes an act good or bad. Alongside the practice of the example of Messenger of Allah (PBUH), the sincerity of action and making right intention, therefore, become indispensable.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২৯: মজলিস ও বসার সাথীর নানা আদব-কায়দা

৫/৮৩৩। ‘আমর ইবনে শুয়াইব (রহ.) স্বীয় পিতা থেকে তিনি স্বীয় দাদা থেকে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কোন ব্যক্তির জন্য এটা বৈধ নয় যে, সে দু’জনের মধ্যে তাদের বিনা অনুমতিতে তফাৎ সৃষ্টি করবে। (আবূ দাউদ, তিরমিযী, হাসান ) [1]

আবূ দাউদের এক বর্ণনায় আছে, ‘‘দু’জনের মধ্যে তাদের বিনা অনুমতিতে বসা যাবে না।’’

(129) بَابُ فِيْ آدَابِ الْمَجْلِسِ وَالْجَلِيْسِ

وَعَنْ عَمرِو بنِ شُعَيْبٍ، عَن أَبِيهِ، عَن جَدِّهِ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: لاَ يَحِلُّ لِرَجُلٍ أَنْ يُفَرِّقَ بَيْنَ اثْنَيْنِ إِلاَّ بِإِذْنِهِمَا . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن
وفي رواية لأبي داود: لاَ يُجْلسُ بَيْنَ رَجُلَيْنِ إِلاَّ بِإذْنِهِمَا

(129) Chapter: Etiquette of Attending company and sitting with Companions


'Amr bin Shu'aib on the authority of his father and grandfather reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "It is not permissible for a person to sit between two people without their permission." [At-Tirmidhi]. Commentary: This Hadith tells us that a man is forbidden to push himself between two sitting persons unless they themselves allow him to do that.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬৭: সফরের জন্য সাথী খোঁজ করা এবং কোন একজনকে আমীর (দলপতি) নিযুক্ত করে তার আনুগত্য করা শ্রেয়

২/৯৬৬। ‘আমর ইবনে শু‘আইব তাঁর পিতা হতে এবং তিনি তাঁর দাদা (আব্দুল্লাহ ইবনে আমর) হতে বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘একজন (সফরকারী) আরোহী একটি শয়তান এবং দু’জন আরোহী দু’টি শয়তান। আর তিনজন আরোহী একটি কাফেলা।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী, নাসাঈ বিশুদ্ধসূত্রে) [1]

(167) بَابُ اِسْتِحْبَابِ طَلَبِ الرُّفْقَةِ وَتَأْمِيْرِهِمْ عَلٰى أَنْفُسِهِمْ وَاحِدًا يُطِيْعُوْنَهُ

وَعَنْ عَمرِو بنِ شُعَيْبٍ، عَن أَبِيهِ، عَن جَدِّهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «الرَّاكِبُ شَيْطَانٌ، وَالرَّاكِبَانِ شَيْطَانَانِ، وَالثَّلاَثَةُ رَكْبٌ ». رواه أَبُو داود والترمذي والنسائي بأسانيد صحيحةٍ، وَقَالَ الترمذي: «حديث حسن »

(167) Chapter: The Desirability of undertaking a Journey in a Group and appointing a Leader


'Amr bin Shu'aib (May Allah be pleased with him) reported: The Messenger of Allah (ﷺ) said, "A single rider is (accompanied with) Satan and two riders are (accompanied with) two Satans. Three riders form a group." [At-Tirmidhi and Abu Dawud]. Commentary: The Hadith tells us that at least three travelling companions are preferable, because if they are only two, one may drop due to some emergency and the other will remain alone. One or two riders (travellers) have been described in the Hadith as "accompanied with Satan'' and this means that they can hardly escape the devil. However, in case of three, they will remain immune from satanic insinuations.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫১. উযুর অঙ্গগুলো তিনবার করে ধৌত করার বর্ণনা।

১৩৫. মুসাদ্দাদ ..... আমর ইবনু শুআয়ব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হয়ে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! পবিত্রতা কিরূপ? তখন তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এক পাত্র পানি চাইলেন এবং দুই হাতের কব্জি পর্যন্ত তিনবার ধৌত করলেন। অতঃপর তিনি তাঁর মুখমন্ডল তিনবার ধৌত করেন- অতঃপর দুই হাতের কনুই পর্যন্ত তিনবার ধৌত করেন, অতঃপর মাথা মাসেহ্ করেন এবং উভয় হাতে, তর্জনীদ্বয়কে উভয় কানে প্রবেশ করান, অতঃপর উভয় বৃদ্ধাংগুলি দ্বারা কানের বহিরাংশ মাসেহ্ করেন, অতঃপর পদযুগল তিনবার করে ধৌত করেন এবং বলেনঃ এটাই পরিপূর্ণভাবে উযূ (ওজু/অজু/অযু) করার নমুনা। অতঃপর যে ব্যাক্তি এর অধিক বা কম করে- সে অবশ্যই জুলুম ও অন্যায় করে। এস্থলে রাবী হাদীছ বর্ণনায় (أَسَاءَ وَظَلَمَ) অথবা (ظَلَمَ وَأَسَاءَ) শব্দদ্বয়ের কোনটি প্রথমে ও কোনটি পরে বলেছেন এ ব্যাপারে সদ্দেহ প্রকাশ করেছেন। (নাসাঈ, ইবনু মাজাহ)।

[ أو نقص কথাটি বাদে। কেননা এটি শাজ।]

باب الْوُضُوءِ ثَلاَثًا ثَلاَثًا

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ مُوسَى بْنِ أَبِي عَائِشَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَجُلاً، أَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ الطُّهُورُ فَدَعَا بِمَاءٍ فِي إِنَاءٍ فَغَسَلَ كَفَّيْهِ ثَلاَثًا ثُمَّ غَسَلَ وَجْهَهُ ثَلاَثًا ثُمَّ غَسَلَ ذِرَاعَيْهِ ثَلاَثًا ثُمَّ مَسَحَ بِرَأْسِهِ فَأَدْخَلَ إِصْبَعَيْهِ السَّبَّاحَتَيْنِ فِي أُذُنَيْهِ وَمَسَحَ بِإِبْهَامَيْهِ عَلَى ظَاهِرِ أُذُنَيْهِ وَبِالسَّبَّاحَتَيْنِ بَاطِنَ أُذُنَيْهِ ثُمَّ غَسَلَ رِجْلَيْهِ ثَلاَثًا ثَلاَثًا ثُمَّ قَالَ ‏"‏ هَكَذَا الْوُضُوءُ فَمَنْ زَادَ عَلَى هَذَا أَوْ نَقَصَ فَقَدْ أَسَاءَ وَظَلَمَ ‏"‏ ‏.‏ أَوْ ‏"‏ ظَلَمَ وَأَسَاءَ ‏"‏ ‏.‏

حكم : حسن صحيح دون قوله أو نقص فإنه شاذ (الألباني


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As: A man came to the Prophet (ﷺ) and asked him: Messenger of Allah, how is the ablution (to performed)? He (the Prophet) then called for water in a vessel and washed his hands up to the wrists three times, then washed his face three times, and washed his forearms three times. He then wiped his head and inserted both his index fingers in his ear-holes; he wiped the back of his ears with his thumbs and the front of his ears with the index fingers. He then washed his feet three times. Then he said: This is how ablution should be performed. If anyone does more or less than this, he has done wrong and transgressed, or (said) transgressed and done wrong.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩০. বালকদের কখন থেকে নামায পড়ার নির্দেশ দিতে হবে।

৪৯৫. মুআম্মাল ইবনু হিশাম ..... আমর ইবনু শুআয়েব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা এবং দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেনঃ যখন তোমাদের সন্তানরা সাত বছরে উপনীত হবে, তখন তাদেরকে নামায পড়ার নির্দেশ দেবে এবং তাদের বয়স যখন দশ বছর হবে তখন নামায না পড়লে এজন্য তাদেরকে মারপিট কর এবং তাদের (ছেলে-মেয়েদের) বিছানা পৃথক করে দিবে।

باب مَتَى يُؤْمَرُ الْغُلاَمُ بِالصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُؤَمَّلُ بْنُ هِشَامٍ، - يَعْنِي الْيَشْكُرِيَّ - حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ، عَنْ سَوَّارٍ أَبِي حَمْزَةَ، - قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ سَوَّارُ بْنُ دَاوُدَ أَبُو حَمْزَةَ الْمُزَنِيُّ الصَّيْرَفِيُّ - عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مُرُوا أَوْلاَدَكُمْ بِالصَّلاَةِ وَهُمْ أَبْنَاءُ سَبْعِ سِنِينَ وَاضْرِبُوهُمْ عَلَيْهَا وَهُمْ أَبْنَاءُ عَشْرِ سِنِينَ وَفَرِّقُوا بَيْنَهُمْ فِي الْمَضَاجِعِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As: The Messenger of Allah (ﷺ) said: Command your children to pray when they become seven years old, and beat them for it (prayer) when they become ten years old; and arrange their beds (to sleep) separately.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯৫. জুতা পরিহিত অবস্থায় নামায পড়া।

৬৫৩. মুসলিম ইবনু ইব্রাহীম ..... আমর ইবনু শুআয়েব থেকে তাঁর পিতার সূত্রে এবং তিনি তার দাদার সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে কোন সময় খালি পায়ে এবং কোন সময় জুতা পরিহিত অবস্থায় নামায পড়তে দেখেছি। (ইবনু মাজাহ)।

باب الصَّلاَةِ فِي النَّعْلِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي حَافِيًا وَمُنْتَعِلاً ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As: I saw the Messenger of Allah (ﷺ) praying both barefooted and wearing sandals.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১৭. ইমামের সুতরা মুকতাদীর জন্য যথেষ্ট।

৭০৮. মুসাদ্দাদ ..... আমর ইবনু শুআয়েব থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা এবং পিতার দাদা হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে (মক্কা ও মদ্বীনার মধ্যবর্তী) আযাখির উপত্যকায় অবতরণ করি নামাযের সময় উপনীত হলে তিনি একটি দেয়ালের নিকটবর্তী হয়ে তা সুত্‌রা হিসেবে ধরে নামায আদায় করেন। এ সময় একটি চতুষ্পদ শুকর শাবক তাঁর সম্মুখ দিয়ে যেতে চাইলে তিনি তাকে এমনভাবে বাধা দেন যে, তাঁর পেট দেয়ালের সাথে লেগে যায়। অতঃপর শাবকটি তাঁর পেছন দিক দিয়ে (অথবা দেয়ালের অপর পাশ দিয়ে) যায়।

باب سُتْرَةُ الإِمَامِ سُتْرَةُ مَنْ خَلْفَهُ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا عِيسَى بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ الْغَازِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ هَبَطْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ ثَنِيَّةِ أَذَاخِرَ فَحَضَرَتِ الصَّلاَةُ - يَعْنِي - فَصَلَّى إِلَى جِدَارٍ فَاتَّخَذَهُ قِبْلَةً وَنَحْنُ خَلْفَهُ فَجَاءَتْ بَهْمَةٌ تَمُرُّ بَيْنَ يَدَيْهِ فَمَا زَالَ يُدَارِئُهَا حَتَّى لَصِقَ بَطْنُهُ بِالْجِدَارِ وَمَرَّتْ مِنْ وَرَائِهِ ‏.‏ أَوْ كَمَا قَالَ مُسَدَّدٌ ‏.‏


‘Amr b. Shu’aib reported from his father on the authority of his grand-father: We came down from the mountain pass of Adhaakhir in the company of the Messenger of Allah (ﷺ). The time of prayer came and he prayed facing a direction of prayer, and we were (standing) behind him. Then a kid came and passed in front of him. He kept on stopping it until he brought his stomach near the wall (to detain it), and at last it passed behind him, or as Musaddad said.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩৯. মাগরিবের নামাযে কিরাআত সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।

৮১৪. আহমদ ইবনু সাঈদ আস-সারখাসী ..... আমর ইবনু শুআয়ব থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে ফরয নামাযের ইমামতির সময়- মুফাসসালের ছোট-বড় সব সূরাই পাঠ করতে শুনেছি (সূরা হুজুরাত হতে কুরআনের সর্বশেষ সূরা পর্যন্ত- সূরা গুলিকে মুফাসসাল বলা হয়)।

باب مَنْ رَأَى التَّخْفِيفَ فِيهَا

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ السَّرْخَسِيُّ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي قَالَ، سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْحَاقَ، يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّهُ قَالَ مَا مِنَ الْمُفَصَّلِ سُورَةٌ صَغِيرَةٌ وَلاَ كَبِيرَةٌ إِلاَّ وَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَؤُمُّ النَّاسَ بِهَا فِي الصَّلاَةِ الْمَكْتُوبَةِ ‏.‏


‘Amr b. Shu’aib, on his father’s authority, quoted his grandfather as saying: There is no short or long surah in al-Mufassal which I have not heard the Messenger of Allah (May peace be upon him) reciting when he led the people in the prescribed prayer.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২২৬. জুমুআর দিন নামাযের পূর্বে গোলাকার হয়ে বসা।

১০৭৯. মুসাদ্দাদ (রহঃ) .... আমর ইবনে শুয়াইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তারঁ পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে বেচা-কেনা করতে, হারানো জিনিস খোঁজ করতে এবং কবিতা পাঠ করতে নিষেধ করেছেন এবং জুমার দিন নামাযের পূর্বে গোলাকার হয়ে বসতেও নিষেধ করেছেন। (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ, তিরমিজী)

باب التَّحَلُّقِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ قَبْلَ الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى، عَنِ ابْنِ عَجْلاَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنِ الشِّرَاءِ وَالْبَيْعِ فِي الْمَسْجِدِ وَأَنْ تُنْشَدَ فِيهِ ضَالَّةٌ وَأَنْ يُنْشَدَ فِيهِ شِعْرٌ وَنَهَى عَنِ التَّحَلُّقِ قَبْلَ الصَّلاَةِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As: The Messenger of Allah (ﷺ) prohibited buying and selling in the mosque, announcing aloud about a lost thing, the recitation of a poem in it, and prohibited sitting in a circle (in the mosque) on Friday before the prayer.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৫৭. ঈদের নামাযের তাকবীর।

১১৫২. আবু তাওবা (রহঃ) ..... আমর ইবনে শুয়াইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঈদুল ফিতরের নামাযের প্রথম রাকাতে সাতটি তাকবীর বলার পর কিরাআত পাঠ শুরু করতেন। কিরাআত শেষে তাকবীর বলার পর প্রথম রাকাত সমাপনান্তে দ্বিতীয় রাকাতের জন্য দন্ডায়মান হয়ে চারবার তাকবীর বলে কিরাআত শুরু করতেন এবং পরে রুকুতে যেতেন। (ইবনে মাজা)

باب التَّكْبِيرِ فِي الْعِيدَيْنِ

حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ، - يَعْنِي ابْنَ حَيَّانَ - عَنْ أَبِي يَعْلَى الطَّائِفِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ يُكَبِّرُ فِي الْفِطْرِ فِي الأُولَى سَبْعًا ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يُكَبِّرُ ثُمَّ يَقُومُ فَيُكَبِّرُ أَرْبَعًا ثُمَّ يَقْرَأُ ثُمَّ يَرْكَعُ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ وَكِيعٌ وَابْنُ الْمُبَارَكِ قَالاَ سَبْعًا وَخَمْسًا ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Amr ibn al-'As: The Prophet (ﷺ) used to say on the day of the breaking of the fast seven takbirs in the first rak'ah and then recite the Qur'an, and utter the takbir (Allah is most great). Then he would stand, and utter the takbir four times. Thereafter he would recite the Qur'an and bow. Abu Dawud said: This has been narrated by Waki' and Ibn al-Mubarak. Their version goes: "Seven (in the first rak'ah) and five (in the second)."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬৫. ইসতিসকার নামায আদায়কালে দুই হাত তুলে দুয়া করা।

১১৭৬. আব্দুল্লাহ ইবন মাসলামা ও সাহল ইবন সালেহ (রহঃ) .... আমর ইবন শুআয়ব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদা আব্দুল্লাহ (রাঃ) এর সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইস্তিস্কার নামাজের সময় বলতেনঃ ইয়া আল্লাহ্‌! তুমি তোমার বান্দা ও পশু পক্ষীদের জন্য বৃষ্টি বর্ষণ কর। তোমার রহমত বিস্তৃত কর এবং তোমার মৃত ভূমিকে (শুষ্ক জমিনকে) জীবিত (সুজলা সুফলা উর্বর) করে দাও। এটা মালিক বর্ণিত হাদিসের মতন (মূল পাঠ)।

باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الاِسْتِسْقَاءِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ ح وَحَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ قَادِمٍ أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا اسْتَسْقَى قَالَ ‏ "‏ اللَّهُمَّ اسْقِ عِبَادَكَ وَبَهَائِمَكَ وَانْشُرْ رَحْمَتَكَ وَأَحْىِ بَلَدَكَ الْمَيِّتَ ‏"‏ ‏.‏ هَذَا لَفْظُ حَدِيثِ مَالِكٍ ‏.‏


Narrated 'Amr b. Suh'aib: On his father's authority, quoted his grandfather as saying: When the Messenger of Allah (ﷺ) prayed for rain, he said: O Allah! Provide water for Your servants and Your cattle, display Your mercy and give life to Your dead land. This is the wording of Malik.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. গচ্ছিত ধনের এবং অলংকারের যাকাত।

১৫৬৩. আবু কামিল (রহঃ) ..... আমর ইব্‌ন শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা) বলেন, এক মহিলা তার কন্যাসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের খেদমতে উপস্থিত হন। তার কন্যার হাতে মোটা দুই গাছি সোনার কাকন ছিল। তিনি বলেনঃ তোমরা কি যাকাত দাও? মহিলা বলেন, না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি পছন্দ কর যে, কিয়ামতের দিন আল্লাহ্‌ তায়ালা এর পরিবর্তে তোমাকে এক জোড়া আগুনের কাঁকন পরিধান করান? রাবী বলেন, একথা শুনে মেয়েটি তার হাত থেকে তা খুলে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সামনে রেখে দিয়ে বলল, এ দুটি আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের জন্য। (তিরমিযী, নাসাঈ)।

باب الْكَنْزِ مَا هُوَ وَزَكَاةِ الْحُلِيِّ

حَدَّثَنَا أَبُو كَامِلٍ، وَحُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، - الْمَعْنَى - أَنَّ خَالِدَ بْنَ الْحَارِثِ، حَدَّثَهُمْ حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ امْرَأَةً، أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَعَهَا ابْنَةٌ لَهَا وَفِي يَدِ ابْنَتِهَا مَسَكَتَانِ غَلِيظَتَانِ مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ لَهَا ‏"‏ أَتُعْطِينَ زَكَاةَ هَذَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَتْ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَيَسُرُّكِ أَنْ يُسَوِّرَكِ اللَّهُ بِهِمَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ سِوَارَيْنِ مِنْ نَارٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَخَلَعَتْهُمَا فَأَلْقَتْهُمَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَقَالَتْ هُمَا لِلَّهِ عَزَّ وَجَلَّ وَلِرَسُولِهِ ‏.‏


'Amr bin Shu'aib on his father's authority said that his grandfather reported: A woman came to the Messenger of Allah (ﷺ) and she was accompanied by her daughter who wore two heavy gold bangles in her hands. He said to her: Do you pay zakat on them? She said: No. He then said: Are you pleased that Allah may put two bangles of fire on your hands? Thereupon she took them off and placed them before the Prophet (ﷺ) saying: They are for Allah and His Apostle.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮. যাকাত আদায়কারী যাকাতদাতাদের নিকট কোন স্থানে যাকাত গ্রহণ করবে।

৭.অনুচ্ছেদঃ উটের বয়স সম্পর্কে

ইমাম আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, আমি রায়্যাশী, আবু হাতীম ও অন্যুদের নিকট হতে এই বর্ণনা শুনেছি এবং নাদর ইব্‌ন শুমায়েল ও আবু উবায়দের গ্রন্থে পেয়েছি, কোন কোন কথা তাদের একজনেই বলেছেন। তাঁরা বলেন, উটের বাচ্চাকে (যতকক্ষণ মাতৃগর্ভে থেকে) 'আল-হাওয়্যার', আল-ফাসীল (যখন ভূমিষ্ঠ হয়) ও বিন্‌ত মাখাদ (যে বাচ্চা দ্বিতীয় বছরে পদার্পন করেছে), আর তিন বছর বয়সে পদার্পণকারী বাচ্চাকে 'বিনতে লাবূন' বলা হয়। অতঃপর উটের বয়স পূর্ণ তিন বছর হতে চার বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত বলা হয়, হিক্ক ও হিক্‌কাহ্‌। কেননা তখন হিক্কাহ বাহনের যোগ্য হয় বাচ্চা ধারণের উপযোক্ত হয় এবং যৌবনে পৌঁছে। কিন্তু হিক্কাহ ছয় বছরে না পৌঁছা পর্যন্ত প্রাপ্তবয়ষ্ক হয় না এবং হিক্‌কাহ্‌কে তুরুকাতুল ফাহল’ও বলা হয়। কেননা ঐ সময় পুরুষ উট এর উপর কুঁদে পড়ে।

অতঃপর যখন তার বয়স পাঁচ বছর পড়ে তখন তাকে জাযাআহ্‌ বলে এবং পাঁচ বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত তাকে এই নামেই অখ্যায়িত করা হয়। অতঃপর যখন তা ছয় বছরে পদার্পণ করে এবং সামনের দাঁত উঠে তখন তাকে ‘ছানা' বলে ছয় বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত। অতঃপর যখন তার বয়স সাত শুরু হয় তখন হতে সাত বছর পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত পুরুষ উটকে বলা হয় ‘রুবাঈ’ এবং স্ত্রী উষ্ট্রীকে বলা হয় ‘রুবাইয়া। অতঃপর তা যখন আট বছরে পদার্পণ করে তখন থেকে তাকে ‘সাদীস বলে আট পূর্ণ হওয়া পর্যন্ত। যখন তা নয় বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে ‘বাযিল্‌’ বলা হয়। কারণ তখন তাঁর কুঁজ নির্গত হতে থাকে।

অতঃপর উট যখন দশ বছরে পদার্পণ করে তখন তাকে ‘মুখলিফা’ বলে। এর পরে উটের আর কোন নামকরণ নাই। অবশ্য এর পরে তাকে এক বছরের বাযিল, দুই বছরের বাযিল; এক বছরে মুখ্‌লি্‌ফ, দুই বছরের মুখ্‌লিফ, তিন বছরের মুখলিফ, চার বছরের মুখলিফ এবং পাঁচ বছরের মুখলিফ বলা হয়ে থাকে। গর্ভবতী উষ্ট্রীকে হালাফা’ বলে। আবু হাতেম বলেন, জুযূআহ্‌ হল কাল প্রবাহের একটি সময়, কোন দাঁতের নাম নয়। উটের বয়সের পরিবর্তে হয় সুহাইল (Canopus) তারকা উদিত হওয়ার সাথে সাথে। আবু দাউদ (রহঃ) বলেন, আর-রিয়াশী আমাদেরকে নিম্নোক্ত কবিতা আবৃত্তি করে শুনানঃ (অর্থ)

“রাতের প্রথম প্রহরে যখন সুহাইল তারকা উদিত হয়, তখন ইব্‌ন লাবূন হিক্কা হয়ে গেলে এবং হিক্কাহ জাযাআহ্‌ হয়ে গেল। হুবা ছাড়া এমন কোন বয়স নাই যা (সুহাইল তারকা উদয় থেকে) গণনা করা যায় না, হুবা সেই উষ্ট্রী শাবককে বলা হয় যা সুহাইল তারকা উদয়কালে ভুমিষ্ঠ হয় না, বরং অন্য সময় ভূমিষ্ঠ হয়।


১৫৯১. কুতায়বা ইব্‌ন সাঈদ (রহঃ) .... আমর ইব্‌ন শুআয়েব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও পিতামহের সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ যাকাত আদায়কারী (যাকাত প্রদানকারীকে) দূরে টেনে নিবে না এবং যাকাতদাতা নিজের মাল দূরে সরিয়ে রাখবে না (যাতে লেনদেনে কষ্ট না হয়); আর তাদের যাকাতের মাল, তাদের ঘর-বাড়ি ব্যতীত অন্য কোথাও হতে গ্রহণ করা চলবে না।

باب أَيْنَ تُصَدَّقُ الأَمْوَالُ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لاَ جَلَبَ وَلاَ جَنَبَ وَلاَ تُؤْخَذُ صَدَقَاتُهُمْ إِلاَّ فِي دُورِهِمْ ‏"‏ ‏.‏


'Amr bin Shu'aib, on his father's authority, said that his grandfather reported the Prophet (ﷺ) as saying: There is to be no collecting of sadaqah (zakat) from a distance, nor must people who own property remove it far away, and their sadaqahs are to be received in their dwelling.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২. মধুর যাকাত।

১৬০০. আহমাদ ইব্‌ন আবু শুআইব (রহঃ) ..... আমর ইব্‌ন শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা এবং দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, বনী মুতআন্‌ গোত্রের সদস্য হিলাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামের নিকট তাঁর মধুর উশর নিয়ে উপস্থিত হন। তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট সালবা’ নামক উপত্যকাটি জায়গীর চান। রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম উক্ত উপত্যকা তাকে জায়গীর দেন। অতঃপর উমার ইব্‌নুল খাত্তাব (রাঃ) যখন খলীফা নির্বাচিত হন, তখন সুফিয়ান ইব্‌ন ওয়াহ্‌ব তাঁর সম্পর্কে জানতে চেয়ে একখানি পত্র লেখেন। এর জবাবে উমার (রাঃ) তাঁকে লিখে জানান, সে রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মধুর যে উশর দিত তা যদি তোমাকে দিতে থাকে তবে সালবা উপত্যকায় তার জায়গীর বহাল রাখ। অন্যথায় তা বনের মৌমাছি হিসেবে গন্য হবে এবং যে কোন ব্যক্তি তার মধু খেতে পারবে।

باب زَكَاةِ الْعَسَلِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي شُعَيْبٍ الْحَرَّانِيُّ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ أَعْيَنَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ الْمِصْرِيِّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ جَاءَ هِلاَلٌ - أَحَدُ بَنِي مُتْعَانَ - إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِعُشُورِ نَحْلٍ لَهُ وَكَانَ سَأَلَهُ أَنْ يَحْمِيَ لَهُ وَادِيًا يُقَالُ لَهُ سَلَبَةُ فَحَمَى لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَلِكَ الْوَادِي فَلَمَّا وُلِّيَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ - رضى الله عنه - كَتَبَ سُفْيَانُ بْنُ وَهْبٍ إِلَى عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ يَسْأَلُهُ عَنْ ذَلِكَ فَكَتَبَ عُمَرُ رضى الله عنه إِنْ أَدَّى إِلَيْكَ مَا كَانَ يُؤَدِّي إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْ عُشُورِ نَحْلِهِ لَهُ فَاحْمِ لَهُ سَلَبَةَ وَإِلاَّ فَإِنَّمَا هُوَ ذُبَابُ غَيْثٍ يَأْكُلُهُ مَنْ يَشَاءُ ‏.‏


'Amr bin Shu'aib, on his father's authority, said that his grandfather reported: Hilal, a man from the tribe of Banu Mat'an brought a tenth of honey which he possessed in beehives to the Messenger of Allah (ﷺ). He asked him (the apostle of Allah) to give the wood known as Salabah as a protected (or restricted) land. The Messenger of Allah (ﷺ) gave him that wood as a protected land. When Umar ibn al-Khattab succeeded, Sufyan ibn Wahb wrote to Umar asking him about this wood. Umar ibn al-Khattab wrote to him: If he (Hilal) pays you the tithe on honey what he used to pay to the Messenger of Allah (ﷺ), leave the protected land of Salabah in his possession; otherwise those bees are like those of any wood; anyone can take the honey as he likes.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২. মধুর যাকাত।

১৬০১. আহ্‌মাদ ইব্‌ন আবদাহ (রহঃ) ..... আমর ইব্‌ন শুআইব (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও পিতামহের সূত্রে বর্ণিত। শাবাবা ছিল ফাহ্‌ম গোত্রের উপগোত্র। অতঃপর তিনি এইরূপ বর্ণনা করেন যে, প্রত্যেক দশ মশকের জন্য এক মশক যাকাত দিতে হবে। সুফিয়ান ইব্‌ন আব্দুল্লাহ আছ-ছাকাফী তাদেরকে দুইটি উপত্যকার জায়গীর দেন। তারা তাকে ঐরূপ (মধুর) যাকাত প্রদান করতেন, যেভাবে তারা রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লামকে তা প্রদান করতেন। তিনি (সুফিয়ান) তাদের জয়গীর স্বত্ব বহাল রাখেন। (নাসাঈ, ইব্‌ন মাজা)।

باب زَكَاةِ الْعَسَلِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ الضَّبِّيُّ، حَدَّثَنَا الْمُغِيرَةُ، - وَنَسَبَهُ إِلَى عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ الْمَخْزُومِيِّ - قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ شَبَابَةَ، - بَطْنٌ مِنْ فَهْمٍ - فَذَكَرَ نَحْوَهُ قَالَ مِنْ كُلِّ عَشْرِ قِرَبٍ قِرْبَةٌ وَقَالَ سُفْيَانُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيُّ قَالَ وَكَانَ يُحَمِّي لَهُمْ وَادِيَيْنِ زَادَ فَأَدَّوْا إِلَيْهِ مَا كَانُوا يُؤَدُّونَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَحَمَّى لَهُمْ وَادِيَيْهِمْ ‏.‏


'Amr bin Shu'aib, on his father's authority, said that his grandfather reported: That was Banu Shababah, a sub-clan of the tribe Fahm. The narrator then transmitted the tradition something similar. He added:(They used to pay) one bag (of honey) out of ten bags. Sufyan ibn Abdullah ath-Thaqafi gave them two woods as protected lands. They used to give as much honey (as zakat) as they gave to the Messenger of Allah (ﷺ). He (Sufyan) used to protect their woods.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২. মধুর যাকাত।

১৬০২. আর-রবী ইব্‌ন সুলায়মান (রহঃ) ..... আমর ইব্‌ন শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও পিতামহের সূত্রে বর্ণিত। ফাহ্‌ম গোত্রের একটি শাখা ... মুগীরার বর্ণিত হাদীসের অনুরূপ। প্রত্যেক দশ মশকের জন্য যাকাত এক মশক। অতঃপর রাবী বলেন, ঐ দুইটি উপত্যকার মালিক ছিলেন তারা।

باب زَكَاةِ الْعَسَلِ

حَدَّثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمُؤَذِّنُ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي أُسَامَةُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ بَطْنًا، مِنْ فَهْمٍ بِمَعْنَى الْمُغِيرَةِ قَالَ مِنْ عَشْرِ قِرَبٍ قِرْبَةٌ ‏.‏ وَقَالَ وَادِيَيْنِ لَهُمْ ‏.‏


‘Amr bin Shu’aib said on the authority of his father that his grandfather reported a sub clan of Fahm. He then narrated the tradition like that of the narrator Al Mughirah. This version has “(They used to give) sadaqah out of ten bags (of honey).” He also added “Two woods of theirs”.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৭১১. মুহাম্মাদ ইব্‌নুল আলা (রহঃ) ...... আমর ইব্‌ন শুআয়ের (রহঃ) হতে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তবে এই সূত্রে আরও আছেঃ নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হারানো বক্‌রী ধরে রাখার নির্দেশ দিয়েছেন।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ، - يَعْنِي ابْنَ كَثِيرٍ - حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ، بِإِسْنَادِهِ بِهَذَا قَالَ فِي ضَالَّةِ الشَّاءِ قَالَ ‏ "‏ فَاجْمَعْهَا ‏"‏ ‏.‏


The above mentioned tradition has also been transmitted by ‘Amr bin Shu’aib through a different chain of narrators. This version adds: regarding the stray sheep he said : “Take it”.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৭১২. মুসাদ্দাদ (রহঃ) ..... আমর ইব্‌ন শুআয়ের (রহঃ) থেকে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ ...। রাবী তার হাদীসে আরো উল্লেখ করেছেন যে, হারানো প্রপ্ত বক্‌রী তোমার জন্য, অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য, অন্যথায় তা নেকড়ে বাঘের জন্য। কাজেই তুমি তা ধরে রাখ।

রাবী আয়্যুব, ইয়াকূব ইব্‌ন আতা হতে, তিনি আমর ইব্‌ন শুআয়ের হতে, তিনি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হতে অনুরূপ বর্ণনা করেছেনঃ তুমি তা ধরে রাখ।

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ الأَخْنَسِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، بِهَذَا بِإِسْنَادِهِ قَالَ فِي ضَالَّةِ الْغَنَمِ ‏"‏ لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ خُذْهَا قَطُّ ‏"‏ ‏.‏ كَذَا قَالَ فِيهِ أَيُّوبُ وَيَعْقُوبُ بْنُ عَطَاءٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ فَخُذْهَا ‏"‏ ‏.‏


The aforesaid tradition has also been transmitted by ‘Amr bin Shu’aib through a different chain of narrators. This version has: He said about the stray sheep: You, your brother or the wolf may have them. Do take it. A similar version has been transmitted by Ayyub and Ya’qub bin `Ata from `Amr bin Shu’aid from the Propher (SWAS). He said : then take it.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ পরিচ্ছেদ নাই।

১৭১৩. মূসা ইব্‌ন ইসমাঈল (রহঃ) .... আমর ইব্‌ন শুআয়ের (রহঃ) তার পিতা হতে, তিনি তার দাদার সূত্রে, তিনি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহে ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। হারানো প্রাপ্ত বক্‌রী সম্পর্কে তিনি বলেছেনঃ তুমি তা ধরে হেফাযত কর, যতক্ষণ না এর অনুসন্ধানকারী (মালিক) আসে।

حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنَا ابْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِهَذَا ‏.‏ قَالَ فِي ضَالَّةِ الشَّاءِ ‏ "‏ فَاجْمَعْهَا حَتَّى يَأْتِيَهَا بَاغِيهَا ‏"‏ ‏.‏


The above mentioned tradition has also been narrated by ‘Amr bin Shu’aib from his father, from his grandfather, from the Prophet (SWAS) to the same effect. This version has: regarding the stray sheep he said: Take it (and keep it with you) till its seeker comes to it.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু শু‘আয়ব (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৩৮৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 19 20 পরের পাতা »