রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন) ১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) - The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

মহান আল্লাহ বলেছেন,

﴿ وَلَا تَجَسَّسُوا وَلَا يَغْتَبْ بَعْضُكُمْ بَعْضًا ۚ أَيُحِبُّ أَحَدُكُمْ أَنْ يَأْكُلَ لَحْمَ أَخِيهِ مَيْتًا فَكَرِهْتُمُوهُ ۚ وَاتَّقُوا اللَّهَ ۚ إِنَّ اللَّهَ تَوَّابٌ رَحِيمٌ ﴾ (الحجرات: ١٢)

অর্থাৎ তোমরা একে অপরের পশ্চাতে নিন্দা (গীবত) করো না। তোমাদের মধ্যে কি কেউ তার মৃত ভ্রাতার গোশত ভক্ষণ করতে চাইবে? বস্তুতঃ তোমরা তো এটাকে ঘৃণাই কর। তোমরা আল্লাহকে ভয় কর। আল্লাহ তাওবা গ্রহণকারী, পরম দয়ালু। (সূরা হুজুরাত ১২ আয়াত)

তিনি বলেছেন,

﴿وَلَا تَقْفُ مَا لَيْسَ لَكَ بِهِ عِلْمٌ ۚ إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا﴾ (الاسراء: ٣٦)

অর্থাৎ যে বিষয়ে তোমার কোন জ্ঞান নেই সেই বিষয়ে অনুমান দ্বারা পরিচালিত হইয়ো না। নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ওদের প্রত্যেকের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে। (সূরা বনী ইসরাইল ৩৬ আয়াত)

তিনি আরও বলেছেন,

﴿ مَا يَلْفِظُ مِنْ قَوْلٍ إِلَّا لَدَيْهِ رَقِيبٌ عَتِيدٌ﴾ (ق: ١٨)

অর্থাৎ মানুষ যে কথাই উচ্চারণ করে (তা লিপিবদ্ধ করার জন্য) তৎপর প্রহরী তার নিকটেই রয়েছে। (সূরা ক্বাফ ১৮ আয়াত)

জেনে রাখুন যে, যে কথায় উপকার আছে বলে স্পষ্ট হয়, সে কথা ছাড়া অন্য সব (অসঙ্গত) কথা হতে নিজ জিহ্বাকে সংযত রাখা প্রত্যেক ভারপ্রাপ্ত মুসলিম ব্যক্তির উচিত। যেখানে কথা বলা ও চুপ থাকা দুটোই সমান, সেখানে চুপ থাকাটাই সুন্নত। কেননা, বৈধ কথাবার্তাও অনেক সময় হারাম অথবা মাকরূহ পর্যায়ে পৌঁছে দেয়। অধিকাংশ এরূপই ঘটে থাকে। আর (বিপদ ও পাপ থেকে) নিরাপত্তার সমতুল্য কোন বস্তু নেই।


১/১৫১৯। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি আল্লাহ ও শেষ দিনের প্রতি বিশ্বাস রাখে, সে যেন ভাল কথা বলে; নচেৎ চুপ থাকে।” (বুখারী ও মুসলিম) [1]

এ হাদিসে স্পষ্ট করা হয়েছে যে, উপকারী কথা ছাড়া কোন কথা বলা উচিত নয়। অর্থাৎ সেই কথা যার উপকারিতা স্পষ্ট। পক্ষান্তরে যে কথার উপকারিতা সম্বন্ধে সন্দেহ হয়, সে কথা বলা উচিত নয়।

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ كَانَ يُؤْمِنُ بِاللهِ وَاليَوْمِ الآخِرِ فَلْيَقُلْ خَيْراً أَوْ لِيَصْمُتْ». متفق عَلَيْهِ

وعن أبي هريرة رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من كان يؤمن بالله واليوم الآخر فليقل خيرا أو ليصمت». متفق عليه

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Allah, the Exalted, says:
"And backbite not one another. Would one of you like to eat the flesh of his dead brother? You would hate it (so hate backbiting). And fear Allah. Verily, Allah is the One Who forgives and accepts repentance, Most Merciful.'' (49:12)

"And follow not (O man, i.e., say not or do not or witness not) that of which you have no knowledge. Verily, the hearing, and the sight, and the heart, of each of those ones will be questioned (by Allah).'' (17:36)

"Not a word does he (or she) utter, but there is a watcher by him ready (to record it).'' (50:18)


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said, "He who believes in Allah and the Last Day must either speak good or remain silent."

[Muslim].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

২/১৫২০। আবূ মুসা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করলাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! সর্বোত্তম মুসলিম কে?’ তিনি বললেন, “যার জিহ্বা ও হাত থেকে মুসলিমরা নিরাপদ থাকে।” (মুসলিম)[1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي مُوسَى رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَيُّ المُسْلمِينَ أَفْضَلُ ؟ قَالَ: «مَنْ سَلِمَ المُسْلِمُونَ مِنْ لِسَانِهِ وَيَدِهِ». متفق عَلَيْهِ

وعن أبي موسى رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم أي المسلمين أفضل ؟ قال: «من سلم المسلمون من لسانه ويده». متفق عليه

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Musa Al-Ash'ari (May Allah be pleased with him) reported:
I asked the Messenger of Allah (ﷺ): "Who is the most excellent among the Muslims?" He said, "One from whose tongue and hands the other Muslims are secure."

[Al-Bukhari and Muslim].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৩/১৫২১। সাহাল ইবনে সায়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি দুই চোয়ালের মধ্যবর্তী (অঙ্গ জিভ) এবং দুই পায়ের মধ্যবর্তী (অঙ্গ গুপ্তাঙ্গ) সম্বন্ধে নিশ্চয়তা দেবে, আমি তার জন্য জান্নাতের নিশ্চয়তা দেব।” (বুখারী) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ سَهْلِ بنِ سَعدٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «مَنْ يَضْمَنْ لِي مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ وَمَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ أَضْمَنْ لَهُ الجَنَّةَ». متفق عَلَيْهِ

وعن سهل بن سعد رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «من يضمن لي ما بين لحييه وما بين رجليه أضمن له الجنة». متفق عليه

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Sahl bin Sa'd (May Allah be pleased with him) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Whosoever gives me a guarantee to safeguard what is between his jaws and what is between his legs, I shall guarantee him Jannah."

[Al-Bukhari].

Commentary: What is between the jaws and what is between the legs refers to the tongue and the sexual organs, respectively. The Prophet (PBUH) has given the assurance of Jannah to every Muslim who protects these two parts of the body. Protection here means their use permitted by the Islamic Shari`ah. They should be guarded against every act that is prohibited by


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৪/১৫২২। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে, “মানুষ চিন্তা-ভাবনা না করে এমন কথাবার্তা বলে ফেলে, যার দ্বারা তার পদস্খলন ঘটে পূর্ব-পশ্চিমের মধ্যবর্তী দূরত্ব থেকে বেশি দূরত্ব দোযখে গিয়ে পতিত হয়।” (বুখারী, মুসলিম) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّه سَمِعَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُوْلُ: «إنَّ العَبْدَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مَا يَتَبَيَّنُ فِيهَا يَزِلُّ بِهَا إِلَى النَّارِ أَبْعَدَ مِمَّا بَيْنَ المَشْرِقِ وَالمَغْرِبِ». متفق عَلَيْهِ

وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أنه سمع النبي صلى الله عليه وسلم يقول: «إن العبد ليتكلم بالكلمة ما يتبين فيها يزل بها إلى النار أبعد مما بين المشرق والمغرب». متفق عليه

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
I heard the Prophet (ﷺ) saying, "A person utters a word thoughtlessly (i.e., without thinking about its being good or not) and, as a result of this, he will fall down into the fire of Hell deeper than the distance between the east and the west."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith shows the disadvantages which can be caused by the improper use of the tongue. It is, therefore, essential that one should think before he speaks.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৫/১৫২৩। উক্ত রাবী (আবূ হুরাইরা) রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “বান্দা আল্লাহ তা’আলার সন্তোষজনক এমন কথা অন্যমনস্ক হয়ে বলে ফেলে, যার ফলে আল্লাহ তার মর্যাদা উন্নীত করে দেন। আবার কখনো বান্দা অন্যমনস্ক হয়ে আল্লাহর অসন্তোষজনক এমন কথা বলে ফেলে, যার ফলে সে জাহান্নামে গিয়ে পতিত হয়।” (বুখারী) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْهُ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ العَبْدَ لَيَتَكَلَّمُ بِالكَلِمَةِ مِنْ رِضْوَانِ الله تَعَالَى مَا يُلْقِي لَهَا بَالاً يَرْفَعُهُ اللهُ بِهَا دَرَجَاتٍ، وَإِنَّ العَبْدَ لَيَتَكَلَّمُ بِالكَلَمَةِ مِنْ سَخَطِ اللهِ تَعَالَى لاَ يُلْقِي لَهَا بَالاً يَهْوِيْ بِهَا فِي جَهَنَّمَ». رواه البخاري

وعنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن العبد ليتكلم بالكلمة من رضوان الله تعالى ما يلقي لها بالا يرفعه الله بها درجات، وإن العبد ليتكلم بالكلمة من سخط الله تعالى لا يلقي لها بالا يهوي بها في جهنم». رواه البخاري

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said, "A man utters a word pleasing to Allah without considering it of any significance for which Allah exalts his ranks (in Jannah); another one speaks a word displeasing to Allah without considering it of any importance, and for this reason he will sink down into Hell."

[Al-Bukhari].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৬/১৫২৪। আবূ আব্দুর রহমান বিলাল ইবনে হারেস মুযানী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “মানুষ আল্লাহ তা’আলার সন্তোষমূলক এমন কথা বলে, আর সে কল্পনাও করে না যে, তা কোথায় গিয়ে পৌঁছবে, আল্লাহ তার দরুন তাঁর সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তার জন্য সন্তুষ্টি লিখে দেন। পক্ষান্তরে মানুষ আল্লাহ তা’আলার অসন্তোষমূলক এমন কথা বলে, আর সে কল্পনাও করে না যে, তা কোথায় গিয়ে পৌঁছবে, আল্লাহ তার দরুন তাঁর সাক্ষাতের দিন পর্যন্ত তার জন্য অসন্তুষ্টি লিখে দেন।” (মুআত্তা মালেক, তিরমিযী, হাসান সহীহ) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي عَبدِ الرَّحْمَانِ بِلاَلِ بنِ الحَارِثِ المُزَنِيِّ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالكَلِمَةِ مِنْ رِضْوَانِ اللهِ تَعَالَى مَا كَانَ يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ يَكْتُبُ اللهُ لَهُ بِهَا رِضْوَانَهُ إِلَى يَومِ يَلْقَاهُ، وَإِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالكَلِمَةِ مِنْ سَخَطِ اللهِ مَا كَانَ يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ يَكْتُبُ الله لَهُ بِهَا سَخَطَهُ إِلَى يَوْمِ يَلْقَاهُ». رواه مالك في المُوَطَّأ، والترمذي، وقال: «حديث حسن صحيح

وعن أبي عبد الرحمان بلال بن الحارث المزني رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال: «إن الرجل ليتكلم بالكلمة من رضوان الله تعالى ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها رضوانه إلى يوم يلقاه، وإن الرجل ليتكلم بالكلمة من سخط الله ما كان يظن أن تبلغ ما بلغت يكتب الله له بها سخطه إلى يوم يلقاه». رواه مالك في الموطأ، والترمذي، وقال: «حديث حسن صحيح

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu 'Abdur-Rahman Bilal bin Al-Harith Al-Muzani (May Allah be pleased with him) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "A man speaks a good word without knowing its worth, Allah records for him His Good Pleasure till the day he will meet Him; and a man utters an evil word without realizing its importance, Allah records for him His displeasure till the day he will meet Him."

[Imam Malik and At-Tirmidhi].

Commentary: This Hadith tells us a fact which can be observed in our everyday life. Sometimes a person utters a good sentence which pleases an individual and he reforms himself or holds himself from doing something wrong. Such a sentence or utterance is highly rewarded by Allah. Similarly, sometime a person utters a mischievous sentence, the ruinous effects of which he does not realize. This utterance hurts someone's feelings and leads him to sin and evil. Almighty Allah is displeased with such a person. The lesson that this Hadith has for us is that one should strictly guard his speech and weigh his words to avoid Allah's Wrath.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৭/১৫২৫। সুফয়ান ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন কথা বাতলে দিন, যা মজবুত-ভাবে ধরে রাখব।’ তিনি বললেন, “তুমি বল, আমার রব আল্লাহ, অতঃপর তার উপর প্রতিষ্ঠিত থাক।” আমি পুনরায় নিবেদন করলাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমার জন্য আপনি কোন জিনিসকে সব চাইতে বেশি ভয় করেন?’ তিনি স্বীয় জিহ্বাকে (স্বহস্তে) ধারণ-পূর্বক বললেন, “এটাকে।” (তিরমিযী হাসান সহীহ) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ سُفيَانَ بنِ عَبدِ اللهِ رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم حَدِّثنِي بِأَمْرٍ أَعْتَصِمُ بِهِ قَالَ: قلْ: رَبِّيَ اللهُ ثُمَّ اسْتَقِمْ» قُلْتُ: يَا رَسُول اللهِ، مَا أَخْوَفُ مَا تَخَافُ عَلَيَّ ؟ فَأَخَذَ بِلِسَانِ نَفْسِهِ، ثُمَّ قَالَ: «هَذَا» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

وعن سفيان بن عبد الله رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم حدثني بأمر أعتصم به قال: قل: ربي الله ثم استقم» قلت: يا رسول الله، ما أخوف ما تخاف علي ؟ فأخذ بلسان نفسه، ثم قال: «هذا» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Sufyan bin 'Abdullah (May Allah be pleased with him) reported:
I asked: "O Messenger of Allah! Tell me, of something to which I may remain steadfast." He (ﷺ) said, "Say: My Rubb is Allah and then remain steadfast." Then I said: "O Messenger of Allah! What do you fear most about me?" He took hold of his own tongue and said: "This."

[At-Tirmidhi].

Commentary: Faith in Allah and all His Attributes is the basis of all virtuous deeds. No act or deed is acceptable by Allah without this faith, "and then remain steadfast'' means to comply with what Allah has ordained and to keep away from what He has forbidden so that one can win over His Pleasure. Every Muslim is required to guard his speech strictly because even the slightest carelessness on this account can cause Allah's displeasure.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৮/১৫২৬। আবদুল্লাহ ইবনু উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আল্লাহর যিকির ভিন্ন অধিক কথা বলো না। কেননা আল্লাহ তা’আলার যিকির শূন্য অধিক কথা বার্তা অন্তরকে শক্ত করে ফেলে আর শক্ত অন্তরের লোক আল্লাহ থেকে সবচাইতে দূরে। (তিরমিযি) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لَا تُكْثِرُوْا الْكَلَامَ بِغَيْرِ ذِكْرِ اللهِ، فَإِنَّ كَثْرَةَ الْكَلَامِ بِغَيْرِ ذِكْرِ اللَّه تَعَالىٰ قَسْوَةٌ لِلْقَلْبِ، وَإِنَّ أبْعَدَ النَّاسِ مِنَ اللهِ القَلْبُ القَاسِي» . رواه الترمذي .

وعن ابن عمر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لا تكثروا الكلام بغير ذكر الله، فإن كثرة الكلام بغير ذكر الله تعالى قسوة للقلب، وإن أبعد الناس من الله القلب القاسي» . رواه الترمذي .

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do not indulge in excessive talk except when remembering Allah. Excessive talking without the Remembrance of Allah hardens the heart; and those who are the farthest from Allah are those whose hearts are hard."

[At-Tirmidhi]

Commentary: The hardening of the heart is a condition where one neither learns any lesson from Allah's Signs nor does one accept anyone's good advice and religious preaching. If one indulges in idle talk rather than the remembrance of Allah, his heart becomes hardened, which is a sign of being far from Allah's Mercy. One should therefore occupy himself with the remembrance of Allah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

৯/১৫২৭। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তিকে আল্লাহ তার দুই চোয়ালের মধ্যস্থিত অঙ্গ (জিহ্বা) ও দু’পায়ের মাঝখানের অঙ্গ (লজ্জা-স্থান)এর ক্ষতি থেকে মুক্ত রাখবেন, সে জান্নাতে প্রবেশ করবে।” (তিরমিযী হাসান) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «مَنْ وَقَاهُ اللهُ شَرَّ مَا بَيْنَ لَحْيَيْهِ، وَشَرَّ مَا بَيْنَ رِجْلَيْهِ دَخَلَ الجَنَّةَ» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم : «من وقاه الله شر ما بين لحييه، وشر ما بين رجليه دخل الجنة» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "He whom Allah saves from the evil of that which is between his jaws and the evil of that which is between his legs will enter Jannah."

[At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১০/১৫২৮। উক্ববাহ ইবনে আমের রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নিবেদন করলাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! কিসে পরিত্রাণ পাওয়া সম্ভব?’ তিনি বললেন, “তুমি নিজ রসনাকে নিয়ন্ত্রণে রাখ। তোমার ঘর তোমার জন্য প্রশস্ত হোক। (অর্থাৎ অবসর সময়ে নিজ গৃহে অবস্থান কর।) আর নিজ পাপের জন্য ক্রন্দন কর।” (তিরমিযী হাসান) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ عُقبَةَ بنِ عَامرٍ رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا النَّجَاةُ ؟ قَالَ: «أَمْسِكْ عَلَيْكَ لِسَانَكَ، وَلْيَسَعْكَ بَيْتُكَ، وابْكِ عَلَى خَطِيئَتِكَ» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

وعن عقبة بن عامر رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما النجاة ؟ قال: «أمسك عليك لسانك، وليسعك بيتك، وابك على خطيئتك» . رواه الترمذي، وقال: حديث حسن

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


'Uqbah bin 'Amir (May Allah be pleased with him) said:
I asked the Messenger of Allah (ﷺ), "How can salvation be achieved?" He replied, "Control your tongue, keep to your house, and weep over your sins."

[At-Tirmidhi].


Commentary: It is better for one to spends his surplus time at home in the remembrance of Allah, the recitation of the Qur'an and the performance of acts of obedience, if one feels unable to benefit others or if one fears that he, as well as his religion will not be safe if one mixes with others. Allah greatly likes it that one repents of his own sins and weeps over them.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১১/১৫২৯। আবূ সাঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “আদম সন্তান যখন সকালে উপনীত হয়, তখন তার সমস্ত অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ জিভকে অত্যন্ত বিনীতভাবে নিবেদন করে যে, ’তুমি আমাদের ব্যাপারে আল্লাহকে ভয় কর। কারণ, আমাদের ব্যাপারসমূহ তোমার সাথেই সম্পৃক্ত। যদি তুমি সোজা সরল থাক, তাহলে আমরাও সোজা-সরল থাকব। আর যদি তুমি বক্রতা অবলম্বন কর, তাহলে আমরাও বেঁকে বসব।” (তিরমিযী) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي سَعِيدٍ الخُدرِي رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «إِذَا أَصْبَحَ ابْنُ آدَمَ، فَإِنَّ الأَعْضَاءَ كُلَّهَا تَكْفُرُ اللِّسانَ، تَقُولُ: اتَّقِ اللهَ فِينَا، فَإِنَّما نَحنُ بِكَ ؛ فَإِنِ اسْتَقَمْتَ اسْتَقَمْنَا، وَإِنِ اعْوَجَجْتَ اعْوَجَجْنَا» . رواه الترمذي

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إذا أصبح ابن آدم، فإن الأعضاء كلها تكفر اللسان، تقول: اتق الله فينا، فإنما نحن بك ؛ فإن استقمت استقمنا، وإن اعوججت اعوججنا» . رواه الترمذي

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Sa'id Al-Khudri (May Allah be pleased with him) said:
The Prophet (ﷺ) said, "When the son of Adam gets up in the morning, all the limbs humble themselves before the tongue and say: 'Fear Allah for our sake because we are with you: (i.e., we will be rewarded or punished as a result of what you do) if you are straight, we will be straight; and if you are crooked, we will become crooked."'

[At- Tirmidhi].

Commentary: This Hadith shows the importance of guarding one's tongue against that which is prohibited. Even the slightest carelessness on the part of the tongue can make all the organs suffer for it. Crookedness of the tongue means the careless use of the tongue which lands the whole body in trouble; and keeping the tongue straight means keeping oneself safe from all kinds of troubles and ordeals.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১২/১৫৩০। মু’আয রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নিবেদন করলাম, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমাকে এমন আমল বাতলে দেন, যা আমাকে জান্নাতে নিয়ে যাবে এবং জাহান্নাম থেকে দূরে রাখবে।’ তিনি বললেন, “তুমি বিরাট (কঠিন) কাজ সম্পর্কে প্রশ্ন করলে। তবে এটা তার পক্ষে সহজ হবে, যার পক্ষে মহান আল্লাহ সহজ করে দেবেন। (আর তা হচ্ছে এই যে,) তুমি আল্লাহর ইবাদত করবে এবং তার কোন অংশী স্থাপন করবে না। নামায প্রতিষ্ঠা করবে, যাকাত দেবে, মাহে রমযানের রোযা পালন করবে এবং কাবা গৃহের হজ্জ পালন করবে।” পুনরায় তিনি বললেন, “তোমাকে কল্যাণের দ্বারসমূহ বাতলে দেব না কি?

রোযা ঢাল স্বরূপ, সদকা গুনাহ নিশ্চিহ্ন করে; যেমন পানি আগুনকে নিশ্চিহ্ন করে দেয়। আর মধ্য রাত্রিতে মানুষের নামায।” অতঃপর তিনি এই আয়াত দু’টি পড়লেন- যার অর্থ, “তারা শয্যা ত্যাগ করে, আশায় বুক বেধে এবং আশংকায় ভীতি-বিহ্বল হয়ে তাদের প্রতিপালককে আহ্বান করে এবং আমি তাদেরকে যে সব জীবিকা দান করেছি, তা থেকে তারা ব্যয় করে থাকে। তাদের সৎকর্মের পুরস্কার স্বরূপ তাদের জন্য নয়ন-প্রীতিকর যা কিছু লুক্কায়িত রাখা হয়েছে, কেউ তা অবগত নয়।” (সূরা সেজদা ১৬-১৭ আয়াত) তারপর বললেন, “আমি তোমাকে সব বিষয়ের (দ্বীনের) মস্তক, তার খুঁটি, তার উচ্চতম চূড়া বাতলে দেব না কি?” আমি বললাম, ’অবশ্যই বাতলে দিন, হে আল্লাহর রাসূল!’ তিনি বললেন, “বিষয়ের মস্তক হচ্ছে ইসলাম, তার স্তম্ভ হচ্ছে নামায এবং তার উচ্চতম চূড়া হচ্ছে জিহাদ।” পুনরায় তিনি প্রশ্ন করলেন, “আমি তোমাকে সে সবের মূল সম্বন্ধে বলে দেব না কি?”

আমি বললাম, ’অবশ্যই বলে দিন, হে আল্লাহর রাসূল!’ তখন তিনি নিজ জিভটিকে ধরে বললেন, “তোমার মধ্যে এটিকে সংযত রাখ।” মু’আয বললেন, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমরা যে কথা বলি তাতেও কি আমাদেরকে হিসাব দিতে হবে?’ তিনি বললেন, “তোমার মা তোমাকে হারিয়ে ফেলুক হে মুআয! মানুষকে তাদের নিজেদের জিভ-ঘটিত পাপ ছাড়া অন্য কিছু কি তাদের মুখ থুবড়ে জাহান্নামে নিক্ষেপ করবে?” (তিরমিযী, হাসান সহীহ) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ مُعَاذٍ رضي الله عنه قَالَ: قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، أَخْبِرْني بِعَمَلٍ يُدْخِلُني الجَنَّةَ وَيُبَاعِدُنِي مِنَ النَّارِ ؟ قَالَ: «لَقَدْ سَأَلتَ عَنْ عَظِيمٍ، وَإِنَّهُ لَيَسِيرٌ عَلَى مَنْ يَسَّرَهُ اللهُ تَعَالَى عَلَيْهِ: تَعْبُدُ اللهَ لاَ تُشْرِكُ بِهِ شَيْئاً، وَتُقِيمُ الصَّلاَةَ، وَتُؤتِي الزَّكَاةَ، وَتَصُومُ رَمَضَانَ، وَتَحُجُّ البَيْتَ» ثُمَّ قَالَ: «أَلاَ أَدُلُّكَ عَلَى أَبْوَابِ الخَيْرِ ؟ الصَّوْمُ جُنَّةٌ، وَالصَّدَقَةُ تُطْفِئُ الخَطِيئَةَ كَمَا يُطْفِئُ المَاءُ النَّارَ، وَصَلاَةُ الرَّجُلِ مِنْ جَوْفِ اللَّيْلِ» ثُمَّ تَلاَ: ﴿ تَتَجَافَىٰ جُنُوبُهُمۡ عَنِ ٱلۡمَضَاجِعِ ﴾ حَتَّى بَلَغَ ﴿ يَعۡمَلُونَ ﴾ [السجدة: ١٦، ١٧] ثُمَّ قَالَ: «أَلاَ أُخْبِرُكَ بِرَأْسِ الأَمْرِ، وَعَمُودِهِ، وَذِرْوَةِ سِنَامِهِ» قُلْتُ: بَلَى يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «رَأسُ الأمْرِ الإسْلامُ، وَعَمُودُهُ الصَّلاَةُ، وَذِرْوَةِ سِنَامِهِ الجِهادُ» ثُمَّ قَالَ: «أَلاَ أُخْبِرُكَ بِمِلاَكِ ذَلِكَ كُلِّهِ !» قُلْتُ: بلَى يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، فَأَخَذَ بِلِسَانِهِ وَقَالَ: «كُفَّ عَلَيْكَ هَذَا» قُلْتُ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَإِنَّا لَمُؤَاخَذُوْنَ بِمَا نَتَكَلَّمُ بِهِ ؟ فَقَالَ: «ثَكِلَتْكَ أُمُّكَ! وَهَلْ يَكُبُّ النَّاسَ فِي النَّارِ عَلَى وُجُوهِهِمْ إِلاَّ حَصَائِدُ أَلْسِنَتِهِمْ ؟». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

وعن معاذ رضي الله عنه قال: قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، أخبرني بعمل يدخلني الجنة ويباعدني من النار ؟ قال: «لقد سألت عن عظيم، وإنه ليسير على من يسره الله تعالى عليه: تعبد الله لا تشرك به شيئا، وتقيم الصلاة، وتؤتي الزكاة، وتصوم رمضان، وتحج البيت» ثم قال: «ألا أدلك على أبواب الخير ؟ الصوم جنة، والصدقة تطفئ الخطيئة كما يطفئ الماء النار، وصلاة الرجل من جوف الليل» ثم تلا: ﴿ تتجافى جنوبهمۡ عن ٱلۡمضاجع ﴾ حتى بلغ ﴿ يعۡملون ﴾ [السجدة: ١٦، ١٧] ثم قال: «ألا أخبرك برأس الأمر، وعموده، وذروة سنامه» قلت: بلى يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «رأس الأمر الإسلام، وعموده الصلاة، وذروة سنامه الجهاد» ثم قال: «ألا أخبرك بملاك ذلك كله !» قلت: بلى يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، فأخذ بلسانه وقال: «كف عليك هذا» قلت: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم وإنا لمؤاخذون بما نتكلم به ؟ فقال: «ثكلتك أمك! وهل يكب الناس في النار على وجوههم إلا حصائد ألسنتهم ؟». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Mu'adh bin Jabal (May Allah be pleased with him) reported:
I asked the Messenger of Allah (ﷺ): "Inform me of an act which will cause me to enter Jannah and keep me far from Hell." He (ﷺ) replied, "You have asked me about a matter of great importance, but it is easy for one for whom Allah makes it easy." He added, "Worship Allah, associate nothing with Him in worship, offer As-Salat (the prayer), pay the Zakat, observe Saum (fasting) during Ramadan and perform Hajj (pilgrimage) to the House of Allah, if you can afford it." He (ﷺ) further said, "Shall I not guide you to the gates of goodness? Fasting is a screen (from Hell), charity extinguishes (i.e., removes) the sins as water extinguishes fire, and standing in prayers by a slave of Allah during the last third part of the night."
Then he recited: "Their sides forsake their beds, to invoke their Rabb in fear and hope, and they spend (in charity in Allah's Cause) out of what We have bestowed on them. No person knows what is kept hidden for them of joy as a reward for what they used to do." (32:16-17)
Then he added, "Shall I tell you of the root of the matter, its pillar and its highest point?" I replied: "Yes! Certainly, O Prophet of Allah." He said, "The root of this matter (foundation) is Islam, its pillar (mainstay is) As-Salat (the prayer) and its highest point is Jihad (fighting in the Cause of Allah)." Then he asked, "Shall I tell you of that which holds all these things?" I said: "Yes, O Messenger of Allah." So he took hold of his tongue and said, "Keep this in control." I asked: "O Messenger of Allah! Shall we really be accounted for what we talk about?" He replied, "May your mother lose you! People will be thrown on their faces into the Hell on account of their tongues."

Commentary: Besides describing Articles of Islam, this Hadith mentions the dangers which lie in the careless use of the tongue. All good actions can go waste if one does not guard his speech. One should, therefore, guard his tongue against that which Allah has made prohibited.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১৩/১৫৩১। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু কর্তৃক বর্ণিত, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “তোমরা কি জানো, গীবত কাকে বলে?” লোকেরা বলল, ’আল্লাহ ও তাঁর রাসূল অধিক জানেন।’ তিনি বললেন, “তোমার ভাই যা অপছন্দ করে, তাই তার পশ্চাতে আলোচনা করা।” বলা হল, ’আমি যা বলি, তা যদি আমার ভাইয়ের মধ্যে থাকে, তাহলে আপনার রায় কি? (সেটাও কি গীবত হবে?)’ তিনি বললেন, “তুমি যা (সমালোচনা করে) বললে, তা যদি তার মধ্যে থাকে, তাহলেই তার গীবত করলে। আর তুমি যা (সমালোচনা করে) বললে, তা যদি তার মধ্যে না থাকে, তাহলে তাকে অপবাদ দিলে।” (মুসলিম) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «أَتَدْرُونَ مَا الْغِيبَةُ ؟» قَالُوا: اَللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ، قَالَ: «ذِكْرُكَ أَخَاكَ بِمَا يَكْرَهُ» قِيلَ: أَفَرَأَيْتَ إِنْ كَانَ فِي أَخِي مَا أَقُولُ ؟ قَالَ: «إِنْ كَانَ فِيهِ مَا تَقُولُ، فَقَدِ اغْتَبْتَهُ، وَإِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهِ مَا تَقُوْلُ فَقَدْ بَهَتَّهُ». رواه مسلم

وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم، قال: «أتدرون ما الغيبة ؟» قالوا: الله ورسوله أعلم، قال: «ذكرك أخاك بما يكره» قيل: أفرأيت إن كان في أخي ما أقول ؟ قال: «إن كان فيه ما تقول، فقد اغتبته، وإن لم يكن فيه ما تقول فقد بهته». رواه مسلم

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) said:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do you know what is backbiting?" The Companions said: "Allah and His Messenger know better." Thereupon he said, "Backbiting is talking about your (Muslim) brother in a manner which he dislikes." It was said to him: "What if my (Muslim) brother is as I say." He said, "If he is actually as you say, then that is backbiting; but if that is not in him, that is slandering."

[Muslim].

Commentary: This Hadith elaborates the meaning of backbiting and calumny and points out the difference between the two along with the evils of each one of them. Both these evils are mischief of the tongue and entail great troubles. May Allah save us from both.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১৪/১৫৩২। আবূ বকরাহ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায়ী হজ্জে মিনায় ভাষণ দানকালে বলেছেন, “নিশ্চয় তোমাদের রক্ত, তোমাদের মাল এবং তোমাদের সম্ভ্রম তোমাদের (আপসের মধ্যে) এ রকমই হারাম, যেমন তোমাদের এ দিনের সম্মান তোমাদের এ মাসে এবং তোমাদের এ শহরে রয়েছে। শোন! আমি কি পৌঁছে দিলাম?” (বুখারী-মুসলিম) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَبي بَكْرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي خُطْبَتِهِ يَوْمَ النَّحْرِ بِمِنًى فِي حَجَّةِ الوَدَاعِ: «إِنَّ دِمَاءَكُمْ، وَأَمْوَالَكُمْ، وَأَعْرَاضَكُمْ، حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا، فِي شَهْرِكُمْ هَذَا، فِي بَلَدِكُمْ هَذَا، أَلاَ هَلْ بَلَّغْتُ». متفق عَلَيْهِ

وعن أبي بكرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال في خطبته يوم النحر بمنى في حجة الوداع: «إن دماءكم، وأموالكم، وأعراضكم، حرام عليكم كحرمة يومكم هذا، في شهركم هذا، في بلدكم هذا، ألا هل بلغت». متفق عليه

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Bakrah (May Allah be pleased with him) said:
Delivering the sermon during the Farewell Pilgrimage on the day of Sacrifice at Mina, the Messenger of Allah (ﷺ) said, "Verily your blood, your property and your honour are as sacred and inviolable as the sanctity of this day of yours, in this month of yours and in this town of yours. Verily! I have conveyed this message to you."

[Al-Bukhari and Muslim]

Commentary: This Hadith tells us that the tenth day of the month of Dhul-Hijjah, and the city of Makkah are sacred. Similar is the case of blood, property and honour of a Muslim to another Muslim. In other words, a Muslim should neither kill another without any lawful reason nor should he usurp his property nor should he disgrace him. Since backbiting is also a kind of tyranny which defames a person, it should be strictly avoided.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বাকরা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১৫/১৫৩৩। আয়েশা (রাদিয়াল্লাহু আনহা) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললাম, ’আপনার জন্য সাফিয়ার এই এই হওয়া যথেষ্ট।’ (কোন কোন বর্ণনাকারী বলেন, তাঁর উদ্দেশ্য ছিল, সাফিয়া বেঁটে।) এ কথা শুনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমাকে) বললেন, “তুমি এমন কথা বললে, যদি তা সমুদ্রের পানিতে মিশানো হয়, তাহলে তার স্বাদ পরিবর্তন করে দেবে!”

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা বলেন, একদা তাঁর নিকট একটি লোকের পরিহাসমূলক ভঙ্গি নকল করলাম। তিনি বললেন, “কোন ব্যক্তির পরিহাসমূলক ভঙ্গি নকল করি আর তার বিনিময়ে এত এত পরিমাণ ধনপ্রাপ্তি হই, এটা আমি আদৌ পছন্দ করি না।” (আবূ দাউদ, তিরমিযী হাসান সহীহ) [1]

مَزَجَته এর ভাবার্থ হল, তার সাংঘাতিক দুর্গন্ধ ও নিকৃষ্টতার কারণে সমুদ্রের পানিতে মিশে তার স্বাদ অথবা গন্ধ পরিবর্তন করে দেয়। এই উপমাটি গীবত নিষিদ্ধ হওয়া ও তা থেকে সতর্কীকরণের ব্যাপারে অত্যন্ত প্রভাবশালী ও পরিণত বাক্য। আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ وما ينطق عن الهوى، إن هو إلا وحي يوحى ﴾ (النجم : ٣، ٤)

অর্থাৎ (আমার নবী) মনগড়া কথা বলে না, (সে যা কিছু বলে) তা প্রত্যাদেশ-কৃত ওহী ব্যতীত আর কিছুই নয়। (সূরা নাজম ৩-৪ আয়াত)

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا، قَالَتْ: قُلْتُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم: حَسْبُكَ مِنْ صَفِيَّةَ كَذَا وَكَذَا . قَالَ بَعْضُ الرُّوَاةِ: تَعْنِي قَصِيرَةً، فقالَ: «لَقَدْ قُلْتِ كَلِمَةً لَوْ مُزِجَتْ بِمَاءِ البَحْرِ لَمَزَجَتْهُ!» قَالَتْ: وَحَكَيْتُ لَهُ إِنْسَاناً فَقَالَ: «مَا أُحِبُّ أنِّي حَكَيْتُ إِنْسَاناً وَإِنَّ لِي كَذَا وَكَذَا». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح .

وعن عائشة رضي الله عنها، قالت: قلت للنبي صلى الله عليه وسلم: حسبك من صفية كذا وكذا . قال بعض الرواة: تعني قصيرة، فقال: «لقد قلت كلمة لو مزجت بماء البحر لمزجته!» قالت: وحكيت له إنسانا فقال: «ما أحب أني حكيت إنسانا وإن لي كذا وكذا». رواه أبو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح .

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


'Aishah (May Allah be pleased with her) said:
I said to the Prophet (ﷺ): "Such and such thing of Safiyyah (May Allah be pleased with her) is sufficient for you." (She means to say that she was a woman with a short stature). He said, "You have indeed uttered a word which would pollute the sea if it were mixed in it." She further said: I imitated a person before him and he said, "I do not like that I should imitate someone even (if I am paid) in return such and such."

[Abu Dawud and At-Tirmidhi].

Commentary: In Arabic, the word "Muhakat'' is often used for imitating someone's defect or deformity, etc. Every imitation of this kind also amounts to backbiting. This is the reason the Prophet (PBUH) used the analogy stated in this Hadith when `Aishah (May Allah be pleased with her) said that Safiyyah (May Allah be pleased with her) was short-statured. Imam An-Nawawi regarded this analogy as based on Wahy and supported his contention by the Verse of the Qur'an: "Nor does he speak of (his own) desire. It is only a Revelation revealed.'' Thus, it is evident from this Hadith that to speak of somebody in a scornful manner, or ridicule someone's physical defect, or to imitate someone's deformity, or talk disparagingly about someone, is a great offense which should be avoided by every Muslim.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১৬/১৫৩৪। আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “যখন আমাকে মিরাজে নিয়ে যাওয়া হল, সে সময় এমন ধরনের কিছু মানুষের নিকট দিয়ে অতিক্রম করলাম, যাদের নখ ছিল তামার, তা দিয়ে তারা নিজেদের মুখমণ্ডল খামচে ক্ষত-বিক্ষত করছিল। আমি, প্রশ্ন করলাম, ওরা কারা? হে জিবরীল! তিনি বললেন, ওরা সেই লোক, যারা মানুষের গোশত ভক্ষণ করত ও তাদের সম্ভ্রম লুটে বেড়াত।” (আবূ দাউদ) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

وَعَنْ أَنسٍ رضي الله عنه قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لَمَّا عُرِجَ بي مَرَرْتُ بِقَومٍ لَهُمْ أَظْفَارٌ مِنْ نُحَاسٍ يَخْمِشُونَ وُجُوهَهُمْ وَصُدُورَهُمْ فَقُلْتُ: مَنْ هَؤُلاَءِ يَا جِبرِيلُ؟ قَالَ: هَؤُلاَءِ الَّذِينَ يَأكُلُوْنَ لُحُومَ النَّاسِ، وَيَقَعُونَ فِي أَعْرَاضِهِمْ !» . رواه أَبُو داود

وعن أنس رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لما عرج بي مررت بقوم لهم أظفار من نحاس يخمشون وجوههم وصدورهم فقلت: من هؤلاء يا جبريل؟ قال: هؤلاء الذين يأكلون لحوم الناس، ويقعون في أعراضهم !» . رواه أبو داود

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Anas (May Allah be pleased with him) said:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "During the Mi'raj (the Night of Ascension), I saw a group of people who were scratching their chests and faces with their copper nails. I asked, 'Who are these people, O Jibril?' Jibril replied: 'These are the people who ate flesh of others (by backbiting) and trampled people's honour."'

[Abu Dawud].

Commentary: "These are the people who ate flesh of others'' is a metaphor for backbiting. "To trample people's honour'' is akin to harming their goodwill and honour. The punishment for these things mentioned in Hadith makes their seriousness obvious.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৪: গীবত (পরনিন্দা) নিষিদ্ধ এবং বাক্ সংযমের নির্দেশ ও গুরুত্ব

১৭/১৫৩৫। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “প্রত্যেক মুসলিমের রক্ত, সম্ভ্রম ও ধন-সম্পদ অন্য মুসলিমের উপর হারাম।” (মুসলিম) [1]

(254) بَابُ تَحْرِيْمِ الْغِيْبَةِ وَالْأَمْرِ بِحِفْظِ اللِّسَانِ

. وَعَنْ أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قَالَ: «كُلُّ المُسْلِمِ عَلَى المُسْلِمِ حَرَامٌ: دَمُهُ وَعِرْضُهُ وَمَالُهُ» . رواه مسلم

. وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قال: «كل المسلم على المسلم حرام: دمه وعرضه وماله» . رواه مسلم

(254) Chapter: The Prohibition of Backbiting and the Commandment of Guarding one's Tongue


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said: "The blood, honour and property of a Muslim is inviolable for another Muslim."

[Muslim].

Commentary: This Hadith also makes it clear that a Muslim is bound to protect his blood, wealth and honour and it is not lawful for any Muslim to attack another Muslim's honour and property. Nor is it lawful for him to kill another Muslim without a valid reason.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৫ : গীবতে [পরচর্চায়] অংশগ্রহণ করা হারাম। যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম না হলে স‎ম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করে চলে যাওয়া

মহান আল্লাহ বলেছেন,

﴿ وَإِذَا سَمِعُوا اللَّغْوَ أَعْرَضُوا عَنْهُ﴾ [القصص: ٥٥]

“ওরা যখন অসার বাক্য শ্রবণ করে তখন ওরা তা পরিহার করে চলে।” (সূরা কাসাস ৫৫ আয়াত)

তিনি আরও বলেন,

﴿وَالَّذِينَ هُمْ عَنِ اللَّغْوِ مُعْرِضُونَ﴾ [المؤمنون : ٣]

অর্থাৎ যারা অসার ক্রিয়া-কলাপ হতে বিরত থাকে। (সূরা মু’মিনূন ৩ আয়াত)

তিনি অন্যত্র বলেছেন,

﴿إِنَّ السَّمْعَ وَالْبَصَرَ وَالْفُؤَادَ كُلُّ أُولَٰئِكَ كَانَ عَنْهُ مَسْئُولًا﴾ [الاسراء: ٣٦]

অর্থাৎ নিশ্চয় কর্ণ, চক্ষু ও হৃদয় ওদের প্রত্যেকের নিকট কৈফিয়ত তলব করা হবে। (সূরা বনী ইসরাঈল ৩৬ আয়াত)

তিনি অন্য জায়গায় বলেছেন,

﴿ وَإِذَا رَأَيْتَ الَّذِينَ يَخُوضُونَ فِي آيَاتِنَا فَأَعْرِضْ عَنْهُمْ حَتَّىٰ يَخُوضُوا فِي حَدِيثٍ غَيْرِهِ ۚ وَإِمَّا يُنْسِيَنَّكَ الشَّيْطَانُ فَلَا تَقْعُدْ بَعْدَ الذِّكْرَىٰ مَعَ الْقَوْمِ الظَّالِمِينَ﴾ [الانعام: ٦٨]

অর্থাৎ তুমি যখন দেখ, তারা আমার নিদর্শন সম্বন্ধে ব্যঙ্গ আলোচনায় মগ্ন হয়, তখন তুমি দূরে সরে পড়; যে পর্যন্ত না তারা অন্য প্রসঙ্গে আলোচনায় প্রবৃত্ত হয় এবং শয়তান যদি তোমাকে ভ্রমে ফেলে, তাহলে স্মরণ হওয়ার পরে তুমি অত্যাচারী সম্প্রদায়ের সাথে বসবে না। (সূরা আন’আম ৬৮ আয়াত)


১/১৫৩৬। আবূ দারদা রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি তার মুসলিম ভাইয়ের সম্ভ্রম রক্ষা করবে, কিয়ামতের দিনে আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামের আগুন থেকে তার চেহারাকে রক্ষা করবেন।’’ (তিরমিযী- হাসান) [1]

(255) بَابُ تَحْرِيْمِ سِمَاعِ الْغِيْبَةِ وَأَمْرِ مَنْ سَمِعَ غِيْبَةً مُحَرَّمَةً بِرَدِّهَا، وَالْإِنْكَارِ عَلٰى قَائِلِهَافَإِنْ عَجِزَ أَوْ لَمْ يَقْبَلْ مِنْهُ فَارَقَ ذٰلِكَ الْمَجْلِسَ إِنْ أَمْكَنَهُ

وَعَنْ أَبِي الدَّردَاءِ رضي الله عنه عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: «مَنْ رَدَّ عَنْ عِرْضِ أَخِيهِ، رَدَّ اللهُ عَنْ وَجْهِهِ النَّارَ يَومَ القيَامَةِ» . رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]

وعن أبي الدرداء رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من رد عن عرض أخيه، رد الله عن وجهه النار يوم القيامة» . رواه الترمذي، وقال :[ حديث حسن ]

(255) Chapter: Prohibition of Listening to Backbiting


Allah, the Exalted, says:
"And when they hear Al-Laghw (dirty, false, evil vain talk) they withdraw from it.'' (28:55)

"And those who turn away from Al-Laghw (dirty, false, evil vain talk, falsehood, and all that Allah has forbidden).'' (23:3)

"Verily, the hearing, and the sight, and the heart, of each of those ones will be questioned (by Allah).'' (17:36)

"And when you (Muhammad (PBUH)) see those who engage in a false conversation about Our Verses (of the Qur'an) by mocking at them, stay away from them till they turn to another topic. And if Shaitan (Satan) causes you to forget, then after the remembrance sit not you in the company of those people who are the Zalimun (polytheists and wrongdoers).'' (6:68)


Abud-Darda' (May Allah be pleased with him) said:
The Prophet (ﷺ) said, "He who defends the honour of his (Muslim) brother, Allah will secure his face against the Fire on the Day of Resurrection."

[At-Tirmidhi].

Commentary: If someone says something disgraceful against a Muslim, one must defend his Muslim brother (or sister, for that matter) and say that what has been stated about him or her is wrong and that he (or she) is free from the accusation made against him (or her).


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৫ : গীবতে [পরচর্চায়] অংশগ্রহণ করা হারাম। যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম না হলে স‎ম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করে চলে যাওয়া

২/১৫৩৭। ইতবান ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যা বিগত ’আল্লাহর প্রতি আশা’ পরিচ্ছেদে বর্ণিত একটি সুদীর্ঘ হাদিসের অংশ বিশেষ। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায পড়ানোর উদ্দেশ্যে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ’’মালেক ইবনে দুখ্শুম কোথায়!’’ একটি লোক বলে উঠল, ’সে তো একজন মুনাফিক; আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে না।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ’’ও কথা বলো না। তুমি কি মনে কর না যে, সে [কালিমাহ] ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে এবং সে তার দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়? যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার উদ্দেশ্যে [কালিমাহ] ’লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম করে দেন।’’ (বুখারী, মুসলিম) [1]

(255) بَابُ تَحْرِيْمِ سِمَاعِ الْغِيْبَةِ وَأَمْرِ مَنْ سَمِعَ غِيْبَةً مُحَرَّمَةً بِرَدِّهَا، وَالْإِنْكَارِ عَلٰى قَائِلِهَافَإِنْ عَجِزَ أَوْ لَمْ يَقْبَلْ مِنْهُ فَارَقَ ذٰلِكَ الْمَجْلِسَ إِنْ أَمْكَنَهُ

وَعَنْ عِتبَانَ بنِ مَالكٍ رضي الله عنه فِي حَدِيثِهِ الطَّوِيلِ المَشْهُورِ الَّذِيْ تَقَدَّمَ فِي بَابِ الرَّجَاءِ قَالَ: قَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي فَقَالَ: «أَيْنَ مَالِكُ بنُ الدُّخْشُمِ ؟» فَقَالَ رَجُلٌ : ذَلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللهَ وَلاَ رَسُولَهُ، فَقَالَ النَّبِيّ صلى الله عليه وسلم : «لاَ تَقُلْ ذَلِكَ أَلاَ تَراهُ قَدْ قَالَ: لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ يُريدُ بِذَلكَ وَجْهَ اللهِ ! وإنَّ الله قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ: لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ يَبْتَغي بِذَلِكَ وَجْهَ اللهِ» . متفق عَلَيْهِ

وعن عتبان بن مالك رضي الله عنه في حديثه الطويل المشهور الذي تقدم في باب الرجاء قال: قام النبي صلى الله عليه وسلم يصلي فقال: «أين مالك بن الدخشم ؟» فقال رجل : ذلك منافق لا يحب الله ولا رسوله، فقال النبي صلى الله عليه وسلم : «لا تقل ذلك ألا تراه قد قال: لا إله إلا الله يريد بذلك وجه الله ! وإن الله قد حرم على النار من قال: لا إله إلا الله يبتغي بذلك وجه الله» . متفق عليه

(255) Chapter: Prohibition of Listening to Backbiting


'Itban bin Malik (May Allah be pleased with him) said in his long Hadith cited in the Chapter entitled 'Hope' reported:
When the Prophet (ﷺ) stood up to offer As-Salat (the prayer) he asked, "Where is Malik bin Ad-Dukhshum?" A man replied: "He is a hypocrite. He does not love Allah and His Messenger." The Prophet (ﷺ) said, "Do not say that. Do you not know that he said: La ilaha illallah (there is no true god except Allah),' seeking His Pleasure. Allah has made the fire of Hell unlawful for him who affirms that none has the right to be worshipped but Allah."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: "Allah has made the fire of Hell unlawful'' means that a Muslim will not abide in Hell for ever. The reason is that if a Muslim has committed some major sin and Allah has not pardoned it, then he will certainly suffer its punishment in Hell. He will stay there as long as Allah will. However, he will be later on shifted to Jannah. This Hadith also leads us to the conclusion that the backbiting of a Muslim is forbidden. See the explanation of this Hadith under Hadith No. 418.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions

পরিচ্ছেদঃ ২৫৫ : গীবতে [পরচর্চায়] অংশগ্রহণ করা হারাম। যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম না হলে স‎ম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করে চলে যাওয়া

৩/১৫৩৮। কা’ব ইবনে মালেক রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, যা তওবা পরিচ্ছেদে ২২ নম্বরে সুদীর্ঘ হাদিস তাঁর তাওবার কাহিনী অতিবাহিত হয়েছে, তিনি বলেন, তাবূক পৌঁছে যখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকদের মাঝে বসে ছিলেন, তখন আমার ব্যাপারে বললেন, ’’কা’ব বিন মালেকের কি হয়েছে?’’ বানু সালেমাহ [গোত্রের] একটি লোক বলে উঠল যে, ’হে আল্লাহর রাসূল! তার দুই চাদর এবং দুই পার্শ্ব [বাহু] দর্শন [অর্থাৎ ধন ও তার অহংকার] তাকে আটকে দিয়েছে।’ [এ কথা শুনে] মু’আয ইবন জাবাল রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেন, ’’তুমি নিকৃষ্ট কথা বললে। আল্লাহর কসম! হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তাকে ভালই জানি।’’ সুতরাং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নীরব থাকলেন। (বুখারী, মুসলিম) [1]

(255) بَابُ تَحْرِيْمِ سِمَاعِ الْغِيْبَةِ وَأَمْرِ مَنْ سَمِعَ غِيْبَةً مُحَرَّمَةً بِرَدِّهَا، وَالْإِنْكَارِ عَلٰى قَائِلِهَافَإِنْ عَجِزَ أَوْ لَمْ يَقْبَلْ مِنْهُ فَارَقَ ذٰلِكَ الْمَجْلِسَ إِنْ أَمْكَنَهُ

وَعَنْ كَعْبِ بنِ مَالِكٍ رضي الله عنه فِي حَدِيثِهِ الطَّوِيلِ فِي قِصَّةِ تَوْبَتِهِ وَقَدْ سَبَقَ فِي بَابِ التَّوبَةِ. قَالَ: قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ جَالِسٌ فِي القَومِ بِتَبُوكَ : «مَا فَعَلَ كَعْبُ بنُ مَالِكٍ ؟» فَقَالَ رَجُلٌ مِنْ بَنِي سَلِمَةَ: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم! حَبَسَهُ بُرْدَاهُ وَالنَّظَرُ فِي عِطْفَيْهِ . فَقَالَ لَهُ مُعاذُ بنُ جَبَلٍ: بِئْسَ مَا قُلْتَ، وَاللهِ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم مَا عَلِمنَا عَلَيْهِ إِلاَّ خَيْراً، فَسَكَتَ رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن كعب بن مالك رضي الله عنه في حديثه الطويل في قصة توبته وقد سبق في باب التوبة. قال: قال النبي صلى الله عليه وسلم وهو جالس في القوم بتبوك : «ما فعل كعب بن مالك ؟» فقال رجل من بني سلمة: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم! حبسه برداه والنظر في عطفيه . فقال له معاذ بن جبل: بئس ما قلت، والله يا رسول الله صلى الله عليه وسلم ما علمنا عليه إلا خيرا، فسكت رسول الله صلى الله عليه وسلم . متفق عليه

(255) Chapter: Prohibition of Listening to Backbiting


Ka'b bin Malik (May Allah be pleased with him) said in his long story about his repentance:
The Prophet (ﷺ) was sitting among the people in Tabuk. He (ﷺ) said, "What happened to Ka'b bin Malik?" A person from the tribe of Banu Salamah said: "O Messenger of Allah! the embellishment of his cloak and an appreciation of his sides have allured him, and he was thus detained." Mu'adh bin Jabal (May Allah be pleased with him) said: "Woe be upon you! You have passed indecent remarks. O Messenger of Allah! by Allah, we know nothing about him but good." The Messenger of Allah (ﷺ) remained silent.

[Al- Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith has already been mentioned in detail in the Chapter on Repentance. Here it is repeated to show how important it is to defend a Muslim when someone accuses him in his absence. In the presence of the Prophet (PBUH) a person expressed misgivings about Ka`b bin Malik that his obsession (for fine dress) had prevented him from coming to the battlefield. Mu`adh immediately defended him saying that there was no justification for such misgivings. The Prophet's silence endorsed the stand taken by Mu`adh (May Allah be pleased with him). This goes to prove that if a Muslim brother or sister is disgraced in his or her absence in a gathering, then it is incumbent on others to defend his or her honour.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১৭/ নিষিদ্ধ বিষয়াবলী (كتاب الأمور المنهي عنها) The Book of the Prohibited actions
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৯৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 12 13 14 15 পরের পাতা »