ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ১৮ টি

পরিচ্ছেদঃ ২৮৬। কারো ঘরে প্রবেশ করলে যেখানে ইচ্ছা বা যেখানে নির্দেশ করা হয় সেখানেই সালাত আদায় করবে। এ ব্যাপারে বেশী খোঁজাখুঁজি করবে না।

৪১২। আবদুল্লাহ ইবনু মাসলামা (রহঃ) ..... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার ঘরে এলেন এবং বললেনঃ তোমার ঘরের কোন স্থানে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করা পছন্দ কর? তিনি বলেন, তখন আমি তাঁকে একটি স্থানের দিকে ইশারা করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। আমরা তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম তিনি দু’রাকাত সালাত আদায় করলেন।

باب إِذَا دَخَلَ بَيْتًا يُصَلِّي حَيْثُ شَاءَ، أَوْ حَيْثُ أُمِرَ، وَلاَ يَتَجَسَّسُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَتَاهُ فِي مَنْزِلِهِ فَقَالَ ‏ "‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ لَكَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏‏.‏ قَالَ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى مَكَانٍ، فَكَبَّرَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ‏.


Narrated `Itban bin Malik: The Prophet (sallallahu 'alaihi wa sallam) came to my house and said, "Where do you like me to pray?" I pointed to a place. The Prophet then said, "Allahu Akbar", and we aligned behind him and he offered a two-rak`at prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৪২. ইমাম অন্য লোকদের কাছে উপস্থিত হলে, তাদের ইমামতি করতে পারেন।

৬৫২। মু’আয ইবনু আসা’দ (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার ঘরে প্রবেশের) অনুমতি চাইলেন। আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার ঘরের কোন জায়গাটি আমার সালাত আদায়ের জন্য তুমি পছন্দ কর? আমি আমার পছন্দ মত একটি স্থান ইশারা করে দেখালাম। তিনি সেখানে সালাতের জন্য দাঁড়ালেন, আমরা তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ালাম। এরপর তিনি সালাম ফিরালেন এবং আমরা সালাম ফিরালাম।

باب إِذَا زَارَ الإِمَامُ قَومًا فَأَمَّهُمْ

حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ أَسَدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، قَالَ سَمِعْتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ الأَنْصَارِيَّ، قَالَ اسْتَأْذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَذِنْتُ لَهُ فَقَالَ ‏ "‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏‏.‏ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ، فَقَامَ وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ ثُمَّ سَلَّمَ وَسَلَّمْنَا‏.


Narrated `Itban bin Malik Al-Ansari: The Prophet (s) (came to my house and) asked permission for entering and I allowed him. He asked, "Where do you like me to pray in your house?" I pointed to a place which I liked. He stood up for prayer and we aligned behind him and he finished the prayer with Taslim and we did the same.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৪৪. ইমামের সালাম ফিরানের সময় মুকতাদীগণও সালাম ফিরাবে।

وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمَا يَسْتَحِبُّ إِذَا سَلَّمَ الإِمَامُ أَنْ يُسَلِّمَ مَنْ خَلْفَهُ

ইবন উমর (রাঃ) ইমামের সালাম ফিরানোর সময় মুকতাদীগণের সালাম ফিরানো মুস্তাহাব মনে করতেন।


৭৯৯। হিব্বান ইবনু মূসা (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছি। তিনি যখন সালাম ফিরান তখন আমরাও সালাম ফিরাই।

باب يُسَلِّمُ حِينَ يُسَلِّمُ الإِمَامُ

حَدَّثَنَا حِبَّانُ بْنُ مُوسَى، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ، عَنْ عِتْبَانَ، قَالَ صَلَّيْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمْنَا حِينَ سَلَّمَ‏


Narrated `Itban bin Malik: We prayed with the Prophet (s) and used to finish our prayer with the Taslim along with him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১১৯. খাযীরা সম্পর্কে। নযর বলেছেন: খাযীরা ময়দা দিয়ে এবং হারীরা দুধ দিয়ে তৈরী করা হয়

৫০০৯। ইয়াহইয়া ইবনু বুকায়র (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বদর যুদ্ধে অংশ গ্রহনকারী আনসার সাহাবীদের একজন। একবার তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বলেনঃ ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার দৃষ্টিশক্তি দুর্বল হয়ে পড়েছে। আমি আমার গোত্রের লোকদের নিয়ে সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করি। কিন্তু বৃষ্টি হলে আমার ও তাদের মধ্যকার উপত্যকায় পানি প্রবাহিত হয়। তখন আমি তাদের মসজিদে আসতে পারি না যে তাদের নিয়ে সালাত আদায় করব। তাই, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার আকাঙ্ক্ষা আপনি এসে যদি আমার ঘরে সালাত আদায় করতেন। তাহলে আমি সে স্থানে সালাতের জন্য নির্ধারন করে নিতাম। তিনি বললেনঃ ইনশাআল্লাহ আমি অচিরেই তা করবো।

ইতবান (রাঃ) বলেন পুরোভাবে সূর্য কিছু উপরে উঠলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বকর (রাঃ) আসলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অনুমতি চাইলেন। আমি তাকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই তৎক্ষনাৎ ঘরে প্রবেশ করে আমাকে বললেনঃ তোমার ঘরের কোন স্থানে আমার সালাত আদায় করা তোমার পছন্দ? আমি ঘরের এক দিকে ইঙ্গিত করলাম। তিনি সেখানে দাঁড়িয়ে তাকবীর বললেন। আমরা কাতার ধরলাম। তিনি দু'রাকআত সালাত আদায় করে সালাম ফিরালেন।

আমরা যে খাযীরা তৈরী করেছিলাম তা খাওয়ার জন্য তাকে বললাম। তার মহল্লার বহু সংখ্যক লোক ঘরে প্রবেশ করতে লাগল। তারপর তারা সমবতে হলে তাদের একজন বললোঃ মালিক ইবনু দুখশান কোখায়? অন্য একজন বললোঃ সে মুনাফিক? অন্য একজন বললোঃ সে মুনাফিক সে আল্লাহ ও তার রাসুলকে ভালবাসে না।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এমন কথা বলোনা। তুমি কি জানো না, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের জন্য লা-ইলাহা ইলাল্লাহ পড়েছে? লোকটি বললোঃ আল্লাহ ও তার রাসুল-ই ভাল জানেন। সে পূনরায় বললোঃ কিন্তু আমরা যে মুনাফিকদের সাথে তার সম্পর্ক ও তাদের প্রতি শুভ কামনা দেখতে পাই? তিনি বললেনঃ আল্লাহ তো জাহান্নামকে ঐ ব্যাক্তির জন্য হারাম করে দিয়েছেন যে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের আশায় লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ পাঠ করলো। ইবনু শিহাব বলেনঃ এরপর আমি হুসায়ন ইবনু মুহাম্মদ আনসারী যিনি ছিলেন বানূ সালিমের একজন নেতৃস্থানীয় লোক তাকে মাহমুদের এ হাদীসের সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি এর সত্যতা স্বীকার করলেন।

باب الْخَزِيرَةِ وَقَالَ النَّضْرُ الْخَزِيرَةُ مِنَ النُّخَالَةِ، وَالْحَرِيرَةُ مِنَ اللَّبَنِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ بُكَيْرٍ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ، عَنْ عُقَيْلٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ ـ وَكَانَ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِمَّنْ شَهِدَ بَدْرًا مِنَ الأَنْصَارِ ـ أَنَّهُ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَنْكَرْتُ بَصَرِي وَأَنَا أُصَلِّي لِقَوْمِي، فَإِذَا كَانَتِ الأَمْطَارُ سَالَ الْوَادِي الَّذِي بَيْنِي وَبَيْنَهُمْ، لَمْ أَسْتَطِعْ أَنْ آتِيَ مَسْجِدَهُمْ فَأُصَلِّيَ لَهُمْ، فَوَدِدْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنَّكَ تَأْتِي فَتُصَلِّي فِي بَيْتِي، فَأَتَّخِذُهُ مُصَلًّى‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ سَأَفْعَلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏"‏‏.‏ قَالَ عِتْبَانُ فَغَدَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ حِينَ ارْتَفَعَ النَّهَارُ، فَاسْتَأْذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَذِنْتُ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى دَخَلَ الْبَيْتَ، ثُمَّ قَالَ لِي ‏"‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏‏.‏ فَأَشَرْتُ إِلَى نَاحِيَةٍ مِنَ الْبَيْتِ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَكَبَّرَ، فَصَفَفْنَا، فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ، ثُمَّ سَلَّمَ وَحَبَسْنَاهُ عَلَى خَزِيرٍ صَنَعْنَاهُ، فَثَابَ فِي الْبَيْتِ رِجَالٌ مِنْ أَهْلِ الدَّارِ ذَوُو عَدَدٍ فَاجْتَمَعُوا، فَقَالَ قَائِلٌ مِنْهُمْ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ فَقَالَ بَعْضُهُمْ ذَلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقُلْ، أَلاَ تَرَاهُ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ‏.‏ يُرِيدُ بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ‏.‏ قَالَ قُلْنَا فَإِنَّا نَرَى وَجْهَهُ وَنَصِيحَتَهُ إِلَى الْمُنَافِقِينَ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ‏.‏ يَبْتَغِي بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ ثُمَّ سَأَلْتُ الْحُصَيْنَ بْنَ مُحَمَّدٍ الأَنْصَارِيَّ أَحَدَ بَنِي سَالِمٍ وَكَانَ مِنْ سَرَاتِهِمْ عَنْ حَدِيثِ مَحْمُودٍ فَصَدَّقَهُ‏.‏


Narrated 'Urban bin Malik: who attended the Badr battle and was from the Ansar, that he came to the Prophet (ﷺ) and said, "O Allah's Apostle! I have lost my eyesight and I lead my people in the prayer (as an Imam). When it rains, the valley which is between me and my people, flows with water, and then I cannot go to their mosque to lead them in the prayer. O Allah's Messenger (ﷺ)! I wish that you could come and pray in my house so that I may take it as a praying place. The Prophet (ﷺ) said, "Allah willing, I will do that." The next morning, soon after the sun had risen, Allah's Messenger (ﷺ) came with Abu Bakr. The Prophet (ﷺ) asked for the permission to enter and I admitted him. The Prophet (ﷺ) had not sat till he had entered the house and said to me, "Where do you like me to pray in your house?" I pointed at a place in my house whereupon he stood and said, "Allahu Akbar." We lined behind him and he prayed two rak`at and finished it with Taslim. We then requested him to stay for a special meal of Khazira which we had prepared. A large number of men from the adjoining area gathered in the house. One of them said, "Where is Malik bin Ad-Dukhshun?" Another man said, "He is a hypocrite and does not love Allah and His Apostle." The Prophet said, "Do not say so. Do you not think that he has said: "None has the right to be worshipped but Allah," seeking Allah's pleasure? The man said, "Allah and His Apostle know better, but we have always seen him mixing with hypocrites and giving them advice." The Prophet (ﷺ) said, "Allah has forbidden the (Hell) Fire for those who testify that none has the right to be worshipped but Allah, seeking Allah's pleasure. "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৯০৬. ব্যাখ্যা প্রদানকারীদের সম্পর্কে যা বর্ণনা করা হয়েছে

৬৪৬৯। আবদান (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যূষে আমার কাছে আগমন করলেন। তখন এক ব্যাক্তি বলল, মালিক ইবনু দুখশুন কোথায়? আমাদের এক ব্যাক্তি বলল, সে তো মুনাফিক; সে আল্লাহ ও তার রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে ভালোবাসে না। তা শুনে রাসুলাল্লাহ বললেনঃ তোমরা কি এ কথা বলনি যে, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি কামনা করে লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ বলে। তারা বললেনঃ হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা কিয়ামতের দিন ঐ কথা নিয়ে উপস্থিত হবে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দিবেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُتَأَوِّلِينَ

حَدَّثَنَا عَبْدَانُ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، قَالَ سَمِعْتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ غَدَا عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَّا ذَلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللَّهَ وَرَسُولَهُ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَلاَ تَقُولُوهُ يَقُولُ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ يَبْتَغِي‏.‏ بِذَلِكَ وَجْهَ اللَّهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ بَلَى‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّهُ لاَ يُوَافَى عَبْدٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِهِ إِلاَّ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ النَّارَ ‏"‏‏.‏


Narrated `Itban bin Malik: Once Allah's Messenger (ﷺ) came to me in the morning, and a man among us said, "Where is Malik bin Ad- Dukhshun?" Another man from us replied, "He is a hypocrite who does not love Allah and His Apostle." The Prophet (ﷺ) said, "Don't you think that he says: None has the right to be worshipped but Allah, only for Allah's sake?" They replied, "Yes" The Prophet (ﷺ) said, "Nobody will meet Allah with that saying on the Day of Resurrection, but Allah will save him from the Fire."


পরিচ্ছেদঃ ৪৪. কোন ওযরবশত জামা’আতে শরীক না হওয়া

১৩৭২। মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে-উপস্থিত হলাম, তারপর তিনি ইউনূস এর উপরোক্ত হাদীসের অনুরুপ বর্ণনা করেন।

তবে এই কথাগুলো বাড়িয়ে বলেন যে, একব্যাক্তি বলল, মালিক ইবনু দাখশান কোথায়? মাহমুদ ইবনুুর রাবী (রাঃ) বলেন, আমি এই হাদীসটি অনেকের কাছে বর্ণনা করেছি। তাদের মধ্যে আবূ আইউব আনসারী (রাঃ)ও শামিল। তিনি বললেন, আমার ধারণা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এইরূপ বলেননি। তখন আমি কসম করে বললাম আমি ইতিবানের কাছে যাব এবং তাঁকে জিজ্ঞাসা করব। তারপর আমি তাঁর কাছে গেলাম এবং তাকে খুবই বৃদ্ধা দেখতে পেলাম। তাঁর দৃষ্টিশক্তি নষ্ট হয়ে গেছে। তিনি তাঁর গোত্রের ইমাম ছিলেন। আমি তাঁর পাশে বসলাম এবং হার্দীসটি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি সেই রকমই বললেন, যে রকম আমি প্রথম বর্ণনা করেছি। যুহরি (রহঃ) বলেন, এরপর আল্লাহর বহু আদেশ নিষেধ অবতীর্ণ হয়েছে, যা আমার জানা আছে। অতএব যে ব্যাক্তি ধোঁকায় না পড়তে সক্ষম হয়, সে যেন ধোঁকায় না পড়ে।

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ رَبِيعٍ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ يُونُسَ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ أَوِ الدُّخَيْشِنِ وَزَادَ فِي الْحَدِيثِ قَالَ مَحْمُودٌ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ نَفَرًا فِيهِمْ أَبُو أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا أَظُنُّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا قُلْتَ - قَالَ - فَحَلَفْتُ إِنْ رَجَعْتُ إِلَى عِتْبَانَ أَنْ أَسْأَلَهُ - قَالَ - فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ فَوَجَدْتُهُ شَيْخًا كَبِيرًا قَدْ ذَهَبَ بَصَرُهُ وَهُوَ إِمَامُ قَوْمِهِ فَجَلَسْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَحَدَّثَنِيهِ كَمَا حَدَّثَنِيهِ أَوَّلَ مَرَّةٍ ‏.‏ قَالَ الزُّهْرِيُّ ثُمَّ نَزَلَتْ بَعْدَ ذَلِكَ فَرَائِضُ وَأُمُورٌ نُرَى أَنَّ الأَمْرَ انْتَهَى إِلَيْهَا فَمَنِ اسْتَطَاعَ أَنْ لاَ يَغْتَرَّ فَلاَ يَغْتَرَّ ‏.‏


'Itban b. Malik reported: I came to the Messenger of Allah (ﷺ) and the rest of the hadith is the same as narrated (above) except this that a man said: Where is Malik b. Dukhshun or Dukhaishin, and also made this addition that Mahmud said: I narrated this ver hadith to many people and among them was Abu Ayyub al-Ansari who said: I cannot think that the Messenger of Allah (ﷺ) could have said so as you say. He (the narrator) said: I took an oath that if I ever go to 'Itban. I would ask him about it. So I went to him and found him to be a very aged man, having lost his eyesight, but he was the Imam of the people. I sat by his side and asked about this hadith and he narrated it In the same way as he had narrated it for the first time. Then so many other obligatory acts and commands were revealed which we see having been completed. So he who wants that he should not be deceived would not be deceived.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫১: আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব

৬/৪২২। ইতবান ইবনে মালিক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, যিনি বদর যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন, আমি আমার গোত্র বানু সালেমের নামাযে ইমামতি করতাম। আমার ও তাদের (মসজিদের) মধ্যে একটি উপত্যকা ছিল। বৃষ্টি হলে ঐ উপত্যকা পেরিয়ে তাদের মসজিদে যাওয়া আমার জন্য কষ্টকর হত। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে হাযির হয়ে বললাম, ‘হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তিতে কমতি অনুভব করছি। (এ ছাড়া) আমার ও আমার গোত্রের মধ্যকার উপত্যকাটি বৃষ্টি হলে প্লাবিত হয়ে যায়। তখন তা পার হওয়া আমার জন্য কষ্টকর হয়। তাই আমার একান্ত আশা যে, আপনি এসে আমার ঘরের এক স্থানে নামায আদায় করবেন। আমি সে স্থানটি নামাযের স্থান রূপে নির্ধারিত করে নেব। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘আচ্ছা তাই করব।’’

সুতরাং পরের দিন সূর্যের তাপ যখন বেড়ে উঠল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু আমার বাড়ীতে এলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলে আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘‘তোমার ঘরের কোন্ স্থানে আমার নামায পড়া তুমি পছন্দ কর?’’ আমি যে স্থানে তাঁর নামায পড়া পছন্দ করেছিলাম, তাঁকে সেই স্থানের দিকে ইশারা করে (দেখিয়ে) দিলাম। সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) দাঁড়িয়ে তকবীর বললেন। আমরা সারিবদ্ধভাবে তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দু’রাকআত নামায পড়ে সালাম ফিরালেন। তাঁর সালাম ফিরার সময় আমরাও সালাম ফিরালাম। তারপর তাঁর জন্য যে ‘খাযীর’ (চর্বি দিয়ে পাকানো আটা) প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তা খাওয়ার জন্য তাঁকে আটকে দিলাম। ইতোমধ্যে মহল্লার লোকেরা শুনল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বাড়িতে। সুতরাং তাদের কিছু লোক এসে জমায়েত হল। এমনকি বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম হল।

তাদের মধ্যে একজন বলল, ‘মালেক (ইবনে দুখাইশিন) করল কী? তাকে দেখছি না যে?’ একজন জবাব দিল, ‘সে মুনাফিক! আল্লাহ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে না।’ তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘এমন কথা বলো না। তুমি কি মনে কর না যে, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে?’’ সে ব্যক্তি বলল, ‘আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই অধিক জানেন। তবে আল্লাহর কসম! আমরা মুনাফিকদের সাথেই তার ভালবাসা ও আলাপ-আলোচনায় তাকে দেখতে পাই।’ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘নিশ্চয় আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الرَّجَاءِ - (51)

وَعَن عِتْبَانَ بن مالك رضي الله عنه وَهُوَ مِمَّن شَهِدَ بَدراً، قَالَ: كُنتُ أُصَلِّي لِقَوْمِي بَني سَالِم، وَكَانَ يَحُولُ بَيْنِي وبَيْنَهُمْ وَادٍ إِذَا جَاءَتِ الأَمْطَار، فَيَشُقُّ عَلَيَّ اجْتِيَازُهُ قِبَلَ مَسْجِدِهم، فَجِئتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَقُلتُ لَهُ: إنّي أنْكَرْتُ بَصَرِي وَإنَّ الوَادِي الَّذِي بَيْنِي وبَيْنَ قَومِي يَسِيلُ إِذَا جَاءَتِ الأمْطَارُ فَيَشُقُّ عَلَيَّ اجْتِيَازُهُ فَوَدِدْتُ أنَّكَ تَأتِي فَتُصَلِّي في بَيْتِي مَكَاناً أتَّخِذُهُ مُصَلّى، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «سَأفْعَلُ » فَغَدَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكرٍ رضي الله عنه بَعْدَ مَا اشْتَدَّ النَّهَارُ، وَاسْتَأذَنَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَأذِنْتُ لَهُ، فَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى قَالَ: «أيْنَ تُحِبُّ أنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ؟ » فَأشَرْتُ لَهُ إِلَى المَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ أَنْ يُصَلِّيَ فِيهِ، فَقَامَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم فَكَبَّرَ وَصَفَفْنَا وَرَاءَهُ فَصَلَّى رَكعَتَينِ ثُمَّ سَلَّمَ وَسَلَّمْنَا حِينَ سَلَّمَ فَحَبَسْتُهُ عَلَى خَزيرَةٍ تُصْنَعُ لَهُ، فَسَمِعَ أهلُ الدَّارِ أنَّ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم في بَيْتِي فَثَابَ رِجالٌ مِنْهُمْ حَتَّى كَثُرَ الرِّجَالُ في البَيْتِ، فَقَالَ رَجُلٌ: مَا فَعَلَ مَالِكٌ لا أرَاهُ ! فَقَالَ رَجُلٌ: ذلِكَ مُنَافِقٌ لا يُحِبُّ الله ورسولَهُ، فَقَالَ رَسُول الله صلى الله عليه وسلم: لاَ تَقُلْ ذلِكَ، ألاَ تَرَاهُ قَالَ: لاَ إِلٰهَ إلاَّ الله يَبْتَغي بِذَلِكَ وَجهَ الله تَعَالَى فَقَالَ: اللهُ ورَسُولُهُ أعْلَمُ أمَّا نَحْنُ فَوَاللهِ مَا نَرَى وُدَّهُ وَلاَ حَدِيثَهُ إلاَّ إِلَى المُنَافِقينَ ! فَقَالَ رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم: فإنَّ الله قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ: لاَ إِلٰهَ إلاَّ الله يَبْتَغِي بذَلِكَ وَجْهَ الله . مُتَّفَقٌ عَلَيهِ

(51) Chapter: Hope in Allah's Mercy


'Itban bin Malik (May Allah be pleased with him) reported, who was with Messenger of Allah (ﷺ) in the battle of Badr: I used to lead my people at Bani Salim in Salat (prayer) and there was a valley between me and those people. Whenever it rained, it became difficult for me to cross it for going to their mosque. So I went to Messenger of Allah (ﷺ) and said, "I have weak eyesight and the valley between me and my people flows during the rainy season and it becomes difficult for me to cross it. I wish you to come to my house and offer Salat at a place so that I could reserve that as a Musalla (place for prayer)." Messenger of Allah (ﷺ) said, "I will do so". So Messenger of Allah (ﷺ) and Abu Bakr (May Allah be pleased with him) came to my house the (next) morning after the sun had risen high. Messenger of Allah (ﷺ) asked my permission to enter and I admitted him. He did not sit before saying, "Where do you want us to offer Salat in your house?" I pointed to the place where I wanted him to offer prayers. So Messenger of Allah (ﷺ) stood up for the prayer and started the prayer with Takbir and we aligned in rows behind him; and he offered two Rak'ah prayer and finished them with Taslim, and we also performed Taslim with him. I detained him for a meal called Khazirah which I had prepared for him. (Khazirah is a special type of dish prepared from barley flour and meat soup). When the neighbours got the news that Messenger of Allah (ﷺ) was in my house, they started coming till a large number of men gathered in my house. One of them said, "What is wrong with Malik, for I do not see him?" One of them replied, "He is a hypocrite and does not love Allah and His Messenger". On that Messenger of Allah (ﷺ) said, "Don't say this. Haven't you seen that he testified that there is no true god except Allah,' for Allah's sake only." The man replied, "Allah and His Messenger know better, but by Allah, we never saw him but helping and talking with the hypocrites." Messenger of Allah (ﷺ) replied, "No doubt, whosoever testifies that there is no true god except Allah, seeking by so professing the pleasure of Allah only, Allah will safeguard him against (Hell) Fire." [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith highlights the following four points: 1. One can offer Salat at home if one has a lawful reason for it. 2. In the event one is obliged to offer Salat at home it is well to reserve a place for it. 3. It is not permissible to suspect a Muslim on the basis of mere doubt. 4. In the end, every Muslim will be sent to Jannah. This point has already been elaborated.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৬/ নফল নামাযের জামা'আত

৮৪৫। নাসর ইবনু আলী (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার কওমের মসজিদ এবং আমার মধ্যে পানির স্রোত বাধা সৃষ্টি করে। অতএব আমার মনের বাসনা আপনি আমার বাড়ি এসে আমার ঘরের এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি সে স্থানটিকে মসজিদ বানিয়ে নই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আমি তাই করব, তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে বললেনঃ কোথায় সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? আমি ঘরের এক কোণের দিকে ইঙ্গিত করলে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সেখানে দাঁড়ালেন, আমরা তাঁর পেছনে কাতার বেঁধে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাকা’আত সালাত আদায় করলেন।

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، قَالَ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ مَحْمُودٍ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّهُ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ السُّيُولَ لَتَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ مَسْجِدِ قَوْمِي فَأُحِبُّ أَنْ تَأْتِيَنِي فَتُصَلِّيَ فِي مَكَانٍ مِنْ بَيْتِي أَتَّخِذُهُ مَسْجِدًا ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَنَفْعَلُ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ أَيْنَ تُرِيدُ ‏"‏ ‏.‏ فَأَشَرْتُ إِلَى نَاحِيَةٍ مِنَ الْبَيْتِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَصَفَفْنَا خَلْفَهُ فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ ‏.‏


It was narrated from 'Itban bin Malik that he said: "0 Messenger of Allah (ﷺ) the floods keep me from coming to the Masjid of my people. I would like you to come and pray in a place in my house so that I can take it as a Masjid." The Messenger of Allah (ﷺ) said: "We shall do that." "When the Messenger of Allah (ﷺ) entered he said: 'Where do you want (me to pray).' I showed him a comer of the house, and the Messenger of Allah (ﷺ) stood there, and we formed rows behind him, and he led us in praying two Rak'ahs."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭৩/ ইমামের সালাম ফিরানোর সময় মুকতাদির সালাম ফিরানো।

১৩৩০। সুওয়াইদ ইবনু নাসর (রহঃ) ... ইতবান ইবনু মালিক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার গোত্রে বনূ সালিমের সাথে সালাত আদায় করতাম। একদা রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে আমি এসে বললাম, (ইয়া রাসুলাল্লাহ!) আমার শক্তি হ্রাস পেয়েছে, আর (কখনো কখনো) আমার এবং আমার গোত্রের মসজিদের মাঝখানে বন্যা প্রতিবন্ধক হয়ে দাঁড়ায়, তাই আমার একান্ত ইচ্ছা যে, আপনি এসে আমার ঘরের কোন এক স্থানে সালাত আদায় করেন যাকে আমি আমার সালাতের স্থান রূপে নির্দিষ্ট করে নিতে পারি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ইনশাআল্লাহ! অতি শীঘ্রই আমি তা করব।

পরের দিন সূর্য প্রখর হওয়ার পর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার কাছে আসলেন, আর আবূ বকর (রাঃ)-ও তার সঙ্গে ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এসে আমার কাছে অনুমতি চাইলেন, আমি তাকে অনুমতি দিলে তিনি না বসেই বললেন, তুমি তোমার ঘরের কোন স্থানে আমার সালাত আদায় করা পছন্দ করো? তখন আমি তাকে ঐ স্থান দেখিয়ে দিলাম যেখানে তার সালাত আদায় করা আমি পছন্দ করেছি। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ালেন, আমরাও তার পেছনে কাতার বন্দী হয়ে দাঁড়ালাম। তারপর তিনি (সালাতের শেষে) সালাম ফিরালে আমরাও তার সঙ্গে সালাম ফিরালাম।

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، أَخْبَرَهُ قَالَ أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، قَالَ سَمِعْتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ، يَقُولُ كُنْتُ أُصَلِّي بِقَوْمِي بَنِي سَالِمٍ فَأَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقُلْتُ إِنِّي قَدْ أَنْكَرْتُ بَصَرِي وَإِنَّ السُّيُولَ تَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ مَسْجِدِ قَوْمِي فَلَوَدِدْتُ أَنَّكَ جِئْتَ فَصَلَّيْتَ فِي بَيْتِي مَكَانًا أَتَّخِذُهُ مَسْجِدًا ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ سَأَفْعَلُ إِنْ شَاءَ اللَّهُ ‏"‏ ‏.‏ فَغَدَا عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبُو بَكْرٍ - رضى الله عنه - مَعَهُ بَعْدَ مَا اشْتَدَّ النَّهَارُ فَاسْتَأْذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَذِنْتُ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى قَالَ ‏"‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏ ‏.‏ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ أَنْ يُصَلِّيَ فِيهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ ثُمَّ سَلَّمَ وَسَلَّمْنَا حِينَ سَلَّمَ ‏.‏


'Itban bin Malik said: "I used to lead my people Bani Salim in prayer. I came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: 'I have lost my eyesight and the rainwater prevents me from reaching the masjid of my people. I would like you to come and pray in my house in a place that I can take as a masjid.' The Prophet (ﷺ) said: 'I will do that, if Allah (SWT) wills.' The next day, the Messenger of Allah (ﷺ) came, and Abu Bakr was with him, after the day had grown hot. The Prophet (ﷺ) asked for permission to enter, and I gave him permission. He did not sit own until he asked: 'Where would you like me to pray in your house?' I showed him the place where I wanted him to pray, so the Messenger of Allah (ﷺ) stood there and formed a row behind him, then he said the salam and we said the salam when he did."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪/৮. গোত্রের এলাকায় বা মহল্লায় নির্মিত মসজিদেসমূহ।

১/৭৫৪। ইতবান ইবনু মালিক আস-সালিমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন তাঁর গোত্র বনু সালিমের মসজিদের ইমাম এবং তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে বদরের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট এসে বললাম, হে আল্লাহ্‌র রাসূল! আমার দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হয়ে আসছে এবং সয়লাবের কারণে আমার ঘর ও আমার গোত্রের মসজিদের মধ্যকার নালাটি পানিপূর্ণ হয়ে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হয়। তা পার হয়ে আসা-যাওয়া আমার জন্য বেশি কষ্টকর। আপনি যদি মনে করেন, আমার বাড়িতে এসে আপনি একটা স্থানে সালাত পড়বেন, যাকে আমি সালাতের স্থান বানাতে পারি, তাহলে তাই করুন। তিনি বলেনঃ আচ্ছা! তাই করবো।

পরের দিন দুপুরের পূর্বে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাঃ) আমার বাড়িতে আসেন এবং ভিতরে আসার অনুমতি চান। আমি তাঁকে ভিতর বাড়িতে আসার অনুমতি দিলাম। কিন্তু তিনি না বসে জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমার ঘরের কোন জায়গায় তোমার আকাঙ্ক্ষা অনুযায়ী আমার সালাত পড়া তুমি পছন্দ করো? আমি ঘরের যে স্থানে আমার সালাত পড়া পছন্দ করি সেই জায়গাটি তাঁকে ইশারায় দেখিয়ে দিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাতে দাঁড়ালেন এবং আমরাও তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের নিয়ে দু রাকআত সালাত পড়েন। এরপর আমি তাঁকে খাযীরা (এক প্রকার খাদ্য) খাওয়ারনো জন্য অপেক্ষা করালাম, যা তাঁদের জন্য তৈরি করা হয়েছিল।

بَاب الْمَسَاجِدِ فِي الدُّورِ

حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ، مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ الأَنْصَارِيِّ، - وَكَانَ قَدْ عَقَلَ مَجَّةً مَجَّهَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مِنْ دَلْوٍ فِي بِئْرٍ لَهُمْ - عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ السَّالِمِيِّ - وَكَانَ إِمَامَ قَوْمِهِ بَنِي سَالِمٍ وَكَانَ شَهِدَ بَدْرًا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ - قَالَ جِئْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ أَنْكَرْتُ مِنْ بَصَرِي وَإِنَّ السَّيْلَ يَأْتِينِي فَيَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ مَسْجِدِ قَوْمِي وَيَشُقُّ عَلَىَّ اجْتِيَازُهُ فَإِنْ رَأَيْتَ أَنْ تَأْتِيَنِي فَتُصَلِّيَ فِي بَيْتِي مَكَانًا أَتَّخِذُهُ مُصَلًّى فَافْعَلْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفْعَلُ ‏"‏ ‏.‏ فَغَدَا عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَأَبُو بَكْرٍ بَعْدَ مَا اشْتَدَّ النَّهَارُ وَاسْتَأْذَنَ فَأَذِنْتُ لَهُ وَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى قَالَ ‏"‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ لَكَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏ ‏.‏ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ فِيهِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ احْتَبَسْتُهُ عَلَى خَزِيرَةٍ تُصْنَعُ لَهُمْ ‏.‏


Mahmud bin Rabi' Al-Ansari, who remembered that the Messenger of Allah spat a mouthful of water from a bucket into a well that belonged to them, narrated that : 'Itban bin Malik As-Salimi who was the chief of his people Banu Salim and had participated in (the battle of) Badr with the Messenger of Allah said: "I came to the Messenger of Allah and said: 'O Messenger of Allah, my sight is failing and the flood comes and prevents me from reaching the mosque of my people, and it is too hard for me to cross the water. Do you think you could come and perform prayer in my house in a place which I can then take as a place of prayer?' He said: 'I will do that.' The following day, the Messenger of Allah and Abu Bakr came, when the heat of the day had grown intense. He asked permission to enter, and I gave him permission. He did not sit down until he said: 'Where would you like me to perform prayer for you in your house?' I showed him the place where I wanted him to pray, so the Messenger of Allah stood and we lined up behind him, and he led us in praying two Rak'ah (units). Then I asked him to stay and eat some Khazirah that had been prepared for them.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮/৪৫. কারো ঘরে প্রবেশ করলে যেখানে ইচ্ছা বা যেখানে নির্দেশ করা হয় সেখানেই সালাত আদায় করবে। এ ব্যাপারে অধিক যাচাই বাছাই করবে না।

৪২৪. ‘ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘরে এলেন এবং বললেনঃ তোমার ঘরের কোন্ জায়গায় আমার সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? তিনি বলেনঃ তখন আমি তাঁকে একটি স্থানের দিকে ইঙ্গিত করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকবীর বললেন। আমরা তাঁর পেছনে কাতার করে দাঁড়ালাম। তিনি দু’রাক‘আত সালাত আদায় করলেন। (৪২৫ ৬৬৭, ৬৮৬, ৮৩৮, ৮৪০, ১১৮৬, ৪০০৯, ৪০১০, ৫৪০১, ৬৪২৩, ৬৯৩৮) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৪০৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৪১২)

بَاب إِذَا دَخَلَ بَيْتًا يُصَلِّي حَيْثُ شَاءَ أَوْ حَيْثُ أُمِرَ وَلاَ يَتَجَسَّسُ

عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ قَالَ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ أَنَّ النَّبِيَّ أَتَاهُ فِي مَنْزِلِهِ فَقَالَ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ لَكَ مِنْ بَيْتِكَ قَالَ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى مَكَانٍ فَكَبَّرَ النَّبِيُّ وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ.


Narrated `Itban bin Malik: The Prophet (ﷺ) came to my house and said, "Where do you like me to pray?" I pointed to a place. The Prophet then said, "Allahu Akbar", and we aligned behind him and he offered a two-rak`at prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০/৫০. ইমাম অন্য লোকদের নিকট উপস্থিত হলে, তাদের ইমামাত করতে পারেন।

৬৮৬. ইতবান ইবনু মালিক আনসারী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আল্লাহর রাসূল্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমার গৃহে প্রবেশের) অনুমতি চাইলে তাঁকে অনুমতি দিলাম। তিনি বললেনঃ তোমার ঘরের কোন জায়গাটি আমার সালাত আদায়ের জন্য তুমি পছন্দ কর। আমি আমার পছন্দ সই একটি স্থান ইঙ্গিত করে দেখালে তিনি সেখানে সালাতের জন্য দাঁড়ালেন, আমরা তাঁর পিছনে সারিবদ্ধ হয়ে দাঁড়ালাম। অতঃপর তিনি সালাম ফিরালেন এবং আমরা সালাম ফিরালাম। (৪২৪) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৬৪৫, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৬৫২)

بَاب إِذَا زَارَ الْإِمَامُ قَوْمًا فَأَمَّهُمْ

حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ أَسَدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ، قَالَ سَمِعْتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ الأَنْصَارِيَّ، قَالَ اسْتَأْذَنَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَأَذِنْتُ لَهُ فَقَالَ ‏ "‏ أَيْنَ تُحِبُّ أَنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ‏"‏‏.‏ فَأَشَرْتُ لَهُ إِلَى الْمَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ، فَقَامَ وَصَفَفْنَا خَلْفَهُ ثُمَّ سَلَّمَ وَسَلَّمْنَا‏.‏


Narrated `Itban bin Malik Al-Ansari: The Prophet (came to my house and) asked permission for entering and I allowed him. He asked, "Where do you like me to pray in your house?" I pointed to a place which I liked. He stood up for prayer and we aligned behind him and he finished the prayer with Taslim and we did the same.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০/১৫৩. ইমামের সালাম ফিরানোর সময় মুক্তাদিগণও সালাম ফিরাবে।

وَكَانَ ابْنُ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا يَسْتَحِبُّ إِذَا سَلَّمَ الْإِمَامُ أَنْ يُسَلِّمَ مَنْ خَلْفَهُ.

ইবনু ‘উমার (রাযি.) ইমামের সালাম ফিরানোর সময় মুক্তাদীগণের সালাম ফিরানো মুস্তাহাব মনে করতেন।



৮৩৮. ইতবান ইবনু মালিক (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সঙ্গে সালাত আদায় করেছি। তিনি যখন সালাম ফিরান তখন আমরাও সালাম ফিরাই। (আধুনিক প্রকাশনীঃ৭৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৭৯৯)

بَاب يُسَلِّمُ حِينَ يُسَلِّمُ الْإِمَامُ

حِبَّانُ بْنُ مُوسَى قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ مَحْمُودِ بْنِ الرَّبِيعِ عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ قَالَ صَلَّيْنَا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمْنَا حِينَ سَلَّمَ.


Narrated `Itban bin Malik: We prayed with the Prophet (ﷺ) and used to finish our prayer with the Taslim along with him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৮/৯. ব্যাখ্যা দানকারীদের ব্যাপারে যা বর্ণনা করা হয়েছে।

৬৯৩৮. ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে আমার কাছে আসলেন। তখন এক লোক বলল, মালিক ইবনু দুখ্শুন কোথায়? আমাদের এক ব্যক্তি বলল, সে তো মুনাফিক; সে আল্লাহ্ ও তাঁর রাসূলকে ভালবাসে না। তা শুনে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা কি এ কথা বলনি যে, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি চেয়ে ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ্’ বলে। তারা বললেন, হ্যাঁ। তিনি বললেনঃ যে কোন বান্দা কিয়ামতের দিন ঐ কথা নিয়ে উপস্থিত হবে, আল্লাহ্ তার উপর জাহান্নাম হারাম করে দেবেন। [৪২৪] (আধুনিক প্রকাশনী- ৬৪৫৬, ইসলামিক ফাউন্ডেশন- ৬৪৬৯)

بَاب مَا جَاءَ فِي الْمُتَأَوِّلِينَ

عَبْدَانُ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللهِ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَخْبَرَنِي مَحْمُودُ بْنُ الرَّبِيعِ قَالَ سَمِعْتُ عِتْبَانَ بْنَ مَالِكٍ يَقُولُ غَدَا عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَجُلٌ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ فَقَالَ رَجُلٌ مِنَّا ذَلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللهَ وَرَسُولَهُ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَلاَ تَقُولُوهُ يَقُولُ لاَ إِلٰهَ إِلاَّ اللهُ يَبْتَغِي بِذَلِكَ وَجْهَ اللهِ قَالَ بَلَى قَالَ فَإِنَّهُ لاَ يُوَافَى عَبْدٌ يَوْمَ الْقِيَامَةِ بِهِ إِلاَّ حَرَّمَ اللهُ عَلَيْهِ النَّارَ


Narrated `Itban bin Malik: Once Allah's Messenger (ﷺ) came to me in the morning, and a man among us said, "Where is Malik bin Ad- Dukhshun?" Another man from us replied, "He is a hypocrite who does not love Allah and His Apostle." The Prophet (ﷺ) said, "Don't you think that he says: None has the right to be worshipped but Allah, only for Allah's sake?" They replied, "Yes" The Prophet (ﷺ) said, "Nobody will meet Allah with that saying on the Day of Resurrection, but Allah will save him from the Fire."


পরিচ্ছেদঃ ৪৭. কোন ওযরবশতঃ জামা'আতে শারীক না হওয়া

১৩৮৩-(২৬৪/...) মুহাম্মাদ ইবনু রাফি' ও 'আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ..... ইতবান ইবনু মালিক (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে গেলাম। তবে এ হাদীসে তিনি এতটুকু অধিক বর্ণনা করেছেন যে, জনৈক ব্যক্তি বলে উঠল, মালিক ইবনুদ দুখশুন অথবা বলল (বর্ণনাকারীর সন্দেহ) মালিক ইবনুদ দুখায়শিন কোথায়? তিনি হাদীসটিতে এতটুকু কথা অধিক বলেছেন যে, মাহমুদ ইবনুর রাবী’ বলেছেন, আমি এ হাদীসটি একদল লোকের কাছে বর্ণনা করলাম। তাদের মধ্যে (সহাবা) আবূ আইয়ুব আল আনসারীও ছিলেন। তিনি বললেন, তুমি যা বললে আমার মনে হয় না রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা বলেছেন। মাহমুদ ইবনুর রাবী’ বলেন, এ কথা শুনে আমি এ মর্মে শপথ করলাম যে ইতবান ইবনু মালিককে আবার জিজ্ঞেস করার জন্য তার কাছে ফিরে যাব। তিনি বলেছেনঃ অতঃপর আমি তার কাছে গেলাম। তখন তিনি অত্যন্ত বৃদ্ধ হয়ে গিয়েছিলেন এবং তার দৃষ্টিশক্তিও নষ্ট হয়ে গিয়েছিল। তিনি ছিলেন তার কওমের ইমাম। আমি গিয়ে পাশে বসে এ হাদীসটি সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলাম। তখন তিনি আমাকে প্রথমবারের মতো করে হাদীসটি বর্ণনা করে শুনালেন।

হাদীসটির বর্ণনাকার যুহরী বলেছেন, এ ঘটনার পরেও আরো অনেক ফারয (ফরয) ও অন্যান্য বিষয়ে হুকুম আহকাম অবতীর্ণ হয়েছে। আমরা মনে করি যে, (হুকুম-আহকামের) বিষয়টি এর পরেই শেষ হয়েছে। সুতরাং যে ব্যক্তি ধোকায় পড়তে না চায়, সে যেন এর দ্বারা ধোকায় না পড়ে। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১৩৭০, ইসলামীক সেন্টার ১৩৮২)

باب الرُّخْصَةِ فِي التَّخَلُّفِ عَنِ الْجَمَاعَةِ، بِعُذْرٍ ‏

وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، كِلاَهُمَا عَنْ عَبْدِ الرَّزَّاقِ، قَالَ أَخْبَرَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، قَالَ حَدَّثَنِي مَحْمُودُ بْنُ رَبِيعٍ، عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ وَسَاقَ الْحَدِيثَ بِمَعْنَى حَدِيثِ يُونُسَ غَيْرَ أَنَّهُ قَالَ فَقَالَ رَجُلٌ أَيْنَ مَالِكُ بْنُ الدُّخْشُنِ أَوِ الدُّخَيْشِنِ وَزَادَ فِي الْحَدِيثِ قَالَ مَحْمُودٌ فَحَدَّثْتُ بِهَذَا الْحَدِيثِ نَفَرًا فِيهِمْ أَبُو أَيُّوبَ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ مَا أَظُنُّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ مَا قُلْتَ - قَالَ - فَحَلَفْتُ إِنْ رَجَعْتُ إِلَى عِتْبَانَ أَنْ أَسْأَلَهُ - قَالَ - فَرَجَعْتُ إِلَيْهِ فَوَجَدْتُهُ شَيْخًا كَبِيرًا قَدْ ذَهَبَ بَصَرُهُ وَهُوَ إِمَامُ قَوْمِهِ فَجَلَسْتُ إِلَى جَنْبِهِ فَسَأَلْتُهُ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَحَدَّثَنِيهِ كَمَا حَدَّثَنِيهِ أَوَّلَ مَرَّةٍ ‏.‏ قَالَ الزُّهْرِيُّ ثُمَّ نَزَلَتْ بَعْدَ ذَلِكَ فَرَائِضُ وَأُمُورٌ نُرَى أَنَّ الأَمْرَ انْتَهَى إِلَيْهَا فَمَنِ اسْتَطَاعَ أَنْ لاَ يَغْتَرَّ فَلاَ يَغْتَرَّ ‏.‏


'Itban b. Malik reported: I came to the Messenger of Allah (ﷺ) and the rest of the hadith is the same as narrated (above) except this that a man said: Where is Malik b. Dukhshun or Dukhaishin, and also made this addition that Mahmud said: I narrated this ver hadith to many people and among them was Abu Ayyub al-Ansari who said: I cannot think that the Messenger of Allah (ﷺ) could have said so as you say. He (the narrator) said: I took an oath that if I ever go to 'Itban. I would ask him about it. So I went to him and found him to be a very aged man, having lost his eyesight, but he was the Imam of the people. I sat by his side and asked about this hadith and he narrated it In the same way as he had narrated it for the first time. Then so many other obligatory acts and commands were revealed which we see having been completed. So he who wants that he should not be deceived would not be deceived.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ আল্লাহর দয়ার আশা রাখার গুরুত্ব

(৪৫০) ইতবান ইবনে মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত, যিনি বদর যুদ্ধে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে উপস্থিত ছিলেন, তিনি বলেন, আমি আমার গোত্র বানু সালেমের নামাযে ইমামতি করতাম। আমার ও তাদের (মসজিদের) মধ্যে একটি উপত্যকা ছিল। বৃষ্টি হলে ঐ উপত্যকা পেরিয়ে তাদের মসজিদে যাওয়া আমার জন্য কষ্টকর হত। তাই আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খিদমতে হাযির হয়ে বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমি আমার দৃষ্টিশক্তিতে কমতি অনুভব করছি। (এ ছাড়া) আমার ও আমার গোত্রের মধ্যকার উপত্যকাটি বৃষ্টি হলে প্লাবিত হয়ে যায়। তখন তা পার হওয়া আমার জন্য কষ্টকর হয়। তাই আমার একান্ত আশা যে, আপনি এসে আমার ঘরের এক স্থানে নামায আদায় করবেন। আমি সে স্থানটি নামাযের স্থান রূপে নির্ধারিত করে নেব।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, আচ্ছা তাই করব। সুতরাং পরের দিন সূর্যের তাপ যখন বেড়ে উঠল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও আবূ বাকর (রাঃ) আমার বাড়ীতে এলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘরে প্রবেশের অনুমতি চাইলে আমি তাঁকে অনুমতি দিলাম। তিনি না বসেই আমাকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমার ঘরের কোন্ স্থানে আমার নামায পড়া তুমি পছন্দ কর? আমি যে স্থানে তাঁর নামায পড়া পছন্দ করেছিলাম, তাঁকে সেই স্থানের দিকে ইশারা করে (দেখিয়ে) দিলাম।

সুতরাং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (নামাযে) দাঁড়িয়ে তকবীর বললেন। আমরা সারিবদ্ধভাবে তাঁর পিছনে দাঁড়িয়ে গেলাম। তিনি দু’রাকআত নামায পড়ে সালাম ফিরলেন। তাঁর সালাম ফিরার সময় আমরাও সালাম ফিরলাম। তারপর তাঁর জন্য যে ‘খাযীর’ (চর্বি দিয়ে পাকানো আটা) প্রস্তুত করা হচ্ছিল, তা খাওয়ার জন্য তাঁকে আটকে দিলাম। ইতোমধ্যে মহল্লার লোকেরা শুনল যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার বাড়িতে। সুতরাং তাদের কিছু লোক এসে জমায়েত হল। এমনকি বাড়িতে অনেক লোকের সমাগম হল।

তাদের মধ্যে একজন বলল, মালিক (ইবনে দুখাইশিন) করল কী? তাকে দেখছি না যে? একজন জবাব দিল, সে মুনাফিক! আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসে না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, এমন কথা বলো না। তুমি কি মনে কর না যে, সে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে? সে ব্যক্তি বলল, আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জানেন। তবে আল্লাহর কসম! আমরা মুনাফিকদের সাথেই তার ভালবাসা ও আলাপ-আলোচনায় তাকে দেখতে পাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, নিশ্চয় আল্লাহ সেই ব্যক্তিকে জাহান্নামের জন্য হারাম করে দিয়েছেন, যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের কামনায় ‘লা- ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে।

وَعَن عِتْبَانَ بن مَالك وَهُوَ مِمَّن شَهِدَ بَدراً قَالَ : كُنتُ أُصَلِّي لِقَوْمِي بَني سَالِم وَكَانَ يَحُولُ بَيْنِي وبَيْنَهُمْ وَادٍ إِذَا جَاءَتِ الأَمْطَار فَيَشُقُّ عَلَيَّ اجْتِيَازُهُ قِبَلَ مَسْجِدِهم فَجِئتُ رَسُولَ اللهِ ﷺ فَقُلتُ لَهُ : إنّي أنْكَرْتُ بَصَرِي وَإنَّ الوَادِي الَّذِي بَيْنِي وبَيْنَ قَومِي يَسِيلُ إِذَا جَاءَتِ الأمْطَارُ فَيَشُقُّ عَلَيَّ اجْتِيَازُهُ فَوَدِدْتُ أنَّكَ تَأتِي فَتُصَلِّي في بَيْتِي مَكَاناً أتَّخِذُهُ مُصَلّى فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ سَأفْعَلُ فَغَدَا رَسُولُ اللهِ ﷺ وَأَبُو بَكرٍ بَعْدَ مَا اشْتَدَّ النَّهَارُ وَاسْتَأذَنَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فَأذِنْتُ لَهُ فَلَمْ يَجْلِسْ حَتَّى قَالَ أيْنَ تُحِبُّ أنْ أُصَلِّيَ مِنْ بَيْتِكَ ؟ فَأشَرْتُ لَهُ إِلَى المَكَانِ الَّذِي أُحِبُّ أَنْ يُصَلِّيَ فِيهِ فَقَامَ رَسُول الله ﷺ فَكَبَّرَ وَصَفَفْنَا وَرَاءَهُ فَصَلَّى رَكعَتَينِ ثُمَّ سَلَّمَ وَسَلَّمْنَا حِينَ سَلَّمَ فَحَبَسْتُهُ عَلَى خَزيرَةٍ تُصْنَعُ لَهُ فَسَمِعَ أهلُ الدَّارِ أنَّ رَسُول الله ﷺ في بَيْتِي فَثَابَ رِجالٌ مِنْهُمْ حَتَّى كَثُرَ الرِّجَالُ في البَيْتِ فَقَالَ رَجُلٌ : مَا فَعَلَ مَالِكٌ لا أرَاهُ فَقَالَ رَجُلٌ : ذلِكَ مُنَافِقٌ لا يُحِبُّ الله ورسولَهُ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ لاَ تَقُلْ ذلِكَ ألاَ تَرَاهُ قَالَ : لاَ إلهَ إلاَّ الله يَبْتَغي بِذَلِكَ وَجهَ الله تَعَالَى فَقَالَ : اللهُ ورَسُولُهُ أعْلَمُ أمَّا نَحْنُ فَوَاللهِ مَا نَرَى وُدَّهُ وَلاَ حَدِيثَهُ إلاَّ إِلَى المُنَافِقينَ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ ﷺ فإنَّ الله قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ : لاَ إلهَ إلاَّ الله يَبْتَغِي بذَلِكَ وَجْهَ الله مُتَّفَقٌ عَلَيهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ গীবতে (পরচর্চায়) অংশগ্রহণ করা হারাম। যার নিকট গীবত করা হয় তার উচিত গীবতকারীর তীব্র প্রতিবাদ করা এবং তার সমর্থন না করা। আর তাতে সক্ষম না হলে স‎ম্ভব হলে উক্ত সভা ত্যাগ করে চলে যাওয়া যে কথা আসলে গীবত নয়

(২৯৭৯) ইতবান ইবনে মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত, যা বিগত ‘আল্লাহর প্রতি আশা’ পরিচ্ছেদে বর্ণিত একটি সুদীর্ঘ হাদীসের অংশ বিশেষ। তিনি বলেন, একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায পড়ানোর উদ্দেশ্যে উঠে দাঁড়িয়ে বললেন, ‘‘মালিক ইবনে দুখ্শুম কোথায়!’’ একটি লোক বলে উঠল, ‘সে তো একজন মুনাফিক; আল্লাহ ও তাঁর রসূলকে ভালবাসে না।’ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ও কথা বলো না। তুমি কি মনে কর না যে, সে (কালিমা) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ পড়েছে এবং সে তার দ্বারা আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করতে চায়? যে ব্যক্তি আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করার উদ্দেশ্যে (কালিমা) ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলে, আল্লাহ তার উপর জাহান্নামের আগুন হারাম ক’রে দেন।

وَعَنْ عِتبَانَ بنِ مَالكٍ فِي حَدِيثِهِ الطَّوِيلِ المَشْهُورِ الَّذِيْ تَقَدَّمَ فِي بَابِ الرَّجَاءِ قَالَ : قَامَ النَّبِيُّ ﷺ يُصَلِّي فَقَالَ أَيْنَ مَالِكُ بنُ الدُّخْشُمِ ؟ فَقَالَ رَجُلٌ : ذٰلِكَ مُنَافِقٌ لاَ يُحِبُّ اللهَ وَلاَ رَسُوْلَهُ، فَقَالَ النَّبِـيُّ ﷺ لاَ تَقُلْ ذٰلِكَ أَلاَ تَراهُ قَدْ قَالَ : لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ يُريدُ بِذَلكَ وَجْهَ اللهِ وإنَّ الله قَدْ حَرَّمَ عَلَى النَّارِ مَنْ قَالَ : لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللهُ يَبْتَغي بِذٰلِكَ وَجْهَ اللهِ متفق عَلَيْهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৬: নফল সালাতের জামা'আত

৮৪৪. নাসর ইবনু ‘আলী (রহ.) ..... ‘ইতবান ইবন মালিক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বললেন, হে আল্লাহর রসূল! আমার সম্প্রদায়ের মসজিদ এবং আমার মাঝে পানির স্রোত বাধা সৃষ্টি করে। অতএব আমি পছন্দ করি যে, আপনি আমার বাড়ি এসে আমার ঘরের এক স্থানে সালাত আদায় করেন এবং আমি তা মসজিদ বানিয়ে নিব। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, আমি তাই করব। তারপর রাসূলুল্লাহ (সা.) এসে বললেন, কোথায় সালাত আদায় করা তুমি পছন্দ কর? আমি ঘরের একদিকে ইশারা করলে রাসূলুল্লাহ (সা.) তথায় দাঁড়ালেন। আমরা তাঁর পেছনে কাতার বেঁধে দাঁড়ালাম। তিনি আমাদের নিয়ে দুই রাক'আত সালাত আদায় করলেন।

الجماعة للنافلة

أَخْبَرَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، ‏‏‏‏‏‏قال:‏‏‏‏ أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى، ‏‏‏‏‏‏قال:‏‏‏‏ حَدَّثَنَا مَعْمَرٌ، ‏‏‏‏‏‏عَنِ الزُّهْرِيِّ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ مَحْمُودٍ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ عِتْبَانَ بْنِ مَالِكٍ أَنَّهُ، ‏‏‏‏‏‏قَالَ:‏‏‏‏ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ السُّيُولَ لَتَحُولُ بَيْنِي وَبَيْنَ مَسْجِدِ قَوْمِي فَأُحِبُّ أَنْ تَأْتِيَنِي فَتُصَلِّيَ فِي مَكَانٍ مِنْ بَيْتِي أَتَّخِذُهُ مَسْجِدًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ:‏‏‏‏ سَنَفْعَلُ فَلَمَّا دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ‏‏‏‏‏‏قَالَ:‏‏‏‏ أَيْنَ تُرِيدُ فَأَشَرْتُ إِلَى نَاحِيَةٍ مِنَ الْبَيْتِ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، ‏‏‏‏‏‏فَصَفَفْنَا خَلْفَهُ فَصَلَّى بِنَا رَكْعَتَيْنِ.

تخریج دارالدعوہ: انظر حدیث رقم: ۷۸۹ (صحیح)

صحيح وضعيف سنن النسائي الألباني: حديث نمبر 845 - صحيح

46. Offering A Voluntary Prayer In Congregation


It was narrated from 'Itban bin Malik that he said: 0 Messenger of Allah (ﷺ) the floods keep me from coming to the Masjid of my people. I would like you to come and pray in a place in my house so that I can take it as a Masjid. The Messenger of Allah (ﷺ) said: We shall do that. When the Messenger of Allah (ﷺ) entered he said: 'Where do you want (me to pray).' I showed him a comer of the house, and the Messenger of Allah (ﷺ) stood there, and we formed rows behind him, and he led us in praying two Rak'ahs.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ইতবান ইবনু মালিক (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৮ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৮ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে