সহীহ বুখারী (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)
৭০৫৩ টি হাদিস ইসলামিক ফাউন্ডেশন
১/ ওহীর সূচনা (كتاب بدء الوحى)
1/ Revelation
৬ টি হাদিস
১ পরিচ্ছেদ
২/ ঈমান (كتاب الإيمان)
2/ Belief
৫০ টি হাদিস
৪১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৭-৫৬)


























২৯/ দ্বীন সহজ ১ টি | ৩৮-৩৮













৩/ ইলম বা জ্ঞান (كتاب العلم)
3/ Knowledge
৮০ টি হাদিস
৫১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৭-১৩৬)

















































৪/ উযূ (كتاب الوضوء)
4/ Ablutions (Wudu)
১০৯ টি হাদিস
৭৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৩৭-২৪৫)







































১৩৭। পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ১৮৯-১৮৯


































১৭১। মিসওয়াক করা। ২ টি | ২৪৩-২৪৪

৫/ গোসল (كتاب الغسل)
5/ Bathing (Ghusl)
৪৪ টি হাদিস
২৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৪৬-২৮৯)



























৬/ হায়য (كتاب الحيض)
6/ Menstrual Periods
৩৭ টি হাদিস
৩০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৯০-৩২৬)






২১০। ইসতিহাযা ১ টি | ৩০০-৩০০






















৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم)
7/ Rubbing hands and feet with dust (Tayammum)
১৫ টি হাদিস
৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩২৭-৩৪১)







৮/ সালাত (كتاب الصلاة)
8/ Prayers (Salat)
১৫৫ টি হাদিস
১০৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩৪২-৪৯৬)










































































































৯/ সালাতের ওয়াক্তসমূহ (كتاب مواقيت الصلاة)
9/ Time of Prayers
৭৯ টি হাদিস
৪২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৯৭-৫৭৫)











৩৬৩। আসরের ওয়াক্ত ৬ টি | ৫১৭-৫২২















৩৭৮। ফজরের ওয়াক্ত ৪ টি | ৫৪৮-৫৫১














১০/ আযান (كتاب الأذان)
10/ Call of Prayers (Adhaan)
২৫৬ টি হাদিস
১৬১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৭৬-৮৩১)






৪০০। আযানের দু'আ ১ টি | ৫৮৭-৫৮৭

































































৪৬৫. প্রথম কাতার ১ টি | ৬৮৫-৬৮৫








৪৭৩. রাতের সালাত। ২ টি | ৬৯৪-৬৯৫









৪৮২. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৭০৯-৭০৯


































৫১৭. পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৭৬১-৭৬৩



৫২০. সিজদার ফযীলত ১ টি | ৭৬৯-৭৬৯






















৫৪৩. সালাম ফিরান ১ টি | ৭৯৮-৭৯৮












১১/ জুমু'আ (كتاب الجمعة)
11/ Friday prayer (Jumu'a)
৬৩ টি হাদিস
৩৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৮৩২-৮৯৪)





































১২/ শত্রুভীতি অবস্থায় সালাত (كتاب صلاة الخوف)
12/ Fear Prayer
৬ টি হাদিস
৬ পরিচ্ছেদ
১৩/ দুই ঈদ (كتاب العيدين)
13/ The Two Festivals (Eids)
৩৬ টি হাদিস
২৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৯০১-৯৩৬)
























১৪/ বিতর সালাত (كتاب الوتر)
14/ Witr Prayer
১৪ টি হাদিস
৭ পরিচ্ছেদ
১৫/ বৃষ্টির জন্য দু'আ (كتاب الاستسقاء)
15/ Invoking Allah for Rain (Istisqaa)
৩২ টি হাদিস
২৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৯৫১-৯৮২)


























১৬/ সূর্যগ্রহন (كتاب الكسوف)
16/ Eclipses
২৩ টি হাদিস
১৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৯৮৩-১০০৫)
















১৭/ কুরআন তিলওয়াতে সিজদা (كتاب سجود القرآن)
17/ Prostration During Recital of Qur'an
১৩ টি হাদিস
১২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১০০৬-১০১৮)










১৮/ সালাতে কসর করা (كتاب التقصير)
18/ Shortening The Prayer (At-Taqseer)
৩৫ টি হাদিস
২০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১০১৯-১০৫৩)
৬৯৬. মিনায় সালাত। ৩ টি | ১০২১-১০২৩


















১৯/ তাহাজ্জুদ বা রাতের সালাত (كتاب التهجد)
19/ Prayer At Night (Tahajjud)
১১১ টি হাদিস
৬৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১০৫৪-১১৬৪)


















৭৩৪. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ১০৮৬-১০৮৬



















৭৫২. কুবা মসজিদ ১ টি | ১১১৮-১১১৮






























২০/ জানাযা (كتاب الجنائز)
20/ Funerals (Al-Janaa'Iz)
১৪৮ টি হাদিস
৯৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১১৬৫-১৩১২)





























৮১৪. কবর যিয়ারত। ১ টি | ১২০৮-১২০৮

৮১৫. নবী ()-এর বাণী: পরিজনের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তি কে আযাব দেওয়া হয়, যদি বিলাপ করা তার অভ্যাস হয়ে থাকে। কারণ আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেন: তোমরা নিজেদের এবং তোমাদের পরিবার পরিজনদের জাহান্নামের আগুন থেকে রক্ষা কর। (সূরা তাহরীম: ৬) এবং নবী (সা:) বলেছেন: তোমাদের প্রত্যেকেই দায়িত্ব প্রাপ্ত এবং প্রত্যেকেই তার দায়িত্ব সম্পর্কে জিজ্ঞাসিত হবে। কিন্তু তা যদি তার অভ্যাস না হয়ে থাকে তা হলে তার বিধান হবে যা আয়িশা (রা.) উদ্ধুত করেছেন: নিজ বোঝা বহনকারী কোন ব্যক্তি অপরের বোঝা বহন করবে না (সূরা ফাতির : ১৮)। আর এ হলো আল্লাহ্‌ পাকের এ বাণীর ন্যায়- “কোন (গুনাহের) বোঝা বহনকারী ব্যক্তি যদি কাকেও তা বহন করতে আহবান করে তবে তা থেকে এর কিছুই বহন করা হবে না। (সূরা ফাতির: ১৮)। আর বিলাপ ছাড়া কান্নার অনুমতি দেওয়া হয়েছে। নবী (সা:) বলেছেন: অন্যায়ভাবে কাউকে খুন করা হলে সে খুনের অপরাধের অংশ প্রথম আদম সন্তান (কাবিল) এর উপর বর্তাবে। আর তা এ কারণে যে, সেই প্রথম ব্যক্তি য়ে খুনের প্রবর্তন করেছে। ৫ টি | ১২০৯-১২১৩


৮১৭. পরিচ্ছেদ নাই। ১ টি | ১২১৬-১২১৬


























































৮৭৬. পরিচ্ছেদ নাই। ১ টি | ১৩০৩-১৩০৩

৮৭৭. সোমবারে মৃত্যু। ১ টি | ১৩০৪-১৩০৪

৮৭৮. আকস্মিক মৃত্যু। ১ টি | ১৩০৫-১৩০৫



২১/ যাকাত (كتاب الزكاة)
21/ Obligatory Charity Tax (Zakat)
১১২ টি হাদিস
৭২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৩১৩-১৪২৪)








৮৯৩. পরিচ্ছেদ নাই। ১ টি | ১৩৩৭-১৩৩৭

















৯১৪. রূপার যাকাত ২ টি | ১৩৬২-১৩৬৩




৯১৮. উটের যাকাত। ১ টি | ১৩৬৮-১৩৬৮


৯২০. বকরীর যাকাত ১ টি | ১৩৭০-১৩৭০





৯২৫. গরুর যাকাত। ১ টি | ১৩৭৫-১৩৭৫






















৯৪৮. রিকাযে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব। ইমাম মালেক ও ইবন ইদরীস (রহঃ) (ইমাম শাফি'য়ী) বলেন, জাহিলী যুগের ভূগর্ভে প্রেথিত সম্পদই রিকায। তার অল্প ও অধিক পরিমানে এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব হবে। আর মা'দীন রিকায নয়। নবী (সাঃ) বলেছেনঃ মা'দীনে (খননের ঘটনায়) নিসাব নেই, রিকাযের এক-পঞ্চমাংশ ওয়াজিব। উমর ইবন আবদুল আযীয (রহঃ) মা'দীন এর চল্লিশ ভাগের এক ভাগ গ্রহন করতেন। হাসান (রহঃ) বলেন, যুদ্ধের মাধ্যমে অধিকৃত ভূমির রিকাযে এক পঞ্চমাংশ ওয়াজিব এবং সন্ধিকৃত ভূমির রিকাযের যাকাত ওয়াজিব। শত্রুর ভূমিতে লুকতা পাওয়া গেলে লোকদের মধ্যে তা ঘোষণা করবে। বস্তুটি শত্রুর হলে তাতে এক পঞ্চমাংশ ওয়াজিব। জনৈক ব্যক্তি [ইমাম আবু হানিফা (রহঃ)] বলেন, মা'দিন রিকাযই, (তার প্রকারবিশেষ মাত্র) জাহেলী যুগের প্রেথিত সম্পদের ন্যায়। তার যুক্তি হলঃ أَرْكَزَ الْمَعْدِنُ তখন বলা হয়, যখন খনি থেকে কিছু উত্তোলন করা হয়। তাকে বলা যায়, কাউকে কিছু দান করলে এবং এতে সে এ দিয়ে প্রচুর লাভবান হলে অথবা কারো প্রচুর ফল উৎপাদিত হলে বলা হয় أَرْكَزْتَ এরপর তিনি নিজেই স্ব-বিরোধী কথা বলেন। তিনি বলেন, মা'দিন থেকে উত্তোলিত সম্পদ গোপন রাখায় ও এক পঞ্চমাংশ না দেওয়ায় কোন দোষ নেই। ১ টি | ১৪১১-১৪১১












২২/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج)
22/ Pilgrimmage
৩৪৫ টি হাদিস
২১২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৪২৫-১৭৬৯)







































১০০২. মক্কা ও তার ঘরবাড়ীর ফযীলত এবং মহান আল্লাহর বানীঃ এবং সেই সময়কে স্মরণ করুন যখন কা’বাঘরকে মানব জাতির মিলন কেন্দ্র ও নিরাপত্তার স্থান করেছিলাম এবং বলেছিলাম, তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়াবার স্থানকেই সালাতের স্থানরূপে গ্রহন কর এবং ইব্রাহীম ও ইসমাইলকে তাওয়াফকারী, ইতিকাফকারী, রুকু ও সিজদাকারীদের জন্য আমার ঘরকে পবিত্র রাখতে আদেশ দিয়েছিলাম। স্মরণ করুন যখন ইবরাহীম বলেছিলেন, হে আমার প্রতিপালক! একে নিরাপদ শহর করুন আর এর অধিবাসীদের মধ্যে যারা আল্লাহ্‌ ও পরকালে বিশ্বাসী তাদেরকে ফলমূল হতে জীবিকা প্রদান করুন। তিনি বললেন, যে কেউ কুফরী করবে তাকেও কিছুকালের জন্য জীবনোপভোগ করতে দিব। তারপর তাকে জাহান্নামের শাস্তি ভোগ করতে বাধ্য করব এবং তা কত নিকৃষ্ট পরিনাম! স্মরণ করুন, যখন ইবরাহীম ও ইসমাইল কা’বা ঘরের প্রাচীর তুলেছিলেন তখন তারা বলেছিলেন, হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের এ কাজ গ্রহন করুন, নিশ্চয়ই আপনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞাতা। হে আমাদের প্রতিপালক! আমাদের উভয়কে আপনার একান্ত অনুগত করুন এবং আমাদের বংশধর হতে আপনার এক অনুগত উম্মত করুন। আমাদেরকে ইবাদতের নিয়ম-পদ্ধতি দেখিয়ে দিন এবং আমাদের প্রতি ক্ষমাশীল হন, আপনি অত্যন্ত ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (২ঃ ১২৫-১২৮) ৫ টি | ১৪৮৭-১৪৯১
































১০৩৬. যমযম প্রসঙ্গ। ১ টি | ১৫৩৬-১৫৩৬













১০৫২. আরাফায় ওকূফ করা ২ টি | ১৫৬০-১৫৬১



















































১১০৪. বিদায়ী তাওয়াফ ২ টি | ১৬৪৪-১৬৪৫



১১০৭. মুহাসসাব ২ টি | ১৬৫২-১৬৫৩

















১১২৫. সকালে বাড়ি পৌছা ১ টি | ১৬৮২-১৬৮২










১১৩৬. যার মতে বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির উপর কাযা ওয়াজিব নয়। রাওহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, কাযা ঐ ব্যক্তির উপর ওয়াজিব, যে তার হজ্জ স্ত্রী উপভোগ করে নষ্ট করে দিয়েছে। তবে প্রকৃত ওযর কিংবা অন্য বাধা থাকলে সে হালাল হয়ে যাবে এবং তাকে (কাযার জন্য) ফিরে আসতে হবে না। বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির নিকট কুরবাণীর পশু থাকলে সেখানেই কুরবানী দিয়ে (হালাল হয়ে যাবে) যদি পশু কুরবানীর স্থানে পাঠাতে অক্ষম হয়। আর যদি সে তা পাঠাতে পারে তা হলে কুরবানীর জানোয়ারটি তার স্থানে না পৌছা পর্যন্ত হালা হবে না। ইমাম মালিক (রহঃ) ও অন্যান্য উলামায়ে কিরাম বলেন, সে যে কোন স্থানে কুরবানীর পশুটি যবেহ করে মাথা মুড়িয়ে নিতে পারবে। তার উপর কোন কাযা নেই। কেননা, হুদায়বিয়াতে তাওয়াফের আগে এবং কুরবানীর জানোয়ার বায়তুল্লাহয় পৌছার পূর্বে রাসূলুল্লাহ () ও সাহাবীগন যবেহ করেছেন, মাথা কামিয়েছেন এবং হালাল হয়ে গিয়েছেন। এর কোন উল্লেখও নেই যে, এরপর নবী করীম () কাউকে কাযা করার বা (পুনরায় হজ্জ আদায় করার জন্য) ফিরে আসার নির্দেশ দিয়েছেন, অথচ হুদায়বিয়া হারাম শরীফের বাইরে অবস্থিত। ১ টি | ১৬৯৭-১৬৯৭

































১১৭০. মদীনা হারম হওয়া ৪ টি | ১৭৪৬-১৭৪৯










১১৮০. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ১৭৬৪-১৭৬৫


১১৮২. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ১৭৬৭-১৭৬৮
২৩/ সাওম বা রোজা (كتاب الصوم)
23/ Fasting
১১২ টি হাদিস
৬৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৭৭০-১৮৮১)
১১৮৪. সাওমের ফযীলত ১ টি | ১৭৭৩-১৭৭৩




১১৮৮. চাঁদ দেখা ১ টি | ১৭৭৯-১৭৭৯




















































১২৪১. দাঊদ (আঃ) এর সাওম ২ টি | ১৮৫৫-১৮৫৬










২৪/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح)
24/ Praying at Night in Ramadaan (Taraweeh)
১৬ টি হাদিস
৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৮৮২-১৮৯৭)




২৫/ ই'তিকাফ (كتاب الاعتكاف)
25/ Retiring to a Mosque for Remembrance of Allah (I'tikaf)
২১ টি হাদিস
১৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৮৯৮-১৯১৮)

















২৬/ ক্রয় - বিক্রয় (كتاب البيوع)
26/ Sales and Trade
১৭৮ টি হাদিস
১১০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (১৯১৯-২০৯৬)
১২৭৭. মহান আল্লাহ্ তায়ালার এই বাণী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে (ইরশাদ করছেন): সালাত সমাপ্ত হলে তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়বে এবং মহান আল্লাহ্ তায়ালার অনুগ্রহ সন্ধান করবে ও মহান আল্লাহ্ তায়ালাকে অধিক স্মরন করবে, যাতে তোমরা সফলকাম হও। যখন তারা দেখল ব্যাবসায় কৌতুক, তখন তারা আপনাকে দাঁড়ান অবস্থায় রেখে সেদিকে ছুটে গেল। বলুন, মহান আল্লাহ্ তায়ালার নিকট যা আছে, তা ক্রীড়া-কৌতুক ও ব্যাবসা অপেক্ষা উৎকৃষ্ট। মহান আল্লাহ্ তায়ালা সর্বশ্রেষ্ঠ রিযিকদাতা। (৬২:১০-১১)। আর মহান আল্লাহ্ তায়ালার বানী: তোমরা নিজেদের মধ্যে অন্যের অর্থ-সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করোনা। কিন্তু তোমাদের পরস্পর রাযী হয়ে ব্যাবসা করা বৈধ। ৪ টি | ১৯১৯-১৯২২

















১২৯৫. ক্রেতা-বিক্রেতা কর্তৃক কোন কিছু গোপন না করে পন্যের পূর্ন অবস্থা বর্ননা করা এবং একে অন্যের কল্যান কামনা করা। আদ্দা ইবন খালিদ (রাঃ) থেকে বর্নিত, তিনি বলেন, রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) আমাকে লিখে দেন যে, এটি রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) আদ্দা ইবন খালিদ থেকে ক্রয় করলেন। এ হলো এক মুসলিমের সঙ্গে আর এক মুসলিমের ক্রয়-বিক্রয়। এতে নেই কোন খুঁত, কোন অবৈধতা এবং গায়িলা। কাতাদা (রঃ) বলেন, গায়িলা অর্থ ব্যভিচার, চুরি ও পালানোর অভ্যাস। ইবরাহীম নাখয়ী (রঃ) কে বলা হলো, কোন কোন দালাল খুরাসান ও সিজিস্তান এর খাসবারশি নাম উচ্চারন করে এবং বলে, এটি কালকে এসেছে খুরাসান থেকে, আর এটি আজ এসেছে সিজিস্তান থেকে। তিনি এরুপ বলাকে খুবই গর্হিত মনে করলেন। উকবা ইবন আমির (রঃ) বলেন, কোন ব্যক্তির জন্য বৈধ নয় যে, সে কোন পন্য বিক্রি করছে এবং এর দোষ-ত্রুটি জেনেও তা প্রকাশ করেনা। ১ টি | ১৯৪৯-১৯৪৯











১৩০৬. দরজী প্রসঙ্গে ১ টি | ১৯৬২-১৯৬২

১৩০৭. তাঁতী প্রসঙ্গে ১ টি | ১৯৬৩-১৯৬৩








১৩১৫. শিংগা লাগানো ২ টি | ১৯৭২-১৯৭৩












































১৩৬০. আরিয়্যা এর ব্যাখ্যা। ইমাম মালিক (রঃ) বলেন, আরিয়্যা এর অর্থ-কোন একজন কর্তৃক কাউকে খেজুর গাছ (তার ফল খাওয়ার জন্য) দান করা। পরে ঐ ব্যক্তির বাগানে প্রবেশের কারনে সে বিরক্তিবোধ করে, ফলে তাকে অনুমতি দেওয়া হয় যে, সে শুকনো ফলের বিনিময়ে গাছগুলো (এর ফল) ঐ ব্যক্তির নিকট থেকে খরিদ করে নিবে।১ মুহাম্মাদ ইবন ইদরীস (ইমাম শাফিঈ (রঃ) বলেন শুকনো খেজুর এর বিক্রি নগদ নগদ এবং মাপের মাধ্যমে হবে, অনুমানে হবেনা। (ইমাম বুখারী (রঃ) বলেন) ইমাম শাফিঈ (রঃ) এর মতের সমর্থন পাওয়া যায় সাহল ইবন আবু হাসমা (রাঃ) এর এ উক্তির দ্বারা بِالأَوْسُقِ الْمُوَسَّقَةِ সুনির্দিষ্ট মাপের মাধ্যমে। ইবন ইসহাক (রঃ), নাফি’ (রঃ) এর সুত্রে ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, মালিক কর্তৃক তার বাগান থেকে একটি বা ‍দু’টি খেজুর গাছ দান করাকে আরায়্যা বলা হয়। সুফিয়ান ইবন হুসায়ন (রঃ) ইয়াযীদ (রঃ) থেকে বর্ননা করেন যে, আরায়্যা হলো কিছু সংখ্যক খেজুর গাছ, গরীব-মিসকিনদের দান করা হতো, কিন্তু তারা খেজুর পাকা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পারতনা বিধায় তাদের অনুমতি দেওয়া হতো যে, তারা যে পরিমান খেজুরের ইচ্ছা, তা বিক্রি করে দিবে। ১ টি | ২০৫৪-২০৫৪

১৩৬১. ফলের উপযোগিত প্রকাশ পাওয়ার পূর্বে তা বিক্রয় করা। লাইস (রঃ) ... যায়দ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিত, রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) এর সময়ে লোকেরা (গাছের) ফলের বেচা-কেনা করত। আবার যখন লোকদের ফল পাড়ার এবং তাদের মূল্য দেওয়ার সময় হতো, তখন ক্রেতা ফলে পোকা ধরেছে, নষ্ট হয়ে গিয়েছে, শুকিয়ে গিয়েছে এসব অনিষ্টকারী আপদের কথা উল্লেখ করে ঝগড়া করত। তখন এ ব্যাপারে রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) এর নিকটে অনেক অভিযোগ পেশ হতে লাগল, তখন তিনি বললেন, তোমরা যদি এ ধরনের বেচা-কেনা বাদ দিতে না চাও, তবে ফলের উপযোগিতা প্রকাশ পাওয়ার পর তার বেচা-কেনা করবে। অনেক অভিযোগ উত্থাপিত হওয়ার কারনে তিনি এ কথাটি পরামর্শ স্বরুপ বলেছেন। রাবী বলেন, হযরত খারিজা ইবন যায়দ (রঃ) আমাকে বলেছেন যে, হযরত যায়দ ইবন ছাবিত (রাঃ) সুরাইয়্যা তারকা উদিত হওয়ার পর ফলের হলুদ ও লাল রংয়ের পূর্ন প্রকাশ না হ্ওয়া পর্যন্ত তাঁর বাগানের ফল বিক্রি করতেননা। আবু আবদুল্লাহ [ইমাম বুখারী (রঃ)] বলেন, আলী ইবন বাহর (রঃ) ... যায়দ (রাঃ) থেকে এ হাদীস বর্ননা করেছেন। ৩ টি | ২০৫৫-২০৫৭










১৩৭১. ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা, মাপ ও ওজন ইত্যাদির ব্যাপারে বিভিন্ন শহরে প্রচলিত রেওয়াজ ও নিয়ম গ্রহনীয়। এ বিষয়ে তাদের নিয়্যত ও প্রসিদ্ধ পন্থা-ই অবলম্বন করা হবে। শুরাইহ (রঃ) তাঁতী সম্প্রদায়ের উদ্দেশ্যে বলেন, তোমাদের মাঝে প্রচলিত নিয়ম-নীতি (তোমাদের কাজ-কারবারে) গ্রহনযোগ্য। আবদুল ওহাব (রঃ) আয়্যুব (রঃ) সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনে সীরীন (রঃ) থেকে বর্ননা করেন, দশ টাকায় ক্রীত বস্তু এগার টাকায় বিক্রি করতে কোন দোষ নেই, খরচের জন্য লাভ গ্রহন করা যায়। রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) [আবু সুফিয়ান (রাঃ) এর স্ত্রী] হিন্দাকে বলেছিলেন, তোমার ও তোমার সন্তানাদির জন্য যা প্রয়োজন, তা বিধিসম্মতভাবে গ্রহন করতে পার। মহান আল্লাহ্ তা’আলা বলেন, যে অভাবগ্রস্থ, সে যেন সংগত পরিমানে ভোগ করে (৪:৬)। একবার হাসান বসরী (রঃ) আবদুল্লাহ ইবন মিরদাস (রঃ) থেকে গাধা ভাড়া করেন এবং জিজ্ঞাসা করেন, ভাড়া কত? ইবন মিরদাস (রঃ) বলেন, দুই দানিক। এরপর তিনি এতে আরোহন করেন। দ্বিতীয় বার এসে তিনি বলেন, গাধাটি আন। এরপর তিনি গাধায় আরোহন করলেন, কিন্তু কোন ভাড়া ঠিক করলেন না। পরে অর্ধ দিরহাম (৩ দানিক) পাঠিয়ে দিলেন (তিনি দয়া করে এক দানিক বেশী দিলেন)। ৩ টি | ২০৬৮-২০৭০





১৩৭৬. শত্রুপক্ষ থেকে গোলাম খরিদ করা, হেবা করা এবং আযাদ করা। রাসূলূল্লাহ্ (সাঃ) সালমান ফারসী (রাঃ) কে বলেন, (তোমার মনিবের সাথে) মুক্তির জন্য চুক্তি কর। সালমান (রাঃ) আসলে স্বাধীন ছিলেন, লোকেরা তাকে অন্যায়ভাবে গোলাম বানিয়ে বিক্রি করে দেয়। আম্মার, সুহাইব ও বিলাল (রাঃ) কে বন্দী করে গোলাম বানানো হয়েছিল। মহান আল্লাহ্ তা’আলা বলেন: মহান আল্লাহ্ তা’আলা জীবনোপকরনে তোমাদের কাউকে কারো উপর শ্রেষ্ঠত্ব দিয়েছেন। যাদেরকে শ্রেষ্ঠত্ব দেওয়া হয়েছে, তারা তাদের অধীনস্থ দাস-দাসীদেরকে নিজেদের জীবনোপকরন থেকে এমন কিছু দেয়না, যাতে ওরা এ বিষয়ে তাদের সমান হয়ে যায়। তবে কি ওরা মহান আল্লাহ্ তা’আলার অনুগ্রহ অস্বীকার করে? (১৬:৭১) ৪ টি | ২০৭৬-২০৭৯







১৩৮৩. গোলামের বিনিময়ে গোলাম এবং জানোয়ারের বিনিময়ে জানোয়ার বাকীতে বিক্রয়। ইবন উমর (রাঃ) চারটি উটের বিনিময়ে পাপ্য একটি আরোহনযোগ্য উট এই শর্তে খরিদ করেন যে, মালিক তা ‘রাবাযা’ নামক স্থানে হস্তান্তর করবে। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, অনেক সময় একটি উট দুটি উট অপেক্ষা উত্তম হয়। রাফি ইবন খাদীজ (রাঃ) দুটি উটের বিনিময়ে একটি উট খরিদ করে দুটি উটের একটি (তখনই) দিলেন আর বললেন, আর একটি উট ইনশাআল্লাহ্ আগামীকাল যথারীতি দিয়ে দিব। ইবন মুসাইয়্যিব (রঃ) বলেন, জানোয়ারের মধ্যে কোন ‘রিবা’ হয়না। দুই উটের বিনিময়ে এক উট, দুই বকরীর বিনিময়ে এক বকরী বাকীতে বিক্রয় করলে সুদ হয়না। ইবন সীরীন (রঃ) বলেন, দুই উটের বিনিময়ে এক উট এবং এক দিরহামের বিনিময়ে এক দিরহাম বাকী বিক্রি করাতে কোন দোষ নেই। ১ টি | ২০৮৭-২০৮৭





১৩৮৮. কুকুরের মূল্য ২ টি | ২০৯৫-২০৯৬
২৭/ সলম (كتاب السلم)
27/ Sales In which A Price Is Paid For Goods To Be Delivered Later (As-Salam)
১৭ টি হাদিস
৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২০৯৭-২১১৩)


১৩৯২. খেজুরে সলম করা ২ টি | ২১০৭-২১০৮




২৮/ শুফআ (كتاب الشفعة)
28/ Shufa
৩ টি হাদিস
৩ পরিচ্ছেদ
২৯/ ইজারা (كتاب الإجارة)
29/ Hiring
২৫ টি হাদিস
২১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২১১৭-২১৪১)













১৪১৫. আরব কবীলায় সূরা ফাতিহা পড়ে ঝাড়-ফুঁক করার বিনিময়ে কিছু দেওয়া হলে। ইব্‌ন আব্বাস (রা.) নবী (সঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, পারিশ্রমিক গ্রহনের ব্যাপারে অধিক হকদার হল আল্লাহ্‌র কিতাব। শা’বী (র.) বলেন শিক্ষক কোনরূপ (পারিশ্রমিকের) শর্তারোপ করবে না। তবে (বিনা শর্তে) যদি তাকে কিছু দেওয়া হয় তিনি তা গ্রহণ করতে পারেন। হাকাম (র.) বলেন, আমি এমন কারো কথা শুনিনি, যিনি শিক্ষকের পারিশ্রমিক গ্রহণ করাটাকে অপছন্দ মনে করেছেন। হাসান (বাসরী) (র.) শিক্ষকের পারিশ্রমিক বাবত দশ দিরহাম দিয়েছেন। ইব্‌ন সীরীন (র.) বণ্টকারীর পারিশ্রমিক গ্রহণ করাতে কোন দোষ মনে করেন নি। তিনি বলেন, বিচারে ঘুষ গ্রহণকে সুহত বলা হয়। লোকেরা অনুমান করার জন্য অনুমানকারীদের পারিশ্রমিক প্রদান করত। ১ টি | ২১৩২-২১৩২





১৪২০. পশুকে পাল দেওয়া ১ টি | ২১৪০-২১৪০

৩০/ হাওয়ালা (كتاب الحوالات)
30/ Transfer Of A Debt From One Person To Another (Al-Hawaala)
৩ টি হাদিস
২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২১৪২-২১৪৪)
৩১/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة)
31/ Kafalah
৭ টি হাদিস
৩ পরিচ্ছেদ
৩২/ ওয়াকালাত (كتاب الوكالة)
32/ Representation, Authorization, Business By Proxy
১৭ টি হাদিস
১৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২১৫২-২১৬৮)












৩৩/ বর্গাচাষ (كتاب المزارعة)
33/ Agriculture
২৮ টি হাদিস
২১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২১৬৯-২১৯৬)





১৪৫১. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২১৭৬-২১৭৬

১৪৫২. অর্ধেক বা এর কাছাকাছি পরিমান ফসলের শর্তে ভাগে চাষাবাদ করা এবং কাইস ইব্‌ন মুসলিম (র.) আবূ জা’ফর (রা.) থেকে বর্ণনা করেন। তিনি বলেন, মদীনাতে মুহাজিরদের এমন কোন পরিবার ছিল না, যারা এক-তৃতীয়াংশ কিংবা এক-চতুর্থাংশ ফসলের শর্তে ভাগে চাষ করতেন না। আলী, সা’দ ইব্‌ন মালিক, আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন মাসউদ (রা.) উমর ইব্‌ন আবদুল আযীয, কাসিম, উরওয়াহ (র.) এবং আবূ বকর, উমর ও আলী (রা.)-এর বংশধর এবং ইব্‌ন সীরীন (র.) ও ভাগে চাষ করেছেন। আবদুর রহমান ইব্‌ন আসওয়াদ (রা.) বলেন, আমি আবদুর রাহমান ইব্‌ন ইয়াযীদের ক্ষেতে শরীক ছিলাম। উমর (রা.) লোকদের সাথে এ শর্তে জমি বর্গা দিয়েছেন যে, উমর (রা.) বীজ দিলে তিনি ফসলের অর্ধেক পাবেন। আর যদি তারা বীজ দেয় তবে তাদের জন্য এই পরিমাণ হবে। হাসান (র.) বলেন, যদি ক্ষেত তাদের মধ্যে কোন একজনের হয়, আর দু’জনেই তাতে খরচ করে, তা হলে উৎপন্ন ফসল সমান হারে ভাগ করে নেয়ার মধ্যে কোন দোষ নেই। যুহরী (র.) ও এ মত পোষণ করেন। হাসান (র.) বলেন, আধা-আধি শর্তে তুলা চাষ করতে কোন দোষ নেই। ইবরাহীম, ইব্‌ন সীরীন, ‘আতা, হাকাম, যুহরী ও কাতাদা (র.) বলেন, তাঁতীকে এক-তৃতীয়াংশ কিংবা এক-চতুর্থাংশের শর্তে কাপড় বুনতে দেয়ায় কোন দোষ নেই। মা’মার (র.) বলেন, (উপার্জিত অর্থের) এক-তৃতীয়াংশ বা এক-চতুর্থাংশের শর্তে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য গবাদী পশু ভাড়া দেয়াতে কোন দোষ নেই। ১ টি | ২১৭৭-২১৭৭


১৪৫৪. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২১৭৯-২১৭৯






১৪৬০. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ২১৮৫-২১৮৬




১৪৬৪. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২১৯৪-২১৯৪

৩৪/ পানি সিঞ্চন (كتاب المساقاة)
34/ Distribution Of Water
৩০ টি হাদিস
১৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২১৯৭-২২২৬)












১৪৭৯. জায়গীর ১ টি | ২২২০-২২২০


৩৫/ ঋন গ্রহন (كتاب فى الاستقراض)
35/ Loans
২৩ টি হাদিস
১৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২২২৭-২২৪৯)


১৪৮৬. উট ধার নেওয়া ১ টি | ২২৩২-২২৩২














৩৬/ কলহ- বিবাদ (كتاب الخصومات)
36/ Khusoomat
১৫ টি হাদিস
৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২২৫০-২২৬৪)
১৫০৪. যিনি বোকা ও নির্বোধ ব্যক্তির লেন-দেন করা প্রত্যাখ্যান করেছেন। যদিও ইমাম (কাযী) তার লেন-দেনে বাধা আরোপ করেননি। জাবির (রা) থেকে বর্ণিত যে, সাদকা দানকারীকে নিষেধ করার পূর্বে সে যে সাদকা করছিল, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তাকে তা ফেরত দিয়েছেন। এরপর (অনুরূপ অবস্থায়) তাকে সাদকা করা থেকে নিষেধ করেছেন। ইমাম মালি (র) বলেন, কারো উপর যদি ঋণ থাকে এবং তার কাছে একটি গোলাম ছাড়া আর কিছুই না থাকে, আর সে যদি গোলামটি আযাদ করে তবে তার এ আযাদ করা জায়িয নয়। যে ব্যক্তি কোন নির্বোধ বা এ ধরনের কোন লোকের সম্পত্তি বিক্রি করে এবং বিক্রি মূল্য তাকে দিয়ে দেয় ও তাকে তার অবস্থার উন্নতি ও অর্থকে যথাযথ ব্যবহার করতে নির্দেশ দেয়। এরপর যদি সে তার অর্থ নষ্ট করে দেয় তাহলে সে তাকে অর্থ ব্যবহার করা থেকে বিরত রাখবে। কেননা, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) সম্পদ বিনষ্ট করতে নিষেধ করেছেন। যে লোককে ক্রয়-বিক্রয়ে ধোঁকা দেওয়া হত, তাকে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বলেছেন, যখন তুমি ক্রয়-বিক্রয় করবে তখন বলে দিবে, ধোঁকা দিবে না। আর রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) তার মাল গ্রহণ করেন নি। ২ টি | ২২৫৪-২২৫৫






১৫১১. ঋণের তাগাদা করা ১ টি | ২২৬৪-২২৬৪
৩৭/ পড়ে থাকা বস্তু উঠান (كتاب فى اللقطة)
37/ Lost Things Picked Up By Someone (Luqaata)
১৩ টি হাদিস
১১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২২৬৫-২২৭৭)
১৫১৩. হারিয়ে যাওয়া উট ১ টি | ২২৬৬-২২৬৬




১৫১৮. মক্কাবাসীদের পড়ে থাকা জিনিসের কিভাবে ঘোষণা দেওয়া হবে। তাউস (র) ইব্‌ন আব্বাস (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বলেছেন, মককায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে, যে তার ঘোষণা দিবে। খালিদ (র), ইকরিমা (রা) এর মাধ্যমে ইব্‌ন আব্বাস (রা) সূত্রে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেন, মক্কায় পড়ে থাকা জিনিস কেবল সেই ব্যক্তি উঠাবে যে তার ঘোষনা দিবে। আহমদ ইব্‌ন সাঈদ (র).... ইব্‌ন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বলেছেন, সেখানকার গাছ কাটা যাবে না, সেখানকার শিকার কাড়ানো যাবে না এবং সেখানকার পড়েথাকা জিনিস যে ঘোষণা দিবে, সে ব্যতীত অন্য কারো জন্য তুলে নেওয়া হালাল হবে না, সেখানকার ঘাস কাটা যাবে না। তখন আব্বাস (রা) বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্‌! ইযখির (এক প্রকার ঘাস) ব্যতীত। তখন রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) বললেন, ইযখির ব্যতীত (অর্থাৎ ইযখির ঘাস কাটা যাবে)। ১ টি | ২২৭১-২২৭১





১৫২৩. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২২৭৭-২২৭৭
৩৮/ যুলম ও কিসাস (كتاب المظالم)
38/ Oppressions
৪৩ টি হাদিস
৩২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২২৭৮-২৩২০)
১৫২৫. অপরাধের দন্ড ১ টি | ২২৭৮-২২৭৮































৩৯/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة)
39/ Partnership
২২ টি হাদিস
১৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৩২১-২৩৪২)

১৫৬২. বকরী বণ্টন ১ টি | ২৩২৬-২৩২৬













৪০/ বন্ধক (كتاب الرهن)
40/ Mortgagging
৮ টি হাদিস
৬ পরিচ্ছেদ
৪১/ গোলাম আযাদ করা (كتاب العتق)
41/ Manumission Of Slaves
৪০ টি হাদিস
২০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৩৫১-২৩৯০)


















৪২/ মুকাতাব (كتاب المكاتب)
42/ Makttib
৫ টি হাদিস
৪ পরিচ্ছেদ
৪৩/ হিবা (উপহার) প্রদান (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها)
43/ Gifts
৬৫ টি হাদিস
৩৫ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৩৯৬-২৪৬০)
পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ২৩৯৬-২৩৯৭




























১৬৩৫. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২৪৪৮-২৪৪৮






৪৪/ শাহাদাত (كتاب الشهادات)
44/ Witnesses
৫০ টি হাদিস
৩০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৪৬১-২৫১০)








১৬৫২. অন্ধের সাক্ষ্যদান, কোন বিষয়ে সিদ্ধান্ত দান, নিজে বিয়ে করা, কাউকে বিয়ে দেওয়া, ক্রয়-বিক্রয় করা, আযান দেওয়া ইত্যাদি বিষয়ে তাকে গ্রহন করা আওয়াজে পরিচয় করা। কাসিম, হাসান, ইবনু সীরীন, যুহরী ও আত্বা (র) অন্ধের সাক্ষ্যদান অনুমোদন করেছেন। ইমাম শাবী (র) বলেন, বুদ্ধিমান হলে তার সাক্ষ্যদান বৈধ। হাকাম (র) বলেন, অনেক বিষয় আছে, যেখানে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য। ইমাম যুহরী (র) বলেন, তুমি কি মনে কর যে, ইবনু আববাস কোন বিষয়ে সাক্ষ্য দিলে তা প্রত্যাখান করতে পারবে? ইবনু আববাস (দৃষ্টি শক্তি হ্রাস পাওয়ায়) জনৈক ব্যক্তিকে পাঠিয়ে সূর্য ডুবেছে কিনা জেনে নিয়ে ইফতার করতেন। অনুরূপভাবে ফজরের সময় সম্পর্কে জিজ্ঞেস করতেন। ফজর হয়েছে বলা হলে তিনি দু‘রাকাআত সলাম আদায় করতেন। সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (র) বলেন, একবার আমি আয়িশাহ এর নিকট সাক্ষাতের অনুমতি চাইলাম। তিনি আমার আওয়াজ চিনতে পেরে বললেন, সুলাইমান না কি, এসো! তোমার সঙ্গে পর্দার প্রয়োজন নেই। (কেননা) যতক্ষণ (মুকাতাবাতের দেয় অর্থের) সামান্য পরিমাণও বাকি থাকবে ততক্ষণ তুমি গোলাম। সামূরাহ ইবনু জুনদুব মুখমণ্ডল আচ্ছাদিতা নারীর সাক্ষ্যদান অনুমোদন করেছেন। ৩ টি | ২৪৭৯-২৪৮১









১৬৬১. অর্থ-সম্পদ ও হদ্দ এর (শরীয়ত নির্ধারিত দান্ড সমূহ) এর বেলায় বিবাদীর কসম করা। নাবী (সাঃ) বলেছেন, দু’জন সাক্ষী পেশ করতে হবে কিংবা তার (বিবাদীর) কসম করতে হবে। কুতায়বা (র) বলেন, সুফইয়ান ইবনু শুবরুমা (র) হতে বর্ণনা করেছেন, আবূ যিনাদ (র) সাক্ষীর সাক্ষ্য এবং বাদীর কসমের ব্যাপারে আমার সঙ্গে আলোচনা করলেন। আমি তাকে বললাম, আল্লাহ তা’আলা বলেছেন : “...সাক্ষীদের মধ্যে যাদের উপর তোমরা রাজী, তাদের মধ্যে দু’জন পুরুষ সাক্ষী রাখবে, যদি দু’জন পুরুষ না থাকে, তবে একজন পুরুষ ও দু’জন স্ত্রীলোক, স্ত্রীলোকদের মধ্যে একজন যদি ভুলে যায়, তবে একজন অন্যজনকে স্মরণ করিয়ে দেয়...” (সূরা আল-বাক্বারা : ২:২৮২)। আমি বললাম, একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য আর বাদীর কসম যথেষ্ঠ হলে এক মহিলা অপর মহিলাকে স্মরণ করিয়ে দেয়ার কী প্রয়োজন আছে? এই অপর মহিলাটির স্মরণ করাতে কী কাজ হবে? ১ টি | ২৪৯১-২৪৯১

১৬৬২. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২৪৯২-২৪৯২


১৬৬৪. আসরের পর কসম করা ১ টি | ২৪৯৪-২৪৯৪




১৬৬৮. কিভাবে হলফ নেয়া হবে? মহান আল্লাহর বাণীঃ “তোমাদের সামনে আল্লাহর কসম খায় যাতে তোমাদের রাজী করতে পারে...” (সূরা তাওবাহ : ৯:৬২)। “অত:পর তারা আপনার কাছে আল্লাহর নামে কসম খেয়ে খেয়ে ফিরে আসবে যে, মঙ্গল ও সম্প্রীতি ছাড়া আমাদের অন্য কোন উদ্দেশ্য ছিল না” (সূরা আন-নিসা : ৪:৬২)। “তারা আল্লাহর নামে হলফ করে বলে যে, তারা তোমাদেরই অন্তর্ভুক্ত...” (সূরা আত-তাওবাহ : ৯:৫৬)। “...অত:পর আল্লাহর নামে কসম খাবে যে, অবশ্যই আমাদের সাক্ষ্য তাদের সাক্ষ্যর চাইতে অধিক সত্য...”(সূরা আল-মায়িদাহ : ৫:১০৭)। কসম করার জন্য ব্যবহৃত হয়: বিল্লাহে, তাল্লাহে, ওয়াল্লাহে। নাবী () বলেন, আর এক ব্যক্তি আসরের পর আল্লাহর নামে মিথ্যা শপথ করেছে। আল্লাহ ব্যতীত আর কারো নামে শপথ করা যাবে না। ২ টি | ২৪৯৯-২৫০০




১৬৭২. জটিল ব্যাপারে কুর’আর মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহন করা। মহান আল্লাহর বাণী : “... যখন তারা তাদের কলম নিক্ষেপ করছিল যে, কে প্রতিপালন করবে মারইয়ামকে...?” (সূরা আলে-ইমরান : ৪৪) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, তারা (কলম নিক্ষেপের মাধ্যমে) কুর’আর [লটারীর] ব্যবস্থা করল, তখন তাদের সবার কলম স্রোতের সাথে ভেসে গেল। শুধু যাকারিয়ার কলম স্রোতের মুখেও ভেসে রইল। তাই তাকে যাকারিয়ার তত্ত্বাবধানে রেখে দিলেন। [ইউনুস (আঃ) সম্পর্কে] আল্লাহ তা’আলার বাণী : (فَسَاهَمَ)-এর অর্থ أقْرَع কুর’আ নিক্ষেপ করল। فَكاَنَ مِنَ الْمُدْحَضِنَ অত:পর তিনি পরাভূত হলেন- (সূরা আস-সফফাত : ১৪১) আবূ হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। নাবী () একদল লোককে হলফ করার নির্দেশ দিলেন। তারা কে আগে হলফ করবে তাই নিয়ে হুড়াহুড়ি শুরু করল। তখন কুর’আর মাধ্যমে কে হলফ করবে তা নির্ধারণের নির্দেশ দিলেন। ৪ টি | ২৫০৭-২৫১০
৪৫/ সন্ধি (كتاب الصلح)
45/ Peacemaking
১৯ টি হাদিস
১৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৫১১-২৫২৯)












৪৬/ শর্তাবলী (كتاب الشروط)
46/ Conditions
২১ টি হাদিস
১৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৫৩০-২৫৫০)















১৭০৪. শর্ত আরোপ করা ও স্বীকারোক্তির মধ্যে থেকে কিছু বাদ দেওয়ার বৈধ তা এবং লোকদের মধ্যে প্রচলিত শর্তবলী প্রসঙ্গে যখন কেউ বলে যে, এক বা দু’ ব্যতীত একশ? (তবে হুকুম কি হবে)। ইবন আওন ইবন সীরিন (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি তার (সাওয়ারীর) কেরায়াদারকে বলল, তুমি তোমার সাওয়ারী রাখ আমি যদি অমুক দিন তোমার সঙ্গে না যাই তাহলে তুমি একশ দিরহাম পাবে, কিন্তু সে গেল না। কাযী শুরাইহ (রহঃ) বলেন, যদি কোন ব্যক্তি সেচ্ছায় বিনা চাপে নিজের উপর কোন শর্ত আরোপ করে তাহলে তা তার উপর বার্তায়। ইবন সিরিন (রহঃ) থেকে আইয়ুব (রহঃ) বর্ণনা করেন যে, এক ব্যক্তি কিছু খাদ্যদ্রব্য বিক্রি করল এবং (ক্রেতা) তাঁকে বলল, আমি যদি বুধবার তোমার কাছে না আসি তবে তোমার আমার মধ্যে কোন বেচা-কেনা নেই। তারপ সে এল না। তাতে কাযী শুরায়হ (রহঃ) ক্রেতাকে বললেন, তুমি ওয়াদা খেলাপ করেছ। তাই তিনি ক্রেতার বিরুদ্ধে রায় দিলেন। ১ টি | ২৫৪৯-২৫৪৯

৪৭/ অসিয়াত (كتاب الوصايا)
47/ Wills And Testaments (Wasaayaa)
৪০ টি হাদিস
৩০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৫৫১-২৫৯০)








১৭১৫. যখন আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াকফ বা অসীয়াত করা হয় এবং আত্মীয় কারা? সাবিত আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, নাবী (সাঃ) আবূ ত্বালহাকে বলেন, তুমি তোমার গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে দাও। অত:পর তিনি বাগনটি হাসসান ও উবাই ইবনু কা’বকে দিয়ে দেন। আনসারী (র) বলেন, আমার পিতা সুমামা এর মাধ্যমে আনাস (রাঃ) থেকে সাবিত এর অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। আল্লাহর রসূল (সাঃ) বলেছেন, বাগানটি তোমার গরীব আত্মীয়-স্বজনকে দিয়ে দাও। আনাস (রাঃ) বলেন, আবু ত্বালহা (রাঃ) বাগনটি হাসসান ও উবাই ইবনু কা’ব (রাঃ) কে দিলেন আর তারা উভয়েই আমার চেয়ে তার নিকটাত্মীয় ছিলেন। আবু ত্বালহা (রাঃ)-এর সঙ্গে হাসসান এবং উবাই (রাঃ)এর সম্পর্ক ছিল এরূপ: আবূ ত্বালহা (রাঃ) নাম- যায়দ ইবনু সাহল ইবনু আসওয়াদ ইবনু হারাম ইবনু আমর ইবনু যায়দ যিনি ছিলেন মানাত ইবনু আদী ইবনু আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। (হাসসানের বংশ পরিচয় হলো:) হাসসান ইবনু সাবিত ইবনু মুনযির ইবনু হারাম। কাজেই হারাম নামক পুরুষে মিলিত হন। যিনি তৃতীয় পিতৃপুরুষ ছিলেন এবং হারাম ইবনু আমর ইবনু যায়দ যিনি মানাত ইবনু আদী ইবনু আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। অতএব হাসসান, আবু ত্বালহা ও উবাই (রাঃ) ষষ্ট পুরুষে এসে আমর ইবনু মালিকের সঙ্গে মিলিত হন। আর উবাই হলেন উবাই ইবনু কা’ব ইবনু কায়স ইবনু উবাইদ ইবনু যায়দ ইবনু মুআবিয়াহ ইবনু আমর ইবনু মালিক ইবনু নাজ্জার। কাজেই আমর ইবনু মালিক এসে হাসসান আবূ ত্বালহা ও উবাই একত্র হয়ে যায়। কারো কারো মতে নিজের আত্মীয়-স্বজনের জন্য অসীয়াত করলে তা তার মুসলিম পিতা-পিতামহের জন্য প্রযোজ্য হবে। ১ টি | ২৫৬৫-২৫৬৫




















৪৮/ জিহাদ (كتاب الجهاد والسير)
48/ Fighting For The Cause Of Allah (Jihaad)
৩৭৩ টি হাদিস
২২৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৫৯১-২৯৬৩)
১৭৪২. জিহাদ ও যুদ্ধের ফযীলত। আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ আল্লাহ মুমিনদের নিকট থেকে তাদের জান ও সম্পদ ক্রয় করে নিয়েছেন এর বিনিময়ে তাদের জন্য রয়েছে জান্নাত। তারা যুদ্ধ করে আল্লাহর রাহেঃ অতঃপর মারে ও মরে। তওরাত, ইঞ্জিল ও কোরআনে তিনি এ সত্য প্রতিশ্রুতিতে অবিচল। আর আল্লাহর চেয়ে প্রতিশ্রুতি রক্ষায় কে অধিক? সুতরাং তোমরা আনন্দিত হও সে লেন-দেনের উপর, যা তোমরা করছ তাঁর সাথে। আর এ হল মহান সাফল্য। তারা তওবাকারী, এবাদতকারী, শোকরগোযার, (দুনিয়ার সাথে) সম্পর্কচ্ছেদকারী, রুকু ও সিজদা্ আদায়কারী, সৎকাজের আদেশ দানকারী ও মন্দ কাজ থেকে নিবৃতকারী এবং আল্লাহর দেওয়া সীমাসমূহের হেফাযতকারী। বস্তুতঃ সুসংবাদ দাও ঈমানদারদেরকে। (আত তাওবাহ : ৯:১১১-১১২) ৪ টি | ২৫৯১-২৫৯৪































১৭৭৫. পরিখা খনন ৩ টি | ২৬৩৯-২৬৪১








১৭৮৩. দু' জনের ভ্রমণ ১ টি | ২৬৫১-২৬৫১



















১৮০২. মহিলাদের জিহাদ ২ টি | ২৬৭৮-২৬৭৯













১৮১৫. সমুদ্র সফর ১ টি | ২৬৯৫-২৬৯৫






১৮২১. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২৭০৫-২৭০৫



































১৮৬০. কাউকে পারিশ্রমিক দানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর রাহে সাওয়ারী দান করা। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, আমি ইবন উমর (রাঃ) কে বললাম, আমি জিহাদে যেতে চাই। তিনি বললেন, আমি তোমাকে কিছু অর্থ দিয়ে সাহায্য করতে চাই। আমি বললাম, আমি আল্লাহ তা’আলা আমাকে আর্থিক সচ্ছলতা দান করেছেন। তিনি [ইবন উমর (রাঃ)] বললেন, তোমার সচ্ছলতা তোমার জন্য। আমি চাই আমার কিছু সম্পদ এ পথে ব্যয় হোক। উমর (রাঃ) বলেন, এমন কিছু লোক রয়েছে, যারা জিহাদ করার জন্য (বায়তুল মাল হতে) অর্থ গ্রহন করে, পরে জিহাদ করে না। যারা এরূপ করে, আমরা তার সম্পদে অধিক হকদার এবং আমরা তা ফিরত নিয়ে নিব, যা সে গ্রহন করেছে। তাউস ও মুজাহিদ (রহঃ) বলেছেন, যখন আল্লাহর রাহে বের হওয়ার জন্য তোমাকে কিছু দান করা হয়, তা দিয়ে তুমি যা ইচ্ছা তা করতে পার আর তোমার পরিবার-পরিজনের কাছেও রেখে দিতে পার। ৩ টি | ২৭৬২-২৭৬৪
















১৮৭৬. একাকী ভ্রমণ করা ২ টি | ২৭৮৯-২৭৯০
















১৮৯৪. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ২৮১০-২৮১০




১৮৯৮. যুদ্ধ হল কৌশল ৩ টি | ২৮১৬-২৮১৮



























































১৯৬১. যিম্মীদের থেকে জিযিয়া গ্রহণ এবং হারবীদের সাথে যুদ্ধ বিরতি চুক্তি। আর আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ যারা আল্লাহর প্রতি ঈমান আনে না, এবং শেষ দিনের উপর বিশ্বাস করে না, আর আল্লাহ তা’আলা ও তার রাসুল যা হারাম করেছেন তা হারাম বলে মানে না, তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ কর ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত। (৯ঃ ২৯) আয়াতে উল্লেখিত مسكين শব্দের মুল হল مسكنة অর্থ হল অভাবগ্রস্ত اسكن من فلان এর অর্থ সে অমুক থেকে অধিক অভাবগ্রস্থ। এ শব্দটি سكون থেকে নিশপন্ন নয়। صاغرون এর অর্থ লাঞ্চিত। ইয়াহুদি, খ্রিস্টান, অগ্নিপুজক ও আজমীদের থেকে জিযিয়া গ্রহন। ইবন উয়াইনা (রহঃ) (আবদুল্লাহ) ইবন নাজীহ (রহঃ) থেকে বলেন, আমি মুজাহিদ (রহঃ) এর নিকট জিজ্ঞেস করলাম, এর কারন কি যে, সিরিয়া বাসীদের উপর চার দীনার এবং ইয়ামান বাসীদের উপর এক দীনার করে জিযিয়া গ্রহন করা হয়। তিনি বললেন, তা স্বচ্ছলতার প্রেক্ষিতে ধার্য করা হয়েছে। ৩ টি | ২৯৩৫-২৯৩৭
















১৯৭৮. পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ২৯৫৬-২৯৫৮




১৭৬৮. জিহাদে বের হওয়া ওয়াজিব এবং জিহাদ ও তার নিয়্যাতের আবশ্যকতা। আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ অভিযানে বের হয়ে পড় হালকা অবস্থায় হউক অথবা ভারি অবস্থায় এবং জিহাদ কর আল্লাহ্‌র পথে তোমাদের সম্পদ ও জীবন দ্বারা। এই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা জানতে। আশু লাভের সম্ভাবনা থাকলে এবং সফর সহজ হলে ...... তারা যে মিথ্যাচারী তা তো আল্লাহ্‌ জানেন (৪১ঃ ৪২) আল্লাহ্‌ তা’আলা আরো বলেনঃ হে মু’মিনগণ! তোমাদের কি হল যে, যখন তোমাদের আল্লাহ্‌র পথে অভিযানে বের হতে বলা হয়, তখন তোমরা ভরাক্রান্ত হয়ে ভূতলে ঝুঁকে পড়? তোমরা কি পরকালের পরিবর্তে পার্থিব জীবনে পরিতুষ্ট হয়েছ? পরকালের তুলনায় পার্থিব জীবনের ভোগের উপকরণ তো অতিকিঞ্চিৎকর। (৯ঃ ৩৮) ইবন আব্বাস (রাঃ) থেকে উল্লেখ রয়েছে, فانفروا ثبات অর্থ হলো- বিভিন্ন ছোট ছোট দলে বিভক্ত হয়ে তোমরা জিহাদের জন্য বেরিয়ে পড়। ثبات শব্দটির একবচন ثبة অর্থ ছোট দল। ১ টি | ২৬২৯-২৬২৯
৪৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق)
49/ Beginning Of Creation
১২৭ টি হাদিস
১৫ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (২৯৬৪-৩০৯০)

১৯৮৬. চন্দ্র ও সূর্য উভয়ে নির্ধারিত কক্ষপথে আবর্তন করে। এর জন্য মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, উভয়ের আবর্তন চাকার আবর্তনের অনুরূপ। আর অন্যেরা বলেন, উভয় এমন এক নির্দিষ্ট হিসাব ও স্থানের দ্বারা নিয়ন্ত্রিত যা তারা অর্থাৎ চন্দ্র ও সূর্য লঙ্ঘন করতে পারে না। حُسْبَانٌ হল حِسَابٍ শব্দের বহুবচন, যেমন شِهَابٍ এর বহুবচন شُهْبَانٍضُحَاهَا এর অর্থ জ্যোতি। أَنْ تُدْرِكَ الْقَمَرَ চন্দ্র সূর্যের এক্তির জ্যোতি অপরটিকে ঢাকতে পারে না, আর তাদের পক্ষে এটা সম্ভব নয়। سَابِقُ النَّهَارِ রাত দিনকে দ্রুত অতিক্রম করে। উভয়ে দ্রুত অতিক্রম করতে চায়। نَسْلَخُ আমি উভয়ের একটিকে অপরটি হতে বের করে আনি আর তাদের প্রতিটি চালিত করা হয় وَاهِيَةٌ এবং وَهْيُهَا এর অর্থ তার বিদীর্ণ হওয়া। أَرْجَائِهَا তার সেই অংশ যা বিদীর্ণ হয়নি আর তারা তার উভয় পার্শ্বে থাকবে। যেমন তোমার উক্তি عَلَى أَرْجَاءِ الْبِئْرِ কূপের তীরে أَغْطَشَ وَجَنَّ অন্ধকার ছেয়ে গেল। হাসান বসরী বলেন كُوِّرَتْ অর্থ লেপটিয়ে দেয়া হবে, যাতে তার জ্যোতি নিঃশেষ হয়ে যাবে। আর বলা হয়ে থাকে وَاللَّيْلِ وَمَا وَسَقَ এর অর্থ আর শপথ রজনীর এবং তার যে জীবজন্তু একত্রিত করল। اتَّسَقَ বরাবর হল। بُرُوجًا চন্দ্র সূর্যের কক্ষ ও নির্ধারিত স্থান। الْحَرُورُ গরম বাতাস যা দিনের বেলায় সূর্যের সাথে প্রবাহিত হয়। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, حَرُورُ রাত্রিবেলার আর سَمُومُ দিনের বেলার লু হাওয়া। বলা হয় يُولِجُ অর্থ প্রবিষ্ট করে বা করবে وَلِيجَةً অর্থ এমন প্রতিটি বস্তু যা তুমি অন্যটির মধ্যে ঢুকিয়েছ। ৬ টি | ২৯৭২-২৯৭৭




১৯৯০. জান্নাতে বৈশিষ্টের বর্ণনা আর তা সৃষ্টবস্তু। আবুল আলীয়া (রহঃ) বলেন, مُطَهَّرَةٌ মাসিক ঋতু, পেশাব ও থুথু হতে পবিত্র। كُلَّمَا رُزِقُوا যখনই তাদের সামনে কোন এক প্রকার খাদ্য পরিবেশন করা হবে, এরপরই অন্য এক প্রকার খাদ্য পরিবেশন করা হবে। তারা (জান্নাতবাসীরা) বলবে, এগুলো তো ইতিপূর্বেই আমাদেরকে পরিবেশন করা হয়েছে। أُتُوا بِهِ مُتَشَابِهًا তাদেরকে পরস্পর সদৃশ খাবার পরিবেশন করা হবে অথচ সেগুলো স্বাদে হবে বিভিন্ন। قُطُوفُهَا তারা যেভাবে ইচ্ছা ফল ফলাদি গ্রহন করবে। دَانِيَةٌ নিকটবর্তী। الأَرَائِكُ পালঙ্কসমূহ। হাসান বাসরী (রহঃ) বলেন, النَّضْرَةُ চেহারার সজীবতা। আর السُّرُورُ মনের আনন্দ। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন سَلْسَبِيلاً দ্রুত প্রবাহিত পানি। غَوْلٌ পেটের ব্যাথা। يُنْزَفُونَ তাদের বুদ্ধি লোপ পাবে না। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, دِهَاقًا পরিপূর্ণ। كَوَاعِبَ অংকুরিত যৌবনা তরুনী। الرَّحِيقُ -পানীয়। التَّسْنِيمُ জান্নাতবাসীদের পানীয় যা উচু হতে নিঃসৃত হয়। তার মোড়ক হবে কস্তুরি। نَضَّاخَتَانِ দুই উচ্ছলিত (প্রসবন)। مَوْضُونَةٌ সোনা ও মনি মুক্তা দিয়ে তৈরি। এ শব্দটি হতেই وَضِينُ النَّاقَةِ এর উৎপত্তি অর্থাৎ উটের পিঠের গদী। الْكُوبُ হাতল বিহীন পানপাত্র। الأَبَارِيقُ হাতল বিশিষ্ট পানপাত্র। عُرُبًا সোহাগিনী। একবচনে عَرُوبٌ যেমন صَبُورٍ এর বহুবচন صُبُرٍ মক্কাবাসী একে عَرِبَةَ মদীনাবাসী غَنِجَةَ আর ইরাকীরা شَكِلَةَ বলে থাকে। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, رَوْحٌ জান্নাত ও সচ্চল জীবন। الرَّيْحَانُ জীবিকা। الْمَنْضُودُ কলা। الْمَخْضُودُ কাঁদি ভরা এটাও বলা হয়। যার কাটা নেই। الْعُرُبُ স্বামীদের কাছে সোহাগিনী। مَسْكُوبٌ প্রবাহিত। فُرُشٍ مَرْفُوعَةٍ একটির উপর আরেকটি বিছানা لَغْوًا অলীক কথা। تَأْثِيمًا মিথ্যা। أَفْنَانٌ ডালসমূহ। وَجَنَى الْجَنَّتَيْنِ دَانٍ দুই বাগিচার ফল হবে তাদের নিকটবর্তী যা নিকট থেকে গ্রহন করবে। مُدْهَامَّتَانِ এ বাগিচা দু’টি ঘন সবুজ। ১৬ টি | ৩০১৩-৩০২৮


১৯৯২. জাহান্নামের বিবরণ আর তা সৃষ্টবস্তু। غَسَاقًا প্রবাহিত পুঁজ যেমন কেউ বলে, তার চোখ প্রবাহিত হয়েছে ও ঘা প্রবাহিত হচ্ছে। غَسَاق আর غسيق একই অর্থ। غِسْلِينَ যে কোন বস্তুকে ধৌত করার পর তা থেকে যা কিছু বের হয়, তাকে غِسْلِينَ বলা হয়, এটা غَسْلِ শব্দ থেকে فِعْلِينَ এর ওযনে হয়ে থাকে। ইকরিমা (রহঃ) বলেছেন, حَصَبُ جَهَنَّمَ এর অর্থ জাহান্নামের জ্বালানী। এটা হাবশীদের ভাষা। আর অন্যরা বলেছেন, حَاصِبًا অর্থ দমকা হাওয়া। আর الْحَاصِبُ অর্থ বায়ু যা ছুড়ে ফেলে। এ থেকে হয়েছে حَصَبُ جَهَنَّمَ যার অর্থ হচ্ছে যা কিছু জাহান্নামে ছুড়ে ফেলা হয় আর এগুলোই এর জ্বালানী। الْحَصَبُ আর শব্দটি حَصْبَاءِ শব্দ হতে উৎপত্তি। যার অর্থ কংকরসমূহ। صَدِيدٌ পুঁজ ও রক্ত। خَبَتْ- নিভে গেছে। تُورُونَ তোমরা আগুন বের করছ। أَوْرَيْتُ অর্থ আমি আগুন জালিয়েছি। لِلْمُقْوِينَ মুসাফিরগনের উপকারার্থে। আর الْقِيُّ তরুলতা বিহীন মাঠ। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, صِرَاطُ الْجَحِيمِ অর্থ জাহান্নামের দিক ও তার মধ্যস্থল। لَشَوْبًا তাদের খাদ্য অতি গরম পানির সাথে মিশানো হবে। زَفِيرٌ وَشَهِيقٌ কঠোর চিৎকার ও আর্তনাদ। وِرْدًا পিপাসার্ত। غَيًّا ক্ষতিগ্রস্ত। মুজাহিদ (রহঃ) বলেছেন, يُسْجَرُونَ তাদের দ্বারা আগুন জালানো হবে। আর نُحَاسٌ অর্থ শীশা যা গলিয়ে তাদের মাথায় ঢেলে দেওয়া হবে। বলা হয়েছে, ذُوقُوا এর অর্থ স্বাদ গ্রহন কর এবং অভিজ্ঞতা হাসিল কর। এটা কিন্তু মুখের দ্বারা স্বাদ গ্রহ করা নয়। مَارِجٌ নির্ভেজাল অগ্নি। مَرَجَ الأَمِيرُ رَعِيَّتَهُ আমীর তার প্রজাকে ছেড়ে দিয়েছে, কথাটি এ সময় বলা হয় যখন সে তাদেরকে ছেড়ে দেয় আর তারা একে অন্যের প্রতি অত্যাচার করতে থাকে। مَرِيجٍ মিশ্রিত। مَرَجَ أَمْرُ النَّاسِ যখন মানুষ কোন বিষয় তালগোল পাকিয়ে যায়। আর مَرَجَ الْبَحْرَيْنِ অর্থ তিনি দু’টি নদী প্রবাহিত করেছেন। مَرَجْتَ دَابَّتَكَ এ কথাটি সে সময় বলা হয়, যখন তুমি তোমার চতুষ্পদ জন্তুকে ছেড়ে দাও। ১০ টি | ৩০৩০-৩০৩৯






৫০/ আম্বিয়া কিরাম (আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء)
50/ Prophets
৫৭৩ টি হাদিস
১৫২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩০৯১-৩৬৬৩)


২০০৫. (মহান আল্লাহর বাণীঃ) আর আমি আদ জাতির নিকট তাদেরই ভাই হুদকে পাঠিয়েছিলাম ... (সুরা হুদঃ ৫০) এবং আল্লাহর বাণীঃ আর স্মরণ কর (হুদের কথা) যখন তিনি আহকাফ অঞ্চলে নিজ জাতিকে সতর্ক করেছিলেন ... এভাবে আমি অপরাধী সম্প্রদায়কে প্রতিফল দিয়ে থাকি। (সুরা আহকাফঃ ২১-২৫) এ প্রসঙ্গে আতা ও সুলায়মান (রহঃ) আয়শা (রাঃ) সুত্রে নবী (সাঃ) থেকে হাদিস বর্ণিত আছে। আরো মহান আল্লাহর বাণীঃ আদ জাতিকে ধ্বংস করা হয়েছে একটি প্রচণ্ড ঝাঞ্চা বায়ুর দ্বারা। ইবন উয়াইনাহ (রহঃ) বলেন, প্রবাহিত করেছিলেন তিনি যা নিয়ন্ত্রনকারীর নিয়ন্ত্রন থেকে বেরিয়ে গিয়েছিল বিধায় হীনভাবে সাত রাত ও আট দিন পর্যন্ত। (সেখানে তুমি থাকলে) দেখতে পেতে যে, তারা সেখানে লুটিয়ে পড়ে আছে সারশূন্য বিক্ষিপ্ত খেজুর গাছের কাণ্ডের ন্যায়। এরপর তাদের কাউকে তুমি বিদ্যমান দেখতে পাও কি? (সুরা হাক্‌কাঃ ৫-৮) ২ টি | ৩১০৭-৩১০৮









২০১৬. আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ আর সামূদ জাতির প্রতি তাদেরই ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম-(১১:৬১) আল্লাহ আরো বলেন, হিজরবাসীরা রাসুলগনের প্রতি মিথ্যা আরোপ করেছে। (১৫ঃ ৮০) الْحِجْرُ সামুদ সম্প্রদায়ের বসবাসের স্থান। حَرْثٌ حِجْرٌ অর্থ নিষিদ্ধ ক্ষেত। প্রত্যেক নিষিদ্ধ বস্তুকে حِجْرٌ বলা হয়। আর এই অর্থেই حِجْرٌ مَحْجُورٌ বলা হয়ে থাকে। الْحِجْرُ তুমি যে সব ভবন নির্মাণ কর। তুমি যমীনের যে অংশ ঘেরাও করে রাখ তাও حِجْرٌ। এ কারনেই হাতীমে কা’বাকে حِجْرٌ নামে অবহিত করা হয় তা যেন حَطِيمُ শব্দটি مَحْطُومٍ অর্থে ব্যবহৃত যেমন قَتِيلٍ শব্দটি مَقْتُولٍ অর্থে ব্যবহৃত। ঘোড়ীকেও حِجْرٌ বলা হয়। আর বুদ্ধি বিবেকের অর্থে حِجْرٌ وَحِجًى বলা হয়। তবে حَجْرُ الْيَمَامَةِ একটি স্থানের নাম। ৫ টি | ৩১৩৮-৩১৪২





২০২১. মহান আল্লাহর বাণীঃ আপনা নিকট কি মূসার বৃত্তান্ত পৌঁছেছে? তিনি যখন আগুন দেখলেন...... তুমি তুয়া নামক এক পবিত্র ময়দানে রয়েছ। (২০ঃ ৯-১৩) انست نارا অর্থ আমি আগুন দেখেছি। সম্ভবত আমি তোমাদের জন্য তা থেকে কিছু জলন্ত আঙ্গার আনতে পারব ... (২০ঃ১০) ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, الْمُقَدَّسُ অর্থ বরকতময়। طُوًى একটি উপত্যকার নাম। سِيرَتَهَا অর্থ তাঁর অবস্থায়। النُّهَى অর্থ সাবধানতা অবলম্বন। بِمَلْكِنَا অর্থ আমদের ইচ্ছামত هَوَى অর্থ ভাগ্যাহত হয়েছে। فَارِغًا অর্থ মুসার স্মরণ ব্যতীত সব কিছু থেকে শুনা হয়ে গেল। رِدْءًا يُصَدِّقَنِي সাহায্যকারী রূপে যেন সে আমাকে সমরথন করে। এর অর্থ আরো বলা হয় আর্তনাদে সাড়াদানকারী বা সাহায্যকারী। يَبْطُشُ وَيَبْطِشُ একই অর্থ উভয় কিরাত। يَأْتَمِرُونَ অর্থ পরস্পর পরামর্শ করা। دراً অর্থ সাহায্য করা। বলা হয় ارداته على صنعته অর্থাৎ আমি তার কাজে সাহায্য করেছি। جذوة কাঠের বড় টুকরার আঙ্গার যাতে কোন শিখা। سَنَشُدُّ অর্থ অচিরেই আমি তোমার সাহায্য করব। বলা হয়, যখন তুমি কারো সাহায্য করবে তখন তুমি যেন তার পার্শ্বদেশ হয়ে গেলে। এবং অন্যান্যগণ বলেন যে কোন অক্ষর উচ্চারন করতে পারে না অথবা তার মুখ থেকে তা তা ফা ফা উচ্চারিত হয় তাকেই তোতলামী বলে। أَزْرِي অর্থ আমার পিঠ। فَيُسْحِتَكُمْ অর্থ সে আমাদের ধ্বংস করে দিবে। الْمُثْلَى শব্দটি أَمْثَلِ শব্দের স্ত্রী লিঙ্গ। আয়াতে উল্লেখিত بطر يقتكم অর্থ তোমাদের দীন। বলা হয় خُذِ الْمُثْلَى، خُذِ الأَمْثَلَ অর্থ উত্তমটি গ্রহন কর। ثُمَّ ائْتُوا صَفًّا অর্থ তোমরা সারিবদ্ধ হয়ে আস। বলা হয় তুমি কি আজ ছফফে উপস্থিত হয়েছিলে অর্থাৎ যেখানে নামায পড়া হয় সেখানে? فَأَوْجَسَ অর্থ সে অন্তরে ভয় পোষণ করেছে। خِيفَةً মুলে خَوْفًا خاء অক্ষরে যের হওয়ার কারনে واو - ياء তে পরিবর্তিত হয়েছে। فِي جُذُوعِ النَّخْلِ এখানে فِي - عَلَى অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। خَطْبُكَ অর্থ তোমার অবস্থা। مِسَاسَ শব্দটি مَاسَّهُ مِسَاسًا এর মাসদার ; لَنَنْسِفَنَّهُ অর্থ আমি অবশই তাকে উড়িয়ে দিব। -الضَّحَاءُ অর্থ পূর্বাহ্ণ, যখন সূর্যের তাপ বেড়ে যায়। قُصِّيهِ তুমি তার পিছনে পিছনে যাও। কখনো এ অর্থেও ব্যবহৃত হয় যে, তুমি তোমার কথা বলো যেমন نَحْنُ نَقُصُّ عَلَيْكَ এর মধ্যে এ অর্থ ব্যবহৃত হয়েছে। عَنْ جُنُبٍ অর্থ দূর থেকে। جَنَابَةٍ اجْتِنَابٍ একই অর্থে ব্যবহৃত হয়। আর মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, عَلَى قَدَرٍ অর্থ নির্ধারিত সময়ে। لاَ تَنِيَا অর্থ দুর্বল হয়োনা। مكاناً سوى অর্থ তাদের মধ্যবর্তী স্থান। يَبَسًا অর্থ শুকনা। مِنْ زِينَةِ الْقَوْمِ অর্থ যে সব অলংকার তারা ফিরাউনের লোকদের থেকে ধার নিয়েছিল। فَقَذَفْتُهَا অর্থ আমি তা নিক্ষেপ করলাম। أَلْقَى অর্থ বানালো। لنسى موسى অর্থ তারা বলতে লাগলো, মুসা রবের তালাশে ভুল পথে গিয়েছে। أَنْ لاَ يَرْجِعَ إِلَيْهِمْ قَوْلاً অর্থ তাদের কোন কথার প্রতি উত্তর সে দেয় না – এ আয়াতাংশে সামেরীর বাছুর সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। ১ টি | ৩১৫৫-৩১৫৫


২০২৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর আমি ওয়াদা করেছিলাম মুসার সাথে ত্রিশ রাতের ... আর আমিই মু’মিনদের মধ্যে সর্বপ্রথম। (৭ঃ ১৪২-৪৩) বলা হয়, دكة অর্থ ভুকম্পন। আয়াতে উল্লেখিত فَدُكَّتَا দ্বিবচন বহুবচন অর্থে ব্যবহৃত। এখানে الْجِبَالَ শব্দটিকে এক ধরে নিয়ে الأَرْضَ সহ দ্বিবচনরূপে دُكَّتَا বলা হয়েছে। যেমন মহান আল্লাহর বাণীঃ كَانَتَا رَتْقًا এর মধ্যে سمَوَاتِ এক ধরে দ্বিবচনে উল্লেখ করা হয়েছে। كُنَّ رَتقا বহুবচন বলা হয়নি। رَتْقًا অর্থ পরস্পর মিলিত। أُشْرِبُوا অর্থাৎ তাদের হৃদয়ে গোবৎস প্রীতি নিশ্চিত করেছিল। বলা হয় ثَوْبٌ مُشَرَّبٌ অর্থ রঞ্জিত কাপড়। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, انْبَجَسَتْ অর্থ প্রবাহিত হয়েছিল। نَتَقْنَا الْجَبَلَ অর্থ আমি পাহাড়কে তাদের উপর উপচিয়ে ছিলাম। ২ টি | ৩১৫৯-৩১৬০


২০২৬. পরিচ্ছেদ নাই। ৩ টি | ৩১৬৪-৩১৬৬




২০৩২. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর নিশ্চয়ই ইউনুস রাসুলগনের অন্তর্গত ছিলেন। ... তখন তিন নিজকে ধিক্কার দিতে লাগলেন। (৩৭ঃ ১৩৯-১৪২) মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, مليم অর্থ অপরাধী المشحرون অরহ বোঝাই নৌযান। (আল্লাহর বাণীঃ) যদি তিনি আল্লাহর পবিত্রতা ও মহিমা ঘোষণা না করতেন ...। (৩৭ঃ ১৪৩) তারপতকে ইউনুসকে আমি নিক্ষেপ করলাম একত তৃনহীন প্রান্তরে এবং তিনি তখন রুগ্ন ছিলেন। পরে আমি তার উপর এক লাউ গাছ উদ্গত করলাম। (৩৭ঃ ১৪৫- ১৪৬) العراء অর্থ যমিনের উপরিভাগ। يقطين অর্থ কান্ডবিহীন তৃনলতা, যেমন লাউগাছ ও তার সদৃশ। (মহান আল্লাহর বাণীঃ) তাকে আমি এক লাখ বা ততোধিক লোকের প্রতি প্রেরন করেছিলাম এবং তারা ঈমান এনেছিল। ফলে আমি তাদেরকে কিছু কালের জন্য জীবন উপভোগ করতে দিলাম। (৩৭ঃ ১৪৭-৪৮) (মহান আল্লাহর বাণীঃ) আপনি মাছের সাথীর ন্যায় অধৈর্য হবেন না। তিনি বিষদাচ্ছন্ন অবস্থায় কাতর-প্রারথনা করেছিলেন। (৬৮ঃ ৪৮) كظيم অর্থ বিষাদাচ্ছন্ন। ৪ টি | ৩১৭৩-৩১৭৬

২০৩৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ আমি দাউদকে ‘যাবুর’ দিয়েছি। (১৭ঃ ৫৫) الزُّبُرُ কিতাবসমূহ। তার একবচনে زَبُورٌ আর زَبَرْتُ আমি লিখেছি। আর আমি আমার পক্ষ থেকে দাউদকে বিশেষ মর্যাদা দিয়েছিলাম। হে পর্বত! তার সাথে মিলে আমার তাসবীহ পাঠ কর। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, তার সাথে তাসবীহ পাঠ কর। سَابِغَاتٍ লৌহবর্মসমূহ। আর এ নির্দেশ আমি পাখিকেও দিয়েছিলাম। আমি তার জন্য লোহাকে নরম করে দিয়েছিলাম। তুমু লৌহবর্ম তৈরি করতে সঠিক পরিমাপের প্রতি লক্ষ রেখো। السَّرْدِ পেরেক ও কড়াসমূহ। পেরেক এমন ছোট করে তৈরি করানো যাতে তা ঢিল হয়ে যায়। আর এত বড় করানো। যাতে বর্ম ভেঙ্গে যায়। افرغ অর্থ অবতীর্ণ করা। بسطة বেশীও সমৃদ্ধ। (সুরা সাবাঃ ১০-১১) ৩ টি | ৩১৭৭-৩১৭৯



২০৩৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং দাউদকে সুলায়মান দান করলাম (পুত্র হিসেবে) তিনি ছিলেন উত্তম বান্দা এবং অতিশয় আল্লাহ আভিমুখী (৩৮ঃ ৩০) الأَوَّابٌ অর্থ গোনাহ থেকে ফিরে যে আল্লাহ অভিমুখী হয়। মহানা আল্লাহর বাণীঃ “(সুলায়মান) (আঃ) দু’আ করলেন) হে আল্লাহ ! আমাকে দান করুন এমন রাজ্য যার অধিকারী আমি ছাড়া কেউ না হয়। (৩৮ঃ ৩৫) মহান আল্লাহর বাণীঃ আর ইয়াহুদীরা তারই অনুসরণ করত যা সুলায়মানের রাজত্বকালে শয়তানেরা আবৃত্ত করতো (২ঃ ১০২) মহান আল্লাহর বাণীঃ আমি বায়ুকে সুলায়মানের অধীন করে দিলাম। যা সকালে এক মাসের পথ অতিক্রম করত এবং বিকেলে এক মাসের পথ অতিক্রম করত। আর আমি তার জন্য বিগলিত তামার এক প্রসবন প্রবাহিত করেছিলাম। أَسَلْنَا অর্থ বিগলিত করে দিলাম عَيْنَ الْقِطْرِ অর্থ লোহার প্রসবন – আর কতক জিন তার রবের নির্দেশে তার সামনে কাজ করত। তাদের যে কেউ আমার আদেশ অমান্য করে, তাকে জলন্ত আগুনের শাস্তি আস্বাদন করাব। জ্বিনেরা সুলায়মানের ইচ্ছানুযায়ী তার জন্য প্রাসাদ তৈরি করত। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, مَحَارِيبَ অর্থ বড় বড় দালানের তুলনায় ছোট ইমারত ভাস্কর্য শিল্প প্রস্তুত করতো, আর হাউস সদৃশ বৃহদাকার রান্না করার পাত্র তৈরি করত। যেমন উটের জন্য হাওয থাকে। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, যেমন যমিনে গর্ত থাকে। আর তৈরি করত বিশাল বিশাল ডেকচি যা সুদৃঢ়ভাবে স্থাপিত। হে দাউদের পরিবার আমার কৃতজ্ঞতার সাথে তোমরা কাজ কর। আর আমার বান্দাগণের অল্পই শুকুর গুযারী করে (৩৪ঃ ১২-১৩) إِلاَّ دَابَّةُ الأَرْضِ কেবল মাটির পোকা অর্থাৎ উই পোকা যা তার (সুলায়মানের) লাঠি খেতেছিল। مِنْسَأَتَهُ তার লাঠি। যখন সে (সুলায়মান) পড়ে গেল ... লাঞ্চনাদায়ক শাস্তিতে (৩৪ঃ ১৪) মহান আল্লাহর বাণীঃ সম্পদের মোহে আমার রবের স্মরণ থেকে – আয়াতাংশে عَنْ অর্থ مِن - فَطَفِقَ مَسْحًا অর্থ তিনি (সুলায়মান) ঘোড়াগুলোর গর্দানসমূহ ও তাদের হাঁটুর নলাসমূহ কাটতে লাগলেন। الأَصْفَادُ অর্থ শৃঙ্খলসমূহ। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, الصَّافِنَاتُ অর্থ দৌড়ের জন্য প্রস্তুত ঘোড়াসমূহ। এ অর্থ صَفَنَ الْفَرَسُ থেকে গৃহীত। ঘোড়া যখন দৌড়ের জন্য প্রস্তুতি নিয়ে এক পা উঠিয়ে অন্য পায়ের খুরার উপর দাঁড়িয়ে যায়, তখন এ বাক্য বলা হয়। الْجِيَادُ অর্থ দ্রুতগামী, جَسَدًا শয়তান, رُخَاءً উত্তম, حَيْثُ أَصَابَ যেখানে ইচ্ছা فَامْنُنْ দান করা بِغَيْرِ حِسَابٍ দ্বিধাহীনভাবে (৩৮ঃ ৩১-৩৮) ৪ টি | ৩১৮৩-৩১৮৬


২০৪০. আল্লাহর বাণীঃ এ বর্ণনা হল তার বিশেষ বান্দা যাকারিয়ার প্রতি তোমার রবের রহমত দানের। পূর্বে আমি এ নামে কারো নামকরন করিনি (১৯ঃ ২-৭) ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, سَمِيًّا অর্থ সমতুল্য। যেমন বলা হয়, رَضِيًّا অর্থ مَرْضِيًّا পছন্দনীয়। عُتِيًّا অর্থ عَصِيًّا অর্থাৎ অবাধ্য عات يَعْتُو থেকে গৃহীত। যাকারিয়া বললেন, হে আমার প্রতিপালক কেমন করে আমার ছেলে হবে? আমার স্ত্রী তো বন্ধা! আর আমিও তো বার্ধক্যের শেষ সীমায় পৌঁছেছি। তিনি বললেন, তোমার নিদর্শন হল, তুমি সুস্থ অবস্থায় তিন দিন কারো সাথে বাক্যালাপ করবে না। তারপর তিনি মিহরাব থেকে বের হয়ে তার কওমের কাছে আসলেন, আর তাদের ইশারা করে সকাল-সন্ধায় আল্লাহর তাসবীহ পড়তে বললেন। فَأَوْحَى অর্থ তারপর তিনি ইশারা করে বললেন। (আল্লাহ বললেন) হে ইয়াহইয়া ! এ কিতাব দৃঢ়তার সহিত গ্রহন কর। যে দিন তিনি জীবিত অবস্থায় পুনরুত্থিত হবেন (১৯ঃ ২-১৫) حَفِيًّا - لَطِيفًا অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। অর্থাৎ অতিশয় অনুগ্রহশীল। عَاقِرً (বন্ধ্যা) শব্দটি পুং ও স্ত্রী উভয় লিঙ্গেই ব্যবহার হয়। ১ টি | ৩১৮৯-৩১৮৯

২০৪১. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর স্মরণ কর, কিতাবে মারিয়ামের ঘটনা। যখন তিনি আপন পরিজন থেকে পৃথক হলেন ... (সুরা মারইয়ামঃ ১৬) মহান আল্লাহর বাণীঃ আর স্মরণ করুন! যখন ফিরিশতাগণ মারিয়ামকে বললেন, হে মারিয়াম! আল্লাহ তোমাকে তার পক্ষ থেকে দেওয়া কালিমার দ্বারা সন্তানের সুখবর দিচ্ছেন। (সুরা আলে ইমরান ৩ঃ ৪৫) মহান আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ আদম (আঃ), নূহ (আঃ) ও ইব্রাহীম (আঃ) এর বংশধর এবং ইমরানের বংশধরদের বিশ্বজগতে মনোনীত করেছেন ... বে-হেসাব দিয়ে থাকেন। (৩ঃ ৩৩-৩৭) ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন, আলে ইমরান অর্থাৎ মুমিনগণ। যেমন, আলে ইব্রাহীম, আলে ইয়াসিন, এবং আলে মুহাম্মাদ (সাঃ)। আল্লাহ তা’আলা বলেন, সমগ্র মানুষের মধ্যে ইব্রাহীমের সবচেয়ে ঘনিষ্ঠ হলো তারা, যারা তার অনুসরণ করে। আর তারা হলেন মুমিনগণ। آلَ এর মুল أَهْلُ আর أَهْلُ কে ক্ষুদ্রকরণ করা হলে তা أُهَيْلٌ এ পরিনত হয়। ১ টি | ৩১৯০-৩১৯০




২০৪৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ স্মরণ কর এ কিতাবে মারিয়ামের কথা। যখকন সে তার পরিজন থেকে পৃথক হল। (১৯ঃ ১৬) شَرْقِيًّا শব্দটি شرْقَ শব্দ থেকে, যার অর্থ পূর্বদিকে। فَأَجَاءَهَا শব্দটি جِئْتُ হতে فعل এর রূপে হয়েছে। -أَجَأَهَا এর স্থলে أَلْجَأَهَا ও বলা হয়েছে যার অর্থ হবে তাকে অস্থির করে তুললো। تَسَّاقَطْ শব্দটি تَسْقُطْ এর অর্থ দিবে। قَصِيًّا শব্দটি قَاصِيًا এর অর্থে ব্যবহৃত। فَرِيًّا অর্থ বিরাট। ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেছেন نِسْيًا অর্থ আমি যেনি কিছুই না থাকি। অন্যেরা বলেছেন, النِّسْيُ অর্থ তুচ্ছ, ঘৃণিত। আবু ওয়ায়েল (রহঃ) বলেছেন, মারিয়ামের উক্তি إِنْ كُنْتَ تَقِيًّا এর অর্থ যদি তুমি জ্ঞানবান হও। ওকী (রহঃ) ... বলেন, বারআ (রাঃ) থেকে বর্ণিত, سَرِيًّا শব্দটির অর্থ সুরইয়ানী ভাষায় ছোট নদী। ১১ টি | ৩১৯৪-৩২০৪




২০৪৯. গুহার ঘটনা ১ টি | ৩২১৯-৩২১৯

২০৫০. পরিচ্ছেদ নাই ২২ টি | ৩২২০-৩২৪১


২০৫২. পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৩২৪৮-৩২৫০




২০৫৬. পরিচ্ছেদ নাই ৪ টি | ৩২৫৮-৩২৬১






২০৬২. আরবের মূর্খতা ১ টি | ৩২৭৪-৩২৭৪






২০৬৯. নবী () এর ওফাত ১ টি | ৩২৮৪-৩২৮৪


২০৭১. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৩২৮৮-৩২৮৮







২০৭৮. পরিচ্ছেদ নাই ৯ টি | ৩৩৭৮-৩৩৮৬






২০৮৪. পরিচ্ছেদ নাই ১৭ টি | ৩৩৯৭-৩৪১৩


































































২১৫১. মি'রাজের ঘটনা ২ টি | ৩৬০৮-৩৬০৯






২১৫৭. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৩৬৫০-৩৬৫১



২১৬০. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৩৬৫৪-৩৬৫৫


৫১/ মাগাযী (যুদ্ধাভিযান) (كتاب المغازى)
51/ Military Expeditions led by the Prophet (pbuh) (Al-Maghaazi)
৪৫৮ টি হাদিস
৮৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৩৬৬৪-৪১২১)

২১৬৫. বদর যুদ্ধের ঘটনা। মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং বদরের যুদ্ধে যখন তোমরা হীনবল ছিলে আল্লাহ তো তোমাদেরকে সাহায্য করেছিলেন। সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমরা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ কর। স্মরণ করুন, যখন আপনি মু’মিনদেরকে বলতেছিলেন, এ-কি তোমাদের জন্য যথেষ্ট নয় যে, তোমাদের প্রতিপালক প্রেরিত তিন হাজার ফিরিশতা দ্বারা তোমাদেরকে সহায়তা করবেন? হাঁ, নিশ্চয়িই, যদি তোমরা ধৈর্য ধারণ কর এবং সাবধান হয়ে চল তবে তারা (কাহফির বাহিনী) দ্রুতগতিতে তোমাদের উপর আক্রমণ করলে আল্লাহপাঁচ হাজার চিহ্নিত ফিরিশতা দ্বারা তোমাদের সাহায্য করবেন। এ তো কেবল তোমাদের জন্য সু-সংবাদো তোমাদের চিত্ত প্রশান্তির হেতু আল্লাহকরছেন এবং সাহায্য শুধু পরাক্রান্ত প্রজ্ঞাময় আল্লাহর নিকট থেকেই হয়, কাফিরদের এক অংশকে নিশ্চিহ্ন করার অথবা লাঞ্ছিত করার জন্য; ফলে তারা নিরাশ হয়ে ফিরে যায়। (ইমরানঃ ৩: ১২৩-১২৭) আলে ইমরান) ওয়াহশী(র) বলেন, বদর যুদ্ধের দিন হামযা (রাঃ) তু’আয়মা ইবনু আদী ইবনু খিয়ারকে হত্যা করেছিলেন। আল্লাহর বানীঃ স্মরণ করুন, আল্লাহ তোমাদেরকে প্রতিশ্রুতি দেন যে, দু’দলের একদল তোমাদের আয়ত্তাধীন হবে। (আনফালঃ ৭) ১ টি | ৩৬৬৬-৩৬৬৬

২১৬৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ স্মরণ করো! তোমরা তোমাদের প্রভুর সাহায্য প্রার্থনা করেছিলে, তিনি তা কবুল করেছিলেন এবং বলেছিলেন -- ''আমি তোমাদের সাহায্য করবো এক হাজার ফিরিশ্‌তা দ্বারা যারা একের পর এক আসবে। ’’আর আল্লাহ এটি করেন নি সুসংবাদ দান ছাড়া আর যেন এর দ্বারা তোমাদের হৃদয় প্রশান্তি লাভ করে, আর সাহায্য তো আসে না আল্লাহ‌র কাছ থেকে ছাড়া। নিঃসন্দেহ আল্লাহ হচ্ছেন মহাশক্তিশালী, পরমজ্ঞানী। স্মরণ করো! তিনি তোমাদের উপরে প্রশান্তি এনেছিলেন তাঁর তরফ থকে স্বস্তিরূপে, আর তিনি তোমাদের উপরে আকাশ থেকে বর্ষণ করলেন বৃষ্টি, যেন তিনি এর দ্বারা তোমাদের পরিস্কার করতে পারেন, আর যেন তোমাদের থেকে দূর করতে পারেন শায়ত্বনের নোংরামি, আর যেন তিনি তোমাদের অন্তরে বলসঞ্চার করতে পারেন, আর যেন এর দ্বারা পদক্ষেপ দৃঢ়প্রতিষ্ঠিত করতে পারেন। স্মরণ করো! তোমার প্রভু ফিরিশ্‌তাদের কাছে প্রেরণা দিলেন -- ''আমি নিশ্চয়ই তোমাদের সাথে আছি, কাজেই যারা ঈমান এনেছে তাদের সুপ্রতিষ্ঠিত করো। আমি অচিরেই তাদের অন্তরে ভীতি সঞ্চার করবো যারা অবিশ্বাস পোষণ করে, অতএব ঘাড়ের উপরে আঘাত করো আর তাদের থেকে সমস্ত প্রত্যঙ্গ কেটে ফেলো।’’এটি এইজন্য যে তারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের বিরোধিতা করে, আর যে কেউ আল্লাহ ও রসূলের বিরুদ্ধে দাঁড়ায় -- আল্লাহ তবে নিশ্চয়ই শাস্তিদানে কঠোর। ( সূরা আনফাল: ৯-১৩) ২ টি | ৩৬৬৭-৩৬৬৮

২১৬৭. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৩৬৬৯-৩৬৬৯





২১৭২. পরিচ্ছেদ নাই ৭ টি | ৩৬৯৫-৩৭০১


২১৭৪. পরিচ্ছেদ নাই ২৯ টি | ৩৭০৬-৩৭৩৪




২১৭৯. উহুদ যুদ্ধ। মহান আল্লাহর বাণীঃ [হে রাসুল!] স্মরণ করুন, যখন আপনি আপনার পরিজনবর্গের নিকট হতে প্রত্যুষে বের হয়ে যুদ্ধের জন্য মু’মিনদেরকে ঘাঁটিতে স্থাপন করেছিলেন। এবং আল্লাহ সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞ (৩ঃ ১২১) আল্লাহ্‌র বাণীঃ তোমরা হীনবল হয়ো না এবং দুঃখিত হয়ো না; তোমরাই বিজয়ী, যদি তোমরা মু’মিন হও। যদি তোমাদের আঘাত লেগে থাকে তবে অনুরূপ আঘাত তাদেরও তো (বদর যুদ্ধে) লেগেছে। মানুষের মধ্যে এ দিনগুলোর পর্যায়ক্রমে আমি আবর্তন ঘটাই, যাতে আল্লাহ্‌ মু’মিনদেরকে জানতে পারেন এবং তোমাদের মধ্য হতে কতককে শহীদরূপে গ্রহন করতে পারেন এবং আল্লাহ্‌ জালিমদের পছন্দ করেন না। আর যাতে আল্লাহ্‌ মু’মিনদের পরিশোধন করতে পারেন এবং কাফিরদেরকে নিশ্চিহ্ন করতে পারেন। তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা জান্নাতে প্রবেশ করবে, যখন আল্লাহ্‌ তোমাদের মধ্যে কে জিহাদ করেছে এবং কে ধৈর্যশীল তা এখনো জানেন না? মৃত্যুর সম্মুখীন হওয়ার পূর্বে তোমরা তা কামনা করতে, এখন তো তোমরা তা স্বচক্ষে দেখলে! (৩ঃ ১৩৯-১৪৩) মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌ তোমাদের সাথে তার প্রতিশ্রুতি পূর্ণ করেছেন যখন তোমরা আল্লাহ্‌র অনুমতিক্রমে তাদেরকে বিনাশ করেছিলে, যে পর্যন্ত না তোমরা সাহস হারালে এবং [রাসুল (সাঃ) এর] নির্দেশ সম্বন্ধে মতভেদ সৃষ্টি করলে এবং যা তোমরা ভালবাস তা তোমাদেরকে দেখাবার পর তোমরা অবাধ্য হলে। তোমাদের কতক ইহকাল চেয়েছিল এবং কতক পরকাল চেয়েছিল। এরপর তিনি পরিক্ষা করার জন্য তোমাদেরকে তাদের থেকে ফিরিয়ে দিলেন। অবশ্য তিনি তোমাদেরকে ক্ষমা করে দিয়েছেন। আল্লাহ্‌ মু’মিনদের প্রতি অনুগ্রহশীল (৩ঃ ১৫২) মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ যারা আল্লাহ্‌র পথে নিহত হয়েছে তাদেরকে তোমরা কখনো মৃত মনে করো না বরং তারা জীবিত এবং তোমাদের প্রতিপালকের নিকট হতে তারা জীবিকাপ্রাপ্ত (৩ঃ ১৬৯) ৯ টি | ৩৭৪৬-৩৭৫৪








২১৮৮. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৩৭৭৬-৩৭৭৭







২১৯৫. যাতুর রিকার যুদ্ধ। গাতফানের শাখা গোত্র বনূ সালাবার অন্তর্গত খাসাফার বংশধর মুহারিব গোত্রের সাথে এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। এ যুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) নাখল নামক স্থানে অবতরণ করেছিলেন। খায়বার যুদ্ধের পর এ যুদ্ধ সংঘটিত হয়। কেননা আবূ মুসা (রা) খায়বার যুদ্ধের পর (হাবশা থেকে ) এসেছিলেন। আবদুল্লাহ্‌ ইব্‌ন রাজা (র) ...... জাবির ইব্‌ন আবদুল্লাহ্‌ (রা) থেকে বর্ণিত যে, নবী (সা) সপ্তম যুদ্ধ তথা যাতুর রিকার যুদ্ধে তাঁর সাহাবীগণকে নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন। ইব্‌ন আব্বাস (র) বলেছেন, নবী (সা) যূকারাদের যুদ্ধে সালাতুল খাওফ আডায় করেছেন। বকর ইব্‌ন সাওয়াদা (র) ......জাবির ইবন আবদুল্লাহ্‌ (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহাবির ও সালাবা গোত্রের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সময় নবী (সা) সাহাবীগণকে সাথে নিয়ে সালাতুল খাওফ আদায় করেছেন। ইব্‌ন ইসহাক (র) ......... জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী (সা) নাখল নামক স্থান থেকে যাতুর রিকার উদ্দেশ্যে রওয়ানা হয়ে গাতফান গোত্রের একটি দলের সম্মুখীন হন। কিন্তু সেখানে কোনো যুদ্ধ সংঘটিত হয়নি। উভয় পক্ষ পরষ্পর ভীতি প্রদর্শন করেছিল মাত্র। তখন নবী (সা) দু’রাকাত সালাতুল খাওফ আদায় করেন। ইয়াযীদ (র) সালামা (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি নবী (সা)-এর সংগে যুকারাদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ করেছিলাম। ৮ টি | ৩৮২৪-৩৮৩১


২১৯৭. আনমারের যুদ্ধ ১ টি | ৩৮৩৪-৩৮৩৪





২২০২. খায়বারের যুদ্ধ ৪২ টি | ৩৮৮১-৩৯২২











২২১৩. মক্কা নগরীর উচু এলাকার দিক দিয়ে নবী (সাঃ) এর প্রবেশের বর্ণনা। লায়স (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, মক্কা বিজয়ের দিন রাসুলুল্লাহ (সাঃ) তার সাওয়ারিতে আরোহন করে উসামা ইবন যায়িদকে নিজের পিছনে বসিয়ে মক্কা নগরীর উঁচু এলাকার দিক দিয়ে মক্কায় প্রবেশ করেছেন। তার সঙ্গে ছিল বিলাল এবং বায়তুল্লাহর চাবি রক্ষক উসমান ইবন তালিহা। অবশেষে তিনি [নবী (সাঃ)] মসজিদে হারামের সামনে সাওয়ারী থামালেন এবং উসমান ইবন তালহাকে চাবি এনে (দরজা খোলার) আদেশ করলেন। এরপর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) (কা’বার অভ্যন্তরে) প্রবেশ করলেন। সে সময় তার সঙ্গে ছিলেন উসামা ইবন যায়দ, বিলাল এবং উসমান ইবন তালহা (রাঃ)। সেখানে তিনি দিবসের দীর্ঘ সময় পর্যন্ত অবস্থান করে (নামায তাকবীর ও অন্যান্য দুয়া করার পর) বের হয়ে এলেন। তখন অন্যান্য লোক (কা’বার ভিতরে প্রবেশের জন্য) দ্রুত ছুটে এলো। তন্মধ্যে আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) প্রথমেই প্রবেশ করলেন এবং বেলাল (রাঃ) কে দরজার পাশে দাঁড়ানো পেয়ে জিজ্ঞাসা করলেন- রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কোন জায়গায় নামায আদায় করেছেন? তখন বিলাল (রাঃ) তাকে নামাযের জায়গাটি ইশারা করে দেখিয়ে দিলেন। আবদুল্লাহ ইবন উমর (রাঃ) বলেন, রাসুলুল্লাহ (সাঃ) কত রাকাত আদায় করেছিলেন বিলাল (রাঃ) কে আমি একথা জিজ্ঞাসা করতে ভুলে গিয়েছিলাম। ২ টি | ৩৯৬০-৩৯৬১


২২১৫. পরিচ্ছেদ নাই ৪ টি | ৩৯৬৩-৩৯৬৬



২২১৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং হুনায়নের যুদ্ধের দিন যখন তোমাদেরকে (মুসলিমদিগকে) উৎফুল্ল করেছিল তোমাদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা, কিন্তু তা তোমাদের কোন কাজে আসেনি এবং বিস্তৃত হওয়া সত্ত্বেও পৃথিবী তোমাদের জন্য সংকুচিত হয়ে গিয়েছিল শেষে তোমরা পৃষ্ঠ-প্রদর্শন করে পলায়ন করেছিল। এরপর আল্লাহ তার কাছ থেকে তার রাসুল ও মু’মিনের উপর প্রশান্তি বর্ষণ করেন এবং (তাদের সাহায্যার্থে) এমন এক সৈন্যবাহিনী নাযিল করেন যাদেরকে তোমরা দেখতে পাওনি এবং তিনি তাদের দ্বারা কাফেরদিগকে শাস্তি প্রদান করেছেন। এটাই কাফিরদের কর্মফল। এরপরও (মু’মিনদের মধ্যে) যার প্রতি তিনি ইচ্ছা করবেন তার ক্ষেত্রে তিনি ক্ষমাপরায়ণও হতে পারেন। আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু (৯ঃ ২৫-২৭) ৭ টি | ৩৯৮০-৩৯৮৬

২২১৯. আওতাসের যুদ্ধ ১ টি | ৩৯৮৭-৩৯৮৭






















২২৪১. বিদায় হজ্জ ২০ টি | ৪০৫৩-৪০৭২




২২৪৫. পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৪০৭৯-৪০৮১




২২৪৯. নবী (সাঃ) এর ওফাত ২ টি | ৪১১৩-৪১১৪

২২৫০. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪১১৫-৪১১৫


২২৫২. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪১১৮-৪১১৮

৫২/ তাফসীর (كتاب تفسير)
52/ Prophetic Commentary on the Qur'an (Tafseer of the Prophet [pbuh] )
৪৯৬ টি হাদিস
৩৭১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪১২২-৪৬১৭)





















































২৩০৯. আল্লাহর বাণীঃ مِنْهُ ايَاتٌ مُحْكَمَاتٌ যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট দ্ব্যর্থহীন। ইমাম মুজাহিদ (রহ.) বলেন যে, সেটি হচ্ছে হালাল আর হারাম সম্পর্কিত। وَأُخَرُ مُتَشَابِهَاتٌ আর অন্যগুলো রূপক, একটি অন্যটির সত্যতা প্রমাণ করে। যেমনঃ আল্লাহর বাণীঃ وَمَا يُضِلُّ بِهٰٓ إِلَّا الْفَاسِقِيْنَ -‘‘তিনি পথ পরিত্যাগকারী ব্যতীত বস্তুত কাউকে বিভ্রান্ত করেন না।’’ আবার- وَيَجْعَلُ الرِّجْسَ عَلَى الَّذِيْنَ لَا يَعْقِلُوْنَ যারা অনুধাবন করে না আল্লাহ তাদের কলুষলিপ্ত করেন। (সূরাহ ইউনুস ১০/১০০) তদুপরি আল্লাহর বাণীঃ وَالَّذِيْنَ اهْتَدَوْا زَادَهُمْ هُدًى وَّاٰتَاهُمْ تَقْوٰهُمْ ‘‘যারা সৎপথ অবলম্বন করেছে, আল্লাহ্ তাদেরকে আরও অধিক হিদায়াত দান করেন এবং তাদেরকে তাকওয়ার তাওফীক দেন’’- (সূরাহ মুহাম্মাদ ৪৭/১৭)। زَيْغٌ -সন্দেহ, ابْتِغَاءَ الْفِتْنَةِ -ফিতনা শব্দের অর্থ রূপক। والراسخون في العلم যাঁরা জ্ঞানে সু-গভীর তারা জানে এবং বলে আমরা তা বিশ্বাস করি। ২ টি | ৪১৯১-৪১৯২



















































২৩৬২. আল্লাহর বাণীঃ হে মুমিনগণ! মদ, জুয়া, মূর্তিপূজা, বেদী ও ভাগ্য নির্ণায়ক শর ঘৃণ্য বস্তু, শয়তানের কার্য (সুতরাং তোমরা তা বর্জন কর, যাতে তোমরা সফলকাম হতে পার) (৫ঃ ৯০) ইবনু ‘আববাস (রাঃ) বলেছেন, الْأَزْلَامُ সে সকল তীর যেগুলো দ্বারা তারা কর্মসমূহের ভাগ্য পরীক্ষা করে। النُّصُبُ বেদী, সেগুলো তারা প্রতিষ্ঠা করে এবং সেখানে পশু যবহ করে। অন্য কেউ বলেছেন الزَّلَمُ তীর, الْأَزْلَامُ এর একবচন, ভাগ্য পরীক্ষার পদ্ধতি এই যে, তীরটাকে ঘুরাতে থাকবে। তীর যদি নিষেধ করে তো বিরত থাকবে আর যদি তাকে কর্মের নির্দেশ দেয় তাহলে সে নির্দেশিত কাজ করে যাবে। তীরগুলোকে বিভিন্ন প্রকার চিহ্ন দ্বারা চি‎‎হ্নত করা হয় এবং তা দ্বারা তথাকথিত ভাগ্য পরীক্ষা করা হয়। এতদসম্পর্কে فَعَلْتُ-এর কাঠামোতে قَسَمْتُ ব্যবহার করা হয় অর্থাৎ আমি ভাগ্য যাচাই করেছি, এর ক্রিয়া হচ্ছে الْقُسُوْمُ ৪ টি | ৪২৬১-৪২৬৪
















২৩৭৮. আল্লাহর বাণীঃ মুসা যখন আমার নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হল এবং তার প্রতিপালক তার সাথে কথা বললেন, তখন তিনি বললেন, হে আমার প্রতিপালক! আমাকে দর্শন দাও, আমি তোমাকে দেখব, তিনি বললেন, তুমি আমাকে কখনোই দেখতে পাবে না। তুমি বরং পাহাড়ের প্রতি লক্ষ কর, তা যদি স্ব-স্থানে স্থির থাকে তবে তুমি আমাকে দেখবে, যখন তার প্রতিপালক পাহাড়ে জ্যোতি প্রকাশ করলেন তখন তা পাহাড়কে চূর্ণ-বিচূর্ণ করল আর মুসা (আঃ) সংজ্ঞাহীন হয়ে পড়লেন। যখকন তিনি জ্ঞান ফিরে পেলেন, তখন বললেন, মহিমময় তুমি, আমি অনুতপ্ত হয়ে তোমাতেই প্রত্যাবর্তন করলাম এবং মুমিনদের মধ্যে আমিই প্রথম (৭ঃ ১৪৩) ইবনু ‘আব্বাস (রাঃ) বলেন, أَرِنِيْ আমাকে দেখা দাও। ১ টি | ৪২৮৩-৪২৮৩




































































আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ ‘যখন তারা আরও অগ্রসর হল, মুসা তার সাথীকে বললেন, আমাদের নাস্তা আন, আমরা তো আমাদের এ সফরে ক্লান্ত হয়ে পড়েছি। (বলল আপনি কি লক্ষ করেছেন, আমরা যখন শিলা খণ্ডে বিশ্রাম করছিলাম, তখন আমি মাছের কথা ভুলে গিয়েছিলাম? শয়তান এ কথা বলতে আমাকে ভুলিয়ে দিয়েছিল।) মাছটি আশ্চর্যজনক ভাবে নিজের পথ করে সমুদ্রে নেমে গেল। صنعا কাজ, حولا ঘুরে যাওয়া, পরিবর্তন হওয়া । قال ذلك ما كنا نبغ فارتدا على آثارهما قصصا মুসা বললেন, আমরা তো সে স্থানটি অনুসন্ধান করছিলাম। এরপর তারা নিজেদের পদচিহ্ন ধরে ফিরে চলল। إمرا و نكرا উভয়ের একি অর্থ, অন্যায় কাজ ينقض শব্দের অর্থ নিপতিত হবে। لتخذت واتخذت উভয়ের একই অর্থ। رحما শব্দটি رحم থেকে গঠিত। অত্যধিক দয়া ও করুনা। কারও মতে এটা رحيم থেকে গঠিত। মক্কাকে বলা হয় أم رحم যেহেতু সেখানে রহমত নাযিল হয়। ১ টি | ৪৩৭২-৪৩৭২












































আল্লাহ্‌ তা'আলার বাণীঃ لا تدخلوا ... عند الله عظيما হে মু’মিনগণ! তোমরা খাওয়ার জন্য খাবার প্রস্তুতির অপেক্ষা না করে নাবীর ঘরে তোমাদেরকে অনুমতি না দেয়া পর্যন্ত প্রবেশ করবে না; তবে তোমাদেরকে ডাকা হলে তোমরা প্রবেশ করবে এবং খাওয়া শেষ হলে নিজেরাই চলে যাবে, কথাবার্তায় মাশগুল হয়ে পড়বে না। তোমাদের এ আচরণ অবশ্যই নাবীকে পীড়া দেয়। তিনি তোমাদেরকে উঠিয়ে দিতে সংকোচ বোধ করেন। কিন্তু আল্লাহ সত্য বলতে সংকোচবোধ করেন না। তোমরা যখন তাঁর পত্নীদের নিকট হতে কোন কিছু চাইবে, তখন পর্দার অন্তরাল থেকে চাইবে। এটা তোমাদের অন্তরের জন্য এবং তাদের অন্তরের জন্য অধিকতর পবিত্র উপায়। আল্লাহর রসূলকে কষ্ট দেয়া এবং তাঁর মৃত্যুর পর তাঁর পত্নীদেরকে বিবাহ করা তোমাদের কারও পক্ষে কখনও বৈধ নয়। এটা আল্লাহর কাছে সাংঘাতিক অপরাধ। বলা হয় إِنَاهُ খাদ্য পরিপাক হওয়া। এটা أَنَى يَأْنِيْ أَنَاةًথেকে গঠিত। لَعَلَّ السَّاعَةَ تَكُوْنُ قَرِيْبًا সম্ভবত ক্বিয়ামাত অতি নিকটবর্তী। যদি তুমি স্ত্রী লিঙ্গ হিসেবে ব্যবহার কর, তবে قَرِيْبَةً বলবে। আর যদি الصِّفَةَ না ধর ظَرْفًا বা بَدَلًا হিসেবে ব্যবহার কর তবে ‘তা’ নিয়ে যুক্ত করবে না। তেমনি এ শব্দটি একবচন, দ্বি-বচন, বহুবচন এবং নারী-পুরুষ সকল ক্ষেত্রেই ব্যবহৃত হয়। ৬ টি | ৪৪৩১-৪৪৩৬










































পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৪৬৮-৪৪৬৮

পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৪৪৯৩-৪৪৯৪

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৪৯৫-৪৪৯৫













পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৪৫২১-৪৫২২




























পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৬০-৪৫৬০

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৬১-৪৫৬১








পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৪৫৬৯-৪৫৭১





পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৭৬-৪৫৭৬

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৭৭-৪৫৭৭

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৭৮-৪৫৭৮

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৭৯-৪৫৭৯


পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৮১-৪৫৮১

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৮২-৪৫৮২









পরিছেদ নাই ১ টি | ৪৫৯৩-৪৫৯৩

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৯৪-৪৫৯৪





পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৪৫৯৯-৪৬০১



পরিচ্ছেদ নাই ৩ টি | ৪৬০৪-৪৬০৬

পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৪৬০৭-৪৬০৮



পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৬১১-৪৬১১



পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৬১৪-৪৬১৪


পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৬১৬-৪৬১৬

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৬১৭-৪৬১৭

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৫৪৮-৪৫৪৮

পরিচ্ছেদ নাই ৪ টি | ৪৩৫২-৪৪২৩

পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৪৪৪৭-৪৪৪৭

পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৪৪৪৮-৪৪৫৬
৫৩/ ফাজায়ীলুল কুরআন (كتاب فضائل القرآن)
53/ Virtues Of The Qur'An
৭৯ টি হাদিস
৩৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৬১৮-৪৬৯৬)

কুরআন সংকলন ২ টি | ৪৬২৫-৪৬২৬



২৪০০. কুরআন সংকলন। ৪ টি | ৪৬৩১-৪৬৩৪




সুরা বাকারার ফযীলত ১ টি | ৪৬৪৬-৪৬৪৬

সুরা কাহফের ফযীলত ১ টি | ৪৬৪৭-৪৬৪৭

সুরা আল-ফাতহর ফযীলত ১ টি | ৪৬৪৮-৪৬৪৮

















২৪১৯. আত্‌তারজী ১ টি | ৪৬৮২-৪৬৮২







৫৪/ বিয়ে-শাদী (كتاب النكاح)
54/ Wedlock, Marriage (Nikaah)
১৭৮ টি হাদিস
১১৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৬৯৭-৪৮৭৪)


২৪২৯. বহুবিবাহ ৩ টি | ৪৭০১-৪৭০৩





















২৪৫১. আল্লাহ্ তা’আলার বাণীঃ ‘‘এবং (তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে) তোমাদের স্ত্রীদের মধ্যে যার সাথে সংগত হয়েছ তার পূর্ব স্বামীর ঔরসে তার গর্ভজাত কন্যা, যারা তোমাদের অভিভাবকত্বে আছে।’’ এ প্রসঙ্গে হযরত ইব্ন আব্বাস (রা) বলেন যে, ‘দুখুল’ ‘মাসীস’ ও ‘লিমাস’ শব্দত্রয়ের অর্থ হচ্ছে, যৌন মিলন। যে ব্যক্তি বলে যে, স্ত্রীর কন্যা কিংবা তার সমত্মানের কন্যা হারামের ব্যাপারে নিজ কন্যার সমান, সে দলীল হিসাবে নবী (সা)-এর হাদীসখানা পেশ করে। আর তা হচ্ছেঃ নবী (সা) উম্মে হাবীবা (রা)-কে বলেন, তোমরা তোমাদের কন্যাদের ও বোনদের আমার সঙ্গে শাদীর প্রস্তাব করো না। একইভাবে নাতবৌ এবং পুত্রবধু শাদী করা হারাম। যদি কোন সৎ-কন্যা কারো অভিভাবকের আওতাধীন না থাকে তবে তাকে কি সৎ-কন্যা বলা যাবে? নবী (সা) তার একটি সৎ কন্যাকে কারো অভিভাবকত্বে দিয়ে দিলেন। নবী (সা) স্বীয় দৌহিত্রকে পুত্র সম্বোধন করেছেন। ১ টি | ৪৭৩৮-৪৭৩৮











২৪৬৩. ওলী বা অভিভাবক নিজেই যদি শাদীর প্রার্থী হয়। মুগীরা ইব্ন শু’বা (রা) এমন এক মহিলার সাথে শাদীর প্রসত্মাব দেন, যার নিকটতম অভিভাবক তিনিই ছিলেন। সুতরাং তিনি অন্য একজনকে তার সাথে শাদী বন্ধনে আদেশ দিলে সে ব্যক্তি তার সঙ্গে শাদী করিয়ে দিলেন। আবদুর রহমান ইব্ন আউফ (রা) উম্মে হাকীম বিন্তে কারিয (রা)-কে বললেন, তুমি কি তোমার শাদীর ব্যাপারে আমাকে দায়িত্ব দেবে? তিনি বললেন, হ্যাঁ। আবদুর রহমান (রা) বললেন, আমি তোমাকে শাদী করলাম। আতা (রা) বলেন, অভিভাবক লোকদেরকে সাক্ষী রেখে বলবে, আমি তোমাকে শাদী করলাম, অথবা ঐ মহিলার নিকটতম আত্মীয়দের কাউকে তার কাছে তাকে শাদী দেয়ার জন্য বলবে। সাহল (রা) বলেন, একজন মহিলা এসে নবী (সা)-এর কাছে বলল, আমি নিজেকে আপনার কাছে সমর্পন করলাম। এরপর একজন লোক বলল, ইয়া রাসূলুল্লাহ্! এই মহিলাকে যদি আপনার প্রয়োজন না থাকে তাহলে আমার সাথে শাদী দিয়ে দিন। ২ টি | ৪৭৫৯-৪৭৬০










২৪৭৩. শাদীর খুতবা ১ টি | ৪৭৭৩-৪৭৭৩














































২৫২০. আযল প্রসঙ্গে ৩ টি | ৪৮৩২-৪৮৩৪



























৫৫/ তালাক (كتاب الطلاق)
55/ Divorce
৮৫ টি হাদিস
৪৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৮৭৫-৪৯৫৯)


২০৪৩. যারা তিন তালাককে জায়েয মনে করেন। যেমন মহান আল্লাহর বাণীঃ এই তালাক দু’বার, এরপর হয় সে বিধিমত রেখে দিবে অথবা সদয়ভাবে মুক্ত করে দিবে। (২ঃ২২৯) ইব্ন যুবায়র (র) বলেন, যে ব্যক্তি অসুস্থ অবস্থায় তালাক দেয় তার তিন তালাকপ্রাপ্তা স্ত্রী ওয়ারিস হবে বলে আমি মনে করি না। শা’বী (র) বলেন ওয়ারিস হবে। ইব্ন শুবরুমা জিজ্ঞাসা করলেনঃ ইদ্দত শেষ হওয়ার পর সে মহিলা অন্যত্র বিবাহ করতে পারবে কি ? তিনি উত্তর দিলেন, হাঁ। ইব্ন শুবরুমা পুনরায় প্রশ্ন করলেনঃ যদি দ্বিতীয় স্বামীও মারা যায় তা হলে? (অর্থাৎ আপনার মানুযায়ী উক্ত স্ত্রীর উভয় ওয়ারিস হওয়া জরুরী হয়) এরপ শা’বী তাঁর পূর্ব মত প্রত্যাহার করেন। ৩ টি | ৪৮৮১-৪৮৮৩


২০৪৬. যে ব্যক্তি তার স্ত্রীকে বলল- ‘‘তুমি আমার জন্য হারাম।’’ হাসান (র) বলেন, তবে তা তার নিয়্যাত অনুযায়ী হবে। ‘আলিমগণ বলেন, যদি কেউ স্ত্রীকে তিন তালাক দেয়, তবে স্ত্রী তার জন্য হারাম হয়ে যাবে। তাঁরা এটাকে হারাম আখ্যায়িত করেছেন, যা তালাক বা বিচ্ছেদ দ্বারা সম্পন্ন হয়। তবে এ হারাম করাটা তেমন নয়, যেমন কেউ খাদ্যকে হারাম ঘোষনা করল; কেননা হালাল খাদ্যকে হারাম বলা যায় না। কিন্তু তালাকপ্রাপ্তাকে হারাম বলা যায়। আবার তিন তালাকপ্রাপ্তা সমবন্ধে বলেছেন, সে (স্ত্রী) অন্য স্বামীর সাথে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া ছাড়া প্রথম স্বামীর জন্য বৈধ হবে না। লায়স (র) নাফি‘ থেকে বর্ণনা করেছেন যে, ইব্ন ‘উমর (রা)- কে তিন তালাক প্রদানকারী সমবন্ধে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলতেনঃ যদি তুমি এক বা দুই দিতে ! কেননা নবী (সাঃ) আমাকে এরূপ করার নির্দেশ দিয়েছেন। তাই কেউ স্ত্রীকে তিন তালাক দিলে তার জন্য সে হারাম হয়ে যাবে, যতক্ষণ না সে (স্ত্রী) অন্যত্র বিবাহ করে। ১ টি | ৪৮৮৭-৪৮৮৭


২০৫০. বাধ্য হয়ে, মাতাল ও পাগল অবস্থায় তালাক দেওয়া এবং এতদুভয়ের বিধান সম্বন্ধে। ভুলবশতঃ তালাক দেওয়া এবং শিরক্ ইত্যাদি সম্বন্ধে। (এসব নিয়্যাতের উপর নির্ভরশীল)। কেননা নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ প্রতিটি কাজ নিয়্যাত অনুসারে বিবেচিত হয়। প্রত্যেকে তা-ই পায়, যার সে নিয়্যাত করে। শা’বী (র) পাঠ করেনঃ لاَ تُؤَاخِذْنَا إِنْ نَسِينَا أَوْ أَخْطَأْنَا (হে আমাদের প্রতিপালক) আমরা যদি ভুল ভ্রান্তি বশতঃ কোন কাজ করে ফেলি, তবে সে জন্য আপনি আমাদেরকে পাকড়াও করবেন না। ওয়াসাওয়াসা সম্পন্ন ব্যক্তির স্বীকারোক্তিতে যা দুরস্ত হয়না। স্বীয় যিনার কথা স্বীকারকারী জনৈক ব্যক্তিকে নবী (সাঃ) বলেছিলেনঃ তুমি কি পাগল হয়েছ ? ‘আলী (রা) বলেন, হামযা (রা) আমার দু’টি উনীর পার্শ্বদেশ ফেঁড়ে ফেললে, নবী (সাঃ) হামযাকে তিরস্কার করতে থাকেন। হঠাৎ দেখা গেল নেশায় হামযার চক্ষুযুগল রক্তিম হয়ে গেছে। এরপর হামযা বললেন, তোমরা তো আমার বাবার গোলাম বৈ নও। তখন নবী (সাঃ) বুঝতে পারলেন, তিনি নেশাগ্রস্থ হয়েছেন। তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে এলেন আমরাও তাঁর সাথে বেরিয়ে এলাম। ‘উসমান (রা) বলেনঃ পাগল ও নেশাগ্রস্থ ব্যক্তির তালাক প্রযোজ্য হয় না। ইবন আব্বাস (রা) বলেন, ওয়াসাওয়াসা সম্পন্ন (সন্দেহের বাতিকগ্রস্থ) ব্যক্তির তালাক কার্যকর হয় না। ‘আতা (র) বলেনঃ তালাক শর্তযুক্ত করে তালাক দিলে শর্ত পাওয়ার পরই তালাক হবে। নাফি’ (র) জিজ্ঞেস করলেন, ঘর থেকে বের হওয়ার শর্তে স্বীয় স্ত্রীকে জনৈক ব্যহিক্ত তিন তালাক দিল- (এর হুকুম কি?)। ইবন ‘উমর (র) বললেনঃ যদি সে মহিলা ঘর থেকে বের হয়, তাহলে সে তিন তালাকপ্রাপ্তা হবে। আর যদি বের না হয়, তাহলে কিছুই হবে না। যুহরী (র) বলেন, যে ব্যক্তি বললঃ যদি আমি এরূপ না করি, তবে আমার স্ত্রীর প্রতি তিন তালাক প্রযোজ্য হবে। তার সম্বন্ধে যুহরী (র) বলেন, উক্ত ব্যক্তিকে জিজ্ঞাসা করা হবে, শপথকালে তার ইচ্ছা কি ছিল ? যদি সে ইচ্ছাকৃত সময়সীমা নির্ধারণ করে থাকে এবং শপথকালে তার এ ধরনের নিয়্যাত থাকে তাহলে এ বিষয়কে তার দীন ও আমানতের উপর ন্যস্ত করা হবে। ইবরাহীম (র) বলেন, যদি সে বলে, ‘‘তোমাকে আমার কোন প্রয়োজন নেই’’; তবে তার নিয়্যাত অনুসারে কাজ হবে। আর প্রত্যেক সম্প্রদায়ের লোক তাদের নিজস্ব ভাষায় তালাক দিতে পারে। কাতাদা (র) বলেনঃ যদি কেউ বলে তুমি গর্ভবতী হলে, তোমার প্রতি তিন, তালাক। তাহলে সে প্রত্যেক তুহরে স্ত্রীর সাথে একবার সংগম করবে। যখন গর্ভ প্রকাশ পাবে, তৎক্ষণাৎ সে স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। হাসান (র) বলেন, যদি কেউ বলে, ‘‘ তুমি তোমার পরিবারের কাছে চলে যাও’’, তবে তার নিয়্যাত অনুযায়ী কাজ হবে। ইবন ‘আব্বাস (রা) বলেনঃ প্রয়োজনের তাগিদে তালাক দেওয়া যায়। আর দাসমুক্তি আল্লাহর সুন্তুষ্টির উদ্দেশ্যে থাকলেই করা যায়। যুহরী (র) বলেন, যদি কেউ বলেঃ তুমি আমার স্ত্রী নও, তবে তালাক হওয়া বা না হওয়া নিয়্যাতের উপর নির্ভর করবে। যদি সে তালাকের নিয়্যাত করে থাকে, তবে তাই হবে। ‘আলী (রা) (উমর (রা) কে সম্বোধন করে) বলেনঃ আপনি কি অবগত নন যে, তিন ধরনের লোক থেকে কসম তুলে নেয়া হয়েছে। এক পাগল ব্যক্তি যতক্ষণ না সে হুশ ফিরে পায়; দুই, শিশু যতক্ষণ না সে বালেগ হয়, তিন, ঘুমন্ত ব্যক্তি, যতক্ষণ না সে জাগ্রত হয়। ‘আলী (রা) (আরও) বলেনঃ পাগল লোক ব্যতীত অন্য সকলের তালাক কার্যকর হয়। ৩ টি | ৪৮৯১-৪৮৯৩






২০৫৬. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৪৯০৪-৪৯০৫



২০৫৯. যিম্মি বা হরবীর কোন মুশরিক বা খৃস্টান স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে। ‘আবদুল ওয়ারি (র).... ইব্ন ‘আববাস (রা) থেকে বর্ণনা করেন যে, যদি কোন খৃস্টান নারী তার স্বামীর পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করে, তবে উক্ত মহিলা তার জন্য হারাম হয়ে যায়। দাউদ (র) ইব্রাহীম সায়েগ (র) থেকে বর্ণনা করেন, আতা (র) কে জিজ্ঞাসা করা হল, চুক্তিবদ্ধ কোন হরবীর স্ত্রী যদি ইসলাম গ্রহণ করে এবং ইদ্দতের মধ্যেই তার স্বামী ইসলাম গ্রহণ করে, তবে কি মহিলা তার স্ত্রী থাকবে ? তিনি উত্তর দিলেন, না তবে সে মহিলা যদি নতুনভাবে বিবাহ ও মোহ্রে সম্মত হয়। মুজাহিদ (র) বলেন, মহিলার ইদ্দতের মধ্যে স্বামী মুসলিম হলে সে তাকে বিবাহ করে নিবে। আল্লাহ্ তা’আলা বলেছেনঃ না তারা কাফিরদের জন্য হালাল, আর না কাফিরেরা তাদের জন্য হালাল। অগ্নি উপাসক স্বামী-স্ত্রী মুসলিম হলে কাতাদা ও হাসান তাদের সমবন্ধে বলেন, তাদের পূর্ব বিবাহ বলবৎ থাকবে। আর যদি তাদের কেউ আগে ইসলাম কবূল করে, আর অন্যজন অস্বীকৃতি জ্ঞাপন করে, তবে মহিলা তার থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। স্বামীর জন্য তাকে গ্রহণ করার কোন পথই থাকবে না। ইব্ন জুরায়জ (র) বলেন, আমি ‘আতা’ (র) কে জিজ্ঞসা করলামঃ মুশরিকদের কোন মহিলা যদি ইসলাম গ্রহণ করে মুসলিমদের নিকট চলে আসে, তাহলে তার স্বামী কি তার নিকট থেকে বিনিময় গ্রহণ করতে পারবে ? আল্লাহ্ তা’আলা তো বলেছেনঃ ‘‘তারা যা ব্যয় করেছে তোমরা তাদেরকে তা দিয়ে দাও।’’ তিনি উত্তর দিলেনঃ না। এ আদেশ কেবল নবী (সাঃ) ও জিম্মীদের মধ্যে ছিল। (মুশরিকদের বেলায় এটা প্রযোজ্য নয়)। মুজাহিদ (র) বলেনঃ এ সব ছিল সে সন্ধির ক্ষেত্রে যা নবী (সাঃ) ও কুরায়শদের মধ্যে স্বাক্ষরিত হয়েছিল। ১ টি | ৪৯০৮-৪৯০৮


২০৬১. নিরুদ্দিষ্ট ব্যক্তির পরিবার ও তার সম্পদের বিধান। ইব্ন মুসাইয়্যাব (র) বলেন, যুদ্ধের ব্যূহ থেকে কোন ব্যক্তি নিখোঁজ হলে এক বছর অপেক্ষা করবে। ইব্ন মাসউদ (রা) একটি দাসী ক্রয় করে এক পর্যন্ত তার মালিককে খুঁজলেন (মূল পরিশোধ করার জন্য)। তিনি তাকে পেলেন না, সে নিখোঁজ হয়ে যায়। অবশেষে তিনি এক দিরহাম, দুই দিরহাম করে দান করতেন এবং বলতেনঃ হে আল্লাহ্ ! এটা অমুকের পক্ষ থেকে দিচ্ছি। যদি মালিক এসে যায়, তবে এর সাওয়াব আমি পাব, আর তার টাকা পরিশোধ করার দায়িত্ব হবে আমার। তিনি বলেনঃ হারনো প্রাপ্তির ব্যাপারেও তোমরা এরূপ কাজ করবে। ইব্ন মাসউদ (রা)-ও এরূপ মত ব্যক্ত করেছেন। ঠিকানা জানা আছে এরূপ কয়েদী সমবন্ধে যুহ্রী (র) বলেনঃ তার স্ত্রী অন্যত্র বিয়ে বসতে পারবে না এবং তার সম্পদও বন্টন করা হবে না। তবে তার খবরাখবর সম্পূর্ণরূপে বন্ধ হয়ে গেলে, তাঁর ব্যাপারে নিখোঁজ ব্যক্তির বিধান কার্যকর হবে। ১ টি | ৪৯১১-৪৯১১

২০৬৩. ইশারার মাধ্যমে তালাক ও অন্যান্য কাজ। ইব্ন ‘উমর (রা) বলেন, নাবী (সাঃ) বলেছেনঃ আল্লাহ্ চোখের পানির জন্য শাস্তি দিবেন না; তবে শাস্তি দিবেন এটার জন্য এই বলে তিনি মুখের প্রতি ইংগিত করলেন। কা’ব ইব্ন মালিক (রা) বলেন, নাবী (সাঃ) আমার প্রতি ইশারা করে বললেনঃ অর্ধেক লও। আসমা (রা) বলেন, নবী (সাঃ) সূর্যগ্রহণের সালাত আদায় করেন। ‘আয়েশা (রা) সালাত আদায় করছিলেন, এমতাবস্থায় আমি তাকে জিজ্ঞাসা করলাম ব্যাপার কি? তিনি তাঁর মাথা দ্বারা সূর্যের প্রতি ইশারা করলেন। আমি বললামঃ কোন নিদর্শন নাকি ? তিনি মাথা নেড়ে বললেনঃ জি হাঁ। আনাস (রা) বলেন, নবী (সাঃ) তাঁর হাত দ্বারা আবূ বকর (রাঃ)-এর প্রতি ইশারা করে সামনে যেতে বললেন। ইবন ‘আব্বাস (রা) বলেন, নবী (সাঃ) হাত দ্বারা ইশারা করে বললেনঃ কোন দোষ নেই। আবূ কাতাদা (রা) নবী (সাঃ) মুহরিম-এর (এহরামকারী) শিকার সম্বন্ধে বললেন, তোমদেরকে কেউ কি তাকে (মুহরিমকে) এ কাজে লিপ্ত হবার আদেশ করেছিল বা শিকারের প্রতি ইশারা করেছিলে ? লোকেরা বললঃ না। তিনি বললেন, তবে খাও। ৫ টি | ৪৯১২-৪৯১৬

২০৬৪. লি’আন (অভিশাপযুক্ত শপথ)। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘যারা তাদের স্ত্রীদের উপর অপবাদ আরোপ করবে, আবারো নিজেরা ছাড়া অন্য কোন সাক্ষীও থাকবে না .... থেকে যদি সে সত্যবাদী’’ পর্যন্ত। যদি কোন বোবা (মূক) লোক লিখিতভাবে বা ইশারায় কিংবা কোন পরিচিত ইঙ্গিতের মাধ্যমে নিজ স্ত্রীকে অপবাদ দেয়, তাহলে তার হুকুম বাকশক্তি সম্পন্ন মানুষের মতই। কেননা নবী (সাঃ) ফরয বিষয়গুলিতে ইশারা করার অনুমতি দিয়েছেন। হিজাজ ও অন্যান্য স্থানের কিছু সংখ্যক আলিমেরও এ মত। আল্লাহ্ বলেছেনঃ ‘‘সে (মরিয়ম) সন্তানের প্রতি ইশারা করলো, লোকেরা বলল, দোলনার শিশুর সাথে আমরা কিভাবে কথোপকথন করবো? যাহ্হাক বলেনঃ ইঙ্গিত এবং ইশারার মাধ্যমে। কিছু লোকের মন্তব্য হলোঃ ইশারার মাধ্যমে কোন হদ্ (শরয়ী’ দন্ড) বা লি’আন নেই, আবার তাদেরই মত হলো লিখিতভাবে কিংবা ইশারা ইঙ্গিতে তালাক দেয়া জায়েয আছে। অথচ তালাক এবং অপবাদের মধ্যে কোন ব্যবধান নেই। যদি তারা বলেঃ কথা বলা ছাড়া তো অপবাদ দেওয়া সম্ভব নয়। তাহলে তো তালাক দেওয়া, অপবাদ দেওয়া এমনিভাবে গোলাম আযাদ করা, কোনটাই ইশারার মাধ্যমে জায়েয হতে পারে না। অথচ আমরা দেখি বধির ব্যক্তিরও লি’আন করতে পারে। শা’বীও কাতাদা (র) বলেনঃ যদি কেউ আঙ্গুল দ্বারা ইশারা করে তার স্ত্রীকে বলে, তুমি তালাকপ্রাপ্তা, তাহলে ইশারার দ্বারা স্ত্রী স্বামী থেকে বিচ্ছিন্ন হয়ে যাবে। ইব্রাহীম বলেনঃ বোবা ব্যক্তি স্বহস্তে তালাকপ্রাপ্ত লিপিবদ্ধ করলে অবশ্যই তালাক হবে। হাম্মাদ বলেনঃ বোবা এবং বধির মাথার ইংগিতে বললেও জায়েয হবে। ৫ টি | ৪৯১৭-৪৯২১


























৫৬/ ভরণ পোষণ (كتاب النفقات)
56/ Supporting The Family
২২ টি হাদিস
১৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৯৬০-৪৯৮১)












৫৭/ আহার সংক্রান্ত (كتاب الأطعمة)
57/ Food, Meals
৮৯ টি হাদিস
৫৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৪৯৮২-৫০৭০)






২১১৩. ছাতু ১ টি | ৪৯৯৮-৪৯৯৮
















২১২৯. সারীদ প্রসঙ্গে ৩ টি | ৫০২৪-৫০২৬



২১৩২. হায়স প্রসঙ্গে ১ টি | ৫০৩১-৫০৩১



২১৩৫. সালন প্রসঙ্গে ১ টি | ৫০৩৬-৫০৩৬

২১৩৬. হালুয়া ও মধু ২ টি | ৫০৩৭-৫০৩৮

২১৩৭. কদূ প্রসঙ্গে ১ টি | ৫০৩৯-৫০৩৯




















২১৫৭. রুমাল প্রসঙ্গে ১ টি | ৫০৬২-৫০৬২





৫৮/ আকীকা (كتاب العقيقة)
58/ Sacrifice On Occasion Of Birth (Aquqa)
৯ টি হাদিস
৪ পরিচ্ছেদ
৫৯/ যবাহ করা, শিকার করা (كتاب الذبائح والصيد)
59/ Hunting, Slaughtering
৬৭ টি হাদিস
৩৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫০৮০-৫১৪৬)
মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের জন্য হারাম করা হয়েছে মৃত.... সুতরাং তোমরা তাদের ভয় করো না; বরং শুধু আমাকেই ভয় করো (মায়িদাহঃ ৩) পর্যন্ত এবং আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ হে ঈমানদারগণ! আল্লাহ তা’আলা অবশ্যই তোমাদিগেকে পরীক্ষা করবেন কিছু শিকার সম্বন্ধে...... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (মায়িদাহঃ ৯৪) ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেন, الْعُقُودُ অঙ্গীকারসমূহ যা কিছু হালাল করা হয় বা হারা করা হয়। إِلاَّ مَا يُتْلَى عَلَيْكُمْ শুকুর। يَجْرِمَنَّكُمْ তোমাদেরকে যেন প্ররোচিত করে। شَنَآنُ শত্রুতা। الْمُنْخَنِقَةُ যে প্রাণীটি শ্বাসরুদ্ধ করার কারণে মারা গিয়েছে। الْمَوْقُوذَةُ যে প্রাণীকে লাঠির দ্বারা আঘাত করার দরুন তার দেহ থেতলিয়ে গিয়ে মারা যায়। الْمُتَرَدِّيَةُ যে প্রাণী পাহাড়ের উপর থেকে পড়ে মারা গিয়েছে। النَّطِيحَةُ যে বকরী শিং এর গুতায় মারা গিয়েছে। ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেন, এর মধ্যে জন্তুটির তুমি লেজ বা চোখ নড়াচড়া করা অবস্থায় পাবে। সেটাকে যবাহ করবে এবং আহার করবে। ১ টি | ৫০৮০-৫০৮০






২১৭৩. শিকারী কুকুর যদি শিকারের কিছুটা খেয়ে ফেলে এবং মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ লোকেরা আপনাকে প্রশ্ন করে থাকে যে, তাদের জন্য কী হালাল করা হয়েছে? .... নিশ্চয় আল্লাহ হিসাব গ্রহণে অত্যন্ত তৎপর- পর্যন্ত (মায়িদাহঃ ৫:৪)। اجْتَرَحُوا তারা যা উপার্জন করেছে। ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেছেনঃ যদি কুকুর শিকারের কিছুটা খেয়ে ফেলে, তবে সে শিকার নস্ট করে ফেলল। কেননা, সে তো তখন নিজের জন্য ধরেছে বলে গণ্য হবে। অথচ আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেছেনঃ যেগুলোকে তোমরা শিকার শিক্ষা দিয়েছ যে ভাবে আল্লাহ্‌ তোমাদিগকে শিক্ষা দান করেছেন। কাজেই কুকুরকে প্রহার করতে হবে এবং শিক্ষা দিতে হবে, যাতে সে শিকার খাওয়া বর্জন করে। ইবন উমর (রা) এটিকে মাকরূহ বলতেন। আতা (রহঃ) বলেছেন, কুকুর যদি রক্ত পান করে আর গোশত না খায় তাহলে (সেই শিকার) খেতে পারে। ১ টি | ৫০৮৮-৫০৮৮





২১৭৮. মহান আল্লাহ্‌র এরশাদঃ তোমাদের জন্য সমুদ্রের শিকার হালাল করা হয়েছে..... (৫:৯৬)। উমর (রা) বছেলেনঃ صَيْدُهُ যা শিকার করা হয়, আর طَعَامُهُ সমুদ্র যাকে নিক্ষেপ করে। আবূ বক্‌র (রা) বলেছেনঃ মরে যা ভেসে উঠে তা হালাল। ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেছেনঃ طَعَامُهُ সমুদ্রে প্রাপ্ত মৃত জানোয়ার খাদ্য, তবে তন্মধ্যে যেটি ঘৃণিত সেটি ছাড়া। বাইন জাতীয় মাছ ইয়াহুদীরা খায় না, আমরা খাই। রাসূলুল্লাহ্‌ (সা) এর সাহাবী আবূ শুরায়হ (রা) বলেছেনঃ সমুদ্রের সব জিনিসই যবাহকৃত বলে গণ্য। আতা (র) বলেছেনঃ (সমুদ্রের) পাখি সম্পর্কে আমার মত সেটিকে যবাহ করতে হবে। ইব্‌ন জুরায়জ (র) বলেনঃ আমি আতা (র) কে খাল, বিল, নদী-নালা ও জলাশয়ের শিকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলামঃ এগুলো কি সমুদ্রের শিকার অন্তর্ভূক্ত? তিনি উত্তর দিলেনঃ হ্যাঁ। তারপর তিনি এই আয়াতটি তিলাওয়াত করেনঃ هَذَا عَذْبٌ فُرَاتٌ سَائِغٌ شَرَابُهُ وَهَذَا مِلْحٌ أُجَاجٌ وَمِنْ كُلٍّ تَأْكُلُونَ لَحْمًا طَرِيًّا এর পানি সুস্বাদু ও তৃপ্তিদায়ক (যা পান করার উপযোগী) আর অপরটির পানি লোনা ও বিস্বাদ। আর এর প্রত্যেকটি থেকেই তোমরা খাও তাজা গোশ্‌ত। হাসান সমুদ্রের কুকুরের চামগায় নির্মিত ঘোড়ার গদির উপর আরোহণ করেছেন। শা’বি (র) বলেছেনঃ আমার পরিবারের লোকেরা যদি ব্যঙ খেত, তা হলে আমি তাদের তা খাওয়াতাম। হাসান (র) কচ্ছপ খাওয়াকে দোষের মনে করতেন না। ইব্‌ন আব্বাস (রা) বলেনঃ সমুদ্রের সব ধরনের শিকার খেতে পার, যদিও তা কোন ইয়াহুদী কিংবা খৃষ্টান কিংবা অগ্নিপূজক শিকার করে থাকে। আবুদ্‌ দারদা (রা) বলেনঃ মাছ ও সূর্যের তাপ শরাবকে পাক করে। ২ টি | ৫০৯৭-৫০৯৮

২১৭৯. ফড়িং খাওয়া ১ টি | ৫০৯৯-৫০৯৯











২১৯০. নহর ও যবাহ করা। আতা (র) এর উদ্ধৃতি দিয়ে উবন জুবায়জ বলেছেন, গলা বা সিনা ব্যতীত যবাহ কিংবা নহর করা যায় না। (আতা (র) বলেন) আমি বললামঃ যে জন্তুকে যবাহ করা হয় সেটিকে আমি যদি নহর করি, তাহলে যথেষ্ট হবে কি? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। কেননা, আল্লাহ তা’আলা গরুকে যবাহ করার কথা উল্লেখ করেছেন। কাজেই যে জন্তুকে নহর করা হয়, তা যদি তুমি যবাহ কর, তবে তা জায়িয। অবশ্য আমার নিকট নহর করাই অধিক পছন্দনীয়। যবাহ অর্থ হচ্ছে রগগুলোকে কেটে দেওয়া। তিনি বললেনঃ আমি তা মনে করি না। তিনি বললেনঃ নাফি (র) আমাকে অবহিত করেছেন যে, ইবন উমর (রা) ‘নাখ’ থেকে নিষেধ করেছেন। তিনি বলেনঃ ‘নাখ’ হল হাড়ের ভিতরের সাদা রগ কেটে দেওয়া এবং তারপর ছেড়ে দেওয়া, যাতে জন্তুটি মারা যায়। আল্লাহ তা’আলা ইরশাদ করেনঃ স্মরণ কর, মূসা যখন তার সম্প্রদায়কে বলেছিলঃ আল্লাহ তোমাদের গরু যবাহ করতে আদেশ দিচ্ছেন ...... যদিও তারা যবাহ করতে উদ্যত ছিল না তবুএ তারা সেটিকে যবাহ করল”। (বাকারঃ ৬৭-৭১) পর্যন্ত। সাঈদ (র) ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণনা করেনঃ গলা ও সিনার মধ্যে জবাহ করাকে জবাহ বলে। ইবন উমর, ইবন ‌আব্বাস ও আনাস (রা) বলেনঃ যদি মাথা কেটে ফেলে তাতে দোষ নেই। ৩ টি | ৫১১৪-৫১১৬


২১৯২. মুরগীর গোশত ১ টি | ৫১২১-৫১২১

২১৯৩. ঘোড়ার গোশত ২ টি | ৫১২২-৫১২৩




২১৯৭. কস্তুরী ২ টি | ৫১৩৫-৫১৩৬

২১৯৮. খরগোশ ১ টি | ৫১৩৭-৫১৩৭

২১৯৯. গুঁই সাপ ২ টি | ৫১৩৮-৫১৩৯




৬০/ কুরবানী (كتاب الأضاحي)
60/ Al-Adha Festival Sacrifice (Adaahi)
২৮ টি হাদিস
১৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫১৪৭-৫১৭৪)














৬১/ পানীয় দ্রব্যসমূহ (كتاب الأشربة)
61/ Drinks
৬৩ টি হাদিস
৩১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫১৭৫-৫২৩৭)



























২২৪৮. পেয়ালায় পান করা ১ টি | ৫২৩৪-৫২৩৪


৬২/ রোগীদের বর্ণনা (كتاب المرضى)
62/ Patients
৩৮ টি হাদিস
২২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫২৩৮-৫২৭৫)
২২৫১. রোগের তীব্রতা ২ টি | ৫২৪৩-৫২৪৪




















৬৩/ চিকিৎসা (كتاب الطب)
63/ Medicine
৯১ টি হাদিস
৫৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫২৭৬-৫৩৬৬)





২২৭৮. কালোজিরা ২ টি | ৫২৮৫-৫২৮৬














২২৯৩. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৫৩০৫-৫৩০৫




২২৯৭. পাঁজরের ব্যথা ২ টি | ৫৩০৯-৫৩১০










২৩০৭. বদ নযর লাগা সত্য ১ টি | ৫৩২৯-৫৩২৯








২৩১৫. শুভ-অশুভ লক্ষন ২ টি | ৫৩৪৪-৫৩৪৫


২৩১৭. গণনা বিদ্যা ৪ টি | ৫৩৪৭-৫৩৫০

২৩১৮. যাদু সম্পর্কে। মহান আল্লাহর বাণীঃ শায়তানরাই কুফুরী করেছিল, তারা মানুষকে যাদু শিক্ষা দিত এবং যা বাবিল শহরে হারুত ও মারুত ফেরেশতাদ্বয়ের উপর অবতীর্ণ হয়েছিল ………… পরকালে তার কোন অংশ নেই পর্যন্ত(বাকারাঃ ১০২) মহান আল্লাহর বাণীঃ যাদুকর যে যেথায়ই আসুক, সফল হবে না- (ত্বহাঃ৬-৯)। মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমরা কি দেখে শুনে যাদুর কবলে পড়বে? (আম্বিয়াঃ ৩)। মহান আল্লাহর বাণীঃ তখন তাদের যাদুর কারনে মূসার মনে হল যে, তাদের রশি আর লাঠিগুলো ছুটাছুটি করছে (ত্বহাঃ ৬৬)। মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং সে সব নারীর অনিষ্ট থেকে যারা গ্রন্থিতে ফুঁৎকার দেয় (ফালাকঃ ৪) النَّفَّاثَاتُ অর্থ যাদুকর নারী, যারা যাদু করে চোখে ধাঁধা লাগিয়ে দেয়। ১ টি | ৫৩৫১-৫৩৫১


২৩২১. যাদু ১ টি | ৫৩৫৪-৫৩৫৪







২৩২৮. গাধীর দুধ ১ টি | ৫৩৬৫-৫৩৬৫


৬৪/ পোষাক-পরিচ্ছদ (كتاب اللباس)
64/ Dress
১৭৮ টি হাদিস
১০২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৩৬৭-৫৫৪৪)












২৩৪৩. পায়জামা ২ টি | ৫৩৮৮-৫৩৮৯

২৩৪৪. পাগড়ী ১ টি | ৫৩৯০-৫৩৯০


২৩৪৬. লৌহ শিরস্ত্রাণ ১ টি | ৫৩৯২-৫৩৯২






২৩৫২. সবুজ পোশাক ১ টি | ৫৪০৮-৫৪০৮

২৩৫৩. সাদা পোশাক ২ টি | ৫৪০৯-৫৪১০











২৩৬৪. লাল কাপড় ১ টি | ৫৪৩০-৫৪৩০

২৩৬৫. লাল ‘মীছারা’ ১ টি | ৫৪৩১-৫৪৩১








২৩৭৪. স্বর্ণের আংটি ৩ টি | ৫৪৪৪-৫৪৪৬

২৩৭৫. রূপার আংটি ১ টি | ৫৪৪৭-৫৪৪৭

২৩৭৬. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৫৪৪৮-৫৪৪৯

২৩৭৭. আংটির মোহর ২ টি | ৫৪৫০-৫৪৫১

২৩৭৮. লোহার আংটি ১ টি | ৫৪৫২-৫৪৫২

২৩৭৯. আংটিতে নকশা করা ২ টি | ৫৪৫৩-৫৪৫৪








২৩৮৭. হার ধার নেওয়া ১ টি | ৫৪৬২-৫৪৬২






২৩৯৩. নখ কাটা ৩ টি | ৫৪৭০-৫৪৭২

২৩৯৪. দাঁড়ি বড় রাখা ১ টি | ৫৪৭৩-৫৪৭৩


২৩৯৬. খিযাব ১ টি | ৫৪৭৮-৫৪৭৮

২৩৯৭. কোঁকড়ানো চুল ১০ টি | ৫৪৭৯-৫৪৮৮

২৩৯৮. মাথার চুল জট করা ৩ টি | ৫৪৮৯-৫৪৯১


২৪০০. চুলের ঝুটি ২ টি | ৫৪৯৪-৫৪৯৫




২৪০৪. চিরুনি করা ১ টি | ৫৫০০-৫৫০০








২৪১২. পরচুলা লাগানো ৬ টি | ৫৫০৮-৫৫১৩

২৪১৩. ভ্রু উপড়ে ফেলা ১ টি | ৫৫১৪-৫৫১৪

২৪১৪. পরচুলা লাগানো ৪ টি | ৫৫১৫-৫৫১৮



২৪১৭. ছবি ১ টি | ৫৫২৫-৫৫২৫


২৪১৯. ছবি ভেঙ্গে ফেলা ২ টি | ৫৫২৮-৫৫২৯











২৪৩০. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৫৫৪২-৫৫৪২


৬৫/ আচার ব্যবহার (كتاب الأدب)
65/ Good Manner And From (Al- Adab)
২৪৯ টি হাদিস
১২৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৫৪৫-৫৭৯৩)

































২৪৬৭. সকল কাজে নম্রতা ২ টি | ৫৫৯৯-৫৬০০


































২৫০২. উত্তম চরিত্র ২ টি | ৫৬৬৭-৫৬৬৮







২৫১০. লজ্জাশীলতা ৩ টি | ৫৬৮৭-৫৬৮৯







২৫১৭. মেহমানের হক ১ টি | ৫৭০৪-৫৭০৪























২৫৩৯. ‘হাযন’ নাম ১ টি | ৫৭৫৭-৫৭৫৭



২৫৪২. ওয়ালীদ নাম রাখা ১ টি | ৫৭৬৭-৫৭৬৭












২৫৫৪. ঢিল ছোঁড়া ১ টি | ৫৭৮৭-৫৭৮৭






৬৬/ অনুমতি চাওয়া (كتاب الاستئذان)
66/ Asking Permission
৭২ টি হাদিস
৫২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৭৯৪-৫৮৬৫)
২৫৬১. সালামের সূচনা ১ টি | ৫৭৯৪-৫৭৯৪

২৫৬২. আল্লাহ তা’আলার বানীঃ হে ঈমানদারগন! তোমরা নিজেদের ঘর ছাড়া অন্য কারো ঘরে, যে পর্যন্ত সে ঘরের লোকেরা অনুমতি না দেবে এবং তোমরা গৃহবাসীকে সালাম না করবে, প্রবেশ করো না। এ ব্যবস্থা তোমাদের জন্য অতি কল্যাণকর, যাতে তোমরা নসীহত গ্রহন কর। যদি তোমরা সে ঘরে কাউকে জবাবদাতা না পাও, তবে তোমাদের অনুমতি না দেওয়া পর্যন্ত তাতে প্রবেশ করবে না। যদি তোমাদের বলা হয় ফিরে যাও তবে তোমরা ফিরে যাবে, এই তোমাদের জন্য পবিত্রতম কাজ। আর তোমরা যা কর সে সম্পর্কে আল্লাহ বিশেষ অবহিত। অবশ্য যে সব ঘরে কেউ বসবাস করে না, আর তাতে যদি তোমাদের মাল আসবাব থাকে, সে সব ঘরে প্রবেশ করলে তোমাদের কোন গুনাহ হবে না। তোমরা প্রকাশ্যে অথবা গোপনে যা কিছুই কর না কেন, তা সবই আল্লাহ জানেন। সাঈদ ইবন আবুল হাসান হাসান (রাঃ) কে বললেনঃ অনারব মহিলারা তাদের মাথা ও বক্ষ খোলা রাখে। তিনি বললেনঃ তোমার চোখ ফিরিয়ে রেখো। আল্লাহ তা’আলার বানীঃ হে নবী! আপনি ঈমানদার পুরুষদের বলে দিন, তারা যেন নিজেদের দৃষ্টি অবনত করে চলে এবং নিজেদের লজ্জাস্থান সংরক্ষন করে। কাতাদা (রহঃ) বলেন, অর্থাৎ যারা তাদের জন্য হালাল নয়, তাদের থেকে। হে নবী! আপনি ঈমানদার মহিলাদেরকেও বলে দিন, তারাও যেন তাদের দৃষ্টি অবনত রাখে এবং নিজেদের লজ্জাস্থান হিফাযত করে। আর আল্লাহ তা’আলার বানীঃ خَائِنَةَ الأَعْيُنِ (অর্থাৎ খেয়ানতকারী চোখ) অর্থাৎ নিষিদ্ধ স্থানের দিকে তাকানো সম্পর্কে। আর ঋতুমতী হয়নি, এমন মেয়েদের দিকে তাকানো সম্পর্কে। ইমাম যুহরী (রহঃ) বলেন, অপ্রাপ্ত বয়স্কা হলেও এসব মেয়েদের এমন কিছু অঙ্গ প্রত্যঙ্গের দিকে তাকানো নাজায়েয, যা দেখলে লোভ সৃষ্টি হতে পারে আতা ইবন রাবাহ ঐসব কুমারীদের দিকে তাকানোও মাকরূহ বলতেন, যাদের মক্কার বাজারে বিক্রির জন্য আনা হতো। তবে কেনার উদ্দেশ্যে তা হল সতন্ত্র করা। ২ টি | ৫৭৯৫-৫৭৯৬







২৫৭০. পর্দার আয়াত ৩ টি | ৫৮০৪-৫৮০৬

২৫৭১. তাকানোর অনুমতি ২ টি | ৫৮০৭-৫৮০৮

































২৬০৪. চিত হয়ে শোয়া ১ টি | ৫৮৫০-৫৮৫০









৬৭/ দু’আ (كتاب الدعوات)
67/ Invocations
১০৪ টি হাদিস
৬৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৮৬৬-৫৯৬৯)


২৬১৮. ডান পাশে শয়ন করা ১ টি | ৫৮৭১-৫৮৭১








২৬২৬. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৫৮৮১-৫৮৮১

২৬২৭. মধ্যরাতের দু'আ ২ টি | ৫৮৮২-৫৮৮৫









































২৬৭০. বারবার দু’আ করা ১ টি | ৫৯৪৯-৫৯৪৯






২৬৭৬. আমীন বলা ১ টি | ৫৯৬০-৫৯৬০







৬৮/ কোমল হওয়া (كتاب الرقاق)
68/ To Make The Heart Tender (Ar-Riqaq)
১৫৭ টি হাদিস
৫১ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৫৯৭০-৬১২৬)























২৭০৭. আল্লাহর ভয় ২ টি | ৬০৩৬-৬০৩৭













২৭২০. তাওয়াজু (বিনয়) ২ টি | ৬০৫৭-৬০৫৮



২৭২৩. মৃত্যুযন্ত্রনা ৭ টি | ৬০৬৬-৬০৭২



২৭২৬. হাশরের অবস্থা ৮ টি | ৬০৭৮-৬০৮৫







৬৯/ হাউয (كتاب الحوض)
69/ Haudge
১৫ টি হাদিস
১ পরিচ্ছেদ
৭০/ তাকদির (كتاب القدر)
70/ Divine Will (Al-Qadar)
২৬ টি হাদিস
১৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬১৪২-৬১৬৭)
পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৬১৪২-৬১৪৩















৭১/ শপথ ও মানত (كتاب الأيمان والنذور)
71/ Oaths and Vows
৮৩ টি হাদিস
৩২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬১৬৮-৬২৫০)






























৭২/ শপথের কাফফারা (كتاب كفارات الأيمان)
72/ Expiation For Unfulfilled Oaths
১৭ টি হাদিস
১০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬২৫১-৬২৬৭)








৭৩/ উত্তরাধিকার (كتاب الفرائض)
73/ Laws of Inheritance (Al-Faraa'id)
৪৭ টি হাদিস
৩০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬২৬৮-৬৩১৪)














২৮০৫. যাবিল আরহাম ১ টি | ৬২৯১-৬২৯১














৭৪/ শরীয়তের শাস্তি (كتاب الحدود)
74/ Limits and Punishments set by Allah (Hudood)
৩১ টি হাদিস
১৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৩১৫-৬৩৪৫)




২৮২৬. চোর যখন চুরি করে ১ টি | ৬৩২৫-৬৩২৫








২৮৩৪. চোরের তাওবা ২ টি | ৬৩৪৪-৬৩৪৫
৭৫/ কাফের ও ধর্মত্যাগী বিদ্রোহীদের বিবরণ (كتاب المحاربين من اهل الكفر والردة)
75/ Punishment of Disbelievers at War with Allah and His Apostle
৫০ টি হাদিস
৩২ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৩৪৬-৬৩৯৫)






























৭৬/ রক্তপন (كتاب الديات)
76/ Blood Money (Ad-Diyat)
৫৪ টি হাদিস
৩০ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৩৯৬-৬৪৪৯)

















২৮৮৬. যখন একটি দল কোন এক ব্যক্তিকে বিপন্ন করে তোলে, তখন তাদের সকলকে শাস্তি প্রদান করা হবে কি? অথবা সকলের নিকট থেকে কিসাস গ্রহন করা হবে কি? মুতাররিফ (রহঃ) শাবী (রহঃ) থেকে এমন দু জন ব্যক্তির ব্যাপারে বর্ণনা করেন যারা এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে সাক্ষ্য প্রদান করেছিল যে, সে চুরি করেছে। তখন আলী (রাঃ) তার হাত কেটে ফেললেন। তারপর তারা অপর একজনকে নিয়ে এসে বলল, আমরা ভুল করে বসেছি। তখন তিনি তাদের সাক্ষ্য বাতিল করে দিলেন এবং প্রথম ব্যক্তির দীয়ত (রক্তপণ) গ্রহণ করলেন। আর বললেন, যদি আমি জানতাম যে তোমরা ইচ্ছাকৃতভাবে কাজটি করেছে, তাহলে তোমাদের উভয়ের হাত কেটে ফেলতাম। আবূ আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, আমাকে ইবনু বাশশার (রহঃ) ইবনু উমর (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন যে, একটি বালককে গোপনে হত্যা করা হয়। তখন উমর (রাঃ) বললেন, যদি গোটা সান’আবাসী এতে অংশ নিত তাহলে আমি তাদেরকে হত্যা করতাম। মুগীরা ইবনু হাকীম (রহঃ) আপন পিতা হাকীম থেকে বর্ণনা করেছেন যে, চারজন লোক একটি বালককে হত্যা করেছিল। তখন উমর (রাঃ) অনুরূপ কথা বলেছিলেন। আবূ বকর ও ইবনু যুবায়র, আলী ও সুওয়ায়দ ইবনু মুকাররিন (রাঃ) থাপ্পড়ের ক্ষেত্রে কিসাসের নির্দেশ দেন। উমর (রাঃ) ছড়ি দিয়ে প্রহারের ব্যাপারে কিসাসের নির্দেশ দেন। আর আলী (রাঃ) তিনটি বেত্রাঘাতের জন্য কিসাসের নির্দেশ দেন এবং শুরায়হ (রহঃ) একটি বেত্রাঘাত ও নখের আঁচড়ের জন্য কিসাস কার্যকর করেন। ১ টি | ৬৪৩০-৬৪৩০




২৮৯০. মহিলার ভ্রুন ৪ টি | ৬৪৩৭-৬৪৪০




২৮৯৪. পশু আহত করলে তাতে কোন ক্ষতিপূরন নেই। ইবনু সীরীন (রহঃ) বলেন, তাদের সময়ে পশুর লাথির আঘাতের ক্ষেত্রে ক্ষতিপূরন প্রদানের ফায়সালা দিতেন না এবং লাগাম টানার দরুন কোন ক্ষতি সাধিত হলে ক্ষতিপূরনের ফায়সালা দিতেন। হাম্মাদ (র) বলেন, লাথির আঘাতের দরুন দায়ী করা যাবে না। তবে যদি কোন ব্যক্তি পশুটিকে খোঁচা মারে। শুরায়হ (রহঃ) বলেন, প্রতিশোধমূলক আঘাতের দরুন পশুকে দায়ী করা যাবে না। যেমন কেউ কোন পশুকে আঘাত করল, তখন পশুটিও তাকে পা দিয়ে আঘাত করল। হাকাম (র) ও হাম্মাদ (র) বলেন যদি ভাড়াটিয়া ব্যক্তি গাধাকে হাঁকিয়ে নেয়, যে গাধার উপর কোন মহিলা বসা থাকে আর মহিলাটি গাধা থেকে পড়ে যায়, তাহলে তার উপর কিছু বর্তিবে না। শা’বী (র) বলেন, যদি কেউ কোন পশু চালায় এবং তাকে ক্লান্ত করে ফেলে, তাহলে তার উপর ক্ষতিপূরণ বর্তিবে। আর যদি ধীরে ধীরে চালায় তাহলে বর্তিবে না। ১ টি | ৬৪৪৫-৬৪৪৫



৭৭/ আল্লাহদ্রোহী ও ধর্মত্যাগীদেরকে তওবার প্রতি আহবান ও তাদের সাথে যুদ্ধ (كتاب استتابة المرتدين والمعاندين وقتالهم)
77/ Apostates
২১ টি হাদিস
৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৪৫০-৬৪৭০)



২৯০২. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৬৪৬০-৬৪৬০




৭৮/ বল-প্রয়োগে বাধ্য করা (كتاب الإكراه)
78/ Saying Something Under Compulsion (Ikraah)
১২ টি হাদিস
৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৪৭১-৬৪৮২)
আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ তবে তার জন্য নয় (যাকে সত্য প্রত্যাখ্যানে) বাধ্য করা হয়। কিন্তু তার চিত্ত বিশ্বাসে অবিচলিত। আর যে সত্য প্রত্যাখ্যানে হৃদয় উন্মুক্ত রাখল তার উপর আপতিত হবে আল্লাহ্‌র গযব... আয়াতের শেষ পর্যন্ত (১৬ঃ ১০৬)। আল্লাহ্‌ বলেনঃ তবে যদি তোমরা তাদের নিকট হতে কোন ভয়ের আশংকা কর আর تقية ... একই অর্থ (৩ঃ ২৮)। আল্লাহ্‌ তা’আলা আরো বলেন, যারা নিজেদের উপর জুলম করে, তাদের প্রাণ হরণের সময় ফেরেশ্তাগণ বলে, তোমরা কি অবস্থায় ছিলে। তারা বলে, দুনিয়ায় আমরা অসহায় ছিলাম। তারা বলে, তোমরা নিজ দেশ ত্যাগ করে অন্য দেশে বসবাস করতে পারতে আল্লাহ্‌র দুনিয়া কি এমন প্রশস্ত ছিল না? ... আল্লাহ্‌ পাপ মোচনকারী ও ক্ষমাশীল পর্যন্ত (৪ঃ ৯৭-৯৯)। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেন এবং অসহায় নরনারী ও শিশুদের জন্য? যারা বলে ... সহায় পর্যন্ত। (৪ঃ ৭৫) আবূ আবদুল্লাহ (ইমাম বুখারী) (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌ অসহায়দেরকে ক্ষমার্হ বলে চিহ্নিত করেছেন। যারা আল্লাহ্‌র নির্দেশসমূহ পরিত্যাগ করা থেকে বিরত থাকতে পারে না। আর বল প্রয়োগকৃত ব্যক্তি এমনই অসহায় হয় যে, সে ঐ কাজ থেকে বিরত থাকতে পারে না, যার নির্দেশ তাকে দেওয়া হয়েছে। হাসান (রহঃ) বলেন, তকিয়া কিয়ামত পর্যন্ত অবধারিত। ইবন আব্বাস (রাঃ) ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে বলেন, যাকে জালিমরা বাধ্য করার দরুন সে তালাক প্রদান করে ফেলে তা কিছুই নয়। ইবন উমর (রাঃ), ইবন যুবায়র (রাঃ) শা’বী (রহঃ) এবং হাসান (রহঃ) ও এ মত পোষণ করেন। আর নবী (সাঃ) বলেছেন, সকল কাজই নিয়তের সাথে সম্পৃক্ত ১ টি | ৬৪৭১-৬৪৭১







২৯১৩. যখন কোন ব্যক্তি তার সঙ্গীর ব্যাপারে নিহত হওয়া বা অনুরূপ কিছুর আশঙ্কা করে তখন (তার কল্যাণার্থে) কসম করা যে, সে তার ভাই। অনুরূপভাবে যে কোন বল প্রয়োগকৃতব্যক্তির ব্যাপারে যখন কোন প্রকার আশঙ্কা দেখা দেয়। কেননা, এক মুসলিম অন্য মুসলিমকে জালিমের হাত থেকে রক্ষা করবে। তার জন্য লড়াই করবে, তাকে লাঞ্ছিত করবে না। যদি সে মজলুমের জন্যে লাড়াই করে তাহলে তার উপর কোন ‘হদ’ বা কিসাস নেই। যদি কাউকে বলা হয় তোমাকে অবশ্যই মদ পান করতে হবে, অথবা মৃতের গোশত খেতে হবে, অথবা তোমাকে দাসকে বিক্রি করতে হবে অথবা তোমাকে ঋণ স্বীকার করতে হবে অথবা কিছু দান করতে হবে অথবা কিছু দান করতে হবে বা অনুরূপভাবে যে কোন চুক্তির কথা বলা হয়। অন্যথায় আমরা তোমার পিতাকে অথবা মুসলিম ভাইকে হত্যা করে ফেলব। তখন তার জন্য ঐসব কাজ করার অনুমতি আছে। কেননা, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেনঃ এক মুসলিম অপর মুসলিমের ভাই। কেউ কেউ বলেন, যদি বলা হয়, তোমাকে অবশ্যই মদ পান করতে হবে, অথবা মৃতের গোশত খেতে হবে, অন্যথায় আমরা তোমার পুত্রকে বা তোমার পিতাকে বা তোমার কোন নিকট আত্মীয়কে হত্যা করে ফেলব, তখন তার জন্য এসব কাজ করার অনুমতি নেই। কেননা, সে নিরুপায় নয়। কেউ কেউ এর বিপরীত রায় ব্যক্ত করে বলেন, যদি তাকে বলা হয়, আমরা অবশ্যই তোমার পিতাকে বা তোমার পুত্রকে হত্যা করে ফেলব, না হয় তোমাকে ঔ গোলামটি বিক্রি করতে হবে, অথবা তোমাকে ঋণ স্বীকার করতে হবে, অথবা হেবা স্বীকার করতে হবে, তাহলে কিয়াসের দৃষ্টিতে তার জন্য তা জরুরী হয়ে যায়। তবে ইস্তিহসানের পরিপ্রেক্ষিতে আমরা বলি যে এ ক্ষেত্রে বিক্রি, দান বা যে কোন চুক্তি বাতিল গণ্য হবে। অতএব তারা কিতাব (কুরআন), সুন্নাহ ব্যাতিরেকেই নিকটাত্মীয় ও আত্মীয়দের মধ্যে প্রভেদ করে নিল। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেনঃ ইবরাহীম (আঃ) তাঁর স্ত্রী সম্পর্কে বলেছেন, ইনি আমার বোন। আর ওটি ছিল আল্লাহর ব্যাপারে (দীনের ভিত্তিতে)। নাখাঈ (র) বলেন, যে ব্যক্তি হলফ করায়, সে যদি অত্যাচারী হয় তা হলে হলফকারীর নিয়তই গ্রহণীয় হবে। আর যিদ সে মজলুম হয় তাহলে তার নিয়তই কার্যকর হবে। ২ টি | ৬৪৮১-৬৪৮২
৭৯/ কূটকৌশল (كتاب الحيل)
79/ Tricks
২৮ টি হাদিস
১৫ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৪৮৩-৬৫১০)
২৯১৫. নামায ১ টি | ৬৪৮৪-৬৪৮৪


২৯১৭. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৬৪৮৯-৬৪৯০





২৯২২. যদি কেউ কোন বাঁদী অপহরণ করার পর বলে, সে মারা গেছে এবং বিচারকও মৃত বাঁদীর মূল্যের ফয়সালা করে দেন। এরপর যদি সে বাঁদী মালিকের হস্তগত হয়ে যায়, তখন সে মালিকেরই হবে। তবে মালিক মূল্য ফেরত দেবে। এ মূল্য (বাঁদীর) দাম বলে গণ্য হবে না। কোন কোন মনিষী বলেন, বাঁদীটি অপহরণকারীরই থাকবে, কারণ মালিক মূল্য গ্রহণ করে নিয়েছে। এক্ষেত্রে ঐ লোকের জন্য একটা কূটকৌশল অবলম্বনের ব্যবস্থা গ্রহণ করে দেওয়া হল। যে লোকের কারো দাসী পছন্দ হয়, কিন্তু মালিক তা বিক্রয় করে না, তখন সে তা অপহরণ করে বাহানা করে বলল যে সে মরে গেছে, যাতে করে মালিক মূল্য গ্রহণ করে নেয়। আর অন্যের দাসী অপহরণকারীর জন্য হালাল হয়ে যায়।অথচ নবী (সাঃ) বলেনঃ একে অন্যের মাল হরণ করা তোমাদের জন্য হারাম। প্রত্যেক বিশ্বাসঘাতকের জন্য ক্বিয়ামতের দিন একটা পতাকা থাকবে। ১ টি | ৬৪৯৫-৬৪৯৫

২৯২৩. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৬৪৯৬-৬৪৯৬

২৯২৪. বিয়ে ৪ টি | ৬৪৯৭-৬৫০০




৮০/ স্বপ্নের ব্যাখ্যা প্রদান (كتاب التعبير)
80/ Interpretation of Dreams
৬১ টি হাদিস
৪৪ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৫১১-৬৫৭১)










































৮১/ ফিতনা (كتاب الفتن)
81/ Afflictions And The End Of The Warld
৮০ টি হাদিস
২৮ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৫৭২-৬৬৫১)



২৯৮১. ফিতনার প্রকাশ ৫ টি | ৬৫৮৩-৬৫৮৭













২৯৯৪. পরিচ্ছেদ নাই ৫ টি | ৬৬১৮-৬৬২২







৩০০১. পরিচ্ছেদ নাই ২ টি | ৬৬৩৫-৬৬৩৬



৩০০৪. ইয়াজূজ ও মা'জূজ ২ টি | ৬৬৫০-৬৬৫১
৮২/ আহকাম (كتاب الأحكام)
82/ Judgements (Ahkaam)
৮০ টি হাদিস
৫৩ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৬৫২-৬৭৩১)













৩০১৯. মোহরকৃত চিঠির ব্যাপারে সাক্ষ্য, এতে যা বৈধ ও সীমিত করা হয়েছে। রাষ্ট্র পরিচালকের চিঠি প্রশাসকদের কাছে এবং বিচারপতির চিঠি বিচারপতির কাছে। কোন কোন লোক বলেছেন, ‘হদ’ (শরীয়তের নির্ধারিত শাস্তি) ব্যতীত অন্যান্য ব্যাপারে রাষ্ট্র পরিচালককে চিঠি দেওয়া বৈধ। এরপর তিনি বলেছেন, হত্যা যদি ভুলবশত হয় তাহলে রাষ্ট্র পরিচালকের চিঠি বৈধ। কেননা, তাঁর মতে এটি মাল সংক্রান্ত বিষয়। অথচ এটি মাল সংক্রান্ত বিষয় বলে ঐ সময় প্রতীয়মান হবে, যখন হত্যা প্রমানিত হবে। ভুলবশত হত্যা ও ইচ্ছাকৃত হত্যা একই। উমর (রাঃ) তাঁর কর্মকর্তার নিকট জারুদের উথ্থাপিত অভিযোগের ভিত্তিতে চিঠি লিখেছিলেন। উমর ইবন আবদুল আজিজ (রঃ) ভেঙ্গে যাওয়া দাঁতের ব্যাপারে চিঠি লিখেছিলেন। ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, লেখা ও মোহর যদি চিনতে পারেন, তাহলে বিচারপতির কাছে অন্য বিচারপতির চিঠি লেখা বৈধ। শাবী, বিচারপতির পক্ষ থেকে মোহরকৃত চিঠি বৈধ মনে করতেন। ইবন উমর (রাঃ) থেকেও অনুরুপ বর্নিত। মুয়াবিয়া ইবন আবদুল কারীম সাকাফী ইবন আবদুল্লাহ ইবন আনাস, বিলাল ইবন আবু বুরদা, আবদুল্লাহ ইবন বুরায়দা, আসলামী, আমের ইবন আবীদা ও আব্বাদ ইবন মানসুরকে প্রত্যক্ষ করেছি, তাঁরা সকলেই সাক্ষীদের অনুপস্থিতিতে বিচারপতিদের চিঠি বৈধ মনে করতেন। চিঠিতে যার বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হতো সে যদি একে মিথ্যা বা জাল বলে দাবি করত, তাহলে তাকে বলা হতো যাও, এ অভিযোগ থেকে মুক্তির পথ অন্বেষন কর। সর্বপ্রথম যারা বিচারপতির চিঠির ব্যাপারে প্রমান দাবি করেছেন তারা হলেন, ইবন আবু লায়লা এবং সাওয়ার ইবন আবদুল্লাহ্। আবু নু’আয়ম (রঃ) আমাদের বলেছেন, ‍উবায়দুল্লাহ্ ইবন মুহরেয আমাদের কাছে বর্ননা করেছেন যে, “আমি বসরার বিচারপতি মূসা ইবন আনাসের কাছ থেকে চিঠি নিয়ে আসলাম। সেখানে আমি তাঁর নিকট এ মর্মে প্রমান পেশ করলাম যে, অমুকের নিকট আমার এতো এতো পাওনা আছে, আর সে কুফায় অবস্থানরত। এ চিঠি নিয়ে আমি কাসেম ইবন আবদুর রহমানের কাছে আসলাম, তিনি তা কার্যকর করলেন। হাসান ও আবু কেলাবা অসিয়্যতনামায় কি লেখা আছে তা না জেনে তার সাক্ষী হওয়াকে মাকরুহ মনে করতেন। কেননা, সে জানেনা, হয়তো এতে কারো প্রতি অবিচার করা হয়েছে। রাসূলূল্লাহ (সাঃ) খায়বারবাসীদের প্রতি চিঠি লিখেছিলেন যে, হয় তোমরা তোমাদের সাথীর ‘দিয়ত’ (রক্তপণ) আদায় কর, না হয় যুদ্ধের ঘোষনা গ্রহন কর। পর্দার অন্তরাল থেকে মহিলাদের ব্যাপারে সাক্ষ্য দেওয়া সম্পর্কে ইমাম ‍যুহরী বলেন, যদি তুমি তাকে চিনতে পার তাহলে তার সম্পর্কে সাক্ষ্য দেবে, তা না হলে সাক্ষ্য দেবে না। ১ টি | ৬৬৭৬-৬৬৭৬





৩০২৫. বিচারক নিজে বিবাদের সাক্ষী হলে, চাই তা বিচারকের পদে সমাসীন থাকাকালেই হোক কিংবা তার পূর্বে। বিচারক শুরায়হকে এক ব্যক্তি তার পক্ষে সাক্ষ্য দেওয়ার আবেদন করলে তিনি বললেন, তুমি শাসকের কাছে যাও, সেখানে আমি তোমার পক্ষে সাক্ষ্য দিব। ইকরামা (রহঃ) বলেন যে, উমর (রাঃ) আবদুর রহমান ইবন আওফ (রাঃ) কে বললেন, যদি তুমি শাসক হও, আর তুমি নিজে কোন ব্যক্তিকে হদের কাজ ‍যিনা বা চুরিতে লিপ্ত দেখ (তাহলে তুমি কি করবে?) উত্তরে তিনি বললেন (আপনি শাসক হওয়া সত্ত্বেও) আপনার সাক্ষ্য একজন সাধারন মুসলিমের সাক্ষ্যের মতোই। তিনি [উমর (রাঃ)] বললেন, তুমি ঠিকই বলেছ। উমর (রাঃ) বলেন, যদি মানুষ এরূপ বলবে বলে আশংকা না হতো যে, উমর আল্লাহর কিতাবে নিজের পক্ষ থেকে বৃদ্ধি করেছে, তাহলে আমি নিজ হাতে রজমের আয়াত লিখে দিতাম। মায়েয রাসূলূল্লাহ (সাঃ) এর কাছে চারবার যিনার কথা স্বীকার করেছিলেন, তখন তাকে রজম করার নির্দেশ দেন। আর এরূপ বর্ননা পাওয়া যায়না যে, রাসূলূল্লাহ (সাঃ) উপস্থিত ব্যক্তিদের থেকে সাক্ষ্য গ্রহন করেছেন। হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, বিচারকের নিকট কেউ একবার স্বীকার করলে তাকে রজম করা হবে। আর হাকাম (রহঃ) বলেন, চারবার স্বীকার করতে হবে ২ টি | ৬৬৮২-৬৬৮৩



















৩০৪৪. প্রশাসকদের দোভাষী নিয়োগ করা এবং একজন মাত্র দোভাষী নিয়োগ বৈধ কিনা? খারিজা ইবন যায়িদ ইবন সাবিত (রঃ) ..... যায়িদ ইবন সাবিত (রাঃ) থেকে বর্নিত যে, রাসূলূল্লাহ (সাঃ) তাকে ইহুদীদের লিখন পদ্ধতি শিক্ষা করার জন্য নির্দেশ দিয়েছিলেন। তিনি বলেন, যার ফলে আমি রাসূলূল্লাহ (সাঃ) এর পক্ষ থেকে তাঁর চিঠিপত্র লিখতাম এবং তারা কোন চিঠিপত্র লিখলে তা তাকে পাঠ করে শোনাতাম্। উমর (রাঃ) বললেন, তখন তাঁর কাছে উপস্থিত ছিলেন আলী, আবদুর রহমান ও উসমান (রাঃ)। এই স্ত্রীলোকটি কি বলছে? আবদুর রহমান ইবন হাতিব বলেন, আমি বললাম, স্ত্রীলোকটি তার এক সঙ্গী সম্পর্কে আপনার নিকট অভিযোগ করছে যে, সে তার সাথে অপকর্ম করেছে। আবু জামরা বলেন, আমি ইবন আব্বাস (রাঃ) ও লোকদের মধ্যে দোভাষীর কাজ করতাম। আর কেউ কেউ বলেছেন, প্রত্যেক প্রশাসকের জন্য দু’জন করে দোভাষী থাকা অত্যাবশ্যকীয় ১ টি | ৬৭০৪-৬৭০৪











৩০৫৫. খলীফা বানানো ৫ টি | ৬৭২৪-৬৭২৮

৩০৫৬. পরিচ্ছেদ নাই ১ টি | ৬৭২৯-৬৭২৯


৮৩/ আকাঙ্ক্ষা (كتاب التمنى)
83/ Wishes
২০ টি হাদিস
৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৭৩২-৬৭৫১)







৮৪/ খবরে ওয়াহিদ (كتاب أخبار الآحاد)
84/ Accepting Information Given By A Truthful Person
২০ টি হাদিস
৬ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৭৫২-৬৭৭১)
৩০৬৮. সত্যবাদী বর্ণনাকারীর খবরে ওয়াহিদ আযান, নামায, রোযা, ফরয ও অন্যান্য আহকামের বিষয় গ্রহণযোগ্য। আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ “তাদের প্রত্যেক দলের এক অংশ বহির্গত হয় না কেন? যাতে তারা দ্বীন সম্বন্ধে জ্ঞানানুশীলন করতে পারে এবং তাদের সম্প্রদায়কে সতর্ক করতে পারে, যখন তারা তাদের নিকট ফিরে আসবে, যাতে তারা সতর্ক হয় (৯ঃ ১২২)। طَائِفَة শব্দটি এক ব্যক্তিকেও বলা যায়। কেননা আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ মু’মিনদের দুই দল দ্বন্দে লিপ্ত হলে ... (৪৯ঃ ৯) অতএব যদি দুই ব্যক্তি দ্বন্দে লিপ্ত হয় তবে তা এ আয়াতের অর্থের অন্তর্ভুক্ত হবে। আল্লাহ তা’আলার বাণীঃ যদি কোন পাপাচারী তোমাদের কাছে কোন বার্তা আনয়ন করে তোমরা তা পরিক্ষা করে দেখবে যাতে অজ্ঞতাবশত তোমরা কোন সম্প্রদায়কে ক্ষতিগ্রস্ত না করে ... (৪৯ঃ ৬)। নবী (সাঃ) কিরূপে তার আমীরদের পর্যায়ক্রমে একজনের পর একজনকে পাঠাতেন – যেন তাদের কেউ ভুল করলে তাকে সুন্নাতের দিকে ফিরিয়ে আনা হয়। ১৩ টি | ৬৭৫২-৬৭৬৪





৮৫/ কুরআন ও সুন্নাহকে দৃঢ়ভাবে ধারন (كتاب الاعتصام بالكتاب والسنة)
85/ Holding Fast To The Qur'An And Sunnah
৯৬ টি হাদিস
২৯ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৭৭২-৬৮৬৭)

৩০৭৬. নবী (সাঃ) এর সুন্নাতের অনুসরণ বাঞ্জনীয়। আর আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্য আদর্শস্বরূপ কর (২৫ঃ ৭৪)। জনৈক বর্ণনাকারী বলেছেন, এরূপ ইমাম যে আমরা আমাদের পূর্ববর্তীদের অনুসরণ করব, আর আমাদের পরবর্তীরা আমাদের অনুসরণ করবে। ইবন আউন বলেন, তিনটি জিনিস আমি আমার নিজের জন্য ও আমার ভাইদের জন্য পছন্দ করি। (তার একটি হল) এই সুন্নাত, যা শিখবে এবং জানবার জন্য এর সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। (দ্বিতীয়টি হল) কুরআন যা তারা ভালভাবে বুঝতে চেষ্টা করবে এবং জানবার জন্য এর সম্পর্কে প্রশ্ন করবে। এবং কল্যাণ ব্যতীত লোকদের থেকে পৃথব থাকবে (অর্থাৎ কল্যাণের প্রতি আহবান করবে) ১২ টি | ৬৭৭৯-৬৭৯০


























৩১০২. মহান আল্লাহর বাণীঃ তারা নিজেদের মধ্যে পরামর্শের মাধ্যমে নিজেদের কর্ম সম্পাদন করে। (৪০ঃ ৩৮) এবং পরামর্শ করো তাঁদের সাথে (দীনী) কর্মের ব্যাপারে। পরামর্শ হলো স্থির সিদ্ধান্ত ও লক্ষ্য নির্ধারণের পূর্বে। যেমন, মহান আল্লাহর বাণীঃ এরপর যখন তুমি দৃঢ়সংকল্প হও, তখন আল্লাহর উপর ভরসা কর। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যখন কোন বিষয়ে দৃঢ়সংকল্প হন, তখন আল্লাহ্‌ ও তাঁর রাসূলের মতের পরিপন্থী অগ্রসর হওয়ার ব্যাপারে কারো কোন অধিকার থাকে না। ওহুদের যুদ্ধের দিনে রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাঁর সাহাবীদের সাথে এ পরামর্শ করেন যে, যুদ্ধ কি মদীনায় অবস্থান করেই চালাবেন, না বাইরে গিয়ে? সাহাবাগণ মদীনার বাইরে গিয়ে যুদ্ধ করাকে রায় দিলেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) যুদ্ধের পোশাক পরিধান করলেন এবং যখন যুদ্ধের জন্য দৃঢ়প্রতিজ্ঞ হলেন, তখন সাহাবাগণ আরয করলেন, মদীনায়ই অবস্থান করুন। কিন্তু তিনি দৃঢ়সংকল্প হওয়ার পর তাঁদের এই মতামতের প্রতি ভ্রক্ষেপ করলেন না। তিনি মন্তব্য করলেনঃ কোন নবীর সামরিক পোশাক পরিধান করার পর আল্লাহর পক্ষ থেকে নির্দেশ না পাওয়া পর্যন্ত তা খুলে ফেলা সমীচীন নয়। তিনি আলী (রাঃ) ও উসামা (রাঃ) এর সাথে আয়েশার উপর যিনার মিথ্যা অপবাদ লাগানোর ব্যাপারে পরামর্শ করেন। তাদের কথা তিনি শোনেন। এরপর কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ হয়। মিথ্যা অপবাদকারীদেরকে তিনি বেত্রাঘাত করেন। তাঁদের পরস্পর মতান্তরের দিকে লক্ষ্য না করে আল্লাহর নির্দেশানুসারেই সিদ্ধান্ত নেন। রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর পরে ইমামগণ মুবাহ্ বিষয়াদিতে বিশ্বস্ত আলেমদের কাছে পরামর্শ চাইতেন, যেন তুলনামূলক সহজ পথ তারা গ্রহন করতে পারেন। হ্যাঁ, যদি কিতাব কিংবা সুন্নাহতে আলোচ্য বিষয়ে কোন পরিষ্কার ব্যাখ্যা পাওয়া যেত, তখন তারা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর কথারই অনুসরণ করতেন, অন্য কারো কথার প্রতি ভ্রক্ষেপ করতেন না। (নবী (সাঃ) এর অনুসরণেই) যাকাত যারা বন্ধ করে দিয়েছিল, আবু বকর (রাঃ) তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করার সিদ্ধান্ত গ্রহন করলেন। উমর (রাঃ) তখন বললেন, আপনি কিভাবে লোকদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করবেন, অথচ রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেনঃ আমি এতক্ষণ পর্যন্ত তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ না তারা বলবে ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’। তারা যখন ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ্’ বলবে তখন তারা আমার কাছ থেকে তাদের জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা লাভ করবে। তবে ইসলামের হকের ব্যাপার ভিন্নতর। আর সে ব্যাপারে তাদের হিসাব-নিকাশ আল্লাহর উপর। আবু বকর (রাঃ) বললেন, আল্লাহর কসম! আমি তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অবশ্যই করব, যারা রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর সুসংহত বিষয়ের মধ্যে বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টি করে। পরিশেষে উমর (রাঃ) তাঁর সিদ্ধান্তই মেনে নিলেন। আবু বকর (রাঃ) এ ব্যাপারে (কারো সাথে) পরামর্শ করার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেননি। কেননা, যারা নামায ও যাকাতের মধ্যে পার্থক্য সৃষ্টি করে এবং ইসলাম এর নির্দেশাবলী পরিবর্তন ও বিকৃতি সাধনের অপচেষ্টা করে, তাদের বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ্ (সা)-এর সিদ্ধান্ত তাঁর সামনে বিদ্যমান ছিল। কেননা, রাসূলুল্লাহ্ (সা) বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের দীনকে পরিবর্তন করে তাকে হত্যা কর। উমর (রাঃ) এর পরামর্শ পরিষদের সদস্যগণ কুরআন বিশেষজ্ঞ ছিলেন। চাই তারা বয়োবৃদ্ধ হোক কিংবা যুবক। আল্লাহর কিতাবের (সিদ্ধান্তের) প্রতি উমর (রাঃ) ছিলেন অধিক অবহিত ২ টি | ৬৮৬৬-৬৮৬৭
৮৬/ জাহ্‌মিয়াদের মতের খণ্ডন ও তাওহীদ প্রসঙ্গ (كتاب الرد على الجهمية و غيرهمو التوحيد)
86/ Oneness, Uniqueness Of Allah (Tawheed)
১৮৬ টি হাদিস
৫৭ পরিচ্ছেদ
সম্পূর্ণ অধ্যায় পড়ুন (৬৮৬৮-৭০৫৩)





৩১০৯. আল্লাহ্‌র বাণীঃ তিনি পরাক্রমশালী, প্রজ্ঞাময় (৫৯ঃ ২৪)। (তারা যা আরোপ করে তা থেকে) পবিত্র ও মহান তোমার প্রতিপালক, ইজ্জতের অধিকারী প্রতিপালক। ইজ্জত তো আল্লাহ্‌ এবং তাঁর রাসূলেরই। (৬৩ঃ ৮) কেউ যদি আল্লাহ্‌র ইজ্জত ও সিফাতের হলফ করে (তার হুকুম কি হবে)? আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সা) বলেছেনঃ জাহান্নাম বলবে, হে আল্লাহ্‌! তোমার ইজ্জতের কসম, যথেষ্ট হয়েছে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী (সা) থেকে বর্ণনা করেছেন, জাহান্নাম থেকে পরিত্রাণ লাভ করে সর্বশেষ জান্নাতে প্রবেশকারী ব্যক্তিটি অবস্থান করবে জাহান্নাম ও জান্নাতের মধ্যখানে। তখন সে (আর্তনাদ করে) বলবে, হে আমার প্রতিপালক! আমার চেহারাখানি জাহান্নাম থেকে ফিরে (একটু জান্নাতের দিকে করে) দিন। আপনার ইজ্জতের কসম। আপনার কাছে এ ছাড়া আমি আর কিছুই চাইব না। আবূ সাঈদ (রাঃ) বর্ণনা করেছেন, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) বলেছেনঃ তখন আল্লাহ্‌ তা’আলা (ঐ ব্যক্তিকে) বলবেন, তোমাকে তা প্রদান করা হল এবং এর সাথে আরো দশগুণ অধিক দেওয়া হল। নবী আইউব (আঃ) দোয়া করেছেনঃ হে আল্লাহ্‌! আপনার ইজ্জতের কসম! আমি আপনার বরকতের সুষমা থেকে নিজেকে অমুখাপেক্ষী মনে করি না ২ টি | ৬৮৭৯-৬৮৮০
























৩১৩৩. আল্লাহ্‌র ইচ্ছা ও চাওয়া। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ তোমরা ইচ্ছা করবে না যদি না আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করেন (৭৬ঃ ৩০)। আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ তুমি যাকে ইচ্ছা ক্ষমতা প্রদান কর (৩ঃ ২৬)। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ কখনই তুমি কোন বিষয়ে বলবে না, ‘আমি তা আগামী কাল করব, আল্লাহ্‌ ইচ্ছা করলে,’ এ কথা না বলে (১৮ঃ ২৩-২৪)। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ তুমি যাকে ভালবাস, ইচ্ছা করলেই তাকে সৎপথে আনতে পারবে না। তবে আল্লাহ্‌ যাকে চান তাকে সৎপথে আনয়ন করেন। (২৮ঃ ৫৬)। সাঈদ ইব্নুল মুসাইয়্যাব (রহঃ) তাঁর পিতা মুসাইয়্যাব থেকে বলেন, উপরোক্ত আয়াত আবূ তালিব সম্পর্কে নাযিল হয়েছে। মহান আল্লাহ্‌র বাণীঃ আল্লাহ্‌ তোমাদের জন্য যা সহজ তা চান এবং যা তোমাদের জন্য কষ্টকর তা চান না (২ঃ ১৮৫) ১৭ টি | ৬৯৫৬-৬৯৭২

৩১৩৪. আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ যাকে অনুমতি দেয়া হয়, সে ব্যতীত আল্লাহ্‌র কাছে কারো সুপারিশ ফলপ্রসূ হবে না। পরে যখন তাদের অন্তর থেকে ভয় বিদূরিত হবে, তখন পরস্পরের মধ্যে জিজ্ঞাসাবাদ করবে। তোমাদের প্রতিপালক কি বললেন। তদুত্তরে তারা বলবে, যা সত্য তিনি তাই বলেছেন। তিনি সমুচ্চ মহান (৪৩ঃ ২৩)। আর এখানে এ কথা বলা হয়নি, তোমাদের প্রতিপালক কি সৃষ্টি করেছেন? আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেনঃ কে সে যে তাঁর অনুমতি ব্যতীত তাঁর কাছে সুপারিশ করবে? (২ঃ ২৫৫)। বর্ণনাকারী মাসরুক (রহঃ) আবদুল্লাহ্ ইবন মাসউদ (রাঃ) তাকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, আল্লাহ্‌ যখন ওহীর দ্বারা বলেন, তখন আসমানের অধিবাসিগণ কিছু শুনতে পায়। তাদের অন্তর থেকে যখন ভয় দূর করে দেয়া হয়। আর ধ্বনি স্তিমিত হয়ে যায়। তখন তারা উপলদ্ধি করে যে, যা ঘটেছে তা অবশ্যই একটা বাস্তব সত্য। তারা পরস্পরকে এ কথা জিজ্ঞাসা করতে থাকে যে, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেছেন? তারা বলে ‘হক’ বলেছেন জাবির (রাঃ) আবদুল্লাহ্ ইব্ন উনায়স (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমি নবী (সাঃ) থেকে শুনেছি, আল্লাহ্‌ সমস্ত বান্দাকে হাশরে একত্রিত করে এমন আওয়াযে ডাকবেন যে, নিকটবর্তীদের মত দূরবর্তীরাও শুনতে পাবে। আল্লাহ্‌র ভাষ্য থাকবে আমি মহা সম্রাট আমি প্রতিদানকারী ৪ টি | ৬৯৭৩-৬৯৭৬







৩১৪২. আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ সুতরাং জেনেশুনে কাউকেও আল্লাহ্‌র সমকক্ষ দাঁড় করো না (২ঃ ২২)। এবং তোমরা তাঁর সমকক্ষ দাঁড় করতে চাও? তিনি তো জগতসমূহের প্রতিপালক (২ঃ ৯)। এবং তারা আল্লাহ্‌র সঙ্গে কোন ইলাহ্কে ডাকে না (২৫ঃ ৬৮)। তোমার প্রতি ও তোমার পূর্ববর্তীদের প্রতি অবশ্যই ওহী হয়েছে। তুমি আল্লাহ্‌র শরীক স্থির করলে তোমার কর্ম তো নিষ্ফল হবে এবং তুমি হবে ক্ষতিগ্রস্ত। অতএব, তুমি আল্লাহ্‌রই ইবাদত কর এবং কৃতজ্ঞ হও। (৩৯ঃ ৬৫, ৬৬) এ আয়াতের ব্যাখ্যা প্রসঙ্গে ইকরিমা (রহঃ) বলেন, তাদের অধিকাংশ আল্লাহতে বিশ্বাস করে, কিন্তু তাঁর শরীক করে (১২ঃ ১০৬)। যদি তাদেরকে তুমি জিজ্ঞাসা কর, আসমানসমূহ ও যমীন সৃষ্টি করেছে কে? তারা বলবে আল্লাহ্‌! এটিই তাদের বিশ্বাস। অথচ তারা আল্লাহ্‌ ছাড়া অন্যের ইবাদত করছে। বান্দার কর্ম ও অর্জন সবই সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত। কারণ আল্লাহ্‌ ইরশাদ করছেন وَخَلَقَ كُلَّ شَيْءٍ فَقَدَّرَهُ تَقْدِيرًا তিনি সমস্ত কিছু পরিমিত সৃষ্টি করেছেন যথাযথ অনুপাতে (২৫ঃ ২)। মুজাহিদ (রহঃ) বলেন, আমি ফেরেশতাগণকে প্রেরণ করি না হক ব্যতীত ....... (১৫ঃ ৮)। এখানে ‘হক’ শব্দের অর্থ রিসালাত ও আযাব। সত্যবাদীদের তাদের সত্যবাদিতা সম্বন্ধে জিজ্ঞাসা করার জন্য (৩৩ঃ ৮)। এখানে صادِقِينَ শব্দের অর্থ মানুষের কাছে যেসব রাসূল আল্লাহ্‌র বাণী পৌঁছান। এবং আমিই এর সংরক্ষক (১৫ঃ ৯)। আমাদের কাছে রয়েছে এর সংরক্ষণকারিগণ। وَالَّذِي جَاءَ بِالصِّدْقِ যারা সত্য এনেছে (৩৯ঃ ৩৩)। এখানে صدق এর অর্থ কুরআন, صَدَّقَ بِهِ এর অর্থ ঈমানদার। কিয়ামতের দিন ঈমানদার বলবে, আপনি আমাকে যা দিয়েছিলেন, আমি সে অনুযায়ি আমল করেছি ১ টি | ৭০১২-৭০১২






৩১৪৮. আল্লাহ্‌র বাণীঃ হে রাসূল! তোমার প্রতিপালকের নিটক হতে তোমার প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তা প্রচার কর। যদি না কর তবে তো তুমি বার্তা প্রচার করলে না (৫ঃ৬৭)। যুহরী (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌র পক্ষ থেকে হচ্ছে বার্তা প্রেরণ আর রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) এর দায়িত্ব হলো পৌঁছানো, আর আমাদের কর্তব্য হলো মেনে নেয়া। আল্লাহ্‌ তা’আলা বলেনঃ রাসূলগণ তাঁদের প্রতিপালকের বাণী পৌঁছে দিয়েছেন কিনা তা জানার জন্য (৭২ঃ ২৮)। তিনি আরো বলেনঃ আমি তোমাদের কাছে আল্লাহ্‌র বার্তাসমূহ পৌঁছে দিচ্ছি। কা’ব ইবন মালিক (রাঃ) যখন নবী (সাঃ) এর সঙ্গে (তাবুক যুদ্ধে শরীক হওয়া) থেকে পিছনে রয়ে গেলেন, তখন আল্লাহ্‌ বলেনঃ আল্লাহ্‌ তো তোমাদের কার্যকলাপ লক্ষ্য করবেন এবং তাঁর রাসূল ও মু’মিনগণও (৯ঃ ১০৫)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, কারো ভালো কাজে তোমাকে আনন্দিত করলে বলো, আমল কর, তোমার এ আমল আল্লাহ্‌, আল্লাহ্‌র রাসূল, সমস্ত মু’মিন দেখবেন। আর তোমাকে কেউ যেন বিচলিত করতে না পারে। মা’মার (র) বলেন, ذَلِكَ الْكِتَابُ এর অর্থ হচ্ছে এ কুরআন, هُدًى لِلْمُتَّقِينَ এর অর্থ বর্ণনা ও পথ প্রদর্শন। আল্লাহ্‌র এ বাণীর মত ذَلِكُمْ حُكْمُ اللَّهِ এর অর্থ এটি আল্লাহ্‌র হুকুম। لاَ رَيْبَ এর অর্থ এতে কোন সন্দেহ নেই। تِلْكَ آيَاتُ অর্থাৎ এগুলো কুরআনের নিদর্শন। এর উদাহরণ আল্লাহ্‌রই বাণীঃ যখন তোমরা নৌকায় অবস্থান করো আর চলতে থাকে সেগুলো তাদের নিয়ে। এখানে بِهِمْ এর অর্থ بِكُمْ অর্থাৎ তোমাদের নিয়ে। আনাস (রাঃ) বলেন, নবী (সাঃ) তাঁর মামা হারমকে তাঁর গোত্রের কাছে পাঠালেন। তিনি সেখানে গিয়ে বললেন, তোমরা আমাকে বিশ্বাস কর কি? আমি আল্লাহ্‌র রাসূল (সাঃ) এর বার্তা পৌঁছিয়ে দিচ্ছি। এই বলে তিনি তাদের সাথে আলাপ করতে লাগলেন ৩ টি | ৭০২২-৭০২৪

৩১৪৯. আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ বল, যদি তোমরা সত্যবাদী হও তবে তাওরাত আন এবং পাঠ কর (৩ঃ ৯৩)। নবী (সাঃ) এর বাণীঃ তাওরাতের ধারকদেরকে তাওরাত দেওয়া হলে তারা সে অনুযায়ী আমল করল। ইনজীলের ধারকদেরকে ইনজীল দেওয়া হলে তারাও সে আনুযায়ি আমল করল। তোমাদেরকে দেওয়া হলো কুরআন, সুতরাং তোমরা এ অনুযায়ী আমল কর আবূ রাযীন (র) বলেন, يَتْلُونَهُ এর অর্থ তাঁর নির্দেশকে যথাযথভাবে পালন করার মাধ্যমে অনুসরণ করা। আবূ আবদুল্লাহ্ (রহঃ) বলেন, يُتْلَى অর্থ يُقْرَأُ পাঠ করা হয়। حَسَنُ التِّلاَوَةِ অর্থ কুরআন সুন্দরভাবে পাঠ করা। لاَ يَمَسُّهُ এর অর্থ কুরআনের স্বাদ ও উপকারিতা কুরআনের প্রতি বিশ্বাসীদের ব্যতীত না পাওয়া। কুরআনের উপর সঠিক আস্থা স্থাপনকারী ছাড়া কেউই তা যথাযথভাবে বহন করতে সক্ষমম হবে না। কেননা, মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ যাদেরকে তাওরাতের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়েছিল এরা তা বহন করেনি। তাদের দৃষ্টান্ত পুস্তক বহনকারী গর্দভ। কত নিকৃষ্ট সে সম্প্রদায়ের দৃষ্টান্ত! যারা আল্লাহ্‌র আয়াতকে মিথ্যা বলে। আল্লাহ্‌ যালিম সম্প্রদায়কে সৎপথে পরিচালিত করেন না (৬২ঃ ৫) ১ টি | ৭০২৫-৭০২৫




৩১৫৩. তাওরাত ও অপরাপর আসমানী কিতাব আরবী ইত্যাদি ভাষায় ব্যাখ্যা করা বৈধ। কেননা, আল্লাহ্‌র বাণীঃ যদি তোমরা সত্যবাদী হও, তবে তাওরাত আন এবং পাঠ কর (৩ঃ ৯৩) ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, আবূ সুফিয়ান ইবন হারব (রাঃ) আমাকে এ খবর দিয়েছেন, হিরাক্লিয়াস তাঁর দোভাষীকে ডাকলেন। তারপর তিনি নবী (সাঃ) এর পত্রখানা আনার জন্য হুকুম করলেন এবং তা পড়লেন। (তাতে লিপিবদ্ধ ছিল) বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহীম- আল্লাহ্‌র বান্দা ও রাসূল মুহাম্মদ (সাঃ) এর পক্ষ থেকে হিরাক্লিয়াসের প্রতি এ পত্র প্রেরিত। তাতে আরও লেখা ছিল يَا أَهْلَ الْكِتَابِ تَعَالَوْا إِلَى كَلِمَةٍ سَوَاءٍ بَيْنَنَا وَبَيْنَكُمْ (হে কিতাবীগণ এস সে কথায়, যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে একই) ২ টি | ৭০৩৩-৭০৩৪




৩১৫৭. আল্লাহ্‌র বাণীঃ বস্তুত এটি সম্মানিত কুরআন, সংরক্ষিত ফলকে লিপিবদ্ধ (৮৫ঃ ২১, ২২) শপথ তূর পর্বতের। শপথ কিতাবের, যা লিখিত আছে। (৫২ঃ ১, ২) কাতাদা (র) বলেন, مَسْطُورٍ অর্থ লিপিবদ্ধ يَسْطُرُونَ অর্থ তারা লিখেছ أُمِّ الْكِتَابِ অর্থাৎ কিতাবের স্তর ও মূল مَا يَلْفِظُ অর্থ যা কিছু বলা হয়, তা লিপিবদ্ধ হয়। এর ব্যাখ্যায় ইবন আব্বাস (রাঃ) বলেন, ভালমন্দ সব লিপিবদ্ধ করা হয়। يُحَرِّفُونَ এর অর্থ পবির্তন করা। এমন কেই নেই, যে আল্লাহ্‌র কোন কিতাবের শব্দ পরিবর্তন করতে পারে। তবে তারা তাহরীফ তথা অপব্যাখ্যা করতে পারে। دِرَاسَتُهُمْ অর্থ তাদের তিলাওয়াত وَاعِيَةٌ অর্থ সংরক্ষণকারী تَعِيَهَا অর্থ তা সংরক্ষণ করে। এবং এই কুরআন আমার নিকট প্রেরিত হয়েছে, যেন তোমাদেরকে এর দ্বারা আমি সতর্ক করি (৬ঃ ১৯)। অর্থাৎ মক্কাবাষী এবং যাদের কাছে এ কুরআন প্রচারিত হবে, রাসূলুল্লাহ্ (সাঃ) তাদের জন্য সতর্ককারী। আমার কাছে খলীফা (রহঃ) বলেছেন, মুতামির (র) ..... আবূ হুরায়রা (রা) থেকে বর্ণিত। নবী (সা) বলেছেনঃ আল্লাহ্‌ যখন তাঁর মাখলুকাত সৃষ্টি করলেন, তাঁর কাছে একটি কিতাব লিপিবদ্ধ রাখলেন। ‘‘আমার গযবের উপর আমার রহমত প্রবল হয়েছে’’ এটি তাঁর কাছে আরশের ওপর সংরক্ষিত রয়েছে ১ টি | ৭০৪৪-৭০৪৪

৩১৫৮. আল্লাহ্‌ তা’আলার বাণীঃ প্রকৃতপক্ষে আল্লাহ্‌ই সৃষ্টি করেন তোমাদেরকে এবং তোমরা যা তৈরী কর তাও (৩৭ঃ ৯৬)। আমি প্রত্যেক কিছু সৃষ্টি করেছি নির্ধারিত পরিমাপে (৫৪ঃ ৪৯)। ছবি নির্মাতাদের বলা হবে, তোমরা যা তৈরি করেছ, তাতে জীবন দাও। তোমাদের প্রতিপালক যিনি আকাশমন্ডলী ও পৃথিবী ছয় দিনে সৃষ্টি করেন। তারপর তিনি আরশে অধিষ্ঠিত হন। তিনিই দিনতে রাত দ্বারা আচ্ছাদিত করেন যেন এদের একে অন্যকে দ্রুতগতিতে অনুসরণ করে। আর সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্ররাজি যা তাঁর আজ্ঞাধীন, তা তিনিই সৃষ্টি করেছেন। জেনে রাখ সৃজন ও আদেশ তাঁরই। মহিমাময় জগতসমূহের প্রতিপালক আল্লাহ্‌ (৭ঃ ৫৪) ইবন উয়ায়না (রহঃ) বলেন, আল্লাহ্‌ খালক্কে আমর থেকে পৃথক করে বর্ণনা করেছেন। কেননা তার বাণী হলোঃ أَلاَ لَهُ الْخَلْقُ وَالأَمْرُ জেনে রাখ সৃজন ও আদেশ তাঁরই। নবী (সাঃ) ঈমানকেও আমল বলে উল্লেখ করেছেন। আবূ যার (রাঃ) ও আবূ হুরায়রা (রাঃ) বর্ণনা করেন, নবী (সাঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হল, কোন আমলীট সর্বোত্তম? তিনি বললেনঃ আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা, তাঁরা রাস্তায় জিহাদ করা। মহান আল্লাহ্‌ বলেনঃ جَزَاءً بِمَا كَانُوا يَعْمَلُونَ এটা তাদের কাজেরই প্রতিদান। আবদুল কায়সের প্রতিনিধি দল নবী (সাঃ) এর কাছে এসে বললেন, আমাদের কিছু সংক্ষিপ্ত বিষয়ের নির্দেশ দিন, যেগুলো মেনে চললে আমরা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারব। তিনি তাদের আল্লাহ্‌র প্রতি ঈমান আনা, রাসূলের রিসালাতের সাক্ষ্য প্রদান, নামায কায়েম করা এবং যাকাত আদায়ের নির্দেশ দিলেন। এসবকেই তিনি আমলরূপে উল্লেখ করেছেন ৫ টি | ৭০৪৫-৭০৪৯