রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন) ২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) - The Book About the Etiquette of Eating
৭৩২

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

১/৭৩২। উমার ইবনে আবূ সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (একদা খাবার সময়) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ’’(শুরুতে) ’বিসমিল্লাহ’ বল, ডান হাত দ্বারা আহার কর এবং তোমার নিকট (সামনে) থেকে খাও।’’ (বুখারী)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن عُمَرَ بنِ أبي سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « سَمِّ اللهَ، وَكُلْ بِيَمِينكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ ». متفقٌ عَلَيْهِ

وعن عمر بن ابي سلمة رضي الله عنهما، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « سم الله، وكل بيمينك، وكل مما يليك ». متفق عليه

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


'Umar bin Abu Salamah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ), said to me, "Mention Allah's Name (i.e., say Bismillah before starting eating), eat with your right hand, and eat from what is near you."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: There are two things about this Hadith. First, we should start eating or drinking by pronouncing the Name of Allah. Second, we should eat from our side without stretching our hand to the side where someone else is eating. This may be the case when more than one or two people are eating the same kind of food from a single dish. Good manners do not allow it, yet in case a variety of food or fruit is lying before us on the table, we are free to take our pick.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৩

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

২/৭৩৩। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’তোমাদের কেউ যখন আহার করবে, সে যেন শুরুতে আল্লাহ তা’আলার নাম নেয়। যদি শুরুতে আল্লাহর নাম নিতে ভুলে যায়, তাহলে সে যেন বলে ’বিসমিল্লাহি আওয়ালাহু অ আখেরাহ।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী-হাসান সহীহ)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إِذَا أكَلَ أحَدُكُمْ فَلْيَذْكُرِ اسْمَ اللهِ تَعَالَى، فإنْ نَسِيَ أنْ يَذْكُرَ اسْمَ اللهِ تَعَالَى فِي أوَّلِهِ، فَلْيَقُلْ: بِسمِ اللهِ أوَّلَهُ وَآخِرَهُ ». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

وعن عاىشة رضي الله عنها، قالت: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « اذا اكل احدكم فليذكر اسم الله تعالى، فان نسي ان يذكر اسم الله تعالى في اوله، فليقل: بسم الله اوله واخره ». رواه ابو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


'Aishah (May Allah be pleased with her) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "When any of you wants to eat, he should mention the Name of Allah in the begining, (i.e., say Bismillah). If he forgets to do it in the beginning, he should say Bismillah awwalahu wa akhirahu (I begin with the Name of Allah at the beginning and at the end)."

[At-Tirmidhi and Abu Dawud].

Commentary: This Hadith provides us a concession. If we have forgotten to pronounce the Name of Allah before beginning to eat, we can do it during eating or in the end.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৪

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৩/৭৩৪। জাবের রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি যে, ’’কোন ব্যক্তি যখন নিজ বাড়ি প্রবেশের সময় ও আহারের সময় আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে; অর্থাৎ (’বিসমিল্লাহ’ বলে) তখন শয়তান তার অনুচরদেরকে বলে, ’আজ না তোমরা এ ঘরে রাত্রি যাপন করতে পারবে, আর না খাবার পাবে।’ অন্যথা যখন সে প্রবেশ কালে আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ’বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন শয়তান বলে, ’তোমরা রাত্রি যাপন করার স্থান পেলে।’ আর যখন আহার কালেও আল্লাহ তা’আলাকে স্মরণ করে না (অর্থাৎ ’বিসমিল্লাহ’ বলে না), তখন সে তার চেলাদেরকে বলে, ’তোমরা রাত্রিযাপন স্থল ও নৈশভোজ উভয়ই পেয়ে গেলে।’’ (মুসলিম)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: « إِذَا دَخَلَ الرَّجُلُ بَيْتَهُ، فَذَكَرَ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، وَعِندَ طَعَامِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ لأَصْحَابِهِ: لاَ مَبِيتَ لَكُمْ وَلاَ عَشَاءَ، وَإِذَا دَخَلَ فَلَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ دُخُولِهِ، قَالَ الشَّيْطَانُ: أدْرَكْتُمُ المَبِيتَ ؛ وَإِذَا لَمْ يَذْكُرِ اللهَ تَعَالَى عِنْدَ طَعَامِهِ، قَالَ: أدْرَكْتُم المَبِيتَ وَالعَشَاءَ ». رواه مسلم

وعن جابر رضي الله عنه، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يقول: « اذا دخل الرجل بيته، فذكر الله تعالى عند دخوله، وعند طعامه، قال الشيطان لاصحابه: لا مبيت لكم ولا عشاء، واذا دخل فلم يذكر الله تعالى عند دخوله، قال الشيطان: ادركتم المبيت ؛ واذا لم يذكر الله تعالى عند طعامه، قال: ادركتم المبيت والعشاء ». رواه مسلم

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Jabir (May Allah be pleased with him) reported:
I heard Messenger of Allah (ﷺ) saying, "If a person mentions the Name of Allah upon entering his house or eating, Satan says, addressing his followers: 'You will find no where to spend the night and no dinner.' But if he enters without mentioning the Name of Allah, Satan says (to his followers); 'You have found (a place) to spend the night in, and if he does not mention the Name of Allah at the time of eating, Satan says: 'You have found (a place) to spend the night in as well as food."'

[Muslim].


Commentary: Herein, we are told that in order to ward off Satan and his followers, we are supposed to remember Allah before entering our house and before beginning to eat. The remembrance of Allah implies those appropriate prayers of the Prophet (PBUH) which have been mentioned in Ahadith. For example, we are instructed to pronounce the Name of Allah before beginning to eat. On entering our house we recite the following Prophetic prayer:
"Allahumma inni as'aluka khairal-mawliji wa khairal-makhraji. Bismillahi wa lajna, wa bismillahi kharajna, wa `alAllahi rabbina tawakkalna.'' (O Allah! I ask you for what is good of entrance and what is good for exit. With the Name of Allah do we enter, and with the Name of Allah do we leave, and upon our Rubb Allah have we put our
trust).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৫

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৪/৭৩৫। হুযাইফাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা যখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে আহারে বসতাম, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাবারে হাত রেখে শুরু না করা পর্যন্ত আমরা তাতে হাত রাখতাম না (এবং আহার শুরু করতাম না)। একদা আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে খাবারে উপস্থিত ছিলাম। হঠাৎ একটি বাচ্চা মেয়ে এমনভাবে এল, যেন তাকে (পিছন থেকে) ধাক্কা দেওয়া হচ্ছিল এবং সে নিজ হাত খাবারে দিতে উদ্যত হয়েছিল, এমন অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত ধরে নিলেন।

তারপর এক বেদুঈনও (তদ্রূপ দ্রুত বেগে) এল, যেন তাকে ধাক্কা মারা হচ্ছিল (সেও খাবারে হাত রাখতে উদ্যত হলে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাতও ধরে নিলেন এবং বললেন, ’’যে খাবারে আল্লাহর নাম নেওয়া হয়নি, শয়তান সে খাদ্যকে হালাল মনে করে। আর এ মেয়েটিকে শয়তানই নিয়ে এসেছে, যাতে ওর বদৌলতে নিজের জন্য খাদ্য হালাল করতে পারে। কিন্তু আমি তার হাত ধরে ফেললাম। তারপর সে বেদুঈনকে নিয়ে এল, যাতে ওর দ্বারা খাদ্য হালাল করতে পারে। কিন্তু আমি ওর হাতও ধরে নিলাম। সেই মহান সত্তার কসম! যার হাতে আমার প্রাণ আছে, শয়তানের হাত ঐ দু’জনের হাতের সঙ্গে আমার হাতে (ধরা পড়েছিল)।’’ অতঃপর তিনি ’বিসমিল্লাহ’ বলে আহার করলেন। (মুসলিম)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن حُذَيْفَةَ رضي الله عنه، قَالَ: كُنَّا إِذَا حَضَرْنَا مَعَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم طَعَاماً، لَمْ نَضَعْ أَيدِينَا حَتَّى يَبْدَأَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فَيَضَعَ يَدَهُ، وَإنَّا حَضَرْنَا مَعَهُ مَرَّةً طَعَاماً، فَجَاءَتْ جَارِيَةٌ كَأنَّهَا تُدْفَعُ، فَذَهَبَتْ لِتَضَعَ يَدَهَا في الطَّعَامِ، فَأَخَذَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بِيَدِهَا، ثُمَّ جَاءَ أَعْرَابِيّ كأنَّمَا يُدْفَعُ، فَأخَذَ بِيَدهِ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إنَّ الشَّيْطَانَ يَسْتَحِلُّ الطَّعَامَ أنْ لاَ يُذْكَرَ اسْمُ اللهِ تَعَالَى عَلَيْهِ، وَإنَّهُ جَاءَ بِهَذِهِ الجَارِيَةِ لِيَسْتَحِلَّ بِهَا، فأَخَذْتُ بِيَدِهَا، فَجَاءَ بِهَذَا الأَعرَابيّ لِيَسْتَحِلَّ بِهِ، فَأخذْتُ بِيَدِهِ، والَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ، إنَّ يَدَهُ فِي يَدِي مَعَ يَدَيْهِمَا » ثُمَّ ذَكَرَ اسْمَ اللهِ تَعَالَى وَأكَلَ. رواه مسلم

وعن حذيفة رضي الله عنه، قال: كنا اذا حضرنا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم طعاما، لم نضع ايدينا حتى يبدا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فيضع يده، وانا حضرنا معه مرة طعاما، فجاءت جارية كانها تدفع، فذهبت لتضع يدها في الطعام، فاخذ رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم بيدها، ثم جاء اعرابي كانما يدفع، فاخذ بيده، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « ان الشيطان يستحل الطعام ان لا يذكر اسم الله تعالى عليه، وانه جاء بهذه الجارية ليستحل بها، فاخذت بيدها، فجاء بهذا الاعرابي ليستحل به، فاخذت بيده، والذي نفسي بيده، ان يده في يدي مع يديهما » ثم ذكر اسم الله تعالى واكل. رواه مسلم

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Hudhaifah (May Allah be pleased with him) reported:
When we attended a meal with the Messenger of Allah (ﷺ), we would not stretch forth our hands towards the food until he (ﷺ) would start eating first. Once, we were with him when a little girl rushed in as if someone was impelling her. She was about to lay her hand on the food when the Messenger of Allah (ﷺ) caught her hand. Then a bedouin came in rushing as if someone were pushing him. He (ﷺ) caught his hand also and said, "Satan considers that food lawful for himself on which the Name of Allah is not mentioned. He (Satan) brought this girl to make the food lawful through her but I caught her hand. Then he brought the bedouin to make it lawful through him but I caught his hand too. By Him in Whose Hand my soul is, now Satan's hand is in my grasp along with their hands." Then he mentioned the Name of Allah and began to eat.


Commentary: Here, too, we are told that if we do not pronounce Allah's Name, Satan and his minions will share our meal with us. So prior to eating, we must pronounce the Name of Allah. An incident is related in this Hadith. Once, Messenger of Allah (PBUH) and his Companions were just to start taking their meal when an unknown girl and a bedouin burst upon the scene. Without seeking the formal permission and pronouncing the Name of Allah they hurriedly stretched their hands to eat. Yet, Messenger of Allah (PBUH) restrained them from doing so. Owing to Divine inspiration, he had seen the hidden hand of the Devil behind their abrupt actions. We have only one way to escape the Devil, that is, on such occasions we should first pronounce the Name of Allah. Second, this Hadith enlightens us on table manners calling for decency and decorum. It will be called an act of sheer indecency to voraciously pounce upon food as is commonly witnessed in feasts and weddings. Indeed, it is the result of deviation
from Islamic teachings that many Muslims have grown ignorant of the Prophet's manner of eating. Allah, too, has left them unrestrained in their beast-like hunger.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৬

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৫/৭৩৬। উমাইয়্যাহ্ ইবনু মাখ্‌শী সাহাবী রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন এবং এক ব্যক্তি আল্লাহর নাম না নিয়েই খাবার খাচ্ছিলো। তার খাওয়া শেষ হতে আর কেবল এক লোকমা বাকি। এই শেষ লোকমাটি মুখে দেওয়ার সময় সে বললো, ’’বিস্মিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু’’ (আমি আল্লাহর নাম নিচ্ছি খাওয়ার শুরু এবং শেষভাগে)। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। তিনি বললেনঃ তার সাথে শাইতান বরাবর খাবার খেয়ে যাচ্ছিল। সে আল্লাহর নাম নেয়ার সাথে সাথেই শাইতানের পেটে যা কিছু ছিল, বমি করে সবকিছু ফেলে দিল। (আবু দাউদ, নাসায়ী)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَنْ أُمَيَّةَ بْنِ مَخْشِيٍّ الصَّحَابِيِّ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم جَالساً، ورَجُلٌ يأْكُلُ، فَلَمْ يُسَمِّ اللهَ حَتّىٰ لَمْ يَبْقَ مِنْ طَعَامِهِ لُقْمَةٌ، فَلَمَّا رَفَعَهَا إِلىٰ فِيْهِ، قَالَ: بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، فَضَحِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قَالَ:«مَا زَالَ الشَّيْطَانُ يَأْكُلُ مَعَهُ، فَلمَّا ذَكَرَ اسْمَ اللهِ استْقَاءَ مَا فِيْ بَطْنِهِ». رواه أبو داود، والنسائي.

وعن امية بن مخشي الصحابي رضي الله عنه قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم جالسا، ورجل ياكل، فلم يسم الله حتى لم يبق من طعامه لقمة، فلما رفعها الى فيه، قال: بسم الله اوله واخره، فضحك النبي صلى الله عليه وسلم، ثم قال:«ما زال الشيطان ياكل معه، فلما ذكر اسم الله استقاء ما في بطنه». رواه ابو داود، والنساىي.

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Umaiyyah bin Makhshi (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) was sitting while a man was eating food. That man did not mention the Name of Allah (before commencing to eat) till only a morsel of food was left. When he raised it to his mouth, he said: "Bismillah awwalahu wa akhirahu (With the Name of Allah, in the beginning and in the end)." Messenger of Allah (ﷺ) smiled at this and said, "Satan had been eating with him but when he mentioned the Name of Allah, Satan vomited all that was in his stomach."

[Abu Dawud and An-Nasa'i].

Commentary: This Hadith also informs us that Satan shares food and drink with those people who do not mention the Name of Allah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৭

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৬/৭৩৭। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ছয়জন সাহাবীর সাথে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্য আহার করছিলেন। এমন সময় এক বেদুঈন হাযির হল এবং সে দু’গ্রাসেই সমস্ত খাদ্য খেয়ে ফেলল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (এ সব দেখে) বললেন, ’’শোনো! যদি এ ব্যক্তি (শুরুতে) ’বিসমিল্লাহ’ বলত, তাহলে এই খাবারই তোমাদের সবার জন্য যথেষ্ট হত।’’ (তিরমিযী হাসান সহীহ)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم يَأكُلُ طَعَاماً فِي سِتَّةٍ مِنْ أصْحَابِهِ، فَجَاءَ أعْرَابِيٌّ، فَأكَلَهُ بلُقْمَتَيْنِ . فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : « أَمَا إنَّهُ لَوْ سَمَّى لَكَفَاكُمْ ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

وعن عاىشة رضي الله عنها، قالت: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم ياكل طعاما في ستة من اصحابه، فجاء اعرابي، فاكله بلقمتين . فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم : « اما انه لو سمى لكفاكم ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


'Aishah (May Allah be pleased with her) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) was eating with his six Companions when a desert Arab came and ate up the food in two mouthfuls. Messenger of Allah (ﷺ) said, "Had he mentioned the Name of Allah, it would have sufficed for all of you."

[At-Tirmidhi].

Commentary: The pronouncement of Allah's Name brings blessing to the meal, and the omission of His Name robs blessing away.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৮

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৭/৭৩৮। আবূ উমামাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন দস্তরখানা গুটাতেন, তখন এই দো’আ পড়তেনঃ-

“আলহামদু লিল্লা-হি হামদান কাসীরান ত্বাইয়্যিবাম মুবা-রাকান ফীহি গায়রা মাকফইয়্যিন অলা মুওয়াদ্দাইন অলা মুস্তাগনান আনহু রাববানা।” অর্থাৎ আল্লাহর জন্য অগণিত পবিত্র ও বরকতপূর্ণ প্রশংসা। অকুণ্ঠ, নিরবচ্ছিন্ন, প্রয়োজন-সাপেক্ষ প্রশংসা। হে আমাদের প্রভু! (বুখারী) [1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن أَبي أُمَامَة رضي الله عنه: أنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا رَفَعَ مَائِدَتَهُ، قَالَ: « الْحَمْدُ للهِ حَمداً كَثِيراً طَيِّباً مُبَاركَاً فِيهِ، غَيْرَ مَكْفِيٍّ، وَلاَ مُوَدَّعٍ، وَلاَ مُسْتَغْنَىً عَنْهُ رَبَّنَا ». رواه البخاري

وعن ابي امامة رضي الله عنه: ان النبي صلى الله عليه وسلم كان اذا رفع ماىدته، قال: « الحمد لله حمدا كثيرا طيبا مباركا فيه، غير مكفي، ولا مودع، ولا مستغنى عنه ربنا ». رواه البخاري

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Abu Umamah (May Allah be pleased with him) reported:
Whenever the Prophet (ﷺ) finished a meal, he would say: "Al-hamdu lillahi hamdan kathiran taiyyiban mubarakan fihi, ghaira makfiyyin wa la muwadda`in, wa la mustaghnan `anhu, Rabbuna. (All praise is due to Allah, praise which is abundant, pure, and full of blessings, which is indispensable and to which one cannot be indifferent).''

[Al-Bukhari].


Commentary: This Hadith mentions a supplication which Messenger of Allah (PBUH) used to recite after taking meal. The economy of words was the essence of the Prophet's (PBUH) eloquence as displayed here. To supplicate this Prophetic prayer after taking a meal is recommendable.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৩৯

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৮/৭৩৯। মু’আয ইবনে আনাস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’যে ব্যক্তি আহার শেষে এই দো’আ পড়বেঃ- ’আলহামদু লিল্লা-হিল্লাযী আত্ব্আমানী হা-যা অরাযাক্বানীহি মিন গাইরি হাওলিম মিন্নী অলা ক্বুউওয়াহ।’ (অর্থাৎ সেই আল্লাহর যাবতীয় প্রশংসা যিনি আমাকে এ খাওয়ালেন এবং জীবিকা দান করলেন, আমার কোন চেষ্টা ও সামর্থ্য ছাড়াই) সে ব্যক্তির পূর্বের সমস্ত (ছোট) পাপ মোচন করে দেওয়া হবে।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَن مُعَاذِ بنِ أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « مَنْ أكَلَ طَعَامَاً، فَقَالَ: الحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي أطْعَمَنِي هَذَا، وَرَزَقنِيهِ مِنْ غَيْرِ حَوْلٍ مِنِّي وَلاَ قُوَّةٍ، غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ ». رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن »

وعن معاذ بن انس رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « من اكل طعاما، فقال: الحمد لله الذي اطعمني هذا، ورزقنيه من غير حول مني ولا قوة، غفر له ما تقدم من ذنبه ». رواه ابو داود والترمذي، وقال: حديث حسن »

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Mu'adh bin Anas (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "He who has taken food and says at the end: 'Al- hamdu lillahi-lladhi at'amani hadha, wa razaqanihi min ghairi haulin minni wa la quwwatin (All praise is due to Allah Who has given me food to eat and provided it without any endeavour on my part or any power),' all his past sins will be forgiven."

At-Tirmidhi].

Commentary: This Hadith tells us that if we praise Allah after taking a meal, all our minor sins committed in the past will be forgiven by Him.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪০

পরিচ্ছেদঃ ১০১: কোন খাবারের দোষত্রুটি বর্ণনা না করা এবং তার প্রশংসা করা উত্তম

১/৭৪০। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনো কোন খাবারের দোষ বর্ণনা করেননি। ভাল লাগলে তিনি তা খেয়েছেন এবং খারাপ লাগলে তিনি তা ত্যাগ করেছেন।’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ لَا يُعِيْبُ الطَّعَامُ وَاِسْتِحْبَابِ مَدْحِهِ - (101)

وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: مَا عَابَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم طَعَامَاً قَطُّ، إِنِ اشْتَهَاهُ أكَلَهُ، وَإنْ كَرِهَهُ تَرَكَهُ . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن ابي هريرة رضي الله عنه، قال: ما عاب رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم طعاما قط، ان اشتهاه اكله، وان كرهه تركه . متفق عليه

(101) Chapter: Prohibition of Criticizing Food


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) never found fault with food. If he had inclination to eating it, he would eat; and if he disliked it, he would leave it.


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith throws light on the Prophet's excellent manners which ought to be followed by all Muslims. It is a deplorable state of affairs that when we find a dish a bit unsavoury, we lose our temper and create quite a scene in the house. May we follow the excellent example of our Prophet (PBUH)!


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪১

পরিচ্ছেদঃ ১০১: কোন খাবারের দোষত্রুটি বর্ণনা না করা এবং তার প্রশংসা করা উত্তম

২/৭৪১। জাবের রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ পরিবারের কাছে তরকারি চাইলেন। তারা বলল, ’আমাদের নিকট সির্কা ছাড়া আর কিছুই নেই।’ তিনি তাই চাইলেন এবং (তা দিয়ে) আহার করতে থাকলেন ও বলতে থাকলেন, ’’সির্কা কতই না চমৎকার তরকারি। সির্কা কতই না ভাল ব্যঞ্জন।’’ (মুসলিম) [1]

بَابُ لَا يُعِيْبُ الطَّعَامُ وَاِسْتِحْبَابِ مَدْحِهِ - (101)

وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَأَلَ أهْلَهُ الأُدْمَ، فَقَالُوا: مَا عِنْدَنَا إِلاَّ خَلٌّ، فَدَعَا بِهِ، فَجَعَلَ يَأكُلُ، ويَقُولُ: « نِعْمَ الأُدْمُ الخَلُّ، نِعْمَ الأُدْمُ الخَلُّ ». رواه مسلم

وعن جابر رضي الله عنه: ان النبي صلى الله عليه وسلم سال اهله الادم، فقالوا: ما عندنا الا خل، فدعا به، فجعل ياكل، ويقول: « نعم الادم الخل، نعم الادم الخل ». رواه مسلم

(101) Chapter: Prohibition of Criticizing Food


Jabir (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) asked for sauce and was told that there was nothing except vinegar. He asked for it and began to eat from it saying, "How excellent is vinegar when eaten as sauce! How excellent is vinegar when eaten as Udm!"

[Muslim].

Commentary: This Hadith speaks about the simplicity and humility of Messenger of Allah (PBUH) with regard to food. As he abstained from a luxurious lifestyle, he hardly craved for delicious food. No mention of dainties, he would readily eat whatever was available to him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪২

পরিচ্ছেদঃ ১০২: নফল রোযাদারের সামনে খাবার এসে গেলে যখন সে রোযা ভাঙ্গতে প্রস্তুত নয়, তখন সে কী বলবে?

১/৭৪২। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’যখন তোমাদের কাউকে খাবারের দাওয়াত দেওয়া হয়, তখন সে যেন তা (কোন আপত্তিকর ব্যাপার না থাকলে সাদরে) গ্রহণ করে। আর সে যদি রোযা অবস্থায় থাকে, তাহলে (দাওয়াতকারীর জন্য) দো’আ করে। আর যদি রোযা অবস্থায় না থাকে, তাহলে যেন আহার করে। (মুসলিম)[1]

بَابُ مَا يَقُوْلُهُ مَنْ حَضَرَ الطَّعَامَ وَهُوَ صَائِمٌ إِذَا لَمْ يُفْطِرْ - (102)

عَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إِذَا دُعِيَ أحَدُكُمْ فَلْيُجِبْ، فَإنْ كَانَ صَائِماً فَلْيُصَلِّ، وَإنْ كَانَ مُفْطِراً فَلْيَطْعَمْ ». رواه مسلم

عن ابي هريرة رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « اذا دعي احدكم فليجب، فان كان صاىما فليصل، وان كان مفطرا فليطعم ». رواه مسلم

(102) Chapter: Response to an Invitation Extended to a Man Observing Saum (Fasting)


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "When any of you is invited to a meal, he should accept the invitation. If he is observing Saum (fasting), he should supplicate for the betterment of the host and if he is not fasting, he should eat."


[Muslim].

Commentary: Shari`ah permits a person to break a voluntary fasting. The example of Messenger of Allah (PBUH) clearly shows that it is not binding on him to keep it again as a redeeming step. A man is, therefore, free to break his voluntary fasting and participate in the feast to which he is invited. However, if somebody is reluctant to break the fast, he should pray for the good and welfare of the host. But we should refuse to attend such treats which are flagrantly masked by extravagance and frivolous un-Islamic rites to the disobedience of Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৩

পরিচ্ছেদঃ ১০৩: নিমন্ত্রিত ব্যক্তির কেউ সাথী হলে সে নিমন্ত্রণদাতাকে কী বলবে?

২/৭৪৩। আবূ মাস’ঊদ বদরী রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একটি লোক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খাবারের জন্য দাওয়াত দিল, যা সে পাঁচ জনের জন্য প্রস্তুত করেছিল, যার পঞ্চম ব্যক্তি ছিলেন তিনি। (রাস্তায়) এক (অনাহূত) ব্যক্তি তাঁদের অনুগামী হল। যখন তাঁরা বাড়ির দরজায় পৌঁছলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (আমন্ত্রণকারীকে) বললেন, ’’এ ব্যক্তি আমাদের সাথে চলে এসেছে। তুমি চাইলে ওকে অনুমতি দিতে পার, না চাইলে ও ফিরে যাবে।’’ কিন্তু সে বলল, ’হে আল্লাহর রাসূল! বরং আমি তাকে অনুমতি দিলাম।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ مَا يَقُوْلُهُ مَنْ دُعِيَ إِلٰى طَعَامٍ فَتَبِعَهُ غَيْرُهُ (103)

عَن أَبي مَسعُودٍ البَدْريِّ رضي الله عنه، قَالَ: دَعَا رَجُلٌ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم لِطَعَامٍ صَنعَهُ لَهُ خَامِسَ خَمْسَةٍ، فَتَبِعَهُمْ رَجُلٌ، فَلَمَّا بَلَغَ البَابَ، قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: « إنَّ هَذَا تَبِعَنَا، فَإنْ شِئْتَ أنْ تَأْذَنَ لَهُ، وَإنْ شِئْتَ رَجَعَ ». قَالَ: بل آذَنُ لَهُ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم . متفقٌ عَلَيْهِ

عن ابي مسعود البدري رضي الله عنه، قال: دعا رجل النبي صلى الله عليه وسلم لطعام صنعه له خامس خمسة، فتبعهم رجل، فلما بلغ الباب، قال النبي صلى الله عليه وسلم: « ان هذا تبعنا، فان شىت ان تاذن له، وان شىت رجع ». قال: بل اذن له يا رسول الله صلى الله عليه وسلم . متفق عليه

(103) Chapter: What should One say to the Host if an Invited Person is Accompanied by an Uninvited Person


Abu Mas'ud Al-Badri (May Allah be pleased with him) reported:
A man prepared some food especially for the Prophet (ﷺ) and invited him along with four others. But a man accompanied him. Having arrived at the door, Messenger of Allah (ﷺ) said to the host, "This person has followed us. You may allow him, if you like, and if you like he will return." He said: "O Messenger of Allah, I allow him, too."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: It will be considered an expression of bad manners if somebody participates in a feast as an uninvited, parasitic guest. Yet, he stands a chance in case he is allowed by the host. In this Hadith, there is a case when Messenger of Allah (PBUH) said to the host that it was up to him to let the uninvited person to stay for food or go. However, the invitees may take along with them two or three uninvited guests if they believe that the host will not take it ill.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৪

পরিচ্ছেদঃ ১০৪: নিজের সামনে এক ধার থেকে আহার করা ও বে-নিয়ম আহারকারীকে উপদেশ ও আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া প্রসঙ্গে

১/৭৪৪। উমার ইবনে আবী সালামাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বাল্যকালে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর তত্ত্বাবধানে ছিলাম। একদা খাবার পাত্রে আমার হাত ছুটাছুটি করছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ’’ওহে কিশোর! ’বিসমিল্লাহ’ বলে ডান হাতে খাও এবং তোমার সামনে এক তরফ থেকে খাও।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

(104) - عَن عُمَرَ بنِ أَبي سَلمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كُنْتُ غُلاَماً فِي حِجْرِ رَسُولِ اللهِ ﷺ، وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ ﷺ: « يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللهَ تَعَالَى، وَكُلْ بِيَمِينِكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ ». متفقٌ عَلَيْهِ

عَن عُمَرَ بنِ أَبي سَلمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كُنْتُ غُلاَماً فِي حِجْرِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللهَ تَعَالَى، وَكُلْ بِيَمِينِكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ . متفقٌ عَلَيْهِ

عن عمر بن ابي سلمة رضي الله عنهما، قال: كنت غلاما في حجر رسول الله صلى الله عليه وسلم، وكانت يدي تطيش في الصحفة، فقال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: يا غلام، سم الله تعالى، وكل بيمينك، وكل مما يليك . متفق عليه

(104) Chapter: Eating from What is in Front of One


'Umar bin Abu Salamah (May Allah be pleased with them) reported:
I was a boy under the care of Messenger of Allah (ﷺ), and as my hand used to wander around in the dish, he (ﷺ) said to me once, "Mention Allah's Name (i.e., say Bismillah), eat with your right hand, and eat from what is in front of you."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: `Umar bin Abu Salamah (May Allah be pleased with them) had learnt table manners from Messenger of Allah (PBUH) who was his stepfather and guardian. Hence, everybody is morally bound to teach his wards or children good manners.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৫

পরিচ্ছেদঃ ১০৪: নিজের সামনে এক ধার থেকে আহার করা ও বে-নিয়ম আহারকারীকে উপদেশ ও আদব-কায়দা শিক্ষা দেওয়া প্রসঙ্গে

২/৭৪৫। সালামা ইবনে আকওয়া রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে একটি লোক তার বাম হাত দ্বারা আহার করল। (এ দেখে) তিনি বললেন, ’’তুমি ডান হাত দ্বারা খাও।’’ সে বলল, ’আমি পারবো না!’ তিনি বদ-দো’আ দিয়ে বললেন, ’’তুমি যেন না পারো।’’ ওর অহংকারই ওকে (কথা মানতে) বাধা দিয়েছিল। সুতরাং তারপর থেকে সে আর তার হাত মুখে তুলতে পারেনি। (মুসলিম) [1]

(104) - عَن عُمَرَ بنِ أَبي سَلمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: كُنْتُ غُلاَماً فِي حِجْرِ رَسُولِ اللهِ ﷺ، وَكَانَتْ يَدِي تَطِيشُ فِي الصَّحْفَةِ، فَقَالَ لِي رَسُولُ اللهِ ﷺ: « يَا غُلاَمُ، سَمِّ اللهَ تَعَالَى، وَكُلْ بِيَمِينِكَ، وَكُلْ مِمَّا يَلِيكَ ». متفقٌ عَلَيْهِ

وَعَن سَلَمَةَ بنِ الأَكْوَعِ رضي الله عنه: أنَّ رَجُلاً أَكَلَ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِشِمَالِهِ، فَقَالَ: « كُلْ بِيَمِينِكَ» قَالَ: لاَ أسْتَطِيعُ . قَالَ: لاَ اسْتَطَعْتَ ! مَا مَنَعَهُ إِلاَّ الكِبْرُ ! فَمَا رَفَعَهَا إِلَى فِيهِ . رواه مسلم

وعن سلمة بن الاكوع رضي الله عنه: ان رجلا اكل عند رسول الله صلى الله عليه وسلم بشماله، فقال: « كل بيمينك» قال: لا استطيع . قال: لا استطعت ! ما منعه الا الكبر ! فما رفعها الى فيه . رواه مسلم

(104) Chapter: Eating from What is in Front of One


Salamah bin Al-Akwa' (May Allah be pleased with him) reported on the authority of his father:
A man ate with his left hand in the presence of Messenger of Allah (ﷺ), whereupon he said, "Eat with your right hand." The man said: "I cannot do that." Thereupon he (the Prophet (ﷺ)) said, "May you not be able to do that." It was vanity that prevented him from doing it and he could not raise it (the right hand) up to his mouth afterwards.

[Muslim].

Commentary: This report has already been given earlier and is being repeated here owing to its relevance to the chapter. In the light of this Hadith, we are supposed to keep table manners in our focus and also to urge others to observe them. Furthermore, it is extremely undesirable to deny a reality out of sheer arrogance as it incurs the displeasure of Allah. We are also informed of a miracle of Messenger of Allah (PBUH) whose supplications were instantly answered.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৬

পরিচ্ছেদঃ ১০৫: একপাত্রে দলবদ্ধভাবে খাবার সময় সাথীদের অনুমতি ছাড়া খেজুর বা অনুরূপ কোন ফল জোড়া জোড়া খাওয়া নিষেধ।

১/৭৪৬। জাবালাহ ইবনে সুহাইম বলেন, ইবনে যুবাইরের খেলাফতকালে আমরা দুর্ভিক্ষে আক্রান্ত হয়েছিলাম। সুতরাং আমাদেরকে খেজুর দেওয়া হত। আর ’আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ’আনহু আমাদের পাশ দিয়ে অতিক্রম করতেন, যখন আমরা তা আহার করতাম। তিনি বলতেন, ’তোমরা জোড়া জোড়া খেজুর এক সাথে খাবে না। কেননা, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জোড়া খেজুর (দুটো খেজুর এক সঙ্গে) খেতে বারণ করেছেন।’ তারপর বললেন, ’তবে যদি তার সঙ্গী ভাইয়ের কাছে সে অনুমতি গ্রহণ করে (তবে তা স্বতন্ত্র ব্যাপার)।’ (বুখারী, মুসলিম) [1]

(105) - باب النهى عن القران بين تمرتين ونحوهماإذا أكل جماعة بإذن رفقته

عَن جَبَلَة بنِ سُحَيْمٍ، قَالَ: أصَابَنَا عَامُ سَنَةٍ مَعَ ابنِ الزُّبَيْرِ ؛ فَرُزِقْنَا تَمْراً، وَكَانَ عَبدُ اللهِ بنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا يَمُرُّ بِنَا وَنَحنُ نَأكُلُ، فَيَقُولُ: لاَ تُقَارِنُوا، فَإِنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم نَهَى عنِ القِرَانِ، ثُمَّ يَقُولُ: إِلاَّ أنْ يَسْتَأذِنَ الرَّجُلُ أخَاهُ . متفقٌ عَلَيْهِ

عن جبلة بن سحيم، قال: اصابنا عام سنة مع ابن الزبير ؛ فرزقنا تمرا، وكان عبد الله بن عمر رضي الله عنهما يمر بنا ونحن ناكل، فيقول: لا تقارنوا، فان النبي صلى الله عليه وسلم نهى عن القران، ثم يقول: الا ان يستاذن الرجل اخاه . متفق عليه

(105) Chapter: Prohibition of Eating Two Dates Simultaneously


Jabalah bin Suhaim reported:
We were with 'Abdullah bin Az-Zubair (May Allah be pleased with them) in a time of famine, then we were provided with dates. (Once) when we were eating, 'Abdullah bin 'Umar (May Allah be pleased with them) passed by us and said: "Do not eat two dates together, for Messenger of Allah (ﷺ) prohibited it, unless one seeks permission from his brother (partner)."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith has a lesson for today's Muslims whose majority seems to be ignorant of good manners. It is commonly seen at feasts that somebody, unconcerned about others around him, will be engaged in filling his own plate with food. Such a greed of eating is against the Prophet's teaching and guidance which inspire us to have a due regard for others and not to serve our own purpose alone.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ জাবালাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৭

পরিচ্ছেদঃ ১০৬: খাওয়া সত্ত্বেও পরিতৃপ্ত না হলে কী বলা ও করা উচিত?

১/৭৪৭। অহশী ইবনে হার্ব রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, সাহাবাগণ নিবেদন করলেন, ’হে আল্লাহর রাসূল! আমরা খাই, কিন্তু যেন পেট ভরে না।’ তিনি বললেন, ’’তাহলে হয়তো তোমরা আলাদা আলাদা খাও।’’ তারা বললেন, ’জী হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ’’তোমরা জামা’আতবদ্ধভাবে ’বিসমিল্লাহ’ বলে আহার করো, তাহলে তাতে তোমাদের জন্য বরকত দান করা হবে।’’ (আবূ দাঊদ) [1]

(106) - ابُ مَا يَقُوْلُهُ وَيَفْعَلُهُ مَنْ يَّأْكُلُ وَلَا يَشْبَعُ

عَن وَحْشِيِّ بنِ حَربٍ رضي الله عنه: أَنَّ أَصحَابَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم، قَالُوا: يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم، إنَّا نَأكُلُ وَلاَ نَشْبَعُ ؟ قَالَ: « فَلَعَلَّكُمْ تَفْتَرِقُونَ » قَالُوا: نَعَمْ . قَالَ: « فَاجْتَمِعُوا عَلَى طَعَامِكُمْ، وَاذْكُرُوا اسْمَ اللهِ، يُبَارَكْ لَكُمْ فِيهِ ». رواه أَبُو داود

عن وحشي بن حرب رضي الله عنه: ان اصحاب رسول الله صلى الله عليه وسلم، قالوا: يا رسول الله صلى الله عليه وسلم، انا ناكل ولا نشبع ؟ قال: « فلعلكم تفترقون » قالوا: نعم . قال: « فاجتمعوا على طعامكم، واذكروا اسم الله، يبارك لكم فيه ». رواه ابو داود

(106) Chapter: What Should a Person Say or Do When He Eats and is Unsatisfied


Wahshi bin Harb (May Allah be pleased with him) reported:
Some of the Companions of Messenger of Allah (ﷺ) said: "We eat but are not satisfied." He (ﷺ) said, "Perhaps you eat separately." The Companions replied in affirmative. He then said: "Eat together and mention the Name of Allah over your food. It will be blessed for you."


[Abu Dawud].


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৮

পরিচ্ছেদঃ ১০৭: খাবার বাসনের এক ধার থেকে খাওয়ার নির্দেশ এবং তার মাঝখান থেকে খাওয়া নিষেধ

এ বিষয়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী পূর্বে পার হয়ে গেছে, ’’তুমি তোমার সামনে একধার থেকে খাও।’’ (বুখারী, মুসলিম)

১/৭৪৮। ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ’আনহুমা হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’যেহেতু খাবারের মাঝখানে বরকত নাযিল হয়, সেহেতু তোমরা ওর দুই ধার থেকে খাও, আর ওর মাঝখান থেকে খেয়ো না।’’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান সহীহ)[1]

(107) - بَابُ الْأَمْرِ بِالْأَكْلِ مِنْ جَانِبِ الْقَصْعَةِ وَالنَّهْيِ عَنِ الْأَكْلِ مِنْ وَسَطِهَا

وَعَنِ ابنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: البَرَكَةُ تَنْزِلُ وَسَطَ الطعَامِ ؛ فَكُلُوا مِنْ حَافَتَيْهِ، وَلاَ تَأكُلُوا مِنْ وَسَطِهِ . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

وعن ابن عباس رضي الله عنهما، عن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: البركة تنزل وسط الطعام ؛ فكلوا من حافتيه، ولا تاكلوا من وسطه . رواه ابو داود والترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(107) Chapter: Eating from the Side of the Vessel


Ibn 'Abbas (May Allah be pleased with them) reported:
The Prophet (ﷺ) said, "Blessing descends upon food in its middle, so eat from the sides of the vessel and do not eat from its middle."


[At-Tirmidhi and Abu Dawud].

Commentary: This Hadith tells us that if a few people or members of the same family recite the Name of Allah and take meal at the same table, a two-fold benefit will accrue to them. Their hunger will be sated with their subsistence being given the Divine blessing. And if they do otherwise, the result will be otherwise too.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৪৯

পরিচ্ছেদঃ ১০৭: খাবার বাসনের এক ধার থেকে খাওয়ার নির্দেশ এবং তার মাঝখান থেকে খাওয়া নিষেধ

২/৭৪৯। আব্দুল্লাহ ইবনে বুসর রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর একটি পাত্র ছিল যাকে ’গার্রা’ বলা হত, সেটাকে চারজন মানুষ ধরে তুলতো। একদা চাশতের সময়ে যখন চাশতের নামায পড়ার পর ঐ (বিশাল) পাত্রটি আনা হল---অর্থাৎ তাতে ’সারীদ’ (মাংস ও খন্ড খন্ড রুটি সংমিশ্রণে প্রস্তুত সুস্বাদু খাদ্য) রাখার পর, তখন লোকেরা তাতে জমায়েত হল। লোকের পরিমাণ যখন বেশি হল, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাঁটুর ভরে বসে পড়লেন। (এরূপ দেখে) জনৈক বেদুঈন বলল, ’এ কেমন বসা?’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ’’নিশ্চিতরূপে আল্লাহ আমাকে ভদ্র (বিনয়ী) বান্দা করেছেন এবং উদ্ধত ও হঠকারী করেননি।’’ তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ’’তোমরা পাত্রের এক ধার থেকে খেতে থাক। আর ওর শীর্ষভাগ ছেড়ে দাও, ওখানে বরকত অবতীর্ণ হবে।’’ (আবূ দাঊদ উত্তম সনদে) [1]

(107) - بَابُ الْأَمْرِ بِالْأَكْلِ مِنْ جَانِبِ الْقَصْعَةِ وَالنَّهْيِ عَنِ الْأَكْلِ مِنْ وَسَطِهَا

وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ بُسْرٍ رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَصْعَةٌ يُقَالُ لَهَا: الغَرَّاءُ يَحْمِلُهَا أرْبَعَةُ رِجَالٍ ؛ فَلَمَّا أضْحَوْا وَسَجَدُوا الضُّحَى أُتِيَ بِتِلْكَ الْقَصْعَةِ ؛ يَعنِي وَقَدْ ثُرِدَ فِيهَا، فَالتَفُّوا عَلَيْهَا، فَلَمَّا كَثُرُوا جَثَا رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ أَعرَابيٌّ: مَا هَذِهِ الجِلْسَةُ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: إنَّ اللهَ جَعَلَنِي عَبْداً كَرِيماً، وَلَمْ يَجْعَلْنِي جَبَّاراً عَنِيداً ، ثُمَّ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: كُلُوا مِنْ حَوَالَيْهَا، وَدَعُوا ذِرْوَتَهَا يُبَارَكْ فِيهَا ». رواه أَبُو داود بإسنادٍ جيد

وعن عبد الله بن بسر رضي الله عنه، قال: كان للنبي صلى الله عليه وسلم قصعة يقال لها: الغراء يحملها اربعة رجال ؛ فلما اضحوا وسجدوا الضحى اتي بتلك القصعة ؛ يعني وقد ثرد فيها، فالتفوا عليها، فلما كثروا جثا رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم . فقال اعرابي: ما هذه الجلسة ؟ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: ان الله جعلني عبدا كريما، ولم يجعلني جبارا عنيدا ، ثم قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: كلوا من حواليها، ودعوا ذروتها يبارك فيها ». رواه ابو داود باسناد جيد

(107) Chapter: Eating from the Side of the Vessel


'Abdullah bin Busr (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) had a large bowl called Al-Gharra', which would be carried by four men. One day, when the Companions finished their Duha (forenoon optional) prayer, Al-Gharra' was brought full of sopped bread, meat and broth, and they sat down around it. When their number increased, Messenger of Allah (ﷺ) sat down on his knees and rested on the soles of his feet. A bedouin said to him: "What sort of sitting is that?" Thereupon Messenger of Allah (ﷺ) said, "Verily, Allah has made me a courteous slave not a fierce tyrant." Then he said, "Eat from the sides of the bowl and leave the central part of it so that your food will be blessed."

[Abu Dawud].

Commentary: Here, too, we are told to eat collectively and from our side of the table. Messenger of Allah (PBUH) calls it the blessed way. There is also a provision for sitting with bent knees (while resting on one's soles). Moreover, the excellence of Messenger of Allah (PBUH) as well as his humility are rought to our knowledge.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৫০

পরিচ্ছেদঃ ১০৮: ঠেস দিয়ে বসে আহার করা অপছন্দনীয়

১/৭৫০। আবূ জুহাইফা অহাব ইবনে আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’আমি হেলান দিয়ে বসে আহার করি না।’’ (বুখারী)[1]

ইমাম খাত্ত্বাবী (রঃ) বলেন, ’এখানে হেলান দিয়ে বসার মানে হচ্ছে নিচে কোন নরম গদি বা আসনে চেপে বসা। উদ্দেশ্য হল, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অধিক ভোজনবিলাসী পেটুক মানুষের মত কোন গদিতে চেপে বা ঠেস বালিশে হেলান দিয়ে বসতেন না এবং তিনি আরামের সাথে না বসে এমনভাবে হাঁটু দু’টি উঁচু করে বসতেন, যেন উঠে দাঁড়াবেন। তিনি যথা পরিমিতভাবে আহার করতেন।’ --এ হল ইমাম খাত্ত্বাবীর কথা। অন্যান্য আলেমগণ এ অর্থের দিকে ইঙ্গিত করেছেন যে, একপার্শ্বে ভর দিয়ে চেপে বসা হল হেলান দিয়ে বসা। আর আল্লাহই সর্বাধিক পরিজ্ঞাত।

(108) - بَابُ كَرَاهِيَةِ الْأَكْلِ مُتَّكِئًا

عَن أَبي جُحَيْفَةَ وَهْبِ بنِ عَبدِ اللهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لاَ آكُلُ مُتَّكِئاً». رواه البخاري

عن ابي جحيفة وهب بن عبد الله رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لا اكل متكىا». رواه البخاري

(108) Chapter: Undesirability of Eating in a Reclining Posture


Abu Juhaifah Wahb bin 'Abdullah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "I do not eat reclining (against a pillow)."


[Al-Bukhari].

Commentary: What is meant by reclining? There is a difference of opinion on it. Some say that it means leaning on one side, whether right or left, or against the wall. Imam Al-Khattabi takes it in this sense that somebody should lay out a mattress and sit on it comfortably as one sits cross-legged. Messenger of Allah (PBUH) used to take hardly an adequate meal. Ibn Hajar says that one should sit with the right knee drawn up and the left one bent down.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ জুহাইফাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
৭৫১

পরিচ্ছেদঃ ১০৮: ঠেস দিয়ে বসে আহার করা অপছন্দনীয়

২/৭৫১। আনাস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে উঁচু হয়ে বসে খেজুর খেতে দেখেছি।’ (মুসলিম)[1]


* উঁচু হয়ে বসার পদ্ধতি এই যে, পায়ের নলা দুখানা উঁচু করে বুকের সাথে লাগিয়ে মাটিতে বা কোন আসনে পাছা ঠেকিয়ে বসা।

(108) - بَابُ كَرَاهِيَةِ الْأَكْلِ مُتَّكِئًا

وَعَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: رَأَيْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم جَالِساً مُقْعِياً يَأكُلُ تَمْراً . رواه مسلم

وعن انس رضي الله عنه، قال: رايت رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم جالسا مقعيا ياكل تمرا . رواه مسلم

(108) Chapter: Undesirability of Eating in a Reclining Posture


Anas (May Allah be pleased with him) reported:
I saw Messenger of Allah (ﷺ) eating some dates while sitting on his buttocks, with his legs raised.

[Muslim].

Commentary: This Hadith sheds light on another sitting posture of Messenger of Allah (PBUH). But it betrays his uneasy state. In fact, when he was in a hurry he would be eager by eating a few dates so that he might be free to attend to some more important business. Also a report of Anas (May Allah be pleased with him) quoted by Muslim explains this state of mind of Messenger of Allah (PBUH).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام) The Book About the Etiquette of Eating
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৫১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »