আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ২৫৯ টি

পরিচ্ছেদঃ ৩৬৩। আসরের ওয়াক্ত

৫২২। মুহাম্মদ ইবনু মুকাতিল (রহঃ) ..... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার আমরা উমর ইবনু আযীয (রহঃ)-এর সঙ্গে যুহরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করলাম। তারপর সেখান থেকে বেরিয়ে আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) এর কাছে গেলাম। আমরা গিয়ে তাঁকে আসরের সালাত আদায়ে রত পেলাম। আমি তাঁকে বললাম চাচা! এ কোন সালাত যা আপনি আদায় করলেন? তিনি বললেন, আসরের সালাত আর এ হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সালাত, যা আমরা তাঁর সাথে আদায় করতাম।

باب وَقْتِ الْعَصْرِ

حَدَّثَنَا ابْنُ مُقَاتِلٍ، قَالَ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ صَلَّيْنَا مَعَ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ الظُّهْرَ، ثُمَّ خَرَجْنَا حَتَّى دَخَلْنَا عَلَى أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ فَوَجَدْنَاهُ يُصَلِّي الْعَصْرَ فَقُلْتُ يَا عَمِّ، مَا هَذِهِ الصَّلاَةُ الَّتِي صَلَّيْتَ قَالَ الْعَصْرُ، وَهَذِهِ صَلاَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الَّتِي كُنَّا نُصَلِّي مَعَهُ‏.‏


Narrated Abu Bakr bin `Uthman bin Sahl bin Hunaif: that he heard Abu Umama saying: We prayed the Zuhr prayer with `Umar bin `Abdul `Aziz and then went to Anas bin Malik and found him offering the `Asr prayer. I asked him, "O uncle! Which prayer have you offered?" He said 'The `Asr and this is (the time of) the prayer of Allah s Apostle which we used to pray with him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪৪৬. কৃষি যন্ত্রপাতি নিয়ে ব্যস্ত থাকার পরিনতি সম্পর্কে সতর্কীকরণ ও নির্দেশিত সীমা অতিক্রম করা প্রসঙ্গে।

২১৭০। আবদুল্লাহ‌ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) ... আবূ উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, লাঙ্গলের হাল এবং কিছু কৃষি যন্ত্রপাতি দেখে বললেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি এটা যে সম্প্রদায়ের ঘরে প্রবেশ করে, আল্লাহ সেখানে অপমান প্রবেশ করান।* রাবী মুহাম্মদ ইবনু যিয়াদ (রহঃ) বলেন, আবূ উমামা (রাঃ)-এর নাম হল সুদাই ইবনু আজলান।

بَابُ مَا يُحْذَرُ مِنْ عَوَاقِبِ الاِشْتِغَالِ بِآلَةِ الزَّرْعِ أَوْ مُجَاوَزَةِ الْحَدِّ الَّذِي أُمِرَ بِهِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَالِمٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ زِيَادٍ الأَلْهَانِيُّ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ،، قَالَ ـ وَرَأَى سِكَّةً وَشَيْئًا مِنْ آلَةِ الْحَرْثِ، فَقَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ لاَ يَدْخُلُ هَذَا بَيْتَ قَوْمٍ إِلاَّ أُدْخِلَهُ الذُّلُّ ‏"‏‏.‏
قَالَ أَبُو عَبْد اللَّهِ وَاسْمُ أَبِي أُمَامَةَ صُدَيُّ بْنُ عَجْلَانَ


Narrated Abu Umama al-Bahili: I saw some agricultural equipment and said: "I heard the Prophet (ﷺ) saying: "There is no house in which these equipment enters except that Allah will cause humiliation to enter it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮২৪. তলোয়ারে সোনা রুপার কাজ

২৭০৮। আহমদ ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এই সব বিজয় এমন লোকদের দ্বারা সম্পন্ন হয়েছিল, যাদের তলোয়ার স্বর্ণ বা রোপ্য খচিত ছিল না, বরং তাদের তলোয়ার ছিল উটের গর্দানের চামড়া এবং লৌহ কারুকার্য মন্ডিত।

باب حِلْيَةِ السُّيُوفِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ، أَخْبَرَنَا الأَوْزَاعِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ سُلَيْمَانَ بْنَ حَبِيبٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ لَقَدْ فَتَحَ الْفُتُوحَ قَوْمٌ مَا كَانَتْ حِلْيَةُ سُيُوفِهِمِ الذَّهَبَ وَلاَ الْفِضَّةَ، إِنَّمَا كَانَتْ حِلْيَتُهُمُ الْعَلاَبِيَّ وَالآنُكَ وَالْحَدِيدَ‏.‏


Narrated Abu Umama: Some people conquered many countries and their swords were decorated neither with gold nor silver, but they were decorated with leather, lead and iron.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১৫৮. আহারের পর কি পড়বে?

৫০৬৩। আবূ নূআয়ম (রহঃ) ... আবূ উসামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তর খান তুলে নেয়া হল। তিনি বলতেনঃ পবিত্র বরকতময় অনেক অনেক প্রশংসা আল্লাহর জন্য। হে আমাদের রব, এ থেকে কখনো বিমুখ হতে পারবো না, বিদায় নিতে পারবো না এবং এ থেকে অমুখাপেক্ষী হতেও পারবো না।

باب مَا يَقُولُ إِذَا فَرَغَ مِنْ طَعَامِهِ

حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ ثَوْرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا رَفَعَ مَائِدَتَهُ قَالَ ‏ "‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ كَثِيرًا طَيِّبًا مُبَارَكًا فِيهِ، غَيْرَ مَكْفِيٍّ، وَلاَ مُوَدَّعٍ وَلاَ مُسْتَغْنًى عَنْهُ، رَبَّنَا ‏"‏‏.‏


Narrated Abu Umama: Whenever the dining sheet of the Prophet (ﷺ) was taken away (i.e., whenever he finished his meal), he used to say: "Al-hamdu li l-lah kathiran taiyiban mubarakan fihi ghaira makfiy wala muWada` wala mustaghna'anhu Rabbuna."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২১৫৮. আহারের পর কি পড়বে?

৫০৬৪। আবূ আসিম (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন আহার শেষ করতেন, রাবী আরো বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দস্তরখান যখন তুলে নেয়া হতো তখন তিনি বলতেনঃ সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য যিনি যথেষ্ট খাইয়েছেন এবং পরিতৃপ্ত করেছেন। তার থেকে বিমুখ হওয়া যায় না এবং তার প্রতি অকৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা যায় না। রাবী কখনো বলেনঃ হে আমাদের রব, তোমার জন্যই সকল প্রশংসা, এর থেকে বিমুখ হওয়া যাবে না, একে পরিত্যাগ করাও যাবে না এবং এর থেকে অমুখাপেক্ষীও হওয়া যাবে না; হে, আমাদের রব।

باب مَا يَقُولُ إِذَا فَرَغَ مِنْ طَعَامِهِ

حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا فَرَغَ مِنْ طَعَامِهِ ـ وَقَالَ مَرَّةً إِذَا رَفَعَ مَائِدَتَهُ ـ قَالَ ‏ "‏ الْحَمْدُ لِلَّهِ الَّذِي كَفَانَا وَأَرْوَانَا، غَيْرَ مَكْفِيٍّ، وَلاَ مَكْفُورٍ ـ وَقَالَ مَرَّةً الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّنَا، غَيْرَ مَكْفِيٍّ، وَلاَ مُوَدَّعٍ ـ وَلاَ مُسْتَغْنًى، رَبَّنَا ‏"‏‏.‏


Narrated Abu Umama: Whenever the Prophet (ﷺ) finished his meals (or when his dining sheet was taken away), he used to say. "Praise be to Allah Who has satisfied our needs and quenched our thirst. Your favor cannot by compensated or denied." Once he said, upraise be to You, O our Lord! Your favor cannot be compensated, nor can be left, nor can be dispensed with, O our Lord!"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬০. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক তসরুপকারীর (বিনষ্টকারী) প্রতি জাহান্নামের হুমকি

২৫২। ইয়াহইয়া ইবনু আইয়ুব, কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ যে ব্যাক্তি কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক বিনষ্ট করে তার জন্য আল্লাহ জাহান্নাম অবধারিত করে রেখেছেন এবং জান্নাত হারাম করে রেখেছেন। তখন জনৈক ব্যাক্তি জিজ্ঞেস করল, হে আল্লাহর রাসুল! অতি সামান্য বস্তু হলেও? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ আরাক (বাবলা গাছের মত এক ধরনের কাঁটাযুক্ত গাছের) গাছের ডাল হলেও এ শাস্তি দেয়া হবে।

باب وَعِيدِ مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ مُسْلِمٍ بِيَمِينٍ فَاجِرَةٍ بِالنَّارِ ‏‏

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، وَقُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَعَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، جَمِيعًا عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ جَعْفَرٍ، - قَالَ ابْنُ أَيُّوبَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، - قَالَ أَخْبَرَنَا الْعَلاَءُ، - وَهُوَ ابْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَوْلَى الْحُرَقَةِ - عَنْ مَعْبَدِ بْنِ كَعْبٍ السَّلَمِيِّ، عَنْ أَخِيهِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ فَقَدْ أَوْجَبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ وَحَرَّمَ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ وَإِنْ كَانَ شَيْئًا يَسِيرًا يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ ‏"‏ وَإِنْ قَضِيبًا مِنْ أَرَاكٍ ‏"‏ ‏.‏


It is narrated on the authority of Abu Umama that the Messenger of Allah (ﷺ) observed: He who appropriated the right of a Muslim by (swearing a false) oath, Allah would make Hell-fire necessary for him and would declare Paradise forbidden for him. A person said to him: Messenger of Allah, even if it is something insignificant? He (the Holy Prophet) replied: (Yes) even if it is the twig of the arak tree.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮. কুরআন তিলওয়াত এবং সূরা বাকারা তিলওয়াতের ফযীলত

১৭৪৭। হাসান ইবনু আলী আল হুলওয়ানী (রহঃ) ... আবূ উমামা বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি, তোমরা কুরআন তিলাওয়াত করবে। কেননা, কিয়ামতের দিন তা তিলাওয়াতকারীদের জন্য সুপারিশকারীরুপে উপস্থিত হবে। সুপারিশকারী দু সমুজ্জ্বল সুরা বাকারা ও আলে ইমরান তিলাওয়াত করবে। কেননা, এ দুটি কিয়ামতের দিনে উপস্থিত হবে যেন সে দুটি ‘গামামা’ কিংবা (তিনি বলেছিলেন) সে দুটি দুটি ‘গায়ায়া’ (মেঘ) কিংবা যেন সে দুটি ডানা বিস্তারকারী দুটি পাখীর ঝাঁক যারা তাদের তিলাওয়াতকারীদের পক্ষে সাহায্যকারী হবে। তোমরা সূরা বাকারা তিলাওয়াত করবে। কেননা, তা তিলাওয়াত করাতে বরকত রয়েছে। এবং তা বর্জন করা আফসোসের। কারণ বাতিলপন্থীরা তার সাথে কুলিয়ে উঠতে পারবে না। (সনদের মধ্যবর্তী রাবী) মু’আবিয়া (রহঃ) বলেন, আমার কাছে এ তথ্য পৌছেছে যে, “বাতালা” (বাতিলপন্থীরা) অর্থ হল যাদুকর।

باب فَضْلِ قِرَاءَةِ الْقُرْآنِ وَسُورَةِ الْبَقَرَةِ ‏

حَدَّثَنِي الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ الْحُلْوَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، - وَهُوَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ - حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ، - يَعْنِي ابْنَ سَلاَّمٍ - عَنْ زَيْدٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَبَا سَلاَّمٍ، يَقُولُ حَدَّثَنِي أَبُو أُمَامَةَ، الْبَاهِلِيُّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ اقْرَءُوا الْقُرْآنَ فَإِنَّهُ يَأْتِي يَوْمَ الْقِيَامَةِ شَفِيعًا لأَصْحَابِهِ اقْرَءُوا الزَّهْرَاوَيْنِ الْبَقَرَةَ وَسُورَةَ آلِ عِمْرَانَ فَإِنَّهُمَا تَأْتِيَانِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ كَأَنَّهُمَا غَمَامَتَانِ أَوْ كَأَنَّهُمَا غَيَايَتَانِ أَوْ كَأَنَّهُمَا فِرْقَانِ مِنْ طَيْرٍ صَوَافَّ تُحَاجَّانِ عَنْ أَصْحَابِهِمَا اقْرَءُوا سُورَةَ الْبَقَرَةِ فَإِنَّ أَخْذَهَا بَرَكَةٌ وَتَرْكَهَا حَسْرَةٌ وَلاَ تَسْتَطِيعُهَا الْبَطَلَةُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ مُعَاوِيَةُ بَلَغَنِي أَنَّ الْبَطَلَةَ السَّحَرَةُ ‏.‏


Abu Umama said he heard Allah's Messenger (ﷺ) say: Recite the Qur'an, for on the Day of Resurrection it will come as an intercessor for those who recite It. Recite the two bright ones, al-Baqara and Surah Al 'Imran, for on the Day of Resurrection they will come as two clouds or two shades, or two flocks of birds in ranks, pleading for those who recite them. Recite Surah al-Baqara, for to take recourse to it is a blessing and to give it up is a cause of grief, and the magicians cannot confront it. (Mu'awiya said: It has been conveyed to me that here Batala means magicians.)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭. উপরের হাত নিচের হাত থেকে উত্তম; উপরের হাত হল দানকারীর এবং নিচের হাত হল যাচনাকারীর

২২৬০। নাসর ইবনু আলী জাহযামী, যুহায়র ইবনু হারব ও আবদ ইবনু হুমায়দ (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, হে আদম সন্তান! তুমি অতিরিক্ত সম্পদ ব্যয় কর। তা তোমার জন্য উত্তম। আর তুমি যা আটকিয়ে রাখ তা তোমার জন্য মন্দ। প্রয়োজন পরিমাণ রাখার ব্যাপারে তোমাকে অভিযুক্ত করা হবে না। আর যাদের লালন পালনের দায়িত্ব তোমার-উপরে তাদের দিয়ে শুরু কর এবং উপরের হাত নিচের হাত অপেক্ষা উত্তম।

باب بَيَانِ أَنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنْ الْيَدِ السُّفْلَى وَأَنَّ الْيَدَ الْعُلْيَا هِيَ الْمُنْفِقَةُ وَأَنَّ السُّفْلَى هِيَ الْآخِذَةُ

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَعَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا شَدَّادٌ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ يَا ابْنَ آدَمَ إِنَّكَ أَنْ تَبْذُلَ الْفَضْلَ خَيْرٌ لَكَ وَأَنْ تُمْسِكَهُ شَرٌّ لَكَ وَلاَ تُلاَمُ عَلَى كَفَافٍ وَابْدَأْ بِمَنْ تَعُولُ وَالْيَدُ الْعُلْيَا خَيْرٌ مِنَ الْيَدِ السُّفْلَى ‏"‏.


Abu Umama reported Allah's Messenger (ﷺ) as saying: O son of Adam, it is better for you if you spend your surplus (wealth), but if you withhold it, it is evil for you. There is (however) no reproach for you (if you withhold means necessary) for a living. And begin (charity) with your dependents; and the upper hand is better than the lower hand.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. নারী ও পুরুষের জন্য সোনা-রূপার পাত্র, আর পুরুষের জন্য সোনার আংটি ও রেশমজাত কাপড় ব্যবহার করা হারাম এবং স্ত্রীলোকের জন্য এগুলো ব্যবহার করা মুবাহ। সোনা-রূপা ও রেশমের অনধিক চার আঙ্গুল পরিমাণ নকলী (পাড় ও আচল) অনুরূপ কিছু পুরুষের জন্য মুবাহ

৫২৫২। ইবরাহীম ইবনু মূসা আর-রাযী (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়ায় রেশমজাত কাপড় পরবে, পরকালে সে তা পরতে পারবে না।

باب تَحْرِيمِ اسْتِعْمَالِ إِنَاءِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ عَلَى الرِّجَالِ وَالنِّسَاءِ وَخَاتَمِ الذَّهَبِ وَالْحَرِيرِ عَلَى الرَّجُلِ وَإِبَاحَتِهِ لِلنِّسَاءِ وَإِبَاحَةِ الْعَلَمِ وَنَحْوِهِ لِلرَّجُلِ مَا لَمْ يَزِدْ عَلَى أَرْبَعِ أَصَابِعَ

وَحَدَّثَنِي إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى الرَّازِيُّ، أَخْبَرَنَا شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ الدِّمَشْقِيُّ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، حَدَّثَنِي شَدَّادٌ أَبُو عَمَّارٍ، حَدَّثَنِي أَبُو أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ لَبِسَ الْحَرِيرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَلْبَسْهُ فِي الآخِرَةِ ‏"‏ ‏.‏


Abu Umama reported Allah's Messenger (ﷺ) having said: He who wore silk in this world would not wear it in the Hereafter.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭. আল্লাহ্‌ তা'আলার বানীঃ পুণ্যবান পাপসমূহ মিটিয়ে দেয়। (সূরা হুদঃ ১১৪)

৬৭৫১। নাসর ইবনু আলী জাহযামী ও যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মসজিদে উপবিষ্ট ছিলেন এবং আমরা তাঁর সঙ্গে উপবিষ্ট ছিলাম। তখন এক ব্যক্তি এসে বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! হদ্দ প্রযোজ্য হওয়ার অপরাধ করে ফেলেছি। সুতরাং আপনি আমার উপর হদ্দ বাস্তবায়িত করুন। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে রইলেন। সে পুনরায় বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমার দ্বারা হদ্দ প্রযোজ্য হওয়ার মত অপরাধ হয়ে গেছে। সুতরাং আপনি আমার উপর হদ্দ বাস্তবায়িত করুন। এবারও রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম চুপ করে রইলেন। লোকটি তৃতীয়বার অনুরূপ বলল। এমতাবস্থায় সালাত শুরু হল।

আল্লাহর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত সমাপ্ত করলেন, রাবী আবূ উমামা (রাঃ) বলেন, সাকাত শেষে লোকটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অনুসরণ করতে লাগল। [আবূ উমামা (রাঃ)] বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকটিকে কি উত্তর দেন তা দেখার জন্য আমিও তাঁর অনুসরণ করলাম। এরপর প্রশ্নকারী লোকটি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট গিয়ে আবার বলল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আমি আমার উপর 'হদ্দ হওয়ার মত অপরাধ করে ফেলেছি। সুতরাং আমার উপর বাস্তবায়িত করুন।

আবূ উমামা (রাঃ) বলেন, এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ঘর থেকে বের হওয়ার সময় তুমি কি উত্তমরূপে উযু করোনি? সে বলল, হ্যাঁ, নিশ্চয়ই, ইয়া রাসুলাল্লাহ! তারপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি আমাদের সঙ্গে সালাত আদায় করোনি? সে বলল, হ্যাঁ, ইয়া রাসুলাল্লাহ। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ আল্লাহ তা’আলা তোমার হদ্দ ক্ষমা করে দিয়েছেন, অথবা বললেনঃ তিনি তোমার গুনাহ ক্ষমা করে দিয়েছেন।

باب قَوْلِهِ تَعَالَى ‏{‏ إِنَّ الْحَسَنَاتِ يُذْهِبْنَ السَّيِّئَاتِ}

حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَزُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، - وَاللَّفْظُ لِزُهَيْرٍ - قَالاَ حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ يُونُسَ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا شَدَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو أُمَامَةَ، قَالَ بَيْنَمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي الْمَسْجِدِ وَنَحْنُ قُعُودٌ مَعَهُ إِذْ جَاءَ رَجُلٌ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْهُ عَلَىَّ ‏.‏ فَسَكَتَ عَنْهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ أَعَادَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْهُ عَلَىَّ ‏.‏ فَسَكَتَ عَنْهُ وَأُقِيمَتِ الصَّلاَةُ فَلَمَّا انْصَرَفَ نَبِيُّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ أَبُو أُمَامَةَ فَاتَّبَعَ الرَّجُلُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ انْصَرَفَ وَاتَّبَعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْظُرُ مَا يَرُدُّ عَلَى الرَّجُلِ فَلَحِقَ الرَّجُلُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ حَدًّا فَأَقِمْهُ عَلَىَّ - قَالَ أَبُو أُمَامَةَ - فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَرَأَيْتَ حِينَ خَرَجْتَ مِنْ بَيْتِكَ أَلَيْسَ قَدْ تَوَضَّأْتَ فَأَحْسَنْتَ الْوُضُوءَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ بَلَى يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ ثُمَّ شَهِدْتَ الصَّلاَةَ مَعَنَا ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ نَعَمْ يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ فَإِنَّ اللَّهَ قَدْ غَفَرَ لَكَ حَدَّكَ - أَوْ قَالَ - ذَنْبَكَ ‏"‏ ‏.‏


Abu Umama reported: We were sitting in the mosque in the company of Allah's Messenger (ﷺ). A person came there and said: Allah's Messenger, I have committed an offence which deserves the imposition of hadd upon me, so impose it upon me. Allah's Messenger (ﷺ) kept silent. He repeated it and said: Allah's Messenger, I have committed an offence which deserves the imposition of hadd upon me, so impose it upon me. He (the Holy Prophet) kept silent, and it was at this time that Iqama was pronounced for prayer (and the prayer was observed). And when Allah's Apostle (ﷺ) had concluded the payer that person followed Allah's Messenger (ﷺ). Abu Umama said: I too followed Allah's Messenger (ﷺ) after he had concluded the prayer, so that I should know what answer he would give to that person. That person remained attached to Allah's Messenger (ﷺ) and said: Allah's Messenger, I have committed an offence which deserves imposition of hadd upon me, so impose it upon me. Abu Umama reported that Allah's Messenger (ﷺ) said to him: Didn't you see that as you got out of the house, you performed ablution perfectly well. He said: Allah's Messenger, of course. I did it. He again said to him: Then you observed prayer along with us. He said: Allah's Messenger, yes, it is so. Thereupon Allah's Messenger (ﷺ) said to him: Verily, Allah has exempted you from the imposition of hadd, or he said. From your sin.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৪: আল্লাহর ভয়ে এবং তাঁর সাক্ষাতের আনন্দে কান্না করার মাহাত্ম্য

১০/৪৬০। আবূ উমামাহ সুদাই ইবনে ‘আজলান বাহেলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘আল্লাহর নিকট দু’টি বিন্দু এবং দু’টি চিহ্ন অপেক্ষা কোনো বস্তু প্রিয় নয়।
(এক) ঐ অশ্রু বিন্দু যা আল্লাহর ভয়ে বের হয়
(দুই) ঐ রক্ত বিন্দু যা আল্লাহর পথে বইয়ে দেওয়া হয়।

পক্ষান্তরে দু’টি চিহ্ন হলঃ
(এক) ঐ চিহ্ন যা আল্লাহর পথে (জিহাদ করে) হয়
(দুই) আল্লাহর কোনো ফরয কাজ আদায় করে যে চিহ্ন (দাগ) পড়ে।’’ (তিরমিযী, হাসান) [1]

এ বিষয়ে আরো হাদীস রয়েছে। তার মধ্যে একটি ‘ইরবায ইবনে সারিয়াহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর হাদীস, ‘একদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এমন মর্মস্পর্শী বক্তৃতা শুনালেন যে, তাতে অন্তর ভীত হল এবং চোখ দিয়ে অশ্রু বয়ে গেল।’ যা ১৬১ নম্বরে অতিবাহিত হয়েছে।

بَابُ فَضْلِ الْبُكَاءِ مِنْ خَشْيَةِ اللهِ تَعَالٰى وَشَوْقًا إِلَيْهِ - (54)

وَعَن أَبي أُمَامَة صُدَيِّ بنِ عَجلاَنَ البَاهِلِي رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: لَيْسَ شَيْءٌ أحَبَّ إِلَى اللهِ تَعَالَى مِنْ قَطْرَتَيْنِ وَأثَرَيْنِ: قَطَرَةُ دُمُوعٍ مِنْ خَشْيَةِ اللهِ، وَقَطَرَةُ دَمٍ تُهَرَاقُ في سَبيلِ اللهِ. وَأَمَّا الأَثَرَانِ: فَأَثَرٌ فِي سَبيلِ اللهِ تَعَالَى، وَأَثَرٌ فِي فَرِيضَةٍ مِنْ فَرَائِضِ الله تَعَالَى . رواه الترمذي، وقال: حديثٌ حسنٌ


حديث العْرباض بنِ ساريةَ . رضي اللَّه عنه ، قال : وعَظَنَا رسُول اللَّه صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم مَوْعِظَةً
وَجِلَتْ منها القُلُوبُ ، وذَرَفْت منْهَا العُيُونُ « . وقد سبق في باب النهي عن البدع

(54) Chapter: Excellence of Weeping out of Fear from Allah (swt)


Abu Umamah Sudaiy bin 'Ajlan Al-Bahili (May Allah be pleased with him) reported: The Prophet (ﷺ) said: "Nothing is dearer to Allah than two drops and two marks: A drop of tears shed out of fear of Allah and a drop of blood shed in Allah's way. Regarding the two marks, they are: Marks left in the Cause of Allah and a mark left in observing one of the obligatory act of worship of Allah, the Exalted". [At-Tirmidhi]. Commentary: This Hadith mentions the merits of the following: 1. Weeping out of fear of Allah. 2. The blood which flows in the way of Allah. 3. The marks of injuries which are left on the bodies of those who take part in Jihad. 4. The marks of wounds received in the performance of obligations. The Ahadith on the subject are many. Al-`Irbad bin Sariyah (May Allah be pleased with him) reported: One day Messenger of Allah (PBUH) delivered us a very eloquent Khutbah on account of which eyes shed tears and hearts became softened. [Abu Dawud and At-Tirmidhi]. Commentary: Even in the relevant chapter, the author has only given a reference of this Hadith and not its full text. This has, however, been stated in chapter 16, bearing the title "Observing the Sunnah and the manners of its obedience".


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫০. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উযুর বর্ণনা।

১৩৪. সুলাইমান .... আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের উযূ (ওজু/অজু/অযু) সম্পর্কে বর্ণনা করতে গিয়ে বলেছেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম উযূর সময় দুই চক্ষুর পার্শ্বস্থ স্থান মাসেহ্ করতেন। রাবী বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ কর্ণদ্বয় মস্তকের অংশ (কাজেই কান ধৌত করার পরিবর্তে মাসেহ্ করাই উত্তম)। (তিরমিযী, ইবনু মাজাহ)।

সুলায়মান ইবনু হারব বলেন, আবূ উমামা (রাঃ) এটা বলতেন, কুতায়বা বলেন, হাম্মাদ বলেছেনঃ আমি জানিনা যে, “উভয় কান মাথার অন্তর্ভুক্ত” এটা মহানবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা, না আবূ উমামা (রাঃ) এর কথা। কুতায়বা বলেছেন-সিনান আবু বরীআর সূত্রে। আবূ দাউদ (রহঃ) বলেন, সিনান হচ্ছেন রবীআর পুত্র এবং তাঁর উপনাম আবূ রবীআ।

باب صِفَةِ وُضُوءِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، وَقُتَيْبَةُ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ زَيْدٍ، عَنْ سِنَانِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، وَذَكَرَ، وُضُوءَ النَّبِيِّ، صلى الله عليه وسلم قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَمْسَحُ الْمَأْقَيْنِ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ ‏ "‏ الأُذُنَانِ مِنَ الرَّأْسِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ يَقُولُهَا أَبُو أُمَامَةَ ‏.‏ قَالَ قُتَيْبَةُ قَالَ حَمَّادٌ لاَ أَدْرِي هُوَ مِنْ قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَوْ مِنْ أَبِي أُمَامَةَ ‏.‏ يَعْنِي قِصَّةَ الأُذُنَيْنِ ‏.‏ قَالَ قُتَيْبَةُ عَنْ سِنَانٍ أَبِي رَبِيعَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَهُوَ ابْنُ رَبِيعَةَ كُنْيَتُهُ أَبُو رَبِيعَةَ ‏.‏

حكم : ضعيف (الألباني


Narrated Abu Umamah: AbuUmamah mentioned how the Messenger of Allah (ﷺ) performed ablution, saying that he used to wipe the corners of his eyes, and he said that the ears are treated as part of the head. Sulaiman b. Harb said: the wording "the ears are treated as part of the head" were uttered by Abu Umamah. Hammad said: I do not know whether the phrase "the ears are treated as part of the head" was he statement of the Prophet (ﷺ) or of Abu Umamah. Grade : Da'if (Al-Albani)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫৪. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযিলত।

৫৫৮. আবূ তাওবা .... আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে ফরয নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদে যায়, সে ইহরামধারী হাজ্জীর অনুরূপ ছওয়াব প্রাপ্ত হবে। অপর পক্ষে যে ব্যক্তি কেবলমাত্র চাশতের নামায আদায়ের জন্য মসজিদে যায় সে উমরাহকারীর ন্যায় ছওয়াব প্রাপ্ত হবে। যে ব্যক্তি এক ওয়াক্ত নামায আদায়ের পর হতে পরের ওয়াক্ত নামায আদায় করাকালীন সময়ের মধ্যে কোনরূপ বেহুদা কাজ ও কথাবার্তায় লিপ্ত না হয়, তার আমলনামা সপ্তাকাশে লিপিবদ্ধ হবে, অর্থাৎ সে উচ্চমর্যাদার অধিকারী হবে।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الْمَشْىِ إِلَى الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ خَرَجَ مِنْ بَيْتِهِ مُتَطَهِّرًا إِلَى صَلاَةٍ مَكْتُوبَةٍ فَأَجْرُهُ كَأَجْرِ الْحَاجِّ الْمُحْرِمِ وَمَنْ خَرَجَ إِلَى تَسْبِيحِ الضُّحَى لاَ يُنْصِبُهُ إِلاَّ إِيَّاهُ فَأَجْرُهُ كَأَجْرِ الْمُعْتَمِرِ وَصَلاَةٌ عَلَى أَثَرِ صَلاَةٍ لاَ لَغْوَ بَيْنَهُمَا كِتَابٌ فِي عِلِّيِّينَ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuUmamah: The Messenger of Allah (ﷺ) said: If anyone goes out from his house after performing ablution for saying the prescribed prayer in congregation (in the mosque), his reward will be like that of one who goes for hajj pilgrimage after wearing ihram (robe worn by the hajj pilgrims). And he who goes out to say the mid-morning (duha) prayer, and takes the trouble for this purpose, will take the reward like that of a person who performs umrah. And a prayer followed by a prayer with no worldly talk during the gap between them will be recorded in Illiyyun.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩০৬. বেলা এক প্রহরে চাশতের নামায।

১২৮৮. আবু তাওবা (রহঃ) ..... আবু উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এক নামায আদায়ের পর হতে অন্য নামায আদায় করা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে যদি কেউ কোনরূপ অন্যায় অপকর্মে লিপ্ত না হয় তবে ঐ ব্যক্তির ‘‘আমলনামা’’ ইল্লীন নামক স্থানে সংরক্ষিত থাকবে।

باب صَلاَةِ الضُّحَى

حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ صَلاَةٌ فِي أَثَرِ صَلاَةٍ لاَ لَغْوَ بَيْنَهُمَا كِتَابٌ فِي عِلِّيِّينَ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuUmamah: The Prophet (ﷺ) said: Prayer followed by a prayer with no idle talk between the two is recorded in Illiyyun.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৭০. যিনি বলেন, কুরবানীর দিন খুতবা প্রদান করেছেন।

১৯৫৩. মুআম্মাল (রহঃ) ..... আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কুরবানির দিন, মিনাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে খুতবা দিতে শুনেছি।

باب مَنْ قَالَ خَطَبَ يَوْمَ النَّحْرِ

حَدَّثَنَا مُؤَمَّلٌ، - يَعْنِي ابْنَ الْفَضْلِ - الْحَرَّانِيُّ - حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، حَدَّثَنَا ابْنُ جَابِرٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ الْكَلاَعِيُّ، سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ خُطْبَةَ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِنًى يَوْمَ النَّحْرِ ‏.‏


Narrated Abu Umamah: I heard the address of the Messenger of Allah (ﷺ) at Mina on the day of sacrifice.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৭৭. ইবাদতের উদ্দেশ্যে বনবাসী হওয়া নিষেধ।

২৪৭৮. মুহাম্মদ ইবন উসমান আত তানূখী .... আবূ উমামা (রাঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি নবীজীকে বলল, হে আল্লাহ রাসূল! আমাকে ইবাদতের উদ্দেশ্যে বনবাসে যাওয়ার অনুমতি দিন। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, আমার উম্মাতের জন্য (বনবাস করে ইবাদত করার প্রয়োজন নেই।) মহান আল্লা্হর রাস্তায় জিহাদ করাই ঐরূপ ইবাদতের শামিল।

باب فِي النَّهْىِ عَنِ السِّيَاحَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُثْمَانَ التَّنُوخِيُّ أَبُو الْجَمَاهِرِ، حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنِي الْعَلاَءُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، أَنَّ رَجُلاً، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ ائْذَنْ لِي فِي السِّيَاحَةِ ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ سِيَاحَةَ أُمَّتِي الْجِهَادُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ تَعَالَى ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuUmamah: A man said: Messenger of Allah, allow tourism for me. The Prophet (ﷺ) said: The tourism of my people is striving in the path of Allah, the Exalted.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৮০. সমুদ্রযানে আরোহণ এবং যুদ্ধ করা।

২৪৮৬. আবদুস সালাম ইবন আতীক .... আবূ উমামা আল বাহেলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেছেনঃ তিন প্রকার লোকের প্রত্যেকেই মহান আল্লাহ তা‘আলার জিম্মাদারিতে থাকে। ১. যে আল্লাহর রাহে জিহাদ করার জন্য বের হয়, সে আল্লাহর জিম্মায় থাকে। সে মৃত্যুবরণ করলে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে জান্নাতে প্রবেশ করান অথবা নিরাপদে ফিরে এলে তাকে পূণ্য এবং গণীমতের প্রাপ্য অংশ দান করেন। ২. যে ব্যক্তি জামা‘আতে নামায আদায়ের উদ্দেশ্যে মসজিদের দিকে ধাবিত হয়, সেও আল্লাহর জিম্মায় থাকে। এমতাবস্থায় সে যদি মারা যায় তবে আল্লাহ্ তা‘আলা তাকে জান্নাত দান করেন। আর মসজিদ হতে ফিরে এলে তার প্রাপ্য পুণ্য ও যুদ্ধলব্ধ সম্পদের অংশীদার করেন। ৩. যে ব্যক্তি নিজ বাড়িতে প্রবেশ করার সময় পরিবারের লোকজনকে সালাম দেয় সেও মহান আল্লার জিম্মায় থাকে।

باب فِي رُكُوبِ الْبَحْرِ فِي الْغَزْوِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ عَتِيقٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، - يَعْنِي ابْنَ سَمَاعَةَ - حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي سُلَيْمَانُ بْنُ حَبِيبٍ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ ثَلاَثَةٌ كُلُّهُمْ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ رَجُلٌ خَرَجَ غَازِيًا فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَهُوَ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ حَتَّى يَتَوَفَّاهُ فَيُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يَرُدَّهُ بِمَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ وَرَجُلٌ رَاحَ إِلَى الْمَسْجِدِ فَهُوَ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ حَتَّى يَتَوَفَّاهُ فَيُدْخِلَهُ الْجَنَّةَ أَوْ يَرُدَّهُ بِمَا نَالَ مِنْ أَجْرٍ وَغَنِيمَةٍ وَرَجُلٌ دَخَلَ بَيْتَهُ بِسَلاَمٍ فَهُوَ ضَامِنٌ عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ ‏"‏ ‏.‏


Abu Umamat Al Bahili reported the Apostle of Allaah(ﷺ) as saying “There are three persons who are in the security of Allaah, the Exalted.” “A man who goes out on an expedition to fight in the path of Allaah, the Exalted, is in the security of Allaah, until He takes him unto Him(i.e., he dies) and brings him into Paradise or brings him(alive) with reward and booty he obtains and a man who goes to the mosque is in the security of Allaah, until he takes him unto Him(i.e., he dies), and he brings him into Paradise or brings him with reward and spoils he obtains; and a man who enters his house after giving salutation is in the security of Allaah, the Exalted.”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৮৮. যুদ্ধ পরিহার করা অন্যায়।

২৪৯৫. আমর ইবন উসমান ..... আবূ উমামা (রাঃ) নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। তিনি ইরশাদ করেছেনঃ যে ব্যক্তি যুদ্ধের ক্ষমতা থাকা সত্ত্বেও যুদ্ধ করল না অথবা কোন গাযীকে যুদ্ধাস্ত্র দিয়ে সাহায্য করল না বা গাযীর অনুপস্থিতিতে তার পরিবারের কোন উপকার করল না, তাকে আল্লাহ্ তা‘আলা কোন আকস্মিক দুর্ঘটনা দ্বারা ধ্বংশ করবেন। ‘‘কিয়ামতের পূর্বে" কথাটি আবদুল্লাহ্ ইবন আব্‌দ রাব্বিহি তার বর্ণনায় অতিরিক্ত বলেছেন।

باب كَرَاهِيَةِ تَرْكِ الْغَزْوِ

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ، وَقَرَأْتُهُ، عَلَى يَزِيدَ بْنِ عَبْدِ رَبِّهِ الْجُرْجُسِيِّ قَالاَ حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ الْحَارِثِ، عَنِ الْقَاسِمِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏:‏ ‏"‏ مَنْ لَمْ يَغْزُ أَوْ يُجَهِّزْ غَازِيًا أَوْ يَخْلُفْ غَازِيًا فِي أَهْلِهِ بِخَيْرٍ أَصَابَهُ اللَّهُ بِقَارِعَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ رَبِّهِ فِي حَدِيثِهِ ‏:‏ ‏"‏ قَبْلَ يَوْمِ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuUmamah: The Prophet (ﷺ) said: He who does not join the warlike expedition (jihad), or equip, or looks well after a warrior's family when he is away, will be smitten by Allah with a sudden calamity. Yazid ibn Abdu Rabbihi said in his tradition: 'before the Day of Resurrection".


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০৯. উত্তরাধিকারীদের জন্য ওসীয়াত করা।

২৮৬০. আবদুল ওহহাব ইবন জাদ্দা (রহঃ) ..... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এরূপ বলতে শুনেছিঃ নিশ্চই আল্লাহ্ প্রত্যেক হকদারের জন্য তার হক নির্ধারণ করে দিয়েছেন। কাজেই ওয়ারিছের জন্য কোনরূপ ওসীয়াত করা যাবে না।

باب مَا جَاءَ فِي الْوَصِيَّةِ لِلْوَارِثِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ نَجْدَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ مُسْلِمٍ، سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ قَدْ أَعْطَى كُلَّ ذِي حَقٍّ حَقَّهُ فَلاَ وَصِيَّةَ لِوَارِثٍ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abu umama: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: Allah has appointed for everyone who has a right what is due to him, and no bequest must be made to an heir.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৭৬. প্রয়োজন পূরণের জন্য হাদিয়া গ্রহণ।

৩৫০৩. আহমদ ইবন আমর (রহঃ) ..... আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের জন্য সুপারিশ করে, পরে সে ব্যক্তি সুপারিশের জন্য তাকে কোন হাদিয়া দেয় এবং সুপারিশকারী তা গ্রহণও করে; এমতাবস্থায় হাদিয়া গ্রহণকারী যেন সুদের একটি বড় দরযার মধ্যে প্রবেশ করলো।

باب فِي الْهَدِيَّةِ لِقَضَاءِ الْحَاجَةِ

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ أَبِي عِمْرَانَ، عَنِ الْقَاسِمِ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ شَفَعَ لأَخِيهِ بِشَفَاعَةٍ فَأَهْدَى لَهُ هَدِيَّةً عَلَيْهَا فَقَبِلَهَا فَقَدْ أَتَى بَابًا عَظِيمًا مِنْ أَبْوَابِ الرِّبَا ‏"‏ ‏.‏


Narrated AbuUmamah: The Prophet (ﷺ) said: If anyone intercedes for his brother and he presents a gift to him for it and he accepts it, he approaches a great door of the doors of usury.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ উমামাহ্ বাহিলী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৫৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 12 13 পরের পাতা »