সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ ১. কুরআন মাজীদের ব্যক্তিগত রায় ভিত্তিক তাফসীর (তাফসীর বির-রায়) প্রসঙ্গে

২৯৫০। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি সঠিক ইলম ব্যতীত কুরআন প্রসঙ্গে কোন কথা বলে, সে যেন জাহান্নামকে নিজের জন্য বাসস্থান বানিয়ে নিল। যঈফ, মিশকাত (২৩৪) নাকদুত তাজ

আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، رضى الله عنهما قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِغَيْرِ عِلْمٍ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا بشر بن السري، حدثنا سفيان، عن عبد الأعلى، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، رضى الله عنهما قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قال في القرآن بغير علم فليتبوأ مقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever says (something) about the Qur'an without knowledge, then let him take his seat in the Fire."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ১. কুরআন মাজীদের ব্যক্তিগত রায় ভিত্তিক তাফসীর (তাফসীর বির-রায়) প্রসঙ্গে

২৯৫১। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চিতভাবে যা তোমাদের জানা আছে তা ব্যতীত আমার নিকট হতে হাদীস বর্ণনা করা থেকে তোমরা নিবৃত্ত থাকবে। কারণ যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে আমার প্রতি মিথ্যা আরোপ করে সে যেন জাহান্নামকে নিজের আবাস বানিয়ে নিল। আর যে ব্যক্তি নিজের খেয়াল মর্জিমত কুরআন প্রসঙ্গে কথা বলে সেও যেন জাহান্নামকে নিজের গৃহ বানিয়ে নিল।

যঈফ, মিশকাত (২৩৫), নাকদুত তাজ, যঈফা (১৭৮৩), সিফাতুস সালাত

আবূ ঈসা বলেনঃ এ হাদীসটি হাসান।

حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ وَكِيعٍ، حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ عَمْرٍو الْكَلْبِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ اتَّقُوا الْحَدِيثَ عَنِّي إِلاَّ مَا عَلِمْتُمْ فَمَنْ كَذَبَ عَلَىَّ مُتَعَمِّدًا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ وَمَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِرَأْيِهِ فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا سفيان بن وكيع، حدثنا سويد بن عمرو الكلبي، حدثنا أبو عوانة، عن عبد الأعلى، عن سعيد بن جبير، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اتقوا الحديث عني إلا ما علمتم فمن كذب على متعمدا فليتبوأ مقعده من النار ومن قال في القرآن برأيه فليتبوأ مقعده من النار ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
that the Prophet (ﷺ) said: "Beware of narrating from me except what I taught you, for whoever lies about me on purpose, then let him take his seat in the Fire. And whoever says (something) about the Qur'an according to his (own) opinion, then let him take his seat in the Fire."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ১. কুরআন মাজীদের ব্যক্তিগত রায় ভিত্তিক তাফসীর (তাফসীর বির-রায়) প্রসঙ্গে

২৯৫২। জুনদাব ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের মত অনুযায়ী কুরআন প্রসঙ্গে কথা বলে, সে সঠিক বললেও অপরাধ করলো (এবং সঠিক ব্যাখ্যা করলো-সেও ভুল করলো)।

যঈফঃ মিশকাত (২৩৫), নাকদুত তাজ।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। কোন কোন হাদীস বিশারদ এ হাদীসের রাবী সুহাইল ইবনু আবূ হাযমের সমালোচনা করেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কিছু বিশেষজ্ঞ সাহাবী ও অন্যান্যদের সম্পর্কে বর্ণিত আছে যে, তারা (উক্ত বিষয়ের) জ্ঞান ব্যতীত কুরআনের তাফসীর করার ব্যাপারে খুবই কঠোর মত ব্যক্ত করেছেন।

মুজাহিদ, কাতাদাহ (রাহঃ) প্রমুখ বিশেষজ্ঞ আলিম প্রসঙ্গে বর্ণিত আছে যে, তারাও কুরআনের তাফসীর করেছেন। তাদের প্রসঙ্গে অবশ্য এ ধারণা করার সুযোগ নেই যে, তারা কুরআন প্রসঙ্গে মনগড়া কিছু বলেছেন বা জ্ঞান ছাড়া কুরআনের তাফসীর করেছেন অথবা নিজেদের থেকে কুরআন ব্যাখ্যায় অবতীর্ণ হয়েছেন। তাদের প্রসঙ্গে আমরা যে মন্তব্য করেছি যে, তারা জ্ঞান ছাড়া কুরআন প্রসঙ্গে কিছু বলেননি, তাদের বক্তব্য হতেও তার সমর্থন পাওয়া যায়।

হুসাইন ইবনু মাহদী আল-বাসরী, 'আবদুর রাযযাক্ হতে, তিনি মামার হতে, তিনি কাতাদাহ (রাহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, কাতাদাহ্ (রহঃ) বলেন, কুরআনের এমন কোন আয়াত নেই যার (ব্যাখ্যা) প্রসঙ্গে আমি কিছু শুনিনি।

সানাদ সহীহঃ মাকুতু"।

ইবনু আবী উমার সুফিয়ান ইবনু উয়াইনাহ হতে, তিনি আ'মাশ(রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, মুজাহিদ (রাহঃ) বলেছেন, আমি যদি ইবনু মাসউদ (রাযিঃ)-এর কিরআতের অনুসরণ করতাম, তাহলে কুরআনের এমন অনেক বিষয় যে প্রসঙ্গে ইবনু আব্বাস (রাযিঃ)-কে প্রশ্ন করেছি সেগুলো প্রসঙ্গে আমি তাকে প্রশ্ন করার প্রয়োজনবোধ করতাম না।

সানাদ সহীহঃ মাকুতু"।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا سُهَيْلُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَهُوَ ابْنُ أَبِي حَزْمٍ أَخُو حَزْمٍ الْقُطَعِيِّ حَدَّثَنَا أَبُو عِمْرَانَ الْجَوْنِيُّ، عَنْ جُنْدُبِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ قَالَ فِي الْقُرْآنِ بِرَأْيِهِ فَأَصَابَ فَقَدْ أَخْطَأَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ تَكَلَّمَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِي سُهَيْلِ بْنِ أَبِي حَزْمٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رُوِيَ عَنْ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَغَيْرِهِمْ أَنَّهُمْ شَدَّدُوا فِي هَذَا فِي أَنْ يُفَسَّرَ الْقُرْآنُ بِغَيْرِ عِلْمٍ ‏.‏ وَأَمَّا الَّذِي رُوِيَ عَنْ مُجَاهِدٍ وَقَتَادَةَ وَغَيْرِهِمَا مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُمْ فَسَّرُوا الْقُرْآنَ فَلَيْسَ الظَّنُّ بِهِمْ أَنَّهُمْ قَالُوا فِي الْقُرْآنِ أَوْ فَسَّرُوهُ بِغَيْرِ عِلْمٍ أَوْ مِنْ قِبَلِ أَنْفُسِهِمْ وَقَدْ رُوِيَ عَنْهُمْ مَا يَدُلُّ عَلَى مَا قُلْنَا أَنَّهُمْ لَمْ يَقُولُوا مِنْ قِبَلِ أَنْفُسِهِمْ بِغَيْرِ عِلْمٍ ‏.‏

حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْبَصْرِيُّ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ مَا فِي الْقُرْآنِ آيَةٌ إِلاَّ وَقَدْ سَمِعْتُ فِيهَا بِشَيْءٍ ‏.‏
حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ قَالَ مُجَاهِدٌ لَوْ كُنْتُ قَرَأْتُ قِرَاءَةَ ابْنِ مَسْعُودٍ لَمْ أَحْتَجْ إِلَى أَنْ أَسْأَلَ ابْنَ عَبَّاسٍ عَنْ كَثِيرٍ مِنَ الْقُرْآنِ مِمَّا سَأَلْتُ ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا حبان بن هلال، حدثنا سهيل بن عبد الله، وهو ابن أبي حزم أخو حزم القطعي حدثنا أبو عمران الجوني، عن جندب بن عبد الله، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من قال في القرآن برأيه فأصاب فقد أخطأ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب ‏.‏ وقد تكلم بعض أهل العلم في سهيل بن أبي حزم ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا روي عن بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم وغيرهم أنهم شددوا في هذا في أن يفسر القرآن بغير علم ‏.‏ وأما الذي روي عن مجاهد وقتادة وغيرهما من أهل العلم أنهم فسروا القرآن فليس الظن بهم أنهم قالوا في القرآن أو فسروه بغير علم أو من قبل أنفسهم وقد روي عنهم ما يدل على ما قلنا أنهم لم يقولوا من قبل أنفسهم بغير علم ‏.‏ حدثنا الحسين بن مهدي البصري، أخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن قتادة، قال ما في القرآن آية إلا وقد سمعت فيها بشيء ‏.‏ حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن الأعمش، قال قال مجاهد لو كنت قرأت قراءة ابن مسعود لم أحتج إلى أن أسأل ابن عباس عن كثير من القرآن مما سألت ‏.‏


Narrated Jundab bin 'Abdullah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever says (something) about the Qur'an according to his own opinion and he is correct, yet he has committed a mistake."


হাদিসের মানঃ সহিহ/যঈফ [মিশ্রিত]
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ২. সূরা আল-ফাতিহা

২৯৫৩। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক নামায আদায় করলো, অথচ তাতে উন্মুল কুরআন (সূরা আল-ফাতিহা) পাঠ করলো না, তা (নামায) ক্রটিযুক্ত, তা ক্ৰটিযুক্ত, তা অসম্পূর্ণ।

বর্ণনাকারী (আবদুর রাহমান) বলেন, আমি বললাম, হে আবূ হুরাইরাহ! আমি তো অনেক সময় ইমামের পিছনে নামায আদায় করি। তিনি বললেন, হে পারস্য সন্তান! তুমি তা নীরবে পাঠ করবে। কারণ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ আল্লাহ তা'আলা বলেন, আমি আমার ও আমার বান্দাদের মধ্যে নামাযকে আধাআধি ভাগ করে নিয়েছি। নামাযের অর্ধেক আমার এবং অর্ধেক আমার বান্দার। আর বান্দা আমার নিকট যা চায় তা-ই তাকে দেয়া হয়।

বান্দা যখন (নামাযে দণ্ডায়মান হয়ে) বলে, আলহামদু লিল্লাহি রব্বিল আলামীন (সমস্ত প্রশংসা সারা পৃথিবীর প্রভু আল্লাহ তা'আলার জন্য), তখন কল্যাণের আধার আল্লাহ তা'আলা বলেন, “আমার বান্দা আমার প্রশংসা করেছে। যখন বান্দা বলে, আর-রাহমানির রাহীম (তিনি দয়াময় পরম দয়ালু), তখন আল্লাহ বলেন, আমার বান্দা আমার গুণগান করেছে। যখন বান্দা বলে, মালিকি ইয়াওমিদীন (প্রতিফল দিবসের মালিক), তখন আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ আমার বান্দা আমার মর্যাদা বর্ণনা করেছে। এটা হচ্ছে আমার জন্য। আর আমার ও আমার বান্দার জন্য যোগসূত্র হচ্ছেঃ

ইয়্যাকা না'বুদু ওয়া ইয়্যাকা নাসতাঈন (আমরা শুধু তোমারই ইবাদাত করি এবং তোমারই নিকট সাহায্য চাই), সূরার শেষ পর্যন্ত আমার বান্দার জন্য। আমার বান্দার জন্য তাই যা সে প্রার্থনা করে। বান্দা বলে, “ইহদিনাস সিরাতাল মুস্তাকীম। সিরাতাল্লাযীনা আন'আমতা 'আলাইহিম। গাইরিল মাগযুবি 'আলাইহিম ওয়ালায য-ললীন” আমাদেরকে সরল ও মযবুত পথ দেখাও। ঐ মানুষদের পথ যাদের তুমি নিয়ামাত দান করেছ। যারা অভিশপ্ত হয়নি, যারা পথহারা হয়নি।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৮৩৮), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান। শু'বাহ, ইসমাঈল ইবনু জাফার প্রমুখ আলা ইবনু আবদুর রাহমান হতে, তিনি তার বাবা হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন। ইবনু জুরাইজ ও মালিক ইবনু আনাস (রাহঃ) আল ইবনু 'আবদুর রাহমান হতে, তিনি হিশাম ইবনু আবূ যাহরার মুক্তদাস আবূস সায়িব হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রেও একই রকম বর্ণনা করেছেন। ইবনু আবূ উয়াইস-তার বাবা হতে, তিনি 'আলা ইবনু আবদুর রাহমান হতে, তিনি তার পিতা ও আবূস সাইব হতে, তিনি আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে একই রকম বর্ণনা করেছেন।

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক নামায আদায় করেছে অথচ তাতে উন্মুল কুরআন (সূরা আল-ফাতিহা) তিলাওয়াত করেনি, তার নামায ক্রটিযুক্ত অপূর্ণাঙ্গ।

সহীহ দেখুন পূর্বের হাদীস।

ইসমাঈল ইবনু আবূ উয়াইসের হাদীসে এর বেশি কিছু নেই। আমি এ হাদীস বিষয়ে আবূ যুর'আকে প্রশ্ন করলে তিনি বললেন, দুটি হাদীসই সহীহ। তিনি ইবনু আবী উয়াইস কর্তৃক তার বাবা হতে, তিনি আলী (রহঃ) হতে এই সূত্রে বর্ণিত হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করেন। ‘আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আসলাম। তখন তিনি মসজিদে বসা ছিলেন। লোকেরা বলল, এই তো আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ)। আর আমি কোনরূপ নিরাপত্তা লাভ বা লিখিত চুক্তিপত্র করা ছাড়াই এসেছিলাম।

আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সমীপে হাযির করা হলে তিনি আমার হাত ধরলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইতিপূর্বে বলেছিলেন, আমি অবশ্যই আশা করি আল্লাহ তাআলা আমার হাতে তার হাত স্থাপন করবেন। আদী (রাযিঃ) বলেন, তিনি আমাকে সাথে নিয়ে উঠে চললেন। রাস্তায় এক মহিলা একটি বালকসহ তার সাথে দেখা করে। তারা উভয়ে বলে, আপনার নিকট আমাদের একটি প্রয়োজন ছিল। তাদের প্রয়োজন পূরণ না হওয়া পর্যন্ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদের সাথে দাঁড়িয়ে থাকলেন।

তারপর তিনি আমার হাত ধরে আমাকে নিয়ে তার ঘরে এলেন। একটি বালিকা তাকে একটি গদি পেতে দিল। তিনি তাতে বসলেন। আমি তার সামনাসামনি বসলাম। তিনি আল্লাহ তা'আলার প্রশংসা ও তার গুনগান করলেন, তারপর বললেনঃ “লা ইলাহা ইল্লাল্লাহ" (আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আর কোন প্ৰভু নেই)-এর স্বীকৃতি দান হতে তোমাকে কিসে পালিয়ে বেড়াতে বাধ্য করেছে? এক আল্লাহ তা'আলা ব্যতীত আরো কোন প্রভু আছে বলে কি তোমার জানা আছে? আমি বললাম, না।

'আদী (রাযিঃ) বলেন, আরো কিছুক্ষণ কথা বলার পর তিনি বললেনঃ তুমি আল্লাহু আকবার (আল্লাহ সর্বশ্রেষ্ঠ) বলা হতে পালাচ্ছ। আল্লাহ তা'আলার চাইতে শ্রেষ্ঠতর কিছু আছে বলে তোমার জানা আছে কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেনঃ ইয়াহুদীরা অভিশপ্ত এবং নাসারাগণ পথভ্রষ্ট।

আমি বললাম, আমি যে একজন একনিষ্ঠ মুসলিম (আত্মমর্পণকারী) হয়েই আগমন করেছি। আমি দেখলাম, তার চেহারা আনন্দে উদ্ভাসিত হয়ে উঠেছে। তারপর তার নির্দেশত্রুমে এক আনসার সাহাবীর বাড়িতে আমাকে মেহমান হিসেবে রাখা হয়। আমি দিনের দুই প্রান্তে তার নিকট হাযিরা দিতাম, একদা বিকেলে আমি তার নিকট হাযির ছিলাম। তখন তার নিকট একদল লোক আসলো। তারা সাদা-কালো ডোরাযুক্ত পশমী কাপড় পরিহিত ছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাদের নিয়ে) নামায আদায় করলেন। তিনি নামায শেষে দাঁড়িয়ে এদেরকে সাহায্যের উদ্দেশ্যে লোকদের উদ্বুদ্ধ করে ভাষণ দিলেন।

তিনি বললেনঃ তোমরা এক সা, অর্ধ সা, এক মুঠো, এক মুঠোর অংশবিশেষ, একটি খেজুর বা খেজুরের অংশবিশেষ দান করে হলেও জাহান্নামের তাপ (আগুন) হতে আত্মরক্ষা কর। কারণ আল্লাহ তা'আলার সাথে তোমাদের সকলেরই সাক্ষাৎ হবে। তখন তিনি তোমাদেরকে তাই বলবেন যা আমি (এখন) তোমাদের বলছি।

তিনি বলবেনঃ আমি কি তোমাকে শ্রবণশক্তি ও দৃষ্টিশক্তি দান করিনি? সে বলবে, হ্যাঁ। আল্লাহ বলবেন? আমি কি তোমাকে ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি দান করিনি? সে বলবে, হ্যাঁ। আল্লাহ বলবেনঃ তুমি নিজের জন্য কি অগ্রিম পাঠিয়েছিলে? তখন সে তার সামনে, পেছনে, ডানে ও বামে তাকাবে, কিন্তু সে জাহান্নামের তাপ হতে বাচানোর মত কিছুই পাবে না। কাজেই তোমাদের প্রত্যেকে যেন নিজেকে একটি খেজুরের অংশবিশেষ দান করে হলেও জাহান্নামের আগুন হতে রক্ষা করে।

কোন ব্যক্তির যদি এই সামর্থ্যও না থাকে, তবে সে যেন অন্তত ভালো কথা বলে (তা হতে আত্মরক্ষা করে)। আমি তোমাদের ব্যাপারে দুর্ভিক্ষের আশংকা করি না। কারণ আল্লাহ তা'আলা তোমাদের সাহায্যকারী ও দানকারী। এমনকি উষ্ট্রারোহিণী কোন মহিলা ইয়াসরিব (মদীনা) হতে হীরা বা ততোধিক দূরত্বের সফর করবে এবং তার জন্তুযানের কিছু চুরি যাওয়ার ভয় থাকবে না। 'আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) বলেন, আমি মনে মনে বললাম, তাহলে তাঈ কবীলার চোরগুলো কোথায় যাবে?

হাসান।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা সিমাক ইবনু হারব ব্যতীত আর কারো নিকট হতে এটা অবহিত নই। হাদীসটি দীর্ঘভাবে শুবাহ-সিমাক ইবনু হারব হতে, তিনি আব্বাদ ইবনু হুবাইশ হতে, তিনি ‘আদী ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে, তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে বর্ণনা করেছেন।

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ يَا أَبَا هُرَيْرَةَ إِنِّي أَحْيَانًا أَكُونُ وَرَاءَ الإِمَامِ ‏.‏ قَالَ يَا ابْنَ الْفَارِسِيِّ فَاقْرَأْهَا فِي نَفْسِكَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ قَالَ اللَّهُ تَعَالَى قَسَمْتُ الصَّلاَةَ بَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي نِصْفَيْنِ فَنِصْفُهَا لِي وَنِصْفُهَا لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ يَقُومُ الْعَبْدُ فَيَقْرَأُ ‏:‏ ‏(‏الْحَمْدُ لِلَّهِ رَبِّ الْعَالَمِينَ ‏)‏ فَيَقُولُ اللَّهُ حَمِدَنِي عَبْدِي فَيَقُولُ ‏:‏ ‏(‏الرَّحْمَنِ الرَّحِيمِ ‏)‏ فَيَقُولُ اللَّهُ أَثْنَى عَلَىَّ عَبْدِي فَيَقُولُ ‏:‏ ‏(‏ مَالِكِ يَوْمِ الدِّينِ ‏)‏ فَيَقُولُ مَجَّدَنِي عَبْدِي وَهَذَا لِي وَبَيْنِي وَبَيْنَ عَبْدِي ‏:‏ ‏(‏إِيَّاكَ نَعْبُدُ وَإِيَّاكَ نَسْتَعِينُ ‏)‏ وَآخِرُ السُّورَةِ لِعَبْدِي وَلِعَبْدِي مَا سَأَلَ يَقُولُ ‏:‏ ‏(‏اهْدِنَا الصِّرَاطَ الْمُسْتَقِيمَ * صِرَاطَ الَّذِينَ أَنْعَمْتَ عَلَيْهِمْ غَيْرِ الْمَغْضُوبِ عَلَيْهِمْ وَلاَ الضَّالِّينَ ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى شُعْبَةُ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا الْحَدِيثِ ‏.‏ وَرَوَى ابْنُ جُرَيْجٍ وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي السَّائِبِ مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا ‏.‏

وَرَوَى ابْنُ أَبِي أُوَيْسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ حَدَّثَنِي أَبِي وَأَبُو السَّائِبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ هَذَا ‏.‏ أَخْبَرَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى النَّيْسَابُورِيُّ وَيَعْقُوبُ بْنُ سُفْيَانَ الْفَارِسِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي أُوَيْسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنِي أَبِي وَأَبُو السَّائِبِ مَوْلَى هِشَامِ بْنِ زُهْرَةَ وَكَانَا جَلِيسَيْنِ لأَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ صَلَّى صَلاَةً لَمْ يَقْرَأْ فِيهَا بِأُمِّ الْقُرْآنِ فَهِيَ خِدَاجٌ فَهِيَ خِدَاجٌ غَيْرُ تَمَامٍ ‏"‏ ‏.‏ وَلَيْسَ فِي حَدِيثِ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي أُوَيْسٍ أَكْثَرُ مِنْ هَذَا ‏.‏ وَسَأَلْتُ أَبَا زُرْعَةَ عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ كِلاَ الْحَدِيثَيْنِ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاحْتَجَّ بِحَدِيثِ ابْنِ أَبِي أُوَيْسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ الْعَلاَءِ ‏.‏

أَخْبَرَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدٍ، أَنْبَأَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي قَيْسٍ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، قَالَ أَتَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ جَالِسٌ فِي الْمَسْجِدِ فَقَالَ الْقَوْمُ هَذَا عَدِيُّ بْنُ حَاتِمٍ ‏.‏ وَجِئْتُ بِغَيْرِ أَمَانٍ وَلاَ كِتَابٍ فَلَمَّا دَفَعْتُ إِلَيْهِ أَخَذَ بِيَدِي وَقَدْ كَانَ قَالَ قَبْلَ ذَلِكَ إِنِّي لأَرْجُو أَنْ يَجْعَلَ اللَّهُ يَدَهُ فِي يَدِي قَالَ فَقَامَ بِي فَلَقِيَتْهُ امْرَأَةٌ وَصَبِيٌّ مَعَهَا ‏.‏ فَقَالاَ إِنَّ لَنَا إِلَيْكَ حَاجَةً فَقَامَ مَعَهُمَا حَتَّى قَضَى حَاجَتَهُمَا ثُمَّ أَخَذَ بِيَدِي حَتَّى أَتَى بِي دَارَهُ فَأَلْقَتْ لَهُ الْوَلِيدَةُ وِسَادَةً فَجَلَسَ عَلَيْهَا وَجَلَسْتُ بَيْنَ يَدَيْهِ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ مَا يُفِرُّكَ أَنْ تَقُولَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ فَهَلْ تَعْلَمُ مِنْ إِلَهٍ سِوَى اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ لاَ ‏.‏ قَالَ ثُمَّ تَكَلَّمَ سَاعَةً ثُمَّ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا تَفِرُّ أَنْ تَقُولَ اللَّهُ أَكْبَرُ وَتَعْلَمُ أَنَّ شَيْئًا أَكْبَرُ مِنَ اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ لاَ قَالَ ‏"‏ فَإِنَّ الْيَهُودَ مَغْضُوبٌ عَلَيْهِمْ وَإِنَّ النَّصَارَى ضُلاَّلٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ فَإِنِّي جِئْتُ مُسْلِمًا ‏.‏ قَالَ فَرَأَيْتُ وَجْهَهُ تَبَسَّطَ فَرَحًا قَالَ ثُمَّ أَمَرَ بِي فَأُنْزِلْتُ عِنْدَ رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ جَعَلْتُ أَغْشَاهُ آتِيهِ طَرَفَىِ النَّهَارِ قَالَ فَبَيْنَا أَنَا عِنْدَهُ عَشِيَّةً إِذْ جَاءَهُ قَوْمٌ فِي ثِيَابٍ مِنَ الصُّوفِ مِنْ هَذِهِ النِّمَارِ قَالَ فَصَلَّى وَقَامَ فَحَثَّ عَلَيْهِمْ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ وَلَوْ صَاعٌ وَلَوْ بِنِصْفِ صَاعٍ وَلَوْ بِقَبْضَةٍ وَلَوْ بِبَعْضِ قَبْضَةٍ يَقِي أَحَدُكُمْ وَجْهَهُ حَرَّ جَهَنَّمَ أَوِ النَّارِ وَلَوْ بِتَمْرَةٍ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَإِنَّ أَحَدَكُمْ لاَقِي اللَّهَ وَقَائِلٌ لَهُ مَا أَقُولُ لَكُمْ أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ سَمْعًا وَبَصَرًا فَيَقُولُ بَلَى ‏.‏ فَيَقُولُ أَلَمْ أَجْعَلْ لَكَ مَالاً وَوَلَدًا فَيَقُولُ بَلَى ‏.‏ فَيَقُولُ أَيْنَ مَا قَدَّمْتَ لِنَفْسِكَ فَيَنْظُرُ قُدَّامَهُ وَبَعْدَهُ وَعَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ ثُمَّ لاَ يَجِدُ شَيْئًا يَقِي بِهِ وَجْهَهُ حَرَّ جَهَنَّمَ لِيَقِ أَحَدُكُمْ وَجْهَهُ النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَإِنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ فَإِنِّي لاَ أَخَافُ عَلَيْكُمُ الْفَاقَةَ فَإِنَّ اللَّهَ نَاصِرُكُمْ وَمُعْطِيكُمْ حَتَّى تَسِيرَ الظَّعِينَةُ فِيمَا بَيْنَ يَثْرِبَ وَالْحِيرَةِ أَكْثَرُ مَا تَخَافُ عَلَى مَطِيَّتِهَا السَّرَقَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَجَعَلْتُ أَقُولُ فِي نَفْسِي فَأَيْنَ لُصُوصُ طَيِّئٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ ‏.‏ وَرَوَى شُعْبَةُ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عَبَّادِ بْنِ حُبَيْشٍ عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم الْحَدِيثَ بِطُولِهِ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن العلاء بن عبد الرحمن، عن أبيه، عن أبي هريرة، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج فهي خداج غير تمام ‏"‏ ‏.‏ قال قلت يا أبا هريرة إني أحيانا أكون وراء الإمام ‏.‏ قال يا ابن الفارسي فاقرأها في نفسك فإني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏"‏ قال الله تعالى قسمت الصلاة بيني وبين عبدي نصفين فنصفها لي ونصفها لعبدي ولعبدي ما سأل يقوم العبد فيقرأ ‏:‏ ‏(‏الحمد لله رب العالمين ‏)‏ فيقول الله حمدني عبدي فيقول ‏:‏ ‏(‏الرحمن الرحيم ‏)‏ فيقول الله أثنى على عبدي فيقول ‏:‏ ‏(‏ مالك يوم الدين ‏)‏ فيقول مجدني عبدي وهذا لي وبيني وبين عبدي ‏:‏ ‏(‏إياك نعبد وإياك نستعين ‏)‏ وآخر السورة لعبدي ولعبدي ما سأل يقول ‏:‏ ‏(‏اهدنا الصراط المستقيم * صراط الذين أنعمت عليهم غير المغضوب عليهم ولا الضالين ‏)‏ ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وقد روى شعبة وإسماعيل بن جعفر وغير واحد عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبيه عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا الحديث ‏.‏ وروى ابن جريج ومالك بن أنس عن العلاء بن عبد الرحمن عن أبي السائب مولى هشام بن زهرة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏ وروى ابن أبي أويس، عن أبيه، عن العلاء بن عبد الرحمن، قال حدثني أبي وأبو السائب، عن أبي هريرة، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو هذا ‏.‏ أخبرنا بذلك محمد بن يحيى النيسابوري ويعقوب بن سفيان الفارسي قالا حدثنا إسماعيل بن أبي أويس عن أبيه عن العلاء بن عبد الرحمن حدثني أبي وأبو السائب مولى هشام بن زهرة وكانا جليسين لأبي هريرة عن أبي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من صلى صلاة لم يقرأ فيها بأم القرآن فهي خداج فهي خداج غير تمام ‏"‏ ‏.‏ وليس في حديث إسماعيل بن أبي أويس أكثر من هذا ‏.‏ وسألت أبا زرعة عن هذا الحديث فقال كلا الحديثين صحيح ‏.‏ واحتج بحديث ابن أبي أويس عن أبيه عن العلاء ‏.‏ أخبرنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرحمن بن سعد، أنبأنا عمرو بن أبي قيس، عن سماك بن حرب، عن عباد بن حبيش، عن عدي بن حاتم، قال أتيت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس في المسجد فقال القوم هذا عدي بن حاتم ‏.‏ وجئت بغير أمان ولا كتاب فلما دفعت إليه أخذ بيدي وقد كان قال قبل ذلك إني لأرجو أن يجعل الله يده في يدي قال فقام بي فلقيته امرأة وصبي معها ‏.‏ فقالا إن لنا إليك حاجة فقام معهما حتى قضى حاجتهما ثم أخذ بيدي حتى أتى بي داره فألقت له الوليدة وسادة فجلس عليها وجلست بين يديه فحمد الله وأثنى عليه ثم قال ‏"‏ ما يفرك أن تقول لا إله إلا الله فهل تعلم من إله سوى الله ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لا ‏.‏ قال ثم تكلم ساعة ثم قال ‏"‏ إنما تفر أن تقول الله أكبر وتعلم أن شيئا أكبر من الله ‏"‏ ‏.‏ قال قلت لا قال ‏"‏ فإن اليهود مغضوب عليهم وإن النصارى ضلال ‏"‏ ‏.‏ قال قلت فإني جئت مسلما ‏.‏ قال فرأيت وجهه تبسط فرحا قال ثم أمر بي فأنزلت عند رجل من الأنصار جعلت أغشاه آتيه طرفى النهار قال فبينا أنا عنده عشية إذ جاءه قوم في ثياب من الصوف من هذه النمار قال فصلى وقام فحث عليهم ثم قال ‏"‏ ولو صاع ولو بنصف صاع ولو بقبضة ولو ببعض قبضة يقي أحدكم وجهه حر جهنم أو النار ولو بتمرة ولو بشق تمرة فإن أحدكم لاقي الله وقائل له ما أقول لكم ألم أجعل لك سمعا وبصرا فيقول بلى ‏.‏ فيقول ألم أجعل لك مالا وولدا فيقول بلى ‏.‏ فيقول أين ما قدمت لنفسك فينظر قدامه وبعده وعن يمينه وعن شماله ثم لا يجد شيئا يقي به وجهه حر جهنم ليق أحدكم وجهه النار ولو بشق تمرة فإن لم يجد فبكلمة طيبة فإني لا أخاف عليكم الفاقة فإن الله ناصركم ومعطيكم حتى تسير الظعينة فيما بين يثرب والحيرة أكثر ما تخاف على مطيتها السرق ‏"‏ ‏.‏ قال فجعلت أقول في نفسي فأين لصوص طيئ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب لا نعرفه إلا من حديث سماك بن حرب ‏.‏ وروى شعبة عن سماك بن حرب عن عباد بن حبيش عن عدي بن حاتم عن النبي صلى الله عليه وسلم الحديث بطوله ‏.‏


Narrated Al-'Ala bin 'Abdur-Rahman:
from his father, from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Whoever performs a Salat in which he does not recite Umm Al-Qur'an in it, then it is aborted, it is aborted, not complete." He Said: "I said: 'O Abu Hurairah! Sometimes I am behind an Imam.' He said: 'O Ibn Al-Farisi! Then recite it to yourself. For indeed I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: Allah, the Most High said: "I have divided the Salat between Myself and My slaves into two halves. Half of it is for Me, and half of it for My slave, and My slave shall have what he asks for. My slave stands and says: All praise is due to Allah, the Lord of All that exists." So Allah, Blessed is He and Most High says: "My slave has expressed his gratitude to Me." He says: "The Merciful, the Beneficent. So he says: "My slave has praised Me." He says: Owner of the Day of Reckoning. He says: "My slave has glorified Me. And this is for Me, and between Me and My slave is: It is You alone whom we worship and it is You alone from whom we seek aid" until the end of the Surah "This is for My slave and My slave shall have what he asks for." So he says: Guide us to the straight path. The path of those upon whom You have bestowed your favor, not those with whom is Your wrath, now those who are astray."'

(Another chain) from 'Adi bin Hatim who said:
"I went to the Prophet (ﷺ) while he was sitting in the Masjid, the people said: 'This is 'Adi bin Hatim.' And I came without having a treaty nor a writ. When I was brought to him, he took my hand. Prior to that he had said: 'I hope that Allah will place his hand in my hand.'" He said: "He stood with me, and a woman and a boy met him and said: 'We have a need from you.' He stood with them, until he was finished dealing with what they wanted. Then he took me by the hand until he brought me to his house. A slave girl brought him a cushion to sit on, and I sat in front of him. He expressed thanks and praise for Allah then said: 'What has caused you to flee from saying La Ilaha Illallah? Do you know of another god other than Him?'" He said: "I said: 'No.'" He said: "Then he talked for some time, and then said: 'You refuse to say Allahu Akbar because you know that there is something greater than Allah?'" He said: "I said: 'No.' He said: 'Indeed the Jews are those who Allah is wrath with, and the Christians have strayed.'" He said: "I said: 'Indeed I am a Muslim, Hanif.'" He said: "I saw his face smiling with happiness." He said: "Then he ordered that I stop with him at the home of a man from the Ansar, whom he would frequently visit in the mornings and the evenings. When I was with him at night, a people in woolen garments of these Nimar (a cloth with certain patters, and the word appeared before) came. Then he performed Salat and stood to encourage them (the people) to give (charity) to them. Then he said: 'Even with a Sa' or half a Sa', or a handful or part of a handful, to save the face of one of you from the heat of Hell, or the Fire. And even if it be by a date or a part of a date - for indeed one of you shall meet Allah and it shall be said to him what I say to you: "Have I not given hearing and seeing to you?" He shall say: "Of course." It will be said: "Have I not given you wealth and children?" He shall say: "Of course." It will be said: "So where is what you have sent forth for yourself?" He will look before him and behind him, on his right and on his left, but he shall not find anything to protect his face from the heat of Hell. Let one of you protect his face from the Fire, even if with part of a date, and if he does not find that, then with a good statement. For indeed I do not fear poverty for you - Allah will aid you and grant you, such that a woman can travel on her camel howda from Yathrib to Al-Hirah, or further, without fear of being robbed.' I began thinking to myself: "Where would the thieves of Taiy' be then?"'


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ২. সূরা আল-ফাতিহা

২৯৫৪। আদি ইবনু হাতিম (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ইয়াহুদীরা অভিশপ্ত এবং নাসারাগণ পথভ্রষ্ট .... তারপর পূর্ণ হাদীস বর্ণনা করেন।

সহীহঃ তাখরাজু শারহিল আকীদাতিত তাহাবীয়া (৫৩১), সহীহাহ (৩২৬৩)।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، وَبُنْدَارٌ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ، عَنْ عَبَّادِ بْنِ حُبَيْشٍ، عَنْ عَدِيِّ بْنِ حَاتِمٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ الْيَهُودُ مَغْضُوبٌ عَلَيْهِمْ وَالنَّصَارَى ضُلاَّلٌ ‏"‏ ‏.‏ فَذَكَرَ الْحَدِيثَ بِطُولِهِ ‏.‏

حدثنا محمد بن المثنى، وبندار، قالا حدثنا محمد بن جعفر، حدثنا شعبة، عن سماك بن حرب، عن عباد بن حبيش، عن عدي بن حاتم، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ اليهود مغضوب عليهم والنصارى ضلال ‏"‏ ‏.‏ فذكر الحديث بطوله ‏.‏


Narrated 'Adiyy bin Hatim:
that the Prophet (ﷺ) said: "The Jews are those who Allah is wrath with, and the Christians have strayed."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৫৫। আবূ মূসা আল-আশ'আরী (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ তা'আলা পৃথিবীর সর্বত্র হতে এক মুঠো মাটি নিয়ে আদম (আঃ)-কে সৃষ্টি করেছেন। তাই আদম-সন্তানরা মাটির বৈশিষ্ট্য প্রাপ্ত হয়েছে। যেমন তাদের কেউ লাল, কেউ সাদা, কেউ কালো বর্ণের আবার কেউ বা এসবের মাঝামাঝি, কেউ বা নরম ও কোমল প্রকৃতির। আবার কেউ কঠোর প্রকৃতির, কেউ মন্দ স্বভাবের, আবার কেউ বা ভালো চরিত্রের।

সহীহঃ মিশকাত (১০০), সহীহাহ (১৬৩০)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، وَابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، وَعَبْدُ الْوَهَّابِ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَوْفُ بْنُ أَبِي جَمِيلَةَ الأَعْرَابِيِّ، عَنْ قَسَامَةَ بْنِ زُهَيْرٍ، عَنْ أَبِي مُوسَى الأَشْعَرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ اللَّهَ تَعَالَى خَلَقَ آدَمَ مِنْ قَبْضَةٍ قَبَضَهَا مِنْ جَمِيعِ الأَرْضِ فَجَاءَ بَنُو آدَمَ عَلَى قَدْرِ الأَرْضِ فَجَاءَ مِنْهُمُ الأَحْمَرُ وَالأَبْيَضُ وَالأَسْوَدُ وَبَيْنَ ذَلِكَ وَالسَّهْلُ وَالْحَزْنُ وَالْخَبِيثُ وَالطَّيِّبُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، وابن أبي عدي، ومحمد بن جعفر، وعبد الوهاب، قالوا حدثنا عوف بن أبي جميلة الأعرابي، عن قسامة بن زهير، عن أبي موسى الأشعري، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إن الله تعالى خلق آدم من قبضة قبضها من جميع الأرض فجاء بنو آدم على قدر الأرض فجاء منهم الأحمر والأبيض والأسود وبين ذلك والسهل والحزن والخبيث والطيب ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Musa Al-Ash'ari:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said: "Indeed Allah Most High created Adam from a handful that He took from all of the earth. So the children of Adam come in according with the earth, some of them come red, and white and black, and between that, and the thin, the thick, the filthy, and the clean."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৫৬। আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আল্লাহ তা'আলার বাণী “তোমরা সিজদাবনত শিরে প্রবেশ করো"- (সূরা বাকারাহ ৫৮)-এর ব্যাখ্যায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা (বনী ইসরাঈল) তাদের নিতম্বে ভর করে দরজা দিয়ে প্রবেশ করেছিল।

একই সনদে “কিন্তু যারা অন্যায় করেছিল, তারা তাদের যা বলা হয়েছিল তার পরিবর্তে অন্য কথা বলল”— (সূরা আল-বাকারাহঃ ৫৯) এ আয়াত প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তারা (হিত্তাতুন-এর পরিবর্তে) বলেছিল, “হাব্বাতুন ফী শারাতিন” যবের মধ্যকার শস্যদানা’।

সহীহঃ বুখারী (৪৪৭৯), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنْ هَمَّامِ بْنِ مُنَبِّهٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏ادْخُلُوا الْبَابَ سُجَّدًا ‏)‏ قَالَ ‏"‏ دَخَلُوا مُتَزَحِّفِينَ عَلَى أَوْرَاكِهِمْ ‏"‏ ‏.‏
وَبِهَذَا الإِسْنَادِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلمَ ‏:‏ ‏(‏فَبَدَّلَ الَّذِينَ ظَلَمُوا قَوْلاً غَيْرَ الَّذِي قِيلَ لَهُمْ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ قَالُوا حَبَّةٌ فِي شَعْرَةٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا عبد الرزاق، عن معمر، عن همام بن منبه، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم في قوله ‏:‏ ‏(‏ادخلوا الباب سجدا ‏)‏ قال ‏"‏ دخلوا متزحفين على أوراكهم ‏"‏ ‏.‏ وبهذا الإسناد عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏:‏ ‏(‏فبدل الذين ظلموا قولا غير الذي قيل لهم ‏)‏ قال ‏"‏ قالوا حبة في شعرة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Abu Hurairah:
that the Messenger of Allah (ﷺ) said, regarding Allah's saying: Enter the gate in prostration (2:58): "They entered dragging their behinds" meaning they distorted it, and with this chain, from the Prophet (ﷺ): But those who did wrong changed the word from that which had been told to them for another (2:59) - "They said: Habbah (a seed) in Sha'irah (in barely)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৫৭। আবদুল্লাহ ইবনু আমির ইবনু রাবী'আহ (রহঃ) হতে তার বাবার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক অন্ধকার রাতে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর সাথে সফরে ছিলাম। আমরা ধারণা করতে পারছিলাম না কিবলাহ কোন দিকে হবে। কাজেই আমাদের সকলেই নিজ নিজ ধারণা মোতাবিক কিবলার দিক নির্ধারণ করে নামায আদায় করে। আমরা বিষয়টি সকাল বেলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট উত্থাপন করলাম। তখন নাযিল হয়ঃ “তোমরা যে দিকেই মুখ ফিরাও সেদিকই আল্লাহ তা'আলার চেহারা”— (সূরা বাকারাহঃ ১১৫)।

হাসানঃ ইবনু মা-জাহ (১০২০)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা আশ'আস আস-সাম্মান আবুর রাবী বর্ণনাকারী কর্তৃক আসিম ইবনু উবাইদুল্লাহর হাদিস ব্যতীত আর কারো নিকট হতে এটিকে অবহিত নই। আর আশ'আসকে হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল বলে অভিহিত করা হয়েছে।

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا أَشْعَثُ السَّمَّانُ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ كُنَّا مَعَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي سَفَرِهِ فِي لَيْلَةٍ مُظْلِمَةٍ فَلَمْ نَدْرِ أَيْنَ الْقِبْلَةُ فَصَلَّى كُلُّ رَجُلٍ مِنَّا عَلَى حِيَالِهِ فَلَمَّا أَصْبَحْنَا ذَكَرْنَا ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏أَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ أَشْعَثَ السَّمَّانِ أَبِي الرَّبِيعِ عَنْ عَاصِمِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَأَشْعَثُ يُضَعَّفُ فِي الْحَدِيثِ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا وكيع، حدثنا أشعث السمان، عن عاصم بن عبيد الله، عن عبد الله بن عامر بن ربيعة، عن أبيه، قال كنا مع النبي صلى الله عليه وسلم في سفره في ليلة مظلمة فلم ندر أين القبلة فصلى كل رجل منا على حياله فلما أصبحنا ذكرنا ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت ‏:‏ ‏(‏أينما تولوا فثم وجه الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث أشعث السمان أبي الربيع عن عاصم بن عبيد الله ‏.‏ وأشعث يضعف في الحديث ‏.‏


Narrated 'Abdullah bin 'Amir bin Rabi'ah:
from his father who said: "We were with the Messenger of Allah (ﷺ) on a journey on a very dark night and we did not know where the Qiblah was. So each man among us prayed in his own direction. In the morning when we mentioned that to the Messenger of Allah (ﷺ), then the following was revealed: "So wherever you turn, there is the Face of Allah. (2:115)"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৫৮। ইবনু উমার (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মক্কা হতে মদীনায় ফেরার পথে তার সাওয়ারী তাকে নিয়ে যে অভিমুখে অগ্রসর হত তিনি সেদিকে ফিরেই নফল নামায আদায় করতেন। তারপর ইবনু উমর (রাযিঃ) এই আয়াত পাঠ করেনঃ পূর্ব ও পশ্চিম আল্লাহ তা'আলারই। অতএব তোমরা যেদিকেই মুখ ফিরাও সেদিকই আল্লাহ তা'আলার চেহারা”— (সূরা আল-বাকারাহ ১১৫)। ইবনু উমর (রাযিঃ) বলেন, এ প্রসঙ্গেই উক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়।

সহীহঃ সিফাতুস সালাত, মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। কাতাদাহ্ (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি এ আয়াত প্রসঙ্গে বলেন যে, এর নির্দেশ রহিত (মানসূখ) হয়ে গেছে। রহিতকারী (নাসিখ) আয়াতটি হলঃ “অতএব তুমি মাসজিদুল হারামের দিকে তোমার মুখ ফিরাও”— (সূরা আল-বাকারাহ ১৪৪)। শাতরাল মসজিদিল হারাম" অর্থাৎ “কাবার দিকে”।

তার এই মত নিম্নোক্ত সূত্রে বর্ণিত হয়েছেঃ মুহাম্মাদ ইবনু আবদুল মালিক ইবনু আবূশ শাওয়ারিব-ইয়াযীদ ইবনু যুরাইহ হতে, তিনি সাঈদ হতে, তিনি কাতাদাহ (রাহঃ) হতে। মুজাহিদ (রাহঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, তিনি ফাছাম্মা ওয়াজহুল্লাহ" অর্থ করেছেন, “ফাসাম্মা কিবলাতুল্লাহ" (সেদিকেই আল্লাহ তা'আলার কিবলাহু রয়েছে)। তার এই মত নিম্নোক্ত সূত্রে বর্ণিতঃ আবূ কুরাইব মুহাম্মাদ ইবনুল আল-ওয়াকী হতে, তিনি নাযর ইবনু আরাবী হতে, তিনি মুজাহিদ (রাহঃ) হতে।

সানাদ সহীহ, মাকতু।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي سُلَيْمَانَ، قَالَ سَمِعْتُ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ، يُحَدِّثُ عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم يُصَلِّي عَلَى رَاحِلَتِهِ تَطَوُّعًا حَيْثُمَا تَوَجَّهَتْ بِهِ وَهُوَ جَاءٍ مِنْ مَكَّةَ إِلَى الْمَدِينَةِ ثُمَّ قَرَأَ ابْنُ عُمَرَ هَذِهِ الآيَةَ ‏:‏ ‏(‏وَلِلَّهِ الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏ قَالَ ابْنُ عُمَرَ فَفِي هَذَا أُنْزِلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

وَيُرْوَى عَنْ قَتَادَةَ، أَنَّهُ قَالَ فِي هَذِهِ الآيَةِِ ‏:‏ ‏(‏)ولله الْمَشْرِقُ وَالْمَغْرِبُ فَأَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ ‏)‏ قَالَ قَتَادَةُ هِيَ مَنْسُوخَةٌ نَسَخَهَا قَوْلُهُ ‏:‏ ‏(‏فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ‏)‏ أَىْ تِلْقَاءَهُ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ ‏.‏

وَيُرْوَى عَنْ مُجَاهِدٍ، فِي هَذِهِ الآيَةِ ‏:‏ ‏(‏أَيْنَمَا تُوَلُّوا فَثَمَّ وَجْهُ اللَّهِ ‏)‏ قَالَ فَثَمَّ قِبْلَةُ اللَّهِ ‏.‏ حَدَّثَنَا بِذَلِكَ أَبُو كُرَيْبٍ مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ عَنِ النَّضْرِ بْنِ عَرَبِيٍّ عَنْ مُجَاهِدٍ بِهَذَا ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا يزيد بن هارون، أخبرنا عبد الملك بن أبي سليمان، قال سمعت سعيد بن جبير، يحدث عن ابن عمر، قال كان النبي صلى الله عليه وسلم يصلي على راحلته تطوعا حيثما توجهت به وهو جاء من مكة إلى المدينة ثم قرأ ابن عمر هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ولله المشرق والمغرب ‏)‏ الآية ‏.‏ قال ابن عمر ففي هذا أنزلت هذه الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ ويروى عن قتادة، أنه قال في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏)ولله المشرق والمغرب فأينما تولوا فثم وجه الله ‏)‏ قال قتادة هي منسوخة نسخها قوله ‏:‏ ‏(‏فول وجهك شطر المسجد الحرام ‏)‏ أى تلقاءه ‏.‏ حدثنا بذلك محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب حدثنا يزيد بن زريع عن سعيد عن قتادة ‏.‏ ويروى عن مجاهد، في هذه الآية ‏:‏ ‏(‏أينما تولوا فثم وجه الله ‏)‏ قال فثم قبلة الله ‏.‏ حدثنا بذلك أبو كريب محمد بن العلاء حدثنا وكيع عن النضر بن عربي عن مجاهد بهذا ‏.‏


Narrated Ibn 'Umar:
"The Messenger of Allah (ﷺ) would perform voluntary Salat upon his mount facing whichever direction he was headed, while he was coming from Makkah to Al-Madinah." Then Ibn 'Umar recited: To Allah belong both the east and the west. (2:115)" And Ibn 'Umar said: "It was about this that the Ayah was revealed."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৫৯। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা যদি মাকামে ইবরাহীমের পেছনে নামায আদায় করতাম (তাহলে ভালো হত)। এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হয়ঃ “তোমরা মাকামে ইবরাহীমকে (ইবরাহীমের দাড়াবার স্থানকে) নামাযের জায়গা হিসেবে গ্রহণ কর”— (সূরা আল-বাকারাহ ১২৫)।

সহীহঃ বুখারী (৪৪৮৩), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ حُمَيْدٍ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ عُمَرَ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ صَلَّيْنَا خَلْفَ الْمَقَامِ فَنَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا الحجاج بن منهال، حدثنا حماد بن سلمة، عن حميد، عن أنس، أن عمر، قال يا رسول الله لو صلينا خلف المقام فنزلت ‏:‏ ‏(‏واتخذوا من مقام إبراهيم مصلى ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Anas:
that 'Umar bin Al-Khattab said: "O Messenger of Allah (ﷺ)! I wish that we could perform Salat behind the Maqam: So the following was revealed: And take you the Maqam of Ibrahim as a place of Salat. (2:125)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬০। আনাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, "উমার ইবনুল খাত্তাব (রাযিঃ) বলেছেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি মাকামে ইবরাহীমকে যদি নামাযের জায়গা হিসেবে গ্রহণ করতেন! এ প্রসঙ্গেই অবতীর্ণ হয়ঃ “ওয়াত্তাখিযু মিম মাকামি ইবরাহীমা মুসাল্লা”। তোমরা ইবরাহীমের দাঁড়াবার স্থানকে নামাযের জায়গা বানিয়ে নাও।

সহীহঃ বুখারী ও মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইবনু উমার (রাযিঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ الطَّوِيلُ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قُلْتُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَوِ اتَّخَذْتَ مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى فَنَزَلَتْ ‏:‏ ‏(‏وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ ابْنِ عُمَرَ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا هشيم، أخبرنا حميد الطويل، عن أنس، قال قال عمر بن الخطاب رضي الله عنه قلت لرسول الله صلى الله عليه وسلم لو اتخذت من مقام إبراهيم مصلى فنزلت ‏:‏ ‏(‏واتخذوا من مقام إبراهيم مصلى ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وفي الباب عن ابن عمر ‏.‏


Narrated Anas:
that 'Umar bin Al-Khattab [may Allah be pleased with him] said: "I said: 'O Messenger of Allah (ﷺ)! I wish that you could perform Salat behind the Maqam of Ibrahim.' So the following was revealed: And take you the Maqam of Ibrahim as a place of Salat."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬১। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা'আলার বাণী “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি" (সূরা বাকারাহ ১৪৩) প্রসঙ্গে বলেছেনঃ ওয়াসাতান অর্থ আদলান (ন্যায়নিষ্ঠ)।

সহীহঃ বুখারী (৪৪৮৭), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ সাঈদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (কিয়ামত দিবসে) নূহ (আঃ)-কে ডেকে বলা হবে, তুমি কি (তোমার সম্প্রদায়কে আল্লাহ তা'আলার বাণী) পৌছে দিয়েছিলে? তিনি বলবেনঃ হ্যাঁ।

তারপর তার সম্প্রদায়কে ডেকে প্রশ্ন করা হবেঃ তিনি কি তোমাদের নিকট (আল্লাহ তা'আলার বাণী) পৌছিয়েছিলেন? তারা বলবে, আমাদের নিকট কোন সতর্ককারী আসেনি। আমাদের নিকট কেউই আসেনি। তখন তাকে বলা হবে, আপনার সাক্ষী কারা? তিনি বলবেনঃ মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তার উন্মাতগণ।

তারপর তোমাদেরকে ডেকে আনা হবে। তোমরা সাক্ষ্য দিবে যে, নিশ্চয়ই তিনি (দাওয়াত) পৌঁছে দিয়েছিলেন। তার প্রামাণ হচ্ছে বারাকাতময় আল্লাহ তা'আলার বাণীঃ “এভাবে আমি তোমাদেরকে এক ন্যায়নিষ্ঠ জাতিরূপে প্রতিষ্ঠিত করেছি। যাতে তোমরা মানব জাতির জন্য সাক্ষীস্বরূপ এবং রাসূল তোমাদের সাক্ষীস্বরূপ হবে”— (সূরা আল-বাকুরাহ ১৪৩)।

সহীহঃ বুখারী (৪৪৮৭)।

মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার-জাফার ইবনু ‘আওন হতে, তিনি আমাশ (রাহঃ) হতে এই সূত্রেও একই রকম বর্ণনা করেছেন। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏كََذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا ‏)‏ قَالَ ‏"‏ عَدْلاً ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يُدْعَى نُوحٌ فَيُقَالُ هَلْ بَلَّغْتَ فَيَقُولُ نَعَمْ ‏.‏ فَيُدْعَى قَوْمُهُ فَيُقَالُ هَلْ بَلَّغَكُمْ فَيَقُولُونَ مَا أَتَانَا مِنْ نَذِيرٍ وَمَا أَتَانَا مِنْ أَحَدٍ ‏.‏ فَيَقُولُ مَنْ شُهُودُكَ فَيَقُولُ مُحَمَّدٌ وَأُمَّتُهُ ‏.‏ قَالَ فَيُؤْتَى بِكُمْ تَشْهَدُونَ أَنَّهُ قَدْ بَلَّغَ فَذَلِكَ قَوْلُ اللَّهِ ‏:‏ ‏(‏ وَكَذَلِكَ جَعَلْنَاكُمْ أُمَّةً وَسَطًا لِتَكُونُوا شُهَدَاءَ عَلَى النَّاسِ وَيَكُونَ الرَّسُولُ عَلَيْكُمْ شَهِيدًا ‏)‏ وَالْوَسَطُ الْعَدْلُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، نَحْوَهُ ‏.‏

حدثنا أحمد بن منيع، حدثنا أبو معاوية، حدثنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله ‏:‏ ‏(‏كذلك جعلناكم أمة وسطا ‏)‏ قال ‏"‏ عدلا ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا عبد بن حميد، أخبرنا جعفر بن عون، أخبرنا الأعمش، عن أبي صالح، عن أبي سعيد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يدعى نوح فيقال هل بلغت فيقول نعم ‏.‏ فيدعى قومه فيقال هل بلغكم فيقولون ما أتانا من نذير وما أتانا من أحد ‏.‏ فيقول من شهودك فيقول محمد وأمته ‏.‏ قال فيؤتى بكم تشهدون أنه قد بلغ فذلك قول الله ‏:‏ ‏(‏ وكذلك جعلناكم أمة وسطا لتكونوا شهداء على الناس ويكون الرسول عليكم شهيدا ‏)‏ والوسط العدل ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا جعفر بن عون، عن الأعمش، نحوه ‏.‏


Narrated Abu Sa'eed:
that about Allah's saying: Thus we have made you a Wasata nation (2:143) - the Prophet (ﷺ) said: "The meaning of Wasata is just."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬২। আল-বারাআ ইবনু আযিব (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনায় পদার্পণ করে ষোল বা সতের মাস পর্যন্ত বাইতুল মাকদিসের দিকে (ফিরে) নামায আদায় করেন। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কা'বার দিকে (মুখ করে) নামায আদায় করার আগ্রহ পোষণ করতেন। এ প্রেক্ষিতেই আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ “আকাশের দিকে তোমার বারবার তাকানোকে আমি অবশ্যই লক্ষ্য করেছি। কাজেই আমি তোমাকে অবশ্যই এমন কিবলার দিকে ফিরিয়ে দিচ্ছি যা তুমি পছন্দ কর। অতএব তুমি মাসজিদুল হারামের দিকে তোমার মুখ ফিরাও”— (সূরা আল-বাক্কারাহঃ ১৪৫)। ফলে কাবার দিকে মুখ ফিরিয়ে নেয়া হলো। আর তিনি এটাই পছন্দ করতেন।

এক লোক তার সাথে আসরের নামায আদায় করে একদল আনসারীর সামনে দিয়ে যাচ্ছিলেন। তারা তখন বাইতুল মাকদিসের দিকে (মুখ করে) আসরের নামাযের রুকূতে ছিল। তিনি বললেন, এই লোকটি সাক্ষ্য দিচ্ছে যে, সে রাসূলুল্লাহ -এর সাথে নামায আদায় করে এসেছে। আর প্রকৃত অবস্থা এই যে, (নামাযে) কাবার দিকে মুখ ফিরানো হয়েছে। তারাও তৎক্ষণাৎ রুকূ’ অবস্থায়ই (কাবার দিকে) ঘুরে যান।

সহীহঃ সিফাতুস সালাত, বুখারী (৪৪৯২), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। সুফইয়ান সাওরীও এটি আবূ ইসহাক হতে বর্ণনা করেছেন।

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، قَالَ لَمَّا قَدِمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْمَدِينَةَ صَلَّى نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ سِتَّةَ أَوْ سَبْعَةَ عَشَرَ شَهْرًا وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُحِبُّ أَنْ يُوَجَّهَ إِلَى الْكَعْبَةِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ‏:‏ ‏(‏ قَدْ نَرَى تَقَلُّبَ وَجْهِكَ فِي السَّمَاءِ فَلَنُوَلِّيَنَّكَ قِبْلَةً تَرْضَاهَا فَوَلِّ وَجْهَكَ شَطْرَ الْمَسْجِدِ الْحَرَامِ ‏)‏ فَوَجَّهَ نَحْوَ الْكَعْبَةِ وَكَانَ يُحِبُّ ذَلِكَ فَصَلَّى رَجُلٌ مَعَهُ الْعَصْرَ قَالَ ثُمَّ مَرَّ عَلَى قَوْمٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَهُمْ رُكُوعٌ فِي صَلاَةِ الْعَصْرِ نَحْوَ بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَقَالَ هُوَ يَشْهَدُ أَنَّهُ صَلَّى مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَّهُ قَدْ وُجِّهَ إِلَى الْكَعْبَةِ قَالَ فَانْحَرَفُوا وَهُمْ رُكُوعٌ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رَوَاهُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن أبي إسحاق، عن البراء بن عازب، قال لما قدم رسول الله صلى الله عليه وسلم المدينة صلى نحو بيت المقدس ستة أو سبعة عشر شهرا وكان رسول الله صلى الله عليه وسلم يحب أن يوجه إلى الكعبة فأنزل الله‏:‏ ‏(‏ قد نرى تقلب وجهك في السماء فلنولينك قبلة ترضاها فول وجهك شطر المسجد الحرام ‏)‏ فوجه نحو الكعبة وكان يحب ذلك فصلى رجل معه العصر قال ثم مر على قوم من الأنصار وهم ركوع في صلاة العصر نحو بيت المقدس فقال هو يشهد أنه صلى مع رسول الله صلى الله عليه وسلم وأنه قد وجه إلى الكعبة قال فانحرفوا وهم ركوع ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح وقد رواه سفيان الثوري عن أبي إسحاق ‏.‏


Narrated Al-Bara bin 'Azib:
"When the Messenger of Allah (ﷺ) arrived in Al-Madinah, he performed Salat facing the direction of Bait Al-Maqdis (Jerusalem) for sixteen or seventeen months. The Messenger of Allah (ﷺ) longed to face toward the Ka'bah, so Allah, Might and Sublime is He revealed: Verily, WE have seen the turning of your face towards the heave. Surely, We Shall turn your face in the direction of Al-Masjid Al-Haram (2:144). So he faced the direction of the Ka'bah and he longed for that. (One day) a man performed Salat Al-'Asr along with him." He said: "Then he passed by some people of the Ansar performing Salat Al-'Asr, while they were bowing toward Bait Al-Maqdis. He told them that he testifies that he performed Salat with the Messenger of Allah (ﷺ), and he had faced the direction of the Ka'bah." He said: "So they turned while they were bowing."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৩। ইবনু উমর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন যে, তারা (কুবা মসজিদে) ফজরের নামাযে রুকু অবস্থায় ছিলেন।

সহীহঃ প্রাগুক্ত, ইরওয়াহ (২৯০), বুখারী (৪৪৮৮), মুসলিম।

এ অনুচ্ছেদে আমর ইবনু আওফ আল-মুযানী, ইবনু উমার, উমারাহ ইবনু আওস ও আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, ইবনু উমর (রাযিঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ كَانُوا رُكُوعًا فِي صَلاَةِ الْفَجْرِ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ الْمُزَنِيِّ وَابْنِ عُمَرَ وَعُمَارَةَ بْنِ أَوْسٍ وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا وكيع، عن سفيان، عن عبد الله بن دينار، عن ابن عمر، قال كانوا ركوعا في صلاة الفجر ‏.‏ وفي الباب عن عمرو بن عوف المزني وابن عمر وعمارة بن أوس وأنس بن مالك ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Ibn 'Umar:
"They were bowing during Salat Al-Fajr."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৪। ইবনু আব্বাস (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে কাবার দিকে ফিরিয়ে দেয়া হলে সাহাবীগণ তাকে প্রশ্ন করেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমাদের যেসব ভাই বাইতুল মাকদিসের দিকে (ফিরে) নামায আদায় করা অবস্থায় মারা গেছেন তাদের কি হবে? আল্লাহ তা'আলা তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ করেন (অনুবাদ) “আল্লাহ তা'আলা তোমাদের ঈমানকে বিনষ্ট করেন না”— (সূরা আল-বাকারাহঃ ১৪৩)।

সহীহ লিগাইরিহীঃ তা’লীকাতু হাসান (১৭১৪), বুখারী।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، وَأَبُو عَمَّارٍ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَمَّا وُجِّهَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْكَعْبَةِ قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ كَيْفَ بِإِخْوَانِنَا الَّذِينَ مَاتُوا وَهُمْ يُصَلُّونَ إِلَى بَيْتِ الْمَقْدِسِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ‏:‏ ‏(‏وَمَا كَانَ اللَّهُ لِيُضِيعَ إِيمَانَكُمْ ‏)‏ الآيَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هناد، وأبو عمار قالا حدثنا وكيع، عن إسرائيل، عن سماك، عن عكرمة، عن ابن عباس، قال لما وجه النبي صلى الله عليه وسلم إلى الكعبة قالوا يا رسول الله كيف بإخواننا الذين ماتوا وهم يصلون إلى بيت المقدس فأنزل الله‏:‏ ‏(‏وما كان الله ليضيع إيمانكم ‏)‏ الآية ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Ibn 'Abbas:
"When the Prophet (ﷺ) began facing the Ka'bah they said: 'O Messenger of Allah! How about our brothers who died while they were praying toward Bait Al-Maqdis?' So Allah Most High revealed: Allah would not allow your faith to be wasted. (2:143)"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৫। উরওয়া (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আয়িশাহ (রাযিঃ)-কে বললাম, যে ব্যক্তি সাফা ও মারওয়ার তাওয়াফ (সাঈ) করেনি আমি তাতে সমস্যা মনে করি না। আমি নিজেও এ দুই পাহাড়ের মাঝে তাওয়াফ না করতে কোন পরোয়া করি না। আয়িশাহ্ (রাযিঃ) বললেন, হে আমার বোন পুত্র! তুমি যা বললে তা খুবই অন্যায় কথা। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজে এই দুই পাহাড়ের মাঝে তাওয়াফ করেছেন, মুসলিমরাও এর তাওয়াফ করেছেন। তবে মুশাল্লাল’ নামক স্থানে স্থাপিত মানাত নামক প্রতিমার নামে যেসব কাফির ইহরাম বাধতো তারা সাফা ও মারওয়ার তাওয়াফ করত না।

অতঃপর বারকাতময় আল্লাহ তা’আলা অবতীর্ণ করেনঃ “যে লোক বাইতুল্লাহর হজ্জ করে বা উমরা করে এই পাহাড়দ্বয়ের মাঝে তাওয়াফ করায় তার কোন সমস্যা নেই”- (সূরা আল-বাকারাহ ১৫৮)। তোমাদের কথাই যদি সঠিক হত, তাহলে এভাবে বলা হতঃ “ফালা জুনাহা আলাইহি আল-লা ইয়াত্তাওয়াফা বিহিমা” (এই পাহাড়দ্বয়ের মাঝে তাওয়াফ না করাতে কোন সমস্যা নেই)।

যুহরী (রাহঃ) বলেন, আমি আবূ বাকর ইবনু আবদুর রাহমান ইবনুল হারিস ইবনু হিশামের নিকট এটি বর্ণনা করলে তিনি খুবই আনন্দিত হন এবং বলেন, এটা তো হল ইলমের (জ্ঞানের) কথা! আমি বহু আলিমকে বলতে শুনেছি, যেসব আরববাসী সাফা-মারওয়ার তাওয়াফ করে না তারা বলে, এ দুটি পাহাড়ের মাঝে তাওয়াফ করা জাহিলী যুগের প্রথা। অপর দিকে কিছু সংখ্যক আনসারী বলত, আমাদেরকে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করার আদেশ করা হয়েছে এবং সাফা-মারওয়ার মাঝে তাওয়াফের আদেশ দেয়া হয়নি। এ প্রসঙ্গেই আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করলেনঃ “নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা'আলার নির্দেশনসমূহের অন্তর্ভুক্ত”– (সূরা আল-বাকারাহ ১৫৮)।

আবূ বাকর ইবনু আবদুর রাহমান বলেন, আমার মতে উপরোক্ত উভয় দলের প্রসঙ্গেই এ আয়াত অবতীর্ণ হয়েছে।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২৯৮৬), বুখারী (৪৪৯৫), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، قَالَ سَمِعْتُ الزُّهْرِيَّ، يُحَدِّثُ عَنْ عُرْوَةَ، قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ مَا أَرَى عَلَى أَحَدٍ لَمْ يَطُفْ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ شَيْئًا وَمَا أُبَالِي أَنْ لاَ أَطَّوَّفَ بَيْنَهُمَا ‏.‏ فَقَالَتْ بِئْسَمَا قُلْتَ يَا ابْنَ أُخْتِي طَافَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَطَافَ الْمُسْلِمُونَ وَإِنَّمَا كَانَ مَنْ أَهَلَّ لِمَنَاةَ الطَّاغِيَةِ الَّتِي بِالْمُشَلَّلِ لاَ يَطُوفُونَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ ‏:‏ ‏(‏فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏)‏ وَلَوْ كَانَتْ كَمَا تَقُولُ لَكَانَتْ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لاَ يَطَّوَّفَ بِهِمَا قَالَ الزُّهْرِيُّ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لأَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ فَأَعْجَبَهُ ذَلِكَ وَقَالَ إِنَّ هَذَا لَعِلْمٌ وَلَقَدْ سَمِعْتُ رِجَالاً مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ يَقُولُونَ إِنَّمَا كَانَ مَنْ لاَ يَطَّوَّفُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ مِنَ الْعَرَبِ يَقُولُونَ إِنَّ طَوَافَنَا بَيْنَ هَذَيْنِ الْحَجَرَيْنِ مِنْ أَمْرِ الْجَاهِلِيَّةِ وَقَالَ آخَرُونَ مِنَ الأَنْصَارِ إِنَّمَا أُمِرْنَا بِالطَّوَافِ بِالْبَيْتِ وَلَمْ نُؤْمَرْ بِهِ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ فَأَنْزَلَ اللَّهُ تَعَالَى ‏(‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ‏)‏ قَالَ أَبُو بَكْرِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ فَأُرَاهَا قَدْ نَزَلَتْ فِي هَؤُلاَءِ وَهَؤُلاَءِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان، قال سمعت الزهري، يحدث عن عروة، قال قلت لعائشة ما أرى على أحد لم يطف بين الصفا والمروة شيئا وما أبالي أن لا أطوف بينهما ‏.‏ فقالت بئسما قلت يا ابن أختي طاف رسول الله صلى الله عليه وسلم وطاف المسلمون وإنما كان من أهل لمناة الطاغية التي بالمشلل لا يطوفون بين الصفا والمروة فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما ‏)‏ ولو كانت كما تقول لكانت فلا جناح عليه أن لا يطوف بهما قال الزهري فذكرت ذلك لأبي بكر بن عبد الرحمن بن الحارث بن هشام فأعجبه ذلك وقال إن هذا لعلم ولقد سمعت رجالا من أهل العلم يقولون إنما كان من لا يطوف بين الصفا والمروة من العرب يقولون إن طوافنا بين هذين الحجرين من أمر الجاهلية وقال آخرون من الأنصار إنما أمرنا بالطواف بالبيت ولم نؤمر به بين الصفا والمروة فأنزل الله تعالى ‏(‏إن الصفا والمروة من شعائر الله ‏)‏ قال أبو بكر بن عبد الرحمن فأراها قد نزلت في هؤلاء وهؤلاء ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Az-Zuhri:
that 'Urqah said: "I said to 'Aishah: 'I do not see anything wrong if someone does not go between As-Safa and Al-Marwah, nor any harm if I do not go between them.' She said: 'How horrible is what you have said O my nephew! The Messenger of Allah (ﷺ) would go between them, and the Muslims go between them. It was only that the people who assumed Ihram in the name of the false deity Mannah, which was in Al-Mushallal, would not go between As-Safa and Al-Marwah. So, Allah Blessed and Most High revealed: So it is not a sin for those who perform Hajj or go 'Umrah to the House to go between them (2:158). And if it were as you say, then it would be: "Then there is no harm on him if he does not go between them." Az-Zuhri said: "I mentioned that to Abu Bakr bin 'Abdur-Rahman bin Al-Harith bin Hisham. He was surprised at that and he said: 'Indeed this is knowledge. I had heard some men among the people of knowledge saying that those Arabs who would not go between As-Safa and Al-Marwah said, that going between these two rocks is a matter from Jahiliyyah. And others among the Ansar said: "We have only been ordered with going around the House, we were not ordered to do so with As-Safa and Al-Marwah." So Allah Most High revealed: Indeed As-Safa and Al-Marwah are of the symbols of Allah...' (2.158) Abu Bakr bin 'Abdur-Rahman said: 'So I thought that it was revealed about these people, and those people.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ উরওয়াহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৬। আসিম আল-আওয়াল (রাহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ)-কে সাফা ও মারওয়া প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, এ দু'টি (পাহাড়) ছিল জাহিলিয়াতের নিদর্শন। ইসলামের আবির্ভাব হলে আমরা এতদুভয়ের মাঝে সাঈ করা হতে বিরত থাকলাম। তখন বারকাতময় আল্লাহ তা'আলা অবতীর্ণ করেনঃ “সাফা ও মারওয়া হল আল্লাহ তা'আলার নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। অতএব বাইতুল্লাহর হজ্জকারী বা উমরাকারী ব্যক্তির জন্য এতদুভয়ের মাঝে তাওয়াফ করাতে কোন সমস্যা নেই”- (সূরা আল-বাকারাহ ১৫৮)। আনাস (রাযিঃ) বলেন, এটা হল নফল ইবাদাত। আল্লাহ তা'আলা বলেনঃ “কেউ স্বতঃস্ফূর্তভাবে সৎকাজ করলে আল্লাহ তা'আলা তো গুণগ্রাহী ও সর্বজ্ঞ” (সূরা আল-বাকুরাহ ১৫৮)।

সহীহঃ বুখারী (৪৪৯৬), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এই হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَاصِمٍ الأَحْوَلِ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ عَنِ الصَّفَا، وَالْمَرْوَةِ، فَقَالَ كَانَا مِنْ شَعَائِرِ الْجَاهِلِيَّةِ فَلَمَّا كَانَ الإِسْلاَمُ أَمْسَكْنَا عَنْهُمَا فَأَنْزَلَ اللَّهُ ‏:‏ ‏(‏ إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلاَ جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا ‏)‏ قَالَ هُمَا تَطَوُّعٌ ‏(‏فَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شَاكِرٌ عَلِيمٌ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا يزيد بن أبي حكيم، عن سفيان، عن عاصم الأحول، قال سألت أنس بن مالك عن الصفا، والمروة، فقال كانا من شعائر الجاهلية فلما كان الإسلام أمسكنا عنهما فأنزل الله ‏:‏ ‏(‏ إن الصفا والمروة من شعائر الله فمن حج البيت أو اعتمر فلا جناح عليه أن يطوف بهما ‏)‏ قال هما تطوع ‏(‏فمن تطوع خيرا فإن الله شاكر عليم ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated 'Asim Al-Ahwal:
"I asked Anas bin Malik about As-Safa and Al-Marwah, and he said: 'They were among the rites of Jahiliyyah.' He said: 'So during Islam, we refrained from them, then Allah, Blessed and Most High, revealed: Indeed As-Safa and Al-Marwah are of the symbols of Allah. So it is not a sin for those who perform Hajj or 'Umrah to the house to go between them. (2:158)' He said: 'So it is voluntarily then verily, Allah is the All-Recogniser, the All-Knowing. (2:158)'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসিম আল আহওয়াল (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৭। জাবির ইবনু আবদুল্লাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন মক্কায় এলেন, তখন সাতবার বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করলেন। তখন আমি তাকে এ আয়াত পাঠ করতে শুনলাম (অনুবাদ) “তোমরা ইবরাহীমের দাঁড়াবার স্থানকে নামাযের স্থানরূপে গ্রহণ কর”— (সূরা আল-বাকারাহ ১২৫)। তারপর তিনি মাকামে ইবরাহীমের পিছনে নামায আদায় করলেন, তারপর হাজরে আসওয়াদের নিকট এসে তাতে চুমু দিলেন, তারপর বললেনঃ আল্লাহ তা'আলা প্রথমে যা উল্লেখ করেছেন আমরা তা হতে শুরু করব। অতঃপর তিনি তিলাওয়াত করলেনঃ “সাফা ও মারওয়া আল্লাহ তা'আলার নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত"- (সূরা আল-বাকারাহ ১৫৮)।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (২৯৬০), বুখারী ও মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُمَرَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم حِينَ قَدِمَ مَكَّةَ طَافَ بِالْبَيْتِ سَبْعًا فَقَرَأَ ‏:‏ ‏(‏وَاتَّخِذُوا مِنْ مَقَامِ إِبْرَاهِيمَ مُصَلًّى ‏)‏ فَصَلَّى خَلْفَ الْمَقَامِ ثُمَّ أَتَى الْحَجَرَ فَاسْتَلَمَهُ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ نَبْدَأُ بِمَا بَدَأَ اللَّهُ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ وَقَرَأَ ‏:‏ ‏(‏إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا ابن أبي عمر، حدثنا سفيان بن عيينة، عن جعفر بن محمد، عن أبيه، عن جابر بن عبد الله، قال سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم حين قدم مكة طاف بالبيت سبعا فقرأ ‏:‏ ‏(‏واتخذوا من مقام إبراهيم مصلى ‏)‏ فصلى خلف المقام ثم أتى الحجر فاستلمه ثم قال ‏"‏ نبدأ بما بدأ الله به ‏"‏ ‏.‏ وقرأ ‏:‏ ‏(‏إن الصفا والمروة من شعائر الله ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Jabir bin 'Abdullah:
"When the Messenger of Allah (ﷺ) arrived in Makkah, performing Tawaf around the House seven times, I heard him reciting: And take the Maqam of Ibrahim as a place of prayer (2:125). So he performed Salat behind the Maqam, then he came to the (Black) Stone, then he said: 'We begin with what Allah began with.' So he began at As-Safa and recited: Indeed As-Safa and Al-Marwah are among the Symbols of Allah (2:158)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৮। আল-বারাআ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের এ নিয়ম ছিল যে, কোন রোযাদার ইফতারের পূর্বে ঘুমিয়ে পড়লে তিনি সেই রাত ও পরবর্তী দিনে কিছু খেতেন না, এভাবে পরবর্তী সন্ধ্যা পর্যন্ত অভুক্ত থাকতেন।

একবার কাইস ইবনু সিরমাহ আল-আনসারী (রাযিঃ) রোযা অবস্থায় ছিলেন। ইফতারের সময় উপস্থিত হলে তিনি তার স্ত্রীর নিকট এসে বললেন, কোন খাবার আছে কি? তার স্ত্রী বললেন, না। তবে আমি আপনার জন্য কিছু খুঁজে আনতে যাচ্ছি। কাইস (রাযিঃ) ঐ দিন কায়িক পরিশ্রম করেছিলেন। তাই তিনি ঘুমিয়ে পড়লেন। তার স্ত্রী এসে তাকে ঘুমন্ত অবস্থায় দেখতে পেয়ে বললেন, আপনার জন্য আফসোস! পরবর্তী দিন দুপুর হলে তিনি অজ্ঞান হয়ে পড়েন। এ ঘটনা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট বর্ণনা করা হলে তখন নিম্নোক্ত আয়াত অবতীর্ণ হয়

(অনুবাদ) 'রোযার রাতে তোমাদের জন্য স্ত্রী সম্ভোগ হালাল করা হল” (সূরাঃ আল-বাকারাহ ১৮৭)। এতে তারা অত্যন্ত আনন্দিত হলেন। আয়াতের শেষাংশ নিম্নরূপ (অনুবাদ) “রাতের কালো রেখা হতে ভোরের সাদা রেখা স্পষ্টরূপে তোমাদের নিকট প্রতিভাত না হওয়া পর্যন্ত তোমরা পানাহার কর”— (সূরা আল-বাকারাহ ১৮৭)।

সহীহঃ সহীহ আবূ দাউদ (২০৩৪), বুখারী ও মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا عَبْدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنِ الْبَرَاءِ، قَالَ كَانَ أَصْحَابُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ الرَّجُلُ صَائِمًا فَحَضَرَ الإِفْطَارُ فَنَامَ قَبْلَ أَنْ يُفْطِرَ لَمْ يَأْكُلْ لَيْلَتَهُ وَلاَ يَوْمَهُ حَتَّى يُمْسِيَ وَإِنَّ قَيْسَ بْنَ صِرْمَةَ الأَنْصَارِيَّ كَانَ صَائِمًا فَلَمَّا حَضَرَهُ الإِفْطَارُ أَتَى امْرَأَتَهُ فَقَالَ هَلْ عِنْدَكِ طَعَامٌ قَالَتْ لاَ وَلَكِنْ أَنْطَلِقُ فَأَطْلُبُ لَكَ ‏.‏ وَكَانَ يَوْمَهُ يَعْمَلُ فَغَلَبَتْهُ عَيْنُهُ وَجَاءَتْهُ امْرَأَتُهُ فَلَمَّا رَأَتْهُ قَالَتْ خَيْبَةً لَكَ ‏.‏ فَلَمَّا انْتَصَفَ النَّهَارُ غُشِيَ عَلَيْهِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَنَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏:‏ ‏(‏ أُحِلَّ لَكُمْ لَيْلَةَ الصِّيَامِ الرَّفَثُ إِلَى نِسَائِكُمْ ‏)‏ فَفَرِحُوا بِهَا فَرَحًا شَدِيدًا ‏:‏ ‏(‏فَكُلُوا وَاشْرَبُوا حَتَّى يَتَبَيَّنَ لَكُمُ الْخَيْطُ الأَبْيَضُ مِنَ الْخَيْطِ الأَسْوَدِ مِنَ الْفَجْرِ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا عبد بن حميد، حدثنا عبيد الله بن موسى، عن إسرائيل بن يونس، عن أبي إسحاق، عن البراء، قال كان أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم إذا كان الرجل صائما فحضر الإفطار فنام قبل أن يفطر لم يأكل ليلته ولا يومه حتى يمسي وإن قيس بن صرمة الأنصاري كان صائما فلما حضره الإفطار أتى امرأته فقال هل عندك طعام قالت لا ولكن أنطلق فأطلب لك ‏.‏ وكان يومه يعمل فغلبته عينه وجاءته امرأته فلما رأته قالت خيبة لك ‏.‏ فلما انتصف النهار غشي عليه فذكر ذلك للنبي صلى الله عليه وسلم فنزلت هذه الآية ‏:‏ ‏(‏ أحل لكم ليلة الصيام الرفث إلى نسائكم ‏)‏ ففرحوا بها فرحا شديدا ‏:‏ ‏(‏فكلوا واشربوا حتى يتبين لكم الخيط الأبيض من الخيط الأسود من الفجر ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated Al-Bara bin 'Azib:
"It was the custom among the Companions of Muhammad (ﷺ), that if any of them was fasting and the food was presented but he had slept before eating, he would not eat that night, nor the following day until the evening. Qais bin Sirmah Al-Ansari fasted and came to his wife at the time of Iftar, and said to her: 'No, but I will go and bring something for you.' He worked during the day, so his eyes (sleep) overcame him. Then his wife came, and when she saw him she said: 'You shall be disappointed.' About the middle of the next day he fainted. That was mentioned to the Prophet (ﷺ), so this Ayah was revealed: 'It is made lawful for you to have sexual relations with your women on the night of the fasts. So they were very happy about that. 'And eat and drink until the white thread (light) of dawn appears distinct to you from the black thread (of night). (2:187)'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir

পরিচ্ছেদঃ ৩. সূরা আল-বাকারাহ

২৯৬৯। নুমান ইবনু বাশীর (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহ তা'আলার বাণী “তোমাদের প্রভু বলেন, তোমরা আমাকে ডাকো আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব”— (সূরা মু'মিন ৬০) প্রসঙ্গে বলেছেনঃ দু'আও একটি ইবাদাত। তারপর তিনি পাঠ করলেনঃ "তোমাদের প্রভু বলেন, তোমারা আমাকে ডাকো, আমি তোমাদের ডাকে সাড়া দিব। যারা অহংকারবশে আমার ইবাদাতে বিমুখ, তারা লাঞ্ছিত হয়ে জাহান্নামে প্রবেশ করবে” (সূরা মু'মিন ৬০)।

সহীহঃ ইবনু মা-জাহ (৩৮২৮)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ ذَرٍّ، عَنْ يُسَيْعٍ الْكِنْدِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي قَوْلِهِ ‏:‏ ‏(‏وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ‏)‏ قَالَ ‏"‏ الدُّعَاءُ هُوَ الْعِبَادَةُ ‏"‏ ‏.‏ وَقَرَأَ ‏:‏‏(‏ وَقَالَ رَبُّكُمُ ادْعُونِي أَسْتَجِبْ لَكُمْ ‏)‏ إِلَى قَوْلِهِ ‏(‏ دَاخِرِينَ ‏)‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن ذر، عن يسيع الكندي، عن النعمان بن بشير، عن النبي صلى الله عليه وسلم في قوله ‏:‏ ‏(‏وقال ربكم ادعوني أستجب لكم ‏)‏ قال ‏"‏ الدعاء هو العبادة ‏"‏ ‏.‏ وقرأ ‏:‏‏(‏ وقال ربكم ادعوني أستجب لكم ‏)‏ إلى قوله ‏(‏ داخرين ‏)‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏


Narrated An-Nu'man bin Bashir:
from the Prophet (ﷺ) regarding Allah's saying: Your Lord said: Invoke Me, I shall respond to you (40:60, it appears that the author intended to apply it to Al-Baqarah 2:186). - he said: "The supplication is the worship." And he recited: 'Your Lord said: Invoke Me, I shall respond to you.' up to His saying: 'in humiliation.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সূনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৪৪/ তাফসীরুল কুরআন (كتاب تفسير القرآن عن رسول الله ﷺ) 44. Chapters on Tafsir
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৪২০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 20 21 পরের পাতা »