সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ)

পরিচ্ছেদঃ ১. যে সকল লোক যাকাত দিতে অসম্মত সে সকল লোকের প্রতি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের কঠোর হুঁশিয়ারি

৬১৭। আবু যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে এলাম। তিনি সে সময় কা’বার ছায়াতে বসে ছিলেন। বর্ণনাকারী বলেন, তিনি আমাকে সম্মুখে আসতে দেখে বলেনঃ কা’বার প্রভুর শপথ! তারা কিয়ামতের দিবসে অত্যন্ত ক্ষতিগ্রস্ত অবস্থায় হাযির হবে। বর্ণনাকারী বলেন, আমি মনে মনে বললাম, আমার কি হল, মনে হয় আমার প্রসঙ্গে তার উপর কোন কিছু নাযিল হয়েছে। আমি বললাম, আপনার জন্য আমার পিতা-মাতা নিবেদিত হোক! এধরণের লোক কারা? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ অধিক ধনদৌলত আত্মসাৎকারী, কিন্তু যে সব লোক এই, এই ও এই পরিমাণ দিয়েছে সে সব লোক ছাড়া।

তিনি সামনে, ডানে ও বামে হাতের ইশারা করলেন। তারপর তিনি বললেনঃ সেই সত্তার শপথ, যার হাতে আমার জীবন! যে লোক এধরণের উট অথবা গরু রেখে মৃত্যুবরণ করল যার যাকাত সে দেয়নি, কিয়ামতের দিন সেগুলো পূর্বাবস্থা হতে বেশি মোটাতাজা হয়ে তার নিকটে আসবে এবং নিজেদের পায়ের ক্ষুর দ্বারা তাকে দলিত করবে এবং শিং দ্বারা গুতো মারবে। সবশেষের জন্তুটি চলে যাওয়ার পর আবার প্রথম জন্তুটি ফিরে আসবে। মানুষের সম্পূর্ণ বিচার শেষ না হওয়া পর্যন্ত শাস্তির এ ধারা চলতে থাকবে। — সহীহ তা’লীকুর রাগীব (১/২৬৭)

আবু হুরাইরা (রাঃ) হতেও একই রকম হাদীস বর্ণিত আছে। আলী (রাঃ) বলেন, যাকাত অমান্যকারীকে অভিসম্পাত করা হয়েছে। কাবীসা ইবনু হুলব তার পিতা থেকে, জাবির ইবনু আব্দুল্লাহ, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, আবূ যারের হাদীসটি হাসান সহীহ্! আবু যার (রাঃ)-এর নাম জুনদাব ইবনুস সাকান, কারো মতে ইবনু জুনাদা। দাহহাক ইবনু মুযাহিম বলেন, যার দশ হাজার (দিরহাম) রয়েছে সেই অধিক সম্পদশালী। — সহীহ মাকতু অর্থাৎ যাহহাকের উপর মাওকৃফ

এই হাদীসের এক রাবী আবদুল্লাহ ইবনু মুনীর মারওয়ায়ী একজন নিষ্ঠাবান লোক।

باب مَا جَاءَ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي مَنْعِ الزَّكَاةِ مِنَ التَّشْدِيدِ ‏.‏

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ التَّمِيمِيُّ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنِ الْمَعْرُورِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ جِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ جَالِسٌ فِي ظِلِّ الْكَعْبَةِ ‏.‏ قَالَ فَرَآنِي مُقْبِلاً فَقَالَ ‏"‏ هُمُ الأَخْسَرُونَ وَرَبِّ الْكَعْبَةِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ مَا لِي لَعَلَّهُ أُنْزِلَ فِيَّ شَيْءٌ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ مَنْ هُمْ فِدَاكَ أَبِي وَأُمِّي ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هُمُ الأَكْثَرُونَ إِلاَّ مَنْ قَالَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهَكَذَا ‏"‏ ‏.‏ فَحَثَا بَيْنَ يَدَيْهِ وَعَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ وَالَّذِي نَفْسِي بِيَدِهِ لاَ يَمُوتُ رَجُلٌ فَيَدَعُ إِبِلاً أَوْ بَقَرًا لَمْ يُؤَدِّ زَكَاتَهَا إِلاَّ جَاءَتْهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَعْظَمَ مَا كَانَتْ وَأَسْمَنَهُ تَطَؤُهُ بِأَخْفَافِهَا وَتَنْطَحُهُ بِقُرُونِهَا كُلَّمَا نَفِدَتْ أُخْرَاهَا عَادَتْ عَلَيْهِ أُولاَهَا حَتَّى يُقْضَى بَيْنَ النَّاسِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مِثْلُهُ ‏.‏ وَعَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ رضى الله عنه قَالَ لُعِنَ مَانِعُ الصَّدَقَةِ ‏.‏ وَعَنْ قَبِيصَةَ بْنِ هُلْبٍ عَنْ أَبِيهِ وَجَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي ذَرٍّ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَاسْمُ أَبِي ذَرٍّ جُنْدُبُ بْنُ السَّكَنِ وَيُقَالُ ابْنُ جُنَادَةَ ‏.‏ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ مُوسَى عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ حَكِيمِ بْنِ الدَّيْلَمِ عَنِ الضَّحَّاكِ بْنِ مُزَاحِمٍ قَالَ الأَكْثَرُونَ أَصْحَابُ عَشَرَةِ آلاَفٍ ‏.‏ قَالَ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُنِيرٍ مَرْوَزِيٌّ رَجُلٌ صَالِحٌ ‏.‏

حدثنا هناد بن السري التميمي الكوفي، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن المعرور بن سويد، عن أبي ذر، قال جئت إلى رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو جالس في ظل الكعبة ‏.‏ قال فرآني مقبلا فقال ‏"‏ هم الأخسرون ورب الكعبة يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏ قال فقلت ما لي لعله أنزل في شيء ‏.‏ قال قلت من هم فداك أبي وأمي ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ هم الأكثرون إلا من قال هكذا وهكذا وهكذا ‏"‏ ‏.‏ فحثا بين يديه وعن يمينه وعن شماله ‏.‏ ثم قال ‏"‏ والذي نفسي بيده لا يموت رجل فيدع إبلا أو بقرا لم يؤد زكاتها إلا جاءته يوم القيامة أعظم ما كانت وأسمنه تطؤه بأخفافها وتنطحه بقرونها كلما نفدت أخراها عادت عليه أولاها حتى يقضى بين الناس ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة مثله ‏.‏ وعن علي بن أبي طالب رضى الله عنه قال لعن مانع الصدقة ‏.‏ وعن قبيصة بن هلب عن أبيه وجابر بن عبد الله وعبد الله بن مسعود ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي ذر حديث حسن صحيح ‏.‏ واسم أبي ذر جندب بن السكن ويقال ابن جنادة ‏.‏ حدثنا عبد الله بن منير عن عبيد الله بن موسى عن سفيان الثوري عن حكيم بن الديلم عن الضحاك بن مزاحم قال الأكثرون أصحاب عشرة آلاف ‏.‏ قال وعبد الله بن منير مروزي رجل صالح ‏.‏


Abu Dharr narrated:
"I came to the Messenger of Allah while he was sitting in the shade of the Ka'bah." He said: "He saw me approaching and he said: 'They are lost on the Day of Judgment! By the Lord of the Ka'bah!'" He said: "I said t myself: Woe is me! Perhaps something has been revealed about me!'" He said: "So I said: 'Who are they, and may my father and mother be ransomed for you.' So the Messenger of Allah said: 'They are those who have much, except for who says like this, and this, and this and motioned with his hand to his front, and t his right, and to his left.' Then he said: 'By the One in Whose Hand is my soul! No man will die, leaving a camel or a cow that he did not pay Zakat on, except that it will come on the Day of Judgment larger and fatter than it was, they will tread him under their hooves and butt him with their horns, all of them; such that when the last of them has had a turn, the first returns to him, until he is judged before the people.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ২. যখন তুমি যাকাত দিয়ে দিলে, তোমার উপর আরোপিত ফরয আদায় করলে

৬১৮। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যখন তুমি তোমার ধন-সম্পদের যাকাত আদায় করে ফেললে, তুমি তোমার কর্তব্যভার পালন করলে।

যঈফ, ইবনু মাজাহ (১৭৮৮)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে একাধিক সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি যাকাত নিয়ে আলোচনা করলে এক লোক বলল, হে আল্লাহর রাসূল! এ ব্যতীতও কি আমার কিছু করার আছে? তিনি বলেনঃ না, তবে বাড়তি (দান-খাইরাত) করতে পার। ইবনু হুজাইরার নাম আব্দুর রহমান ইবনু হুজাইরাহ আল-মিসরী।

باب مَا جَاءَ إِذَا أَدَّيْتَ الزَّكَاةَ فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ ‏.‏

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ الشَّيْبَانِيُّ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ دَرَّاجٍ، عَنِ ابْنِ حُجَيْرَةَ، هُوَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ حُجَيْرَةَ الْمِصْرِيُّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِذَا أَدَّيْتَ زَكَاةَ مَالِكَ فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ أَنَّهُ ذَكَرَ الزَّكَاةَ ‏.‏ فَقَالَ رَجَلٌ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَلْ عَلَىَّ غَيْرُهَا فَقَالَ ‏"‏ لاَ إِلاَّ أَنْ تَتَطَوَّعَ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا عمر بن حفص الشيباني البصري، حدثنا عبد الله بن وهب، أخبرنا عمرو بن الحارث، عن دراج، عن ابن حجيرة، هو عبد الرحمن بن حجيرة المصري عن أبي هريرة، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ إذا أديت زكاة مالك فقد قضيت ما عليك ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى ‏.‏ هذا حديث حسن غريب ‏.‏ وقد روي عن النبي صلى الله عليه وسلم من غير وجه أنه ذكر الزكاة ‏.‏ فقال رجل يا رسول الله هل على غيرها فقال ‏"‏ لا إلا أن تتطوع ‏"‏ ‏.‏


Abu Hurairah narrated :
that the Prophet said: "When you pay the Zakat you have fulfilled what is required of you."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ২. যখন তুমি যাকাত দিয়ে দিলে, তোমার উপর আরোপিত ফরয আদায় করলে

৬১৯। আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমরা ইচ্ছা করতাম, আমাদের উপস্থিত থাকা অবস্থায় কোন বুদ্ধিমান বেদুঈন এসে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন বিষয়ে প্রশ্ন করুক। এমন সময় এক বেদুঈন হাযির হল। সে তার হাটু গেড়ে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে বসল। সে বলল, হে মুহাম্মাদ! আমাদের নিকট আপনার প্রতিনিধি এসে বলল, আপনি দাবি করছেন, আপনাকে আল্লাহ তা’আলা তার রাসূল করে পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, যিনি আকাশসমূহ সমুন্নত করেছেন, যমীনকে বিস্তৃত করেছেন এবং পাহাড়সমূহ দাঁড় করিয়েছেন, সত্যিই কি আপনাকে আল্লাহ তাআলা তার রাসূল করে পাঠিয়েছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ।

লোকটি বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন আমাদের উপর দিন রাতে পাচ ওয়াক্ত নামায বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, যিনি আপনাকে পাঠিয়েছেন! আল্লাহ কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ।

বেদুঈন বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন বছরে এক মাস আমাদের উপর রোযা বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সঠিক বলেছে। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি পাঠিয়েছেন আল্লাহ তাআলা কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ।

সে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আপনি মনে করেন আমাদের ধনদৌলতের উপর যাকাত বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ সে সত্য বলেছে। বেদুঈন বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি রাসূল করে পাঠিয়েছেন। আল্লাহ তাআলা কি এই প্রসঙ্গে আপনাকে আদেশ করেছেন? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ।

সে বলল, আমাদেরকে আপনার প্রতিনিধি বলেছে, আমাদের মাধ্যে যে লোক দূরত্ব অতিক্রম করার (আর্থিক ও দৈহিক) যোগ্যতা রাখে আপনি মনে করেন তার জন্য বাইতুল্লাহর হজ্জ বাধ্যতামূলক। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ। বেদুঈন বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি রাসূল করে পাঠিয়েছেন! আল্লাহ তাআ’লা কি আপনাকে এই প্রসঙ্গে আদেশ করেছেন? তিনি বললেনঃ হ্যাঁ। লোকটি বলল, সেই সত্তার শপথ, আপনাকে যিনি সত্য সহকারে পাঠিয়েছেন! আমি এগুলোর কোনটিই ছাড়বো না এবং এগুলোর সীমাও পার করব না। তারপর সে তাড়াতাড়ি উঠে চলে গেল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এই বেদুঈন যদি সত্য বলে থাকে তবে সে জান্নাতে যাবে। – সহীহ, তাখরাজ ঈমান ইবনু আবী শাইবা (৪/৫), বুখারী, মুসলিম৷

আবূ ঈসা বলেন, উল্লেখিত সনদে হাদীসটি হাসান গারীব। এ হাদীসটি অন্যান্য সূত্রেও আনাস (রাঃ) হতে এবং তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেছেন। আমি একথা মুহাম্মাদ ইবনু ইসমাঈল বুখারীকে বলতে শুনেছি যে, একদল মুহাদ্দিস বলেন, এ হাদীসের একটি আইনগত (ফিকহী) দিক এই যে, উস্তাদের নিকট পাঠ করা এবং তা তার শুনা উস্তাদের নিকট হতে শুনার মতই গ্রহণযোগ্য। তারা উক্ত হাদীস দলীল হিসাবে উপস্থাপন করে বলেন, এই বেদুঈন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকটে (বর্ণনা) উপস্থাপন করল, আর তিনি তার সত্যতা স্বীকার করলেন।

باب مَا جَاءَ إِذَا أَدَّيْتَ الزَّكَاةَ فَقَدْ قَضَيْتَ مَا عَلَيْكَ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْحَمِيدِ الْكُوفِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ كُنَّا نَتَمَنَّى أَنْ يَأْتِيَ، الأَعْرَابِيُّ الْعَاقِلُ فَيَسْأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَنَحْنُ عِنْدَهُ فَبَيْنَا نَحْنُ عَلَى ذَلِكَ إِذْ أَتَاهُ أَعْرَابِيٌّ فَجَثَا بَيْنَ يَدَىِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا مُحَمَّدُ إِنَّ رَسُولَكَ أَتَانَا فَزَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ اللَّهَ أَرْسَلَكَ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِالَّذِي رَفَعَ السَّمَاءَ وَبَسَطَ الأَرْضَ وَنَصَبَ الْجِبَالَ آللَّهُ أَرْسَلَكَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا صَوْمَ شَهْرٍ فِي السَّنَةِ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صَدَقَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا فِي أَمْوَالِنَا الزَّكَاةَ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صَدَقَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَإِنَّ رَسُولَكَ زَعَمَ لَنَا أَنَّكَ تَزْعُمُ أَنَّ عَلَيْنَا الْحَجَّ إِلَى الْبَيْتِ مَنِ اسْتَطَاعَ إِلَيْهِ سَبِيلاً ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَبِالَّذِي أَرْسَلَكَ آللَّهُ أَمَرَكَ بِهَذَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نَعَمْ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ لاَ أَدَعُ مِنْهُنَّ شَيْئًا وَلاَ أُجَاوِزُهُنَّ ‏.‏ ثُمَّ وَثَبَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِنْ صَدَقَ الأَعْرَابِيُّ دَخَلَ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ عَنْ أَنَسٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏ سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ إِسْمَاعِيلَ يَقُولُ قَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ فِقْهُ هَذَا الْحَدِيثِ أَنَّ الْقِرَاءَةَ عَلَى الْعَالِمِ وَالْعَرْضَ عَلَيْهِ جَائِزٌ مِثْلُ السَّمَاعِ ‏.‏ وَاحْتَجَّ بِأَنَّ الأَعْرَابِيَّ عَرَضَ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَأَقَرَّ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا محمد بن إسماعيل، حدثنا علي بن عبد الحميد الكوفي، حدثنا سليمان بن المغيرة، عن ثابت، عن أنس، قال كنا نتمنى أن يأتي، الأعرابي العاقل فيسأل النبي صلى الله عليه وسلم ونحن عنده فبينا نحن على ذلك إذ أتاه أعرابي فجثا بين يدى النبي صلى الله عليه وسلم فقال يا محمد إن رسولك أتانا فزعم لنا أنك تزعم أن الله أرسلك ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فبالذي رفع السماء وبسط الأرض ونصب الجبال آلله أرسلك فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا خمس صلوات في اليوم والليلة ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا صوم شهر في السنة ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا قال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا في أموالنا الزكاة ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ صدق ‏"‏ ‏.‏ قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فإن رسولك زعم لنا أنك تزعم أن علينا الحج إلى البيت من استطاع إليه سبيلا ‏.‏ فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ قال فبالذي أرسلك آلله أمرك بهذا فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ نعم ‏"‏ ‏.‏ فقال والذي بعثك بالحق لا أدع منهن شيئا ولا أجاوزهن ‏.‏ ثم وثب فقال النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إن صدق الأعرابي دخل الجنة ‏"‏ ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه وقد روي من غير هذا الوجه عن أنس عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏ سمعت محمد بن إسماعيل يقول قال بعض أهل العلم فقه هذا الحديث أن القراءة على العالم والعرض عليه جائز مثل السماع ‏.‏ واحتج بأن الأعرابي عرض على النبي صلى الله عليه وسلم فأقر به النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Anas narrated:
"We used to hope that an intelligent Bedouin would show up to question the Prophet while we were with him. So one while we were with him, a Bedouin came, kneeling in front of the Prophet, and he said: 'O Muhammad, your messenger came to us and told us that you say that Allah sent you.' So the Prophet say: 'Yes.' He said, 'So, (swear) by the One who raised the heaves, and spread out the earth, and erected the mountains; has Allah sent you?' The Prophet said, 'Yes.' He said: 'Your messenger told us that you say that there are five prayers required from us in a day and a night.' The Prophet said, 'Yes.' He said, 'By the One Who sent you, has Allah ordered that you you?' He said, 'Yes.' He said, 'Your messenger told us that you say that we are required to fast for a month out of the year.' He said, 'He told the truth.' He said, 'By the One Who sent you, has Allah ordered that you?' The Prophet said, 'Yes.' He said, 'Your messenger told us that Zakat is required from our wealth.' The Prophet said, 'He told the truth.' He said, 'By the One Who sent you, has Allah ordered you that?' The Prophet said, 'Yes.' He said, 'Your messenger told us that you say that we are required to perform Hajj to Allah's House if able to undertake the journey.' The Prophet said, 'Yes.' He said, 'By the One Who sent you, has Allah Commanded you that?' (The Prophet said:) 'Yes.' So he said: 'By the One Who sent you with the Truth, I will not leave any of them, nor surpass them.' Then he got up quickly (leaving). The Prophet said: 'If the Bedouin told the truth, then he will enter Paradise.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৩. সোনা-রূপার যাকাত প্রসঙ্গে

৬২০। আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘোড়া ও গোলামের সাদকা (যাকাত) আমি ক্ষমা করেছি, কিন্তু প্রতি চল্লিশ দিরহাম রূপার ক্ষেত্রে এক দিরহাম সাদকা (যাকাত) আদায় কর। কিন্তু একশত নব্বই দিরহামে কোন সাদকা নেই। যখন তা দুই শত দিরহামে পৌছবে তখন তাতে পাঁচ দিরহাম সাদকা দিতে হবে। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৯০)

আবূ বাকার সিদ্দীক ও আমর ইবনু হাযম (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে! আবু ঈসা বলেন, আমাশ, আবু আওয়ানা ও অন্যান্যরা আবু ইসহাকের সনদের ধারাবাহিকতায় আলী (রাঃ)-এর নিকট হতেও এ হাদীস বর্ণনা করেছেন। সুফিয়ান সাওরী, ইবনু উআইনা ও অন্যরাও আবু ইসহাকের বরাতে আল-হারিসের সূত্রে আলী (রাঃ) হতে এ হাদীসটি বর্ণনা করেছেন। উভয় সূত্রকেই ইমাম বুখারী সহীহ বলেছেন। কারণ, হয়ত আসিম ও হারিস দু’জনের নিকট হতে এটি বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الذَّهَبِ وَالْوَرِقِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قَدْ عَفَوْتُ عَنْ صَدَقَةِ الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ فَهَاتُوا صَدَقَةَ الرِّقَةِ مِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ دِرْهَمًا دِرْهَمًا وَلَيْسَ فِي تِسْعِينَ وَمِائَةٍ شَيْءٌ فَإِذَا بَلَغَتْ مِائَتَيْنِ فَفِيهَا خَمْسَةُ الدَّرَاهِمِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَعَمْرِو بْنِ حَزْمٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى رَوَى هَذَا الْحَدِيثَ الأَعْمَشُ وَأَبُو عَوَانَةَ وَغَيْرُهُمَا عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ عَنْ عَلِيٍّ وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَابْنُ عُيَيْنَةَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ عَنِ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ ‏.‏ قَالَ وَسَأَلْتُ مُحَمَّدًا عَنْ هَذَا الْحَدِيثِ فَقَالَ كِلاَهُمَا عِنْدِي صَحِيحٌ عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ يُحْتَمَلُ أَنْ يَكُونَ رُوِيَ عَنْهُمَا جَمِيعًا ‏.‏

حدثنا محمد بن عبد الملك بن أبي الشوارب، حدثنا أبو عوانة، عن أبي إسحاق، عن عاصم بن ضمرة، عن علي، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ قد عفوت عن صدقة الخيل والرقيق فهاتوا صدقة الرقة من كل أربعين درهما درهما وليس في تسعين ومائة شيء فإذا بلغت مائتين ففيها خمسة الدراهم ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي بكر الصديق وعمرو بن حزم ‏.‏ قال أبو عيسى روى هذا الحديث الأعمش وأبو عوانة وغيرهما عن أبي إسحاق عن عاصم بن ضمرة عن علي وروى سفيان الثوري وابن عيينة وغير واحد عن أبي إسحاق عن الحارث عن علي ‏.‏ قال وسألت محمدا عن هذا الحديث فقال كلاهما عندي صحيح عن أبي إسحاق يحتمل أن يكون روي عنهما جميعا ‏.‏


Ali narrated that :
the Messenger of Allah said: "I have exempted charity on horses and slaves. So bring charity for silver, one Dirham for every forty Dirham. There is nothing for me (to collect) on one hundred and ninety Dirham, so when it reaches two hundred, then five Dirham of it (are due)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৪. উট ও ছাগল-ভেড়ার যাকাত প্রসঙ্গে

৬২১। সালিম (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, সাদকা (যাকাত) প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি ফরমান (অধ্যাদেশ) লিখালেন। তার কর্মচারীদের নিকটে এটা পাঠানোর আগেই তিনি মারা যান। তিনি এটা নিজের তরবারির সাথে রেখেছিলেন। তার মৃত্যুর পর আবু বাকার (রাঃ) তা কার্যকর করেন। তিনিও মারা যান। উমার (রাঃ)-ও সে অনুযায়ী কাজ করেন। তারপর তিনিও মারা যান। তাতে লিখা ছিল পাঁচটি উটের জন্য একটি বকরী এবং দশটি উটের জন্য দুইটি বকরী, পনেরটি উটের জন্য তিনটি বকরী এবং বিশটি উটের জন্য চারটি বকরীর যাকাত আদায় করতে হবে। পঁচিশ হতে পঁয়ত্রিশ পর্যন্ত উটের জন্য একটি বিনতু মাখায (একটি পূর্ণ এক বছরের মাদী উট); এর বেশি হলে পয়তাল্লিশ পর্যন্ত (ছত্রিশ হতে পয়তাল্লিশ পর্যন্ত) উটের জন্য একটি বিনতু লাবৃন (একটি পূর্ণ দুই বছরের মাদী উট); এর বেশি হলে ষাট পর্যন্ত (ছিচল্লিশ হতে ষাট পর্যন্ত) উটের জন্য একটি হিক্কাহ (একটি পূর্ণ তিন বছরের মাদী উট); আবার এর বেশি হলে পচাত্তর পর্যন্ত (একষট্টি হতে পচাত্তর পর্যন্ত) উটের জন্য একটি জাযাআহ (একটি চার বছরের মাদী উট); আরো বেশি হলে নব্বই পর্যন্ত (ছিয়াত্তর হতে নব্বই পর্যন্ত) উটের জন্য দু’টি বিনতু লাবৃন; আরো বেশি হলে একশত বিশ পর্যন্ত (একানব্বই-একশত বিশ) উটের জন্য দুটি হিক্কাহ এবং যখন একশত বিশের বেশি হবে তখন প্রতি পঞ্চাশ উটের জন্য একটি হিক্কাহ এবং প্রতি চল্লিশ উটের জন্য একটি বিনতু লাবৃন যাকাত আদায় করতে হবে।

ভেড়া বকরীর যাকাত হলঃ চল্লিশ হতে এক শত বিশ পর্যন্ত বকরীর জন্য একটি বকরী; এর বেশি হলে দুশত পর্যন্ত দুটি বকরী; এর বেশি একশত বকরীর জন্য একটি করে বকরী যাকাত আদায় করতে হবে। তারপর বকরীর পরিমাণ আবার একশত পর্যন্ত না পৌছালে (পুনরায়) কোন যাকাত দিতে হবে না।

যাকাতের ভয়ে (একাধিক মালিকানায়) বিচ্ছিন্নগুলোকে একত্র করা এবং একত্রগুলোকে বিচ্ছিন্ন করা যাবে না। এক সাথে দুই শরীকের পশু থাকলে প্রত্যেকে নিজ নিজ অংশের হিসাব করে সঠিকভাবে যাকাত আদায় করবে। যাকাতে বৃদ্ধ এবং ক্রটিযুক্ত পশু গ্রহণ করা হবে না। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৯৮)

যুহরী (রাহঃ) বলেন, সাদকা আদায়কারী আসলে (মালিক) বকরিগুলোকে তিনটি ভাগে ভাগ করবে। একটি ভাগে থাকবে উন্নত মানের বকরী, অন্য ভাগে থাকবে মধ্যম মানের বকরী এবং আর এক ভাগে থাকবে নিকৃষ্ট মানের বকরী। মধ্যম মানের বকরী হতে সাদকা আদায়কারী যাকাত গ্রহণ করবে। যুহরী (রাহঃ) গরুর প্রসঙ্গে কিছু বলেননি। আবূ বাকার সিদ্দীক দাদা হতে, আবু যার ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা ইবনু উমারের হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। এই হাদীস অনুসারে সকল ফিকহবিদ মত গ্রহণ করেছেন। একদল রাবী মারফুভাবে এ হাদীসটিকে বর্ণনা করেননি। শুধুমাত্র সুফিয়ান ইবনু হুসাইন মারফু হিসাবে এটাকে বর্ণনা করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الإِبِلِ وَالْغَنَمِ ‏.‏

حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَيُّوبَ الْبَغْدَادِيُّ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْهَرَوِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ كَامِلٍ الْمَرْوَزِيُّ الْمَعْنَى، وَاحِدٌ، قَالُوا حَدَّثَنَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ، عَنْ سُفْيَانَ بْنِ حُسَيْنٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَالِمٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَتَبَ كِتَابَ الصَّدَقَةِ فَلَمْ يُخْرِجْهُ إِلَى عُمَّالِهِ حَتَّى قُبِضَ فَقَرَنَهُ بِسَيْفِهِ فَلَمَّا قُبِضَ عَمِلَ بِهِ أَبُو بَكْرٍ حَتَّى قُبِضَ وَعُمَرُ حَتَّى قُبِضَ وَكَانَ فِيهِ ‏ "‏ فِي خَمْسٍ مِنَ الإِبِلِ شَاةٌ وَفِي عَشْرٍ شَاتَانِ وَفِي خَمْسَ عَشْرَةَ ثَلاَثُ شِيَاهٍ وَفِي عِشْرِينَ أَرْبَعُ شِيَاهٍ وَفِي خَمْسٍ وَعِشْرِينَ بِنْتُ مَخَاضٍ إِلَى خَمْسٍ وَثَلاَثِينَ فَإِذَا زَادَتْ فَفِيهَا ابْنَةُ لَبُونٍ إِلَى خَمْسٍ وَأَرْبَعِينَ فَإِذَا زَادَتْ فَفِيهَا حِقَّةٌ إِلَى سِتِّينَ فَإِذَا زَادَتْ فَفِيهَا جَذَعَةٌ إِلَى خَمْسٍ وَسَبْعِينَ فَإِذَا زَادَتْ فَفِيهَا ابْنَتَا لَبُونٍ إِلَى تِسْعِينَ فَإِذَا زَادَتْ فَفِيهَا حِقَّتَانِ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَفِي كُلِّ خَمْسِينَ حِقَّةٌ وَفِي كُلِّ أَرْبَعِينَ ابْنَةُ لَبُونٍ ‏.‏ وَفِي الشَّاءِ فِي كُلِّ أَرْبَعِينَ شَاةً شَاةٌ إِلَى عِشْرِينَ وَمِائَةٍ فَإِذَا زَادَتْ فَشَاتَانِ إِلَى مِائَتَيْنِ فَإِذَا زَادَتْ فَثَلاَثُ شِيَاهٍ إِلَى ثَلاَثِمِائَةِ شَاةٍ فَإِذَا زَادَتْ عَلَى ثَلاَثِمِائَةِ شَاةٍ فَفِي كُلِّ مِائَةِ شَاةٍ شَاةٌ ثُمَّ لَيْسَ فِيهَا شَيْءٌ حَتَّى تَبْلُغَ أَرْبَعَمِائَةٍ وَلاَ يُجْمَعُ بَيْنَ مُتَفَرِّقٍ وَلاَ يُفَرَّقُ بَيْنَ مُجْتَمِعٍ مَخَافَةَ الصَّدَقَةِ وَمَا كَانَ مِنْ خَلِيطَيْنِ فَإِنَّهُمَا يَتَرَاجَعَانِ بِالسَّوِيَّةِ وَلاَ يُؤْخَذُ فِي الصَّدَقَةِ هَرِمَةٌ وَلاَ ذَاتُ عَيْبٍ ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ الزُّهْرِيُّ إِذَا جَاءَ الْمُصَدِّقُ قَسَّمَ الشَّاءَ أَثْلاَثًا ثُلُثٌ خِيَارٌ وَثُلُثٌ أَوْسَاطٌ وَثُلُثٌ شِرَارٌ وَأَخَذَ الْمُصَدِّقُ مِنَ الْوَسَطِ ‏.‏ وَلَمْ يَذْكُرِ الزُّهْرِيُّ الْبَقَرَ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَبَهْزِ بْنِ حَكِيمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ ‏.‏ وَأَبِي ذَرٍّ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ عَامَّةِ الْفُقَهَاءِ ‏.‏ وَقَدْ رَوَى يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ هَذَا الْحَدِيثَ وَلَمْ يَرْفَعُوهُ وَإِنَّمَا رَفَعَهُ سُفْيَانُ بْنُ حُسَيْنٍ ‏.‏

حدثنا زياد بن أيوب البغدادي، وإبراهيم بن عبد الله الهروي، ومحمد بن كامل المروزي المعنى، واحد، قالوا حدثنا عباد بن العوام، عن سفيان بن حسين، عن الزهري، عن سالم، عن أبيه، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم كتب كتاب الصدقة فلم يخرجه إلى عماله حتى قبض فقرنه بسيفه فلما قبض عمل به أبو بكر حتى قبض وعمر حتى قبض وكان فيه ‏ "‏ في خمس من الإبل شاة وفي عشر شاتان وفي خمس عشرة ثلاث شياه وفي عشرين أربع شياه وفي خمس وعشرين بنت مخاض إلى خمس وثلاثين فإذا زادت ففيها ابنة لبون إلى خمس وأربعين فإذا زادت ففيها حقة إلى ستين فإذا زادت ففيها جذعة إلى خمس وسبعين فإذا زادت ففيها ابنتا لبون إلى تسعين فإذا زادت ففيها حقتان إلى عشرين ومائة فإذا زادت على عشرين ومائة ففي كل خمسين حقة وفي كل أربعين ابنة لبون ‏.‏ وفي الشاء في كل أربعين شاة شاة إلى عشرين ومائة فإذا زادت فشاتان إلى مائتين فإذا زادت فثلاث شياه إلى ثلاثمائة شاة فإذا زادت على ثلاثمائة شاة ففي كل مائة شاة شاة ثم ليس فيها شيء حتى تبلغ أربعمائة ولا يجمع بين متفرق ولا يفرق بين مجتمع مخافة الصدقة وما كان من خليطين فإنهما يتراجعان بالسوية ولا يؤخذ في الصدقة هرمة ولا ذات عيب ‏"‏ ‏.‏ وقال الزهري إذا جاء المصدق قسم الشاء أثلاثا ثلث خيار وثلث أوساط وثلث شرار وأخذ المصدق من الوسط ‏.‏ ولم يذكر الزهري البقر ‏.‏ وفي الباب عن أبي بكر الصديق وبهز بن حكيم عن أبيه عن جده ‏.‏ وأبي ذر وأنس ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر حديث حسن ‏.‏ والعمل على هذا الحديث عند عامة الفقهاء ‏.‏ وقد روى يونس بن يزيد وغير واحد عن الزهري عن سالم هذا الحديث ولم يرفعوه وإنما رفعه سفيان بن حسين ‏.‏


Az-Zuhri narrated from Salim from his father:
"The Messenger of Allah had a letter written about charity, but he had not dispatched it to his governors until he died; he kept it with him along with his sword. When he died, Abu Bakr implemented it until he died, as did Umar until he died. In it was: 'A sheep (is due) on five camels, two sheeps on ten, three sheeps on fifteen, four sheeps for twenty, a Bint Makhad on twenty-five to thirty-five. When it is more than that, then a Bint Labun, (is due, till the number of the camels reaches) forty-five. When it is more than that, then a Hiqqah until sixty. When it is more than that, then a Jadhah until seventy-five. When it is more than one hundred and twenty, then a Hiqqah on every fifty, and a Bint Labun on every forty. For sheep; one sheep (is due) for every forty sheeps until one hundred and twenty. When it is more than that, then two sheeps until two hundred. When it is more than that, then three sheeps until three hundred sheep. When it is more than three hundred sheep, then a sheep on every hundred sheep. Then there is nothing until it reaches four hundred. There is no combining the (property of) individuals nor separating the collective (property) fearing Sadaqah. And fr whatever is mixed together that two own, then they are to refer to the total. Neither an old or defective (animal) may be taken for charity."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৫. গরুর যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২২। আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ত্রিশটি গরুর যাকাত (দিতে হবে) একটি এক বছরের এড়ে বাছুর অথবা বকনা বাছুর। চল্লিশটি গরুর যাকাত (দিতে হবে) একটি দুই বছরের বাছুর। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮০৪)

মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, আব্দুস সালাম ইবনু হারব খুসাইফ হতে হাদীসটি এভাবেই বর্ণনা করেছেন। আবদুস সালাম নির্ভরযোগ্য এবং স্মৃতিশক্তিসম্পন্ন একজন বর্ণনাকারী। শারীক এই হাদীসটি বর্ণনা করেছেন শুনেননি।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْبَقَرِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ الْمُحَارِبِيُّ، وَأَبُو سَعِيدٍ الأَشَجُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ خُصَيْفٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ فِي ثَلاَثِينَ مِنَ الْبَقَرِ تَبِيعٌ أَوْ تَبِيعَةٌ وَفِي أَرْبَعِينَ مُسِنَّةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَكَذَا رَوَاهُ عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ خُصَيْفٍ وَعَبْدُ السَّلاَمِ ثِقَةٌ حَافِظٌ ‏.‏ وَرَوَى شَرِيكٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ خُصَيْفٍ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ أُمِّهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏ وَأَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ ‏.‏

حدثنا محمد بن عبيد المحاربي، وأبو سعيد الأشج قالا حدثنا عبد السلام بن حرب، عن خصيف، عن أبي عبيدة، عن عبد الله، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ في ثلاثين من البقر تبيع أو تبيعة وفي أربعين مسنة ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن معاذ بن جبل ‏.‏ قال أبو عيسى هكذا رواه عبد السلام بن حرب عن خصيف وعبد السلام ثقة حافظ ‏.‏ وروى شريك هذا الحديث عن خصيف عن أبي عبيدة عن أمه عن عبد الله ‏.‏ وأبو عبيدة بن عبد الله لم يسمع من عبد الله ‏.‏


Abdullah bin Mas'ud narrated that :
the Prophet said: "A Tabi or a Tabi'ah (is due) on thirty cows, and a Musinnah (is due) on every forty."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৫. গরুর যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২৩। মুআয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানে (গভর্ণর করে) প্রেরণ করলেন এবং আদেশ দিলেনঃ আমি যেন প্রতি ত্রিশটি গরুর ক্ষেত্রে একটি এক বছরের এড়ে বাছুর অথবা বকনা বাছুর; প্রতি চল্লিশটি গরুর ক্ষেত্রে একটি দুই বছরের বাছুর (যাকাত হিসেবে) এবং প্রত্যেক প্রাপ্ত বয়সের (জিম্মী) লোকের নিকট হতে এক দীনার (স্বর্ণ মুদ্রা) অথবা একই মূল্যের মাআফির নামক কাপড় (জিযয়া হিসাবে) আদায় করি। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮০৩)

আবু ঈসা হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। এ হাদীসটি কতিপয় সূত্রে, তিনি মাসরুকের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, মুআযকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানে পাঠালেন। তাকে তিনি আদেশ করলেন ..... এ বর্ণনাটি অধিকতর সহীহ।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْبَقَرِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ، قَالَ بَعَثَنِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْيَمَنِ فَأَمَرَنِي أَنْ آخُذَ مِنْ كُلِّ ثَلاَثِينَ بَقَرَةً تَبِيعًا أَوْ تَبِيعَةً وَمِنْ كُلِّ أَرْبَعِينَ مُسِنَّةً وَمِنْ كُلِّ حَالِمٍ دِينَارًا أَوْ عِدْلَهُ مَعَافِرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏ وَرَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ سُفْيَانَ عَنِ الأَعْمَشِ عَنْ أَبِي وَائِلٍ عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ فَأَمَرَهُ أَنْ يَأْخُذَ ‏.‏ وَهَذَا أَصَحُّ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا عبد الرزاق، أخبرنا سفيان، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن مسروق، عن معاذ بن جبل، قال بعثني النبي صلى الله عليه وسلم إلى اليمن فأمرني أن آخذ من كل ثلاثين بقرة تبيعا أو تبيعة ومن كل أربعين مسنة ومن كل حالم دينارا أو عدله معافر ‏.‏ قال أبو عيسى هذا حديث حسن ‏.‏ وروى بعضهم هذا الحديث عن سفيان عن الأعمش عن أبي وائل عن مسروق أن النبي صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن فأمره أن يأخذ ‏.‏ وهذا أصح ‏.‏


Mu'adh bin Jabal narrated:
"The Prophet sent me to Yemen and ordered me to collect a Tabi or a Tabi'ah on every thirty cows, a Musinnah on every forty, a Dinar for every Halim, or its equivalent of Ma'afir."Abu Eisa said: This Hadith is Hasan. Some of them reported this Hadith from Sufyan, from Al-A'mash, from Abu Wa'il, from Masruq: "The Prophet sent Mu'adh to Yemen and ordered him to take..." and this is more authentic


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৫. গরুর যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২৪। আমর ইবনু মুররা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আবু উবাদাকে আমি প্রশ্ন করলাম, আব্দুল্লাহর নিকট হতে তিনি কি কোন কিছু বর্ণনা করেন? তিনি বললেন, না।

– আবূ উবাইদাহ হতে সূত্রটি সহীহ, আর তিনি হলেন আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদের ছেলে।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْبَقَرِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ قَالَ سَأَلْتُ أَبَا عُبَيْدَةَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ هَلْ تَذْكُرُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ شَيْئًا قَالَ لاَ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار حدثنا محمد بن جعفر حدثنا شعبة عن عمرو بن مرة قال سألت أبا عبيدة بن عبد الله هل تذكر من عبد الله شيئا قال لا ‏.‏


Muhammad bin Bash-shar (Al-Abdi) narrated to us, :
Muhammad bin Ja'far narrated to us, from Shu'bah, from Amr bin Murrah who said: "I asked Abu Ubaidah bin Abdullah: 'Did you remember anything from Abdullah?' He said, 'No'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনু মুররা (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৬. যাকাত হিসাবে উত্তম মাল নেয়া অপরাধ

৬২৫। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, মুআয (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইয়ামানে পাঠালেন। তিনি তাকে বললেনঃ এমন একটি জাতির নিকটে তুমি যাচ্ছ যারা আহলি কিতাব। তাদেরকে এমন সাক্ষ্য দিতে আহবান কর যে, আল্লাহ তাআলা ব্যতীত আর কোন মা’বূদ নেই এবং আমি (মুহাম্মাদ) আল্লাহর রাসূল। এটা তারা, মেনে নিলে তাদেরকে জানিয়ে দাও- অবশ্যই তাদের উপর আল্লাহ তাআ’লা দিন-রাতে পাঁচ ওয়াক্ত নামাযকে ফরয করেছেন। তারা এটাও মেনে নিলে তাদেরকে জানিয়ে দাও- তাদের ধন-দৌলতে আল্লাহ তা’আলা যাকাত ফরয করে দিয়েছেন। তাদের ধনীদের মধ্য হতে এটা এটিও মেনে নেয় তাহলে সাবধান! তাদের উত্তম মাল (যাকাত হিসাবে) নেয়া হতে বিরত থাকবে। নিজেকে নিপীড়িতদের অভিশাপ হতে দূরে রাখ। কেননা, তার আবেদন এবং আল্লাহ্ তা’আলার মাঝে কোন প্রতিবন্ধক নেই। – সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৮৩), বুখারী, মুসলিম

সুনাবিহী (রহঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা এ হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। আবু মা’বাদ (রহঃ) হচ্ছেন ইবনু আব্বাস (রাঃ)-এর মুক্তদাস এবং তার নাম না-ফিয।

باب مَا جَاءَ فِي كَرَاهِيَةِ أَخْذِ خِيَارِ الْمَالِ فِي الصَّدَقَةِ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ إِسْحَاقَ الْمَكِّيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ أَبِي مَعْبَدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بَعَثَ مُعَاذًا إِلَى الْيَمَنِ فَقَالَ لَهُ ‏ "‏ إِنَّكَ تَأْتِي قَوْمًا أَهْلَ كِتَابٍ فَادْعُهُمْ إِلَى شَهَادَةِ أَنْ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ وَأَنِّي رَسُولُ اللَّهِ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ خَمْسَ صَلَوَاتٍ فِي الْيَوْمِ وَاللَّيْلَةِ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَأَعْلِمْهُمْ أَنَّ اللَّهَ افْتَرَضَ عَلَيْهِمْ صَدَقَةً فِي أَمْوَالِهِمْ تُؤْخَذُ مِنْ أَغْنِيَائِهِمْ وَتُرَدُّ عَلَى فُقَرَائِهِمْ فَإِنْ هُمْ أَطَاعُوا لِذَلِكَ فَإِيَّاكَ وَكَرَائِمَ أَمْوَالِهِمْ وَاتَّقِ دَعْوَةَ الْمَظْلُومِ فَإِنَّهَا لَيْسَ بَيْنَهَا وَبَيْنَ اللَّهِ حِجَابٌ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنِ الصُّنَابِحِيِّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَأَبُو مَعْبَدٍ مَوْلَى ابْنِ عَبَّاسٍ اسْمُهُ نَافِذٌ ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا وكيع، حدثنا زكريا بن إسحاق المكي، حدثنا يحيى بن عبد الله بن صيفي، عن أبي معبد، عن ابن عباس، أن رسول الله صلى الله عليه وسلم بعث معاذا إلى اليمن فقال له ‏ "‏ إنك تأتي قوما أهل كتاب فادعهم إلى شهادة أن لا إله إلا الله وأني رسول الله فإن هم أطاعوا لذلك فأعلمهم أن الله افترض عليهم خمس صلوات في اليوم والليلة فإن هم أطاعوا لذلك فأعلمهم أن الله افترض عليهم صدقة في أموالهم تؤخذ من أغنيائهم وترد على فقرائهم فإن هم أطاعوا لذلك فإياك وكرائم أموالهم واتق دعوة المظلوم فإنها ليس بينها وبين الله حجاب ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن الصنابحي ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عباس حديث حسن صحيح ‏.‏ وأبو معبد مولى ابن عباس اسمه نافذ ‏.‏


Ibn Abbas narrated that :
the Messenger of Allah sent Mu'adh to Yemen and said to him: "You are going to a people from the People of the Book, so invite them to testify that none has the right to be worshipped but Allah, and that I am the Messenger of Allah. If they comply with that, then inform them that Allah has made five prayers obligatory upon them in a day and a night. If they comply with that, then inform then that Allah has ordained a charity upon their wealth, which is to be taken from the rich among them and given to the poor among them. If they comply with that, then beware of their most precious wealth, and protect yourself from the supplication of the oppressed, for there is no barrier between it and Allah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৭. কৃষিজাত ফসল, ফল ও শস্যের যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২৬। আবু সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ পাঁচের কম সংখ্যক উটে কোন যাকাত আদায় করতে হবে না; পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রূপাতে কোন যাকাত আদায় করতে হবে না এবং পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণ ফসলে কোন যাকাত আদায় করতে হবে না।

— সহীহ্, ইবনু মা-জাহ (১৭৯৩), বুখারী, মুসলিম

আবু হুরাইরা, ইবনু উমার, জা-বির ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ فِي صَدَقَةِ الزَّرْعِ وَالتَّمْرِ وَالْحُبُوبِ ‏.‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى الْمَازِنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَابْنِ عُمَرَ وَجَابِرٍ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد العزيز بن محمد، عن عمرو بن يحيى المازني، عن أبيه، عن أبي سعيد الخدري، أن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ ليس فيما دون خمس ذود صدقة وليس فيما دون خمس أواق صدقة وليس فيما دون خمسة أوسق صدقة ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وابن عمر وجابر وعبد الله بن عمرو ‏.‏


Abu Sa'eed Al-Khudri narrated that :
the Prophet said: "There is no charity due on less than five camels, and there is no charity due on what is less than five Uqiyah (of silver), and there is no charity due on what is less than five Wasaq."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৭. কৃষিজাত ফসল, ফল ও শস্যের যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২৭। মুহাম্মাদ ইবনু বাশশার আব্দুর রহমান ইবনু মাহদী হতে, তিনি সুফিয়ান হতে, তিনি শুবা হতে, তিনি মালিক ইবনু আনাস হতে, হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আবু সাঈদ হতে বর্ণিত হাদীসটিকে আবু ঈসা হাসান সহীহ বলেছেন।

আরো কয়েকটি সূত্রে উপরে উল্লেখিত হাদীসটি তার নিকট হতে বর্ণিত হয়েছে।

এই হাদীসের ভিত্তিতে আলিমগণ মত প্রকাশ করেছেন যে, পাঁচ ওয়াসাকের কম পরিমাণ শস্যে কোন যাকাত আদায় করতে হবে না। ষাট সা’ পরিমাণে এক ওয়াসাক হয়। অতএব, পাঁচ ওয়াসাকে তিনশত সা’ হবে। সোয়া পাঁচ রতলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সা’ হত। কুফাবাসীদের এক সা হয় আট রোতল পরিমাণে। পাঁচ উকিয়ার কম পরিমাণ রূপার ক্ষেত্রে যাকাত ধার্য হয় না। চল্লিশ দিরহাম পরিমাণে এক উকিয়া হয়। অতএব, পাঁচ উকিয়া পরিমাণে দুই শত দিরহাম হয়। পাঁচ যাওদ অর্থাৎ পাঁচের কম সংখ্যক উটের ক্ষেত্রে যাকাত ধার্য হয় না। উটের সংখ্যা পঁচিশে পৌছলে তখন যাকাত হিসেরে এক বছরের একটি মাদী উট আদায় করতে হবে। পঁচিশের কম সংখ্যক উট হলে প্রতি পাঁচটি উটে একটি বকরী যাকাত আদায় করতে হবে।

باب مَا جَاءَ فِي صَدَقَةِ الزَّرْعِ وَالتَّمْرِ وَالْحُبُوبِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَشُعْبَةُ، وَمَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَمْرِو بْنِ يَحْيَى ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي سَعِيدٍ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ وَقَدْ رُوِيَ مِنْ غَيْرِ وَجْهٍ عَنْهُ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنْ لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسَةِ أَوْسُقٍ صَدَقَةٌ ‏.‏ وَالْوَسْقُ سِتُّونَ صَاعًا وَخَمْسَةُ أَوْسُقٍ ثَلاَثُمِائَةِ صَاعٍ وَصَاعُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم خَمْسَةُ أَرْطَالٍ وَثُلُثٌ وَصَاعُ أَهْلِ الْكُوفَةِ ثَمَانِيَةُ أَرْطَالٍ ‏.‏ وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ أَوَاقٍ صَدَقَةٌ وَالأُوقِيَّةُ أَرْبَعُونَ دِرْهَمًا وَخَمْسُ أَوَاقٍ مِائَتَا دِرْهَمٍ ‏.‏ وَلَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسِ ذَوْدٍ صَدَقَةٌ يَعْنِي لَيْسَ فِيمَا دُونَ خَمْسٍ مِنَ الإِبِلِ صَدَقَةٌ فَإِذَا بَلَغَتْ خَمْسًا وَعِشْرِينَ مِنَ الإِبِلِ فَفِيهَا بِنْتُ مَخَاضٍ وَفِيمَا دُونَ خَمْسٍ وَعِشْرِينَ مِنَ الإِبِلِ فِي كُلِّ خَمْسٍ مِنَ الإِبِلِ شَاةٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الرحمن بن مهدي، حدثنا سفيان، وشعبة، ومالك بن أنس، عن عمرو بن يحيى، عن أبيه، عن أبي سعيد، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث عبد العزيز عن عمرو بن يحيى ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي سعيد حديث حسن صحيح وقد روي من غير وجه عنه ‏.‏ والعمل على هذا عند أهل العلم أن ليس فيما دون خمسة أوسق صدقة ‏.‏ والوسق ستون صاعا وخمسة أوسق ثلاثمائة صاع وصاع النبي صلى الله عليه وسلم خمسة أرطال وثلث وصاع أهل الكوفة ثمانية أرطال ‏.‏ وليس فيما دون خمس أواق صدقة والأوقية أربعون درهما وخمس أواق مائتا درهم ‏.‏ وليس فيما دون خمس ذود صدقة يعني ليس فيما دون خمس من الإبل صدقة فإذا بلغت خمسا وعشرين من الإبل ففيها بنت مخاض وفيما دون خمس وعشرين من الإبل في كل خمس من الإبل شاة ‏.‏


Another chain of narration


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৮. ঘোড়া ও গোলামে কোন যাকাত আদায় করতে হবে না

৬২৮। আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘোড়া ও ক্রীতদাসের জন্য মুসলিমের কোন সাদকা (যাকাত) আদায় করতে হবে না। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮১২), যঈফা (৪০১৪), বুখারী, মুসলিম

আবদুল্লাহ ইবনু আমর ও আলী (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা আবু হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত হাদীসটিকে হাসান সহীহ বলেছেন। এ হাদীসটির পরিপ্রেক্ষিতে আলিমগণ বলেছেন, চারণভূমিতে চরে বেড়ায় এমন ঘোড়া এবং ক্রীতদাসের উপর যাকাত ধার্য হয় না, যদি সেবা দানের উদ্দেশ্যে তা (ক্রীতদাস) রাখা হয়ে থাকে। ব্যবসায়ের উদ্দেশ্যে এগুলো রাখা হলে তবে এক বছর পার হওয়ার পর এর মূল্যের উপর যাকাত ধার্য হবে।

باب مَا جَاءَ لَيْسَ فِي الْخَيْلِ وَالرَّقِيقِ صَدَقَةٌ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ وَمَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، وَشُعْبَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ عِرَاكِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِ فِي فَرَسِهِ وَلاَ فِي عَبْدِهِ صَدَقَةٌ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَيْهِ عِنْدَ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّهُ لَيْسَ فِي الْخَيْلِ السَّائِمَةِ صَدَقَةٌ وَلاَ فِي الرَّقِيقِ إِذَا كَانُوا لِلْخِدْمَةِ صَدَقَةٌ إِلاَّ أَنْ يَكُونُوا لِلتِّجَارَةِ فَإِذَا كَانُوا لِلتِّجَارَةِ فَفِي أَثْمَانِهِمُ الزَّكَاةُ إِذَا حَالَ عَلَيْهَا الْحَوْلُ ‏.‏

حدثنا أبو كريب، محمد بن العلاء ومحمود بن غيلان قالا حدثنا وكيع، عن سفيان، وشعبة، عن عبد الله بن دينار، عن سليمان بن يسار، عن عراك بن مالك، عن أبي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ليس على المسلم في فرسه ولا في عبده صدقة ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن علي وعبد الله بن عمرو ‏.‏ قال أبو عيسى حديث أبي هريرة حديث حسن صحيح ‏.‏ والعمل عليه عند أهل العلم أنه ليس في الخيل السائمة صدقة ولا في الرقيق إذا كانوا للخدمة صدقة إلا أن يكونوا للتجارة فإذا كانوا للتجارة ففي أثمانهم الزكاة إذا حال عليها الحول ‏.‏


Abu Hurairah narrated that :
the Messenger of Allah said: "There is no charity due from a Muslim for his horse nor his slave."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৯. মধুতে যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬২৯। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতি দশ মশক মধুর ক্ষেত্রে এক মশক যাকাত ধার্য হবে। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৮২৪)

আবু হুরাইরা, আবু সাইয়্যারা ও আবদুল্লাহ ইবনু আমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আবু ঈসা বলেন, ইবনু উমারের হাদীসের সনদ প্রসঙ্গে আপত্তি আছে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের নিকট হতে মধুর যাকাত প্রসঙ্গে সহীহ সূত্রে বেশি কিছু প্রমাণিত নেই। এ হাদীসের পরিপ্রেক্ষিতে বেশির ভাগ মনীষী মধুর উপর যাকাত ধার্যের পক্ষে মত দিয়েছেন। ইমাম আহমাদ, ও ইসহাক এই মত গ্রহণ করেছেন। অন্য আরেক দল মনীষী বলেছেন, মধুর উপর কোন প্রকার যাকাত ধার্য হবে না।

বর্ণনাকারী সাদাকাহ ইবনু আব্দুল্লাহ স্মৃতি শক্তির অধিকারী নন। নাফি হতে সাদাকাহ ইবনু আব্দুল্লাহর বর্ণনার বিপরীত বর্ণনা বিদ্যমান আছে।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْعَسَلِ ‏.‏

حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ أَبِي سَلَمَةَ التِّنِّيسِيُّ، عَنْ صَدَقَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ مُوسَى بْنِ يَسَارٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ فِي الْعَسَلِ فِي كُلِّ عَشَرَةِ أَزُقٍّ زِقٌّ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي سَيَّارَةَ الْمُتَعِيِّ وَعَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عُمَرَ فِي إِسْنَادِهِ مَقَالٌ وَلاَ يَصِحُّ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي هَذَا الْبَابِ كَبِيرُ شَيْءٍ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ أَكْثَرِ أَهْلِ الْعِلْمِ وَبِهِ يَقُولُ أَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ لَيْسَ فِي الْعَسَلِ شَيْءٌ ‏.‏ وَصَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ لَيْسَ بِحَافِظٍ وَقَدْ خُولِفَ صَدَقَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فِي رِوَايَةِ هَذَا الْحَدِيثِ عَنْ نَافِعٍ ‏.‏

حدثنا عمرو بن أبي سلمة التنيسي، عن صدقة بن عبد الله، عن موسى بن يسار، عن نافع، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ في العسل في كل عشرة أزق زق ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن أبي هريرة وأبي سيارة المتعي وعبد الله بن عمرو ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عمر في إسناده مقال ولا يصح عن النبي صلى الله عليه وسلم في هذا الباب كبير شيء والعمل على هذا عند أكثر أهل العلم وبه يقول أحمد وإسحاق ‏.‏ وقال بعض أهل العلم ليس في العسل شيء ‏.‏ وصدقة بن عبد الله ليس بحافظ وقد خولف صدقة بن عبد الله في رواية هذا الحديث عن نافع ‏.‏


Ibn Umar narrated that :
the Messenger of Allah said: "A Ziqq is due for every ten Ziqq of honey."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ৯. মধুতে যাকাত আদায় প্রসঙ্গে

৬৩০। নাফি (রহঃ) বলেন, উমার ইবনু আব্দুল আযীয আমাকে মধুর যাকাত সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন। আমি জবাবে বললামঃ (যাকাত দেওয়ার মত) মধু আমাদের কাছে নাই যাতে আমরা যাকাত দিব। কিন্তু মুগীরা ইবনু হাকীম আমাদেরকে জানিয়েছেন যে, মধুতে কোন যাকাত নেই। (একথা শুনে) উমর ইবনু আব্দুল আযীয বললেনঃ তিনি (মুগীরা) ন্যায়পরায়ণ, গ্রহণযোগ্য ব্যক্তি। অতঃপর তিনি নির্দেশ জারী করলেন যে, মধুতে যাকাত আদায় করতে হবে না। — সনদ সহীহ

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْعَسَلِ ‏.‏

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ عَنْ نَافِعٍ قَالَ سَأَلَنِي عُمَرُ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ صَدَقَةِ الْعَسَلِ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ مَا عِنْدَنَا عَسَلٌ نَتَصَدَّقُ مِنْهُ وَلَكِنْ أَخْبَرَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ حَكِيمٍ أَنَّهُ قَالَ لَيْسَ فِي الْعَسَلِ صَدَقَةٌ ‏.‏ فَقَالَ عُمَرُ عَدْلٌ مَرْضِيٌّ ‏.‏ فَكَتَبَ إِلَى النَّاسِ أَنْ تُوضَعَ ‏.‏ يَعْنِي عَنْهُمْ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار حدثنا عبد الوهاب الثقفي حدثنا عبيد الله بن عمر عن نافع قال سألني عمر بن عبد العزيز عن صدقة العسل ‏.‏ قال قلت ما عندنا عسل نتصدق منه ولكن أخبرنا المغيرة بن حكيم أنه قال ليس في العسل صدقة ‏.‏ فقال عمر عدل مرضي ‏.‏ فكتب إلى الناس أن توضع ‏.‏ يعني عنهم ‏.‏


Ubaidulah bin Umar narrated that :
Nafi said: "Umar bin Adbul-Aziz asked me about charity due on honey, so I said to him: 'We do not have honey that we could give charity from, but Al-Mughirah bin Hakim informed us that he (pbuh) said: 'There is no charity due on honey.' So Umar said: 'That is fair enough for me.' So he wrote to the people that is be lifted, meaning (the duty of paying it) from them."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ নাফি‘ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১০. অর্জিত মালের ক্ষেত্রে বর্ষচক্র পার না হওয়া পর্যন্ত জাকাত আদায় করতে হবে না।

৬৩১। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক সম্পদ অর্জন করল, তার উপর বর্ষচক্র পার না হওয়া পর্যন্ত যাকাত আদায় করতে হবে না। — সহীহ, ইবনু মা-জাহ (১৭৯২)

সাররাআ বিনতু নাবহান (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

باب مَا جَاءَ لاَ زَكَاةَ عَلَى الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ صَالِحٍ الطَّلْحِيُّ الْمَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنِ اسْتَفَادَ مَالاً فَلاَ زَكَاةَ عَلَيْهِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ عِنْدَ رَبِّهِ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَرَّاءَ بِنْتِ نَبْهَانَ الْغَنَوِيَّةِ ‏.‏

حدثنا يحيى بن موسى، حدثنا هارون بن صالح الطلحي المدني، حدثنا عبد الرحمن بن زيد بن أسلم، عن أبيه، عن ابن عمر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من استفاد مالا فلا زكاة عليه حتى يحول عليه الحول عند ربه ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن سراء بنت نبهان الغنوية ‏.‏


Ibn Umar narrated that :
the Messenger of Allah said: "Whoever acquired wealth, then there is no Zakat on it until the Hawl has passed (while it is in his possession)."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১০. অর্জিত মালের ক্ষেত্রে বর্ষচক্র পার না হওয়া পর্যন্ত জাকাত আদায় করতে হবে না।

৬৩২। ইবনু উমর (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যে লোক সম্পদ অর্জন করল, মালিকের হাতে তা পুরো এক বছর না থাকা পর্যন্ত তাতে যাকাত আদায় করতে হবে না। — সনদ সহীহ, মাওকুফ, এটি মারফু হাদীসের মতই

আবু ঈসা বলেন, পূর্ববর্তী বর্ণনা হতে এই বর্ণনাটি (সনদের বিচারে) বেশি সহীহ। ইবনু উমারের নিকট হতে অধিক সংখ্যক বর্ণনাকারী এটি মাওকৃফ হিসাবে বর্ণনা করেছেন। আবদুর রাহমান ইবনু যাইদ ইবনু আসলাম হাদীস শাস্ত্রে দুর্বল। তাকে আহমাদ ইবনু হাম্বাল, আলী ইবনুল মাদীনী প্রমুখ হাদীস বিশারদগণ যঈফ বলেছেন এবং তিনি অনেক ভুলের শিকার হন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের একাধিক সাহাবা হতে বর্ণিত আছে যে, মালিকের হাতে বর্ষচক্র পার না হওয়া পর্যন্ত অর্জিত মালের যাকাত আদায় করতে হবে না।

মালিক ইবনু আনাস, শাফিঈ,আহমাদ ইবনু হাম্বাল ও ইসহাকের এই মত। কিছু সংখ্যক মনীষী বলেছেন, যাকাত বাধ্যকর হওয়ার সমপরিমাণ সম্পদ কারো নিকটে থাকলে এবং বছরের মধ্যে আরো কিছু পরিমাণ মাল এসে যদি তার সাথে যুক্ত হয় তবে এক্ষেত্রে নতুন-পুরাতন সকল মালেরই যাকাত আদায় করতে হবে। নতুনভাবে আমদানী হওয়া মাল ব্যতীত তার নিকটে যাকাত ওয়াজিব হওয়ার মত অন্য কোন মাল না থাকলে এই নতুন অর্জিত সম্পদে বর্ষচক্র অতিক্রান্ত না হওয়া পর্যন্ত যাকাত আদায় করতে হবে না। তার নিকটে যাকাতের নিসাব পরিমাণ মাল আছে, কিন্তু এখনও এক বছর পুরো হয়নি। এরই মাঝে এর সাথে আরো নতুন মাল এসে যুক্ত হল। এক্ষেত্রে পূর্ববতী মালের সাথে সাথে এই নতুনভাবে আসা মালেরও যাকাত আদায় করতে হবে। সুফিয়ান সাওরী ও কুফাবাসীগণের এই মত।

باب مَا جَاءَ لاَ زَكَاةَ عَلَى الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَنِ اسْتَفَادَ مَالاً فَلاَ زَكَاةَ فِيهِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ عِنْدَ رَبِّهِ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَرَوَى أَيُّوبُ وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ وَغَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ مَوْقُوفًا ‏.‏ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ ضَعِيفٌ فِي الْحَدِيثِ ضَعَّفَهُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ وَعَلِيُّ بْنُ الْمَدِينِيِّ وَغَيْرُهُمَا مِنْ أَهْلِ الْحَدِيثِ وَهُوَ كَثِيرُ الْغَلَطِ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ غَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنْ لاَ زَكَاةَ فِي الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ إِذَا كَانَ عِنْدَهُ مَالٌ تَجِبُ فِيهِ الزَّكَاةُ فَفِيهِ الزَّكَاةُ وَإِنْ لَمْ يَكُنْ عِنْدَهُ سِوَى الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ مَا تَجِبُ فِيهِ الزَّكَاةُ لَمْ يَجِبْ عَلَيْهِ فِي الْمَالِ الْمُسْتَفَادِ زَكَاةٌ حَتَّى يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ فَإِنِ اسْتَفَادَ مَالاً قَبْلَ أَنْ يَحُولَ عَلَيْهِ الْحَوْلُ فَإِنَّهُ يُزَكِّي الْمَالَ الْمُسْتَفَادَ مَعَ مَالِهِ الَّذِي وَجَبَتْ فِيهِ الزَّكَاةُ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَأَهْلُ الْكُوفَةِ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا عبد الوهاب الثقفي، حدثنا أيوب، عن نافع، عن ابن عمر، قال من استفاد مالا فلا زكاة فيه حتى يحول عليه الحول عند ربه ‏.‏ قال أبو عيسى وهذا أصح من حديث عبد الرحمن بن زيد بن أسلم ‏.‏ قال أبو عيسى وروى أيوب وعبيد الله بن عمر وغير واحد عن نافع عن ابن عمر موقوفا ‏.‏ وعبد الرحمن بن زيد بن أسلم ضعيف في الحديث ضعفه أحمد بن حنبل وعلي بن المديني وغيرهما من أهل الحديث وهو كثير الغلط ‏.‏ وقد روي عن غير واحد من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم أن لا زكاة في المال المستفاد حتى يحول عليه الحول ‏.‏ وبه يقول مالك بن أنس والشافعي وأحمد وإسحاق ‏.‏ وقال بعض أهل العلم إذا كان عنده مال تجب فيه الزكاة ففيه الزكاة وإن لم يكن عنده سوى المال المستفاد ما تجب فيه الزكاة لم يجب عليه في المال المستفاد زكاة حتى يحول عليه الحول فإن استفاد مالا قبل أن يحول عليه الحول فإنه يزكي المال المستفاد مع ماله الذي وجبت فيه الزكاة ‏.‏ وبه يقول سفيان الثوري وأهل الكوفة ‏.‏


Ibn Umar said:
"Whoever acquired wealth, then there is no Zakat on it until the Hawl has passed while it is in his possession."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১১. মুসলিমের উপর জিযইয়া ধার্য হয় না

৬৩৩। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ একই লোকালয়ে (আরবে) দু’টি কিবলার সুযোগ নেই এবং মুসলিমদের ওপর কোন জিযইয়া নেই।

যঈফ, ইরওয়া (১২৪৪), যঈফ (৪৩৭৯)

باب مَا جَاءَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ جِزْيَةٌ

حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَكْثَمَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ قَابُوسِ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ تَصْلُحُ قِبْلَتَانِ فِي أَرْضٍ وَاحِدَةٍ وَلَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ جِزْيَةٌ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا يحيى بن أكثم، حدثنا جرير، عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا تصلح قبلتان في أرض واحدة وليس على المسلمين جزية ‏"‏ ‏.‏


Ibn Abbas narrated that :
the Messenger of Allah said: "Two Qiblahs in one land are of no benefit, and there is no Jizyah upon the Muslims."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১১. মুসলিমের উপর জিযইয়া ধার্য হয় না

৬৩৪। আবূ কুরাইবও এই সনদে অনুরূপ হাদীস বর্ণনা করেছেন। যঈফ, জামে সাগীর (২০৫০), মিশকাত (৪০৩৯)

এ অনুচ্ছেদে সাঈদ ইবনু যাইদ ও হারব ইবনু উবাইদুল্লাহর দাদা হতেও হাদীস বর্ণিত আছে। আবূ ঈসা বলেন, কাবুস ইবনু আবূ যাবিয়ান তার পিতার সূত্রে এ হাদীসটি মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন। সকল ফিকহবিদ এ হাদীসের ভিত্তিতে একমত হয়ে বলেছেন, কোন নাসারা (খ্ৰীষ্টান) মুসলিম হলে তার ওপর নির্ধারিত জিযইয়া মাওকৃফ হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ “মুসলিমদের ওপর উশরের জিযইয়া নেই”-এর অর্থ হচ্ছেঃ ব্যক্তির ওপর নির্ধারিত জিযইয়া। এ হাদীস হতে এটাও বুঝা যাচ্ছে যে, তিনি বলেছেনঃ উশর (জিযইয়া) শুধু ইয়াহুদী ও নাসারাদের ওপর আরোপিত হবে, মুসলিমদের ওপর কোন উশর ধার্য হবে না।

باب مَا جَاءَ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ جِزْيَةٌ

حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ قَابُوسَ، بِهَذَا الإِسْنَادِ نَحْوَهُ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ زَيْدٍ، وَجَدِّ حَرْبِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ الثَّقَفِيِّ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ ابْنِ عَبَّاسٍ قَدْ رُوِيَ عَنْ قَابُوسِ بْنِ أَبِي ظَبْيَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً ‏.‏ وَالْعَمَلُ عَلَى هَذَا عِنْدَ عَامَّةِ أَهْلِ الْعِلْمِ أَنَّ النَّصْرَانِيَّ إِذَا أَسْلَمَ وُضِعَتْ عَنْهُ جِزْيَةُ رَقَبَتِهِ ‏.‏ وَقَوْلُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ عُشُورٌ ‏"‏ إِنَّمَا يَعْنِي بِهِ جِزْيَةَ الرَّقَبَةِ وَفِي الْحَدِيثِ مَا يُفَسِّرُ هَذَا حَيْثُ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا الْعُشُورُ عَلَى الْيَهُودِ وَالنَّصَارَى وَلَيْسَ عَلَى الْمُسْلِمِينَ عُشُورٌ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا أبو كريب، حدثنا جرير، عن قابوس، بهذا الإسناد نحوه ‏.‏ وفي الباب عن سعيد بن زيد، وجد حرب بن عبيد الله الثقفي ‏.‏ قال أبو عيسى حديث ابن عباس قد روي عن قابوس بن أبي ظبيان، عن أبيه، عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا ‏.‏ والعمل على هذا عند عامة أهل العلم أن النصراني إذا أسلم وضعت عنه جزية رقبته ‏.‏ وقول النبي صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ليس على المسلمين عشور ‏"‏ إنما يعني به جزية الرقبة وفي الحديث ما يفسر هذا حيث قال ‏"‏ إنما العشور على اليهود والنصارى وليس على المسلمين عشور ‏"‏ ‏.‏


Ibn Abbas narrated:
similar narration


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১২. অলংকার ও গহনাপত্রের যাকাত দেওয়া প্রসঙ্গে

৬৩৫৷ আবদুল্লাহ (রাঃ)-এর স্ত্রী যাইনাব (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে সম্বোধন করে বললেনঃ হে মহিলাগণ! তোমাদের গহনাপত্র দিয়ে হলেও তোমরা দান-খয়রাত কর। কেননা, কিয়ামত দিবসে তোমাদের সংখ্যাই জাহান্নামীদের মধ্যে বেশি হবে। - পরবর্তী হাদীসের সহায়তায় হাদীসটি সহিহ।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْحُلِيِّ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي وَائِلٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ بْنِ الْمُصْطَلِقِ، عَنِ ابْنِ أَخِي، زَيْنَبَ امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ زَيْنَبَ، امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَتْ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏ "‏ يَا مَعْشَرَ النِّسَاءِ تَصَدَّقْنَ وَلَوْ مِنْ حُلِيِّكُنَّ فَإِنَّكُنَّ أَكْثَرُ أَهْلِ جَهَنَّمَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ ‏"‏ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا أبو معاوية، عن الأعمش، عن أبي وائل، عن عمرو بن الحارث بن المصطلق، عن ابن أخي، زينب امرأة عبد الله عن زينب، امرأة عبد الله بن مسعود قالت خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال ‏ "‏ يا معشر النساء تصدقن ولو من حليكن فإنكن أكثر أهل جهنم يوم القيامة ‏"‏ ‏.‏


Amr bin Al-Harith bin Al-Mustaliq narrated from the nephew of Zainab, the wife of Abdullah (Ibn Mas'ud) who said:
"The Messenger of Allah delivered a sermon to us, and said: 'O you women! Give charity, even if it is from your jewelry, for indeed you will make up most of the people of Hell on the Day of Judgment.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়নাব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat

পরিচ্ছেদঃ ১২. অলংকার ও গহনাপত্রের যাকাত দেওয়া প্রসঙ্গে

৬৩৬। মাহমুদ ইবনু গাইলান আবু দাউদ হতে, তিনি শুবা হতে তিনি আমাশ হতে, তিনি আবু ওয়ায়িল হতে তিনি জায়নাবের ভ্রাতুষ্পপুত্র ওয়াসাল্লাম হতে উপরের হাদীসের মত হাদীস বর্ণনা করেছেন......। এই বর্ণনাটি পূর্ববর্তী বর্ণনার চেয়ে অনেক বেশি সহীহ।

আবু মুয়াবিয়া সন্দেহে পতিত হয়ে বলেছেন, যাইনাবের ভাইয়ের ছেলের নিকট হতে আমর ইবনু হারিস বর্ণনা করেছেন। অথচ সঠিক হল আমর ইবনু হারিস যাইনাবের ভাইয়ের ছেলে। আমর ইবনু শুআইব হতে পর্যায়ক্রমে তাঁর পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছেঃ গহনাপত্রের যাকাত আদায় করতে রাসূলুল্লাহু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আদেশ করেছেন। অবশ্য এ হাদীসের সনদ প্রসঙ্গে সমালোচনা আছে।

আলিমগণের মধ্যে অলংকারপত্রের যাকাত আদায়ের ব্যাপারে মতবিরোধ আছে। একদল সাহাবা ও তাবিঈ বলেছেন, অলংকারাদির যাকাত আদায় করতে হবে, তা স্বর্ণের কিংবা রূপারই হোক না কেন। সুফিয়ান সাওরী, ও ইবনুল মুবারাকের একই রকম মত। আরেক দল সাহাবা, যেমন ইবনু উমার, আইশা, জাবির ইবনু আবদুল্লাহ ও আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) বলেছেন, অলংকারাদির উপর যাকাত আদায় করা ওয়াজিব নয়। কয়েকজন ফিকহবিদ তাবিঈ হতেও একইরকম বর্ণিত আছে। ইমাম মালিক, শাফিঈ, আহমাদ ও ইসহাক এরকমই মত প্রকাশ করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي زَكَاةِ الْحُلِيِّ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ ابْنِ أَخِي، زَيْنَبَ امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ - عَنْ زَيْنَبَ، - امْرَأَةِ عَبْدِ اللَّهِ - عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَذَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي مُعَاوِيَةَ وَأَبُو مُعَاوِيَةَ وَهِمَ فِي حَدِيثِهِ فَقَالَ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ عَنِ ابْنِ أَخِي زَيْنَبَ ‏.‏ وَالصَّحِيحُ إِنَّمَا هُوَ عَنْ عَمْرِو بْنِ الْحَارِثِ ابْنِ أَخِي زَيْنَبَ ‏.‏ وَقَدْ رُوِيَ عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ رَأَى فِي الْحُلِيِّ زَكَاةً ‏.‏ وَفِي إِسْنَادِ هَذَا الْحَدِيثِ مَقَالٌ ‏.‏ وَاخْتَلَفَ أَهْلُ الْعِلْمِ فِي ذَلِكَ فَرَأَى بَعْضُ أَهْلِ الْعِلْمِ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم وَالتَّابِعِينَ فِي الْحُلِيِّ زَكَاةَ مَا كَانَ مِنْهُ ذَهَبٌ وَفِضَّةٌ ‏.‏ وَبِهِ يَقُولُ سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ ‏.‏ وَقَالَ بَعْضُ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِنْهُمُ ابْنُ عُمَرَ وَعَائِشَةُ وَجَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ وَأَنَسُ بْنُ مَالِكٍ لَيْسَ فِي الْحُلِيِّ زَكَاةٌ ‏.‏ وَهَكَذَا رُوِيَ عَنْ بَعْضِ فُقَهَاءِ التَّابِعِينَ وَبِهِ يَقُولُ مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ وَالشَّافِعِيُّ وَأَحْمَدُ وَإِسْحَاقُ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا أبو داود، عن شعبة، عن الأعمش، قال سمعت أبا وائل، يحدث عن عمرو بن الحارث ابن أخي، زينب امرأة عبد الله - عن زينب، - امرأة عبد الله - عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ قال أبو عيسى وهذا أصح من حديث أبي معاوية وأبو معاوية وهم في حديثه فقال عن عمرو بن الحارث عن ابن أخي زينب ‏.‏ والصحيح إنما هو عن عمرو بن الحارث ابن أخي زينب ‏.‏ وقد روي عن عمرو بن شعيب عن أبيه عن جده عن النبي صلى الله عليه وسلم أنه رأى في الحلي زكاة ‏.‏ وفي إسناد هذا الحديث مقال ‏.‏ واختلف أهل العلم في ذلك فرأى بعض أهل العلم من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم والتابعين في الحلي زكاة ما كان منه ذهب وفضة ‏.‏ وبه يقول سفيان الثوري وعبد الله بن المبارك ‏.‏ وقال بعض أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم منهم ابن عمر وعائشة وجابر بن عبد الله وأنس بن مالك ليس في الحلي زكاة ‏.‏ وهكذا روي عن بعض فقهاء التابعين وبه يقول مالك بن أنس والشافعي وأحمد وإسحاق ‏.‏


Amr bin Al-Harith, the nephew of Zainab, the wife of Abdullah, narrated that :
Zainab, the wife of Abdullah narrated similarly from the Prophet.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত)
৫/ যাকাত (كتاب الزكاة عن رسول الله ﷺ) 5. The Book on Zakat
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 পরের পাতা »