সুনান আত তিরমিজী (তাহকীককৃত) ৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ)
২৩০৪

পরিচ্ছেদঃ ১. সুস্বাস্থ্য ও অবসর সময় দুইটি মূল্যবান ঐশ্বর্য

২৩০৪। ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এরূপ দুটি নিয়ামাত আছে যে ব্যাপারে বেশিরভাগ লোক ধোকায় নিপতিতঃ সুস্বাস্থ্য ও অবসর সময়।

সহীহ বুখারী।

ইবনু সাঈদ ইবনু আবী হিন্দ হতে, তিনি তার পিতা হতে, তিনি ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে উপরোক্ত হাদীসের মতই হাদীস বর্ণনা করেছেন। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। এই হাদীসটি আবদুল্লাহ ইবনু সাঈদ ইবনু আবী হিন্দ-এর সূত্রে একাধিক বর্ণনাকারী রিওয়ায়াত করেছেন। এ হাদীসটি তার সূত্রে কেউ মারফুভাবে এবং কেউ মাওকূফভাবে বর্ণনা করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي أَنَّ الصِّحَّةَ وَالْفَرَاغَ نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ ‏

حَدَّثَنَا صَالِحُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، وَسُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ صَالِحٌ حَدَّثَنَا وَقَالَ، سُوَيْدٌ أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نِعْمَتَانِ مَغْبُونٌ فِيهِمَا كَثِيرٌ مِنَ النَّاسِ الصِّحَّةُ وَالْفَرَاغُ ‏"‏ ‏.‏
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ‏.‏ وَقَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ فَرَفَعُوهُ وَأَوْقَفَهُ بَعْضُهُمْ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبِي هِنْدٍ ‏.‏

حدثنا صالح بن عبد الله، وسويد بن نصر، قال صالح حدثنا وقال، سويد اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن عبد الله بن سعيد بن ابي هند، عن ابيه، عن ابن عباس، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ نعمتان مغبون فيهما كثير من الناس الصحة والفراغ ‏"‏ ‏.‏ حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا عبد الله بن سعيد بن ابي هند، عن ابيه، عن ابن عباس، عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ قال وفي الباب عن انس بن مالك ‏.‏ وقال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ ورواه غير واحد عن عبد الله بن سعيد بن ابي هند فرفعوه واوقفه بعضهم عن عبد الله بن سعيد بن ابي هند ‏.‏


Ibn 'Abbas narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Two favors that many of the people squander are health and free time."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩০৫

পরিচ্ছেদঃ ২. নিষিদ্ধ জিনিস ত্যাগকারী অধিক ইবাদতকারী

২৩০৫। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কে আছে যে আমার নিকট হতে এ কথাগুলো গ্রহণ করবে এবং সে মুতাবিক নিজেও আমল করবে অথবা এমন কাউকে শিক্ষা দিবে যে অনুরূপ আমল করবে? আবূ হুরাইরা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)। আমি আছি। অতঃপর তিনি আমার হাত ধরলেন এবং গুনে গুনে এ পাঁচটি কথা বললেনঃ

তুমি হারাম সমুহ হতে বিরত থাকলে লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা বড় আবিদ বলে গণ্য হবে; তোমার ভাগ্যে আল্লাহ তা’আলা যা নির্ধারিত করে রেখেছেন তাতে খুশি থাকলে লোকদের মধ্যে সর্বাপেক্ষা স্বনির্ভর বলে গণ্য হবে; প্রতিবেশীর সাথে ভদ্র আচরণ করলে প্রকৃত মুমিন হতে পারবে; যা নিজের জন্য পছন্দ কর তা-ই অন্যের জন্যও পছন্দ করতে পারলে প্রকৃত মুসলিম হতে পারবে এবং অধিক হাসা থেকে বিরত থাক। কেননা অতিরিক্ত হাস্য-কৌতুক হৃদয়কে মৃতবৎ করে দেয়।

হাসান, সহীহাহ (৯৩০), তাখরাজুল মুশকিলাহ (১৭)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা এটি শুধুমাত্র জাফর ইবনু সুলাইমানের সূত্রেই জেনেছি। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে হাসান বাসরী (রাহঃ) কিছুই শুনেননি। আইয়ূব, ইউনুস ইবনু উবাইদ ও আলী ইবনু যাইদ (রহঃ) হতেও একইরকম বর্ণিত আছে। তারাও বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে হাসান বাসরী (রহঃ) কিছুই শুনেননি। আবূ উবাইদা আন-নাজী (রহঃ) এ হাদীসটি হাসানের সূত্রে বর্ণনা করলেও তাতে তিনি “আবূ হুরাইরা (রাঃ)-রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে” এরূপ উল্লেখ করেননি।

باب مَنِ اتَّقَى الْمَحَارِمَ فَهُوَ أَعْبَدُ النَّاسِ

حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ الصَّوَّافُ الْبَصْرِيُّ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي طَارِقٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنْ يَأْخُذُ عَنِّي هَؤُلاَءِ الْكَلِمَاتِ فَيَعْمَلُ بِهِنَّ أَوْ يُعَلِّمُ مَنْ يَعْمَلُ بِهِنَّ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ أَبُو هُرَيْرَةَ فَقُلْتُ أَنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ فَأَخَذَ بِيَدِي فَعَدَّ خَمْسًا وَقَالَ ‏"‏ اتَّقِ الْمَحَارِمَ تَكُنْ أَعْبَدَ النَّاسِ وَارْضَ بِمَا قَسَمَ اللَّهُ لَكَ تَكُنْ أَغْنَى النَّاسِ وَأَحْسِنْ إِلَى جَارِكَ تَكُنْ مُؤْمِنًا وَأَحِبَّ لِلنَّاسِ مَا تُحِبُّ لِنَفْسِكَ تَكُنْ مُسْلِمًا وَلاَ تُكْثِرِ الضَّحِكَ فَإِنَّ كَثْرَةَ الضَّحِكِ تُمِيتُ الْقَلْبَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ جَعْفَرِ بْنِ سُلَيْمَانَ ‏.‏ وَالْحَسَنُ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ شَيْئًا هَكَذَا رُوِيَ عَنْ أَيُّوبَ وَيُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ وَعَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ قَالُوا لَمْ يَسْمَعِ الْحَسَنُ مِنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَرَوَى أَبُو عُبَيْدَةَ النَّاجِيُّ عَنِ الْحَسَنِ هَذَا الْحَدِيثَ قَوْلَهُ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏.‏

حدثنا بشر بن هلال الصواف البصري، حدثنا جعفر بن سليمان، عن ابي طارق، عن الحسن، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ من ياخذ عني هولاء الكلمات فيعمل بهن او يعلم من يعمل بهن ‏"‏ ‏.‏ فقال ابو هريرة فقلت انا يا رسول الله فاخذ بيدي فعد خمسا وقال ‏"‏ اتق المحارم تكن اعبد الناس وارض بما قسم الله لك تكن اغنى الناس واحسن الى جارك تكن مومنا واحب للناس ما تحب لنفسك تكن مسلما ولا تكثر الضحك فان كثرة الضحك تميت القلب ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث غريب لا نعرفه الا من حديث جعفر بن سليمان ‏.‏ والحسن لم يسمع من ابي هريرة شيىا هكذا روي عن ايوب ويونس بن عبيد وعلي بن زيد قالوا لم يسمع الحسن من ابي هريرة ‏.‏ وروى ابو عبيدة الناجي عن الحسن هذا الحديث قوله ولم يذكر فيه عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Al-Hasan narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Who will take these statements from me, so that he may act upon them, or teach one who will act upon them?" So Abu Hurairah said: "I said: 'I shall O Messenger of Allah!' So he (s.a.w) took my hand and enumerated five (things), he said: "Be on guard against the unlawful and you shall be the most worshiping among the people, be satisfied with what Allah has alloted for you and you shall be the richest of the people, be kind to your neighbor and you shall be a believer, love for the people what you love for yourself and you shall be a Muslim. And do not laugh too much, for indeed increased laughter kills the heart."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩০৬

পরিচ্ছেদঃ ৩. সৎকাজের প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়া

২৩০৬। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কাৰ্য্য সম্পাদনে সাতটি বিষয়ের অগ্রগামী হও। তোমরা কি এমন দারিদ্র্যের অপেক্ষায় আছ যা আল্লাহ তা’আলাকে ভুলিয়ে দেয় অথবা এরূপ ধনবান হওয়ার যা আল্লাহ তা’আলার অবাধ্যাচারে লিপ্ত করে অথবা এমন রোগের যা স্বাস্থ্যকে ধ্বংস করে দেয় অথবা নির্বোধে পরিণতকারী বার্ধক্যের অথবা এমন মৃত্যুর যা হঠাৎ করেই এসে যায় অথবা অপেক্ষা করছো দাজ্জালের অপেক্ষমাণ অদৃশ্য অমঙ্গলের অথবা কিয়ামতের? আর কিয়ামত তো আরো বিভিষিকাময়, আরো তিক্ত।

যঈফ, যঈফা (১৬৬৬)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। মুহরিয ইবনু হারূনের বরাত ব্যতীত আ’রাজ হতে আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর সূত্রে বর্ণিত হাদীস হিসাবে আমরা এটি প্রসঙ্গে জানতে পারিনি। বিশর ইবনু উমার প্রমুখ এই হাদীস মুহুরিয ইবনু হারূনের সূত্রে বর্ণনা করেছেন। মামার এই হাদীসটি এমন ব্যক্তির সূত্রে বর্ণনা করেছেন যিনি সাঈদ আল-মাকবুরীর নিকট শুনেছেন। তিনি আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে পূর্বোক্ত হাদীসের মতই বর্ণনা করেছেন। এখানে ইউনতাযারু এর পরিবর্তে তানতাযিরনা শব্দ উল্লেখ করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي الْمُبَادَرَةِ بِالْعَمَلِ

حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ الْمَدَنِيُّ، عَنْ مُحَرَّرِ بْنِ هَارُونَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ بَادِرُوا بِالأَعْمَالِ سَبْعًا هَلْ تَنْظُرُونَ إِلاَّ فَقْرًا مُنْسِيًا أَوْ غِنًى مُطْغِيًا أَوْ مَرَضًا مُفْسِدًا أَوْ هَرَمًا مُفَنِّدًا أَوْ مَوْتًا مُجْهِزًا أَوِ الدَّجَّالَ فَشَرُّ غَائِبٍ يُنْتَظَرُ أَوِ السَّاعَةَ فَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ الأَعْرَجِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ مُحَرَّرِ بْنِ هَارُونَ وَقَدْ رَوَى بِشْرُ بْنُ عُمَرَ وَغَيْرُهُ عَنْ مُحَرَّرِ بْنِ هَارُونَ هَذَا ‏.‏ وَقَدْ رَوَى مَعْمَرٌ هَذَا الْحَدِيثَ عَمَّنْ سَمِعَ سَعِيدًا الْمَقْبُرِيَّ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ ‏.‏ وَقَالَ تَنْتَظِرُونَ ‏.‏

حدثنا ابو مصعب المدني، عن محرر بن هارون، عن عبد الرحمن الاعرج، عن ابي هريرة، ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ بادروا بالاعمال سبعا هل تنظرون الا فقرا منسيا او غنى مطغيا او مرضا مفسدا او هرما مفندا او موتا مجهزا او الدجال فشر غاىب ينتظر او الساعة فالساعة ادهى وامر ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه من حديث الاعرج عن ابي هريرة الا من حديث محرر بن هارون وقد روى بشر بن عمر وغيره عن محرر بن هارون هذا ‏.‏ وقد روى معمر هذا الحديث عمن سمع سعيدا المقبري عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم نحوه ‏.‏ وقال تنتظرون ‏.‏


Abu Hurairah, may Allah be pleased with him, narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Race to do works against seven. Are you waiting but for overwhelming poverty, or distracting richness, or debilitating illness, or babbling senility, or sudden death, or the Dajjal, so that hidden evil is what is awaited, or the Hour? The Hour is more calamitous and more bitter." (Daif)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩০৭

পরিচ্ছেদঃ ৪. মৃত্যুর কথা স্মরণ প্রসঙ্গে

২৩০৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা বেশি পরিমাণে জীবনের স্বাদ হরণকারীর অর্থাৎ মৃত্যুর স্মরণ কর।

হাসান, সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪২৫৮)।

আবূ সাঈদ (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত রয়েছে। আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব।

باب مَا جَاءَ فِي ذِكْرِ الْمَوْتِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ مُوسَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَكْثِرُوا ذِكْرَ هَاذِمِ اللَّذَّاتِ ‏"‏ ‏.‏ يَعْنِي الْمَوْتَ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا الفضل بن موسى، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اكثروا ذكر هاذم اللذات ‏"‏ ‏.‏ يعني الموت ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي سعيد ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Increase in remembrance of the severer of pleasures." Meaning death.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩০৮

পরিচ্ছেদঃ ৫. (কবরের শাস্তিকে ভয় করা)

২৩০৮। উসমান (রাঃ)-এর মুক্তদাস হানী বলেন, উসমান (রাঃ) কোন কবরের পাশে দাড়িয়ে এত কাঁদতেন যে, তার দাড়ি ভিজে যেত। তাকে প্রশ্ন করা হলো, জান্নাত জাহান্নামের আলোচনা করা হলে তো আপনি আপনি কাঁদেন না, অথচ এই কবর দর্শনে এত বেশি কাঁদেন কেন? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আখিরাতের মানযিলসমূহের (প্রাসাদ) মধ্যে কবর হলো প্রথম মানযিল। এখান হতে কেউ মুক্তি পেয়ে গেলে তবে তার জন্য পরবর্তী মানযিলগুলোতে মুক্তি পাওয়া খুব সহজ হয়ে যাবে। আর সে এখান হতে মুক্তি না পেলে তবে তার জন্য পরবর্তী মানযিলগুলো আরো বেশি কঠিন হবে। তিনি (উসমান) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আরো বলেছেনঃ আমি কবরের দৃশ্যের চাইতে অধিক ভয়ংকর দৃশ্য আর কখনো দেখিনি।

হাসান, ইবনু মা-জাহ (৪২৬৭)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। আমরা এ হাদীসের ব্যাপারে শুধুমাত্র হিশাম ইবনু ইউসুফের রিওয়ায়াত হতেই জেনেছি।

باب ‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مَعِينٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ بَحِيرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ هَانِئًا، مَوْلَى عُثْمَانَ قَالَ كَانَ عُثْمَانُ إِذَا وَقَفَ عَلَى قَبْرٍ بَكَى حَتَّى يَبُلَّ لِحْيَتَهُ فَقِيلَ لَهُ تُذْكَرُ الْجَنَّةُ وَالنَّارُ فَلاَ تَبْكِي وَتَبْكِي مِنْ هَذَا فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ إِنَّ الْقَبْرَ أَوَّلُ مَنَازِلِ الآخِرَةِ فَإِنْ نَجَا مِنْهُ فَمَا بَعْدَهُ أَيْسَرُ مِنْهُ وَإِنْ لَمْ يَنْجُ مِنْهُ فَمَا بَعْدَهُ أَشَدُّ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا رَأَيْتُ مَنْظَرًا قَطُّ إِلاَّ وَالْقَبْرُ أَفْظَعُ مِنْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ إِلاَّ مِنْ حَدِيثِ هِشَامِ بْنِ يُوسُفَ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا يحيى بن معين، حدثنا هشام بن يوسف، حدثني عبد الله بن بحير، انه سمع هانىا، مولى عثمان قال كان عثمان اذا وقف على قبر بكى حتى يبل لحيته فقيل له تذكر الجنة والنار فلا تبكي وتبكي من هذا فقال ان رسول الله صلى الله عليه وسلم قال ‏"‏ ان القبر اول منازل الاخرة فان نجا منه فما بعده ايسر منه وان لم ينج منه فما بعده اشد منه ‏"‏ ‏.‏ قال وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ ما رايت منظرا قط الا والقبر افظع منه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب لا نعرفه الا من حديث هشام بن يوسف ‏.‏


Hani' the freed slave of 'Uthman said:
When 'Uthman would stop at a grave he would cry until his beard was soaked (in tears). It was said to him: 'The Paradise and the Fire were mentioned and you did not cry, yet you cry because of this?' So he said: 'Indeed the Messenger of Allah said: "Indeed the grave is the first stage among the stages of the Hereafter. So if one is saved from it, then what comes after it is easier than it. And if one is not saved from it, then what comes after it is worse than it." And the Messenger of Allah said: "I have not seen any sight except that the grave is more horrible than it."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩০৯

পরিচ্ছেদঃ ৬. আল্লাহর সাক্ষাৎ পছন্দকারীর সাথে সাক্ষাৎ করতে আল্লাহও পছন্দ করেন

২৩০৯। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করাকে যে লোক পছন্দ করে, তার সাথে সাক্ষাৎ করতে আল্লাহ্ তা’আলাও পছন্দ করেন। আর আল্লাহ তা’আলার সাথে সাক্ষাৎ করতে যে লোক অপছন্দ করে, আল্লাহ তা’আলাও তার সাথে সাক্ষাৎ করতে অপছন্দ করেন।

সহীহ, বুখারী, মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা, আইশা, আবূ মূসা ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। উবাদা (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান সহীহ।

باب مَا جَاءَ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏‏

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ، عَنْ قَتَادَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَنَسًا، يُحَدِّثُ عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ "‏ مَنْ أَحَبَّ لِقَاءَ اللَّهِ أَحَبَّ اللَّهُ لِقَاءَهُ وَمَنْ كَرِهَ لِقَاءَ اللَّهِ كَرِهَ اللَّهُ لِقَاءَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ وَأَنَسٍ وَأَبِي مُوسَى ‏.‏ قَالَ حَدِيثُ عُبَادَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا محمود بن غيلان، حدثنا ابو داود، اخبرنا شعبة، عن قتادة، قال سمعت انسا، يحدث عن عبادة بن الصامت، عن النبي صلى الله عليه وسلم قال ‏ "‏ من احب لقاء الله احب الله لقاءه ومن كره لقاء الله كره الله لقاءه ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي هريرة وعاىشة وانس وابي موسى ‏.‏ قال حديث عبادة حديث حسن صحيح ‏.‏


'Ubadah bin As-Samit narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Whoever loves to meet Allah, Allah loves to meet him. Whoever is averse to meeting Allah, Allah is averse to meeting him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১০

পরিচ্ছেদঃ ৭. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জাতিকে সতর্ক করেছেন

২৩১০। আইশা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, যখন এ আয়াত অবতীর্ণ হলোঃ “আপনি আপনার নিকটাত্মীয়দের ভয় প্রদর্শন করুন" (২৬ঃ ২১৪), তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, হে সাফিয়্যা বিনতু আবদিল মুত্তালিব, হে ফাতিমা বিনতু মুহাম্মাদ, হে আবদুল মুত্তালিবের বংশধর। আল্লাহ্ তা’আলার (পাকড়াও) হতে তোমাদেরকে বাচানোর ক্ষমতা আমার নেই। আমার ধন-সম্পদ হতে তোমরা যতটুকু খুশি চাইতে পার (কিতাবুত তাফসীরে পুনরুক্ত)।

সহীহ, মুসলিম (১/১৩৩)।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা, আবূ মূসা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। আইশা (রাঃ)-এর বর্ণিত হাদীসটি হাসান গারীব। কিছু বর্ণনাকারী হিশাম ইবনু উরওয়া হতে এরকমই বর্ণনা করেছেন। হিশাম ইবনু উরওয়া-তার পিতা উরওয়া (রাহঃ)-এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে কোন কোন বর্ণনাকারী মুরসাল হিসাবে বর্ণনা করেছেন তাতে আইশার উল্লেখ করেননি।

باب مَا جَاءَ فِي إِنْذَارِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَوْمَهُ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو الأَشْعَثِ، أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ الْعِجْلِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الطُّفَاوِيُّ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا نَزَلَتْ هَذِهِ الآيَةُ ‏:‏ ‏(‏ وَأَنْذِرْ عَشِيرَتَكَ الأَقْرَبِينَ ‏)‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يَا صَفِيَّةُ بِنْتَ عَبْدِ الْمُطَّلِبِ يَا فَاطِمَةُ بِنْتَ مُحَمَّدٍ يَا بَنِي عَبْدِ الْمُطَّلِبِ إِنِّي لاَ أَمْلِكُ لَكُمْ مِنَ اللَّهِ شَيْئًا سَلُونِي مِنْ مَالِي مَا شِئْتُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَأَبِي مُوسَى وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ حَدِيثُ عَائِشَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ هَكَذَا رَوَى بَعْضُهُمْ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ نَحْوَ هَذَا وَرَوَى بَعْضُهُمْ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مُرْسَلاً لَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ عَائِشَةَ ‏.‏

حدثنا ابو الاشعث، احمد بن المقدام العجلي حدثنا محمد بن عبد الرحمن الطفاوي، حدثنا هشام بن عروة، عن ابيه، عن عاىشة، قالت لما نزلت هذه الاية ‏:‏ ‏(‏ وانذر عشيرتك الاقربين ‏)‏ قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ يا صفية بنت عبد المطلب يا فاطمة بنت محمد يا بني عبد المطلب اني لا املك لكم من الله شيىا سلوني من مالي ما شىتم ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي هريرة وابي موسى وابن عباس ‏.‏ قال حديث عاىشة حديث حسن غريب ‏.‏ هكذا روى بعضهم عن هشام بن عروة نحو هذا وروى بعضهم عن هشام عن ابيه عن النبي صلى الله عليه وسلم مرسلا لم يذكر فيه عن عاىشة ‏.‏


'Aishah narrated:
"When this Ayah was revealed: And warn your near kindred....(26:214), the Messenger of Allah (s.a.w) said: "O Safiyyah bint 'Abdul-Muttalib! O Fatimah bint Muhammed! O Banu 'Abdul-Muttalib! I have no authority on your behalf over Allah for anything. Ask me for whatever you want of my wealth."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১১

পরিচ্ছেদঃ ৮. আল্লাহর ভয়ে কান্নাকাটির ফযীলত

২৩১১। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার ভয়ে ক্ৰন্দনকারী ব্যক্তি জাহান্নামে প্রবেশ করবে না, যেরূপ দোহনকৃত দুধ আবার স্তনে ফিরিয়ে নেয়া যায় না। আর আল্লাহ তা’আলার পথের (জিহাদের) ধুলা ও জাহান্নামের ধোয়া কখনো একত্র হবে না।

সহীহ, মিশকাত (৩৮২৮), তা’লীকুর রাগীব (২/১৬৬)।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ রাইহানা ও ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু আবদুর রাহমান (রহঃ) তালহা-পরিবারের মুক্তদাস, তিনি নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী এবং মদীনার অধিবাসী। শুবা ও সুফিয়ান সাওরী তার সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الْبُكَاءِ مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ ‏‏

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمَسْعُودِيِّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ يَلِجُ النَّارَ رَجُلٌ بَكَى مِنْ خَشْيَةِ اللَّهِ حَتَّى يَعُودَ اللَّبَنُ فِي الضَّرْعِ وَلاَ يَجْتَمِعُ غُبَارٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَدُخَانُ جَهَنَّمَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي رَيْحَانَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ هُوَ مَوْلَى آلِ طَلْحَةَ وَهُوَ مَدَنِيٌّ ثِقَةٌ رَوَى عَنْهُ شُعْبَةُ وَسُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا عبد الله بن المبارك، عن عبد الرحمن بن عبد الله المسعودي، عن محمد بن عبد الرحمن، عن عيسى بن طلحة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لا يلج النار رجل بكى من خشية الله حتى يعود اللبن في الضرع ولا يجتمع غبار في سبيل الله ودخان جهنم ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي ريحانة وابن عباس ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ ومحمد بن عبد الرحمن هو مولى ال طلحة وهو مدني ثقة روى عنه شعبة وسفيان الثوري ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said :
"A man who cries out of fearing Allah, will not be put into the Fire until milk returns to the udder; and dust raised in the cause of Allah and the smoke of Jahannam will not be gathered together." [He said:] There are narrations on this topic from Abu Raihanah and Ibn 'Abbas. [He said:] This Hadith is [Hasan] Sahih. Muhammad bin 'Abdur-Rahman is the Mawla of the family of Talbah, and he is from Al-Madinah, and trustworthy. Shu'bah and Sufyan Ath-Thawri reported from him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১২

পরিচ্ছেদঃ ৯. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ আমি যা জানি, তোমরা তা জানতে পারলে খুব কমই হাসতে

২৩১২। আবূ যার (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি (অদৃশ্য জগতের) যা দেখি তোমরা তা দেখ না, আর আমি যা শুনতে পাই তোমরা তা শুনতে পাও না। আসমান তো চড়চড় শব্দ করছে, আর সে এই শব্দ করার যোগ্য। তাতে এমন চার আঙ্গুল পরিমাণ জায়গাও নেই যেখানে কোন ফিরিশতা আল্লাহ্ তা’আলার জন্যে অবনত মস্তকে সাজদায় পড়ে না আছে। আল্লাহর শপথ! আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে তাহলে তোমরা খুব কমই হাসতে, বেশি কাঁদতে এবং বিছানায় স্ত্রীদের উপভোগ করতে না, বাড়ী-ঘর ছেড়ে পথে-প্রান্তরে বেরিয়ে পড়তে, আল্লাহ তা’আলার সামনে কাকুতি-মিনতি করতে। বর্ণনাকারী বলেন, আমার মন চায় আমি যদি একটি বৃক্ষ হতাম আর তা কেটে ফেলা হতো। "আমার মন চায়....." অংশ ব্যতীত হাদীসটি হাসান,

ইবনু মা-জাহ (৪১৯০)।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা, আইশা, ইবনু আব্বাস ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান গারীব। অপর একটি সূত্রে বর্ণিত আছে যে, আবূ যার (রাঃ) বলেন, আমার আকাঙ্ক্ষা যে, “আমি যদি একটি গাছ হতাম যা কেটে ফেলা হতো”। আবূ যার (রাঃ) হতে এ হাদীসটি মাওকুফ হিসাবেও বর্ণিত আছে।

باب فِي قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلاً ‏"‏ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنِيعٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ الْمُهَاجِرِ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ مُوَرِّقٍ، عَنْ أَبِي ذَرٍّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنِّي أَرَى مَا لاَ تَرَوْنَ وَأَسْمَعُ مَا لاَ تَسْمَعُونَ أَطَّتِ السَّمَاءُ وَحُقَّ لَهَا أَنْ تَئِطَّ مَا فِيهَا مَوْضِعُ أَرْبَعِ أَصَابِعَ إِلاَّ وَمَلَكٌ وَاضِعٌ جَبْهَتَهُ سَاجِدًا لِلَّهِ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلاً وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا وَمَا تَلَذَّذْتُمْ بِالنِّسَاءِ عَلَى الْفُرُشِ وَلَخَرَجْتُمْ إِلَى الصُّعُدَاتِ تَجْأَرُونَ إِلَى اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏ لَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ شَجَرَةً تُعْضَدُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ وَعَائِشَةَ وَابْنِ عَبَّاسٍ وَأَنَسٍ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏ وَيُرْوَى مِنْ غَيْرِ هَذَا الْوَجْهِ أَنَّ أَبَا ذَرٍّ قَالَ لَوَدِدْتُ أَنِّي كُنْتُ شَجَرَةً تُعْضَدُ ‏.‏

حدثنا احمد بن منيع، حدثنا ابو احمد الزبيري، حدثنا اسراىيل، عن ابراهيم بن المهاجر، عن مجاهد، عن مورق، عن ابي ذر، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اني ارى ما لا ترون واسمع ما لا تسمعون اطت السماء وحق لها ان تىط ما فيها موضع اربع اصابع الا وملك واضع جبهته ساجدا لله لو تعلمون ما اعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا وما تلذذتم بالنساء على الفرش ولخرجتم الى الصعدات تجارون الى الله ‏"‏ ‏.‏ لوددت اني كنت شجرة تعضد ‏.‏ قال ابو عيسى وفي الباب عن ابي هريرة وعاىشة وابن عباس وانس ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب ‏.‏ ويروى من غير هذا الوجه ان ابا ذر قال لوددت اني كنت شجرة تعضد ‏.‏


Abu Dharr narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Indeed I see what you do not see, and I hear what you do not hear. The Heavens moan, and they have the right to moan. There is no spot, the size of four fingers in them, except that there is an angel placing his forehead in it, prostrating to Allah. By Allah! If you knew what I know, then you would laugh little and you would cry much. And you would not taste the pleasures of your women in the beds, and you would go out beseeching Allah. And I wish that I was but a felled tree." [Abu 'Eisa said:] There are narrations on this topic from 'Aishah, Abu Hurairah, Ibn 'Abbas, and Anas. [He said:] This Hadith is Hasan Gharib. It has been related through routes other than this, that Abu Dharr said: "I wish that I was a felled tree." And it has been related from Abu Dharr in Mawquf form.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৩

পরিচ্ছেদঃ ৯. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের বাণীঃ আমি যা জানি, তোমরা তা জানতে পারলে খুব কমই হাসতে

২৩১৩। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি যা জানি তোমরা যদি তা জানতে, তাহলে খুব অল্পই হাসতে এবং খুব বেশি কাঁদতে।

সহীহ, ফিকহুস সীরাহ (৪৭৯), বুখারী, মুসলিম আনাস (রাঃ) হতে।

এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরাহ, আইশা, ইবনু আব্বাস ও আনাস (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

باب فِي قَوْلِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلاً ‏"‏ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَبُو حَفْصٍ، عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ الْفَلاَّسُ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ تَعْلَمُونَ مَا أَعْلَمُ لَضَحِكْتُمْ قَلِيلاً وَلَبَكَيْتُمْ كَثِيرًا ‏"‏ ‏.‏ هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ ‏.‏

حدثنا ابو حفص، عمرو بن علي الفلاس حدثنا عبد الوهاب الثقفي، عن محمد بن عمرو، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو تعلمون ما اعلم لضحكتم قليلا ولبكيتم كثيرا ‏"‏ ‏.‏ هذا حديث صحيح ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"If you knew what I know, then you would laugh little and you would cry much."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৪

পরিচ্ছেদঃ ১০. কেউ যদি লোকদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কোন কথা বলে

২৩১৪। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে লোক এমন কথাও বলে যে প্রসঙ্গে সে মনে করে যে, তাতে কোন অসুবিধা নেই, এইজন্য সে সত্তরবছর জাহান্নামে অবস্থান করবে।

হাসান, সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৯৭০)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান এবং উল্লেখিত সূত্রে গারীব।

باب فِيمَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ يُضْحِكُ بِهَا النَّاسَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عِيسَى بْنِ طَلْحَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ الرَّجُلَ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ لاَ يَرَى بِهَا بَأْسًا يَهْوِي بِهَا سَبْعِينَ خَرِيفًا فِي النَّارِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا ابن ابي عدي، عن محمد بن اسحاق، حدثني محمد بن ابراهيم، عن عيسى بن طلحة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ان الرجل ليتكلم بالكلمة لا يرى بها باسا يهوي بها سبعين خريفا في النار ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث حسن غريب من هذا الوجه ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Indeed a man may utter a statement that he does not see any harm in, but for which he will fall seventy autumns in the Fire."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৫

পরিচ্ছেদঃ ১০. কেউ যদি লোকদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কোন কথা বলে

২৩১৫। বাহয ইবনু হাকীম (রহঃ) হতে পর্যায়ক্রমে তার বাবা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত আছে, তার দাদা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আমি বলতে শুনেছিঃ সেই লোক ধ্বংস হোক যে মানুষদের হাসানোর উদ্দেশ্যে কথা বলতে গিয়ে মিথ্যা বলে। সে নিপাত যাক, সে নিপাত যাক।

হাসান, গাইয়াতুল মারাম (৩৭৬), মিশকাত, তাহকীক ছানী (৪৮৩৮)।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান।

باب فِيمَنْ تَكَلَّمَ بِكَلِمَةٍ يُضْحِكُ بِهَا النَّاسَ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا بَهْزُ بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ وَيْلٌ لِلَّذِي يُحَدِّثُ بِالْحَدِيثِ لِيُضْحِكَ بِهِ الْقَوْمَ فَيَكْذِبُ وَيْلٌ لَهُ وَيْلٌ لَهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا بهز بن حكيم، حدثني ابي، عن جدي، قال سمعت النبي صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ويل للذي يحدث بالحديث ليضحك به القوم فيكذب ويل له ويل له ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ابي هريرة ‏.‏ قال هذا حديث حسن ‏.‏


Bahz bin Hakim narrated from his father, from his grandfather that Prophet (s.a.w) said:
"Woe to the one who talks about something to make the people laugh, in which he lies. Woe to him! Woe to him!"


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৬

পরিচ্ছেদঃ ১১. অনর্থক কথা বলা

২৩১৬। আনাস ইবনু মালিক (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, কোন এক সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের এক সাহাবী মারা গেলে এক ব্যক্তি বলল, জান্নাতের সুসংবাদ গ্রহণ কর। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তুমি তো জান না, হয়ত সে বেহুদা কথা বলেছে অথবা যা দান করলে তার কোন ক্ষতি হত না তাতেও সে কৃপণতা করেছে?

যঈফ, তা’লীকুর রাগীব (৪/১১)

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব।

باب ‏

حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْبَغْدَادِيُّ، حَدَّثَنَاَ عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ تُوُفِّيَ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِهِ فَقَالَ يَعْنِي رَجُلٌ أَبْشِرْ بِالْجَنَّةِ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ أَوَلاَ تَدْرِي فَلَعَلَّهُ تَكَلَّمَ فِيمَا لاَ يَعْنِيهِ أَوْ بَخِلَ بِمَا لاَ يَنْقُصُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا سليمان بن عبد الجبار البغدادي، حدثنا عمر بن حفص بن غياث، حدثنا ابي، عن الاعمش، عن انس بن مالك، قال توفي رجل من اصحابه فقال يعني رجل ابشر بالجنة ‏.‏ فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ اولا تدري فلعله تكلم فيما لا يعنيه او بخل بما لا ينقصه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب ‏.‏


Anas bin Malik narrated that a man among his companions was dying so he said- meaning a man said to him:
"Glad tidings of Paradise." To which the Messenger of Allah (s.a.w) said: "You do not know. Perhaps he spoke of what did not concern him or he was greedy with that which would not decrease him."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৭

পরিচ্ছেদঃ ১১. অনর্থক কথা বলা

২৩১৭। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অনর্থক আচরণ ত্যাগ করা।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৯৭৬)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি গারীব। আমরা শুধুমাত্র আবূ সালামা হতে আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর বরাতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সূত্রে বর্ণিত রিওয়ায়াত হিসাবে এটি জেনেছি।

باب ‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ نَصْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ، وَغَيْرُ، وَاحِدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو مُسْهِرٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَمَاعَةَ، عَنِ الأَوْزَاعِيِّ، عَنْ قُرَّةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مِنْ حُسْنِ إِسْلاَمِ الْمَرْءِ تَرْكُهُ مَا لاَ يَعْنِيهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ لاَ نَعْرِفُهُ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِلاَّ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا احمد بن نصر النيسابوري، وغير، واحد، قالوا حدثنا ابو مسهر، عن اسماعيل بن عبد الله بن سماعة، عن الاوزاعي، عن قرة، عن الزهري، عن ابي سلمة، عن ابي هريرة، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ من حسن اسلام المرء تركه ما لا يعنيه ‏"‏ ‏.‏ قال هذا حديث غريب لا نعرفه من حديث ابي سلمة عن ابي هريرة عن النبي صلى الله عليه وسلم الا من هذا الوجه ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Indeed among the excellence of a person's Islam is that he leaves what does not concern him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৮

পরিচ্ছেদঃ ১১. অনর্থক কথা বলা

২৩১৮। আলী (যাইনুল আবিদীন) ইবনুল হুসাইন (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ইসলামের অন্যতম সৌন্দর্য হলো অর্থহীন কথা বা কাজ ত্যাগ করা।

পূর্বের হাদীসের সহায়তায় সহীহ।

আবূ ঈসা বলেন, উক্ত হাদীস যুহরীর একাধিক শিষ্য যুহরী হতে, তিনি আলী ইবনুল হুসাইন হতে, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এই সূত্রে মালিকের রিওয়ায়াতের অনুরূপ মুরসালভাবে বর্ণনা করেছেন। আমাদের মতে এটিই আবূ সালামা-আবূ হুরাইরা (রাঃ)-এর সূত্রের চাইতে অনেক বেশি সহীহ। আলী ইবনুল হুসাইন (রাঃ) আলী ইবনু আবী তালিব (রাঃ)-এর দেখা পাননি (তার যুগ পাননি)।

باب ‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ إِنَّ مِنْ حُسْنِ إِسْلاَمِ الْمَرْءِ تَرْكَهُ مَا لاَ يَعْنِيهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى وَهَكَذَا رَوَى غَيْرُ وَاحِدٍ مِنْ أَصْحَابِ الزُّهْرِيِّ عَنِ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَ حَدِيثِ مَالِكٍ مُرْسَلاً وَهَذَا عِنْدَنَا أَصَحُّ مِنْ حَدِيثِ أَبِي سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ وَعَلِيُّ بْنُ حُسَيْنٍ لَمْ يُدْرِكْ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا مالك بن انس، عن الزهري، عن علي بن حسين، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ان من حسن اسلام المرء تركه ما لا يعنيه ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى وهكذا روى غير واحد من اصحاب الزهري عن الزهري عن علي بن حسين عن النبي صلى الله عليه وسلم نحو حديث مالك مرسلا وهذا عندنا اصح من حديث ابي سلمة عن ابي هريرة ‏.‏ وعلي بن حسين لم يدرك علي بن ابي طالب ‏.‏


Ali bin Al-Husain narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Surely, of the excellence of a person's Islam is that he leaves what does not concern him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩১৯

পরিচ্ছেদঃ ১২. স্বল্পভাষী হওয়া

২৩১৯। বিলাল ইবনুল হারিস আল-মুযানী (রাঃ) নামীয় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কখনো আল্লাহ্ তা’আলার সন্তুষ্টির কথা বলে, যার সম্পর্কে সে ধারণাও করে না যে, তা কোথায় গিয়ে পৌছবে, অথচ আল্লাহ তা’আলা তার এ কথার কারণে তার সাথে মিলিত হওয়ার দিন পর্যন্ত তার জন্য স্বীয় সন্তুষ্টি লিখে দেন। আবার তোমাদের মধ্যে কোন ব্যক্তি কখনো আল্লাহ্ তা’আলার অসন্তুষ্টির কথা বলে, যার সম্পর্কে সে চিন্তাও করে না যে, তা কোন পর্যন্ত গিয়ে পৌছবে। অথচ এ কথার কারণে আল্লাহ তা’আলা তার সাথে মিলিত হওয়ার দিন পর্যন্ত তার জন্য অসন্তুষ্টি লিখে দেন।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৩৯৬৯)।

আবূ ঈসা বলেন, উম্মু হাবীবা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি হাসান সহীহ। মুহাম্মাদ ইবনু আমরের সূত্রে একাধিক বর্ণনাকারী উপরোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তারা মুহাম্মাদ ইবনু আমর-তার বাবা-তার দাদা-বিলাল ইবনুল হারিস (রাহঃ)-এর সূত্রের উল্লেখ করেছেন। এ হাদীসটি মালিক (রাহঃ) মুহাম্মাদ ইবনু আমর-তার বাবা-বিলাল ইবনুল হারিস (রাহঃ)-এর সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তার দাদার কথা তাতে উল্লেখ করেননি।

باب فِي قِلَّةِ الْكَلاَمِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ جَدِّي، قَالَ سَمِعْتُ بِلاَلَ بْنَ الْحَارِثِ الْمُزَنِيَّ، صَاحِبَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنْ رِضْوَانِ اللَّهِ مَا يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ فَيَكْتُبُ اللَّهُ لَهُ بِهَا رِضْوَانَهُ إِلَى يَوْمِ يَلْقَاهُ وَإِنَّ أَحَدَكُمْ لَيَتَكَلَّمُ بِالْكَلِمَةِ مِنْ سَخَطِ اللَّهِ مَا يَظُنُّ أَنْ تَبْلُغَ مَا بَلَغَتْ فَيَكْتُبُ اللَّهُ عَلَيْهِ بِهَا سَخَطَهُ إِلَى يَوْمِ يَلْقَاهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ أُمِّ حَبِيبَةَ ‏.‏ قَالَ هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَهَكَذَا رَوَاهُ غَيْرُ وَاحِدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو نَحْوَ هَذَا قَالُوا عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ عَنْ بِلاَلِ بْنِ الْحَارِثِ ‏.‏ وَرَوَى هَذَا الْحَدِيثَ مَالِكٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ أَبِيهِ عَنْ بِلاَلِ بْنِ الْحَارِثِ وَلَمْ يَذْكُرْ فِيهِ عَنْ جَدِّهِ ‏.‏

حدثنا هناد، حدثنا عبدة، عن محمد بن عمرو، حدثني ابي، عن جدي، قال سمعت بلال بن الحارث المزني، صاحب رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ ان احدكم ليتكلم بالكلمة من رضوان الله ما يظن ان تبلغ ما بلغت فيكتب الله له بها رضوانه الى يوم يلقاه وان احدكم ليتكلم بالكلمة من سخط الله ما يظن ان تبلغ ما بلغت فيكتب الله عليه بها سخطه الى يوم يلقاه ‏"‏ ‏.‏ قال وفي الباب عن ام حبيبة ‏.‏ قال هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ وهكذا رواه غير واحد عن محمد بن عمرو نحو هذا قالوا عن محمد بن عمرو عن ابيه عن جده عن بلال بن الحارث ‏.‏ وروى هذا الحديث مالك عن محمد بن عمرو عن ابيه عن بلال بن الحارث ولم يذكر فيه عن جده ‏.‏


Muhammed bin 'Amr narrated from his father, from his grandfather who said:
"I heard Bilal bin Al-Harith Al Muzani, the Companion of the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'I heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: "Indeed one of you says a statement pleasing to Allah, not realizing that you have achieved what you have achieved. Then for it, Allah writes for him His pleasure until the Day of Meeting Him. And one of you says a statement angering Allah, not realizing that you have achieved what you have achieved. Then for it, Allah writes for him His anger until the Day of Meeting with Him."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩২০

পরিচ্ছেদঃ ১৩. আল্লাহ তা’আলার নিকট পৃথিবীর মূল্যহীনতা ও তুচ্ছতা

২৩২০। সাহল ইবনু সা’দ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আল্লাহ্ তা’আলার নিকট যদি এই পৃথিবীর মূল্য মশার একটি পাখার সমানো হত তাহলে তিনি কোন কাফিরকে এখানকার পানির এক ঢোকও পান করাতেন না।

সহীহ, সহীহাহ (৯৪০)।

আবূ ঈসা বলেন, আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। এ হাদীসটি সহীহ এবং উপরোক্ত সূত্রে গারীব।

باب مَا جَاءَ فِي هَوَانِ الدُّنْيَا عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لَوْ كَانَتِ الدُّنْيَا تَعْدِلُ عِنْدَ اللَّهِ جَنَاحَ بَعُوضَةٍ مَا سَقَى كَافِرًا مِنْهَا شَرْبَةَ مَاءٍ ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ صَحِيحٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏

حدثنا قتيبة، حدثنا عبد الحميد بن سليمان، عن ابي حازم، عن سهل بن سعد، قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لو كانت الدنيا تعدل عند الله جناح بعوضة ما سقى كافرا منها شربة ماء ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن ابي هريرة ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث صحيح غريب من هذا الوجه ‏.‏


Sahl bin Sa'd narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"If the world to Allah was equal to a mosquito's wing, then He would not allow the disbeliever to have a sip of water from it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ সাহল বিন সা'দ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩২১

পরিচ্ছেদঃ ১৩. আল্লাহ তা’আলার নিকট পৃথিবীর মূল্যহীনতা ও তুচ্ছতা

২৩২১। মুসতাওরিদ ইবনু শাদ্দাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি আরোহী দলের সাথে ছিলাম, যারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাথে একটি মৃত ছাগল ছানার পাশে এসে দাঁড়ান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রশ্ন করলেন, তোমরা কি মনে কর, তার মনিবের নিকট এটা নিকৃষ্ট ও মূল্যহীন হওয়ায় সে তা নিক্ষেপ করেছে? তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)! এটা মূল্যহীন হওয়ার কারণে তারা ফেলে দিয়েছে। তিনি বললেনঃ তার মনিবের নিকট এটা যতটুকু মূল্যহীন, আল্লাহ্ তা’আলার নিকট পৃথিবীটা এর চেয়েও অধিক মূল্যহীন ও নিকৃষ্ট।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪১১১)।

আবূ ঈসা বলেন, জাবির ও ইবনু উমর (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে। মুস্তাওরিদ (রাঃ) বর্ণিত হাদীসটি হাসান গারীব।

باب مَا جَاءَ فِي هَوَانِ الدُّنْيَا عَلَى اللَّهِ عَزَّ وَجَلَّ

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ، عَنِ الْمُسْتَوْرِدِ بْنِ شَدَّادٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ الرَّكْبِ الَّذِينَ وَقَفُوا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَلَى السَّخْلَةِ الْمَيِّتَةِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَتَرَوْنَ هَذِهِ هَانَتْ عَلَى أَهْلِهَا حِينَ أَلْقَوْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا مِنْ هَوَانِهَا أَلْقَوْهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَالدُّنْيَا أَهْوَنُ عَلَى اللَّهِ مِنْ هَذِهِ عَلَى أَهْلِهَا ‏"‏ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ الْمُسْتَوْرِدِ حَدِيثٌ حَسَنٌ ‏.‏

حدثنا سويد بن نصر، اخبرنا عبد الله بن المبارك، عن مجالد، عن قيس بن ابي حازم، عن المستورد بن شداد، قال كنت مع الركب الذين وقفوا مع رسول الله صلى الله عليه وسلم على السخلة الميتة فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏"‏ اترون هذه هانت على اهلها حين القوها ‏"‏ ‏.‏ قالوا من هوانها القوها يا رسول الله ‏.‏ قال ‏"‏ فالدنيا اهون على الله من هذه على اهلها ‏"‏ ‏.‏ وفي الباب عن جابر وابن عمر ‏.‏ قال ابو عيسى حديث المستورد حديث حسن ‏.‏


Al-Mustawrid bin Shaddad said:
"I was with the caravan of those who stopped with the Messenger of Allah (s.a.w) at a dead lamb. The Messenger of Allah (s.a.w) said: 'Do you think that this was insignificant to its owners when they threw it away?' They said:'Yes! It is because of its insignificance that they threw it away O Messenger of Allah!' He said: 'The world is more insignificant to Allah than this to its owners.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩২২

পরিচ্ছেদঃ ১৪. (দুনিয়া অভিশপ্ত)

২৩২২। আবূ হুরাইরা (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ দুনিয়া ও তার মাঝের সকলকিছুই অভিশপ্ত, কিন্তু আল্লাহ্ তা’আলার যিকির ও তার সাথে সংগতিপূর্ণ অন্যান্য আমল, আলিম ও ইলম অন্বেষণকারী এর ব্যতিক্রম।

হাসান, ইবনু মা-জাহ (৪১১২)।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান গরীব।

باب مِنْهُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَاتِمٍ الْمُكْتِبُ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ثَابِتٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ ثَابِتِ بْنِ ثَوْبَانَ، قَالَ سَمِعْتُ عَطَاءَ بْنَ قُرَّةَ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ ضَمْرَةَ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ أَلاَ إِنَّ الدُّنْيَا مَلْعُونَةٌ مَلْعُونٌ مَا فِيهَا إِلاَّ ذِكْرَ اللَّهِ وَمَا وَالاَهُ وَعَالِمًا أَوْ مُتَعَلِّمًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ ‏.‏

حدثنا محمد بن حاتم المكتب، حدثنا علي بن ثابت، حدثنا عبد الرحمن بن ثابت بن ثوبان، قال سمعت عطاء بن قرة، قال سمعت عبد الله بن ضمرة، قال سمعت ابا هريرة، يقول سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول ‏ "‏ الا ان الدنيا ملعونة ملعون ما فيها الا ذكر الله وما والاه وعالما او متعلما ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن غريب ‏.‏


Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (s.a.w) said:
"Lo! Indeed the world is cursed. What is in it is cursed, except for remembrance of Allah, what is conducive to that, the knowledgeable person and the learning person."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
২৩২৩

পরিচ্ছেদঃ ১৫. একই বিষয়

২৩২৩। বানু ফিহরের মুসতাওরিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ দুনিয়া আখিরাতের তুলনায় এতটুকু, যেমন তোমাদের কেউ সমুদ্রের পানিতে তার একটি আঙ্গুল ডুবিয়ে তুলে আনল। সে দেখুক তার আঙ্গুল কতটুকু পানি নিয়ে ফিরেছে।

সহীহ, ইবনু মা-জাহ (৪১০৮), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। ইসমাঈল ইবনু আবূ খালিদের উপনাম আবূ আবদুল্লাহ। কাইসের পিতা আবূ হাযিম, তার নাম আবদ ইবনু আওফ, তিনি সাহাবী।

باب مِنْهُ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، حَدَّثَنَا قَيْسُ بْنُ أَبِي حَازِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ مُسْتَوْرِدًا، أَخَا بَنِي فِهْرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَا الدُّنْيَا فِي الآخِرَةِ إِلاَّ مِثْلُ مَا يَجْعَلُ أَحَدُكُمْ إِصْبَعَهُ فِي الْيَمِّ فَلْيَنْظُرْ بِمَاذَا يَرْجِعُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَإِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ يُكْنَى أَبَا عَبْدِ اللَّهِ وَوَالِدُ قَيْسٍ أَبُو حَازِمٍ اسْمُهُ عَبْدُ بْنُ عَوْفٍ وَهُوَ مِنَ الصَّحَابَةِ ‏.‏

حدثنا محمد بن بشار، حدثنا يحيى بن سعيد، حدثنا اسماعيل بن ابي خالد، حدثنا قيس بن ابي حازم، قال سمعت مستوردا، اخا بني فهر قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ ما الدنيا في الاخرة الا مثل ما يجعل احدكم اصبعه في اليم فلينظر بماذا يرجع ‏"‏ ‏.‏ قال ابو عيسى هذا حديث حسن صحيح ‏.‏ واسماعيل بن ابي خالد يكنى ابا عبد الله ووالد قيس ابو حازم اسمه عبد بن عوف وهو من الصحابة ‏.‏


Qa'is bin Abi Hazim said:
I heard Mustawrid, a member of Banu Fihr, saying: The Messenger of Allah (s.a.w) said: "The world compared to the Hereafter is but like what one of you gets when placing his finger into the sea, so look at what you draw from it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৪/ দুনিয়াবী ভোগবিলাসের প্রতি অনাসক্তি (كتاب الزهد عن رسول الله ﷺ) 34. Chapters On Zuhd
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 পরের পাতা »