যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ১৯ টি

পরিচ্ছেদঃ ২৩১: রোজাদারকে ইফতার করানোর ফযীলত এবং যে রোজাদারের নিকট কিছু ভক্ষণ করা হয় তার ফযীলত এবং যার নিকট ভক্ষণ করা হয় তার জন্য ভক্ষণকারীর দো‘আ.

১/১২৭৩। যায়েদ ইবনে খালেদ জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি কোন রোজাদারকে ইফতার করাবে, সে (রোজাদারের) সমান নেকীর অধিকারী হবে। আর তাতে রোজাদারের নেকীর কিছুই কমবে না।” (তিরমিযী হাসান সহীহ)[1]

(231) بَابُ فَضْلٍ مَّنْ فَطَّرَ صَائِمًاوَفَضْلِ الصَّائِمِ الَّذِيْ يُؤْكَلُ عِنْدَهُ، وَدُعَاءِ الْأَكْلِ لِلْمَأْكُوْلِ عِنْدَهُ

عَن زَيدِ بنِ خَالِدٍ الجُهَنِيِّ رضي الله عنه، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: «مَنْ فَطَّرَ صَائِماً، كَانَ لَهُ مِثْلُ أَجْرِهِ، غَيْرَ أنَّهُ لاَ يُنْقَصُ مِنْ أَجْرِ الصَّائِمِ شَيْءٌ». رواه الترمذي، وقال: حديث حسن صحيح

(231) Chapter: The Merit of Providing something to the Person Observing Saum (Fasting) for breaking the Fast


Zaid bin Khalid Al-Juhani (May Allah be pleased with him) reported: The Prophet (ﷺ) said, "He who provides a fasting person something with which to break his fast, will earn the same reward as the one who was observing the fast, without diminishing in any way the reward of the latter." [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২৪ : মোরগকে গালি দেওয়া নিষেধ

১/১৭৩৯। যায়েদ ইবনে খালিদ জুহানী রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’তোমরা মোরগকে গালি দিও না। কারণ, সে নামাযের জন্য জাগিয়ে থাকে।’’ [আবূ দাঊদ বিশুদ্ধ সূত্রে][1]

(324) بَابُ كَرَاهَةِ سَبِّ الدِّيْكِ

عَنْ زَيدِ بنِ خَالِدِ الجُهَنِيِّ رَضِيَ اللهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَسُبُّوا الدِّيكَ فَإِنَّهُ يُوِقِظُ لِلصَّلاَةِ». رواه أبو داود بإسناد صحيح

(324) Chapter: Undesirability of Reviling the Rooster


Zaid bin Khalid Al-Juhani (May Allah be pleased with him) said: The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do not revile the rooster for it wakes you up for prayer." [Abu Dawud]. Commentary: This Hadith is self-evident. The utility of the cock is not realized much nowadays as Adhan is amplified through loud-speakers. Before the invention of loudspeakers, the voice of Mu'adhdhin could go to a short distance only and it was cock's crow which used to awaken the Muslims for Tahajjud and Fajr prayers. Thus, we learn from this Hadith that whosoever cooperates in virtue, should be respected. One should also induce people to virtue and cooperate with them in good deeds so that one is well rewarded for it by Allah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২৫ : অমুক নক্ষত্রের ফলে বৃষ্টি হল বলা নিষেধ

১/১৭৪০। যায়েদ ইবনে খালেদ রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, একদা হুদাইবিয়াতে রাতে বৃষ্টি হলে আমাদেরকে ফজরের নামায পড়ানোর পর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকলের দিকে মুখ করে বসে বললেন, ’’তোমরা জান কি, তোমাদের প্রতিপালক কি বলেন?’’ সকলে বলল, ’আল্লাহ ও তদীয় রাসূল ভাল জানেন।’ তিনি বললেন, ’’আল্লাহ বলেন, আমার বান্দাদের মধ্যে কিছু বান্দা মুমিন হয়ে ও কিছু কাফের হয়ে প্রভাত করেছে। সুতরাং যে ব্যক্তি বলেছে যে, ’আল্লাহর অনুগ্রহ ও তাঁর দয়ায় আমাদের উপর বৃষ্টি হল’, সে তো আল্লাহর প্রতি বিশ্বাসী [মুমীন]ও নক্ষত্রের প্রতি অবিশ্বাসী [কাফের]। আর যে ব্যক্তি বলেছে যে, ’অমুক অমুক নক্ষত্রের ফলে আমাদের উপর বৃষ্টি হল’, সে তো আল্লাহর প্রতি অবিশ্বাসী [কাফের] এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী [মুমীন]।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

(325) بَابُ النَّهْيِ عَنْ قَوْلِ الْإِنْسَانِ :مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا

عَنْ زَيدِ بنِ خَالِدٍ رَضِيَ اللهُ عَنهَ قَالَ: صَلَّى بِنَا رَسُول اللهِ صلى الله عليه وسلم صَلاَةَ الصُّبْحِ بِالحُدَيْبِيَّةِ فِي إِثْرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ، فَقَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ ؟» قَالُوا : اللهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ . قَالَ: «قَالَ: أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي، وَكَافِرٌ، فَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللهِ وَرَحْمَتِهِ، فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي كَافِرٌ بِالكَوْكَبِ، وَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِنَوءِ كَذَا وَكَذَا، فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي مُؤْمِنٌ بِالكَوْكَبِ» . متفق عليه

(325) Chapter: Prohibition of Attributing Rain to the Stars


Zaid bin Khalid (May Allah be pleased with him) said: The Messenger of Allah (ﷺ) led the Fajr prayer at Al-Hudaibiyyah after a rainfall during the night. At the conclusion of prayer, he turned towards the people and said, "Do you know what your Rubb has said?" They replied: "Allah and His Messenger know better." Upon this he remarked, "He has said: 'Some of My slaves have entered the morning as My believers and some as unbelievers. He who said: We have had a rainfall due to the Grace and Mercy of Allah, believes in Me and disbelieves in the stars; and he who said: We have had a rainfall due to the rising of such and such star, disbelieves in Me and affirms his faith in the stars."' [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: 1. Since Allah is the Real Creator and Maker of all things and events, these should without any exception be attributed to Him Alone. If a reference is made to the cause or causes which occasion an incident or event, it is permissible but to ascribe them entirely to some factor or factors is the conduct of polytheists and amounts to Shirk and Kufr. 2. People of the Period of Ignorance used to ascribe the rain which occurred at the appearance or setting of some star, to that star and would thus accept it as the real cause of it. In this Hadith, such ascription has been regarded as Kufr and Shirk.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৪. যে ব্যক্তি যোদ্ধার জন্য সামান দান করে

৩১৮৪. মুহাম্মদ ইবন মুছান্না (রহঃ) ... যায়দ ইবন খালিদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধাকে যুদ্ধের সামান দান করলো, সে যেন যুদ্ধ করলো, আর যে ব্যক্তি কোন যোদ্ধার পরিবারে তার স্থলাভিষিক্ত হলো পরিবারের মঙ্গলের জন্য; সেও যেন যুদ্ধ করলো।

فَضْلُ مَنْ جَهَّزَ غَازِيًا

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَهْدِيٍّ قَالَ حَدَّثَنَا حَرْبُ بْنُ شَدَّادٍ عَنْ يَحْيَى عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ جَهَّزَ غَازِيًا فَقَدْ غَزَا وَمَنْ خَلَفَ غَازِيًا فِي أَهْلِهِ بِخَيْرٍ فَقَدْ غَزَا


It was narrated that Zaid bin Khalid Al-Juhani said: "The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever equips a warrior has fought, and whoever looks after his family in his absence has fought.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩/২৮ অপছন্দনীয় কিছু দেখলে ওয়ায-নাসীহাত বা শিক্ষাপ্রদানের সময় রাগ করা।

৯১. যায়দ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাযি.) হতে বর্ণিত। জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে কুড়িয়ে পাওয়া জিনিস সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেনঃ তার বাঁধনের রশি অথবা বললেন, থলে-ঝুলি ভাল করে চিনে রাখ। অতঃপর এক বছর পর্যন্ত তার ঘোষণা দিতে থাক। তারপর (মালিক পাওয়া না গেলে) তুমি তা ব্যবহার কর। অতঃপর যদি এর প্রাপক আসে তবে তাকে তা দিয়ে দেবে। সে বলল, ‘হারানো উটের ব্যাপারে কী করতে হবে?’ এ কথা শুনে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এমন রাগ করলেন যে, তাঁর গাল দু’টো লাল হয়ে গেল। অথবা বর্ণণাকারী বলেন, তাঁর মুখমণ্ডল লাল হয়ে গেল। তিনি বললেনঃ ‘উট নিয়ে তোমার কী হয়েছে? তার তো আছে পানির মশক ও শক্ত পা। পানির নিকট যেতে পারে এবং গাছ খেতে পারে। কাজেই তাকে ছেড়ে দাও এমন সময়ের মধ্যে তার মালিক তাকে পেয়ে যাবে।’ সে বলল, ‘হারানো ছাগল পাওয়া গেলে?’ তিনি বললেন, ‘সেটি তোমার হবে, নাহলে তোমার ভাইয়ের, না হলে বাঘের।’ (২৩৭২, ২৪২৭, ২৪২৮, ২৪২৯, ২৪৩৬, ২৪৩৮, ৫২৯২, ৬১১২) (আধুনিক প্রকাশনীঃ ৯১, ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ৯১)

باب الْغَضَبِ فِي الْمَوْعِظَةِ وَالتَّعْلِيمِ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ بِلاَلٍ الْمَدِينِيُّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَأَلَهُ رَجُلٌ عَنِ اللُّقَطَةِ فَقَالَ ‏"‏ اعْرِفْ وِكَاءَهَا ـ أَوْ قَالَ وِعَاءَهَا ـ وَعِفَاصَهَا، ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً، ثُمَّ اسْتَمْتِعْ بِهَا، فَإِنْ جَاءَ رَبُّهَا فَأَدِّهَا إِلَيْهِ ‏"‏‏.‏ قَالَ فَضَالَّةُ الإِبِلِ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ ـ أَوْ قَالَ احْمَرَّ وَجْهُهُ ـ فَقَالَ ‏"‏ وَمَا لَكَ وَلَهَا مَعَهَا سِقَاؤُهَا وَحِذَاؤُهَا، تَرِدُ الْمَاءَ، وَتَرْعَى الشَّجَرَ، فَذَرْهَا حَتَّى يَلْقَاهَا رَبُّهَا ‏"‏‏.‏ قَالَ فَضَالَّةُ الْغَنَمِ قَالَ ‏"‏ لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ ‏"‏‏.‏

(28) Chapter: To be furious while preaching or teaching if one sees what one hates


Narrated Zaid bin Khalid Al-Juhani: A man asked the Prophet (ﷺ) about the picking up of a "Luqata" (fallen lost thing). The Prophet (ﷺ) replied, "Recognize and remember its tying material and its container, and make public announcement (about it) for one year, then utilize it but give it to its owner if he comes." Then the person asked about the lost camel. On that, the Prophet (ﷺ) got angry and his cheeks or his Face became red and he said, "You have no concern with it as it has its water container, and its feet and it will reach water, and eat (the leaves) of trees till its owner finds it." The man then asked about the lost sheep. The Prophet (ﷺ) replied, "It is either for you, for your brother (another person) or for the wolf."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. প্রথম অনুচ্ছেদ - জ্যোতিষীর গণনা

৪৫৯৬-[৫] যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, হুদায়বিয়ায় রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাত্রের বৃষ্টির পর ভোরে আমাদের ফজরের সালাত আদায় করালেন। সালাত শেষ করে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) লোকেদের (মুক্তাদীদের) দিকে ফিরে বললেনঃ তোমরা কি জানো, তোমাদের রব কি বলেছেন? তারা বলল : আল্লাহ ও তাঁর রসূলই অধিক জানেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, রব্ বলেছেনঃ আমার বান্দাগণ আজ এমন অবস্থায় ভোর করেছে যে, তাদের মধ্যে কেউ কেউ আমার প্রতি ঈমান পোষণকারী এবং কেউ কেউ আমাকে অস্বীকারকারী। যে বলেছে, আল্লাহর রহমত ও করুণায় আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে আমার প্রতি ঈমান পোষণকারী এবং তারকা বা নক্ষত্রে অস্বীকারকারী। আর যে বলেছে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমরা বৃষ্টি লাভ করেছি, সে আমার সাথে কুফরী করেছে এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাস করেছে। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ الْكِهَانَةِ

وَعَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ قَالَ: صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ عَلَى أَثَرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ: «هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ ربُّكم؟» قَالُوا: الله وَرَسُوله أعلم قَالَ: أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ فَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي كَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ وَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي وَمُؤمن بالكوكب

ব্যাখ্যাঃ (عَلٰى أَثَرِ سَمَاءٍ) অর্থাৎ বৃষ্টির পরে।

ইমাম নাবাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ এখানে আসমান অর্থ বৃষ্টি।

ইমাম খত্ত্বাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ ‘আরবরা বৃষ্টিকে سَمَاءٍ বা আসমান বলেন, কেননা বৃষ্টি আসমান থেকেই বর্ষিত হয়।

(مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا) অর্থাৎ একটি তারকা ডুবে যাওয়া এবং অন্যটি উদিত হওয়ার কারণে।

ইবনুল ‘আসীর (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ একে نَوْءِ নামে নামকরণ করা হয়েছে, কেননা পশ্চিমে একটি ডুবে যায় আর পূর্বে একটি উদিত হয়।

আবূ ‘উবায়দ (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ আমি এ জায়গায় ব্যতীত نَوْءِ-এর ব্যাপারে ডুবে যাওয়ার কথা শুনিনি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম نَوْءِ-এর ব্যাপারে কঠোর হয়েছেন, কারণ ‘আরবরা বৃষ্টি হওয়া না হওয়াকে তার সাথে সম্পৃক্ত করত। আর যারা বৃষ্টিকে আল্লাহর সাথে সম্পৃক্ত করত তারা বলত যে, (مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا) অর্থাৎ অমুক সময়ে আমরা বৃষ্টি পাব। আর এর লক্ষণ হলো এই। এটা জায়িয রয়েছে। অর্থাৎ মহান আল্লাহ বিধান জারী করেছেন যে, এই এই সময়ে বৃষ্টি হবে।

ইমাম নাবাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেনঃ কুফরীর ব্যাপারে তারা মতানৈক্য করেছেন, যারা বলে (مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا) ‘‘অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমরা বৃষ্টি পেয়েছি’’। তারা দু’ভাবে বিভক্ত হয়েছেন। তাদের একদল বলেন, এটি মহান আল্লাহর সাথে কুফরী। এটি ঈমানকে হরণ করে নেয়। এর দু’টি দিক আছে, প্রথমটি হলো যে মনে করে নক্ষত্র বৃষ্টি দিতে পারে। তার কুফরীর ব্যাপারে কোন সন্দেই নেই। এটি ইমাম শাফি‘ঈ (রহিমাহুল্লাহ) ও জামহূরদের মত।

আর দ্বিতীয় হলো আর যে এ বিশ্বাস রাখে যে, এটি মহান আল্লাহর পক্ষ থেকে তার অনুগ্রহে আসে। আর نَوْءِ হলো তার একটা চিহ্ন। আর বৃষ্টি নামার একটি ধারণা মাত্র। তবে সে কুফরীর মধ্যে পড়বে না। যেন সে এরূপ কথা বলল যে, مُطِرْنَا فِي وَقْتِ كَذَا আমরা অমুক সময়ে বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি। বাহ্যিকভাবে এটিও মাকরূহ। এটি একটি অস্পষ্ট বাক্য যা ঈমান ও কুফ্রের মাঝামাঝি। এরূপ ব্যক্তির সম্পর্কে খারাপ ধারণা জন্মে। আর এটি হলো জাহিলিয়্যাতের চিহ্ন। আর তাদের দ্বিতীয় দলের কথা হলো, মহান আল্লাহর নি‘আমাত অস্বীকার করা হয়। এর কারণ হলো নক্ষত্রের দিকে বৃষ্টিকে সম্পর্কিত করা। অন্য একটি বর্ণনা এ ব্যাখ্যাটিকে শক্তিশালী করে, তা হলো أَصْبَحَ مِنَ النَّاسِ شَاكِرًا وَكَافِرًا কতিপয় মানুষ সকাল করে শুকরিয়া বা কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করতে করতে ও কুফরী করতে করতে।

অন্য বর্ণনায় এসেছে- مَا أَنْعَمْتُ عَلٰى عِبَادِي مِنْ نِعْمَةٍ إِلَّا أَصْبَحَ فَرِيقٌ بِهَا كَافِرِينَ আর আমি আমার বান্দাদের ওপর যে নি‘আমাত দিয়েছি তা পেয়ে একদল সকাল করে কাফির অবস্থায়।

(‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৩৯০২; মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ওযূর ফযীলত

(৫৭০) যায়দ বিন খালেদ জুহানী (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যে ব্যক্তি সুন্দরভাবে ওযু করে, কোন ভুল না করে (একাগ্রচিত্তে) দুই রাকআত নামায পড়ে, সেই ব্যক্তির পূর্বেকার সমূদয় গোনাহ মাফ হয়ে যায়।

عَن زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِىِّ أَنَّ النَّبِىَّ ﷺ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لاَ يَسْهُو فِيهِمَا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. নবী (ﷺ)-এর বিতরের নামাযের বর্ণনা

রেওয়ায়ত ১২. যায়দ ইবন খালিদ জুহানি (রাঃ) বলিয়াছেনঃ (একবার মনে মনে ইচ্ছা পোষণ করিলাম) অবশ্যই রাসূলুল্লাহ দুই রাকাআত এর নামায কিরূপ হয় অদ্য রাত্রে আমি তাহা অবলোকন করিব। (এই মনস্থ করিয়া) আমি তাহার দরজায় অথবা তাঁবুতে ঠেস দিয়া বসিয়া রহিলাম; অতঃপর রাসূলুল্লাহ দুই রাকাআত দাঁড়াইলেন, আর দীর্ঘ- অনেক দীর্ঘ দুই রাকাআত নামায পড়িলেন, তারপর পূর্বের দুই রাকাআতের তুলনায় সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত পড়িলেন। তারপর দুই রাকাআত পড়িলেন পূর্বের দুই রাকাআত হইতে সংক্ষিপ্ত, তারপর দুই রাকাআত পড়িলেন, এই দুই রাকাআত পূর্বের দুই রাকাআত অপেক্ষা সংক্ষিপ্ত। তারপর পূর্বের দুই রাকাআতের তুলনায় সংক্ষিপ্ত দুই রাকাআত পড়িলেন। সর্বশেষ বিতর পড়িলেন-এই হইল তের রাকাআত।

بَاب صَلَاةِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي الْوِتْرِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ قَيْسِ بْنِ مَخْرَمَةَ أَخْبَرَهُ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ لَأَرْمُقَنَّ اللَّيْلَةَ صَلَاةَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فَتَوَسَّدْتُ عَتَبَتَهُ أَوْ فُسْطَاطَهُ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ طَوِيلَتَيْنِ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَهُمَا دُونَ اللَّتَيْنِ قَبْلَهُمَا ثُمَّ أَوْتَرَ فَتِلْكَ ثَلَاثَ عَشْرَةَ رَكْعَةً


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr from his father that Abdullah ibn Qays ibn Makhrama told him that Zayd ibn Khalid al-Juhani said one night that he was going to observe the prayer of the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace. He said, "I rested my head on his threshold. The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, got up and prayed two long, long, long rakas. Then he prayed two rakas which were slightly less long than the two before them. Then he prayed two rakas which were slightly less long than the two before them. Then he prayed two rakas which were slightly less long than the two before them. Then he prayed two rakas which were slightly less long than the two before them. Then he prayed two rakas which were slightly less long than the two before them. Then he prayed an odd raka, making thirteen rakas in all."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. নক্ষত্রের সাহায্যে বৃষ্টি প্রার্থনা

রেওয়ায়ত ৪. যায়দ ইবন খালিদ জুহানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, হুদায়বিয়ায় রাত্রে বৃষ্টি হইয়াছিল ও উহার চিহ্ন সকালেও বিদ্যমান ছিল, সেই অবস্থায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদিগকে ফজরের নামায পড়াইলেন। যখন নামায সমাপ্ত করিলেন, তখন পবিত্র মুখমণ্ডল লোকের দিকে করিলেন এবং বলিলেনঃ তোমরা অবগত আছ কি তোমাদের প্রভু কি বলিয়াছেন? তাহারা বলিলেনঃ আল্লাহ্ ও তাঁহার রসূল অধিক অবগত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেনঃ (আল্লাহ) বলিয়াছেন, আমার বান্দাদের মধ্য হইতে কিছুসংখ্যক লোক প্রভাত করিয়াছে আমার প্রতি ঈমান (বিশ্বাস) রাখিয়া, আর (কিছুসংখ্যক) প্রভাত করিয়াছে আমার সাথে কুফরী করিয়া। যে বলিয়াছে, আল্লাহ্‌র অনুগ্রহ ও রহমতে আমাদের প্রতি বৃষ্টি বর্ষিত হইয়াছে, সে আমার প্রতি মুমিন রহিয়াছে, আর নক্ষত্রের প্রতি অস্বীকারী হইয়াছে। আর যে বলিয়াছে, অমুক নক্ষত্রের দ্বারা বৃষ্টি বর্ষিত হইয়াছে, সে আমার প্রতি অস্বীকারকারী হইয়াছে এবং নক্ষত্রের প্রতি বিশ্বাসী হইয়াছে।

بَاب الْاسْتِمْطَارِ بِالنُّجُومِ

حَدَّثَنِي يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ بْنِ مَسْعُودٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ عَلَى إِثْرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنْ اللَّيْلِ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ أَتَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ قَالُوا اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ قَالَ أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ بِي فَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي كَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ وَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي مُؤْمِنٌ بِالْكَوْكَبِ


Yahya related to me from Malik from Salih ibn Kaysan from Ubaydullah ibn Abdullah ibn Utba ibn Masud that Zayd ibn Khalid al- Juhani said, "The Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, took the subh prayer with us at Hudaybiyya after it had rained in the night. When he had finished he went up to the people and said, 'Do you know what your Lord has said?' They said, 'Allah and His Messenger know best.' He said, 'Some of my slaves have begun the morning believing in Me, and others have begun it rejecting Me. As for those who say, 'We were rained on by the overflowing favour of Allah and His mercy,' they believe in Me and reject the stars. But as for those who say, 'We were rained on by such and such a star, they reject Me and believe in the stars.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩. গনীমতের সম্পদ হইতে চুরি করা

রেওয়ায়ত ২৩. যাইদ ইবন খালিদ জুহানী (রহঃ) বলিয়াছেন, হুনায়নের জিহাদে এক ব্যক্তি মারা যায়। অন্যরা রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে আসিয়া এই সংবাদ জানাইলে তিনি বলিলেনঃ তোমরা তোমাদের এই সঙ্গীর জানাযা পড়িয়া নাও। এই কথা শুনিয়া সকলের মুখ ফ্যাকাশে হইয়া গেল। কারণ মৃত ব্যক্তির কোন দোষের কারণেই হয়ত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায পড়াইতে অস্বীকার করিতেছেন। যাইদ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তখন বলিয়াছিলেন, এই ব্যক্তি গনীমত হইতে চুরি করিয়া কিছু নিয়া গিয়াছিল। যাইদ (রাঃ) বলেনঃ আমরা ঐ ব্যক্তির আসবাবপত্র খুলিয়া উহাতে ইহুদীদের পুতি হইতে সামান্য কয়েকটি পুতি পাইলাম, দুই দিরহাম পরিমাণ যাহার মূল্য হইবে।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْغُلُولِ

وَحَدَّثَنِي عَنْ مَالِك عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ قَالَ تُوُفِّيَ رَجُلٌ يَوْمَ حُنَيْنٍ وَإِنَّهُمْ ذَكَرُوهُ لِرَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَزَعَمَ زَيْدٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ فَتَغَيَّرَتْ وُجُوهُ النَّاسِ لِذَلِكَ فَزَعَمَ زَيْدٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ إِنَّ صَاحِبَكُمْ قَدْ غَلَّ فِي سَبِيلِ اللَّهِ قَالَ فَفَتَحْنَا مَتَاعَهُ فَوَجَدْنَا خَرَزَاتٍ مِنْ خَرَزِ يَهُودَ مَا تُسَاوِينَ دِرْهَمَيْنِ


Yahya related to me from Malik from Yahya ibn Said from Muhammad ibn Yahya ibn Habban from Ibn Abi Amra that Zayd ibn Khalid al-Juhani said, "A man died on the day of Hunayn, and they mentioned him to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace." Zayd claimed that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "You pray over your companion." (i.e. he would not pray himself). The people's faces dropped at that. Zayd claimed that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Your companion stole from the spoils taken in the way of Allah." Zayd said, "So we opened up his baggage and found some Jews' beads worth about two dirhams."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. সাক্ষ্য প্রদান

রেওয়ায়ত ৩. যায়দ ইবন খালেদ জুহানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত আছে যে, রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, আমি কি তোমাদিগকে সর্বোত্তম সাক্ষীর কথা বলিব? তাহা হইল, যে জিজ্ঞাসা করার পূর্বেই সাক্ষ্য প্রদান করে অথবা যে সাক্ষ্য প্রদান করে তাহাকে জিজ্ঞাসা করার পূর্বেই।

بَاب مَا جَاءَ فِي الشَّهَادَاتِ

حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ مَالِك عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أَبِي عَمْرَةَ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلَا أُخْبِرُكُمْ بِخَيْرِ الشُّهَدَاءِ الَّذِي يَأْتِي بِشَهَادَتِهِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا أَوْ يُخْبِرُ بِشَهَادَتِهِ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا


Yahya related to me from Malik from Abdullah ibn Abi Bakr ibn Muhammad ibn Amr ibn Hazm from his father from Abdullah ibn Amr ibn Uthman from Abu Amra al-Ansari from Zayd ibn Khalid al-Juhani that the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, said, "Shall I not tell you who is the best of witnesses? The one who brings his testimony before he is asked for it, or tells his testimony before he is asked for it."


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. লুকতা অর্থাৎ কোথাও পাওয়া জিনিসের ফয়সালা

রেওয়ায়ত ৪৬. যায়দ ইবন খালেদ জুহানী (রাঃ) হইতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলায়হি ওয়া সাল্লামের নিকট আসিয়া কোথাও পাওয়া জিনিস সম্বন্ধে প্রশ্ন করিলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তাহার পাত্রটি চিনিয়া রাখ এবং তাহার বন্ধনও চিনিয়া রাখ, অতঃপর এক বৎসর পর্যন্ত মানুষের কাছে ঘোষণা করিতে থাক। যদি মালিক পাওয়া যায় তবে ফেরত দিয়া দাও; অন্যথায় তুমি নিজে ব্যবহার করিতে পার। সে বলিল, যদি ছাড়া ছাগল পাওয়া যায় তবুও। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলিলেন, তাহা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের কিংবা বাঘের হইবে। সে পুনরায় জিজ্ঞাসা করিল, যদি ছাড়া উট পাওয়া যায় তবে কি করিব? রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, সে উটের সাথে তোমার কি সম্পর্ক তাহার সাথে পান করার মতো পানি আছে এবং তাহার পা আছে যেখানে খুশী পানি পান করিয়া লইবে। গাছের পাতা খাইবে। শেষ পর্যন্ত তাহার মালিক উহা পাইয়া ফেলিবে।

بَاب الْقَضَاءِ فِي اللُّقَطَةِ

حَدَّثَنِي مَالِك عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ يَزِيدَ مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَسَأَلَهُ عَنْ اللُّقَطَةِ فَقَالَ اعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا وَإِلَّا فَشَأْنَكَ بِهَا قَالَ فَضَالَّةُ الْغَنَمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ هِيَ لَكَ أَوْ لِأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ قَالَ فَضَالَّةُ الْإِبِلِ قَالَ مَا لَكَ وَلَهَا مَعَهَا سِقَاؤُهَا وَحِذَاؤُهَا تَرِدُ الْمَاءَ وَتَأْكُلُ الشَّجَرَ حَتَّى يَلْقَاهَا رَبُّهَا


Malik related to me from Rabia ibn Abi Abd ar-Rahman from Yazid, the mawla of al-Munbaith that Zayd ibn Khalid al-Juhani said, "A man came to the Messenger of Allah, may Allah bless him and grant him peace, and asked him about finds. He said, 'Memorize the characteristics of the object found, then publicise it for a year. If the owner comes, give it to him. If not, then it is your business.' He said, 'What about lost sheep, Messenger of Allah?' He said, 'They are yours, your brother's or the wolf's.' He said, 'And the lost camel?' He said, 'It's none of your concern. It has its water and its feet. It will reach water and eat trees until its owner finds it.' "


হাদিসের মানঃ তাহকীক অপেক্ষমাণ
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৬: তারকার সাহায্যে বৃষ্টি কামনা অপছন্দনীয়

১৫২৫. কুতায়বাহ (রহ.) ..... যায়দ ইবনু খালিদ আল জুহানী (রা) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার নবী (সা.) -এর যুগে মানুষদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হলো। তখন তিনি বললেন, তোমরা কি শুনতে পাওনি তোমাদের রব গতরাতে কি বলেছিলেন? তিনি বলেছিলেন, আমি আমার বান্দাদের কোন নি'আমাত দান করলে তাদের একদল ঐ নি'আমাতের অস্বীকারকারী হয়ে যায়। তারা বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে। অতএব, যারা আমার ওপর ঈমান এনেছে এবং আমার বৃষ্টি দেয়ার কারণে আমার প্রশংসা করছে, প্রকৃতপক্ষে তারাই আমার ওপর ঈমান এনেছে। আর নক্ষত্রের প্রভাবকে অস্বীকার করছে। আর যারা বলে, অমুক অমুক নক্ষত্রের প্রভাবে আমাদের ওপর বৃষ্টি বর্ষিত হয়েছে। তারাই আমাকে অস্বীকার করছে এবং নক্ষত্রের প্রভাবের উপর বিশ্বাস স্থাপন করছে।

باب كَرَاهِيَةِ الاِسْتِمْطَارِ بِالْكَوْكَبِ

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، ‏‏‏‏‏‏قال:‏‏‏‏ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، ‏‏‏‏‏‏عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ،‏‏‏‏ قَالَ:‏‏‏‏ مُطِرَ النَّاسُ عَلَى عَهْدِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ:‏‏‏‏ أَلَمْ تَسْمَعُوا مَاذَا قَالَ رَبُّكُمُ اللَّيْلَةَ،‏‏‏‏ قَالَ:‏‏‏‏ مَا أَنْعَمْتُ عَلَى عِبَادِي مِنْ نِعْمَةٍ إِلَّا أَصْبَحَ طَائِفَةٌ مِنْهُمْ بِهَا كَافِرِينَ، ‏‏‏‏‏‏يَقُولُونَ:‏‏‏‏ مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا، ‏‏‏‏‏‏فَأَمَّا مَنْ آمَنَ بِي وَحَمِدَنِي عَلَى سُقْيَايَ فَذَاكَ الَّذِي آمَنَ بِي وَكَفَرَ بِالْكَوْكَبِ، ‏‏‏‏‏‏وَمَنْ قَالَ:‏‏‏‏ مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَاكَ الَّذِي كَفَرَ بِي وَآمَنَ بِالْكَوْكَبِ .

تخریج دارالدعوہ: صحیح البخاری/الأذان ۱۵۶ (۸۴۶)، الاستسقاء ۲۸ (۱۰۳۸)، المغازي ۳۵ (۴۱۴۷)، التوحید ۳۵ (۷۵۰۳)، صحیح مسلم/الإیمان ۳۲ (۷۱)، سنن ابی داود/الطب ۲۲ (۳۹۰۶)، (تحفة الأشراف: ۳۷۵۷)، موطا امام مالک/الاستسقاء ۳ (۴)، مسند احمد ۴/۱۱۵، ۱۱۶، ۱۱۷ (صحیح)

صحيح وضعيف سنن النسائي الألباني: حديث نمبر 1526 - صحيح

It is Makruh to attribute rain to the stars


It was narrated that Zaid bin Khalid Al-Juhani said: It rained during the time of the Prophet (ﷺ) and he said: 'Have you nt heard what your Lord said this night? He said: I have never sent down any blessing upon My slaves but some of them become disbelievers thereby, saying: 'We have been given rain by such and such a star.' As for the one who believes in Me and praises Me for giving rain, that is the one who believes in Me and disbelieves in the stars. But the one who says: 'We have been given rain by such and such a star' he has disbelieved in Me and believed in the stars.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ আরবরা তাদের ভাষায় কোন জিনিসের নিকটবর্তী হওয়ার কারণে তার নাম এর সাথে সম্পৃক্ত করে দেয় আবার কোন জিনিসের কামালিয়াত থেকে কমতি থাকার কারণে তার ক্ষেত্রে ঐ নাম ব্যবহার করাকে নাকচ করে- এই ব্যাপারে বিবরণ

১৮৮. যাইদ বিন খালিদ আল জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: ’রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদের নিয়ে হুদাইবিয়ায় ফজরের সালাত আদায় করেন। এর আগে রাতে বৃষ্টি হয়েছিল। রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম যখন সালাম ফিরালেন, তখন তিনি মানুষদের মুখোমুখি হয়ে বললেন: ’তোমরা কি জানো তোমাদের প্রতিপালক কী বলেছেন?’ সাহাবাগণ বললেন: ’আল্লাহ ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামই ভাল জানেন।’ তিনি বলেন, তোমাদের প্রতিপালক বলেছেন: ’আজকে আমার বান্দাদের কতেক আমার প্রতি বিশ্বাসী আর কতেক অবিশ্বাসী হয়ে সকাল করেছে। যারা বলেছে যে, ’আল্লাহর দয়া ও অনুগ্রহের বদৌলতে আমাদের বৃষ্টি দেওয়া হয়েছে, তারা আমার প্রতি বিশ্বাসী ও গ্রহ-নক্ষত্রের (প্রভাবের) প্রতি অবিশ্বাসী। আর যারা বলেছে যে, ’আমাদেরকে ওমুক, ওমুক নক্ষত্রের কারণে বৃষ্টি দেওয়া হয়েছে, তারা আমার প্রতি অবিশ্বাসী ও গ্রহ-নক্ষত্রের (প্রভাবের) প্রতি বিশ্বাসী।’[1]

ذِكْرُ الْبَيَانِ بِأَنَّ الْعَرَبَ فِي لُغَتِهَا تُضِيفُ الِاسْمَ إِلَى الشَّيْءِ لِلْقُرْبِ مِنَ التَّمَامِ وَتَنْفِي الِاسْمَ عَنِ الشَّيْءِ لِلنَّقْصِ عَنِ الْكَمَالِ

أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ قَالَ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ صَالِحِ بْنِ كَيْسَانَ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ فِي إِثْرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلِ فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ: "هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ؟ " قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ قَالَ: "أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ فَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وبرحمته فذلك مؤمن بِي كَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ وَأَمَّا مَنْ قَالَ مُطِرْنَا بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي مُؤْمِنٌ بالكواكب.
الراوي : زَيْد بْن خَالِدٍ الْجُهَنِيّ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 188 | خلاصة حكم المحدث: صحيح.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ইসলামের প্রথম যুগে স্ত্রী মিলনের পর বীর্যপাত না হলে, গোসল ছাড়া যা করা জরুরী ছিল

১১৬৯. যাইদ বিন খালিদ আল জুহানী থেকে বর্ণিত, তিনি উসমান বিন আফ্ফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে জিজ্ঞেস করেন ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে তার স্ত্রীর সাথে মিলন করে কিন্তু বীর্যপাত হয়না (তার বিধান কী, তাকে গোসল করতে হবে কী)?” জবাবে তিনি বলেন, “তার উপর গোসল আবশ্যক নয়।” তারপর তিনি বলেন, “আমি রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এটা বলতে শুনেছি।”

রাবী বলেন, “তারপর আমি আলী বিন আবী তালিব, যুবাইর বিন আওয়াম, তালহা বিন উবাইদুল্লাহ এবং ‍উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম প্রমুখ সাহাবীদের জিজ্ঞেস করেছি, তাঁরাও অনুরুপ কথাই বলেছেন।”

আবূ সালামা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমাকে হাদীস বর্ণনা করেছেন উরওয়া বিন যুবাইর এই মর্মে যে, তিনি আবূ আইয়্যূব আল আনসারী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে এই ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে, তিনিও নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম থেকে অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেন।”[1]


উল্লেখ্য যে, ইসলামের প্রথম যুগে স্ত্রী সহবাস করার পর ‍যদি বীর্যপাত না হতো , তাহলে গোসল করার বাধ্যবাধকতা ছিল না। পরবর্তীতে এই বিধান রহিত করা হয়। পরবর্তী বিধানে পুরুষের লিঙ্গের অগ্রভাগ নারীদেহে প্রবেশ করলেই গোসল ফরযের বিধান দেওয়া হয়, বীর্যপাত হোক অথবা না হোক। কিন্তু রহিতকারী পরিবর্তিত বিধান অনেক সাহাবীই জানতেন না। যার ফলে তাঁরা আগের বিধান মতেই ফাতাওয়া দিয়েছেন। বক্ষ্যমান হাদীসটি সেটাই প্রমান করে। রহিত হওয়ার ব্যাপারে আয়েশা বর্ণিত হাদীসে আছে:

عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنِ الرَّجُلِ يُجَامِعُ، فَلَا يُنْزِلُ الْمَاءَ، قَالَتْ: فَعَلْتُ أَنَا وَرَسُولُ اللَّهِ، صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ، فَاغْتَسَلْنَا مِنْهُ جميعا.

আয়েশা রাদ্বিয়াল্লাহু তা‘আলা আনহাকে জিজ্ঞেস করা হয় ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাস করে কিন্তু বীর্যপাত হয়না, তার গোসল করতে হবে কিনা, জবাবে তিনি বলেন: আমি ও আল্লাহর রাসূল এমনটা করে আমরা গোসল করেছি।” (সহীহ ইবনু হিব্বান: ১১৭৬; তিরমিযী: ১০৮; ইবনু মাজাহ: ৬০৮, হাদীস সহীহ।)

ذِكْرُ مَا كَانَ عَلَى مَنْ أَكْسَلَ فِي أَوَّلِ الْإِسْلَامِ سِوَى الِاغْتِسَالِ مِنَ الْجَنَابَةِ

1169 - أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَاقَ بْنِ خُزَيْمَةَ قَالَ: حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ عِيسَى الْبِسْطَامِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا عَبْدُ الصَّمَدِ بْنُ عَبْدِ الْوَارِثِ قَالَ: حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ: حَدَّثَنَا حُسَيْنٌ الْمُعَلِّمُ قَالَ: حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ أَبِي كَثِيرٍ أَنَّ أَبَا سَلَمَةَ حَدَّثَهُ أَنَّ عَطَاءَ بْنَ يَسَارٍ حَدَّثَهُ أَنَّ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ سَأَلَ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ عَنِ الرَّجُلِ يُجَامِعُ فَلَا يُنْزِلُ فَقَالَ: لَيْسَ عَلَيْهِ غُسْلٌ
ثُمَّ قَالَ عُثْمَانُ: سَمِعْتُهُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: فَسَأَلْتُ بَعْدَ ذَلِكَ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ وَالزُّبَيْرَ بْنَ الْعَوَّامِ وَطَلْحَةَ بْنَ عُبَيْدِ اللَّهِ وَأُبَيَّ بْنَ كَعْبٍ فَقَالُوا مِثْلَ ذَلِكَ.
قَالَ أَبُو سَلَمَةَ: وَحَدَّثَنِي عُرْوَةُ بْنُ الزُّبَيْرِ أَنَّهُ سَأَلَ أَبَا أَيُّوبَ فَقَالَ مِثْلَ ذَلِكَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وسلم.
الراوي : زَيْد بْن خَالِدٍ الْجُهَنِيّ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 1169 | خلاصة حكم المحدث: صحيح.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ নসীহত করার সময় অপছন্দনীয় বিষয়ের প্রতি রাগান্বিত হওয়া

৮০) যায়েদ বিন খালেদ আল-জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ জনৈক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে হারানো বস্ত্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তুমি থলির মুখ বাঁধার রশি অথবা তিনি বললেনঃ থলি ও পাত্র ভালভাবে চিনে রাখো। তারপর এক বছর পর্যন্ত ঘোষণা করো। এক বছর ঘোষণা করার পর যদি মালিককে খুঁজে না পাওয়া যায় তাহলে তুমি উহা ব্যবহার করো। পরে যদি মালিক এসে যায় তাহলে তার সম্পদ ফেরত দাও। লোকটি বললঃ হারানো উট সম্পর্কে আপনি কী বলেন? এই কথা শুনে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম রাগান্বিত হয়ে গেলেন। এমনকি তাঁর চেহারা মোবারক লাল হয়ে গেল। উটের ব্যাপারে জিজ্ঞেস করে তোমার লাভ কি? তার সাথে রয়েছে পানির মশক এবং তার পায়ে রয়েছে জুতা। (অর্থাৎ উট কয়েক দিনের পানি পেটের ভিতরে মতান্তরে কুঁজের মধ্যে সংরক্ষণ করে রাখতে পারে এবং এর পা খুব শক্ত। তাই দীর্ঘক্ষণ পথ চলতে তার কোন অসুবিধা হবেনা। তাই (প্রয়োজনে) সে নিজেই পানির ঘাটে গিয়ে পানি পান করবে এবং গাছের পাতা ভক্ষণ করবে। কাজেই উটকে তার অবস্থায় ছেড়ে দাও। তার মালিক তাকে খুঁজে নিবে। লোকটি এবার প্রশ্ন করলঃ হারানো ছাগলের কি হবে? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ এটি তোমার জন্য অথবা তোমার ভাইয়ের জন্য অথবা চিতা বাঘের জন্য।

باب الْغَضَبِ فِي الْمَوْعِظَةِ وَالتَّعْلِيمِ إِذَا رَأَى مَا يَكْرَهُ

৮০ـ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ : أَنَّ النَّبِيَّ سَأَلَهُ رَجُلٌ عَنِ اللُّقَطَةِ، فَقَالَ اعْرِفْ وِكَاءَهَا أَوْ قَالَ وِعَاءَهَا وَعِفَاصَهَا، ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً، ثُمَّ اسْتَمْتِعْ بِهَا، فَإِنْ جَاءَ رَبُّهَا فَأَدِّهَا إِلَيْهِ. قَالَ: فَضَالَّةُ الإِبِلِ؟ فَغَضِبَ حَتَّى احْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ، أَوْ قَالَ: احْمَرَّ وَجْهُهُ، فَقَالَ وَمَا لَكَ وَلَهَا مَعَهَا سِقَاؤُهَا وَحِذَاؤُهَا، تَرِدُ الْمَاءَ وَتَرْعَى الشَّجَرَ، فَذَرْهَا حَتَّى يَلْقَاهَا رَبُّهَا. قَالَ: فَضَالَّةُ الْغَنَمِ؟ قَالَ لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ. (بخارى:৯১)

To be furious while preaching or teaching if one sees what one hates


Narrated Zaid bin Khalid Al-Juhani: A man asked the Prophet (ﷺ) about the picking up of a "Luqata" (fallen lost thing). The Prophet (ﷺ) replied, "Recognize and remember its tying material and its container, and make public announcement (about it) for one year, then utilize it but give it to its owner if he comes." Then the person asked about the lost camel. On that, the Prophet (ﷺ) got angry and his cheeks or his Face became red and he said, "You have no concern with it as it has its water container, and its feet and it will reach water, and eat (the leaves) of trees till its owner finds it." The man then asked about the lost sheep. The Prophet (ﷺ) replied, "It is either for you, for your brother (another person) or for the wolf."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ সালাম ফিরানোর পর ইমাম মুক্তাদীগণের দিকে মুখ ফিরিয়ে বসবে

৪৭৫) যায়েদ বিন খালেদ জুহানী (রাঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ একদা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হুদায়বিয়াতে রাতে বৃষ্টির পর ভোরে আমাদেরকে নিয়ে ফজরের নামায আদায় করলেন। নামায শেষে তিনি মানুষের দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেনঃ তোমরা কি জান তোমাদের মহাপরাক্রমশালী ও মর্যাদাবান প্রভু কি বলেছেন? তাঁরা বললেনঃ আল্লাহ এবং তাঁর রাসূলই অধিক জানেন। তিনি বললেনঃ আল্লাহ বলেছেনঃ আজকে আমার বান্দাদের মধ্যে কিছু লোক মু’মিন এবং কিছু লোক কাফের হয়ে গেল। যে বললঃ আল্লাহর অনুগ্রহ ও করুণায় আমরা বৃষ্টিপ্রাপ্ত হয়েছি সে আমার প্রতি ঈমান পোষণকারী এবং তারকারাজির (প্রভাবের) বিরোধিতাকারী। আর যে বললঃ অমুক অমুক তারকার কারণে আমরা বৃষ্টি প্রাপ্ত হয়েছি সে আমার প্রতি অবিশ্বাস পোষণকারী এবং তারকারাজির (প্রভাবের) উপর বিশ্বাস স্থাপনকারী।

باب يَسْتَقْبِلُ الإِمَامُ النَّاسَ إِذَا سَلَّمَ

৪৭৫ـ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ: صَلَّى لَنَا رَسُولُ اللَّهِ صَلاةَ الصُّبْحِ بِالْحُدَيْبِيَةِ، عَلَى إِثْرِ سَمَاءٍ كَانَتْ مِنَ اللَّيْلَةِ، فَلَمَّا انْصَرَفَ أَقْبَلَ عَلَى النَّاسِ فَقَالَ هَلْ تَدْرُونَ مَاذَا قَالَ رَبُّكُمْ؟ قَالُوا: اللَّهُ وَرَسُولُهُ أَعْلَمُ. قَالَ أَصْبَحَ مِنْ عِبَادِي مُؤْمِنٌ بِي وَكَافِرٌ، فَأَمَّا مَنْ قَالَ: مُطِرْنَا بِفَضْلِ اللَّهِ وَرَحْمَتِهِ، فَذَلِكَ مُؤْمِنٌ بِي، وَكَافِرٌ بِالْكَوْكَبِ، وَأَمَّا مَنْ قَالَ: بِنَوْءِ كَذَا وَكَذَا، فَذَلِكَ كَافِرٌ بِي، وَمُؤْمِنٌ بِالْكَوْكَبِ. (بخارى:৮৪৬)

The Imam should face the followers after finishing the prayer with Taslim.


Narrated Zaid bin Khalid Al-Juhani: The Prophet (ﷺ) led us in the Fajr prayer at Hudaibiya after a rainy night. On completion of the prayer, he faced the people and said, "Do you know what your Lord has said (revealed)?" The people replied, "Allah and His Apostle know better." He said, "Allah has said, 'In this morning some of my slaves remained as true believers and some became non-believers; whoever said that the rain was due to the Blessings and the Mercy of Allah had belief in Me and he disbelieves in the stars, and whoever said that it rained because of a particular star had no belief in Me but believes in that star.' "


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩) ওযুর পর দু'রাকাআত সালাত পড়ার প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ

২২৮. (সহীহ) যায়েদ বিন খালেদ আল জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেনঃ ’’যে ব্যাক্তি ওযু করে এবং সুন্দরভাবে তা সম্পাদন করে, অতঃপর এমনভাবে দু’রাকাআত সালাত আদায় করে যে তাতে কোন প্রকার ত্রুটি করে না, তবে তার পূর্বকৃত পাপরাশি ক্ষমা করে দেয়া হবে।’’

(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ৯০৫)

الترغيب في ركعتين بعد الوضوء

(حسن صحيح) وَعَنْ زيد بن خالد الْجُهَنِيِّ أنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الوُضُوءَهُ ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لَا يَسْهُو فِيهِمَا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ [ذَنْبِهِ] رواه أبو داود


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪) সাধারণ ভাবে নামাযের প্রতি উদ্বুদ্ধকরণ, রুকু, সেজদা এবং বিনয় নম্রতার ফযীলত

৩৯৪. (হাসান ছহীহ্) যায়দ বিন খালেদ জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসুলুল্লাহ (সালাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেনঃ ’’যে ব্যক্তি ওযু করবে এবং ওযুকে সুন্দররূপে সম্পাদন করবে। তারপর দু’রাকাআত নামায আদায় করবে, তাতে কোন ভুল করবে না, তবে তার পূর্বের সকল গুনাহ ক্ষমা করা হবে।’’

(হাদীছটি বর্ণনা করেছেন আবু দাউদ ৯০৫) তাঁর আরেক বর্ণনায়ঃ[1]


مَا مِنْ أَحَدٍ يَتَوَضَّأُ فَيُحْسِنُ الْوُضُوءَ وَيُصَلِّي رَكْعَتَيْنِ يُقْبِلُ بِقَلْبِهِ وَوَجْهِهِ عَلَيْهِمَا إِلَّا وَجَبَتْ لَهُ الْجَنَّةُ

’’যে কেউ ওযু করবে- তার ওযুকে সুন্দরূপে সম্পাদন করবে এবং দু’রাকাআত নামায আদায় করবে, তাতে নিজের অন্তর ও মুখমণ্ডল কে  নামাযের প্রতি নিবিষ্ট রাখবে (অর্থাৎ- অন্তরের একাগ্রতা ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের স্থীরতা সহকারে নামায পড়বে), তার জন্যে জান্নাত আবশ্যক হয়ে যাবে।’’ (আবূ দাউদ ৯০৬)

الترغيب في الصلاة مطلقا وفضل الركوع والسجود والخشوع

) (حسن صحيح ) وَ عَنْ زَيْدِ بن خَالِدٍ الجهني رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ أنَّ رَسُوْلَ اللهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ : مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ وُضُوءَهُ ، ثُمَّ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ لا يَسْهُوَ فِيهِمَا غُفِرَ لَهُ مَا تَقَدَّمَ مِنْ ذَنْبِهِ. رواه أبو داود


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ যায়েদ ইবনু খালিদ আল-জুহানী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১৯ পর্যন্ত, সর্বমোট ১৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে