নিশ্চয় এতে রয়েছে নিদর্শন, আর তাদের বেশীর ভাগ মুমিন ছিল না। আল-বায়ান
অবশ্যই এতে নিদর্শন আছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। তাইসিরুল
এতে অবশ্যই রয়েছে নিদর্শন, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়। মুজিবুর রহমান
Indeed in that is a sign, but most of them were not to be believers. Sahih International
১২১. এতে তো অবশ্যই নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই ঈমানদার নয়।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২১) এতে অবশ্যই রয়েছে নিদর্শন, কিন্তু ওদের অধিকাংশই বিশ্বাসী নয়।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ানআর নিশ্চয় তোমার রব, তিনি তো মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। আল-বায়ান
তোমার প্রতিপালক, অবশ্যই তিনি প্রবল পরাক্রান্ত, পরম দয়ালু। তাইসিরুল
এবং তোমার রাব্ব, তিনিতো পরাক্রমশালী, দয়ালু। মুজিবুর রহমান
And indeed, your Lord - He is the Exalted in Might, the Merciful. Sahih International
১২২. আর আপনার রব, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২২) আর নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক, তিনিই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘আদ জাতি রাসূলগণকে অস্বীকার করেছিল, আল-বায়ান
‘আদ সম্প্রদায় রসূলগণকে মিথ্যে সাব্যস্ত করেছিল। তাইসিরুল
‘আদ সম্প্রদায় রাসূলদেরকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করেছিল। মুজিবুর রহমান
'Aad denied the messengers Sahih International
১২৩. আদ সম্প্রদায় রাসূলদের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিল।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৩) আ’দ সম্প্রদায় রসূলগণকে মিথ্যাজ্ঞান করেছিল। [1]
[1] আ’দ তাদের প্রপিতামহের নাম। যার নামেই জাতির নাম পড়ে গেছে। এখানে আ’দকে قَبِيلَة কল্পনা করে كَذَّبَت স্ত্রীলিঙ্গ ক্রিয়া ব্যবহার করা হয়েছে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ানযখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলেছিল, ‘তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না’? আল-বায়ান
যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বলল- ‘তোমরা কি (আল্লাহকে) ভয় করবে না? তাইসিরুল
যখন তাদের ভাই হুদ তাদেরকে বললঃ তোমরা কি সাবধান হবেনা? মুজিবুর রহমান
When their brother Hud said to them, "Will you not fear Allah? Sahih International
১২৪. যখন তাদের ভাই হূদ তাদেরকে বললেন, তোমরা কি তাকওয়া অবলম্বন করবে না?
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৪) যখন ওদের ভাই হূদ[1] ওদেরকে বলল, ‘তোমরা কি সাবধান হবে না?
[1] হূদ (আঃ)-কেও আ’দ জাতির ভাই বলা হয়েছে। কারণ, প্রত্যেক নবী সেই জাতির একজন সদস্য হয়ে থাকেন, যাদের নিকট তাঁকে নবী হিসাবে পাঠানো হয়। আর সেই কারণেই তাঁকে তাদের ভাই বলে অভিহিত করা হয়েছে। যেমন পরে আসবে; পরন্তু নবী ও রসূলদের মানুষ হওয়াটাই তাঁদের জাতির ঈমান আনার পথে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। তাদের ধারণা মতে নবী মানুষ নয় বরং মানুষের ঊর্ধ্বে অন্য কিছু হওয়া দরকার। আজও এই স্বস্বীকৃত সত্য সম্বন্ধে অজ্ঞ লোকেরা ইসলামের নবী মুহাম্মাদ (সাঃ)-কেও মানুষের ঊর্ধ্বে অন্য কিছু বুঝানোর অপচেষ্টায় ব্যস্ত। যদিও তিনি কুরাইশ বংশের একজন ছিলেন, যাদের নিকট তাঁকে প্রথম নবী করে পাঠানো হয়েছিল।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘নিশ্চয় আমি তোমাদের জন্য একজন বিশ্বস্ত রাসূল’। আল-বায়ান
আমি তোমাদের জন্য (প্রেরিত) এক বিশ্বস্ত রসুল। তাইসিরুল
আমি তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল। মুজিবুর রহমান
Indeed, I am to you a trustworthy messenger. Sahih International
১২৫. আমি তো তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রাসূল।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৫) আমি অবশ্যই তোমাদের জন্য এক বিশ্বস্ত রসূল।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘সুতরাং আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর’। আল-বায়ান
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। তাইসিরুল
অতএব আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর। মুজিবুর রহমান
So fear Allah and obey me. Sahih International
১২৬. অতএব তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৬) অতএব আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘আর এর উপর আমি তোমাদের কাছে কোন পারিশ্রমিক চাই না; আমার প্রতিদান কেবল সৃষ্টিকুলের রবের নিকট’। আল-বায়ান
আর এ জন্য আমি তোমাদের কাছে কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান আছে কেবল বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট। তাইসিরুল
আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোন প্রতিদান চাইনা, আমার পুরস্কারতো জগতসমূহের রবের নিকট রয়েছে। মুজিবুর রহমান
And I do not ask you for it any payment. My payment is only from the Lord of the worlds. Sahih International
১২৭. আর আমি তোমাদের কাছে এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার পুরস্কার তো সৃষ্টিকুলের রব-এর কাছেই।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৭) আমি তোমাদের নিকট এর জন্য কোন প্রতিদান চাই না, আমার প্রতিদান তো বিশ্বজগতের প্রতিপালকের নিকট আছে।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘তোমরা কি প্রতিটি উঁচু স্থানে বেহুদা স্তম্ভ নির্মাণ করছ’? আল-বায়ান
তোমরা কি প্রতিটি উচ্চস্থানে অনর্থক স্মৃতিস্তম্ভ নির্মাণ করছ? তাইসিরুল
তোমরা কি প্রতিটি উঁচু স্থানে নিরর্থক স্মৃতিসৌধ/ভাস্কর্য নির্মাণ করছ? মুজিবুর রহমান
Do you construct on every elevation a sign, amusing yourselves, Sahih International
১২৮. তোমরা কি প্রতিটি উচ্চ স্থানে(১) স্তম্ভ নির্মাণ করছ নিরর্থক?(২)
(১) ইবনে আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার মতে رِيعٍ উচ্চ স্থানকে বলা হয়। মুজাহিদ ও অনেক তাফসীরবিদের মতে رِيعٍ দুই পাহাড়ের মধ্যবর্তী পথকে বলা হয়। [কুরতুবী]
(২) آيَةً এর আসল অর্থ নিদর্শন। এস্থলে সুউচ্চ স্মৃতিসৌধ বোঝানো হয়েছে। تَعْبَثُونَ শব্দটি عبث থেকে উদ্ভূত। এর অর্থ অযথা বা যাতে কোন প্রকার উপকার নেই। এখানে অর্থ এই যে, তারা অযথা সুউচ্চ অট্টালিকা নির্মাণ করত, যার কোন প্রয়োজন ছিল না। এতে শুধু গৰ্ব করাই উদ্দেশ্য থাকত। [ইবন কাসীর]
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৮) তোমরা তো প্রতিটি উচ্চস্থানে অযথা ইমারত (স্তম্ভ) নির্মাণ করছ (পথিকের সাথে হাসি-তামাশা করার জন্য);[1]
[1] رِيع শব্দটি رِيعَة এর বহুবচন। যার অর্থ উঁচু ভূমি, উঁচু ঢিবি, পাহাড়, উপত্যকা বা রাস্তা। রাস্তার উপর অযথা এমন ইমারত (বা স্তম্ভ) তৈরী করত যা উচ্চতায় একটি নিদর্শন হত। কিন্তু তাদের উদ্দেশ্য তাতে বাস করা নয় বরং শুধু খেল-তামাশা করা হত। হূদ (আঃ) তাদেরকে এই বলে নিষেধ করলেন যে, তোমরা এমন কাজ করছ, যাতে সময় ও সম্পদ উভয়ই নষ্ট হচ্ছে। আর তার পশ্চাতে উদ্দেশ্যও এমন, যাতে দ্বীন ও দুনিয়ার কোনই উপকার নেই। বরং তার বেকার ও অনর্থক হওয়াতে কোন সন্দেহ নেই।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘আর তোমরা সুদৃঢ় প্রাসাদ নির্মাণ করছ, যেন তোমরা স্থায়ী হবে’। আল-বায়ান
আর বড় বড় প্রাসাদ নির্মাণ করছ. যেন তোমরা চিরদিন থাকবে? তাইসিরুল
আর তোমরা প্রাসাদ নির্মাণ করছ এই মনে করে যে, তোমরা চিরস্থায়ী হবে? মুজিবুর রহমান
And take for yourselves palaces and fortresses that you might abide eternally? Sahih International
১২৯. আর তোমরা প্রাসাদসমূহ(১) নির্মাণ করছ যেন তোমরা স্থায়ী হবে।(২)
(১) مَصَانِعَ শব্দটি مَصْنَعٌ এর বহুবচন। কাতাদাহ বলেনঃ مَصَانِعَ বলে পানির চৌবাচ্চা বোঝানো হয়েছে; কিন্তু মুজাহিদ বলেন যে, এখানে সুদৃঢ় প্রাসাদ বোঝানো হয়েছে। [ইবন কাসীর]
(২) (لَعَلَّكُمْ تَخْلُدُونَ) ইমাম বুখারী সহীহ বুখারীতে বর্ণনা করেন যে, এখানে لعل শব্দটি تشبيه অর্থাৎ উদাহরণ অর্থে ব্যবহৃত হয়েছে। ইবনে আব্বাস এর অনুবাদে বলেনঃ كَأنَّهُمْ تَخْلُدُونَ অর্থাৎ যেন তোমরা চিরকাল থাকবে। [কুরতুবী]
তাফসীরে জাকারিয়া(১২৯) তোমরা প্রাসাদ নির্মাণ করছ এ মনে করে যে, তোমরা (পৃথিবীতে) চিরস্থায়ী হবে। [1]
[1] অনুরূপ তারা বিশাল বিশাল মজবুত প্রাসাদ নির্মাণ করত, যেন তারা সেখানে চিরস্থায়ীভাবে বসবাস করবে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘আর তোমরা যখন কাউকে পাকড়াও কর, পাকড়াও কর স্বেচ্ছাচারী হয়ে’। আল-বায়ান
আর যখন তোমরা (দুর্বল শ্রেণীর লোকদের উপর) আঘাত হান, তখন আঘাত হান নিষ্ঠুর মালিকের মত। তাইসিরুল
এবং যখন তোমরা আঘাত হান তখন আঘাত হেনে থাক কঠোরভাবে। মুজিবুর রহমান
And when you strike, you strike as tyrants. Sahih International
১৩০. আর যখন তোমরা আঘাত হান তখন আঘাত হেনে থাক স্বেচ্ছাচারী হয়ে।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩০) আর যখন তোমরা আঘাত হানো, তখন নিষ্ঠুরভাবে আঘাত হেনে থাক। [1]
[1] এখানে তাদের অত্যাচার, কঠোরতা ও শক্তিমত্তার প্রতি ইঙ্গিত করা হয়েছে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘সুতরাং আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে অনুসরণ কর’। আল-বায়ান
কাজেই তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমাকে মান্য কর। তাইসিরুল
তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর। মুজিবুর রহমান
So fear Allah and obey me. Sahih International
১৩১. সুতরাং তোমরা আল্লাহর তাকওয়া অবলম্বন কর এবং আমার আনুগত্য কর।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩১) সুতরাং তোমরা আল্লাহকে ভয় কর এবং আমার আনুগত্য কর। [1]
[1] হূদ (আঃ) যখন তাদের সেই মন্দ গুণগুলো বর্ণনা করলেন, যা তাদের দুনিয়ার মোহে ডুবে থাকা এবং অত্যাচার ও অবাধ্যতার ইঙ্গিত বহন করে, তখন তিনি পুনরায় তাদেরকে আল্লাহ-ভীরুতা ও নিজ আনুগত্যের দাওয়াত দিলেন।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান'আর তাঁকে ভয় কর যিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন এমন কিছু দিয়ে, যা তোমরা জান'। আল-বায়ান
ভয় কর তাঁকে যিনি তোমাদেরকে যাবতীয় বস্তু দান করেছেন যা তোমাদের জানা আছে। তাইসিরুল
ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে দিয়েছেন সেই সমূদয় জ্ঞান যা তোমরা জান। মুজিবুর রহমান
And fear He who provided you with that which you know, Sahih International
১৩২. আর তোমরা তাঁর তাকওয়া অবলম্বন কর যিনি তোমাদেরকে দান করেছেন সে সমুদয়, যা তোমরা জান।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩২) ভয় কর তাঁকে, যিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন সে সকল সম্পদ দিয়ে, যা তোমরা জান;
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘তিনি তোমাদেরকে সাহায্য করেছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি দ্বারা’, আল-বায়ান
যিনি তোমাদেরকে দান করেছেন গবাদি পশু ও সন্তান-সন্তুতি। তাইসিরুল
তোমাদের দিয়েছেন পশু-সম্পদ ও সন্তান-সন্ততি। মুজিবুর রহমান
Provided you with grazing livestock and children Sahih International
১৩৩. তিনি তোমাদেরকে দান করেছেন চতুস্পদ জন্তু ও পুত্র সন্তান,
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৩) তোমাদেরকে দিয়েছেন চতুষ্পদ জন্তু ও সন্তান-সন্ততি,
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘নিশ্চয় আমি তোমাদের উপর এক মহাদিবসের আযাবের ভয় করছি’। আল-বায়ান
আমি তোমাদের জন্য মহা দিবসের শাস্তির ভয় করছি।’ তাইসিরুল
আমি তোমাদের জন্য আশংকা করি মহা দিনের শাস্তির। মুজিবুর রহমান
Indeed, I fear for you the punishment of a terrible day." Sahih International
১৩৫. আমি তো তোমাদের জন্য আশংকা করি মহাদিনের শাস্তির।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৫) নিশ্চয়ই আমি তোমাদের উপর মহাদিবসের শাস্তির আশংকা করি।’ [1]
[1] অর্থাৎ, যদি তোমরা কুফরীর উপর অটল থাক এবং মহান আল্লাহ যে নিয়ামত দান করেছেন, সে সবের কৃতজ্ঞতা স্বীকার না কর, তাহলে তোমরা আল্লাহর আযাবের উপযুক্ত হবে। আর এ আযাব দুনিয়াতেও আসতে পারে। আর আখেরাত তো শান্তি ও শাস্তির জন্যই নির্ধারিত। সেখানে আযাব হতে বাঁচার কোন উপায় থাকবে না।
তাফসীরে আহসানুল বায়ানতারা বলল, ‘তুমি আমাদের উপদেশ দাও অথবা না দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান’। আল-বায়ান
তারা বলল- ‘তুমি নসীহত কর আর না কর, আমাদের জন্য দু’ই সমান। তাইসিরুল
তারা বললঃ তুমি উপদেশ দাও অথবা না’ই দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান। মুজিবুর রহমান
They said, "It is all the same to us whether you advise or are not of the advisors. Sahih International
১৩৬. তারা বলল, তুমি উপদেশ দাও বা না-ই দাও, উভয়ই আমাদের জন্য সমান।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৬) ওরা বলল, ‘তুমি উপদেশ দাও অথবা না-ই দাও উভয়ই আমাদের নিকট সমান।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘এটি তো পূর্ববর্তীদেরই চরিত্র,। আল-বায়ান
এসব (কথাবার্তা বলা) পূর্ববর্তী লোকেদের অভ্যাস ছাড়া আর অন্য কিছুই না। তাইসিরুল
এটাতো পূর্ববর্তীদেরই স্বভাব। মুজিবুর রহমান
This is not but the custom of the former peoples, Sahih International
১৩৭. এটা তো কেবল পূর্ববর্তীদেরই স্বভাব।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৭) এ তো পূর্বপুরুষদেরই রীতিনীতি মাত্র। [1]
[1] অর্থাৎ, এ তো ঐ কথাই যা পূর্বের লোকেরাও বলত। অথবা এর অর্থ এই যে, আমরা যে ধর্মরীতি-নীতির উপর কায়েম আছি, তাতে আমাদের পূর্ব পুরুষরাও কায়েম ছিল। উভয় অর্থেই উদ্দেশ্য এই যে, আমরা আমাদের পিতৃপুরুষদের ধর্ম ছাড়তে রাজী নই।
তাফসীরে আহসানুল বায়ান‘আর আমরা আযাবপ্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত হব না’। আল-বায়ান
আমাদেরকে শাস্তি দেয়া হবে না।’ তাইসিরুল
আমরা শাস্তি প্রাপ্তদের অন্তর্ভুক্ত নই। মুজিবুর রহমান
And we are not to be punished." Sahih International
১৩৮. আমরা মোটেই শাস্তিপ্রাপ্ত হবো না।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৮) আর আমাদেরকে শাস্তি দেওয়া হবে না!’ [1]
[1] যখন তারা এ কথা প্রকাশ করল যে, আমরা বাপ-দাদার ধর্ম ছাড়ব না; যার মধ্যে পরকালের অস্বীকৃতিও শামিল। সেই জন্য তারা আযাবে গ্রেফতার হওয়ার কথাও অস্বীকার করল। কারণ, আল্লাহর আযাবের ভয় তাদের থাকে, যারা আল্লাহকে মান্য করে ও পরকালের জীবনকে স্বীকার ও বিশ্বাস করে।
তাফসীরে আহসানুল বায়ানঅতঃপর তারা তাকে অস্বীকার করল, ফলে তাদেরকে আমি ধ্বংস করে দিলাম; নিশ্চয় এতে নিদর্শন রয়েছে। আর তাদের অধিকাংশ মুমিন ছিল না। আল-বায়ান
অতঃপর তারা তাকে মিথ্যে ব’লে প্রত্যাখ্যান করল। তখন আমি তাদেরকে ধ্বংস করে দিলাম। অবশ্যই এতে নিদর্শন রয়েছে, কিন্তু তাদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না। তাইসিরুল
অতঃপর তারা তাকে প্রত্যাখ্যান করল এবং আমি তাদের ধ্বংস করলাম। এতে অবশ্যই রয়েছে নিদর্শন; কিন্তু তাদের অধিকাংশই মু’মিন নয়। মুজিবুর রহমান
And they denied him, so We destroyed them. Indeed in that is a sign, but most of them were not to be believers. Sahih International
১৩৯. সুতরাং তারা তার প্রতি মিথ্যারোপ করল ফলে আমরা তাদেরকে ধ্বংস করলাম। এতে তো অবশ্যই আছে নিদর্শন; কিন্তু তাদের অধিকাংশই মুমিন নয়।(১)
(১) আল্লাহ তা’আলা বলেছেন যে, তারা তাদের নবী হুদ আলাইহিস সালাম এর উপর মিথ্যারোপ করেছিল, ফলে আল্লাহ তাদেরকে ধ্বংস করে দিয়েছেন। [ইবন কাসীর]
তাফসীরে জাকারিয়া(১৩৯) সুতরাং ওরা তাকে মিথ্যাজ্ঞান করল, ফলে আমি ওদেরকে ধ্বংস করলাম। [1] এতে অবশ্যই আছে নিদর্শন; কিন্তু ওদের অধিকাংশই বিশ্বাস করে না।
[1] আ’দ জাতি ছিল পৃথিবীর শক্তিশালী জাতিদের অন্যতম। যাদের ব্যাপারে মহান আল্লাহ বলেছেন,{الَّتِي لَمْ يُخْلَقْ مِثْلُهَا فِي الْبِلَادِ} অর্থাৎ, এ রকম জাতি পৃথিবীতে সৃষ্টিই হয়নি। (সূরা ফাজর ৮ আয়াত) অর্থাৎ, এমন জাতি যারা শক্তি, ক্ষমতা ও প্রতাপের দিক দিয়ে তাদের মত। সেই জন্য তারা বলত,{مَنْ أَشَدُّ مِنَّا قُوَّةً} আমাদের থেকে শক্তিশালী আর কে আছে? (সূরা হা-মীম সাজদাহ ১৫ আয়াত) কিন্তু যখন ঐ জাতি কুফরীর রাস্তা ত্যাগ করে ঈমানের রাস্তা অবলম্বন করল না, তখন মহান আল্লাহ আযাব স্বরূপ এক কঠিন ঝড় তাদের উপর প্রেরণ করলেন, যা অবিরত সাত রাত আট দিন তাদের উপর বয়েছিল। ঝড় এক একটি মানুষকে উপরে তুলে মাটির উপর আছড়ে দিয়েছিল, যার কারণে তাদের মাথা চূর্ণ-বিচূর্ণ হয়ে মগজ বের হয়ে গিয়েছিল এবং তাদের লাশগুলি বিনা মাথায় এমনভাবে মাটির উপর পড়ে ছিল, যেন তা খেজুরের সারশূন্য কান্ড। তারা পাহাড় কেটে, পাহাড়ের গুহায় বিশাল বিশাল প্রাসাদ তৈরী করেছিল, পানির জন্য গভীর কূপ খনন করেছিল এবং বহু বাগানের মালিক ছিল তারা। কিন্তু যখন আল্লাহর আযাব এসে পৌঁছল, তখন এ সমস্ত জিনিস তাদের কোনই কাজে এল না। আর তা তাদেরকে পৃথিবী হতে নিশ্চিহ্ন করে ছাড়ল।
তাফসীরে আহসানুল বায়ানআর নিশ্চয় তোমার রব তিনি মহাপরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। আল-বায়ান
এবং তোমার প্রতিপালক, তিনি মহা প্রতাপশালী, বড়ই দয়ালু। তাইসিরুল
এবং তোমার রাব্ব পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু। মুজিবুর রহমান
And indeed, your Lord - He is the Exalted in Might, the Merciful. Sahih International
১৪০. আর আপনার রব, তিনি তো পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
-
তাফসীরে জাকারিয়া(১৪০) আর নিশ্চয়ই তোমার প্রতিপালক, তিনিই পরাক্রমশালী, পরম দয়ালু।
-
তাফসীরে আহসানুল বায়ান