সুনান আবূ দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন) ৫১৮৫ টি হাদিস ইসলামিক ফাউন্ডেশন সম্পূর্ণ হাদিস গ্রন্থটি একসাথে পড়ুন
অধ্যায় ও পরিচ্ছেদ তালিকা সর্বমোট হাদিস | হাদিসের ব্যাপ্তি
১/ পবিত্রতা (كتاب الطهارة ) ৩৯০ টি | ১-৩৯০ পর্যন্ত 1/ Purification (Kitab Al-Taharah)
  • ১. পেশাব পায়খানার সময় নির্জনে গমন সম্পর্কে।
  • ২. পেশাব করার স্থান নিরূপণ সম্পর্কে।
  • ৩. পায়খানায় প্রবেশের পূর্বে যা বলতে হয়।
  • ৪. কিবলার দিকে মুখ করে পেশাব-পায়খানা করা মাকরূহ।
  • ৫. কিবলামুখী হয়ে পেশাব-পায়খানার অনুমতি সম্পর্কে।
  • ৬. পেশাব পায়খানার সময় কাপড় খোলা সম্পর্কে।
  • ৭. পেশাব পায়খানার সময় কথা বলা মাকরূহ
  • ৮. পেশাবরত অবস্থায় সালামের জবাব দেওয়া সম্পর্কে।
  • ৯. অপবিত্র অবস্থায় আল্লাহ্‌র যিকির সম্পর্কে।
  • ১০. মহান আল্লাহ্‌র নাম খোদিত আংটিসহ পায়খানায় গমন সম্পর্কে।
  • ১১. পেশাব হতে পবিত্রতা অর্জন করা সম্পর্কে।
  • ১২. দাঁড়িয়ে পেশাব করা সম্পর্কে।
  • ১৩. রাতে পাত্রে পেশাব করে তা নিকটবর্তী স্থানে রাখা সম্পর্কে।
  • ১৪. যে যে স্থানে পেশাব করা নিষেধ।
  • ১৫. গোসলখানার মধ্যে পেশাব করা সম্পর্কে।
  • ১৬. গর্তে পেশাব করা নিষেধ।
  • ১৭. পায়খানা হতে বের হয়ে পড়বার দুয়া।
  • ১৮. ইস্তিঞ্জা করার সময় ডান হাত দিয়ে লজ্জাস্থান স্পর্শ করা মাকরূহ।
  • ১৯. পেশাব-পায়খানার সময় পর্দা করা।
  • ২০. যে সমস্ত জিনিস দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা নিষেধ।
  • ২১. পাথর দ্বারা ইস্তিঞ্জা করা সম্পর্কে।
  • ২২. পবিত্রতা অর্জন সম্পর্কে।
  • ২৩. পানি দিয়ে শৌচ করা।
  • ২৪. ইস্তিঞ্জার পর মাটিতে হাত ঘষা।
  • ২৫. মেসওয়াক করা সম্পর্কে।
  • ২৬. মেসওয়াক করার নিয়ম সম্পর্কে।
  • ২৭. অন্যের মেসওয়াক দিয়ে দাতন করা সম্পর্কে।
  • ২৮. মেসওয়াক ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ২৯. মেসওয়াক করা স্বভাবসুলভ কাজ।
  • ৩০. ঘুম হতে জাগ্রত হওয়ার পর মেসওয়াক করা সম্পর্কে।
  • ৩১. উযু ফরয হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩২. কোন ব্যাক্তির উযু থাকা অবস্থায় নতুনভাবে উযু করা সম্পর্কে।
  • ৩৩. যা দ্বারা পানি অপবিত্র হয়।
  • ৩৪. বুদা’আ কূপের পানি সম্পর্কে।
  • ৩৫. পানি অপবিত্র না হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৬. বদ্ধ পানিতে পেশাব করা সম্পর্কে।
  • ৩৭. কুকুরের লেহনকৃত পাত্র ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ৩৮. বিড়ালের উচ্ছিষ্ট সম্পর্কে।
  • ৩৯. স্ত্রীলোকের ব্যাবহারের অতিরিক্ত পানি সম্পর্কে।
  • ৪০. স্ত্রীলোকের ব্যাবহারের অতিরিক্ত পানি দ্বারা উযু করার নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে।
  • ৪১. সাগরের পানি দ্বারা উযু করা সম্পর্কে।
  • ৪২. নাবীয দ্বারা উযু সম্পর্কে।
  • ৪৩. মলমূত্রের বেগ থাকা অবস্থায় নামায আদায় করা যায় কি?
  • ৪৪. উযুর জন্য যে পরিমান পানি যথেষ্ট।
  • ৪৫. উযুতে প্রয়োজনাতিরিক্ত পানি ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৪৬. উযুর পরিপূর্ণতা সম্পর্কে।
  • ৪৭. তামার পাত্রে উযু করা সম্পর্কে।
  • ৪৮. উযুর পূর্বে বিসমিল্লাহ্‌ পাঠ সম্পর্কে।
  • ৪৯. হাত ধৌত করার পূর্বে তা (পানির) পাত্রে প্রবেশ কোরআন সম্পর্কে।
  • ৫০. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর উযুর বর্ণনা।
  • ৫১. উযুর অঙ্গগুলো তিনবার করে ধৌত করার বর্ণনা।
  • ৫২. উযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ দুইবার ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ৫৩. উযুর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ একবার ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ৫৪. গড়গড়া করা ও নাক পরিস্কার করার মধ্যে পার্থক্য।
  • ৫৫. নাক পরিস্কার করা সম্পর্কে।
  • ৫৬. দাঁড়ি খেলাল করা।
  • ৫৭. পাগড়ীর উপর মাসেহ করা।
  • ৫৮. উযুর সময় পা ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ৫৯. মোজার উপর মাসেহ করা সম্পর্কে।
  • ৬০. মোজার উপর মাসেহ করার সময়সীমা।
  • ৬২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৩. মাসেহ করার পদ্ধতি সম্পর্কে।
  • ৬৪. উযুর পরে পানি ছিটানো সম্পর্কে।
  • ৬৫. উযুর পরে পঠিত দুয়া সম্পর্কে।
  • ৬৬. একই উযুতে কয়েক ওয়াক্তের নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ৬৭. উযুর মধ্যে কোন অঙ্গ ধৌত করা বাদ পড়লে।
  • ৬৮. উযু নষ্টের সন্দেহ সম্পর্কে।
  • ৬৯. (স্ত্রীকে) চুম্বনের পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ৭০. পুরুষাঙ্গ স্পর্শ করার পর উযু সম্পর্কে।
  • ৬১. জাওরাবায়েনের উপর মাসেহ করা।
  • ৭১. এ ব্যাপারে রোখছাত (অব্যহতি) সম্পর্কে।
  • ৭২. উটের গোশত খাওয়ার পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ৭৩. কাঁচা গোশত স্পর্শ করার পর হাত ধোয়া ও উযু করা সম্পর্কে।
  • ৭৪. মৃত প্রাণী স্পর্শ করে উযু না করা সম্পর্কে।
  • ৭৫. আগুনে পাকানো জিনিস খাওয়ার পর উযু না করা সম্পর্কে।
  • ৭৬. এ ব্যাপারে (রান্না করা খাবার গ্রহণের পর উযু বিষয়ে) কঠোরতা সম্পর্কে।
  • ৭৭. দুধ পানের পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ৭৮. দুধ পানের পর কুল্লি না করা সম্পর্কে।
  • ৭৯. রক্ত বের হলে উযু করা সম্পর্কে।
  • ৮০. ঘুমানোর পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ৮১. ময়লা (নাপাক) দ্রব্যাদি পদদলিত করা সম্পর্কে।
  • ৮২. নামাযের মধ্যে উযু ছুটে গেলে।
  • ৮৩. মযী (বীর্যরস) সম্পর্কে।
  • ৮৩. ঋতুবতী স্ত্রীলোকের সাথে মেলামেশা ও খাওয়া- দাওয়া সম্পর্কে।
  • ৮৪. স্ত্রী সহবাসে বীর্যপাত না হলে।
  • ৮৫. স্ত্রী সঙ্গমের পর গোসলের পূর্বে পুনরায় সঙ্গম করা সম্পর্কে।
  • ৮৬. একবার স্ত্রী সঙ্গমের পর পুনরায় স্ত্রী সহবাসের পূর্বে উযু করা।
  • ৮৭. স্ত্রী সহবাসের পর অপবিত্র অবস্থায় ঘুমানো সম্পর্কে।
  • ৮৮. সঙ্গমের পর অপবিত্র অবস্থায় খাদ্য গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৮৯. সহবাসের ফলে অপবিত্র হওয়ার পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ৯০. সহবাসজনিত অপবিত্রতার পর বিলম্বে গোসল করা সম্পর্কে।
  • ৯১. অপবিত্র অবস্থায় কুরআন তিলাওয়াত সম্পর্কে।
  • ৯২. সঙ্গমের কারণে অপবিত্র অবস্থায় মোসাফাহা করা সম্পর্কে।
  • ৯৩. সহবাস জনিত অপবিত্র অবস্থায় মসজিদে প্রবেশ নিষিদ্ধ।
  • ৯৪. ভুলবশতঃ অপবিত্র অবস্থায় নামাযে ইমামতি করলে।
  • ৯৫. স্বপ্নদোষ হলে তার বিধান।
  • ৯৬. মহিলাদের যদি পুরুষদের মত স্বপ্নদোষ হয়।
  • ৯৭. যে পরিমাণ পানি দ্বারা গোসল করা সম্ভব।
  • ৯৮. অপবিত্রতার গোসল সম্পর্কে।
  • ৯৯. গোসলের পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ১০০. স্ত্রীলোকের গোসলের সময় চুল ছাড়া সম্পর্কে।
  • ১০১. খেতমী মিশ্রিত পানি দ্বারা অপবিত্রাবস্থায় মাথা ধৌত করা।
  • ১০২. স্ত্রী ও পুরুষের বীর্য স্খলিত হওয়ার পর তা ধৌত করা।
  • ১০৩. ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে একত্রে খাদ্য গ্রহণ ও বসবাস সম্পর্কে।
  • ১০৪. ঋতুবতী অবস্থায় মসজিদ থেকে কিছু গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ১০৫. ঋতুকালীন নামাযের কাযা করার প্রয়োজন নেই।
  • ১০৬. ঋতুবতী স্ত্রীলোকের সাথে সঙ্গম করা সম্পর্কে।
  • ১০৭. কোন ব্যাক্তির ঋতুবতী স্ত্রীর সাথে সঙ্গম ব্যাতিত অন্যভাবে মিলন।
  • ১০৮. রক্ত প্রদরের রোগিণীর বর্ণনা এবং যে ব্যাক্তি বলে – এমন স্ত্রীলোক হায়েযের সমপরিমান সময় নামায ত্যাগ করবে।
  • ১০৯. রক্ত প্রদরের রোগিণীর হায়েযের সময় শুরু হলে নামায ত্যাগ করবে।
  • ১১০. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের প্রত্যেক নামাযের সময় গোসল করা সম্পর্কে বর্ণিত হাদিসসমূহ।
  • ১১২. দুই ওয়াক্তের নামায একত্রে আদায় ও তার জন্য একবার গোসল করা সম্পর্কে।
  • ১১৩. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের হায়েযান্তে পবিত্রতা (গোসল) অর্জন সম্পর্কে।
  • ১১৪. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলা এক যুহর থেকে পরবর্তী যুহর পর্যন্ত একবার গোসল করবে।
  • ১১৫. দুপুরের কথা উল্লেখ না করে প্রত্যেক গোসল করা সম্পর্কে।
  • ১১৬. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের কয়েকদিন পরপর গোসল করা সম্পর্কে।
  • ১১৭. প্রত্যেক নামাযের সময় গোসল করা সম্পর্কে।
  • ১১৮. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলাদের উযু নষ্টের পর উযু করা সম্পর্কে।
  • ১১৯. রক্তস্রাব হতে পবিত্রতার পর মহিলাদের হলুদ ও মেটে রং এর রক্ত দেখা।
  • ১২০. ইস্তেহাযাগ্রস্ত মহিলার সাথে সংগম করা সম্পর্কে।
  • ১২১. নিফাসের সময় সম্পর্কে।
  • ১২২. হায়েযের রক্ত ধৌত করা সম্পর্কে।
  • ১২৩. তায়াম্মুম সম্পর্কে।
  • ১২৪. মুকীম অবস্থায় তায়াম্মুম করা।
  • ১২৫. নাপাকী অবস্থায় তায়াম্মুম সম্পর্কে।
  • ১২৬. নাপাক অবস্থায় ঠাণ্ডার আশংকায় তায়াম্মুম করা।
  • ১২৭. বসন্তের রোগী (বা আহত ব্যাক্তি) তায়াম্মুম করতে পারে।
  • ১২৮. তায়াম্মুম করে নামায আদায়ের পর ওয়াক্ত থাকতেই পানি পাওয়া গেলে।
  • ১২৯. জুমুআর দিনের গোসল সম্পর্কে।
  • ১৩০. জুমু'আর দিন গোসল না করা সম্পর্কে।
  • ১৩১. ইসলাম গ্রহণের সময় গোসল করা।
  • ১৩২. মহিলাদের হায়েযকালীন সময়ে পরিধেয় বস্রাদি ধৌত করবে।
  • ১৩৩. সংগমকালীন সময়ের পরিধেয় বস্র সহ নামায আদায় করা।
  • ১৩৪. মহিলাদের শরীরের সঙ্গে সম্পৃক্ত কাপড়ে নামায আদায় না করা।
  • ১৩৫. মহিলাদের দেহের সাথে সংযুক্ত কাপড়ে নামায আদায়ের অনুমতি প্রসঙ্গে।
  • ১৩৬. কাপড়ে বীর্য লেগে গেলে।
  • ১৩৭. শিশুদের পেশাব কাপড়ে লাগলে।
  • ১৩৮. মাটিতে পেশাব লাগলে।
  • ১৩৯. শুষ্ক জমিনের পবিত্রতা।
  • ১৪০. শুষ্ক নাপাক জিনিস কাপড়ের আচলে লাগলে।
  • ১৪১. জুতা বা মোজায় নাপাক লেগে গেলে।
  • ১৪২. নাপাক বস্র পরিহিত অবস্থায় আদায়কৃত নামায পুনঃ আদায় করা।
  • ১৪৩. থুথু বা শ্লেস্মা কাপড়ে লাগলে।
  • ইস্তিহাযা আক্রান্ত মহিলার এক গোসলে দুই সালাত আদায় করা প্রসঙ্গে।
  • ২/ সালাত (নামায) (كتاب الصلاة) ১১৬৬ টি | ৩৯১-১৫৫৫ পর্যন্ত 2/ Prayer (Kitab Al-Salat)
  • ১. নামায ফরয হওয়ার বর্ণনা।
  • ২. নামাযের ওয়াক্তসমূহ সম্পর্কে
  • ৩. নবী করিম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) কর্তৃক নামায আদায়ের সময় এবং তিনি কিভাবে তা আদায় করতেন?
  • ৪. যুহরের নামাযের ওয়াক্ত।
  • ৫. আসরের নামাযের ওয়াক্ত।
  • ৬. মধ্যবর্তী নামায (সালাতুল উসতা)।
  • ৭. যে ব্যাক্তি (সূর্যাস্তের পূর্বে) এক রাকআত নামায পড়তে পারবে, সে যেন পুরা নামায পেয়ে গেল।
  • ৮. সূর্যের রং হলুদ বর্ণ ধারন করা পর্যন্ত আসরের নামায আদায়ে বিলম্ব করা সম্পর্কে।
  • ৯. আসরের নামায পরিত্যাগকারী সম্পর্কে।
  • ১০. মাগরিবের নামাযের ওয়াক্ত।
  • ১১. এশার নামাযের ওয়াক্ত।
  • ১২. ফজরের নামাযের ওয়াক্ত।
  • ১৩. নামাযসমুহের হিফাযত সম্পর্কে।
  • ১৪. ইমাম নামাযের বিলম্ব করলে।
  • ১৫. নামাযের সময় ঘুমিয়ে থাকলে বা ভুলে গেলে কি করতে হবে?
  • ১৬. মসজিদ নির্মাণ প্রসঙ্গে।
  • ১৭. পাড়ায় পাড়ায় মসজিদ নির্মাণ সম্পর্কে।
  • ১৮. মসজিদে আলো বাতির ব্যাবস্থা করা সম্পর্কে।
  • ১৯. মসজিদের কঙ্কর সম্পর্কে।
  • ২০. মসজিদ ঝাড়ু দেওয়া সম্পর্কে।
  • ২১. মহিলাদের পুরুষদের হতে পৃথক পথে মসজিদে প্রবেশ সম্পর্কে।
  • ২২. মসজিদে প্রবেশকালে পড়ার দুআ।
  • ২৩. মসজিদে প্রবেশের পর নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ২৪. মসজিদে বসে থাকার ফযীলত।
  • ২৫. মসজিদের মধ্যে হারানো প্রাপ্তির ঘোষণা দেয়া মাকরূহ।
  • ২৬. মসজিদে থুথু ফেলা মাকরূহ।
  • ২৭. মুশরিকদের মসজিদে প্রবেশ সম্পর্কে।
  • ২৮. যেসব স্থানে নামায পড়া নিষেধ।
  • ২৯. উটের আস্তাবলে নামায পড়া নিষেধ।
  • ৩০. বালকদের কখন থেকে নামায পড়ার নির্দেশ দিতে হবে।
  • ৩১. আযানের সুচানা।
  • ৩২. আযানের নিয়ম সম্পর্কে।
  • ৩৩. ইকামতের বর্ণনা।
  • ৩৪. একজনে আযান এবং অন্যজনে ইকামত দেয়া।
  • ৩৫. মুআযযিনই ইকামত দিবে।
  • ৩৬. উচ্চস্বরে আযান দেওয়া সুন্নাত।
  • ৩৭. নামাযের সময় নির্ধারণে মুআযযিনের দায়িত্ব।
  • ৩৮. মিনারের উপর উঠে আযান দেওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৯. মুআযযিনের আযানের সময় ঘূর্ণন সম্পর্কে।
  • ৪০. আযান ও ইকামতের মধ্যবর্তী সময়ে দুয়া করা সম্পর্কে।
  • ৪১. মুআযযিনের আযানের জবাবে যা বলতে হয়।
  • ৪২. ইকামতের জবাবে যা বলতে হবে।
  • ৪৩. আযানের সময়ের দুয়া সম্পর্কে।
  • ৪৪. মাগরিবের আযানের সময়ে দুয়া।
  • ৪৫. আযানের পরিবর্তে বিনিময় গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৪৬. ওয়াক্ত শুরু হওয়ার পূর্বে আযান দেওয়া।
  • ৪৭. অন্ধ ব্যাক্তির আযান দেয়া।
  • ৪৮. আযানের পর মসজিদ হতে চলে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৯. ইমামের জন্য মুআযযিনের অপেক্ষা করা।
  • ৫০. আযানের পর পুনরায় আহবান করা।
  • ৫১. নামাযের ইকামাত হওয়ার পরও ইমামের আসার অপেক্ষায় বসে থাকা।
  • ৫২. জামাআত পরিত্যাগের কঠোর পরিণতি সম্পর্কে।
  • ৫৩. জামাআতে নামায আদায়ের ফযিলত।
  • ৫৪. পায়ে হেঁটে মসজিদে যাওয়ার ফযিলত।
  • ৫৫. অন্ধকারের মধ্যে মসজিদে যাওয়ার ফযিলত।
  • ৫৬. উযু করে নামাযের উদ্দেশ্যে মসজিদে যাওয়ার নিয়মকানুন।
  • ৫৮. মহিলাদের মসজিদে যাতায়াত সম্পর্কে।
  • ৫৯. মহিলাদের মসজিদে যাওয়ার ব্যাপারে কঠোরতা সম্পর্কে।
  • ৬০. দৌড়ে নামাযের জন্য যাওয়া।
  • ৬১. একই নামায দুইবার একই মসজিদে জামাআতে আদায় করা।
  • ৬২. ঘরে একাকী নামায আদায়ের পর মসজিদে গিয়ে জামাআত পেলে তাতে শরীক হবে।
  • ৬৩. জামাআতে নামায আদায়ের পর অন্যত্রে গিয়ে জামাআত পেলে তাতে শরীক হবে কি?
  • ৬৪. ইমামতির ফযিলত সম্পর্কে।
  • ৬৫. ইমামতি করতে একে অপরের সাথে ঝগড়া করবে না।
  • ৬৬. ইমামতির জন্য যোগ্য ব্যাক্তি সম্পর্কে।
  • ৬৭. মহিলাদের ইমামতি করা সম্পর্কে।
  • ৬৮. মুকতাদিদের নারাযিতে ইমামতি করা নিষেধ।
  • ৬৯. সৎ এবং অসৎ লোকের ইমামতি সম্পর্কে।
  • ৭০. অন্ধ ব্যাক্তির ইমামতি করা সম্পর্কে।
  • ৭২. ইমামের মুকতাদীর তুলনায় উঁচু স্থানে দণ্ডায়মান হয়ে নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ৭৩. কোন ব্যাক্তির একবার নামায আদায়ের পর ঐ নামাযে পুনরায় তার ইমামতি সম্পর্কে।
  • ৭৪. বসে ইমামতি করা সম্পর্কে।
  • ৭৪. দুই ব্যাক্তি একত্রে নামায আদায়ের সময়- কিরূপে দাঁড়াবে?
  • ৭৫. যখন মুকতাদীর সংখ্যা তিনজন হবে তখন তারা কিরূপে দাঁড়াবে?
  • ৭৬. সালাম ফিরানর পর ইমামের (মুক্তাদিদের দিকে) ঘুরে বসা।
  • ৭৭. ইমামের স্বীয় স্থানে দাঁড়িয়ে নফল নামায পড়া।
  • ৭৮. নামাযের শেষ রাকাতে মাথা উঠানোর ইমামের উযু নষ্ট হলে।
  • ৭৯. নামাযের হারামকারী (সূচনা) ও হালালকারী (সমাপ্তি) জিনিসের বর্ণনা।
  • ৮০. মুকতাদীদের ইমামের অনুসরন করা সম্পর্কে।
  • ৮১. ইমামের পূর্বে রুকু সিজদায় যাওয়া সম্পর্কে সতর্কবাণী।
  • ৮২. ইমামের পূর্বে উঠে চলে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ৮৩. কয়খানি কাপড় পরিধান করে নামায পড়া জায়েজ।
  • ৮৪. কাঁধে কাপড় গিরা দিয়ে কোন ব্যাক্তির নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ৮৫. এক বস্র পরিধান করে নামায আদায় করা - যার একাংশ অন্যের উপর থাকে।
  • ৮৬. একটি জামা পরিধান করে নামায করা।
  • ৮৭. পরিধেয় বস্র যদি সংকীর্ণ হয়।
  • ৮৮. নামাযের মধ্যে কাপড় ঝুলিয়ে রাখা।
  • ৮৯. ছোট বস্র কোমরে বেঁধে নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ৯০. মহিলারা কয়টি বস্র পরিধান করে নামায পরবে।
  • ৯১. মহিলারা ওড়না ছাড়া নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ৯২. নামাযের সময় লম্বা কাপড় পরিধান সম্পর্কে।
  • ৯৩. মহিলাদের দেহের সাথে সম্পৃক্ত কাপড়ে নামায পড়া।
  • ৯৪. খোঁপা বাঁধা অবস্থায় পুরুষের নামায পড়া সম্পর্কে।
  • ৯৫. জুতা পরিহিত অবস্থায় নামায পড়া।
  • ৯৬. মুসুল্লী জুতা খুলে তা কোথায় রাখবে।
  • ৯৭. ছোট চাটাইয়ের উপর নামায পড়া।
  • ৯৮. চাটাইয়ের উপর নামায পড়া।
  • ৯৯. কাপড়ের উপর সিজদা করা।
  • ১০০. কাতার সোজা করা।
  • ১০১. খামসমূহের মাঝখানে কাতার বাঁধা।
  • ১০২. ইমামের নিকটতম স্থানে দাঁড়ানো মুস্তাহাব এবং তার থেকে দূরে থাকা অপছন্দনীয়।
  • ১০৩. কাতারে অপ্রাপ্ত বয়স্কদের দাঁড়ানোর স্থান।
  • ১০৪. মহিলাদের কাতার এবং তারা প্রথম কাতারে দাঁড়াবে না।
  • ১০৫. কাতারের সামনে ইমামের দাঁড়ানোর স্থান।
  • ১০৬. যে ব্যাক্তি কাতারের পিছনে একাকী দাঁড়িয়ে নামায পড়ে।
  • ১০৭. (ইমামকে রুকুতে দেখে) কাতারে না পৌঁছেই রুকুতে যাওয়া।
  • ১০৮. নামাযের সময় কিরূপ সুতরা বা আড় ব্যাবহার করবে।
  • ১০৯. সুতরা দেওয়ার মত লাঠি না পেলে মাটিতে রেখা টানা।
  • ১১০. জন্তুযান সামনে রেখে নামায পড়া।
  • ১১১. নামায পড়ার সময় সুতরা কোন জিনিসের বিপরীতে স্থাপন করবে।
  • ১১২. বাক্যালাপে রত এবং ঘুমন্ত ব্যাক্তিদের সামনে রেখে নামায পড়া।
  • ১১৩. সুতরার নিকটবর্তী হয়ে দাঁড়ানো।
  • ১১৪. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীকে বাধা দেয়া।
  • ১১৫. নামাযীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করা নিষেধ।
  • ১১৬. যে জিনিসের কারণে নামায নষ্ট হয়।
  • ১১৭. ইমামের সুতরা মুকতাদীর জন্য যথেষ্ট।
  • ১১৮. মহিলারা নামাযের সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট না হওয়ার বর্ণনা।
  • ১১৯. নামাযীর সামনে দিয়ে গাধা অতিক্রম করলে নামাযের কোন ক্ষতি হয় না।
  • ১২০. নামাযীর সামনে দিয়ে কুকুর গেলে নামাযের ক্ষতি হয় না।
  • ১২১. কোন কিছুই সামনে দিয়ে অতিক্রম করলে নামায নষ্ট হয় না।
  • ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)
  • ১২৩. নামায শুরু করার বর্ণনা।
  • ১২৪. দুই রাকআত শেষে উঠার সময় দুই হাত উত্তোলন (রাফউল ইয়াদাইন) সম্পর্কে।
  • ১২৫. রুকুর সময় হাত না উঠানোর বর্ণনা।
  • ১২৬. নামাযের সময় বাম হাতের উপর ডান হাত রাখা।
  • ১২৭. যে দুয়া পড়ে নামায আরম্ভ করবে।
  • ১২৮. যারা বলেন, সুবহানাকা আল্লাহুম্মা বলে নামায শুরু করবে।
  • ১২৯. নামাযের প্রারম্ভে চুপ থাকার বর্ণনা।
  • ১৩০. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ্‌ না বলার বিবরণ।
  • ১৩১. উচ্চস্বরে বিসমিল্লাহ্‌ পাঠ করার বর্ণনা।
  • ১৩২. কোন অনিবার্য কারণ বশতঃ নামায সংক্ষিপ্ত করা।
  • ১৩৩. নামাযের জন্য ক্ষতিকারক বিষয় সম্পর্কে।
  • ১৩৪. নামায সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
  • ১৩৫. যুহরের নামাযের কিরাত সম্পর্কে।
  • ১৩৬. শেষের দুই রাকআত সংক্ষেপ করা সম্পর্কে।
  • ১৩৭. যুহর ও আসর নামাযের কিরাআতের পরিমাণ।
  • ১৩৮. মাগরিবের নামাযে কিরআত পাঠের পরিমাণ।
  • ১৩৯. মাগরিবের নামাযে কিরাআত সংক্ষিপ্ত করা সম্পর্কে।
  • ১৪০. যে ব্যাক্তি একই সুরা উভয় রাকাতে পাঠ করে।
  • ১৪১. ফজরের নামাযের কিরআত সম্পর্কে।
  • ১৪২. কোন ব্যাক্তি নামাযে (সুরা ফাতিহা অথবা) কিরাত পাঠ ত্যাগ করলে।
  • ১৪৩. যে নামাযের মধ্যে চুপে চুপে কিরা'আত তাতে সুরা ফাতিহা পাঠ সম্পর্কে।
  • ১৪৪. যে নামাযে কিরা'আত উচ্চস্বরে পঠিত হয় না, তাতে মুক্তাদিদের কিরা'আত পাঠ সম্পর্কে।
  • ১৪৫. নিরক্ষর ও অনারব লোকদের কিরা'আতের পরিমাণ।
  • ১৪৬. নামাযের মধ্যে পূর্ণ তাকবীর পাঠ সম্পর্কে।
  • ১৪৭. সিজদার সময় হাত রাখার পূর্বে হাঁটু রাখার বর্ণনা।
  • ১৪৮. প্রথম ও তৃতীয় রাকাতের পর দাঁড়ানোর নিয়ম।
  • ১৪৯. দুই সিজদার মাঝখানে বসা।
  • ১৫০. রুকু থেকে মাথা উত্তোলনের সময় যা বলবে।
  • ১৫১. দুই সিজদার মাঝখানে পাঠের দুয়া।
  • ১৫২. ইমামের সাথে নামায আদায়কালে মহিলারা পুরুষদের পড়ে সিজদা থেকে মাথা তুলবে।
  • ১৫৩. রুকু থেকে উঠে দাঁড়ানো এবং দুই সিজদার মাঝখানে বিরতির পরিমাণ।
  • ১৫৪. যে ব্যাক্তি রুকু ও সিজদা হতে উঠে পিঠ সোজা করে না।
  • ১৫৫. মহানবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বানী- যার ফরয নামাযে ত্রুটি থাকবে তা তার নফল নামায দিয়ে পূর্ণ করা হবে।
  • ১৫৬. রুকু ও সিজদায় হাঁটুর উপর হাত রাখা।
  • ১৫৭. নামাযী রুকু ও সিজদায় যা বলবে।
  • ১৫৮. রুকু ও সিজদার মধ্যে দুয়া পাঠ সম্পর্কে।
  • ১৫৯. নামাযের মধ্যে দু'আ করা সম্পর্কে।
  • ১৬০. রুকু ও সিজদায় অবস্থানের পরিমাণ।
  • ১৬১. কোন ব্যাক্তি ইমামকে সিজদারত পেলে তখন সে কি করবে?
  • ১৬২. সিজদার অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ।
  • ১৬৩. নাক ও কপালের সাহায্যে সিজদা করা।
  • ১৬৪. সিজদা করার নিয়ম।
  • ১৬৫. এ ব্যাপারে শিথিলতা সম্পর্কে।
  • ১৬৬. কমরের উপর হাত রাখা নিষেধ।
  • ১৬৭. নামাযের মধ্যে ক্রন্দন করা সম্পর্কে।
  • ১৬৮. নামাযের মধ্যে মনে ওয়াসওয়াসা ও অন্যান্য চিন্তা আসা মাকরুহ।
  • ১৬৯. নামাযের মধ্যে ইমামের ভুল ধরিয়ে দেয়া।
  • ১৭০. নামাযের মধ্যে কিরা'আতের ভুল শোধরানোর নিষেধ সম্পর্কে।
  • ১৭১. নামাযের মধ্যে এদিক ওদিক তাকানো মাকরূহ।
  • ১৭২. নাক দ্বারা সিজদা করা সম্পর্কে।
  • ১৭৩. নামাযের মধ্যে কোন দিকে দৃষ্টিপাত করা সম্পর্কে।
  • ১৭৪. এ বিষয়ে শিথিলতা সম্পর্কে।
  • ১৭৫. নামাযের মধ্যে যে কাজ বৈধ।
  • ১৭৬. নামাযে রত থাকাকালে সালামের জবাব দেয়া।
  • ১৭৭. নামাযরত অবস্থায় হাঁচির জওয়াব দেওয়া।
  • ১৭৮. ইমামের পিছনে আমীন বলা সম্পর্কে।
  • ১৭৯. নামাযের মধ্যে হাতে তালি দেওয়া।
  • ১৮০. নামাযের মধ্যে ইশারা করা সম্পর্কে।
  • ১৮১. নামাযের মধ্যে পাথর অপসারণ সম্পর্কে।
  • ১৮২. নামাযের সময় কোমরে হাত রাখা।
  • ১৮৩. লাঠির উপর ভর করে নামাযে দাঁড়ানো।
  • ১৮৪. নামাযের মধ্যে কথা বলা নিষেধ।
  • ১৮৫. বসে নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ১৮৬. তাশাহুদ পাঠের সময় বাসার ধরন সম্পর্কে।
  • ১৮৭. চতুর্থ রাকাতে পাছার উপর বসা সম্পর্কে।
  • ১৮৮. তাশাহুদের বর্ণনা।
  • ১৮৯. তাশাহুদের পর নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর দুরুদ পেশ করা।
  • ১৯০. তাশাহুদের পর যে দুয়া পড়তে হয়।
  • ১৯১. নীরবে তাশাহুদে পাঠ করা।
  • ১৯২. তাশাহুদের মধ্যে (আঙ্গুল দ্বারা) ইশারা করা।
  • ১৯৩. নামাযের মধ্যে হাতের উপর ভর করা মাকরূহ।
  • ১৯৪. বৈঠক সংক্ষেপ করা।
  • ১৯৫. সালাম সম্পর্কে।
  • ১৯৬. ইমামের সালামের জবাব দেওয়া।
  • ১৯৭. নামাযের পরে তাকবীর বলা সম্পর্কে।
  • ১৯৮. সালামের মধ্যে স্বর দির্ঘায়িত না করা সম্পর্কে।
  • ১৯৯. নামাযের মধ্যে উযু নষ্ট হলে পুনরায় উযু করে বাকী নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ২০০. যে স্থানে ফরয নামায আদায় করেছে, সেখানে দাঁড়িয়ে নফল নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ২০১. দুই সাহু সিজদার বর্ণনা।
  • ২০২. ভুলবশত নাযায পাঁচ রাকআত পড়লে।
  • ২০৩. যে ব্যাক্তি নামাযের মধ্যে সন্দিহান হয়েছে।
  • ২০৪. প্রবল ধারনার ভিত্তিতে নামায শেষ করা।
  • ২০৫. সালামের পর সিজদা সাহু করা সম্পর্কে।
  • ২০৬. দুই রাকাতের পর তাশাহুদ পাঠ না করে দাঁড়ানো সম্পর্কে।
  • ২০৭. প্রথম তাশাহুদ পড়তে ভুলে গেলে।
  • ২০৮. দুইটি সাহু সিজদার পর তাশাহুদ পড়বে, অতঃপর সালাম ফিরাবে।
  • ২০৯. পুরুষদের পূর্বে স্ত্রীলোকদের নামায শেষে প্রস্থান সম্পর্কে।
  • ২১০. নামায শেষে প্রস্থানের পদ্ধতি সম্পর্কে।
  • ২১১. নফল নামায ঘরে আদায় করা উত্তম।
  • ২১২. কিবলা ব্যাতিত অন্যদিকে মুখ ফিরিয়ে নামায আদায় করার পর, তা জ্ঞাত হলে।
  • ২১৩. জুমুআর নামাযের বিভিন্ন বিধান।
  • ২১৪. জুমুআর দিনে কোন মুহূর্তে দুয়া কবুল হয়।
  • ২১৫. জুমুআর নামাযের ফযিলত।
  • ২১৬. জুমুআর নামায ত্যাগ করার কঠোর পরিণতি সম্পর্কে।
  • ২১৭. জুমুআর নামায ত্যাগের কাফফারা।
  • ২১৮. যাদের উপর জুমুআর নামায ফরয।
  • ২১৯. বৃষ্টির দিনে জুমুআর নামায।
  • ২২০. শীতের রাতে জামা'আতে না যাওয়া সম্পর্কে।
  • ২২১. মহিলা ও গোলামদের জন্য জুমুআর নামায ফরয নয়।
  • ২২২. গ্রামাঞ্চলে জুমুআর নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ২২৩. ঈদ ও জুমুআ যদি একই দিনে একত্রিত হয়।
  • ২২৪. জুমুআর দিনে ফজরের নামাযে যে সূরা পড়তে হয়।
  • ২২৫. জুমুআর জন্য পরিধেয় বস্র সম্পর্কে।
  • ২২৬. জুমুআর দিন নামাযের পূর্বে গোলাকার হয়ে বসা।
  • ২২৭. মিম্বর তৈরি সম্পর্কে।
  • ২২৮. মিম্বর রাখার স্থান।
  • ২২৯. সূর্য পশিমাকাশে হেলে যাওয়ার পূর্বে জুমুআর দিন নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ২৩০. জুমুআর নামাযের ওয়াক্ত।
  • ২৩১. জুমুআর নামাযের আযান সম্পর্কে।
  • ২৩২. খুতবার সময় অন্যের সাথে ইমামের কথা বলা সম্পর্কে।
  • ২৩৩. ইমাম মিম্বরের উপর উঠে বসা।
  • ২৩৪. দাঁড়িয়ে খুতবা (ভাষণ) দেয়া সম্পর্কে।
  • ২৩৫. ধনুকের উপর ভর করে খুতবা দেয়া।
  • ২৩৬. মিম্বরের উপর থাকাবস্থায় দুই হাত তোলা অবাঞ্ছনীয়।
  • ২৩৭. খুতবাসমূহ সংক্ষেপ করা।
  • ২৩৮. খুতবার সময়ে ইমামের নিকটবর্তী স্থানে বসা।
  • ২৩৯. আকস্মিক কারণে ইমামের খুতবায় বিরতি সম্পর্কে।
  • ২৪০. ইমামের খুতবা দেয়ার সময় কাপড় জড়িয়ে বসবে না।
  • ২৪১. ইমামের খুতবা দেয়ার সময় কথা বলা নিষেধ।
  • ২৪২. উযু নষ্ট হলে ইমামের অনুমতি চাওয়া সম্পর্কে।
  • ২৪৩. ইমামের খুতবা দেয়ার সময় মসজিদে উপস্থিত হলে।
  • ২৪৪. জুমুআর দিনে লোকের কাঁধ টপকিয়ে সামনে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ২৪৫. ইমামের খুতবা দেওয়ার সময় কারো তন্দ্রা আসলে।
  • ২৪৬. খুতবা শেষে মিম্বর হতে নেমে ইমামের কথা বলা সম্পর্কে।
  • ২৪৭. যে ব্যাক্তি জুমুআর নামাযের এক রাকআত পায়।
  • ২৪৮. জুমুআর নামাযের কিরা'আত সম্পর্কে।
  • ২৪৯. ইমাম ও মুক্তাদীর মাঝখানে প্রাচীর থাকলে।
  • ২৫০. জুমুআর ফরযের পরে সুন্নত নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ২৫১. দুই ঈদের নামায।
  • ২৫২. ঈদের নামাযের জন্য মাঠে যাওয়ার সময়।
  • ২৫৩. মহিলাদের ঈদের নামাযে অংশগ্রহণের উদ্দেশ্যে মাঠে যাওয়া।
  • ২৫৪. ঈদের দিনের খুতবা (ভাষণ)।
  • ২৫৫. ধনুকের উপর ভর করে খুতবা (ভাষণ) দেওয়া।
  • ২৫৬. ঈদের নামাযে আযান নেই।
  • ২৫৭. ঈদের নামাযের তাকবীর।
  • ২৫৮. উভয় ঈদের নামাযে কিরা'আত পাঠ।
  • ২৫৯. খুতবা শুনার জন্য বসা।
  • ২৬০. ঈদের নামাযের জন্য এক পথ দিয়ে যাওয়া ও অন্য পথ দিয়ে প্রত্যাবর্তন।
  • ২৬১. কোন ওজরের কারণে ইমাম প্রথম দিন ঈদের নামাযের জন্য বের হতে না পারলে তা পরের দিন আদায় করা সম্পর্কে।
  • ২৬২. ঈদের নামাযের পর অন্য নামায আদায় করা সম্পর্কে।
  • ২৬৩. বৃষ্টির দিনে লোকদের নিয়ে ঈদের নামায মসজিদে আদায় করা।
  • ২৬৪. ইসতিসকার বিধানসমূহ ও এই নামাযের বর্ণনা।
  • ২৬৫. ইসতিসকার নামায আদায়কালে দুই হাত তুলে দুয়া করা।
  • ২৬৬. কুসুফের (সূর্যগ্রহণের সময়) নামায।
  • ২৬৭. (কুসুফের নামাযের) দুই রাকাতে চারটি রুকু সম্পর্কে।
  • ২৬৮. কুসুফের নামাযের কিরা'আত সম্পর্কে।
  • ২৬৯. কুসুফের নামাযের জন্য আহবান করা।
  • ২৭০. সূর্যগ্রহণের সময় দান-খয়রাত করা।
  • ২৭১. সূর্যগ্রহণের সময় গোলাম আযাদ করা।
  • ২৭২. যারা বলেন, সূর্যগ্রহণের সময় দুই রাকআত নামায পড়বে।
  • ২৭৩. দুর্যোগ-দুর্বিপাকের সময় নামায আদায় করা।
  • ২৭৪. কোন অশুভ আলামত দেখে সিজদা করা।
  • ২৭৫. মুসাফিরের নামায।
  • ২৭৬. মুসাফির কখন নামায কসর পড়বে।
  • ২৭৭. সফরের সময় আযান দেওয়া।
  • ২৭৮. সময়ের ব্যাপারে সন্দিহান অবস্থায় মুসাফিরের নামায আদায় করা।
  • ২৭৯. দুই ওয়াক্তের নামায একত্র করা।
  • ২৮০. সফরের সময় নামাযের কিরা'আত সংক্ষেপ করা।
  • ২৮১. সফরে সুন্নত ও নফল নামায পড়া।
  • ২৮২. বাহনের উপর নফল ও বিতর নামায আদায় করা।
  • ২৮৩. ওজরবশত বাহনের উপর ফরয নামায আদায় করা।
  • ২৮৪. মুসাফির কখন পুরা নামায আদায় করবে?
  • ২৮৫. শত্রুর দেশে অবস্থানকালে নামায কসর করা।
  • ২৮৬. শঙ্কাকালীন নামায।
  • ২৮৭. যেসব বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন সময়ে এক কাতার (দল) ইমামের সাথে নামায পড়বে এবং অপর কাতার শত্রুর মোকাবিলায় দণ্ডায়মান থাকবে। তাঁদের অভিমত এই যে, যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে, ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকাত (প্রথম রাকাত) নামায আদায় করে ততক্ষন দণ্ডায়মান থাকবেন, যতক্ষন না তাঁর সাথে নামায আদায়কারীরা নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকাত নামায সম্পন্ন করবে। অতঃপর তাঁরা শত্রুর বিরুদ্ধে প্রতিরোধ সৃষ্টি করতে যাবে, যারা ঐ দায়িত্বে নিয়োজিত তাঁরা এসে ইমামের পিছনে দাঁড়াবে। তখন ইমাম তাদেরকে নিয়ে এক রাকাত (অর্থাৎ ইমামের দ্বিতীয় রাকাত) নামাজ আদায় করে ততক্ষন বসবেন, যতক্ষন না পিছনে আগমনকারীরা তাঁদের দ্বিতীয় রাকাত নামায আদায় সম্পন্ন করে। অতঃপর ইমাম সকলকে (উভয় দলকে) নিয়ে সালাম ফিরাবে।
  • ২৮৮. যেসব বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন সময়ে ইমাম এক দলকে নিয়ে এক রাকাত আদায় করে দাঁড়িয়ে থাকবেন এবং তাঁর সাথীগণ নিজ নিজ দ্বিতীয় রাকাত আদায় করে সালাম ফিরিয়ে শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে এবং সালামের ব্যপারে মতভেদ আছে।
  • ২৮৯. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেম বলেন, শংকাকালীন নামায পড়া কালে সকলকে এক সঙ্গে তাকবীর তাহরীমা বলতে হবে, যদি এক দলের কিবলা তাঁদের পশ্চাতে পড়ে। অতঃপর যারা ইমামের নিকটবর্তী থাকবে তিনি তাঁদের সাথে এক রাকাত আদায় করবেন। পড়ে অপর দল এসে নিজ নিজ এক রাকাত আদায় করার পর ইমাম তাদেরকে নিয়ে দ্বিতীয় রাকাত আদায় করে বসে থাকবেন। তখন প্রথম রাকাত ইমামের সাথে আদায়কারীগণ ফিরে এসে স্ব স্ব দ্বিতীয় রাকাত আদায় করবে। অতঃপর ইমাম তাঁদের সাথে সালাম ফিরিয়ে নামায শেষ করবে।
  • ২৯০. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রত্যেক দলের সাথে এক রাকাত করে নামায পড়ে সালাম ফিরাবে। অতঃপর প্রত্যেক দল স্বতন্ত্র ভাবে আরও এক রাকাত পড়বে।
  • ২৯১. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রথম দলের সাথে এক রাকাত করে নামায পড়ে সালাম ফিরাবে এবং তাঁরা উঠে সতন্ত্রভাবে আরেক রাকাত নামায পড়বে। অতঃপর তাঁরা শত্রুর মুকাবিলায় চলে যাবে। এবং পরবর্তী দল এসে তাঁদের স্থানে দাঁড়িয়ে ইমামের সাথে এক রাকাত পড়বে।
  • ২৯২. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে,প্রত্যেক দল ইমামের সাথে এক রাকাত করে নামায পড়বে এবং দ্বিতীয় রাকাত পড়ার প্রয়োজন নেই।
  • ২৯৩. এক দল বিশেষজ্ঞ আলেমের মতে, ইমাম প্রত্যেক দলের সাথে দুই রাকাত করে নামায পড়বে।
  • ২৯৪. শত্রু হত্যার উদ্দেশ্যে অনুসন্ধানকারীর নামায সম্পর্কে।
  • ২৯৫. নফল ও সুন্নাত নামাযের বিভিন্ন দিক ও রাকাআত সম্পর্কে।
  • ২৯৬. ফজরের দুই রাকাত সুন্নাত নামায।
  • ২৯৭. ফজরের সুন্নাত সংক্ষেপে পড়া সম্পর্কে।
  • ২৯৮. ফজরের সুন্নাতের পর বিশ্রাম গ্রহন সম্পর্কে।
  • ২৯৯. কেউ ফজরের সুন্নাত নামায আদায়ের পূর্বে ইমামকে জামায়াতে নামাযরত পেলে।
  • ৩০০. যদি কারো ফজরের সুন্নত বাদ পড়ে তবে সে তা কখন পড়বে?
  • ৩০১. যুহরের আগে ও পরে চার রাকআত নামায।
  • ৩০২. আসরের ফরয নামাযের পূর্বে নামায পড়া সম্পর্কে।
  • ৩০৩. আসরের ফরয নামাযের পর নামায পড়া সম্পর্কে।
  • ৩০৪. সূর্য উপরে থাকতেই তা আদায়ের অনুমতি সম্পর্কে।
  • ৩০৫. মাগরিবের আগে নফল নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ৩০৬. বেলা এক প্রহরে চাশতের নামায।
  • ৩০৭. দিনের নফল নামায সম্পর্কে।
  • ৩০৮. সালাতুত তাসবীহ সম্পর্কে।
  • ৩০৯. মাগরিবের দুই রাকাত সুন্নাত নামায কোথায় পড়বে।
  • ৩১০. ইশার পর নফল নামায সম্পর্কে
  • ৩১১. রাত জাগরনের ( তাহজ্জুদ নামাযের ) বাধ্যবাধকতা রহিত করে সহজ বিধান দেওয়া হয়েছে।
  • ৩১২. তাহজ্জুদের নামাযে দাঁড়িয়ে রাত জাগা সম্পর্কে ।
  • ৩১৩. নামাযের মধ্যে তন্দ্রা এলে।
  • ৩১৪. নিদ্রার কারণে ওযীফা পরিত্যক্ত হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩১৫. নামাযের নিয়্যাত করবার পর নিদ্রাচ্ছন্ন হলে।
  • ৩১৬. রাত্রির কোন সময়টা ইবাদতের জন্য উত্তম।
  • ৩১৭. নবী করীম (স) রাতে কখন উঠতেন ?
  • ৩১৮. দুই রাকাত নফল দ্বারা রাতের নামায আরাম্ভ করা।
  • ৩১৯. রাতের নামায দুই দুই রাকাত।
  • ৩২০. রাতের (নফল) নামাযে কিরাতের স্বশব্দে পাঠ করা সম্পর্কে।
  • ৩২১. রাতের (তাহজ্জুদ) নামায সম্পর্কে।
  • ৩২২. নামাযের মধ্যে মধ্যম পন্থা অবলম্বন করা সম্পর্কে।
  • ৩২৩. রমযান মাসের রাত্রিকালীন নামায।
  • ৩২৪. লাইলাতুল কদর (মহিমান্বিত রাত) এর বর্ণনা।
  • ৩২৫. যারা বলেন, লাইলাতুল কদর একুশ রাতে।
  • ৩২৬. অন্য তারিখে শবে ক্কাদার হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩২৭. এক বর্ণনায় আছে, শবে ক্কাদার সতের তারিখে।
  • ৩২৮. শবে ক্কাদার রমযানের শেষ সাত দিনে হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩২৯. সাতাশে রমাযান শবেকদর অনুষ্ঠিত হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৩০. শবে কদর রমযানের যে কোন রাতে হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৩১. কুরআন মাজিদ কত দিনে খতম করতে হবে সে সম্পর্কে।
  • ৩৩২. আল-কুরআনকে পারা ও অংশে ভাগ করে পড়া সম্পর্কে।
  • ৩৩৩. আয়াতের সংখ্যা সম্পর্কে।
  • ৩৩৪. কুরআন মাজিদে তিলাওয়াতের সিজদা কয়টি?
  • ৩৩৫. ছোট ছোট সুরার (মুফাসসালের) মধ্যে সিজদা না থাকা সম্পর্কে।
  • ৩৩৬. যারা তাতে সিজদা আছে বলে মনে করেন।
  • ৩৩৭. সূরা ইকরা ও ইযাস সামাউ ইনশাককাত পাঠের পর সিজদা সম্পর্কে।
  • ৩৩৮. সূরা সাদ এ সিজদা সম্পর্কে।
  • ৩৩৯. যানবাহনের উপর আরোহী থাকাবস্থায় সিজদার আয়াত শুনলে।
  • ৩৪০. সিজদার মধ্যে কি বলবে?
  • ৩৪১. ফজরের নামাযের পর সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করলে।
  • ৩৪২. বিতিরের নামায সুন্নাত।
  • ৩৪৩. বিতিরের নামায আদায় না করলে তার শাস্তি।
  • ৩৪৪. বিতিরের নামায কয় রাকআত?
  • ৩৪৫. বিতিরের নামাযে কিরাত।
  • ৩৪৬. বিতিরের নামাযে দু'আ কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
  • ৩৪৭. বিতিরের পর দু'আ পাঠ সম্পর্কে।
  • ৩৪৮. নিদ্রার পূর্বে বিতিরের নামায আদায় সম্পর্কে।
  • ৩৪৯. বিতিরের ওয়াক্ত সম্পর্কে।
  • ৩৫০. দুই বার বিতির পড়বে না।
  • ৩৫১. নামাযের মধ্যে কুনুত পাঠ সম্পর্কে।
  • ৩৫২. ঘরে নফল নামায আদায়ের ফযিলত সম্পর্কে।
  • ৩৫৩. (দীর্ঘ কিয়াম)
  • ৩৫৪. ইবাদাতের জন্য রাত্রি জাগরনে উৎসাহিত করা।
  • ৩৫৫. কুরআন তিলাওয়াতের সাওয়াব সম্পর্কে।
  • ৩৫৬. সূরা ফাতিহা সম্পর্কে।
  • ৩৫৭. সূরা ফাতিহা লম্বা সুরাগুলোর (অর্থের দিক দিয়ে) অন্তুর্ভুক্ত।
  • ৩৫৮. আয়াতুল কুরসীর ফযিলত।
  • ৩৫৯. সূরা ইখলাসের ফযিলত।
  • ৩৬০. সূরা নাস ও ফালাকের ফযিলত।
  • ৩৬১. কুরআন মাজিদের কিরা'আতের মধ্যে 'তারতিল' সম্পর্কে।
  • ৩৬২. কুরআন হিফজের পর তা ভুলে গেলে, তার কঠোর পরিণতি সম্পর্কে।
  • ৩৬৩. কুরআন সাত হরফে নাযিল হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৬৪. দু'আর ফযিলত।
  • ৩৬৫. কঙ্কর দ্বারা তাসবীহ পাঠের হিসাব রাখা।
  • ৩৬৬. নামাযের সালাম শেষে কি দু'আ পড়বে?
  • ৩৬৭. ইস্তিগফার বা ক্ষমা প্রার্থনা সম্পর্কে।
  • ৩৬৮. সম্পদ ও পরিবার পরিজনদের অভিশাপ দেয়া নিষেধ।
  • ৩৬৯. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ব্যাতিত অন্যের উপর দুরুদ পাঠ সম্পর্কে।
  • ৩৭০. কারো অবর্তমানে তার জন্য দুয়া করা।
  • ৩৭১. শত্রুর ভয়ে ভীত অবস্থায় পাঠ করার দু'আ।
  • ৩৭২. ইস্তিখারার বর্ণনা।
  • ৩৭৩. আশ্রয় প্রার্থনা করা।
  • ৩/ যাকাত (كتاب الزكاة) ১৪৫ টি | ১৫৫৬-১৭০০ পর্যন্ত 3/ Zakat (Kitab Al-Zakat)
  • যাকাত দেয়া ওয়াজিব।*
  • ১. যে পরিমাণ মালে যাকাত ওয়াজিব হয়।
  • ২. বাণিজ্যিক পণ্যের যাকাত।
  • ৩. গচ্ছিত ধনের এবং অলংকারের যাকাত।
  • ৪. চরণভূমিতে স্বাধীনভাবে বিচরণশীল পশুর যাকাত।
  • ৫. যাকাত আদায়কারীকে রাখা।
  • ৬. যাকাত আদায়কারীর যাকাত প্রদানকারীদের জন্য দু’আ করা।
  • ৮. যাকাত আদায়কারী যাকাতদাতাদের নিকট কোন স্থানে যাকাত গ্রহণ করবে।
  • ৯. যাকাত দিয়ে তা পুনরায় ক্রয় করা।
  • ১০. দাস-দাসীর যাকাত।
  • ১১. কৃষিজ ফসলের যাকাত।
  • ১২. মধুর যাকাত।
  • ১৩. যাকাতের জন্য অনুমানপুর্বক আঙ্গুরের পরিমাণ নির্ধারণ।
  • ১৪. (যাকাতের জন্য) গাছের ফলের পরিমাণ অনুমানে নির্ণয় করা।
  • ১৫. কখন খেজুরের পরিমাণ অনুমান করবে?
  • ১৬. যে ফল যাকাত হিসাবে গ্রহণ করা জায়েয নয়।
  • ১৭. সাদাকাতুল ফিত্‌র (ফিতরা)
  • ১৮. সাদ্‌কাতুল ফিতর প্রদানের সময়।
  • ১৯. কি পরিমাণ সদাকাতুল ফিত্‌র দিতে হবে তার বর্ণনা।
  • ২০. অর্ধ সা' গম প্রদানের বর্ণনাসমুহ
  • ২১. অবিলম্বে (অগ্রিম) যাকাত পরিশোধ কর।
  • ২২. এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় যাকাত সামগ্রী খরচ করা সম্পর্কে।
  • ২৩. যাকাত কাকে দিতে হবে এবং কাকে ধনী বলা যায়।
  • ২৪. ধনী হওয়া সত্বেও যার জন্য যাকাত গ্রহণ বৈধ।
  • ২৫. এক ব্যক্তিকে যাকাতের মালের কি পরিমাণ দেয়া যেতে পারে।
  • ২৬. যে অবস্থায় যাঞ্ছা করা বৈধ।
  • ২৭. ভিক্ষাবৃত্তির নিন্দা।
  • ২৮. ভিক্ষাবৃত্তি বা কারো কাছে কিছু চাওয়া থেকে নিবৃত্ত থাকা।
  • ২৯. হাশিম বংশীয়দের যাকাত প্রদান সম্পর্কে।
  • ৩০. ফকীর যদি ধনীকে হাদিয়া হিসাবে যাকাতের মাল দেয়।
  • ৩১. কোন ব্যক্তি যাকাত প্রদানের পর পুনরায় তার ওয়ারিশ হলে।
  • ৩২. সম্পত্তি সংক্রান্ত অধিকার।
  • ৩৩. প্রার্থনাকারীর অধিকার সম্পর্কে।
  • ৩৪. অমুসলিমদের দান-খয়রাত করা।
  • ৩৫. যেসব জিনিস চাইলে দিতে বারণ করা যায় না।
  • ৩৬. মসজিদের মধ্যে যাঞ্ছা করা।
  • ৩৭. আল্লাহ্‌র নাম নিয়ে কিছু চাওয়া অপছন্দনীয়।
  • ৩৮. মহান আল্লাহ্‌র নামে সাওয়ালকারিকে দান করা সম্পর্কে।
  • ৩৯. যে ব্যাক্তি তার সকল সম্পদ দান করতে চায়।
  • ৪০. এ ব্যাপারে অনুমতি সম্পর্কে।
  • ৪১. পানি পান করানোর ফযিলত।
  • ৪২. কোন কিছু ধারনাস্বরূপ দেওয়া।
  • ৪৩. ভাণ্ডার রক্ষকের সাওয়াব সম্পর্কে।
  • ৪৪. স্বামীর সম্পদ থেকে স্ত্রীর দান-খয়রাত করার বর্ণনা।
  • ৪৫. নিকটাত্মীয়দের অনুগ্রহ প্রদর্শন।
  • ৪৬. কৃপনতার নিন্দা।
  • ৪/ লুকতাহ (হারানো বস্তু প্রাপ্তি) (كتاب اللقطة) ২০ টি | ১৭০১-১৭২০ পর্যন্ত 4/ The Book of Lost and Found Items
  • পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب المناسك) ৩২১ টি | ১৭২১-২০৪১ পর্যন্ত 5/ The Rites of Hajj (Kitab Al-Manasik Wa'l-Hajj)
  • ১. হজ্জ ফরজ হওয়ার বর্ণনা।
  • ২. মহিলাদের সাথে মুহরিম পুরুষ ছাড়া হজ্জে যাওয়া।
  • ৩. ইসলামে কোন বৈরাগ্য নেই।
  • ৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৫. (হজ্জের সময়) পশু ভাড়ায় খাটানো।
  • ৬. অপ্রাপ্ত বয়স্কদের হজ্জ।
  • ৭. মীকাতসমূহের বর্ণনা।
  • ৮. ঋতুমতী স্ত্রীলোকের হজ্জের ইহরাম বাঁধা।
  • ৯. ইহরামের সময় সুগন্ধি ব্যবহার।
  • ১০. মাথার চুল জমাটবদ্ধ করা।
  • ১১. কুরবানীর পশুর বর্ণনা।
  • ১২. গরু কুরবানী করা।
  • ১৩. ইশআর বা কুরবানীর পশুর রক্তচিহ্ন দান।
  • ১৪. কুরবানীর পশু পরিবর্তন।
  • ১৫. কুরবানীর পশু (মক্কায়) প্রেরণের পর হালাল অবস্থায় থাকা।
  • ১৬. কুরবানীর উটের পিঠে আরোহণ করা।
  • ১৭. কুরবানীর পশু গন্তব্যে (মক্কা) পৌঁছার পূর্বেই অবসন্ন হয়ে পড়লে।
  • ১৮. কুরবানীর উট কিভাবে যবেহ্ করা হবে।
  • ১৯. ইহরাম বাঁধার নির্দিষ্ট সময়।
  • ২০. হজ্জে শর্তারোপ করা।
  • ২১. হজ্জে ইফরাদ।
  • ২২. হজ্জে কিরান।
  • ২৩. যে ব্যক্তি হজ্জের ইহরাম বাঁধার পর তা উমরায় পরিবর্তন করে।
  • ২৪. যে ব্যক্তি অন্যের পক্ষে (বদলী ) হজ্জ করে।
  • ২৫. তালবিয়া কীভাবে পড়বে।
  • ২৬. তালবিয়া পাঠ কখন বন্ধ করবে।
  • ২৭. উমরা পালকারী কখন তালবিয়া পাঠ বন্ধ করবে।
  • ২৮. ইহরা্ম অবস্থায় কোনো ব্যক্তি নিজ গোলামকে প্রহার করলে।
  • ২৯. পরিধেয় বস্ত্রে ইহরাম বাঁধা।
  • ৩০. মুহরিম ব্যক্তি কী ধরনের পোশাক পরিধান করবে।
  • ৩১. মুহরিম ব্যক্তির যুদ্ধাস্ত্র বহন।
  • ৩২. মুহরিম স্ত্রী লোকের মুখমন্ডল ঢাকা।
  • ৩৩. মুহরিম ব্যক্তির সূর্যের কিরণ থেকে ছায়া গ্রহণ।
  • ৩৪. মুহরিম ব্যক্তির দেহে সিংগা লাগানো।
  • ৩৫. মুহরিম ব্যক্তির সুরমা ব্যবহার।
  • ৩৬. মুহরিম ব্যক্তির গোসল করা।
  • ৩৭. মুহরিম ব্যক্তির বিবাহ করা।
  • ৩৮. ইহরাম অবস্থায় যেসব জীবজন্তু হত্যা করা যাবে।
  • ৩৯. মুহরিম ব্যক্তির জন্য শিকারের গোশত।
  • ৪০. মুহরিম ব্যক্তির ফড়িং মারা জায়েয কিনা।
  • ৪১. ফিদয়া ( ক্ষতিপূরণ)।
  • ৪২. ইহরামের পর যদি হজ্জ করতে অপারগ বা বাধাপ্রাপ্ত হয়.
  • ৪৩. মক্কায় প্রবেশ।
  • ৪৪. বায়তুল্লাহ্ শরীফ দৃষ্টিগোচর হলে হাত উত্তোলন করা।
  • ৪৫. হাজরে আসওয়াদে চুমু দেয়া।
  • ৪৬. বায়তুল্লাহর রুকনসমূহ ( কোণসমূহ) স্পর্শ করা।
  • ৪৭. তাওয়াফে ( যিয়ারত) বাধ্যতামূলক।
  • ৪৮. তাওয়াফের সময় ডান বগলের নিচে দিয়ে, বাম কাঁধের উপর চাঁদর পেঁচানো।
  • ৪৯. রমল করা।
  • ৫০. তাওয়াফের সময় দু‘আ করা।
  • ৫১. আসরের পরে তাওয়াফ করা।
  • ৫২. হজ্জে কিরান আদায়কারীর তাওয়াফ সম্পর্কে।
  • ৫৩. মূলতাযাম।
  • ৫৪. সাফা মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা।
  • ৫৫. মহানবী (ﷺ) - এর বিদায় হজ্জের বিবরণ।
  • ৫৬. আরাফাতের অবস্থান।
  • ৫৭. (মক্কা হতে) মিনায় গমন।
  • ৫৮. (মিনা হতে) আরাফাতে গমণ।
  • ৫৯. সূর্য পশ্চিমাকাশে যাওয়ার পর অরাফাতে গমণ।
  • ৬০. আরাফাতের খুতবা (ভাষণ)।
  • ৬১. আরাফাতে অবস্থানের স্থান।
  • ৬২. আরাফাত থেকে প্রত্যাবর্তন।
  • ৬৩. মুয্দালিফায় নামায।
  • ৬৪. (ভীড়ের কারণে) মুযাদালিফা হতে জলদি প্রত্যাবর্তন করা।
  • ৬৫. মহান হজ্জের দিন।
  • ৬৬. হারাম বা সম্মানিত মাসসমূহ।
  • ৬৭. যে ব্যক্তি আরাফাতের ময়দানে অবস্থানের সুযোগ পায়নি।
  • ৬৮. মিনায় অবতরণ।
  • ৬৯. মিনাতে কোন দিন খুতবা দিতে হবে।
  • ৭০. যিনি বলেন, কুরবানীর দিন খুতবা প্রদান করেছেন।
  • ৭১. কুরবানীর দিন কখন খুতবা দিবে।
  • ৭২. মিনার খুতবাতে ইমাম কী বলবে।
  • ৭৩. মিনাতে অবস্থানকালে মক্কায় রাত্রি যাপন।
  • ৭৪. মিনাতে নামায (কসর করা এবং না করা)।
  • ৭৫. মক্কাবাসীদের জন্য কসর বা নামায সংক্ষেপ করা।
  • ৭৬. কংকর নিক্ষেপ।
  • ৭৭. মস্তক মুন্ডন ও চুল ছোট করা।
  • ৭৮. উমরা।
  • ৭৯. যদি কোন স্ত্রীলোক উমরার জন্য ইহরাম বাঁধার পর ঋতৃুমতী হয় , অতঃপর হজ্জের সময় উপস্থিত হওয়ায় সে তার উমরা পরিত্যাগ করে হজ্জের জন্য ইহরাম বাঁধে, এমতাবস্থায় সে তার উমরার কাযা (আদায়) করবে কিনা।
  • ৮০. উমরা সম্পদনকালে মক্কায় অবস্থান।
  • ৮১. হজ্জে তাওয়াফে যিয়ারত।
  • ৮২. তাওয়াফে আল বিদা‘।
  • ৮৩. ঋতুমতী মহিলা যাদি তাওয়াফে আল বিদার পূর্বে তাওয়াফে ইফাদা সম্পন্ন করে বের হয়।
  • ৮৪. বিদায়ী তাওয়াফ।
  • ৮৫. মুহাসসাবে অবতরণ।
  • ৮৬. হজ্জের সময় যদি কেউ আগের কাজ পরে বা পরের কাজ আগে করে।
  • ৮৭. মক্কাতে নামাযের জন্য সুতরা ব্যবহার।
  • ৮৮. মক্কার পবিত্রতা।
  • ৮৯. নাবীয পানীয়।
  • ৯০. (মুহাজিরের জন্য) মক্কায় অবস্থান।
  • ৯১. কা‘বা ঘরের মধ্যে নামায।
  • ৯২. কা‘বা ঘরে রক্ষিত মালামাল।
  • ৯৩. মদীনাতে আগমন।
  • ৯৪. মদীনার পবিত্রতা।
  • ৯৫. কবর যিয়ারত।
  • ৬/ বিবাহ (كتاب النكاح) ১৩০ টি | ২০৪২-২১৭১ পর্যন্ত 6/ Marriage (Kitab Al-Nikah)
  • ৯৬. বিবাহের ব্যাপারে উৎসাহিত করা।
  • ৯৭. ধর্মপরায়ণা রমণী বিবাহের নির্দেশ।
  • ৯৮. কুমারী নারীকে বিবাহ করা।
  • ৯৯. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ যিনাকার পুরূষ কেবল যিনাকারিণী স্ত্রীলোককে বিবাহ করবে।
  • ১০০. যে ব্যক্তি তার দাসীকে মুক্ত করার পর তাকে বিবাহ করে।
  • ১০১. বংশীয় সম্পর্কের কারণে যা হারাম হয়, তা দুগ্ধ পানের কারণেও হারাম হয়।
  • ১০২. দুধ সম্পর্কীয় পুরুষ আত্মীয়।
  • ১০৩. বয়স্ক ব্যক্তির দুধপান সম্পর্কে।
  • ১০৪. বয়স্ক ( দুধ পানকারী) ব্যক্তির জন্য যা হারাম হয়।
  • ১০৫. পাঁচবারের কম দুধপানে হুরমাত প্রতিষ্ঠিত হবে কি?
  • ১০৬. দুগ্ধপান ত্যাগের সময় বিনিময় প্রদান।
  • ১০৭. যে সমস্ত স্ত্রীলোককে একত্রে বিবাহ করা হারাম।
  • ১০৮. মুত‘আ বা ভোগ - বিবাহ।
  • ১০৯. মাহর নির্ধারণ ব্যতীত এক বিবাহের পরিবর্তে অন্য বিবাহ।
  • ১১০. তাহলীল বা হালাল করা।
  • ১১১. মনিবের অনুমতি ব্যতীত কোন ক্রীতদাসের বিবাহ করা।
  • ১১২. এক ব্যক্তির বিবাহের প্রস্তবের উপর অন্য ব্যাক্তির বিবাহের প্রস্তাব দেয়া মাকরূহ্।
  • ১১৩. বিবাহের উদ্দেশ্যে কোন ব্যক্তির পাত্রী দেখা।
  • ১১৪. ওলী বা অভিভাবক।
  • ১১৫. স্ত্রীলোকদের বিবাহে বাধা প্রদান।
  • ১১৬. যদি কোন স্ত্রীলোককে দু‘জন ওলী দু‘জায়গায় বিবাহ দেয়।
  • ১১৭. আল্লাহর বাণী : তোমাদের জন্য এটা হালাল নয় যে, তোমরা জোরপূরবক কোন মহিলার মালিক হবে। আর তোমরা তাদের অন্যের সাথে বিবাহে বাধা দিবে না।
  • ১১৮. মেয়েদের নিকট বিবাহের ব্যাপারে অনুমতি চাওয়া।
  • ১১৯. যদি কোন পিতা তার বালিগা কুমারী মেয়েকে তার বিনা অনুমতিতে বিবাহ দেয়।
  • ১২০. সাইয়্যেবা।
  • ১২১. কুফু বা সমকক্ষতা।
  • ১২২. কারো জন্মের পূর্বে বিবাহ দেয়া।
  • ১২৩. মাহর নির্ধারণ।
  • ১২৪. মাহরের সরবনিম্ন হার।
  • ১২৫. কোন কাজকে মাহর ধার্য করে বিবাহ প্রদান।
  • ১২৬. যে ব্যক্তি মাহর নির্ধারণ ব্যতীত বিবাহ করে মৃত্যুবরণ করে।
  • ১২৭. বিবাহের খুতবা।
  • ১২৮. অপ্রাপ্ত বয়স্কা মেয়েদের বিবাহ প্রদান।
  • ১২৯. কুমারী মহিলা বিবাহ করলে, তার সাথে কতদিন অবস্থান করতে হবে।
  • ১৩০. যদি কেউ তার স্ত্রীকে কিছু দেওয়ার পূর্বে তার সাথে সহবাস করতে চায়।
  • ১৩১. দম্পতির জন্য দু‘আ করা।
  • ১৩২. যদি কেউ কোন স্ত্রীরোককে বিবাহ করার পর গর্ভবতী পায়।
  • ১৩৩. একাধিক স্ত্রীর মধ্যে ইনসাফ্ভিত্তিক বণ্টন।
  • ১৩৪. স্ত্রীর বাড়ীতে সহাবস্থানের শর্তে বিবাহ করলে তাকে অন্যত্র নেয়া যায় কিনা।
  • ১৩৫. স্ত্রীর উপর স্বামীর হক (অধিকার)।
  • ১৩৬. স্বামীর উপর স্ত্রীর অধিকার।
  • ১৩৭. স্ত্রীদের মারধর করা।
  • ১৩৮. যে ব্যাপারে চক্ষু অবনত রাখতে নির্দেশ দেয়া হয়।
  • ১৩৯. বন্দী স্ত্রীলোকের সাথে সহবাস করা।
  • ১৪০. সহবাস সম্পর্কীয় অন্যান্য হাদীস।
  • ১৪১. ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে সহবাস বা মিলন।
  • ১৪২. ঋতুমতী স্ত্রীর সাথে সংগমের কাফ্ফারা।
  • ১৪৩. আয্ল।
  • ১৪৪. কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর সাথে মিলনের পর তা অন্য ব্যক্তির নিকট বিবৃত করার অপরাধ।
  • ৭/ তালাক (كتاب الطلاق) ১৩৫ টি | ২১৭২-২৩০৬ পর্যন্ত 7/ Divorce (Kitab Al-Talaq)
  • ১৪৫. যে ব্যক্তি কোন স্ত্রীলোককে তার স্বামীর বিরূদ্ধে প্ররোচিত করে।
  • ১৪৬. ঐ স্ত্রীলোক যে তার স্বামীর নিকট তার অন্য স্ত্রীকে তালাক দেয়ার জন্য বলে।
  • ১৪৭. তালাক একটি গর্হিত কাজ।
  • ১৪৮. সুন্নাত তরীকায় তালাক।
  • ১৪৯. তিন তালাক প্রদানের পর পুনঃ গ্রহণ বাতিল হওয়া।
  • ১৫০. গোলামের তালাক প্রদানের নিয়ম।
  • ১৫১. বিবাহের পূর্বে তালাক।
  • ১৫২. রাগান্বিত অবস্থায় তালাক দেয়া।
  • ১৫৩. হাসি-ঠাট্টাচ্ছলে তালাক প্রদান।
  • ১৫৪. তিন তালাক প্রদানের পর পুনঃগ্রহণ বাতিল হওয়া সম্পর্কে অবশিষ্ট হাদীস।
  • ১৫৫. যে শব্দের দ্বারা তালাকের ইচ্ছা বোঝায় তা এবং নিয়্যাত।
  • ১৫৬. যদি কোনো ব্যক্তি তার স্ত্রীকে তালাক প্রদানের এখতিয়ার (ক্ষমতা) দেয়, তবে এতে তালাক হবে কিনা।
  • ১৫৭. যদি কোন স্বামী তার স্ত্রীকে বলে, ‘‘তোমার ব্যাপার তোমার হাতে’’।
  • ১৫৮. যদি কেউ স্বীয় স্ত্রীকে ‘আলবাত্তাতা’ (অবশ্যই তালাক দিলাম বা এক শব্দে তিন তালাক দিলাম বলে) তালাক প্রদান করে।
  • ১৫৯. যদি কেউ মনে মনে স্ত্রীকে তালাক দেয়।
  • ১৬০. ঐ ব্যক্তি সম্পর্কে, যে স্বীয় স্ত্রীকে বলে, হে আমার ভগ্নি!
  • ১৬১. যিহার।
  • ১৬২. খুল্‘আ তালাক।
  • ১৬৩. আযাদকৃত দাসী যদি কোনো স্বাধীন ব্যক্তি বা ক্রীতদাসের হয়, তবে তার বিবাহ ঠিক রাখা বা বাতিল করা।
  • ১৬৪. যারা বলেন, (মুগীস) স্বাধীন ছিল।
  • ১৬৫. স্বেচ্ছায় বিচ্ছেদ ঘটানোর সময়সীমা।
  • ১৬৬. বিবাহেত দাস- দাসীকে একত্রে মুক্ত করা হলে স্ত্রীর বিচ্ছেদ ঘটানোর ইখতিয়ার।
  • ১৬৭. যখন স্বামী - স্ত্রীর একজন ইসলাম কবূল করে।
  • ১৬৮. স্ত্রীর ইসলাম গ্রহণের পর যদি স্বামীও ইসলাম কবূল করে, এমতাবস্থায় কতদিন পরে স্ত্রীকে স্বামীর নিকট ফিরিয়ে দেয়া যাবে।
  • ১৬৯. ইসলাম গ্রহণের পর যদি কারো নিকট চারের অধিক স্ত্রী থাকে।
  • ১৭০. যখন পিতা- মাতার একজন ইসলাম কবূল করে, তখন সন্তান কার হবে।
  • ১৭১. লি‘আন।
  • ১৭২. সন্তানের উপর সন্দেহ পোষণ করা।
  • ১৭৩. ঔরসজাত সন্তান গ্রহণে অস্বীকৃতির ভয়ংকর পরিণতি।
  • ১৭৪. জারজ সন্তানের দাবি।
  • ১৭৫. রেখা বিশেষজ্ঞ।
  • ১৭৬. জাহিলিয়াতের যুগে বিভিন্ন ধরণের বিবাহ।
  • ১৭৭. বিছানা যার, সন্তান তার।
  • ১৭৮. সন্তানের অধিক হক্দার কে?
  • ১৭৯. তালাকপ্রাপ্তা রমনীর ইদ্দত।
  • ১৮০. তালাকপ্রাপ্তা মহিলাদের ইদ্দত পালন রহিত হওয়া।
  • ১৮১. তালাক প্রদানের পর স্ত্রীকে পুনঃ গ্রহণ।
  • ১৮২. তালাকে বায়েনপ্রাপ্তা মহিলার খোরপোষ।
  • ১৮৩. যারা ফাতিমার বর্ণিত হাদীসকে অস্বীকার করে।
  • ১৮৪. বায়েন তালাকপ্রাপ্তা রমণীর ইদ্দতকালীন সময়ে দিনের বেলায় বাইরে যাওয়া।
  • ১৮৫. মীরাস ফরয হওয়ার পর স্ত্রীর জন্য মৃত স্বামীর খোরপোষ বাতিল হওয়া।
  • ১৮৬. মৃত স্বামীর জন্য স্ত্রীর শোক প্রকাশ।
  • ১৮৭. যার স্বামী মৃত্যুবরণ করেছে তার ঘর হতে বের হওয়া।
  • ১৮৮. স্বামীর মৃত্যুর পর স্বামীগৃহ পরিত্যাগ পূর্বক অন্যত্র গমন।
  • ১৮৯. ইদ্দত পালনকারী মহিলা ইদ্দতের সময় কি কি কাজ হতে বিরত থাকবে।
  • ১৯০. গর্ভবতী মহিলার ইদ্দত।
  • ১৯১. উম্মে ওলাদের ইদ্দত।
  • ১৯২. তালাক বায়েনপ্রাপ্তা রমণী ততক্ষণ তার স্বামীর নিকট ফিরে যেতে পারবে না; যতক্ষণ না অন্য কোন স্বামী তাকে স্ত্রী হিসাবে গ্রহণ করে।
  • ১৯৩. যিনার ভয়াবহতা।
  • ৮/ সওম (كتاب الصوم ) ১৬২ টি | ২৩০৭-২৪৬৮ পর্যন্ত 8/ Fasting (Kitab Al-Siyam)
  • ১৯৪. সিয়াম ফরয হওয়া।
  • ১৯৫. ‘‘যারা রোযার সামর্থ্য রাখে অথচ রোযা রাখে না তারা ফিদ্য়া দিবে’’ আ্লাহ্ তা‘আলার এ বাণী মানসূখ্ ( রহিত) হওয়া।
  • ১৯৬. বৃদ্ধ ও গর্ভবতীর জন্য রোযা না রেখে ফিদ্য়া দেয়ার ব্যাপারে নির্দেশ বহাল রয়েছে বলে যারা মত পোষণ করেন।
  • ১৯৭. মাস ঊনত্রিশ দিনেও হয়।
  • ১৯৮. নতুন চাঁদ দেখতে লোকেরা ভুল করলে।
  • ১৯৯. মেঘাচ্ছন্নতার জন্য নতুন চাঁদ না দেখার কারনে, রোযার মাস যদি গোপন থাকে।
  • ২০০. যদি রামাযানের ঊনত্রিশ তারিখে আকাশ মেঘাচ্ছন্ন থাকে এবং শাওয়ালের চাঁদ দেখা না যায় তবে তোমরা ত্রিশ রোযা পূর্ণ করবে।
  • ২০১. রামাযানের আগমনের পূর্বে রোযা রাখা।
  • ২০২. যদি কোন শহরে অন্যান্য শহরের এক রাত পূর্বে চাঁদ দেখা যায়।
  • ২০৩. সন্দেহজনক দিবসে রোযা রাখা মাকরূহ।
  • ২০৪. যারা শা‘বানের রোযাকে রামাযানের রোযার সাথে মিশ্রিত করেন।
  • ২০৫. শা‘বানের শেষার্ধে রোযা রাখা মাকরূহ।
  • ২০৬. শাওয়ালের চাঁদ দর্শনে দু‘ব্যক্তির সাক্ষ্য প্রদান।
  • ২০৭. রামাযানের চাঁদ দেখার ব্যাপারে এক ব্যক্তির সাক্ষ্য।
  • ২০৮. সাহরী খাওয়ার গুরুত্ব।
  • ২০৯. সাহরীকে যারা নাশ্তা হিসাবে আখ্যায়িত করেন।
  • ২১০. সাহরীর সময়।
  • ২১১. সাহরীর খাবার গ্রহণরত অবস্থায় আযান শুনতে পেলে।
  • ২১২. রোযাদারের ইফ্তারের সময়।
  • ২১৩. দ্রুত (সূর্যাস্তের পরপরই) ইফ্তার করা মুস্তাহাব।
  • ২১৪. যা দিয়ে ইফ্তার করতে হবে।
  • ২১৫. ইফ্তারের সময় কী বলতে হবে।
  • ২১৬. সূর্যাস্তের পূর্বে ইফ্তার করা।
  • ২১৭. সাওমে বিসাল্।
  • ২১৮. রোযাদারের জন্য গীবত করা।
  • ২১৯. রোযাদার ব্যক্তির মিসওয়াক করা।
  • ২২০. তৃষ্ণার্ত হওয়ার কারণে মাথায় পানি দেয়া এবং বার বার নাকে পানি দেয়া।
  • ২২১. রোযাদার ব্যক্তির শিংগা লাগানো।
  • ২২২. রোযা অবস্থায় শিংগা লাগানের ব্যাপারে অনুমতি।
  • ২২৩. রামাযান মাসে রোযাদার ব্যক্তির দিনের বেলায় স্বপ্নদোষ হলে।
  • ২২৪. নিদ্রা যাওয়ার সময় সুরমা ব্যবহার।
  • ২২৫. রোযাদার ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে বমি করলে।
  • ২২৬. রোযাদার ব্যক্তির চুম্বন করা।
  • ২২৭. রোযাদার ব্যক্তির থুথু গলাধরণ করা।
  • চুম্বন ও সহাবস্থান যুবকের মাকরূহ হওয়া।
  • ২২৮. রামাযান মাসে নাপাক অবস্থায় ভোর হলে।
  • যে ব্যক্তি রামাযানের দিনে স্বীয় স্ত্রীর সাথে সহবাস করে, তার কাফ্ফারা।
  • ২৩০. রোযা রেখে যে ব্যক্তি ভুলক্রমে খাদ্য গ্রহণ করে।
  • ২৩১. রামাযানের রোযার কাযা আদায়ে বিলম্ব করা।
  • ২৩২. যে ব্যক্তি রোযার কাযা বাকি থাকা অবস্থায় মৃত্যুবরণ করে।
  • ২৩৩. সফরে রোযা রাখা।
  • ২৩৪. (সফরে) যিনি ইফ্তারকে ভাল মনে করেন।
  • ২৩৬. সফরের উদ্দেশ্যে বের হয়ে মুসাফির কখন ইফ্তার করবে।
  • ২৩৭. রোযাদার ব্যক্তি কী পরিমাণ দূরত্ব অতিকরম করলে রোযা না রেখে পানাহার করবে।
  • ২৩৮. যে ব্যক্তি বলে, আমি পূর্ণ রামাযান রোযা রেখেছি।
  • ২৩৯. দু‘ঈদের দিনে রোযা রাখা।
  • ২৪০. তাশরীকের দিনসমূহে রোযা রাখা।
  • ২৪১. (কেবল) জুমু‘আর দিনকে রোযার জন্য নির্ধারিত করা নিষেধ।
  • ২৪২. (কেবল) শনিবার দিনকে রোযার জন্য নির্ধারিত করা নিষেধ।
  • ২৪৩. এতদ্সম্পর্কে (সপ্তাহের নির্দিষ্ট দিন) অনুমতি প্রসংগে।
  • ২৪৪. সারা বছর নয়ল রোযা রাখা।
  • ২৪৫. হারাম (পবিত্র) মাসসমূহে রোযা রাখা।
  • ২৪৬. মুহাররাম মাসের রোযা।
  • ২৪৭. রজব মাসের রোযা।
  • ২৪৮. শা‘বান মাসের রোযা।
  • ২৪৯. শাওয়াল মাসে ছয়দিন রোযা রাখা।
  • ২৫০. নবী করীম (সাঃ) কিভাবে রোযা রাখতেন।
  • ২৫১. সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা।
  • ২৫২. দশদিন রোযা রাখা।
  • ২৫৩. দশ যিলহজ্জে রোযা না রাখা।
  • ২৫৪. আরাফাতের দিন আরাফাতের রোযা রাখা।
  • ২৫৫. আশুরার দিন রোযা রাখা।
  • ২৫৬. ৯ মুহাররামের দিন আশুরা হওয়া সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৫৭. আশুরার রোযার ফযীলত।
  • ২৫৮. একদিন রোযা রাখা ও একদিন না রাখা।
  • ২৫৯. প্রতিমাসে তিনদিন রোযা রাখা।
  • ২৬০. সোমবার ও বৃহস্পতিবার রোযা রাখা।
  • ২৬১. যিনি বলেন, মাসের যেকোনো দিন রোযা রাখায় কোন অসুবিধা নেই।
  • ২৬২. রোযার নিয়্যাত।
  • ২৬৩. রোযার জন্য নিয়্যাত না করার অনুমতি।
  • ২২৯. স্বেচ্ছায় রোযা ভঙ্গ করার কঠোর পরিণতি।
  • ২৩৫. (সফরে) যে ব্যক্তি রোযা রাখাকে ভাল মনে করেন।
  • ২৬৪. যার মতে, নফল রোযা ভঙ্গের পর এর কাযা আদায় করতে হবে।
  • ২৬৫. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীর (নফল) রোযা রাখা।
  • ২৬৬. রোযাদার ব্যক্তিকে যদি বিবাহ - ভোজে দাওয়াত করা হয়।
  • ২৬৭. ই‘তিকাফ।
  • ২৬৮. ই‘তিকাফ কোথায় করতে হবে।
  • ২৬৯. ই‘তিকাফের প্রয়োজনে মসজিদ হতে বের হয়ে ঘরে প্রবেশ করতে পারবে।
  • ২৭০. ই‘তিকাফকারীর রোগীর সেবা করা।
  • ২৭১. মুস্তাহাযার ই‘তিকাফ।
  • ৯/ জিহাদ (كتاب الجهاد) ৩১০ টি | ২৪৬৯-২৭৭৮ পর্যন্ত 9/ Jihad (Kitab Al-Jihad)
  • ২৭২. হিজরত সম্পর্কে।
  • ২৭৩. হিজরত শেষ হল কিনা।
  • ২৭৪. শাম বা সিরিয়ায় বসবাস।
  • ২৭৫. সর্বকালে জিহাদ অব্যাহত থাকবে।
  • ২৭৬. জিহাদের পূণ্য।
  • ২৭৭. ইবাদতের উদ্দেশ্যে বনবাসী হওয়া নিষেধ।
  • ২৭৮. যুদ্ধশেষে যুদ্ধক্ষেত্র হতে প্রত্যাবর্তনের মর্যাদা।
  • ২৭৯. অন্যান্য জাতি অপেক্ষা রোমবাসীদের সঙ্গে যুদ্ধের মর্যাদা।
  • ২৮০. সমুদ্রযানে আরোহণ এবং যুদ্ধ করা।
  • ২৮১. যে মুসলিম কাফিরকে হত্যা করে তার মর্যাদা।
  • ২৮২. মুজাহিদগণের স্ত্রীদের সম্ভ্রম রক্ষা করা।
  • ২৮৩. ক্ষুদ্র সেনাদল যারা যুদ্ধলব্ধ সম্পদ গ্রহণ করে না।
  • ২৮৪. মহান আল্লাহর পথে যুদ্ধরত অবস্থায় নামায, রোযা ও যিকর এর সাওয়াব বৃদ্ধি পায়।
  • ২৮৫. জিহাদে বের হয়ে যে মৃত্যুবরণ করে।
  • ২৮৬. শত্রুর মোকাবিলায় সদা প্রস্ত্তত থাকার মর্যাদা।
  • ২৮৭. মহান আল্লাহর রাহে যুদ্ধক্ষেত্রে প্রহরা দানের মর্যাদা।
  • ২৮৯. কিছু সংখ্যক বিশিষ্ট লোকের যুদ্ধে গমনের নির্দেশ দ্বারা সার্বজনীন অংশগ্রহণের নির্দেশ রহিত হওয়া।
  • ২৯০. ওযরবশত যুদ্ধে যোগদান থেকে বিরত থাকার অনুমতি।
  • ২৯১. যে কাজে জিহাদের সওয়াব পাওয়া যায়।
  • ২৯২. সাহসিকতা ও ভীরুতা।
  • ২৯৩. মহান আল্লাহ বাণীঃ ‘তোমরা নিজেদেরকে ধ্বংসের দিকে ঠেলে দিও না।’
  • ২৯৪. তীর নিক্ষেপ।
  • ২৯৫. যে ব্যক্তি পার্থিব স্বার্থে যুদ্ধ করে।
  • ২৯৬. শাহাদাতের মর্যাদা।
  • ২৯৭. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৯৮. শহীদ কর্তৃক সুপারিশ করা।
  • ২৯৯. শহীদের কবর হতে নূর দৃষ্ট হওয়া।
  • ৩০০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৩০১. যুদ্ধে অর্থের বিনিময়ে শ্রমদান।
  • ৩০২. অর্থের বিনিময়ে সৈন্য বা যুদ্ধাত্র গ্রহণের অনুমতি।
  • ৩০৩. যে ব্যক্তি সেবার জন্য শ্রমিক নিযুক্ত হয়ে যুদ্ধ করে।
  • ৩০৪. যে ব্যক্তি মাতা-পিতাকে নারায রেখে যুদ্ধে যেতে চায়।
  • ৩০৫. মহিলাদের যুদ্ধে অংশগ্রহণ।
  • ৩০৬. অত্যাচারী শাসকের সঙ্গে যুদ্ধ।
  • ৩০৭. অন্যের মালপত্রের বোঝা বহণ করে যে ব্যক্তি যুদ্ধ করে।
  • ৩০৮. যে ব্যক্তি পুণ্য ও গণীমতের লাভের আশায় যুদ্ধে যেতে চায়।
  • ৩০৯. যে ব্যক্তি আল্লাহ রাহে নিজেকে বিক্রি করে দেয়।
  • ৩১০. যে ব্যক্তি যুদ্ধক্ষেত্রে ইসলাম গ্রহণ করে অকুস্থলে আল্লহর রাহে যুদ্ধ করে শহীদ হয়।
  • ৩১১. যে ব্যক্তি নিজের অস্ত্রের আঘাতে মারা যায়।
  • ৩১২. শত্রুর মোকাবিলার সময় দু‘আ করা।
  • ৩১৩. যে ব্যক্তি আল্লাহ্ তা‘আলার নিকট শাহাদাত কামনা করেন।
  • ৩১৪. ঘোড়ার কপালের পশম ও লেজ কাটা ঠিক নয়।
  • ৩১৫. ঘোড়ার যেসব রং প্রিয়।
  • ৩১৬. ঘোড়ার মধ্যে যা অপছন্দনী।
  • ৩১৭. পশু-পক্ষীদের তত্ত্বাবধানের ব্যাপারে যে সকল নির্দেশ রয়েছে।
  • ৩১৮. গন্তব্যে পৌঁছার পর করণীয়।
  • ৩১৯. ধনুকের তার দিয়ে ঘোড়ার গলায় মালা বাঁধা।
  • ৩২০. ঘোড়ার প্রতিপালন ও রক্ষণাবেক্ষণে যত্নবান হওয়া।
  • ৩২১. পশুদের গলায় ঘন্টা ঝুলানো।
  • ৩২২. পায়খানাখোর পশুর পিঠে আরোহণ।
  • ৩২৩. যে ব্যাক্তি তার পশুর নাম রাখে।
  • ৩২৪. ‘‘হে আল্লাহর ঘোড়সাওয়ার! ঘোড়ায় আরোহণ কর’’ বলে যুদ্ধ-যাত্রার ডাক দেয়া।
  • ২৮৮. যুদ্ধ পরিহার করা অন্যায়।
  • ৩২৫. পশুকে অভিশাপ দেয়া নিষেধ।
  • ৩২৬. পশুদের মধ্যে লড়াই লাগানো।
  • ৩২৭. পশুর গায়ে দাগ দেয়া।
  • ৩২৮. মুখমন্ডলে দাগ লাগানো এবং আঘাত করা নিষেধ।
  • ৩২৯. গাধায়- ঘোড়ায় পাল লাগানো ঠিক নহে।
  • ৩৩০. এক পশুর ওপর তিনজন আরোহণ করা।
  • ৩৩১. সাওয়ারী পশুর ওপর অবস্থান করা।
  • ৩৩২. আরোহীবিহীন উট।
  • ৩৩৩. চলার গতি দ্রুতকরণ।
  • ৩৩৪. রাতের প্রথমভাগে ভ্রমণ।
  • ৩৩৫. ভারবাহী পশুর মালিক উহার পিঠে সামনে বসার অধিক হকদার।
  • ৩৩৬. যুদ্ধক্ষেত্রে পশুর পা কেটে দেয়া।
  • ৩৩৭. প্রতিযোগিতা।
  • ৩৩৮. পদব্রজে দৌড় প্রতিযোগিতা।
  • ৩৩৯. দু‘জনের বাজির মধ্যে তৃতীয় প্রবেশকারী।
  • ৩৪০. ঘোড়দৌড়ের প্রতিযোগিতায় ঘোড়াকে টানা বা তাড়া দেয়া।
  • ৩৪১. তরবারি অলংকৃত হয়।
  • ৩৪২. তীরসহ মসজিদে প্রবেশ।
  • ৩৪৩. খোলা তরবারি লেনদেন নিষিদ্ধ।
  • ৩৪৪. লোহবর্ম পরিধান করা।
  • ৩৪৫. পতাকা ও নিশান।
  • ৩৪৬. অক্ষম ঘোড়া ও দুরবল নারী- পুরুষদের সাহায্য দান।
  • ৩৪৭. যদ্ধের সংকেত হিসেবে লোক বিশেষের নাম ব্যবহার।
  • ৩৪৮. সফরে বের হওয়ার সময় যে দু‘আ পাঠ করবে।
  • ৩৪৯. বিদায়কালীন দু‘আ।
  • ৩৫০. সাওয়ারীতে আরোহণকালে যে দু‘আ পাঠ করবে।
  • ৩৫১. বিশ্রামের স্থানে অবতরণ করলে কী দু‘আ পাঠ করবে।
  • ৩৫২. রাতের প্রথমভাগে ভ্রমণ করা মাকরূহ্।
  • ৩৫৩. কোন দিবসে সফর করা উত্তম।
  • ১৫৪. ভোরবেলায় সফরে বের হওয়া।
  • ৩৫৫. একাকী ভ্রমণ করা।
  • ৩৫৬. দলেবলে সফরকারীদের মধ্যে একজনকে আমীর (নেতা) মনোনীত করা।
  • ৩৫৭. কুরআন সঙ্গে নিয়ে শত্রুর দেশে সফর করা।
  • ৩৫৮. সাঁজোয়া বাহিনী , ছোট সেনাদল ও সফরসঙাগীদের সংখ্যা কত হওয়া উত্তম।
  • ৩৫৯. মুশরিকদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান।
  • ৩৬০. শত্রুর অঞ্চলে অগ্নি সংযোগ.
  • ৩৬১. গুপ্তচর প্রেরণ।
  • ৩৬২. যে পথিক ক্ষুধায় কাতর হয়ে খেজুর খায় আর পিপাসায় কাতর হয়ে দুধ পান করে মালিকের অনুমতি ব্যতীত।
  • ৩৬৩. যারা বলেছেন, দুধ দোহণ করা যাবে না।
  • ৩৬৪. আনুগত্যের বিষয়ে।
  • ৩৬৫. সৈন্যদের একস্থানে জড় হয়ে থাকার ব্যাপারে নির্দেশ।
  • ৩৬৬. শত্রুর সঙ্গে সাক্ষাতের কামনা করা অপছন্দনীয়।
  • ৩৬৭. শত্রুর মোকাবিলার সময় কী দু‘আ পঠিত হবে।
  • ৩৬৮. মুশরিকদেরকে ইসলামের দাওয়াত প্রদান।
  • ৩৬৯. যুদ্ধক্ষেত্রে কৌশল অবলম্বন করা।
  • ৩৭০. গোপনে নৈশ আক্রমন।
  • ৩৭১. সৈন্যবাহিনী বা কাফেলার পেছনে অবস্থান গ্রহণ।
  • ৩৭২. মুশরিকদের সঙ্গে কেন যুদ্ধ করতে হবে।
  • ৩৭৩. যারা সিজদায় দৃঢ় থেকে আত্মরক্ষা করতে চায় তাদেরকে হত্যা করা নিষেধ।
  • ৩৭৪. যুদ্ধক্ষেত্র হতে পলায়ন।
  • ১. মুসলিম বন্দীকে কাফির হতে বাধ্য করা।
  • ২. গুপ্তচর মুসলিম হলে।
  • ৩. যিম্মীর গুপ্তচরবৃত্তি সম্পর্কে।
  • ৪. নিরাপত্তাপ্রাপ্ত ব্যক্তির গুপ্তচরবৃত্তি সম্পর্কে।
  • ৫. যুদ্ধের জন্য উত্তম সময় কোনটি?
  • ৬. যুদ্ধের সময় চুপ থাকা।
  • ৭. যুদ্ধের সময় বাহন হতে অবতরণ করা।
  • ৮. যুদ্ধে ময়দানে শৌর্য- বীর্য দেখান।
  • ৯. শত্রু দ্বারা ঘেরাও হলে।
  • ১০. শত্রুর অপেক্ষায় ওৎ পেতে থাকা।
  • ১১. যুদ্ধের ময়দানে সারিবদ্ধ হওয়া।
  • ১২. দুশমন নিকটবর্তী হলে তরবারি বের করবে।
  • ১৩. দ্বন্দ - যুদ্ধ সম্পর্কে।
  • ১৪. নাক- কান কাটা নিষিদ্ধ।
  • ১৫. মহিলাদের হত্যা সম্পর্কে।
  • ১৬. দুশমনকে আগুনে না পোড়ানো।
  • ১৭. যুদ্ধে প্রাপ্য মালে গণীমতের অর্ধাংশ বা পূর্ণাঙ্গ প্রাপ্তির শর্তে যদি কেউ তার ভারবাহী পশু ভাড়া দেয়।
  • ১৮. কয়েদীকে শক্তভাবে বাঁধা সম্পর্কে।
  • ১৯. বন্দীকে মারপিট করে তথ্যাদি গ্রহণ।
  • ২০. বন্দীকে ইসলাম গ্রহণে বাধ্য করা।
  • ২১. ইসলামের দাওয়াত দেওয়ার আগে, কোন বিধর্মী বন্দীকে হত্যা করা।
  • ২২. কয়েদীকে বেঁধে রেখে হত্যা করা।
  • ২৩. কয়েদীকে বেঁধে তীর দিয়ে হত্যা করা।
  • ২৪. কয়েদীদের উপর সদয় হয়ে, কোন বিনিময় ছাড়া , মুক্ত করা সম্পর্কে।
  • ২৫. মালের বিনিময়ে বন্দীদের ছেড়ে দেওয়া।
  • ২৬. দুশমনদের উপর বিজয়ী হওয়ার পর, নেতার ময়দানে অবস্থান।
  • ২৭. কয়েদীদের পরস্পর পৃথক করা।
  • ২৮. বয়স্ক কয়েদীদের পৃথক রাখার অনুমতি।
  • ২৯. যদি শত্রুপক্ষ মুসলিমদের নিকট হতে কোন সম্পদ ছিনিয়ে নেয় এবং পরে তা তার মালিক মালে- গণীমত হিসাবে পায়।
  • ৩০. মুশরিকদের কৃতদাস যদি মুসলিমদের কাছে গিয়ে ইসলাম কবূল করে।
  • ৩১. দুশমনদের দেশের খাদ্য হালাল হওয়া প্রসংগে।
  • ৩২. শত্রুদের খাদ্যশস্য কম থাকলে তা লুটপাট না করা সম্পর্কে।
  • ৩৩. দারুল - হরব (শত্রু -দেশ) থেকে খাদ্যশস্য আনা।
  • ৩৪. শত্রু- দেশে উদ্বৃত্ত খাদ্য বিক্রি করা।
  • ৩৫. কোন ব্যক্তির গণীমতের মাল হতে উপকার গ্রহণ করা।
  • ৩৬. যুদ্ধে যুদ্ধাস্ত্র পাওয়া গেলে তা যুদ্ধে ব্যবহার করা বৈধ।
  • ৩৭. গণীমতের মাল আত্মসাত করা মহা - অপরাধ।
  • ৩৮. গনীমতের মাল হতে সামান্য কিছু আত্মসাত করা হলে নেতা তাকে ছেড়ে দেবে এবং তার আসবার-পত্র জ্বলাবে না।
  • ৩৯. গণীমতের মাল আত্মসাতকারীর শাস্তি।
  • ৪০. গণিমতের মাল আত্মসাতকারীর অপরাধ গোপন না রাখা।
  • ৪১. নিহত কাফিরের মালামাল তার হন্তাকে দেওয়া।
  • ৪২. নেতা ইচ্ছা করলে নিহত ব্যক্তির মালামাল হত্যাকারীকে নাও দিতে পারেন, ঘোড়া এবং হাতিয়ার মালেরই অন্তর্ভক্ত।
  • ৪৩. নিহত ব্যক্তির মালামাল হত্যাকারী পাবে, তা থেকে এক পঞ্চমাংশ নেওয়া যাবে না।
  • ৪৪. যে ব্যক্তি আহত মৃত্যুপথযাত্রী কোন কাফিরকে হত্যা করবে, সেও তার মালামাল হতে প্রুরস্কার হিসাবে কিছু পাবে।
  • ৪৫. গনীমতের মাল বণ্টনের পর যদি কেউ আসে, তবে সে কিছুই পাবে না।
  • ৪৬. মহিলা ও ক্রীতদাসকে গণীমতের মাল হতে কিছু দেওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৭. মুশরিক যুদ্ধের সময় মুসলিমদের সাথে থাকলে সে গণীমতের মালের অংশ পাবে কিনা?
  • ৪৮. ঘোড়ার জন্য মালে গণীমতের দুই অংশ নির্ধারণ প্রসংগে।
  • ৪৯. ঘোড়ার জন্য একটি অংশ নির্ধারণ প্রসংগে।
  • ৫০. গণমিতের মাল হতে কাউকে কিছু পুরস্কার হিসাবে দেওয়া।
  • ৫১. সেনা বাহিনী হতে বহির্গত কোন বিশেষ দলকে কোন কিছু অতিরিক্ত দেয়া।
  • ৫২. পুরস্কার দেওয়ার আগে ‘খুসুম’ নেওয়া প্রসংগে।
  • ৫৩. সেনাবাহিনীর এক অংশের মাল প্রাপ্তি প্রসংগে।
  • ৫৪. সোনা, রূপা এবং গণীমতের প্রথম মাল হতে অতিরিক্ত প্রদান প্রসংগে।
  • ৫৫. যে সম্পদ কাফিরদের থেকে হস্তগত হয়, তা থেকে নেতার নিজের জন্য কিছু নেওয়া।
  • ৫৬. ওয়াদা পূরণ করা।
  • ৫৭. নেতার দেওয়া ওয়াদা পালন করা।
  • ৫৮. মুসলিম নেতা এবং কাফিরদের মাঝে সন্ধি হওয়ার পর তিনি শত্রুদেশ সফর করতে পারেন।
  • ৫৯. ওয়াদা পূরণ করা এবং তার মর্যাদা রক্ষা করা।
  • ৬০. দূত প্রেরণ প্রসংগে।
  • ৬১. মুসলিম মহিলার কোন কাফিরের নিরাপত্তা দেওয়া।
  • ৬২. শত্রুর সাথে সন্ধি করা।
  • ৬৩. দুশমনকে তাদের দলভূক্ত হওয়ার ভান করে অসতর্ক অবস্থায় হত্যা করা।
  • ৬৪. সফরকালে প্রতিটি উঁচুস্থানে আরোহণের সময় তাকবীর পাঠ করা।
  • ৬৫. জিহাদ থেকে প্রত্যাবর্তন নিসিদ্ধ হওয়ার পর পুনরায় অনুমতি প্রসংগে।
  • ৬৬. কাউকে সুসংবাদ দেওয়ার জন্য পাঠান প্রসংগে।
  • ৬৭. সুসংবাদ বহনকারীকে পুরস্কৃত করা প্রসংগে।
  • ৬৮. শোকর সূচক সিজ্দা।
  • ৬৯. দু‘আর সময় হাত উঠানো সম্পর্কে।
  • ৭০. রাতের বেলা সফর হতে ঘরে ফেরা সম্পর্কে।
  • ৭১. মুসাফিরদের স্বাগত- সম্ভাষণ জানান।
  • ৭২. যুদ্ধের সরঞ্জাম সংগ্রহের পর যদি কেউ যুদ্ধে অংশ গ্রহন না করতে পারে, তবে তা অন্য মুহাজিরকে দিবে।
  • ৭৩. সফর থেকে ফেরার পর সালাত আদায় করা।
  • ৭৪. বণ্টনকারীর মজুরী সম্পর্কে।
  • ৭৫. জিহাদের মাঝে ব্যবসা করা।
  • ৭৬. দুশমনের দেশে হাতিয়ার নিয়ে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ৭৭. শিরকের স্থানে অবস্থান সম্পর্কে।
  • ১০/ কুরবানী প্রসঙ্গে (كتاب الضحايا) ৫৬ টি | ২৭৭৯-২৮৩৪ পর্যন্ত 10/ Sacrifice (Kitab Al-Dahaya)  
  • ৭৮. কুরবানী ওয়াজিব হওয়া প্রসংগে।
  • ৭৯. মৃত ব্যক্তির পক্ষে কুরবানী করা।
  • ৮০. যে ব্যক্তি কুরবানী করতে ইচ্ছা করে, সে যেন যিলহজ্জ মাসের প্রথম দশদিন চুল, নখ না কাটে।
  • ৮১. কুরবানীর জন্য কোন ধরনের পশু উত্তম।
  • ৮২. কুরবানীর পশুর বয়স কত হবে সে সম্পর্কে।
  • ৮৩. কুরবানীর অনুপযোগী পশু প্রসংগে।
  • ৮৪. গাভী এবং উট কতজনের পক্ষ হতে কুরবানী করা জায়েয প্রসংগে।
  • ৮৫. জামা‘আতের পক্ষ হতে বকরী কুরবানী প্রসংগে।
  • ৮৬. ইমামের কুরবানী ঈদগাহে করা প্রসংগে।
  • ৮৭. কুরবানীর গোশত সংরক্ষণ করা প্রসংগে।
  • ৮৮. কুরবানীর পশুর উপর অনুগ্রহ করা প্রসংগে।
  • ৮৯. মুসাফিরের কুরবানী প্রসংগে।
  • ৯০. আহলে কিতাবদের কুরবানী প্রসংগে।
  • ৯১. আরবদের গৌরব প্রকাশের নিমিত্ত হত্যাকৃত পশুর গোশত ভক্ষণ করা।
  • ৯২. সাদা পাথর দিয়ে যবাহ করা প্রসংগে।
  • ৯৩. বন্য পশুকে কোন কিছু নিক্ষেপ করে যবাহ্ করা প্রসংগে।
  • ৯৪. উত্তমরূপে যবাহ করা প্রসংগে।
  • ৯৫. গর্ভস্থ বাচ্চা যবাহ করা প্রসংগে।
  • ৯৬. যবাহ সময় বিসমিল্লাহ্ বলা হয়েছে কিনা তা জানা না থাকলে , সে গোশত খাওয়া প্রসংগে।
  • ৯৭. রজব মাসে কুরবানী করা প্রসংগে।
  • ৯৮. আকিকা সম্পর্কে।
  • ১১/ শিকার প্রসঙ্গে (كتاب الصيد) ১৭ টি | ২৮৩৫-২৮৫১ পর্যন্ত 11/ Game (Kitab Al-Said)
  • ৯৯. শিকারে উদ্দেশ্যে বা অন্য কোন প্রয়োজনে কুকুর পোষা।
  • ১০০. শিকার করা প্রসংগে।
  • ১০১. যদি জীবিত কোন শিকারকৃত জন্তুর দেহ থেকে গোশতের টুকরা কেটে নেওয়া হয় সে প্রসংগে।
  • ১০২. শিকারের পশ্চদ্ধাবন করা প্রসংগে।
  • ১২/ ওসীয়াত সম্পর্কে (كتاب الوصايا) ২৩ টি | ২৮৫২-২৮৭৪ পর্যন্ত 12/ Wills (Kitab Al-Wasaya)
  • ১০৩. ওসীয়াতের ব্যাপারে নির্দেশ।
  • ১০৪. ওসিয়াতকারীর জন্য তার মাল হতে যে পরিমান ওসিয়াত করা অবৈধ, সে সম্পর্কে।
  • ১০৫. সুস্থাবস্থায় দান করার মর্যাদা সম্পর্কে।
  • ১০৬. ওসীয়ত দ্বারা উত্তরাধিকারীদের ক্ষতি করা অন্যায়।
  • ১০৭. ওসীয়তকারীদের অন্তুর্ভক্ত না হওয়া।
  • ১০৮. মাতাপিতা ও নিকটাত্মায়ীদের জন্য ওসীয়ত করার নির্দেশ বাতিল হওয়া সম্পর্কে।
  • ১০৯. উত্তরাধিকারীদের জন্য ওসীয়াত করা।
  • ১১০. ইয়াতীমের খাদ্যের সাথে নিজ খাদ্য মিশান সম্পর্কে।
  • ১১১. ইয়াতীমের মাল হতে তার তদারককারী কি পরিমাণ নিতে পারবে।
  • ১১২. ইয়াতীমের সময়- কাল কখন শেষ হয়।
  • ১১৩. ইয়াতীমের মাল ভক্ষণের শাস্তি সম্পর্কে।
  • ১১৪. মৃতের কাফর তার সমুদয় মালের মধ্যে গণ্য হওয়ার প্রমাণ সম্পর্কে।
  • ১১৫. কোন ব্যক্তি কোন জিনিস হিবা করার পর ওসীয়ত বা উত্তরাধিকার সূত্রে তা পেলে।
  • ১১৬. কোন ব্যক্তির কোন সম্পদ ওয়াকফ করা সম্পর্কে।
  • ১১৭. মৃত ব্যক্তির পক্ষ হতে সাদকা সম্পর্কে।
  • ১১৮. যদি কেউ ওসীয়াত না করে মারা যায়, তরে পক্ষ হতে সাদকা প্রদান প্রসংগে।
  • ১১৯. কোন কাফিরের ওসীয়ত, তার মুসলিম ওয়ালীর জন্য পালন করা প্রসংগে।
  • ১২০. যদি কেউ করযদার অবস্থায় মারা যায় এবং ধন- সম্পত্তি রেখে যায়, তখন করযদাতাদের উচিত ওয়ারিছদের কিছু সময় দেওয়া এবং তাদের প্রতি সদয় ব্যবহার করা।
  • ১৩/ কিতাবুল ফারাইয (كتاب الفرائض) ৪৩ টি | ২৮৭৫-২৯১৭ পর্যন্ত 13/ Shares of Inheritance (Kitab Al-Fara'id)
  • ১২১. ফারাইয শিক্ষা সম্পর্কে।
  • ১২২. কালালা সম্পর্কে।
  • ১২৩. যার কোন সন্তান নেই, তবে ভগ্নীরা আছে- সে সম্পর্কে।
  • ১২৫. দাদীর অংশ সম্পর্কে।
  • ১২৬. দাদীর মিরাছ সম্পর্কে।
  • ১২৭. আসাবা সম্পর্কে।
  • ১২৮. নিকটাত্মীয়ের মীরাছ সম্পর্কে।
  • ১২৯. ব্যভিচারের অপবাদে অভিযুক্ত ও অভিশপ্ত মহিলার সন্তানের মীরাস সম্পর্কে।
  • ১৩০. কোন মুসলিম কি কোন কাফিরের ওয়ারিছ হতে পারে?
  • ১৩১. কোন মুসলিম কি কোন কাফিরের ওয়ারিছ হতে পারে?
  • ১৩২. আযাদকৃত দাসের পরিত্যক্ত মাল সম্পর্কে।
  • ১৩৩. কেউ কারো হাতে ইসলাম কবুল করলে সে সস্পর্কে।
  • ১৩৪. আযাদকৃত দাস-দাসীর মাল বিক্রি করা সম্পর্কে।
  • ১৩৫. সন্তান ভূমিষ্ঠ হয়ে চীৎকার করে কাঁদার পর মারা গেলে সে সম্পর্কে।
  • ১৩৬. আত্নীয়তার মীরাছ মৌখিক স্বীকৃতির মীরাছকে বাতিল করে দেয়।
  • ১৩৭. শপথ গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ১৩৮. স্বামীর দীয়াত বা রক্তপণে স্ত্রীর মীরাছ সম্পর্কে।
  • ১২৪. সহোদর ভাই-বোনের মিরাস।
  • ১৪/ কর, খাজনা, অনুদান ও প্রশাসনিক দায়িত্ব সম্পর্কে (كتاب الخراج والإمارة والفىء) ১৫৯ টি | ২৯১৮-৩০৭৬ পর্যন্ত 14/ Tribute, Spoils, and Rulership (Kitab Al-Kharaj, Wal-Fai' Wal-Imarah)
  • ১৩৯. অধীনস্থদের ব্যাপারে নেতার দায়িত্ব প্রসঙ্গে।
  • ১৪০. নেতৃত্ব চাইলে, সে সম্পর্কে।
  • ১৪১. অন্ধ ব্যক্তির নেতৃত্ব সম্পর্কে।
  • ১৪২. উযীর (মন্ত্রী) নিয়োগ করা সস্পর্কে।
  • ১৪৩. আরাফা (সমাজপতি) প্রসঙ্গে।
  • ১৪৪. মুহুরী বা করণিক রাখার ব্যাপারে।
  • ১৪৫. সাদকা আদায়কারীর ছওয়াব।
  • ১৪৬. খলীফা মনোনয়ন সম্পর্কে।
  • ১৪৭. বায়আত সম্পর্কে।
  • ১৪৮. সরকারী কর্মচারীদের বেতন সম্পর্কে।
  • ১৪৯. সরকারী কর্মচারীদের হাদিয়া গ্রহন সম্পর্কে।
  • ১৫০. সাদকা ও যাকাতের মাল আত্নসাত করা সম্পর্কে।
  • ১৫১. রাষ্ট্রনায়কের উপর নাগরিকদের অধিকার ও রক্ষণাবেক্ষণের দায়িত্ব।
  • ১৫২. বিনাযুদ্ধে প্রাপ্ত মালে গনীমত বন্টন সম্পর্কে।
  • ১৫৩. মুসলিমদের সন্তান-সন্ততিদের খোরপোশ প্রদান সম্পর্কে।
  • ১৫৪. কত বছর বয়সের যোদ্ধার জন্য যুদ্ধে প্রাপ্ত মালে গনীমতের হিসসা নির্ধারণ করা হয়।
  • ১৫৫. শেষ যামানায় অংশ নির্ধারণের কুফল সম্পর্কে।
  • ১৫৬. দানপ্রাপ্ত যোদ্ধাদের নাম রেজিস্টারে লিপিবদ্ধ করা।
  • ১৫৭. গনীমতের মাল হতে কিছু মাল রাসূলুল্লাহ (সা) নিজের জন্য বেছে নিতেন, সে সম্পর্কে।
  • ১৫৮. ঐ পঞ্চমাংশ, যা রাসূলুল্লাহ (ﷺ) গনীমতের মাল হতে নিতেন, কোথায় কোথায় তা বন্টন করতেন এবং নিকটাত্নীয়দের হক সম্পর্কে।
  • ১৫৯. গনীমতের মালে নবী (ﷺ) -এর পসন্দনীয় অংশ।
  • ১৬০. মদীনা হতে ইয়াহূদীদের কিরূপে বের করা হয়েছিল।
  • ১৬১. বনূ নযীরের ঘটনা সম্পর্কে।
  • ১৬২. খায়বরের যমীনের হুকুম সম্পর্কে।
  • ১৬৩. মক্কা বিজয় সম্পর্কে।
  • ১৬৪. তায়েফ বিজয় সম্পর্কে।
  • ১৬৫. ইয়ামানের যমীনের হুকুম সম্পর্কে।
  • ১৬৬. ইয়াহূদীদের আরবভূমি হতে বহিষ্কার প্রসংগে।
  • ১৬৭. কাফিরের দেশে যুদ্ধে প্রাপ্ত যমীন মুসলিমদের অধিকারে আসা সম্পর্কে।
  • ১৬৮. জিযিয়া কর নেওয়া সম্পর্কে।
  • ১৬৯. অগ্নি-উপাসকদের থেকে জিযিয়া কর গ্রহন সম্পর্কে।
  • ১৭১. যিম্মী কাফিরের তেজারতী মাল হতে উশর বা দশ ভাগের এক ভাগ নেওয়া সম্পর্কে।
  • ১৭২. যদি কোন যিম্মী বছরের মাঝখানে ইসলাম কবূল করে, তবে তাকে কি অবশিষ্ট সময়কালের জন্য জিযিয়া কর দিতে হবে ?
  • ১৭৩. ইমামের জন্য মুশরিকদের হাদিয়া গ্রহণ করা সম্পর্কে।
  • ১৭৪. যমীন খন্ড করে বন্দোবস্ত দেওয়া।
  • ১৭৫. অনাবাদী যমীন আবাদ করা।
  • ১৭৬. খারাজী যমীন ক্রয় করা সম্পর্কে।
  • ১৭৭. কোন যমীনের ঘাস বা পানি ইমাম বা কোন ব্যক্তির সংরক্ষণ করা সম্পর্কে।
  • ১৭৮. খনিজ দ্রব্য সম্পর্কে।
  • ১৭৯. কাফিরদের পুরাতন কবর খোঁড়া সম্পর্কে।
  • ১৫/ কিতাবুল জানাযা (كتاب الجنائز) ১৫০ টি | ৩০৭৭-৩২২৬ পর্যন্ত 15/ Funerals (Kitab Al-Jana'iz)
  • ১৮০. গুনাহ মার্জনাকারী রোগের বর্ণনা।
  • ১৮১. যখন কোন লোক কোন নেক-কাজে অভ্যস্ত হয়, পরে অসুখের বা সফরের কারণে তা আদায় করতে ব্যর্থ হয়-সে সম্পর্কে।
  • ১৮২. মহিলা রোগীদের সেবা প্রসঙ্গে।
  • ১৮৩. রোগীর পরিচর্যা সম্পর্কে।
  • ১৮৪. যিম্মী কাফিরের পরিচর্যা সম্পর্কে।
  • ১৮৫. পায়ে হেঁটে রোগী দেখতে যাওয়া সস্পর্কে।
  • ১৮৬. উযূর সাথে রোগী দেখার ফযীলত সম্পর্কে।
  • ১৮৭. বারবার রোগী পরিদর্শন করা সম্পর্কে।
  • ১৮৮. চোখের রোগীর পরিচর্যা সম্পর্কে।
  • ১৮৯. মহামারীর স্থান হতে অন্যত্র গমন সম্পর্কে।
  • ১৯০. রোগী দেখার সময় তার রোগ মুক্তির জন্য দু’আ করা সম্পর্কে।
  • ১৯১. রোগী দেখার সময় তার জন্য দু’আ করা সম্পর্কে।
  • ১৯২. মৃত্যু কামনা করা অনুচিত হওয়া সম্পর্কে।
  • ১৯৩. হঠাৎ মৃত্যু সম্পর্কে।
  • ১৯৪. মহামারীতে মৃত্যুবরণকারীর ফযীলত।
  • ১৯৫. রোগীর নখ কাটা ও লজ্জাস্থানের লোম মুণ্ডন সম্পর্কে।
  • ১৯৬. মৃত্যুর সময় আল্লাহ সম্পর্কে ভাল ধারণা পোষণ করা।
  • ১৯৭. মৃত্যুর সময় মৃত্যু বরণকারী ব্যক্তিকে কাফনের পবিত্র কাপড় পরানো সম্পর্কে।
  • ১৯৮. মৃত্যু পথযাএীর কাছে কি ধরনের কথা বলা উচিত।
  • ১৯৯. তালকীন সম্পর্কে।
  • ২০০. মৃত ব্যক্তির চোখ বন্ধ করা সম্পর্কে।
  • ২০১. ''ইন্না লিল্লাহ'' পড়া সম্পর্কে।
  • ২০২. মৃতের দেহ বস্ত্রাবৃত করা সম্পর্কে।
  • ২০৩. মৃত্যুবরণকারী ব্যক্তির নিকট কুরআন তিলাওয়াত করা সম্পর্কে।
  • ২০৪. বিপদের সময় বসে পড়া সম্পর্কে।
  • ২০৫. মৃত ব্যক্তির জন্য শোক করা।
  • ২০৬. মুসীবতের সময় সবর করা।
  • ২০৭. মৃত ব্যক্তির জন্য কাঁদা।
  • ২০৮. বিলাপ করা সম্পর্কে।
  • ২০৯. মৃত ব্যক্তির পরিজনদের খাদ্য দান করা সম্পর্কে।
  • ২১০. শহীদের গোসল দিতে হবে কিনা?
  • ২১১. গোসলের সময় মৃত ব্যক্তির লজ্জাস্থান আবৃত রাখা সম্পর্কে।
  • ২১২. মৃত ব্যক্তির গোসল দানের পদ্ধতি।
  • ২১৩. কাফন সম্পর্কে।
  • ২১৪. দামী কাফন ব্যবহার না করা সস্পর্কে।
  • ২১৫. স্ত্রীলোকের কাফন সম্পর্কে।
  • ২১৬. মৃত ব্যক্তির জন্য মিশকের খুশবু ব্যবহার প্রসঙ্গে।
  • ২১৭. দাফন-কাফনের জন্য জলদি করা।
  • ২১৮. মৃত ব্যক্তির গোসলদাতার গোসল সম্পর্কে।
  • ২১৯. মৃত ব্যক্তিকে চুম্বন করা।
  • ২২০. রাত্রিতে দাফন করা।
  • ২২১. মৃত ব্যক্তির লাশ এক স্থান হতে অন্যস্থানে নেওয়া।
  • ২২২. জানাযার নামাযে কাতারবন্দী হওয়া।
  • ২২৩. মৃত ব্যক্তির লাশের পেছনে মহিলাদের যাওয়া নিষেধ।
  • ২২৪. সালাতুল জানাযা আদায় করা ও লাশের অনুগমন করার ফযীলত।
  • ২২৫. জানাযার সাথে আগুন নেওয়া নিষেধ।
  • ২২৬. জানাযা আসতে দেখে দাঁড়ান সম্পর্কে।
  • ২২৭. জানাযার সাথে বাহনে সওয়ার হয়ে যাওয়া নিষেধ।
  • ২২৮. জানাযার আগে আগে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ২২৯. জানাযা দ্রুত বহন করা।
  • ২৩০. আত্নহত্যাকারীর জানাযার নামাযে ইমামের শরীক না হওয়া।
  • ২৩১. শরীআতের বিধান অনুসারে বিচারে মৃত্যুদণ্ড কার্যকরকৃত ব্যক্তির জানাযার নামায পড়া সম্পর্কে।
  • ২৩২. শিশুর সালাতুল জানাযা পড়া সম্পর্কে।
  • ২৩৩. মসজিদে জানাযার নামায আদায় সস্পর্কে।
  • ২৩৪. সূর্যোদয় ও সূর্যাস্তের সময় দাফন না করা।
  • ২৩৫. পুরুষ এবং মহিলার জানাযা এক সাথে হাযির হলে কার জানাযা (লাশ) আগে থাকবে।
  • ২৩৬. জানাযা নামায পড়ার সময় ইমাম মৃত ব্যক্তির কোন স্থান বরাবর দাঁড়াবে।
  • ২৩৭. জানাযার নামাযের তাকবীর প্রসঙ্গে।
  • ২৩৮. জানাযার নামাযে যা পড়তে হবে।
  • ২৩৯. মৃত ব্যাক্তির জন্য দু'আ করা।
  • ২৪০. কবরের উপর সালাতুল জানাযা আদায় করা।
  • ২৪১. মুশরিকদের দেশে মৃত্যুপ্রাপ্ত মুসলিমের সালাতুল জানাযা আদায় সম্পর্কে।
  • ২৪২. কয়েকজন মৃত ব্যক্তিকে একই কবরে দাফন করা এবং কবর চিহ্নিত করা সস্পর্কে।
  • ২৪৩. কবর খননকারী যদি মৃত ব্যক্তির হাঁড় পায়, তরে সেখানে কবর খুঁড়বে না।
  • ২৪৪. লাহাদ বা বগলী কবর সম্পর্কে।
  • ২৪৫. মুর্দা রাখার জন্য কতজন কবরে প্রবেশ করবে।
  • ২৪৬. মরদেহ কিরুপে প্রবেশ করাবে।
  • ২৪৭. কবরের পাশে কিভাবে বসবে।
  • ২৪৮. লাশ কবরে রাখার সময় দু'আ পড়া।
  • ২৪৯. মুসলিমের কোন মুশরিক স্বজন মারা গেলে।
  • ২৫০. কবর অধিক গভীর করা।
  • ২৫১. কবর সমতল করা।
  • ২৫২. লাশ দাফন করে ফিরে আসার সময় কবরের পাশে দাঁড়িয়ে মুর্দার জন্য ক্ষমা প্রার্থনা করা।
  • ২৫৩. কবরের পাশে যবাহ না করা।
  • ২৫৪. কিছু দিন অতিবাহিত হওয়ার পর মৃত ব্যক্তির কবরের উপর জানাযার নামায পড়া।
  • ২৫৫. কবরের উপর সৌধ নির্মাণ না করা।
  • ২৫৬. কবরের উপর না বসা।
  • ২৫৭. জুতা পায়ে দিয়ে কবরস্তানে চলাফেরা করা।
  • ২৫৮. বিশেষ কারণে মৃত ব্যক্তিকে কবর থেকে বের করা।
  • ২৫৯. মৃত ব্যক্তির প্রশংসা করা।
  • ২৬০. কবর যিয়ারত করা সম্পর্কে।
  • ২৬১. মহিলাদের কবর যিয়ারত করা সম্পর্কে।
  • ২৬২. কবরের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় কি বলবে?
  • ২৬৩. কেউ ইহরাম অবস্থায় মারা গেলে কি করতে হবে?
  • ১৬/ শপথ ও মানতের বিবরণ (كتاب الأيمان والنذور) ৬৬ টি | ৩২২৭-৩২৯২ পর্যন্ত 16/ Oaths and Vows (Kitab Al-Aiman Wa Al-Nudhur)
  • ২৬৪. মিথ্যা কসম খাওয়া কঠোর অপরাধ।
  • ২৬৫. যে ব্যক্তি অন্যের মাল আত্নসাতের জন্য মিথ্যা কসম খাবে।
  • ২৬৬. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর মিম্বরের কাছে মিথ্যা কসম করা খুবই বড় গুনাহ।
  • ২৬৭. আল্লাহ ব্যতীত অন্যের নামে কসম খাওয়া।
  • ২৬৮. বাপ-দাদার নামে কসম না করা।
  • ২৬৯. আমানতের উপর কসম খাওয়া।
  • ২৭০. অস্পষ্ট স্বরে ছলনামূলক কসম করা।
  • ২৭১. ইসলাম ব্যতীত অন্য কোন মাযহাব গ্রহণ করার জন্য কসম খাওয়া।
  • ২৭২. তরকারি না খাওয়ার জন্য কসম খাওয়া।
  • ২৭৩. কসমের পরে ইনশাআল্লাহ্ বলা।
  • ২৭৪. নবী (ﷺ) এর কসম কিরুপ ছিল।
  • ২৭৫. অন্য কাজ মংগলজনক হলে কসম ভংগ করা।
  • ২৭৬. যে কোন কসম খেলে কি তা সত্যিকার কসম হবে?
  • ২৭৭. ইচ্ছাকৃতভাবে মিথ্যা শপথ করলে।
  • ২৭৮. কসমের কাফফারায় কোন সা'আ গ্রহণীয় সে সম্পর্কে।
  • ২৭৯. কাফফারাতে আযাদযোগ্য মুসলিম দাসী।
  • ২৮০. মানত না করা সম্পর্কে।
  • ২৮১. গুনাহের কাজে মানত করা।
  • ২৮২. যখন গুনাহের মানত ভংগ করবে, তখন কাফফারা ওয়াজিব হবে।
  • ২৮৩. যে ব্যক্তি বায়তুল মাকদিসে গিয়ে সালাত আদায়ের জন্য মানত করে।
  • ২৮৪. মৃত ব্যক্তির মানত পুরা করা।
  • ২৮৫. মানত আদায়ের জন্য নির্দেশ প্রদান প্রসঙ্গে।
  • ২৮৬. যার মালিক নয়, এরূপ কিছু মানত করলে।
  • ২৮৭. নিজের সব মাল কেউ সাদাকা করতে চাইলে সে সম্পর্কে।
  • ২৮৮. জাহিলিয়াত যুগের মানতের পর ইসলাম কবূল করলে।
  • ২৮৯. নির্ধারিত না করে যদি কেউ মানত করে।
  • ২৯০. বেহুদা কসম খাওয়া।
  • ২৯১. যদি কেউ কিছু না খাওয়ার জন্য কসম করে।
  • ২৯২. আত্নীয়তার সস্পর্ক ছিন্ন করার জন্য শপথ করলে।
  • ২৯৩. শপথ করার পর ইনশাআল্লাহ্ বলা।
  • ২৯৪. যদি কেউ এরূপ মানত করে, যা পূরণ করার ক্ষমতা তার নেই।
  • ১৭/ ক্রয়-বিক্রয় ও ব্যাবসা-বাণিজ্য (كتاب البيوع) ২৪০ টি | ৩২৯৩-৩৫৩২ পর্যন্ত 17/ Commercial Transactions (Kitab Al-Buyu)
  • ২৯৫. ব্যাবসার মধ্যে কসম ও মিথ্যা মিশ্রিত হওয়া সম্পর্কে।
  • ২৯৬. খনিজ দ্রব্য উওোলন করা সম্পর্কে।
  • ২৯৭. সন্দেহজনক বস্তু পরিহার কর।
  • ২৯৮. সূদখোর এবং তার মক্কেল সম্পর্কে।
  • ২৯৯. সূদ প্রত্যাহার করা।
  • ৩০০. ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে মিথ্যা কসম খাওয়া ঘৃণিত কাজ।
  • ৩০১. মাপে কিছু বেশী দেওয়া এবং কয়ালী নিয়ে মাপ সম্পর্কে।
  • ৩০২. নবী (ﷺ)-এর বাণীঃ মদীনাবাসীদের মাপই গ্রহণযোগ্য।
  • ৩০৩. দেনা আদায়ের ব্যাপারে কড়াকড়ি করা।
  • ৩০৪. দেনা পরিশোধে গড়িমসি করা।
  • ৩০৫. উত্তমরুপে দেনা পরিশোধ করা।
  • ৩০৬. সোনা-রুপার ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কে।
  • ৩০৭. তরবারির বাঁট দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করা।
  • ৩০৮. রুপার বিনিময়ে সোনা নেওয়া।
  • ৩০৯. পশুর বদলে পশু বাকীতে বিক্রি করা।
  • ৩১০. বাকীতে পশু ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কে।
  • ৩১১. নগদে বদলী ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কে।
  • ৩১২. খেজুরের বিনিময়ে খেজুর বিক্রি সম্পর্কে।
  • ৩১৩. মুযাবানা সম্পর্কে।
  • ৩১৪. আরায়া বা গাছের ফল পেড়ে বিক্রি করা।
  • ৩১৫. আরায়ার ক্রয়-বিক্রয়ের পরিমাণ।
  • ৩১৬. আরায়ার ব্যাখ্যা সম্পর্কে।
  • ৩১৭. পাকার আগে ফল বিক্রি করা।
  • ৩১৮. কয়েক বছরের জন্য গাছের ফল বিক্রি করা।
  • ৩১৯. ধোঁকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় সম্পর্কে।
  • ৩২০. ঠেকায় পড়ে বিক্রি করা।
  • ৩২১. শরীকী কারবার সম্পর্কে।
  • ৩২২. ব্যবসায়ীর বৈপরীত্য সম্পর্কে।
  • ৩২৩. মালিকের অনুমতি ব্যতীত তার মাল দিয়ে কারো ব্যবসা করা।
  • ৩২৪. মূলধন ব্যতীত লভ্যাংশে শরীক হওয়া।
  • ৩২৫. কৃষি জমি বর্গা দেওয়া।
  • ৩২৬. জমি বর্গা না দেওয়া সম্পর্কে।
  • ৩২৭. জমির মালিকের বিনা অনুমতিতে তার জমি চাষ করা।
  • ৩২৮. জমি ভাগে বর্গা দেওয়া।
  • ৩২৯. গাছের ফল বণ্টন সম্পর্কে।
  • ৩৩০. আনুমান করা সম্পর্কে।
  • ৩৩১. শিক্ষকের পারিশ্রমিক সম্পর্কে।
  • ৩৩২. চিকিৎসকদের মজুরী সম্পর্কে।
  • ৩৩৩. হজ্জামের উপার্জন সম্পর্কে।
  • ৩৩৪. দাসীদের উপার্জন সম্পর্কে।
  • ৩৩৫. পুরুষ পশুকে স্ত্রী পশুর সাথে সংগম করিয়ে তার বিনিময় গ্রহণ।
  • ৩৩৬. স্বর্ণকারের পেশা সম্পর্কে।
  • ৩৩৭. মালদার গোলাম বিক্রি করা।
  • ৩৩৮. ব্যবসায়ীদের বাজারে আসার আগে তাদের সাথে সাক্ষাৎ করে মালামাল খরিদ করা।
  • ৩৩৯. ক্রেতাকে ধোকা দেওয়ার জন্য দালালী করা নিষিদ্ধ।
  • ৩৪০. শহরবাসীদের জন্য গ্রামবাসীদের পক্ষে পণ্যদ্রব্য বিক্রি না করা।
  • ৩৪১. পশুর স্তনভর্তি আটকান দুধ দেখে ক্রয়ের পর তা না-পসন্দ করা।
  • ৩৪২. মূল্য বৃদ্ধির আশায় খাদ্য-শস্য মওজুদ রাখা নিষিদ্ধ।
  • ৩৪৩. রূপার টাকা ভেঙে ফেলা সম্পর্কে
  • ৩৪৪. দ্রব্যমূল্য বেঁধে দেওয়া সস্পর্কে।
  • ৩৪৪. খাদ্য দ্রব্যে ভেজাল দেওয়া নিষিদ্ধ।
  • ৩৪৫. ক্রেতা -বিক্রেতার ইখতিয়ার সম্পর্কে।
  • ৩৪৬. বিক্রেতার চাহিদা মত বিক্রীত দ্রব্য স্বেচ্ছায় ফেরত দেওয়ার মর্যাদা সম্পর্কে।
  • ৩৪৭. একই সাথে দুটি বেচাকেনা করা।
  • ৩৪৮. ঈনা বিক্রি নিষিদ্ধ।
  • ৩৪৯. অগ্রিম মূল্য নিয়ে বিক্রি করা।
  • ৩৫০. বিশেষ কোন ফলের অগ্রিম বিক্রি সম্পর্কে।
  • ৩৫১. অগ্রিম বিক্রীত দ্রব্য হস্তান্তরিত না হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৫২. দৈব-দুর্বিপাকে ক্ষেতের ফসল ও বাগানের ফল ক্ষতিগ্রস্ত হলে তার ক্ষতিপূরণ সম্পর্কে।
  • ৩৫৩. দৈব-দুর্বিপাকের ব্যাখ্যা প্রসংগে।
  • ৩৫৪. পানি বন্ধ করা সম্পর্কে।
  • ৩৫৫. প্রয়োজনের অতিরিক্ত পানি বিক্রি করা।
  • ৩৫৬. বিড়াল বিক্রির মূল্য সম্পর্কে।
  • ৩৫৭. কুকুরের মূল্য গ্রহন সম্পর্কে।
  • ৩৫৮. মদ এবং মৃত জীব-জন্তুর মূল্য সম্পর্কে।
  • ৩৫৯. খাদ্য-শস্য হস্তগত করার আগে তা বিক্রি করা।
  • ৩৬০. বিক্রির সময় যদি কেউ বলেঃ এতে কোন ধোঁকাবাজি নেই।
  • ৩৬১. অগ্রিম বায়না করা।
  • ৩৬২. যা নিজের কাছে নেই, তা বিক্রি করা।
  • ৩৬৩. ক্রয়-বিক্রয়ে শর্তারোপ করা।
  • ৩৬৪. কৃতদাস ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি সম্পর্কে।
  • ৩৬৫. গোলাম খরিদের পর তাকে কাজে লাগাবার পর তার মধ্যে কোন দোষ-ক্রটি পাওয়া গেলে।
  • ৩৬৬. বিক্রীত বস্তুর উপস্থিতিতে ক্রেতা-বিক্রেতার মধ্যে মতানৈক্য হলে।
  • ৩৬৭. শুফআ বা শরীকী অধিকার সম্পর্কে।
  • ৩৬৮. কপর্দকহীন গরীব লোকের নিকট যদি কেউ তার মাল পায়।
  • ৩৬৯. অক্ষম, দুর্বল পশু প্রতিপালন সম্পর্কে।
  • ৩৭০. বন্ধক রাখা সম্পর্কে।
  • ৩৭১. নিজের সন্তানের কামাই খাওয়া।
  • ৩৭২. নিজের কোন হারানো মাল অন্যের নিকট পাওয়া গেলে।
  • ৩৭৩. স্বীয় অধিকারের মাল হতে নিজের প্রাপ্য গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৩৭৪. হাদিয়া কবূল করা সম্পর্কে।
  • ৩৭৫. দানে প্রদও বস্তু ফেরত নেওয়া।
  • ৩৭৬. প্রয়োজন পূরণের জন্য হাদিয়া গ্রহণ।
  • ৩৭৭. কোন সন্তানকে অতিরিক্ত কিছু দান করা সম্পর্কে।
  • ৩৭৮. স্বামীর বিনা অনুমতিতে স্ত্রীর কিছু দান করা।
  • ৩৭৯. সারা জীবনের জন্য কিছু দান করা।
  • ৩৮০. সারা জীবনের জন্য কাউকে কিছু দেওয়ার সময় দাতা যদি পরবর্তীতে তার ওয়ারিছের কথা উল্লেখ করে।
  • ৩৮১. দাতা ও গ্রহীতার মধ্যে কেউ মারা গেলে, জীবিত ব্যক্তি তা ভোগ করার শর্ত সাপেক্ষে কাউকে কিছু দান করা।
  • ৩৮২. ধার হিসাবে গৃহীত বস্তুর ক্ষতিপূরণের যিম্মাদারী।
  • ৩৮৩. কারো কোন জিনিস নষ্ট করলে অনুরূপ ক্ষতিপূরণ দেওয়া।
  • ৩৮৪. লোকজনের ফসল নষ্টকারী পশু সম্পর্কে।
  • ১৮/ বিচার (كتاب الأقضية) ৬৯ টি | ৩৫৩৩-৩৬০১ পর্যন্ত 18/ The Office of the Judge (Kitab Al-Aqdiyah)
  • ৩৮৫. বিচারকের পদপ্রার্থী হওয়া সস্পর্কে।
  • ৩৮৬. বিচারকের দোষ-ক্রটি সম্পর্কে।
  • ৩৮৭. বিচারক হতে চাওয়া এবং দ্রুত বিচার করা।
  • ৩৮৮. ঘুষের অপকারিতা সম্পর্কে।
  • ২৮৯. কর্মচারীদের হাদিয়া বা উপঢৌকন গ্রহণ করা সম্পর্কে।
  • ৩৯০. বিচার কিরূপে করতে হবে।
  • ৩৯১. কাযীর বিচারে যদি কোন ভুল-চুক হয়।
  • ৩৯২. বাদী-বিবাদী কাযীর সামনে কিরূপে বসবে?
  • ৩৯৩. রাগান্বিত অবস্থায় কাযী ফয়সালা দিলে।
  • ৩৯৪. যিম্মীদের মধ্যে বিচার সম্পর্কে।
  • ৩৯৫. ফয়সালার ব্যাপারে ইজতিহাদ করা।
  • ৩৯৬. সন্ধি সম্পর্কে।
  • ৩৯৭. সাক্ষী ও সাক্ষ্যদান সম্পর্কে।
  • ৩৯৮. প্রকৃত ঘটনা না জানা সও্বেও যে ব্যক্তি বাদী-বিবাদীকে সাহায্য করে।
  • ৩৯৯. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদান সস্পর্কে।
  • ৪০০. যার সাক্ষ্য গ্রহণীয় নয়।
  • ৪০১. শহরবাসীদের উপর গ্রামবাসীদের সাক্ষ্যদান।
  • ৪০২. দুধ পান করানোর ব্যাপারে সাক্ষ্যদান।
  • ৪০৩. সফরকালীন সময়ের ওসীয়ত সম্পর্কে যিম্মী কাফিরের সাক্ষ্যদান।
  • ৪০৪. কোন একজন সাক্ষীর সাক্ষ্য সত্য বলে বিশ্বাস হলে বিচারক তার সাক্ষ্যের প্রেক্ষিতে ফয়সালা করতে পারেন।
  • ৪০৫. একটি শপথ ও একজন সাক্ষীর উপর বিচার করা।
  • ৪০৫. সাক্ষী ব্যতীত কোন জিনিসের ব্যাপারে দু'ব্যক্তির দাবীদার হওয়া সম্পর্কে।
  • ৪০৬. বিবাদীর শপথ করা সম্পর্কে।
  • ৪০৭. কসম কিভাবে করতে হবে।
  • ৪০৮. বিবাদী যদি যিম্মী (কাফির) হয়, তবে সে কিরুপে শপথ করবে?
  • ৪০৯. কোন ব্যাপারে জানা না থাকলে বিবাদীকে সে ব্যাপারে কসম দেওয়া সস্পর্কে।
  • ৪১০. কাফির যিম্মীকে কিরুপে শপথ দিতে হবে?
  • ৪১১. স্বীয় অধিকার আদায়ের জন্য হলফ করা।
  • ৪১২. দেনার কারণে কাউকে কয়েদ করা যায় কিনা?
  • ৪১৩. উকিল সম্পর্কে।
  • ৪১৪. বিচার সম্পর্কে আরো আলোচনা।
  • ১৯/ শিক্ষা-বিদ্যা, (জ্ঞান-বিজ্ঞান) (كتاب العلم) ২৬ টি | ৩৬০২-৩৬২৭ পর্যন্ত 19/ Knowledge (Kitab Al-Ilm)
  • ৪১৫. ইলমের ফযীলত সম্পর্কে।
  • ৪১৬. আহলে-কিতাবদের হাদীছ বর্ণনা প্রসংগে।
  • ৪১৭. ইলম লিপিবদ্ধ করা সম্পর্কে।
  • ৪১৮. রাসূলুল্লাহ (ﷺ) সম্পর্কে কোন মিথ্যা কথা বলার কঠোর পরিণতি।
  • ৪১৯. কুরআন না বুঝে তাফসীর করলে।
  • ৪২০. একটি হাদীছ বারবার বর্ণনা করা।
  • ৪২১. দ্রুত হাদীছ বর্ণনা প্রসংগে।
  • ৪২২. ফতোয়া দেওয়াতে সতর্কতা অবলম্বন করা।
  • ৪২৩. জ্ঞানের বিষয় গোপন করলে।
  • ৪২৪. ইলম প্রচারের ফযীলত সস্পর্কে।
  • ৪২৫. বনূ ইসরাঈলের নিকট হতে কাহিনী বর্ণনা।
  • ৪২৬. গায়রুল্লাহর উদ্দেশ্যে ইলমে দীন শিক্ষা করা।
  • ৪২৭. কিসসা বর্ণনা প্রসংগে।
  • ২০/ পানীয় (كتاب الأشربة) ৬৬ টি | ৩৬২৮-৩৬৯৩ পর্যন্ত 20/ Drinks (Kitab Al-Ashribah)
  • ৪২৯. মদ হারাম হওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৩০. মদ তৈরীর জন্য আংগুর নিংড়ানো সম্পর্কে।
  • ৪৩১. শরাবের সির্কা বানানো সম্পর্কে।
  • ৪৩২. কোন কোন জিনিস থেকে শরাব তৈরী হয়।
  • ৪৩৩. নেশার বস্তু ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে।
  • ৪৩৪. দাযী শরাব সম্পর্কে।
  • ৪৩৫. মদের পাত্র সম্পর্কে।
  • ৪৩৬. মিশ্রিত বস্তু সম্পর্কে।
  • ৪৩৭. আধ-পাকা খেজুর দ্বারা নাবীয তৈরী করা।
  • ৪৩৮. নাবীযের বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে।
  • ৪৩৯. মধুর শরবত পান করা।
  • ৪৪০. নাবীয যদি জোশ মেরে উঠে, তবে তা পান করা সম্পর্কে।
  • ৪৪১. দাঁড়ান অবস্থায় পানি পান করা।
  • ৪৪২. মশকে মুখ লাগিয়ে পানি পান করা।
  • ৪৪৩. মশকের মুখ বাঁকা করে পানি পান করা।
  • ৪৪৪. ভাঙ্গা পাত্রের ছিদ্রপথে পানি পান করা।
  • ৪৪৫. সোনা ও রুপার পাত্রে পানি পান করা।
  • ৪৪৬. জানোয়ারের মত পানিতে মুখ লাগিয়ে পান করা।
  • ৪৪৭. সাকী নিজে কখন পানি পান করবে।
  • ৪৪৮. পানীয় দ্রব্যে ফুঁ দেওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৪৯. দুধ পানের পর যা বলতে হবে।
  • ৪৫০. পাত্র ঢেকে রাখা সস্পর্কে।
  • ২১/ খাদ্যদ্রব্য (كتاب الأطعمة) ১২১ টি | ৩৬৯৪-৩৮১৪ পর্যন্ত 21/ Foods (Kitab Al-At'imah)
  • ৪৫১. দাওয়াত গ্রহণ করা সম্পর্কে।
  • ৪৫২. বিবাহের ওলীমা মুস্তহাব।
  • ৪৫৩. সফর হতে প্রত্যাবর্তনের সময় খাদ্য খাওয়ানো।
  • ৪৫৪. মেহমানের মেহমানদারী কত দিন এবং কিভাবে করতে হবে।
  • ৪৫৫. ওলীমা কতদিন পর্যন্ত করা মুস্তাহাব?
  • ৪৫৬. যিয়াফত সম্পর্কে আরো কিছু বক্তব্য।
  • ৪৫৭. মেহমানের জন্য অন্যের মাল খাওয়ার হুকুম বাতিল হওয়া।
  • ৪৫৮. প্রতিযোগিতা করে খাদ্য খাওয়ানো।
  • ৪৫৯. যাকে দাওয়াত করা হয়, সে যদি শরীআত বিরোধী কিছু দেখে।
  • ৪৬০. যদি দু'ব্যক্তি এক সাথে দাওয়াত করে, তবে এদের মধ্যে অধিক হকদার কে?
  • ৪৬১. ঈশার সালাত এবং রাতের খাবার একত্রিত হলে।
  • ৪৬২. খাওয়ার সময় দু'হাত ধোয়া সস্পর্কে।
  • ৪৬৩. খাওয়ার আগে দুম্বহাত ধোওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৬৪. জলদী খানা খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৬৫. খাদ্যের দুর্নাম না করা সম্পর্কে।
  • ৪৬৬. একত্রিত হয়ে খানা খাওয়া।
  • ৪৬৭. খাওয়ার সময় বিস্মিল্লাহ বলা।
  • ৪৬৮. হেলান দিয়ে খাওয়া।
  • ৪৬৯. পাত্রের মাঝখান থেকে খাদ্য খাওয়া।
  • ৪৭০. ঐ দস্তরখানে বসা, যাতে কোন নিষিদ্ধ বস্তু থাকে।
  • ৪৭১. ডান হাতে খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৭২. গোশত খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৭৩. লাউ খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৭৪. ছারীদ খাওয়া সস্পর্কে।
  • ৪৭৫. কোন খাদ্য-বস্তুকে ঘৃণা করা সম্পর্কে।
  • ৪৭৬. নাপাক দ্রব্য ভক্ষণকারী জন্তুর গোশত না খাওয়া এবং দুধ পান না করা।
  • ৪৭৭. ঘোড়ার গোশত খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৭৮. খরগোশের গোশত খাওয়া।
  • ৪৭৯. দব্ব খাওয়া (অনেকটা গুইসাপের মত দেখতে)
  • ৪৮০. দাঁড়ি পাখীর গোশত খাওয়া।
  • ৪৮১. মাটির নীচের জীব খাওয়া সস্পর্কে।
  • ৪৮২. বেজী খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৩. হিংস্র প্রাণীর গোশত খাওয়া।
  • ৪৮৪. গৃহপালিত গাধার গোশত খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৫. ফড়িং ধাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৬. মাছ মরে ভেসে উঠলে তা খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৭. মৃত জন্তু খেতে বাধ্য হলে।
  • ৪৮৮. একই সময়ে কয়েক ধরনের মিশ্রিত খাদ্য খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৯. পনীর খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৮৯. সির্কা বা আচার সম্পর্কে।
  • ৪৯০. রসুন খাওয়া সম্পর্কে।
  • ৪৯২. খেজুর সম্পর্কে।
  • ৪৯৩. খেজুর খাওয়ার সময় তা পরিষ্কার করা।
  • ৪৯৪. একবারে দু'তিনটা খেজুর খাওয়া।
  • ৪৯৫. দু'ধরনের খাদ্য একত্রে মিশিয়ে খাওয়া।
  • ৪৯৬. আহলে কিতাবদের পাত্রে খাওয়া।
  • ৪৯৭. সমুদ্রের জীব সম্পর্কে।
  • ৪৯৮. ঘি-এর মধ্যে ইঁদুর পড়লে।
  • ৪৯৯. খাবারে মাছি পড়লে সে সম্পর্কে।
  • ৫০০. খাওয়ার সময় খাদ্যবস্তু পড়ে গেলে।
  • ৫০১. চাকরের মনিবের সাথে খাদ্যগ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৫০২. রুমাল দিয়ে হাত পরিষ্কার করা।
  • ৫০৩. খাবার খেয়ে কি দু'আ পাঠ করবে?
  • ৫০৪. খাওয়ার পর হাত ধোয়া সম্পর্কে।
  • ৫০৫. খানা খাওয়ার পর মেজবানের জন্য দু'আ করা।
  • ৫০৬. যে সব জন্তু হারাম হওয়ার কথা কুরআন--হাদীছে নেই।
  • ২২/ চিকিৎসা (كتاب الطب) ৪৯ টি | ৩৮১৫-৩৮৬৩ পর্যন্ত 22/ Medicine (Kitab Al-Tibb)
  • ১. রোগীর চিকিৎসা সম্পর্কে।
  • ২. রোগীর খাদ্য গ্রহণে সতর্কতা সম্পর্কে।
  • ৩. শিংগা লাগান সম্পর্কে।
  • ৪. শিংগা লাগাবার স্থান সম্পর্কে।
  • ৫. কোন দিন শিংগা লাগান ভাল।
  • ৬. শিরা কেটে রক্ত-মোক্ষণ করা ও শিংগা লাগানোর স্থান সম্পর্কে।
  • ৭. লোহা গরম করে শরীরে দাগ দেওয়া।
  • ৮. নাকের মধ্যে ঔষধ প্রয়োগ করা সম্পর্কে।
  • ৯. শয়তানের নামের মন্ত্র পাঠের নিষেধাজ্ঞা সম্পর্কে।
  • ১০. বিষের প্রতিষেধক সম্পর্কে।
  • ১১. গর্হিত প্রতিষেধক সম্পর্কে।
  • ১২. আজওয়া খেজুর সম্পর্কে।
  • ১৩. আংগুল দিয়ে গলা দাবানো সম্পর্কে।
  • ১৪. সুরমা ব্যবহার সম্পর্কে।
  • ১৫. বদ নজর সম্পর্কে।
  • ১৬. শিশুর দুধ পানের সময় স্ত্রীর সাথে সংগম না করা সম্পর্কে।
  • ১৭. গলায় তাবিজ ব্যবহার সম্পর্কে।
  • ১৮. ঝাঁড়-ফুক সম্পর্কে।
  • ১৯. ঝাড়-ফুকের দু'আ সম্পর্কে।
  • ২০. মোটা হওয়া সম্পর্কে।
  • ২৩/ ভাগ্য গণনা ও ফাল নেয়া (كتاب الكهانة و التطير) ২১ টি | ৩৮৬৪-৩৮৮৪ পর্যন্ত 23/ Divination and Omens (Kitab Al-Kahanah Wa Al-Tatayyur)
  • ১. গণক সম্পর্কে।
  • ২. জ্যোর্তিবিজ্ঞান সম্পর্কে।
  • ৩. মাটিতে দাগকাটা এবং পাখীর ডাক ও উড়ার দ্বারা যাত্রা শুভ-অশুভ নির্ণয় করা সম্পর্কে।
  • ৪. পাখীর দ্বারা শুভাশুভের ফাল নির্ধারণ সম্পর্কে।
  • ২৪/ দাস মুক্তি (كتاب العتق) ৪৩ টি | ৩৮৮৫-৩৯২৭ পর্যন্ত 24/ The Book of Manumission of Slaves
  • ১. মুকাতিব (মুক্তিপণ -দাতা) দাস সম্পর্কে, যে তার মুক্তিপণের কিছু আদায়ের পর অসামর্থ হয় অথবা মারা যায়।
  • ২. মুকাতিব দাসের চুক্তিভংগ হওয়ার পর তা বিক্রি সম্পর্কে।
  • ৩. কোন শর্তে গোলাম আযাদ করা সম্পর্কে।
  • ৪. ক্রীতদাস মালিকানায় শরীকদারদের অংশ- বিশেষ আযাদ করা।
  • ৫. দাসের কিছু অংশ আযাদ হওয়ার পর, তাকে দিয়ে কাজ-কর্ম করানো সম্পর্কে।
  • ৬. যদি গোলামের মাল না থাকে , তবে তাকে খাটানো যাবে না- এ সম্পর্কে।
  • ৭. কোন নিকট আত্মীয়ের মালিক হলে।
  • ৮. উম্মু-ওলাদের আযাদ হওয়া সম্পর্কে।
  • ৯. মুদাব্বির গোলাম বিক্রি সম্পর্কে।
  • ১০. যে ব্যক্তি এক-তৃতীয়াংশের কমে গোলাম আযাদ করে- তার সম্পর্কে।
  • ১১. যে ব্যক্তি কোন মালদার গোলাম আযাদ করে।
  • ১২. জারয সন্তানের মুক্তি সম্পর্কে।
  • ১৩.গোলাম আযাদের ছওয়াব সম্পর্কে।
  • ১৪. কিরুপ গোলাম আযাদ করা উত্তম।
  • ১৫. সুস্থ অবস্থায় গোলাম আযাদ করা সম্পর্কে।
  • ২৫/ কুরআনের হরুফ এবং কিরাত (كتاب الحروف والقراءات) ৪০ টি | ৩৯২৮-৩৯৬৭ পর্যন্ত 25/ Dialects and Readings of the Qur'an (Kitab Al-Huruf Wa Al-Qira'at)
  • পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৬/ হাম্মাম (كتاب الحمَّام) ১১ টি | ৩৯৬৮-৩৯৭৮ পর্যন্ত 26/ Hot Baths (Kitab Al-Hammam)
  • ১. উলঙ্গ না হওয়া সম্পর্কে।
  • ২. বিবস্ত্র হওয়া সম্পর্কে।
  • পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৭/ পোশাক-পরিচ্ছদ (كتاب اللباس) ১৩৩ টি | ৩৯৭৯-৪১১১ পর্যন্ত 27/ Clothing (Kitab Al-Libas)
  • ১. নতুন কাপড় পরিধানকারীকে কী বলে সম্ভাষণ জানাবে?
  • ২. কামীস সম্পর্কে।
  • ৩. কাবা’-জামা সম্পর্কে।
  • ৪. প্রচারের জন্য অহংকারী পোশাক পরা।
  • ৫. রেশম ও পশমের কাপড় পরিধান সম্পর্কে।
  • ৬. মোটা রেশমী বস্ত্র বা গরদ সম্পর্কে।
  • ৭. রেশমী পোশাক পরিধান সম্পর্কে।
  • ৮. রেশমী কাপড় পরিধানে নিশেধাজ্ঞা।
  • ৯. রেশমী সেলাই ও কারুকার্যের অনুমতি প্রসঙ্গে।
  • ১১. মহিলাদের খালিস রেশমী বস্র পরিধান করা।
  • ১৩. সাদা কাপড় সম্পর্কে।
  • ১৪. কাপড়-চোপড় ধুয়ে পরিস্কার রাখা।
  • ১৫. জাফরান রং দ্বারা রঞ্জিত করা
  • ১৬. সবুজ রং সম্পর্কে।
  • ১৭. লাল রং সম্পর্কে।
  • ১৮. লাল রং ব্যাবহারের অমুমতি।
  • ১৯. কাল রং সম্পর্কে।
  • ২০. কাপড়ের পাশে ঝালর সম্পর্কে।
  • ২১. পাগড়ী সম্পর্কে।
  • ২২. জড়িয়ে পেঁচিয়ে কাপড় পরা।
  • ২৩. জামার বুকের অংশ খোলা রাখা।
  • ২৪. কাপড় দিয়ে মাথা ঢাকা।
  • ২৫. লুঙ্গী পাজামা ঝুলিয়ে পায়ের গিঁঠের নিচে পরা।
  • ২৬. গর্ব ও অহংকার সম্পর্কে।
  • ২৭. পাজামার সীমা সম্পর্কে।
  • ২৮. মহিলাদের পোশাক সম্পর্কে।
  • ২৯. আল্লাহর বাণী- "মহিলাদের চাদর ব্যাবহার সম্পর্কে"।
  • ৩০. মহান আল্লাহর বাণী- "মহিলাদের ওড়না ব্যাবহার সম্পর্কে"।
  • ৩১. মহিলাদের শরীরের কোন অংশ খোলা রাখা জায়েয।
  • ৩২. গোলামের জন্য মনিব-স্ত্রীর খোলা মস্তক দেখা।
  • ৩৩. নপুংসক ব্যাক্তিদের সম্পর্কে।
  • ৩৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ "বলুন, মু'মিন স্ত্রীলোকদের দৃষ্টি সংযত রাখতে"
  • ৩৫. ওড়না কিরূপে বাঁধবে।
  • ৩৬. মহিলাদের পাতলা কাপড় পরা।
  • ৩৭. মহিলাদের পাজামা লম্বা করা।
  • ৩৮. মৃত জানোয়ারের কাঁচা চামড়া সম্পর্কে।
  • ৩৯. মৃত জন্তুর কাঁচা চামড়া কাজে ব্যাবহার না করা।
  • ৪০. চিতা বাঘের চামড়া সম্পর্কে।
  • ৪১. জুতা পরিধান সম্পর্কে।
  • ৪২. বিছানা সম্পর্কে।
  • ৪৩. রঙ্গীন কারুকার্য খচিত পর্দা ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৪৪. ক্রুশ চিহ্নযুক্ত কাপড় সম্পর্কে।
  • ৪৫. ছবি সম্পর্কে।
  • পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৮/ চিরুনি করা (كتاب الترجل) ৫৪ টি | ৪১১২-৪১৬৫ পর্যন্ত 28/ Combing the Hair (Kitab Al-Tarajjul)
  • ১. খোশবু ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ২. চুল পরিপাটি করে রাখা।
  • ৩. মহিলাদের খিজাব ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৪. পরচুলা ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৫. খোশবু ফিরিয়ে দেয়া সম্পর্কে।
  • ৬. বাইরে যাওার সময় মহিলাদের খোশবু লাগানো।
  • ৭. পুরুষদের জাফরান রং ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৮. মাথার চুল রাখা সম্পর্কে।
  • ৯. সিঁথি কাটা প্রসঙ্গে।
  • ১০. মাথার চুল লম্বা রাখা সম্পর্কে।
  • ১১. পুরুষদের চুল বাঁধা সম্পর্কে।
  • ১২. মাথা মুড়ানো সম্পর্কে।
  • ১৩. চুলের গোছা সম্পর্কে।
  • ১৪. চুলের গোছা রাখা সম্পর্কে।
  • ১৫. গোঁফ ছাঁটা সম্পর্কে।
  • ১৬. সাদা চুল উপড়ে ফেলা সম্পর্কে।
  • ১৭. খিজাব সম্পর্কে।
  • ১৮. হলুদ রঙের খিযাব সম্পর্কে।
  • ১৯. কালো রঙের খিযাব ব্যাবহার প্রসঙ্গে।
  • পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২০. হাতির দাঁত ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ২৯/ আংটির বিবরণ অধ্যায় (كتاب الخاتم) ২৬ টি | ৪১৬৬-৪১৯১ পর্যন্ত 29/ Signet-Rings (Kitab Al-Khatam)
  • ১. আংটি ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ২. আংটি ব্যাবহার না করা সম্পর্কে।
  • ৩. সোনার আংটি ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৪. লোহার আংটি ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৫. ডান বা বাম হাতে আংটি ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৬. পায়ে মল পরা সম্পর্কে।
  • ৭. সোনা দিয়ে দাঁত বাঁধানো সম্পর্কে।
  • ৮. মহিলাদের সোনা ব্যাবহার সম্পর্কে।
  • ৩০/ ফিতনা-ফ্যাসাদ (كتاب الفتن والملاحم) ৩৮ টি | ৪১৯২-৪২২৯ পর্যন্ত 30/ Trials and Fierce Battles (Kitab Al-Fitan Wa Al-Malahim)
  • ১. ফিতনা ফ্যাসাদের উল্লেখ এবং এর নিদর্শনাবলী।
  • ২. ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি না করা সম্পর্কে।
  • ৩. মুখ বন্ধ রাখা সম্পর্কে।
  • ৪. ফিতনা প্রকাশ পেলে জঙ্গলে চলে যাবে।
  • ৫. ফিতনা-ফ্যাসাদের সময় যুদ্ধ বিগ্রহ না করা।
  • ৬. মু'মিন ব্যাক্তিকে হত্যা করা জঘন্য অপরাধ।
  • ৭. নিহত হওয়ার পরও নাজাতের প্রত্যাশা।
  • ৩১/ মাহদী (আঃ) সম্পর্কে (كتاب المهدى) ১১ টি | ৪২৩০-৪২৪০ পর্যন্ত 31/ The Promised Deliverer (Kitab Al-Mahdi)
  • ১. ইমাম মাহদী (আঃ) সম্পর্কে।
  • ৩২/ যুদ্ধ-বিগ্রহ (كتاب الملاحم) ৫৯ টি | ৪২৪১-৪২৯৯ পর্যন্ত 32/ Battles (Kitab Al-Malahim)
  • ১. শতাব্দীর বর্ণনা সম্পর্কে।
  • ২. রোমের যুদ্ধ-বিগ্রহ সম্পর্কে।
  • ৩. যুদ্ধ বিগ্রহের আলামাত সম্পর্কে।
  • ৪. একের পর এক যুদ্ধ বিগ্রহ সংঘটিত হওয়া সম্পর্কে।
  • ৫. ইসলামের উপর অন্য জাতির বিজয় সম্পর্কে।
  • ৬. যুদ্ধের সময় মুসলিমগণ কোথায় থাকবে?
  • ৭. যুদ্ধের সময় ফিতনা হওয়া সম্পর্কে।
  • ৮. তুরস্ক ও হাবশার সাথে অকারণে গোলযোগ না করা সম্পর্কে।
  • ৯. তুর্কীর সাথে যুদ্ধ সম্পর্কে।
  • ১০. বসরা সম্পর্কে।
  • ১১. হাবশীদের সম্পর্কে।
  • ১২. কিয়ামতের আলামত সম্পর্কে।
  • ১৩. ফোরাত নদী থেকে সোনার খনি বের হওয়া।
  • ১৪. দজ্জাল বের হওয়া সম্পর্কে।
  • ১৫. দাজ্জালের গোয়েন্দা সম্পর্কে।
  • ১৬. ইবন সায়েদ সম্পর্কে।
  • ১৭. আদেশ ও নিষেধ সম্পর্কে।
  • ১৮. কিয়ামত হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৩/ শাস্তির বিধান (كتاب الحدود) ১৩৪ টি | ৪৩০০-৪৪৩৩ পর্যন্ত 33/ Prescribed Punishments (Kitab Al-Hudud)
  • ১. মুরতাদের শাস্তির বিধান।
  • ২. নবী (ﷺ) এর মর্যাদাহানিকারী ব্যক্তির শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩. আল্লাহ্‌ ও রাসূল (ﷺ)-এর বিরুদ্ধে যুদ্ধ সম্পর্কে।
  • ৪. শরীআতের বিধান অনুযায়ী শাস্তিপ্রাপ্ত ব্যক্তির জন্য সুপারিশ করা সম্পর্কে।
  • ৫. হাকীমের সামনে পেশের আগে অপরাধ ক্ষমা করা প্রসংগে।
  • ৬. যথাসম্ভব শাস্তির বিধান গোপন করা।
  • ৭. হাকীমের সামনে নিজের দোষ স্বীকার করা সম্পর্কে।
  • ৮. অপরাধীর অপরাধ স্বীকার সম্পর্কে।
  • ৯. কোন ব্যক্তি যদি নিজের অপরাধের কথা স্বীকার করে, কিন্তু উহার নাম না বলে -- সে সম্পর্কে।
  • ১০. মারপিট করে অন্যায় সম্পর্কে স্বীকৃতি আদায় করা।
  • ১১. কী পরিমাণ মাল চুরি করলে চোরের হাত কাটা যাবে, সে সম্পর্কে।
  • ১২. যে সমস্ত জিনিস চুরি করলে হাত কাটা যায় না সে সম্পর্কে।
  • ১৩. ছিনতাই ও আত্মসাৎকারীর শাস্তি সম্পর্কে।
  • ১৪. সংরক্ষিত স্থান হতে মাল-চোরের শাস্তি সম্পর্কে।
  • ১৫. কোন জিনিস ধার নিয়ে অস্বীকার করলে শাস্তিস্বরূপ হাত কাটা সম্পর্কে।
  • ১৬. পাগলের চুরি বা অন্য কোন অপরাধের শাস্তি সম্পর্কে।
  • ১৭. নাবালেগ ছেলে শাস্তিযোগ্য অপরাধ করলে।
  • ১৮. যুদ্ধের সফরে চুরি করলে হাত কাটা যাবে কি?
  • ১৯. কাফন চোরের হাত কাটা সম্পর্কে।
  • ২০. যে বার বার চুরি করে, তার শাস্তি সস্পর্কে।
  • ২১. চোরের কাটা হাত তার গলায় ঝুলানো সম্পর্কে।
  • ২২. পাথর মেরে হত্যা করা সম্পর্কে।
  • ২৩. জুহায়না গোত্রের মহিলা সম্পর্কে, যাকে নবী (ﷺ) পাথর মেরে হত্যার নির্দেশ দেন ।
  • ২৪. ইয়াহূদী নারী-পুরুষের রজম সম্পর্কে।
  • ২৫. যদি কোন পুরুষ-মুহরিম নারীর সাথে যিনা করে।
  • ২৬. স্ত্রীর দাসীর সাথে যিনা করলে তার শাস্তি সম্পর্কে।
  • ২৭. সমকামিতার শাস্তি সম্পর্কে।
  • ২৮. পশুর সাথে সংগম করলে তার শাস্তি সস্পর্কে।
  • ২৯. পুরুষ যিনার কথা স্বীকার করলে এবং স্ত্রীলোক তা অস্বীকার করলে - কি হুকুম হবে?
  • ৩০. কোন ব্যক্তি কোন স্ত্রীলোকের সাথে সহবাস ব্যতীত আর সব কিছু করলে এবং ধরা পড়ার আগে তাওবা করলে - এর হুকুম কি?
  • ৩১. অবিবাহিতা দাসী যিনা করলে - তার শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩২. অসুস্থ ব্যক্তির উপর হদ লাগানো সম্পর্কে।
  • ৩৩. অপবাদের শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩৪. মদপানের শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩৫. বার বার মদ পানকারীর শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩৬. মসজিদে শাস্তি প্রদান করা সম্পর্কে।
  • ৩৭. শাস্তি প্রদানের সময় মুখের উপর মারা সম্পর্কে।
  • ৩৮. শাস্তি সম্পর্কে।
  • ৩৪/ রক্তপণ (كتاب الديات) ৯১ টি | ৪৪৩৪-৪৫২৪ পর্যন্ত 34/ Types of Blood-Wit (Kitab Al-Diyat)
  • ১. হত্যার বিনিময়ে হত্যা সম্পর্কে।
  • ২. পিতা বা ভাইয়ের অপরাধে- অন্যকে শাস্তি দেয়া যাবে না।
  • ৩. রক্তপণ মাফের ব্যাপারে ইমামের নির্দেশ সম্পর্কে।
  • ৪. নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারী দিয়াত নিতে চাইলে সে সস্পর্কে।
  • ৫. দিয়াত গ্রহণের পর হত্যা করলে - সে সম্পর্কে।
  • ৬. যদি কেউ কাউকে বিষাক্ত খাদ্য-পানীয় পান করায় এবং সে তাতে মারা যায়, তবে তার থেকে কিসাস নেয়া যাবে কি না?
  • ৭. যে ব্যক্তি তার গোলামকে হত্যা করে, অথবা তার কোন অংগছেদ করে, তার থেকে কি কিসাস নেওয়া হয়ে?
  • ৮. নিহত ব্যক্তির হত্যাকারী পরিচয় না পাওয়া গেলে, মহল্লাবাসীদের কসম গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৯. কাসামার দ্বারা কিসাস গ্রহণ না করা।
  • ১০. হত্যাকারী হতে কিসাস গ্রহণ করা সম্পর্কে।
  • ১১. কাফিরের বিনিময়ে কোন মুসলিমকে হত্যা করা যাবে না।
  • ১২. যদি কেউ তার স্ত্রীর কাছে অন্য পুরুষকে পায়, সে কি তাকে হত্যা করবে?
  • ১৩. যাকাত আদায়কারীর হাতে কেউ যদি ভুলে আহত হয়, তবে কি করতে হবে।
  • ১৪. মারপিটের কিসাস এবং হাকীমের নিজের থেকে কিসাস দেয়া প্রসঙ্গে।
  • ১৫. মহিলাদের খুনীকে ক্ষমা করা সম্পর্কে।
  • ১৬. দিয়াতের (হত্যার বিনিময়ের) পরিমাণ সম্পর্কে।
  • ১৭. অনিচ্ছাকৃত হত্যার দিয়াত, ভুলবশত হত্যার দিয়াতের অনুরূপ।
  • ১৮. অঙ্গ-প্রতঙ্গের দিয়াত সস্পর্কে।
  • ১৯. গর্ভের-সন্তান দিয়াত সম্পর্কে।
  • ২০. মুকাতিবের দিয়াত সম্পর্কে।
  • ২১. যিম্মীর দিয়াত সম্পর্কে।
  • ২২. কোন ব্যক্তি কারো সাথে মারামারি করার সময়, তাকে প্রতিহত করা সম্পর্কে।
  • ২৩. চিকিৎসক না হয়ে চিকিৎসা করলে - তার শাস্তি সম্পর্কে।
  • ২৪. দাঁতের কিসাস সম্পর্কে।
  • ২৫. কোন পশু যদি পা দিয়ে লাথি মারে - সে সম্পর্কে।
  • ২৬. সে আগুন সম্পর্কে, যা ছড়িয়ে পড়ে।
  • ২৭. ফকীর-মিসকীনের ছেলে অপরাধ করলে - সে সম্পর্কে।
  • ২৮. লোকের ভীড়ের চাপে পড়ে কেউ মারা গেলে - সে সস্পর্কে।
  • ৩৫/ সুন্নাহ (كتاب السنة) ১৭৩ টি | ৪৫২৫-৪৬৯৭ পর্যন্ত 35/ Model Behavior of the Prophet (Kitab Al-Sunnah)
  • ১. সুন্নাতের ব্যাখ্যা সম্পর্কে।
  • ২. নিয়ে তর্ক-বিতর্ক করা ও মুতাশাবিহাতের বর্ণনা প্রসংগে।
  • ৩. বিদ'আতী স্বেচ্ছাচারীদের প্রভাব থেকে দূরে থাকা সম্পর্কে।
  • ৪. বিদ'আতীদের সালামের জবাব না দেয়া প্রসংগে।
  • ৫. অনুচ্ছেদঃকুরআনের মধ্যে ঝগড়া করা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে।
  • ৬. সুন্নাতের অনুসরণ করা জরুরী।
  • ৭. সুন্নাতের অনুসরণের ফযীলত সম্পর্কে।
  • ৮. সাহাবীদের ফযীলত সস্পর্কে।
  • ৯. খিলাফাত সম্পর্কে।
  • ১০. নবী (ﷺ) এর সাহাবীগণের ফযীলত সম্পর্কে।
  • ১১. রাসূলুল্লাহ (ﷺ)-এর সাহাবীদের মন্দ বলা নিষেধ।
  • ১২. আবূ বকর (রা)-এর খিলাফতের দলীল।
  • ১৩. ফিতনা-ফ্যাসাদের সময় চুপ থাকা সস্পর্কে।
  • ১৪. আম্বিয়া (আ)-এর মধ্যে ফযীলত সম্পর্কে।
  • ১৫. মুরজীয়া ফিরকার বিরুদ্ধাচরণ সম্পর্কে।
  • ১৬. ঈমান বৃদ্ধি পাওয়া ও কমে যাওয়া সম্পর্কে।
  • ১৭. তাকদীর সম্পর্কে।
  • ১৮. মুশরিকদের সন্তান-সন্ততি সম্পর্কে।
  • ১৯. জাহমীয়া সম্প্রদায় সস্পর্কে।
  • ২০. মহান আল্লাহর দীদার সম্পর্কে।
  • ২১. কুরআন সম্পর্কে।
  • ২২. কিয়ামত এবং শিংগা-ধ্বনি প্রসংগে।
  • ২৩. শাফা'আত সস্পর্কে।
  • ২৪. জান্নাত ও জাহান্নামের - সৃষ্টি সম্পর্কে।
  • ২৫. হাওয-কাওছার সম্পর্কে।
  • ২৬. কবরের প্রশ্ন ও শাস্তির বর্ণনা।
  • ২৭. মীযান বা পাল্লা সম্পর্কে।
  • ২৮. দাজ্জাল সম্পর্কে।
  • ২৯. খারেজীদের সাথে যুদ্ধ সম্পর্কে।
  • ৩০. চোরদের মুকাবিলা করা সম্পর্কে।
  • ৩৬/ আদব (كتاب الأدب) ২৫৮ টি | ৪৬৯৮-৪৯৫৫ পর্যন্ত 36/ General Behavior (Kitab Al-Adab)
  • ১. সহিষ্ণুতা ও নবী (ﷺ)-এর পূত-চরিত্র সম্পর্কে।
  • ২. আত্নসম্মান সম্পর্কে।
  • ৩. ক্রোধ সম্বরণের ফযীলত সম্পর্কে।
  • ৪. ক্রোধের সময় কি বলবে- সে সস্পর্কে।
  • ৫. দোষ-ত্রুটি ক্ষমা করা সম্পর্কে।
  • ৬. সৎভাবে জীবন-যাপন করা সস্পর্কে ।
  • ৭. হায়া বা শরম সম্পর্কে।
  • ৮. সদাচার ও সদ্ব্যবহার সম্পর্কে।
  • ৯. কাজ-কর্মে অহংকার প্রদর্শন গর্হিত হওয়া সম্পর্কে।
  • ১০. তোশামোদের অপকারিতা সম্পর্কে।
  • ১১. নরম ব্যবহার সম্পর্কে।
  • ১২. ভাল কাজে শোকর আদায় করা সম্পর্কে।
  • ১৩. রাস্তায় বসা সম্পর্কে।
  • ১৪. প্রশস্ত স্থানে বসা সম্পর্কে।
  • ১৫. কিছু রোদ ও কিছু ছায়ার মধ্যে বসা সম্পর্কে।
  • ১৬. গোল হয়ে বসা সস্পর্কে।
  • ১৭. হালকা বা বৃত্তের মাঝখানে গিয়ে বসা।
  • ১৮. যদি কেউ অন্যকে জায়গা দেয়ার জন্য নিজের জায়গা ছেড়ে দেয়- সে সস্পর্কে।
  • ১৯. কার সোহবতে বসা উচিত - সে সম্পর্কে।
  • ২০. ঝগড়া-ফ্যার্সাদ না করা- সম্পর্কে।
  • ২১. কি ভাবে কথা বলা উচিত।
  • ২২. বক্তৃতা সম্পর্কে।
  • ২৩. লোকদের স্ব-স্ব মর্যাদায় সমাসীন করা।
  • ২৪. অনুমতি ব্যতীত দু'জনের মাঝখানে বসা - সম্পর্কে।
  • ২৫. পুরুষের বসার পদ্ধতি সম্পর্কে।
  • ২৬. দৃষ্টিকটু অবস্থায় বসা।
  • ২৭. ঈশার সালাতের পর কথাবার্তা বলা – সম্পর্কে।
  • ২৮. কানে - কানে কথা বলা সম্পর্কে।
  • ২৯. নিজের স্থান পরিত্যাগের পর, আবার সেখানে ফিরে আসলে সে সম্পর্কে।
  • ৩০. কেউ কোন স্থানে বসার পর, সেখান থেকে উঠা পর্যন্ত যদি আল্লাহর যিকির না করে- এর নিন্দা সম্পর্কে।
  • ৩১. মজলিসের কাফফারা সম্পর্কে।
  • ৩২. কারো বিরুদ্ধে অভিযোগ করা সম্পর্কে।
  • ৩৩. লোকদের থেকে সতর্ক থাকা সম্পর্কে।
  • ৩৪. নবী করীম (ﷺ)-এর চলন সম্পর্কে।
  • ৩৫. এক পায়ের উপর অন্য পা রাখা সম্পর্কে।
  • ৩৬. একজনের কথা অপরজনকে না বলা- সম্পর্কে।
  • ৩৭. চোগলখোর সম্পর্কে।
  • ৩৮. মুনাফিক সম্পর্কে।
  • ৩৯. গীবত বা পরনিন্দা সম্পর্কে।
  • ৪০. কোন ব্যক্তির সম্মান রক্ষার্থে তার পক্ষ অবলম্বন করা সম্পর্কে।
  • ৪১. যার গীবত - গীবত নয় - এ সম্পর্কে।
  • ৪২. অন্যের দোষ-ক্রটি অন্বেষণ করা- সম্পর্কে।
  • ৪৩. মুসলিমের দোষ-ত্রুটি গোপন রাখা - সম্পর্কে।
  • ৪৪. সৌভ্রাতৃত্ব সস্পর্কে।
  • ৪৫. গালি-গালাজ সম্পর্কে।
  • ৪৬. বিনয় সম্পর্কে।
  • ৪৭. প্রতিশোধ গ্রহণ সম্পর্কে।
  • ৪৮. মৃতদের সম্পর্কে কটুক্তি না করা সম্পর্কে।
  • ৪৯. গুনাহ ও অহংকার না করা সম্পর্কে।
  • ৫০. হাসাদ বা হিংসা সম্পর্কে।
  • ৫১. লা'নত বা অভিসম্পাত সম্পর্কে।
  • ৫২. জালিমের উপর বদ - দু'আ সস্পর্কে।
  • ৫৩. ভাই থেকে বিচ্ছিন্ন থাকা সম্পর্কে।
  • ৫৪. কুধারণা পোষণ করা সম্পর্কে।
  • ৫৫. নসীহত বা সদুপদেশ সম্পর্কে।
  • ৫৬. পরস্পরের মাঝে আপোষ করা- সম্পর্কে।
  • ৫৭. গান-বাজনা সম্পর্কে।
  • ৫৮. গান-বাজনার অপকারিতা সম্পর্কে।
  • ৫৯. নপুংসকদের হুকুম সম্পর্কে।
  • ৬০. কাপড়ের স্ত্রী পুতুল নিয়ে খেলা করা সম্পর্কে।
  • ৬১. দোলনায় চড়া সম্পর্কে।
  • ৬২. সতরঞ্চ খেলা নিষিদ্ধ হওয়া সম্পর্কে।
  • ৬৩. কবুতর নিয়ে খেলা করা সম্পর্কে।
  • ৬৪. রহমত সম্পর্কে।
  • ৬৫. নসীহত সম্পর্কে।
  • ৬৬. মুসলিমের সাহায্য করা সম্পর্কে।
  • ৬৭. নাম পরিবর্তন করা সস্পর্কে।
  • ৬৮. খারাপ নাম পরিবর্তন করে ভাল নাম রাখা সম্পর্কে।
  • ৬৯. খারাপ উপাধি সম্পর্কে।
  • ৭০. আবূ ঈসা কুনিয়াত বা উপনাম রাখা সম্পর্কে।
  • ৭১. অন্যের সন্তানকে - হে আমার প্রিয় পুত্র বলা সম্পর্কে।
  • ৭২. আবুল কাসিম উপনাম রাখা সস্পর্কে।
  • ৭৩. নবী (ﷺ)-এর নাম ও কুনিয়াত এক সাথে না রাখা সম্পর্কে।
  • ৭৪. কুনিয়াত ও নাম এক সাথে রাখা সস্পর্কে।
  • ৭৫. ছেলে সন্তান না থাকা সও্বেও কুনিয়াত রাখা - সম্পর্কে।
  • ৭৬. মেয়েদের কুনিয়াত রাখা - সম্পর্কে।
  • ৭৭. ইশারা-ইংগিতে কথাবার্তা বলা সম্পর্কে।
  • ৭৮. যে বলে- “লোকদের ধারণা এরূপ” এ সম্পর্কে।
  • ৭৯. ব্যক্তি তার বক্তৃতায় বলেঃ আম্মা বা'দ- এ সস্পর্কে।
  • ৮০. আংগুরকে 'কারম' না বলা এবং সাবধানে কথাবার্তা বলা- সম্পর্কে।
  • ৮১. দাস-দাসী স্বীয় মনিবকেঃ হে আমার রব ! বলবে না এ সম্পর্কে।
  • ৮২. নিজের নাফসকে খাবীছ না বলা- সম্পর্কে।
  • ৮৩. ঈশার সালাতকে 'আতমা' বলা অনুচিত সস্পর্কে।
  • ৮৪. মিথ্যা বলার ক্ষতি সম্পর্কে।
  • ৮৫. এ ব্যাপারে অনুমতি প্রদান- সম্পর্কে।
  • ৮৬. ভাল ধারণা পোষণ করা- সম্পর্কে।
  • ৮৭. ওয়াদা পালন সম্পর্কে।
  • ৮৮. যে ব্যক্তি গর্ব প্রকাশের জন্য এমন কিছু বর্ণনা করে, যা তার কাছে নেই- সে সম্পর্কে।
  • ৮৯. হাসি-ঠাট্টা করা সম্পর্কে।
  • ৯০. ঠাট্টাচ্ছলে কোন জিনিস নেয়া সম্পর্কে।
  • ৯১. কথার মধ্যে বাড়াবাড়ি করা সম্পর্কে।
  • ৯২. কবিতা সস্পর্কে।
  • ৯৩. স্বপ্ন সম্পর্কে।
  • ৯৪. হাই তোলা সস্পর্কে।
  • ৯৫. হাঁচি সম্পর্কে।
  • ৯৬. কিরূপে হাঁচির জবাব দেবে, সে সম্পর্কে।
  • ৯৭. হাঁচির জবাব কতবার দিতে হবে- সে সম্পর্কে।
  • ৯৮. যিম্মীর হাঁচির জবাব কিরূপে দেবে?
  • ৯৯. যে ব্যক্তি হাঁচি দিয়ে 'আল্- হামদুলিল্লাহ' বলে না সে সম্পর্কে।
  • ৩৭/ নিদ্রা সম্পর্কীয় (كتاب النوم) ১৪৭ টি | ৪৯৫৬-৫১০২ পর্যন্ত 37. Sleeping and others (General Behavior)
  • ১. উপুড় হয়ে শোয়া সস্পর্কে।
  • ২. এমন ছাদে শয়ন করা, যেখানে বেষ্টনী নেই।
  • ৩. পবিত্র অবস্থায় ঘুমানো সম্পর্কে।
  • ৪. শোবার সময় কোন দিক মুখ ফিরিয়ে শোবে সে সম্পর্কে।
  • ৫. ঘুমাবার সময় যে দু'আ পড়তে হয় সে সম্পর্কে।
  • ৬. রাতে ঘুম ভেঙে গেলে কি দু'আ পড়বে, সে সম্পর্কে।
  • ৭. শোবার সময় তাসবীহ পাঠ- সম্পর্কে।
  • ৮. সকাল বেলা কোন দু'আ পড়বে- সে সস্পর্কে।
  • ৯. নতুন চাঁদ দেখার পর যে দু'আ পড়বে।
  • ১০. ঘর থেকে বের হওয়ার সময় পড়ার দু'আ।
  • ১১. ঘরে প্রবেশকালে পাঠের দু'আ।
  • ১২. ঝড়-বাতাদের সময় যে দু'আ পাঠ করবে।
  • ১৩. বৃষ্টি বর্ষণ সম্পর্কে।
  • ১৪. মোরগ ও অন্যান্য পশু-পক্ষী সম্পর্কে।
  • ১৫. নব-জাতকের কানে আযান দেয়া- সম্পর্কে।
  • ১৬. কোন ব্যক্তি থেকে আশ্রয় প্রার্থনা- সম্পর্কে।
  • ১৭. সন্দেহ দূর করা- সম্পর্কে।
  • ১৮. আপনজন বাদ দিয়ে অন্যের সাথে সম্পর্ক করলে সে সম্পর্কে।
  • ১৯. বংশ গৌরব করা- সম্পর্কে।
  • ২০. না-হক পক্ষপাতিত্ব করা- সম্পর্কে।
  • ২১. যাকে ভালবাসবে, তাকে সে খবর দেবে- এ সম্পর্কে।
  • ২২. কোন নেকীর কারণে কাউকে ভালবাসা।
  • ২৩. পরামর্শ সম্পর্কে।
  • ২৪. ভাল কাজের প্রতি উৎসাহদাতা- সম্পর্কে।
  • ২৫. কু-প্রবৃত্তি সম্পর্কে।
  • ২৬. শাফাআত বা সুপারিশ সম্পর্কে।
  • ২৭. চিঠি লেখার সময় প্রথমে নিজের নাম লেখা সম্পর্কে।
  • ২৮. বিজাতির কাছে পত্র লেখা- সম্পর্কে।
  • ২৯. পিতা-মাতার সাথে সদ্ব্যবহার করা- সম্পর্কে।
  • ৩০. ইয়াতীমদের প্রতিপালনের মর্যাদা- সম্পর্কে।
  • ৩১. যে ইয়াতীমের লালন-পালন করে।
  • ৩২. প্রতিবেশীর হক সম্পর্কে।
  • ৩৩. দাস-দাসীর হক সম্পর্কে।
  • ৩৪. দাস-দাসী মনিবের সাথে ভাল ব্যবহার করলে সে সম্পর্কে।
  • ৩৫. অন্যের গোলামকে তার মনিবের বিরুদ্ধে উস্কানি দিলে- এর পরিণাম।
  • ৩৬. অনুমতি চাওয়া সম্পর্কে।
  • ৩৭. ব্যক্তি অনুমতি চাওয়ার সময় ক'বার সালাম করবে?
  • ৩৮. অনুমতি চাওয়ার সময় দরজায় করাঘাত করা।
  • ৩৯. যদি কেউ ডাকার পরে যায়, তা অনুমতি নয় কি?
  • ৪০. সকাল, দুপুর ও সন্ধায় অনুমতি প্রসংগে।
  • ৩৮/ সালাম (كتاب الأدب) ৮২ টি | ৫১০৩-৫১৮৪ পর্যন্ত 38/ General Behavior (Kitab Al-Adab)
  • ১. পরস্পর সালাম করার প্রচলন- সম্পর্কে।
  • ২. সালামের পদ্ধতি সস্পর্কে।
  • ৩. প্রথমে সালাম দানকারীর মর্তবা সম্পর্কে।
  • ৪. আগে কাকে সালাম করতে হবে সে- সম্পর্কে।
  • ৫. বিচ্ছিন্ন হওয়ার পর মিলিত হলে- সালাম করা প্রসংগে।
  • ৬. ছোটদের সালাম দেয়া- সম্পর্কে।
  • ৭. মহিলাদের প্রতি সালাম করা- সম্পর্কে।
  • ৮. যিম্মীদের প্রতি সালাম করা- সম্পর্কে।
  • ৯. মজলিস থেকে উঠার সময় সালাম করা প্রসংগে।
  • ১০. আলায়কাস-সালাম বলা অনুচিত।
  • ১১. দলের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি সালামের জবাব দিলেই যথেষ্ট।
  • ১২. মুসাফাহ (করমর্দন) করা সম্পর্কে।
  • ১৩. মু'আনাকা (আলিংগন) করা সম্পর্কে।
  • ১৪. সম্মানের জন্য দাঁড়ান- সস্পর্কে।
  • ১৫. নিজের বাচ্চাদের চুমা দেয়া- সম্পর্কে।
  • ১৬. দু'চোখের মাঝখানে চুমা খাওয়া- সম্পর্কে।
  • ১৭. গালে চুমা দেয়া- সম্পর্কে।
  • ১৮. হাতে চুমা দেয়া- সম্পর্কে।
  • ১৯. শরীরে চুমা দেয়া- সম্পর্কে।
  • ২০. পায়ে চুমা দেয়া- সম্পর্কে।
  • ২১. আল্লাহ আমাকে আপনার জন্য উৎসর্গ করুন এরূপ বলা।
  • ২২. আল্লাহ তোমার চোখ শীতল রাখুন- এরুপ বলা।
  • ২৩. আল্লাহ্ তোমার হিফাজত করুন- এরুপ বলা।
  • ২৪. কোন ব্যক্তির সম্মানে দাঁড়ান- সম্পর্কে।
  • ২৫. অন্যের সালাম পৌছান- সম্পর্কে।
  • ২৬. কেউ ডাকলে ''লাব্বায়ক'' বলা- সম্পর্কে।
  • ২৭. আল্লাহ আপনাকে হাসি মুখে রাখুন এরুপ বলা- সম্পর্কে।
  • ২৮. গৃহ নির্মাণ-প্রসংগে।
  • ২৯. প্রাসাদ নির্মাণ- প্রসংগ।
  • ৩০. কুল বৃক্ষ কাটা- সম্পর্কে।
  • ৩১. রাস্তা থেকে কষ্টদায়ক বস্তু অপসারণ- সম্পর্কে।
  • ৩২. রাতে আগুন নিভিয়ে রাখা- সম্পর্কে।
  • ৩৩. সাপ মারা- সম্পর্কে।
  • ৩৪. গিরগিট মারা- সস্পর্কে।
  • ৩৫. পিঁপড়া মারা- সস্পর্কে।
  • ৩৬. ব্যাঙ মারা- সম্পর্কে।
  • ৩৭. কংকর নিক্ষেপ- প্রসংগে।
  • ৩৮. খাতনা করা সম্পর্কে।
  • ৩৯. মহিলাদের রাস্তায় চলা- সম্পর্কে।
  • ৪০. সময়কে গালি দেয়া- সম্পর্কে।