পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৮৮. মুওয়াররিক আল ইজলী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ’তোমরা ফারাইয, ভাষা ও সুন্নাহসমূহ (হাদীস) শিক্ষা করবে যেভাবে তোমরা কুর’আন শিক্ষা করে থাক।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا عَاصِمٌ عَنْ مُوَرِّقٍ الْعِجْلِيِّ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَاللَّحْنَ وَالسُّنَنَ كَمَا تَعَلَّمُونَ الْقُرْآنَ
[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১০/৪৫৯ নং ৯৯৭৫, ১১/২৩৬ নং ১১০৯১; সাঈদ ইবনু মাসসূর, আস সুনান নং ১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৮৯. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ’তোমরা ফারাইয শিক্ষা করবে কেননা, তা তোমাদের দীনের (গুরুত্বপূর্ণ) অংশবিশেষ।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ فَإِنَّهَا مِنْ دِينِكُمْ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮১; সাঈদ ইবনু মাসসূর, আস সুনান নং ২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯০. ইবনু শিহাব (যুহুরী) রাহি: হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যদি উছমান ও যাইদ (এ দুই ফারাইয পণ্ডিত একসাথে) কোন সময় মৃত্যু বরণ করতো, তবে ফারাইযের জ্ঞান বিলুপ্ত হয়ে যেতো। লোকদের উপর এমন যুগ এসে গেছে যখন এ দু’জন ব্যতীত আর কেউই ফারাইযের জ্ঞান রাখে না।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا يُوسُفُ الْمَاجِشُونُ قَالَ قَالَ ابْنُ شِهَابٍ لَوْ هَلَكَ عُثْمَانُ وَزَيْدٌ فِي بَعْضِ الزَّمَانِ لَهَلَكَ عِلْمُ الْفَرَائِضِ لَقَدْ أَتَى عَلَى النَّاسِ زَمَانٌ وَمَا يَعْلَمُهَا غَيْرُهُمَا
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১০; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ১/৪৮৬ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯১. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’তোমরা ফারাইয ও কুর’আন শিক্ষা করবে; কেননা, অচিরেই এমন হবে যে, কোনো লোক এ জ্ঞানের মুখাপেক্ষী হবে যা সে ইত:পূর্বে শিক্ষা করেছিল অথবা, সে এমন লোকদের মধ্যে অবস্থান করবে যারা (তা) জানে না।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ تَعَلَّمُوا الْقُرْآنَ وَالْفَرَائِضَ فَإِنَّهُ يُوشِكُ أَنْ يَفْتَقِرَ الرَّجُلُ إِلَى عِلْمٍ كَانَ يَعْلَمُهُ أَوْ يَبْقَى فِي قَوْمٍ لَا يَعْلَمُونَ
তাখরীজ: তাবারাণী, কাবীর ৯/২১১ নং ৮৯২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৫ নং ১১০৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩ (যে কুরআন শিখে সে যেন ফারাইযও শিখে।’) সনদ সহীহ। আগের ও পরের আছার দু’টি দেখুন।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩২ তে।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯২. আবী খলীল হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ মূসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ’যে ব্যক্তি কুরআন শিখল কিন্তু ফারাইয শিখল না, তার উপমা হলো ঐ বুরনুস (এক প্রকার টুপি)-এর মতো যাতে কোনো মুখ (তথা মুখ বের করার জায়গা) নেই।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زِيَادُ بْنُ أَبِي مُسْلِمٍ عَنْ أَبِي الْخَلِيلِ قَالَ قَالَ أَبُو مُوسَى مَنْ عَلِمَ الْقُرْآنَ وَلَمْ يَعْلَمْ الْفَرَائِضَ فَإِنَّ مَثَلَهُ مَثَلُ الْبُرْنُسِ لَا وَجْهَ لَهُ أَوْ لَيْسَ لَهُ وَجْهٌ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮২; হাফিজ (ইবনু হাজার আসকালানী), যাহরুল ফিরদাউস ৪/৬৮।
অনুরুপ হাদীস বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা, আমছালুল হাদীস নং ৪৯ তে আবী হুরাইরার সূত্রে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r হতে: “যে ব্যক্তি কুরআন পাঠ করে কিন্তু ফারাইয শেখে না, তার উপমা হলো সেই ব্যক্তির মতো যার মাথা নেই।” তবে ইবনু মাঈন এ হাদীসের রাবী ইসহাক ইবনু নাজীহ সম্পর্কে বলেন: সে মিথ্যাবাদী, আল্লাহর শত্রু, নিকৃষ্ট লোক।’
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯৩. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি (তাবিঈ’) আলকামাহকে বললাম, আমি জানি না, আমি আপনাকে (ফারাইযের) কোন্ বিষয়টি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করব। তখন তিনি বললেন: তোমার সম্পদশালী প্রতিবেশীদের (নিকটাত্মীয়দের) সম্পর্কে।[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قُلْتُ لِعَلْقَمَةَ مَا أَدْرِي مَا أَسْأَلُكَ عَنْهُ قَالَ أَمِتْ جِيرَانَكَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১০৯০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯; সেখানে আছে, তোমার সম্পদশালী প্রতিবেশীদের (নিকটাত্মীয়দের) সম্পর্কে, যারা একের পর অন্যে তাতে ওয়ারীস হবে।’
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯৪. আব্দুল্লাহ (ইবনু মাসউদ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’তোমরা ফারাইয, তালাক্ব ও হাজ্জ (এর বিধি-বিধান) শিক্ষা করবে; কেননা, তা তোমাদের দীনের (গুরুত্বপূর্ণ) অংশবিশেষ।’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَلْحَةَ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ الْوَلِيدِ الْهَمْدَانِيِّ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ قَالَ تَعَلَّمُوا الْفَرَائِضَ وَالطَّلَاقَ وَالْحَجَّ فَإِنَّهُ مِنْ دِينِكُمْ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯। আগের ও পরের আছার আছার গুলি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯৫. কাছীর হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, ’তারা কুরআন, ফারাইয ও মানাসিক (হাজ্জ) শিক্ষার ব্যাপারে উত্সাহ দিতেন।[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ كَثِيرٍ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ كَانُوا يُرَغِّبُونَ فِي تَعْلِيمِ الْقُرْآنِ وَالْفَرَائِضِ وَالْمَنَاسِكِ
তাখরীজ: আমি এ আছারটি এটি কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯৬. আবী উবাইদাহ হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে কুর’আন পাঠ করে, সে যেন ফারাইয শিক্ষা করে; নচেত, যদি তিনি কোনো বেদুইনের সাথে সাক্ষাৎ করেন, আর সে তাঁকে বলে, ইয়া মুহাজির! আপনি কি কুরআন পাঠ করেন? আর যদি তিনি জবাব দেন, হাঁ। তবে সে আবার জিজ্ঞাসা করে, ফারাইয শিখেছেন? তখন যদি তিনি বলেন, হাঁ। তবে তো বড়ই ভাল। কিন্তু যদি তিনি বলেন: না, তবে সে বলবে, হে মুহাজির, তাহলে আমাদের উপর আপনার শ্রেষ্ঠত্ব কিসের?’[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مَنْ قَرَأَ الْقُرْآنَ فَلْيَتَعَلَّمْ الْفَرَائِضَ فَإِنْ لَقِيَهُ أَعْرَابِيٌّ قَالَ يَا مُهَاجِرُ أَتَقْرَأُ الْقُرْآنَ فَإِنْ قَالَ نَعَمْ قَالَ تَفْرِضُ فَإِنْ قَالَ نَعَمْ فَهُوَ زِيَادَةٌ وَخَيْرٌ وَإِنْ قَالَ لَا قَالَ فَمَا فَضْلُكَ عَلَيَّ يَا مُهَاجِرُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৩ নং ১১০৮০; তাবারাণী, কাবীর ৯/১৬১-১৬২ নং ৮৭৪২; হাকিম ৪/৩৩৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২০৯। আগের আছার সমূহও দেখুন।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩১ তে।
পরিচ্ছেদঃ ১. ফারাইয (সংক্রান্ত ইলম) শিক্ষা করা সম্পর্কে
২৮৯৭. মুসলিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাসরূক্ব (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কি ফারাইযে দক্ষ ছিলেন? তিনি বললেন, সেই সত্তার কসম, যিনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই! আমি মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর শ্রেষ্ঠ সাহাবীগণকে দেখেছি, তাঁরা তাঁকে ফারাইয সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতেন।”[1]
بَاب فِي تَعْلِيمِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ خَالِدٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ قَالَ سَأَلْنَا مَسْرُوقًا كَانَتْ عَائِشَةُ تُحْسِنُ الْفَرَائِضَ قَالَ وَالَّذِي لَا إِلَهَ غَيْرُهُ لَقَدْ رَأَيْتُ الْأَكَابِرَ مِنْ أَصْحَابِ مُحَمَّدٍ يَسْأَلُونَهَا عَنْ الْفَرَائِضِ
তাখরীজ: ফাসাওয়ী, মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ১/৪৮৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৪ নং ১১০৮৪, ১১০৮৫।
পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তিকে তার নিজ পিতা ব্যতীত অন্যের দিকে সম্বন্ধিত করে ডাকা হয়
২৮৯৮. আবূ ’উসমান [নাহদী (রহ.)] হতে বর্ণিত। শু’বাহ বলেন, হাদীসটি সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে, যিনি আল্লাহর পথে গিয়ে সর্বপ্রথম তীর নিক্ষেপ করেছিলেন এবং আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকেও বর্ণিত, যিনি তায়িফ (অবরোধকালে) তায়িফের দুর্গ হতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসেছিলেন। তাঁরা দু’জনেই বর্ণনা করেছেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যে ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যকে নিজের পিতা বলে দাবী করে, তার জন্য জান্নাত হারাম।”[1]
باب مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ عَنْ سَعْدِ بْنِ أَبِي وَقَّاصٍ وَعَنْ أَبِي بَكْرَةَ قَالَ شُعْبَةُ هَذَا أَوَّلُ مَنْ رَمَى بِسَهْمٍ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَهَذَا تَدَلَّى مِنْ حِصْنِ الطَّائِفِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ إِنَّهُمَا حَدَّثَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ وَهُوَ يَعْلَمُ أَنَّهُ غَيْرُ أَبِيهِ فَالْجَنَّةُ عَلَيْهِ حَرَامٌ
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয ৬৭৬৬, ৬৭৬৭; মুসলিম, ঈমান ৬৩।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭০০, ৭০৬ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৫, ৪১৬।
এছাড়াও, ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৫ নং ৬১৫৫; ১৪/১৪৬-১৪৭; আরো দেখুন, গত ২৫৭২ (অনুবাদে ) নং হাদীসটি।
পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তিকে তার নিজ পিতা ব্যতীত অন্যের দিকে সম্বন্ধিত করে ডাকা হয়
২৮৯৯. মা’মার (রহঃ) আবূ বকর সিদ্দিক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেছেন, ’নিজেকে কোনো অজ্ঞাত বংশের বলে দাবী করা আল্লাহর প্রতি কুফরী’র শামিল এবং (নিজ) বংশের সাথে সাথে সম্পর্ক ছিন্ন করাও আল্লাহর প্রতি কুফরী’র শামিল, যদিও তা নীচ-হীন হয়।’[1]
باب مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي مَعْمَرٍ عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ قَالَ كُفْرٌ بِاللَّهِ ادِّعَاءٌ إِلَى نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ وَكُفْرٌ بِاللَّهِ تَبَرُّؤٌ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫২ তে।
সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৬ নং ৬১৬০; খতীব, তারীখ বাগদাদ ৩/১৪৪; তাবারাণী, আওসাত নং ৮৫৭০; ইবনু আদী, আল কামিল ৭/১৭১০।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আব্দুল্লাহ ইবনু আমর ইবনুল আস হতে, আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫০ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তিকে তার নিজ পিতা ব্যতীত অন্যের দিকে সম্বন্ধিত করে ডাকা হয়
২৯০০. আবী ওয়াইল (রহঃ) সূত্রে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও এর অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।[1]
باب مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ زَكَرِيَّا أَبِي يَحْيَى قَالَ سَمِعْتُ أَبَا وَائِلٍ يُحَدِّثُ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ نَحْوًا مِنْهُ
তাখরীজ: আমার ধারণা, সাহাবী ছিলেন আবী মাসউদ আল বাদরী। আর এ হাদীসটি হলো ঐ হাদীস যা আবী মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেছেন, তাবারাণী, কাবীর ১৭/২৬১ নং ৭১৯ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তিকে তার নিজ পিতা ব্যতীত অন্যের দিকে সম্বন্ধিত করে ডাকা হয়
২৯০১. কাইস ইবনু আবী হাযিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বাইয়াত হওয়ার উদ্দেশ্যে এলাম। কিন্তু যখন এলাম, ততদিনে তিনি ওফাত লাভ করেছেন। আর তখন তাঁর অবস্থানে আবী বাকর দণ্ডায়মান ছিলেন। তিনি দীর্ঘ প্রশংসা করলেন এবং প্রচুর পরিমাণে কান্নাকাটি করলেন। এরপর তিনি বললেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন: “নিজ বংশ হীন-নীচ হলেও তা পরিত্যাগ করা এবং নিজেকে কোনো অজ্ঞাত বংশের বলে দাবী করা আল্লাহর প্রতি কুফরী’ করার শামিল।”[1]
باب مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا إِسْحَقُ بْنُ مَنْصُورٍ السَّلُولِيُّ عَنْ جَعْفَرٍ الْأَحْمَرِ عَنْ السَّرِيِّ بْنِ إِسْمَعِيلَ عَنْ قَيْسِ بْنِ أَبِي حَازِمٍ قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُبَايِعَهُ فَجِئْتُ وَقَدْ قُبِضَ وَأَبُو بَكْرٍ قَائِمٌ فِي مَقَامِهِ فَأَطَابَ الثَّنَاءَ وَأَكْثَرَ الْبُكَاءَ فَقَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ كُفْرٌ بِاللَّهِ انْتِفَاءٌ مِنْ نَسَبٍ وَإِنْ دَقَّ وَادِّعَاءُ نَسَبٍ لَا يُعْرَفُ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৩৫২ তে।
সংযোজনী: তাবারাণী, আওসাত নং ২৮৩৯ এ সনদের চেয়েও অধিক দুর্বল সনদে; আরও দেখুন, এ বাবের অন্যান্য হাদীস বিশেষভাবে পরবর্তী হাদীসটি। এবং দারুকুতনী, আল ইলাল ১/২৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ২. যে ব্যক্তিকে তার নিজ পিতা ব্যতীত অন্যের দিকে সম্বন্ধিত করে ডাকা হয়
২৯০২. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ’আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যদি কোনো ব্যক্তি তার পিতা ব্যতীত অন্য কাউকে পিতা দাবী করে অথবা কোনো দাস তার মনিব- যে তাকে মুক্ত করেছে, তাকে ব্যতীত অন্য কাউকে ওলী বা অভিভাবক হিসেবে গ্রহণ করে, এমন ব্যক্তির উপর কিয়ামত পর্যন্ত আল্লাহর লা’নত, তাঁর মালাইকা’ ও পুরো মানবজাতির লা’নত। তার কোনো ফরয বা নফল ইবাদত কবুল হবে না।”[1]
باب مَنْ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ أَبِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَهْرَامَ عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَيُّمَا رَجُلٍ ادَّعَى إِلَى غَيْرِ وَالِدِهِ أَوْ تَوَلَّى غَيْرَ مَوَالِيهِ الَّذِينَ أَعْتَقُوهُ فَإِنَّ عَلَيْهِ لَعْنَةَ اللَّهِ وَالْمَلَائِكَةِ وَالنَّاسِ أَجْمَعِينَ إِلَى يَوْمِ الْقِيَامَةِ لَا يُقْبَلُ مِنْهُ صَرْفٌ وَلَا عَدْلٌ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৪০ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৪১৭ এবং মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২১৭ তে।
সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ৮/৭২৭ নং ৬১৬২ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৩. ইবরাহীম (রহঃ) হতে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উমার আমাদের নিয়ে কোনো পথে চলতেন, তখন আমরা সে পথকে সহজসাধ্য পেতাম। তিনি স্বামী ও স্বামীর পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে বলেছেন: স্বামী অর্ধেক সম্পদ পাবে। আর আর মা পাবেন অবশিষ্ট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ كَانَ عُمَرُ إِذَا سَلَكَ بِنَا طَرِيقًا وَجَدْنَاهُ سَهْلًا وَإِنَّهُ قَالَ فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০০; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৮০৭।
আমাদের বক্তব্য হলো: তবে হাদীসটি সহীহ। সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১১০৪, ১১১০৮ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮ অপর একটি সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৪. ইয়াযিদ আর রিশক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ)-কে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম যে তার স্ত্রী ও পিতা-মাতা রেখে মৃত্যু বরণ করেছে। তখন তিনি বলেন, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তা চার ভাগে ভাগ করতেন।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا يَزِيدُ الرِّشْكُ قَالَ سَأَلْتُ سَعِيدَ بْنَ الْمُسَيَّبِ عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ امْرَأَتَهُ وَأَبَوَيْهِ فَقَالَ قَسَّمَهَا زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ مِنْ أَرْبَعَةٍ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৮; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২১।এটি এসেছে ২৯১২ তেও।
তাহক্বীক্ব: এর সনদ ইনকিতা’ বা বিচ্ছিন্নতার কারণে যয়ীফ। ইবরাহীম নাখঈ’ আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি। তবে হাদীসটি সহীহ।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০০; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৮০৭।
আমাদের বক্তব্য হলো: তবে হাদীসটি সহীহ। সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৬ নং ১১১০৪, ১১১০৮ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮ অপর একটি সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৫. আবীল মুহাল্লাব থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, স্ত্রী ও পিতা-মাতা অংশ সম্পর্কে উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, (বাকী দুই তৃতীয়াংশ পাবে পিতা)।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ شُعْبَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ عَفَّانَ قَالَ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৭; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৬. (অপর সনদে) আবীল মুহাল্লাব থেকে বর্ণিত, উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মোট চার অংশ থেকে স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, দুই তৃতীয়াংশ পাবে পিতা।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ أَيُّوبَ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ قَالَ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ سَهْمٌ مِنْ أَرْبَعَةٍ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ سَهْمٌ وَلِلْأَبِ سَهْمَانِ
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পুনরাবৃত্তি।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৭. উমাইর ইবনু সাঈদ থেকে বর্ণিত, তিনি হারিছ আল আ’ওয়ার (রহঃ) কে (মৃতব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেন, তখন তিনি উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্যের অনুরূপই বলেন।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ عُمَيْرِ بْنِ سَعِيدٍ أَنَّهُ سَأَلَ الْحَارِثَ الْأَعْوَرَ عَنْ امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ عُثْمَانَ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৮৮; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৭।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৮. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোন স্ত্রী লোক তার স্বামী ও পিতা-মাতা রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, এমন স্ত্রীলোক সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, স্বামী পাবে সম্পদের অর্ধেক, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا هِشَامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ قَالَ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأَبَوَيْهَا لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮ নং ১১০৯৮। আগের হাদীস ২৯০৮ (অনুবাদে ২৯০১) নং ও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯০৯. আমির শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, (মৃতব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মোট চার অংশ থেকে স্ত্রী পাবে এক চতুর্থাংশ, আর বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ পাবে মা, বাঁকী অংশ পাবে পিতা।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَامِرٍ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ قَالَ مِنْ أَرْبَعَةٍ لِلْمَرْأَةِ الرُّبُعُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأَبِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৮, ২৩৯ নং ১১০৯৯, ১১১০২।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১০. ইবরাহীম (রহঃ) হতে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যখন উমার আমাদের নিয়ে কোনো পথে চলতেন, তখন আমরা সে পথকে সহজসাধ্য পেতাম। তিনি চারভাগ থেকে (মৃত ব্যক্তির) স্ত্রী ও পিতা-মাতার প্রাপ্ত অংশ সম্পর্কে ফায়সালা করেছেন, তখন তিনি স্ত্রীকে দিয়েছেন এক চতুর্থাংশ সম্পদ। আর আর মাকে অবশিষ্ট সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ এবং পিতাকে দিয়েছেন (বাকী) দুই অংশ।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْأَعْمَشِ وَمَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ عُمَرُ إِذَا سَلَكَ بِنَا طَرِيقًا اتَّبَعْنَاهُ فِيهِ وَجَدْنَاهُ سَهْلًا وَإِنَّهُ قَضَى فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ مِنْ أَرْبَعَةٍ فَأَعْطَى الْمَرْأَةَ الرُّبُعَ وَالْأُمَّ ثُلُثَ مَا بَقِيَ وَالْأَبَ سَهْمَيْنِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৩৯ নং ১১১০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৫; পূর্বের ২৯০৭ (অনুবাদে ২৯০০) নং হাদীসটিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১১. আমির শা’বী (রহঃ) সূত্রে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতেও এর অনুরূপ বর্ণিত আছে।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عِيسَى عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ مِثْلَ ذَلِكَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৭; আর এটি গত হয়েছে ২৯০৮ (অনুবাদে ২৯০১) নং ও ২৯১২ (অনুবাদে ২৯০৫) নং এ।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১২. রাফি’ হতে বর্ণিত তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন: আমি পিতার উপর মা কে শ্রেষ্ঠত্ব প্রদান করি- মহান আল্লাহ আমাকে তা দেখাননি।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْمُسَيَّبِ بْنِ رَافِعٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ كَانَ يَقُولُ مَا كَانَ اللَّهُ لِيَرَانِي أَنْ أُفَضِّلَ أُمًّا عَلَى أَبٍ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১০৭; ইবনু হাযম, ৯/২৬০; হাকিম ৪/৩৩৬; হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১৩. ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট লোক পাঠিয়ে জিজ্ঞাসা করলেন, যে আপনি কি আল্লাহর কিতাবে একথা পেয়েছেন যে, অবশিষ্ট সম্পদে মা পাবে এক তৃতীয়াংশ? তখন যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উত্তরে জানালেন, আপনি একজন মানুষ, আপনার সিদ্ধান্ত মোতাবেক আপনি ফায়সালা দেন, অনুরূপ আমিও একজন মানুষ, আমার মতামত অনুযায়ী আমি ফায়সালা দিই।”[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
أَخْبَرَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عِكْرِمَةَ قَالَ أَرْسَلَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِلَى زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَتَجِدُ فِي كِتَابِ اللَّهِ لِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ فَقَالَ زَيْدٌ إِنَّمَا أَنْتَ رَجُلٌ تَقُولُ بِرَأْيِكَ وَأَنَا رَجُلٌ أَقُولُ بِرَأْيِي
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬১-২৬২ সহীহ সনদে। আরও দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১১১৪।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১৪. শা’বী ও আত্বা (রহঃ) ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে (মৃত স্ত্রীর সম্পদে) স্বামী ও পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে বলেন: অর্ধেক পাবে স্বামী ও পুরো সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে মাতা এবং বাকী সম্পদ পাবে পিতা।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حَجَّاجٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ وَحَجَّاجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُمَا قَالَا فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ لِلزَّوْجِ النِّصْفُ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ جَمِيعِ الْمَالِ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأَبِ
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০ সহীহ সনদে। আরও দেখুন, পূর্বের হাদীসটি।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১৫. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, (মৃতব্যক্তির সম্পদে) স্ত্রী ও পিতা-মাতা (এর প্রাপ্য অংশ) এবং (মৃত স্ত্রীর সম্পদে) স্বামী ও পিতা-মাতার অংশ সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, পুরো সম্পত্তির এক তৃতীয়াংশ পাবে মাতা।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لِلْأُمِّ ثُلُثُ جَمِيعِ الْمَالِ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ وَفِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬১।
পরিচ্ছেদঃ ৩. স্বামী ও মা-বাবা এবং স্ত্রী ও মা-বাবার অংশ সম্পর্কে
২৯১৬. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মৃতব্যক্তির সম্পদে) স্ত্রী ও পিতা-মাতার অংশের ক্ষেত্রে আহলে কিবলা (তথা মুসলিম)-দের বিরোধিতা করেছেন। তিনি মাতার জন্য নির্ধারণ করেছেন পুরো সম্পদের এক তৃতীয়াংশ।[1]
باب فِي زَوْجٍ وَأَبَوَيْنِ وَامْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الْفُضَيْلِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ خَالَفَ ابْنُ عَبَّاسٍ أَهْلَ الْقِبْلَةِ فِي امْرَأَةٍ وَأَبَوَيْنِ جَعَلَ لِلْأُمِّ الثُّلُثَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪০ নং ১১১০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৮; ফাসা্ওয়ী, আল মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ৩/১০৯ ; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৬০।
পরিচ্ছেদঃ ৪. এক কন্যা এবং এক বোনের অংশ সম্পর্কে
২৯১৭. আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইয়ামানে এক কন্যা ও এক বোন এর অংশের ফায়সালা করেছেন। তিনি কন্যাকে অর্ধেক দিয়েছেন এবং বোনকে অর্ধেক দিয়েছেন।[1]
باب فِي بِنْتٍ وَأُخْتٍ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ قَضَى مُعَاذُ بْنُ جَبَلٍ بِالْيَمَنِ فِي بِنْتٍ وَأُخْتٍ فَأَعْطَى الْبِنْتَ النِّصْفَ وَالْأُخْتَ النِّصْفَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৩ নং ১১১১৫; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩০, ৩১; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/২৯৪; বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৪, ৬৭৪১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪০ (সহীহ সনদে); আবূ দাউদ, ফারাইয ২৮৯৩।
পরিচ্ছেদঃ ৪. এক কন্যা এবং এক বোনের অংশ সম্পর্কে
২৯১৮. আসওয়াদ ইবনু ইয়াযীদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনুয যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কোন (মৃত ব্যক্তির) বৈমাত্রেয় বোনকে এবং তার কন্যা থাকা অবস্থায় মাতাকে উত্তরাধিকার গণ্য করতেন না। তখন আসওয়াদ তার নিকট হাদীস বর্ণনা করলেন যে, মুয়ায ইবনু জাবাল রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কন্যাকে অর্ধেক দিয়েছেন এবং বোনকে অর্ধেক দিয়েছেন। তখন তিনি (ইবনুয যুবাইর) তাকে বললেন, আপনি আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ’র নিকট আমার বার্তাবাহক হিসেবে যান এবং এ সংবাদ তাকে পৌঁছে দিন। তিনি (আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ) ছিলেন কুফার বিচারক।[1]
باب فِي بِنْتٍ وَأُخْتٍ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ الْأَسْوَدِ بْنِ يَزِيدَ أَنَّ ابْنَ الزُّبَيْرِ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْأُخْتَ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ مَعَ الْبِنْتِ حَتَّى حَدَّثَهُ الْأَسْوَدُ أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ جَعَلَ لِلْبِنْتِ النِّصْفَ وَلِلْأُخْتِ النِّصْفَ فَقَالَ أَنْتَ رَسُولِي إِلَى عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ فَأَخْبِرْهُ بِذَاكَ وَكَانَ قَاضِيَهُ بِالْكُوفَةِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৪ নং ১১১১৮; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ৩২ সহীহ সনদে; হাকিম ৩/৩৩৭-৩৩৮, তিনি একে সহীহ বলেছেন এবং যাহাবী তাকে সমর্থন করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ৪. এক কন্যা এবং এক বোনের অংশ সম্পর্কে
২৯১৯. বুশর ইবনু উমার (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি এক কন্যা ও এক বোন রেখে মৃত্যুবরণ করেছে-এমন ব্যক্তি সম্পর্কে আমি ইবনু আবী যিনাদ (রহঃ)-কে জিজ্ঞাসা করলাম। তখন তিনি বললেন, কন্যার অংশ অর্ধেক, বাকী অংশ পাবে বোন। আর তিনি বলেন, আমার পিতা আমার নিকট খারিজাহ ইবনু যাইদ হতে বর্ণনা করেছেন যে, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কন্যাগণের সাথে বোনদেরকে আসাবাহ হিসেবে গণ্য করতেন, আর (কন্যাদেরকে দেওয়ার পর) কেবল অবশিষ্ট অংশ তাদের জন্য নির্ধারণ করতেন।[1]
باب فِي بِنْتٍ وَأُخْتٍ
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ عُمَرَ قَالَ سَأَلْتُ ابْنَ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ رَجُلٍ تَرَكَ بِنْتًا وَأُخْتًا فَقَالَ لِابْنَتِهِ النِّصْفُ وَلِأُخْتِهِ مَا بَقِيَ وَقَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ كَانَ يَجْعَلُ الْأَخَوَاتِ مَعَ الْبَنَاتِ عَصَبَةً لَا يَجْعَلُ لَهُنَّ إِلَّا مَا بَقِيَ
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয, তালিক হিসেবে; আর হাফিজ তাঁর ফাতহুল বারী ১২/১১ তে বলেছেন: এটি সাঈদ ইবনু মানসূর মুত্তাসিল হিসেবে যাইদ ইবনু ছাবিত হতে বর্ণনা করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২০. ইবরাহীম (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি স্বামী, মাতা ও বৈমাত্রেয় ভাই এবং মাতা ও বৈপিত্রেয় বোনদের অংশ সম্পর্কে বলেন, উমার, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের পরস্পরকে অংশীদার বানাতেন। আর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কুরবা (নিকটাত্মীয়) হিসেবে পিতা তাদের থেকে অধিক পাবে না।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَنْصُورٍ وَالْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي زَوْجٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ لِأُمٍّ قَالَ كَانَ عُمَرُ وَعَبْدُ اللَّهِ وَزَيْدٌ يُشَرِّكُونَ وَقَالَ عُمَرُ لَمْ يَزِدْهُمْ الْأَبُ إِلَّا قُرْبًا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০০৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ নং ১১১৪৫, ১১১৪৬; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২০, ২১।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২১. হারিছ হতে বর্ণিত, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি তাদেরকে (সকল ওয়ারিসকে) মীরাসে অংশীদার করতেন না।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ كَانَ لَا يُشَرِّكُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৮ নং ১১১৫৪, ১১১৫২ ও ১১১৫৫ সহীহ সনদে; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২১।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২২. আবী মিযলাজ হতে বর্ণিত যে, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন, কিন্তু আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদেরকে অংশীদার করতেন না।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُلَيْمَانَ التَّيْمِيِّ عَنْ أَبِي مِجْلَزٍ أَنَّ عُثْمَانَ كَانَ يُشَرِّكُ وَعَلِيٌّ كَانَ لَا يُشَرِّكُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৬ নং ১১১৪৭; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২২।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২৩. ইবনু যাকওয়ান হতে বর্ণিত, যে, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ ذَكْوَانَ أَنَّ زَيْدًا كَانَ يُشَرِّكُ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২৭; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২৪. আব্দুল মালিক ইবনু উমাইর হতে বর্ণিত, যে, শুরাইহ (রহঃ) (সকলকেই মিরাছে) অংশীদার করতেন।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ عَنْ شُرَيْحٍ أَنَّهُ كَانَ يُشَرِّكُ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ২৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৭ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৫. অংশিদারিত্ব সম্পর্কে
২৯২৫. সাঈদ ইবনু ফিরোয তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মীরাসের) শরীকদের সম্পর্কে বলেন, কুরবা (নিকটাত্মীয়) হিসেবে পিতা তাদের থেকে অধিক পাবে না।[1]
باب فِي الْمُشَرِّكَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْحَجَّاجِ عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ الْمُغِيرَةِ عَنْ سَعِيدِ بْنِ فَيْرُوزَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ عُمَرَ قَالَ فِي الْمُشَرَّكَةِ لَمْ يَزِدْهُمْ الْأَبُ إِلَّا قُرْبًا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০০৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৬. এমন দুই চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে-যাদের একজন (মৃতের) স্বামী ও অপরজন বৈপিত্রেয় ভাই
২৯২৬. হারিছ আল আ’ওয়ার হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট (মৃতের) দু’ চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে প্রশ্ন এলো- যাদের একজন ছিল তার বৈপিত্রেয় ভাই। তখন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার বৈপিত্রেয় ভাইকে সকল সম্পদে দিয়ে দিব। অর্থাৎ তিনি তাকে সহোদর ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত করলেন। এরপর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এলে আমি তাকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করলাম এবং তাকে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামতও জানালাম। তখন তিনি বললেন, আল্লাহ তাকে রহম করুন। তিনি নিশ্চয় একজন ফকীহ (বিশেষজ্ঞ) ছিলেন। তবে আমি হলে আল্লাহ যে অংশ তার জন্য নির্ধারণ করেছেন তার অধিক দিতাম না। আর তা হলো, এক ষষ্ঠাংশ। এরপর তিনি (বাকী সম্পদ) তাদের মধ্যে এক ব্যক্তির মতো করে ভাগ করে দিলেন।[1]
باب فِي ابْنَيْ عَمٍّ أَحَدُهُمَا زَوْجٌ وَالْآخَرُ أَخٌ لِأُمٍّ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ الْأَعْوَرِ قَالَ أُتِيَ عَبْدُ اللَّهِ فِي فَرِيضَةِ بَنِي عَمٍّ أَحَدُهُمْ أَخٌ لِأُمٍّ فَقَالَ الْمَالُ أَجْمَعُ لِأَخِيهِ لِأُمِّهِ فَأَنْزَلَهُ بِحِسَابِ أَوْ بِمَنْزِلَةِ الْأَخِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ فَلَمَّا قَدِمَ عَلِيٌّ سَأَلْتُهُ عَنْهَا وَأَخْبَرْتُهُ بِقَوْلِ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ يَرْحَمُهُ اللَّهُ إِنْ كَانَ لَفَقِيهًا أَمَّا أَنَا فَلَمْ أَكُنْ لِأَزِيدَهُ عَلَى مَا فَرَضَ اللَّهُ لَهُ سَهْمٌ السُّدُسُ ثُمَّ يُقَاسِمُهُمْ كَرَجُلٍ مِنْهُمْ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯১৩৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫০ নং ১১১৩৪; সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১২৮; দারুকুতনী ৪/৮৭।
পরিচ্ছেদঃ ৬. এমন দুই চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে-যাদের একজন (মৃতের) স্বামী ও অপরজন বৈপিত্রেয় ভাই
২৯২৭. হারিছ আল আ’ওয়ার হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে, তার এর নিকট (মৃতের) দু’ চাচাতো ভাইয়ের অংশ সম্পর্কে প্রশ্ন এলো- যাদের একজন ছিল তার বৈপিত্রেয় ভাই। তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলা হলো যে, (আব্দুল্লাহ) ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বৈপিত্রেয় ভাইকে সকল সম্পদে দিয়ে দিতেন। (অর্থাৎ তিনি তাকে সহোদর ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত করতেন।) এরপর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, তিনি নিশ্চয় একজন ফকীহ (বিশেষজ্ঞ) ছিলেন। তবে আমি হলে তাকে এক ষষ্ঠাংশ দিতাম। এরপর বাকী সম্পদ তাদের মধ্যে ভাগ করে দিতাম।[1]
باب فِي ابْنَيْ عَمٍّ أَحَدُهُمَا زَوْجٌ وَالْآخَرُ أَخٌ لِأُمٍّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ أُتِيَ فِي ابْنَيْ عَمٍّ أَحَدُهُمَا أَخٌ لِأُمٍّ فَقِيلَ لِعَلِيٍّ إِنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يُعْطِيهِ الْمَالَ كُلَّهُ فَقَالَ عَلِيٌّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ إِنْ كَانَ لَفَقِيهًا وَلَوْ كُنْتُ أَنَا أَعْطَيْتُهُ السُّدُسَ وَمَا بَقِيَ كَانَ بَيْنَهُمْ
তাখরীজ: এটি পুর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।
পরিচ্ছেদঃ ৭. মৃতের এক কন্যা ও এক পৌত্র এবং সহোদর বোন সম্পর্কে
২৯২৮. শুরাহবিল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক ব্যক্তি আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও সালমান ইবনু রবী’আহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে তাদের দু’জনকে এক কন্যা ও এক পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) এবং সহোদর বোন সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো। তখন তারা উভয়ে বললেন, কন্যা পাবে অর্ধেক। বাকী সম্পদ পাবে বোন। আর যদি তুমি ইবনু মাসউদের কাছে যাও, তবে তিনিও আমাদের মতই বলবেন। তখন এক ব্যক্তি আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে এ ব্যাপারে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, তবে তো আমি পথভ্রষ্ট হয়ে যাবো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে ফায়সালা করেছেন, আমিও সেই ফায়সালাই করব। তা হলো কন্যা পাবে অর্ধেক, পৌত্রী পাবে এক ষষ্ঠাংশ, এরপর বাকী সম্পদ পাবে বোন।[1]
باب فِي بِنْتٍ وَابْنَةِ ابْنٍ وَأُخْتٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ عَنْ أَبِي قَيْسٍ الْأَوْدِيِّ عَنْ هُزَيْلِ بْنِ شُرَحْبِيلَ قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى أَبِي مُوسَى الْأَشْعَرِيِّ وَإِلَى سَلْمَانَ بْنِ رَبِيعَةَ فَسَأَلَهُمَا عَنْ بِنْتٍ وَبِنْتِ ابْنٍ وَأُخْتٍ لِأُمٍّ وَأَبٍ فَقَالَا لِلِابْنَةِ النِّصْفُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُخْتِ وَأْتِ ابْنَ مَسْعُودٍ فَإِنَّهُ سَيُتَابِعُنَا فَجَاءَ الرَّجُلُ إِلَى عَبْدِ اللَّهِ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ لَقَدْ ضَلَلْتُ إِذًا وَمَا أَنَا مِنْ الْمُهْتَدِينَ وَإِنِّي أَقْضِي بِمَا قَضَى بِهِ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِلِابْنَةِ النِّصْفُ وَلِابْنَةِ الِابْنِ السُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُخْتِ
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৬। এছাড়াও, বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০।
এ হাদীসের ফায়দা হলো: ইখতিলাফের ক্ষেত্রে দলীল হলো নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম r এর সুন্নাত, ফলে তার দিকে প্রত্যাবর্তন করা ওয়াজিব।
আর সেদিকে ফিরে যাওয়ার মধ্যেই রয়েছে ইনসাফ ও সত্যের স্বীকৃতি।
আর এতে এ সাক্ষ্য বিদ্যমান যে, তাদের মধ্যে এক জন অপরজনের উপরে ইলমে ও মর্যাদায় শ্রেষ্ঠ। দেখুন- ফাতহুল বারী ১২/১৭-১৮।
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯২৯. মাসরুক (রহঃ) আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি সহোদর বোনগণ, বৈমাত্রেয় ভাই এবং বোনদের (অংশ) সম্পর্কে বলতেন: সহোদর বোনদের অংশ দুই তৃতীয়াংশ। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ পাবে পুরুষরা, নারীরা নয়। এরপর মাসরূক মদীনা আগমন করলেন। এবং এ ব্যাপারে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত তাকে আকৃষ্ট করল। তখন তার সাথীদের কেউ তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনি কি আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত পরিত্যাগ করলেন?
তিনি বললেন: আমি মদীনায় এসে যাইদ বিন ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে একজন ’গভীর ইলমের অধিকারী ব্যক্তি হিসেবে পেয়েছি। আহমাদ বলেন, আমি (রাবী) আবী শিহাব কে বললাম, এ ব্যাপারে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কী বলেছেন? তিনি বললেন, তিনি সকলকেই এতে অংশীদার বানাতেন।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ مُسْلِمٍ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي أَخَوَاتٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ وَأَخَوَاتٍ لِأَبٍ قَالَ لِلْأَخَوَاتِ لِلْأَبِ وَالْأُمِّ الثُّلُثَانِ وَمَا بَقِيَ فَلِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ فَقَدِمَ مَسْرُوقٌ الْمَدِينَةَ فَسَمِعَ قَوْلَ زَيْدٍ فِيهَا فَأَعْجَبَهُ فَقَالَ لَهُ بَعْضُ أَصْحَابِهِ أَتَتْرُكُ قَوْلَ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ إِنِّي أَتَيْتُ الْمَدِينَةَ فَوَجَدْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ مِنْ الرَّاسِخِينَ فِي الْعِلْمِ قَالَ أَحْمَدُ فَقُلْتُ لِأَبِي شِهَابٍ وَكَيْفَ قَالَ زَيْدٌ فِيهَا قَالَ شَرَّكَ بَيْنَهُمْ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর, আস সুনান নং ১৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৩৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭, ২৪৮ নং ১১১২৮, ১১১২৯।
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯৩০. ইসমাঈল (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা হাকীম ইবনু জাবির (রহঃ) এর নিকট বললাম যে, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সহোদর বোনগণ এবং বৈমাত্রেয় ভাই-বোনদের (অংশ) সম্পর্কে ফায়সালা দিতেন। তিনি সহোদর বোনদের দিতেন দুই তৃতীয়াংশ এবং এরপর অবশিষ্ট সম্পদ পুরুষদের দিতেন, নারীদেরকে নয়। এরপর তখন হাকীম বলেন: এ ব্যাপারে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: এটি জাহিলী যুগের একটি কাজ যে, নারীদেরকে বাদ দিয়ে শুধু পুরষদেরকেই মীরাসে অংশীদার করা। বোনদের ভাইগণ তাদেরকে (বোনদের) তাদের অংশ ফিরিয়ে দেবেন।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ عَنْ إِسْمَعِيلَ قَالَ ذَكَرْنَا عِنْدَ حَكِيمِ بْنِ جَابِرٍ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ قَالَ فِي أَخَوَاتٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِخْوَةٍ وَأَخَوَاتٍ لِأَبٍ أَنَّهُ كَانَ يُعْطِي لِلْأَخَوَاتِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ الثُّلُثَيْنِ وَمَا بَقِيَ فَلِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ فَقَالَ حَكِيمٌ قَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ هَذَا مِنْ عَمَلِ الْجَاهِلِيَّةِ أَنْ يَرِثَ الرِّجَالُ دُونَ النِّسَاءِ إِنَّ إِخْوَتَهُنَّ قَدْ رُدُّوا عَلَيْهِنَّ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭ নং ১১১২৭; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০।
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯৩১. মাসরুক (রহঃ) আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি দু’ পুত্র, পৌত্র (পুত্রের পুত্র) ও পৌত্রী (পুত্রের কন্যা)-দেরকে মীরাসে শরীক করতেন। দু’পুত্র কে দিতেন দুই তৃতীয়াংশ সম্পদ দিতেন এবং বাকী সম্পদে সকলকে অংশীদার বানাতেন।কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকলকে এতে অংশীদার বানাতেন না। তিনি পুরুষদেরকে দিতেন, নারীদেরকে দিতেন। আর তিনি বলতেন: বোনগণ হলো কন্যাগণের স্থলবর্তী।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مَعْبَدِ بْنِ خَالِدٍ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ تُشَرِّكُ بَيْنَ ابْنَتَيْنِ وَابْنَةِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ تُعْطِي الِابْنَتَيْنِ الثُّلُثَيْنِ وَمَا بَقِيَ فَشَرِيكُهُمْ وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ لَا يُشَرِّكُ يُعْطِي الذُّكُورَ دُونَ الْإِنَاثِ وَقَالَ الْأَخَوَاتُ بِمَنْزِلَةِ الْبَنَاتِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭ নং ১১১২৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০;
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯৩২. শা’বী (রহঃ) ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি কন্যা, পৌত্র (পুত্রের পুত্র)-দের ও পৌত্রীদের (পুত্রের কন্যা)-দেরকে মীরাস সম্পর্কে বলতেন: তাদের মধ্যে অংশীদারিত্ব এক ষষ্ঠাংশের কম হলেও তাদেরকে এক ষষ্ঠাংশ দিতেন, আবার এক ষষ্ঠাংশের বেশী হলেও তাদেরকে এক ষষ্ঠাংশই দিতেন।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ يَقُولُ فِي بِنْتٍ وَبَنَاتِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ إِنْ كَانَتْ الْمُقَاسَمَةُ بَيْنَهُمْ أَقَلَّ مِنْ السُّدُسِ أَعْطَاهُمْ السُّدُسَ وَإِنْ كَانَ أَكْثَرَ مِنْ السُّدُسِ أَعْطَاهُمْ السُّدُسَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৩৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৯ নং ১১১৩২ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯৩৩. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে তিনি (এক্ষেত্রে) সকলকে অংশ প্রদান করতেন। তখন আলকামাহ তাকে বললেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর চেয়ে অধিক প্রামাণ্য কেউ আছে কি? তখন তিনি বললেন, না, তবে আমি যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও মদীনাবাসীদেরকে দেখেছি যে, তারা দুই কন্যা, পৌত্রী, পৌত্র ও দু’বোনকে (একইসঙ্গে মীরাসে) অংশীদার বানাতেন।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ مَسْرُوقٍ أَنَّهُ كَانَ يُشَرِّكُ فَقَالَ لَهُ عَلْقَمَةُ هَلْ أَحَدٌ مِنْهُمْ أَثْبَتُ مِنْ عَبْدِ اللَّهِ فَقَالَ لَا وَلَكِنِّي رَأَيْتُ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ وَأَهْلَ الْمَدِينَةِ يُشَرِّكُونَ فِي ابْنَتَيْنِ وَبِنْتِ ابْنٍ وَابْنِ ابْنٍ وَأُخْتَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪৭, ২৪৮ নং ১১১২৮, ১১১২৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩০।
পরিচ্ছেদঃ ৮. ভাই-বোনগণ ও পুত্র-পৌত্রগণের মীরাস সম্পর্কে
২৯৩৪. শুরাইহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে স্ত্রীলোক তার স্বামী, মাতা, সহোদর বোন, বৈমাত্রেয় বোন এবং বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যু বরণ করে, তিনি তার সম্পদকে ছয় ভাগ করেন, এরপর এমনকি তা দশে উন্নীত করেন। এরপর তা থেকে অর্ধেক তথা ৩ ভাগ দেন স্বামী কে; অর্ধেক তথা ৩ ভাগ দেন সহোদর বোনকে; মাতাকে দেন এক ষষ্ঠাংশ তথা এক ভাগ; বৈপিত্রেয় ভাইকে দেন এক তৃতীয়াংশ তথা দু’ভাগ এবং বৈমাত্রেয় বোনকে দেন এক ভাগ- এ হলো মোট দুই-তৃতীয়াংশ।[1]
باب فِي الْإِخْوَةِ وَالْأَخَوَاتِ وَالْوَلَدِ وَوَلَدِ الْوَلَدِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ فِي امْرَأَةٍ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَأُخْتَهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا وَأُخْتَهَا لِأَبِيهَا وَإِخْوَتَهَا لِأُمِّهَا جَعَلَهَا مِنْ سِتَّةٍ ثُمَّ رَفَعَهَا فَبَلَغَتْ عَشْرَةً لِلزَّوْجِ النِّصْفُ ثَلَاثَةُ أَسْهُمٍ وَلِلْأُخْتِ مِنْ الْأَبِ وَالْأُمِّ النِّصْفُ ثَلَاثَةُ أَسْهُمٍ وَلِلْأُمِّ السُّدُسُ سَهْمٌ وَلِلْإِخْوَةِ مِنْ الْأُمِّ الثُّلُثُ سَهْمَانِ وَلِلْأُخْتِ مِنْ الْأَبِ سَهْمٌ تَكْمِلَةُ الثُّلُثَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৩৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৩ নং ১১১৩৮।
পরিচ্ছেদঃ ৯. ক্রীতদাস ও আহলে কিতাবগণের (মীরাছ) সম্পর্কে
২৯৩৫. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কাফির ও দাসদের মাধ্যমে ’হুজব’ (তথা একের উপস্থিত থাকার কারণে অন্য ওয়ারিসকে পূর্ণ কিংবা আংশিক বঞ্চিতকরণ) করতেন না; আবার তাদেরকে কোনো কিছু্র উত্তরাধিকারও বানাতেন না। কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কাফির ও দাসদের মাধ্যমে ’হুজব’ করতেন, তবে তাদেরকে কোনো কিছু্র উত্তরাধিকার বানাতেন না।[1]
باب فِي الْمَمْلُوكِينَ وَأَهْلِ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا كَانَا لَا يَحْجُبَانِ بِالْكُفَّارِ وَلَا بِالْمَمْلُوكِينَ وَلَا يُوَرِّثَانِهِمْ شَيْئًا وَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ يَحْجُبُ بِالْكُفَّارِ وَبِالْمَمْلُوكِينَ وَلَا يُوَرِّثُهُمْ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ১৪৮ (এর সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ); আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯১০২, ১৯১০৩, এবং আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কথা হিসেবে ১৯১০৮ মুনকাতি সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৭০ নং ১১১৯৩।
পরিচ্ছেদঃ ৯. ক্রীতদাস ও আহলে কিতাবগণের (মীরাছ) সম্পর্কে
২৯৩৬. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাসদের ও আহলে কিতাবগণ কাউকে ’হুজব’ (তথা একের উপস্থিত থাকার কারণে অন্য ওয়ারিসকে পূর্ণ কিংবা আংশিক বঞ্চিতকরণ) করবে না; আবার তারা উত্তরাধিকারও হবে না।কিন্তু আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলতেন, তারা ’হুজব’ করবে, তবে তারা কোনো কিছু্র উত্তরাধিকার হবে না।[1]
باب فِي الْمَمْلُوكِينَ وَأَهْلِ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا قَالَا الْمَمْلُوكُونَ وَأَهْلُ الْكِتَابِ لَا يَحْجُبُونَ وَلَا يَرِثُونَ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ يَحْجُبُونَ وَلَا يَرِثُونَ
তাখরীজ: আগের টীকাটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাদার মীরাছ সম্পর্কে
২৯৩৭. সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিত উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদার মীরাস লিখেছিলেন। কিন্তু যখন তিনি আহত হলেন, তখন তা চেয়ে নিয়ে মুছে দিলেন। এরপর তিনি বললেন: ভবিষ্যতে তোমরা নিজেরাই (ইজতিহাদ করে) এ ব্যাপারে রায় দিবে।[1]
باب الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا يَحْيَى عَنْ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ كَانَ كَتَبَ مِيرَاثَ الْجَدِّ حَتَّى إِذَا طُعِنَ دَعَا بِهِ فَمَحَاهُ ثُمَّ قَالَ سَتَرَوْنَ رَأْيَكُمْ فِيهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০১৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২০ নং ১১৩১৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫।
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাদার মীরাছ সম্পর্কে
২৯৩৮. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আবীদাহকে বললাম, দাদার সম্পর্কে আমার নিকট একটি হাদীস বর্ণনা করো। তখন সে বললো, আমি দাদা সম্পর্কে আশিটি মতবিরোধপূর্ণ ফায়সালা সংরক্ষণ করেছি।[1]
باب الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ أَخْبَرَنَا أَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ قُلْتُ لِعَبِيدَةَ حَدِّثْنِي عَنْ الْجَدِّ فَقَالَ إِنِّي لَأَحْفَظُ فِي الْجَدِّ ثَمَانِينَ قَضِيَّةً مُخْتَلِفَةً
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৩, ১৯০৪৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাদার মীরাছ সম্পর্কে
২৯৩৯. উবাইদ ইবনু আমর (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি এসে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলো। তখন তিনি বলেন, যদি মীরাসের মধ্যে দাদা অন্তর্ভুক্ত না থাকেন, তবে তা নিয়ে এসো।[1]
باب الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا أَبُو غَسَّانَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ عَمْرٍو الْخَارِفِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ أَتَاهُ رَجُلٌ فَسَأَلَهُ عَنْ فَرِيضَةٍ فَقَالَ إِنْ لَمْ يَكُنْ فِيهَا جَدٌّ فَهَاتِهَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩১৯ নং ১১৩০৩। আগের টীকাটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১০. দাদার মীরাছ সম্পর্কে
২৯৪০. সাঈদ ইবনু যুবাইর মুরাদ গোত্রের এক ব্যক্তি হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছেন, যে ব্যক্তি এতে আনন্দিত হয় যে, জাহান্নামের কীটে (তার শরীর) জড়িয়ে যাক, সে যেন (মৃতব্যক্তির) দাদা ও ভাইদের মাঝে মীরাস বন্টনের ফায়সালা দান করে।[1]
باب الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ رَجُلٍ مِنْ مُرَادٍ سَمِعَ عَلِيًّا يَقُولُ مَنْ سَرَّهُ أَنْ يَتَقَحَّمَ جَرَاثِيمَ جَهَنَّمَ فَلْيَقْضِ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৬, ৫৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩১৯ নং ১১৩১৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৮।
এর অর্থ: যে ব্যক্তি সতর্কতা ও চিন্তাভাবনা ছাড়াই নিজেকে জাহান্নামের তলদেশে ঠেলে দিতে ইচ্ছা করে, সে যেন ফায়সালা করে....।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪১. আবী সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত,[1] (পরবর্তী হাদীসটি।)
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا خَالِدٌ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৮ নং ১১২৫০; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪২. এবং ইকরিমাহ হতে বর্ণিত, আবী বাকর সিদ্দীক্ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
وَعَنْ عِكْرِمَةَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ الصِّدِّيقَ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: এটি সামনে ২৯৪৫ নং এ আসছে। বুখারী, তালিক হিসেবে, ফারাইয।
হাফিজ তার ফাতহুল বারী ১২/১৯ তে বলেন: আবী বাকর সিদ্দীকের মতটি দারেমী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ হাদীসটি মুত্তাসিলরূপে বর্ণনা করেছেন যে, আবী সাঈদ খুদরী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।
এবং আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।
ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পর্যন্ত সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।”
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৩. আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ سُلَيْمَانَ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ كُرْدُوسٍ عَنْ أَبِي مُوسَى عَنْ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৮ নং ১১২৫১।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৪. (অপর সনদে) আবী মুসা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ بْنِ أَبِي مُوسَى عَنْ كُرْدُوسٍ عَنْ أَبِي مُوسَى أَنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসটির পূনরাবৃত্তি।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৫. উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِي بُرْدَةَ عَنْ مَرْوَانَ عَنْ عُثْمَانَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: দেখুন, পূর্বের ও পরের হাদীসটি। এছাড়া এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে (২৮৯৩ নং এ)।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৬. (অপর সনদে) উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করতেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى وَمُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِى إِسْحَاقَ عَنْ عُثْمَانَ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَباً
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৩; দারুকুতনী ৪/৯২।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৭. আবী বুরদাহ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মদীনায় মারওয়ান ইবনুল হাকাম এর সাথে সাক্ষাৎ করলাম। তখন তিনি বললেন: হে ইবনু আবী মূসা! আমাকে কি খবর দেওয়া হয়নি যে, আপনাদের মাঝে দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করা হয় না, আর আপনিও তার বিরোধীতা করেন না? তিনি বলেন, আমি বললাম, কিন্তু আপনি যদি আমি (আমার স্থলে) হতেন, তবে আপনিও তার বিরোধীতা করতেন না। মারওয়ান বলেন, কিন্তু আমি উছমান ইবনু আফফান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সম্পর্কে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, তিনি আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সম্পর্কে সাক্ষ্য দিয়েছেন যে, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন, যদি তার অধ:স্তন অন্য কোনো পিতা না থাকতো।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا الأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ أَبِى بُرْدَةَ قَالَ لَقِيتُ مَرْوَانَ بْنَ الْحَكَمِ بِالْمَدِينَةِ فَقَالَ يَا ابْنَ أَبِى مُوسَى أَلَمْ أُخْبَرْ أَنَّ الْجَدَّ لاَ يُنَزَّلُ فِيكُمْ مَنْزِلَةَ الأَبِ وَأَنْتَ لاَ تُنْكِرُ قَالَ قُلْتُ وَلَوْ كُنْتَ أَنْتَ لَمْ تُنْكِرْ . قَالَ مَرْوَانُ فَأَنَا أَشْهَدُ عَلَى عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ أَنَّهُ شَهِدَ عَلَى أَبِى بَكْرٍ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَباً إِذَا لَمْ يَكُنْ دُونَهُ أَبٌ
তাখরীজ: এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে ২৯৪১ নং এ। সেখানে তাখরীজ দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৮. ইকরিমা সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا الْأَسْوَدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي نَضْرَةَ وَعَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৮। ইবনু হাযম এটি সাহাবী, তাবিঈ ও তাবি’-তাবিঈগণ হতে বর্ণনা করেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৪৯. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যার সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “যদি আমি কাউকে অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম, তবে তাকেই অন্তরঙ্গ বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম। কিন্তু ইসলামী ভ্রাতৃত্বই সর্বোত্তম।”-তথা আবূ বকরকে, আর এই তিনিই তাকে অর্থাৎ দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।”[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ جَعَلَهُ الَّذِي قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَوْ كُنْتُ مُتَّخِذًا أَحَدًا خَلِيلًا لَاتَّخَذْتُهُ خَلِيلًا وَلَكِنْ أُخُوَّةُ الْإِسْلَامِ أَفْضَلُ يَعْنِي أَبَا بَكْرٍ جَعَلَهُ أَبًا يَعْنِي الْجَدَّ
তাখরীজ: হাকিম ৫/৩৩৯; বুখারী, ফারাইয ৬৭৩৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৮।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ২৫৮৪ তে।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৫০. ইবনু যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ عَنْ ابْنِ الزُّبَيْرِ أَنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
তাখরীজ: বুখারী, ফাযাইলু আসাহাবীন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নং ৩৬৫৮; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৪৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৮-২৮৯ নং ১১২৫২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪৯।
পরিচ্ছেদঃ ১১. দাদা সম্পর্কে আবূ বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৫১. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, দাদার (মীরাস) সম্পর্কিত সুন্নাত অতীত হয়েছে। আর আবী বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেছেন। কিন্তু এখন লোকদের ’ইখতিয়ার’ (বেছে নেওয়ার স্বাধীনতা) গ্রহণ করেছে।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِنَّ الْجَدَّ قَدْ مَضَتْ سُنَّتُهُ وَإِنَّ أَبَا بَكْرٍ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا وَلَكِنَّ النَّاسَ تَحَيَّرُوا
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৬ তে হাসান বলেন: যদি আমি লোকদের কোনো বিষয়ে অভিভাবকত্ব লাভ করতাম, তবে দাদাকে পিতার স্থলবর্তী বানিয়ে দিতাম। এর সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ১২. দাদা সম্পর্কে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মতামত
২৯৫২. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইসলামে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ই সর্বপ্রথম দাদাকে মীরাছ দিয়েছেন।[1]
باب فِي قَوْلِ عُمَرَ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ إِنَّ أَوَّلَ جَدٍّ وَرِثَ فِي الْإِسْلَامِ عُمَرُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪১।
পরিচ্ছেদঃ ১২. দাদা সম্পর্কে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মতামত
২৯৫৩. (অপর সনদে) শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইসলামে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-ই সর্বপ্রথম দাদাকে মীরাছ দিলেন।যখন সে তার সম্পদ গ্রহণ করলো, তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এসে তাকে বললেন, এটা তো তোমার নয়, তুমি তো দুই ভায়ের একজনের সমতুল্য।[1]
باب فِي قَوْلِ عُمَرَ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ عَاصِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ أَوَّلُ جَدٍّ وَرِثَ فِي الْإِسْلَامِ عُمَرُ فَأَخَذَ مَالَهُ فَأَتَاهُ عَلِيٌّ وَزَيْدٌ فَقَالَا لَيْسَ لَكَ ذَاكَ إِنَّمَا أَنْتَ كَأَحَدِ الْأَخَوَيْنِ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৬ নং ১১২৭৭।
পরিচ্ছেদঃ ১২. দাদা সম্পর্কে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মতামত
২৯৫৪. শা’বী (রহঃ) (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এক ভাই ও দু’ভাই’র সাথে দাদাকেও (মীরাস) বন্টনে শরীক করতেন। আর যদি ভাই অধিক হতো, দাদাকে দিতেন এক তৃতীয়াংশ; আর (মৃত ব্যক্তির) সন্তান থাকলে দাদাকে এক ষষ্ঠাংশ দিতেন।[1]
باب فِي قَوْلِ عُمَرَ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ عِيسَى الْحَنَّاطِ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَانَ عُمَرُ يُقَاسِمُ بِالْجَدِّ مَعَ الْأَخِ وَالْأَخَوَيْنِ فَإِذَا زَادُوا أَعْطَاهُ الثُّلُثَ وَكَانَ يُعْطِيهِ مَعَ الْوَلَدِ السُّدُسَ
তাখরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪; সাঈদ ইবনু মানসুর নং ৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯২ নং ১১২৬৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ১২. দাদা সম্পর্কে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু-এর মতামত
২৯৫৫. মারওয়ান ইবনু হাকাম থেকে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যখন আহত হলেন, তিনি তাদের (সাহাবীগণের) নিকট দাদা (এর মীরাস) সম্পর্কে পরামর্শ চেয়ে বললেন, আমি দাদা সম্পর্কে একটি অভিমত ঠিক করেছিলাম, তা তোমরা চাইলে তা অনুসরণ করতে পার। তখন উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, আমরা যদি আপনার রায় বা মতামত অনুসরণ করি, তবে সেটা তো সঠিক পথ। আর যদি আমরা শাইখ (আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) এর মতামত অনুসরণ করি, তবে তিনি কতই না উত্তম রায় প্রদানকারী ছিলেন![1]
باب فِي قَوْلِ عُمَرَ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ مَرْوَانَ بْنِ الْحَكَمِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ لَمَّا طُعِنَ اسْتَشَارَهُمْ فِي الْجَدِّ فَقَالَ إِنِّي كُنْتُ رَأَيْتُ فِي الْجَدِّ رَأْيًا فَإِنْ رَأَيْتُمْ أَنْ تَتَّبِعُوهُ فَاتَّبِعُوهُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ إِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَكَ فَإِنَّهُ رَشَدٌ وَإِنْ نَتَّبِعْ رَأْيَ الشَّيْخِ فَلَنِعْمَ ذُو الرَّأْيِ كَانَ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৫১, ১৯০৫২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৩, ২৮৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬; হাকিম ৪/৩৪০; এর সনদ সহীহ, হাকিম ও যাহাবী একে সহীহ বলেছেন।
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৫৬. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, তখন ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ছিলেন বসরায়। তিনি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট চিঠি লিখলেন: আমার নিকট দাদা এবং ছয় ভাই (এর মাঝে মীরাস বন্টনের মাস’আলা) এসেছিল। তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে লিখে পাঠালেন, দাদাকে এক চতুর্থাংশ দাও এবং তার পরে আর কাউকে (ভাইদেরকে) কিছু দিও না।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَتَبَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِلَى عَلِيٍّ وَابْنُ عَبَّاسٍ بِالْبَصْرَةِ إِنِّي أُتِيتُ بِجَدٍّ وَسِتَّةِ إِخْوَةٍ فَكَتَبَ إِلَيْهِ عَلِيٌّ أَنْ أَعْطِ الْجَدَّ سُبُعًا وَلَا تُعْطِهِ أَحَدًا بَعْدَهُ
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৮ (সনদ সহীহ), ১১২৬৯। দেখুন, ফাতহুল বারী ১২/২১।
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৫৭. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, দাদা এবং ছয় ভাই (এর মাঝে মীরাস বন্টন) সম্পর্কে তিনি বলেন, দাদাকে এক চতুর্থাংশ দাও। আবূ মুহাম্মদ বলেন, ’তিনি’ অর্থাৎ আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু। তথা শা’বী আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে এটি বর্ণনা করছেন।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي سِتَّةِ إِخْوَةٍ وَجَدٍّ قَالَ أَعْطِ الْجَدَّ السُّدُسَ قَالَ أَبُو مُحَمَّد كَأَنَّهُ يَعْنِي عَلِيًّا الشَّعْبِيُّ يَرْوِيهِ عَنْ عَلِيٍّ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৮ সনদ সহীহ। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৫৮. আব্দুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইয়ের স্থলবর্তী করতেন, এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ يَجْعَلُ الْجَدَّ أَخًا حَتَّى يَكُونَ سَادِسًا
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৩ নং ১১২৬৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪।
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৫৯. হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ভাইগণের সাথে দাদাকে (মীরাসে) এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত অংশীদার করতেন।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عَلِيًّا كَانَ يُشَرِّكُ الْجَدَّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى السُّدُسِ
তাথরীজ: ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৮৪ সনদ সহীহ। এখানে রয়েছে: ভাই পাঁচ জন হলে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের সাথে দাদাকে দিতেন এক পঞ্চমাংশ, আর ভাই এর চেয়ে অধিক সংখ্যক হলে, দাদাকে দিতেন এক ষষ্ঠাংশ, এর চেয়ে কম দিতেন না।’
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬০. আব্দুল্লাহ ইবনু সালামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইয়ের স্থলবর্তী করতেন এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ الْقَاسِمِ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَلَمَةَ قَالَ كَانَ عَلِيٌّ يُشَرِّكُ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْإِخْوَةِ حَتَّى يَكُونَ سَادِسًا
তাথরীজ: এটি গত হয়েছে ২৯৫৫ নং এ।
পরিচ্ছেদঃ ১৩. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬১. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইদের সাথে এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত (মীরাসে) শরীক করতেন। আর প্রত্যেক অংশীদারকে তার নির্ধারিত অংশ দিতেন। বৈপিত্রেয় ভাই ও বোনকে দাদার সাথে মীরাস দিতেন না। (মৃতব্যক্তির) সন্তান থাকলে দাদাকে এক ষষ্ঠাংশের বেশি দিতেন না। আর সহোদর ভাইয়ের সাথে বৈমাত্রেয় ভাইকে মীরাসে অংশীদার করতেন না। আর যখন এক সহোদর বোন এবং এক বৈমাত্রেয় ভাই হতো, তখন বোনকে দিতেন অর্ধেক সম্পদ এবং অপর অর্ধাংশ দাদা ও ভাইয়ের মাঝে আধা-আধি করে বন্টন করে দিতেন। আর ভাইবোন অনেক হলে দাদার সঙ্গে তারা এক ষষ্ঠাংশ পর্যন্ত শরীক করতেন।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ عَلِيٌّ يُشَرِّكُ الْجَدَّ إِلَى سِتَّةٍ مَعَ الْإِخْوَةِ يُعْطِي كُلَّ صَاحِبِ فَرِيضَةٍ فَرِيضَتَهُ وَلَا يُوَرِّثُ أَخًا لِأُمٍّ مَعَ جَدٍّ وَلَا أُخْتًا لِأُمٍّ وَلَا يَزِيدُ الْجَدَّ مَعَ الْوَلَدِ عَلَى السُّدُسِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ غَيْرُهُ وَلَا يُقَاسِمُ بِأَخٍ لِأَبٍ مَعَ أَخٍ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَإِذَا كَانَتْ أُخْتٌ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَأَخٌ لِأَبٍ أَعْطَى الْأُخْتَ النِّصْفَ وَالنِّصْفَ الْآخَرَ بَيْنَ الْجَدِّ وَالْأَخِ نِصْفَيْنِ وَإِذَا كَانُوا إِخْوَةً وَأَخَوَاتٍ شَرَّكَهُمْ مَعَ الْجَدِّ إِلَى السُّدُسِ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৮ নং ১১২৮২ বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৯।
পরিচ্ছেদঃ ১৪. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬২. আব্দুর রহমান বিন মা’কিল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে দাদা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তখন তিনি বললেন, তোমার কোন্ দাদা সবচেয়ে বড়? আমি বললাম, আদম। তিনি বললেন, তুমি কি মহান আল্লাহর বাণী শোনো নি, “হে বনী আদম!”[1]
باب قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ الْعَبْسِيِّ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مَعْقِلٍ قَالَ سُئِلَ ابْنُ عَبَّاسٍ عَنْ الْجَدِّ فَقَالَ أَيُّ أَبٍ لَكَ أَكْبَرُ فَقُلْتُ أَنَا آدَمُ قَالَ أَلَمْ تَسْمَعْ إِلَى قَوْلِ اللَّهِ تَعَالَى يَا بَنِي آدَمَ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৯ নং ১১২৫৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৬।
পরিচ্ছেদঃ ১৪. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৩. এক ব্যক্তির সূত্রে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যারা ’দাদার সম্পর্কে আমার মতামতের বিরোধীতা করে, আমার মনে চায় যে, আমার এবং তাদের মধ্যে যার কথা অধিক মন্দ, তাকে পরস্পর লা’নত দেই।[1]
باب قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ إِسْمَعِيلَ بْنِ سُمَيْعٍ عَنْ رَجُلٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَوَدِدْتُ أَنِّي وَالَّذِينَ يُخَالِفُونِي فِي الْجَدِّ تَلَاعَنَّا أَيُّنَا أَسْوَأُ قَوْلًا
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০২৪, এখানে রয়েছে: তাউস (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তার পিতা ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বলতে শুনেছেন: আমরা (ফারাইযে) যে অংশ নির্ধারণ করেছি, সে ব্যাপারে যারা আমার বিরোধীতা করে, আমার মনে চায় যে, আমরা একত্র হই, এরপর রুকনে (ইয়ামানী)’র উপর হাত রেখে অভিশাপ দিয়ে বলি, মিথ্যাবাদীদের উপর আল্লাহর লা’নত।’ এর সনদ সহীহ। এছাড়াও, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৭, ৪৯, ৫০।
পরিচ্ছেদঃ ১৪. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৪. তাউস (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে পিতার স্থলবর্তী করতেন।[1]
باب قَوْلِ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّهُ جَعَلَ الْجَدَّ أَبًا
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৫৪, ১৯০৫৫, ১৯০৫৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৬।
পরিচ্ছেদঃ ১৫. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৫. আবী ইসহাক থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি আমাদের এক সম্ভ্রান্ত মহিলার মীরাছ সম্পর্কে (জিজ্ঞাসা করার জন্য) শুরাইহ’র নিকট প্রবেশ করলাম, যে তার স্বামী, মা, এক বৈমাত্রেয় ভাই ও তার দাদা রেখে মৃত্যু বরণ করেছেন। তখন তার নিকট আমীর, ইবরাহীম ও আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ বসে ছিলেন। তিনি আমাকে বললেন, তার কোন বোন আছে কি? আমি বললাম, না। তিনি বললেন, স্বামী পাবে অর্ধেক এবং মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ।
তখন আমি বারবার চেষ্টা করলাম যাতে তিনি আমাকে (অন্য কোনো) জবাব দেন। কিন্তু তিনি এছাড়া অন্য কোনো জবাবই দিলেন না (বারবার একই জবাব দিলেন)।
আমীর, ইবরাহীম ও আব্দুর রহমান ইবনু আব্দুল্লাহ বললেন: আপনি ফারাইয বিষয়ে যে মাস’আলাটি নিয়ে এসেছেন, এর চেয়ে কোনো কঠিন মাস’আলা আর কেউ কখনো নিয়ে আসেনি।
এরপর আমি উবাইদাহ আস সালমানী’র নিকট এলাম। আর তার সম্পর্কে বলা হতো যে, ’কুফায় উবাইদাহ ও হারিস আল আওয়ার এর চেয়ে ফারাইয বিষয়ে অধিক জ্ঞানী আর কেউ নাই।’ আর উবাইদাহ তখন মসজিদে বসে ছিলেন। আর শুরাইহ’র নিকট ফারাইযের এমন কোনো মাস’আলা আসতো, যাতে দাদা’ (অংশ) বিদ্যমান থাকতো, তিনি তা উবাইদাহ’র নিকট পাঠিয়ে দিতেন, আর তিনি অংশ ভাগ করে দিতেন। (রাবী বলেন), আমি তাকে জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, যদি তোমরা চাও তবে আমি তোমাদেরকে এ ব্যাপারে আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ফায়সালা জানিয়ে দিতে পারি (তা হলো): তিনি স্বামীর জন্য অর্ধাংশ তথা তিন ভাগ নির্ধারণ করতেন, বাকী সম্পদের এক তৃতীয়াংশ দিতেন যা মুল সম্পদের এক ষষ্ঠাংশ হতো; আর ভাইয়ের এক ভাগ এবং দাদার এক ভাগ।[1] আবূ ইসহাক বলেন, দাদা হলেন পিতার পিতা।
باب قَوْلِ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ دَخَلْتُ عَلَى شُرَيْحٍ وَعِنْدَهُ عَامِرٌ وَإِبْرَاهِيمُ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فِي فَرِيضَةِ امْرَأَةٍ مِنَّا الْعَالِيَةِ تَرَكَتْ زَوْجَهَا وَأُمَّهَا وَأَخَاهَا لِأَبِيهَا وَجَدَّهَا فَقَالَ لِي هَلْ مِنْ أُخْتٍ قُلْتُ لَا قَالَ هَلْ مِنْ أُخْتٍ قُلْتُ لَا قَالَ لِلْبَعْلِ الشَّطْرُ وَلِلْأُمِّ الثُّلُثُ قَالَ فَجَهِدْتُ عَلَى أَنْ يُجِيبَنِي فَلَمْ يُجِبْنِي إِلَّا بِذَلِكَ فَقَالَ إِبْرَاهِيمُ وَعَامِرٌ وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ مَا جَاءَ أَحَدٌ بِفَرِيضَةٍ أَعْضَلَ مِنْ فَرِيضَةٍ جِئْتَ بِهَا قَالَ فَأَتَيْتُ عَبِيدَةَ السَّلْمَانِيَّ وَكَانَ يُقَالُ لَيْسَ بِالْكُوفَةِ أَحَدٌ أَعْلَمَ بِفَرِيضَةٍ مِنْ عَبِيدَةَ وَالْحَارِثِ الْأَعْوَرِ وَكَانَ عَبِيدَةُ يَجْلِسُ فِي الْمَسْجِدِ فَإِذَا وَرَدَتْ عَلَى شُرَيْحٍ فَرِيضَةٌ فِيهَا جَدٌّ رَفَعَهُمْ إِلَى عَبِيدَةَ فَفَرَضَ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ إِنْ شِئْتُمْ نَبَّأْتُكُمْ بِفَرِيضَةِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ فِي هَذَا جَعَلَ لِلزَّوْجِ ثَلَاثَةَ أَسْهُمٍ النِّصْفَ وَلِلْأُمِّ ثُلُثُ مَا بَقِيَ السُّدُسُ مِنْ رَأْسِ الْمَالِ وَلِلْأَخِ سَهْمٌ وَلِلْجَدِّ سَهْمٌ قَالَ أَبُو إِسْحَقَ الْجَدُّ أَبُو الْأَبِ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭১; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫১ নং ১১১৩৭; বুখারী, কাবীর ২/১৯ তা’লীক হিসেবে; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯, ২৪০; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩০ জাইয়্যেদ বা উত্তম সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ১৬. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৬. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদাকে ভাইদের সাথে এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত (মীরাসে) শরীক করতেন।[1]
باب قَوْلِ زَيْدٍ فِي الْجَدِّ
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ زَيْدًا كَانَ يُشَرِّكُ الْجَدَّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى الثُّلُثِ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৯৫ নং ১১২৭৪। এর পূর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসগুলি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ১৬. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৭. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ভাইদের সাথে দাদাকে এক তৃতীয়াংশ পর্যন্ত (মীরাসে) অংশ বন্টন করতেন এরপর তাকে আর কমাতেন না।[1]
باب قَوْلِ زَيْدٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَبِي حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ كَانَ يُقَاسِمُ بِالْجَدِّ مَعَ الْإِخْوَةِ إِلَى الثُّلُثِ ثُمَّ لَا يُنْقِصُهُ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৬৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/, ২৯৭ নং ১১২৭৯, ১১/৩১৭ নং ১১৩০৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫০।
পরিচ্ছেদঃ ১৬. দাদার (মীরাস) সম্পর্কে যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য
২৯৬৮. ইসমাঈল (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমির (রহঃ) বলেন, তোমরা দাদার ব্যাপারে লোকদের সম্মিলিত মতামতকে গ্রহণ করবে।[1] আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থ: যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত।
باب قَوْلِ زَيْدٍ فِي الْجَدِّ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ عِيسَى بْنِ يُونُسَ عَنْ إِسْمَعِيلَ قَالَ قَالَ عُمَرُ خُذْ مِنْ أَمْرِ الْجَدِّ مَا اجْتَمَعَ النَّاسُ عَلَيْهِ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي قَوْلَ زَيْدٍ
তাথরীজ: মালিক, ফারাইয ২; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৪২; ইবনু আবী শাইবা ১১/ ২৯০ নং ১১২৫৭, ১১/৩১৯-৩২০ নং ১১৩১৬।
পরিচ্ছেদঃ ১৭. আল-আকদারিয়্যাহ: স্বামী, সহোদর বোন, দাদা ও মাতা সম্পর্কে
২৯৬৯. কাতাদাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, বোন, মা, স্বামী ও দাদা’র (অংশ মিশ্রিত হলে) সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত: তিনি একে সাতাশ ভাগ করেন: যার মা পাবে সাত ভাগ, স্বামী নয় ভাগ, দাদা আট ভাগ এবং বোন পাবে চার ভাগ।[1]
باب الْأَكْدَرِيَّةِ زَوْجٌ وَأُخْتٌ لِأَبٍ وَأُمٍّ وَجَدٌّ وَأُمٌّ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ هَمَّامٍ عَنْ قَتَادَةَ أَنَّ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ قَالَ فِي أُخْتٍ وَأُمٍّ وَزَوْجٍ وَجَدٍّ قَالَ جَعَلَهَا مِنْ سَبْعٍ وَعِشْرِينَ لِلْأُمِّ سِتَّةٌ وَلِلزَّوْجِ تِسْعَةٌ وَلِلْجَدِّ ثَمَانِيَةٌ وَلِلْأُخْتِ أَرْبَعَةٌ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩০১ নং ১১২৮৯ সহীহ সনদে, ১১২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৬৫।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭০. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইসলামে সর্ব প্রথম যে মহিলাকে এক অংশ (মীরাছ) ভোগ করতে দেওয়া হয়েছে, তিনি হলেন দাদী। অথচ এ মহিলার পুত্রও তখন জীবিত ছিল।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ أَوَّلَ جَدَّةٍ أُطْعِمَتْ فِي الْإِسْلَامِ سَهْمًا أَمُّ أَبٍ وَابْنُهَا حَيٌّ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৮; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৯, ১০৯, ১১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ (তিনি দাদাকে মীরাছে অংশ দিয়েছেন) সনদ সহীহ; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৯, ২৮১ (মারফু’ হিসেবে) (সনদ যয়ীফ); তিরমিযী, ফারাইয ২২০৩ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭১. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণনা করেন যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাদীকে (মীরাছে) এক ষষ্ঠাংশ ভোগ করতে দিয়েছেন।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَطْعَمَ جَدَّةً سُدُسًا
তাথরীজ: ইবনু মাজাহ, ফারাইয ২৭২৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২১ নং ১১৩২০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৪।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭২. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পিতার সাথে দাদীকেও (মীরাছে) অংশীদার করেছেন।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّ عُمَرَ وَرَّثَ جَدَّةً مَعَ ابْنِهَا
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ (সহীহ সনদে)।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭৩. মু’তামির হতে হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবরাহিম (রহঃ) কে বলতে শুনেছি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন দাদী/নানীকে (মীরাছে) ভোগ করতে দিয়েছেন। তিনি বলেন, আমি ইবরাহীমকে জিজ্ঞাসা করলাম, তারা কে কে? তিনি উত্তর দিলেন, তোমার পিতার দিক থেকে দু’ দাদী এবং মাতার দিকে থেকে এক নানী।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ أَخْبَرَنِي مَنْصُورُ بْنُ الْمُعْتَمِرِ قَالَ سَمِعْتُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَطْعَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ثَلَاثَ جَدَّاتٍ سُدُسًا قَالَ قُلْتُ لِإِبْرَاهِيمَ مَنْ هُنَّهْ قَالَ جَدَّتَاكَ مِنْ قِبَلِ أَبِيكَ وَجَدَّتُكَ مِنْ قِبَلِ أُمِّكَ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২২ নং ১১৩২৩; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৭৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭২; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৭৯।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭৪. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, হাসান (রহঃ) আমার নিকট বর্ণনা করেছেন যে, দাদী তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ قَالَ أَنْبَأَنِي الْحَسَنُ قَالَ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩২ নং ১১৩৫৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৬, ৯৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৮১।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭৫. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, পিতার মা তথা পিতামহী (দাদী) (নাতীর সম্পদের) মীরাছ লাভ করবে না। তার গর্ভজাত পুত্রই মীরাছ পায় না, সেখানে সে কিভাবে মীরাছ পাবে?[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ لَا تَرِثُ أُمُّ أَبِ الْأُمِّ ابْنُهَا الَّذِي تُدْلِي بِهِ لَا يَرِثُ فَكَيْفَ تَرِثُ هِيَ
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৯; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৭৫।
পরিচ্ছেদঃ ১৮. দাদী-নানী সম্পর্কে
২৯৭৬. আবী দাহমাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইমরান ইবনু হুসাইন রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী তার ছেলের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
باب فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا أَبُو مَعْمَرٍ عَنْ إِسْمَعِيلَ ابْنِ عُلَيَّةَ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ عَلْقَمَةَ عَنْ حُمَيْدِ بْنِ هِلَالٍ عَنْ أَبِي الدَّهْمَاءِ عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ قَالَ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১০২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/ ২৮০ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ১৯. দাদী সম্পর্কে আবূ বাকর সিদ্দীক রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৭৭. যুহরী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ এক পিতামহী (দাদী) বা মাতামহী (নানী) আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এসে বললঃ আমার পৌত্র বা দৌহিদ্র (মেয়ের ছেলে) মারা গেছে। আমি শুনেছি যে, আমার জন্য তাতে অংশ আছে। ফলে আমার জন্য কী পরিমাণ রয়েছে?
আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু বললেনঃ এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন ফায়সালা দিতে আমি শুনিনি। তবে আমি শীঘ্রই লোকদেরকে (সাহাবীগণকে) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব।
যুহরের সালাত আদায় করে তিনি বললেন, তোমাদের মধ্যে কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে দাদী বা নানীর ব্যাপারে কোন ফায়সালা দিতে শুনেছে? তখন মুগীরা ইবন শু’বা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমি শুনেছি। তিনি জিজ্ঞাসা করলেন, কী শুনেছো? তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে এক ষষ্ঠামাংশ দিয়েছেন।
তিনি (আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু) বললেনঃ তোমার সঙ্গে আর কে এ বিষয়টি শুনেছেন? মুহাম্মদ ইবন মাসলামা বললেনঃ তিনি সত্য বলেছেন। তখন আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু আনহু তাকে এক ষষ্ঠমাংশ প্রদান করলেন।এরপর তার মত অন্য এক দাদী বা নানী উমার রাদিয়াল্লাহু আনহু-এর কাছে এল। তিনি তাকে বললেনঃ আমি তো জানি না। এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কোন ফায়সালা দিতে আমি শুনিনি। তবে আমি শীঘ্রই লোকদেরকে (সাহাবীগণকে) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করব। তখন তাকে মুগীরাহ ইবনু শু’বাহ এবং মুহাম্মদ ইবনু মাসলামাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা’র হাদীস শোনানো হলো। এরপর উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, যদি তোমাদের দু’জনের একজন হও, তবে সে এক ষষ্ঠামাংশ পাবে। আর যদি তোমাদের দু্জন (একাধিক জন) এতে একত্রিত হও তবে তা তোমাদের উভয়ের মাঝে বন্টিত হবে।[1]
باب قَوْلِ أَبِي بَكْرٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ جَاءَتْ إِلَى أَبِي بَكْرٍ جَدَّةٌ أُمُّ أَبٍ أَوْ أُمُّ أُمٍّ فَقَالَتْ إِنَّ ابْنَ ابْنِي أَوْ ابْنَ ابْنَتِي تُوُفِّيَ وَبَلَغَنِي أَنَّ لِي نَصِيبًا فَمَا لِي فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ مَا سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِيهَا شَيْئًا وَسَأَسْأَلُ النَّاسَ فَلَمَّا صَلَّى الظُّهْرَ قَالَ أَيُّكُمْ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ فِي الْجَدَّةِ شَيْئًا فَقَالَ الْمُغِيرَةُ بْنُ شُعْبَةَ أَنَا قَالَ مَاذَا قَالَ أَعْطَاهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ سُدُسًا قَالَ أَيَعْلَمُ ذَاكَ أَحَدٌ غَيْرُكَ فَقَالَ مُحَمَّدُ بْنُ مَسْلَمَةَ صَدَقَ فَأَعْطَاهَا أَبُو بَكْرٍ السُّدُسَ فَجَاءَتْ إِلَى عُمَرَ مِثْلُهَا فَقَالَ مَا أَدْرِي مَا سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِيهَا شَيْئًا وَسَأَسْأَلُ النَّاسَ فَحَدَّثُوهُ بِحَدِيثِ الْمُغِيرَةِ بْنِ شُعْبَةَ وَمُحَمَّدِ بْنِ مَسْلَمَةَ فَقَالَ عُمَرُ أَيُّكُمَا خَلَتْ بِهِ فَلَهَا السُّدُسُ فَإِنْ اجْتَمَعْتُمَا فَهُوَ بَيْنَكُمَا
তাথরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ১১৯, ১২০; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩১; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৩ তে। সংযোজনী: এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৮৩। ((আবূ দাউদ ২৮৯৪; তিরমিযী ২১০০, ২১০১; ইবনু মাজাহ ২৭২৪; হাকিম ৪/৩৩৮; হাকিম ও যাহাবী একে বুখারী মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ বলেছেন। -ফাতহুল মান্নান, হা/৩১১৯। -অনুবাদক))
পরিচ্ছেদঃ ২০. দাদী/নানী সম্পর্কে আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এর মতামত
২৯৭৮. শা’বী (রহঃ) আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে বলেন, যদি দাদী/নানীগণ সকলেই সমস্তরের হয়, তখন তিন দাদী/নানী কে (মীরাছে) অংশ প্রদান করা হবে: পিতার দিকের দুই দাদী, তথা মৃতের মায়ের মা (মাতামহী) ও পিতার মা (পিতামহী) এবং তার মায়ের এক দাদী। তবে যদি তাদের মধ্য থেকে কোন একজন অধিকতর নিকটবর্তী হয়, তবে এদের মধ্যকার যাবিল কুরবা’ তথা নিকটাত্মীয়ের অংশও সে পাবে।[1]
باب فِي قَوْلِ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالَا إِذَا كَانَتْ الْجَدَّاتُ سَوَاءً وَرِثَ ثَلَاثُ جَدَّاتٍ جَدَّتَا أَبِيهِ أُمُّ أُمِّهِ وَأُمُّ أَبِيهِ وَجَدَّةُ أُمِّهِ فَإِنْ كَانَتْ إِحَدَاهُنَّ أَقْرَبَ فَالسَّهْمُ لِذَوِي الْقُرْبَى
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯০; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৯ নং ১১৩৪৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৪, ১০০, ১০১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২৩৬-২৩৭।
পরিচ্ছেদঃ ২০. দাদী/নানী সম্পর্কে আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এর মতামত
২৯৭৯. শা’বী (রহঃ) আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণনা করেন, তারা উভয়ে পিতার সাথে পিতামহী (দাদী) কে মীরাস দিতেন না।[1]
باب فِي قَوْلِ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمَا كَانَا لَا يُوَرِّثَانِ الْجَدَّةَ أُمَّ الْأَبِ مَعَ الْأَبِ
তাথরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পূনরাবৃত্তি।
পরিচ্ছেদঃ ২০. দাদী/নানী সম্পর্কে আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা এর মতামত
২৯৮০. যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদীকে তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থা (নাতীর সম্পদের) মীরাছ দিতেন না।[1]
باب فِي قَوْلِ عَلِيٍّ وَزَيْدٍ فِي الْجَدَّاتِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ أَنَّ عُثْمَانَ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْجَدَّةَ وَابْنُهَا حَيٌّ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ ১৯০৯১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৪ নং ১১৩৫৮।
পরিচ্ছেদঃ ২১. দাদী/নানী সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৮১. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী-নানীগণ মীরাছ পাবে না, তবে তাদেরকে যা দেওয়া হয়েছিল, তা তাদের পানাহারের জন্য দেওয়া হয়েছিল। এক্ষেত্রে তারা দুরবর্তী ও নিকটবর্তী উভয়েই সমান।[1]
باب قَوْلِ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ ابْنِ مَسْعُودٍ قَالَ إِنَّ الْجَدَّاتِ لَيْسَ لَهُنَّ مِيرَاثٌ إِنَّمَا هِيَ طُعْمَةٌ أُطْعِمْنَهَا وَالْجَدَّاتُ أَقْرَبُهُنَّ وَأَبْعَدُهُنَّ سَوَاءٌ
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫, ২২৬। তবে অপর সনদে ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৬ নং ১১৩৩৭ এ বর্ণনা করেন যে, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু দাদী-নানীগণকে মীরাছ দিতেন যদি তারা দশ জনও হতেন; আর তিনি বলতেন: আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যে একভাগ দিয়েছিলেন, তা ছিল তাদের পানাহারের উদ্দেশ্যে। অপর একটি যয়ীফ সনদে আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৯১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৭ শেষাংশ বর্ণনা করেন।
পরিচ্ছেদঃ ২১. দাদী/নানী সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মতামত
২৯৮২. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, দাদী/নানী তার সন্তানের জীবিত থাকা অবস্থাই (নাতীর সম্পদের) মীরাছ পাবে।[1]
باب قَوْلِ ابْنِ مَسْعُودٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ أَخْبَرَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْمُغِيرَةِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ تَرِثُ الْجَدَّةُ وَابْنُهَا حَيٌّ
তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৯৮, ১০৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩১ নং ১১৩৪৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৬ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২২. দাদী/নানী সম্পর্কে মাসরুক (রহঃ) এর মতামত
২৯৮৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, চার জন দাদী/নানী একত্রে মাসরুকের নিকট আসলো। তখন তিনি একজন পিতার পিতার মাতা (পিতার দাদী) কে বাদ দিলেন এবং বাকী তিন জন- তার মাতামহী (নানী), তার পিতামহী (দাদী) ও তার মায়ের মাতামহী (মাতার দাদী/নানী)-কে মীরাছে অংশীদার করলেন।[1]
باب قَوْلِ مَسْرُوقٍ فِي الْجَدَّاتِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ جِئْنَ أَرْبَعُ جَدَّاتٍ يَتَسَاوَقْنَ إِلَى مَسْرُوقٍ فَأَلْقَى أَمَّ أَبِ الْأَبِ وَوَرَّثَ ثَلَاثًا جَدَّتَيْ أَبِيهِ أُمَّ أُمِّهِ وَأُمَّ أَبِيهِ وَجَدَّةَ أُمِّهِ
তাথরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৬; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৮১; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২৭৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩২৬ নং ১১৩৩৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৮৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৩. রদ্দ বা প্রতার্পণ সম্পর্কে আলী, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতামত
২৯৮৪. ইবরাহীম (রহঃ) এক কন্যা ও পুত্রের কন্যার (মীরাছ) সম্পর্কে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, কন্যার জন্য অর্ধেক আর পৌত্রীর জন্য এক ষষ্ঠাংশ। অতঃপর যা বাকী থাকবে তা বোনের দিকে ফিরে আসবে (অর্থাৎ বোন পুনরায় পাবে)।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ وَزَيْدٍ فِي الرَّدِّ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ فِي ابْنَةٍ وَابْنَةِ ابْنٍ قَالَ النِّصْفُ وَالسُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَرَدٌّ عَلَى الْبِنْتِ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৭ নং ১১২২৪ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৮; বুখারী, ফারাইয ৬৭৪২ মারফু’ হিসেবে।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদূল মাউসিলী নং ৫১০৮, ৫২৩৫, ৫২৯৫; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৪ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২৩. রদ্দ বা প্রতার্পণ সম্পর্কে আলী, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতামত
২৯৮৫. আলকামাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এক ব্যক্তি বৈপিত্রেয় ভাইগণ ও মাতা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলো, তখন তিনি বৈপিত্রেয় ভাইগণকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ এবং মাতাকে দিলেন অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ। আর বললেন, যার আসাবাহ নেই, মা-ই তার আসাবাহ।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ وَزَيْدٍ فِي الرَّدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَلْقَمَةَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّهُ أُتِيَ فِي إِخْوَةٍ لِأُمٍّ وَأُمٍّ فَأَعْطَى الْإِخْوَةَ مِنْ الْأُمِّ الثُّلُثَ وَالْأُمَّ سَائِرَ الْمَالِ وَقَالَ الْأُمُّ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৪ নং ১১২১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৩. রদ্দ বা প্রতার্পণ সম্পর্কে আলী, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতামত
২৯৮৬. হাসান তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, আমি এমন ব্যক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যে তার এক কন্যা রেখে যান, আর তার এ কন্যা ব্যতীত আর কোনো ওয়ারিস আছে বলে জানা যায়না। তখন তিনি বললেন, তার কন্যা-ই সমুদয় সম্পদ পাবে।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ وَزَيْدٍ فِي الرَّدِّ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِيهِ قَالَ سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ عَنْ رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ ابْنَتَهُ لَا يُعْلَمُ لَهُ وَارِثٌ غَيْرُهَا قَالَ لَهَا الْمَالُ كُلُّهُ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৬ নং ১১২১৮, ২১৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩০।
পরিচ্ছেদঃ ২৩. রদ্দ বা প্রতার্পণ সম্পর্কে আলী, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতামত
২৯৮৭. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মায়ের সঙ্গে বৈপিত্রেয় ভাইকে (অবশিষ্ট সম্পদ) ’রদ’ তথা প্রত্যার্পণ করতেন না; আবার দাদীকেও না, যখন তার সাথে ফারাইযের অধিকারী (যার অংশ কুর্’আন-হাদীসে নির্ধারিত আছে এমন) অন্য কোনো ব্যক্তি থাকতো; আবার আপন মেয়ের সাথে পৌত্রী (ছেলের মেয়ে) কেও পুন:বার দিতেন না। তবে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু স্ত্রী ও স্বামী ব্যতীত অন্য সকল নির্ধারিত অংশধারীদেরকে পুন:বার দিতেন।[1]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ وَزَيْدٍ فِي الرَّدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ ابْنَ مَسْعُودٍ كَانَ لَا يَرُدُّ عَلَى أَخٍ لِأُمٍّ مَعَ أُمٍّ وَلَا عَلَى جَدَّةٍ إِذَا كَانَ مَعَهَا غَيْرُهَا مَنْ لَهُ فَرِيضَةٌ وَلَا عَلَى ابْنَةِ ابْنٍ مَعَ ابْنَةِ الصُّلْبِ وَلَا عَلَى امْرَأَةٍ وَزَوْجٍ وَكَانَ عَلِيٌّ يَرُدُّ عَلَى كُلِّ ذِي سَهْمٍ إِلَّا الْمَرْأَةَ وَالزَّوْجَ
তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১২ (সনদ ইবরাহীম পর্যন্ত সহীহ), ১১৫, ১১৬; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৪; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৮; ইবনু আবী শাইবা নং ১১২২০, ১১২২১, ১১২২৪।
পরিচ্ছেদঃ ২৩. রদ্দ বা প্রতার্পণ সম্পর্কে আলী, আব্দুল্লাহ ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম এর মতামত
২৯৮৮. খারিজাহ বিনতে যাইদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট কন্যা অথবা বোন সম্পর্কে প্রশ্ন এলে তিনি তাকে (বোন বা কন্যাকে) অর্ধেক দিলেন এবং অবশিষ্ট সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা করলেন।[1] [অপর সুত্রে খারিজা হতে এটি বর্ণিত[2]]
باب قَوْلِ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ وَزَيْدٍ فِي الرَّدِّ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ قَالَ أَخْبَرَنِي مُحَمَّدُ بْنُ سَالِمٍ عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ أَنَّهُ أُتِيَ فِي ابْنَةٍ أَوْ أُخْتٍ فَأَعْطَاهَا النِّصْفَ وَجَعَلَ مَا بَقِيَ فِي بَيْتِ الْمَالِ وَقَالَ يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ خَارِجَةَ
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪৪। অপর সহীহ সনদে সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৩; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৩১।
[2] সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৪; আগের টীকাটিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৮৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার মীরাছ পাবে তার মাতা।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ قَالَ مِيرَاثُهُ لِأُمِّهِ
তাথরীজ: হাকিম, ৪/৩৪১; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৯ মুনকাতি সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৭ নং ১১৩৬৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯০. ইবরাহীম ইবনু তাহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে এক ব্যক্তি কর্তৃক আতাকে জিজ্ঞাসা করতে শুনলাম যে, তার মীরাছ কে পাবে? তিনি বললেন, তার মাতা ও মাতার পরিবার।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ قَالَ سَمِعْتُ رَجُلًا سَأَلَ عَطَاءَ بْنَ أَبِي رَبَاحٍ عَنْ وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ لِمَنْ مِيرَاثُهُ قَالَ لِأُمِّهِ وَأَهْلِهَا
তাথরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৩ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯১. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ যে বৈপিত্রেয় ভাই ও তার মাকে রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার ভাই পাবে এক ষষ্ঠাংশ, মা পাবে এক তৃতীয়াংশ; অত:পর তাদের উভয়কে (’রদ’ তথা) পুনরায় দেওয়া হবে। তখন তার ভাইয়ের অংশ হয়ে যাবে এক তৃতীয়াংশ, আর মাতার হয়ে যাবে দুই তৃতীয়াংশ। আর ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার ভাই পাবে এক ষষ্ঠাংশ, মা পাবে অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَالَ عَلِيٌّ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ أَخَاهُ لِأُمِّهِ وَأُمَّهُ لِأَخِيهِ السُّدُسُ وَلِأُمِّهِ الثُّلُثُ ثُمَّ يُرَدُّ عَلَيْهِمْ فَيَصِيرُ لِلْأَخِ الثُّلُثُ وَلِلْأُمِّ الثُّلُثَانِ وَقَالَ ابْنُ مَسْعُودٍ لِأَخِيهِ السُّدُسُ وَمَا بَقِيَ فَلِلْأُمِّ
তাথরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১৩৮৩ অজ্ঞাত সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯২. আবী সাহল হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে ভ্রাতুষ্পুত্র ও দাদা রেখে মৃত্যুবরণ করেছে, তা মীরাছ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, তার সমুদয় সম্পদ পাবে তার ভ্রাতুষ্পুত্র।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِي سَهْلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ ابْنَ أَخٍ وَجَدًّا قَالَ الْمَالُ لِابْنِ الْأَخِ
তাথরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৪১ নং ১১৩৮২ অজ্ঞাত সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৩. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং দু’ই তৃতীয়াংশ সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ الثُّلُثُ وَالثُّلُثَانِ لِبَيْتِ الْمَالِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮-২৫৯।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৪. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার (লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের) মীরাছ তার মাতা পাবে, আর তার মায়ের আসাবা বঞ্চিত হবে।[1]
আর কাতাদা (রহঃ) হাসান (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন যে, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং অবশিষ্ট সমুদয় সম্পদ তার মায়ের আসাবা পাবে।[2]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا سَالِمُ بْنُ نُوحٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ مِيرَاثُهُ لِأُمِّهِ تَعْقِلُ عَنْهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ وَقَالَ قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ لِأُمِّهِ الثُّلُثُ وَبَقِيَّةُ الْمَالِ لِعَصَبَةِ أُمِّهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৬, ৩৩৭ নং ১১৩৬৫, ১১৩৬৯; হাকিম, ৪/৩৪১ (হাকিম বলেন: এর সকল রাবী বিশ্বস্ত, তবে এটি মুরসাল, এর শাহিদ রয়েছে। যাহাবী তার সাথে সহমত পোষণ করেছেন; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮ যয়ীফ সনদে।
[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ: এটি সামনে ২৯৯৬ তে আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৫. কাতাদাহ বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে, যে দাদী ও তার বৈপিত্রেয় ভাই রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার সম্পর্কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার দাদী পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং ভাইগণ পাবে দু’ই তৃতীয়াংশ সম্পদ। যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, তার দাদী পাবে এক ষষ্ঠাংশ এবং ভাইগণ পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং বাকী সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ أَخْبَرَنَا قَتَادَةُ أَنَّ عَلِيًّا وَابْنَ مَسْعُودٍ قَالَا فِي وَلَدِ مُلَاعَنَةٍ تَرَكَ جَدَّتَهُ وَإِخْوَتَهُ لِأُمِّهِ قَالَ لِلْجَدَّةِ الثُّلُثُ وَلِلْإِخْوَةِ الثُّلُثَانِ وَقَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ لِلْجَدَّةِ السُّدُسُ وَلِلْإِخْوَةِ لِلْأُمِّ الثُّلُثُ وَمَا بَقِيَ فَلِبَيْتِ الْمَالِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮-২৫৯ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৬. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার অর্থাৎ লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ তার মাতা পাবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ وَحُمَيدٌ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ تَرِثُهُ أُمُّهُ يَعْنِي ابْنَ الْمُلَاعَنَةِ
তাখরীজ: এটি সামনে ২৯৯৮ তে আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৭. হাজ্জাজ হতে বর্ণিত, নাখঈ ও শা’বী উভয়ে বলেন, তার মীরাছ তার মাতা পাবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ أَنَّ النَّخَعِيَّ وَالشَّعْبِيَّ قَالَا تَرِثُهُ أُمُّهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৮ নং ১১৪০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৬ বিচ্ছিন্ন সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৮. আব্দুল্লাহ ইবনু উবাইদ ইবনু উমাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি বনী যুরাইকের এক ভাইকে একথা জানতে চেয়ে লিখে পাঠালাম যে, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কার জন্য নির্ধারণ করেছেন? তখন তিনি আমাকে লিখে পাঠালেন যে, এ ব্যাপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাতাকে তার মাতা ও পিতা উভয়ের স্থলাভিষিক্ত করে তার মায়ের জন্য মীরাছ (এর পূর্ণ অংশ) নির্ধারণ করেছেন।সুফিয়ান (রহঃ) বলেন, তার পূর্ণ সম্পদ তার মাতা পাবে। তার মাতাই তার মাতা ও পিতা উভয়ের স্থলাভিষিক্ত।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ عُمَيْرٍ قَالَ كَتَبْتُ إِلَى أَخٍ لِي مِنْ بَنِي زُرَيْقٍ أَسْأَلُهُ لِمَنْ قَضَى النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ فَكَتَبَ إِلَيَّ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِهِ لِأُمِّهِ هِيَ بِمَنْزِلَةِ أُمِّهِ وَأَبِيهِ وَقَالَ سُفْيَانُ الْمَالُ كُلُّهُ لِلْأُمِّ هِيَ بِمَنْزِلَةِ أَبِيهِ وَأُمِّهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৬ (সহীহ সনদে), ১২৪৭৭ ; ইবনু আবী শাইবা ১০/১৭০ নং ৯১৩২, ১১/৩৩৯ নং ১১৩৭৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৯; হাকিম, ৪/৩৪১।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
২৯৯৯. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র যে তার মাতা ও মাতার আসাবাহ রেখে মৃত্যু বরণ করেছে, তার মীরাছ সম্পর্কে তিনি বলেন, তার মাতা পাবে এক তৃতীয়াংশ এবং তার মাতার আসাবাহ পাবে অবশিষ্ট সম্পদ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ تَرَكَ أُمَّهُ وَعَصَبَةَ أُمِّهِ قَالَ الثُّلُثُ لِأُمِّهِ وَمَا بَقِيَ فَلِعَصَبَةِ أُمِّهِ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮; ইবনু আবী শাইবা নং ১১৩৮৩।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০০. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উভয়ে লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের সম্পর্কে বলেন, তার মাতার আসাবাহ-ই হবে তার আসাবাহ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ فِي ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ قَالَا عَصَبَتُهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮২; তাবারাণী, কাবীর ৯/৩৯০ নং ৯৬৬৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৯ নং ১১৩৭৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১২০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলতেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্রের মীরাছ তার মাতা পাবে। আমি বললাম, যদি তার বৈপিত্রেয় এক ভাই থাকে? তিনি বললেন: সে পাবে এক ষষ্ঠাংশ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ الْحَلَبِيُّ مُوسَى بْنُ خَالِدٍ حَدَّثَنَا مُعْتَمِرٌ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ مِيرَاثُ وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ قُلْتُ فَإِنْ كَانَ لَهُ أَخٌ مِنْ أُمِّهِ قَالَ لَهُ السُّدُسُ
তাখরীজ: এটি সংক্ষিপ্তাকারে গত হয়েছে ২৯৯৩ নং এ।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০২. আওযাঈ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, সম্পর্কে যুহরী (রহঃ) বলেন, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র তার মায়ের কাছে থাকবে, এবং তার সম্পদ থেকে তার (মাতার) নির্ধারিত অংশ তার মাতা পাবে এবং অবশিষ্ট সম্পদ বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগার)-এ জমা হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغِيرَةِ حَدَّثَنَا الْأَوْزَاعِيُّ حَدَّثَنَا الزُّهْرِيُّ قَالَ وَلَدُ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ تَرِثُ فَرِيضَتَهَا مِنْهُ وَسَائِرُ ذَلِكَ فِي بَيْتِ الْمَالِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৭ নং ১১৩৭০ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৪; কানযুল উম্মাহ ৪০৬০৮।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৩. নাফিঈ’ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যখন স্বামী-স্ত্রী উভয়ে লি’আন (পরস্পরকে অভিশাপ দেবে) করবে, তখন তাদের মাঝে বিচ্ছেদ ঘটিয়ে দেওয়া হবে, আর তারা একত্রিত হতে পারবে না। আর তাদের সন্তান তার মায়ের নামে ডাকা হবে, বলা হবে সে অমুক স্ত্রীলোকের পুত্র। আর তার মাতা তার আসাবাহ হবে, সে তার মাতার ওয়ারিস হবে এবং তার মাতা হবে তার ওয়ারিস। আর যে তাকে ’যিনাকারীনীর সন্তান’ বলে আহ্বান করবে, তার জন্য রয়েছে বেত্রাঘাত।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ مُوسَى بْنِ عُبَيْدَةَ عَنْ نَافِعٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ إِذَا تَلَاعَنَا فُرِّقَ بَيْنَهُمَا وَلَمْ يَجْتَمِعَا وَدُعِيَ الْوَلَدُ لِأُمِّهِ يُقَالُ ابْنُ فُلَانَةَ هِيَ عَصَبَتُهُ يَرِثُهَا وَتَرِثُهُ وَمَنْ دَعَاهُ لِزِنْيَةٍ جُلِدَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৭৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪০ নং ১১৩৭৬ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১২৪৮৪।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৪. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারী স্বামী-স্ত্রী’র পুত্রের সম্পর্কে তিনি বলেন, তার মাতার আসাবাহ-ই তার ওয়ারিস হবে, আবার তারাই তার পক্ষ হতে (দিয়াত ও অন্যান্য) ক্ষতিপুরণ প্রদান করবে।’[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا مُعَاذُ بْنُ هَانِئٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ حَدَّثَنَا الشَّيْبَانِيُّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ أَنَّهُ تَرِثُهُ عَصَبَةُ أُمِّهِ وَهُمْ يَعْقِلُونَ عَنْهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৬ নং ১১৩৬৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৫. সাঈদ ইবনু জুবাইর (রহঃ) হতে বর্ণিত, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের পুত্র-যার পিতা নাই, তার সম্পর্কে ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে তার মাতা, মাতার সূত্রে ভাইগণ ও তার মাতার আসাবাহ’ তার মীরাছ পাবে। আর তাকে (’যিনাকারীনীর সন্তান’ বলে) অপবাদ দানকারীর জন্য রয়েছে বেত্রাঘাত।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ أَخْبَرَنَا هَمَّامٌ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ عَزْرَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ فِي وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ هُوَ الَّذِي لَا أَبَ لَهُ تَرِثُهُ أُمُّهُ وَإِخْوَتُهُ مِنْ أُمِّهِ وَعَصَبَةُ أُمِّهِ فَإِنْ قَذَفَهُ قَاذِفٌ جُلِدَ قَاذِفُهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৫৬১ নং ৮৫২২; মারফু’ হিসেবে তালীক সূত্রে বাইহাকী, লি’আন ৭/৪০২ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৬. মাকহূল (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তাকে জিজ্ঞাসা করা হলো, লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের সন্তানের উত্তরাধিকারী কে? তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মাতাকে নির্ধারণ করেছেন, কেননা, তার মাতা তার জন্য কষ্ট করেছে; আর তার বৈপিত্রেয় ভাইদেরকেও। মাকহুল আরো বলেন, আর যদি মাতা তার ছেলেকে রেখে মৃত্যুবরণ করে এবং তারপর তার ছেলেও মৃত্যুবরণ করে যার জন্য তাকে (মাতাকে) ওয়ারিস নির্ধারণ করা হয়েছিল, তবে তার বৈপিত্রেয় ভাইগণ সকল সম্পদের মালিক হবে। কারণ, সে ছিল তাদের (বৈপিত্রেয় ভাইদের) এবং নানার (নিকটতর)। আর তার মায়ের পিতা তথা নানা তার মেয়ের ছেলের সম্পদে এক ষষ্ঠাংশ পাবে। নানার জন্য এ স্থান ব্যতীত অন্য কোথাও ওয়ারিছ হয় না। কেননা, তিনি তো মাতার পিতা (নানা)। আর বৈপিত্রেয় ভাইগণ তো কেবল তাদের মাতার ওয়ারিস হয়। এবং নানা তার মেয়ের ওয়ারিস হয়, কেননা, তাকে (নানাকেও) নির্ধারিত অংশ দেওয়া হয় তার মেয়ের জন্য। ফলে ছেলের সম্পদ যা মায়ের উত্তরাধিকার, নানা ব্যতীত অন্য কোন উত্তরাধিকার না থাকলে তা কেবল নানার অধিকারে থাকবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ عَنْ النُّعْمَانِ عَنْ مَكْحُولٍ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ مِيرَاثِ وَلَدِ الْمُلَاعَنَةِ لِمَنْ هُوَ قَالَ جَعَلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِأُمِّهِ فِي سَبَبِهِ لِمَا لَقِيَتْ مِنْ الْبَلَاءِ وَلِإِخْوَتِهِ مِنْ أُمِّهِ وَقَالَ مَكْحُولٌ فَإِنْ مَاتَتْ الْأُمُّ وَتَرَكَتْ ابْنَهَا ثُمَّ تُوُفِّيَ ابْنُهَا الَّذِي جُعِلَ لَهَا كَانَ مِيرَاثُهُ لِإِخْوَتِهِ مِنْ أُمِّهِ كُلُّهُ لِأَنَّهُ كَانَ لِأُمِّهِمْ وَجَدِّهِمْ وَكَانَ لِأَبِيهَا السُّدُسُ مِنْ ابْنِ ابْنَتِهِ وَلَيْسَ يَرِثُ الْجَدُّ إِلَّا فِي هَذِهِ الْمَنْزِلَةِ لِأَنَّهُ إِنَّمَا هُوَ أَبُ الْأُمِّ وَإِنَّمَا وَرِثَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ أُمَّهُمْ وَوَرِثَ الْجَدُّ ابْنَتَهُ لِأَنَّهُ جُعِلَ لَهَا فَالْمَالُ الَّذِي لِلْوَلَدِ لِوَرَثَةِ الْأُمِّ وَهُوَ يُحْرِزُهُ الْجَدُّ وَحْدَهُ إِذَا لَمْ يَكُنْ غَيْرُهُ
তাখরীজ: অতি সংক্ষিপ্ত আকারে ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৩৫ নং ১১৩৬৪; আবূ দাউদ ২৯০৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৯ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৪. লি’আনকারীণী স্ত্রী’র পুত্রের মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৭. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, কিছু লোক লি’আনকারীণী স্ত্রীলোকের সন্তানের উত্তরাধিকার নিয়ে বিরোধ করে ফায়সালার জন্য আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু’র নিকট এলো। এমতাবস্থায় তার পিতার আসাবাহ’ (নিকট আত্মীয়গণ) ও এসে তার মীরাছ দাবী করলো। তখন তিনি বললেন: তার পিতা তো তার থেকে দায়মুক্ত। ফলে তার সম্পদে তোমাদের কোনই অংশ নেই। ফলে তিনি ফায়সালা করলেন যে, তার মা-ই তার মীরাছ পাবে, তিনি তার মাকে তার আসাবাহ নির্ধারণ করলেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلَاءِ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي بُكَيْرٍ حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ طَهْمَانَ عَنْ سِمَاكِ بْنِ حَرْبٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ أَنَّ قَوْمًا اخْتَصَمُوا إِلَى عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ فِي وَلَدِ الْمُتَلَاعِنَيْنِ فَجَاءَ عَصَبَةُ أَبِيهِ يَطْلُبُونَ مِيرَاثَهُ فَقَالَ إِنَّ أَبَاهُ كَانَ تَبَرَّأَ مِنْهُ فَلَيْسَ لَكُمْ مِنْ مِيرَاثِهِ شَيْءٌ فَقَضَى بِمِيرَاثِهِ لِأُمِّهِ وَجَعَلَهَا عَصَبَتَهُ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৮।
পরিচ্ছেদঃ ২৫. উভয় লিঙ্গ (হিজড়া) ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৮. মুহাম্মদ ইবনু আলী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এমন এক ব্যক্তির সম্পর্কে প্রশ্ন এলো যার, পুরুষাঙ্গও আছে আবার স্ত্রী অঙ্গও আছে (উভয়লিঙ্গ); সে দু’টি অঙ্গের কোনটি (পুরুষ নাকি মহিলা) হিসেবে মীরাছ পাবে? তিনি বললেন, সে এতদুভয়ের মধ্যে যে অঙ্গটি দিয়ে পেশাব করে, (সে অনুযায়ী সে মীরাছ পাবে)।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْخُنْثَى
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ عَبْدِ الْأَعْلَى أَنَّهُ سَمِعَ مُحَمَّدَ بْنَ عَلِيٍّ يُحَدِّثُ عَنْ عَلِيٍّ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ مَا لِلرَّجُلِ وَمَا لِلْمَرْأَةِ مِنْ أَيِّهِمَا يُوَرَّثُ فَقَالَ مِنْ أَيِّهِمَا بَالَ
তাখরীজ: এর তাখরীজের জন্য পরের হাদীসটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ২৫. উভয় লিঙ্গ (হিজড়া) ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০০৯. শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উভয় লিঙ্গ (হিজড়া) ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে বলেন, সে যে অঙ্গটি দিয়ে পেশাব করে, সে অনুযায়ী সে মীরাছ পাবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْخُنْثَى
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ شِبَاكٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ فِي الْخُنْثَى قَالَ يُوَرَّثُ مِنْ قِبَلِ مَبَالِهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯২০৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১২৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৯ নং ১১৪১০।
পরিচ্ছেদঃ ২৫. উভয় লিঙ্গ (হিজড়া) ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০১০. আবূ হানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, যে সন্তান পুরুষও নয়, নারীও নয়, তার পুরুষাঙ্গও নেই, আবার স্ত্রী অঙ্গও নেই-যার মধ্যস্থল (নাভীর স্থান) হতে পেশাব ও পায়খানা বের হয়- এমন একটি শিশু সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে আমির (রহঃ) বলেন, পুরুষাঙ্গের অংশের জন্য অর্ধাংশ এবং স্ত্রী অঙ্গের অংশের জন্য অর্ধেক পাবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْخُنْثَى
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو هَانِئٍ قَالَ سُئِلَ عَامِرٌ عَنْ مَوْلُودٍ وُلِدَ وَلَيْسَ بِذَكَرٍ وَلَا أُنْثَى لَيْسَ لَهُ مَا لِلذَّكَرِ وَلَيْسَ لَهُ مَا لِلْأُنْثَى يُخْرِجُ مِنْ سُرَّتِهِ كَهَيْئَةِ الْبَوْلِ وَالْغَائِطِ سُئِلَ عَنْ مِيرَاثِهِ فَقَالَ نِصْفُ حَظِّ الذَّكَرِ وَنِصْفُ حَظِّ الْأُنْثَى
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫০ নং ১১৪১৩; দারুকুতনী ৪/৮১।
পরিচ্ছেদঃ ২৬. 'কালালাহ' পিতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে
৩০১১. শা’বী (রহঃ) থেকে বর্ণিত, আবু বাকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে ’কালালাহ’ (পিতৃহীন নি:সন্তান ব্যক্তি)- এর সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, আমি তো আমার নিজের মতামত দিয়ে কথা বলব, যদি তা সঠিক হয়, তবে তা আল্লাহর পক্ষ হতে, আর যদি তা ভুল হয়, তবে তা আমার নিজের ও শয়তানের পক্ষ থেকে। সে হলো যার পিতাও নেই, সন্তানও নেই। এরপর যখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খলিফা হলেন, তখন বললেন, আবূ বকর যা বলেছেন তা প্রত্যাখ্যান করতে আল্লাহর নিকট লজ্জা বোধ করি।[1]
باب الْكَلَالَةِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ سُئِلَ أَبُو بَكْرٍ عَنْ الْكَلَالَةِ فَقَالَ إِنِّي سَأَقُولُ فِيهَا بِرَأْيِي فَإِنْ كَانَ صَوَابًا فَمِنْ اللَّهِ وَإِنْ كَانَ خَطَأً فَمِنِّي وَمِنْ الشَّيْطَانِ أُرَاهُ مَا خَلَا الْوَالِدَ وَالْوَلَدَ فَلَمَّا اسْتُخْلِفَ عُمَرُ قَالَ إِنِّي لَأَسْتَحْيِي اللَّهَ أَنْ أَرُدَّ شَيْئًا قَالَهُ أَبُو بَكْرٍ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৯১; তাবারী ৪/২৮০, ২৮৩, ২৮৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৯১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৫ নং ১১৬৪৬।
বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৪।
পরিচ্ছেদঃ ২৬. 'কালালাহ' পিতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে
৩০১২. উকবাহ ইবনু আমির জুহানী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ অন্য কোনো বিষয়ে এত কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হননি, যত কঠিন অবস্থার সম্মুখীন হয়েছিলেন কালালাহ’র বিষয়ে।[1]
باب الْكَلَالَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا سَعِيدٌ هُوَ ابْنُ أَبِي أَيُّوبَ قَالَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَبِيبٍ عَنْ مَرْثَدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْيَزَنِيِّ عَنْ عُقْبَةَ بْنِ عَامِرٍ الْجُهَنِيِّ أَنَّهُ قَالَ مَا أَعْضَلَ بِأَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ شَيْءٌ مَا أَعْضَلَتْ بِهِمْ الْكَلَالَةُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬ নং ১১৬৪৮।
পরিচ্ছেদঃ ২৬. 'কালালাহ' পিতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে
৩০১৩. হাসান ইবনু মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, কালালাহ হলো যার পিতাও নেই, সন্তানও নেই।[1]
باب الْكَلَالَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ الْكَلَالَةُ مَا خَلَا الْوَالِدَ وَالْوَلَدَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১৮৯; তাবারী ৪/ ২৮৪, ২৮৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৮৮; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬ নং ১১৬৪৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২৫।
পরিচ্ছেদঃ ২৬. 'কালালাহ' পিতৃহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি সম্পর্কে
৩০১৪. কাসিম ইবনু আব্দুল্লাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, সা’দ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু পাঠ করেন: (وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلاَلَةً أَوِ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ) অর্থ: “যদি কোনো পিতৃহীন নি:সন্তান পুরুষ অথবা স্ত্রীলোক মারা যায় এবং তার এক ভ্রাতা অথবা এক ভগ্নী থাকে।” (সূরা নিসাঃ ১২)
এ আয়াত পাঠ করে তিনি বলেন, সে ভাই অথবা বোন হবে বৈপিত্রেয় ভাই অথবা বোন।[1]
باب الْكَلَالَةِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدٌ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يَعْلَى بْنِ عَطَاءٍ عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ سَعْدٍ أَنَّهُ كَانَ يَقْرَأُ هَذِهِ الْآيَةَ وَإِنْ كَانَ رَجُلٌ يُورَثُ كَلَالَةً أَوْ امْرَأَةٌ وَلَهُ أَخٌ أَوْ أُخْتٌ لِأُمٍّ
তাখরীজ: তাবারী, তাফসীর ৪/ ২৮৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৫৯২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৬-৪১৭ নং ১১৬৫০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩১।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০১৫. আসিম ইবনু উমার ইবনু কাতাদাহ আল আনসারী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইবনু দাহদাহা’র ওয়ারিসগণকে খুঁজেছিলেন। কিন্তু কোনো (নির্ধারিত) ওয়ারিস না পেয়ে ইবনু দাহদাহা’র মামাদের নিকট তার সম্পদ হস্তান্তর করে দিলেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ حَدَّثَنَا أَبُو الْأَسْوَدِ مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ نَوْفَلٍ أَنَّ عَاصِمَ بْنَ عُمَرَ بْنِ قَتَادَةَ الْأَنْصَارِيَّ أَخْبَرَهُ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ الْتَمَسَ مَنْ يَرِثُ ابْنَ الدَّحْدَاحَةِ فَلَمْ يَجِدْ وَارِثًا فَدَفَعَ مَالَ ابْنِ الدَّحْدَاحَةِ إِلَى أَخْوَالِ ابْنِ الدَّحْدَاحَةِ
তাখরীজ: এ শব্দে এটি আর কোথাও বর্ণিত হয়নি। পরবর্তী ৩০৯৫ নং হাদীসটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০১৬. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, যার কোনো অভিভাবক নেই, আল্লাহ ও তাঁর রাসূল-ই তার অভিভাবক; আর যার ওয়ারিস নেই, মামা-ই তার ওয়ারিস।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا أَبُو عَاصِمٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ اللَّهُ وَرَسُولُهُ مَوْلَى مَنْ لَا مَوْلَى لَهُ وَالْخَالُ وَارِثُ مَنْ لَا وَارِثَ لَهُ
তাখরীজ: তিরমিযী, ফারাইয ২১০৫; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১২৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৭১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৫।
ইমাম তিরমিযী, বলেন, এ হাদীসটি হাসান গারীব। কেউ কেউ এটি ‘মুরসাল হিসেবে বর্ণনা করেছেন, তারা সেখানে ‘আয়িশা হতে’ কথাটি উল্লেখ করেননি।
এটি নিয়ে সাহাবীগণের মাঝে ইখতিলাফ (ভিন্নমত) মত; তাদের কেউ কেউ মামা, খালা, ফুফূ কে মীরাছ দিয়েছেন, যাবিল আরহামের মীরাছের ব্যাপারে এ হাদীস অনুসারে আমল করেছেন অধিকাংশ আহলে ইলমগণ। তবে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের কাউকে মীরাছ দেননি, বরং তার মীরাছ বায়তুল মালে জমা করেছেন।”
বাইহাকী বলেন, “আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা এর বক্তব্য হিসেবে এটি সংরক্ষিত, মাওকুফ হিসেবে…
আর এটি আবূ আসিম তার থেকে কোনো কোনো বর্ণনায় মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন, এরপর এতে সন্দেহ করেন, ফলে এটি মারফু’ হিসেবে মাহফুজ (সংরক্ষিত) নয়, আর আল্লাহই ভাল জানেন।”
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে মিকদাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ হিব্বান নং ৬০৩৫, ৬০৩৬; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৫, ১২২৬।
এর শাহিদ হাদীস রয়েছে মিকদাম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, আমরা যার তাখরীজ দিয়েছি সহীহ হিব্বান নং ৬০৩৭; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০১৭. যিয়াদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এক লোক (মৃতের) মাতার চাচা খালা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলো, তখন তিনি মাতার চাচাকে দিলেন দুই তৃতীয়াংশ এবং খালাকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ فِرَاسٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ زِيَادٍ قَالَ أُتِيَ عُمَرُ فِي عَمٍّ لِأُمٍّ وَخَالَةٍ فَأَعْطَى الْعَمَّ لِلْأُمِّ الثُّلُثَيْنِ وَأَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬০ নং ১১১৬১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৪; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/৩৯৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৬-২১৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০১৮. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনু খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (মৃতের) মাতার খালাকে দিলেন এক তৃতীয়াংশ এবং ফুফুকে দিলেন দুই তৃতীয়াংশ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ وَالْعَمَّةَ الثُّلُثَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬০, ২৬১ নং ১১১৬২, ১১১৬৮; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৭ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০১৯. কাইস ইবনু হাবতারী আন নাহশালী থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক মারওয়ান ইবনুল হাকামের নিকট খালা ও ফুফুর মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে এলেন। তখন এক বয়স্ক ব্যক্তি দাড়িয়ে বললেন, আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু খালাকে দিয়েছেন এক তৃতীয়াংশ এবং ফুফুকে দিয়েছেন দুই তৃতীয়াংশ। তিনি বলেন, তিনি ভাবলেন, তিনি এটি লিখে রাখবেন। এরপর তিনি বললেন, যাইদ কোথায়, এটি (লিখে দিক)?[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ عَمْرٍو عَنْ غَالِبِ بْنِ عَبَّادٍ عَنْ قَيْسِ بْنِ حَبْتَرٍ النَّهْشَلِيِّ قَالَ أُتِيَ عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ مَرْوَانَ فِي خَالَةٍ وَعَمَّةٍ فَقَامَ شَيْخٌ فَقَالَ شَهِدْتُ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ أَعْطَى الْخَالَةَ الثُّلُثَ وَالْعَمَّةَ الثُّلُثَيْنِ قَالَ فَهَمَّ أَنْ يَكْتُبَ بِهِ ثُمَّ قَالَ أَيْنَ زَيْدٌ عَنْ هَذَا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯১১২।
পরিচ্ছেদঃ ২৭. ‘যাবিল আরহাম’ (নিকটাত্মীয়)-দের মীরাছ
৩০২০. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, খালা মায়ের স্থলাভিষিক্ত এবং ফুফু পিতার স্থলাভিষিক্ত আর ভাইয়ের মেয়ে (ভাতিজি) ভাইয়ের স্থলাভিষিক্ত। এবং যখন মীরাছের নির্ধারিত অংশের অধিকারী নিকটতম কোনো আত্মীয় পাওয়া না যায়, তখন (যিল আরহাম) রক্ত সম্পর্কিয় নিকটাত্মীয় তার সেই নিকটাত্মীয়ের স্থলাভিষিক্ত, যার মাধ্যমে সে সম্পর্কযুক্ত হয়।[1]
باب فِي مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ الْخَالَةُ بِمَنْزِلَةِ الْأُمِّ وَالْعَمَّةُ بِمَنْزِلَةِ الْأَبِ وَبِنْتُ الْأَخِ بِمَنْزِلَةِ الْأَخِ وَكُلُّ رَحِمٍ بِمَنْزِلَةِ رَحِمِهِ الَّتِي يُدْلِي بِهَا إِذَا لَمْ يَكُنْ وَارِثٌ ذُو قَرَابَةٍ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৮১১৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৫; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬১ নং ১১১৬৫।
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২১. দাহহাক ইবনু কায়িস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, উমার আমাউসের মহামারী (প্লেগ) রোগে মৃতব্যক্তির সম্পর্কে ফায়সালা করেছিলেন যে, তারা পিতাকুলের দিক থেকে সম পর্যায়ের হলে মাতৃকুলকে অগ্রাধিকার দেওয়া হয়। আর যখন তারা পিতার দিক থেকে একে অপরের চেয়ে অধিক নিকটতম ছিল, তখন তারাই সম্পদের অধিক হকদার হয়েছিল।[1]
باب الْعَصَبَةِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا هِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ حَدَّثَنِي الضَّحَّاكُ بْنُ قَيْسٍ أَنَّ عُمَرَ قَضَى فِي أَهْلِ طَاعُونِ عَمَوَاسَ أَنَّهُمْ كَانُوا إِذَا كَانُوا مِنْ قِبَلِ الْأَبِ سَوَاءً فَبَنُو الْأُمِّ أَحَقُّ وَإِذَا كَانَ بَعْضُهُمْ أَقْرَبَ مِنْ بَعْضٍ بِأَبٍ فَهُمْ أَحَقُّ بِالْمَالِ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯; আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৯০৩৯, ১৯১৩৬।
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২২. আব্দুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ ইবনুল হাদী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইয়ামামা’র যুদ্ধের দিন আবী হুযাইফা’ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর দাস সালিম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নিহত হন। তার মীরাছ দুইশত দিরহাম পর্যন্ত পৌঁছেছিল। উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন, এটা তার মায়ের জন্য সংরক্ষণ করো, যাতে সে এর শেষ পর্যন্তও (তথা পুরোটা) সে পেতে পারে।[1]
باب الْعَصَبَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَقَ الشَّيْبَانِيُّ عَنْ عُبَيْدِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادِ بْنِ الْهَادِ قَالَ أُصِيبَ سَالِمٌ مَوْلَى أَبِي حُذَيْفَةَ يَوْمَ الْيَمَامَةِ فَبَلَغَ مِيرَاثُهُ مِائَتَيْ دِرْهَمٍ فَقَالَ عُمَرُ احْبِسُوهَا عَلَى أُمِّهِ حَتَّى تَأْتِيَ عَلَى آخِرِهَا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক, আল মুসান্নাফ নং ১৬২৩৭।
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২৩. আলী ইবনে আবূ তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “একই মায়ের সন্তানরা পরস্পরের ওয়ারিস হবে, বৈমাত্রেয় ভাইগণ নয়। মানুষ তার সহোদর ভাই-বোনের ওয়ারিস হবে, বৈমাত্রেয় ভাই-বোনের নয়।”[1]
باب الْعَصَبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الْحَارِثِ عَنْ عَلِيٍّ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ يَتَوَارَثُونَ دُونَ بَنِي الْعَلَّاتِ يَرِثُ الرَّجُلُ أَخَاهُ لِأَبِيهِ وَأُمِّهِ دُونَ أَخِيهِ لِأَبِيهِ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৩০০, ৩৬১, ৬২৫ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫। এছাড়াও, ইবনু মাজাহ, ফারাইয নং ২৭৩৯ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২৪. নু’মান ইবনু সালিম থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কে বললাম, কোনো লোক তার মেয়ের ছেলেকে রেখে মৃত্যুবরণ করলো, আপনি কি মনে করেন যে, সে তার ওয়ারিস হবে? তিনি বললেন, না।[1]
باب الْعَصَبَةِ
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ حَمَّادٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ النُّعْمَانِ بْنِ سَالِمٍ قَالَ قُلْتُ لِابْنِ عُمَرَ أَرَأَيْتَ رَجُلًا تَرَكَ ابْنَ ابْنَتِهِ أَيَرِثُهُ قَالَ لَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮৬ নং ১১২৪৫;
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২৫. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যার আসাবাহ নেই, মা-ই তার আসাবাহ বলে গণ্য এবং যার আসাবাহ নেই, বোন তার আসাবাহ হিসেবে গণ্য।[1]
باب الْعَصَبَةِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا الْأَعْمَشُ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْأُمُّ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ وَالْأُخْتُ عَصَبَةُ مَنْ لَا عَصَبَةَ لَهُ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৬৬।
পরিচ্ছেদঃ ২৮. আসাবাহ সম্পর্কে
৩০২৬. ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ “সুনির্দিষ্ট অংশের হকদারদের মীরাস পৌঁছে দাও। অতঃপর যা বাকী থাকবে, তা (মৃতের) নিকটতম পুরুষের জন্য।[1]
باب الْعَصَبَةِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا ابْنُ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ أَلْحِقُوا الْفَرَائِضَ بِأَهْلِهَا فَمَا بَقِيَ فَهُوَ لِأَوْلَى رَجُلٍ ذَكَرٍ
তাখরীজ: বুখারী, ফারাইয, ৬৭৩২; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৫;
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০২৮, ৬০২৯, ৬০৩০ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০২৭. মুহাম্মদ ইবনু আশ’আস (রহঃ) হতে বর্ণিত, তার এক ফুফু ইয়ামানে ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এরপর এ ঘটনা উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বললেন: তার ধর্মের অনুসারী তার সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয় তার মীরাছ পাবে।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى أَنَّ سُلَيْمَانَ بْنَ يَسَارٍ أَخْبَرَهُ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْأَشْعَثِ أَنَّ عَمَّةً لَهُ تُوُفِّيَتْ يَهُودِيَّةً بِالْيَمَنِ فَذَكَرَ ذَلِكَ لِعُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ فَقَالَ يَرِثُهَا أَقْرَبُ النَّاسِ إِلَيْهَا مِنْ أَهْلِ دِينِهَا
তাখরীজ: মালিক, ফারাইয ১২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৮; আব্দুর রাযযাক ৯৮৫৯, ১৯৩০৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭২ নং ১১৪৯০। এটি সামনেও আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০২৮. ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আশ’আস ইবনু কাইসের এক ফূফু ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। এরপর এ ঘটনা উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট উল্লেখ করা হলে তিনি বললেন: তার ধর্মের অনুসারীরাই তার মীরাছ পাবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ قَيْسِ بْنِ مُسْلِمٍ عَنْ طَارِقِ بْنِ شِهَابٍ قَالَ مَاتَتْ عَمَّةُ الْأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ وَهِيَ يَهُودِيَّةٌ فَأَتَى عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ فَقَالَ أَهْلُ دِينِهَا يَرِثُونَهَا
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৯; আব্দুর রাযযাক ৯৮৬০; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭০ নং ১১৪৮৪।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০২৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ইবনু খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, আমরা মুশরিকদের মীরাছ পাই না, তারাও আমাদের মীরাছ পাবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَهْلُ الشِّرْكِ لَا نَرِثُهُمْ وَلَا يَرِثُونَا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৫৬, ১৯২৯৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪১।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩০. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সকলেই বলেছেন: “দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ কখনো একে অপরের ওয়ারিস হবে না।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ عِيسَى الْحَنَّاطِ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَأَبَا بَكْرٍ وَعُمَرَ قَالُوا لَا يَتَوَارَثُ أَهْلُ دِينَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৭১ মারফু’ হিসেবে ভিন্ন শব্দে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩১. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: “দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عُمَرَ قَالَ لَا يَتَوَارَثُ أَهْلُ مِلَّتَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৬৪ যয়ীফ সনদে।
তবে এর শাহিদ রয়েছে উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বুখারী, ফরাইয ৬৭৬৪; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৪। আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭৫৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫১।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩২. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “আমরা আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান) দেরকে ওয়ারিস বানাই না, আবার তারাও আমাদেরকে ওয়ারিস বানায় না; তবে কোনো লোকের দাস বা দাসী মারা গেলে (সে তার ওয়ারিস হবে)।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ لَا نَرِثُ أَهْلَ الْكِتَابِ وَلَا يَرِثُونَا إِلَّا أَنْ يَمُوتَ لِلرَّجُلِ عَبْدُهُ أَوْ أَمَتُهُ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৪৫ তে। সংযোজনী: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭৩ নং ১১৪৯৫ মারফু’ হিসেবে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৩. জাবির রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “আমরা আহলে কিতাব (ইয়াহুদী ও খ্রিস্টান) দেরকে ওয়ারিস বানাই না, আবার তারাও আমাদেরকে ওয়ারিস বানায় না; তবে কোনো লোকের দাস বা দাসী মারা গেলে (সে তার ওয়ারিস হবে)।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ جَابِرٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا نَرِثُ أَهْلَ الْكِتَابِ وَلَا يَرِثُونَا إِلَّا الرَّجُلُ يَرِثُ عَبْدَهُ أَوْ أَمَتَهُ
তাখরীজ: আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৪৫ তে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৪. মাসরুক (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মু’আবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুসলিমকে কাফিরের ওয়ারিস বানাতেন, তবে কোনো কাফিরকে মুসলিমের ওয়ারিস বানাতেন না। তিনি (বর্ণনাকারী) বলেন, মাসরুক (রহঃ) বলেন, এর চেয়ে ইসলামের মধ্যে আর কোনো নতুন ফায়সালা বা রায় আমার নিকট এত প্রিয় নেই।[1]
আবূ মুহাম্মদ (দারিমী) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, আপনার মতও কি তাই? তিনি বলেন, না।
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ مَسْرُوقٍ قَالَ كَانَ مُعَاوِيَةُ يُوَرِّثُ الْمُسْلِمَ مِنْ الْكَافِرِ وَلَا يُوَرِّثُ الْكَافِرَ مِنْ الْمُسْلِمِ قَالَ قَالَ مَسْرُوقٌ وَمَا حَدَثَ فِي الْإِسْلَامِ قَضَاءٌ أَحَبُّ إِلَيَّ مِنْهُ قِيلَ لِأَبِي مُحَمَّدٍ تَقُولُ بِهَذَا قَالَ لَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭৪ নং ১১৪৯৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪৫, ১৪৭ (অপর সহীহ সনদে)।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৫. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, মু’যিলাহ বিনতুল হারিস ইয়ামানে ইয়াহুদী অবস্থায় মৃত্যু বরণ করেন। তিনি আশ’আস ইবনু কাইসের ফুফু ছিল। ফলে তিনি উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট গিয়ে তার মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলেন। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: এতে তোমার জন্য কোনো অংশ নেই। তার ধর্মের অনুসারী তার সবচেয়ে নিকটবর্তী আত্মীয় তার মীরাছ পাবে। দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ عَنْ عَامِرٍ أَنَّ الْمُعْزِلَةَ بِنْتَ الْحَارِثِ تُوُفِّيَتْ بِالْيَمَنِ وَهِيَ يَهُودِيَّةٌ فَرَكِبَ الْأَشْعَثُ بْنُ قَيْسٍ وَكَانَتْ عَمَّتَهُ إِلَى عُمَرَ فِي مِيرَاثِهَا فَقَالَ عُمَرُ لَيْسَ ذَاكَ لَكَ يَرِثُهَا أَقْرَبُ النَّاسِ مِنْهَا مِنْ أَهْلِ دِينِهَا لَا يَتَوَارَثُ مِلَّتَانِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৪৪। পূর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্ববর্তী ৩০২৫ নং হাদীসটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৬. আনাস ইবনু সিরীন (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বললেন: দুই ভিন্ন দীনের অনুসারীগণ একে অপরের ওয়ারিস হবে না এবং যে ওয়ারিস হয় না, সে অন্যকে (মীরাস থেকে) বঞ্চিত করতে পারে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ سِيرِينَ قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ لَا يَتَوَارَثُ مِلَّتَانِ شَتَّى وَلَا يَحْجُبُ مَنْ لَا يَرِثُ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৩৮।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৭. উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
তাখরীজ: বুখারী, ফরাইয ৬৭৬৪; মুসলিম, ফারাইয ১৬১৪।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৪৭৫৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৩ ও মুসনাদুল হুমাইদী নং ৫৫১। এটি সামনে ৩০৩৬ ও ৩০৩৭ নং এও আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৮. আবী মা’শার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যখন কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করে, তখন এর হকদারকে তার হকসমূহ প্রদান করা ওয়াজিব হয়। তবে সেই ব্যক্তিকে কিছুই দেওয়া হবে না যে মীরাছ বন্টনের পূর্বে ইসলাম গ্রহণ করবে, অথবা যে দাসকে মুক্তি দান করবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا مَاتَ الْمَيِّتُ وَجَبَتْ الْحُقُوقُ لِأَهْلِهَا وَلَمْ يَجْعَلْ لِمَنْ أَسْلَمَ أَوْ أُعْتِقَ قَبْلَ أَنْ يُقْسَمَ الْمِيرَاثُ شَيْئًا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪২৪ নং ১১৬৭৫ সহীহ সনদে; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ৯৮৮৯।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৩৯. (অপর সনদে) উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
তাখরীজ: বুখারী ও মুসলিমের সম্মিলিত বর্ণনা। এটি গত হয়েছে ৩০৩৪ নং এ।
পরিচ্ছেদঃ ২৯. মুসলিম এবং মুশরিকের মীরাছ সম্পর্কে
৩০৪০. (অপর সনদে) উসামাহ ইবনু যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কোনো কাফিরকে কোনো মুসলিম ওয়ারিস বানায় না, আবার কোনো মুসলিমকেও কোনো কাফির ওয়ারিস বানায় না।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ أَهْلِ الشِّرْكِ وَأَهْلِ الْإِسْلَامِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ عَنْ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ عَنْ أُسَامَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ لَا يَرِثُ الْمُسْلِمُ الْكَافِرَ وَلَا الْكَافِرُ الْمُسْلِمَ
তাখরীজ: এটি পূর্বের হাদীসের পুনরাবৃত্তি। আরও দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৪ ও শাওকানী, নাইলুল আওতার ৬/১৯২-১৯৪।
পরিচ্ছেদঃ ৩০. মাকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে মুক্তিলাভের চুক্তিকারী দাস) সম্পর্কে
৩০৪১. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যতক্ষণ কোন মুকাতিব (চুক্তিকৃত) দাসের চুক্তিকৃত অর্থ পরিশোধে কোনো কিছু বাকী থাকে, এমতাবস্থায় সে দাস মীরাছের কোনোকিছুই পাবে না।[1]
باب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَيْسَ لِلْمُكَاتَبِ مِيرَاثٌ مَا بَقِيَ عَلَيْهِ شَيْءٌ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত অন্য কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৩০. মাকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে মুক্তিলাভের চুক্তিকারী দাস) সম্পর্কে
৩০৪২. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, কোনো লোকের কিছু পুত্র ছিল, যাদের কেউ (তার এক দাসকে) মুক্ত করেছিল অর্ধাংশ, কেউ এক তৃতীয়াংশ এবং কেউ এক চতুর্থাংশ। আতা রাহি তার সম্পর্কে বলেন, যতক্ষণ না তারা (তাকে পুরোপুরি) মুক্ত করছে ততক্ষণ তাদেরকে (এর) ওয়ারিস বানানো হবে না।[1]
باب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي رَجُلٍ لَهُ بَنُونَ قَدْ أَعْتَقَ مِنْ بَعْضِهِمْ النِّصْفَ وَمِنْ بَعْضِهِمْ الثُّلُثَ وَمِنْ بَعْضٍ الرُّبُعَ قَالَ لَا يَرِثُونَ حَتَّى يُعْتَقُوا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/১৩৯ নং ৬১৪; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৫৭২২; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/১১১; বাইহাকী, ফারাইয ১০/৩৪২।
পরিচ্ছেদঃ ৩০. মাকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে মুক্তিলাভের চুক্তিকারী দাস) সম্পর্কে
৩০৪৩. হাম্মাদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার অসুস্থতার সময় তার একটি ছেলেকে ক্রয় করলো, এ লোক সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি (এ ক্রয় মুল্য) এক তৃতীয়াংশ থেকে অধিক হয়, তবে সে তার ওয়ারিস হবে, আর যদি তা তার উপর কষ্টকর হয়, তবে সে ওয়ারিস হবে না।[1]
باب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ وَسَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي رَجُلٍ اشْتَرَى ابْنَهُ فِي مَرَضِهِ قَالَ إِنْ خَرَجَ مِنْ الثُّلُثِ وَرِثَهُ وَإِنْ وَقَعَتْ عَلَيْهِ السِّعَايَةُ لَمْ يَرِثْ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/১৭৭ নং ১১৮৭২; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬৪৮৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩০. মাকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধ করে মুক্তিলাভের চুক্তিকারী দাস) সম্পর্কে
৩০৪৪. হাসান তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন, শা’বী (রহঃ) বলেন, মুকাতাবের (চুক্তিবদ্ধ দাসের) অংশ হলো একজন সাধারণ দাসের অনুরুপ, যতক্ষণ তাকে মুক্ত করা না হবে।[1]
باب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ أَبِيهِ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ حَدُّ الْمُكَاتَبِ حَدُّ الْمَمْلُوكِ حَتَّى يُعْتَقَ
তাখরীজ: এর শাহিদ হাদীস রয়েছে ইবনু আবী শাইবা ৬/১৪৮ নং ৬১১, ৯/৫১৭ নং ৮২৩৯; তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৩/১১১ ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে … এর সনদ সহীহ; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/২২৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৪৫. যুহুরী (রহঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, মুক্ত দাস হলো দীনী ভাই ও একটি নিয়ামাত। আর তার মীরাসের সর্বাধিক হকদার হলো যে মুক্তিদানের দিক থেকে তার অধিক নিকটবর্তী।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ قَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ الْمَوْلَى أَخٌ فِي الدِّينِ وَنِعْمَةٌ أَحَقُّ النَّاسِ بِمِيرَاثِهِ أَقْرَبُهُمْ مِنْ الْمُعْتِقِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৭২; বাইহাকী, মুকাতিব ১০/৩০৪।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৪৬. হাসান হতে[1] এবং মুহাম্মদ ইবনু সালিম হতে বর্ণিত, কোনো লোক একটি দাস মুক্ত করলো এবং এ লোকটি ও দাসটি উভয়ে মৃত্যুবরণ করলো, আর দাসের মুক্তিদানকারী লোকটি তার পিতা ও এক পূত্র রেখে গেলো। এ ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন: এ (উভয়ের) মালের পুরোটাই তার পূত্র পাবে।[2]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا مَنْصُورٌ عَنْ الْحَسَنِ وَمُحَمَّدُ بْنُ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ أَعْتَقَ مَمْلُوكًا ثُمَّ مَاتَ الْمَوْلَى وَالْمَمْلُوكُ وَتَرَكَ الْمُعْتِقُ أَبَاهُ وَابْنَهُ قَالَا الْمَالُ لِلِابْنِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৪ নং ১১৫৬৮।
[2] তাহক্বীক্ব: সনদটি যয়ীফ মুহাম্মদ ইবনু সালিমের দুর্বলতার কারনে।
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৪ নং ১১৫৬৯।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৪৭. সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে লোক তার পিতা ও তার পৌত্র (পুত্রের পুত্র) রেখে মৃত্যুবরণ করল, তার সম্পর্কে যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’ওয়ালা’ (মালিকানা) লাভ করবে তার পৌত্র।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبَّادٌ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَامِرٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ فِي رَجُلٍ تَرَكَ أَبَاهُ وَابْنَ ابْنِهِ فَقَالَ الْوَلَاءُ لِابْنِ الِابْنِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৩ নং ১১৫৬৬ (এতে রয়েছে: পুরো সম্পদ তার পুত্র পাবে।); আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২৯৮ (এখানে রয়েছে: ‘ওয়ালা (মালিকানা) পুত্র লাভ করবে।)
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৪৮. যাইদ ইবনু আবী মারইয়াম (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক মহিলা তার একটি দাস মুক্ত করল। এরপর সে তার এক পুত্র ও এক ভাই রেখে সে (মহিলা) মৃত্যু বরণ করলো। এরপর তার মুক্ত দাসটিও মৃত্যু বরণ করলো। তখন মহিলাটির পুত্র ও ভাই দুজনেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার মীরাছের ব্যাপারে আসলো। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন: “তার মীরাছ তার ছেলে পাবে।” তখন মহিলাটির ভাই বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে যদি কোনো অপরাধ (দেনা) করে যেতো তবে তার দায়িত্ব কার উপর অর্পিত হতো? তখন তিনি বললেন: “তোমার উপর।”[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُعَمَّرٌ حَدَّثَنَا خُصَيْفٌ عَنْ زِيَادِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ أَنَّ امْرَأَةً أَعْتَقَتْ عَبْدًا لَهَا ثُمَّ تُوُفِّيَتْ وَتَرَكَتْ ابْنَهَا وَأَخَاهَا ثُمَّ تُوُفِّيَ مَوْلَاهَا فَأَتَى النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ ابْنُ الْمَرْأَةِ وَأَخُوهَا فِي مِيرَاثِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِيرَاثُهُ لِابْنِ الْمَرْأَةِ فَقَالَ أَخُوهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ لَوْ أَنَّهُ جَرَّ جَرِيرَةً عَلَى مَنْ كَانَتْ قَالَ عَلَيْكَ
তাখরীজ: আমি এটি এ শব্দে আর কোথাও পাইনি কেবল ‘ইরওয়াউল গালীল’ ১৬৯৭ নং ব্যতীত। দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯০-২৯১ ও আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ ৯/৩৫। ((এর বর্ণনাকারী খুসাইফ দুর্বল স্মৃতিশক্তির কারণে সনটি দুর্বল। এটি বর্ণনা করেছেন বাইহাকী, কুবরা ১০/৩০৩।– ফাতহুল মান্নান হা/৩২১৮।–অনুবাদক))
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৪৯. মুগীরাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এক লোক সম্পর্কে ইবরাহীমকে জিজ্ঞেস করলাম, যে তার একটি দাস মুক্ত করল। এরপর তার পিতা ও এক পুত্র রেখে সে দাসমুক্তকারী লোকটি মৃত্যু বরণ করলো এবং তার মুক্ত দাসটিও মৃত্যু বরণ করলো। তখন তিনি বললেন: ’তার পিতা পাবে এই পরিমাণ এবং বাকী সম্পদ তার পুত্র পাবে।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا مُغِيرَةُ قَالَ سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ رَجُلٍ أَعْتَقَ مَمْلُوكًا لَهُ فَمَاتَ وَمَاتَ الْمَوْلَى فَتَرَكَ الْمُعْتِقُ أَبَاهُ وَابْنَهُ فَقَالَ لِأَبِيهِ كَذَا وَمَا بَقِيَ فَلِابْنِهِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৩ নং ১১৫৬৭; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২৫৭, ১৬২৯৭।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫০. শু’বাহ বলেন আমি হাকাম ও হাম্মাদ উভয়কে বলতে শুনেছি, তারা বলতেন: এ (মীরাছ) ছেলে পাবে।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّلْتِ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ شُعْبَةَ قَالَ سَمِعْتُ الْحَكَمَ وَحَمَّادًا يَقُولَانِ هُوَ لِلِابْنِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৪, ৩৯৫ নং ১১৫৭০, ১১৫৭৪; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২৫৭।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫১. হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাকী’ কবরস্থানের দিকে গেলেন, সেখানে একটি লোক বিক্রি হতে দেখলেন। তখন তিনি তার নিকট এসে তার ব্যাপারে (বিক্রেতার সাথে) দর কষাকষি করলেন এবং না কিনে ফিরে গেলেন। তখন এক লোক বিষয়টি দেখে লোকটিকে ক্রয় করে নিয়ে মুক্ত করে দিলেন। অত:পর তাকে নিয়ে সে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, আমি লোকটিকে ক্রয় করে নিয়ে মুক্ত করে দিয়েছি। এ সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তখন তিনি বললেন, “সে তোমারই ভাই এবং তোমার মুক্ত দাস (মাওলা)।” লোকটি বললেন, তার সঙ্গ গ্রহণের ব্যাপারে আপনি কি বলেন? তখন তিনি বললেন, “সে যদি তোমার কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে, তবে তার জন্য তা কল্যাণকর, আর তোমার জন্য ক্ষতিকর। আর যদি সে তোমার (উপকার) অস্বীকার করে, তবে তা তোমার জন্য কল্যাণকর, আর তার জন্য ক্ষতিকর।” লোকটি বললেন, তবে তার সম্পদ সম্পর্কে আপনার মতামত কি? তিনি বললেন, “যদি সে মৃত্যুবরণ করে, আর তার কোনো আসাবাহ (নিকটাত্মীয়) না থাকে, তবে তুমি হবে তার ওয়ারিছ।”[1]
باب الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ خَرَجَ إِلَى الْبَقِيعِ فَرَأَى رَجُلًا يُبَاعُ فَأَتَاهُ فَسَاوَمَ بِهِ ثُمَّ تَرَكَهُ فَرَآهُ رَجُلٌ فَاشْتَرَاهُ فَأَعْتَقَهُ ثُمَّ جَاءَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقَالَ إِنِّي اشْتَرَيْتُ هَذَا فَأَعْتَقْتُهُ فَمَا تَرَى فِيهِ فَقَالَ هُوَ أَخُوكَ وَمَوْلَاكَ قَالَ مَا تَرَى فِي صُحْبَتِهِ فَقَالَ إِنْ شَكَرَكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَهُ وَشَرٌّ لَكَ وَإِنْ كَفَرَكَ فَهُوَ خَيْرٌ لَكَ وَشَرٌّ لَهُ قَالَ مَا تَرَى فِي مَالِهِ قَالَ إِنْ مَاتَ وَلَمْ يَتْرُكْ عَصَبَةً فَأَنْتَ وَارِثُهُ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪০; আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২১৪।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫২. আবদুল্লাহ ইবনু শাদ্দাদ থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হামযা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কন্যা তার একটি দাসকে মুক্ত করেন। এরপর মুক্তদাসটি একটি কন্যা সন্তান ও তার মুক্তিদাত্রী হামযার কন্যাকে রেখে মারা যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার পরিত্যক্ত সম্পদ তার সেই কন্যা ও মুক্তিদাত্রী হামযার কন্যার মধ্যে অর্ধেক-অর্ধেক করে বণ্টন করেন।[1]
باب الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا أَشْعَثُ عَنْ الْحَكَمِ وَسَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ شَدَّادٍ أَنَّ ابْنَةَ حَمْزَةَ أَعْتَقَتْ عَبْدًا لَهَا فَمَاتَ وَتَرَكَ ابْنَتَهُ وَمَوْلَاتَهُ بِنْتَ حَمْزَةَ فَقَسَمَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِيرَاثَهُ بَيْنَ ابْنَتِهِ وَمَوْلَاتِهِ بِنْتِ حَمْزَةَ نِصْفَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২১০; তাবারাণী, কাবীর ২৪/৩৫৫, ৩৫৭ নং ৮৮০,৮৮৫,৮৮৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৭ নং ১১১৮২, ১১১৮৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৭৩, ১৭৪; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪১ সনদ সহীহ। এছাড়া, ইবনু মাজাহ ২৭৩৪; হাকিম ৪/৬৬; সহীহ সনদে।…
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৩. শুমুস আল কিনদীয়া হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার পিতা মারা গেলেন, আমি এবং তার এক মুক্ত গোলাম ব্যতীত আর কোনো ওয়ারিস ছিল না। এ বিষয়ে আমি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট ফায়সালা চাইলে তিনি আমাকে অর্ধেক সম্পদ দিলেন এবং তার মুক্ত গোলামকে অর্ধেক দিলেন।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ شَمُوسَ الْكِنْدِيَّةِ قَالَتْ قَاضَيْتُ إِلَى عَلِيٍّ فِي أَبٍ مَاتَ فَلَمْ يَدَعْ أَحَدًا غَيْرِي وَمَوْلَاهُ فَأَعْطَانِي النِّصْفَ وَأَعْطَى مَوْلَاهُ النِّصْفَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৮ নং ১১১৮৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৬৭। পুর্ণ তাখরীজের জন্য পরবর্তী হাদীসটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৪. আবী কুনূদ হতে বর্ণিত, (মৃত ব্যক্তির) এক কন্যা এবং তার এক মুক্ত গোলাম কে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট নিয়ে আসা হলো। আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কন্যাকে অর্ধেক সম্পদ দিলেন এবং তার মুক্ত গোলামকে অর্ধেক দিলেন।হাকাম বলেন, তবে (এটা) ঐ অবস্থায় যে, গোলামের অংশ যা তার মালিকের পক্ষ হতে ওয়ারিস হয়।[1]
باب الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ ابْنِ أَبِي لَيْلَى عَنْ الْحَكَمِ عَنْ أَبِي الْكَنُودِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ أُتِيَ بِابْنَةٍ وَمَوْلًى فَأَعْطَى الِابْنَةَ النِّصْفَ وَالْمَوْلَى النِّصْفَ قَالَ الْحَكَمُ فَمَنْزِلِي هَذَا نَصِيبُ الْمَوْلَى الَّذِي وَرِثَهُ عَنْ مَوْلَاهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৮ নং ১১১৮৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৫. হাকাম হতে বর্ণিত, আব্দুর রহমান ইবনু মুদলিজ তার এক কন্যা ও এক মুক্ত দাস রেখে মৃত্যু বরণ করেন। তখন আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার কন্যাকে অর্ধেক সম্পদ দেন এবং তার মুক্ত গোলামকে অর্ধেক দেন।[1
باب الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُدْلِجٍ أَنَّهُ مَاتَ وَتَرَكَ ابْنَتَهُ وَمَوَالِيَهُ فَأَعْطَى عَلِيٌّ ابْنَتَهُ النِّصْفَ وَمَوَالِيَهُ النِّصْفَ
তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মা’আনিল আছার ৪/৪০২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪১; (অপর একটি সহীহ সনদে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, সেখানে ইবনু মুদলিজের কথা উল্লেখ নেই)।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৬. শুমুস হতে বর্ণিত, তার পিতা মারা গেলে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে অর্ধেক সম্পদ দিলেন এবং তার মুক্ত গোলামকে অর্ধেক দিলেন।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ الشَّمُّوسِ أَنَّ أَبَاهَا مَاتَ فَجَعَلَ عَلِيٌّ لَهَا النِّصْفَ وَلِمَوَالِيهِ النِّصْفَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৮ নং ১১১৮৭; পুর্ণ তাখরীজের জন্য পূর্ববর্তী ৩০৫০ নং হাদীসটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৭. জাহম ইবনু দীনার হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) কে এমন দু’বোন সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যাদের একজন তাদের পিতাকে (দাস অবস্থায় পেয়ে) ক্রয় করে মুক্ত করে দিলো। এরপর সে লোকটি মৃত্যুবরণ করলো। তিনি বললেন, আল্লাহর কিতাব অনুসারে তাদের উভয়ের নির্ধারিত অংশ হলো দুই তৃতীয়াংশ। এরপর অবশিষ্ট সম্পদ পাবে তাকে দাসত্ব হতে মুক্তিদানকারী মেয়েটি, অপর মেয়েটি পাবে না।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ عَنْ جَهْمِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ أُخْتَيْنِ اشْتَرَتْ إِحْدَاهُمَا أَبَاهَا فَأَعْتَقَتْهُ ثُمَّ مَاتَ قَالَ لَهُمَا الثُّلُثَانِ فَرِيضَتُهُمَا فِي كِتَابِ اللَّهِ وَمَا بَقِيَ فَلِلْمُعْتِقَةِ دُونَ الْأُخْرَى
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯০ নং ১১১৮২, ১১১৮৪। আর আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২১৫ এ যুহুরী হতে সহীহ সনদে অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। ১৬২৭০ নং টিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩১. ওয়ালা (মালিকানা স্বত্ব) সম্পর্কে
৩০৫৮. আশআস ইবনু সিওয়ার হতে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) কে এমন এক মেয়ে সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো যে তার পিতাকে (দাস অবস্থায় পেয়ে ক্রয় করে) মুক্ত করে দিলো। এরপর পিতা লোকটি এ মেয়েটিসহ চারটি কন্যা রেখে মৃত্যুবরণ করলো। তিনি বললেন, সে লোকটির উপর অনুগ্রহের কোনো দায়িত্ব নেই; তাদের সকলে মিলে দুই তৃতীয়াংশ পাবে। আর সে মেয়েটিও তাদের সাথেই পেয়ে থাকবে।[1]
باب الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي امْرَأَةٍ أَعْتَقَتْ أَبَاهَا فَمَاتَ الْأَبُ وَتَرَكَ أَرْبَعَ بَنَاتٍ هِيَ إِحْدَاهُنَّ قَالَ لَيْسَ عَلَيْهِ مِنَّةٌ لَهُنَّ الثُّلُثَانِ وَهِيَ مَعَهُنَّ
তাখরীজ: এটি আমি আর কোথাও পাইনি। দেখুন, আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬২১৩ টি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩২. তাদের সম্পর্কে যারা 'যাবিল আরহাম' (নিকটাত্মীয়) গণকে মীরাছ প্রদান করেন, মাওলা তথা মুক্ত দাসকে দেন না
৩০৫৯. হাইয়্যান ইবনু সুলাইমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি সুওয়াইদ ইবনু গাফালা’র নিকট ছিলাম, এমন সময় একজন লোক এসে এক ব্যক্তির উত্তরাধিকার সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলো, যে তার এক কন্যা ও স্ত্রী রেখে মৃত্যু বরণ করেছে। তখন তিনি বললেন, আমি তোমাকে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ফায়সালা জানিয়ে দিচ্ছি।সে বললো, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর ফায়সালাই আমার জন্য যথেষ্ট। তিনি বললেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফায়সালা করেছেন যে, স্ত্রী পাবে এক অষ্টমাংশ এবং কন্যা পাবে অর্ধেক। এরপর বাকী সম্পদ কন্যার দিকে ফিরে আসবে (তথা, কন্যা অবশিষ্ট সম্পদ পুনরায় পাবে)।[1]
باب فِيمَنْ أَعْطَى ذَوِي الْأَرْحَامِ دُونَ الْمَوَالِي
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ حَيَّانَ بْنِ سَلْمَانَ قَالَ كُنْتُ عِنْدَ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ فَجَاءَهُ رَجُلٌ فَسَأَلَهُ عَنْ فَرِيضَةِ رَجُلٍ تَرَكَ ابْنَتَهُ وَامْرَأَتَهُ قَالَ أَنَا أُنْبِئُكَ قَضَاءَ عَلِيٍّ قَالَ حَسْبِي قَضَاءُ عَلِيٍّ قَالَ قَضَى عَلِيٌّ لِامْرَأَتِهِ الثُّمُنَ وَلِابْنَتِهِ النِّصْفَ ثُمَّ رَدَّ الْبَقِيَّةَ عَلَى ابْنَتِهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৭৩ নং ১১২০৮; ফাসাওয়ী, মা’রিফাতু ওয়াত তারীখ ৩/১৯১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৪২।
পরিচ্ছেদঃ ৩২. তাদের সম্পর্কে যারা 'যাবিল আরহাম' (নিকটাত্মীয়) গণকে মীরাছ প্রদান করেন, মাওলা তথা মুক্ত দাসকে দেন না
৩০৬০. আবীল হাইছাম হতে বর্ণিত, ইবরাহীমের একটি মুক্ত দাসী কিছু সম্পদ রেখে মৃত্যুবরণ করলো। তখন আমি ইবরাহীমকে তা বললাম। তখন তিনি বললেন, নিশ্চয়ই তার ঘনিষ্ঠ আত্মীয়-স্বজন রয়েছে।[1]
باب فِيمَنْ أَعْطَى ذَوِي الْأَرْحَامِ دُونَ الْمَوَالِي
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ أَبِي الْهَيْثَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ مَوْلَاةً لِإِبْرَاهِيمَ تُوُفِّيَتْ وَتَرَكَتْ مَالًا فَقُلْتُ لِإِبْرَاهِيمَ فَقَالَ إِنَّ لَهَا ذَا قَرَابَةٍ
তাখরীজ: (ভিন্ন শব্দে ও সূত্রে) সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৮২। আব্দুর রাযযাক আল মুসান্নাফ নং ১৬১৯৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৪ নং ১১২১২।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬১. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার, আলী, যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বর্ণনা করেছেন এবং আমার মনে হয়- আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুও বর্ণনা করেছেন যে, তারা বলেছেন: অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি।’ এর দ্বারা তারা বয়োজেষ্ঠ বলতে ঐ সকল ব্যক্তিদেরকে বুঝিয়েছেন, যারা ছিলেন পিতা কিংবা মাতার দিক থেকে নিকটাত্মীয়।[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالَ وَأَحْسَبُهُ قَدْ ذَكَرَ عَبْدَ اللَّهِ أَيْضًا أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ يَعْنُونَ بِالْكُبْرِ مَا كَانَ أَقْرَبَ بِأَبٍ أَوْ أُمٍّ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ১০/৩০৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৭। এটি সামনেও আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬২. আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট পত্র যোগে ফুকাইহাহ বিনতে সাম’আন সম্পর্কে জানতে চাওয়া হলো যে তার সহোদর ভাইয়ের এক ছেলে এবং বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলে রেখে মৃত্যু বরণ করেছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু লিখে পাঠালেন যে, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ حَدَّثَنَا أَشْعَثُ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ قَالَ كُتِبَ إِلَى عُمَرَ فِي شَأْنِ فُكَيْهَةَ بِنْتِ سَمْعَانَ أَنَّهَا مَاتَتْ وَتَرَكَتْ ابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا وَابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا فَكَتَبَ عُمَرُ إِنَّ الْوَلَاءَ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৩৯ অপর একটি সহীহ সনদে ইবনু সীরীন হতে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’আর আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও শুরাইহ বলেন, তা পাবে তার ওয়ারিসগণ।[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَزَيْدًا قَالَا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ وَقَالَ عَبْدُ اللَّهِ وَشُرَيْحٌ لِلْوَرَثَةِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৪ নং ১১৬০৭; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৪. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার, আব্দুল্লাহ, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ফায়সালা করেছেন যে, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَضَى عُمَرُ وَعَبْدُ اللَّهِ وَعَلِيٌّ وَزَيْدٌ لِلْكُبْرِ بِالْوَلَاءِ
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০৫৮ তে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৫. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ফুকাইহাহ বিনতে সাম’আন তার বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলে এবং সহোদর ভাইয়ের এক ছেলের ছেলে (নাতি) রেখে মৃত্যু বরণ করেছিল। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার বৈমাত্রেয় এক ভাইয়ের ছেলেকে তার সম্পদের উত্তরাধিকার বানিয়ে দিলেন।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ قَالَ تُوُفِّيَتْ فُكَيْهَةُ بِنْتُ سَمْعَانَ وَتَرَكَتْ ابْنَ أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَبَنِي بَنِي أَخِيهَا لِأَبِيهَا وَأُمِّهَا فَوَرَّثَ عُمَرُ بَنِي أَخِيهَا لِأَبِيهَا
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০৫৯ নং তে এবং সামনে আসছে ৩০৬৫ তে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৬. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুম বলেন, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫০, ১১/৪০৪ নং ১১৬০৬; বাইহাকী, ফারাইয ১০/ ৩০৩,৩০৬।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৭. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, দু’ভাই যারা এক মুক্ত দাসের উত্তরাধিকার লাভ করে, যাকে তাদের উভয়ের পিতা মুক্তি দান করেন। তিনি এমন দাস সম্পর্কে বলেন, আলী, যাইদ ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي أَخَوَيْنِ وَرِثَا مَوْلًى كَانَ أَعْتَقَهُ أَبُوهُمَا فَمَاتَ أَحَدُهُمَا وَتَرَكَ وَلَدًا قَالَ كَانَ عَلِيٌّ وَزَيْدٌ وَعَبْدُ اللَّهِ يَقُولُونَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৬৫, ২৬৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৩ নং ১১৬০৫; বাইহাকী, ফারাইয ১০/ ৩০৩। এটি পূর্বেও গত হয়েছে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৮. হাম্মাদ ইবনু যাইদ (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি মাত্বর ইবনু ওয়ররাককে বলতে শুনেছি যে, উমার ও আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ قَالَ سَمِعْتُ مَطَرًا الْوَرَّاقَ يَقُولُ قَالَ عُمَرُ وَعَلِيٌّ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: এছাড়া, তাখরীজের জন্য দেখুন পূর্বের টীকাটি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৬৯. ইবনু জুরাইজ আতা হতে[1] এবং ইবনু তাউস হতে ইবনু তাউসের পিতার সূত্রে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[2]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى عَنْ رَوْحٍ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ وَابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: পরবর্তী টীকাটি দেখুন। এছাড়া, আব্দুর রাযযাক ১৬২৪৩।
[2] তাহক্বীক্ব: এর সনদ পুর্বের হাদীসটির মতই যয়ীফ (দুর্বল)। ইবনু জুরাইজ এটি আন’ আন শব্দে বর্ণনা করেছেন।
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৫ নং ১১৬১০ লাইসের সূত্রে তাউস হতে, আর লাইস যয়ীফ। পুর্ববর্তী টীকাটি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩৩. অভিভাবকত্ব পাবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তি
৩০৭০. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ’অভিভাবকত্বের অধিকারী হবে বয়োজেষ্ঠ ব্যক্তিগণ।’[1]
باب الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ
তাখরীজ: বিগত ৩০৬৪ নং ও পুর্বের হাদীসটিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩৪. কোন ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির অভিভাবকত্ব লাভ করলে
৩০৭১. শা’বী (রহঃ) হতে, এবং হাসান (রহঃ) হতে বর্ণিত, ’কোন ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির অভিভাবকত্ব লাভ করা’ সম্পর্কে তারা উভয়ে বলেন, এটি দু’জন মুসলিমের মাঝে হবে। সুফিয়ান বলেন, আমাদের মতও অনুরূপ।[1]
باب فِي الرَّجُلِ يُوَالِي الرَّجُلَ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ وَسُفْيَانُ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يُوَالِي الرَّجُلَ قَالَا هُوَ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ قَالَ سُفْيَانُ وَكَذَلِكَ نَقُولُ
তাখরীজ: হাসানের সনদটি বর্ণনা করেছেন, আব্দুর রাযযাক ১৬২৭৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১১ নং ১১৬৩১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৭, ২০৮।
আর শা’বীর সনদে সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৬।
পরিচ্ছেদঃ ৩৪. কোন ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির অভিভাবকত্ব লাভ করলে
৩০৭২. তামীম দারী রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন কাফির মধ্যকার কোনো ব্যক্তি যদি কোন মুসলিমের হাতে ইসলাম গ্রহণ করে তবে এ ক্ষেত্রে বিধান কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ “তার জীবনে ও তার মরণে এ ব্যক্তিই হবে লোকদের মাঝে তার সবচেয়ে নিকটবর্তী।[1]
باب فِي الرَّجُلِ يُوَالِي الرَّجُلَ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ قَالَ سَمِعْتُ تَمِيمًا الدَّارِيَّ يَقُولُ سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا السُّنَّةُ فِي الرَّجُلِ مِنْ أَهْلِ الْكُفْرِ يُسْلِمُ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ مِنْ الْمُسْلِمِينَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ هُوَ أَوْلَى النَّاسِ بِمَحْيَاهُ وَمَمَاتِهِ
তাখরীজ: আমরা এর তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১৬৫ তে। ((তিরমিযী, ফারাইয ২১১৩; ইবনু মাজাহ, ফারাইয ২৭৫২; আবূ দাউদ, ফারাইয ২৯১৮।– মুহাক্কিক্বের তাহক্বীক্বকৃত মুসনাদুল মাউসিলী নং ৭১৬৫।–অনুবাদক))
পরিচ্ছেদঃ ৩৪. কোন ব্যক্তি অপর কোনো ব্যক্তির অভিভাবকত্ব লাভ করলে
৩০৭৩. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) কে, তদানীন্তন কৃঞ্চকায় অঞ্চলের কোন লোকের (তথা আফ্রিকার খ্রিস্টান কিংবা দাসের) কোনো (মুসলিম) ব্যক্তির হাতে ইসলাম গ্রহণ করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো। তখন তিনি বললেন, সে ব্যক্তি তার পক্ষ হতে (দিয়াত বা রক্তমুল্য) পরিশোধ করবে, আর এ ব্যক্তি তাকে ওয়ারিস বানাবে।[1]
باب فِي الرَّجُلِ يُوَالِي الرَّجُلَ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ سُئِلَ عَنْ رَجُلٍ مِنْ أَهْلِ السَّوَادِ أَسْلَمَ عَلَى يَدَيْ رَجُلٍ قَالَ يَعْقِلُ عَنْهُ وَيَرِثُهُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৯৮৭৩, ১৬২৭২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২০৪। আরও দেখুন, আল মুহাল্লা ১১/৫৮-৫৯।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৪. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত হত্যার ক্ষেত্রে স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ تَرِثُ الْمَرْأَةُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا فِي الْعَمْدِ وَالْخَطَإِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৩ নং ৭৬০২; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫। পরবর্তী হাদীসটিও দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৫. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, দিয়াত মহান আল্লাহর ফারাইয (নির্ধারিত বিধান) অনুযায়ী (বন্টিত) হবে।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ الدِّيَةُ عَلَى فَرَائِضِ اللَّهِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০০; ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪, ৩১৫ নং ৭৬০৭, ৭৬০৯।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৬. আইয়্যুব হতে বর্ণিত, আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, দিয়াতের (বন্টন) পদ্ধতি মীরাসের পদ্ধতির অনুরূপ।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا أَيُّوبُ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ قَالَ الدِّيَةُ سَبِيلُهَا سَبِيلُ الْمِيرَاثِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৫ নং ৭৬০৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৭. হুমাইদ ও দাউদ ইবনু আবী হিনদ হতে বর্ণিত, যে, উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) লিখে পাঠিয়েছিলেন যে, বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানানো হবে।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حُمَيْدٍ وَدَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ أَنَّ عُمَرَ بْنَ عَبْدِ الْعَزِيزِ كَتَبَ أَنْ يُوَرَّثَ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ مِنْ الدِّيَةِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৬ নং ৭৬১৬; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৭২।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৮. ইউনুস হতে বর্ণিত, ইবনু শিহাব (রহঃ) বলেন, দিয়াত (রক্তমুল্য) হলো নিহত ব্যক্তির ওয়ারিসগণের উপর আল্লাহর কিতাব ও তাঁর ফারাইয (তথা নির্ধারিত অংশ অনুযায়ী) মীরাছ।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ قَالَ الْعَقْلُ مِيرَاثٌ بَيْنَ وَرَثَةِ الْقَتِيلِ عَلَى كِتَابِ اللَّهِ وَفَرَائِضِهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪ নং ৭৬০৪; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৭৯. ইবনু হানাফিয়্যাহ’র কোন এক ছেলে হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে ব্যক্তি তার বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানায়নি, সে যুলুম করেছে।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ عَنْ بَعْضِ وَلَدِ ابْنِ الْحَنَفِيَّةِ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَقَدْ ظَلَمَ مَنْ لَمْ يُوَرِّثْ الْإِخْوَةَ مِنْ الْأُمِّ مِنْ الدِّيَةِ
তাখরীজ: বাইহাকী, জানাইয়াত ৮/৫৮; ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৬ নং ৭৬১৩; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৩, ৩০৪, এর রাবীগণ বিশ্বস্ত, তবে সনদটি বিচ্ছিন্ন; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৭১; তবে ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৭ নং ৭৬২০ এ সনদটি সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৩৫. যিনি বলেন: স্ত্রীলোক তার স্বামীর দিয়াতের (রক্তমুল্যের) ওয়ারিস হবে
৩০৮০. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইচ্ছাকৃত কিংবা অনিচ্ছাকৃত (ভাবে নিহত) হোক, উভয় অবস্থায় দিয়াতে ওয়ারিস বানানো হবে, যেভাবে মাল-সম্পদ ওয়ারিস বানানো হয়।[1]
باب مَنْ قَالَ إِنَّ الْمَرْأَةَ تَرِثُ مِنْ دِيَةِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ قَالُوا الدِّيَةُ تُورَثُ كَمَا يُورَثُ الْمَالُ خَطَؤُهُ وَعَمْدُهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৯/৩১৪ নং ৭৬০৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫ আলী ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর কথা বাদে।
আর আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য রয়েছে, সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৮; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ১০/৪৭৫ যয়ীফ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যারা বলেন, তাতে (দিয়াতে) ওয়ারিস বানানো হবে না
৩০৮১. আমির হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানাতেন না, আর না স্বামীকে, না স্ত্রীকে ওয়ারিস বানাতেন।[1] আব্দুল্লাহ বলেন, কেউ কেউ এ সনদে রাবী ইসমাঈল ও আমিরের মাঝে আরেক ব্যক্তির নাম উল্লেখ করেছেন।
باب مَنْ قَالَ لَا يُوَرَّثُ
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ كَانَ عَلِيٌّ لَا يُوَرِّثُ الْإِخْوَةَ مِنْ الْأُمِّ وَلَا الزَّوْجَ وَلَا الْمَرْأَةَ مِنْ الدِّيَةِ شَيْئًا قَالَ عَبْد اللَّهِ بَعْضُهُمْ يُدْخِلُ بَيْنَ إِسْمَعِيلَ وَعَامِرٍ رَجُلًا
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৬. যারা বলেন, তাতে (দিয়াতে) ওয়ারিস বানানো হবে না
৩০৮২. যিয়াদ আ’লাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, বৈপিত্রেয় ভাইদেরকে দিয়াতের ওয়ারিস বানানো হবে না।[1]
باب مَنْ قَالَ لَا يُوَرَّثُ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ زِيَادٍ الْأَعْلَمِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْإِخْوَةُ مِنْ الْأُمِّ مِنْ الدِّيَةِ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩০৬।
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ডুবে মরা ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০৮৩. খারিজাহ ইবনু যাইদ হতে বর্ণিত, যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, প্রত্যেক লোকই (ফারাইযের নিয়ামানুযায়ী) পরস্পরের ওয়ারিস হয়, তবে কূপে পড়ে বা ডুবে যাদের মৃত্যু হয়, যার (মৃত্যু পরম্পরা) অজ্ঞাত থেকে যায়, তবে তারা পরস্পরের ওয়ারিস হবে না। বরং তারা জীবিত (আত্মীয়-স্বজনদের)-ই তাদের ওয়ারিস হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْغَرْقَى
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ خَارِجَةَ بْنِ زَيْدٍ عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ قَالَ كُلُّ قَوْمٍ مُتَوَارِثِينَ عَمِيَ مَوْتُهُمْ فِي هَدْمٍ أَوْ غَرَقٍ فَإِنَّهُمْ لَا يَتَوَارَثُونَ يَرِثُهُمْ الْأَحْيَاءُ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৪১; দারুকুতনী ৪/১১৯; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২২; আব্দুর রাযযাক ১৯১৬০, ১৯১৬৬।
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ডুবে মরা ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০৮৪. ইয়াহইয়া ইবনু আতীক (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) এর কোনো কোনো চিঠিতে সেই সব লোকদের সম্পর্কে পড়েছি যাদের উপর বাড়ি ধ্বসে পড়েছিল, ফলে কার পূর্বে কে মারা গেছে তা জানা যায়নি। তিনি (এদের সম্পর্কে) বলেন, মৃত ব্যক্তি একে অপরের ওয়ারিস হবে না; বরং তাদের জীবিতরাই ওয়ারিস হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْغَرْقَى
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ عَتِيقٍ قَالَ قَرَأْتُ فِي بَعْضِ كُتُبِ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي الْقَوْمِ يَقَعُ عَلَيْهِمْ الْبَيْتُ لَا يُدْرَى أَيُّهُمَا مَاتَ قَبْلُ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْأَمْوَاتُ بَعْضُهُمْ مِنْ بَعْضٍ وَيُوَرَّثُ الْأَحْيَاءُ مِنْ الْأَمْوَاتِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৯১৬১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৫ নং ১১৩৯৫ মুনকাতি’ সনদে; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৪২ মুনকাতি’ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ডুবে মরা ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০৮৫. জা’ফর (রহঃ) তার পিতার সূত্রে বর্ণনা করেন যে, উম্মু কুলছুম ও তার এক ছেলে যাইদ একই দিনে মৃত্যু বরণ করেন। তখন দু’জন শোরগোলকারিণী তার (সম্পদের বন্টন) পদ্ধতির দিকে মনোযোগ দিল। কিন্তু তার সঙ্গীদের কেউই তার ওয়ারিস হয়নি। হাররাহ’ বাসীগণ পরস্পরের ওয়ারিস হয়নি, আবার সিফফীন বাসীরাও পরস্পরের ওয়ারিস হয়নি।[1]
باب مِيرَاثِ الْغَرْقَى
حَدَّثَنَا نُعَيْمُ بْنُ حَمَّادٍ عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا جَعْفَرٌ عَنْ أَبِيهِ أَنَّ أُمَّ كُلْثُومٍ وَابْنَهَا زَيْدًا مَاتَا فِي يَوْمٍ وَاحِدٍ فَالْتَقَتْ الصَّائِحَتَانِ فِي الطَّرِيقِ فَلَمْ يَرِثْ كُلُّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا مِنْ صَاحِبِهِ وَأَنَّ أَهْلَ الْحَرَّةِ لَمْ يَتَوَارَثُوا وَأَنَّ أَهْلَ صِفِّينَ لَمْ يَتَوَارَثُوا
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৪০; অপর সনদে একটি মুতাবিয়াত রয়েছে বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২২।
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ডুবে মরা ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০৮৬. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, শামে লোকদের উপর একটি বাড়ি ধ্বসে পড়লে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাদের একে অপরের ওয়ারিস সাব্যস্ত করেছেন।[1]
باب مِيرَاثِ الْغَرْقَى
أَخْبَرَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ أَخْبَرَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ بَيْتًا بِالشَّامِ وَقَعَ عَلَى قَوْمٍ فَوَرَّثَ عُمَرُ بَعْضَهُمْ مِنْ بَعْضٍ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২২৯, ২৩০, ২৩২; ইবনু আবী শাইবা১১/৩৪৩ নং ১১৩৯০।
পরিচ্ছেদঃ ৩৭. ডুবে মরা ব্যক্তির মীরাছ সম্পর্কে
৩০৮৭. হুরাইশ তার পিতার সুত্রে বর্ণনা করেন যে, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু সিফফীনের যুদ্ধে নিহত দু’ভাই হতে ওয়ারিস সাব্যস্ত করেছেন: দু’ জনের দ্বিতীয় জনকে।[1]
باب مِيرَاثِ الْغَرْقَى
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ حُرَيْشٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ وَرَّثَ أَخَوَيْنِ قُتِلَا بِصِفِّينَ أَحَدَهُمَا مِنْ الْآخَرِ
তাখরীজ: বুখারী, কাবীর ৩/১৩২; আব্দুর রাযযাক ১৯১৫২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৩-৩৪৪ নং ১১৩৯১।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৮৮. বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ আল মুযানী (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, এক ব্যক্তি তার এক ফুফু ও এক খালা রেখে মৃত্যুবরণ করলো। তখন উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার ফুফুকে ভাইয়ের অংশ দিলেন এবং তার খালাকে তার বোনের অংশ দিলেন।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا حُمَيْدٌ عَنْ بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْمُزَنِيِّ أَنَّ رَجُلًا هَلَكَ وَتَرَكَ عَمَّتَهُ وَخَالَتَهُ فَأَعْطَى عُمَرُ الْعَمَّةَ نَصِيبَ الْأَخِ وَأَعْطَى الْخَالَةَ نَصِيبَ الْأُخْتِ
তাখরীজ: তাহাবী, শারহু মাআনিল আছার ৪/৪০০; আমি এ শব্দে এটি আর কোথাও পাইনি। দেখুন, বিগত ৩০৩০ ও ৩০৩১ নং হাদীস দু’টি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৮৯. আ’মাশ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহিম (রহঃ) বলেন, যে ব্যক্তি (মৃত ব্যক্তির) যে আত্মীয়ের মাধ্যমে সম্পর্কযুক্ত হয়েছে, সে সেই আত্মীয়তা অনুসারেই মীরাস পাবে যার মাধ্যমে সে (মৃত ব্যক্তির সাথে) সম্পর্কযুক্ত হয়েছে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ مَنْ أَدْلَى بِرَحِمٍ أُعْطِيَ بِرَحِمِهِ الَّتِي يُدْلِي بِهَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬১, ২৭৯ নং ১১১৬৭, ১১২২৯ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯০. আবী ইসহাক শাইবানী হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তি তার এক ফুফু ও তার ভাইয়ের এক মেয়ে রেখে মৃত্যুবরণ করলো- এ ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, তার পুরো সম্পত্তি পাবে তার ভাইয়ের মেয়ে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو إِسْحَقَ الشَّيْبَانِيُّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ تَرَكَ عَمَّتَهُ وَابْنَةَ أَخِيهِ قَالَ الْمَالُ لِابْنَةِ أَخِيهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৯১২৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৮ নং ১১২২৬, ১১২২৭, ১১২২৮, ১১২৩০ সহীহ সনদে। এটি সামনেও আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯১. আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “মামা ওয়ারিস হবে।”[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْخَالُ وَارِثٌ
তাখরীজ: দারুকুতনী ৪/৮৬ নং ৬১, ৬২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২১৫।
তবে হাদীসটি শাহিদ থাকার কারণে সহীহ। তার কিছু আমরা মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৫, ১২২৬, ১২২৭ ও সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩৫, ৬০৩৬, ৬০৩৭ তে আমরা তাখরীজ দিয়েছি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯২. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন যে, মামা ওয়ারিস হবে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ عُبَيْدَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّ عُمَرَ وَعَبْدَ اللَّهِ رَأَيَا أَنْ يُوَرِّثَا خَالًا
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৪ নং ১১১৭৫ উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে, ইবরাহীম পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। তবে ইবরাহীম উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি।; তাহাবী, ৪/৪০০ ইবরাহীম পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। তবে ইবরাহীম উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সাক্ষাত লাভ করেননি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৩. আবী ইসহাক শাইবানী হতে বর্ণিত, (মৃত ব্যক্তির) ফুফু ও তার ভাইয়ের মেয়ে সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, তার পুরো সম্পত্তি পাবে তার ভাইয়ের মেয়ে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ سُلَيْمَانَ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي عَمَّةٍ وَبِنْتِ أَخٍ قَالَ الْمَالُ لِابْنَةِ الْأَخِ
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০৮৭ নং তে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৪. কেউ কেউ ইবরাহীম (রহঃ) থেকে (এ সম্পর্কে) বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, (পুরো সম্পদ) ফুফু পাবে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ أَخْبَرَنَا حَسَنٌ عَنْ سُلَيْمَانَ عَنْ بَعْضِهِمْ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لِلْعَمَّةِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৮ নং ১১২২৮ ইবরাহিম পর্যন্ত এর সনদ সহীহ। ফলে দারেমী’র অজ্ঞাত পরিচয় রাবীকে জানা গেল।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৫. (আবী ইসহাক) শাইবানী হতে বর্ণিত, (মৃত ব্যক্তির) ভাইয়ের মেয়ে ও ফুফু সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, তার পুরো সম্পত্তি দেওয়া হবে তার ভাইয়ের মেয়েকে।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي بِنْتِ أَخٍ وَعَمَّةٍ قَالَ أَعْطِي الْمَالَ لِابْنَةِ الْأَخِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৭৮ নং ১১২২৭; এটি গত হয়েছে ৩০৮৭ নং তে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৬. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, কোনো ব্যক্তি মৃত্যুবরণ করলো, আর তার ভাইয়ের মেয়ে ও মামা ছাড়া আর কোনো ওয়ারিস ছিল না। তখন মাসরূক (রহঃ) বললেন, তার মামা তার বোনের অংশ পাবে (তথা মৃতের মায়ের অংশ)এবং তার ভাইয়ের মেয়ে পাবে তার পিতার অংশ (অর্থাৎ মৃতের ভাইয়ের অংশ)।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ عَنْ مَسْرُوقٍ فِي رَجُلٍ تُوُفِّيَ وَلَيْسَ لَهُ وَارِثٌ إِلَّا ابْنَةُ أَخِيهِ وَخَالُهُ قَالَ لِلْخَالِ نَصِيبُ أُخْتِهِ وَلِابْنَةِ الْأَخِ نَصِيبُ أَبِيهَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৪ নং ১১১৭৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৭. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত যে, মাসরূক (রহঃ) (মৃতের) পিতা না থাকলে ফুফুকে পিতার স্থলাভিষিক্ত করেন এবং মাতা না থাকলে খালাকে মাতার স্থলাভিষিক্ত করেন।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ عَامِرٍ قَالَ كَانَ مَسْرُوقٌ يُنَزِّلُ الْعَمَّةَ بِمَنْزِلَةِ الْأَبِ إِذَا لَمْ يَكُنْ أَبٌ وَالْخَالَةَ بِمَنْزِلَةِ الْأُمِّ إِذَا لَمْ تَكُنْ أُمٌّ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬১ নং ১১১৬৪; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৬১, ১৬২; আব্দুর রাযযাক ১৯১১৬।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৮. ওয়াসি’ ইবনু হাব্বান হতে বর্ণিত, ইবনু দাহদাহা তিনি মৃত্যু বরণ করেন। আর তিনি ছিলেন বংশ পরিচয়হীন-যার কোনো মুল জানা যায় না- আর তিনি বনী ইজলান গোত্রে থাকতেন। আর তিনি কোনো বংশধরও রেখে যাননি। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসিম ইবনু আদী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ডাকলেন, বললেন, তোমরা কি জান, তোমাদের মধ্যে তার কোনো বংশধর-আত্মীয়-স্বজন আছে?” তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমরা তো এমন কেউ আছে বলে জানি না। তখন তিনি তার বোনের ছেলেকে ডেকে তাকে তার মীরাছ প্রদান করলেন।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَقَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ حَبَّانَ نَسَبَهُ إِلَى جَدِّهِ عَنْ عَمِّهْ وَاسِعِ بْنِ حَبَّانَ قَالَ تُوُفِّيَ ابْنُ الدَّحْدَاحَةِ وَكَانَ أَتِيًّا وَهُوَ الَّذِي لَا يُعْرَفُ لَهُ أَصْلٌ فَكَانَ فِي بَنِي الْعَجْلَانِ وَلَمْ يَتْرُكْ عَقِبًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَاصِمِ بْنِ عَدِيٍّ هَلْ تَعْلَمُونَ لَهُ فِيكُمْ نَسَبًا قَالَ مَا نَعْرِفُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ فَدَعَا ابْنَ أُخْتِهِ فَأَعْطَاهُ مِيرَاثَهُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৯১২০; ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৫ নং ১১১৭৯; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৬৪; তাহাবী, শারহু মাআনিল আছার ৪/৩৯৬; বাইহাকী, আযাহী ৬/২১৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩০৯৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মামাকে পুরো সম্পদ দিয়েছিলেন।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ حَدَّثَنَا أَبِي عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُمَرَ أَنَّهُ أَعْطَى خَالًا الْمَالَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৬৪ নং ১১১৭৫; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ১৫৯।
পরিচ্ছেদঃ ৩৮. যাবিল আরহাম (নিকটাত্মীয়গণের) মীরাছ
৩১০০. আবী হানী হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমির (রহঃ) কে কোনো এক মহিলা কিংবা এক লোক সম্পর্কে প্রশ্ন করা হলো, যে তার এক খালা ও এক ফুফু রেখে মৃত্যুবরণ করলো। তার আর কোনো ওয়ারিস ছিল না, এবং তারা দু’জন ছাড়া আর কোনো আত্মীয়-স্বজনও ছিল না। তখন তিনি বললেন, আব্দুল্লাহ ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু (এ অবস্থায়) তার খালাকে তার মাতার স্থলাভিষিক্ত করেন এবং ফুফুকে তার ভাইয়ের (তথা মৃতের পিতার) স্থলাভিষিক্ত করেন।[1]
باب مِيرَاثِ ذَوِي الْأَرْحَامِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا أَبُو هَانِئٍ قَالَ سُئِلَ عَامِرٌ عَنْ امْرَأَةٍ أَوْ رَجُلٍ تُوُفِّيَ وَتَرَكَ خَالَةً وَعَمَّةً لَيْسَ لَهُ وَارِثٌ وَلَا رَحِمٌ غَيْرُهُمَا فَقَالَ كَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ يُنَزِّلُ الْخَالَةَ بِمَنْزِلَةِ أُمِّهِ وَيُنَزِّلُ الْعَمَّةَ بِمَنْزِلَةِ أَخِيهَا
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ৩০১৬ নং তে।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০১. আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি তার মৃত্যুর সময় কোনো এক ব্যক্তির কাছে তার এক হাজার দিরহাম ঋণের কথা স্বীকার করলো। তখন অপর এক ব্যক্তি দাঁড়িয়ে (আরো) এক হাজার দিরহাম (ঋনের) সাক্ষ্য দিল। কিন্তু মৃত ব্যক্তি মাত্র এক হাজার দিরহাম ছেড়ে গিয়েছিল। তখন এ লোক সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, তার পুরো সম্পদ উভয় (পাওনাদার)-এর মাঝে অর্ধেক করে ভাগ করে দিতে হবে। তবে সে যদি নি:স্ব হয়, তবে তার স্বীকারোক্তি অনুমোদনযোগ্য হবে না।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ اعْتَرَفَ عِنْدَ مَوْتِهِ بِأَلْفِ دِرْهَمٍ لِرَجُلٍ وَأَقَامَ آخَرُ بَيِّنَةً بِأَلْفِ دِرْهَمٍ وَتَرَكَ الْمَيِّتُ أَلْفَ دِرْهَمٍ فَقَالَ الْمَالُ بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ إِلَّا أَنْ يَكُونَ مُفْلِسًا فَلَا يَجُوزُ إِقْرَارُهُ
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০২. আবূ নুয়াইম হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শারীক (রহঃ) কে বললাম, এমন দুই ভাই যাদের একজন অপরজনকে ভাই হিসেবে দাবী করে, তাদের ব্যাপারে আপনি কি মনে করেন?
তিনি বলেন, তার অংশে (তার ভাইকে) শরীক করা হবে। আমি বললাম, এ কথা কে বর্ণনা করেছেন? তিনি বললেন, জাবির হতে, তিনি আমিরের সূত্রে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ قَالَ قُلْتُ لِشَرِيكٍ كَيْفَ ذَكَرْتَ فِي الْأَخَوَيْنِ يَدَّعِي أَحَدُهُمَا أَخًا قَالَ يَدْخُلُ عَلَيْهِ فِي نَصِيبِهِ قُلْتُ مَنْ ذَكَرَهُ قَالَ جَابِرٌ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ
তাখরীজ: এটি আমি এখানে ব্যতীত এ শব্দে আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৩. আ’মাশ হতে বর্ণিত, এমন কিছু ভাই যাদের কতক (একজনকে) ভাই দাবী করলো, আর অপর কতক অস্বীকার করলো- তাদের সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, ভাইদের মাঝের দাসের স্থলে তাকে তাদের সাথে শরীক বানানো হবে। তখন তাদের একজন তার অংশ ছেড়ে দিবে। তিনি বলেন, আমির, হাকাম ও তাদের সাথীরা বলতেন: যে তাকে স্বীকৃতি দিল, কেবল সেই ভাইয়ের অংশে সে অংশীদার হবে।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي الْإِخْوَةِ يَدَّعِي بَعْضُهُمْ الْأَخَ وَيُنْكِرُ الْآخَرُونَ قَالَ يَدْخُلُ مَعَهُمْ بِمَنْزِلَةِ عَبْدٍ يَكُونُ بَيْنَ الْإِخْوَةِ فَيَعْتِقَ أَحَدُهُمْ نَصِيبَهُ قَالَ وَكَانَ عَامِرٌ وَالْحَكَمُ وَأَصْحَابُهُمَا يَقُولُونَ لَا يَدْخُلُ إِلَّا فِي نَصِيبِ الَّذِي اعْتَرَفَ بِهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪৩; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৩।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৪. আবী বাকর হতে বর্ণিত, ওয়াকী’ (রহঃ) বলেন, যখন দু’ভায়ের মধ্যে একজন কাউকে ভাই দাবী করবে এবং অপর জন তা অস্বীকার করবে, তখন (কে কত অংশ পাবে)?তিনি বলেন, ইবনু আবী লাইলা বলতেন: এটি ছয় ভাগের অন্যতম: ’যে দাবী করে না (তথা অস্বীকার করে), তার জন্য তিন ভাগ; যে দাবী করে তার জন্য দুই ভাগ এবং যাকে ভাই বলে দাবী করা হয়, তার জন্য এক ভাগ।’[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ وَكِيعٍ قَالَ إِذَا كَانَا أَخَوَيْنِ فَادَّعَى أَحَدُهُمَا أَخًا وَأَنْكَرَهُ الْآخَرُ قَالَ كَانَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى يَقُولُ هِيَ مِنْ سِتَّةٍ لِلَّذِي لَمْ يَدَّعِ ثَلَاثَةٌ وَلِلْمُدَّعِي سَهْمَانِ وَلِلْمُدَّعَى سَهْمٌ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা১১/৩৮৫ নং ১১৫৪৩; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৩।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৫. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, কোনো লোকের তিনটি পুত্র রয়েছে,- সে বললো, তিনভাগের দু’ভাগ সবচেয়ে ছোট ছেলের জন্য। তখন মেজ ছেলে বললো, আমি তা অনুমোদন করলাম, আর বড় ছেলে বললো, আমি তা অনুমতি দেই না।
এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হাম্মাদ (রহঃ) বলেন, এ হলো তিনভাগ যা নয় ভাগ হতে বের করা হবে। এমতাবস্থায় সে (ছোট ছেলে) পাবে তার নিজের অংশ ও যে ভাই অনুমোদন দিল, তার অংশ।
হাম্মাদ বলেন, তাদের সকলকে অবশিষ্ট অংশ পুনরায় দিতে হবে।আমির বলেন, ’যে ব্যক্তি পুনরায় দেয়, সে নিজের থেকেই পুনরায় দেয়।’[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ حَمَّادٍ فِي الرَّجُلِ يَكُونُ لَهُ ثَلَاثَةُ بَنِينَ فَقَالَ ثُلُثِي لِأَصْغَرِ بَنِيَّ فَقَالَ الْأَوْسَطُ أَنَا أُجِيزُ وَقَالَ الْأَكْبَرُ لَا أُجِيزُ قَالَ هِيَ مِنْ تِسْعَةٍ يُخْرِجُ ثُلُثَهُ فَلَهُ سَهْمُهُ وَسَهْمُ الَّذِي أَجَازَ وَقَالَ حَمَّادٌ يَرُدُّ السَّهْمَ عَلَيْهِمْ جَمِيعًا وَقَالَ عَامِرٌ الَّذِي رَدَّ إِنَّمَا رَدَّ عَلَى نَفْسِهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৯-২৩০ নং ১১০৭২; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৬. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে লোক কাউকে ভাই বলে স্বীকৃতি দিলো, তার সম্পর্কে শুরাইহ বলেন, আমি একে দলীল-প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করবো যে, সে তার ভাই।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ عَنْ شَرِيكٍ عَنْ خَالِدٍ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ فِي رَجُلٍ أَقَرَّ بِأَخٍ قَالَ بَيِّنَتُهُ أَنَّهُ أَخُوهُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৬ নং ১১৫৪৫।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৭. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে এক হাজার দিরহাম ’মুদারাবা’ (যৌথ কারবার)-এ আছে এবং এক হাজার দিরহাম ঋণ আছে বলে স্বীকারোক্তি করলো- আর এ ব্যতীত আর কোনোকিছুই সে ছেড়ে গেল না- এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হারিছ আল উকলী বলেন, প্রথমে ঋণ পরিশোধ করতে হবে। এরপর বাড়তি কিছু থাকলে তা হবে মুদারাবা’ (যৌথ কারবারের) অংশীদারের।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
أَخْبَرَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ الْحَارِثِ الْعُكْلِيِّ فِي رَجُلٍ أَقَرَّ عِنْدَ مَوْتِهِ بِأَلْفِ دِرْهَمٍ مُضَارَبَةً وَأَلْفٍ دَيْنًا وَلَمْ يَدَعْ إِلَّا أَلْفَ دِرْهَمٍ قَالَ يُبْدَأُ بِالدَّيْنِ فَإِنْ فَضَلَ فَضْلٌ كَانَ لِصَاحِبِ الْمُضَارَبَةِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৫ নং ১১০৫৭।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৮. মুতার্রিফ হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে তিনশত দিরহাম ও তিনটি ছেলে রেখে গেলো। এরপর এক লোক এসে মৃত ব্যক্তির নিকট তার এক শত দিরহাম পাওনা আছে বলে দাবী করলো এবং তাদের কোন একজন তা স্বীকার করে বললো, তাকে ভাগে অংশীদার করা হলো। এমন ব্যক্তি সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, আমার মনে হয় না এ ব্যক্তির মীরাছ (বন্টিত) হবে, যতক্ষণ না তার দেনা (ঋণ) আদায় করা হবে।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي رَجُلٍ مَاتَ وَتَرَكَ ثَلَاثَ مِائَةِ دِرْهَمٍ وَثَلَاثَةَ بَنِينَ فَجَاءَ رَجُلٌ يَدَّعِي مِائَةَ دِرْهَمٍ عَلَى الْمَيِّتِ فَأَقَرَّ لَهُ أَحَدُهُمْ قَالَ يَدْخُلُ عَلَيْهِمْ بِالْحِصَّةِ ثُمَّ قَالَ الشَّعْبِيُّ مَا أُرَى أَنْ يَكُونَ مِيرَاثًا حَتَّى يُقْضَى الدَّيْنُ
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১৪; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৪৯; আব্দুর রাযযাক ১৯১৪২।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১০৯. আশ’আস হতে বর্ণিত, কোন ব্যক্তি তার মৃত্যুকালে দু’টি ছেলে ও দু’হাজার দিরহাম রেখে গেলো। অত:পর দু’ভাই দু’হাজার দিরহাম ভাগ করে নিল এবং দু’জনের একজন চলে গেল। এরপর এক লোক এসে মৃত ব্যক্তির নিকট তার এক হাজার দিরহাম (পাওনা আছে বলে) দাবী করলো।– এমন ব্যক্তি সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, উপস্থিত পুত্রের প্রাপ্ত সকল সম্পদ সে নিয়ে নেবে এবং তাকে (পূ্ত্রকে) বলা হবে, তুমি তোমার ভাইকে খুজে বের করে তার থেকে তার সম্পদের অর্ধেক নিয়ে নাও।’[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ مُصْعَبُ بْنُ سَعِيدٍ الْحَرَّانِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ الْأَشْعَثِ عَنْ الْحَسَنِ فِي رَجُلٍ هَلَكَ وَتَرَكَ ابْنَيْنِ وَتَرَكَ أَلْفَيْ دِرْهَمٍ فَاقْتَسَمَا الْأَلْفَيْ دِرْهَمٍ وَغَابَ أَحَدُ الِابْنَيْنِ فَجَاءَ رَجُلٌ فَاسْتَحَقَّ عَلَى الْمَيِّتِ أَلْفَ دِرْهَمٍ قَالَ يَأْخُذُ جَمِيعَ مَا فِي يَدِ هَذَا الشَّاهِدِ وَيُقَالُ لَهُ اتَّبِعْ أَخَاكَ الْغَائِبَ وَخُذْ نِصْفَ مَا فِي يَدِهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩, ২২৫ নং ১১০৪৮, ১১০৫০, ১১০৫৮।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১১০. যিয়াদ আল আ’লাম হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, যদি কোনো ওয়ারিস কোনো ঋণের স্বীকারোক্তি দেয়, তবে তা তার অংশ দ্বারা আদায় করা হবে।[1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ زِيَادٍ الْأَعْلَمِ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ إِذَا أَقَرَّ بَعْضُ الْوَرَثَةِ بِدَيْنٍ فَهُوَ عَلَيْهِ بِحِصَّتِهِ
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/২২৩ নং ১১০৫০।
পরিচ্ছেদঃ ৩৯. দাবী করা ও তা প্রত্যাখ্যান করা
৩১১১. আবী হাশিম হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যদি ওযারিসগণের মধ্য থেকে দু’জন ঋণের সাক্ষ্য দেয়, তবে পুরো সম্পদ হতেই তা আদায় করা হবে, যদি তারা (বাকীরা) না করে। আর শা’বী বলেন, এ দু’জনের অংশে উভয়ের উপর (এ ঋণ পরিশোধের) দায়িত্ব পড়বে। [1]
باب فِي الِادِّعَاءِ وَالْإِنْكَارِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هَاشِمٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ إِذَا شَهِدَ اثْنَانِ مِنْ الْوَرَثَةِ بِدَيْنٍ فَهُوَ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ إِذَا كَانُوا عُدُولًا وَقَالَ الشَّعْبِيُّ عَلَيْهِمَا فِي نَصِيبِهِمَا
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩২২।
পরিচ্ছেদঃ ৪০. মুরতাদের (দ্বীন পরিত্যাগকারীর) মীরাছ সম্পর্কে
৩১১২. আব্দুর রহমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুরতাদকে (শাস্তি হিসেবে) হত্যা করা হলে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার পরিবারকে তার মীরাছ দিতেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْمُرْتَدِّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ الْوَلِيدِ بْنِ جُمَيْعٍ قَالَ أَخْبَرَنِي أَبِي عَنْ الْقَاسِمِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ قَالَ كَانَ ابْنُ مَسْعُودٍ يُوَرِّثُ أَهْلَ الْمُرْتَدِّ إِذَا قُتِلَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৪ নং ১১৪২৯, ১২/২৭৬ নং ১২৮১২; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৫; আব্দুর রাযযাক ১৯২৯৭ তে রয়েছে: মা’মার ও ইবনু জুরাইজ বলেন: আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, মুরতাদের মীরাছ সম্পর্কে ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্য আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর বক্তব্যের অনুরূপ।
পরিচ্ছেদঃ ৪০. মুরতাদের (দ্বীন পরিত্যাগকারীর) মীরাছ সম্পর্কে
৩১১৩. আমর শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ইবনু আবী তালিব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুরতাদের মীরাছ তার মুসলিম ওয়ারিসদের মাঝে বন্টন করে দিতেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْمُرْتَدِّ
حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ جَعَلَ مِيرَاثَ الْمُرْتَدِّ لِوَرَثَتِهِ مِنْ الْمُسْلِمِينَ
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ৩১১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৫ নং ১১৪৩০, ১২/২৭৫ নং ১২৮১০; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৪০. মুরতাদের (দ্বীন পরিত্যাগকারীর) মীরাছ সম্পর্কে
৩১১৪. হাকাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মুরতাদের মীরাছ তার মুসলিম ওয়ারিসদের মাঝে বন্টন করে দিয়েছেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْمُرْتَدِّ
حَدَّثَنَا الْحَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ جَعَلَ مِيرَاثَ الْمُرْتَدِّ لِوَرَثَتِهِ مِنْ الْمُسْلِمِينَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/২৫৫ নং ১১৪৩১, ১২/২৭৬ নং ১২৮১১; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৪; আব্দুর রাযযাক ১০১৪২, ১৯৩০১।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১১৫. আব্দুল কারীম হতে বর্ণিত, হাকাম বলেন, যখন কোনো লোক তার ভাইকে ইচ্ছাকৃতভাবে হত্যা করবে, তখন সে তার মীরাছ হতে কিছুই পাবে, আর তার দিয়াত (রক্তপণ) হতেও কিছু পাবে না। তবে যদি সে ভুল করে হত্যা করে, তবে তার মীরাছ হতে সে অংশ পাবে, তবে তার দিয়াত (রক্তপণ) থেকে কোনো অংশ সে পাবে না।[1]তিনি বলেন, আতা (রহঃ) এ কথাই বলতেন।[2]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ هُوَ ابْنُ عَمْرٍو عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ عَنْ الْحَكَمِ قَالَ إِذَا قَتَلَ الرَّجُلُ أَخَاهُ عَمْدًا لَمْ يُوَرَّثْ مِنْ مِيرَاثِهِ وَلَا مِنْ دِيَتِهِ فَإِذَا قَتَلَهُ خَطَأً وُرِّثَ مِنْ مِيرَاثِهِ وَلَمْ يُوَرَّثْ مِنْ دِيَتِهِ قَالَ وَكَانَ عَطَاءٌ يَقُولُ ذَلِكَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬১-৩৬২ নং ১১৪৫২ সহীহ সনদে।
[2] আতার বক্তব্যটিও বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা ১১৪৫৩ তে যয়ীফ সনদে ইবনু জুরাইজের ‘আন আন’ শব্দে বর্ণনা করার কারণে।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১১৬. খিলাস হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, কোনো এক লোক তার মাতাকে পাথর মেরে হত্যা করলো, অত:পর সে তার ভাইদের নিকট তার মীরাছ দাবী করলো। তখন তাকে তার ভাইগণ বললো, তুমি কোনো মীরাছ পাবে না।’ তখন সে ব্যক্তি আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু নিকট এলো। তখন তিনি তার উপর দিয়াত ধার্য্য করলেন, আর তাকে মীরাছ হতে বঞ্চিত করলেন।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ قَتَادَةَ عَنْ خِلَاسٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ رَمَى رَجُلٌ أُمَّهُ بِحَجَرٍ فَقَتَلَهَا فَطَلَبَ مِيرَاثَهُ مِنْ إِخْوَتِهِ فَقَالَ لَهُ إِخْوَتُهُ لَا مِيرَاثَ لَكَ فَارْتَفَعُوا إِلَى عَلِيٍّ فَجَعَلَ عَلَيْهِ الدِّيَةَ وَأَخْرَجَهُ مِنْ الْمِيرَاثِ
তাখরীজ : বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২০; আব্দুর রাযযাক ১৭৭৯৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬২ নং ১১৪৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১১৭. হুররী হতে বর্ণিত, হাকাম বলেন, কোনো লোক যদি তার স্ত্রীকে ভুলবশত: হত্যা করে, তবে দিয়াত ও অন্যান্য বিষয়ের মীরাছ পাবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ الْحُرِّ عَنْ الْحَكَمِ أَنَّ الرَّجُلَ إِذَا قَتَلَ امْرَأَتَهُ خَطَأً أَنَّهُ يُمْنَعُ مِيرَاثَهُ مِنْ الْعَقْلِ وَغَيْرِهِ
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১১৮. মুজাহিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী নিহত ব্যক্তির কোনো কিছুরই মীরাছ পাবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ لَيْثٍ عَنْ مُجَاهِدٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَرِثُ الْقَاتِلُ مِنْ الْمَقْتُولِ شَيْئًا
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৭ নং ১১৪৪৩ যয়ীফ সনদে। এটি সামনেও আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১১৯. মা’মার হতে বর্ণিত, কোনো লোক তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে (যিনার) অভিযোগ করলো এবং সে সাক্ষী উপস্থিত করলো। ফলে তাকে (স্ত্রীলোকটিকে) পাথর মেরে হত্যা করা হলো।– এ সম্পর্কে কাতাদাহ (রহঃ) বলেন, সে লোকটি তার (স্ত্রীলোকটির) মীরাছ পাবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ فِي رَجُلٍ قَذَفَ امْرَأَتَهُ وَجَاءَ بِشُهُودٍ فَرُجِمَتْ قَالَ يَرِثُهَا
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১২০. আবূ আওয়ানাহ হতে বর্ণিত, কোনো ব্যক্তিকে হদ্দ (নির্ধারিত কোনো শাস্তি) হিসেবে চাবুক মারা হলো- (বর্ণনাকারী) আবী নু’মানের সন্দেহ যে সম্ভবত সে মৃত্যু বরণ করলো। তার সম্পর্কে হাম্মাদ বলেন, তারা পরস্পরে ওয়ারিস হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ حَمَّادٍ فِي رَجُلٍ جُلِدَ الْحَدَّ أَرَاهُ مَاتَ شَكَّ أَبُو النُّعْمَانِ قَالَ يَتَوَارَثَانِ
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১২১. আমির হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না এবং সে ’হুজব’ (তথা অন্য কাউকে বঞ্চিত) ও করবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ عَامِرٍ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ الْقَاتِلُ لَا يَرِثُ وَلَا يَحْجُبُ
তাখরীজ : বাইহাকী, ফারাইয ৬/২২০।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১২২. আমর আল আব্দী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا حَسَنٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الْعَبْدِيِّ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْقَاتِلُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬০ নং ১১৪৪৫।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১২৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, ইচ্ছাকৃতভাবে হোক- কিংবা অনিচ্ছাকৃতভাবেই হোক- হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ عَنْ مُطَرِّفٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ قَالَ عُمَرُ لَا يَرِثُ قَاتِلٌ خَطَأً وَلَا عَمْدًا
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৭৭৮৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৯ নং ১১৪৪২; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২২০।
পরিচ্ছেদঃ ৪১. হত্যাকারীর মীরাছ
৩১২৪. তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, হত্যাকারী ওয়ারিস হবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الْقَاتِلِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ عَنْ سُفْيَانَ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَا يَرِثُ الْقَاتِلُ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৭৭৮৬। দেখুন বিগত ৩১১৫ হাদীসটি।
পরিচ্ছেদঃ ৪২. মাজুসী (অগ্নিপুজারীগণ) এর ফারাইয বা উত্তরাধিকার
৩১২৫. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, দু’ইটি নসব (বংশ) একত্রিত হলে ওয়ারিস বানানো হবে তাদের উভয়ের মধ্যকার বড় জনকে – তথা মাজুসী’ (অগ্নিপুজারী)কে।[1]
باب فَرَائِضِ الْمَجُوسِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْأَعْلَى عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ إِذَا اجْتَمَعَ نَسَبَانِ وُرِّثَ بِأَكْبَرِهِمَا يَعْنِي الْمَجُوسَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৫ নং ১১৪৬৭; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০; আব্দুর রাযযাক ১৯৩৩৭।
পরিচ্ছেদঃ ৪২. মাজুসী (অগ্নিপুজারীগণ) এর ফারাইয বা উত্তরাধিকার
৩১২৬. হাম্মাদ ইবনু আবী সালামাহ হতে বর্ণিত, হাম্মাদ ইবনু আবী সুলাইমান বলেন, (মৃতের) নিকট আত্মীয় যে সৎ বা যোগ্য হবে সে মীরাছ পাবে, আর যে নিকটাত্মীয় সৎ বা যোগ্য হবে না, সে মীরাছ পাবে না।[1]
باب فَرَائِضِ الْمَجُوسِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مِنْهَالٍ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ حَمَّادِ بْنِ أَبِي سُلَيْمَانَ قَالَ يَرِثُ مِنْ الْجَانِبِ الَّذِي يَصْلُحُ وَلَا يَرِثُ مِنْ الْجَانِبِ الَّذِي لَا يَصْلُحُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৬ নং ১১৪৭১; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০।
পরিচ্ছেদঃ ৪২. মাজুসী (অগ্নিপুজারীগণ) এর ফারাইয বা উত্তরাধিকার
৩১২৭. শা’বী হতে বর্ণিত, আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ও ইবনু মাসউদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু মাজুসী’ বলেন: যখন তারা ইসলাম গ্রহণ করবে, দু’ নিকটাত্মীয়দের মধ্য হতে সকলেই ওয়ারিস হবে।[1]
باب فَرَائِضِ الْمَجُوسِ
حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ حَدَّثَنَا حَمَّادٌ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ عَنْ رَجُلٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ أَنَّ عَلِيًّا وَابْنَ مَسْعُودٍ قَالَا فِي الْمَجُوسِ إِذَا أَسْلَمُوا يَرِثُونَ مِنْ الْقَرَابَتَيْنِ جَمِيعًا
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৬ নং ১১৪৭০; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৬০।
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. বন্দী ব্যক্তির মীরাস
৩১২৮. আবী যিনাদ হতে বর্ণিত, উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) বন্দী ব্যক্তির স্ত্রী সম্পর্কে বলেন, সে তার ওয়ারিস হবে এবং সেও তার (স্ত্রীর) ওয়ারিস হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْأَسِيرِ
أَخْبَرَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي امْرَأَةِ الْأَسِيرِ أَنَّهَا تَرِثُهُ وَيَرِثُهَا
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. বন্দী ব্যক্তির মীরাস
৩১২৯. ইসহাক ইবনু রাশিদ হতে বর্ণিত, বন্দী ব্যক্তি যে ওসীয়ত করলো, তার সম্পর্কে উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) বলেন, তার ওসীয়ত বৈধ যতক্ষণ সে তার দ্বীনের উপর প্রতিষ্ঠিত থাকবে- তার দ্বীন পরিবর্তন না করবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْأَسِيرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفَضْلِ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنِي مَعْمَرٌ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ رَاشِدٍ عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ فِي الْأَسِيرِ يُوصِي قَالَ أَجِزْ لَهُ وَصِيَّتَهُ مَا دَامَ عَلَى دِينِهِ لَمْ يَتَغَيَّرْ عَنْ دِينِهِ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১০১৫০; বুখারী, ফারাইয তা’লীক হিসেবে।
দেখুন, ফাতহুল বারী, ১২/৪৫, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন এ টীকাটি এবং বলেন: আব্দুর রাযযাক এটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন... এবং দারেমীও এটি বর্ণনা করেছেন ...।”
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. বন্দী ব্যক্তির মীরাস
৩১৩০. শা’বী হতে বর্ণিত, শুরায়হ্ (রহঃ) বলেন, শত্রুদের হাতে বন্দী (মুসলিমদের)-কে উত্তাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْأَسِيرِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ دَاوُدَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ يُوَرَّثُ الْأَسِيرُ إِذَا كَانَ فِي أَيْدِي الْعَدُوِّ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৯২০২; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮০ নং ১১৫১৮; বুখারী, ফারাইয তা’লীক হিসেবে।
দেখুন, ফাতহুল বারী, ১২/৪৯, সেখানে তিনি উল্লেখ করেছেন এ টীকাটি এবং বলেন: এটি মুত্তাসিল সনদে বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা এবং দারেমী...।”
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. বন্দী ব্যক্তির মীরাস
৩১৩১. সুফিয়ান হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমার নিকট সেই ব্যক্তি বর্ণনা করেছেন যে ইবরাহীম (রহঃ) কে বলতে শুনেছেন, তিনি বলেন, বন্দী-কে উত্তাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْأَسِيرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ قَالَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ حَدَّثَنِي مَنْ سَمِعَ إِبْرَاهِيمَ يَقُولُ يُوَرَّثُ الْأَسِيرُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮১ নং ১১৫২২; আব্দুর রাযযাক ১৯২০২ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৩. বন্দী ব্যক্তির মীরাস
৩১৩২. দাউদ হতে বর্ণিত, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যেব (রহঃ) বন্দী-কে উত্তাধিকার প্রদান করতেন না।[1]
باب مِيرَاثِ الْأَسِيرِ
حَدَّثَنَا الْمُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ عَنْ دَاوُدَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُ كَانَ لَا يُوَرِّثُ الْأَسِيرَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮১ নং ১১৫২৩-১১৫২৪।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৩. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু শুরাইহ’র কাছে লিখে পাঠান যে, প্রমাণ ব্যতীত পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করা হবে না, যদিও সে (মাতা) তাকে নিজ কাপড়ে জড়িয়ে নিয়ে আসে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ كَتَبَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ إِلَى شُرَيْحٍ أَنْ لَا يُوَرِّثَ الْحَمِيلَ إِلَّا بِبَيِّنَةٍ وَإِنْ جَاءَتْ بِهِ فِي خِرَقِهَا
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৩, ১৯১৭৫; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৩; ইবনু মানসুর, নং ২৫২ সকলেই যয়ীফ সনদে।
তবে আমি (মুহাক্বিক্ব) বলছি: এ সকল বিভিন্ন সূত্রগুলি একে অপরকে শক্তিশালী করে। আল্লাহই ভাল জানেন।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৪. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুর মীরাছ প্রদান করা হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
أَخْبَرَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ وَرِّثْ الْحَمِيلَ
তাখরীজ : ইবনু মানসুর, নং ২৫৬ সহীহ সনদে; ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৯/৩০৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫২ নং ১১৪২১; আব্দুর রাযযাক ১৯১৮১ (বিভিন্ন শব্দে)।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৫. আবী বাকর ইবনু আব্দুল্লাহ ইবনু আবী মারইয়াম হতে বর্ণিত, যামরাহ, ফুযাইল ইবনু ফাযালাহ, ইবনু আবী আওফ, রাশিদ ও আতিয়্যাহ, তাঁরা সকলেই বলেন: পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুকে মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ مِنْ بَنِي أُمَيَّةَ عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ ضَمْرَةَ وَالْفُضَيْلِ بْنِ فَضَالَةَ وَابْنِ أَبِي عَوْفٍ وَرَاشِدٍ وَعَطِيَّةَ قَالُوا لَا يُوَرَّثُ الْحُمَلَاءُ
তাখরীজ : আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৬. ইবনু আউন হতে বর্ণিত, মুহাম্মদ (রহঃ) এর নিকট এমন এক ব্যক্তির কথা উল্লেখ করা হলো যে পরিচয়হীন (নবজাতক) শিশুর (মীরাছ প্রদান) সম্পর্কে মত প্রকাশ করেন, তখন তিনি তা প্রত্যাখ্যান করে বললেন: মুহাজির ও আনসার সাহাবীগণ জাহিলীযুগের বংশ-সম্পর্কের কারণে মীরাছ লাভ করেছেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ قَالَ قَالَ ابْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا ابْنُ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ ذُكِرَ عِنْدَهُ قَوْلُ مَنْ يَقُولُ فِي الْحَمِيلِ فَأَنْكَرَ ذَلِكَ وَقَالَ قَدْ تَوَارَثَ الْمُهَاجِرُونَ وَالْأَنْصَارُ بِنَسَبِهِمْ الَّذِي كَانَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫২ নং ১১৪২০।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৭. হিশাম (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান ও ইবনু সীরীন (রহঃ) উভয়ে বলেন: প্রমাণ ব্যতীত পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ عَنْ ابْنِ إِدْرِيسَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ الْحَسَنِ وَابْنِ سِيرِينَ قَالَا لَا يُوَرَّثُ الْحَمِيلُ إِلَّا بِبَيِّنَةٍ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫১ নং ১১৪১৭; আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৭; ইবনু মানসুর, নং ২৫৫ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৮. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আবূ বকর, উমার ও উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু কখনো পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ প্রদান করেননি।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ حَمَّادٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَمْ يَكُنْ أَبُو بَكْرٍ وَعُمَرُ وَعُثْمَانُ يُوَرِّثُونَ الْحَمِيلَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫১ নং ১১৪১৫।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৩৯. আশ’আছ ইবনু আবী শা’ছাআ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুহারিব গোত্রের এক মহিলা এক (শিশুকে) নিয়ে এসে তার ভাইয়ের বংশের বলে উপস্থাপন করলো। তখন আব্দুল্লাহ ইবনু উতবাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে তার বোনের ওয়ারিস বানালেন।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ الْمُحَارِبِيُّ عَنْ زَائِدَةَ عَنْ أَشْعَثَ بْنِ أَبِي الشَّعْثَاءِ قَالَ أَقَرَّتْ امْرَأَةٌ مِنْ مُحَارِبٍ جَلِيبَةٌ بِنَسَبٍ لَهَا جَلِيبٍ فَوَرَّثَهُ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُتْبَةَ مِنْ أُخْتِهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৪ নং ১১৪২৭; আব্দুর রাযযাক ১৯১৭৯; আল মুহাল্লা ৯/৩০৩।
পরিচ্ছেদঃ ৪৪. পরিচয়হীন (নবজাতক) সন্তানের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৪০. ইবনু শিহাব (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোন লোক দুনিয়া ত্যাগের সময় (মৃত্যুকালে) বললো, আমি অমুকের আযাদকৃত গোলাম। তিনি (ইবনু শিহাব যুহুরী) বলেন, যে দুনিয়া ত্যাগের সময় নিজেকে অমুকের গোলাম বলে নামকরণ করলো, সে তার মীরাছ পাবে, তবে এর উপর তাকে দলীল উপস্থাপন করতে হবে। অন্যথায়, তার কথা প্রত্যাখ্যাত হবে, আর যা (তথা যার প্রাপ্য বলে) দলীল-প্রমাণ প্রতিষ্ঠিত হয়, তার মীরাছ সে (সকল লোকের) দিকেই প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ الْحَمِيلِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ عَنْ رَجُلٍ قَالَ عِنْدَ فِرَاقِ الدُّنْيَا أَنَا مَوْلَى فُلَانٍ قَالَ يَرِثُ مِيرَاثَهُ لِمَنْ سَمَّى أَنَّهُ مَوْلَاهُ عِنْدَ فِرَاقِ الدُّنْيَا إِلَّا أَنْ يَأْتُوا عَلَيْهِ بِبَيِّنَةٍ بِغَيْرِ ذَلِكَ يَرُدُّونَ بِهِ قَوْلَهُ فَيُرَدُّ مِيرَاثُهُ إِلَى مَا قَامَتْ بِهِ الْبَيِّنَةُ
তাখরীজ : এখানে ব্যতীত আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪১. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ও আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন: যিনার (জারয) সন্তান হবে ’লেয়ান’কৃত স্ত্রীলোকের সন্তানের স্থলবর্তী।[1] (তথা তার মা ও মায়ের পরিবার তার মীরাছ পাবে)
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَالِمٍ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَعَبْدِ اللَّهِ قَالَا وَلَدُ الزِّنَا بِمَنْزِلَةِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৮ নং ১১৪০৪;বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৫৮।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪২. হাসান ইবনুল হুর (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাকাম বলেন, যিনার সন্তানকে যে তার সন্তান বলে দাবী করে, সে তার মীরাছ পাবে না, আর সে শিশুও তার (অভিযুক্ত পিতার) ওয়ারিস হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زُهَيْرٌ عَنْ الْحَسَنِ بْنِ الْحُرِّ حَدَّثَنِي الْحَكَمُ أَنَّ وَلَدَ الزِّنَا لَا يَرِثُهُ الَّذِي يَدَّعِيهِ وَلَا يَرِثُهُ الْمَوْلُودُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৫৬ নং ১১৪৬৬।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৩. যুহরী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী ইবনুল হুসাইন (রহঃ) যিনার সন্তানকে মীরাছ প্রদান করতেন না যদিও কোনো লোক তাকে (তার সন্তান বলে) দাবী করে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا رَوْحٌ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ عَلِيِّ بْنِ حُسَيْنٍ أَنَّهُ كَانَ لَا يُوَرِّثُ وَلَدَ الزِّنَا وَإِنْ ادَّعَاهُ الرَّجُلُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৩ নং ১১৪৬০।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৪. বুকাইর হতে বর্ণিত, সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) বলেন, যেকোন লোক কোন বালকের নিকট এসে তাকে তার নিজের সন্তান বলে ধারণা করে, কেননা, সে এর মায়ের সাথে যিনা করেছিল; এবং এ বালককে অপর কেউ তার নিজের সন্তান বলে দাবীও না করে, তবে এ ছেলে সেই লোকের ওয়ারিস হবে।
বুকাইর বলেন, আমি এ ব্যাপারে উরওয়া (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তখন তিনিও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার-এর অনুরূপ কথা বলেন।আর উরওয়া বলেন, আমাদের নিকট বর্ণনা করা হয়েছে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সন্তান বিছানার মালিকের, আর যেনাকারীর জন্য রয়েছে পাথর।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي بَكْرُ بْنُ مُضَرَ عَنْ عَمْرٍو يَعْنِي ابْنَ الْحَارِثِ عَنْ بُكَيْرٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ قَالَ أَيُّمَا رَجُلٍ أَتَى إِلَى غُلَامٍ يَزْعُمُ أَنَّهُ ابْنٌ لَهُ وَأَنَّهُ زَنَى بِأُمِّهِ وَلَمْ يَدَّعِ ذَلِكَ الْغُلَامَ أَحَدٌ فَهُوَ يَرِثُهُ قَالَ بُكَيْرٌ وَسَأَلْتُ عُرْوَةَ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ مِثْلَ قَوْلِ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ وَقَالَ عُرْوَةُ بَلَغَنَا أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ الْوَلَدُ لِلْفِرَاشِ وَلِلْعَاهِرِ الْحَجَرُ
তাখরীজ : (মারফু’ হাদীসটির) তাখরীজ দেখুন মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫১৪৮, ৭৩৯০ তে।
আর এখানে ব্যতীত আমি এটি আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৫. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন: ’লেয়ান’কৃত স্ত্রীলোকের সন্তান হবে যিনার (জারয) সন্তানের অনুরূপ। তার মাতা তার ওয়ারিস হবে এবং (সে পাবে) তার মীরাছ এবং তার মায়ের মীরাছ।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مُوسَى عَنْ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ عَنْ عَمْرٍو عَنْ الْحَسَنِ قَالَ ابْنُ الْمُلَاعَنَةِ مِثْلُ وَلَدِ الزِّنَا تَرِثُهُ أُمُّهُ وَوَرَثَتُهُ وَرَثَةُ أُمِّهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৯ নং ১১৪০৭;বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৫৮ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৬. মুগীরাহ (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যিনার সন্তানকে মীরাছ প্রদান করা হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا يُوَرَّثُ وَلَدُ الزِّنَا
তাখরীজ : পরবর্তীতে এর বিস্তারিত তাখরীজ আসছে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৭. মা’মার অথবা ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, যুহরী (রহঃ) যিনার সন্তান সম্পর্কে বলেন, তারা তার মাতার দিক থেকে মীরাছ পাবে। যদি জন্মের একদিন পরেও সে মারা যায়, তবুও সে এক ষষ্ঠাংশের ওয়ারিস হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ الْمُغِيرَةِ عَنْ ابْنِ الْمُبَارَكِ عَنْ مَعْمَرٍ أَوْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ فِي أَوْلَادِ الزِّنَا قَالَ يَتَوَارَثُونَ مِنْ قِبَلِ الْأُمَّهَاتِ وَإِنْ وَلَدَتْ تَوْأَمًا فَمَاتَ وَرِثَ السُّدُسَ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১২৪৯৩; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৮ নং ১১৪০৬।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৮. শিবাক হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, যিনার সন্তানকে মীরাছ প্রদান করা হবে না। যার পিতার উপর হাদ্দ (যিনার শাস্তি হিসেবে পাথর মেরে হত্যা) কায়িম করা হয়নি, কিংবা বিয়ে কিংবা ক্রয় করার মাধ্যমে তার মা (অপর ব্যক্তির) অধিকারভুক্ত হয়নি, সেই সন্তান ওয়ারিস হবে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ قَالَ حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ شِبَاكٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا يَرِثُ وَلَدُ الزِّنَا لَا يَرِثُ مَنْ لَمْ يُقَمْ عَلَى أَبِيهِ الْحَدُّ أَوْ تُمْلَكُ أُمُّهُ بِنِكَاحٍ أَوْ شِرَاءٍ
তাখরীজ : এটি গত হয়েছে ৩১৪৩ নং এ। আরও দেখুন, ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৫ নং ১১৪৬৫।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৪৯. ইসমাঈল হতে বর্ণিত, কোনো একটি লোক একজন স্ত্রীলোকের সাথে কু-কুর্ম করলো, এরপর তাকে বিয়ে করলো- এ ব্যক্তি সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলেন, কোনো গর্ভবতী না হলে এতে অসুবিধা নেই। কেননা, তার (গর্ভের) সন্তান তার সাথে সম্পর্কিত (যুক্ত) হবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ مُوسَى بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيِّ عَنْ إِسْمَعِيلَ عَنْ الْحَسَنِ فِي الرَّجُلِ يَفْجُرُ بِالْمَرْأَةِ ثُمَّ يَتَزَوَّجُهَا قَالَ لَا بَأْسَ إِلَّا أَنْ تَكُونَ حُبْلَى فَإِنَّ الْوَلَدَ لَا يَلْحَقُهُ
তাখরীজ : এটি আমার এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৫০. ’আমর ইবনে শু’আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “কোন ব্যক্তির মৃত্যুর পর কোন শিশুকে তার সন্তানরূপে তার সাথে সম্পৃক্ত করা হলো যাকে তার মৃত্যুর পর মৃতের ওয়ারিসগণ দাবি করলো, (’সে আমাদের বংশীয়’), তার ক্ষেত্রে ফায়সালা এই যে, সে যদি এমন দাসীর গর্ভজাত হয়, যার সে মালিক হয় তার সাথে সহবাসের দিন হতে, তবে সেই সন্তান যার বলে দাবি করা হচ্ছে তার সাথে সম্পৃক্ত হবে। তবে ইতোপূর্বে (জাহিলী যুগে) যে ওয়ারিসী স্বত্ব বণ্টিত হয়েছে সে তার কিছুই পাবে না। আর যে ওয়ারিসী স্বত্ব এখনও বন্টিত হয়নি তা থেকে সে তার অংশ পাবে।
পক্ষান্তরে তাকে যে পিতার সাথে সম্পৃক্ত (বলে দাবী) করা হচ্ছে, সেই পিতা তাকে অস্বীকার করলে সে সন্তানকে তার সাথে সম্পৃক্ত করা হবে না। আর সেই সন্তান যদি তার মালিকানাহীন নয়-এমন কোন দাসীর গর্ভজাত হয়ে থাকে অথবা কোন স্বাধীন নারীর গর্ভজাত হয়, যার সাথে সে যেনা করেছে (তথা স্বাধীন নারীর সাথে যিনার ফলে গর্ভজাত), তাহলে উক্ত সন্তান তার সাথে সম্পৃক্ত হবে না এবং সে তার মীরাছ (পরিত্যাক্ত সম্পত্তি)ও পাবে না, যদিও সে ব্যক্তি তাকে তার সন্তান বলে দাবি করে। সে হবে জারজ (যিনার) সন্তান। সে তার মায়ের বংশের সাথে সম্পৃক্ত হবে, সে স্বাধীন নারী হোক বা ক্রীতদাসী।”[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ يَحْيَى عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَاشِدٍ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ مُوسَى عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ عَنْ أَبِيهِ عَنْ جَدِّهِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى أَنَّ لِكُلِّ مُسْتَلْحَقٍ اسْتُلْحِقَ بَعْدَ أَبِيهِ الَّذِي ادَّعَاهُ وَرَثَتُهُ بَعْدَهُ فَقَضَى إِنْ كَانَ مِنْ أَمَةٍ يَمْلِكُهَا يَوْمَ يَطَؤُهَا فَقَدْ لَحِقَ بِمَنْ اسْتَلْحَقَهُ وَلَيْسَ لَهُ مِمَّا قُسِمَ قَبْلَهُ مِنْ الْمِيرَاثِ شَيْءٌ وَمَا أَدْرَكَ مِنْ مِيرَاثٍ لَمْ يُقْسَمْ فَلَهُ نَصِيبُهُ وَلَا يَلْحَقُ إِذَا كَانَ الَّذِي يُدْعَى لَهُ أَنْكَرَهُ وَإِنْ كَانَ مِنْ أَمَةٍ لَا يَمْلِكُهَا أَوْ حُرَّةٍ عَاهَرَهَا فَإِنَّهُ لَا يَلْحَقُ وَلَا يَرِثُ وَإِنْ كَانَ الَّذِي يُدْعَى لَهُ هُوَ ادَّعَاهُ وَهُوَ وَلَدُ زِنَا لِأَهْلِ أُمِّهِ مَنْ كَانُوا حُرَّةً أَوْ أَمَةً
তাখরীজ : আবূ দাউদ, তালাক ২৬৬৫, ২৬৬৬; ইবনু মাজাহ, ফারাইয ২৭৪৬; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৬০; আরও দেখুন, ইবনু আবী শাইবা নং ১৯১৩৮।
পরিচ্ছেদঃ
৩১৫১. উমাইর ইবনু ইয়াযিদ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি শা’বী (রহঃ) কে আমার এমন একটি দাসী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, যে একটি যিনার সন্তান প্রসব করেছে। তিনি বললেন: তার অনুগামী হয়ো না, আর তার (শ্রমের) মজুরী খেও না, তবে তাকে কাজে লাগাও।[1]
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ عَنْ الْحَسَنِ عَنْ عُمَيْرِ بْنِ يَزِيدَ قَالَ سَأَلْتُ الشَّعْبِيَّ عَنْ مَمْلُوكٍ لِي وَلَدُ زِنًا قَالَ لَا تَبِعْهُ وَلَا تَأْكُلْ ثَمَنَهُ وَاسْتَخْدِمْهُ
তাখরীজ : এটি আমার এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৫২. সাঈদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, মৃত্যুবরণকারী একটি জারজ সন্তান সম্পর্কে যুহুরী (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি বলেন, যদি সন্তানটি কোনো স্বাধীন আরবী নারীর গর্ভজাত হয়, তবে তার মাতা তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের ওয়ারিস হবে, এবং বাকী সম্পদ বায়তুল মালে জমা করা হবে। আর সে যদি কোনো মুক্ত দাসীর সন্তান হয়, তবে তার মাতা তার সম্পদের এক তৃতীয়াংশের ওয়ারিস হবে, বাকী সম্পদ তার (দাসীর) মালিকদের জন্য হবে যারা তাকে মুক্ত করেছিল। মারওয়ান বলেন, আমি মালিক (রহঃ) কে একথা বলতে শুনেছি।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ سُئِلَ عَنْ وَلَدِ زِنَا يَمُوتُ قَالَ إِنْ كَانَ ابْنَ عَرَبِيَّةٍ وَرِثَتْ أُمُّهُ الثُّلُثَ وَجُعِلَ بَقِيَّةُ مَالِهِ فِي بَيْتِ الْمَالِ وَإِنْ كَانَ ابْنَ مَوْلَاةٍ وَرِثَتْ أُمُّهُ الثُّلُثَ وَوَرِثَ مَوَالِيهَا الَّذِينَ أَعْتَقُوهَا مَا بَقِيَ قَالَ مَرْوَانُ سَمِعْتُ مَالِكًا يَقُولُ ذَلِكَ
তাখরীজ : উরওয়াহ ও সুলাইমান ইবনু ইয়াসার সুত্রে মালিক, ফারাইয ১৬; দেখুন, যুরকানী, শারহুল মুআত্তা ৩/৪৫১-৪৫২।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৫৩. আমর ইবনু শুয়াইব (রহঃ) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফায়সালা করেন যে, ব্যভিচারের অপবাদে অভিযুক্ত স্ত্রীলোকের সন্তানের পুরো সম্পদের উত্তরাধিকারী তার মাতা, কেননা, সে তার জন্য অনেক কষ্ট-যন্ত্রণা সহ্য করেছে।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا الْهَيْثَمُ بْنُ حُمَيْدٍ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ الْحَارِثِ حَدَّثَنِي عَمْرُو بْنُ شُعَيْبٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَضَى بِمِيرَاثِ ابْنِ الْمُلَاعَنَةِ لِأُمِّهِ كُلِّهِ لِمَا لَقِيَتْ فِيهِ مِنْ الْعَنَاءِ
তাখরীজ : আবূ দাউদ, ফারাইয ২৯০৭; বাইহাকী, ফারাইয ৬/২৫৯।
পরিচ্ছেদঃ ৪৫. জারয (যিনার) সন্তানের মীরাছ
৩১৫৪. যাইদ ইবনু ওয়াহাব হতে বর্ণিত, যিনার (জারজ) সন্তানের ব্যাপারে আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তার মায়ের ওলী (অভিভাবক)-দেরকে বলেন, তোমরা তোমাদের পুত্রদেরকে গ্রহণ করো, তোমরা তার মীরাছ ও দিয়াতে অংশীদার হবে কিন্তু সে তোমাদের মীরাছে অংশ পাবে না।[1]
باب فِي مِيرَاثِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ أَبَانَ عَنْ مُوسَى بْنِ مُحَمَّدٍ الْأَنْصَارِيِّ قَالَ حَدَّثَنِي الْحَارِثُ بْنُ حَصِيرَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ وَهْبٍ عَنْ عَلِيٍّ أَنَّهُ قَالَ فِي وَلَدِ الزِّنَا لِأَوْلِيَاءِ أُمِّهِ خُذُوا ابْنَكُمْ تَرِثُونَهُ وَتَعْقِلُونَهُ وَلَا يَرِثُكُمْ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৪৭ নং ১১৪০৩।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৫৫. আবী আমর শাইবানী (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, মুক্ত দাস সম্পর্কে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, মুক্ত দাস যেখানে ইচ্ছা তার সম্পদ খরচ করতে পারবে।[1]আব্দুল্লাহ ইবনু ইয়াযীদ (বর্ণনাকারী) বলেন, শু’বাহ বলেছেন, সালামাহ এটি আমি ব্যতীত আর কারও নিকট শুনেনি।
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
أَخْبَرَنَا أَبُو نُعَيْمٍ وَعَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ قَالَا حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ عَنْ أَبِي عَمْرٍو الشَّيْبَانِيِّ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ السَّائِبَةُ يَضَعُ مَالَهُ حَيْثُ شَاءَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ قَالَ شُعْبَةُ لَمْ يَسْمَعْ هَذَا مِنْ سَلَمَةَ أَحَدٌ غَيْرِي
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৯ নং ১১৪৮০;বাইহাকী; ওয়ালা ১০/৩০২।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৫৬. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) কে ’সায়িবাহ’র মীরাছ সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বললেন, প্রত্যেক মুক্তিপ্রাপ্ত দাসই ’সায়িবাহ’।[1] (তথা উভয়ের অবস্থা একই)
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
أَخْبَرَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا حَاتِمُ بْنُ وَرْدَانَ عَنْ يُونُسَ عَنْ الْحَسَنِ سُئِلَ عَنْ مِيرَاثِ السَّائِبَةِ فَقَالَ كُلُّ عَتِيقٍ سَائِبَةٌ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৮-৩৬৯ নং ১১৪৭৮।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৫৭. আবী উছমান (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, সাদাকাহ ও দাসমুক্তি এর সাওয়াব থাকবে নির্ধারিত দিনে বা সময়ে।[1] (তথা কিয়ামতের দিনে)
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ قَالَ قَالَ عُمَرُ الصَّدَقَةُ وَالسَّائِبَةُ لِيَوْمِهِمَا
তাখরীজ : বাইহাকী; ওয়ালা ১০/৩০১; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৮ নং ১১৪৬৫; আব্দুর রাযযাক ১২৪৯৩ (এখানে রয়েছে: ‘এর অর্থ: কিয়ামত দিবসে’)।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৫৮. যাকারিয়া হতে বর্ণিত, আমির (রহঃ) কে (সাইয়িবা) মুক্তিপ্রাপ্ত দাস সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হলো যে, তার ’ওয়ালা’ বা অভিভাবকত্ব কে লাভ করবে? তিনি বলেন, যে তাকে মুক্ত করেছে।[1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ قَالَ سُئِلَ عَامِرٌ عَنْ الْمَمْلُوكِ يُعْتَقُ سَائِبَةً لِمَنْ وَلَاؤُهُ قَالَ لِلَّذِي أَعْتَقَهُ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৮ নং ১১৪৭৭।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৫৯. আব্দুর রহমান ইবনু আমর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর সময়ে একটি দাস মৃত্যুবরণ করলো, যার কোনো ওয়ালী (অভিভাবক-মালিক) ছিল না। তখন তিনি তার সম্পদকে বায়তুল মালে অন্তর্ভূক্ত করার আদেশ দিলেন।[1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ الْبَصْرِيُّ هُوَ رَوْحُ بْنُ أَسْلَمَ حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرٍو قَالَ مَاتَ مَوْلًى عَلَى عَهْدِ عُثْمَانَ وَلَيْسَ لَهُ وَالٍ فَأَمَرَ بِمَالِهِ فَأُدْخِلَ بَيْتَ الْمَالِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৩ নং ১১৬৩৭ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬০. আমির (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক লোক মৃত্যু বরণ করলো, যার কোনো মুক্তকারী মালিক-অভিভাবক ছিল না। এ ব্যক্তি সম্পর্কে মাসরূক (রহঃ) বলেন, তার সম্পদ ব্যয় হবে তার ওয়াসীয়াত অনুযায়ী। আর সে ওয়াসীয়াত না করলে তা বায়তুল মাল (রাষ্ট্রীয় কোষাগারে) জমা করা হবে।[1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ عَنْ عَامِرٍ عَنْ مَسْرُوقٍ فِي رَجُلٍ مَاتَ وَلَمْ يَكُنْ لَهُ مَوْلَى عَتَاقَةٍ قَالَ مَالُهُ حَيْثُ أَوْصَى بِهِ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ أَوْصَى فَهُوَ فِي بَيْتِ الْمَالِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৪১৩ নং ১১৬৩৮; সাঈদ ইবনু মানসূর ২২১, ২২২।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬১. আবী বাকর ইবনু আবী মারিয়াম হতে বর্ণিত, যাকে সায়িবাহ হিসেবে মুক্তি দান করা হয়েছে, এমন মুক্ত দাস সম্পর্কে যামরাহ, রাশিদ ইবনু সা’দ ও অন্যান্যরা বলেন, যে তাকে মুক্ত করেছে, সে-ই তার অভিভাবকত্ব লাভ করবে। সে দাসত্ব হতে তাকে মুক্তি দিয়েছে কিন্তু মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হতে তাকে মুক্তি দেয়নি।[1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدِ بْنُ عَمْرٍو عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ أَبِي مَرْيَمَ عَنْ ضَمْرَةَ وَرَاشِدِ بْنِ سَعْدٍ وَغَيْرِهِمَا قَالُوا فِيمَنْ أُعْتِقَ سَائِبَةً إِنَّ وَلَاءَهُ لِمَنْ أَعْتَقَهُ إِنَّمَا سَيَّبَهُ مِنْ الرِّقِّ وَلَمْ يُسَيِّبْهُ مِنْ الْوَلَاءِ
তাখরীজ : সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৮।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬২. মানসূর হতে বর্ণিত, ইবরাহীম ও শা’বী (রহঃ) বলেন, ’সায়িবাহ’র মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়- বিক্রয় করা ও তা হিবাহ (দান) করাতে কোনো দোষ নেই।[1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ عَنْ شُعْبَةَ قَالَ أَخْبَرَنِي مَنْصُورٌ عَنْ إِبْرَاهِيمَ وَالشَّعْبِيِّ قَالَا لَا بَأْسَ بِبَيْعِ وَلَاءِ السَّائِبَةِ وَهِبَتِهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৬/১২৪ নং ৫১৯, ১১/৪২১ নং ১১৬৬৬।
পরিচ্ছেদঃ ৪৬. মুক্ত দাস-দাসীর (যাকে মালিক বললো: ‘তুমি মুক্ত’- আমি বা অন্য কেউ তোমার মালিক নই) মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৩. কাসিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, এক ব্যক্তি একটি গোলামকে ’সায়িবা’ হিসেবে মুক্তি দান করলো, এরপর সে আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট এসে বললো, আমি আমার একটি গোলামকে ’সায়িবা’ হিসেবে মুক্তি দান করেছি, এ হচ্ছে তার মালিকানা (ওয়ারিসী স্বত্ব)। তিনি বললেন, তা তো তোমার। লোকটি বললো, এতে আমার কোনো প্রয়োজন নেই। তিনি বললেন, তুমি তা রেখে দাও, কেননা, এতে (মালিকানায়) অনেকেই ওয়ারিস (স্বত্বাধিকারী) আছে। [1]
باب مِيرَاثِ السَّائِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا الْمَسْعُودِيُّ عَنْ الْقَاسِمِ قَالَ أَعْتَقَ رَجُلٌ غُلَامًا سَائِبَةً فَأَتَى عَبْدَ اللَّهِ وَقَالَ إِنِّي أَعْتَقْتُ غُلَامًا لِي سَائِبَةً وَهَذِهِ تَرِكَتُهُ قَالَ هِيَ لَكَ قَالَ لَا حَاجَةَ لِي فِيهَا قَالَ فَضَعْهَا فَإِنَّ هَا هُنَا وَارِثًا كَثِيرًا
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬১৬৯; বাইহাকী; ফারাইয ৬/২৪৩ এর সনদটি সহীহ; সাঈদ ইবনু মানসূর ২২৫ মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন সনদে; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৬৭ নং ১১৪৭৪ বিচ্ছিন্ন সনদে। আরও দেখুন, বুখারী ৬৭৫৩।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৪. আবীয যুবাইর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। জাবির ইবনু ’আবদুল্লাহ্ বলেছেন : শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে এবং তার জানাযার সালাত পড়তে হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
أَخْبَرَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ أَخْبَرَنَا الْأَشْعَثُ عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ وُرِّثَ وَصُلِّيَ عَلَيْهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৩/৩১৯, ১১/৪৮২ নং ১১৫২৯। তবে মারফু’ হিসেবে যয়ীফ সনদে তিরমিযী, জানাইয নং ১০৩২; মারফু’ হিসেবে ইবনু মাজাহ, জানাইয ১৫০৮ রবী ইবনু বাদর মাতরুক; ইবনু মাজাহ, ফারাইয নং ২৭৫১ মারফু’ হিসেবে হাসান সনদে।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬০৩২; মাওয়ারিদুয যাম’আন নং ১২২৩; মাজমাউয যাওয়াইদ নং ৭২৩৯; আরো দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লা ৫/১৫৮ ও ৯/৩০৯।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৫. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিৎকার করলে (অতঃপর মারা গেলে) সে ওয়ারিস হবে, আর তাকে ওয়ারিস বানানো হবে এবং তার জানাযার সালাত পড়তে হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الصَّبِيُّ وَرِثَ وَوُرِثَ وَصُلِّيَ عَلَيْهِ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৪ নং ১১৫৩৫; ইবনু আদী , আল কামিল ৪/১৩২৯। আরো দেখুন, ইবনু হাযম, আল মুহাল্লাহ ৫/১৫৮ ও ৯/৩০৯।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৬. ইকরিমা (রহঃ) হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, প্রত্যেক সন্তানের জন্মের সময় চিত্কার করে ; তার চিত্কার করার কারণ শয়তান তার পেটে খোঁচা মারে। ফলে সে চিত্কার করে (কাঁদতে) থাকে। ’ঈসা ইবনু মারইয়াম (আলাইহিস সালাম)-এর ব্যতিক্রম।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ إِسْمَعِيلَ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ سِمَاكٍ عَنْ عِكْرِمَةَ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ لَيْسَ مِنْ مَوْلُودٍ إِلَّا يَسْتَهِلُّ وَاسْتِهْلَالُهُ يَعْصِرُ الشَّيْطَانُ بَطْنَهُ فَيَصِيحُ إِلَّا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৪ নং ১১৫৩৯ ইবনু আব্বাস হতে মাওকুফ।
তবে এর শাহিদ হাদীস রয়েছে আবী হুরাইরা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে আহমাদ ২/২৩৩; বুখারী, বাদউল খালক ৩২৮৬; মুসলিম, ফাযাইল ২৩৬৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪২।
আমরা এর পূর্ণ তাখরীজ দিয়েছি মুসনাদুল মাউসিলী নং ৫৯৭১; সহীহ ইবনু হিব্বান নং ৬২৩৪, ৬২৩৫ তে।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৭. মাকহুল (রহঃ) হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সদ্যজাত শিশু জীবিত অবস্থায় ভুমিষ্ঠ হলেও সশব্দে চিত্কার না দেয়া পর্যন্ত সে ওয়ারিস হবে না।”[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَسَّانَ حَدَّثَنَا يَحْيَى هُوَ ابْنُ حَمْزَةَ عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ عَنْ مَكْحُولٍ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لَا يَرِثُ الْمَوْلُودُ حَتَّى يَسْتَهِلَّ صَارِخًا وَإِنْ وَقَعَ حَيًّا
তাখরীজ : এ অনুচ্ছেদের হাদীসগুলি দেখুন।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৮. আতা (রহঃ) হতে বর্ণিত, জাবির বলেছেন, “শিশু (ভূমিষ্ঠ হওয়ার পর) চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার জানাযার সালাত পড়তে হবে এবং তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْحَقَ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ جَابِرٍ قَالَ إِذَا اسْتَهَلَّ الْمَوْلُودُ صُلِّيَ عَلَيْهِ وَوُرِثَ
তাখরীজ : এটি গত হয়েছে ৩১৬১ নং এ।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৬৯. ইবনু আবী যি’ব হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, আমার মতে, হাঁচি দেওয়াই (শিশুর) চিত্কার করা।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا مَعْنٌ عَنْ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ أَرَى الْعُطَاسَ اسْتِهْلَالًا
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৫ নং ১১৫৪১; আব্দুর রাযযাক ৬৫৯২, ১৮৩৪১, ১৮৩৫৯ ।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৭০. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, শিশু চিত্কার না করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে না এবং তার জানাযার সালাতও পড়তে হবে না। কিন্তু চিত্কার করলে (অতঃপর মারা গেলে) তার জানাযার সালাত পড়তে হবে এবং তার উত্তরাধিকার প্রদান করা হবে এবং দিয়াত পূর্ণরুপে আদায় করতে হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَا يُوَرَّثُ الْمَوْلُودُ حَتَّى يَسْتَهِلَّ وَلَا يُصَلَّى عَلَيْهِ حَتَّى يَسْتَهِلَّ فَإِذَا اسْتَهَلَّ صُلِّيَ عَلَيْهِ وَوُرِّثَ وَكُمِّلَتْ الدِّيَةُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৬৫৯৫; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৩ নং ১১৫৩১।
পরিচ্ছেদঃ ৪৭. বালকের মীরাছ সম্পর্কে
৩১৭১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, আমরা ইবনু শিহাব যুহুরী (রহঃ) কে ’অকালপ্রসূত ভ্রূণ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলাম, তখন তিনি বলেন, তার উপর জানাযার সালাত আদায় করা হবে না, এবং নবজাত শিশু সশব্দে চিত্কার না দিয়ে (মৃত্যুবরণ করলে) তার উপর জানাযার সালাত আদায় করা হবে না।[1]
باب مِيرَاثِ الصَّبِيِّ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ صَالِحٍ حَدَّثَنِي اللَّيْثُ حَدَّثَنِي يُونُسُ عَنْ ابْنِ شِهَابٍ وَسَأَلْنَاهُ عَنْ السِّقْطِ فَقَالَ لَا يُصَلَّى عَلَيْهِ وَلَا يُصَلَّى عَلَى مَوْلُودٍ حَتَّى يَسْتَهِلَّ صَارِخًا
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ৬৫৯৮ সনদ সহীহ; ইবনু আবী শাইবা, জানাইয ৩/৩১৮ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৪৮. মুকাতাব (নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের বিনিময়ে মুক্তির চুক্তিকারী দাস) এর মালিকানা (অভিভাবকত্ব) সম্পর্কে
৩১৭২. মা’মার হতে বর্ণিত, কাতাদা (রহঃ) বলেন, যদি দু’জন মুকাতাব (চুক্তিকৃত দাস) এর কোনো একজন অপরজনকে ক্রয় করে বলে: ইহা তার মালিকের পক্ষ হতে, (অপরজন বলে) ইহা তার মালিকের পক্ষ হতে। এক্ষেত্রে প্রথম জনের ক্রয়টি সাব্যস্ত হবে (তথা মালিকানা প্রথমজনেরই থাকবে)।
আর মদীনাবাসীগণ বলেন, মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হবে বিক্রেতার মালিকের।তারা আরও বলেন, এ ক্রয় মুকাতাবের বলে সাব্যস্ত হবে না, ফলে মালিকানা (অভিভাবকত্ব) হবে মালিকের।[1]
باب فِي وَلَاءِ الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ قَتَادَةَ قَالَ إِذَا ابْتَاعَ الْمُكَاتَبَانِ أَحَدُهُمَا الْآخَرَ هَذَا هَذَا مِنْ سَيِّدِهِ وَهَذَا هَذَا مِنْ سَيِّدِهِ فَالْبَيْعُ لِلْأَوَّلِ وَيَقُولُ أَهْلُ الْمَدِينَةِ الْوَلَاءُ لِسَيِّدِ الْبَائِعِ وَيَقُولُونَ إِنَّمَا ابْتَاعَ هَذَا مَا عَلَى الْمُكَاتَبِ فَالْوَلَاءُ لِلسَّيِّدِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৫৮১০।
পরিচ্ছেদঃ ৪৯. যে স্বাধীন পুরুষ কোনো দাসীকে বিয়ে করে, তার সম্পর্কে
৩১৭৩. সাঈদ হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যে কোনো স্বাধীন পুরুষ কোনো দাসীকে বিয়ে করলো, সে তো তার নিজেকে অর্ধেক হালকা (দাসত্বে নিপতিত) করে দিলো; অনুরূপ কোনো দাস যখন কোনো স্বাধীন নারীকে বিয়ে করলো, তখন সে যেন তার নিজের অর্ধাংশ মুক্ত করে নিলো। আবূ মুহাম্মদ বলেন, এর অর্থ সন্তান।[1]
باب فِي الْحُرِّ يَتَزَوَّجُ الْأَمَةَ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ سَعِيدٍ أَنَّ عُمَرَ قَالَ أَيُّمَا حُرٍّ تَزَوَّجَ أَمَةً فَقَدْ أَرَقَّ نِصْفَهُ وَأَيُّمَا عَبْدٍ تَزَوَّجَ حُرَّةً فَقَدْ أَعْتَقَ نِصْفَهُ قَالَ أَبُو مُحَمَّد يَعْنِي الْوَلَدَ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৩১০৩; সাঈদ ইবনু মানসূর ৭৩৯-৭৪০; ইবনু আবী শাইবা ৪/১৪৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫০. অভিভাবকের (মালিকের) মীরাস
৩১৭৪. শাইবানী হতে বর্ণিত, কোনো দাস কোনো নারীকে বিয়ে করলো, অত:পর তাকে তালাক দিলো, আর তার গর্ভে এক সন্তান হলো- এ সম্পর্কে শা’বী (রহঃ) বলেন, যদি সে স্বাধীনা নারী হয়, তবে সে সন্তানের মাতার উপর থাকবে তার ব্যয়ভার; আর যদি সে - অর্থাৎ সন্তানটি- দাস হয়, তবে এর ব্যয়ভার তার মালিকদের উপর বর্তাবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ حَدَّثَنَا أَبُو شِهَابٍ عَنْ الشَّيْبَانِيِّ عَنْ الشَّعْبِيِّ فِي الْعَبْدِ يَتَزَوَّجُ الْمَرْأَةَ ثُمَّ يُطَلِّقُهَا وَلَهُ مِنْهَا وَلَدٌ قَالَ إِنْ كَانَتْ حُرَّةً فَالنَّفَقَةُ عَلَى أُمِّهِ وَإِنْ كَانَ عَبْدًا يَعْنِي الصَّبِيَّ فَعَلَى مُوَالِيهِ
[1] তাহক্বীক্ব: এর সনদ সহীহ।
তাখরীজ : ইবনু আবী শাইবা ৫/১৫৩ এতে রয়েছে: ‘কোনো দাস তার স্ত্রীকে তালাক দিল, তখন তার স্ত্রী গর্ভবতী ছিল, এমতাবস্থায় শাবী বলেন, খোরপোশ তার (স্বামীর) দায়িত্বে থাকবে যতক্ষণ না সে সন্তান প্রসব করছে।’
পরিচ্ছেদঃ ৫০. অভিভাবকের (মালিকের) মীরাস
৩১৭৫. আমীর ও ইবরাহীম রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, যে ব্যক্তি (কোনো দাসকে) প্রথম মুক্ত করা আরম্ভ করবে, তার অভিভাবকত্ব সেই ব্যক্তিরই হবে।[1]
باب مِيرَاثِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ ح وَحَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُمَا قَالَا وَلَاؤُهُ لِمَنْ بَدَأَ بِالْعِتْقِ أَوَّلَ مَرَّةٍ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬৭২৭; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২২।
পরিচ্ছেদঃ ৫১. এমন দাস সম্পর্কে যে দুজন লোকের মালিকানায় থাকে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দেয়
৩১৭৬. হাসান ও ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে বলেন, যদি কেউ (কোনো দাসকে মুক্তি দানের) নিশ্চয়তা দেয়, তবে মালিকানা তার হবে, আর যদি সেই দাস (অর্থের বিনিময়ে মুক্ত করার) জন্য চেষ্টা করে, তবে তার মালিকানায় তারা (মালিক ও দাস) উভয়ে শরীক হবে।[1]
باب فِي الْعَبْدِ يَكُونُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيَعْتِقُ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ أَخْبَرَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ ح وَحَدَّثَنَا جَرِيرٌ عَنْ أَبَانَ بْنِ تَغْلِبَ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ أَنَّهُمَا قَالَا إِنْ ضَمِنَ كَانَ الْوَلَاءُ لَهُ وَإِنْ اسْتَسْعَى الْعَبْدُ كَانَ الْوَلَاءُ بَيْنَهُمْ
তাখরীজ : হাসানের হাদীসটি বর্ণনা করেছেন ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২১, নং ১৯০০, এর সনদ সহীহ।আর ইবরাহীম এর হাদীসটি বর্ণনা করেছেন আব্দুর রাযযাক ১৬৭২০; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২৩ নং ১৯০৩ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৫১. এমন দাস সম্পর্কে যে দুজন লোকের মালিকানায় থাকে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দেয়
৩১৭৭. যাকারিয়া হতে বর্ণিত, কোনো দাস দুজন লোকের মালিকানায় রয়েছে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দিল, এমন দাস সম্পর্কে আমির (রহঃ) বলেন, তাকে পূর্ণরূপে মুক্ত করতে হবে। এরপর যদি তার কোনো সম্পদ না থাকে, তবে দাসটিকে অর্থের বিনিময়ে বাকী অর্ধাংশ মুক্ত করার জন্য চেষ্টা করতে চাইতে হবে। আর তার অভিভাবকত্ব বা মালিকানা থাকবে, তার যে তাকে মুক্ত করলো।[1]
باب فِي الْعَبْدِ يَكُونُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيَعْتِقُ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ
حَدَّثَنَا يَعْلَى وَأَبُو نُعَيْمٍ قَالَا حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ فِي عَبْدٍ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَعْتَقَ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ قَالَ يُتَمَّمُ عِتْقُهُ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ اسْتُسْعِيَ الْعَبْدُ فِي النِّصْفِ بِقِيمَةِ عَدْلٍ وَالْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬৭২৩; ইবনু আবী শাইবা ৬/৫২১ নং ১৯০১। এটি ৩১৭২ নং এ গত হয়েছে।
পরিচ্ছেদঃ ৫১. এমন দাস সম্পর্কে যে দুজন লোকের মালিকানায় থাকে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দেয়
৩১৭৮. ইবনু তাউস (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো দাস দুজন লোকের মালিকানায় রয়েছে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দিল এবং অপর জন তা ধরে রাখলো- এমন দাস সম্পর্কে তার পিতা (তাউস) (রহঃ) বলেন, তার মালিকানা উভয়ের থাকবে।[1]
باب فِي الْعَبْدِ يَكُونُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيَعْتِقُ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ
حَدَّثَنَا هَارُونُ بْنُ مُعَاوِيَةَ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ الْمَعْمَرِيِّ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ ابْنِ طَاوُسٍ عَنْ أَبِيهِ فِي عَبْدٍ بَيْنَ رَجُلَيْنِ أَعْتَقَ أَحَدَهُمَا نَصِيبَهُ وَأَمْسَكَهُ الْآخَرُ قَالَ مِيرَاثُهُ بَيْنَهُمَا
তাখরীজ: বাইহাকী, আল ইতক ১০/২৮০ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৫১. এমন দাস সম্পর্কে যে দুজন লোকের মালিকানায় থাকে, যাদের একজন তার নিজের (মালিকানার) অংশ মুক্ত করে দেয়
৩১৭৯. মা’মার হতে বর্ণিত, যুহুরী (রহঃ) বলেন, যে তার (মালিকানার) অংশ ধরে রাখবে, সে তার মীরাছ পাবে। আর কাতাদা বলেন, এর মুক্তিদানকারী এর পূর্ণ মীরাছ পাবে এবং এর (বাকী অংশের মুক্তির) অর্থমুল্য তার উপর বর্তাবে। আর এটিই কুফাবাসীদের (হানাফীদের) মত।[1]
باب فِي الْعَبْدِ يَكُونُ بَيْنَ الرَّجُلَيْنِ فَيَعْتِقُ أَحَدُهُمَا نَصِيبَهُ
حَدَّثَنَا هَارُونُ عَنْ أَبِي سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ الزُّهْرِيِّ قَالَ مِيرَاثُهُ لِلَّذِي أَمْسَكَهُ وَقَالَ قَتَادَةُ هُوَ لِلْمُعْتِقِ كُلُّهُ وَثَمَنُهُ عَلَيْهِ وَيَقُولُهُ أَهْلُ الْكُوفَةِ
তাখরীজ: পূর্বের হাদীসটি দেখুন। এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক ১৫৬৭২।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮০. আব্দুল মালিক হতে বর্ণিত, আতা (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, কোনো এক লোক তার একটি মুকাতাব (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের চুক্তিকৃত) দাস, কয়েকজন পূত্র ও কন্যা রেখে মৃত্যু বরণ করেন। এ লোকের কন্যাগণ এ দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব)-এর অংশীদার হবে কি? তিনি বললেন, তার মুকাতাব চুক্তিতে স্পষ্টভাবে লিখিত ধারা অনুসারে নারীরা মীরাছ পাবে, তবে নারীদেরকে বাদ দিয়ে কেবল পুরুষরাই এর (দাসের) মালিকানা লাভ করবে। যতক্ষণ না তারা (নারীরা) (অর্থের বিনিময়ে দাস মুক্তিদানের) চুক্তি করে, অথবা, তারা (কোনো দাসকে) মুক্তিদান করে (তখন তারা মালিকানা লাভ করবে।)[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى بْنُ عُبَيْدٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ فِي الرَّجُلِ يَمُوتُ وَيَتْرُكُ مُكَاتَبًا وَلَهُ بَنُونَ وَبَنَاتٌ أَيَكُونُ لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ شَيْءٌ قَالَ تَرِثُ النِّسَاءُ مِمَّا عَلَى ظَهْرِهِ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ وَيَكُونُ الْوَلَاءُ لِلرِّجَالِ دُونَ النِّسَاءِ إِلَّا مَا كَاتَبْنَ أَوْ أَعْتَقْنَ
তাখরীজ: বাইহাকী, মুকাতাব ১০/৩৪১।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮১. লাইছ হতে বর্ণিত, তাউস (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা পাবে না, তবে যখন তারা (কোন দাসকে) মুক্তি দান করবে, অথবা তারা (নারীরা) যাকে মুক্তি দান করেছে, সেই মুক্ত দাস অপর কাউকে মুক্তি দান করবে, (তখন নারীরা এর মালিকানা লাভ করবে)।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا شَرِيكٌ عَنْ لَيْثٍ عَنْ طَاوُسٍ قَالَ لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ أَعْتَقَ مَنْ أَعْتَقْنَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৬ সহীহ সনদে তাউস বলেন, নারীরা মালিকানা উত্তরাধিকার সূত্রে পাবে।’ এছাড়াও, আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮২. ইয়াহইয়া ইবনু আবী কাছীর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, এক লোক একটি মুকাতাব দাস রেখে মৃত্যু বরণ করে। এরপর মুকাতাব দাসটিও কিছু সম্পদ রেখে মৃত্যুবরণ করে। তখন ইবনুল মুসাইয়্যিব এবং আবূ সালামাহ ইবনু আব্দুর রহমান (রহঃ) মুকাতাব দাসের চুক্তির পরিমাণ সম্পদ তার মনিবের ছেলে-মেয়ে উভয়ের মাঝে তাদের প্রাপ্য মীরাছ অনুপাতে বন্টন করে দিলেন এবং লিখিত চুক্তির অতিরিক্ত সম্পদ মনিবের সন্তানদের মধ্যে নারীদের বাদ দিয়ে কেবল পুরুষ সন্তান (তথা ছেলেদের) মাঝে বন্টন করে দিলেন।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا أَبُو سُفْيَانَ عَنْ مَعْمَرٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ قَالَ تُوُفِّيَ رَجُلٌ وَتَرَكَ مُكَاتَبًا ثُمَّ مَاتَ الْمُكَاتَبُ وَتَرَكَ مَالًا فَجَعَلَ ابْنُ الْمُسَيَّبِ وَأَبُو سَلَمَةَ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ مَا بَقِيَ مِنْ مُكَاتَبَتِهِ بَيْنَ بَنِي مَوْلَاهُ الرِّجَالُ وَالنِّسَاءُ عَلَى مِيرَاثِهِمْ وَمَا فَضَلَ مِنْ الْمَالِ بَعْدَ كِتَابَتِهِ فَلِلرِّجَالِ مِنْهُمْ مِنْ بَنِي مَوْلَاهُ دُونَ النِّسَاءِ
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৫৭৬৯; বাইহাকী, মুকাতাব ১০/৩৪১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৭৮।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৩. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার, আলী এবং যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা বলেন, মালিকানা পাবে নিকটবর্তী বয়স্ক আত্মীয়। আর নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানার ওয়ারিস হয় না, যদি না তারা (কোনো দাসকে) মুক্ত করে কিংবা (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের) চুক্তি করে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ عَنْ عُمَرَ وَعَلِيٍّ وَزَيْدٍ أَنَّهُمْ قَالُوا الْوَلَاءُ لِلْكُبْرِ وَلَا يَرِثُونَ النِّسَاءَ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ كَاتَبْنَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫০; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৬; আব্দুর রাযযাক ১৬২৬৩ এ সনদের হাসান ইবনু আম্মারাহ মাতরুক। এটি পুর্বে গত হয়েছে।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৪. খালিদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, আবী কিলাবাহ (রহঃ) হতে…[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا إِسْمَعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ خَالِدٍ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮-৩৮৯ নং ১১৫৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৫. এবং যুহরী (রহঃ) হতে, সাঈদ ইবনু মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত,…[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
وَحَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৫।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৬. আবী যিনাদ হতে বর্ণিত, সুলাইমান ইবনু ইয়াসার (রহঃ) হতে বর্ণনা করেন, তারা সকলেই বলেছেন: নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানার ওয়ারিস হয় না, যদি না তারা (কোনো দাসকে) মুক্ত করে কিংবা (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানের) চুক্তি করে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
وَحَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي الزِّنَادِ عَنْ أَبِيهِ عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّهُمْ قَالُوا لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ كَاتَبْنَ
তাখরীজ: সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮০।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৭. আশ’আস (রহঃ) হতে বর্ণিত, হাসান (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা পাবে না, তবে যখন তারা (কোন দাসকে) মুক্তি দান করবে, অথবা তারা (নারীরা) যাকে মুক্তি দান করেছে, সেই মুক্ত দাস অপর কাউকে মুক্তি দান করবে, (তখন নারীরা এর মালিকানা লাভ করবে)। তবে লিয়ানকারীণী স্ত্রীলোক ব্যতীত। কেননা, সে স্ত্রীলোক তার সেই ছেলে কর্তৃক মুক্ত দাসের ওয়ারিস হবে, যাকে তার পিতা অস্বীকার করেছে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا مُعَاذٌ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الْحَسَنِ قَالَ لَا تَرِثُ النِّسَاءُ مِنْ الْوَلَاءِ إِلَّا مَا أَعْتَقْنَ أَوْ أَعْتَقَ مَنْ أَعْتَقْنَ إِلَّا الْمُلَاعَنَةُ فَإِنَّهَا تَرِثُ مَنْ أَعْتَقَ ابْنُهَا وَالَّذِي انْتَفَى مِنْهُ أَبُوهُ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮ নং ১১৫৫২; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮১ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৮. সালিম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মেয়েদেরকে বাদ দিয়ে তাঁর পিতা (আব্দুল্লাহ) রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর মুক্ত দাসদের ওয়ারিস হতেন।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِيسَى حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ عَنْ يُونُسَ عَنْ الزُّهْرِيِّ عَنْ سَالِمٍ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ كَانَ يَرِثُ مَوَالِيَ عُمَرَ دُونَ بَنَاتِ عُمَرَ
তাখরীজ: আমি এটি এখানে ব্যতীত আর কোথাও পাইনি। দেখুন, ৩১৮৯ নং হাদীসটি।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৮৯. খালিদ আল হাজ্জা হতে বর্ণিত, এক স্ত্রীলোক তার এক পুত্র রেখে মৃত্যু বরণ করে, ফলে তার সে পুত্র তার সম্পদ ও কয়েকটি দাস ওয়ারিস সূত্রে লাভ করে। এরপর স্ত্রীলোকের সে পুত্রটি মৃত্যুবরণ করে- এ সম্পর্কে আবী কিলাবাহ (রহঃ) বলেন, এ মহিলার আসাবা (নিকটাত্মীয়)-গণের নিকট এ দাসদের মালিকানা প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ عَنْ أَبِي قِلَابَةَ فِي امْرَأَةٍ مَاتَتْ وَتَرَكَتْ بَنِيهَا فَوَرِثُوهَا مَالًا وَمَوَالِيَ ثُمَّ مَاتَ بَنُوهَا قَالَ يَرْجِعُ الْوَلَاءُ إِلَى عَصَبَةِ الْمَرْأَةِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৮-৩৮৯ নং ১১৫৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯০. মানসূর (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি ইবরাহীম (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করলাম, কোনো লোক তার এক দাসের সাথে মুকাতাবাহ (নির্ধারিত অর্থের বিনিময়ে মুক্তিদানের) চুক্তি করলো এরপর লোকটি মৃত্যুবরণ করলো, আর সে কয়েকটি কন্যা ও পুত্র রেখে গেল। এ (দাসের মালিকানা) সম্পর্কে তিনি বলেন, মেয়েরা ব্যতীত পুত্রগণই এর মালিকানা লাভ করবে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ عَنْ إِسْرَائِيلَ عَنْ مَنْصُورٍ قَالَ سَأَلْتُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ رَجُلٍ كَاتَبَ عَبْدًا لَهُ ثُمَّ مَاتَ وَتَرَكَ وَلَدًا رِجَالًا وَنِسَاءً قَالَ لِلذُّكُورِ دُونَ الْإِنَاثِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৭; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩৪১।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯১. ইউনূস (রহঃ) হতে বর্ণিত, যে স্ত্রীলোক তার এক মুক্তদাস রেখে মৃত্যুবরণ করে- তার সম্পর্কে হাসান (রহঃ) বলতেন, তার পুত্রগণ এর মালিকানা পাবে এবং তারা মৃত্যু বরণ করলে সেই স্ত্রীলোকের আসাবা (নিকটাত্মীয়) গণের নিকট এ দাসের মালিকানা প্রত্যাবর্তিত হবে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو النُّعْمَانِ حَدَّثَنَا وُهَيْبٌ حَدَّثَنَا يُونُسُ عَنْ الْحَسَنِ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ فِي امْرَأَةٍ مَاتَتْ وَتَرَكَتْ مَوْلًى قَالَ الْوَلَاءُ لِبَنِيهَا فَإِذَا مَاتُوا رَجَعَ إِلَى عَصَبَتِهَا
তাখরীজ : আব্দুর রাযযাক ১৬২৫৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯২. মুগীরাহ হতে বর্ণিত, ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, নারীরা (কোনো দাসের) মালিকানা স্বত্ব পাবে না, তবে যাকে (দাসকে) তারা নিজে মুক্ত করে, তা ব্যতীত।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ أَخْبَرَنَا شُعْبَةُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ لَيْسَ لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ شَيْءٌ إِلَّا مَا أَعْتَقَتْ هِيَ بِنَفْسِهَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৮৯ নং ১১৫৫৬, ১১৬৭১; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৪৮১ সনদ সহীহ; আব্দুর রাযযাক ১৬২৬১।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯৩. মুহাম্মদ (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর একটি মুক্ত দাস মৃত্যু বরণ করলে ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু যাইদ ইবনু ছাবিত রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে ডেকে বললেন, উমারের (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) কণ্যাগণের কী তার (এ দাসের মালিকানার) মীরাছে কোনো অংশ আছে? তিনি বললেন, আমি মনে করি তাদের এতে কোনো অংশ নাই, তবে আপনি যদি মনে করেন তাদেরকে কিছু দেবেন, তবে আমি তাদেরকে কিছু দিতে পারি।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ عَامِرٍ عَنْ ابْنِ عَوْنٍ عَنْ مُحَمَّدٍ قَالَ مَاتَ مَوْلًى لِعُمَرَ فَسَأَلَ ابْنُ عُمَرَ زَيْدَ بْنَ ثَابِتٍ فَقَالَ هَلْ لِبَنَاتِ عُمَرَ مِنْ مِيرَاثِهِ شَيْءٌ قَالَ مَا أَرَى لَهُنَّ شَيْئًا وَإِنْ شِئْتَ أَنْ تُعْطِيَهُنَّ أَعْطَيْتَهُنَّ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৫৭৭৬; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৫।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯৪. হিশাম (রহঃ) তার পিতা হতে বর্ণনা করেন, তিনি বলেন, যে ব্যক্তি মীরাছের অংশ পাবে, সে-ই মালিকানা লাভ করবে।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ عَنْ هِشَامٍ عَنْ أَبِيهِ قَالَ يُحْرِزُ الْوَلَاءَ مَنْ يُحْرِزُ الْمِيرَاثَ
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৫।
পরিচ্ছেদঃ ৫২. নারীদের জন্য মালিকানা বা অভিভাবকত্ব লাভের বর্ণনা
৩১৯৫. আবূ বকর ইবনু আমর ইবনু হাযম হতে বর্ণিত যে, মুহারিব গোত্রের এক মহিলা তার এক দাসের মালিকানা দাসের নিজের জন্য সাব্যস্ত করলো, তথা সে তাকে মুক্তি দিল। তখন সে মুক্ত দাস নিজেকে আব্দুর রহমান ইবনু আমর ইবনু হাযমকে নিজের মালিকানা প্রদান করলো। এরপর স্ত্রীলোকটি মৃত্যুবরণ করলে তার মুক্ত দাসেরা উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট মোকদ্দমা দায়ের করলো। তখন তিনি তার বক্তব্যের সপক্ষে প্রমাণ চাইলেন। তখন সে প্রমাণ হাজির করলো। তখন উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বললেন, তুমি গিয়ে যাকে ইচ্ছা তোমার ওলী (মালিক/অভিভাবক) হিসেবে গ্রহণ করো।আবূ বকর বলেন, তখন সে আব্দুর রহমান ইবনু আমর ইবনু হাযমকে ওলী হিসেবে গ্রহণ করলো।[1]
باب مَا لِلنِّسَاءِ مِنْ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ حَدَّثَنَا يَحْيَى عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ أَنَّ امْرَأَةً مِنْ مُحَارِبٍ وَهَبَتْ وَلَاءَ عَبْدِهَا لِنَفْسِهِ فَأَعْتَقَتْهُ فَوَهَبَ وَلَاءَ نَفْسِهِ لِعَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ وَمَاتَتْ فَخَاصَمَتْ الْمَوَالِي إِلَى عُثْمَانَ فَدَعَا عُثْمَانُ الْبَيِّنَةَ عَلَى مَا قَالَ قَالَ فَأَتَى الْبَيِّنَةُ فَقَالَ لَهُ عُثْمَانُ اذْهَبْ فَوَالِ مَنْ شِئْتَ قَالَ أَبُو بَكْرٍ فَوَالَى عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ৬/১২৪ নং ৫১৮; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২২৬।
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩১৯৬. ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা ও তা হিবা (দান) করা হতে নিষেধ করেছেন।[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ২৬০৭ নং এ। পরের হাদীসটিও দেখুন। ((মালিক, আল ইতক ২০; বুখারী, আল ইতক ২৫৩৫; মুসলিম, আল ইতক ১৫০৬।))
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩১৯৭. (অপর সনদে) ইবনু উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা ও তা হিবা (দান) করতে নিষেধ করেছেন।[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دِينَارٍ عَنْ ابْنِ عُمَرَ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ نَهَى عَنْ بَيْعِ الْوَلَاءِ وَعَنْ هِبَتِهِ
তাখরীজ: এটি গত হয়েছে ২৬০৭ নং এ। আগের হাদীসটিও দেখুন। (মালিক, আল ইতক ২০; বুখারী, আল ইতক ২৫৩৫; মুসলিম, আল ইতক ১৫০৬।)
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩১৯৮. আতা হতে বর্ণিত, আমি ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না এবং তা হিবা (দান) করাও যাবে না; বরং যে ব্যক্তি তাকে মুক্তি দান করবে, মালিকানা তারই থাকবে।[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عَبَّاسٍ يَقُولُ لَا يُبَاعُ الْوَلَاءُ وَلَا يُوهَبُ وَالْوَلَاءُ لِمَنْ أَعْتَقَ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪৫; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫০৬ ও ১১/৪১৮ নং ১১৬৫৭; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/২৯৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩১৯৯. ইবরাহীম হতে বর্ণিত, আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ’নসব’ বা বংশ সম্পর্কের মতই (নিকটতর) বন্ধন। তা ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না এবং তা হিবা (দান) করাও যাবে না।[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ سَعِيدٍ عَنْ أَبِي مَعْشَرٍ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ الْوَلَاءُ لُحْمَةٌ كَلُحْمَةِ النَّسَبِ لَا يُبَاعُ وَلَا يُوهَبُ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪২; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫০৭ ও ১১/৪১৮ নং ১১৬৫৬; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৭৮; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/২৯৪। এ সনদগুলি সবই মুনকাতি’ বা বিচ্ছিন্ন।
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩২০০. হাসান ও সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যিব (রহঃ) হতে বর্ণিত, তারা উভয়ে দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করাকে মাকরূহ (অপছন্দনীয়) জানতেন।[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا هَمَّامٌ حَدَّثَنَا قَتَادَةُ عَنْ الْحَسَنِ وَسَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ أَنَّهُمَا كَرِهَا بَيْعَ الْوَلَاءِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪৭ (সহীহ সনদে), ১৬১৪৯; ইবনু আবী শাইবা ৬/১২২ নং ৫১০; সাঈদ ইবনু মানসূর নং ২৮৪;
পরিচ্ছেদঃ ৫৩. মালিকানা বা অভিভাবকত্ব ক্রয়-বিক্রয় করা
৩২০১. আতা হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, দাসের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) ক্রয়-বিক্রয় করা যাবে না। কোনো লোকের দাসকে কি দু’বার ধ্বংস করা হবে?[1]
باب بَيْعِ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ حَدَّثَنَا ابْنُ إِدْرِيسَ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ لَا يُبَاعُ الْوَلَاءُ أَيُؤْكَلُ بِرَقَبَةِ رَجُلٍ مَرَّتَيْنِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক ১৬১৪৪।
পরিচ্ছেদঃ ৫৪. ফারাইযে 'আউল' বা বর্ধিত সংখ্যার বন্টন প্রক্রিয়া
৩২০২. আতা হতে বর্ণিত, ইবনু আব্বাস রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন, ফারাইযের ছয়টি ভাগ, আমরা একে ’আউল’ করব (বাড়াব) না।[1]
باب فِي عَوْلِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ ابْنِ جُرَيْجٍ عَنْ عَطَاءٍ عَنْ ابْنِ عَبَّاسٍ قَالَ الْفَرَائِضُ مِنْ سِتَّةٍ لَا نُعِيلُهَا
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/২৮২ নং ১১২৩৬; আব্দুর রাযযাক ১৯০৩৫ (মুনকাতি’ ও সম্ভবত মু’দাল সনদে); সাঈদ ইবনু মানসূর নং ৩৫ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৪. ফারাইযে 'আউল' বা বর্ধিত সংখ্যার বন্টন প্রক্রিয়া
৩২০৩. শুরাইহ ইবনুল হারিছ হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, (মৃত স্ত্রীলোকের) দু’ কন্যা, পিতা-মাতা ও স্বামীর অংশের ব্যাপারে (কুফার কাযী) শুরাইহ (রহঃ) এর নিকট অভিযোগ উত্থাপিত হলে তিনি তাদের মাঝে ফায়সালা করে দিলেন। এরপর স্বামী মসজিদে গিয়ে তার (শুরাইহ’র) ব্যাপারে অভিযোগ জানাতে লাগলো। তখন আব্দুল্লাহ ইবনু রাবাহ লোক পাঠিয়ে তাকে ধরে এনে শুরাইহ’র নিকট পাঠিয়ে দিলেন। আর বললেন, দেখেন তো, এ লোকটি (আপনার সম্পর্কে) কী বলে? তখন তিনি (শুরাইহ) বললেন, এ লোকটি মনে করে যে আমি যালিম, আর আমি মনে করি এ লোকটি ফাসিক-ফাজির (পাপী)। সে প্রকাশ্যে অভিযোগ পেশ করছে এবং প্রচলিত ফায়সালাকে গোপন করছে। তখন লোকটি জিজ্ঞেস করলো, দু’ কন্যা, পিতা-মাতা এবং স্বামী সম্পর্কে আপনার ফায়সালা কী? তিনি বললেন, স্বামী পাবে পুরো সম্পদের এক চতুর্থাংশ, পিতা-মাতা পাবে দুই ষষ্ঠাংশ এবং বাকী সম্পদ দু’ কন্যা পাবে।
তাহলে আপনি আমাকে কম দিলেন কেন? তিনি বললেন, আমি তোমাকে কম দেইনি, বরং আল্লাহই তোমাকে কম দিয়েছেন। দু’ কন্যা পাবে দুই তৃতীয়াংশ, পিতা-মাতা পাবে দুই ষষ্ঠাংশ এবং স্বামী পাবে এক চতুর্থাংশ। ফলে পুরো সম্পদকে সাড়ে সাত ভাগে ভাগ করতে হবে। আর তোমার অংশ হবে ’আওল’কৃত।[1]
باب فِي عَوْلِ الْفَرَائِضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عِمْرَانَ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ مَيْسَرَةَ بْنِ شُرَيْحٍ عَنْ أَيُّوبَ بْنِ الْحَارِثِ قَالَ اخْتُصِمَ إِلَى شُرَيْحٍ فِي بِنْتَيْنِ وَأَبَوَيْنِ وَزَوْجٍ فَقَضَى فِيهَا فَأَقْبَلَ الزَّوْجُ يَشْكُوهُ فِي الْمَسْجِدِ فَأَرْسَلَ إِلَيْهِ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ رَبَاحٍ فَأَخَذَهُ وَبَعَثَ إِلَى شُرَيْحٍ فَقَالَ مَا يَقُولُ هَذَا قَالَ هَذَا يَخَالُنِي امْرَأً جَائِرًا وَأَنَا إِخَالُهُ امْرَأً فَاجِرًا يُظْهِرُ الشَّكْوَى وَيَكْتُمُ قَضَاءً سَائِرًا فَقَالَ لَهُ الرَّجُلُ مَا تَقُولُ فِي بِنْتَيْنِ وَأَبَوَيْنِ وَزَوْجٍ فَقَالَ لِلزَّوْجِ الرُّبُعُ مِنْ جَمِيعِ الْمَالِ وَلِلْأَبَوَيْنِ السُّدُسَانِ وَمَا بَقِيَ فَلِلِابْنَتَيْنِ قَالَ فَلِأَيِّ شَيْءٍ نَقَصْتَنِي قَالَ لَيْسَ أَنَا نَقَصْتُكَ اللَّهُ نَقَصَكَ لِلِابْنَتَيْنِ الثُّلُثَانِ وَلِلْأَبَوَيْنِ السُّدُسَانِ وَلِلزَّوْجِ الرُّبُعُ فَهِيَ مِنْ سَبْعَةٍ وَنِصْفٍ فَرِيضَةً فَرِيضَتُكَ عَائِلَةٌ
তাখরীজ: এটি আমি এ বর্ণনা পরম্পরায় পাইনি; তবে ওয়াকী তার কিতাব ‘আখবারুল কাযাহ’ ২/৩৬৪ এ মুহাম্মদ ইবনু সীরীন হতে, তিনি শুরাইহ হতে অনুরূপ ঘটনা বর্ণনা করেছেন যার সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৪. শা’বী (রহঃ) হতে বর্ণিত, আলী, উমার ও যাইদ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, পিতা তার সন্তানের (দাসের) মালিকানা চালিয়ে নেবে।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ عَنْ عَلِيٍّ وَعُمَرَ وَزَيْدٍ قَالُوا الْوَالِدُ يَجُرُّ وَلَاءَ وَلَدِهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৭ নং ১১৫৮৩; আব্দুর রাযযাক ১৬২৭৬, ১৬২৭৭ কেবল উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে মুনকাতি’ সনদে। দেখুন বাইহাকী, ওয়ালা ৬/৩০৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৫. আশ’আস হতে বর্ণিত, শা’বী (রহঃ) বলেন, দাদা মালিকানা ধরে রাখবে।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ الشَّعْبِيِّ قَالَ الْجَدُّ يَجُرُّ الْوَلَاءَ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৭, ৪০০ নং ১১৫৮৩, ১১৫৯৪; আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৮৬ সনদ সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৬. ইবনু সীরীন (রহঃ) হতে বর্ণিত, শুরাইহ (রহঃ) বলেন, তার সন্তানের ওয়ালা’ বা অভিভাবকত্ব পিতার নিজের দিকে টেনে নিয়ে যাবে।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُيَيْنَةَ عَنْ عَلِيِّ بْنِ مُسْهِرٍ عَنْ أَشْعَثَ عَنْ ابْنِ سِيرِينَ عَنْ شُرَيْحٍ قَالَ الْوَالِدُ يَجُرُّ وَلَاءَ وَلَدِهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৭৮, ১৬২৭৯; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৮, ৩৯৯ নং ১১৫৮৭, ১১৫৮৯; বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৭. যাকারিয়া (রহঃ) হতে বর্ণিত, কোনো এক দাস মৃত্যূ বরণ করলো, তার পিতা ছিল স্বাধীন পুরুষ এবং তার স্ত্রী ছিল একজন দাসী যার গর্ভে তার কয়েকটি পুত্র ছিল। আমির (রহঃ) কে জিজ্ঞাসা করা হলো, এ ব্যক্তির সন্তানের মালিকানা (অভিভাবকত্ব) কে পাবে? তিনি বললেন, দাদার মালিক/মনিবগণ।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا عَنْ عَامِرٍ فِي مَمْلُوكٍ تُوُفِّيَ وَلَهُ أَبٌ حُرٌّ وَلَهُ بَنُونَ مِنْ امْرَأَةٍ حُرَّةٍ لِمَنْ وَلَاءُ وَلَدِهِ قَالَ لِمَوَالِي الْجَدِّ
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৮. মুগীরা হতে বর্ণিত, এক মুকাতাব (অর্থের বিনিময়ে মুক্তিদানের চুক্তিকৃত) দাস তার চুক্তিকৃত অর্থের অর্ধেক পরিশোধ করেই মৃত্যুবরণ করলো। আর তার স্বাধীনা স্ত্রীর গর্ভের একটি সন্তান রয়েছে। এ লোক সম্পর্কে ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, আমি তো কেবল একথাই মনে করি, সে (তার মালিক/ মনিব) তার সন্তানের মালিকানা ফিরে নিয়ে গেছে।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو نُعَيْمٍ حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ عَنْ مُغِيرَةَ عَنْ إِبْرَاهِيمَ فِي مُكَاتَبٍ مَاتَ وَقَدْ أَدَّى نِصْفَ مُكَاتَبَتِهِ وَلَهُ وَلَدٌ مِنْ امْرَأَةٍ أَحْرَارٌ قَالَ مَا أُرَاهُ إِلَّا قَدْ جَرَّ وَلَاءَ وَلَدِهِ
তাখরীজ: আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৮৭।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২০৯. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, শুরাইহ কোনো মামলার রায় দিয়ে দিলে তিনি তা থেকে আর প্রত্যাবর্তন করতেন না। কিন্তু আসওয়াদ যখন তার নিকট বর্ণনা করলেন যে, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যখন কোনো দাস কোনো স্বাধীনা নারীকে বিয়ে করে, আর সে নারী স্বাধীন সন্তান জন্ম দেয়, অত:পর সে লোকটি স্বাধীন হয়ে গেলে (সেই সন্তানদের) মালিকানা (অভিভাবকত্ব) তাদের পিতার মালিক/মনিবের নিকট ফিরে যাবে।’ তখন শুরাইহ এ মত গ্রহণ করলেন।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَرْبٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْحَكَمِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ كَانَ شُرَيْحٌ لَا يَرْجِعُ عَنْ قَضَاءٍ يَقْضِي بِهِ فَحَدَّثَهُ الْأَسْوَدُ أَنَّ عُمَرَ قَالَ إِذَا تَزَوَّجَ الْمَمْلُوكُ الْحُرَّةَ فَوَلَدَتْ أَوْلَادًا أَحْرَارًا ثُمَّ عُتِقَ بَعْدَ ذَلِكَ رَجَعَ الْوَلَاءُ لِمَوَالِي أَبِيهِمْ فَأَخَذَ بِهِ شُرَيْحٌ
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৭; আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৮৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৯ নং ১১৫৮৯।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২১০. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, যদি কোনো দাসের অধীনে কোনো মুক্ত স্ত্রীলোক থাকে যার সন্তানদেরকে তার মাতার মুক্তি দানের মাধ্যমে মুক্তি দান করা হয়, এমতাবস্থায় পিতা মুক্তি পেলে ওয়ালা’ তথা অভিভাবকত্ব চলে যাবে তার পিতার নিকট।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا يَعْلَى عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ فِي الْمَمْلُوكِ يَكُونُ تَحْتَهُ الْحُرَّةُ يُعْتَقُ الْوَلَدُ بِعِتْقِ أُمِّهِ فَإِذَا عُتِقَ الْأَبُ جَرَّ الْوَلَاءَ
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৬; আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৭৬, ১৬২৭৭; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৭ নং ১১৫৮১। তবে অপর সনদে বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৬; ইবনু আবী শাইবা ১১/৩৯৭ নং ১১৫৮২ এর সনদটি সহীহ।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২১১. কাছীর ইবনু শিনজীর হতে বর্ণিত, যদি কোনো দাসের অধীনে কোনো মুক্ত স্ত্রীলোক থাকে, এক্ষেত্রে আতা (রহঃ) বলেন, সে স্ত্রীলোক এ লোকের ওরসে যে সন্তান জন্ম দেবে, সে যদি দাস হয়, তখন এ সন্তানের ওয়ালা’ বা অভিভাবকত্ব পাবে সে স্ত্রীলোকের (মুক্তিদানকারী) অভিভাবকগণ। আর সে স্ত্রীলোক এ লোকের ওরসে যে মুক্ত/স্বাধীন সন্তান জন্ম দেবে, সে সকল সন্তানের ওয়ালা’ বা অভিভাবকত্ব পাবে সে পুরুষের (মুক্তিদানকারী) অভিভাবকগণ।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا مُسْلِمٌ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ عَنْ كَثِيرِ بْنِ شِنْظِيرٍ عَنْ عَطَاءٍ فِي الْحُرَّةِ تَحْتَ الْعَبْدِ قَالَ أَمَّا مَا وَلَدَتْ مِنْهُ وَهُوَ عَبْدٌ فَوَلَاؤُهُمْ لِأَهْلِ نِعْمَتِهَا وَمَا وَلَدَتْ مِنْهُ وَهُوَ حُرٌّ فَوَلَاؤُهُمْ لِأَهْلِ نِعْمَتِهِ
তাখরীজ: ইবনু আবী শাইবা ১১/৪০৩ নং ১১৫৯৭; আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৯০ সহীহ সনদে।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২১২. ইবরাহীম (রহঃ) হতে বর্ণিত, উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেছেন: যদি কোনো দাসের অধীনে কোনো মুক্ত স্ত্রীলোক থাকে , আর তার গর্ভে সেই দাসের পক্ষের কোনো ছেলে থাকে, ফলে সে ছেলেকে তার মাতার মুক্ত হওয়ার কারণে মুক্তি দান করা হবে, আর তার ওয়ালা’ বা অভিভাবকত্ব লাভ করবে সে স্ত্রীলোকের অভিভাবকগণ। এরপর যখন তার পিতা মুক্তি পাবে, তখন তার (ছেলের) ওয়ালা’ তথা অভিভাবকত্ব চলে যাবে তার পিতার অভিভাবকগণের নিকট।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنْ الْأَعْمَشِ عَنْ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عُمَرُ إِذَا كَانَتْ الْحُرَّةُ تَحْتَ الْمَمْلُوكِ فَوَلَدَتْ لَهُ غُلَامًا فَإِنَّهُ يُعْتَقُ بِعِتْقِ أُمِّهِ وَوَلَاؤُهُ لِمَوَالِي أُمِّهِ فَإِذَا أُعْتِقَ الْأَبُ جَرَّ الْوَلَاءَ إِلَى مَوَالِي أَبِيهِ
তাখরীজ: বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩০৬। বাইহাকী বলেন, এটি মুনকাতি’, তবে উমার রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু হতে এটি মুত্তাসিল হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে…।” আর এটি ৩২০৬ এ গত হয়েছে যেখানে আমরা এটি মুনাকাতি’ ও মুত্তাসিল উভয়টি তাখরীজ করেছি।
পরিচ্ছেদঃ ৫৫. মালিকানা (অভিভাবকত্ব) টেনে নেওয়া
৩২১৩. আলা’ ইবনু আব্দুর রহমান তার পিতা হতে বর্ণনা করেন যে, তিনি বলেন, আমার মাতা ছিলেন একজন অগ্নিদগ্ধ মহিলার মুক্ত দাসী। আর আমার পিতা মালিক ইবনু আউস ইবনুল হাদাছানী আন নাসরীর সাথে মুকাতাবাহ’ (অর্থের বিনিময়ে মুক্তি দানে চুক্তি)-তে আবদ্ধ ছিলেন। এরপর আমার পিতা তার সকল অর্থ পরিশোধ করে দেন। তখন অগ্নিদগ্ধ লোকটি উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট গিয়ে আমার উপর তার অধিকার চাই - তথা আমাকে দান হিসেবে চায়; তখন মালিক ইবনু আউস তার নিকট উপস্থিত ছিলেন। তখন তিনি বলেন, এ তো আমার মুক্ত দাস। তখন তারা উভয়ে উছমান রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু এর নিকট মোকদ্দমা পেশ করেন। তখন তিনি ফায়সালা করেন যে, তাকে (আামর পিতাকে) অগ্নিদগ্ধ লোকটি পাবে।[1]
باب جَرِّ الْوَلَاءِ
حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ الْمُبَارَكِ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ عَنْ ابْنِ إِسْحَقَ عَنْ الْعَلَاءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِيهِ قَالَ كَانَتْ أُمِّي مَوْلَاةً لِلْحُرَقَةِ وَكَانَ أَبِي يَعْقُوبُ مُكَاتَبًا لِمَالِكِ بْنِ أَوْسِ بْنِ الْحَدَثَانِ النَّصْرِيِّ ثُمَّ إِنَّ أَبِي أَدَّى كِتَابَتَهُ فَدَخَلَ الْحُرَقِيُّ عَلَى عُثْمَانَ يَسْأَلُ الْحَقَّ يَعْنِي الْعَطَاءَ وَعِنْدَهُ مَالِكُ بْنُ أَوْسٍ فَقَالَ ذَاكَ مَوْلَايَ فَاخْتَصَمَا إِلَى عُثْمَانَ فَقَضَى بِهِ لِلْحُرَقِيِّ
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি। তবে দেখতে পারেন, বাইহাকী, ওয়ালা ১০/৩১৫।
পরিচ্ছেদঃ ৫৬. যে লোক তার কোনো আসাবাহ (নিকটাত্মীয়) না রেখে মৃত্যু বরণ করেন
৩২১৪. সাহম ইবনু ইয়াযিদ আল হামরাঈ হতে বর্ণিত, একটি লোক মৃত্যু বরণ করলো যার কোন ওয়ারিস ছিল না। তার ব্যাপারে তিনি খলীফা উমার ইবনু আব্দুল আযীয (রহঃ) এর নিকট জানতে চেয়ে চিঠি পাঠালেন। তখন তিনি জবাবে লিখে পাঠালেন যে, যাদের সাথে থেকে সে সরকারী অনুদান গ্রহণ করতো, তাদের তাদের মাঝে এর মীরাছ বন্টন করে দাও। তখন যাদের সাথে থেকে সে (সরকারী) অনুদান গ্রহণ করতো, তার সেসকল পরিচিত জনদের মাঝে এর মীরাছ বন্টন করে দেওয়া হলো।[1]
باب الرَّجُلِ يَمُوتُ وَلَا يَدَعُ عَصَبَةً
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ حَدَّثَنَا حَيْوَةُ أَخْبَرَنِي سَهْمُ بْنُ يَزِيدَ الْحَمْرَاوِيُّ أَنَّ رَجُلًا تُوُفِّيَ وَلَيْسَ لَهُ وَارِثٌ فَكُتِبَ فِيهِ إِلَى عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ وَهُوَ خَلِيفَةٌ فَكَتَبَ أَنْ اقْتَسِمُوا مِيرَاثَهُ عَلَى مَنْ كَانَ يَأْخُذُ مَعَهُمْ الْعَطَاءَ فَقُسِمَ مِيرَاثُهُ عَلَى مَنْ كَانَ يَأْخُذُ مَعَهُمْ الْعَطَاءَ فِي عِرَافَتِهِ
তাখরীজ: আমি এটি আর কোথাও পাইনি। তবে দেখতে পারেন, আব্দুর রাযযাক নং ১৬২৭৪।