জাল (Fake) হাদিস পাওয়া গেছে 991 টি

পরিচ্ছেদঃ

১৮১। অবাধ্যতা রিযক কমিয়ে দেয় না এবং তাকে (রিযককে) সৎকর্ম বৃদ্ধিও করে না। আর দো’আ ছেড়ে দেয়া হচ্ছে নাফারমানী (অবাধ্যতা)।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি তাবরানী “মুজামুস সাগীর” গ্রন্থে (পৃঃ ১৪৭) এবং ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (১১/২) ইসমাঈল ইবনু ইয়াহইয়া আত-তাইনী সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন। এ সনদটি জাল এ ইসমাঈল মিথ্যুক হওয়ার কারণে, যেমনভাবে আবু আলী আন-নাইসাপুরী, দারাকুতনী ও হাকিম বলেছেন। ইবনু আদী বলেনঃ তিনি যা কিছু বর্ণনা করেছেন তার সবই বাতিল। এছাড়া আতিয়া আল-আওফী দুর্বল। তার সম্পর্কে ২৪ নং হাদীসে আলোচনা করা হয়েছে।

মানবী “জামেউস সাগীর"-এর শারাহর মধ্যে বলেন, হায়সামী বলেছেনঃ আওফী দুর্বল। সাখাবী বলেনঃ এটির সনদ দুর্বল। কিন্তু হাদীসটির মূল কারণ উদঘাটন করতে তারা সকলে ভুলে গেছেন। সেটি হচ্ছে ইসমাঈলের মিথ্যুক হওয়া। এ কারণেই সম্ভবত সুয়ূতী “জামেউস সাগীর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

এছাড়া হাদীসটি বাতিল হওয়ার প্রমাণ বহন করছে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিম্নের সহীহ হাদীসটি। যেটিকে বুখারী ও মুসলিম বর্ণনা করেছেন।

من أحب أن يبسط له في رزقه وأن ينسأ له في أثره فليصل رحمه

অর্থঃ যে ব্যক্তি তার রিযক বৃদ্ধি করা ও তার হায়াত বৃদ্ধি পাওয়াকে ভালবাসে, সে যেন আত্মীয়দের সাথে সম্পর্ক বজায় রাখে।

إن الرزق لا تنقصه المعصية ولا تزيده الحسنة، وترك الدعاء معصية
موضوع

-

أخرجه الطبراني في " الصغير " (ص 147) وابن عدي في " الكامل " (11 / 2) من طريق إسماعيل بن يحيى التيمي عن مسعر بن كدام عن عطية عن أبي سعيد مرفوعا
وهذا إسناد موضوع، إسماعيل هذا كذاب كما قال أبو علي النيسابوري والدارقطني والحاكم، وقال ابن عدي: عامة ما يرويه بواطيل، وعطية العوفي ضعيف وقد مضى له حديث رقم (24)
وقال المناوي في " شرح الجامع ": قال الهيثمي: وفيه عطية العوفي ضعيف، قال السخاوي: سنده ضعيف
وقد ذهلوا جميعا عن علة الحديث الحقيقية، وإلا لما جاز تعصيب الجناية برأس عطية دون إسماعيل الكذاب! ولعله لذلك أورده السيوطي في " الجامع
ثم إن مما يدل على بطلان الحديث قوله صلى الله عليه وسلم: " من أحب أن يبسط له في رزقه وأن ينسأ له في أثره فليصل رحمه "، رواه الشيخان وغيرهما، وهو مخرج في " صحيح أبي داود " (1486)
فهذا يدل على أن الحسنة سبب في زيادة الرزق كما أنها سبب في إطالة العمر، ولا تعارض عند التحقيق بين هذا وبين قوله تعالى (فإذا جاء أجلهم لا يستأخرون ساعة ولا يستقدمون) ولبسط هذا موضع آخر


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৮২। তোমাদের সেই সর্বোত্তম ব্যাক্তি যে, তার নিজ বংশের পক্ষে অন্যকে প্রতিরোধ করে, তবে যতক্ষণ পর্যন্ত সে গুনাহ না করবে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু দাউদ (নং ৫১২০) আইউব ইবনু সুওয়াইদ সূত্রে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আইউব ইবনু সুওয়াইদ-এর কারণে এটির সনদটি নিতান্তই দুর্বল। তাকে আহমাদ, আবু দাউদ প্রমুখ দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

নাসাঈ বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।

ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে (২/২৩১) বলেনঃ আমি আমার পিতাকে বলতে শুনেছিঃ আইউব ইবনু সুওয়াইদ এর প্রথম যে বস্তুটি আমরা ইনকার করি সেটি হচ্ছে সাঈদ ইবনু মুসাইয়াব হতে উসামা ইবনুয়ায়েদ সূত্রের এ হাদীসটি। উসামা সা’ঈদ হতে কিছু বর্ণনা করেছেন বলে আমি জানিনা।

তিনি অন্যত্র (২/২০৯) বলেনঃ ইবনু মাঈনকে এ আইউব সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করা হয়েছিল। তিনি বলেন তিনি কিছুই না। সাঈদ ইবনু মুয়াইয়্যার সুরাকা হতে কিছু বর্ণনা করেননি। এ হাদীসটি জাল, এর দরজা হচ্ছে ওয়াকেদীর হাদিস।

মুনযেরী "মুখতাসারুস সুনান" গ্রন্থে (৮/১৮) আইউব ইবনু সুওয়াইদকে এবং সনদের মধ্যে সাঈদ এবং সুরাকার মধ্যে ইনকিতা’ (বিচ্ছিন্নতা) হওয়াকে হাদীসটিৱ সমস্যা হিসাবে চিহ্নিত করেছেন। কিন্তু মানবী শুধুমাত্র আইউব ইবনু সুওয়াইদকে দুর্বলতার কারণ হিসাবে উল্লেখ করেছেন।

خيركم المدافع عن عشيرته ما لم يأثم
موضوع

-

أخرجه أبو داود (رقم 5120) من طريق أيوب بن سويد عن أسامة بن زيد أنه سمع سعيد بن المسيب يحدث عن سراقة بن مالك بن جعشم المدلجي قال: خطبنا رسول الله صلى الله عليه وسلم فقال: فذكره
قلت: وهذا سند ضعيف جدا من أجل أيوب بن سويد ضعفه أحمد وأبو داود وغيرهما
وقال النسائي: ليس بثقة، وقال ابن أبي حاتم في " العلل " (2 / 231)
سمعت أبي قال: أول ما أنكرنا على أيوب بن سويد حديث أسامة بن زيد عن سعيد بن المسيب عن سراقة بن مالك (فذكر هذا الحديث) ، وما أعلم أسامة روى عن سعيد بن المسيب شيئا، وقال في موضع آخر (2 / 209) : قال أبي: كنت أسمع منذ حين يذكر عن يحيى بن معين أنه سئل عن أيوب بن سويد فقال: ليس بشيء، وسعيد بن المسيب عن سراقة لا يجيء، وهذا حديث موضوع، بابه حديث الواقدي
والحديث أعله المنذري في " مختصر السنن " (8 / 18) بأيوب بن سويد، وبالانقطاع بين سعيد بن المسيب وسراقة، وذهل المناوي في " شرح الجامع الصغير " عن الانقطاع فأعله بأيوب فقط؟
وأورده الهيثمي في " المجمع " (8 / 110) من حديث خالد بن عبد الله بن حرملة المدلجي ثم قال: رواه الطبراني وفيه من لم أعرفهم
والذي تقتضيه الصناعة الحديثية أن الحديث ضعيف جدا، لولا حكم أبي حاتم بوضعه فإنه إمام حجة، والله أعلم


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৮৫। আল-হামদুলিল্লাহ, মেয়েদের দাফন করা সন্মানজনক কর্ম সমূহের অন্তর্ভুক্ত।

হাদীসটি জাল।

এটি ইয়াকূব আল-ফাসাবী "আল-মা’রিফাহ" (৩/১৫৯) গ্রন্থে, তাবারানী "আল-মু’জামুল কাবীর" (৩/১৪৪/২), "আল-আওসাত" গ্রন্থে (১/৭৬২) ও "মুসনাদুশ শামেয়ীন" (২৪০৮) গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এছাড়া বাযযার আবুল কাশিম আল-মেহরানী, খতীব বাগদাদী, কাযা’ঈ এবং ইবনু আসাকিরও আরাক ইবনু খালিদ ইবনে ইয়াযীদ সুত্রে উসমান ইবনু আতা হতে ... বর্ণনা করেছেন।

তাবারানী বলেনঃ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে এ সনদ ছাড়া অন্য কোন সনদে হাদীসটি বর্ণনা করা হয়নি। মেহরানী বলেনঃ এটি গারীব। উসমান ইবনু আতা এটিকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন। ইবনুল জাওয হাদীসটি “আল-মাওযু আত” গ্রন্থে (৩/২৩৬) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ নয়। উসমান দুর্বল। তার পিতা হেফযের দিক দিয়ে নিম্নমানের। আরাক ইবনু খালিদ শক্তিশালী নন। মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান আল-কুরাশী দুর্বল, তিনি হাদীস চুরি করতেন। তিনি আরো বলেনঃ আমি আমার শাইখ আব্দুল ওয়াহাব ইবনু আনমাতী হতে শুনেছি; তিনি আল্লাহর নামে কসম করে বলেনঃ এ সংক্রান্ত বিষয়ে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও কিছুই বলেননি।

সুয়ূতী তার (ইবনুল জাওযীর) এ বক্তব্যকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৪৩৮) সমর্থন করেছেন। তা সত্ত্বেও তিনি “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এ কারণে "জামেউস সাগীর”-এর ভাষ্যকার মানবী তার সমালোচনা করেছেন।

সাগানী হাদীসটি তার “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (পৃঃ ৮) উল্লেখ করেছেন।

الحمد لله، دفن البنات من المكرمات
موضوع

-

أخرجه يعقوب الفسوي في " المعرفة " (3 / 159) والطبراني في " الكبير " (3 /144 / 2) " والأوسط " (1 / 76 / 2) و" مسند الشاميين " (2408) والبزار (790 - زوائده) وأبو القاسم المهراني في " الفوائد المنتخبة " (3 / 26 /1) والخطيب في " تاريخه " (5 / 57) والقضاعي في " مسند الشهاب " (15 /2) وابن عساكر (1 / 216 و8 / 503 / 1 و11 / 262 / 1 و15 / 159 / 2 و16 /25 / 2) من طريق عراك بن خالد بن يزيد عن عثمان بن عطاء عن أبيه عن عكرمة عن ابن عباس قال: لما عزي رسول الله صلى الله عليه وسلم على رقية امرأة عثمان ابن عفان قال: فذكره، وقال الطبراني: لا يروى عن النبي صلى الله عليه وسلم إلا بهذا الإسناد، وقال المهراني: غريب تفرد به عثمان بن عطاء، وهذا أولى من قول الطبراني المذكور فإنه مردود برواية ابن عدي إياه في " الكامل " (300 /1) من طريق محمد بن عبد الرحمن بن طلحة القرشي حدثنا عثمان بن عطاء به، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 236) وقال: لا يصح، عثمان ضعيف وأبوه رديء الحفظ، وعراك ليس بالقوي، ومحمد بن عبد الرحمن ضعيف يسرق الحديث، قال: وسمعت شيخنا عبد الوهاب بن الأنماطي الحافظ يحلف بالله عز وجل
أنه ما قال رسول الله صلى الله عليه وسلم من هذا شيئا قط، وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 438) ، ومع هذا فقد أورده في " الجامع الصغير " وتعقبه شارحه المناوي بما ذكرناه من الإقرار، ثم تناقض، فقال في التيسير
إسناده ضعيف، والحديث أورده الصغاني أيضا في الموضوعات " (ص 8) ، وقد روي عن ابن عمر


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৮৬। মেয়েদের দাফন করা সন্মানজনক কর্ম সমূহের অন্তর্ভুক্ত।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনু আদী “আল-কামিল” গ্রন্থে (২/৮০) এবং খাতীব বাগদাদী (৭/২৯১) হুমায়েদ ইবনু হাম্মাদ সূত্রে ... উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এটির সনদ দুর্বল। হুমায়েদ ইবনু হাম্মাদ সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন। হাদীসটি নিরাপদ নয়। আবু দাউদ বলেনঃ এটি দুর্বল। ইবনুল জাওযী হাদীসটির এ কারণই বর্ণনা করেছেন। তিনি এটিকে তার “আল-মাওযূ’আত” গ্রন্থে (৩/২৩৫) উল্লেখ করে বলেছেনঃ হুমায়েদ নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে মুনকার হাদীস বর্ণনা করতেন।

সুয়ূতী তার (ইবনুল জাওযীর) এ বক্তব্যকে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/৪৩৮) সমর্থন করেছেন। তা সত্ত্বেও তিনি “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এ কারণে ইবনু আদীর কথা উল্লেখ করার মাধ্যমে মানবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ ইবনুল জাওযী এটিকে জাল হিসাবে হুকুম লাগিয়েছেন। যাহাবী এবং লেখক (সুয়ূতী) তার এ কথাকে সমর্থন করেছেন।

دفن البنات من المكرمات
موضوع

-

أخرجه ابن عدي في " الكامل " (80 / 2) والخطيب (7 / 291) عن حميد بن حماد عن مسعر بن كدام عن عبد الله بن دينار عن ابن عمر مرفوعا به
قلت: وهذا سند ضعيف حميد بن حماد قال ابن عدي: يحدث عن الثقات بالمناكير والحديث غير محفوظ، وقال أبو داود: ضعيف، وبه أعله ابن الجوزي فأورد الحديث في " الموضوعات " (3 / 235) من هذا الوجه ثم قال: لا يصح، حميد يحدث عن الثقات بالمناكير، وأقره السيوطي في " اللآليء " كالحديث الذي قبله، ومع هذا أورده أيضا في " الجامع الصغير "! وتعقبه المناوي أيضا بما سبق عن ابن عدي وقال: وحكم ابن الجوزي بوضعه وأقره عليه الذهبي والمؤلف في مختصر الموضوعات
ثم تناقض المناوي أيضا، فقال: إسناده ضعيف


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৮৯। তোমরা তোমাদেরকে সূর্যের মাঝে বসা হতে রক্ষা কর। কারন সে কাপড়কে পুরাতন করে দেয়, বাতাসকে দুর্গন্ধযুক্ত করে দেয় এবং লুক্কায়িত রোগকে প্রকাশ করে দেয়।

হাদীসটি জাল।

এটিকে হাকিম আল-মুসতাদরাক গ্রন্থে (৪/৪১১) মুহাম্মাদ ইবনু যিয়াদ আত-তাহান সুত্রে উল্লেখ করেছেন। হাকিম হাদিসটির উপর হুকুম লাগানো হতে চুপ থেকেছেন। যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেনঃ এটি তাহান কর্তৃক জালকৃত।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তা সত্ত্বেও সুয়ূতী হাদিসটিকে "জামে’উস সাগীর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। এ কারণে মানবী যাহাবীর এ কথা দ্বারা তার সমালোচনা করেছেন। অতঃপর মানবী বলেছেনঃ লেখকের উচিত ছিল এটিকে মুছে ফেলা।

إياكم والجلوس في الشمس فإنها تبلي الثوب وتنتن الريح وتظهر الداء الدفين
موضوع

-

أخرجه الحاكم في " المستدرك " (4 / 411) من طريق محمد بن زياد الطحان حدثنا ميمون بن مهران عن ابن عباس مرفوعا، وسكت عليه الحاكم وتعقبه الذهبي بقوله: قلت: ذا من وضع الطحان
قلت: ومع هذا أورده السيوطي في " الجامع الصغير " فتعقبه المناوي بكلام الذهبي هذا، ثم قال المناوي: فكان ينبغي للمصنف حذفه


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯০। প্রত্যেকের মাথায় কুষ্ঠ রোগের ভিত্তি রয়েছে যা (ঘুমন্তাবস্থায়) গড় গড় শব্দ করে। অতঃপর তা যখন অস্থিরতায় ভুগে তখন তার উপর সর্দি চাপিয়ে দেন। অতএব তোমরা তার জন্য ঔষধ ব্যাবহার করো না।

হাদীসটি জাল।

এটিকে হাকিম আল-মুসতাদরাক গ্রন্থে (৪/৪১১), অনুরূপভবে কাসিম আস-সারকাসতী "গারীবুল হাদিস" গ্রন্থে (২/১৫৪/১) মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস কুরাশী সুত্রে বর্ণনা করেছেন। হাকিম হাদিসটির উপর কোন প্রকার হুকিমলাগানো হতে চুপ থেকেছেন।

এ কারণে যাহাবী তার সমালোচনা করে বলেছেন, আমি বলছিঃ সম্ভবত এটি বানোয়াট। কুদায়মী (কুরাশী) মিথ্যার দোষে দোষী।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে "আল-মাওযূ’আত" গ্রন্থে (৩/২০৫) কুদায়মী পর্যন্ত তার সনদে উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ্ নয়। মুহাম্মাদ ইবনু ইউনুস হচ্ছেন কুদায়মী; তিনি হাদীস জালকারী।

সুয়ূতী “আল-লাআলী" গ্রন্থে (২/৪০২) তাঁর এ কথাকে সমর্থন করা সত্ত্বেও তিনি হাদীসটি "জামেউস সাগীর" গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

হাদিসটি দাইলামী (৪/২২) ইবনু লাল সুত্রে বর্ণনা করেছেন। এ সনদে মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনু মানসূর রয়েছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ ইবনে মানুসর অথবা তার শাইখ হুসাইন ইবনু ইউসুফ আল-ফাহহাম আমার নিকট মিথ্যার দোষে দোষী। তার এ শাইখকে আমি চিনি না। হতে পারে তিনিই সে ব্যক্তি যাকে ইবনু আসাকির মাজহুল (অপরিচিত) বলেছেন।

যাহাবী বলেনঃ মুহাম্মাদ ইবনু আহমাদ আবূ হাফস ফাল্লাসের উদ্ধৃতিতে রাফেযী এবং জাহমিয়াদের অভিশাপ করতে বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন। জানা যায় না তিনি কে? অনুরূপভাবে তার থেকে বর্ণনাকারীকেও চিনি না।

ما من أحد إلا وفي رأسه عرق من الجذام تنعر، فإذا هاج سلط الله عليه الزكام فلا تداووا له
موضوع

-

أخرجه الحاكم (4 / 411) وكذا القاسم السرقسطي في " غريب الحديث " (2 / 154 / 1) من طريق محمد بن يونس القرشي حدثنا بشر بن حجر السلمي، حدثنا فضيل بن عياض عن ليث عن مجاهد عن ابن عباس عن عائشة مرفوعا، وسكت عليه الحاكم، وتعقبه الذهبي بقوله: قلت: كأنه موضوع فالكديمي متهم
قلت: وقد أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 205) بإسناده إلى الكديمي به، ثم قال: لا يصح، محمد بن يونس هو الكديمي يضع الحديث
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 402) فإنه لم يتعقبه بشيء إلا أنه ذكر أن الحاكم أخرجه وأن الذهبي تعقبه بما سبق، ومع هذا أورده في " الجامع الصغير "! وبذلك تعقبه المناوي في " شرحيه"، وأخرجه الديلمي (4 / 22) من طريق ابن لال: حدثنا محمد بن أحمد بن منصور حدثنا الحسين بن يوسف الفحام بمصر حدثنا محمد بن سحنون التنوخي حدثنا محمد بن بشر المصري حدثنا أبو معاوية الضرير عن
الأعمش عن زيد بن وهب عن جرير بن عبد الله رفعه
قلت: وهذا المتهم به عندي محمد بن أحمد بن منصور أو شيخه الفحام، فإن هذا لم أعرفه، ويحتمل أنه الحسين بن يوسف الذي قال ابن عساكر: مجهول، والأول قال الذهبي: روى عن أبي حفص الفلاس خبرا باطلا في لعن الرافضة والجهمية، لا يدرى من هو وكذلك الراوي عنه


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯১। জুম’আহ হচ্ছে ফকীরদের হাজ্জ (হজ্জ), (অন্য ভাষায়) মিসকিনদের হাজ্জ (হজ্জ)।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু নু’য়াইম “আখবাবু আসবাহান” গ্রন্থে (২/১৯০), কাযাঈ (নং ৭৯) ও ইবনু আসাকির (১১/১৩২) ইবনু আব্বাস (রাঃ) হতে প্রথম শব্দে এবং ইবনু যানজুবিয়াহ ও কাযাঈ (৭৮) দ্বিতীয় শব্দে বর্ণনা করেছেন, যেমনভাবে “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে এসেছে। এটির সনদে ঈসা ইবনু ইবরাহীম হাশেমী ও তার শাইখ মুকাতিল রয়েছেন। হাফিয ইরাকী বলেনঃ সনদটি দুর্বল।

যাহাবী হাদিসটি ঈসার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে "আল-মীযান" গ্রন্থে উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস, মাতরূক। সাখাবী বলেনঃ মুকাতিল দুর্বল, অনুরূপভাবে তার থেকে বর্ণনাকারী ঈসাও দুর্বল।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুকাতিল মিথ্যুক, যেমনভাবে তার সম্পর্কে ওয়াকী’ হতে নকল করা হয়েছে এবং তার থেকে বর্ণনাকারী ঈসা ইবনু ইবরাহীম নিতান্তই দুর্বল। বুখারী ও নাসাঈ বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস। এ জন্যেই সাগানী হাদীসটিকে “আহাদীসুল মাওযুআহ” গ্রন্থে (পৃ ৭) উল্লেখ করেছেন। ইবনুল জাওযীও “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন। সুয়ূতী নিজে তা সমর্থন করেছেন, তবে নিম্নের বাক্যেঃ (দেখুন পরেরটি)

الجمعة حج الفقراء، وفي لفظ: المساكين
موضوع

-

رواه أبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2 / 190) والقضاعي (رقم 79) وابن عساكر (11 / 132) عن ابن عباس باللفظ الأول، وابن زنجويه والقضاعي (78) أيضا باللفظ الثاني أيضا كما في " الجامع الصغير " وقال المناوي في شرحه: ورواه الحارث بن أبي أسامة، أخرجوه كلهم من حديث عيسى بن إبراهيم الهاشمي عن مقاتل عن الضحاك عن ابن عباس، قال الحافظ العراقي: سنده ضعيف، وأورده في " الميزان " في ترجمة عيسى هذا وقال عن جمع: هو منكر الحديث، متروك
وقال السخاوي: مقاتل ضعيف، وكذا الراوي عنه
قلت: هذا الكلام إنما هو على اللفظ الثاني، وأما اللفظ الأول وهو الثاني في ترتيب السيوطي فلم يتكلم عليه المناوي بشيء فلعله اكتفى بذلك إشارة إلى أن طريقهما واحد وهو الظاهر من صنيع " الكشف " ولعله تبع فيه أصله " المقاصد " فإنه أورده باللفظين ثم قال: وفي سنده مقاتل ضعيف.
قلت: أما مقاتل فكذاب كما تقدم نقله عن وكيع في الحديث (168) ، وأما الراوي عنه عيسى بن إبراهيم فضعيف جدا، قال البخاري والنسائي: منكر الحديث فما دام أن الحديث من رواية الكذاب فكان اللائق بالسيوطي أن ينزه منه الكتاب! ولهذا ذكره الصغاني في " الأحاديث الموضوعة " (ص 7) ومن قبله ابن الجوزي في " الموضوعات " وأقره السيوطي نفسه لكن بلفظ آخر


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯২। মোরগ হচ্ছে আমার উম্মতদের দরিদ্রদের ছাগল এবং জুম’আহ হচ্ছে আমাদের দরিদ্রদের হাজ্জ (হজ্জ)।

হাদীসটি জাল।

ইবনু হিব্বান কর্তৃক "মাজরুহীন" গ্রন্থের (৩/৯০) বর্ণনা হতে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (৩/৮) হাদীসটি আব্দুল্লাহ ইবনু যায়েদ-মাহমাশ আন-নাইসাপুরী সূত্রে হিশাম ইবনু ওবায়দিল্লাহ হতে ... উল্লেখ করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ ইবনু হিব্বান বলেনঃ এটি বাতিল, এর কোন ভিত্তি নেই। হিশাম হচ্ছেন এমন এক বর্ণনাকারী যার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না।

দারাকুতনী বলেনঃ হাদীসটি মিথ্যা, মাহমাশ হাদীস জাল করতেন। সয়ুতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/২৮) তা সমর্থন করেছেন। ইবনু আররাক “তানযীহুশ শারীয়াহ" গ্রন্থে (২/২৩৬) বলেনঃ হাফিয যাহাবী “তাবাকাতুল হুফফায” গ্রন্থে শুধুমাত্র বলেছেন হাদীসটি সহীহ নয়।

সহীহ নয় এ কথা দ্বারা হাদীসটি জাল নয় এমন কিছু বুঝানো ঠিক হবে না, দুটি কারণেঃ

১। হাদীসটি স্পষ্টত জাল এ কারণই তার প্রমাণ বহন করছে। কারণ এটিকে একজন জালকারী বর্ণনা করেছেন। তাছাড়া দারাকুতনী স্পষ্ট করেই বলেছেনঃ এটি মিথ্যা হাদীস এবং ইবনু হিব্বান বলেছেন বাতিল।

২ । এটি সহীহ নয়’ কথাটি হাদীসটি জাল এ কথা বিরোধী নয়, বরং বহু সময় দেখা যায় এ শব্দটি জাল শব্দের স্থলাভিষিক্ত হয়েছে, এখানেও সেরূপ। কারণ যাহাবী নিজেই হিশাম ইবনু ওবায়দিল্লার জীবনীতে ইবনু হিব্বান-এর বর্ণনায় এ হাদীসটিসহ আরেকটি হাদীস উল্লেখ করে বলেছেনঃ উভয়টিই বাতিল।

মানবী যাহাবী হতে নকল করেছেন (৬/১৬৩) যে, তিনি “আয-যুয়াফা" গ্রন্থে বলেছেনঃ এ দু’টাে হাদীসই বানোয়াট। অতএব ইবনু আররাক কর্তৃক এরূপ ধারণা পোষণ করা যে, যাহাবী জাল হিসাবে উল্লেখ করেননি, সঠিক নয়।

الدجاج غنم فقراء أمتي، والجمعة حج فقرائها
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 8) من رواية ابن حبان في " المجروحين " (3 / 90) من طريق عبد الله بن زيد - محمش - النيسابوري عن هشام ابن عبيد الله الرازي عن ابن أبي ذئب عن نافع عن ابن عمر مرفوعا ثم قال
قال ابن حبان: باطل لا أصل له، وهشام لا يحتج به، وقال الدارقطني: هذا كذب، والحمل فيه على محمش كان يضع الحديث
وأقره السيوطي في " اللآليء " (2 / 28) فلم يتعقبه بشيء البتة، وأما ابن عراق فتعقبه في " تنزيه الشريعة " (236 / 2) بقوله: قلت: اقتصر الحافظ الذهبي في " طبقات الحفاظ " على قوله بعد إيراد الحديث: هذا غير صحيح، والله أعلم
قلت: وهذا التعقب لا طائل تحته لسببين، الأول: أن علة الحديث المقتضية لوضعه ظاهرة، وهو كونه من رواية هذا الوضاع، ولا سيما أنه قد صرح الدارقطني بأنه حديث كذب، وابن حبان ببطلانه
والآخر أن قوله: لا يصح، لا ينافي كونه موضوعا بل كثيرا ما تكون هذه اللفظة مرادفة لكلمة موضوع، وهي هنا بهذا المعنى لما سبق، ولأن الذهبي نفسه قد أورد هذا الحديث وحديثا آخر في ترجمة الرازي هذا من رواية ابن حبان عنه ثم قال الذهبي: قلت: كلاهما باطل، ووصف هذا الخبر في " النبلاء " (10 / 447) بأنه
لا يحتمل
ونقل المناوي (6 / 163) عنه أنه قال في " الضعفاء ": إنهما حديثان موضوعان
فتبين أن الذهبي من القائلين بوضع الحديث خلافا لما ظنه ابن عراق


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৩। পুরুষদের সৌভাগ্য রয়েছে তার হালকা পাতলা দাড়িতে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনু হিব্বান “আয-যুয়াফা" গ্রন্থে (১/৩৬০), তাবারানী (৩/২৮২/১), ইবনু আদী (২/৩৫৮) ও খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (১৪/২৯৭) ইউসুফ ইবনু গারাক সূত্রে সুকায়েন ইবনু আবী সিরাজ হতে, তিনি মুগীরা ইবনু সুওয়াইদ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আল-খাতীব বলেনঃ সুকায়েন মাজহুল, মুনকারুল হাদীস । মুগীরা ইবনু সুওয়াইদও মাজহুল। এ হাদীসটি সহীহ নয়। এছাড়া ইউসুফ ইবনু গারাক মুনকারুল হাদীস।

ইবনু হিব্বান বলেনঃ সুকায়েন নির্ভরশীলদের উদ্ধৃতিতে জাল হাদীস বর্ণনাকারী।

হাদিসটি হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৫/১৬৪-১৬৫) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি তারারানী বর্ণনা করেছেন তার সনদে ইউসুফ ইবনু গারাক রয়েছেন। তার সম্পর্কে আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক।

হাদীসটি ইবনুল-জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (১/১৬৬) সুওয়াইদ-ইবনু সা’ঈদু সূত্রে বাকিয়া ইবনু ওয়ালীদ হতে উল্লেখ করেছেন। এ সুওয়াইদ ইবনু সা’ঈদকে ইয়াহইয়া দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন আর বাকিয়া হচ্ছেন মুদল্লিস। এছাড়া, তার শাইখ আবুল ফযলও দুর্বল।

ইবনু আদীৱ বৰ্ণনায় অন্য এক সূত্রের বর্ণনাকারী আবূ দাউদ আন-নাখঈ হচ্ছেন একজন জালকারী। তার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে ইবনু আদী বলেনঃ (২/১৫৩) এ হাদীসটি তিনিই জাল করেছেন।

ইবনু আদীর আরো এক সূত্রের বর্ণনাকারী হচ্ছেন হুসাইন ইবনুল মুবারাক; তার সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি বিভিন্ন সনদে মুনকার বাক্যে হাদীস বর্ণনা করেছেন। অন্য বর্ণনাকারী ওরাকা; তিনি কিছুরই সমকক্ষ নন। এ হুসাইন সম্পর্কে ইবনু আদী বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী।

যাহাবী তার দু’টি হাদীস বর্ণনা করেছেন। এটি সে দু’টোর একটি অতঃপর বলেছেনঃ এটি মিথ্যা। তার এ কথাকে হাফিয় ইবনু হাজার "লিসানুল মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন। সুয়ূতীও হাদীসটি জাল হওয়ার ব্যাপারে তার “আল-ফাতাওয়া (২/২০৫) গ্রন্থে ঐকমত্য পোষণ করেছেন।

বাকিয়া সুত্রে বর্ণিত এ হাদিসটি সম্পর্কে আবূ হাতিমকে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ এ হাদীসটি জাল, বাতিল।

ইবনু কুতাইবা "মুখতালাফুল হাদীস" গ্রন্থে (৯০) উল্লেখ করেছেন যে, হাদিসবিদগণ এটি সম্পর্কে বলেছেনঃ হাদিসটির কোন ভিত্তি নেই।

من سعادة المرء خفة لحيته
موضوع

-

أخرجه ابن حبان في " الضعفاء " (1 / 360) والطبراني (3 / 282 / 1) وابن عدي (358 / 2) والخطيب في " تاريخه " (14 / 297) من طريق يوسف بن الغرق عن سكين بن أبي سراج عن المغيرة بن سويد عن ابن عباس مرفوعا، ثم روى الخطيب: عن أبي علي صالح بن محمد: قال بعض الناس: إنما هذا تصحيف إنما هو: " من سعادة المرء خفة لحييه بذكر الله "، ثم قال الخطيب: سكين مجهول منكر الحديث، والمغيرة بن سويد أيضا مجهول، ولا يصح هذا الحديث، ويوسف بن الغرق منكر الحديث، ولا تصح لحيته، ولا لحييه، وقال ابن حبان: سكين يروي الموضوعات عن الأثبات والملزقات عن الثقات، والحديث ذكره الهيثمي في " المجمع " (5 /164 - 165) وقال: رواه الطبراني وفيه يوسف بن الغرق قال الأزدي: كذاب، وأورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 166) من هذا الوجه، ثم ساقه من رواية الجوهري من طريق سويد بن سعيد، حدثنا بقية بن الوليد عن أبي الفضل عن مكحول عن ابن عباس مرفوعا بمثله، ومن رواية ابن عدي من طريق أبي داود النخعي عن حطان بن خفاف عن ابن عباس، ومن روايته أيضا (97 / 2) عن الحسين بن المبارك حدثنا بقية حدثنا ورقاء بن عمر عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة مرفوعا ثم قال ابن الجوزي: لا يصح، المغيرة مجهول، وسكين يروي الموضوعات عن الأثبات، ويوسف كذاب وسويد ضعفه يحيى، وبقية مدلس، وشيخه أبو الفضل هو بحر بن كنيز السقاء ضعيف، فكفاه تدليسا، والنخعي يضع، وورقاء لا يساوي شيئا، والحسين بن المبارك قال ابن عدي: حدث بأسانيد ومتون منكرة
قلت: وقال ابن عدي (153 / 2) في ترجمة النخعي: هذا مما وضعه هو
وتعقب ابن الجوزي السيوطي في " اللآليء " (1 / 121) بما ينتج منه أنه وافقه على وضعه، فإنه إنما تعقبه فيما ذكره من الجرح في بعض رواة الحديث فقال: قلت: المغيرة ذكره ابن بان في الثقات
قلت: قد سبق غير مرة أن توثيق ابن حبان وحده لا يعتمد عليه لتساهله فيه ولا سيما عند المخالفة كما هو الأمر هنا فقد سمعت قول الخطيب في المغيرة هذا أنه مجهول، وكذا قال أبو علي النيسابوري فيما نقله الذهبي في " الميزان "، ثم هب أنه ثقة فالراوي عنه سكين مجهول أيضا كما تقدم في كلام الخطيب، وقد قال الحافظ العسقلاني في ترجمته من " اللسان ": قال ابن حبان: يروي الموضوعات، روى عن المغيرة عن ابن عباس رفعه: من سعادة المرء خفة لحيته
قلت: فالحديث إذا موضوع من هذا الوجه حتى عند ابن حبان الذي وثق المغيرة فهو إنما يتهم به سكين هذا، فالراوي عنه يوسف الغرق قد تابعه عليه عبد الرحمن بن قيس عند أبي بكر الكلاباذي في " مفتاح معاني الآثار " (16 / 1 رقم 18)
ثم قال السيوطي: وورقاء هو اليشكري ثقة صدوق عالم روى عنه الأئمة الستة
قلت: صدق السيوطي، وأخطأ ابن الجوزي في قوله فيه لا يساوي شيئا، لكن هذا لا ينجي الحديث من الوضع ما دام في الطريق إليه بقية وهو مدلس مشهور، ولا يفرح بتصريحه بالتحديث هنا لأن الراوي عنه الحسين بن المبارك غير ثقة كما يشعر به كلام ابن عدي المتقدم وهو في " الكامل " (97 / 2) وقد سلمه السيوطي، بل قال الذهبي في ترجمته: قال ابن عدي: متهم، ثم ساق له حديثين هذا أحدهما وقال عقبه: وهو كذب، وأقره الحافظ في اللسان
ويؤيد ما ذهبت إليه من موافقة السيوطي على وضع هذا الحديث أنه نقل في فتاواه (2 / 205) عن ابن الجوزي أنه أورده في " الموضوعات "، ولم يتعقبه بشيء
ومع هذا أورده في كتابه " الجامع الصغير "! فأخطأ وتناقض ولذا تعقبه شارحه المناوي ببعض ما ذكرناه عن ابن الجوزي والذهبي والعسقلاني، والحديث أورده ابن أبي حاتم (2 / 263) من طريق بقية عن أبي الفضل ثم ذكر أنه سأل أباه عنه فقال: هذا حديث موضوع باطل، وذكر ابن قتيبة في " مختلف الحديث " (ص 90) عن أصحاب الحديث أنهم قالوا في هذا الحديث: لا أصل له


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৪। তোমরা বরকতপূর্ণ যায়তুন গাছের তেল গ্রহণ কর এবং ঔষধ হিসেবে ব্যাবহার কর, কারন তা অর্শ্ব রোগের আরোগ্যকারী।

হাদীসটি মিথ্যা।

এটিকে তাবারানী "আল-মু-জামুল কাবীর" গ্রন্থে (১৭/২৪৭/৭৭৪) এবং তার থেকে আবূ নু’য়াইম "আত-তিব্ব" গ্রন্থে (২/৮০) উসমান ইবনু সালেহ সূত্রে তার পিতা হতে, তার পিতা ইবনু লাহী’য়াহ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু আবী হাতিম "আল-ইলাল" গ্রন্থে (২/২৭৯) বলেনঃ আমার পিতা হতে শুনেছিঃ তিনি ইবনু লাহী’য়াহ হতে উসমান ইবনু সালেহ সুত্রে হাদিসটি বর্ণনা করেছেন। অতঃপর বলেছেনঃ এটি একটি মিথ্যা হাদিস।

যাহাবী তার "আল-মীমান" গ্রন্থে এ কথাকে সমর্থন করে এটির কারণ সম্পর্কে ইঙ্গিত দিয়ে বলেছেনঃ আবূ যুর’য়াহ বলেছেনঃ উসমান মিথ্যুকদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন না। কিন্তু তিনি খালিদ ইবনু নাজীহ-এর সাথে হাদীস লিখতেন। আর এ খালিদ তাদেরকে লিখে দিতেন সে সব কিছু যা তারা তাদের শাইখ হতে শুনেননি।

ইবনু আবী হাতিম “আল-জারহু ওয়াত তাদীল” গ্রন্থে (১/২/৩৫৫) খালিদ ইবনু নাজীহ-এর জীবনী আলোচনা করতে গিয়ে তার পিতা হতে নকল করে বলেছেনঃ তিনি (খালিদ) উসমান ইবনু সালেহ মিসরী, লাইস-এর কাতিব আবু সালেহ ও ইবনু আবী মারইয়াম-এর সাথে থাকতেন। তিনি একজন মিথ্যুক, হাদীস জাল করতেন এবং সেগুলো ইবনু আবী মারইয়াম এবং আবু সালেহ-এর গ্রন্থগুলোতে ঢুকিয়ে দিতেন। যে হাদীসগুলো আবু সালেহ হতে ইনকার করা হচ্ছে, ধারণা করা হচ্ছে সেগুলো তারই জালকৃত।

আমি (আলবানী) বলছিঃ স্পষ্ট ব্যাপার এই যে, এ হাদীসটি খালেদ কর্তৃক জালকৃত। তার পক্ষে উসমান ইবনু সালেহের মধ্যে সন্দেহ ঢুকানো সম্ভব হয়েছে যে, এটি তিনি তার শাইখ ইবনু লাহীয়াহ হতে লিখেছেন। কিন্তু সুয়ূতীর নিকট হাদীসটির কারণ লুক্কায়িতই রয়ে গেছে। ফলে তিনি “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে হাদীসটি উল্লেখ করেছেন। এজন্য মানবী তার সমালোচনা করেছেন।

عليكم بهذه الشجرة المباركة زيت الزيتون فتداووا به فإنه مصحة من الباسور
كذب

-

رواه الطبراني في " الكبير " (17 / 247 / 774) وعنه أبو نعيم في " الطب " (80 / 2) حدثنا يحيى بن عثمان بن صالح حدثني أبي حدثنا ابن لهيعة عن يزيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة بن عامر مرفوعا
قلت: وهذا إسناد واه، قال الهيثمي في " المجمع " (5 / 100) : رواه الطبراني، وفيه ابن لهيعة، وحديثه حسن، وبقية رجاله رجال الصحيح، ولكن ذكر الذهبي هذا الحديث في ترجمة عثمان بن صالح، ونقل عن أبي حاتم أنه كذب
قلت: قال ابنه في " العلل " (2 / 279) : سمعت أبي حدثنا عن يحيى بن عثمان عن أبيه عن ابن لهيعة عن زيد بن أبي حبيب عن أبي الخير عن عقبة مرفوعا بهذا الحديث قال أبي: هذا حديث كذب
وأقره الذهبي في " الميزان "، وأشار إلى علته فقال: قال أبو زرعة: لم يكن عثمان يعني ابن صالح ممن يكذب، ولكن كان يكتب مع خالد بن نجيح، فبلوا به، كان يملي عليهم ما لم يسمعوا من الشيخ
وقال ابن أبي حاتم في ترجمة خالد بن نجيح من " الجرح والتعديل " (1 / 2 /355) عن أبيه: كان يصحب عثمان بن صالح المصري وأبا صالح كاتب الليث وابن أبي مريم، وهو كذاب يفتعل الأحاديث ويضعها في كتب ابن أبي مريم وأبي صالح، وهذه الأحاديث التي أنكرت على أبي صالح يتوهم أنها من فعله
قلت: فالظاهر أن خالدا هذا هو الذي افتعل هذا الحديث واستطاع أن يوهم عثمان ابن صالح أنه كتبه عن الشيخ، وهو ابن لهيعة، وأما كيف تمكن من ذلك فالله أعلم به، وابن لهيعة ضعيف الحفظ معروف بذلك، ومع هذا لم يحملوا في هذا الحديث عليه كأنهم رأو اأنه مع ضعفه لا يليق به ذلك والله أعلم
وقد خفيت علة هذا الحديث على السيوطي فأورده في الجامع الصغير
فتعقبه المناوي في " شرحيه " بتكذيب أبي حاتم المتقدم، وقد ذكره السيوطي من قبل مختصرا بلفظ: عليكم بزيت الزيتون فكلوه وادهنوا به، فإنه ينفع من الباسور ، وقال: رواه ابن السني عن عقبة
زاد المناوي: ورواه عنه الديلمي أيضا
قلت: وسكتا عنه وظني أنه عنده بلفظ حديث الترجمة وإسناده فقد رأيته في " الفردوس " (3 / 27 / 4054) بلفظ حديث الترجمة، ولم أره في " الغرائب الملتقطة من مسند الفردوس " لابن حجر العسقلاني، والله أعلم


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৫। তোমাদের কোন ব্যাক্তি যখন তার স্ত্রী বা তার দাসীর সাথে মিলিত হবে; তখন যেন তাঁরা গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি না দেয়। কারণ তা অন্ধ সন্তান ভূমিষ্ঠ করায়।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু’আত” গ্রন্থে (২/২৭১) ইবনু আদীর (১/৪৪) বর্ণনায় হিশাম ইবনু খালিদ হতে, তিনি বাকিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন। অতঃপর ইবনুল জাওযী বলেন, ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ বাকিয়া মিথ্যুকদের থেকে বর্ণনা করতেন এবং তাদলীস করতেন। তার কিছু সাথী ছিল যারা তার হাদীস হতে দুর্বল বর্ণনাকারীদেরকে সরিয়ে দিত। এ হাদীসটি ইবনু যুরায়েজ হতে কোন দুর্বল বর্ণনাকারীর। অতঃপর তিনি তার থেকে তাদলীস করেছেন। এটি জাল (বানোয়াট)।

সুয়ূতী “আল-লাআলী” গ্রন্থে (২/১৭০) বলেছেনঃ ইবনু আবী হাতিম “আল-ইলাল” গ্রন্থে তার পিতা হতে অনুরূপ কথা বর্ণনা করেছেন।

ইবনু সালাহ বাকিয়া কর্তৃক ইবনু যুরায়েজ হতে শ্রবণ সাব্যস্ত করেছেন। কিন্তু ইবনু আবী হাতিম ইঙ্গিত দিয়েছেন যে, বাকিয়া থেকে বর্ণনাকারী হিশাম হতে এ ভুল সংঘটিত হয়েছে। মূলত এটি তিনি ইবনু যুরায়েজ হতে শ্রবণ করেননি। অতঃপর বলেছেন, আমার পিতা বলেছেনঃ এ তিনটি হাদীস বানোয়াট, এগুলোর কোন ভিত্তি নেই। তার এ কথাকে যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে সমর্থন করেছেন।

এছাড়া সঠিক দৃষ্টিভঙ্গিও এ হাদীসটি বাতিল হওয়ার প্রমাণ বহন করে। যখন আল্লাহ তা’আলা স্ত্রীর সাথে মেলা-মেশাকে বৈধ করেছেন, তখন এটি বোধগম্য নয় যে, তিনি তার গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দিতে নিষেধ করবেন।

এ দৃষ্টিভঙ্গিকেই শক্তি যোগাচ্ছে আয়েশা (রাঃ) কর্তৃক বর্ণিত নিম্নের হাদীসটি। তিনি বলেনঃ “আমি এবং রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উভয়ের মধ্যবর্তী স্থলে রাখা একই পাত্র হতে গোসল করতাম এবং তিনি (পানি নিতে) আমার চাইতে অগ্রণী হতেন, তখন আমি বলতামঃ আমার জন্য ছাডুন আমার জন্য ছাডুন (বুখারী, মুসলিম)।

ইবনু হিব্বান-এর বর্ণনায় সুলায়মান ইবনু মূসার সূত্রে এসেছে যে, কোন ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীর গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেয়া যাবে কিনা তাকে এ মর্মে প্রশ্ন করা হয়েছিল? তিনি বলেনঃ আমি এ বিষয়ে আতাকে জিজ্ঞাসা করলে; তিনি বলেনঃ আমি আয়েশাকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, তখন তিনি উপরের হাদীসটি বর্ণনা করেন।

হাফিয ইবনু হাজার “ফাতহুল বারী” গ্রন্থে (১/২৯০) বলেনঃ এটি ব্যক্তি কর্তৃক তার স্ত্রীর গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেয়া জায়েয হওয়ার দলীল।

এটি যখন স্পষ্ট হচ্ছে, তখন গোসলের সময় এবং সঙ্গম করার সময় দৃষ্টি দেয়ার মধ্যে কোন পার্থক্য নেই। অতএব হাদীসটি বাতিল হওয়া সাব্যস্ত হচ্ছে।

إذا جامع أحدكم زوجته أو جاريته فلا ينظر إلى فرجها فإن ذلك يورث العمى
موضوع

-

أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (2 / 271) من رواية ابن عدي (44 / 1) عن هشام بن خالد حدثنا بقية عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، ثم قال ابن الجوزي: قال ابن حبان: كان بقية يروي عن كذابين ويدلس، وكان له أصحاب يسقطون الضعفاء من حديثه ويسوونه، فيشبه أن يكون هذا من بعض الضعفاء عن ابن جريج ثم دلس عنه، وهذا موضوع
قال السيوطي في " اللآليء " (2 / 170) : وكذا نقل ابن أبي حاتم في " العلل " عن أبيه، قال الحافظ ابن حجر: لكن ذكر ابن القطان في " كتاب أحكام النظر " أن بقي بن مخلد رواه عن هشام بن خالد عن بقية قال: حدثنا ابن جريج، فما بقي فيه إلا التسوية، قال: وقد خالف ابن الجوزي ابن الصلاح فقال: إنه جيد الإسناد، انتهى
والحديث أخرجه البيهقي في " سننه " من الطريقين التي عنعن فيها بقية والتي صرح فيها بالتحديث، والله أعلم
قلت: وكذلك رواه ابن عساكر (13 / 295 / 2) وكذا ابن أبي حاتم (2 / 295) عن أبيه عن هشام عن بقية حدثنا ابن جريج به، ساقه ابن أبي حاتم بعد أن روى بهذا الإسناد حديثين آخرين لعلنا نذكرهما فيما بعد، وأشار إلى أن تصريح بقية بالتحديث خطأ من الراوي عنه هشام فقال: وقال أبي: هذه الثلاثة الأحاديث موضوعة لا أصل لها، وكان بقية يدلس، فظن هؤلاء أنه يقول في كل حديث حدثنا، ولم يفتقدوا الخبر منه، وأقره الذهبي في " الميزان " وجعله أصل قوله في ترجمة هشام: يروي عن ثقات الدماشقة، لكن يروج عليه، وكأنه لهذا تبع ابن الجوزي في الحكم على الحديث بالوضع ابن دقيق العيد صاحب " الإمام " كما في " خلاصة البدر المنير " (118 / 2) ، وقال عبد الحق في " أحكامه " (143 /1) لا يعرف من حديث ابن جريج، وقد رواه ابن عساكر في مكان آخر (18 / 188 / 1) من طريق هشام بن عمار عن بقية عن ابن جريج به، فلا أدري هذه متابعة من هشام بن عمار لهشام بن خالد، أم أن قوله: عمار محرف عن خالد كما أرجح، ومنه تعلم أن قول ابن الصلاح: إنه جيد الإسناد غير صواب وإنه اغتر بظاهر التحديث ولم ينتبه لهذه العلة الدقيقة التي نبهنا عليها الإمام أبو حاتم جزاه الله خيرا ومن الغرائب أن ابن الصلاح مع كونه أخطأ في تقوية هذا الحديث فإنه فيها مخالف لقاعدة له وضعها هو لم يسبق إليها، وهي أنه انقطع التصحيح في هذه الأعصار فليس لأحد أن يصحح! كما ذكر ذلك في " مقدمة علوم الحديث " (ص 18 بشرح الحافظ العراقي) بل الواجب عنده الاتباع لأئمة الحديث الذين سبقوا! فما باله خالف هذا الأصل هنا، فصحح حديثا يقول فيه الحافظان الجليلان أبو حاتم الرازي وابن حبان: إنه موضوع؟ ! وخالف السيوطي كعادته فذكره في جامعه
والنظر الصحيح يدل على بطلان هذا الحديث، فإن تحريم النظر بالنسبة للجماع من باب تحريم الوسائل فإذا أباح الله تعالى للزوج أن يجامع زوجته فهل يعقل أن يمنعه من النظر إلى فرجها؟ ! اللهم لا، ويؤيد هذا من النقل حديث عائشة
قالت: كنت أغتسل أنا ورسول الله صلى الله عليه وسلم من إناء بيني وبينه واحد فيبادرني حتى أقول: دع لي دع لي، أخرجه الشيخان وغيرهما، فإن الظاهر من هذا الحديث جواز النظر، ويؤيده رواية ابن حبان من طريق سليمان بن موسى أنه سئل عن الرجل ينظر إلى فرج امرأته؟ فقال: سألت عطاء فقال سألت عائشة فذكرت هذا الحديث بمعناه، قال الحافظ في " الفتح " (1 / 290) : وهو نص في جواز نظر الرجل إلى عورة امرأته وعكسه، وإذا تبين هذا فلا فرق حينئذ بين النظر عند الاغتسال أو الجماع فثبت بطلان الحديث


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৬। তোমাদের কোন ব্যাক্তি যখন সঙ্গম করবে, তখন গুপ্তাঙ্গের দিকে দৃষ্টি দেবে না, কারণ তা অন্ধ সন্তান ভূমিষ্ঠের কারণ এবং বেশী বেশী কথা বলবে না; কারণ তা বোবা সন্তান ভূমিষ্ঠের কারণ।

হাদীসটি জাল।

এটি ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (২/২৭১) আযদীর বর্ণনা হতে ... উল্লেখ করেছেন। যার সূত্রে মুহাম্মাদ ইবনু আব্দির রহমান আল-কুশায়রী রয়েছেন। তার সম্পর্কে খালীলী তার “মাশিখাত” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি শামী। এ হাদীসটি তিনি এককভাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি মুনকার বর্ণনা করতেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনিই হচ্ছেন হাদীসটির সমস্যা। তার সম্পর্কে যাহাবী বলেনঃ তিনি মিথ্যার দোষে দোষী, নির্ভরযোগ্য নন। আবুল ফাতাহ আল আযদী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক, মাতরূকুল হাদীস। “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে দারাকুতনী হতে বর্ণনা করা হয়েছে; তিনি বলেনঃ তিনি মাতরূকুল হাদীস । উকায়লী মিসায়ার হতে তার হাদীসগুলো সম্পর্কে বলেনঃ মুনকারুল হাদীস, তার কোন ভিত্তি নেই, তার অনুকরণও করা যায় না। কারণ তিনি (কুশায়রী) মাজহুল (অপরিচিত)।

অনুরূপ কথা ইবনু আদীর “আল-কামিল” গ্রন্থেও (৬/২২৬১) এসেছে।

إذا جامع أحدكم فلا ينظر إلى الفرج فإنه يورث العمى، ولا يكثر الكلام فإنه يورث الخرس
موضوع

-

أورده ابن الجوزي (2 / 271) من رواية الأزدي عن إبراهيم بن محمد بن يوسف الفريابي حدثنا محمد بن عبد الرحمن القشيري عن مسعر بن كدام عن سعيد المقبري عن أبي هريرة مرفوعا، ثم قال الأزدي: إبراهيم ساقط، وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (2 / 170) بقوله: قلت: روى له ابن ماجه، وقال في " الميزان " قال أبو حاتم وغيره: صدوق، وقال الأزدي وحده: ساقط، قال: ولا يلتفت إلى قول الأزدي فإن في لسانه في الجرح رهقا، انتهى
قال الخليل في " مشيخته ": هذا الحديث تفرد به محمد بن عبد الرحمن القشيري وهو شامى يأتي بمناكير
قلت: فهذا هو علة الحديث قال فيه الذهبي: متهم ليس بثقة، وقد قال فيه أبو الفتح الأزدي: كذاب متروك الحديث، ونقل في " اللسان " عن الدارقطني أنه قال: متروك الحديث، وعن العقيلي قال: في أحاديثه عن مسعر عن المقبري حديث منكر ليس له أصل ولا يتابع عليه وهو مجهول
قلت: ونحوه في " كامل ابن عدي " (6 / 2261) ، والحديث في " الجامع " أيضا ثم ساق له السيوطي شاهدا وهو(الأتى)


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৮। যে ব্যাক্তি তার সম্পদ বা তার শরীরে কোন বিপদ দ্বারা আক্রান্ত হবে। অতঃপর তা গোপন রাখবে এবং তা মানুষের নিকট উপস্থাপন করবে না। আল্লাহর উপর তাকে ক্ষমা করা অপরিহার্য হয়ে যায়।

হাদীসটি জাল।

এটি তাবারানী “মুজামুল কাবীর” গ্রন্থে (৩/১২৩/১) এবং ইবনু হিব্বান “আল-মাজরূহীন" গ্রন্থে (১/২০২) হিশাম ইবনু খালিদ সূত্রে বাকিয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।

হায়সামী “আল-মাজমা" গ্রন্থে (২/৩৩১) বলেনঃ হাদীসটি তাবারানী “আল-কাবীর” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন, তাতে বাকিয়া রয়েছেন, তিনি মুদাল্লিস।

আমি (আলবানী) বলছিঃ ইবনু আবী হাতিম তার “আল-ইলাল” গ্রন্থে তাবারানীর সূত্রেই হাদীসটি উল্লেখ করেছেন এবং তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন তিনি বলেনঃ হাদীসটি জাল (বানোয়াট), এটির কোন ভিত্তি নেই। যাহাবী আবু হাতিমের কথাকে সমর্থন করেছেন।

১৯৫ নং হাদীসে এ বাকিয়া সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ এ হাদীসটি এমন এক কপি হতে আমরা লিখেছি যে কপির সবই বানোয়াট ।

সুয়ূতী এ দুই ইমাম কর্তৃক হাদীসটিকে জাল হিসাবে হুকুম লাগানোর পরেও সে দিকে লক্ষ্য না করে তার “জামেউস সাগীর” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

من أصيب بمصيبة في ماله أو جسده وكتمها ولم يشكها إلى الناس كان حقا على الله أن يغفر له
موضوع

-

رواه الطبراني (3 / 122 / 1) وابن حبان في " المجروحين " (1 / 202) عن هشام بن خالد، أنبأنا بقية عن ابن جريج عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، قال الهيثمي في " المجمع " (2 / 331) : رواه الطبراني في " الكبير " وفيه بقية مدلس
وقال في مكان آخر (10 / 256) : رواه الطبراني في " الأوسط "، ورجاله وثقوا وأظن أن قوله " الأوسط " خطأ من الناسخ ويؤيده أن المنذري قال: (4 / 148) رواه الطبراني ولا بأس بإسناده، كذا قال والمقصود أنه أطلق العزو للطبراني والمراد به في هذه الحالة " معجمه الكبير "، والله أعلم
قلت: ومن طريقه رواه ابن أبي حاتم في " العلل " وذكر عن أبيه أنه قال: حديث موضوع لا أصل له، وأقره الذهبي وقد نقلت كلام أبي حاتم بتمامه في الحديث (195) فراجعه، وذكره في ترجمة بقية من " الميزان " من طريق ابن حبان وقال أعني ابن حبان: وهذا من نسخة كتبناها بهذا الإسناد كلها موضوعة يشبه أن يكون
بقية سمعه من إنسان واه عن ابن جريج فدلس عنه والتزق به
قلت: وكأن السيوطي عفا الله عنا وعنه لم يقف على حكم هذين الإمامين بوضع هذا الحديث، وإلا لما سود به " الجامع الصغير "! ، أولعله قلد الهيثمي والمنذري، وقد تعقبهم المناوي بقول أبي حاتم والذهبي، ثم تراجع عن ذلك في شرحه الآخر " التيسير "، فنقل كلام المنذري فقط، وأقره


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

১৯৯। পিতার নিকট পুত্রের প্রাপ্ত এই যে, সে তার সুন্দর নাম রাখবে এবং তাকে উত্তম রূপে আদব শিক্ষা দিবে।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু মুহাম্মাদ জাফার ইবনু মুহাম্মাদ আস-সীরাজ আল-কারী “আলফাওয়াইদ” গ্রন্থে (৫/৩২/১-৯৮ পর্যন্ত) এবং মুহাম্মাদ ইবনু আবদিল ওয়াহিদ আল-মাকদেসী (যিয়া) “আল-মুনতাকা মীন মাসমু’য়াত” গ্রন্থে (৪/২৬/১) মুহাম্মাদ ইবনু ঈসা সূত্রে তার শাইখ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আল-কারী বলেনঃ এটি গারীব, মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল ছাড়া অন্য কেউ বর্ণনা করেছেন কিনা তা জানি না, তিনি নিতান্তই দুর্বল, তবে তার পিতা নির্ভরযোগ্য।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযলকে ইবনু আবী শায়বাহ মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন। ফাল্লাস বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। ইমাম আহমাদ বলেনঃ তার হাদীস মিথ্যুকদের হাদীসের অন্তর্ভুক্ত।

অপর বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু ইসহাক আল-মাদায়েনী মাতরূক, যেমনভাবে দারাকুতনী ও হাকিম বলেছেন।

এ হাদীসটি অন্য এক সনদে আবু বাকর আল-জাসসাস “আহকামুল কুরআন” গ্রন্থে (৩/৫৭৪) এ মুহাম্মাদ ইবনুল ফযল হতেই জাবারার সূত্রে বর্ণনা করেছেন কিন্তু এ জাবারা হচ্ছেন ইবনুল মুগাল্লিস। তার সম্পর্কে ইবনু মাঈন বলেনঃ মিথ্যুক।

ইবনু নুমায়ের বলেনঃ তার জন্য হাদীস জাল করা হত। অতঃপর তিনি সেটি বর্ণনা করতেন অথচ তিনি তা জানতেন না।

حق الولد على الوالد أن يحسن اسمه ويحسن أدبه
موضوع

-

رواه أبو محمد جعفر بن محمد بن الحسين السراج القاري " في الفوائد " (5 / 32 / 1 من مجموع 98) ومحمد بن عبد الواحد المقدسي وهو الضياء في " المنتقى من مسموعاته " (ج 4 ورقة 26 / 1 مجموع 101) من طريق محمد بن عيسى قال حدثنا محمد ابن الفضل عن أبيه عن عطاء عن ابن عباس مرفوعا، وقال القاري: غريب لا أعلم رواه إلا محمد بن الفضل وهو ضعيف جدا، وأما أبوه فكان ثقة
قلت: محمد بن الفضل رماه ابن أبي شيبة بالكذب، وقال الفلاس: كذاب، وقال أحمد: حديثه حديث أهل الكذب
ومحمد بن عيسى هو المدائني وهو متروك كما قال الدارقطني والحاكم
والحديث أورده السيوطي في " الجامع " من رواية البيهقي في " الشعب " فتعقبه المناوي بقوله: وقضية تصرف المصنف أن مخرجه البيهقي خرجه ساكتا عليه والأمر بخلافه، بل قال: محمد بن الفضل بن عطية ضعيف بمرة انتهى
وفيه أيضا محمد بن عيسى المدائني قال في " الضعفاء ": قال الدارقطني: ضعيف متروك
قلت: ولم يتفرد به فقد رواه أبو بكر الجصاص في " أحكام القرآن " (3 / 574) من طريق جبارة قال: حدثنا محمد بن الفضل به، لكن جبارة هذا هو ابن المغلس قال ابن معين: كذاب، وقال ابن نمير: يوضع له الحديث فيرويه ولا يدري


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০১। প্রত্যেক নবীই মৃত্যুবরণ করেন, অতঃপর চল্লিশ দিন পর কবরে তার নিকট তার আত্মাকে ফিরিয়ে দেয়া হলে তিনি দাঁড়িয়ে যান। আমি আমার মে’রাজের রাতে মূসাকে অতিক্রম করেছিলাম এমতাবস্থায় যে, তিনি তার কবরে পরিবারবর্গের মাঝে দাঁড়িয়ে ছিলেন।

হাদীসটি জাল।

এটি আবু নু’য়াইম "আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে (৮/৩৩৩) তার শাইখ সুলায়মান ইবনু আহমাদ তাবারানী সূত্রে বর্ণনা করেছেন। এছাড়া এটি “মুসনাদুশ শামীয়ীন” গ্রন্থে (পৃঃ ৬৪) এসেছে। ইবনু আসাকিরও (১৭/১৯৭/১) হাসান ইবনু ইয়াহইয়া হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাসান ইবনু ইয়াহইয়া আল-খুশানী মাতরূক, যেমনভাবে তার সম্পর্কে পূর্বের হাদীসটিতে আলোচনা করা হয়েছে। তার সূত্রেই ইবনুল জাওযী “আল-মাওযু আত” গ্রন্থে (৩/২৩৯) ও (১/৩০৩) ইবনু হিব্বান কর্তৃক "মাজরুহীন" গ্রন্থের (১/২৩৫) বর্ণনা হতে উল্লেখ করেছেন। ইবনু হিব্বান বলেছেনঃ এটি বাতিল, খুশানী নিতান্তই মুনকারুল হাদীস। তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে যেগুলোর কোন ভিত্তি নেই সেগুলো বর্ণনা করেছেন। হাফিয ইবনু হাজার ইবনু হিব্বান হতে বর্ণনা করে বলেন, তিনি বলেছেনঃ এ হাদীসটি বাতিল, বানোয়াট। অতঃপর তিনি তা “তাহযীবুত তাহযীব” গ্রন্থে (২/৩২৭) সমর্থন করেছেন।

যাহাবীও “আল-মীযান” গ্রন্থে এ খুশানীর জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে তার থেকে অনুরূপ ভাষ্য বর্ণনা করে বলেছেনঃ তিনি এককভাবে এটি বর্ণনা করেছেন। এটিকে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থেও উল্লেখ করে তিনিও তা সমর্থন করেছেন।

সুয়ূতী সকলের বিপরীত কথা বলে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২৮৫) ইবনুল জাওযীর সমালোচনা করে বলেছেন যে, শাহেদ থাকার কারণে হাদীসটি হাসান স্তরে পৌঁছে যায়। এ কথা বলার পর তার সমর্থনে আরো যে সব কথা বলেছেন তা গ্রহণযোগ্য নয়। কারণ তিনি বলেছেন যে, তাকে (খুশানীকে) জালকরা বা মিথ্যার সাথে জড়িত করা হয়নি। কিন্তু ইবনু হিব্বান স্পষ্টভাবে বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্যদের উদ্ধৃতিতে এমন কিছু বর্ণনা করেছেন যার কোন ভিত্তি নেই। এ কথা হতে স্পষ্ট বুঝা যায় যে, তিনি মিথ্যার আশ্রয় নিয়েছেন।

আমি (আলবানী) মনে করি এ হাদিসটি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিম্নের সহীহ হাদীস বিরোধীঃ

ما من أحد يسلم علي إلا رد الله علي روحي حتى أرد عليه السلام

যে কেউ আমাকে সালাম প্রদান করলে আল্লাহ তা’আলা আমার আত্মাকে আমার নিকট ফিরিয়ে দেন যাতে করে আমি তার সালামের উত্তর দিতে পারি।"

এটি আবু দাউদ (১/৩১৯), বাইহাকী (৫/২৪৫) ও আহমাদ (২/৫২৭) হাসান সনদে আবু হুরাইরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণনা করেছেন। দেখুন "সিলসিলাহ্ সহীহাহ" (২২৬৬)।

এ হাদীসটি প্রমাণ করছে যে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আত্মা তার শরীরে সর্বদা স্থায়ী নয় বরং তাকে তা ফিরিয়ে দেয়া হয় যাতে করে তিনি মুসলিমদের সালামের উত্তর দিতে পারেন। অপর পক্ষে জাল হাদীসটি প্রমাণ করছে যে, মৃত্যুর চল্লিশ দিন পর সকল নবীর আত্মাকে ফিরিয়ে দেয়া হয়। যদি এটি সহীহ হয় তাহলে কীভাবে সালামের উত্তর দেয়ার জন্য তার শরীরে তার আত্মা ফিরিয়ে দেয়া হয়? এটি বোধগম্য নয়। বরং দুটির মাঝে দ্বন্দ্ব সুস্পষ্ট। একটি পরিত্যাগ করা অপরিহার্য। অতএব যেটি মুনকার সেটিই পরিত্যাগ করা যুক্তি সঙ্গত।

এছাড়া শাহেদ হিসাবে সুয়ূতী যে হাদীসটি (কোন নবী তার যমীনের কবরে চল্লিশ দিনের বেশী অবস্থান করেননি। অন্য বর্ণনায় এসেছে উঠিয়ে নেয়া হয়) বর্ণনা করেছেন সেটিও সহীহ্ নয়, বরং মাকতু । তার দ্বারা দলীল গ্রহণ করা যায় না। সম্ভবত সেটি ইসরাঈলীদের বর্ণনা।

তার এ বর্ণনা অনুযায়ী চল্লিশ দিনের বেশী কবরে থাকেন না বরং উঠিয়ে নেয়া হয়। তাহলে তাদের আত্মা ফিরিয়ে দেয়ার প্রশ্নই আসে না। কারণ তাদের শরীরগুলো তো কবরেই অবশিষ্ট নেই, কিসের নিকট তা ফিরিয়ে দেয়া হবে?

ما من نبي يموت فيقيم في قبره إلا أربعين صباحا حتى ترد إليه روحه، ومررت بموسى ليلة أسري بي وهو قائم في قبره بين عائلة وعويلة
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم في " الحلية " (8 / 333) من طريق شيخه سليمان بن أحمد وهو الطبراني صاحب " المعاجم " الثلاثة، وهذا في " مسند الشاميين " (ص 64) وابن عساكر (17 / 197 / 1) عن الحسن بن يحيى حدثنا سعيد بن عبد العزيز عن زيد بن أبي مالك عن أنس بن مالك مرفوعا به، ثم قال أبو نعيم وابن عساكر
غريب من حديث يزيد لم نكتبه إلا من حديث الخشني
قلت: والخشني هذا متروك كما تقدم في الحديث قبله، ومن طريقه ذكره ابن الجوزي في " الموضوعات " (3 / 239) و (1 / 303) من رواية ابن حبان في " المجروحين " (1 / 235) عنه، ثم قال يعني ابن حبان: باطل والخشني منكر الحديث جدا يروي عن الثقات ما لا أصل له
قلت: ونقل الحافظ ابن حجر عن ابن حبان إنه قال: هذا باطل موضوع، وأقره في " تهذيب التهذيب " (2 / 327) وكذلك نقله عنه الذهبي في " الميزان " في ترجمة الخشني هذا وقال: إنه انفرد به، أخرجه ابن الجوزي في " الموضوعات " وأقره أيضا
وأما السيوطي فخالفهم جميعا! فتعقب ابن الجوزي، في " اللآليء " (1 / 285) قائلا: قلت: هذا الحديث أخرجه الطبراني وأبو نعيم في " الحلية " وله شواهد يرتقي بها إلى درجة الحسن، والخشني من رجال ابن ماجه، ضعفه الأكثر، ولم ينسب إلى وضع ولا كذب، وقال دحيم: لا بأس به، وقال أبو حاتم: صدوق سيء الحفظ، وقال ابن عدي: تحتمل رواياته، ومن هذا حاله لا يحكم على حديثه بالوضع
قلت: قد علمت مما نقلناه في الحديث السابق (رقم 198) عن أئمة الجرح والتعديل أن هذا الرجل أعني الحسن بن يحيى الخشني متروك، منكر الحديث، ولا يلزم منه أن يكون ممن يتعمد الكذب، بل قد يقع منه ذلك لكثرة غفلته وشدة سوء حفظه، فلا يرد على هذا قول السيوطي: إنه لم ينسب إلى وضع ولا كذب، إن كان يقصد به الوضع والكذب مطلقا، وإلا فعبارة ابن حبان المتقدمة: يروي عن الثقات ما لا أصل له، ظاهرة في نسبة الكذب إليه، ولا سيما بعد حكمه على حديثه الذي نحن بصدد الكلام عليه بأنه موضوع، ولكن عبارته هذه لا تفيد اتهامه
بأنه يضع قصدا فتأمل
ثم إن ما نقله السيوطي عن ابن عدي يوهم أن روايات هذا الرجل كلها تحتمل، وهذا ما لم يقصد إليه ابن عدي، فإن الحافظ ابن حجر بعد أن نقل عبارة ابن عدي السابقة عقبها بقوله: قلت: قال ذلك بعد أن ساق له عدة مناكير وقال: هذا أنكر ما رأيت له، وهذا في " كامل ابن عدي " (90 / 1) فجزى الله ابن حجر خيرا حيث كشف لنا بهذه الكلمة عن حقيقة قصد ابن عدي من عبارته المتقدمة، ومنه يتبين أن ابن عدي من جملة المضعفين للخشني، فلا يجوز حشر ابن عدي في جملة الموثقين له كما فعل السيوطي عفا الله عنا وعنه، وسيأتي له نحو هذا الخطأ في الحديث (233)
ثم لوسلمنا أنه وثقه مثل " دحيم "، فلا قيمة تذكر لهذا التوثيق إذا ما استحضرنا القاعدة التي تقول: إن الجرح المفسر مقدم على التعديل
ثم وجدت ما يؤيد الذي ذهبت إليه مما فهمته من عبارة ابن حبان المنقولة آنفا وهو أن الرجل قد يكذب بدون قصد منه، فإن نصها بتمامها في " ضعفائه " (1 / 235) : منكر الحديث جدا، ويروي عن الثقات ما لا أصل له، وعن المتقنين ما لا يتابع عليه، وقد سمعت ابن جوصاء يوثقه ويحكيه عن أبي زرعة، وكان رجلا صالحا يحدث من حفظه، كثير الوهم فيما يرويه، حتى فحشت المناكير في أخباره التي يرويها عن الثقات، حتى يسبق إلى القلب أنه كان المتعمد لها، فلذلك استحق الترك
فهذا نص في أنه كان لا يتعمد الكذب، وإنما يقع ذلك منه وهما، فهو على كل حال ساقط الاعتبار ضعيف جدا، فحديثه قد يحكم عليه بالوضع لأدنى شبهة
وأنا أرى أن هذا الحديث يعارض قوله صلى الله عليه وسلم: ما من أحد يسلم علي إلا رد الله علي روحي حتى أرد عليه السلام
رواه أبو داود (1 / 319) والبيهقي (5 / 245) وأحمد (2 / 527) بإسناد حسن عن أبي هريرة، وهو مخرج في الكتاب الآخر " الصحيحة " (2266) ووجه التعارض أنه يدل على أن روحه صلى الله عليه وسلم ليست مستقرة في جسده الشريف، بل هي ترد إليه ليرد سلام المسلمين عليه صلى الله عليه وسلم، بينما هذا الحديث الموضوع يقرر صراحة أن روح كل نبي ترد إليه بعد أربعين صباحا من وفاته، فلوصح هذا فكيف ترد روحه صلى الله عليه وسلم إلى جسده ليرد السلام، هذا أمر غير معقول، بل هو ظاهر التناقض، فلابد من رد أحدهما، وليس هو إلا هذا الحديث المنكر حتى يسلم الحديث القوي من المعارض، فتأمل هذا فإنه مما ألهمت به، لا أذكر أني رأيته لأحد قبلي، فإن كان صوابا فمن الله، وإلا فمن نفسي
ومما يدل على بطلان هذا الحديث بهذا اللفظ أن رؤيته صلى الله عليه وسلم لموسى يصلي في قبره صحيح، لكن ليست فيه هذه الزيادة: " بين عائلة وعويلة "، أخرجه مسلم (7 / 102) من حديث أنس مرفوعا: " مررت على موسى ليلة أسري بي عند الكثيب الأحمر وهو قائم يصلي في قبره " وهو مخرج في " الصحيحة " (2627)
فدل هذا على بطلان هذه الزيادة في الحديث كما دل حديث أبي هريرة على بطلان الشطر الأول منه، ومع هذا كله فقد ذكره في الجامع
ثم إنه سبق في كلام السيوطي أن للحديث شواهد يرتقي بها إلى درجة الحسن! فلابد من النظر في ذلك لتتبين الحقيقة لكل من ينشدها، فأول ذلك أن ليس هناك شواهد، وإنما هما شاهدان فقط ذكرهما السيوطي نفسه لم يزد عليهما
ثم إن أحدهما من طريق أبي المقدام ثابت بن هرمز الكوفي - صدوق يهم - عن سعيد بن المسيب قال: ما مكث نبي في قبره من الأرض أكثر من أربعين يوما ، زاد في رواية: " حتى يرفع "، وهذا سند قوي، ولكنه مقطوع فلا حجة فيه لاحتمال كونه من الإسرائيليات
ثم إن هذه الزيادة يبطلها حديث: " إن الله حرم على الأرض أن تأكل أجساد الأنبياء "، وهو حديث صحيح رواه أبو داود وابن حبان في " صحيحه " والحاكم وغيرهم، (انظر " فضل الصلاة على النبي صلى الله عليه وسلم " بتحقيقي رقم 22، 23) فإنه صريح في أن من خصوصيات الأنبياء أن الأرض لا تبلي أجساد الأنبياء، وهذه الخصوصية تنتفي إذا أثبتنا رفعهم بأجسادهم من قبورهم، كما هو مفاد هذه الزيادة، فثبت بذلك بطلانها، ولوثبتت لانتفت خصوصية أخرى لعيسى عليه السلام وهي كونه في السماء حيا بروحه وجسده، فتأمل مفاسد وآثار الأحاديث الواهية
ثم إن هذه الزيادة لوصحت لعادت بالنقض على الحديث، لأنه صريح في أن الروح تعود إليه وهو في قبره، بينما هذه الزيادة تفيد أن الجسد يرفع، فكيف يصح أن يجعل النقيض شاهدا لنقيضه؟
وأما الشاهد الآخر فيحسن أن نفرده بالكلام عليه وهو


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০২। নবীগণকে তাঁদের কবরে চল্লিশ রজনীর পর অবশিষ্ট রাখা হয় না, তবে তাঁরা আল্লাহর সম্মুখে শিঙ্গায় ফুঁক না দেয়া পর্যন্ত সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করতে থাকবেন।

হাদীসটি জাল।

এটিকে বাইহাকী “কিতাবু হায়াতিল আম্বিয়া” গ্রন্থে (পৃঃ ৪) উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ এ সনদটি জাল। কারণ এর বর্ণনাকারী আহমাদ ইবনু আলী আল-হাসনবী মিথ্যার দোষে দোষী। তিনি হাকিমের শাইখ, হাকিম নিজে তাকে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন। তিনি বলেনঃ তার হাদীস দলীল হিসাবে গ্রহণীয় নয়। আল-খাতীব বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না। তার সম্পর্কে মুহাম্মাদ ইবনু ইউসুফ জুরজানী আল-কুশশী বলেনঃ তিনি মিথ্যুক। তার সম্পর্কে আবুল আব্বাস আল-আসামও অনুরূপ মন্তব্য করেছেন।

সনদের আরেক বর্ণনাকারী আবু আবদিল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনু আব্বাসকে চিনি না। তার শাইখ ইসমাঈল ইবনু তালহা ইবনু ইয়াযীদের জীবনী পাচ্ছি না। এছাড়া মুহাম্মাদ ইবনু আবী লায়লা দুর্বল। তার স্মরণশক্তি ছিল ক্রটিপূর্ণ। তিনি এ ব্যাপারে প্রসিদ্ধ। সুয়ূতী হাদীসটি “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২৮৫) পুর্বের হাদীসটির শাহেদ হিসাবে উল্লেখ করেছেন। কিন্তু দু দিক দিয়ে তা সঠিক নয়ঃ

১। এটি বানোয়াট, এ ব্যাপারে উপরে আলোচনা করা হয়েছে।

২। এ হাদীসটিকে যার জন্য শাহেদ হিসাবে বলা হচ্ছে এটি তার বিরোধী। কারণ এ হাদীসে বলা হচ্ছে চল্লিশ দিন পরে নবীগণকে তাদের কবরে অবশিষ্ট রাখা হবে না (যদিও এটি জাল) এবং পূর্বেরটিতে বলা হয়েছে তাঁর আত্মাকে কবরের মধ্যে তার নিকট ফিরিয়ে দেয়া হবে! এটি কোথায় আর সেটি কোথায়? একটি অপরটির বিরোধী। এছাড়া এ হাদীসটি সহীহ হাদীস বিরোধী যা এটির জাল হওয়ার প্রমাণ বহন করছে।

إن الأنبياء لا يتركون في قبورهم بعد أربعين ليلة، ولكنهم يصلون بين يدي الله حتى ينفخ في الصور
موضوع

-

أخرجه البيهقي في " كتاب حياة الأنبياء " (ص 4) قال: أنبأنا أبو عبد الله الحافظ، حدثنا أحمد بن علي الحسنوي إملاء، حدثنا أبو عبد الله بن محمد العباسي الحمصي، حدثنا أبو الربيع الزهراني، حدثنا إسماعيل بن طلحة بن يزيد عن محمد بن عبد الرحمن بن أبي ليلى عن ثابت عن أنس مرفوعا، وقال البيهقي: وهذا إن صح بهذا اللفظ فالمراد به - والله أعلم - لا يتركون يصلون هذا المقدار ثم يكونون مصلين فيما بين يدي الله عز وجل
قلت: وهذا إسناد موضوع، الحسنوي هذا متهم، وهو شيخ الحاكم وقد ضعفه هو فقال: هو في الجملة غير محتج بحديثه
وقال الخطيب: لم يكن بثقة، وقال فيه محمد بن يوسف الجرجاني الكشي: هو كذاب ونحوه عن أبي العباس الأصم
ومحمد بن العباس هذا لم أعرفه ويراجع له " تاريخ دمشق " لابن عساكر، وكذا شيخه إسماعيل بن طلحة بن يزيد لم أجد له ترجمة، وابن أبي ليلى ضعيف سيء الحفظ معروف بذلك
والحديث أورده السيوطي في " اللآليء " (1 / 285) شاهدا للذي قبله كما سبق، ولا يصلح لذلك من وجهين: الأول: أنه موضوع لما تقدم بيانه آنفا، وهو سكت عليه فأساء! وليته على الأقل نقل كلام البيهقي الذي سبق في تضعيفه! وأسوأ منه أنه ذكره في الجامع
الآخر: أنه مخالف للمشهو د له، فإنه صريح في أن الأنبياء لا يتركون في قبورهم بعد أربعين، وذلك - وهو موضوع أيضا - يقول بأن الروح تعود إليه وهو في قبره فأين هذا من ذاك؟
ثم إن الحديث يعارض حديثا صحيحا سبق ذكره في الحديث الذي قبله، فدل ذلك على وضعه أيضا
ويعارضه أيضا قوله صلى الله عليه وسلم: الأنبياء أحياء في قبورهم يصلون
وهو حديث صحيح كما تبين لي بعد أن وقفت على متابع له قال البيهقي: إنه تفرد به فكتبت بحثا حققت فيه صحة الحديث وأن التفرد المشار إليه غير صحيح وأو دعت ذلك في السلسلة الأخرى برقم (621)


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০৩। যে আমার কবরের নিকট আমার প্রতি দুরুদ পাঠ করবে; আমি তা শ্রবণ করি এবং যে ব্যাক্তি আমার প্রতি দুর হতে দুরুদ পাঠ করবে; একজন ফেরেশতাকে তা আমার নিকট পৌঁছে দেয়ার জন্য দায়িত্ব দেয়া হবে এবং তা তার দুনিয়া ও আখেরাতের কর্মের জন্য যথেষ্ট হয়ে যাবে এবং আমি তার জন্য সাক্ষী বা সুপারিশকারী হয়ে যাব।

হাদীসটি এভাবে জাল।

হাদীসটি ইবনু সাম’উন “আল-আমলী” গ্রন্থে (২/১৯৩/২), খাতীব বাগদাদী তার “আত-তারীখ” গ্রন্থে (৩/২৯১-২৯২) এবং ইবনু আসাকির (১৬/৭০/২) মুহাম্মাদ ইবনু মারওয়ান সূত্রে আ’মাশ হতে এবং তিনি আবু সালেহ্ হতে ... বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ মুহাম্মাদ ইবনু মারওয়ান সূত্রে ইবনুল জাওযী “আল-মাওযুআত” গ্রন্থে (১/ ৩০৩) উকায়লীর বর্ণনা হতে হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটি সহীহ্ নয়। মুহাম্মাদ ইবনু মারওয়ান হচ্ছেন সুদ্দী আস-সাগীর; তিনি মিথ্যুক। উকায়লী বলেনঃ এ হাদীসটির কোন ভিত্তি নেই। সুয়ূতী তার সমালোচনা করে “আল-লাআলী” গ্রন্থে (১/২৮৩) বলেছেনঃ এটিকে বাইহাকী এ সূত্রেই “শুয়াবুল ঈমান" গ্রন্থে বর্ণনা করে তার শাহেদগুলোও উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ সুয়ূতী যে শাহেদগুলো উল্লেখ করেছেন, সেগুলোর কোন কোনটি আবার সহীহ, যেমনঃ

إن لله ملائكة سياحين في الأرض يبلغوني عن أمتي السلام

“নিশ্চয় যমীনের মধ্যে আল্লাহর কিছু ভ্রমনকারী ফেরেশতা রয়েছেন যারা আমার নিকট আমার উম্মাতের সালামগুলো পৌঁছে দেন।" এছাড়া আরেকটি হাদীস ২০১ নং হাদীসর আলোচনায় উল্লেখ করা হয়েছে। এ হাদীসগুলো আলোচ্য হাদীসটির পূরো অংশের জন্য শাহেদ হতে পারে না। তবে সালাম যে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট পৌঁছে এ অর্থ যে উক্ত হাদীস হতে বুঝা যায় শুধুমাত্র সেটুকুর শাহেদ হতে পারে। অবশিষ্ট অংশগুলেকে বানোয়াটই বলতে হবে।

এছাড়া মুতাবায়াত হিসাবে যেসব বর্ণনাগুলো এসেছে সেগুলোর কোনটিই সহীহ সনদে বর্ণিত হয়নি। ইবনু তাইমিয়্যা “মাজমুউ ফাতাওয়া” গ্রন্থে বলেছেন (২৭/২৪১) এ হাদীসটি বানোয়াট, এটি মারওয়ান আমাশ হতে বর্ণনা করেছেন। তিনি সকলের ঐক্যমতে মিথ্যুক।

মোটকথা, যে অংশটুকু প্রমাণ বহন করছে যে, সালাম দিলে তাঁর নিকট পৌঁছে দেয়া হয়, এ অংশটুকু সহীহ, বাকী অংশগুলো সহীহ নয় বরং সেগুলো বানোয়াট।

من صلى علي عند قبري سمعته، ومن صلى علي نائيا وكل بها ملك يبلغني، وكفي بها أمر دنياه وآخرته، وكنت له شهيدا أو شفيعا
موضوع بهذا التمام

-

أخرجه ابن سمعون في " الأمالي " (2 / 193 / 2) والخطيب في " تاريخه " (3 /291 - 292) وابن عساكر (16 / 70 / 2) من طريق محمد بن مروان عن الأعمش عن أبي صالح عن أبي هريرة مرفوعا
وأخرج طرفه الأول أبو بكر بن خلاد في الجزء الثاني من حديثه (115 / 2) وأبوهاشم السيلقي فيما انتقاه على ابن بشرويه (6 / 1) والعقيلي في " الضعفاء " (4 / 136 - 137) والبيهقي في " الشعب " (2 / 218) وقال
العقيلي: لا أصل له من حديث الأعمش، وليس بمحفوظ، ولا يتابعه إلا من هو دونه، يعني ابن مروان هذا، ثم روى الخطيب بإسناده عن عبد الله بن قتيبة قال
سألت ابن نمير عن هذا الحديث؟ فقال: دع ذا، محمد بن مروان ليس بشيء
قلت: ومن طريقه أورده ابن الجوزي في " الموضوعات " (1 / 303) من رواية العقيلي ثم قال: لا يصح، محمد بن مروان هو السدي الصغير كذاب، قال العقيلي
لا أصل لهذا الحديث
وتعقبه السيوطي في " اللآليء " (1 / 283) بقوله: قلت: أخرجه البيهقي في " شعب الإيمان " من هذا الطريق، وأخرج له شواهد
قلت: ثم ساقها السيوطي وبعضها صحيح، مثل قوله صلى الله عليه وسلم: " إن لله ملائكة سياحين في الأرض يبلغوني عن أمتي السلام " وقوله صلى الله عليه وسلم
" ما من أحد يسلم علي ... " الحديث وتقدم ذكره قريبا (ص 362) ، وهي كلها إنما تشهد للحديث في الجملة، وأما التفصيل الذي فيه وأنه من صلى عليه عند قبره صلى الله عليه وسلم فإنه يسمعه، فليس في شيء منها شاهد عليه
وأما نصفه الآخر، فلم يذكر السيوطي ولا حديثا واحدا يشهد له، نعم قال السيوطي: ثم وجدت لمحمد بن مروان متابعا عن الأعمش، أخرجه أبو الشيخ في " الثواب " حدثنا عبد الرحمن بن أحمد الأعرج حدثنا الحسن بن الصباح حدثنا أبو معاوية عن الأعمش به
قلت: ورجال هذا السند كلهم ثقات معروفون غير الأعرج هذا، والظاهر أنه الذي أورده أبو الشيخ نفسه في " طبقات الأصبهانيين " (ص 342 / 463) فقال
عبد الرحمن بن أحمد الزهري أبو صالح الأعرج، ثم روى عنه حديثين ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا فهو مجهول، وسيأتي تخريج أحدهما برقم (5835) وسوف يأتي له ثالث برقم (6246) بإذن الله
فقول الحافظ في " الفتح " (6 / 379) : سنده جيد، غير مقبول، ولهذا قال ابن القيم في هذا السند: إنه غريب، كما نقله السخاوي عنه في " القول البديع في الصلاة على الحبيب الشفيع " (ص 116) وقال ابن عبد الهادي في " الصارم المنكي في الرد على السبكي " (ص 190) : وقد روى بعضهم هذا الحديث من رواية أبي
معاوية عن الأعمش، وهو خطأ فاحش، وإنما هو محمد بن مروان تفرد به وهو متروك الحديث متهم بالكذب
على أن هذه المتابعة ناقصة، إذ ليس فيها ما في رواية محمد بن مروان
" وكفي بها أمر دنياه ... "، كذلك أورده الحافظ ابن حجر والسخاوي من هذا الوجه خلافا لما يوهمه فعل السيوطي حين قال: ... عن الأعمش به، يعني بسنده ولفظه المذكور في رواية السدي كما لا يخفى على المشتغلين بهذا العلم الشريف
وقال شيخ الإسلام ابن تيمية في " الرد على الأخنائي " (ص 210 - 211) : وهذا الحديث وإن كان معناه صحيحا (لعله يعني في الجملة) فإسناده لا يحتج به، وإنما يثبت معناه بأحاديث أخر، فإنه لا يعرف إلا من حديث محمد بن مروان السدي الصغير عن الأعمش وهو عند أهل المعرفة بالحديث موضوع على الأعمش
وقال في مختصر الرد المذكور (27 / 241 ـ مجموع الفتاوي) : حديث موضوع، وإنما يرويه محمد بن مروان السدي عن الأعمش، وهو كذاب بالاتفاق وهذا الحديث موضوع على الأعمش بإجماعهم
وجملة القول أن الشطر الأول من الحديث ينجومن إطلاق القول بوضعه لهذه المتابعة التي خفيت على ابن تيمية وأمثاله، وأما باقيه فموضوع لخلوه من الشاهد، وبالشطر الأول أورده في " الجامع " من رواية البيهقي
فائدة: قال الشيخ ابن تيمية عقب كلامه المتقدم على الحديث: وهو لوكان صحيحا فإنما فيه أنه يبلغه صلاة من صلى عليه نائيا، ليس فيه أنه يسمع ذلك كما وجدته منقولا عن هذا المعترض (يريد الأخنائي) ، فإن هذا لم يقله أحد من أهل العلم، ولا يعرف في شيء من الحديث، وإنما يقوله بعض المتأخرين الجهال
يقولون: إنه ليلة الجمعة ويوم الجمعة يسمع بأذنيه صلاة من يصلي عليه، فالقول إنه يسمع ذلك من نفس المصلين (عليه) باطل، وإنما في الأحاديث المعروفة إنه يبلغ ذلك ويعرض عليه، وكذلك السلام تبلغه إياه الملائكة
قلت: ويؤيد بطلان قول أولئك الجهال قوله صلى الله عليه وسلم
أكثروا علي من الصلاة يوم الجمعة فإن صلاتكم تبلغني ... " الحديث وهو صحيح كما تقدم (ص 364) فإنه صريح في أن هذه الصلاة يوم الجمعة تبلغه ولا يسمعها من المصلي عليه صلى الله عليه وسلم


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০৪। যে ব্যাক্তি ইসলামের হাজ্জ (হজ্জ) করবে, আমার কবর যিয়ারাত করবে, একটি যুদ্ধে লড়াই করবে এবং কুদুস নগরীতে আমার প্রতি দুরুদ পাঠ করবে; আল্লাহ তাকে ঐ বস্তুর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন না যা তার উপর ফরয করেছেন।

হাদীসটি জাল।

এটিকে সাখাবী "আল-কাওলীল বাদী" গ্রন্থে (পৃঃ ১০২) উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি জাল, স্পষ্টতই এটি বাতিল । ইবনু আবদিল হাদী বলেনঃ এ হাদীসটি যে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর বানানো হয়েছে, যাদের হাদিস সম্পর্কে জ্ঞান আছে তাদের তাতে কোন প্রকার সন্দেহ থাকতে পারে না। যার সামান্যতম জ্ঞান আছে সেই জানে যে, এটি সুফিয়ানের উপর জালকৃত হাদীস।

এ হাদীসটির সনদে আবু সাহাল বাদর ইবনু আবদিল্লাহ আল-মাসীসী নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি হাসান ইবনু উসমান যিয়াদী হতে বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী হাদীসটি তার “যায়লুল আহাদীসিল মওযুআহ” গ্রন্থে উল্লেখ করে (নং ৫৭১, পৃ.১২২) বলেছেনঃ যাহাবী "আল-মীযান" গ্রন্থে বলেছেনঃ এ হাদীসটি বাতিল। তার সমস্যা হচ্ছে উক্ত বাদর।

من حج حجة الإسلام، وزار قبري، وغزا غزوة، وصلى علي في المقدس، لم يسأله الله فيما افترض عليه
موضوع

-

أورده السخاوي في " القول البديع " (ص 102) وقال: هكذا ذكره المجد اللغوي وعزاه إلى أبي الفتح الأزدي في الثامن من " فوائده " وفي ثبوته نظر
قلت: لقد تساهل السخاوي رحمه الله، فالحديث موضوع ظاهر البطلان، فكان الأحرى به أن يقول فيه كما قال في حديث آخر قبله: لوائح الوضع ظاهرة عليه، ولا أستبيح ذكره إلا مع بيان حاله
ذلك لأنه يوحي بأن القيام بما ذكر فيه من الحج والزيارة والغزويسقط عن فاعله المؤاخذة على تساهله بالفرائض الأخرى، وهذا ضلال وأي ضلال، حاشا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينطق بما يوهم ذلك فكيف بما هو صريح فيه؟
ثم رأيت الحديث قد نقله ابن عبد الهادي في رده على السبكي (ص 155) عنه بسنده إلى أبي الفتح الأزدي محمد بن الحسين بن أحمد الأزدي الحافظ: حدثنا النعمان بن هارون بن أبي الدلهاث، حدثنا أبو سهل بدر بن عبد الله المصيصي حدثنا الحسن بن عثمان الزيادي، حدثنا عمار بن محمد حدثني خالي سفيان عن منصور عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله بن مسعود مرفوعا به ثم قال ابن عبد الهادي رحمه الله تعالى: هذا الحديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم بلا شك ولا ريب عند أهل المعرفة بالحديث، وأدنى من يعد من طلبة هذا العلم يعلم أن هذا الحديث مختلق مفتعل على سفيان الثوري، وأنه لم يطرق سمعه قط، قال: والحمل في هذا الحديث على بدر بن عبد الله المصيصي فإنه لم يعرف بثقة ولا عدالة ولا أمانة أو على صاحب الجزء أبي الفتح محمد بن الحسين الأزدي فإنه متهم بالوضع وإن كان من الحفاظ، ثم ذكر أقوال العلماء فيه ثم قال: ولا يخفى أن هذا الحديث الذي رواه في " فوائده " موضوع مركب مفتعل إلا على من لا يدري علم الحديث ولا شم رائحته
قلت: الأزدي هذا ترجمه الذهبي في " الميزان " وذكر تضعيفه عن بعضهم، ولم يذكر عن أحد اتهامه بالوضع، وكذلك الحافظ في " اللسان " ولم يزد على ما في " الميزان " بل قال الذهبي في " تذكرة الحفاظ " (3 / 166) : ووهاه جماعة بلا مستند طائل
فالظاهر أنه بريء العهدة من هذا الحديث، فالتهمة منحصرة في المصيصي هذا
وهو الذي أشار إليه الذهبي في ترجمته في " الميزان " فقال: بدر بن عبد الله أبو سهل المصيصي عن الحسن بن عثمان الزيادي بخبر باطل وعنه النعمان بن هارون
قال الحافظ في " اللسان ": والخبر المذكور أخرجه أبو الفتح الأزدي، ثم ذكر هذا الحديث وقد ذكره السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (رقم 571) وقال (ص 122) : قال في " الميزان ": هذا خبر باطل آفته بدر


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০৫। পূর্ব-পশ্চিমে যে কোন মুসলিম ব্যাক্তি আমার প্রতি সালাম প্রদান করবে, আমি ও আমার প্রভুর ফেরেশতাগণ তার সালামের উত্তর প্রদান করব। অতঃপর এক ব্যাক্তি বললঃ হে আল্লাহর রাসুল! মদিনাবাসীদের অবস্থা কি হবে? (উত্তরে) তাকে বললেনঃ পাড়া-প্রতিবেশীদের প্রতি দয়ালু ব্যাক্তি সম্পর্কে কিইবা বলার আছে, যে পাড়া-প্রতিবেশীকে হেফাযাত করার জন্য আল্লাহ নির্দেশ দিয়েছেন?

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি আবু নু’য়াইম "আল-হিলইয়াহ" গ্রন্থে উল্লেখ (৬/৩৪৯) করে বলেছেনঃ মালেকের হাদীস হতে এটি গারীব, আবূ মুসয়াব এটিকে এককভাবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ আবু মুসয়াব-এর নাম হচ্ছে আহমাদ ইবনু আবী বাকর আল-কাসেম ইবনে হারেস আয-যুহরী আল-মাদানী। তিনি ইমাম মালেক হতে "মুওয়াত্তা" গ্রন্থের একজন বর্ণনাকারী। তিনি নির্ভরযোগ্য ফাকীহ। এ হাদীসটির সমস্যা হচ্ছে আবূ মুসয়াব হতে বর্ণনাকারী ওবায়দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-উমারী; তিনি হচ্ছেন কাযী। "আল-মীযান" গ্রন্থে যাহাবী তার সম্পর্কে বলেছেনঃ নাসাঈ তাকে মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তার সূত্রেই হাদীসটি দারাকুতনী “গারায়েবে মালেক” গ্রন্থে বর্ণনা করে বলেছেনঃ এটি সহীহ্ নয়। উমারী এককভাবে এটিকে বর্ণনা করেছেন, তিনি ছিলেন দুর্বল। অনুরূপ কথা “লিসানুল মীযান” গ্রন্থেও এসেছে।

সাখাবী "আল০কাওলুল বাদী" গ্রন্থে (পৃঃ ১১৭) বলেছেনঃ হাদিসটির সনদে ওবায়দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-উমারী রয়েছেন, তাকে যাহাবী এ হাদীসটি জাল করার দোষে দোষী করেছেন।

ইবনু আবদিল হাদী "আস-সারেমুল মানকী" গ্রন্থে (পৃঃ ১৭৬) বলেছেনঃ হাদীসটি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর বানানো হয়েছে। এটির কোন ভিত্তি নেই। জাল করার দোষে দোষী করা হয়েছে এ শাইখ আল-উমারী আল-মাদানীকে। তার বেইজ্জতীর জন্য এ ধরনের সনদে এ একটি হাদীসই যথেষ্ট।

ما من مسلم يسلم علي في شرق ولا غرب إلا أنا وملائكة ربي نرد عليه السلام، فقال له قائل: يا رسول الله فما بال أهل المدينة؟ فقال له: وما يقال لكريم في جيرته وجيرانه مما أمر الله به من حفظ الجوار وحفظ الجيران؟
موضوع

-

أخرجه أبو نعيم في " الحلية " (6 / 349) : حدثنا سليمان بن أحمد (هو الطبراني) حدثنا عبيد الله بن محمد العمري حدثنا أبو مصعب، حدثنا مالك عن أبي الزناد عن الأعرج عن أبي هريرة مرفوعا، وقال أبو نعيم: غريب من حديث مالك تفرد به أبو مصعب
قلت: واسم أبي مصعب هذا أحمد بن أبي بكر القاسم بن الحارث الزهري المدني أحد رواة " الموطأ " عن مالك، وهو ثقة فقيه، فالحمل في الحديث على الراوي عنه عبيد الله بن محمد العمري وهو القاضي، قال في " الميزان ": رماه النسائي بالكذب
قلت: ومن طريقه أخرجه الدارقطني في " غرائب مالك " ثم قال: ليس بصحيح، تفرد به العمري وكان ضعيفا، كما في " اللسان "، وقال السخاوي في " القول البديع " (ص 117) : وفي سنده عبيد الله بن محمد العمري واتهمه الذهبي بوضعه
وقال ابن عبد الهادي في " الصارم المنكي " (ص 176) : هو حديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم ليس له أصل والمتهم بوضعه هذا الشيخ العمري المدني ويكفي في افتضاحه روايته هذا الحديث بمثل هذا الإسناد الذي كالشمس، ويجوز أن يكون وضع له وأدخل عليه فحدث به، نعوذ بالله من الخذلان


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ

পরিচ্ছেদঃ

২০৬। যে ব্যাক্তি নবীগণকে গালি দিবে; (শাস্তি হিসাবে) তাকে হত্যা করা হবে। যে ব্যাক্তি আমার সাহাবীদের গালি দিবে; তাকে বেত্রাঘাত করা হবে।

হাদীসটি জাল।

হাদীসটি তাবারানী “আল-মুজামুস সাগীর” (পৃঃ ১৩৭) এবং “আল-মুজামুল আওসাত” (১/২৮১/৪৭৩৯) গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন। এটিও পূর্বের হাদীসটির ন্যায় ওবায়দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-উমারী আলকাযী সূত্রে বর্ণিত হয়েছে। তার সম্পর্কে হাফিয ইবনু হাজার “লিসানুল মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ উমারীকে মিথ্যা এবং জাল করার দোষে দোষী করা হয়েছে। হাফিয ইবনু হাযার আরো বলেনঃ এ খবরটি তার মুনকারগুলোর একটি।

হাদীসটি হায়সামী "আল-মাজমা" গ্রন্থে (৬/২৬০) উল্লেখ করে বলেছেনঃ এটিকে তাবারানী "আল-মুজামস সাগীর" এবং “আল-মু’জামুল আওসাত" গ্রন্থে তার শাইখ ওবায়দুল্লাহ ইবনু মুহাম্মাদ আল-উমারী আল-কাযী হতে বর্ণনা করেছেন। যাকে নাসাঈ মিথ্যার দোষে দোষী করেছেন।

من سب الأنبياء قتل، ومن سب أصحابي جلد
موضوع

-

أخرجه الطبراني في " الصغير " (ص 137) و" الأوسط " (1 / 281 / 4739 - بترقيمي) حدثنا عبيد الله بن محمد العمري القاضي - بمدينة طبرية - سنة سبع وسبعين ومئتين حدثنا إسماعيل بن أبي أو يس حدثنا موسى بن جعفر بن محمد عن أبيه عن جده علي بن الحسين عن الحسين بن علي عن علي رضي الله عنه مرفوعا
قلت: وهذا الإسناد رجاله كلهم ثقات إلا العمري كما قال الحافظ في " اللسان " والعمري متهم بالكذب والوضع كما تقدم في الحديث الذي قبله، قال الحافظ: ومن مناكيره هذا الخبر
والحديث ذكره الهيثمي في " المجمع " (6 / 260) وقال: رواه الطبراني في " الصغير " و" الأوسط " عن شيخه عبيد الله بن محمد العمري رماه النسائي بالكذب


হাদিসের মানঃ জাল (Fake)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
যঈফ ও জাল হাদিস
১/ বিবিধ
দেখানো হচ্ছেঃ ১৪১ থেকে ১৬০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৯৯১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ « আগের পাতা 1 2 3 4 5 6 7 8 9 · · · 47 48 49 50 পরের পাতা »