পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯০-[৪] ’ইমরান ইবনু হুসায়ন (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সা.) বলেছেন: ’আলী আমার হতে আর আমি ’আলী হতে। আর সে প্রত্যেক মুমিনের বন্ধু। (তিরমিযী)

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّ عَلِيًّا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ وَهُوَ وَلِيُّ كُلِّ مُؤْمِنٍ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

اسنادہ حسن ، رواہ الترمذی (3712 وقال : غریب) ۔
(صَحِيح)

عن عمران بن حصين أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «إن عليا مني وأنا منه وهو ولي كل مؤمن» . رواه الترمذي

ব্যাখ্যা: (إِنَّ عَلِيًّا مِنِّي وَأَنَا مِنْهُ) অর্থাৎ বংশের সূত্রে, বৈবাহিক সূত্রে, অগ্রগামিতার দিক থেকে, ভালোবাসার দিক থেকে ও অন্যান্য দিক থেকে। এটা কেবলমাত্র তার আত্মীয় দিক থেকে নিকটবর্তী নয়। তাহলে এ বিষয়ে অনেকেই তাঁর শরীক হয়ে যাবে।
(وَهُوَ وَلِيُّ كُلِّ مُؤْمِنٍ) অর্থাৎ তার প্রিয়। ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এটা মহান আল্লাহর বাণীর প্রতি ইঙ্গিত আছে, তা হলো-
(اِنَّمَا وَلِیُّکُمُ اللّٰهُ وَ رَسُوۡلُهٗ وَ الَّذِیۡنَ اٰمَنُوا الَّذِیۡنَ یُقِیۡمُوۡنَ الصَّلٰوۃَ وَ یُؤۡتُوۡنَ الزَّکٰوۃَ وَ هُمۡ رٰکِعُوۡنَ) “তোমাদের অভিভাবক কেবল আল্লাহ ও তাঁর রাসূল (সা.) এবং যারা ঈমান এনেছে, সালাত কায়িম করে ও যাকাত দেয় এবং যারা রুকু করে”- (সূরাহ্ আল মায়িদাহ ৫: ৫৫)।
তাফসীরে কাশশাফে বলা হয়ে হয়েছে, এ আয়াতটি ‘আলী (রাঃ)-এর ব্যাপারে নাযিল করা হয়েছে। যদি তুমি বল, এটা কিভাবে সঠিক যে তা ‘আলী (রাঃ)-এর ব্যাপারে নাযিল হয়েছে? এখানে তো বহুবচনের শব্দ এসেছে। আমি বলব, তার কাজের মতো করে মানুষকে উৎসাহ দেয়ার জন্য এটা এসেছে। যেন তারা তার সাওয়াবের মত সাওয়াব লাভ করতে পারে। আর মু'মিন ব্যক্তির আগ্রহ এমনটাই হওয়া চায় সৎ ও কল্যাণের কাজে। বায়যাবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, তারা রুকূ'কারী অর্থাৎ তারা তাদের সালাতে ও যাকাতে বিনয়ী। (তুহফাতুল আহ্ওয়াযী ৯ম খণ্ড, হা. ৩৭১, মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯১-[৫] যায়দ ইবনু আরকাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। নবী (সা.)-বলেছেন: আমি যার বন্ধু, ’আলীও তার বন্ধু। (আহমাদ ও তিরমিযী)

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَن زيد بن أَرقم أَنَّ النَّبِيَّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «مَنْ كُنْتُ مَوْلَاهُ فَعَلِيٌّ مَوْلَاهُ» . رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيّ

اسنادہ صحیح ، رواہ احمد (4 / 368 ح 19494) و الترمذی (3713 وقال : حسن غریب) * و للحدیث طریق کثیرۃ جدًا فھو من الاحادیث المتواترۃ ۔
(صَحِيح)

وعن زيد بن أرقم أن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «من كنت مولاه فعلي مولاه» . رواه أحمد والترمذي

ব্যাখ্যা: আমি যাকে ভালোবাসি ‘আলীও তাকে ভালোবাসে। আর আমি যাকে ঘৃণা করি ‘আলীও তাকে ঘৃণা করে। আর আমি যার দায়িত্ব নেই ‘আলীও তার দায়িত্ব নেয়। আলী (রাঃ)-এর সাথে যারা ইয়ামানে ছিল তারা তার সম্পর্কে কিছু বলল, নবী (সা.) যখন হজ্জ আদায় করলেন তখন খুত্ববাহ দিয়ে সতর্ক করলেন। যারা তাঁর বিরুদ্ধে কথা বললেন, তিনি (সা.) তাদেরকে খণ্ডন করলেন। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯২-[৬] হুবশী ইবনু জুনাদাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: ’আলী আমা হতে, আর আমি ’আলী হতে। আর আমার তরফ হতে কেউ দায়িত্ব পালন করতে পারবে না, আমি অথবা ’আলী ছাড়া। [তিরমিযী, আর ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি জুনাদাহ হতে বর্ণনা করেছেন।]

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَن حبشِي بن جُنَادَة قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عَلِيٌّ مِنِّي وَأَنَا مِنْ عَلِيٍّ وَلَا يُؤَدِّي عني إِلَّا أَنا وَعلي» رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ وَرَوَاهُ أَحْمد عَن أبي جُنَادَة

حسن ، رواہ الترمذی (3719 وقال : حسن غریب صحیح) و احمد (4 / 164 ح 17645) ۔
(صَحِيح)

وعن حبشي بن جنادة قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «علي مني وأنا من علي ولا يؤدي عني إلا أنا وعلي» رواه الترمذي ورواه أحمد عن أبي جنادة

ব্যাখ্যা: (عَلِيٌّ مِنِّي وَأَنَا مِنْ) অর্থাৎ ‘আরবদের অভ্যাস ছিল যদি তাদের মাঝে কোন ওয়াদা ভঙ্গ করা, কোন কথা, কোন চুক্তি, কোন ওয়াদা ভঙ্গ করার সময় হয় তখন তা কেবল ভঙ্গ করতে পারে সে সম্প্রদায়ের নেতা। অথবা যে তার খুব নিকটাত্মীয় বা কাছের লোক। তার থেকে ছাড়া অন্য কারো কাছ থেকে তা গ্রহণ করা হবে না। যে বছর রাসূল (সা.) আবূ বাকর (রাঃ)-কে হজ্জ সম্পাদন করার নির্দেশ দিয়ে পাঠালেন তার পিছনে পিছনে ‘আলী (রাঃ) কে পাঠালেন মুশরিকদের সাথে করা চুক্তিকে ভঙ্গ করার জন্য। তিনি তাদের সামনে সূরাহ্ আত্ তাওবার আয়াত পাঠ করলেন।
(اِنَّمَا الۡمُشۡرِکُوۡنَ نَجَسٌ فَلَا یَقۡرَبُوا الۡمَسۡجِدَ الۡحَرَامَ بَعۡدَ عَامِهِمۡ هٰذَا) “মুশরিকরা অপবিত্র, তারা যেন এ বছরের পর আর মসজিদুল হারামের নিকটবর্তী না হয়”(সূরাহ আত্ তাওবাহ ৯: ২৮)। এছাড়াও অন্যান্য বিধানাবলী দ্বারা তাকে পাঠানো হয়েছিল। এটা ছিল ‘আলী (রাঃ)-এর বিরাট বড় একটা মর্যাদা। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৩-[৭] ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) মুহাজির ও আনসার সাহাবীদের মধ্যে ভ্রাতত্ব স্থাপন করেন। এ সময় ’আলী (রাঃ) অশ্রুসজল চোখে এসে বললেন, (হে আল্লাহর রাসূল!) আপনি আপনার সাহাবীদের পরস্পরে মাঝে ভ্রাতত্ব বন্ধন স্থাপন করলেন, অথচ আমাকে কারো সাথে ভ্রাতত্ব বন্ধনে আবদ্ধ করলেন না। তখন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে বললেন, ইহকাল ও পরকালে উভয় স্থানেই তুমি আমার ভাই। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব]।

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: آخَى رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بَيْنَ أَصْحَابِهِ فَجَاءَ عَلِيٌّ تَدْمَعُ عَيْنَاهُ فَقَالَ: آخَيْتَ بَيْنَ أَصْحَابِكَ وَلم تُؤاخِ بَيْنِي وَبَيْنَ أُحُدٍ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنْتَ أَخِي فِي الدُّنْيَا وَالْآخِرَةِ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3720) * حکیم بن جبیر : ضعیف رمی بالتشیع ، و جمیع بن عمیر : ضعیف ضعفہ الجمھور ۔
(ضَعِيف)

وعن ابن عمر قال: آخى رسول الله صلى الله عليه وسلم بين أصحابه فجاء علي تدمع عيناه فقال: آخيت بين أصحابك ولم تؤاخ بيني وبين أحد. فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنت أخي في الدنيا والآخرة» . رواه الترمذي وقال: هذا حديث حسن غريب

ব্যাখ্যা: নবী (সা.) সব সাহাবীদের মাঝে ভ্রাতত্ব স্থাপন করে দিলে ‘আলী (রাঃ) তাকে বললেন, আমাকে কারো সাথে ভাই বানিয়ে দিলেন না কেন? নবী (সা.) তখন বললেন, তুমি কি জান আমি তোমাকে কারো সাথে ভাই বানিয়ে দেয়নি কেন? আমি তোমাকে আমার নিজের জন্য ছেড়ে দিয়েছি। তুমি আমার ভাই আর আমি তোমার ভাই। যদি তোমাকে কেউ বলে তবে তুমি বল, আমি আল্লাহর বান্দা ও আল্লাহর রসূলের ভাই। আর আমার পরে যদি কেউ তা দাবী করে তবে সে হবে মহা মিথ্যুক। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৪-[৮] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন নবী (সা.) -এর সামনে (খাওয়ার জন্য) একটি (ভুনা) পাখি রাখা ছিল। তখন তিনি (সা.) (দু’আয়) বললেন, হে আল্লাহ! তোমার সৃষ্টিজীবের মাঝে যে লোকটি তোমার কাছে অধিকতর প্রিয়, তাকে তুমি পাঠিয়ে দাও, যেন সে আমার সাথে এ পাখিটি (’র গোশত) খেতে পারে। এর পরক্ষণেই ’আলী (রাঃ) আসলেন এবং তাঁর সাথে খেলেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব]

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنْ أَنَسٍ قَالَ: كَانَ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَيْرٌ فَقَالَ: «اللَّهُمَّ ائْتِنِي بِأَحَبِّ خَلْقِكَ إِلَيْكَ يَأْكُلُ مَعِي هَذَا الطَّيْرَ» فجَاء عَلِيٌّ فَأَكَلَ مَعَهُ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ

حسن ، رواہ الترمذی (3721) ۔
(ضَعِيف)

وعن أنس قال: كان عند النبي صلى الله عليه وسلم طير فقال: «اللهم ائتني بأحب خلقك إليك يأكل معي هذا الطير» فجاء علي فأكل معه. رواه الترمذي وقال: هذا حديث غريب

ব্যাখ্যা: (كَانَ عِنْدَ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ طَيْرٌ) অর্থাৎ নবী (সা.) -এর নিকট একটি ভুনা বা রান্না করা পাখি ছিল যা তাকে হাদিয়্যাহ্ দেয়া হয়েছিল। অন্য এক বর্ণনায় এসেছে, নবী (সা.) -কে এক আনসারী মহিলা দু’টি পাখি হাদিয়্যাহ্ দিয়েছিল।
আমরা ‘আলী (রাঃ)-এর মর্যাদাকে অস্বীকার করি না। তিনি আগে ইসলাম গ্রহণ করেছিলেন। তিনি রাসূল (সা.) -এর অধিক নিকটবর্তী ছিলেন তাঁর আত্মীয়তার সম্পর্কের কারণে। তিনি কয়েক দিক থেকে নবী (সা.) -এর আত্মীয় হতেন। আর তিনি তার দীনী ভাইও ছিলেন। আর তিনি (সা.) তাঁকে অত্যন্ত ভালোবাসতেন। তবে মূর্খরা তাঁর মর্যাদা নিয়ে যেমন বাড়াবাড়ি করে তা হতে তিনি মুক্ত। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৫-[৯] ’আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর কাছে যখন কোন কিছু চাইতাম, তিনি আমাকে তা দান করতেন। আর যখন চুপ থাকতাম, তখন নিজের তরফ হতে দিতেন। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এ হাদীসটি গরীব]।

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: كُنْتُ إِذَا سَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ أَعْطَانِي وَإِذَا سَكَتُّ ابْتَدَأَنِي. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ «حَسَنٌ غَرِيبٌ»

سندہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3722) * عبداللہ بن عمرو بن ھند لم یسمع من علی رضی اللہ عنہ ، وجاء فی المستدرک (3 / 125 ح 463) قال :’’ سمعت علیًا رضی اللہ عنہ ‘‘ !! ۔
(ضَعِيفٌ)

وعن علي رضي الله عنه قال: كنت إذا سألت رسول الله صلى الله عليه وسلم أعطاني وإذا سكت ابتدأني. رواه الترمذي وقال: هذا حديث «حسن غريب»

ব্যাখ্যা: (وَإِذَا سَكَتُّ ابْتَدَأَنِي) অর্থাৎ কথা বলা বা দানের ক্ষেত্রে। এর মধ্যে ইঙ্গিত আছে যে, উত্তম আদব হলো চুপ থাকা। আর অধিক সম্মানিত ব্যক্তিকে আগে সুযোগ দেয়া। আর একে শক্তিশালী করে অন্য একটি হাদীস তা হলো- যাকে আমার কাছে চাওয়া থেকে আমার স্মরণে ব্যস্ত রাখবে আমি তাকে আমার কাছে প্রার্থনাকারীর চেয়ে বেশি দিয়ে থাকি। আলী (রাঃ)-এর দুনিয়াবিমুখতার কথা উল্লেখ করেছেন অনেক জীবনী লেখকগণ। তারা ‘আলী (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেন, আমার স্মরণ আছে যে, আমি নবী (সা.)-এর সাথে ক্ষুধার যন্ত্রণায় পেটে পাথর বেঁধেছিলাম, আর আজ আমি যাকাত দিচ্ছি চল্লিশ হাজার। অন্য বর্ণনায় এসেছে, আর আজ আমার সম্পদের যাকাত পৌছেছে চল্লিশ হাজার দীনার। হাদীস দুটি আহমাদ বর্ণনা করেছেন।

সাহল ইবনু সা'দ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। একদিন ‘আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)- ফাতিমাহ্ (রাঃ) -এর কাছে গিয়ে হাসান ও হুসায়ন (রাঃ)-কে কান্নারত পেয়ে তাকে কান্নার কারণ জিজ্ঞেস করেন। তখন ফাতিমাহ্ (রাঃ) বলেন, তাঁরা ক্ষুধার জ্বালায় কান্না করছে। ‘আলী (রাঃ), ঘর থেকে বের হয়ে বাজারে গিয়ে পতিত অবস্থায় একটি দীনার পেলেন। তিনি দীনারটি ফাতিমাহ (রাঃ)-এর কাছে নিয়ে এসে বিষয়টি তাকে জানালেন। ফাতিমা (রাঃ) তাকে বললেন, আপনি দীনারটি নিয়ে অমুক ইয়াহুদীর কাছে গিয়ে আমাদের জন্য আটা ক্রয় করুন। অতঃপর আলী (রাঃ) ইয়াহূদীর কাছে গিয়ে আটা ক্রয় করলেন। ইয়াহুদী বলল, আপনি তো ঐ লোকের জামাতা, যিনি নিজেকে আল্লাহর রাসূল দাবী করেন। তখন ‘আলী (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ। তখন ইয়াহুদী বলল, আপনি দীনারটি ফেরত নিন এবং এই আটাও নিয়ে যান (আটার মূল্য দিতে হবে না)।
আলী (রাঃ) আটা নিয়ে ফাতিমা (রাঃ)-এর কাছে এসে তাকে বিষয়টি জানালেন। ফাতিমা (রাঃ) বললেন, আপনি উমুক কসাইয়ের কাছে গিয়ে আমাদের জন্য এক দিরহামের গোশত ক্রয় করুন। তিনি সেখানে গিয়ে দীনারটি বন্ধক রেখে এক দিরহাম মূল্যের গোশত কিনে ঘরে ফিরলেন।

ফাতিমাহ্ (রাঃ) আটা দিয়ে রুটি বানালেন এবং গোশত রান্না করলেন। নবী (সা.) তাদের কাছে আসলে ফাহিমাহ্ (রাঃ) বলেন, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আপনাকে ঘটনাটি খুলে বলছি। আপনি যদি এটা আমাদের জন্য হালাল মনে করেন তাহলে আমরা তা খাবো এবং আমাদের সাথে আপনিও খাবেন। ঘটনা এরূপ, তিনি (সা.) বললেন, তোমরা বিসমিল্লাহ বলে খাও। তারা যখন খাচ্ছিলেন তখন এক যুবক আল্লাহ ও ইসলামের নামে শপথ উচ্চারণ করে দীনারটি খুঁজছিল। তখন রাসূল (সা.) -এর নির্দেশ মোতাবেক তাকে ডেকে দীনার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। সে বলল, দীনারটি আমার নিকট থেকে বাজারে পড়ে গেছে।
নবী (সা.) বললেন: হে ‘আলী! তুমি কসাইয়ের নিকট গিয়ে বল, আল্লাহর রাসূল (সা.) আপনাকে দীনারটি আমার কাছে ফেরত দিতে বলেছেন। আর তিনি আপনার দিরহাম দিয়ে দিবেন। অতঃপর কসাই তা ফেরত দিলে রাসূল (সা.) সেটি ঐ যুবককে ফিরিয়ে দিলেন- (আবূ দাউদ ১৭১৬: হাসান)। (মিরকাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৬-[১০] উক্ত রাবী [’আলী (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমি বিদ্যার ঘর আর ’আলী হলেন সে গৃহের দরজা।

[ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি গরীব।
তিনি আরো বলেছেন, কোন কোন বর্ণনাকারী হাদীসটি শারীক নামক বর্ণনাকারী হতে বর্ণনা করেছেন। তারা তাতে সুনাবিহী বর্ণনাকারীর নাম উল্লেখ করেননি এবং শারীক ছাড়া অন্য কোন নির্ভরযোগ্য বর্ণনাকারী হতে এ হাদীস আমরা জানতে পারিনি।]

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «أَنَا دَارُ الْحِكْمَةِ وَعَلِيٌّ بَابُهَا» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ غَرِيبٌ وَقَالَ: رَوَى بَعْضُهُمْ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ شَرِيكٍ وَلَمْ يَذْكُرُوا فِيهِ عَنِ الصُّنَابِحِيِّ وَلَا نَعْرِفُ هَذَا الْحَدِيثَ عَنْ أَحَدٍ مِنَ الثِّقَاتِ غَيْرَ شَرِيكٍ

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3723) * شریک القاضی مدلس و عنعن ولم یثبت تصریح سماعہ فی ھذا الحدیث و للحدیث شواھد ضعیفۃ ۔
(ضَعِيف)

وعنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «أنا دار الحكمة وعلي بابها» . رواه الترمذي وقال: هذا حديث غريب وقال: روى بعضهم هذا الحديث عن شريك ولم يذكروا فيه عن الصنابحي ولا نعرف هذا الحديث عن أحد من الثقات غير شريك

ব্যাখ্যা: (أَنَا دَارُ الْحِكْمَةِ) অন্য বর্ণনায় আছে, (أَنَا مَدِينَةُ الْعِلْمِ) মাসাবীহ-এর অন্য একটি বর্ণনায় এসেছে, (أَنَا دَارُ الْعِلْمِ وَعَلِيٌّ بَابُهَا) অর্থাৎ আমি ‘ইলমের ঘর আর ‘আলী (রাঃ) হলো তার দরজা।
অন্য আরেকটি বর্ণনায় অতিরিক্ত এসেছে, (فَمَنْ أَرَادَالْعِلْمَ فَلْيَأْتِهِ مِنْ بَابِهِ) অর্থাৎ যে ‘ইলম চায় সে যেন তার কাছে তার দরজা দিয়ে আসে। এর অর্থ হলো, ‘আলী (রাঃ) তার দরজাসমূহ থেকে একটি দরজা। তবে এখানে নির্দিষ্ট করা মানে এক প্রকার সম্মান দেয়া। তাঁর দিকে সম্পৃক্ত করার কারণ হলো তিনি কতিপয় সাহাবীর চেয়ে বেশি সম্মানিত ও জ্ঞানী ছিলেন। (মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৭-[১১] জাবির (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ত্বায়িফ যুদ্ধের দিন রাসূলুল্লাহ (সা.) ’আলী (রাঃ)- কে কাছে ডেকে চুপে চুপে কিছু কথা বললেন। লোকেরা বলল, রাসূলুল্লাহ (সা.) যে তার চাচার পুত্রের সাথে দীর্ঘসময় অবধি চুপে চুপে কথাই বলছেন। রাসূলুল্লাহ (সা.) বললেন, চুপে চুপে আমি কথা বলিনি, বরং স্বয়ং আল্লাহই তার সাথে চুপে চুপে কথা বলেছেন। (তিরমিযী)

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنْ جَابِرٍ قَالَ: دَعَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلِيًّا يَوْمَ الطَّائِفِ فَانْتَجَاهُ فَقَالَ النَّاسُ: لَقَدْ طَالَ نَجْوَاهُ مَعَ ابْنِ عَمِّهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَا انْتَجَيْتُهُ وَلَكِنَّ اللَّهَ انْتَجَاهُ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3726 وقال : حسن غریب ) * ابو الزبیر مدلس و عنعن ۔
(ضَعِيف)

وعن جابر قال: دعا رسول الله صلى الله عليه وسلم عليا يوم الطائف فانتجاه فقال الناس: لقد طال نجواه مع ابن عمه فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما انتجيته ولكن الله انتجاه» . رواه الترمذي

ব্যাখ্যা: (فَقَالَ النَّاسُ) অর্থাৎ মুনাফিকগণ, অথবা সাধারণ সাহাবীগণ গোপন বৈঠক করেছিল। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৮-[১২] আবূ সাঈদ আল খুদরী (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) আলী (রাঃ)-কে লক্ষ্য করে বললেন, হে আলী! আমি ও তুমি ছাড়া এ মসজিদে জুনুবী (নাপাকী) অবস্থায় অন্য কারো প্রবেশ করা বৈধ নয়।
(অধস্তন বর্ণনাকারী) আলী ইবনুল মুনযির বলেন, আমি যিরার ইবনু সুরাদ-কে হাদীসটির ব্যাখ্যা জিজ্ঞেস করলে তিনি বললেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: নাপাকী অবস্থায় আমি ও তুমি ছাড়া অন্য কারো জন্য এই মসজিদের ভিতর দিয়ে পথ অতিক্রম করা বৈধ নয়। [ইমাম তিরমিযী (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, হাদীসটি হাসান ও গরীব]।

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ لِعَلِيٍّ: «يَا عَلِيُّ لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ يُجْنِبُ فِي هَذَا الْمَسْجِدِ غَيْرِي وَغَيْرَكَ» قَالَ عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ: فَقُلْتُ لِضِرَارِ بْنِ صُرَدٍ: مَا مَعْنَى هَذَا الْحَدِيثِ؟ قَالَ: لَا يَحِلُّ لِأَحَدٍ يَسْتَطْرِقُهُ جُنُبًا غَيْرِي وَغَيْرَكَ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَقَالَ: هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3727) * فیہ عطیۃ العوفی : ضعیف ۔
(ضَعِيف)

وعن أبي سعيد قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم لعلي: «يا علي لا يحل لأحد يجنب في هذا المسجد غيري وغيرك» قال علي بن المنذر: فقلت لضرار بن صرد: ما معنى هذا الحديث؟ قال: لا يحل لأحد يستطرقه جنبا غيري وغيرك. رواه الترمذي وقال: هذا حديث حسن غريب

ব্যাখ্যা: এখানে তাদের দুজনের বিষয়টি খাস করার অর্থ হলো, তাদের দুজনের ঘরের দরজা মসজিদের ভেতর দিয়ে ছিল। নবী (সা.)-এর ঘরের দরজা তো মসজিদের ভিতর দিকে ছিল। তার ঘরের দরজা খুললেই মসজিদ তার সামনে পড়ত। অনুরূপ ‘আলী (রাঃ)-এর ঘরের দরজাও ছিল। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ -আলী ইবনু আবূ ত্বালিব (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৯৯-[১৩] উম্মু ’আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ (সা.) কোন এক অভিযানে সেনাদল পাঠালেন। তাদের মধ্যে ’আলী (রাঃ)-ও ছিলেন। উম্মু ’আত্বিয়্যাহ্ (রাঃ) বলেন, সেনাদল পাঠাবার পর রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে আমি দুই হাত তুলে এরূপ দু’আ করতে শুনেছি, তিনি বলেছেন, হে আল্লাহ! ’আলীকে আবার আমাকে না দেখাবার আগ পর্যন্ত তুমি আমার মৃত্যু দান করো না। (তিরমিযী)

اَلْفصْلُ الثَّنِ (بَاب مَنَاقِب عَليّ بن أبي طَالب)

وَعَن أم عطيَّة قَالَتْ: بَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ جَيْشًا فِيهِمْ عَلِيٌّ قَالَتْ: فَسَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ وَهُوَ رَافِعٌ يَدَيْهِ يَقُولُ: «اللَّهُمَّ لَا تُمِتْنِي حَتَّى تُرِيَنِي عليّاً» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (3737 وقال : حسن) * ام شراحیل و ابو الجراح المھری : مجھولا الھال ، لم یوثقھما غیر الترمذی ۔
(ضَعِيف)

وعن أم عطية قالت: بعث رسول الله صلى الله عليه وسلم جيشا فيهم علي قالت: فسمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم وهو رافع يديه يقول: «اللهم لا تمتني حتى تريني عليا» . رواه الترمذي

ব্যাখ্যা: নবী (সা.) ‘আলী (রাঃ)-কে কোন একটি সফরে সৈন্যবাহিনীর সাথে পাঠিয়েছিলেন। রাসূল (সা.) তাকে পাঠানোর সময় বা তাঁর ফিরে আসা নিশ্চিত করতে তাঁর দু’হাত উঁচু করে বলেন, “হে আল্লাহ! ‘আলীকে দেখার আগে আমার মৃত্যু দিও না।”
নবী (সা.) যখন সৈন্যবাহিনী প্রেরণ করছিলেন তখন তার ডানদিকে জিবরাইল আর মীকাঈল তার বামদিকে ছিলেন। আর তিনি তার বিজয় নিশ্চিত না করে ফিরে যাননি- (আহমাদ)। (মিরকাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১০ পর্যন্ত, সর্বমোট ১০ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে