পরিচ্ছেদঃ ২৪/১. শরাব সমস্ত পাপকাজের প্রসূতি
১/৩৩৭১। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার বন্ধু (নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) আমাকে উপদেশ দিয়েছেনঃ শরাব পান করো না, কারণ তা সমস্ত পাপাচারের প্রসূতি।
بَاب الْخَمْرُ مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ الْحَسَنِ الْمَرْوَزِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، ح وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، جَمِيعًا عَنْ رَاشِدٍ أَبِي مُحَمَّدٍ الْحِمَّانِيِّ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أُمِّ الدَّرْدَاءِ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، قَالَ أَوْصَانِي خَلِيلِي ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَشْرَبِ الْخَمْرَ فَإِنَّهَا مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. রাশিদ আবু মুহাম্মাদ আল-হিম্মানী সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করতেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৮২৯, ৯/১৬ নং পৃষ্ঠা) ২. শাহর বিন হাওশাব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান এবং আল-আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ তাকে বর্জন করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৭৮১, ১২/৫৭৮ নং পৃষ্ঠা) ৩. আবদুল ওয়াহহাব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬০৫, ১৮/৫০৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Abu Darda’ said:
‘My close friend (ﷺ) advised me: ‘Do not drink wine, for it is the key to all evils.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১. শরাব সমস্ত পাপকাজের প্রসূতি
২/৩৩৭২। খাব্বাব ইবনুল আরাত্তি (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ সাবধান! শরাব পরিহার করো। কারণ শরাবের পাপ অন্যান্য পাপাচারকে আওতাভুক্ত করে নেয়, যেমন তার গাছ (আংগুর গাছ) অন্যান্য গাছের উপর বিস্তারিত হয়।
بَاب الْخَمْرُ مِفْتَاحُ كُلِّ شَرٍّ
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عُثْمَانَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا مُنِيرُ بْنُ الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ عُبَادَةَ بْنَ نُسَىٍّ، يَقُولُ سَمِعْتُ خَبَّابَ بْنَ الأَرَتِّ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ قَالَ " إِيَّاكَ وَالْخَمْرَ فَإِنَّ خَطِيئَتَهَا تَفْرَعُ الْخَطَايَا كَمَا أَنَّ شَجَرَتَهَا تَفْرَعُ الشَّجَرَ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আল-আব্বাস বিন উসমান আদ-দিমাশকী সম্পর্কে আবুল হাসান বিন সুমায় বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি কখনো কখনো সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৩২, ১৪/২৩৩ নং পৃষ্ঠা) ২. মুনীর ইবনুয যুবায়র সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী, ইমাম যাহাবী ও দুহায়ম আদ-দিমাশকী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬২১২, ২৫/৫৭৩ নং পৃষ্ঠা)
‘Ubadah bin Samit said:
“I heard Khabbab bin Arat narrating that the Messenger of Allah (ﷺ) said: ‘Beware of wine! For its sins overwhelm other sins, just as the grapevine overwhelms other trees.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২. যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করে, সে আখেরাতে তা থেকে বঞ্চিত থাকবে
১/৩৩৭৩। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করলো, সে তা থেকে তওবা না করলে, আখেরাতে তা পান করতে পারবে না।
بَاب مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الْآخِرَةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الآخِرَةِ إِلاَّ أَنْ يَتُوبَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn ‘Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever drinks wine in this world, he will not drink it in the Hereafter, unless he repents.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২. যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করে, সে আখেরাতে তা থেকে বঞ্চিত থাকবে
২/৩৩৭৪। আবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দুনিয়াতে শরাব পান করে, সে আখেরাতে তা পান করতে পারবে না।
بَاب مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الْآخِرَةِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، حَدَّثَنِي زَيْدُ بْنُ وَاقِدٍ، أَنَّ خَالِدَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حُسَيْنٍ، حَدَّثَهُ قَالَ حَدَّثَنِي أَبُو هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ فِي الدُّنْيَا لَمْ يَشْرَبْهَا فِي الآخِرَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever drinks wine in this world, he will not drink it in the Hereafter.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৩. শরাবখোর
১/৩৩৭৫। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাবখোর (পাপের ক্ষেত্রে) মূর্তিপূজকের সমতুল্য।
بَاب مُدْمِنُ الْخَمْرِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الأَصْبَهَانِيِّ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مُدْمِنُ الْخَمْرِ كَعَابِدِ وَثَنٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন সুলায়ম আল-আসবাহানী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল ও সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫২৬২, ২৫/৩০৮ নং পৃষ্ঠা) ২. সুহায়ল বিন আবু সালিহ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বলেন, তিনি সিকাহ। সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেন, সাবত। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার বর্ণিত হাদিস সহিহ নয়। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তার খবর মাকবুল বা গ্রহণযোগ্য। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৬২৯, ১২/২২৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The one who is addicted to wine is like one who worships idols.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৩. শরাবখোর
২/৩৩৭৬। আবূ দারদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ শরাব পানে অভ্যস্ত ব্যক্তি জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে না।
بَاب مُدْمِنُ الْخَمْرِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ عُتْبَةَ، حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ مَيْسَرَةَ بْنِ حَلْبَسٍ، عَنْ أَبِي إِدْرِيسَ، عَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لاَ يَدْخُلُ الْجَنَّةَ مُدْمِنُ خَمْرٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Darda’ that the Prophet (ﷺ) said:
“No one who is addicted to wine will enter Paradise.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৪. যে ব্যক্তি শরাব পান করে তার নামায কবুল হয় না
১/৩৩৭৭। ’আবদুল্লাহ ইবনে ’আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি শরাব পান করে এবং মাতাল হয়, চল্লিশ দিন পর্যন্ত তার নামায কবুল হয় না। সে মারা গেলে জাহান্নামে প্রবেশ করবে। আর যদি সে তওবা করে, তবে আল্লাহ তা’আলা তার তওবা কবুল করবেন। সে পুনরায় শরাব পানে লিপ্ত হলে কিয়ামতের দিন অল্লাহ তা’আলা অবশ্যি তাকে ’’রাদগাতুল খাবাল’’ পান করাবেন। সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ’রাদগাতুল খাবাল’ কী? তিনি বলেনঃ জাহান্নামীদের দেহ থেকে নির্গত পুঁজ ও রক্ত।
بَاب مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلَاةٌ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ الدَّيْلَمِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " مَنْ شَرِبَ الْخَمْرَ وَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا وَإِنْ مَاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِنْ عَادَ فَشَرِبَ فَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ مَاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِنْ عَادَ فَشَرِبَ فَسَكِرَ لَمْ تُقْبَلْ لَهُ صَلاَةٌ أَرْبَعِينَ صَبَاحًا فَإِنْ مَاتَ دَخَلَ النَّارَ فَإِنْ تَابَ تَابَ اللَّهُ عَلَيْهِ وَإِنْ عَادَ كَانَ حَقًّا عَلَى اللَّهِ أَنْ يَسْقِيَهُ مِنْ رَدْغَةِ الْخَبَالِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " . قَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ وَمَا رَدْغَةُ الْخَبَالِ قَالَ " عُصَارَةُ أَهْلِ النَّارِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from ‘Abdullah bin ‘Amr that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever drinks wine and gets drunk, his prayer will not be accepted for forty days, and if he dies he will enter Hell, but if he repents, Allah will accept his repentance. If he drinks wine again and gets drunk, his prayer will not be accepted for forty days, and if he dies he will enter Hell, but if he repents, Allah will accept his repentance. If he drinks wine again and gets drunk, his prayer will not be accepted for forty days, and if he dies he will enter Hell, but if he repents Allah will accept his repentance. But if he does it again, then Allah will most certainly make him drink of the mire of the puss or sweat on the Day of Resurrection.” They said: “O Messenger of Allah, what is the mire of the pus or sweat? He said: “The drippings of the people of Hell.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৫. যা থেকে শরাব তৈরি হয়
১/৩৩৭৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাব এই দু’টি গাছ থেকে তৈরি হয়ঃ খেজুর গাছ ও আংগুর গাছ।
بَاب مَا يَكُونُ مِنْهُ الْخَمْرُ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو كَثِيرٍ السُّحَيْمِيُّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " الْخَمْرُ مِنْ هَاتَيْنِ الشَّجَرَتَيْنِ النَّخْلَةِ وَالْعِنَبَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইকরিমাহ বিন আম্মার সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি কোন সিকাহ রাবী থেকে হাদিস বর্ণনা করলে তার হাদিস গ্রহণযোগ্য। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো সন্দেহ করেন। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০০৮, ২০/২৫৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Wine comes from these two trees: The date palm and the grapevine.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৫. যা থেকে শরাব তৈরি হয়
২/৩৩৭৯। নু’মান ইবনে বাশীর (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গম থেকে শরাব হয়, বার্লি থেকে শরাব হয়, আংগুর থেকে শরাব হয়, খেজুর থেকে শরাব হয় এবং মধু থেকে শরাব হয়।
بَاب مَا يَكُونُ مِنْهُ الْخَمْرُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ أَبِي حَبِيبٍ، أَنَّ خَالِدَ بْنَ كَثِيرٍ الْهَمْدَانِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّ السَّرِيَّ بْنَ إِسْمَاعِيلَ حَدَّثَهُ أَنَّ الشَّعْبِيَّ حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ النُّعْمَانَ بْنَ بَشِيرٍ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنَّ مِنَ الْحِنْطَةِ خَمْرًا وَمِنَ الشَّعِيرِ خَمْرًا وَمِنَ الزَّبِيبِ خَمْرًا وَمِنَ التَّمْرِ خَمْرًا وَمِنَ الْعَسَلِ خَمْرًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সারিয়্যা বিন ইসমাইল সম্পর্কে আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মানুষ তার হাদিস বর্জন করেছে, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবরাহীম বিন ইসহাক বলেন, তার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। ইমাম যাহাবী তাকে বর্জন করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২১৯৩, ১০/২২৭ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু সারিয়্যা বিন ইসমাইল এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ২৫৩ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, ২০ টি খুবই দুর্বল, ৭১ টি দুর্বল, ৭৪ টি হাসান, ৮৮ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ৫৫৮৮, তিরমিযি ১৮৭২, আবু দাউদ ৩৬৬৯, ৩৬৭৬, ৩৬৭৭, ৩৬৮৩, আহমাদ ৫৯৫৬, ১৫১৩১, ১৭৫১৩, ১৭৫৭৪, ১৭৫৭৫, ১৭৮৮৬, ১৭৯৪০, দারাকুতনী ৪৫৯৬, ৪৫৯৭, ৪৫৯৯, ৪৬০০, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ১৩৫৫৫, ১৭০৮০, মু'জামুল আওসাত ১১০৩, ৫৭১২, ৭২৮৫।
It was narrated from Nu’man bin Bashir that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“From wheat comes wine, from barley comes wine, from raisins comes wine, from dates comes wine and from honey comes wine.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৬. শরাবের উপর দশ প্রকারে অভিসম্পাত করা হয়েছে
১/৩৩৮০। ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরাবের উপর দশভাবে অভিসম্পাত করা হয়েছেঃ স্বয়ং শরাব (অভিশপ্ত), শরাব উৎপাদক, যে তা উৎপাদন করায়, তার বিক্রেতা, তার ক্রেতা, তার বহনকারী, তা যার জন্য বহন করা হয়, এর মূল্য ভোগকারী, তা পানকারী ও তা পরিবেশনকারী (এদের সকলেই অভিশপ্ত)।
بَاب لُعِنَتْ الْخَمْرُ عَلَى عَشْرَةِ أَوْجُهٍ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْغَافِقِيِّ، وَأَبِي، طُعْمَةَ مَوْلاَهُمْ أَنَّهُمَا سَمِعَا ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لُعِنَتِ الْخَمْرُ عَلَى عَشَرَةِ أَوْجُهٍ بِعَيْنِهَا وَعَاصِرِهَا وَمُعْتَصِرِهَا وَبَائِعِهَا وَمُبْتَاعِهَا وَحَامِلِهَا وَالْمَحْمُولَةِ إِلَيْهِ وَآكِلِ ثَمَنِهَا وَشَارِبِهَا وَسَاقِيهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল আযীয বিন উমার সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আবু হাফস উমার বিন শাহীন ও আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু মুসহির আল-গাসসানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন। আবদুল আ'লা বিন মুসহির বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৬৪, ১৮/১৭৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn ‘Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Wine is cursed from ten angles: The wine itself, the one who squeezes (the grapes etc), the one for whom it is squeezed, the one who sells it, the one who buys it, the one who carries it, the one to whom it is carried, the one who consumes its price, the one who drinks it and the one who pours it.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৬. শরাবের উপর দশ প্রকারে অভিসম্পাত করা হয়েছে
২/৩৩৮১। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দশভাবে শরাবের উপর অভিসম্পাত করেছেনঃ শরাব প্রস্তুতকারী, তা উৎপাদনকারী, যে তা উৎপাদন করায়, তা যার জন্য উৎপাদন করা হয়, তা বহনকারী, যার জন্য তা বহন করা হয়, তার বিক্রেতা, তার ক্রেতা, তা পরিবেশনকারী এবং যার জন্য পরিবেশন করা হয়। এভাবে তিনি দশজনের উল্লেখ করেছেন।
بَاب لُعِنَتْ الْخَمْرُ عَلَى عَشْرَةِ أَوْجُهٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ يَزِيدَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التُّسْتَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ شَبِيبٍ، سَمِعْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ، - أَوْ حَدَّثَنِي أَنَسٌ، - قَالَ لَعَنَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي الْخَمْرِ عَشَرَةً عَاصِرَهَا وَمُعْتَصِرَهَا وَالْمَعْصُورَةَ لَهُ وَحَامِلَهَا وَالْمَحْمُولَةَ لَهُ وَبَائِعَهَا وَالْمُبْتَاعَةَ لَهُ وَسَاقِيَهَا وَالْمُسْتَقَاةَ لَهُ " . حَتَّى عَدَّ عَشَرَةً مِنْ هَذَا الضَّرْبِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী শাবীব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৬৮৯, ১২/৩৫৯ নং পৃষ্ঠা)
Anas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) cursed ten with regard to wine: The one who squeezes (the grapes etc.), the one who asks for it to be squeezed, the one for whom it is squeezed, the one who carries it, the one to whom it is carried, the one who sells it, the one for whom it is brought, the one who pours it, the one for whom it is poured, until he counted ten like this.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৭. শরাবের ব্যবসা
১/৩৩৮২। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যখন সুদ সম্পর্কিত সূরা বাকারার শেষ আয়াতগুলো নাযিল হয়, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাইরে বের হয়ে আসেন এবং শরাবের ব্যবসাও নিষিদ্ধ (হারাম) ঘোষণা করেন।
بَاب التِّجَارَةِ فِي الْخَمْرِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ مُسْلِمٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ لَمَّا نَزَلَتِ الآيَاتُ مِنْ آخِرِ سُورَةِ الْبَقَرَةِ فِي الرِّبَا خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَحَرَّمَ التِّجَارَةَ فِي الْخَمْرِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that ‘Aishah said:
“When the Verses at the end of Surat Al-Baqarah concerning usury were revealed, the Messenger of Allah(ﷺ) went out and forbade dealing in wine.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৭. শরাবের ব্যবসা
২/৩৩৮৩। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সামুরা (রাঃ) শরাব বিক্রয় করেন এ কথা উমার (রাঃ) জানতে পেরে বললেন, আল্লাহ সামুরাকে ধ্বংস করুনঃ সে কি জানে না যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’’আল্লাহ তা’আলা ইহূদীদের অভিসম্পাত করুন, তাদের প্রতি চর্বি হারাম করা হয়েছিল; কিন্তু তারা তা গলিয়ে বিক্রয় করতো’’।
بَاب التِّجَارَةِ فِي الْخَمْرِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ بَلَغَ عُمَرَ أَنَّ سَمُرَةَ، بَاعَ خَمْرًا فَقَالَ قَاتَلَ اللَّهُ سَمُرَةَ أَلَمْ يَعْلَمْ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " لَعَنَ اللَّهُ الْيَهُودَ حُرِّمَتْ عَلَيْهِمُ الشُّحُومُ فَجَمَلُوهَا فَبَاعُوهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
Umar heard that Samurah had sold some wine, and he said: “May Allah ruin Samurah! Does he not know that the Messenger of Allah (ﷺ) said: ‘May Allah curse the Jews, for animal fat was forbidden to them, so they melted it down and sold it.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৮. লোকেরা (শেষ যমানায়) শরাবের বিভিন্ন নামকরণ করবে
১/৩৩৮৪। আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এমন কোন রাত এবং দিন অতিবাহিত হবে না, যখন আমার উম্মাতের কতক লোক শরাবের ভিন্ন নামকরণ করে তা পান করবে না।
بَاب الْخَمْرِ يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلاَمِ بْنُ عَبْدِ الْقُدُّوسِ، حَدَّثَنَا ثَوْرُ بْنُ يَزِيدَ، عَنْ خَالِدِ بْنِ مَعْدَانَ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَذْهَبُ اللَّيَالِي وَالأَيَّامُ حَتَّى تَشْرَبَ طَائِفَةٌ مِنْ أُمَّتِي الْخَمْرَ يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুস সালাম বিন আবদুল কুদ্দুস সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি মুনকার সুত্রে হাদিস বর্ণনা করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও সালিহ বিন মুহাম্মাদ বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪২৪, ১৮৫/৮৭ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু আবদুস সালাম বিন আবদুল কুদ্দুস এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৯১ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, ১৪ টি খুবই দুর্বল, ৩০ টি দুর্বল, ১৮ টি হাসান, ২৯ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আবু দাউদ ৩৬৮৯, দারিমী ২১০০, আহমাদ ১৭৬০৭, ২১৭২৭, ২২২০০, ২২৩৯২, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ১৭০৫২, ১৭০৫৫।
It was narrated from Abu Umamah Al-Bahili that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Night and day will not cease until a group among my nation drinks wine, calling it by some other name.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৮. লোকেরা (শেষ যমানায়) শরাবের বিভিন্ন নামকরণ করবে
২/৩৩৮৫। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমার উম্মাতের কতক লোক শরাবের ভিন্নতর নাম রেখে তা পান করবে।
بَاب الْخَمْرِ يُسَمُّونَهَا بِغَيْرِ اسْمِهَا
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ أَبِي السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، حَدَّثَنَا سَعْدُ بْنُ أَوْسٍ الْعَبْسِيُّ، عَنْ بِلاَلِ بْنِ يَحْيَى الْعَبْسِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ حَفْصٍ، عَنِ ابْنِ مُحَيْرِيزٍ، عَنْ ثَابِتِ بْنِ السِّمْطِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " يَشْرَبُ نَاسٌ مِنْ أُمَّتِي الْخَمْرَ بِاسْمٍ يُسَمُّونَهَا إِيَّاهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আল হুসায়ন বিন আবুস সারী আল-আসকালানী সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন ও তিনি অপরিচিত। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু আরুবাহ আল-হারবানী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি মিথ্যুক। মুহাম্মাদ বিন আবুস সারী আল-আসকালানী বলেন, তোমরা আমার ভাই এর নিকট থেকে কেউ হাদিস গ্রহন করিও না, কারণ তিনি মিথ্যুক। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩৩১, ৬/৪৬৮ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু আল হুসায়ন বিন আবুস সারী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৯১ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, ১৪ টি খুবই দুর্বল, ৩০ টি দুর্বল, ১৮ টি হাসান, ২৯ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আবু দাউদ ৩৬৮৯, দারিমী ২১০০, আহমাদ ১৭৬০৭, ২১৭২৭, ২২২০০, ২২৩৯২, মুসানান্নাফ আবদুর রাযযাক ১৭০৫২, ১৭০৫৫।
It was narrated from ‘Ubadah bin Samit that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“People among my nation will drink wine, under some other name that they will give it.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
১/৩৩৮৬। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নেশা উদ্রেককর প্রতিটি পানীয় হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، تَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " كُلُّ شَرَابٍ أَسْكَرَ فَهُوَ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from ‘Aishah, narrating it from the Prophet (ﷺ):
“Every drink that causes intoxication is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
২/৩৩৮৭। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا صَدَقَةُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ الْحَارِثِ الذِّمَارِيُّ، سَمِعْتُ سَالِمَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Salim bin ‘Abdullah bin ‘Umar narrated that his father said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: ‘Every intoxicant is unlawful.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
৩/৩৩৮৮। ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " . قَالَ ابْنُ مَاجَهْ هَذَا حَدِيثُ الْمِصْرِيِّينَ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আয়্যুব বিন হানী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে আমার জানা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস গ্রহনে শিথিল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৩০, ৩/৫০১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn Mas’ud that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Every intoxicant is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
৪/৩৩৮৯। মু’আবিয়া (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির জন্য হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ حَيَّانَ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزِّبْرِقَانِ، عَنْ يَعْلَى بْنِ شَدَّادِ بْنِ أَوْسٍ، سَمِعْتُ مُعَاوِيَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ عَلَى كُلِّ مُؤْمِنٍ " . وَهَذَا حَدِيثُ الرَّقِّيِّينَ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. খালিদ বিন হায়্যান আর-রাক্কী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় শিথিল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৬০১, ৮/৪২ নং পৃষ্ঠা) ২. সুলায়মান বিন আবদুল্লাহ ইবনুয যিবরিকান সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি মাকবুল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৩৪, ১২/১৬ নং পৃষ্ঠা)
Mu’awiyah said:
“I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: ‘Every intoxicant is unlawful for every believer.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
৫/৩৩৯০। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস শরাবের অন্তর্ভুক্ত এবং যে কোন শরাবই হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا سَهْلٌ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَلْقَمَةَ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كُلُّ مُسْكِرٍ خَمْرٌ وَكُلُّ خَمْرٍ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন আমর বিন আলকামাহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি সালিহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি কখনো হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু আদী বলেন, তার হাদিস বর্ণনায় সমস্যা নেই। ইমাম নাসাঈ তাকে সিকাহ বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn ‘Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Every intoxicant is Khamr (wine) and every Khamr is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/৯. প্রতিটি নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম
৬/৩৩৯১। আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নেশা সৃষ্টিকারী প্রতিটি জিনিস হারাম।
بَاب كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو دَاوُدَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Musa that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Every intoxicant is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১০. যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম
১/৩৩৯২। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে কোন নেশা উদ্রেককর জিনিস হারাম। আর যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা সৃষ্টি করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।
بَاب مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو يَحْيَى، زَكَرِيَّا بْنُ مَنْظُورٍ عَنْ أَبِي حَازِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ وَمَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু ইয়াহইয়া যাকারিয়্যা বিন মানযুর সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ আল-আসকারী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আবু বিশর আদ-দাওলাবী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৯৯৬, ৯/৩৬৯ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু যাকারিয়্যা বিন মানযুর এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির শতাধিক শাহিদ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ২৪২, ২৪৬৪, ৪৩৪৩, ৪৩৪৫, ৫৫৮৫, ৫৫৮৬, ৫৫৯৮, ৬১২৪, মুসলিম ১৫৮০, ১৭৩৩, ২০০২, ২০০৩, তিরমিযি ১২৯৩, ১৮৬১, ১৮৬৩, ১৮৬৪, ১৮৬৬, আবু দাউদ ৩৬৭৩, ৩৬৭৯, ৩৬৮০, ৩৬৮২, ৩৬৮৫, ৩৬৮৬, ৩৬৮৭, দারিমী ২০৯৭, ২০৯৮, আহমাদ ২৪৭২, ২৬২০, ৩২৬৪, ১৯১০০, ১৯২২৮।
It was narrated from ‘Abdullah bin ‘Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Every intoxicant is unlawful and whatever causes intoxication in large amounts, a small amount of it is (also) unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১০. যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম
২/৩৩৯৩। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।
بَاب مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، حَدَّثَنِي دَاوُدُ بْنُ بَكْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ الْمُنْكَدِرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
It was narrated from Jabir bin ‘Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whatever causes intoxication in large amounts, a small amount of it is (also) unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১০. যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা উদ্রেক করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম
৩/৩৩৯৪। ’আমর ইবনে শু’আয়ব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে জিনিসের অধিক পরিমাণ নেশা সৃষ্টি করে, তার সামান্য পরিমাণও হারাম।
بَاب مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا أَنَسُ بْنُ عِيَاضٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَا أَسْكَرَ كَثِيرُهُ فَقَلِيلُهُ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
It was narrated from ‘Amr bin Shu’aib, from his father, from his grandfather, that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whatever causes intoxication in large amounts a small amount of it is (also) unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১১. দু’টি জিনিসের সংমিশ্রণে (উত্তেজক পানীয়) প্রস্তুত নিষিদ্ধ।
১/৩৩৯৫। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খেজুর ও আংগুর একত্রে ভিজিয়ে নবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন এবং পাকা খেজুর ও কাঁচা খেজুর একত্রে মিশিয়ে নবীয তৈরি করতেও নিষেধ করেছেন।
بَاب النَّهْيِ عَنْ الْخَلِيطَيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى أَنْ يُنْبَذَ التَّمْرُ وَالزَّبِيبُ جَمِيعًا وَنَهَى أَنْ يُنْبَذَ الْبُسْرُ وَالرُّطَبُ جَمِيعًا .
قَالَ اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ حَدَّثَنِي عَطَاءُ بْنُ أَبِي رَبَاحٍ الْمَكِّيُّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مِثْلَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin ‘Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) forbade making Nabidh* with dates and raisins together, or with unripe dates and fresh dates together.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১১. দু’টি জিনিসের সংমিশ্রণে (উত্তেজক পানীয়) প্রস্তুত নিষিদ্ধ।
২/৩৩৯৬। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা কাঁচা খেজুর ও শুকনা খেজুর একত্রে ভিজিয়ে নবীয তৈরি করো না, তবে এর প্রতিটি পৃথকভাবে ভিজিয়ে নবীয তৈরি করতে পার।
بَاب النَّهْيِ عَنْ الْخَلِيطَيْنِ
حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْيَمَامِيُّ، حَدَّثَنَا عِكْرِمَةُ بْنُ عَمَّارٍ، عَنْ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَنْبِذُوا التَّمْرَ وَالْبُسْرَ جَمِيعًا وَانْبِذُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى حِدَتِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইকরিমাহ বিন আম্মার সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি কোন সিকাহ রাবী থেকে হাদিস বর্ণনা করলে তার হাদিস গ্রহণযোগ্য। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো সন্দেহ করেন। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০০৮, ২০/২৫৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
‘Do not make Nabidh with dried dates and unripe dates together, make Nabidh with each of them on its own.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১১. দু’টি জিনিসের সংমিশ্রণে (উত্তেজক পানীয়) প্রস্তুত নিষিদ্ধ।
৩/৩৩৯৭। আবদুল্লাহ ইবনে আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছেনঃ কাঁচা খেজুর ও পাকা খেজুর একত্রে মিশাবে না এবং খেজুর ও আংগুরও একত্রে মিশাবে না। তবে এর প্রতিটি পৃথকভাবে ভিজিয়ে নবীয তৈরি করতে পারো।
بَاب النَّهْيِ عَنْ الْخَلِيطَيْنِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَقُولُ " لاَ تَجْمَعُوا بَيْنَ الرُّطَبِ وَالزَّهْوِ وَلاَ بَيْنَ الزَّبِيبِ وَالتَّمْرِ وَانْبِذُوا كُلَّ وَاحِدٍ مِنْهُمَا عَلَى حِدَتِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from ‘Abdullah bin Abu Qatadah, from his father, that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“Do not combine fresh dates and unripe dates, or raisins and dates; rather make Nabidh with each one of them on its own.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১২. নাবীয বানানো এবং তা পান করা
১/৩৩৯৮। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য একটি পাত্রে নবীয বানাতাম। আমরা এক মুঠো খেজুর অথবা এক মুঠো আংগুর তুলে নিয়ে পাত্রের মধ্যে ছেড়ে দিতাম, অতঃপর তাতে পানি ঢেলে দিতাম। আমরা সকালবেলা তা ভিজাতাম এবং তিনি সন্ধ্যাবেলা তা পান করতেন। আবার কখনও আমরা সন্ধ্যাবেলা তা ভিজাতাম এবং তিনি সকালবেলা তা পান করতেন। আবূ মুআবিয়া (রাঃ) তার বর্ণনায় বলেন, দিনে ভিজাতেন এবং তিনি রাতের বেলা তা পান করতেন অথবা রাতের বেলা ভিজাতেন এবং তিনি দিনের বেলা তা পান করতেন।
بَاب صِفَةِ النَّبِيذِ وَشُرْبِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَاحِدِ بْنُ زِيَادٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَاصِمٌ الأَحْوَلُ، حَدَّثَتْنَا بَنَانَةُ بِنْتُ يَزِيدَ الْعَبْشَمِيَّةُ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنَّا نَنْبِذُ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي سِقَاءٍ فَنَأْخُذُ قَبْضَةً مِنْ تَمْرٍ أَوْ قَبْضَةً مِنْ زَبِيبٍ فَنَطْرَحُهَا فِيهِ ثُمَّ نَصُبُّ عَلَيْهِ الْمَاءَ فَنَنْبِذُهُ غُدْوَةً فَيَشْرَبُهُ عَشِيَّةً وَنَنْبِذُهُ عَشِيَّةً فَيَشْرَبُهُ غُدْوَةً . وَقَالَ أَبُو مُعَاوِيَةَ نَهَارًا فَيَشْرَبُهُ لَيْلاً أَوْ لَيْلاً فَيَشْرَبُهُ نَهَارًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী বুনানাহ বিনতু ইয়াযীদ আল-আবশামিয়্যাহ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৭৯৮, ৩৫/১৩৮ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু বুনানাহ বিনতু ইয়াযীদ আল-আবশামিয়্যাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ২৪০ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, ১ টি জাল, ২৩ টি খুবই দুর্বল, ৬২ টি দুর্বল, ৭৭ টি হাসান, ৭৭ টি সহীহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ৫১৭৬, ৫১৮২, ৫১৮৩, ৫১৯১, ৫৫৯৭, ৬৬৮৫, মুসলিম ৯৭৭, ২০০৪, ২০০৫, ২০০৬, ২০০৭, ২০০৮, ২০০৯, তিরমিযি ১৮৭১, আবু দাউদ ৩৭০২, ৩৭০৭, ৩৭০৮, ৩৭১১, ৩৭১২, ৩৭১৩, দারিমী ২১০৭, আহমাদ ১৯৬৪, ২০৬৯, ২১৪৪।
It was narrated that ‘Aishah said:
“We used to make Nabidh for the Messenger of Allah (ﷺ) in a water skin. We would take a handful of dates or a handful of raisins, and put them in it, then pour water over it. We would make that in the morning and he would rink it in the evening, or we would make it in the evening and he would drink it in the morning.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১২. নাবীয বানানো এবং তা পান করা
২/৩৩৯৯। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য নবীয তৈরি করা হতো এবং তিনি তা ঐ দিন অথবা পরের দিন সকাল অথবা তৃতীয় দিন পর্যন্ত পান করতেন। পান করার পর এর কিছু অবশিষ্ট থাকলে তিনি তা ঢেলে ফেলে দিতেন অথবা ঢেলে ফেলার নির্দেশ দিতেন।
بَاب صِفَةِ النَّبِيذِ وَشُرْبِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ صَبِيحٍ، عَنْ أَبِي إِسْرَائِيلَ، عَنْ أَبِي عُمَرَ الْبَهْرَانِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ يُنْبَذُ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فَيَشْرَبُهُ يَوْمَهُ ذَلِكَ وَالْغَدَ وَالْيَوْمَ الثَّالِثَ فَإِنْ بَقِيَ مِنْهُ شَىْءٌ أَهْرَاقَهُ أَوْ أَمَرَ بِهِ فَأُهْرِيقَ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু ইসরাঈল সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি মিথ্যা বলার অভিযোগে অভিযুক্ত। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। ইমাম দারাকুতনী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৪০, ৩/৭৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“Nabidh would be made for the Messenger of Allah (ﷺ) and he would drink it on the same day, or the next day, or the third day, and if there was any left he would throw it away or give orders that it was to be thrown away.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১২. নাবীয বানানো এবং তা পান করা
৩/৩৪০০। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য একটি পাথরের পাত্রে নবীয তৈরি করা হতো।
بَاب صِفَةِ النَّبِيذِ وَشُرْبِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ كَانَ يُنْبَذُ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ فِي تَوْرٍ مِنْ حِجَارَةٍ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Jabir bin ‘Abdullah said:
“Nabidh would be made for the Messenger of Allah (ﷺ) in a vessel of stone.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৩. শরাবের পাত্রে নাবীয বানানো নিষেধ
১/৩৪০১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাঠের পাত্রে, তৈলাক্ত পাত্রে, কদুর খোলের পাত্রে ও মাটির সবুজ পাত্রে নবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আরও বলেনঃ সমস্ত নেশা সৃষ্টিকর জিনিস হারাম।
بَاب النَّهْيِ عَنْ نَبِيذِ الْأَوْعِيَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُنْبَذَ فِي النَّقِيرِ وَالْمُزَفَّتِ وَالدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمَةِ وَقَالَ " كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু আমর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Abu Hurairah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade making Nabidh in Naqir, Muzaffat, Dubba’, and Hantamah. And he said: ‘Every intoxicant is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৩. শরাবের পাত্রে নাবীয বানানো নিষেধ
২/৩৪০২। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তৈলাক্ত পাত্রে ও কদুর খোলে নবীয তৈর করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب النَّهْيِ عَنْ نَبِيذِ الْأَوْعِيَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُنْبَذَ فِي الْمُزَفَّتِ وَالْقَرْعِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn ‘Umar said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade making Nabidh in Muzaffat or a gourd.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৩. শরাবের পাত্রে নাবীয বানানো নিষেধ
৩/৩৪০৩। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির সবুজ পাত্রে, কদুর খোলে ও কাঠের পাত্রে পান করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب النَّهْيِ عَنْ نَبِيذِ الْأَوْعِيَةِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ، حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي الْمُتَوَكِّلِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الشُّرْبِ فِي الْحَنْتَمِ وَالدُّبَّاءِ وَالنَّقِيرِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Sa’eed Al-Khudri said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade drinking from Hantam, Dubba’ and Naqir.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৩. শরাবের পাত্রে নাবীয বানানো নিষেধ
৪/৩৪০৪। আবদুর রহমান ইবনে ইয়ামার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কদুর খোল ও মাটির সবুজ পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب النَّهْيِ عَنْ نَبِيذِ الْأَوْعِيَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ، وَالْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَعْمَرَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الدُّبَّاءِ وَالْحَنْتَمِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that ‘Abdur-Rahman bin Ya’mar said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade Dubba’ and Hantam.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৪. উপরোক্ত পাত্রগুলোতে নাবীয তৈরী করার অনুমতি
১/৩৪০৫। আবদুল্লাহ ইবনে বুরাইদা (রহঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি তোমাদেরকে কতগুলো পাত্র ব্যবহার করতে নিষেধ করেছিলাম। এখন তোমরা তাতে নবীয তৈরি করতে পারো এবং সমস্ত নেশা উদ্রেককারী জিনিস পরিহার করো।
بَاب مَا رُخِّصَ فِيهِ مِنْ ذَلِكَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُخَيْمِرَةَ، عَنِ ابْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنِ الأَوْعِيَةِ فَانْتَبِذُوا فِيهِ وَاجْتَنِبُوا كُلَّ مُسْكِرٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহীহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn Buraidah from his father that the Prophet (ﷺ) said:
“I used to forbid you to use certain vessels, but now make Nabidh in them, but avoid all intoxicants.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৪. উপরোক্ত পাত্রগুলোতে নাবীয তৈরী করার অনুমতি
২/৩৪০৬। ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আমি কতকগুলো পাত্রে নবীয তৈরি করতে তোমাদের নিষেধ করেছিলাম। জেনে রাখো! পাত্র কোন জিনিসকে হারাম করে না। তবে সকল নেশাকর দ্রব্যই হারাম।
بَاب مَا رُخِّصَ فِيهِ مِنْ ذَلِكَ
حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَيُّوبَ بْنِ هَانِئٍ، عَنْ مَسْرُوقِ بْنِ الأَجْدَعِ، عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنِّي كُنْتُ نَهَيْتُكُمْ عَنْ نَبِيذِ الأَوْعِيَةِ أَلاَ وَإِنَّ وِعَاءً لاَ يُحَرِّمُ شَيْئًا كُلُّ مُسْكِرٍ حَرَامٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আয়্যুব বিন হানী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে আমার জানা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস গ্রহনে শিথিল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৩০, ৩/৫০১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn Mas’ud that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“I used to forbid you from making Nabidh in certain vessels, but a vessel does not make something unlawful. All intoxicants are unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৫. মাটির কলসে নাবীয বানানো
১/৩৪০৭। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, তোমাদের মধ্যে কোন মহিলা কি প্রতি বছর তার কোরবানীর পশুর চামড়া দিয়ে একটি মশক বানাতে সক্ষম নয়? তিনি পুনরায় বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির কলসে এবং এরূপ এরূপ পাত্রে নবীয তৈরি করতে নিষেধ করেছেন, অবশ্য সিরকা বানানো যেতে পারে।
بَاب نَبِيذِ الْجَرِّ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، حَدَّثَتْنِي رُمَيْثَةُ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ أَتَعْجِزُ إِحْدَاكُنَّ أَنْ تَتَّخِذَ كُلَّ عَامٍ مِنْ جِلْدِ أُضْحِيَّتِهَا سِقَاءً ثُمَّ قَالَتْ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُنْبَذَ فِي الْجَرِّ وَفِي كَذَا وَفِي كَذَا إِلاَّ الْخَلَّ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী সুওয়ায়দ বিন সাঈদ সম্পর্কে আবুল হাসান বিন সুফইয়ান আল-কুফী বলেন, তিনি দুর্বল। আবুল কাসিম আল-বাগাবী বলেন, তিনি হুফফাযদের একজন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক তাদলীস করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৬৪৩, ১২/২৪৭ নং পৃষ্ঠা) ২. রুমায়সাহ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৮৪৪, ৩৫/১৮১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that ‘Aishah said:
“Is anyone of you incapable of taking a water skin from the skin of her sacrifice each year?” Then she said: “The Messenger of Allah (ﷺ) forbade making Nabidh in (earthenware) jars, and in such and such, and such and such, except for vinegar.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৫. মাটির কলসে নাবীয বানানো
২/৩৪০৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাটির কলসে নবীয বানাতে নিষেধ করেছেন।
بَاب نَبِيذِ الْجَرِّ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مُوسَى الْخَطْمِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُنْبَذَ فِي الْجِرَارِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Hurairah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade making Nabidh in (earthenware) jars.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৫. মাটির কলসে নাবীয বানানো
৩/৩৪০৯। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট মাটির কলসে প্রস্তুত নবীয নিয়ে আসা হলো, যাতে মাদকতা সৃষ্টি হয়েছিলা। তিনি বলেনঃ কলসটা ঐ দেয়ালের উপর নিক্ষেপ করো। কারণ তা কেবল সেইসব লোক পান করতে পারে যাদের আল্লাহ ও আখেরাতের দিনের প্রতি ঈমান নাই।
بَاب نَبِيذِ الْجَرِّ
حَدَّثَنَا مُجَاهِدُ بْنُ مُوسَى، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ، عَنْ صَدَقَةَ أَبِي مُعَاوِيَةَ، عَنْ زَيْدِ بْنِ وَاقِدٍ، عَنْ خَالِدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أُتِيَ النَّبِيُّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِنَبِيذِ جَرٍّ يَنِشُّ فَقَالَ " اضْرِبْ بِهَذَا الْحَائِطَ فَإِنَّ هَذَا شَرَابُ مَنْ لاَ يُؤْمِنُ بِاللَّهِ وَالْيَوْمِ الآخِرِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সদাকাহ বিন মুআবিয়াহ সম্পর্কে আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আল-আওযাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি খুবই দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৮৬৩, ১৩/১৩৩ নং পৃষ্ঠা)
উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু সদাকাহ বিন মুআবিয়াহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৭৯ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, ১৭ টি খুবই দুর্বল, ৫৪ টি দুর্বল, ৮ টি হাসান হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আবু দাউদ ৩৭১৬, দারাকুতনী ৪৫৯৫।
It was narrated that Abu Hurairah said:
“Some Nabidh from an (earthenware) jar was brought to the Messenger of Allah (ﷺ) and it was bubbling. He said: ‘Throw this against the wall, for this is the drink of one who does not believe in Allah and the Last Day.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৬. পাত্র ঢেকে রাখা
১/৩৪১০। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা খাদ্য ও পানীয় পাত্র ঢেকে রাখো, মশকের মুখ বন্ধ করো, প্রদীপ নিভিয়ে দাও এবং (শয়নকালে) ঘরের দরজা বন্ধ করো। কারণ শয়তান (মুখবন্ধ) মশক খুলতে পারে না, (বন্ধ) দরজাও খুলতে পারে না এবং (ঢেকে রাখা) পাত্রও খুলতে পারে না। তোমাদের কেউ যদি পাত্র ঢাকার মত কিছু না পায় তবে সে যেন তার উপর একটি কাঠ আড়াআড়িভাবে রেখে দেয় এবং আল্লাহর নাম স্মরণ করে। কেননা ইঁদুর মানুষের ঘর জ্বালিয়ে দেয়।
بَاب تَخْمِيرِ الْإِنَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنَّهُ قَالَ " غَطُّوا الإِنَاءَ وَأَوْكُوا السِّقَاءَ وَأَطْفِئُوا السِّرَاجَ وَأَغْلِقُوا الْبَابَ فَإِنَّ الشَّيْطَانَ لاَ يَحُلُّ سِقَاءً وَلاَ يَفْتَحُ بَابًا وَلاَ يَكْشِفُ إِنَاءً فَإِنْ لَمْ يَجِدْ أَحَدُكُمْ إِلاَّ أَنْ يَعْرُضَ عَلَى إِنَائِهِ عُودًا وَيَذْكُرَ اسْمَ اللَّهِ فَلْيَفْعَلْ فَإِنَّ الْفُوَيْسِقَةَ تُضْرِمُ عَلَى أَهْلِ الْبَيْتِ بَيْتَهُمْ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin ‘Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Cover your vessels, tie your water skins, extinguish your lamps and lock your doors, for Satan does not untie a water skin, open a door or uncover a vessel. If a person cannot find anything but a stick with which to cover his vessel and mention the Name of Allah, then let him do so. And the mouse could set fire to the house with its people inside.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৬. পাত্র ঢেকে রাখা
২/৩৪১১। অবু হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্র ঢেকে রাখতে, মশকের মুখ বন্ধ করতে এবং খালি পাত্র উপুড় করে রাখতে আমাদের নির্দেশ দিয়েছেন।
بَاب تَخْمِيرِ الْإِنَاءِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ بَيَانٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ أَمَرَنَا رَسُولُ اللَّهِ بِتَغْطِيَةِ الإِنَاءِ وَإِيكَاءِ السِّقَاءِ وَإِكْفَاءِ الإِنَاءِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সুহায়ল বিন আবু সালিহ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বলেন, তিনি সিকাহ। সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেন, সাবত। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার বর্ণিত হাদিস সহিহ নয়। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তার খবর মাকবুল বা গ্রহণযোগ্য। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৬২৯, ১২/২২৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Abu Hurairah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) commanded us to cover our vessels, tie up our water skins and turn over our vessels.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৬. পাত্র ঢেকে রাখা
৩/৩৪১২। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য রাতের বেলা তিনটি পাত্র রাখতাম এবং তিনটিই ঢেকে রাখতাম। একটি তাঁর পবিত্রতা অর্জনের জন্য, একটি তাঁর মিসওয়াকের জন্য একটি তাঁর পান করার জন্য।
بَاب تَخْمِيرِ الْإِنَاءِ
حَدَّثَنَا عِصْمَةُ بْنُ الْفَضْلِ، حَدَّثَنَا حَرَمِيُّ بْنُ عُمَارَةَ بْنِ أَبِي حَفْصَةَ، حَدَّثَنَا حَرِيشُ بْنُ خِرِّيتٍ، أَنْبَأَنَا ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ كُنْتُ أَصْنَعُ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ ثَلاَثَةَ آنِيَةٍ مِنَ اللَّيْلِ مُخَمَّرَةً إِنَاءً لِطَهُورِهِ وَإِنَاءً لِسِوَاكِهِ وَإِنَاءً لِشَرَابِهِ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. হারামী বিন উমারাহ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সত্যবাদী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১৬৯, ৫/৫৫৬ নং পৃষ্ঠা) ২. হারীশ বিন খিররীত সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি তাকে চিনি না। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহণযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১৭৮, ৫/৫৮৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that ‘Aishah said:
“I used to prepare three covered vessels for the Messenger of Allah (ﷺ) at night: A vessel for his water for purification, a vessel for his tooth stick and a vessel for his drink.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৭. রূপার পাত্রে পান করা
১/৩৪১৩। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে, সে নিজের পেটে গড় গড় করে জাহান্নামের আগুন ঢালে।
بَاب الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْهُ عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " إِنَّ الَّذِي يَشْرَبُ فِي إِنَاءِ الْفِضَّةِ إِنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Umm Salamah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The one who drinks from a silver vessel is swallowing Hell-fire into his belly.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৭. রূপার পাত্রে পান করা
২/৩৪১৪। হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সোনা ও রূপার পাত্রে পান করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তা দুনিয়াতে তাদের (কাফিরদের) জন্য এবং তোমাদের জন্য আখেরাতে।
بَاب الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ أَبِي الشَّوَارِبِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ أَبِي بِشْرٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ حُذَيْفَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ وَقَالَ " هِيَ لَهُمْ فِي الدُّنْيَا وَهِيَ لَكُمْ فِي الآخِرَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Hudhaifah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade drinking from vessels of gold and silver. He said: “They are for them in this world and for you in the Hereafter.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৭. রূপার পাত্রে পান করা
৩/৩৪১৫। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি রূপার পাত্রে পান করে, সে নিজের পেটে গড় গড় করে জাহান্নামের আগুন ঢালে।
بَاب الشُّرْبِ فِي آنِيَةِ الْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا غُنْدَرٌ، عَنْ شُعْبَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ امْرَأَةِ ابْنِ عُمَرَ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ شَرِبَ فِي إِنَاءِ فِضَّةٍ فَكَأَنَّمَا يُجَرْجِرُ فِي بَطْنِهِ نَارَ جَهَنَّمَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from ‘Aishah that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever drinks from a silver vessel, it is as if he is swallowing Hell-fire into his belly.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৮. তিন নি:শ্বাসে পানীয় দ্রব্য পান করা
১/৩৪১৬। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিন নিঃশ্বাসে পানি পান করতেন।
بَاب الشُّرْبِ بِثَلَاثَةِ أَنْفَاسٍ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ مَهْدِيٍّ، حَدَّثَنَا عَزْرَةُ بْنُ ثَابِتٍ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ ثُمَامَةَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّهُ كَانَ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ ثَلاَثًا وَزَعَمَ أَنَسٌ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ يَتَنَفَّسُ فِي الإِنَاءِ ثَلاَثًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Anas that he used to drink from a vessel in three draughts, and Anas said that the Messenger of Allah (ﷺ) used to drink from a vessel in three draughts.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৮. তিন নি:শ্বাসে পানীয় দ্রব্য পান করা
২/৩৪১৭। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানি পান করলেন এবং পানের সময় দু’বার নিঃশ্বাস নিলেন।
بَاب الشُّرْبِ بِثَلَاثَةِ أَنْفَاسٍ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ كُرَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ شَرِبَ فَتَنَفَّسَ فِيهِ مَرَّتَيْنِ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী রিশদীন বিন কুরায়ব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি কুফরী নয় এমন কওলী বা আমলী কোন ফিসক এর সাথে জড়িত। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনার ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৯১২, ৯/১৯৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn ‘Abbas that the Prophet (ﷺ) drank, and took two breaths while doing so.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৯. মশকের মুখ উল্টিয়ে পানি পান করা
১/৩৪১৮। আবূ সাঈদ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ উল্টিয়ে তাতে মুখ লাগিয়ে পান করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب اخْتِنَاثِ الْأَسْقِيَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ، حَدَّثَنَا ابْنُ وَهْبٍ، عَنْ يُونُسَ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُتْبَةَ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ اخْتِنَاثِ الأَسْقِيَةِ أَنْ يُشْرَبَ مِنْ أَفْوَاهِهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Sa’eed Al-Khudri said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade tipping up water skins in order to drink from their mouths.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/১৯. মশকের মুখ উল্টিয়ে পানি পান করা
২/৩৪১৯। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখ উল্টিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর এ নিষেধাজ্ঞার পর এক ব্যক্তি রাতের বেলা উঠে পাত্রের মুখ উল্টে পানি পান করতে গেলে তৎক্ষণাৎ তা থেকে একটি সাপ বের হয়ে আসে।
بَاب اخْتِنَاثِ الْأَسْقِيَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا زَمْعَةُ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ وَهْرَامَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ اخْتِنَاثِ الأَسْقِيَةِ وَإِنَّ رَجُلاً بَعْدَمَا نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنْ ذَلِكَ قَامَ مِنَ اللَّيْلِ إِلَى سِقَاءٍ فَاخْتَنَثَهُ فَخَرَجَتْ عَلَيْهِ مِنْهُ حَيَّةٌ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী যামআহ বিন সালিহ সম্পর্কে ইবনু আদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল ও ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি খুবই দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি সহিহ হাদিসের বিপরীত বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২০০৩, ৯/৩৮৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade tipping up water skins. After the Messenger of Allah (ﷺ) had forbidden that, a man got up at night and tipped up a water skin, and a snake fell out of it onto him.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২০. মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পান পান করা
১/৩৪২০। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ
حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ هِلاَلٍ الصَّوَّافُ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Hurairah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade drinking (directly) from the mouth of a water skin.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২০. মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পান পান করা
২/৩৪২১। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মশকের মুখে মুখ লাগিয়ে পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ فِي السِّقَاءِ
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى أَنْ يُشْرَبَ مِنْ فَمِ السِّقَاءِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade drinking (directly) from the mouth of a water skin.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২১. দাঁড়ানো অবস্থায় পানি পান করা
১/৩৪২২। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে যমযমের পানি পরিবেশন করলাম। তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় তা পান করলেন। শা’বী (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীস ইকরিমার নিকট বর্ণনা করলে, তিনি আল্লাহর নামে শপথ করে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা করেননি।
بَاب الشُّرْبُ قَائِمًا
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، عَنْ عَاصِمٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ سَقَيْتُ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ مِنْ زَمْزَمَ فَشَرِبَ قَائِمًا . فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لِعِكْرِمَةَ فَحَلَفَ بِاللَّهِ مَا فَعَلَ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
‘Asim narrated from Sha’bi, from Ibn ‘Abbas who said:
“I drew water from Zamzam for the Prophet (ﷺ) and he drank standing up.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২১. দাঁড়ানো অবস্থায় পানি পান করা
২/৩৪২৩। কাবশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার নিকট এলেন। নিকটেই পানির মশক ঝুলানো ছিল। তিনি দাঁড়ানো অবস্থায় তা থেকে পান করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুখ লাগানো স্থানের বরকত লাভের আশায় কাবশা (রাঃ) মশকের মুখ কেটে সংরক্ষণ করেন।
بَاب الشُّرْبُ قَائِمًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَزِيدَ بْنِ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي عَمْرَةَ، عَنْ جَدَّةٍ، لَهُ يُقَالُ لَهَا كَبْشَةُ الأَنْصَارِيَّةُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ دَخَلَ عَلَيْهَا وَعِنْدَهَا قِرْبَةٌ مُعَلَّقَةٌ فَشَرِبَ مِنْهَا وَهُوَ قَائِمٌ فَقَطَعَتْ فَمَ الْقِرْبَةِ تَبْتَغِي بَرَكَةَ مَوْضِعِ فِي رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from ‘Abdur-Rahman bin Abi ‘Amrah, from a grandmother of his who was called Kabshah Al-Ansariyyah, that the Messenger of Allah (ﷺ) entered upon her, and there was a water skin hanging there. He drank from it while standing, and she cut off the mouth of the water skin, seeking the blessing of the place where the mouth of the Messenger of Allah (ﷺ) had been.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২১. দাঁড়ানো অবস্থায় পানি পান করা
৩/৩৪২৪। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দাঁড়ানো অবস্থায় পানি পান করতে নিষেধ করেছেন।
بَاب الشُّرْبُ قَائِمًا
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ نَهَى عَنِ الشُّرْبِ قَائِمًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Anas that the Messenger of Allah (ﷺ) forbade drinking while standing up.
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২২. পানীয় পানের সময় পর্যায়ক্রমে ডান দিকের ব্যক্তিকে দিতে হবে
১/৩৪২৫। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য পানি মিশ্রিত দুধ আনা হলো। তাঁর ডান পাশে ছিল এক বেদুইন এবং বাম পাশে ছিলেন আবূ বকর (রাঃ)। তিনি তা থেকে পান করার পর বেদুইনকে দেন এবং বলেনঃ পর্যায়ক্রমে ডান দিক থেকে।
بَاب إِذَا شَرِبَ أَعْطَى الْأَيْمَنَ فَالْأَيْمَنَ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أُتِيَ بِلَبَنٍ قَدْ شِيبَ بِمَاءٍ وَعَنْ يَمِينِهِ أَعْرَابِيٌّ وَعَنْ يَسَارِهِ أَبُو بَكْرٍ فَشَرِبَ ثُمَّ أَعْطَى الأَعْرَابِيَّ وَقَالَ " الأَيْمَنُ فَالأَيْمَنُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Anas bin Malik that the Messenger of Allah (ﷺ) was brought some milk mixed with water. On his right there was a Bedouin and on his left was Abu Bakr. He drank some, then he gave it to the Bedouin and said:
“Pass it around to the right.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২২. পানীয় পানের সময় পর্যায়ক্রমে ডান দিকের ব্যক্তিকে দিতে হবে
২/৩৪২৬। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য দুধ দেয়া হলো। তাঁর ডান দিকে ছিলেন ইবনে আব্বাস (রাঃ) ও বাম দিকে ছিলেন খালিদ ইবনুল ওয়ালীদ (রাঃ)। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইবনে আব্বাস (রাঃ) কে বলেন, তুমি কি আমাকে অনুমতি দিবে যে আমি খালেদকে পানি পান করাবো? ইবনে আব্বাস (রাঃ) বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উচ্ছিষ্টের ব্যাপারে আমার উপর অপর কাউকে অগ্রাধিকার দেয়া আমি পছন্দ করি না। অতএব ইবনে আব্বাস (রাঃ) দুধের পাত্র নিয়ে পান করেন এবং খালিদ (রাঃ)-ও পান করেন।
بَاب إِذَا شَرِبَ أَعْطَى الْأَيْمَنَ فَالْأَيْمَنَ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أُتِيَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِلَبَنٍ وَعَنْ يَمِينِهِ ابْنُ عَبَّاسٍ وَعَنْ يَسَارِهِ خَالِدُ بْنُ الْوَلِيدِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ لاِبْنِ عَبَّاسٍ " أَتَأْذَنُ لِي أَنْ أَسْقِيَ خَالِدًا " . قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ مَا أُحِبُّ أَنْ أُوثِرَ بِسُؤْرِ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلَى نَفْسِي أَحَدًا . فَأَخَذَ ابْنُ عَبَّاسٍ فَشَرِبَ وَشَرِبَ خَالِدٌ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) was brought some milk. On his right was Ibn ‘Abbas and on his left was Khalid bin Walid. The Messenger of Allah (ﷺ) said to Ibn ‘Abbas: ‘Will you permit me to give Khalid to drink?’ Ibn ‘Abbas said: ‘I would not like to give preference to anyone over myself when it comes to the leftover drink of the Messenger of Allah (ﷺ). So Ibn ‘Abbas took it and drank some, then Khalid drank some.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৩. পানির পাত্রে নি:শ্বাস ফেলা নিষেধ
১/৩৪২৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ পানীয় দ্রব্য পানকালে যেন পাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস না ফেলে। নিঃশ্বাস নেয়ার প্রয়োজন হলে সে মুখ থেকে পাত্র সরিয়ে নিবে, অতঃপর আরও পান করতে চাইলে পাত্র থেকে পান করবে।
بَاب التَّنَفُّسِ فِي الْإِنَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا دَاوُدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ أَبِي ذُبَابٍ، عَنْ عَمِّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِذَا شَرِبَ أَحَدُكُمْ فَلاَ يَتَنَفَّسْ فِي الإِنَاءِ فَإِذَا أَرَادَ أَنْ يَعُودَ فَلْيُنَحِّ الإِنَاءَ ثُمَّ لْيَعُدْ إِنْ كَانَ يُرِيدُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. দাউদ বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তার হাদিসে সন্দেহ রয়েছে। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। উসমান বিন আবু শায়বাহ বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৭৬৮, ৮/৪০৯ নং পৃষ্ঠা) ২. আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মালিক বিন আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে নিজ কিতাব ছাড়া অন্যত্র থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৭০, ১৮/১৮৭ নং পৃষ্ঠা) ৩. আল-হারিস বিন আবু যুবাব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয় তবে তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস বর্ণনা করায় কোন দোষ নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১০২৫, ৫/২৪৪ নং পৃষ্ঠা)
* এই হাদীস হতে শিক্ষণীয় বিষয়:
১। পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ত্যাগ না করার এই হাদীসটির মধ্যে এবং যে হাদীসটির মধ্যে বলা হয়েছে: যে আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে তিনবার নিঃশ্বাস ত্যাগ করতেন। [ দেখা যেতে পারে সহীহ মুসলিম, হাদীস নং ১২২ - (২০২৮) এবং সহীহ বুখারী, হাদীস নং ৫৬৩১ তবে হাদীসের শব্দগুলি সহীহ মুসলিম থেকে নেওয়া হয়েছে]। প্রাথমিকভাবে এই দুইটি হাদীসের মধ্যে মনে হচ্ছে বিরোধিতা রয়েছে। কেননা প্রথম হাদীসটির দ্বারা পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে। এবং দ্বিতীয় হাদীসটির দ্বারা পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ত্যাগ করা বাহ্যিকভাবে বৈধ মনে হচ্ছে। তাই এই দুইটি হাদীসকে এই ভাবে সম্মিলিত করা যায় যে, প্রথম হাদীসটির দ্বারা পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে প্রকাশ্যভাবেই নিষেধ করা হয়েছে। সুতরাং পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের মধ্যে নিঃশ্বাস ত্যাগ করা প্রকাশ্যভাবেই নিষিদ্ধ। আর এটাই হলো প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত পন্থা। আর দ্বিতীয় হাদীসটির অর্থ হলো এই যে, আল্লাহর রাসূল [সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম] যখন পানীয় দ্রব্য পান করতেন, তখন পানপাত্রের বাইরে তিনি তিনবার নিঃশ্বাস ত্যাগ করতেন। আর পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রের বাইরে নিঃশ্বাস ত্যাগ করার বিষয়টি হলো প্রকৃত ইসলামের শিক্ষা সম্মত নিয়ম। তাই এই ব্যাখ্যার দ্বারা প্রতিভাত হয়ে গেলো যে, প্রকৃতপক্ষে এই দুইটি হাদীসের মধ্যে কোনো প্রকারের বিরোধিতা নেই।
২। এই হাদীসটিতে পানপাত্রের মধ্যে পানকারীকে নিঃশ্বাস ত্যাগ করতে নিষেধ করা হয়েছে। সেই পানপাত্রে পানীয় দ্রব্য পানকারী একাই পান করুক অথবা তার সাথে অন্য কোনো ব্যক্তিও পান করুক। কোনো অবস্থাতেই পানপাত্রে নিঃশ্বাস ত্যাগ করা বৈধ নয়। আর এই বিষয়টি হলো ইসলাম ধর্মের সচ্চরিত্রের অন্তর্ভুক্ত একটি উচ্চ পর্যায়ের সামাজিক সুন্দর আচরণ; যাতে পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পরিচ্ছনতা ও স্বাস্থ্যরক্ষার বিধিবিধান বজায় থাকে। যেহেতু পানীয় দ্রব্য পান করার সময় পানপাত্রে নিঃশ্বাস ত্যাগ করলে নিঃশ্বাসের সাথে থুতু কিংবা নাকের ময়লা বা পোঁটা বের হতে পারে অথবা পানপাত্র দুর্গন্ধযুক্ত হয়ে যেতে পারে।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“When anyone of you drinks, let him not breathe into the vessel. If he wants to continue drinking, let him move the vessel away (in order to breathe) then bring it back, if he wants.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৩. পানির পাত্রে নি:শ্বাস ফেলা নিষেধ
২/৩৪২৮। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানপাত্রে নিঃশ্বাস ফেলতে নিষেধ করেছেন।
بَاب التَّنَفُّسِ فِي الْإِنَاءِ
حَدَّثَنَا بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ أَبُو بِشْرٍ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ التَّنَفُّسِ فِي الإِنَاءِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade breathing into the vessel.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৪. পানীয় দ্রব্যে ফুঁ দেয়া নিষেধ
১/৩৪২৯। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পানপাত্রে ফুঁ দিতে নিষেধ করেছেন।
بَاب النَّفْخِ فِي الشَّرَابِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ يُنْفَخَ فِي الإِنَاءِ .
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade blowing into the vessel.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৪. পানীয় দ্রব্যে ফুঁ দেয়া নিষেধ
২/৩৪৩০। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কখনও পানীয় দ্রব্যে ফুঁ দিতেন না।
بَاب النَّفْخِ فِي الشَّرَابِ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحِيمِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْمُحَارِبِيُّ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ لَمْ يَكُنْ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ يَنْفُخُ فِي الشَّرَابِ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী শারীক বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান বলেন, তিনি হাদিস তাদলীস করার দিক থেকে প্রসিদ্ধ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল ও সন্দেহ করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৭৩৬, ১২/৪৬২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) did not blow into his drinks.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৫. আঁজলা ভরে পানি পান করা এবং পানিতে মুখ লাগিয়ে পান করা
১/৩৪৩১। আসেম ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে যায়েদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি (দাদা আবদুল্লাহ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে উপুড় হয়ে (পাত্রের মধ্যে মুখ ডুবিয়ে) পানি পান করতে নিষেধ করেছেন। তিনি আমাদেরকে এক হাতের আঁজলা ভরে পানি পান করতেও নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন কুকুরের মত পানিতে মুখ দিয়ে পান না করে, এক হাতেও যেন পানি পান না করে, যেমন একদল লোক পান করে থাকে, যাদের প্রতি আল্লাহ তা’আলা অসন্তুষ্ট; রাতের বেলা পানপাত্র আন্দোলিত না করে যেন পানি পান না করে। তবে পাত্র আবৃত অবস্থায় থাকলে ভিন্ন কথা। যে ব্যক্তি পাত্র থেকে পান করার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও হাত দিয়ে পানি পান করে এবং এর দ্বারা বিনয় ও নম্রতা প্রকাশ তার উদ্দেশ্য, তবে আল্লাহ তা’আলা তার আংগুলের সম-পরিমাণ পুণ্য তার আমলনামায় লিখে দিবেন। কারণ হাত হচ্ছে ঈসা ইবনে মরিয়ম (আঃ)-এর পানপাত্র, যখন তিনি পানপাত্র ছুঁড়ে ফেলে দিয়ে বলেছিলেনঃ আফসোস! এটাও পার্থিব উপকরণ।
بَاب الشُّرْبِ بِالْأَكُفِّ وَالْكَرْعِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ، عَنْ مُسْلِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَنْ نَشْرَبَ عَلَى بُطُونِنَا وَهُوَ الْكَرْعُ وَنَهَانَا أَنْ نَغْتَرِفَ بِالْيَدِ الْوَاحِدَةِ وَقَالَ " لاَ يَلَغْ أَحَدُكُمْ كَمَا يَلَغُ الْكَلْبُ وَلاَ يَشْرَبْ بِالْيَدِ الْوَاحِدَةِ كَمَا يَشْرَبُ الْقَوْمُ الَّذِينَ سَخِطَ اللَّهُ عَلَيْهِمْ وَلاَ يَشْرَبْ بِاللَّيْلِ مِنْ إِنَاءٍ حَتَّى يُحَرِّكَهُ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ إِنَاءً مُخَمَّرًا وَمَنْ شَرِبَ بِيَدِهِ وَهُوَ يَقْدِرُ عَلَى إِنَاءٍ يُرِيدُ التَّوَاضُعَ كَتَبَ اللَّهُ لَهُ بِعَدَدِ أَصَابِعِهِ حَسَنَاتٍ وَهُوَ إِنَاءُ عِيسَى ابْنِ مَرْيَمَ عَلَيْهِمَا السَّلاَمُ إِذْ طَرَحَ الْقَدَحَ فَقَالَ أُفٍّ هَذَا مَعَ الدُّنْيَا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাফফা আল-হিমসী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হিব্বান তাকে সিকাহ বললেও অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ ও তাদলীস করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৬১৩, ২৬/৪৬৫ নং পৃষ্ঠা) ২. মুসলিম বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯৩৪, ২৭/৫২৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from ‘Asim bin Muhammad bin Zaid bin ‘Abdullah, from his father, that his grandfather said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade us to drink while (lying) on our bellies, lapping up water, and he forbade us to drink from one hand only. He said: ‘None of you should lap up water as a dog does, and he should not drink water from one hand as the people with whom Allah is angry do, and he should not drink from a vessel at night without stirring it first, unless the vessel was covered. Whoever drinks from his hand when he is able to drink from a vessel, with the intention of humility, Allah will record good deeds equivalent to the number of fingers for him. It (i.e., the hand) is the vessel of ‘Eisa bin Maryam, (as) when he threw away the cup and said: ‘Ugh! That belongs to this world.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৫. আঁজলা ভরে পানি পান করা এবং পানিতে মুখ লাগিয়ে পান করা
২/৩৪৩২। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসার সাহাবীর নিকট গেলেন। তখন তিনি নিজের বাগানে পানি দিচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তোমার নিকট মশকের বাসি পানি থাকলে আমাদের পান করাও, অন্যথায় আমরা মুখ লাগিয়ে পান করে নিবো। তিনি বলেন, আমার নিকট মশকের বাসি পানি আছে। অতঃপর তিনি কুঁড়ে ঘরের দিকে গেলেন এবং আমরাও তাঁর সাথে গেলাম। ঐ সাহাবী তাঁর জন্য একটি বকরী দোহন করে তার দুধ মশকের পানিতে ঢাললেন। তিনি তা পান করলেন। অতঃপর তাঁর সাথে তাঁর যে সাহাবী ছিলেন তার সাথেও এরূপ করা হলো।
بَاب الشُّرْبِ بِالْأَكُفِّ وَالْكَرْعِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورٍ أَبُو بَكْرٍ، حَدَّثَنَا يُونُسُ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا فُلَيْحُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْحَارِثِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الأَنْصَارِ وَهُوَ يُحَوِّلُ الْمَاءَ فِي حَائِطِهِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " إِنْ كَانَ عِنْدَكَ مَاءٌ بَاتَ فِي شَنٍّ فَاسْقِنَا وَإِلاَّ كَرَعْنَا " . قَالَ عِنْدِي مَاءٌ بَاتَ فِي شَنٍّ . فَانْطَلَقَ وَانْطَلَقْنَا مَعَهُ إِلَى الْعَرِيشِ فَحَلَبَ لَهُ شَاةً عَلَى مَاءٍ بَاتَ فِي شَنٍّ فَشَرِبَ ثُمَّ فَعَلَ مِثْلَ ذَلِكَ بِصَاحِبِهِ الَّذِي مَعَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ফুলায়হ বিন সুলায়মান সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭৭৫, ২৩/৩১৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Jabir bin ‘Abdullah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) entered upon a man among the Ansar when he was watering his garden. The Messenger of Allah (ﷺ) said to him: ‘If you have any water that has been kept overnight in a water skin, then give us some to drink, otherwise we will drink by putting out mouths in the basin.’ He said: ‘I have water that has been kept in a water skin. So he went and we went with him, to the shelter, where he milked a sheep for him and (mixed it with) the water that had been kept overnight in a water skin. He drank from it, then he did likewise for his Companion who was with him.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৫. আঁজলা ভরে পানি পান করা এবং পানিতে মুখ লাগিয়ে পান করা
৩/৩৪৩৩। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা একটি পানির চৌবাচ্চা অতিক্রমকালে তা থেকে মুখ লাগিয়ে পানি পান করছিলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা মুখ লাগিয়ে পানি পান করো না, বরং তোমাদের হাতগুলো ধৌত করে তার সাহায্যে পান করো। কারণ হাতের তুলনায় অধিক পরিচ্ছন্ন কোন পাত্র নাই।
بَاب الشُّرْبِ بِالْأَكُفِّ وَالْكَرْعِ
حَدَّثَنَا وَاصِلُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا ابْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ لَيْثٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عَامِرٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ مَرَرْنَا عَلَى بِرْكَةٍ فَجَعَلْنَا نَكْرَعُ فِيهَا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " لاَ تَكْرَعُوا وَلَكِنِ اغْسِلُوا أَيْدِيَكُمْ ثُمَّ اشْرَبُوا فِيهَا فَإِنَّهُ لَيْسَ إِنَاءٌ أَطْيَبَ مِنَ الْيَدِ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ২. লায়স সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, মুদতারাবুল হাদিস। ইয়াহইয়া বিন মাঈন, আবু যুরআহ ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫০১৭, ২৪/২৭৯ নং পৃষ্ঠা) ৩. সাঈদ বিন আমির সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়না। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৩০১, ১০/৫১৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Umar said:
“We passed by a pond and we started to lap up water from it. The Messenger of Allah (ﷺ) said: ‘Do not lap up the water, rather wash your hands then drink from them, for there is no better vessel than the hand.’”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৬. পরিবেশনকারী সবশেষে পান করবে
১/৩৪৩৪। আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ লোকেদের পানীয় পরিবেশনকারী সবশেষে পান করবে।
بَاب سَاقِي الْقَوْمِ آخِرُهُمْ شُرْبًا
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، وَسُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ ثَابِتٍ الْبُنَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ رَبَاحٍ، عَنْ أَبِي قَتَادَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ " سَاقِي الْقَوْمِ آخِرُهُمْ شُرْبًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Qatadah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The oen who serves water to others should be the last one to drink from it.”
পরিচ্ছেদঃ ২৪/২৭. গ্লাসে পান করা
১/৩৪৩৫। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর একটি কাঁচের গ্লাস ছিল। তিনি তাতে পানীয় দ্রব্য পান করতেন।
بَاب الشُّرْبِ فِي الزُّجَاجِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ، حَدَّثَنَا مِنْدَلُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ لِرَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَدَحٌ مِنْ قَوَارِيرَ يَشْرَبُ فِيهِ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. যায়দ ইবনুল হুবাব সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আলী ইবনুল মাদীনী ও উসমান বিন আবু শায়বাহ তাকে সিকাহ বলেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২০৯৫, ১০/৪০ নং পৃষ্ঠা) ২. মানদাল বিন আলী সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তাকে দুর্বল বলেছেন। ইয়াকুব বিন শসায়বাহ বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তার মাঝে দুর্বলতা রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬১৭৬, ২৮/৪৯৩ নং পৃষ্ঠা) ৩. মুহাম্মাদ বিন ইসহাক সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাসানুল হাদিস। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সালিহ। সুলায়মান বিন তারখান ও সুলায়মান বিন মিহরান বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি আমার নিকট হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫০৫৭, ২৪/৪০৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn ‘Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) had a glass cup from which he would drink.”