বিষয়ঃ রাসুল (সা.) আমাদের মতই মানুষ ছিলেন হাদিসঃ ১১ টি
১১৭১ | সহীহ মুসলিম (হাদীস একাডেমী)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. সালাতে ভুল-ত্রুটি হওয়া এবং এর জন্য সাহু সিজদা দেয়া

১১৭১-(৯৩/...) আওন ইবনু সাল্লাম আল কুফী (রহঃ) ..... ’আবদুল্লাহ ইবনু মাসউদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন এক সালাত আদায় করতে পাঁচ রাকাআত আদায় করলেন। আমরা তাকে বললামঃ হে আল্লাহর রসূল! সালাত (এর রাকাআত সংখ্যা) কি বাড়িয়ে দেয়া হয়েছে। (এ কথা শুনে) তিনি বললেনঃ এ আবার কি কথা? তখন সবাই বললঃ আপনি তো সালাত পাঁচ রাকাআত আদায় করেছেন, এ কথা শুনে তিনি বললেন আমি তো তোমাদের মতই মানুষ। আমি স্মরণ রাখি যেমন তোমরা স্মরণ রাখো। আবার আমি ভুলে যাই যেমন তোমরা ভুলে যাও। এরপর তিনি দুটি সাহু সিজদা দিলেন। (ইসলামী ফাউন্ডেশন ১১৬০, ইসলামীক সেন্টার ১১৭২)

باب السَّهْوِ فِي الصَّلاَةِ وَالسُّجُودِ لَهُ ‏

وَحَدَّثَنَاهُ عَوْنُ بْنُ سَلاَّمٍ الْكُوفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّهْشَلِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَمْسًا فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَزِيدَ فِي الصَّلاَةِ قَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا صَلَّيْتَ خَمْسًا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَذْكُرُ كَمَا تَذْكُرُونَ وَأَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ ‏.‏


'Abdullah (b. Mas'ud) reported: The Messenger of Allah (ﷺ) led us five (rak'ahs in prayer). We said: Messenger of Allah, has the prayer been extended? He said: What is the matter? They said: You have said five (rak'ahs). He (the Holy Prophet) said: Verily I am a human being like you. I remember as you remember and I forget just as you forget. He then performed two prostrations as (compensation of) forgetfulness.


১১৬২ | সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. সালাতে ভুল হওয়া এবং এর জন্য সাহু সিজদা করা

১১৬২। আওন ইবনু সাল্লাম আল কুফী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের সহ পাঁচ রাকআত সালাত আদায় করলেন। আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সালাত কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি বললেন, কিরূপে? তারা বলল, আপনি পাঁচ রাক’আত পড়েছেন। তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। তোমরা যেমন স্মরণ রাখ, আমিও তেমনি স্মরণ রাখি। তোমরা যেরূপ ভুলে যাও, আমিও সেরূপ ভুলে যাই। এরপর ভুলের জন্য দুটি সিজদা করলেন।

باب السَّهْوِ فِي الصَّلاَةِ وَالسُّجُودِ لَهُ ‏

وَحَدَّثَنَاهُ عَوْنُ بْنُ سَلاَّمٍ الْكُوفِيُّ، أَخْبَرَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّهْشَلِيُّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الأَسْوَدِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ صَلَّى بِنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَمْسًا فَقُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ أَزِيدَ فِي الصَّلاَةِ قَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا صَلَّيْتَ خَمْسًا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَذْكُرُ كَمَا تَذْكُرُونَ وَأَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ سَجَدَ سَجْدَتَىِ السَّهْوِ ‏.‏


'Abdullah (b. Mas'ud) reported: The Messenger of Allah (ﷺ) led us five (rak'ahs in prayer). We said: Messenger of Allah, has the prayer been extended? He said: What is the matter? They said: You have said five (rak'ahs). He (the Holy Prophet) said: Verily I am a human being like you. I remember as you remember and I forget just as you forget. He then performed two prostrations as (compensation of) forgetfulness.


১১৬৩ | সহীহ মুসলিম (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ১৯. সালাতে ভুল হওয়া এবং এর জন্য সাহু সিজদা করা

১১৬৩। মিনজাব ইবনুল হারিস আত তামীমী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনু মাসঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একবার সালাত আদায় করলেন। কিন্তু সালাতে কিছু বেশী অথবা কম হল। বর্ণনাকারী ইবরাহীম বলেন, এই বেশী অথবা কমের সন্দেহটি আমার। বলা হল, ইয়া রাসুলাল্লাহ! সালাতে কি কিছু বাড়ানো হয়েছে? তিনি বললেন, আমি তোমাদের মতই মানুষ বৈ কিছু নই। তোমাদের মতই আমি ভুলে যাই। কাজেই তোমাদের কেউ যদি (সালাতে) ভুলে যায়, তবে বসা অবস্থায় দুটি সিজদা করে নিবে। এরপর রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঘুরে বসে দুটি সিজদা করলেন।

باب السَّهْوِ فِي الصَّلاَةِ وَالسُّجُودِ لَهُ ‏

وَحَدَّثَنَا مِنْجَابُ بْنُ الْحَارِثِ التَّمِيمِيُّ، أَخْبَرَنَا ابْنُ مُسْهِرٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَزَادَ أَوْ نَقَصَ - قَالَ إِبْرَاهِيمُ وَالْوَهْمُ مِنِّي - فَقِيلَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَزِيدَ فِي الصَّلاَةِ شَىْءٌ فَقَالَ ‏ "‏ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ فَإِذَا نَسِيَ أَحَدُكُمْ فَلْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ وَهُوَ جَالِسٌ ‏"‏ ‏.‏ ثُمَّ تَحَوَّلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ ‏.‏


'Abdullah (b. Mas'ud) reported: The Messenger of Allah (ﷺ) said prayer and he omitted or committed (something). Ibrahim (one of the narrators of this hadith) said: It is my doubt, and it was said: Messenger of Allah, has there been any addition to the prayer? He (the Holy Prophet) said: Verily I am a human being like you. I forget just as you forget so when any one of you forgets, he must perform two prostrations, and he (the Holy Prophet) was sitting and then the Messenger of Allah (ﷺ) turned (his face towards the Qibla) and performed two prostrations.


১০২০ | সুনান আবূ দাউদ (তাহকিককৃত)

পরিচ্ছেদঃ ১৯৬. (ভুলবশত চার রাক‘আতের স্থলে) পাঁচ রাক‘আত সালাত আদায় করলে

১০২০। ’আবদুল্লাহ (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করলেন। ইবরাহীম বলেন, এ সালাতে তিনি বেশী করেছিলেন না কম করেছিলেন তা আমি অবহিত নই।। তিনি সালাম ফিরালে তাঁকে জিজ্ঞেস করা হলো, হে আল্লাহর রসূল! সালাতে নতুন কিছু হয়েছে কি? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা আবার কেমন করে? তারা বললো, আপনি তো সালাতে এরূপ এরূপ করেছেন (কম অথবা বেশী সালাত আদায় করেছেন)। এ কথা শুনে তিনি পা ঘুরিয়ে কিবলামুখী হয়ে দু’টি সাহু সিজদা্ করে সালাম ফিরালেন। সালাত শেষে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের দিকে ঘুরে বললেন, সালাতের ব্যাপারে নতুন কিছু ঘটে থাকলে আমি তোমাদেরকে তা অবহিত করতাম। কিন্তু আমি তো তোমাদের মতই মানুষ। তোমাদের মতো আমিও ভুল করে থাকি। কাজেই আমি ভুলে গেলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দিবে। তিনি আরো বললেনঃ তোমাদের কেউ সালাতে সন্দিহান হলে সে যেন সঠিক দিক বের করতে চিন্তা-ভাবনা করে, অতঃপর তার ভিত্তিতে সালাত সম্পন্ন করে এবং সালাম ফিরায় অতঃপর দু’টি সাহু সিজদা্ আদায় করে।[1]

সহীহ : বুখারী ও মুসলিম।

باب إِذَا صَلَّى خَمْسًا

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللهِ صَلَّى رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَلَا أَدْرِي زَادَ أَمْ نَقَصَ - فَلَمَّا سَلَّمَ قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللهِ أَحَدَثَ فِي الصَّلَاةِ شَىْءٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا صَلَّيْتَ كَذَا وَكَذَا ‏.‏ فَثَنَى رِجْلَهُ وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَسَجَدَ بِهِمْ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمَّا انْفَتَلَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ صلي الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ إِنَّهُ لَوْ حَدَثَ فِي الصَّلَاةِ شَىْءٌ أَنْبَأْتُكُمْ بِهِ وَلَكِنْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ فَإِذَا نَسِيتُ فَذَكِّرُونِي ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ ثُمَّ لْيُسَلِّمْ ثُمَّ لْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ ‏"‏ ‏

- صحيح : ق


Narrated Abdullah ibn Mas'ud: The Messenger of Allah (ﷺ) offered prayer. The version of the narrator Ibrahim goes: I do not know whether he increased or decreased (the rak'ahs of prayer). When he gave the salutation, he was asked: Has something new happened in the prayer, Messenger of Allah? He said: What is it? They said: You prayed so many and so many (rak'ahs). He then relented his foot and faced the Qiblah and made two prostrations. He then gave the salutation. When he turned away (finished the prayer), he turned his face to us and said: Had anything new happened in prayer, I would have informed you. I am only a human being and I forget just as you do; so when I forget, remind me, and when any of you is in doubt about his prayer he should aim at what is correct, and complete his prayer in that respect, then give the salutation and afterwards made two prostrations.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
২৩৪ | সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ৯৪. ভুলবশতঃ অপবিত্র অবস্থায় নামাযে ইমামতি করলে।

২৩৪. উছমান .... হাম্মাদ ইবনু সালামা হতে এই সূত্রে উপরোক্ত সনদ ও অর্থের মর্মানুযায়ী বর্ণিত। এই হাদীছের প্রথমাংশে তিনি বলেছেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’তাকবীরে তাহরীমা’ বাঁধেন, এবং হাদীছের শেষাংশে উল্লেখ আছে যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামায শেযে বলেনঃ “আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ এবং আমি (সহবাস জনিত কারনে) অপবিত্র ছিলাম”। আর আবূ হুরায়রা (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন নামাযের জন্য দন্ডায়মান হন, তখন আমরা তাঁর তাকবীর ধ্বনি শোনার আপেক্ষায় ছিলাম এমতাবস্থায় হঠাৎ তিনি (আমাদের দিকে) ফিরে বলেনঃ তোমরা স্ব-স্ব স্থানে অবস্থান কর। আর মুহাম্মাদ (ইবনু সীরীন)-এর বর্ণনায় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হতে বর্ণিত আছে, রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’তাকবীরে তাহরীমা’ বাধার পর পরই মুসল্লীদের ইাশারায় বলেন, তোমরা বসে থাক। অতঃপর তিনি বাইরে গিয়ে গোসল করেন।

باب فِي الْجُنُبِ يُصَلِّي بِالْقَوْمِ وَهُوَ نَاسٍ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، بِإِسْنَادِهِ وَمَعْنَاهُ قَالَ فِي أَوَّلِهِ فَكَبَّرَ ‏.‏ وَقَالَ فِي آخِرِهِ فَلَمَّا قَضَى الصَّلاَةَ قَالَ ‏"‏ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنِّي كُنْتُ جُنُبًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ رَوَاهُ الزُّهْرِيُّ عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ فَلَمَّا قَامَ فِي مُصَلاَّهُ وَانْتَظَرْنَا أَنْ يُكَبِّرَ انْصَرَفَ ثُمَّ قَالَ ‏"‏ كَمَا أَنْتُمْ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَرَوَاهُ أَيُّوبُ وَابْنُ عَوْنٍ وَهِشَامٌ عَنْ مُحَمَّدٍ مُرْسَلاً عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ فَكَبَّرَ ثُمَّ أَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى الْقَوْمِ أَنِ اجْلِسُوا فَذَهَبَ فَاغْتَسَلَ ‏.‏ وَكَذَلِكَ رَوَاهُ مَالِكٌ عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي حَكِيمٍ عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَبَّرَ فِي صَلاَةٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو دَاوُدَ وَكَذَلِكَ حَدَّثَنَاهُ مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ حَدَّثَنَا أَبَانُ عَنْ يَحْيَى عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ مُحَمَّدٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ كَبَّرَ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني


This tradition has been reported by Hammad b. Salamah through the same chain of narrators and conveying a similar meaning. This version adds in the beginning: He uttered TAKBIR (Allahu akbar), and in the end : when he finished the prayer, he said : I am a human being; I was sexually defiled. Abu Dawud said : This tradition has been narrated al-Zuhri from Abu Salamah b. ‘Abd al-Rahman on the authority of Abu Hurairah. It says: When he stood at the place of prayer, we waited for his utterance of takbir (Allah-u akbar).He went away and said : (remain) as you were. Another version on the authority of Muhammad reporting from the Prophet (ﷺ) says: He uttered takbir (Allah-u-Akbar) and then made a sign to the people, meaning "sit down". He then went away and took a bath. This tradition has also been narrated through a different chain. It says: The Messenger of Allah (ﷺ) uttered takbir (Allah-u-akbar) in a prayer. Abu Dawud said: Another version through a different chain says; The Prophet (May peace be upon him) uttered takbir (Allah-u akbar). Grade : Sahih (Al-Albani)


১০২০ | সূনান আবু দাউদ (ইসলামিক ফাউন্ডেশন)

পরিচ্ছেদঃ ২০২. ভুলবশত নাযায পাঁচ রাকআত পড়লে।

১০২০. উছমান ইবন আবু শায়বা (রহঃ) ...... আবদুল্লাহ ইবন মাসউদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নামাযের মধ্যে ভুলবশতঃ বেশী বা কম করেন। রাবী ইবরাহীম বলেনঃ বেশী বা কম সম্পর্কে আমি জ্ঞাত নই। তখন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হল, ইয়া রাসূলাল্লাহ! নামায সম্পর্কে কোন নতুন নির্দেশ এসেছে কি? তিনি জিজ্ঞাসা করেনঃ তা কি? তখন তাঁকে বলা হল, আপনি এত রাকাত কম বা বেশী নামায আদায় করেছেন। অতঃপর তিনি তাঁর পদদ্বয়কে ঘুরিয়ে কিবলামুখী হয়ে দুইটি সিজদা করে সালাম ফিরান। নামায শেষে তিনি আমাদের দিকে মুখ ফিরিয়ে বলেনঃ নামায সম্পর্কে কোন নতুন নির্দেশ নাযিল হলে আমি অবশ্যই তা তোমাদের জানাতাম। কিন্তু আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ, তাই আমিও তোমাদের মত ভুল করি। কাজেই আমি যখন ভুল করব, তখন তোমরা আমাকে অবশ্যই স্মরণ করিয়ে দিবে। তিনি আরো বলেনঃ নামায পাঠকালে যখন তোমাদের কেউ সন্দিহান হয়ে পড়বে, তখন চিন্তা-ভাবনার পর যা সঠিক মনে করবে, তাই আদায় করবে এবং পরে সালাম ফিরিয়ে সিজদায়ে সাহূ দুই সিজদা করবে।

باب إِذَا صَلَّى خَمْسًا

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَلْقَمَةَ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ صَلَّى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - قَالَ إِبْرَاهِيمُ فَلاَ أَدْرِي زَادَ أَمْ نَقَصَ - فَلَمَّا سَلَّمَ قِيلَ لَهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَحَدَثَ فِي الصَّلاَةِ شَىْءٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ وَمَا ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا صَلَّيْتَ كَذَا وَكَذَا ‏.‏ فَثَنَى رِجْلَهُ وَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَسَجَدَ بِهِمْ سَجْدَتَيْنِ ثُمَّ سَلَّمَ فَلَمَّا انْفَتَلَ أَقْبَلَ عَلَيْنَا بِوَجْهِهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ إِنَّهُ لَوْ حَدَثَ فِي الصَّلاَةِ شَىْءٌ أَنْبَأْتُكُمْ بِهِ وَلَكِنْ إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ فَإِذَا نَسِيتُ فَذَكِّرُونِي ‏"‏ ‏.‏ وَقَالَ ‏"‏ إِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلاَتِهِ فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ ثُمَّ لْيُسَلِّمْ ثُمَّ لْيَسْجُدْ سَجْدَتَيْنِ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Abdullah ibn Mas'ud: The Messenger of Allah (ﷺ) offered prayer. The version of the narrator Ibrahim goes: I do not know whether he increased or decreased (the rak'ahs of prayer). When he gave the salutation, he was asked: Has something new happened in the prayer, Messenger of Allah? He said: What is it? They said: You prayed so many and so many (rak'ahs). He then relented his foot and faced the Qiblah and made two prostrations. He then gave the salutation. When he turned away (finished the prayer), he turned his face to us and said: Had anything new happened in prayer, I would have informed you. I am only a human being and I forget just as you do; so when I forget, remind me, and when any of you is in doubt about his prayer he should aim at what is correct, and complete his prayer in that respect, then give the salutation and afterwards made two prostrations.


৭১৭ | রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)

পরিচ্ছেদঃ ৯৬: সফরকারীকে উপদেশ দেওয়া, বিদায় দেওয়ার দো‘আ পড়া ও তার কাছে নেক দো‘আর নিবেদন ইত্যাদি

আল্লাহ তা’আলা বলেন,

﴿ وَوَصَّىٰ بِهَآ إِبۡرَٰهِ‍ۧمُ بَنِيهِ وَيَعۡقُوبُ يَٰبَنِيَّ إِنَّ ٱللَّهَ ٱصۡطَفَىٰ لَكُمُ ٱلدِّينَ فَلَا تَمُوتُنَّ إِلَّا وَأَنتُم مُّسۡلِمُونَ ١٣٢ أَمۡ كُنتُمۡ شُهَدَآءَ إِذۡ حَضَرَ يَعۡقُوبَ ٱلۡمَوۡتُ إِذۡ قَالَ لِبَنِيهِ مَا تَعۡبُدُونَ مِنۢ بَعۡدِيۖ قَالُواْ نَعۡبُدُ إِلَٰهَكَ وَإِلَٰهَ ءَابَآئِكَ إِبۡرَٰهِ‍ۧمَ وَإِسۡمَٰعِيلَ وَإِسۡحَٰقَ إِلَٰهٗا وَٰحِدٗا وَنَحۡنُ لَهُۥ مُسۡلِمُونَ ١٣٣ ﴾ [البقرة: ١٣٢، ١٣٣]

অর্থাৎ “ইব্রাহীম ও ইয়াকূব এ সম্বন্ধে তাদের পুত্রগণকে নির্দেশ দিয়েছিল, হে পুত্রগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীনকে (ইসলাম ধর্মকে) মনোনীত করেছেন। সুতরাং আত্মসমর্পণকারী না হয়ে তোমরা অবশ্যই মৃত্যুবরণ করো না। ইয়াকুবের নিকট যখন মৃত্যু এসেছিল তোমরা কি তখন উপস্থিত ছিলে? সে যখন নিজ পুত্রগণকে জিজ্ঞাসা করেছিল, আমার (মৃত্যুর) পরে তোমরা কিসের উপাসনা করবে। তারা তখন বলেছিল, আমরা আপনার উপাস্য ও আপনার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্য, সেই অদ্বিতীয় উপাস্যের উপাসনা করব। আর আমরা তাঁর কাছে আত্মসমর্পণকারী।” (সূরা বাক্বারাহ ১৩২-১৩৩ আয়াত)

এ বিষয়ে অনেক হাদীস আছে তন্মধ্যেঃ-

حديث زيد بن أرقم رضي الله عنه -الذي سبق في باب إكرام أهل بيت رسول الله صلى الله عليه وسلم -قال‏:‏ قام رسول الله صلى الله عليه وسلم فينا خطيباً، فحمد الله، وأثنى عليه، ووعظ وذكر، ثم قال‏:‏ “أما بعد”ألا أيها الناس إنما أنا بشر يوشك أن يأتي رسول الله ربي فأجيب، وأنا تارك فيكم ثقلين ‏:‏‏ "‏ أولهما‏:‏ كتاب الله، فيه الهدى والنور، فخذو بكتاب الله، واستمسكوا به” فحث على كتاب الله، ورغب فيه، ثم قال‏:‏ “وأهل بيتي، أذكركم الله في أهل بيتي‏"‏ ‏(‏‏(‏رواه مسلم‏)‏‏)‏ وقد سبق بطوله‏.‏

যায়েদ ইবনে আরক্বামের হাদীস যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবার পরিজনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার পরিচ্ছেদে অতীত হয়ে গেছে, তাতে যায়দ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আমাদের মাঝে উঠে ভাষণ দান করলেন; তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন তাঁর গুণ বর্ণনা করলেন এবং উপদেশ ও নসীহত করলেন ও বললেন, ’’অতঃপর হে জনমন্ডলী! শোন! আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো আমার প্রতিপালকের দূত আমার নিকট পৌঁছে যাবে। আর আমি তাঁর ডাকে সাড়া দেব। এমতাবস্থায় আমি তোমাদের মধ্যে দু’টি ভারী (সম্মানিত) বস্তু রেখে যাচ্ছি, প্রথমটি আল্লাহর কিতাব; যাতে হিদায়াত ও আলো নিহিত আছে। অতএব তোমরা আল্লাহর কিতাবকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ করো।’’

অতঃপর তিনি আল্লাহর কিতাব (মান্য করার) ব্যাপারে উৎসাহিত করলেন এবং তার প্রতি অনুপ্রাণিত করলেন। তারপর তিনি বললেন, ’’দ্বিতীয় বস্তুটি হচ্ছে আমার পরিবার-পরিজন। আমি তোমাদেরকে আমার ’আহলে বায়ত’ (পরিবার)এর ব্যাপারে আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। (যেন তাদের প্রতি কোন অন্যায় আচরণ করো না।)’’ (মুসলিম ২৪০৮, হাদীসটি পূর্ণরূপে পূর্বে গত হয়েছে।)


১/৭১৭। আবূ সুলায়মান মালেক ইবনে হুওয়াইরিস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমরা প্রায় সমবয়স্ক কতিপয় নব যুবক রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বিশ দিন অবস্থান করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অত্যন্ত দয়ালু ও স্নেহপরবশ ছিলেন। তাই তিনি ধারণা করলেন যে, আমরা আমাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাবার জন্য উদ্গ্রীব হয়ে উঠেছি। সেহেতু তিনি আমাদেরকে প্রশ্ন করলেন যে, আমরা আমাদের পরিবারে কাকে ছেড়ে এসেছি?

সুতরাং আমরা তাঁকে জানালে তিনি বললেন, ’’তোমরা তোমাদের পরিবারের কাছে ফিরে যাও এবং তাদের মাঝেই বসবাস কর। তাদেরকে শিক্ষা দান কর এবং তাদেরকে (ভাল কাজের) আদেশ দাও। অমুক নামায অমুক সময়ে পড়। অমুক নামায অমুক সময়ে পড়। সুতরাং যখন নামাযের সময় হবে, তখন তোমাদের মধ্যে কেউ একজন আযান দেবে এবং তোমাদের মধ্যে যে বড় সে ইমামতি করবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম)[1]

বুখারীর বর্ণনায় এরূপ বাড়তিভাবে আছে যে, ’’আমাকে তোমরা যেভাবে নামায পড়তে দেখেছ, ঠিক সেইভাবেই নামায পড়।’’

بَابُ وِدَاعِ الصَّاحِبِ وَوَصِيَّتِهِ عِنْدَ فِرَاقِهِ لِسَفَرٍوَّغَيْرِهِِ وَالدُّعَاءِ لَهُ وَطَلَبِ الدُّعَاءِ مِنْهُ - (96)

وَعَن أَبي سُلَيمَانَ مَالِكِ بنِ الحُوَيْرِثِ رضي الله عنه، قَالَ: أَتَيْنَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، وَنَحْنُ شَبَبَةٌ مُتَقَارِبُونَ، فَأقَمْنَا عِنْدَهُ عِشْرِينَ لَيْلَةً، وَكَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم رَحِيماً رَفِيقاً، فَظَنَّ أنَّا قَدِ اشْتَقْنَا أهْلَنَا، فَسَألَنَا عَمَّنْ تَرَكْنَا مِنْ أهْلِنَا، فَأخْبَرْنَاهُ، فَقَالَ: « ارْجِعُوا إِلَى أهْلِيكُمْ، فَأَقِيمُوا فِيهمْ، وَعَلِّمُوهُم وَمُرُوهُمْ، وَصَلُّوا صَلاَةَ كَذَا فِي حِيْنِ كَذَا، وَصَلُّوا كَذَا فِي حِيْنِ كَذَا، فَإذَا حَضَرَتِ الصَّلاَةُ فَلْيُؤَذِّنْ لَكُمْ أحَدُكُمْ وَلْيَؤُمَّكُمْ أكْبَرُكُمْ ». متفقٌ عَلَيْهِ .
زاد البخاري في رواية لَهُ: وَصَلُّوا كَمَا رَأيْتُمُونِي أُصَلِّي

(96) Chapter: Bidding Farewell and Advising on the Eve of Departure for a Journey or Other Things


Allah, the Exalted, says: "And this (submission to Allah, Islam) was enjoined by Ibrahim (Abraham) upon his sons and by Ya`qub (Jacob) (saying), `O my sons! Allah has chosen for you the (true) religion, then die not except in the Faith of Islam (as Muslims - Islamic Monotheism).' Or were you witnesses when death approached Ya`qub (Jacob)? When he said unto his sons, `What will you worship after me?' They said, `We shall worship your Ilah (God - Allah) the Ilah (God) of your fathers, Ibrahim (Abraham), Isma`il (Ishmael), Ishaq (Isaac). One Ilah (God), and to Him we submit (in Islam)'.'' (2:132,133) ----------- Yazid bin Haiyan (May Allah be pleased with him) reported: I went along with Husain bin Sabrah and `Amr bin Muslim to Zaid bin Arqam (May Allah be pleased with them) and, as we sat by his side, Husain said to him: "O Zaid, you acquired great merits that you saw Messenger of Allah (PBUH), listened to his talk, fought by his side in (different) battles, and offered Salat behind him. You have in fact earned great merits, Zaid! Could you then tell us what you heard from the Messenger of Allah (PBUH)?'' He said: "O my cousin! By Allah! I have grown old and have almost spent up my age and I have forgotten some of the things which I remembered in connection with Messenger of Allah (PBUH), so accept what I narrate to you, and what I fail to narrate, do not compel me to narrate that.'' He then said: "One day Messenger of Allah (PBUH) stood up to deliver a Khutbah at a watering place known as Khumm between Makkah and Al-Madinah. He praised Allah, extolled Him and delivered the Khutbah and exhorted (us) and said, `Amma Ba`du (now then)! O people, certainly I am a human being. I am about to receive a messenger (the angel of death) from my Rubb and I, in response to Allah's Call, but I am leaving among you two weighty things: the Book of Allah in which there is right guidance and light, so hold fast to the Book of Allah and adhere to it.' He exhorted (us) (to hold fast) to the Book of Allah and then said, `The second are the members of my household, I remind you (of your duties) to the members of my family.''' Commentary: The Prophet (PBUH) told his Companions with reference to his human nature that he too could not escape death because it was a grim reality. So he left his example to others with regard to making a will before death. The Hadith points out the desirability of giving good counsel to one's family and friends, exhorting them to observe uprightness and establish Faith, upon parting either for a journey or while one is on deathbed. ----------- Malik bin Al-Huwairith (May Allah be pleased with him) reported: We came to the Messenger of Allah (ﷺ) when we were all young men of nearly equal age. We stayed with him for twenty days. He was extremely kind and considerate. He perceived that we missed our families so he asked us about those we left behind, and we informed him. Then he (ﷺ) said, "Go back to your families, stay with them, teach them (about Islam) and exhort them to do good. Perform such Salat (prayer) at such a time and such Salat at such a time. When the time for Salat is due, one of you should announce Adhan (call for prayer) and the oldest among you should lead Salat." [Al-Bukhari and Muslim]. Commentary: This Hadith sheds light on seven points. First, we are informed of certain young men who had left their homes and come to the Prophet (PBUH) in order to receive religious training from him. This shows that a student of knowledge should not hesitate to set forth on a journey in the pursuit of knowledge. Second, a teacher/mentor is supposed to have firsthand information about the affairs and requirements of students and to take measures accordingly. Third, after graduation or the completion of an orientation course in religious studies, the beneficiaries are also required to impart religious knowledge and training to those who lack it. Fourth, they should also tell people to do what is commanded by the Shari`ah (Islamic Law) and to shun what it prohibits. Fifth, an arrangement must be made for a Mu'adhdhin to call people to Salat (prayers). Sixth, in case each one of the congregation is equally qualified to lead the Salat, the one who is most senior in age should perform the duty. The first prerequisite of becoming an Imam is the ability to recite Qur'an well and in the right manner. The second in priority is that person who is well-grounded in the religion - Qur'an and Hadith. In other words, a good Qari (reciter) is most fit to become an Imam and the second choice should be the one who has the mastery of religious knowledge. Seventh, the crux of the matter is that on all occasions and at all places, believers are under obligation to take care to establish congregational prayer after the prayer-call.


পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৬. খেজুর গাছে (পুরুষ ও মাদীর মধ্যে) সংযোগ লাগানো

১/২৪৭০। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একটি খেজুর বাগান অতিক্রম করছিলাম। তিনি লোকেদেরকে দেখলেন যে, তারা নর খেজুর গাছের কেশর মাদী খেজুর গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি লোকেদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ এরা কী করছে? তালহা (রাঃ) বলেন, তারা নর গাছের কেশর নিয়ে মাদী গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি বলেনঃ এটা কোন উপকারে আসবে বলে মনে হয় না।

লোকজন তাঁর মন্তব্য অবহিত হয়ে উক্ত প্রক্রিয়া ত্যাগ করলো। ফলে খেজুরের উৎপদান হ্রাস পেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি অবহিত হয়ে বলেনঃ এটা তো ছিল একটা ধারণা মাত্র। ঐ প্রক্রিয়ায় কোন উপকার হলে তোমরা তা করো। আমি (এ বিষয়ে) তোমাদের মতই একজন মানুষ। ধারণা কখনো ভুলও হয়, কখনো ঠিকও হয়। কিন্তু আমি তোমাদের এভাবে যা বলি ’’আল্লাহ বলেছেন’’, সেক্ষেত্রে আমি কখনো আল্লাহ্র উপর মিথ্যা আরোপ করবো না।

بَاب تَلْقِيحِ النَّخْلِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ مَرَرْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نَخْلٍ فَرَأَى قَوْمًا يُلَقِّحُونَ النَّخْلَ فَقَالَ ‏"‏ مَا يَصْنَعُ هَؤُلاَءِ ‏"‏ ‏.‏ قَالُوا يَأْخُذُونَ مِنَ الذَّكَرِ فَيَجْعَلُونَهُ فِي الأُنْثَى ‏.‏ قَالَ ‏"‏ مَا أَظُنُّ ذَاكَ يُغْنِي شَيْئًا ‏"‏ ‏.‏ فَبَلَغَهُمْ فَتَرَكُوهُ وَنَزَلُوا عَنْهَا فَبَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ إِنَّمَا هُوَ ظَنٌّ إِنْ كَانَ يُغْنِي شَيْئًا فَاصْنَعُوهُ فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ وَإِنَّ الظَّنَّ يُخْطِئُ وَيُصِيبُ وَلَكِنْ مَا قُلْتُ لَكُمْ قَالَ اللَّهُ فَلَنْ أَكْذِبَ عَلَى اللَّهِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Simak that the heard Musa bin Talhah bin `Ubaidullah narrating that his father said: “I passed by some palm trees with the Messenger of Allah (ﷺ) and he saw some people pollinating the trees. He said: 'What are these people doing?' They said: 'They are taking something from the male part (of the plant) and putting it in the female part.' He said: 'I do not think that this will do any good.' News of that reached them, so they stopped doing it, and their yield declined. News of that reached the Prophet (ﷺ) and he said: 'That was only my thought. If it will do any good, then do it. I am only a human being like you, and what I think may be right or wrong. But When I tell you: “Allah (SWT) says,” I will never tell lies about Allah (SWT).' ”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
১০১৬ | মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)

পরিচ্ছেদঃ ২০. প্রথম অনুচ্ছেদ - সাহু সিজদা্

১০১৬-[৩] ’আবদুল্লাহ ইবনু মাস্’ঊদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। (তিনি বলেন) রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যুহরের সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) পাঁচ রাক্’আত আদায় করে নিলেন। তাঁকে বলা হলো, সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) প্রশ্ন করলেন, কি হয়েছে? সাহাবীরা বললেন, আপনি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) পাঁচ রাক্’আত আদায় করেছেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সালাম ফিরানোর পরে দু’ সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) করে নিলেন।

আর এক সূত্রে এ শব্দগুলোও আছে যে, তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ইরশাদ করেছেন, আমিও একজন মানুষ। তোমাদের যেমন ভুল হয়, আমারও তেমন ভুল হয়। আমি ভুল করলে তোমরা আমাকে স্মরণ করিয়ে দেবে। তোমাদের কেউ সালাতে সন্দেহ করলে সে যেন সঠিকটি চিন্তা-ভাবনা করে এবং সে সঠিক চিন্তার উপর সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) পূর্ণ করে। তারপর সে যেন সালাম ফিরিয়ে দু’টো সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) করে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

بَابُ السَّهْوِ

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ: أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ صَلَّى الظُّهْرَ خَمْسًا فَقِيلَ لَهُ: أَزِيدَ فِي الصَّلَاةِ؟ فَقَالَ: «وَمَا ذَاكَ؟» قَالُوا: صَلَّيْتَ خَمْسًا. فَسَجَدَ سَجْدَتَيْنِ بَعْدَمَا سَلَّمَ. وَفِي رِوَايَةٍ: قَالَ: «إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ أَنْسَى كَمَا تَنْسَوْنَ فَإِذَا نَسِيتُ فَذَكِّرُونِي وَإِذَا شَكَّ أَحَدُكُمْ فِي صَلَاتِهِ فَلْيَتَحَرَّ الصَّوَابَ فَلْيُتِمَّ عَلَيْهِ ثُمَّ لِيُسَلِّمْ ثمَّ يسْجد سَجْدَتَيْنِ»

ব্যাখ্যা: (وَمَا ذَاكَ؟) ‘কি হয়েছে?’ অর্থাৎ সালাতে বৃদ্ধি করা হয়েছে তোমাদের এ প্রশ্ন কেন?

মুসলিমের বর্ণনায় আছে ‘নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত শেষ করার পর লোকজন আপোসে গোলমাল করতে থাকলে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেন তোমাদের কি হয়েছে? তখন তারা বলল, হে আল্লাহর রসূল! সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) কি বৃদ্ধি করা হয়েছে? তিনি বললেনঃ ‘না’ এ বর্ণনা থেকে জানা যায় যে, সাহাবীগণের এ প্রশ্ন ছিল নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে প্রশ্ন করার পর।

‘‘অতঃপর তিনি সালাম ফেরানোর পর দু’টি সিজদা্ করলেন’’। যারা বলেনঃ সাহু সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) হবে সালাম ফেরানোর পর এ হাদীস তাদের দলীল। তবে তাদের এ দলীলের সমালোচনায় বলা হয় যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাম ফেরানোর পূর্বে তার এ অতিরিক্ত রাক্‘আতের কথা অবহিত হননি বরং সালাম ফেরানোর পর তা অবহিত হয়েছেন। আর এ অবস্থায় সকল বিদ্বানদের মতেই সালামের পরে সাহু সিজদা্ করতে হবে। কেননা সালামের পূর্বে তা করা সম্ভব নয় অবহিত না হওয়ার কারণে। আর এটাও বলা হয়ে থাকে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দ্বারা এ কাজ সংঘটিত হয়েছে তা বৈধতার বর্ণনা স্বরূপ। ইমাম বায়হাক্বী বলেনঃ সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) সাহু সালামের পূর্বে ও সালামের পরে উভয় অবস্থায় পালন করার অবকাশ রয়েছে।

হাদীসের শিক্ষাঃ

  1. কোন ব্যক্তি যদি চার রাক্‘আত সালাত আদায়ের পর ভুলবশতঃ দাঁড়িয়ে যায় এবং পাঁচ রাক্‘আত সালাত আদায় করে তাহলে তার সালাত বিনষ্ট হবে না।
  2. ভুলবশতঃ সালাতে বৃদ্ধি করলেও সালাত বিনষ্ট হয় না।
  3. সালাত সংশোধনের নিমিত্তে ইচ্ছাকৃতভাবে কথা বললে সালাত বিনষ্ট হয় না।
  4. ভুলবশতঃ ক্বিবলাহ্ (কিবলাহ/কিবলা)  ভিন্ন অন্যদিকে সালাত আদায় করলে তার সে সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না।

(إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ) ‘আমি তোমাদের মতই মানুষ’ অর্থাৎ মানাবীয় সকল গুণাবলীতে আমি তোমাদেরই মতো তবে পার্থক্য এই যে, আমার নিকট ওয়াহী আসে যা তোমাদের নিকট আসে না।

ইমাম শাওকানী বলেনঃ যারা নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে মানবীয় গুণাবলীর ঊর্ধ্বে মনে করেন এ হাদীস তাদের বিপক্ষে দলীল। বরং তিনি মানবীয় সকল গুণের অধিকারী। ‘আমিও ভুলে যাই যেমন তোমরা ভুলে যাও’।

এ কথা প্রমাণ করে যে ভুলে যাওয়া বা ভুল হওয়া নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। তবে তিনি দীন প্রচারের ক্ষেত্রে ভুল করেন না। এক্ষেত্রে ইজমা রয়েছে যেমনটি ‘আয়ায বর্ণনা করেছেন।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
৩৭৬১ | মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)

পরিচ্ছেদঃ ৪. প্রথম অনুচ্ছেদ - বিচারকার্য এবং সাক্ষ্যদান

৩৭৬১-[৪] উম্মু সালামাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমি তো একজন মানুষ মাত্র। তোমরা বিভিন্ন বিবাদ-মীমাংসা নিয়ে আমার নিকট আসো। আর সম্ভবত তোমাদের মধ্যে কেউ কেউ সাক্ষী-প্রমাণ উপস্থাপনের ক্ষেত্রে অন্যের চেয়ে বেশি সচেতন ও পারদর্শী। অতঃপর আমি তোমাদের বিষয়াদি শুনার সময় যা উপলব্ধি করি তদানুযায়ী বিচার-ফায়সালা করি। অতএব আমি কোনো ব্যক্তির জন্য তার মুসলিম ভাইয়ের হক থেকে কোনো কিছু (ভুলক্রমে) ফায়সালা দিয়ে দেই, তাহলে সে যেন তা গ্রহণ না করে। কেননা আমি তার জন্য একখন্ড আগুনের টুকরাই ফায়সালা করলাম। (বুখারী ও মুসলিম)[1]

بَابُ الْأَقْضِيَةِ وَالشَّهَادَاتِ

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَإِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَيَّ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَأَقْضِي لَهُ عَلَى نَحْوِ مَا أَسْمَعُ مِنْهُ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ بِشَيْءٍ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ فَلَا يَأْخُذَنَّهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّار»

ব্যাখ্যা: অত্র হাদীস থেকে বুঝা যায়-

(ক) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মতই মানুষ। মহান আল্লাহ সূরা কাহফ-এর ১১০ নং আয়াতে বলেন, অর্থাৎ ‘‘হে নাবী! আপনি বলে দিন আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ (পার্থক্য এটুকু যে,) আমার নিকট আল্লাহর নিকট থেকে ওয়াহী আসে তোমাদের আসে না।’’

খ) নাবী-রসূলগণও মা’সূম নন তবে তাদের ভুল হলে সঙ্গে সঙ্গে আল্লাহ সংশোধন করিয়ে দিতেন।

গ) কুরআন ও হাদীস থেকে তারাই হিদায়াত পায় যাদের অন্তরে আল্লাহর ভয় আছে।

ঘ) বিচারকার্যে বাদী-বিবাদীর মধ্যে একে অপরের চেয়ে অপেক্ষাকৃত বেশী যুক্তি উপস্থাপনকারী, ভাষায় দক্ষ হতে পারে, মিথ্যা কথার ফুলঝুড়ি দিয়ে অপরের সম্পদ গ্রহণ কোনোভবেই বৈধ নয়।

ঙ) বিচারকের জন্য অবধারিত যে, তিনি বাদী-বিবাদী উভয়ের কথা শুনেই বিচার করবেন। একপক্ষের কথা শুনে বিচারের রায় প্রদান কোনভাবে গ্রহণীয় নয়।

এক্ষেত্রে একটি হাদীস খুবই গুরুত্বপূর্ণ বলে বিবেচিত যেখানে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হাকিম যদি ন্যায়বিচারের চেষ্টা করে সফল হয় তাহলে তার দ্বিগুণ সাওয়াব আর যদি সফল না হয় তাহলে এক সাওয়াব, তাই সকল বিচারপতিদের উচিত ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠায় সচেষ্ট হওয়া।

অত্র হাদীসের ব্যাখ্যায় ইমাম নববী (রহঃ) বলেছেনঃ অত্র হাদীস থেকে বুঝা যায়, মানুষের বাস্তবিক অবস্থা আরো বুঝা যায় সে গায়েব জানে না, তাই বাহ্যিক দলীলাদি দেখেই তাকে ফায়সালা দিতে হয়।

(ফাতহুল বারী ১২শ খন্ড, হাঃ ৬৯৬৭; শারহে মুসলিম ১২শ খন্ড, হাঃ ১৭১৩; তুহফাতুল আহওয়াযী ৪র্থ খন্ড, হাঃ ১৩৩৯; ‘আওনুল মা‘বূদ ৬ষ্ঠ খন্ড, হাঃ ৩৫৮০; মিরকাতুল মাফাতীহ)


পরিচ্ছেদঃ সফরকারীকে উপদেশ দেওয়া, বিদায় দেওয়ার দু‘আ পড়া ও তার কাছে নেক দু‘আর নিবেদন ইত্যাদি

আল্লাহ তাআলা বলেন,

وَوَصَّى بِهَا إبْرَاهِيمُ بَنِيهِ وَيَعْقُوبُ يَا بَنِيَّ إنَّ اللهَ اصْطَفَى لَكُمُ الدّينَ فَلاَ تَمُوتُنَّ إِلاَّ وَأَنْتُمْ مُسْلِمُونَ أَمْ كُنْتُمْ شُهَدَاءَ إذْ حَضَرَ يَعْقُوبَ المَوْتُ إذْ قَالَ لِبَنِيهِ مَا تَعْبُدُونَ مِنْ بَعْدِي قَالُوا نَعْبُدُ إلهَكَ وَإلهَ آبَائِكَ إبْراهِيمَ وَإسْمَاعِيلَ وَإسْحاقَ إلهَاً وَاحِداً وَنَحْنُ لَهُ مُسْلِمُونَ

অর্থাৎ, ইব্রাহীম ও ইয়াকূব এ সম্বন্ধে তাদের পুত্রগণকে নির্দেশ দিয়েছিল, হে পুত্রগণ! আল্লাহ তোমাদের জন্য দ্বীনকে (ইসলাম ধর্মকে) মনোনীত করেছেন। সুতরাং আত্মসমর্পণকারী না হয়ে তোমরা অবশ্যই মৃত্যুবরণ করো না। ইয়াকুবের নিকট যখন মৃত্যু এসেছিল তোমরা কি তখন উপস্থিত ছিলে? সে যখন নিজ পুত্রগণকে জিজ্ঞাসা করেছিল, আমার (মৃত্যুর) পরে তোমরা কিসের উপাসনা করবে। তারা তখন বলেছিল, আমরা আপনার উপাস্য ও আপনার পিতৃপুরুষ ইব্রাহীম, ইসমাঈল ও ইসহাকের উপাস্য, সেই অদ্বিতীয় উপাস্যের উপাসনা করব। আর আমরা তাঁর কাছে আত্মসমর্পণকারী। (সূরা বাক্বারাহ ১৩২-১৩৩)


(৩১৮৬) যায়েদ ইবনে আরক্বামের হাদীস যা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবার পরিজনের প্রতি শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করার পরিচ্ছেদে অতীত হয়ে গেছে, তাতে যায়দ বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (একদা) আমাদের মাঝে উঠে ভাষণ দান করলেন; তিনি আল্লাহর প্রশংসা করলেন তাঁর গুণ বর্ণনা করলেন এবং উপদেশ ও নসীহত করলেন ও বললেন, ’’অতঃপর হে জনমণ্ডলী! শোন! আমি তোমাদের মতই একজন মানুষ। অদূর ভবিষ্যতে হয়তো আমার প্রতিপালকের দূত আমার নিকট পৌঁছে যাবে। আর আমি তাঁর ডাকে সাড়া দেব। এমতাবস্থায় আমি তোমাদের মধ্যে দু’টি ভারী (সম্মানিত) বস্তু রেখে যাচ্ছি, প্রথমটি আল্লাহর কিতাব; যাতে হিদায়াত ও আলো নিহিত আছে। অতএব তোমরা আল্লাহর কিতাবকে সুদৃঢ়ভাবে ধারণ করো।’’

অতঃপর তিনি আল্লাহর কিতাব (মান্য করার) ব্যাপারে উৎসাহিত করলেন এবং তার প্রতি অনুপ্রাণিত করলেন। তারপর তিনি বললেন, ’’দ্বিতীয় বস্তুটি হচ্ছে আমার পরিবার-পরিজন। আমি তোমাদেরকে আমার ’আহলে বায়ত’ (পরিবার)এর ব্যাপারে আল্লাহ স্মরণ করিয়ে দিতে চাই। (যেন তাদের প্রতি কোন অন্যায় আচরণ করো না।)’’ (মুসলিম ৬৩৭৮, হাদীসটি পূর্ণরূপে পূর্বে গত হয়েছে।)

حَدِيْثُ زَيْدٍ بْنِ أَرْقَمٍ الَّذِيْ سَبَقَ فِي بَابِ إِكرَامِ أهْلِ بَيْتِ رَسُولِ اللهِ ﷺ قَالَ : قَامَ رَسُوْلُ اللهِ ﷺ فِينَا خَطِيباً فَحَمِدَ الله وَأثْنَى عَلَيْهِ وَوَعَظَ وَذَكَّرَ ثُمَّ قَالَ أمَّا بَعْدُ ألاَ أيُّهَا النَّاسُ إنَّمَا أنَا بَشَرٌ يُوشِكُ أنْ يَأتِيَ رَسُوْلُ رَبِّي فَأُجِيبَ وَأنَا تَارِكٌ فِيكُمْ ثَقَلَيْنِ أوَّلَهُمَا : كِتَابُ اللهِ فِيهِ الْهُدَى وَالنُّورُ فَخُذُوا بِكِتَابِ اللهِ وَاسْتَمْسِكُوا بِهِ فَحَثَّ عَلَى كِتَابِ اللهِ وَرَغَّبَ فِيهِ ثُمَّ قَالَ وَأَهْلُ بَيْتِي، أُذَكِّرُكُمُ اللهَ في أهْلِ بَيْتِي رواه مسلم، وَقَدْ سَبَقَ بِطُولِهِ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে