রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন) ১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) - The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৪: লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান

১/৬৮৬। ইবনে ‘উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক আনসার ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করলেন। যিনি তার ভাইকে লজ্জার ব্যাপারে উপদেশ দিচ্ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ‘‘তাকে ছেড়ে দাও। কেননা, লজ্জা ঈমানের অঙ্গ।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الْحَيَاءِ وَفَضْلِهِ وَالْحَثِّ عَلَى التَّخَلُقِّ بِهِ - (84)

عَنِ ابنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مَرَّ عَلَى رَجُلٍ مِنَ الأنْصَار وَهُوَ يَعِظُ أخَاهُ في الحَيَاءِ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « دَعْهُ، فَإنَّ الْحَيَاءَ مِنَ الإيمَانِ ». متفقٌ عَلَيْهِ

عن ابن عمر رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مر على رجل من الأنصار وهو يعظ أخاه في الحياء، فقال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « دعه، فإن الحياء من الإيمان ». متفق عليه

(84) Chapter: Exaltation of Modesty


Ibn 'Umar (May Allah be pleased with them) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) passed by a man of the Ansar who was admonishing his brother regarding shyness. Messenger of Allah (ﷺ) said, "Leave him alone, for modesty is a part of Iman."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: The Ansari, who was being lectured by his brother, was indeed an embodiment of modesty and unpretentiousness. Such a man is never sharp in worldly affairs because modesty restrains him from following wrong ways. For this reason, modesty has been called a part of the faith. This is an inborn quality, that is, some people are unassertive by birth. Yet, if they are gradually guided and directed towards virtues, their unassumingness further increases. And in Islam it is counted a virtue.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৪: লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান

২/৬৮৭। ইমরান ইবনে হুসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘লজ্জা মঙ্গলই বয়ে আনে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

মুসলিমের অন্য বর্ণনায় আছে, “লজ্জা মঙ্গলই সবটুকু” অথবা বলেছেন, ‘‘লজ্জার সবটুকু মঙ্গলই মঙ্গল”।

(বিঃদ্রঃ কিন্তু গুপ্ত সমস্যায় শরীয়তের সমাধান জানার ব্যাপারে লজ্জা করা ঠিক নয়।)

بَابُ الْحَيَاءِ وَفَضْلِهِ وَالْحَثِّ عَلَى التَّخَلُقِّ بِهِ - (84)

وَعَن عِمرَانَ بنِ حُصَينٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: « الْحَيَاءُ لاَ يَأْتِي إِلاَّ بِخَيْرٍ ». متفقٌ عَلَيْهِ
وَفِي رِوَايَةٍ لِمُسلِمٍ: « اَلحَيَاءُ خَيْرٌ كُلُّهُ ». أَوْ قَالَ: الْحَيَاءُ كُلُّهُ خَيْرٌ »

وعن عمران بن حصين رضي الله عنهما، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « الحياء لا يأتي إلا بخير ». متفق عليه وفي رواية لمسلم: « الحياء خير كله ». أو قال: الحياء كله خير »

(84) Chapter: Exaltation of Modesty


'Imran bin Husain (May Allah be pleased with them) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Shyness does not bring anything except good."

[Al-Bukhari and Muslim].

In a narration of Muslim: Messenger of Allah (ﷺ) said, "All of shyness is good."

Commentary: This Hadith enlightens us on the excellence of modesty, which serves the good purpose of preventing man from the disobedience of Allah and from immoral and evil pursuits. Evidently, it has a salutary impact on society. Besides, it keeps man free from sins, and, consequently, he will stand blameless with Allah. From this standpoint, modesty is certainly a thorough good.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৪: লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান

৩/৬৮৮। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘ঈমানের সত্তর অথবা ষাট অপেক্ষা কিছু বেশি শাখা রয়েছে। তার মধ্যে সর্বোত্তম শাখা ‘লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহ’ বলা এবং সর্বনিম্ন শাখা পথ থেকে কষ্টদায়ক জিনিস সরিয়ে দেওয়া। আর লজ্জা ঈমানের একটি শাখা।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

* কষ্টদায়ক জিনিস যেমন, ঢেলা, ইট, পাথর, পোড়া কয়লা, ভাঙ্গা কাঁচ, কাঁটা, গাছের ডাল, নোংরা জিনিস ইত্যাদি, যাতে পথিক কষ্ট পায়।

بَابُ الْحَيَاءِ وَفَضْلِهِ وَالْحَثِّ عَلَى التَّخَلُقِّ بِهِ - (84)

وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: « الإيمَانُ بِضْعٌ وَسَبْعُونَ أَوْ بِضْعٌ وَسِتُّونَ شُعْبَةً: فَأفْضَلُهَا قَوْلُ: لاَ إِلٰهَ إِلاَّ الله، وَأدْنَاهَا إمَاطَةُ الأَذَى عَنِ الطَّرِيقِ، وَالحَيَاءُ شُعْبَةٌ مِنَ الإيمَانِ». متفقٌ عَلَيْهِ

وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قال: « الإيمان بضع وسبعون أو بضع وستون شعبة: فأفضلها قول: لا إله إلا الله، وأدناها إماطة الأذى عن الطريق، والحياء شعبة من الإيمان». متفق عليه

(84) Chapter: Exaltation of Modesty


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Iman has sixty odd or seventy odd branches. The uppermost of all these is the Testimony of Faith: 'La ilaha illallah' (there is no true god except Allah) while the least of them is the removal of harmful object from the road. And shyness is a branch of Iman."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith has already occurred in a previous chapter, see commentary on Hadith No. 125. Here it has been repeated with reference to the degrees of Faith. Modesty, too, is a part of Faith, rather one of its most important ingredients, because it plays an effective role in the training and sublimation of human psyche.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৪: লজ্জাশীলতা ও তার মাহাত্ম্য এবং এ গুণে গুণান্বিত হওয়ার প্রতি উৎসাহ প্রদান

৪/৬৮৯। আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, ‘আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অন্তঃপুরবাসিনী কুমারীর চেয়েও বেশি লজ্জাশীল ছিলেন। যখন তিনি কোন জিনিস অপছন্দ করতেন আমরা তাঁর চেহারায় তা বুঝতে পারতাম।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

আলেমগণ বলেন, ‘লজ্জাশীলতার প্রকৃতত্ব হল এমন সৎচরিত্রতা, যা নোংরা বর্জন করতে মানুষকে উদ্বুদ্ধ করে এবং অধিকারীর অধিকার আদায়ে ত্রুটি প্রদর্শন করতে বিরত রাখে।

আবুল কাসেম জুনাইদ (রাহিমাহুল্লাহ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেছেন, ‘লজ্জাশীলতা হল, নিয়ামত লক্ষ্য করা এবং সেই সাথে (তার কৃতজ্ঞতায়) ত্রুটি লক্ষ্য করা। এই দুয়ের মাঝে যে অনুভূতি সৃষ্টি হয়, তাকেই লজ্জা বলা হয়।’

بَابُ الْحَيَاءِ وَفَضْلِهِ وَالْحَثِّ عَلَى التَّخَلُقِّ بِهِ - (84)

وَعَن أَبي سَعِيدٍ الخُدرِي رضي الله عنه، قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أشَدَّ حَيَاءً مِنَ العَذْرَاءِ في خِدْرِهَا، فَإذَا رَأَى شَيْئاً يَكْرَهُهُ عَرَفْنَاهُ في وَجْهِه . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم أشد حياء من العذراء في خدرها، فإذا رأى شيئا يكرهه عرفناه في وجهه . متفق عليه

(84) Chapter: Exaltation of Modesty


Abu Sa'id Al-Khudri (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) was even shier than a virgin behind her veil. When he saw something which he disliked, we could perceive it on his face.

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Though this Hadith particularly refers to the character of Messenger of Allah (PBUH), it also reveals the fact that modesty is a peculiar quality of woman. An unmarried woman, above all else, is considered to be the embodiment of bashfulness. Islamic countries have witnessed many curses of western civilization and the worst is the one which has robbed away the modesty of woman because it is the last protective shield of Islamic civilization which the enemy is consistently sweeping off. May Allah grant Muslims the insight to avert this wickedness!


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৫: গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿وَأَوۡفُواْ بِٱلۡعَهۡدِۖ إِنَّ ٱلۡعَهۡدَ كَانَ مَسۡ‍ُٔولٗا﴾ [الاسراء: ٣٤]

অর্থাৎ “প্রতিশ্রুতি পালন করো; নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।” (সূরা বানী ইস্রাঈল ৩৪ আয়াত)


১/৬৯০। আবূ সা‘ঈদ খুদরী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘কিয়ামতের দিন আল্লাহর নিকট সবচেয়ে নিকৃষ্ট মানুষ সেই ব্যক্তি হবে, যে স্ত্রীর সঙ্গে মিলন করে এবং স্ত্রী তার সঙ্গে মিলন করে। অতঃপর সে তার (স্ত্রীর) গোপন কথা প্রকাশ করে দেয়।’’ (মুসলিম) [1]

بَابُ حِفْبَابُ حِفْظِ السِّرِّظِ السِّرِّ - (85)

وَعَن أَبي سَعِيدٍ الخُدرِي رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إنَّ مِنْ أشَرِّ النَّاسِ عِنْدَ اللهِ مَنْزِلَةً يَوْمَ القِيَامَةِ الرَّجُلَ يُفْضِي إِلَى الْمَرْأةِ وتُفْضِي إِلَيْهِ، ثُمَّ يَنْشُرُ سِرَّهَا » رواه مسلم

وعن أبي سعيد الخدري رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « إن من أشر الناس عند الله منزلة يوم القيامة الرجل يفضي إلى المرأة وتفضي إليه، ثم ينشر سرها » رواه مسلم

(85) Chapter: Secrecy of Private Matters (Guarding Secrets)


Allah, the Exalted, says:
"And fulfill (every) covenant. Verily! The covenant, will be questioned about.'' (17:34)

Abu Sa'id Al-Khudri (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "The most evil of the people to Allah on the Day of Resurrection will be the man who consorts with his wife and then publicizes her secret."

[Muslim].

Commentary: Islam treats conjugal union as a sacred and secret act, both in social and moral terms. Indeed, the sanctity of conjugal rights contributes to the consolidation of moral norms and social cohesion. Yet, what passes between wife and husband on the consummation night is usually taken in a light vein in our societies. In the morning, both of them relate their sexual experience to their friends respectively. This is moral indecency which is incompatible with human dignity and civilized behaviour. This Hadith reckons it as a grave sin which must be
eschewed. The bed-experience must be kept private by the married couple to the exclusion of a third person.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৫: গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব

২/৬৯১। আব্দুল্লাহ ইবনে উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত। যখন উমার রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর কন্যা হাফসা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বিধবা হয়ে গেলেন, তখন তিনি বললেন যে, আমি ‘উসমান ইবনে ‘আফ্ফানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করলাম এবং হাফসাকে বিবাহ করার জন্য দরখাস্ত দিয়ে তাঁকে বললাম, ‘আপনি ইচ্ছা করলে আপনার বিবাহ আমি উমারের কন্যা হাফসার সাথে দিয়ে দিচ্ছি?’ তিনি বললেন, ‘আমি আমার (এ) ব্যাপারে বিবেচনা করব।’ সুতরাং আমি কয়েকটি রাত্রি অপেক্ষা করলাম। অতঃপর তিনি আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ করে বললেন, ‘আমার এখন বিয়ে না করাটাই ভাল মনে করছি।’ (উমার বলেন,) অতঃপর আমি আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু-এর সাথে দেখা করে বললাম, ‘যদি আপনি ইচ্ছা করেন, তাহলে আমি আপনার বিবাহ হাফসার সাথে দিয়ে দই।’ আবূ বকর চুপ থাকলেন এবং কোন উত্তর দিলেন না। সুতরাং আমি ‘উসমান অপেক্ষা তাঁর প্রতি বেশী দুঃখিত হলাম।

তারপর কয়েকটি রাত্রি অপেক্ষা করলাম। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বয়ং তাকে বিবাহের পায়গাম দিলেন। ফলে আমি হাফসার বিবাহ তাঁর সাথেই দিয়ে দিলাম। তারপর আবূ বকর আমার সাথে সাক্ষাৎ করে বললেন, ‘আপনি আমাকে হাফসাকে বিবাহ করার দরখাস্ত দিয়েছিলেন এবং আমি কোন উত্তর দইনি। সেজন্য হয়তো আপনি আমার উপর দুঃখিত হয়েছেন? আমি বললাম, ‘হ্যাঁ।’ তিনি বললেন, ‘আমার আপনাকে উত্তর না দেওয়ার কারণ এই ছিল যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাকে বিবাহ করার ব্যাপারে আলোচনা করেছিলেন। সুতরাং আমি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রকাশ করতে চাচ্ছিলাম না। যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাফসাকে বর্জন করতেন, তাহলে নিশ্চয়ই আমি তাকে গ্রহণ করতাম।’ (বুখারী) [1]

بَابُ حِفْبَابُ حِفْظِ السِّرِّظِ السِّرِّ - (85)

وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ عُمَرَ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّ عُمَرَ رضي الله عنه حِيْنَ تأيَّمَتْ بِنْتُهُ حَفْصَةُ، قَالَ: لَقِيتُ عُثْمَانَ بْنَ عَفّانَ رضي الله عنه، فَعَرَضْتُ عَلَيْهِ حَفْصَةَ، فَقُلْتُ: إنْ شِئْتَ أَنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ بِنْتَ عُمَرَ ؟ قَالَ: سأنْظُرُ فِي أمْرِي . فَلَبِثْتُ لَيَالِيَ ثُمَّ لَقِيَنِي، فَقَالَ: قَدْ بَدَا لِي أنْ لاَ أتَزَوَّجَ يَوْمِي هَذَا . فَلَقِيتُ أَبَا بَكْرٍ رضي الله عنه، فَقُلتُ: إنْ شِئْتَ أنْكَحْتُكَ حَفْصَةَ بنْتَ عُمَرَ، فَصَمتَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه، فَلَمْ يَرْجِعْ إلَيَّ شَيْئاً ! فَكُنْتُ عَلَيْهِ أوْجَدَ مِنِّي عَلَى عُثْمَانَ، فَلَبِثَ لَيَالِيَ ثُمَّ خَطَبَهَا النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم، فَأنْكَحْتُهَا إيَّاهُ. فَلَقِيَنِي أَبُو بَكْرٍ، فَقَالَ: لَعَلَّكَ وَجَدْتَ عَلَيَّ حِيْنَ عَرَضْتَ عَلَيَّ حَفْصَةَ فَلَمْ أرْجِعْ إِلَيْكَ شَيْئاً؟ فَقُلتُ: نَعَمْ، قَالَ: فَإنَّهُ لَمْ يَمْنَعْنِي أَنْ أرْجِعَ إِلَيْكَ فِيمَا عَرَضْتَ عَلَيَّ إِلاَّ أنِّي كُنْتُ عَلِمْتُ أنَّ النبيَّ صلى الله عليه وسلم ذَكَرَهَا، فَلَمْ أكُنْ ِلأُفْشِيَ سِرَّ رَسُولِ الله صلى الله عليه وسلم، وَلَوْ تَرَكَهَا النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم لَقَبِلْتُهَا . رواه البخاري

وعن عبد الله بن عمر رضي الله عنهما: أن عمر رضي الله عنه حين تأيمت بنته حفصة، قال: لقيت عثمان بن عفان رضي الله عنه، فعرضت عليه حفصة، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة بنت عمر ؟ قال: سأنظر في أمري . فلبثت ليالي ثم لقيني، فقال: قد بدا لي أن لا أتزوج يومي هذا . فلقيت أبا بكر رضي الله عنه، فقلت: إن شئت أنكحتك حفصة بنت عمر، فصمت أبو بكر رضي الله عنه، فلم يرجع إلي شيئا ! فكنت عليه أوجد مني على عثمان، فلبث ليالي ثم خطبها النبي صلى الله عليه وسلم، فأنكحتها إياه. فلقيني أبو بكر، فقال: لعلك وجدت علي حين عرضت علي حفصة فلم أرجع إليك شيئا؟ فقلت: نعم، قال: فإنه لم يمنعني أن أرجع إليك فيما عرضت علي إلا أني كنت علمت أن النبي صلى الله عليه وسلم ذكرها، فلم أكن لأفشي سر رسول الله صلى الله عليه وسلم، ولو تركها النبي صلى الله عليه وسلم لقبلتها . رواه البخاري

(85) Chapter: Secrecy of Private Matters (Guarding Secrets)


'Abdullah bin 'Umar (May Allah be pleased with them) reported:
My father 'Umar (May Allah be pleased with him) said: When (his daughter) Hafsah (May Allah be pleased with her) became a widow, I met 'Uthman bin 'Affan (May Allah be pleased with him) and offered Hafsah for marriage to him. 'Uthman said: "I shall think over the matter." I waited for a few days and then 'Uthman met me and said: "It occurred to me that I should not marry at present." Then I met Abu Bakr (May Allah be pleased with him) and said to him: "If you are willing, I shall marry my daughter Hafsah to you." Abu Bakr (May Allah be pleased with him) remained silent and did not utter any word to me in reply. I grew more angry with him than with 'Uthman. I had waited for only a few days when Messenger of Allah (ﷺ) asked for her hand in marriage and I married her to him. Thereafter, I met Abu Bakr (May Allah be pleased with him) who said, "Perhaps you were angry with me when you offered Hafsah to me and I said nothing in reply." I said, "Yes, that is so." He said, "Nothing stopped me to respond to your offer except that I knew that Messenger of Allah (ﷺ) had mentioned her and I could not disclose the secret of Messenger of Allah (ﷺ). Had Messenger of Allah (ﷺ) left her, I would have accepted her."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: To keep a secret and not to disclose it to people is the theme of this chapter as reflected in this Hadith. The Hadith has also other points which invite our attention. Firstly, a man can offer his daughter's hand to a righteous person. Secondly, it is undesirable for parents to send a message to another party for the wedlock of their daughter when talks with someone else are already continuing in this regard. Thirdly, if Messenger of Allah (PBUH) wanted to marry a woman but could not realize his intention for a reason or another, it was permissible for a Muslim to marry her because, juristically speaking, such a woman could not be counted as the Prophet's wife.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৫: গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব

৩/৬৯২। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রীরা সকলেই তাঁর কাছে ছিল। ইত্যবসরে ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হেঁটে (আমাদের নিকট) এল। তার চলন এবং আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চলনের মধ্যে কোন পার্থক্য ছিল না। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে দেখে স্বাগত জানালেন এবং বললেন, ‘আমার কন্যার শুভাগমন হোক।’ অতঃপর তিনি তাকে নিজের ডান অথবা বাম পাশে বসালেন। তারপর তিনি তাকে কানে কানে গোপনে কিছু বললেন। ফাতেমা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা জোরেশোরে কাঁদতে আর‎ম্ভ করলেন। সুতরাং তিনি তার অস্থিরতা দেখে পুনর্বার তাকে কানে কানে কিছু বললেন। ফলে (এবার) সে হাসতে লাগল। (আয়েশা বলেন,) অতঃপর আমি ফাতেমাকে বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর স্ত্রীদের মাঝে (তাদেরকে বাদ দিয়ে) তোমাকে গোপনে কিছু বলার জন্য বেছে নেওয়া সত্ত্বেও তুমি কাঁদছ?’ তারপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন উঠে গেলেন, তখন আমি তাকে বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বললেন?’ সে বলল, ‘আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গোপন কথা প্রকাশ করব না।

অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মৃত্যুবরণ করলে আমি ফাতেমাকে বললাম, ‘তোমার প্রতি আমার অধিকার রয়েছে। তাই আমি তোমাকে কসম দিয়ে বলছি যে, তুমি আমাকে বল, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাকে কী বলেছিলেন?’ সে বলল, ‘এখন বলতে কোন অসুবিধা নেই।’ আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রথমবারে কানাকানি করার সময় আমাকে সংবাদ দিয়েছিলেন যে, ‘‘জিব্রাঈল আলাইহিস সালাম প্রত্যেক বছর একবার (অথবা দু’বার) করে কুরআন শোনান। কিন্তু এখন তিনি দু’বার শুনালেন। সুতরাং আমি বুঝতে পারছি যে, আমার মৃত্যু সন্নিকটে। সুতরাং তুমি (হে ফাতেমা!) আল্লাহকে ভয় করো এবং ধৈর্য ধারণ করো। কেননা, আমি তোমার জন্য উত্তম অগ্রগামী।’’ সুতরাং আমি (এ কথা শুনে) কেঁদে ফেললাম, যা তুমি দেখলে। অতঃপর তিনি আমার অস্থিরতা দেখে দ্বিতীয়বার কানে কানে বললেন, ‘‘হে ফাতেমা! তুমি কি এটা পছন্দ কর না যে, মু’মিন নারীদের তুমি সর্দার হবে অথবা এই উম্মতের নারীদের সর্দার হবে?’’ সুতরাং (এমন সুসংবাদ শুনে) আমি হাসলাম, যা তুমি দেখলে।’ (বুখারী, শব্দাবলী মুসলিমের) [1]

بَابُ حِفْبَابُ حِفْظِ السِّرِّظِ السِّرِّ - (85)

وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كُنَّ أَزْوَاجُ النَّبيِّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَهُ، فَأقْبَلَتْ فَاطِمَةُ رَضِيَ اللهُ عَنهَا تَمْشِي، مَا تُخْطِئُ مِشيتُهَا مِنْ مشْيَةِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم شَيْئاً، فَلَمَّا رَآهَا رَحَّبَ بِهَا، وَقَالَ: «مَرْحَباً بابْنَتِي »، ثُمَّ أجْلَسَهَا عَنْ يَمِينِهِ أَوْ عَنْ شِمَالِهِ، ثُمَّ سَارَّهَا فَبَكتْ بُكَاءً شَدِيداً، فَلَمَّا رَأَى جَزَعَهَا، سَارَّهَا الثَّانِيَةَ فَضَحِكَتْ، فَقُلتُ لَهَا: خَصَّكِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم مِنْ بَيْنِ نِسَائِهِ بِالسِّرَارِ، ثُمَّ أنْتِ تَبْكِينَ ! فَلَمَّا قَامَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم سَألْتُهَا: مَا قَالَ لَكِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ؟ قَالَتْ: مَا كُنْتُ لأُفْشِي عَلَى رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم سِرَّهُ، فَلَمَّا تُوُفِّيَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قُلْتُ: عَزَمْتُ عَلَيْكِ بِمَا لِي عَلَيْكِ مِنَ الحَقِّ، لَمَا حَدَّثْتِنِي مَا قَالَ لَكِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ؟ فَقَالَتْ: أمَّا الآنَ فَنَعَمْ، أمَّا حِيْنَ سَارَّنِي في المَرَّةِ الأُولَى فَأَخْبَرَنِي أَنَّ جِبْريلَ كَانَ يُعَارِضُهُ القُرآنَ فِي كُلِّ سَنَةٍ مَرَّةً أَوْ مَرَّتَيْنِ، وَأنَّهُ عَارَضَهُ الآنَ مَرَّتَيْنِ، وَإنِّي لا أُرَى الأجَلَ إِلاَّ قَدِ اقْتَرَبَ، فَاتَّقِي اللهَ وَاصْبِرِي، فَإِنَّهُ نِعْمَ السَّلَفُ أنَا لَكِ، فَبَكَيْتُ بُكَائِي الَّذِي رَأيْتِ، فَلَمَّا رَأى جَزَعِي سَارَّنِي الثَّانِيَةَ، فَقَالَ: « يَا فَاطِمَةُ، أمَا تَرْضَيْنَ أنْ تَكُونِي سَيِّدَةَ نِسَاءِ المُؤُمِنِينَ، أَوْ سَيَّدَةَ نِساءِ هذِهِ الأُمَّةِ ؟ » فَضَحِكتُ ضَحِكِي الَّذِي رَأيْتِ . متفقٌ عَلَيْهِ، وهذا لفظ مسلم

وعن عائشة رضي الله عنها، قالت: كن أزواج النبي صلى الله عليه وسلم عنده، فأقبلت فاطمة رضي الله عنها تمشي، ما تخطئ مشيتها من مشية رسول الله صلى الله عليه وسلم شيئا، فلما رآها رحب بها، وقال: «مرحبا بابنتي »، ثم أجلسها عن يمينه أو عن شماله، ثم سارها فبكت بكاء شديدا، فلما رأى جزعها، سارها الثانية فضحكت، فقلت لها: خصك رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم من بين نسائه بالسرار، ثم أنت تبكين ! فلما قام رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم سألتها: ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ؟ قالت: ما كنت لأفشي على رسول الله صلى الله عليه وسلم سره، فلما توفي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم قلت: عزمت عليك بما لي عليك من الحق، لما حدثتني ما قال لك رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم ؟ فقالت: أما الآن فنعم، أما حين سارني في المرة الأولى فأخبرني أن جبريل كان يعارضه القرآن في كل سنة مرة أو مرتين، وأنه عارضه الآن مرتين، وإني لا أرى الأجل إلا قد اقترب، فاتقي الله واصبري، فإنه نعم السلف أنا لك، فبكيت بكائي الذي رأيت، فلما رأى جزعي سارني الثانية، فقال: « يا فاطمة، أما ترضين أن تكوني سيدة نساء المؤمنين، أو سيدة نساء هذه الأمة ؟ » فضحكت ضحكي الذي رأيت . متفق عليه، وهذا لفظ مسلم

(85) Chapter: Secrecy of Private Matters (Guarding Secrets)


'Aishah (May Allah be pleased with her) reported:
On one occasion all the wives of the Prophet (ﷺ) were with him when his daughter, Fatimah (May Allah be pleased with her) who walked after the style of his father, came there. He (ﷺ) welcomed her saying, "Welcome, O my daughter", and made her sit on his right side, or on his left side and then whispered something to her at which she wept bitterly. When he perceived her grief, he talked secretly to her again and she smiled (with happiness). I said to her: "Messenger of Allah (ﷺ chose you from amongst all his wives to speak secretly to you and yet you cried." When he left, I asked her, "What did Messenger of Allah (ﷺ) say to you?" She said, "I will not divulge the secret of Messenger of Allah (ﷺ)." When Messenger of Allah (ﷺ) passed away, I said to her: "I adjure you by the right I have in respect of you to tell me what Messenger of Allah (ﷺ) had told you." She said: "Now (when Messenger of Allah (ﷺ) has died), I will tell you. When he whispered to me the first time, he told me, 'Jibril (Gabriel) used to listen to my recitation of the Qur'an and then recite it back to me once or twice a year, and this time he has done it twice; and so I perceive that my death is approaching. Then be mindful of your duty to Allah and be patient and steadfast, for I shall be an excellent predecessor for you.' On this I wept as you saw. When he perceived my distress he talked to me secretly the second time and said, 'O Fatimah, are you not pleased that you will be the chief among the believing women or of this Ummah?' This made me smile as you saw."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith, too, has an implication for keeping a secret and concealing it from people. Moreover, we learn that one can spontaneously weep over hearing a sorrowful occurrence and also that we should be patient in distress. The Hadith also teaches us not to feel proud upon receiving a blessing. Above all, the excellence of Fatimah (May Allah be pleased with her) and the advisability of reading the Qur'an are brought into our focus.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৫: গোপনীয়তা রক্ষা করার গুরুত্ব

৪/৬৯৩। সাবেত হতে বর্ণিত, আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার নিকট এলেন যখন আমি বালকদের সাথে খেলা করছিলাম। অতঃপর তিনি আমাদেরকে সালাম দিয়ে আমাকে কোন কাজে পাঠালেন। সুতরাং আমার মায়ের নিকট আসতে বিলম্ব হয়ে গেল। তারপর যখন আমি (বাড়ি) এলাম, তখন মা বললেন, ‘কিসে তোমাকে আটকে রেখেছিল?’

আমি বললাম, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে কোন প্রয়োজনে পাঠিয়েছিলেন।’ মা বললেন, ‘তাঁর কী প্রয়োজন ছিল?’ আমি বললাম, ‘সেটা তো ভেদের কথা।’ তিনি বললেন, ‘তুমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ভেদ খবরদার (কাউকে) বলবে না।’ আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, ‘আল্লাহর কসম! যদি আমি (এ ভেদ) কাউকে বলতাম, তাহলে তোমাকে বলতাম হে সাবেত!’ (মুসলিম, বুখারী সংক্ষেপে) [1]

بَابُ حِفْبَابُ حِفْظِ السِّرِّظِ السِّرِّ - (85)

وَعَن ثَابِتٍ، عَن أَنَسٍ رضي الله عنه، قَالَ: أتَى عَلَيَّ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وَأنَا ألْعَبُ مَعَ الغِلْمَانِ، فَسَلمَ عَلَيْنَا، فَبَعَثَني إِلَى حَاجَةٍ، فَأبْطَأتُ عَلَى أُمِّي . فَلَمَّا جِئْتُ، قَالَتْ: مَا حَبَسَكَ ؟ فَقُلتُ: بَعَثَني رَسُولُ الله صلى الله عليه وسلم لِحَاجَةٍ، قَالَتْ: مَا حَاجَتُهُ ؟ قُلْتُ: إنَّهاَ سِرٌّ . قَالَتْ: لاَ تُخْبِرَنَّ بِسرِّ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أحَداً، قَالَ أنَسٌ: وَاللهِ لَوْ حَدَّثْتُ بِهِ أحَداً لَحَدَّثْتُكَ بِهِ يَا ثَابِتُ . رواه مسلم وروى البخاري بعضه مختصراً.

وعن ثابت، عن أنس رضي الله عنه، قال: أتى علي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم وأنا ألعب مع الغلمان، فسلم علينا، فبعثني إلى حاجة، فأبطأت على أمي . فلما جئت، قالت: ما حبسك ؟ فقلت: بعثني رسول الله صلى الله عليه وسلم لحاجة، قالت: ما حاجته ؟ قلت: إنها سر . قالت: لا تخبرن بسر رسول الله صلى الله عليه وسلم أحدا، قال أنس: والله لو حدثت به أحدا لحدثتك به يا ثابت . رواه مسلم وروى البخاري بعضه مختصرا.

(85) Chapter: Secrecy of Private Matters (Guarding Secrets)


Thabit (May Allah be pleased with him) reported:
Anas (May Allah be pleased with him) said: Messenger of Allah (ﷺ) came to me while I was playing with the boys. He greeted us and sent me on an errand. This delayed my return to my mother. When I came to her, she asked, "What detained you?" I said; "Messenger of Allah (ﷺ) sent me on an errand." She asked, "What was it?" I said, "It is a secret." My mother said; "Do not disclose to anyone the secret of Messenger of Allah (ﷺ)." Anas (May Allah be pleased with him) said to Thabit (May Allah be pleased with him): By Allah, were I to tell it to anyone I would have told you.

[Muslim].

Commentary: Here, too, an emphasis has been laid on keeping a secret. When Anas (May Allah be pleased with him) told his mother about the cause of secrecy, she refrained from insisting that the secret should be disclosed to her. Rather, she lent support to her son's standpoint and advised him to conceal the secret. To be sure, it is part of moral teaching that we should keep the secrets of friends in our hearts. Unless we receive a go-ahead from a friend, we must not make his secret public.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৬: চুক্তি পূরণ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও অঙ্গীকার পালন করার গুরুত্ব

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ وَأَوۡفُواْ بِٱلۡعَهۡدِۖ إِنَّ ٱلۡعَهۡدَ كَانَ مَسۡ‍ُٔولٗا﴾ [الاسراء: ٣٤]

অর্থাৎ “আর প্রতিশ্রুতি পালন করো; নিশ্চয়ই প্রতিশ্রুতি সম্পর্কে কৈফিয়ত তলব করা হবে।” (সূরা বানী ইস্রাঈল ৩৪ আয়াত)

তিনি অন্যত্র বলেছেন,

﴿ وَأَوۡفُواْ بِعَهۡدِ ٱللَّهِ إِذَا عَٰهَدتُّمۡ ﴾ [النحل: ٩١]

অর্থাৎ “তোমরা যখন পরস্পর অঙ্গীকার কর তখন আল্লাহর অঙ্গীকার পূর্ণ কর।” (সূরা নাহল ৯১ আয়াত)

তিনি অন্য জায়গায় বলেছেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُوٓاْ أَوۡفُواْ بِٱلۡعُقُودِۚ ﴾ [المائ‍دة: ١]

অর্থাৎ “হে ঈমানদারগণ! তোমরা চুক্তিসমূহ পূর্ণ কর।” (সূরা মাইদাহ ১ আয়াত)

তিনি আরো বলেছেন,

﴿ يَٰٓأَيُّهَا ٱلَّذِينَ ءَامَنُواْ لِمَ تَقُولُونَ مَا لَا تَفۡعَلُونَ ٢ كَبُرَ مَقۡتًا عِندَ ٱللَّهِ أَن تَقُولُواْ مَا لَا تَفۡعَلُونَ ٣ ﴾ [الصف: ٢، ٣]

অর্থাৎ “হে বিশ্বাসীগণ! তোমরা যা কর না, তা তোমরা বল কেন? তোমরা যা কর না তোমাদের তা বলা আল্লাহর নিকট অতিশয় অসন্তোষজনক।” (সূরা স্বাফফ ২-৩ আয়াত)


১/৬৯৪। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘মুনাফিকের চিহ্ন হল তিনটি (১) কথা বললে মিথ্যা বলে। (২) ওয়াদা করলে তা খেলাপ করে। এবং (৩) আমানত রাখা হলে তাতে খিয়ানত করে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

মুসলিমের এক বর্ণনায় আছে, ‘‘যদিও সে রোযা রাখে এবং নামায পড়ে ও ধারণা করে যে, সে মুসলিম।’’

بَابُ الْوَفَاءِ بِالْعَهْدِ وَإِنْجَازِ الْوَعْدِ - (86)

وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: آيَةُ المُنَافِقِ ثَلاَثٌ: إِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا وَعَدَ أخْلَفَ، وَإِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ . متفقٌ عَلَيْهِ .
زَادَ في رِوَايةٍ لمسلم: وإنْ صَامَ وَصَلَّى وَزَعَمَ أنَّهُ مُسْلِمٌ

وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قال: آية المنافق ثلاث: إذا حدث كذب، وإذا وعد أخلف، وإذا اؤتمن خان . متفق عليه . زاد في رواية لمسلم: وإن صام وصلى وزعم أنه مسلم

(86) Chapter: Fulfillment of Promises


Allah, the Exalted, says:
"And fulfill (every) covenant. Verily! The covenant will be questioned about. (17:34)
"And fulfill the Covenant of Allah (Bai`ah: pledge for Islam) when you have covenanted.'' (16:91)
"O you who believe! Fulfill (your) obligations.'' (5:1)
"O you who believe! Why do you say that which you do not do? Most hateful it is with Allah that you say that which you do not do.'' (61:2,3)

Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Three are the signs of a hypocrite: When he speaks, he lies; when he makes a promise, he breaks it; and when he is trusted, he betrays his trust."

[Al-Bukhari and Muslim].

Another narration adds the words: "Even if he observes Saum (fasts), performs Salat (prayer) and claims to be a Muslim."

Commentary: This Hadith has already been mentioned in the chapter about trusts. See Commentary on Hadith No. 201. Its repetition here is meant to stress the point that a hypocrite is recognized by breaking his promise.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৬: চুক্তি পূরণ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও অঙ্গীকার পালন করার গুরুত্ব

২/৬৯৫। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ‘‘যার মধ্যে চারটি স্বভাব পাওয়া যাবে, সে খাঁটি মুনাফেক হয়ে যাবে। আর যার মধ্যে এগুলোর একটি স্বভাব থাকবে, তার মধ্যে মুনাফেকীর একটি স্বভাব থেকে যাবে; যতক্ষণ না সে তা বর্জন করবে। (১) তাকে আমানত দেওয়া হলে সে খিয়ানত করবে। (২) কথা বললে মিথ্যা বলবে। (৩) ওয়াদা করলে খেলাপ করবে। এবং (৪) ঝগড়া করলে গালি-গালাজ করবে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الْوَفَاءِ بِالْعَهْدِ وَإِنْجَازِ الْوَعْدِ - (86)

وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا: أنَّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قَالَ: أرْبَعٌ مَنْ كُنَّ فِيهِ كَانَ مُنَافِقاً خَالِصاً، وَمَنْ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنْهُنَّ كَانَتْ فِيهِ خَصْلَةٌ مِنَ النِّفَاقِ حَتَّى يَدَعَهَا: إِذَا اؤْتُمِنَ خَانَ، وَإِذَا حَدَّثَ كَذَبَ، وَإِذَا عَاهَدَ غَدَرَ، وَإِذَا خَاصَمَ فَجَرَ . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما: أن رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، قال: أربع من كن فيه كان منافقا خالصا، ومن كانت فيه خصلة منهن كانت فيه خصلة من النفاق حتى يدعها: إذا اؤتمن خان، وإذا حدث كذب، وإذا عاهد غدر، وإذا خاصم فجر . متفق عليه

(86) Chapter: Fulfillment of Promises


'Abdullah bin 'Amr bin Al-'as (May Allah be pleased with him) reported:
The Messenger of Allah (ﷺ) said, "Four are the qualities which, when found in a person, make him a sheer hypocrite, and one who possesses one of them, possesses one characteristic of hypocrisy until he abandons it. These are: When he is entrusted with something, he betrays trust; when he speaks, he lies; when he promises, he acts treacherously; and when he argues, he behaves in a very imprudent, insulting manner."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Theologically speaking, a disagreement between heart and tongue - or word and deed - about the declaration of faith in Islam is defined as hypocrisy. In the lifetime of the Prophet (PBUH) there existed a group of hypocrites whose traits of characters have been outlined in Ahadith. Humanly it is not possible to perceive malice hidden in one's heart. Even Messenger of Allah (PBUH) hardly knew what lay in the hearts of people because, despite having the exalted status of Prophethood, he was fundamentally a human. Allah, however, had revealed hearts to him. But today, we have no error-free source to pick hypocrites from the ranks of believers. Quite naturally, we fall back on the Hadith which provides us definite symptoms of the character and manners of hypocrites so as to distinguish them from sincere Muslims.

`Ulama' say that there are two aspects of hypocrisy, relating to faith and practice. In the first case, a hypocrite conceals his disbelief in his heart but verbally professes Islam. Anyone who belongs to this category of hypocrites will be, as stated in the Qur'an: "In the lowest depths of the Fire.'' (4:145). In the second case, a man does have faith in his heart but in practice he portrays the characteristics of a hypocrite, unfortunately a majority of today's Muslims practically behave like hypocrites and possess their propensities. It is this hypocritical attitude and moral deficiencies of Muslims that have degraded them and made Islam unappealing. May Allah put Muslims on the right path!


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আমর ইবনুল আস (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৬: চুক্তি পূরণ, প্রতিশ্রুতি রক্ষা ও অঙ্গীকার পালন করার গুরুত্ব

৩/৬৯৬। জাবের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘‘বাহরাইন থেকে মাল এলে তোমাকে এতটা, এতটা এবং এতটা দেব।’’ অতঃপর বাহরাইনের মাল আসার পূর্বেই নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মারা গেলেন। তারপর বাহরাইনের মাল এসে গেলে আবূ বকর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু ঘোষণা করলেন, ‘যার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট প্রাপ্য কোন প্রতিশ্রুতি অথবা ঋণ আছে, সে আমার নিকট আসুক।’ (ঘোষণা শুনে) আমি (জাবের) তাঁকে বললাম যে, ‘নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে এতটা মাল দেওয়ার ওয়াদা করেছিলেন।’ অতঃপর তিনি আঁজলা ভরে আমাকে দিলেন। আমি তা গুণে পাঁচশ’ পেলাম। তারপর তিনি বললেন, ‘এর দ্বিগুণ আরো নাও।’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الْوَفَاءِ بِالْعَهْدِ وَإِنْجَازِ الْوَعْدِ - (86)

وَعَن جَابِرٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم: لَوْ قَدْ جَاءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ أعْطَيْتُكَ هَكَذَا وَهَكَذَا وَهكَذَا فَلَمْ يَجِئْ مَالُ الْبَحْرَينِ حَتَّى قُبِضَ النَّبيُّ صلى الله عليه وسلم، فَلَمَّا جَاءَ مَالُ الْبَحْرَيْنِ أمَرَ أَبُو بَكْرٍ رضي الله عنه فَنَادَى: مَنْ كَانَ لَهُ عِنْدَ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم عِدَةٌ أَوْ دَيْنٌ فَلْيَأتِنَا، فَأتَيْتُهُ وَقُلْتُ لَهُ: إنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِي كَذَا وَكَذَا، فَحَثَى لِي حَثْيَةً فَعَدَدْتُهَا، فَإِذَا هِيَ خَمْسُمِئَةٍ، فَقَالَ لِي: خُذْ مِثْلَيْهَا . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن جابر رضي الله عنه، قال: قال لي النبي صلى الله عليه وسلم: لو قد جاء مال البحرين أعطيتك هكذا وهكذا وهكذا فلم يجئ مال البحرين حتى قبض النبي صلى الله عليه وسلم، فلما جاء مال البحرين أمر أبو بكر رضي الله عنه فنادى: من كان له عند رسول الله صلى الله عليه وسلم عدة أو دين فليأتنا، فأتيته وقلت له: إن النبي صلى الله عليه وسلم قال لي كذا وكذا، فحثى لي حثية فعددتها، فإذا هي خمسمئة، فقال لي: خذ مثليها . متفق عليه

(86) Chapter: Fulfillment of Promises


Jabir (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said to me, "When the revenues of Bahrain will arrive, I shall give you such and such and such." He passed away before the revenues were received. When they arrive during the caliphate of Abu Bakr (May Allah be pleased with him), he ordered to be announced: "Anyone whom Messenger of Allah (ﷺ) promised or owed anything, should come to him." I went to him and said: "Messenger of Allah (ﷺ) had said to me such and such." He took a double handful out of the money and gave it to me. I counted it and found that it was five hundred dirham. Then Abu Bakr (May Allah be pleased with him) said to me: "Take twice as much more of that amount."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Messenger of Allah (PBUH), according to Al-Bukhari, spread his both hands thrice in a gesture and indicated to Jabir (May Allah be pleased with him): "I will give you double handfuls of money thrice''. Abu Bakr (May Allah be pleased with him), however, fulfilled the Prophet's promise during his caliphate.
This Hadith is suggestive of fulfillment of the deceased pledge by the ascendant, that is, his death will not invalidate it. Rather, the responsibility of fulfilling his pledge devolves upon his inheritors. Similarly, a new ruler is under obligation to carry out the commitment made by his predecessor on the government level.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৭: সদাচার অব্যাহত রাখার গুরুত্ব

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ إِنَّ ٱللَّهَ لَا يُغَيِّرُ مَا بِقَوۡمٍ حَتَّىٰ يُغَيِّرُواْ مَا بِأَنفُسِهِمۡۗ ﴾ [الرعد: ١١]

অর্থাৎ “নিশ্চয় আল্লাহ কোন সম্প্রদায়ের অবস্থা পরিবর্তন করেন না; যতক্ষণ না তারা নিজেদের অবস্থা নিজেরা পরিবর্তন করে।” সূরা রা'দ ১১ আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿ وَلَا تَكُونُواْ كَٱلَّتِي نَقَضَتۡ غَزۡلَهَا مِنۢ بَعۡدِ قُوَّةٍ أَنكَٰثٗا﴾ [النحل: ٩٢]

অর্থাৎ “তোমরা সে নারীর মত হয়ো না, যে তার সুতা মজবুত করে পাকাবার পর ওর পাক খুলে নষ্ট করে দেয়।” (সূরা নাহ্‌ল ৯২ আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿ وَلَا يَكُونُواْ كَٱلَّذِينَ أُوتُواْ ٱلۡكِتَٰبَ مِن قَبۡلُ فَطَالَ عَلَيۡهِمُ ٱلۡأَمَدُ فَقَسَتۡ قُلُوبُهُمۡۖ ﴾ [الحديد: ١٦]

অর্থাৎ “পূর্বে যাদেরকে কিতাব দেওয়া হয়েছিল তাদের মত তারা হবে না বহুকাল অতিক্রান্ত হয়ে গেলে যাদের অন্তর কঠিন হয়ে পড়েছিল।” (সূরা হাদীদ ১৬ আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿فَمَا رَعَوۡهَا حَقَّ رِعَايَتِهَاۖ ﴾ [الحديد: ٢٧]

অর্থাৎ “এটাও তারা যথাযথভাবে পালন করেনি।” (সূরা হাদীদ ২৭ আয়াত)


১/৬৯৭। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ইবনুল ‘আস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একদা আমাকে বললেন, ‘‘হে আব্দুল্লাহ! তুমি অমুকের মত হয়ো না, যে রাত্রে উঠে ইবাদত করত, অতঃপর সে রাতের (তাহাজ্জুদ) নামায ছেড়ে দিয়েছে।’’ (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ الْأَمْرِ بِالْمُحَافَظَةِ عَلٰى مَا اِعْتَادَهُ مِنَ الْخَيْرِ - (87)

وَعَن عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاصِ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «يَا عبْدَ اللهِ ! لاَ تَكُنْ مِثْلَ فُلانٍ، كَانَ يَقُومُ اللَّيْلَ فَتَرَكَ قِيَامَ اللَّيْلِ». متفقٌ عَلَيْهِ

وعن عبد الله بن عمرو بن العاص رضي الله عنهما، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «يا عبد الله ! لا تكن مثل فلان، كان يقوم الليل فترك قيام الليل». متفق عليه

(87) Chapter: Safeguarding and Perpetuating Good Habits


Allah, the Exalted, says:
"Verily, Allah will not change the (good) condition of a people as long as they do not change their state (of goodness) themselves (by committing sins and by being ungrateful and disobedient to Allah).'' (13:11)
"And be not like her who undoes the thread which she has spun, after it has become strong.'' (16:92)
"... lest they become as those who received the Scripture [the Taurat (Torah) and the Injeel (Gospel)] before (i.e., Jews and Christians), and the term was prolonged for them and so their hearts were hardened?'' (57:16)
"But that they did not observe it with the right observance.'' (57:27)


'Abdullah bin 'Amr bin Al-'as (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said to me, "O 'Abdullah! Do not be like so-and-so; he used to get up at night for optional prayer but abandoned it later."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith also stresses the same point, that is, man should be steadfast in his good doings. There should be no cessation in this respect, otherwise, he will unconsciously begin to incline to evil and, therefore, to the erosion of moral foundations of his character. Steadfastness in the observance of good ensures man's security against pitfalls and has Divine approval, too.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৮: মিষ্টি কথা বলা এবং হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার গুরুত্ব

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ۡ وَٱخۡفِضۡ جَنَاحَكَ لِلۡمُؤۡمِنِينَ ﴾ [الحجر: ٨٨]

অর্থাৎ “মু’মিনদের জন্য তুমি তোমার বাহুকে অবনমিত রাখ।” সূরা হিজর ৮৮ আয়াত)

তিনি আরো বলেন,

﴿ وَلَوۡ كُنتَ فَظًّا غَلِيظَ ٱلۡقَلۡبِ لَٱنفَضُّواْ مِنۡ حَوۡلِكَۖ ﴾ [ال عمران: ١٥٩]

অর্থাৎ “আল্লাহর দয়ায় তুমি তাদের প্রতি হয়েছিলে কোমল-হৃদয়; যদি তুমি রূঢ় ও কঠোর চিত্ত হতে তাহলে তারা তোমার আশপাশ হতে সরে পড়ত।” (সূরা আলে ইমরান ১৫৯ আয়াত)


১/৬৯৮। আদী ইবনে হাতেম রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, যদি আধখানা খেজুর দান করে জাহান্নামের আগুন থেকে বাঁচতে পার তবুও বাঁচ। যদি কোন ব্যক্তি এটাও না পায়, তাহলে সে যেন ভাল কথা বলে বাঁচে। (বুখারী ও মুসলিম) [1]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ طِيْبِ الْكَلَامِ وَطَلَاقَةِ الْوَجْهِ عِنْدَ اللِّقَاءِ - (88)

وَعَن عَدِيِّ بنِ حَاتِمٍ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « اتَّقُوا النَّارَ وَلَوْ بِشِقِّ تَمْرَةٍ فَمَنْ لَمْ يَجِدْ فَبِكَلِمَةٍ طَيِّبَةٍ ». متفقٌ عَلَيْهِ

وعن عدي بن حاتم رضي الله عنه، قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: « اتقوا النار ولو بشق تمرة فمن لم يجد فبكلمة طيبة ». متفق عليه

(88) Chapter: Excellence of Meeting with a Smiling Countenance and Politeness in Speech


Allah, the Exalted, says:
"And lower your wings for the believers (be courteous to the fellow-believers).'' (15:88)
"And had you been severe and harsh-hearted, they would have broken away from about you.'' (3:159)

'Adi bin Hatim (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Guard yourselves against the Fire (of Hell) even if it be only with half a date-fruit (given in charity); and if you cannot afford even that, you should at least say a good word."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith highlights the point that Sadaqah has great benefits and even in its minimum scope and quantity it can ensure our safety against Hell-fire. We are told that if we do not have even a single date or half of it to give to a needy person, we can manage to have the same benefit by talking to him in a compassionate tone, provided we have Faith in our heart.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আদী ইবনু হাতিম (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৮: মিষ্টি কথা বলা এবং হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার গুরুত্ব

২/৬৯৯। আবূ হুরাইরা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ভাল কথা বলাও সাদকাহ। (বুখারী ও মুসলিম, বিস্তারিত হাদীস পূর্বে উল্লিখিত হয়েছে।) [1]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ طِيْبِ الْكَلَامِ وَطَلَاقَةِ الْوَجْهِ عِنْدَ اللِّقَاءِ - (88)

وَعَن أَبي هُرَيرَةَ رضي الله عنه: أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم، قَالَ: وَالكَلِمَةُ الطَّيِّبَةُ صَدَقَةٌ . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن أبي هريرة رضي الله عنه: أن النبي صلى الله عليه وسلم، قال: والكلمة الطيبة صدقة . متفق عليه

(88) Chapter: Excellence of Meeting with a Smiling Countenance and Politeness in Speech


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported:
The Prophet (ﷺ) said, "It is also charity to utter a good word."

[Al- Bukhari and Muslim].

Commentary: In Islam, it is not spending money alone that counts as charity; talking to somebody in a decent way also comes in the same context. Now, one can feel the importance Islam gives to moral values and good manners. This saying of Messenger of Allah (PBUH) is part of a long Hadith mentioned earlier. See Hadith No. 122.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৮: মিষ্টি কথা বলা এবং হাসি মুখে সাক্ষাৎ করার গুরুত্ব

৩/৭০০। আবূ যার্র রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, একদা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বললেন, ‘‘তুমি কোন ভাল কাজকে তুচ্ছ মনে করো না। যদিও তুমি তোমার ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করতে পার।’’ (মুসলিম) (অর্থাৎ মুসলিম ভাইয়ের সাথে হাসিমুখে সাক্ষাৎ করাও একটি ভালো কাজ।) [1]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ طِيْبِ الْكَلَامِ وَطَلَاقَةِ الْوَجْهِ عِنْدَ اللِّقَاءِ - (88)

وَعَن أَبي ذَرٍّ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لاَ تَحْقِرَنَّ مِنَ الْمَعْرُوفِ شَيْئاً، وَلَوْ أنْ تَلْقَى أخَاكَ بوَجْهٍ طَلْقٍ». رواه مسلم

وعن أبي ذر رضي الله عنه، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «لا تحقرن من المعروف شيئا، ولو أن تلقى أخاك بوجه طلق». رواه مسلم

(88) Chapter: Excellence of Meeting with a Smiling Countenance and Politeness in Speech


Abu Dharr (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do not disdain a good deed, (no matter how small it may seem) even if it is your meeting with your (Muslim) brother with a cheerful face."

[Muslim].

Commentary: Every deed approved by the Shari`ah is considered good and rewarding. Howsoever seemingly small people may consider it, it must not be looked at from a highbrow angle. Even to meet people cheerfully is one of the Islamic virtues, though it may appear quite insignificant to some people.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৯: কথা স্পষ্ট করে বলা এবং সম্বোধিত ব্যক্তি বুঝতে না পারলে একটি কথাকে বারবার (পুনরাবৃত্তি) বলা উত্তম

১/৭০১। আনাস রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন কথা বুঝাবার জন্য তিনবার করে বলতেন এবং কোন সম্প্রদায়ের নিকট এলে তিনবার সালাম দিতেন। (বুখারী) [1]


* (কথা জটিল হলে প্রয়োজনে তিনবার ঘুরিয়ে-ফিরিয়ে বলতেন। আর সভা বড় হলে অথবা কতক মানুষ শুনতে না পেলে অথবা প্রবেশ-অনুমতি নিতে হলে তিনবার সালাম দিতেন।)

اِسْتِحْبَابِ بَيَانِ الْكَلَامِ وَإِيْضَاحِهِ لِلْمُخَاطَبِوَتَكْرِيْرِهِ لِيَفْهَمَ إِذَا لَمْ يَفْهَمْ إِلَّا بِذٰلِكَ - (89)

عَن أَنَسٍ رضي الله عنه: أنَّ النَّبيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا تَكَلَّمَ بِكَلِمَةً أعَادَهَا ثَلاَثاً حَتَّى تُفْهَمَ عَنْهُ، وَإِذَا أتَى عَلَى قَوْمٍ فَسَلَّمَ عَلَيْهِمْ سَلَّمَ عَلَيْهِمْ ثَلاَثاً . رواه البخاري

عن أنس رضي الله عنه: أن النبي صلى الله عليه وسلم كان إذا تكلم بكلمة أعادها ثلاثا حتى تفهم عنه، وإذا أتى على قوم فسلم عليهم سلم عليهم ثلاثا . رواه البخاري

(89) Chapter: Clarity of Discourse


Anas (May Allah be pleased with him) reported:
Whenever the Prophet (ﷺ) said something, he would repeat his words thrice so that the meanings would be understood fully; and whenever he came upon a group of people, he would greet them, and he would repeat salutation thrice.


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: To lay stress on a point thrice or to repeat greetings, according to this Hadith, is preferable. It is particularly so when a situation so demands and when explaining a point to the audience once and twice may not be enough.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৮৯: কথা স্পষ্ট করে বলা এবং সম্বোধিত ব্যক্তি বুঝতে না পারলে একটি কথাকে বারবার (পুনরাবৃত্তি) বলা উত্তম

২/৭০২। আয়েশা রাদিয়াল্লাহু‘‘আনহা বলেন, ‘রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কথা স্পষ্ট ছিল, সব শ্রোতাই তা বুঝে ফেলত।’ (আবূ দাঊদ) [1]

اِسْتِحْبَابِ بَيَانِ الْكَلَامِ وَإِيْضَاحِهِ لِلْمُخَاطَبِوَتَكْرِيْرِهِ لِيَفْهَمَ إِذَا لَمْ يَفْهَمْ إِلَّا بِذٰلِكَ - (89)

وَعَن عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ كَلاَمُ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم كَلاماً فَصْلاً يَفْهَمُهُ كُلُّ مَنْ يَسْمَعُهُ . رواه أَبُو داود

وعن عائشة رضي الله عنها، قالت: كان كلام رسول الله صلى الله عليه وسلم كلاما فصلا يفهمه كل من يسمعه . رواه أبو داود

(89) Chapter: Clarity of Discourse


'Aishah (May Allah be pleased with her) reported:
the speech of Messenger of Allah (ﷺ) was so clear that all those who listened to it would understand it.

[Abu Dawud].

Commentary: Interpreting `Aishah's report, some commentators say that Messenger of Allah (PBUH) used to speak clearly and decisively. However, it may also mean that, while speaking, he would pause upon his words in such a way that each and every word which came from his lips appeared detached from the other. He was never like those who speak quickly and their words are mixed up with each other. This Hadith reflects the Prophet's eloquence as well as his due care and decency in putting in his viewpoint to the convenience of his audience.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৯০: সঙ্গীর বৈধ কথাবার্তা মনোযোগ দিয়ে শোনা, আলেম ও বক্তার সভায় সমবেত জনগণকে চুপ থাকতে অনুরোধ করা

১/৭০৩। জারীর ইবনে ‘আব্দুল্লাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জ্বে আমাকে বললেন, ‘‘সমবেত জনগণকে চুপ করতে বল।’’ তারপর বললেন, ‘‘আমার পর তোমরা কাফের হয়ে ফিরো না যে, একে অন্যের গর্দান কর্তনে প্রবৃত্ত হবে।’’ (অর্থাৎ নিজেদের মধ্যে খুনাখুনি ও হানাহানিতে জড়িয়ে পড়ো না)। (বুখারী-মুসলিম)[1]

إِصْغَاءِ الْجَلِيْسِ لِحَدِيْثِ جَلِيْسِهِ الَّذِيْ لَيْسَ بِحَرَامٍوَّاِسْتِنْصَاتِ الْعَالِمِ وَالْوَاعِظِ حَاضِرِيْ مَجْلِسِهِ - (90)

عَن جَرِيرِ بنِ عَبدِ اللهِ رضي الله عنه، قَالَ: قَالَ لِي رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم فِي حَجَّةِ الْوَدَاعِ: «اِسْتَنْصِتِ النَّاسَ» ثُمَّ قَالَ: «لاَ تَرْجِعُوا بَعْدِي كُفّاراً يَضْرِبُ بَعْضُكُمْ رِقَابَ بَعْضٍ». متفقٌ عَلَيْهِ

عن جرير بن عبد الله رضي الله عنه، قال: قال لي رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم في حجة الوداع: «استنصت الناس» ثم قال: «لا ترجعوا بعدي كفارا يضرب بعضكم رقاب بعض». متفق عليه

(90) Chapter: Listening Attentively


Jarir bin 'Abdullah (May Allah be pleased with him) reported:
Messenger of Allah (ﷺ) asked me on the occasion of the Farewell Pilgrimage to tell the people to keep silent, then he (ﷺ) said, "Do not revert to disbelief after me, chopping the heads of one another."


[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: Commenting on this Hadith, Imam An-Nawawi has argued that one is allowed to lend ear to somebody if he has something reasonable to say. This will not be considered as eavesdropping which is unallowable on doctrinal basis. Secondly, silence is a prerequisite of setting ears to a sermon. And a Khatib (one who delivers a sermon) is perfectly justified if he asks his audience to observe silence so as to be able to listen to him in real earnest.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৯১: ওয়ায-নসীহত এবং তাতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার বিবরণ

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿ ٱدۡعُ إِلَىٰ سَبِيلِ رَبِّكَ بِٱلۡحِكۡمَةِ وَٱلۡمَوۡعِظَةِ ٱلۡحَسَنَةِۖ ﴾ [النحل: ١٢٥]

অর্থাৎ “তুমি মানুষকে তোমার প্রতিপালকের পথে আহবান কর হিকমত ও সদুপদেশ দ্বারা।” (সূরা নাহল ১২৫ আয়াত)


১/৭০৪। আবূ ওয়ায়েল শাক্বীক্ব ইবনে সালামা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ইবনে মাসঊদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু প্রত্যেক বৃহস্পতিবারে আমাদেরকে নসীহত শুনাতেন। একটি লোক তাঁকে নিবেদন করল, ‘হে আবূ আব্দুর রহমান! আমার বাসনা এই যে, আপনি আমাদেরকে যদি প্রত্যেক দিন নসীহত শুনাতেন (তো ভাল হত)।’ তিনি বললেন, ‘স্মরণে রাখবে, আমাকে এতে বাধা দিচ্ছে এই যে, আমি তোমাদেরকে বিরক্ত করতে অপছন্দ করি। আমি নসীহতের ব্যাপারে তোমাদের প্রতি ঠিক ঐভাবে লক্ষ্য রাখছি, যেভাবে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের বিরক্ত হবার আশংকায় উক্ত বিষয়ে আমাদের প্রতি লক্ষ্য রাখতেন।’ (অর্থাৎ মাঝে-মধ্যে বিশেষ প্রয়োজন মাফিক নসীহত শুনাতেন।) (বুখারী-মুসলিম)[1]

الْوَعْظُ وَالْاِقْتِصَادُ فِيْهِ - (91)

وَعَن أَبي وَائِلٍ شَقِيقِ بنِ سَلَمَةَ، قَالَ: كَانَ ابنُ مَسْعُودٍ رضي الله عنه يُذَكِّرُنَا في كُلِّ خَمِيسٍ، فَقَالَ لَهُ رَجُلٌ: يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمانِ، لَوَدِدْتُ أنَّكَ ذَكَّرْتَنَا كُلَّ يَوْمٍ، فَقَالَ: أمَا إنَّهُ يَمْنَعُنِي مِنْ ذَلِكَ أنَّي أكْرَهُ أنْ أُمِلَّكُمْ، وَإنِّي أتَخَوَّلُكُمْ بِالْمَوْعِظَةِ، كَمَا كَانَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَتَخَوَّلُنَا بِهَا مَخَافَةَ السَّآمَةِ عَلَيْنَا . متفقٌ عَلَيْهِ

وعن أبي وائل شقيق بن سلمة، قال: كان ابن مسعود رضي الله عنه يذكرنا في كل خميس، فقال له رجل: يا أبا عبد الرحمان، لوددت أنك ذكرتنا كل يوم، فقال: أما إنه يمنعني من ذلك أني أكره أن أملكم، وإني أتخولكم بالموعظة، كما كان رسول الله صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يتخولنا بها مخافة السآمة علينا . متفق عليه

(91) Chapter: Brevity in Preaching


Allah, the Exalted, says:
"Invite (mankind, O Muhammad (PBUH)) to the way of your Rubb (i.e., Islam) with wisdom (i.e., with the Divine Revelation and the Qur'an) and fair preaching.'' (16:125)

Shaqiq bin Salamah reported:
Ibn Mas'ud (May Allah be pleased with him) used to preach to us once every Thursday. A man said to him: "O Abu 'Abdur-Rahman, we love your talk and we wish that you preach us every day." He said: "There is nothing to prevent me from doing so, but I don't lest I bore you. I follow the same method in preaching to you that Messenger of Allah (ﷺ) adopted in preaching to us for fear of boredom."

[Al-Bukhari and Muslim].

Commentary: This Hadith throws light on the indispensability of equilibrium in sermons and discourses so that people may not shun them. Monotony, though well designed, is repugnant to human nature. Similarly, teaching and
instructional training requires such hours which may facilitate people's willing participation. Compulsion and economic incentives rarely work in spiritual spheres. We are also informed of the Companions' keenness to follow Messenger of Allah (PBUH).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners

পরিচ্ছেদঃ ৯১: ওয়ায-নসীহত এবং তাতে মধ্যমপন্থা অবলম্বন করার বিবরণ

২/৭০৫। আবুল ইয়াক্বাযান ‘আম্মার ইবনে ইয়াসের রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘মানুষের (জুম‘আর) দীর্ঘ নামায ও তার সংক্ষিপ্ত খুতবা তার শরয়ী জ্ঞানের পরিচায়ক। অতএব তোমরা নামায লম্বা কর এবং খুতবা ছোট কর।’’ (মুসলিম)[1]

الْوَعْظُ وَالْاِقْتِصَادُ فِيْهِ - (91)

وَعَن أَبي اليَقَظَانِ عَمَّارِ بنِ يَاسِرٍ رَضِيَ اللهُ عَنهُمَا، قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ الله ِصلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «إنَّ طُولَ صَلاَةِ الرَّجُلِ، وَقِصَرَ خُطْبَتِهِ، مَئِنَّةٌ مِنْ فِقهِهِ، فَأَطِيلُوا الصَّلاَةَ وَأقْصِرُوا الْخُطْبَةَ ». رواه مسلم

وعن أبي اليقظان عمار بن ياسر رضي الله عنهما، قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم، يقول: «إن طول صلاة الرجل، وقصر خطبته، مئنة من فقهه، فأطيلوا الصلاة وأقصروا الخطبة ». رواه مسلم

(91) Chapter: Brevity in Preaching


'Ammar bin Yasir (May Allah be pleased with them) reported:
I heard Messenger of Allah (ﷺ) saying, "Prolonging Salat (prayer) and shortening the Khutbah (religious talk) indicate the religious knowledge of the person. Make your Salat long and your sermon short."

[Muslim].

Commentary: A prolonged Salat (prayer) by no means implies a disregard of worshipper's constraints. It is indeed forbidden. Rather the Imam is emphatically told to perform a brief and concise Salat because his followers also include, amongst others, the weak, the aged and the sick people. Herein an emphasis is laid on prolonging Salat instead of Khutbah (religious talk). The Friday Khutbah is meant to be brief. It must not be too lengthy in relation to
a brief Salat offered heedlessly and in sheer haste. Salat must be offered in all humility and with full attention and concentration of mind. Furthermore, a worshippper ought to maintain a well-paused equilibrium in different
postures of its performance. Brevity should be kept in view of Khutbah.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب) The Book of Good Manners
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৪৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 পরের পাতা »