৬০৫৪

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - উমার ফারূক (রাঃ)-এর মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য

৬০৫৪-[২০] আসলাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইবনু উমার (রাঃ) আমাকে তার অর্থাৎ ’উমার (রাঃ)-এর গুণাগুণ সম্পর্কে প্রশ্ন করলেন, তখন আমি তাকে বললাম, রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মৃত্যুর পর আমি ’উমার (রাঃ) তুলনায় দীনের কাজে অধিক দৃঢ় ও সঠিক কর্মপরায়ণ আর কোন লোককে দেখিনি। তিনি তাঁর শেষ বয়স অবধি একই অবস্থায় প্রতিষ্ঠিত রয়েছেন। (বুখারী)

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب مَنَاقِب عمر)

وَعَن أسلم قَالَ: سَأَلَنِي ابْنُ عُمَرَ بَعْضَ شَأْنِهِ - يَعْنِي عُمَرَ - فَأَخْبَرْتُهُ فَقَالَ: مَا رَأَيْتُ أَحَدًا قَطُّ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مِنْ حِينِ قُبِضَ كَانَ أَجَدَّ وَأَجْوَدَ حَتَّى انْتهى من عمر. رَوَاهُ البُخَارِيّ

رواہ البخاری (3687) ۔
(صَحِيح)

وعن أسلم قال: سألني ابن عمر بعض شأنه - يعني عمر - فأخبرته فقال: ما رأيت أحدا قط بعد رسول الله صلى الله عليه وسلم من حين قبض كان أجد وأجود حتى انتهى من عمر. رواه البخاري

ব্যাখ্যা: (عَن أسلم) আসলাম হলেন ‘উমার (রাঃ)-এর দাস, তার উপনাম আবূ খালিদ, তিনি হাবশী গোলাম ছিলেন। কেউ কেউ বলেন, তিনি ইয়ামানী গোলাম ছিলেন, হজ্জ পালনের জন্য আবূ বাকর (রাঃ) তাকে হজ্জের নেতা বানিয়ে পাঠান। যখন খলীফাহ্ মারওয়ান মৃত্যুবরণ করেন তখন তার বয়স ছিল ১১৪ বছর।
(سَأَلَنِي ابْنُ عُمَرَ بَعْضَ شَأْنِهِ - يَعْنِي عُمَرَ) সম্ভবত এখানে ঐ সকল গুণাগুণ উদ্দেশ্য যেগুলো মানুষের জানা নেই এবং পার্থিব ঐ সকল বৈশিষ্ট্য যা আল্লাহ ও তার মাঝে বন্ধন সৃষ্টি করেছিল ইখলাসের ভিত্তিতে।
(مَا رَأَيْتُ أَحَدًا قَطُّ بَعْدَ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ) ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এখানে দুটি সম্ভাবনা রয়েছে: ১. রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর মৃত্যুর পর, ২. অথবা রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর পর।
(حَتَّى انْتهى من عمر) ইমাম সুয়ূত্বী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, উপরোক্ত উক্তি ‘উমার (রাঃ)-এর খিলাফতকালে। এ কথা দ্বারা আবূ বাকর (রাঃ) বের হয়ে গেলেন।
(أَجَدَّ وَأَجْوَدَ) দীন পালনে অধিক প্রচেষ্টা থাকা। (أَجَدَّ) অধিক দানশীল। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ, ফাতহুল বারী হা. ৩৬৮৭)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসলাম (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)