আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে 9 টি

পরিচ্ছেদঃ ৫/১০৯. দিনের বেলা নফল সালাত পড়া উত্তম।

১/১১৬১। আসেম ইবনু দমরা আস-সালূলী থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা আলী (রাঃ) কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর দিনের বেলার নফল সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, তোমরা তা করতে সমর্থ নও। আমরা বললাম, আপনি আমাদের সেই সম্পর্কে অবহিত করুন, আমরা তা থেকে আমাদের সাধ্যমত গ্রহণ করবো। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের সালাত পড়ার পর কিছুক্ষণ অবসর থাকতেন। অবশেষে সূর্য আসরের সময় পশ্চিমাকাশে যত উপরে থাকে, পূর্বাকাশে ঠিক ততটা উপরে উঠলে তিনি দু রাকআত সালাত আদায় করতো, অতঃপর অবসর থাকতেন।

অবশেষে পশ্চিম আকাশে সূর্য যতটা উপরে থাকলে যোহরের সালাতের ওয়াক্ত থাকে, পূর্বাকাশে সূর্য ঠিক ততখানি উপরে উঠলে তিনি চার রাকআত সালাত আদায় করতো। সূর্য পশ্চিমাকাশে ঢলে পড়ার পর তিনি যোহরের (ফরয) সালাতের পূর্বে চার রাকআত এবং পরে দু রাকআত পড়তেন। তিনি আসরের পূর্বেও দু সালাম চার রাকআত সালাত আদায় করতো এবং তার মাঝখানে নৈকট্যপ্রাপ্ত ফেরেশতাগণ, আম্বিয়া (আলাইহিস সালাম) এবং তাদের অনুগত মুমিন মুসলিমদের জন্য শান্তি ও স্বস্তি কামনা করতেন (তাশাহ্হুদ পড়তেন)। আলী বলেন, এই হলো রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিনের বেলার ষোল রাকআত নফল সালাত। খুব কম লোকই তার উপর স্থায়ীভাবে আমল করতে পারে।

ওয়াকী (রহঃ) বলেন, আমার পিতা এতে আরো বলেছেন, হাবীব ইবনু আবূ সাবিত (রহ) বলেছেন, হে আবূ ইসহাক! আপনার এই হাদীসের পরিবর্তে এই মসজিদে ভর্তি সোনা আমার মালিকানাভুক্ত হলে তাও আমার প্রিয় হতো না।

بَاب مَا جَاءَ فِيمَا يُسْتَحَبُّ مِنْ التَّطَوُّعِ بِالنَّهَارِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، وَأَبِي، وَإِسْرَائِيلُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ السَّلُولِيِّ، قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا عَنْ تَطَوُّعِ، رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِالنَّهَارِ فَقَالَ إِنَّكُمْ لاَ تُطِيقُونَهُ فَقُلْنَا أَخْبِرْنَا بِهِ نَأْخُذْ مِنْهُ مَا اسْتَطَعْنَا ‏.‏ قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ إِذَا صَلَّى الْفَجْرَ يُمْهِلُ حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَاهُنَا - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ - بِمِقْدَارِهَا مِنْ صَلاَةِ الْعَصْرِ مِنْ هَا هُنَا - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَغْرِبِ - قَامَ فَصَلَّى رَكْعَتَيْنِ ثُمَّ يُمْهِلُ حَتَّى إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا - يَعْنِي مِنْ قِبَلِ الْمَشْرِقِ - مِقْدَارَهَا مِنْ صَلاَةِ الظُّهْرِ مِنْ هَا هُنَا قَامَ فَصَلَّى أَرْبَعًا وَأَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ إِذَا زَالَتِ الشَّمْسُ وَرَكْعَتَيْنِ بَعْدَهَا وَأَرْبَعًا قَبْلَ الْعَصْرِ يَفْصِلُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ بِالتَّسْلِيمِ عَلَى الْمَلاَئِكَةِ الْمُقَرَّبِينَ وَالنَّبِيِّينَ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنَ الْمُسْلِمِينَ وَالْمُؤْمِنِينَ ‏.‏ قَالَ عَلِيٌّ فَتِلْكَ سِتَّ عَشْرَةَ رَكْعَةً تَطَوُّعُ رَسُولِ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ بِالنَّهَارِ وَقَلَّ مَنْ يُدَاوِمُ عَلَيْهَا ‏.‏ قَالَ وَكِيعٌ زَادَ فِيهِ أَبِي فَقَالَ حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ يَا أَبَا إِسْحَاقَ مَا أُحِبُّ أَنَّ لِي بِحَدِيثِكَ هَذَا مِلْءَ مَسْجِدِكَ هَذَا ذَهَبًا ‏.‏


It was narrated that ‘Asim bin Damrah As-Saluli said: “We asked ‘Ali about the voluntary (prayer) of Allah’s Messenger (ﷺ) during the day. He said: ‘You will not be able.’ We said: ‘Inform us of it, we will do what we can of it?’ So he said: ‘When he prayed the Fajr he would delay praying any more. When the sun appeared over there (west) – like it appears here, meaning in the direction of the east, about the amount for the ‘Asr prayer from there, meaning in the direction of the west, meaning before the Maghrib – he would stand and perform two Rak’ah* then he would delay praying until the sun appeared over there (west), meaning in the direction of the east, about the amount of the Zuhr prayer from there, then he would stand and perform four. And, four before the Zuhr when the sun passed the zenith, and two Rak’ah after it, and, four before the ‘Asr, separating between every two Rak’ah with Taslim** upon the angels that are close (to Allah), the Prophets, and those who follow them among the Muslims and the believers.’” 'Ali said: "That is sixteen Rak'ah of voluntary prayer which Allah's Messenger (ﷺ) performed during the day. And there are very few who offer them regularly." Waki` said: “My father added: Habib bin Abu Thabit said: ‘O Abu Ishaq, this mosque filled with gold would not be dearer to me than this Hadith of yours.’”


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/১১৪. বিতরের সালাত।

২/১১৬৯। আসেম ইবনু দমরা আস-সালূলী (রহ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) বলেছেন, নিশ্চয় বিতর বাধ্যতামূলক সালাত (নামায/নামাজ) নয় এবং তোমাদের ফরয সালাতের সম-পর্যায়ভুক্তও নয়। কিন্তু রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিতরের সালাত (নামায/নামাজ) আদায় করেছেন, অতঃপর বলেছেনঃ হে আহলে কুরআন! তোমরা বিতরের সালাত পড়ো। নিশ্চয় আল্লাহ বিতর (বেজোড়), তিনি বিতরকে ভালবাসেন।

بَاب مَا جَاءَ فِي الْوِتْرِ

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ السَّلُولِيِّ، قَالَ قَالَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ إِنَّ الْوِتْرَ لَيْسَ بِحَتْمٍ وَلاَ كَصَلاَتِكُمُ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنْ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم ـ أَوْتَرَ ‏.‏ ثُمَّ قَالَ ‏ "‏ يَا أَهْلَ الْقُرْآنِ أَوْتِرُوا فَإِنَّ اللَّهَ وِتْرٌ يُحِبُّ الْوِتْرَ ‏"‏ ‏.‏


‘Ali bin Abu Talib said: “Witr is not definite (obligatory) nor is it like your prescribed prayers. But the Messenger of Allah (ﷺ) prayed Witr, then he said: ‘O people of the Qur’an! Perform Witr, for Allah is Witr* and He loves the odd (numbered).’”


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ বিতর ফরয নয়।

৪৫৪. সুফইয়ান সাওরী প্রমুখ (রহঃ) ...... আসিম ইবনু যামরা (রহঃ) সূত্রে বর্ণনা করেন যে, আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু বলেছেনঃ ফরয সালাতের অনুরূপ বিতরের সালাত (নামায/নামাজ) অবশ্য করনীয় নয়। এ হ’ল রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রচলিত এক সুন্নাত। - সহিহুত তারগীব ৫৯০, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৫৪ এর প্রথমাংশ [আল মাদানী প্রকাশনী]

باب مَا جَاءَ أَنَّ الْوِتْرَ لَيْسَ بِحَتْمٍ

وَرَوَى سُفْيَانُ الثَّوْرِيُّ، وَغَيْرُهُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ الْوِتْرُ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَهَيْئَةِ الصَّلاَةِ الْمَكْتُوبَةِ وَلَكِنْ سُنَّةٌ سَنَّهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏.‏


Sufyan Ath-Thawri and others reported from Abu Ishaq, from Asim bin Damrah, that : Ali said: "Al-Witr is not incumbent like the status of the obligatory prayers, but it is a Sunnah which Allah's Messenger practiced."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ রাসূল (ﷺ) কেমন করে দিনের নফল সালাত আদায় করতেন।

৫৯৮. মাহমূদ ইবনু গায়লান (রহঃ) .... আসিম ইবনু দামরা (রহঃ) থেকে বর্ণিত যে তিনি বলেনঃ আমরা আলী রাদিয়াল্লাহু আনহু কে রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দিনের সালাত (নামায/নামাজ) সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করেছিলাম। তিনি বলেনঃ তোমরা তা পারবে না। আমরা বললামঃ আমাদের মধ্যে যে তা পারবে (সে তা অবলম্বন করবে)। তিনি বললেনঃ সূর্য যখন (পূর্বদিকে) সেইখানে উঠে আসে, যেইখানে আসরের ওয়াক্তে (পশ্চিমদিকে) থাকে, তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকআত (সালাতুল ইশরাক) আদায় করতেন। আর সূর্য যখন (পূর্বদিকে) সেইখানে উঠে আসে। যেইখানে যোহরের ওয়াক্তে (পশ্চিমদিকে) থাকে, তখন তিনি চার রাকআত (সালাতুয্-যুহা) আদায় করতেন। তিনি যোহরের পূর্বে চার রাকআত, পরে দু’রাকআত এবং আসরের পূর্বে চার রাকআত (সুন্নাত) সালাত আদায় করতেন। আর প্রতি দু’রাকআতের মাঝে আল্লাহর নিকটবর্তী ফেরেশতা, নাবী, রাসূল ও তাঁদের অনুসরণকারী মুমিন মুসলিমদের প্রতি সালাম প্রেরণের মাধ্যমে (অর্থাৎ তাশাহ্হুদের মাধ্যমে) ব্যবধান করতেন। - ইবনু মাজাহ ১১৬১, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৫৯৮ [আল মাদানী প্রকাশনী]

باب كَيْفَ كَانَ تَطَوُّعُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِالنَّهَارِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ النَّهَارِ فَقَالَ إِنَّكُمْ لاَ تُطِيقُونَ ذَاكَ ‏.‏ فَقُلْنَا مَنْ أَطَاقَ ذَاكَ مِنَّا ‏.‏ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا كَهَيْئَتِهَا مِنْ هَا هُنَا عِنْدَ الْعَصْرِ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَإِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا كَهَيْئَتِهَا مِنْ هَا هُنَا عِنْدَ الظُّهْرِ صَلَّى أَرْبَعًا وَصَلَّى أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَقَبْلَ الْعَصْرِ أَرْبَعًا يَفْصِلُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ بِالتَّسْلِيمِ عَلَى الْمَلاَئِكَةِ الْمُقَرَّبِينَ وَالنَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ ‏.‏


Asim bin Damrah said: "We asked Ali about the prayer of the Messenger of Allah during the day. He said: 'You will not be able to do that.' We said: 'Whoever among is able (he will)?' So he said: 'When the sun appeared over there (east) like it appears here (west) at Asr, the Messenger of Allah would pray two Rak'ah, and when the sun appeared over there (east) like it appears here (west) at Zuhr, he would pray four Rak'ah. And he would pray four before Zuhr and two after it, and four before Asr separating between every two Rak'ah with At-Taslim upon the angels that are close (to Allah) and those who follow them among the believers, and the Muslims."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬৭. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের নামায কেমন ছিল?

৫৯৮। আসিম ইবনু যামরা (রহঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেনঃ আমরা আলী (রাঃ)-কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু 'আলাইহি ওয়াসাল্লামের দিনের বেলার নামায প্রসঙ্গে প্রশ্ন করলাম। তিনি বললেন, তোমরা সে রকম নামায আদায় করতে সক্ষম হবে না। আমরা বললাম, আমাদের মধ্যে কে সে রকম আদায় করতে সক্ষম হবে? তিনি বললেন, যখন সূর্য এদিকে (পূর্বকাশে) এরূপ হতো যেমন আসরের সময় হয়ে থাকে, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দুই রাকাআত (সালাতুল ইশরাক) নামায আদায় করতেন। আবার যখন সূর্য এদিকে (পূর্বকাশে) এরূপ হতো, যেমন যুহরের ওয়াক্তের সময় (পশ্চিমাকাশে) হয় তখন তিনি চার রাকাআত (সালাতুদ যুহা) নামায আদায় করতেন।

তিনি যুহরের পূর্বে চার রাকাআত এবং পরে দুই রাকাআত এবং আসরের পূর্বে চার রাকাআত নামায আদায় করতেন। তিনি নৈকট্য লাভকারী ফেরেশতা, নাবী-রাসূল এবং তাদের অনুসারী মু'মিন মুসলমানদের প্রতি সালাম পাঠানোর মাধ্যমে প্রতি দুই রাকাআতের মাঝখানে অন্তরাল সৃষ্টি করতেন। (অর্থাৎ দুই দুই রাকাআত করে আদায় করতেন)। —হাসান। ইবনু মাজাহ- ১১৬১)।

باب كَيْفَ كَانَ تَطَوُّعُ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِالنَّهَارِ

حَدَّثَنَا مَحْمُودُ بْنُ غَيْلاَنَ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ جَرِيرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، قَالَ سَأَلْنَا عَلِيًّا عَنْ صَلاَةِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ النَّهَارِ فَقَالَ إِنَّكُمْ لاَ تُطِيقُونَ ذَاكَ ‏.‏ فَقُلْنَا مَنْ أَطَاقَ ذَاكَ مِنَّا ‏.‏ فَقَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا كَهَيْئَتِهَا مِنْ هَا هُنَا عِنْدَ الْعَصْرِ صَلَّى رَكْعَتَيْنِ وَإِذَا كَانَتِ الشَّمْسُ مِنْ هَا هُنَا كَهَيْئَتِهَا مِنْ هَا هُنَا عِنْدَ الظُّهْرِ صَلَّى أَرْبَعًا وَصَلَّى أَرْبَعًا قَبْلَ الظُّهْرِ وَبَعْدَهَا رَكْعَتَيْنِ وَقَبْلَ الْعَصْرِ أَرْبَعًا يَفْصِلُ بَيْنَ كُلِّ رَكْعَتَيْنِ بِالتَّسْلِيمِ عَلَى الْمَلاَئِكَةِ الْمُقَرَّبِينَ وَالنَّبِيِّينَ وَالْمُرْسَلِينَ وَمَنْ تَبِعَهُمْ مِنَ الْمُؤْمِنِينَ وَالْمُسْلِمِينَ ‏.‏


Asim bin Damrah said: "We asked Ali about the prayer of the Messenger of Allah during the day. He said: 'You will not be able to do that.' We said: 'Whoever among is able (he will)?' So he said: 'When the sun appeared over there (east) like it appears here (west) at Asr, the Messenger of Allah would pray two Rak'ah, and when the sun appeared over there (east) like it appears here (west) at Zuhr, he would pray four Rak'ah. And he would pray four before Zuhr and two after it, and four before Asr separating between every two Rak'ah with At-Taslim upon the angels that are close (to Allah) and those who follow them among the believers, and the Muslims."


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪৫. যে ব্যক্তি প্রসিদ্ধি ও পরিচিতিকে অপছন্দ করে

৫৪৪. আসিম ইবনু যামরাহ হতে বর্ণিত, তিনি লোকদেরকে সাঈদ ইবনু জুবাইরের পেছনে পেছনে চলতে দেখলেন। তিনি বলেন: এরপর আমি তাকে (তার অনুসরণ করা থেকে) তাদেরকে নিষেধ করতে দেখলাম। আর তিনি বললেন: তোমাদের এ কর্ম কিংবা তোমাদের এ (অনুসরনে) পথচলা অনুসরণকারীর জন্য অবমাননাকর বিষয় এবং যাকে অনুসরণ করা হচ্ছে তার জন্য এটি একটি ফিতনা স্বরূপ।[1]

بَابُ مَنْ كَرِهَ الشُّهْرَةَ وَالْمَعْرِفَةَ

أَخْبَرَنَا مَخْلَدُ بْنُ مَالِكٍ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ مُحَمَّدٍ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ الْهَيْثَمِ عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ أَنَّهُ رَأَى أُنَاسًا يَتْبَعُونَ سَعِيدَ بْنَ جُبَيْرٍ قَالَ فَأُرَاهُ قَالَ نَهَاهُمْ وَقَالَ إِنَّ صَنِيعَكُمْ هَذَا أَوْ مَشْيَكُمْ هَذَا مَذَلَّةٌ لِلتَّابِعِ وَفِتْنَةٌ لِلْمَتْبُوعِ
إسناده حسن من أجل عاصم بن ضمرة والهيثم بن حبيب الصيرفي


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২০৮. বিতর সম্পর্কে

১৬১৭. আসিম ইবনু জামরাহ বলেন, আমি আলী (রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু) কে বলতে শুনেছি যে, নিশ্চয় বিতির (ফরয) সালাতের ন্যায় বাধ্যতামূলক নয়, তবে এটি একটি সুন্নাত। তাই তোমরা এটি পরিত্যাগ করো না।[1]

بَاب فِي الْوِتْرِ

حَدَّثَنَا عَفَّانُ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ قَالَ سَمِعْتُ عَاصِمَ بْنَ ضَمْرَةَ قَالَ سَمِعْتُ عَلِيًّا يَقُولُ إِنَّ الْوِتْرَ لَيْسَ بِحَتْمٍ كَالصَّلَاةِ وَلَكِنَّهُ سُنَّةٌ فَلَا تَدَعُوهُ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ইচ্ছাকৃত হত্যার সদৃশ-এর দিয়াত

৪৫৫১। আসিম ইবনু দমরাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রাঃ) বলেছেন, ভুলবশত হত্যার দিয়াত তিন ধরণেরঃ তেত্রিশটি চার বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী, তেত্রিশটি পাঁচ বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী এবং চৌত্রিশটি তিন বছরে পদার্পণকারী উষ্ট্রী, যা ছয় থেকে নয় বছর বয়সী দিয়াত হিসেবে ধার্য।[1]

সনদ দুর্বল।

بَابٌ فِي دِيَةِ الْخَطَإِ شِبْهِ الْعَمْدِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الْأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، عَنْ عَلِيٍّ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ، أَنَّهُ قَالَ: فِي شِبْهِ الْعَمْدِ أَثْلَاثٌ ثَلَاثٌ وَثَلَاثُونَ حِقَّةً، وَثَلَاثٌ وَثَلَاثُونَ جَذَعَةً، وَأَرْبَعٌ وَثَلَاثُونَ ثَنِيَّةً إِلَى بَازِلِ عَامِهَا وَكُلُّهَا خَلِفَةٌ

ضعيف الإسناد


Narrated 'Abd Allah (b. Mas'ud): The bloodwit for unintentional murder which resembles intentional is twenty-five she camels which entered their fourth year, twenty five she-camels which had entered their fifth year, twenty five she-camels which had entered their third year, and twenty five camels which had entered their second year.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৯. ইচ্ছাকৃত হত্যার সদৃশ-এর দিয়াত

৪৫৫২। আসিম ইবনু দামরাহ (রহঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী (রহঃ) বলেছেন, ভুলবশত হত্যার দিয়াত চার ধরণেরঃ চার বছরে পদার্পণকারী পঁচিশটি উষ্ট্রী, পাঁচ বছরে পদার্পণকারী পঁচিশটি উষ্ট্রী, তিন বছরে পদার্পণকারী পঁচিশটি উষ্ট্রী এবং দু’ বছরে পদার্পণকারী পঁচিশটি উষ্ট্রী।[1]

দুর্বল।

بَابٌ فِي دِيَةِ الْخَطَإِ شِبْهِ الْعَمْدِ

حَدَّثَنَا هَنَّادٌ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ، قَالَ قَالَ عَلِيٌّ رضى الله عنه فِي الْخَطَإِ أَرْبَاعًا خَمْسٌ وَعِشْرُونَ حِقَّةً وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ جَذَعَةً وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ بَنَاتِ لَبُونٍ وَخَمْسٌ وَعِشْرُونَ بَنَاتِ مَخَاضٍ ‏.‏

ضعيف الإسناد


Narrated 'Ali: The bloodwit for unintentional murder is in four parts: twenty five she-camels in their fourth year, twenty five she-camels in their fifth year, twenty five she-camels in their third year, and twenty twenty five she-camels in their second year.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আসিম ইবনু যামরাহ (রহঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৯ পর্যন্ত, সর্বমোট ৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে