ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
৩৯০৭

পরিচ্ছেদঃ উমরাহর জন্য সাহাবীদের ইহরাম বাঁধার পর, আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম পূর্বে বর্ণিত নির্দেশ কোন জায়গায় দিয়েছিলেন, তার বিবরণ

৩৯০৭. আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাথে হজের মাস ও হজের রাতগুলোতে, হজের হারামের সময়ে বের হই। অতঃপর আমরা সারিফ নামক জায়গায় যাত্রা বিরতি দেই। আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম তাঁর সাহাবীদের উদ্দেশ্যে বের হন এবং তাদেরকে বলেন, “যার সাথে হাদী (কুরবানীর পশু নেই, এবং সে এটাকে উমরাহতে পরিণত করতে চায়, সে যেন তা করে। আর যার সাথে কুরবানীর পশু রয়েছে, সে রকম করবে না।”

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর তাঁর সাহাবীদের মাঝে কতিপয় সাহাবী সেটা গ্রহণ করেন আর কিছু গ্রহণ করেননি। আর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ও কিছু সাহাবী শক্তিশালী ছিলেন এবং তাদের সাথে কুরবানীর পশু ছিল। তারা উমরাহ (এর মাঝে পরিবর্তন) করতে পারেননি।

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমার কাছে আসেন, এসময় আমি কাঁদছিলাম। তখন তিনি আমাকে বলেন, “বিবি, কোন জিনিস তোমাকে কাঁদাচ্ছে (তুমি কাঁদছো কেন)?” আমি বললাম, “সাহাবীদের উদ্দেশ্যে আপনার কথা আমি শ্রবণ করেছি। আর আমি তো উমরাহ থেকে বঞ্চিত হয়ে গেলাম!” তিনি বলেন, “তোমার কী হয়েছে?” আমি বললাম, “আমি সালাত আদায় করছি না।” তিনি বলেন, “এটা তোমার কোন ক্ষতি করবে না। তুমি আদম কন্যাদের মাঝে একজন নারী, আল্লাহ তাদের জন্য নির্ধারণ করেছেন, তা তোমার জন্যও নির্ধারণ করেছেন। তুমি তোমার হজে কাজ অব্যাহত রাখবে, হয়তো তুমি উমরাহ করতে সক্ষম হবে।”

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “আমরা হজে তাঁর সাথে বের হই, এমনকি আমরা মিনায় আগমন করি। এসময় আমি পবিত্র হই। অতঃপর আমি বাইতুল্লাহয় তাওয়াফে ইফাযাহ করি। আমি অন্য এক দলে তাঁর সাথে বের হই। অতঃপর তিনি মুহাসসাব নামক জায়গায় যাত্রা বিরতি দেন। আমরাও তাঁর সাথে যাত্রা বিরতি দেই। তারপর তিনি আব্দুর রহমান বিন আবূ বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমাকে ডেকে বলেন, “তুমি তোমার বোনকে নিয়ে হারামের বাইরে নিয়ে যাও। অতঃপর সে যেন সেখান থেকে উমরাহর ইহরাম বাঁধে। উমরাহ শেষ করে তোমরা এখানে আসবে। কেননা তোমরা না আসা পর্যন্ত  আমি তোমাদের জন্য অপেক্ষা করবো”

আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা অতঃপর উমরাহ করার জন্য বের হই অতঃপর উমরাহ সম্পন্ন করি। এবং তাওয়াফও সম্পন্ন করি। তারপর ভোরে আমি তাঁর কাছে আসি। তখন তিনি বলেন, “তোমরা কি (উমরাহ) সম্পন্ন করেছো?” আমি বললাম, “জ্বী, হ্যাঁ।”

রাবী বলেন, “তারপর তিনি সাহাবীদের মাঝে রওয়ানা দেওয়ার ঘোষনা দিলেন। ফলে লোকজন রওয়ানা দেন। অতঃপর তিনি ফজরের সালাতের আগে বাইতুল্লাহর পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন এবং বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করেন। তারপর তিনি বের হন এবং বাহনে উঠেন। তারপর তিনি মাদীনা অভিমূখে রওয়ানা হন।”[1]

ذِكْرُ الْمَوْضِعِ الَّذِي أَمَرَهُمُ الْمُصْطَفَى صلى الله عليه وسلم بِمَا وَصَفْنَا فِيهِ بَعْدَ تَقْدِمَتِهِمُ الإهلال بعمرة

3907 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْهَمْدَانِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ قَالَ: حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ قَالَ: حَدَّثَنَا أَفْلَحُ بْنُ حُمَيْدٍ قَالَ: سَمِعْتُ الْقَاسِمَ بْنَ مُحَمَّدٍ عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي أَشْهُرِ الْحَجِّ وَلَيَالِي الْحَجِّ وحُرْمِ الْحَجِّ حَتَّى نَزَلْنَا بِسَرِفٍ قَالَتْ: فَخَرَجَ صلى الله عليه وسلم إِلَى أَصْحَابِهِ فَقَالَ: (مَنْ لَمْ يَكُنْ مَعَهُ هَدْيٌ وَأَحَبَّ أَنْ يَجْعَلَهَا عَمْرَةً فَلْيَفْعَلْ وَمَنْ كَانَ مَعَهُ الْهَدْيُ فَلَا) قَالَتْ: فَالْآخِذُ بِهَا وَالتَّارِكُ لَهَا مِنْ أَصْحَابِهِ قَالَتْ: فَأَمَّا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ورجال من أصحابه فكانوا أهل قوة فَكَانَ مَعَهُمُ الْهَدْيُ فَلَمْ يَقْدِرُوا عَلَى الْعُمْرَةِ قَالَتْ: فَدَخَلَ عَلَيَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَنَا أَبْكِي فَقَالَ: (مَا يُبْكِيكِ يا هنتاه؟ ) قلت: قد سمعت قولك لأصحابك فمُنِعْتُ الْعُمْرَةَ قَالَ: (وَمَا شَأْنُكِ؟ ) قَالَتْ: لَا أُصَلِّي قَالَ: (فَلَا يَضُرُّكِ إِنَّمَا أَنْتِ امْرَأَةٌ من بنات آدم كتب الله عليك ما كَتَبَ عَلَيْهِنَّ فَكُونِي فِي حَجَّتِكِ فَعَسَى أَنْ تُدْرِكِيهَا) قَالَتْ: فَخَرَجْنَا فِي حَجِّهِ حَتَّى قَدِمْنَا مِنًى فَطَهَرْتُ ثُمَّ خَرَجْتُ مِنْ مِنًى فَأَفَضْتُ الْبَيْتَ قَالَتْ: ثُمَّ خَرَجْتُ مَعَهُ فِي النَّفْرِ الْآخَرِ حَتَّى نَزَلَ الْمُحَصَّبُ وَنَزَلْنَا مَعَهُ فَدَعَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: (اخْرُجْ بِأُخْتِكَ مِنَ الْحَرَمِ فَلْتُهِلَّ بِعُمْرَةٍ ثُمَّ افْرُغَا ثُمَّ ائْتِيَا هُنَا فَإِنِّي أَنْظُرُكُمَا حَتَّى تَأْتِيَانِي) قَالَتْ: فَخَرَجْتُ لِذَلِكَ حَتَّى فَرَغْتُ وَفَرَغْتُ مِنَ الطَّوَافِ ثُمَّ جِئْتُهُ سَحْرًا فَقَالَ صلى الله عليه وسلم: (هَلْ فرغتم؟ ) قلت: نعم قال: فأذَّن بالرحيل في أَصْحَابِهِ فَارْتَحَلَ النَّاسُ فَمَرَّ بِالْبَيْتِ قَبْلَ صَلَاةِ الصُّبْحِ فَطَافَ بِهِ ثُمَّ خَرَجَ فَرَكِبَ ثُمَّ انصرف متوجهاً إلى المدينة. الراوي : عَائِشَةُ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 3907 | خلاصة حكم المحدث: صحيح - ((حجة النبي)) (ص 68 ـ 69).