লগইন করুন
পরিচ্ছেদঃ (৯) সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা প্রসঙ্গে বর্ণনা - যেই হাদীস প্রমাণ করে যে, হজ ও উমরাহ সম্পাদনকারী ব্যক্তির জন্য সাফা ও মারওয়া পাহাড়ের মাঝে সাঈ করা ফরয; তরক করা বৈধ নয়
৩৮২৮. উরওয়া বিন যুবাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাকে জিজ্ঞেস করি, আর সে সময় আমি অল্প বয়সী ছিলাম। আমি বলি, “আল্লাহর এই বাণীর বিষয়ে আপনার অভিমত কী? আল্লাহর বলেছেন, إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا (নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহর হজ বা উমরাহ করবে, তার জন্য কোন গোনাহ নেই এই দুটো তাওয়াফ করা।–সূরা বাকারাহ: ১৫৮), কাজেই কোন ব্যক্তি এই দুটো তাওয়াফ না করলে, তার জন্য আমি কোন দোষ মনে করি না!” তখন আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “কক্ষনো নয়। তুমি যেমনটা বলছো, যদি ব্যাপারটি তেমনি হতো, তবে আয়াতটি এমন হতো, فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لَا يَطَّوَّفَ بِهِمَا (তবে তাতে তাওয়াফ না করাতে তার জন্য কোন গোনাহ নেই) বস্তুত আয়াতটি আনসারদের ব্যাপারে অবতীর্ণ হয়েছে। তারা মানাত মূর্তির জন্য ইহরাম বাঁধতো, আর মানাত মূর্তিটি কুদাইদ বরাবর ছিল এবং তারা সাফা ও মারওয়ার মাঝে তাওয়াফ করাকে দূষণীয় মনে করতো। যখন ইসলামের আগমন হয়, তখন তারা আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এই বিষয়ে জিজ্ঞেস করেন, তখন এই আয়াত নাযিল হয়-, إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شاكر عليم (নিশ্চয়ই সাফা ও মারওয়া আল্লাহর নিদর্শনসমূহের অন্তর্ভুক্ত। কাজেই যে ব্যক্তি বাইতুল্লাহর হজ বা উমরাহ করবে, তার জন্য কোন গোনাহ নেই এই দুটো তাওয়াফ করা। আর যে ব্যক্তি স্বতঃস্ফূর্তভাবে ভালো কাজ করবে, তবে নিশ্চয়ই আল্লাহ কৃতজ্ঞ, সর্বজ্ঞ।–সূরা বাকারাহ: ১৫৮)।”[1]
9 - بَابٌ السَّعْيُ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ - ذِكْرُ الْخَبَرِ الدَّالِّ عَلَى أَنَّ السَّعْيَ بَيْنَ الصَّفَا وَالْمَرْوَةِ عَلَى الْحَاجِّ وَالْمُعْتَمِرِ فَرْضٌ لَا يسع تركه
3828 - أخبرنا عمر بن سعيد سِنَانٍ أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ أَنَّهُ قَالَ: (قُلْتُ لِعَائِشَةَ ـ وَأَنَا يَوْمَئِذٍ حَدِيثُ السِّنِّ ـ: أَرَأَيْتَ قَوْلَ اللَّهِ ـ جَلَّ وَعَلَا ـ: {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يَطَّوَّفَ بِهِمَا} [البقرة: 158] فَمَا أَرَى عَلَى أَحَدٍ شَيْئًا أَنْ لَا يطَّوف بِهِمَا؟! قَالَتْ عَائِشَةُ: كَلَّا لَوْ كَانَتْ كَمَا تَقُولُ كَانَتْ: (فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ لَا يَطَّوَّفَ بِهِمَا) إِنَّمَا نَزَلَتْ هَذِهِ الْآيَةُ فِي الْأَنْصَارِ كَانُوا يُهِلُّونَ لِمَنَاةَ ، وَكَانَتْ مَنَاةُ حَذْوَ قُدَيْدٍ ، وَكَانُوا يَتَحَرَّجُونَ أن يطَّوفوا بين الصفا والمروة فما جَاءَ الْإِسْلَامُ سَأَلُوا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَأَنْزَلَ اللَّهُ {إِنَّ الصَّفَا وَالْمَرْوَةَ مِنْ شَعَائِرِ اللَّهِ فَمَنْ حَجَّ الْبَيْتَ أَوِ اعْتَمَرَ فَلَا جُنَاحَ عَلَيْهِ أَنْ يطَّوَّف بِهِمَا وَمَنْ تَطَوَّعَ خَيْرًا فَإِنَّ اللَّهَ شاكر عليم} [البقرة: 158]. الراوي : عُرْوَة | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 3828 | خلاصة حكم المحدث: صحيح - ((صحيح أبي داود)) (1659): ق.