৩৭৮০

পরিচ্ছেদঃ যে ব্যক্তি হজের ইহরাম বেঁধেছে, তার প্রতি নির্দেশ হলো তিনি মক্কায় আগমনের সময় সেটাকে উমরাহয় পরিণত করবেন, অতঃপর নতুন করে হজের ইহরাম বাঁধবেন

৩৭৮০. জাবির বিন আব্দুল্লাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “আমরা রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সাহাবীগণ হজের সাথে কোন কিছুকে যোগ না করে শুধু হজের ইহরাম বাঁধি। অতঃপর আমরা যুল হিজ্জাহ মাসের চার তারিখ সকালে মক্কায় পৌঁছি। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে হালাল হয়ে যাওয়ার নির্দেশ দেন। তিনি বলেন, “তোমরা হালাল হয়ে যাও এবং এটাকে তোমরা উমরাহ বানিয়ে নাও।তারপর তাঁর কাছে এই মর্মে সংবাদ পৌঁছলো যে, আমরা বলছি, “যখন আমাদের মাঝে ও আরাফার মাঝে পাঁচ দিন বাকী রয়েছে, তখন তিনি আমাদেরকে আদেশ করেছেন যেন আমরা হালাল হয়ে যাই। আমরা আরাফায় যাবে এমন অবস্থায় যে, আমাদের লিঙ্গ থেকে বীর্য ফোটায় ফোটায় পড়বে!”[1] তখন ভাষণ দেওয়ার উদ্দেশ্যে দাঁড়ান এবং বলেন, “তোমরা যা বলেছো, তা আমার কাছে পৌঁছেছে। আর নিশ্চয়ই আমি তোমাদের মাঝে সবচেয়ে বেশি পুণ্যবান ও সবচেয়ে বেশি আল্লাহকে ভয় করি। যদি (আমার সাথে) কুরবানীর পশু না থাকতো, তবে অবশ্যই আমি হালাল হয়ে যেতাম। আর আমি আমার এই বিষয়টিতে পরে যা জানছি, তা যদি আগে জানতাম, তবে আমি সাথে কুরবানীর পশু নিয়ে আসতাম না।”

রাবী বলেন, “আলী রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু ইয়ামান থেকে আগমন করেন, অতঃপর তিনি বলেন, “তুমি কী ইহরাম বেঁধেছো?” জবাবে তিনি বলেন, “যা আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম ইহরাম বেঁধেছেন।” তখন তিনি বলেন, “তবে তুমি হাদী (কুরবানীর পশু) সাথে নাও। আর যেভাবে হারাম ছিলে, সেভাবে অবস্থান করো।” রাবী বলেন, “সুরাকাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাঁকে বলেন, “হে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম, আমাদের এই উমরাহ কি এই বছরের জন্য, নাকি চিরদিনের জন্য?” তিনি জবাবে বলেন, “বরং চিরদিনের জন্য।”[2]

ذِكْرُ الْأَمْرِ لِمَنْ أَهَل بِالْحَجِّ أَنْ يَجْعَلَهَا عمْرَةً عِنْدَ قُدُومِهِ مَكَّةَ إِلَى وَقْتِ إِنْشَائِهِ الحج منها

3780 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى حَدَّثَنَا أَبُو خَيْثَمَةَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ عَنْ ابن جريح أَخْبَرَنِي عَطَاءٌ: عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ قَالَ: أَهْلَلْنَا أَصْحَاب النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم بِالْحَجِّ خَالِصًا لَيْسَ مَعَهُ شَيْءٌ غَيْرُهُ فَقَدِمْنَا مَكَّةَ ـ صُبْحَ رَابِعَةٍ مَضَتْ مِنْ ذِي الْحِجَّةِ ـ فَأَمَرَنَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ نُحِلَّ قَالَ: (أحِلُّوا وَاجْعَلُوهَا عَمْرَةً) فَبَلَغَهُ عَنَّا أَنا نَقُولُ: لما لَمْ يَكُنْ بَيْنَنَا وَبَيْنَ عَرَفَةَ إِلَّا خَمْسًا أَمَرَنَا أَنْ نُحِلَّ نَرُوحُ إِلَى مِنًى وَمَذَاكِيرُنَا تقطُرُ مِنَ المَنِيِّ؟! فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم خَطِيبًا فَقَالَ: (قَدْ بَلَغَنِي الَّذِي قُلْتُمْ وَإِنِّي لأَبَرُّكُمْ وأتْقَاكُم وَلَوْلَا الْهَدْيُ لَحَلَلْتُ وَلَوِ استقبلتُ مِنْ أَمْرِي مَا استدبرتُ مَا أهديتُ) قَالَ: وَقَدِمَ عَلِيٌّ مِنَ الْيَمَنِ فَقَالَ: (بِمَ أهللتَ؟ ) قَالَ: بِمَا أَهَلَّ بِهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم قَالَ: (فَأهْدِ وامكُث حَرَامًا كَمَا أَنْتَ) قَالَ: وَقَالَ لَهُ سراقةُ: يَا رَسُولَ اللَّهِ عُمْرَتُنَا هَذِهِ لِعَامِنَا أَمْ لِلْأَبَدِ؟ قَالَ: فَقَالَ: (بل للأبد) الراوي : جَابِر بْن عَبْدِ اللَّهِ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 3780 | خلاصة حكم المحدث: صحيح - ((صحيح أبي داود)) (1569): ق.