পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৭৭-[১২] শুরায়হ ইবনু ’উবায়দ (রহিমাহুল্লাহ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন ’আলী (রাঃ)- এর সামনে শাম (সিরিয়া)-বাসীদের আলোচনা হয়। তখন কেউ বলল, হে আমীরুল মু’মিনীন! তাদের ওপর লা’নাতের বদ’দুআ করুন। উত্তরে ’আলী (রাঃ) বললেন, না, (লা’নাত করব না)। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি, ’আবদাল সিরিয়াতেই হয়। তাঁরা চল্লিশ লোক। যখনই তাঁদের কেউ মৃত্যুবরণ করেন, তখনই আল্লাহ তা’আলা তাঁর স্থানে আরেকজনকে নিযুক্ত করেন। তাঁদের বরকতে বৃষ্টি বর্ষিত হয়, তাঁদের ওয়াসীলায় শত্রুদের বিরুদ্ধে সাহায্য পাওয়া যায় এবং তাঁদের বরকতে সিরিয়াবাসীদের ওপর হতে শাস্তি দূর করা হয়।

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

عَنْ شُرَيْحِ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ: ذُكِرَ أَهْلُ الشَّام عِنْد عليٍّ [رَضِي الله عَنهُ] وَقِيلَ الْعَنْهُمْ يَا أَمِيرَ الْمُؤْمِنِينَ قَالَ: لَا أَنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «الْأَبْدَالُ يَكُونُونَ بِالشَّامِ وَهُمْ أَرْبَعُونَ رَجُلًا كُلَّمَا مَاتَ رَجُلٌ أَبْدَلَ اللَّهُ مَكَانَهُ رَجُلًا يُسْقَى بِهِمُ الْغَيْثُ وَيُنْتَصَرُ بِهِمْ عَلَى الأعداءِ وَيصرف عَن أهل الشَّام بهم الْعَذَاب»

اسنادہ ضعیف ، رواہ احمد (1 / 112 ح 896) * شریح بن عبید عن علی رضی اللہ عنہ : منقطع ، فالسند ضعیف لانقطاعہ ۔ وقال سیدنا علی رضی اللہ عنہ :’’ ستکون فتنۃ یحصل الناس منھا کما یحصل الذھب فی المعدن فلا تسبوا اھل الشام و سبوا ظلمتھم فان فیھم الابدال و سیر سل اللہ الیھم سیبًا من السماء فیغرقھم ،،، ‘‘ الخ رواہ الحاکم (4 / 553 ح 8658) و صححہ و وافقہ الذھبی و سندہ صحیح ۔
(ضَعِيف)

عن شريح بن عبيد قال: ذكر أهل الشام عند علي [رضي الله عنه] وقيل العنهم يا أمير المؤمنين قال: لا أني سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: «الأبدال يكونون بالشام وهم أربعون رجلا كلما مات رجل أبدل الله مكانه رجلا يسقى بهم الغيث وينتصر بهم على الأعداء ويصرف عن أهل الشام بهم العذاب»

ব্যাখ্যা: (ذُكِرَ أَهْلُ الشَّام) এখানে শামের অধিবাসী বলতে ‘আলী (রাঃ)-এর বিরোধীদেরকে বুঝানো হয়েছে। যাদের মধ্যে রয়েছে মু'আবিয়াহ্ (রাঃ) এবং তার সাথে যারা শামদেশে ছিলেন। যিনি ‘উমার (রাঃ) এর শাসনকালের শেষ পর্যন্ত শামের শাসনকর্তা ছিলেন। সে কারণে ‘আলী (রাঃ)-এর সামনে তাদের মন্দ আলোচনা করা হয়েছে। এর জবাবে ‘আলী (রাঃ) বললেন, তাদের প্রতি অভিশম্পাত নয়। কারণ তারা আমাদের ভাই, যারা আমাদের বিরোধিতা করেছে। অন্যান্য বর্ণনায় এ কথায় স্পষ্টতাই উল্লেখ হয়েছে। (মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৫)।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৭৮-[১৩] জনৈক সাহাবী হতে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: অদূর ভবিষ্যতে সিরিয়া বিজয় হবে। অতএব যখন তোমাদেরকে সে স্থানে অবস্থানের সুযোগ দেয়া হবে, তখন তোমরা ’দামিশক’ নামীয় শহরকেই গ্রহণ করবে। কারণ তা হবে যুদ্ধ হতে মুসলিমদের নিরাপদ আশ্রয়স্থল এবং শামের তাঁবু। সেখানে আরেকটি মনোমুগ্ধকর স্থান রয়েছে, যার নাম হলো ’গূত্বাহ্’। [উক্ত হাদীস দুটি ইমাম আহমাদ (রহিমাহুল্লাহ) বর্ণনা করেছেন]

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

وَعَنْ رَجُلٍ مِنَ الصَّحَابَةِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: سَتُفْتَحُ الشَّامُ فإِذا خُيِّرْتم المنازلَ فِيهَا فَعَلَيْكُم بِمَدِينَة يُقَال لَهُ دِمَشْقُ فَإِنَّهَا مَعْقِلُ الْمُسْلِمِينَ مِنَ الْمَلَاحِمِ وَفُسْطَاطُهَا مِنْهَا أَرْضٌ يُقَالُ لَهَا: الْغُوطَةُ . رَوَاهُمَا أَحْمَدُ

صحیح ، رواہ احمد (4 / 160 ح 17609 فیہ ابوبکر بن ابی مریم ضعیف و لحدیثہ شواھد عند ابی داود (4298) و سندہ صحیح) وغیرہ وبھا صح الحدیث ۔
(ضَعِيف)

وعن رجل من الصحابة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ستفتح الشام فإذا خيرتم المنازل فيها فعليكم بمدينة يقال له دمشق فإنها معقل المسلمين من الملاحم وفسطاطها منها أرض يقال لها: الغوطة . رواهما أحمد

ব্যাখ্যা: (عَنْ رَجُلٍ) সাহাবীদের মধ্যকার এক ব্যক্তি। তার নাম জানা যায় না। কোন সাহাবীর নাম সম্পর্কে বর্ণনাকারীর না অবগত হওয়া সাহাবীর মর্যাদার কমতি হয় না। কারণ সমস্ত সাহাবী ন্যায়পরায়ণ।
(دِمَشْقُ) অধিকাংশ ও বিশুদ্ধ মতে ‘শাম’ দেশের রাজধানীর নাম। এ নামকরণের কারণ সম্পর্কে বলা হয়েছে, এ শহরটি দিমাশক ইবনু নমরূদ ইবনু কিন’আন স্থাপন করেন। তাই তাঁর নামে এ শহরের নাম দিমাশক রাখা হয়। 'আযীযী বলেন, তিনি ইবরাহীম (আঃ) ও সারাহ্-এর ওপর ঈমান এনেছিলেন। যখন তাঁর পিতা নমরূদ ইবরাহীম (আঃ)-এর নিদর্শনসমূহ দেখতে পেয়েছিলেন, তখন তিনি ছেলেকে তাঁর কাছে প্রেরণ করেন।
(مَعْقِلُ الْمُسْلِمِينَ) যুদ্ধের সময় মুসলিমদের আশ্রয় নেয়ার জায়গা। যেখানে মুসলিম প্রবেশ করে আশ্রয় গ্রহণ করবে। যেমন আশ্রয় নেয় বকরি পাহাড়ের চূড়ায়। (আওনুল মা'বুদ - “জামি'উল কিতাবিত্ তিস্'আহ্” এ্যাপ, হা. ৪২৯৮; মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৫)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৭৯-[১৪] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: খিলাফত মদীনাতে এবং বাদশাহী হলো সিরিয়ায়।

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «الْخِلَافَةُ بِالْمَدِينَةِ وَالْمُلْكُ بِالشَّام»

اسنادہ ضعیف ، رواہ البیھقی فی دلائل النبوۃ (6 / 447) [و الحاکم (3 / 72 ح 4440 ۔ فیہ سلیمان بن ابی سلیمان الھاشمی مولی ابن عباس : لایعرف و ھیشم مدلس و عنعن ۔
(ضَعِيفٌ)

وعن أبي هريرة قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الخلافة بالمدينة والملك بالشام»

ব্যাখ্যা: (لْخِلَافَةُ بِالْمَدِينَةِ) খিলাফত মদীনায় থাকে অর্থাৎ অধিকাংশ সময়ে। এজন্য যে, ‘আলী (রাঃ) স্বীয় খিলাফতের সময় কূফায় থাকতেন। অথবা এর অর্থ হলো মদীনায় খিলাফত স্থায়ী থাকবে।
(وَالْمُلْكُ بِالشَّام) বাদশাহী বা রাজত্ব থাকবে শামে। এ হাদীসে ‘আলী (রাঃ)-এর খিলাফত ও মু'আবিয়াহ্ (রাঃ)-এর রাজত্বের ইঙ্গিত রয়েছে। (মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৬)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৮০-[১৫] ’উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: আমি (স্বপ্নে) দেখেছি, একটি আলোর খুঁটি আমার নিচ হতে বের হয়ে উপরে আলোকিত হয়েছে- অবশেষে তা সিরিয়ায় গিয়ে স্থির হয়ে গেছে। [উক্ত হাদীস দু’টি ইমাম বায়হাক্কী (রহিমাহুল্লাহ) “দালায়িলুন নুবুওয়্যাহ্” গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন]

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

وَعَنْ عُمَرَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «رَأَيْتُ عَمُودًا مِنْ نُورٍ خَرَجَ مِنْ تَحْتِ رَأْسِي سَاطِعًا حَتَّى اسْتَقَرَّ بِالشَّامِ» . رَوَاهُمَا الْبَيْهَقِيُّ فِي «دَلَائِل النُّبُوَّة»

سندہ ضعیف ، رواہ البیھقی فی دلائل النبوۃ (6 / 449) من طریق یعقوب بن سفیان الفارسی وھو فی کتاب المعرفۃ و التاریخ لہ (2 / 311) * فیہ نصر بن محمد بن سلیمان الحمصی ضعیف ضعفہ الجمھور و ابوہ مجھول الحال فالسند ضعیف ، و للحدیث شواھد ضعیفۃ ، انظر تنقیح الرواۃ (3 / 274) وغیرہ

وعن عمر رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «رأيت عمودا من نور خرج من تحت رأسي ساطعا حتى استقر بالشام» . رواهما البيهقي في «دلائل النبوة»

ব্যাখ্যা: “শামে গিয়ে স্থির হলো” এ হাদীস শামে তাঁর বিজয়, দীন তথায় দৃঢ় ও স্থায়ী হওয়া প্রমাণ করে। মায়ের পেট থেকে নবী (সা.) -এর জন্মের সময় সেদিকে নূর বের হয়েছিল এবং এতে শাম অঞ্চল আলোময় হয়েছিল। (মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৬)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৮১-[১৬] আবূদ দারদা (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: (দাজ্জাল ও তার বাহিনীর সাথে) যুদ্ধের দিন মুসলিমদের সমবেত স্থান (দুর্গ) হবে ’গূত্বাহ্। তা দামিশক শহরের এক কিনারায় অবস্থিত। মূলত সিরিয়ার শহরসমূহের মাঝে দিমাশকই সর্বোত্তম শহর। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

وَعَنْ أَبِي الدَّرْدَاءِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: إِنَّ فُسْطَاطَ الْمُسْلِمِينَ يَوْمَ الْمَلْحَمَةِ بِالْغُوطَةِ إِلَى جَانِبِ مَدِينَةٍ يُقَالُ لَهَا: دِمَشْقُ مِنْ خَيْرِ مَدَائِنِ الشَّامِ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ صحیح ، رواہ ابوداؤد (4298) ۔
(صَحِيح)

وعن أبي الدرداء أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: إن فسطاط المسلمين يوم الملحمة بالغوطة إلى جانب مدينة يقال لها: دمشق من خير مدائن الشام . رواه أبو داود

ব্যাখ্যা: (بِالْغُوطَةِ) যেখানে অনেক গাছপালা ও পানি বিদ্যমান রয়েছে। আলকামী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, এ হাদীসের শেষ যামানায় দিমাশকের মর্যাদা ও তথাকার অধিবাসীর মর্যাদা প্রমাণিত হয়েছে। এ স্থান ফিতনাহ্ থেকে রক্ষা পাওয়ার দুর্গ স্বরূপ।
‘আযীযী শরহে জামিউস্ সগীর গ্রন্থে উল্লেখ করেন, ইবনু আসাকির বলেন, এর অন্যতম ফযীলত হলো যে, এখানে দশ হাজার প্রহরী প্রবেশ করবেন, যারা নবী (সা.) -কে দেখেছেন। নবী (সা.) সেখানে নুবুওয়্যাতের আগে প্রবেশ করেছেন। আর পরে তাবুক যুদ্ধের সময় মিরাজের রাত্রিতে প্রবেশ করেন। (আওনুল মাবুদ হা. ২৪৯৮, “জামিউল কিতাবিত্ তিস্'আহ্” এ্যাপ)
(يَوْمَ الْمَلْحَمَةِ) বলতে দাজ্জালের সাথে যুদ্ধকে বুঝানো হয়েছে। (মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৬)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ আবুদ দারদা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইয়ামান ও শাম (সিরিয়া) দেশের বর্ণনা এবং উওয়াইস করানী-এর আলোচনা

৬২৮২-[১৭] ’আবদুর রহমান ইবনু সুলায়মান (রহ.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, অদূর ভবিষ্যতে আজমী বাদশাহদের মাঝে হতে একজন বাদশাহর আগমন ঘটবে। অতঃপর দামিশক ব্যতীত সমস্ত শহরগুলোতে তার আধিপত্য স্থাপিত হবে। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ ( بَاب تَسْمِيَة من سمي من أهل الْبَدْر فِي «الْجَامِعِ لِلْبُخَارِيِّ» )

وَعَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سُلَيْمَانَ قَالَ: سَيَأْتِي مَلِكٌ مِنْ مُلُوكِ الْعَجَمِ فَيَظْهَرُ عَلَى الْمَدَائِنِ كلِّها إِلا دمشق. رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ

اسنادہ ضعیف ، رواہ ابوداؤد (4639) * فیہ عبد العزیز : لم اجدہ لہ ترجمۃ و لعلہ عبداللہ بن العلاء کما یظھر من تھذیب الکمال و ان صح فالسند صحیح

وعن عبد الرحمن بن سليمان قال: سيأتي ملك من ملوك العجم فيظهر على المدائن كلها إلا دمشق. رواه أبو داود

ব্যাখ্যা: (فَيَظْهَرُ عَلَى الْمَدَائِنِ) সব শহরকে দখল করবে শুধুমাত্র দিমাশক ব্যতীত।
ভাষ্যকারগণ স্পষ্টভাবে বলেননি যে, উক্ত রাজা কে? জেনে রাখা উচিত যে, শাম, বায়তুল মাকদিস, সখরাহা, আসক্বালান, কাযবীন, স্পেন এবং দিমাশক ছাড়া ও অন্য জায়গার ফযীলত সম্পর্কে অনেক বর্ণনা এসেছে। তবে মুহাদ্দিসগণ এগুলোর অধিকাংশকে য'ঈফ বলে মত পেশ করেন। আল্লাহ সর্বাধিক জ্ঞাত, যেমনটি (سفر السعادت) -এ উল্লেখ হয়েছে। (মিশকাতুল মাসাবীহ - মুম্বাই ছাপা, ৫ম খণ্ড, পৃ. ২৯৬)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩০: মান-মর্যাদা (كتاب المناقب)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে