পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৪-[১৫] মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: বায়তুল মাকদিসের পার্থিব উন্নতি মদীনাহ্ ধ্বংস হওয়ার কারণ হবে। আর মদীনার ধ্বংস বিভিন্ন ফিতনাহ্ ও মহাযুদ্ধের সূচনা করবে এবং মহাযুদ্ধ কনস্টান্টিনোপল বিজয়ের পূর্ব সংকেত হবে, আর কনস্টান্টিনোপলের বিজয় হবে দাজ্জালের আবির্ভাবের পূর্ব সংকেত। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «عُمْرَانُ بَيْتِ الْمَقْدِسِ خَرَابُ يَثْرِبَ وَخَرَابُ يَثْرِبَ خُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ وَخُرُوجُ الْمَلْحَمَةِ فَتْحُ قُسْطَنْطِينِيَّةَ وَفَتْحُ قُسْطَنْطِينِيَّةَ خُرُوجُ الدَّجَّال» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

حسن ، رواہ ابوداؤد (4294) ۔
(حسن)

عن معاذ بن جبل قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «عمران بيت المقدس خراب يثرب وخراب يثرب خروج الملحمة وخروج الملحمة فتح قسطنطينية وفتح قسطنطينية خروج الدجال» . رواه أبو داود

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৫-[১৬] উক্ত রাবী [মু’আয ইবনু জাবাল (রাঃ)] হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: মহাযুদ্ধ, কনস্টান্টিনোপল বিজয় এবং দাজ্জালের আবির্ভাব সাত মাসের মধ্যে সংঘটিত হবে। (তিরমিযী ও আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسلم: «الملحمة الْعُظْمَى وَفتح القسطنطينة وَخُرُوجُ الدَّجَّالِ فِي سَبْعَةِ أَشْهُرٍ» . رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُد

اسنادہ ضعیف ، رواہ الترمذی (2238 وقال : حسن) و ابوداؤد (4295) [و ابن ماجہ (4092)] * ابوبکر بن ابی مریم : ضعیف وکان قد سرق بیتہ فاختلط و شیخہ مجھول و یزید بن قطیب مجھول الحال ۔
(ضَعِيفٌ)

وعنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «الملحمة العظمى وفتح القسطنطينة وخروج الدجال في سبعة أشهر» . رواه الترمذي وأبو داود

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৬-[১৭] ’আবদুল্লাহ ইবনু বুসর (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: বিশ্বযুদ্ধ ও মদীনার (শহরটির) বিজয়ের মধ্যে ছয় বছরের ব্যবধান হবে এবং সপ্তম বছরে দাজ্জালের আগমন ঘটবে। [ইমাম আবূ দাউদ (রহিমাহুল্লাহ) হাদীসটি বর্ণনা করেছেন এবং তিনি বলেছেন, এ হাদীসটি অধিক সহীহ]

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَن عبد الله بن بُسر أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «بَيْنَ الْمَلْحَمَةِ وَفَتْحِ الْمَدِينَةِ سِتُّ سِنِينَ وَيَخْرُجُ الدَّجَّالُ فِي السَّابِعَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَقَالَ: هَذَا أصح

اسنادہ ضعیف ، رواہ ابوداؤد (4296) [و ابن ماجہ (4093)] * ابن ابی بلال لم یوثقہ غیر ابن حبان ۔
(ضَعِيف)

وعن عبد الله بن بسر أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: «بين الملحمة وفتح المدينة ست سنين ويخرج الدجال في السابعة» . رواه أبو داود وقال: هذا أصح

হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৭-[১৮] ইবনু উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, অদূর ভবিষ্যতে মুসলিমগণ মদীনায় ঘেরাও হবে এবং তাদের দূর প্রান্তসীমা হবে সালাহ পর্যন্ত। আর ’সালাহ’ হলো খায়বারের নিকটবর্তী একটি জায়গার নাম। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: يُوشِكُ الْمُسْلِمُونَ أَنْ يُحَاصَرُوا إِلَى الْمَدِينَةِ حَتَّى يَكُونَ أَبْعَدَ مَسَالِحِهِمْ سَلَاحٌ وَسَلَاحٌ: قَرِيبٌ مِنْ خَيْبَرَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

حسن ، رواہ ابوداؤد (4250) [و الحاکم (4 / 511 ح 8560) و صححہ علی شرط مسلم و وافقہ الذھبی و سندہ حسن] ۔
(صَحِيح)

وعن ابن عمر قال: يوشك المسلمون أن يحاصروا إلى المدينة حتى يكون أبعد مسالحهم سلاح وسلاح: قريب من خيبر. رواه أبو داود

ব্যাখ্যা : অত্র হাদীসে মদীনাহ্ বলতে মদীনাতুন্ নবী (সা.) উদ্দেশ্য। শত্রু কর্তৃক মুসলিমগণ সেখানে বন্দি হয়ে পড়বে অথবা মুসলিমগণ কাফিরদের থেকে পালিয়ে যাবে এবং মদীনাহ্ ও সালাহ-এর মধ্যবর্তী স্থানে একত্রিত হবে। অথবা কিছুসংখ্যক মুসলিম মদীনার দুর্গে প্রবেশ করবে এবং কিছুসংখ্যক মুসলিম মদীনার চতুর্দিকে পাহারা বসাবে। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৮-[১৯] যূ-মিখবার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি, অদর ভবিষ্যতে তোমরা রূমকদের (রোমানদের) সাথে একটি শান্তিচুক্তি সম্পাদন করবে। অতঃপর তোমরা ও তারা একসঙ্গে অপর একটি শত্রুদলের মোকাবিলা করবে। তাতে (আল্লাহ তা’আলার পক্ষ থেকে) তোমাদেরকে সাহায্য করা হবে, তোমরা গনীমতও লাভ করবে এবং নিরাপদে থাকবে। তারপর তোমরা (উভয় দল) ফিরে আসবে, অবশেষে তোমরা টিলাযুক্ত একটি প্রশস্ত ও সুজলা-সুফলা স্থানে অবতরণ করবে। সেখানে খ্রিষ্টানদের এক ব্যক্তি একটি ক্রুশ উঁচু করে বলবে, ক্রুশের বরকতে আমরা বিজয় লাভ করছি। এটা শুনে মুসলিমদের এক ব্যক্তি ক্ষুদ্ধ হয়ে ক্রুশটি ভেঙ্গে ফেলবে। ফলে রূমক খ্রিষ্টানরা চুক্তি ভঙ্গ করে ফেলবে এবং ভীষণ যুদ্ধের জন্য বিরাট সেনাবাহিনী একত্রিত করবে। কোন কোন বর্ণনাকারী অতিরিক্ত বলেছেন, তখন মুসলিমগণ সাথে সাথে আপন অস্ত্রসমূহ ধারণ করবে এবং যুদ্ধে জড়িয়ে পড়বে। অবশেষে আল্লাহ তা’আলা এ দলকে শাহাদাতের দ্বারা সম্মানিত করবেন। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَن ذِي مِخبَرٍ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: سَتُصَالِحُونَ الرُّومَ صُلْحًا آمِنًا فَتَغْزُونَ أَنْتُمْ وَهُمْ عَدُوًّا مِنْ وَرَائِكُمْ فَتُنْصَرُونَ وَتَغْنَمُونَ وَتَسْلَمُونَ ثُمَّ تَرْجِعُونَ حَتَّى تَنْزِلُوا بِمَرْجٍ ذِي تُلُولٍ فَيَرْفَعُ رَجُلٌ مِنْ أَهْلِ النَّصْرَانِيَّةِ الصَّلِيبَ فَيَقُولُ: غَلَبَ الصَّلِيبُ فَيَغْضَبُ رَجُلٌ مِنَ الْمُسْلِمِينَ فَيَدُقُّهُ فَعِنْدَ ذَلِكَ تَغْدِرُ الرُّومُ وَتَجْمَعُ لِلْمَلْحَمَةِ وَزَادَ بَعْضُهُمْ: «فَيَثُورُ الْمُسْلِمُونَ إِلَى أَسْلِحَتِهِمْ فَيَقْتَتِلُونَ فيكرم الله تِلْكَ الْعِصَابَة بِالشَّهَادَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ صحیح ، رواہ ابوداؤد (4292 ۔ 4239) ۔
(صَحِيح)

وعن ذي مخبر قال: سمعت رسول الله صلى الله عليه وسلم يقول: ستصالحون الروم صلحا آمنا فتغزون أنتم وهم عدوا من ورائكم فتنصرون وتغنمون وتسلمون ثم ترجعون حتى تنزلوا بمرج ذي تلول فيرفع رجل من أهل النصرانية الصليب فيقول: غلب الصليب فيغضب رجل من المسلمين فيدقه فعند ذلك تغدر الروم وتجمع للملحمة وزاد بعضهم: «فيثور المسلمون إلى أسلحتهم فيقتتلون فيكرم الله تلك العصابة بالشهادة» . رواه أبو داود

ব্যাখ্যা : هدنة (হুদনাহ্) হলো, মুসলিমগণ ও রোমানদের মাঝে সম্পাদিত যুদ্ধ বিরতির একটি চুক্তি। যেমন নবী (সা.) বলেছেন: তোমাদের ও রোমানদের মাঝে একটি যুদ্ধ বিরতির চুক্তি সম্পাদিত হবে। অতঃপর তারা তোমাদের সাথে বিশ্বাস ভঙ্গ করবে। ('আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৪৩৪ পৃ., হা, ৪২৮৫)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ যূ-মিখবার (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪২৯-[২০] ’আবদুল্লাহ ইবনু ’আমর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী (সা.) বলেছেন: তোমরা হাবশীদের এড়িয়ে চল যে পর্যন্ত তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ না করে। কেননা (এমন এক সময় আসবে) ক্ষুদ্র পা-বিশিষ্ট এক হাবশী ব্যক্তিই কা’বার নিচের লুক্কায়িত সম্পদ বের করবে। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «اتْرُكُوا الْحَبَشَةَ مَا تَرَكُوكُمْ فَإِنَّهُ لَا يَسْتَخْرِجُ كَنْزَ الْكَعْبَةِ إِلَّا ذُو السُّوَيْقَتَيْنِ مِنَ الْحَبَشَةِ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ حسن ، رواہ ابوداؤد (4309)

وعن عبد الله بن عمرو عن النبي صلى الله عليه وسلم قال: «اتركوا الحبشة ما تركوكم فإنه لا يستخرج كنز الكعبة إلا ذو السويقتين من الحبشة» . رواه أبو داود

ব্যাখ্যা : কাবায় প্রোথিত ধন-ভাণ্ডার একজন হাবশী দাস উদ্ধার করবে যার উপাধি হলো, যুস সুওয়াইকতায়ন (দু' পায়ের ক্ষুদ্র গোড়ালি বিশিষ্ট)। অর্থাৎ তার পায়ের গোড়ালি হবে অতি সুরু বা ক্ষুদ্র। যদিও হাবশীদের পায়ের গোড়ালি স্বভাবত ক্ষুদ্র কিন্তু ক্ষুদ্রাকারের গোড়ালি হওয়ায় সে অন্যদের থেকে আলাদা ধরনের হবে।
‘আল্লামাহ্ সুয়ূত্বী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : যুস্ সুওয়াইকতায়ন নামক হাবশী দাস ‘ঈসা আলায়হিস সালাম-এর সময়কালে ইয়াজুজ-মাজুজ ধ্বংস হয়ে যাওয়ার পর আত্মপ্রকাশ করবে। ঈসা আলায়হিস সালাম তাকে দমন করার জন্য ৭০০-৮০০ সৈন্য পাঠাবেন, যখন মুসলিম সৈন্যবাহিনী সেদিকে গমন করবে তখন আল্লাহ তা'আলা সুগন্ধযুক্ত শান্তির বাতাস প্রেরণ করবেন এবং এর মাধ্যমে আল্লাহ তা'আলা প্রতিটি মু'মিনের আত্মা কবয করবেন। (আল্লাহ তা'আলাই সর্বাধিক জ্ঞাত) ('আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৩৭৮ পৃ., হা, ৪৩০১)


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪৩০-[২১] নবী (সা.)-এর জনৈক সাহাবী হতে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, হাবশীদেরকে ততক্ষণ পর্যন্ত ছেড়ে রাখ, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ না করে। আর (অনুরূপভাবে) তুর্কীদেরকেও ছেড়ে রাখ, যে পর্যন্ত না তারা তোমাদের ওপর আক্রমণ করে। (আবূ দাউদ ও নাসায়ী)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنْ رَجُلٌ مِنْ أَصْحَابِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: «دَعُوا الْحَبَشَةَ مَا وَدَعُوكُمْ وَاتْرُكُوا التُّرْكَ مَا تَرَكُوكُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيّ

حسن ، رواہ ابوداؤد (4302) و النسائی (6 / 44 ح 3178 مطولاً) ۔
(صَحِيح)

وعن رجل من أصحاب النبي صلى الله عليه وسلم قال: «دعوا الحبشة ما ودعوكم واتركوا الترك ما تركوكم» . رواه أبو داود والنسائي

ব্যাখ্যা : হাবশীদের সাথে যুদ্ধ পরিত্যাগ করার কারণ হলো, তাদের অসুবিধা অনেক কঠিন এবং তাদের ভূখণ্ডটি ঠাণ্ডা প্রধান অঞ্চল আর ‘আরব বাহিনী গরম প্রধান অঞ্চলের অধিবাসী বিধায় হাবশায় প্রবেশ করার বিষয়টি তাদের ওপর চাপানো হয়নি। কিন্তু যখন তারা জোরপূর্বক মুসলিম ভূখণ্ডে প্রবেশ করবে তখন কারো জন্য যুদ্ধ পরিত্যাগ করা বৈধ নয়। কেননা উক্ত অবস্থায় জিহাদ ফরযে আইন এবং প্রথম অবস্থায় তা ফরযে কিফায়াহ্। (মিরক্বাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪৩১-[২২] বুরয়দাহ্ (রাঃ) নবী (সা.) হতে বর্ণনা করেন। তিনি (সা.) এক হাদীসে বলেছেন, ছোট চক্ষুবিশিষ্ট একদল তুর্কী তোমাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধে লিপ্ত হবে (তারা তিনবার আক্রমণ করবে) তোমরা তিনবারই তাদেরকে ধাওয়া করবে। পরিশেষে তোমরা তাদেরকে আরব উপদ্বীপে নিয়ে পৌছিয়ে দেবে। অতএব প্রথম ধাওয়ায় যারা পলায়ন করবে, শুধু তারাই রক্ষা পাবে। আর দ্বিতীয়বারে কিছু সংখ্যক রক্ষা পাবে এবং কিছু সংখ্যক ধ্বংস হবে। আর তৃতীয়বারে (কেউই রক্ষা পাবে না, বরং) তারা সমূলে ধ্বংস হয়ে যাবে। অথবা রাসূল (সা.) যে রকম বলেছেন। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنْ بُرَيْدَةَ عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فِي حَدِيثٍ: «يُقَاتِلُكُمْ قَوْمٌ صِغَارُ الْأَعْيُنِ» يَعْنِي التّرْك. قَالَ: «تسوقونهم ثَلَاث مَرَّات حَتَّى تلحقوهم بِجَزِيرَة الْعَرَب فَأَما السِّيَاقَةِ الْأُولَى فَيَنْجُو مَنْ هَرَبَ مِنْهُمْ وَأَمَّا الثَّانِيَة فينجو بعض وَيهْلك بعض وَأما الثَّالِثَةِ فَيُصْطَلَمُونَ» أَوْ كَمَا قَالَ. رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ حسن ، رواہ ابوداؤد (4305) * بشیر بن المھاجر و ثقہ الجمھور ۔
(ضَعِيف)

وعن بريدة عن النبي صلى الله عليه وسلم في حديث: «يقاتلكم قوم صغار الأعين» يعني الترك. قال: «تسوقونهم ثلاث مرات حتى تلحقوهم بجزيرة العرب فأما السياقة الأولى فينجو من هرب منهم وأما الثانية فينجو بعض ويهلك بعض وأما الثالثة فيصطلمون» أو كما قال. رواه أبو داود

ব্যাখ্যা : আলোচ্য হাদীস প্রমাণ করে যে, উম্মতে মুহাম্মাদীর মধ্য হতে যে সকল মুসলিম তুর্কীদের তিনবার তাড়া করে নিয়ে যাবে। এমনকি তারা তাদেরকে জাজিরাতুল আরবে বা ‘আরব উপদ্বীপে নিয়ে যাবে এবং সেখানে তাদের মুখোমুখী হবে। প্রথম ধাওয়াতে যারা পালিয়ে যাবে তারা মুক্তি পাবে। দ্বিতীয় ধাওয়াতে কিছুসংখ্যক পালিয়ে যাবে এবং কিছু সংখ্যক মুসলিমদের হাতে নিহত হবে। আর তৃতীয় ধাওয়াতে তাদের মূলোৎপাটন হবে।
মুসনাদে আহমাদের অপর বর্ণনায় রয়েছে যে, তুর্কীদের আত্মপ্রকাশ ঘটা ও তাদের সাথে মুসলিমদের যুদ্ধ করা এবং তাদের হত্যা করা এসব সংঘটিত হবে নবী (সা.) -এর দেয়া ভবিষ্যদ্বাণী অনুযায়ী তারা (তুর্কীরা) সে সময় বের হবে। আল্লাহ ছাড়া তাদের সংখ্যা কেউ নির্ধারণ করতে পারবে না। এমনকি তারাই ইয়াজুজ-মা'জুজরূপে আত্মপ্রকাশ করবে (আল্লাহ তা'আলাই অধিক জানেন)। ('আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৪৩৯ পৃ., হা. ৪২৯৭)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪৩২-[২৩] আবূ বকরাহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ (সা.) বলেছেন: এক সময় আমার উম্মতের কতিপয় লোক একটি নিম্নভূমিতে অবতরণ করবে, উক্ত স্থানটিকে তারা বাসরাহ্’ নামে অভিহিত করবে এবং স্থানটি হবে ’দাজলাহ্’ নামক একটি নদীর কাছে। নদীর উপরে একটি সেতু হবে। উক্ত স্থানটিতে অধিবাসীদের সংখ্যা হবে অত্যধিক। অবশেষে তা মুসলিমদের শহরসমূহের মাঝে অন্যতম একটি শহরে পরিগণিত হবে। অতঃপর শেষ যামানায় চওড়া মুখমণ্ডল ও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র চক্ষুবিশিষ্ট ’কনতূরার বংশধরগণ উক্ত শহরবাসীদের বিরুদ্ধে (লড়াই করার জন্য) আসবে এবং তারা উক্ত নদীর পাড়ে এসে আস্তানা গাড়বে। (তাদেরকে দেখে) শহরবাসী তিনভাগে বিভক্ত হয়ে পড়বে। একভাগ গবাদি পশুর পিছনে মাঠে-ময়দানে আশ্রয় নেবে (অর্থাৎ শত্রুর মোকাবিলা এড়িয়ে পশুপালন ও ক্ষেত-খামারের কাজে আত্মনিয়োগ করবে)। ফলে তারা সকলেই ধ্বংস হবে। আর একভাগ ’কনতূরার আওলাদের নিকট (আত্মসমর্পণ করে) নিরাপত্তা চাইবে, তারাও ধ্বংস হবে। আর অবশিষ্ট একভাগ নিজেদের সন্তান-সন্ততি ও পরিবার-পরিজনকে পশ্চাতে রেখে তাদের সাথে যুদ্ধ করবে। তারা প্রত্যেকেই শহীদ হিসেবে গণ্য হবে। (আবু দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَن أبي بكرَة أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَنْزِلُ أُنَاسٌ مِنْ أُمَّتِي بِغَائِطٍ يُسَمُّونَهُ الْبَصْرَةَ عِنْدَ نَهْرٍ يُقَالُ لَهُ: دِجْلَةُ يَكُونُ عَلَيْهِ جِسْرٌ يَكْثُرُ أَهْلُهَا وَيَكُونُ مِنْ أَمْصَارِ الْمُسْلِمِينَ وَإِذَا كَانَ فِي آخِرِ الزَّمَانِ جَاءَ بَنُو قَنْطُورَاءَ عِرَاضُ الْوُجُوهِ صِغَارُ الْأَعْيُنِ حَتَّى يَنْزِلُوا عَلَى شَطِّ النَّهْرِ فَيَتَفَرَّقُ أَهْلُهَا ثَلَاثَ فِرَقٍ فِرْقَةٌ يَأْخُذُونَ فِي أَذْنَابِ الْبَقَرِ وَالْبَرِّيَّةِ وَهَلَكُوا وَفِرْقَةٌ يَأْخُذُونَ لِأَنْفُسِهِمْ وَهَلَكُوا وَفِرْقَةٌ يَجْعَلُونَ ذَرَارِيَّهُمْ خَلْفَ ظُهُورِهِمْ وَيُقَاتِلُونَهُمْ وَهُمُ الشُّهَدَاءُ . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ حسن ، رواہ ابوداؤد (4306) ۔
(إِسْنَاده جيد)

وعن أبي بكرة أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: ينزل أناس من أمتي بغائط يسمونه البصرة عند نهر يقال له: دجلة يكون عليه جسر يكثر أهلها ويكون من أمصار المسلمين وإذا كان في آخر الزمان جاء بنو قنطوراء عراض الوجوه صغار الأعين حتى ينزلوا على شط النهر فيتفرق أهلها ثلاث فرق فرقة يأخذون في أذناب البقر والبرية وهلكوا وفرقة يأخذون لأنفسهم وهلكوا وفرقة يجعلون ذراريهم خلف ظهورهم ويقاتلونهم وهم الشهداء . رواه أبو داود

ব্যাখ্যা: আল ক্বারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এটা নবী (সা.) -এর মু'জিযাগুলার একটি মু'জিযাহ্, তিনি যেমনটা বলেছেন ঠিক তেমনি ঘটনা ৬৫৬ হিজরীর সফর মাসে সংঘটিত হয়েছিল। (আল্লাহ অধিক জ্ঞাত) ('আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৪৪২ পৃ., হা. ৪২৯৮)


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ আবূ বাকরা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪৩৩-[২৩] আনাস (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদিন রাসূলুল্লাহ (সা.) তাঁকে লক্ষ্য করে বললেন, হে আনাস! লোকেরা ক্রমান্বয়ে শহর-নগড় গড়ে তুলবে। তন্মধ্যে বাসরাহ্’ নামেও একটি শহর গড়ে তুলবে। যদি তুমি কখনো উক্ত শহরের কাছ দিয়ে অতিক্রম কর কিংবা শহরে প্রবেশ কর, তবে তার লবণাক্ত জমি, ঘাস বা তৃণলতা ও তার খেজুর বৃক্ষের এবং তার বাজার ও আমিরদের দ্বার থেকে দূরে থাকবে এবং সেই শহরের ভিতরে অবস্থান না করে বাইরে কাছাকাছি স্থানে অবস্থান করবে। কেননা সে স্থান এমন সময় ধসে যাবে, তথায় পাথর বর্ষিত হবে এবং ভীষণ ভূকম্পন সংঘটিত হবে। সেখানে এমন এক সম্প্রদায় বসবাস করবে, যারা সহীহ সালামতে মানুষরূপে রাত্রি যাপন করবে, আর সকাল করবে বানর ও শূকরের আকৃতিতে। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَنْ أَنَسٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ: يَا أَنَسُ إِنَّ النَّاسَ يمصِّرون أمصاراً فَإِن مِصْرًا مِنْهَا يُقَالُ لَهُ: الْبَصْرَةُ فَإِنْ أَنْتَ مَرَرْتَ بِهَا أَوْ دَخَلْتَهَا فَإِيَّاكَ وَسِبَاخَهَا وَكَلَأَهَا ونخيلها وَسُوقَهَا وَبَابَ أُمَرَائِهَا وَعَلَيْكَ بِضَوَاحِيهَا فَإِنَّهُ يَكُونُ بهَا خَسْفٌ وقذفٌ ورجْفٌ وقومٌ يبيتُونَ ويصبحون قردة وَخَنَازِير رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ ضعیف ، رواہ ابوداؤد (4307) * الراوی شک فی اتصالہ فالسند معلل

وعن أنس أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال: يا أنس إن الناس يمصرون أمصارا فإن مصرا منها يقال له: البصرة فإن أنت مررت بها أو دخلتها فإياك وسباخها وكلأها ونخيلها وسوقها وباب أمرائها وعليك بضواحيها فإنه يكون بها خسف وقذف ورجف وقوم يبيتون ويصبحون قردة وخنازير رواه أبو داود

ব্যাখ্যা: এখানে (سباخ) শব্দটি (مسبخة) এর বহুবচন যার অর্থ জলাভূমি, লবণাক্ত ভূমি। এখানে এটা একটি লবণাক্ত জায়গার নাম। 'আল্লামাহ্ ত্বীবী (রহিমাহুল্লাহ) বলেছেন: এটা এমন ভূখণ্ড যার উপরাংশটা লবণক্ষেত্র এবং যেখানে বিরল কিছু গাছ ছাড়া তেমন কিছুই উৎপন্ন হয় না। আর (كَلَأَ) শব্দের অর্থ হলো ঘাস বা তৃণলতা। ('আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৪৪৫ পৃ., হা, ৪২৯৯)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - যুদ্ধবিগ্রহ সম্পৰ্কীয়

৫৪৩৪-[২৪] সালিহ ইবনু দিরহাম (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একবার আমরা কিছু লোক (বাসরাহ্ হতে) হজ্জের জন্য রওয়ানা হলাম। হঠাৎ এক লোকের [আবূ হুরায়রাহ্ –(রাঃ)] সাথে আমাদের সাক্ষাৎ হলো। তিনি আমাদের প্রশ্ন করলেন, তোমাদের পার্শ্বে ’উবুল্লাহ্’ নামে কোন একটি জনপদ আছে কি? আমরা বললাম, হ্যাঁ। তখন তিনি বললেন, তোমাদের মাঝে আমার জন্য কে এই দায়িত্বটি গ্রহণ করবে যে, উক্ত শহরের ’আশশার’ নামক মসজিদে আমার পক্ষ থেকে দুই অথবা চার রাক্আত নফল সালাত আদায় করবে এবং (সালাতের নিয়্যাতে অথবা শেষে) বলবে, এটার প্রতিদান আবূ হুরায়রাহর জন্য!’ আমি আমার বন্ধু আবুল কাসিম (সা.) -কে বলতে শুনেছি! আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন ’আশশার মসজিদ’ থেকে কতিপয় শহীদকে উঠাবেন। বদরের শহীদদের সাথে তারা ব্যতীত আর কেউই উত্থিত হবে না। (আবু দাউদ)

বর্ণনাকারী বলেন, ’উবুল্লাহ’র উক্ত মসজিদখানি ইউফ্রেটিস (ফুরাত) নদীর নিকটবর্তী কোন এক স্থানে অবস্থিত। অচিরেই আমরা ইনশা-আল্লা-হ ইয়ামান ও সিরিয়ার বর্ণনাস্থলে আবু দারদা মারফত বর্ণিত হাদীস (إِنَّ فُسْطَاطَ الْمُسْلِمِينَ) “নিশ্চয় মুসলিমদের শিবির....." বর্ণনা করব।

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ (بَاب الْمَلَاحِمِ)

وَعَن صَالح بن دِرْهَم يَقُولُ: انْطَلَقْنَا حَاجِّينَ فَإِذَا رَجُلٌ فَقَالَ لَنَا: إِلَى جَنْبِكُمْ قَرْيَةٌ يُقَالُ لَهَا: الْأُبُلَّةُ؟ قُلْنَا: نَعَمْ. قَالَ: مَنْ يَضْمَنُ لِي مِنْكُمْ أَنْ يُصَلِّيَ لِي فِي مَسْجِدِ الْعَشَّارِ رَكْعَتَيْنِ أَوْ أَرْبَعًا وَيَقُولُ هَذِهِ لِأَبِي هُرَيْرَةَ؟ سَمِعْتُ خَلِيلِي أَبَا الْقَاسِمِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ يَبْعَثُ مِنْ مَسْجِدِ الْعَشَّارِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ شُهَدَاءَ لَا يَقُومُ مَعَ شُهَدَاءِ بَدْرٍ غَيْرُهُمْ» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُدَ. وَقَالَ: هَذَا الْمَسْجِدُ مِمَّا يَلِي النَّهْرَ وَسَنَذْكُرُ حَدِيثَ أَبِي الدَّرْدَاءِ: «إِنَّ فُسْطَاطَ الْمُسْلِمِينَ» فِي بَابِ: «ذِكْرِ الْيَمَنِ وَالشَّامِ» . إِنْ شَاءَ اللَّهُ تَعَالَى

اسنادہ ضعیف ، رواہ ابوداؤد (4308) * فیہ ابراھیم بن صالح ضعفہ الدارقطنی و الجمھور ۔ 0 حدیث ابی الدرداء تقدم (6272) ۔
(ضَعِيف)

وعن صالح بن درهم يقول: انطلقنا حاجين فإذا رجل فقال لنا: إلى جنبكم قرية يقال لها: الأبلة؟ قلنا: نعم. قال: من يضمن لي منكم أن يصلي لي في مسجد العشار ركعتين أو أربعا ويقول هذه لأبي هريرة؟ سمعت خليلي أبا القاسم صلى الله عليه وسلم يقول: «إن الله عز وجل يبعث من مسجد العشار يوم القيامة شهداء لا يقوم مع شهداء بدر غيرهم» . رواه أبو داود. وقال: هذا المسجد مما يلي النهر وسنذكر حديث أبي الدرداء: «إن فسطاط المسلمين» في باب: «ذكر اليمن والشام» . إن شاء الله تعالى

ব্যাখ্যা: ইবনুল আনবারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এখানে (خليلى) (খলীলী) এর অর্থ পরিপূর্ণ প্রেমিক। প্রকৃত ভালোবাসার মাধ্যমে পূর্ণ প্রেমিক হওয়া, যে ভালোবাসার কোন কমতি ও ত্রুটি নেই।
আল ওয়াহিদী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন: এ কথাটি উত্তম ও পছন্দনীয়, কেননা আল্লাহ তা'আলা ইবরাহীম আলাইহিস সালাম-এর বন্ধু ও ইবরাহীম আল্লাহ তা'আলার খলীল বা বন্ধু। আর মসজিদ আল ‘আশশারে আল্লাহ তা'আলা শহীদদের একত্রিত করবেন। এটা মূলত কবর থেকে উত্থান ঘটানো উদ্দেশ্য। অথবা তাদেরকে শহীদী মর্যাদা প্রদান করা হবে। তবে এই উম্মাত তথা নবী (সা.)-এর উম্মতের শহীদ নাকি পূর্ববর্তী জাতির শহীদ এটা জানা যায় না। (আল্লাহ অধিক জ্ঞাত) (মিরকাতুল মাফাতীহ)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৭: ফিতনাহ (كتاب الْفِتَن)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ১১ পর্যন্ত, সর্বমোট ১১ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে