পরিচ্ছেদঃ ১৩/১. বিচারকমন্ডলী সম্পর্কে আলোচনা
১/২৩০৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যাকে জনগণের বিচারক নিযুক্ত করা হলো, তাকে বিনা ছুরিতে যবেহ করা হলো।
بَاب ذِكْرِ الْقُضَاةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُعَلَّى بْنُ مَنْصُورٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنِ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ قَالَ " مَنْ جُعِلَ قَاضِيًا بَيْنَ النَّاسِ فَقَدْ ذُبِحَ بِغَيْرِ سِكِّينٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী উসমান বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৮৫৯, ১৭/১৯৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever is appointed judge between the people, he has been slaughtered without a knife.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১. বিচারকমন্ডলী সম্পর্কে আলোচনা
২/২৩০৯। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কাযীর পদ প্রার্থনা করে নেয় তার দায়দায়িত্ব তার উপরই চাপানো হয়। আর যাকে এই পদ গ্রহণে বাধ্য করা হয়, তার নিকট একজন ফেরেশতা অবতীর্ণ হয়ে তাকে সঠিক পথে চালিত করেন।
بَاب ذِكْرِ الْقُضَاةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ عَبْدِ الأَعْلَى، عَنْ بِلاَلِ بْنِ أَبِي مُوسَى، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ سَأَلَ الْقَضَاءَ وُكِلَ إِلَى نَفْسِهِ وَمَنْ جُبِرَ عَلَيْهِ نَزَلَ إِلَيْهِ مَلَكٌ فَسَدَّدَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আবুল আলা সম্পর্কে আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, যারা হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন তিনি তাদের একজন। আবু যুরআহ আর-রাযী ও আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬৮৪, ১৬/৩৫২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Anas bin Malik that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever asks to be appointed a judge, will be entrusted to himself, but “Whoever asks to be appointed a judge, will be entrusted to himself, but whoever is forced to accept position, an angel will come down to him and guide him.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১. বিচারকমন্ডলী সম্পর্কে আলোচনা
৩/২৩১০। আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে ইয়ামানে পাঠান। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আপনি আমাকে পাঠাচ্ছেন, অথচ আমি একজন যুবক মাত্র। আমি লোকেদের মধ্যে মীমাংসা করবো, অথচ বিচার কী জিনিস তাই আমি জানি না। রাবী বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর হাতে হাত দিয়ে আমার বুকে আঘাত করে বলেনঃ ’’ইয়া আল্লাহ! আপনি তার অন্তরে হেদায়াত দান করুন এবং তার জিহবাকে (বাকশক্তিকে) সুস্থির রাখুন’’। আলী বলেন, এরপর পক্ষদ্বয়ের মধ্যে বিচার করতে আমি কখনো সন্দেহে পতিত হইনি।
بَاب ذِكْرِ الْقُضَاةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا يَعْلَى، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ أَبِي الْبَخْتَرِيِّ، عَنْ عَلِيٍّ، قَالَ بَعَثَنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الْيَمَنِ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ تَبْعَثُنِي وَأَنَا شَابٌّ أَقْضِي بَيْنَهُمْ وَلاَ أَدْرِي مَا الْقَضَاءُ قَالَ فَضَرَبَ فِي صَدْرِي بِيَدِهِ ثُمَّ قَالَ " اللَّهُمَّ اهْدِ قَلْبَهُ وَثَبِّتْ لِسَانَهُ " . قَالَ فَمَا شَكَكْتُ بَعْدُ فِي قَضَاءٍ بَيْنَ اثْنَيْنِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that 'Ali said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) sent me to Yemen. I said: 'O Messenger of Allah, you are sending me to judge between them while I am a young man, and I do not know how to judge.' He struck me on the chest with his hand and said: 'O Allah, guide his heart and make his tongue steadfast.' And after that I never doubted in passing judgment between two people.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২. জুলুম ও উৎকোচ সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
১/২৩১১। আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে বিচারকই মানুষের বিচার করে, সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় হাজির হবে যে, একজন ফেরেশতা তার ঘাড় ধরে থাকবেন। অতঃপর সে আকাশের দিকে মাথা তুলবে। আল্লাহ যদি বলেন, তাকে নিক্ষেপ করো, তবে সেই ফেরেশতা তাকে একটি গর্তে নিক্ষেপ করবেন, যার মধ্যে সে চল্লিশ বছর ধরে গড়িয়ে পড়তে থাকবে।
بَاب التَّغْلِيظِ فِي الْحَيْفِ وَالرَّشْوَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، حَدَّثَنَا مُجَالِدٌ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ مَسْرُوقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا مِنْ حَاكِمٍ يَحْكُمُ بَيْنَ النَّاسِ إِلاَّ جَاءَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَلَكٌ آخِذٌ بِقَفَاهُ ثُمَّ يَرْفَعُ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ فَإِنْ قَالَ أَلْقِهِ أَلْقَاهُ فِي مَهْوَاةٍ أَرْبَعِينَ خَرِيفًا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী মুজালিদ বিন সাঈদ সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি যইফ বা দুর্বল। ইবনু মাঈন বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহন করা যাবে না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৮০, ২৭/২১৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that 'Abdullah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: “There is no judge who judges between the people but on the Day of Resurrection an angel will come and take hold of the back of his head towards the sky and if it said: “Throw him, “he will throw into an abyss the depth of forty autumns (years).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২. জুলুম ও উৎকোচ সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
২/২৩১২। আবদুল্লাহ ইবনে আবূ আওফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কাযী যতক্ষণ পর্যন্ত জুলুম না করে, আল্লাহ তার সাথে থাকেন। যখন সে জুলুম করে, তখন তিনি তাকে তার নিজের উপর ছেড়ে দেন।
بَاب التَّغْلِيظِ فِي الْحَيْفِ وَالرَّشْوَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِلاَلٍ، عَنْ عِمْرَانَ الْقَطَّانِ، عَنْ حُسَيْنٍ، - يَعْنِي ابْنَ عِمْرَانَ - عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ الشَّيْبَانِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي أَوْفَى، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ مَعَ الْقَاضِي مَا لَمْ يَجُرْ فَإِذَا جَارَ وَكَلَهُ إِلَى نَفْسِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন বিলাল সম্পর্কে আবু জা'ফার আল উকায়লী বলেন, আমার দৃষ্টিতে তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, আমি তার ব্যাপারে ভালো ছাড়া খারাফ কিছু শুনিনি। ইমাম যাহাবী বলেন, মানুষ যেভাবে ভুল করে তিনিও সেরকম ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫০৯৯, ২৪/৫৪৫ নং পৃষ্ঠা) ২. ইমরান আল-কাত্তান সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম আন-নায়সাবুরী বলেন, তিনি সত্যবাদী। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৪৮৯, ২২/৩২৮ নং পৃষ্ঠা) ৩. হুসায়ন বিন ইমরান সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার সম্পর্কে সমালোচনা রয়েছে, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম বুখারী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩২৬, ৬/৪৫৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Abdullah bin Abu Awfa that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Allah is with the judge so long as he is not unjust, but if he rules unjustly, He entrusts him to himself.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২. জুলুম ও উৎকোচ সম্পর্কে কঠোর হুঁশিয়ারি
৩/২৩১৩। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঘুষদাতা ও ঘুষ গ্রহীতার উপর আল্লাহর অভিসম্পাত।
بَاب التَّغْلِيظِ فِي الْحَيْفِ وَالرَّشْوَةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ خَالِهِ الْحَارِثِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَعْنَةُ اللَّهِ عَلَى الرَّاشِي وَالْمُرْتَشِي " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Abdullah bin 'Amr that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The curse of Allah is upon the one who offers a bribe and the one who takes it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩. বিচারকের ইজতিহাদ করে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা।
১/২৩১৪। ’আমর ইবনুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছেনঃ বিচারক যখন ইজতিহাদ করে (চিন্তাভাবনা করে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছার চেষ্টা করে) বিচার করে, অতঃপর সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছে যায়, তার জন্য রয়েছে দু’টি পুরস্কার। আর সে যখন ইজতিহাদ করে বিচার করতে গিয়ে ভুল করে বসে তবুও তার জন্য রয়েছে একটি পুরস্কার। রাবী ইয়াযীদ (রাঃ) বলেন, আমি হাদীসটি আবূ বকর ইবনে আমর ইবনে হাযমের নিকট বর্ণনা করলে তিনি বলেন, আবূ সালামা (রাঃ) আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকেও আমার নিকট অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
بَاب الْحَاكِمِ يَجْتَهِدُ فَيُصِيبُ الْحَقَّ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ التَّيْمِيِّ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي قَيْسٍ، - مَوْلَى عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ - عَنْ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " إِذَا حَكَمَ الْحَاكِمُ فَاجْتَهَدَ فَأَصَابَ فَلَهُ أَجْرَانِ وَإِذَا حَكَمَ فَاجْتَهَدَ فَأَخْطَأَ فَلَهُ أَجْرٌ " .
قَالَ يَزِيدُ فَحَدَّثْتُ بِهِ أَبَا بَكْرِ بْنَ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، فَقَالَ هَكَذَا حَدَّثَنِيهِ أَبُو سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَة.َ
It was narrated from 'Amr bin 'As that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“When the judge passes a judgement and does his best and gets it right, he will have two rewards, and if he passes a judgement and does his best and gets it wrong, he will have one reward.” (Sahih) Yazid (one of narrators) said : “So I Narrated it to Abu Bakr bin 'Amr bin Hazm. He said: 'This is how it was narrated to me by Abu Salamah from Abu Hurairah.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩. বিচারকের ইজতিহাদ করে সঠিক সিদ্ধান্তে পৌঁছা।
২/২৩১৫। বুরাইদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুললাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কাযীগণ তিন শ্রেণীভুক্ত। দু’ শ্রেণীর কাযী জাহান্নামী এবং এক শ্রেণীর কাযী জান্নাতী। যে ব্যক্তি (কাযী) ন্যায়সঙ্গত ফয়সালা দান করে সে জান্নাতী। যে ব্যক্তি (কাযী) সত্য উপলদ্ধি না করে অজ্ঞতার ভিত্তিতে বিবদমান দলের মধ্যে রায় প্রদান করে সে জাহান্নামী এবং যে ব্যক্তি (কাযী) জ্ঞাতসারে অন্যায় রায় প্রদান করে সেও জাহান্নামী। আবূ হাশিম (রাঃ) বলেন, যদি ইবনে বুরাইদা থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর এ হাদীসটি না থাকতো তাহলে আমরা অবশ্যই বলতাম যে, কাযী ইজতিহাদ করে বিচার করলে সে জান্নাতী হবে।
بَاب الْحَاكِمِ يَجْتَهِدُ فَيُصِيبُ الْحَقَّ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا خَلَفُ بْنُ خَلِيفَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو هَاشِمٍ، قَالَ لَوْلاَ حَدِيثُ ابْنِ بُرَيْدَةَ عَنْ أَبِيهِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْقُضَاةُ ثَلاَثَةٌ اثْنَانِ فِي النَّارِ وَوَاحِدٌ فِي الْجَنَّةِ رَجُلٌ عَلِمَ الْحَقَّ فَقَضَى بِهِ فَهُوَ فِي الْجَنَّةِ وَرَجُلٌ قَضَى لِلنَّاسِ عَلَى جَهْلٍ فَهُوَ فِي النَّارِ وَرَجُلٌ جَارَ فِي الْحُكْمِ فَهُوَ فِي النَّارِ " . لَقُلْنَا إِنَّ الْقَاضِيَ إِذَا اجْتَهَدَ فَهُوَ فِي الْجَنَّةِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী খালফ বিন খালিফাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। তিনি কিছু কিছু রেওয়ায়াতে ভুল করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শেষ বয়সে হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেছেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সত্যবাদী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৭০৭, ৮/২৮৪ নং পৃষ্ঠা)
Abu Hashim said:
“Were it not for the Hadith of Ibn Buraidah from his father, from the Prophet (ﷺ) who said: 'Judges are of three types, two of whom will be in Hell and one will be in Paradise. The man who knows the truth and rules in accordance with it, will be in Paradise. The man who passes judgment on the people in ignorance will be in Hell' - we would have said that if the judge does his best he will be in Paradise.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪. বিচারক উত্তেজিত অবস্থায় বিচারকার্য করবে না
১/২৩১৬। আবূ বকরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বিচারক যেন রাগান্বিত অবস্থায় দু’ (বিবদমান) পক্ষের মধ্যকার বিচারকার্য পরিচালনা না করে। রাবী হিশাম (রাঃ) তার হাদীসে বলেনঃ রাগান্বিত অবস্থায় দু’ (বিবদমান) পক্ষের মধ্যে বিচারকার্য পরিচালনা করা বিচারকের জন্য সংগত নয়।
بَاب لَا يَحْكُمُ الْحَاكِمُ وَهُوَ غَضْبَانُ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، وَأَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْجَحْدَرِيُّ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، أَنَّهُ سَمِعَ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ أَبِي بَكْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَقْضِي الْقَاضِي بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ " . قَالَ هِشَامٌ لاَ يَنْبَغِي لِلْحَاكِمِ أَنْ يَقْضِيَ بَيْنَ اثْنَيْنِ وَهُوَ غَضْبَانُ .
তাহকীক আলবানীঃ প্রথম শব্দে সহীহ।
It was narrated from 'Abdul-Malik bin 'Umair that he heard 'Abdur-Rahman bin Abu Bakrah (narrate) from his father that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Let the judge (Qadi) not pass a judgment when he is angry.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫. বিচারক রায় দিলেই হারাম হালাল হয় না এবং হালাল হারাম হয় না
১/২৩১৭। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা আমার কাছে বিবদমান বিষয় মীমাংসার জন্য এসে থাকো। আমিও একজন মানুষ। হয়তো তোমাদের কেউ (একপক্ষ) অপর কারো (বিপক্ষের) তুলনায় নিজের যুক্তি-প্রমাণ পেশে অত্যন্ত বাকপটু হয়ে থাকবে। আর আমি তো তোমাদের বক্তব্য শুনেই তার ভিত্তিতে বিচারকার্য করি। অতএব আমি তোমাদের কারো পক্ষে তার ভাইয়ের হকের কোন অংশের ফয়সালা দিয়ে ফেলতে পারি। এ অবস্থায় সে যেন তার কিছুই গ্রহণ না করে। কারণ আমি তাকে জাহান্নাম একটি টুকরাই কেটে দিচ্ছি, যা নিয়ে সে কিয়ামতের দিন হাজির হবে।
بَاب قَضِيَّةِ الْحَاكِمِ لَا تُحِلُّ حَرَامًا وَلَا تُحَرِّمُ حَلَالًا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ زَيْنَبَ بِنْتِ أُمِّ سَلَمَةَ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّكُمْ تَخْتَصِمُونَ إِلَىَّ وَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ وَإِنَّمَا أَقْضِي بَيْنَكُمْ عَلَى نَحْوٍ مِمَّا أَسْمَعُ مِنْكُمْ فَمَنْ قَضَيْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ شَيْئًا فَلاَ يَأْخُذْهُ فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ يَأْتِي بِهَا يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Umm Salamah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“You refer your disputes to me and I am only human. Perhaps some of you may be more eloquent in presenting your case than others, so I rule in your favor because of what I hear from you. If I pass a judgement in favor of one of you that detracts from his brother's rights, then he should not take it, because it is a piece of fire that is given to him which he will bring forth on the Day Resurrection.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫. বিচারক রায় দিলেই হারাম হালাল হয় না এবং হালাল হারাম হয় না
২/২৩১৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ আমিও একজন মানুষ। হয়তো তোমাদের কেউ অপর কারো তুলনায় নিজের যুক্তি-প্রমাণ পেশে অত্যন্ত বাকপটু হয়ে থাকবে। অতএব আমি তাকে তার ভাইয়ের হক থেকে কিছু কর্তন করে দিয়ে থাকলে তাকে জাহান্নাম একটি টুকরাই কর্তন করে দিলাম।
بَاب قَضِيَّةِ الْحَاكِمِ لَا تُحِلُّ حَرَامًا وَلَا تُحَرِّمُ حَلَالًا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ وَلَعَلَّ بَعْضَكُمْ أَنْ يَكُونَ أَلْحَنَ بِحُجَّتِهِ مِنْ بَعْضٍ فَمَنْ قَطَعْتُ لَهُ مِنْ حَقِّ أَخِيهِ قِطْعَةً فَإِنَّمَا أَقْطَعُ لَهُ قِطْعَةً مِنَ النَّارِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু আমর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“I am only human, and some of you may be more eloquent in presenting your case than others. If I pass a judgement in his favor that detracts from his brother's rights, I am giving him a piece of fire.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬. কেউ পরের মাল নিজের বলে দাবি করে তা হস্তগত করার জন্য মামলা দায়ের করলে
১/২৩১৯। আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ যে ব্যক্তি এমন জিনিস দাবি করে যা তার নয়, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয় এবং সে যেন জাহান্নামে তার বাসস্থান বানিয়ে নেয়।
بَاب مَنْ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ وَخَاصَمَ فِيهِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ عَبْدِ الْوَارِثِ بْنِ سَعِيدٍ أَبُو عُبَيْدَةَ، حَدَّثَنِي أَبِي قَالَ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنِي الْحُسَيْنُ بْنُ ذَكْوَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، قَالَ حَدَّثَنِي يَحْيَى بْنُ يَعْمُرَ، أَنَّ أَبَا الأَسْوَدِ الدِّيلِيَّ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِي ذَرٍّ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنِ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ فَلَيْسَ مِنَّا وَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Dharr that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“Whoever claims something that does not belong to him; he is not one of us, so let him take his place in Hell.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬. কেউ পরের মাল নিজের বলে দাবি করে তা হস্তগত করার জন্য মামলা দায়ের করলে
২/২৩২০। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কারো যুলুমমূলক মামলায় সহযোগিতা করে অথবা যুলুমে সহায়তা করে, তা থেকে নিবৃত্ত না হওয়া পর্যন্ত সর্বদাই সে আল্লাহর গযবে নিপতিত থাকে।
بَاب مَنْ ادَّعَى مَا لَيْسَ لَهُ وَخَاصَمَ فِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَعْلَبَةَ بْنِ سَوَاءٍ، حَدَّثَنِي عَمِّي، مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعَانَ عَلَى خُصُومَةٍ بِظُلْمٍ - أَوْ يُعِينُ عَلَى ظُلْمٍ - لَمْ يَزَلْ فِي سَخَطِ اللَّهِ حَتَّى يَنْزِعَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন সাওয়া সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে কাদিরিয়া মতাবলম্বী ছিলেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার ব্যাপারে কাদারিয়া মতাবলম্বী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫২৭২, ২৫/৩২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. মাতারিল ওয়াররাক সম্পর্কে আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তার হাদিস কেউ বর্জন করেছেন এ মর্মে আমার জানা নেই। আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, এই সানাদে তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯৯৪, ২৮/৫১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever takes the wrongdoer's side in a dispute or supports wrongdoing, he will remain subject to the wrath of Allah until he gives it up.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭. বাদীর দায়িত্ব সাক্ষ্য-প্রমাণ পেশ করা এবং বিবাদীর দায়িত্ব শপথ করা।
১/২৩২১। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ লোকেদেরকে তাদের দাবি মোতাবেক ফয়সালা দেয়া হলে অবশ্যই কতক লোক অন্য লোকের জীবন (মৃত্যুদন্ড) ও সম্পদ দাবি করে বসতো। কিন্তু বিবাদীকেই শপথ করতে হবে।
بَاب الْبَيِّنَةِ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لَوْ يُعْطَى النَّاسُ بِدَعْوَاهُمُ ادَّعَى نَاسٌ دِمَاءَ رِجَالٍ وَأَمْوَالَهُمْ وَلَكِنِ الْيَمِينُ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If the people were given what they claimed, some would have claimed the lives and property of men. But the one the claim is made against is obliged to swear an oath.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭. বাদীর দায়িত্ব সাক্ষ্য-প্রমাণ পেশ করা এবং বিবাদীর দায়িত্ব শপথ করা।
২/২৩২২। আল-আশ্আছ ইবনে কায়েস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার এবং এক ইহূদীর যৌথ মালিকানাধীন এক খন্ড জমি ছিল। সে আমার অংশ অস্বীকার করলে তাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট পেশ করলাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেনঃ তোমার কি দলীল-প্রমাণ আছে? আমি বললাম, না। তিনি ইহূদীকে বলেনঃ শপথ করো। আমি বললাম, এ সম্পর্কে সে শপথ করার সাথে সাথে আমার সম্পত্তি নিয়ে যাবে। তখন আল্লাহ তা’আলা এ আয়াত নাযিল করেন (অনুবাদ) ’’নিশ্চয় যারা আল্লাহর সাথে কৃত প্রতিশ্রুতি এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে, পরকালে তাদের কোন অংশ নেই’’। সূরা আল ইমরানঃ ৭৭) ... আয়াতের শেষ পর্যন্ত।
بَاب الْبَيِّنَةِ عَلَى الْمُدَّعِي وَالْيَمِينِ عَلَى الْمُدَّعَى عَلَيْهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنِ الأَشْعَثِ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ كَانَ بَيْنِي وَبَيْنَ رَجُلٍ مِنَ الْيَهُودِ أَرْضٌ فَجَحَدَنِي فَقَدَّمْتُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هَلْ لَكَ بَيِّنَةٌ " . قُلْتُ لاَ . قَالَ لِلْيَهُودِيِّ " احْلِفْ " . قُلْتُ إِذًا يَحْلِفَ فَيَذْهَبَ بِمَالِي . فَأَنْزَلَ اللَّهُ سُبْحَانَهُ (إِنَّ الَّذِينَ يَشْتَرُونَ بِعَهْدِ اللَّهِ وَأَيْمَانِهِمْ ثَمَنًا قَلِيلاً) إِلَى آخِرِ الآيَةِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ash'ath bin Qais Said:
“There was a dispute between myself and a Jewish man concerning some land, and he denied me my rights so I brought him to the Prophet (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) said to me: 'Do you have proof' I said: 'No.’ He said to the Jews, 'Swear an oath.' I said: 'If he swears an oath he will take my property.' Then Allah, Glorious is He, revealed: 'Verily, those who purchase a small gain at the cost of Allah's covenant and their oaths, they shall have no portion in the Hereafter (Paradise). Neither will Allah neither speak to them nor look at them on the Day of Resurrection nor will He purifies them, and they shall have a painful torment.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮. যে ব্যক্তি অপরের মাল আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে
১/২৩২৩। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অপর মুসলিমের মাল আত্মসাতের লক্ষ্যে সজ্ঞানে মিথ্যা শপথ করে, সে কিয়ামতের দিন এমন অবস্থায় আল্লাহর সমীপে উপস্থিত হবে যে, তিনি তার প্রতি চরম অসন্তুষ্ট থাকবেন।
بَاب مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَاجِرَةٍ لِيَقْتَطِعَ بِهَا مَالًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، وَأَبُو مُعَاوِيَةَ قَالاَ حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ شَقِيقٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَسْعُودٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ وَهُوَ فِيهَا فَاجِرٌ يَقْتَطِعُ بِهَا مَالَ امْرِئٍ مُسْلِمٍ لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Abdullah bin Mas'ud that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever swears a false oath in order to seize the wealth of a Muslim unlawfully, he will meet Allah when He is angry with him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮. যে ব্যক্তি অপরের মাল আত্মসাতের উদ্দেশ্যে মিথ্যা শপথ করে
২/২৩২৪। আবূ উমামা আল-হারিসী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ কোন ব্যক্তি অপর মুসলিমের প্রাপ্য স্বত্ব মিথ্যা শপথ করে কর্তন করে নিলে আল্লাহ তার জন্য জান্নাত হারাম করে দিবেন এবং জাহান্নাম তার জন্য অবধারিত করে দিবেন। উপস্থিত লোকজনের মধ্য থেকে এক ব্যক্তি বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! যদি তা সামান্য জিনিস হয়। তিনি বললেনঃ যদি তা পিলু গাছের একটি মেসওয়াকও হয়।
بَاب مَنْ حَلَفَ عَلَى يَمِينٍ فَاجِرَةٍ لِيَقْتَطِعَ بِهَا مَالًا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ كَثِيرٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ كَعْبٍ، أَنَّهُ سَمِعَ أَخَاهُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ كَعْبٍ، أَنَّ أَبَا أُمَامَةَ الْحَارِثِيَّ، حَدَّثَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يَقْتَطِعُ رَجُلٌ حَقَّ امْرِئٍ مُسْلِمٍ بِيَمِينِهِ إِلاَّ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَأَوْجَبَ لَهُ النَّارَ " . فَقَالَ رَجُلٌ مِنَ الْقَوْمِ يَا رَسُولَ اللَّهِ وَإِنْ كَانَ شَيْئًا يَسِيرًا قَالَ " وَإِنْ كَانَ سِوَاكًا مِنْ أَرَاكٍ " .
Abu Umamah Al-Harithi narrated that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“No man seizes the wealth of a Muslim unlawfully by means of his (false) oath, but Allah will deny Paradise to him and will doom him to Hell.” A man among the people said: “O Messenger of Allah, even if it is something small?” He said: “Even if it is a twig of an Arak tree.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯. অপরের প্রাপ্য অধিকার বা স্বত্ব আত্মসাতের উদ্দেশ্যে শপথ করলে
১/২৩২৫। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমার এই মিম্বারের নিকট দাঁড়িয়ে মিথ্যা শপথ করবে, সে যেন জাহান্নামে তার ঠিকানা বানিয়ে নেয়, যদিও তা একটি সবুজ মিসওয়াকের জন্যও হয়।
بَاب الْيَمِينِ عِنْدَ مَقَاطِعِ الْحُقُوقِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، ح وَحَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا صَفْوَانُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا هَاشِمُ بْنُ هَاشِمٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نِسْطَاسٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ حَلَفَ بِيَمِينٍ آثِمَةٍ عِنْدَ مِنْبَرِي هَذَا فَلْيَتَبَوَّأْ مَقْعَدَهُ مِنَ النَّارِ وَلَوْ عَلَى سِوَاكٍ أَخْضَرَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
'Whoever swears a false oath near this pulpit of mine, let him take his place in Hell, even if it is for a green twig.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯. অপরের প্রাপ্য অধিকার বা স্বত্ব আত্মসাতের উদ্দেশ্যে শপথ করলে
২/২৩২৬। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ এই মিম্বারের নিকট কোন পুরুষ অথবা নারী মিথ্যা শপথ করলে সে যেন জাহান্নামে তার আবাস নির্দ্ধারণ করলো, তা একটি কাঁচা দাঁতনের জন্য হলেও।
بَاب الْيَمِينِ عِنْدَ مَقَاطِعِ الْحُقُوقِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَزَيْدُ بْنُ أَخْزَمَ، قَالاَ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ فَرُّوخَ، - قَالَ مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى وَهُوَ أَبُو يُونُسَ الْقَوِيُّ - قَالَ سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَقُولُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَحْلِفُ عِنْدَ هَذَا الْمِنْبَرِ عَبْدٌ وَلاَ أَمَةٌ عَلَى يَمِينٍ آثِمَةٍ وَلَوْ عَلَى سِوَاكٍ رَطْبٍ إِلاَّ وَجَبَتْ لَهُ النَّارُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Muhammad bin Yahya, who is Abu Yunus Al-Qawi, said:
I heard Abu Salamah say: I heard Abu Hurairah say: “The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'No man or woman swears a false oath beside this pulpit, even if it is for a fresh twig, but he will be doomed to Hell.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০. আহলে কিতাব সম্প্রদায়কে শপথ উচ্চারণপূর্বক কিছু বলা
১/২৩২৭। বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইহূদী সম্প্রদায়ের এক পন্ডিত ব্যক্তিকে ডেকে বলেনঃ আমি তোমাকে সেই মহান সত্তার শপথ করে বলছি যিনি মূসা (রাঃ)-এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন।
بَاب بِمَا يُسْتَحْلَفُ أَهْلُ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُرَّةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دَعَا رَجُلاً مِنْ عُلَمَاءِ الْيَهُودِ فَقَالَ " أَنْشُدُكَ بِاللَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ التَّوْرَاةَ عَلَى مُوسَى " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Bara' bin 'Azib that the Messenger of Allah (ﷺ) called one of the Jewish scholars and said:
“ Swear by the One Who sent the Torah (Tawrah) down to Musa.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০. আহলে কিতাব সম্প্রদায়কে শপথ উচ্চারণপূর্বক কিছু বলা
২/২৩২৮। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’ ইহূদীকে বলেনঃ আমি তোমাদের দু’জনকে সেই আল্লাহর শপথ দিচ্ছি যিনি মূসা (রাঃ) এর উপর তাওরাত কিতাব নাযিল করেছেন।
بَاب بِمَا يُسْتَحْلَفُ أَهْلُ الْكِتَابِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ مُجَالِدٍ، أَنْبَأَنَا عَامِرٌ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِيَهُودِيَّيْنِ " نَشَدْتُكُمَا بِاللَّهِ الَّذِي أَنْزَلَ التَّوْرَاةَ عَلَى مُوسَى عَلَيْهِ السَّلاَمُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুজালিদ বিন সাঈদ সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি যইফ বা দুর্বল। ইবনু মাঈন বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহন করা যাবে না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৮০, ২৭/২১৯ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু মুজালিদ বিন সাঈদ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৪৭৫ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৭ টি জাল, ১০৭ টি খুবই দুর্বল, ১৩২ টি দুর্বল, ১০৯ টি হাসান, ১২০ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ১৩২৯, ৩৬৩৫, ৪৫৫৬, ৬৮১৯, ৬৮৩০, ৬৮৪০, ৬৮৪১, ৭৩৩২, ৭৫৪৩, মুসলিম ১৬৯২, ১৭০২, ১৭০৩, ১৭০৪, তিরমিযি ১৪৩১, ১৪৩২, ১৪৩৬, ১৪৩৭, আবু দাউদ ৪৮৮, ৩৬২৪, ৪৪১৮, ৪৪৪৬, ৪৪৪৭, ৪৪৪৮, ৪৪৪৯, ৪৪৫০, ৪৪৫১, ৪৪৫২, ৪৪৫৫, দারিমী ২৩২১, ২৩২৩, আহমাদ ১৫৪, ১৯৯, ২৭২, ৩০৪, ৩২১, ৩৫৪, ৩৯৩, ৯৫১, ১১৬৮, ২৩৬৪, ৪৪৮৪, ৪৬৫২, ৫২৫৪, ৫২৭৮, ৫৪৩৬, ৬০৫৮।
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) said to two Jews:
“Swear by Allah Who sent the Tawrah down to Musa, peace be upon him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১১. দু’ ব্যক্তি একই পণ্যের মালিকানা দাবি করলে এবং তাদের কারো কাছে কোন দলীল-প্রমাণ না থাকলে
১/২৩২৯। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। দু’ ব্যক্তি একটি জন্তুর মালিকানা দাবি করলো কিন্তু তাদের কারো নিকটই দলীল-প্রমাণ ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে লটারী করে তাতে যার নাম উঠে, তাকে শপথ করার পর তা নিতে বলেন।
بَاب الرَّجُلَانِ يَدَّعِيَانِ السِّلْعَةَ وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خِلاَسٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ ذَكَرَ أَنَّ رَجُلَيْنِ، ادَّعَيَا دَابَّةً وَلَمْ يَكُنْ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ فَأَمَرَهُمَا النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَسْتَهِمَا عَلَى الْيَمِينِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that:
he said that two men laid claim to an animal, and neither of them had any proof, so the Prophet (ﷺ) commanded them to cast lots as to which of them should swear an oath.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১১. দু’ ব্যক্তি একই পণ্যের মালিকানা দাবি করলে এবং তাদের কারো কাছে কোন দলীল-প্রমাণ না থাকলে
২/২৩৩০। আবূ মূসা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট দু’ ব্যক্তি একটি জন্তুর ব্যাপারে অভিযোগ দায়ের করলো এবং তাদের একজনের নিকটও কোন প্রমাণ ছিলো না। তিনি তাদের উভয়কে সেটির অর্ধেক অর্ধেক মালিকানা দান করেন।
بَاب الرَّجُلَانِ يَدَّعِيَانِ السِّلْعَةَ وَلَيْسَ بَيْنَهُمَا بَيِّنَةٌ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ مَعْمَرٍ، وَزُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي بُرْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي مُوسَى، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اخْتَصَمَ إِلَيْهِ رَجُلاَنِ بَيْنَهُمَا دَابَّةٌ وَلَيْسَ لِوَاحِدٍ مِنْهُمَا بَيِّنَةٌ فَجَعَلَهَا بَيْنَهُمَا نِصْفَيْنِ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ।
It was narrated from Abu Musa that :
two men referred a dispute to the Messenger of Allah (ﷺ) concerning an animal, and neither of them had proof, so he ruled that it should be divided in half.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১২. কোন ব্যক্তি তার চুরি যাওয়া মাল ক্রেতার নিকট পেলে
১/২৩৩১। সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তির কোন মাল বিনষ্ট হয়ে যায় অথবা চুরি হয়ে যায়, অতঃপর সে তা কোন ক্রেতার নিকট পেয়ে যায়, তবে সে তা ফেরত পাবে এবং ক্রেতা বিক্রেতার নিকট থেকে তার মূল্য ফেরত নিবে।
بَاب مَنْ سُرِقَ لَهُ شَيْءٌ فَوَجَدَهُ فِي يَدِ رَجُلٍ اشْتَرَاهُ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ عُبَيْدِ بْنِ زَيْدِ بْنِ عُقْبَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا ضَاعَ لِلرَّجُلِ مَتَاعٌ أَوْ سُرِقَ لَهُ مَتَاعٌ فَوَجَدَهُ فِي يَدِ رَجُلٍ يَبِيعُهُ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ وَيَرْجِعُ الْمُشْتَرِي عَلَى الْبَائِعِ بِالثَّمَنِ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী হাজ্জাজ বিন আরতা সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়, অন্যত্র তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ তাকে দুর্বল বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২, ৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Samurah bin Jundub that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If a man loses something, or it is stolen from him, and he finds it in the possession of a man who bought it, then he has more right to it, and the one who bought it should ask for his money back from the one who sold it to him.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৩. গবাদি পশু কিছু বিনষ্ট করলে তার হুকুম
১/২৩৩২। ইবনে মুহাইয়্যাসা আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ) এর একটি দুষ্ট উটনী ছিল। সেটি এক সম্প্রদায়ের বাগানে ঢুকে তা বিনষ্ট করে দেয়। বিষয়টি সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি সিদ্ধান্ত দেন যে, দিনের বেলা সম্পদের হেফাজত করার দায়িত্ব তার মালিকের (তাই দিনে ফসল বিনষ্ট করলে তার জন্য জন্তুর মালিক দায়ী নয়)। আর জন্তু রাতে যে ক্ষতি করবে, তা জন্তুর মালিকের উপর বর্তাবে।
২/২৩৩২(১)। হাসান ইবনে আলী ইবনে আফফান্-মুআবিয়া ইবনে হিশাম-সুফিয়ান-আবদুল্লাহ ইবনে ঈসা-যুহরী-হারাম ইবনে মুহাইয়্যাসা-বারাআ ইবনে আযেব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বারাআ-পরিবারের একটি উষ্ট্রী কিছু ফসল নষ্ট করলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা দেন ... পূর্বোক্ত অনুরূপ।
بَاب الْحُكْمِ فِيمَا أَفْسَدَتْ الْمَوَاشِي
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ الْمِصْرِيُّ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، أَنَّ ابْنَ مُحَيِّصَةَ الأَنْصَارِيَّ، أَخْبَرَهُ أَنَّ نَاقَةً لِلْبَرَاءِ كَانَتْ ضَارِيَةً دَخَلَتْ فِي حَائِطِ قَوْمٍ فَأَفْسَدَتْ فِيهِ فَكُلِّمَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِيهَا فَقَضَى أَنَّ حِفْظَ الأَمْوَالِ عَلَى أَهْلِهَا بِالنَّهَارِ وَعَلَى أَهْلِ الْمَوَاشِي مَا أَصَابَتْ مَوَاشِيهِمْ بِاللَّيْلِ .
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ عَفَّانَ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عِيسَى، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حَرَامِ بْنِ مُحَيِّصَةَ، عَنِ الْبَرَاءِ بْنِ عَازِبٍ، أَنَّ نَاقَةً، لآلِ الْبَرَاءِ أَفْسَدَتْ شَيْئًا فَقَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِمِثْلِهِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুআবিয়াহ বিন হিশাম সম্পর্কে আবুল ফারাজ আল-জাওযী বলেন, তার থেকে কেউ হাদিস শ্রবন করেনি তবে যারা হাদিস শ্রবন করেছে তারা তা বর্জন করেছে। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬০৬৭, ২৮/২১৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn Shihab that :
Ibn Muhayyisah Al-Ansari told him that a she-camel belonging to Bara used to wander free. It entered a garden belonging to some people and caused some damage. The Messenger of Allah (ﷺ) was told of that, and he ruled that property was to be protected by its owners of livestock were responsible for any damage caused by their animals during the night.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৪. কোন ব্যক্তি কোন জিনিস ভেঙ্গে ফেললে তার হুকুম
১/২৩৩৩। সাওআত গোত্রের এক ব্যক্তি থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আয়েশা (রাঃ)-কে বললাম, আমাকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্বভাব-চরিত্র সম্পর্কে অবহিত করুন। তিনি বলেন, তুমি কি কুরআন পড়ো না। ’’তুমি অবশ্যই মহান চরিত্রে অধিষ্ঠিত’’ (সূরা আল-কালামঃ ৪)। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর সাহাবীদের সাথে ছিলেন। আমি তাঁর জন্য আহার তৈরি করলাম এবং হাফসা (রাঃ)-ও তাঁর জন্য আহার তৈরি করলেন। তিনি বলেন, হাফসা (রাঃ) আমার আগে (খাবার নিয়ে) গেলেন। আমি দাসীকে বললাম, যাও, তার পাত্র উল্টে ফেলে দাও।
অতএব সে হাফসার নিকট গেলো। হাফসা (রাঃ) যখন তা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে রাখতে গেলো অমনি সে তা উল্টে ফেলে দিলো। ফলে পাত্রটি ভেঙ্গে গেলো এবং খাদ্যদ্রব্য ছড়িয়ে পড়লো। আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্রের টুকরাগুলো একত্রিত করলেন এবং তার খাবার স্বীয় তালুর সম্মুখে রাখলেন অতঃপর তা খেলেন।
তারপর তিনি আমার পাত্রটি হাফসাকে দিয়ে বলেনঃ তোমার পাত্রের বদলে এই পাত্র নাও এবং এতে যা আছে তা খাও। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারায় এর কোন প্রতিক্রিয়াই লক্ষ্য করলাম না।
بَاب الْحُكْمِ فِيمَنْ كَسَرَ شَيْئًا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ قَيْسِ بْنِ وَهْبٍ، عَنْ رَجُلٍ، مِنْ بَنِي سُوَاءَةَ قَالَ قُلْتُ لِعَائِشَةَ أَخْبِرِينِي عَنْ خُلُقِ، رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . قَالَتْ أَوَمَا تَقْرَأُ الْقُرْآنَ (وَإِنَّكَ لَعَلَى خُلُقٍ عَظِيمٍ) قَالَتْ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَعَ أَصْحَابِهِ فَصَنَعْتُ لَهُ طَعَامًا وَصَنَعَتْ حَفْصَةُ لَهُ طَعَامًا . قَالَتْ فَسَبَقَتْنِي حَفْصَةُ فَقُلْتُ لِلْجَارِيَةِ انْطَلِقِي فَأَكْفِئِي قَصْعَتَهَا فَلَحِقَتْهَا وَقَدْ هَوَتْ أَنْ تَضَعَ بَيْنَ يَدَىْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَكْفَأَتْهَا فَانْكَسَرَتِ الْقَصْعَةُ وَانْتَشَرَ الطَّعَامُ . قَالَتْ فَجَمَعَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَمَا فِيهَا مِنَ الطَّعَامِ عَلَى النِّطَعِ فَأَكَلُوا ثُمَّ بَعَثَ بِقَصْعَتِي فَدَفَعَهَا إِلَى حَفْصَةَ فَقَالَ " خُذُوا ظَرْفًا مَكَانَ ظَرْفِكُمْ " . قَالَتْ فَمَا رَأَيْتُ ذَلِكَ فِي وَجْهِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ সানাদ দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী শারীক বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন, তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৭৩৬, ১২/৪৬২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that a man from Banu Suwa'ah said:
'I said to 'Aishah: Tell me about the character of the Messenger of Allah (ﷺ).' She said: 'Have you not read the Qur'an: “And verily, you (O Mohammed {SAW}) are on an exalted (standard of) character?” She said: 'The Messenger of Allah (ﷺ) was with his Companions, and I made some food for him, and Hafsah made some food for him, but Hafash got there before me. So I said to the slave girl: “Overturn her bowl.” She went and caught up with her, and she was about to put (the bowl) in front of the Messenger of Allah (ﷺ). She overturned it and the bowl broke, scattering the food. The Messenger of Allah (ﷺ) gathered the pieces and the food on the leather mat and they ate. Then he sent for my bowl and gave it to Hafsah, and said: “Take this pot in place of your pot, and eat what is in it.” And I did not see any expression of anger on the face of the Messenger of Allah (ﷺ).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৪. কোন ব্যক্তি কোন জিনিস ভেঙ্গে ফেললে তার হুকুম
২/২৩৩৪। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুমিন জননীগণের একজনের হুজরায় ছিলেন। তাদের অন্যজন একটি পাত্র ভর্তি আহার্য তাঁর নিকট পাঠান। তিনি (হুজরার জননী) আহার্যের পাত্র বহনকারীর হাতে আঘাত করলে পাত্রটি নিচে পড়ে ভেঙ্গে যায়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাত্রের টুকরা দু’টি তুলে নিয়ে একটির সাথে অপরটি জোড়া লাগিয়ে তার মধ্যে পতিত খাবার জমা করেন এবং বলেনঃ তোমাদের মাতার আত্মসম্মানে আঘাত লেগেছে। তোমরা (এটা) খাও। অতএব তারা তা আহার করলেন। অতঃপর তিনি তার ঘরের খাবার ভর্তি পাত্র নিয়ে এলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অক্ষত পাত্রটি বাহককে দিলেন এবং ভাঙ্গা পাত্রটি ভঙ্গকারিণীর ঘরে রেখে দিলেন।
بَاب الْحُكْمِ فِيمَنْ كَسَرَ شَيْئًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا حُمَيْدٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم عِنْدَ إِحْدَى أُمَّهَاتِ الْمُؤْمِنِينَ فَأَرْسَلَتْ أُخْرَى بِقَصْعَةٍ فِيهَا طَعَامٌ فَضَرَبَتْ يَدَ الرَّسُولِ فَسَقَطَتِ الْقَصْعَةُ فَانْكَسَرَتْ فَأَخَذَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الْكِسْرَتَيْنِ فَضَمَّ إِحْدَاهُمَا إِلَى الأُخْرَى فَجَعَلَ يَجْمَعُ فِيهَا الطَّعَامَ وَيَقُولُ " غَارَتْ أُمُّكُمْ كُلُوا " . فَأَكَلُوا حَتَّى جَاءَتْ بِقَصْعَتِهَا الَّتِي فِي بَيْتِهَا فَدَفَعَ الْقَصْعَةَ الصَّحِيحَةَ إِلَى الرَّسُولِ وَتَرَكَ الْمَكْسُورَةَ فِي بَيْتِ الَّتِي كَسَرَتْهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Anas bin Malik said:
“The Prophet (ﷺ) was with one of the Mothers of the Believers (his wives) and another (wife) sent a bowl containing food. She (the first wife) struck the hand of the Messenger of (ﷺ) and the bowl fell and broke. The Messenger of Allah (ﷺ) took the two pieces and put them back together, then he started gathering up the food and putting it in (the bowl). He said: 'Your mother was jealous. Eat.' So they ate, and she (the wife who broke the bowl) brought the bowl that was in her house and gave the intact bowl to the Messenger (ﷺ), who left the broken bowl in the house of the one who broke it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৫. কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর দেয়ালের সাথে খুঁটি পুঁতলে
১/২৩৩৫। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ তার প্রতিবেশীর নিকট তার দেয়ালের সাথে নিজের খুঁটি গাড়ার অনুমতি চাইলে সে যেন তাকে নিষেধ না করে। আবূ হুরায়রা (রাঃ) উপস্থিত লোকেদের নিকট এ হাদীস বর্ণনা করলে তারা মাথা নত করে দেয়। তিনি তাদের এ অবস্থা দেখে বলেন, কী ব্যাপার, আমি দেখছি তোমরা এ থেকে মুখ ফিরিয়ে নিচেছা! আল্লাহর শপথ! আমি অবশ্যই তোমাদের দু’ কাঁধের মাঝখানে খুঁটি গাড়বো।
بَاب الرَّجُلِ يَضَعُ خَشَبَةً عَلَى جِدَارِ جَارِهِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الأَعْرَجِ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ، يَبْلُغُ بِهِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا اسْتَأْذَنَ أَحَدَكُمْ جَارُهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَةً فِي جِدَارِهِ فَلاَ يَمْنَعْهُ " . فَلَمَّا حَدَّثَهُمْ أَبُو هُرَيْرَةَ طَأْطَئُوا رُءُوسَهُمْ فَلَمَّا رَآهُمْ قَالَ مَالِي أَرَاكُمْ عَنْهَا مُعْرِضِينَ وَاللَّهِ لأَرْمِيَنَّ بِهَا بَيْنَ أَكْتَافِكُمْ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Anas bin Malik said:
“The Prophet (ﷺ): 'When anyone of you asks his neighbor for permission to fix a piece of wood to his wall, he should not refuse him. 'When Abu Hurairah told them this, they lowered their heads, and when he saw them he said: 'Why do I see you turning away from it? By Allah, I will force you to accept it.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৫. কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর দেয়ালের সাথে খুঁটি পুঁতলে
২/২৩৩৬। ইকরিমা ইবনে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। মুগীরা গোত্রের দু’ ভাইয়ের মধ্যে কথা কাটাকাটির এক পর্যায়ে এক ভাই বলে যে, অপর ভাই তার দেয়ালের সাথে খুঁটি পুঁতলে তার গোলাম আযাদ হয়ে যাবে। অতঃপর মুজাম্মে ইবনে য়াযীদ (রাঃ) সহ আনসারদের আরো অনেক লোক এসে বলেন, আমরা সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের সাথে খুঁটি গাড়তে বাধা না দেয়। তখন বিতর্ককারী ভাই বললো, হে ভাই! ফয়সালা আমার বিপক্ষে এবং তোমার অনুকূলেই হয়েছে। যেহেতু আমি শপথ করেছি, তাই তুমি আমার দেয়ালের পাশে একটি বড় খুঁটি পুঁতে তার উপর তোমার কাঠ রাখো।
بَاب الرَّجُلِ يَضَعُ خَشَبَةً عَلَى جِدَارِ جَارِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ، بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، أَنَّ هِشَامَ بْنَ يَحْيَى، أَخْبَرَهُ أَنَّ عِكْرِمَةَ بْنَ سَلَمَةَ أَخْبَرَهُ أَنَّ أَخَوَيْنِ مِنْ بَلْمُغِيرَةَ أَعْتَقَ أَحَدُهُمَا أَنْ لاَ يَغْرِزَ خَشَبًا فِي جِدَارِهِ فَأَقْبَلَ مُجَمِّعُ بْنُ يَزِيدَ وَرِجَالٌ كَثِيرٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالُوا نَشْهَدُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَمْنَعْ أَحَدُكُمْ جَارَهُ أَنْ يَغْرِزَ خَشَبَةً فِي جِدَارِهِ " . فَقَالَ يَا أَخِي إِنَّكَ مَقْضِيٌّ لَكَ عَلَىَّ وَقَدْ حَلَفْتُ فَاجْعَلْ أُسْطُوَانًا دُونَ حَائِطِي أَوْ جِدَارِي فَاجْعَلْ عَلَيْهِ خَشَبَكَ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী হিশাম বিন ইয়াহইয়া সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে অজ্ঞাত। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তার বিষয়টি মতভেদপূর্ণ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৫৯১, ৩০/২৬৪ নং পৃষ্ঠা) ২. ইকরিমাহ বিন সালামাহ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০০৬, ২০/২৫২ নং পৃষ্ঠা)
'Ikrimah bin Salamh narrated that :
there were two brothers from among the sons of Mughirah. One of them swore an oath to set a slave free if the other one fixed a piece of wood to his wall. Mujammi' bin Yazid and many men from among the Ansar came and said: “We bear witness that the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'None of you should refuse to let his neighbor fix a piece of wood to his wall.' ” He said: 'O my brother, judgment has been passed in your favor against me, but I have sworn an oath.' So go ahead and fix your wood to my wall.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৫. কোন ব্যক্তি তার প্রতিবেশীর দেয়ালের সাথে খুঁটি পুঁতলে
৩/২৩৩৭। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালের সাথে কাঠ পুততে নিষেধ না করে।
بَاب الرَّجُلِ يَضَعُ خَشَبَةً عَلَى جِدَارِ جَارِهِ
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، عَنْ أَبِي الأَسْوَدِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَمْنَعْ أَحَدُكُمْ جَارَهُ أَنْ يَضَعَ خَشَبَةً عَلَى جِدَارِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইবনু লাহীআহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার হাদিসের ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় যে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা দুর্বল। আবু কাসিম বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ার পর হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। বিশর ইবনুস সারী বলেন, যদি তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হত তবে আমি তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করতাম না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫১৩, ১৫/৪৮৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Prophet (ﷺ) said:
“No one of you should refuse to let his neighbor fix a piece of wood to his wall.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৬. রাস্তার প্রস্থের পরিমাণ নিয়ে মতভেদ হলে।
১/২৩৩৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাস্তা সাত হাত পরিমাণ চওড়া করো।
بَاب إِذَا تَشَاجَرُوا فِي قَدْرِ الطَّرِيقِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا مُثَنَّى بْنُ سَعِيدٍ الضُّبَعِيُّ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ كَعْبٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اجْعَلُوا الطَّرِيقَ سَبْعَةَ أَذْرُعٍ " .
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Make the path seven forearms length wide.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৬. রাস্তার প্রস্থের পরিমাণ নিয়ে মতভেদ হলে।
২/২৩৩৯। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমরা রাস্তার প্রস্থ নিয়ে মতানৈক্য করলে তা সাত হাত চওড়া করো।
بَاب إِذَا تَشَاجَرُوا فِي قَدْرِ الطَّرِيقِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَمُحَمَّدُ بْنُ عُمَرَ بْنِ هَيَّاجٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا قَبِيصَةُ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا اخْتَلَفْتُمْ فِي الطَّرِيقِ فَاجْعَلُوهُ سَبْعَةَ أَذْرُعٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী কাবিসাহ সম্পর্কে আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। আব্দুর রহমান বিন ইউসুফ বলেন, তিনি সত্যবাদী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৮৪৩, ২৩/৪৮১ নং পৃষ্ঠা) ২. সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহিহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“When you dispute concerning a path, make it seven forearms length wide.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৭. যে ব্যক্তি নিজের মালিকানাস্বত্বে প্রতিবেশীর জন্য ক্ষতিকর কিছু নির্মাণ করে
১/২৩৪০। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নির্দেশ দিয়েছেন যে, ক্ষতি করাও যাবে না, ক্ষতি সহাও যাবে না।
بَاب مَنْ بَنَى فِي حَقِّهِ مَا يَضُرُّ بِجَارِهِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ خَالِدٍ النُّمَيْرِيُّ أَبُو الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى أَنْ " لاَ ضَرَرَ وَلاَ ضِرَارَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ফুদায়ল বিন সুলায়মান সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭৫৯, ২৩/২৭১ নং পৃষ্ঠা) ২. ইসহাক বিন ইয়াহইয়া ইবনুল ওয়ালীদ সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার হাদিস রক্ষিত নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার সম্পর্কে অজ্ঞাত। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি তার পিতা থেকে হাদিস শ্রবন করেননি। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৯১, ২/৪৯৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Ubadah bin Samit that the Messenger of Allah (ﷺ) ruled:
“There should be neither harming nor reciprocating harm.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৭. যে ব্যক্তি নিজের মালিকানাস্বত্বে প্রতিবেশীর জন্য ক্ষতিকর কিছু নির্মাণ করে
২/২৩৪১। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ক্ষতি করাও যাবে না, ক্ষতি সহাও যাবে না।
بَاب مَنْ بَنَى فِي حَقِّهِ مَا يَضُرُّ بِجَارِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنْ جَابِرٍ الْجُعْفِيِّ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ ضَرَرَ وَلاَ ضِرَارَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী জাবির আল জু'ফী সম্পর্কে শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সত্যবাদী। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি মিথ্যা কথা বলেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও আল-জাওযুজানী তাকে মিথ্যুক বলেছেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৮৭৯, ৪/৪৬৫ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু জাবির আল-জুফী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৫৪ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ১ টি জাল, ১৮ টি খুবই দুর্বল, ২৮ টি দুর্বল, ৭ টি হাসান হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আহমাদ ২৮৬২, ২২২৭২, দারাকুতনী ৩০৬০, ৪৪৯৩, ৪৪৯৫, মু'জামুল আওসাত ৩৭৭৭, ৫১৫৩।
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“There should be neither harming nor reciprocating harm.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৭. যে ব্যক্তি নিজের মালিকানাস্বত্বে প্রতিবেশীর জন্য ক্ষতিকর কিছু নির্মাণ করে
৩/২৩৪২। আবূ সিরমা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি অন্যের ক্ষতি করবে, আল্লাহ তার ক্ষতি করবেন এবং যে ব্যক্তি অন্যকে কষ্ট দিবে আল্লাহ তাকে কষ্ট দিবেন।
بَاب مَنْ بَنَى فِي حَقِّهِ مَا يَضُرُّ بِجَارِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانَ، عَنْ لُؤْلُؤَةَ، عَنْ أَبِي صِرْمَةَ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ ضَارَّ أَضَرَّ اللَّهُ بِهِ وَمَنْ شَاقَّ شَقَّ اللَّهُ عَلَيْهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated from Abu Sirmah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever harms others, Allah (SWT) will harm him; and whoever causes hardship to other Allah will cause hardship to him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৮. দু’ ব্যক্তি একই কুঁড়ে ঘরের মালিকানা দাবি করলে
১/২৩৪৩। নিমরাই ইবনে জারিয়া (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। কতক লোক একটি কুঁড়ে ঘরের মালিকানা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নালিশ দায়ের করলো। তিনি হুযায়ফা (রাঃ)-কে তাদের মধ্যে মীমাংসা করে দিতে পাঠান। যাদের রশি দিয়ে সে ঘর বাঁধা ছিল তিনি তাদের পক্ষে রায় দেন। অতঃপর তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফিরে এসে তাঁকে তার মীমাংসার কথা জানান। তিনি বলেনঃ তুমি যথার্থ ফয়সালা করেছো এবং ভালো করেছো।
بَاب الرَّجُلَانِ يُدْعَيَانِ فِي خُصٍّ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، وَعَمَّارُ بْنُ خَالِدٍ الْوَاسِطِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ دَهْثَمِ بْنِ قُرَّانٍ، عَنْ نِمْرَانَ بْنِ جَارِيَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ قَوْمًا، اخْتَصَمُوا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فِي خُصٍّ كَانَ بَيْنَهُمْ فَبَعَثَ حُذَيْفَةَ يَقْضِي بَيْنَهُمْ فَقَضَى لِلَّذِينَ يَلِيهِمُ الْقِمْطُ فَلَمَّا رَجَعَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَخْبَرَهُ فَقَالَ " أَصَبْتَ وَأَحْسَنْتَ " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী দাহসাম বিন কুররান সম্পর্কে আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু নুমায়র আল-আসবাহানী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যাবে না। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৮০৪, ৮/৪৯৬ নং পৃষ্ঠা) ২. নিমরান বিন জারিয়াহ সম্পর্কে আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞাত। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৪৭২, ৩০/১৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Nimran bin Jariyah, from his father, that :
some people referred a dispute to the Prophet (ﷺ) about a hut, so that he could judge between them. He sent Hudhaifah to judge between them, and he ruled in favor of those who had the rope (with which the hut was blinded together). When he went back to the Prophet (ﷺ) he told him (what he had done) and he said: “You did the right thing, and you did well.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১৯. যে ব্যক্তি অপরের নিকট থেকে ছাড়ানোর শর্ত করলো।
১/২৩৪৪। সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন জিনিস দু’ ব্যক্তির কাছে বিক্রয় করা হলে তা প্রথম খরিদদার পাবে। রাবী আবুল ওয়াললীদ (রাঃ) বলেন, এ হাদীসে অপরের থেকে ছাড়িয়ে এনে দেয়ার শর্ত বাতিল করা হয়েছে।
بَاب مَنْ اشْتَرَطَ الْخَلَاصَ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " إِذَا بِيعَ الْبَيْعُ مِنْ رَجُلَيْنِ فَالْبَيْعُ لِلأَوَّلِ " . قَالَ أَبُو الْوَلِيدِ فِي هَذَا الْحَدِيثِ إِبْطَالُ الْخَلاَصِ .
It was narrated from ('Uqbah bin 'Amir or) Samurah bin Jundub that :
the Messenger of Allah (ﷺ) said: “If a product is sold to two men, it is for the one who was first.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২০. লটারীর মাধ্যমে মীমাংসা
১/২৩৪৫। ইমরান ইবনে হুসাইন (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক ব্যক্তি ছয়টি গোলাম ছিল, এদের ব্যতীত তার আর কোন মাল ছিলো না। সে তার মৃত্যুর পূর্বে তাদেরকে দাসত্বমুক্ত করে দেয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লটারীর মাধ্যমে এদের মধ্যে দু’জনকে দাসত্বমুক্ত করে দেন এবং চারজনকে গোলাম হিসাবে বহাল রাখেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالْقُرْعَةِ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا خَالِدٌ الْحَذَّاءُ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ، عَنْ أَبِي الْمُهَلَّبِ، عَنْ عِمْرَانَ بْنِ حُصَيْنٍ، أَنَّ رَجُلاً، كَانَ لَهُ سِتَّةُ مَمْلُوكِينَ لَيْسَ لَهُ مَالٌ غَيْرُهُمْ فَأَعْتَقَهُمْ عِنْدَ مَوْتِهِ فَجَزَّأَهُمْ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَعْتَقَ اثْنَيْنِ وَأَرَقَّ أَرْبَعَةً .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Imran bin Husain that :
a man had six slaves, and he did not have any other wealth apart from them, and he set them free when he died. The Messenger of Allah (ﷺ) divided them into groups, set two free and left four as slaves.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২০. লটারীর মাধ্যমে মীমাংসা
২/২৩৪৬। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। দু’ ব্যক্তি একটি বিক্রীত পণ্য নিয়ে জগড়া করছিল। তাদের একজনের নিকটও কোন প্রমাণ ছিলোন না। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে নির্দেশ দেন যে, লটারীতে তাদের দু’জনের মধ্যে যার নাম উঠবে সে শপথ করে পণ্য নিবে, তাতে তারা সন্তুষ্ট হতে পারুক বা না পারুক।
بَاب الْقَضَاءِ بِالْقُرْعَةِ
حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَتَكِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ خِلاَسٍ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَجُلَيْنِ، تَدَارَءَا فِي بَيْعٍ لَيْسَ لِوَاحِدٍ مِنْهُمَا بَيِّنَةٌ فَأَمَرَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ يَسْتَهِمَا عَلَى الْيَمِينِ أَحَبَّا ذَلِكَ أَمْ كَرِهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী জামাল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল-জুরযানী বলেন, আনি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that :
two men disputed concerning a transaction, and neither of them had proof. The Messenger of Allah commanded them to draw lots as to which of them should swear an oath, whether they liked it or not.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২০. লটারীর মাধ্যমে মীমাংসা
৩/২৩৪৭। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সফরে যেতেন, তাঁর স্ত্রীদের মধ্যে লটারী করতেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالْقُرْعَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَمَانٍ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم كَانَ إِذَا سَافَرَ أَقْرَعَ بَيْنَ نِسَائِهِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইয়াহইয়া বিন ইয়ামান সম্পর্কে আবু বকর বিন আবু শায়বাহ বলেন, তিনি হাদিস খুব দ্রুত মুখস্ত করতে পারেন আবার খুব দ্রুত ভুলে যান। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি একাধিক হাদিসে ভুল করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি হুজ্জাহ নয়, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তার স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা ও তার হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুলের কারণে তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহন করা যাবে না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি একজন সত্যবাদী ও আবিদ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৯৫৩, ৩২/৫৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Aishah that :
when the Prophet (ﷺ) traveled, he would cast lots among his wives (to decide which one would accompany him).
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২০. লটারীর মাধ্যমে মীমাংসা
৪/২৩৪৮। যায়েদ ইবনে আরকাম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আলী ইবনে আবূ তালিব (রাঃ) ইয়ামান থাকাকালে তার সামনে মীমাংসার জন্য এই মর্মে একটি বিষয় উত্থাপিত হয় যে, তিন ব্যক্তি একই তুহরে এক নারীর সাথে সংগম করে (ফলে তার একটি সন্তান হয়)। আলী (রাঃ) দু’জনকে জিজ্ঞেস করেন (তৃতীয় ব্যক্তিকে দেখিয়ে) তোমরা কি সন্তানটি এই ব্যক্তির বলে স্বীকার করো? তারা বললো, না। তিনি আবার দু’জনকে জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কি সন্তানটি এই ব্যক্তির বলে স্বীকার করো? তারা বললো, না।
তিনি যখনই দু’জনকে জিজ্ঞেস করলেন, তোমরা কি সন্তানটি তার বলে স্বীকার করো, তখনই তারা বলে, না। অতঃপর আলী (রাঃ) তাদের মধ্যে লটারীর ব্যবস্থা করেন এবং লটারীতে যার নাম উঠে, তিনি তাকে সন্তানটি দিলেন এবং তার উপর দু’-তৃতীয়াংশ দিয়াত ধার্য করেন। এ ঘটনা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর কাছে বলা হলে তিনি এমনভাবে হেসে দিলেন যে, তাঁর সামনের পাটির দাঁত প্রকাশ পেলো।
بَاب الْقَضَاءِ بِالْقُرْعَةِ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا الثَّوْرِيُّ، عَنْ صَالِحٍ الْهَمْدَانِيِّ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ عَبْدِ خَيْرٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ أُتِيَ عَلِيُّ بْنُ أَبِي طَالِبٍ وَهُوَ بِالْيَمَنِ فِي ثَلاَثَةٍ قَدْ وَقَعُوا عَلَى امْرَأَةٍ فِي طُهْرٍ وَاحِدٍ فَسَأَلَ اثْنَيْنِ فَقَالَ أَتُقِرَّانِ لِهَذَا بِالْوَلَدِ فَقَالاَ لاَ . ثُمَّ سَأَلَ اثْنَيْنِ فَقَالَ أَتُقِرَّانِ لِهَذَا بِالْوَلَدِ فَقَالاَ لاَ . فَجَعَلَ كُلَّمَا سَأَلَ اثْنَيْنِ أَتُقِرَّانِ لِهَذَا بِالْوَلَدِ قَالاَ لاَ . فَأَقْرَعَ بَيْنَهُمْ وَأَلْحَقَ الْوَلَدَ بِالَّذِي أَصَابَتْهُ الْقُرْعَةُ وَجَعَلَ عَلَيْهِ ثُلُثَىِ الدِّيَةِ فَذُكِرَ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَضَحِكَ حَتَّى بَدَتْ نَوَاجِذُهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Zaid bin Arqam said:
“A case was brought to 'Ali bin Abu Talib when he was in Yemen, concerning three men who had intercourse with a woman during one period of being free from menses. He asked two of them: “Do you affirm that this child belongs to (the third man)?” And they said: “No.” He asked another two of them: “Do you affirm that this child belongs to (the third man)?” And they said: “No.” Every time he asked two of them whether they affirmed that the child belonged to the third, they would say no. So he cast lots between them, and attributed the child to the one whose name was chosen in this manner, and obliged him to pay two thirds of the Diyah. The Prophet (ﷺ) was told of this, and he smiled so broadly that his back teeth became visible.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২১. কিয়াফা সম্পর্কে
১/২৩৪৯। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রফুল্ল মনে ঘরে প্রবেশ করে বলতে লাগলেনঃ হে আয়েশা! তুমি কি দেখোনি যে, মুজাযযায আল-মুদলিজী আমার ঘরে প্রবেশ করে উসামা ও যায়েদকে একটি চাদর মুড়ি দিয়ে তাদের মাথা ঢাকা ও পা বের করা অবস্থায় ঘুমন্ত দেখতে পেলো। সে বললো, এই পান্ডলোর কতক অপর কতক থেকে।
بَاب الْقَافَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالُوا حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عُرْوَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ دَخَلَ عَلَىَّ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ذَاتَ يَوْمٍ مَسْرُورًا وَهُوَ يَقُولُ " يَا عَائِشَةُ أَلَمْ تَرَىْ أَنَّ مُجَزِّزًا الْمُدْلِجِيَّ دَخَلَ عَلَىَّ فَرَأَى أُسَامَةَ وَزَيْدًا عَلَيْهِمَا قَطِيفَةٌ قَدْ غَطَّيَا رُءُوسَهُمَا وَقَدْ بَدَتْ أَقْدَامُهُمَا فَقَالَ " إِنَّ هَذِهِ الأَقْدَامَ بَعْضُهَا مِنْ بَعْضٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that 'Aishah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) came in one day looking happy, and said: 'O 'Aishah, did you not see that Mujazziz Al-Mudliji entered upon me and saw Usamah and Zaid. There was a blanket over them and their faces were covered but their feet were exposed, and he said: 'These feet belong to one another'.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২১. কিয়াফা সম্পর্কে
২/২৩৫০। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। কুরাইশগণ এক জ্যোতিষী নারীর কাছে গিয়ে তাকে বললো, আমাদের মধ্যে মাকামে ইবরাহীমের মালিকের (ইবরাহীম আ) সাথে কার অধিক সদৃশ্য তা বলে দিন। সে বললো, তোমরা যদি এই নরম মাটির উপর দিয়ে একটি চাদর টেনে দেয়ার পর উক্ত মাটির উপর দিয়ে (নগ্নপদে) হেঁটে যাও তবে আমি তোমাদের তা বলতে পারবো। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, অতঃপর তারা একটি চাদ টেনে নেয়ার পর ঐ মাটির উপর দিয়ে হেঁটে গেলো। অতঃপর সেই নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পদচিহৃ দেখিয়ে বললো, তোমাদের মধ্যে ইনিই তাঁর (ইবরাহীমের) সাথে অধিক সাদৃশ্যপূর্ণ। এই ঘটনার পর তারা আল্লাহর মর্জি বিশ বছর বা ততোধিক অপেক্ষা করলো। শেষে আল্লাহ তা’আলা মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে নবুয়াত দান করেন।
بَاب الْقَافَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، حَدَّثَنَا سِمَاكُ بْنُ حَرْبٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ قُرَيْشًا، أَتَوُا امْرَأَةً كَاهِنَةً فَقَالُوا لَهَا أَخْبِرِينَا أَشْبَهَنَا أَثَرًا بِصَاحِبِ الْمَقَامِ . فَقَالَتْ إِنْ أَنْتُمْ جَرَرْتُمْ كِسَاءً عَلَى هَذِهِ السِّهْلَةِ ثُمَّ مَشَيْتُمْ عَلَيْهَا أَنْبَأْتُكُمْ . قَالَ فَجَرُّوا كِسَاءً ثُمَّ مَشَى النَّاسُ عَلَيْهَا فَأَبْصَرَتْ أَثَرَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَتْ هَذَا أَقْرَبُكُمْ إِلَيْهِ شَبَهًا . ثُمَّ مَكَثُوا بَعْدَ ذَلِكَ عِشْرِينَ سَنَةً أَوْ مَا شَاءَ اللَّهُ ثُمَّ بَعَثَ اللَّهُ مُحَمَّدًا صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ মুনকার যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহিহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas that :
the Quraish went to a sorceress and they said to her: “Tell us whose footprints most resemble those of the owner of Al-Maqam (the station of Ibrahim).” She said: “If you spread a piece of cloth over this soft earth and walk over it, I will tell you.” So they spread out a piece of cloth and the people walked over it. She saw the footprints of the Messenger of Allah (ﷺ) and said: “This one most closely resembles him among you.” After that twenty years passed, of as long as Allah willed, then Allah sent Muhammad (ﷺ) (i.e., missioned him as the Prophet).
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২২. শিশু পিতা-মাতার মধ্যে যাকে ইচ্ছা বেছে নিতে পারবে
১/২৩৫১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একটি শিশুকে তার পিতা ও মাতার মধ্যে (যাকে ইচ্ছা গ্রহণ করার) এখতিয়ার দিয়ে বলেনঃ হে বৎস! এই তোমার মা এবং এই তোমার বাপ।
بَاب تَخْيِيرِ الصَّبِيِّ بَيْنَ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ زِيَادِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ هِلاَلِ بْنِ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَبِي مَيْمُونَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم خَيَّرَ غُلاَمًا بَيْنَ أَبِيهِ وَأُمِّهِ وَقَالَ " يَا غُلاَمُ هَذِهِ أُمُّكَ وَهَذَا أَبُوكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that :
the Prophet (ﷺ) gave a child the choice between his father and his mother (i.e., which parent to live with). He said: “O boy, this is your mother and this is your father.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২২. শিশু পিতা-মাতার মধ্যে যাকে ইচ্ছা বেছে নিতে পারবে
২/২৩৫২। আবদুল হামীদ ইবনে সালামা (রাঃ) থেকে তার পিতা ও দাদার সূত্রে বর্ণিত। তার পিতা-মাতা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সামনে (সন্তানের তত্তাবধানের ব্যাপারে) বিবাদ পেশ করে। তাদের একজন ছিল কাফের এবং অপরজন মুসলিম। তিনি সন্তানকে এখতিয়ার দিলে সে কাফেরের প্রতি আকৃষ্ট হয়। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ হে আল্লাহ! তাকে হেদায়াত দান করুন। অতঃপর সে মুসলিমের প্রতি আকৃষ্ট হয়। অতএব তিনি তাকে মুসলিমের সাথে থাকার ফয়সালা দেন।
بَاب تَخْيِيرِ الصَّبِيِّ بَيْنَ أَبَوَيْهِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، عَنْ عُثْمَانَ الْبَتِّيِّ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ أَبَوَيْهِ، اخْتَصَمَا إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَحَدُهُمَا كَافِرٌ وَالآخَرُ مُسْلِمٌ فَخَيَّرَهُ فَتَوَجَّهَ إِلَى الْكَافِرِ فَقَالَ " اللَّهُمَّ اهْدِهِ " . فَتَوَجَّهَ إِلَى الْمُسْلِمِ فَقَضَى لَهُ بِهِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল হামিদ বিন সালামাহ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭১৬, ১৬/৪৩২ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু আবদুল হামিদ বিন সালামাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৫৯ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে একটি জাল, ১২ টি খুবই দুর্বল, ২৫ টি দুর্বল, ৬ টি হাসান, ১৫ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আবু দাউদ ২২৪৪, আহমাদ ২৩২৪২, ২৩২৪৩, ২৩২৪৪, ২৩২৪৬, দারাকুতনী ৩৯৭২, ৩৯৭৩, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১২৬১৬।
It was narrated from 'Abdul-Hamid bin Salamah, from his father, from his grandfather, that :
his parents referred their dispute to the Prophet (ﷺ), and one of them was a disbeliever. He (the Prophet (ﷺ)) said: “O Allah, guide him,” and he turned towards the Muslim, and he ruled that he should go with that parent.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৩. সন্ধি ও সমঝোতা স্থাপন
১/২৩৫৩। আমর ইবনে আওফ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছিঃ মুসলিমদের মধ্যে সন্ধি ও সমঝোতা স্থাপন করা জায়েয, তবে হালালকে হারামকারী এবং হারমকে হালালকারী সন্ধি ব্যতীত।
بَاب الصُّلْحِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ مَخْلَدٍ، حَدَّثَنَا كَثِيرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الصُّلْحُ جَائِزٌ بَيْنَ الْمُسْلِمِينَ إِلاَّ صُلْحًا حَرَّمَ حَلاَلاً أَوْ أَحَلَّ حَرَامًا " .
Kathir bin 'Abdullah bin 'Amr bin 'Awf narrated from his father that his grandfather said:
“I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Reconciling between Muslims is permissible, except reconciliation that forbids something that is allowed, or allows something that is forbidden.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৪. যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ নষ্ট করে তার উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ
১/২৩৫৪। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি ক্রয়-বিক্রয়ের চুক্তি করতে গিয়ে (বুদ্ধির) দুর্বলতার কারণে ঠকে যেতো। তার পরিবারের লোকজন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! তার উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ করুন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে ডেকে নিয়ে ক্রয়-বিক্রয়ে লিপ্ত হতে নিষেধ করলেন। সে বললো, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি ক্রয়-বিক্রয় ত্যাগ করে ধৈর্য ধারণ করতে পারবো না। তিনি বলেনঃ তুমি ক্রয়-বিক্রয় করাকালে বলো, নগদ আদান-প্রদান হবে এবং যেন প্রতারণা করা না হয়।
بَاب الْحَجْرِ عَلَى مَنْ يُفْسِدُ مَالَهُ
حَدَّثَنَا أَزْهَرُ بْنُ مَرْوَانَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، أَنَّ رَجُلاً، كَانَ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي عُقْدَتِهِ ضَعْفٌ وَكَانَ يُبَايِعُ وَأَنَّ أَهْلَهُ أَتَوُا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالُوا يَا رَسُولَ اللَّهِ احْجُرْ عَلَيْهِ . فَدَعَاهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَنَهَاهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي لاَ أَصْبِرُ عَنِ الْبَيْعِ . فَقَالَ " إِذَا بَايَعْتَ فَقُلْ هَا وَلاَ خِلاَبَةَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Anas bin Malik that :
there was a man at the time of the Messenger of Allah (ﷺ) whose mental faculties were lacking, and he used to buy and sell. His family came to the Prophet (ﷺ) and said, “O Messenger of Allah, stop him.” So The Prophet (ﷺ) called him, and told him not to do that. He said: “O Messenger of Allah (ﷺ), I cannot bear to be away from business.” He said, “If you engage in a transaction then say: “Take it (i.e., the goods) and don't cheat (me).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৪. যে ব্যক্তি নিজের সম্পদ নষ্ট করে তার উপর প্রতিবন্ধকতা আরোপ
২/২৩৫৫। মুহাম্মাদ ইবনে ইয়াহইয়া ইবনে হাব্বান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মুনকিয ইবনে আমর হলেন আমার নানা। তার মাথায় একটি প্রচন্ড আঘাত লাগার ফলে তার জিহবা আড়ষ্ট হয়ে গেলো। এতদসত্ত্বেও তিনি ব্যবসা-বাণিজ্য করা ত্যাগ করেননি। তিনি প্রায়ই ঠকে যেতেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বিষয়টি তাঁকে জানান। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তুমি যখন ক্রয়-বিক্রয় করবে তাখন বলো, যেন প্রতারণা করা না হয়। অতঃপর তুমি যে পণ্যই ক্রয় করবে, তিন দিনের এখতিয়ার পাবে। তুমি সন্তুষ্ট হতে পারলে পণ্য রেখে দিবে এবং অসন্তুষ্ট হলে তা তার মালিককে ফেরত দিবে।
بَاب الْحَجْرِ عَلَى مَنْ يُفْسِدُ مَالَهُ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ يَحْيَى بْنِ حَبَّانٍ، قَالَ هُوَ جَدِّي مُنْقِذُ بْنُ عَمْرٍو وَكَانَ رَجُلاً قَدْ أَصَابَتْهُ آمَّةٌ فِي رَأْسِهِ فَكَسَرَتْ لِسَانَهُ وَكَانَ لاَ يَدَعُ عَلَى ذَلِكَ التِّجَارَةَ وَكَانَ لاَ يَزَالُ يُغْبَنُ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَذَكَرَ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ لَهُ " إِذَا أَنْتَ بَايَعْتَ فَقُلْ لاَ خِلاَبَةَ . ثُمَّ أَنْتَ فِي كُلِّ سِلْعَةٍ ابْتَعْتَهَا بِالْخِيَارِ ثَلاَثَ لَيَالٍ فَإِنْ رَضِيتَ فَأَمْسِكْ وَإِنْ سَخِطْتَ فَارْدُدْهَا عَلَى صَاحِبِهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated that Muhammad bin Yahya bin Habban said:
“My grandfather was Munqidh bin 'Amr. He was a man who had suffered a head wound and lost the power of speech, but that did not stop him from engaging in trade. He was always being cheated, so he went to the Prophet (ﷺ) and told him about that. He said to him: 'When you buy something, say: “There should be no intention of cheating,” and for every product you buy, you have the choice for three nights. If you are pleased with it, keep it, and if you are displeased then return it.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৫. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির দেউলিয়া হওয়া এবং তার পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধের জন্য তার সম্পত্তি বিক্রয় করা।
১/২৩৫৬। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি ফলের বাগান ক্রয় করে লোকসানের শিকার হয় এবং মারাত্মকভাবে ঋনগ্রস্ত হয়ে পড়ে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের বলেনঃ তোমরা তাকে দান-খয়রাত করো। অতএব লোকজন তাকে দান-খয়রাত করলো কিন্তু তাতেও তার ঋণ শোধ হলো না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পাওনাদারদের বলেনঃ তোমরা যা পেয়েছো তাই নিয়ে নাও, এর বেশী আর পাবে না।
بَاب تَفْلِيسِ الْمُعْدَمِ وَالْبَيْعِ عَلَيْهِ لِغُرَمَائِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ سَعْدٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ أُصِيبَ رَجُلٌ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي ثِمَارٍ ابْتَاعَهَا فَكَثُرَ دَيْنُهُ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " تَصَدَّقُوا عَلَيْهِ " . فَتَصَدَّقَ النَّاسُ عَلَيْهِ فَلَمْ يَبْلُغْ ذَلِكَ وَفَاءَ دَيْنِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " خُذُوا مَا وَجَدْتُمْ وَلَيْسَ لَكُمْ إِلاَّ ذَلِكَ " . يَعْنِي الْغُرَمَاءَ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Sa'eed Al-Khudri said:
“At the time of the Messenger of Allah (ﷺ), a man suffered loss of some fruit that he had purchase, and his debts increased. The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Give him charity.' So the people gave him charity, but that was not enough to pay off his debts. The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Take what you find, but you have no right to more than that, meaning his creditors.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৫. ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির দেউলিয়া হওয়া এবং তার পাওনাদারদের পাওনা পরিশোধের জন্য তার সম্পত্তি বিক্রয় করা।
২/২৩৫৭। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) কে তার পাওনাদারদের থেকে নিষ্কৃতি দেন, তারপর তাকে ইয়ামানের শাসক নিয়োগ করেন। মুআয (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমার মাল দ্বারা আমাকে ঋণমুক্ত করেন, অতঃপর আমাকে শাসক নিয়োগ করেন।
بَاب تَفْلِيسِ الْمُعْدَمِ وَالْبَيْعِ عَلَيْهِ لِغُرَمَائِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُسْلِمِ بْنِ هُرْمُزٍ، عَنْ سَلَمَةَ الْمَكِّيِّ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَلَعَ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ مِنْ غُرَمَائِهِ ثُمَّ اسْتَعْمَلَهُ عَلَى الْيَمَنِ فَقَالَ مُعَاذٌ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم اسْتَخْلَصَنِي بِمَالِي ثُمَّ اسْتَعْمَلَنِي .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ বিন মুসলিম বিন হুরমুয সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না, তিনি দুর্বল। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল, আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫৬৭, ১৬/১৩০ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that :
the Messenger of Allah (ﷺ) rid Mu'adh bin Jabal of his creditors, then he appointed him governor of Yemen. Mu'adh said: “The Messenger of Allah (ﷺ) settled my debts with my creditors using what wealth I had, then he appointed me as governor.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৬. ঋণদাতা দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে
১/২৩৫৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে অন্যের তুলনায় সে-ই তার অগ্রগণ্য হকদার।
بَاب مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، جَمِيعًا عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ فَهُوَ أَحَقُّ بِهِ مِنْ غَيْرِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever finds his exact property with a man who has become bankrupt, and then he has more right to it than anyone else.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৬. ঋণদাতা দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে
২/২৩৫৯। আবূ হুরায়রাই (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তির নিকট বাকিতে তার পণ্য বিক্রয় করার পর ক্রেতা দেউলিয়া হয়ে গেলে এবং তার পণ্য অবিকল অবস্থায় তার নিকট বিদ্যামন থাকলে সে-ই তা ফেরত পাবে। আর তার পণ্যের কিছু মূল্য আদায় করে থাকলে সে অন্যান্য পাওনারের অন্তর্ভুক্ত হবে।
بَاب مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُقْبَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي بَكْرِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْحَارِثِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَيُّمَا رَجُلٍ بَاعَ سِلْعَةً فَأَدْرَكَ سِلْعَتَهُ بِعَيْنِهَا عِنْدَ رَجُلٍ وَقَدْ أَفْلَسَ وَلَمْ يَكُنْ قَبَضَ مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا فَهِيَ لَهُ . وَإِنْ كَانَ قَبَضَ مِنْ ثَمَنِهَا شَيْئًا فَهُوَ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
“Any man who sells a product with the man who has become bankrupt, and he has not taken any of its price, it belongs to him, but if he had taken any of its price, then he is like any other creditor.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৬. ঋণদাতা দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে
৩/২৩৬০। ইবনে খালদা আয-যুরাকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ছিলেন মদীনার বিচারপতি। তিনি বলেন, আমরা আবূ হুরায়রা (রাঃ) এর কাছে আমাদের এক দেউলিয়া সঙ্গীর ব্যাপারে জানতে আসলাম। তিনি বলেন, এ ধরনের লোক সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মীমাংসা দিয়েছেন যে, কোন ব্যক্তি দেউলিয়া হলে অথবা মারা গেলে, ঋণদাতা তার মাল অবিকল তার নিকট বিদ্যমান পেলে সে-ই হবে তার অগ্রগণ্য প্রাপক।
بَاب مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، عَنِ ابْنِ أَبِي ذِئْبٍ، عَنْ أَبِي الْمُعْتَمِرِ بْنِ عَمْرِو بْنِ رَافِعٍ، عَنِ ابْنِ خَلْدَةَ الزُّرَقِيِّ، وَكَانَ، قَاضِيًا بِالْمَدِينَةِ قَالَ جِئْنَا أَبَا هُرَيْرَةَ فِي صَاحِبٍ لَنَا قَدْ أَفْلَسَ فَقَالَ هَذَا الَّذِي قَضَى فِيهِ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا رَجُلٍ مَاتَ أَوْ أَفْلَسَ فَصَاحِبُ الْمَتَاعِ أَحَقُّ بِمَتَاعِهِ إِذَا وَجَدَهُ بِعَيْنِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আবুল মু'তামির বিন রাফি সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে অজ্ঞাত। ইবনু আবদুল বার আল-আন্দালাসী বলেন, তিনি ইলম বহনে পরিচিত নয়। ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৬৩৮, ৩৪/৩০৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn Khaldah, who was a judge in Al-Madinah, said:
We came to Abu Hurairah and asked him about a companion of ours who had become bankrupt. He said: “This is what the Prophet (ﷺ) ruled: 'Any man who dies or becomes bankrupt, the owner of the product has more right to it, if he finds the exact thing.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৬. ঋণদাতা দেউলিয়ার দখলে অবিকল তার মাল পেয়ে গেলে
৪/২৩৬১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যদি কোন ব্যক্তি নিজ দখলে অপরের মাল অবিকল অবস্থায় রেখে মারা যায় এবং মালিক তার আংশিক মূল্য আদায় করে থাকুক বা না থাকুক, সে অন্যান্য পাওনাদারের অন্তর্ভুক্ত হবে।
بَاب مَنْ وَجَدَ مَتَاعَهُ بِعَيْنِهِ عِنْدَ رَجُلٍ قَدْ أَفْلَسَ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دِينَارٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا الْيَمَانُ بْنُ عَدِيٍّ، حَدَّثَنِي الزَّبِيدِيُّ، مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا امْرِئٍ مَاتَ وَعِنْدَهُ مَالُ امْرِئٍ بِعَيْنِهِ اقْتَضَى مِنْهُ شَيْئًا أَوْ لَمْ يَقْتَضِ فَهُوَ أُسْوَةُ الْغُرَمَاءِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইয়ামান বিন আদী সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭১২৪, ৩২/৪০৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Any man who dies and has the property of another man, whether he paid something towards it or not, (the owner of those goods) is like any other creditor.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৭. কাউকে সাক্ষ্য দিতে না বললে স্বউদ্যোগে সাক্ষ্য দেয়া মাকরূহ
১/২৩৬২। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞেস করা হলো, কোন ব্যক্তি উত্তম? তিনি বলেনঃ আমর ’যুগ’, অতঃপর তার নিকটতর (পরবর্তী) যুগ, অতঃপর তার নিকটতর যুদ। অতঃপর এমন সব লোক আসবে যারা শপথের পূর্বে সাক্ষ্য দিবে এবং সাক্ষ্যের পূর্বে শপথ করবে।
بَاب كَرَاهِيَةِ الشَّهَادَةِ لِمَنْ لَمْ يَسْتَشْهِدْ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبِيدَةَ السَّلْمَانِيِّ، قَالَ قَالَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْعُودٍ سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَىُّ النَّاسِ خَيْرٌ قَالَ " قَرْنِي ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ يَجِيءُ قَوْمٌ تَبْدُرُ شَهَادَةُ أَحَدِهِمْ يَمِينَهُ وَيَمِينُهُ شَهَادَتَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
'Abdullah bin Mas'ud said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) was asked, 'Which of the people are best?' He said: 'My generation, then those that follow them, then those that follow them. Then there will come people whose testimony precedes their oath and whose oath precedes their testimony.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৭. এক একটি খেজুরের বিনিময়ে এক বালতি করে পানি উত্তোলন এবং উত্তম খেজুরের শর্তারোপ
২/২৩৬৩। জাবির ইবনে সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) আমাদের উদ্দেশে (দামিশকের) জাবিয়া নামক স্থানে ভাষণ দিলেন। তিনি বলেন, তোমাদের সামনে যেমন (ভাষণ দিতে) দাঁড়ালাম, তদ্রূপ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে দাঁড়িয়ে বলেনঃ তোমরা আমার সাহাবীদের (আমার সাহচর্য লাভের মর্যাদার) হেফাজত করবে, অতঃপর তাদের নিকটবর্তীদের (মর্যাদার) হেফাজত করবে, অতঃপর তাদের পরবর্তীদের। অতঃপর এমনভাবে মিথ্যার প্রসার ঘটবে যে, কারো কাছে সাক্ষ্য তলব না করতেই সে সাক্ষ্য দিবে এবং শপথ করতে না বলতেই শপথ করবে।
بَاب الرَّجُلِ يَسْتَقِي كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ وَيَشْتَرِطُ جَلْدَةً
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا جَرِيرٌ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ سَمُرَةَ، قَالَ خَطَبَنَا عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ بِالْجَابِيَةِ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَامَ فِينَا مِثْلَ مُقَامِي فِيكُمْ فَقَالَ " احْفَظُونِي فِي أَصْحَابِي ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ الَّذِينَ يَلُونَهُمْ ثُمَّ يَفْشُو الْكَذِبُ حَتَّى يَشْهَدَ الرَّجُلُ وَمَا يُسْتَشْهَدُ وَيَحْلِفَ وَمَا يُسْتَحْلَفُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ ইবনুল জাররাহ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিসের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৯৯, ১৪/৩৬১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Jabir bin Samurah said:
'Umar bin Khattab addressed us at Jabiyah and said: “The Messenger of Allah (ﷺ) stood up among us as I stand among you, and said: 'Honor my Companions for my sake, then those who come after them, then those who come after them. Then lying will prevail until a man will give testimony without being asked to do so, and he will swear an oath without being asked to do so.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৮. (বিবদমান বিষয়ে জ্ঞাত)সাক্ষী সম্পর্কে বাদী অবনবহিত থাকলে
১/২৩৬৪। যায়েদ ইবনে খালিত আল-জুহানী (রাঃ) বলেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছেনঃ সাক্ষীগণের মধ্যে উত্তম সেই ব্যক্তি, যে তলব করার আগেই সাক্ষ্য দেয়।
بَاب الرَّجُلِ عِنْدَهُ الشَّهَادَةُ وَلَا يَعْلَمُ بِهَا صَاحِبُهَا
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ الْجُعْفِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا زَيْدُ بْنُ الْحُبَابِ الْعُكْلِيُّ، أَخْبَرَنِي أُبَىُّ بْنُ عَبَّاسِ بْنِ سَهْلِ بْنِ سَعْدٍ السَّاعِدِيِّ، حَدَّثَنِي أَبُو بَكْرِ بْنُ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عُثْمَانَ بْنِ عَفَّانَ، حَدَّثَنِي خَارِجَةُ بْنُ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي عَمْرَةَ الأَنْصَارِيُّ، أَنَّهُ سَمِعَ زَيْدَ بْنَ خَالِدٍ الْجُهَنِيَّ، يَقُولُ إِنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " خَيْرُ الشُّهُودِ مَنْ أَدَّى شَهَادَتَهُ قَبْلَ أَنْ يُسْأَلَهَا " .
Zaid bin Khalid Al-Juhani said that he heard the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“The best of witnesses is the one who gives his testimony before he is asked for it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/২৯. দেনা সম্পর্কে সাক্ষ্য প্রদান
১/২৩৬৫। আবূ সাঈদ আল-কুদরী (রাঃ) তেকে বর্ণিত। তিনি এই আয়াত তিলাওয়াত করলে (অনুবাদ) ’’হে মুমিনগণ! তোমরা যখন একে অপরের সাথে নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য ঋণের লেনদেন করো তখন তা লিপিবদ্ধ করে রাখো ...’’ (২ঃ ২৮২)। তিনি তিলাওয়াত করতে করতে ’’তোমাদের একে অপরকে বিশ্বাস করলে, যাকে বিশ্বাস করা হয়, সে যেন আমানত প্রত্যর্পণ করে’’ ২ঃ ২৮৩) পর্যন্ত পৌঁছে বলেন, এই শেষোক্ত বিধান তার পূর্ববর্তী বিধানকে রহিত করেছে।
بَاب الْإِشْهَادِ عَلَى الدُّيُونِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ الْجُبَيْرِيُّ، وَجَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ الْعَتَكِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَرْوَانَ الْعِجْلِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ بْنُ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ تَلاَ هَذِهِ الآيَةَ (يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا إِذَا تَدَايَنْتُمْ بِدَيْنٍ إِلَى أَجَلٍ مُسَمًّى ) حَتَّى بَلَغَ (فَإِنْ أَمِنَ بَعْضُكُمْ بَعْضًا) فَقَالَ هَذِهِ نَسَخَتْ مَا قَبْلَهَا .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. জামাল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল-জুরযানী বলেন, আনি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন মারওয়ান আল-ইজলী সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৯৫, ২৬/৩৮৭ নং পৃষ্ঠা) ৩. আবদুল মালিক বিন আবু নাদারাহ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ইমাম দারাকুতনী এক প্রশ্নের উত্তরে বলেন, তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫৭০, ১৮/৪২৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that :
Abu Sa'eed Al-Khudri recited this Verse: “O you who believe! When you contract a debt for a fixed period...” until: “then if one of you entrusts the other.” Then he said: “This abrogates what came before.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩০. যে সব লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
১/২৩৬৬। আমর ইবনে শুআইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতারক (খেয়ানতকারী) নারী-পুরুষ, ইসলামী আইনের আওতায় হদ্দের শাস্তি ভোগকারী এবং বিপক্ষের প্রতি শ্রত্রুতা পোষণকারীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়।
بَاب مَنْ لَا تَجُوزُ شَهَادَتُهُ
حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ مُحَمَّدٍ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا مَعْمَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، قَالاَ حَدَّثَنَا حَجَّاجُ بْنُ أَرْطَاةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ خَائِنٍ وَلاَ خَائِنَةٍ وَلاَ مَحْدُودٍ فِي الإِسْلاَمِ وَلاَ ذِي غِمْرٍ عَلَى أَخِيهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী হাজ্জাজ বিন আরতা সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়, অন্যত্র তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ তাকে দুর্বল বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২, ৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Amr bin Shuaib from his father that his grandfather said:
“The Testimony of a man or woman who is treacherous, or of one who has been subjected to one of the Haad punishments of Islam, or of one who bears a grudge against his brother, is not permissible.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩০. যে সব লোকের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য নয়
২/২৩৬৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছেনঃ নগরবাসীর পক্ষে গ্রামবাসীর সাক্ষ্য গ্রহণ যোগ্য নয়।
بَاب مَنْ لَا تَجُوزُ شَهَادَتُهُ
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي نَافِعُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ ابْنِ الْهَادِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّهُ سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ تَجُوزُ شَهَادَةُ بَدَوِيٍّ عَلَى صَاحِبِ قَرْيَةٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) say:
“The testimony of a Bedouin against a town-dweller is not permissible.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩১. একজন সাক্ষী এবং (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে মীমাংসা করা
১/২৩৬৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষীর সাথে (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে ফয়সালা করেছেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالشَّاهِدِ وَالْيَمِينِ
حَدَّثَنَا أَبُو مُصْعَبٍ الْمَدِينِيُّ، أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الزُّهْرِيُّ وَيَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মালিক বিন আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে নিজ কিতাব ছাড়া অন্যত্র থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৭০, ১৮/১৮৭ নং পৃষ্ঠা) ২. সুহায়ল বিন আবু সালিহ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সাঈদ বলেন, তিনি সিকাহ। সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেন, সাবত। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার হাদিস সহিহ নয়। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তার খবর মাকবুল বা গ্রহণযোগ্য। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৬২৯, ১২/২৩৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that:
the Messenger of Allah (ﷺ) passed judgment on the basis of an oath (from the claimant) along with a (single) witness. [This is in the absence of two witnesses.]
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩১. একজন সাক্ষী এবং (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে মীমাংসা করা
২/২৩৬৯। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষীর সাথে (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে মোকদ্দমার রায় দিয়েছেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالشَّاهِدِ وَالْيَمِينِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالْيَمِينِ مَعَ الشَّاهِدِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir that:
the Prophet (ﷺ) passed judgement on the basis of an oath (from the claimant) along with a (single) witness.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩১. একজন সাক্ষী এবং (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে মীমাংসা করা
৩/২৩৭০। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষী ও (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে ফয়সালা করেছেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالشَّاهِدِ وَالْيَمِينِ
حَدَّثَنَا أَبُو إِسْحَاقَ الْهَرَوِيُّ، إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ حَاتِمٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْحَارِثِ الْمَخْزُومِيُّ، حَدَّثَنَا سَيْفُ بْنُ سُلَيْمَانَ الْمَكِّيُّ، أَخْبَرَنِي قَيْسُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالشَّاهِدِ وَالْيَمِينِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn 'Abbas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) passed judgement on the basis of a witness along with an oath by the claimant.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩১. একজন সাক্ষী এবং (বাদীর) শপথের ভিত্তিতে মীমাংসা করা
৪/২৩৭১। সুররাক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম একজন সাক্ষী ও বাদীর শপথ (দ্বারা ফয়সালা করা) অনুমোদন করেছেন।
بَاب الْقَضَاءِ بِالشَّاهِدِ وَالْيَمِينِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا جُوَيْرِيَةُ بْنُ أَسْمَاءَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يَزِيدَ، - مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ - عَنْ رَجُلٍ، مِنْ أَهْلِ مِصْرَ عَنْ سُرَّقٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَجَازَ شَهَادَةَ الرَّجُلِ وَيَمِينَ الطَّالِبِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Surraq that :
the Prophet (ﷺ) allowed the testimony of a man along with the oath of the claimant.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩২. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রসংগে
১/২৩৭২। খুরাইম ইবনে ফাতিক আল আল-আসাদী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফজরের নামায পড়লেন। নামায শেষে তিনি সুষ্ঠুভাবে দাঁড়িয়ে বলেনঃ মিথ্যা সাক্ষ্যদানকে আল্লাহর সাথে শরীক করার সমতল্য (অপরাধ) গণ্য করা হয়েছে। তিনি তিনবার একথা বলেন, অতঃপর এ আয়াত তিলাওয়াত করেন (অনুবাদ) ’’তোমরা মিথ্যা কথন থেকে দূরে থাকো আল্লাহর প্রতি একনিষ্ঠ হয়ে এবং তাঁর সাথে কোন শরীক না করে’’। (২২ঃ ৩০-৩১)।
بَاب شَهَادَةِ الزُّورِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ الْعُصْفُرِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ النُّعْمَانِ الأَسَدِيِّ، عَنْ خُرَيْمِ بْنِ فَاتِكٍ الأَسَدِيِّ، قَالَ صَلَّى النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم الصُّبْحَ فَلَمَّا انْصَرَفَ قَامَ قَائِمًا فَقَالَ " عُدِلَتْ شَهَادَةُ الزُّورِ بِالإِشْرَاكِ بِاللَّهِ " . ثَلاَثَ مَرَّاتٍ ثُمَّ تَلاَ هَذِهِ الآيَةَ (وَاجْتَنِبُوا قَوْلَ الزُّورِ حُنَفَاءَ لِلَّهِ غَيْرَ مُشْرِكِينَ بِه).
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী হাবীব বিন নুমান আল-আযদী সম্পর্কে আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান বলেন, তার সম্পর্কে কিছু জানা যায়না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাকবুল। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি মুনকার। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১০১, ৫/৪০৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Khuraim bin Fatik Al-Asadi said that :
the Prophet(ﷺ) prayed the Morning prayer, and when he had finished, he stood up and said: “Bearing false witness is equivalent to associating others with Allah,” three times. Then he recited this Verse: “And shun lying speech (false statements), Hunafa' Lillah (i.e., worshiping none but Allah), not associating partners (in worship) to Him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩২. মিথ্যা সাক্ষ্য প্রসংগে
২/২৩৭৩। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ (কিয়ামতের দিন) মিথ্যা সাক্ষ্যদাতার জন্য আল্লাহ তা’আলা জাহান্নামের ফয়সালা নাদেয়া পর্যন্ত সে তার পদদ্বয় একটুও নাড়াতে পারবে না।
بَاب شَهَادَةِ الزُّورِ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْفُرَاتِ، عَنْ مُحَارِبِ بْنِ دِثَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم (لَنْ تَزُولَ قَدَمُ شَاهِدِ الزُّورِ حَتَّى يُوجِبَ اللَّهُ لَهُ النَّارَ).
তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল ফুরাত সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। আবু বাকর বিন আবু শায়বাহ বলেন, তিনি মিথ্যুক। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু মুহাম্মাদ বিন হাযম বলেন, তিনি সকলের ঐক্যমতে দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪০, ২৬/২৬৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
'The one who bears false witness will not move away (on the Day of Resurrection) until Allah condemns him to Hell.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৩. আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের পরস্পরের পক্ষে-বিপক্ষে সাক্ষ্যদান
১/২৩৭৪। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আহলে কিতাব সম্প্রদায়ের পরস্পরের পক্ষে-বিপক্ষে সাক্ষ্যদান অনুমোদন করেছেন।
بَاب شَهَادَةِ أَهْلِ الْكِتَابِ بَعْضِهِمْ عَلَى بَعْضٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ طَرِيفٍ، حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الأَحْمَرُ، عَنْ مُجَالِدٍ، عَنْ عَامِرٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَجَازَ شَهَادَةَ أَهْلِ الْكِتَابِ بَعْضِهِمْ عَلَى بَعْضٍ .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আবু খালিদ আল আহমার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু তার হাদিস দলীলযোগ্য নয়। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সালেহ কিন্তু হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ ও ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫০৪, ১১/৩৯৪ নং পৃষ্ঠা) ২. মুজালিদ বিন সাঈদ সম্পর্কে ইমাম বুখারী ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি যইফ বা দুর্বল। ইবনু মাঈন বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহন করা যাবে না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৮০, ২৭/২১৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that :
the Messenger of Allah (ﷺ) allowed the People of the Book to testify against one another.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৪. কোন ব্যক্তি এক সন্তানকে দান করলে (এবং অন্যদের বঞ্চিত করলে)
১/২৩৭৫। নোমান ইবনে বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে, তার পিতা তাকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আপনি সাক্ষী থাকুন, আমি নোমানকে আমার অনুমক অমুক মাল দান করলাম। তিনি বলেনঃ তুমি নোমানকে যেমন দান করেছো, তোমার অন্য সকল পুত্রকেও কি তদ্রূপ দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে এ ব্যাপারে আমাকে বাদ দিয়ে অন্য কাউকে সাক্ষী বানাও। তিনি বলেনঃ তাদের সকলে সমভাবে তোমার সাথে সদ্ব্যবহার করলে তা কি তোমাকে আনন্দিত করবে না? তিনি বলেন, হ্যাঁ। তিনি বলেনঃ তাহলে এরূপ করো না।
بَاب الرَّجُلِ يَنْحَلُ وَلَدَهُ
حَدَّثَنَا أَبُو بِشْرٍ، بَكْرُ بْنُ خَلَفٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ زُرَيْعٍ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ أَبِي هِنْدٍ، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، قَالَ انْطَلَقَ بِهِ أَبُوهُ يَحْمِلُهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ اشْهَدْ أَنِّي قَدْ نَحَلْتُ النُّعْمَانَ مِنْ مَالِي كَذَا وَكَذَا . قَالَ " فَكُلَّ بَنِيكَ نَحَلْتَ مِثْلَ الَّذِي نَحَلْتَ النُّعْمَانَ " . قَالَ لاَ . قَالَ " فَأَشْهِدْ عَلَى هَذَا غَيْرِي " . قَالَ " أَلَيْسَ يَسُرُّكَ أَنْ يَكُونُوا لَكَ فِي الْبِرِّ سَوَاءً " . قَالَ بَلَى . قَالَ " فَلاَ إِذًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Nu'man bin Bashir said that his father took him to the Prophet (ﷺ) and said:
“Bear witness that I have given Nu'man such and such from my wealth.” He said: “Have you given all your children something like that which you have given to Nu'man?” He said: “No.” He said: “Then let someone other than me bear witness to that.” And he said: “Would you not like all your children to honor you equally?” He said: “Of course.” He said: “Then do not do this.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৪. কোন ব্যক্তি এক সন্তানকে দান করলে (এবং অন্যদের বঞ্চিত করলে)
২/২৩৭৬। নোমান ইবনে বাশীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার পিতা তাকে একটি গোলাম দান করার পর তার অনুকুলে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে সাক্ষী করার জন্য তাঁর নিকট আসেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি তোমার সকল পুত্রকে দান করেছো? তিনি বলেন, না। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি তা ফেরত নাও।
بَاب الرَّجُلِ يَنْحَلُ وَلَدَهُ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ حُمَيْدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، وَمُحَمَّدِ بْنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَخْبَرَاهُ عَنِ النُّعْمَانِ بْنِ بَشِيرٍ، أَنَّ أَبَاهُ، نَحَلَهُ غُلاَمًا وَأَنَّهُ جَاءَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يُشْهِدُهُ فَقَالَ " أَكُلَّ وَلَدِكَ نَحَلْتَ " . قَالَ لاَ . قَالَ " فَارْدُدْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Nu'man bin Bashir that:
his father gave him a gift of a slave, and he came to the Prophet (ﷺ) so that he could witness the gift. He said: “Have you given something to all of your children?” He said: “No.” He said: “Then take back (your gift).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৫. যে ব্যক্তি নিজ সন্তানকে কিছু দান করে পুনরায় তা ফেরত নিলো
১/২৩৭৭। ইবনে আব্বাস ও ইবনে উমার রাযিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, কিছু দান করার পর পুনরায় তা ফেরত নেয়া দানকারীর জন্য হালাল নয়। তবে পিতা তা পুত্রকে যা দান করে তা ফেরত নিতে পারে।
بَاب مَنْ أَعْطَى وَلَدَهُ ثُمَّ رَجَعَ فِيهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، وَابْنِ، عُمَرَ يَرْفَعَانِ الْحَدِيثَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَحِلُّ لِلرَّجُلِ أَنْ يُعْطِيَ الْعَطِيَّةَ ثُمَّ يَرْجِعَ فِيهَا إِلاَّ الْوَالِدَ فِيمَا يُعْطِي وَلَدَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Abbas and Ibn 'Umar, who attributed the Hadith to the Prophet (ﷺ) that he said:
“It is not permissible for a man to give a gift then take it back, except what a father gives to his child.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৫. যে ব্যক্তি নিজ সন্তানকে কিছু দান করে পুনরায় তা ফেরত নিলো
২/২৩৭৮। আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন তার হেবাকৃত জিনিস (দান) ফেরত না নেয়, তবে পিতা পুত্রকে প্রদত্ত হেবা ফেরত নিতে পারে।
بَاب مَنْ أَعْطَى وَلَدَهُ ثُمَّ رَجَعَ فِيهِ
حَدَّثَنَا جَمِيلُ بْنُ الْحَسَنِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الأَعْلَى، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ عَامِرٍ الأَحْوَلِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَرْجِعْ أَحَدُكُمْ فِي هِبَتِهِ إِلاَّ الْوَالِدَ مِنْ وَلَدِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. জামীল ইবনুল হাসান আল-আতাকী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আলী আল-জুরযানী বলেন, আনি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, আমরা তার সাক্ষাৎ পেয়েছিলাম কিন্তু তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করিনি। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মাসলামহ ইবনু কাসিম বলেন, তিনি সিকাহ। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৬৮, ৫/১২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. আমির আল-আহওয়াল সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার রেওয়ায়াত বর্ণনায় আমি কোন অসুবিধা দেখি না। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩০৫৪, ১৪/৬৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Amr bin Shu'aib, from his father, from, his Grandfather, that the Prophet (ﷺ) of Allah (SWT) said:
“None of you should take back his gift, except a father (taking it back) from his son.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৬. উমরা (জীবনস্বত্ব)
১/২৩৭৯। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব বলতে কিছু নেই। তবে কাউকে জীবনস্বত্ব দেয়া হলে সেটা তারই প্রাপ্য।
بَاب الْعُمْرَى
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ أَبِي زَائِدَةَ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ عُمْرَى فَمَنْ أُعْمِرَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু আমর বিন মুহাম্মাদ বিন আমর বিন হুরায়স সম্পর্কে ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে ইমাম যাহাবী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি হাদিসের ক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম দারাকুতনী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫১৩, ২৬/২১২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“There is no lifelong grant. Whoever is given something as a lifelong grant, it is his.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৬. উমরা (জীবনস্বত্ব)
২/২৩৮০। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে মুনেছিঃ কোন ব্যক্তি অপর ব্যক্তিকে জীবনস্বত্ব দান করলে তা তার এবং তার ওয়ারিসদের। দানকারীর কথা তাতে তার অধিকার কর্তন (অবসান) করে দিয়েছে। অতএব যাকে জীবনস্বত্ব দান করা হয়েছে সেটা তার ও তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য।
بَاب الْعُمْرَى
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ أَعْمَرَ رَجُلاً عُمْرَى لَهُ وَلِعَقِبِهِ فَقَدْ قَطَعَ قَوْلُهُ حَقَّهُ فِيهَا فَهِيَ لِمَنْ أُعْمِرَ وَلِعَقِبِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Jabir said:
“I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Whoever gives a lifelong grant to a man, it belongs to him (the recipient) and to his heirs. His (the giver's) words put an end to his right to it, and it belongs to the one to whom it was given for life and to his heirs.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৬. উমরা (জীবনস্বত্ব)
৩/২৩৮১। যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জীবনস্বত্বকে (স্বত্বভোগীর) ওয়ারিসদের জন্য সাব্যস্ত করেছেন।
بَاب الْعُمْرَى
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنْ حُجْرٍ الْمَدَرِيِّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ ثَابِتٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم جَعَلَ الْعُمْرَى لِلْوَارِثِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Zaid bin Thabit that :
the Prophet (ﷺ) ruled that a gift given for life belongs to the heirs (of the recipient).
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৭. রুকবা
১/২৩৮২। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ রুকবা বলতে কিছু নেই। তবে কারো অনুকূলে কিছু রুকবা (এক প্রকার দান) করা হলে তার জীবদ্দশায় ও মৃত্যুর পরও সে তার মালিক হবে। রাবী বলেন, রুকবা এই যে, দানকারী বললো, ’’আমার ও তোমার মধ্যে যে শেষে মরবে এটা তার’’।
بَاب الرُّقْبَى
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ رُقْبَى فَمَنْ أُرْقِبَ شَيْئًا فَهُوَ لَهُ حَيَاتَهُ وَمَمَاتَهُ " . قَالَ وَالرُّقْبَى أَنْ يَقُولَ هُوَ لِلآخَرِ مِنِّي وَمِنْكَ مَوْتًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“There is no Ruqba. Whoever is given a gift on the basis of Ruqba, it belongs to him, whether he lives or dies.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৭. রুকবা
২/২৩৮৩। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জীবনস্বত্ব (উমরা) এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার এবং রুকবাও এক প্রকারের দান, যাকে দেয়া হয়েছে সেটা তার।
بَاب الرُّقْبَى
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، ح وَحَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا دَاوُدُ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْعُمْرَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُعْمِرَهَا وَالرُّقْبَى جَائِزَةٌ لِمَنْ أُرْقِبَهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Umra belongs to the one to whom it is given, and Ruqba belongs to the one to whom it is given.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৮. হেবা (দান) করে তা ফেরত নেয়া
১/২৩৮৪। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার দান ফেরত নেয় সে এমন কুকুরের সমতুল্য যে পেট ভরে খাওয়ার পর বমি করে, তারপর ফিরে এসে আবার তা গলাধঃকরণ করে।
بَاب الرُّجُوعِ فِي الْهِبَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ عَوْفٍ، عَنْ خِلاَسٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ مَثَلَ الَّذِي يَعُودُ فِي عَطِيَّتِهِ كَمَثَلِ الْكَلْبِ أَكَلَ حَتَّى إِذَا شَبِعَ قَاءَ ثُمَّ عَادَ فِي قَيْئِهِ فَأَكَلَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The likeness of one who takes back his gift is that of a dog that eats until it is full and vomits; then it goes back to its vomit and eats it again.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৮. হেবা (দান) করে তা ফেরত নেয়া
২/২৩৮৫। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি কিছু দান করে তা ফেরত নেয়, সে নিজ বমি ভক্ষণকারীর সমতুল্য।
بَاب الرُّجُوعِ فِي الْهِبَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، قَالَ سَمِعْتُ قَتَادَةَ، يُحَدِّثُ عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْعَائِدِ فِي قَيْئِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The one who takes back his gift is like the one who goes back to his vomit.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৮. হেবা (দান) করে তা ফেরত নেয়া
৩/২৩৮৬। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি দান করে তা ফেরত নেয়, সে কুকুরের সমতুল্য, যে বমি করে পুনরায় তা ভক্ষণ করে।
بَاب الرُّجُوعِ فِي الْهِبَةِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يُوسُفَ الْعَرْعَرِيُّ، حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ أَبِي حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا الْعُمَرِيُّ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْعَائِدُ فِي هِبَتِهِ كَالْكَلْبِ يَعُودُ فِي قَيْئِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়ুসুফ আল-আরআরী সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার সম্পর্কে অজ্ঞাত। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি পরিচিত নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৩, ১৩৭৫ নং পৃষ্ঠা) ২. আল-উমরী সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি দুর্বল, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৪০, ১৫/৩২৭ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু আহমাদ বিন আবদুল্লাহ বিন ইয়ুসুফ আল-আরআরী ও আল-উমরী এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৬০৬ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৪ টি জাল, ৩৫ টি খুবই দুর্বল, ৩৫ টি দুর্বল, ১৬৪ টি হাসান, ৩৩৮ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ দারাকুতনী ২৯৫০, ২৯৫১, ২৯৫২, ২৯৫৬, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১৬৫৩৬, ১৬৫৩৭, ১৬৫৩৮, ১৬৫৪১, ১৬৫৪৩, ১৬৫৭২।
It was narrated from Ibn`Umar that the Prophet (ﷺ) said:
“The one who takes back his gift is like the dog that goes back to its vomit.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৩৯. যে ব্যক্তি সওয়াবের আশায় হেবা (দান) করলো
১/২৩৮৭ আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যতক্ষণ না দানের বিনিময় নেওয়া হয়, ততক্ষণ দানকারীই তার বেশী হকদার।
بَاب مَنْ وَهَبَ هِبَةً رَجَاءَ ثَوَابِهَا
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ مُجَمِّعِ بْنِ جَارِيَةَ الأَنْصَارِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الرَّجُلُ أَحَقُّ بِهِبَتِهِ مَا لَمْ يُثَبْ مِنْهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ইবরাহীম বিন ইসমাইল বিন মুজাম্মি বিন জারিয়াহ আল-আনসারী সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক সন্দেহ করেন। ইমাম নাসাঈ তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু আদী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ নন বরং হাদিস বর্ণনায় অধিক সন্দেহ করেন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৪৮, ২/৪৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“A man has more right to his gift so long as he has not gotten something in return for it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪০. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীর দান করা
১/২৩৮৮। আমর ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর প্রদত্ত এক খুতবায় বলেনঃ কোন নারীর জন্য তার স্বামীর সম্মতি ব্যতীত নিজ সম্পদ হস্তান্তর করা জায়েয নয়। কেননা সে তার সম্মান-সম্ভ্রম রক্ষণে ও নিরাপত্তার ব্যবস্থা করতে দায়বদ্ধ।
بَاب عَطِيَّةِ الْمَرْأَةِ بِغَيْرِ إِذْنِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا أَبُو يُوسُفَ الرَّقِّيُّ، مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ الصَّيْدَلاَنِيُّ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنِ الْمُثَنَّى بْنِ الصَّبَّاحِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ فِي خُطْبَةٍ خَطَبَهَا " لاَ يَجُوزُ لاِمْرَأَةٍ فِي مَالِهَا إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِهَا إِذَا هُوَ مَلَكَ عِصْمَتَهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, পূর্ব ইমামগণ তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৭৩, ২৭/২০৩ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু মুসান্না ইবনুস সাব্বাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৬৭ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে ১ টি জাল, ১১ টি খুবই দুর্বল, ২৭ টি দুর্বল, ১৪ টি হাসান, ১৪ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ তিরমিযি ৬৭০, আবু দাউদ ৩৫৪৬, ৩৫৪৭, আহমাদ ৬৬৮৮, ৭০১৮, ২২২৭২, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১৬৬০৭, ১৬৬২১, মু'জামুল আওসাত ২৫৬৫, ৮৬৭৬। শারহুস সুন্নাহ ১৬৯৬।
It was narrated from 'Amr bin Shu'aib, from his father that he delivered:
“It is not permissible for a woman to dispose of her wealth except with her husband's permission, once he has married her.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪০. স্বামীর অনুমতি ব্যতীত স্ত্রীর দান করা
২/২৩৮৯। কাব ইবনে মালেক-এর বংশধর আবদুল্লাহ ইবনে ইয়াহইয়া-এর দাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তার দাদী কাব ইবনে মালেক (রাঃ) এর স্ত্রী খায়রা (রাঃ) নিজের গহনাপত্রসহ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হয়ে বলেন, আমি এগুলি দান-খয়রাত করতে চাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ স্বামীর সম্মতি ব্যতীত নারীর জন্য তার নিজ সম্পদ দান করা জায়েয নয়। তুমি কি কাব-এর সম্মতি গ্রহণ করেছো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোক পাঠিয়ে কাব ইবনে মালেক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস কলেনঃ তুমি কি খায়রাকে তার গহনাপত্র দান করার অনুমতি দিয়েছো? তিনি বলেন, হ্যাঁ। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার অলঙ্কারপত্র গ্রহণ করেন।
بَاب عَطِيَّةِ الْمَرْأَةِ بِغَيْرِ إِذْنِ زَوْجِهَا
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَحْيَى، - رَجُلٌ مِنْ وَلَدِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ - عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ جَدَّتَهُ، خَيْرَةَ - امْرَأَةَ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ - أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِحُلِيٍّ لَهَا فَقَالَتْ إِنِّي تَصَدَّقْتُ بِهَذَا فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يَجُوزُ لِلْمَرْأَةِ فِي مَالِهَا إِلاَّ بِإِذْنِ زَوْجِهَا فَهَلِ اسْتَأْذَنْتِ كَعْبًا " . قَالَتْ نَعَمْ . فَبَعَثَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ زَوْجِهَا فَقَالَ " هَلْ أَذِنْتَ لِخَيْرَةَ أَنْ تَتَصَدَّقَ بِحُلِيِّهَا " . فَقَالَ نَعَمْ . فَقَبِلَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنْهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী বলেন, ইনশাআল্লাহ্ তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৬৫৩, ১৬/২৯৬ নং পৃষ্ঠা) ২. ইয়াহইয়া সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৯৫৫, ৩২/৬২ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু আবদুল্লাহ বিন ইয়াহইয়া ও ইয়াহইয়া এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৬৭ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে একটি জাল, ১১ টি খুবই দুর্বল, ২৭ টি দুর্বল, ১৪ টি হাসান, ১৪ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ তিরমিযি ৬৩০, আবু দাউদ ৩৫৪৬, ৩৫৪৭, আহমাদ ৬৬৮৮, ৭০১৮, ২২২৭২, মুসান্নাফ আব্দুর রাযযাক ১৬৬০৭, ১৬৬২১, মু'জামুল আওসাত ২৫৬৫, ৮৬৭৬, শারহুস সুন্নাহ ১৬৯৯।
It was narrated from 'Abdullah bin Yahya, one of the sons of Ka'b bin Malik, from his grandfather, that :
his grandmother Khairah, the wife of Ka'b bin Malik, came to the Messenger of Allah (ﷺ) with some jewelry belonging to her and said, I am giving this in charity. The Messenger of Allah (ﷺ) said to her: “It is not permissible for a woman to dispose of her wealth without her husband's permission. Did you ask Ka'b's permission?” She said: “Yes.” So the Messenger of Allah (ﷺ) sent for Ka'b bin Malik, her husband, and said, “Did you give Khairah permission to give her jewelry in charity?” He said: “Yes.” So the Messenger of Allah (ﷺ) accepted it from her.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪১. দান করে তা পুনরায় ফেরত নেয়া
১/২৩৯০। উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি তোমার কৃত দান ফেরত নিও না।
بَاب الرُّجُوعِ فِي الصَّدَقَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ الْخَطَّابِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ تَعُدْ فِي صَدَقَتِكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী হিশাম বিন সা'দ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার মুখস্তশক্তি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস গ্রহন করা যায় কিন্তু তা দলীলযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। তার শীয়া মতাবলম্বী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৫৭৭, ৩০/২০৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Umar bin Khattab that:
the Messenger of Allah (ﷺ) said: “Do not take back your charity.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪১. দান করে তা পুনরায় ফেরত নেয়া
২/২৩৯১। আবদুল্লাহ ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি দান করে তা পুনরায় ফেরত নেয়, সে কুকুরের সমতুল্য, যে বমি করে পুনরায় ফিরে এসে তা গলধঃকরণ করে।
بَاب الرُّجُوعِ فِي الصَّدَقَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو جَعْفَرٍ، مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيٍّ حَدَّثَنِي سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْعَبَّاسِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَثَلُ الَّذِي يَتَصَدَّقُ ثُمَّ يَرْجِعُ فِي صَدَقَتِهِ مَثَلُ الْكَلْبِ يَقِيءُ ثُمَّ يَرْجِعُ فَيَأْكُلُ قَيْئَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
'Abdullah bin 'Abbas narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The likeness of the one who gives charity then takes it back is that of a dog who vomits then goes back and eats its vomit.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪২. কেউ কিছু দান করার পর তা বিক্রয় হতে দেখলে সে কি তা ক্রয় করতে পারে?
১/২৩৯২। উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর যুগে একটি ঘোড়া দান করেছিলেন। তিনি তার মালিককে সেটি সস্তায় বিক্রয় করতে দেখে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার দান তুমি ক্রয় করো না।
بَاب مَنْ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَوَجَدَهَا تُبَاعُ هَلْ يَشْتَرِيهَا
حَدَّثَنَا تَمِيمُ بْنُ الْمُنْتَصِرِ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ يُوسُفَ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ عُمَرَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ يَعْنِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، عُمَرَ أَنَّهُ تَصَدَّقَ بِفَرَسٍ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَبْصَرَ صَاحِبَهَا يَبِيعُهَا بِكَسْرٍ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ " لاَ تَبْتَعْ صَدَقَتَكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Umar, meaning, from his father, his grandfather 'Umar, that:
he gave a horse in charity at the time of the Messenger of Allah (ﷺ), then he saw its owner selling it for a low price. He went to the Prophet (ﷺ) and asked him about that, and he said: “Do not buy what you gave in charity.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪২. কেউ কিছু দান করার পর তা বিক্রয় হতে দেখলে সে কি তা ক্রয় করতে পারে?
২/২৩৯৩। যুবাইর ইবনুল আওয়াম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তার গামর বা গামরা নামের একটি ঘোড়া দান করেন। তিনি তার সেই ঘোড়ার গর্ভজাত একটি নর বা মাদী ঘোড়া বিক্রয় হতে দেখলেন। তা ক্রয় করতে নিষেধ করা হলো।
بَاب مَنْ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ فَوَجَدَهَا تُبَاعُ هَلْ يَشْتَرِيهَا
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ التَّيْمِيُّ عَنْ أَبِي عُثْمَانَ النَّهْدِيِّ عَنْ عَبْدِ اللهِ بْنِ عَامِرٍ عَنْ الزُّبَيْرِ بْنِ الْعَوَّامِ أَنَّهُ حَمَلَ عَلَى فَرَسٍ يُقَالُ لَهُ غَمْرٌ أَوْ غَمْرَةٌ فَرَأَى مُهْرًا أَوْ مُهْرَةً مِنْ أَفْلَائِهَا يُبَاعُ يُنْسَبُ إِلَى فَرَسِهِ فَنَهَى عَنْهَا
তাহকীক আলবানীঃ যইফ।
It was narrated from Zubair bin 'Awwam that :
he gave a horse called Ghamr or Ghamrah to someone, then he saw one of its colts or fillies attributed to his horse being sold, but he refrained from (buging) it.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৩. কেউ কোন জিনিস দান করার পর তার ওয়ারিস হলে
১/২৩৯৪। বুরায়দা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকট এসে বললো, হে আল্লাহর রাসূল! আমি আমার মাকে আমার একটি ক্রীতদাসী দান করার পর তিনি ইনতিকাল করেন। আমি ছাড়া তার আর কোন ওয়ারিস নাই। রাসূলুল্লহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ আল্লাহ তোমাকে প্রতিদান দিবেন এবং তা ওয়ারিসী সূত্রে তোমাকে ফেরত দিয়েছেন।
بَاب مَنْ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ ثُمَّ وَرِثَهَا
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَطَاءٍ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَتِ امْرَأَةٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي تَصَدَّقْتُ عَلَى أُمِّي بِجَارِيَةٍ وَإِنَّهَا مَاتَتْ . فَقَالَ " آجَرَكِ اللَّهُ وَرَدَّ عَلَيْكِ الْمِيرَاثَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ বিন আতা সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুক ও তাদলীস করেন। ইমাম যাহাবী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪২৯, ১৫/৩১১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Abdullah bin Buraidah that his father said:
“A woman came to-the Prophet (ﷺ) and said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), I gave my mother a slave girl of mine, and she has died.' The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Allah (SWT) has rewarded you, and returned to you your inheritance (without your seeking that.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৩. কেউ কোন জিনিস দান করার পর তার ওয়ারিস হলে
২/২৩৯৫। আমার ইবনে শুআইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললো, আমি আমার মাকে আমার একটি বাগান দান করেছিলাম। তিনি ইনতিকাল করেছেন এবং আমাকে ছাড়া আর কোন ওয়ারিস রেখে যাননি। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার দান পূর্ণরূপে আদায় হয়েছে এবং তোমার বাগান তোমার মালিকায়নায় ফেরত এসেছে।
بَاب مَنْ تَصَدَّقَ بِصَدَقَةٍ ثُمَّ وَرِثَهَا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ الرَّقِّيُّ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ، عَنْ عَبْدِ الْكَرِيمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ إِنِّي أَعْطَيْتُ أُمِّي حَدِيقَةً لِي وَإِنَّهَا مَاتَتْ وَلَمْ تَتْرُكْ وَارِثًا غَيْرِي فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " وَجَبَتْ صَدَقَتُكَ وَرَجَعَتْ إِلَيْكَ حَدِيقَتُكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
It was narrated from 'Amr bin Shu'aib, from his father, that his grandfather said:
“A man came to the Prophet (ﷺ) and said: 'I gave my mother a garden of mine, and she has died and has no other heir but me.' The Messenger of Allah(ﷺ) said: 'Your charity is valid and your garden has been returned to you.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৪. যে ব্যক্তি ওয়াকফ করলো
১/২৩৯৬। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) খায়বারে এক খন্ড জমি পেলেন। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তাঁর নির্দেশ প্রার্থনা করে বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি খায়বারে এক খন্ড সম্পত্তি লাভ করেছি। আমার মতে এতো উত্তম সম্পত্তি আমি আর কখনো অর্জন করিনি। এই সম্পত্তি সম্পর্কে আপনি আমাকে কি হুকুম করেন? তিনি বলেনঃ তুমি ইচ্ছা করলে মূল সম্পত্তি (তোমার মালিকানায়) বহাল রেখে তার আয় দান-খয়রাত করতে পারো।
ইবনে উমার (রাঃ) বলেন, উমার (রাঃ) নিম্নোক্ত শর্তযোগে তাই করলেনঃ ’’মূল সম্পত্তি বিক্রয় করা যাবে না, দান করা যাবে না, তাতে ওয়ারিসী স্বত্বও বর্তাবে না এবং তার আয় দরিদ্র, নিকটাত্মীয়, দাসমুক্ত, আল্লাহর রাস্তায় মুসাফির ও মেহমানদের আপ্যায়ন ইত্যাদি উদ্দেশ্যে দান করা হবে। যে তার মোতাওয়াল্লী হবে, সে তা থেকে ন্যায়সঙ্গতভাবে আহার করতে পারবে এবং তার বন্ধুদের আহার করাতে পারবে, কিন্তু জমা করতে পারবে না।
بَاب مَنْ وَقَفَ
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنِ ابْنِ عَوْنٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ أَصَابَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ أَرْضًا بِخَيْبَرَ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَأْمَرَهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أَصَبْتُ مَالاً بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالاً قَطُّ هُوَ أَنْفَسُ عِنْدِي مِنْهُ فَمَا تَأْمُرُنِي بِهِ فَقَالَ " إِنْ شِئْتَ حَبَسْتَ أَصْلَهَا وَتَصَدَّقْتَ بِهَا " . قَالَ فَعَمِلَ بِهَا عُمَرُ عَلَى أَنْ لاَ يُبَاعَ أَصْلُهَا وَلاَ يُوهَبَ وَلاَ يُورَثَ تَصَدَّقَ بِهَا لِلْفُقَرَاءِ وَفِي الْقُرْبَى وَفِي الرِّقَابِ وَفِي سَبِيلِ اللَّهِ وَابْنِ السَّبِيلِ وَالضَّيْفِ لاَ جُنَاحَ عَلَى مَنْ وَلِيَهَا أَنْ يَأْكُلَ مِنْهَا بِالْمَعْرُوفِ أَوْ يُطْعِمَ صَدِيقًا غَيْرَ مُتَمَوِّلٍ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Ibn 'Umar said:
“Umar bin Khattab acquired some land at Khaibar, and he came to the Prophet (ﷺ) and consulted him. He said: 'O Messenger of Allah(ﷺ), I have been given some wealth at Khaibar and I have never been given any wealth that is more precious to me than it. What do you command me to do with it? He said: 'If you wish, you can make it an endowment and give (its produce) in charity.' So 'Umar gave it on the basis that it would not be sold, given away or inherited, and (its produce) was to be given to the poor, to relatives, for freeing slaves, in the cause of Allah, to way fares and to guests; and there was nothing wrong if a person appointed to be in charge of it consumed from it on a reasonable basis or feeding a fried, without accumulating it for himself.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৪. যে ব্যক্তি ওয়াকফ করলো
২/২৩৯৭। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার ইবনুল খাত্তাব (রাঃ) বললেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! খায়বারের আমি যে এক শত অংশ জমি পেয়েছি, তার চেয়ে অধিক প্রিয় কোন সম্পত্তি আমি আর কখনো পাইনি। আমি তা দান-খয়রাত করার সংকল্প করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি মূল সম্পত্তি বহাল রেখে দাও এবং তার আয় দান করো। অধস্তন রাবী ইবনে আবূ উমার (রাঃ) বলেন, আমি এ হাদীস আমার কিতাবের অন্য এক স্থানে নিম্নোক্ত সনদসূত্রে পেয়েছিঃ সুফিয়া আবদুল্লাহ নাফে-ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উমার (রাঃ) বললেন ... উক্ত হাদীসের অনুরূপ।
بَاب مَنْ وَقَفَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ عُمَرُ بْنُ الْخَطَّابِ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الْمِائَةَ سَهْمٍ الَّتِي بِخَيْبَرَ لَمْ أُصِبْ مَالاً قَطُّ هُوَ أَحَبُّ إِلَىَّ مِنْهَا وَقَدْ أَرَدْتُ أَنْ أَتَصَدَّقَ بِهَا فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " احْبِسْ أَصْلَهَا وَسَبِّلْ ثَمَرَتَهَا " .
قَالَ ابْنُ أَبِي عُمَرَ فَوَجَدْتُ هَذَا الْحَدِيثَ فِي مَوْضِعٍ آخَرَ فِي كِتَابِي عَنْ سُفْيَانَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ عَنْ نَافِعٍ عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ قَالَ عُمَرُ فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী উবায়দুল্লাহ বিন উমার সম্পর্কে আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি দুর্বল, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহণযোগ্য নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৪০, ১৫/৩২৭ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু উবায়দুল্লাহ বিন উমার এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ১৮২ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৩০ টি খুবই দুর্বল, ৫৬ টি দুর্বল, ৪২ টি হাসান, ৫৪ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ ২৭৩৪, ২৭৭২, ২৭৭৩, মুসলিম, ১১৮৫, তিরমিযি ১৩৭৫, আবু দাউদ ২৮৭৮, আহমাদ ৪৫৯৪, ৫১৫৭, ৬০৪২, ৬৪২৪, দারাকুতনী ৪৩৫৬-৪৩৬৫।
It was narrated that Ibn 'Umar said:
“Umar bin Khattab said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), the one hundred shares of the Khaibar I have never been given any wealth that is more beloved to me than them, and I wanted to give them in charity.' The Prophet (ﷺ) said: 'Make it an endowment and give its produce in the cause of Allah (SWT).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৫. আরিয়া (অস্থাবর মাল ধার দেয়া)
১/২৩৯৮। আবূ উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলতে শুনেছিঃ আরিয়া পরিশোধ করতে হবে এবং মানীহা (দুধ পান করতে দেয়া পশু) ফেরত দিতে হবে।
بَاب الْعَارِيَةِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنَا شُرَحْبِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْعَارِيَةُ مُؤَدَّاةٌ وَالْمِنْحَةُ مَرْدُودَةٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা) ২. শুরাহবীল বিন মুসলিম সম্পর্কে আবু মুহাম্মাদ আল-ফাতায়ানী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন নুমায়র বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৭২১, ১২/৪৩০ নং পৃষ্ঠা)
Shurahbil Muslim said:
I heard Abu Umamah say: “I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Borrowed items are to be returned and an animal borrowed for milking is to be returned.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৫. আরিয়া (অস্থাবর মাল ধার দেয়া)
২/২৩৯৯। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ আরিয়া (ধার) পরিশোধ করতে হবে এবং মানীহা (দুধপান করতে দেয়া পশু) ফেরত দিতে হবে।
بَاب الْعَارِيَةِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيَّانِ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شُعَيْبٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الْعَارِيَةُ مُؤَدَّاةٌ وَالْمِنْحَةُ مَرْدُودَةٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Anas bin Malik said:
“I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Borrowed items are to be returned and an animal borrowed for milking is to be returned.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৫. আরিয়া (অস্থাবর মাল ধার দেয়া)
৩/২৪০০। সামুরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি (ধারে) যা গ্রহণ করেছে তা ফেরত না দেয়া পর্যন্ত তার জন্য সে দায়ী থাকবে।
بَاب الْعَارِيَةِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُسْتَمِرِّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، ح وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ، جَمِيعًا عَنْ سَعِيدٍ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " عَلَى الْيَدِ مَا أَخَذَتْ حَتَّى تُؤَدِّيَهُ " .
It was narrated from Samurah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The hand that takes is responsible for what it has taken until it returns it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৬. ওয়াদিয়া (নিরাপদ সংরক্ষণের জন্য প্রদত্ত আমানত)
১/২৪০১। আমার ইবনে শুআইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ কারো কাছে ওয়াদিয়া রাখলে (তা ধ্বংস হলে) তার কোন ক্ষতিপূরণ নাই।
بَاب الْوَدِيعَةِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَهْمِ الأَنْمَاطِيُّ، حَدَّثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ، عَنِ الْمُثَنَّى، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أُودِعَ وَدِيعَةً فَلاَ ضَمَانَ عَلَيْهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আয়্যুব বিন সুওয়ায়দ সম্পর্কে আবু বকর আল-ইসমাইলী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬১৬, ৩/৪৭৪ নং পৃষ্ঠা) ২. মুসান্না সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, পূর্ব ইমামগণ তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী ও আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৭৭৩, ২৭/২০৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Amr bin Shu'aib, from his father, that his grandfather said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever is entrusted with an item for safekeeping, is not responsible for it (so long as he is not negligent).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৭. আমানত গ্রহণকারী আমানতের মাল দিয়ে ব্যবসা করে লাভবান হলে
১/২৪০২। উরওয়া আল-বারিকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর জন্য একটি ছাগল কেনার উদ্দেশে তাকে একটি দীনার দেন। তিনি তাঁর জন্য দু’টি ছাগল কিনে এর একটি এক দীনারে বিক্রয় করে একটি দীনার ও একটি ছাগল নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার জন্য বরকতের দোয়া করেন। রাবী বলেন, এরপর তিনি মাটি কিনলে তাতেও লাভবান হতেন।
২/২৪০২ (১) উরওয়া ইবনে আবুল জাদ আল-বারিকী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একটি বাণিজ্যিক কাফেলা পণ্যদ্রব্য নিয়ে আসলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে একটি দীনার দিলেন ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
بَاب الْأَمِينِ يَتَّجِرُ فِيهِ فَيَرْبَحُ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ شَبِيبِ بْنِ غَرْقَدَةَ، عَنْ عُرْوَةَ الْبَارِقِيِّ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أَعْطَاهُ دِينَارًا يَشْتَرِي لَهُ شَاةً فَاشْتَرَى لَهُ شَاتَيْنِ فَبَاعَ إِحْدَاهُمَا بِدِينَارٍ فَأَتَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِدِينَارٍ وَشَاةٍ فَدَعَا لَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِالْبَرَكَةِ . قَالَ فَكَانَ لَوِ اشْتَرَى التُّرَابَ لَرَبِحَ فِيهِ .
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سَعِيدٍ الدَّارِمِيُّ، حَدَّثَنَا حَبَّانُ بْنُ هِلاَلٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ زَيْدٍ، عَنِ الزُّبَيْرِ بْنِ الْخِرِّيتِ، عَنْ أَبِي لَبِيدٍ، لِمَازَةَ بْنِ زَبَّارٍ عَنْ عُرْوَةَ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ الْبَارِقِيِّ، قَالَ قَدِمَ جَلَبٌ فَأَعْطَانِي النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم دِينَارًا فَذَكَرَ نَحْوَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সাঈদ বিন যায়দ সম্পর্কে আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তিনি হাদিস গ্রহনে শিথিল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ ও ভুল করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২২৭৬, ১০/৪৪১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Urwah Al-Bariqi that :
the Prophet (ﷺ) gave him a Dinar to buy him a sheep, and he bought two sheep for him, then he sold one of them for a Dinar, and bought a Dinar and a sheep to the Prophet (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) prayed for blessing for him.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৮. হাওয়ালা (ঋণের দায় হস্তান্তর)
১/২৪০৩। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ধনী ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা অন্যায়। স্বচ্ছল ব্যক্তির নিকট তোমাদের কারো পাওনা থাকলে সে যেন তার পেছনে লেগে থাকে (শেষোক্ত বাক্যের আরো একটি অর্থ হতে পারেঃ তোমাদের কারো ঋণ পরিশোধ করার জন্য ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি কোন সক্ষম ব্যক্তির উপর দায়িত্ব ন্যস্ত করলে তা অনুমোদন করা উচিৎ)
بَاب الْحَوَالَةِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الظُّلْمُ مَطْلُ الْغَنِيِّ وَإِذَا أُتْبِعَ أَحَدُكُمْ عَلَى مَلِيءٍ فَلْيَتْبَعْ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“(Wrongdoing) is when a rich man takes a long time to repay a debt, and if one of you is referred to a rich man (to collect a debt), he should accept that referral.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৮. হাওয়ালা (ঋণের দায় হস্তান্তর)
২/২৪০৪। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছে্নঃ স্বচ্ছল ব্যক্তির ঋণ পরিশোধে গড়িমসি করা জুলুম। স্বচ্ছল ব্যক্তির নিকট তোমার পাওনা থাকলে তার পেছেনে লেগে থাকো।
بَاب الْحَوَالَةِ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنْ يُونُسَ بْنِ عُبَيْدٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَطْلُ الْغَنِيِّ ظُلْمٌ وَإِذَا أُحِلْتَ عَلَى مَلِيءٍ فَاتْبَعْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“When a rich man takes too long to repay a debt, this is wrongdoing, and if the debt is transferred to a rich man, you should accept if.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৯. যামিন হওয়া (কাফালা)
১/২৪০৫। আবূ উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলূল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ যামিনদার দায়বদ্ধ এবং ঋণ অবশ্যই পরিশোধযোগ্য।
بَاب الْكَفَالَةِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَالْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنِي شُرَحْبِيلُ بْنُ مُسْلِمٍ الْخَوْلاَنِيُّ، قَالَ سَمِعْتُ أَبَا أُمَامَةَ الْبَاهِلِيَّ، يَقُولُ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " الزَّعِيمُ غَارِمٌ وَالدَّيْنُ مَقْضِيٌّ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা) ২. ২. শুরাহবীল বিন মুসলিম আল-খাওলানী সম্পর্কে আবু মুহাম্মাদ আল-ফাতায়ানী ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। মুহাম্মাদ বিন আবদুল্লাহ বিন নুমায়র বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৭২১, ১২/৪৩০ নং পৃষ্ঠা)
Shurahbil bin Muslim Al-Khawlani said:
I heard Abu Umamah Al-Bahil say: “I heard the Messenger of Allah(ﷺ) say: “The guarantor is responsible and the debt must be repaid.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৯. যামিন হওয়া (কাফালা)
২/২৪০৬। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক ব্যক্তি তার দেনাদারের পেছনে লাগলো। সে তার নিকট দশ দীনার পাওনা ছিল। দেনাদার বললো, আমার নিকট তোমাকে দেয়ার মত কোন জিনিস নাই। পাওনাদার বললো, না, আল্লাহর শপথ! আমার দেনা পরিশোধ না করা অথবা একজন যামিনদার উপস্থিত না করা পর্যন্ত আমি তোমাকে ছাড়ছি না। সে তাকে টেনে-হেঁচড়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে গেলো। তিনি পাওনাদারকে বলেনঃ তুমি তাকে কতো দিনের অবকাশ দিতে পারো? সে বললো, এক মাস।
রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাহলে আমিই তার যামিন। দেনাদার নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বলে দেয়া সময়সীমার মধ্যে পাওনাসহ তাঁর নিকট উপস্থিত হলে তিনি তাকে বলেনঃ তুমি এগুলো কোথায় পেলে? সে বললো, খনিতে। তিনি বলেনঃ এতে কোন কল্যাণ নেই। অতঃপর তিনি নিজের পক্ষ থেকে ঋণদাতার পাওনা পরিশোধ করেন।
بَاب الْكَفَالَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ أَبِي عَمْرٍو، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَجُلاً، لَزِمَ غَرِيمًا لَهُ بِعَشَرَةِ دَنَانِيرَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ مَا عِنْدِي شَىْءٌ أُعْطِيكَهُ فَقَالَ لاَ وَاللَّهِ لاَ أُفَارِقُكَ حَتَّى تَقْضِيَنِي أَوْ تَأْتِيَنِي بِحَمِيلٍ فَجَرَّهُ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " كَمْ تَسْتَنْظِرُهُ " . فَقَالَ شَهْرًا فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فَأَنَا أَحْمِلُ لَهُ " . فَجَاءَهُ فِي الْوَقْتِ الَّذِي قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مِنْ أَيْنَ أَصَبْتَ هَذَا " . قَالَ مِنْ مَعْدِنٍ قَالَ " لاَ خَيْرَ فِيهَا " . وَقَضَاهَا عَنْهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মালিক বিন আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে নিজ কিতাব ছাড়া অন্যত্র থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৭০, ১৮/১৮৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas:
That during the time of the Messenger of Allah (ﷺ), a man pursued a debtor who owed him ten Dinar, and he said: “I do not have anything to give you.” He (the creditor) said: “No, by Allah, I will not leave you until you pay the debt or you bring me a guarantor.” Then he dragged him to the Prophet (ﷺ) and the Prophet (ﷺ) said to him: “How long will you wait?” He said: “One month.” The Messenger of Allah (ﷺ) said: “I will be a guarantor for him.” Then he came to him at the time the Prophet (ﷺ) had said, and the Prophet (ﷺ) said to him: “Where did you get this from?” He said: “From a mine.” He said: “There is nothing good in it,” and he paid the debt for him.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৪৯. যামিন হওয়া (কাফালা)
৩/২৪০৭। আবূ কাতাদা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। জানাযার নামায পড়ার জন্য একটি লাশ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট নিয়ে আসা হলো। তিনি বলেনঃ তোমরা তোমাদের সঙ্গীর জানাযার নামায পড়ো। কেননা সে ঋণগ্রস্ত। আবূ কাতাদা (রাঃ) বলেন, আমি তার ঋণের যামিন হচ্ছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ পরিশোধ করার জন্য তো? তিনি বলেন, পরিশোধ করার জন্য। তার ঋণের পরিমাণ ছিলো আঠার বা উনিশ দিরহাম।
بَاب الْكَفَالَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، قَالَ سَمِعْتُ عَبْدَ اللَّهِ بْنَ أَبِي قَتَادَةَ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم أُتِيَ بِجِنَازَةٍ لِيُصَلِّيَ عَلَيْهَا فَقَالَ " صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ فَإِنَّ عَلَيْهِ دَيْنًا " . فَقَالَ أَبُو قَتَادَةَ أَنَا أَتَكَفَّلُ بِهِ . قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " بِالْوَفَاءِ " . قَالَ بِالْوَفَاءِ . وَكَانَ الَّذِي عَلَيْهِ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ أَوْ تِسْعَةَ عَشَرَ دِرْهَمًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that 'Uthman bin 'Abdullah bin Mawhab said:
“I heard 'Abdullah bin Abu Qatadah narrate from his father that a corpse was brought to the Prophet (ﷺ) for him to offer the funeral prayer, and he said: 'Pray for your companion, for he owes a debt.' Abu Qatadah said: 'I will stand surely for him?' The Prophet (ﷺ) said: 'In full?' He said: 'In full.” And the debt he owed was eighteen or nineteen Dirham.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫০. যে ব্যক্তি পরিশোধ করার অভিপ্রায় নিয়ে ঋণ গ্রহণ করে
১/২৪০৮। ইবনে হুযায়ফা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, উম্মুল মুমিনীন মায়মুনা (রাঃ) ধারকর্জ গ্রহণ করতেন। তার পরিবারের কেউ কেউ বললো, আপনি ধারকর্জ করবেন না এবং তার এ কাজকে তারা অপছন্দ করলো। তিনি বলেন, হ্যাঁ আমি আমার নবী ও বন্ধু সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে কোন মুসলিম ধারকর্জ গ্রহণ করে এবং আল্লাহ জানেন যে, তা পরিশোধ করার অভিপ্রায় তার রয়েছে, তাহলে দুনিয়াতেই আল্লাহ তার ঐ ধারকর্জ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দেন।
بَاب مَنْ ادَّانَ دَيْنًا وَهُوَ يَنْوِي قَضَاءَهُ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبِيدَةُ بْنُ حُمَيْدٍ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ زِيَادِ بْنِ عَمْرِو بْنِ هِنْدٍ، عَنِ ابْنِ حُذَيْفَةَ، - هُوَ عِمْرَانُ - عَنْ أُمِّ الْمُؤْمِنِينَ، مَيْمُونَةَ قَالَ كَانَتْ تَدَّانُ دَيْنًا فَقَالَ لَهَا بَعْضُ أَهْلِهَا لاَ تَفْعَلِي وَأَنْكَرَ ذَلِكَ عَلَيْهَا قَالَتْ بَلَى إِنِّي سَمِعْتُ نَبِيِّي وَخَلِيلِي صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَا مِنْ مُسْلِمٍ يَدَّانُ دَيْنًا يَعْلَمُ اللَّهُ مِنْهُ أَنَّهُ يُرِيدُ أَدَاءَهُ إِلاَّ أَدَّاهُ اللَّهُ عَنْهُ فِي الدُّنْيَا " .
তাহকীক আলবানীঃ (فِي الدُّنْيَا) শব্দ ব্যাতিত সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবীদাহ বিন হুমায়দ সম্পর্কে আবু হাফস উমার বিন শাহীন বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য রাবী নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৫২, ১৯/২৫৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that :
the Mother of the Believers Maimunah used to take out loans frequently, and some of her family said: “Do not that,” and they denounced her for that. She said: “No. I heard my Prophet (ﷺ) and my close friend say: ‘There is no Muslim who takes out a loan and Allah(SWT) knows that he intends to pay it back, but Allah(SWT) will pay it back for him in this world.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫০. যে ব্যক্তি পরিশোধ করার অভিপ্রায় নিয়ে ঋণ গ্রহণ করে
২/২৪০৯। আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঋণগ্রস্ত ব্যক্তির ঋণ পরিশোধ না করা পর্যন্ত আল্লাহ তার সাথে থাকেন, যদি না সে আল্লাহর অপছন্দনীয় উদ্দেশ্যে ঋণ গ্রহণ করে থাকে। রাবী বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে জাফর (রাঃ) তার কোষাধ্যক্ষকে বলতেন, যাও, আমার জন্য ঋণ গ্রহণকরো। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট যে হাদীস শুনেছি তারপর থেকে এক রাতও আল্লাহ আমার সঙ্গে থাকা ছাড়া কাটাতে অপছন্দ করি।
بَاب مَنْ ادَّانَ دَيْنًا وَهُوَ يَنْوِي قَضَاءَهُ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي فُدَيْكٍ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ سُفْيَانَ، - مَوْلَى الأَسْلَمِيِّينَ - عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ جَعْفَرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ اللَّهَ مَعَ الدَّائِنِ حَتَّى يَقْضِيَ دَيْنَهُ مَا لَمْ يَكُنْ فِيمَا يَكْرَهُ اللَّهُ " . قَالَ فَكَانَ عَبْدُ اللَّهِ بْنُ جَعْفَرٍ يَقُولُ لِخَازِنِهِ اذْهَبْ فَخُذْ لِي بِدَيْنٍ فَإِنِّي أَكْرَهُ أَنْ أَبِيتَ لَيْلَةً إِلاَّ وَاللَّهُ مَعِي بَعْدَ الَّذِي سَمِعْتُ مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Abdullah bin Ja'far that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Allah will be the borrower until he pays off his debt, so long as it (the loan) is not for something that Allah dislikes.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫১. যে ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করলো কিন্তু তা পরিশোধের অভিপ্রায় তার নাই।
১/২৪১০। সুহাইব আল-খায়ের (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে কোন ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করলো এবং তা পরিশোধ না করতে সংকল্পবদ্ধ, (কিয়ামতের দিন) সে আল্লাহ সাথে তষ্কররূপে সাক্ষাৎ করবে।
২/২৪১০ (১)। ইবরাহীম ইবনুল মুনযির আল-হিযামী-ইউসুফ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাইফী-আবদুল হামীদ ইবনে যিয়াদ-তার পিতা-তার দাদা সুহাইব (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
بَاب مَنْ ادَّانَ دَيْنًا لَمْ يَنْوِ قَضَاءَهُ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَيْفِيِّ بْنِ صُهَيْبِ الْخَيْرِ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْحَمِيدِ بْنُ زِيَادِ بْنِ صَيْفِيِّ بْنِ صُهَيْبٍ، عَنْ شُعَيْبِ بْنِ عَمْرٍو، حَدَّثَنَا صُهَيْبُ الْخَيْرِ، عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " أَيُّمَا رَجُلٍ يَدَيَّنُ دَيْنًا وَهُوَ مُجْمِعٌ أَنْ لاَ يُوَفِّيَهُ إِيَّاهُ لَقِيَ اللَّهَ سَارِقًا " .
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَيْفِيٍّ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ زِيَادٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، صُهَيْبٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল হামীদ বিন যিয়াদ বিন সায়ফী বিন সুহায়ব সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, এই হাদিস ব্যাতিত তার সম্পর্কে কোথাও জানা যায় না, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭১৩, ১৬/৪২৯ নং পৃষ্ঠা)
Suhaib Al-Khair narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“ Any Man who takes out a loan, having resolved not to pay it back, will meet Allah (SWT) as a thief.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫১. যে ব্যক্তি ঋণ গ্রহণ করলো কিন্তু তা পরিশোধের অভিপ্রায় তার নাই।
৩/২৪১১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি মানুষের সম্পদ ধ্বংস করার অভিপ্রায় গ্রহণ করে, আল্লাহ তাকে ধ্বংস করবেন।
بَاب مَنْ ادَّانَ دَيْنًا لَمْ يَنْوِ قَضَاءَهُ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ حُمَيْدِ بْنِ كَاسِبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ ثَوْرِ بْنِ زَيْدٍ الدِّيلِيِّ، عَنْ أَبِي الْغَيْثِ، - مَوْلَى ابْنِ مُطِيعٍ - عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَخَذَ أَمْوَالَ النَّاسِ يُرِيدُ إِتْلاَفَهَا أَتْلَفَهُ اللَّهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইয়াকুব বিন হুমায়দ বিন কাসিব সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭০৮৬, ৩২/৩১৮ নং পৃষ্ঠা) ২. আবদুল আযীয বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। মালিক বিন আনাস তাকে সিকাহ বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে নিজ কিতাব ছাড়া অন্যত্র থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৪৭০, ১৮/১৮৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever takes people's wealth with the intention of destroying it, Allah (SWT) will destroy him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫২. ঋণের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি
১/২৪১২। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর মুক্তদাস সাওবান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিনটি দোষ থেকে মুক্ত অবস্থায় যার দেহ থেকে তার প্রাণবায়ু বের হয়েছে সে জান্নাতে প্রবেশ করবেঃ অহংকার, আত্মসাৎ ও ঋণ।
بَاب التَّشْدِيدِ فِي الدَّيْنِ
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا سَعِيدٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ مَعْدَانَ بْنِ أَبِي طَلْحَةَ، عَنْ ثَوْبَانَ، - مَوْلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم - عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " مَنْ فَارَقَ الرُّوحُ الْجَسَدَ وَهُوَ بَرِيءٌ مِنْ ثَلاَثٍ دَخَلَ الْجَنَّةَ مِنَ الْكِبْرِ وَالْغُلُولِ وَالدَّيْنِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Thawban, the freed slave of the Messenger of Allah (ﷺ), that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Anyone whose soul leaves his body and he is free of three things, will enter Paradise: Arrogance, stealing from the spoils of war, and debt.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫২. ঋণের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি
২/২৪১৩। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুমিন ব্যক্তির রূহ তার ঋণের কারণে ঝুলন্ত অবস্থায় থাকে, যতক্ষণ যাবত না তা পরিশোধ করা হয়।
بَاب التَّشْدِيدِ فِي الدَّيْنِ
حَدَّثَنَا أَبُو مَرْوَانَ الْعُثْمَانِيُّ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عُمَرَ بْنِ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " نَفْسُ الْمُؤْمِنِ مُعَلَّقَةٌ بِدَيْنِهِ حَتَّى يُقْضَى عَنْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু মারওয়ান আল-উসমানী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন ও সিকাহ রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইমাম বুখারী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৪৫৪, ২৬/৮১ নং পৃষ্ঠা) ২. উমার বিন আবু সালামাহ সম্পর্কে আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় নির্ভরযোগ্য নয়। ইবরাহীম বিন ইয়াকুব আল-জাওযুজানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪২৪৭, ২১/৩৭৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The soul of the believer is attached to his debt until it is paid off.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫২. ঋণের ব্যাপারে কঠোর হুঁশিয়ারি
৩/২৪১৪। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি তার যিম্মায় এক দীনার বা এক দিরহাম পরিমাণ ঋণ রেখে মারা গেলে (কিয়ামতের দিন) তার নেক আমলের দ্বারা তা পরিশোধ করা হবে। আর সেখানে কোন দীনারও থাকবে না, দিরহামও থাকবে না।
بَاب التَّشْدِيدِ فِي الدَّيْنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ ثَعْلَبَةَ بْنِ سَوَاءٍ، حَدَّثَنَا عَمِّي، مُحَمَّدُ بْنُ سَوَاءٍ عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ مَطَرٍ الْوَرَّاقِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ مَاتَ وَعَلَيْهِ دِينَارٌ أَوْ دِرْهَمٌ قُضِيَ مِنْ حَسَنَاتِهِ لَيْسَ ثَمَّ دِينَارٌ وَلاَ دِرْهَمٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন সাওয়া সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস কাদারিয়্যা মতাবলম্বী ছিলেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার ব্যাপারে কাদারিয়্যা মতাবলম্বী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫২৭২, ২৫/৩২৮ নং পৃষ্ঠা) ২. মাতারিল ওয়াররাক সম্পর্কে আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তার হাদিস কেউ বর্জন করেছেন এ মর্মে আমার জানা নেই। আবু জাফার আল-উকায়লী বলেন, এই সানাদে তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯৯৪, ২৮/৫১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever dies owing a Dinar or a Dirham, it will be paid back from his good deeds, because then there will be no Dinar or Dirham.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৩. কেউ ঋণ বা নাবালেগ সন্তান রেখে মারা গেলে, তার দায়িত্ব আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
১/২৪১৫। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে কোন মুমিন ব্যক্তি ঋনগ্রস্ত অবস্থায় মারা গেলে তিনি জিজ্ঞেস করতেনঃ সে কি তার ঋণ পরিশোধ করার মত কোন কিছু রেখে গেছে? লোকজন যদি বলতো, হ্যাঁ, তবে তিনি তার জানাযার নামায পড়তেন। আর যদি তারা বলতো, না, তাহলে তিনি বলতেনঃ তোমরা তোমাদের সঙ্গীর জানাযার নামায পড়ো। অতঃপর আল্লাহ তাঁর রাসূলকে (যুদ্ধে) অসংখ্য বিজয় দান করলে তিনি বলেনঃ আমিই মুমনিদের জন্য তাদের নিজেদের চেয়ে অধিক কল্যাণকামী। অতএব কোন ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা গেলে তা পরিশোধের দায়িত্ব আমার। আর সে যে সম্পদ রেখে যাবে, তা তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য।
بَاب مَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَعَلَى اللهِ وَعَلَى رَسُولِهِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ السَّرْحِ الْمِصْرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي يُونُسُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَانَ يَقُولُ إِذَا تُوُفِّيَ الْمُؤْمِنُ فِي عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَعَلَيْهِ الدَّيْنُ فَيَسْأَلُ " هَلْ تَرَكَ لِدَيْنِهِ مِنْ قَضَاءٍ " . فَإِنْ قَالُوا نَعَمْ . صَلَّى عَلَيْهِ وَإِنْ قَالُوا لاَ . قَالَ " صَلُّوا عَلَى صَاحِبِكُمْ " . فَلَمَّا فَتَحَ اللَّهُ عَلَى رَسُولِهِ الْفُتُوحَ قَالَ " أَنَا أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ مِنْ أَنْفُسِهِمْ فَمَنْ تُوُفِّيَ وَعَلَيْهِ دَيْنٌ فَعَلَىَّ قَضَاؤُهُ وَمَنْ تَرَكَ مَالاً فَهُوَ لِوَرَثَتِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that:
if a believer died at the time of the Messenger of Allah (ﷺ) and he had debts, the Messenger of Allah (ﷺ) would ask: “Did he leave anything with which to off his debt?” If they said yes, then he would offer the funeral prayer for him, but if they said no, then he would say: “Pray for your companion.” When Allah granted his Prophet (ﷺ) the conquests, he said: “I am nearer to the believers than their own selves. Whoever dies owing a debt, I will pay it off for him, and whoever leaves behind wealth, it will be for his heirs.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৩. কেউ ঋণ বা নাবালেগ সন্তান রেখে মারা গেলে, তার দায়িত্ব আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের
২/২৪১৬। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি সম্পদ রেখে মারা গেলে তা তার ওয়ারিসদের প্রাপ্য। আর কোন ব্যক্তি ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে মারা গেলে তা পরিশোধের দায়িত্ব আমার এবং তাদের লালন-পালনের দায়িত্বও আমার। আমিই মুমনিদের অধিক উপযুক্ত পৃষ্ঠপোষক।
بَاب مَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَعَلَى اللهِ وَعَلَى رَسُولِهِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ جَعْفَرِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ تَرَكَ مَالاً فَلِوَرَثَتِهِ وَمَنْ تَرَكَ دَيْنًا أَوْ ضَيَاعًا فَعَلَىَّ وَإِلَىَّ وَأَنَا أَوْلَى بِالْمُؤْمِنِينَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever leaves behind money, it is for his heirs, and whoever leaves behind a debt for children, I am nearer to the believers.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৪. অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দেয়া
১/২৪১৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি অস্বচ্ছল (ঋণগ্রস্ত) ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, আল্লাহ দুনিয়াতে ও আখেরাতে তার সাথে সহজ ব্যবহার করবেন।
بَاب إِنْظَارِ الْمُعْسِرِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ يَسَّرَ عَلَى مُعْسِرٍ يَسَّرَ اللَّهُ عَلَيْهِ فِي الدُّنْيَا وَالآخِرَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
Whoever is easy with (a debtor) who is in difficulty, Allah will be easy with him in this world and in the Hereafter.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৪. অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দেয়া
২/১৪১৮। বুরায়দা আল-আসলামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি (ঋণগ্রস্ত) অভাবী ব্যক্তিকে অবকাশ দিবে, সে দান-খয়রাত করার সওযাব পাবে। আর যে ব্যক্তি ঋণ শোধের মেয়াদ শেষ হওয়ার পরও সময় বাড়িয়ে দিবে সেও প্রতিদিন দান-খয়রাত করার সওয়াব পাবে।
بَاب إِنْظَارِ الْمُعْسِرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا أَبِي، حَدَّثَنَا الأَعْمَشُ، عَنْ نُفَيْعٍ أَبِي دَاوُدَ، عَنْ بُرَيْدَةَ الأَسْلَمِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ أَنْظَرَ مُعْسِرًا كَانَ لَهُ بِكُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ وَمَنْ أَنْظَرَهُ بَعْدَ حِلِّهِ كَانَ لَهُ مِثْلُهُ فِي كُلِّ يَوْمٍ صَدَقَةٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী নুফায় আবু দাউদ সম্পর্কে আবু বিশর আদ-দাওলাবী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইমাম তিরমিযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল ছিলেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করা যাবে না। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৪৬৬, ৩০/১০ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু নুফায় আবু দাউদ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ২৯০ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে। তন্মধ্যে ১ টি জাল, ১৮ টি খুবই দুর্বল, ৯৬ টি দুর্বল, ৮১ টি হাসান, ৯৪ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ মুসলিম ১৫৬৫, ৩০১৫, তিরমিযি ১৩০৬, আবু দাউদ ৩৪৬০, দারিমী ২৫৮৮, আহমাদ ৫৩৩, ৩০০৮, ৪৭৩৫, ৭৩৮৩, ১৫০৯৪, ১৫০৯৫, মুসান্নাফ আবদুর রাযযাক ২৪৬৮, মু'জামুল আওসাত ৮৭৯, ৮৮৯, ২২১৭, ৪১২৪, ৪২৪১, ৪৫৩৭, ৪৫৯২, ৫০২২, ৭৯২০, ৮২৪৮।
It was narrated from Buraidah Al-Aslami that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever gives respite to one in difficulty, he will have (the reward of) an act of charity for each day. Whoever gives him respite after payment becomes due, will have (the reward of) an act of charity equal to (the amount of the loan) for each day.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৪. অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দেয়া
৩/২৪১৯। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবী আবুল ইউসর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি চায় যে, আল্লাহ তাকে তাঁর ছায়ার নিচে স্থান দিল, যে যেন ঋণগ্রস্থ ব্যক্তিকে অবকাশ দেয় অথবা তার দেনা মাফ করে দেন।
بَاب إِنْظَارِ الْمُعْسِرِ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ مُعَاوِيَةَ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ قَيْسٍ، عَنْ أَبِي الْيَسَرِ، صَاحِبِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَحَبَّ أَنْ يُظِلَّهُ اللَّهُ فِي ظِلِّهِ - فَلْيُنْظِرْ مُعْسِرًا أَوْ لِيَضَعْ لَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আব্দুর রহমান বিন ইসহাক সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য হবে না। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার কাদারিয়্যা মতাবলম্বী হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেন, তিনি কাদারিয়্যা মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৫৫, ১৬/৫১৯ নং পৃষ্ঠা) ২. আব্দুর রহমান বিন মুআবিয়াহ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তার হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য হবে না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৯৬২, ১৭/৪১৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Yasar, the Companion of the Prophet (ﷺ) that :
the Messenger of Allah (ﷺ) said: “Whoever would like Allah to shade him with His shade, let him give respite to one in difficulty, or waive repayment of the loan.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৪. অস্বচ্ছল ব্যক্তিকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দেয়া
৪/২৪২০। হুযায়ফা (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বাণী হিসাবে বর্ণিত। এক ব্যক্তি মারা গেলে তাকে জিজ্ঞেস করা হলো, তুমি কি আমল করেছো? সে নিজের স্মৃতি থেকে অথবা তাকে স্মরণ করিয়ে দেয়া হলে বললো, আমি নগদ অর্ধ ধার দিতাম এবং অভাবগ্রস্তকে (ঋণ পরিশোধে) অবকাশ দিতাম। এজন্য আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে দেন। আবূ মাসউদ (রাঃ) বলেন, আমিও এ হাদীস রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট শুনেছি।
بَاب إِنْظَارِ الْمُعْسِرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو عَامِرٍ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، قَالَ سَمِعْتُ رِبْعِيَّ بْنَ حِرَاشٍ، يُحَدِّثُ عَنْ حُذَيْفَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم " أَنَّ رَجُلاً مَاتَ فَقِيلَ لَهُ مَا عَمِلْتَ - فَإِمَّا ذَكَرَ أَوْ ذُكِّرَ - قَالَ إِنِّي كُنْتُ أَتَجَوَّزُ فِي السِّكَّةِ وَالنَّقْدِ وَأُنْظِرُ الْمُعْسِرَ . فَغَفَرَ اللَّهُ لَهُ " .
قَالَ أَبُو مُسْعُودٍ أَنَا قَدْ، سَمِعْتُ هَذَا، مِنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Hudhaifah that the Prophet (ﷺ) said:
“A man died and it was said to him: 'What did you do?' Either he remembered or was reminded and said: 'I used to be easy going in coins and cash collecting debts due, and I used to give respite to (the debtor) who was in difficulty. So, Allah (SWT) forgave him.' ” Abu Masud said: “I heard that from the Messenger of Allah (ﷺ).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৫. উত্তম পন্থায় পাওনা আদায়ের তাগাদা দেয়া এবং বিনীতভাবে পাওনা গ্রহণ করা
১/২৪২১। ইবনে উমার ও আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কোন ব্যক্তি পাওনা আদায়ের তাগাদা দিলে যেন বিনীতভাবেই তাগাদা দেয়, তাতে পাওনা আদায় হোক বা না হোক।
بَاب حُسْنِ الْمُطَالَبَةِ وَأَخْذِ الْحَقِّ فِي عَفَافٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، قَالاَ حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، وَعَائِشَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ طَلَبَ حَقًّا فَلْيَطْلُبْهُ فِي عَفَافٍ وَافٍ أَوْ غَيْرِ وَافٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইয়াহইয়া বিন আয়্যুব সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি তার মুখস্ত হাদিস থেকে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন, কিন্তু তার কিতাবে লিখিত হাদিস থেকে বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আবু বকর আল-ইসমাইলী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। আবু মুহাম্মাদ বিন হাযম বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৭৯২, ৩১/২৩৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar and 'Aishah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever demands his rights let him do so in a decent manner as much as he can.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৫. উত্তম পন্থায় পাওনা আদায়ের তাগাদা দেয়া এবং বিনীতভাবে পাওনা গ্রহণ করা
২/২৪২২। আবূ হুরায়র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জনৈক পাওনাদারকে বলেনঃ তুমি তোমার পাওনা ভদ্র ও বিনীতভাবে গ্রহণ করো, তা পূর্ণরূপে আদায় হোক বা না হোক।
بَاب حُسْنِ الْمُطَالَبَةِ وَأَخْذِ الْحَقِّ فِي عَفَافٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُؤَمَّلِ بْنِ الصَّبَّاحِ الْقَيْسِيُّ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَبَّبٍ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ السَّائِبِ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَامِينَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ لِصَاحِبِ الْحَقِّ " خُذْ حَقَّكَ فِي عَفَافٍ وَافٍ أَوْ غَيْرِ وَافٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said to the one who was entitled to something:
“Take your rights in a decent manner as much as he can.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৬. উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধ করা
১/২৪২৩। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের মধ্যে সেই ব্যক্তি উত্তম যে উত্তমরূপে ঋণ পরিশোধ করে।
بَاب حُسْنِ الْقَضَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جَعْفَرٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، سَمِعْتُ أَبَا سَلَمَةَ بْنَ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ خَيْرَكُمْ - أَوْ مِنْ خَيْرِكُمْ - أَحَاسِنُكُمْ قَضَاءً " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The best of you - or among the best of you - are those who pay off their debts in the best manner.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৬. উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধ করা
২/২৪২৪। আবদুল্লাহ ইবনে আবূ রবীআ আল-মাখযূমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হুনায়ন যুদ্ধের সময় তার কাছ থেকে তিরিশ অথবা চল্লিশ হাজার দিরহাম ধার নিয়েছিলেন। তিনি যুদ্ধ থেকে ফিরে এসে তার পাওনা পরিশোধ করেন। অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ আল্লাহ পাক তোমাকে তোমার পরিবার ও সম্পদে বরকত দান করুন। ধারের প্রতিদান হলো, তা পরিশোধ করা এবং প্রশংসা করা।
بَاب حُسْنِ الْقَضَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي رَبِيعَةَ الْمَخْزُومِيُّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اسْتَسْلَفَ مِنْهُ حِينَ غَزَا حُنَيْنًا ثَلاَثِينَ أَوْ أَرْبَعِينَ أَلْفًا فَلَمَّا قَدِمَ قَضَاهَا إِيَّاهُ ثُمَّ قَالَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِي أَهْلِكَ وَمَالِكَ إِنَّمَا جَزَاءُ السَّلَفِ الْوَفَاءُ وَالْحَمْدُ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
Isma'il bin Abi Rabi'ah Al-Makhzumi narrated from his father, from his grandfather, that :
the Prophet (ﷺ) borrowed thirty or forty thousand from him, when he fought at Hunain. When he came back he paid the loan, then the Prophet (ﷺ) said to him: 'May Allah (SWT) bless your family and your wealth for you. The reward for lending is repayment and words of paradise.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৭. পাওনাদারের কঠোর আচরণ করার অধিকার আছে
১/২৪২৫। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক ব্যক্তি ঋণ বা পাওনা আদায়ের তাগাদা দেয়ার জন্য নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এলো এবং কিছু কঠোর কথা বললো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীগণ তাতে ত্রুুদ্ধ হলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাদেরকে বললেনঃ থামো! পাওনা পরিশোধ না করা পর্যন্ত ঋণদাতা তার দেনাদারকে কঠোরভাবে তাগাদা দেয়ার অধিকার রাখে।
بَاب لِصَاحِبِ الْحَقِّ سُلْطَانٌ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا مُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ يَطْلُبُ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِدَيْنٍ أَوْ بِحَقٍّ فَتَكَلَّمَ بِبَعْضِ الْكَلاَمِ فَهَمَّ صَحَابَةُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِهِ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَهْ إِنَّ صَاحِبَ الدَّيْنِ لَهُ سُلْطَانٌ عَلَى صَاحِبِهِ حَتَّى يَقْضِيَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী হানাশ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩৩০, ৬/৪৬৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn 'Abbas said:
“A man came to ask the Prophet of Allah (ﷺ) for some debt or some right, and he spoke harshly to him, and the Companions of the Messenger of Allah (ﷺ) wanted to rebuke him. But the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Let him be, for the one who is owed something has authority over the debtor, until it is paid off.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৭. পাওনাদারের কঠোর আচরণ করার অধিকার আছে
২/২৪২৬। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক বেদুঈন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে তার ঋণ শোধের জন্য তাঁকে কঠোর ভাষায় তাগাদা দিলো, এমনকি সে তাঁকে বললো, আমার ঋণ পরিশোধ না করলে আমি আপনাকে নাজেহাল করবো। সাহীবগণ তার উপর চড়াও হতে উদ্ধত হয়ে বললেন, তোমার অনিষ্ট হোক! তুমি কি জানো কার সাথে কথা বলছো? সে বললো, আমি আমার পাওনা দাবি করছি। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমরা কেন পাওনাদারের পক্ষ নিলে না?
অতঃপর তিনি কায়েসের কন্যা খাওলা (রাঃ) এর নিকট লোক পাঠিয়ে তাকে বললেন, তোমার কছে খেজুর থাকলে আমাকে ধার দাও। আমারে খেজুর আসলে তোমার ধার পরিশোধ করবো। খাওলা (রাঃ) বললেন, হ্যাঁ, আমার পিতা আপনার জন্য উৎসর্গিত হোক, ইয়া রাসূলাল্লাহ। রাবী বলেন, তিনি তাঁকে ধার দিলেন। তিনি বেদুঈনের পাওনা পরিশোধ করলেন এবং তাকে আহার করালেন। সে বললো, আপনি পূর্ণরূপে পরিশোধ করলেন, আল্লাহ আপনাকে পূর্ণরূপে দান করুন। তিনি বলেনঃ উত্তম লোকেরা এমনই হয়। যে জাতির দুর্বল লোকেরা জোর-জবরদস্তি ছাড়া তাদের পাওনা আদায় করতে পারে না সেই জাতি কখনো পবিত্র হতে পারে না।
بَاب لِصَاحِبِ الْحَقِّ سُلْطَانٌ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عُثْمَانَ أَبُو شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي عُبَيْدَةَ، - أَظُنُّهُ قَالَ - حَدَّثَنَا أَبِي، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ أَبِي صَالِحٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ جَاءَ أَعْرَابِيٌّ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم يَتَقَاضَاهُ دَيْنًا كَانَ عَلَيْهِ فَاشْتَدَّ عَلَيْهِ حَتَّى قَالَ لَهُ أُحَرِّجُ عَلَيْكَ إِلاَّ قَضَيْتَنِي . فَانْتَهَرَهُ أَصْحَابُهُ وَقَالُوا وَيْحَكَ تَدْرِي مَنْ تُكَلِّمُ قَالَ إِنِّي أَطْلُبُ حَقِّي . فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " هَلاَّ مَعَ صَاحِبِ الْحَقِّ كُنْتُمْ " . ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَى خَوْلَةَ بِنْتِ قَيْسٍ فَقَالَ لَهَا " إِنْ كَانَ عِنْدَكِ تَمْرٌ فَأَقْرِضِينَا حَتَّى يَأْتِيَنَا تَمْرٌ فَنَقْضِيَكِ " . فَقَالَتْ نَعَمْ بِأَبِي أَنْتَ يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ فَأَقْرَضَتْهُ فَقَضَى الأَعْرَابِيَّ وَأَطْعَمَهُ فَقَالَ أَوْفَيْتَ أَوْفَى اللَّهُ لَكَ . فَقَالَ " أُولَئِكَ خِيَارُ النَّاسِ إِنَّهُ لاَ قُدِّسَتْ أُمَّةٌ لاَ يَأْخُذُ الضَّعِيفُ فِيهَا حَقَّهُ غَيْرَ مُتَعْتَعٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Sa'eed Al-Khudri said:
“A Bedouin came to the Prophet (ﷺ) to ask him to pay back a debt that he owed him, and he spoke harshly, saying: 'I will make things difficult for you unless you repay me.' His Companions rebuked him and said: 'Woe to you, do you know who you are speaking to?' He said: 'I am only asking for my rights.' The Prophet (ﷺ) said: 'Why do you not support the one who has a right?' Then he sent word to Khawlah bint Qais, saying to her: 'If you have dates, lend them to us until our dates come, then we will pay you back.' She said: 'Yes, may my father be ransomed for you, O Messenger of Allah (ﷺ)!' So she gave him a loan, and he paid back the Bedouin and fed him. He (the Bedouin) said: 'You have paid me in full, may Allah (SWT) pay you in full.' He (the Prophet (ﷺ) ) said: 'Those are the best of people. May that nation not be cleansed (of sin) among whom the weak cannot get their rights without trouble.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৮. দেনার কারণে আটক করা এবং পেছনে লেগে থাকা
১/২৪২৭। আমর ইবনুশ শারীদ (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে স্বচ্ছল ব্যক্তি কোন দেনা পরিশোধ করতে গড়িমসি করে, তাকে অপমান করা ও শাস্তি দেয়া উভয়ই আমার জন্য হালাল। আল আত-তানাফিসী (রাঃ) বলেন, অপমান করা অর্থ তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা এবং শাস্তি দেয়ার অর্থ তাকে জেলখানায় কয়েদ করা।
بَاب الْحَبْسِ فِي الدَّيْنِ وَالْمُلَازَمَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا وَبْرُ بْنُ أَبِي دُلَيْلَةَ الطَّائِفِيُّ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونِ بْنِ مُسَيْكَةَ، - قَالَ وَكِيعٌ وَأَثْنَى عَلَيْهِ خَيْرًا - عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لَىُّ الْوَاجِدِ يُحِلُّ عِرْضَهُ وَعُقُوبَتَهُ " . قَالَ عَلِيٌّ الطَّنَافِسِيُّ يَعْنِي عِرْضَهُ شِكَايَتَهُ وَعُقُوبَتَهُ سِجْنَهُ ..
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated from 'Amr bin Sharid that his father said that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If one who can afford it delays repayment, his honor and punishment become permissible.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৮. দেনার কারণে আটক করা এবং পেছনে লেগে থাকা
২/২৪২৮। হিরমাস ইবনে হাবীব (রাঃ) থেকে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আমার এক দেনাদারকে নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি বলেনঃ এর পিছে লেগে থাকো। অতঃপর দিনের শেষে তিনি আমার নিকট নিয়ে যাওয়ার সময় বলেনঃ হে তামীম গোত্রের ভাই! তোমার কয়েদী কি করছে?
بَاب الْحَبْسِ فِي الدَّيْنِ وَالْمُلَازَمَةِ
حَدَّثَنَا هَدِيَّةُ بْنُ عَبْدِ الْوَهَّابِ، حَدَّثَنَا النَّضْرُ بْنُ شُمَيْلٍ، حَدَّثَنَا الْهِرْمَاسُ بْنُ حَبِيبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم بِغَرِيمٍ لِي فَقَالَ لِي " الْزَمْهُ " . ثُمَّ مَرَّ بِي آخِرَ النَّهَارِ فَقَالَ " مَا فَعَلَ أَسِيرُكَ يَا أَخَا بَنِي تَمِيمٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. হাদিয়্যাহ বিন আবদুল ওয়াহহাব সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। ইবনু আবু আসিম বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো সন্দেহ করেন। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৫৫৪, ৩০/১৫৮ নং পৃষ্ঠা) ২. হিরমাস বিন হাবীব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি একজন গ্রাম্যলোক তার থেকে নাদর ব্যাতিত কেউ হাদিস বর্ণনা করেনি। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, আমি তাকে চিনি না। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৫৫৮, ৩০/১৬২ নং পৃষ্ঠা) ৩. হাবীব সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার পরিচয় সম্পর্কে জানা যায়না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১০৬, ৫/৪১০ নং পৃষ্ঠা)
Hirmas bin Habib narrated from his father that his grandfather said:
“I came to the Prophet (ﷺ) with a man who owed me money, and he said to me: 'Keep him.' Then he passed by me at the end of the day and said: 'What did your prisoner do, O brother of Banu Tamim?' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৮. দেনার কারণে আটক করা এবং পেছনে লেগে থাকা
৩/২৪২৯। আবুদুল্লাহ ইবনে কাব ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত। তিনি ইবনে আবূ হাদরাদকে তার দেয়া ঋণ ফেরত দানের জন্য মসজিদের মধ্যে তাগাদা দিলেন। এতে তাদের উভয়ের কন্ঠস্বর চরমে উঠে এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর ঘর থেকে তা শুনতে পান। তিনি তাদের নিকট বের হয়ে এসে কাব (রাঃ) -কে ডাকলেন। কাব (রাঃ) উত্তর দিলেনঃ আমি হাজির ইয়া রাসূলাল্লাহ! তিনি বলেনঃ তোমার পাওনা থেকে এই পরিমাণ ছেড়ে দাও এবং নিজের হাত দিয়ে ইশারা করে অর্ধেক ছেড়ে দিতে বলেন। কাব (রাঃ) বললেন, আমি মাফ করে দিলাম। তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দেনাদারকে বলেনঃ উঠে যাও এবং ওর ঋণ পরিশোধ করো।
بَاب الْحَبْسِ فِي الدَّيْنِ وَالْمُلَازَمَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَيَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، أَنْبَأَنَا يُونُسُ بْنُ يَزِيدَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ كَعْبِ بْنِ مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ تَقَاضَى ابْنَ أَبِي حَدْرَدٍ دَيْنًا لَهُ عَلَيْهِ فِي الْمَسْجِدِ حَتَّى ارْتَفَعَتْ أَصْوَاتُهُمَا حَتَّى سَمِعَهُمَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَهُوَ فِي بَيْتِهِ فَخَرَجَ إِلَيْهِمَا فَنَادَى كَعْبًا فَقَالَ لَبَّيْكَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَالَ " دَعْ مِنْ دَيْنِكَ هَذَا " . وَأَوْمَأَ بِيَدِهِ إِلَى الشَّطْرِ فَقَالَ قَدْ فَعَلْتُ . قَالَ " قُمْ فَاقْضِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Abdullah bin Ka'b bin Malik from his father that :
he demanded payment owed by Ibn Abi Hadrad in the mosque. Their voices became so loud that the Messenger of Allah (ﷺ) heard them when he was in his house. He came out and called Ka'b who said: “Here I am, O Messenger of Allah (ﷺ)!” He said: “Waive this much of your loan,” and gestured with his hand to indicate half. He said: “I will do that,” and he said: “Get up and repay it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৯. করয দেয়া
১/২৪৩০। কায়েস ইবনে রূমী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, সুলায়মান ইবনে আদনান (রাঃ) আলকামা(রাঃ) কে তার বাতা প্রাপ্তির সাপেক্ষ এক হাজার দিরহাম করয দিয়েছিলেন। সুলায়মান তাকে কঠোরভাবে কযর থেকে দানের তাগাদা দিলেন। আলকামা (রাঃ) তার কর্য ফেরত দিলেন এবং তার প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন। কয়েক মাস পর তিনি সুলায়মানের নিকট এসে বলেন, হাঁ খুব ভালো কথা। হে উতবার মা! দয়া করে তোমার নিকট গচ্ছিত মোহর করা থলেটি নিয়ে এসো। সে তা নিয়ে এলে সুলায়মান (আলকামাকে) বলেন, আল্লাহর শপথ! দেখুন, এগুলো আপনার সেই দিরহাম যা আপনি আমাকে ফেরত দিয়েছিলেন। আমি তা থেকে একটি দিরহামও সরাইনি।
আলকামা (রাঃ) বলেন, আল্লাহর জন্য তোমার পিতা উৎসর্গিত হোক! তবে কোন জিনিস তোমাকে আমার সাথে রূঢ় আচরণ করতে প্ররোচিত করেছিল? তিনি বলেন, আমি আপনার নিকট যে হাদীস শুনেছি তা। আলকামা (রাঃ) বলেন, তুমি আমার নিকট কি হাদীস শুনেছ? তিনি বলেন, আমি আপনাকে ইবনে মাসউদ (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণনা করতে শুনেছি যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ’’কোন মুসলিম অপর মুসলিমকে দু’বার করয দিলে সে সেই পরিমাণ মাল একবার দান-খয়রাত করার সমান সওয়াব পায়।’’ আলকামা (রাঃ) বলেন, ইবনমোসউদ (রাঃ) আমাকে এভাবেই অবহিত করেছেন।
بَاب الْقَرْضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْلَى، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ يُسَيْرٍ، عَنْ قَيْسِ بْنِ رُومِيٍّ، قَالَ كَانَ سُلَيْمَانُ بْنُ أُذُنَانٍ يُقْرِضُ عَلْقَمَةَ أَلْفَ دِرْهَمٍ إِلَى عَطَائِهِ فَلَمَّا خَرَجَ عَطَاؤُهُ تَقَاضَاهَا مِنْهُ وَاشْتَدَّ عَلَيْهِ فَقَضَاهُ فَكَأَنَّ عَلْقَمَةَ غَضِبَ فَمَكَثَ أَشْهُرًا ثُمَّ أَتَاهُ فَقَالَ أَقْرِضْنِي أَلْفَ دِرْهَمٍ إِلَى عَطَائِي قَالَ نَعَمْ وَكَرَامَةً يَا أُمَّ عُتْبَةَ هَلُمِّي تِلْكَ الْخَرِيطَةَ الْمَخْتُومَةَ الَّتِي عِنْدَكِ . فَجَاءَتْ بِهَا فَقَالَ أَمَا وَاللَّهِ إِنَّهَا لَدَرَاهِمُكَ الَّتِي قَضَيْتَنِي مَا حَرَّكْتُ مِنْهَا دِرْهَمًا وَاحِدًا . قَالَ فَلِلَّهِ أَبُوكَ مَا حَمَلَكَ عَلَى مَا فَعَلْتَ بِي . قَالَ مَا سَمِعْتُ مِنْكَ . قَالَ مَا سَمِعْتَ مِنِّي قَالَ سَمِعْتُكَ تَذْكُرُ عَنِ ابْنِ مَسْعُودٍ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُقْرِضُ مُسْلِمًا قَرْضًا مَرَّتَيْنِ إِلاَّ كَانَ كَصَدَقَتِهَا مَرَّةً " . قَالَ كَذَلِكَ أَنْبَأَنِي ابْنُ مَسْعُودٍ .
It was narrated that Qais bin Rumi said:
“Sulaiman bin Udhunan lent 'Alqamah one thousand Dirham until he got his salary, When he got his salary, he demanded that he pay him back and treated him harshly. He paid him back, and it was as if 'Alqamah was angry. Several months passed then he came to him and said: 'Lend me one thousand Dirham until my salary comes.' He said 'Yes, it would be an honor. O Umm 'Utbah! Bring me that sealed leather bag that you have.' He said: 'By Allah(SWT), these are your Dirham that you paid back to me; I did not touch a single Dirham., ' What made you do what you did to me (i.e., treat me so harshly)?' He said: 'What I heard from you.' He said: 'What did you hear from me?' He said: 'I heard you narrated from Ibn Mas'ud that the Prophet (ﷺ) said: “There is no Muslim who lends something to another Muslim twice, but it will be like giving charity once.”He said: 'That is what Ibn Mas'ud told me.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৯. করয দেয়া
২/২৪৩১। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মিরাজের রাতে আমি জান্নাতের একটি দরজায় লেখা দেখলাম, দান-খয়রাতে দশ গুণ সওয়াব এবং করযে আঠারো গুণ! আমি বললামঃ হে জিবরীল! করয দান-খয়রাতের চেয়ে উত্তম হওয়ার কারণ কি? তিনি বলেন, ভিক্ষুক নিজের কাছে (সম্পদ) থাকতেও ভিক্ষা চায়, কিন্তু কযরদান প্রয়োজনের তাগিদেই কর্য চায়।
بَاب الْقَرْضِ
حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْكَرِيمِ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ، وَحَدَّثَنَا أَبُو حَاتِمٍ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ خَالِدٍ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " رَأَيْتُ لَيْلَةَ أُسْرِيَ بِي عَلَى بَابِ الْجَنَّةِ مَكْتُوبًا الصَّدَقَةُ بِعَشْرِ أَمْثَالِهَا وَالْقَرْضُ بِثَمَانِيَةَ عَشَرَ . فَقُلْتُ يَا جِبْرِيلُ مَا بَالُ الْقَرْضِ أَفْضَلُ مِنَ الصَّدَقَةِ . قَالَ لأَنَّ السَّائِلَ يَسْأَلُ وَعِنْدَهُ وَالْمُسْتَقْرِضُ لاَ يَسْتَقْرِضُ إِلاَّ مِنْ حَاجَةٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী খালিদ বিন ইয়াযীদ বিন আবু মালিক সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। ইমাম যাহাবী তাকে সিকাহ বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৬৬৩, ৮/১৯৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Anas bin Malik that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“On the night on which I was taken on the Night Journey (Isra), I saw written at the gate of Paradise: 'Charity brings a tenfold reward and a loan brings an eighteen fold reward.' I said: 'O Jibril! Why is a loan better than charity?' He said: 'Because the beggar asks when he has something, but the one who asks for loan does so only because he is in need.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৫৯. করয দেয়া
৩/২৪৩২। ইহয়াহইয়া ইবনে আবূ ইসহাক আল-হানাঈ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) কে জিজ্ঞেস করলাম, আমাদের মধ্যে কেউ তার ভাইক মাল করয দেয়, অতঃপর করযদার তাকে উপঢৌকন দেয়। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কেউ কোন জিনিস করয দেয়ার পর করযদার তাকে কিছু উপঢৌকন দিলে বা তার সওয়ারীতে আরোহণ করাতে চাইলে সে যেন তাতে আরোহণ না করে এবং উপঢৌকন গ্রহণ না করে। তবে তাদের মধ্যে আগে থেকেই এরূপ সৌজন্যমূলক বিনিময়ের প্রচলন থাকলে আপত্তি নেই।
بَاب الْقَرْضِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ عَيَّاشٍ، حَدَّثَنِي عُتْبَةُ بْنُ حُمَيْدٍ الضَّبِّيُّ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي إِسْحَاقَ الْهُنَائِيِّ، قَالَ سَأَلْتُ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ الرَّجُلُ مِنَّا يُقْرِضُ أَخَاهُ الْمَالَ فَيُهْدِي لَهُ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِذَا أَقْرَضَ أَحَدُكُمْ قَرْضًا فَأَهْدَى لَهُ أَوْ حَمَلَهُ عَلَى الدَّابَّةِ فَلاَ يَرْكَبْهَا وَلاَ يَقْبَلْهُ إِلاَّ أَنْ يَكُونَ جَرَى بَيْنَهُ وَبَيْنَهُ قَبْلَ ذَلِكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. ইসমাঈল বিন আয়্যাশ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আহলে শাম থেকে হাদিস বর্ণনায় কোন সমস্যা নেই। আলী ইবনুল মাদীনী, ইবনু আবু শায়বাহ, আমর ইবনুল ফাল্লাস ও দুহায়ম বলেন, শাম শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় তিনি সিকাহ কিন্তু অন্য শহর থেকে হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭২, ৩/১৬৩ নং পৃষ্ঠা) ২. উতবাহ বিন হুমায়দ আদ-দাব্বী সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৭৩, ১৯/৩০৫ নং পৃষ্ঠা) ৩. ইয়াহইয়া বিন আবু ইসহাক সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম যহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৭৮৩, ৩১/১৯৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Yahya bin Abu Ishaq Al-Huna'i said:
“I asked Anas bin Malik: 'What if a man gives his brother a loan, then (the borrower) give him a gift?’ The Messenger of Allah (ﷺ) said: ‘If anyone of you borrow something then he gives (the lender) a gift or gives him a ride on his riding-beast, he should not accept the gift or the ride, unless they used to treat each other in that manner beforehand.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬০. মৃতের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করা
১/২৪৩৩। সা’দ ইবনুল আতওয়াল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার ভাই ইনতিকাল করেন এবং তিন শত দিরহাম ও কতক অসহায় সন্তান রেখে যান। আমি সেগুলো তার সন্তানদের জন্য খরচ করতে মনস্থ করলাম। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার ভাই দেনার কারণে আটক রয়েছে। অতএব তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধ করো। সাদ (রাঃ) বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি তার পক্ষ থেকে সব দেনা শোধ করেছি, কেবল এক মহিলার দাবিকৃত দু’টি দীনার বাকী আছে। কিন্তু তার কাছে কোন প্রমাণ নেই। তিনি বলেনঃ তা তাকে দিয়ে দাও, কারণ সে সত্যবাদিনী।
دَاءِ الدَّيْنِ عَنْ الْمَيِّتِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الْمَلِكِ أَبُو جَعْفَرٍ، عَنْ أَبِي نَضْرَةَ، عَنْ سَعْدِ بْنِ الأَطْوَلِ، أَنَّ أَخَاهُ، مَاتَ وَتَرَكَ ثَلاَثَمِائَةِ دِرْهَمٍ وَتَرَكَ عِيَالاً فَأَرَدْتُ أَنْ أُنْفِقَهَا عَلَى عِيَالِهِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ أَخَاكَ مُحْتَبَسٌ بِدَيْنِهِ فَاقْضِ عَنْهُ " . فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ قَدْ أَدَّيْتُ عَنْهُ إِلاَّ دِينَارَيْنِ ادَّعَتْهُمَا امْرَأَةٌ وَلَيْسَ لَهَا بَيِّنَةٌ . قَالَ " فَأَعْطِهَا فَإِنَّهَا مُحِقَّةٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Sa'd bin Atwal that :
his brother died, leaving behind three hundred Dirham and dependents. “I wanted to spend (his money) on his dependents, but the Prophet (ﷺ) said: 'Your brother is being detained by his debt, so pay it off for him.'” He said “O Messenger of Allah (ﷺ), I have paid it off apart from two Dinar, which a woman is claiming but she has no proof.” He said: “Give them to her for she is telling the truth.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬০. মৃতের পক্ষ থেকে ঋণ পরিশোধ করা
২/২৪৩৪। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার পিতা তার দায়িত্বে তিরিশ ওয়াসাক (খাদ্যশস্য) দেনা রেখে মারা যান। এক ইহূদীর নিকট থেকে তা ধার নেয়া হয়েছিল। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) তার কাছে সময় চাইলে সে তাকে সময় দিতে রাযী হলো না। জাবির (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে আলাপ করলেন যে, সে যেন তার করযের বিনিময়ে জাবিরের বাগানের খেজুর নিয়ে নেয়। ইহূদী তাতে সম্মত হলো না। পুনরায় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সময় দিতে বললে এবারও সে তাকে সময় দিতে রাজী হলো না।
অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জাবিরের বাগানে প্রবেশ করে তার মধ্যে পায়চারি করলেন, তারপর জাবির (রাঃ)-কে বললেনঃ খেজুর কেটে তার সম্পূর্ণ পাওনা তাকে মিটিয়ে দাও। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর প্রত্যাবর্তনের পর জাবির (রাঃ) তা কাটলেন এবং তা থেকে ইহূদীকে তিরিশ ওয়াসাক দেয়ার পর আরো ১২ ওয়াসাক উদ্বৃত্ত হলো। অতএব জাবির (রাঃ) এ খবর জানানোর জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলেন। তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে অনুপস্থিত পেলেন।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফিরে এলে তিনি তাঁর কাছে এসে জানান যে, তিনি ইহূদীর সম্পূর্ণ পাওনা পরিশোধ করেছেন এবং যা উদ্বৃত্ত হলো তার কথাও তাঁকে অবহিত করলেন। রাসূলুল্লাহ বললেনঃ খবরটি উমার ইবনুল খাত্তাবকেও পৌঁছিয়ে দাও। জাবির (রাঃ) উমর (রাঃ) এর কাছে গিয়ে তাকে খবরটি জানালে তিনি তাকে বলেনঃ আমি জানতাম যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন বাগানের মধ্যে পায়চারি করেছেন তখন আল্লাহ তা’আল অবশ্যই তাতে বরকত দিবেন।
دَاءِ الدَّيْنِ عَنْ الْمَيِّتِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا شُعَيْبُ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ وَهْبِ بْنِ كَيْسَانَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، أَنَّ أَبَاهُ، تُوُفِّيَ وَتَرَكَ عَلَيْهِ ثَلاَثِينَ وَسْقًا لِرَجُلٍ مِنَ الْيَهُودِ فَاسْتَنْظَرَهُ جَابِرُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ فَأَبَى أَنْ يُنْظِرَهُ فَكَلَّمَ جَابِرٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيَشْفَعَ لَهُ إِلَيْهِ فَجَاءَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَكَلَّمَ الْيَهُودِيَّ لِيَأْخُذَ ثَمَرَ نَخْلِهِ بِالَّذِي لَهُ عَلَيْهِ فَأَبَى عَلَيْهِ فَكَلَّمَهُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَبَى أَنْ يُنْظِرَهُ فَدَخَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم النَّخْلَ فَمَشَى فِيهَا ثُمَّ قَالَ لِجَابِرٍ " جُدَّ لَهُ فَأَوْفِهِ الَّذِي لَهُ " . فَجَدَّ لَهُ بَعْدَ مَا رَجَعَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثَلاَثِينَ وَسْقًا وَفَضَلَ لَهُ اثْنَا عَشَرَ وَسْقًا فَجَاءَ جَابِرٌ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِيُخْبِرَهُ بِالَّذِي كَانَ فَوَجَدَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم غَائِبًا فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم جَاءَهُ فَأَخْبَرَهُ أَنَّهُ قَدْ أَوْفَاهُ وَأَخْبَرَهُ بِالْفَضْلِ الَّذِي فَضَلَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَخْبِرْ بِذَلِكَ عُمَرَ بْنَ الْخَطَّابِ " . فَذَهَبَ جَابِرٌ إِلَى عُمَرَ فَأَخْبَرَهُ فَقَالَ لَهُ عُمَرُ لَقَدْ عَلِمْتُ حِينَ مَشَى فِيهِ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَيُبَارِكَنَّ اللَّهُ فِيهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin 'Abdullah that :
his father died owing thirty Wasq to a Jewish man. Jabir bin Abdullah asked him for respite but he refused. Jabir asked the Messenger of Allah (ﷺ) to intercede for him with him, so the Messenger of Allah (ﷺ) went and spoke to the Jew, asking him to accept dates in lieu of what was owed, but he refused. The Messenger of Allah (ﷺ) spoke to him but he refused to give respite. Then the Messenger of Allah (ﷺ) went in among the date-palm trees and walked among them. Then he said to Jabir: “Pick (dates) for him and pay off what is owed to him in full.” So he picked thirty Wasq of dates after the Messenger of Allah (ﷺ) came back, and there were twelve Wasq more (than what was owed). Jabir came to the Messenger of Allah (ﷺ) to tell him what had happened, and he found that the Messenger of Allah (ﷺ) was absent. When the Messenger of Allah (ﷺ) came back he came to him and told him that he had paid off the debt in full, and he told him about the extra dates. The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Tell 'Umar bin Khattab about that.” So Jabir went to 'Umar said to him: “I knew when the Messenger of Allah (ﷺ) walked amongst them that Allah (SWT) would bless them for us.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬১. তিন কারণে দেনাদার হলে আল্লাহ তার পক্ষ থেকে তা পরিশোধ করে দিবেন।
১/২৪৩৫। আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি ঋণগ্রস্ত অবস্থায় মারা গেলে কিয়ামতের দিন তার থেকে ঋণ কর্তন করা হবে। কিন্তু তিন কারণে ঋণগ্রস্ত হলে ভিন্ন কথা। (এক) যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় জিহাদ করতে করতে দুর্বল হয়ে পড়ার কারণে ঋণ করে আর তার দ্বারা সে আল্লাহর দুশমন এবং নিজের দুশমনের বিরুদ্ধে শক্তি সঞ্চয় করে। (দুই) কোন ব্যক্তির নিকট কোন মুসলিম মারা গেলে তাকে দাফন করার জন্য সে ঋণগ্রস্ত হলে। (তিন) যে অবিবাহিত ব্যক্তি দারিদ্রের কারণে আল্লাহর দীন থেকে বিপথগামী হওয়ার আশংকায় ঋণ করে বিবাহ করে। আল্লাহ তা’আলা কিয়ামতের দিন তাদের পক্ষ থেকে তাদের ঋণ শোধ করবেন।
بَاب ثَلَاثٍ مَنْ ادَّانَ فِيهِنَّ قَضٰى اللهُ عَزَّ وَجَلَّ عَنْهُ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا رِشْدِينُ بْنُ سَعْدٍ، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ الْمُحَارِبِيُّ، وَأَبُو أُسَامَةَ وَجَعْفَرُ بْنُ عَوْنٍ عَنِ ابْنِ أَنْعُمٍ، قَالَ أَبُو كُرَيْبٍ وَحَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنِ ابْنِ أَنْعُمٍ، عَنِ عِمْرَانَ بْنِ عَبْدٍ الْمَعَافِرِيِّ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنَّ الدَّيْنَ يُقْضَى مِنْ صَاحِبِهِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ إِذَا مَاتَ إِلاَّ مَنْ يَدَيَّنُ فِي ثَلاَثِ خِلاَلٍ الرَّجُلُ تَضْعُفُ قُوَّتُهُ فِي سَبِيلِ اللَّهِ فَيَسْتَدِينُ يَتَقَوَّى بِهِ لِعَدُوِّ اللَّهِ وَعَدُوِّهِ وَرَجُلٌ يَمُوتُ عِنْدَهُ مُسْلِمٌ لاَ يَجِدُ مَا يُكَفِّنُهُ وَيُوَارِيهِ إِلاَّ بِدَيْنٍ وَرَجُلٌ خَافَ اللَّهَ عَلَى نَفْسِهِ الْعُزْبَةَ فَيَنْكِحُ خَشْيَةً عَلَى دِينِهِ فَإِنَّ اللَّهَ يَقْضِي عَنْ هَؤُلاَءِ يَوْمَ الْقِيَامَةِ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. রিশদীন বিন সা'দ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল তাকে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন তার থেকে কোন হাদিস লিপিবদ্ধ করেন নি। আমর ইবনুল ফাল্লাস ও আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু হাতিম আর-রাযী মুনকারুল হাদিস ও তার মাঝে অমনোযোগিতার কথা উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৯১১, ৯/১৯১ নং পৃষ্ঠা) ২. (আবদুর রহমান বিন যিয়াদ) ইবনু আনউম আল-ইফরিকী সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন বর্জনীয়। ইবনু মাহদী বলেন, তার থেকে হাদিস বর্ণনা করা উচিত নয়। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, আমি তার থেকে হাদিস লিপিবদ্ধ করিনি। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৯৪৮, ৫/৭০ নং পৃষ্ঠা) ৩. ইমরান বিন আবদুল মাআফিরী সম্পর্কে আবুল হাসান ইবনুল কাত্তান বলেন, তার অবস্থা সম্পর্কে কিছু জানা যায়নি। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৪৯৫, ২২/৩৩৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Abdullah bin 'Amr that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“A debt will be settled on the Day of Resurrection if the one who owes it dies, apart from three: A man who lost his strength fighting in the cause of Allah (SWT), so he borrows in order to become strong again to fighting in the cause of Allah (SWT), so he borrows in order to become strong again to fight the enemy of Allah (SWT) and his enemy. A man who sees a Muslims die and he cannot find anything with which to shroud him except by taking a loan. A man who sees a Muslim die and he cannot find anything with which to shroud him except, by taking a loan. A man who fears Allah (SWT) if he stays single, so he gets married for fear of (losing) his religious commitment. Allah will pay off the debt for these people on the Day of Resurrection.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬২. আবূ বাকর বিন আবূ শায়বাহ
১/২৪৩৬। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ইহূদীর নিকট থেকে (বাকীতে) কিছু খাদ্যশস্য ক্রয় করেন এবং তার কাছে নিজের লৌহবর্মটি বন্ধক রাখেন।
باب حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنِي الأَسْوَدُ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم اشْتَرَى مِنْ يَهُودِيٍّ طَعَامًا إِلَى أَجَلٍ وَأَرْهَنَهُ دِرْعَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Aisha that :
the Messenger of Allah (ﷺ) bought some food from a Jew with payment to be made later, and he pawned his armor for that.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬২. আবূ বাকর বিন আবূ শায়বাহ
২/২৪৩৭। আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মদীনার এক ইহূদীর নিকট তাঁর লৌহবর্মটি বন্ধক রেখে তার থেকে নিজ পরিবারের জন্য কিছু বার্লি ক্রয় করেন।
باب حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنِي أَبِي، حَدَّثَنَا هِشَامٌ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنْ أَنَسٍ، قَالَ لَقَدْ رَهَنَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم دِرْعَهُ عِنْدَ يَهُودِيٍّ بِالْمَدِينَةِ فَأَخَذَ لأَهْلِهِ مِنْهُ شَعِيرًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Anas said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) pawned his armor to a jew in Al-Madinah, and took barely for his family in return.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬২. আবূ বাকর বিন আবূ শায়বাহ
৩/২৪৩৮। আসমা বিনতে ইয়াযীদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইনতিকাল করেন এবং তখন তাঁর লৌহবর্মটি এক ইহূদীর নিকট কিছু খাদ্যশস্যের বিনিময়ে বন্ধক ছিল।
باب حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ عَبْدِ الْحَمِيدِ بْنِ بَهْرَامَ، عَنْ شَهْرِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيدَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم تُوُفِّيَ وَدِرْعُهُ مَرْهُونَةٌ عِنْدَ يَهُودِيٍّ بِطَعَامٍ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী শাহর বিন হাওশাব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন ও ইয়াকুব বিন সুফইয়ান এবং আল-আজালী বলেন, তিনি সিকাহ। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ তাকে বর্জন করেছেন। আহমাদ বিন হাম্বল ও আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৭৮১, ১২/৫৭৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Asma' bin Yazid that:
the Prophet (ﷺ) died while his armor was pawned to a Jew for food.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬২. আবূ বাকর বিন আবূ শায়বাহ
৪/২৪৩৯। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন ইনতিকাল করেন, তখন তাঁর লৌহবর্মটি এক ইহূদীর নিকট তিরিশ সা বার্লির বিনিময়ে বন্ধক ছিল।
باب حدثنا أبو بكر بن أبي شيبة
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا هِلاَلُ بْنُ خَبَّابٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مَاتَ وَدِرْعُهُ رَهْنٌ عِنْدَ يَهُودِيٍّ بِثَلاَثِينَ صَاعًا مِنْ شَعِيرٍ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী হিলাল বিন খাব্বাব সম্পর্কে আবু আহুমাদ আল-হাকিম বলেন, শেষ বয়সে তার স্মৃতিশক্তি লোপ পেয়েছিল। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শেষ বয়সে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল ছিল। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৬১৬, ৩০/৩৩০ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas that:
the Messenger of Allah (ﷺ) died while his armor was pawned to a Jew for thirty Sa’s of barley.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৩. বন্ধকী জন্তুতে আরোহণ এবং তার দুধ পান করা
১/২৪৪০। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বন্ধককৃত পশুতে আরোহণ করা যাবে এবং বন্ধকী পশুর দুধও পান করা যাবে। তবে যে ব্যক্তি পশুটিকে বাহনরূপে ব্যবহার করবে বা তার দুধ পান করবে সে-ই তার আহার ও সেবাযত্বের ব্যবস্থা করবে।
بَاب الرَّهْنُ مَرْكُوبٌ وَمَحْلُوبٌ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ زَكَرِيَّا، عَنِ الشَّعْبِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الظَّهْرُ يُرْكَبُ إِذَا كَانَ مَرْهُونًا وَلَبَنُ الدَّرِّ يُشْرَبُ إِذَا كَانَ مَرْهُونًا وَعَلَى الَّذِي يَرْكَبُ وَيَشْرَبُ نَفَقَتُهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“A mount may be ridden when it is pawned, and its milk may be drunk when it is pawned, but the one who rides it or milks it must pay for its upkeep.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৪. বন্ধকী জিনিস বাজেয়াপ্ত করা যাবে না
১/২৪৪১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ বন্ধকী জিনিস বাজেয়াপ্ত করা যাবে না।
بَاب لَا يَغْلَقُ الرَّهْنُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ، حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُخْتَارِ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ رَاشِدٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَغْلَقُ الرَّهْنُ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন হুমায়দ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি খুবই দুর্বল, তিনি মিথ্যুক। আবু যুরআহ আর-রাযী তার হাদিস বর্জন করেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয়, তিনি দুর্বল। আবদুর রহমান বিন ইউসুফ বলেন, আল্লাহর শপথ তিনি মিথ্যা বলতেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫১৬৭, ২৫/৯৭ নং পৃষ্ঠা) ২. ইবরাহীম ইবনুল মুখতার সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, যাদের নিকট থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তিনি তাদের একজন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার হিফয শক্তি দুর্বল। ইমাম বুখারী বলেন, তার ব্যাপারে সমালোচনা রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৪০, ২/১৯৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Do not forfeit items held in pledge.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৫. শ্রমিকদের মজুরী সম্পর্কে
১/২৪৪২। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কিয়ামতের দিন আমি তিন শ্রেণীর লোকের বিরুদ্ধে বাদী হবো। আর আমি যার বিরুদ্ধে বাদী হবো, তার বিরুদ্ধে জয়ী হবো। কিয়ামতের দিন আমি যাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করবো তারা হলোঃ যে ব্যক্তি আমার নামে অঙ্গীকার করে, পরে সে অঙ্গীকার ভঙ্গ করে, যে ব্যক্তি অর্থ উপার্জনের জন্য স্বাধীন মানুষ বিক্রয় করে এবং যে ব্যক্তি শ্রমিক নিয়োগ করে তার থেকে পূর্ণরূপে কাজ আদায় করে নেয়, কিন্তু তার পূর্ণ মজুরী দেয় না।
بَاب أَجْرِ الْأُجَرَاءِ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سُلَيْمٍ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أُمَيَّةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ثَلاَثَةٌ أَنَا خَصْمُهُمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ وَمَنْ كُنْتُ خَصْمَهُ خَصَمْتُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ رَجُلٌ أَعْطَى بِي ثُمَّ غَدَرَ وَرَجُلٌ بَاعَ حُرًّا فَأَكَلَ ثَمَنَهُ وَرَجُلٌ اسْتَأْجَرَ أَجِيرًا فَاسْتَوْفَى مِنْهُ وَلَمْ يُوفِهِ أَجْرَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ইয়াহইয়া বিন সুলায়ম আত-তায়ফী তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বিশর আদ-দাওলানী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার স্মৃতিশক্তি দুর্বল। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৮৪১, ৩১/৩৬৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
(Allah (SWT) says:) “I am the opponent of three on the Day of Resurrection, and if I am someone's opponent I will defeat him: A man who makes promises in My Name, then proves treacherous; a man who sells a free man and consumes his price; and a man who hires a worker, makes use to him, then does not give him his wages.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৫. শ্রমিকদের মজুরী সম্পর্কে
২/২৪৪৩। আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শ্রমিকের দেহের ঘাম শুকাবার পূর্বে তোমরা তার মজুরী দাও।
بَاب أَجْرِ الْأُجَرَاءِ
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ الْوَلِيدِ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا وَهْبُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَطِيَّةَ السُّلَمِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ زَيْدِ بْنِ أَسْلَمَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَعْطُوا الأَجِيرَ أَجْرَهُ قَبْلَ أَنْ يَجِفَّ عَرَقُهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুর রহমান বিন যায়দ বিন আসলাম সম্পর্কে আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী বলেন, তার দুর্বলতার ব্যাপারে সকলে একমত। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু আবদুর রহমান বিন যায়দ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ৩৬ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৭ টি খুবই দুর্বল, ১১ টি দুর্বল, ৯ টি হাসান, ৯ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আল-ফাওয়াইদ ৪৪, ১৪১২।
It was narrated from 'Abdullah bin 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Give the worker his wages before his sweat dries.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৬. পেটে-ভাতে শ্রমিক নিয়োগ
১/২৪৪৪। আলী ইবনে রাবাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিতঃ তিনি বলেন, আমি উতবা ইবনুল মুনযির (রাঃ) কে বলতে শুনেছিঃ আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত থাকা অবস্থায় তিনি সূরা তা-সীন-মীম পাঠ করলেন। শেষে মূসা (রাঃ) এর ঘটনা পর্যন্ত পৌঁছে তিনি বলেনঃ মূসা (রাঃ) আট অথবা দশ বছর যাবত নিজেকে শ্রমিকরূপে নিয়োজিত রেখেছিলেন নিজের লজ্জাস্থান হেফাজতের (বিবাহ) ও পেটের আহারের বিনিময়ে।
بَاب إِجَارَةِ الْأَجِيرِ عَلَى طَعَامِ بَطْنِهِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُصَفَّى الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ، عَنْ مَسْلَمَةَ بْنِ عُلَىٍّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي أَيُّوبَ، عَنِ الْحَارِثِ بْنِ يَزِيدَ، عَنْ عُلَىِّ بْنِ رَبَاحٍ، قَالَ سَمِعْتُ عُتْبَةَ بْنَ النُّدَّرِ، يَقُولُ كُنَّا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَرَأَ طسم حَتَّى إِذَا بَلَغَ قِصَّةَ مُوسَى قَالَ " إِنَّ مُوسَى صلى الله عليه وسلم أَجَّرَ نَفْسَهُ ثَمَانِيَ سِنِينَ أَوْ عَشْرًا عَلَى عِفَّةِ فَرْجِهِ وَطَعَامِ بَطْنِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল মুসাফফা আল-হিমসী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও ইমাম নাসাঈ বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইবনু হিব্বান তাকে সিকাহ বললেও অন্যত্র বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ ও তাদলীস করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৬১৩, ২৬/৪৬৫ নং পৃষ্ঠা) ২. মাসলামাহ বিন আলী সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আবুল ফারাজ ইবনুল জাওযী বলেন, তার বিরুদ্ধে জাল (বানিয়ে) হাদিস বর্ণনার অভিযোগ রয়েছে। আবু বকর আল-বুরকানী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। ইমাম যাহাবী তার হাদিস বর্জন করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯৫৮, ২৭/৫৬৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that 'Ali bin Rabah said:
“I heard 'Utbah bin Nuddar say: 'We were with the Messenger of Allah (ﷺ) and he recited Ta-Sin. When he reached the story of Musa, he said: 'Musa (A.S) hired himself out for eight years, or ten, in return for his chastity and food in his stomach.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৬. পেটে-ভাতে শ্রমিক নিয়োগ
২/২৪৪৫। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি ইয়াতীমরূপে লালিত-পালিত হয়েছি এবং মিসকীনরূপে হিজরত করেছি। আমার পেটের আহার ও পালাক্রমে বাহনে আরোহণের শর্তে আমি গাযওয়ান-কন্যার শ্রমিকরূপে নিয়োজিত হই। আমি লোকেদের জন্য কাঠ সংগ্রহ করতাম। তারা জন্তুযান থেকে অবতরণ করলে আমি আরোহণ করতাম এবং তারা জন্তুযানে আরোহণ করলে আমি তা হাঁকিয়ে নিতাম। সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর যিনি তাঁর দীনকে শক্তিশালী করেছেন এবং আবূ হুরায়রাকে ইমাম (শাসক) বানিয়েছেন।
بَاب إِجَارَةِ الْأَجِيرِ عَلَى طَعَامِ بَطْنِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو عُمَرَ حَفْصُ بْنُ عَمْرٍو حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ بْنُ مَهْدِيٍّ حَدَّثَنَا سَلِيمُ بْنُ حَيَّانَ سَمِعْتُ أَبِي يَقُولُ سَمِعْتُ أَبَا هُرَيْرَةَ يَقُولُ نَشَأْتُ يَتِيمًا وَهَاجَرْتُ مِسْكِينًا وَكُنْتُ أَجِيرًا لِابْنَةِ غَزْوَانَ بِطَعَامِ بَطْنِي وَعُقْبَةِ رِجْلِي أَحْطِبُ لَهُمْ إِذَا نَزَلُوا وَأَحْدُو لَهُمْ إِذَا رَكِبُوا فَالْحَمْدُ لِلهِ الَّذِي جَعَلَ الدِّينَ قِوَامًا وَجَعَلَ أَبَا هُرَيْرَةَ إِمَامًا
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী হায়ান বিন বিসতাম সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাকবুল। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত, তার ছেলে ব্যাতিত কেউ তার থেকে হাদিস বর্ণনা করেনি, ইবনু হিব্বান ছাড়া কেউ তাকে সিকাহ বলে উল্লেখ করেনি। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৫৭৪, ৭/৪৭১ নং পৃষ্ঠা)
Salim bin Hayyan said:
I heard Abu Hurairah say: “I grew up an orphan, and I emigrated as a poor man, and I was hired by the daughter of Ghazwan in return for food and a turn riding the camel. I would gather firewood for them when they stopped to camp and urge their camels along for them by singing when they rode. Praise is to Allah (SWT) who has caused His religion to prevail and has made Abu Hurairah an Imam.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৭. এক একটি খেজুরের বিনিময়ে এক বালতি করে পানি উত্তোলন এবং উত্তম খেজুরের শর্তারোপ
১/২৪৪৬। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খাদ্যাভাবে পতিত হলেন। ’আলী (রাঃ) তা জানতে পেরে কাজের সন্ধানে বের হলেন, যাতে কিছু রোজগার করে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খাদ্যাভাব দূর করতে পারেন। তিনি এক ইহূদীর খেজুর বাগানে পৌঁছে প্রতি বালতি পানির বিনিময়ে একটি করে খেজুরের শর্তে (কূপ থেকে) সতের বালতি পানি উঠালেন। ইহূদী তাকে সতেরটি উত্তম খেজুর বেছে নেয়ার এখতিয়ার দিলো। তিনি খেজুরসহ নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিকট উপস্থিত হলেন।
بَاب الرَّجُلِ يَسْتَقِي كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ وَيَشْتَرِطُ جَلْدَةً
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الأَعْلَى الصَّنْعَانِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُعْتَمِرُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ حَنَشٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ أَصَابَ نَبِيَّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَصَاصَةٌ فَبَلَغَ ذَلِكَ عَلِيًّا فَخَرَجَ يَلْتَمِسُ عَمَلاً يُصِيبُ فِيهِ شَيْئًا لِيُغِيثَ بِهِ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى بُسْتَانًا لِرَجُلٍ مِنَ الْيَهُودِ فَاسْتَقَى لَهُ سَبْعَةَ عَشَرَ دَلْوًا كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ فَخَيَّرَهُ الْيَهُودِيُّ مِنْ تَمْرِهِ سَبْعَ عَشَرَةَ عَجْوَةً فَجَاءَ بِهَا إِلَى نَبِيِّ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী হানাশ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩৩০, ৬/৪৬৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn 'Abbas said:
“The Prophet (ﷺ) was in need of food, and news of that reached 'Ali. He went out seeking work so that he could earn something to give to the Messenger of Allah (ﷺ). He came to a garden belonging to a Jewish man, and he drew seventeen buckets of water for him, each bucket for a date. The Jew gave him the option to take seventeen of his 'Ajwah dates (a high quality of dates) and he brought them to the Prophet of Allah (ﷺ).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৭. এক একটি খেজুরের বিনিময়ে এক বালতি করে পানি উত্তোলন এবং উত্তম খেজুরের শর্তারোপ
২/২৪৪৭। ’আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি এক একটি উত্তম খেজুর প্রদানের শর্তে (কূপ থেকে) এক বালতি করে পানি উত্তোলন করেছি।
بَاب الرَّجُلِ يَسْتَقِي كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ وَيَشْتَرِطُ جَلْدَةً
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمٰنِ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ عَنْ أَبِي إِسْحَقَ عَنْ أَبِي حَيَّةَ عَنْ عَلِيٍّ قَالَ كُنْتُ أَدْلُو الدَّلْوَ بِتَمْرَةٍ وَأَشْتَرِطُ أَنَّهَا جَلْدَةٌ
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated that 'Ali said:
“I used to draw water, one bucket for a date, and I stipulated that they should be good quality, dried dates.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৭. এক একটি খেজুরের বিনিময়ে এক বালতি করে পানি উত্তোলন এবং উত্তম খেজুরের শর্তারোপ
৩/২৪৪৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আনসার সম্প্রদায়ের এক সাহাবী এসে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কী ব্যাপার, আমি আপনাকে বিবর্ণ দেখছি। তিনি বলেনঃ ক্ষুধার কারণে। অতএব আনসারী নিজ বাড়িতে ফিরে গেলেন, কিন্তু বাড়িতে কিছু না পেয়ে কাজের খোঁজে বেরিয়ে পড়লেন। তিনি এক ইহূদীকে খেজুর বাগানে পানি সেচ করতে দেখলেন। আনসারী ইহূদীকে বললেন, আমি কি তোমার বাগানে পানি সেচে দিবো? সে বললো, হ্যাঁ। তিনি বললেন, প্রতি বালতির বিনিময়ে একটি করে খেজুর। আনসারী আরও শর্ত লাগান যে, কালো খেজুর, শুষ্ক খেজুর ও নিকৃষ্ট খেজুর নিবো না, বরং উত্তম খেজুর নিবো। অতঃপর তিনি পানি সেচ করে দু’ সা’ পরিমাণ খেজুর পেলেন এবং তা নিয়ে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে হাজির হলেন।
بَاب الرَّجُلِ يَسْتَقِي كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ وَيَشْتَرِطُ جَلْدَةً
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ جَدِّهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنَ الأَنْصَارِ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا لِي أَرَى لَوْنَكَ مُنْكَفِئًا . قَالَ " الْخَمْصُ " . فَانْطَلَقَ الأَنْصَارِيُّ إِلَى رَحْلِهِ فَلَمْ يَجِدْ فِي رَحْلِهِ شَيْئًا فَخَرَجَ يَطْلُبُ فَإِذَا هُوَ بِيَهُودِيٍّ يَسْقِي نَخْلاً فَقَالَ الأَنْصَارِيُّ لِلْيَهُودِيِّ أَسْقِي نَخْلَكَ قَالَ نَعَمْ . قَالَ كُلُّ دَلْوٍ بِتَمْرَةٍ . وَاشْتَرَطَ الأَنْصَارِيُّ أَنْ لاَ يَأْخُذَ خَدِرَةً وَلاَ تَارِزَةً وَلاَ حَشَفَةً وَلاَ يَأْخُذَ إِلاَّ جَلْدَةً . فَاسْتَقَى بِنَحْوٍ مِنْ صَاعَيْنِ فَجَاءَ بِهِ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী আলী ইবনুল মুনযির সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী ও সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী ও শীয়া মতাবলম্বী। ইবনু হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪১৪০, ২১/১৪৫ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ৩. আবদুল্লাহ বিন সাঈদ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, আমি তার মজলিসে বসে জানতে পেরেছি যে, তার মাঝে মিথ্যাবাদীতা রয়েছে। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য। ইবনু মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ নন। ইমাম বুখারী তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। আবু যুরআহ তাকে দুর্বল সাব্যস্ত করেছেন। আমর ইবনুল ফাল্লাস তাকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। উক্ত হাদিসটি শাহিদ এর ভিত্তিতে সহিহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৩০৫, ১৫/৩১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Abu Hurairah said:
“A man from among the Ansar Came and said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), why do I see that your color has changed?' He said: 'Hunger.' So the Ansari went to his dwelling, but he did not find anything in his dwelling, so he went out looking, and he found a Jew watering his date-palm trees. The Ansari stipulated that he would not take any dates that were black (rotten), hard and dried out or inferior, and he would only take good quality dates. He earned nearly two Sa's (of dates), and he brought it to the Prophet (ﷺ).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৮. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশের চুক্তিতে ভাগচাষ
১/২৪৪৯। রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা ও মুযাবানা পদ্ধতির লেনদেন করতে নিষেধ করেছেন এবং বলেছেনঃ তিন ব্যক্তি জমি চাষাবাদ করবে। (১) যার জমি আছে সে তা চাষাবাদ করবে, (২) যাকে ধারে জমি দান করা হয়েছে সে তার চাষাবাদ করবে এবং (৩) যে ব্যক্তি নগদ অর্থে জমি ভাড়া দেয়।
بَاب الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ طَارِقِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمُحَاقَلَةِ وَالْمُزَابَنَةِ . وَقَالَ " إِنَّمَا يَزْرَعُ ثَلاَثَةٌ رَجُلٌ لَهُ أَرْضٌ فَهُوَ يَزْرَعُهَا وَرَجُلٌ مُنِحَ أَرْضًا فَهُوَ يَزْرَعُ مَا مُنِحَ وَرَجُلٌ اسْتَكْرَى أَرْضًا بِذَهَبٍ أَوْ فِضَّةٍ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
উক্ত হাদিসের রাবী তারিক বিন আব্দুর রহমান সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি আশা করি তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। ইমাম যাহাবী ও ইমাম ইমাম দারাকুতনী তাকে সিকাহ বলেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৯৫২, ১৩/৩৪৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Rafi 'bin Khadji said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade Muhaqalah and Muzabanah, and said: 'Only three may cultivate: A man who has land which he cultivates a man who was given some land and cultivates what he was given; and a man who takes land on lease for gold or silver.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৮. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশের চুক্তিতে ভাগচাষ
২/২৪৫০। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা মুখাবারা (ভাগচাষ) করতাম এবং তা দূষণীয় মনে করতাম না। এক পর্যায়ে আমরা রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ)-কে বলতে শুনলাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাগচাষ নিষেধ করেছেন। তখন আমরা তার কথায় এটা ত্যাগ করলাম।
بَاب الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ سَمِعْتُ ابْنَ عُمَرَ، يَقُولُ كُنَّا نُخَابِرُ وَلاَ نَرَى بِذَلِكَ بَأْسًا حَتَّى سَمِعْنَا رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْهُ . فَتَرَكْنَاهُ لِقَوْلِهِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that 'Amr bin Dinar said:
“I heard Ibn 'Umar say: 'We used to lend land for cultivation in return for a share of the harvest, and we did not see anything wrong with that, until we heard Rafi' bin Khadij say: “The Messenger of Allah (ﷺ) forbade it.” Then we stopped because of what he said.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৮. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশের চুক্তিতে ভাগচাষ
৩/২৪৫১। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যে কতক লোকের উদ্বৃত্ত জমি ছিল। তারা তা এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশ ফসলের চুক্তিতে বর্গা দিতো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যার উদ্বৃত্ত জমি আছে সে যেন নিজে তা চাষাবাদ করে অথবা তার ভাইকে চাষাবাদ করতে দেয়। সে তাতে সম্মত না হলে তার জমি পতিত রাখুক।
بَاب الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي عَطَاءٌ، قَالَ سَمِعْتُ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ كَانَتْ لِرِجَالٍ مِنَّا فُضُولُ أَرَضِينَ يُؤَاجِرُونَهَا عَلَى الثُّلُثِ وَالرُّبُعِ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَتْ لَهُ فُضُولُ أَرَضِينَ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ لِيُزْرِعْهَا أَخَاهُ فَإِنْ أَبَى فَلْيُمْسِكْ أَرْضَهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
'Ata' said:
“I heard Jabir bin 'Abdullah say: Some men among us had extra land which they would rent out for one third or one quarter (of the crop). The Prophet (ﷺ) said: “Whoever has extra land, let him cultivate it (himself) or let him give it to his brother (for free, to cultivate it), and if he does not want to do that, let him keep his land.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৮. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশের চুক্তিতে ভাগচাষ
৪/২৪৫২। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে সে যেন তা নিজে চাষাবাদ করে অথবা তার অপর ভাইকে কোনরূপ বিনিময় ছাড়াই চাষাবাদ করতে দেয়। সে তাতে সম্মত না হলে তার জমি পতিত রাখুক।
بَاب الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو تَوْبَةَ الرَّبِيعُ بْنُ نَافِعٍ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ سَلاَّمٍ، عَنْ يَحْيَى بْنِ أَبِي كَثِيرٍ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ لِيَمْنَحْهَا أَخَاهُ فَإِنْ أَبَى فَلْيُمْسِكْ أَرْضَهُ " .
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever has land, let him cultivate it (himself) or let him give it to his brother (for free, to cultivate it), and if he does not want to do that, let him keep his land.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৯. জমি ভাড়া নেয়া
১/২৪৫৩। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তার জমি বর্গা পদ্ধতিতে ভাড়া দিতেন। তার নিকট এক ব্যক্তি এসে তাকে ইবনে খাদীজ (রাঃ) -এর বরাতে বললো, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জমি বর্গা দিতে নিষেধ করেছেন। তখন ইবনে উমর (রাঃ) তার কাছে গেলেন এবং আমিও তার সাথে গেলাম। বালাত নামক স্থানে তিনি তার সাক্ষাৎ পেয়ে এ সম্পর্কে তাকে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি তাকে অবহিত করেন যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বর্গাচাষ নিষিদ্ধ করেছেন। অতঃপর আবদুল্লাহ ইবনে উমার (রাঃ) জমি বর্গা দেয়া ত্যাগ করেন।
بَاب كِرَاءِ الْأَرْضِ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، وَأَبُو أُسَامَةَ وَمُحَمَّدُ بْنُ عُبَيْدٍ عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، - أَوْ قَالَ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ - عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّهُ كَانَ يُكْرِي أَرْضًا لَهُ مَزَارِعًا فَأَتَاهُ إِنْسَانٌ فَأَخْبَرَهُ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ فَذَهَبَ ابْنُ عُمَرَ وَذَهَبْتُ مَعَهُ حَتَّى أَتَاهُ بِالْبَلاَطِ فَسَأَلَهُ عَنْ ذَلِكَ فَأَخْبَرَهُ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْ كِرَاءِ الْمَزَارِعِ فَتَرَكَ عَبْدُ اللَّهِ كِرَاءَهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Umar that:
he used to lease out some land that belonged to him, for cultivation. Then someone came to him and told him that Rafi' bin Khadij said that the Messenger of Allah (ﷺ) had forbidden leasing out land for cultivation. Ibn 'Umar went, and I went with him, until he met him in Balat, and asked him about that, and he told him that the Messenger of Allah (ﷺ) had forbidden leasing out land for cultivation. So 'Abdullah stopped lessening out land.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৯. জমি ভাড়া নেয়া
২/২৪৫৪। জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের উদ্দেশে ভাষণ দিলেন এবং বললেনঃ যার জমি আছে সে যেন তা নিজে চাষাবাদ করে অথবা অন্যকে চাষাবাদ করতে ধার দেয়, কিন্তু যেন ইজারা (বর্গা) না দেয়।
بَاب كِرَاءِ الْأَرْضِ
حَدَّثَنَا عَمْرُو بْنُ عُثْمَانَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ كَثِيرِ بْنِ دِينَارٍ الْحِمْصِيُّ، حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ، عَنْ مَطَرٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ خَطَبَنَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلْيَزْرَعْهَا أَوْ لِيُزْرِعْهَا وَلاَ يُؤَاجِرْهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. দামরাহ বিন রাবীআহ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সালিহ। আবু সাঈদ বিন ইউনুস আল-মিসরী বলেন, তিনি তাদের যুগে একজন ফকিহ ছিলেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী ও আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কিছু সন্দেহ করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৯৩৮, ১৩/৩১৬ নং পৃষ্ঠা) ২. মাতার সম্পর্কে আবু বাকর আল-বাযযার বলেন, তার হাদিস কেউ বর্জন করেছেন এ মর্মে আমার জানা নেই। আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, এই সানাদে তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৯৯৪, ২৮/৫১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Jabir bin 'Abdullah said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) addressed us and said: 'Whoever has land, let him cultivate it or allow someone else to cultivate it, and not rent it out.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৬৯. জমি ভাড়া নেয়া
৩/২৪৫৫। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুহাকালা নিষিদ্ধ করেছেন। মুহাকালা হলোঃ জমি কেরায়া (বর্গা) দেয়া।
بَاب كِرَاءِ الْأَرْضِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا مُطَرِّفُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، حَدَّثَنَا مَالِكٌ، عَنْ دَاوُدَ بْنِ الْحُصَيْنِ، عَنْ أَبِي سُفْيَانَ، - مَوْلَى ابْنِ أَبِي أَحْمَدَ - أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ أَبَا سَعِيدٍ الْخُدْرِيَّ، يَقُولُ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْمُحَاقَلَةِ . وَالْمُحَاقَلَةُ اسْتِكْرَاءُ الأَرْضِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Sufyan, the freed slave of Ibn Abu Ahmad, that he told him that he heard Abu Sa'eed Al-Khudri say:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade Muhaqlah.” (Sahih)Muhaqlah means leasing out land
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭০. খালি জমি নগদ বিক্রয় করা অনুমোদিত
১/২৪৫৬। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বহু লোককে জমি কেরায়া দেয়া সম্পর্কে সমালোচনা করতে শুনে বলতেনঃ সুবহানাল্লাহ! রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তো বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার জমি তার অপর ভাইকে বিনা লাভে কেন চাষাবাদ করতে দেয় না? তিনি তা কেরায়া (বর্গা) দিতে নিষেধ করেননি।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي كِرَاءِ الْأَرْضِ الْبَيْضَاءِ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ جُرَيْجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّهُ لَمَّا سَمِعَ إِكْثَارَ النَّاسِ، فِي كِرَاءِ الأَرْضِ قَالَ سُبْحَانَ اللَّهِ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَلاَ مَنَحَهَا أَحَدُكُمْ أَخَاهُ " . وَلَمْ يَنْهَ عَنْ كِرَائِهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Abbas that he heard that people were leasing out land more. He said:
“Subhan-Allah, the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Why does not one of you lend it to his brother?' But he did not forbid leasing it out.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭০. খালি জমি নগদ বিক্রয় করা অনুমোদিত
২/২৪৫৭। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তোমাদের কারো জমি তার ভাইকে বিনা লাভে চাষাবাদ করতে দেয়া, এই এই পরিমাণ নির্ধারিত কিছু গ্রহণ করে চাষাবাদ করতে দেয়ার চাইতে তার জন্য অধিক কল্যাণকর। ইবনে আব্বাস (রাঃ) বলেন, এটাই হলো হাক্ল এবং আনসারদের ভাষায় তা হলো মুহাকালা (বর্গাচাষ)।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي كِرَاءِ الْأَرْضِ الْبَيْضَاءِ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ عَبْدِ الْعَظِيمِ الْعَنْبَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا مَعْمَرٌ، عَنِ ابْنِ طَاوُسٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لأَنْ يَمْنَحَ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ أَرْضَهُ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهَا كَذَا وَكَذَا " . لِشَىْءٍ مَعْلُومٍ . وَقَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ هُوَ الْحَقْلُ وَهُوَ بِلِسَانِ الأَنْصَارِ الْمُحَاقَلَةُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“If one of you were to lend his brother his land, it would be better for him than taking such and such rent for it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭০. খালি জমি নগদ বিক্রয় করা অনুমোদিত
৩/২৪৫৮। হানজালা ইবনে কায়েস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেন, আমরা এই শর্তে জমি বর্গা দিতাম যে, এই জমিতে যা উৎপন্ন হবে তা তোমার এবং এই জমিতে যা উৎপন্ন হবে তা আমার। অতঃপর আমাদেরকে উৎপন্ন শস্যের অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে জমি বর্গা দিতে নিষেধ করা হয়। অবশ্য আমাদেরকে নগদ অর্থে জমি ইজারা দিতে নিষেধ করা হয়নি।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي كِرَاءِ الْأَرْضِ الْبَيْضَاءِ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ حَنْظَلَةَ بْنِ قَيْسٍ، قَالَ سَأَلْتُ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ قَالَ كُنَّا نُكْرِي الأَرْضَ عَلَى أَنَّ لَكَ مَا أَخْرَجَتْ هَذِهِ وَلِي مَا أَخْرَجَتْ هَذِهِ فَنُهِينَا أَنْ نُكْرِيَهَا بِمَا أَخْرَجَتْ وَلَمْ نُنْهَ أَنْ نُكْرِيَ الأَرْضَ بِالْوَرِقِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Hazalah bin Qais said:
“I asked Rafi' bin Khadij and he said: 'We used to lease out land on the basis that you would have what is produced by this piece of land, and I would have what is produced by this (other) piece of land, and we were forbidden to lease it out on the basis of crop-sharing but he did not forbid us to rent out land for silver.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭১. ভাগচাষে যা অপছন্দনীয়
১/২৪৫৯। রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) থেকে তার চাচা জুহায়ের (রাঃ) -র সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদেরকে এমন একটি কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেন, যা ছিল আমাদের জন্য উপকারী। আমি বললাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যা বলেছেন সেটাই যথার্থ। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম জিজ্ঞেস করলেনঃ তোমরা তোমাদের জমি চাষাবাদের ব্যাপারে কী করো? আমরা বললাম, আমরা তা এক-তৃতীয়াংশ, এক-চতুর্থাংশ শস্য বা কয়েক ওয়াসাক যব বা গমের বিনিময়ে বর্গা দেই। তিনি বলেনঃ তোমরা তা করো না। হয় তোমরা নিজেরা তা চাষাবাদ করো অথবা অন্যকে চাষাবাদ করতে (ধার) দাও।
بَاب مَا يُكْرَهُ مِنْ الْمُزَارَعَةِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدِّمَشْقِيُّ، حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ مُسْلِمٍ، حَدَّثَنَا الأَوْزَاعِيُّ، حَدَّثَنِي أَبُو النَّجَاشِيِّ، أَنَّهُ سَمِعَ رَافِعَ بْنَ خَدِيجٍ، يُحَدِّثُ عَنْ عَمِّهِ، ظُهَيْرٍ قَالَ نَهَانَا رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَنَا رَافِقًا . فَقُلْتُ مَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَهُوَ حَقٌّ . فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَا تَصْنَعُونَ بِمَحَاقِلِكُمْ " . قُلْنَا نُؤَاجِرُهَا عَلَى الثُّلُثِ وَالرُّبُعِ وَالأَوْسُقِ مِنَ الْبُرِّ وَالشَّعِيرِ . فَقَالَ " فَلاَ تَفْعَلُوا ازْرَعُوهَا أَوْ أَزْرِعُوهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Rafi'bin Khadi'j narrated that his paternal uncle Zuhair said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade us from doing something that was convenient for us.” I said: “What the Messenger of Allah (ﷺ) said is true.” He said that the Messenger of Allah (ﷺ) said: “What do you with your farms?” We said: “We rent them out for one third or one quarter of their yield, and a certain amount of wheat and barley.” He said: “Do not do that; cultivate them or let others cultivate them.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭১. ভাগচাষে যা অপছন্দনীয়
২/২৪৬০। রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের কেউ তার জমির মুখাপেক্ষী না হলে সে তা এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশ বা অর্ধেক ফসলের শর্তে বর্গা দিতো এবং তিনটি নালার শর্ত করতো (এভাবে যে, সেখানকার ফসল আমি নেবো), আরও শর্ত লাগাতো ভূষি এবং বসন্তকালের পানি থেকে উৎপাদিত ফসল নেয়ার। তখনকার জীবনযাত্রা ছিল খুবই কষ্টকর। তখন জমিতে চাষাবাদ করা হতো লোহা এবং আল্লাহর মর্জিতে অন্যান্য জিনিস দিয়ে, অতঃপর তা থেকে লাভ আসতো।
অতঃপর রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) আমাদের নিকট এসে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের এমন একটি কাজ থেকে বিরত থাকতে বলেছেন যা ছিল তোমাদের জন্য উপকারী। অবশ্য আল্লাহর আনুগত্য ও তাঁর রাসূলের আনুগত্য তোমাদের জন্য অধিক উপকারী। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের জন্য ভাগচাষ নিষিদ্ধ করেছেন এবং বলেছেনঃ যে ব্যক্তি তার জমির মুখাপেক্ষী নয়, সে যেন তা তার ভাইকে চাষাবাদ করতে ধার দেয় অন্যথায় তা পতিত রাখে।
بَاب مَا يُكْرَهُ مِنْ الْمُزَارَعَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، أَنْبَأَنَا الثَّوْرِيُّ، عَنْ مَنْصُورٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ أُسَيْدِ بْنِ ظُهَيْرٍ ابْنِ أَخِي، رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ كَانَ أَحَدُنَا إِذَا اسْتَغْنَى عَنْ أَرْضِهِ، أَعْطَاهَا بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ وَالنِّصْفِ وَاشْتَرَطَ ثَلاَثَةَ جَدَاوِلَ وَالْقُصَارَةَ وَمَا سَقَى الرَّبِيعُ وَكَانَ الْعَيْشُ إِذْ ذَاكَ شَدِيدًا وَكَانَ يَعْمَلُ فِيهَا بِالْحَدِيدِ وَبِمَا شَاءَ اللَّهُ وَيُصِيبُ مِنْهَا مَنْفَعَةً فَأَتَانَا رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ فَقَالَ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَاكُمْ عَنْ أَمْرٍ كَانَ لَكُمْ نَافِعًا وَطَاعَةُ اللَّهِ وَطَاعَةُ رَسُولِهِ أَنْفَعُ لَكُمْ إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَنْهَاكُمْ عَنِ الْحَقْلِ وَيَقُولُ " مَنِ اسْتَغْنَى عَنْ أَرْضِهِ فَلْيَمْنَحْهَا أَخَاهُ أَوْ لِيَدَعْ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Usaid bin Zuhair, the paternal nephew of Rafi' bin Khdij, that Rafi' bin Khadij said:
“If one of us did not need his land, he would give it (to someone else to cultivate) in return for one third, or one half of the yield , and he would stipulate (that the should receive) the produce grows on the banks of three streams, and the grains that remain in the ear after threshing, and the produce irrigated by a stream. Life at that time was hard, and he would work (the land) with iron and whatever Allah (SWT) willed, and he would benefit from it. Then Rafi bin Khadij came to us and said: ‘The Messenger of Allah (ﷺ) forbade you to do something that may seem beneficial to you, but obedience to Allah and obedience to His Messenger are more beneficial for you. The Messenger of Allah (ﷺ) forbade Haq for you, and he said: “Whoever has no need of his land, let him give it to his brother (to cultivate) or let him leave it (uncultivated).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭১. ভাগচাষে যা অপছন্দনীয়
৩/২৪৬১। উরওয়া ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যায়েদ ইবনে সাবিত (রাঃ) বললেন, আল্লাহ রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) কে ক্ষমা করুন। আল্লাহর শপথ! সেই হাদীসটি সম্পর্কে আমি তার চেয়ে বেশি অবগত। একদা দু’ ব্যক্তি ঝগড়া করতে করতে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে এসে উপস্থিত হলো। তখন তিনি বললেনঃ এই যদি হয় তোমাদের অবস্থা, তাহলে তোমরা জমি বর্গা দিও না। রাফে (রাঃ) তার কথার শুধু এটুকুই শুনলেনঃ ’’তাহলে তোমরা জমি বর্গা দিও না’’।
بَاب مَا يُكْرَهُ مِنْ الْمُزَارَعَةِ
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ إِسْحَاقَ، حَدَّثَنِي أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ يَاسِرٍ، عَنِ الْوَلِيدِ بْنِ أَبِي الْوَلِيدِ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، قَالَ قَالَ زَيْدُ بْنُ ثَابِتٍ يَغْفِرُ اللَّهُ لِرَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ أَنَا وَاللَّهِ، أَعْلَمُ بِالْحَدِيثِ مِنْهُ إِنَّمَا أَتَى رَجُلاَنِ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَقَدِ اقْتَتَلاَ فَقَالَ " إِنْ كَانَ هَذَا شَأْنَكُمْ فَلاَ تُكْرُوا الْمَزَارِعَ " . قَالَ فَسَمِعَ رَافِعُ بْنُ خَدِيجٍ قَوْلَهُ " فَلاَ تُكْرُوا الْمَزَارِعَ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. আব্দুর রহমান বিন ইসহাক সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীলযোগ্য হবে না। আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার কাদারিয়্যা মতাবলম্বী হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। সুফইয়ান বিন উয়াইনাহ বলেন, তিনি কাদারিয়্যা মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৫৫, ১৬/৫১৯ নং পৃষ্ঠা) ২. আল-ওয়ালীদ বিন আবুল ওয়ালীদ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি কখনো কখনো কিছু রাবীর বিপরীত হাদিস বর্ণনা করেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬৭৪৫, ৩১/১০৭ নং পৃষ্ঠা)
Zaid bin Thabit said:
“May Allah (SWT) forgive Rafi' bin Khadij. By Allah (SWT)! I have more knowledge of Ahadith than he does. Two men who had quarreled came to the Prophet (ﷺ) and he said: 'If this is your situation, do not lease farms,' and what Rafi' bin khadij heard was 'Do not lease farms.'
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭২. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশ ফসলের শর্তে জমি বর্গা দেয়া জায়েয
১/২৪৬২। ’আমর ইবনে দীনার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি দাঊস (রাঃ) -কে বললাম, হে আবূ আবদুর রহমান! আপনি যদি জমি বর্গা দেয়া ত্যাগ করতেন! কারণ লোকেরা বলাবলি করে যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাগচাষ নিষিদ্ধ করেছেন। তিনি বলেন, হে ’আমর! আমি লোকেদের সাহায্য করি এবং তাদের দান করি। মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) আমাদের উপস্থিতিতে লোকেদের সাথে এরূপ লেনদেন করেছেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ভাগচাষ নিষেধ করেননি। বরং তিনি বলেছেনঃ তোমাদের কেউ যদি তার ভাইকে বিনা লাভে জমি দিতো তবে সেটা তার জন্য নির্দিষ্ট পরিমাণ বিনিময় গ্রহণ করে দেয়ার চেয়ে অধিক কল্যাণকর হতো।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، أَنْبَأَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، قَالَ قُلْتُ لِطَاوُسٍ يَا أَبَا عَبْدِ الرَّحْمَنِ لَوْ تَرَكْتَ هَذِهِ الْمُخَابَرَةَ فَإِنَّهُمْ يَزْعُمُونَ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى عَنْهُ . فَقَالَ أَىْ عَمْرُو إِنِّي أُعِينُهُمْ وَأُعْطِيهِمْ وَإِنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ أَخَذَ النَّاسَ عَلَيْهَا عِنْدَنَا وَإِنَّ أَعْلَمَهُمْ - يَعْنِي ابْنَ عَبَّاسٍ - أَخْبَرَنِي أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمْ يَنْهَ عَنْهَا وَلَكِنْ قَالَ " لأَنْ يَمْنَحَ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ عَلَيْهَا أَجْرًا مَعْلُومًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that 'Amr bin Dinar said:
I said to Tawus: “O Abu 'Abdur-Rahman, why do you not give up this Mukhabarah because they claim that the Messenger of Allah (ﷺ) forbade it.” He said: “O 'Amr, I help them by taking their land and cultivating it, and giving them something in return, and Mu`adh bin Jabal allowed people here to do that. The most knowledgeable of them - meaning Ibn`Abbas - told me that the Messenger of Allah (ﷺ) did not forbid it, rather he said: 'For one you to give (land) to his brother is better than if he were to take a set amount in rent for it.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭২. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশ ফসলের শর্তে জমি বর্গা দেয়া জায়েয
২/২৪৬৩। তাঊস (রহঃ) থেকে বর্ণিত। মুআয ইবনে জাবাল (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এবং আবূ বকর (রাঃ), উমার (রাঃ) ও উসমান (রাঃ) এর যুগে এক-তৃতীয়াংশ ও এক-চতুর্থাংশ ফসল প্রদানের শর্তে জমি বর্গা দিতেন এবং তোমার এই কালেও তিনি তাই করছেন।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ، عَنْ خَالِدٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنْ طَاوُسٍ، أَنَّ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ، أَكْرَى الأَرْضَ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَأَبِي بَكْرٍ وَعُمَرَ وَعُثْمَانَ عَلَى الثُّلُثِ وَالرُّبُعِ فَهُوَ يَعْمَلُ بِهِ إِلَى يَوْمِكَ هَذَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Tawus that :
Mu`adh bin Jabl leased some land during the time of the Messenger of Allah (ﷺ), Abu Bakr, 'Umar and 'Uthmah, in return for one third or one fourth (of the yield), and he was still doing that until this day of yours.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭২. এক-তৃতীয়াশ বা এক-চতুর্থাংশ ফসলের শর্তে জমি বর্গা দেয়া জায়েয
৩/২৪৬৪। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম অবশ্যই বলেছেনঃ তোমাদের কেউ তার ভাইকে নিঃস্বার্থভাবে চাষাবাদের জন্য জমি দান করলে সেটা নির্দিষ্ট পরিমাণ উৎপাদিত ফসল প্রদানের শর্তে দেয়ার চেয়ে তার জন্য অধিক কল্যাণকর।
بَاب الرُّخْصَةِ فِي الْمُزَارَعَةِ بِالثُّلُثِ وَالرُّبُعِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ خَلاَّدٍ الْبَاهِلِيُّ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ طَاوُسٍ، قَالَ قَالَ ابْنُ عَبَّاسٍ إِنَّمَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لأَنْ يَمْنَحَ أَحَدُكُمْ أَخَاهُ الأَرْضَ خَيْرٌ لَهُ مِنْ أَنْ يَأْخُذَ لَهَا خَرَاجًا مَعْلُومًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Tawus that Ibn`Abbas told that the Messenger of Allah (ﷺ) merely said:
“For one of you to give (land) to his brother is better for him than if he were to take a set amount in rent for it.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৩. খাদ্যশস্যের বিনিময়ে জমি বর্গা দেয়া
১/২৪৬৫। রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে জমি বর্গাচাষে দিতাম। আমার কোন এক চাচা আমাদের নিকট এসে বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যার জমি আছে, সে যেন তা নির্দিষ্ট পরিমাণ খাদ্যশস্য (উৎপন্ন ফসল) প্রদানের শর্তে চাষাবাদ করতে না দেয়।
بَاب اسْتِكْرَاءِ الْأَرْضِ بِالطَّعَامِ
حَدَّثَنَا حُمَيْدُ بْنُ مَسْعَدَةَ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ الْحَارِثِ، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ يَعْلَى بْنِ حَكِيمٍ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ كُنَّا نُحَاقِلُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَزَعَمَ أَنَّ بَعْضَ عُمُومَتِهِ أَتَاهُمْ فَقَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَلاَ يُكْرِيهَا بِطَعَامٍ مُسَمًّى " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Rafi` bin khadij said:
We used to give land in return for food at the time of the Messenger of Allah (ﷺ), and some of my paternal uncles came to them and said: “The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever has land, he should not rent it out for a set amount of food.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৪. কেউ বিনা অনুমতিতে অপরের জমি চাষাবাদ করলে
১/২৪৬৬। রাফে ইবনে খাদীজ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অন্য সম্প্রদায়ের জমি তাদের অনুমতি ছাড়া চাষাবাদ করলে সে উৎপন্ন ফসলের কিছুই পাবে না, তবে সে তার চাষাবাদের খরচপত্র ফেরত পাবে।
بَاب مَنْ زَرَعَ فِي أَرْضِ قَوْمٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَامِرِ بْنِ زُرَارَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ رَافِعِ بْنِ خَدِيجٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ زَرَعَ فِي أَرْضِ قَوْمٍ بِغَيْرِ إِذْنِهِمْ فَلَيْسَ لَهُ مِنَ الزَّرْعِ شَىْءٌ وَتُرَدُّ عَلَيْهِ نَفَقَتُهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Rafi` bin Khadij said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever cultivates people`s land without their permission, he has no right to any produce, but he should be recompensed for his expenditure.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৫. উৎপন্ন খেজুর ও আঙ্গুরের ভাগ দেয়ার শর্তে চাষাবাদ করতে দেয়া
১/২৪৬৭। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বারবাসীদেরকে উৎপন্ন ফল বা ফসলের অর্ধেক প্রদানের শর্তে তথাকার বাগানের কাজে নিয়োজিত করেন।
بَاب مُعَامَلَةِ النَّخِيلِ وَالْكَرْمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، وَسَهْلُ بْنُ أَبِي سَهْلٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالُوا حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَامَلَ أَهْلَ خَيْبَرَ بِالشَّطْرِ مِمَّا يَخْرُجُ مِنْ ثَمَرٍ أَوْ زَرْعٍ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn `Umar that :
the Messenger of Allah (ﷺ) entered into a contract with the people of Khaibar for one half of the fruits or crops yielded.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৫. উৎপন্ন খেজুর ও আঙ্গুরের ভাগ দেয়ার শর্তে চাষাবাদ করতে দেয়া
২/২৪৬৮। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার এর খেজুর বাগান ও জমি তথাকার বাসিন্দাদের (উৎপন্ন খেজুর ও শস্যের) অর্ধেক প্রদানের শর্তে চাষাবাদ করতে দেন।
بَاب مُعَامَلَةِ النَّخِيلِ وَالْكَرْمِ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ تَوْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، عَنِ ابْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ، عَنْ مِقْسَمٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَعْطَى خَيْبَرَ أَهْلَهَا عَلَى النِّصْفِ نَخْلُهَا وَأَرْضُهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইবনু আবু লায়লা সম্পর্কে ইয়াকুব বিন সুফইয়ান বলেন, তিনি সিকাহ। শু'বাহ ইবনুল হাজ্জাজ বলেন, আমি তার চেয়ে দুর্বল স্মৃতিশক্তি সম্পন্ন আর কাউকে দেখিনি। ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তিনি যইফ বা দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তার স্মৃতিশক্তি খুবই দুর্বল। ইবনু মাঈন বলেন, সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৪০৬, ২৫/৬২২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Anas bin Malik said:
“When the Messenger of Allah (ﷺ) gave Khaibar to its people in return of its palm trees and land.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৫. উৎপন্ন খেজুর ও আঙ্গুরের ভাগ দেয়ার শর্তে চাষাবাদ করতে দেয়া
৩/২৪৬৯। আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম খায়বার এলাকা জয় করার পর তা উৎপন্ন শস্যের অর্ধেক প্রদানের শর্তে চাষাবাদ করতে দেন।
بَاب مُعَامَلَةِ النَّخِيلِ وَالْكَرْمِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ الْمُنْذِرِ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ مُسْلِمٍ الأَعْوَرِ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، قَالَ لَمَّا افْتَتَحَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم خَيْبَرَ أَعْطَاهَا عَلَى النِّصْفِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আলী ইবনুল মুনযির সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী ও সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে শীয়া মতাবলম্বী। ইবনু হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪১৪০, ২১/১৪৫ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Anas bin Malik said:
“When the Messenger of Allah (ﷺ) conquered Khaibar, he gave it (to its people) in return for half (of its yield).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৬. খেজুর গাছে (পুরুষ ও মাদীর মধ্যে) সংযোগ লাগানো
১/২৪৭০। তালহা ইবনে উবায়দুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাথে একটি খেজুর বাগান অতিক্রম করছিলাম। তিনি লোকেদেরকে দেখলেন যে, তারা নর খেজুর গাছের কেশর মাদী খেজুর গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি লোকেদের জিজ্ঞাসা করলেনঃ এরা কী করছে? তালহা (রাঃ) বলেন, তারা নর গাছের কেশর নিয়ে মাদী গাছের কেশরের সাথে সংযোজন করছে। তিনি বলেনঃ এটা কোন উপকারে আসবে বলে মনে হয় না।
লোকজন তাঁর মন্তব্য অবহিত হয়ে উক্ত প্রক্রিয়া ত্যাগ করলো। ফলে খেজুরের উৎপদান হ্রাস পেলো। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিষয়টি অবহিত হয়ে বলেনঃ এটা তো ছিল একটা ধারণা মাত্র। ঐ প্রক্রিয়ায় কোন উপকার হলে তোমরা তা করো। আমি (এ বিষয়ে) তোমাদের মতই একজন মানুষ। ধারণা কখনো ভুলও হয়, কখনো ঠিকও হয়। কিন্তু আমি তোমাদের এভাবে যা বলি ’’আল্লাহ বলেছেন’’, সেক্ষেত্রে আমি কখনো আল্লাহ্র উপর মিথ্যা আরোপ করবো না।
بَاب تَلْقِيحِ النَّخْلِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ مُوسَى، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، أَنَّهُ سَمِعَ مُوسَى بْنَ طَلْحَةَ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ، يُحَدِّثُ عَنْ أَبِيهِ، قَالَ مَرَرْتُ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي نَخْلٍ فَرَأَى قَوْمًا يُلَقِّحُونَ النَّخْلَ فَقَالَ " مَا يَصْنَعُ هَؤُلاَءِ " . قَالُوا يَأْخُذُونَ مِنَ الذَّكَرِ فَيَجْعَلُونَهُ فِي الأُنْثَى . قَالَ " مَا أَظُنُّ ذَاكَ يُغْنِي شَيْئًا " . فَبَلَغَهُمْ فَتَرَكُوهُ وَنَزَلُوا عَنْهَا فَبَلَغَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنَّمَا هُوَ ظَنٌّ إِنْ كَانَ يُغْنِي شَيْئًا فَاصْنَعُوهُ فَإِنَّمَا أَنَا بَشَرٌ مِثْلُكُمْ وَإِنَّ الظَّنَّ يُخْطِئُ وَيُصِيبُ وَلَكِنْ مَا قُلْتُ لَكُمْ قَالَ اللَّهُ فَلَنْ أَكْذِبَ عَلَى اللَّهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহীহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Simak that the heard Musa bin Talhah bin `Ubaidullah narrating that his father said:
“I passed by some palm trees with the Messenger of Allah (ﷺ) and he saw some people pollinating the trees. He said: 'What are these people doing?' They said: 'They are taking something from the male part (of the plant) and putting it in the female part.' He said: 'I do not think that this will do any good.' News of that reached them, so they stopped doing it, and their yield declined. News of that reached the Prophet (ﷺ) and he said: 'That was only my thought. If it will do any good, then do it. I am only a human being like you, and what I think may be right or wrong. But When I tell you: “Allah (SWT) says,” I will never tell lies about Allah (SWT).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৬. খেজুর গাছে (পুরুষ ও মাদীর মধ্যে) সংযোগ লাগানো
২/২৪৭১। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিছু শোরগোল শুনতে পেয়ে জিজ্ঞেস করেনঃ এটা কিসের শোরগোল? সাহাবীগণ বলেন, লোকজন নর খেজুর গাছের কেশর মাদী খেজুর গাছের কেশরের সাথে সংযোগ করছে। তিনি বলেনঃ তার এরূপ না করলেই ঠিক হতো। অতএব তারা সে বছর উক্ত প্রক্রিয়া ত্যাগ করলো। এতে খেজুরের ফলন হ্রাস পেলো। তারা বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জানালে তিনি বলেনঃ তোমাদের একান্তই পার্থিব কোন বিষয় হলে সেটা তোমাদের বিজস্ব ব্যাপার এবং তোমাদের দীনের কোন বিষয় হলে তা আমার কাছে রুজু করবে।
بَاب تَلْقِيحِ النَّخْلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا حَمَّادٌ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ، وَهِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم سَمِعَ أَصْوَاتًا . فَقَالَ " مَا هَذَا الصَّوْتُ " . قَالُوا النَّخْلُ يُؤَبِّرُونَهُ فَقَالَ " لَوْ لَمْ يَفْعَلُوا لَصَلَحَ " . فَلَمْ يُؤَبِّرُوا عَامَئِذٍ فَصَارَ شِيصًا فَذَكَرُوا لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " إِنْ كَانَ شَيْئًا مِنْ أَمْرِ دُنْيَاكُمْ فَشَأْنَكُمْ بِهِ وَإِنْ كَانَ شَيْئًا مِنْ أُمُورِ دِينِكُمْ فَإِلَىَّ " .
It was narrated from 'Aisha that the Prophet (ﷺ) heard some sounds and said:
“What is this noise?” They said: “Palm trees that are being pollinated.” He said: “If they did not do that it would be better.” So they did not pollinate them that year, and the dates did not mature properly. they mentioned that to the Prophet (ﷺ) and he said: “If it is one of the matters of your religion, then refer to me.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৭. মুসলিমগণ তিনটি বিষয়ে যৌথ অংশীদার
১/২৪৭২। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমগণ তিনটি বিষয়ে যৌথ অংশীদার-পানি, ঘাস ও আগুনে, এগুলোর মূল্য নেয়া হারাম। আবূ সাঈদ (রাঃ) বলেন, অর্থাৎ প্রবহমান পানি।
بَاب الْمُسْلِمُونَ شُرَكَاءُ فِي ثَلَاثٍ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ خِرَاشِ بْنِ حَوْشَبٍ الشَّيْبَانِيُّ، عَنِ الْعَوَّامِ بْنِ حَوْشَبٍ، عَنْ مُجَاهِدٍ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْمُسْلِمُونَ شُرَكَاءُ فِي ثَلاَثٍ فِي الْمَاءِ وَالْكَلإِ وَالنَّارِ وَثَمَنُهُ حَرَامٌ " . قَالَ أَبُو سَعِيدٍ يَعْنِي الْمَاءَ الْجَارِيَ .
তাহকীক আলবানীঃ وَثَمَنُهُ حَرَامٌ (তার মূল্য নেয়া হারাম) কথাটি ব্যাতিত সহিহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ বিন খিরাশ বিন হাওশাব আশ-শায়বানী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি আওওয়াম ছাড়া অন্য কারো নিকট থেকে হাদিস বর্ণনা করেছেন এ মর্মে আমার জানা নেই। আমভাবে বলা যায় তার হাদিস রক্ষিত নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আহমাদ বিন শুআয়ব আন-নাসাঈ বলেন, তিনি সিকাহ নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩২৪৪, ১৪/৪৫৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The Muslims are partners in three things: water, pasture and fire, and their price is unlawful.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৭. মুসলিমগণ তিনটি বিষয়ে যৌথ অংশীদার
২/২৪৭৩। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তিনটি জিনিস সংগ্রহে (কাউকে) বাধা দেয়া যাবে না-পানি, ঘাস ও আগুন।
بَاب الْمُسْلِمُونَ شُرَكَاءُ فِي ثَلَاثٍ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَزِيدَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " ثَلاَثٌ لاَ يُمْنَعْنَ الْمَاءُ وَالْكَلأُ وَالنَّارُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Three things cannot be denied to anyone: water, pasture and fire.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৭. মুসলিমগণ তিনটি বিষয়ে যৌথ অংশীদার
৩/২৪৭৪। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এমন কী জিনিস আছে যা সংগ্রহে বাধা দেয়া হালাল নয়? তিনি বলেনঃ পানি, লবণ ও আগুন। আয়েশা (রাঃ) বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই পানি সম্পর্কে তো আমরা জানি কিন্তু লবণ ও আগুনের ব্যাপারে কেন বাধা দেয়া যাবে না? তিনি বলেনঃ হে হুমায়রা! যে ব্যক্তি আগুন দান করলো, সে যেন ঐ আগুন দিয়ে রান্না করা যাবতীয় খাদ্যই দান করলো। যে ব্যক্তি লবণ দান করলো, ঐ লবণে খাদ্য যতোটা সুস্বাদু হলো তা সবই যেন সে দান করলো। যে ব্যক্তি কোন মুসলিমকে এমন স্থানে পানি পান করালো, যেখানে তা সহজলভ্য, সে যেন একটি গোলামকে দাসত্বমুক্ত করলো এবং যে ব্যক্তি কোন মুসলিমকে এমন স্থানে পানি পান করালো, যেখানে তা দুষ্প্রাপ্য, সে যেন তাকে জীবন দান করলো।
بَاب الْمُسْلِمُونَ شُرَكَاءُ فِي ثَلَاثٍ
حَدَّثَنَا عَمَّارُ بْنُ خَالِدٍ الْوَاسِطِيُّ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ غُرَابٍ، عَنْ زُهَيْرِ بْنِ مَرْزُوقٍ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ زَيْدِ بْنِ جُدْعَانَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا قَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ مَا الشَّىْءُ الَّذِي لاَ يَحِلُّ مَنْعُهُ قَالَ الْمَاءُ وَالْمِلْحُ وَالنَّارُ " . قَالَتْ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ هَذَا الْمَاءُ قَدْ عَرَفْنَاهُ فَمَا بَالُ الْمِلْحِ وَالنَّارِ قَالَ " يَا حُمَيْرَاءُ مَنْ أَعْطَى نَارًا فَكَأَنَّمَا تَصَدَّقَ بِجَمِيعِ مَا أَنْضَجَتْ تِلْكَ النَّارُ وَمَنْ أَعْطَى مِلْحًا . فَكَأَنَّمَا تَصَدَّقَ بِجَمِيعِ مَا طَيَّبَ ذَلِكَ الْمِلْحُ وَمَنْ سَقَى مُسْلِمًا شَرْبَةً مِنْ مَاءٍ حَيْثُ يُوجَدُ الْمَاءُ فَكَأَنَّمَا أَعْتَقَ رَقَبَةً وَمَنْ سَقَى مُسْلِمًا شَرْبَةً مِنْ مَاءٍ حَيْثُ لاَ يُوجَدُ الْمَاءُ فَكَأَنَّمَا أَحْيَاهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আলি বিন গুরাব সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী তার হাদিস উল্লেখ করে বলেন, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। এই হাদিস ব্যাতিত তার সম্পর্কে কোথাও জানা যায়না। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল মানুষ তার হাদিস বর্জন করেছে। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। আবু সাঈদ বিন ইউনুস বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন, তার শীয়া মতাবলম্বী হওয়ার ব্যাপারে অভিযোগ রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪১২০, ২১/৯০ নং পৃষ্ঠা) ২. যুহায়র বিন মারযুক সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার একটিই হাদিস মু'দাল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি দুর্বল। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, আমি তাকে চিনি না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২০১৮, ৯/৪১৯ নং পৃষ্ঠা) ৩. আলী বিন যায়দ বিন জুদআন সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন সাঈদ আল-কাত্তান বলেন, তার হাদিস প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আহমাদ বিন হাম্বল ও ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তিনি সিকাহ সালিহ। আল-আজালী বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০৭০, ২০/৪৩৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that 'Aishah said:
“O Messenger of Allah (ﷺ), what are the things which are not permissible to withhold?” He said: “Water, salt and fire.” She said: “I said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), we know what water is, but what about salt and fire?” He said: “O Humaira', whoever gives fire (to another), it is as if he has given in charity all the food that is cooked on that fire. And whoever gives salt, it is as if he has given in charity all that the salt makes good. And whoever gives a Muslim water to drink when water is available, it is as if he freed a slave; and whoever gives a Muslim water to drink when there is no water available, it is as if he brought him back to life.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৮. সরকারীভাবে নদী-নালা ও পানির প্রস্রবণ জায়গিররূপে দান করা
১/২৪৭৫। আবয়াদ ইবনে হাম্মাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি সাদ্দ মা’রিব নামক লবণ খনিটি জায়গিররূপে প্রার্থনা করলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে সেটি জায়গিররূপে দান করলেন। অতঃপর আকরা ইবনে হাবিস আত-তামীমী (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! জাহিলী যুগে আমি লবণের খনিটিতে গিয়েছিলাম। ঐ এলাকায় কোন পানি নাই। যে ব্যক্তিই সেখানে যায় সে-ই কিছু লবণ সংগ্রহ করে নেয়। তা প্রবাহিত পানির মতই পর্যাপ্ত। (এ কথা শুনে) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবয়াদ বিন হাম্মালের নিকট লবনের চুক্তির প্রত্যাহার চাইলেন।আব্য়াদ ইবনে হাম্মাল বলেন, আমি আপনার সাথে চুক্তি রদ করতে প্রস্তুত এই শর্তে যে, সেটিকে আপনি আমার পক্ষ থেকে দানরূপে গণ্য করবেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তা তোমার পক্ষ থেকে দান হিসাবেই গণ্য হবে। আর তা প্রবহমান পানির ন্যায়, যে-ই সেখানে যাবে তা নিতে পারবে।
অধস্তন রাবী ফারাজ ইবনে সাঈদ (রাঃ) বলেন, সেটা বর্তমানেও সেভাবেই আছে। যে-ই সেখানে যায়, সে তা থেকে সংগ্রহ করে। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার থেকে সেটি ফেরত নেয়ার বিনিময়ে তাকে জুরুফ মুরাদ নামক স্থানের এক খন্ড কৃষিভূমি ও একটি খেজুর বাগান জায়িগিররূপে দান করেন।
بَاب إِقْطَاعِ الْأَنْهَارِ وَالْعُيُونِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عُمَرَ الْعَدَنِيُّ، حَدَّثَنَا فَرَجُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ عَلْقَمَةَ بْنِ سَعِيدِ بْنِ أَبْيَضَ بْنِ حَمَّالٍ، حَدَّثَنِي عَمِّي، ثَابِتُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ أَبْيَضَ بْنِ حَمَّالٍ عَنْ أَبِيهِ، سَعِيدٍ عَنْ أَبِيهِ، أَبْيَضَ بْنِ حَمَّالٍ . أَنَّهُ اسْتَقْطَعَ الْمِلْحَ الَّذِي يُقَالُ لَهُ مِلْحُ سَدِّ مَأْرِبٍ . فَأَقْطَعَهُ لَهُ ثُمَّ إِنَّ الأَقْرَعَ بْنَ حَابِسٍ التَّمِيمِيَّ أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي قَدْ وَرَدْتُ الْمِلْحَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ وَهُوَ بِأَرْضٍ لَيْسَ بِهَا مَاءٌ وَمَنْ وَرَدَهُ أَخَذَهُ وَهُوَ مِثْلُ الْمَاءِ الْعِدِّ . فَاسْتَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم أَبْيَضَ بْنَ حَمَّالٍ فِي قَطِيعَتِهِ فِي الْمِلْحِ . فَقَالَ قَدْ أَقَلْتُكَ مِنْهُ عَلَى أَنْ تَجْعَلَهُ مِنِّي صَدَقَةً . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " هُوَ مِنْكَ صَدَقَةٌ وَهُوَ مِثْلُ الْمَاءِ الْعِدِّ مَنْ وَرَدَهُ أَخَذَهُ " . قَالَ فَرَجٌ وَهُوَ الْيَوْمَ عَلَى ذَلِكَ مَنْ وَرَدَهُ أَخَذَهُ . قَالَ فَقَطَعَ لَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم أَرْضًا وَنَخْلاً بِالْجُرْفِ جُرْفِ مُرَادٍ مَكَانَهُ حِينَ أَقَالَهُ مِنْهُ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated from Abyad bin Hammal:
That he asked for a salt flat called the Ma'rib Dam to be given to him, and it was given to him. Then Aqra bin Habis At-Tamimi came to the Messenger of Allah (ﷺ) and said: “O Messenger of Allah (ﷺ), I used to come to the salt flat during the Ignorance period and it was in a land in which there was no water, and whoever came to it took from it. It was (plentiful) like flowing water.” So the Messenger of Allah (ﷺ) asked Abyad bin Hammal to give back his share of the salt flat. He said: “I give it to you on the basis that you make it charity given by me.” The Messenger of Allah said: “It is a charity from you, and it is like flowing water, whoever comes to it may take from it.”(One of the narrators) Faraj said: “That is how it is today, whoever comes to it takes from it.” He said: “The Prophet (ﷺ) gave him land and palm trees in Jurf Murad instead, when he took back the salt flat from him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৯. পানি বিক্রয় করা নিষেধ
১/২৪৭৬। আবুল মিনহাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইয়াস ইবনে আবদুল মুযানী (রাঃ) থেকে শুনেছেন যে, তিনি কিছু লোককে পানি বিক্রয় করতে দেখে বলেন, তোমরা পানি বিক্রয় করো না। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পানি বিক্রয় করতে নিষেধ করতে শুনেছি।
. بَاب النَّهْيِ عَنْ بَيْعِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي الْمِنْهَالِ، سَمِعْتُ إِيَاسَ بْنَ عَبْدٍ الْمُزَنِيَّ، وَرَأَى، أُنَاسًا يَبِيعُونَ الْمَاءَ فَقَالَ لاَ تَبِيعُوا الْمَاءَ فَإِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَهَى أَنْ يُبَاعَ الْمَاءُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Minhal said:
“I heard Iyas bin 'Abd Muzani say - when he saw people selling water: 'Do not sell water, for I heard the Messenger of Allah (ﷺ) forbidding selling of water.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৭৯. পানি বিক্রয় করা নিষেধ
২/২৪৭৭। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উদ্বৃত্ত পানি বিক্রয় করতে নিষেধ করেছেন।
. بَاب النَّهْيِ عَنْ بَيْعِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَإِبْرَاهِيمُ بْنُ سَعِيدٍ الْجَوْهَرِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ نَهَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ بَيْعِ فَضْلِ الْمَاءِ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Jabir said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) forbade selling surplus water.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮০. চতুষ্পদ জন্তুকে ঘাস খেতে বাধা দেয়ার উদ্দেশ্যে উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারে বাধা দেয়া নিষেধ
১/২৪৭৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের কেউ যেন (অপরকে) উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারে বাধা না দেয়, যাতে চতুষ্পদ জন্তুর ঘাস খাওয়া বন্ধ হয়ে যায়।
بَاب النَّهْيِ عَنْ مَنْعِ فَضْلِ الْمَاءِ لِيَمْنَعَ بِهِ الْكَلَأَ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ، عَنِ الأَعْرَجِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " لاَ يَمْنَعْ أَحَدُكُمْ فَضْلَ مَاءٍ لِيَمْنَعَ بِهِ الْكَلأَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said:
“No one of you should withhold surplus water from common pastureland.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮০. চতুষ্পদ জন্তুকে ঘাস খেতে বাধা দেয়ার উদ্দেশ্যে উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারে বাধা দেয়া নিষেধ
২/২৪৭৯। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারে বাধা দেয়া যাবে না এবং কূপের উদ্বৃত্ত পানি ব্যবহারেও বাধা দেয়া যাবে না।
بَاب النَّهْيِ عَنْ مَنْعِ فَضْلِ الْمَاءِ لِيَمْنَعَ بِهِ الْكَلَأَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا عَبْدَةُ بْنُ سُلَيْمَانَ، عَنْ حَارِثَةَ، عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، قَالَتْ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ يُمْنَعُ فَضْلُ الْمَاءِ وَلاَ يُمْنَعُ نَقْعُ الْبِئْرِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী হারিসাহ সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল তাকে দুর্বল বলেছেন। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ নন। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার ও দুর্বল। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১০৫৭, ৫/৩১৩ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু হারিসাহ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ২৫৭ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৩২ টি খুবই দুর্বল, ৭৯ টি দুর্বল, ৯০ টি হাসান, ৫৮ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ২৩৫৩, ২৩৫৪, মুসলিম ১৫৬৬, ১৫৬৭, ১৫৬৮, তিরমিযি ১২৭১, ১২৭২, আবু দাউদ ৩৪৭৩, ৩৪৭৮, দারিমী ২৬১২, আহমাদ ৬৬৩৫, ৬৬৮৩, ৭০৭১, ৭২৮০, ৭৬৪০, ৮০২৩, ২৭৯৩০, ৯১৬২, ৯৬৫৫, ১০১১৬, ১০১৯৩, ১৪২২৯, ১৪২৩৪, ১৪৪২৮, ১৫০১৮।
It was narrated from Aishah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Surplus water should not be withheld, and neither should surplus water from a well.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮১. উপত্যকা থেকে পানিসেচ এবং যে পরিমাণ পানি আটকে রাখা যাবে
১/২৪৮০। আবদুল্লাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। হাররা থেকে প্রবাহিত নালার পানি বণ্টনকে কেন্দ্র করে এক আনসারী ব্যক্তি যুবাইর (রাঃ) -এর বিরুদ্ধে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট অভিযোগ দায়ের করে। এ নালার পানি তারা খেজুর বাগানে সিঞ্চন করতো। আনসারী বললো, পানি প্রবাহিত হতে দাও। কিন্তু যুবাইর (রাঃ) তা অস্বীকার করেন। তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এই বিবাদ পেশ করলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন হে জুবায়র, তোমার জমিতে পানি সিঞ্চন কর, অতঃপর তো তোমার প্রতিবেশীর জন্য ছেড়ে দাও।
তাতে আনসারী রাগান্বিত হল, এবং বলল হে আল্লাহর রাসূল সে আপনার ফুফুর ছেলে বলে (আপনি এরকম ফয়সালা করলেন) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর চেহারা রক্তিমাভ হয়ে গেলো। তিনি বলেনঃ হে যুবাইর! তোমার ক্ষেতে পানি দাও, তারপর তা আটকে রাখো যাতে আইল পর্যন্ত উঠতে পারে। আবদুললাহ ইবনুয যুবাইর (রাঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ! আমার ধারণামতে এ সম্পর্কেই নিম্নোক্ত আয়াত নাযিল হয় (অনুবাদ)
’’হে মুহাম্মাদ! তোমার প্রতিপালকের শপথ! এরা কিছুতেই মুমিন হতে পারে না, যতক্ষণ পর্যন্ত তাদের পারস্পরিক মতভেদের ব্যাপারসমূহে তোমাকে বিচারকরূপে মেনে না নিবে, অতঃপর তুমি যে ফয়সালা করবে, সেই সম্পর্কে তারা নিজেদের মনে কিছুমাত্র কুণ্ঠাবোধ করবে না। বরং এর সামনে নিজেদেরকে পূর্ণরূপে সোর্পদ করে দিবে’’। (সূরা নিসাঃ ৬৫)
بَاب الشُّرْبِ مِنْ الْأَوْدِيَةِ وَمِقْدَارِ حَبْسِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الزُّبَيْرِ، أَنَّ رَجُلاً، مِنَ الأَنْصَارِ خَاصَمَ الزُّبَيْرَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي شِرَاجِ الْحَرَّةِ الَّتِي يَسْقُونَ بِهَا النَّخْلَ فَقَالَ الأَنْصَارِيُّ سَرِّحِ الْمَاءَ يَمُرَّ . فَأَبَى عَلَيْهِ فَاخْتَصَمَا عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " اسْقِ يَا زُبَيْرُ ثُمَّ أَرْسِلِ الْمَاءَ إِلَى جَارِكَ " . فَغَضِبَ الأَنْصَارِيُّ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَنْ كَانَ ابْنَ عَمَّتِكَ فَتَلَوَّنَ وَجْهُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ثُمَّ قَالَ " يَا زُبَيْرُ اسْقِ ثُمَّ احْبِسِ الْمَاءَ حَتَّى يَرْجِعَ إِلَى الْجَدْرِ " . قَالَ فَقَالَ الزُّبَيْرُ وَاللَّهِ إِنِّي لأَحْسَبُ هَذِهِ الآيَةَ أُنْزِلَتْ فِي ذَلِكَ (فَلاَ وَرَبِّكَ لاَ يُؤْمِنُونَ حَتَّى يُحَكِّمُوكَ فِيمَا شَجَرَ بَيْنَهُمْ ثُمَّ لاَ يَجِدُوا فِي أَنْفُسِهِمْ حَرَجًا مِمَّا قَضَيْتَ وَيُسَلِّمُوا تَسْلِيمًا).
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Abdullah bin Zubair that :
a man from among the Ansar had a dispute with Zubair in the presence of the Messenger of Allah (ﷺ) concerning the streams of the Harrah with which he irrigated his palm trees. The Ansari said: “Let the water flow,” but he refused. So they referred their dispute to the Messenger of Allah (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) said: “Irrigate (your trees) O Zubair, then let the water flow to your neighbor.” The Ansari became angry and said: “O Messenger of Allah (ﷺ), is it because he is your cousin (son of your paternal aunt)?” The expression of the Messenger of Allah (ﷺ) changed, then he said: “O Zubair, irrigate (your trees) then retain the water until it reaches the walls.” Zubair said: “I think this Verse was revealed concerning that: “But no, by your Lord, they make you (O Muhammad) judge in all disputes between them, and find in themselves no resistance against your decisions, and accept (them) with full submission [1].'” (Sahih) [1] An-Nisa 4.65
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮১. উপত্যকা থেকে পানিসেচ এবং যে পরিমাণ পানি আটকে রাখা যাবে
২/২৪৮১। ছা’য়লাবা ইবনে আবূ মালেক (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাহযূর নামক উপত্যকার পানি প্রবাহ সম্পর্কে ফয়সালা দেন যে, উঁচু ভূমি নিচু ভূমির উপর অগ্রাধিকার পাবে। উঁচু ভূমিতে পানি জমে তা পায়ের গোছা পর্যন্ত পৌঁছার পর তা নিচু ভূমির দিকে ছেড়ে দিতে হবে।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ الْأَوْدِيَةِ وَمِقْدَارِ حَبْسِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، حَدَّثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ مَنْظُورِ بْنِ ثَعْلَبَةَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ، حَدَّثَنِي مُحَمَّدُ بْنُ عُقْبَةَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ، عَنْ عَمِّهِ، ثَعْلَبَةَ بْنِ أَبِي مَالِكٍ قَالَ قَضَى رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فِي سَيْلِ مَهْزُورٍ الأَعْلَى فَوْقَ الأَسْفَلِ يَسْقِي الأَعْلَى إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُرْسِلُ إِلَى مَنْ هُوَ أَسْفَلُ مِنْهُ .
It was narrated that Tha'labah bin Abu Malik said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) ruled concerning the stream of Mahzur that the higher ground took precedence over the lower, so the higher ground should be irrigated until the water reached the ankles, then it should be released to those who were lower.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮১. উপত্যকা থেকে পানিসেচ এবং যে পরিমাণ পানি আটকে রাখা যাবে
৩/২৪৮২। ’আমর ইবনে শু’আইব (রহঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মাহযূর উপত্যকার পানি প্রবাহ সম্পর্কে ফয়সালা দেন যে, পানি পায়ের গোছা পরিমাণ না জমা পর্যন্ত আটকে রাখা যাবে, অতঃপর (তার নিম্নের জমিতে) ছেড়ে দিতে হবে।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ الْأَوْدِيَةِ وَمِقْدَارِ حَبْسِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدَةَ، أَنْبَأَنَا الْمُغِيرَةُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى فِي سَيْلِ مَهْزُورٍ أَنْ يُمْسِكَ حَتَّى يَبْلُغَ الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُرْسِلَ الْمَاءَ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আল-মুগীরাহ বিন আব্দুর রহমান সম্পর্কে আবুল কাসিম বিন বিশকাওয়াল বলেন, তার ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী ও ফকীহ তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬১৩৫, ২৮/৩৮১ নং পৃষ্ঠা) ২. আবদুর রহমান সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল তাকে দুর্বল বলেছেন, অন্যত্র বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। আলী ইবনুল মাদীনী তাকে দুর্বল বলেছেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার মাঝে কোন সমস্যা নেই। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৮৭, ১৭/৩৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from 'Amr bin Shu`aib, from his father, from his grandfather, that :
the Messenger of Allah (ﷺ) ruled concerning the stream of Mahzur that the water should be retained until it reached the ankles, then released.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮১. উপত্যকা থেকে পানিসেচ এবং যে পরিমাণ পানি আটকে রাখা যাবে
৪/২৪৮৩। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নালা থেকে খেজুর বাগানে পানিসেচ সম্পর্কে ফয়সালা দেন যে, নিম্নভূমির আগে উচ্চভূমি পানিসেচে অগ্রাধিকার পাবে, যাবত না গোছা পর্যন্ত পানি জমে। তারপর পূর্বোক্ত নিয়মে সংলগ্ন নিচু ভূমির দিকে পানি ছেড়ে দিতে হবে। বাগানসমূহের বিলুপ্তি অথবা পানি নিঃশেষ না হওয়া পর্যন্ত এভাবে চলবে।
بَاب الشُّرْبِ مِنْ الْأَوْدِيَةِ وَمِقْدَارِ حَبْسِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا أَبُو الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا فُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ يَحْيَى بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى فِي شُرْبِ النَّخْلِ مِنَ السَّيْلِ أَنَّ الأَعْلَى فَالأَعْلَى يَشْرَبُ قَبْلَ الأَسْفَلِ وَيُتْرَكُ الْمَاءُ إِلَى الْكَعْبَيْنِ ثُمَّ يُرْسَلُ الْمَاءُ إِلَى الأَسْفَلِ الَّذِي يَلِيهِ وَكَذَلِكَ حَتَّى تَنْقَضِيَ الْحَوَائِطُ أَوْ يَفْنَى الْمَاءُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ফুদায়ল বিন সুলায়মান সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭৫৯, ২৩/২৭১ নং পৃষ্ঠা) ২. ইসহাক বিন ইয়াহইয়া ইবনুল ওয়ালীদ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার অবস্থা অজ্ঞাত। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি তার পিতা থেকে হাদিস শ্রবন করেননি। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার একাধিক হাদিস অরক্ষিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৯১, ২/৪৯৩ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহীহ কিন্তু ফুদায়ল বিন সুলায়মান ও ইসহাক বিন ইয়াহইয়া ইবনুল ওয়ালীদ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ২৪৩ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৪ টি খুবই দুর্বল, ৩৫ টি দুর্বল, ৭৮ টি হাসান, ১২৬ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ বুখারী ২৩৬০, ২৩৬১, ২৩৬২, ২৭০৮, ৪৫৮৫, মুসলিম ২৩৫৮, তিরমিযি ১৩৬৩, ৩০২৭, আবু দাউদ ৩৬৩৭, ৩৬৩৮, ৩৬৩৯, আহমাদ ১৪২২, ১৫৬৮৪, ২২২৭২, শারহুস সুন্নাহ ২১৯৪।
It was narrated from 'Ubadah bin Samit that :
the Messenger of Allah (ﷺ) ruled concerning the irrigation of palm trees from streams, that the higher ground should be irrigated before the lower, and that the water should be allowed to reach the ankles, then released to flow the nearest lower ground, and so on, until all the fields were watered or until the water ran out.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮২. পানি বণ্টন
১/২৪৮৪। আমর ইবনে আওফ আল-মুযানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ গবাদি পশুর পানি পান করানোর দিন প্রথমে ঘোড়াকে পানি পান করতে দিতে হবে।
بَاب قِسْمَةِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ الْحِزَامِيُّ، أَنْبَأَنَا أَبُو الْجَعْدِ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ كَثِيرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ عَوْفٍ الْمُزَنِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " يُبْدَأُ بِالْخَيْلِ يَوْمَ وِرْدِهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। কাসীর বিন আবদুল্লাহ বিন আমর বিন আওফ সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমভাবে তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন,তিনি মিথ্যুকদের একজন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৯৪৮, ২৪/১৩৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Kathir bin 'Abdullah bin 'Amr bin 'Awf Al-Muzani, from his father, that his grandfather said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Start with the horses on the day that you bring (the animals to drink).' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮২. পানি বণ্টন
২/২৪৮৫। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ জাহিলী যুগে যে জিনিস যেভাবে ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়েছিল, তা সেভাবেই বহাল থাকবে। আর যে সব জিনিসের ভাগ-বঁটোয়ারা ইসলামী যুগে পড়েছে তা ইসলামের বণ্টন নীতি অনুসারে ভাগ-বাঁটোয়ারা হবে।
بَاب قِسْمَةِ الْمَاءِ
حَدَّثَنَا الْعَبَّاسُ بْنُ جَعْفَرٍ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ دَاوُدَ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُسْلِمٍ الطَّائِفِيُّ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ أَبِي الشَّعْثَاءِ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " كُلُّ قَسْمٍ قُسِمَ فِي الْجَاهِلِيَّةِ فَهُوَ عَلَى مَا قُسِمَ وَكُلُّ قَسْمٍ أَدْرَكَهُ الإِسْلاَمُ فَهُوَ عَلَى قَسْمِ الإِسْلاَمِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মুসা বিন দাউদ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬২৫১, ২৯/৫৭ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন মুসলিম আত-তায়ফী সম্পর্কে আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তিনি সালিহ। আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি প্রত্যেক অবস্থায় দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে মুখস্ত হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৬০৪, ২৬/৪১২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn `Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Every division that was allocated according to (the rules of) the Ignorance days, stands as it is, and every division that was allocated according to (the rules of) Islam, stands according to the rules of Islam.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৩. কূপের সীমানা
১/২৪৮৬। আবদুল্লাহ ইবনে মুগাফ্ফাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ যে ব্যক্তি কূপ খনন করেছে সে তার গবাদি পশুর পানি পান করানোর সুবিধার্থে কূপের চারপাশে চল্লিশ হাত জায়গা পাবে।
بَاب حَرِيمِ الْبِئْرِ
حَدَّثَنَا الْوَلِيدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ سُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الْمُثَنَّى، ح وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ الصَّبَّاحِ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ بْنُ عَطَاءٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ الْمَكِّيُّ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُغَفَّلٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ حَفَرَ بِئْرًا فَلَهُ أَرْبَعُونَ ذِرَاعًا عَطَنًا لِمَاشِيَتِهِ " .
It was narrated from 'Abdullah bin Mughaffal that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever digs a well, is entitled to forty forearms' length surrounding it is as a resting place for his flocks.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৩. কূপের সীমানা
২/২৪৮৭। আবূ সাঈদ আল-খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কূপের চতুঃসীমা হবে কূপ থেকে পানি তোলার রশির দৈর্ঘ্যের সমপরিমাপ।
بَاب حَرِيمِ الْبِئْرِ
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي الصُّغْدِيِّ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ صُقَيْرٍ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ مُحَمَّدٍ، عَنْ نَافِعٍ أَبِي غَالِبٍ، عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " حَرِيمُ الْبِئْرِ مَدُّ رِشَائِهَا " .
It was narrated from Abu Sa'eed Al-Khudri that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The land around a well (that is considered to be part of it) is the length of the well rope (in all directions).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৪. গাছের সীমানা
১/২৪৮৮। উবাদা ইবনুস সামিত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ফয়সালা দিয়েছেন যে, একটি, দু’টি বা তিনটি খেজুর গাছের স্বত্ব নিয়ে লোকেদের মধ্যে মতবিরোধ হলে, প্রতিটি গাছের ডালপালা যতদূর বিস্তৃত, ততোটা হবে এর সীমা।
بَاب حَرِيمِ الشَّجَرِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ رَبِّهِ بْنُ خَالِدٍ النُّمَيْرِيُّ أَبُو الْمُغَلِّسِ، حَدَّثَنَا الْفُضَيْلُ بْنُ سُلَيْمَانَ، حَدَّثَنَا مُوسَى بْنُ عُقْبَةَ، أَخْبَرَنِي إِسْحَاقُ بْنُ يَحْيَى بْنِ الْوَلِيدِ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ الصَّامِتِ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى فِي النَّخْلَةِ وَالنَّخْلَتَيْنِ وَالثَّلاَثَةِ لِلرَّجُلِ فِي النَّخْلِ فَيَخْتَلِفُونَ فِي حُقُوقِ ذَلِكَ فَقَضَى أَنَّ لِكُلِّ نَخْلَةٍ مِنْ أُولَئِكَ مِنَ الأَرْضِ مَبْلَغُ جَرِيدِهَا حَرِيمٌ لَهَا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ফুদায়ল বিন সুলায়মান সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি যাচাই-বাচাই ছাড়া হাদিস গ্রহন করেন ও তা বর্ণনা করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৭৫৯, ২৩/২৭১ নং পৃষ্ঠা) ২. ইসহাক বিন ইয়াহইয়া ইবনুল ওয়ালীদ সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তার অবস্থা অজ্ঞাত। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি তার পিতা থেকে হাদিস শ্রবন করেননি। আবু আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, তার একাধিক হাদিস অরক্ষিত। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৯১, ২/৪৯৩ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু ফুদায়ল বিন সুলায়মান এর দুর্বলতা ও ইসহাক বিন ইয়াহইয়া ইবনুল ওয়ালীদ এর জাহালাতের কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ১৮ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৩ টি খুবই দুর্বল, ৫ টি দুর্বল, ৫ টি হাসান, ৫ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আহমাদ ২২২৭২।
It was narrated from 'Ubadah bin Samit that :
the Messenger of Allah (ﷺ) ruled concerning one, two or three date palms belonging to a man among other palm trees - when they differ concerning entitlement to the surrounding land. He ruled that the land around each of those trees, as far as their leaves reach, measured from the bottom of the tree, belongs to the owner of the tree.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০৩. কোন ব্যক্তি তার দাস-দাসী দম্পতিকে আযাদ করতে চাইলে, প্রথমে যেন পুরুষ লোকটিকে আযাদ করে
২/২৪৮৯। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খেজুর গাছের শাখা চারদিকে যতদূর বিস্তৃত হবে ততদূর তার সীমা।
بَاب مَنْ أَرَادَ عِتْقَ رَجُلٍ وَامْرَأَتِهِ فَلْيَبْدَأْ بِالرَّجُلِ
حَدَّثَنَا سَهْلُ بْنُ أَبِي الصُّغْدِيِّ، حَدَّثَنَا مَنْصُورُ بْنُ صُقَيْرٍ، حَدَّثَنَا ثَابِتُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَبْدِيُّ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " حَرِيمُ النَّخْلَةِ مَدُّ جَرِيدِهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী মানসুর বিন সুকায়র সম্পর্কে আবু জা'ফার আল-উকায়লী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কিছু সন্দেহ করেন। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৬১৯৬, ২৮/৫৩৩ নং পৃষ্ঠা) ২. সাবিত বিন মুহাম্মাদ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। আবু আবদুল্লাহ আল-হাকিম আন নায়সাবুরী বলেন, তিনি দাবিত নয়। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য ও দাবিত নয়, তিনি হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৮৩০, ৪/৩৭৪ নং পৃষ্ঠা) উক্ত হাদিসটি সহিহ কিন্তু মানসুর বিন সুকায়র ও সাবিত বিন মুহাম্মাদ এর কারণে সানাদটি দুর্বল। হাদিসটির ১৮ টি শাহিদ হাদিস রয়েছে, তন্মধ্যে ৩ টি খুবই দুর্বল, ৫ টি দুর্বল, ৫ টি হাসান, ৫ টি সহিহ হাদিস পাওয়া যায়। তন্মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলঃ আহমাদ ২২২৭২।
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah Said:
“The land around a date-palm tree, as far as its branches reach, belongs to the owner of the tree.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৫. কোন ব্যক্তি বাড়ি-ঘর ও জায়গা-জমির বিক্রয়লদ্ধ মূল্য দ্বারা অনুরূপ সম্পদ ক্রয় না করলে
১/২৪৯০। সাঈদ হুরাইছ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি বাড়িঘর অথবা স্থাবর সম্পত্তি বিক্রয় করার পর তার বিক্রয়লববা মূল্য দ্বারা অনুরূপ সম্পত্তি ক্রয় না করলে তাকে কখনো তাতে বরকত দান করা হয় না।
২/২৪৯০(১)। মুহাম্মাদ ইবনে বাশশার-উবায়দুল্লাহ ইবনে আবদুল মজীদ-ইসমাঈল ইবনে ইবরাহীম আবদুল মালেক ইবনে উমায়র-আমর ইবনে হুরাইছ-তার ভাই সাঈদ ইবনে হুরাইছ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
بَاب مَنْ بَاعَ عَقَارًا وَلَمْ يَجْعَلْ ثَمَنَهُ فِي مِثْلِهِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ حُرَيْثٍ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ بَاعَ دَارًا أَوْ عَقَارًا فَلَمْ يَجْعَلْ ثَمَنَهُ فِي مِثْلِهِ كَانَ قَمِنًا أَنْ لاَ يُبَارَكَ فِيهِ " .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنِي إِسْمَاعِيلُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُهَاجِرٍ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ حُرَيْثٍ، عَنْ أَخِيهِ، سَعِيدِ بْنِ حُرَيْثٍ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مِثْلَهُ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ইসমাইল বিন ইবরাহীম বিন মুহাজির সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি দুর্বল, আমি তার থেকে হাদিস গ্রহন করিনি। আবু নুমায়র আল-আসবাহানী বলেন, তিনি সিকাহ নয়। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী, ইবনুল জারদ ও ইবনু হাজার আল-আসকালানী তারা সকলে বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪১৮, ৩/৩৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Sa'eed bin Huraith said:
“I heard the Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever sells a house or property and does not use the money for something similar, deserves not to be blessed therein.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৫. কোন ব্যক্তি বাড়ি-ঘর ও জায়গা-জমির বিক্রয়লদ্ধ মূল্য দ্বারা অনুরূপ সম্পদ ক্রয় না করলে
৩/২৪৯১। হুযায়ফা ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি বাড়িঘর বিক্রয় করার পর তার বিক্রয়লব্ধ মূল্য দ্বারা অনুরূপ সম্পত্তি ক্রয় না করলে তাকে কখনো তাতে বরকত দান করা হয় না।
بَاب مَنْ بَاعَ عَقَارًا وَلَمْ يَجْعَلْ ثَمَنَهُ فِي مِثْلِهِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَعَمْرُو بْنُ رَافِعٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مَرْوَانُ بْنُ مُعَاوِيَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو مَالِكٍ النَّخَعِيُّ، عَنْ يُوسُفَ بْنِ مَيْمُونٍ، عَنْ أَبِي عُبَيْدَةَ بْنِ حُذَيْفَةَ، عَنْ أَبِيهِ، حُذَيْفَةَ بْنِ الْيَمَانِ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ بَاعَ دَارًا وَلَمْ يَجْعَلْ ثَمَنَهَا فِي مِثْلِهَا لَمْ يُبَارَكْ لَهُ فِيهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল মালিক বিন হুসায়ন আবু মালিক আন-নাখঈ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী ও আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু দাউদ আস-সাজিসতানী ও ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ নয় তার হাদিস গ্রহন করা যাবে না। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে অভিযুক্ত। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল বলেছেন। আমর বিন আলী আল-ফাল্লাস বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৫৯৯, ৩৪/২৪৭ নং পৃষ্ঠা) ২. ইউসুফ বিন মায়মুন সম্পর্কে আহমাদ বিন আদী আল-জুরজানী বলেন, আমি তার হাদিসের মাঝে কোন সমস্যা দেখি না। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল।
It was narrated from Hudhaifah bin Yaman that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever sells a house and does not use the money for something similar, will not to be blessed therein.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৬. কেউ বাড়ি বা জমি বিক্রয় করার পূর্বে যেন তার অংশীদারকে অবহিত করে
১/২৪৯২। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কারো খেজুর বাগান বা কৃষিভূমি থাকলে সে যেন তার শরীককে তা ক্রয়ের প্রস্তাব না করা পর্যন্ত বিক্রয় না করে।
بَاب مَنْ بَاعَ رُبَاعًا فَلْيُؤْذِنْ شَرِيكَهُ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ الصَّبَّاحِ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ، عَنْ جَابِرٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ كَانَتْ لَهُ نَخْلٌ أَوْ أَرْضٌ فَلاَ يَبِيعُهَا حَتَّى يَعْرِضَهَا عَلَى شَرِيكِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Jabir said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'Whoever has a date-palm tree or land, should not sell it until he has offered it to his partner.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৬. কেউ বাড়ি বা জমি বিক্রয় করার পূর্বে যেন তার অংশীদারকে অবহিত করে
২/২৪৯৩। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কারো জমাজমি থাকলে এবং সে তা বিক্রয় করতে চাইলে তার প্রতিবেশীকে (তা ক্রয়ের) প্রস্তাব দিবে।
بَاب مَنْ بَاعَ رُبَاعًا فَلْيُؤْذِنْ شَرِيكَهُ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ، وَالْعَلاَءُ بْنُ سَالِمٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَنْبَأَنَا شَرِيكٌ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ كَانَتْ لَهُ أَرْضٌ فَأَرَادَ بَيْعَهَا فَلْيَعْرِضْهَا عَلَى جَارِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহীহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn Abbas that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever has land and wants to sell it, let him offer it to his neighbor.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৭. প্রতিবেশীর শুফ‘আর অধিকার
১/২৪৯৪। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ প্রতিবেশী তার প্রতিবেশীর শুফ’আর অধিক হকদার। তাদের উভয়ের যাতায়াতের একই পথ হলে তার অনুপস্থিতিতে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে।
بَاب الشُّفْعَةِ بِالْجِوَارِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا هُشَيْمٌ، أَنْبَأَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الْجَارُ أَحَقُّ بِشُفْعَةِ جَارِهِ يَنْتَظِرُ بِهَا إِنْ كَانَ غَائِبًا إِذَا كَانَ طَرِيقُهُمَا وَاحِدًا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The neighbor has more right to preemption of his neighbor, so let him wait for him even if he is absent, if they share a path.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৭. প্রতিবেশীর শুফ‘আর অধিকার
২/২৪৯৫। আবূ রাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশী (শুফ’আর) অধিক হকদার।
بَاب الشُّفْعَةِ بِالْجِوَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْجَارُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Rafi' that the Prophet (ﷺ) said:
“The neighbor has more right to property that is near.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৭. প্রতিবেশীর শুফ‘আর অধিকার
৩/২৪৯৬। শারীদ ইবনে সুওয়াইদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এক খন্ড জমি যাতে কারো অংশও নেই এবং কোন শরীকও নেই, কিন্তু প্রতিবেশী আছে। তিনি বলেনঃ নৈকট্যের কারণে প্রতিবেশীই তার অধিক হকদার।
بَاب الشُّفْعَةِ بِالْجِوَارِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا أَبُو أُسَامَةَ، عَنْ حُسَيْنٍ الْمُعَلِّمِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، عَنْ أَبِيهِ الشَّرِيدِ بْنِ سُوَيْدٍ، قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرْضٌ لَيْسَ فِيهَا لأَحَدٍ قِسْمٌ وَلاَ شِرْكٌ إِلاَّ الْجِوَارُ . قَالَ " الْجَارُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান সহীহ।
It was narrated that Sharid bin Suwaid said:
“I said: 'O Messenger of Allah, (what do you think of) land owned by only one person but this land has neighbors?' He said: 'The neighbor has more right to property that is near.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৮. সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না
১/২৪৯৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এজমালী সম্পত্তিতে শুফ’আর ফয়সালা দিয়েছেন। সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফ’আর অধিকার থাকে না।
২/২৪৯৭(১)। মুহাম্মাদ ইবনে হাম্মাদ আত-তিহরানী-আবূ আসেম-মালেক-যুহরী-সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাব-আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে অনুরূপ হাদীছ বর্ণিত হয়েছে। আবূ আসেম (রাঃ) বলেন, সাঈদ ইবনুল মুসাইয়্যাবের রিওয়ায়াতটি মুরসাল এবং আবূ সালামা-আবূ হুরায়রা (রাঃ) সূত্রের রিওয়ায়াতটি মুত্তাসিল।
بَاب إِذَا وَقَعَتْ الْحُدُودُ فَلَا شُفْعَةَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَعَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ عُمَرَ، قَالاَ حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضي الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَضَى بِالشُّفْعَةِ فِيمَا لَمْ يُقْسَمْ فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ فَلاَ شُفْعَةَ .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَمَّادٍ الطِّهْرَانِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، عَنْ مَالِكٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَحْوَهُ . قَالَ أَبُو عَاصِمٍ سَعِيدُ بْنُ الْمُسَيَّبِ مُرْسَلٌ وَأَبُو سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ مُتَّصِلٌ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that:
the Messenger of Allah (ﷺ) ruled concerning preemption of land that has not been divided; if the boundaries have been set then there is no preemption.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৮. সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না
৩/২৪৯৮। আবূ রাফে (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শরীক নিকটতর হওয়ার কারণে শুফ’আর দাবিতে অগ্রগণ্য।
بَاب إِذَا وَقَعَتْ الْحُدُودُ فَلَا شُفْعَةَ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَرَّاحِ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مَيْسَرَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ الشَّرِيدِ، عَنْ أَبِي رَافِعٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الشَّرِيكُ أَحَقُّ بِسَقَبِهِ مَا كَانَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী আবদুল্লাহ ইবনুল জাররাহ সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিসের ব্যাপারে নির্ভরযোগ্য। আবু যুরআহ আর-রাযী তাকে সত্যবাদী বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩১৯৯, ১৪/৩৬১ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Rafi' that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“The partner has more right to what is near him, so long as he is still a partner.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৮. সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে শুফ‘আর অধিকার থাকে না
৪/২৪৯৯। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম প্রত্যেক এজমালী সম্পত্তিতে শুফ’আর (ক্রয়ে অগ্রাধিকার থাকার) ব্যবস্থা করেছেন। (বণ্টনের পর প্রত্যেকের) সীমানা নির্ধারিত হয়ে গেলে এবং রাস্তা হয়ে গেলে আর শুফ’আর অধিকার থাকে না।
بَاب إِذَا وَقَعَتْ الْحُدُودُ فَلَا شُفْعَةَ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنْ مَعْمَرٍ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ أَبِي سَلَمَةَ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ إِنَّمَا جَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم الشُّفْعَةَ فِي كُلِّ مَا لَمْ يُقْسَمْ فَإِذَا وَقَعَتِ الْحُدُودُ وَصُرِّفَتِ الطُّرُقُ فَلاَ شُفْعَةَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Jabir bin Abdullah that:
the Messenger of Allah (ﷺ) ruled that preemption takes effect in all cases where land has not been divided. But if the boundaries have been set and the roads laid out, then there is no preemption.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৯. শুফ‘আর দাবি উত্থাপন
১/২৫০০। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ শুফ’আ হলো উটের বাঁধন খুলে দেয়ার সমতুল্য।
بَاب طَلَبِ الشُّفْعَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " الشُّفْعَةُ كَحَلِّ الْعِقَالِ " .
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল হারিস সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী তার হাদিস বর্জন করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি মুনকার। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫১৩০, ২৫/৩০ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-বায়লামানী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। আবু নুআয়ম আল-আসবাহানী ও আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি মুনকার। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৩৯২, ২৫/৫৯৪ নং পৃষ্ঠা) ৩. আবদুর রহমান আল-বায়লামানী সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, মুনকারুল হাদিস। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহণযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৭৪, ১৭/৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Preemption is like undoing the `Iqal.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৮৯. শুফ‘আর দাবি উত্থাপন
২/২৫০১। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন শরীক অপর শরীকের আগে ক্রয় করলে সেই ক্ষেত্রে শুফ’আর দাবি করা যাবে না এবং নাবালেগ ও অনুপস্থিত ব্যক্তির অনুকূলে শুফ’আর দাবি বর্তায় না।
بَاب طَلَبِ الشُّفْعَةِ
حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ سَعِيدٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَارِثِ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ الْبَيْلَمَانِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " لاَ شُفْعَةَ لِشَرِيكٍ عَلَى شَرِيكٍ إِذَا سَبَقَهُ بِالشِّرَاءِ وَلاَ لِصَغِيرٍ وَلاَ لِغَائِبٍ " .It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“There is no preemption for a partner when his co-partner has beaten him to it (in another deal before), not for a minor nor one who is absent.”
তাহকীক আলবানীঃ খুবই দুর্বল। উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ ইবনুল হারিস সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। আবু হাতিম বিন হিব্বান তার সিকাহ গ্রন্থে তার নাম উল্লেখ করেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী তার হাদিস বর্জন করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম তিরমিযি বলেন, তিনি মুনকার। ইমাম যাহাবী তাকে দুর্বল হিসেবে উল্লেখ করেছেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫১৩০, ২৫/৩০ নং পৃষ্ঠা) ২. মুহাম্মাদ বিন আবদুর রহমান আল-বায়লামানী সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল, তিনি হাদিস বর্ণনায় ইদতিরাব করেন। আবু নুআয়ম আল-আসবাহানী ও আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি মুনকার। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৩৯২, ২৫/৫৯৪ নং পৃষ্ঠা) ৩. আবদুর রহমান আল-বায়লামানী সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, মুনকারুল হাদিস। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহণযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৭৭৪, ১৭/৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn 'Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“There is no preemption for a partner when his co-partner has beaten him to it (in another deal before), not for a minor nor one who is absent.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯০. হারানো উট, গরু, ছাগল ইত্যাদি গবাদি পশু প্রাপ্তি সম্পর্কে
১/২৫০২। আবুদল্লাহ ইবনুশ-শিখখীর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মুসলিমের হারানো বস্ত্ত (অপরের জন্য) জাহান্নামের আগুন।
بَاب ضَالَّةِ الْإِبِلِ وَالْبَقَرِ وَالْغَنَمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ حُمَيْدٍ الطَّوِيلِ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ مُطَرِّفِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ الشِّخِّيرِ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " ضَالَّةُ الْمُسْلِمِ حَرَقُ النَّارِ " .
It was narrated from Mutarrif bin 'Abdullah bin Shikhkhir that his father said:
“The Messenger of Allah (ﷺ) said: 'The lost animal of the Muslim may lead to the burning flame of Hell.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯০. হারানো উট, গরু, ছাগল ইত্যাদি গবাদি পশু প্রাপ্তি সম্পর্কে
২/২৫০৩। আল-মুনযির ইবনে জারীর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আল-ইয়াওয়াজীহ নামক স্থানে আমার পিতার সাথে ছিলাম। সন্ধ্যাবেলা গরুর পাল ফিরে এলে তার সাথে তিনি একটি অপরিচিত গাভী দেখে বলেনঃ এটা কাদের গাভী? লোকেরা বললো, এই গাভীটি আমাদের গরুর সাথে চলে এসেছে। রাবী বলেন, তিনি গাভীটি সম্পর্কে নির্দেশ দিলে তদনুযায়ী সেটিকে তাড়িয়ে দেয়া হলো, শেষে তা দৃষ্টির আড়ালে চলে গেলো। অতঃপর তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কেবল পথভ্রষ্ট ব্যক্তিই হারানো জন্তুকে আশ্রয় দেয়।
بَاب ضَالَّةِ الْإِبِلِ وَالْبَقَرِ وَالْغَنَمِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا أَبُو حَيَّانَ التَّيْمِيُّ، حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ، خَالُ الْمُنْذِرِ بْنِ جَرِيرٍ عَنِ الْمُنْذِرِ بْنِ جَرِيرٍ، قَالَ كُنْتُ مَعَ أَبِي بِالْبَوَازِيجِ فَرَاحَتِ الْبَقَرُ فَرَأَى بَقَرَةً أَنْكَرَهَا فَقَالَ مَا هَذِهِ قَالُوا بَقَرَةٌ لَحِقَتْ بِالْبَقَرِ . قَالَ فَأَمَرَ بِهَا فَطُرِدَتْ حَتَّى تَوَارَتْ ثُمَّ قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " لاَ يُئْوِي الضَّالَّةَ إِلاَّ ضَالٌّ " .
It was narrated that Mundhir bin Jarir said:
“I was with my father in Bawazij and the cows came back in the evening. He saw a cow did not recognize it. He said: 'What is this?' He said: 'A cow that joined the herd.' And he issued orders that it be driven away until it disappeared from view. Then he said: 'I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: “No one gives refuge to a stray animal but one who is also astray.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯০. হারানো উট, গরু, ছাগল ইত্যাদি গবাদি পশু প্রাপ্তি সম্পর্কে
৩/২৫০৪। যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে পথ ভোলা উট সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি অসন্তুষ্ট হন, এমনকি তাঁর গন্ডদেশ বা মুখমণ্ডল রক্তিমাভ হয়ে যায়। তিনি বলেনঃ তাতে তোমার কী? ওর সাথে জুতা (খুর) ও মশক (পেট) রয়েছে। সে পানির উৎসে পৌঁছে তা পান করতে থাকবে এবং গাছপাতা খেতে থাকবে, শেষে তার মালিক তাকে পেয়ে যাবে। তাঁকে হারানো মেষ-বকরী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ তাকে ধরে রাখো। হয় এটা তোমার অথবা তোমার ভাইয়ের অথবা নেকড়ে বাঘের জন্য। তাঁকে হারানো বস্ত্ত সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেনঃ তার থলে ও চামড়ার বাক্স এবং মুখ বাঁধার রশি উত্তমরূপে চিনে রাখো এবং এক বছর ধরে তার ঘোষণা দিতে থাকো। যদি তার মালিক পাওয়া যায় তো ভালো, অন্যথায় তা তোমাদের মালের সাথে যোগ করো।
بَاب ضَالَّةِ الْإِبِلِ وَالْبَقَرِ وَالْغَنَمِ
حَدَّثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ بْنِ الْعَلاَءِ الأَيْلِيُّ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ رَبِيعَةَ بْنِ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ يَزِيدَ، مَوْلَى الْمُنْبَعِثِ عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، فَلَقِيتُ رَبِيعَةَ فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ حَدَّثَنِي يَزِيدُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ سُئِلَ عَنْ ضَالَّةِ الإِبِلِ فَغَضِبَ وَاحْمَرَّتْ وَجْنَتَاهُ وَقَالَ " مَالَكَ وَلَهَا مَعَهَا الْحِذَاءُ وَالسِّقَاءُ تَرِدُ الْمَاءَ وَتَأْكُلُ الشَّجَرَ حَتَّى يَلْقَاهَا رَبُّهَا " . وَسُئِلَ عَنْ ضَالَّةِ الْغَنَمِ فَقَالَ " خُذْهَا فَإِنَّمَا هِيَ لَكَ أَوْ لأَخِيكَ أَوْ لِلذِّئْبِ " . وَسُئِلَ عَنِ اللُّقَطَةِ فَقَالَ " اعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِكَاءَهَا وَعَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنِ اعْتُرِفَتْ وَإِلاَّ فَاخْلِطْهَا بِمَالِكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Zaid bin Khalid that the Prophet (ﷺ) was asked about a lost camel. :
He turned red, and he said: “What does it have to do with you? It has its feet and its water supply, it can go and drink water and eat from the trees until its owner finds it.” And he was asked about lost sheep, and he said: “Take it, for it will be for you or for your brother or for the wolf.” And he was asked about lost property and he said: “Remember the features of its leather bag and strap, and announce it for one year, then if someone claims it, describing it to you with those features (give it to him), otherwise incorporate it into your own wealth.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯১. কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু (লুকতা) প্রাপ্তির বিধান
১/২৫০৫। ইয়াদ ইবনে হিমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ কারো কুড়িয়ে পাওয়া বস্ত্ত পেলে যেন একজন অথবা দু’জন ন্যায়পরায়ণ লোককে সাক্ষী রাখে, অতঃপর তা পরিবর্তনও না করে এবং গোপনও না করে। যদি তার মলিক এসে যায় তবে সে-ই তার যথার্থ প্রাপক, অন্যথায় তা আল্লাহ্র সম্পদ, যাকে ইচ্ছা তা দান করেন।
بَاب اللُّقَطَةِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ الثَّقَفِيُّ، عَنْ خَالِدٍ الْحَذَّاءِ، عَنْ أَبِي الْعَلاَءِ، عَنْ مُطَرِّفٍ، عَنْ عِيَاضِ بْنِ حِمَارٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ وَجَدَ لُقَطَةً فَلْيُشْهِدْ ذَا عَدْلٍ أَوْ ذَوَىْ عَدْلٍ ثُمَّ لاَ يُغَيِّرْهُ وَلاَ يَكْتُمْ فَإِنْ جَاءَ رَبُّهَا فَهُوَ أَحَقُّ بِهَا وَإِلاَّ فَهُوَ مَالُ اللَّهِ يُؤْتِيهِ مَنْ يَشَاءُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from 'Iyad bin Himar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever finds lost property, let him ask one or two men of good character to witness it, then he should not alter it nor conceal it. If its owner comes along, then he has more right to it, otherwise it belongs to Allah (SWT), Who gives it to whomsoever He wills.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯১. কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু (লুকতা) প্রাপ্তির বিধান
২/২৫০৬। সুওয়াইদ ইবনে গাফালা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি যায়েদ ইবনে সূহান ও সালমান ইবনে রাবীআর সাথে সফরে বের হলাম। আমরা উযায়ব নামক স্থানে পৌঁছে আমি একটি চাবুক কুড়িয়ে পেলাম। তারা উভয়ে আমাকে বলেন, এটা ফেলে দাও, কিন্তু আমি তা অস্বীকার করলাম। অতঃপর আমরা মদীনায় ফিরে এসে আমি উবাই ইবনে কাব (রাঃ) -এর নিকট উপস্থিত হয়ে তাকে বিষয়টি জানালাম। তিনি বলেন, তুমি ঠিকই করেছো। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে এক শত দীনার কুড়িয়ে পেয়েছিলাম। আমি তাঁকে (এর বিধান) জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ এক বছর পর্যন্ত এর ঘোষণা দিতে থাকো। আমি ঘোষণা দিতে থাকলাম, কিন্তু তার শনাক্তকারী কাউকে পেলাম না। পুনরায় আমি তাঁকে জিজ্ঞস করলে তিনি বলেনঃ ঘোষণা দিতে থাকো। আমি ঘোষণা দিতে থাকলাম, কিন্তু তার শনাক্তকারী পেলাম না। অতঃপর তিনি বলেনঃ তুমি তার থলে ও মুখ বাঁধার রশি ও মুদ্রার সংখ্যা চিনে রাখো এবং আরো এক বছর ঘোষণা দাও। যদি তার শনাক্তকারী আসে তো ভালো, অন্যথায় তা তোমার সম্পদতুল্য।
بَاب اللُّقَطَةِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ سُوَيْدِ بْنِ غَفَلَةَ، قَالَ خَرَجْتُ مَعَ زَيْدِ بْنِ صُوحَانَ وَسَلْمَانَ بْنِ رَبِيعَةَ حَتَّى إِذَا كُنَّا بِالْعُذَيْبِ الْتَقَطْتُ سَوْطًا فَقَالاَ لِي أَلْقِهِ . فَأَبَيْتُ فَلَمَّا قَدِمْنَا الْمَدِينَةَ أَتَيْتُ أُبَىَّ بْنَ كَعْبٍ فَذَكَرْتُ ذَلِكَ لَهُ فَقَالَ أَصَبْتَ الْتَقَطْتُ مِائَةَ دِينَارٍ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ " عَرِّفْهَا سَنَةً " . فَعَرَّفْتُهَا فَلَمْ أَجِدْ أَحَدًا يَعْرِفُهَا فَسَأَلْتُهُ فَقَالَ " عَرِّفْهَا " . فَعَرَّفْتُهَا فَلَمْ أَجِدْ أَحَدًا يَعْرِفُهَا . فَقَالَ " اعْرِفْ وِعَاءَهَا وَوِكَاءَهَا وَعَدَدَهَا ثُمَّ عَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنْ جَاءَ مَنْ يَعْرِفُهَا وَإِلاَّ فَهِيَ كَسَبِيلِ مَالِكَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Suwaid bin Ghafalah said:
“I went out with Zaid bin Suhan and Salman bin Rabi'ah, and when we were at `Udhaib, I found a whip. They said to me: 'Throw it away,' but I refused. When we came to Al-Madinah I went to Ubayy bin Ka'b and told him about that. He said: 'You did the right thing. I found one hundred dinar that had been lost at the time of the Messenger of Allah (ﷺ), and I asked him about it. He said, “Announce it for a year.” So I Announced it, and I did not find anyone who recognized it. He said: “Remember the features of its bag and strap, and how many it contains, then announce it for a year. If someone comes who describes it with those features, (give it to him), otherwise it is like your own property.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯১. কুড়িয়ে পাওয়া বস্তু (লুকতা) প্রাপ্তির বিধান
৩/২৫০৭। যায়েদ ইবনে খালিদ আল-জুহানী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে হারানো বস্তু (লুকতা) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেনঃ এক বছর পর্যন্ত তার ঘোষণা দিতে থাকো। যদি তার মালিক পাও, তবে তাকে তা ফেরত দাও। আর যদি তার মালিক না পাও তবে তার থলে এবং মুখ বাঁধার রশি চিনে রাখো। তারপর তুমি তা ব্যবহার করো। এরপর যদি তার মালিক এসে যায়, তবে তাকে তা ফেরত দাও।
بَاب اللُّقَطَةِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْحَنَفِيُّ، ح وَحَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا الضَّحَّاكُ بْنُ عُثْمَانَ الْقُرَشِيُّ، حَدَّثَنِي سَالِمٌ أَبُو النَّضْرِ، عَنْ بُسْرِ بْنِ سَعِيدٍ، عَنْ زَيْدِ بْنِ خَالِدٍ الْجُهَنِيِّ، . أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنِ اللُّقَطَةِ فَقَالَ " عَرِّفْهَا سَنَةً فَإِنِ اعْتُرِفَتْ فَأَدِّهَا فَإِنْ لَمْ تُعْرَفْ فَاعْرِفْ عِفَاصَهَا وَوِعَاءَهَا ثُمَّ كُلْهَا فَإِنْ جَاءَ صَاحِبُهَا فَأَدِّهَا إِلَيْهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী দাহহাক বিন উসমান আল-কুরাশী সম্পর্কে আবুল কাসিম বিন বিশকাওয়াল বলেন, তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি সত্যবাদী। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৯২২, ১৩/২৩২ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Zaid bin Khalid Al-Juhani that the Messenger of Allah (ﷺ) was asked about lost property. :
He said: “Announce it for a year, then if someone describes it with its features, return it to him. If no one claims it, then remember the features of its leather bag and strap, and consume it (use it). Then if its owner comes along, give it to him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯২. গর্ত থেকে ইঁদুর যা বের করে দেয়, তার বিধান
১/২৫০৮। মিকদাদ ইবনে ’আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। প্রাকৃতিক প্রয়োজনে তিনি একদিন আল-বাকী নামক কবরস্থানে যান। তৎকালে লোকেরা দু’-তিন দিন পরপর প্রাকৃতিক প্রয়োজন সারতো। তারা উটের বিষ্ঠা সদৃশ মল ত্যাগ করতো। অতঃপর তিনি একটি বিরান ঘরে প্রবেশ করেন। তিনি বসে প্রয়োজন সারছিলেন, হঠাৎ দেখলেন যে, একটি ইঁদুর তার গর্ত থেকে একটি দীনার বের করলো। তারপর সে গর্তে প্রবেশ করে আর একটি দীনার বের করলো। ইঁদুরটি এভাবে পরপর সতেরটি দীনার বের করলো, অতঃপর একটি লাল কাপড়ের টুকরা টেনে বের করলো। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, আমি আস্তে আস্তে কাপড়ের টুকরাটি টেনে উঠালাম এবং তার মধ্যেও একটি দীনার পেলাম।
এভাবে মোট আঠারটি দীনার হলো। আমি সেগুলো নিয়ে সরাসরি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট চলে এলাম এবং বিষয়টি তাঁকে জানালাম। আমি আরো বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এর যাকাত গ্রহণ করুন। তিনি বলেনঃ তুমি এগুলো নিয়ে যাও এবং এর কোন যাকাত নেই। আল্লাহ এগুলোতে তোমার বরকত দান করুন। অতঃপর তিনি বলেনঃ মনে হয় তুমি গর্তের মধ্যে তোমার হাত ঢুকিয়েছিলে। আমি বললাম, সেইসত্তার শপথ যিনি আপনাকে সত্য দীন দ্বারা মর্যাদাবান করেছেন! আমি গর্তে হাত ঢুকাইনি। রাবী বলেন, এর শেষ দীনারটি তার ইনতিকাল পর্যন্ত অবশিষ্ট ছিলো।
بَاب الْتِقَاطِ مَا أَخْرَجَ الْجُرَذُ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَالِدِ بْنِ عَثْمَةَ، حَدَّثَنِي مُوسَى بْنُ يَعْقُوبَ الزَّمْعِيُّ، حَدَّثَتْنِي عَمَّتِي، قُرَيْبَةُ بِنْتُ عَبْدِ اللَّهِ أَنَّ أُمَّهَا، كَرِيمَةَ بِنْتَ الْمِقْدَادِ بْنِ عَمْرٍو أَخْبَرَتْهَا عَنْ ضُبَاعَةَ بِنْتِ الزُّبَيْرِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ عَمْرٍو، أَنَّهُ خَرَجَ ذَاتَ يَوْمٍ إِلَى الْبَقِيعِ وَهُوَ الْمَقْبُرَةُ لِحَاجَتِهِ وَكَانَ النَّاسُ لاَ يَذْهَبُ أَحَدُهُمْ فِي حَاجَتِهِ إِلاَّ فِي الْيَوْمَيْنِ وَالثَّلاَثَةِ فَإِنَّمَا يَبْعَرُ كَمَا تَبْعَرُ الإِبِلُ ثُمَّ دَخَلَ خَرِبَةً فَبَيْنَمَا هُوَ جَالِسٌ لِحَاجَتِهِ إِذْ رَأَى جُرَذًا أَخْرَجَ مِنْ جُحْرٍ دِينَارًا ثُمَّ دَخَلَ فَأَخْرَجَ آخَرَ حَتَّى أَخْرَجَ سَبْعَةَ عَشَرَ دِينَارًا ثُمَّ أَخْرَجَ طَرَفَ خِرْقَةٍ حَمْرَاءَ . قَالَ الْمِقْدَادُ فَسَلَلْتُ الْخِرْقَةَ فَوَجَدْتُ فِيهَا دِينَارًا فَتَمَّتْ ثَمَانِيَةَ عَشَرَ دِينَارًا فَخَرَجْتُ بِهَا حَتَّى أَتَيْتُ بِهَا رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَخْبَرْتُهُ خَبَرَهَا فَقُلْتُ خُذْ صَدَقَتَهَا يَا رَسُولَ اللَّهِ . قَالَ " ارْجِعْ بِهَا لاَ صَدَقَةَ فِيهَا بَارَكَ اللَّهُ لَكَ فِيهَا " . ثُمَّ قَالَ " لَعَلَّكَ أَتْبَعْتَ يَدَكَ فِي الْجُحْرِ " . قُلْتُ لاَ وَالَّذِي أَكْرَمَكَ بِالْحَقِّ . قَالَ فَلَمْ يَفْنَ آخِرُهَا حَتَّى مَاتَ .
It was narrated from Miqdad bin 'Amr:
That he went out one day to Al-Baqi', which is the graveyard, to relieve himself. People used to go out to relieve themselves only every two or three days, and their faces was like that of a camel (because of hunger and rough food). Then he entered a ruin and while he was squatting to relieve himself, he saw a rat bringing a Dinar out of a hole, then it went in and brought out another, until it had brought out seventeen Dinars. Then it brought out a piece of red rag.Miqdad said: “I picked up the rag and found another Dinar inside it, thus completing eighteen Dinar. I took them out and brought them to the Messenger of Allah (ﷺ), and told him what had happened. I said, 'Take its Sadaqah (charity), O Messenger of Allah (ﷺ).' He said: 'Take them back, for no Sadaqah is due on them. May Allah (SWT) bless them for you.' Then he said: 'Perhaps you put your hand in the hole?' I said: 'No, by the One Who has honored you with the truth.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৩. কেউ খনিজ সম্পদ পেলে
১/২৫০৯। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ খনিজ সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ (রাষ্ট্রের) প্রাপ্য।
بَاب مَنْ أَصَابَ رِكَازًا
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَيْمُونٍ الْمَكِّيُّ، وَهِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ سَعِيدٍ، وَأَبِي، سَلَمَةَ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ " فِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
উক্ত হাদিসের রাবী মুহাম্মাদ বিন মায়মুন আল-মাক্কী সম্পর্কে আবু হাতিম বিন হিব্বান বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো সন্দেহ করেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি নির্ভরযোগ্য নয়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কখনো কখনো ভুল করেন। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৬৪৯, ২৬/৫৩৯ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“One fifth is due on buried treasure.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৩. কেউ খনিজ সম্পদ পেলে
২/২৫১০। ইনবে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ খনিজ সম্পদের এক-পঞ্চমাংশ (রাষ্ট্রের) প্রাপ্য।
بَاب مَنْ أَصَابَ رِكَازًا
حَدَّثَنَا نَصْرُ بْنُ عَلِيىٍّ الْجَهْضَمِيُّ، حَدَّثَنَا أَبُو أَحْمَدَ، عَنْ إِسْرَائِيلَ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " فِي الرِّكَازِ الْخُمُسُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী সিমাক বিন হারব সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সিকাহ। ইয়াকুব বিন শায়বাহ বলেন, তার পূর্বে বর্ণিত হাদিস যারা শ্রবন করেছেন তা সহীহ। ইবনু হিব্বান বলেন, তিনি সিকাহ তবে হাদিস বর্ণনায় অধিক ভুল করেন। আবদুল্লাহ ইবনুল মুবারাক বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫৭৯, ১২/১১৫ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn`Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“One fifth is due on buried treasure.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৩. কেউ খনিজ সম্পদ পেলে
৩/২৫১১। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের পূর্বকালে এক ব্যক্তি এক খন্ড জমি ক্রয় করে তার মধ্যে সোনাভর্তি একটি কলস পায়। সে (বিক্রেতাকে) বললো, আমি তো তোমার থেকে জমি ক্রয় করেছি, সোনা কিনিনি। বিক্রেতা বললো, আমি তোমার নিকট জমি এবং তার মধ্যকার সবকিছু বিক্রয় করেছি। অতঃপর তারা বিষয়টির মীমাংসার জন্য এক ব্যক্তির নিকট উপস্থিত হলো। লোকটি বললো, তোমাদের দু’জনের কি সন্তান-সন্ততি আছে? একজন বললো, আমার একটি পুত্র সন্তান আছে। অপরজন বললো, আমার একটি কন্যা সন্তান আছে। লোকটি বললো, তাহলে তোমরা ছেলেটির সাথে মেয়েটির বিবাহ দাও এবং এই সোনা তাদেরকে দাও, যাতে তারা এটা নিজেদের প্রয়োজনে খরচ করতে পারে এবং দান-খয়রাতও করতে পারে।
بَاب مَنْ أَصَابَ رِكَازًا
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ ثَابِتٍ الْجَحْدَرِيُّ، حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِسْحَاقَ الْحَضْرَمِيُّ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ حَيَّانَ، سَمِعْتُ أَبِي يُحَدِّثُ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " كَانَ فِيمَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ رَجُلٌ اشْتَرَى عَقَارًا فَوَجَدَ فِيهَا جَرَّةً مِنْ ذَهَبٍ فَقَالَ اشْتَرَيْتُ مِنْكَ الأَرْضَ وَلَمْ أَشْتَرِ مِنْكَ الذَّهَبَ . فَقَالَ الرَّجُلُ إِنَّمَا بِعْتُكَ الأَرْضَ بِمَا فِيهَا . فَتَحَاكَمَا إِلَى رَجُلٍ فَقَالَ أَلَكُمَا وَلَدٌ فَقَالَ أَحَدُهُمَا لِي غُلاَمٌ . وَقَالَ الآخَرُ لِي جَارِيَةٌ . قَالَ فَأَنْكِحَا الْغُلاَمَ الْجَارِيَةَ وَلْيُنْفِقَا عَلَى أَنْفُسِهِمَا مِنْهُ وَلْيَتَصَدَّقَا " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Sulaiman bin Hayyan said:
“I heard my father narrate from Abu Hurairah that the Prophet (ﷺ) said: 'Among those who came before you there was a man who bought some property and found therein a jar of gold. He said: “I bought land from you, but I did not buy the gold from you.” The man said: “Rather I sold you the land with whatever is in it.” They referred their case to (a third) man who said: “Do you have children?” One of them said: “I have a boy.” The other said: “I have a girl.” He said: “Marry the boy to the girl, and let them spend on themselves from it and give in charity.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৪. মুদাববার (প্রতিশ্রুতিপ্রাপ্ত দাস) সম্পর্কে
১/২৫১২। জাবির (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুদাব্বার গোলাম বিক্রয় করেছেন।
بَاب الْمُدَبَّرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ نُمَيْرٍ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ أَبِي خَالِدٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ عَطَاءٍ، عَنْ جَابِرٍ، أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ ذصلى الله عليه وسلم بَاعَ الْمُدَبَّرَ .
It was narrated from Jabir that:
the Messenger of Allah (ﷺ) sold a Mudabbar.
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৪. মুদাববার (প্রতিশ্রুতিপ্রাপ্ত দাস) সম্পর্কে
২/২৫১৩। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের মধ্যকার এক ব্যক্তি একটি দাসকে মুদাববার বানালো। এ দাসটি ছাড়া তার আর কোন সম্পত্তি ছিলো না। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তা বিক্রয় করেন এবং আদী গোত্রের ইবনুন নাহ্হাম তা কিনে নেন।
بَاب الْمُدَبَّرِ
حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ دِينَارٍ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، قَالَ دَبَّرَ رَجُلٌ مِنَّا غُلاَمًا وَلَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ غَيْرُهُ فَبَاعَهُ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَاشْتَرَاهُ ابْنُ النَّحَّامِ رَجُلٌ مِنْ بَنِي عَدِيٍّ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Jabir bin 'Abdullah said:
“A man among us promised freedom to a slave after his death, and he did not have any property other than him (this slave). So the Prophet (ﷺ) sold him, and Ibn (Nahham), a man from Banu 'Adi, bought him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৪. মুদাববার (প্রতিশ্রুতিপ্রাপ্ত দাস) সম্পর্কে
৩/২৫১৪। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ মুদাববার (মৃতের) সম্পদের এক-তৃতীয়াশের অন্তভুক্ত। ইমাম ইবনে মাজা (রাঃ) বলেন, আমি উছমান ইবনে আবূ শায়বা (রাঃ) কে বলতে শুনেছি যে, ’’মুদাববার মৃতের (সম্পদের) এক-তৃতীয়াংশের অন্তর্ভূক্ত’’ শীর্ষক হাদীছটি ভুল। আবূ আবদুল্লাহ ইবনে মাজা (রাঃ) বলেন, এ হাদীসের কোন ভিত্তি নেই।
بَاب الْمُدَبَّرِ
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ ظَبْيَانَ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " الْمُدَبَّرُ مِنَ الثُّلُثِ " . قَالَ ابْنُ مَاجَهْ سَمِعْتُ عُثْمَانَ - يَعْنِي ابْنَ أَبِي شَيْبَةَ - يَقُولُ هَذَا خَطَأٌ يَعْنِي حَدِيثَ " الْمُدَبَّرُ مِنَ الثُّلُثِ " . قَالَ أَبُو عَبْدِ اللَّهِ لَيْسَ لَهُ أَصْلٌ .
তাহকীক আলবানীঃ বানোয়াট। উক্ত হাদিসের রাবী আলী বিন যাবইয়ান সম্পর্কে আবুল ফাতহ আল-আযদী বলেন, তিনি প্রত্যাখ্যানযোগ্য। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি মিথ্যার সাথে জড়িত। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় খুবই দুর্বল। ইবনু হাজার আল-আসকালানী ও ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪০৯২, ২০/ ৪৯৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn`Umar that the Prophet (ﷺ) said:
“The Mudabbar is part of the one third of the estate.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৫. উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে
১/২৫১৫। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তির ঔরসে তার বাঁদীর গর্ভে সন্তান হলে, সে বাঁদী তার (মালিকের) মৃত্যুর পর স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে।
بَاب أُمَّهَاتِ الْأَوْلَادِ
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ حُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَبَّاسٍ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا رَجُلٍ وَلَدَتْ أَمَتُهُ مِنْهُ فَهِيَ مُعْتَقَةٌ عَنْ دُبُرٍ مِنْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী হুসায়ন বিন আবদুল্লাহ বিন উবায়দুল্লাহ বিন আব্বাস সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল তার হাদিস বর্জন করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩১৫, ৬/৩৮৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn`Abbas that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Any man whose slave won an bears him a child, she will be free after he dies.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৫. উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে
২/২৫১৬। ইবনে আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট (তাঁর পুত্র) ইবরাহীমের মা (মারিয়া কিবতিয়া) ’র কথা উত্থাপিত হলে তিনি বলেনঃ তার সন্তান তাকে দাসত্বমুক্ত করেছে।
بَاب أُمَّهَاتِ الْأَوْلَادِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ يُوسُفَ، حَدَّثَنَا أَبُو عَاصِمٍ، حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ يَعْنِي النَّهْشَلِيَّ، عَنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ عِكْرِمَةَ، عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ ذُكِرَتْ أُمُّ إِبْرَاهِيمَ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم . فَقَالَ " أَعْتَقَهَا وَلَدُهَا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু বাকর আল-নাহশালী সম্পর্কে আহমাদ বিন হাম্বল ও আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সালিহ তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায়। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে মুরজিয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭২৬৭, ৩৩/১৫৬ নং পৃষ্ঠা) ২. হুসায়ন বিন আবদুল্লাহ সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বাকর আল-বায়হাকী বলেন, তিনি দুর্বল। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তার থেকে হাদিস গ্রহন করা যায় তবে তা দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়, তিনি দুর্বল। আহমাদ বিন হাম্বল তার হাদিস বর্জন করেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১৩১৫, ৬/৩৮৩ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated that Ibn`Abbas said:
“Mention was made of the mother of Ibrahim in the presence of the Messenger of Allah (ﷺ), and he said: 'Her son set her free.'”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৫. উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে
৩/২৫১৭। জাবির ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের মাঝে জীবিত থাকা অবস্থায় আমরা আমাদের যুদ্ধবন্দিনী ক্রীতদাসী ও উম্মু ওয়ালাদ বিক্রয় করতাম। আমরা এটাকে দূষণীয় মনে করতাম না।
بَاب أُمَّهَاتِ الْأَوْلَادِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ، أَخْبَرَنِي أَبُو الزُّبَيْرِ، أَنَّهُ سَمِعَ جَابِرَ بْنَ عَبْدِ اللَّهِ، يَقُولُ كُنَّا نَبِيعُ سَرَارِينَا وَأُمَّهَاتِ أَوْلاَدِنَا وَالنَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فِينَا حَىٌّ لاَ نَرَى بِذَلِكَ بَأْسًا .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
Jabir bin `Abdullah was heard to say:
“We used to sell our slave women and the mothers of our children (Umahat Awaldina) when the Prophet (ﷺ) was still living among us, and we did not see anything wrong with that.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৬. মুকাতাব (চুক্তিবদ্ধ দাস) সম্পর্কে
১/২৫১৮। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তিন শ্রেণীর লোকের প্রত্যেককে সাহায্য করা আল্লাহর কর্তব্য (যদিও কোন কাজ তাঁর জন্য বাধ্যতামূলক নয়) আল্লাহর রাস্তায় জিহাদকারী, মুকাতাব চুক্তিবদ্ধ দাস যে তার চুক্তিকৃত অর্থ পরিশোধ করতে সংকল্পবদ্ধ এবং যে বিবাহকারী পূত-পবিত্র থাকতে ইচ্ছুক।
بَاب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَعَبْدُ اللهِ بْنُ سَعِيدٍ قَالَا حَدَّثَنَا أَبُو خَالِدٍ الْأَحْمَرُ عَنْ ابْنِ عَجْلَانَ عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ قَالَ قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم ثَلَاثَةٌ كُلُّهُمْ حَقٌّ عَلَى اللهِ عَوْنُهُ الْغَازِي فِي سَبِيلِ اللهِ وَالْمُكَاتَبُ الَّذِي يُرِيدُ الْأَدَاءَ وَالنَّاكِحُ الَّذِي يُرِيدُ التَّعَفُّفَ
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী আবু খালিদ আল আহমার সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তিনি সত্যবাদী কিন্তু তার হাদিস দলীলযোগ্য নয়। আলী ইবনুল মাদীনী বলেন, তিনি সিকাহ। আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। ইবনু আদী বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সালেহ কিন্তু হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ ও ভুল করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৫০৪, ১১/৩৯৪ নং পৃষ্ঠা)
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৬. মুকাতাব (চুক্তিবদ্ধ দাস) সম্পর্কে
২/২৫১৯। ’আমর ইবনে শু’আইব (রাঃ) থেকে পর্যায়ক্রমে তার পিতা ও তার দাদার সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে গোলাম এক শত উকিয়ার বিনিময়ে মুক্তিলাভ করতে চুক্তিবদ্ধ, দশ উকিয়া ব্যতীত বাকিটা পরিশোধ করতে পারলে সে আযাদ।
بَاب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ، عَنْ حَجَّاجٍ، عَنْ عَمْرِو بْنِ شُعَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " أَيُّمَا عَبْدٍ كُوتِبَ عَلَى مِائَةِ أُوقِيَّةٍ فَأَدَّاهَا إِلاَّ عَشْرَ أُوقِيَّاتٍ فَهُوَ رَقِيقٌ " .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান। উক্ত হাদিসের রাবী ১. মুহাম্মাদ বিন ফুদায়ল সম্পর্কে ইবনু মাঈন তাকে সিকাহ বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী। ইমাম নাসাঈ বলেন, কোন সমস্যা নেই। আহমাদ বিন হাম্বল বলেন, তিনি শীয়া মতাবলম্বী। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৫৫৪৮, ২৬/২৯৩ নং পৃষ্ঠা) ২. হাজ্জাজ বিন আরতা সম্পর্কে আবু আহমাদ আল-হাকিম বলেন, তিনি আহলে ইলমের নিকট নির্ভরযোগ্য নয়। আবু বকর আল বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়, অন্যত্র তিনি তাকে দুর্বল বলেছেন। আবু যুরআহ আর-রাযী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় তাদলীস করেন। মুহাম্মাদ বিন সা'দ তাকে দুর্বল বলেছেন। আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী বলেন, তিনি দুর্বল তার হাদিস দ্বারা দলীল গ্রহনযোগ্য নয়। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ১১১২, ৫/৪২০ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from `Amr bin Shu'aib , from his father, from his grandfather that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Any slave who has made a contract to buy his freedom for one hundread Uqiyyah and pays it all except ten Uqiyyah; he is still a slave.” (One Uqiyyah is equal to 40 Dirham.)
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৬. মুকাতাব (চুক্তিবদ্ধ দাস) সম্পর্কে
৩/২৫২০। উম্মু সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমাদের (মহিলাদের) কারো মালিকানায় মুকাতাব দাস থাকলে এবং তার নিকট চুক্তিকৃত অর্থের সম-পরিমাণ সম্পদ থাকলে তার থেকে তোমাদের পর্দা করা উচিত।
بَاب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ، عَنِ الزُّهْرِيِّ، عَنْ نَبْهَانَ، - مَوْلَى أُمِّ سَلَمَةَ - عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ، أَنَّهَا أَخْبَرَتْ عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّهُ قَالَ " إِذَا كَانَ لإِحْدَاكُنَّ مُكَاتَبٌ وَكَانَ عِنْدَهُ مَا يُؤَدِّي فَلْتَحْتَجِبْ مِنْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ।
It was narrated from Umm Salamah that the Prophet (ﷺ) said:
“If anyone of you (women) has a Mukatab, and he has enough (wealth) to pay off (his contact of manumission), she must veil herself from him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৬. মুকাতাব (চুক্তিবদ্ধ দাস) সম্পর্কে
৪/২৫২১। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। বারীরা (রাঃ) তার নিকট এলেন, তিনি ছিলেন মুকাতাবা। তিনি তার মালিকের সাথে নয় উকিয়া পরিশোধে চুক্তিবদ্ধ হয়েছিলেন। আয়েশা (রাঃ) তাকে বলেন, তোমার মালিক চাইলে আমি এককালীন তাদেরকে তা পরিশোধ করে দিতে পারি এই শর্তে যে, ওয়ালার মালিক হবো আমি। রাবী বলেন, বারীরা তার মালিকের নিকট এসে একথা জানালে তারা এতে অসম্মতি জানায় এবং ওয়ালার মালিকানা তাদের থাকার শর্ত আরোপ করে।
আয়েশা (রাঃ) বিষয়টি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উল্লেখ করলে তিনি বলেনঃ তুমি তাকে ক্রয় করো। রাবী বলেন, অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম লোকেদের উদ্দেশে দাঁড়িয়ে খুতবা দিলেন। তিনি প্রথমে আল্লাহর প্রশংসা ও গুণগান করেন, তারপর বলেনঃ লোকেদের কী হলো যে, তারা এমন সব শর্ত আরোপ করে, যা আল্লাহর কিতাবে নাই। যেসব শর্ত আল্লাহর কিতাবে নেই তা বাতিল, যদিও তা সংখ্যায় এক শত হয়। আল্লাহর কিতাবই যথার্থ এবং আল্লাহর শর্তই অধিক মজবুত। ওয়ালার মালিক হবে আযাদকারী।
بَاب الْمُكَاتَبِ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، وَعَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ عَائِشَةَ، زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم أَنَّ بَرِيرَةَ أَتَتْهَا وَهِيَ مُكَاتَبَةٌ قَدْ كَاتَبَهَا أَهْلُهَا عَلَى تِسْعِ أَوَاقٍ فَقَالَتْ لَهَا إِنْ شَاءَ أَهْلُكِ عَدَدْتُ لَهُمْ عَدَّةً وَاحِدَةً وَكَانَ الْوَلاَءُ لِي قَالَ فَأَتَتْ أَهْلَهَا فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهُمْ فَأَبَوْا إِلاَّ أَنْ تَشْتَرِطَ الْوَلاَءَ لَهُمْ فَذَكَرَتْ عَائِشَةُ ذَلِكَ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ " افْعَلِي " . قَالَتْ فَقَامَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَخَطَبَ النَّاسَ فَحَمِدَ اللَّهَ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ " مَا بَالُ رِجَالٍ يَشْتَرِطُونَ شُرُوطًا لَيْسَتْ فِي كِتَابِ اللَّهِ كُلُّ شَرْطٍ لَيْسَ فِي كِتَابِ اللَّهِ فَهُوَ بَاطِلٌ وَإِنْ كَانَ مِائَةَ شَرْطٍ كِتَابُ اللَّهِ أَحَقُّ وَشَرْطُ اللَّهِ أَوْثَقُ وَالْوَلاَءُ لِمَنْ أَعْتَقَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Hisham bin 'Urwah, from his father, about 'Aishah the wife of the Prophet (ﷺ) - :
that Barirah came to her when she was came to her when she was Muktabah, and her masters had written a contract of manumission for nine Uqiyyah. She (`Aishah) said: “If your masters wish I will pay them that in one sum, and the right of inheritance will belong to me.” He said: “So she went to her masters and told them about that, but they insisted that the right of inheritance should belong to them. `Aishah mentioned that to the Prophet (ﷺ) and he said: 'Do it.' Then the Prophet (ﷺ) stood up and addressed the people. He praised and glorified Allah (SWT), then he said: 'What is the matter with some people who stipulated conditions that are not in the Book of Allah (SWT)? Every conditions that is not in the Book of Allah (SWT) is invalid, even if there are one hundred conditions. The Book of Allah(SWT) is more deserving of being followed and the conditions of Allah (SWT) are more binding. And the Wala belongs to the one who manumits (the slave).”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৭. দাসত্বমুক্তি
১/২৫২২। শুরাহবীল ইবনুস সিমত (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি কা’ব (রাঃ)-কে বললাম, হে কাব ইবনে মুররা! আমাদের নিকট রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাদীস বর্ণনা করুন এবং সাবধানতা অবলম্বন করুন। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ যে ব্যক্তি একটি মুসলিম গোলাম আযাদ করলো, সে তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তিলাভের বিনিময় হবে। আজাদকৃত দাসের প্রতিটি হাড় তার হাড়ের প্রতিদান হবে। যে ব্যক্তি দু’জন মুসলিম দাসীকে আযাদ করবে তারা তার জন্য জাহান্নাম থেকে মুক্তিলাভের বিনিময় হবে। তাদের দু’টি হাড় তার একটি হাড়ের প্রতিদান হবে।
بَاب الْعِتْقِ
حَدَّثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ، حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ، عَنِ الأَعْمَشِ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ سَالِمِ بْنِ أَبِي الْجَعْدِ، عَنْ شُرَحْبِيلَ بْنِ السِّمْطِ، قَالَ قُلْتُ لِكَعْبٍ يَا كَعْبَ بْنَ مُرَّةَ حَدِّثْنَا عَنْ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم وَاحْذَرْ . قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " مَنْ أَعْتَقَ امْرَأً مُسْلِمًا كَانَ فِكَاكَهُ مِنَ النَّارِ يُجْزِئُ بِكُلِّ عَظْمٍ مِنْهُ عَظْمٌ مِنْهُ وَمَنْ أَعْتَقَ امْرَأَتَيْنِ مُسْلِمَتَيْنِ كَانَتَا فِكَاكَهُ مِنَ النَّارِ يُجْزِئُ بِكُلِّ عَظْمَيْنِ مِنْهُمَا عَظْمٌ مِنْهُ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Shurahbil bin Simt said:
I said to Ka'b bin Murrah, tell us a Hadith from the Messenger of Allah (ﷺ), but be careful. He said: I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: “Whoever frees a Muslim man, he will be his ransom from the Fire; each of his bones will suffice (as a ransom) for each of his bones. Whoever frees two Muslim women, they will be his ransom from the Fire; each of their two bones will suffice (as a ransom) for each of his bones.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৭. দাসত্বমুক্তি
২/২৫২৩। আবূ যার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! কোন্ গোলাম আযাদ করা অধিক উত্তম? তিনি বলেনঃ যে গোলাম তার মনিবের বেশি পছন্দনীয় এবং বেশি মূল্যবান।
بَاب الْعِتْقِ
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ حَدَّثَنَا أَبُو مُعَاوِيَةَ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عُرْوَةَ عَنْ أَبِيهِ عَنْ أَبِي مُرَاوِحٍ عَنْ أَبِي ذَرٍّ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللهِ أَيُّ الرِّقَابِ أَفْضَلُ قَالَ «أَنْفَسُهَا عِنْدَ أَهْلِهَا وَأَغْلَاهَا ثَمَنًا
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated that Abu Dharr said:
“I said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), which slave is best?' He said: ‘The one who is most precious to his master and most valuable in price.' ”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৮. কেউ রক্ত সম্পর্কের বন্ধনযুক্ত গোলামের মালিক হলে সে স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে।
১/২৫২৪। সামুরা ইবনে জুনদুব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ কেউ নিজের সাথে রক্তের সম্পর্কযুক্ত দাসের মালিক হলে সে স্বয়ং আযাদ হয়ে যাবে।
بَاب مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ فَهُوَ حُرٌّ
حَدَّثَنَا عُقْبَةُ بْنُ مُكْرَمٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ، عَنْ حَمَّادِ بْنِ سَلَمَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، وَعَاصِمٍ، عَنِ الْحَسَنِ، عَنْ سَمُرَةَ بْنِ جُنْدُبٍ، عَنِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم قَالَ " مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ فَهُوَ حُرٌّ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Samurah bin Jundub that the Prophet (ﷺ) said:
“Whoever becomes the master of a Mahram relative (with whom marriage is not lawful), he becomes free.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৮. কেউ রক্ত সম্পর্কের বন্ধনযুক্ত গোলামের মালিক হলে সে স্বয়ং দাসত্বমুক্ত হয়ে যাবে।
২/২৫২৫। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কেউ নিজের সাথে রক্তের সম্পর্কযুক্ত দাসের মালিক হলে, সে আপনা আপনি আযাদ হয়ে যাবে।
بَاب مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ فَهُوَ حُرٌّ
حَدَّثَنَا رَاشِدُ بْنُ سَعِيدٍ الرَّمْلِيُّ، وَعُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ الْجَهْمِ الأَنْمَاطِيُّ، قَالاَ حَدَّثَنَا ضَمْرَةُ بْنُ رَبِيعَةَ، عَنْ سُفْيَانَ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دِينَارٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ مَلَكَ ذَا رَحِمٍ مَحْرَمٍ فَهُوَ حُرٌّ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী দমরাহ বিন রাবীআহ সম্পর্কে আবু হাতিম আর-রাযী বলেন, তিনি সালিহ। আবু সাঈদ বিন ইউনুস আল-মিসরী বলেন, তিনি তাদের যুগে একজন ফকীহ ছিলেন, আহমাদ বিন শু'আয়ব আন-নাসায়ী ও আহমাদ বিন সালিহ আল-জায়লী বলেন, তিনি সিকাহ। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় কিছু সন্দেহ করেন। যাকারিয়্যা বিন ইয়াহইয়া আস-সাজী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে হাদিস বর্ণনায় সন্দেহ করেন। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৯৩৮, ১৩/৩১৬ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn`Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever becomes the master of a Mahram relative, he becomes free.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/৯৯. কেউ গোলাম আযাদ করলো এবং তার সেবা লাভের শর্ত আরোপ করলো
১/২৫২৬। আবূ আবদুর রহমান সাঈদ ইবনে জুমহান ইবনে সাফীনা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাকে উম্মু সালামা (রাঃ) দাসত্বমুক্ত করেন এবং এই শর্ত আরোপ করেন যে, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমত করবো, যাবত তিনি জীবিত থাকেন।
بَاب مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا وَاشْتَرَطَ خِدْمَتَهُ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُعَاوِيَةَ الْجُمَحِيُّ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُمْهَانَ، عَنْ سَفِينَةَ أَبِي عَبْدِ الرَّحْمَنِ، قَالَ أَعْتَقَتْنِي أُمُّ سَلَمَةَ وَاشْتَرَطَتْ عَلَىَّ أَنْ أَخْدُمَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم مَا عَاشَ .
তাহকীক আলবানীঃ হাসান।
It was narrated from that Safinah - Abu 'Abdur-Rahman-said :
“Umm Salamah freed me but stipulated that I should serve the Prophet (ﷺ) as long he lived.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০০. কোন ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত গোলামের নিজ অংশ আযাদ করলে
১/২৫২৭। আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন মালদার ব্যক্তি এজমালি গোলামের নিজ অংশ আযাদ করলে তার বাকী অংশও নিজের মাল দিয়ে আযাদ করে দেয়া উচিত। সে মালদার না হলে উক্ত গোলামকে (অবশিষ্ট মূল্য পরিশোধের জন্য) তার সামর্থ্য অনুযায়ী আয়াসসাধ্য কাজে মজুরী খাটাবে।
بَاب مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُسْهِرٍ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي عَرُوبَةَ، عَنْ قَتَادَةَ، عَنِ النَّضْرِ بْنِ أَنَسٍ، عَنْ بَشِيرِ بْنِ نَهِيكٍ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعْتَقَ نَصِيبًا لَهُ فِي مَمْلُوكٍ أَوْ شِقْصًا فَعَلَيْهِ خَلاَصُهُ مِنْ مَالِهِ إِنْ كَانَ لَهُ مَالٌ فَإِنْ لَمْ يَكُنْ لَهُ مَالٌ اسْتُسْعِيَ الْعَبْدُ فِي قِيمَتِهِ غَيْرَ مَشْقُوقٍ عَلَيْهِ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Abu Hurairah that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever frees his share of a slave or part of his share, must pay from his wealth if he has any wealth if he has any wealth (in order to buy the rest of the slave's freedom). If he does not have wealth, then the slave should be asked to work for the price (of his freedom), without that causing him too much hardship.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০০. কোন ব্যক্তি যৌথ মালিকানাভুক্ত গোলামের নিজ অংশ আযাদ করলে
২/২৫২৮। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি এজমালি গোলামের তার নিজ অংশ আযাদ করে দিলে সে তার ন্যায়সংগত মূল্য নির্ধারণপূর্বক তার মাল দ্বারা অন্যান্য শরীকের অংশের মূল্যও পরিশোধ করবে। অন্যথায় যতটুকু আযাদ করা হয়েছে সে ততটুকুই আযাদ গণ্য হবে।
بَاب مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَكِيمٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعْتَقَ شِرْكًا لَهُ فِي عَبْدٍ أُقِيمَ عَلَيْهِ بِقِيمَةِ عَدْلٍ فَأَعْطَى شُرَكَاءَهُ حِصَصَهُمْ إِنْ كَانَ لَهُ مِنَ الْمَالِ مَا يَبْلُغُ ثَمَنَهُ وَعَتَقَ عَلَيْهِ الْعَبْدُ وَإِلاَّ فَقَدْ عَتَقَ مِنْهُ مَا عَتَقَ " .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ।
It was narrated from Ibn`Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever frees his share of a slave, the price of the slave should be fairly evaluated, and he (the partner who initiated this process) should free him (in full, by giving the rest of his price to the other co-owners), if he has enough wealth to do so. Otherwise, he will have freed whatever he freed.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০১. কেউ মালদার গোলাম আযাদ করলে
১/২৫২৯। ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি মালদার গোলাম আযাদ করলে গোলামই উক্ত মালের মালিক। তবে মনিব নিজের জন্য তার মালের জন্য শর্ত যুক্ত করলে তা তারই হবে। ইবনে লাহীআ (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে আছেঃ তবে মনিব যদি সেই মাল (নিজের জন্য) নির্দিষ্ট করে নেয়।
بَاب مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ
حَدَّثَنَا حَرْمَلَةُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ وَهْبٍ، أَخْبَرَنِي ابْنُ لَهِيعَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ، أَنْبَأَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، جَمِيعًا عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي جَعْفَرٍ، عَنْ بُكَيْرِ بْنِ الأَشَجِّ، عَنْ نَافِعٍ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ فَمَالُ الْعَبْدِ لَهُ إِلاَّ أَنْ يَشْتَرِطَ السَّيِّدُ مَالَهُ فَيَكُونَ لَهُ " . وَقَالَ ابْنُ لَهِيعَةَ إِلاَّ أَنْ يَسْتَثْنِيَهُ السَّيِّدُ .
তাহকীক আলবানীঃ সহীহ। উক্ত হাদিসের রাবী ইবনু লাহীআহ সম্পর্কে ইয়াহইয়া বিন মাঈন বলেন, তার হাদিসের ব্যাপারে কোন সমস্যা নেই। আমর বিন ফাল্লাস বলেন, তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ায় যে হাদিস বর্ণনা করেছেন তা দুর্বল। আবু কাসিম বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। আবু বকর আল-বায়হাকী বলেন, তার হাদিস দলীল হিসেবে গ্রহণযোগ্য নয়। আবু হাতিম আর-রাযী তাকে দুর্বল বলেছেন। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি সত্যবাদী তবে তার কিতাব সমূহ পুড়ে যাওয়ার পর হাদিস বর্ণনায় সংমিশ্রণ করেন। বিশর ইবনুস সারী বলেন, যদি তার সাথে আমার সাক্ষাৎ হত তবে আমি তার থেকে কোন হাদিস গ্রহন করতাম না। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩৫১৩, ১৫/৪৮৭ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ibn`Umar that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“Whoever frees a slave who has some wealth, the slave's wealth belongs to him, unless the master stipulates that it will belong to him.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০১. কেউ মালদার গোলাম আযাদ করলে
২/২৫৩০। ইবনে মাউদ (রাঃ) এর আযাদকৃত দাস উমাইর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) তাকে বললেন, হে উমাইর! আমি তোমাকে সন্তোষের সাথে আযাদ করতে চাই। কেননা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছিঃ কোন ব্যক্তি তার এমন গোলাস আযাদ করল যে গোলাম নিজ মালের বিষয় উল্লেখ করেনি, তাহলে উক্ত মাল তারই (অর্থৎ আযাদকারীর) অতএব আমাকে বলো, তোমার কী মাল আছে?
৩/২৫৩০(১)। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে নুমাইর-মুত্তালিব ইবনে যিয়াদ-ইসহাক ইবনে ইবরাহীম (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আবদুল্লাহ ইবনে মাসউদ (রাঃ) আমার দাদা (উমায়র)-কে বললেন ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
بَاب مَنْ أَعْتَقَ عَبْدًا وَلَهُ مَالٌ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ يَحْيَى، حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْجَرْمِيُّ، حَدَّثَنَا الْمُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ، عَنْ إِسْحَاقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ جَدِّهِ، عُمَيْرٍ - وَهُوَ مَوْلَى ابْنِ مَسْعُودٍ - أَنَّ عَبْدَ اللَّهِ، قَالَ لَهُ يَا عُمَيْرُ إِنِّي أُعْتِقُكَ عِتْقًا هَنِيئًا إِنِّي سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ " أَيُّمَا رَجُلٍ أَعْتَقَ غُلاَمًا وَلَمْ يُسَمِّ مَالَهُ فَالْمَالُ لَهُ " . فَأَخْبِرْنِي مَا مَالُكَ .
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللهِ بْنِ نُمَيْرٍ حَدَّثَنَا الْمُطَّلِبُ بْنُ زِيَادٍ عَنْ إِسْحَقَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ قَالَ قَالَ عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْعُودٍ لِجَدِّي فَذَكَرَ نَحْوَهُ
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী ১. সাঈদ বিন মুহাম্মাদ আল-জামরী সম্পর্কে আবু দাউদ আস-সাজিসতানী বলেন, তিনি সিকাহ। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি দুর্বল। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ তবে তিনি শীয়া মতাবলম্বী হওয়ার অভিযোগ রয়েছে। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ২৩৪৮, ১১/৪৫ নং পৃষ্ঠা) ২. ইসহাক বিন ইবরাহীম সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম বুখারী বলেন, তার হাদিস সহিহ নয়, তার হাদিসের অনুসরণ করা যাবে না। তাহরীরু তাকরীবুত তাহযীব এর লেখক বলেন, তিনি দুর্বল। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৩২৯, ২/৩৬৮ নং পৃষ্ঠা) ৩. উমায়র সম্পর্কে ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম যাহাবী বলেন, তিনি সিকাহ। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৪৫২৪, ২২/৩৯৪ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Ishaq bin Ibrahim, from his grandfather 'Umair, who was the freed slave of Ibn Mas'ud, that `Abdullah said to him:
“O Umair, I have set you free in a good way. I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: 'Any man who frees a slave and does not say anything about his (the slave's) wealth, it belongs to him (the slave).' So tell me, how much wealth do you have?”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০২. জারজ সন্তান আযাদ করা
১/২৫৩১। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর আযাদকৃত দাসী মায়মূনা বিনতে সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জারজ সন্তান আযাদ করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেনঃ আমি যে জুতাজোড়া পরে জিহাদ করি তা, আমা কর্তৃক জারজ সন্তান আযাদ করার তুলনায় অধিক উত্তম।
بَاب عِتْقِ وَلَدِ الزِّنَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا الْفَضْلُ بْنُ دُكَيْنٍ، حَدَّثَنَا إِسْرَائِيلُ، عَنْ زَيْدِ بْنِ جُبَيْرٍ، عَنْ أَبِي يَزِيدَ الضِّنِّيِّ، عَنْ مَيْمُونَةَ بِنْتِ سَعْدٍ، - مَوْلاَةِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم - أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم سُئِلَ عَنْ وَلَدِ الزِّنَا فَقَالَ " نَعْلاَنِ أُجَاهِدُ فِيهِمَا خَيْرٌ مِنْ أَنْ أُعْتِقَ وَلَدَ الزِّنَا " .
তাহকীক আলবানীঃ যইফ। উক্ত হাদিসের রাবী আবু ইয়াযীদ আদ-দব্বী সম্পর্কে ইমাম বুখারী বলেন, তিনি অপরিচিত। ইমাম দারাকুতনী বলেন, তিনি পরিচিত নন। ইবনু মাকুলা বলেন, তিনি হাদিস বর্ণনায় মুনকার। ইবনু হাজার আল-আসকালানী বলেন, তিনি মাজহুল বা অপরিচিত। ইমাম বুখারী বলেন, তিনি একজন অপরিচিত ব্যাক্তি। (তাহযীবুল কামালঃ রাবী নং ৭৭০৫, ৩৪/৪০৮ নং পৃষ্ঠা)
It was narrated from Maimunah bint Sa`d, the freed slave woman of the Prophet (ﷺ) that :
the Messenger of Allah (ﷺ) was asked about illegitimate children. He said: “Two sandals in which I wage Jihad are better than freeing an illegitimate child.”
পরিচ্ছেদঃ ১৩/১০৩. কোন ব্যক্তি তার দাস-দাসী দম্পতিকে আযাদ করতে চাইলে, প্রথমে যেন পুরুষ লোকটিকে আযাদ করে
১/২৫৩২। আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার একজোড়া দাস-দাসী দম্পতি ছিল। তিনি বলেন, ইয়া রাসূলুল্লাহ! আমি এদের দু’জনকেই আযাদ করতে চাই। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি ওদের উভয়কে আযাদ করতে চাইলে স্ত্রী লোকটির পূর্বে পুরুষ লোকটিকে আযাদ করো।
بَاب مَنْ أَرَادَ عِتْقَ رَجُلٍ وَامْرَأَتِهِ فَلْيَبْدَأْ بِالرَّجُلِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ مَسْعَدَةَ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ خَلَفٍ الْعَسْقَلاَنِيُّ، وَإِسْحَاقُ بْنُ مَنْصُورٍ، قَالاَ حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الْمَجِيدِ، حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مَوْهَبٍ، عَنِ الْقَاسِمِ بْنِ مُحَمَّدٍ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّهَا كَانَ لَهَا غُلاَمٌ وَجَارِيَةٌ زَوْجٌ فَقَالَتْ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنِّي أُرِيدُ أَنْ أُعْتِقَهُمَا . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم " إِنْ أَعْتَقْتِهِمَا فَابْدَئِي بِالرَّجُلِ قَبْلَ الْمَرْأَةِ " .
It was narrated that :
`Aishah had a male slave and a female slave who were married. She said: “O Messenger of Allah (ﷺ), I want to free them both.” The Messenger of Allah (ﷺ) said: “If you free them, then start with the man before the woman.”