পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬২(১). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি কখনও পাক হই না। আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? আয়েশা (রাঃ) বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ নিশ্চয়ই এটা একটা শিরার রক্ত, হায়েয নয়। যখন তোমার হায়েয শুরু হবে তখন নামায ছেড়ে দিবে। যখন হায়েযের মেয়াদ পরিমাণ সময় শেষ হবে, তখন তোমার শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলবে (গোসল করবে) এবং নামায পড়বে (বুখারী, মুসলিম, আবু দাউদ, তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ)।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْمَدَنِيُّ ، ثَنَا مَالِكٌ ، ح : وَحَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، ثَنَا يُونُسُ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى ، نَا ابْنُ وَهْبٍ ؛ أَنَّ مَالِكًا أَخْبَرَهُ ، ح : وَحَدَّثَنَا أَبُو رَوْقٍ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ بَكْرٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ خَلَّادٍ ، ثَنَا مَعْنُ بْنُ عِيسَى ، ثَنَا مَالِكٌ ، ح : وَحَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ الْمُهْتَدِي ، وَمُحَمَّدُ بْنُ بَدْرٍ ، قَالَا : نَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ ، أَنَا مَالِكٌ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ ؛ أَنَّهَا قَالَتْ : قَالَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ لِرَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي لَا أَطْهُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ قَالَتْ : فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالْحَيْضَةِ ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَاتْرُكِي الصَّلَاةَ ، فَإِذَا ذَهَبَ قَدْرُهَا فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৩(২). ইয়াহইয়া ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সায়েদ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন ইস্তিহাযার (রক্তপ্রদরের) রোগিনী, কখনও পাক হই না। আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? তিনি বলেনঃ না, এটা একটা শিরারই রক্ত, হায়েয নয়। যখন তোমার হায়েয শুরু হবে তখন নামায ছেড়ে দিবে। যখন হায়েযের সময়সীমা শেষ হবে তখন তোমার শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলবে, তারপর গোসল করবে। এটা আবু মুআবিয়া কর্তৃক বর্ণিত হাদীস।
ইয়াহইয়া ও আবু উসামা (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, এটা হায়েয নয়, এটা একটা শিরারই রক্ত। যখন তোমার হায়েয শুরু হবে তখন তুমি নামায ছেড়ে দিবে। যখন হায়েযের সময়সীমা শেষ হবে তখন তুমি গোসল করবে এবং নামায পড়বে। ইয়াহ্ইয়া (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, হায়েযের সময়সীমা শেষ হলে তোমার শরীর থেকে রক্ত ধুয়ে ফেলবে এবং নামায পড়বে। আবু মুআবিয়া আরো বর্ণনা করেন, হিশাম (রহঃ) বলেছেন, আমার পিতা বলেছেন, তুমি (হায়েযের মুদ্দত শেষ হওয়ার পর) প্রত্যেক নামাযের জন্য উযু করবে পরবর্তী (হায়েযের) মেয়াদ শুরু না হওয়া পর্যন্ত।
حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ صَاعِدٍ ، نَا عَمْرُو بْنُ عَلِيٍّ ، وَيَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، قَالَا : نَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ الْقَطَّانُ ، ح : وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، نَا أَبُو مُعَاوِيَةَ ، ح : وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا ابْنُ كَرَامَةَ ، نَا أَبُو أُسَامَةَ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ ، عَنْ أَبِيهِ - وَقَالَ يَحْيَى : أَخْبَرَنِي أَبِي - عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ قَالَ : " لَا إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ وَلَيْسَ بِالْحَيْضِ ، فَإِذَا أَقْبَلَتْ حَيْضَتُكِ فَدَعِي الصَّلَاةَ ، فَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ ثُمَّ اغْتَسِلِي " . هَذَا حَدِيثُ أَبِي مُعَاوِيَةَ . وَقَالَ يَحْيَى ، وَأَبُو أُسَامَةَ : " أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ " قَالَ : " لَيْسَ ذَلِكَ بِالْحَيْضِ ، إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ ، فَإِذَا أَقْبَلَتِ الْحَيْضَةُ فَدَعِي الصَّلَاةَ ، فَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي " . وَقَالَ يَحْيَى : " وَإِذَا أَدْبَرَتْ فَاغْسِلِي عَنْكِ الدَّمَ وَصَلِّي " . زَادَ أَبُو مُعَاوِيَةَ : قَالَ هِشَامٌ : قَالَ أَبِي : " ثُمَّ تَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ حَتَّى يَجِيءَ ذَلِكَ الْوَقْتُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৪(৩). আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) থেকেবর্ণিত। তিনি ইস্তিহাযার রোগিনী ছিলেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, হায়েযের রক্ত কালো, যা চেনা যায়। তোমার হায়েয শুরু হলে তুমি নামায ছেড়ে দিবে। আর যখন দ্বিতীয়টা (রক্তস্রাব) শুরু হবে তখন উযু করে নামায পড়বে। এটা একটা শিরা থেকে নির্গত রক্ত।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ ، نَا أَبُو مُوسَى مُحَمَّدُ بْنُ الْمُثَنَّى ، نَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ : أَنَّهَا كَانَتْ تُسْتَحَاضُ ، فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " إِذَا كَانَ دَمُ الْحَيْضِ ، فَإِنَّهُ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ ، وَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৫(৪). ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রক্তপ্রদরে আক্রান্ত ছিলেন। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ মাসিক ঋতুর রক্ত কালো, যা দেখলে বুঝা যায়। যখন কালো রঙ্গের রক্তক্ষরণ হবে তখন তুমি নামায ছেড়ে দিবে। আর যখন অন্য রঙ্গের রক্তক্ষরণ হবে তখন তুমি উযু করে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا أَبُو مُوسَى ، ثَنَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ بِهَذَا - إِمْلَاءً مِنْ كِتَابِهِ - ثُمَّ حَدَّثَنَا بِهِ بَعْدُ حِفْظًا ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ؛ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ كَانَتْ تُسْتَحَاضُ ، قَالَتْ : فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " إِنَّ دَمَ الْحَيْضِ أَسْوَدُ يُعْرَفُ ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ ، وَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৬(৫). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রক্তপ্রদরে আক্রান্ত ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, মাসিক ঋতুর রক্ত কালো যা দেখলে বুঝা যায়। যখন তোমার কালো রঙ্গের রক্তক্ষরণ হতে থাকবে তখন তুমি নামায ছেড়ে দিবে এবং যখন অন্য রঙ্গের রক্তক্ষরণ হবে তখন উযু করবে, নামায পড়বে। এটা একটা শিরাবাহিত রক্ত।
আবু মূসা (রহঃ) বলেন, এই হাদীস ইবনে আবু আদী (রহঃ) নিজের মূল কিতাব থেকে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন এবং এটা তার স্মৃতি থেকেও বর্ণনা করেছেন- মুহাম্মাদ ইবনে আমর-ইবনে শিহাব আয-যুহরী-উরওয়া-আয়েশা (রাঃ) সূত্রে। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। তাতে আছে- যখন অন্য রঙ্গের রক্তক্ষরণ হবে তখন তুমি উযু করবে এবং নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا أَبُو مُوسَى - قِرَاءَةً عَلَيْهِ - نَا ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، حَدَّثَنِي ابْنُ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ ؛ أَنَّهَا كَانَتْ تُسْتَحَاضُ ، فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " إِذَا كَانَ دَمُ الْحَيْضِ ، فَإِنَّهُ دَمٌ أَسْوَدُ يُعْرَفُ ، فَإِذَا كَانَ ذَلِكَ فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ ، وَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي ، فَإِنَّمَا هُوَ عِرْقٌ " . قَالَ أَبُو مُوسَى : هَكَذَا حَدَّثَنَاهُ ابْنُ أَبِي عَدِيٍّ مِنْ كِتَابِهِ ، وَحَدَّثَنَا بِهِ حِفْظًا : ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرٍو ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ؛ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ .... فَذَكَرَ مِثْلَهُ ، وَقَالَ : " فَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৭(৬). আবু সাহল ইবনে যিয়াদ (রহঃ) ... ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইস্তেহাযার রোগিনী ছিলেন। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, যখন মাসিক ঋতুর কালো রক্তক্ষরণ হবে, যা বুঝা যায়, তখন তুমি নামায ছেড়ে দিবে। আর যখন অন্য রঙ্গের রক্তক্ষরণ হবে তখন তুমি উযু করবে এবং নামায পড়বে। এটা একটা শিরাবাহিত রক্ত।
حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ يَحْيَى الْحُلْوَانِيُّ ، نَا خَلَفُ بْنُ سَالِمٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبِي عَدِيٍّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرٍو ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ ؛ أَنَّهَا كَانَتْ تُسْتَحَاضُ ، فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " إِذَا كَانَ دَمُ الْحَيْضِ دَمًا أَسْوَدَ يُعْرَفُ ، فَأَمْسِكِي عَنِ الصَّلَاةِ ، فَإِذَا كَانَ الْآخَرُ فَتَوَضَّئِي وَصَلِّي ؛ فَإِنَّمَا هُوَ الْعِرْقُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৮(৭)। আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে ইস্তিহাযার রোগিনী ছিলেন। উম্মে সালামা (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ সে যেন তার মাসিক ঋতুর দিন-রাতগুলোর অপেক্ষা করে (প্রতি মাসে ঋতুর স্বাভাবিক সময়কালের হিসাব রাখে) এবং নামায ছেড়ে দেয়। যখন এ (ঋতুস্রাবের) মেয়াদ অতিবাহিত হবে তখন সে যেন গোসল করে, উযু করে এবং কাপড়ের পট্টি বেঁধে নামায পড়ে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، ثَنَا أَبُو عُبَيْدِ اللَّهِ الْمَخْزُومِيُّ ، نَا سُفْيَانُ ، عَنْ أَيُّوبَ السَّخْتِيَانِيِّ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ؛ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ كَانَتْ تُسْتَحَاضُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَسَأَلَتْ لَهَا أُمُّ سَلَمَةَ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ؟ فَقَالَ : " لِتَنْظُرْ عِدَّةَ اللَّيَالِي وَالْأَيَّامِ الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُهُنَّ وَقَدْرَهُنَّ مِنَ الشُّهُورِ ، فَلْتَتْرُكِ الصَّلَاةَ لِذَلِكَ ، فَإِذَا خَلَّفَتْ ذَلِكَ ، فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتَتَوَضَّأْ ، وَلْتَسْتَذْفِرْ ثُمَّ تُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৬৯(৮). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উম্মে সালামা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ)-এর জন্য ফতোয়া জিজ্ঞেস করলেন। তিনি বলেন, সে তার মাসিক ঋতুর মেয়াদকালের নামায ছেড়ে দিবে, তারপর গোসল করে নামায পড়বে।
উহাইব (রহঃ) উপরের এই হাদীস আইয়ুব-সুলায়মান-উম্মে সালামা (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন। তাতে আছে, সে তার মাসিক ঋতুর দিনগুলোতে অপেক্ষা করবে এবং নামায ছেড়ে দিবে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْقَاضِي ، نَا أَبُو مَعْمَرٍ ، ثَنَا عَبْدُ الْوَارِثِ ، نَا أَيُّوبُ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ أَنَّ أُمَّ سَلَمَةَ اسْتَفْتَتِ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - لِفَاطِمَةَ بِنْتِ أَبِي حُبَيْشٍ ، فَقَالَ : " تَدَعُ الصَّلَاةَ قَدْرَ أَقْرَائِهَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي " . وَرَوَاهُ وُهَيْبٌ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنْ سُلَيْمَانَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ بِهَذَا ، وَقَالَ : " تَنْتَظِرُ أَيَّامَ حَيْضِهَا ، فَتَدَعُ الصَّلَاةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭০(৯). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ)-এর অত্যধিক রক্তস্রাব হতো, এমনকি তার নিচ থেকে গামলা সরানো হলে তার উপর রক্তের রং ভেসে উঠতো। রাবী বলেন, তিনি উম্মে সালামা (রাঃ)-কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট তার সম্পর্কে জিজ্ঞেস করার অনুরোধ করেন। তিনি বলেন, সে তার মাসিক ঋতুর দিনগুলোতে নামায ছেড়ে দিবে। তারপর গোসল করে (লজ্জাস্থানে) পট্টি বেঁধে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نَا ابْنُ زَنْجَوَيْهِ ، نَا مُعَلَّى بْنُ أَسَدٍ ، نَا وُهَيْبٌ ، ح : وَحَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، ثَنَا أَبُو الرَّبِيعِ ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، نَا أَيُّوبُ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ؛ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ اسْتُحِيضَتْ ، حَتَّى كَانَ الْمِرْكَنُ يُنْقَلُ مِنْ تَحْتِهَا وَأَعْلَاهُ الدَّمُ ، قَالَ : فَأَمَرَتْ أُمَّ سَلَمَةَ تَسْأَلُ لَهَا النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَقَالَ : " تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَسْتَذْفِرُ بِثَوْبٍ وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭১(১০). আবদুল্লাহ (রহঃ) ... সুলায়মান ইবনে ইয়াসার (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ)-এর অত্যধিক রক্তস্রাব হতে থাকলে তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বিধান জিজ্ঞেস করলেন অথবা তার সম্পর্কে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি তাকে নির্দেশ দিলেন, সে যেন তার মাসিক ঋতুর কয়দিন নামায ছেড়ে দেয়, তারপরের দিনগুলোতে গোসল করে পট্টি বেঁধে নামায পড়ে। সুলায়মান (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করা হলো, তার স্বামী কি তার সঙ্গে সহবাস করতে পারে? তিনি বলেন, আমরা যতটুকু শুনেছি ততটুকু বললাম।
نَا عَبْدُ اللَّهِ ، قَالَ ، نَا جَدِّي ، ثَنَا إِسْمَاعِيلُ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ؛ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ اسْتُحِيضَتْ ، فَسَأَلَتْ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَوْ قَالَ : فَسُئِلَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَأَمَرَهَا أَنْ تَدَعَ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ، وَأَنْ تَغْتَسِلَ فِيمَا سِوَى ذَلِكَ ، وَتَسْتَذْفِرَ بِثَوْبٍ ، وَتُصَلِّيَ . فَقِيلَ لِسُلَيْمَانَ : أَيَغْشَاهَا زَوْجُهَا ؟ فَقَالَ : إِنَّمَا نَقُولُ فِيمَا سَمِعْنَا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭২(১১). ইবরাহীম ইবনে হাম্মাদ (রহঃ) ... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর মেয়াদ (সর্বোচ্চ) পনের দিন।
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَخْرَمِيُّ ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، نَا مُفَضَّلُ بْنُ مُهَلْهَلٍ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " الْحَيْضُ خَمْسَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৩(১২). আল-কাযী আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর (সর্বোচ্চ) মেয়াদ পনের দিন।
حَدَّثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ سَعْدٍ الزُّهْرِيُّ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، عَنْ مُفَضَّلٍ ، وَابْنِ الْمُبَارَكِ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " أَكْثَرُ الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৪(১৩). মুহাম্মাদ ইবনু মাখলাদ (রহঃ) ... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর সময়সীমা পনের দিন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، نَا الرَّبِيعُ بْنُ صُبَيْحٍ ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " الْحَيْضُ خَمْسَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৫(১৪). ইবরাহীম ইবনে হাম্মাদ (রহঃ) ... আতা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর সর্বাধিক সময়সীমা পনের দিন।
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُخَرِّمِيُّ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، ثَنَا حَفْصٌ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنْ عَطَاءٍ ، قَالَ : " أَكْثَرُ الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৬(১৫). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... আতা ইবনে আবু রাবাহ (রহঃ) বলেন, মাসিক ঋতুর সর্বনিম্ন সময়সীমা একদিন। আবু ইবরাহীম (রহঃ) বলেন, আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ) এই হাদীসদ্বয় গ্রহণ করেছেন এবং তা দলীল হিসেবে পেশ করতেন।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا أَبُو إِبْرَاهِيمَ الزُّهْرِيُّ ، ثَنَا النُّفَيْلِيُّ ، قَالَ : قَرَأْتُ عَلَى مَعْقِلِ بْنِ عُبَيْدِ اللَّهِ ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ أَبِي رَبَاحٍ ، قَالَ : " أَدْنَى وَقْتِ الْحَيْضِ يَوْمٌ " . ، قَالَ أَبُو إِبْرَاهِيمَ : إِلَى هَذَيْنِ الْحَدِيثَيْنِ كَانَ يَذْهَبُ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ ، وَكَانَ يَحْتَجُّ بِهِمَا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৭(১৬). আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হান্নাত (রহঃ) ... শারীক (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমাদের এখানে একজন মহিলার প্রতি মাসে পনের দিন ঋতুস্রাব হতো সুস্থ ও সঠিক ঋতুস্রাব।
حَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنَّاطُ ، نَا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، ح : وَحَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمُخَرِّمِيُّ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، نَا شَرِيكٌ ، قَالَ : " عِنْدَنَا امْرَأَةٌ تَحِيضُ خَمْسَ عَشْرَةَ مِنَ الشَّهْرِ حَيْضًا مُسْتَقِيمًا صَحِيحًا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৮(১৭). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনে মুসআব (রহঃ) বলেন, আমি আল-আওযাঈ (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আমাদের এখানে এক মহিলার সকালে ঋতুস্রাব হতো এবং সন্ধ্যায় পবিত্র হয়ে যেতো।
حَدَّثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا الْعَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ مُحَمَّدَ بْنَ مُصْعَبٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ الْأَوْزَاعِيَّ ، يَقُولُ : " عِنْدَنَا هَاهُنَا امْرَأَةٌ تَحِيضُ غُدْوَةً وَتَطْهُرُ عَشِيَّةً
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৭৯(১৮). সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হান্নাত (রহঃ) ... শারীক ও হাসান ইবনে সালেহ (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর সর্বোচ্চ মেয়াদ পনের দিন।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنَّاطُ ، نَا أَبُو هِشَامٍ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، عَنْ شَرِيكٍ ، وَحَسَنِ بْنِ صَالِحٍ ، قَالَ : " أَكْثَرُ الْحَيْضِ خَمْسَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮০(১৯). ইয়াযদাদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) ... আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতু তিন দিন, চার দিন, পাঁচ দিন, ছয় দিন, সাত দিন, আট দিন, নয় দিন এবং দশ দিন। তার বেশী (দশ দিনের) হলে সে রক্তপ্রদরের রোগিনী।
এই হাদীস এই সূত্রে আল-আ’মাশ (রহঃ) থেকে হারূন ইবনে যিয়াদ (রহঃ) ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এবং তিনি হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। কুফার ফকীহগণের নিকট এই হাদীসের জন্য আল-আমাশ (রহঃ) থেকে কোন ভিত্তি নেই। আল্লাহই সর্বাধিক জ্ঞাত।
حَدَّثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، حَدَّثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ ، حَدَّثَنَا خَالِدُ بْنُ حَيَّانَ الرَّقِّيُّ ، عَنْ هَارُونَ بْنِ زِيَادٍ الْقُشَيْرِيِّ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ عَلْقَمَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : " الْحَيْضُ ثَلَاثٌ وَأَرْبَعٌ وَخَمْسٌ وَسِتٌّ وَسَبْعٌ وَثَمَانٍ وَتِسْعٌ وَعَشْرٌ ، فَإِنْ زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ " . لَمْ يَرْوِهِ عَنِ الْأَعْمَشِ بِهَذَا الْإِسْنَادِ غَيْرُ هَارُونَ بْنِ زِيَادٍ ، وَهُوَ ضَعِيفُ الْحَدِيثِ ، وَلَيْسَ لِهَذَا الْحَدِيثِ عِنْدَ الْكُوفِيِّينَ أَصْلٌ عَنِ الْأَعْمَشِ . وَاللَّهُ أَعْلَمُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮১(২০). ইয়াযদাদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর মেয়াদ তিন দিন, চার দিন, পাঁচ দিন, ছয় দিন, সাত দিন, আট দিন, নয় দিন এবং দশ দিন।
حَدَّثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، نَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ ، نَا إِسْمَاعِيلُ ابْنُ عُلَيَّةَ ، عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " الْقُرُوءُ ثَلَاثٌ وَأَرْبَعٌ وَخَمْسٌ وَسِتٌّ وَسَبْعٌ وَثَمَانٍ وَتِسْعٌ وَعَشْرٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮২(২১). সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হান্নাত (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর মেয়াদ তিন দিন, চার দিন, পাঁচ দিন, ছয় দিন, সাত দিন, আট দিন, নয় দিন এবং দশ দিন।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنَّاطُ ، ثَنَا أَبُو هِشَامٍ الرِّفَاعِيُّ ، ثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ ، ح : وَثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، نَا أَبُو سَعِيدٍ ، نَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ حَرْبٍ النَّهْدِيُّ الْمُلَائِيُّ ، نَا الْجَلْدُ بْنُ أَيُّوبَ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " الْحَيْضُ ثَلَاثٌ وَأَرْبَعٌ وَخَمْسٌ وَسِتٌّ وَسَبْعٌ وَثَمَانٍ وَتِسْعٌ وَعَشْرٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৩(২২). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর (হায়েযের) সর্বনিম্ন মেয়াদ তিন দিন এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ দশ দিন। ওয়াকী (রহঃ) বলেন, মাসিক ঋতুর মেয়াদ তিন দিন থেকে দশ দিন পর্যন্ত। তার অতিরিক্ত হলে সে রক্তপ্রদরের রোগিনী।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، نَا الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، ثَنَا سُفْيَانُ ، ح : وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا عَبَّاسُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، نَا أَبُو أَحْمَدَ الزُّبَيْرِيُّ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " أَدْنَى الْحَيْضِ ثَلَاثَةٌ ، وَأَقْصَاهُ عَشْرَةٌ " . قَالَ وَكِيعٌ : " الْحَيْضُ ثَلَاثٌ إِلَى عَشْرٍ ، فَمَا زَادَ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৪(২৩). ইয়াযদাদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) ... আর-রুবাঈ ইবনে সুবায়হ (রহঃ) থেকে এমন ব্যক্তির সূত্রে বর্ণিত যিনি আনাস (রাঃ)-কে বলতে শুনেছেন, মাসিক ঋতু দশ দিনের অধিক নয় (দারিমী, নং ৮৪১)।
حَدَّثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ ، ثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ ، عَنِ الرَّبِيعِ بْنِ صَبِيحٍ ، عَمَّنْ سَمِعَ أَنَسًا يَقُولُ : " لَا يَكُونُ الْحَيْضُ أَكْثَرَ مِنْ عَشَرَةٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৫(২৪). সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) ... সুফিয়ান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, মাসিক ঋতুর সর্বনিম্ন মেয়াদ তিন দিন এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ দশ দিন।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو هِشَامٍ ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ أَبِي عُثْمَانَ الرَّازِيُّ ، عَنْ سُفْيَانَ ، قَالَ : " أَقَلُّ الْحَيْضِ ثَلَاثٌ ، وَأَكْثَرُهُ عَشْرٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৬(২৫). আবু বাকর আহমাদ ইবনে মূসা ইবনুল আব্বাস ইবনে মুজাহিদ (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, যে কোন মহিলা দশ দিন পর্যন্ত হায়েযগ্রস্ত হিসাবে গণ্য হবে। তার অতিরিক্ত হলে সে রক্তপ্রদরের রোগিনী।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ أَحْمَدُ بْنُ مُوسَى بْنِ الْعَبَّاسِ بْنِ مُجَاهِدٍ ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ شَبِيبٍ ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْمُنْذِرِ ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ دَاوُدَ ، عَنْ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ مُحَمَّدٍ الدَّرَاوَرْدِيِّ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ ثَابِتٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " هِيَ حَائِضٌ فِيمَا بَيْنَهَا وَبَيْنَ عَشَرَةٍ ، فَإِذَا زَادَتْ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৭(২৬). মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-ফারিসী (রহঃ) ... আবু যুর’আ আদ-দিমাশকী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-কে আল-জালাদ ইবনে আইয়ুবের এই হাদীস প্রত্যাখ্যান করতে দেখেছি। আমি আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, এই হাদীস সহীহ হলে ইবনে সীরীন (রহঃ) এই কথা বলতেন না, আনাস ইবনে মালেক (রাঃ)-এর দাসী রক্তপ্রদরে আক্রান্ত হলে তারা আমাকে ইবনে আব্বাস (রাঃ)-এর নিকট বিধান জিজ্ঞেস করার জন্য পাঠান।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ ، نَا أَبُو زُرْعَةَ الدِّمَشْقِيُّ ، قَالَ : رَأَيْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يُنْكِرُ حَدِيثَ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ هَذَا ، وَسَمِعْتُ أَحْمَدَ بْنَ حَنْبَلٍ يَقُولُ : لَوْ كَانَ هَذَا صَحِيحًا لَمْ يَقُلِ ابْنُ سِيرِينَ : اسْتُحِيضَتْ أُمُّ وَلَدٍ لِأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، فَأَرْسَلُونِي أَسْأَلُ ابْنَ عَبَّاسٍ ، - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
[ক্রমিক নাম্বারের ভুলের কারণে ৭৮৮ নাম্বার বাদ পড়েছে।]
-
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৮৯(২৭). আল-হাসান ইবনে রাশীক (রহঃ) ... হাম্মাদ ইবনে যায়েদ (রহঃ) বলেন, আমি ও জারীর ইবনে হাযেম (রহঃ) আল-জালাদ ইবনে আইয়ুবের নিকট গেলে তিনি আমাদের কাছে রক্তপ্রদরের রোগিনী সংশ্লিষ্ট এই হাদীস বর্ণনা করেন : সে তিন দিন অথবা পাঁচ দিন অথবা সাত দিন অথবা দশ দিন অপেক্ষা করবে। আমরা তার সঙ্গে একমত হলাম, তবে তিনি হায়েয ও ইস্তিহাযার মধ্যে কোন পার্থক্য করেন না।
حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ رَشِيقٍ ، نَا عَلِيُّ بْنُ سَعِيدٍ ، ثَنَا ابْنُ حِسَابٍ ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ ، قَالَ : ذَهَبْتُ أَنَا وَجَرِيرُ بْنُ حَازِمٍ إِلَى الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، فَحَدَّثَنَا بِهَذَا الْحَدِيثِ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ : تَنْتَظِرُ ثَلَاثًا خَمْسًا سَبْعًا عَشْرًا ، فَذَهَبْنَا نُوَقِّفُهُ ، فَإِذَا هُوَ لَا يَفْصِلُ بَيْنَ الْحَيْضِ وَالِاسْتِحَاضَةِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯০(২৮). উসমান ইবন আহমাদ আদ-দাককাক (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ঋতুবতী নারী তিন দিন অথবা চার দিন অথবা পাঁচ দিন থেকে দশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষা করবে (নামায ছেড়ে দিবে) এবং দশ দিন অতিবাহিত হলে সে রক্তপ্রদরের (ইস্তিহাযা) রোগিনী। সে গোসল করে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ ، نَا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ ، وَسَعِيدٌ ، عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : " الْحَائِضُ تَنْتَظِرُ ثَلَاثَةَ أَيَّامٍ أَوْ أَرْبَعَةً أَوْ خَمْسَةً إِلَى عَشَرَةِ أَيَّامٍ ، فَإِذَا جَاوَزَتْ عَشَرَةَ أَيَّامٍ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ ، تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯১(২৯). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, কোন মহিলা এক দিন অথবা দুই দিন অথবা তিন দিনের রক্তস্রাবে রক্তপ্রদরের রোগিনী হয় না, দশ দিন না পৌছা পর্যন্ত। রক্তস্রাব দশ দিনে পৌছলে সে ইস্তিহাযার রোগিনী গণ্য হবে।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا خَلَّادُ بْنُ أَسْلَمَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ فُضَيْلٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ، قَالَ : " لَا تَكُونُ الْمَرْأَةُ مُسْتَحَاضَةً فِي يَوْمٍ وَلَا يَوْمَيْنِ وَلَا ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ، حَتَّى تَبْلُغَ عَشَرَةَ أَيَّامٍ ، فَإِذَا بَلَغَتْ عَشَرَةَ أَيَّامٍ كَانَتْ مُسْتَحَاضَةً
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯২(৩০). উসমান ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক (রহঃ) ... আল-হাসান (রহঃ) থেকে বর্ণিত। উসমান ইবনে আবুল আস আস-সাকাফী (রাঃ) বলেন, ঋতুবতী নারীর দশ দিন অতিক্রান্ত হলে সে ইস্তিহাযার রোগিনী গণ্য হবে, সে গোসল করে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ ، نَا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، أَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ ، عَنِ الْحَسَنِ : أَنَّ عُثْمَانَ بْنَ أَبِي الْعَاصِ الثَّقَفِيَّ ، قَالَ : " الْحَائِضُ إِذَا جَاوَزَتْ عَشَرَةَ أَيَّامٍ فَهِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ ، تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৩(৩১). ইবরাহীম ইবনে হাম্মাদ (রহঃ) ... সাঈদ ইবনে জুবাইর (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হায়েযের মেয়াদ তেরো দিন।
حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ حَمَّادٍ ، نَا الْمُخَرَّمِيُّ ، نَا يَحْيَى بْنُ آدَمَ ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، ح : وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، نَا الْحَسَّانِيُّ ، نَا وَكِيعٌ ، نَا حَمَّادُ بْنُ سَلَمَةَ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ ثَابِتٍ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ جُبَيْرٍ ، قَالَ : " الْحَيْضُ ثَلَاثَ عَشْرَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৪(৩২). মুহাম্মাদ ইবনে সুলায়মান ইবনে মুহাম্মাদ আল-বাহিলী (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি একজন রক্তপ্রদরের রোগিনী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেন, এটা একটা শিরার রক্ত। তুমি তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন অপেক্ষা করো (নামায ছেড়ে দাও)। মাসিক ঋতুর স্বাভাবিক মেয়াদ অতিবাহিত হওয়ার পর তুমি গোসল করে পরিচ্ছন্ন হবে, তারপর প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করবে।
এই হাদীস কেবল আমর ইবনে মাতারই বর্ণনা করেছেন আবু ইউসুফ (রহঃ) সূত্রে এবং তিনি হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। এই হাদীস এই সূত্রে ইসমাঈল (রহঃ) থেকে অন্যান্য লোকেরা মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেনঃ “ইস্তিহাযার রোগিনী তার মাসিক ঋতুর দিনগুলোতে নামায পড়বে না। তারপর সে গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করবে”।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ مُحَمَّدٍ الْبَاهِلِيُّ ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الصَّمَدِ بْنِ أَبِي خِدَاشٍ ، نَا عَمَّارُ بْنُ مَطَرٍ ، نَا أَبُو يُوسُفَ يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، عَنْ إِسْمَاعِيلَ بْنِ أَبِي خَالِدٍ ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ، عَنْ قَمِيرَ - امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ - ، عَنْ عَائِشَةَ : أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ أَتَتْ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ ، فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - " إِنَّمَا ذَاكِ عِرْقٌ ، فَانْظُرِي أَيَّامَ أَقْرَائِكِ ، فَإِذَا جَاوَزْتِ فَاغْتَسِلِي وَاسْتَنْقِي ، ثُمَّ تَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ " . تَفَرَّدَ بِهِ عَمَّارُ بْنُ مَطَرٍ ، وَهُوَ ضَعِيفٌ ، عَنْ أَبِي يُوسُفَ وَالَّذِي عِنْدَ النَّاسِ : عَنْ إِسْمَاعِيلَ ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، مَوْقُوفًا : " الْمُسْتَحَاضَةُ تَدَعُ الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتَتَوَضَّأُ لِكُلِّ صَلَاةٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৫(৩৩). মুহাম্মাদ ইবনে মূসা ইবনে সাহল আল-বারবাহারী (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি সর্বদা রক্তপ্রদরে আক্রান্ত থাকি, কখনও পাক হতে পারি না। তিনি বলেন, তুমি তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন নামায ছেড়ে দিবে। তারপর তুমি গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের সময় উযু করবে, নামাযের পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও (নামায পড়বে)।
ওয়াকী’, আল-হারাবী, কুররা ইবনে ঈসা, মুহাম্মাদ ইবনে রাবীয়া, সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-ওয়াররাক, ইবনে নুমাইর ও আল-আ’মাশ (রহঃ) থেকে তার অনুকরণ করেন এবং তারা এই হাদীস মারফুরূপে বর্ণনা করেন। এই হাদীস হাফ্স ইবনে গিয়াস, আবু উসামা ও আসবাত ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন এবং তারা সবাই নির্ভরযোগ্য।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُوسَى بْنِ سَهْلٍ الْبَرْبَهَارِيُّ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُعَاوِيَةَ بْنِ مَالِجٍ ، نَا عَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : أَتَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي اسْتُحِضْتُ فَمَا أَطْهُرُ ؟ فَقَالَ : " ذَرِي الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضَتِكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَتَوَضَّئِي عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ " . تَابَعَهُ وَكِيعٌ ، وَالْحَرْبِيُّ ، وَقُرَّةُ بْنُ عِيسَى ، وَمُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ ، وَسَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ ، وَابْنُ نُمَيْرٍ عَنِ الْأَعْمَشِ ؛ فَرَفَعُوهُ ، وَوَقَفَهُ حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ ، وَأَبُو أُسَامَةَ ، وَأَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، وَهُمْ أَثْبَاتٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৬(৩৪). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক আনসারী মহিলা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, আমি ইস্তিহাযার রোগিনী। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে নির্দেশ দিলেন, সে যেন মাসিক ঋতুর কয়দিন নামায পড়া থেকে বিরত থাকে, অতঃপর গোসল করে এবং প্রতি ওয়াক্তের নামাযের জন্য উযু করে এবং নামায পড়ে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، نَا الْعَلَاءُ بْنُ سَالِمٍ ، نَا قُرَّةُ بْنُ عِيسَى ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : " جَاءَتِ امْرَأَةٌ مِنَ الْأَنْصَارِ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَقَالَتْ : إِنِّي أُسْتَحَاضُ ؟ فَأَمَرَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَنْ تَعْتَزِلَ الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضَتِهَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلَ وَتَوَضَّأَ لِكُلِّ صَلَاةٍ ، وَتُصَلِّيَ ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৭(৩৫). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি রক্তপ্রদরে আক্রান্ত, কখনও পবিত্র হতে পারি না। আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, এটা একটা শিরার রক্ত, হায়েয নয়। তুমি তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন নামায ছেড়ে দিবে, অতঃপর গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করে নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، نَا وَكِيعٌ ، ثَنَا الْأَعْمَشُ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ قَالَ : " لَا ، إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ ، وَلَيْسَتْ بِالْحَيْضَةِ ، اجْتَنِبِي الصَّلَاةَ أَيَّامَ مَحِيضِكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي ، وَتَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৮(৩৬). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি রক্তপ্রদরের রোগিনী, কখনও পাক হই না, আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন তুমি নামায ছেড়ে দিবে, অতঃপর গোসল করবে এবং নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও। অন্যান্য রাবী ওয়াকী (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেন, “এবং তুমি প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করবে”।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ سَعِيدٍ الْعَطَّارُ ، أَنَا وَكِيعٌ ، ح : وَحَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا الْفَضْلُ بْنُ سَهْلٍ ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ دَاوُدَ - جَمِيعًا - عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ فَقَالَ : " دَعِي الصَّلَاةَ أَيَّامَ أَقْرَائِكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَصَلِّي ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ " . وَقَالَ غَيْرُهُ ، عَنْ وَكِيعٍ : " وَتَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৭৯৯(৩৭). সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ আল-হান্নাত (রহঃ) ... ওয়াকী (রহঃ) থেকে এই সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, অতঃপর তুমি গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করে নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحَنَّاطُ ، نَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى ، نَا وَكِيعٌ بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، وَقَالَ : " ثُمَّ اغْتَسِلِي وَتَوَضَّئِي لِكُلِّ صَلَاةٍ ، وَصَلِّي وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০০(৩৮). আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এসে বললেন, আমি রক্তপ্রদরে আক্রান্ত। তিনি বলেন, তুমি তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন নামায থেকে বিরত থাকবে। অতঃপর তুমি গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের সময় উযু করে নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ النَّشَائِيُّ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ رَبِيعَةَ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَقَالَتْ : إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ ؟ فَقَالَ : " اجْتَنِبِي الصَّلَاةَ أَيَّامَ مَحِيضِكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَتَوَضَّئِي عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ قَطْرًا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০১(৩৯). ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, ইস্তিহাযার রোগিনী নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
حَدَّثَنَا ابْنُ مُبَشِّرٍ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ حَرْبٍ ، نَا سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ الثَّقَفِيُّ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : " تُصَلِّي الْمُسْتَحَاضَةُ وَإِنْ قَطَرَ عَلَى الْحَصِيرِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০২(৪০). আবু বাকর আন-নায়শাপুরী (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবনে বিশর ইবনুল হাকাম (রহঃ) বলেন, আমরা দাউদ আল-খুরায়বীর নিকট থেকে ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ)-এর নিকট এলে তিনি জিজ্ঞেস করেন, তোমরা কোথা থেকে এলে? আমরা বললাম, আবদুল্লাহ ইবনে দাউদের নিকট থেকে। তিনি বলেন, তিনি কি তোমাদের নিকট কোন সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন? আমরা বললাম, তিনি আমাদের নিকট আল-আমাশ (রহঃ)-হাবীব ইবনে আবু সাবেত-উরওয়া-আয়েশা (রাঃ) সূত্রে হাদীস বর্ণনা করেছেন। ইয়াহইয়া ইবনে সাঈদ আল-কাত্তান (রহঃ) বলেন, নিশ্চয়ই সুফিয়ান আস-সাওরী (রহঃ) এ বিষয়ে সর্বাধিক জ্ঞানী। তিনি মনে করেন, হাবীব ইবনে আবু সাবেত (রহঃ) উরওয়া ইবনুয যুবায়ের (রহঃ) থেকে কোন হাদীস শ্রবণ করেননি।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ بِشْرِ بْنِ الْحَكَمِ ، قَالَ : جِئْنَا مِنْ عِنْدِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دَاوُدَ الْخُرَيْبِيِّ إِلَى يَحْيَى بْنِ سَعِيدٍ الْقَطَّانِ ، فَقَالَ : مِنْ أَيْنَ جِئْتُمْ ؟ قُلْنَا : مِنْ عِنْدِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ دَاوُدَ . فَقَالَ : مَا حَدَّثَكُمْ ؟ قُلْنَا : حَدَّثَنَا عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ الْحَدِيثَ . فَقَالَ يَحْيَى : أَمَا إِنَّ سُفْيَانَ الثَّوْرِيَّ كَانَ أَعْلَمَ النَّاسِ بِهَذَا ، زَعَمَ أَنَّ حَبِيبَ بْنَ أَبِي ثَابِتٍ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ شَيْئًا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৩(৪১). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) বলেন, আমি আবু দাউদ আস-সিজিসতানী (রহঃ)-কে বলতে শুনেছি, আল-আমাশ (রহঃ)-এর বর্ণিত হাদীস দুর্বল হওয়ার প্রমাণ এই যে, হাফস ইবনে গিয়াছ (রহঃ) আল-আ’মাশ (রহঃ) থেকে এই হাদীস মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন এবং মারফু হওয়াকে প্রত্যাখ্যান করেছেন। এই হাদীস আসবাত ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ)-ও আল-আ’মাশ (রহঃ)-আয়েশা (রাঃ) সূত্রে মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন। ইবনে দাউদ (রহঃ) আল-আ’মাশ (রহঃ) সূত্রে এই হাদীসের প্রথমাংশ মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন এবং এই হাদীসের প্রতি ওয়াক্ত নামাযের সময় উযু করার বর্ণনা প্রত্যাখ্যান করেছেন। উরওয়া (রহঃ)-এর সূত্রে হাবীব (রহঃ) কর্তৃক বর্ণিত হাদীসও দুর্বল হওয়ার প্রমাণ এই যে, আয-যুহরী (রহঃ) এই হাদীস উরওয়া (রহঃ)-আয়েশা (রাঃ) সূত্রে বর্ণনা করেছেন এবং তাতে আছে যে, প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য গোসল করবে। এই সম্পূর্ণটাই ইমাম আবু দাউদের উক্তি।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَبَا دَاوُدَ السِّجِسْتَانِيَّ ، يَقُولُ : وَمِمَّا يَدُلُّ عَلَى ضَعْفِ حَدِيثِ الْأَعْمَشِ هَذَا : أَنَّ حَفْصَ بْنَ غِيَاثٍ وَقَفَهُ عَنِ الْأَعْمَشِ ، وَأَنْكَرَ أَنْ يَكُونَ مَرْفُوعًا ، وَوَقَفَهُ أَيْضًا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ عَائِشَةَ ، وَرَوَاهُ ابْنُ دَاوُدَ ، عَنِ الْأَعْمَشِ مَرْفُوعًا أَوَّلُهُ ، وَأَنْكَرَ أَنْ يَكُونَ فِيهِ الْوُضُوءُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ . وَدَلَّ عَلَى ضَعْفِ حَدِيثِ حَبِيبٍ ، عَنْ عُرْوَةَ أَيْضًا : أَنَّ الزُّهْرِيَّ رَوَاهُ عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، وَقَالَ فِيهِ : " فَكَانَتْ تَغْتَسِلُ لِكُلِّ صَلَاةٍ " . هَذَا كُلُّهُ قَوْلُ أَبِي دَاوُدَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৪(৪২). আলী ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে উবায়েদ (রহঃ) ... ইস্তিহাযার রোগিনী সম্পর্কে আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। সে নামায পড়বে তার পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও। ইবনে আবু খায়সামা (রহঃ) বলেন, হাফস (রহঃ) এই হাদীস মারফুরূপে বর্ণনা করেননি। আবু উসামা (রহঃ) তার অনুরূপ বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عُبَيْدٍ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي خَيْثَمَةَ ، نَا عُمَرُ بْنُ حَفْصٍ ، ثَنَا أَبِي ، عَنِ الْأَعْمَشِ ، عَنْ حَبِيبٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ فِي الْمُسْتَحَاضَةِ : " تُصَلِّي ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى حَصِيرِهَا " . وَقَالَ ابْنُ أَبِي خَيْثَمَةَ : لَمْ يَرْفَعْهُ حَفْصٌ ، وَتَابَعَهُ أَبُو أُسَامَةَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৫(৪৩). ইবনুল আলা (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার নিকট ইস্তিহাযার রোগিনী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি বলেন, সে নামায পড়া ত্যাগ করবে না, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও। আসবাত ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) তাদের উভয়ের অনুকরণ করেছেন।
حَدَّثَنَا ابْنُ الْعَلَاءِ ، ثَنَا أَبُو عُبَيْدَةَ بْنُ أَبِي السَّفَرِ ، ح : وَحَدَّثَنَا ابْنُ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عُبَادَةَ ، قَالَا : ثَنَا أَبُو أُسَامَةَ ، قَالَ ثَنَا الْأَعْمَشُ ، عَنْ حَبِيبٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ؛ أَنَّهَا سُئِلَتْ عَنِ الْمُسْتَحَاضَةِ ؟ فَقَالَتْ : " لَا تَدَعُ الصَّلَاةَ ، وَإِنْ قَطَرَ عَلَى الْحَصِيرِ " . تَابَعَهُمَا أَسْبَاطُ بْنُ مُحَمَّدٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৬(৪৪)। মুহাম্মাদ ইবনুল হাসান আন-নাক্কাশ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রক্তপ্রদরের রোগিনী নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও। রাবী ওয়াকী (রহঃ) এই হাদীস মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন এবং আলী ইবনে হাশেম ও হাফস মাওকুফরূপে বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْحَسَنِ النَّقَّاشُ ، ثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِدْرِيسَ ، قَالَ : سَمِعْتُ عُثْمَانَ بْنَ أَبِي شَيْبَةَ .... وَذَكَرَ حَدِيثَ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ : " تُصَلِّي الْمُسْتَحَاضَةُ ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ " . فَقَالَ : وَكِيعٌ يَرْفَعُهُ ، وَعَلِيُّ بْنُ هَاشِمٍ وَحَفْصٌ يُوقِفَانِهِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৭(৪৫). মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-ফারিসী (রহঃ) ... ইয়াহইয়া ইবনে মাঈন (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, হাবীব ইবনে আবু সাবেত (রহঃ) উরওয়া (রহঃ) থেকে দুইটি হাদীস বর্ণনা করেছেন এবং উভয় হাদীসই গ্রহণযোগ্য নয়।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ ، نَا بَكْرُ بْنُ سَهْلٍ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الْخَالِقِ بْنُ مَنْصُورٍ ، عَنْ يَحْيَى بْنِ مَعِينٍ ، قَالَ : حَدَّثَ حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ حَدِيثَيْنِ ، وَلَيْسَ هُمَا بِشَيْءٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৮(৪৬). মুহাম্মাদ ইবনে আমর ইবনুল বাখতারী (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) এসে বললেন, আমি ইস্তিহাযার রোগিনী, কখনও পাক হই না। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন তুমি নামায থেকে বিতর থাকবে, অতঃপর গোসল করবে এবং রোযা রাখবে ও নামায পড়বে, পাটির উপর রক্তের ফোটা পতিত হলেও। তিনি পুনরায় বললেন, আমি রক্তপ্রদরে আক্রান্ত হয়েছি, আমার রক্তক্ষরণ বন্ধ হয় না। তিনি বলেন, এটা শিরার রক্ত, হায়েয নয়। তোমার হায়েয শুরু হলে তুমি নামায ত্যাগ করো। হায়েযের মেয়াদ শেষ হলে তুমি গোসল করো এবং নামায পড়ো।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَمْرِو بْنِ الْبَخْتَرِيِّ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ الْفَرَجِ الْجُشَمِيُّ ، نَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ نُمَيْرٍ ، نَا الْأَعْمَشُ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عُرْوَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ، قَالَتْ : جَاءَتْ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ ، فَقَالَتْ : إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ ؟ . فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " اجْتَنِبِي الصَّلَاةَ أَيَّامَ حَيْضَتِكِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي ، وَصُومِي وَصَلِّي ، وَإِنْ قَطَرَ الدَّمُ عَلَى الْحَصِيرِ " . فَقَالَتْ : إِنِّي أُسْتَحَاضُ لَا يَنْقَطِعُ الدَّمُ عَنِّي ؟ . قَالَ : " إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ ، وَلَيْسَ بِحَيْضٍ فَإِذَا أَقْبَلَ الْحَيْضُ فَدَعِي الصَّلَاةَ ، فَإِذَا أَدْبَرَ فَاغْتَسِلِي وَصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮০৯(৪৭). মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-ফারিসী (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলতেন, ’আল-আকরা’ অর্থ মাসিক ঋতু থেকে পবিত্র অবস্থা।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ أَيُّوبَ الْعَلَّافُ ، ثَنَا ابْنُ أَبِي مَرْيَمَ ، ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ ، أَخْبَرَنِي عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ الْقَاسِمِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ أَنَّهَا كَانَتْ تَقُولُ : " إِنَّمَا الْأَقْرَاءُ الْأَطْهَارُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১০(৪৮). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... হামনা বিনতে জাহ্শ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি গুরুতরভাবে অত্যধিক পরিমাণে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হলাম। অতএব আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট বিধান জিজ্ঞেস করতে এবং ব্যাপারটা তাকে জানাতে আসলাম। আমি আমার বোন যয়নব বিনতে জাহশের ঘরে তাঁর সাক্ষাৎ পেলাম। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! আমি গুরুতরভাবে অত্যধিক পরিমাণে রক্তক্ষরণে আক্রান্ত হয়েছি। এ ব্যাপারে আপনি কী বলেন? তা আমাকে রোযা-নামাযে বাধা দিচ্ছে। তিনি বলেনঃ আমি তোমাকে তুলা ব্যবহার করার উপদেশ দিচ্ছি। তা রক্ত শোষণ করবে। তিনি (হামনা) বলেন, এটা তদপেক্ষা বেশী। তিনি বলেনঃ তাহলে তুমি (লজ্জাস্থানে) পট্টি বেঁধে নাও। তিনি বলেন, এটা তদপেক্ষা বেশী। তিনি বলেন : তাহলে তুমি কাপড়ের পট্টি বেঁধে নাও। তিনি বললেন, এটা আরো অধিক গুরুতর, পানির প্রবাহের ন্যায় আমার রক্তক্ষরণ হয়।
নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ আমি তোমাকে দুইটি বিষয়ের নির্দেশ দিচ্ছি, এর মধ্যে যে কোন একটি তুমি অনুসরণ করবে তা তোমার জন্য অপরটির বদলে যথেষ্ট হবে। আর তুমি যদি উভয়টিই অবলম্বন করতে সক্ষম হও তবে সেক্ষেত্রে তুমিই অধিক জ্ঞাত। তিনি তাকে বলেন, এটা শয়তানের আঘাতসমূহের মধ্যকার একটি আঘাত ছাড়া কিছু নয়।
(এক) তুমি হায়েযের সময়সীমা ছয় দিন অথবা সাত দিন ধরবে, প্রকৃত ব্যাপার আল্লাহর জ্ঞানে রয়েছে। অতঃপর তুমি গোসল করবে, তুমি যখন মনে করবে যে, তুমি পাক হয়েছ তখন (মাসের অবশিষ্ট) চব্বিশ দিন অথবা তেইশ দিন নামায পড়বে এবং রোযা রাখবে। এটা তোমার জন্য যথেষ্ট হবে। তুমি প্রতি মাসে এরূপ করবে, যেভাবে অন্য মেয়েরা তাদের হায়েয চলাকালে এবং তোহরের (পবিত্রতার) সময়ে নিজেদের হায়েযের মেয়াদ এবং তোহরের (পবিত্রতার) মেয়াদ গণনা করে থাকে।
(দুই) যদি তুমি যুহরের নামায বিলম্ব করতে এবং আসরের নামায এগিয়ে আনতে সক্ষম হও, তাহলে পবিত্রতা অর্জনের জন্য গোসল করে যুহর ও আসরের নামায একত্রে পড়ে নাও। এভাবে মাগরিবের নামায বিলম্ব করতে এবং এশার নামায এগিয়ে আনতে সক্ষম হলে এবং গোসল করে উভয় নামায একত্রে পড়তে পারলে তাই করবে। তুমি যদি ফজরের নামাযের জন্যও গোসল করতে সক্ষম হও তবে তাই করবে এবং রোযাও রাখবে, যদি রোযা রাখতে সক্ষম হও। অতঃপর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ দু’টি বিকল্প নির্দেশের মধ্যে শেষোক্তটিই আমার কাছে অধিক পছন্দনীয়।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ أَبِي الرَّبِيعِ الْجُرْجَانِيُّ ، ثَنَا أَبُو عَامِرٍ الْعَقَدِيُّ ، ثَنَا زُهَيْرُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، عَنْ إِبْرَاهِيمَ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ طَلْحَةَ ، عَنْ عَمِّهِ عِمْرَانَ بْنِ طَلْحَةَ ، عَنْ أُمِّهِ حَمْنَةَ بِنْتِ جَحْشٍ قَالَتْ : كُنْتُ أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً شَدِيدَةً كَثِيرَةً ، فَجِئْتُ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَسْتَفْتِيهِ فَأُخْبِرُهُ ، فَوَجَدْتُهُ فِي بَيْتِ أُخْتِي زَيْنَبَ بِنْتِ جَحْشٍ ، قَالَتْ : فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، إِنِّي أُسْتَحَاضُ حَيْضَةً كَثِيرَةً شَدِيدَةً ، فَمَا تَرَى فِيهَا ؟ فَقَدْ مَنَعَتْنِي الصَّلَاةَ وَالصِّيَامَ ؟ . قَالَ : " أَنْعَتُ لَكِ الْكُرْسُفَ ، فَإِنَّهُ يُذْهِبُ الدَّمَ " . قَالَتْ : هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ ؟ . قَالَ : " فَتَلَجَّمِي " . قَالَتْ : هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ ؟ . قَالَ : " اتَّخِذِي ثَوْبًا " . قَالَتْ : هُوَ أَكْثَرُ مِنْ ذَلِكَ ، إِنَّمَا أَثُجُّ ثَجًّا ؟ . فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " سَآمُرُكِ بِأَمْرَيْنِ ، أَيَّهُمَا فَعَلْتِ فَقَدْ أَجْزَأَ عَنْكِ مِنَ الْآخَرِ ، فَإِنْ قَوِيتِ عَلَيْهِمَا فَأَنْتِ أَعْلَمُ " قَالَ لَهَا " إِنَّمَا هَذِهِ رَكْضَةٌ مِنْ رَكَضَاتِ الشَّيْطَانِ ، فَتَحَيَّضِي سِتَّةَ أَيَّامٍ أَوْ سَبْعَةَ أَيَّامٍ فِي عِلْمِ اللَّهِ ، ثُمَّ اغْتَسِلِي ، حَتَّى إِذَا رَأَيْتِ أَنَّكِ قَدْ طَهُرْتِ وَاسْتَنْقَيْتِ فَصَلِّي أَرْبَعًا وَعِشْرِينَ لَيْلَةً ، أَوْ ثَلَاثًا وَعِشْرِينَ وَأَيَّامَهَا ، وَصُومِي ، فَإِنَّ ذَلِكَ يُجْزِيكِ ، وَكَذَلِكَ فَافْعَلِي كُلَّ شَهْرٍ ، كَمَا تَحِيضُ النِّسَاءُ ، وَكَمَا يَطْهُرْنَ لِمِيقَاتِ حَيْضِهِنَّ وَطُهْرِهِنَّ ، فَإِنْ قَوِيتِ عَلَى أَنْ تُؤَخِّرِي الظُّهْرَ وَتُعَجِّلِي الْعَصْرَ ، وَتَغْتَسِلِينَ حَتَّى تَطْهُرِي ، ثُمَّ تُصَلِّينَ الظُّهْرَ وَالْعَصْرَ جَمِيعًا ، ثُمَّ تُؤَخِّرِينَ الْمَغْرِبَ وَتُعَجِّلِينَ الْعِشَاءَ ، ثُمَّ تَغْتَسِلِينَ وَتَجْمَعِينَ بَيْنَ الصَّلَاتَيْنِ ، فَافْعَلِي ، وَتَغْتَسِلِينَ مَعَ الْفَجْرِ ، فَصَلِّي وَصُومِي ، إَنْ قَدَرْتِ عَلَى ذَلِكَ " . قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " وَهَذَا أَعْجَبُ الْأَمْرَيْنِ إِلَيَّ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১১(৪৯). ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল (রহঃ) থেকে এই সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ الدَّقِيقِيُّ ، نَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ ، ثَنَا شَرِيكٌ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، نَحْوَهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১২(৫০). মুহাম্মাদ ইবনুল কাসিম (রহঃ) ... মুহাম্মাদ ইবনে আকীল (রহঃ) থেকে এই সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ زَكَرِيَّا ، أَنَا عَبَّادُ بْنُ يَعْقُوبَ ، نَا عَمْرُو بْنُ ثَابِتٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، نَحْوَهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৩(৫১). মুহাম্মাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে মালেক আল-আশকাফী (রহঃ) ... ইবনে আকীল (রহঃ) থেকে এই সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ مَالِكٍ الْإِسْكَافِيُّ ، ثَنَا الْحَارِثُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، ثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ ، ثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عَمْرٍو ، عَنِ ابْنِ عَقِيلٍ ، بِهَذَا نَحْوَهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৪(৫২). আবু বাকর আন-নায়শাপুরী (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আকীল (রহঃ) থেকে তার সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، ثَنَا الرَّبِيعُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، أَنَا الشَّافِعِيُّ ، نَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ أَبِي يَحْيَى ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَقِيلٍ ، بِإِسْنَادِهِ نَحْوَهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৫(৫৩). আবু মুহাম্মাদ ইবনে সায়েদ (রহঃ) ... আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ এতো এতো দিন যাবত রক্তপ্রদরে আক্রান্ত রয়েছেন। তিনি বলেন, “সুবহানাল্লাহ (কি আশ্চর্য)! এটা শয়তানের পক্ষ থেকে। সে যেন একটি (পানিভর্তি) গামলার মধ্যে বসে। অতঃপর তিনি গামলার মধ্যে বসলেন, এমনকি তিনি পানির উপর পীতবর্ণ দেখতে পেলেন। অতঃপর তিনি বললেনঃ “সে (পবিত্র পানি দ্বারা) গোসল করবে, যুহর ও আসরের নামাযের জন্য একবার গোসল করবে, মাগরিব ও এশার নামাযের জন্য একবার গোসল করবে এবং ফজরের নামাযের জন্য একবার গোসল করবে, অতঃপর এর মাঝখানে উযু করবে।
حَدَّثَنَا أَبُو مُحَمَّدِ بْنُ صَاعِدٍ ، نَا إِسْحَاقُ بْنُ شَاهِينَ أَبُو بِشْرٍ ، ثَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ : قَالَتْ : قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ اسْتُحِيضَتْ مُنْذُ كَذَا وَكَذَا ؟ قَالَ : " سُبْحَانَ اللَّهِ ! هَذَا مِنَ الشَّيْطَانِ ، فَلْتَجْلِسْ فِي مِرْكَنٍ " . فَجَلَسَتْ فِيهِ حَتَّى رَأَتِ الصُّفْرَةَ فَوْقَ الْمَاءِ ، فَقَالَ : " تَغْتَسِلُ لِلظُّهْرِ وَالْعَصْرِ غُسْلًا وَاحِدًا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلْمَغْرِبِ وَالْعِشَاءِ غُسْلًا وَاحِدًا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ لِلْفَجْرِ غُسْلًا وَاحِدًا ، ثُمَّ تَوَضَّأُ بَيْنَ ذَلِكَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৬(৫৪). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আসমা বিনতে উমাইস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ এতো এতো দিন যাবত নামায পড়েন না (রক্তপ্রদরের কারণে)। তিনি বলেনঃ সুবহানাল্লাহ! এটা একটা শিরার রক্ত। এরপর তিনি অন্য বাক্য বলেন, ... তার মাসিক ঋতুর কয়দিন (নামায ছেড়ে দিবে)। অতঃপর সে গোসল করে নামায পড়বে। যুহরের নামাযে বিলম্বে করবে এবং আসরের নামায এগিয়ে আনবে, আর উভয় নামাযের জন্য একবার গোসল করবে। অনুরূপভাবে মাগরিবের নামাযে বিলম্ব করবে এবং এশার নামায এগিয়ে আনবে, আর উভয় নামাযের জন্য একবার গোসল করবে এবং নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ الْوَاحِدِ بْنِ مُسْلِمٍ الصَّيْرَفِيُّ ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَاصِمٍ ، عَنْ سُهَيْلِ بْنِ أَبِي صَالِحٍ ، أَخْبَرَنِي الزُّهْرِيُّ ، عَنْ عُرْوَةَ بْنِ الزُّبَيْرِ ، عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ عُمَيْسٍ قَالَتْ : قُلْتُ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ لَمْ تُصَلِّ مُنْذُ كَذَا وَكَذَا ؟ قَالَ : " سُبْحَانَ اللَّهِ ! إِنَّمَا ذَلِكِ عِرْقٌ " - فَذَكَرَ كَلِمَةً بَعْدَهَا - : " أَيَّامَ أَقْرَائِهَا " ثُمَّ تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي ، وَتُؤَخِّرُ مِنَ الظُّهْرِ وَتُعَجِّلُ مِنَ الْعَصْرِ ، وَتَغْتَسِلُ لَهُمَا غُسْلًا وَاحِدًا ، وَتُؤَخِّرُ مِنَ الْمَغْرِبِ وَتُعَجِّلُ مِنَ الْعِشَاءِ ، وَتَغْتَسِلُ لَهُمَا غُسْلًا وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৭(৫৫)। আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... ইবনে আবু মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) রক্তপ্রদরে আক্রান্ত ছিলেন, বেশ কিছু দিন ধরে নামায পড়নেনি। অতঃপর তিনি উম্মুল মুমিনীন আয়েশা (রাঃ)-র নিকট আসেন এবং ব্যাপারটা তাকে জানান। তিনি বলেন, হে উম্মুল মুমিনীন! সে ভয় পাচ্ছে যে, সে দোযখবাসী হবে এবং তার জন্য দীন ইসলামে এর কোন অংশ নেই। আমি দীর্ঘ দিন থেকে অপেক্ষারত আছি। রক্তস্রাবের কারণে নামায পড়তে সক্ষম হইনি। আয়েশা (রাঃ) তাকে বললেন, আপনি অপেক্ষা করুন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আসলে আপনি এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞেস করুন যা আমাকে জিজ্ঞেস করেছেন। অতএব রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলেন এবং তিনি বললেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এই ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ। তিনি বর্ণনা করেছেন যে, তিনি রক্তপ্রদরে আক্রান্ত এবং বেশ কিছু দিন যাবত নামায পড়তে সক্ষম হচ্ছেন না। তিনি আশংকা করছেন যে, তিনি কুফরীতে লিপ্ত হয়েছেন কিনা অথবা আল্লাহর কাছে দীন ইসলামে তার জন্য কোন অংশ নেই।
রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি ফাতেমাকে বলে দাও, সে যেন প্রতি মাসে তার মাসিক ঋতুর সম-পরিমাণ সময় নামায থেকে বিরত থাকে। মাসিক ঋতুর সেই (স্বাভাবিক) সময়কাল অতিবাহিত হওয়ার পর সে যেন পবিত্র ও পরিচ্ছন্ন হওয়ার জন্য একবার গোসল করে এবং (লজ্জাস্থানে) পট্টি বাঁধে, অতঃপর প্রতি ওয়াক্ত নামাযের সময় পবিত্রতা অর্জন করে (উযু করে) নামায পড়বে। এটা শয়তানের একটা আঘাত ছাড়া কিছু নয় অথবা শিরার রক্ত যা ফেটে গেছে অথবা (জরায়ুর) অসুস্থতার কারণে রক্তক্ষরণ হচ্ছে। উসমান ইবনে সাঈদ (রহঃ) বলেন, আমরা হিশাম ইবনে উরওয়া (রহঃ)-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি তার পিতা-আয়েশা (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ আমাকে অবহিত করেছেন। আর আবুল আশ’আছ (রহঃ) তার সনদে বলেন, ইবনে আবু মুলায়কা আমাকে অবহিত করেছেন যে, তার খালা ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا أَبُو الْأَشْعَثِ أَحْمَدُ بْنُ الْمِقْدَامِ ، ح : وَحَدَّثَنَا أَبُو ذَرٍّ أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَنْبَسَةَ ، قَالَا : نَا مُحَمَّدُ بْنُ بَكْرٍ الْبُرْسَانِيُّ ، ثَنَا عُثْمَانُ بْنُ سَعْدٍ الْكَاتِبُ ، أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ : اسْتُحِيضَتْ ، فَلَبِثَتْ زَمَانًا لَا تُصَلِّي ، فَأَتَتْ أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ عَائِشَةَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهَا - فَذَكَرَتْ ذَلِكَ لَهَا ، فَقَالَتْ : يَا أُمَّ الْمُؤْمِنِينَ ، قَدْ خَافَتْ أَنْ تَكُونَ مِنْ أَهْلِ النَّارِ ، وَلَا يَكُونَ لَهَا فِي الْإِسْلَامِ حَظٌّ ، أَلْبَثُ زَمَانًا لَا أَقْدِرُ عَلَى صَلَاةٍ مِنَ الدَّمِ ؟ فَقَالَتْ لَهَا : امْكُثِي حَتَّى يَدْخُلَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَتَسْأَلِينَهُ عَمَّا سَأَلْتِنِي عَنْهُ . فَدَخَلَ ، فَقَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ ، هَذِهِ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ ، ذَكَرَتْ أَنَّهَا تُسْتَحَاضُ وَتَلْبَثُ الزَّمَانَ لَا تَقْدِرُ عَلَى الصَّلَاةِ ، وَتَخَافُ أَنْ تَكُونَ قَدْ كَفَرَتْ ، أَوْ لَيْسَ لَهَا عِنْدَ اللَّهِ فِي الْإِسْلَامِ حَظٌّ ؟ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " قُولِي لِفَاطِمَةَ : تُمْسِكُ فِي كُلِّ شَهْرٍ عَنِ الصَّلَاةِ عَدَدَ قُرْئِهَا ، فَإِذَا مَضَتْ تِلْكَ الْأَيَّامُ ، فَلْتَغْتَسِلْ غَسْلَةً وَاحِدَةً ، تَسْتَدْخِلُ وَتُنَظِّفُ وَتَسْتَثْفِرُ ، ثُمَّ الطُّهُورُ عِنْدَ كُلِّ صَلَاةٍ وَتُصَلِّي ، فَإِنَّ الَّذِي أَصَابَهَا رَكْضَةٌ مِنَ الشَّيْطَانِ ، أَوْ عِرْقٌ انْقَطَعَ ، أَوْ دَاءٌ عَرَضَ لَهَا
قَالَ عُثْمَانُ بْنُ سَعْدٍ : فَسَأَلْنَا هِشَامَ بْنَ عُرْوَةَ ؟ فَأَخْبَرَنِي بِنَحْوِهِ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَائِشَةَ . وَقَالَ أَبُو الْأَشْعَثِ فِي الْإِسْنَادِ : " أَخْبَرَنِي ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ ؛ أَنَّ خَالَتَهُ فَاطِمَةَ بِنْتَ أَبِي حُبَيْشٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৮(৫৬). মুহাম্মাদ ইবনে সাহল ইবনুল ফাদল আল-কাতেব (রহঃ) ... ইবনে আবু মুলায়কা (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার খালা ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ) আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট এসে বললেন, আমার আশংকা হচ্ছে, আমি জাহান্নামে পতিত হব। আমি নামায ছেড়ে দিয়েছি। আমি দুই বছর অথবা কয়েক বছর যাবত নামায পড়ছি না। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর ফিরে আসা পর্যন্ত আপনি অপেক্ষা করুন। অতএব নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এলে তিনি বললেন, এই যে ফাতেমা, তিনি এই এই কথা বলেছেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বলেনঃ তুমি তাকে (ফাতেমাকে) বলে দাও, সে যেন প্রতি মাসে হায়েযের কয়দিন নামায ত্যাগ করে, তারপর প্রতিদিন একবার গোসল করবে এবং প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য পবিত্রতা অর্জন করবে (উযু করবে)। এটা (জরায়ুর) অসুস্থতা অথবা শয়তানের আঘাত অথবা শিরার রক্ত যা ফেটে গেছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سَهْلِ بْنِ الْفَضْلِ الْكَاتِبُ ، حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ شَبَّةَ ، ثَنَا أَبُو عَاصِمٍ ، نَا عُثْمَانُ بْنُ سَعْدٍ الْقُرَشِيُّ ، ثَنَا ابْنُ أَبِي مُلَيْكَةَ ، قَالَ : " جَاءَتْ خَالَتِي فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ إِلَى عَائِشَةَ ، فَقَالَتْ : إِنِّي أَخَافُ أَنْ أَقَعَ فِي النَّارِ ؛ إِنِّي أَدَعُ الصَّلَاةَ سَنَتَيْنِ أَوْ سِنِينَ لَا أُصَلِّي ؟ . فَقَالَتِ : انْتَظِرِي حَتَّى يَجِيءَ النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَجَاءَ ، فَقَالَتْ : هَذِهِ فَاطِمَةُ تَقُولُ كَذَا وَكَذَا ؟ . فَقَالَ لَهَا النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " قُولِي لَهَا : فَلْتَدَعِ الصَّلَاةَ فِي كُلِّ شَهْرٍ أَيَّامَ قُرْئِهَا ، ثُمَّ لِتَغْتَسِلْ فِي كُلِّ يَوْمٍ غُسْلًا وَاحِدًا ، ثُمَّ الطُّهُورُ بَعْدُ لِكُلِّ صَلَاةٍ ، وَلْتُنَظِّفْ وَلْتَحْتَشِي ؛ فَإِنَّمَا هُوَ دَاءٌ عَرَضَ ، أَوْ رَكْضَةٌ مِنَ الشَّيْطَانِ ، أَوْ عِرْقٌ انْقَطَعَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮১৯(৫৭). আবু সালেহ আবদুর রহমান ইবনে সাঈদ (রহঃ) ... উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, এক মহিলা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করে বলেন, আমি রক্তপ্রদরের রোগিনী, কখনও পাক হই না । আমি কি নামায ছেড়ে দিবো? তিনি বলেন, না, বরং তোমার মাসিক ঋতুর কয়দিন পরিমাণ নামায ছেড়ে দিবে, অতঃপর গোসল করে পট্টি বেঁধে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا أَبُو صَالِحٍ عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعِيدٍ ، ثَنَا أَبُو مَسْعُودٍ ، ح : وَحَدَّثَنَا ابْنُ مُبَشِّرٍ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ ، قَالَا : نَا أَبُو أُسَامَةَ ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عُمَرَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ، قَالَتْ : سَأَلَتِ امْرَأَةٌ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَقَالَتْ : إِنِّي امْرَأَةٌ أُسْتَحَاضُ فَلَا أَطْهُرُ ، أَفَأَدَعُ الصَّلَاةَ ؟ فَقَالَ : " لَا وَلَكِنْ دَعِي قَدْرَ الْأَيَّامِ وَاللَّيَالِي الَّتِي كُنْتِ تَحِيضِينَ فِيهَا ، ثُمَّ اغْتَسِلِي وَاسْتَثْفِرِي وَصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২০(৫৮). আলী ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে মুবাশশির (রহঃ) ... নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর স্ত্রী উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। এক মহিলার রক্তক্ষরণ হতো, কখনও বন্ধ হতো না। উম্মে সালামা (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট জিজ্ঞেস করলে তিনি বলেনঃ সে যেন তার ইতিপূর্বের মাসিক ঋতুর সময়সীমা মাফিক তার মাসিক ঋতুর কয়দিন-রাত পরিমাণ সময় অপেক্ষা করে। সেই কয়দিন সে নামায ছেড়ে দিবে, অতঃপর নামাযের ওয়াক্ত হলে গোসল করবে এবং লজ্জাস্থানে কাপড়ের পট্টি বেঁধে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُبَشِّرٍ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ سِنَانٍ ، نَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مَهْدِيٍّ ، عَنْ صَخْرِ بْنِ جُوَيْرِيَةَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ؛ أَنَّهُ حَدَّثَهُ رَجُلٌ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ زَوْجِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " أَنَّ امْرَأَةً كَانَتْ تُهَرَاقُ دَمًا لَا يَفْتُرُ عَنْهَا ، فَسَأَلَتْ أُمُّ سَلَمَةَ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ؟ فَقَالَ : " لِتَنْظُرْ عَدَدَ الْأَيَّامِ وَاللَّيَالِي الَّتِي كَانَتْ تَحِيضُ قَبْلَ ذَلِكَ وَعَدَدَهُنَّ ، فَلْتَتْرُكِ الصَّلَاةَ قَدْرَ ذَلِكَ ، ثُمَّ إِذَا حَضَرَتِ الصَّلَاةُ فَلْتَغْتَسِلْ وَتَسْتَثْفِرْ بِثَوْبٍ وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২১(৫৯)। মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে ইবরাহীম (রহঃ) ... আবু উমামা আল-বাহিলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যুবতী এবং (বার্ধক্য বা অন্য কোন কারণে) যার হায়েয হওয়ার আশা নাই, তাদের হায়েযের মেয়াদ তিন দিনের কম এবং দশ দিনের বেশী হতে পারে না। দশ দিনের পরও রক্ত দেখলে সে রক্তপ্রদরের রোগিনী। অতএব তার মাসিক ঋতুর মেয়াদান্তে রক্তস্রাব হলে নামায পড়বে। হায়েযের রক্তের রং কালো, ঘন এবং উপরিভাগে লাল রং ভেসে থাকে। আর ইস্তিহাযার রক্ত পাতলা পীত বর্ণ। তা প্রবল হলে (বেশী হলে) তুলা ব্যবহার করবে, আরো প্রবল হলে অন্য জিনিস দ্বারা (যেমন পট্টি বেঁধে) বন্ধ করবে এবং তা নামাযের মধ্যে প্রবল হলে নামায ছেড়ে দিবে না, এমনকি রক্তের ফোটা পতিত হলেও।
এই হাদীস প্রমাণিত নয়। আবদুল মালেক এবং আল-আলা উভয়ে হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। আবু উমামা (রাঃ) থেকে এই হাদীস মাকল (রহঃ)-এর শ্রবণ করা প্রমাণিত নয়।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ إِبْرَاهِيمَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ بْنِ الْحَارِثِ الْوَاسِطِيُّ ، نَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ ، أَنَا حَسَّانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْكِرْمَانِيُّ ، أَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ ، عَنِ الْعَلَاءِ ، قَالَ : سَمِعْتُ مَكْحُولًا يَقُولُ ، عَنْ أَبِي أُمَامَةَ الْبَاهِلِيِّ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " لَا يَكُونُ الْحَيْضُ لِلْجَارِيَةِ وَالثَّيِّبِ الَّتِي قَدْ أَيِسَتْ مِنَ الْمَحِيضِ أَقَلَّ مِنْ ثَلَاثَةِ أَيَّامٍ ، وَلَا أَكْثَرَ مِنْ عَشْرَةِ أَيَّامٍ ، فَإِذَا رَأَتِ الدَّمَ فَوْقَ عَشْرَةِ أَيَّامٍ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ ، فَمَا زَادَ عَلَى أَيَّامِ أَقْرَائِهَا قَضَتْ ، وَدَمُ الْحَيْضِ أَسْوَدُ خَاثِرٌ تَعْلُوهُ حُمْرَةٌ ، وَدَمُ الْمُسْتَحَاضَةِ أَصْفَرُ رَقِيقٌ ، فَإِنْ غَلَبَهَا فَلْتَحْتَشِي كُرْسُفًا ، فَإِنْ غَلَبَهَا فَلْتُعْلِيهَا بِأُخْرَى ، فَإِنْ غَلَبَهَا فِي الصَّلَاةِ فَلَا تَقْطَعُ الصَّلَاةَ وَإِنْ قَطَرَ " . لَا يَثْبُتُ ؛ عَبْدُ الْمَلِكِ وَالْعَلَاءُ ضَعِيفَانِ ، وَمَكْحُولٌ لَا يَثْبُتُ سَمَاعُهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২২(৬০). আবু আমর উসমান ইবনে আহমাদ ইবনুস সিমাক (রহঃ) ... আবু উমামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ বিবাহিতা, অবিবাহিতা ও যুবতী মহিলার হায়েযের সর্বনিম্ন মেয়াদ তিন দিন এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ দশ দিন। কেউ দশ দিনের বেশী রক্ত দেখলে সে রক্তপ্রদরের রোগিনী! সে তার মাসিক ঋতুর স্বাভাবিক মেয়াদের (পরও রক্ত দেখলে) নামায পড়বে। হায়েযের রক্ত কেবল গাড় কালো যার উপর লাল রং ভেসে উঠে। ইস্তিহাযার রক্ত পাতলা যার উপর পীত রং ভেসে উঠে। নামাযের মধ্যে অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হলে সে তুলা ব্যবহার করবে, এরপরও রক্ত প্রকাশ পেলে অন্য জিনিস ব্যবহার করবে। রক্ত নামাযের মধ্যে প্রবল (বেশী ক্ষরণ) হলে, নামায ছেড়ে দিবে না, এমনকি রক্তের ফোটা পতিত হলেও। তার স্বামী তার সঙ্গে সহবাস করতে পারবে এবং সে রোযা রাখবে (তাবারানী)।
এই আবদুল মালেক অজ্ঞাত ব্যক্তি। আল-আলা হলেন কাছীরের পুত্র। তিনিও হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। আর মাকহুল (রহঃ) আবু উমামা (রাঃ) থেকে কোন কিছু শ্রবণ করেননি।
حَدَّثَنَا أَبُو عَمْرٍو عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ السَّمَّاكِ ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْهَيْثَمِ الْبَلَدِيُّ ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ مَهْدِيٍّ الْمِصِّيصِيُّ ، ثَنَا حَسَّانُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْكِرْمَانِيُّ ، ثَنَا عَبْدُ الْمَلِكِ سَمِعْتُ الْعَلَاءَ ، قَالَ : سَمِعْتُ مَكْحُولًا يُحَدِّثُ عَنْ أَبِي أُمَامَةَ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " أَقَلُّ مَا يَكُونُ مِنَ الْمَحِيضِ لِلْجَارِيَةِ الْبِكْرِ وَالثَّيِّبِ ثَلَاثٌ ، وَأَكْثَرُ مَا يَكُونُ مِنَ الْمَحِيضِ عَشْرَةُ أَيَّامٍ ، فَإِذَا رَأَتِ الدَّمَ أَكْثَرَ مِنْ عَشْرَةِ أَيَّامٍ فَهِيَ مُسْتَحَاضَةٌ ، تَقْضِي مَا زَادَ عَلَى أَيَّامِ أَقْرَائِهَا ، وَدَمُ الْحَيْضِ لَا يَكُونُ إِلَّا دَمًا أَسْوَدَ عَبِيطًا تَعْلُوهُ حُمْرَةً ، وَدَمُ الْمُسْتَحَاضَةِ رَقِيقٌ تَعْلُوهُ صُفْرَةٌ ، فَإِنْ كَثُرَ عَلَيْهَا فِي الصَّلَاةِ فَلْتَحْتَشِي كُرْسُفًا ، فَإِنْ ظَهَرَ الدَّمُ عَلَتْهَا بِأُخْرَى ، فَإِنْ هُوَ غَلَبَهَا فِي الصَّلَاةِ فَلَا تَقْطَعُ الصَّلَاةَ وَإِنْ قَطَرَ ، وَيَأْتِيهَا زَوْجُهَا وَتَصُومُ " . وَعَبْدُ الْمَلِكِ هَذَا رَجُلٌ مَجْهُولٌ ، وَالْعَلَاءُ هُوَ ابْنُ كَثِيرٍ ؛ وَهُوَ ضَعِيفُ الْحَدِيثِ ، وَمَكْحُولٌ لَمْ يَسْمَعْ مِنْ أَبِي أُمَامَةَ شَيْئًا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৩(৬১). আবু হামেদ মুহাম্মাদ ইবনে হারূন (রহঃ) ... ওয়াসিলা ইবনুল আসকা’ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ হায়েযের সর্বনিম্ন মেয়াদ তিন দিন এবং সর্বোচ্চ মেয়াদ দশ দিন। ইবনে মিনহাল অজ্ঞাত ব্যক্তি এবং মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ ইবনে আনাস হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল।
حَدَّثَنَا أَبُو حَامِدٍ مُحَمَّدُ بْنُ هَارُونَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَنَسٍ الشَّامِيُّ ، ثَنَا حَمَّادُ بْنُ الْمِنْهَالِ الْبَصْرِيُّ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ رَاشِدٍ ، عَنْ مَكْحُولٍ ، عَنْ وَاثِلَةَ بْنِ الْأَسْقَعِ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " أَقَلُّ الْحَيْضِ ثَلَاثَةُ أَيَّامٍ ، وَأَكْثَرُهُ عَشْرَةُ أَيَّامٍ " . حَمَّادُ بْنُ مِنْهَالٍ مَجْهُولٌ ، وَمُحَمَّدُ بْنُ أَحْمَدَ بْنِ أَنَسٍ ضَعِيفٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৪(৬২). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) ... জাবের ইবনে আবদুল্লাহ আল-আনসারী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। ফাতেমা বিনতে কায়েস (রাঃ) নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট রক্তপ্রদরের রোগিনীর (বিধান) সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন, সে কি করবে? তিনি বলেন, সে তার মাসিক ঋতুর কয়দিন গণনা করবে। (মেয়াদশেষে) সে প্রতিদিন প্রতি ওয়াক্তে পবিত্র হওয়ার জন্য গোসল করবে এবং নামায পড়বে।
এই হাদীস কেবল জাফর ইবনে সুলায়মানই বর্ণনা করেছেন। এই হাদীস ইবনে জুরাইজ-আবুয যুবায়ের (রহঃ) সূত্রে সহীহ নয়। তিনি সন্দেহের শিকার হয়েছেন। আসলে তিনি ফাতেমা বিনতে আবু হুবায়েশ (রাঃ)।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، نَا قَطَنُ بْنُ نُسَيْرٍ الْغُبَرِيُّ ، نَا جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، نَا ابْنُ جُرَيْجٍ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ الْأَنْصَارِيِّ : أَنَّ فَاطِمَةَ بِنْتَ قَيْسٍ سَأَلَتِ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - عَنِ الْمَرْأَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ كَيْفَ تَصْنَعُ ؟ قَالَ : " تَعُدُّ أَيَّامَ أَقْرَائِهَا ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ فِي كُلِّ يَوْمٍ عِنْدَ كُلِّ طُهْرٍ وَتُصَلِّي " . تَفَرَّدَ بِهِ جَعْفَرُ بْنُ سُلَيْمَانَ ، وَلَا يَصِحُّ عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ أَبِي الزُّبَيْرِ ، وَهِمَ فِيهِ ؛ وَإِنَّمَا هِيَ فَاطِمَةُ بِنْتُ أَبِي حُبَيْشٍ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৫(৬৩). মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল্লাহ ইবনে আহমাদ ইবনে আত্তাব (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে গর্ভবতী মহিলা সম্পর্কে বর্ণিত যে, সে গর্ভাবস্থায় রক্ত দেখেছে। তিনি বলেন, গর্ভবতী মহিলার হায়েয হয় না। সে গোসল করে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَحْمَدَ بْنِ عَتَّابٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ شَاذَانَ ، ثَنَا زَكَرِيَّا بْنُ عَدِيٍّ ، ثَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ ، عَنْ يَعْقُوبَ بْنِ الْقَعْقَاعِ ، عَنْ مَطَرٍ ، عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ عَائِشَةَ فِي الْحَامِلِ تَرَى الدَّمَ ، قَالَتِ : " الْحَامِلُ لَا تَحِيضُ ، تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৬(৬৪). উসমান ইবনে আহমাদ ইবনুদ দাক্কাক (রহঃ) ... উম্মে আতিয়্যা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা (হায়েয থেকে গোসল করে) পবিত্র হওয়ার পর কোন কিছু (পীত অথবা ঘোলা রং-এর রক্ত) দেখলে তাকে কিছু (হায়েয) মনে করতাম না এবং তা হলো পীত ও মেটে বর্ণের রক্ত।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ ، نَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ ، ثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، أَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ ، عَنْ حَفْصَةَ ، عَنْ أُمِّ عَطِيَّةَ ؛ أَنَّهَا قَالَتْ : كُنَّا لَا نَرَى التَّرِيَّةَ بَعْدَ الطُّهْرِ شَيْئًا ، وَهِيَ الصُّفْرَةُ وَالْكُدْرَةُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৭(৬৫). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি ইস্তিহাযার রোগিনীর সঙ্গে তার স্বামীর সহবাস করা অপছন্দ করতেন না।
وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، عَنْ سُفْيَانَ ، عَنْ غَيْلَانَ بْنِ جَامِعٍ الْمُحَارِبِيِّ ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ مَيْسَرَةَ الزَّرَّادِ ، عَنِ الشَّعْبِيِّ ، عَنْ قَمِيرَ امْرَأَةِ مَسْرُوقٍ ، عَنْ عَائِشَةَ : " أَنَّهَا كَرِهَتْ أَنْ يُجَامِعَ الْمُسْتَحَاضَةَ زَوْجُهَا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৮(৬৬). ইয়াযদাদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) ... আনাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিফাসের (সন্তান প্রসবের পরের রক্তস্রাব) মেয়াদ চল্লিশ দিন। তবে সে যদি তার পূর্বেই পবিত্রতা দেখতে পায় (তাহলে গোসল করে নামায পড়বে)। এই সাল্লাম ব্যতীত অন্য কেউ হাদীসটি হুমায়েদ (রহঃ) থেকে বর্ণনা করেননি। তিনি হলেন সাল্লাম আত-তাবীল এবং তিনি হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল।
ثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْمُحَارِبِيُّ ، عَنْ سَلَّامِ بْنِ سَلْمٍ ، عَنْ حُمَيْدٍ ، عَنْ أَنَسٍ ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ " وَقْتُ النِّفَاسِ أَرْبَعُونَ يَوْمًا إِلَّا أَنْ تَرَى الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ " . لَمْ يَرْوِهِ عَنْ حُمَيْدٍ غَيْرُ سَلَّامٍ هَذَا وَهُوَ سَلَّامٌ الطَّوِيلُ ، وَهُوَ ضَعِيفُ الْحَدِيثِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮২৯(৬৭). ইয়াযদাদ ইবনে আবদুর রহমান (রহঃ) ... উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রীগণকে বলতেন, তোমরা চল্লিশ দিন পূর্বে আমার জন্য সাজগোজ করবে না এবং চল্লিশ দিন অতিক্রমও করবে না, অর্থাৎ নেফাস সম্পর্কে।
حَدَّثَنَا يَزْدَادُ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ ، ثَنَا أَبُو سَعِيدٍ الْأَشَجُّ ، ثَنَا حَفْصُ بْنُ غِيَاثٍ ، عَنْ أَشْعَثَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ؛ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِنِسَائِهِ : " لَا تَشَوَّفْنَ لِي دُونَ الْأَرْبَعِينَ ، وَلَا تُجَاوِزْنَ الْأَرْبَعِينَ " يَعْنِي : فِي النِّفَاسِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩০(৬৮). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) এর স্ত্রী থেকে বর্ণিত। তিনি নিফাসগ্রস্ত অবস্থায় সাজগোজ করলে উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) বলেন, আমি কি তোমাকে অবহিত করিনি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নিফাসগ্রস্ত স্ত্রীদের থেকে চল্লিশ দিন দূরে থাকার নির্দেশ দিয়েছেন? এই হাদীস উমার ইবনে হারূন তার থেকে মারফুরূপে বর্ণনা করেছেন এবং ওয়াকী (রহঃ) তার বিপরীত বর্ণনা করেছেন।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا يُوسُفُ بْنُ مُوسَى ، ثَنَا عُمَرُ بْنُ هَارُونَ الْبَلْخِيُّ ، عَنْ أَبِي بَكْرٍ الْهُذَلِيِّ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنِ امْرَأَةَ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ : أَنَّهَا لَمَّا تَعَلَّتْ مِنْ نِفَاسِهَا تَزَيَّنَتْ ، فَقَالَ عُثْمَانُ بْنُ أَبِي الْعَاصِ : أَلَمْ أُخْبِرْكِ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَمَرَنَا أَنْ نَعْتَزِلَ النُّفَسَاءَ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ؟! رَفَعَهُ عُمَرُ بْنُ هَارُونَ عَنْهُ ، وَخَالَفَهُ وَكِيعٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩১(৬৯). ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি তার স্ত্রীদেরকে বলতেন, তোমাদের কেউ নিফাসগ্রস্ত হলে সে যেন চল্লিশ দিন পর্যন্ত আমার নিকট না আসে। তবে সে যদি তার পূর্বেই পবিত্রতা দেখে (তাহলে ভিন্ন কথা)।
এই হাদীস আশ’আছ ইবনে সাওয়ার, ইউনুস ইবনে উবায়েদ ও হিশাম (রহঃ) পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেছেন। তবে হিশাম ও মুবারক ইবনে ফাদালা থেকে বর্ণনায় মতভেদ হয়েছে। তারা এই হাদীস আল-হাসান-উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) সূত্রে মাওকূফরূপে বর্ণনা করেছেন। অনুরূপভাবে এটি উমার, ইবনে আব্বাস ও আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) প্রমুখ সূত্রে তাদের উক্তি হিসেবে বর্ণিত হয়েছে।
حَدَّثَنَا ابْنُ مَخْلَدٍ ، حَدَّثَنَا الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، ثَنَا أَبُو بَكْرٍ الْهُذَلِيُّ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ؛ أَنَّهُ كَانَ يَقُولُ لِنِسَائِهِ : " إِذَا نُفِسَتِ امْرَأَةٌ مِنْكُنَّ ، فَلَا تَقْرَبَنِّي أَرْبَعِينَ يَوْمًا ؛ إِلَّا أَنْ تَرَى الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ " . وَكَذَلِكَ رَوَاهُ أَشْعَثُ بْنُ سَوَّارٍ ، وَيُونُسُ بْنُ عُبَيْدٍ ، وَهِشَامٌ - وَاخْتُلِفَ عَنْ هِشَامٍ - وَمُبَارَكُ بْنُ فَضَالَةَ ، رَوَوْهُ عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ، مَوْقُوفًا . وَكَذَلِكَ رُوِيَ عَنْ عُمَرَ ، وَابْنِ عَبَّاسٍ ، وَأَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، وَغَيْرِهِمْ مِنْ قَوْلِهِمْ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩২(৭০). আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ (রহঃ) ... উসমান ইবনে আবুল আস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিফাসগ্রস্ত নারীদের জন্য তাদের নিফাসের মেয়াদ চল্লিশ দিন নির্ধারণ করেছেন।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ ، ثَنَا أَبُو شَيْبَةَ ، ثَنَا أَبُو بِلَالٍ ، ثَنَا أَبُو شِهَابٍ ، عَنْ هِشَامِ بْنِ حَسَّانَ ، عَنِ الْحَسَنِ ، عَنْ عُثْمَانَ بْنِ أَبِي الْعَاصِ ، قَالَ : " وَقَّتَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - لِلنُّفَسَاءِ فِي نِفَاسِهِنَّ أَرْبَعِينَ يَوْمًا
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৩(৭১). আহমাদ ইবনে মুহাম্মাদ (রহঃ) ... আয়েশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ। এই আবু বিলাল আল-আশ’আরী হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল। আর আতা হলেন আজলানের পুত্র এবং তিনি প্রত্যাখ্যাত রাবী।
حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ مُحَمَّدٍ ، حَدَّثَنَا أَبُو شَيْبَةَ ، ثَنَا أَبُو بِلَالٍ ، ثَنَا حِبَّانُ ، عَنْ عَطَاءٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، عَنْ عَائِشَةَ ؛ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ... مِثْلَهُ . أَبُو بِلَالٍ الْأَشْعَرِيُّ هَذَا ضَعِيفٌ ، وَعَطَاءٌ هُوَ ابْنُ عَجْلَانَ ، مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৪(৭২। আবদুল বাকী ইবনে কানে (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ নিফাসগ্রস্ত নারী চল্লিশ দিন অপেক্ষা করবে (নামায পড়বে না)। যদি সে তৎপূর্বেই পবিত্রতা (রক্তক্ষরণ বন্ধ) দেখে তাহলে সে পবিত্র। আর যদি চল্লিশ দিন অতিক্রম করে (তারপরও রক্তক্ষরণ হয়) তাহলে সে রক্তপ্রদর রোগিনীর স্থানীয়। সে গোসল করে নামায পড়বে। রক্ত প্রবল হলে সে প্রতি ওয়াক্ত নামাযের জন্য উযু করবে। আমর ইবনুল হুসাইন ও ইবনে উলাসা হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল, প্রত্যাখ্যাত রাবী।
حَدَّثَنَا عَبْدُ الْبَاقِي بْنُ قَانِعٍ ، نَا مُوسَى بْنُ زَكَرِيَّا ، ثَنَا عَمْرُو بْنُ الْحُصَيْنِ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عُلَاثَةَ ، عَنْ عَبْدَةَ بْنِ أَبِي لُبَابَةَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بَابَاهَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرٍو ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " تَنْتَظِرُ النُّفَسَاءُ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ، فَإِنْ رَأَتِ الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ فَهِيَ طَاهِرٌ ، وَإِنْ جَاوَزَتِ الْأَرْبَعِينَ فَهِيَ بِمَنْزِلَةِ الْمُسْتَحَاضَةِ ، تَغْتَسِلُ وَتُصَلِّي ، فَإِنْ غَلَبَهَا الدَّمُ تَوَضَّأَتْ لِكُلِّ صَلَاةٍ " . عَمْرُو بْنُ الْحُصَيْنِ وَابْنُ عُلَاثَةَ ضَعِيفَانِ مَتْرُوكَانِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৫(৭৩). উসমান ইবনে আহমাদ আদ-দাক্কাক (রহঃ) ... আয়েয ইবনে আমর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার স্ত্রী নিফাসগ্রস্ত হলো এবং সে বিশ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর পবিত্রতা (রক্তক্ষরণ বন্ধ) দেখলো এবং সে পবিত্র হয়ে গেল, অতঃপর তার (স্বামীর) বিছানায় এলো। তিনি বলেন, তোমার কি অবস্থা? সে বলল, আমি পবিত্র হয়েছি। রাবী বলেন, তিনি তাকে নিজের পা দ্বারা আঘাত করে বললেন, আমার থেকে দূরে সরে যাও। তুমি আমাকে আমার দীন থেকে থেকে দূরে সরাতে পারবে না, তোমার চল্লিশ দিন অতিবাহিত না হওয়া পর্যন্ত।
হিশাম (রহঃ) তার হাদীসে আয়েয ইবনে আমর (রাঃ) সূত্রে বলেন, যারা গাছের নিচে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হাতে বাইআত গ্রহণ করেছিলেন তিনি তাদের একজন। এই হাদীস মু’আবিয়া ইবনে কুররা (রহঃ) থেকে আল-জালাদ ইবনে আইউব ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি এবং তিনি হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল।
حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَحْمَدَ الدَّقَّاقُ ، نَا يَحْيَى بْنُ أَبِي طَالِبٍ ، ثَنَا عَبْدُ الْوَهَّابِ ، ثَنَا هِشَامُ بْنُ حَسَّانَ ، عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، ح : وَحَدَّثَنَا دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ ، نَا مُوسَى بْنُ هَارُونَ ، نَا ابْنُ أَخِي جُوَيْرِيَةَ ، حَدَّثَنَا مَهْدِيُّ بْنُ مَيْمُونٍ ، عَنِ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، عَنْ أَبِي إِيَاسٍ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ ، عَنْ عَائِذِ بْنِ عَمْرٍو : " أَنَّ امْرَأَتَهُ نُفِسَتْ وَأَنَّهَا رَأَتِ الطُّهْرَ بَعْدَ عِشْرِينَ لَيْلَةً ، فَتَطَهَّرَتْ ، ثُمَّ أَتَتْ فِرَاشَهُ ، فَقَالَ : مَا شَأْنُكِ ؟ قَالَتْ : قَدْ طَهُرْتُ ، قَالَ : فَضَرَبَهَا بِرِجْلِهِ ، وَقَالَ : إِلَيْكِ عَنِّي ، فَلَسْتِ بِالَّتِي تُغْرِينِي عَنْ دِينِي ، حَتَّى تَمْضِيَ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً " . وَقَالَ هِشَامٌ فِي حَدِيثِهِ : عَنْ عَائِذِ بْنِ عَمْرٍو ، وَكَانَ مِمَّنْ بَايَعَ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - تَحْتَ الشَّجَرَةِ . وَلَمْ يَرْوِهِ عَنْ مُعَاوِيَةَ بْنِ قُرَّةَ غَيْرُ الْجَلْدِ بْنِ أَيُّوبَ ، وَهُوَ ضَعِيفٌ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৬(৭৪). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিফাসগ্রস্ত মহিলা চল্লিশ দিন অপেক্ষা করবে (নামায পড়বে না)। জাবের-সুলায়মান আল-বাসরী-আনাস ইবনে মালেক (রাঃ) সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত হয়েছে।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، نَا إِسْرَائِيلُ ، عَنْ جَابِرٍ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ يَسَارٍ ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ الْمُسَيَّبِ ، عَنْ عُمَرَ ، قَالَ : تَجْلِسُ النُّفَسَاءُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا " . وَعَنْ جَابِرٍ ، عَنْ سُلَيْمَانَ الْبَصْرِيِّ ، عَنْ أَنَسِ بْنِ مَالِكٍ ، مِثْلَهُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৭(৭৫). আবু সাহ্ল ইবনে যিয়াদ (রহঃ) ... মু’আয ইবনে জাবাল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিফাসগ্রস্ত নারী সাত দিন অতিবাহিত হওয়ার পর পবিত্রতা (রক্তক্ষরণ বন্ধ) দেখলে সে যেন গোসল করে এবং নামায পড়ে।
সুলায়েম (রহঃ) বলেন, আমি আলী ইবনে আলী (রহঃ)-এর সঙ্গে সাক্ষাৎ করলে তিনি আমাকে আল-আসওয়াদ-উবাদা ইবনে নুসাঈ-আবদুর রহমান ইবনে গান্ম-মু’আয ইবনে জাবাল (রাঃ)-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণনা করেন। আল-আসওয়াদ (রহঃ) হলেন সা’লাবার পুত্র, তিনি সিরিয়ার অধিবাসী।
حَدَّثَنَا أَبُو سَهْلِ بْنُ زِيَادٍ ، ثَنَا أَبُو إِسْمَاعِيلَ التِّرْمِذِيُّ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ السَّلَامِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْحِمْصِيُّ ، وَلَقَبُهُ سُلَيْمٌ ، ثَنَا بَقِيَّةُ بْنُ الْوَلِيدِ ، أَنَا عَلِيُّ بْنُ عَلِيٍّ ، عَنِ الْأَسْوَدِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ نُسَيٍّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَالَ : " إِذَا مَضَى لِلنُّفَسَاءِ سَبْعٌ ، ثُمَّ رَأَتِ الطُّهْرَ فَلْتَغْتَسِلْ وَلْتُصَلِّ
قَالَ سُلَيْمٌ : فَلَقِيتُ عَلِيَّ بْنَ عَلِيٍّ ، فَحَدَّثَنِي عَنِ الْأَسْوَدِ ، عَنْ عُبَادَةَ بْنِ نُسَيٍّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ ، عَنْ مُعَاذِ بْنِ جَبَلٍ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مِثْلَهُ الْأَسْوَدُ هُوَ ابْنُ ثَعْلَبَةَ ، شَامِيٌّ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৮(৭৬). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) ... উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিফাসগ্রস্ত নারী রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর যুগে চল্লিশ দিন পর্যন্ত অপেক্ষারত থাকতো (নামায পড়তে )। আমরা ওয়ারস ঘাস পিষে তা দিয়ে আমাদের মুখমণ্ডলের দাগ তুলতাম।
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، ثَنَا جَدِّي ، نَا أَبُو بَدْرٍ ، ح : وَحَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، ثَنَا شُجَاعُ بْنُ الْوَلِيدِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ عَبْدِ الْأَعْلَى ، عَنْ أَبِي سَهْلٍ ، عَنْ مُسَّةَ الْأَزْدِيَّةِ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ قَالَتْ : " كَانَتِ النُّفَسَاءُ عَلَى عَهْدِ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - تَقْعُدُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا ، وَكُنَّا نَطْلِي وُجُوهَنَا بِالْوَرْسِ مِنَ الْكَلَفِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৩৯(৭৭). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... বসরানিবাসী আবু সাহল (রহঃ) থেকে এই সনদে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে। তিনি বলেন, সে নিফাসের পর (অপেক্ষায়) থাকবে (নামায পড়বে না)। এই আবু সাহল হলেন কাছীর ইবনে যিয়াদ আল-বুরসানী।
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ هَانِئٍ ، ثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ ، وَأَبُو غَسَّانَ ، قَالَا : نَا زُهَيْرُ أَبُو خَيْثَمَةَ ، أَخْبَرَنِي عَلِيُّ بْنُ عَبْدِ الْأَعْلَى أَبُو الْحَسَنِ ، عَنْ أَبِي سَهْلٍ مِنْ أَهْلِ الْبَصْرَةِ بِهَذَا الْإِسْنَادِ ، نَحْوَهُ ، وَقَالَ : " تَقْعُدُ بَعْدَ نِفَاسِهَا " . أَبُو سَهْلٍ هَذَا هُوَ كَثِيرُ بْنُ زِيَادٍ الْبُرْسَانِيُّ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৪০(৭৮). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আহমাদ ইবনে হাম্বল (রহঃ)-এর নিকট নিফাসগ্রস্ত নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো এবং আমি তা শুনছিলাম, সে রক্ত দেখলে কত দিন অপেক্ষা করবে (নামায পড়বে না)? তিনি বলেন, চল্লিশ দিন, অতঃপর সে গোসল করবে।
ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، قَالَ : سُئِلَ أَحْمَدُ بْنُ حَنْبَلٍ - وَأَنَا أَسْمَعُ - عَنِ النُّفَسَاءِ ، كَمْ تَقْعُدُ إِذَا رَأَتِ الدَّمَ ؟ قَالَ : " أَرْبَعِينَ يَوْمًا ثُمَّ تَغْتَسِلُ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৪১(৭৯). আবদুল্লাহ ইবনে আবু দাউদ (রহঃ) ... আবদুল্লাহ ইবনে আবু মুলায়কা আল-মাক্কী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আয়েশা (রাঃ)-এর নিকট নিফাসগ্রস্ত নারী সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট এই প্রসংগে জিজ্ঞেস করা হলে তিনি তাকে চল্লিশ দিন অপেক্ষমাণ থাকার (নামায ছেড়ে দেয়ার) নির্দেশ দেন, অতঃপর সে গোসল করে পবিত্র হবে এবং নামায পড়বে। আতা (রহঃ) হাদীসশাস্ত্রে পরিত্যক্ত।
ثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَبِي دَاوُدَ - إِمْلَاءً - ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ بْنِ زَيْدٍ ، ثَنَا سَعْدُ بْنُ الصَّلْتِ ، ثَنَا عَطَاءُ بْنُ عَجْلَانَ ، عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ الْمَكِّيِّ ، قَالَ سُئِلَتْ عَائِشَةُ عَنِ النُّفَسَاءِ ، فَقَالَتْ : " سُئِلَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - عَنْ ذَلِكَ ، فَأَمَرَهَا أَنْ تُمْسِكَ أَرْبَعِينَ لَيْلَةً ، ثُمَّ تَغْتَسِلُ ثُمَّ تَطَهَّرُ فَتُصَلِّي " . عَطَاءٌ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৪২(৮০). উমার ইবনুল হাসান ইবনে আলী (রহঃ) ... উম্মে সালামা (রাঃ) থেকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে বর্ণিত। তিনি তাকে জিজ্ঞেস করলেন, কোন মহিলা সন্তান প্রসব করার পর কতো দিন অপেক্ষারত থাকবে (নামায পড়বে না)? তিনি বলেনঃ চল্লিশ দিন। তবে সে যদি তার পূর্বে পবিত্রতা দেখে (রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়ে যায়) তাহলে নামায পড়বে।
حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ الْحَسَنِ بْنِ عَلِيٍّ ، ثَنَا يَحْيَى بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْجُرَيْرِيُّ ، حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ مُحَمَّدٍ الْعَرْزَمِيُّ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنِ الْحَكَمِ بْنِ عُتَيْبَةَ ، عَنْ مُسَّةَ ، عَنْ أُمِّ سَلَمَةَ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - أَنَّهَا سَأَلَتْهُ : كَمْ تَجْلِسُ الْمَرْأَةُ إِذَا وَلَدَتْ ؟ قَالَ : " تَجْلِسُ أَرْبَعِينَ يَوْمًا إِلَّا أَنْ تَرَى الطُّهْرَ قَبْلَ ذَلِكَ
পরিচ্ছেদঃ ১. ইসতিহাযা (রক্তপ্রদরের রোগিণী)
৮৪৩(৮১). মুহাম্মাদ ইবনে মাখলাদ (রহঃ) ... আলী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নিফাসগ্রস্ত নারী পবিত্রতা দেখলে তার জন্য নামায পড়া ব্যতীত অন্য কিছু হালাল হবে না।
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ مَخْلَدٍ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْحَسَّانِيُّ ، ثَنَا وَكِيعٌ ، ثَنَا إِسْرَائِيلُ ، عَنْ عُمَرَ بْنِ يَعْلَى الثَّقَفِيِّ ، عَنْ عَرْفَجَةَ السُّلَمِيِّ ، عَنْ عَلِيٍّ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ : " لَا يَحِلُّ لِلنُّفَسَاءِ إِذَا رَأَتِ الطُّهْرَ إِلَّا أَنْ تُصَلِّيَ
পরিচ্ছেদঃ ২. কোন মহিলা হায়েয থেকে পবিত্র হলে নামায পড়া অত্যাবশ্যক
৮৪৪(১). ইয়া’কূব ইবনে ইবরাহীম আল-বায্যায (রহঃ) ... আব্দুর রহমান ইবনে গান্ম (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি মু’আয ইবনে জাবাল (রাঃ)-এর নিকট সূর্য অস্তমিত হওয়ার সামান্য পূর্বে ঋতুবতী মহিলার পবিত্র হওয়া সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম। তিনি বলেন, সে আসরের নামায পড়বে। আমি বললাম, শাফাক অন্তর্হিত হওয়ার পূর্বে হলে সে কি করবে? তিনি বলেন, সে মাগরিবের নামায পড়বে। আমি বললাম, ফজরের ওয়াক্ত হওয়ার পূর্বে হলে? তিনি বলেন, সে এশার নামায পড়বে। আমি বললাম, সূর্য উদিত হওয়ার পূর্বে হলে? তিনি বলেন, সে ফজরের নামায পড়বে। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাদের নির্দেশ দিতেন, আমরা যেন আমাদের মহিলাদের শিক্ষাদান করি।
এই হাদীস মুহাম্মাদ ইবনে সাঈদ (রহঃ) ব্যতীত অন্য কেউ বর্ণনা করেননি। তিনি হাদীসশাস্ত্রে পরিত্যক্ত।
بَابُ مَا يَلْزَمُ الْمَرْأَةَ مِنَ الصَّلَاةِ إِذَا طَهُرَتْ مِنَ الْحَيْضِ
نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ ، نَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ ، نَا عَبَّادُ بْنُ الْعَوَّامِ ، عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ ، أَنَا عُبَادَةُ بْنُ نُسَيٍّ ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ غَنْمٍ ، أَخْبَرَهُ قَالَ : سَأَلْتُ مُعَاذَ بْنَ جَبَلٍ عَنِ الْحَائِضِ تَطْهُرُ قَبْلَ غُرُوبِ الشَّمْسِ بِقَلِيلٍ ؟ قَالَ : تُصَلِّي الْعَصْرَ . قُلْتُ : قَبْلَ ذَهَابِ الشَّفَقِ ؟ قَالَ : تُصَلِّي الْمَغْرِبَ . قُلْتُ : قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ ؟ قَالَ : تُصَلِّي الْعِشَاءَ . قُلْتُ : قَبْلَ طُلُوعِ الشَّمْسِ ؟ قَالَ : تُصَلِّي الصُّبْحَ ، هَكَذَا كَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - يَأْمُرُنَا أَنْ نُعَلِّمَ نِسَاءَنَا . لَمْ يَرْوِهِ غَيْرُ مُحَمَّدِ بْنِ سَعِيدٍ ، وَهُوَ مَتْرُوكُ الْحَدِيثِ
পরিচ্ছেদঃ ৩. শরীর থেকে প্রবহমান রক্ত নির্গত হওয়া সত্ত্বেও নামায পড়া জায়েয
৮৪৫(১). মুহাম্মাদ ইবনুল কাসেম ইবনে যাকারিয়া আল-মুহারিবী (রহঃ) ... জাবের ইবনে আবদুল্লাহ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সঙ্গে জাতুর-রিকা যুদ্ধে রওয়ানা হলাম। (আমাদের) এক ব্যক্তি মুশরিকদের এক নারীকে হত্যা করলো। যুদ্ধশেষে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কাফেলাসহ যখন প্রত্যাবর্তন করলেন তখন তার স্বামী এলো। ঘটনাস্থলে সে অনুপস্থিত ছিল। সে ঘটনা অবহিত হয়ে শপথ করে বলল যে, সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের কাউকে হত্যা না করা পর্যন্ত ক্ষান্ত হবে না। অতএব সে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পদচিহ্ন ধরে রওয়ানা হলো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোন স্থানে যাত্রাবিরতি করলে বলতেনঃ কে আছে এই রাতে জাগ্রত থেকে আমাদের পাহারা দিবে? রাবী বলেন, মুহাজিরদের এক ব্যক্তি এবং আনসারদের এক ব্যক্তি দ্রুত এগিয়ে এলেন। তিনি বললেনঃ তোমরা দু’জন গিরিপথের মুখে পাহারারত থাকো। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীগণ উপত্যকার গিরিপথে অবস্থান করছিলেন।
সেই দুই ব্যক্তি গিরিপথের মুখে পৌঁছার পর আনসার ব্যক্তি মুহাজির ব্যক্তিকে বললেন, তুমি রাতের কোন অংশে, প্রথম নাকি শেষে অংশে পাহারা দিবে? তিনি বলেন, বরং তুমি আমাকে রাতের প্রথম অংশে পাহারার দায়িত্ব পালন করতে দাও। রাবী বলেন, মুহাজির ব্যক্তি শুয়ে ঘুমিয়ে গেলেন এবং আনসার ব্যক্তি নামাযে দাঁড়িয়ে গেলেন। এই সুযোগে সেই লোকটি এলো। সে দূর থেকে এক ব্যক্তিকে দেখে বুঝতে পারলো যে, তিনি দলের পাহারাদার। অতএব সে তাকে লক্ষ্য করে তীর নিক্ষেপ করলো এবং তা লক্ষ্যস্থলে আঘাত করলো। তিনি তীরটি টেনে খুলে ফেলে নামাযে দণ্ডায়মান থাকলেন। অতঃপর সে তার প্রতি আবার দ্বিতীয় তীর নিক্ষেপ করলো এবং এটিও তার শরীরে বিদ্ধ হলো। কিন্তু তিনি শরীর থেকে তীর টেনে বের করে ফেলে নামাযে দাঁড়িয়ে থাকলেন। অতঃপর সে তার প্রতি তৃতীয় তীর নিক্ষেপ করলো এবং তাও তার শরীরে বিদ্ধ হলো। তিনি তার শরীর থেকে তীর টেনে বের করলেন, অতঃপর রুকূ ও সিজদান্তে নামায শেষ করলেন, তারপর তার সাথীকে জাগ্রত করলেন।
তিনি তাকে বললেন, তুমি উঠে বসো, আমি আহত হয়েছি। তিনি তৎক্ষণাৎ উঠে দাঁড়ালেন। লোকটি তাদের দুইজনকে দেখে বুঝতে পারলো যে, তারা সতর্ক হয়ে গেছে, তখন সে পলায়ন করলো। মুহাজির ব্যক্তি আনসার ব্যক্তির শরীরে রক্ত দেখে বললেন, সুবহানাল্লাহ! তুমি আমাকে কেন ঘুম থেকে জাগ্রত করোনি এবং আবু কুরাইব (রহঃ)-এর বর্ণনায় আছে, সে তোমাকে যখন প্রথম তীর নিক্ষেপ করেছিল তখন তুমি আমাকে জাগ্রত করোনি কেন? তিনি বললেন, আমি একটি সূরা পড়ছিলাম, তা খতম করার পূর্বে বিরতি দেয়া পছন্দ করিনি। সে যখন একের পর এক তীর নিক্ষেপ করছিল তখন আমি রাআত পূর্ণ করে তোমাকে অবহিত করলাম। আল্লাহর শপথ! যদি আমি শত্রুদের সীমান্তে পাহারারত না থাকতাম, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে যে পাহারা দেয়ার নির্দেশ দিয়েছিলেন, জীবন দিয়ে হলেও সেই সূরাটি পড়ে শেষ করতাম (আবু দাউদ, নং ১৯৮)।
بَابُ جَوَازِ الصَّلَاةِ مَعَ خُرُوجِ الدَّمِ السَّائِلِ مِنَ الْبَدَنِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْقَاسِمِ بْنِ زَكَرِيَّا الْمُحَارِبِيُّ بِالْكُوفَةِ ، ثَنَا أَبُو كُرَيْبٍ ، وَحَدَّثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، ثَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَبْدِ الْجَبَّارِ الْكُوفِيُّ ، قَالَا : ثَنَا يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ ، عَنِ ابْنِ إِسْحَاقَ ، حَدَّثَنِي صَدَقَةُ بْنُ يَسَارٍ ، عَنْ عَقِيلِ بْنِ جَابِرٍ ، عَنْ جَابِرِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ ، قَالَ : " خَرَجْنَا مَعَ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فِي غَزْوَةِ ذَاتِ الرِّقَاعِ ، فَأَصَابَ رَجُلٌ امْرَأَةً مِنَ الْمُشْرِكِينَ ، فَلَمَّا انْصَرَفَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - قَافِلًا أَتَى زَوْجُهَا ، وَكَانَ غَائِبًا ، فَلَمَّا أُخْبِرَ الْخَبَرَ حَلَفَ أَنْ لَا يَنْتَهِيَ حَتَّى يُهَرِيقَ دَمًا فِي أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فَخَرَجَ يَتْبَعُ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - كُلَّمَا نَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مَنْزِلًا - وَقَالَ الْقَاضِي : فَلَمَّا نَزَلَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مَنْزِلًا - قَالَ : " مَنْ رَجُلٌ يَكْلَؤُنَا لَيْلَتَنَا هَذِهِ ؟ " . ، قَالَ : فَيَبْتَدِرُ رَجُلٌ مِنَ الْمُهَاجِرِينَ وَرَجُلٌ مِنَ الْأَنْصَارِ ، فَقَالَ " كُونَا بِفَمِ الشِّعْبِ " . وَكَانَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - هُوَ وَأَصْحَابُهُ قَدْ نَزَلُوا الشِّعْبَ مِنَ الْوَادِي ، فَلَمَّا خَرَجَ الرَّجُلَانِ إِلَى فَمِ الشِّعْبِ ، قَالَ الْأَنْصَارِيُّ لِلْمُهَاجِرِيِّ : أَيُّ اللَّيْلِ تُحِبُّ أَنْ أَكْفِيَكَ : أَوَّلَهُ أَوْ آخِرَهُ ، قَالَ : بَلِ اكْفِنِي أَوَّلَهُ . قَالَ : فَاضْطَجَعَ الْمُهَاجِرِيُّ ، فَنَامَ وَقَامَ الْأَنْصَارِيُّ يُصَلِّي ، وَأَتَى الرَّجُلُ ، فَلَمَّا رَأَى شَخْصَ الرَّجُلِ ، عَرَفَ أَنَّهُ رَبِيئَةُ الْقَوْمِ ، فَرَمَاهُ بِسَهْمٍ فَوَضَعَهُ فِيهِ ، فَانْتَزَعَهُ فَوَضَعَهُ وَثَبَتَ قَائِمًا ، ثُمَّ رَمَاهُ بِسَهْمٍ آخَرَ ، فَوَضَعَهُ فِيهِ ، فَانْتَزَعَهُ ، فَوَضَعَهُ وَثَبَتَ قَائِمًا ، ثُمَّ عَادَ لَهُ بِالثَّالِثِ ، فَوَضَعَهُ فِيهِ ، فَنَزَعَهُ ، فَوَضَعَهُ ثُمَّ رَكَعَ ثُمَّ سَجَدَ ، ثُمَّ أَهَبَّ صَاحِبَهُ ، فَقَالَ لَهُ : اجْلِسْ فَقَدْ أُثْبِتُّ فَوَثَبَ فَلَمَّا رَآهُمَا الرَّجُلُ عَرَفَ أَنْ قَدْ نُذِرُوا بِهِ فَهَرَبَ ، فَلَمَّا رَأَى الْمُهَاجِرِيُّ مَا بِالْأَنْصَارِيِّ مِنَ الدِّمَاءِ ، قَالَ : سَبْحَانَ اللَّهِ ! أَفَلَا أَهْبَبْتَنِي ؟! وَقَالَ أَبُو كُرَيْبٍ : أَفَلَا أَنْبَهْتَنِي أَوَّلَ مَا رَمَاكَ ؟! قَالَ : كُنْتُ فِي سُورَةٍ أَقْرَؤُهَا ، فَلَمْ أُحِبَّ أَنْ أَقْطَعَهَا حَتَّى أُنْفِدَهَا ، فَلَمَّا تَابَعَ عَلَيَّ الرَّمْيَ رَكَعْتُ فَآذَنْتُكَ ، وَايْمُ اللَّهِ لَوْلَا أَنْ أُضَيِّعَ ثَغْرًا أَمَرَنِي رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - بِحِفْظِهِ ، لَقُطِعَ نَفَسِي قَبْلَ أَنْ أَقْطَعَهَا أَوْ أُنْفِدَهَا
পরিচ্ছেদঃ ৩. শরীর থেকে প্রবহমান রক্ত নির্গত হওয়া সত্ত্বেও নামায পড়া জায়েয
৮৪৬(২). আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল আল-কাযী (রহঃ) ... আল-মিসওয়ার ইবনে মাখরামা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। উমার (রাঃ) নামায পড়লেন এবং তখন তার ক্ষতস্থান দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিল।
بَابُ جَوَازِ الصَّلَاةِ مَعَ خُرُوجِ الدَّمِ السَّائِلِ مِنَ الْبَدَنِ
حَدَّثَنَا الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْقَاضِي ، وَآخَرُونَ ، قَالُوا : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ ، ثَنَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ ، نَا يُونُسُ ، عَنِ الزُّهْرِيِّ ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ ؛ أَنَّ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - صَلَّى وَجُرْحُهُ يَثْعَبُ دَمًا
পরিচ্ছেদঃ ৩. শরীর থেকে প্রবহমান রক্ত নির্গত হওয়া সত্ত্বেও নামায পড়া জায়েয
৮৪৭(৩). আল-কাযী আল-হুসাইন ইবনে ইসমাঈল (রহঃ) ... উমার (রাঃ) থেকে... পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ।
بَابُ جَوَازِ الصَّلَاةِ مَعَ خُرُوجِ الدَّمِ السَّائِلِ مِنَ الْبَدَنِ
حَدَّثَنَا الْقَاضِي الْحُسَيْنُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ ، وَآخَرُونَ ، قَالُوا : حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ أَيُّوبَ ، نَا أَيُّوبُ بْنُ سُوَيْدٍ ، عَنِ ابْنِ شَوْذَبٍ ، عَنْ أَيُّوبَ ، عَنِ ابْنِ أَبِي مُلَيْكَةَ ، عَنِ الْمِسْوَرِ بْنِ مَخْرَمَةَ ، عَنْ عُمَرَ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - مِثْلَهُ
পরিচ্ছেদঃ ৪. অবশ্য আবরণীয় অঙ্গ এবং উরুদ্বয় তার অন্তর্ভুক্ত
৮৪৮(১). ইয়া’কূব ইবনে ইবরাহীম আল-বায্যায (রহঃ) ... জারহাদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর পাশ দিয়ে যাচ্ছিলেন। তখন তিনি একটি চাদর পরিহিত অবস্থায় মসজিদে ছিলেন এবং তার উরু উন্মুক্ত ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ নিশ্চয়ই উরু সতরের (আবরণীয় অঙ্গের) অন্তর্ভুক্ত (আবু দাউদ, তিরমিযী)।
بَابُ فِي بَيَانِ الْعَوْرَةِ وَالْفَخِذِ مِنْهَا
حَدَّثَنَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مَطَرٍ ، نَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ أَبِي الزِّنَادِ ، حَدَّثَنِي آلُ جُرْهُدٍ ، عَنْ جُرْهُدٍ ؛ أَنَّ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مَرَّ بِهِ وَهُوَ فِي الْمَسْجِدِ وَعَلَيْهِ بُرْدَةٌ قَدِ انْكَشَفَتْ فَخِذُهُ ، فَقَالَ : " إِنَّ الْفَخِذَ عَوْرَةٌ
পরিচ্ছেদঃ ৪. অবশ্য আবরণীয় অঙ্গ এবং উরুদ্বয় তার অন্তর্ভুক্ত
৮৪৯(২). ইয়াকূব ইবনে ইবরাহীম আল-বায্যায (রহঃ) ... যুর’আ ইবনে মুসলিম (রহঃ) থেকে তার পিতা-তার দাদা-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত।
بَابُ فِي بَيَانِ الْعَوْرَةِ وَالْفَخِذِ مِنْهَا
نَا يَعْقُوبُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الْبَزَّازُ ، ثَنَا بِشْرُ بْنُ مَطَرٍ ، نَا سُفْيَانُ بْنُ عُيَيْنَةَ ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ ، عَنْ زُرْعَةَ بْنِ مُسْلِمٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مِثْلَهُ
পরিচ্ছেদঃ ৪. অবশ্য আবরণীয় অঙ্গ এবং উরুদ্বয় তার অন্তর্ভুক্ত
৮৫০(৩). আবু বাকর আন-নায়সাপুরী (রহঃ) ... আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ তোমার উরু উন্মুক্ত করো না। কেননা তা সতর (আবরণীয় অঙ্গ)
بَابُ فِي بَيَانِ الْعَوْرَةِ وَالْفَخِذِ مِنْهَا
حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرٍ النَّيْسَابُورِيُّ ، نَا أَحْمَدُ بْنُ مَنْصُورِ بْنِ رَاشِدٍ ، نَا رَوْحُ بْنُ عُبَادَةَ ، ثَنَا ابْنُ جُرَيْجٍ ، أَخْبَرَنِي حَبِيبُ بْنُ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ : قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " لَا تَكْشِفْ فَخِذَكَ ؛ فَإِنَّ الْفَخِذَ مِنَ الْعَوْرَةِ
পরিচ্ছেদঃ ৪. অবশ্য আবরণীয় অঙ্গ এবং উরুদ্বয় তার অন্তর্ভুক্ত
৮৫১(৪). আবু উসমান সাঈদ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আহমাদ আল-হান্নাত (রহঃ) ... আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বলেছেনঃ তোমার উরু উন্মুক্ত করো না এবং তুমি কোন মৃত ব্যক্তির উরু অথবা কোন জীবিত ব্যক্তির উরুর দিকে দৃষ্টিপাত করো না।
بَابُ فِي بَيَانِ الْعَوْرَةِ وَالْفَخِذِ مِنْهَا
وَحَدَّثَنَا أَبُو عُثْمَانَ سَعِيدُ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ أَحْمَدَ الْحَنَّاطُ ، ثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يُونُسَ السَّرَّاجُ ، ثَنَا عَبْدُ الْمَجِيدِ بْنُ عَبْدِ الْعَزِيزِ بْنِ أَبِي رَوَّادٍ ، عَنِ ابْنِ جُرَيْجٍ ، عَنْ حَبِيبِ بْنِ أَبِي ثَابِتٍ ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ ضَمْرَةَ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ : قَالَ لِي رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " لَا تَكْشِفْ عَنْ فَخِذِكَ ، وَلَا تَنْظُرْ إِلَى فَخِذِ حَيٍّ وَلَا مَيِّتٍ
পরিচ্ছেদঃ ৫. পট্রির উপর মসেহ করা জায়েয
৮৫২(১)। দালাজ ইবনে আহমাদ (রহঃ) ... আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট ভেঙ্গে যাওয়া আহত স্থানে পট্টি বাঁধা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলাম, সে কিভাবে উযু করবে এবং নাপাক হলে কিভাবে গোসল করবে? তিনি বলেন, উযু ও নাপাকির গোসল উভয় ক্ষেত্রে পানি দিয়ে পট্টির উপর মসেহ করবে। আমি বললাম, যদি প্রচণ্ড ঠাণ্ডা হয় এবং গোসলের বেলায় জীবননাশের আশংকাবোধ করে? তিনি বলেনঃ তার শরীরের উপর মসেহ করবে। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়োক্ত আয়াত পড়েনঃ “তোমরা নিজেদের হত্যা করো না, নিশ্চয়ই আল্লাহ তোমাদের উপর দয়াশীল” (সূরা আন-নিসা : ২৯)। আর ক্ষতির আশংকা হলে সে তায়াম্মুম করবে।
بَابُ جَوَازِ الْمَسْحِ عَلَى الْجَبَائِرِ
ثَنَا دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ الصَّائِغُ بِمَكَّةَ ، حَدَّثَنَا أَبُو الْوَلِيدِ ، وَهُوَ خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْمَكِّيُّ ، نَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ الْحُسَيْنِ بْنِ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ زَيْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، قَالَ : سَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - عَنِ الْجَبَائِرِ تَكُونُ عَلَى الْكَسِيرِ ، كَيْفَ يَتَوَضَّأُ صَاحِبُهَا ؟ وَكَيْفَ يَغْتَسِلُ إِذَا أَجْنَبَ ؟ قَالَ : " يَمْسَحَانِ بِالْمَاءِ عَلَيْهَا فِي الْجَنَابَةِ وَالْوُضُوءِ " . قُلْتُ : فَإِنْ كَانَ فِي بَرْدٍ يَخَافُ عَلَى نَفْسِهِ إِذَا اغْتَسَلَ ؟ قَالَ : " يُمِرُّ عَلَى جَسَدِهِ " . وَقَرَأَ رَسُولُ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ( وَلَا تَقْتُلُوا أَنْفُسَكُمْ إِنَّ اللَّهَ كَانَ بِكُمْ رَحِيمًا ) [ النِّسَاءِ : 29 ] " يَتَيَمَّمُ إِذَا خَافَ
পরিচ্ছেদঃ ৫. পট্রির উপর মসেহ করা জায়েয
৮৫৩(২)। দা’লাজ ইবনে আহমাদ (রহঃ) ... আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ)-নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত। আবুল ওয়ালীদ খালিদ ইবনে ইয়াযীদ আল-মাক্কী (রহঃ) হাদীসশাস্ত্রে দুর্বল।
بَابُ جَوَازِ الْمَسْحِ عَلَى الْجَبَائِرِ
ثَنَا دَعْلَجُ بْنُ أَحْمَدَ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ زَيْدٍ ، نَا أَبُو الْوَلِيدِ ، نَا إِسْحَاقُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ ، نَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ أَبِي الْمَوَالِي ، عَنِ الْحَسَنِ بْنِ زَيْدٍ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - مِثْلَهُ . أَبُو الْوَلِيدِ خَالِدُ بْنُ يَزِيدَ الْمَكِّيُّ ضَعِيفٌ
পরিচ্ছেদঃ ৫. পট্রির উপর মসেহ করা জায়েয
৮৫৪(৩). মুহাম্মাদ ইবনে ইসমাঈল আল-ফারিসী (রহঃ) ... আলী ইবনে আবু তালিব (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমার একটি কব্জির জোড়া ভেঙ্গে গেল। আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলে তিনি আমাকে পট্টির উপর মসেহ করার নির্দেশ দেন।
আমর ইবনে খালিদ আল-ওয়াসিতী পরিত্যক্ত রাবী।
بَابُ جَوَازِ الْمَسْحِ عَلَى الْجَبَائِرِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ إِسْمَاعِيلَ الْفَارِسِيُّ ، ثَنَا إِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ ، أَنَا عَبْدُ الرَّزَّاقِ ، عَنْ إِسْرَائِيلَ بْنِ يُونُسَ ، عَنْ عَمْرِو بْنِ خَالِدٍ ، عَنْ زَيْدِ بْنِ عَلِيٍّ ، عَنْ أَبِيهِ ، عَنْ جَدِّهِ ، عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ - رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ - قَالَ : انْكَسَرَ إِحْدَى زَنْدَيَّ ؛ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، فَأَمَرَنِي أَنْ أَمْسَحَ عَلَى الْجَبَائِرِ " . عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ هُوَ أَبُو خَالِدٍ الْوَاسِطِيُّ مَتْرُوكٌ
পরিচ্ছেদঃ ৫. পট্রির উপর মসেহ করা জায়েয
৮৫৫(৪). ইসমাঈল ইবনে মুহাম্মাদ আস-সাফফার (রহঃ) ... আমর ইবনে খালিদ (রহঃ) থেকে তাঁর সূত্রে পূর্বোক্ত হাদীসের অনুরূপ বর্ণিত আছে।
بَابُ جَوَازِ الْمَسْحِ عَلَى الْجَبَائِرِ
حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُحَمَّدٍ الصَّفَّارُ ، نَا جَعْفَرُ بْنُ مُحَمَّدٍ الْوَرَّاقُ ، ثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ أَبَانَ بْنِ عِمْرَانَ ، ثَنَا سَعِيدُ بْنُ سَالِمٍ ، نَا إِسْرَائِيلُ ، نَا عَمْرُو بْنُ خَالِدٍ ، بِإِسْنَادِهِ مِثْلَهُ
পরিচ্ছেদঃ ৬. যে স্থানে নামায পড়া জায়েয এবং যে স্থানে প্রতিনিধিত্ব করা জায়েয
৮৫৬(১). আবু শায়বা আবদুল আযীয ইবনে জাফার আল-খাওয়ারিযমী (রহঃ) ... ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাগানের ময়লা-আবর্জনা ফেলার স্থান সম্পর্কে বলেনঃ স্থানটি তিনবার পানি দিয়ে পরিষ্কার করলে সেখানে নামায পড়তে পারো।
بَابُ بَيَانِ الْمَوْضِعِ الَّذِي يَجُوزُ فِيهِ الصَّلَاةُ ، وَمَا يَجُوزُ فِيهِ مِنَ الثِّيَابِ
حَدَّثَنَا أَبُو شَيْبَةَ عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ جَعْفَرٍ الْخُوَارِزْمِيُّ ، ثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَرَفَةَ ، نَا أَبُو حَفْصٍ الْأَبَّارُ ، عَنْ أَبَانَ بْنِ أَبِي عَيَّاشٍ ، عَنْ مُجَاهِدٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ، عَنِ النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - فِي الْحَائِطِ تُلْقَى فِيهِ الْعَذِرَةُ وَالنَّتَنُ ؟ قَالَ : " إِذَا سُقِيَ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ ، فَصَلِّ فِيهِ
পরিচ্ছেদঃ ৬. যে স্থানে নামায পড়া জায়েয এবং যে স্থানে প্রতিনিধিত্ব করা জায়েয
৮৫৭(২). মুহাম্মাদ ইবনে নূহ আল-জুনদিসাপুরী (রহঃ) ... ইবনে উমার (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তার নিকট বাগানের যে স্থানে ময়লা-আবর্জনা ও গোবর ফেলা হয় সেই স্থান সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, সেখানে কি নামায পড়া যাবে? তিনি বলেন, তিনবার পানি ঢেলে ধৌত করলে সেখানে নামায পড়তে পারো।
এই হাদীস নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বক্তব্য হিসেবেও বর্ণিত হয়েছে। উভয় সনদে মতানৈক্য আছে। আল্লাহই অধিক জ্ঞাত।
بَابُ بَيَانِ الْمَوْضِعِ الَّذِي يَجُوزُ فِيهِ الصَّلَاةُ ، وَمَا يَجُوزُ فِيهِ مِنَ الثِّيَابِ
حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ نُوحٍ الْجُنْدَيْسَابُورِيُّ ، نَا هَارُونُ بْنُ إِسْحَاقَ ، نَا ابْنُ فُضَيْلٍ ، عَنْ أَبَانَ ، عَنْ نَافِعٍ ، عَنِ ابْنِ عُمَرَ ؛ أَنَّهُ سُئِلَ عَنْ هَذِهِ الْحِيطَانِ الَّتِي تُلْقَى فِيهَا هَذِهِ الْعَذِرَاتُ وَهَذَا الزِّبْلُ ، أَيُصَلَّى فِيهَا ؟ قَالَ : " إِذَا سُقِيَتْ ثَلَاثَ مَرَّاتٍ فَصَلِّ فِيهَا " وَرَفَعَ ذَلِكَ إِلَى النَّبِيِّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - ، اخْتَلَفَا فِي الْإِسْنَادِ ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ
পরিচ্ছেদঃ ৬. যে স্থানে নামায পড়া জায়েয এবং যে স্থানে প্রতিনিধিত্ব করা জায়েয
৮৫৮(৩). আবদুল্লাহ ইবনে মুহাম্মাদ ইবনে আবদুল আযীয (রহঃ) ... আসমা বিনতে আবু বাকর (রাঃ) হাজ্জাজকে বললেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রক্তমোণ করালেন। তিনি সেই রক্ত আমার ছেলেকে দিলেন এবং সে তা পান করলো। অতঃপর তাঁর নিকট জিবরাঈল (আ.) এসে তাঁকে বিষয়টি অবহিত করলেন। তিনি বলেনঃ তুমি এ কি করেছো? তিনি বললেন, আমি আপনার রক্ত ফেলে দেয়া অপছন্দ করেছি। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ জাহান্নামের আগুন তোমাকে স্পর্শ করবে না এবং তিনি তার মাথা মসেহ করে দিলেন আর বললেনঃ লোকেরা তোমার সম্পর্কে সতর্ক থাকুক এবং তুমিও লোকদের সম্পর্কে সতর্ক থাকো।
بَابُ بَيَانِ الْمَوْضِعِ الَّذِي يَجُوزُ فِيهِ الصَّلَاةُ ، وَمَا يَجُوزُ فِيهِ مِنَ الثِّيَابِ
حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مُحَمَّدِ بْنِ عَبْدِ الْعَزِيزِ ، نَا مُحَمَّدُ بْنُ حُمَيْدٍ ، ثَنَا عَلِيُّ بْنُ مُجَاهِدٍ ، ثَنَا رَبَاحٌ النُّوبِيُّ أَبُو مُحَمَّدٍ مَوْلَى آلِ الزُّبَيْرِ ، قَالَ : سَمِعْتُ أَسْمَاءَ بِنْتَ أَبِي بَكْرٍ تَقُولُ لِلْحَجَّاجِ : إِنَّ النَّبِيَّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - احْتَجَمَ ، فَدَفَعَ دَمَهُ إِلَى ابْنِي فَشَرِبَهُ ، فَأَتَاهُ جِبْرِيلُ - عَلَيْهِ السَّلَامُ - فَأَخْبَرَهُ ، فَقَالَ : " مَا صَنَعْتَ ؟ " . قَالَ : كَرِهْتُ أَنْ أَصُبَّ دَمَكَ . فَقَالَ النَّبِيُّ - صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ - : " لَا تَمَسَّكَ النَّارُ " . وَمَسَحَ عَلَى رَأْسِهِ ، وَقَالَ : " وَيْلٌ لِلنَّاسِ مِنْكَ ، وَوَيْلٌ لَكَ مِنَ النَّاسِ