‘গাশিয়াহ’ বলে কিয়ামতকে বোঝানো হয়েছে। এটি কিয়ামতেরই একটি নাম। [ইবন কাসীর] এর আক্ষরিক অনুবাদ হচ্ছে, “আচ্ছন্নকারী”। অর্থাৎ যে বিপদটা সারা সৃষ্টিকুলকে আচ্ছন্ন করে ফেলবো। [ফাতহুল কাদীর] সেদিনের ঘটনা মানুষের যাবতীয় দুঃখকে যেমন আচ্ছন্ন করে ফেলবে, তেমনি যাবতীয় আনন্দকে মাটি করে দিয়ে চিন্তাক্লিষ্ট করে দিবে। কোন কোন মুফাসসির ‘গাশিয়াহ’ এর অনুবাদ করেছেন জাহান্নামের আগুন। কেননা, জাহান্নামের আগুন সবকিছুকে আচ্ছন্ন করে রাখবে। তার প্রতাপে সবকিছু ঢেকে যাবে। অন্য আয়াতে বলা হয়েছে, (وَتَغْشَىٰ وُجُوهَهُمُ النَّارُ) “আর আগুন আচ্ছন্ন করবে তাদের মুখমন্ডল” [সূরা ইবরাহীম: ৫০] আবার কোন কোন মুফাসসিরের মতে, গাশিয়াহ বলে জাহান্নামবাসীদের বোঝানো হয়েছে। কারণ, তারা জাহান্নামকে আচ্ছন্ন করে রাখবে। সেখানে যেতে ও আযাব ভোগ করতে তাদের বাধ্য করা হবে। তন্মধ্যে প্রথম অর্থটি সবচেয়ে বেশী প্ৰসিদ্ধ। [ফাতহুল কাদীর]
তাফসীরে আহসানুল বায়ান
সূরা আল-গশিয়াহ [1]
(মক্কায় অবতীর্ণ)
[1] কোন কোন বর্ণনায় রয়েছে যে, নবী (সাঃ) জুমআর নামাযে সূরা জুমআর সাথে সূরা গাশিয়াহও পাঠ করতেন। (মুঅত্তা ইমাম মালিক জুমআর নামাযে সূরা পড়ার পরিচ্ছেদ)