সহীহ বুখারী (তাওহীদ পাবলিকেশন) ৭৫৬৩ টি হাদিস তাওহীদ পাবলিকেশন সম্পূর্ণ হাদিস গ্রন্থটি একসাথে পড়ুন
অধ্যায় ও পরিচ্ছেদ তালিকা সর্বমোট হাদিস | হাদিসের ব্যাপ্তি
১/ ওয়াহ্‌য়ীর সূচনা (كتاب بدء الوحى) ৭ টি | ১-৭ পর্যন্ত 1/ Revelation
  • ১/১. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি কীভাবে ওয়াহী শুরু হয়েছিল।
  • ১/৪. পরিচ্ছেদ নেই
  • ১/৫. পরিচ্ছেদ নেই
  • ১/৬. পরিচ্ছেদ নেই
  • ১/২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ১/৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২/ ঈমান (বিশ্বাস) (كتاب الإيمان) ৫১ টি | ৮-৫৮ পর্যন্ত 2/ Belief  
  • ২/২. তোমাদের দু’আ তোমাদের ঈমান।
  • ২/৩. ঈমানের বিষয়সমূহ
  • ২/৪. সে-ই মুসলিম, যার জিহ্বা ও হাত থেকে অন্য মুসলিম নিরাপদ থাকে।
  • ২/৫. ইসলামে কোন্‌ জিনিসটি উত্তম?
  • ২/৬. খাদ্য খাওয়ানো ইসলামের অন্তর্ভুক্ত।
  • ২/৭. নিজের জন্য যা পছন্দ করা হয় সেটা স্বীয় ভাইদের জন্যও পছন্দ করা ঈমানের অংশ।
  • ২/৮. আল্লাহ্‌র রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে ভালোবাসা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।
  • ২/৯. ঈমানের সুস্বাদ।
  • ২/১০. আনসারকে ভালোবাসা ঈমানের আলামত।
  • ২/১১
  • ২/১২. ফিতনা হতে পালায়ন দ্বীনের অংশ
  • ২/১৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর বানীঃ “আমি তোমাদের তুলনায় আল্লাহ্‌ সম্পর্কে অধিক জ্ঞানী, আর আল্লাহ্‌র প্রতি বিশ্বাস অন্তরের কাজ"।
  • ২/১৪ কুফরীতে প্রত্যাবর্তন করাকে আগুনে নিক্ষিপ্ত হবার ন্যায় অপছন্দ করা ঈমানের অন্তর্ভুক্ত।
  • ২/১৫. ‘আমলের দিক দিয়ে ঈমানদারদের শ্রেষ্টত্বের স্তরসমূহ।
  • ২/১৬. লজ্জা ঈমানের অঙ্গ
  • ২/১৭. “অতঃপর যদি তাঁরা তাওবাহ করে, সালাত কায়িম করে এবং যাকাত দেয় তবে তাঁদের পথ ছেড়ে দাও।" (আত-তাওবাহ ৯/৫)
  • ২/১৮. যে বলে ‘ঈমানই হচ্ছে ‘আমল।
  • ২/১৯. ইসলাম গ্রহণ যদি বিশুদ্ধ না হয় বরং বাহ্যিক আনুগত্য প্রদর্শনের জন্য বা হত্যার আশংকায় হয়, তবে তাঁর ইসলাম গ্রহণ।
  • ২/২০. সালামের প্রচলন করা ইসলামের শামিল।
  • ২/২১. স্বামীর প্রতি নাশুকরি। আর এক কুফর অন্য কুফর থেকে ছোট।
  • ২/২২. পাপ কাজ জাহিলী যুগের অভ্যাস। আর শির্‌ক ব্যতীত অন্য কোন গুনাহ্‌তে লিপ্ত হওয়াতে ঐ পাপীকে কাফির বলা যাবে না।
  • “মু’মিনদের দু’দল দ্বন্দ্বে লিপ্ত হলে তোমরা তাঁদের মধ্যে মীমাংসা করে দিবে।” (হুজরাত ৪৯/৯)
  • ২/২৩. যুল্‌মের প্রকারসমূহ।
  • ২/২৪. মুনাফিকের চিহ্ন
  • ২/২৫. লাইলাতুল ক্বাদর ইবাদতে রাত্রিজাগরণ ঈমানের শামিল।
  • ২/২৬. জিহাদ ঈমানের শামিল
  • ২/২৭. রামাদানের রাত্রিতে নফল ‘ইবাদাত’ ইমানের অঙ্গ
  • ২/২৮ সওয়াবের আকাঙ্খায় রামাদানের সিয়াম পালন ঈমানের অঙ্গ।
  • ২/২৯ দ্বীন হচ্ছে সরল।
  • ২/৩০ সালাত ঈমানের শামিল।
  • ২/৩১ সুন্দরভাবে ইসলাম গ্রহণ ।
  • ২/৩২ আল্লাহ্ তা’আলার কাছে সবচেয়ে অধিক পছন্দনীয় আমল সেটাই যা নিয়মিত করা হয় ।
  • ২/৩৩ ঈমানের বৃদ্ধি ও হ্রাস।
  • ২/৩৪ যাকাত ইসলামের অঙ্গ
  • ২/৩৫ জানাযাহ্’র পিছে পিছে যাওয়া ঈমানের অন্তর্ভুক্ত
  • ২/৩৬ অজান্তে মু’মিনের আমল বিনষ্ট হবার ভয়।
  • ২/৩৭ জিবরীল (আঃ)কর্তৃক আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট ঈমান, ইসলাম, ইহসান ও কিয়ামতের জ্ঞান সম্পর্কে প্রশ্ন।
  • ২/৩৮
  • ২/৩৯ দ্বীন রক্ষাকারীর মর্যাদা
  • ২/৪০ গনীমতের এক পঞ্চমাংশ আদায় করা ঈমানের শামিল।
  • ২/৪১ আমলসমূহ সংকল্প ও পুন্যের আকাঙ্খা অনুযায়ী, প্রতিটি ব্যক্তির প্রাপ্য তাঁর সংকল্প অনুযায়ী।
  • ২/৪২ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বাণীঃ “দ্বীন হলো কল্যাণ কামনা করা আল্লাহ্’র সন্তুষ্টির জন্য, তাঁর রসূলের জন্য, মুসলিম নেতৃবৃন্দের জন্য এবং সমগ্র মুসলিমের জন্য”।
  • ৩/ আল-ইলম (ধর্মীয় জ্ঞান) (كتاب العلم) ৭৬ টি | ৫৯-১৩৪ পর্যন্ত 3/ Knowledge
  • ৩/২ আলোচনায় রত অবস্থায় ইলম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে আলোচনা শেষ করার পর প্রশ্নকারীর উত্তর দেয়া।
  • ৩/৩ উচ্চস্বরে ‘ইলমের আলোচনা।
  • ৩/৪- মুহাদ্দিসের উক্তি: হাদ্দাসানা, আখবারানা ও আম্বাআনা।
  • ৩/৫ শিষ্যদের জ্ঞান যাচাইয়ের উদ্দেশে শিক্ষকের কোন বিষয় উত্থাপন করা।
  • ৩/৬ হাদীস অধ্যয়ন ও মুহাদ্দিসের নিকট তা বর্ণনা করা।
  • ৩/৭ শায়খ কর্তৃক ছাত্রকে হাদীসের কিতাব প্রদান এবং ‘আলিম কর্তৃক ‘ইলমের কথা লিখে বিভিন্ন দেশে প্রেরণ।
  • ৩/৮ মজলিসের শেষ প্রান্তে বসা এবং মজলিসের অভ্যন্তরে ফাঁক দেখে সেখানে বসা।
  • ৩/৯ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর বাণী “যাদের নিকট হাদীস পৌঁছানো হয় তাঁদের মধ্যে অনেকে এমন রয়েছে, যে শ্রোতা অপেক্ষা অধিক আয়ত্ত রাখতে পারে।
  • ৩/১১ লোকজন যাতে বিরক্ত না হয়ে পড়ে সে জন্য আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নসীহতে ও ইলম শিক্ষাদানে উপযুক্ত সময়ের প্রতি লক্ষ্য রাখতেন।
  • ৩/১২ ইলম শিক্ষার্থীদের জন্য দিন নির্দিষ্ট করা
  • ৩/১৩ আল্লাহ্ যার মঙ্গল চান, তাঁকে দ্বীনের জ্ঞান দান করেন।
  • ৩/১৪ ইলমের ব্যাপারে সঠিক অনুধাবন
  • ৩/১৫ ইলম ও হিকমাহ এর ক্ষেত্রে সমতুল্য হবার উৎসাহ
  • ৩/১৬ সমুদ্রে খাযির (আঃ) এর নিকট মূসা (আঃ) এর গমন
  • ৩/১৭ নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর উক্তি “হে আল্লাহ! আপনি তাকে কিতাব শিক্ষা দিন”
  • ৩/১৮ বালকদের কোন বয়সের কথা শোনা গ্রহণযোগ্য।
  • ৩/১৯ জ্ঞান অন্বেষণের উদ্দেশ্যে বের হওয়া
  • ৩/২০ ‘ইলম অন্বেষণকানী ও ‘ইলম প্রদানকারীর ফযীলত
  • ৩/২১ ইলমের বিলুপ্তি ও মূর্খতার প্রসার
  • ৩/২২ জ্ঞানের উপকারিতা
  • ৩/২৩ প্রানী বা অন্য বাহনের উপর সওয়ারীর হয়ে দণ্ডায়মান অবস্থায় ফাতওয়া দেয়া।
  • ৩/২৪ হাত ও মাথার ইঙ্গিতে ফাতাওয়ার জওয়াব দান
  • ৩/২৫ আবদুল কায়েস গোত্রের প্রতিনিধি দলকে ঈমান ও ‘ইলমের রক্ষণাবেক্ষণ এবং পরবর্তীদেরকে তা জানিয়ে দেয়ার ব্যাপারে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম - এর উদ্ধুদ্ধকরণ।
  • ৩/২৬ উদ্ভূত মাসআলার উদ্দেশে সফর করা এবং নিজের পরিজনদের শিক্ষা প্রদান।
  • ৩/২৭ পালাক্রমে ‘ইলম শিক্ষা করা।
  • ৩/২৮ অপছন্দনীয় কিছু দেখলে ওয়ায-নাসীহাত বা শিক্ষাপ্রদানের সময় রাগ করা।
  • ৩/২৯ ইমাম বা মুহাদ্দিসের সামনে হাঁটু পেতে বসা
  • ৩/৩০ ভালোভাবে বুঝানোর জন্য কোন কথা তিনবার বলা
  • ৩/৩১ নিজের দাসী ও পরিবার পরিজনকে শিক্ষা প্রদান।
  • ৩/৩২ ‘আলিম কর্তৃক নারীদের উপদেশ প্রদান করা ও দীনী ‘ইলম শিক্ষা প্রদান।
  • ৩/৩৩ হাদিসের প্রতি লালসা।
  • ৩/৩৪ কীভাবে (দ্বীনী) জ্ঞান তুলে নেয়া হবে।
  • ৩/৩৫. নারীদের জ্ঞান লাভের জন্য আলাদাভাবে দিন নির্ধারণ করা যায় কি?
  • ৩/৩৬ কোন কথা শুনে না বুঝলে জানার জন্য পুনরাবৃত্তি করা।
  • ৩/৩৭ উপস্থিত ব্যক্তি যেন অনুপস্থিত ব্যক্তির নিকট ইলম পৌঁছে দেয়।
  • ৩/৩৮. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মিথ্যারোপ করার পাপ
  • ৩/৩৯ ইলম লিপিবদ্ধ করা।
  • ৩/৪০. রাতে ‘ইল্‌ম শিক্ষাদান এবং ওয়ায-নাসীহাত করা।
  • ৩/৪১. রাতে ইল্‌মের আলোচনা করা।
  • ৩/৪২. ইলম আয়ত্ত করা।
  • ৩/৪৩. আলিমদের কথা শ্রবণের জন্য লোকদের চুপ করানো।
  • ৩/৪৪. আলিমের জন্য মুস্তাহাব এই যে, সবচেয়ে জ্ঞানী কে? এ প্রশ্ন যখন তাঁকে করা হয় তখন তার উচিত এটা আল্লাহর দিকে সোপর্দ করা।
  • ৩/৪৫. আলিমের বসে থাকা অবস্থায় দাঁড়িয়ে জিজ্ঞেস করা।
  • ৩/৪৬. কঙ্কর মারার সময় কোন মাসআলা জিজ্ঞেস করা।
  • ৩/৪৭. আল্লাহ্‌ তা'আলার বাণী, তোমাদেরকে ‘ইলম দেওয়া হয়েছে অতি অল্পই।” (সূরা আল-ইসরা : ৮৫)
  • ৩/৪৮. কোন কোন মুস্তাহাব কাজ এই আশঙ্কায় ছেড়ে দেয়া যে, কিছু কম মেধাবী লোকে ভুল বুঝতে পারে এবং তারা আরো অধিকতর বিভ্রান্তিতে পড়তে পারে।
  • ৩/৪৯. বুঝতে না পারার আশঙ্কায় ইলম শিক্ষায় কোন এক গোত্র ছেড়ে আর এক গোত্র বেছে নেয়া।
  • ৩/৫০. ইল্‌ম শিক্ষা করতে লজ্জাবোধ করা।
  • ৩/৫১. নিজে লজ্জা করলে অন্যকে দিয়ে প্রশ্ন করানো।
  • ৩/৫২. মসজিদে ‘ইলম ও ফতোয়া আলোচনা করা।
  • ৩/৫৩. প্রশ্নকারীর প্রশ্নের চেয়ে বেশী উত্তর প্রদান।
  • ৪/ উযূ (كتاب الوضوء) ১১৩ টি | ১৩৫-২৪৭ পর্যন্ত 4/ Ablutions (Wudu)
  • ৪/২. পবিত্রতা ব্যতীত সালাত কবূল হবে না।
  • ৪/৩. উযূর ফযীলত এবং উযূর প্রভাবে যাদের উযূর অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ উজ্জ্বল হবে।
  • ৪/৪. নিশ্চিত না হওয়া পর্যন্ত সন্দেহের কারণে উযু করতে হয় না।
  • ৪/৫. হালকাভাবে উযূ করা।
  • ৪/৬. পূর্ণরূপে উযূ করা ।
  • ৪/৭. এক আজলা পানি দিয়ে দু’ হাতে মুখমন্ডল ধোয়া।
  • ৪/৮. সর্বাবস্থায়, এমনকি সহবাসের সময়েও বিসমিল্লাহ্‌ বলা।
  • ৪/৯. পায়খানায় যাওয়ার সময় কী বলতে হয়?
  • ৪/১০. পায়খানার নিকট পানি রাখা।
  • ৪/১১. পেশাব পায়খানা করার সময় কিবলামুখী হবে না, তবে দেয়াল অথবা কোন আড় থাকলে ভিন্ন কথা।
  • ৪/১২. যে ব্যক্তি দু’ ইটের উপর বসে মলমূত্র ত্যাগ করল।
  • ৪/১৩. পেশাব পায়খানার জন্য নারীদের বাইরে যাওয়া।
  • ৪/১৪. গৃহের মধ্যে পেশাব পায়খানা করা।
  • ৪/১৫. পানি দ্বারা শৌচ কাজ করা।
  • ৪/১৬. পবিত্রতা অর্জনের জন্য কারো সঙ্গে পানি নিয়ে যাওয়া।
  • ৪/১৭. ইস্তিন্জার জন্য পানির সাথে (লৌহ ফলকযুক্ত) লাঠি নিয়ে যাওয়া।
  • ৪/১৮. ডান হাতে শৌচকার্য করা নিষেধ।
  • ৪/১৯. প্রস্রাব করার সময় ডান হাতে পুরুষাঙ্গ ধরবে না।
  • ৪/২০. পাথর দিয়ে ইস্তিন্জা করা।
  • ৪/২১. গোবর দ্বারা শৌচকার্য না করা।
  • ৪/২২. উযূর মধ্যে একবার করে ধৌত করা।
  • ৪/২৩. উযূতে দু’বার করে ধোয়া।
  • ৪/২৪. উযূতে তিনবার করে ধোয়া।
  • ৪/২৫. উযূতে নাকে পানি দিয়ে নাক পরিষ্কার করা।
  • ৪/২৬. (শৌচকার্যের জন্য) বিজোড় সংখ্যক ঢিলা ব্যবহার করা।
  • ৪/২৭. দু’পা ধৌত করা এবং তা মাসহ্ না করা।
  • ৪/২৮. উযূর সময় কুলি করা।
  • ৪/২৯. গোড়ালি ধোয়া।
  • ৪/৩০. জুতা পরা অবস্থায় উভয় পা ধুতে হবে জুতার উপর মাসহ করা যাবে না।
  • ৪/৩১. উযূ এবং গোসল ডান দিক থেকে শুরু করা।
  • ৪/৩২. সালাতের সময় হলে উযূর পানি অনুসন্ধান করা।
  • ৪/৩৩. যে পানি দিয়ে মানুষের চুল ধোয়া হয়।
  • কুকুর যদি পাত্র হতে পানি পান করে।
  • ৪/৩৪. সামনের এবং পেছনের রাস্তা দিয়ে কিছু নির্গত হওয়া ব্যতীত অন্য কারণে যিনি উযূর প্রয়োজন মনে করেন না।
  • ৪/৩৫. নিজের সাথীকে উযূ করিয়ে দেয়া।
  • ৪/৩৬. বিনা উযূতে কুরআন প্রভৃতি পাঠ।
  • ৪/৩৭. অজ্ঞান না হলে উযূ না করা।
  • ৪/৩৮. পূর্ণ মাথা মাসেহ করা।
  • ৪/৩৯. উভয় পা টাখনু পর্যন্ত ধোয়া।
  • ৪/৪০. উযূর অবশিষ্ট পানি ব্যবহার।
  • ৪/৪১. এক আজলা পানি দিয়ে কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া।
  • ৪/৪২. একবার মাথা মাসেহ করা।
  • ৪/৪৩. স্বীয় স্ত্রীর সঙ্গে উযূ করা এবং স্ত্রীর উযূর অবশিষ্ট পানি (ব্যবহার করা)।
  • ৪/৪৪. অজ্ঞান লোকের উপর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উযূর পানি ছিঁটিয়ে দেয়া।
  • ৪/৪৫. গামলা, কাঠ ও পাথরের পাত্রে উযূ-গোসল করা।
  • ৪/৪৬. গামলা হতে উযূ করা।
  • ৪/৪৭. এক মুদ (পানি) দিয়ে উযূ করা।
  • ৪/৪৮. মোজার উপর মাসেহ করা।
  • ৪/৪৯. পবিত্র অবস্থায় উভয় পা (মোজায়) প্রবেশ করানো।
  • ৪/৫০. বকরীর গোশত ও ছাতু খেয়ে উযূ না করা।
  • ৪/৫১. ছাতু খেয়ে উযূ না করে কুলি করা যথেষ্ট।
  • ৪/৫২. দুধ পান করে কি কুলি করতে হবে?
  • ৪/৫৩. ঘুমালে উযূ করা এবং দু’একবার তন্দ্রাচ্ছন্ন হলে বা মাথা ঝুঁকে পড়লে উযূ না করা।
  • ৪/৫৪. হাদাস ব্যতীত উযূ করা।
  • ৪/৫৫. পেশাবের অপবিত্রতা হতে হুশিয়ার না হওয়া কাবীরা গুনাহর অন্তর্ভুক্ত।
  • ৪/৫৬. পেশাব ধোয়া সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ৪/৫৭. জনৈক বেদুঈন মসজিদে পেশাব করলে পেশাব শেষ না করা পর্যন্ত নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং অন্যান্য লোকের পক্ষ হতে অবকাশ দেয়া।
  • ৪/৫৮. মসজিদে পেশাবের উপর পানি ঢেলে দেয়া।
  • ৪/৫৯. বাচ্চাদের পেশাব।
  • ৪/৬০. দাঁড়িয়ে ও বসে পেশাব করা।
  • ৪/৬১. সাথীর নিকট বসে পেশাব করা এবং দেয়ালের আড়াল করা।
  • ৪/৬২. গোত্রের আবর্জনা ফেলার স্থানে পেশাব করা।
  • ৪/৬৩. রক্ত ধৌত করা।
  • ৪/৬৪. বীর্য ধোয়া এবং ঘষে ফেলা এবং স্ত্রীলোক হতে যা লেগে যায় তা ধুয়ে ফেলা।
  • ৪/৬৫. জানাবাতের অপবিত্রতা বা অন্য কিছু ধোয়ার পর যদি ভেজা চিহ্ন রয়ে যায়।
  • ৪/৬৬. উট, চতুষ্পদ জন্তু ও ভেড়ার পেশাব এবং ভেড়ার খোঁয়াড় প্রসঙ্গে
  • ৪/৬৭. ঘি এবং পানিতে নাজাসাত হতে যা পতিত হয়।
  • ৪/৬৮. আবদ্ধ পানিতে পেশাব করা।
  • ৪/৬৯. মুসল্লীর পিঠের উপর ময়লা বা মৃত জন্তু ফেললে তার সালাত বাতিল হবে না।
  • ৪/৭০. থুথু, নাকের শিকনি ইত্যাদি কাপড়ে লেগে যাওয়া।
  • ৪/৭১. নাবীয (খেজুর, কিসমিস, মনাক্কা, ইত্যাদি ভিজানো পানি) এবং নেশার উদ্রেককারী পানীয় দ্বারা উযূ করা না-জায়িয।
  • ৪/৭২. পিতার মুখমন্ডল হতে কন্যা কর্তৃক রক্ত ধুয়ে ফেলা।
  • ৪/৭৩. মিসওয়াক করা।
  • ৪/৭৪. বয়সে বড় ব্যক্তিকে মিসওয়াক প্রদান করা।
  • ৪/৭৫. উযূ সহ রাতে ঘুমাবার ফযীলত।
  • ৫/ গোসল (كتاب الغسل) ৪৬ টি | ২৪৮-২৯৩ পর্যন্ত 5/ Bathing (Ghusl)
  • ৫/১. গোসলের পূর্বে উযূ করা।
  • ৫/২. স্বামী-স্ত্রীর এক সাথে গোসল।
  • ৫/৩. এক সা‘ বা অনুরূপ পাত্রের পানিতে গোসল।
  • ৫/৪. মাথায় তিনবার পানি ঢালা।
  • ৫/৫. গোসলে একবার পানি ঢালা ।
  • ৫/৭. অপবিত্রতার গোসলে কুলি করা ও নাকে পানি দেয়া।
  • ৫/৮. পরিচ্ছন্নতার জন্য মাটিতে হাত ঘষা।
  • ৫/৯. যখন জানাবাত ছাড়া হাতে কোন অপবিত্রতা না থাকে, ফরজ গোসলের পূর্বে হাত না ধুয়ে পানির পাত্রে তা প্রবেশ করানো যায় কি?
  • ৫/১০. গোসল ও উযূর অঙ্গ পৃথকভাবে ধোয়া।
  • ৫/১১. গোসলের সময় ডান হাত থেকে বাম হাতের উপর পানি ঢালা।
  • ৫/১২. একাধিকবার বা একাধিক স্ত্রীর সাথে সঙ্গত হবার পর একবার গোসল করা।
  • ৫/১৩. মযী বের হলে তা ধুয়ে ফেলে উযূ করা।
  • ৫/১৪. খুশবু লাগিয়ে গোসল করার পর খুশবুর আসর থেকে গেলে।
  • ৫/১৫. চুল খিলাল করা এবং চামড়া ভিজেছে বলে নিশ্চিত হওয়ার পর তাতে পানি ঢালা।
  • ৫/১৬. অপবিত্র অবস্থায় যে উযূ করে সমস্ত শরীর ধোয় কিন্তু উযূর প্রত্যঙ্গগুলো দ্বিতীয়বার ধোয় না।
  • ৫/১৭. মসজিদের ভিতরে নিজের জানাবাতের কথা স্মরণ হলে তখনই বেরিয়ে পড়বে, তায়াম্মুম করতে হবে না।
  • ৫/১৮. জানাবাতের গোসলের পর দু’ হাত ঝাড়া।
  • ৫/১৯. মাথার ডান দিক হতে গোসল শুরু করা।
  • ৫/২০. নির্জনে বিবস্ত্র হয়ে গোসল করা এবং আড় করে গোসল করা। আড় করে গোসল করাই উত্তম।
  • ৫/২১. লোকের সামনে গোসলের সময় পর্দা করা।
  • ৫/২২. মহিলাদের ইহ্তিলাম (স্বপ্নদোষ) হলে।
  • ৫/২৩. জুনুবী ব্যক্তির ঘাম, নিশ্চয়ই মুসলিম অপবিত্র নয়
  • ৫/২৪. জানাবাতের অবস্থায় বের হওয়া এবং বাজার ইত্যাদিতে চলাফেরা করা।
  • ৫/২৫. অপবিত্র ব্যক্তির গোসলের পূর্বে উযূ করে ঘরে অবস্থান করা।
  • ৫/২৬. জুনুবীর ঘুমানো
  • ৫/২৭. জুনুবী উযূ করে নিদ্রা যাবে।
  • ৫/২৮. দু’ লজ্জাস্থান পরস্পর মিলিত হলে।
  • ৫/২৯. স্ত্রী অঙ্গ হতে কিছু লাগলে ধুয়ে ফেলা।
  • ৬/ হায়েজ [ঋতুস্রাব] (كتاب الحيض) ৪০ টি | ২৯৪-৩৩৩ পর্যন্ত 6/ Menstrual Periods
  • ঋতুকালীন ঋতুমতী মহিলাদের প্রতি নির্দেশ।
  • ৬/২৩. ঋতুমতী মহিলাদের উভয় ঈদ ও মুসলিমদের দা‘ওয়াতী সমাবেশে উপস্থিত হওয়া এবং ঈদগাহ হতে দূরে অবস্থান করা।
  • ৬/২৪. একই মাসে তিন হায়য হলে। সম্ভাব্য হায়য ও গর্ভধারণের ব্যাপারে স্ত্রীলোকের কথা গ্রহণযোগ্য।
  • ৬/২৫. হায়যের দিনগুলো ছাড়া হলুদ এবং মেটে রং দেখা।
  • ৬/২৬. ইস্তিহাযার শিরা।
  • ৬/২৭. ত্বওয়াফে যিয়ারাতের পর স্ত্রীলোকের হায়য শুরু হওয়া।
  • ৬/২৮. ইস্তিহাযাহগ্রস্তা নারীর পবিত্রতা দেখা।
  • ৬/২৯. নিফাস অবস্থায় মৃত স্ত্রীলোকের জানাযার নামায ও তার পদ্ধতি।
  • ৬/৩০. পরিচ্ছদ নেই
  • ৬/২. হায়যের সময় স্বামীর মাথা ধুয়ে দেয়া ও চুল আঁচড়ে দেয়া।
  • ৬/৩. স্ত্রীর হায়য অবস্থায় তার কোলে মাথা রেখে কুরআন তিলাওয়াত করা।
  • ৬/৪. যারা নিফাসকে হায়য এবং হায়যকে নিফাস বলেন।
  • ৬/৫. হায়য অবস্থায় স্ত্রীর সাথে সংস্পর্শ করা।
  • ৬/৬. হায়য অবস্থায় সওম ছেড়ে দেয়া।
  • ৬/৭. ঋতুমতী নারী হজ্জের যাবতীয় বিধান পালন করবে তবে কাবা গৃহের ত্বওয়াফ ব্যতীত।
  • ৬/৮. ইসতিহাযাহ
  • ৬/৯. হায়যের রক্ত ধুয়ে ফেলা।
  • ৬/১০. ‘মুস্তাহাযা’র ই‘তিকাফ।
  • ৬/১১. হায়য অবস্থায় পরিহিত পোশাকে সালাত আদায় করা যায় কি?
  • ৬/১২. হায়য হতে পবিত্রতার গোসলে সুগন্ধি ব্যবহার।
  • ৬/১৩. হায়যের পরে পবিত্রতা অর্জনের সময় দেহ ঘষা মাজা করা, গোসলের পদ্ধতি এবং মিশ্কযুক্ত বস্ত্রখন্ড দিয়ে রক্তের চিহ্ন পরিষ্কার করা।
  • ৬/১৪. হায়যের গোসলের বিবরণ।
  • ৬/১৫. হায়যের গোসলের সময় চুল আঁচড়ানো।
  • ৬/১৬. হায়যের গোসলে চুল খোলা।
  • ৬/১৭. ‘‘পূর্ণাকৃতি ও অপূর্ণাকৃতি গোশত পিন্ড।’’ (সূরাহ্ হজ্জ ২২/৫)
  • ৬/১৮. ঋতুমতী কীভাবে হজ্জ ও উমরাহ’র ইহরাম বাঁধবে?
  • ৬/১৯. হায়য শুরু ও শেষ হওয়া।
  • ৬/২০. হায়যকালীন সালাতের কাযা নেই।
  • ৬/২১. ঋতুমতী মহিলার সাথে হায়যের কাপড় পরিহিত অবস্থায় একত্রে শোয়া।
  • ৬/২২. হায়যের জন্যে স্বতন্ত্র কাপড় পরিধান করা।
  • ৭/ তায়াম্মুম (كتاب التيمم) ১৫ টি | ৩৩৪-৩৪৮ পর্যন্ত 7/ Rubbing hands and feet with dust (Tayammum)
  • ৭/১. পরিচ্ছদ নেই
  • ৭/২. পানি ও মাটি না পাওয়া গেলে।
  • ৭/৩. মুকীম অবস্থায় পানি না পেলে এবং সালাত ছুটে যাওয়ার আশংকা থাকলে তায়াম্মুম করা।
  • ৭/৪. তায়াম্মুমের জন্য মাটিতে হাত মারার পর উভয় হাতে ফুঁ দেয়া।
  • ৭/৫. মুখমন্ডলে ও হস্তদ্বয়ে তায়াম্মুম করা।
  • ৭/৬. পবিত্র মাটি মুসলিমদের উযূর পানির স্থলবর্তী। পবিত্রতার জন্য পানির পরিবর্তে এটাই যথেষ্ট।
  • ৭/৭. অপবিত্র ব্যক্তির রোগ বেড়ে যাওয়ার, মৃত্যুর বা তৃষ্ণার্ত থেকে যাবার আশঙ্কাবোধ হলে তায়াম্মুম করা।
  • ৭/৮. তায়াম্মুমের জন্য মাটিতে একবার হাত মারা।
  • ৭/৯. পরিচ্ছদ নেই
  • ৮/ সালাত (كتاب الصلاة) ১৭২ টি | ৩৪৯-৫২০ পর্যন্ত 8/ Prayers (Salat)
  • ৮/১. ইসরা মি‘রাজে কীভাবে সালাত ফরজ হলো?
  • ৮/২. সালাত আদায়কালীন সময়ে কাপড় পরিধান করার আবশ্যকতা।
  • ৮/৩. সালাতে কাঁধে লুঙ্গি বাঁধা।
  • ৮/৪. একটি মাত্র কাপড় গায়ে জড়িয়ে সালাত আদায় করা ।
  • ৮/৫. কেউ এক কাপড়ে সালাত আদায় করলে সে যেন উভয় কাঁধের উপরে (কিছু অংশ) রাখে।
  • ৮/৬. কাপড় সংকীর্ণ হয় যদি।
  • ৮/৭. শামী জুববা পরে সালাত আদায় করা।
  • ৮/৮. সালাতে ও তার বাইরে উলঙ্গ হওয়া অপছন্দনীয়।
  • ৮/৯. জামা, পায়জামা, জাঙ্গিয়া ও কাবা পরে সালাত আদায় করা।
  • ৮/১০. লজ্জাস্থান আবৃত করা।
  • ৮/১১. চাদর গায়ে না দিয়ে সালাত আদায় করা।
  • ৮/১২. ঊরু সম্পর্কে বর্ণনা।
  • ৮/১৩. নারীগণ সালাত আদায় করতে কয়টি কাপড় পরবে?
  • ৮/১৪. কারুকার্য খচিত কাপড়ে সালাত আদায় করা এবং ঐ কারুকার্যে দৃষ্টি পড়া।
  • ৮/১৫. ক্রুশ চিহ্ন অথবা ছবিযুক্ত কাপড়ে সালাত ফাসিদ হবে কিনা এবং এ সম্বন্ধে নিষেধাজ্ঞা।
  • ৮/১৬. রেশমী জুববা পরে সালাত আদায় করা ও পরে তা খুলে ফেলা।
  • ৮/১৭. লাল কাপড় পরে সালাত আদায় করা।
  • ৮/১৮. ছাদ, মিম্বার ও কাঠের উপর সালাত আদায় করা।
  • ৮/১৯. মুসল্লীর কাপড় সিজদা করার সময় স্ত্রীর গায়ে লাগা।
  • ৮/২০. চাটাইয়ের উপর সালাত আদায় করা।
  • ৮/২১. ছোট চাটাইয়ের উপর সালাত আদায়।
  • ৮/২২. বিছানায় সালাত আদায়।
  • ৮/২৩. প্রচন্ড গরমের সময় কাপড়ের উপর সিজদা।
  • ৮/২৪. জুতা পরে সালাত আদায় করা।
  • ৮/২৫. মোযা পরা অবস্থায় সালাত আদায় করা।
  • ৮/২৬. পরিপূর্ণভাবে সিজদা না করা।
  • ৮/২৭. সিজদা্য় বাহুমূল খোলা রাখা এবং দু’পাশ আলগা রাখা।
  • ৮/২৮. কিবলামুখী হবার ফযীলত, পায়ের আঙ্গুলকেও কিবলামুখী রাখবে।
  • ৮/২৯. মদীনা, সিরিয়া ও (মদীনার) পূর্ব দিকের অধিবাসীদের কিবলা, পূর্বে বা পশ্চিমে কিবলা নয়।
  • ৮/৩০. মহান আল্লাহর বাণীঃ মাকামে ইবরাহীমকে সালাতের স্থানরূপে গ্রহণ কর। (সূরাহ্ আল-বাক্বারাহ ২/১২৫)
  • ৮/৩১. যেখানেই হোক (সালাতে) কিবলামুখী হওয়া।
  • ৮/৩২. কিবলা সম্পর্কে বর্ণনা - ভুলবশত কিবলার পরিবর্তে অন্যদিকে মুখ করে সালাত আদায় করলে তা পুনরায় আদায় করা যাদের মতে আবশ্যকীয় নয়।
  • ৮/৩৩. মাসজিদ হতে হাত দিয়ে থুথু পরিষ্কার করা।
  • ৮/৩৪. কাঁকর দিয়ে মাসজিদ হতে নাকের শ্লেষ্মা পরিষ্কার করা।
  • ৮/৩৫. সালাতে ডান দিকে থুথু ফেলবে না।
  • ৮/৩৬. থুথু যেন বাম দিকে কিংবা বাম পায়ের নীচে ফেলা হয়।
  • ৮/৩৭. মসজিদে থুথু ফেলার কাফ্ফারা।
  • ৮/৩৮. মসজিদে কফ দাবিয়ে দেয়া।
  • ৮/৩৯. থুথু ফেলতে বাধ্য হলে তা কাপড়ের কিনারে ফেলবে।
  • ৮/৪০. সালাত পূর্ণ করার ও কিবলার ব্যাপারে লোকদেরকে ইমামের উপদেশ প্রদান।
  • ৮/৪১. অমুকের মাসজিদ বলা যায় কি?
  • ৮/৪২. মসজিদে কোন কিছু ভাগ করা ও (খেজুরের) কাঁদি ঝুলানো।
  • ৮/৪৩. মসজিদে যাকে খাবার দাওয়াত দেয়া হল, আর যিনি তা কবূল করেন।
  • ৮/৪৪. মসজিদে বিচার করা ও নারী-পুরুষের মধ্যে ‘লি‘আন’ করা।
  • ৮/৪৫. কারো ঘরে প্রবেশ করলে যেখানে ইচ্ছা বা যেখানে নির্দেশ করা হয় সেখানেই সালাত আদায় করবে। এ ব্যাপারে অধিক যাচাই বাছাই করবে না।
  • ৮/৪৬. ঘর বাড়িতে মাসজিদ তৈরি।
  • ৮/৪৭. মসজিদে প্রবেশ ও অন্যান্য কাজ ডান দিক হতে শুরু করা।
  • ৮/৪৮. জাহিলী যুগের মুশরিকদের কবর খুঁড়ে ফেলে তদস্থলে মাসজিদ নির্মাণ কি বৈধ?
  • ৮/৪৯. ছাগল থাকার স্থানে সালাত আদায় করা।
  • ৮/৫০. উট রাখার স্থানে সালাত আদায়।
  • ৮/৫১. চুলা, আগুন বা এমন কোন বস্তু যার উপাসনা করা হয়, তা সামনে রেখে কেবল আল্লাহর সন্তুষ্টি হাসিল করারই উদ্দেশে সালাত আদায়।
  • ৮/৫২. কবরস্থানে সালাত আদায় করা মাকরূহ।
  • ৮/৫৩. আল্লাহর গযবে বিধ্বস্ত ও আযাবের স্থানে সালাত আদায় করা।
  • ৮/৫৪. গির্জায় সালাত আদায়।
  • ৮/৫৫. পরিচ্ছদ নেই
  • ৮/৫৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আমার জন্যে যমীনকে সালাত আদায়ের স্থান ও পবিত্রতা হাসিলের উপায় করা হয়েছে।
  • ৮/৫৭. মসজিদে মহিলাদের ঘুমানো।
  • ৮/৫৮. মসজিদে পুরুষদের নিদ্রা যাওয়া।
  • ৮/৫৯. সফর হতে ফিরে আসার পর সালাত আদায়।
  • ৮/৬০. তোমাদের কেউ মসজিদে প্রবেশ করলে সে যেন বসার পূর্বে দু’রাক‘আত সালাত আদায় করে নেয়।
  • ৮/৬১. মসজিদে হাদাস হওয়া (উযূ নষ্ট হওয়া)।
  • ৮/৬২. মাসজিদ নির্মাণ।
  • ৮/৬৩. মাসজিদ নির্মাণে সহযোগিতা।
  • ৮/৬৪. কাঠের মিম্বার তৈরি ও মাসজিদ নির্মাণে কাঠমিস্ত্রী ও রাজমিস্ত্রীর সাহায্য গ্রহণ।
  • ৮/৬৫. যে ব্যক্তি মাসজিদ নির্মাণ করে।
  • ৮/৬৬. মাসজিদ অতিক্রমকালে যেন তীরের ফলা ধরে রাখে।
  • ৮/৬৭. মাসজিদ অতিক্রম করা।
  • ৮/৬৮. মসজিদে কবিতা পাঠ।
  • ৮/৬৯. বর্শা নিয়ে মসজিদে প্রবেশ।
  • ৮/৭০. মসজিদের মিম্বারের উপর ক্রয়-বিক্রয়ের আলোচনা।
  • ৮/৭১. মসজিদে ঋণ পরিশোধের তাগাদা দেয়া ও চাপ সৃষ্টি।
  • ৮/৭২. মাসজিদ ঝাড়ু দেয়া এবং ন্যাকড়া, আবর্জনা ও কাঠ খড়ি কুড়ানো।
  • ৮/৭৩. মসজিদে মদের ব্যবসা হারাম ঘোষণা করা।
  • ৮/৭৪. মসজিদের জন্য খাদিম।
  • ৮/৭৫. কয়েদী অথবা ঋণগ্রস্ত ব্যক্তিকে মসজিদে বেঁধে রাখা।
  • ৮/৭৬. ইসলাম গ্রহণের গোসল করা এবং মসজিদে কয়েদীকে বাঁধা।
  • ৮/৭৭. রোগী ও অন্যদের জন্য মসজিদে তাঁবু স্থাপন।
  • ৮/৭৮. প্রয়োজনে উট নিয়ে মসজিদে প্রবেশ করা।
  • ৮/৭৯. পরিচ্ছদ নেই
  • ৮/৮০. মসজিদে ছোট দরজা ও পথ বানানো।
  • ৮/৮২. মসজিদে মুশরিকের প্রবেশ।
  • ৮/৮৩. মসজিদে আওয়ায উঁচু করা।
  • ৮/৮৪. মসজিদে হালকা বাঁধা ও বসা।
  • ৮/৮৫. মসজিদে চিত হয়ে পা প্রসারিত করে শোয়া।
  • ৮/৮৬. লোকের অসুবিধা না হলে রাস্তায় মাসজিদ বানানো বৈধ।
  • ৮/৮৭. বাজারের মসজিদে সালাত আদায়।
  • ৮/৮৮. মাসজিদ ও অন্যান্য স্থানে এক হাতের আঙুল অন্য হাতের আঙুলে প্রবেশ করানো।
  • ৮/৮৯. মদীনার রাস্তার মাসজিদসমূহ এবং যে সকল স্থানে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সালাত আদায় করেছিলেন।
  • ৮/৯০. ইমামের সুতরাই মুক্তাদীর জন্য যথেষ্ট।
  • ৮/৯১. মুসল্লী ও সুতরার মাঝখানে কী পরিমাণ দূরত্ব থাকা উচিত?
  • ৮/৯২. বর্শা সামনে রেখে সালাত আদায়।
  • ৮/৯৩. লৌহযুক্ত ছড়ি সামনে রেখে সালাত আদায়।
  • ৮/৯৪. মক্কা ও অন্যান্য স্থানে সুত্রা।
  • ৮/৯৫. খুঁটি (থাম) সামনে রেখে সালাত আদায় ।
  • ৮/৯৬. জামা‘আত ব্যতীত স্তম্ভসমূহের মাঝখানে সালাত আদায় করা।
  • ৮/৯৭ পরিচ্ছদ নেই
  • ৮/৯৮. উটনী, উট, গাছ ও হাওদা সামনে রেখে সালাত সম্পাদন করা।
  • ৮/৯৯. চৌকি সামনে রেখে সালাত আদায় করা।
  • ৮/১০০. সম্মুখ দিয়ে অতিক্রমকারীকে মুসল্লীর বাধা দেয়া উচিত।
  • ৮/১০১. সালাত আদায়কারী ব্যক্তির সামনে দিয়ে অতিক্রমকারীর গুনাহ।
  • ৮/১০২. কারো দিকে মুখ করে সালাত আদায়।
  • ৮/১০৩. ঘুমন্ত ব্যক্তির পেছনে সালাত আদায়।
  • ৮/১০৪. মহিলার পেছনে থেকে নফল সালাত আদায়।
  • ৮/১০৫. কোন কিছু সালাত নষ্ট করে না বলে যিনি মত পোষণ করেন।
  • ৮/১০৬. সালাতে নিজের ঘাড়ে কোন ছোট মেয়েকে তুলে নেয়া।
  • ৮/১০৭. এমন বিছানা সামনে রেখে সালাত আদায় করা যাতে ঋতুমতী মহিলা রয়েছে।
  • ৮/১০৮. সিজদার সুবিধার্থে নিজ স্ত্রীকে সিজদার সময় স্পর্শ করা।
  • ৮/১০৯. মুসল্লীর দেহ হতে মহিলা কর্তৃক অপবিত্রতা পরিষ্কার করা।
  • ৯/ সালাতের সময়সমূহ (كتاب مواقيت الصلاة) ৮২ টি | ৫২১-৬০২ পর্যন্ত 9/ Times of the Prayers
  • ৯/১. সালাতের সময় ও তার গুরুত্ব।
  • ৯/২. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘তোমরা আল্লাহ্ অভিমুখী হও এবং তাঁকে ভয় কর আর সালাত প্রতিষ্ঠা কর, এবং মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত হয়ো না।’’ (সূরাহ্ আর-রূম ৩০/৩১)
  • ৯/৩. সালাত কায়িমের ব্যাপারে আনুগত্যের শপথ গ্রহণ।
  • ৯/৪. সালাত হলো (গুনাহর) কাফ্ফারা।
  • ৯/৫. সঠিক সময়ে সালাত আদায়ের মর্যাদা।
  • ৯/৬. পাঁচ ওয়াক্তের সালাত (গুনাহ্সমূহের) কাফ্ফারা।
  • ৯/৭. নির্ধারিত সময় হতে দেরিতে সালাত আদায় করে তার হক নষ্ট করা।
  • ৯/৮. মুসল্লী সালাতে তার মহান প্রতিপালকের সঙ্গে গোপনে কথোপকথন করে।
  • ৯/৯. প্রচন্ড গরমের সময় যুহরের সালাত ঠান্ডায় আদায় করা।
  • ৯/১০. সফরকালে গরম কমে গেলে যুহরের সালাত আদায়।
  • ৯/১১. যুহরের সময় হয় সূর্য ঢলে পড়ার পর।
  • ৯/১২. যুহরের সালাত ‘আসরের ওয়াক্তের পূর্ব পর্যন্ত বিলম্ব করা।
  • ৯/১৩. ‘আসরের ওয়াক্ত।
  • ৯/১৪. যে ব্যক্তির ‘আসরের সালাত ছুটে গেল তার গুনাহ।
  • ৯/১৫. যে ব্যক্তি ‘আসরের সালাত ছেড়ে দিলো তার গুনাহ।
  • ৯/১৬. ‘আসরের সালাতের মর্যাদা।
  • ৯/১৭. সূর্যাস্তের পূর্বে যে ব্যক্তি ‘‘আসরের এক রাক‘আত পেল।
  • ৯/১৮. মাগরিবের ওয়াক্ত।
  • ৯/১৯. মাগরিবকে ‘ইশা বলা যিনি অপছন্দ করেন।
  • ৯/২০. ‘ইশা ও আতামাহ-এর বর্ণনা এবং যিনি এতে কোনো আপত্তি করেন না।
  • ৯/২১. ‘ইশার সালাতের সময় লোকজন একত্রিত হয়ে গেলে বা দেরিতে এলে।
  • ৯/২২. ‘ইশার সালাতের মর্যাদা।
  • ৯/২৩. ‘ইশার সালাতের পূর্বে ঘুমানো অপছন্দনীয়।
  • ৯/২৪. ঘুম প্রবল হলে ‘ইশার পূর্বে ঘুমানো।
  • ৯/২৫. রাতের অর্ধাংশ পর্যন্ত ‘ইশার সময়।
  • ৯/২৬. ফজরের সালাতের মর্যাদা।
  • ৯/২৭. ফজরের সময়।
  • ৯/২৮. যে ব্যক্তি ফজরের এক রাক‘আত পেল।
  • ৯/২৯. যে ব্যক্তি সালাতের এক রাক‘আত পেল।
  • ৯/৩০. ফজরের পর সূর্য উঠার পূর্বে সালাত আদায়।
  • ৯/৩১. সূর্যাস্তের পূর্ব মুহূর্তে সালাত আদায়ের উদ্যোগ নিবে না।
  • ৯/৩২. যিনি ‘আসরের ও ফজরের পর ছাড়া অন্য সময়ে সালাত আদায় মাকরূহ মনে করেন না।
  • ৯/৩৩. ‘আসরের পর কাযা বা অনুরূপ কোন সালাত আদায় করা।
  • ৯/৩৪. মেঘলা দিনে জলদি সালাত আদায় করা।
  • ৯/৩৫. সময় চলে যাওয়ার পর আযান দেয়া।
  • ৯/৩৬. সময় চলে যাওয়ার পর লোকদের নিয়ে জামা‘আতে সালাত আদায় করা।
  • ৯/৩৭. কেউ যদি কোন ওয়াক্তের সালাত আদায় করতে ভুলে যায়, তাহলে যখন স্মরণ হবে, তখন সে তা আদায় করে নিবে। সে সালাত ব্যতীত অন্য সালাত পুনরায় আদায় করতে হবে না।
  • ৯/৩৮. একাধিক সালাতের কাযা ক্রমান্বয়ে আদায় করা।
  • ৯/৩৯. ‘ইশার সালাতের পর গল্প গুজব করা মাকরূহ।
  • ৯/৪০. ‘ইশার পর জ্ঞানচর্চা ও কল্যাণকর বিষয়ের আলোচনা।
  • ৯/৪১. পরিবার-পরিজন ও মেহমানের সাথে রাতে কথাবার্তা বলা।
  • ১০/ আযান (كتاب الأذان) ২৭৩ টি | ৬০৩-৮৭৫ পর্যন্ত 10/ Call to Prayers (Adhaan)
  • ১০/১. আযানের সূচনা।
  • ১০/২. দু’ দু’বার আযানের শব্দ বলা।
  • ১০/৩. ‘‘কাদ কামাতিস্-সালাহ’’ ব্যতীত ইক্বামাতের শব্দগুলো একবার করে বলা।
  • ১০/৪. আযানের মর্যাদা।
  • ১০/৫. আযানের আওয়াজ উচ্চ করা।
  • ১০/৬. আযানের কারণে রক্তপাত হতে নিরাপত্তা পাওয়া।
  • ১০/৭ মুআযযিনের আযান শুনলে যা বলতে হয়।
  • ১০/৮. আযানের দু‘আ।
  • ১০/৯. আযানের ব্যাপারে কুরআহর মাধ্যমে নির্বাচন।
  • ১০/১০ আযানের মধ্যে কথা বলা।
  • ১০/১১. সময় বলে দেয়ার লোক থাকলে অন্ধ ব্যক্তি আযান দিতে পারে।
  • ১০/১২. ফজরের সময় হবার পর আযান দেয়া।
  • ১০/১৩. ফজরের ওয়াক্ত হবার পূর্বে আযান দেয়া।
  • ১০/১৪. আযান ও ইক্বামাতের মধ্যে পার্থক্য কতটুকু।
  • ১০/১৫. ইক্বামাতের জন্য অপেক্ষা করা।
  • ১০/১৬. কেউ ইচ্ছে করলে আযান ও ইক্বামাতের মধ্যবর্তী সময়ে সালাত আদায় করতে পারেন
  • ১০/১৭. সফরে এক মুয়ায্যিন যেন আযান দেয়।
  • ১০/১৮. মুসাফিরদের জামা‘আতের জন্য আযান ও ইক্বামাত দেয়া।
  • ১০/১৯. মুআযযিন কি (আযানের সময়) ডানে বামে মুখ ফিরাবেন এবং এদিক সেদিক তাকাতে পারবেন?
  • ১০/২০. ‘আমাদের সালাত ছুটে গেছে’ কারো এরূপ বলা।
  • ১০/২১. সালাতের (জামা‘আতের) দিকে দৌড়ে আসবে না, বরং শান্তি ও ধীরস্থিরভাবে আসবে।
  • ১০/২২. ইক্বামাতের সময় ইমামকে দেখলে লোকেরা কখন দাঁড়াবে?
  • ১০/২৩. তাড়াহুড়া করে সালাতের দিকে দৌড়াতে নেই, বরং শান্ত ও ধীরস্থিরভাবে দাঁড়াতে হবে।
  • ১০/২৪. প্রয়োজনে মাসজিদ হতে বের হওয়া যায় কি?
  • ১০/২৫. ইমাম যদি বলেন, আমি ফিরে আসা পর্যন্ত তোমরা অপেক্ষা কর, তাহলে মুক্তাদীগণ তার জন্য অপেক্ষা করবে।
  • ১০/২৬. ‘আমরা সালাত আদায় করিনি’ কারো এরূপ বলা।
  • ১০/২৭. ইক্বামাতের পর ইমামের কোন প্রয়োজন দেখা দিলে।
  • ১০/২৮. ইক্বামাত হয়ে গেলে কথা বলা।
  • ১০/২৯. জামা‘আতে সালাত আদায় করা ওয়াজিব।
  • ১০/৩০. জামা‘আতে সালাত আদায় করার মর্যাদা।
  • ১০/৩১. ফজর সালাত জামা‘আতে আদায়ের ফযীলত।
  • ১০/৩২. প্রথম ওয়াক্তে যুহরের সালাতে যাওয়ার মর্যাদা।
  • ১০/৩৩. (মসজিদে গমনে) প্রতি পদক্ষেপে পুণ্যের আশা রাখা।
  • ১০/৩৪. ‘ইশার সালাত জামা‘আতে আদায় করার ফযীলত।
  • ১০/৩৫. দু’জন বা ততোধিক ব্যক্তি হলেই জামা‘আত।
  • ১০/৩৬. মসজিদে সালাতে অপেক্ষমান ব্যক্তি এবং মসজিদের ফযীলত।
  • ১০/৩৭. সকাল-সন্ধ্যায় মসজিদে যাবার ফযীলত।
  • ১০/৩৮. ইক্বামাত হয়ে গেলে ফরজ ব্যতীত অন্য কোনো সালাত নেই।
  • ১০/৩৯. রোগাক্রান্ত ব্যক্তির কী পরিমাণ রোগাক্রান্ত অবস্থায় জামা‘আতে শামিল হওয়া উচিত।
  • ১০/৪০. বৃষ্টি ও ওজরবশত নিজ আবাসস্থলে সালাত আদায়ের অনুমতি।
  • ১০/৪১. যারা উপস্থিত হয়েছে তাদের নিয়েই কি সালাত আদায় করবে এবং বৃষ্টির দিনে কি জুমু‘আহর খুতবাহ পড়বে?
  • ১০/৪২. খাবার উপস্থিত হবার পর যদি সালাতের ইক্বামাত হয়।
  • ১০/৪৩. খাবার হাতে থাকা অবস্থায় ইমামকে সালাতের দিকে আহবান করলে।
  • ১০/৪৪. ঘরের কাজ-কর্মে ব্যস্ত থাকা অবস্থায় ইক্বামাত হলে, সালাতের জন্য বের হয়ে যাবে।
  • ১০/৪৫. যে ব্যক্তি কেবলমাত্র আল্লাহর রসূল ﷺ-এর সালাত ও তাঁর নিয়ম নীতি শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশে লোকদের নিয়ে সালাত আদায় করেন।
  • ১০/৪৬. বিজ্ঞ ও মর্যাদাশীল ব্যক্তিই ইমামাতের অধিক যোগ্য।
  • ১০/৪৭. কারণবশত ইমামের পাশে দাঁড়ানো।
  • ১০/৪৮. কোন ব্যক্তি লোকদের ইমামাত করার জন্য অগ্রসর হলে যদি পূর্ব (নির্ধারিত) ইমাম এসে যান তা’হলে তিনি পিছে সরে আসুন বা না আসুন উভয় অবস্থায় তাঁর সালাত আদায় হয়ে যাবে।
  • ১০/৪৯. কয়েক ব্যক্তি কিরা‘আত পাঠে সমান হলে, তাদের মধ্যে বয়সে বড় ব্যক্তি ইমাম হবেন।
  • ১০/৫০. ইমাম অন্য লোকদের নিকট উপস্থিত হলে, তাদের ইমামাত করতে পারেন।
  • ১০/৫১. ইমাম নির্ধারণ করা হয় অনুসরণ করার জন্য।
  • ১০/৫২. মুক্তাদীগণ কখন সিজদা্তে যাবেন?
  • ১০/৫৩. ইমামের পূর্বে মাথা উঠানো গুনাহ।
  • ১০/৫৪. গোলাম, আযাদকৃত গোলাম, অবৈধ সন্তান, বেদুঈন ও অপ্রাপ্ত বয়স্কের ইমামাত।
  • ১০/৫৫. যদি ইমাম সালাত সম্পূর্ণভাবে আদায় না করেন আর মুক্তাদীগণ তা সম্পূর্ণভাবে আদায় করেন।
  • ১০/৫৬. ফিতনাবাজ ও বিদ্‘আতীর ইমামাত।
  • ১০/৫৭. দু’জন সালাত আদায় করলে, মুক্তাদী ইমামের ডানপাশে সোজাসুজি দাঁড়াবে।
  • ১০/৫৮. যদি কেউ ইমামের বাম পাশে দাঁড়ায় এবং ইমাম তাকে ডান পাশে নিয়ে আসেন, তবে কারো সালাত নষ্ট হয় না।
  • ১০/৫৯. যদি ইমাম ইমামাতের নিয়্যত না করেন এবং পরে কিছু লোক এসে শামিল হয় এবং তিনি তাদের ইমামাত করেন।
  • ১০/৬০. যদি ইমাম সালাত দীর্ঘ করেন এবং কেউ প্রয়োজনবশতঃ (জামা‘আত হতে) বেরিয়ে এসে (একাকী) সালাত আদায় করে।
  • ১০/৬১. ইমাম কর্তৃক সালাতে কিয়াম সংক্ষিপ্ত করা এবং রুকূ‘ ও সিজদা্ পূর্ণভাবে আদায় করা।
  • ১০/৬২. একাকী সালাত আদায় করলে ইচ্ছানুযায়ী দীর্ঘায়িত করতে পারে।
  • ১০/৬৩. ইমাম সালাত দীর্ঘায়িত করলে তার বিরুদ্ধে অভিযোগ করা।
  • ১০/৬৪. সালাত সংক্ষেপে এবং পূর্ণভাবে আদায় করা।
  • ১০/৬৫. শিশুর কান্নাকাটির কারণে সালাত সংক্ষেপ করা।
  • ১০/৬৬. নিজের সালাত আদায় করার পর অন্য লোকের ইমামাত করা।
  • ১০/৬৭. লোকদেরকে ইমামের তাকবীর শোনান।
  • ১০/৬৮. কোন ব্যক্তির ইমামের অনুসরণ করা এবং অন্যদের সেই মুক্তাদীর ইক্তিদা করা।
  • ১০/৬৯. ইমামের সন্দেহ হলে মুক্তাদীদের মত গ্রহণ করা।
  • ১০/৭০. সালাতে ইমাম কেঁদে ফেললে।
  • ১০/৭১. ইক্বামাতের সময় এবং এর পরে কাতার সোজা করা।
  • ১০/৭২. কাতার সোজা করার সময় মুক্তাদীগণের প্রতি ইমামের ফিরে দেখা।
  • ১০/৭৩. প্রথম কাতার।
  • ১০/৭৪. কাতার সোজা করা সালাতের পূর্ণতার অঙ্গ।
  • ১০/৭৫. কাতার সোজা না করার গুনাহ।*
  • ১০/৭৬. কাতারে কাঁধের সাথে কাঁধ এবং পায়ের সাথে পা মিলানো।
  • ১০/৭৭. কেউ ইমামের বামপাশে দাঁড়ালে ইমাম তাকে পিছনে ঘুরিয়ে ডানপাশে দাঁড় করালে সালাত আদায় হবে।
  • ১০/৭৮. মহিলা একজন হলেও ভিন্ন কাতারে দাঁড়াবে।
  • ১০/৭৯. মাসজিদ ও ইমামের ডানদিক।
  • ১০/৮০. ইমাম ও মুক্তাদীর মধ্যে দেয়াল বা সুতরাহ থাকলে।
  • ১০/৮২. ফরজ তাকবীর বলা ও সালাত শুরু করা।
  • ১০/৮৩. সালাত শুরু করার সময় প্রথম তাকবীরের ¬সাথে সাথে উভয় হাত উঠানো।
  • ১০/৮৪. তাকবীরে তাহরীমা, রুকূ‘তে যাওয়া এবং রুকূ‘ হতে উঠার সময় উভয় হাত উঠানো।
  • ১০/৮৫. উভয় হাত কতটুকু উঠাবে।
  • ১০/৮৬. দু’ রাক‘আত আদায় করে দাঁড়াবার সময় দু’ হাত উঠানো।
  • ১০/৮৭. সালাতে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।
  • ১০/৮৮. সালাতে খুশু‘ (বিনয়, নম্রতা, একাগ্রতা, নিষ্ঠা ও তন্ময়তা)।
  • ১০/৮৯. তাকবীরে তাহরীমার পরে কী পড়বে।
  • ১০/৯০. পরিচ্ছেদ নেই।
  • ১০/৯১. সালাতে ইমামের দিকে তাকানো।
  • ১০/৯২. সালাতে আসমানের দিকে চোখ তুলে তাকানো।
  • ১০/৯৩. সালাতে এদিক ওদিক তাকান।
  • ১০/৯৪. সালাতের মধ্যে কোন কিছু ঘটলে বা কোন কিছু দেখলে বা কিবলার দিকে থুথু দেখলে, সে দিকে তাকানো
  • ১০/৯৫. সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরী, মুকীম অবস্থায় হোক বা সফরে, সশব্দে কিরাআতের সালাত হোক বা নিঃশব্দে সব সালাতেই ইমাম ও মুক্তাদীর কিরাআত পড়া জরুরী।
  • ১০/৯৬. যুহরের সালাতে কিরাআত পড়া।
  • ১০/৯৭. ‘আসরের সালাতে কিরাআত।
  • ১০/৯৮. মাগরিবের সালাতে কিরাআত।
  • ১০/৯৯. মাগরিবের সালাতে উচ্চৈঃস্বরে কিরাআত পাঠ।
  • ১০/১০০. ‘ইশার সালাতে সশব্দে কিরাআত।
  • ১০/১০১. ‘ইশার সালাতে সিজদার আয়াত (সম্বলিত সূরাহ্) তিলাওয়াত।
  • ১০/১০২. ‘ইশার সালাতে কিরাআত।
  • ১০/১০৩. প্রথম দু‘ রাক‘আতে কিরাআত দীর্ঘ করা ও শেষ দু’ রাক‘আতে তা সংক্ষেপ করা।
  • ১০/১০৪. ফজরের সালাতে কিরাআত।
  • ১০/১০৭. শেষ দু’ রাক‘আতে সূরাহ্ ফাতিহাহ্ পড়া।
  • ১০/১০৮. যুহরে ও ‘আসরে নিঃশব্দে কিরাআত পড়া।
  • ১০/১০৯. ইমাম আয়াত শুনিয়ে পাঠ করলে।
  • ১০/১১০. প্রথম রাক‘আতে কিরাআত দীর্ঘ করা।
  • ১০/১১১. ইমামের সশব্দে ‘আমীন’ বলা।
  • ১০/১১২. ‘আমীন’ বলার ফযীলত।
  • ১০/১১৩. মুক্তাদীর সশব্দে ‘আমীন’ বলা।
  • ১০/১১৪. কাতারে পৌঁছার পূর্বেই রুকূ‘তে চলে গেলে।
  • ১০/১১৫. রুকূ‘তে তাকবীর পূর্ণভাবে বলা।
  • ১০/১১৬. সিজদার তাকবীর পূর্ণভাবে বলা।
  • ১০/১১৭. সিজদা্ হতে দাঁড়ানোর সময় তাকবীর বলা।
  • ১০/১১৮. রুকূ‘তে হাঁটুর উপর হাত রাখা।
  • ১০/১১৯. যদি কেউ সঠিকভাবে রুকু‘ না করে।
  • ১০/১২১. রুকূ‘ পূর্ণ করার সীমা এবং এতে মধ্যম পন্থা ও ধীরস্থিরতা অবলম্বন।
  • ১০/১২২. যে ব্যক্তি সঠিকভাবে রুকূ‘ করেনি তাকে পুনরায় সালাত আদায়ের জন্য নাবী ﷺ-এর নির্দেশ।
  • ১০/১২৩. রুকূ‘তে দু‘আ।
  • ১০/১২৪. রুকূ‘ হতে মাথা উঠানোর সময় ইমাম ও মুক্তাদী যা বলবেন।
  • ১০/১২৫. ‘আল্লাহুম্মা রব্বানা ওয়া লাকাল হামদ’-এর ফযীলত।
  • ১০/১২৬. পরিচ্ছেদ নাই
  • ১০/১২৭. রুকূ‘ হতে মাথা উঠানোর পর স্থির হওয়া।
  • ১০/১২৮. সিজদা্য় যাওয়ার সময় তাকবীর বলতে বলতে নত হওয়া।
  • ১০/১২৯. সিজদার ফযীলত।
  • ১০/১৩০. সিজদার সময় দু’ বাহু পার্শ্ব দেশ হতে পৃথক রাখা।
  • ১০/১৩২. পূর্ণভাবে সিজদা্ না করলে।
  • ১০/১৩৩. সাত অঙ্গ দ্বারা সিজদা্ করা।
  • ১০/১৩৪. নাক দ্বারা সিজদা্ করা।
  • ১০/১৩৫. নাক দ্বারা কাদামাটির উপর সিজদা্ করা।
  • ১০/১৩৬. কাপড়ে গিরা লাগানো ও তা বেঁধে নেয়া এবং সতর প্রকাশ হয়ে পড়ার ভয়ে কাপড় জড়িয়ে নেয়া।
  • ১০/১৩৭. সালাতের মধ্যে মাথার চুল একত্র করবে না।
  • ১০/৮১. রাতের সালাত।
  • ১০/১০৫. ফজরের সালাতে সশব্দে কিরাআত।
  • ১০/১০৬. এক রাক‘আতে দু’ সূরাহ্ মিলিয়ে পড়া, সূরাহর শেষাংশ পড়া, এক সূরাহর পূর্বে আরেক সুরা পড়া এবং সূরাহর প্রথমাংশ পড়া।
  • ১০/১৩৮. সালাতের মধ্যে কাপড় টেনে না ধরা।
  • ১০/১৩৯. সিজদা্য় তাস্বীহ্ ও দু‘আ পাঠ।
  • ১০/১৪০. দু’ সিজদার মধ্যে অপেক্ষা করা।
  • ১০/১৪১. সিজদা্য় কনুই বিছিয়ে না দেয়া।
  • ১০/১৪২. সালাতের বেজোড় রাক‘আতে সিজদা্ হতে উঠে বসার পর দন্ডায়মান হওয়া।
  • ১০/১৪৩. রাক‘আত শেষে কীরূপে জমিতে ভর দিয়ে দাঁড়াবে।
  • ১০/১৪৪. দু’ সিজদার শেষে উঠার সময় তাক্বীর বলবে।
  • ১০/১৪৫. তাশাহ্হুদে বসার নিয়ম।
  • ১০/১৪৬. যারা প্রথম বৈঠকে তাশাহ্হুদ ওয়াজিব নয় বলে মনে করেন।
  • ১০/১৪৭. প্রথম বৈঠকে তাশাহ্হুদ পড়া।
  • ১০/১৪৮. শেষ বৈঠকে তাশাহ্হুদ পড়া।
  • ১০/১৪৯. সালামের আগে দু‘আ।
  • ১০/১৫০. তাশাহ্হুদের পর যে দু‘আটি বেছে নেয়া হয়, অথচ তা আবশ্যক নয়।
  • ১০/১৫১. সালাত সমাপ্ত হওয়া অবধি যিনি কপাল ও নাকের ধূলাবালি মোছেননি।
  • ১০/১৫২. সালাম ফিরান।
  • ১০/১৫৩. ইমামের সালাম ফিরানোর সময় মুক্তাদিগণও সালাম ফিরাবে।
  • ১০/১৫৪. যারা ইমামের সালামের জবাব দেয়া দরকার মনে করেন না এবং সালাতের সালামকেই যথেষ্ট মনে করেন।
  • ১০/১৫৫. সালামের পর যিকর।
  • ১০/১৫৬. সালাম ফিরানোর পর ইমাম মুক্তাদিগণের দিকে ঘুরে বসবেন।
  • ১০/১৫৭. সালামের পরে ইমামের মুসাল্লায় বসে থাকা।
  • ১০/১৫৮. মুসল্লীদের নিয়ে সালাত আদায়ের পর কোন জরুরী কথা মনে পড়লে তাদের ডিঙ্গিয়ে যাওয়া।
  • ১০/১৫৯. সালাত শেষে ডান ও বাম দিকে ফিরে যাওয়া।
  • ১০/১৬০. কাঁচা রসুন, পিঁয়াজ ও দুর্গন্ধযুক্ত মসলা বা তরকারী।
  • ১০/১৬১. শিশুদের উযূ করা, কখন তাদের উপর গোসল ও পবিত্রতা অর্জন আবশ্যক হয় এবং সালাতের জামা‘আতে, দু’ ‘ঈদে এবং জানাযায় তাদের উপস্থিত হওয়া এবং কাতারবন্দী হওয়া।
  • ১০/১৬২. রাতে ও অন্ধকারে মহিলাগণের মসজিদের দিকে বের হওয়া।
  • ১০/১৬৩. ইমামের দাঁড়ানো পর্যন্ত মানুষের অপেক্ষা।
  • ১০/১৬৪. পুরুষদের পিছনে নারীদের সালাত।
  • ১০/১৬৫. ফজরের সালাত শেষে নারীদের তাড়াতাড়ি বাড়ীতে প্রত্যাবর্তন করা এবং মসজিদে তাদের স্বল্পকাল অবস্থান করা।
  • ১০/১৬৬. মসজিদে যাওয়ার জন্য স্বামীর নিকট মহিলার সম্মতি চাওয়া।
  • ১১/ জুমু‘আহ (كتاب الجمعة) ৬৬ টি | ৮৭৬-৯৪১ পর্যন্ত 11/ Friday Prayer
  • ১১/১. জুম্মা ফরয হবার বিবরণ
  • ১১/২. জুমু‘আহর দিন গোসল করার তাৎপর্য। জুমু‘আহর দিবসে শিশু কিংবা নারীদের (সালাতের জন্য) উপস্থিতি কি প্রয়োজন?
  • ১১/৩. জুমু‘আহর জন্য সুগন্ধি ব্যবহার।
  • ১১/৪. জুমু‘আহর মর্যাদা।
  • ১১/৫. পরিচ্ছেদ নেই।
  • ১১/৬. জুমু‘আহর জন্য তৈল ব্যবহার করা।
  • ১১/৮. জুমু‘আহর দিন মিসওয়াক করা।
  • ১১/৯. অন্যের মিস্ওয়াক দিয়ে মিস্ওয়াক করা।
  • ১১/১০. জুমু‘আহর দিন ফজরের সালাতে কী পড়তে হবে?
  • ১১/১১. গ্রামে ও শহরে জুমু‘আহর সালাত।
  • ১১/১২. মহিলা, বালক-বালিকা এবং অন্য যারা জুমু‘আয় উপস্থিত হয় না, তাদের কি গোসল করা জরুরী?
  • ১১/১৩. পরিচ্ছেদ নেই।
  • ১১/১৪. বৃষ্টির কারণে জুমু‘আহর সালাতে উপস্থিত না হবার অবকাশ।
  • ১১/১৫. কতদূর হতে জুমু‘আহর সালাতে আসবে এবং জুমু‘আহ কার উপর ওয়াজিব?
  • ১১/১৬. সূর্য হেলে গেলে জুমু‘আহর সময় হয়।
  • ১১/৭. জুমু‘আহর দিন যখন সূর্যের উত্তাপ প্রখর হয়।
  • ১১/১৮. জুমু‘আহর জন্য পায়ে হেঁটে চলা
  • ১১/১৯. জুমু‘আহর দিন দু’জনের মাঝে ফাঁক করে না।
  • ১১/২০. জুমু‘আহর দিন কোন ব্যক্তি তার ভাইকে উঠিয়ে দিয়ে তার জায়গায় বসবে না।
  • ১১/২১. জুমু‘আহর দিনের আযান।
  • ১১/২২. জুমু‘আহর দিন একজন মুয়ায্যিনের আযান দেয়া।
  • ১১/২৩. ইমাম মিম্বারের উপর বসে জবাব দিবেন, যখন আযানের আওয়ায শ্রবণ করবেন।
  • ১১/২৪. আযানের সময় মিম্বারের উপর বসা।
  • ১১/২৫. খুত্বার সময় আযান।
  • ১১/২৬. মিম্বারের উপর খুত্বাহ দেয়া।
  • ১১/২৭. দাঁড়িয়ে খুতবাহ প্রদান করা।
  • ১১/২৮. খুতবাহর সময় মুসল্লীগণের ইমামের দিকে আর ইমাম মুসল্লীগণের দিকে মুখ করা।
  • ১১/২৯. খুত্বায় আল্লাহর হাম্দের পর ‘আম্মা বা‘দু’ বলা।
  • ১১/৩০. জুমু‘আহর দিন দু’ খুত্বাহর মধ্যখানে বসা।
  • ১১/৩১. মনোযোগের সাথে খুত্বাহ শোনা।
  • ১১/৩২. ইমাম খুতবাহ দেয়ার সময় কাউকে আসতে দেখলে তাকে দু’ রাক‘আত সালাত আদায়ের নির্দেশ দেয়া।
  • ১১/৩৩. ইমাম খুতবাহ দেয়ার সময় যিনি মসজিদে আগমন করবেন তার সংক্ষেপে দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করা।
  • ১১/৩৪. খুতবাহ্য় দু’ হাত উত্তোলন করা।
  • ১১/৩৫. জুমু‘আহর দিন খুত্বায় বৃষ্টির জন্য দু‘আ পাঠ করা।
  • ১১/৩৬. জুমু‘আহর দিন ইমাম খুত্বাহ দেয়ার সময় অন্যকে চুপ করানো।
  • ১১/৩৭. জুমু‘আহর দিনের সে মুহূর্তটি।
  • ১১/৩৮. জুমু‘আহর সালাতে কিছু মুসল্লী যদি ইমামের নিকট হতে চলে যায় তাহলে ইমাম ও অবশিষ্ট মুসল্লীগণের সালাত বৈধ হবে।
  • ১১/৩৯. জুমু‘আহর (ফরয সালাতের) পূর্বে ও পরে সালাত আদায় করা।
  • ১১/৪০. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘অতঃপর যখন সালাত সমাপ্ত হবে তখন তোমরা যমীনে ছড়িয়ে পড়বে এবং আল্লাহর অনুগ্রহ তালাশ করবে।’’ (সূরাহ্ জুমু‘আহ ৬২/১০)
  • ১১/৪১. জুমু‘আহর পরে কায়লুলাহ (দুপুরে শয়ন ও হাল্কা নিদ্রা)।
  • ১২/ খাওফ (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত) (كتاب صلاة الخوف) ৬ টি | ৯৪২-৯৪৭ পর্যন্ত 12/ Fear Prayer
  • ১২/১. খাওফের সালাত (শত্রুভীতির অবস্থায় সালাত)।
  • ১২/২. পদাতিক বা আরোহী অবস্থায় ভয়ের সালাত।
  • ১২/৩. খাওফের সালাতে মুসল্লীগণের একাংশ অন্য অংশকে পাহারা দিবে।
  • ১২/৪. দূর্গ অবরোধ ও শত্রুর মুখোমুখী অবস্থায় সালাত।
  • ১২/৫. শত্রুর পশ্চাদ্ধাবণকারী ও শত্রুতাড়িত ব্যক্তির আরোহী অবস্থায় ও ইঙ্গিতে সালাত আদায় করা।
  • ১২/৬. তাকবীর বলা, ফজরের সালাত সময় হলেই আদায় করা এবং শত্রুর উপর অতর্কিত আক্রমণ ও যুদ্ধাবস্থায় সালাত।
  • ১৩/ দুই’ঈদ (كتاب العيدين) ৪২ টি | ৯৪৮-৯৮৯ পর্যন্ত 13/ The Two Festivals (Eids)
  • ১৩/১. দু’ ‘ঈদ ও এতে সুন্দর পোষাক পরিধান করা।
  • ১৩/২. ‘ঈদের দিন বর্শা ও ঢালের খেলা।
  • ১৩/৩. মুসলিমগণের জন্য উভয় ‘ঈদের রীতিনীতি।
  • ১৩/৪. ‘ঈদুল ফিত্রের দিন বের হবার আগে খাবার খাওয়া।
  • ১৩/৫. কুরবানীর দিন আহার করা।
  • ১৩/৬. মিম্বার না নিয়ে ‘ঈদমাঠে গমন।
  • ১৩/৭. পায়ে হেঁটে বা সওয়ারীতে আরোহণ করে ‘ঈদের জামা‘আতে যাওয়া এবং আযান ও ইক্বামাত ব্যতীত খুতবাহর পূর্বে সালাত আদায় করা।
  • ১৩/৮. ‘ঈদের সালাতের পর খুতবাহ।
  • ১৩/৯. ‘ঈদের জামা‘আতে এবং হারাম শরীফে অস্ত্রবহন করা নিষিদ্ধ।
  • ১৩/১০. ‘ঈদের সালাতের জন্য সকাল সকাল যাত্রা করা।
  • ১৩/১১. তাশরীকের দিনগুলোতে ‘আমলের গুরুত্ব।
  • ১৩/১২. মিনা’র দিনগুলোতে এবং সকালে আরাফাহ্য় যাওয়ার সময় তাকবীর বলা।
  • ১৩/১৩. ‘ঈদের দিন যুদ্ধের হাতিয়ারের সম্মুখে সালাত আদায়।
  • ১৩/১৪. ‘ঈদের দিন ইমামের সামনে বর্শা পুঁতে সালাত আদায় করা।
  • ১৩/১৫. নারীদের ও ঋতুমতীদের ‘ঈদগাহে যাওয়া।
  • ১৩/১৬. বালকদের ‘ঈদমাঠে গমন।
  • ১৩/১৭. ‘ঈদের খুত্বাহ দেয়ার সময় মুসল্লীদের প্রতি ইমামের মুখ করে দাঁড়ানো।
  • ১৩/১৮. ‘ঈদগাহে চিহ্ন রাখা।
  • ১৩/১৯. ‘ঈদের দিন নারীদের প্রতি ইমামের নাসীহাত করা।
  • ১৩/২০. ‘ঈদের সালাতে যাওয়ার জন্য নারীদের ওড়না না থাকলে।
  • ১৩/২১. ‘ঈদমাঠে ঋতুমতী নারীদের আলাদা অবস্থান।
  • ১৩/২২. কুরবানীর দিন ‘ঈদমাঠে নাহর ও যবহ্।
  • ১৩/২৩. ‘ঈদের খুতবাহর সময় ইমাম ও লোকদের কথা বলা এবং খুতবাহর সময় ইমামের নিকট কোন কিছু জিজ্ঞেস করা হলে।
  • ১৩/২৪. ‘ঈদের দিন প্রত্যাবর্তন করার সময় যে ব্যক্তি ভিন্ন পথে আসে।
  • ১৩/২৫. কারো ‘ঈদের নামায ছুটে গেলে সে দু’ রা‘কাআত সালাত আদায় করবে।
  • ১৩/২৬. ‘ঈদের সালাতের আগে ও পরে সালাত আদায় করা।
  • ১৪/ বিতর (كتاب الوتر) ১৫ টি | ৯৯০-১০০৪ পর্যন্ত 14/ Witr Prayer
  • ১৪/১. বিতরের বর্ণনা।*
  • ১৪/২. অধ্যায়ঃ বিতরের ওয়াক্ত।
  • ১৪/৩. বিতরের জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক তাঁর পরিবার-পরিজনকে জাগানো।
  • ১৪/৪. বিতর যেন রাতের সর্বশেষ সালাত হয়।
  • ১৪/৫. সওয়ারী জন্তুর উপর বিতরের সালাত।
  • ১৪/৬. সফর অবস্থায় বিতর।
  • ১৪/৭. রুকূ‘র আগে ও পরে কুনূত পাঠ করা।
  • ১৫/পানি প্রার্থনা (كتاب الاستسقاء) ৩৫ টি | ১০০৫-১০৩৯ পর্যন্ত 15/ Invoking Allah for Rain (Istisqaa)
  • ১৫/১. ইসতিসকা (পানি প্রার্থনা) ও ইসতিসকার জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বের হওয়া।
  • ১৫/২. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দু‘আ ইউসুফ (‘আ.)-এর যমানার দুর্ভিক্ষের বছরগুলোর মত (এদের উপরেও) কয়েক বছর দুর্ভিক্ষ দিন।
  • ১৫/৩. অনাবৃষ্টির সময় ইমামের নিকট বৃষ্টির জন্য লোকদের দু‘আর আবেদন।
  • ১৫/৪. বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় নামাযের চাদর উল্টানো।
  • ১৫/৬. জামে‘ মসজিদে বৃষ্টির জন্য প্রার্থনা।
  • ১৫/৭. কিবলাহর দিকে মুখ না করে জুমু‘আহ’র খুতবায় বৃষ্টির জন্য দু‘আ করা।
  • ১৫/৮. মিম্বরে দাঁড়ানো অবস্থায় বৃষ্টির জন্য দু‘আ।
  • ১৫/৯. বৃষ্টি প্রার্থনার জন্য জুমু‘আহ’র সালাতকে যথেষ্ট মনে করা।
  • ১৫/১০. অধিক বৃষ্টির ফলে রাস্তার যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে গেলে দু‘আ করা।
  • ১৫/১১. বলা হয়েছে, জুমু‘আহর দিবসে বৃষ্টির জন্য দু‘আ করার সময় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামতাঁর চাদর উল্টাননি।
  • ১৫/১২. বৃষ্টির জন্য ইমামকে দু‘আ করার অনুরোধ করা হলে তা প্রত্যাখ্যান না করা।
  • ১৫/১৩. দুর্ভিক্ষের মুহূর্তে মুশরিকরা মুসলিমদের নিকট বৃষ্টির জন্য দু‘আর নিবেদন জানালে।
  • ১৫/১৪. অধিক বর্ষণের সময় এরূপ দু‘আ করা ‘‘যেন পাশের এলাকায় বৃষ্টি হয় আমাদের এলাকায় নয়।’’
  • ১৫/১৫. দাঁড়িয়ে ইস্তিস্কার দু‘আ করা।
  • ১৫/১৬. বৃষ্টি প্রার্থনার সালাতে শব্দ সহকারে কিরাআত পাঠ।
  • ১৫/১৭. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে মানুষের দিকে তাঁর পিঠ ফিরিয়েছেন।
  • ১৫/১৮. বৃষ্টি প্রার্থনার সালাত দু’রাক‘আত।
  • ১৫/১৯. ঈদগাহে বৃষ্টির পানি প্রার্থনা।
  • ১৫/২০. বৃষ্টির জন্য দু‘আর মুহূর্তে ক্বিব্লাহ্মুখী হওয়া।
  • ১৫/২১. বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় ইমামের সাথে লোকদের হাত উত্তোলন করা।
  • ১৫/২২. বৃষ্টির পানি প্রার্থনায় ইমামের হাত উত্তোলন করা।
  • ১৫/২৩. বৃষ্টিপাতের সময় কী বলতে হয়।
  • ১৫/২৪. বৃষ্টিতে কেউ এমনভাবে ভিজে যাওয়া যে, দাড়ি বেয়ে পানি ঝরলো।
  • ১৫/২৫. যখন বাতাস প্রবাহিত হয়।
  • ১৫/২৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি, ‘‘আমাকে পূর্ব দিক হতে আগত হাওয়ার মাধ্যমে সাহায্য করা হয়েছে’’।
  • ১৫/২৭. ভূমিকম্প ও কিয়ামতের নিদর্শন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
  • ১৫/২৮. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘এবং তোমরা মিথ্যারোপকেই তোমাদের উপজীব্য করেছ’’। (সূরাহ্ আল-ওয়াকিয়াহ ৫৬/৮২)
  • ১৫/২৯. কখন বৃষ্টি হবে তা মহান আল্লাহ্ ছাড়া কেউ অবগত নয়।
  • ১৬/ সূর্যগ্রহণ (كتاب الكسوف) ২৭ টি | ১০৪০-১০৬৬ পর্যন্ত 16/ Eclipses
  • ১৬/১. সূর্যগ্রহণের সময় সালাত।
  • ১৬/২. সূর্যগ্রহণের সময় দান-খয়রাত করা।
  • ১৬/৩. সূর্যগ্রহণের সালাতে ‘আস্-সালাতু জামিয়াতুন’ বলে ডাকা।
  • ১৬/৪. সূর্যগ্রহণের সময় ইমামের খুৎবাহ।
  • ১৬/৫. ‘কাসাফাতিশ্ শামসু’ বলবে, না ‘খাসাফাতিশ্ শামসু’ বলবে?
  • ১৬/৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আল্লাহ্ তা‘আলা সূর্যগ্রহণ দিয়ে তাঁর বান্দাদের হুঁশিয়ার করেন।
  • ১৬/৭. সূর্যগ্রহণের সময় কবরের আযাব হতে পরিত্রাণ চাওয়া।
  • ১৬/৮. সূর্যগ্রহণের সালাতে দীর্ঘ সিজদা্ করা।
  • ১৬/৯. সূর্যগ্রহণ-এর সালাত জামা‘আতের সঙ্গে আদায় করা।
  • ১৬/১০. সূর্যগ্রহণের সময় পুরুষদের সঙ্গে মহিলাদের সালাত।
  • ১৬/১১. সূর্যগ্রহণের সময় ক্রীতদাস মুক্ত করা পছন্দনীয়।
  • ১৬/১২. মসজিদে সূর্যগ্রহণের সালাত।
  • ১৬/১৩. কারো মৃত্যু বা জন্মের জন্যে সূর্যগ্রহণ হয় না।
  • ১৬/১৪. সূর্যগ্রহণের সময় আল্লাহর যিকর।
  • ১৬/১৫. সূর্যগ্রহণের সময় দু‘আ।
  • ১৬/১৬. সূর্যগ্রহণের খুতবাহ্য় ইমামের ‘‘আম্মা-বাদু’’ বলা।
  • ১৬/১৭. চন্দ্রগ্রহণের সালাত।
  • ১৬/১৮. সূর্যগ্রহণের সালাতে প্রথম রাক‘আত হবে দীর্ঘতর।
  • ১৬/১৯. সূর্যগ্রহণের সালাতে শব্দ সহকারে কিরা‘আত পাঠ।
  • ১৭/ কুরআন তিলাওয়াতের সিজদা্ (كتاب سجود القرآن) ১৩ টি | ১০৬৭-১০৭৯ পর্যন্ত 17/ Prostration During Recital of Qur'an
  • ১৭/১. কুরআন তিলাওয়াতের সিজদার নিয়ম।
  • ১৭/২. সূরাহ্ তানযীলুস্-সাজ্দাহ্-এর সিজদা্।
  • ১৭/৩. সূরাহ্ স-দ-এর সিজদা্
  • ১৭/৪. সূরাহ্ আন্ নাজ্ম-এর সিজদা্।
  • ১৭/৫. মুশরিকদের সাথে মুসলিমগণের সিজদা্ করা আর মুশরিকরা অপবিত্র। তাদের উযূ হয় না।
  • ১৭/৬. যিনি সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করলেন অথচ সিজদা্ করলেন না।
  • ১৭/৭. সূরাহ্ ‘ইযাস্ সামাউন্ শাক্কাত’-এর সিজদা্।
  • ১৭/৮. তিলাওয়াতকারীর সিজদার কারণে সিজদা্ করা।
  • ১৭/৯. ইমাম যখন সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করেন তখন লোকের ভীড়।
  • ১৭/১০. যাঁরা অভিমত প্রকাশ করেন যে, আল্লাহ্ তা‘আলা তিলাওয়াতের সিজদা্ আবশ্যক করেননি।
  • ১৭/১১. সালাতে সিজদার আয়াত তিলাওয়াত করে সিজদা্ করা।
  • ১৭/১২. ভীড়ের কারণে সিজদা্ করার স্থান না পেলে।
  • ১৮/ সালাত ক্বাসর করা (كتاب التقصير) ৪০ টি | ১০৮০-১১১৯ পর্যন্ত 18/ Shortening the Prayers (At-Taqseer)
  • ১৮/১. কসর সম্পর্কে বর্ণনা এবং কতদিন অবস্থান পর্যন্ত কসর করবে।
  • ১৮/২. মিনায় সালাত।
  • ১৮/৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বিদায় হজ্জে কত দিন অবস্থান করেছিলেন?
  • ১৮/৪. কত দিনের সফরে সালাত ক্বাসর করবে।
  • ১৮/৫. যখন নিজ আবাসস্থল হতে বের হবে তখন হতেই ক্বাসর করবে।
  • ১৮/৬. সফরে মাগরিবের সালাত তিন রাক‘আত আদায় করা।
  • ১৮/৭. সওয়ারীর উপরে সওয়ারী যে দিকে মুখ করে থাকবে সেদিকে ফিরে নফল সালাত আদায় করা।
  • ১৮/৮. জন্তুর উপর ইঙ্গিতে সালাত আদায় করা।
  • ১৮/৯. ফার্য সালাতের জন্য সওয়ারী হতে অবতরণ করা।
  • ১৮/১০. গাধার উপর (সওয়ার হয়ে) নফল সালাত আদায় করা।*
  • ১৮/১১. সফরকালে ফরয সালাতের আগে ও পরে নফল সালাত আদায় না করা
  • ১৮/১২. সফরে ফরয সালাতের পূর্বে ও পরে নফল আদায় করা
  • ১৮/১৩. সফর অবস্থায় মাগরিব ও ‘ইশা সালাত জমা‘ করা।
  • ১৮/১৪. মাগরিব ও ‘ইশা একত্রে আদায় করলে আযান দিবে, না ইকামাত?
  • ১৮/১৫. সূর্য ঢলে পড়ার আগে সফরে রওয়ানা হলে যুহরের সালাত আসরের সময় পর্যন্ত বিলম্বিত করা।
  • ১৮/১৬. সূর্য ঢলে পড়ার পর সফর আরম্ভ করলে যুহরের সালাত আদায় করার পর সওয়ারীতে আরোহণ করা।
  • ১৮/১৭. উপবিষ্ট ব্যক্তির সালাত।
  • ১৮/১৮. উপবিষ্ট ব্যক্তির ইঙ্গিতে সালাত আদায়।
  • ১৮/১৯. বসে সালাত আদায় করতে না পারলে কাত হয়ে শুয়ে সালাত আদায় করবে।
  • ১৮/২০. বসে সালাত আদায়কারী সুস্থ হয়ে গেলে কিংবা একটু হালকাবোধ করলে, বাকী সালাত (দাঁড়িয়ে) পূর্ণভাবে আদায় করবে।
  • ১৯/ তাহাজ্জুদ (كتاب التهجد) ৬৮ টি | ১১২০-১১৮৭ পর্যন্ত 19/ Prayer at Night (Tahajjud)
  • ১৯/১. রাতের বেলায় তাহজ্জুদ (ঘুম হতে জেগে) সালাত আদায় করা।
  • ১৯/২. রাত জেগে ইবাদত করার গুরুত্ব।
  • ১৯/৩. রাতের সালাতে সিজদা্ দীর্ঘ করা।
  • ১৯/৪. রুগ্ন ব্যক্তির তাহজ্জুদ আদায় না করা।
  • ১৯/৫. তাহজ্জুদ ও নফল ইবাদতের প্রতি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উৎসাহ দান করা, অবশ্য তিনি তা আবশ্যক করেননি।
  • ১৯/৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর তাহজ্জুদের সালাতে দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানোর ফলে তাঁর উভয় পা ফুলে যেতো।
  • ১৯/৭. সাহরীর সময় যে নিদ্রা যায়।
  • ১৯/৮. সাহারীর পর ফজরের সালাত পর্যন্ত জেগে থাকা।
  • ১৯/৯. তাহজ্জুদের সালাত দীর্ঘ করা।
  • ১৯/১০. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সালাত কিরূপ ছিল এবং রাতে তিনি কত রাক‘আত সালাত আদায় করতেন ?
  • ১৯/১১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ইবাদাতে রাত জাগরণ এবং তাঁর ঘুমানো আর রাত জাগার যতটুকু রহিত করা হয়েছে।
  • ১৯/১২. রাতে সালাত না আদায় করলে ঘাড়ের পশ্চাদংশে শয়তানের গ্রন্থী বেঁধে দেয়া।
  • ১৯/১৩. সালাত আদায় না করে ঘুমিয়ে পড়লে তার কানে শয়তান পেশাব করে দেয়।
  • ১৯/১৪. রাতের শেষভাগের ও সালাতে দু‘আ করা।
  • ১৯/১৫. যে ব্যক্তি রাতের প্রথমাংশে ঘুমিয়ে থাকে এবং শেষ অংশকে (সালাত ও যিকরের মাধ্যমে) প্রাণবন্ত করে।
  • ১৯/১৬. রমাযানে ও অন্যান্য সময়ে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রাত্রি জেগে ইবাদাত করা।
  • ১৯/১৭. রাতে ও দিনে তাহারাত (পবিত্রতা) হাসিল করার মর্যাদা এবং উযূ করার পর রাতে ও দিনে সালাত আদায়ের ফযীলত।
  • ১৯/১৮. ইবাদাতে কঠোরতা অবলম্বন করা অপছন্দনীয়।
  • ১৯/১৯. রাত জেগে সালাত আদায়ে অভ্যস্ত ব্যক্তির ‘ইবাদাত পরিত্যাগ করা মাকরূহ।
  • ১৯/২০.পরিচ্ছেদ নাই।
  • ১৯/২১. যে ব্যক্তি রাত জেগে সালাত আদায় করে তাঁর ফযীলত।
  • ১৯/২২. দু’ রাক‘আত ফজরের (সুন্নাত) অব্যাহতভাবে আদায় করা।
  • ১৯/২৩. ফজরের দু’ রাক‘আত সুন্নাতের পর ডান কাতে শোয়া।
  • ১৯/২৪. দু’রাক‘আত (ফজরের সুন্নাত) এরপর কথাবার্তা বলা এবং নিদ্রা না যাওয়া।
  • ১৯/২৫. নফল সালাত দু’ দু’ রাক‘আত করে আদায় করা।
  • ১৯/২৬. ফজরের (সুন্নাত) দু’রাক‘আতের পর কথাবার্তা বলা।
  • ১৯/২৭. ফজরের (সুন্নাত) দু’রাক‘আতের হিফাযাত করা আর যারা এ দু’রাক‘আতকে নফল বলেছেন।
  • ১৯/২৮. ফজরের (সুন্নাত) দু’রাক‘আতে কতটুকু কিরা‘আত পড়া প্রয়োজন।
  • ১৯/২৯. ফরয সালাতের পর নফল সালাত
  • ১৯/৩০. ফরযের পর নফল সালাত না আদায় করা
  • ১৯/৩১. সফরে যুহা সালাত আদায় করা।
  • ১৯/৩২. যারা যুহা সালাত আদায় করেন না, তবে বিষয়টিকে প্রশস্ত মনে করেন (কারো ইচ্ছাধীন মনে করেন)।
  • ১৯/৩৩. মুকীম অবস্থায় যুহা সালাত আদায় করা।
  • ১৯/৩৪. যোহরের (ফরযের) পূর্বে দু’রাকআত সালাত
  • ১৯/৩৫. মাগরিবের (ফরয এর) পূর্বে সালাত।
  • ১৯/৩৬. নফল সালাত জামা‘আতের সাথে আদায় করা।
  • ১৯/৩৭. নফল সালাত ঘরের মধ্যে আদায় করা।
  • ২০/ মক্কাহ ও মদীনাহর মসজিদে সালাতের মর্যাদা (كتاب فضل الصلاة فى مسجد مكة والمدينة) ১০ টি | ১১৮৮-১১৯৭ পর্যন্ত 20/ Virtues of Prayer at Masjid Makkah and Madinah
  • ২০/১. মক্কা ও মদীনার মসজিদে সালাতের মর্যাদা।
  • ২০/৩. প্রতি শনিবার যিনি কুবা মসজিদে আগমন করেন।
  • ২০/৪. পদব্রজে কিংবা সওয়ারীতে করে কুবা মসজিদে আগমন করা।
  • ২০/৫. ক্ববর ও (মসজিদে নাবাবীর) মিম্বরের মধ্যবর্তী স্থানের ফযীলত।
  • ২০/৬. বায়তুল মাকদিসের মাসজিদ।
  • ২০/২. কুবা মাসজিদ*
  • ২১/ সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজ (كتاب العمل فى الصلاة) ২৬ টি | ১১৯৮-১২২৩ পর্যন্ত 21/ Actions while Praying
  • ২১/১. সালাতের সাথে সংশ্লিষ্ট কাজে সালাতের মধ্যে হাতের সাহায্য নেয়া।
  • ২১/২. সালাতে কথা বলা নিষিদ্ধ হওয়া।
  • ২১/৩. সালাতে পুরুষদের জন্য যে ‘তাসবীহ্’ ও ‘তাহমীদ’ জায়িয।
  • ২১/৪. সালাতে যে ব্যক্তি প্রত্যক্ষভাবে কারো নাম নিলো অথবা কাউকে সালাম করল অথচ সে তা অবগতও নয়।
  • ২১/৫. সালাতে মহিলাদের ‘তাসফীক’ (হাত তালি দেয়া)।
  • ২১/৬. উদ্ভূত কোন কারণে সালাতে থাকা অবস্থায় পিছনে চলে আসা অথবা সামনে অগ্রসর হওয়া।
  • ২১/৭. মা তার সালাত রত সন্তানকে ডাকলে।
  • ২১/৮. সালাতের মধ্যে কংকর সরানো।
  • ২১/৯. সালাতে সিজদার জন্য কাপড় বিছানো।
  • ২১/১০. সালাতে যে কাজ বৈধ।
  • ২১/১১. সালাতে থাকাকালে পশু ছুটে পালালে।
  • ২১/১২. সালাতে থাকাবস্থায় থু থু নিক্ষেপ করা ও ফুঁ দেয়া।
  • ২১/১৪. মুসল্লীকে সম্মুখে এগোতে অথবা অপেক্ষা করতে বলা হলে সে যদি অপেক্ষা করে তবে এতে গুনাহ নেই।
  • ২১/১৫. সালাতে সালামের উত্তর দিবে না।
  • ২১/১৬. কিছু ঘটলে সালাতে হাত উত্তোলন করা।
  • ২১/১৭. সালাতে কোমরে হাত রাখা।
  • ২১/১৮. সালাতে মুসল্লীর কোন বিষয় কল্পনা করা।
  • ২২/ সাহু সিজদা (كتاب السهو) ১৩ টি | ১২২৪-১২৩৬ পর্যন্ত 22/ Forgetfulness in Prayer
  • ২২/১. ফরয সালাতে দু’রাকআতের পর দাঁড়িয়ে গেলে সিজদায়ে সাহূ প্রসঙ্গে।
  • ২২/২. ভুল বশতঃ সালাত পাঁচ রাক‘আত আদায় করলে।
  • ২২/৩. দ্বিতীয় বা তৃতীয় রাক‘আতে সালাম ফিরিয়ে নিলে সালাতের সিজদার মত বা তার চেয়ে দীর্ঘ দু’টি সিজদা্ করা।
  • ২২/৪. সিজদা্ সাহূর পর তাশাহ্হুদ না পড়লে।
  • ২২/৫. সাজদায়ে সাহূতে তাকবীর বলা।
  • ২২/৬. সালাত তিন রাক‘আত আদায় করা হল না কি চার রাক‘আত, তা মনে করতে না পারলে বসা অবস্থায় দু’টি সিজদা্ করা।
  • ২২/৭. ফরয ও নফল সালাতে ভুল হলে।
  • ২২/৮. সালাতে থাকা অবস্থায় কেউ তার সঙ্গে কথা বললে এবং তা শুনে যদি সে হাত দিয়ে ইশারা করে।
  • ২২/৯. সালাতের মধ্যে ইঙ্গিত করা।
  • ২৩/ জানাযা (كتاب الجنائز) ১৫৮ টি | ১২৩৭-১৩৯৪ পর্যন্ত 23/ Funerals (Al-Janaa'iz)
  • ২৩/১. জানাযা সম্পর্কিত এবং যার শেষ কথা ‘লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু’।
  • ২৩/২. জানাযায় অনুগমনের আদেশ।
  • ২৩/৩. কাফন পরানোর পর মৃত ব্যক্তির নিকট গমন করা
  • ২৩/৪. মৃত ব্যক্তির পরিবার-পরিজনের নিকট তার মৃত্যু সংবাদ পৌঁছানো।
  • ২৩/৫. জানাযার সংবাদ পৌঁছানো।
  • ২৩/৬. সন্তানের মৃত্যুতে সওয়াবের আশায় ধৈর্য ধারণের ফযীলত।
  • ২৩/৭. ক্ববরের নিকট কোন মহিলাকে বলা, ধৈর্য ধর।
  • ২৩/৮. বরই পাতার পানি দিয়ে মৃতকে গোসল ও উযূ করানো।
  • ২৩/৯. বিজোড় সংখ্যায় গোসল দেয়া মুস্তাহাব।
  • ২৩/১০. মৃত ব্যক্তির (গোসল) ডান দিক হতে আরম্ভ করা।
  • ২৩/১১. মৃত ব্যক্তির উযূর স্থানসমূহ।
  • ২৩/১২. পুরুষের ইযার দিয়ে মহিলার কাফন দেয়া যাবে কি?
  • ২৩/১৩. গোসলে শেষবারের কর্পুর ব্যবহার করা।
  • ২৩/১৪. মহিলাদের চুল খুলে দেয়া।
  • ২৩/১৫. মৃতকে কিভাবে কাফন জড়ানো হবে।
  • ২৩/১৬. মহিলাদের চুলকে কি তিনটি বেণীতে ভাগ করা হবে?
  • ২৩/১৭. মহিলার চুল তিনটি বেনী করে তার পিছন দিকে রাখা।
  • ২৩/১৮. কাফনের জন্য সাদা কাপড়।
  • ২৩/১৯. দু’ কাপড়ে কাফন দেয়া।
  • ২৩/২০. মৃত ব্যক্তির জন্য খুশবু ব্যবহার।
  • ২৩/২১. মুহরিমকে কিভাবে কাফন দেয়া হবে?
  • ২৩/২২. সেলাইকৃত বা সেলাইবিহীন কামীস দিয়ে কাফন দেয়া এবং কামীস ছাড়া কাফন দেয়া।
  • ২৩/২৩. জামা ছাড়া কাফন।
  • ২৩/২৪. পাগড়ী ছাড়া কাফন।
  • ২৩/২৫. মৃত ব্যক্তির সমস্ত সম্পদ হতে কাফন দেয়া।
  • ২৩/২৬. একখানা কাপড় ছাড়া আর কোন কাপড় পাওয়া না গেলে।
  • ২৩/২৭. মাথা বা পা ঢাকা যায় এতটুকু ছাড়া অন্য কোন কাফন না পাওয়া গেলে, তা দিয়ে কেবল মাথা ঢাকতে হবে।
  • ২৩/২৮. নাবী (সাঃ)-এর আমলে যে নিজের কাফন তৈরি করে রাখল, অথচ তাঁকে এতে বারণ করা হয়নি।
  • ২৩/২৯. জানাযার পশ্চাতে মহিলাদের অনুগমণ।
  • ২৩/৩০. স্বামী ছাড়া অন্যের জন্য স্ত্রীলোকের শোক প্রকাশ।
  • ২৩/৩১. ক্ববর যিয়ারত।
  • ২৩/৩২. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ পরিবার-পরিজনের কান্নার কারণে মৃত ব্যক্তিকে শাস্তি দেয়া হয়, যদি বিলাপ করা তার অভ্যাস হয়ে থাকে।
  • ২৩/৩৩. মৃতের জন্য বিলাপ করা মাকরূহ।*
  • ২৩/৩৪. পরিচ্ছেদ নেই।
  • ২৩/৩৫. যারা জামার বুক ছিঁড়ে ফেলে তারা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
  • ২৩/৩৬. সা‘দ ইবনু খাওলা (রাঃ)-এর প্রতি নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর দুঃখ প্রকাশ।
  • ২৩/৩৭. বিপদে মাথা মুন্ডানো নিষেধ।
  • ২৩/৩৮. যারা গাল চাপড়ায় তারা আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।
  • ২৩/৩৯. বিপদের সময় হায়, ধ্বংস বলা ও জাহিলী যুগের মত চিৎকার করা নিষেধ।
  • ২৩/৪০. যে ব্যক্তি বিপদের সময় এমনভাবে বসে পড়ে যে, তার মধ্যে দুঃখবোধের পরিচয় পাওয়া যায়।
  • ২৩/৪১. বিপদের সময় দুঃখ প্রকাশ না করা।
  • ২৩/৪২. মুসীবতের প্রথম অবস্থায়ই প্রকৃত সবর।
  • ২৩/৪৩. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) এর বাণীঃ তোমার জন্য আমরা অবশ্যই শোকাভিভূত।
  • ২৩/৪৪. রোগাক্রান্ত ব্যক্তির নিকট কান্নাকাটি করা।
  • ২৩/৪৫. (সরবে) কাঁদা ও বিলাপ নিষিদ্ধ হওয়া এবং তাতে বাধা প্রদান করা।
  • ২৩/৪৬. জানাযার জন্য দন্ডায়মান হওয়া।
  • ২৩/৪৭. জানাযার জন্য দাঁড়ালে কখন বসবে?
  • ২৩/৪৮. যে ব্যক্তি জানাযার পিছে পিছে যায়, সে লোকদের কাঁধ হতে তা নামিয়ে না রাখা পর্যন্ত বসবে না আর বসে পড়লে তাকে দাঁড়াবার নির্দেশ দেয়া হবে।
  • ২৩/৪৯. যে ব্যক্তি ইয়াহূদীর জানাযা দেখে দাঁড়ায়।
  • ২৩/৫০. পুরুষরা জানাযা বহন করবে, স্ত্রীলোকেরা নয়।
  • ২৩/৫১. জানাযার কাজ শীঘ্র সম্পাদন করা।
  • ২৩/৫২. খাটিয়ায় থাকার সময় মৃত ব্যক্তির উক্তিঃ আমাকে নিয়ে এগিয়ে চল।
  • ২৩/৫৩. জানাযার সালাতে ইমামের পিছনে দু’ বা তিন কাতারে দাঁড়ানো।
  • ২৩/৫৪. জানাযার সালাতের কাতার।
  • ২৩/৫৫. জানাযার সালাতে পুরুষদের সঙ্গে বালকদের কাতার।
  • ২৩/৫৬. জানাযার সালাতের নিয়ম।
  • ২৩/৫৭. জানাযার পিছনে পিছনে যাবার ফযীলত।
  • ২৩/৫৮. দাফন হয়ে যাওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করা।
  • ২৩/৫৯. জানাযার সালাতে বয়স্কদের সঙ্গে বালকদেরও অংশগ্রহণ করা।
  • ২৩/৬০. মুসল্লা (ঈদগাহ বা নির্ধারিত স্থানে) এবং মসজিদে জানাযার সালাত আদায় করা।
  • ২৩/৬১. ক্ববরের উপরে মাসজিদ বানানো ঘৃণিত কাজ।
  • ২৩/৬২. নিফাসের অবস্থায় মারা গেলে তার জানাযার সালাত।
  • ২৩/৬৩. মহিলা ও পুরুষের (জানাযার সালাতে) ইমাম কোথায় দাঁড়াবেন?
  • ২৩/৬৪. জানাযার সালাতে তাকবীর চারটি।
  • ২৩/৬৫. জানাযার সালাতে সূরা ফাতিহা পাঠ করা।
  • ২৩/৬৬. দাফনের পর ক্ববরকে সম্মুখে রেখে (জানাযার) সালাত আদায়।
  • ২৩/৬৭. মৃত ব্যক্তি (দাফনকারীদের) জুতার আওয়াজ শুনতে পায়।
  • ২৩/৬৮. যে ব্যক্তি বাইতুল মাক্বদিস বা অনুরূপ কোন জায়গায় দাফন হওয়া পছন্দ করেন
  • ২৩/৬৯. রাত্রি কালে দাফন করা।
  • ২৩/৭০. ক্ববরের উপর মাসজিদ তৈরি করা।
  • ২৩/৭১. স্ত্রীলোকের ক্ববরে যে অবতরণ করে।
  • ২৩/৭২. শহীদের জন্য জানাযার সালাত।
  • ২৩/৭৩. দুই বা তিনজনকে একই ক্ববরে দাফন করা।
  • ২৩/৭৪. যাঁরা শহীদগণকে গোসল দেয়া দরকার মনে করেন না।
  • ২৩/৭৫. প্রথমে ক্ববরে কাকে রাখা হবে।
  • ২৩/৭৬. কবরের উপরে ইয্খির বা অন্য কোন প্রকারের ঘাস দেয়া।
  • ২৩/৭৭. কোন কারণে মৃত ব্যক্তিকে ক্ববর বা লাহ্দ হতে বের করা যাবে কি?
  • ২৩/৭৮. ক্ববরকে লাহ্দ ও শাক্ক বানানো।
  • ২৩/৭৯. কোন বালক ইসলাম গ্রহণ করে মারা গেলে তার জন্য (জানাযার) সালাত আদায় করা যাবে কি? বালকের নিকট ইসলামের দাওয়াত দেয়া যাবে কি?
  • ২৩/৮০. মৃত্যুকালে কোন মুশরিক ব্যক্তি ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহু’ বললে।
  • ২৩/৮১. কবরের উপরে খেজুরের ডাল গেড়ে দেয়া।
  • ২৩/৮২. কবরের পাশে কোন মুহাদ্দিসের নসীহত পেশ করা আর তার সহচরদের তার আশে পাশে বসা।
  • ২৩/৮৩. আত্মহত্যাকারী সম্পর্কে যা কিছু এসেছে।
  • ২৩/৮৪. মুনাফিকদের জন্য (জানাযার) সালাত আদায় করা এবং মুশরিকদের জন্য মাগফিরাত কামনা করা অপছন্দনীয় হওয়া।
  • ২৩/৮৫. লোকজন কর্তৃক মৃত ব্যক্তির গুণাবলী বর্ণনা করা।
  • ২৩/৮৬. ক্ববরের ‘আযাব সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৩/৮৭. ক্ববরের ‘আযাব হতে আশ্রয় প্রার্থনা করা।
  • ২৩/৮৮. গীবত এবং পেশাবে অসাবধানতার কারণে ক্ববরের ‘আযাব।
  • ২৩/৮৯. মৃত ব্যক্তির সম্মুখে সকাল ও সন্ধ্যায় (জান্নাত ও জাহান্নামে তার আবাসস্থল) পেশ করা হয়।
  • ২৩/৯০. খাটিয়ার উপর থাকাকালীন মৃতের কথা বলা।
  • ২৩/৯১. মুসলিমদের (অপ্রাপ্ত বয়স্ক) সন্তানদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ২৩/৯২. মুশরিকদের (অপ্রাপ্ত বয়স্ক) সন্তানদের সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ২৩/৯৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৩/৯৪. সোমবার দিন মৃত্যু।
  • ২৩/৯৫. হঠাৎ মৃত্যু।
  • ২৩/৯৬. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম), আবূ বাকর ও ‘উমার (রাঃ)-এর ক্ববর সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৩/৯৭. মৃতদের গালি দেয়া নিষেধ।
  • ২৩/৯৮. মৃতদের দোষ-ত্রুটি আলোচনা করা।
  • ২৪/ যাকাত (كتاب الزكاة) ১১৮ টি | ১৩৯৫-১৫১২ পর্যন্ত 24/ Obligatory Charity Tax (Zakat)
  • ২৪/১. যাকাত ওয়াজিব হওয়া প্রসঙ্গে ।
  • ২৪/২. যাকাত দেয়ার উপর বায়‘আত।
  • ২৪/৩. যাকাত প্রদানে অস্বীকারকারীর গুনাহ।
  • ২৪/৪. যে সম্পদের যাকাত দেয়া হয় তা কানয (জমাকৃত সম্পদ) নয়।
  • ২৪/৫. যথাস্থানে ধন-সম্পদ খরচ করা।
  • ২৪/৮. হালাল উপার্জন থেকে সদাকাহ প্রদান করা।
  • ২৪/৯. ফিরিয়ে দেয়ার পূর্বেই সদাকাহ করা
  • ২৪/১০. তোমরা জাহান্নাম থেকে বাঁচ, এক টুকরা খেজুর অথবা অল্প কিছু সদাকাহ করে হলেও।
  • ২৪/১১. কোন্ প্রকারের সদাকাহ (দান-খয়রাত) উত্তম; সুস্থ, কৃপণ কর্তৃক সদাকাহ প্রদান।
  • ২৪/১৪. না জেনে কোন ধনী ব্যক্তিকে সদাকাহ প্রদান করলে।
  • ২৪/১৫. নিজের অজান্তে কেউ তার পুত্রকে সদাকাহ দিলে।
  • ২৪/১৬. ডান হাতে সদাকাহ প্রদান করা।
  • ২৪/১৭. যে ব্যক্তি স্বহস্তে সদাকাহ প্রদান না করে খাদেমকে তা দেয়ার নির্দেশ দেয়।
  • ২৪/১৮. প্রয়োজনের অতিরিক্ত সম্পদ থাকা ব্যতীত সদাকাহ নেই।
  • ২৪/২০. যে ব্যক্তি যথাশীঘ্র সদাকাহ দেয়া পছন্দ করে।
  • ২৪/২১. সদাকাহ দেয়ার জন্য উৎসাহ প্রদান ও সুপারিশ করা।
  • ২৪/২২. সাধ্যানুসারে সদাকাহ করা।
  • ২৪/২৩. সদাকাহ গুনাহ মিটিয়ে দেয়।
  • ২৪/২৪. মুশরিক থাকাকালে সদাকাহ করার পর যে ইসলাম গ্রহণ করে (তার সদাকাহ কবূল হবে কি না)
  • ২৪/২৫. মালিকের নির্দেশে ফাসাদের উদ্দেশ্য ব্যতীত খাদিমের সদাকাহ করার প্রতিদান
  • ২৪/২৬. ফাসাদের উদ্দেশ্য ব্যতীত স্ত্রী তার স্বামীর গৃহ (সম্পদ) হতে কিছু সদাকাহ প্রদান করলে বা আহার করালে স্ত্রী এর প্রতিদান পাবে।
  • ২৪/২৭. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ অতঃপর যে ব্যক্তি দান করেছে এবং আল্লাহকে ভয় করেছে আর ভাল কথাকে সত্য বলে বুঝেছে, তবে আমি তাকে শান্তির উপকরণ প্রদান করব। আর যে ব্যক্তি কার্পণ্য করেছে এবং বেপরোয়া হয়েছে আর ভাল কথাকে অবিশ্বাস করেছে, ফলতঃ আমি তাকে ক্লেশদায়ক বস্তুর জন্য আসবাব প্রদান করব। (আল-লাইলঃ ৫-৯) হে আল্লাহ! তার দানে উত্তম প্রতিদান দিন
  • ২৪/২৮. সদাকাহকারী ও কৃপণের উপমা।
  • ২৪/৩০. সদাকাহ করা প্রত্যেক মুসলিমের কর্তব্য। কারো কাছে সদাকাহ করার মত কিছু না থাকলে সে যেন নেক কাজ করে।
  • ২৪/৩১. যাকাত ও সদাকাহ দানের পরিমাণ কত হবে এবং যে ব্যক্তি বকরী সদাকাহ করে
  • ২৪/৩২. রৌপ্যের যাকাত।
  • ২৪/৩৩. পণ্যদ্রব্যের যাকাত আদায় করা।
  • ২৪/৩৪. আলাদা আলাদা সম্পদকে একত্রিত করা যাবে না। আর একত্রিতগুলো আলাদা করা যাবে না
  • ২৪/৩৫. দুই অংশীদার (এর একজনের নিকট হতে সমুদয় মালের যাকাত উসুল করা হলে) একজন অপরজন হতে তার প্রাপ্য অংশ আদায় করে নিবে।
  • ২৪/৩৬. উটের যাকাত।
  • ২৪/৩৭. যার উপর বিন্তু মাখায যাকাত দেয়া ওয়াজিব হয়েছে অথচ তার কাছে তা নেই
  • ২৪/৩৮. বকরীর যাকাত।
  • ২৪/৩৯. অধিক বয়সে দাঁত পড়া বৃদ্ধ ও ত্রুটিপূর্ণ বকরী গ্রহণ করা যাবে না, পাঁঠাও গ্রহণ করা হবে না তবে মালিক ইচ্ছা করলে (পাঁঠা) দিতে পারে।
  • ২৪/৪০. বকরি (চার মাস বয়সের মাদী) বাচ্চা যাকাত হিসেবে গ্রহণ করা।
  • ২৪/৪১. যাকাতের ক্ষেত্রে মানুষের উত্তম মাল নেয়া হবে না।
  • ২৪/৪২. পাঁচ উটের কমে যাকাত নেই।
  • ২৪/৪৩. গরুর যাকাত।
  • ২৪/৪৪. নিকটাত্মীয়দেরকে যাকাত দেয়া।
  • ২৪/৪৫. মুসলিমের উপর তার ঘোড়ায় কোন যাকাত নেই।
  • ২৪/৪৬. মুসলিমের উপর তার গোলামের যাকাত নেই।
  • ২৪/৪৭. ইয়াতীমকে সদাকাহ দেয়া।
  • ২৪/৪৮. স্বামী ও পোষ্য ইয়াতীমকে যাকাত দেয়া।
  • ২৪/৪৯. আল্লাহর বাণীঃ দাসমুক্তির জন্য, ঋণ ভারাক্রান্তদের জন্য ও আল্লাহর পথে। (আত-তাওবাহঃ ৬০)
  • ২৪/৫০. চাওয়া হতে বিরত থাকা
  • ২৪/৫১. যাকে আল্লাহ সওয়াল ও অন্তরের লোভ ব্যতীত কিছু দান করেন।
  • ২৪/৫২. সম্পদ বাড়ানোর জন্য যে মানুষের কাছে সওয়াল করে।
  • ২৪/৫৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ তারা মানুষের কাছে নাছোড় হয়ে যাচ্ঞা করে না- (আল-বাকারাঃ ২৭৩)। আর ধনী হওয়ার পরিমাণ কত?
  • ২৪/৫৪. খেজুরের পরিমাণ আন্দাজ করা।
  • ২৪/৫৫. বৃষ্টির পানি ও প্রবাহিত পানি দ্বারা সিক্ত ভূমির উৎপাদিত ফসলের উপর ‘উশর।
  • ২৪/৫৬. পাঁচ ওয়াসাক-এর কম উৎপাদিত পণ্যের যাকাত নেই।
  • ২৪/৫৭. যখন খেজুর সংগ্রহ করা হবে তখন যাকাত দিতে হবে এবং ছোট বাচ্চাকে যাকাতের খেজুর নেয়ার অনুমতি দেয়া যাবে কি?
  • ২৪/৫৮. এমন ফল বা গাছ (ফলসহ) অথবা (ফসল সহ) জমি, কিংবা শুধু (জমির) ফসল বিক্রয় করা, যেগুলোর উপর যাকাত বা ‘উশর ফার্য হয়েছে, অতঃপর ঐ যাকাত বা ‘উশর অন্য ফল বা ফসল দ্বারা আদায় করা বা এমন ধরনের ফল বিক্রয় করা যেগুলোর উপর সদাকাহ ফার্য হয়নি।
  • ২৪/৫৯. নিজের সদাকাহ কৃত বস্তু ক্রয় করা যায় কি?
  • ২৪/৬০. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-ও তাঁর বংশধরদেরকে সদাকাহ দেয়া সম্পর্কে আলোচনা।
  • ২৪/৬১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সহধর্মিণীদের আযাদকৃত দাস-দাসীদেরকে সদাকাহ দেয়া।
  • ২৪/৬২. সদাকাহর প্রকৃতি পরিবর্তিত হলে।
  • ২৪/৬৩. ধনীদের হতে সদাকাহ গ্রহণ করা এবং যে কোন স্থানের অভাবগ্রস্তদের মধ্যে বিতরণ করা।
  • ২৪/৬৪. সদাকাহ প্রদানকারীর জন্য ইমামের কল্যাণ কামনা ও দু‘আ।
  • ২৪/৬৫. সাগর হতে যে সম্পদ সংগ্রহ করা হয়।
  • ২৪/৬৬. রিকাযে (ভূ-গর্ভস্থ সম্পদ) এক-পঞ্চমাংশ।
  • ২৪/৬৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং যে সব কর্মচারী যাকাত আদায় করে- (তাওবাহঃ ৬০) এবং ইমামের নিকট যাকাত আদায়কারীর হিসাব প্রদান।
  • ২৪/৬৮. মুসাফিরের জন্য যাকাতের উট ও তার দুধ ব্যবহার করা।
  • ২৪/৬৯. যাকাতের উটে ইমামের নিজ হাতে চিহ্ন দেয়া।
  • ২৪/৭০. সাদাকাতুল ফিতর ফরয হওয়া প্রসঙ্গে
  • ২৪/৭১. মুসলিমদের গোলাম ও আমাদের উপর সদাকাতুল ফিতর প্রযোজ্য।
  • ২৪/৭২. সদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ এক সা‘ যব।
  • ২৪/৭৩. সদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ এক সা’ খাদ্য।
  • ২৪/৭৪. সদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ এক সা‘ খেজুর।
  • ২৪/৭৫. (সদাকাতুল ফিতরের পরিমাণ) এক সা‘ কিসমিস।
  • ২৪/৭৬. ঈদের সালাতের পূর্বেই সদাকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
  • ২৪/৭৭. আযাদ ও গোলামের পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতর আদায় করতে হবে।
  • ২৪/৭৮. অপ্রাপ্ত বয়স্ক ও প্রাপ্ত বয়স্কদের পক্ষ হতে সদাকাতুল ফিতর আদায় করা কর্তব্য্য
  • ২৫/ হাজ্জ (হজ্জ/হজ) (كتاب الحج) ২৬০ টি | ১৫১৩-১৭৭২ পর্যন্ত 25/ Hajj (Pilgrimage)
  • ২৫/১. হজ্জ ফরয হওয়া ও এর ফযীলত
  • ২৫/২. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তারা তোমার নিকট আসবে পদব্রজে ও সর্বপ্রকার ক্ষীণকায় উষ্ট্রে আরোহণ করে, তারা আসবে দূর-দূরান্তের পথ অতিক্রম করে যাতে তারা তাদের কল্যাণময় স্থানগুলোয় উপস্থিত হতে পারে।’’ (আল-হজ্জঃ ২৭)
  • ২৫/৩. উটের হাওদায় আরোহণ করে হজ্জে গমন।
  • ২৫/৪. হজ্জে মাবরুর কবূলকৃত হজ্জের ফযীলত।
  • ২৫/৫. হজ্জ ও ‘উমরাহ’র মীকাত (ইহরাম বাঁধার স্থান) নির্ধারণ।
  • ২৫/৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমরা পাথেয়ের ব্যবস্থা কর। আর তাকওয়াই হল শ্রেষ্ঠ পাথেয়। (আল-বাকারাঃ ১৯৭)
  • ২৫/৭. মক্কাহবাসীদের জন্য হজ্জ ও ‘উমরাহ’র ইহরাম বাঁধার স্থান।
  • ২৫/৮. মদীনাহবাসীদের মীকাত ও তারা যুল-হুলাইফাহ পৌঁছার আগে ইহরাম বাঁধবে না।
  • ২৫/৯. সিরিয়াবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান।
  • ২৫/১০. নজ্দবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান।
  • ২৫/১১. মীকাতের অভ্যন্তরের অধিবাসীদের ইহরাম বাঁধার স্থান।
  • ২৫/১২. ইয়ামানবাসীদের মীকাত।
  • ২৫/১৩. যাতু ‘ইর্ক হল ইরাকবাসীদের মীকাত।
  • ২৫/১৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৫/১৫. (হজ্জের সফরে) ‘শাজারা’-এর রাস্তা দিয়ে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মদীনাহ হতে গমন
  • ২৫/১৬. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ ‘আকীক বরকতপূর্ণ উপত্যকা।
  • ২৫/১৭. (ইহরামের) কাপড়ে খালুক বা সুগন্ধি লেগে থাকলে তিনবার ধৌত করা।
  • ২৫/১৮. ইহরাম বাঁধাকালে সুগন্ধি ব্যবহার ও কোন্ প্রকার কাপড় পরে ইহরাম বাঁধবে এবং চুল দাড়ি আঁচড়াবে ও তেল ব্যবহার করবে।
  • ২৫/১৯. যে চুলে আঠালো বস্তু লাগিয়ে ইহরাম বাঁধে।
  • ২৫/২০. যুল-হুলাইফার মসজিদের নিকটে ইহরাম বাঁধা।
  • ২৫/২১. মুহরিম ব্যক্তি যে প্রকার কাপড় পরিধান করবে না।
  • ২৫/২২. হজ্জের সফরে বাহনে একাকী আরোহণ করা ও অপরের সঙ্গে আরোহণ করা।
  • ২৫/২৩. মুহরিম ব্যক্তি কোন্ ধরনের কাপড়, চাদর ও লুঙ্গি পরিধান করবে।
  • ২৫/২৪. সকাল পর্যন্ত যুল-হুলাইফায় রাত্রি অতিবাহিত করা।
  • ২৫/২৫. উচ্চৈঃস্বরে তালবিয়া পড়া।
  • ২৫/২৬. তালবিয়া পাঠ করা।
  • ২৫/২৭. তালবিয়া পড়ার আগে সওয়ারীতে আরোহণকালে তাহমীদ, তাসবীহ ও তাকবীর পড়া
  • ২৫/২৮. সওয়ারী আরোহীকে নিয়ে সোজা দাঁড়িয়ে গেলে তালবিয়া পড়া।
  • ২৫/২৯. কিবলামুখী হয়ে তালবিয়া পড়া।
  • ২৫/৩০. নিম্নভূমিতে অবতরণকালে তালবিয়া পড়া।
  • ২৫/৩১. ঋতু ও প্রসবোত্তর স্রাব অবস্থায় মহিলাগণ কিভাবে ইহরাম বাঁধবে?
  • ২৫/৩২. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর জীবদ্দশায় তাঁর ইহরামের মত যিনি ইহরাম বেঁধেছেন।
  • ২৫/৩৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘হজ্জ হয় সুবিদিত মাসগুলোতে। অতঃপর যে কেউ এ মাসগুলোতে হজ্জ করা স্থির করে, তার জন্য হজ্জের সময়ে স্ত্রী সম্ভোগ, অন্যায় আচরণ ও কলহ বিবাদ বিধেয় নয়’’- (আল-বাকারাঃ ১৯৭)।
  • ২৫/৩৪. তামাত্তু‘, ‘ক্বিরান ও ইফরাদ হজ্জ করা এবং যার সঙ্গে কুরবানীর জন্তু নেই তার জন্য হজ্জের ইহরাম পরিত্যাগ করা
  • ২৫/৩৫. হজ্জ-এর নামোল্লেখ করে যে ব্যক্তি তালবিয়া পাঠ করে।
  • ২৫/৩৬. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যুগে হজ্জে তামাত্তু‘।
  • ২৫/৩৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ তা (হজ্জে তামাত্তু‘) তাদের জন্য, যাদের পরিবার-পরিজন মাসজিদুল হারামের (সীমানার) মধ্যে বসবাস করে না। (আল-বাকারাঃ ১৯৬)
  • ২৫/৩৮. মক্কাহ্য় প্রবেশকালে গোসল করা।
  • ২৫/৩৯. দিবাভাগে ও রাত্রিকালে মক্কায় প্রবেশ করা।
  • ২৫/৪০. কোন্ দিক হতে মক্কাহ্য় প্রবেশ করবে।
  • ২৫/৪১. কোন্ দিক দিয়ে মক্কাহ্ হতে বের হবে।
  • ২৫/৪২. মক্কাহ্ ও তার ঘরবাড়ির ফযীলত।
  • ২৫/৪৩. হারমের ফযীলত।
  • ২৫/৪৪. কাউকে মক্কাহ্য় অবস্থিত বাড়ির (ও জমির) ওয়ারিশ বানানো,
  • ২৫/৪৫. নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর মক্কাহ্য় অবতরণ।
  • ২৫/৪৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ২৫/৪৮. কা’বা গিলাফ দ্বারা আবৃত করা।
  • ২৫/৪৯. কা‘বা ঘর ধ্বংস করা।
  • ২৫/৫০. হাজরে আসওয়াদ সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৫/৫১. কা‘বা ঘরের দরজা বন্ধ করা এবং কা‘বা ঘরের ভিতর যেখানে ইচ্ছা সালাত আদায় করা।
  • ২৫/৫২. কা‘বার অভ্যন্তরে সালাত আদায় করা।
  • ২৫/৫৩. কা‘বার অভ্যন্তরে যে প্রবেশ করেনি।
  • ২৫/৫৪. কা‘বা ঘরের অভ্যন্তরে চতুর্দিকে তাকবীর ধ্বনি দেয়া।
  • ২৫/৫৫. রামল কিভাবে শুরু হয়েছিল।
  • ২৫/৫৬. মক্কাহ্য় আগমনের পরই তাওয়াফের প্রারম্ভে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন ও স্পর্শ করা এবং তিন চক্করে রামল করা।
  • ২৫/৫৭. হজ্জ ও ‘উমরাতে রামল করা।
  • ২৫/৫৮. লাঠি বা ছড়ির মাধ্যমে হাজরে আসওয়াদ চুম্বন করা।
  • ২৫/৫৯. যে কেবল দুই ইয়ামানী রুকনকে চুম্বন করে।
  • ২৫/৬০. হাজরে আসওয়াদকে চুম্বন করা।
  • ২৫/৬১. হাজরে আসওয়াদের নিকটে পৌঁছে তার দিকে ইঙ্গিত করা।
  • ২৫/৬২. হাজরে আসওয়াদ-এর নিকটে তাকবীর পাঠ করা।
  • ২৫/৬৩. মক্কাহ্য় আগমন করে গৃহে প্রত্যাবর্তনের পূর্বে বাইতুল্লাহ তাওয়াফ করা। অতঃপর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করে সাফার দিকে (সা‘য়ী করতে) যাওয়া।
  • ২৫/৬৪. পুরুষের সঙ্গে নারীদের তাওয়াফ করা।
  • ২৫/৬৫. তাওয়াফ করার সময় কথাবার্তা বলা।
  • ২৫/৬৬. তাওয়াফের সময় রশি দিয়ে কাউকে টানতে দেখলে বা অশোভনীয় কোন কিছু দেখলে তা হতে বাধা প্রদান করবে।
  • ২৫/৬৭. উলঙ্গ হয়ে বাইতুল্লাহর তাওয়াফ করবে না এবং কোন মুশরিক হজ্জ করবে না।
  • ২৫/৬৯. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তাওয়াফের সাত চক্কর পর দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করেছেন।
  • ২৫/৭০. প্রথমবার তাওয়াফ (তাওয়াফে কুদুম)-এর পর ‘আরাফাতে গিয়ে সেখান থেকে প্রত্যাবর্তন না করা পর্যন্ত বাইতুল্লাহর নিকটবর্তী না হওয়া (তাওয়াফ না করা)।
  • ২৫/৭১. তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত মাসজিদুল হারামের বাইরে আদায় করা।
  • ২৫/৭২. তাওয়াফের দু’রাক‘আত সালাত মাকামে ইবরাহীমের পশ্চাতে আদায় করা।
  • ২৫/৭৩. ফজর ও ‘আসর-এর (সালাতের) পর তাওয়াফ করা।
  • ২৫/৭৪. অসুস্থ ব্যক্তির আরোহী হয়ে তাওয়াফ করা।
  • ২৫/৭৫. হাজীদেরকে পানি পান করানো।
  • ২৫/৭৬. যমযম সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৫/৭৭. কিরান হজ্জকারীর তাওয়াফ।
  • ২৫/৭৮. উযূ সহকারে তাওয়াফ করা।
  • ২৫/৭৯. সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা‘য়ী করা অবশ্য কর্তব্য এবং এ দু’টিকে আল্লাহর নিদর্শন বানানো হয়েছে।
  • ২৫/৮০. সাফা ও মারওয়ার মধ্যে সা‘ঈ করা প্রসঙ্গে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ২৫/৮১. ঋতুমতী নারীর বাইতুল্লাহর তাওয়াফ ছাড়া হজ্জের অন্য সকল কার্য সম্পাদন করা এবং উযূ ব্যতীত সাফা ও মারওয়ার মাঝে সা‘ঈ করা।
  • ২৫/৮৩. তারবিয়ার দিন (যিলহজ্জ মাসের আট তারিখে) হাজী কোন্ স্থানে যুহরের সালাত আদায় করবে?
  • ২৫/৮৪. মিনায় সালাত আদায় করা।
  • ২৫/৮৫. ‘আরাফার দিবসে সওম।
  • ২৫/৮৬. সকালে মিনা হতে ‘আরাফা যাওয়ার সময় তালবিয়া ও তাকবীর পাঠ করা।
  • ২৫/৮৭. ‘আরাফার দিনে দুপুরে অবস্থান স্থলে গমন করা।
  • ২৫/৮৮. ‘আরাফায় সওয়ারীর উপর অবস্থান করা।
  • ২৫/৮৯. ‘আরাফায় দু’ সালাত একসঙ্গে আদায় করা।
  • ২৫/৯০. ‘আরাফার খুতবা সংক্ষিপ্ত করা।
  • ২৫/৯১. ‘আরাফায় অবস্থান করা।
  • ২৫/৯২. ‘আরাফা হতে প্রত্যাবর্তনে চলার গতি।
  • ২৫/৯৩. ‘আরাফা ও মুযদালিফার মধ্যবর্তী স্থানে অবতরণ করা।
  • ২৫/৯৪. (‘আরাফাহ হতে) ফিরে আসার সময় নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ধীরে চলার আদেশ দিতেন এবং তাদের প্রতি চাবুকের সাহায্যে ইঙ্গিত করতেন।
  • ২৫/৯৫. মুযদালিফায় দু’ ওয়াক্ত সালাত একসঙ্গে আদায় করা।
  • ২৫/৯৬. দু’ ওয়াক্ত সালাত একসঙ্গে আদায় করা এবং দুয়ের মধ্যে কোন নফল সালাত আদায় না করা
  • ২৫/৯৭. মাগরিব এবং ‘ইশা উভয় সালাতের জন্য আযান ও ইক্বামাত দেয়া।
  • ২৫/৯৮. যারা পরিবারের দুর্বল লোকদের রাত্রে পূর্বে প্রেরণ করে মুযদালিফায় অবস্থান করে ও দু‘আ করে এবং পূর্বে প্রেরণ করবে চন্দ্র অস্তমিত হওয়ার পর।
  • ২৫/৯৯. মুযদালিফায় ফজরের সালাত কখন আদায় করবে?
  • ২৫/১০০. মুযদালিফা থেকে কখন যাত্রা করবে ?
  • ২৫/১০১. কুরবানীর দিবসে সকালে জামরায়ে ‘আকাবাতে কঙ্কর নিক্ষেপের সময় তাকবীর ও তালবিয়া পাঠ করা এবং চলার পথে কাউকে সওয়ারীতে পেছনে বসানো।
  • ২৫/১০২. ‘‘আর তোমাদের মধ্যে যারা হজ্জ ও ‘উমরাহ একত্রে একই সঙ্গে পালন করতে চায়, তাহলে যা কিছু সহজলভ্য, তা দিয়ে কুরবানী করাই তার উপর কর্তব্য। বস্তুত যারা কুরবানীর পশু পাবে না, তারা হজ্জের দিনগুলোর মধ্যে তিনটি সওম পালন করবে এবং সাতটি পালন করবে ফিরে যাবার পর। এভাবে দশটি সিয়াম পূর্ণ হয়ে যাবে। এ নির্দেশটি তাদের জন্য যাদের পরিবার-পরিজন মাসজিদুল হারামের আশেপাশে বসবাস করে না।’’ (আল-বাকারাঃ ১৯৬)
  • ২৫/১০৩. কুরবানীর উটের পিঠে আরোহণ করা। আল্লাহর বাণীঃ
  • ২৫/১০৪. যে ব্যক্তি কুরবানীর জন্তু সাথে নিয়ে যায়।
  • ২৫/১০৫. রাস্তা হতে কুরবানীর পশু ক্রয় করা।
  • ২৫/১০৬. যে ব্যক্তি যুল-হুলায়ফা হতে (কুরবানীর পশুকে) ইশ্‘আর এবং কিলাদা করে পরে ইহরাম বাঁধে।
  • ২৫/১০৭. উট এবং গরুর জন্য কিলাদা পাকানো।
  • ২৫/১০৮. কুরবানীর পশুকে ইশ‘আর করা।
  • ২৫/১০৯. যে নিজ হস্তে কিলাদা বাঁধে।
  • ২৫/১১০. বকরীর গলায় কিলাদা ঝুলান।
  • ২৫/১১১. পশম বা তুলার কিলাদা (মালা)
  • ২৫/১১২. জুতার কিলাদা লটকানো।
  • ২৫/১১৩. কুরবানীর উটের পিঠে আচ্ছাদন পরানো।
  • ২৫/১১৪. যে ব্যক্তি রাস্তা হতে কুরবানীর জন্তু ক্রয় করে ও তার গলায় কিলাদা বাঁধে।
  • ২৫/১১৫. স্ত্রীদের পক্ষ হতে তাদের আদেশ ছাড়াই স্বামী কর্তৃক গরু কুরবানী করা।
  • ২৫/১১৬. মিনাতে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর কুরবানী করার জায়গায় কুরবানী করা।
  • ২৫/১১৭. যে ব্যক্তি নিজ হস্তে কুরবানী করে।
  • ২৫/১১৮. বাঁধা অবস্থায় উট কুরবানী করা।
  • ২৫/১১৯. উটকে দাঁড় করিয়ে কুরবানী করা।
  • ২৫/১২০. কুরবানীর জন্তুর কিছুই কসাইকে দেয়া যাবে না।
  • ২৫/১২১. কুরবানীর পশুর চামড়া সদাকাহ করা।
  • ২৫/১২২. কুরবানীর পশুর পিঠের আচ্ছাদন সদাকাহ করা।
  • ২৫/১২৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৫/১২৪. কী পরিমাণ কুরবানীর গোশত ভক্ষণ করবে এবং কী পরিমাণ সদাকাহ করবে?
  • ২৫/১২৫. মাথা মুন্ডানোর পূর্বে কুরবানী করা।
  • ২৫/১২৬. ইহরামের সময় মাথায় আঠালো দ্রব্য লাগান ও মাথা মুন্ডানো।
  • ২৫/১২৭. হালাল হওয়ার সময় মাথার চুল মুন্ডন করা ও ছাঁটা।
  • ২৫/১২৮. ‘উমরাহ আদায়ের পর তামাত্তু‘ হজ্জ সম্পাদনকারীর চুল ছাঁটা।
  • ২৫/১২৯. কুরবানীর দিবসে তাওয়াফে যিয়ারাহ সম্পাদন করা।
  • ২৫/১৩০. ভুলবশত বা অজ্ঞতার কারণে কেউ যদি সন্ধ্যার পর কংকর মারে অথবা কুরবানীর পশু যবহ করার পূর্বে মাথা মুন্ডন করে ফেলে।
  • ২৫/১৩১. জামারার নিকট সওয়ারীতে আরোহিত অবস্থায় ফাতোয়া প্রদান করা।
  • ২৫/১৩২. মিনার দিবসগুলোতে খুৎবাহ প্রদান করা।
  • ২৫/১৩৩. (হাজীদের) পানি পান করানোর ব্যবস্থাকারী ও অন্যান্যরা মিনার রাত্রিগুলিতে মক্কাহ্য় অবস্থান করতে পারে কি?
  • ২৫/১৩৪. কঙ্কর নিক্ষেপ।
  • ২৫/১৩৫. বাতন ওয়াদী তথা (উপত্যকার নীচুস্থান) হতে কঙ্কর নিক্ষেপ।
  • ২৫/১৩৬. জামরায় সাতটি কংকর নিক্ষেপ।
  • ২৫/১৩৭. বাইতুল্লাহকে বাম দিকে রেখে জামরায়ে ‘আকাবায় কংকর নিক্ষেপ।
  • ২৫/১৩৮. প্রতিটি কংকরের সঙ্গে তাকবীর পাঠ।
  • ২৫/১৪০. অপর দুই জামরায় কংকর নিক্ষেপ করে সমতল ভূমিতে গিয়ে কিবলামুখী হয়ে দাঁড়ানো।
  • ২৫/১৪১. নিকটবর্তী এবং মধ্যবর্তী জামরার নিকট দুই হস্ত উত্তোলন করা।
  • ২৫/১৪২. দুই জামরার নিকটে দু‘আ করা।
  • ২৫/১৪৩. কংকর নিক্ষেপের পর সুগন্ধি ব্যবহার এবং তাওয়াফে যিয়ারতের পূর্বে মাথা মুন্ডন
  • ২৫/১৪৪. বিদায়ী তাওয়াফ।
  • ২৫/১৪৫. তাওয়াফে যিয়ারতের পর কোন স্ত্রী লোকের ঋতু আসলে।
  • ২৫/১৪৬. (মিনা হতে) ফেরার দিন আবতাহ নামক স্থানে ‘আসর সালাত আদায় করা।
  • ২৫/১৪৭. মুহাসসাব।
  • ২৫/১৪৮. মক্কাহ্য় প্রবেশের পূর্বে যু-তুয়া উপত্যকায় অবতরণ এবং
  • ২৫/১৪৯. মক্কাহ্ হতে প্রত্যাবর্তনের সময় যু-তুয়া উপত্যকায় অবতরণ করা।
  • ২৫/১৫০. (হজ্জের) মৌসুমে ব্যবসা করা এবং জাহিলী যুগের বাজারগুলোতে ক্রয়-বিক্রয় করা
  • ২৫/১৫১. মুহাসসাব হতে শেষ রাতে যাত্রা করা।
  • ২৬/ উমরাহ (كتاب العمرة) ৩৩ টি | ১৭৭৩-১৮০৫ পর্যন্ত 26/ Umrah (Minor pilgrimage)
  • ২৬/১. ‘উমরাহ (আদায়) ওয়াজিব হওয়া এবং তার ফযীলত।
  • ২৬/২. যে ব্যক্তি হজ্জ আদায়ের পূর্বে ‘উমরাহ সম্পাদন করল।
  • ২৬/৩. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কতবার ‘উমরাহ করেছেন?
  • ২৬/৪. রামাযান মাসে ‘উমরাহ আদায় করা।
  • ২৬/৫. মুহাসসাবের রাত্রিতে ও অন্য সময়ে ‘উমরাহ আদায় করা।
  • ২৬/৬. তান‘ঈম হতে ‘উমরাহ করা।
  • ২৬/৭. হজ্জের পর কুরবানী ব্যতীত ‘উমরাহ আদায় করা।
  • ২৬/৮. কষ্ট অনুপাতে ‘উমরাহ’র আজর (নেকী)।
  • ২৬/৯. ‘উমরাহ আদায়কারী ‘উমরাহ’র তাওয়াফ করেই রওয়ানা হলে, তা কি তার জন্য বিদায়ী তাওয়াফের বদলে যথেষ্ট হবে?
  • ২৬/১০. হজ্জে যে সকল কাজ করতে হয় ‘উমরাতেও তাই করবে।
  • ২৬/১১. ‘উমরাহ আদায়কারী কখন হালাল হবে (ইহরাম খুলবে)?
  • ২৬/১২. হজ্জ, ‘উমরাহ ও যুদ্ধ হতে ফিরার পরে কী বলবে?
  • ২৬/১৩. আগমনকারী হাজীদেরকে স্বাগত জানানো এবং এমতাবস্থায় এক সওয়ারীতে তিনজন আরোহণ করা।
  • ২৬/১৪. সকাল বেলা বাড়িতে আগমন।
  • ২৬/১৫. বিকালে বা সন্ধ্যাকালে বাড়িতে প্রবেশ করা।
  • ২৬/১৬. শহরে পৌঁছে রাত্রিকালে পরিজনের নিকটে প্রবেশ করবে না।
  • ২৬/১৭. যে ব্যক্তি মদিনায় (নিজস্ব শহরে) পৌঁছে তার উটনী (সওয়ারী) দ্রুত চালায়
  • ২৬/১৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমরা গৃহসমূহে তার দরজাগুলো দিয়ে প্রবেশ কর। (আল-বাকারাহ ২ : ১৮৯)
  • ২৬/১৯. সফর ‘আযাবের একটি অংশ বিশেষ।
  • ২৬/২০. মুসাফিরের সফর সফর যদি অসহনীয় হয়ে পড়ে সে দ্রুত বাড়িতে ফিরে আসবে।
  • ২৭/ পথে আটকে পড়া ও ইহরাম অবস্থায় শিকারকারীর বিধান (كتاب المحصر) ১৫ টি | ১৮০৬-১৮২০ পর্যন্ত 27/ Pilgrims Prevented from Completing the Pilgrimage
  • ২৭/১. ‘উমরাহ আদায়কারী ব্যক্তি যদি পথে আটকে পড়েন।
  • ২৭/২. হজ্জে বাধাগ্রস্ত হওয়া।
  • ২৭/৩. বাধাপ্রাপ্ত হলে মাথা মুন্ডনের পূর্বে কুরবানী করা।
  • ২৭/৪. যারা বলেন, বাধাপ্রাপ্ত ব্যক্তির উপর কাযা আবশ্যক নয়।
  • ২৭/৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ২৭/৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘অথবা সদাকাহ’’ (আল-বাকারাহঃ ১৯৬)
  • ২৭/৭. ফিদয়ার দেয় খাদ্যের পরিমাণ অর্ধ সা‘।
  • ২৭/৮. নুসূক হলো একটি বকরী কুরবানী করা।
  • ২৭/৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘( হজ্জের সময়) স্ত্রী সহবাস নেই’।
  • ২৭/১০. মহান আল্লাহর বাণীঃ হজ্জের সময়ে অশ্লীল আচরণ ও ঝগড়া-বিবাদ নেই।
  • ২৮/ ইহরাম অবস্থায় শিকার এবং অনুরূপ কিছুর বদলা (كتاب جزاء الصيد) ৪৬ টি | ১৮২১-১৮৬৬ পর্যন্ত 28/ Penalty of Hunting while on Pilgrimage
  • ২৮/২. মুহরিম নয় এমন ব্যক্তি যদি শিকার করে মুহরিমকে উপঢৌকন দেয় তাহলে মুহরিম তা খেতে পারবে ।
  • ২৮/৩. মুহরিম ব্যক্তিগণ শিকার জন্তু দেখে হাসাহাসি করার ফলে ইহরামবিহীন ব্যক্তিরা যদি তা বুঝে ফেলে।
  • ২৮/৪. শিকার্য জন্তু হত্যা করার জন্য মুহরিম কোন গাইর মুহরিম ব্যক্তিকে সহযোগিতা করবে না।
  • ২৮/৫. গাইর মুহরিমের শিকারের জন্য মুহরিম ব্যক্তি শিকার্য জন্তুর দিকে ইঙ্গিত করবে না।
  • ২৮/৬. মুহরিমকে জীবিত বন্য গাধা হাদিয়া দেয়া হলে সে তা গ্রহণ করবে না।
  • ২৮/৭. মুহরিম ব্যক্তি যে যে প্রাণী হত্যা করতে পারে।
  • ২৮/৮. হারমের অন্তর্গত কোন গাছ কাটা যাবে না।
  • ২৮/৯. হারামের (অভ্যন্তরে) কোন শিকার্য জন্তুকে তাড়ানো যাবে না।
  • ২৮/১০. মক্কাতে লড়াই করা হালাল নয়।
  • ২৮/১১. মুহরিম ব্যক্তির জন্য সিঙ্গা (রক্তমোক্ষম) লাগানো।
  • ২৮/১২. ইহরাম অবস্থায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হওয়া।
  • ২৮/১৩. মুহরিম পুরুষ ও মুহরিম নারীর জন্য নিষিদ্ধ সুগন্ধিদ্রব্য।
  • ২৮/১৪. মুহরিম ব্যক্তির গোসল করা।
  • ২৮/১৫. জুতা না থাকলে মুহরিম ব্যক্তির মোজা পরিধান করা।
  • ২৮/১৬. লুঙ্গি না পেলে (মুহরিম ব্যক্তি) ইযার বা পায়জামা পরবে।
  • ২৮/১৭. মুহরিম ব্যক্তির অস্ত্র ধারণ করা।
  • ২৮/১৮. হারাম ও মক্কাহয় ইহরাম ছাড়া প্রবেশ করা।
  • ২৮/১৯. অজ্ঞতাবশতঃ যদি কেউ জামা পরিধান করে ইহরাম বাঁধে।
  • ২৮/২০. কোন মুহরিম ব্যক্তি আরাফাতে মারা গেলে তার পক্ষ হতে হজ্জের বাকী রুক্নগুলো আদায় করতে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) নির্দেশ দেননি।
  • ২৮/২১. মুহরিমের মৃত্যু হলে তার বিধান।
  • ২৮/২২. মৃত ব্যক্তির পক্ষ থেকে হজ্জ বা মানৎ আদায় করা এবং মহিলার পক্ষ হতে পুরুষ হজ্জ আদায় করতে পারে।
  • ২৮/২৩. যে ব্যক্তি সওয়ারীতে বসে থাকতে অক্ষম, তার পক্ষ হতে হজ্জ আদায় করা।
  • ২৮/২৪. পুরুষের পক্ষ হতে নারীর হজ্জ আদায় করা।
  • ২৮/২৫. বালকদের হজ্জ পালন করা।
  • ২৮/২৬. মহিলাদের হজ্জ।
  • ২৮/২৭. যে ব্যক্তি পদব্রজে কা‘বা যিয়ারত করার নযর মানে।
  • ২৯/ মদীনার ফাযীলাত (كتاب فضائل المدينة) ২৪ টি | ১৮৬৭-১৮৯০ পর্যন্ত 29/ Virtues of Madinah
  • ২৯/১. মদীনাহ হারম (পবিত্র স্থান) হওয়া।
  • ২৯/২. মদীনার ফযীলত। মদীনাহ (অবাঞ্ছিত) লোকজনকে বহিষ্কার করে দেয়।
  • ২৯/৩. মদীনার অন্য নাম ত্বাবাহ্।
  • ২৯/৪. মদীনার কংকরময় দু’টি এলাকা।
  • ২৯/৫. যে ব্যক্তি মদীনাহ হতে মুখ ফিরিয়ে নেয়।
  • ২৯/৬. ঈমান মদীনাহর দিকে প্রত্যাবর্তন করবে।
  • ২৯/৭. মদীনাহবাসীদের সাথে চক্রান্তকারীর গুনাহ।
  • ২৯/৮. মদীনাহর পাথরের তৈরী দূর্গসমূহ।
  • ২৯/৯. দাজ্জাল মদিনায় প্রবেশ করতে পারবে না।
  • ২৯/১০. মদীনাহ অপবিত্র লোকদেরকে বের করে দেয়।
  • ২৯/১১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ২৯/১২. মদীনাহর কোন এলাকা ছেড়ে দেয়া বা জনশূন্য করা নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) অপছন্দ করতেন।
  • ২৯/১৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৩০/ সাওম/রোযা (كتاب الصوم) ১১৭ টি | ১৮৯১-২০০৭ পর্যন্ত 30/ Fasting
  • ৩০/১. রমাযানের সওম ওয়াজিব হওয়া সম্পর্কে।
  • ৩০/২. সওমের ফযীলত।
  • ৩০/৩. সওম (পাপের) কাফ্ফারা (ক্ষতিপূরণ)।
  • ৩০/৪. সওম পালনকারীর জন্য রাইয়্যান।
  • ৩০/৫. রমাযান বলা হবে, না রমাযান মাস বলা হবে? আর যাদের মতে উভয়টি বলা যাবে।
  • ৩০/৬. যে ব্যক্তি ঈমানের সঙ্গে সওয়াবের উদ্দেশে সংকল্প সহকারে সিয়াম পালন করবে।
  • ৩০/৭. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) রমাযানে সবচেয়ে বেশী দান করতেন।
  • ৩০/৮. যে ব্যক্তি সওম পালনের সময় মিথ্যা বলা ও সে অনুযায়ী আমল পরিত্যাগ করে না।
  • ৩০/৯. কাউকে গালি দেয়া হলে সে কি বলবে, ‘আমি তো সায়িম?
  • ৩০/১০. অবিবাহিত ব্যক্তি যে নিজের ব্যাপারে ভয় করে, তার জন্য সওম।
  • ৩০/১১. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর উক্তি : যখন তোমরা চাঁদ দেখ তখন সওম আরম্ভ কর আবার যখন চাঁদ দেখ তখনই ইফতার বন্ধ কর।
  • ৩০/১২. ঈদের দুই মাস কম হয় না।
  • ৩০/১৩. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ আমরা লিপিবদ্ধ করি না এবং হিসাবও করি না।
  • ৩০/১৪. রমাযানের একদিন বা দু’দিন পূর্বে সওম আরম্ভ করবে না।
  • ৩০/১৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৩০/১৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৩০/১৭. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ বিলালের আযান তোমাদের সাহরী হতে যেন বিরত না রাখে।
  • ৩০/১৮. (সময়ের) শেষভাগে সাহরী খাওয়া।
  • ৩০/১৯. সাহরী ও ফজরের সালাতের মধ্যে সময়ের পরিমাণ কত?
  • ৩০/২০. সাহরীতে বারকাত রয়েছে তবে তা ওয়াজিব নয়।
  • ৩০/২১. কেউ যদি দিনের বেলা সওমের নিয়ত করে।
  • ৩০/২২. নাপাক অবস্থায় সওম পালনকারীর সকাল হওয়া।
  • ৩০/২৩. সায়িম কর্তৃক স্ত্রীকে স্পর্শ করা।
  • ৩০/২৪. সায়িমের চুম্বন দেয়া।
  • ৩০/২৫. সায়িমের গোসল করা।
  • ৩০/২৬. সায়িম ভুলবশতঃ কিছু খেলে বা পান করে ফেললে।
  • ৩০/২৭. সায়িমের জন্য কাঁচা বা শুকনো দাঁতন ব্যবহার করা।
  • ৩০/২৯. রমাযানে যৌন মিলন করা।
  • ৩০/৩০. যদি রমাযানে স্ত্রী মিলন করে এবং তার নিকট কিছু না থাকে
  • ৩০/৩১. রমাযানে সায়িম অবস্থায় যে ব্যক্তি স্ত্রী মিলন করেছে সে ব্যক্তি কি কাফ্ফারা হতে তার অভাবগ্রস্ত পরিবারকে খাওয়াতে পারবে?
  • ৩০/৩২. সায়িমের শিঙ্গা লাগানো বা বমি করা।
  • ৩০/৩৩. সফরে সওম পালন করা বা না করা।
  • ৩০/৩৪. রমাযানের কয়েক দিন সওম করে যদি কেউ সফর শুরু করে।
  • ৩০/৩৫. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৩০/৩৬. প্রচন্ড গরমের জন্য যে ব্যক্তির উপর ছায়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে তাঁর সম্পর্কে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণীঃ সফরে সওম পালন করায় সাওয়াব নেই।
  • ৩০/৩৭. সওম করা ও না করার ব্যাপারে নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ পরস্পরের প্রতি দোষারোপ করতেন না।
  • ৩০/৩৮. লোকদেরকে দেখানোর জন্য সফর অবস্থায় সওম ভঙ্গ করা।
  • ৩০/৩৯. ‘‘আর (সওম) যাদের জন্য অতিশয় কষ্ট দেয়, তাদের করণীয়, তারা এর বদলে ফিদইয়া হিসেবে একজন মিসকীনকে খাদ্য দেবে।’’ (আল-বাকারাহঃ ১৮৪)
  • ৩০/৪০. রমাযানের কাযা কখন আদায় করতে হবে?
  • ৩০/৪১. ঋতুমতী সালাত ও সওম উভয়ই ছেড়ে দিবে।
  • ৩০/৪২. সওমের কাযা রেখে যিনি মারা যান।
  • ৩০/৪৩. সায়িমের জন্য কখন ইফতার করা বৈধ।
  • ৩০/৪৪. পানি বা অন্য কিছু যা সহজলভ্য তদ্দবারা ইফতার করবে।
  • ৩০/৪৫. শীঘ্র ইফতার করা।
  • ৩০/৪৬. রমাযানে ইফতারের পরে যদি সূর্য (আবার) দেখা যায়।
  • ৩০/৪৭. বাচ্চাদের সওম পালন করা।
  • ৩০/৪৮. সওমে বিসাল (বিরামহীন সওম)।
  • ৩০/৪৯. অধিক পরিমাণে সওমে বিসালকারীর শাস্তি।
  • ৩০/৫০. সাহরীর সময় পর্যন্ত সওমে বিসাল করা।
  • ৩০/৫১. কোন ব্যক্তি তার ভাইয়ের নফল সওম ভাঙ্গার জন্য কসম দিলে এবং তার জন্য এ সওমের কাযা ওয়াজিব মনে না করলে, যখন সওম পালন না করা তার জন্য ভাল হয়।
  • ৩০/৫২. শা‘বান (মাস)-এর সওম।
  • ৩০/৫৩. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সওম পালন করা ও না করার বিবরণ।
  • ৩০/৫৪. সওমের ব্যাপারে মেহমানের হক।
  • ৩০/৫৫. নফল সওমে শরীরের হক।
  • ৩০/৫৬. পুরা বছর সওম করা।
  • ৩০/৫৭. সওম পালনের ব্যাপারে পরিবার-পরিজনের অধিকার।
  • ৩০/৫৮. একদিন সওম করা ও একদিন পরিত্যাগ করা।
  • ৩০/৫৯. দাঊদ (আ.)-এর সওম।
  • ৩০/৬০. সিয়ামুল বীয ১৩, ১৪ ও ১৫ তারিখ (এর সওম)।
  • ৩০/৬১. কারো সাথে দেখা করতে গিয়ে (নফল) সওম ভেঙ্গে না ফেলা।
  • ৩০/৬২. মাসের শেষভাগে সওম।
  • ৩০/৬৩. জুমু‘আর দিনে সওম করা। যদি জুমু‘আর দিনে সওম পালনরত অবস্থায় ভোর হয় তবে তার উচিত সওম ছেড়ে দেয়া। অর্থাৎ যদি এর আগের দিনে সওম পালন না করে থাকে এবং পরের দিনে সওম পালনের ইচ্ছা না থাকে।
  • ৩০/৬৪. সওমের (উদ্দেশে) কোন দিন কি নির্দিষ্ট করা যায়?
  • ৩০/৬৫. ‘আরাফাতের দিবসে সওম করা।
  • ৩০/৬৭. কুরবানীর দিবসে সওম।
  • ৩০/৬৮. আইয়্যামে তাশরীকে সওম করা।
  • ৩০/৬৯. 'আশূরার দিনে সওম করা।
  • ৩০/৬৬. ঈদুল ফিতরের দিবসে সওম করা।
  • ৩১/ তারাবীহর সালাত (كتاب صلاة التراويح) ৬ টি | ২০০৮-২০১৩ পর্যন্ত 31/ Praying at Night in Ramadaan (Taraweeh)
  • ৩১/১. কিয়ামে রমাযান-এর (রমাযানে তারাবীহর সালাতের) গুরুত্ব।
  • ৩২/ লাইলাতুল কদর-এর ফযীলত (كتاب فضل ليلة القدر) ১১ টি | ২০১৪-২০২৪ পর্যন্ত 32/  Virtues of the Night of Qadr
  • ৩২/১. লাইলাতুল ক্বদর-এর ফযীলত।
  • ৩২/২. (রমাযানের) শেষের সাত রাতে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা।
  • ৩২/৪. মানুষের পারস্পরিক ঝগড়ার কারণে লাইলাতুল ক্বাদরের সুনির্দিষ্টতার জ্ঞান তুলে নেয়া।
  • ৩২/৫. রমাযানের শেষ দশকের আমল।
  • ৩২/৩. রমাযানের শেষ দশকের বেজোড় রাতে লাইলাতুল ক্বদর তালাশ করা।
  • ৩৩/ ই‘তিকাফ (كتاب الاعتكاف) ২২ টি | ২০২৫-২০৪৬ পর্যন্ত 33/ Retiring to a Mosque for Remembrance of Allah (I'tikaf)
  • ৩৩/১. রমাযানের শেষ দশকে ই‘তিকাফ এবং ই‘তিকাফ সব মসজিদেই করা।
  • ৩৩/২. ঋতুমতী কর্তৃক ই‘তিকাফকারীর চুল আঁচড়ে দেয়া।
  • ৩৩/৩. (প্রাকৃতিক) প্রয়োজন ছাড়া ই‘তিকাফরত ব্যক্তি (তার) গৃহে প্রবেশ করতে পারবে না।
  • ৩৩/৪. ই‘তিকাফকারীর গোসল করা।
  • ৩৩/৫. রাত্রিকালে ই‘তিকাফ করা।
  • ৩৩/৬. মহিলাগণের ই‘তিকাফ করা।
  • ৩৩/৭. মসজিদের ভেতরে তাঁবু খাটানো।
  • ৩৩/৮. প্রয়োজনবশতঃ ই‘তিকাফরত ব্যক্তি কি মসজিদের দরজা পর্যন্ত বের হতে পারেন?
  • ৩৩/৯. ই‘তিকাফ এবং নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক (রমাযানের) বিশ তারিখ সকালে বেরিয়ে আসা।
  • ৩৩/১০ মুস্তাহাযা নারীর ই‘তিকাফ করা।
  • ৩৩/১১. ই‘তিকাফরত স্বামীর সঙ্গে স্ত্রীর দেখা করা।
  • ৩৩/১২. ই‘তিকাফকারী কি নিজের উপর সৃষ্ট সন্দেহ দূর করতে পারেন?
  • ৩৩/১৩. ই‘তিকাফ থেকে সকাল বেলা বেরিয়ে আসা।
  • ৩৩/১৪. শাওয়াল মাসে ই‘তিকাফ করা।
  • ৩৩/১৫. যিনি ই‘তিকাফকারীর জন্য রোযা রাখা আবশ্যক মনে করেন না।
  • ৩৩/১৬. জাহিলিয়্যাতের যুগে ই‘তিকাফ করার নযর মেনে পরে ইসলাম গ্রহণ করা।
  • ৩৩/১৭. রমাযানের মধ্যম দশকে ই‘তিকাফ করা।
  • ৩৩/১৮. ই‘তিকাফ করার সংকল্প করে পরে কোন কারণবশতঃ তা হতে বেরিয়ে যাওয়া।
  • ৩৩/১৯. ই‘তিকাফরত ব্যক্তি মাথা ধোয়ার নিমিত্তে তার মাথা ঘরে প্রবেশ করানো।
  • ৩৪/ ক্রয়-বিক্রয় (كتاب البيوع) ১৯২ টি | ২০৪৭-২২৩৮ পর্যন্ত 34/ Sales and Trade
  • ৩৪/১. আল্লাহ তা‘আলার এ বাণী সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে (ইরশাদ করেছেন)
  • ৩৪/২. হালাল সুস্পষ্ট, হারামও সুস্পষ্ট এবং এ দু‘য়ের মধ্যখানে রয়েছে সন্দেহজনক বিষয় ।
  • ৩৪/৩. মুতাশাবিহাত বা সন্দেহনজক বিষয়সমূহের বিশ্লেষণ।
  • ৩৪/৪. সন্দেহজনক বিষয় থেকে বিরত থাকা।
  • ৩৪/৫. যারা ওয়াসওয়াসা সৃষ্টিকারী ও তদনুরূপ বিষয়কে সন্দেহজনক মনে করেন না।
  • ৩৪/৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ তারা যখন কোন ব্যবসায়ের সুযোগ বা ক্রীড়া কৌতুক দেখে তখন আপনাকে দাঁড়ানো অবস্থায় রেখে তারা সে দিকে ছুটে যায়। (জুমুআহঃ ১১)
  • ৩৪/৭. যে ব্যক্তি কোত্থেকে সম্পদ কামাই করল, তার পরোয়া করে না।
  • ৩৪/৮. কাপড় ও অন্যান্য জিনিসের ব্যবসা।
  • ৩৪/৯. ব্যবসা-বাণিজ্যের উদ্দেশে বহির্গত হওয়া।
  • ৩৪/১০. নৌপথে বাণিজ্য।
  • ৪/১১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৩৪/১২. মহান আল্লাহর বাণী- তোমরা যা উপার্জন কর তার উৎকৃষ্ট হতে ব্যয় কর। (আল-বাকারা ২৬৭)
  • ৩৪/১৩. যে ব্যক্তি দউপার্জনে প্রশস্ততা চায়।
  • ৩৪/১৪. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) কর্তৃক ধারে ক্রয় করা
  • ৩৪/১৫. স্বহস্তের উপার্জনে জীবিকা নির্বাহ করা।
  • ৩৪/১৬. ক্রয়-বিক্রয়ে নম্রতা ও কোমলতা। পাওনা ফিরিয়ে চাইলে নম্রতার সাথে চাওয়া উচিত।
  • ৩৪/১৭. সচ্ছল ব্যক্তিকে সুযোগ দেয়া।
  • ৩৪/১৮. অসচ্ছল ও অভাবীকে অবকাশ দেয়া।
  • ৩৪/১৯. ক্রেতা-বিক্রেতা কর্তৃক বিক্রিত বস্তুর কোন কিছু লুকিয়ে না রেখে পণ্যের পূর্ণ অবস্থা বলে দেয়া এবং একে অন্যের কল্যাণ চাওয়া।
  • ৩৪/২০. মেশানো (ভালমন্দ) খেজুর বিক্রি করা।
  • ৩৪/২১. গোশত বিক্রেতা ও কসাই সম্পর্কিত বিবরণ
  • ৩৪/২২. মিথ্যা বলা ও দোষ-ত্রুটি লুকিয়ে রাখায় ক্রয়-বিক্রয়ের বরকত মুছে যায়।
  • ৩৪/২৩. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ
  • ৩৪/২৪. সুদ গ্রহীতা, তার সাক্ষ্যদাতা ও তার লেখক।
  • ৩৪/২৬. (আল্লাহ তা‘আলার বাণী)ঃ আল্লাহ সুদকে ধ্বংস করেন এবং যাকাতে ক্রমবৃদ্ধি প্রদান করেন। আল্লাহ কোন অকৃতজ্ঞ অপরাধীকে পছন্দ করেন না। (আল-বাকারাঃ ২৭৬)
  • ৩৪/২৭. ক্রয়-বিক্রয়ে শপথ করা অপছন্দনীয়।
  • ৩৪/২৮. স্বর্ণকারদের ব্যাপারে যা বলা হয়েছে।
  • ৩৪/২৯. তীরের ফলক নির্মাতা ও কর্মকারের সম্পর্কে বর্ণনা।
  • ৩৪/৩০. দরজীদের সম্পর্কে বর্ণনা।
  • ৩৪/৩১. তাঁতী সম্পর্কে বর্ণনা।
  • ৩৪/৩২. কাঠমিস্ত্রিদের সম্পর্কে।
  • ৩৪/৩৩. ইমাম বা রাষ্ট্রের প্রধান কর্তৃক প্রয়োজনীয় বস্তু নিজেই ক্রয় করা।
  • ৩৪/৩৪. চতুষ্পদ জন্তু ও গর্দভ ক্রয় করা।
  • ৩৪/৩৫. জাহিলী যুগের বাজার যেখানে লোকেরা ক্রয়-বিক্রয় করেছে এরপর ইসলামী যুগে সেগুলোতে লোকেদের ক্রয়-বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৩৬. তৃষ্ণা কাতর অথবা চর্মরোগে আক্রান্ত উটের ক্রয়-বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৩৭. ফিতনার (গোলযোগপূর্ণ) সময় বা অন্য সময়ে অস্ত্র বিক্রি।
  • ৩৪/৩৮. আতর ও মিস্ক বিক্রেতাদের সম্পর্কে।
  • ৩৪/৩৯. রক্ত মোক্ষমকারীদের প্রসঙ্গে।
  • ৩৪/৪০. যা পরিধান করা নারী ও পুরুষ উভয়ের জন্য নিষিদ্ধ সেই জিনিষের ব্যবসা।
  • ৩৪/৪১. দ্রব্যসামগ্রীর মালিক মুল্য বলার অধিক হকদার।
  • ৩৪/৪২. (ক্রেতা-বিক্রেতার) ক্রয়-বিক্রয় বাতিল করার ইখতিয়ার কতক্ষণ থাকবে?
  • ৩৪/৪৩. ইখতিয়ারের সময়-সীমা নির্ধারণ না করলে ক্রয়-বিক্রয় কি বৈধ হবে?
  • ৩৪/৪৪. ক্রেতা-বিক্রেতা বেচা-কেনা বাতিল করার ইখতিয়ার ততক্ষণ পর্যন্ত থাকে যতক্ষণ না তারা পরস্পর পৃথক হয়।
  • ৩৪/৪৫. ক্রেতা এবং বিক্রেতা ক্রয়-বিক্রয়ের পর একে অপরকে ইখতিয়ার প্রদান করলে ক্রয়-বিক্রয় অবশ্যই বহাল হবে।
  • ৩৪/৪৬. শুধু বিক্রেতার জন্য ইখতিয়ার থাকলে ক্রয়-বিক্রয় বৈধ হবে কি?
  • ৩৪/৪৭. কেউ কোন দ্রব্য ক্রয় করে উভয়ের বিচ্ছিন্ন হওয়ার আগে সে মুহূর্তেই দান করে দিল, এবং ক্রেতা বিক্রেতা এই কাজে আপত্তি না জানায় অথবা কেউ ক্রীতদাস খরিদ করে সে সময়ই মুক্ত করে দেয়।
  • ৩৪/৪৮. ক্রয়-বিক্রয়ে ধোঁকা দেয়া অপছন্দনীয়।
  • ৩৪/৪৯. বাজার বা ব্যবসা কেন্দ্র সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
  • ৩৪/৫০. বাজারে চিল্লানো ও হৈ হুল্লোড় করা অপছন্দনীয়।
  • ৩৪/৫১. ওজন করার পারিশ্রমিক প্রদানের দায়িত্ব বিক্রেতা বা দ্রব্য প্রদানকারীর উপর।
  • ৩৪/৫২. মেপে দেয়া পছন্দনীয়।
  • ৩৪/৫৩. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সা‘ ও মুদ-এ (দু‘টো নির্দিষ্ট পরিমাপ) বরকত বা কল্যাণ কামনা সম্পর্কে।
  • ৩৪/৫৪. খাদ্য শষ্য বিক্রয় করা ও তা মজুতদারী সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়।
  • ৩৪/৫৫. হস্তগত হওয়ার পূর্বে খাদ্য বিক্রি করা এবং যে পণ্য নিজের কাছে নেই তা বিক্রি করা।
  • ৩৪/৫৬. কোন ব্যক্তি অনুমানের ভিত্তিতে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করলে কারো কারো মতে যতক্ষণ তা নির্দিষ্ট স্থানে না পৌঁছাবে ততক্ষণ পর্যন্ত তা বিক্রয় করা জায়িয নয়।
  • ৩৪/৫৭. কোন বস্তু বা জন্তু ক্রয় করার আগে বিক্রেতার নিকট তা রেখে বিক্রয় করা অথবা হস্তগত করার আগে এর মৃত্যু হওয়া।
  • ৩৪/৫৮. কেউ যেন তার ভাইয়ের ক্রয়-বিক্রয়ের উপর ক্রয়-বিক্রয় না করে, এবং তার দাম দস্তুর করার উপর দর-দাম না করে যতক্ষণ না সে অনুমতি প্রদান করে বা ছেড়ে দেয়।
  • ৩৪/৫৯. নিলাম ডাকে কেনা-বেচা।
  • ৩৪/৬০. ধোঁকাপূর্ণ দালালী এবং এরূপ ক্রয়-বিক্রয় অবৈধ হওয়ার মতামত।
  • ৩৪/৬১. ধোঁকাপূর্ণ ক্রয়-বিক্রয় এবং গর্ভস্থিত বাচ্চা গর্ভ হতে বের হওয়ার পর তা গর্ভবতী হয়ে বাচ্চা প্রসব করা পর্যন্ত মেয়াদে বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৬২. ছোঁয়ার মাধ্যমে কেনা-বেচা করা।
  • ৩৪/৬৩. মুনাবাজার (পরস্পর নিক্ষেপের) দ্বারা ক্রয়-বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৬৪. উষ্ট্রি, গাভী ও বকরীর দুধ বেশী দেখানোর জন্য পালানে দুধ জমা করা বিক্রেতার জন্য নিষেধ।
  • ৩৪/৬৫. কেউ পালানে দুধ জমা করা পশু খরিদ করার পর চাইলে ফিরিয়ে দিতে পারে। কিন্তু তা দোহন করার বিনিময়ে এক সা‘ খেজুর প্রদান করতে হবে।
  • ৩৪/৬৬. যিনাকার গোলামের বিক্রয়ের বর্ণনা।
  • ৩৪/৬৭. মহিলার সাথে কেনা-বেচা জায়িয।
  • ৩৪/৬৮. শহরের অধিবাসী কি গ্রামাঞ্চলের বাসিন্দার পক্ষ হতে বিক্রয় করতে কিংবা তাকে সাহায্য বা সৎ পরামর্শ প্রদান করতে পারে?
  • ৩৪/৬৯. মজুরী নিয়ে শহরবাসী কর্তৃক পল্লীবাসীর পক্ষে বিক্রয় করাকে যারা দূষণীয় মনে করেন।
  • ৩৪/৭০. শহরবাসী পল্লীবাসীর জন্য দালালীর মাধ্যমে কোন সামগ্রী ক্রয় করবে না।
  • ৩৪/৭১. সস্তায় কিছু ক্রয় করার মানসে অগ্রসর হয়ে কাফেলার সঙ্গে মিলিত হয়ে কিছু ক্রয় করার প্রতি নিষেধাজ্ঞা এবং এ ধরনের খরিদ এক প্রকার অবৈধ কাজ ও প্রতারণা- এ কথা জেনেও কেউ তা করলে সে অবাধ্য ও পাপী।
  • ৩৪/৭২. অগ্রসর হয়ে কাফেলার সঙ্গে (বণিক দলের সাথে) সাক্ষাতের সীমা।
  • ৩৪/৭৩. বেচা-কেনায় অবৈধ শর্তারোপ করা।
  • ৩৪/৭৪. খেজুরের পরিবর্তে খেজুর বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৭৫. শুকনো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং খাদ্য দ্রব্যের পরিবর্তে খাদ্য দ্রব্য ক্রয় বিক্রয়।
  • ৩৪/৭৬. যবের বদলে যব (বার্লির বদলে বার্লি) বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৭৭. সোনার পরিবর্তে সোনা বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৭৮. রৌপ্যের বদলে রৌপ্য বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৮০. বাকীতে সোনার পরিবর্তে রৌপ্যের ক্রয়-বিক্রয়।
  • ৩৪/৮১. রৌপ্যের পরিবর্তে নগদ নগদ সোনা বিক্রয় করার বর্ণনা।
  • ৩৪/৮২. মুযাবানা পদ্ধতিতে কেনা-বেচা। অর্থাৎ গাছের খেজুরের বদলে শুকনো খেজুর, রসালো আঙ্গুরের পরিবর্তে শুকনো আঙ্গুর এবং ধারে বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৮৩. সোনা ও রূপার বদলে গাছের খেজুর ক্রয়-বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৮৪. আরায়্যা এর ব্যাখ্যা।
  • ৩৪/৮৫. ব্যবহার উপযোগী হওয়ার আগেই ফল বেচা-কেনার বিবরণ।
  • ৩৪/৮৬. খেজুর ব্যবহার উপযোগী হবার আগে তা বিক্রি করা।
  • ৩৪/৮৭. ব্যবহার উপযোগী হওয়ার আগে যদি কেউ ফল বিক্রয় করে এবং কোন প্রকার প্রাকৃতিক দুর্যোগে তা নষ্ট হয়ে যায় তাহলে বিক্রেতাকে সে ক্ষতির দায়িত্ব বহন করতে হবে।
  • ৩৪/৮৮. নির্দিষ্ট মেয়াদে ধারে খাদ্যদ্রব্য ক্রয় করা ।
  • ৩৪/৮৯. উৎকৃষ্ট খেজুরের বিনিময়ে নষ্ট খেজুর বিক্রি করতে চাইলে।
  • ৩৪/৯০. স্ত্রী খেজুরের কাদিতে নর খেজুরের রেণু প্রবৃষ্ট করানো হয়েছে এরূপ খেজুর গাছের বিক্রেতা অথবা ফসল সহ জমি বিক্রেতা বা ঠিকা হিসাবে প্রদানকারীর বিবরণ।
  • ৩৪/৯১. মাঠের ফসল (যা এখনও কাটা হয়নি) ওজনকৃত খাদ্যের বদলে ফসল বিক্রি করা।
  • ৩৪/৯২. মূল শিকড় সহ খেজুর গাছ বিক্রি করা।
  • ৩৪/৯৩. কাঁচা ফল ও শস্য বিক্রয় করা।
  • ৩৪/৯৪. খেজুরের মাথি বিক্রি করা এবং তা খাওয়ার বিবরণ।
  • ৩৪/৯৫. ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা, মাপ ও ওজন ইত্যাদি প্রত্যেক শহরে প্রচলিত রসম ও নিয়ম গ্রহণযোগ্য। এ বিষয়ে তাদের নিয়্যত ও প্রসিদ্ধ পন্থাই অবলম্বন করা হবে।
  • ৩৪/৯৬. এক অংশীদার কর্তৃক (তার অংশ) থেকে অপর অংশীদারের কাছে বিক্রি করা।
  • ৩৪/৯৭. এজমালী জমি, বাড়ি ও অন্যান্য আসবাবপত্র বিক্রি করা।
  • ৩৪/৯৮. কারো বিনা অনুমতিতে তার জন্য কোন জিনিস ক্রয় করা হলো এবং সে তাতে সমর্থন দান করলো।
  • ৩৪/৯৯. মুশরিক ও শত্রু রাষ্ট্রের অধিবাসীদের সাথে বেচা-কেনা।
  • ৩৪/১০০. শত্রু রাষ্ট্রের নাগরিকের নিকট হতে কৃতদাস ক্রয় করা, হেবা করা এবং মুক্ত করা।
  • ৩৪/১০১. প্রক্রিয়াজাত করার পূর্বে মৃত জন্তুর চামড়ার ব্যবহার সম্পর্কে।
  • ৩৪/১০২. শূকর হত্যা করা।
  • ৩৪/১০৩. মৃত জন্তুর চর্বি গলানো জায়েয নয়। এরূপ চর্বিজাত তেল বিক্রি করাও যাবে না।
  • ৩৪/১০৪. প্রাণহীন জিনিসের ছবি বেচা-কেনা এবং এসব ছবির মধ্যে যেগুলো অপছন্দনীয় ও নিষিদ্ধ তার বর্ণনা।
  • ৩৪/১০৫. মদের ব্যবসা হারাম।
  • ৩৪/১০৬. স্বাধীন মানুষ বিক্রয়কারীর গুনাহ।
  • ৩৪/১০৮. কৃতদাসীর পরিবর্তে কৃতদাসী এবং জানোয়ারের পরিবর্তে জানোয়ার বাকীতে বিক্রয়।
  • ৩৪/১০৯. কৃতদাসীদের বিক্রয় করার বিবরণ।
  • ৩৪/১১০. মুদাবিবর (মনিবের মৃত্যুর পর যে কৃতদাস আযাদ হবে) বিক্রির বর্ণনা।
  • ৩৪/১১১. ইসতিবরা অর্থাৎ জরায়ু গর্ভমুক্ত কি-না তা অবগত হওয়ার আগে দাসীকে নিয়ে ভ্রমণে বের হওয়া যায় কিনা।
  • ৩৪/১১৩. কুকুরের বিনিময়।
  • ৩৫/ সলম (অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়) (كتاب السلم) ১৮ টি | ২২৩৯-২২৫৬ পর্যন্ত 35/ Sales in which a Price is paid for Goods to be Delivered Later (As-Salam)
  • ৩৫/১. মাপ বা নির্দিষ্ট পরিমাপে অগ্রিম ক্রয়-বিক্রয়।
  • ৩৫/২. নির্দিষ্ট ওজনে অগ্রিম বেচা-কেনা।
  • ৩৫/৩. এমন ব্যক্তির নিকটে আগাম মূল্য প্রদান করা যার কাছে মূল বস্তু নেই।
  • ৩৫/৪. খেজুরে অগ্রিম বেচা-কেনা।
  • ৩৫/৫. আগাম বেচা-কেনায় জামিন নিযুক্ত করা।
  • ৩৫/৬. অগ্রিম বেচা-কেনায় বন্ধক রাখা।
  • ৩৫/৭. নির্দিষ্ট মেয়াদে অগ্রিম বেচা-কেনা।
  • ৩৫/৮. উটনীর বাচ্চা প্রসবের মেয়াদে অগ্রিম বেচা-কেনা।
  • ৩৬/ শুফ্‘আহ (كتاب الشفعة) ৩ টি | ২২৫৭-২২৫৯ পর্যন্ত 36/ Shuf'a
  • ৩৬/১. স্থাবর অস্থাবর সম্পত্তিতে শুফ‘আহ এর অধিকার। যখন (ভাগ-বাঁটোয়ারা হয়ে) সীমানা নির্ধারিত হয়ে যায়, তখন আর শুফ‘আহ এর অধিকার থাকে না।
  • ৩৬/২. বিক্রয়ের আগে শুফ্‘আ এর অধিকারীর কাছে (বিক্রয়ের) প্রস্তাব করা।
  • ৩৬/৩. অধ্যায় : কোন্ প্রতিবেশী অধিক নিকটবর্তী।
  • ৩৭/ ইজারা (كتاب الإجارة) ২৭ টি | ২২৬০-২২৮৬ পর্যন্ত 37/ Hiring  
  • ৩৭/১. সৎ ব্যক্তিকে শ্রমিক হিসেবে নিয়োগ প্রদান।
  • ৩৭/২. কয়েক কিরাআতের বদলে ছাগল-ভেড়া চরানো।
  • ৩৭/৩. প্রয়োজনবোধে অথবা কোন মুসলিম পাওয়া না গেলে মুশরিকদের শ্রমিক নিয়োগ করা।
  • ৩৭/৪. যদি কোন ব্যক্তি এ শর্তে কোন শ্রমিক নিয়োগ করে যে, সে তিন দিন অথবা এক মাস অথবা এক বছর পর কাজ করে দেবে, তবে তা বৈধ। তখন নির্ধারিত সময় আসলে উভয়েই তাদের নির্দিষ্ট শর্তাবলীর উপর বহাল থাকবে।
  • ৩৭/৫. জিহাদের ময়দানে মজদুর নিয়োগ।
  • ৩৭/৭. পতিত প্রায় কোন দেয়াল খাড়া করে দেয়ার জন্য মজদুর নিয়োগ করা জায়িয।
  • ৩৭/৮. অর্ধেক দিনের জন্য মজদুর নিয়োগ করা।
  • ৩৭/৯. আসরের নামাজ পর্যন্ত শ্রমিক নিয়োগ করা।
  • ৩৭/১০. মজদুরকে পারিশ্রমিক না দেয়ার পাপ।
  • ৩৭/১১. আসর সময় হতে রাত পর্যন্ত শ্রমিক নিয়োগ করা।
  • ৩৭/১২. কোন লোককে শ্রমিক নিয়োগ করার পর সে পারিশ্রমিক না নিলে নিয়োগকর্তা সে ব্যক্তির পারিশ্রমিকের টাকা কাজে খাটালো, ফলে তা বৃদ্ধি পেল এবং যে ব্যক্তি অপরের সম্পদ কাজে লাগালো এতে তা বৃদ্ধি পেল।
  • ৩৭/১৩. যে ব্যক্তি নিজেকে পিঠে বোঝা বহনের কাজে নিয়োগ করে প্রাপ্ত পারিশ্রমিক হতে দান-খয়রাত করে এবং বোঝা বহনকারীর মজুরী প্রসঙ্গে।
  • ৩৭/১৪. দালালীর প্রাপ্য প্রসঙ্গে।
  • ৩৭/১৫. অমুসলিম দেশে কোন (মুসলিম) ব্যক্তি নিজেকে দারুল হারবের কোন মুশরিকের শ্রমিক খাটতে পারবে কি ?
  • ৩৭/১৬. কোন আরব গোত্রে সূরা ফাতিহা পড়ে ঝাড়-ফুঁক করার বদলে কিছু দেয়া হলে।
  • ৩৭/১৭. কৃতদাসীর কাছ থেকে মাসুল নির্ধারণ এবং বাঁদীর মাসুলের প্রতি সজাগ দৃষ্টি রাখা।
  • ৩৭/১৮. রক্ত মোক্ষণকারীর উপার্জন।
  • ৩৭/১৯. কোন ব্যক্তির কোন কৃতদাসীর মালিকের সাথে এ মর্মে আবেদন করা- সে যেন তার উপর ধার্যকৃত কর কমিয়ে দেয়।
  • ৩৭/২০. কৃতদাসী এবং পতিতার উপার্জন।
  • ৩৭/২১. পশুকে পাল দেয়ার মাশুল।
  • ৩৭/২২. যদি কোন ব্যক্তি ভূমি ইজারা নেয় এবং তাদের দু’জনের কেউ মৃত্যুবরণ করে।
  • ৩৮/ হাওয়ালাত (ঋণ আদায়ের দায়িত্ব গ্রহণ করা) (كتاب الحوالات) ৩ টি | ২২৮৭-২২৮৯ পর্যন্ত 38/ Transferance of a Debt from One Person to Another (Al-Hawaala)
  • ৩৮/১. হাওয়াল (দায় অপসারণ) করা। হাওয়ালা করার পর পুনরায় হাওয়ালাকারীর নিকট দাবী করা যায় কি?
  • ৩৮/২. যখন (ঋণ) কোন আমীর ব্যক্তির হাওয়ালা করা হয়, তখন (তা মেনে নেয়ার পর) তার পক্ষে প্রত্যাখ্যান করার ইখতিয়ার নেই।
  • ৩৮/৩. কারো উপর মৃত ব্যক্তির ঋণের ভার হাওয়ালা করা জায়েয।
  • ৩৯/ যামিন হওয়া (كتاب الكفالة) ৯ টি | ২২৯০-২২৯৮ পর্যন্ত 39/ Kafalah
  • ৩৯/১. দেনা ও কর্জের ব্যাপারে দেহ এবং অন্য কিছুর আর্থিক দায় প্রসঙ্গে।
  • ৩৯/২. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘যাদের সঙ্গে তোমরা প্রতিশ্রতিবদ্ধ তাদেরকে তাদের অংশ দিয়ে দিবে।’’ (আন-নিসাঃ ৩৩)
  • ৩৯/৩. যদি কোন ব্যক্তি কোন মৃত ব্যক্তির দেনার দায় গ্রহণ করে, তবে তার এ দায়িত্ব এড়িয়ে যাবার ইখ্তিয়ার নেই।
  • ৩৯/৪. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর যামানায় আবূ বাকার সিদ্দীক (রাঃ) কর্তৃক (মুশরিকদের) নিরাপত্তা দান এবং তার অঙ্গীকারাবদ্ধ হওয়ার বর্ণনা।
  • ৩৯/৫. ঋণ
  • ৪০/ ওয়াকালাহ (প্রতিনিধিত্ব) (كتاب الوكالة) ২১ টি | ২২৯৯-২৩১৯ পর্যন্ত 40/ Representation, Authorization, Business by Proxy
  • ৪০/১. ভাগ বাঁটোয়ারা ইত্যাদির ক্ষেত্রে এক শরীক অন্য শরীকের ওয়াকিল হওয়া।
  • ৪০/২. মুসলিমের পক্ষে কোন মুসলিমকে মুসলিম দেশে কিংবা অমুসলিম দেশে প্রতিনিধি নিয়োগ করা বৈধ।
  • ৪০/৩. স্বর্ণ-রৌপ্য বেচা-কেনা ও ওজনে বিক্রয়যোগ্য বস্তুসমূহে প্রতিনিধি নিয়োগ করা।
  • ৪০/৪. যখন রাখাল অথবা প্রতিনিধি দেখে যে, কোন বকরী মারা যাচ্ছে কিংবা কোন জিনিস নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, তখন সে বকরিটাকে যবেহ্ করে দিবে এবং যে জিনিসটা নষ্ট হওয়ার আশঙ্কা দেখা দেয়, সেটাকে ঠিক রাখার ব্যবস্থা করবে।
  • ৪০/৫. উপস্থিত ও অনুপস্থিত ব্যক্তিকে ওয়াকীল নিয়োগ করা বৈধ।
  • ৪০/৬. ঋণ পরিশোধ করার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ।
  • ৪০/৭. কোন প্রতিনিধিকে কিংবা কোন কওমের সুপারিশকারীকে কোন দ্রব্য হিবা করা বৈধ।
  • ৪০/৮. কেউ কোন লোককে কিছু দান করার জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করে, কিন্তু কত দিবে তা উল্লেখ করেনি, তবে সে নিয়ম অনুযায়ী দান করবে।
  • ৪০/৯. নারী কর্তৃক বিয়ের ক্ষেত্রে ইমামকে কাফিল নিয়োগ করা।
  • ৪০/১০. যদি কেউ কোন লোককে প্রতিনিধি নিয়োগ করে এবং ঐ প্রতিনিধি কোন কিছু বাদ দেয় অতঃপর প্রতিনিধি নিয়োগকারী তা অনুমোদন করে তবে এটা বৈধ। আর প্রতিনিধি যদি নির্দিষ্ট মেয়াদে কাউকে ধার প্রদান করে তবে তা বৈধ।
  • ৪০/১১. যদি ওয়াকীল কোন খারাপ জিনিস বিক্রয় করে, তবে তার বিক্রয় গ্রহণযোগ্য নয়।
  • ৪০/১২. ওয়াক্ফকৃত সম্পদে প্রতিনিধি নিয়োগ ও তার খরচপত্র এবং তার বন্ধু-বান্ধবকে আহার করানো, আর নিজেও শরী‘আত সম্মতভাবে আহার করা প্রসঙ্গে।
  • ৪০/১৩. (শরী‘আত নির্ধারিত শাস্তি) দন্ড প্রয়োগের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ করা।
  • ৪০/১৪. কুরবানীর উট ও তার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য প্রতিনিধি নিয়োগ।
  • ৪০/১৫. যখন কোন লোক তার নিয়োজিত প্রতিনিধিকে বলল, এ মাল আপনি যেখানে ভাল মনে করেন খরচ করেন এবং ওয়াকীল বলল, আপনি যা বলেছেন তা আমি শ্রবণ করেছি।
  • ৪০/১৬. কোষাগার ইত্যাদিতে বিশ্বস্ত প্রতিনিধি নিয়োগ করা।
  • ৪১/ চাষাবাদ (كتاب المزارعة) ৩১ টি | ২৩২০-২৩৫০ পর্যন্ত 41/ Agriculture
  • ৪১/১. আহারের জন্য খাদ্যশষ্য উৎপাদন এবং ফলবান বৃক্ষ রোপণের গুরুত্ব।
  • ৪১/২. শুধু কৃষি সরঞ্জাম নিয়ে ব্যস্ত থাকার অথবা নির্দেশিত সীমালঙ্ঘন করার পরিণতি সম্পর্কে সতর্কীকরণ ।
  • ৪১/৩. ক্ষেত-খামার রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কুকুর পালা।
  • ৪১/৪. চাষাবাদের কাজে গরু ব্যবহার করা।
  • ৪১/৫. যখন কোন ব্যক্তি বলল যে, তুমি খেজুর ইত্যাদির বাগানে মেহনত কর, ¬আর তুমি উৎপাদিত ফলে আমার অংশীদার হবে।
  • ৪১/৬. খেজুর গাছ ও অন্যান্য গাছ কাটা প্রসঙ্গে।
  • ৪১/৭. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৪১/৮. অর্ধেক বা এর অনুরূপ পরিমাণ ফসলের শর্তে ভাগে চাষাবাদ করা।
  • ৪১/৯. ভাগচাষে যদি বছর নির্ধারণ না করে।
  • ৪১/১০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৪১/১১. ইয়াহূদীদের সাথে জমি ভাগে চাষ করা।
  • ৪১/১২. ভাগচাষে যেসব শর্তারোপ করা মাকরূহ বা অপছন্দনীয়।
  • ৪১/১৩. যদি কেউ অন্যদের সম্পদ দিয়ে তাদের অনুমতি ব্যতিরেকে কৃষি কাজ করে এবং তাতে তাদের কল্যাণ নিহিত থাকে তবে তা বৈধ।
  • ৪১/১৪. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণের ওয়াক্ফ ও খাজনার জমি এবং তাঁদের কৃষিকাজ ও লেনদেন প্রসঙ্গে।
  • ৪১/১৫. যে ব্যক্তি অনাবাদী জমি চাষ করে।
  • ৪১/১৬. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৪১/১৭. জমির মালিক বলল, আমি তোমাকে ততদিনের জন্য অবস্থান করতে দেব যতদিন আল্লাহ তা‘আলা তোমাকে অবস্থান করতে দেন এবং কোন নির্দিষ্ট সময়ের উল্লেখ করল না। এমতাবস্থায় তারা একসাথে যতদিন রাযি থাকে ততদিন-এ চুক্তি বলবৎ থাকবে।
  • ৪১/১৮. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর সাহাবীগণ (রাঃ) কৃষিকাজ ও ফল-ফসল উৎপাদনে একে অপরকে সহয়তা করতেন তার বিবরণ।
  • ৪১/১৯. সোনা-রূপার বিনিময়ে জমি কিরায়া (নগদ বিক্রি) করা।
  • ৪১/২০.পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৪১/২১. গাছ লাগানো সম্পর্কে।
  • ৪২/ পানি সেচ (كتاب المساقاة) ৩৪ টি | ২৩৫১-২৩৮৪ পর্যন্ত 42/ Distribution of Water
  • ৪২/২. পানির মালিক পানি ব্যবহারের বেশী হকদার, তার জমি পরিসিঞ্চিত না হওয়া পর্যন্ত।
  • ৪২/৩. কেউ যদি নিজের জায়গায় কুয়া খনন করে (এবং তাতে যদি কেউ পড়ে মৃত্যু বরণ করে) তবে মালিক তার জন্য দোষি থাকবে না।
  • ৪২/৪. কুয়া নিয়ে ঝগড়া এবং এ ব্যাপারে মীমাংসা।
  • ৪২/৫. যে ব্যক্তি মুসাফিরকে পানি দিতে অস্বীকৃতি জানায়, তার গুনাহ।
  • ৪২/৬. নদী-নালার পানি আটকানো।
  • ৪২/৭. নীচু ভুমির পূর্বে উঁচু ভুমিতে সেচ দেয়া।
  • ৪২/৮. উঁচু জমির মালিক পায়ের গিরা পর্যন্ত পানি নিয়ে নেবে।
  • ৪২/৯. পানি পান করানোর গুরুত্ব।
  • ৪২/১০. যাদের মতে চৌবাচ্চা ও মশ্কের মালিক পানির অধিক অধিকারী।
  • ৪২/১১. একমাত্র আল্লাহ ও তার রসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) ছাড়া অন্য কারো সংরক্ষিত চারণভূমি থাকতে পারে না।
  • ৪২/১২. নহর (নদী-নালা খাল-বিল) হতে মানুষ ও চতুষ্পদ জানোয়ারের পানি পান করা সম্পর্কে।
  • ৪২/১৩. শুকনো জ্বালানী কাঠ ও ঘাস বিক্রয় করা।
  • ৪২/১৪. জায়গীর দেয়া।
  • ৪২/১৫. জায়গীর লিপিবদ্ধ করা।
  • ৪২/১৬. পানি পান করানোর স্থানে উট দোহন করা।
  • ৪২/১৭. খেজুরের বা অন্য কিছুর বাগানে কোন লোকের চলার রাস্তা কিংবা পানির কুয়া থাকা।
  • ৪২/০০. পানি পান সম্পর্কে।
  • ৪৩/ ঋণ গ্রহণ, ঋণ পরিশোধ, নিষেধাজ্ঞা আরোপ ও দেউলিয়া ঘোষণা (كتاب فى الاستقراض) ২৫ টি | ২৩৮৫-২৪০৯ পর্যন্ত 43/ Loans, Payment of Loans, Freezing of Property, Bankruptcy
  • ৪৩/১. যার কাছে জিনিসের মূল্য পরিমাণ অর্থ নেই বা সাথে নেই এমন ক্রেতার কোন জিনিস ক্রয় করা।
  • ৪৩/২. পরিশোধ করার বা ধ্বংস করার উদ্দেশে কারো সম্পত্তি গ্রহণ করা।
  • ৪৩/৩. ঋণ পরিশোধ করা।
  • ৪৩/৪. উট কর্জ নেয়া।
  • ৪৩/৫. পাওনার জন্য ভদ্র ও উত্তম পন্থায় তাগাদা করা।
  • ৪৩/৬. কম বয়সের উটের বিনিময়ে বেশী বয়সের উট দেয়া যায় কি?
  • ৪৩/৭. ভালভাবে ঋণ পরিশোধ করা।
  • ৪৩/৮. পাওনা অপেক্ষা কম আদায় করা কিংবা মাফ করে দেয়া জায়িয।
  • ৪৩/৯. ঋণদাতার সঙ্গে কথা বলা এবং খেজুর অথবা অন্য কিছুর বদলে ঋণ অনুমানে আদায় করা জায়িয।
  • ৪৩/১০. ঋণ থেকে আশ্রয় চাওয়া।
  • ৪৩/১১. ঋণগ্রস্ত (মৃত) ব্যক্তির উপর জানাযার সালাত।
  • ৪৩/১২. ধনী ব্যক্তির (ঋণ আদায়ে) গড়িমসি করা অত্যাচারের শামিল।
  • ৪৩/১৩. পাওনাদার ব্যক্তির কড়া কথা বলবার অধিকার রয়েছে।
  • ৪৩/১৪. ঋণ, বিক্রয় ও আমানত হিসেবে রক্ষিত নিজ সম্পদ কেউ যদি দেউলিয়া লোকের নিকট পায় তবে সে-ই তার অধিকারী।
  • ৪৩/১৬. গরীব বা অভাবী ব্যক্তির সম্পত্তি বিক্রয় করে তা পাওনাদারদের মধ্যে বন্টন করে দেয়া অথবা তার নিজের খরচের জন্য দিয়ে দেয়া।
  • ৪৩/১৭. একটি নির্দিষ্ট সময়ের জন্য ঋণ দেয়া কিংবা ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে সময় নির্ধারণ করা।
  • ৪৩/১৮. ঋণভার কমানোর সুপারিশ।
  • ৪৩/১৯. ধন-সম্পত্তি অপচয় করা নিষিদ্ধ।
  • ৪৩/২০. কৃতদাস তার মনিবের সম্পত্তির রক্ষক। সে তার মনিবের আদেশ ছাড়া তা ব্যয় করবে না।
  • ৪৪/ ঝগড়া-বিবাদ মীমাংসা (كتاب الخصومات) ১৬ টি | ২৪১০-২৪২৫ পর্যন্ত 44/ Khusoomaat
  • ৪৪/১. ঋণগ্রস্তকে স্থানান্তরিত করা এবং মুসলিম ও ইয়াহূদীর মধ্যকার ঝগড়ার আপোষ।
  • ৪৪/৩. যে ব্যক্তি কোন নির্বোধ বা এ ধরনের কোন লোকের সম্পত্তি বিক্রি করে এবং বিক্রি মূল্য তাকে দিয়ে দেয় ও তাকে তার অবস্থার উন্নতি ও অর্থকে যথাযথ ব্যবহার করতে নির্দেশ দেয়। এরপর যদি সে তার অর্থ নষ্ট করে দেয় তাহলে সে তাকে অর্থ ব্যবহার করা হতে বিরত রাখবে।
  • ৪৪/৪. বিবদমানদের পরস্পরের আলাপ-আলোচনা সম্পর্কে।
  • ৪৪/৫. পাপে ও বিবাদে লিপ্ত লোকদের অবস্থা অবগত হওয়ার পর তাদেরকে ঘর হতে বহিষ্কার করা।
  • ৪৪/৬. মৃত ব্যক্তির ওসীয়াতের দাবী।
  • ৪৪/৮. হারম শরীফে (কাউকে) বেঁধে রাখা এবং বন্দী করা।
  • ৪৪/৯. পাওনা আদায়ের জন্য (ঋণদাতা ঋণী ব্যক্তির) পিছনে লেগে থাকা।
  • ৪৪/১০. ঋণের পরিশোধের জন্য তাগাদা করা।
  • ৪৪/৭. কারো দ্বারা ক্ষতির আশঙ্কা থাকলে তাকে বন্দী করা।
  • ৪৫/ পড়ে থাকা জিনিস উঠিয়ে নেয়া (كتاب فى اللقطة) ১৪ টি | ২৪২৬-২৪৩৯ পর্যন্ত 45/ Lost Things Picked up by Someone (Luqatah)
  • ৪৫/১. পড়ে থাকা জিনিসের মালিক এসে আলামতের বর্ণনা দিলে তাকে তা ফিরিয়ে দিবে।
  • ৪৫/২. হারিয়ে যাওয়া উষ্ট্র।
  • ৪৫/৩. হারিয়ে যাওয়া ছাগল।
  • ৪৫/৪. এক বছরের মধ্যে যদি পড়ে থাকা জিনিসের মালিকের দেখা পাওয়া না যায় তবে সেটা যে পেয়েছে তারই হবে।
  • ৪৫/৫. নদীতে শুকনা কাষ্ঠখন্ড বা চাবুক অথবা এ জাতীয় কোন কিছু পাওয়া গেলে।
  • ৪৫/৬. রাস্তায় খেজুর পাওয়া গেলে।
  • ৪৫/৭. মক্কাবাসীদের পড়ে থাকা জিনিসের ঘোষণা কিভাবে দেয়া হবে।
  • ৪৫/৮. অনুমতি ছাড়া কারো পশু দোহন করবে না।
  • ৪৫/৯. পড়ে থাকা জিনিসের মালিক এক বছর পরে ফিরে আসলে তার জিনিস তাকে ফিরিয়ে দিবে। কারণ সেটা তার কাছে আমানত ছিল।
  • ৪৫/১০. পড়ে থাকা জিনিস যাতে খারাপ না হয় এবং কোন অবাঞ্ছিত ব্যক্তি যাতে তুলে না নেয় সে জন্য তা তুলে নিবে কি?
  • ৪৫/১১. যে ব্যক্তি পড়ে থাকা জিনিসের ঘোষণা করেছে বটে, কিন্তু তা সরকারের কাছে অর্পণ করেনি।
  • ৪৫/১২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৪৬/ অত্যাচার, কিসাস ও লুণ্ঠন (كتاب المظالم) ৪৩ টি | ২৪৪০-২৪৮২ পর্যন্ত 46/ Oppressions
  • ৪৬/১. অপরাধের শাস্তি।
  • ৪৬/২. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ সাবধান! যালিমদের উপর আল্লাহর অভিশাপ।
  • ৪৬/৩. মুসলিম মুসলিমের প্রতি অত্যাচার করবে না এবং তাকে অপমানিতও করবে না।
  • ৪৬/৪. তোমার ভাইকে সাহায্য কর, সে অত্যাচারী হোক বা অত্যাচারিত।
  • ৪৬/৫. অত্যাচারিতকে সাহায্য করা।
  • ৪৬/৮. জুলুম কিয়ামতের দিন গাঢ় অন্ধকার রূপ ধারণ করবে।
  • ৪৬/৯. মাযলুমের বদ-দোয়াকে ভয় করা এবং তা হতে বেঁচে থাকা।
  • ৪৬/১০. কেউ কারো উপর যুলুম করে এবং মাযলুম ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দেয় এর পরও সে অত্যাচারের কথা প্রকাশ করতে পারবে কি?
  • ৪৬/১১. যদি কেউ কারো জুলুম বা অন্যায় মাফ করে দেয়, তবে সে জুলুমের জন্য পুনরায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা চলবে না।
  • ৪৬/১২. যদি কোন ব্যক্তি কাউকে কোন বিষয়ে অনুমতি প্রদান করে, তাকে মাফ করে, কিন্তু কী পরিমাণ ক্ষমা করল কিংবা কতটুকুর জন্য অনুমতি প্রদান করল তা উল্লেখ না করে।
  • ৪৬/১৩. কোন ব্যক্তি কারো জমির কিছু অংশ ছিনিয়ে নেয় অথবা জুলুম করে নিয়ে নেয় তার গুনাহ।
  • ৪৬/১৪. যদি কোন ব্যক্তি কাউকে কোন বিষয়ে অনুমতি প্রদান করে তবে তা বৈধ।
  • ৪৬/১৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ প্রকৃতপক্ষে সে ঘোর বিরোধী। (আল-বাকারাঃ ২০৪)
  • ৪৬/১৬. যে ব্যক্তি জেনে শুনে অন্যায় বিষয়ে বিবাদ করে, তার গুনাহ।
  • ৪৬/১৭. ঝগড়া বিবাদ করার সময় অশ্লীল ভাষা প্রয়োগ।
  • ৪৬/১৮. অত্যাচারীর সম্পদ যদি অত্যাচারিতের হস্তগত হয়, তবে তা হতে সে নিজের প্রতিশোধ গ্রহণ করতে পারে।
  • ৪৬/১৯. ছায়াযুক্ত স্থান সম্পর্কে।
  • ৪৬/২০. কোন প্রতিবেশী যেন তার প্রতিবেশীকে তার দেয়ালে খুঁটি লাগাতে নিষেধ না করে।
  • ৪৬/২১. রাস্তায় মদ বহিয়ে দেয়া।
  • ৪৬/২২. ঘরের আঙিনা এবং সেখানে রাস্তায় বসা।
  • ৪৬/২৩. রাস্তায় কূপ খনন করা, যদি তা যাতায়াতকারীদের কারো কষ্টের কারণ না হয়।
  • ৪৬/২৫. দালানের ছাদে বা অন্য কোথাও উঁচু বা নীচু চিলেকোঠা ও কক্ষ নির্মাণ করা।
  • ৪৬/২৬. যে ব্যক্তি তার উট মসজিদের উঠানে কিংবা দরজায় বেঁধে রাখে।
  • ৪৬/২৭. লোকজনের আবর্জনা নিক্ষেপের জায়গায় দাঁড়ানো ও পেশাব করা।
  • ৪৬/২৮. যে ব্যক্তি ডালপালা ও কষ্টদায়ক দ্রব্য রাস্তা থেকে তুলে দূরে নিক্ষেপ করে।
  • ৪৬/২৯. যদি ইজমালি পতিত জমিতে রাস্তার ব্যাপারে লোকেদের মাঝে মতবিরোধ দেখা দেয় এবং কোন শরীক সেখানে বাড়ী তৈরী করতে চায় তবে রাস্তার জন্য তা হতে সাত হাত জমি রেখে দিতে হবে।
  • ৪৬/৩০. মালিকের অনুমতি ব্যতীত লুটপাট করা।
  • ৪৬/৩১. ক্রুশ ভেঙ্গে ফেলা এবং শূকর হত্যা করা।
  • ৪৬/৩২. মদের (মৃৎপাত্র) মটকা ভেঙ্গে ফেলা অথবা মশক ছিদ্র করা যায় কি? যদি কেউ নিজের লাঠি দ্বারা মুর্তি বা ক্রুশ অথবা তবলা অথবা কোন অপ্রয়োজনীয় বস্তু ভেঙ্গে ফেলে (তবে তার হুকুম কী)?
  • ৪৬/৩৩. সম্পদ হিফাযাত করতে গিয়ে যে ব্যক্তি নিহত হয়।
  • ৪৬/৩৪. যদি কেউ অন্য কারো পাত্র বা কোন বস্তু ভেঙ্গে ফেলে।
  • ৪৬/৩৫. যদি কোন ব্যক্তি কারো দেয়াল ফেলে দেয় তবে অনুরূপ দেয়াল তৈরী করতে হবে।
  • ৪৭/ অংশীদারিত্ব (كتاب الشركة) ২৫ টি | ২৪৮৩-২৫০৭ পর্যন্ত 47/ Partnership
  • ৪৭/১. খাদ্য, পাথেয় এবং দ্রব্য সামগ্রীতে অংশ গ্রহণ।
  • ৪৭/২. কোন জিনিসের দুই জন অংশীদার থাকলে তারা যাকাত দানের পর তা আনুপাতিক হারে ভাগ করে নিবে।
  • ৪৭/৩. ছাগল ও ভেড়া ভাগ করা।
  • ৪৭/৪. এক সাথে খেতে বসলে সাথীর অনুমতি ছাড়া এক সাথে দু‘টো করে খেজুর ভক্ষণ করা ( নিষিদ্ধ)।
  • ৪৭/৫. শরীকদের মাঝে এজমালি দ্রব্যে উচিত দাম নির্ধারণ সম্পর্কে।
  • ৪৭/৬. লটারির মাধ্যমে অংশ নিরূপণ ও ভাগ করা যাবে কিনা?
  • ৪৭/৭. ইয়াতিম ও উত্তরাধিকারীদের অংশীদারিত্ব।
  • ৪৭/৮. জমি (বাড়ী বাগান) ইত্যাদিতে অংশীদারিত্ব।
  • ৪৭/৯. যদি অংশীদাররা ঘর, বাগান ইত্যাদি ভাগ করে নেয় তবে পুনরায় একত্রিত করার এবং শুফ‘আহ্ দাবি করার হক তাদের থাকে না।
  • ৪৭/১০. স্বর্ণ -রৌপ্য ও নগদ আদান প্রদানের বস্তুতে অংশীদারিত্ব।
  • ৪৭/১১. ভাগচাষে যিম্মী ও মুশরিকদের অংশীদার করা।
  • ৪৭/১২. ছাগল ভেড়ার ইনসাফের ভিত্তিতে ভাগ করা।
  • ৪৭/১৩. খাদ্য-দ্রব্য প্রভৃতিতে অংশীদারিত্ব।
  • ৪৭/১৪. কৃতদাস দাসীতে অংশীদারিত্ব।
  • ৪৭/১৫. কুরবানীর জানোয়ার ও উটে অংশগ্রহণ।
  • ৪৭/১৬. যে ব্যক্তি ভাগ করার সময় দশটি বকরীকে একটা উটের সমান মনে করে।
  • ৪৮/ বন্ধক (كتاب الرهن) ৯ টি | ২৫০৮-২৫১৬ পর্যন্ত 48/ Mortgaging
  • ৪৮/১. স্থায়ী বাসস্থানে থাকা অবস্থায় বন্ধক রাখা।
  • ৪৮/২. যে ব্যক্তি নিজ বর্ম বন্ধক রাখে।
  • ৪৮/৩. অস্ত্র বন্ধক রাখা।
  • ৪৮/৪. বন্ধক রাখা জন্তুর উপর চড়া যায় এবং দুধ দোহন করা যায়।
  • ৪৮/৫. ইয়াহূদী ও অন্যান্যদের (অমুসলিমের) নিকট বন্ধক রাখা।
  • ৪৮/৬. বন্ধকদাতা ও বন্ধক গ্রহীতার মাঝে বিরোধ দেখা দিলে বা অনুরূপ কোন কিছু হলে বাদীর দায়িত্ব সাক্ষী পেশ করা আর বিবাদীর দায়িত্ব শপথ করা।
  • ৪৯/ ক্রীতদাস আযাদ করা (كتاب العتق) ৪৩ টি | ২৫১৭-২৫৫৯ পর্যন্ত 49/ Manumission of Slaves
  • ৪৯/১. ক্রীতদাস আযাদ করা ও তার গুরুত্ব।
  • ৪৯/২. কোন্ ধরনের ক্রীতদাস আযাদ করা শ্রেয়?
  • ৪৯/৩. সূর্যগ্রহণ ও (আল্লাহর কুদরতের) বিভিন্ন নিদর্শন প্রকাশের সময় ক্রীতদাস আযাদ করা পছন্দনীয়।
  • ৪৯/৪. দু’ ব্যক্তির মালিকানাভুক্ত ক্রীতদাস বা কয়েকজন অংশীদারের দাসী আযাদ করা।
  • ৪৯/৫. কেউ ক্রীতদাসের নিজের অংশ আযাদ করে দিলে এবং তার জরুরী অর্থ না থাকলে চুক্তিবদ্ধ ক্রীতদাসের মতো তাকে অতিরিক্ত ক্লেশ না দিয়ে আয় করতে বলা হবে।
  • ৪৯/৬. ভুলক্রমে অথবা অনিচ্ছায় ক্রীতদাস আযাদ করা ও স্ত্রীকে তালাক দেয়া ইত্যাদি। আল্লাহ তা‘আলার সন্তোষ ব্যতীত অন্য কোন উদ্দেশে গোলাম আযাদ করা যায় না।
  • ৪৯/৭. আযাদ করার সংকল্পে কোন ব্যক্তি নিজের ক্রীতদাস সম্পর্কে ‘সে আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট’ বলা এবং আযাদ করার ক্ষেত্রে সাক্ষী রাখা।
  • ৪৯/৮. উম্মু ওয়ালাদ সম্পর্কে।
  • ৪৯/৯. মুদাববার (ক্রীতদাস) বিক্রয় করা।
  • ৪৯/১০. ক্রীতদাসের অভিভাবকত্ব বিক্রয় বা দান করা।
  • ৪৯/১১. কোন ব্যক্তির মুশরিক ভাই বা চাচা যুদ্ধে বন্দী হলে কি তাদের পক্ষ হতে মুক্তিপণ গ্রহণ করা হবে?
  • ৪৯/১২. মুশরিক কর্তৃক গোলাম আযাদ করা।
  • ৪৯/১৩. কোন আরব যদি কোন দাস-দাসীর মালিক হয় এবং তাকে দান করে, বিক্রয় করে, সহবাস করে এবং ফিদিয়া হিসাবে দেয় অথবা শিশুদেরকে বন্দী করে রাখে তবে এর বিধান কী?
  • ৪৯/১৪. নিজ গোলামকে জ্ঞান ও আদব কায়দা শিক্ষা দেয়ার গুরুত্ব।
  • ৪৯/১৫. নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম)-এর বাণী, তোমাদের গোলামেরা তোমাদেরই ভাই। কাজেই তোমরা যা খাবে তা হতে তাদেরকেও খাওয়াবে।
  • ৪৯/১৬. যে ক্রীতদাস উত্তমরূপে তার মহান প্রভুর (আল্লাহর) ইবাদত করে আর তার মালিকের শুভাকাঙ্ক্ষী হয়।
  • ৪৯/১৭. দাসদের মারধোর করা এবং আমার ক্রীতদাস ও আমার বাঁদী এরূপ বলা মাকরূহ।
  • ৪৯/১৮. খাদিম যখন ভালভাবে খাবার পরিবেশন করে।
  • ৪৯/১৯. ক্রীতদাস আপন মালিকের সম্পত্তির হিফাযাতকারী। নাবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) সম্পত্তিকে মালিকের সঙ্গে সম্পর্কিত করেছেন।
  • ৪৯/২০. ক্রীতদাসের মুখমন্ডলে মারবে না।
  • ৫০/ চুক্তিবদ্ধ দাসের বর্ণনা (كتاب المكاتب) ৬ টি | ২৫৬০-২৫৬৫ পর্যন্ত 50/ Makaatib
  • ৫০/১. মুকাতাব বা চুক্তির ভিত্তিতে অর্থের কিস্তি প্রসঙ্গে। প্রতি বছর এক কিস্তি করে আদায় করা।
  • ৫০/২. মুকাতাবের উপর যে সব শর্তারোপ করা বৈধ এবং আল্লাহর কিতাবে নেই এমন শর্তারোপ করা। এ বিষয়ে ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে হাদীস বর্ণিত হয়েছে।
  • ৫০/৩. মানুষের নিকট মুকাতাবের সাহায্য চাওয়া ও সাহায্য প্রার্থনা করা।
  • ৫০/৪. মুকাতাবের সমর্থন সাপেক্ষে তাকে বিক্রয় করা।
  • ৫০/৫. মুকাতাব যদি (কাউকে) বলে, আমাকে ক্রয় করে আযাদ করে দিন, আর সে যদি ঐ উদ্দেশে তাকে খরিদ করে।
  • ৫১/ হিবা ও এর ফযীলত (كتاب الهبة وفضلها والتحريض عليها) ৭১ টি | ২৫৬৬-২৬৩৬ পর্যন্ত 51/ Gifts
  • ৫১/১. হিবা ও এর ফযীলত
  • ৫১/২. অল্প পরিমাণে হিবা করা সম্পর্কে।
  • ৫১/৩. যদি কেউ তার সঙ্গী সাথীদের নিকট কিছু চায়।
  • ৫১/৪. . কোন ব্যক্তির পানি চাওয়া সম্পর্কে।
  • ৫১/৫. শিকারের গোশত হাদিয়া হিসেবে গ্রহণ করা সম্পর্কে।
  • ৫১/৬. হাদিয়া কবুল করা সম্পর্কে
  • ৫১/৭. হাদিয়া কবুল করা সম্পর্কে।
  • ৫১/৮. সঙ্গীকে কোন হাদিয়া দেয়ার ক্ষেত্রে তার অন্য স্ত্রী ছেড়ে কোন স্ত্রীর জন্য নির্ধারিত দিনের অপেক্ষা করা।
  • ৫১/৯. যে হাদিয়া ফিরিয়ে দেয়া হয় না।
  • ৫১/১০. কাছে নেই এমন বস্তু হিবা করা যিনি জায়িয মনে করেন।
  • ৫১/১১. হিবার প্রতিদান প্রদান করা।
  • ৫১/১২. সন্তানের জন্য হিবা। কোন এক সন্তানকে কিছু দান করা বৈধ হবে না, যতক্ষণ না ইনসাফের সঙ্গে অন্য সন্তানদের সমভাবে দান করা হয়। অবশ্য এ ক্ষেত্রে উক্ত পিতার বিপক্ষে কারো সাক্ষী দেয়া চলবে না।
  • ৫১/১৩. হিবার ব্যাপারে সাক্ষী রাখা।
  • ৫১/১৪. পুরুষের স্ত্রীর জন্য এবং স্ত্রীর পুরুষের জন্য হিবা করা।
  • ৫১/১৫. স্বামী আছে এমন নারীর স্বামী ব্যতীত অন্যের জন্য হিবা করা বা দাস মুক্ত করা। নির্বোধ না হলে বৈধ, নির্বোধ হলে অবৈধ।
  • ৫১/১৬. প্রথমে হাদিয়া দিয়ে শুরু করবে।
  • ৫১/১৭. কারণবশতঃ হাদিয়া কবুল না করা।
  • ৫১/১৮. হাদিয়া পাঠিয়ে দিয়ে বা পাঠিয়ে দেয়ার ওয়াদা করে তা পৌঁছানোর পূর্বেই মৃত্যু হলে।
  • ৫১/১৯. দাস ও বিবিধ সামগ্রী কিভাবে অধিকারভুক্ত করা যায়?
  • ৫১/২০. হাদিয়া পাঠানো হলে ‘গ্রহণ করলাম’ এ কথা না বলে কেউ স্বীয় অধিকারভুক্ত করে নিলে।
  • ৫১/২১. এক ব্যক্তির নিকট প্রাপ্য ঋণ অনকে দান করে দেয়া।
  • ৫১/২২. জামা‘আতের জন্য এক ব্যক্তির দান।
  • ৫১/২৩. দখলভুক্ত বা দখলভুক্ত নয় এবং বণ্টিত বা বণ্টিত নয় এমন সম্পদ দান করা।
  • ৫১/২৪. একদল অন্য গোত্রকে বা এক ব্যক্তি কোন দলকে দান করলে তা বৈধ।
  • ৫১/২৫. সঙ্গীদের মাঝে কাউকে হাদিয়া করা হলে সেই তার হকদার।
  • ৫১/২৬. উষ্ট্রারোহীকে সেই উষ্ট্রটি দান করা হলে তা বৈধ।
  • ৫১/২৭. পরিধেয় হিসেবে অপছন্দনীয় কিছু হাদিয়া দেয়া।
  • ৫১/২৮. মুশরিকদের দেয়া হাদিয়া গ্রহণ করা।
  • ৫১/২৯. মুশরিকদেরকে হাদিয়া প্রদান করা।
  • ৫১/৩০. দান বা সদাকাহ করা হলে তা ফিরিয়ে নেয়া কারো জন্য হালাল নয়।
  • ৫১/৩১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৫১/৩২. ‘উমরা ও রুকবা১ رُقْبى علُمْرى সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ৫১/৩৩. মানুষের কাছ থেকে যে ব্যক্তি ঘোড়া, চতুষ্পদ জন্তু বা অন্য কোন কিছু ধার নেয়।
  • ৫১/৩৪. বাসর সজ্জার উদ্দেশে নব দম্পতির কিছু ধার নেয়া।
  • ৫১/৩৫. দুগ্ধ পান করানোর জন্য সাময়িকভাবে উট-বকরি প্রদানের ফযীলত।
  • ৫১/৩৬. প্রচলিত অর্থে যদি কেউ বলে এই দাসীটি তোমার খিদমাতের জন্য দিলাম, এটা বৈধ।
  • ৫১/৩৭. আরোহণের নিমিত্তে অশ্ব দান ‘উমরাও (عُمْرَى) সদাকাহ বলেই গণ্য হবে।
  • ৫২/ সাক্ষ্যদান (كتاب الشهادات) ৫৩ টি | ২৬৩৭-২৬৮৯ পর্যন্ত 52/ Witnesses
  • ৫২/২. যখন কেউ কারো চরিত্রের ব্যাপারে প্রত্যয়ন করে যে, তাকে তো ভালো বলেই জানি কিংবা বলে যে, এর সস্পর্কে তো ভালো বৈ কিছু জানি না।
  • ৫২/৩. অপ্রকাশিত ব্যক্তির সাক্ষ্যদান। ‘আমর ইবনু হুরায়স (রহ.) এ ধরনের সাক্ষ্য বৈধ বলে মত প্রকাশ করেছেন;
  • ৫২/৪. এক বা একাধিক ব্যক্তি কোন বিষয়ে সাক্ষ্য প্রদান করলে আর অন্যরা এ বিষয়ে অজ্ঞতা প্রকাশ করলে সাক্ষ্যদাতার কথা অনুযায়ী ফায়সালা হবে।
  • ৫২/৫. ন্যায়পরায়ণ সাক্ষীগণের প্রসঙ্গে-
  • ৫২/৬. সততা প্রমাণে কয়জন লাগবে?
  • ৫২/৭. বংশধারা, সবার জানা দুধপান ও আগের মৃত্যুর বিষয়ে সাক্ষ্য দান; নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, সুওয়াইবাহ আমাকে এবং আবূ সালামাহকে দুধপান করিয়েছেন এবং এর উপর দৃঢ় থাকা।
  • ৫২/৮. ব্যাভিচারের অপবাদ দাতা, চোর ও ব্যভিচারীর সাক্ষ্য।
  • ৫২/৯. অন্যায়ের পক্ষে সাক্ষী বানানো হলেও সাক্ষ্য দিবে না।
  • ৫২/১০. মিথ্যা সাক্ষ্যদান প্রসঙ্গে যা বলা হয়েছে।
  • ৫২/১১. অন্ধের সাক্ষ্যদান করা, কোন বিষয়ে তার সিদ্ধান্ত দান করা, তার বিয়ে করা, কাউকে বিয়ে দেয়া, তার ক্রয়-বিক্রয় করা, তার আযান দেয়া ইত্যাদি ব্যাপারে তাকে অনুমোদন করা এবং আওয়াজে পরিচয় করা।
  • ৫২/১২. স্ত্রী লোকের সাক্ষ্যদান।
  • ৫২/১৩. দাস-দাসীর সাক্ষ্যদান।
  • ৫২/১৪. দুগ্ধদাত্রীর সাক্ষ্যদান।
  • ৫২/১৫. সততার ব্যাপারে নারীগণের পারস্পরিক সাক্ষ্যদান।
  • ৫২/১৬. এক ব্যক্তি কারো নির্দোষিতার সাক্ষ্য দিলে তা-ই যথেষ্ট।
  • ৫২/১৭. প্রশংসায় আতিশয্য অপছন্দনীয় যা জানা তাই বলতে হবে।
  • ৫২/১৮. বাচ্চাদের বয়োপ্রাপ্তি ও তাদের সাক্ষ্যদান।
  • ৫২/১৯. শপথ পাঠ করানোর পূর্বে বিচারক বাদীকে জিজ্ঞেস করবেঃ তোমার কি কোন প্রমাণ আছে?
  • ৫২/২০. মালামাল ও শরীয়ত নির্ধারিত দন্ডের ক্ষেত্রে বিবাদীর শপথ করা।
  • ৫২/২১. কেউ কোন দাবী করলে কিংবা মিথ্যারোপ করলে তাকেই প্রমাণ দিতে হবে এবং প্রমাণ সন্ধানে বেরোতে হবে।
  • ৫২/২২. ‘আসরের পর শপথ করা।
  • ৫২/২৩. যে জায়গায় বিবাদীকে শপথ করানো ওয়াজিব, তাকে সেখানেই শপথ করানো হবে। একস্থান হতে অন্যস্থানে নেয়া হবে না।
  • ৫২/২৪. আগে শপথ করা নিয়ে একদল লোকের প্রতিযোগিতা করা।
  • ৫২/২৫. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ যারা আল্লাহর সঙ্গে কৃত ওয়াদা এবং নিজেদের শপথকে তুচ্ছ মূল্যে বিক্রয় করে পরকালে তাদের কোন অংশ নাই। ক্বিয়ামাতের দিন আল্লাহ তাদের সহিত কথা বলবেন না এবং তাদের দিকে তাকাবেন না এবং তাদেরকে পরিশুদ্ধ করবেন না; তাদের জন্য মর্মন্তুদ শাস্তি রয়েছে । (সূরা আলু ‘ইমরানঃ ৭৭)
  • ৫২/২৬. কেমনভাবে শপথ করানো হবে?
  • ৫২/২৭. শপথ করার পর বাদী সাক্ষী হাযির করলে।
  • ৫২/২৮. যিনি অঙ্গীকার পূর্ণ করার নির্দেশ দান করেছেন।
  • ৫২/২৯. সাক্ষী ইত্যাদির ব্যাপারে জিজ্ঞাসিত হবে না।
  • ৫২/৩০. জটিল ব্যাপারে কুর‘আর মাধ্যমে ফয়সালা করা।
  • ৫৩/ বিবাদ মীমাংসা (كتاب الصلح) ২১ টি | ২৬৯০-২৭১০ পর্যন্ত 53/ Peacemaking
  • ৫৩/১. মানুষের মধ্যে আপোস-মীমাংসা করে দেয়া।
  • ৫৩/২. মানুষের মধ্যে মীমাংসাকারী ব্যক্তি মিথ্যাবাদী নয়।
  • ৫৩/৩. সঙ্গী-সাথীদের প্রতি ইমামের কথা ‘‘চলো যাই আমরা মীমাংসা করে দেই’’।
  • ৫৩/৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘উভয়ে আপোস নিষ্পত্তি করতে চাইলে আপোস নিষ্পত্তিই শ্রেয়।’’ (আন-নিসা ১২৮)
  • ৫৩/৫. অন্যায়ের উপর সন্ধিবদ্ধ হলে তা বাতিল।
  • ৫৩/৬. কিভাবে সন্ধিপত্র লেখা হবে? অমুকের পুত্র অমুক এবং অমুকের পুত্র অমুক লিখাতে হবে। গোত্র বা বংশের উল্লেখ না করলেও ক্ষতি নেই।
  • ৫৩/৭. মুশরিকদের সঙ্গে সন্ধি।
  • ৫৩/৮. ক্ষতিপূরণের ব্যাপারে সন্ধি।
  • ৫৩/৯. হাসান ইব্নু ‘আলী (রাঃ) সম্পর্কে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আমার এ ছেলেটি একজন নেতা। সম্ভবত আল্লাহ্ এর মাধ্যমে দু’টি বড় দলের মধ্যে সন্ধি স্থাপন করাবেন।
  • ৫৩/১০. আপোস মীমাংসার ব্যাপারে ইমাম পরামর্শ দিবেন কি?
  • ৫৩/১১. মানুষের মধ্যে মীমাংসা এবং ন্যায় বিচার করার ফযীলত।
  • ৫৩/১২. ইমাম বিবাদ মীমাংসা করে নেয়ার নির্দেশ দেয়ার পরও তা অমান্য করলে তার বিরুদ্ধে যথার্থ হুকুম জারী করতে হবে।
  • ৫৩/১৩. পাওনাদারদের মধ্যে এবং ওয়ারিসদের মধ্যে মীমাংসা করে দেয়া এবং এ ব্যাপারে অনুমান করা।
  • ৫৩/১৪. ঋণ ও নগদ সম্পদের বিনিময়ে আপোস করা।
  • ৫৪/ শর্তাবলী (كتاب الشروط) ২৭ টি | ২৭১১-২৭৩৭ পর্যন্ত 54/ Conditions
  • ৫৪/১. ইসলামে আহ্কামে ও ক্রয়-বিক্রয়ে যে সব শর্ত জায়িয।
  • ৫৪/২. তাবীর করা খেজুর গাছ বিক্রি করা।
  • ৫৪/৩. বিক্রয়ে শর্তারোপ করা।
  • ৫৪/৪. নির্দিষ্ট স্থান পর্যন্ত সওয়ারীর পিঠে চড়ে যাবার শর্তে পশু বিক্রি করা জায়িয।
  • ৫৪/৫. বর্গাচাষ ইত্যাদির বিষয়ে শর্তাবলী।
  • ৫৪/৬. বিবাহ বন্ধনের সময় মাহর সম্পর্কে শর্তাবলী।
  • ৫৪/৭. বর্গাচাষের শর্তাবলী।
  • ৫৪/৮. বিবাহে যে সব শর্ত বৈধ নয়।
  • ৫৪/৯. দন্ড বিধিতে যে সকল শর্ত বৈধ নয়।
  • ৫৪/১০. মুক্ত করা হবে এ শর্তে মুকাতাব বিক্রিত হতে রাযী হলে তার জন্য কী কী শর্ত জায়িয।
  • ৫৪/১১. তালাকের শর্তাবলী।
  • ৫৪/১২. লোকজনের সাথে মৌখিক শর্ত করা।
  • ৫৪/১৩. ‘ওয়ালা’র ব্যাপারে অধিকার অর্জনের শর্তারোপ।
  • ৫৪/১৪. বর্গাচাষের ক্ষেত্রে এমন শর্তারোপ করা যে, যখন ইচ্ছা আমি তোমাকে বের করে দিব।
  • ৫৪/১৫. যুদ্ধের প্রতিপক্ষীয়দের সাথে জিহাদ ও সমঝোতার ব্যাপারে শর্তারোপ এবং লোকদের সঙ্গে কৃত মৌখিক শর্ত লিপিবদ্ধ করা।
  • ৫৪/১৬. মুকাতাব প্রসঙ্গে এবং যে সব শর্ত আল্লাহর কিতাবের বিপরীত তা বৈধ নয়।
  • ৫৪/১৭. শর্তারোপ করা ও স্বীকারোক্তির মধ্য থেকে কিছু বাদ দেয়ার বৈধতা এবং লোকদের মধ্যে প্রচলিত শর্তাবলী প্রসঙ্গে যখন কেউ বলে যে, এক বা দু’ ব্যতীত একশ’? (তবে হুকুম কী হবে)।
  • ৫৪/১৮. ওয়াক্ফের ব্যাপারে শর্তাবলী
  • ৫৪. ঋণের বিষয়ে শর্তারোপ করা।
  • ৫৫/ ওয়াসিয়াত (كتاب الوصايا) ৪৪ টি | ২৭৩৮-২৭৮১ পর্যন্ত 55/ Wills and Testaments (Wasaayaa)
  • ৫৫/১. অসীয়াত প্রসঙ্গে
  • ৫৫/২. ওয়ারিসদেরকে অন্যের নিকট হাত পাতা অবস্থায় রেখে যাওয়ার চেয়ে মালদার রেখে যাওয়া উত্তম।
  • ৫৫/৩. এক তৃতীয়াংশ অসীয়াত করা প্রসঙ্গে।
  • ৫৫/৪. অসীর নিকট অসীয়াতকারীর কথাঃ তুমি আমার সন্তানাদির প্রতি খেয়াল রাখবে, আর অসীর জন্য কেমন দাবী জায়িয।
  • ৫৫/৫. রুগ্ন ব্যক্তি মাথা দিয়ে স্পষ্টভাবে ইশারা করলে তা গ্রহণীয় হবে।
  • ৫৫/৬. ওয়ারিসের জন্য অসীয়াত নেই।
  • ৫৫/৭. মৃত্যুর প্রাক্কালে দান খায়রাত করা।
  • ৫৫/৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ ঋণ আদায় ও অসীয়াত পূর্ণ করার পর (মৃতের সম্পত্তি ভাগ হবে)। (আন-নিসা ১২)
  • ৫৫/৯. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘ঋণ পরিশোধ ও অসীয়াত পূরণ করার পর (মৃতের সম্পত্তি বণ্টন করতে হবে)’’ (আন-নিসা ১১) এর ব্যাখ্যা।
  • ৫৫/১০. যখন আত্মীয়-স্বজনের জন্য ওয়াক্ফ বা অসীয়াত করা হয় এবং আত্মীয় কারা?
  • ৫৫/১১. স্ত্রীলোক ও সন্তানাদি আত্মীয়ের মধ্যে কি?
  • ৫৫/১২. ওয়াক্ফকারী তার ওয়াকফ দ্বারা উপকার গ্রহণ করতে পারে কি?
  • ৫৫/১৫. কেউ যদি বলে ‘আমার এই জমিটি কিংবা বাগানটি আমার মায়ের পক্ষ থেকে আল্লাহর ওয়াস্তে সদাকাহ তবে তা জায়িয, যদিও তা কার জন্য তার বর্ণনা না দেয়।
  • ৫৫/১৬. কোন ব্যক্তি তার সম্পদের কিছু অংশ কিংবা তার গোলামদের কতকগুলি অথবা কিছু জন্তু-জানোয়ার সদাকাহ বা ওয়াকফ করলে তা জায়িয।
  • ৫৫/১৭. যে ব্যক্তি তার উকিলকে সদাকাহ প্রদান করল, অতঃপর উকিল সেটি তাকে ফিরিয়ে দিল।
  • ৫৫/১৮. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ মীরাসের মাল বণ্টনের সময় যদি কোন আত্মীয়, ইয়াতীম ও মিসকীন হাজির থাকে, তাহলে তাত্থেকে তাদেরও কিছু প্রদান করবে। (আন-নিসা ৮)
  • ৫৫/১৯. অকস্মাৎ কেউ মারা গেলে তার জন্য দান-খয়রাত আর মৃতের পক্ষ থেকে তার মানৎ আদায় করা।
  • ৫৫/২০. ওয়াক্ফ ও সদাকাহ্য় সাক্ষী রাখা।
  • ৫৫/২১. আল্লাহর তা‘আলার বাণীঃ ‘‘ইয়াতীমদেরকে তাদের ধন-সম্পদ দিয়ে দিবে এবং ভালোর সঙ্গে মন্দ বদল করবে না। তোমাদের সঙ্গে তাদের সম্পদ মিলিয়ে গ্রাস করবে না, তা মহাপাপ। তোমার যদি আশংকা হয় যে, ইয়াতীম মেয়েদের প্রতি সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিবাহ করবে নারীদের মধ্যে, যাকে তোমাদের ভাল লাগে।’’ (আন নিসা ২-৩)
  • ৫৫/২২. আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ আর তোমরা ইয়াতিমদের পরীক্ষা করে নিবে, যে পর্যন্ত না তারা বিয়ের বয়সে পৌঁছে। যদি তাদের মধ্যে ভাল-মন্দ বিচারের জ্ঞান দেখতে পাও, তবে তাদের মাল তাদের হাতে ফিরিয়ে দিবে। ইয়াতিমের মাল প্রয়োজনাতিরিক্ত খরচ কর না এবং তারা বড় হয়ে যাবে মনে করে তাড়াতাড়ি খেয়ে ফেল না। যে স্বচ্ছল সে যেন ইয়াতিমের মাল খরচ করা থেকে বিরত থাকে এবং যে অভাবগ্রস্ত সে যেন সঙ্গত পরিমাণে ভোগ করে। যখন তোমরা তাদের হাতে তাদের সম্পদ প্রত্যর্পন করবে, তখন সাক্ষী রাখবে। অবশ্যই হিসাব গ্রহণে আল্লাহ্ই যথেষ্ট। পুরুষদের জন্য অংশ আছে সে সম্পত্তিতে যা পিতা-মাতা ও নিকট আত্মীয়রা রেখে যায়; এবং নারীদের জন্যও অংশ আছে সে সম্পত্তিতে যা পিতা-মাতা ও নিকট-আত্মীয়রা রেখে যায়, হোক তা অল্প কিংবা বেশী। তা অকাট্য নির্ধারিত অংশ। (আন নিসাঃ ৬-৭)
  • ৫৫/২৩. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ নিশ্চয় যারা ইয়াতিমের সম্পদ অন্যায়ভাবে খায়, তারা তো শুধু তাদের পেটে আগুন ভর্তি করছে; আর তারা সত্বরই দোযখের আগুনে জ্বলবে। (আন নিসাঃ ১০)
  • ৫৫/২৪. আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তারা আপনাকে ইয়াতিমদের সম্পর্কে জিজ্ঞেস করে। আপনি বলুনঃ তাদের সুব্যবস্থা করা উত্তম। তবে যদি তোমরা তাদের সাথে মিলেমিশে একত্রে থাক তাহলে মনে করবে তারা তো তোমাদের ভাই। আর আল্লাহ জানেন কে ফাসাদ সৃষ্টিকারী এবং কে মঙ্গলকামী। আর আল্লাহ ইচ্ছা করলে তোমাদের কষ্টে ফেলতে পারতেন। নিশ্চয় তিনি পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। (আল-বাক্বারাহ ২২০)
  • ৫৫/২৫. আবাসে কিংবা সফরে ইয়াতীমদের থেকে খেদমত গ্রহণ করা, যখন তা তাদের জন্য কল্যাণকর হয় এবং মা ও মায়ের স্বামী কর্তৃক ইয়াতীমের প্রতি নযর রাখা।
  • ৫৫/২৬. যখন কেউ কোন জমি ওয়াক্ফ করে এবং তার সীমা বর্ণনা না করে তা বৈধ। সদাকাহ্ও তদ্রূপ।
  • ৫৫/২৭. কোন দল যদি তাদের শরীকী জমি ওয়াক্ফ করে তা জায়িয।
  • ৫৫/২৮. ওয়াকফ কিভাবে লিখিত হবে?
  • ৫৫/২৯. গরীব, ধনী এবং মেহমানের জন্য ওয়াক্ফ করা।
  • ৫৫/৩০. মসজিদের জন্য জমি ওয়াকফ করা।
  • ৫৫/৩১. পশু, অশ্ব, আসবাবপত্র ও স্বর্ণ-রৌপ্য ওয়াক্ফ করা।
  • ৫৫/৩২. ওয়াক্ফের তদারককারীর ব্যয় নির্বাহ।
  • ৫৫/৩৩. যখন কেউ জমি বা কূপ ওয়াকফ করে এবং অপরাপর মুসলিমদের মত সে নিজেও পানি নেয়ার শর্ত আরোপ করে।
  • ৫৫/৩৪. ওয়াকফকারী যদি বলে, আমি একমাত্র আল্লাহর নিকট এর মূল্য পেতে চাই তা জায়িয।
  • ৫৫/৩৫. আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ
  • ৫৫/৩৬. অসীয়াতকারী কর্তৃক মৃত ব্যক্তির ওয়ারিসদের অনুপস্থিতিতে মৃত ব্যক্তির দেনা পরিশোধ করা।
  • ৫৬/ জিহাদ ও যুদ্ধকালীন আচার ব্যবহার (كتاب الجهاد والسير) ৩০৯ টি | ২৭৮২-৩০৯০ পর্যন্ত 56/ Fighting for the Cause of Allah (Jihaad)
  • ৫৬/১. জিহাদ ও যুদ্ধের ফযীলত।
  • ৫৬/২. মানুষের মধ্যে সেই মু’মিন মুজাহিদই উত্তম, যে নিজের জান দিয়ে ও মাল দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করে।
  • ৫৬/৩. পুরুষ এবং নারীর জন্য জিহাদ করার ও শাহাদাত লাভের দু‘আ।
  • ৫৬/৪. আল্লাহর পথের মুজাহিদদের মর্যাদা।
  • ৫৬/৫. আল্লাহর পথে সকাল-সন্ধ্যা অতিবাহিত করা। জান্নাতে তোমাদের কারো এক ধনুক পরিমিত স্থান।
  • ৫৬/৬. ডাগর ডাগর চক্ষু বিশিষ্টা হুর ও তাদের গুণাবলী।
  • ৫৬/৭. শাহাদাত কামনা।
  • ৫৬/৯. যে ব্যক্তি আল্লাহর রাস্তায় আহত হল কিংবা বর্শা দ্বারা বিদ্ধ হল।
  • ৫৬/১০. যে মহান আল্লাহর পথে আহত হয়।
  • ৫৬/১১. আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ ‘‘বলুন, তোমরা তো আমাদের জন্য প্রতীক্ষা করছ দু’টি মঙ্গলের মধ্যে একটির।’’ (আত্-তাওবাহ ৫২)
  • ৫৬/১২. আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ ‘‘মু‘মিনদের মধ্যে কতক আল্লাহর সাথে কৃত ওয়াদা পূর্ণ করেছে। তাদের কেউ কেউ মৃত্যুবরণ করেছে এবং কেউ কেউ প্রতীক্ষা করছে। তারা তাদের সংকল্প মোটেই পরিবর্তন করেনি।’’ (আল আহযাব ২৩)
  • ৫৬/১৩. যুদ্ধের আগে নেক আমল।
  • ৫৬/১৪. অজ্ঞাত তীর এসে যাকে হত্যা করে
  • ৫৬/১৫. যে ব্যক্তি আল্লাহর দ্বীনকে বুলন্দ করার উদ্দেশে জিহাদ করে।
  • ৫৬/১৬. আল্লাহর পথে যার দু’টি পা ধূলি-মলিন হয়।
  • ৫৬/১৭. আল্লাহর রাস্তায় মাথায় ধূলা লাগলে তা মুছে ফেলা।
  • ৫৬/১৮. যুদ্ধের এবং ধূলাবালি লাগার পর গোসল করা।
  • ৫৬/১৯. আল্লাহ্ তাআলার এ বাণী যাদের ব্যাপারে নাযিল হয়েছে, তাদের মর্যাদাঃ
  • ৫৬/২০. শহীদের উপর ফেরেশতাদের ছায়া বিস্তার।
  • ৫৬/২১. পৃথিবীতে আবার ফিরে আসার জন্য মুজাহিদদের কামনা।
  • ৫৬/২২. জান্নাত হল তলোয়ারের ঝলকানির তলে।
  • ৫৬/২৩. জিহাদের উদ্দেশে যে সন্তান চায়।
  • ৫৬/২৪. যুদ্ধে সাহসিকতা ও ভীরুতা।
  • ৫৬/২৫. ভীরুতা থেকে আশ্রয় প্রার্থনা।
  • ৫৬/২৬. যুদ্ধের প্রত্যক্ষদর্শীর বর্ণনা।
  • ৫৬/২৭. জিহাদে গমন ওয়াজিব এবং জিহাদ ও তার নিয়্যাতের আবশ্যকতা।
  • ৫৬/২৮. কোন কাফির যদি কোন মুসলিমকে হত্যা করে, অতঃপর ইসলাম গ্রহণ করতঃ দীনের উপর অবিচল থেকে আল্লাহর পথে নিহত হয়।
  • ৫৬/২৯. যে ব্যক্তি জিহাদকে সিয়ামের উপর অগ্রগণ্য করে।
  • ৫৬/৩০. নিহত হওয়া ব্যতীতও সাত ধরনের শাহাদাত আছে।
  • ৫৬/৩১. আল্লাহ্ তা‘আলার বাণীঃ
  • ৫৬/৩২. যুদ্ধের সময় ধৈর্য অবলম্বন।
  • ৫৬/৩৩. জিহাদে উদ্বুদ্ধকরণ।
  • ৫৬/৩৪. পরিখা খনন করা।
  • ৫৬/৩৫. ওযর যাকে জিহাদে গমন করতে বাধা দান করে।
  • ৫৬/৩৬. আল্লাহর পথে থাকা অবস্থায় সিয়াম পালনের ফযীলত।
  • ৫৬/৩৭. আল্লাহর রাস্তায় ব্যয় করার ফযীলত।
  • ৫৬/৩৮. সৈনিককে আসবাব সজ্জিত করার কিংবা তার রেখে যাওয়া পরিবারের কল্যাণ করার ফযীলত।
  • ৫৬/৩৯. যুদ্ধের সময় সুগন্ধির ব্যবহার।
  • ৫৬/৪০. দুশমনের তথ্যানুসন্ধানী দলের ফযীলত।
  • ৫৬/৪১. একজন তথ্যানুসন্ধানী পাঠানো যায় কি?
  • ৫৬/৪২. দু’জনের সফর।
  • ৫৬/৪৩. ঘোড়ার কপালের কেশদামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে ক্বিয়ামাত অবধি।
  • ৫৬/৪৪. জিহাদ চলতে থাকবে সৎ বা অসৎ লোকের নেতৃত্বে। নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ঘোটকের কপালের কেশ দামে কল্যাণ বিধিবদ্ধ আছে ক্বিয়ামাত অবধি।
  • ৫৬/৪৫. যে ব্যক্তি আল্লাহর পথে জিহাদের উদ্দেশে ঘোড়া প্রস্তুত রাখে। মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘যে জিহাদের উদ্দেশে ঘোড়া পালন করে।’’ (সূরা আল-আনফালঃ ৫২)
  • ৫৬/৪৬. ঘোড়া ও গাধার নাম রাখা।
  • ৫৬/৪৭. ঘোড়ার অকল্যাণ সম্পর্কে যা বলা হয়।
  • ৫৬/৪৮. ঘোড়া তিন ধরনের মানুষের জন্য। আর আল্লাহ্ তাআলার বাণীঃ তিনি সৃষ্টি করেছেন ঘোড়া, খচ্চর ও গাধা তোমাদের আরোহণের জন্য ও শোভার জন্য এবং আরো সৃষ্টি করবেন এমন বস্ত্ত যা তোমরা জান না। (আন-নাহল ৮)
  • ৫৬/৪৯. যে ব্যক্তি জিহাদে অন্যের পশুকে চাবুক মারে।
  • ৫৬/৫০. অবাধ্য পশু এবং তেজী ঘোড়ায় আরোহণ করা।
  • ৫৬/৫১. গনীমাতে ঘোড়ার অংশ।
  • ৫৬/৫২. যুদ্ধে যে ব্যক্তি অন্যের বাহনের পশু চালনা করে।
  • ৫৬/৫৩. বাহনের পশুর ও পা-দানি সম্পর্কে।
  • ৫৬/৫৪. গদিবিহীন অশ্বোপরি আরোহণ।
  • ৫৬/৫৫. ধীরগতি সম্পন্ন ঘোড়া।
  • ৫৬/৫৬. ঘোড়দৌড়
  • ৫৬/৫৭. প্রতিযোগিতার জন্য অশ্বের প্রশিক্ষণ।
  • ৫৬/৫৮. প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত অশ্বেও দৌড় প্রতিযোগিতার সীমা।
  • ৫৬/৫৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উষ্ট্রী প্রসঙ্গে।
  • ৫৬/৬১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাদা খচ্চর।
  • ৫৬/৬২. নারীদের জিহাদ।
  • ৫৬/৬৩. নৌ যুদ্ধে নারীদের অংশগ্রহণ।
  • ৫৬/৬৪. কয়েকজন স্ত্রীর মধ্যে একজনকে নিয়ে জিহাদে যাওয়া।
  • ৫৬/৬৫. নারীদের যুদ্ধে গমন এবং পুরুষদের সঙ্গে যুদ্ধে অংশ গ্রহণ
  • ৫৬/৬৬. যুদ্ধে নারীদের মশ্ক নিয়ে লোকদের নিকট যাওয়া।
  • ৫৬/৬৭. নারীগণ কর্তৃক যুদ্ধে আহতদের সেবা ও শশ্রুষা।
  • ৫৬/৬৮. নারীদের সাহায্যে হতাহতদের মদীনায় প্রত্যাহার।
  • ৫৬/৬৯. দেহ হতে তীর বহিষ্করণ।
  • ৫৬/৭০. মহান আল্লাহর পথে যুদ্ধে প্রহরা দান।
  • ৫৬/৭১. যুদ্ধে খিদমাতের ফযীলত।
  • ৫৬/৭২. সফর-সঙ্গীর দ্রব্যাদি বহনের ফযীলত।
  • ৫৬/৭৩. আল্লাহর রাস্তায় একদিন প্রহরারত থাকার ফযীলত।
  • ৫৬/৭৪. যে ব্যক্তি খিদমত গ্রহণের উদ্দেশে যুদ্ধে বালকদের নিয়ে যায়।
  • ৫৬/৭৫. সাগর যাত্রা।
  • ৫৬/৭৬. দুর্বল ও সৎলোকদের (দু‘আয়) উসিলায় যুদ্ধে সাহায্য চাওয়া।
  • ৫৬/৭৭. অমুক লোক শহীদ এ কথা বলবে না।
  • ৫৬/৭৮. তীর চালনায় উৎসাহ দান।
  • ৫৬/৭৯. বর্শা বা তদ্রূপ কিছু নিয়ে খেলাফ করা।
  • ৫৬/৮০. ঢাল ও যে লোক তার সঙ্গীর ঢাল ব্যবহার করে।
  • ৫৬/৮১. চামড়ার ঢাল সম্পর্কিত।
  • ৫৬/৮২. কোষে ও স্কন্ধে তরবারি বহন।
  • ৫৬/৮৩. তলোয়ার স্বর্ণ-রৌপ্যে খচিতকরণ।
  • ৫৬/৮৪. সফরে দ্বিপ্রহরের বিশ্রামকালে তলোয়ার গাছে ঝুলিয়ে রাখা
  • ৫৬/৮৫. শিরস্ত্রাণ পরিধান।
  • ৫৬/৮৬. কারো মৃত্যুকালে তার অস্ত্র বিনষ্ট করা যারা পছন্দ করে না
  • ৫৬/৮৭. দুপুরের বিশ্রামকালে ইমাম থেকে তফাতে যাওয়া এবং গাছের ছায়ায় বিশ্রাম গ্রহণ করা।
  • ৫৬/৮৮. তীর নিক্ষেপ প্রসঙ্গে যা বলা হয়েছে।
  • ৫৬/৮৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ম এবং যুদ্ধে ব্যবহৃত তাঁর জামা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ৫৬/৯০. সফরে এবং যুদ্ধে জোববা পরিধান করা
  • ৫৬/৯১. যুদ্ধে রেশমী পরিচ্ছদ পরিধান করা।
  • ৫৬/৯২. ছুরি সম্পর্কে যা উল্লেখ করা হয়েছে।
  • ৫৬/৯৩. রোমীয়দের সঙ্গে যুদ্ধ সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ৫৬/৯৪. ইয়াহূদীদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ
  • ৫৬/৯৫. তুর্কদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
  • ৫৬/৯৬. যারা পশমের জুতা পরিধান করে তাদের বিরুদ্ধে যুদ্ধ।
  • ৫৬/৯৭. পরাজয়ের সময় সঙ্গীদের সারিবদ্ধ করা, নিজের সওয়ারী থেকে নামা ও আল্লাহর সাহায্য প্রার্থনা করা।
  • ৫৬/৯৮. মুশরিকদের পরাজিত ও প্রকম্পিত করার দু‘আ।
  • ৫৬/৯৯. কোন মুসলিম কি আহলে কিতাবকে দ্বীনের পথ দেখাবে কিংবা তাদেরকে কুরআন শিক্ষা দিবে?
  • ৫৬/১০০. মুশরিকদের হিদায়াত ও মন আকর্ষণের জন্য দু‘আ।
  • ৫৬/১০১. ইয়াহূদী ও খৃষ্টানদের প্রতি ইসলামের দা’ওয়াত এবং কোন্ অবস্থায় তাদের সঙ্গে যুদ্ধ করা যায়? নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কায়সার ও কিসরা-এর নিকট যা লিখেছিলেন এবং যুদ্ধের পূর্বে ইসলামের দাওয়াত দেয়া।
  • ৫৬/১০২. ইসলাম ও নবুওয়াতের দিকে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আহবান আর মানুষ যেন আল্লাহ ব্যতীত তাদের পরস্পরকে রব হিসেবে গ্রহণ না করে।
  • ৫৬/১০৩. যে ব্যক্তি যুদ্ধ করার ইচ্ছা করে এবং অন্যদিকে আকর্ষণের মাধ্যমে তা গোপন করে রাখে আর যে বৃহস্পতিবারে সফরে বের হতে পছন্দ করে।
  • ৫৬/১০৪. যুহরের পর সফরের উদ্দেশে বের হওয়া।
  • ৫৬/১০৫. মাসের শেষাংশে সফরে বের হওয়া।
  • ৫৬/১০৬. রমাযান মাসে সফরে বের হওয়া।
  • ৫৬/১০৭. সফরকালে বিদায় দেয়া।
  • ৫৬/১০৮. পাপ কাজের নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত ইমামের কথা শুনা ও আনুগত্য করা।
  • ৫৬/১০৯. ইমামের নেতৃত্বে যুদ্ধ করা ও তাঁর মাধ্যমে নিরাপত্তা লাভ করা।
  • ৫৬/১১০. যুদ্ধ থেকে পালিয়ে না যাওয়ার ব্যাপারে বায়‘আত করা। আর কেউ বলেছেন, মৃত্যুর উপর বায়‘আত করা। যেহেতু আল্লাহ্ তা‘আলা ইরশাদ করেছেনঃ অবশ্যই আল্লাহ মু‘মিনদের প্রতি সন্তুষ্ট হলেন, যখন তারা বৃক্ষের নিচে আপনার আনুগত্যের শপথ গ্রহণ করল। (ফাত্হ ১৮)
  • ৫৬/১১১. ইমাম মানুষকে তাদের সাধ্যানুযায়ী নির্দেশ করবে।
  • ৫৬/১১২. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দিবার প্রারম্ভে যুদ্ধারম্ভ না করলে সূর্য ঢলা অবধি যুদ্ধারম্ভ বিলম্ব করতেন।
  • ৫৬/১১৩. কোন ব্যক্তি কর্তৃক ইমামের অনুমতি গ্রহণ।
  • ৫৬/১১৬. ভয়-ভীতির সময় ইমামের অগ্রগমন।
  • ৫৬/১১৭. ভয়-ভীতির সময় ত্বরা করা ও দ্রুত অশ্ব চালনা করা।
  • ৫৬/১১৯. পারিশ্রমিক প্রদানপূর্বক নিজের পক্ষ হতে অন্যের দ্বারা যুদ্ধ করানো এবং আল্লাহর পথে সাওয়ারী দান করা।
  • ৫৬/১২০. মজুরী নিয়ে জিহাদে অংশগ্রহণ করা।
  • ৫৬/১২১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পতাকা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে।
  • ৫৬/১২২. রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ এক মাসের পথের দূরত্বে অবস্থিত শত্রুর মনেও আমার সম্পর্কে ভয়-ভীতি জাগরণের দ্বারা আমাকে সাহায্য করা হয়েছে।
  • ৫৬/১২৩. যুদ্ধে পাথেয় বহন করা।
  • ৫৬/১২৪. স্কন্ধে পাথেয় বহন করা।
  • ৫৬/১২৫. উটের পিঠে ভাই এর পশ্চাতে মহিলার উপবেশন।
  • ৫৬/১২৬. যুদ্ধ ও হজ্জে একই সাওয়ারীতে পেছনে বসা।
  • ৫৬/১২৭. গাধার পিঠে অপরের পেছনে বসা।
  • ৫৬/১২৮. রিকাব বা অনুরূপ কিছু ধরে আরোহণে সাহায্য করা।
  • ৫৬/১২৯. কুরআন শরীফ নিয়ে শত্রু দেশে সফর করা অপছন্দনীয়।
  • ৫৬/১৩০. যুদ্ধকালীন তাকবীর উচ্চারণ করা।
  • ৫৬/১৩১. তাকবীর পাঠে আওয়াজ উচ্চ করা।
  • ৫৬/১৩২. কোন উপত্যকায় অবতরণ করার সময় তাসবীহ পাঠ করা।
  • ৫৬/১৩৩. উঁচু স্থানে আরোহণের সময় তাকবীর পাঠ করা।
  • ৫৬/১৩৪. মুসাফিরের জন্য তা-ই লিখিত হবে, যা সে স্বীয় আবাসে ‘আমল করত।
  • ৫৬/১৩৫. নিঃসঙ্গ ভ্রমণ
  • ৫৬/১৩৬. ভ্রমণে ত্বরা করা।
  • ৫৬/১৩৭. আরোহণের জন্য ঘোড়া দান করতঃ তা বিক্রয় হতে দেখলে
  • ৫৬/১৩৮. পিতামাতার অনুমতি ক্রমে জিহাদে গমন।
  • ৫৬/১৩৯. উটের গলায় ঘণ্টা বা তদ্রূপ কিছু বাঁধার ব্যাপারে যা বলা হয়েছে।
  • ৫৬/১৪০. সেনাবাহিনীতে তালিকাভুক্ত হলো, অতঃপর তার স্ত্রী হজ্জের উদ্দেশ্যে বের হলো, অথবা তার কোন ওযর আছে সে ব্যক্তির জন্য জিহাদে গমন করার অনুমতি আছে কি?
  • ৫৬/১৪১. গোয়েন্দাগিরি প্রসঙ্গে
  • ৫৬/১৪২. বন্দীদেরকে পরিচ্ছদ দান প্রসঙ্গে।
  • ৫৬/১৪৩. সেই ব্যক্তির ফযীলত যার মাধ্যমে কেউ ইসলাম গ্রহণ করেছে।
  • ৫৬/১৪৪. শৃঙ্খলিত কয়েদী।
  • ৫৬/১৪৫. আহলে কিতাবদ্বয়ের মধ্য হতে যে ব্যক্তি ইসলাম গ্রহণ করেছে, তার ফযীলত।
  • ৫৬/১৪৬. নৈশকালীন আক্রমণে মুশরিকদের মহিলা ও শিশু নিহত হলে।
  • ৫৬/১৪৭. যুদ্ধে শিশুদেরকে হত্যা করা।
  • ৫৬/১৪৮. যুদ্ধে নারীদেরকে হত্যা করা।
  • ৫৬/১৪৯. আল্লাহ্ তা‘আলার শাস্তি দিয়ে কাউকে শাস্তি দেয়া যাবে না।
  • ৫৬/১৫২. কোন মুসলিম মুশরিক কর্তৃক আগুনে প্রজ্জ্বলিত হলে তাকেও প্রজ্জ্বলিত করা হবে কি?
  • ৫৬/১৫৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৫৬/১৫৪. ঘরদোর ও খেজুর বাগ পুড়িয়ে দেয়া।
  • ৫৬/১৫৫. নিদ্রিত মুশরিককে হত্যা করা।
  • ৫৬/১৫৬. শত্রুর মুখোমুখী হওয়ার আকাঙ্ক্ষা করো না।
  • ৫৬/১৫৭. যুদ্ধ হল কৌশল।
  • ৫৬/১৫৮. যুদ্ধে মিথ্যা বলা।
  • ৫৬/১৫৯. হারবীকে গোপনে হত্যা করা।
  • ৫৬/১৬০. যার নিকট হতে ক্ষতির আশংকা থাকে তার সঙ্গে কৌশল ও সাবধানতা অবলম্বন করা বৈধ।
  • ৫৬/১৬১. যুদ্ধে কবিতা আবৃত্তি করা ও পরিখা খননকালে আওয়াজ উচ্চ করা।
  • ৫৬/১৬২. যে ব্যক্তি অশ্বোপরি দৃঢ় হয়ে থাকতে পারে না।
  • ৫৬/১৬৩. চাটাই পুড়িয়ে ক্ষতের চিকিৎসা করা, নারী কর্তৃক পিতার মুখমন্ডল থেকে রক্ত ধৌত করা এবং ঢাল ভর্তি করে পানি বহন করা।
  • ৫৬/১৬৪. যুদ্ধক্ষেত্রে ঝগড়া ও মতবিরোধ করা অপছন্দনীয়। কেউ যদি ইমামের অবাধ্যতা করে তার শাস্তি।
  • ৫৬/১৬৫. রাত্রিকালে শত্রু ভয়ে ভীত হলে।
  • ৫৬/১৬৬. যে ব্যক্তি শত্রু দর্শনে চিৎকার দিয়ে বলে, ‘‘বিপদ আসন্ন!’’ যাতে লোকেরা তা শুনতে পায়।
  • ৫৬/১৬৭. তীর নিক্ষেপের সময় যে বলেছে, এটা লও; আমি অমুকের পুত্র।
  • ৫৬/১৬৮. মীমাংসা মান্য করতঃ শত্রুগণ দূর্গ ত্যাগ করলে।
  • ৫৬/১৬৯. বন্দী হত্যা ও হাত-পা বেঁধে হত্যা।
  • ৫৬/১৭০. স্বেচ্ছায় বন্দীত্ব গ্রহণ করবে কি? এবং যে বন্দীত্ব গ্রহণ করেনি আর যে ব্যক্তি নিহত হবার সময় দু’ রাক‘আত সালাত আদায় করল
  • ৫৬/১৭১. বন্দী মুক্তি প্রসঙ্গে।
  • ৫৬/১৭২. মুশরিকদের মুক্তিপণ।
  • ৫৬/১৭৩. দারুল হার্বের অধিবাসী নিরাপত্তাহীনভাবে দারুল ইসলামে প্রবেশ করল।
  • ৫৬/১৭৪. জিম্মীদের নিরাপত্তা বিধানের জন্য যুদ্ধ করা হবে এবং তাদেরকে গোলাম বানানো যাবে না।
  • ৫৬/১৭৬. জিম্মীদের জন্য সুপারিশ করা যাবে কি এবং তাদের সঙ্গে আচার-ব্যবহার।
  • ৫৬/১৭৭. প্রতিনিধি দলের আগমন উপলক্ষে সাজসজ্জা করা।
  • ৫৬/১৭৮. শিশুদের কাছে কেমনভাবে ইসলামকে তুলে ধরতে হবে?
  • ৫৬/১৮০. কোন সম্প্রদায় দারুল হারবে ইসলাম গ্রহণ করলে, তাদের ধন-সম্পত্তি ও ক্ষেত-খামার থাকলে তা তাদেরই থাকবে।
  • ৫৬/১৮১. ইমাম কর্তৃক লোকদের নাম লিপিবদ্ধ করা।
  • ৫৬/১৮২. আল্লাহ তা‘আলা কখনও পাপিষ্ঠ লোকের দ্বারা দীনের সাহায্য করেন।
  • ৫৬/১৮৩. শত্রুর আশংকায় সৈনাধ্যক্ষের অনুমতি ব্যতিরেকেই নিজেই সেনা পরিচালনার দায়িত্ব গ্রহণ করা।
  • ৫৬/১৮৪. সাহায্যকারী দল প্রেরণ প্রসঙ্গে।
  • ৫৬/১৮৫. শত্রুর উপর বিজয়ী হলে তাদের স্থানের বহির্ভাগে তিন দিবস অবস্থান করা।
  • ৫৬/১৮৬. যুদ্ধক্ষেত্রে ও সফরে গনীমত বণ্টন করা।
  • ৫৬/১৮৭. মুশরিকরা মুসলিমের মালামাল লুণ্ঠন করে নিলে মুসলিমদের তা প্রাপ্ত হওয়া।
  • ৫৬/১৮৮. যে ব্যক্তি ফার্সী কিংবা কোন অনারবী ভাষায় কথা বলে।
  • ৫৬/১৮৯. গনীমতের মালামাল আত্মসাৎ করা।
  • ৫৬/১৯০. স্বল্প পরিমাণ গানীমাতের মাল আত্মসাৎ করা।
  • ৫৬/১৯১. গনীমতের উট ও ছাগল (বণ্টিত হওয়ার পূর্বে) যবহ করা মাকরূহ।
  • ৫৬/১৯২. বিজয়ের সুসংবাদ প্রদান প্রসঙ্গে।
  • ৫৬/১৯৪. (মক্কাহ) বিজয়ের পর হিজরাতের কোন প্রয়োজন নেই।
  • ৫৬/১৯৫. আল্লাহ তা‘আলার না-ফরমানি করলে প্রয়োজনে জিম্মী অথবা মুসলিম নারীর চুল দেখা এবং তাদেরকে বিবস্ত্র করা।
  • ৫৬/১৯৬. মুজাহিদদেরকে সাদর সম্ভাষণ জ্ঞাপন করা।
  • ৫৬/১৯৭. জিহাদ হতে ফিরে আসার কালে যা বলবে।
  • ৫৬/১৯৮. সফর হতে প্রত্যাবর্তনের পর সালাত আদায় করা।
  • ৫৬/১৯৯. সফর হতে ফিরে খাদ্য গ্রহণ প্রসঙ্গে আর (‘আবদুল্লাহ) ইব্নু ‘উমার (রাঃ) আগত মেহমানের সম্মানে সওম পালন করতেন না।
  • ৫৬/৮. আল্লাহর রাস্তায় সওয়ারী থেকে পতিত হয়ে কারো মৃত্যু ঘটলে, সে জিহাদকারীদের অন্তর্ভুক্ত।
  • ৫৭/ খুমুস (এক পঞ্চমাংশ) (كتاب فرض الخمس) ৬৫ টি | ৩০৯১-৩১৫৫ পর্যন্ত 57/ One-fifth of Booty to the Cause of Allah (Khumus)
  • ৫৭/১. খুমুস নির্ধারণ প্রসঙ্গে।
  • ৫৭/২. খুমুস আদায় করা দ্বীনের অন্তর্গত।
  • ৫৭/৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের পর তাঁর স্ত্রীগণের ব্যয় নির্বাহ।
  • ৫৭/৪. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর স্ত্রীগণের ঘর এবং যে সব ঘর তাঁদের সঙ্গে সম্পর্কিত সে সবের বর্ণনা।
  • ৫৭/৫. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ম, লাঠি, তরবারী, পেয়ালা ও মুহর এবং তাঁর পরের খলীফাগণ সে সব দ্রব্য হতে যা ব্যবহার করেছেন, আর যেগুলোর বণ্টনের কথা অনুল্লেখিত রয়েছে এবং তাঁর চুল, পাদুকা ও পাত্র নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ওফাতের পর তাঁর সাহাবীগণ ও অন্যরা যাতে শরীক ছিলেন।
  • ৫৭/৬. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সময়ে আকস্মিক প্রয়োজনাদি ও মিসকীনদের জন্য গানীমাতের এক পঞ্চমাংশ।
  • ৫৭/৭. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ ‘‘নিশ্চয় এক পঞ্চমাংশ আল্লাহর ও রসূলের’’ (আনফাল ৪১)। তা বণ্টনের অধিকার রসূলেরই। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, আমি বণ্টনকারী ও সংরক্ষণকারী আর আল্লাহ তা‘আলাই প্রদান করেন।
  • ৫৭/৮. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বাণীঃ তোমাদের জন্য গনীমতের মাল হালাল করা হয়েছে।
  • ৫৭/৯. অভিযানে যারা উপস্থিত থেকেছে গানীমাত তাদের প্রাপ্য।
  • ৫৭/১০. যে ব্যক্তি গানীমাত লাভের জন্য জিহাদ করে তার সাওয়াব কি কম হবে?
  • ৫৭/১১. ইমামের কাছে যা আসে তা বণ্টন করে দেয়া এবং যে ব্যক্তি সেখানে উপস্থিত হয়নি কিংবা যে দূরে আছে তার জন্য রেখে দেয়া।
  • ৫৭/১২. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিরূপে কুরাইযাহ ও নাযীরের মালামাল বণ্টন করেছেন এবং স্বীয় প্রয়োজনে কিভাবে তাত্থেকে ব্যয় করেছেন?
  • ৫৭/১৩. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ইসলামী নেতৃবৃন্দের সঙ্গী মুজাহিদদের সম্পদে তাদের জীবনে ও মৃত্যুর পরে বরকত সৃষ্টি সম্পর্কে।
  • ৫৭/১৪. যখন ইমাম কোন দূতকে কার্যোপলক্ষে প্রেরণ করেন কিংবা তাকে অবস্থান করার নির্দেশ দেন; এমতাবস্থায় তার জন্য অংশ নির্ধারিত হবে কিনা?
  • ৫৭/১৫. যিনি বলেন, এক পঞ্চমাংশ মুসলিমদের প্রয়োজন পূরণের উদ্দেশে।
  • ৫৭/১৬. খুমুস পৃথক না করেই বন্দীগণের প্রতি প্রতি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অনুগ্রহ।
  • ৫৭/১৭. খুমুস ইমামের জন্য, অধিকার রয়েছে আত্মীয়গণের কাউকে বাদ দিয়ে কাউকে প্রদানের।
  • ৫৭/১৮. নিহত ব্যক্তি থেকে প্রাপ্ত মালামালের খুমুস বের না করা;
  • ৫৭/১৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইসলামের দিকে যাদের মন আকৃষ্ট করতে চাইতেন তাদেরকে ও অন্যদেরকে খুমুস বা তদ্রূপ মাল থেকে দান করতেন।
  • ৫৭/২০. দারুল হরবে যে সকল খাদ্যদ্রব্য পাওয়া যায়।
  • ৫৮/ জিযিয়াহ্‌ কর ও সন্ধি স্থাপন (كتاب الجزية والموادعة) ৩৪ টি | ৩১৫৬-৩১৮৯ পর্যন্ত 58/ Jizyah and Mawaada'ah
  • ৫৮/১. জিম্মীদের নিকট থেকে জিযইয়াহ গ্রহণ এবং হারবীদের সঙ্গে যুদ্ধ বন্ধের চুক্তি।
  • ৫৮/২. মুসলিম রাষ্ট্রের ইমাম কোন জনপদের প্রধানের সঙ্গে সন্ধি করলে, তা কি অবশিষ্ট লোকেদের উপরও কার্যকর হবে?
  • ৫৮/৩. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সঙ্গে যাদের অঙ্গীকার আছে তাদের ব্যাপারে ওয়াসিয়্যাত।
  • ৫৮/৪. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বাহরাইনের জমি হতে যা বন্দোবস্ত দেন এবং বাহরাইনের সম্পদ ও জিযইয়াহ হতে যা দেয়ার ওয়াদা করেন। ফায় ও জিযইয়াহ কাদের মধ্যে বণ্টন করা হবে?
  • ৫৮/৫. নিরপরাধ জিম্মী হত্যার পাপ।
  • ৫৮/৬. আরব উপদ্বীপ হতে ইয়াহুদীদের বহিষ্করণ।
  • ৫৮/৭. মুশরিকরা মুসলিমদের সাথে গাদ্দারী করলে তাদের কি ক্ষমা করা হবে?
  • ৫৮/৮. অঙ্গীকার ভঙ্গকারীর বিরুদ্ধে ইমামের দু‘আ।
  • ৫৮/৯. নারীগণ কর্তৃক নিরাপত্তা ও আশ্রয় প্রদান।
  • ৫৮/১০. মুসলিমদের পক্ষ হতে নিরাপত্তা ও আশ্রয় প্রদান একই ব্যাপার। তা সাধারণ মুসলিমের জন্যও পালনীয়।
  • ৫৮/১২. মুশরিকদের সঙ্গে দ্রব্য-সামগ্রী প্রভৃতির বদলে সন্ধি সম্পাদন এবং যে ওয়াদা পূরণ করে না তার পাপ।
  • ৫৮/১৩. ওয়াদা পূরণ করার ফযীলত।
  • ৫৮/১৪. কোন জিম্মী যাদু করলে তাকে কি ক্ষমা করা হবে?
  • ৫৮/১৫. বিশ্বাসঘাতকতার ব্যাপারে সতর্ক করা।
  • ৫৮/১৬. চুক্তিতে আবদ্ধ গোত্রের চুক্তি কিভাবে বাতিল করা যাবে?
  • ৫৮/১৭. যারা অঙ্গীকার করে তা ভঙ্গ করে তাদের গুনাহ।
  • ৫৮/১৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৫৮/১৯. তিন দিনের জন্য বা সুনির্দিষ্ট সময়ের জন্য সমঝোতা করা।
  • ৫৮/২১. মুশরিকদের লাশ কূপে নিক্ষেপ করা এবং তাদের থেকে কোন মূল্য গ্রহণ না করা।
  • ৫৮/২২. নেক বা পাপিষ্ঠ লোকের সঙ্গে কৃত ওয়াদা ভঙ্গে পাপ।
  • ৫৯/ সৃষ্টির সূচনা (كتاب بدء الخلق) ১৩৬ টি | ৩১৯০-৩৩২৫ পর্যন্ত 59/ Beginning of Creation
  • ৫৯/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ তিনিই সৃষ্টির সূচনা করেন, তারপর তিনিই পুনরায় তা সৃষ্টি করবেন এটা তার জন্য খুব সহজ। (সূরা রূম ২৭)
  • ৫৯/২. সাত যমীন সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
  • ৫৯/৪. সূর্য ও চন্দ্রের অবস্থান।
  • ৫৯/৫. আল্লাহ তা‘আলার এ বাণী সম্বন্ধে যা বর্ণিত হয়েছেঃ তিনিই স্বীয় রাহমাতের বৃষ্টির পূর্বে বিস্তৃতরূপে বায়ুকে প্রেরণ করেন। (আল-ফুরকান ৪৮)
  • ৫৯/৬. ফেরেশতাদের বর্ণনা।
  • ৫৯/৭. তোমাদের কেউ যখন আমীন বলে আর আকাশের ফেরেশতাগণও আমীন বলে। অতঃপর একের আমীন অন্যের আমীনের সঙ্গে মিলিতভাবে উচ্চারিত হয় তখন পূর্বের পাপরাশি মুছে দেয়া হয়।
  • ৫৯/৮. জান্নাতের বর্ণনা সম্পর্কে যা বলা হয়েছে আর তা হল সৃষ্ট।
  • ৫৯/৯. জান্নাতের দরজাসমূহের বর্ণনা।
  • ৫৯/১০. জাহান্নামের বিবরণ আর তা হচ্ছে সৃষ্ট বস্তু।
  • ৫৯/১১. ইবলীস ও তার বাহিনীর বর্ণনা।
  • ৫৯/১২. জ্বিন, তাদের পুরস্কার এবং শাস্তির বিবরণ।
  • ৫৯/১৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর আল্লাহ যমীনে সকল প্রকার প্রাণী ছড়িয়ে দিয়েছেন।’’
  • ৫৯/১৫. মুসলিমের সর্বোৎকৃষ্ট মাল হল ছাগের পাল যেগুলোকে নিয়ে তারা পাহাড়ের উপর চলে যায়।
  • ৫৯/১৬. হারামে হত্যাযোগ্য পাঁচ প্রকারের অনিষ্টকারী প্রাণী।
  • ৫৯/১৭. পানীয় দ্রব্যে মাছি পড়লে ডুবিয়ে দেবে। কারণ তার এক ডানায় থাকে রোগ, অন্যটিতে থাকে আরোগ্যের উপায়।
  • ৬০/ আম্বিয়া কিরাম ('আঃ) (كتاب أحاديث الأنبياء) ১৬৩ টি | ৩৩২৬-৩৪৮৮ পর্যন্ত 60/ Prophets
  • ৬০/১ক. আল্লাহ তা‘আলার বাণী।
  • ৬০/২. আত্মাসমূহ সেনাবাহিনীর ন্যায় একত্রিত।
  • ৬০/৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘আর আমি নূহকে তার জাতির নিকট প্রেরণ করেছিলাম’- (হূদঃ ২৫)।
  • ৬০/৫. ইদ্রীস (আঃ)-এর বিবরণ।
  • ৬০/৭. ইয়াজুজ ও মাজুজের ঘটনা
  • ৬০/৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর আল্লাহ ইবরাহীম (আঃ)-কে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেছেন- (আন্-নিসা ১২৫)।
  • ৬০/৯. يزفّون অর্থ মানে দ্রুত বেগে চলা।
  • ৬০/১০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬০/১১. মহান আল্লাহর বাণীঃ (হে মুহাম্মাদ) আপনি তাদেরকে ইবরাহীম (আঃ)-এর মেহমানগণের ঘটনা জানিয়ে দিন। যখন তারা তাঁর নিকট এসেছিলেন- (হিজরঃ ৫১-৫২)। -لَا تَوْجَلْ ভয় পাবেন না। (মহান আল্লাহর বাণী)ঃ স্মরণ করুন যখন ইবরাহীম (আঃ) বললেন, হে আমার রব! আমাকে দেখিয়ে দিন, আপনি কিভাবে মৃতকে জীবন দান করেন- (আল-বাকারাহঃ ২৬০)।
  • ৬০/১২. মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং স্মরণ করুন এই কিতাবে ইসমাঈলের কথা, অবশ্যই তিনি ছিলেন ওয়াদা পালনে সত্যনিষ্ঠ। (মারইয়ামঃ ৫৪)
  • ৬০/১৪. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ যখন ইয়াকূব (আঃ)-এর মৃত্যুকাল এসে হাযির হয়েছিল, তোমরা কি তখন সেখানে উপস্থিত ছিলে? যখন তিনি তাঁর সন্তানদের জিজ্ঞেস করছিলেন। (আল-বাকারাহঃ ১৩৩)
  • ৬০/১৫. (মহান আল্লাহর বাণীঃ স্মরণ কর লূতের কথা, তিনি তাঁর সম্প্রদায়কে বলেছিলেন; তোমরা কেন অশ্লীল কাজ করছ? অথচ এর পরিনতির কথা তোমরা অবগত আছ। তোমরা কি কামতৃপ্তির জন্য নারীদেরকে ছেড়ে পুরুষে উপগত হচ্ছো? তোমরা তো এক মুর্খ সম্প্রদায়। উত্তরে তাঁর কওমের এ কথা ছাড়া আর কোন কথা ছিল না যে, লূত পরিবারকে তোমাদের জনপদ থেকে বের করে দাও। এরা তো এমন লোক যারা অত্যন্ত পাকপবিত্র থাকে। অতঃপর তাঁকে (লূত'কে) ও তাঁর পরিবারবর্গকে উদ্ধার করলাম তাঁর স্ত্রীকে ছাড়া। কেননা, তার জন্য ধ্বংসপ্রাপ্তদের ভাগ্যই নির্ধারিত করেছিলাম। আর তাদের উপর বর্ষণ করেছিলাম মুষলধারে পাথরের বৃষ্টি। এই সতর্ককৃত লোকদের উপর বর্ষিত বৃষ্টি কতই না নিকৃষ্ট ছিল। (আন্-নামলঃ ৫৪-৫৮)
  • ৬০/১৬. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ অতঃপর যখন আল্লাহর ফেরেশতামন্ডলী লূত পরিবারের নিকট আসলেন, তখন তিনি বললেন, তোমরা তো অপরিচিত লোক- (হিজরঃ ৬১-৬২)।
  • ৬০/১৭. আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ আর সামূদ জাতির প্রতি তাদেরই ভাই সালিহকে পাঠিয়েছিলাম- (হূদঃ ৬১)। আল্লাহ আরো বলেন, হিজরবাসীরা রসূলগণের প্রতি মিথ্যারোপ করেছিলো- (হিজরঃ ৮০)।
  • ৬০/১৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ যখন ইয়াকুব-এর নিকট মৃত্যু এসেছিল, তখন কি তোমরা হাযির ছিলে? (আল-বাকারাহঃ ১৩৩)
  • ৬০/১৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই ইউসুফ এবং তাঁর ভাইদের কাহিনীতে জিজ্ঞাসাকারীদের জন্য অনেক নিদর্শন আছে। (ইউসুফঃ ৭)
  • ৬০/২০. আল্লাহর বাণীঃ (আর স্মরণ কর) আইয়ুবের কথা। যখন তিনি তাঁর রবকে ডেকে বললেন, আমিতো দুঃখ কষ্টে পড়েছি, আর তুমিতো সর্বশ্রেষ্ঠ দয়ালু। (আম্বিয়াঃ ৮৩)।
  • ৬০/২১. (আল্লাহ তা‘আলার বাণী)ঃ আর স্মরণ কর এই কিতাবে মূসার কথা। নিশ্চয়ই তিনি ছিলেন, বিশেষভাবে বাছাইকৃত রসূল ও নাবী। তাকে আমি ডেকেছিলাম তূর পাহাড়ের দক্ষিণ দিক হতে এবং আমি অন্তরংগ আলাপে তাকে নৈকট্য দান করেছিলাম। আমি নিজ অনুগ্রহে তার ভাই হারূনকে নাবীরূপে তাকে দিলাম। (মারইয়াম ৫১-৫৩)
  • ৬০/২২. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/২৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/২৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/২৭. মূসা (আঃ)-এর সম্পর্কিত খাযির (আঃ)-এর ঘটনা।
  • ৬০/২৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬০/২৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ তারা প্রতিমা পূজায় রত এক জাতির নিকট হাজির হয়। (আ’রাফ ১৩৮)
  • ৬০/৩১. মূসা (আঃ)-এর মৃত্যু ও তৎপরবর্তী অবস্থার বর্ণনা।
  • ৬০/৩২. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর আল্লাহ্ মু‘মিনদের জন্য দৃষ্টান্ত পেশ করেছেন ফির‘আউনের স্ত্রীর। আর সে ছিল বিনয়ী ইবাদাতকারীদের অন্তর্ভুক্ত। (আত্ তাহরীম ১১-১২)
  • ৬০/৩৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর ইউনূসও ছিলেন রাসূলদের একজন ...... তারপর একটি মাছ তাকে গিলে ফেলল, তখন তিনি নিজেকে তিরস্কার করতে লাগলেন। (আস্ সাফফাত ১৩৯-১৪২)
  • ৬০/৩৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ আমি দাউদকে ‘যাবুর’ দিয়েছি। (বনী ইসরাঈল ৫৫)
  • ৬০/৩৮. আল্লাহর নিকট সবচেয়ে পছন্দনীয় সালাত দাউদ (আঃ)-এর সালাত ও সবেচেয় পছন্দনীয় সওম দাউদ (আঃ)-এর সওম। তিনি রাতের প্রথমার্ধে ঘুমাতেন আর এক-তৃতীয়াংশ দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করতেন এবং বাকী ষষ্ঠাংশ ঘুমাতেন। তিনি একদিন সওম পালন করতেন আর একদিন বিরতি দিতেন।
  • ৬০/৩৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ এবং স্মরণ করুন আমার বান্দা দাঊদের কথা, যিনি ছিলেন খুব শক্তিশালী এবং যিনি ছিলেন অতিশয় আল্লাহ অভিমুখী ..... ফায়সালাকারীর বর্ণনা শক্তি। (সোয়াদ ১৭-২০)
  • ৬০/৪০. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/৪১. মহান আল্লাহর বাণীঃ নিশ্চয়ই আমি লুকমানকে হিকমত দান করেছি। আর সে বলেছিল, শির্ক এক মহা জুলুম। (লুকমান ১২-১৩)... (মহান আল্লাহর বাণী)ঃ হে বৎস! তা (পাপ) যদি সরিষার দানা পরিমাণও ছোট হয়...দাম্ভিককে ভালবাসেন না। (লুকমান ১৬-১৮)। চেহারা ফিরিয়ে অবজ্ঞা করো না।
  • ৬০/৪৩. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/৪৪. মহান আল্লাহর বাণী
  • ৬০/৪৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর যখন ফেরেশতামন্ডলী বলল, হে মারইয়াম! নিশ্চয় আল্লাহ্ তোমাকে মনোনীত করেছেন।
  • ৬০/৪৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/৪৭. অধ্যায় : মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬০/৪৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর এ কিতাবে বর্ণনা করুন মারইয়ামের কথা, যখন সে নিজ পরিবারের লোকদের থেকে পৃথক হলো। (মারইয়াম ১৬)
  • ৬০/৪৯. মারইয়াম পুত্র ‘ঈসা (আঃ)-এর অবতরণ।
  • ৬০/৫০. বনী ইসরাঈল সম্পর্কে যা বর্ণিত হয়েছে।
  • ৬০/৫১. বানী ইসরাঈলের শ্বেতওয়ালা, টাকওয়ালা ও অন্ধের হাদীস।
  • ৬০/৫৩. গুহার ঘটনা।
  • ৬০/৫৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬০/০০. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬১/ মর্যাদা ও বৈশিষ্ট্য (كتاب المناقب) ১৬০ টি | ৩৪৮৯-৩৬৪৮ পর্যন্ত 61/ Virtues and Merits of the Prophet (pbuh) and his Companions
  • ৬১/১. আল্লাহ তা‘আলা বলেনঃ
  • ৬১/২. কুরাইশদের মর্যাদা ও গুণাবলী
  • ৬১/৩. কুরআন কুরাইশদের ভাষায় অবতীর্ণ হয়েছে।
  • ৬১/৪. ইয়ামানবাসীর সম্পর্ক ইসমাঈল (আঃ)-এর সঙ্গে;
  • ৬১/৫. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬১/৬. আসলাম, গিফার, মুযায়না, জুহায়না ও আশজা‘ গোত্রের উল্লেখ।
  • ৬১/৭. কাহতান গোত্রের উল্লেখ।
  • ৬১/৮. জাহিলী যুগের মত সাহায্যের আহবান জানানো নিষিদ্ধ।
  • ৬১/৯. খুযা‘আহ গোত্রের কাহিনী।
  • ৬১/১১. যমযম কূপের ঘটনা।
  • ৬১/১২. যমযমের ঘটনা ও আরবের মূর্খতা।
  • ৬১/১৩. যিনি ইসলাম ও জাহিলী যুগে পিতৃপুরুষের সঙ্গে বংশধারা সম্পর্কিত করেন।
  • ৬১/১৪. ভাগ্নে ও আযাদকৃত গোলাম নিজের গোত্রেরই অন্তর্ভুক্ত।
  • ৬১/১৫. হাবশীদের কাহিনী এবং নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ ওহে বানী আরফিদা!
  • ৬১/১৬. যে ব্যক্তি পছন্দ করে যে, তার বংশকে যেন গালি দেয়া না হয়।
  • ৬১/১৭. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নামসমূহ সম্পর্কে যা কিছু বর্ণিত হয়েছে।
  • ৬১/১৮. খাতামুন-নাবীয়্যীন।
  • ৬১/১৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু।
  • ৬১/২০. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপনামসমূহ।
  • ৬১/২১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬১/২২. নুবুওয়াতের মোহর।
  • ৬১/২৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বর্ণনা।
  • ৬১/২৪. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর চোখ বন্ধ থাকত কিন্তু তাঁর অন্তর থাকত বিনিদ্র।
  • ৬১/২৫. ইসলামে নুবুওয়াতের নিদর্শনাবলী।
  • ৬১/২৬. মহান আল্লাহর বাণীঃ যাদের আমি কিতাব দিয়েছি তারা তাকে সেরূপ চেনে, যেরূপ তারা তাদের পুত্রদের চেনে। আর তাদের একদল জেনে শুনে নিশ্চিতভাবে সত্য গোপন করে। (আল-বাক্বারাহ ১৪৬)
  • ৬১/২৭. মুশরিকরা নিদর্শন দেখানোর জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বললে তিনি চাঁদ দু’ভাগ করে দেখালেন।
  • ৬১/২৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬২/ সাহাবীগণ [রাযিয়াল্লাহ ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب فضائل أصحاب النبى ﷺ) ১২৭ টি | ৩৬৪৯-৩৭৭৫ পর্যন্ত 62/ Companions of the Prophet
  • ৬২/১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীগণের ফযীলত।*
  • ৬২/২. মুহাজিরগণের গুণাবলী ও ফযীলত।
  • ৬২/৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আবূ বাকর (রাঃ) এর দরজা বাদ দিয়ে সব দরজা বন্ধ করে দাও।
  • ৬২/৪. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পরেই আবূ বাকরের মর্যাদা।
  • ৬২/৫. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ আমি যদি কোন ব্যক্তিকে আন্তরিক বন্ধুরূপে গ্রহণ করতাম।
  • ৬২/৬. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬২/৭. ‘উসমান ইব্নু আফ্ফান আবূ ‘আমর কুরায়শী (রাঃ)-এর ফযীলত ও মর্যাদা।
  • ৬২/৮. ‘উসমান ইব্নু আফ্ফান (রাঃ)-এর প্রতি বায়‘আত ও তাঁর উপর (জনগণের) ঐকমত্য হবার বিবরণ আর এতে ‘উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর শহীদ হওয়ার বর্ণনা।
  • ৬২/৯. আবূল হাসান ‘আলী ইবনু আবূ তালিব কুরাইশী হাশিমী (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/১০. জা‘ফর ইব্নু আবূ তালিব হাশিমী (রাঃ) এর মর্যাদা।
  • ৬২/১১. ‘আববাস ইব্নু ‘আবদুল মুত্তালিব (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬২/১২. আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকটাত্মীয়দের মর্যাদা এবং ফাতিমাহ (রাঃ) বিন্তে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মর্যাদা।
  • ৬২/১৩. যুবায়র ইবনু আ‘ওয়াম (রাঃ) এর মর্যাদা।
  • ৬২/১৪. ত্বলহা ইব্নু ‘উবাইদুল্লাহ (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬২/১৫. সা‘দ ইব্নু আবূ ওক্কাস যুহরীর (রাঃ) মর্যাদা।
  • ৬২/১৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জামাতাগণের বর্ণনা।
  • ৬২/১৮. উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬২/১৯. ‘আবদুল্লাহ ইব্নু ‘উমার ইব্নু খাত্তাব (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২০. আম্মার ও হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২১. আবূ ‘উবাইদাহ ইবনু জার্রাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২২. হাসান ও হুসাইন (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৩. আবূ বাকর (রাঃ)-এর মুক্ত কৃতদাস বিলাল ইব্নু রাবাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৪. (‘আবদুল্লাহ) ইব্নু ‘আববাস (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৫. অধ্যায় : খালিদ ইব্নু ওয়ালিদ (রাঃ) এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৬. আবূ হুযাইফাহ (রাঃ)-এর মাওলা আযাদকৃত গোলাম সালিম (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৭. আবদুল্লাহ ইব্নু মাস‘ঊদ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/২৮. মু‘আবিয়াহ (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬২/২৯. ফাতিমাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/৩০. ‘আয়িশাহ্ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬২/১৭. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মুক্তিপ্রাপ্ত গোলাম যায়দ ইবনু হারিসাহ্ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/ আনসারগণ [রাযিয়াল্লাহু ‘আনহুম]-এর মর্যাদা (كتاب مناقب الأنصار) ১৭৩ টি | ৩৭৭৬-৩৯৪৮ পর্যন্ত 63/ Merits of the Helpers in Madinah (Ansaar)
  • ৬৩/১. আনসারগণের মর্যাদা।
  • ৬৩/২. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ যদি হিজরাত না হত তাহলে আমি আনসারদেরই একজন হতাম।
  • ৬৩/৩. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক মুহাজির ও আনসারগণের মধ্যে ভ্রাতৃত্ব স্থাপন।
  • ৬৩/৪. আনসারগণকে ভালবাসা।
  • ৬৩/৫. আনসারদের লক্ষ্য করে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ মানুষের মাঝে তোমরা আমার কাছে সব চেয়ে প্রিয়।
  • ৬৩/৬. আনসারগণের অনুসারীরা।
  • ৬৩/৭. আনসার গোত্রসমূহের মর্যাদা।
  • ৬৩/৮. আনসারগণের ব্যাপারে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ তোমরা ধৈর্য অবলম্বন করবে যে পর্যন্ত না তোমরা হাওয কাউসারে আমার সঙ্গে সাক্ষাৎ কর।
  • ৬৩/৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দু‘আ- হে আল্লাহ্! আনসার ও মুহাজিরগণের কল্যাণ কর।
  • ৬৩/১০. (আল্লাহর বাণী)- আর তারা (আনসারগণ) নিজেরা অসচ্ছল হওয়া সত্ত্বেও অন্যদেরকে নিজেদের উপর প্রাধান্য দেয়। (আল-হাশর ৯)
  • ৬৩/১১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তিঃ তাদের (আনসারদের) সৎকর্মশীলদের পক্ষ হতে (সৎ কার্য) কবূল কর, এবং তাদের ভুল-ভ্রান্তিকারীদের ক্ষমা করে দাও।
  • ৬৩/১২. সা‘দ ইবনু মু‘আয (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৩. উসায়দ ইব্নু হুযায়র ও আববাদ ইবনু বিশর (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৪. মু‘আয ইবনু জাবাল (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৫. সা‘দ ইবনু ‘উবাদাহ (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৬. উবাই উবন কা‘ব (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৭. যায়দ ইব্নু সাবিত (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৮. আবূ ত্বলহা (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/১৯. ‘আবদুল্লাহ ইবনু সালাম (রাঃ)-এর মর্যাদা।
  • ৬৩/২০. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাথে খাদীজাহ (রাঃ)-এর বিবাহ এবং তাঁর ফযীলত।
  • ৬৩/২১. জারীর ইবনু ‘আবদুল্লাহ বাজালী (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬৩/২২. হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান ‘আবসী (রাঃ)-এর উল্লেখ।
  • ৬৩/২৩. উতবাহ ইব্নু রাবী‘আহ্র কন্যা হিন্দ (রাঃ)-এর আলোচনা।
  • ৬৩/২৪. যায়দ ইব্নু ‘আমর ইবনু নুফায়ল (রাঃ)-এর ঘটনা।
  • ৬৩/২৫. কা‘বা নির্মাণ।
  • ৬৩/২৬. জাহিলীয়্যাতের যুগ।
  • ৬৩/২৭. জাহিলী যুগের কাসামাহ (শপথ গ্রহণ)।
  • ৬৩/২৮. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নবুয়্যাত লাভ।
  • ৬৩/২৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও সাহাবীগণ মক্কাহ্র মুশরিকদের দ্বারা যে দুঃখ জ্বালা ভোগ করেছেন তার বিবরণ।
  • ৬৩/৩০. আবূ বাকর সিদ্দীক (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৩/৩১. সা‘দ ইবনু আবূ ওয়াক্কাস (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৩/৩২. জ্বিনদের উল্লেখ।
  • ৬৩/৩৩. আবূ যার (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৩/৩৪. সা‘ঈদ ইবনু যায়দ (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৩/৩৫. ‘উমার ইবনু খাত্তাব (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৩/৩৬. চাঁদকে দুই খন্ড করা।
  • ৬৩/৩৭. হাবাশাহ্য় হিজরাত।
  • ৬৩/৩৮. নাজাশীর মৃত্যু।
  • ৬৩/৩৯. নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিরুদ্ধে মুশরিকদের শপথ গ্রহণ।
  • ৬৩/৪০. আবূ ত্বলিবের কিসসা।
  • ৬৩/৪১. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভ্রমণের ঘটনা।
  • ৬৩/৪২. মি‘রাজের বিবরণ।
  • ৬৩/৪৩. মক্কাহ্য় নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট আনসারের প্রতিনিধি দল এবং আকাবার বায়‘আত।
  • ৬৩/৪৪. ‘আয়িশাহ (রাঃ) এর সঙ্গে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বিবাহ, তাঁর মদীনাহ উপস্থিতি এবং ‘আয়িশাহ (রাঃ)-এর সঙ্গে তাঁর বাসর।
  • ৬৩/৪৫. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এবং তাঁর সাহাবীদের মদীনায় হিজরাত।
  • ৬৩/৪৬. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও তাঁর সাহাবীবর্গের মদীনাহ উপস্থিতি।
  • ৬৩/৪৭. হজ্জ সমাধার পর মুহাজিরগণের মক্কাহয় অবস্থান।
  • ৬৩/৪৮. তারিখ, কোথা হতে তারিখ
  • ৬৩/৪৯. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উক্তি, হে আল্লাহ্! আমার সহাবাগণের হিজরাতকে অটুট রাখুন এবং মক্কাহয় মৃত সাহাবীদের উদ্দেশে শোক জ্ঞাপন।
  • ৬৩/৫০. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিভাবে তাঁর সাহাবীদের ভিতর ভ্রাতৃবন্ধন মজবুত করলেন।
  • ৬৩/৫১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৩/৫২. নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মদীনায় আগমনে তাঁর নিকট ইয়াহুদীদের উপস্থিতি।
  • ৬৩/৫৩. সালমান ফারসী (রাঃ)-এর ইসলাম গ্রহণ।
  • ৬৪/ মাগাযী [যুদ্ধ] (كتاب المغازى) ৫২৫ টি | ৩৯৪৯-৪৪৭৩ পর্যন্ত 64/ Military Expeditions led by the Prophet (pbuh) (Al-Maghaazi)
  • ৬৪/১. ‘উশায়রাহ বা ‘উসাইরাহর যুদ্ধ।
  • ৬৪/২. বদর যুদ্ধে নিহতদের ব্যাপারে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর ভবিষ্যদ্বাণী
  • ৬৪/৩. বদর যুদ্ধের ঘটনা ও মহান আল্লাহর বাণী
  • ৬৪/৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৪/৫. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৬. বদর যুদ্ধে যোগদানকারীর সংখ্যা।
  • ৬৪/৭. কুরাইশ কাফির শায়বাহ, ‘উতবাহ, ওয়ালীদ এবং আবূ জাহল ইবনু হিশামের বিরুদ্ধে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর দু‘আ এবং এদের ধ্বংস হওয়ার বিবরণ।
  • ৬৪/৮. আবূ জাহলের হত্যা।
  • ৬৪/৯. বদর যুদ্ধে যোগদানকারীগণের মর্যাদা।
  • ৬৪/১০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/১১. বদর যুদ্ধে মালায়িকাহর যোগদান।
  • ৬৪/১২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/১৪. দু’ ব্যক্তির রক্তপণের ব্যাপারে আলোচনা করার জন্য রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর বানী নাযীর গোত্রের নিকট গমন এবং তাঁর সঙ্গে তাদের বিশ্বাসঘাতকতা বিষয়ক ঘটনা।
  • ৬৪/১৫. কা‘ব ইব্নু আশরাফ-এর হত্যা
  • ৬৪/১৬. আবূ রাফি‘ ‘আবদুল্লাহ্ ইবনু আবুল হুকায়কের হত্যা।
  • ৬৪/১৭. উহূদ যুদ্ধ
  • ৬৪/১৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/১৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৪/২০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/২১. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৪/২২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/২৩. উম্মু সালীত্বের মর্যাদা সম্পর্কিত আলোচনা।
  • ৬৪/২৪. হামযাহ (রাঃ)-এর শাহাদাত।
  • ৬৪/২৫. উহূদের দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর আঘাতপ্রাপ্ত হওয়ার ঘটনা।
  • ৬৪/০০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/২৬. ‘‘যারা আল্লাহ ও তাঁর রসূলের ডাকে সাড়া দিয়েছেন।’’
  • ৬৪/২৭. যে সব মুসলিম উহূদ যুদ্ধে শহীদ হয়েছিলেন তাদের অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।
  • ৬৪/২৮. উহূদ (পাহাড়) আমাদেরকে ভালবাসে।
  • ৬৪/২৯. রাজী, রিল, যাক্ওয়ান, বিরে মাউনার যুদ্ধ এবং আযাল, কারাহ, আসিম ইবনু সাবিত, খুবায়ইব (রাঃ) ও তার সঙ্গীদের ঘটনা।
  • ৬৪/৩০. খন্দকের যুদ্ধ। এ যুদ্ধকে আহযাবের যুদ্ধও বলা হয়।
  • ৬৪/৩১. আহযাব যুদ্ধ থেকে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রত্যাবর্তন এবং তাঁর বনূ কুরাইযাহ অভিযান ও তাদেরকে অবরোধ।
  • ৬৪/৩২. যাতুর রিকা-র যুদ্ধ।
  • ৬৪/৩৩. বানূ মুসতালিকের যুদ্ধ। বানূ মুসতালিক খুযা‘আর একটি শাখা গোত্র। এ যুদ্ধকে মুরায়সীর যুদ্ধও বলা হয়।
  • ৬৪/৩৪. আনমার-এর যুদ্ধ
  • ৬৪/৩৫. ইফ্ক-এর ঘটনা।
  • ৬৪/৩৬. হুদাইবিয়াহর যুদ্ধ
  • ৬৪/৩৭. উকল ও ‘উরাইনাহ গোত্রের ঘটনা
  • ৬৪/৩৮. যাতুল কারাদের যুদ্ধ।
  • ৬৪/৩৯. খাইবার -এর যুদ্ধ।
  • ৬৪/৪০. খাইবারবাসীদের জন্য নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক প্রশাসক নিযুক্তি।
  • ৬৪/৪১. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক খাইবার অধিবাসীদের কৃষি ভূমির বন্দোবস্ত প্রদান।
  • ৬৪/৪২. খাইবারে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর জন্য বিষ মিশ্রিত বাকরীর (হাদিয়া পাঠানোর) বর্ণনা।
  • ৬৪/৪৩. যায়দ ইবনু হারিসাহ (রাঃ)-এর অভিযান।
  • ৬৪/৪৪. উমরাহ্ কাযার বর্ণনা।
  • ৬৪/৪৫. সিরিয়া ভূমিতে সংঘটিত মূতার যুদ্ধের ঘটনা।
  • ৬৪/৪৬. জুহাইনাহ গোত্রের শাখা ‘হুরুকাত’ উপগোত্রের বিরুদ্ধে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক ইবনু যায়িদ (রাঃ)-কে প্রেরণের বর্ণনা।
  • ৬৪/৪৭. মক্কাহ্য় বিজয়াভিযান।
  • ৬৪/৪৮. রমাযান মাসে সংঘটিত মক্কাহ বিজয়ের যুদ্ধ।
  • ৬৪/৪৯. মক্কাহ বিজয়ের দিনে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কোথায় ঝান্ডা স্থাপন করেছিলেন।
  • ৬৪/৫০. মক্কাহ নগরীর উঁচু এলাকার দিক দিয়ে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রবেশের বর্ণনা।
  • ৬৪/৫১. মক্কাহ বিজয়ের দিন নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবস্থানস্থল।
  • ৬৪/৫২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৫৩. মক্কাহ বিজয়ের সময় নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সেখানে অবস্থানকালের পরিমাণ।
  • ৬৪/৫৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৫৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৪/৫৬. আওতাসের যুদ্ধ।
  • ৬৪/৫৭. তায়িফের যুদ্ধ।
  • ৬৪/৫৮. নাজদের দিকে প্রেরিত অভিযান
  • ৬৪/৫৯. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কর্তৃক খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)-কে জাযীমাহর দিকে প্রেরণ।
  • ৬৪/৬০. ‘আবদুল্লাহ ইবনু হুযাফা সাহমী এবং আলকামাহ ইবনু মুজাযযিল মুদাল্লিজীর সৈন্যাভিযান, যাকে আনসারদের সৈন্যাভিযানও বলা হয়।
  • ৬৪/৬১. বিদায় হজ্জের পূর্বে আবূ মূসা আশ‘আরী (রাঃ) এবং মু‘আয [ইবনু জাবল (রাঃ)]-কে ইয়ামানে প্রেরণ।
  • ৬৪/৬২. বিদায় হজ্জের পূর্বে ‘আলী ইবনু আবূ ত্বলিব এবং খালিদ ইবনু ওয়ালীদ (রাঃ)-কে ইয়ামানে প্রেরণ।
  • ৬৪/৬৩. যুল খালাসার যুদ্ধ।
  • ৬৪/৬৪. যাতুস্ সালাসিল যুদ্ধ।
  • ৬৪/৬৫. জারীর (রাঃ)-এর ইয়ামান গমন।
  • ৬৪/৬৬. সীফুল বাহরের যুদ্ধ। এ যুদ্ধে মুসলিমগণ কুরাইশের একটি কাফেলার প্রতীক্ষায় ছিল এবং তাঁদের সেনাপতি ছিলেন আবূ ‘উবাইদাহ (রাঃ)।
  • ৬৪/৬৭. হিজরাতের নবম বছর লোকজনসহ আবূ বাকর (রাঃ)-এর হজ্জ পালন।
  • ৬৪/৬৮. বানী তামীমের প্রতিনিধি দল।
  • ৬৪/৬৯. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৭০. ‘আবদুল কায়স গোত্রের প্রতিনিধি দল।
  • ৬৪/৭১. বানু হানীফার প্রতিনিধি দল এবং সুমামাহ ইবনু উসাল (রাঃ)-এর ঘটনা।
  • ৬৪/৭২. আসওয়াদ ‘আনসীর ঘটনা।
  • ৬৪/৭৩. নাজরান অধিবাসীদের ঘটনা।
  • ৬৪/৭৪. ওমান ও বাহরাইনের ঘটনা।
  • ৬৪/৭৫. আশ‘আরী ও ইয়ামানবাসীদের আগমন।
  • ৬৪/৭৬. দাউস গোত্র এবং তুফাইল ইবনু ‘আমর দাউসীর ঘটনা।
  • ৬৪/৭৭. তায়ী গোত্রের প্রতিনিধি দল এবং ‘আদী ইবনু হাতিম -এর কাহিনী।
  • ৬৪/৭৮. বিদায় হজ্জ
  • ৬৪/৭৯. তাবূক -এর যুদ্ধ-আর তা হল কষ্টকর যুদ্ধ।
  • ৬৪/৮০. কা‘ব ইবনু মালিকের ঘটনা এবং মহামহিম আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৪/৮১. হিজর বস্তিতে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অবতরণ।
  • ৬৪/৮২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৮৩. পারস্যের কিসরা ও রোমের অধিপতি কায়সারের কাছে নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর পত্র প্রেরণ।
  • ৬৪/৮৪. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর রোগ ও তাঁর ওফাত।
  • ৬৪/৮৫. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সর্বশেষ কথা।
  • ৬৪/৮৬. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু।
  • ৬৪/৮৭. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৮৮. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর মৃত্যু-রোগের অবস্থায় উসামাহ ইবনু যায়দ (রাঃ)-কে যুদ্ধাভিযানে প্রেরণ।
  • ৬৪/৮৯. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৪/৯০. নাবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম কতটি যুদ্ধে অংশ নিয়েছিলেন?
  • ৬৫/ কুরআন মাজীদের তাফসীর (كتاب التفسير) ৫০৪ টি | ৪৪৭৪-৪৯৭৭ পর্যন্ত 65/ Prophetic Commentary on the Qur'an (Tafseer of the Prophet (pbuh)
  • ৬৫/১/১. সূরাতুল ফাতিহা (ফাতিহাতুল কিতাব) প্রসঙ্গে।
  • ৬৫/১/২. যারা ক্রোধে পতিত নয়।
  • ৬৫/২/১. মহান আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আর তিনি শিখালেন আদমকে সব কিছুর নাম। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/৩১)
  • ৬৫/২/৩. মহান আল্লাহর বাণীঃ অতএব, তোমরা জেনে-বুঝে কাউকে আল্লাহর সমকক্ষ স্থির করো না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২২)
  • ৬৫/২/৪. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৫. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/৬. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ আমি কোন আয়াত রহিত করলে কিংবা ভুলিয়ে দিলে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১০৬)
  • ৬৫/২/৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ আর তারা বলেঃ ‘আল্লাহ সন্তান গ্রহণ করেছেন।’ তিনি অতি পবিত্র। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১১৬)
  • ৬৫/২/৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমরা ইব্রাহীমের দাঁড়ানোর জায়গাকে সালাতের জায়গারূপে গ্রহণ কর। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১২৫)
  • ৬৫/২/১০. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/১১. মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমরা বল, আমরা ঈমান এনেছি আল্লাহর উপর এবং যা অবতীর্ণ হয়েছে আমাদের প্রতি। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৩৬)
  • ৬৫/২/১২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/১৩. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/১৪. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/১৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/১৬. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/১৭. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/১৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/১৯. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/২০. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/২১. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/২২. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/২৩. হে ঈমানদারগণ! তোমাদের জন্য নিহতদের ব্যাপারে কিসাসের১ বিধান দেয়া হল, স্বাধীন ব্যক্তির বদলে স্বাধীন ব্যক্তি, ক্রীতদাসের বদলে ক্রীতদাস এবং নারীর বদলে নারী। তবে তার ভাইয়ের তরফ থেকে কাউকে কিছু ক্ষমা করে দেয়া হলে যথাযথ বিধির অনুসরণ করতে হবে এবং সততার সঙ্গে তা তাকে প্রদান করতে হবে। এটা তোমাদের প্রতিপালকের তরফ থেকে ভার লাঘব ও বিশেষ রাহমাত। এরপরও যে কেউ বাড়াবাড়ি করে, তার জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৭৮)
  • ৬৫/২/২৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/২৫. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/২৬. ‘‘সুতরাং তোমাদের মধ্যে যে এ মাস পাবে সে যেন এ মাসে সওম করে ।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৮৫)
  • ৬৫/২/২৭. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/২৮. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/২৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৩০. মহান আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৩১. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৩২. আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের মধ্যে যদি কেউ অসুস্থ হয়ে পড়ে কিংবা মাথায় কোন কষ্ট থাকে তবে সওম কিংবা সদাকাহ অথবা কুরবানী দিয়ে তার ফিদ্ইয়া দিবে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৯৬)
  • ৬৫/২/৩৩. আল্লাহর বাণীঃ যখন তোমরা নিরাপদ হবে, তখন তোমাদের মধ্যে যে কেউ হজ্জ ও ‘উমরাহ একত্রে পালন করতে চায়, সে যা কিছু সহজলভ্য তা দিয়ে কুরবানী করবে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৯৬)
  • ৬৫/২/৩৪. ‘‘তোমাদের পালনকর্তার অনুগ্রহ অন্বেষণ করায় তোমাদের কোন পাপ নেই।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৯৮)
  • ৬৫/২/৩৫. ‘‘তারপর তোমরা দ্রুতগতিতে সেখান থেকে ফিরে আস যেখান থেকে সবাই ফিরে।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/১৯৯)
  • ৬৫/২/৩৬. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/৩৭. আল্লাহর বাণীঃ প্রকৃতপক্ষে সে কিন্তু ঘোর বিরোধী। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২০৪)
  • ৬৫/২/৩৮. ‘তোমরা কি মনে কর যে, তোমরা বেহেশতে চলে যাবে, যদিও এখনও তোমরা তাদের অবস্থা অতিক্রম করনি যারা তোমাদের পূর্বে গত হয়েছে? তাদের উপর পতিত হয়েছিল অর্থ-সংকট ও দুঃখ-ক্লেশ। তারা এমনভাবে ভীত-শিহরিত হয়েছিল যে, রসূল এবং তার সঙ্গে যারা ঈমান এনেছিল তাদের বলতে হয়েছিলঃ কখন আসবে আল্লাহর সাহায্য? হাঁ, আল্লাহর সাহায্য একান্তই কাছে।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২১৪)
  • ৬৫/২/৩৯. মহান আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের স্ত্রীরা হল তোমাদের শস্যক্ষেত্র। যেভাবে ইচ্ছা তোমরা তোমাদের শস্যক্ষেত্রে গমন করতে পার। তবে তোমরা নিজেদের জন্য কিছু আগামী দিনের ব্যবস্থা করবে এবং আল্লাহ্কে ভয় করবে। আর জেনে রেখ যে, আল্লাহর সঙ্গে তোমাদের সাক্ষাৎ হবেই এবং মু’মিনদের সুসংবাদ দাও। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২২৩)
  • ৬৫/২/৪০. আল্লাহর বাণীঃ আর যখন তোমরা তোমাদের স্ত্রীদের তালাক দিয়ে দাও এবং তারা তাদের ‘ইদ্দাত’কাল পূর্ণ করতে থাকে তখন যদি তারা পরস্পর সম্মত হয়ে নিজেদের স্বামীদের বিধিমত বিয়ে করতে চায় তাহলে তোমরা তাদের বাধা দিবে না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৩২)
  • ৬৫/২/৪১. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/২/৪২. ‘‘তোমরা সালাতের প্রতি যত্নবান হবে বিশেষত মধ্যবর্তী সালাতের।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৩৮)
  • ৬৫/২/৪৩. ‘‘এবং আল্লাহর উদ্দেশে তোমরা বিনীতভাবে দাঁড়াবে।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৩৮)
  • ৬৫/২/৪৪. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৪৫. আর তোমাদের মধ্যে যারা স্ত্রী রেখে মৃত্যুমুখে পতিত হবে, .....(সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৪০)
  • ৬৫/২/৪৬. আর স্মরণ কর যখন ইবরাহীম বললঃ হে আমার পালনকর্তা! আমাকে দেখাও কীভাবে তুমি মৃতকে জীবিত কর। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৬০)
  • ৬৫/২/৪৭. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/২/৪৮. আল্লাহর বাণীঃ কাকুতি-মিনতি করে তারা মানুষের কাছে ভিক্ষা চায় না। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৭৩)
  • ৬৫/২/৪৯. আল্লাহর বাণীঃ অথচ আল্লাহ ক্রয়-বিক্রয়কে বৈধ এবং সুদকে অবৈধ করেছেন- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৭৫)।
  • ৬৫/২/৫০. আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ সুদকে নিশ্চিহ্ন করেন। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৭৬)
  • ৬৫/২/৫১. ‘‘তারপর যদি তোমরা পরিত্যাগ না কর, তাহলে আল্লাহ ও তাঁর রাসূলের সঙ্গে যুদ্ধ করতে তৈরি হয়ে যাও’’- (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৭৯)।
  • ৬৫/২/৫২. আল্লাহর বাণীঃ খাতক (ঋণী) যদি অভাবগ্রস্ত হয় তবে তার সচ্ছলতা আসা পর্যন্ত তাকে অবকাশ দেয়া উচিত। আর যদি তোমরা ক্ষমা করে দাও, তা হবে তোমাদের জন্য অতি উত্তম কাজ, যদি তোমরা জানতে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৮০)
  • ৬৫/২/৫৩. আল্লাহর বাণীঃ আর সেদিনকে ভয় কর, যেদিন তোমরা আল্লাহর কাছে প্রত্যাবর্তিত হবে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৮১)
  • ৬৫/২/৫৪. ‘‘তোমাদের মনে যা আছে তা তোমরা প্রকাশ কর কিংবা গোপন রাখ আল্লাহ তোমাদের নিকট হতে তার হিসাব নেবেন। তারপর যাকে ইচ্ছা তিনি ক্ষমা করবেন এবং যাকে ইচ্ছা শাস্তি দেবেন। আল্লাহ সর্ববিষয়ে সর্বশক্তিমান।’’ (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৮৪)
  • ৬৫/২/৫৫. আল্লাহর বাণীঃ রসূল ঈমান এনেছেন ঐ সব বিষয়ের উপর যা তাঁর প্রতি অবতীর্ণ করা হয়েছে তাঁর পালনকর্তার পক্ষ থেকে এবং মু’মিনরাও ঈমান এনেছে। (সূরাহ আল-বাকারাহ ২/২৮৫)
  • ৬৫/৩/১. ...... যার কতক আয়াত সুস্পষ্ট দ্ব্যর্থহীন।
  • ৬৫/৩/২. ‘‘তাঁকে ও তার সন্তানদের তোমার আশ্রয়ে সোপর্দ করছি বিতাড়িত শয়তানের কবল থেকে বাঁচার জন্য।’’ (সূরাহ আলু ‘ইমরান ৩/৩৬)(আ.প্র. ৪১৮৭, ই.ফা. ৪১৮৮)
  • ৬৫/৩/৩. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৩/৪. আল্লাহর বাণীঃ আপনি বলে দিনঃ হে আহলে কিতাব! এসো সে কথায় যা আমাদের ও তোমাদের মধ্যে এক ও অভিন্ন। তা হল, আমরা যেন আল্লাহ ব্যতীত অন্য কারো ইবাদাত না করি- (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/৬৪)।
  • ৬৫/৩/৫. আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমরা কখনও পুণ্য লাভ করবে না যে পর্যন্ত না নিজেদের প্রিয়বস্তু থেকে ব্যয় করবে, আর যা কিছু তোমরা ব্যয় কর, আল্লাহ্ তো তা খুব জানেন।’’ (সূরাহ আলে ইমরান ৩/৯২)
  • ৬৫/৩/৬. ‘‘বলুন, তাওরাত নিয়ে এস এবং তা পাঠ কর যদি তোমরা সত্যবাদী হও।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/৯৩)
  • ৬৫/৩/৭. আল্লাহর বাণীঃ তোমরা হলে শ্রেষ্ঠ উম্মাত, মানুষের হিতের জন্য তোমাদের উদ্ভব ঘটান হয়েছে। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১১০)
  • ৬৫/৩/৮. আল্লাহর বাণীঃ যখন তোমাদের মধ্যের দু’টি দল সাহস হারাতে বসল, অথচ আল্লাহ তাদের সহায়ক ছিলেন। (সূরাহ আলে ইমরান ৩/১২২)
  • ৬৫/৩/৯. আল্লাহর বাণীঃ এই বিষয়ে আপনার করণীয় কিছুই নেই। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১২৮)
  • ৬৫/৩/১০. আল্লাহর বাণীঃ রসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম তোমাদের পেছনের দিক থেকে আহবান করছিলেন। (সূরাহ আলে ইমরান ৩/১৫৩)
  • ৬৫/৩/১১. আল্লাহর বাণীঃ ‘‘প্রশান্তিময় তন্দ্রা।’’
  • ৬৫/৩/১৩. আল্লাহর বাণীঃ তোমাদের বিরুদ্ধে লোক জমায়েত হয়েছে। (সূরাহ আলে ইমরান ৩/১৭৩)
  • ৬৫/৩/১৪. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৩/১৫. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৩/১৬. আল্লাহর বাণীঃ তুমি কখনও মনে কর না যে, যারা নিজেদের কৃতকর্মের জন্য আনন্দিত হয় এবং নিজেরা যা করেনি তার জন্য প্রশংসিত হতে ভালবাসে, তারা আযাব থেকে পরিত্রাণ পাবে। তাদের জন্য রয়েছে যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৮৮)
  • ৬৫/৩/১৭. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/৩/১৮. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৩/১৯. ‘‘হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় তুমি যাকে দোযখে দাখিল করলে তাকে লাঞ্ছিত করলে; আর যালিমদের জন্য তো কোন সাহায্যকারী নেই।’’ (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৯২)
  • ৬৫/৩/২০. ‘‘হে আমাদের পালনকর্তা! নিশ্চয় আমরা শুনেছি এক আহবানকারীকে ঈমান আনার জন্য আহবান করতেঃ ‘‘তোমরা ঈমান আন তোমাদের রবের প্রতি।’’ সুতরাং আমরা ঈমান এনেছি। (সূরাহ আলে ‘ইমরান ৩/১৯৩)
  • ৬৫/৪/১. ‘‘আর যদি তোমরা ভয় কর যে, ইয়াতীম মেয়েদের ব্যাপারে সুবিচার করতে পারবে না, তবে বিয়ে করে নাও অন্য নারীদের মধ্য থেকে যাকে তোমাদের মনঃপুত হয়।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৩)
  • ৬৫/৪/২. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৪/৩. ‘‘আর যদি সম্পত্তি বণ্টনকালে (উত্তরাধিকারী নয় এমন) আত্মীয় ইয়াতীম ও মিসকীন উপস্থিত হয়, তবে তা থেকে তাদের কিছু দিবে এবং তাদের সঙ্গে সদালাপ করবে।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৮)
  • ৬৫/৪/৪ঃ ‘‘আল্লাহ তা‘আলা তোমাদের সন্তান সম্বন্ধে নির্দেশ দিচ্ছেন।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১১)
  • ৬৫/৪/৫. ‘‘আর তোমরা পাবে অর্ধেক তোমাদের স্ত্রীদের পরিত্যক্ত সম্পত্তির।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১২)
  • ৬৫/৪/৬. পরিচ্ছেদ নাই।
  • ৬৫/৪/৭. আল্লাহর বাণীঃ আমি উত্তরাধিকারী নির্ধারণ করে দিয়েছি সে সম্পত্তির যা ছেড়ে যায় পিতা-মাতা ও নিকট- আত্মীয়রা। আর যাদের সঙ্গে তোমরা অঙ্গীকারাবদ্ধ হয়েছ তাদের দিয়ে দাও তাদের প্রাপ্য অংশ। নিশ্চয় আল্লাহ্ সর্ব বিষয়ে সম্যক দ্রষ্টা। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৩৩)
  • ৬৫/৪/৮. আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ্ অণু পরিমাণও জুলুম করেন না। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৪০)
  • ৬৫/৪/৯. ‘‘আর তখন কী অবস্থা হবে যখন আমি উপস্থিত করব প্রত্যেক উম্মাত থেকে একজন সাক্ষী এবং আপনাকে তাদের উপর উপস্থিত করব সাক্ষী রূপে?’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৪১)
  • ৬৫/৪/১০. আল্লাহর বাণীঃ ‘‘আর যদি তোমরা পীড়িত হও অথবা সফরে থাক অথবা তোমাদের কেউ শৌচ স্থান থেকে আসে ..........।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৪৩)
  • ৬৫/৪/১১. আল্লাহর বাণীঃ ওহে যারা ঈমান এনেছ! তোমরা আনুগত্য কর আল্লাহর এবং আনুগত্য কর রাসূলের এবং তাদের যারা তোমাদের মধ্যে ফায়সালার অধিকারী। তারপর যদি তোমরা কোন বিষয়ে মতভেদ কর, তবে তা প্রত্যর্পণ কর আল্লাহ্ ও রাসূলের প্রতি-যদি তোমরা ঈমান এনে থাক আল্লাহর প্রতি এবং শেষ দিনের প্রতি। আর এটাই উত্তম এবং পরিণামে কল্যাণকর। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৫৯)
  • ৬৫/৪/১২. ‘‘তবে না; আপনার রবের কসম! তারা মু’মিন হবে না যে পর্যন্ত না তারা আপনার উপর বিচারের ভার অর্পণ করে সেসব বিবাদ-বিসম্বাদের যা তাদের মধ্যে সংঘটিত হয়, তারপর তারা নিজেদের মনে কোনরূপ দ্বিধা-সংকোচ বোধ না করে আপনার সিদ্ধান্তের ব্যাপারে এবং সর্বান্তঃকরণে তা মেনে নেয়।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৬৫)
  • ৬৫/৪/১৩. আল্লাহর বাণীঃ কেউ আল্লাহ এবং রসূলের আনুগত্য করে ........ যাদের প্রতি আল্লাহ অনুগ্রহ করেছেন। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৬৯)
  • ৬৫/৪/১৪. আল্লাহর বাণীঃ ‘‘তোমাদের কী হল যে, তোমরা যুদ্ধ করবে না আল্লাহর পথে এবং অসহায় নর-নারী ও শিশুগণের জন্য ........ যার অধিবাসী যালিম।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৭৫)
  • ৬৫/৪/১৫. ‘‘তোমাদের কী হল যে, তোমরা মুনাফিকদের সম্বন্ধে দু’দল হয়ে গেলে? অথচ আল্লাহ্ তাদের পূর্বাবস্থায় ফিরিয়ে দিয়েছেন তাদের কৃতকর্মের দরুন।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৮৮)
  • ৬৫/৪/১৭. ‘‘কেউ ইচ্ছাকৃতভাবে কোন মু’মিনকে হত্যা করলে তার শাস্তি জাহান্নাম।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৩)
  • ৬৫/৪/১৮. আল্লাহর বাণীঃ কেউ তোমাদের সালাম করলে তাকে বল নাঃ ‘‘তুমি তো মু’মিন নও’’। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৪)
  • ৬৫/৪/১৯. আল্লাহর বাণীঃ সমান নয় সেসব মু’মিন যারা বিনা ওজরে ঘরে বসে থাকে এবং ঐসব মু’মিন যারা আল্লাহর পথে নিজেদের জানমাল দিয়ে জিহাদ করে।(সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৫)
  • ৬৫/৪/২০. ‘‘নিশ্চয় যারা নিজেদের উপর জুলুম করে, মালায়িকাহ তাদের জান কবজের সময় বলবেঃ তোমরা কী অবস্থায় ছিলে? তারা বলবেঃ আমরা দুনিয়ায় অসহায় অবস্থায় ছিলাম। মালায়িকাহ বলবেঃ আল্লাহর দুনিয়া কি এমন প্রশস্ত ছিল না যে, তোমরা সেখানে হিজরাত করে চলে যেতে?’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৭)
  • ৬৫/৪/২১. ‘‘তবে সেসব অসহায় পুরুষ, নারী ও শিশু যারা কোন উপায় অবলম্বন করতে পারে না এবং কোন পথেরও সন্ধান জানে না।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৮)
  • ৬৫/৪/২২. আল্লাহর বাণীঃ আল্লাহ্ এদের ক্ষমা করবেন। কারণ আল্লাহ্ অতিশয় মার্জনাকারী, পরম ক্ষমাশীল। (সূরাহ আন-নিসা ৪/৯৯)
  • ৬৫/৪/২৩. আল্লাহর বাণীঃ
  • ৬৫/৪/২৪. আল্লাহর বাণীঃ আর লোকেরা আপনার কাছে নারীদের সম্বন্ধে বিধান জানতে চায়। বলুনঃ আল্লাহ্ তাদের সম্বন্ধে তোমাদের ব্যবস্থা দিচ্ছেন এবং যা তোমাদের তিলাওয়াত করে শুনান হয় কুরআনে তা ঐসব ইয়াতিম নারীদের সম্পর্কে যাদের তোমরা তাদের নির্ধারিত প্রাপ্য প্রদান কর না অথচ তোমরা তাদের বিবাহ করতে চাও এবং অসহায় শিশুদের সম্বন্ধে, আর ইয়াতিমদের ব্যাপারে ইনসাফের সঙ্গে কার্য নির্বাহ করবে। (সূরাহ আন-নিসা ৪/১২৭)
  • ৬৫/৪/২৫. ‘‘আর যদি কোন স্ত্রী তার স্বামীর পক্ষ থেকে অসদাচরণ কিংবা উপেক্ষার আশংকা করে।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১২৮)
  • ৬৫/৪/২৬. ‘‘ নিঃসন্দেহে মুনাফিকরা থাকবে জাহান্নামের সর্বনিম্ন স্তরে।’’ (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৪৫)
  • ৬৫/৪/২৭. আল্লাহর বাণীঃ তোমার নিকট ওয়াহী প্রেরণ করেছি যেমন ইউনুস, হারূন এবং সুলাইমান (আঃ)-এর নিকট ওয়াহী প্রেরণ করেছিলাম। (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৬৩)
  • ৬৫/৪/২৮. আল্লাহর বাণীঃ লোকেরা আপনার কাছে বিধান জানতে চায়। আপনি বলুনঃ আল্লাহ্ তোমাদের বিধান দিচ্ছেন ‘‘কালালা’’- (পিতা-মাতাহীন নিঃসন্তান ব্যক্তি) সম্বন্ধে। যদি কোন ব্যক্তি নিঃসন্তান অবস্থায় মারা যায়। (পিতা-মাতা না থাকে) এবং তার এক বোন থাকে তবে সে পরিত্যক্ত সম্পত্তির অর্ধাংশ পাবে; সে যদি সন্তানহীনা হয় তবে তার ভাই তার ওয়ারিস হবে। (সূরাহ আন-নিসা ৪/১৭৬)