আপনার সার্চকৃত শব্দ/বাক্যঃআমার উপর দুরুদদিয়ে পাওয়া গেছে টি ফলাফল

২০৪। যে ব্যাক্তি ইসলামের হাজ্জ (হজ্জ) করবে, আমার কবর যিয়ারাত করবে, একটি যুদ্ধে লড়াই করবে এবং কুদুস নগরীতে আমার প্রতি দুরুদ পাঠ করবে; আল্লাহ তাকে ঐ বস্তুর ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করবেন না যা তার উপর ফরয করেছেন।

হাদীসটি জাল।

এটিকে সাখাবী "আল-কাওলীল বাদী" গ্রন্থে (পৃঃ ১০২) উল্লেখ করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাদীসটি জাল, স্পষ্টতই এটি বাতিল । ইবনু আবদিল হাদী বলেনঃ এ হাদীসটি যে, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উপর বানানো হয়েছে, যাদের হাদিস সম্পর্কে জ্ঞান আছে তাদের তাতে কোন প্রকার সন্দেহ থাকতে পারে না। যার সামান্যতম জ্ঞান আছে সেই জানে যে, এটি সুফিয়ানের উপর জালকৃত হাদীস।

এ হাদীসটির সনদে আবু সাহাল বাদর ইবনু আবদিল্লাহ আল-মাসীসী নামক এক বর্ণনাকারী আছেন। যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি হাসান ইবনু উসমান যিয়াদী হতে বাতিল হাদীস বর্ণনা করেছেন।

সুয়ূতী হাদীসটি তার “যায়লুল আহাদীসিল মওযুআহ” গ্রন্থে উল্লেখ করে (নং ৫৭১, পৃ.১২২) বলেছেনঃ যাহাবী "আল-মীযান" গ্রন্থে বলেছেনঃ এ হাদীসটি বাতিল। তার সমস্যা হচ্ছে উক্ত বাদর।

من حج حجة الإسلام، وزار قبري، وغزا غزوة، وصلى علي في المقدس، لم يسأله الله فيما افترض عليه
موضوع

-

أورده السخاوي في " القول البديع " (ص 102) وقال: هكذا ذكره المجد اللغوي وعزاه إلى أبي الفتح الأزدي في الثامن من " فوائده " وفي ثبوته نظر
قلت: لقد تساهل السخاوي رحمه الله، فالحديث موضوع ظاهر البطلان، فكان الأحرى به أن يقول فيه كما قال في حديث آخر قبله: لوائح الوضع ظاهرة عليه، ولا أستبيح ذكره إلا مع بيان حاله
ذلك لأنه يوحي بأن القيام بما ذكر فيه من الحج والزيارة والغزويسقط عن فاعله المؤاخذة على تساهله بالفرائض الأخرى، وهذا ضلال وأي ضلال، حاشا رسول الله صلى الله عليه وسلم أن ينطق بما يوهم ذلك فكيف بما هو صريح فيه؟
ثم رأيت الحديث قد نقله ابن عبد الهادي في رده على السبكي (ص 155) عنه بسنده إلى أبي الفتح الأزدي محمد بن الحسين بن أحمد الأزدي الحافظ: حدثنا النعمان بن هارون بن أبي الدلهاث، حدثنا أبو سهل بدر بن عبد الله المصيصي حدثنا الحسن بن عثمان الزيادي، حدثنا عمار بن محمد حدثني خالي سفيان عن منصور عن إبراهيم عن علقمة عن عبد الله بن مسعود مرفوعا به ثم قال ابن عبد الهادي رحمه الله تعالى: هذا الحديث موضوع على رسول الله صلى الله عليه وسلم بلا شك ولا ريب عند أهل المعرفة بالحديث، وأدنى من يعد من طلبة هذا العلم يعلم أن هذا الحديث مختلق مفتعل على سفيان الثوري، وأنه لم يطرق سمعه قط، قال: والحمل في هذا الحديث على بدر بن عبد الله المصيصي فإنه لم يعرف بثقة ولا عدالة ولا أمانة أو على صاحب الجزء أبي الفتح محمد بن الحسين الأزدي فإنه متهم بالوضع وإن كان من الحفاظ، ثم ذكر أقوال العلماء فيه ثم قال: ولا يخفى أن هذا الحديث الذي رواه في " فوائده " موضوع مركب مفتعل إلا على من لا يدري علم الحديث ولا شم رائحته
قلت: الأزدي هذا ترجمه الذهبي في " الميزان " وذكر تضعيفه عن بعضهم، ولم يذكر عن أحد اتهامه بالوضع، وكذلك الحافظ في " اللسان " ولم يزد على ما في " الميزان " بل قال الذهبي في " تذكرة الحفاظ " (3 / 166) : ووهاه جماعة بلا مستند طائل
فالظاهر أنه بريء العهدة من هذا الحديث، فالتهمة منحصرة في المصيصي هذا
وهو الذي أشار إليه الذهبي في ترجمته في " الميزان " فقال: بدر بن عبد الله أبو سهل المصيصي عن الحسن بن عثمان الزيادي بخبر باطل وعنه النعمان بن هارون
قال الحافظ في " اللسان ": والخبر المذكور أخرجه أبو الفتح الأزدي، ثم ذكر هذا الحديث وقد ذكره السيوطي في " ذيل الأحاديث الموضوعة " (رقم 571) وقال (ص 122) : قال في " الميزان ": هذا خبر باطل آفته بدر

হাদিসের মানঃ জাল (Fake)

২১৫। যে ব্যাক্তি জুম’আর দিবসে আমার প্রতি আশিবার দুরুদ পাঠ করবে; আল্লাহ তার আশি বছরের গুনাহ ক্ষমা করে দিবেন। কেও তাঁকে বললঃ আপনার প্রতি কীভাবে দুরুদ পাঠ করবো হে আল্লাহর রাসুল? তিনি বললেনঃ বলবে, হে আল্লাহ! তুমি দয়া কর তোমার বান্দা, তোমার নবী, তোমার রাসুল উম্মী নবীর প্রতি এবং একবার গিরা দিবে।

হাদীসটি জাল।

এটি খাতীব বাগদাদী (১৩/৪৮৯) ওয়াহাব ইবনু দাউদ ইবনে সুলায়মান আয-যারীরের সুত্রে ... বর্ণনা করে বর্ণনাকারী যারীরের জীবনীতে বলেছেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য ছিলেন না।

সাখাবী "আল-কাওলুল বাদী" গ্রন্থে (পৃঃ ১৪৫) বলেছেনঃ ইবনুল জাওযী হাদীসটিকে “আল-আহাদীসুল ওয়াহিয়া” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন (নং ৭৯৬)।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তিনি তার “আহাদিসুল মাওযু'আত” গ্রন্থেও উল্লেখ করেছেন। এটিই উত্তম এবং উপযোগী। কারণ এটির জাল হওয়াটাই স্পষ্ট। সহীহ হাদীসে দুরূদ পাঠের যে সব ফযীলত এসেছে, এরূপ জাল হাদীস হতে নিরাপদে থাকার জন্য তাই যথেষ্ট। যেমন মুসলিম শরীফ সহ অন্যান্য হাদীস গ্রন্থে সহীহ হাদীসে এসেছেঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ “যে ব্যক্তি আমার উপর একবার দুরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার বিনিময়ে তার উপর দশবার রহমত নাযিল করবেন।” সহীহ আবূ দাউদ" নং (১৩৬৯)।

من صلى علي يوم الجمعة ثمانين مرة غفر الله له ذنوب ثمانين عاما، فقيل له: وكيف الصلاة عليك يا رسول الله؟ قال: تقول: اللهم صل على محمد عبدك ونبيك ورسولك النبى الأمي، وتعقد واحدا
موضوع

-

أخرجه الخطيب (13 / 489) من طريق وهب بن داود بن سليمان الضرير حدثنا إسماعيل ابن إبراهيم، حدثنا عبد العزيز بن صهيب عن أنس مرفوعا
ذكره في ترجمة الضرير هذا وقال: لم يكن بثقة، قال السخاوي في " القول البديع " (ص 145) : وذكره ابن الجوزي في " الأحاديث الواهية " (رقم 796)
قلت: وهو بكتابه الآخر " الأحاديث الموضوعات " أولى وأحرى، فإن لوائح الوضع عليه ظاهرة، وفي الأحاديث الصحيحة في فضل الصلاة عليه صلى الله عليه وسلم غنية عن مثل هذا، من ذلك قوله صلى الله عليه وسلم: من صلى علي مرة واحدة صلى الله عليه بها عشرا
رواه مسلم وغيره، وهو مخرج في " صحيح أبي داود " (1369) ، ثم إن الحديث ذكره السخاوي في مكان آخر (ص 147) من رواية الدارقطني يعني عن أبي هريرة مرفوعا، ثم قال: وحسنه العراقي، ومن قبله أبو عبد الله بن النعمان، ويحتاج إلى نظر، وقد تقدم نحوه من حديث أنس قريبا يعني هذا
قلت: والحديث عند الدارقطني عن ابن المسيب قال: أظنه عن أبي هريرة كما في الكشف (1 / 167)

হাদিসের মানঃ জাল (Fake)

নবী (ﷺ) এর উপর সালাত (দরূদ) পাঠের ফযীলত।

৪৮৫. আলী ইবনু হুজর (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত আছে যে, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেনঃ যে, ব্যক্তি আমার উপর একবার সালাত (দুরুদ) পাঠ করবে, আল্লাহ তা’আলা তার উপর দশবার রহমত করবেন। - সহিহ আবু দাউদ ১৩৬৯, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ৪৮৫ [আল মাদানী প্রকাশনী]

এই বিষয়ে আবদুর রহমান ইবনু আওফ, আমির ইবনু রাবীআ, আম্মার, আবূ তালহা, আনাস ও উবাই ইবনু কা’ব রাদিয়াল্লাহু আনহুম থেকে হাদীস বর্ণিত আছে। ইমাম আবূ ঈসা তিরমিযী (রহঃ) বলেনঃ আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণিত হাদীসটি হাসান-সহীহ। সুফইয়ান সাওরী (রহঃ) এবং আরো একাধিক আলিম থেকে বর্ণিত আছে যে, তাঁরা বলেন, আল্লাহ্ কর্তৃক সালাত পাঠ করা অর্থ হল রহমত নাযিল করা আর ফেরেশতাগণ কর্তৃক সালাত পাঠ করা অর্থ হ’ল মাগফিরাত কামনা করা।

باب مَا جَاءَ فِي فَضْلِ الصَّلاَةِ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ حُجْرٍ، أَخْبَرَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ جَعْفَرٍ، عَنِ الْعَلاَءِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ مَنْ صَلَّى عَلَىَّ صَلاَةً صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْرًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ عَوْفٍ وَعَامِرِ بْنِ رَبِيعَةَ وَعَمَّارٍ وَأَبِي طَلْحَةَ وَأَنَسٍ وَأُبَىِّ بْنِ كَعْبٍ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى حَدِيثُ أَبِي هُرَيْرَةَ حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَرُوِيَ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ وَغَيْرِ وَاحِدٍ مِنْ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالُوا صَلاَةُ الرَّبِّ الرَّحْمَةُ وَصَلاَةُ الْمَلاَئِكَةِ الاِسْتِغْفَارُ ‏.‏

Abu Hurairah narrated that :
Allah's Messenger said: "Whoever sends Salat upon me, Allah sends Salat upon him ten times."

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

৫১/ আর এক প্রকার দুরুদ

১২৯০। কাসিম ইবনু যাকারিয়া (রহঃ) ... কা'ব ইবনু উজরা (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমরা বললাম, ইয়া রাসুলাল্লাহ! আপনাকে সালাম কিভাবে পাঠাতে হয় তা তো আমরা জানি, কিন্তু (আপনার উপর) দুরুদ কিভাবে পড়ব? তিনি বললেন, তোমরা বলবেঃ

اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ

(আবদূর রহমান) ইবনু আবূ লায়লা (রহঃ) বলেন, আমরা বলে থাকি তাঁদের সাথে আমাদের উপরেও (রহমত এবং বরকত বর্ষণ কর)। আবূ আব্দুর রহমান (নাসাঈ) (রহঃ) বলেন, আমার উস্তাদ কাসিম ইবনু যাকায়িয়া উল্লেখিত হাদীস অত্র সনদ সুত্রে বর্ণনা করেছিলেন, কিন্তু অত্র সনদ ভুল।

أَخْبَرَنَا الْقَاسِمُ بْنُ زَكَرِيَّا بْنِ دِينَارٍ، مِنْ كِتَابِهِ قَالَ حَدَّثَنَا حُسَيْنُ بْنُ عَلِيٍّ، عَنْ زَائِدَةَ، عَنْ سُلَيْمَانَ، عَنْ عَمْرِو بْنِ مُرَّةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنْ كَعْبِ بْنِ عُجْرَةَ، قَالَ قُلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ السَّلاَمُ عَلَيْكَ قَدْ عَرَفْنَاهُ فَكَيْفَ الصَّلاَةُ قَالَ ‏ "‏ قُولُوا اللَّهُمَّ صَلِّ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا صَلَّيْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ اللَّهُمَّ بَارِكْ عَلَى مُحَمَّدٍ وَعَلَى آلِ مُحَمَّدٍ كَمَا بَارَكْتَ عَلَى آلِ إِبْرَاهِيمَ إِنَّكَ حَمِيدٌ مَجِيدٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ ابْنُ أَبِي لَيْلَى وَنَحْنُ نَقُولُ وَعَلَيْنَا مَعَهُمْ ‏.‏ قَالَ أَبُو عَبْدِ الرَّحْمَنِ حَدَّثَنَا بِهِ مِنْ كِتَابِهِ وَهَذَا خَطَأٌ ‏.‏

It was narrated that Ka'b bin 'Ujrah said:
"We said: 'O Messenger of Allah (ﷺ), we know about sending salams upon you, but how should we send salah upon you?' He said: "Say: 'Alahumma salli 'ala Muhammad wa 'ala ali Muhammad, kama sallaita 'ala Ibrahima wa barik 'ala Muhammad kama barakta 'ala ali Ibrahim fil-'alamin, innaka hamidun majid (O Allah, send salah upon Muhammad and upon the family of Muhammad, as You sent salah upon the family of Ibrahim, and send blessings upon Muhammad and upon the family of Muhammad as You sent blessings upon the family of Ibrahim among the nations. You are indeed Worthy of praise, Full of glory.)'" (One of the narrators) Ibn Abi Laila said: "We used to say: 'And also upon us.'" Abu Abdur-Rahman (An-Nasa'I) said: It was narrated from his book, and this is a mistake.

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

২৪৩: নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর প্রতি দরূদ ও সালাম পেশ করার আদেশ, তার মাহাত্ম্য ও শব্দাবলী

আল্লাহ তা‘আলা বলেন,

﴿إِنَّ اللَّهَ وَمَلَائِكَتَهُ يُصَلُّونَ عَلَى النَّبِيِّ ۚ يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا صَلُّوا عَلَيْهِ وَسَلِّمُوا تَسْلِيمًا﴾ (الاحزاب: ٥٦)

“নিশ্চয় আল্লাহ ও তাঁর ফিরিশতাগণ নবীর প্রতি সালাত-দরুদ পেশ করেন। হে মুমিনগণ! তোমরাও তাঁর প্রতি সালাত পেশ করো এবং তাঁকে যথাযথভাবে সালাম জানাও।” (সূরা আহযাব ৫৬ আয়াত)


১/১৪০৫। ‘আব্দুল্লাহ ইবনে ‘আমর ‘আস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা হতে বর্ণিত, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, “যে ব্যক্তি আমার প্রতি একবার দরূদ পাঠ করবে, আল্লাহ তার দরুন তার উপর দশবার দুরুদ পাঠ করবেন।” (মুসলিম) [1]

(243) بَابُ الْأَمْرِ بِالصَّلَاةِ عَلٰى رَسُوْلِ اللهِ صلى الله عليه وسلم وَفَضْلِهَا وَبَعْضِ صِيَغِهَا

وَعَنْ عَبدِ اللهِ بنِ عَمرِو بنِ العَاص، رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا: أَنَّه سَمِعَ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم يَقُولُ: «مَنْ صَلَّى عَلَيَّ صَلاَةً، صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ بِهَا عَشْراً» . رواه مسلم

(243) Chapter: The Obligation of Supplicating Allah to Exalt His Mention and its Excellence, and its Manner
'Abdullah bin 'Amr bin Al-'As (May Allah be pleased with them) reported:
I heard the Messenger of Allah (ﷺ) saying: "Whoever supplicates Allah to exalt my mention, Allah will exalt his mention ten times."

[Muslim].

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)

রাসূলুল্লাহ (ﷺ) এর বাণীঃ (ঐ ব্যাক্তির নাক ধূলিমলিন হোক)

৩৫৪৫. আহামাদ ইবন ইবরাহীম দাওরাকী (রহঃ) ...... আবূ হুরায়রা রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেনঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ঐ ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যার কাছে আমার উল্লেখ করা হল অথচ আমার উপর দরুদ পাঠ করল না। ওই ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যার জীবনে রমযান মাস এল কিন্তু তাকে ক্ষমাপ্রাপ্ত না করেই তা অতিবাহিত হয়ে গেল। ওই ব্যক্তির নাক ধূলিমলিন হোক, যে তার পিতামাতাকে (বা তাদের একজনকে) বৃদ্ধাবস্থায় পেল কিন্তু তাদের খেদমত করার মাধ্যমে সে জান্নাতী হতে পারলনা। আবদুর রহমান বলেনঃ আমি মনে করি তিনি বলেছেন তাদের (পিতামাতার) একজনকে পেল।

হাসান সহীহ, মিশকাত ৯২৭, তা'লীকুর রাগীব ২/২৮৩, নবীর উপর দুরুদ পাঠের ফাযিলাত ১৬, মুসলিম হাদিসের শেষ অংশ বর্ণনা করেছেন।

এই বিষয়ে জাবির ও আনাস রাদিয়াল্লাহু আনহুমা থেকেও হাদীস বর্ণিত আছে। হাদীসটি হাসান এই সূত্রে গারীব। রিবই ইবন ইবরাহীম (রহঃ) ইসমাইল ইবন ইবরাহীম ইবন উলাইয়্যা-এর ভাই। ইনি নির্ভরযোগ্য। কোন কোন আলিম থেকে বর্ণিত আছে যে, কোন ব্যক্তি যদি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর উপর মজলিসে একবার দ্রুদ পাঠ করে, তবে ঐ বৈঠকের জন্য তা-ই যথেষ্ট।

باب قَوْلِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ‏"‏ ‏.‏

حَدَّثَنَا أَحْمَدُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ الدَّوْرَقِيُّ، حَدَّثَنَا رِبْعِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ إِسْحَاقَ، عَنْ سَعِيدِ بْنِ أَبِي سَعِيدٍ الْمَقْبُرِيِّ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ رَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ ذُكِرْتُ عِنْدَهُ فَلَمْ يُصَلِّ عَلَىَّ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ دَخَلَ عَلَيْهِ رَمَضَانُ ثُمَّ انْسَلَخَ قَبْلَ أَنْ يُغْفَرَ لَهُ وَرَغِمَ أَنْفُ رَجُلٍ أَدْرَكَ عِنْدَهُ أَبَوَاهُ الْكِبَرَ فَلَمْ يُدْخِلاَهُ الْجَنَّةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ عَبْدُ الرَّحْمَنِ وَأَظُنُّهُ قَالَ أَوْ أَحَدُهُمَا ‏.‏ قَالَ وَفِي الْبَابِ عَنْ جَابِرٍ وَأَنَسٍ وَهَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ غَرِيبٌ مِنْ هَذَا الْوَجْهِ ‏.‏ وَرِبْعِيُّ بْنُ إِبْرَاهِيمَ هُوَ أَخُو إِسْمَاعِيلَ بْنِ إِبْرَاهِيمَ وَهُوَ ثِقَةٌ وَهُوَ ابْنُ عُلَيَّةَ ‏.‏ وَيُرْوَى عَنْ بَعْضِ أَهْلِ الْعِلْمِ قَالَ إِذَا صَلَّى الرَّجُلُ عَلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم مَرَّةً فِي الْمَجْلِسِ أَجْزَأَ عَنْهُ مَا كَانَ فِي ذَلِكَ الْمَجْلِسِ ‏.‏

Abu Hurairah narrated that the Messenger of Allah (ﷺ) said:
“May the man before whom I am mentioned - and he does not send Salat upon me - be humiliated. And may a man upon whom Ramadan enters and then passes, before he is forgiven, be humiliated. And may a man whose parents reached old age in his presence, and they were not a cause for his entrance to Paradise, be humiliated.”

হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)

দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ৬ পর্যন্ত, সর্বমোট ৬ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে