পরিচ্ছেদঃ যাকাতের ক্ষেত্রে যে বয়সের উট ফরয হয়, তার চেয়ে বেশি বয়সের উট গ্রহণ করা জায়েয, যদি উটের মালিক, তা খুশি মনে প্রদান করে
৩২৫৮. উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আমাকে বালী ও উজরার যাকাত আদায় করার জন্য পাঠান। অতঃপর আমি বালীর এক পাশ দিয়ে অতিক্রম করেন, যা ৩০ টি উট ছিল। আমি তাকে বললাম, “নিশ্চয়ই আপনার উপর একটি দুই বছরের উষ্ট্রী ফরয হয়েছে।” জবাবে তিনি বলেন, “এই উট তো দুধ দিবে না, তার উপর সওয়ারও হওয়া যাবে না। আমি অপছন্দ করি যে, আমি মন্দ সম্পদ আল্লাহকে ঋণ দিবো। কাজেই আপনি বেছে নিন।”
তখন উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু তাকে বলেন, “আপনার উপর যা ওয়াজিব হয়েছে, আমি তার চেয়ে বেশি বয়সের উট নিবো না। এখানে নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আছেন, কাজেই আপনি তাঁর কাছে যান।” অতঃপর তিনি তাঁর কাছে এসে সেই কথাই বলেছেন, যা উবাই বিন কা‘ব রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুকে বলেছিলেন। তখন রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন, “তোমার উপর এটা ফরয হয়েছে। তবে তুমি যদি তার চেয়ে বেশি বয়সের উট দাও, তবে আমরা তোমার থেকে তা গ্রহণ করবো।” তিনি বলেন, “হে আল্লহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম, এটা বিশাল মোটাতাজা উষ্ট্রী, এটাকে কে গ্রহণ করবে?” অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তিকে তা গ্রহণ করার নির্দেশ দেন এবং তার জন্য তার সম্পদে বারাকাতের দুআ করেন।”
উমারাহ রাদ্বিয়াল্লাহু আনহু বলেন, “তারপর দীর্ঘকাল অতিবাহিত হয়। অতঃপর মুআবিয়া রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুর সময়কালে মারওয়ান আমাকে বালী ও উজরার যাকাত আদায় করার জন্য পাঠান। অতঃপর আমি এই ব্যক্তির পাশ দিয়ে অতিক্রম করি। অতঃপর আমি তার সম্পদ থেকে ৩০ হিক্কাহ বা চার বছর বয়সী উষ্ট্রী গ্রহণ করি। সেখানে একটি নর উট ছিল। তার উটের সংখ্যা ছিল ১৫০০।”
ইবনু ইসহাক রহিমাহুল্লাহ বলেন, “আমি আব্দুল্লাহ বিন আবূ বকর রহিমাহুল্লাহকে জিজ্ঞেস করলাম, فَحْلُها দ্বারা উদ্দেশ্য কী?” জবাবে তিনি বলেন, “সুন্নাহ হলো কারো যাকাত যখন ৩০ টি হিক্কাহ হবে, তখন সেগুলোর সাথে একটি নর উট নেওয়া হবে।”[1]
ذِكْرُ الْإِبَاحَةِ لِلْإِمَامِ أَنْ يَأْخُذَ فِي الصَّدَقَةِ فَوْقَ السِّنِّ الْوَاجِبِ إِذَا طَابَتْ أَنْفُسُ أَرْبَابِهَا بها
3258 - أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ عَلِيِّ بْنِ الْمُثَنَّى قَالَ حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ صَالِحٍ الْأَزْدِيُّ قَالَ: حَدَّثَنِي يُونُسُ بْنُ بُكَيْرٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ إِسْحَاقَ عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرِ بْنِ مُحَمَّدِ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ يَحْيَى بْنِ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ سَعْدِ بْنِ زُرَارَةَ عَنْ عُمَارَةَ بْنِ عَمْرِو بْنِ حَزْمٍ عَنْ أُبَيِّ بْنِ كَعْبٍ قَالَ: بَعَثَنِي النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ عَلَى صَدَقَةِ بَلِيٍّ وعُذرة فَمَرَرْتُ بِرَجُلٍ مِنْ بَلِيٍّ لَهُ ثَلَاثُونَ بَعِيرًا فَقُلْتُ لَهُ: إِنَّ عَلَيْكَ فِي إِبِلِكَ هَذِهِ بنتَ مخاضٍ قَالَ: ذَاكَ مَا لَيْسَ فِيهِ ظَهْرٌ وَلَا لَبَنٌ وَإِنِّي لَأَكْرَهُ أَنْ أُقْرِضَ اللَّهَ شَرَّ مَالِي فتخيَّرْهُ فَقَالُ لَهُ أُبيٌّ: مَا كُنْتُ لِآخُذَ فَوْقَ مَا عَلَيْكَ وَهَذَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ فَأْتِهِ فَأَتَاهُ فَقَالَ نَحْوًا مِمَّا قَالَ لأُبيِّ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: (هَذَا مَا عَلَيْكَ فَإِنْ جئت بفَوْقِه قبلْنَاهُ منك) قال: يارسول اللَّهِ هَذِهِ نَاقَةٌ عظيمةٌ سمينةٌ فَمَنْ يَقْبِضُهَا فَأَمَرَ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ يَقْبِضُهَا وَدَعَا لَهُ فِي مَالِهِ بِالْبَرَكَةِ.
قَالَ عُمارة: فَضَرَبَ الدَّهرُ ضَرْبَةً فَوَلَّانِي مَرْوَانُ صَدَقَةَ بَلِيٍّ وعُذرةَ فِي زَمَنِ مُعَاوِيَةَ فَمَرَرْتُ بِهَذَا الرَّجُلِ فَصَدَقْتُ مَالَهُ ثَلَاثِينَ حِقَّةً فِيهَا فحلُها عَلَى ألفٍ وخمس مئةِ بعيرٍ.
قَالَ ابْنَ إِسْحَاقَ: قُلْتُ لِعَبْدِ اللَّهِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ: مَا فَحْلُها؟ قَالَ: فِي السُّنَّةِ إِذَا بَلَغَ صَدَقَةُ الرَّجُلِ ثَلَاثُونَ حِقَّةً أُخِذَ معها فَحْلُها
الراوي : أَبُو سَعِيدٍ الْخُدْرِيّ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان
الصفحة أو الرقم: 3258 | خلاصة حكم المحدث: حسن ـ ((صحيح أبي داود)) (1411).
হাদীসটিকে আল্লামা শুআইব আল আরনাঊত রহিমাহুল্লাহ সহীহ বলেছেন। আল্লামা নাসির উদ্দিন আলবানী রহিমাহুল্লাহ হাদীসটিকে হাসান বলেছেন। (সহীহ আবূ দাঊদ: ১৪১১)