৫২০৩

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ

৫২০৩-[৪৯] মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) হতে বর্ণিত। একদিন তিনি তাঁর মামা আবু হাশিম ইবনু ’উবার কাছে তার রোগ সেবার জন্য গেলেন। (তাকে দেখে) আবু হাশিম কেঁদে দিলেন। মু’আবিয়াহ্ (রাঃ) জিজ্ঞেস করলেন : হে মামা! আপনি কাঁদছেন কেন? রোগ পীড়া আপনাকে ব্যথিত করছে- নাকি দুনিয়ার প্রতি লোভ লালসায় আপনার এ ক্রন্দন? জবাবে আবু হাশিম বললেন : এর একটিও নয়; বরং (এজন্য কাঁদছি যে,) রাসূলুল্লাহ (সা.) আমাদের নিকট একটি অঙ্গীকার নিয়েছিলেন; কিন্তু আমি তা সংরক্ষণ করতে পারিনি। মু’আবিয়াহ্ প্রশ্ন জিজ্ঞেস করলেন: সে অঙ্গীকারটি কী ছিল? তিনি বললেন : আমি রাসূলুল্লাহ (সা.)-কে বলতে শুনেছি, তোমার মাল জমা করার মধ্যে শুধুমাত্র একজন খাদিম এবং আল্লাহর পথে জিহাদের জন্য একটি সওয়ারীই যথেষ্ট। আমি দেখছি যে, আমি অনেক মাল-সম্পদ জমা করে ফেলেছি। (আহমাদ, তিরমিযী, নাসায়ী ও ইবনু মাজাহ)

اَلْفصْلُ الثَّالِثُ

وَعَن مُعَاوِيَة أَنَّهُ دَخَلَ عَلَى خَالِهِ أَبِي هَاشِمِ بْنِ عتبَة يعودهُ فَبَكَى أَبُو هَاشِمٍ فَقَالَ: مَا يُبْكِيكَ يَا خَالِ؟ أَوَجَعٌ يُشْئِزُكَ أَمْ حِرْصٌ عَلَى الدُّنْيَا؟ قَالَ: كلا ولكنَّ رَسُول الله عهد إِلينا عَهْدًا لَمْ آخُذْ بِهِ. قَالَ: وَمَا ذَلِكَ؟ قَالَ: سَمِعْتُهُ يَقُولُ: «إِنَّمَا يَكْفِيكَ مِنْ جَمْعِ الْمَالِ خَادِمٌ وَمَرْكَبٌ فِي سَبِيلِ اللَّهِ» . وَإِنِّي أَرَانِي قَدْ جَمَعْتُ. رَوَاهُ أَحْمَدُ وَالتِّرْمِذِيُّ وَالنَّسَائِيُّ وَابْن مَاجَه

ضعیف ، تقدم طرفہ (5185) و رواہ احمد (3 / 444 ح 15749) و الترمذی (2327 و سندہ ضعیف) و النسائی (8 / 218 ۔ 219 ح 5374) و ابن ماجہ (4103 و سندہ ضعیف) * ابو وائل رواہ عن سمرۃ بن سھم وھو رجل مجھول (انظر ح 5185) ۔

وعن معاوية أنه دخل على خاله أبي هاشم بن عتبة يعوده فبكى أبو هاشم فقال: ما يبكيك يا خال؟ أوجع يشئزك أم حرص على الدنيا؟ قال: كلا ولكن رسول الله عهد إلينا عهدا لم آخذ به. قال: وما ذلك؟ قال: سمعته يقول: «إنما يكفيك من جمع المال خادم ومركب في سبيل الله» . وإني أراني قد جمعت. رواه أحمد والترمذي والنسائي وابن ماجه

ব্যাখ্যা : “আবু হাশি উত্তরে বললেন, কখনো নয়, বরং আমরা রাসূলুল্লাহ (সা.) -এর সাথে প্রতিশ্রুতি রক্ষা করতে পারিনি, তাই কাঁদছি।” এ প্রতিশ্রুতি হয় সাধারণ ওয়াসিয়্যাত ছিল অথবা ছিল খাস বায়'আত। আল্লাহর নবীর সাহাবীদের দুনিয়ার মাল সম্পদের ভালোবাসা আদৌ ছিল না, তাঁরা সামান্য সম্পদের মালিক হলেই মনে করতেন যে আমরা দুনিয়ায় ফেঁসে গেলাম কিনা? এটা ছিল তাঁদের তাকওয়ার সর্বোচ্চ প্রমাণ। (মিরকাতুল মাফাতীহ, তুহফাতুল আহওয়াযী ৬ষ্ঠ খণ্ড, হা. ২৩২৭, পৃ. ২২০; ইবনু মাজাহ ৩য় খণ্ড, পৃ. ৪৬৭, হা. ৪১০৩) 


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-২৬: মন-গলানো উপদেশমালা (كتاب الرقَاق)