পরিচ্ছেদঃ

১৩৯৯। যখন কোন ফাসেক (পাপাচারী) ব্যক্তির প্রশংসা করা হয় তখন প্রতিপালক (আল্লাহ) রাগাম্বিত হন এবং এ কারণে আরশ কেঁপে উঠে।

হাদীসটি মুনকার।

হাদীসটি আবুশ শাইখ আসবাহানী "আলআওয়ালী" গ্রন্থে (২/৩২/১) আবূ ইয়ালা হতে, ইবনু আদী "আলকামেল" গ্রন্থে (৩/১৩০৭), আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/২৭৭), খাতীব বাগদাদী "আততীরখ" গ্রন্থে (৭/২৯৮, ৮/৪২৮), বাইহাকী “আশশুয়াব” গ্রন্থে (২/৫৯/১), ইবনু আসাকির "তারীখু দেমাস্ক" গ্রন্থে (৭/২/২) সাবেক ইবনু আবদিল্লাহ সূত্রে আনাসের খাদেম আবু খালাফ হতে, তিনি আনাস ইবনু মালেক (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ দু’টি কারণে এ সনদটি খুবই দুর্বলঃ

১। এ আবু খালাফ সম্পর্কে হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” গ্রন্থে বলেনঃ তাকে ইয়াহইয়া ইবনু মাঈন মিথ্যুক আখ্যা দিয়েছেন। আর আবূ হাতিম বলেনঃ তিনি মুনকারুল হাদীস।

হাফিয ইবনু হাজার “আত-তাকরীব” গ্রন্থে বলেনঃ তার নাম হযেম ইবনু আতা, তিনি মাতরূক। তাকে ইবনু মাঈন মিথ্যা বর্ণনা করার দোষে দোষী করেন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ হাফিয ইবনু হাজার যে "ফাতহুল বারী" গ্রন্থে (১০/৪৭৮) শুধুমাত্র বলেছেনঃ তার সনদে দুর্বলতা রয়েছে। তার থেকে এরূপ মন্তব্য শিথিলতা প্রদর্শনের শামিল। কারণ এরূপ মন্তব্য খুবই দুর্বলের ভাবাৰ্থ বহন করে না যেরূপ আবু খালাফের জীবনীতে উল্লেখ করা “তিনি মাতরূক” কথাটি খুবই দুর্বল হওয়ার ভাবাৰ্থ বহন করে।

২। সাবেক ইবনু আবদিল্লাহ। হাফিয ইবনু হাজার “আল-লিসান” গ্রন্থে বলেনঃ তিনি দুর্বল এবং তিনি আররাকী নন। তার জীবনী বর্ণনা করতে গিয়ে হাফিয যাহাবী “আল-মীযান” এবং "আযযুয়াফা" গ্রন্থে তার এ হাদীসটি উল্লেখ করে বলেছেনঃ এ হাদীসটি মুনকার। আবু নুয়াইম কর্তৃক উল্লেখকৃত হাদীসটির ভাষা হচ্ছে নিম্নরূপঃ

إن الله عز وجل يغضب إذا مدح الفاسق

যখন ফাসেক ব্যক্তির প্রশংসা করা হয় তখন আল্লাহ্ তা’আলা রাগাম্বিত হন।

এটি বাইহাকীর বর্ণনায় এসেছে। হাফিয ইরাকী “তাখরীজুল ইয়াহইয়া” গ্রন্থে (৩/১৩৯) বলেনঃ এটিকে ইবনু আবিদ দুনয়া "আসসমতু" গ্রন্থে ও বাইহাকী “আশশুয়াব” গ্রন্থে আনাস (রাঃ)-এর হাদীস হতে বর্ণনা করেছেন। আর এর সনদে আনাস (রাঃ)-এর খাদেম আবু খালাফ রয়েছেন তিনি দুর্বল।

তিনি অন্যত্র বলেছেনঃ হাদীসটি ইবনু আদী এবং আবু ইয়ালা বর্ণনা করেছেন। কিন্তু "মুসনাদু আবী ইয়ালা" এর মধ্যে এটিকে দেখছি না। "মাজমাউল হায়সামী" এর মধ্যেও এটিকে দেখছি না অথচ এটি তার শর্ত মাফিক হাদীস। স্পষ্টত এই যে, এটি "মুসনাদুল কাবীর" গ্রন্থে এসেছে। তার উদ্ধৃতিতেই হাফিয ইবনু হাজার "আলমাতালিবুল আলিয়াহ" গ্রন্থে (৩/৩) উল্লেখ করেছেন।

হাদীসটি সংক্ষেপে শেষাংশ "এ কারণে আরশ কেঁপে উঠে" ছাড়া বুরায়দা (রাঃ)-এর হাদীস হতে মারফু হিসেবে বর্ণনা করা হয়েছে। এটিকে ইবনু আদী "আলকামেল" গ্রন্থে (৫/১৯১৭) মুহাম্মাদ ইবনু সাবীহ আলআগার সূত্রে হাতেম ইবনু আব্দিল্লাহ হতে, তিনি উকবাহ আসাম হতে, তিনি আবদুল্লাহ ইবনু বুরায়দাহ হতে, তিনি তার পিতা হতে বর্ণনা করেছেন তিনি বলেনঃ রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ ...।

তিনি এটিকে উকবাহ ইবনু আদিল্লাহ আসাম রিফা’ঈ বাসরীর হাদীসগুলোর অন্তর্ভুক্ত উল্লেখ করে বলেছেনঃ তার যে হাদীসগুলো উল্লেখ করেছি এগুলো ছাড়াও আরো হাদীস রয়েছে। সেগুলোর কোন কোনটি সঠিক আর কোন কোনটির মুতাবায়াত করা হয়নি।

ইবনু মাঈন হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি তার সম্পর্কে বলেনঃ তিনি কিছুই না। অন্য বর্ণনায় বলেনঃ তিনি নির্ভরযোগ্য নন।

উমার ইবনু আলী হতে বর্ণিত হয়েছে তিনি বলেনঃ তিনি দুর্বল ছিলেন, দুর্বল হাদীস বর্ণনা করতেন। তিনি হাফিয নন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ তার থেকে বর্ণনাকারী হচ্ছে হাতেম ইবনু আবদিল্লাহ। তাকে ইবনু হিব্বান “আসসিকাত” গ্রন্থে (৮/২১১) উল্লেখ করে বলেছেনঃ তিনি ভুলকারী।

ইবনু আবী হাতিম (১/২/২৬০) এবং আবু নুয়াইমের নিকট তার নাম হাতেম ইবনু ওবায়দিল্লাহ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। ইবনু আবী হাতিম তার পিতার উদ্ধৃতিতে বলেনঃ তার হাদীসের মধ্যে দৃষ্টি দিয়েছি তার মধ্যে মুনকার পায়নি।

বর্ণনাকারী মুহাম্মাদ ইবনু সাবীহ আগারকে খাতীব বাগদাদী “আত-তারীখ” গ্রন্থে (৫/৩৭৩) উল্লেখ করে তার সম্পর্কে ভালো-মন্দ কিছুই বলেননি। আমার ধারণা তিনি হচ্ছেন সেই ব্যক্তি যার কথা “আল-মীযান” এবং “আল-লিসান” গ্রন্থে উল্লেখ করা হয়েছে। তিনি হচ্ছেন মুহাম্মদ ইবনু সাবীহ যিনি উমর ইবনু আইউব মূসেলী হতে বর্ণনা করেছেন। দারাকুতনী তাকে হাদীসের ক্ষেত্রে দুর্বল আখ্যা দিয়েছেন।

সম্ভবত তার দুর্বল হওয়ার প্রমাণ বহন করছে এটাই যে, অন্য বর্ণনাকারী তার ভাষার বিরোধিতা করেছেন। আবু আদিল্লাহ মুহাম্মাদ ইবনু ইবরাহীম ইবনে ইয়াযীদ আখওয়ায়েন বলেনঃ আমাদেরকে হাতেম ইবনু ওবায়দিল্লাহ হাদীস বর্ণনা করে শুনিয়েছেন, তিনি উকবাহ ইবনু আব্দিল্লাহ আসাম হতে ... নিম্নের বাক্যে হাদিসটি বর্ণনা করেছেনঃ

إذا قال الرجل للفاسق: يا سيدي فقد أغضب ربه

"যখন কোন ব্যক্তি ফাসেককে বলেঃ হে আমার সরদার, তখন সে তার প্রতিপালককে ক্রোধাম্বিত করে।"

এটিকে আবু নুয়াইম “আখবারু আসবাহান” গ্রন্থে (২/১৯৮) বর্ণনা করেছেন। এ বর্ণনাকে আরো দৃঢ় করছে যে হাসান ইবনু মূসা আশইয়াব হচ্ছেন নির্ভরযোগ্য, বুখারী এবং মুসলিমের বর্ণনাকারী। তিনি হাদীসটিকে (এ ভাষায়) উকবাহ ইবনু আদিল্লাহ আসাম হতে বর্ণনা করেছেন।

হাসান ইবনু মূসার বর্ণনাটিকে হাকিম এবং খাতীব বাগদাদী “আত-তারীখ” গ্রন্থে উল্লেখ করেছেন।

হাদীসটি এ ভাষায় সহীহ। কারণ কাতাদাহ তার মুতাবা’য়াত করেছেন আব্দুল্লাহ্ ইবনু বুরায়দাহ হতে বর্ণনা করার ক্ষেত্রে। এটিকে “সিলসিলাহ্ সহীহাহ” গ্রন্থে (৩৭১, ১৩৮৯) আমি উল্লেখ করেছি।

إذا مدح الفاسق غضب الرب، واهتز لذلك العرش
منكر

-

رواه أبو الشيخ الأصبهاني في " العوالي " (2/32/1) عن أبي يعلى وابن عدي في
" الكامل " (3/1307) وأبو نعيم في " أخبار أصبهان " (2/277) والخطيب في
التاريخ " (7/298 و8/428) والبيهقي في " الشعب " (2/59/1) وابن عساكر في
" تاريخ دمشق " (7/2/2) من طريق سابق بن عبد الله عن أبي خلف خادم أنس عن
أنس بن مالك مرفوعا
قلت: وهذا إسناد ضعيف جدا، وله علتان
الأولى: أبو خلف هذا، قال الذهبي في " الميزان
" كذبه يحيى بن معين، وقال أبو حاتم: منكر الحديث
وقال الحافظ في " التقريب
" قيل: اسمه حازم بن عطاء، متروك، ورماه ابن معين بالكذب
قلت: فقول الحافظ في " الفتح " (10/478) - وعزاه لأبي يعلى وابن أبي
الدنيا في " الصمت "
" وفي سنده ضعف "
فهو منه تساهل أوتسامح في التعبير، لأنه لا يعطي أنه شديد الضعف كما يعطيه
قوله في ترجمة أبي خلف: " متروك ". وما نقله المناوي عنه أنه قال: " سنده
ضعيف "؛ لعله في مكان آخر من " الفتح " وإلا فهو تصرف من المناوي غير جيد
الثانية: سابق بن عبد الله، رجح الحافظ في " اللسان " أنه واه، وأنه غير الرقي، وفي ترجمته ساق الذهبي حديثه هذا في كل من " الميزان " و" الضعفاء "
، وقال
" وهذا خبر منكر "
هذا، ولفظ أبي نعيم
" إن الله عز وجل يغضب إذا مدح الفاسق "
وهو رواية للبيهقي. وقال الحافظ العراقي في " تخريج الإحياء " (3/139)
" رواه ابن أبي الدنيا في " الصمت " والبيهقي في " الشعب " من حديث أنس
وفيه أبو خلف خادم أنس؛ ضعيف "
وزاد في التخريج في موضع آخر: " ابن عدي وأبو يعلى "
ولم أره في " مسند أبي يعلى " ولا في " مجمع الهيثمي " وهو على شرطه
فالظاهر أنه في " مسنده الكبير " وقد عزاه إليه الحافظ في " المطالب العالية "
(3/3)
والحديث روي هكذا مختصرا دون ذكر اهتزاز العرش من حديث بريدة مرفوعا
أخرجه ابن عدي في " الكامل " (5/1917) من طريق محمد بن صبيح الأغر (الأصل
الأعز وهو خطأ مطبعي) : حدثنا حاتم بن عبد الله عن عقبة الأصم عن عبد الله بن
بريدة عن أبيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره
ساقه في جملة أحاديث لعقبة - وهو ابن عبد الله الأصم الرفاعي البصري - وقال
فيه
" وله غير ما ذكرت، وبعض أحاديثه مستقيمة، وبعضها مما لا يتابع عليه "
وروى عن ابن معين أنه قال فيه
" ليس بشيء ". وفي رواية: " وليس بثقة "
وعن عمر بن علي قال
" كان ضعيفا واهي الحديث، ليس بالحافظ "
قلت: والراوي عنه حاتم بن عبد الله أورده ابن حبان في " الثقات " (8/211)
وقال
" يخطىء "
ووقع عند ابن أبي حاتم (1/2/260) وأبي نعيم فيما يأتي " حاتم بن عبيد الله "، وقال ابن أبي حاتم عن أبيه:
نظرت في حديثه، فلم أر فيه مناكير
ومحمد بن صبيح الأغر قال الخطيب في " التاريخ " (5/373)
" يكنى أبا عبد الله، ويعرف بـ (الأغر) ، وهو موصلي لا بغدادي، حدث عن
المعافى بن عمران وسابق الحجام، والعباس بن الفضل الأنصاري. روى عنه علي بن
حرب الموصلي وكانت وفاته في سنة ثمان وعشرين ومائتين
ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وأنا أظن أنه الذي في " الميزان
و اللسان
" محمد بن صبيح، عن عمر بن أيوب الموصلي، قال الدارقطني: ضعيف الحديث
ولعل مما يدل على ضعفه أنه قد خالفه في متن هذا الحديث ولفظه أبو عبد الله
محمد بن إبراهيم بن يزيد الأخوين قال: حدثنا حاتم بن عبيد الله
حدثنا عقبة
ابن عبد الله الأصم.. فذكره بلفظ
" إذا قال الرجل للفاسق: يا سيدي فقد أغضب ربه
أخرجه الحاكم والخطيب في " التاريخ
وهو بهذا اللفظ صحيح، لأنه قد تابعه قتادة عن عبد الله بن بريدة به نحوه
وهو مخرج في " الصحيحة " (371 و1389)
ومن هذا التخريج والتحقيق يتبين خطأ عزوالسيوطي لحديث الترجمة لرواية ابن
عدي عن بريدة ومتابعة المناوي إياه، فقد علمت أنه ليس في حديثه ذكر العرش
مطلقا فاقتضى التنبيه
وشيء آخر، فقد وقع في متن التيسير
(عد، عن أبي هريرة) فذكر أبا هريرة بدل بريدة، وهو خطأ مطبعي، والله أعلم
وخطأ مطبعي آخر وقع في تعليق الشيخ الأعظمي على " المطالب العالية "، فإنه
عزاه للحاكم (2/154) ، وليس له ذكر في هذا المجلد وصفحته، والصواب
(4/311)
تنبيه : لقد سبق تخريج هذا الحديث برقم (596) ولكن قدر الله أن أعيد
تخريجه هنا بزيادة تذكر، وفائدة أكثر، والحمد لله عز وجل

اذا مدح الفاسق غضب الرب، واهتز لذلك العرش منكر - رواه ابو الشيخ الاصبهاني في " العوالي " (2/32/1) عن ابي يعلى وابن عدي في " الكامل " (3/1307) وابو نعيم في " اخبار اصبهان " (2/277) والخطيب في التاريخ " (7/298 و8/428) والبيهقي في " الشعب " (2/59/1) وابن عساكر في " تاريخ دمشق " (7/2/2) من طريق سابق بن عبد الله عن ابي خلف خادم انس عن انس بن مالك مرفوعا قلت: وهذا اسناد ضعيف جدا، وله علتان الاولى: ابو خلف هذا، قال الذهبي في " الميزان " كذبه يحيى بن معين، وقال ابو حاتم: منكر الحديث وقال الحافظ في " التقريب " قيل: اسمه حازم بن عطاء، متروك، ورماه ابن معين بالكذب قلت: فقول الحافظ في " الفتح " (10/478) - وعزاه لابي يعلى وابن ابي الدنيا في " الصمت " " وفي سنده ضعف " فهو منه تساهل اوتسامح في التعبير، لانه لا يعطي انه شديد الضعف كما يعطيه قوله في ترجمة ابي خلف: " متروك ". وما نقله المناوي عنه انه قال: " سنده ضعيف "؛ لعله في مكان اخر من " الفتح " والا فهو تصرف من المناوي غير جيد الثانية: سابق بن عبد الله، رجح الحافظ في " اللسان " انه واه، وانه غير الرقي، وفي ترجمته ساق الذهبي حديثه هذا في كل من " الميزان " و" الضعفاء " ، وقال " وهذا خبر منكر " هذا، ولفظ ابي نعيم " ان الله عز وجل يغضب اذا مدح الفاسق " وهو رواية للبيهقي. وقال الحافظ العراقي في " تخريج الاحياء " (3/139) " رواه ابن ابي الدنيا في " الصمت " والبيهقي في " الشعب " من حديث انس وفيه ابو خلف خادم انس؛ ضعيف " وزاد في التخريج في موضع اخر: " ابن عدي وابو يعلى " ولم اره في " مسند ابي يعلى " ولا في " مجمع الهيثمي " وهو على شرطه فالظاهر انه في " مسنده الكبير " وقد عزاه اليه الحافظ في " المطالب العالية " (3/3) والحديث روي هكذا مختصرا دون ذكر اهتزاز العرش من حديث بريدة مرفوعا اخرجه ابن عدي في " الكامل " (5/1917) من طريق محمد بن صبيح الاغر (الاصل الاعز وهو خطا مطبعي) : حدثنا حاتم بن عبد الله عن عقبة الاصم عن عبد الله بن بريدة عن ابيه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: فذكره ساقه في جملة احاديث لعقبة - وهو ابن عبد الله الاصم الرفاعي البصري - وقال فيه " وله غير ما ذكرت، وبعض احاديثه مستقيمة، وبعضها مما لا يتابع عليه " وروى عن ابن معين انه قال فيه " ليس بشيء ". وفي رواية: " وليس بثقة " وعن عمر بن علي قال " كان ضعيفا واهي الحديث، ليس بالحافظ " قلت: والراوي عنه حاتم بن عبد الله اورده ابن حبان في " الثقات " (8/211) وقال " يخطىء " ووقع عند ابن ابي حاتم (1/2/260) وابي نعيم فيما ياتي " حاتم بن عبيد الله "، وقال ابن ابي حاتم عن ابيه: نظرت في حديثه، فلم ار فيه مناكير ومحمد بن صبيح الاغر قال الخطيب في " التاريخ " (5/373) " يكنى ابا عبد الله، ويعرف بـ (الاغر) ، وهو موصلي لا بغدادي، حدث عن المعافى بن عمران وسابق الحجام، والعباس بن الفضل الانصاري. روى عنه علي بن حرب الموصلي وكانت وفاته في سنة ثمان وعشرين وماىتين ولم يذكر فيه جرحا ولا تعديلا، وانا اظن انه الذي في " الميزان و اللسان " محمد بن صبيح، عن عمر بن ايوب الموصلي، قال الدارقطني: ضعيف الحديث ولعل مما يدل على ضعفه انه قد خالفه في متن هذا الحديث ولفظه ابو عبد الله محمد بن ابراهيم بن يزيد الاخوين قال: حدثنا حاتم بن عبيد الله حدثنا عقبة ابن عبد الله الاصم.. فذكره بلفظ " اذا قال الرجل للفاسق: يا سيدي فقد اغضب ربه اخرجه الحاكم والخطيب في " التاريخ وهو بهذا اللفظ صحيح، لانه قد تابعه قتادة عن عبد الله بن بريدة به نحوه وهو مخرج في " الصحيحة " (371 و1389) ومن هذا التخريج والتحقيق يتبين خطا عزوالسيوطي لحديث الترجمة لرواية ابن عدي عن بريدة ومتابعة المناوي اياه، فقد علمت انه ليس في حديثه ذكر العرش مطلقا فاقتضى التنبيه وشيء اخر، فقد وقع في متن التيسير (عد، عن ابي هريرة) فذكر ابا هريرة بدل بريدة، وهو خطا مطبعي، والله اعلم وخطا مطبعي اخر وقع في تعليق الشيخ الاعظمي على " المطالب العالية "، فانه عزاه للحاكم (2/154) ، وليس له ذكر في هذا المجلد وصفحته، والصواب (4/311) تنبيه : لقد سبق تخريج هذا الحديث برقم (596) ولكن قدر الله ان اعيد تخريجه هنا بزيادة تذكر، وفاىدة اكثر، والحمد لله عز وجل
হাদিসের মানঃ মুনকার (সহীহ হাদীসের বিপরীত)
পুনঃনিরীক্ষণঃ