৩৬০৫

পরিচ্ছেদঃ ১. দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ - চোরের হাত কাটা প্রসঙ্গ

৩৬০৫-[১৬] ফাযালাহ্ ইবনু ’উবায়দ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট এক চোরকে আনা হলে তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) তার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন। পরে তিনি হুকুম দিলেন এবার তার হাত কেটে যেন তার গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হয় (যাতে অন্যেরা শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে)। অতএব ঐ হাত তার গলায় ঝুলিয়ে দেয়া হলো। (তিরমিযী, আবূ দাঊদ, নাসায়ী, ইবনু মাজাহ্)[1]

وَعَنْ فَضَالَةَ بْنِ عُبَيْدٍ قَالَ: أَتَى رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بسارقٍ فقُطِعَتْ يَدَهُ ثُمَّ أَمَرَ بِهَا فَعُلِّقَتْ فِي عُنُقِهِ. رَوَاهُ التِّرْمِذِيُّ وَأَبُو دَاوُدَ وَالنَّسَائِيُّ وَابْنُ مَاجَهْ

وعن فضالة بن عبيد قال: أتى رسول الله صلى الله عليه وسلم بسارق فقطعت يده ثم أمر بها فعلقت في عنقه. رواه الترمذي وأبو داود والنسائي وابن ماجه

ব্যাখ্যা: এটা অন্য লোকেদের জন্য চুরি করা হতে বিরত থাকার দৃষ্টান্ত হবে।

ইবনু হুমাম বলেনঃ শাফি‘ঈ ও আহমাদ থেকে বর্ণিত, চোরের হাত কাটার পর তা তার গর্দানে লটকানো সুন্নাহ। কেননা রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এটা আদেশ করেছেন।

আমাদের (হানাফীদের) নিকট বিষয় ‘আম্ প্রশাসকের জন্য তিনি যদি মনে করেন লটকাবে না হলে লটকাবে না। (মিরকাতুল মাফাতীহ)

মুল্লা ‘আলী কারী বলেনঃ শারহেস্ সুন্নাহ্-তে বলেন, গোলাম যখন চুরি করে, চাই পলায়নকারী হোক বা না হোক। ইবনু ‘উমার থেকে বর্ণিত, তার দাস চুরি করেছে আর সে পলায়নকারী ছিল। তিনি তাকে ধরে সা‘ঈদ বিন ‘আস-এর নিকট পাঠালেন যাতে তার হাত কেটে দেয়। সা‘ঈদ অস্বীকার করলেন এবং বললেন, না, পলায়নকারী গোলামের হাত কাটা যাবে না, সে যখন চুরি করবে। ‘আব্দুল্লাহ বললেন, আপনি এটা কোন্ কিতাবে পেয়েছেন? অতঃপর ‘আবদুল্লাহ বিন ‘উমার হাত কাটার নির্দেশ দিলেন এবং হাত কাটা হলো। ‘উমার বিন ‘আব্দুল ‘আযীয এমনটি আদেশ করেছেন।

ইহা শাফি‘ঈ, মালিক ও বলা চলে সকল ‘উলামার অভিমত। (‘আওনুল মা‘বূদ ৭ম খন্ড, হাঃ ৪৪০৩)


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-১৭: দণ্ডবিধি (كتاب الحدود)