৮৫৩

পরিচ্ছেদঃ নফল নামাযের ফযীলত

(৮৫৩) উক্ত রবীআহ বিন কা’ব বলেন, আমি দিনে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর খেদমত করতাম এবং রাতে তাঁরই দরজার চৌকাঠে (মাথা রেখে) ঘুমিয়ে পড়তাম। এভাবে তাঁর নিকট এক রাত্রি যাপনকালে আমি শুনছিলাম, তিনি অনবরত বলে যাচ্ছিলেন, ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ ‘সুবহা-নাল্লা-হ’ সুবহা-নাল্লা-হ’ ‘সুবহা-না রাব্বী’ (আমি আমার মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আমি আমার মহান আল্লাহর পবিত্রতা বর্ণনা করছি। আমি আমার মহান প্রভুর পবিত্রতা বর্ণনা করছি।) পরিশেষে আমি ক্লান্ত হয়ে পড়লাম অথবা ঘুম পেয়ে বসলে আমি ঘুমিয়ে পড়লাম। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) একদা আমাকে বললেন, হে রাবীআ’! আমার কাছে কিছু চাও, আমি তোমাকে দেবো। তখন আমি বললাম, আমাকে একটু সময় দিন যাতে ভেবে নিতে পারি (কী চাওয়া যায়)।

অতঃপর আমি ভেবে দেখলাম যে, দুনিয়া ধ্বংসশীল ও ক্ষণস্থায়ী। তাই বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! আমি চাই যে, আপনি আমার জন্য আল্লাহর নিকট দু‘আ করে দিন, যাতে তিনি আমাকে জাহান্নাম থেকে নিষ্কীতি দেন এবং জান্নাতে প্রবেশ করান। (এ কথা শুনে) তিনি চুপ করে গেলেন। অতঃপর বললেন, এ জিনিস চাওয়ার কথা তোমাকে কে শিখিয়ে দিয়েছে? তিনি বললেন, এটা আমাকে কেউ শিখিয়ে দেয়নি, তবে আমি যখন জানলাম যে, দুনিয়া ক্ষণস্থায়ী ও ধ্বংসশীল আর আল্লাহর পক্ষ থেকে আপনার রয়েছে বিশেষ মর্যাদা তাই এটাই ভালো মনে করলাম যে, আপনি আমার জন্য আল্লাহর কাছে দু‘আ করে দেন। তিনি (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বললেন, আমি দু‘আ করবো, কিন্তু তুমি অধিকাধিক সিজদা করে (অর্থাৎ প্রচুর নফল নামায পড়ে) তোমার (এ আশা পূরণের) জন্য আমাকে সাহায্য করো।

عَن رَبِيعَةَ بن كَعْبٍ قَالَ : كُنْتُ أَخْدُمُ رَسُولَ اللهِ ﷺ نَهَارِي فَإِذَا كَانَ اللَّيْلُ أَوَيْتُ إِلَى بَابِ رَسُولِ اللهِ ﷺ فَبَتُّ عَندَهُ فَلا أَزَالُ أَسْمَعُهُ يَقُولُ : سُبْحَانَ اللهِ سُبْحَانَ رَبِّي حَتَّى أَمَلُّ أَوْ تَغْلِبَنِي عَيْنِي فَأَنَامُ فَقَالَ ذَاتَ يَوْمٍ : يَا رَبِيعَةُ سَلْنِي فَأُعْطِيَكَ قُلْتُ : أَنْظِرْنِي حَتَّى أَنْظُرَ وتَذَكَرْتُ أَنَّ الدُّنْيَا فَانِيَةٌ مُنْقَطِعَةٌ فَقُلْتُ : يَا رَسُولَ اللهِ أَسْأَلُكَ أنْ تَدْعُوَ اللهَ أَنْ يُجَنِّبَنِي مِنَ النَّارِ وَيُدْخِلَنِي الْجَنَّةَ فَسَكَتَ رَسُولُ اللهِ ﷺ ثُمَّ قَالَ : مَنْ أَمَرَكَ بِهَذَا ؟ قُلْتُ : مَا أَمَرَنِي بِهِ أَحَدٌ وَلَكِنِّي عَلِمْتُ أَنَّ الدُّنْيَا مُنْقَطِعَةٌ فَانِيَةٌ وَأَنْتَ مِنَ اللهِ بِالْمَكَانِ الَّذِي أَنْتَ بِهِ أَحْبَبْتُ أنْ تَدْعُوَ اللهَ قَالَ : إِنِّي فَاعِلٌ فَأَعَني بِكَثْرَةِ السُّجُودِ

عن ربيعة بن كعب قال : كنت أخدم رسول الله ﷺ نهاري فإذا كان الليل أويت إلى باب رسول الله ﷺ فبت عنده فلا أزال أسمعه يقول : سبحان الله سبحان ربي حتى أمل أو تغلبني عيني فأنام فقال ذات يوم : يا ربيعة سلني فأعطيك قلت : أنظرني حتى أنظر وتذكرت أن الدنيا فانية منقطعة فقلت : يا رسول الله أسألك أن تدعو الله أن يجنبني من النار ويدخلني الجنة فسكت رسول الله ﷺ ثم قال : من أمرك بهذا ؟ قلت : ما أمرني به أحد ولكني علمت أن الدنيا منقطعة فانية وأنت من الله بالمكان الذي أنت به أحببت أن تدعو الله قال : إني فاعل فأعني بكثرة السجود

হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ রবীআহ বিন কা'ব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
হাদীস সম্ভার
৬/ স্বলাত (নামায)