১৮৯০

পরিচ্ছেদঃ ৬. প্রথম অনুচ্ছেদ - সদাক্বার মর্যাদা

১৮৯০-[৩] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) হতে এ হাদীসটিও বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যে ব্যক্তি নিজের ধন-সম্পদ হতে কোন জিনিস এক জোড়া (দু’ গুণ) আল্লাহর পথে সন্তুষ্টির জন্য সদাক্বাহ্ (সাদাকা) করবে, জান্নাতের সবগুলো দরজা দিয়ে তাকে সাদর সম্ভাষণ জানানো হবে। আর জান্নাতের অনেক (আটটি) দরজা আছে। যে ব্যক্তি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায়কারী হবে, তাকে ’বাবুস্ সালাত’ হতে ডাকা হবে। যে আল্লাহর পথে জিহাদ করবে, তাকে ডাকা হবে ’বাবুল জিহাদ’ হতে। দান সদাক্বাকারীকে ডাকা হবে ’বাবুস্ সদাক্বাহ্’ দিয়ে। যে ব্যক্তি সায়িম (রোযাদার) হবে, তাকে ’বাবুর রাইয়্যান’ দিয়ে ডাকা হবে। এ কথা শুনে আবূ বকর (রাঃ) জানতে চাইলেন, যে ব্যক্তিকে এসব দরজার কোন একটি দিয়ে ডাকা হবে তাকে কি অন্য সকল দরজা দিয়ে ডাকার প্রয়োজন হবে? রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হ্যাঁ! (হবে) আর আমি আশা করি তুমি তাদেরই একজন হবে। (বুখারী, মুসলিম)[1]

بَابُ فَضْلِ الصَّدَقَةِ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ مِنْ شَيْءٍ مِنَ الْأَشْيَاءِ فِي سَبِيلِ اللَّهِ دُعِيَ مِنْ أَبْوَاب الْجنَّة واللجنة أَبْوَابٌ فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّلَاةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَاد دعِي من بَاب الْجِهَاد وَمن كَانَ مَنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّدَقَةِ وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ دُعِيَ مِنْ بَابِ الرَّيَّانِ» . فَقَالَ أَبُو بَكْرٍ: مَا عَلَى مَنْ دُعِيَ مِنْ تِلْكَ الْأَبْوَابِ مِنْ ضَرُورَةٍ فَهَلْ يُدْعَى أَحَدٌ مِنْ تِلْكَ الْأَبْوَابِ كُلِّهَا؟ قَالَ: «نعم وَأَرْجُو أَن تكون مِنْهُم»

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «من أنفق زوجين من شيء من الأشياء في سبيل الله دعي من أبواب الجنة واللجنة أبواب فمن كان من أهل الصلاة دعي من باب الصلاة ومن كان من أهل الجهاد دعي من باب الجهاد ومن كان من أهل الصدقة دعي من باب الصدقة ومن كان من أهل الصيام دعي من باب الريان» . فقال أبو بكر: ما على من دعي من تلك الأبواب من ضرورة فهل يدعى أحد من تلك الأبواب كلها؟ قال: «نعم وأرجو أن تكون منهم»

ব্যাখ্যা: (مَنْ أَنْفَقَ زَوْجَيْنِ) অর্থাৎ দু’টি জিনিস। হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, (الزوج) শব্দটি যেমনিভাবে একটি জিনিস বুঝাতে ব্যবহৃত হয় ঠিক তেমনিভাবে দু’টির ক্ষেত্রেও ব্যবহৃত হয়। তবে অত্র হাদীসে একটি বিষয়ের জন্য ব্যবহৃত হয়েছে।

‘মাজমা‘উল বিহার’ গ্রন্থ প্রণেতা বলেন, الزوج خلاف الفرد তথা ‘আরাবীতে زوج (যুগল) বলতে فرد (একক) এর বিপরীত জিনিসকে বলা হয় এবং অত্র হাদীসে রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর উদ্দেশ্য হলো প্রতিটি জিনিসের জোড়া যদি তা দিরহাম হয় তাহলে দু’টি দিরহাম যদি দীনার হয় তাহলে দু’টি দীনার আর যদি তরবারি হয় তাহলে দু’টি তরবারি ইত্যাদি।

কোন কোন বিদ্বান এই প্রসঙ্গে এ কথাও বলেছেন যে, হাদীসের দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে বারবার খরচ করা একের পর এক খরচ করা, কেননা কেউ যদি একবার খরচ করার পর আরেকবার খরচ করেন তাহলে তা জোড়া হয়ে যায়।

ক্বাযী ‘আয়ায বলেন, ‘আল্লামা আবূ ইসমা‘ঈল আল হুরবী বলেছেন, অত্র হাদীসে জোড়া দ্বারা উদ্দেশ্য হলো যুগল সেটা হতে পারে দু’টি ঘোড়া অথবা দু’টি দাস অথবা দু’টি উট।

ইবনু ‘আরাফাহ্ বলেন, প্রতিটি জিনিস তাকে যদি তার সাথীর সাথে মিলিয়ে দেয়া যায় তাহলে তা যুগলে রূপ নেয়। যেমনঃ বলা হয়ে থাকে ‘আমি উটের মাঝে যুগল সৃষ্টি করেছি’। যখন একটি উটের সাথে আরো একটি উটকে মিলিয়ে দেয়া হয় তথন এ কথা বলা হয়। তিনি আরো বলেন, زوج তথা যুগল শব্দটি প্রকার বুঝাতেও ব্যবহৃত হয়। যেমনঃ আল্লাহ তা‘আলার বাণীঃ وَكُنْتُمْ أَزْوَاجًا ثَلَاثَةً

‘‘আর তোমরা হবে তিন অংশে বিভক্ত।’’ (সূরাহ্ আল ওয়াক্বি‘আহ্ ৫৬ : ৭)

তবে অত্র হাদীসে زوج দ্বারা উদ্দেশ্য হচ্ছে, দান-সদাক্বাকে একটির মাধ্যমে অপরটিকে সংশ্লিষ্ট করে জোড় বানানো এবং বেশী বেশী সদাক্বার প্রতি উৎসাহিত করা। (فِي سَبِيلِ اللّهِ) অর্থাৎ আল্লাহর নিকট থেকে বিনিময় পাওয়ার আশায়। سَبِيلِ اللّهِ বা আল্লাহর রাস্তা বলতে ‘জিহাদসহ সকল প্রকার ‘ইবাদাতকে বুঝা যায়। কোন কোন বিদ্বান বলেছেন, سَبِيلِ اللّهِ দ্বারা শুধুমাত্র জিহাদকেই বুঝানো হয়। তবে প্রথম মতই সর্বাধিক সহীহ যেমনটি মত পোষণ করেছেন কাযী ‘আয়ায (রহঃ)।

(فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ) অর্থাৎ সমুদয় ফরয অদায় করতঃ নফলও অদায় করেছেন এমন বান্দা।

(دُعِيَ مِنْ بَابِ الصَّدَقَةِ) অর্থাৎ বলা হবে, হে আল্লাহর বান্দা! তুমি এ দরজা দিয়ে প্রবেশ কর। হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, ‘অত্র হাদীসের অর্থ হলো, যদি আসলেই বান্দা ঐ ‘আমল করে থাকে তাহলে তাকে সে দরজা দিয়েই আহবান করা হবে যেমন অপর একটি সহীহ হাদীসে এসেছে, যা ইমাম আহমাদ বিন হাম্বাল ও ইবনু আবী শায়বাহ্ সহীহ সানাদে বর্ণনা করেছেন।

আল্লামা সিনদী (রহঃ) সহীহ মুসলিমের টীকায় বলেন, ‘রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা (فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ) হাদীসের শেষ পর্যন্ত এ বর্ণনা থেকে বুঝা যায়, যারা আল্লাহর পথে দু’টি জিনিস ব্যয় করবেন তাদেরকে জান্নাতে আহবান করা হবে একটি দরজা দিয়ে আর সে দরজাটি হলো যেটি আল্লাহর পথে ব্যয় করার প্রেক্ষক্ষতে প্রাধান্য পেয়েছে। অপরদিকে আল্লাহর পথে খরচ করার সম্মান স্বরূপ খরচকারীকে আহবান করে জান্নাতে প্রবেশ করানো। যদি তা না হয় তাহলে হাদীসের সঠিক মর্মার্থ প্রকাশ হবে না যেহেতু এখানে ব্যক্তি তার ‘আমলের উপর ভিত্তি রেখেই তো জান্নাতে যেতে পারছে। তবে বিষয়টি একটু বিস্তারিত বিবরণের দাবীদার যা নিম্নে আসছে। আর তা হলো, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কথা (فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ) এখান থেকে শেষ পর্যন্ত কথার সাথে আবূ বাকর (রাঃ)-এর প্রশ্নের মিল রয়েছে।

অপরদিকে আহবানকে প্রত্যেক দরজা দিয়ে আহবান হিসেবে গ্রহণ আর (فَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصَّلَاةِ) যারা মুসল্লী হবেন তাকে সালাতের দরজা দিয়ে ডাকা হবে আর যারা মুজাহিদ হবেন তাদেরকে জিহাদের দরজা দিয়ে ডাকা হবে ইত্যাদি শেষ পর্যন্ত কথাগুলোকে منفق زوجين তথা দু’টি যুগল খরচকারী থেকে পৃথক করে এ কথা বলা যে, এগুলো হলো জান্নাতের দরজা এবং তার অধিবাসীদের বিবরণ মাত্র। এ ব্যাখ্যা ভুল ব্যাখ্যা।

আল্লামা সিনদী (রহঃ) যা বলতে চেয়েছেন তার সার-সংক্ষেপ হলো, অত্র হাদীসে (المنفق في سبيل الله) তথা আল্লাহর পথে দু’টি জিনিস খরচকারীকে أبواب الجنة তথা জান্নাতের সকল দরজা নিয়ে ডাকার কথা বর্ণিত হয়েছে এবং অন্য রিওয়ায়াতে তথা আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ)-এর রিওয়ায়াতে সহীহুল বুখারী এবং মুসলিমে আছে প্রত্যেক শ্রেণীভুক্ত ‘আমলকারীকে ঐ শ্রেণীর দরজা দিয়ে ডাকা হবে তার মানে এক দরজা দিয়ে ডাকা হবে। এক রিওয়ায়াতে আসলো সব দরজার কথা আর অন্য রিওয়ায়াতে আসলো এক দরজার কথা, অতএব বাহ্যিক দৃষ্টিতে রিওয়ায়াত দু’টি পরস্পর সাংঘর্ষিক। তাই এ সংঘর্ষ পূর্ণ রিওয়ায়াতের সমাধাকল্পে তিনি বলেন,

১। এখানে বিরোধটি হয়েছে কোন রাবীর ভুলের কারণে

২। এখানে মূলত দু’টি বৈঠকে দু’রকম ঘটনার প্রেক্ষক্ষতে আল্লাহর নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম দু’রকম কথা বলেছেন। যা তাকে ওয়াহীর মাধ্যমে জানিয়ে দেয়া হয়েছে। প্রথমবার এক দরজার কথা আর দ্বিতীয়বার সব দরজার কথা। (আল্লাহই ভাল জানেন)

(وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الْجِهَاد) অর্থাৎ যার উপর জিহাদের ‘আমল প্রাধান্য পাবে।

(وَمن كَانَ مَنْ أَهْلِ الصَّدَقَةِ) অর্থাৎ সদাক্বাহ্ (সাদাকা) বেশী বেশী প্রদানকারী।

(وَمَنْ كَانَ مِنْ أَهْلِ الصِّيَامِ) অর্থাৎ যার ক্ষেত্রে সাওমের ‘আমলটি প্রাধান্য পাবে। তাকে রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে আহবান করা হবে।

রাইয়্যান হলো জান্নাতের একটি দরজার নাম যা শুধুমাত্র সায়িমদের (রোযাদারদের) জন্য নির্ধারণ করা হয়েছে। যার অর্থ হলো পিপাসা মিটে তৃপ্ত হওয়া। দরজাটি সায়িমদের জন্য হওয়াটা বেশ উপযুক্ত, কেননা তারা দুনিয়াতে সিয়ামের মাধ্যমে নিজেদেরকে পিপাসার্ত রাখতো, তাই রাইয়্যান নামক দরজা দিয়ে প্রবেশ করার মাধ্যমে পিপাসার কষ্ট থেকে চিরতরে মুক্তি লাভ করবেন।

হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, হাদীসখানার মধ্যে জান্নাতের দরজাসূমহের চারটি দরজার কথা বর্ণিত হয়েছে অথচ আরেকটি সহীহ হাদীসের মাধ্যমে জান্নাতের দরজা আটটি সাব্যস্ত আছে। অতএব আর বাকী চারটি তাহলে কোথায়? এর উত্তরে তিনি বলেন, একটি হলো হাজ্জের (হজ্জের/হজের) দরজা। অপর তিনটির একটি হলো (الكاظمين الغيظ والعافين عن الناس) তথা রাগ সংবরণকারীর এবং মানুষকে ক্ষমাকারীর দরজা যেটি মুসনাদে আহমাদে বর্ণিত আছে।

দ্বিতীয় আরেকটি দরজার নাম হলো ‘বাবুল আয়মান’ আর তা হলো আল্লাহর ওপর ভরসাকারীদের দরজা।

তৃতীয় আরেকটি দরজা আছে সম্ভবত সেটি হচ্ছে (ذكر) যিকরকারীদের দরজা এবং সেটি ‘ইলমের দরজা হওয়ারও সম্ভাবনা রয়েছে। এটিও সম্ভাবনা রয়েছে যে, এখানে ডাকার জন্য যে দরজার কথা বলা হয়েছে মূলত সেগুলো জান্নাতের অভ্যন্তরেই রয়েছে। কেননা জান্নাত হলো আটটি অপরদিকে জান্নাতে প্রবেশের সৎ ‘আমল আটটির অনেক বেশী।

 ক্বাযী ‘আয়ায (রহঃ) আলোচনা করেছেন যে, বাকী জান্নাতগুলোর কথা বর্ণিত হয়েছে অপর একটি হাদীসে-

১। তাওবাকারীদের জন্য ২। ক্রোধ সংবরণকারীদের জন্য এবং মানুষকে ক্ষমাকারীদের জন্য ৩। আল্লাহর প্রতি সন্তুষ্ট এমন ব্যক্তিদের জন্য। অতএব, পূর্বোক্ত চারটি এবং এ তিনটি মিলে হলো সর্বমোট সাতটি আর আট নম্বরটি এসেছে ‘বাবুল আয়মান’ নামে ঐ ৭০ হাজার ব্যক্তিদের জন্য যারা বিনা হিসাবে জান্নাতে যাবে।

(مَا عَلى مَنْ دُعِيَ مِنْ تِلْكَ الْأَبْوَابِ مِنْ ضَرُورَةٍ) অর্থাৎ জরুরী এবং প্রয়োজন নয় যে, যাকে একটি দরজা দিয়ে আহবান করা হলো সবগুলো দরজার মধ্যে জান্নাতে প্রবেশের উদ্দেশে। আবূ বাকর (রাঃ)-এর কথাটি পরবর্তী প্রশ্নের কথার পটভূমি।

(فَهَلْ يُدْعى أَحَدٌ مِنْ تِلْكَ الْأَبْوَابِ) অর্থাৎ আমি এ কথা জানার পরেও এ বিষয়ে জিজ্ঞেস করলাম কারণ একটি দরজা দিয়ে আহবান করার তার জান্নাতে যাওয়ার উদ্দেশ্য ও আশা পূর্ণ হওয়ার পরে আর কোন দরজা দিয়ে ডাকার কোন প্রয়োজন নেই।

(قَالَ: نعم) অর্থাৎ তারপরও রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তরে বললেন, হ্যাঁ একটি দল এমন হবে যাদেরকে জান্নাতের প্রতিটি দরজা দিয়ে আহবান করা হবে। তাদের সম্মান এবং অতিরিক্ত মর্যাদার কারণে এই প্রেক্ষক্ষতে যে, কল্যাণের সালাত (সালাত/নামায/নামাজ), সওম, জিহাদসহ কল্যাণের প্রতিটি স্তরে তাদের অধিক ‘আমল রয়েছে। হাফিয ইবনু হাজার আসক্বালানী (রহঃ) বলেন, সব দরজা দিয়ে ডাকা হবে এমন ব্যক্তির সংখ্যা কমই হবে উক্ত হাদীসে এ দিকে ইঙ্গিত রয়েছে।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৬: যাকাত (كتاب الزكاة)