১৩২০

পরিচ্ছেদঃ ৩৮. তৃতীয় অনুচ্ছেদ - ইশরাক ও চাশ্‌তের সালাত

১৩২০-[১২] আবূ সা’ঈদ আল্ খুদরী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিয়মিতভাবে চাশ্‌তের (চাশতের) সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করতে থাকতেন। আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত এ সালাত আর ছাড়বেন না। আর যখন ছেড়ে দিতেন অর্থাৎ বন্ধ করতেন, আমরা বলাবলি করতাম, তিনি হয়ত এ সালাত আর কখনো আদায় করবেন না। (তিরমিযী)[1]

وَعَنْ أَبِي سَعِيدٍ قَالَ: كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يُصَلِّي الضُّحَى حَتَّى نَقُولَ: لَا يَدَعُهَا وَيَدَعُهَا حَتَّى نَقُولَ: لَا يُصليهَا. رَوَاهُ التِّرْمِذِيّ

وعن أبي سعيد قال: كان رسول الله صلى الله عليه وسلم يصلي الضحى حتى نقول: لا يدعها ويدعها حتى نقول: لا يصليها. رواه الترمذي

ব্যাখ্যা: আলোচ্য হাদীস দু’টি কথার উপর দলীল এ মর্মে যে, সালাতুয্ যুহা কখনো আদায় করা, কখনো বর্জন করাই মুস্তাহাব হবে এ দিক দিয়ে যে, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার উপর অনড় থাকেননি বা সর্বদাই তা পালন করেননি বরং কখনো তা বর্জন করেছেন। যেমন নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর অভ্যাস ছিল কোন ‘আমল থেকে অব্যাহতি গ্রহণ করা এবং গুরুত্বের সাথে তা গ্রহণ করা। এ ব্যাপারে আলোচনা সামনের হাদীসের ব্যাখ্যায় আসবে। (ইনশা-আল্ল-হ)

আর সালাতুয্ যুহা তার উপর ওয়াজিব মর্মে যে রিওয়ায়াত তার থেকে রয়েছে, তা য‘ঈফ। হাফিয আসক্বালানী (রহঃ) বলেনঃ এ মর্মে (ওয়াজিব ব্যাপারে) কোন সহীহ হাদীস বর্ণিত হয়নি।


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৪: সালাত (كتاب الصلاة)