১১৩৩

পরিচ্ছেদঃ ২৭. প্রথম অনুচ্ছেদ - ইমামের দায়িত্ব

১১৩৩-[৫] আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ তোমাদেরকে ইমাম সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করাবেন। বস্তুতঃ যদি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) ভালভাবে পড়ায় তবে তোমাদের জন্যে সফলতা আছে (তার জন্যেও আছে)। আর সে যদি কোন ভুল করে ফেলে তাহলে তোমরা সাওয়াব পাবে। তার জন্যে সে পাপী হবে। (বুখারী)[1]

بَابُ مَا عَلَى الإِمَامِ

وَعَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُ قَالَ: قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: «يُصَلُّونَ لَكُمْ فَإِنْ أَصَابُوا فَلَكُمْ وَإِنْ أَخْطَئُوا فَلَكُمْ وَعَلَيْهِمْ» . رَوَاهُ الْبُخَارِيُّ
وَهَذَا الْبَابُ خَالٍ عَنِ الْفَصْلِ الثَّانِي

وعن أبي هريرة رضي الله عنه قال: قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «يصلون لكم فإن أصابوا فلكم وإن أخطئوا فلكم وعليهم» . رواه البخاري وهذا الباب خال عن الفصل الثاني

ব্যাখ্যা: (فَإِنْ أَصَابُوا) কিরমানী বলেনঃ ইমামগণ যদি সালাত, রুকন, শর্ত ও সুন্নাতসমূহ সহকারে আদায় করে। ‘আয়নী বলেনঃ তারা যদি সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) পূর্ণাঙ্গ আদায় করে এর উপর প্রমাণ বহন করছে ‘উক্ববাহ্ বিন ‘আমির-এর ঐ হাদীস যা হাকিম, বুখারী ও মুসলিমের শর্তে মারফূ' সূত্রে বর্ণনা করেছেন আর তা এ শব্দে ‘‘যে মানুষের ইমামতি করবে অতঃপর পূর্ণ করবে’’। অপর কপিতে আছে ‘‘অতঃপর যে ব্যক্তি সঠিকভাবে সালাতের ইমামতি করবে তার সালাত তার ও মুক্তাদী সকলের পক্ষে হবে (অর্থাৎ ইমাম মুক্তাদী সকলের পুণ্যের কারণ)’’। পক্ষান্তরে এ সালাত থেকে যদি কিছু কমতি করে তাহলে তা ইমামের বিপক্ষে হবে এবং মুক্তাদীদের পক্ষে হবে।

‘আবদুর রহমান বিন হারমালাহ্ এবং ‘উক্ববাহ্ থেকে বর্ণনাকারী আবূ ‘আলী আল হামদানী-এর সানাদের বিচ্ছিন্নতা থাকার দরুন ইমাম ত্বহাবী একে দোষী সাব্যস্ত করেছেন।

‘উবায়দুল্লাহ মুবারকপূরী বলেনঃ আমি বলব, ‘উক্ববার এ হাদীসটি ইমাম হাকিম মুসতাদরাকে প্রথম খন্ডে ২১০ পৃষ্ঠাতে বর্ণনা করেছেন, বুখারী ও মুসলিমের শর্তে সহীহ হাদীস বর্ণনার পর। ইমাম যাহাবী অনুকূল করেছেন। আহমাদ আবূ দাঊদ এবং প্রমুখগণ এ হাদীস সংকলন করেছেন। মুনযিরী আবূ ‘আলী আল মিসরী (হামদানী) কর্তৃক তারগীব গ্রন্থে বলেনঃ আবূ ‘আলী বলেছেনঃ আমরা একদা ‘উক্ববাহ্ বিন ‘আমির-এর সাথে ভ্রমণ করলে আমাদের কাছে সালাতের সময় ঘনিয়ে আসলো, অতঃপর আমরা ইচ্ছা করলাম ‘উক্ববাহ্ আমাদের আগে বেড়ে ইমামতি করুক কিন্তু তিনি বললেন, আমি রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি যে ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়ের ইমামতি করবে সে যদি পূর্ণাঙ্গভাবে সালাত আদায় করে তাহলে সে সালাত তার ও মুক্তাদীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ সালাত হিসেবে গণ্য হবে। আর যদি সালাত পূর্ণাঙ্গভাবে না আদায় করে থাকে তাহলে সে সালাত মুক্তাদীদের জন্য পূর্ণাঙ্গ সালাত হিসেবে গণ্য হবে আর ইমামের ওপর পাপ বর্তাবে।

ইমাম আহমাদ একে বর্ণনা করেছেন এবং বর্ণিত শব্দ তার। আবূ দাঊদ ও ইবনু মাজাহ একে বর্ণনা করেছেন। হাকিম একে বর্ণনা করেছেন ও সহীহ বলেছেন। ইবনু খুযায়মাহ্ ও ইবনু হিব্বান একে তাদের সহীহ কিতাবদ্বয়ে বর্ণনা করেছেন তাদের উভয়ের শব্দ ‘‘যে ব্যক্তি মানুষের ইমামতি করবে, সঠিক সময়ে ও পূর্ণাঙ্গভাবে আদায় করবে তাহলে সে সালাত ইমামের ও মুক্তাদীদের পক্ষে হবে। আর যে ব্যক্তি এ সালাত কিছু কমতি করবে তা তার বিপক্ষে হবে মুক্তাদীদের পক্ষে হবে।’’

মুনযিরী বলেনঃ এ বর্ণনাটি তাদের কাছে ‘আবদুর রহমান বিন হারমালাহ্ আসলামী কর্তৃক আর তিনি আবূ ‘আলী আল মিসরী থেকে। আর হাদীস বিশারদ কর্তৃক ‘আবদুর রহমান এর এতটুকু সমালোচনা করা হয়েছে যে, তার হাদীস দলীল হিসেবে টিকবে না তবে পরীক্ষার জন্য লেখা যেতে পারে। আর এ হাদীসটি যাহাবী, মুনযিরী ও হাফিয এর কাছে সহীহ অথবা হাসান যা দলীলযোগ্য।

তারা ত্বহাবীর উক্তির প্রতি লক্ষ্য করেনি। ত্বহাবী বলেনঃ আবূ ‘আলী হামদানী থেকে ‘আবদুর রহমান বিন হারমালার হাদীস শ্রবণের বিষয় জানা যায়নি। বিষয়টি দৃষ্টি নিক্ষেপের দাবীদার। আর কিভাবে ত্বহাবীর উক্তির দিকে দৃষ্টি দেয়া হবে অথচ বায়হাক্বীর ৩য় খন্ডে ১২৭ পৃষ্ঠাতে ‘আবদুর রহমান বিন হারমালাহ্ (الإخبار) শব্দের মাধ্যমে বর্ণনা করেছেন। যেমন তিনি বলেন, আমাকে আবূ ‘আলী হামদানী খবর দিয়েছেন।

(فَلَكُمْ) তোমাদের সালাতের সাওয়াব। হাফিয বলেনঃ ইমাম আহমাদ অনুরূপভাবে ইমাম বায়হাক্বী একটু বেশি বর্ণনা করেছেন তাতে আছে (ولهم) অর্থাৎ তোমাদের সালাতের সাওয়াব। হাদীসটিতে (ولهم) উল্লেখ না করে কৃতিমতা থেকে অমুখাপেক্ষী থাকা হয়েছে। যা মাজহারের উক্তির দিকে ইঙ্গিত করছে। মাজহারের উক্তি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (فَلَكُمْ) উক্তির উপর সীমাবদ্ধ থেকেছেন, কেননা সালাত সঠিকভাবে সম্পন্ন করার সাওয়াব উত্তম পুরুষ হতে নাম পুরুষের দিকে অতিক্রম করার বিষয়টি স্পষ্ট।

ক্বারী বলেন, (فَلَكُمْ) উল্লেখ করার দ্বারা (ولهم) বুঝা যাচ্ছে। একমতে বলা হয়েছে, নিশ্চয়ই হাদীসটি সঠিক সময়ে সালাত আদায় করতে ইমামের ভুল করণে প্রয়োগ করা হয়েছে। ইবনু বাত্ত্বাল এবং ত্বহাবী বলেনঃ এর অর্থ হল ইমামগণ যদি সঠিক সময়ে সালাত প্রতিষ্ঠা করে। এ ব্যাপারে তারা মারফূ‘ভাবে হাসান সূত্রে ‘আবদুল্লাহ বিন মাস্‘ঊদ থেকে ইমাম নাসায়ী ও অন্যান্যদের বর্ণিত হাদীস দ্বারা প্রমাণ পেশ করেছেন। হাদীসটিতে আছে অচিরেই তোমরা এমন সম্প্রদায়সমূহ পাবে যারা সালাতের নির্দিষ্ট সময় ছাড়া অন্য সময়ে সালাত অদায় করবে। সুতরাং তোমরা যদি তাদের নাগাল পাও তাহলে সালাতের সঠিক সময় হিসেবে তোমরা যা জান সে সময়ে তোমরা তোমাদের ঘরসমূহে সালাত আদায় করবে।

পুনরায় তোমরা তাদের সাথে সালাত আদায় করবে এবং তা নফল হিসেবে গণ্য করবে। বাহ্যিক দৃষ্টিকোণ থেকে যা প্রতীয়মান হয় তা হল (أَصَابُوا) থেকে উদ্দেশ্য সঠিক সময়ে সালাত বর্জন অপেক্ষাও ব্যাপক। আহমাদের চতুর্থ খন্ডে ১৪৫ পৃষ্ঠাতে উল্লেখিত ‘উক্ববাহ্ বিন ‘আমির-এর হাদীস কর্তৃক এক বর্ণনাতে আছে, যে ব্যক্তি মানুষের ইমামতি করবে অতঃপর সঠিক সময়ে ও পূর্ণাঙ্গভাবে সালাত আদায় করবে তাহলে সে সালাত তার ও মুক্তাদীদের পক্ষে হবে তথা তাদের সকলের সাওয়াবের কারণ হবে।

পক্ষান্তরে যে ইমাম এ সালাত থেকে সামান্যতম ঘাটতি করবে তাহলে সে সালাত তার বিপক্ষে অবস্থান নিবে, মুক্তাদীদের বিপক্ষে নিবে না। আহমাদের আরেক বর্ণনাতেও চতুর্থ খন্ড ১৪৭ পৃষ্ঠাতে আছে অতঃপর তারা যদি সঠিক সময়ে সালাত প্রতিষ্ঠা করে, রুকূ‘ এবং সাজদাকে পূর্ণাঙ্গভাবে করে তাহলে তা তোমাদের মুক্তাদীদের ও তাদের তথা ইমামদের সকলের পক্ষে হবে। আর যদি তারা সালাত সঠিক সময়ে আদায় না করে থাকে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে করে তাহলে তা তোমাদের মুক্তাদীদের ও তাদের তথা ইমামদের সকলের পক্ষে হবে। আর যদি তারা সালাত সঠিক সময়ে আদায় না করে থাকে এবং পূর্ণাঙ্গভাবে রুকূ' ও সিজদা্ (সিজদা/সেজদা) না করে থাকে তাহলে সে সালাত তোমাদের মুক্তাদীদের পক্ষে ও তাদের তথা ইমামদের বিপক্ষে হবে। প্রথম বর্ণনাটিকে ইমাম বায়হাক্বীও বর্ণনা করেছেন।

(وَإِنْ أَخْطَئُوا) তারা যদি তাদের সালাতে পাপে জড়িত হয় যেমন উযূ (ওযু/ওজু/অজু) বিহীন হওয়া। হাফিয বলেন, রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তিনি হাদীসে উল্লেখিত (الخْطَأ) দ্বারা (المعمر) তথা ইচ্ছাকৃত ভুলের বিপরীত অনিচ্ছাকৃত ভুল উদ্দেশ্য করেননি। কেননা সে রকম অনিচ্ছাকৃত ভুলে কোন পাপ নেই।

(وَعَلَيْهِمْ) ভুলের শাস্তি ইমামের উপর বর্তাবে। সুতরাং ইমামের ভুল মুক্তাদীর সালাত বিশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে প্রভাব ফেলবে না আর তা তখন যখন মুক্তাদী সঠিকভাবে সালাত আদায় করবে।

সুতরাং সালাতের পর যদি এমন কিছু প্রকাশ পায় যে, ইমাম জুনুবী, উযূ বিহীন, অথবা তার শরীরে অপবিত্রতা আছে তাহলে সে কারণে মুক্তাদীর ওপর সালাত দোহরানো আবশ্যক হবে না। ইমাম বাগাবী শারহুস্ সুন্নাতে বলেনঃ এ হাদীসে ঐ ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে যে, যখন কোন ব্যক্তি কোন সম্প্রদায়কে নিয়ে উযূ (ওযু/ওজু/অজু) বিহীন অবস্থাতে সালাত আদায় করবে তখন তার পেছনে মুক্তাদীদের সালাত বিশুদ্ধ হবে তবে তাকে সালাত দোহরাতে হবে। এর উপর আরও প্রমাণ বহন করে মাজদুবনু তায়মিয়্যাহ্ মুনতাক্বাতে যা উল্লেখ করেছেন তা। তাতে ‘উমার (রাঃ) থেকে বিশুদ্ধ সূত্রে প্রমাণিত হয়েছে, নিশ্চয়ই তিনি মানুষকে নিয়ে সালাত আদায় করেছেন এমতাবস্থায় তিনি জুনুবী যা তিনি আগে জানতে পারেননি। পরে জানতে পেরে তিনি আদায় করা সালাত দোহরিয়েছেন, মুক্তাদীগণ দোহরায়নি। এমনিভাবে ‘উসমান (রাঃ) এবং ‘আলী (রাঃ) হতে তার উক্তি বর্ণনা করা হয়েছে। ইমাম শাফি‘ঈ এদিকেই গিয়েছেন।

তার মতে মুক্তাদী শুধু অনুকূল্যতার ক্ষেত্রে ইমামের অনুসারী। সালাত শুদ্ধ বা অশুদ্ধ হওয়ার ক্ষেত্রে না। ইমাম মালিক ও আহমাদও এ ধরনের উক্তি করেছেন। রসূলের উক্তি (أَخْطَأوا) এর বাহ্যিক দিক ঐ কথার উপর প্রমাণ বহন করে যা ইমাম বাগবীর উল্লেখিত উক্তি অপেক্ষা ব্যাপক। যেমন রুকূ‘নসমূহে ভুল করা। যেমনিভাবে ক্বারী বলেছেন, তারা যদি সঠিকভাবে আদায় করে অর্থাৎ রুকন ও শর্তসমূহ থেকে তাদের ওপর যা আবশ্যক সবকিছু যদি তারা সঠিকভাবে আদায় করে এবং এগুলোর কোনটিতে যদি তারা ইচ্ছাকৃত বা অনিচ্ছাকৃত ত্রুটি করার মাধ্যমে ভুল করে।

এ হাদীসে ঐ ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে যে, যে ইমাম সালাতের রুকন এবং অন্যান্য বিষয় থেকে কোন কিছুতে ত্রুটি করার মাধ্যমে সালাত প্রতিষ্ঠা করবে তাতে মুক্তাদীর সালাত বিশুদ্ধ হবে তবে শর্ত হল যখন মুক্তাদী সালাত পূর্ণভাবে আদায় করবে। এ মতটি শাফি‘ঈর একমত এ শর্তে যে, ইমাম খলীফা বা তার স্থলাভিষিক্ত হতে হবে। তবে হানাফী মতাবলম্বী ইমাম ত্বহাবী ও অন্যান্যগণ ভুলকরণ বিষয়টিকে তারা সঠিক সময় সালাত আদায় না করার দিকে চাপিয়ে দিয়েছেন। যেমন ইতিপূর্বে গত হয়েছে।

কেননা তাদের কাছে মুক্তাদী সাধারণভাবে ইমামের অনুসারী অর্থাৎ সালাত বিশুদ্ধ হওয়া ও নষ্ট হওয়া সকল ক্ষেত্রে। সুতরাং তাদের মতে ইমাম সালাত আদায় করানোর পর যদি ইমামের স্মরণ আসে তিনি জুনুবী অথবা অযূবিহীন অবস্থায় সালাত আদায় করেছেন তাহলে ইমাম ও মুক্তাদী সকলের ওপর আদায় করা সালাত পুনরায় আদায় আবশ্যক। এ ব্যাপারে তারা রসূলের উক্তি (ইমাম দায়ী) দ্বারা প্রমাণ উপস্থাপন করেছেন। এর অর্থের ব্যাপারে আযান অধ্যায়ে আলোচনা অতিবাহিত হয়েছে।

তবে আমার নিকট প্রণিধানযোগ্য মাসআলাহ্ ওটা যেদিকে ইমাম শাফি‘ঈ ও তার অনুকূলে অন্যান্য ইমামগণ পক্ষাবলম্বন করেছেন। মুহাল্লাব বলেন, হাদীসটিতে ঐ ব্যাপারে প্রমাণ রয়েছে যে, যখন কোন নেতার তরফ থেকে বিপদের আশংকা করা হবে তখন নেতা পুণ্যবান বা পাপী যাই হোক না কেন তার পেছনে সালাত আদায় করা যাবে। হাদীসটি ইমাম বুখারী বর্ণনা করেছেন। আহমাদও বর্ণনা করেছেন। বায়হাক্বী তার কিতাবে ৩য় খন্ডে ১২৭ পৃষ্ঠাতে। ইবনু হিব্বান তার সহীহ গ্রন্থে।

তার শব্দ হল অচিরেই আসবে অথবা হবে এমন সম্প্রদায় যারা সালাত আদায় করবে অতঃপর তারা যদি পূণাঙ্গভাবে সালাত আদায় করে তাহলে তা তাদের পক্ষে তথা তাদের সাওয়াবের কারণ হবে আর যদি তারা সালাতে ঘাটতি করে তাহলে তা তাদের বিপক্ষে যাবে ও তোমাদের পক্ষে হবে।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৪: সালাত (كتاب الصلاة)