৪৯৫

পরিচ্ছেদঃ ৮. প্রথম অনুচ্ছেদ - অপবিত্রতা হতে পবিত্রতা অর্জন

৪৯৫-[৬] আসওয়াদ ও হাম্মাম (রহঃ) হতে বর্ণিত। উভয়ে বলেন, ’আয়িশাহ্ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড় হতে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলতাম। (মুসলিম)[1]

بَابُ تَطْهِيْرِ النَّجَاسَاتِ

وَعَن الْأسود وَهَمَّام عَنْ عَائِشَةَ قَالَتْ: كُنْتُ أَفْرُكُ الْمَنِيَّ مِنْ ثَوْبِ رَسُولِ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ. رَوَاهُ مُسلم

وعن الأسود وهمام عن عائشة قالت: كنت أفرك المني من ثوب رسول الله صلى الله عليه وسلم. رواه مسلم

ব্যাখ্যা: (كُنْتُ اَفْرُكُ الْمَنِىَّ مِنْ ثَوْبِ رَسُوْلِ اللهِ ﷺ) ‘‘আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাপড় হতে বীর্য খুঁটে তুলে ফেলতাম।’’ এ হাদীস দ্বারা ইমাম শাফি‘ঈ, আহমাদ, দাঊদ ও ইসহাক (রহঃ) প্রমুখ ইমামগণ দলীল পেশ করেছেন যে, বীর্য পবিত্র, তা নাপাক নয়। কেননা তা যদি নাপাক হত তাহলে শুধুমাত্র আঙ্গুল দিয়ে ঘষে ঘষে সেটার দাগ মিশিয়ে ফেলা যথেষ্ট হত না। অবশ্যই তা ধুতে হত। নতুবা ঐ কাপড়ে সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) আদায় করা বৈধ হত না। কেননা আঙ্গুল দিয়ে যতই ঘষা হোক তাতে বীর্য দূরীভূত হয় না বরং তা শুধুমাত্র সেটার পরিমাণ কমিয়ে দেয়। কিন্তু কাপড়ে সেটার অংশ থেকেই যায়। এতে বুঝা গেল যে, বীর্য পবিত্র।

আর যারা বলেন যে, বীর্য অপবিত্র তথা নাপাক তারা বলেনঃ এ হাদীসের দ্বারা প্রমাণিত হয় না যে, বীর্য পবিত্র। বরং এ হাদীস দ্বারা বুঝা যায় যে, বীর্য লাগা কাপড় পবিত্র করার জন্য তা ধোয়া জরুরী নয় বরং বীর্য খুঁটে ফেললেও কাপড় পবিত্র হয়ে যায়।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
মিশকাতুল মাসাবীহ (মিশকাত)
পর্ব-৩: পাক-পবিত্রতা (كتاب الطهارة)