যঈফ (Dai'f) হাদিস পাওয়া গেছে 7655 টি

পরিচ্ছেদঃ ৫: মুরাক্বাবাহ্ (আল্লাহর ধ্যান)

৭/৬৭। শাদ্দাদ ইবনু আওস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সে ব্যক্তি জ্ঞান-বুদ্ধিসম্পন্ন, যে তার নিজের আত্মপর্যালোচনা করে এবং মৃত্যু পরবর্তী জীবনের জন্য (নেক) আমল করে। আর ঐ লোক দুর্বল যে স্বীয় প্রবৃত্তির অনুসরণ করে, আবার আল্লাহর কাছে অবাস্তব আশা পোষণ করে।[1]

(5) - باب المراقبة

السابع‏:‏ عن أبي يعلى شداد بن أوس رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ "‏ الكيس من دان نفسه، وعمل لما بعد الموت ، والعاجز من أتبع نفسه هواها، وتمنى على الله الأماني‏"‏ ‏(‏‏‏رواه الترمذي وقال حديث حسن‏‏‏)‏‏.‏

(5) Chapter: Watchfulness


Shaddad bin Aus (May Allah be pleased with him) reported: The Prophet (ﷺ) said, "A wise man is the one who calls himself to account (and refrains from doing evil deeds) and does noble deeds to benefit him after death; and the foolish person is the one who subdues himself to his temptations and desires and seeks from Allah the fulfillment of his vain desires". [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৫: মুরাক্বাবাহ্ (আল্লাহর ধ্যান)

৯/৬৯। উমার রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেন: “কোনো স্বামী তার স্ত্রীকে কি জন্য প্রহার করেছে তা নিয়ে (যথাযথ কর্তৃপক্ষ ছাড়া অন্য কারও পক্ষ থেকে) প্রশ্ন করা যাবে না।” (কারণ এতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যকার প্রাইভেসী লঙ্ঘন হয়) আবূ দাউদ ও অন্যান্য মুহাদ্দিসগণ এটি বর্ণনা করেছেন। (আবূ দাউদ ও ইবনু মাজাহ)।[1]

(5) - باب المراقبة

التاسع‏:‏ عن عمر رضي الله عنه عن النبي صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ "‏لا يسأل الرجل فيم ضرب امرأته‏"‏ ‏(‏‏‏رواه أبو دواد وغيره‏‏‏)‏ ‏.‏

(5) Chapter: Watchfulness


'Umar (May Allah be pleased with him) reported that: The Prophet (ﷺ) said, "No man shall be asked for the reason of beating his wife". [Abu Dawud].


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ১০: শুভকাজে প্রতিযোগিতা ও শীঘ্র করা এবং পুণ্যকামীকে পুণ্যের প্রতি তৎপরতার সাথে নির্দ্বিধায় সম্পাদন করতে উৎসাহিত করা

৭/৯৪। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ সাতটি জিনিসের পূর্বেই তোমরা জলদি সব কর্ম করে ফেল। তোমরা কি অপেক্ষায় থাকবে যে, এমন দারিদ্র এসে যাক ইসলামের আদেশ পালন হতে যা বিস্মৃত রাখে? অথবা এমন ধন-দৌলত হোক যা ইসলাম দ্রোহিতার দিকে ধাবিত করে? অথবা এমন ব্যাধি হোক যা শরীরকে দুর্বল করে দেয়? অথবা এমন বার্ধক্য আসুক যা জ্ঞান বিনষ্ট করে? অথবা হঠাৎ মরণ এসে যাক, অদৃশ্য দুই দাজ্জালের আত্মপ্রকাশ ঘটুক অথবা কিয়ামত এসে যাক? আর কিয়ামত তো নিতান্তই বিভীষিকাময় ও তিক্ত।[1]

(10) - باب المبادرة إلى الخيرات وحث من توجه لخير على الإقبال عليه بالجد من غير تردد

السابع‏:‏ عن أبي هريرة رضي الله عنه أن رسول الله صلى الله عليه وسلم قال‏:‏ ‏ "‏ بادروا بالأعمال سبعاً‏.‏ هل تنتظرون إلا فقراً منسياً، أو غنى مطغياً، أو مرضاً مفسداً، أو هرماً مفنداً أو موتاً مجهزاً أو الدجال فشر غائب ينتظر، أو الساعة فالساعة أدهى وأمر‏!‏‏"‏ ‏(‏‏‏رواه الترمذي وقال‏:‏ حديث حسن‏‏‏)‏‏.‏

(10) Chapter: Hastening to do Good Deeds


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Hasten to do good deeds before you are overtaken by one of the seven afflictions." Then (giving a warning) he said, "Are you waiting for such poverty which will make you unmindful of devotion; or prosperity which will make you corrupt, or disease as will disable you, or such senility as will make you mentally unstable, or sudden death, or Ad-Dajjal who is the worst expected absent, or the Hour, and the Hour will be most grievous and most bitter". [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ২৩: ভাল কাজের আদেশ ও মন্দ কাজে নিষেধ করার গুরুত্ব

১৩/২০১। ইবনু মাসউদ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেনঃ বনী ইসরাঈলের মধ্যে প্রথমে এভাবে অন্যায় ও অপকর্ম প্রবেশ করেঃ এক (আলিম) ব্যক্তি অপর ব্যক্তির সাথে মিলিত হতো এবং তাকে বলত, হে অমুক! আল্লাহকে ভয় কর এবং যা করছ তা পরিত্যাগ কর, কারণ, তোমার জন্য এ কাজ অবৈধ, সে তার সঙ্গে দ্বিতীয় দিনও মিলিত হয়ে তাকে একই অবস্থায় দেখতে পেত কিন্তু সে কাজ তাকে তার পানাহার ও উঠা-বসায় অংশীদার হতে বাধা দিত না, তাদের অবস্থা এরকম হওয়ার প্রেক্ষিতে তাদের একের অন্তরের (কালিমার) মাধ্যমে অপরের অন্তরকে আল্লাহ তা’আলা অন্ধকার করে দিলেন। তারপর তিনি এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ ’’বানী ইসলাঈলের মাঝে যারা কুফরীর পথ ধরল দাঊদ ও ’ঈসা ইবনু মারইয়ামের মুখ দিয়ে তাদের প্রতি লানত করা হলো। কেননা, তারা বিদ্রোহী হয়ে গিয়েছিল এবং অতিরিক্ত সীমালঙ্ঘন করেছিল। তারা পরস্পরকে পাপ কাজ করতে নিষেধ করত না। তারা অতিশয় নিকৃষ্ট কর্মপন্থা অবলম্বন করেছিল।

বহু লোককে তোমরা দেখছ, যারা (মু’মিনদের বদলে) কাফিরদের সাথে বন্ধুত্ব ও সহায়তা করতে ব্যস্ত। নিশ্চয়ই সামনে খুব মন্দ পরিণতই রয়েছে, যার ব্যবস্থা তাদের প্রবৃত্তিসমূহ করেছে। আল্লাহ তা’আলা তাদের প্রতি ক্রোধান্বিত হয়েছেন। তাদের আযাবভোগ স্থায়ী হবে। আল্লাহ, রাসূল এবং সেই জিনিসের প্রতি তারা যদি প্রকৃতই ঈমান আনত, তাঁর (নবীর) প্রতি যা অবতীর্ণ হয়েছে, তাহলে তারা কখনও বন্ধুরূপে (ঈমানদার লোকদের বিপরীতে) কাফিরদেরকে গ্রহণ করতো না। কিন্তু তাদের মধ্যে অধিকাংশ ব্যক্তই ফাসিক’’- (সূরা আল-মায়িদাহ্ঃ ৭৮-৮১)। তারপর তিনি (মহানবী) বললেনঃ কখনও নয়! সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর কসম! অবশ্যই তোমরা সৎ কর্মের আদেশ দিতে থাক এবং অন্যায় ও খারাপ কাজ হতে (মানুষকে) বিরত রাখ, অত্যাচারীর হাত মজবূত করে ধর এবং তাকে টেনে তুলে সত্যের উপর প্রতিষ্ঠিত কর। তাকে হকের উপর এনে ছাড়। নচেৎ আল্লাহ তা’আলা তোমাদের (নেককার ও গুনাহ্গার) পরস্পরের অন্তরকে একত্রিত করে (অন্ধকার করে) দিবেন, তারপর তোমাদেরকেও বনী ইসরাঈলের ন্যায় অভিশপ্ত করবেন। হাদীসটি ইমাম আবূ দাউদ ও তিরমিযী বর্ণনা করেছেন। তিরমিযি বলেছেন, এটা হাসান হাদীস। হাদীসের মূল শব্দগুলো আবূ দাউদের-৪৩৩৬।

মূল হাদীসের অর্থ নিম্নরূপঃ রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ যখন বনী ইসরাঈল গর্হিত কর্মে লিপ্ত হলো, তাদেরকে তাদের আলিমগণ তা হতে বিরত থাকতে বলল, কিন্তু তারা তা করল না। তাদের সাথে আলিমগণ উঠা-বসা ও পানাহার চালিয়ে যেতে থাকল। তারপর আল্লাহ তা’আলা তাদের পরস্পরের হৃদয়কে একত্রিত করে দিলেন (ফলে আলিমরাও অন্যায় কাজে জড়িয়ে পড়ল)। আল্লাহ তা’আলা দাউদ ও ঈসা ইবনু মারইয়ামের মুখ দিয়ে তাদেরকে অভিশাপ দিলেন। কেননা, তারা বিদ্রোহী হয়ে গিয়েছিল এবং অত্যন্ত বাড়াবাড়ি শুরু করেছিল। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ঠেস দিয়ে বসা ছিলেন। তিনি সোজা হয়ে বসলেন এবং বলেলনঃ কখনও নয়, সেই সত্তার শপথ, যাঁর হাতে আমার জীবন! তাদেরকে তোমরা (অত্যাচারীদেরকে) হাত ধরে টেনে এনে হক্ব ও ন্যায়ের উপর প্রতিষ্ঠিত না করা পর্যন্ত ছেড়ে দিবে না।[1]

(23) - باب الأمر بالمعروف والنهي عن المنكر

عَنْ اِبْنِ مَسْعُوْدٍ رضي الله عنه قَالَ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم : «إِنَّ أَوَّلَ مَا دَخَلَ النَّقْصُ عَلٰى بَنِي إِسْرائيلَ أَنَّهُ كَانَ الرَّجُلُ يَلْقىٰ الرَّجُلَ فَيَقُولُ : يَا هٰذَا اتَّقِ اللهِ وَدَعْ مَا تَصْنَعُ فَإِنَّهُ لَا يَحِلُّ لَكَ، ثُمَّ يَلْقَاهُ مِنَ الْغَدِ وَهُوَ عَلىٰ حَالِهِ، فَلَا يَمْنَعُهُ ذٰلِكَ أَنْ يَكُوْنَ أَكِيلَهُ وَشَرِيْبَهُ وَقَعِيْدَهُ، فَلَمَّا فَعَلُوْا ذٰلِكَ ضَرَبَ اللهِ قُلُوْبَ بَعْضِهِمْ بِبَعْضٍ» ثُمَّ قَالَ : ﴿لُعِنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْ مِنۢ بَنِيٓ إِسۡرَٰٓءِيلَ عَلَىٰ لِسَانِ دَاوُۥدَ وَعِيسَى ٱبۡنِ مَرۡيَمَۚ ذَٰلِكَ بِمَا عَصَواْ وَّكَانُواْ يَعۡتَدُونَ ٧٨ كَانُواْ لَا يَتَنَاهَوۡنَ عَن مُّنكَرٖ فَعَلُوهُۚ لَبِئۡسَ مَا كَانُواْ يَفۡعَلُونَ ٧٩ تَرَىٰ كَثِيرٗا مِّنۡهُمۡ يَتَوَلَّوۡنَ ٱلَّذِينَ كَفَرُواْۚ لَبِئۡسَ مَا قَدَّمَتۡ لَهُمۡ أَنفُسُهُمۡ ﴾ إِلىٰ قَوْلِهِ : ﴿ فَٰسِقُونَ ﴾ [المائ‍دة: ٧٨، ٨١] ثُمَّ قَالَ: «كَلاَّ، وَاللهِ لَتَأْمُرُنَّ بِالْمَعْرُوفِ، وَلَتَنْهَوُنَّ عَنِ الْمُنْكَرِ، وَلَتَأْخُذُنَّ عَلىٰ يَدِ الظَّالِمِ، وَلَتَأْطِرُنَّهُ عَلَى الْحَقِّ أَطْرًا، وَلَتَقْصُرُنَّهُ عَلَى الْحَقِّ قَصْراً، أَوْ لَيَضْرِبَنَّ اللهِ بِقُلُوْبِ بَعْضِكُمْ عَلَى بَعْضٍ، ثُمَّ لَيَلْعَنْكُمْ كَمَا لَعَنَهُمْ»رواه أبو داود، والترمذي وقال : حديث حسن .

(23) Chapter: Enjoining Good and forbidding Evil


'Abdullah bin Mas'ud (May Allah bepleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "The first defect (in religion) which affected the Children of Israel in the way that man would meet another and say to him: 'Fear Allah and abstain from what you are doing, for this is not lawful for you.' Then he would meet him the next day and find no change in him, but this would not prevent him from eating with him, drinking with him and sitting in his assemblies. When it came to this, Allah led their hearts into evil ways on account of their association with others." Then he (ﷺ) recited, "Those among the Children of Israel who disbelieved were cursed by the tongue of Dawud (David) and 'Isa (Jesus), son of Maryam (Mary). That was because they disobeyed (Allah and the Messengers) and were ever transgressing beyond bounds. They used not to forbid one another from the Munkar (wrong, evildoing, sins, polytheism, disbelief) which they committed. Vile indeed was what they used to do. You see many of them taking the disbelievers as their Auliya' (protectors and helpers). Evil indeed is that which their own selves have sent forward before them; for that (reason) Allah's wrath fell upon them and in torment will they abide. And had they believed in Allah and in the Prophet (Muhammad (ﷺ)) and in what has been revealed to him, never would they have taken them (the disbelievers) as Auliya' (protectors and helpers); but many of them are the Fasiqun (rebellious, disobedient to Allah)." (5:78-81) Then he (ﷺ) continued: "Nay, by Allah, you either enjoin good and forbid evil and catch hold of the hand of the oppressor and persuade him to act justly and stick to the truth, or, Allah will involve the hearts of some of you with the hearts of others and will curse you as He had cursed them". [Abu Dawud and At-Tirmidhi]. The wording in At-Tirmidhi is: Messenger of Allah (ﷺ) said, "When the Children of Israel became sinful, their learned men prohibited them but they would not turn back. Yet, the learned men associated with them and ate and drank with them. So, they were cursed at the tongues of Dawud and 'Isa (Jesus), son of Maryam (Mary), because they were disobedient and were given to transgression." At this stage Messenger of Allah (ﷺ) who was reclining on a pillow sat up and said, "No, By Him in Whose Hand my soul is, there is no escape for you but you persuade them to act justly."


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৩৫: স্ত্রীর উপর স্বামীর অধিকার

৭/২৯২। উম্মু সালামাহ্ রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, স্ত্রীর প্রতি তার স্বামী সন্তুষ্ট ও খুশি থাকা অবস্থায় কোনো স্ত্রীলোক মারা গেলে সে জান্নাতে প্রবেশ করবে। হাদীসটি ইমাম তিরমিযি বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটা হাসান হাদীস।[1]

بَابُ حَقِّ الزَّوْجِ عَلَى الْمَرْأَةِ - (35)

وَعَنْ أُمِّ سَلَمَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «أَيُّمَا اِمْرأَةٍ مَاتَتْ وَزُوْجُهَا عَنْهَا رَاضٍ دَخَلَتِ الجَنَّةَ»رواه الترمذي وقال حديث حسن .

) ضعيف ( . ] وفي سنده مجهولان : مساور الحميري وأمه.

(35) Chapter: Husband's rights concerning his Wife


Umm Salamah (May Allah be pleased with her) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Any woman dies while her husband is pleased with her, she will enter Jannah". [At- Tirmidhi] Commentary: The distinction mentioned in this Hadith is for those women who abide by the duties and obligations entrusted to them by Islam and also endeavour to keep their husbands happy. Allah (SWT) will pardon their ordinary acts of omission and commission and admit them to Jannah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উম্মু সালামাহ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৪২ : পিতা-মাতার ও নিকটাত্মীয়ের বন্ধু, স্ত্রীর সখী এবং যাদের সম্মান করা কর্তব্য তাদের সঙ্গে সদ্ব্যবহার করার মাহাত্ন্য

২/৩৪৭। আবূ উসাইদ মালিক ইবনু রাবী’আহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, কোনো একদিন আমরা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকটে বসা ছিলাম। এমন সময় বানী সালামা সম্প্রদায়ের জনৈক ব্যক্তি এসে বলল, হে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পিতা-মাতার মারা যাবার পরও আমার উপর তাদের প্রতি সদাচারণ করার দায়িত্ব আছে কি? তিনি বললেন, হ্যাঁ, তুমি তাদের জন্য দু’আ করবে, তাদের গুনাহের মাগফিরাত প্রার্থনা করবে, তাদের কৃত ওয়াদা পূর্ণ করবে, তাদের আত্মীয়-স্বজনের সাথে এ জন্যে উত্তম ব্যবহার করবে যে, এরা তাদেরই আত্মীয় এবং বন্ধু-বান্ধব এবং তাদেরকে সম্মান দেখাবে।[1]

(42) - بَابُ فَضْلِ بِرِّ أَصْدِقَاءِ الْأَبِ وَالْأُمِّ وَالْأَقَارِبِ وَالزَّوْجَةِ وَسَائِرِ مَنْ يُّنْدَبُ إِكْرَامُهُ

وعن أبي أُسَيْد - بضم الهمزة وفتح السين - مالكِ بنِ ربِيعَةَ السَّاعِدِيِّ رضي الله عنه قال : بَيْنا نَحْنُ جُلُوسٌ عِنْدَ رسول اللهِ صلى الله عليه وسلم إذ جاءَهُ رجُلٌ مِنْ بني سَلَمة فقالَ : يارسولَ اللهِ هَلْ بقى مِن بِرِّ أَبويَّ شىءٌ أَبرُّهُمَا بِهِ بَعدَ مَوْتِهِمَا ؟ فقال: نَعَمْ، الصَّلاَة علَيْهِمَا، والاسْتِغْفَارُ لَهُما، وإِنْفاذُ عَهْدِهِما، وصِلةُ الرَّحِمِ التي لا تُوصَلُ إِلاَّ بِهِمَا، وإِكَرَامُ صَدِيقهما رواه أبو داود .

(42) Chapter: Excellence in doing Good to the Friends of Parents and other Relatives


Abu Usaid Malik bin Rabi'ah As-Sa'idi (May Allah be pleased with him) reported: We were sitting with Messenger of Allah (ﷺ) when a man of Banu Salamah came to him and asked, "O Messenger of Allah! Is there any obedience to parents left that I can show to them after their death?" He (ﷺ) replied, "Yes, to pray for them, to supplicate for their forgiveness, to fulfill their promises after their death, to maintain the ties of kinship which cannot be maintained except through them, and honour their friends." [Abu Dawud]. Commentary: We learn from this Hadith that one should consider the life of one's parents a blessing because their life provides one with an opportunity to serve them wholeheartedly, which is ordained by Allah. If one wants to be nice to them after their death, one should adopt the methods mentioned in this Hadith. It needs to be noted that it does not mention the ceremonies like recitation of the Noble Qur'an on the third, seventh and fortieth day after the death of a person, in vogue in our society. All these methods of conveying the reward of virtuous deeds or rites are wrong for the reason that they are neither helpful for the dead nor the living. What really benefits the dead as well as living, is prayer and begging forgiveness from Allah. In this Hadith, these have been regarded as acts of beneficence for the deceased parents. It clearly means that the children will be rewarded for the virtuous acts they do for their parents and the status of the deceased parents will also be elevated in the next world. The acceptance of the prayer in favour of the deceased parents is also confirmed from that Hadith also which tells that death brings to an end all the activities, except the following: Firstly, an ongoing Sadaqah (Sadaqah Jariyah); like the digging of a well, the building of a mosque, etc., Secondly, knowledge which benefits Muslims; Thirdly, prayers of virtuous offspring.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪ : উলামা, বয়স্ক ও সম্মানী ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করা, তাঁদেরকে অন্যান্যদের উপর প্রাধান্য দেওয়া, তাঁদের উচ্চ আসন দেওয়া এবং তাঁদের মর্যাদা প্রকাশ করার বিবরণ

৯/৩৬০। মাইমুন ইবনু আবি শাবীব রাহিমাহুল্লাহু থেকে বর্ণিত, ’আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা-এর সামনে দিয়ে একজন ভিক্ষুক যাচ্ছিল। তিনি তাকে এক টুকরা রুটি প্রদান করলেন। আবার তার সম্মুখ দিয়ে সজ্জিত পোশাকে এক ব্যক্তি যাচ্ছিল। তাকে তিনি বসালেন এবং খাবার খাওয়ালেন। এ ব্যাপারে তাকে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি উত্তরে বললেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “মানুষকে তার মর্যাদা অনুযায়ী স্থান দাও।” হাদীসটি ইমাম আবূ দাউদ উদ্ধৃত করেছেন। কিন্তু বলেছেন, আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা-এর সঙ্গে মাইমুনের সাক্ষাৎ হয়নি।

ইমাম মুসলিম তার সহীহ হাদীস গ্রন্থে এটাকে মু’আল্লাক হাদীস হিসাবে বর্ণনা করেছেন। তিনি বলেছেন, ’আয়িশাহ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ’’আমাদেরকে আদেশ করেছেন মানুষকে তার পদমর্যাদা অনুযায়ী স্থান দিতে’’। এ হাদীসটি ইমাম হাকিম আবূ ’আবদুল্লাহ (রাহ:) তার ’’মারিফাতু উলুমিল হাদীস’’ গ্রন্থে বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটি সহীহ হাদীস।[1]

(44)- بَابُ تَوْقِيْرِ الْعُلَمَاءِ وَالْكِبَارِ وَأَهْلِ الْفَضْلِوَتَقْدِيْمِهِمْ عَلٰى غَيْرِهِمْ، وَرَفْعِ مَجَالِسِهِمْ، وَإِظْهَارِ مَرْتَبَتِهِمْ

وَعَنْ مَيْمُوْنَ بْنِ أَبِيْ شَبِيْبٍ رَحِمَهُ اللهُ أَنَّ عَائِشَةَ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا مَرَّ بِهَا سَائِلٌ، فَأَعْطَتْهُ كِسْرَةً، وَمَرَّ بِهَا رَجُلٌ عَلَيْهِ ثِيَابٌ وهَيْئَةٌ، فَأَقْعَدََتْهُ، فَأَكَلَ فَقِيْلَ لَهَا فِيْ ذٰلِكَ ؟ فَقَالَتْ : قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: « أَنْزِلُوْا النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ»رواه أبو داود . لٰكِنْ قَالَ : مَيْمُوْنُ لَمْ يُدْرِكْ عَائِشَةَ .

وَقَدْ ذَكَرَهُ مُسْلِمٌ فِيْ أَوَّلِ صَحِيْحِهِ تَعْلِيْقاً فَقَالَ : وَذُكَرَ عَنْ عائِشَةَ رَضِيَ اللَّه عَنْهَا قَالَتْ: أَمَرَنَا رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَنْ نُنْزِلَ النَّاسَ مَنَازِلَهُمْ، وَذَكَرَهُ الْحَاكِمُ أَبُوْ عَبْدِ اللهِ فِيْ كِتابِهِ: «مَعْرْفَةُ عُلُوْمِ الْحَدِيْثِ»وقال : هو حديثٌ صحيح

قلت: بل ضعيف: ] فيه علتان : الانقطاع ، وتدليس حبيب بن أبي ثابت [ . ذآره مسلم في أول صحيح تعليقافقالت : وذآر عن عائشة رضي االله عنها قالت : أمرنا رسول االله صلى االله عليه وسلم أن ننزل الناس منازلهم

(44) Chapter: Revering the Scholars and Elders, Preferring them to others and raising their Status


Maimun bin Abu Shabib (May Allah had mercy upon him) reported: A begger asked 'Aishah (May Allah be pleased with her) for charity and she gave him a piece of bread. Thereafter, one well-dressed person asked her for charity and she invited him to sit down and served him food. When she was asked about the reason for the difference in treatment, she said: "Messenger of Allah (ﷺ) instructed us: 'Treat people according to their status". [Abu Dawud]. Commentary: This Hadith stresses that: 1. One should neither belittle a respectable person nor should one elevate a mean one. Everyone should be treated according to his real status. 2. It is unbecoming to take support from the Qur'an and Hadith and twist it to substantiate one's own views. 3. The Hadith, however, is classified as Da`if (weak) as there is no link in the chain of its narrators between `Aishah and Maimun.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ মাইমুন ইবনু আবি শাবীব (রহ.)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৪৪ : উলামা, বয়স্ক ও সম্মানী ব্যক্তিদের শ্রদ্ধা করা, তাঁদেরকে অন্যান্যদের উপর প্রাধান্য দেওয়া, তাঁদের উচ্চ আসন দেওয়া এবং তাঁদের মর্যাদা প্রকাশ করার বিবরণ

১২/৩৬৩। আনাস রাদিয়াল্লাহু ’’আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, “যদি কোনো বৃদ্ধ লোককে কোনো যুবক তার বার্ধক্যের কারণে সম্মান দেখায়, তবে তার বৃদ্ধাবস্থায় আল্লাহ এমন লোককে নির্ধারণ করে দিবেন, যে তাকে সম্মান দেখাবে।” তিরমিযী হাদীসটিকে গরীব বলেছেন।[1]

(44)- بَابُ تَوْقِيْرِ الْعُلَمَاءِ وَالْكِبَارِ وَأَهْلِ الْفَضْلِوَتَقْدِيْمِهِمْ عَلٰى غَيْرِهِمْ، وَرَفْعِ مَجَالِسِهِمْ، وَإِظْهَارِ مَرْتَبَتِهِمْ

وعن أَنس رضي الله عنه قال : قال رسول الله صلى الله عليه وسلم: «ما أَكْرَم شَابٌّ شَيْخاً لِسِنِّهِ إِلاَّ قَيَّضَ اللهِ لَهُ مَنْ يُكْرِمُهُ عِنْد سِنِّه»رواه الترمذي وقال حديث غريب

(44) Chapter: Revering the Scholars and Elders, Preferring them to others and raising their Status


Anas bin Malik (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "If a young man honours an older person on account of his age, Allah appoints someone to show reverence to him in his old age" [At-Tirmidhi]. Commentary: The reward of the noble behaviour mentioned in this Hadith is confirmed by other authentic texts. The Hadith is classified as Da`if (weak).


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৪৫ : ভাল লোকদের সাথে সাক্ষাৎ করা, তাঁদের সাহচর্য গ্রহণ করা, তাঁদেরকে ভালবাসা, তাঁদেরকে বাড়িতে দাওয়াত দেওয়া, তাঁদের কাছে দো‘আ চাওয়া এবং বরকতময় স্থানসমূহের দর্শন

১৫/৩৭৮। উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ’আনহু থেকে বর্ণিত, আমি উমরাহ করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিয়ে বললেন, “প্রিয় ভাই আমার, তোমার দু’আর সময় আমাদেরকে যেন ভুলো না।” (উমার বলেন) এমন বাক্য তিনি উচ্চারণ করলেন, যার বিনিময়ে গোটা পৃথিবীটা আমার হয়ে গেলেও তা আমার কাছে আনন্দদায়ক (বিবেচিত) নয়।

অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, “ভাইয়া! তোমার দু’আয় তুমি আমাদেরকেও শরীক রেখো।” (আবূ দাউদ ও তিরমিযি) যঈফ। [1]

بَابُ زِيَارَةِ أَهْلِ الْخَيْرِ وَمُجَالَسَتِهِمْ وَصُحْبَتِهِمْ وَمَحَبَّتِهِمْ وَطَلَبِ زِيَارَتِهِمْ وَالدُّعَاءِ مِنْهُمْ وَزِيَارَةِ الْمَوَاضِعِ الْفَاضِلَةِ - (45)

وَعَنْ عَمَرَ بْنِ الْخَطَّابَ رضي الله عنه قَالَ : اِسْتَأْذَنْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِيْ العُمْرَةِ، فَأَذِنَ لِيْ، وَقَالَ: «لَا تَنْسَنَا يَا أَخَيَّ مِنْ دُعَائِكَ»فَقَالَ كَلِمَةً مَا يسُرُّنِيْ أَنَّ لِيْ بِهَا الـدُّنْيَا. وفي روايةٍ قَالَ: «أَشْرِكْنَا يَا أخَيَّ فِيْ دُعَائِكَ».حديثٌ صحيحٌ رواه أَبو داود، والترمذي وقال : حديثٌ حسنٌ صحيحٌ  .

(45) Chapter: Visiting the Pious Persons, loving them and adoption of their company


'Umar bin Al-Khattab (May Allah be pleased with him) reported: I sought permission of the Prophet (ﷺ) to perform 'Umrah. He granted me leave and said, "Dear brother! Do not forget us in your supplications". ('Umar added): This is something I would not exchange for the whole world. Another narration is: He (ﷺ) said, "Include us, my dear brother, in your supplications." [Abu Dawud and At-Tirmidhi, who categorized the Hadith as Hasan Sahih. Sheikh Salim Al-Hilali in his book "Bahjatun-Nazireen, Sharh Riyad-us- Saliheen" classifies it as "Da'if", the reason being that 'Asim bin 'Abdullah is "weak" in narration]. Commentary: It is Mustahab (desirable) to request such a person for prayer who is proceeding on a journey, especially one who is going with the intention of Hajj or `Umrah. The reason being: 1. Prayer for someone in his absence is imbued with sincerity. 2. The places a pilgrim visits in the course of Hajj are such that prayers made there are accepted by Allah. 3. It is also Mustahab that during the course of Hajj when a pilgrim supplicates on special sites and occasions, he should not pray for himself alone but also include his relatives and friends in his supplications. 4. The act of praying for others goes to prove the eminence of religious fraternity of the Muslims. The Prophet (PBUH) is the spiritual father of the entire Muslim community, and is the most superior in nobility and excellence in the whole universe, but in respect of Faith, he is also a brother of all the Muslims and all the Muslims are his brothers. It is illustrated by the fact that he called `Umar (May Allah be pleased with him) his brother.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৫০: আল্লাহ ও তাঁর আযাবকে ভয় করা

১৩/৪১৩। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এ আয়াতটি তিলাওয়াত করলেনঃ ’’সেদিন তা (যমীন) তার প্রত্যেক বিষয় বর্ণনা করবে’’- (সূরা আয্-যিলযালঃ ৪)। অতঃপর তিনি জিজ্ঞাসা করলেনঃ তোমরা কি জানো যমীন সেদিন কী বর্ণনা করবে? উপস্থিত সকলেই বললেন, আল্লাহ ও তাঁর রাসূলই ভাল জানেন। তিনি বললেনঃ যমীন বলবে, এই এই কর্ম তুমি এই এই দিন করেছো। এগুলো হলো তার বর্ণনা।[1]

بَابُ الْخَوْفِ - (50)

وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ، رضي الله عنه، قَالَ: قَرَأَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: « يَوْمَئِذٍ تُحَدِّثُ أَخْبَارَهَا ثُمَّ قَالَ: أَتَدْرُوْنَ مَا أَخْبَارَهَا؟ قَالُوْا: اَللهُ وَرَسُوْلُهُ أَعْلَمُ . قَالَ: فَإِنَّ أَخْبَارَهَا أَنْ تَشْهَدَ عَلىٰ كُلِّ عَبْدٍ أَوْ أَمَةٍ بِمَا عَلىٰ ظَهْرِهَا، تَقُوْلُ: عَمِلْتَ كَذَا وَكَذَا فِيْ يَوْمٍ كَذَا وَكَذَا، فَهَذِهِ أَخْبَارَهَا - رواه الترمذي وقال: حديث حسن.

(50) Chapter: Fear (of Allah)


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) recited, "That Day it (the earth) will reveal its news (about all that happened over it of good or evil)." (99:4). Then he (ﷺ) inquired, "Do you know what its news are?" He was told: "Allah and His Messenger know better". He said, "Its news is that it shall bear witness against every slave man and woman they did on its back. It will say: 'You did this and this on such and such day.' Those will be its news." [At-Tirmidhi] Commentary: This Hadith makes evident the perfect Omnipotence of Allah by telling us that He will bestow power of speech on the earth and it will bear witness to the acts committed on its surface. It has stern warning for people that however they may try to hide their sins from others, they will not be able to save themselves from Allah and His system of accountability.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৫৫: দুনিয়াদারি ত্যাগ করার মাহাত্ম্য, দুনিয়া কামানো কম করার প্রতি উৎসাহ প্রদান এবং দারিদ্রের ফযীলত

২৬/৪৮৬। আবূ ’আমর ’উসমান ইবনু আফ্ফান রাদিয়াল্লাহু ’আনহু (তাকে আবূ ’আব্দুল্লাহ ও আবূ লাইলাও বলা হয়) হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: আদম সন্তানের তিনটি বস্তু ব্যতীত কোন বস্তুর অধিকার নেই। তা হলো: তার বসবাস করার জন্য একটি বাড়ি, শরীর আবৃত করার জন্য কিছু কাপড় এবং কিছু রুটি ও পানি। হাদীসটি তিরমিযী বর্ণনা করে বলেন, এটি সহীহ হাদীস।[1]

(55) - باب فضل الزهد في الدنيا و الحث على التقلل منها و فضل الفقر

وَعَنْ أَبِيْ عَمْرٍو، وَيُقَاُلُ: أَبُوْ عَبْدِ الله، وَيُقَالُ: أَبُوْ لَيْلىٰ عُثْمَانُ بْنُ عَفَّانَ رضي الله عنه، أَنَّ النَّبِيَّصلى الله عليه وسلم قَالَ: « لَيْسَ لِإِبْنِ آدَمَ حَقٌّ فِيْ سِوٰى هٰذِهِ الْخِصَالِ: بَيْتٌ يَسْكُنُهُ، وَثَوْبٌ يُوَارِي عَوْرَتَهُ وَجِلْفُ الخُبْزُ، وَالمَاءِ » رواه الترمذي وقال: حديث صحيح.

(55) Chapter: Excellence of Leading an Ascetic Life, and Virtues of Simple Life


'Uthman bin 'Affan (May Allah be pleased with him) reported: The Prophet (ﷺ) said, "There is no right for the son of adam except in these (four) things: A house to live in, a cloth to cover therewith his private parts, bread and water." [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উসমান ইবন আফফান (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৫৬: উপবাস, রুক্ষ ও নীরস জীবন যাপন করা, পানাহার ও পোশাক ইত্যাদি মনোরঞ্জনমূলক বস্তুতে অল্পে তুষ্ট হওয়া এবং প্রবৃত্তির দাসত্ব বর্জন করার মাহাত্ম্য

২৯/৫২৪। আসমা বিনতু ইয়াযীদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জামার হাতা ছিলো কবজি পর্যন্ত। (তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)[1]

بَابُ فَضْلِ الْجُوْعِ وَخُشُوْنَةِ الْعَيْشِ وَالْاِقْتِصَارِ عَلَى الْقَلِيْلِ مِنَ الْمَأْكُوْلِ وَالْمَشْرُوْبِ وَالْمَلْبُوْسِ وَغَيْرِهَا مِنْ حُظُوْظِ النَّفْسِ وَتَرْكِ الشَّهَوَاتِ - (56)

وَعَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ يَزِيْدٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهَا قَالَتْ: كَانَ كُمُّ قَمِيْصِ رَسُوْلِِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلىٰ الرُّسْغِ. رواه أبو داؤد والترمذي وقال: حديث حسن.

(56) Chapter: Excellence of Simple Living and being Content with Little


Asma' bint Yazid (May Allah be pleased with them) reported: The sleeves of the shirt of Messenger of Allah (ﷺ) reached his wrists. [At-Tirmidhi]. Commentary: Wearing long clothes is commonly known to be a sign of arrogance. Moreover, such type of dress retreads physical movement, whereas short clothes cause inconvenience to the wearer in summer and winter. Moderation, therefore, is the best way and therefore, the Prophetic example.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আসমা বিনতু ইয়াযীদ ইবনুস সাকান (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৬৫: মরণকে স্মরণ এবং কামনা-বাসনা কম করার গুরুত্ব

৫/৫৮৩। আবূ হুরাইরাহ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এরশাদ করেছেনঃ সাতটি জিনিস প্রকাশ পাওয়ার পূর্বেই তোমরা ভাল কাজের দিকে অগ্রসর হওঃ
(১) তোমরা কি এমন দারিদ্রতার জন্য অপেক্ষা করছো যা অমনোযোগী (অক্ষম) করে দেয়,
(২) অথবা এ রকম প্রাচুর্যের যা ধর্মদ্রোহী বানিয়ে ফেলে,
(৩) অথবা এমন রোগ-ব্যাধির যা (শারিরীক সামর্থ্যকে) ধ্বংস করে দেয়,
(৪) অথবা এমন বৃদ্ধাবস্থার যা জ্ঞান-বুদ্ধিকে বিনষ্ট করে দেয়,
(৫) অথবা এমন মৃত্যুর যা হঠাৎই উপস্থিত হয়,
(৬) কিংবা দাজ্জালের, যা অপেক্ষমান অনুপস্থিত বিষয়ের মধ্যে নিকৃষ্টতর,
(৭) অথবা কিয়ামতের যা অত্যন্ত বিভীষিকাময় ও তিক্তকর।
(তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)[1]

بَابُ ذِكْرِ الْمَوْتِ وَقَصْرِ الْأَمَلِ - (65)

وَعَنْ أَبِيْ هُرَيْرَةَ رضي الله عنه أَنَّ رَسُوْلَ اللهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ: « بَادِرُوْا بِالأَعْمَالِ سَبْعاً، هَلْ تَنْتَظِرُوْنَ إلاَّ فَقْراً مُنْسِياً، أَوْ غِنَى مُطغِياً، أَوْ مَرَضاً مُفسِداً، أو هَرَماً مُفَنِّداً، أَو مَوْتاً مُجْهِزِاً، أَوْ الدَّجَّالَ، فَشَرُّ غَائِبٍ يُنْتَظَرُ،أَوِ السَّاعَةَ وَالسَّاعَةُ أَدْهَى وَأَمَرُّ ؟، » رواهُ الترمذي وقال: حديثٌ حسنٌ.

(65) Chapter: Remembrance of Death and Restraint of Wishes


Abu Hurairah (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Hasten to do good deeds before you are overtaken by one of the seven afflictions." Then (giving a warning) he said, "Are you waiting for poverty which will make you unmindful of devotion, or prosperity which will make you corrupt, or a disease which will disable you, or senility which will make you mentally unstable, or sudden death which will take you all of a sudden, or Ad-Dajjal who is the worst expected, or the Hour; and the Hour will be most grievous and most bitter." [At- Tirmidhi]. Commentary: The Hadith focuses on seven things which hold back man from the virtuous path. Taking in consideration the turning health and the brief span of life to his account, he is, therefore, apt to gather up good deedsfor the Hereafter because an untoward situation may confront him any moment and render him unable to do good things to his benefit in the otherworldly life.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবূ হুরায়রা (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৬৬: পুরুষের জন্য কবর যিয়ারত করা মুস্তাহাব এবং তার দো‘আ

৪/৫৮৯। ইবনু ’আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, মাদ্বীনার কিছু সংখ্যক কবর অতিক্রম করার সময় রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সে দিকে মুখ ফিরিয়ে বললেনঃ ’’হে কবরের অধিবাসীরা! তোমাদের উপর শান্তি বর্ষিত হোক, আল্লাহ তা’আলা আমাদের ও তোমাদেরকে ক্ষমা করুন। তোমরা আমাদের অগ্রগামী। আমরা তোমাদের উত্তরসূরি।’’- (তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)[1]

بَابُ اِسْتِحْبَابِ زِيَارَةِ الْقُبُوْرِ لِلرِّجَالِ وَمَا يَقُوْلُهُ الزَّائِرُ - (66)

وَعَنْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رضي الله عنه، قَالَ: مَرَّ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بِقُبُوْرٍ بِالمَدِينَةِ فَأَقْبَلَ عَلَيْهِمْ بوَجْهِهِ فَقَالََ: «السَّلَامُ عَلَيْكُمْ يَا أَهْلَ القُبُوْرِ، يَغْفِرُ اللهُ لَنا وَلَكُمْ، أَنْتُمْ سَلَفُنَا وَنَحْنُ بِالأَثَرِ» رواهُ الترمذي وقال: حديثٌ حسن.

(66) Chapter: Desirability of visiting the Graves for men, and that they should say


Ibn 'Abbas (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) passed by the graves at Al-Madinah. He turned his face towards them and said, "May you be granted safety, O inmates of the graves. May Allah forgive us and you. You have preceded us, and we are to follow." [At-Tirmidhi]. Commentary: Imam At-Tirmidhi considers it as a credible Hadith and Imam An-Nawawi has also reduced it to writing without `ifs' and `buts'. However, Shaikh Al-Albani calls it undependable from the viewpoint of the chain of reporters. For a detailed study, one may refer to Ahkam Al-Jana'iz by Al-Albani, page 197.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৬৮: হারাম বস্তুর ব্যাপারে সাবধানতা অবলম্বন এবং সন্দিহান বস্তু পরিহার করার গুরুত্ব

৯/৬০১। ’আতিয়্যাহ্ ইবনু ’উরওয়াহ্ আস-সা’দী সাহাবী রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: ঐ পর্যন্ত বান্দাহ্ মুত্তাক্বীদের মর্যাদায় পৌঁছতে পারে না, সে যতক্ষণ পর্যন্ত নির্দোষ হয়ে বাঁচার জন্য কোনো কোনো নির্দোষ বিষয়াদিও (নিষ্প্রয়োজনীয় বিষয়াদি) পরিত্যাগ না করে। (তিরমিযী হাদীসটিকে হাসান বলেছেন)[1]

بَابُ الْوَرَعِ وَتَرْكِ الشُّبُهَاتِ - (68)

وَعَنْ عَطِيَّةَ بْنِ عُرْوَةَ السَّعْدِيِّ الصَّحَابِيِّ رضي الله عنه قَالَ . قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم« لَا يَبْلُغُ العَبْدُ أَنْ يَّكُوْنَ مِنَ الْمُتَّقِيْنَ حَتّىٰ يَدَعَ مَالَا بَأْسَ بِهِ حَذْراً مِمَّا بِهِ بَأْسٌ ».رواهُ الترمذي وقال: حديثٌ حسن.

(68) Chapter: Leading an Abstemious Life and refraining from the Doubtful


'Atiyyah bin 'Urwah As-Sa'di (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "No one will attain complete righteousness until he abandons (certain) unobjectionable (but doubtful) things so as to remain on his guard against something objectionable." [At-Tirmidhi].


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আতিয়্যাহ্ ইবনু ‘উরওয়াহ্ আস্ সা‘দী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৭২: অহংকার প্রদর্শন ও গর্ববোধ করা অবৈধ

৯/৬২৫ সালামাহ্ ইবনুল আক্ওয়া’ রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ কোন ব্যক্তি অহংকারবশত নিজকে বড় মনে করে লোকজনকে উপেক্ষা করে চলতে থাকে। পরিশেষে অহংকারী ও উদ্ধতদের মধ্যে তার নাম লিখা হয়, তারপর সে অহংকারী ও উদ্ধত লোকদের বিপদে পতিত হয়। (তিরমিযি)।

হাদীসটি যঈফ। সিলসিলাহ যয়ীফাহ ১৯১৪নং

بَابُ تَحْرِيْمِ الْكِبْرِ وَالْإِعْجَابِ - (72)

وَعَنْ سَلَمَةَ بْنِ الْأَكْوَعِ رضي الله عنهقَالَ: قَالَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم: «لَا يَزَالُ الرَّجُلُ يَذْهَبُ بِنفْسِهِ حَتّىٰ يُكْتَبَ فِي الجَبَّارِيْنَ، فَيُصِيْبُهُ مَا أَصَابَهُمْ » رواهُ الترمذي وقال: حديث حسن .

(72) Chapter: Condemnation of Pride and Self-Conceit


Salamah bin Al-Akwa' (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Man continues to display haughtiness and arrogance until he is recorded among the arrogant and will be therefore afflicted with what afflicts them." [At- Tirmidhi]. Commentary: To adopt the habits and manners of good people is deemed to be desirable. But, on the contrary, to take to the bad ways of bad people is considered undesirable. A man will ultimately be counted among those people whom he will take as a model to emulate, because he is gradually fitted into their framework and assimilates all of their qualities. Quite naturally then retribution will be administered to him accordingly.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ সালামাহ ইবনু আক্ওয়া‘ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
বিবিধ (كتاب المقدمات)

পরিচ্ছেদঃ ৯৬: সফরকারীকে উপদেশ দেওয়া, বিদায় দেওয়ার দো‘আ পড়া ও তার কাছে নেক দো‘আর নিবেদন ইত্যাদি

২/৭১৮। উমার ইবনুল খাত্তাব রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উমরাহ করার অনুমতি চাইলাম। তিনি অনুমতি দিয়ে বললেনঃ প্রিয় ভাই আমার, তোমার দো’আর সময় আমাদেরকে যেন ভুলো না। এমন বাক্য তিনি উচ্চারণ করলেন, যার বিনিময়ে সমস্ত পৃথিবীটা আমার হয়ে গেলেও তা আমার কাছে আনন্দদায়ক হিসাবে (গণ্য) নয়। অন্য এক বর্ণনায় বলা হয়েছে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ ভাইয়া! তুমি আমাদেরকেও তোমার দো’আয় শরীক রেখো। (আবু দাউদ ও তিরমিযি) দুর্বল।[1]

بَابُ وِدَاعِ الصَّاحِبِ وَوَصِيَّتِهِ عِنْدَ فِرَاقِهِ لِسَفَرٍوَّغَيْرِهِِ وَالدُّعَاءِ لَهُ وَطَلَبِ الدُّعَاءِ مِنْهُ - (96)

وعن عُمَرَ بنِ الخطاب رضي الله عنه قال: اسْتَأْذَنْتُ النبي صلى الله عليه وسلم في الْعُمْرَةِ، فَأَذِنَ، وقال: لا تنْسنَا يَا أخيَّ مِنْ دُعَائِك فقالَ كَلِمَةً ما يَسُرُّني أَنَّ لِي بهَا الدُّنْيَا . وفي رواية قال: أَشْرِكْنَا يَا أخَيَّ في دُعَائِكَ رواه أبو داود، والترمذي وقال: حديث حسن صحيح .

(96) Chapter: Bidding Farewell and Advising on the Eve of Departure for a Journey or Other Things


'Umar bin Al-Khattab (May Allah be pleased with him) reported: I sought permission of the Prophet (ﷺ) to perform 'Umrah, and he granted me leave and said, "Brother, do not forget us in your supplications." I would not exchange these words of his for the whole world. Another narration is: He (ﷺ) said, "Include us, my brother, in your supplications." [Abu Dawud and At- Tirmidhi]. Commentary: This Hadith is being repeated here to prove that a highly-ranked person in virtue and excellence may ask his inferior to pray for him. Furthermore, it reflects the Prophet's humility that he asks his followers to pray for him. This Hadith is enough evidence that supplications benefit the living people.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উমর ইবনুল খাত্তাব (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
১/ শিষ্টাচার (كتاب الأدب)

পরিচ্ছেদঃ ১০০: শুরুতে বিসমিল্লাহ এবং শেষে আল-হামদু লিল্লাহ বলা

৫/৭৩৬। উমাইয়্যাহ্ ইবনু মাখ্‌শী সাহাবী রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বসা ছিলেন এবং এক ব্যক্তি আল্লাহর নাম না নিয়েই খাবার খাচ্ছিলো। তার খাওয়া শেষ হতে আর কেবল এক লোকমা বাকি। এই শেষ লোকমাটি মুখে দেওয়ার সময় সে বললো, ’’বিস্মিল্লাহি আওয়ালাহু ওয়া আখিরাহু’’ (আমি আল্লাহর নাম নিচ্ছি খাওয়ার শুরু এবং শেষভাগে)। এতে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হেসে দিলেন। তিনি বললেনঃ তার সাথে শাইতান বরাবর খাবার খেয়ে যাচ্ছিল। সে আল্লাহর নাম নেয়ার সাথে সাথেই শাইতানের পেটে যা কিছু ছিল, বমি করে সবকিছু ফেলে দিল। (আবু দাউদ, নাসায়ী)[1]

(100) - بَابُ التَّسْمِيَةِ فِيْ أَوَّلِهِ وَالْحَمْدِ فِيْ آخِرِهِ

وَعَنْ أُمَيَّةَ بْنِ مَخْشِيٍّ الصَّحَابِيِّ رضي الله عنه قَالَ: كَانَ رَسُوْلُ اللهِ صلى الله عليه وسلم جَالساً، ورَجُلٌ يأْكُلُ، فَلَمْ يُسَمِّ اللهَ حَتّىٰ لَمْ يَبْقَ مِنْ طَعَامِهِ لُقْمَةٌ، فَلَمَّا رَفَعَهَا إِلىٰ فِيْهِ، قَالَ: بِسْمِ اللهِ أَوَّلَهُ وَآخِرَهُ، فَضَحِكَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم، ثُمَّ قَالَ:«مَا زَالَ الشَّيْطَانُ يَأْكُلُ مَعَهُ، فَلمَّا ذَكَرَ اسْمَ اللهِ استْقَاءَ مَا فِيْ بَطْنِهِ». رواه أبو داود، والنسائي.

(100) Chapter: Saying Bismillah Before and Al-Hamdulillah After Eating


Umaiyyah bin Makhshi (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) was sitting while a man was eating food. That man did not mention the Name of Allah (before commencing to eat) till only a morsel of food was left. When he raised it to his mouth, he said: "Bismillah awwalahu wa akhirahu (With the Name of Allah, in the beginning and in the end)." Messenger of Allah (ﷺ) smiled at this and said, "Satan had been eating with him but when he mentioned the Name of Allah, Satan vomited all that was in his stomach." [Abu Dawud and An-Nasa'i]. Commentary: This Hadith also informs us that Satan shares food and drink with those people who do not mention the Name of Allah.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ উমাইয়াহ্ ইবনু মাখশী (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام)

পরিচ্ছেদঃ ১১১: পান করার আদব-কায়দা

২/৭৬২। ইবনু ’আব্বাস রাদিয়াল্লাহু ’আনহু হতে বর্ণিত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, উঁটের ন্যায় তোমরা এক নিঃশ্বাসে পানি পান করো না, বরং দুই তিনবার (শ্বাস নিয়ে) পান করো। আর যখন তোমরা পানি পান করা শুরু কর তখন বিসমিল্লাহ বলো এবং যখন পান করা শেষ করো তখন ’আল-হামদুলিল্লাহ’ বলো। হাদীসটি তিরমিযী বর্ণনা করেছেন এবং বলেছেন এটি হাসান হাদীস।[1]

(111) بَابُ أَدَبِ الشُّرْبِ

وَعَنْ اِبْنِ عَبَّاسٍ رَضِيَ اللهُ عَنْهُمَا قَالَ: قَالَ صلى الله عليه وسلم: لَا تَشْرَبُوْا واحِداً كَشُرْبِ البَعِيْرِ، وَلٰكِنْ اشْرَبُوْا مَثْنىٰ وَثُلَاثَ، وَسَمُّوْا إِذَا أَنْتُمْ شَرِبْتُمْ، وَاحْمَدُوْا إِذَا أَنْتُمْ رَفَعْتُمْ - رواه الترمذي وقال: حديث حسن.

(111) Chapter: Etiquette of Drinking Water


Ibn 'Abbas (May Allah be pleased with them) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "Do not drink in one gulp like a camel, but in two or three (gulps). Mention the Name of Allah (i.e., say Bismillah) when you start drinking and praise Him (i.e., say Al-hamdu lillah) after you have finished (drinking)." [At- Tirmidhi]. Commentary: This Hadith, too, prohibits us from drinking water in a single breath. It is preferable to say Bismillah every time we drink, and Al-hamdu lillah every time we stop drinking.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আবদুল্লাহ ইবনু আব্বাস (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
২/ পানাহারের আদব-কায়দা (كتاب أدب الطعام)

পরিচ্ছেদঃ ১১৯: জামা-পায়জামা, জামার হাতা, লুঙ্গি তথা পাগড়ীর প্রান্ত কতটুকু লম্বা হবে? অহংকারবশতঃ ওগুলি ঝুলিয়ে পরা হারাম ও নিরহংকারে তা ঝুলানো অপছন্দনীয়

১/৭৯৪। আসমা বিনতে য়্যাযীদ আনসারী রাদিয়াল্লাহু‘ ’আনহা হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, ’রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জামার হাতা কব্জি পর্যন্ত লম্বা ছিল।’ (আবূ দাঊদ, তিরমিযী হাসান)[1]

(119) بَابُ صِفَةِ طُوْلِ الْقَمِيْصِ وَالْكُمِّ وَالْإِزَارِ وَطَرَفِ الْعِمَامَةِ وَتَحْرِيْمِ إِسْبَالِ شَيْءٍ مِّنْ ذٰلِكَ عَلٰى سَبِيْلِ الْخُيَلَاءِ وَكَرَاهَتِهِ مِنْ غَيْرِ خُيَلَاءِ

عَن أَسمَاءَ بِنتِ يَزِيدَ الأَنصَارِيَّةِ رَضِيَ اللهُ عَنهَا، قَالَتْ: كَانَ كُمُّ قَمِيصِ رَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِلَى الرُّسْغِ . رواه أَبُو داود والترمذي، وقال: حديث حسن

(119) Chapter: The Description of the Length of the Qamees' Sleeves, the End of the Turban, and Prohibition of Wearing Long Garments Out of Pride and Undesirability of Wearing Them Without Pride


Asma' bint Yazid (May Allah be pleased with her) reported: The Qamees sleeves of Messenger of Allah (ﷺ) reached down to his wrists. [Abu Dawud and At-Tirmidhi]. Commentary: This Hadith simply tells us that Messenger of Allah (PBUH) used to wear a Qamees with long sleeves (up to the wrist); but in the case of all the other clothes, apart from the Qamees, the sleeves should not go beyond the finger tips.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ আসমা বিনতু ইয়াযীদ ইবনুস সাকান (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
রিয়াযুস স্বা-লিহীন (রিয়াদুস সালেহীন)
৩/ পোষাক-পরিচছদ (كتــــاب اللباس)
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৭৬৫৫ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 6 · · · 380 381 382 383 পরের পাতা »