ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ৯৯ টি

পরিচ্ছেদঃ ৬০. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক তসরুপকারীর (বিনষ্টকারী) প্রতি জাহান্নামের হুমকি

২৫৭। কুতায়বা ইবনু সাঈদ, আবূ বকর ইবনু আবূ শায়বা, হান্নাদ ইবনু সারী এবং আবূ আসিম আল হানাফী (রহঃ) ... ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেছেন। ওয়াইল (রাঃ) বলেন, হাযরামাউতের জনৈক ব্যাক্তি কিনদার এক ব্যাক্তিকে নিয়ে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত হয়। হাযরামাউতবাসী লোকটি বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এ ব্যাক্তি আমার পৈতৃক ভূমি জবরদখল করে নিয়েছে। কিনদী বলে উঠল, না, এতো আমারই সম্পত্তি এবং আমারই দখলে আছে। এতে আমি চাষাবাদ করি, এতে কারো কোন অধিকার নেই। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযরামাউতবাসীকে বললেনঃ তোমার কোন সাক্ষী আছে? সে উত্তর করল, না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তা হলে এ বিষয়ে বিবাদী কসম করবে।

হাযরামাউতবাসী বলল, হে আল্লাহর রাসুল! এ তো অসৎ লোক, কসম করার বিষয়ে তার আদৌ পরোয়া নেই। আর সে কোন কিছুরই বাছবিচার করে না। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার কাছ থেকে তোমার এতটুকু প্রাপ্য। এরপর হাযরামাউতবাসী শপথ করতে উদ্যোগ নিল। তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করলেনঃ যদি সে (কিনদী) অন্যায়ভাবে সম্পদ গ্রাস করার জন্য শপথ করে থাকে, তবে সে অবশ্যই আল্লাহর কাছে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তিনি তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নিবেন অর্থাৎ তিনি তার উপর ক্রোধাম্বিত থাকবেন।

باب وَعِيدِ مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ مُسْلِمٍ بِيَمِينٍ فَاجِرَةٍ بِالنَّارِ ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، وَأَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ وَهَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ وَأَبُو عَاصِمٍ الْحَنَفِيُّ - وَاللَّفْظُ لِقُتَيْبَةَ - قَالُوا حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ وَرَجُلٌ مِنْ كِنْدَةَ إِلَى النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ الْحَضْرَمِيُّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا قَدْ غَلَبَنِي عَلَى أَرْضٍ لِي كَانَتْ لأَبِي ‏.‏ فَقَالَ الْكِنْدِيُّ هِيَ أَرْضِي فِي يَدِي أَزْرَعُهَا لَيْسَ لَهُ فِيهَا حَقٌّ ‏.‏ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لِلْحَضْرَمِيِّ ‏"‏ أَلَكَ بَيِّنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلَكَ يَمِينُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ الرَّجُلَ فَاجِرٌ لاَ يُبَالِي عَلَى مَا حَلَفَ عَلَيْهِ وَلَيْسَ يَتَوَرَّعُ مِنْ شَىْءٍ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ لَيْسَ لَكَ مِنْهُ إِلاَّ ذَلِكَ ‏"‏ فَانْطَلَقَ لِيَحْلِفَ فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لَمَّا أَدْبَرَ ‏"‏ أَمَا لَئِنْ حَلَفَ عَلَى مَالِهِ لِيَأْكُلَهُ ظُلْمًا لَيَلْقَيَنَّ اللَّهَ وَهُوَ عَنْهُ مُعْرِضٌ ‏"‏ ‏.‏


It is narrated on the authority of Wa'il that there came a person from Hadramaut and another one from Kinda to the Apostle (ﷺ). One who had come from Hadramaut said: Messenger of Allah, only this man has appropriated my land which belonged to my father. The one who had came from Kinda contended. This is my land and is in my possession: I cultivate it. There is no right for him in it. The Messenger of Allah said to the Hadramite: Have you any evidence (to support you)? He replied in the negative. He (the Messenger of Allah) said: Then your case is to be decided on his oath. He (the Hadramite) said: Messenger of Allah, he is a liar and cares not what he swears and has no regard for anything. Upon this he (the Messenger of Allah) remarked: For you then there is no other help to it. He (the man from Kinda) set out to take an oath. When he turned his back the Messenger of Allah (ﷺ) observed: If he took an oath on his property with a view to usurping it, he would certainly meet his Lord in a state that He would turn away from him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৬০. মিথ্যা কসমের মাধ্যমে কোন মুসলিমের হক তসরুপকারীর (বিনষ্টকারী) প্রতি জাহান্নামের হুমকি

২৫৮। যুহায়র ইবনু হারব ও ইসহাক ইবনু ইবরাহীম (রহঃ) ... ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত আছে যে, তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। ইত্যবসরে দু’ব্যাক্তি তাঁর কাছে এসে একটি ভূমি সম্পর্কে বিচার প্রার্থনা করে। তন্মধ্যে একজন বলল, হে আল্লাহর রাসুল! জাহিলিয়্যাত যুগে এ ব্যাক্তি আমার ভূমি জবরদখল করে নিয়েছে। বর্ণনাকারী বলেন, বিচার প্রার্থনাকারী ছিল ইমরাউল কায়স ইবনু আবিস আল কিনদী আর তার বিবাদী ছিল রাবীআ ইবনু আবদান। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমার সাক্ষী পেশ কর। লোকটি বলল, আমার কোন সাক্ষী নাই। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাহলে বিবাদী থেকে কসম নেয়া হবে। লোকটি বলল, তবে তো সে মিথ্যা কসম করে সম্পতি গ্রাস করে ফেলবে। রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তার কাছ থেকে তোমার এতটুকু প্রাপ্য। বর্ণনাকারী বলেন, এরপর বাদী যখন শপথ করার জন্য প্রস্তুত হলো, তখন রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ যে ব্যাক্তি অন্যায়ভাবে সম্পতি গ্রাস করবে, সে আল্লাহর কাছে এমন অবস্থায় উপস্থিত হবে যে, তিনি তার প্রতি ক্রোধান্বিত থাকবেন। রাবী ইসহাক তার বর্ণনায়عيدان এর স্থলেرَبِيعَةُ بْنُ عَيْدَانَ উল্লেখ করেন।

باب وَعِيدِ مَنِ اقْتَطَعَ حَقَّ مُسْلِمٍ بِيَمِينٍ فَاجِرَةٍ بِالنَّارِ ‏‏

وَحَدَّثَنِي زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَإِسْحَاقُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، جَمِيعًا عَنْ أَبِي الْوَلِيدِ، قَالَ زُهَيْرٌ حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَبْدِ الْمَلِكِ، حَدَّثَنَا أَبُو عَوَانَةَ، عَنْ عَبْدِ الْمَلِكِ بْنِ عُمَيْرٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَأَتَاهُ رَجُلاَنِ يَخْتَصِمَانِ فِي أَرْضٍ فَقَالَ أَحَدُهُمَا إِنَّ هَذَا انْتَزَى عَلَى أَرْضِي يَا رَسُولَ اللَّهِ فِي الْجَاهِلِيَّةِ - وَهُوَ امْرُؤُ الْقَيْسِ بْنُ عَابِسٍ الْكِنْدِيُّ وَخَصْمُهُ رَبِيعَةُ بْنُ عِبْدَانَ - قَالَ ‏"‏ بَيِّنَتُكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لَيْسَ لِي بَيِّنَةٌ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ يَمِينُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِذًا يَذْهَبُ بِهَا ‏.‏ قَالَ ‏"‏ لَيْسَ لَكَ إِلاَّ ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَلَمَّا قَامَ لِيَحْلِفَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَنِ اقْتَطَعَ أَرْضًا ظَالِمًا لَقِيَ اللَّهَ وَهُوَ عَلَيْهِ غَضْبَانُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ إِسْحَاقُ فِي رِوَايَتِهِ رَبِيعَةُ بْنُ عَيْدَانَ ‏.‏


Wa'il reported it on the authority of his father Hujr: I was with the Messenger of Allah (ﷺ) that two men came there disputing over a piece of land. One of them said: Messenger of Allah, this man appropriated my land without justification in the days of ignorance. The (claimant) was Imru'l-Qais b. 'Abis al-Kindi and his opponent was Rabi'a b. 'Iban He (the Holy Prophet) said (to the claimant): Have you evidence (to substantiate your claim)? He replied: I have no evidence. Upon this he (the Messenger of Allah) remarked: Then his (that is of the defendant) is the oath. He (the claimant) said: In this case he (the defendant) would appropriate this (the property). He (the Holy Prophet) said: There is than no other way left for you but this. He (the narrator) said: When he (the defendant) stood up to take oath, the Messenger of Allah (ﷺ) said: He who appropriated the land wrongfully would meet Allah in a state that He would be angry with him. Ishaq in his narration mentions Rabi'a b. 'Aidan (instead of Rabi'a b. 'Ibdan).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫. তাক্‌বীরে তাহরিমার পর বুকের নীচে নাভীর উপরে বাম হাতের উপর ডান এবং সিজদায় উভয় হাত মাটিতে কান বরাবর রাখা

৭৮১। যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ... ওয়াইল ইবনু হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছেন তিনি যখন সালাত (নামায/নামাজ) শুরু করলেন তখন উভয় হাত উঠিয়ে তাকবীর বললেন। রাবী হাম্মাম বলেন, উভয় হাত কান বরাবর উঠালেন। তারপর কাপড়ে ঢেকে নিলেন (গায়ে চাঁদর দিলেন)। তারপর তার ডান হাত বাম হাতের উপর রাখলেন। তারপর রুকু করার সময় তার উভয় হাত কাপড় থেকে বের করলেন। পরে উভয় হাত উঠালেন এবং তাকবীর বলে রুকুতে গেলেন। যখনسَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ বললেন , তখন উভয় হাত তুললেন। পরে উভয় হাতের মাঝখানে সিজদা করলেন।

باب وَضْعِ يَدِهِ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى بَعْدَ تَكْبِيرَةِ الإِحْرَامِ تَحْتَ صَدْرِهِ فَوْقَ سُرَّتِهِ وَوَضْعِهِمَا فِي السُّجُودِ عَلَى الأَرْضِ حَذْوَ مَنْكِبَيْهِ

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، حَدَّثَنَا عَفَّانُ، حَدَّثَنَا هَمَّامٌ، حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ جُحَادَةَ، حَدَّثَنِي عَبْدُ الْجَبَّارِ بْنُ وَائِلٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، وَمَوْلًى، لَهُمْ أَنَّهُمَا حَدَّثَاهُ عَنْ أَبِيهِ، وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم رَفَعَ يَدَيْهِ حِينَ دَخَلَ فِي الصَّلاَةِ كَبَّرَ - وَصَفَ هَمَّامٌ حِيَالَ أُذُنَيْهِ - ثُمَّ الْتَحَفَ بِثَوْبِهِ ثُمَّ وَضَعَ يَدَهُ الْيُمْنَى عَلَى الْيُسْرَى فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ أَخْرَجَ يَدَيْهِ مِنَ الثَّوْبِ ثُمَّ رَفَعَهُمَا ثُمَّ كَبَّرَ فَرَكَعَ فَلَمَّا قَالَ ‏ "‏ سَمِعَ اللَّهُ لِمَنْ حَمِدَهُ ‏"‏ ‏.‏ رَفَعَ يَدَيْهِ فَلَمَّا سَجَدَ سَجَدَ بَيْنَ كَفَّيْهِ ‏.‏


Wa'il b. Hujr reported: He saw the Messenger of Allah (ﷺ) raising his hands at the time of beginning the prayer and reciting takbir, and according to Hammam (the narrator), the hands were lifted opposite to ears. He (the Holy Prophet) then wrapped his hands in his cloth and placed his right hand over his left hand. And when he was about to bow down, he brought out his hands from the cloth, and then lifted them, and then recited takbir and bowed down, and when (he came back to the erect position) he recited:" Allah listened to him who praised Him." And when he prostrated, he prostrated between his two palms.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮০: বৈধ কাজে শাসকবৃন্দের আনুগত্য করা ওয়াজিব এবং অবৈধ কাজে তাদের আনুগত্য করা হারাম

৭/৬৭৪। আবূ হুনাইদা ওয়াইল ইবনে হুজর রাদিয়াল্লাহু ’আনহু বলেন, সালামাহ ইবনে য়্যাযীদ জু’ফী আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে জিজ্ঞাসা করলেন, ’হে আল্লাহর নবী! আপনি বলুন, যদি আমাদের উপর (অসৎ) শাসক নিযুক্ত হয় এবং আমাদের কাছে তাদের অধিকার চায় ও আমাদেরকে আমাদের অধিকার থেকে বঞ্চিত রাখে। অতএব এ ব্যাপারে আপনি কী নির্দেশ দেন?’

তিনি তাঁর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলেন। পুনরায় তিনি জিজ্ঞাসা করলে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, ’’তোমরা (তাদের) কথা শুনো এবং (তাদের) আনুগত্য করো। কারণ তাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তাদের উপর চাপানো হয়েছে (অর্থাৎ সুবিচার ও ন্যায়পরায়ণতা) এবং তোমাদের দায়িত্বে তা রয়েছে, যা তোমাদের উপর অর্পণ করা হয়েছে (অর্থাৎ নেতা ও শাসকের আনুগত্য)।’’ (মুসলিম) [1]

بَابُ وُجُوْبِ طَاعَةِ وُلَاةِ الْأُمُوْرِ فِيْ غَيْرِ مَعْصِيَةٍوَّتَحْرِيْمِ طَاعَتِهِمْ فِي الْمَعْصِيَةِ - (80)

وَعَن أَبي هُنَيْدَةَ وَائِلِ بنِ حُجْرٍ رضي الله عنه، قَالَ: سَألَ سَلَمَةُ بن يَزيدَ الجُعفِيُّ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، فَقَالَ: يَا نَبِيَّ الله، أَرَأَيتَ إنْ قامَت عَلَيْنَا أُمَرَاءُ يَسألُونَا حَقَّهُم، وَيمْنَعُونَا حَقَّنَا، فَمَا تَأْمُرُنَا ؟ فَأعْرَضَ عَنهُ، ثُمَّ سَألَهُ، فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم: «اسْمَعْوا وَأَطِيعُوا، فإنَّمَا عَلَيْهِمْ مَا حُمِّلُوا، وَعَلَيْكُمْ مَا حُمِّلْتُمْ ». رواه مسلم

(80) Chapter: Obligation of Obedience to the Ruler in what is Lawful and Prohibition of Obeying them in what is Unlawful


Wa'il bin Hujr (May Allah be pleased with him) reported: Salamah bin Yazid Al-Ju'f (May Allah be pleased with him) asked Messenger of Allah (ﷺ): "O Prophet of Allah! Tell us, what you command us to do if there arises over us rulers who demand of us what is due to them and refuse us what is due to us." Messenger of Allah (ﷺ) turned away from him, but he repeated the same question. Thereupon Messenger of Allah (ﷺ) said, "Listen to them and obey them. They are responsible for their obligations and you are accountable for yours." [Muslim]. Commentary: This Hadith means that both the ruler and the ruled have their own respective obligations. If any of the two sides fails to play its due role, it will bear the brunt of its deficiency on the Final Day. Yet, people are debarred from disobeying a ruler who neglects to do what is required of him. Negligence is not rectifiable by negligence as it will make matters worse. To endure the high-handedness of a ruler in view of the overall national interest, is therefore, preferable to revolting against him. True, one cannot take the law into one's own hands, yet there always remains room for improvement and positive criticism. To make use of it within limits and to make efforts for the enforcement of the canonical discipline will not be deemed as an uprising. Indeed, this will be deemed, to some extent, binding on everybody.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৩০ : আরবীতে আঙ্গুরের নাম ‘করম’ রাখা মাকরূহ

২/১৭৫০। ওয়ায়েল ইবনে হুজ্র রাদিয়াল্লাহু আনহু হতে বর্ণিত, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন, ’’আঙ্গুরকে ’করম’ বলো না। বরং ’ইনাব’ ও ’হাবালাহ’ বল।’’ (মুসলিম) [1]


[আঙ্গুরকে আরবী ভাষায় ’ইনাব’ ও ’হাবালাহ’ বলা হয়। এর উৎকৃষ্টতা ও উপকারিতার জন্য লোকে সম্মানের সাথে তাকে ’করম’ [বদান্য] নামে আখ্যায়িত করত। অথচ এ বিশেষণের অধিকারী একমাত্র মুমিন মানুষ। তাই এই নিষেধাজ্ঞা।

বলাই বাহুল্য যে, যে শব্দ প্রয়োগে শরয়ী বাধা আছে, তা বর্জন করা বাঞ্ছনীয়। যেমন, রামধনু, বিশ্বব্রহ্মান্ড, দৈবাৎক্রমে, দেবর, লক্ষ্মী মেয়ে, হরিলুট ইত্যাদি।]

(330) بَابُ كَرَاهَةِ تَسْمِيَةِ الْعِنَبِ كَرْمًا

وَعَنْ وَائِلِ بْنِ حَجرٍ رَضِيَ اللَّه عَنْهُ عَنِ النَّبِيِّ صَلّى االلهُ عَلَيْهِ وسَلَّم قَال : » لا تَقُولُوا : الْكَرْم،ُ وَلَكِنْقُولُوا : الْعِنَبُ ، وَالحبَلَةُ « رواه مسلم .«الحبَلَةُ « بفتح الحاءِ والباءِ ، ويقال أيضاً بإِسكان الباءِ .

(330) Chapter: Undesirability of Calling Grapes 'Al-Karm'


Wa'il bin Hujr (May Allah be pleased with him) said: The Prophet (ﷺ) said, "Do not say Al-Karm when talking about grapes but say Al-'Inab or Al-Habalah." [Muslim]. Commentary: Al-Habalah or Habilah means grapevine. It is undesirable (Makruh) to refer to the grapes as AlKarm, which also means grapes in Arabic, for it is the true Muslim who deserves to be called with a name which is derived from the word Al-Karm.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)

৭২৬. মূসা’দ্দাদ ..... ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি তোমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের নামায পড়ার নিয়ম দেখাব। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কিবলামুখী হয়ে দাঁড়িয়ে তাকবীর বলে নিজের উভয় হাত কান পর্যন্ত উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি স্বীয় বাম হাত ডান হাত দিয়ে ধরেন এবং রুকূ করার সময় উভয় হাত ঐরূপ উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি তাঁর দুই হাত দুই হাটুর উপর রাখেন। রুকূ হতে মাথা উঠাবার সময় তিনি উভয় হাত তদ্রুপ উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি সিজদায় স্বীয় মাথা দুই হাতের মধ্যবর্তী স্থানে রাখেন এবং বাম পা বিছিয়ে বসেন। অতঃপর তিনি তাঁর বাম হাত বাম রানের উপর এবং ডান হাত ডান রানের উপর বিচ্ছিন্নভাবে রাখেন। পরে তিনি স্বীয় ডান হাতের কনিষ্ঠ ও অনামিকা অংগুলিদ্বয় আবদ্ধ করে রাখেন এবং মধ্যমা ও বৃদ্ধাংগুলি বৃত্তাকার করেন এবং শাহাদাত অঙ্গুলি (তর্জনী) দ্বারা ইাশারা করেন। (নাসাঈ, ইবনু মাজাহ)।

আমি তাদেরকে এভাবে বলতে দেখেছি। আর বিশর নিজের মধ্যমা ও বৃদ্ধাগুলি দ্বারা বৃত্ত করেন এবং তর্জনী দ্বারা ইশারা করেন।

باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ قُلْتُ لأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَيْفَ يُصَلِّي قَالَ فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَكَبَّرَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا أُذُنَيْهِ ثُمَّ أَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ ثُمَّ وَضَعَ يَدَيْهِ عَلَى رُكْبَتَيْهِ فَلَمَّا رَفَعَ رَأْسَهُ مِنَ الرُّكُوعِ رَفَعَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ فَلَمَّا سَجَدَ وَضَعَ رَأْسَهُ بِذَلِكَ الْمَنْزِلِ مِنْ بَيْنِ يَدَيْهِ ثُمَّ جَلَسَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَحَدَّ مِرْفَقَهُ الأَيْمَنَ عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَقَبَضَ ثِنْتَيْنِ وَحَلَّقَ حَلْقَةً وَرَأَيْتُهُ يَقُولُ هَكَذَا ‏.‏ وَحَلَّقَ بِشْرٌ الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I purposely looked at the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ), how he offered it. The Messenger of Allah (ﷺ) stood up, faced the direction of the qiblah and uttered the takbir (Allah is most great) and then raised his hands in front of his ears, then placed his right hand on his left (catching each other). When he was about to bow, he raised them in the same manner. He then placed his hands on his knees. When he raised his head after bowing, he raised them in the like manner. When he prostrated himself he placed his forehead between his hands. He then sat down and spread his left foot and placed his left hand on his left thigh, and kept his right elbow aloof from his right thigh. He closed his two fingers and made a circle (with the fingers). I (Asim ibn Kulayb) saw him (Bishr ibn al-Mufaddal) say in this manner. Bishr made the circle with the thumb and the middle finger and pointed with the forefinger.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২২. রাফউল ইয়াদাইন (নামাযের মধ্যে উভয় হাত উপরে উঠানো)

৭২৮. উছমান ইবনু আবূ শায়বা .... ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নামায শুরুর সময় স্বীয় হস্তদ্বয় নিজের কান পর্যন্ত উঠাতে দেখেছি। রাবী বলেন, কিছু দিন পর আমি পুনরায় সেখানে গিয়ে দেখি যে, সাহাবায়ে কিরাম নামায আরম্ভের সময় তাদের হাতগুলি বুক পর্যন্ত উঠাচ্ছেন। এ সময় তাদের শরীর কোট ও অন্যান্য কাপড় দ্বারা আবৃত ছিল। (নাসাঈ)।

باب رَفْعِ الْيَدَيْنِ فِي الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم حِينَ افْتَتَحَ الصَّلاَةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حِيَالَ أُذُنَيْهِ - قَالَ - ثُمَّ أَتَيْتُهُمْ فَرَأَيْتُهُمْ يَرْفَعُونَ أَيْدِيَهُمْ إِلَى صُدُورِهُمْ فِي افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ وَعَلَيْهِمْ بَرَانِسُ وَأَكْسِيَةٌ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I witnessed the Prophet (ﷺ) raise his hands in front of his ears when he began to pray. I then came back and saw them (the people) raising their hands up to their chest when they began to pray. They wore long caps and blankets.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১২৩. নামায শুরু করার বর্ণনা।

৭২৯. মুহাম্মাদ ইবনু সুলায়মান .... ওয়ায়েল ইবনু হুজ্‌র (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি শীতের সময় নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের খিদমতে উপস্থিত হই। এ সময় আমি দেখি যে, তাঁর সাহাবীগণ নামাযের মধ্যে তাদের কাপড়ের ভিতর থেকে নিজ নিজ হাত উত্তোলন করছিলেন।

باب افْتِتَاحِ الصَّلاَةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ سُلَيْمَانَ الأَنْبَارِيُّ، حَدَّثَنَا وَكِيعٌ، عَنْ شَرِيكٍ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فِي الشِّتَاءِ فَرَأَيْتُ أَصْحَابَهُ يَرْفَعُونَ أَيْدِيَهُمْ فِي ثِيَابِهِمْ فِي الصَّلاَةِ ‏.‏


Wa’il b. Hujr said: I came to the Prophet(ﷺ) during winter; I saw his companions raise their hands in their clothes in prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৪৭. সিজদার সময় হাত রাখার পূর্বে হাঁটু রাখার বর্ণনা।

৮৩৮. আল-হাসান ইবনু আলী ..... ওয়ায়েল ইবনু হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে নামায পড়াকালে সিজদায় যাওয়ার সময় (মাটিতে) হাতের পূর্বে হাঁটু রাখতে দেখেছি। তিনি সিজদা হতে দাঁড়াবার সময় হাঁটুর পূর্বে হাত উঠাতেন। (তিরমিযী, নাসাঈ, ইবনু মাজাহ)।

باب كَيْفَ يَضَعُ رُكْبَتَيْهِ قَبْلَ يَدَيْهِ

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ عَلِيٍّ، وَحُسَيْنُ بْنُ عِيسَى، قَالاَ حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ هَارُونَ، أَخْبَرَنَا شَرِيكٌ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ رَأَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِذَا سَجَدَ وَضَعَ رُكْبَتَيْهِ قَبْلَ يَدَيْهِ وَإِذَا نَهَضَ رَفَعَ يَدَيْهِ قَبْلَ رُكْبَتَيْهِ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I saw that the Prophet (ﷺ) placed his knees (on the ground) before placing his hands when he prostrated himself. And when he stood up, he raised his hands before his knees.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭৮. ইমামের পিছনে আমীন বলা সম্পর্কে।

৯৩২. মুহাম্মাদ ইবনে কাসীর (রহঃ) .... ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম “ওয়ালাদ্দল্লীন” পাঠ করার পর জোরে “আমীন” বলতেন। (তিরমিযী, ইবনে মাজাহ)।

باب التَّأْمِينِ وَرَاءَ الإِمَامِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ كَثِيرٍ، أَخْبَرَنَا سُفْيَانُ، عَنْ سَلَمَةَ، عَنْ حُجْرٍ أَبِي الْعَنْبَسِ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا قَرَأَ ‏(‏ وَلاَ الضَّالِّينَ ‏)‏ قَالَ ‏ "‏ آمِينَ ‏"‏ ‏.‏ وَرَفَعَ بِهَا صَوْتَهُ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: When the Messenger of Allah (ﷺ) recited the verse "Nor of those who go astray" (Surah al-Fatihah, verse 7), he would say Amin; and raised his voice (while uttering this word).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৭৮. ইমামের পিছনে আমীন বলা সম্পর্কে।

৯৩৩. মাখলাদ ইবনে খালিদ (রহঃ) ...... ওয়াইল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পিছনে নামায আদায় করা কালে তিনি উচ্চ স্বরে আমীন বলেন এবং (নামায শেষে) ডান ও বাম দিকে সালাম ফিরান এভাবে যে, আমি তাঁর গণ্ডদেশের সাদা অংশ পরিষ্কারভাবে দেখি।

باب التَّأْمِينِ وَرَاءَ الإِمَامِ

حَدَّثَنَا مَخْلَدُ بْنُ خَالِدٍ الشَّعِيرِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ نُمَيْرٍ، حَدَّثَنَا عَلِيُّ بْنُ صَالِحٍ، عَنْ سَلَمَةَ بْنِ كُهَيْلٍ، عَنْ حُجْرِ بْنِ عَنْبَسٍ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، أَنَّهُ صَلَّى خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَجَهَرَ بِآمِينَ وَسَلَّمَ عَنْ يَمِينِهِ وَعَنْ شِمَالِهِ حَتَّى رَأَيْتُ بَيَاضَ خَدِّهِ ‏.‏


Wail b, hujr said that he prayed behind the Messenger of Allah (ﷺ),and he said Amin loudly and saluted at his right and left sides until I saw the whiteness of his cheek.


হাদিসের মানঃ হাসান (Hasan)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৮৬. তাশাহুদ পাঠের সময় বাসার ধরন সম্পর্কে।

৯৫৭. মুসাদ্দাদ (রহঃ) .... ওয়ায়েল ইবনে হুজর (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নামায আদায়ের পদ্ধতির প্রতি নজর করি। আমি দেখি যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কিবলামুখী হয়ে দণ্ডায়মান হন। অতঃপর তিনি ’আল্লাহু আকবার’ বলে স্বীয় উভয় হস্ত কান পর্যন্ত উঠান এবং পরে ডান হাত দ্বারা বাম হাত চেপে ধরেন। পরে যখন তিনি রুকু করার ইরাদা করেন, তখন তিনি উভয় হস্ত অনুরূপভাবে উত্তোলন করেন। অতঃপর তিনি বাম পা বিছিয়ে দিয়ে, বাম হাত উক্ত পায়ের রানের উপর রাখেন এবং ডান হাতের কনুই ডান পা হতে বিচ্ছিন্নভাবে রাখেন এবং কনিষ্ঠ ও অমানিকা আংগুলীদ্বয়কে গুটিয়ে রাখেন এবং ডান বৃদ্ধাঙ্গুলিকে মধ্যমার সাথে মিশ্রিত করে বৃত্তাকার রাখেন। অতঃপর আমি তাঁকে এরূপ করতে দেখেছি। (রাবী বলেন) অতঃপর বিশর তাঁর বৃদ্ধাংগুলোকে মধ্যমার সাথে মিলিয়ে বৃত্তাকারে রাখেন এবং শাহাদাত আংগুলি দ্বারা ইশারা করেন। (নাসাঈ, ইবনে মাজাহ)।

باب كَيْفَ الْجُلُوسُ فِي التَّشَهُّدِ

حَدَّثَنَا مُسَدَّدٌ، حَدَّثَنَا بِشْرُ بْنُ الْمُفَضَّلِ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ قُلْتُ لأَنْظُرَنَّ إِلَى صَلاَةِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم كَيْفَ يُصَلِّي فَقَامَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَاسْتَقْبَلَ الْقِبْلَةَ فَكَبَّرَ فَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا بِأُذُنَيْهِ ثُمَّ أَخَذَ شِمَالَهُ بِيَمِينِهِ فَلَمَّا أَرَادَ أَنْ يَرْكَعَ رَفَعَهُمَا مِثْلَ ذَلِكَ - قَالَ - ثُمَّ جَلَسَ فَافْتَرَشَ رِجْلَهُ الْيُسْرَى وَوَضَعَ يَدَهُ الْيُسْرَى عَلَى فَخِذِهِ الْيُسْرَى وَحَدَّ مِرْفَقَهُ الأَيْمَنَ عَلَى فَخِذِهِ الْيُمْنَى وَقَبَضَ ثِنْتَيْنِ وَحَلَّقَ حَلَقَةً وَرَأَيْتُهُ يَقُولُ هَكَذَا وَحَلَّقَ بِشْرٌ الإِبْهَامَ وَالْوُسْطَى وَأَشَارَ بِالسَّبَّابَةِ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I said that I should look at the prayer of the Messenger of Allah (ﷺ) how he prays. The Messenger of Allah (ﷺ) stood up and faced the qiblah (i.e. the direction of Ka'bah) and uttered the takbir (Allah is most great); then he raised his hands till he brought them in front of his ears; then he caught hold of his left hand with his right hand (i.e. folded his hands). When he was about to bow, he raised them (his hands) in a like manner. Then he sat, stretched out his left foot (to sit on it), placed his left hand on his left thigh, and kept away the tip of his right elbow from his right thigh, joined two fingers, formed a ring, to do so. And the narrator Bishr made a ring with the thumb and the middle finger.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬৫. যে ব্যক্তি অন্যের মাল আত্নসাতের জন্য মিথ্যা কসম খাবে।

৩২৩০. হান্নাদ ইবন সারী (রহঃ) ...... ওয়াইল ইবন হুজর হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ হাযরামূত ও কিনদা গোত্রের দু’ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়। তখন হাযরামী বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ ব্যক্তি আমার পিতার জমি জোর করে দখল করেছে। এ সময় কিনদা গোত্রের লোকটি বলেঃ ঐ জমি তো আমার, আমি নিজেই সেখানে ফসল উৎপন্ন করি। সেখানে তার কোন অধিকার নেই। রাবী বলেন, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযরামীকে জিজ্ঞাসা করেনঃ এ ব্যাপারে তোমার পক্ষে কি কোন সাক্ষী আছে? তখন সে বলেঃ না। এ সময় তিনি বলেনঃ যদি তোমার পক্ষে কোন সাক্ষী না থাকে, তবে তোমার হক নির্ধারণের ব্যাপারে ঐ ব্যক্তির কসমই গ্রহণীয় হবে।

তখন হাযরামী বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে ব্যক্তি তো দুষ্কৃতকারী। সে কসম খাওয়ার ব্যাপারে ইতস্তত করবে না। কেননা, সে কোন ব্যাপারে বাছ-বিচার করে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার জন্য এছাড়া বিকল্প আর কোন পথ নেই। এরপর কিনদা গোত্রের লোকটি এব্যাপারে কসম খাওয়ার জন্য রওয়ানা হয়। যখন সে পিঠ ফিরিয়ে যায়, তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ জেনে রাখ, যদি সে অন্যের মাল অন্যায়ভাবে আত্মসাৎ করার জন্য মিথ্যা কসম খায়, তবে সে যখন আল্লাহ্‌র সঙ্গে মিলিত হবে, তখন আল্লাহ্‌ তার থেকে মুখ ফিরিয়ে নেবেন।

باب فِيمَنْ حَلَفَ يَمِينًا لِيَقْتَطِعَ بِهَا مَالاً

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ وَرَجُلٌ مِنْ كِنْدَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ الْحَضْرَمِيُّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا غَلَبَنِي عَلَى أَرْضٍ كَانَتْ لأَبِي ‏.‏ فَقَالَ الْكِنْدِيُّ هِيَ أَرْضِي فِي يَدِي أَزْرَعُهَا لَيْسَ لَهُ فِيهَا حَقٌّ ‏.‏ قَالَ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْحَضْرَمِيِّ ‏"‏ أَلَكَ بَيِّنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلَكَ يَمِينُهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ فَاجِرٌ لاَ يُبَالِي مَا حَلَفَ عَلَيْهِ لَيْسَ يَتَوَرَّعُ مِنْ شَىْءٍ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لَيْسَ لَكَ مِنْهُ إِلاَّ ذَاكَ ‏"‏ ‏.‏ فَانْطَلَقَ لِيَحْلِفَ لَهُ فَلَمَّا أَدْبَرَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ أَمَا لَئِنْ حَلَفَ عَلَى مَالٍ لِيَأْكُلَهُ ظَالِمًا لَيَلْقَيَنَّ اللَّهَ عَزَّ وَجَلَّ وَهُوَ عَنْهُ مُعْرِضٌ ‏"‏ ‏.‏


Narrated 'Alqamah b. Wa'il b. Hujr al-Hadrami: On the Authority of his father: A man from Hadramawt and a man of Kindah came to the Messenger of Allah (ﷺ). Al-Hadrami said: Messenger of Allah, this (man) took away forcibly from me the land which belongs to my father. Al-Kindi said: It is my land in my possession, and I cultivate it, he has no right to it. The Prophet (ﷺ) then said to al-Hadrami: Have you any proof ? He said: No. He then said: So for you is his oath. He said: Messenger of Allah, he is liar, he does not care for which he is taking the oath. He does not refrain himself from anything. The Prophet (ﷺ) said: You will have nothing from him except that. He went to take an oath for him. When he turned his back, the Messenger of Allah (ﷺ) said: If he takes an oath on the property to take it away by unfair means, he will meet Allah while He is unmindful of him.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪০৯. কোন ব্যাপারে জানা না থাকলে বিবাদীকে সে ব্যাপারে কসম দেওয়া সস্পর্কে।

৩৫৮৪. হান্নাদ ইবন সারী (রহঃ) ...... ওয়াইল ইবন হুজর হাযরামী (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা হাযারা-মাউত ও কিনদার দু’ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হয়। তখন হাযারমী বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! এ ব্যক্তি আমার পৈতৃক সম্পত্তি যবর দখল করেছে! একথা শুনে কিনদী বলেঃ এতো আমার যমীন, যা আমার দখলে আছে। আমি এতে ফসল ফলাই এবং এ যমীনে তার কোন হক নেই। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হাযারামীকে বলেনঃ এ ব্যাপারে তোমার কোন সাক্ষী আছে কি? সে বলে, না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার হকের ব্যাপারে তার শপথ গ্রহণযোগ্য হবে। তখন সে বলেঃ ইয়া রাসূলাল্লাহ! সে তো গুনাহগার, সে শপথ করতে একটুও ইতস্ত করবে না। কেননা সে কোন কিছুই পরহিয করে না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তোমার এ ছাড়া আর বিকল্প কোন ব্যবস্থা নেই।

باب الرَّجُلِ يَحْلِفُ عَلَى عِلْمِهِ فِيمَا غَابَ عَنْهُ

حَدَّثَنَا هَنَّادُ بْنُ السَّرِيِّ، حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ الْحَضْرَمِيِّ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ جَاءَ رَجُلٌ مِنْ حَضْرَمَوْتَ وَرَجُلٌ مِنْ كِنْدَةَ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ الْحَضْرَمِيُّ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّ هَذَا غَلَبَنِي عَلَى أَرْضٍ كَانَتْ لأَبِي فَقَالَ الْكِنْدِيُّ هِيَ أَرْضِي فِي يَدِي أَزْرَعُهَا لَيْسَ لَهُ فِيهَا حَقٌّ ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لِلْحَضْرَمِيِّ ‏"‏ أَلَكَ بَيِّنَةٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَلَكَ يَمِينُهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ فَاجِرٌ لَيْسَ يُبَالِي مَا حَلَفَ لَيْسَ يَتَوَرَّعُ مِنْ شَىْءٍ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ لَيْسَ لَكَ مِنْهُ إِلاَّ ذَلِكَ ‏"‏ ‏.‏


‘Alqamah b. Wa’il b. Hujr al-Hadrami said on the authority of the father: A man from Hadramaw and a man from kindah came to the Messenger of Allah (ﷺ). The hadrami said: Messenger of Allah, this (man) has seized land which belonged to my father. Al-Kindi said: That is my land in my possession and I cultivate it; he has no right to it. The Holy prophet (may be peace upon him) said to the Hadrami: Have you any proof? We said : No. he (the Prophet)said: Then he will swear an oath for you . He said: Messenger of Allah, he is a reprobate and he would not care to swear to anything and stick at nothing. He said: That is only your recourse


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১. গর্হিত প্রতিষেধক সম্পর্কে।

৩৮৩৪. মুসলিম ইবন ইবরাহীম (রহঃ) .... ওয়ইল ইবন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা তারিক ইবন সুত্তায়েদ অথবা সুওয়ায়েদ ইবন তারিক নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে শরাব পান করা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে তিনি তা পান করতে নিষেধ করেন। তখন তিনি বলেনঃ হে আল্লাহর নবী! এ তো ঔষধ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ না এ তো ঔষধ নয়, বরং এটি রোগ, অর্থাৎ রোগ সৃষ্টির কারণ।

باب فِي الأَدْوِيَةِ الْمَكْرُوهَةِ

حَدَّثَنَا مُسْلِمُ بْنُ إِبْرَاهِيمَ، حَدَّثَنَا شُعْبَةُ، عَنْ سِمَاكٍ، عَنْ عَلْقَمَةَ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، ذَكَرَ طَارِقَ بْنَ سُوَيْدٍ أَوْ سُوَيْدَ بْنَ طَارِقٍ سَأَلَ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم عَنِ الْخَمْرِ فَنَهَاهُ ثُمَّ سَأَلَهُ فَنَهَاهُ فَقَالَ لَهُ يَا نَبِيَّ اللَّهِ إِنَّهَا دَوَاءٌ ‏.‏ قَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ لاَ وَلَكِنَّهَا دَاءٌ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Tariq ibn Suwayd or Suwayd ibn Tariq: Wa'il said: Tariq ibn Suwayd or Suwayd ibn Tariq asked the Prophet (ﷺ) about wine, but he forbade it. He again asked him, but he forbade him. He said to him: Prophet of Allah, it is a medicine. The Prophet (ﷺ) said: No it is a disease.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১০. মাথার চুল লম্বা রাখা সম্পর্কে।

৪১৪২. মুহাম্মদ ইব্‌ন আলা (রহঃ) ..... ওয়ায়েল ইব্‌ন হুজ্‌র (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদা আমি নবী রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট উপস্থিত হই, আর এ সময় আমার মাথার চুল খুবই লম্বা ছিল। তিনি আমাকে দেখে বলেনঃ অশুভ! অমঙ্গলজনক! তিনি বলেনঃ তখন আমি ফিরে আসি এবং চুল কেটে ফেলি। পরদিন আমি যখন তাঁর কাছে আসি, তখন তিনি বলেনঃ আমি তোমার কোন ক্ষতি করিনি, ইহাই উত্তম।

باب فِي تَطْوِيلِ الْجُمَّةِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ الْعَلاَءِ، حَدَّثَنَا مُعَاوِيَةُ بْنُ هِشَامٍ، وَسُفْيَانُ بْنُ عُقْبَةَ السُّوَائِيُّ، - هُوَ أَخُو قَبِيصَةَ - وَحُمَيْدُ بْنُ خُوَارٍ عَنْ سُفْيَانَ الثَّوْرِيِّ، عَنْ عَاصِمِ بْنِ كُلَيْبٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ وَائِلِ بْنِ حُجْرٍ، قَالَ أَتَيْتُ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم وَلِي شَعْرٌ طَوِيلٌ فَلَمَّا رَآنِي رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏"‏ ذُبَابٌ ذُبَابٌ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَرَجَعْتُ فَجَزَزْتُهُ ثُمَّ أَتَيْتُهُ مِنَ الْغَدِ فَقَالَ ‏"‏ إِنِّي لَمْ أَعْنِكَ وَهَذَا أَحْسَنُ ‏"‏ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I came to the Prophet (ﷺ) and I had long hair. When the Messenger of Allah (ﷺ) saw me, he said: Evil, evil! He said: I then returned and cut them off. I then came to him in the morning. He said (to me): I did not intend to do evil to you. This is much better.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩. রক্তপণ মাফের ব্যাপারে ইমামের নির্দেশ সম্পর্কে।

৪৪৩৯. আবদুল্লাহ ইবন মায়সারা (রহঃ) ..... ওয়ায়েল ইবন হুজর (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ একদিন আমি নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কাছে উপস্থিত ছিলাম। তখন তাঁর কাছে একজন হত্যাকারীকে আনা হয়। যার গলায় চামড়ার বেল্ট বাঁধা ছিল। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিহত ব্যক্তির উত্তরাধিকারীকে ডেকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে ক্ষমা করে দেবে? সে বলেঃ না। তিনি বলেনঃ তুমি কি রক্তপণ গ্রহণ করবে? সে বলেঃ না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আবার তাকে জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে? সে বলেঃ হ্যাঁ। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তাকে নিয়ে যাও।

এরপর সে ব্যক্তি যখন তাকে নিতে চাইলো, তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে জিজ্ঞাসা করলেনঃ তুমি কি তাকে মাফ করে দেবে? সে বলেঃ না। তিনি আবার জিজ্ঞাসা করেনঃ তুমি কি রক্তপণ গ্রহণ করবে? সে বলেঃ না। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ তুমি কি তাকে হত্যা করবে? সে বলেঃহ্যাঁ। তখন তিনি তাকে নিয়ে যাবার নির্দেশ দেন। এসময় তিনি তাকে চতুর্থবারের মত বলেনঃ দেখ, যদি তুমি তাকে ক্ষমা করে দাও, তবে সে ব্যক্তি তোমার ও নিহত ব্যক্তির গুনাহের ভাগী হবে। এ কথা শুনে সে ব্যক্তি তাকে ক্ষমা করে দেয়। রাবী বলেনঃ তখন আমি সে হত্যাকারী ব্যক্তিকে বেল্ট টানতে টানতে যেতে দেখি।

باب الإِمَامِ يَأْمُرُ بِالْعَفْوِ فِي الدَّمِ

حَدَّثَنَا عُبَيْدُ اللَّهِ بْنُ عُمَرَ بْنِ مَيْسَرَةَ الْجُشَمِيُّ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ سَعِيدٍ، عَنْ عَوْفٍ، حَدَّثَنَا حَمْزَةُ أَبُو عُمَرَ الْعَائِذِيُّ، حَدَّثَنِي عَلْقَمَةُ بْنُ وَائِلٍ، حَدَّثَنِي وَائِلُ بْنُ حُجْرٍ، قَالَ كُنْتُ عِنْدَ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم إِذْ جِيءَ بِرَجُلٍ قَاتِلٍ فِي عُنُقِهِ النِّسْعَةُ قَالَ فَدَعَا وَلِيَّ الْمَقْتُولِ فَقَالَ ‏"‏ أَتَعْفُو ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَتَأْخُذُ الدِّيَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَتَقْتُلُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اذْهَبْ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا وَلَّى قَالَ ‏"‏ أَتَعْفُو ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَتَأْخُذُ الدِّيَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ لاَ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ أَفَتَقْتُلُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ نَعَمْ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ اذْهَبْ بِهِ ‏"‏ ‏.‏ فَلَمَّا كَانَ فِي الرَّابِعَةِ قَالَ ‏"‏ أَمَا إِنَّكَ إِنْ عَفَوْتَ عَنْهُ يَبُوءُ بِإِثْمِهِ وَإِثْمِ صَاحِبِهِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَعَفَا عَنْهُ ‏.‏ قَالَ فَأَنَا رَأَيْتُهُ يَجُرُّ النِّسْعَةَ ‏.‏


Narrated Wa'il ibn Hujr: I was with the Prophet (ﷺ) when a man who was a murderer and had a strap round his neck was brought to him. He then called the legal guardian of the victim and asked him: Do you forgive him? He said: No. He asked: Will you accept the blood-money? He said: No. He asked: Will you kill him? He said: Yes. He said: Take him. When he turned his back, he said: Do you forgive him? He said: No. He said: Will you accept the blood-money? He said: No. He said: Will you kill him? He said: Yes. He said: Take him. After repeating all this a fourth time, he said: If you forgive him, he will bear the burden of his own sin and the sin of the victim. He then forgave him. He (the narrator) said: I saw him pulling the strap.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪/ কান পর্যন্ত উভয় হাত উঠানো।

৮৮২। কুতায়বা (রহঃ) ... ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পেছনে সালাত আদায় করেছি। যখন তিনি সালাত আরম্ভ করতেন তখন তাকবীর বলতেন এবং তাঁর উভয় হাত দু’কান পর্যন্ত তুলতেন। এরপর সূরা ফাতিহা পাঠ করা আরম্ভ করতেন।আর তা শেষ করে "আমীন" বলতেন এবং তা বলার সময় তার স্বর উচু করতেন।

أَخْبَرَنَا قُتَيْبَةُ، قَالَ حَدَّثَنَا أَبُو الأَحْوَصِ، عَنْ أَبِي إِسْحَاقَ، عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ صَلَّيْتُ خَلْفَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَمَّا افْتَتَحَ الصَّلاَةَ كَبَّرَ وَرَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى حَاذَتَا أُذُنَيْهِ ثُمَّ يَقْرَأُ بِفَاتِحَةِ الْكِتَابِ فَلَمَّا فَرَغَ مِنْهَا قَالَ ‏ "‏ آمِينَ ‏"‏ ‏.‏ يَرْفَعُ بِهَا صَوْتَهُ ‏.‏


It was narrated from Abdul-Jabbar bin Wa'il that his father said: "I prayed behind the Messenger of Allah (ﷺ) and when he started to pray he said the Takbir and raised his hands until they were in level with his ears. Then he recited the Opening of the Book, and when he had finished he said 'Amin' and raised his voice with it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫/ হাত উঠানোর সময় বৃদ্ধাঙ্গুলির অবস্থান।

৮৮৫। মুহাম্মদ ইবনু রাফি (রহঃ) ... ওয়াইল (রাঃ) থেকে বর্ণিত যে, তিনি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে দেখেছেন, যখন তিনি সালাত আরম্ভ করতেন তখন তিনি তাঁর উভয় হাত উঠাতেন। তখন তাঁর বৃদ্ধাঙ্গুলীদ্বয় তাঁর দু’কানের নিম্নভাগ ছোয় ছোয় অবস্থা হত।

أَخْبَرَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رَافِعٍ، قَالَ حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بِشْرٍ، قَالَ حَدَّثَنَا فِطْرُ بْنُ خَلِيفَةَ، عَنْ عَبْدِ الْجَبَّارِ بْنِ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ رَأَى النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم إِذَا افْتَتَحَ الصَّلاَةَ رَفَعَ يَدَيْهِ حَتَّى تَكَادَ إِبْهَامَاهُ تُحَاذِي شَحْمَةَ أُذُنَيْهِ ‏.‏


It was narrated from Abdul-Jabbar bin Wa'il, from his father, that: He saw the Prophet (ﷺ), when he started to pray, raise his hands until his thumbs were almost level with his earlobes.


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৯/ নামাযে ডান হাত বাম হাতের উপর রাখা।

৮৯০। সুওয়ায়দ ইবনু নাসর (রহঃ) ... ওয়ায়িল (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাতে দাঁড়াতেন তখন আমি তাঁকে ডান হাত দিয়ে বাম হাত ধরে রাখতে দেখেছি।

أَخْبَرَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، قَالَ أَنْبَأَنَا عَبْدُ اللَّهِ، عَنْ مُوسَى بْنِ عُمَيْرٍ الْعَنْبَرِيِّ، وَقَيْسِ بْنِ سُلَيْمٍ الْعَنْبَرِيِّ، قَالاَ حَدَّثَنَا عَلْقَمَةُ بْنُ وَائِلٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ رَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم إِذَا كَانَ قَائِمًا فِي الصَّلاَةِ قَبَضَ بِيَمِينِهِ عَلَى شِمَالِهِ ‏.‏


It was narrated that Musa bin Umair Al-Anbari and Qais bin Sulaim Al-Anbari said: "Alqamah bin Wa'il told us that his father said: "I saw the Messenger of Allah (ﷺ), when he was standing in prayer, holding his left hand with his right.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ ওয়ায়িল ইবনু হুজর (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ৯৯ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 3 4 5 পরের পাতা »