মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত হাদিস পাওয়া গেছে ২৪ টি

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যে কাফির ব্যাক্তি 'لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ' বলল, তাকে হত্যা করা হারাম

১৭৬। কুতায়বা ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ... মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণনা করেন যে, তিনি বললেন, ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ ব্যাপারে আপনি কি মনে করেন, যদি আমি কোন কাফিরের সম্মুখীন হই এবং সে আমার সাথে যুদ্ধ চালিয়ে যায়, তার তলোয়ার দ্বারা আমার একটি হাত উড়িয়ে দেয়, এরপর কোন গাছের আড়ালে গিয়ে বলে আমি আল্লাহর উদ্দেশ্যে ইসলাম গ্রহণ করলাম তা হলে ইয়া রাসুলাল্লাহ! এ কথা বলার পরও আমি কি তাকে কতল করতে পারি? রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তাকে হত্যা করো না। আমি আরয করলাম, হে আল্লাহর রাসুল! সে আমার একটি হাত কেটে ফেলে এ কথা বলেছে, তবুও কি আমি তাকে হত্যা করব না? তিনি বললেনঃ না, হত্যা করতে পারবে না। যদি তুমি তাকে হত্যা কর (তবে) এ হত্যার পুর্বে তোমার যে অবস্থান ছিল সে ব্যাক্তি সে স্থানে পৌছবে এবং কালিমা পড়ার আগে সে ব্যাক্তি যে অবস্থানে ছিল তুমি সে স্থানে পৌছবে।

باب تَحْرِيمِ قَتْلِ الْكَافِرِ بَعْدَ أَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، - وَاللَّفْظُ مُتَقَارِبٌ - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَقَاتَلَنِي فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا ‏.‏ ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ ‏.‏ أَفَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ قَطَعَ يَدِي ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ أَنْ قَطَعَهَا أَفَأَقْتُلُهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ ‏"‏ ‏.‏


It is narrated on the authority of Miqdad b. Aswad that he said. Messenger of Allah, you just see (here is a point): If I encountered a person amongst the infidels (in the battlefield) and he attacked me and struck me and cut off one of my hands with the sword. Then he (in order to protect himself from me) took shelter of a tree and said: I become Muslim for Allah's sake. Messenger of Allah, can I kill him after he had uttered this? The Messenger of Allah (ﷺ) said: Do not kill him. I (the narrator) said: Messenger of Allah, he cut off my hand and uttered this after amputating it; should I then kill him? The Messenger of Allah (ﷺ) said: Don't kill him, for I you kill him, verily he would be in a position where you had been before killing him and verily you would be in a position where he had been before uttering (kalima).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫. কিয়ামতের দিবসের বিবরণ। (এদিনের ভয়ংকর বিষয়সমূহের ব্যাপারে আল্লাহ্‌ আমাদেরকে সাহায্য করুন)

৬৯৪২। হাকাম ইবনু মূসা আবূ সালিহ (রহঃ) ... মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ কথা বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন সূর্যকে মানুষের নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। ফলে তা মানুষের থেকে 'মীল; পরিমাণ দুরুত্বে চলে আসবে। বর্ণনাকারী সুলায়মান ইবনু আমির (রহঃ) বলেন, আমি জানিনা,مِيل বলে কি বুঝানো হয়েছে, ভূমির দুরত্ব, না চোখে সুরমা দেয়ার শলাকা। মানুষ তাদের আমল অনুপাতে ঘামের মধ্যে (ডুবন্ত) থাকবে। কেউ তার দুই গোড়ালি পর্যন্ত ঘামের মধ্যে থাকবে, কেউ তার দুই হাঁটু পর্যন্ত (ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে), কেউ কোমরের দুই পাশ পর্যন্ত(ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে), আর কারো মুখ পর্যন্ত লাগাম পরিয়ে দিবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় রাসুল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার মুখের প্রতি ইশারা করলেন।

باب فِي صِفَةِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ أَعَانَنَا اللَّهُ عَلَى أَهْوَالِهَا

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ، جَابِرٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنِي الْمِقْدَادُ بْنُ الأَسْوَدِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ تُدْنَى الشَّمْسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ الْخَلْقِ حَتَّى تَكُونَ مِنْهُمْ كَمِقْدَارِ مِيلٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ فَوَاللَّهِ مَا أَدْرِي مَا يَعْنِي بِالْمِيلِ أَمَسَافَةَ الأَرْضِ أَمِ الْمِيلَ الَّذِي تُكْتَحَلُ بِهِ الْعَيْنُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَيَكُونُ النَّاسُ عَلَى قَدْرِ أَعْمَالِهِمْ فِي الْعَرَقِ فَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى كَعْبَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى حَقْوَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُ الْعَرَقُ إِلْجَامًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَأَشَارَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ إِلَى فِيهِ ‏.‏


Miqdad b. Aswad reported: I heard Allah's Messenger (may peace he upon him) as saying: On the Day of Resurrection, the sun would draw so close to the people that there woum be left only a distance of one mile. Sulaim b. Amir said: By Allah, I do not know whether he meant by" mile" the mile of the (material) earth or dn instrument used for applying collyrium to the eye. (The Prophet is, however, reported to have said): The people would be submerged in perspiration according to their deeds, some up to their. knees, Some up to the waist and some would have the bridle of perspiration and, while saying this, Allah's Apostle (ﷺ) pointed his hand towards his mouth.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৫০: আল্লাহ ও তাঁর আযাবকে ভয় করা

৭/৪০৭। মিক্বদাদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছি, ‘‘কিয়ামতের দিন সূর্যকে সৃষ্টজীবের এত কাছে করে দেওয়া হবে যে, তার মধ্যে এবং সৃষ্টজীবের মধ্যে মাত্র এক মাইলের ব্যবধান থাকবে।’’ মিক্বদাদ থেকে বর্ণনাকারী সুলাইম ইবনু আমের বলেন, আল্লাহর কসম! আমি জানিনা যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘মীল’ শব্দের কী অর্থ নিয়েছেন, যমীনের দূরত্ব (মাইল), নাকি (সুরমাদানীর) শলাকা যার দ্বারা চোখে সুরমা লাগানো হয়? ‘‘সুতরাং মানুষ নিজ নিজ আমল অনুযায়ী ঘামে ডুবতে থাকবে। তাদের মধ্যে কারো তার পায়ের গাঁট পর্যন্ত, কারো হাঁটু পর্যন্ত (ঘাম হবে) এবং তাদের মধ্যে কিছু এমন লোকও হবে যাদেরকে ঘাম লাগাম লাগিয়ে দেবে।’’ (অর্থাৎ নাক পর্যন্ত ঘামে ডুববে।) এ কথা বলে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর মুখের দিকে ইশারা করলেন। (মুসলিম) [1]

بَابُ الْخَوْفِ - (50)

وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُ العَرَقُ إلْجَاماً». قَالَ: وَأَشَارَ رَوَعَنِ المِقدَادِ رضي الله عنه، قَالَ: سمِعْتُ رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم، يَقُولُ: «تُدْنَى الشَّمْسُ يَوْمَ القِيَامَةِ مِنَ الخَلْقِ حَتَّى تَكُونَ مِنْهُمْ كَمِقْدَارِ مِيلٍ ». قَالَ سُلَيْم بنُ عَامِرٍ الرَّاوِي عَنِ المِقدَادِ: فَوَاللهِ مَا أدْرِي مَا يَعنِي بِالمِيلِ، أَمَسَافَةَ الأرضِ أَمِ المِيلَ الَّذِي تُكْتَحَلُ بِهِ العَيْنُ ؟ قَالَ: «فَيكُونُ النَّاسُ عَلَى قَدْرِ أعْمَالِهِمْ في العَرَقِ، فَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى كَعْبَيْهِ، وَمِنهُم مَن يَكُونُ إِلَى رُكبَتَيهِ، وَمِنهُم مَنْ يَكُونُ إِلَى حِقْوَيْهِ، سُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم بيدهِ إِلَى فِيهِ . رواه مسلم

(50) Chapter: Fear (of Allah)


Al-Miqdad (May Allah be pleased with him) reported: Messenger of Allah (ﷺ) said, "On the Day of Resurrection, the sun will come so close to people that there would be left only a distance of one Meel". Sulaim bin 'Amir said: By Allah, I do not know whether he meant by "Meel", the mile of the distance measure or the stick used for applying antimony powder to the eye. (Messenger of Allah (ﷺ) is, however, reported to have said:) "The people then will be submerged in perspiration according to their deeds, some up to their ankles, some up to their knees, some up to the waist and some will have the bridle of perspiration (reaching their mouth and nose) and, while saying this Messenger of Allah (ﷺ) pointed to his mouth with his hand". [Muslim]. Commentary: It is not clear whether the Arabic word (Meel) in this Hadith is for the mileage or is the stick used for applying antimony. A mile consists of eight furlongs. Some of the commentators of Hadith hold that it comprises four thousand Dhira`. Hafiz Ibn Hajar is of the opinion that it is equal to twelve thousand human steps. (For detail please see the book `Mir'atul Mafatih' Chapter Salat-us-Safar). If it stands for the mileage even then it gives an idea of the heat of the sun. Although it is billions of miles away from the earth but one cannot bear its heat in summer. When the sun shall be at a distance of one mile, its heat shall be so intense that people would be immersed in sweat. May Allah save us from it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৩২: সালাম দেওয়ার পদ্ধতি

৪/৮৫৮। মিক্বদাদ রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু হতে বর্ণিত, তিনি স্বীয় দীর্ঘ হাদীসে বলেন, আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য তাঁর অংশের দুধ রেখে দিতাম। তিনি রাতের বেলায় আসতেন এবং এমনভাবে সালাম দিতেন যে, তাতে কোন ঘুমন্ত ব্যক্তিকে জাগিয়ে দিতেন না এবং জাগ্রত ব্যক্তিদেরকে শুনাতেন। সুতরাং নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (তাঁর অভ্যাসমত) এসে সালাম দিলেন, যেমন তিনি সালাম দিতেন। (মুসলিম) [1]

(132) بَابُ كَيْفِيَةِ السَّلَامِ

وَعَنْ المِقْدَادِ رضي الله عنه في حَدِيثهِ الطَّوِيلِ، قَالَ: كُنَّا نَرْفَعُ للنَّبيِّ صلى الله عليه وسلم نَصِيبَهُ مِنَ اللَّبَنِ، فَيَجِيءُ مِنَ اللَّيْلِ، فَيُسَلِّمُ تَسْلِيماً لاَ يُوقِظُ نَائِماً، وَيُسْمِعُ اليَقْظَانَ، فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمَ كَمَا كَانَ يُسَلِّمُ . رواه مسلم

(132) Chapter: Words to be Used for Offering Greetings


Al-Miqdad (May Allah be pleased with him) reported in course of a long Hadith: We used to reserve for the Prophet (ﷺ) his share of the milk, and he would come at night and offer greetings in such a manner as did not disturb those asleep and was heard only by those who were awake. In fact, the Prophet (ﷺ) came and offered greetings as usual. [Muslim]. Commentary: Herein, we are told how to offer Salam to people when some of them are asleep while others are awake. Our voice should be so low so as not to disturb those who are asleep and to give a chance to those who are awake to respond to it.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৩. মযী (বীর্যরস) সম্পর্কে।

২০৭. আবদুল্লাহ্ ইবনু মাসলামা .... মিকদাদ ইবনুল আস্ওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেছেন, আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) আমাকে নির্দেশ দেন যে, আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে জিজ্ঞাসা করি যে, কোন ব্যক্তি তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হলে (উত্তেজনাবসত) মযী নির্গত হয়। এমতাবস্থায় করণীয় কি? আলী (রাঃ) বলেন, যেহেতু তাঁর কন্যা আমার পত্নী, সে কারণে আমি নিজে তাকে এ সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জা বোধ করি। মিকদাদ (রাঃ) বলেন, অতঃপর আমি রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করি। তিনি বলেন, তোমাদের কারো যখন এরূপ অবস্থা হবে তখন তার উচিত স্বীয় লিঙ্গ ধৌত করা; অতঃপর নামাযের উযূর ন্যায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করা।

باب فِي الْمَذْىِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، - رضى الله عنه - أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ لَهُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْىُ مَاذَا عَلَيْهِ فَإِنَّ عِنْدِي ابْنَتَهُ وَأَنَا أَسْتَحْيِي أَنْ أَسْأَلَهُ ‏.‏ قَالَ الْمِقْدَادُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ ‏ "‏ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏

حكم : صحيح (الألباني


Narrated Al-Miqdad ibn al-Aswad: Ali ibn AbuTalib commanded him to ask the Messenger of Allah (ﷺ) what a man should do when he wants to have intercourse with his wife and the prostatic fluid comes out (at this moment). (He said): I am ashamed of consulting him because of the position of his daughter. Al-Miqdad said: I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about it. He said: When any of you finds, he should wash his private part, and perform ablution as he does for prayer. Grade : Sahih (Al-Albani)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩৭২. মুশরিকদের সঙ্গে কেন যুদ্ধ করতে হবে।

২৬৩৬. কুতায়বা ইবন সাঈদ ..... আল্ মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাঃ) বলেন, তার নিকট খবরটি এভাবে পৌঁছে যে, তিনি নবীজিকে জিজ্ঞাসা করেছিলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! আমাকে আপনার অভিমত ব্যক্ত করুন এ ব্যাপারে, যদি আমার সাথে কোন কাফিররের সাক্ষাত হতেই সে আমার সাথে যুদ্ধ আরম্ভ করে আর আমার একটি হাত তরবারি দিয়ে কেটে ফেলে তারপর আমাকে একটি গাছের সাথে ধরে বলে, আমি আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। ইয়া রাসূলাল্লাহ্! এরূপ বলার পর আমি কি তাকে হত্যা করতে পারি?

রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তর দিলেনঃ না, এমতাবস্থায় তুমি তাকে হত্যা করবে না। আমি বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ্! সে তো আমার হাত কেটে ফেলেছে। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তবুও তুমি তাকে হত্যা করবে না। তুমি যদি তাকে হত্যা কর, তবে হত্যার পূর্বে তুমি যে অবস্থায় ছিলে, সে তোমার ঐ অবস্থায় চলে যাবে। আর তুমি তার কালেমা পড়ার পূর্বেকার (কুফরী) অবস্থায় চলে যাবে।

باب عَلَى مَا يُقَاتَلُ الْمُشْرِكُونَ

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، عَنِ اللَّيْثِ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَقَاتَلَنِي فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ ‏.‏ أَفَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَطَعَ يَدِي ‏.‏ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَأَنْتَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ ‏"‏ ‏.‏


Al Miqdad bin Al Aswad reported that he said “Apostle of Allaah(ﷺ) tell me if I meet a man who is a disbeliever and he fights with me and cuts off one hand of mine with the sword and then takes refuge by a tree and says “I embraced Islam for Allah’s sake. Should I kill him, Apostle of Allaah(ﷺ) after he uttered it (the credo of Islam)? The Apostle of Allaah(ﷺ) said “Do not kill him”. I said “Apostle of Allaah(ﷺ), he cut off my hand. The Apostle of Allaah(ﷺ) said, Do not kill him. I f you kill him, he will become like you before you kill him and you will become like him before he uttered his credo which he has uttered now.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. ফিতনা-ফাসাদ সৃষ্টি না করা সম্পর্কে।

৪২১৪. ইব্‌রাহীম ইব্‌ন হাসান (রহঃ) ..... মিকদাদ ইব্‌ন আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আল্লাহ্‌র শপথ! অবশ্যি আমি রাসূলুল্লাহ্‌ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম–কে বলতে শুনেছি যে, ঐ ব্যক্তি নেক্‌কার, যে ফিতনা থেকে দূরে থাকে; ঐ ব্যক্তি নেক্‌কার, যে ফিতনা থেকে দূরে থাকে, ঐ ব্যক্তি সৌভাগ্যবান যে ফিতনা থেকে দূরে থাকে। আর যে ব্যক্তি ফিতনাগ্রস্ত হওয়ার পর সবর করবে, সে খুবই ভাগ্যবান।

باب فِي النَّهْىِ عَنِ السَّعْىِ، فِي الْفِتْنَةِ

حَدَّثَنَا إِبْرَاهِيمُ بْنُ الْحَسَنِ الْمِصِّيصِيُّ، حَدَّثَنَا حَجَّاجٌ، - يَعْنِي ابْنَ مُحَمَّدٍ - حَدَّثَنَا اللَّيْثُ بْنُ سَعْدٍ، قَالَ حَدَّثَنِي مُعَاوِيَةُ بْنُ صَالِحٍ، أَنَّ عَبْدَ الرَّحْمَنِ بْنَ جُبَيْرٍ، حَدَّثَهُ عَنْ أَبِيهِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، قَالَ ايْمُ اللَّهِ لَقَدْ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏ "‏ إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ وَلَمَنِ ابْتُلِيَ فَصَبَرَ فَوَاهًا ‏"‏ ‏.‏


Narrated Al-Miqdad ibn al-Aswad: I swear by Allah, I heard the Messenger of Allah (ﷺ) say: The happy man is he who avoids dissensions: happy is the man who avoids dissensions; happy is the man who avoids dissensions: but how fine is the man who is afflicted and shows endurance.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১১২/ মাযী কখন ওযু নষ্ট করে এবং কখন করে না

১৫৬। উতবা ইবনু আবদুল্লাহ মারওয়াযী (রহঃ) ... মিকদাদ ইবনু আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। আলী (রাঃ) রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করার জন্য তাকে অনুরোধ করলেন যে, কোন ব্যাক্তি তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হলে যদি তদ্দরুন তার মযী নির্গত হয়, তাহলে তার কি করতে হবে? কারণ তার কন্যা আমার সহধর্মিণী থাকায় আমি তাঁকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করি। তারপর আমি এ ব্যাপারে রাসুলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে জিজ্ঞাসা করলাম। তিনি বললেনঃ যদি তোমাদের কারও এরূপ হয় তাহলে সে যেন স্বীয় লজ্জাস্থান ধৌত করে এবং সালাত (নামায/নামাজ)-এর উযূর ন্যায় উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।

أَخْبَرَنَا عُتْبَةُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ الْمَرْوَزِيُّ، عَنْ مَالِكٍ، - وَهُوَ ابْنُ أَنَسٍ - عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيًّا، أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ، رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْىُ مَاذَا عَلَيْهِ فَإِنَّ عِنْدِي ابْنَتَهُ وَأَنَا أَسْتَحِي أَنْ أَسَأَلَهُ فَسَأَلْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ ‏ "‏ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ وَيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلاَةِ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Al-Miqdad bin Al-Aswad that 'Ali told him to ask the Messenger of Allah (ﷺ) about a man who comes close to his wife and prostatic fluid comes out of him - what should he do? ('Ali said:) For his daughter is married to me and I feel too shy to ask him. So I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about that and he said: "If any one of you experiences that, let him sprinkle water on his private part and perform Wudu' as for Salah."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১/৭০. মযী নির্গত হলে উযূ করা।

২/৫০৫। মিক্বদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -কে এমন ব্যাক্তি সম্পর্কে জিজ্ঞেস করেন, যে তার স্ত্রীর নিকটবর্তী হয়েছে কিন্তু বীর্যপাত হয়নি। তিনি বললেনঃ তোমাদের মধ্যে কারো এরূপ হলে সে যেন তার লজ্জাস্থান ধৌত করে এবং উযূ (ওজু/অজু/অযু) করে।

بَاب الْوُضُوءِ مِنْ الْمَذْيِ

حَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ بَشَّارٍ، حَدَّثَنَا عُثْمَانُ بْنُ عُمَرَ، حَدَّثَنَا مَالِكُ بْنُ أَنَسٍ، عَنْ سَالِمٍ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّهُ سَأَلَ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ عَنِ الرَّجُلِ يَدْنُو مِنِ امْرَأَتِهِ فَلاَ يُنْزِلُ قَالَ ‏ "‏ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَنْضِحْ فَرْجَهُ - يَعْنِي لِيَغْسِلْهُ - وَيَتَوَضَّأْ ‏"‏ ‏.‏


It was narrated from Miqdad bin Aswad that: He asked the Prophet about a man who approached his wife, but did not ejaculate. He said: "If anyone of you finds that, he should sprinkle water over his private part (meaning he must wash it) and perform ablution."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ সালাম পদ্ধতি।

২৭১৯. সুওয়ায়দ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবন আসওয়াদ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত। তিনি বলেনঃ আমি এবং আমার দুই সঙ্গী এমন অবস্থায় আসলাম যে, ক্ষুধার কষ্টে আমাদের কান ও চোখ প্রায় অকেজো হয়ে গিয়েছিল। আমরা আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের সামনে পেশ করতে লাগলাম। কিন্তু একজনও আমাদের গ্রহণ করলেন না। শেষে আমারা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছে এলাম। তিনি আমাদের নিয়ে তাঁর ঘরে আসলেন। সেখানে ছিল তিনটি বকরী। তিনি বললেনঃ এগুলোর দুধ দোহন কর। আমরা দুধ দোহন করতাম এবং প্রত্যেকেই নিজ নিজ হিস্যা পান করে রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর হিস্যা তুলে রেখে দিতাম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম (অনেক সময়) রাতে আসতেন এবং এমনভাবে সালাম করতেন যে, নিদ্রিতরা যেন জেগে না উঠে, আর জাগ্রতরা শুনতে পায়। এরপর তিনি মসজিদে আসতেন এবং (নফল) সালাত (নামায) আদায় করতেন। তারপর তাঁর জন্য রাখা দুধ নিয়ে তা পান করতেন। সহীহ, আদাবুয যিফা-ফ নতুন সংস্করণ ১৬৭-১৯৬, মুসলিম, তিরমিজী হাদিস নম্বরঃ ২৭১৯ [আল মাদানী প্রকাশনী]

(আবু ঈসা বলেন)হাদীসটি হাসান-সহীহ।

باب كَيْفَ السَّلاَمُ

حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، قَالَ أَقْبَلْتُ أَنَا وَصَاحِبَانِ، لِي قَدْ ذَهَبَتْ أَسْمَاعُنَا وَأَبْصَارُنَا مِنَ الْجَهْدِ فَجَعَلْنَا نَعْرِضُ أَنْفُسَنَا عَلَى أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَيْسَ أَحَدٌ يَقْبَلُنَا فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى بِنَا أَهْلَهُ فَإِذَا ثَلاَثَةُ أَعْنُزٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ احْتَلِبُوا هَذَا اللَّبَنَ بَيْنَنَا ‏"‏ ‏.‏ فَكُنَّا نَحْتَلِبُهُ فَيَشْرَبُ كُلُّ إِنْسَانٍ نَصِيبَهُ وَنَرْفَعُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَصِيبَهُ فَيَجِيءُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ فَيُسَلِّمُ عَلَيْنَا تَسْلِيمًا لاَ يُوقِظُ النَّائِمَ وَيُسْمِعُ الْيَقْظَانَ ثُمَّ يَأْتِي الْمَسْجِدَ فَيُصَلِّي ثُمَّ يَأْتِي شَرَابَهُ فَيَشْرَبُهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏


Narrated Al-Miqdad bin Al-Aswad: "Two of my companions and I went and presented ourselves to the Companions of the Prophet (ﷺ), for our hearing and sight had gone from suffering (hunger and thirst). But there was no one who would accept us. So we went to the Prophet (ﷺ) and he brought us to his family where there were three goats. The Prophet (ﷺ) said: 'Milk these.' We milked them, and each person drank his share, and we put aside a share for the Messenger of Allah (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) came during the night and gave the Salam such that it would not wake the sleeping person, and the one who was awake could hear it. Then he went to the Masjid to per form Salat. Then he went for his drink and drank it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১/৩৯. ‘লা- ইলা-হা ইল্লাল্লাহ’ বলেছে এমন কাফিরকে হত্যা করা হারাম।

৬১. মিক্বদাদ বিন আসওয়াদ (রাযি.) (তিনি হলেন মিক্বদাদ ইবনু ‘আমর আলকিন্দী) রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞেস করলেন, হে আল্লাহর রসূল! আমাকে বলুন, কোন কাফিরের সঙ্গে আমার যদি (যুদ্ধক্ষেত্রে) সাক্ষাৎ হয় এবং আমি যদি তার সঙ্গে লড়াই করি আর সে যদি তলোয়ারের আঘাতে আমার একখানা হাত কেটে ফেলে এবং অতঃপর আমার থেকে বাঁচার জন্য গাছের আড়ালে গিয়ে বলে ‘‘আমি আল্লাহর উদ্দেশে ইসলাম গ্রহণ করলাম’’ এ কথা বলার পরেও কি আমি তাকে হত্যা করব? তখন রাসূলূল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেন, তাকে হত্যা করবে না। এরপর তিনি বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো আমার একখানা হাত কাটার পর এ কথা বলছে। আল্লাহর রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুনরায় বললেন, না, তুমি তাকে হত্যা করবে না। কেননা, তুমি তাকে হত্যা করলে হত্যা করার পূর্বে তোমার যে মর্যাদা ছিল সে সেই মর্যাদা লাভ করবে, আর ইসলাম গ্রহণের ঘোষণা দেয়ার আগে তার যে মর্যাদা ছিল তুমি সেই স্তরে পৌঁছে যাবে।

بَاب تَحْرِيمِ قَتْلِ الْكَافِرِ بَعْدَ أَنْ قَالَ لَا إِلَهَ إِلَا اللهُ (139)

حَدِيْثُ الْمِقْدَادِ بْنِ الْأَسْوَدِ (هو المقداد بن عمرو الكندي) أَنَّهُ قَالَ لِرَسُولِ اللهِ صلى الله عليه وسلم أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلًا مِنَ الْكُفَّارِ فَاقْتَتَلْنَا فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَيَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا ثُمَّ لَاذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ أَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لاَ تَقْتُلْهُ فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ إِنَّهُ قَطَعَ إِحْدَى يَدَيَّ ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ مَا قَطَعَهَا فَقَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم صلى الله عليه وسلم لاَ تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২. হিসাব-নিকাশ ও প্রতিশোধ প্রসঙ্গে

২৪২১। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবী মিকদাদ (রাঃ) বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে বলতে শুনেছিঃ কিয়ামত দিবসে সূর্যকে মানুষের এত নিকটে আনা হবে যে, তা মাত্র এক অথবা দুই মাইল ব্যবধানে থাকবে। সুলাইম ইবনু আমির (রাহঃ) বলেন, আমি জানি না উক্ত মাইল দ্বারা যামীনের দূরত্ব জ্ঞাপক মাইল বুঝানো হয়েছে, না চোখে সুরমা লাগানোর শলাকা বুঝানো হয়েছে। তিনি বলেন, সূর্য তাদের গলিয়ে দেবে। তারা তখন নিজেদের আমল (গুনাহ) অনুপাতে ঘামের মধ্যে হাবুডুবু খাবে। আর তা কারো পায়ের গোড়ালী পর্যন্ত, কারো হাটু পর্যন্ত, কারো কোমর পর্যন্ত এবং কারো মুখ পর্যন্ত ঘাম পৌছে লাগামের মতো বেষ্টন করবে। এই কথা বলার পর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তার হাত দ্বারা মুখের দিকে ইশারা করেন, অর্থাৎ লাগামের মতো বেষ্টন করাকে বুঝালেন।

সহীহ, সহীহাহ (১৩৮২), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ। আবূ সাঈদ ও ইবনু উমার (রাঃ) হতেও এ অনুচ্ছেদে হাদীস বর্ণিত আছে।

حَدَّثَنَا سُوَيْدُ بْنُ نَصْرٍ، أَخْبَرَنَا ابْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ يَزِيدَ بْنِ جَابِرٍ، حَدَّثَنِي سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنَا الْمِقْدَادُ، صَاحِبُ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ إِذَا كَانَ يَوْمُ الْقِيَامَةِ أُدْنِيَتِ الشَّمْسُ مِنَ الْعِبَادِ حَتَّى تَكُونَ قِيدَ مِيلٍ أَوِ اثْنَيْنِ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمٌ لاَ أَدْرِي أَىَّ الْمِيلَيْنِ عَنَى أَمَسَافَةَ الأَرْضِ أَمِ الْمِيلَ الَّذِي تُكْتَحَلُ بِهِ الْعَيْنُ قَالَ ‏"‏ فَتَصْهَرُهُمُ الشَّمْسُ فَيَكُونُونَ فِي الْعَرَقِ بِقَدْرِ أَعْمَالِهِمْ فَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى عَقِبَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَأْخُذُهُ إِلَى حَقْوَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُ إِلْجَامًا ‏"‏ ‏.‏ فَرَأَيْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يُشِيرُ بِيَدِهِ إِلَى فِيهِ أَىْ يُلْجِمُهُ إِلْجَامًا ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏ وَفِي الْبَابِ عَنْ أَبِي سَعِيدٍ وَابْنِ عُمَرَ ‏.‏


Sulaim bin 'Amir narrated from Al-Miqdad, a Companion of the Messenger of Allah (s.a.w) who said: "I heard the Messenger of Allah (s.a.w) saying: 'On the Day of Judgement, the sun will be drawn near the servants, until it has come a mile or two (away).'" Sulaim bin 'Amir said: " I do not know if it is miles that refer to distance on the lnd, or Al-Mil which is used to apply Kuhl for the eyes." He (the Prophet (s.a.w)): "The sun will melt them, until they will be in sweat according to their deeds. Among them one will be covered up to his ankles, and among them will be one who is covered upto his knees, and among them will be one who is covered up to his waist, and among them will be one who is bridled with it.' I saw the Messenger ODF Allah (s.a.w) indicating with his hand toward his mouth, meaning that one would be bridled with it.'"


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ২৬. সালাম বিনিময়ের নিয়ম

২৭১৯। মিক্‌দাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, আমি এবং আমার দু’জন সাখী এমন অবস্থায় (মদীনায়) পৌছালাম যে, আমাদের চোখ-কান ক্ষুধার যন্ত্রণায় অচল হয়ে যাবার উপক্রম হল। তারপর আমরা আমাদেরকে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর সাহাবীদের নিকট উপস্থাপন করতে লাগলাম; কিন্তু কেউই আমাদেরকে গ্রহণ করলেন না। অবশেষে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর নিকট হাযির হলাম। তিনি আমাদেরকে নিয়ে তাঁর পরিবারের নিকট গেলেন। সেখানে তিনটি বকরী ছিল।

নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা এগুলোর দুধ দোহন কর। তারপর আমরা এগুলো দোহন করে প্রত্যেকেই যার যার অংশের দুধ পান করতাম এবং রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর অংশ উঠিয়ে রেখে দিতাম। রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম রাতের বেলায় আসতেন এবং এমনভাবে সালাম দিতেন যে, ঘুমন্ত লোকেরা জাগ্রত হত না অথচ জাগ্রত লোকেরা তা শুনতে পেত। তারপর তিনি মসজিদে গিয়ে নামায আদায় করতেন, তারপর তার জন্য রাখা দুধ পান করতেন।

সহীহঃ আদাবুয যিফা-ফ নতুন সংস্করণ (১৬৭-১৯৬), মুসলিম।

আবূ ঈসা বলেন, এ হাদীসটি হাসান সহীহ।

باب كَيْفَ السَّلاَمُ

حَدَّثَنَا سُوَيْدٌ، أَخْبَرَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ الْمُبَارَكِ، أَخْبَرَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، حَدَّثَنَا ثَابِتٌ الْبُنَانِيُّ، حَدَّثَنَا ابْنُ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، قَالَ أَقْبَلْتُ أَنَا وَصَاحِبَانِ، لِي قَدْ ذَهَبَتْ أَسْمَاعُنَا وَأَبْصَارُنَا مِنَ الْجَهْدِ فَجَعَلْنَا نَعْرِضُ أَنْفُسَنَا عَلَى أَصْحَابِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم فَلَيْسَ أَحَدٌ يَقْبَلُنَا فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَأَتَى بِنَا أَهْلَهُ فَإِذَا ثَلاَثَةُ أَعْنُزٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏ "‏ احْتَلِبُوا هَذَا اللَّبَنَ بَيْنَنَا ‏"‏ ‏.‏ فَكُنَّا نَحْتَلِبُهُ فَيَشْرَبُ كُلُّ إِنْسَانٍ نَصِيبَهُ وَنَرْفَعُ لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم نَصِيبَهُ فَيَجِيءُ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم مِنَ اللَّيْلِ فَيُسَلِّمُ عَلَيْنَا تَسْلِيمًا لاَ يُوقِظُ النَّائِمَ وَيُسْمِعُ الْيَقْظَانَ ثُمَّ يَأْتِي الْمَسْجِدَ فَيُصَلِّي ثُمَّ يَأْتِي شَرَابَهُ فَيَشْرَبُهُ ‏.‏ قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏


Narrated Al-Miqdad bin Al-Aswad: "Two of my companions and I went and presented ourselves to the Companions of the Prophet (ﷺ), for our hearing and sight had gone from suffering (hunger and thirst). But there was no one who would accept us. So we went to the Prophet (ﷺ) and he brought us to his family where there were three goats. The Prophet (ﷺ) said: 'Milk these.' We milked them, and each person drank his share, and we put aside a share for the Messenger of Allah (ﷺ). The Messenger of Allah (ﷺ) came during the night and gave the Salam such that it would not wake the sleeping person, and the one who was awake could hear it. Then he went to the Masjid to per form Salat. Then he went for his drink and drank it."


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৪১. যে কাফির ব্যক্তি বলল, তাকে হত্যা করা হারাম।

১৭৫-(১৫৫/৯৫) কুতাইবাহ ইবনু সাঈদ ও মুহাম্মাদ ইবনু রুমহ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি জিজ্ঞেস করলাম, হে আল্লাহর রাসূল! আপনার কি মত? যদি আমি কোন কাফিরের সাথে যুদ্ধে লিপ্ত হই, আর সে আমার উপর আক্রমণ করে তরবারি দ্বারা আমার এক হাত কেটে ফেলে, অতঃপর সে এক বৃক্ষের আড়ালে গিয়ে আমার আক্রমণ থেকে আত্মরক্ষা করে এবং এ কথা বলে যে, আমি আল্লাহর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। হে আল্লাহর রাসূল, সে এ কথা বলে যে, আমি আল্লাহর জন্য ইসলাম গ্রহণ করেছি। হে আল্লাহর রাসূল! তার এ কথা বলার পর আমি কি তাকে হত্যা করবো? রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ না তাকে হত্যা করো না। আমি বললাম, হে আল্লাহর রাসূল! সে তো আমার একটি হাত কেটে ফেলেছে আর এটা কাটার পরই ঐ কথা বলছে? এমতাবস্থায় আমি কি তাকে হত্যা করবো? এবারও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বললেনঃ তাকে হত্যা করো না। কেননা যদি তুমি তাকে হত্যা করো তাহলে তাকে হত্যা করার পূর্বে তুমি যে অবস্থায় ছিলে, সে তোমার সে অবস্থায় এসে যাবে। আর ঐ কালিমা বলার পূর্বে সে যে অবস্থায় ছিল, তুমি সে অবস্থায় এসে যাবে*। (ইসলামিক ফাউন্ডেশনঃ ১৭৬, ইসলামিক সেন্টারঃ ১৮২)

باب تَحْرِيمِ قَتْلِ الْكَافِرِ بَعْدَ أَنْ قَالَ لاَ إِلَهَ إِلاَّ اللَّهُ ‏‏

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ بْنُ سَعِيدٍ، حَدَّثَنَا لَيْثٌ، ح وَحَدَّثَنَا مُحَمَّدُ بْنُ رُمْحٍ، - وَاللَّفْظُ مُتَقَارِبٌ - أَخْبَرَنَا اللَّيْثُ، عَنِ ابْنِ شِهَابٍ، عَنْ عَطَاءِ بْنِ يَزِيدَ اللَّيْثِيِّ، عَنْ عُبَيْدِ اللَّهِ بْنِ عَدِيِّ بْنِ الْخِيَارِ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، قَالَ يَا رَسُولَ اللَّهِ أَرَأَيْتَ إِنْ لَقِيتُ رَجُلاً مِنَ الْكُفَّارِ فَقَاتَلَنِي فَضَرَبَ إِحْدَى يَدَىَّ بِالسَّيْفِ فَقَطَعَهَا ‏.‏ ثُمَّ لاَذَ مِنِّي بِشَجَرَةٍ فَقَالَ أَسْلَمْتُ لِلَّهِ ‏.‏ أَفَأَقْتُلُهُ يَا رَسُولَ اللَّهِ بَعْدَ أَنْ قَالَهَا قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ إِنَّهُ قَدْ قَطَعَ يَدِي ثُمَّ قَالَ ذَلِكَ بَعْدَ أَنْ قَطَعَهَا أَفَأَقْتُلُهُ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ لاَ تَقْتُلْهُ فَإِنْ قَتَلْتَهُ فَإِنَّهُ بِمَنْزِلَتِكَ قَبْلَ أَنْ تَقْتُلَهُ وَإِنَّكَ بِمَنْزِلَتِهِ قَبْلَ أَنْ يَقُولَ كَلِمَتَهُ الَّتِي قَالَ ‏"‏ ‏.‏

Chapter: The prohibition of killing a disbeliever after he says La ilaha illallah


It is narrated on the authority of Miqdad b. Aswad that he said. Messenger of Allah, you just see (here is a point): If I encountered a person amongst the infidels (in the battlefield) and he attacked me and struck me and cut off one of my hands with the sword. Then he (in order to protect himself from me) took shelter of a tree and said: I become Muslim for Allah's sake. Messenger of Allah, can I kill him after he had uttered this? The Messenger of Allah (ﷺ) said: Do not kill him. I (the narrator) said: Messenger of Allah, he cut off my hand and uttered this after amputating it; should I then kill him? The Messenger of Allah (ﷺ) said: Don't kill him, for I you kill him, verily he would be in a position where you had been before killing him and verily you would be in a position where he had been before uttering (kalima).


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৩২. মেহমানের প্রতি সম্মান প্রদর্শন ও তার জন্য ত্যাগ স্বীকার করার ফযীলত

৫২৫৭-(১৭৪/২০৫৫) আবূ বাকর ইবনু আবূ শাইবাহ্ (রহঃ) ..... মিকদাদ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, প্রচুর খাদ্য সংকটে আমার ও আমার দু'সাথীর দৃষ্টিশক্তি ও শ্রুতিশক্তি কমে যায়। অতঃপর আমরা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর সাহাবীদের নিকটে নিজেদের উত্থাপন করতে লাগলাম। কিন্তু তাদের কেউ আমাদের কথা শুনলেন না। সবশেষে আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমন করলে তিনি আমাদের সাথে নিয়ে তার পরিবারের নিকটে গেলেন। সেখানে তিনটি বকরী ছিল। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ তোমরা দুধ দোহন করবে। এ দুধ আমরা বণ্টন করে পান করবো। তিনি বলেন, এরপর থেকে আমরা দুধ দোহন করতাম। আমাদের সবাই যার যার অংশ পান করতো। আর আমরা নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য তার অংশ উঠিয়ে রাখতাম। মিকদাদ (রাযিঃ) বলেন, তিনি রাত্রে এসে এমনভাবে সালাম দিতেন যাতে নিদ্রারত লোক উঠে না যায় এবং জাগ্রত লোক শুনতে পায়।

বর্ণনাকারী বলেন, অতঃপর তিনি মসজিদে এসে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করতেন। প্রত্যাবর্তন করে দুধ পান করতেন। একদা রাতে আমার নিকটে শাইতান আগমন করলো। আমি তো আমার অংশ পান করে ফেলেছিলাম। সে বলল, মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আনসারীদের নিকটে গেলে তারা তাকে উপঢৌকন দিবে এবং তাদের নিকটে তার এ অল্প দুধের প্রয়োজনীয়তাও ফুরিয়ে যাবে। অতঃপর আমি এসে সেটুকুও পান করে ফেললাম। দুধ যখন উত্তমভাবে আমার পেটে ঢুকে গেলে আমি বুঝলাম, এ দুধ বের করার আর কোন উপায় নেই তখন শইতান আমার থেকে দূরে সরে গিয়ে বলল, তোমার ধ্বংস হোক, তুমি একি করলে তুমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর দুধ পান করে ফেলেছ? তিনি জাগ্রত হয়ে যখন তা পাবেন না, তখন তোমার উপর বদ-দু'আ করবেন এতে তুমি সর্বনাশ হয়ে যাবে এবং তোমার ইহকাল ও পরকাল নিঃশেষ হয়ে যাবে।

আমার শরীরে একটা চাদর ছিল। আমি যদি তা আমার পাদ্বয়ের উপর রাখি তাহলে আমার মাথা বের হয়ে পড়ে, আর যদি আমি তা আমার মাথার উপর রাখি তাহলে আমার পদদ্বয় বেরিয়ে পড়ে। কিছুতেই আমার ঘুম আসছিল না। আমার সাথীদ্বয় তো নিদ্রাচ্ছন্ন ছিল। তারা তো আমার মতো কাজ করেনি। তিনি বলেন, অতঃপর নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম আগমন করে যেভাবে সালাম করতেন সেভাবেই সালাম করলেন। অতঃপর তিনি মসজিদে এসে সালাত (সালাত/নামাজ/নামায) আদায় করলেন। অতঃপর দুধের নিকটে এসে ঢাকনা খুলে সেখানে কিছুই পেলেন না। এরপর তিনি নিজ মাথা আকাশের দিকে তুললেন। আমি তখন (মনে মনে) বললাম, এখনই হয়তো আমার উপর তিনি বদদুআ করবেন, আর আমি নিঃশেষ হয়ে যাবো। তিনি বললেন, হে আল্লাহ! যে লোক আমার খাবারের ব্যবস্থা করে তুমি তার খাদ্যের ব্যবস্থা কর। আর যে আমাকে পান করায় তাকে তুমি পান করাও।

মিকদাদ (রাযিঃ) বলেন, তখন আমি চাদরটি নিয়ে গায়ে বাঁধলাম এবং একটি ছুরি নিলাম, অতঃপর (এ ভেবে) বকরীগুলোর কাছে গেলাম যে, এদের মধ্যে যেটি সবচেয়ে বেশি মোটাতাজা আমি সেটি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর জন্য যাবাহ করবো। সেখানে গিয়ে দেখলাম, সেটি দুধে পরিপূর্ণ এবং অন্যান্য সব বকরীও দুধে স্বয়ংসম্পূর্ণ। অতঃপর আমি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর পরিবারের একটি বাসন নিয়ে এলাম যার মধ্যে তারা দুধ দোহাতেন না। তিনি [মিকদাদ (রাযিঃ)] বলেন, আমি তার মধ্যেই দুধ দোহন করলাম, এমনকি বাসনের উপরের অংশ ফেনা ভেসে উঠলো। অতঃপর আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর নিকট আগমন করলাম। তিনি বললেন, তোমরা কি রাত্রের দুধ পান করেছো? তিনি বলেন, আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি পান করুন। তিনি পান করে আমাকে দিলেন।

আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আপনি পান করুন। তিনি পান করে আমাকে দিলেন। আমি যখন বুঝতে পারলাম যে, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পরিতৃপ্ত হয়ে গেছেন এবং আমি তার নেক দু’আ পেয়ে গেছি, তখন আমি খুশীতে হাসতে হাসতে মাটিতে নুয়ে পড়লে নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ হে মিকদাদ এটা তোমার এক মন্দকাজ? তখন আমি বললাম, হে আল্লাহর রসূল! আমার এ ঘটনা ঘটে গেছে। কিংবা তিনি বলেছেন, আমার দ্বারা এরূপ কাজ হয়ে গেছে। তখন নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বললেনঃ এটা একমাত্র আল্লাহর মেহেরবানী! তুমি কেন আমাকে জানালে না? আমরা আমাদের সঙ্গীদ্বয়কে জাগাতাম, তাহলে তারাও এর অংশ পেত। তিনি বলেন, আমি তখন বললাম, যে মহান স্রষ্টা আপনাকে সত্য দীনসহ প্রেরণ করেছেন তার কসম! আপনি যখন পেয়েছেন এবং আমি যখন আপনার সঙ্গে ভাগ পেয়েছি, তখন ভিন্ন কোন ব্যক্তি পাওয়া না পাওয়ার আমি তোয়াক্কা করি না। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৫১৮৯, ইসলামিক সেন্টার ৫২০১)

باب إِكْرَامِ الضَّيْفِ وَفَضْلِ إِيثَارِهِ ‏‏

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا شَبَابَةُ بْنُ سَوَّارٍ، حَدَّثَنَا سُلَيْمَانُ بْنُ الْمُغِيرَةِ، عَنْ ثَابِتٍ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ أَبِي لَيْلَى، عَنِ الْمِقْدَادِ، قَالَ أَقْبَلْتُ أَنَا وَصَاحِبَانِ، لِي وَقَدْ ذَهَبَتْ أَسْمَاعُنَا وَأَبْصَارُنَا مِنَ الْجَهْدِ فَجَعَلْنَا نَعْرِضُ أَنْفُسَنَا عَلَى أَصْحَابِ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَلَيْسَ أَحَدٌ مِنْهُمْ يَقْبَلُنَا فَأَتَيْنَا النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم فَانْطَلَقَ بِنَا إِلَى أَهْلِهِ فَإِذَا ثَلاَثَةُ أَعْنُزٍ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ احْتَلِبُوا هَذَا اللَّبَنَ بَيْنَنَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَكُنَّا نَحْتَلِبُ فَيَشْرَبُ كُلُّ إِنْسَانٍ مِنَّا نَصِيبَهُ وَنَرْفَعُ لِلنَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم نَصِيبَهُ - قَالَ - فَيَجِيءُ مِنَ اللَّيْلِ فَيُسَلِّمُ تَسْلِيمًا لاَ يُوقِظُ نَائِمًا وَيُسْمِعُ الْيَقْظَانَ - قَالَ - ثُمَّ يَأْتِي الْمَسْجِدَ فَيُصَلِّي ثُمَّ يَأْتِي شَرَابَهُ فَيَشْرَبُ فَأَتَانِي الشَّيْطَانُ ذَاتَ لَيْلَةٍ وَقَدْ شَرِبْتُ نَصِيبِي فَقَالَ مُحَمَّدٌ يَأْتِي الأَنْصَارَ فَيُتْحِفُونَهُ وَيُصِيبُ عِنْدَهُمْ مَا بِهِ حَاجَةٌ إِلَى هَذِهِ الْجُرْعَةِ فَأَتَيْتُهَا فَشَرِبْتُهَا فَلَمَّا أَنْ وَغَلَتْ فِي بَطْنِي وَعَلِمْتُ أَنَّهُ لَيْسَ إِلَيْهَا سَبِيلٌ - قَالَ - نَدَّمَنِي الشَّيْطَانُ فَقَالَ وَيْحَكَ مَا صَنَعْتَ أَشَرِبْتَ شَرَابَ مُحَمَّدٍ فَيَجِيءُ فَلاَ يَجِدُهُ فَيَدْعُو عَلَيْكَ فَتَهْلِكُ فَتَذْهَبُ دُنْيَاكَ وَآخِرَتُكَ ‏.‏ وَعَلَىَّ شَمْلَةٌ إِذَا وَضَعْتُهَا عَلَى قَدَمَىَّ خَرَجَ رَأْسِي وَإِذَا وَضَعْتُهَا عَلَى رَأْسِي خَرَجَ قَدَمَاىَ وَجَعَلَ لاَ يَجِيئُنِي النَّوْمُ وَأَمَّا صَاحِبَاىَ فَنَامَا وَلَمْ يَصْنَعَا مَا صَنَعْتُ - قَالَ - فَجَاءَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم فَسَلَّمَ كَمَا كَانَ يُسَلِّمُ ثُمَّ أَتَى الْمَسْجِدَ فَصَلَّى ثُمَّ أَتَى شَرَابَهُ فَكَشَفَ عَنْهُ فَلَمْ يَجِدْ فِيهِ شَيْئًا فَرَفَعَ رَأْسَهُ إِلَى السَّمَاءِ فَقُلْتُ الآنَ يَدْعُو عَلَىَّ فَأَهْلِكُ ‏.‏ فَقَالَ ‏"‏ اللَّهُمَّ أَطْعِمْ مَنْ أَطْعَمَنِي وَأَسْقِ مَنْ أَسْقَانِي ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَعَمَدْتُ إِلَى الشَّمْلَةِ فَشَدَدْتُهَا عَلَىَّ وَأَخَذْتُ الشَّفْرَةَ فَانْطَلَقْتُ إِلَى الأَعْنُزِ أَيُّهَا أَسْمَنُ فَأَذْبَحُهَا لِرَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَإِذَا هِيَ حَافِلَةٌ وَإِذَا هُنَّ حُفَّلٌ كُلُّهُنَّ فَعَمَدْتُ إِلَى إِنَاءٍ لآلِ مُحَمَّدٍ صلى الله عليه وسلم مَا كَانُوا يَطْمَعُونَ أَنْ يَحْتَلِبُوا فِيهِ - قَالَ - فَحَلَبْتُ فِيهِ حَتَّى عَلَتْهُ رَغْوَةٌ فَجِئْتُ إِلَى رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم فَقَالَ ‏"‏ أَشَرِبْتُمْ شَرَابَكُمُ اللَّيْلَةَ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ قُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ اشْرَبْ ‏.‏ فَشَرِبَ ثُمَّ نَاوَلَنِي فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ اشْرَبْ ‏.‏ فَشَرِبَ ثُمَّ نَاوَلَنِي فَلَمَّا عَرَفْتُ أَنَّ النَّبِيَّ صلى الله عليه وسلم قَدْ رَوِيَ وَأَصَبْتُ دَعْوَتَهُ ضَحِكْتُ حَتَّى أُلْقِيتُ إِلَى الأَرْضِ - قَالَ - فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ إِحْدَى سَوْآتِكَ يَا مِقْدَادُ ‏"‏ ‏.‏ فَقُلْتُ يَا رَسُولَ اللَّهِ كَانَ مِنْ أَمْرِي كَذَا وَكَذَا وَفَعَلْتُ كَذَا ‏.‏ فَقَالَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم ‏"‏ مَا هَذِهِ إِلاَّ رَحْمَةٌ مِنَ اللَّهِ أَفَلاَ كُنْتَ آذَنْتَنِي فَنُوقِظَ صَاحِبَيْنَا فَيُصِيبَانِ مِنْهَا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ فَقُلْتُ وَالَّذِي بَعَثَكَ بِالْحَقِّ مَا أُبَالِي إِذَا أَصَبْتَهَا وَأَصَبْتُهَا مَعَكَ مَنْ أَصَابَهَا مِنَ النَّاسِ ‏.‏


Miqdad reported: I and two of my companions were so much afflicted by hunger that we had lost our power of seeing and hearing. We presented ourselves (as guests) to the Companions of the Prophet (ﷺ), but none amongst them would entertain us. So we came to Allah's Apostle (ﷺ), and he took us to his residence and there were three goats. Allah's Apostle (ﷺ) said: Milk these for us. So we milked them and every person amongst us drank his share and we set aside the share of Allah's Apostle (ﷺ). (It was his habit) to come during the night and greet (the people present there) in a manner that would not wake up one in sleep but make one who was awake hear it. He would then go to the mosque and say prayer, then go to the milk and drink it. Miqdad added: One night the Satan came to me when I had taken my share, and he said: Muhammad has gone to the Ansar, who would offer him hospitality and he would get what is with them, and he has no need for this draught (of milk). So I took (that milk) and drank it, and when it had penetrated deeply in my stomach and I was certain that there was no way out (but to digest it), the Satan aroused (my sense of) remorse and said: Woe be to thee! what have you done? You have taken the drink reserved for Muhammad! When he would come and he would not find it, he would curse you, and you would be ruined, and thus there would go (waste) this world and the Hereafter (for) you. There was a sheet over me; as I placed (pulled) it upon my feet, my head was uncovered and as I placed it upon my head, my feet were uncovered, and I could not sleep, but my two companions had gone to sleep for they had not done what I had done. There came Allah's Apostle (ﷺ), and he greeted as he used to greet (by saying as-Salamu 'Alaikum). He then came to the mosque and observed prayer and then came to his drink (milk) and uncovered it, but did not find anything in it. He raised his head towards the sky, and I said (to myself) that he (the Holy Prophet) was going to invoke curse upon me and I would be thus ruined; but he (the Holy Prophet) said: Allah, feed him who fed me and give drink to him who provided me drink. I held tight the sheet upon myself (and when he had supplicated), I took hold of the knife and went to the goats (possessed by the Holy Prophet) so that I may slauhter one for Allah's Messenger (ﷺ) which was the fattest amongst them, and in fact all of them were milch goats; then I took hold of the vessel which belonged to the family of Allah's Messenger (ﷺ) in which they used to milk and drink therefrom, and milked them in that until it swelled up with foam. I came to Allah's Messenger (ﷺ) and he said: Have you taken your share of the milk during the night? I said: Drink it. and he drank it; he then handed over (the vessel) to me and I said: Allah's Messenger, drink it, and he drank it and handed over (the vessel) to me again, I then perceived that Allah's Apostle (ﷺ) had been satiated and I had got his blessings. I burst into laughter (so much) so that I fell upon the ground, whereupon Allah's Messenger (ﷺ) said: Miqdad, it must be one of your mischiefs. I said: Allah's Messenger, this affair of mind is like this and this. and I have done so. Thereupon. Allah's Apostle (ﷺ) said: This is nothing but a mercy from Allah. Why is it that you did not give me an opportunity so that we should have awakened our two friends and they would have got their share (of the milk)? I said: By Him Who has sent you with Truth. I do not mind whatever you give (to them), and whatever the (other) people happen to get, when I had got it along with you from among the people.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ১৫. কিয়ামত দিবসের বর্ণনা, এ দিবসের ভীতিকর অবস্থাতে আল্লাহ আমাদেরকে সহযোগিতা করুন

৭০৯৮-(৬২/২৮৬৪) হাকাম ইবনু মূসা আবূ সালিহ (রহঃ) ..... মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম কে বলতে শুনেছি যে, কিয়ামতের দিন সূর্যকে মানুষের সন্নিকটবর্তী করে দেয়া হবে। অবশেষে তা মানুষের এক মাইলের দূরত্বের মাঝে চলে আসবে। বর্ণনাকারী সুলায়ম ইবনু আমির (রহঃ) বলেন, আল্লাহর শপথ আমি জানি না, مِيلٍ শব্দ দ্বারা কি বুঝানো হয়েছে, জমিনের দূরত্ব, না ঐ শলাকা যা চোখে সুরমা দেয়া কাজে ব্যবহৃত হয়। মানুষ তাদের আমল অনুসারে ঘর্মের মাঝে ডুবে থাকবে। তাদের কারো ঘাম পায়ের গোড়ালি পর্যন্ত হবে, কেউ হাঁটু পর্যন্ত ঘামের মধ্যে থাকবে, কেউ কোমর পর্যন্ত আর কারো মুখ পর্যন্ত ঘামে ডুবে থাকবে। বর্ণনাকারী বলেন, এ সময় রসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিজ মুখের প্রতি ইঙ্গিত করলেন। (ইসলামিক ফাউন্ডেশন ৬৯৪২, ইসলামিক সেন্টার ৭০০০)

باب فِي صِفَةِ يَوْمِ الْقِيَامَةِ أَعَانَنَا اللَّهُ عَلَى أَهْوَالِهَا

حَدَّثَنَا الْحَكَمُ بْنُ مُوسَى أَبُو صَالِحٍ، حَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ حَمْزَةَ، عَنْ عَبْدِ الرَّحْمَنِ بْنِ، جَابِرٍ حَدَّثَنِي سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ، حَدَّثَنِي الْمِقْدَادُ بْنُ الأَسْوَدِ، قَالَ سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ ‏"‏ تُدْنَى الشَّمْسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ الْخَلْقِ حَتَّى تَكُونَ مِنْهُمْ كَمِقْدَارِ مِيلٍ ‏"‏ ‏.‏ قَالَ سُلَيْمُ بْنُ عَامِرٍ فَوَاللَّهِ مَا أَدْرِي مَا يَعْنِي بِالْمِيلِ أَمَسَافَةَ الأَرْضِ أَمِ الْمِيلَ الَّذِي تُكْتَحَلُ بِهِ الْعَيْنُ ‏.‏ قَالَ ‏"‏ فَيَكُونُ النَّاسُ عَلَى قَدْرِ أَعْمَالِهِمْ فِي الْعَرَقِ فَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى كَعْبَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى حَقْوَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُ الْعَرَقُ إِلْجَامًا ‏"‏ ‏.‏ قَالَ وَأَشَارَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم بِيَدِهِ إِلَى فِيهِ ‏.‏


Miqdad b. Aswad reported: I heard Allah's Messenger (may peace he upon him) as saying: On the Day of Resurrection, the sun would draw so close to the people that there woum be left only a distance of one mile. Sulaim b. Amir said: By Allah, I do not know whether he meant by" mile" the mile of the (material) earth or dn instrument used for applying collyrium to the eye. (The Prophet is, however, reported to have said): The people would be submerged in perspiration according to their deeds, some up to their. knees, Some up to the waist and some would have the bridle of perspiration and, while saying this, Allah's Apostle (ﷺ) pointed his hand towards his mouth.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ তৃতীয় অনুচ্ছেদ

৪২-[৪১] মিক্বদাদ [ইবনু আস্ওয়াদ] (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন, এ জমিনের উপর এমন কোন মাটির অথবা পশমের ঘর (তাঁবু) বাকী থাকবে না, যে ঘরে আল্লাহ রব্বুল ‘আলামীন ইসলামের বাণী পৌঁছিয়ে দিবেন না। সম্মানীর ঘরে সম্মানের সাথে আর লাঞ্ছিতের ঘরে লাঞ্ছনার সাথে তা পৌঁছাবেন। আল্লাহ তা‘আলা যাদেরকে সম্মানিত করবেন তাদেরকে স্বেচ্ছায় ইসলাম কবূলের উপযুক্ত করে মর্যাদাবান ও গৌরবময় করে দিবেন। পক্ষান্তরে যারা ইসলাম গ্রহণ করবে না, তাদের আল্লাহ তা‘আলা লাঞ্ছিত করবেন এবং তারা এ কালিমার প্রতি অনুগত হবার জন্য বাধ্য হবে। আমি (মিক্বদাদ) বললাম, তখন তো সমগ্র বিশ্বে আল্লাহরই দীন (প্রতিষ্ঠিত) হয়ে যাবে। (অর্থাৎ- সকল দীনের উপরই ইসলাম বিজয়ী হবে)। (আহমাদ)[1]

الفصل الثالث

عَن الْمِقْدَاد بن الْأسود قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ: يَقُولُ لَا يَبْقَى عَلَى ظَهْرِ الْأَرْضِ بَيْتُ مَدَرٍ وَلَا وَبَرٍ إِلَّا أَدْخَلَهُ اللَّهُ كلمة الاسلام بعز عَزِيز أَو ذل ذليل إِمَّا يعزهم الله عز وَجل فَيَجْعَلُهُمْ مِنْ أَهْلِهَا أَوْ يُذِلُّهُمْ فَيَدِينُونَ لَهَا
رَوَاهُ أَحْمد

Chapter - Section 3


Miqdad reported that he heard God’s messenger say, “There will not remain on the face of the earth a mud-brick house or a camel’s hair tent which God will not cause the confession of Islam to enter bringing both mighty honour and abject abasement. God will either honour the occupants and put them among its adherents, or will humiliate them and they will be subject to it.” Miqdad said, “God will then receive complete obedience.” Ahmad transmitted it.

ব্যাখ্যা: আল্লাহ তা‘আলা প্রতিটি ঘরে ইসলামের কালিমাহ্ প্রবেশ করাবেন। হয়ত ঘরের মালিক ইসলামের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ না নিয়ে এ কালিমাহ্ গ্রহণ করে সম্মানিত হবেন অথবা প্রতিরোধ যুদ্ধে অংশ নিয়ে বন্দি হয়ে দাসত্ব বরণ করে লাঞ্ছিত হবে। অতঃপর ইচ্ছায় বা অনিচ্ছায় এর আনুগত্য করবে। অথবা জিয্ইয়াহ্ প্রদানের মাধ্যমে তার বশ্যতা স্বীকার করবে। মিক্বদাদ বলেনঃ আমি বললাম তাহলে দীন একমাত্র আল্লাহর হয়ে যাবে। অর্থাৎ- বিষয় যদি এ রকমই হয় তাহলে তো আল্লাহর দীনেরই বিজয় ঘটবে। বলা হয়ে থাকে যে, এটা তখন ঘটবে যখন ‘ঈসা (আঃ)  আকাশ থেকে অবতরণ করবেন। অতঃপর তিনি দাজ্জালকে হত্যা করবেন। পৃথিবীতে তখন কাফিরদের কোন আস্তানা থাকবে না। বরং সবাই ইসলামের পতাকা তলে সমবেত হবে। হয়তবা তারা স্বেচ্ছায় আগ্রহভরে গ্রহণ করবে। নতুবা অনিচ্ছা সত্ত্বেও বাধ্য হয়ে করবে। তখন শুধুমাত্র আল্লাহর বিধান জারী থাকবে। এর সমর্থনে মুসনাদ আহমাদে আবূ হুরায়রাহ্ (রাঃ) থেকে হাদীস বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ তার (‘ঈসা (আঃ) এর) যুগে সকল ধর্ম বিলীন হয়ে যাবে। একমাত্র ইসলাম ধর্ম টিকে থাকবে।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ দ্বিতীয় অনুচ্ছেদ

৫৪০৫-[২৭] মিকদাদ ইবনুল আসওয়াদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি সৌভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি যাকে ফিতনাহ্ হতে পৃথক রাখা হয়েছে, সৌভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি যাকে ফিতনাহ্ হতে পৃথক রাখা হয়েছে, সৌভাগ্যবান ঐ ব্যক্তি যাকে ফিতনাহ্ হতে পৃথক রাখা হয়েছে এবং সেই ব্যক্তিও সৌভাগ্যবান যে তাতে উপনীত হয়ে ধৈর্যধারণ করেছে। তার জন্য মুবারকবাদ। (আবূ দাউদ)

اَلْفصْلُ الثَّنِفْ

وَعَن الْمِقْدَاد بن الْأسود قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ إِنَّ السَّعِيدَ لَمَنْ جُنِّبَ الْفِتَنَ وَلَمَنِ ابْتُلِيَ فَصَبَرَ فَوَاهًا» . رَوَاهُ أَبُو دَاوُد

اسنادہ صحیح ، رواہ ابوداؤد (4263) ۔
(صَحِيح)

ব্যাখ্যা : সে সময় কেউ হক কথা শ্রবণ করবে না, হকের স্বপক্ষে কেউ কথা বলবে না এবং হক থেকে বাতিলকে আলাদা করে কেউ প্রকাশও করবে না। আল ক্বারী (রহিমাহুল্লাহ) বলেন : এর অর্থ হলো, তারা সত্য-মিথ্যার মাঝে পার্থক্য করবে না। তারা কোন নসীহত শ্রবণ করবে না। সৎকাজের আদেশ ও অসৎকাজে বাধা প্রদান করবে না। বরং যারা হক প্রতিষ্ঠার লক্ষে হকের পক্ষে কথা বলবে তাদেরকে নানাবিধ কষ্ট দেয়াসহ বিভিন্ন ফিতনা-ফাসাদে নিপতিত করা হবে।
(আওনুল মা'বুদ ৭ম খণ্ড, ৩৩১ পৃ., হা, ৪২৫৮)


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ প্রথম অনুচ্ছেদ - হাশর

৫৫৪০-[৯] মিকদাদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ (সা.) -কে বলতে শুনেছি, কিয়ামতের দিন সূর্যকে সৃষ্টিকুলের অতি কাছাকাছি করে দেয়া হবে। এমনকি তা প্রায় এক মাইলের ব্যবধানে হয়ে যাবে। অতএব তখন তার তাপে মানব সম্প্রদায় আপন আপন ‘আমল অনুযায়ী ঘামের মধ্যে ডুবে থাকবে। কারো ঘাম টাখনু পর্যন্ত হবে। কারো হাঁটু অবধি। কারো কোমর অবধি আর কারো জন্য এ ঘাম লাগাম পর্যন্ত হয়ে যাবে (অর্থাৎ তার মুখের ভিতরে লাগামের ন্যায় ঢুকে যাবে) এ কথাটি বলে রাসূলুল্লাহ (সা.) নিজের মুখের দিকে হাত দ্বারা ইঙ্গিত করলেন। (মুসলিম)

الفصل الاول (بَاب الْحَشْر)

وَعَنِ الْمِقْدَادِ قَالَ: سَمِعْتُ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَقُولُ: «تُدْنَى الشَّمْسُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مِنَ الْخَلْقِ حَتَّى تَكُونَ مِنْهُمْ كَمِقْدَارِ مِيلٍ فَيَكُونُ النَّاسُ عَلَى قَدْرِ أَعْمَالِهِمْ فِي الْعَرَقِ فَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى كَعْبَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى رُكْبَتَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يَكُونُ إِلَى حَقْوَيْهِ وَمِنْهُمْ مَنْ يُلْجِمُهُمُ الْعَرَقُ إِلْجَامًا» وَأَشَارَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ بِيَدِهِ إِلَى فِيهِ. رَوَاهُ مُسلم

رواہ مسلم (62 / 2864)، (7206) ۔
(صَحِيح)

ব্যাখ্যা: (كَمِقْدَارِ مِيلٍ) এটা মূলত (حَتَّى يَكُونَ مِقْدَارُقُوْبِ الشَّمْسِ مِنْهُمْ مِثْلَ مِقْدَارِمِيلٍ) সূর্য তাদের কাছে দূরত্ব হবে এক মাইলের সমপরিমাণ।
কেউ কেউ এ হাদীসে এ সন্দেহের সৃষ্টি করেছে যে, সূর্য পৃথিবী থেকে কয়েক লক্ষ মাইল দূরে থাকার পরেও এত তাপ অনুভূত হয় তাহলে এক মাইল উপরে হলে তার কিরণ বা তার অগ্নিশিখা দ্বারা সব কিছু মুহূর্তের মধ্যে পুড়ে মাটিতে রূপান্তরিত হয়ে যাবে। এসব বিষয় আখিরাতের বর্ণনা। তথাকার দেহে সে মতোই হবে। ফলে সে দেহ এত তাপ সহ্য করার ক্ষমতা রাখবে। যেমন বুধ গ্রহ সূর্যের এ পরিমাণ কাছে যে, জমিনবাসী এক মুহূর্ত টিকতে পারবে না। এ সত্ত্বেও বুধ গ্রহের মাখলুকরা আরামে রয়েছে। যাদের ঘাম পায়ের টাখনু পর্যন্ত পৌছবে তাদের ভালো আমল খুব বেশি। এদের উপরে অন্যদেরকে অনুমান করে নিতে হবে যে, যার যত নেক আমল কম হবে, তার ততটুকু পরিমাণ ঘামে ডুবে যাবে।
ইবনু মালিক (রহিমাহুল্লাহ) বলেন, তুমি যদি বল, যখন ঘাম হবে সমুদ্রের মতে, এতে কারো মুখ পর্যন্ত পৌঁছবে, তাহলে কিভাবে অন্যের টাখনু পর্যন্ত হবে? এর জবাবে আমরা বলব যে, আল্লাহ তা'আলা কারো পায়ের নীচে জমিনকে উঁচু করবেন। অথবা বলা যায়, মানুষের ‘আমাল অনুযায়ী তার ঘামকে আটকিয়ে রাখবেন। ফলে এর বিপরীত কারো নিকটে পৌছবে না। যেমন আল্লাহ তা'আলা মূসা আলায়হিস সালাম-এর জন্য নদীর স্রোতকে আটকিয়ে ছিলেন। মিরক্বাতুল মাফাতীহ প্রণেতা বলেন, শেষের মতটি গ্রহণযোগ্য। কারণ আখিরাতের সব বিষয় স্বাভাবিক ব্যাপারগুলোর ব্যতিক্রম। সবকিছুই বিবেকের কাছে স্পষ্টভাবে প্রকশিত হয় না।
তুমি কি দেখ না এক কবরে দু’জন ব্যক্তির একজনকে শাস্তি দেয়া হয় এবং অন্যজন সুখে আরামে থাকে। একজন তো অন্যজনের ব্যাপারে কিছুই বুঝে না। এর উদাহরণ দুনিয়াতেও দু’জন ঘুমন্ত ব্যক্তির স্বপ্ন দু' রকম। একজন চিন্তিত ও পেরেশান হয়। আর অন্যজন আনন্দে থাকে। উপরন্তু একই জায়গায় দু’জন উপবিষ্ট থাকে। তন্মধ্যে একজন উপরে থাকে। আবার অন্যজন সর্বনিম্নে অবস্থান করে। অথবা একজন সুস্থ থাকে অন্যজন ব্যথায় অথবা দুঃখ কষ্টে থাকে। (মিকাতুল মাফাতীহ)।


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ

পরিচ্ছেদঃ ৮৩. বীর্যরস (মযী) সম্পর্কে

২০৭। আল-মিক্বদাদ ইবনুল আস্ওয়াদ (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদা ‘আলী ইবনু আবূ তালিব (রাঃ) তাকে নির্দেশ দিলেন, তিনি যেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে জিজ্ঞাসা করেন, কোন ব্যক্তি স্বীয় স্ত্রীর নিকটবর্তী হলেই বীর্যরস নির্গত হলে তার করণীয় কি? নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-এর কন্যা আমার কাছে রয়েছে, সেজন্য আমি তাঁকে (সরাসরি) এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করতে লজ্জাবোধ করছি। মিক্বদাদ (রাঃ) বলেন, আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে এ বিষয়ে জিজ্ঞাসা করলে তিনি বললেনঃ তোমাদের কারো এরূপ অবস্থা হলে সে যেন তার লজ্জাস্থান ধুয়ে নেয় এবং সালাতের অযুর ন্যায় অযু করে।[1]

সহীহ।

باب فِي الْمَذْىِ

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللهِ بْنُ مَسْلَمَةَ، عَنْ مَالِكٍ، عَنْ أَبِي النَّضْرِ، عَنْ سُلَيْمَانَ بْنِ يَسَارٍ، عَنِ الْمِقْدَادِ بْنِ الأَسْوَدِ، أَنَّ عَلِيَّ بْنَ أَبِي طَالِبٍ، أَمَرَهُ أَنْ يَسْأَلَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنِ الرَّجُلِ إِذَا دَنَا مِنْ أَهْلِهِ فَخَرَجَ مِنْهُ الْمَذْىُ مَاذَا عَلَيْهِ فَإِنَّ عِنْدِي ابْنَتَهُ وَأَنَا أَسْتَحْيِي أَنْ أَسْأَلَهُ ‏.‏ قَالَ الْمِقْدَادُ فَسَأَلْتُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم عَنْ ذَلِكَ فَقَالَ ‏"‏ إِذَا وَجَدَ أَحَدُكُمْ ذَلِكَ فَلْيَنْضَحْ فَرْجَهُ وَلْيَتَوَضَّأْ وُضُوءَهُ لِلصَّلَاةِ ‏"‏ ‏.‏

- صحيح


Narrated Al-Miqdad ibn al-Aswad: Ali ibn AbuTalib commanded him to ask the Messenger of Allah (ﷺ) what a man should do when he wants to have intercourse with his wife and the prostatic fluid comes out (at this moment). (He said): I am ashamed of consulting him because of the position of his daughter. Al-Miqdad said: I asked the Messenger of Allah (ﷺ) about it. He said: When any of you finds, he should wash his private part, and perform ablution as he does for prayer.


হাদিসের মানঃ সহিহ (Sahih)
বর্ণনাকারীঃ মিকদাদ ইবন আসওয়াদ (রাঃ)
পুনঃনিরীক্ষণঃ
দেখানো হচ্ছেঃ থেকে ২০ পর্যন্ত, সর্বমোট ২৪ টি রেকর্ডের মধ্য থেকে পাতা নাম্বারঃ 1 2 পরের পাতা »