লগইন করুন
পরিচ্ছেদঃ মৃত ব্যক্তি চাই সে মুসলিম হোক অথবা কাফির, তাকে কবরে পরীক্ষা করা হবে
৩১০৪. আসমা বিনতু আবী বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহুমা থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, “সূর্য গ্রহণের সময় আমি আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহার কাছে আসি। অতঃপর আমি দেখতে পাই যে, লোকজন সালাত আদায় করছে। এসময় আয়িশা রাদ্বিয়াল্লাহু আনহাও সালাত আদায় করছিলেন। তখন আমি বললাম, “লোকদের কী হয়েছে?” তখন তিনি হাত দিয়ে আকাশের দিকে ইশারা করলেন এবং ‘সুবহানাল্লাহ’ বললেন। তখন আমি বললাম, “কোন নিদর্শন?” তিনি ইশারায় ইতিবাচক জবাব দিলেন।” আসমা বিনতু আবী বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা বলেন, “অতঃপর আমিও সালাতে দাঁড়িয়ে যাই এবং এতো দীর্ঘ কিয়াম করি যে, সঙ্গাহীন অবস্থা আমাকে আচ্ছন্ন করে ফেলে। অতঃপর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম যখন সালাত শেষ করেন, তখন তিনি আল্লাহর প্রশংসা ও গুণ-কীর্তন করেন। তারপর তিনি বলেন, “যেসব জিনিস আমাকে ইতিপূর্বে দেখানো হয়নি, তা আমাকে এই জায়গায় দেখানো হয়েছে। এমনকি জান্নাত ও জাহান্নামও দেখানো হয়েছে। আমার কাছে অহী করা হয়েছে যে, নিশ্চয়ই তোমাদেরকে কবরে দাজ্জালের ফিতনার মতো অথবা দাজ্জালের ফিতনার কাছাকাছি ফিতনায় তোমাদেরকে পরীক্ষা করা হবে -অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ যে, আসমা বিনতু আবী বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কোন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন-। তোমাদেরকে আনা হবে, অতঃপর বলা হবে, “এই ব্যক্তি সম্পর্কে তুমি কী জেনেছো?” অতঃপর মুমিন অথবা দৃঢ় বিশ্বাসী ব্যক্তি -অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ যে, আসমা বিনতু আবী বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কোন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন- বলবেন, “তিনি মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম। তিনি আমাদের কাছে হিদায়েত ও সুস্পষ্ট নিদর্শনাবলী নিয়ে এসেছিলেন, অতঃপর আমরা তাঁর ডাকে সাড়া দিয়েছি, তাঁর প্রতি ঈমান আনয়ন করেছি এবং তাকে অনুসরণ করেছি।” তখন তাকে বলা হবে, “আপনি শান্তিতে ঘুমান। আমরা জানতাম যে, আপনি মুমিন ছিলেন।”
পক্ষান্তরে মুনাফিক অথবা সংশয়বাদী হলে, -অধঃস্তন রাবীর সন্দেহ যে, আসমা বিনতু আবী বকর রাদ্বিয়াল্লাহু আনহা কোন শব্দে হাদীসটি বর্ণনা করেছেন- সে বলবে, “আমি জানি না। আমি লোকদেরকে একটি কথা শুনেছি, অতঃপর আমিও সেটাই বলেছি।”[1]
ذِكْرُ الْإِخْبَارِ بِأَنَّ الْمَرْءَ يُفتن فِي قَبْرِهِ مُسْلِمًا كَانَ أَوْ كَافِرًا
3104 - أَخْبَرَنَا عُمَرُ بْنُ سَعِيدِ بْنِ سِنَانٍ الطَّائِيُّ قَالَ: أَخْبَرَنَا أَحْمَدُ بْنُ أَبِي بَكْرٍ عَنْ مَالِكٍ عَنْ هِشَامِ بْنِ عُرْوَةَ عَنْ فَاطِمَةَ بِنْتِ الْمُنْذِرِ عَنْ أَسْمَاءَ بِنْتِ أَبِي بَكْرٍ أَنَّهَا قَالَتْ: أَتَيْتُ عَائِشَةَ حِينَ خَسَفَتِ الشَّمْسُ فَإِذَا النَّاسُ قِيَامٌ يُصَلُّونَ وَإِذَا هِيَ قَائِمَةٌ تُصَلِّي فَقُلْتُ: مَا لِلنَّاسِ؟ فَأَشَارَتْ بِيَدِهَا إِلَى السَّمَاءِ وَقَالَتْ: سُبْحَانَ اللَّهِ فَقُلْتُ: آيَةٌ؟ فَأَشَارَتْ: أَيْ نَعَمْ قَالَتْ: فَقُمْتُ حَتَّى تَجَلَّانِي الْغَشْيُ فَجَعَلْتُ أصُبُّ الْمَاءَ فَوْقَ رَأْسِي فَلَمَّا انْصَرَفَ رسول الله حمد اللَّهِ وَأَثْنَى عَلَيْهِ ثُمَّ قَالَ: (مَا مِنْ شَيْءٍ كُنْتُ لَمْ أَرَهُ إِلَّا قَدْ رَأَيْتُهُ فِي مَقَامِي هَذَا حَتَّى الْجَنَّةَ وَالنَّارَ وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيَّ أَنَّكُمْ تُفْتَنُونَ فِي الْقُبُورِ مثلَ ـ أَوْ قَرِيبًا ـ مِنْ فِتْنَةِ الدَّجَّالِ - لَا أَدْرِي أَيَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ - يُؤْتَى أَحَدُكُمْ فَيُقَالُ لَهُ: مَا عِلْمُكَ بِهَذَا الرَّجُلِ فَأَمَّا الْمُؤْمِنُ ـ أَوِ الْمُوقِنُ - فَلَا أَدْرِي أَيَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ - فَيَقُولُ: مُحَمَّدٌ رَسُولُ اللَّهِ جَاءَنَا بِالْبَيِّنَاتِ وَالْهُدَى فَأَجَبْنَا وَآمَنَّا وَاتَّبَعْنَا فَيُقَالُ لَهُ: نَمْ صَالِحًا قَدْ عَلِمْنَا إِنْ كُنْتَ لَمُؤْمِنًا وَأَمَّا الْمُنَافِقُ ـ أَوِ الْمُرْتَابُ - لَا أَدْرِي أَيَّ ذَلِكَ قَالَتْ أَسْمَاءُ - فَيَقُولُ: لَا أَدْرِي سَمِعْتُ النَّاسَ يقولون شيئاً فَقُلْتُهُ) الراوي : أَسْمَاء بِنْت أَبِي بَكْرٍ | المحدث : العلامة ناصر الدين الألباني | المصدر : التعليقات الحسان على صحيح ابن حبان الصفحة أو الرقم: 3104 | خلاصة حكم المحدث: صحيح: ق.