ইমেইল পাঠাতে লগইন করুন

স্পাম প্রতিরোধে এই ফিচারটি শুধুমাত্র লগইনকৃত ব্যবহারকারীদের জন্য।

লগইন সাইনআপ
১৯৭৩

পরিচ্ছেদঃ

১৯৭৩। কিয়ামতের দিন পুলসিরাতের উপর মুসলিমদের নিশান হবেঃ হে প্রতিপালক শান্তি দাও, হে প্রতিপালক শান্তি দাও।

হাদীসটি দুর্বল।

এটিকে তিরমিযী (২/৭০), হাকিম (২/৩৭৫), আব্দু ইবনু হুমায়েদ "আলমুন্তাখাব মিনাল মুসনাদ" গ্রন্থে (১/৫০) ও হারবী “আলগারীব” গ্রন্থে (৫/৩০/১) আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক হতে, তিনি নুমান ইবনু সা’দ হতে, তিনি মুগীরাহ (রাঃ) হতে মারফু’ হিসেবে বর্ণনা করেছেন।

তিরমিযী বলেনঃ হাদীসটি গারীব এটিকে আমরা একমাত্র আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাকের হাদীস হতেই চিনি।

এ সূত্রেই ইবনু আদী (১/২৩৪), ওকাইলী “আযযুয়াফা” গ্রন্থে (২২৯) হাদীসটিকে বর্ণনা করেছেন এবং তিনি ইবনু মাঈন এবং আহমাদের উদ্ধৃতিতে এ আব্দুর রহমানের দুর্বল হওয়ার বিষয়টিও বর্ণনা করেছেন। তিনি হচ্ছেন আবু শাইবাহ অসেতী । অতঃপর তিনি বলেছেনঃ হাদীসটির অন্য একটি দুর্বল সূত্র রয়েছে।

আমি (আলবানী) বলছিঃ সম্ভবত তিনি এর দ্বারা পূর্বোক্ত হাদীসটির সনদকে বুঝিয়েছেন। আর হাকিম বলেছেনঃ সনদটি মুসলিমের শর্তানুযায়ী সহীহ আর হাফিয যাহাবীও তার সাথে ঐকমত্য পোষণ করেছেন। তাদের দু’জন হতে এটা ধারণামূলক কথা। কারণ (মুসলিমের) সনদের বর্ণনাকারী হচ্ছেন আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক কুরাশী। আর কুরাশী নির্ভরযোগ্য ইমাম মুসলিমের বর্ণনাকারীদের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু এ সনদে বর্ণিত আব্দুর রহমান দ্বারা কুরাশীকে বুঝানো সন্দেহমূলকভাবে ঘটেছে কোন কপিকারকের পক্ষ থেকে, অথবা কোন বর্ণনাকারীর পক্ষ থেকে। কারণ যিনি নুমান ইবনু সা’দ হতে বর্ণনা করেছেন তিনি হচ্ছেন প্রথমজন অর্থাৎ আবু শাইবাহ অসেতী আর তিনি হচ্ছেন আনসারী (ইমাম মুসলিমের বর্ণনাকারী কুরাশী নন)।

এ ছাড়াও নুমান ইবনু সা’দ হচ্ছেন মাজহুল (অপরিচিত), তার থেকে ইমাম মুসলিম আসলেই বর্ণনা করেননি। তিরমিযী ছাড়া ছয়টি হাদীস গ্রন্থের কেউ এর থেকে বর্ণনা করেননি। আর হাফিয যাহাবী নিজেই বলেছেনঃ তার থেকে আব্দুর রহমান ইবনু ইসহাক ছাড়া কেউ বর্ণনা করেননি। তিনি দুর্বলদের একজন।

আমি (আলবানী) বলছিঃ সঠিক জ্ঞান অর্জনের লক্ষ্যে হাফিয যাহাবীর স্ববিরোধী কথা চিন্তা করে দেখুন, যাতে করে অন্ধ অনুসরণ করা হতে রক্ষা পান।

মোটকথাঃ হাদীসটি পূর্বেরটির ন্যায় দুর্বল যদিও উভয়টির মাঝে পার্থক্য রয়েছে। হ্যাঁ, সহীহ মুসলিমের মধ্যে হুযাইফাহ ইবনুল ইয়ামান (রাঃ) হতে মারফু হিসেবে শাফায়াতের হাদীসের মধ্যে সাব্যস্ত হয়েছেঃ “আর তোমাদের নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পুলসিরাতের উপর দাঁড়িয়ে বলবেনঃ হে রব্ব! শান্তি নাযিল কর শান্তি, নাযিল কর ...।”

شعار المسلمين يوم القيامة على الصراط: رب سلم، رب سلم ضعيف - رواه الترمذي (2 / 70) والحاكم (2 / 375) وعبد بن حميد في " المنتخب من المسند " (50 / 1) والحربي في " الغريب " (5 / 30 / 1) عن عبد الرحمن ابن إسحاق عن النعمان بن سعد عن المغيرة مرفوعا. قال الترمذي: " حديث غريب لا نعرفه إلا من حديث عبد الرحمن بن إسحاق ". ومن هذا الوجه رواه ابن عدي (234 / 1) والعقيلي في " الضعفاء " (229) وروى تضعيف عبد الرحمن هذا، وهو أبو شيبة الواسطي عن ابن معين وأحمد، ثم قال: " والحديث فيه رواية من وجه لين ". قلت: كأنه يعني الذي قبله، وأما الحاكم فقال: " صحيح على شرط مسلم ". ووافقه الذهبي. وهو وهم منهما سببه أنه وقع في إسناده " عبد الرحمن بن إسحاق القرشي ". والقرشي هذا ثقة من رجال مسلم، لكن وصفه بذلك في الإسناد وهم من الناسخ أوبعض الرواة، لأن الذي يروي عن النعمان بن سعد إنما هو الأول أبو شيبة الواسطي، وهو أنصاري. ثم إن النعمان بن سعد مجهول لم يروله مسلم أصلا، ولا أحد من الستة سوى الترمذي، وقال الذهبي: " ما روى عنه سوى عبد الرحمن بن إسحاق أحد الضعفاء ". قلت: فتأمل مبلغ تناقض الذهبي! لتحرص على العلم الصحيح، وتنجومن تقليد الرجال. وخلاصة القول أن الحديث ضعيف كالذي قبله، على الاختلاف الذي بينهما. نعم، ثبت في " صحيح مسلم " عن حذيفة بن اليمان مرفوعا في حديث الشفاعة: " ونبيكم قائم على الصراط يقول: رب سلم سلم ... ". فهو من دعائه صلى الله عليه وسلم يومئذ


হাদিসের মানঃ যঈফ (Dai'f)
পুনঃনিরীক্ষণঃ